(খণ্ড: ১)
মুলাখখাসু তাবাকাতিল মুদাল্লিসীন - জিমনা আসারুল মুআল্লিমি
(পৃষ্ঠা: -)
ملخص طبقات المدلسين - ضمن «آثار المعلمي» القسم: التراجم والطبقات
الكتاب: ملخص طبقات المدلسين
[آثار عبد الرحمن بن يحيى المعلمي اليماني (15)]
المؤلف: عبد الرحمن بن يحيى المُعَلِّمي اليماني (1313 - 1386 هـ)
المحقق: علي بن محمد العمران
راجعه: محمد أجمل الإصلاحي - عادل بن عبد الشكور الزرقي
الناشر: دار عالم الفوائد للنشر والتوزيع
الطبعة: الأولى، 1434 هـ
قدمه للشاملة: مؤسسة «عطاءات العلم»، جزاهم الله خيرا
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 10 شوّال 1442
মুদাল্লিসগণের স্তরসমূহের সারসংক্ষেপ - ‘আসারুল মুয়াল্লিমী’-এর অন্তর্ভুক্ত বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ
গ্রন্থ: মুদাল্লিসগণের স্তরসমূহের সারসংক্ষেপ
[আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমী আল-ইয়ামানীর রচনাসমগ্র (১৫)]
লেখক: আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমী আল-ইয়ামানী (১৩১৩ - ১৩৮৬ হিজরি)
তাহকীককারী: আলী বিন মুহাম্মদ আল-উমরান
পর্যবেক্ষণ: মুহাম্মদ আজমাল আল-ইসলাহী - আদিল বিন আব্দুশ শাকুর আল-জুরকী
প্রকাশক: দার আলামুল ফাওয়াইদ প্রকাশনী
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩৪ হিজরি
শামেলায় পেশ করেছে: ‘আতাআতুল ইলম’ সংস্থা, আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দিন
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ১০ শাওয়াল ১৪৪২
(খণ্ড: ١٥)
মুলাখখাসু তাবাকাতিল মুদাল্লিসীন - জিমনা আসারুল মুআল্লিমি
(পৃষ্ঠা: ২৫৯)
الرسالة العاشرة
مُلَخّص طبقات المُدلِّسين
দশম পত্র
মুদাল্লিসগণের স্তরবিন্যাসের সারসংক্ষেপ
(খণ্ড: ١٥)
মুলাখখাসু তাবাকাতিল মুদাল্লিসীন - জিমনা আসারুল মুআল্লিমি
(পৃষ্ঠা: ২৬১)
الحمد لله
ملخَّص من «طبقات المدلسين» للحافظ
أ) من لم يوصف بالتدليس إلا نادرًا (1):
1 - أبو نعيم الأصبهاني: يطلق في الإجازة «أخبرنا».
2 - أحمد بن محمد بن إبراهيم بن حازم السمرقندي، أبو يحيى الكرابيسي: يدلس عن محمد بن نصر الإجازة.
3 - أحمد بن محمد بن يحيي بن حمزة الدمشقي القاضي: يدلس عن أبيه بالإجازة.
4 - (خ 4) إسحاق بن راشد الجَزَري: يقول في الوجادة: «حدثنا».
5 - (ع) أيوب السِّخْتياني: يدلِّس عن أنس بالعنعنة
(2).
6 - [خ م س] أيوب بن النجَّار اليمامي: صح أنه قال لم أسمع من يحيي بن أبي كثير إلا حديثًا واحدًا، وقد روى عنه أكثر من حديث.
7 - (ع) جَرير بن حازم: ممن وصفه بالتدليس يحيى الحِمَّاني في حديثه عن أبي حازم عن سهل بن سعد في صفة صلاة النبي صلى الله عليه وسلم.
8 - (م 4) الحسين بن واقد المروزي: ثقة، وصفه الدارقطني وأبو يعلى الخليلي بالتدليس.
9 - [ص 108] (م 4) حفص بن غِياث: وصفه أحمد والدارقطني.
--------------------------------------------
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য
হাফিজ [ইবনে হাজার] রচিত ‘তাবাকাতুল মুদাল্লিসীন’-এর সারসংক্ষেপ
ক) যাদেরকে খুব সামান্যই তাদলীসের বিশেষণে বিশেষিত করা হয়েছে (১):
১ - আবু নুয়াইম আল-আসবাহানি: তিনি ইজাযতের (অনুমতি) ক্ষেত্রে ‘আখবারানা’ (আমাদের সংবাদ দিয়েছেন) শব্দ ব্যবহার করেন।
২ - আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন হাযেম আস-সামারকান্দি, আবু ইয়াহইয়া আল-কারাবিসি: তিনি মুহাম্মদ বিন নাসর থেকে ইজাযতের মাধ্যমে তাদলীস করেন।
৩ - আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন হামযাহ আদ-দিমাশকি আল-কাদি: তিনি তার পিতা থেকে ইজাযতের মাধ্যমে তাদলীস করেন।
৪ - (খা ৪) ইসহাক বিন রাশিদ আল-জাযারি: তিনি উইজাদাহ (লিখিত পাণ্ডুলিপি প্রাপ্তি)-র ক্ষেত্রে ‘হাদ্দাসানা’ (আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন) বলেন।
৫ - (আইন) আইয়ুব আস-সিখতিয়ানি: তিনি আনাস (রা.) থেকে ‘আন’ (সূত্র) ব্যবহারের মাধ্যমে তাদলীস করেন
(২)।
৬ - [খা মা সা] আইয়ুব বিন আন-নাজ্জার আল-ইয়ামামি: এটি বিশুদ্ধভাবে প্রমাণিত যে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি ইয়াহইয়া বিন আবি কাসির থেকে একটি ব্যতীত আর কোনো হাদিস শুনিনি’, অথচ তিনি তাঁর থেকে একের অধিক হাদিস বর্ণনা করেছেন।
৭ - (আইন) জারীর বিন হাযেম: ইয়াহইয়া আল-হিমমানি তাঁকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সালাতের পদ্ধতি বর্ণনায় আবু হাযেম থেকে এবং তিনি সাহল বিন সা’দ থেকে বর্ণিত হাদিসের ক্ষেত্রে তাদলীসের বিশেষণে বিশেষিত করেছেন।
৮ - (মি ৪) আল-হুসাইন বিন ওয়াকিদ আল-মারওয়াযি: তিনি সিকাহ (নির্ভরযোগ্য), আদ-দারা কুতনি এবং আবু ইয়ালা আল-খালিলি তাঁকে তাদলীসের বিশেষণে বিশেষিত করেছেন।
৯ - [পৃষ্ঠা ১০৮] (মি ৪) হাফস বিন গিয়াস: ইমাম আহমাদ এবং আদ-দারা কুতনি তাঁকে তাদলীসের বিশেষণে বিশেষিত করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٥)
মুলাখখাসু তাবাকাতিল মুদাল্লিসীন - জিমনা আসারুল মুআল্লিমি
(পৃষ্ঠা: ২৬২)
10 - (ع) خالد بن مِهْران الحذَّاء: روى عن عِراك بن مالك حديثًا سمعه من خالد بن أبي الصلت عنه في استقبال القبلة في البول.
11 - (ع) زيد بن أسلم: روى عن ابن عمر في «رد السلام بالإشارة» قال ابن عيينة
(1): قلت لإنسان: سله أسمعه من ابن عمر؟ فسأله، فقال أما أنا فكلَّمني وكلّمته، أخرجه البيهقي
(2).
وفي هذا الجواب إشعار بأنه لم يسمع هذا بخصوصه منه، مع أنه مكثر عنه، فيكون قد دلسه.
12 - (س) سلمة بن تمام الشَّقَرِي: ذكر ابن أبي حاتم ما يدل أنه كان يدلس.
13 - (د س ق) شِبَاك الضبِّي، صاحب إبراهيم النخعي: وصفه الدارقطني والحاكم.
14 - (ع) طاوس: يدلس عن ابن عباس، وروى عن عائشة، وقد قال ابن معين: لا أراه سمع منها، وقال أبو داود لا أعلمه سمع منها.
15 - [ص 109] (ع) أبو قِلابة الجَرْمي: وصفه الذهبي والعلائي.
16 - (م 4) عبد الله بن عطاء الطائفي: قضيته في التدليس مشهورة
(3)، رواها شعبة عن أبي إسحاق السَّبيعي.
--------------------------------------------
১০ - (আইন) খালিদ বিন মিহরান আল-হায্যা: তিনি ইরাক বিন মালিক থেকে এমন একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন যা তিনি খালিদ বিন আবিল সালত-এর নিকট থেকে তাঁর (ইরাক) সূত্রে পেশাবের সময় কিবলার দিকে মুখ করা সম্পর্কে শুনেছেন।
১১ - (আইন) যায়দ বিন আসলাম: তিনি ইবনে উমর থেকে ‘ইশারার মাধ্যমে সালামের উত্তর দেওয়া’ প্রসঙ্গে বর্ণনা করেছেন। ইবনে উয়াইনা বলেন
(১): আমি এক ব্যক্তিকে বললাম, তাকে জিজ্ঞাসা করো তিনি কি এটি ইবনে উমর থেকে শুনেছেন? অতঃপর সে তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, ‘আমার কথা যদি বলো, তবে তিনি আমার সাথে কথা বলেছেন এবং আমিও তাঁর সাথে কথা বলেছি’। এটি বায়হাকী বর্ণনা করেছেন
(২)।
আর এই উত্তরের মধ্যে এই ইঙ্গিত রয়েছে যে, তিনি নির্দিষ্টভাবে এটি তাঁর নিকট থেকে শোনেননি, যদিও তিনি তাঁর থেকে অধিক বর্ণনা করে থাকেন; ফলে তিনি এতে তাদলিস করেছেন।
১২ - (সীন) সালামাহ বিন তামাম আল-শাকারু: ইবনে আবী হাতিম এমন কিছু উল্লেখ করেছেন যা প্রমাণ করে যে তিনি তাদলিস করতেন।
১৩ - (দাল সীন কফ) শিবাক আদ-দাব্বী, ইবরাহীম আন-নাখায়ীর সঙ্গী: আদ-দারাকুতনী এবং আল-হাকিম তাঁকে (তাদলিসকারী হিসেবে) বর্ণনা করেছেন।
১৪ - (আইন) তাউস: তিনি ইবনে আব্বাস থেকে তাদলিস করতেন। তিনি আয়েশা থেকেও বর্ণনা করেছেন, তবে ইবনে মাঈন বলেছেন: আমার মনে হয় না তিনি তাঁর থেকে কিছু শুনেছেন। আবু দাউদ বলেছেন: তিনি তাঁর থেকে শুনেছেন বলে আমার জানা নেই।
১৫ - [পৃষ্ঠা ১০৯] (আইন) আবু কিলাবাহ আল-জারমী: আয-যাহাবী এবং আল-আলাঈ তাঁকে (তাদলিসকারী হিসেবে) বর্ণনা করেছেন।
১৬ - (মীম ৪) আব্দুল্লাহ বিন আতা আত-তায়েফী: তাদলিসের ক্ষেত্রে তাঁর বিষয়টি প্রসিদ্ধ
(৩), যা শু’বা আবু ইসহাক আস-সাবিয়ী থেকে বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٥)
মুলাখখাসু তাবাকাতিল মুদাল্লিসীন - জিমনা আসারুল মুআল্লিমি
(পৃষ্ঠা: ২৬৩)
17 - (ع) ابن وهب: وصفه ابن سعد في «الطبقات»
(1).
18 - (خ م د س ق) عبد ربه بن نافع أبو شهاب الحَنّاط: أشار الخطيب في مقدمة «تاريخه»
(2) إلى أنه دلس حديثًا.
19 - الدارقطني: قال أبو الفضل بن طاهر: كان يقول: «قُرئ على أبي القاسم البغوي: حدثكم فلان»، فيوهم أنه سمع منه، لكن لا يقول: وأنا أسمع.
20 - (ع) عَمْرو بن دينار: أشار الحاكم في «علوم الحديث»
(3) إلى أنه كان يدلس.
21 - (ع) الفضل بن دُكَين أبو نعيم: وصفه أحمد بن صالح المصري.
22 - (ع) مالك: كان يسوّي.
23 - (ق س) البخاري: في قوله: «قال فلان»
(4).
24 - محمد بن عِمران بن موسى المَرْزباني: الكاتب الأخباري كان يطلق التحديث والإخبار في الإجازة. ذكر ذلك الخطيب وغيره.
