(খণ্ড: ১) আহাদিসুল আত্তার আন শুয়ুখিহি (পৃষ্ঠা: -)
أحاديث العطار عن شيوخه   (ابن مقسم العطار)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الجزء فيه من حديث أبي بكر محمد بن الحسن بن يعقوب بن مقسم العطار عن شيوخه (وهو مطبوع ضمن كتاب الفوائد)

المؤلف: محمد بن الحسن بن يعقوب بن الحسن، بن مِقْسَم العَطَّار، أبو بكر (ت 354هـ)

المحقق: خلاف محمود عبد السميع

الناشر: دار الكتب العلمية، بيروت - لبنان

الطبعة: الأولى، 1423 هـ - 2002 م

عدد الصفحات: 279

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

তাঁর শাইখদের থেকে বর্ণিত আল-আত্তারের হাদিসসমূহ   (ইবনে মিকসাম আল-আত্তার)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আবু বকর মুহাম্মাদ বিন হাসান বিন ইয়াকুব বিন মিকসাম আল-আত্তার কর্তৃক তাঁর শাইখদের থেকে বর্ণিত হাদিস সম্বলিত জুজ (এটি আল-ফাওয়ায়েদ কিতাবের অন্তর্ভুক্ত হয়ে মুদ্রিত হয়েছে)

লেখক: মুহাম্মাদ বিন হাসান বিন ইয়াকুব বিন হাসান، বিন মিকসাম আল-আত্তার، আবু বকর (মৃ. ৩৫৪ হিজরি)

সম্পাদক: খাল্লাফ মাহমুদ আব্দুল সামি

প্রকাশক: দারুল কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ، বৈরুত - লেবানন

সংস্করণ: প্রথম، ১৪২৩ হিজরি - ২০০২ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৭৯

[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আহাদিসুল আত্তার আন শুয়ুখিহি (পৃষ্ঠা: ২৬৯)
الجزء فيه مِنْ حَدِيثِ أَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ يَعْقُوبَ بْنِ مُقْسِمٍ الْعَطَّارُ عَنْ شُيُوخِهِ

رِوَايَةُ أَبِي الْحُسَيْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ دِينَارٍ الْكَاتِبُ عَنْهُ

رِوَايَةُ أَبِي غَالِبٍ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ سَهْلِ بْنِ بِشْرَانَ النَّحْوِيِّ عَنْهُ

رِوَايَةُ أَبِي الْمَجْدِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عِيسَى بْنِ جَهُورٍ الْمُعَدَّلِ الْوَاسِطِيِّ عَنْهُ

رِوَايَةُ أَبِي الْفَوَارِسِ سَعْدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدِ بْنِ الصَّيْفِيِّ التَّمِيمِيِّ عَنْهُ

رِوَايَةُ أَبِي المظفر محمد بن مقبل بن فتيان بن مَطَرٍ النَّهْرَوَانِيِّ عَنْهُ

رِوَايَةُ أُمِّ عَبْدِ اللَّهِ زَيْنَبَ بِنْتِ الْكَمَالِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ إِجَازَةً عَنْهُ

رِوَايَةُ أَبِي حَفْصٍ عُمَرَ بْنِ محمد بن أحمد البالسي عنها

رِوَايَةُ شَيْخِ الإِسْلامِ أَبِي الْفَضْلِ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ الْعَسْقَلانِيِّ عَنْهُ
এই খণ্ডে আবু বকর মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনে ইয়াকুব ইবনে মুকসিম আল-আত্তার কর্তৃক তাঁর শিক্ষকদের থেকে বর্ণিত হাদিসসমূহ রয়েছে।

তাঁর থেকে আবু আল-হুসাইন আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে দিনার আল-কাতিব-এর বর্ণনা।

তাঁর থেকে আবু গালিব মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে সাহল ইবনে বিশরান আন-নাহবী-র বর্ণনা।

তাঁর থেকে আবু আল-মাজদ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ঈসা ইবনে জাহওয়ার আল-মুআদ্দাল আল-ওয়াসিতী-র বর্ণনা।

