(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: -)
فوائد ابن نصر   (ابن نصر)

القسم: كتب السنة


الكتاب: فوائد ابن نصر عن مشايخه

المؤلف: أَبُو القَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بنُ عُمَرَ بنِ نَصْرِ بن مُحَمَّدٍ الشَّيْبَانِيُّ، السَّامَرِّيُّ، ثُمَّ الدِّمَشْقِيُّ، البَزَّازُ (ت 410هـ)

المحقق: أبو عبد الله حمزة الجزائري

الناشر: مكتبة دار النصيحة - دار المدينة النبوية

الطبعة: الأولى 1428 هـ - 2007 م

عدد الصفحات: 112

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইবনে নাসরের ফাওয়ায়েদ   (ইবনে নাসর)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: নিজ শায়খদের থেকে বর্ণিত ইবনে নাসরের ফাওয়ায়েদ

লেখক: আবুল কাসিম আব্দুর রহমান বিন উমর বিন নাসর বিন মুহাম্মাদ আশ-শায়বানী, আস-সামারি, অতঃপর আদ-দিমাশকি, আল-বাযযায (মৃত্যু ৪১০ হিজরি)

মুহাক্কিক: আবু আব্দুল্লাহ হামযাহ আল-জাজায়িরি

প্রকাশক: মাকতাবাতু দারিন নাসিহা - দারুল মাদীনাতিন নাবাবিয়্যাহ

সংস্করণ: প্রথম সংস্করণ ১৪২৮ হিজরি - ২০০৭ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১১২

[কিতাবের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের অনুরূপ]

শামিলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: ইয়া বাবিয়াল খাইর আকবিল

শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: -)
فوائد ابن نصر

عن مشايخه

فوائد أبي القاسم عبد الرحمن بن عمر بن نصر الدمشقي

المتوفى سنة 410 هـ

 

تحقيق

أبي عبد الله حمزة الجزائري

 

تقريظ

الشيخ عبد الله مراد السلفي

أستاذ مشارك في الحديث - الجامعة الإسلامية سابقا

 

مكتبة دار النصيحة

دار المدينة النبوية

 

الطبعة الأولى

1428 هـ - 2007 م
ইবনে নাসরের ফাওয়ায়েদ

তাঁর শিক্ষকবৃন্দের নিকট থেকে

আবুল কাসিম আবদুর রহমান বিন উমর বিন নাসর আদ-দিমাশকি-এর ফাওয়ায়েদ

মৃত্যু ৪১০ হিজরি

 

সম্পাদনা

আবু আবদুল্লাহ হামজাহ আল-জাজায়েরি

 

অভিমত

শায়খ আবদুল্লাহ মুরাদ আস-সালাফি

হাদিস শাস্ত্রের সহযোগী অধ্যাপক - সাবেক শিক্ষক, ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়

 

মাকতাবাতু দারুন নাসিহাহ

দারুল মদিনাতুন নববীয়্যাহ

 

প্রথম সংস্করণ

১৪২৮ হিজরি - ২০০৭ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: ৩৭)
‌‌الجزء الأول

من فوائد أبي القاسم عبد الرحمن بن محمد بن نصر الدمشقي عن شيوخه.

رواية أبي الحسن علي بن الحسين ابن أحمد بن صصرى عنه
প্রথম খণ্ড

আবু আল-কাসিম আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন নাসর আদ-দিমাশকি তার উস্তাদদের থেকে যে সকল ফায়দা বর্ণনা করেছেন তা থেকে সংগৃহীত।

তার নিকট হতে আবুল হাসান আলি বিন আল-হুসাইন ইবনে আহমদ বিন সাসরা-এর বর্ণনা।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: ৩৯)
بسم الله الرحمن الرحيم

1- حدثنا أبو القاسم عبد الرحمن بن عمر بن نصر بن محمد بدمشق قال: حدثنا أبو الفوارس أحمد بن محمد بن الحسين السندي مولى بني هاشم بمصر في مسجد جازك قال: حدثنا أبو إبراهيم المزني قال: حدثنا الشافعي قال: أخبرنا مالك بن أنس، عن جعفر بن محمد عن أبيه ((أن رسول الله غسل في قميصٍ)) .
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