--------------------------------------------
১৭ - (আ) ইবনে ওয়াহাব: ইবনে সাদ তাকে 'আত-তাবাকাত'-এ বর্ণনা করেছেন।
(১)১৮ - (খা মি দা সা ক্বা) আবদ রাব্বিহি ইবনে নাফি আবু শিহাব আল-হান্নাত: আল-খতিব তার 'তারিখ'-এর ভূমিকায়
(২) ইঙ্গিত করেছেন যে তিনি একটি হাদিসে তাদলিস করেছেন।
১৯ - আদ-দারা কুতনি: আবুল ফজল ইবনে তাহের বলেছেন: তিনি বলতেন: "আবুল কাসিম আল-বাগাওয়ির সামনে পাঠ করা হয়েছে: অমুক আপনাদের নিকট বর্ণনা করেছেন", এতে এমন বিভ্রম সৃষ্টি হয় যে তিনি তার থেকে শুনেছেন, কিন্তু তিনি "আমি শুনছিলাম" বলতেন না।
২০ - (আ) আমর ইবনে দিনার: আল-হাকিম 'উলুমুল হাদিস'-এ
(৩) ইঙ্গিত করেছেন যে তিনি তাদলিস করতেন।
২১ - (আ) আল-ফজল ইবনে দুকাইন আবু নুয়াইম: আহমাদ ইবনে সালিহ আল-মিসরি তাকে বর্ণনা করেছেন।
২২ - (আ) মালিক: তিনি তাসবিয়া (এক প্রকার তাদলিস) করতেন।
২৩ - (ক্বা সা) আল-বুখারি: তার উক্তি "অমুক বলেছেন"-এর ক্ষেত্রে।
(৪)২৪ - মুহাম্মাদ ইবনে ইমরান ইবনে মুসা আল-মারযুবানি: লেখক ও ইতিহাসবিদ, তিনি ইজাযতের ক্ষেত্রে 'তহাদ্দিস' ও 'ইখবার' শব্দগুলো অবাধে ব্যবহার করতেন। আল-খতিব এবং অন্যান্যরা তা উল্লেখ করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٥)
মুলাখখাসু তাবাকাতিল মুদাল্লিসীন - জিমনা আসারুল মুআল্লিমি
(পৃষ্ঠা: ২৬৪)
25 - [ص 110] (ت ق) محمد بن يزيد بن خُنَيس العابد: قال ابن حبان: يعتبر حديثه إذا بيَّن السماعَ في روايته.
26 - محمد بن يوسف بن مَسْدي الحافظ الأندلسي: نزيل مكة في المائة السابعة، كان يدلس الإجازة، وله معجم مشهور مات بمكة سنة (663).
27 - (بخ
(1) م د س) مَخْرمة بن بُكَير: يدلس عن أبيه، انظر ترجمته.
28 - (ت) مسلم صاحب «الصحيح»: قال ابن منده: كان يقول في ما لم يسمعه من مشايخه: «قال لنا فلان» وهو تدليس، وردَّ ذلك شيخنا أبو الفضل بن الحسين
(2)، وهو كما قال.
29 - (ع) موسى بن عقبة المدني: وصفه الدارقطني، أشار إلى ذلك الإسماعيلي.
30 - (ع) هشام بن عروة: في الحكاية المشهورة أنه قدم العراق
… الخ
(3).
31 - (ع) لاحق بن حُمَيد أبو مِجْلَز: أشار ابن أبي خيثمة عن ابن معين أنه كان يدلس، وجزم بذلك الدارقطني.
32 - [ص 111] (ع) يحيي بن سعيد الأنصاري: وصفه ابن المديني والدارقطني.
--------------------------------------------
২৫ - [পৃষ্ঠা ১১০] (তিরমিযি, ইবনে মাজাহ) মুহাম্মদ বিন ইয়াযিদ বিন খুনাইস আল-আবিদ: ইবনে হিব্বান বলেছেন: তার হাদিস গ্রহণযোগ্য বিবেচিত হবে যখন তিনি তার বর্ণনায় সরাসরি শোনার কথা (সামা') স্পষ্ট করবেন।
২৬ - মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন মাসদি আল-হাফিয আল-আন্দালুসি: সপ্তম শতাব্দীতে মক্কায় বসবাসকারী, তিনি ইজাযতের ক্ষেত্রে তাদলিস করতেন, তার একটি প্রসিদ্ধ মু'জাম রয়েছে, তিনি ৬৬৩ হিজরিতে মক্কায় মৃত্যুবরণ করেন।
২৭ - (বুখারি-তালিকান
(১) মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ) মাখরামা বিন বুকাইর: তিনি তার পিতার সূত্রে তাদলিস করেন, তার জীবনী দেখুন।
২৮ - (তিরমিযি) মুসলিম, ‘সহীহ’ গ্রন্থের সংকলক: ইবনে মানদাহ বলেছেন: তিনি তার শাইখদের থেকে যা সরাসরি শোনেননি সে সম্পর্কে বলতেন: "অমুক আমাদের বলেছেন", আর এটি হলো তাদলিস। আমাদের শাইখ আবুল ফজল বিন আল-হুসাইন
(২) এটি খণ্ডন করেছেন, এবং বিষয়টি তেমনই যেমনটি তিনি (শাইখ) বলেছেন।
২৯ - (ছয় কিতাব) মুসা বিন উকবা আল-মাদানি: দারাকুতনি তাকে (তাদলিসকারী হিসেবে) বর্ণনা করেছেন, আল-ইসমাঈলি সেদিকে ইঙ্গিত করেছেন।
৩০ - (ছয় কিতাব) হিশাম বিন উরওয়াহ: প্রসিদ্ধ কাহিনীতে রয়েছে যে তিনি ইরাকে এসেছিলেন... ইত্যাদি
(৩)।
৩১ - (ছয় কিতাব) লাহিক বিন হুমাইদ আবু মিজলায: ইবনে আবি খাইসামা ইবনে মাঈন থেকে ইঙ্গিত করেছেন যে তিনি তাদলিস করতেন, এবং দারাকুতনি তা নিশ্চিতভাবে বর্ণনা করেছেন।
৩২ - [পৃষ্ঠা ১১১] (ছয় কিতাব) ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-আনসারি: ইবনুল মাদিনি এবং দারাকুতনি তাকে (তাদলিসকারী হিসেবে) বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٥)
মুলাখখাসু তাবাকাতিল মুদাল্লিসীন - জিমনা আসারুল মুআল্লিমি
(পৃষ্ঠা: ২৬৫)
33 - (ع) يزيد بن هارون: قال: ما دلست إلا في حديث واحد فما بورك فيه.
ب) من احتمل الأئمة تدليسه لإمامته، أو لأنه كان لا يروي إلا عن ثقة (1):
34 - إبراهيم بن سليمان الأفطس الدمشقي: عن مكحول وغيره، وعنه يحيي بن حمزة وجماعة. قال أبو حاتم: لا بأس به ، وأشار البخاري إلى أنه كان يدلس.
35 - (ع) إبراهيم النخعي: وصفه الحاكم
(2). وقال أبو حاتم: لم يلق أحدًا من الصحابة، إلا عائشة رضي الله عنها، ولم يسمع منها
(3).
36 - (ع) إسماعيل بن أبي خالد: وصفه النسائي.
37 - (خت
(4) 4) أشعث بن عبد الملك الحُمْراني: قال معاذ: سمعته يقول: كلّ شيء حدّثتكم عن الحسن سمعته منه إلا ثلاثة أحاديث: حديث «الذي يركع دون الصف»، وحديث «عدة الحائض» ، وحديث «علي في الخلاص».
38 - [ص 112] (م 4) بشير بن المهاجر الغَنَوي: قال ابن حبان في «الثقات»
(5): كان يدلس.
--------------------------------------------
৩৩ - (আ) ইয়াযীদ ইবন হারুন: তিনি বলেন: আমি কেবল একটি হাদিস ছাড়া অন্য কিছুতে তাদলীস করিনি, আর তাতে কোনো বরকত দেওয়া হয়নি।
খ) যাদের তাদলীস ইমামগণ তাদের ইমামত (নেতৃত্ব) অথবা তারা কেবল নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি থেকেই বর্ণনা করতেন বলে গ্রহণ করেছেন (১):
৩৪ - ইব্রাহিম ইবন সুলাইমান আল-আফতাস আদ-দিমাশকি: মাকহুল ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং তার থেকে ইয়াহইয়া ইবন হামজাহ ও একদল লোক বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেন: তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই, আর বুখারি ইশারা করেছেন যে তিনি তাদলীস করতেন।
৩৫ - (আ) ইব্রাহিম আন-নাখায়ি: হাকিম তাকে (তাদলীসকারী হিসেবে) উল্লেখ করেছেন
(২)। আবু হাতিম বলেন: তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) ছাড়া অন্য কোনো সাহাবীর সাথে সাক্ষাৎ করেননি এবং তার থেকেও কোনো হাদিস শোনেননি
(৩)।
৩৬ - (আ) ইসমাইল ইবন আবি খালিদ: নাসাঈ তাকে (তাদলীসকারী হিসেবে) উল্লেখ করেছেন।
৩৭ - (খত
(৪) ৪) আশআস ইবন আব্দুল মালিক আল-হুমরানি: মুআয বলেন: আমি তাকে বলতে শুনেছি: হাসান (বসরি) থেকে আমি তোমাদের কাছে যা বর্ণনা করেছি তা সবই আমি সরাসরি তার থেকে শুনেছি, কেবল তিনটি হাদিস ছাড়া: ‘যে ব্যক্তি কাতারের পিছনে (একা) রুকু করে’ সংক্রান্ত হাদিস, ‘ঋতুবতী মহিলার ইদ্দত’ সংক্রান্ত হাদিস এবং ‘খালাস (মুক্তি) বিষয়ে আলী’ সংক্রান্ত হাদিস।
৩৮ - [পৃষ্ঠা ১১২] (ম ৪) বাশীর ইবন আল-মুহাজির আল-গানাওয়ি: ইবন হিব্বান ‘আস-সিকাত’ গ্রন্থে বলেছেন
(৫): তিনি তাদলীস করতেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٥)
মুলাখখাসু তাবাকাতিল মুদাল্লিসীন - জিমনা আসারুল মুআল্লিমি
(পৃষ্ঠা: ২৬৬)
39 - (م 4
(1)) جُبير بن نُفير: قال الذهبي في «طبقات الحفاظ»
(2): ربما دلَّس عن كبار الصحابة.
40 - (ع) الحسن البصري: وصفه بتدليس الإسناد النسائيُّ وغيره.
41 - الحسن بن التميمي أبو علي المُذْهب: راوي «مسند أحمد» عن القَطيعي. فيه نظر ، انظر «الميزان»
(3).
42 - (ع) الحسن بن مسعود أبو علي الدمشقي ابن الوزير: محدِّث مكثر، مذكور بالحفظ، وصفه ابن عساكر بالتدليس، وقال: مات سنة (543).
43 - (ع) الحَكَم بن عُتَيبة: وصفه النسائي، وحكاه السُّلمي عن الدارقطني.
44 - (ع) حماد بن أسامة أبو أسامة: قال المُعَيطي
(4): كان كثير التدليس ثم رجع عنه.
وقال ابن سعد: كان كثير الحديث، ويدلّس ويبين تدليسه.
45 - (م 4
(5)) حماد بن أبي سليمان: ذكر الشافعي أن شعبة حدث بحديث عن حماد عن إبراهيم قال: فقلت لحماد: سمعته من إبراهيم؟ قال: لا، أخبرني به مغيرة بن مِقْسَم عنه.