তাঁর থেকে আবু আল-ফাওয়ারিস সাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাদ ইবনে আস-সাইফি আত-তামিমী-র বর্ণনা।

তাঁর থেকে আবু আল-মুজাফফর মুহাম্মদ ইবনে মুকবিল ইবনে ফিতইয়ান ইবনে মাতার আন-নাহরাওয়ানী-র বর্ণনা।

ইজাজতসূত্রে তাঁর থেকে উম্মে আবদুল্লাহ জয়নব বিনতে আল-কামাল আহমদ ইবনে আবদুর রহীমের বর্ণনা।

তাঁর থেকে আবু হাফস উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-বালিছী-র বর্ণনা।

তাঁর থেকে শায়খুল ইসলাম আবুল ফজল আহমদ ইবনে আলী আল-আসকালানী-র বর্ণনা।
(খণ্ড: ১) আহাদিসুল আত্তার আন শুয়ুখিহি (পৃষ্ঠা: ২৭১)
‌‌بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ

أخبرنا أَبُو الْمُظَفَّرِ مُحَمَّدُ بْنُ مُقْبِلِ بْنِ فِتْيَانَ بن مطر النهرواني عرف بابن المني: أخبرنا أَبُو الْفَوَارِسِ سَعْدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدٍ بن الصيفي التميمي المعروف بحيص بيص سماعا: أخبرنا الْقَاضِي أَبُو الْمَجْدِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عِيسَى بْنِ جَهُورٍ الْمُعَدِّلُ الْوَاسِطِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِوَاسِطَ فِي جُمَادَى الآخِرَةِ سَنَةَ ست وخمسمئة: أخبرنا أَبُو غَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ سَهْلٍ النَّحْوِيُّ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ بِشْرَانَ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أسمع: أخبرنا أَبُو الْحُسَيْنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ دِينَارٍ الكاتب: حدثنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ يَعْقُوبَ بن مقسم المقرئ العطار (لليلتين) خَلَتَا مِنْ شَهْرِ رَبِيعٍ الآخَرِ سَنَةَ خَمْسِينَ وثلاثمئة:

 

811 - حدثنا يحيى بن عبد الباقي الثغري: حدثنا إدريس بن سليمان الرملي: حدثنا ضُمْرَةُ بْنُ رَبِيعَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ رَاشِدٍ، عَنْ حُمَيْدٍ الطَّوِيلِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ: سَافَرْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي رَمَضَانَ فَلَمْ يَعِبِ الصَّائِمُ عَلَى الْمُفْطِرِ، وَلا الْمُفْطِرُ عَلَى الصَّائِمِ.

 

812 - حَدَّثَنَا الحسن بن علي العطار: حدثنا إسماعيل بن عيسى وهو العطار: أخبرنا أبو عبد الملك المكي: حدثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: العسيلة الجماع.

 

813 - حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى الْبَزَّازُ: حدثنا أبو طالب هاشم بن الوليد الهروي: حدثنا ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: بِئْسَ الْكَسْبُ أَجْرُ الزَّمارة وَثَمَنُ الْكَلْبِ. قَالَ أَبُو بَكْرٍ: الزَّمَّارَةُ، الزانية.

 

814 - حدثنا إبراهيم بن عبد الله البصري: حدثنا القعنبي: حدثنا عَبْدُ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