১- আবু কাসেম আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে নাসর ইবনে মুহাম্মদ দামেস্কে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: বনি হাশিমের মুক্তদাস আবু ফাওয়ারিস আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হুসাইন আস-সিন্দি মিশরের জাযাক মসজিদে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবু ইবরাহিম আল-মুজানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: শাফেয়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: মালিক ইবনে আনাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জাফর ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, ((আল্লাহর রাসূলকে একটি জামা পরিহিত অবস্থায় গোসল করানো হয়েছে))।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: ৪০)
2- حدثنا أبو الفوارس قال: حدثنا أبو إبراهيم المزني قال: حدثنا الشافعي قال: أخبرنا مالك بن أنس، عن ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة رضي الله عنه: ((أن رجلاً أفطر في شهر رمضان فأمره النبي صلى الله عليه وسلم بعتق رقبة، أو صيام شهر أو إطعام ستين مسكيناً فقال: إني لا أجد، قال: فأتي النبي صلى الله عليه وسلم بعرق تمر فقال: خذ هذا فتصدق به، فقال: يا رسول الله! ما أجد أحوج مني؛ فضحك رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى بدت ثناياه، ثم قال: كله)) .
২- আবু আল-ফাওয়ারিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু ইব্রাহীম আল-মুযানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শাফিঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মালিক বিন আনাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে শিহাব থেকে, তিনি হুমায়দ বিন আব্দুর রহমান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন: ((এক ব্যক্তি রমজান মাসে রোজা ভেঙে ফেলেছিলেন, ফলে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে একজন দাস মুক্ত করার অথবা এক মাস রোজা রাখার অথবা ষাটজন মিসকিনকে অন্নদান করার নির্দেশ দিলেন। সে বলল: আমি এর সামর্থ্য রাখি না। তিনি বলেন: এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এক ঝুড়ি খেজুর আনা হলো, তখন তিনি বললেন: এটি নাও এবং দান করে দাও। সে বলল: হে আল্লাহর রাসুল! আমার চেয়ে অভাবী আর কাউকে আমি পাচ্ছি না; এতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমনভাবে হাসলেন যে তাঁর সামনের দাঁতগুলো দৃশ্যমান হয়ে উঠল, অতঃপর তিনি বললেন: তুমিই এটি খেয়ে নাও।))।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: ৪০)
3- حدثنا أبو الفوارس قال: حدثنا يونس بن عبد الأعلى قال: حدثنا محمد بن إدريس الشافعي قال: حدثنا محمد بن خالد الجندي، عن أبان بن صالح، عن الحسن، عن أنس قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((لا يزداد الأمر إلا شدة ولا الدنيا إلا إدباراً، ولا تقوم الساعة إلا على شرار الناس، ولا مهدي إلا عيسى بن مريم)) .
৩- আবুল ফাওয়ারিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইউনুস ইবনে আবদুল আ'লা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে ইদরিস আশ-শাফি'ঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে খালিদ আল-জুন্দি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবান ইবনে সালিহ থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ((বিষয়াবলি কেবল কঠিন হতেই থাকবে, দুনিয়া কেবল পশ্চাদমুখী হতেই থাকবে, নিকৃষ্টতম মানুষের উপরেই কিয়ামত সংঘটিত হবে এবং ঈসা ইবনে মারইয়াম ব্যতীত কোনো মাহদি নেই))।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: ৪১)
4- حدثنا أبو علي عبد الواحد بن علي بن محمد بن أبي الخصيب، وأبو بكر بن أبي الموت قالا: حدثنا علي بن عبد العزيز بمكة قال: حدثنا أبو عبيد القاسم بن سلام، عن علي بن هاشم بن البريد، عن الأعمش، عن حبيب عن عروة، عن عائشة: ((أن فاطمة بنت أبي حبيش استحاضت فسألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال: تدع الصلاة أيام أقرائها، ثم تتوضأ لكل صلاة وتصلي حتى يجيء ذلك الوقت، وإن قطر على الحصير)) .
৪- আবু আলী আব্দুল ওয়াহিদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আবিল খাসীব এবং আবু বকর বিন আবিল মাওত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা দুজনে বলেন: মক্কায় আলী বিন আব্দুল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু উবাইদ আল-কাসিম বিন সাল্লাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন হাশিম বিন আল-বারীদ থেকে, তিনি আল-আমাশ থেকে, তিনি হাবীব থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়িশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে: ফাতেমা বিনতে আবি হুবাইশ ইস্তিহাযায় (অতিরিক্ত রক্তস্রাবে) আক্রান্ত হলেন এবং এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন তিনি বললেন: "তুমি তোমার ঋতুস্রাবের দিনগুলোতে সালাত বর্জন করবে, অতঃপর প্রত্যেক সালাতের জন্য ওযু করবে এবং সালাত আদায় করবে যতক্ষণ না সেই সময় আসে, যদিও তা চাটাইয়ের ওপর টপটপ করে পড়ে।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: ৪২)