--------------------------------------------
৩৯ - (ম ৪
(১)) জুবাইর ইবনে নুফাইর: আয-যাহাবি ‘তাবাকাতুল হুফফাজ’-এ
(২) বলেছেন: সম্ভবত তিনি প্রবীণ সাহাবিদের থেকে তাদলীস করেছেন।
৪০ - (আইন) আল-হাসান আল-বাসরি: আন-নাসায়ী এবং অন্যরা তাঁকে তাদলীসুল ইসনাদ দ্বারা অভিযুক্ত করেছেন।
৪১ - আল-হাসান ইবনে আত-তামীমি আবু আলী আল-মুযহিব: আল-কাতীঈ-এর সূত্রে ‘মুসনাদে আহমাদ’-এর বর্ণনাকারী। তাঁর ব্যাপারে আপত্তি আছে, দেখুন ‘আল-মিযান’
(৩)।
৪২ - (আইন) আল-হাসান ইবনে মাসউদ আবু আলী আদ-দিমাশকি ইবনুল ওয়াযীর: প্রচুর হাদিস বর্ণনাকারী, হাফেজ হিসেবে পরিচিত, ইবনে আসাকির তাঁকে তাদলীসের গুনে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: তিনি ৫৪৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
৪৩ - (আইন) আল-হাকাম ইবনে উতাইবা: আন-নাসায়ী তাঁকে বর্ণনা করেছেন এবং আস-সুলামী আদ-দারাকুতনী থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
৪৪ - (আইন) হাম্মাদ ইবনে উসামা আবু উসামা: আল-মুআইতী
(৪) বলেছেন: তিনি প্রচুর তাদলীস করতেন, অতঃপর তা থেকে ফিরে আসেন।
এবং ইবনে সা’দ বলেছেন: তিনি প্রচুর হাদিস বর্ণনাকারী ছিলেন, তিনি তাদলীস করতেন এবং তাঁর তাদলীস স্পষ্ট করে দিতেন।
৪৫ - (ম ৪
(৫)) হাম্মাদ ইবনে আবু সুলাইমান: আশ-শাফিঈ উল্লেখ করেছেন যে, শু’বা হাম্মাদ থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি (শু’বা) বলেন: আমি হাম্মাদকে বললাম: আপনি কি এটি ইবরাহিম থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন: না, মুগীরা ইবনে মিকসাম তাঁর পক্ষ থেকে আমাকে এটি জানিয়েছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٥)
মুলাখখাসু তাবাকাতিল মুদাল্লিসীন - জিমনা আসারুল মুআল্লিমি
(পৃষ্ঠা: ২৬৭)
46 - [ص 113] (ع) خالد بن معدان: قال الذهبي: كان يرسل ويدلس.
47 - (ع
(1)) زكريا بن أبي زائدة: قال أبو حاتم: كان يدلس عن الشعبي، وابن جريج. ووصفه الدارقطني بالتدليس.
«قلت
(2) وكذا أبو زرعة قال: كان يدلس كثيرًا عن الشعبي، ووصفه أيضًا أبو داود».
48 - (ع) سالم بن أبي الجعد: ذكره الذهبي في «الميزان»
(3) بذلك.
49 - (م 4) سعيد بن عبد العزيز الدمشقي: روى عن زيادة بن أبي سَوْدَة، فقال أبو الحسن بن القطَّان: لا ندري سمعه منه ، أو دلَّسه عنه.
50 - (ع) سعيد بن أبي عَرُوبة: وصفه النسائي وغيره.
51 - (ع) سفيان الثوري: وصفه النسائي وغيره، وقال البخاري: ما أقلّ تدليسه!
52 - (ع) سفيان بن عيينة: وصفه النسائي وغيره، وكان لا يدلس إلا عن ثقة، وادعى ابنُ حبان أن ذلك كان خاصًّا به.
53 - [ص 114] (خت م 4) أبو داود الطيالسي: قال يزيد بن زُرَيع: سألته عن حديثين لشعبة، فقال: لم أسمعهما منه، قال: ثم حدث بهما عن شعبة. قال الذهبي: دلَّسهما عنه، فكان ماذا؟
--------------------------------------------
৪৬ - [পৃষ্ঠা ১১৩] (আ) খালিদ বিন মাদানি: আয-যাহাবি বলেছেন: তিনি মুরসাল বর্ণনা করতেন এবং তাদलीस করতেন।
৪৭ - (আ
(১)) যাকারিয়া বিন আবি যায়িদাহ: আবু হাতিম বলেছেন: তিনি আশ-শাবি এবং ইবনে জুরাইজ থেকে তাদलीस করতেন। আদ-দারা কুতনি তাকে তাদলীসের বিশেষণে বিশেষিত করেছেন।
«আমি বলছি
(২) এবং আবু যুরআও অনুরূপ বলেছেন: তিনি আশ-শাবি থেকে অধিক পরিমাণে তাদलीस করতেন এবং আবু দাউদও তাকে এই বিশেষণে বিশেষিত করেছেন।»
৪৮ - (আ) সালিম বিন আবিল জাদ: আয-যাহাবি তাকে ‘আল-মিযান’
(৩) গ্রন্থে এই বৈশিষ্ট্যে উল্লেখ করেছেন।
৪৯ - (ম ৪) সাঈদ বিন আব্দুল আযীয আদ-দিমাশকী: তিনি যিয়াদাহ বিন আবি সাওদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, অতঃপর আবুল হাসান ইবনুল কাত্তান বলেছেন: আমরা জানি না তিনি তার থেকে শুনেছেন নাকি তার পক্ষ থেকে তাদलीस করেছেন।
৫০ - (আ) সাঈদ বিন আবি আরুবাহ: আন-নাসায়ি এবং অন্যান্যরা তাকে এই বিশেষণে বিশেষিত করেছেন।
৫১ - (আ) সুফিয়ান আস-সাওরি: আন-নাসায়ি এবং অন্যান্যরা তাকে এই বিশেষণে বিশেষিত করেছেন, এবং আল-বুখারী বলেছেন: তার তাদलीस কতই না সামান্য!
৫২ - (আ) সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ: আন-নাসায়ি এবং অন্যান্যরা তাকে এই বিশেষণে বিশেষিত করেছেন, আর তিনি নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কারো থেকে তাদलीस করতেন না। ইবনে হিব্বান দাবি করেছেন যে, এটি শুধুমাত্র তার জন্যই বৈশিষ্ট্যমন্ডিত ছিল।
৫৩ - [পৃষ্ঠা ১১৪] (খত ম ৪) আবু দাউদ আত-তায়ালিসি: ইয়াযীদ বিন যুরাই বলেছেন: আমি তাকে শু’বাহর দুটি হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি বললেন: আমি তা তার থেকে শুনিনি। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর তিনি শু’বাহর পক্ষ থেকে সেই দুটি বর্ণনা করলেন। আয-যাহাবি বলেছেন: তিনি শু’বাহ থেকে সেই দুটিতে তাদलीस করেছেন, তাতে কী হয়েছে?
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٥)
মুলাখখাসু তাবাকাতিল মুদাল্লিসীন - জিমনা আসারুল মুআল্লিমি
(পৃষ্ঠা: ২৬৮)
قلت
(1): ويحتمل أن يكون تذكرهما، وإن كان دلسهما نُظِر، فإن ذكر صيغةً محتملة فهو تدليس الإسناد، وإن ذكر صيغةً صريحة، فهو تدليس الإجازة.
54 - (ع) سليمان بن طَرْخان: وصفه النسائي.
55 - (ع) الأعمش: وصفه الكرابيسي والنسائي والدارقطني وغيرهم.
56 - (خت م 4
(2)) شَريك القاضي: كان من الأثبات، ولما ولي القضاء تغير حفظه، وكان يتبرأ من التدليس، ونَسَبه عبد الحق في «الأحكام» إلى التدليس، وسبقه إلى وصفه به الدارقطني.
57 - (4) شعيب، والد عَمْرو بن شعيب: فيه نظر
(3).
58 - [ص 115] (ع) عبد الرازق: نسبه بعضهم إلى التدليس، وقد تبرأ منه
(4) في قصته في تعلّقه بالكعبة، ويحتمل أن يكون نفى الإكثار من التدليس، بقرينة ذكره بقيَّة.
59 - (خ م د ت
(5) س) عكرمة بن خالد بن سعيد بن العاص بن هشام المخزومي: وصفه الذهبي والعلائي.
--------------------------------------------
আমি বলছি
(১): এবং সম্ভাবনা রয়েছে যে তিনি তাদের উভয়ের কথা উল্লেখ করেছেন, আর যদি তিনি তাদের থেকে তাদলীস করে থাকেন তবে তা খতিয়ে দেখা হবে। যদি তিনি এমন শব্দ ব্যবহার করেন যাতে তাদলীসের সম্ভাবনা থাকে, তবে তা ‘তাদলীসুল ইসনাদ’, আর যদি তিনি স্পষ্ট শব্দ ব্যবহার করেন, তবে তা ‘তাদলীসুল ইজাযাহ’।
৫৪ - (আইন) সুলাইমান বিন তারখান: নাসাঈ তাকে (তাদলীসকারী হিসেবে) বর্ণনা করেছেন।
৫৫ - (আইন) আল-আমাশ: কারাবিসী, নাসাঈ, দারাকুতনী এবং অন্যরা তাকে বর্ণনা করেছেন।
৫৬ - (খাত, মীম, ৪
(২)) শারীক আল-কাজী: তিনি নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, কিন্তু যখন তিনি বিচারকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন তখন তার মুখস্থ শক্তিতে পরিবর্তন ঘটে। তিনি নিজেকে তাদলীস থেকে মুক্ত দাবি করতেন, তবে আব্দুল হক ‘আল-আহকাম’ গ্রন্থে তাকে তাদলীসের দিকে নিসবত করেছেন এবং তার আগে দারাকুতনী তাকে এই বিশেষণে অভিহিত করেছেন।
৫৭ - (৪) শুআইব, আমর বিন শুআইবের পিতা: তার ব্যাপারে আপত্তি রয়েছে
(৩)।
৫৮ - [পৃষ্ঠা ১১৫] (আইন) আব্দুর রাজ্জাক: তাদের কেউ কেউ তাকে তাদলীসের দিকে নিসবত করেছেন, অথচ কাবার গিলাফ ধরে তিনি নিজেকে এর থেকে মুক্ত ঘোষণা করেছিলেন। সম্ভাবনা রয়েছে যে তিনি অধিক মাত্রায় তাদলীস করাকে অস্বীকার করেছেন, যার প্রমাণ হিসেবে বাকিয়্যাহর কথা উল্লেখ করা যেতে পারে।
৫৯ - (খা, মীম, দাল, তা
(৫), সীন) ইকরামা বিন খালিদ বিন সাঈদ বিন আস বিন হিশাম আল-মাখযূমী: যাহাবী ও আলাঈ তাকে (তাদলীসকারী হিসেবে) বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٥)
মুলাখখাসু তাবাকাতিল মুদাল্লিসীন - জিমনা আসারুল মুআল্লিমি
(পৃষ্ঠা: ২৬৯)
60 - (4) عَمرو بن شعيب: فيه نظر
(1).
61 - (ع) محمد بن خازم أبو معاوية: وصفه الدارقطني.
62 - (ق) محمد بن حمَّاد الطَّهراني: الراوي عن عبد الرزاق، أشار أبو محمد ابن حزم إلى أنه دلّس حديثًا.
63 - (ع) يحيى بن أبي كثير: وصفه النسائي. ويقال: لم يصح له سماع من صحابي.
64 - (ع) يونس بن عُبيد: وصفه النسائي، وكذا السلمي عن الدارقطني.
65 - (م س ق) يونس بن عبد الأعلى الصَّدَفي: روى عن الشافعي عن محمد بن خالد الجَنَدي: حديث أنس الذي أخرجه ابن ماجه، وأشار الذهبي إلى أن يونس سوَّاه.
66 - [ص 116] (م 4) يونس بن أبي إسحاق السبيعي: يقال: إنه روى عن الشعبي حديثًا، وهو حديثه عن الحارث عن علي رضي الله عنه حديث: أبو بكر وعمر سيدا كهول أهل الجنة، فأسقط الحارث.
ج) من أكثر من التدليس فلم يحتجّ إلا بما صرّحوا، وقَبِلهم بعضٌ مطلقًا، وردَّهم بعضٌ مطلقًا (2):
67 - [د] أحمد بن عبد الجبار العُطَاردي: تكلموا فيه. وقال ابن عدي: لا أعلم له خبرًا منكرًا، وإنما نسبوه إلى أنه لم يسمع من كثير ممن حدَّث عنهم.
--------------------------------------------
৬০ - (৪) আমর ইবনে শুআইব: তার ব্যাপারে আপত্তি আছে
(১).