আবু আল-মুজাফফর মুহাম্মদ বিন মুকবিল বিন ফিতইয়ান বিন মাতার আন-নাহরাওয়ানি, যিনি ইবনুল মানি নামে পরিচিত, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু আল-ফাওয়ারিস সা’দ বিন মুহাম্মদ বিন সা’দ বিন আস-সাইফি আত-তামিমি, যিনি হাইসা বায়সা নামে পরিচিত, শ্রবণ করার মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: কাজী আবু আল-মাজদ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ঈসা বিন জাহুর আল-মুয়াদ্দিল আল-ওয়াসিতি ৫০৬ হিজরি সনের জুমাদাল আখিরা মাসে ওয়াসিত নামক স্থানে তার সামনে পাঠ করার সময় আমি শ্রবণ করছিলাম এমতাবস্থায় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু গালিব মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন সাহল আন-নাহবি, যিনি ইবনে বিশরান নামে পরিচিত, তার সামনে পাঠ করার সময় আমি শ্রবণ করছিলাম এমতাবস্থায় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু আল-হুসাইন আলি বিন মুহাম্মদ বিন দিনার আল-কাতিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন ইয়াকুব বিন মিকসাম আল-মুকরি আল-আত্তার ৩৫০ হিজরি সনের রবিউস সানি মাসের দুই রাত অতিবাহিত হওয়ার পর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন:

 

811 - ইয়াহইয়া বিন আব্দুল বাকি আস-সাগরি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: ইদ্রিস বিন সুলায়মান আর-রামলি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: জুমরা বিন রাবিয়াহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি ইয়াহইয়া বিন রাশিদ থেকে, তিনি হুমাইদ আত-তবিল থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: আমরা রমজান মাসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সফর করেছি, তখন রোজা পালনকারী রোজা ভঙ্গকারীর সমালোচনা করেনি, আর রোজা ভঙ্গকারীও রোজা পালনকারীর সমালোচনা করেনি।

 

812 - আল-হাসান বিন আলি আল-আত্তার আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: ইসমাইল বিন ঈসা (যিনি আল-আত্তার) আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: আবু আব্দুল মালিক আল-মাক্কি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আব্দুল্লাহ বিন আবি মুলাইকাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আয়েশা থেকে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ‘আল-উসাইলাহ’ অর্থ হলো সহবাস।

 

813 - আবু ইসহাক ইবরাহিম বিন মুসা আল-বাজজাজ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: আবু তালিব হাশিম বিন আল-ওয়ালিদ আল-হারাউয়ি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: ইবনে উলাইয়্যাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইউনুস থেকে, তিনি ইবনে সিরিন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: নিকৃষ্টতম উপার্জন হলো ব্যভিচারিণীর পারিশ্রমিক এবং কুকুরের মূল্য। আবু বকর বলেন: ‘যাম্মারাহ’ অর্থ হলো ব্যভিচারিণী।

 

814 - ইবরাহিম বিন আব্দুল্লাহ আল-বাসরি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: আল-কা’নাবি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: আব্দুল্লাহ...
(খণ্ড: ১) আহাদিসুল আত্তার আন শুয়ুখিহি (পৃষ্ঠা: ২৭২)
اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: إِذَا كَانَ ثَلاثَةً فَلا يَتَنَاجَ اثْنَانِ دُونَ الْوَاحِدِ.

 

815 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ سهل البصري: حدثنا محمد وهو ابن رمح: حدثنا اللَّيْثُ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ نَهَى عَنِ اشْتِمَالِ الصَّمَّاءِ، وَالاحْتِبَاءِ فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ، وَأَنْ يَرْفَعَ الرَّجُلُ إِحْدَى رِجْلَيْهِ عَلَى الأخرى وهو مستلقي عَلَى ظَهْرِهِ.

 

816 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ اللَّيْثِ الْجَوْهَرِيُّ: حدثنا جبارة بن المغلس: حدثنا عبد الكريم بن عبد الرحمن الخزاز الْبَجْلِيُّ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَيْمُونٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: مَا سَاءَ عَمَلُ قَوْمٍ قَطْ إِلا زَخْرَفُوا مَسَاجِدَهُمْ.

 

817 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ مَوْلَى بَنِي هاشم: حدثنا خلاد بن أسلم: حدثنا النضر بن شميل: حدثنا أبوعامر الْخَزَّازُ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ شِنْظِيرٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنِ الْمُثْلَةِ، أَلا وَإِنَّ الْمُثْلَةَ أَنْ يَنْذِرَ الرَّجُلُ أَنْ يَحُجَّ مَاشِيًا، فَلْيَهْدِ بُدْنَةً وَلْيَرْكَبْ.