5- حدثنا أبو علي بن أبي الخصيب قال: حدثنا أبو علي الحسين بن منصور بن عبد الرحمن الرماني بالمصيصة قال: حدثنا داود بن معاذ بن معاذ ابن أخت مخلد بن الحسين أبو سليمان، قال: حدثنا أبو الشيخ جارية بن الهرم الفقيمي، عن هشام بن عروة، عن أبيه عن عبد الله ابن عمرو قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: ((إن الله لا يقبض العلم انتزاعاً ينتزعه من الناس، ولكن يقبض العلم بقبض العلماء، حتى إذا لم يترك عالماً اتخذ الناس رءوساً جهالاً، فأخبروا بغير علم فضلوا وأضلوا)) .
৫- আমাদের নিকট আবু আলী বিন আবি আল-খাসীব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-মাসসীসাতে আবু আলী আল-হুসাইন বিন মানসুর বিন আবদুর রহমান আর-রুমমানী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মাখলাদ বিন আল-হুসাইনের ভাগ্নে দাউদ বিন মুয়াজ বিন মুয়াজ আবু সুলাইমান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আল-শায়খ জারিয়াহ বিন আল-হারাম আল-ফুকায়মী বর্ণনা করেছেন, হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "নিশ্চয়ই আল্লাহ মানুষের নিকট থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে ইলম (জ্ঞান) তুলে নেবেন না, বরং তিনি আলেমদের তুলে নেওয়ার (মৃত্যুর) মাধ্যমেই ইলম তুলে নেবেন। এমনকি যখন তিনি কোনো আলেম অবশিষ্ট রাখবেন না, তখন মানুষ মূর্খদের নেতা হিসেবে গ্রহণ করবে। অতঃপর তাদের নিকট জিজ্ঞাসা করা হলে তারা জ্ঞান ছাড়াই ফতোয়া দেবে, ফলে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে এবং অন্যকেও পথভ্রষ্ট করবে।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: ৪২)
6- حدثنا أبو محمد عبد الرحمن بن جيش الفرغاني قال: حدثنا إبراهيم بن زهير الحلواني بحلوان، قال: حدثني مكي بن إبراهيم قال: حدثنا عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((لا تقدموا بين يدي رمضان بصوم، صوموا لرؤيته وأفطروا لرؤيته، فإن غم عليكم فأكملوا العدة ثلاثين يوماً)) ، وكان ⦗ص: 43⦘ ابن عمر إذا كان ذلك اليوم أرسل من ينظر في الهلال، فإن رآه أصبح صائماً، وإن لم يره أصبح مفطراً، وإن كان بينه وبينه سحاب أصبح صائماً.
৬- আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান বিন জাইশ আল-ফারগানি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহিম বিন যুহাইর আল-হুলওয়ানি হুলওয়ানে আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: মাক্কী বিন ইব্রাহিম আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: উবায়দুল্লাহ বিন উমর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন নাফে’র সূত্রে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ((তোমরা রমজানের আগে রোজা রেখে রমজানকে অগ্রগামী করো না। তোমরা চাঁদ দেখে রোজা রাখো এবং চাঁদ দেখে রোজা ভঙ্গ করো। যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে, তবে ত্রিশ দিনের সংখ্যা পূর্ণ করো।)) আর ⦗পৃষ্ঠা: ৪৩⦘ ইবনে উমরের নিয়ম ছিল যে, যখন সেই দিনটি (২৯শে শাবান) আসত, তিনি চাঁদ দেখার জন্য লোক পাঠাতেন; যদি সে চাঁদ দেখত তবে তিনি রোজা রেখে ভোর করতেন, আর যদি সে চাঁদ না দেখত তবে তিনি রোজা ছাড়াই ভোর করতেন। আর যদি তার ও চাঁদের মাঝে মেঘ থাকত, তবে তিনি রোজা রেখেই ভোর করতেন।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: ৪৩)
7- حدثنا أبو العباس أحمد بن الحسن بن إسحاق بن عتبة الرازي قال: حدثنا أبو الزنباع روح بن الفرج القطان قال: حدثني يحيى بن عبد الله بن بكير، حدثني الليث ابن سعد، عن عبيد الله بن أبي جعفر، عن بكير بن عبد الله بن الأشج، عن نافع، عن ابن عمر، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال: ((من أعتق عبداً وله مال، فماله له إلا أن يشترط السيد ماله، فيكون له)) .
৭- আমাদের নিকট আবুল আব্বাস আহমদ বিন হাসান বিন ইসহাক বিন উতবাহ আল-রাজি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবুয যিনবা রুহ বিন ফারাজ আল-কাত্তান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট ইয়াহইয়া বিন আব্দুল্লাহ বিন বুকাইর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট লাইস ইবন সা'দ বর্ণনা করেছেন, তিনি উবাইদুল্লাহ বিন আবি জাফর থেকে, তিনি বুকাইর বিন আব্দুল্লাহ বিন আশাজ থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে এবং তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: “যে ব্যক্তি কোনো গোলামকে মুক্ত করে এবং তার নিকট কোনো সম্পদ থাকে, তবে সেই সম্পদ গোলামেরই থাকবে, যদি না মনিব সেই সম্পদ নিজের রাখার শর্তারোপ করে; এমতাবস্থায় তা মনিবের হবে।”
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: ৪৩)
8- حدثنا أبو العباس أحمد بن الحسن الرازي قال: حدثنا أحمد بن داود بن موسى، قال: حدثنا: أبو داود الطيالسي قال: حدثنا شعبة، عن قتادة، عن يونس بن ⦗ص: 44⦘ جبير، عن ابن عمر: ((أنه طلق امرأته وهي حائض؟ فقال النبي صلى الله عليه وسلم لعمر: ليراجعها فإذا طهرت فليطلقها، إن شاء. قلت: فتحسب بها؟ قال: فمه؟ أرأيت إن عجز واستحمق؟!)) .