৬১ - (আ) মুহাম্মদ ইবনে খাযিম আবু মুআবিয়াহ: আদ-দারা কুতনী তাকে (মুদাল্লিস হিসেবে) বর্ণনা করেছেন।
৬২ - (ক) মুহাম্মদ ইবনে হাম্মাদ আত-তেহরানী: আব্দুর রাজ্জাক থেকে বর্ণনাকারী, আবু মুহাম্মদ ইবনে হাযম ইঙ্গিত করেছেন যে তিনি একটি হাদিসে তাদলীস করেছেন।
৬৩ - (আ) ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর: আন-নাসায়ী তাকে (মুদাল্লিস হিসেবে) বর্ণনা করেছেন। এবং বলা হয়: কোনো সাহাবী থেকে তার শোনার বিষয়টি সহীহ নয়।
৬৪ - (আ) ইউনুস ইবনে উবাইদ: আন-নাসায়ী তাকে (মুদাল্লিস হিসেবে) বর্ণনা করেছেন, অনুরূপভাবে আদ-দারা কুতনী থেকে আস-সুলামীও তা বর্ণনা করেছেন।
৬৫ - (মু স ক) ইউনুস ইবনে আব্দুল আলা আস-সাদাফী: তিনি শাফেয়ী থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে খালিদ আল-জানাদী থেকে আনাস (রা.)-এর সেই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন যা ইবনে মাজাহ উদ্ধৃত করেছেন, এবং আয-যাহাবী ইঙ্গিত করেছেন যে ইউনুস একে সমান করেছেন (অর্থাৎ তাদলীসে তাসবিয়া করেছেন)।
৬৬ - [পৃষ্ঠা ১১৬] (মু ৪) ইউনুস ইবনে আবি ইসহাক আস-সাবিঈ: বলা হয়: তিনি আশ-শা’বী থেকে একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন, আর সেটি হলো আল-হারিস থেকে আলী (রা.) সূত্রে বর্ণিত হাদিস: "আবু বকর ও উমর জান্নাতের বয়স্ক ব্যক্তিদের নেতা", এতে তিনি আল-হারিসকে বাদ দিয়েছেন।
গ) যারা অধিক পরিমাণে তাদলীস করেছেন, ফলে তারা (শোনার কথা) স্পষ্ট না করা পর্যন্ত তাদের বর্ণনাকে দলীল হিসেবে গ্রহণ করা হয় না; তবে কেউ কেউ তাদের বর্ণনা নিঃশর্তভাবে কবুল করেছেন এবং কেউ কেউ নিঃশর্তভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন (২):
৬৭ - [দা] আহমদ ইবনে আব্দুল জব্বার আল-উতারিদী: তার ব্যাপারে সমালোচনা করা হয়েছে। ইবনে আদী বলেন: তার বর্ণিত কোনো মুনকার (অস্বীকৃত) বর্ণনা আমার জানা নেই, তবে তাকে এই বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত করা হয়েছে যে, তিনি যাদের থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন তাদের অনেকের কাছ থেকেই তিনি তা শোনেননি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٥)
মুলাখখাসু তাবাকাতিল মুদাল্লিসীন - জিমনা আসারুল মুআল্লিমি
(পৃষ্ঠা: ২৭০)
68 - (4) إسماعيل بن عَيَّاش أبو عتبة العَنْسي: مختلَفٌ في توثيقه، وحديثه عن الشاميين مقبول عند الأكثر، وأشار ابن معين، ثم ابن حبان في «الثقات»
(1) إلى أنه كان يدلس.
(في «تهذيب التهذيب»
(2) في ترجمته: وقال نصر بن محمد الأسدي عن (ابن معين): إذا حدَّث إسماعيل بن عياش عن الشاميين ــ وذكر الخبر ــ فحديثه مستقيم، وإذا حدَّث عن الحجازيين والعراقيين خلَّطَ ما شئت)
(3).
69 - (ع) حبيب بن أبي ثابت: يكثر التدليس، وصفه ابن خزيمة، والدارقطني وغيرهما.
70 - (خ د ت ق) الحسن بن ذكوان: مختلَف في الاحتجاج به، وله في «صحيح البخاري» حديث واحد
(4)، وأشار ابنُ صاعد إلى أنه كان مدلسًا.
71 - [ص 117] (ع) حُمَيد الطويل: كثير التدليس عن أنس، حتى قيل إن معظم حديثه عنه بواسطة ثابت وقتادة، ووصفه النسائي وغيره.
72 - (د) شعيب بن أيوب الصريفيني: وصفه ابن حبّان والدارقطني.
--------------------------------------------
৬৮ - (৪) ইসমাইল বিন আইয়াশ আবু উতবাহ আল-আনসি: তাঁর নির্ভরযোগ্যতার বিষয়ে মতভেদ রয়েছে, এবং শামবাসীদের থেকে তাঁর বর্ণিত হাদিস অধিকাংশের নিকট গ্রহণযোগ্য। ইবনে মাঈন এবং পরবর্তীতে ইবনে হিব্বান ‘আত-তিকাত’ গ্রন্থে
(১) ইঙ্গিত করেছেন যে, তিনি তাদলীস করতেন।
(‘তাহযীবুত তাহযীব’ গ্রন্থে
(২) তাঁর জীবনীতে বর্ণিত হয়েছে: নাসর বিন মুহাম্মদ আল-আসাদি (ইবনে মাঈন) থেকে বর্ণনা করেন: ইসমাইল বিন আইয়াশ যখন শামবাসীদের থেকে বর্ণনা করেন—এবং তিনি সংবাদটি উল্লেখ করেছেন—তবে তাঁর হাদিস সঠিক, আর যখন তিনি হিজাজ ও ইরাকবাসীদের থেকে বর্ণনা করেন, তখন তিনি যা ইচ্ছা গোলমাল পাকিয়ে ফেলেন)
(৩)।
৬৯ - (আইন) হাবীব বিন আবি সাবিত: তিনি প্রচুর তাদলীস করতেন; ইবনে খুজাইমা, দারাকুতনি এবং অন্যান্যরা তাঁকে এই বিশেষণে অভিহিত করেছেন।
৭০ - (খা, দাল, তা, কফ) হাসান বিন যাকওয়ান: তাঁর মাধ্যমে দলিল পেশ করার বিষয়ে মতভেদ রয়েছে। ‘সহিহ বুখারি’তে তাঁর একটি হাদিস রয়েছে
(৪)। ইবনে সায়েদ ইঙ্গিত করেছেন যে, তিনি তাদলীসকারী ছিলেন।
৭১ - [পৃষ্ঠা ১১৭] (আইন) হুমাইদ আত-তবিল: আনাস থেকে তিনি প্রচুর তাদলীস করতেন, এমনকি বলা হয় যে আনাস থেকে বর্ণিত তাঁর অধিকাংশ হাদিসই সাবিত ও কাতাদার মধ্যস্থতায় প্রাপ্ত। নাসায়ি এবং অন্যান্যরা তাঁকে এভাবেই বর্ণনা করেছেন।
৭২ - (দাল) শুআইব বিন আইয়ুব আস-সারিফিনি: ইবনে হিব্বান ও দারাকুতনি তাঁকে (তাদলীসকারী হিসেবে) বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٥)
মুলাখখাসু তাবাকাতিল মুদাল্লিসীন - জিমনা আসারুল মুআল্লিমি
(পৃষ্ঠা: ২৭১)
73 - شعيب بن عبد الله: قال علي بن المديني
… قصة فيها ذكر فرقد ونوف.
74 - (دت س) صفوان بن صالح بن دينار: وثقه أبو داود وغيره، ونُسِب إلى التسوية.
75 - (ع
(1)) طلحة بن نافع الواسطي أبو سفيان: الراوي عن جابر، معروف بالتدليس، ووصفه الدارقطني وغيره.
76 - عبد الله بن مروان أبو شيخ الحراني: روى عن زهير عن معاوية وغيره، روى عنه حسين بن منصور وإبراهيم بن الهيثم. قال ابن حبان في «الثقات»
(2): يُعتبر حديثه إذا بيَّن السماع في خبره.
77 - عبد الله بن أبي نَجِيح المكي: المفسّر عن مجاهد، وكان يدلس عنه ، وصفه بذلك النسائي.
78 - [ص 118] (بخ د س) عبد الجليل بن عطية القيسي أبو صالح البصري: وثقه ابن معين. وقال البخاري: يهم في الشيء، وقال ابن حبان: يعتبر حديثه إذا بين السماع.
79 - (خت 4
(3)) عبد الرحمن بن عبد الله بن مسعود: يدلس عن أبيه، وصرح بالسماع في حديث الضب، حديث تأخير الصلاة، محرم الحرام.
80 - (ع) عبد الرحمن بن محمد المحاربي: وصفه العقيلي.
--------------------------------------------
৭৩ - শুআইব বিন আব্দুল্লাহ: আলী বিন আল-মাদিনী বলেছেন
… একটি কাহিনী যাতে ফারকাদ ও নাওফের উল্লেখ রয়েছে।
৭৪ - (দা, তি, সা) সাফওয়ান বিন সলিহ বিন দীনার: আবু দাউদ ও অন্যান্যরা তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন, এবং তার প্রতি তাসউয়িয়ার (এক প্রকার তাদলীস) সম্বন্ধ করা হয়েছে।
৭৫ - (আ
(১)) তালহা বিন নাফে' আল-ওয়াসিতি আবু সুফিয়ান: জাবির থেকে বর্ণনাকারী, তাদলীসের জন্য পরিচিত, এবং আদ-দারা কুতনী ও অন্যান্যরা তাকে এভাবে বর্ণনা করেছেন।
৭৬ - আব্দুল্লাহ বিন মারওয়ান আবু শায়খ আল-হাররানী: যুহায়র থেকে, মুয়াবিয়া ও অন্যদের সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তার থেকে বর্ণনা করেছেন হুসাইন বিন মানসুর ও ইবরাহীম বিন আল-হাইসাম। ইবনে হিব্বান «আস-সিকাত»
(২) গ্রন্থে বলেছেন: তার হাদীস গ্রহণযোগ্য হবে যখন তিনি তার খবরে শ্রবণের বিষয়টি স্পষ্ট করবেন।
৭৭ - আব্দুল্লাহ বিন আবি নাজীহ আল-মাক্কী: মুজাহিদ থেকে বর্ণনাকারী মুফাসসির, তিনি তার থেকে তাদলীস করতেন, আন-নাসায়ী তাকে এভাবে বর্ণনা করেছেন।
৭৮ - [পৃষ্ঠা ১১৮] (ব-খা, দা, সা) আব্দুল জলীল বিন আতিয়্যাহ আল-কায়সী আবু সলিহ আল-বাসরী: ইবনে মাঈন তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আল-বুখারী বলেছেন: তিনি কোনো কোনো বিষয়ে বিভ্রান্ত হতেন, এবং ইবনে হিব্বান বলেছেন: তার হাদীস গ্রহণযোগ্য হবে যখন তিনি শ্রবণের বিষয়টি স্পষ্ট করবেন।
৭৯ - (খ-ত ৪
(৩)) আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ: তার পিতা থেকে তাদলীস করতেন, এবং তিনি গুই সাপ সম্পর্কিত হাদীসে, সালাত বিলম্ব করা সম্পর্কিত হাদীসে এবং মুহাররামুল হারাম সংক্রান্ত হাদীসে শ্রবণের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন।
৮০ - (আ) আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ আল-মুহারিবি: আল-উকায়লী তাকে (তাদলীসকারী হিসেবে) বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٥)
মুলাখখাসু তাবাকাতিল মুদাল্লিসীন - জিমনা আসারুল মুআল্লিমি
(পৃষ্ঠা: ২৭২)
81 - عبد العزيز بن عبد الله القرشي البصري أبو وهب الجدعاني: روى عن سعيد بن أبي عَروبة ، وخالد الحذّاء، وبَهْز بن حكيم. روى عنه الحسن بن مدرك وغيره. قال ابن حبان في «الثقات»
(1): يعتبر حديثه إذا بين السماع.
وتكلم فيه ابن عدي وقال: عامة ما يرويه لا يتابع عليه.
82 - (م 4) عبد المجيد بن عبد العزيز بن أبي روَّاد: صدوق ونُسِب إلى الإرجاء، وفي حفظه شيء، ونسب إلى التدليس، وممن ذكره فيهم العلائي.
83 - [ص 119] (ع) ابن جُريج: وصفه النسائي وغيره. وقال الدارقطني: شر التدليس تدليس ابن جُريج، فإنه قبيح التدليس، لا يدلس إلا فيما سمعه من مجروح.
84 - (ع) عبد الملك بن عُمير القبطي الكوفي: مشهور بالتدليس، وصفه الدارقطني وابن حبان وغيرهما.