 

818 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ سهل البصري: حدثنا هِشَامٌ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ أَيُّوبَ بْنِ مَيْسَرَةَ بْنِ حَلْبَسٍ يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ: سَمِعْتُ بُسْرَ بْنَ أَبِي أَرْطَأَةَ يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: اللَّهُمَّ أَحْسِنْ عَاقِبَتَنَا فِي الأُمُورِ كُلِّهَا، وَأَجِرْنَا مِنْ خِزْيِ الدُّنْيَا وَمِنْ عَذَابِ الآخِرَةِ.
আব্দুল্লাহ ইবনে উমর হতে, তিনি নাফি হতে, তিনি ইবনে উমর হতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: যখন তিনজন একত্রে থাকে, তখন একজনকে বাদ দিয়ে যেন অপর দুইজন কানে কানে কথা না বলে।

 

815 - মুসা ইবনে সাহল আল-বাসরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মদ (যিনি ইবনে রুমহ) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: লাইস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু জুবাইর হতে, তিনি জাবির হতে, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি 'ইশতিমালুস সাম্মা' (এক কাপড়ে সর্বাঙ্গ জড়িয়ে বসা) এবং এক কাপড়ে 'ইহতিবা' (কাপড় দিয়ে হাঁটু ও পিঠ পেঁচিয়ে বসা) করতে নিষেধ করেছেন, এবং কোনো ব্যক্তি যেন পিঠের ওপর চিৎ হয়ে শোয়া অবস্থায় এক পা অন্য পায়ের ওপর না রাখে।

 

816 - মুহাম্মদ ইবনে লাইস আল-জাওহারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: জাবারাহ ইবনুল মুগাল্লিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আব্দুল কারীম ইবনে আব্দুর রহমান আল-খাযযায আল-বাজালী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু ইসহাক হতে, তিনি আমর ইবনে মাইমুন হতে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: যখনই কোনো জাতির আমল বা কর্মকাণ্ড খারাপ হয়েছে, তখনই তারা তাদের মসজিদসমূহকে সুসজ্জিত (কারুকার্যময়) করেছে।

 

817 - বনু হাশিমের আযাদকৃত দাস আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: খাল্লাদ ইবনে আসলাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: নাদর ইবনে শুমাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু আমের আল-খাযযায আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি কাসীর ইবনে শিনজীর হতে, তিনি হাসান হতে, তিনি ইমরান ইবনে হুসাইন হতে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অঙ্গহানি বা বিকৃতি (মুসলাহ) করতে নিষেধ করেছেন; জেনে রেখো, কোনো ব্যক্তির পায়ে হেঁটে হজ করার মানত করাও এক প্রকার কৃচ্ছ্রসাধন বা বিকৃতি, সুতরাং সে যেন একটি কুরবানির পশু (হাদি) প্রদান করে এবং সওয়ার হয়ে (বাহনে চড়ে) হজ সম্পন্ন করে।

 

818 - মুসা ইবনে সাহল আল-বাসরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আমি মুহাম্মদ ইবনে আইয়ুব ইবনে মাইসারা ইবনে হালবাসকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি বুসর ইবনে আবি আরতাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: হে আল্লাহ! সকল বিষয়ে আমাদের শেষ পরিণাম সুন্দর করুন এবং আমাদের দুনিয়ার লাঞ্ছনা ও আখেরাতের আযাব থেকে মুক্তি দান করুন।
(খণ্ড: ১) আহাদিসুল আত্তার আন শুয়ুখিহি (পৃষ্ঠা: ২৭৩)
819 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بن إبراهيم الأنماطي: حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم: حدثنا مروان: حدثنا عنبسة بن عثمان: حدثنا أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَامْرَأَةٌ مِنْ أَزْوَاجِهِ يَغْتَسِلانِ مِنْ إناء واحد.