৮- আমাদের নিকট আবুল আব্বাস আহমদ ইবনুল হাসান আর-রাজি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আহমদ ইবনে দাউদ ইবনে মুসা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু দাউদ আত-তায়ালিসি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট শু'বাহ বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ থেকে, তিনি ইউনুস ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ৪৪⦘ জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে: ((তিনি তাঁর স্ত্রীকে ঋতুবতী অবস্থায় তালাক দিয়েছিলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমরকে বললেন: সে যেন তাকে ফিরিয়ে নেয়, অতঃপর সে যখন পবিত্র হবে তখন ইচ্ছা করলে তাকে তালাক দিবে। আমি বললাম: এটি কি (তালাক হিসেবে) গণ্য হবে? তিনি বললেন: তবে আর কী? তোমার কী মনে হয়, যদি সে অক্ষমতা প্রকাশ করে এবং বোকামি করে (তবে কি তা কার্যকর হবে না)?!))।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: ৪৪)
9- حدثنا أبو الحسن أحمد بن سليمان بن حذلم القاضي قال: حدثنا بكار بن قتيبة البكاروي، قال: حدثنا روح بن عبادة قال: حدثنا الحجاج الصواف عن أبي الزبير عن جابر، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: ((من قال: سبحان الله العظيم غرست له نخلة في الجنة)) .
৯- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান আহমদ ইবনে সুলাইমান ইবনে হাজলাম আল-কাদি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাক্কার ইবনে কুতাইবা আল-বাক্কারাউয়ি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রাওহ ইবনে উবাদাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাজ্জাজ আস-সাওয়াফ, আবু জুবাইর থেকে, তিনি জাবির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি বলবে: 'সুবহানাল্লাহিল আজিম' (মহান আল্লাহ অতি পবিত্র), তার জন্য জান্নাতে একটি খেজুর গাছ রোপণ করা হবে।"।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: ৪৪)
10- حدثنا أبو الحسن علي بن أحمد البغدادي بن المقابري قال: حدثنا مسلم بن إبراهيم بن عبد الله الكجي، قال: حدثنا سليمان بن داود قال: حدثنا عبد الله بن وهب، عن عمرو بن الحارث، عن دراج أبي السمح، عن أبي السائب مولى بني الزهرة، عن أم سلمة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ((خير مصلى النساء قعرهن في بيوتهن)) .
১০- আবু হাসান আলী ইবনে আহমদ আল-বাগদাদী ইবনে আল-মুকাবিরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুসলিম ইবনে ইবরাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ আল-কাজ্জী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুলায়মান ইবনে দাউদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে আল-হারিস থেকে, তিনি দাররাজ আবুস সামহ থেকে, তিনি বনু জুহরার আযাদকৃত গোলাম আবু সাইব থেকে, তিনি উম্মে সালামাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "নারীদের সালাত আদায়ের সর্বোত্তম স্থান হলো তাদের ঘরের নিভৃততম অংশ।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: ৪৫)
11- حدثنا أبو بكر أحمد بن القاسم بن معروف بن حبيب قال: حدثنا أبو زرعة عبد الرحمن بن عمرو قال: حدثنا سعيد بن مريم قال: حدثنا نافع بن يزيد أخبرني عقيل، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال: ((أقرأني جبريل القرآن على حرف، فاستزدته فزادني حتى انتهى على سبعة أحرف)) .
১১- আবু বকর আহমাদ ইবনুল কাসিম ইবনে মারুফ ইবনে হাবিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু জুরআ আবদুর রহমান ইবনে আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাঈদ ইবনে মারইয়াম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নাফি ইবনে ইয়াজিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উকাইল আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উতবা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: ((জিবরাঈল আমাকে এক হরফে কুরআন পাঠ করিয়েছেন, অতঃপর আমি তাঁর নিকট বৃদ্ধির আবেদন জানালাম এবং তিনি আমার জন্য বাড়িয়ে দিলেন, এমনকি শেষ পর্যন্ত তা সাত হরফে গিয়ে পৌঁছাল।))
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: ৪৫)
12- حدثني أبو القاسم حمزة بن محمد بن علي بن محمد بن العباس الكناني، أملى بمصر في داره قال: حدثنا أبو عبد الله بن أحمد بن موسى بن زياد قال: حدثني ⦗ص: 46⦘ عبد الأعلى بن حماد النرسي، قال: حدثنا داود بن عبد الرحمن عن عبد الله بن عثمان ابن خثيم، عن شهر بن حوشب، عن أسماء بنت يزيد، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خطب الناس فقال: ((يا أيها الناس لا يحملكم على أن تتايعوا في الكذب كما يتتايع الفراش في النار، كل كذب يكتب على ابن آدم إلا ثلاث خصال: رجل كذب امرأته ليرضها، ورجل كذب بين امرأين ليصلح بينهما، ورجل كذب في خديعة حرب)) .
১২- আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন আবু আল-কাসিম হামযাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-আব্বাস আল-কিনানী, তিনি মিশরে তাঁর নিজ গৃহে এটি শ্রুতলিপি করিয়েছেন। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে মূসা ইবনে যিয়াদ। তিনি বলেন: আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৪৬⦘ আব্দুল আ’লা ইবনে হাম্মাদ আন-নারসী। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন দাউদ ইবনে আব্দুর রহমান, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উসমান ইবনে খুসাইম থেকে, তিনি শাহর ইবনে হাওশাব থেকে, তিনি আসমা বিনতে ইয়াযীদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষের উদ্দেশ্যে ভাষণ দানকালে বললেন: ((হে লোকসকল! পতঙ্গ যেভাবে আগুনের ওপর আছড়ে পড়ে, মিথ্যা বলার ক্ষেত্রে তোমাদেরকে যেন তেমন কোনো তাড়াহুড়ো পেয়ে না বসে; প্রতিটি মিথ্যাই আদম সন্তানের আমলনামায় লিপিবদ্ধ করা হয়, কেবল তিনটি ক্ষেত্র ব্যতীত: কোনো ব্যক্তি তার স্ত্রীকে খুশি করার জন্য মিথ্যা বললে, দুই ব্যক্তির মাঝে মিমাংসা করার জন্য কোনো ব্যক্তি মিথ্যা বললে এবং যুদ্ধকালীন কৌশলের জন্য কোনো ব্যক্তি মিথ্যা বললে))।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: ৪৭)