85 - (م 4) عبد الوهاب بن عطاء الخَفَّاف: قال البخاري: كان يدلس عن ثور الحمصي وأقوام أحاديث مناكير.
86 - [ت ق] عُبيدة بن الأسود بن سعيد الهَمْداني: أشار ابن حبان في «الثقات»
(2) إلى أنه كان يدلس.
--------------------------------------------
৮১ - আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ আল-কুরাশী আল-বাসরী আবু ওয়াহাব আল-জাদআনী: তিনি সাঈদ বিন আবি আরুবাহ, খালিদ আল-হাদ্দাহ এবং বাহয বিন হাকীম থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে হাসান বিন মুদরিক এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান ‘আত-সিকাত’ গ্রন্থে বলেছেন: যখন শ্রবণের (সামা‘) বিষয়টি স্পষ্ট হয়, তখন তাঁর হাদীস গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
ইবনে আদী তাঁর সমালোচনা করেছেন এবং বলেছেন: তিনি যা বর্ণনা করেন তার অধিকাংশেরই অনুসরণ (মুতাবা‘আ) করা হয় না।
৮২ - (ম ৪) আব্দুল মাজীদ বিন আব্দুল আযীয বিন আবি রাওয়াদ: তিনি সত্যবাদী (সাদুক) তবে তাঁর দিকে ইরজার সম্বন্ধ করা হয়েছে, তাঁর মুখস্থ শক্তিতে কিছুটা দুর্বলতা রয়েছে এবং তাঁর দিকে তাদলীসের সম্বন্ধ করা হয়েছে; আল-আলাঈ তাঁকে তাদলীসকারীদের মধ্যে উল্লেখ করেছেন।
৮৩ - [পৃষ্ঠা ১১৯] (আ) ইবনে জুরাইজ: আন-নাসায়ী এবং অন্যান্যরা তাঁকে তাদলীসের বিশেষণে বিশেষিত করেছেন। আদ-দারাকুতনী বলেছেন: নিকৃষ্টতম তাদলীস হলো ইবনে জুরাইজের তাদলীস, কারণ তা অত্যন্ত কদর্য তাদলীস; তিনি কেবল মজরুহ (ত্রুটিযুক্ত) বর্ণনাকারীদের নিকট থেকে যা শুনেছেন কেবল তাতেই তাদলীস করেন।
৮৪ - (আ) আব্দুল মালিক বিন উমাইর আল-কিবতী আল-কুফী: তিনি তাদলীসের জন্য প্রসিদ্ধ, আদ-দারাকুতনী, ইবনে হিব্বান এবং অন্যান্যরা তাঁকে এই বিশেষণে বিশেষিত করেছেন।
৮৫ - (ম ৪) আব্দুল ওয়াহাব বিন আতা আল-খাফফাফ: আল-বুখারী বলেছেন: তিনি সাওরী আল-হিমসী এবং একদল লোকের পক্ষ থেকে মুনকার হাদীসসমূহের তাদলীস করতেন।
৮৬ - [তা কা] উবায়দাহ বিন আল-আসওয়াদ বিন সাঈদ আল-হামদানী: ইবনে হিব্বান ‘আত-সিকাত’ গ্রন্থে ইঙ্গিত করেছেন যে তিনি তাদলীস করতেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٥)
মুলাখখাসু তাবাকাতিল মুদাল্লিসীন - জিমনা আসারুল মুআল্লিমি
(পৃষ্ঠা: ২৭৩)
87 - عثمان بن عمر
(1) الحنفي: عن ابن جُريج ، وعنه محمد بن حرب النسائي
(2). قال ابن حبان في «الثقات»
(3): يُعْتَبر حديثه إذا بيَّن السماع.
88 - (خت م 4) عكرمة بن عمار اليمامي: وصفه أحمد والدارقطني.
89 - (س ق) علي بن غراب الكوفي القاضي: اختلف فيه، ووثقه ابن معين، ووصفه الدارقطني وغيره بالتدليس.
90 - [ص 120] عمر بن علي بن أحمد بن الليث البخاري الليثي أبو مسلم: الحافظ المشهور، كان واسع الرحلة كثير التصانيف في المتأخرين. مات سنة (466) وقيل: مات سنة (68)، وصفه يحيى بن منده. وقال شيرويه: كان يحفظ ويدلس.
91 - (ع) عَمرو بن عبد الله السبيعي: مشهور بالتدليس، وصفه النسائي وغيره.
92 - (ع) قتادة: مشهور بالتدليس، وصفه النسائي وغيره.
93 - (خت د ت ق) مبارك بن فضالة: مشهور بالتدليس، وصفه به الدارقطني وغيره، وقد أكثر عن الحسن البصري.
94 - محمد بن البخاري: روى عن وكيع، وعنه ولداه عمر وإبراهيم،
--------------------------------------------
৮৭ - উসমান বিন উমর
(১) আল-হানাফি: ইবনে জুরাইজ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তার থেকে মুহাম্মদ বিন হারব আন-নাসায়ি
(২) বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান ‘আত-তিকাত’
(৩)-এ বলেছেন: যখন তিনি সরাসরি শ্রবণের কথা স্পষ্ট করেন, তখন তার হাদিস গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
৮৮ - (খাত মা ৪) ইকরিমা বিন আম্মার আল-ইয়ামামি: আহমাদ এবং আদ-দারাকুতনি তাকে (মুদাল্লিস হিসেবে) বর্ণনা করেছেন।
৮৯ - (সা কা) আলি বিন গুরাব আল-কুফি আল-কাদি: তার ব্যাপারে মতভেদ আছে, ইবনে মাইন তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন এবং আদ-দারাকুতনি ও অন্যরা তাকে তাদলিসের দোষে অভিযুক্ত করেছেন।
৯০ - [পৃষ্ঠা ১২০] উমর বিন আলি বিন আহমাদ বিন আল-লাইস আল-বুখারি আল-লাইসি আবু মুসলিম: প্রসিদ্ধ হাফিজ, তিনি ব্যাপক সফরকারী ছিলেন এবং পরবর্তী যুগের আলেমদের মধ্যে প্রচুর গ্রন্থ প্রণেতা ছিলেন। তিনি ৪৬৬ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন এবং বলা হয় যে, তিনি ৬৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন; ইয়াহইয়া বিন মানদাহ তাকে বর্ণনা করেছেন। শিরওয়াইহি বলেছেন: তিনি মুখস্থ রাখতেন এবং তাদলিস করতেন।
৯১ - (আ) আমর বিন আব্দুল্লাহ আস-সাবি‘ই: তাদলিসের জন্য প্রসিদ্ধ, নাসায়ি এবং অন্যরা তাকে এভাবেই বর্ণনা করেছেন।
৯২ - (আ) কাতাদাহ: তাদলিসের জন্য প্রসিদ্ধ, নাসায়ি এবং অন্যরা তাকে এভাবেই বর্ণনা করেছেন।
৯৩ - (খাত দা তা কা) মুবারক বিন ফাদালাহ: তাদলিসের জন্য প্রসিদ্ধ, আদ-দারাকুতনি এবং অন্যরা তাকে এভাবেই বর্ণনা করেছেন, এবং তিনি হাসান বসরী থেকে প্রচুর বর্ণনা করেছেন।
৯৪ - মুহাম্মদ বিন আল-বুখারি: তিনি ওয়াকি থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তার থেকে তার দুই পুত্র উমর ও ইব্রাহিম বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٥)
মুলাখখাসু তাবাকাতিল মুদাল্লিসীন - জিমনা আসারুল মুআল্লিমি
(পৃষ্ঠা: ২৭৪)
أشار ابن حبان إلى أنه كان يدلس.
95 - محمد بن صدقة الفَدَكي: من أصحاب مالك، وصفه الدارقطني وابن حبان.
96 - (خ د س ت) محمد بن عبد الرحمن الطُّفاوي: وصفه أحمد والدارقطني.
97 - [ص 121] محمد بن عبد الملك الواسطي الكبير أبو إسماعيل: روى عن إسماعيل بن أبي خالد وطبقته، وعنه وهب بن بقية، وصفه ابن حبان بالتدليس، وكذا أطلق الذهبي في «تذهيب التهذيب».
98 - (خت م 4) محمد بن عجلان: وصفه ابن حبان.
99 - (خ ن
(1) د س ق) محمد بن عيسى بن نجيح أبو جعفر ابن الطباع: قال صاحبه أبو داود: كان مدلسًا. وكذا وصفه الدارقطني.
100 - محمد بن محمد بن سليمان الباغندي الحافظ البغدادي أبو بكر: المشهور بالتدليس مع الصدق والأمانة ، مات بعد الثلاثمائة. قال الإسماعيلي: لا أتهمه ولكنه يدلس. وقال [ابن] المظفَّر: لا ينكر منه إلا التدليس. وقال الدارقطني: يكتب عن بعض أصحابه، ثم يسقط بينه وبين شيخه ثلاثة.
101 - [ص 122] (ع) أبو الزبير: مشهور بالتدليس. ووهم الحاكم في
--------------------------------------------
ইবনে হিব্বান ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তিনি তাদলীস করতেন।
৯৫ - মুহাম্মাদ বিন সাদাকা আল-ফাদাকী: ইমাম মালিকের সাথীদের অন্তর্ভুক্ত, আদ-দারাকুতনী এবং ইবনে হিব্বান তাকে (তাদলীসকারী হিসেবে) বর্ণনা করেছেন।
৯৬ - (বুখারী, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী) মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান আত-তুফাবী: আহমাদ এবং আদ-দারাকুতনী তাকে বর্ণনা করেছেন।
৯৭ - [পৃষ্ঠা ১২১] মুহাম্মাদ বিন আব্দুল মালিক আল-ওয়াসিতী আল-কাবীর আবু ইসমাঈল: তিনি ইসমাঈল বিন আবি খালিদ ও তার সমসাময়িকদের থেকে বর্ণনা করেছেন, আর তার থেকে ওয়াহাব বিন বাকিয়্যাহ বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাকে তাদলীসের বিশেষণে বিশেষিত করেছেন এবং আয-যাহাবীও 'তাযহীবুত তাহযীব'-এ একইভাবে বর্ণনা করেছেন।
৯৮ - (বুখারী, তিরমিযী, মুসলিম, ৪) মুহাম্মাদ বিন আজলান: ইবনে হিব্বান তাকে বর্ণনা করেছেন।
৯৯ - (বুখারী, নাসাঈ
(১), আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ) মুহাম্মাদ বিন ঈসা বিন নাজীহ আবু জাফর ইবনে তুব্বা: তার সাথী আবু দাউদ বলেছেন: তিনি তাদলীসকারী ছিলেন। আদ-দারাকুতনীও তাকে একইভাবে বর্ণনা করেছেন।
১০০ - মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন সুলাইমান আল-বাগান্দী আল-হাফিয আল-বাগদাদী আবু বকর: সত্যবাদিতা ও বিশ্বস্ততা সত্ত্বেও তিনি তাদলীসের জন্য প্রসিদ্ধ, ৩০০ হিজরীর পর মৃত্যুবরণ করেন। আল-ইসমাঈলী বলেছেন: আমি তাকে অভিযুক্ত করি না, তবে তিনি তাদলীস করেন। [ইবনে] আল-মুযাফফর বলেছেন: তার থেকে তাদলীস ব্যতীত অন্য কিছু অস্বীকার করা হয় না। আদ-দারাকুতনী বলেছেন: তিনি তার কোনো কোনো সাথীর নিকট থেকে লেখেন, অতঃপর নিজের এবং তার শায়খের মধ্য থেকে তিনজনকে বাদ দিয়ে দেন।
১০১ - [পৃষ্ঠা ১২২] (ছয় কিতাব) আবু আয-যুবাইর: তিনি তাদলীসের জন্য প্রসিদ্ধ। আর আল-হাকেম এ ব্যাপারে ভুল করেছেন যে
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٥)
মুলাখখাসু তাবাকাতিল মুদাল্লিসীন - জিমনা আসারুল মুআল্লিমি
(পৃষ্ঠা: ২৭৫)
«كتاب علوم الحديث»
(1) فقال في سنده: وفيه رجال
(2) غير معروفين بالتدليس. وقد وصفه النسائي وغيره.
102 - (ع) ابن شهاب: وصفه الشافعي والدارقطني.