13- حدثني أبو بكر بن أبي الموت قال: حدثني علي بن عبد العزيز البغوي قال: حدثنا أبو نعيم الفضل بن دكين قال: حدثنا مسعر عن أبي عون الثقفي، عن ابن شداد، عن ابن عباس قال: ((حرمت الخمر بعينها القليل منها والكثير، والسكر كل من كل شراب)) .
১৩- আবু বকর বিন আবি আল-মাউত আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী বিন আব্দুল আজিজ আল-বাগাউই আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু নুআইম আল-ফাদল বিন দুকাইন আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মিসআর আমাদের নিকট আবু আউন আস-সাকাফী থেকে, তিনি ইবনে শাদ্দাদ থেকে, আর তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "মদকে সরাসরি হারাম করা হয়েছে—তার সামান্য পরিমাণ হোক বা অধিক; এবং প্রতিটি পানীয় থেকে সৃষ্ট মত্ততাও (হারাম)।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: ৪৭)
14- حدثنا علي بن أحمد بن سعيد بن دكين لفظاً من حفظه قال: حدثنا محمد بن أحمد أبو بشر الدولابي، قال: حدثنا يحيى بن عثمان الحمصي قال: حدثنا الفريابي عن سفيان عن ابن أبي ليلى عن الشعبي، عن المغيرة بن شعبة: أنه قام في الركعتين فسبحوا به فلم يجلس فلما فرغ وسلم سجد سجدتين للسهو وهو جالس، ثم قال: ((هكذا رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يفعله)) .
১৪- আমাদের নিকট আলী ইবনে আহমাদ ইবনে সাঈদ ইবনে দুকাইন তাঁর মুখস্থ থেকে মৌখিকভাবে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ আবু বিশর আদ-দুলাবি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে উসমান আল-হিমসি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-ফিরয়াবি সুফিয়ান থেকে, তিনি ইবনে আবি লায়লা থেকে, তিনি আশ-শা’বি থেকে, তিনি মুগিরা ইবনে শু’বা থেকে বর্ণনা করেছেন যে: তিনি (সালাতের) দুই রাকাত শেষে (বৈঠক না করে) দাঁড়িয়ে গেলেন, তখন লোকেরা তাঁকে সতর্ক করার জন্য তাসবিহ পাঠ করল, কিন্তু তিনি বসলেন না। অতঃপর যখন তিনি সালাত সমাপ্ত করলেন এবং সালাম ফেরালেন, তখন বসা অবস্থায় সাহু সিজদাহ হিসেবে দুটি সিজদাহ করলেন। এরপর তিনি বললেন: “আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এভাবেই করতে দেখেছি।”
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: ৪৮)
15- أخبرنا أبو القاسم بكير بن الحسن بن عبد الله بن سلمة بن دينار الرازي قال: حدثنا بكار بن قتيبة البكراوي قال: حدثنا مؤمل بن إسماعيل قال: حدثنا سفيان عن الأعمش قال: كان إبراهيم يكره أن يقال: حانت الصلاة.
১৫- আবুল কাসেম বুকাইর ইবনুল হাসান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সালামাহ ইবনে দীনার আর-রাযী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: বাক্কার ইবনে কুতাইবাহ আল-বাকরাভী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুআম্মিল ইবনে ইসমাঈল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের কাছে আ’মাশ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ইব্রাহীম অপছন্দ করতেন যে এমন বলা হোক: নামাযের সময় হয়ে গিয়েছে।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: ৪৮)
16- حدثني أبو القاسم بكير الرازي قال: حدثنا صفوان بن عيسى قال: حدثنا محمد بن عجلان، عن القعقاع، عن أبي صالح عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((إنما أنا لكم مثل الوالد فإذا أتى أحدكم الغائط فلا يستقبل القبلة ولا يستدبرها، فإذا استطاب فلا يستطب بيمينه، وكان يأمر بثلاث أحجار ونهى عن الروث والرمة)) .
১৬- আবু আল-কাসিম বুকাইর আল-রাজি আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: সাফওয়ান ইবনে ঈসা আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: মুহাম্মদ ইবনে আজলান আমাদের বর্ণনা করেছেন, আল-কাক্কা থেকে বর্ণিত, আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "আমি তোমাদের জন্য একজন পিতার মতো। অতএব তোমাদের কেউ যখন মলত্যাগ করতে যায়, তখন সে যেন কিবলার দিকে মুখ না করে এবং তার দিকে পিঠও না দেয়। আর যখন সে শৌচকার্য সম্পাদন করে, তখন যেন সে তার ডান হাত দিয়ে শৌচকার্য না করে। তিনি তিনটি পাথর ব্যবহারের নির্দেশ দিতেন এবং গোবর ও পচা হাড় ব্যবহার করতে নিষেধ করতেন।"।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: ৪৯)
17- حدثني أبو الحسن محمد بن علي بن جعفر بن خلاد الجوهري قال: حدثنا أبو غسان مالك بن يحيى بن مالك الدميري قال: حدثنا يزيد بن هارون قال: حدثنا أبو عقيل يحيى بن المتوكل قال: حدثني عبد الله بن نافع، عن أبيه، عن ابن عمر قال: ((قدمت رفقة فنزلوا المصلى فقال عمر لعبد الرحمن بن عوف: هل لك أن تحرسهم الليلة من السرق؟ فباتا يحرسانهم ويصليان ما كتب الله لهما فسمع عمر بكاء صبي فتوجه نحوه وقال لأمه: اتقي الله وأحسني إلى صبيك، ثم عاد إلى مكانه، فسمع بكاه فعاد إلى أمه فقال لها مثل ذلك ثم عاد إلى مكانه، فلما كان في آخر الليل سمع بكاءه ⦗ص: 50⦘ فأتى أمه فقال: ويحك إني لأراك أم سوء، ما لي لا أرى ابنك لا يقر منذ الليلة؟ فقالت: يا عبد الله قد أبرمتني منذ الليلة أني أريغه عن الفطام، فيأبى قال: ولم؟ فقال: لأن عمر لا يفرض إلا للفطم قال: وكم له؟ قالت كذا وكذا شهراً، قال: ويحك لا تعجليه، فصلى الفجر وما يستبين الناس قراءته من غلبة بكائه فلما سلم، قال: يا بؤس لعمر كم قتل من أولاد المسلمين؟ ثم أمر منادياً فنادى: لا تعجلوا صبيانكم عن الفطام فإنا نفرض لكل مولود في الإسلام، وكتب ذلك في الآفاق: إنا نفرض لكل مولود في الإسلام.
১৭- আবুল হাসান মুহাম্মাদ ইবন আলি ইবন জাফর ইবন খাল্লাদ আল-জাওহারি আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু গাসসান মালিক ইবন ইয়াহইয়া ইবন মালিক আদ-দামিরি আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াযিদ ইবন হারুন আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আকিল ইয়াহইয়া ইবনুল মুতাওয়াক্কিল আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবন নাফি তার পিতা থেকে, তিনি ইবন উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ((একদল মুসাফির আসল এবং তারা মুসাল্লায় (নামাযের স্থানে) অবস্থান নিল। তখন উমর আব্দুর রহমান ইবন আউফকে বললেন: আপনি কি আজ রাতে চোরের হাত থেকে তাদের পাহারা দিতে আমার সাথে থাকবেন? ফলে তারা উভয়ে রাত জেগে তাদের পাহারা দিলেন এবং আল্লাহ তাদের জন্য যতটুকু লিখেছিলেন ততটুকু সালাত আদায় করলেন। এমতাবস্থায় উমর এক শিশুর কান্নার শব্দ শুনলেন এবং সেদিকে এগিয়ে গেলেন। তিনি তার মাকে বললেন: আল্লাহকে ভয় করুন এবং আপনার সন্তানের প্রতি সদাচরণ করুন। এরপর তিনি স্বস্থানে ফিরে আসলেন। পুনরায় তিনি তার কান্নার শব্দ শুনলেন এবং আবারও তার মায়ের কাছে ফিরে গিয়ে একই কথা বললেন। অতঃপর তিনি নিজের জায়গায় ফিরে আসলেন। রাতের শেষাংশে যখন তিনি পুনরায় তার কান্নার শব্দ শুনলেন ⦗পৃষ্ঠা: ৫০⦘ তখন তিনি তার মায়ের কাছে এসে বললেন: ধিক তোমাকে! আমি তো তোমাকে একজন মন্দ মা হিসেবে দেখছি; কী হয়েছে যে তোমার সন্তান আজ রাতভর স্থির হচ্ছে না? সে বলল: হে আল্লাহর বান্দা! আপনি আজ রাতে আমাকে অতিষ্ঠ করে তুলেছেন। আমি তাকে বুকের দুধ ছাড়াতে চাচ্ছি কিন্তু সে তা মানছে না। তিনি বললেন: কেন? সে বলল: কারণ উমর কেবল দুধ ছাড়ানো শিশুদের জন্যই ভাতা নির্ধারণ করেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন: তার বয়স কত হয়েছে? সে বলল: এত এত মাস। তিনি বললেন: ধিক তোমাকে! তাকে দুধ ছাড়াতে তাড়াহুড়ো করো না। এরপর তিনি ফজরের সালাত আদায় করলেন, কিন্তু কান্নার আধিক্যের কারণে উপস্থিত মানুষজন তার কিরাত স্পষ্টভাবে বুঝতে পারছিল না। সালাম ফেরানোর পর তিনি বললেন: উমরের জন্য আফসোস! সে কত মুসলিম শিশুকে হত্যা করেছে? অতঃপর তিনি একজন ঘোষণাকারীকে নির্দেশ দিলেন এবং সে ঘোষণা করল: তোমরা তোমাদের শিশুদের দুধ ছাড়াতে তাড়াহুড়ো করো না, কারণ আমরা ইসলামের প্রতিটি নবজাতকের জন্যই ভাতা নির্ধারণ করলাম। আর তিনি সকল প্রান্তে এ মর্মে লিখে পাঠালেন যে: আমরা ইসলামের প্রতিটি নবজাতকের জন্যই ভাতা নির্ধারণ করলাম।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: ৫০)
18- حدثنا أبو بكر أحمد بن محمد بن أبي الموت المكي قال: حدثنا علي بن عبد العزيز قال: حدثنا القعنبي، عن مالك بن أنس عن يحيى بن سعيد، عن عمرة بنت عبد الرحمن أن أبا بكر الصديق دخل على عائشة وهي تشتكي ويهودية ترقيها فقال أبو بكر: ((ارقيها بكتاب الله)) .
১৮- আমাদের নিকট আবু বকর আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আবি আল-মাওত আল-মাক্কি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আলি বিন আব্দুল আজিজ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-কা'নাবি বর্ণনা করেছেন মালিক বিন আনাস থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন সাঈদ থেকে, তিনি আমরাহ বিনতে আব্দুর রহমান থেকে বর্ণনা করেন যে, আবু বকর সিদ্দীক আয়িশার নিকট প্রবেশ করলেন এমতাবস্থায় যে তিনি অসুস্থ ছিলেন এবং একজন ইহুদি মহিলা তাকে ঝাড়ফুঁক করছিল। তখন আবু বকর বললেন: "তাকে আল্লাহর কিতাব দ্বারা ঝাড়ফুঁক করো।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: ৫১)
19- حدثنا أبو بكر بن أبي الموت قال: حدثنا علي، قال: حدثنا القعنبي عن مالك بن أنس، عن خبيب بن عبد الرحمن، عن حفص بن عاصم عن أبي سعيد الخدري، أو عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((سبعة يظلهم الله يوم لا ظل إلا ظله، إمام عادل، وشاب نشأ في عبادة الله، ورجل ذكر الله خالياً ففاضت عيناه، ورجل دعته ذات حسب وجمال فقال: إني أخاف الله، ورجل تصدق بصدقة فأخفاها حتى لا تعلم شماله ما تنفق يمينه، ورجل كان قلبه معلق بالمساجد إذا خرج منه حتى يعود إليه، ورجلان تحابا في الله اجتمعا على ذلك وتفرقا عليه)) .