103 - [س ق] محمد بن مصفَّى
(3): قال أبو حاتم ابن حبان: سمعت أبا الحسن بن جَوْصا يقول: سمعت أبا زرعة الدمشقي يقول: كان صفوان بن صالح، ومحمد بن مُصفَّى يسوِّيان الحديث كبقية بن الوليد. ذكره في آخر مقدمة «الضعفاء»
(4).
104 - (ق) مُحْرز بن عبد الله أبو رجاء الجزري: وصفه ابن حبان في «الثقات»
(5).
105 - (ع) مروان بن معاوية الفزاري: كان مشهورًا بالتدليس، وكان يدلس الشيوخ أيضًا، وصفه الدارقطني بذلك.
106 - مصعب بن سعيد أبو خيثمة المِصّيصي: [ص 123] أصله من خراسان، روى عن أبي خيثمة الجعفي وابن المبارك وغيرهما. وعنه الحسن بن سفيان وأبو حاتم الرازي وجماعة. قال ابن عدي: كان يصحِّف.
--------------------------------------------
«কিতাব উলুম আল-হাদিস»
(১) এর সনদ সম্পর্কে তিনি বলেছেন: "এর সনদে এমন কিছু ব্যক্তি রয়েছেন
(২) যারা তাদলীস (বর্ণনা চাতুরি) এর জন্য পরিচিত নন।" নাসায়ি এবং অন্যান্যগণ তাকে এরূপ বিশেষিত করেছেন।
১০২ - (আ) ইবনে শিহাব: ইমাম শাফিয়ি এবং দারা কুতনি তাকে (তাদলীসের সাথে) বর্ণনা করেছেন।
১০৩ - [সা কা] মুহাম্মদ বিন মুসাফফা
(৩): আবু হাতিম ইবনে হিব্বান বলেছেন: আমি আবুল হাসান বিন জাওসা-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: আমি আবু যুরআ আদ-দিমাশকি-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: সাফওয়ান বিন সালেহ এবং মুহাম্মদ বিন মুসাফফা বাকিয়্যাহ বিন আল-ওয়ালিদের মতো হাদিসকে ‘তাসউইয়াহ’ (তাদলীসের একটি ধরন) করতেন। ‘আদ-দুয়াফা’ গ্রন্থের ভূমিকার শেষে তিনি এটি উল্লেখ করেছেন
(৪)।
১০৪ - (কা) মুহরিজ বিন আব্দুল্লাহ আবু রাজা আল-জাজারি: ইবনে হিব্বান ‘আস-সিকাত’ গ্রন্থে তাকে এরূপ বর্ণনা করেছেন
(৫)।
১০৫ - (আ) মারওয়ান বিন মুয়াবিয়া আল-ফাজারি: তিনি তাদলীসের জন্য প্রসিদ্ধ ছিলেন এবং তিনি শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও তাদলীস করতেন, দারা কুতনি তাকে সেই বৈশিষ্ট্যে বর্ণনা করেছেন।
১০৬ - মুসআব বিন সাঈদ আবু খাইসামা আল-মিসসিসি: [পৃষ্ঠা ১২৩] তার আদি নিবাস খোরাসান, তিনি আবু খাইসামা আল-জুফি, ইবনুল মুবারক এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে আল-হাসান বিন সুফিয়ান, আবু হাতিম আল-রাজি এবং একদল বর্ণনাকারী হাদিস বর্ণনা করেছেন। ইবনে আদি বলেছেন: তিনি ভুল পাঠ (তাসহিফ) করতেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٥)
মুলাখখাসু তাবাকাতিল মুদাল্লিসীন - জিমনা আসারুল মুআল্লিমি
(পৃষ্ঠা: ২৭৬)
وقال ابن حبان في «الثقات»
(1): كان يدلّس، وكُفّ في آخر عمره.
107 - (ع) المغيرة بن مِقْسَم: وصفه النسائي بالتدليس، وحكاه العجلي عن ابن
(2) فضيل. قال أبو داود: كان لا يدلس. وكأنه أراد ما حكاه العجلي: أنه كان يرسل عن إبراهيم، فإذا وُقِف أخبرهم ممن سمعه.
108 - (م 4) مكحول: يقال: إنه لم يسمع من الصحابة إلا عن نفر قليل. ووصفه بذلك ابن حبان. وأطلق الذهبي أنه كان يدلس، ولم أره للمتقدمين إلا في قول ابن حبان.
109 - (ت ق) ميمون بن موسى المرائي: وصفه النسائي والدارقطني، وكذا حكاه ابن عدي عن أحمد بن حنبل.
110 - [ص 124] (ع) هشام بن حسَّان: وصفه ابن المديني وأبو حاتم
… يرون أنه أرسل حديث الحسن عن حوشب.
111 - (ع) هُشَيم: مشهور بالتدليس، وصفه النسائي وغيره، وله قصة.
112 - [م 4] يزيد بن أبي زياد الكوفي: من أتباع التابعين، تغير في آخر عمره، وضُعّف بسبب ذلك ، وصفه الدارقطني والحاكم وغيرهما بالتدليس.
113 - [4] يزيد بن عبد الرحمن أبو خالد الدالاني: مشهور بكنيته، وهو من أتباع التابعين، وثقه ابن معين وغيره، وصفه حسين الكرابيسي بالتدليس.
--------------------------------------------
এবং ইবনে হিব্বান ‘আস-সিকাত’ গ্রন্থে বলেছেন
(১): তিনি তাদলীস করতেন, এবং জীবনের শেষভাগে দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছিলেন।
১০৭ - (আইন) আল-মুগীরা ইবনে মিকসাম: আন-নাসায়ী তাকে তাদলীসকারী হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং আল-ইজলী এটি ইবনে
(২) ফুযাইল থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু দাউদ বলেছেন: তিনি তাদলীস করতেন না। আর সম্ভবত তিনি (আবু দাউদ) আল-ইজলী যা বর্ণনা করেছেন তাই বুঝিয়েছেন: যে তিনি ইবরাহীম থেকে ইরসাল করতেন, অতঃপর যখন তাকে থামানো হতো (জিজ্ঞেস করা হতো), তখন তিনি কার থেকে শুনেছেন তা তাদের জানিয়ে দিতেন।
১০৮ - (মীম ৪) মাকহুল: বলা হয় যে, তিনি অল্প কয়েকজন ব্যক্তি ছাড়া অন্য কোনো সাহাবীর থেকে শোনেননি। ইবনে হিব্বান তাকে এই বিশেষণে বিশেষিত করেছেন। আয-যাহাবী সাধারণভাবে বলেছেন যে তিনি তাদলীস করতেন, তবে ইবনে হিব্বানের উক্তি ছাড়া পূর্ববর্তীদের মধ্যে আমি এমনটি আর কারো কাছে দেখিনি।
১০৯ - (তা কফ) মায়মুন ইবনে মুসা আল-মারায়ী: আন-নাসায়ী এবং আদ-দারাকুতনী তাকে (তাদলীসকারী হিসেবে) বর্ণনা করেছেন, এবং ইবনে আদী আহমদ ইবনে হাম্বল থেকে এভাবেই তা বর্ণনা করেছেন।
১১০ - [পৃষ্ঠা ১২৪] (আইন) হিশাম ইবনে হাসান: ইবনুল মাদীনী এবং আবু হাতিম তাকে বিশেষিত করেছেন... তারা মনে করেন যে তিনি হাওশাব থেকে হাসানের হাদীস ইরসাল করেছেন।
১১১ - (আইন) হুশাইম: তাদলীসের জন্য প্রসিদ্ধ, আন-নাসায়ী এবং অন্যরা তাকে এ বিশেষণে বর্ণনা করেছেন এবং তার একটি ঘটনা রয়েছে।
১১২ - [মীম ৪] ইয়াযীদ ইবনে আবি যিয়াদ আল-কুফী: তিনি তাবউত-তাবেয়ীনদের অন্তর্ভুক্ত, জীবনের শেষভাগে তার স্মৃতিশক্তির পরিবর্তন ঘটেছিল এবং এ কারণে তাকে দুর্বল সাব্যস্ত করা হয়েছে। আদ-দারাকুতনী, আল-হাকিম এবং অন্যরা তাকে তাদলীসের বিশেষণে বিশেষিত করেছেন।
১১৩ - [৪] ইয়াযীদ ইবনে আবদির রহমান আবু খালিদ আদ-দালানী: তিনি তার উপনামে (কুনিয়াত) প্রসিদ্ধ, তিনি তাবউত-তাবেয়ীনদের অন্তর্ভুক্ত, ইবনে মাঈন এবং অন্যরা তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন, হুসাইন আল-কারাবীসী তাকে তাদলীসের বিশেষণে বিশেষিত করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٥)
মুলাখখাসু তাবাকাতিল মুদাল্লিসীন - জিমনা আসারুল মুআল্লিমি
(পৃষ্ঠা: ২৭৭)
114 - [د س ق] يزيد بن عبد الرحمن بن أبي مالك الهَمْداني الدمشقي: وصفه أبو مُسْهِر بالتدليس.
115 - [م قد س] أبو حَرّة الرقاشي البصري: صاحب الحسن وعنه القطان، وصفه أحمد والدارقطني.
116 - [ع] أبو عبيدة بن عبد الله بن مسعود: ثقة مشهور، حديثه عن أبيه في السنن وعن غير أبيه في الصحيح .. والأكثر على أنه لم يسمع من أبيه، وثبت له لقاؤه، وسماع كلامه.
د) من اتفق على أنه لا يحتج إلا بما صرحوا فيه بالسماع لكثرة تدليسهم عن الضعفاء والمجاهيل:117 - (م 4
(1)) بقية: له في مسلم حديث واحد
(2)، وكان كثير التدليس عن الضعفاء والمجهولين ، وصفه الأئمة بذلك.
118 - (م 4) حجَّاج بن أرطاه: أخرج له مسلم مقرونًا بآخر، ووصفه النسائي وغيره بالتدليس عن الضعفاء ....
119 - حُميد بن الربيع الكوفي الخَزّاز ــ بمعجمات ــ اللخمي: مختلَف فيه، وقد وصفه بالتدليس عن الضعفاء عثمان بن أبي شيبة
…120 - (م ق) سويد بن سعيد الحَدَثاني: وصفه الدارقطني والإسماعيلي وغيرهما، وتغير في آخر عمره بسبب العمى، وسماع مسلم منه قبل ذلك.
--------------------------------------------
১১৪ - [দা সা ক] ইয়াজিদ বিন আব্দুর রহমান বিন আবি মালিক আল-হামদানি আদ-দিমাশকি: আবু মুসহির তাকে তাদলীসকারী হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
১১৫ - [ম কদ স] আবু হাররা আর-রাকাশি আল-বাসরি: আল-হাসানের ছাত্র এবং আল-কাত্তান তার থেকে বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ও আদ-দারাকুতনি তাকে (তাদলীসকারী হিসেবে) বর্ণনা করেছেন।
১১৬ - [আ] আবু উবাইদাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ: বিখ্যাত নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) রাবী, তার পিতার সূত্রে তার হাদীসসমূহ সুনান গ্রন্থে রয়েছে এবং পিতা ব্যতীত অন্যদের সূত্রে সহীহ গ্রন্থে রয়েছে... এবং অধিকাংশের মতে তিনি তার পিতা থেকে শ্রবণ করেননি, তবে তার সাথে সাক্ষাৎ এবং তার কথা শ্রবণ করা প্রমাণিত।
ঘ) যাদের ব্যাপারে ঐকমত্য পোষণ করা হয়েছে যে, তারা শ্রবণ করার (সামা') কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ না করলে তাদের বর্ণনা দলীল হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না; কারণ তারা দুর্বল ও অজ্ঞাত ব্যক্তিদের থেকে অধিক মাত্রায় তাদলীস করতেন:১১৭ - (ম ৪
(১)) বাকিয়্যাহ: মুসলিম গ্রন্থে তার একটি মাত্র হাদীস রয়েছে
(২), তিনি দুর্বল ও অজ্ঞাত রাবীদের থেকে অধিক মাত্রায় তাদলীস করতেন, ইমামগণ তাকে এভাবেই বর্ণনা করেছেন।
১১৮ - (ম ৪) হাজ্জাজ বিন আরতাহ: ইমাম মুসলিম অন্য একজন রাবীর সাথে তাকে যুক্ত করে তার হাদীস উল্লেখ করেছেন, আন-নাসায়ী এবং অন্যরা তাকে দুর্বলদের থেকে তাদলীসকারী হিসেবে বর্ণনা করেছেন....
১১৯ - হুমাইদ বিন আর-রাবী আল-কুফি আল-খাযযায —নুকতাযুক্ত বর্ণযোগে— আল-লাখমি: তার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে, এবং উসমান বিন আবি শায়বাহ তাকে দুর্বল রাবীদের থেকে তাদলীসকারী হিসেবে বর্ণনা করেছেন...
১২০ - (ম ক) সুওয়াইদ বিন সাঈদ আল-হাদাসানি: আদ-দারাকুতনি, আল-ইসমাইলি এবং অন্যান্যরা তাকে বর্ণনা করেছেন, এবং জীবনের শেষ দিকে অন্ধত্বের কারণে তার স্মৃতিতে পরিবর্তন ঘটেছিল, আর ইমাম মুসলিমের তার থেকে শ্রবণ ছিল সেই পরিবর্তনের আগে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٥)
মুলাখখাসু তাবাকাতিল মুদাল্লিসীন - জিমনা আসারুল মুআল্লিমি
(পৃষ্ঠা: ২৭৮)
121 - (خت 4) عبَّاد بن منصور الناجي البصري: ذكره أحمد والبخاري والنسائي والساجي وغيرهم بالتدليس عن الضعفاء.
122 - [ص 126] (بخ
(1) د ت ق) عطية [العوفي]: ضعيف الحفظ، مشهور بالتدليس القبيح.
123 - (ع) عمر بن علي المقدَّمي: شديد الغلو في التدليس، وصفه بذلك أحمد وابن معين والدارقطني وغير واحد. وقال ابن سعد: ثقة، وكان يدلس تدليسًا شديدًا، يقول: ثنا، ثم يسكت، ثم يقول: هشام بن عروة أو الأعمش أو غيرهما.
قلت
(2): وهذا ينبغي أن يسمى: تدليس القطع.
124 - (خت
(3) ق) عيسى بن موسى البخاري، لقبه غُنْجار: صدوق، لكنه مشهور بالتدليس عن الثقات ما حمله عن الضعفاء والمجهولين.
125 - (خت م مقرونًا 4) ابن إسحاق: صدوق مشهور بالتدليس عن الضعفاء والمجهولين، وعن شرّ منهم. وصَفَه بذلك أحمد والدارقطني وغيرهما.
126 - (د س ق) محمد بن عيسى بن القاسم بن سُميع: دمشقي فيه ضعف، وصفه بالتدليس ابن حبان.
--------------------------------------------
১২১ - (খত ৪) আব্বাদ বিন মানসুর আন-নাজি আল-বাসরি: আহমাদ, বুখারি, নাসাঈ, সাজি এবং অন্যান্যরা দুর্বল বর্ণনাকারীদের থেকে তাদলিস (তথ্য গোপন) করার কারণে তাকে উল্লেখ করেছেন।
১২২ - [পৃষ্ঠা ১২৬] (বখ দ ত ক) আতিয়্যাহ [আল-আউফি]: মুখস্থ শক্তিতে দুর্বল, জঘন্য তাদলিসের জন্য প্রসিদ্ধ।
১২৩ - (আ) উমর বিন আলি আল-মুকাদ্দামি: তাদলিসের ক্ষেত্রে অত্যন্ত চরমপন্থী; আহমাদ, ইবনে মাঈন, দারাকুতনি এবং আরও অনেকে তাকে এভাবেই বর্ণনা করেছেন। ইবনে সাদ বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন, তবে তিনি অত্যন্ত কঠোরভাবে তাদলিস করতেন; তিনি বলতেন: ‘আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন’, এরপর চুপ হয়ে যেতেন, তারপর বলতেন: ‘হিশাম বিন উরওয়াহ’ অথবা ‘আমাশ’ অথবা অন্যদের নাম।
আমি বলছি: একে ‘তাদলিসুল ক্বাত’ (কর্তনকৃত তাদলিস) নামকরণ করা উচিত।
১২৪ - (খত ক) ঈসা বিন মুসা আল-বুখারি, তার উপাধি গুঞ্জার: সত্যবাদী, তবে তিনি নির্ভরযোগ্যদের বরাতে সেই সমস্ত বর্ণনা তাদলিস করার জন্য প্রসিদ্ধ যা তিনি দুর্বল ও অজ্ঞাত বর্ণনাকারীদের থেকে গ্রহণ করেছেন।
১২৫ - (খত ম মাকরুনান ৪) ইবনে ইসহাক: সত্যবাদী, দুর্বল ও অজ্ঞাত বর্ণনাকারীদের থেকে এমনকি তাদের চেয়েও নিকৃষ্টদের থেকে তাদলিস করার জন্য প্রসিদ্ধ। আহমাদ, দারাকুতনি এবং অন্যরা তাকে এভাবেই বর্ণনা করেছেন।
১২৬ - (দ স ক) মুহাম্মাদ বিন ঈসা বিন আল-কাসিম বিন সুমাই: দামেস্কি, তার মধ্যে দুর্বলতা রয়েছে, ইবনে হিব্বান তাকে তাদলিসের গুণে বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٥)
মুলাখখাসু তাবাকাতিল মুদাল্লিসীন - জিমনা আসারুল মুআল্লিমি
(পৃষ্ঠা: ২৭৯)
127 - [ص 127] (ع) الوليد بن مسلم الدمشقي: معروف موصوف بالتدليس الشديد مع الصدق.
128 - (س) يعقوب بن عطاء بن أبي رباح: في ترجمته في «ثقات ابن حبان»
(1) ما يقتضي ذلك.
هـ) من ضُعِّف بأمر آخر سوى التدليس؛ فحديثهم مردود ولو صرحوا بالسماع، إلا أن يوثق من كان ضعفه يسيرًا كابن لهيعة (2):
129 - (ق) إبراهيم بن محمد بن أبي يحيى: ضعفه الجمهور، ووصفه أحمد والدارقطني وغيرهما بالتدليس.
130 - (ت ق) إسماعيل بن أبي خليفة أبو إسرائيل المُلائي: ضعفوه، وأشار الترمذي إلى أنه كان يدلس.
131 - بشير بن زاذان: روى عن رِشْدين بن سعد وغيره، روى عنه قاسم بن عبد الله السرَّاج. ضعفه الدارقطني، ووصفه ابن الجوزي بالتدليس عن الضعفاء.
132 - (ت) تَلِيد بن سليمان المُحَاربي الكوفي: مشهور بالضعف، قال أحمد والعجلي والدارقطني: يدلس.
133 - [د ت ق] جابر
(3) بن يزيد الجُعْفي: ضعَّفه الجمهور، ووصفه الثوري والعجلي وابن سعد بالتدليس.
--------------------------------------------
১২৭ - [পৃষ্ঠা ১২৭] (আ) আল-ওয়ালিদ ইবন মুসলিম আদ-দিমাশকি: তিনি সত্যবাদী হওয়ার পাশাপাশি অত্যন্ত কঠোরভাবে তাদলীস করার জন্য সুপরিচিত ও বিশেষিত।
১২৮ - (সা) ইয়াকুব ইবন আতা ইবন আবি রাবাহ: ইবন হিব্বানের ‘আস-সিকাত’
(১) গ্রন্থে তার জীবনীতে এমন বর্ণনা রয়েছে যা এটিই (তাদলীস) দাবি করে।
ঙ) যাদেরকে তাদলীস ব্যতীত অন্য কোনো কারণে দুর্বল সাব্যস্ত করা হয়েছে; তাদের বর্ণিত হাদীস প্রত্যাখ্যাত, যদিও তারা সরাসরি শ্রবণের (সামা‘) কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন। তবে ইবন লাহিয়ার মতো যাদের দুর্বলতা সামান্য, তাদের যদি নির্ভরযোগ্য বলা হয়ে থাকে তবে ভিন্ন কথা (২):
১২৯ - (কা) ইবরাহিম ইবন মুহাম্মাদ ইবন আবি ইয়াহইয়া: জমহুর (সংখ্যাগরিষ্ঠ) ওলামাগণ তাকে দুর্বল বলেছেন এবং আহমাদ, দারাকুতনি ও অন্যান্যরা তাকে তাদলীসের বিশেষণে বিশেষিত করেছেন।
১৩০ - (তা কা) ইসমাইল ইবন আবি খলিফা আবু ইসরাঈল আল-মুলাই: মুহাদ্দিসগণ তাকে দুর্বল বলেছেন এবং তিরমিজি ইঙ্গিত করেছেন যে তিনি তাদলীস করতেন।
১৩১ - বাশির ইবন জাযান: তিনি রিশদিন ইবন সাদ ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে কাসিম ইবন আব্দুল্লাহ আস-সাররাজ বর্ণনা করেছেন। দারাকুতনি তাকে দুর্বল বলেছেন এবং ইবনুল জাওজি তাকে দুর্বল রাবিদের থেকে তাদলীস করার বিশেষণে বিশেষিত করেছেন।
১৩২ - (তা) তালিদ ইবন সুলাইমান আল-মুহারিবি আল-কুফি: তিনি দুর্বলতার জন্য প্রসিদ্ধ; ইমাম আহমাদ, ইজলি এবং দারাকুতনি বলেছেন: তিনি তাদলীস করতেন।
১৩৩ - [দা তা কা] জাবির
(৩) ইবন ইয়াজিদ আল-জু‘ফি: জমহুর তাকে দুর্বল বলেছেন এবং সাওরি, ইজলি ও ইবন সাদ তাকে তাদলীসের বিশেষণে বিশেষিত করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٥)
মুলাখখাসু তাবাকাতিল মুদাল্লিসীন - জিমনা আসারুল মুআল্লিমি
(পৃষ্ঠা: ২৮০)
134 - (ت
(1) ق) الحسن بن عُمارة: ضعَّفه الجمهور، وقال ابن حبان: كان بليته التدليس.
135 - الحسين بن عطاء بن يسار المدني: عن أبيه، قال أبو حاتم: منكر الحديث.
وقال ابن الجارود: كذاب. وقال ابن حبان في «الثقات»
(2): كان يخطئ ويدلس. وقال في «الضعفاء»
(3): لا يجوز أن يحتج به.
136 - (ت ق) خارجة بن مصعب الخراساني: ضعفه الجمهور، وقال ابن معين: كان يدلس عن الكذابين.
137 - (بخ ت ق) سعيد بن المَرْزُبان أبو سعد
(4) البقَّال: من أتباع التابعين، ضعيف مشهور بالتدليس ، وصفه أحمد وأبو حاتم والدارقطني وغيرهم.
138 - (4
(5)) صالح بن أبي الأخضر: ذكر رَوْح بن عبادة أنه سئل عن حديثه عن الزهري، فقال: سمعت بعضًا ، وقرأت بعضًا. وذكر رَوْح بن عبادة: ووجدت بعضًا، ولست أفصل ذا من ذا.
--------------------------------------------
১৩৪ - (তিরমিযী
(১) ও ইবনু মাজাহ) আল-হাসান ইবনু উমারা: জমহুর (অধিকাংশ আলেম) তাকে দুর্বল বলেছেন, এবং ইবনু হিব্বান বলেছেন: তার বিপদ ছিল তাদলীস।
১৩৫ - আল-হুসাইন ইবনু আতা ইবনু ইয়াসার আল-মাদানী: তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন, আবু হাতিম বলেছেন: তিনি মুনকারুল হাদীস।
ইবনুল জারূদ বলেছেন: চরম মিথ্যুক। ইবনু হিব্বান ‘আস-সিকাত’
(২) গ্রন্থে বলেছেন: তিনি ভুল করতেন এবং তাদলীস করতেন। আর ‘আদ-দুয়াফা’
(৩) গ্রন্থে বলেছেন: তাকে দলীল হিসেবে গ্রহণ করা বৈধ নয়।
১৩৬ - (তিরমিযী ও ইবনু মাজাহ) খারিজাহ ইবনু মুসআব আল-খুরাসানী: জমহুর তাকে দুর্বল বলেছেন, এবং ইবনু মাঈন বলেছেন: তিনি মিথ্যুকদের পক্ষ থেকে তাদলীস করতেন।
১৩৭ - (বুখারীর আদাবুল মুফরাদ, তিরমিযী ও ইবনু মাজাহ) সাঈদ ইবনুল মারযুবান আবু সাদ
(৪) আল-বাক্কাল: তিনি আতবাউত তাবিঈনের অন্তর্ভুক্ত, তাদলীসের জন্য প্রসিদ্ধ দুর্বল বর্ণনাকারী, আহমাদ, আবু হাতিম, আদ-দারাকুতনী এবং অন্যান্যরা তাকে এই বিশেষণে অভিহিত করেছেন।
১৩৮ - (৪
(৫)) সালিহ ইবনু আবিল আখদার: রাওহ ইবনু উবাদাহ উল্লেখ করেছেন যে, তাকে আয-যুহরীর সূত্রে তার বর্ণিত হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তখন তিনি বলেছিলেন: আমি কিছু শুনেছি এবং কিছু পাঠ করেছি। রাওহ ইবনু উবাদাহ আরও উল্লেখ করেছেন: আমি কিছু (লিখিত) পেয়েছি, আর আমি একটিকে অপরটি থেকে পৃথক করতে পারছি না।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٥)
মুলাখখাসু তাবাকাতিল মুদাল্লিসীন - জিমনা আসারুল মুআল্লিমি
(পৃষ্ঠা: ২৮১)
139 - (مد ق) عبد الله بن زياد بن سمعان
(1) المدني: ضعفه الجمهور، ووصفه ابن حبان بالتدليس.