১৯- আবু বকর ইবনে আবি আল-মাউত আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-কানাবি আমাদের নিকট মালিক ইবনে আনাস থেকে, তিনি খুবাইব ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি হাফস ইবনে আসিম থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি অথবা আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ((সাত শ্রেণির ব্যক্তিকে আল্লাহ সেই দিন তাঁর ছায়াতলে আশ্রয় দেবেন, যেদিন তাঁর ছায়া ব্যতীত আর কোনো ছায়া থাকবে না; তারা হলেন: ন্যায়পরায়ণ শাসক, সেই যুবক যে আল্লাহর ইবাদতের মধ্য দিয়ে বেড়ে উঠেছে, সেই ব্যক্তি যে নির্জনে আল্লাহকে স্মরণ করেছে ফলে তার দুচোখ বেয়ে অশ্রু প্রবাহিত হয়েছে, সেই ব্যক্তি যাকে কোনো আভিজাত্য ও সৌন্দর্যের অধিকারিণী নারী (পাপের কাজে) আহ্বান করেছে এবং সে বলেছে: 'নিশ্চয়ই আমি আল্লাহকে ভয় করি', সেই ব্যক্তি যে এমনভাবে দান-সদকাহ করেছে যে তা গোপন রেখেছে, এমনকি তার ডান হাত যা ব্যয় করেছে তার বাম হাত তা জানতে পারেনি, সেই ব্যক্তি যার অন্তর মসজিদের সাথে লেগে থাকে যখন সে মসজিদ থেকে বের হয় পুনরায় তাতে ফিরে আসা পর্যন্ত, এবং সেই দুই ব্যক্তি যারা আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে একে অপরকে ভালোবেসেছে, তারা এর ওপরই একত্রিত হয়েছে এবং এর ওপরই বিচ্ছিন্ন হয়েছে।))।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: ৫১)
20- حدثني أبو قتيبة سلم بن الفضل البغدادي قال: حدثني محمد بن يونس الكديمي قال: حدثنا محمد بن عبد الله الأنصاري قال: حدثنا محمد بن عون، عن ⦗ص: 52⦘ الحسن، عن عبد الرحمن بن سمرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((يا عبد الرحمن، لا تسأل الإمارة فإنك إن أعطيتها عن مسألة وكلت إليها، وإن أعطيتها من غير مسألة أعنت عليها، وإذا حلفت على يمين فرأيت خيراً منها فأت الذي هو خير وكفر عن يمينك)) .
২০- আবু কুতাইবাহ সালম ইবনুল ফাদল আল-বাগদাদী আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে ইউনুস আল-কাদীমী আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আনসারী আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আওন আমাদের বর্ণনা করেছেন হাসান থেকে, ⦗পৃষ্ঠা: ৫২⦘ তিনি আবদুর রহমান ইবনে সামুরা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ((হে আবদুর রহমান, তুমি নেতৃত্বের প্রার্থনা করো না। কারণ, তুমি যদি চাওয়ার কারণে তা লাভ করো, তবে তোমাকে তার ওপরই ন্যস্ত করা হবে। আর যদি না চাইতেই তা তোমাকে প্রদান করা হয়, তবে এ বিষয়ে তোমাকে সাহায্য করা হবে। আর যখন তুমি কোনো বিষয়ে শপথ করো এবং তার চেয়ে উত্তম কিছু অন্যটির মাঝে দেখতে পাও, তবে যা উত্তম তাই করো এবং তোমার শপথের কাফফারা আদায় করে দাও))।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: ৫২)
21- حدثنا أبو قتيبة السلم ابن الفضل قال: أخبرنا عمر بن أبي شيبة قال: حدثنا محرز بن هشام: أخبرنا عبد الملك بن هارون بن محمد بن عنترة، عن أبيه عن أبي إسحاق، عن مهاجر المكي عن عطية الليثي عن علي بن أبي طالب قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((أيما عبد قال عند الكرب: لا إله إلا الله الحليم الكريم، سبحان الله رب العرش العظيم، الحمد لله رب العالمين كان حقاً على الله عز وجل أن يحرمه من النار)) .
২১- আবু কুতাইবাহ আস-সিলম ইবনুল ফাদল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উমর ইবনে আবি শাইবাহ আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহরিজ ইবনে হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আব্দুল মালিক ইবনে হারুন ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আনতারা আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি মুহাজির আল-মাক্কী থেকে, তিনি আতিয়্যাহ আল-লাইসী থেকে, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ((যে কোনো বান্দা বিপদের সময় বলে: সহনশীল ও মহানুভব আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য উপাস্য নেই, মহান আরশের প্রতিপালক আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি, সকল প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য; তবে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর ওপর এটি আবশ্যিক হয়ে যায় যে, তিনি তাকে জাহান্নামের আগুনের জন্য হারাম করে দেবেন।))
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: ৫৩)
22- حدثنا أبو محمد عبد الله بن جعفر بن محمد بن زنجويه بن الورد قال: حدثني خير بن موفق، قال: حدثني يحيى بن عبد الله بن بكير قال: حدثنا الليث بن سعد، عن محمد بن غنج، عن نافع أن أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم أكلوا ثوماً عام غزوة خيبر نياً فيزعمون أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ((من أكل منكم هذه الشجرة فلا يأتي المسجد حتى يذهب ريحها)) .
২২- আমাদের নিকট আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জানজুওয়াইহ ইবনে আল-ওয়ার্দ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট খাইর ইবনে মুওয়াফফাক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট ইয়াহইয়া ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে বুকাইর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-লাইস ইবনে সাদ বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে গুঞ্জ থেকে, তিনি নাফে থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ খায়বার যুদ্ধের বছর কাঁচা রসুন খেয়েছিলেন। অতঃপর তাঁরা বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ((তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এই উদ্ভিদটি (রসুন) খাবে, সে যেন মসজিদে না আসে যতক্ষণ না এর দুর্গন্ধ চলে যায়))।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: ৫৩)
23- حدثنا أبو محمد قال: حدثنا خير بن موفق، قال: حدثنا ابن بكير قال: حدثنا الليث بن سعد بن محمد بن غنج، عن نافع عن ابن عمر، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((أنه دفع إلى يهود خيبر [نخل] خيبر وأرضها على أن يعملوها من أموالهم ولرسول الله صلى الله عليه وسلم شطر ثمرتها)) .
২৩- আবু মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: খাইর ইবনে মুওয়াফফাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে বুকাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: লাইস ইবনে সাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে গুঞ্জ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে এবং তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে: তিনি খায়বারের ইহুদিদের নিকট খায়বারের [খেজুর গাছ] ও তার ভূমি এই শর্তে অর্পণ করেছিলেন যে, তারা তাদের নিজস্ব সম্পদ ব্যয় করে সেখানে কাজ করবে এবং তার উৎপাদিত ফলের অর্ধেক আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য থাকবে।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: ৫৪)
24- حدثنا أبو محمد بن الورد قال: حدثنا محمد بن معمر بن أعين قال: حدثنا علي بن جعد قال: حدثنا ابن أبي ذئب، عن الزهري قال: قال أبو بكر الصديق: ((لو رأيت رجلاً على حد ما حددته ولا دعوت إليه أحداً حتى يكون معي غيري)) .
২৪- আমাদের কাছে আবু মুহাম্মাদ বিন আল-ওয়ারদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে মুহাম্মাদ বিন মুআম্মার বিন আ'ইয়ান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আলী বিন জা'দ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে ইবনে আবি যিব বর্ণনা করেছেন, তিনি যুহরি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবু বকর সিদ্দিক (রা.) বলেছেন: "যদি আমি কোনো ব্যক্তিকে দণ্ডবিধিযোগ্য কোনো অপরাধে লিপ্ত দেখি, তবে আমি তার ওপর ততক্ষণ পর্যন্ত হদ কার্যকর করব না এবং কাউকে ডাকবও না, যতক্ষণ না আমার সাথে অন্য কেউ (সাক্ষী হিসেবে) উপস্থিত থাকে।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: ৫৪)
25- حدثنا أبو الفضل العباس بن محمد بن نصر السري بن عبد الله بن سهل بن أيوب الرافقي بمصر قال: حدثنا الهلال بن علاء قال: حدثني أبي قال: حدثنا عيسى ابن يونس عن مجمع بن يحيى بن مجمع بن جارية الأنصاري قال: حدثني رجل من الأنصار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ((بلوا أرحامكم ولو بالسلام)) .
২৫- মিশরে আবুল ফজল আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ ইবনে নাসর আস-সিররি ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সাহল ইবনে আইয়ুব আর-রাফিকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হিলাল ইবনে আলা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ঈসা ইবনে ইউনুস আমাদের নিকট মুজাম্মি ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে মুজাম্মি ইবনে জারিয়া আল-আনসারি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আনসারদের একজন লোক আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা তোমাদের আত্মীয়তার বন্ধনকে সিক্ত রাখো (বজায় রাখো), যদিও তা কেবল সালাম বিনিময়ের মাধ্যমে হয়।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: ৫৫)
26- حدثنا أبو الفضل الرافقي قال: حدثنا هلال بن العلاء الرقي قال: حدثنا أبي قال: حدثنا يزيد بن زريع، عن سعيد، عن قتادة، عن حنظلة الأسدي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ((من حافظ على الصلوات الخمس مواقيتها وركوعها وسجودها يراها حقاً لله تعالى عليه إلا حرم على النار)) .
২৬- আবু ফজল আল-রাফীকী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হিলাল বিন আল-আলা আর-রাক্কী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াযিদ বিন যুরাই সাঈদ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে এবং তিনি হানজালা আল-আসাদী থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ((যে ব্যক্তি পাঁচ ওয়াক্ত সালাতকে সেগুলোর নির্ধারিত সময়সমূহ এবং সেগুলোর রুকু ও সিজদাসহ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করে এবং এগুলোকে নিজের ওপর মহান আল্লাহর প্রাপ্য হক (অধিকার) বলে বিশ্বাস করে, তবে তাকে জাহান্নামের আগুনের জন্য হারাম করে দেওয়া হবে।))
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি নাসর (পৃষ্ঠা: ৫৬)
27- حدثنا أبو يوسف يعقوب المبارك قال: حدثنا بكر بن سهل قال: حدثنا عبد الله بن يوسف قال: حدثنا مالك بن أنس، عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك ((أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل مكة عام الفتح وعلى رأسه المغفر فلما نزعه، جاءه رجل فقال: ابن خطل متعلق بأستار الكعبة)) .
২৭- আমাদের নিকট আবু ইউসুফ ইয়াকুব আল-মুবারক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বকর বিন সাহল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন ইউসুফ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মালিক বিন আনাস আমাদের নিকট ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন যে, ((রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কা বিজয়ের বছর মক্কায় প্রবেশ করেছিলেন এমতাবস্থায় যে তাঁর মাথায় শিরস্ত্রাণ ছিল। অতঃপর যখন তিনি তা খুলে ফেললেন, তখন এক ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে বলল: ইবনে খাতাল কাবার পর্দার সাথে ঝুলে আছে।))