140 - (م د ت ق) ابن لهيعة: قال ابن حبان: كان صالحًا، ولكنه كان يدلس عن الضعفاء.
141 - عبد الله بن معاوية بن عاصم بن المنذر بن الزبير بن العوام: روى عن هشام بن عروة .. ، روى عنه الفلاس وغيره. ضعفه البخاري والنسائي، وأشار ابن حبان إلى تدليسه.
142 - (ق
(2)) عبد الله بن واقد أبو قتادة الحرَّاني: متفق على ضعفه. وصفه أحمد بالتدليس.
143 - (بخ د ت ق) عبد الرحمن بن زياد بن أَنعُم: ذكر ابن حبان في «الضعفاء»
(3) [ص 130] أنه كان مدلسًا، وكذا وصفه الدارقطني.
144 - عبد العزيز بن عبد الله بن وهب الكلاعي: ضعيف. قال ابن حبان: يعتبر حديثه إذا بين السماع.
145 - (ق
(4)) عبد الوهاب بن مجاهد بن جَبْر: قال الحاكم: كان يدلس عن شيوخ ما سمع منهم قط. وروى عن الحسن بن محمد بن عبد الله بن أبي يزيد أنه لم يسمع من أبيه شيئًا، وإنما أخذ الكتب.
--------------------------------------------
১৩৯ - (মা আদ, ক্বা) আবদুল্লাহ ইবনে যিয়াদ ইবনে সামআন
(১) আল-মাদানি: অধিকাংশ আলেম তাঁকে দুর্বল বলেছেন এবং ইবনে হিব্বান তাঁকে তাদলীসের (বর্ণনায় তথ্য গোপন করা) অভিযোগে অভিযুক্ত করেছেন।
১৪০ - (মু, দা, তি, ক্বা) ইবনে লাহিয়াহ: ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি সৎ লোক ছিলেন, তবে তিনি দুর্বল বর্ণনাকারীদের থেকে তাদলীস করতেন।
১৪১ - আবদুল্লাহ ইবনে মুয়াবিয়া ইবনে আসিম ইবনে আল-মুনযির ইবনে আল-যুবাইর ইবনে আল-আওয়াম: তিনি হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন... তাঁর থেকে আল-ফাল্লাস ও অন্যরা বর্ণনা করেছেন। বুখারী ও নাসাঈ তাঁকে দুর্বল বলেছেন এবং ইবনে হিব্বান তাঁর তাদলীসের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।
১৪২ - (ক্বা
(২)) আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াকিদ আবু কাতাদাহ আল-হাররানি: তাঁর দুর্বলতার বিষয়ে সকলে একমত। আহমাদ তাঁকে তাদলীসের অভিযোগে অভিযুক্ত করেছেন।
১৪৩ - (বি খা, দা, তি, ক্বা) আবদুর রহমান ইবনে যিয়াদ ইবনে আনউম: ইবনে হিব্বান ‘আদ-দুয়াফা’
(৩) [পৃষ্ঠা ১৩০] গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি মুদাল্লিস ছিলেন এবং দারাকুতনীও তাঁকে একইভাবে বর্ণনা করেছেন।
১৪৪ - আবদুল আযীয ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব আল-কালাঈ: তিনি দুর্বল। ইবনে হিব্বান বলেছেন: তাঁর হাদীস তখনই গ্রহণযোগ্য হবে যখন তিনি সরাসরি শ্রবণের (সামা‘) বিষয়টি স্পষ্ট করবেন।
১৪৫ - (ক্বা
(৪)) আবদুল ওয়াহাব ইবনে মুজাহিদ ইবনে জাবর: আল-হাকিম বলেছেন: তিনি এমন সব শায়খদের থেকে তাদলীস করতেন যাদের থেকে তিনি কখনো সরাসরি কিছু শোনেননি। হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবি ইয়াযীদ থেকে বর্ণিত যে, তিনি তাঁর পিতা থেকে কিছুই শোনেননি, বরং কেবল তাঁর কিতাবসমূহ গ্রহণ করেছিলেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١٥)
মুলাখখাসু তাবাকাতিল মুদাল্লিসীন - জিমনা আসারুল মুআল্লিমি
(পৃষ্ঠা: ২৮২)
146 - (د س ق) عثمان بن عبد الرحمن الطرائفي: قال ابن حبان: روى عن قوم ضعاف أشياء فدلسها عنهم.
147 - علي بن غالب المصري: عن واهب بن عبد الله، وعنه: يحيى بن أيوب. ضعفه أحمد وغيره، وقال ابن حبان: كان كثير التدليس.
148 - عَمْرو بن حكّام: قال الحاكم: كان يدلس عمن لم يسمع منه. قال ابن المديني: سمع في شبابه عن شعبة، فلما مات أخذ كتبه.
149 - مالك بن سليمان الهروي قاضي هراة: ضعفه النسائي. ووصفه ابن حبان بالتدليس.
150 - (د ت س) محمد بن كثير الصنعاني: قال العقيلي في ترجمة عمرو الأموي: أحد الضعفاء. روى عن الثوري عن أبي حازم عن سهل حديث: «ازهد في الدنيا» قال: وهذا لا أصل له عن الثوري، وقد تابعه عليه محمد بن كثير الصنعاني عن الثوري، ولعله أخذه عنه ودلسه؛ لأن المشهور به خالد.
151 - الهيثم بن عدي الطائي: اتهمه بالكذب البخاري. وتركه النسائي وغيره. وقال أحمد: كان صاحب أخبار وتدليس.
152 - (د ت ق) ويحيى بن أبي حَيَّة الكلبي أبو جَناب: ضعَّفوه. وقال أبو زرعة وأبو نعيم وابن نُمير ويعقوب بن سفيان والدارقطني وغير واحد: كان مدلسًا.
১৪৬ - (আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ) উসমান ইবনে আবদুর রহমান আল-তারাইফি: ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি দুর্বল এক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে কিছু বিষয় বর্ণনা করেছেন এবং তাদের নাম গোপন করে তাদলিস করেছেন।
১৪৭ - আলী ইবনে গালিব আল-মিসরি: ওয়াহেব ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, আর তার থেকে ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব বর্ণনা করেছেন। ইমাম আহমাদ এবং অন্যরা তাকে দুর্বল বলেছেন, এবং ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি অত্যধিক তাদলিস করতেন।
১৪৮ - আমর ইবনে হুক্কাম: আল-হাকিম বলেছেন: তিনি যাদের থেকে হাদিস শোনেননি, তাদের পক্ষ থেকেও তাদলিস করতেন। ইবনে আল-মাদিনি বলেছেন: তিনি যৌবনে শু'বাহ থেকে হাদিস শুনেছিলেন, কিন্তু যখন শু'বাহ মারা যান, তখন তিনি তাঁর কিতাবগুলো নিয়ে নিয়েছিলেন।
১৪৯ - মালিক ইবনে সুলাইমান আল-হারাউয়ি, হারাতের কাজি: নাসাঈ তাকে দুর্বল বলেছেন। এবং ইবনে হিব্বান তাকে তাদলিসের গুণে অভিহিত করেছেন।
১৫০ - (আবু দাউদ, তিরমিজি, নাসাঈ) মুহাম্মাদ ইবনে কাসির আস-সানআনি: আল-উকাইলি আমর আল-উমাউয়ির জীবনীতে বলেছেন: তিনি দুর্বলদের একজন। তিনি সাওরি থেকে, তিনি আবু হাজিম থেকে, তিনি সাহল থেকে এই হাদিস বর্ণনা করেছেন: "দুনিয়ার প্রতি বিমুখ হও"। তিনি বলেছেন: সাওরির সূত্রে এর কোনো ভিত্তি নেই, আর মুহাম্মাদ ইবনে কাসির আস-সানআনি এতে সাওরির সূত্রে তার অনুসরণ করেছেন; সম্ভবত তিনি এটি তার থেকে গ্রহণ করেছেন এবং তাতে তাদলিস করেছেন, কারণ এই বর্ণনায় খালিদ-ই প্রসিদ্ধ।
১৫১ - আল-হাইসাম ইবনে আদি আত-তাই: ইমাম বুখারি তাকে মিথ্যাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত করেছেন। নাসাঈ এবং অন্যরা তাকে বর্জন করেছেন। আহমাদ বলেছেন: তিনি ইতিহাসের সংবাদ ও তাদলিসের সাথে যুক্ত ছিলেন।
১৫২ - (আবু দাউদ, তিরমিজি, ইবনে মাজাহ) ইয়াহইয়া ইবনে আবি হাইয়্যাহ আল-কালবি আবু জানাব: মুহাদ্দিসগণ তাকে দুর্বল বলেছেন। আবু জুরআহ, আবু নুআইম, ইবনে নুমাইর, ইয়াকুব ইবনে সুফিয়ান, আদ-দারা কুতনি এবং আরও অনেকে বলেছেন: তিনি তাদলিসকারী ছিলেন।
(খণ্ড: ١٥)
মুলাখখাসু তাবাকাতিল মুদাল্লিসীন - জিমনা আসারুল মুআল্লিমি
(পৃষ্ঠা: ২৮৩)
فائدة:
وقال البيهقي في «المعرفة»
(1): رُوِّينا عن شعبة قال: كنت أتفقّد فم قتادة، فإذا قال: «ثنا» و «سمعت» حفظته، وإذا قال: «حدث فلان» تركته.
قال: وروينا عن شعبة أنه قال: كفيتكم تدليس ثلاثة: الأعمش وأبي إسحاق وقتادة.
قلت: فهذه قاعدة جيّدة في أحاديث هؤلاء الثلاثة؛ أنها إذا جاءت من طريق شعبة دلت على السماع
(2)، ولو كانت معنعنة.
ونظيره: الليث عن أبي الزّبير من جابر.
--------------------------------------------
শিক্ষা:
এবং আল-বায়হাকী 'আল-মা’রিফাহ' গ্রন্থে
(১) বলেছেন: আমাদের নিকট শু’বাহ থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন: আমি কাতাদাহর মুখের দিকে লক্ষ্য রাখতাম; তিনি যখন বলতেন: 'আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন' এবং 'আমি শুনেছি', তখন আমি তা মুখস্থ করে নিতাম। আর যখন তিনি বলতেন: 'অমুক বর্ণনা করেছেন', তখন আমি তা ছেড়ে দিতাম।
তিনি বলেন: আমাদের নিকট শু’বাহ থেকে বর্ণিত হয়েছে যে তিনি বলেছেন: আমি আপনাদেরকে তিনজনের তাদলিস (বর্ণনাসূত্র গোপন করা) থেকে রক্ষা করেছি: আল-আ’মাশ, আবু ইসহাক এবং কাতাদাহ।
আমি বলছি: এই তিনজনের বর্ণিত হাদিসের ক্ষেত্রে এটি একটি চমৎকার মূলনীতি; তা হলো যখন তাদের হাদিস শু’বাহর সূত্রে বর্ণিত হয়, তখন তা সরাসরি শ্রবণেরই প্রমাণ দেয়
(২), যদিও তা ‘আন্-আন্’ (অস্পষ্ট শব্দে) বর্ণিত হয়ে থাকে।
এবং এর অনুরূপ উদাহরণ হলো: জাবির থেকে আবুয যুবাইরের সূত্রে লাইসের বর্ণনা।
--------------------------------------------