 

820 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ خَالِدِ بْنِ عَمْرٍو الْحِمْصِيُّ السلفي: حدثنا أبي: حدثني عكرمة بن يزيد: حدثني الأبيض بْنُ الأَغَرِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ(1) بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الأَصَمِّ، عَنْ عَمِّهِ يَزِيدَ بْنِ الأَصَمِّ، عَنْ مَيْمُونَةَ قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا سَجَدَ جَافَى بِيَدَيْهِ عَنْ جَنْبَيْهِ حتَى يُرَى بَيَاضَ إِبْطَيْهِ.

 

821 - سَمِعْتُ أَبَا الْعَبَّاسِ وَقَدْ سُئِلَ عَنْ مَعْنَى قَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: الْمَجَالِسُ بِالأَمَانَةِ، فَقَالَ: أَيْ أَنْ (يَقُلْ؟) لِلْحَاضِرِ إِنِّي قَدِ ائْتَمَنْتُكَ، فَلَيْسَ يَنْبَغِي لَهُ أَنْ يُجْلِي كلامه.

 

822 - سَمِعْتُ أَبَا الْعَبَّاسِ أَحْمَدَ بْنَ يَحْيَى ثَعْلَبًا وَقَدْ سُئِلَ عَنْ مَعْنَى قَوْلِ اللَّهِ تَبَارَكَ وَتَعَالَي: وَمَا(2) زَادُوهُمْ غَيْرَ تَتْبِيبٍ [هود: 101] قَالَ: أَيْ تَخْسِيرٍ.

 

823 - سَمِعْتُ أَبَا الْعَبَّاسِ يَقُولُ: وَيُقَالُ: سكرت الريح أي سكنت قال: وهو مأخوذ من الامتلاء والسكر من هذا.

وأنشدنا قال: أنشدنا أَبُو الْعَبَّاسِ: أَنْشَدَنَا ابْنُ الأَعْرَابِيِّ:

لَوْ مَلَكَ البحرَ والفراتَ مَعًا … مَا نَالَنِي مِنْ نَدَاهُمَا بَلَلا

فَعاله(3) عَلْقَمٌ مَغبَّتُه(4) … وَقَوْلُهُ لَوْ وَفى بِهِ عَسَلا

--------------------------------------------

(1) في الأصل: الأبيض بن الأغر، عن عبد الله بن يزيد بن الأصم، عن ميمونة. والتصويب من الهامش.

(2) في الأصل: فما.

(3) في الهامش نقلا عن الصحاح: الفعال بفتح الفاء مصدر فعل كالدهاء مصدر دهى، والفعال بالكسر جمع فعل مثل قدح قداح.

(4) في الهامش: المغبة العافية.
৮১৯ - ইসহাক বিন ইব্রাহিম আল-আনমাতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আব্দুর রহমান বিন ইব্রাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মারওয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আনবাসাহ বিন উসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু সালামাহ বিন আব্দুর রহমান আমাদের নিকট উম্মে সালামাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর স্ত্রীদের মধ্যে একজন একই পাত্র থেকে গোসল করতেন।

 

৮২০ - আহমাদ বিন খালিদ বিন আমর আল-হিমসি আস-সালাফি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইকরিমাহ বিন ইয়াজিদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন: আল-আবইয়াদ বিন আল-আগার আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, উবাইদুল্লাহ(১) বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-আসাম থেকে, তিনি তাঁর চাচা ইয়াজিদ বিন আল-আসাম থেকে, তিনি মায়মুনা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সেজদা করতেন, তখন তিনি তাঁর দুই হাত তাঁর দুই পার্শ্বদেশ থেকে দূরে রাখতেন, এমনকি তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখা যেত।

 

৮২১ - আমি আবু আল-আব্বাসকে বলতে শুনেছি, যখন তাঁকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: "মজলিসের কথা আমানত" এর অর্থ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তখন তিনি বলেছিলেন: অর্থাৎ উপস্থিত ব্যক্তিকে বলা যে, "আমি আপনাকে আমানতদার বানালাম," সুতরাং তার জন্য সমীচীন নয় যে সে তার (বক্তার) কথা প্রকাশ করে দেবে।

 

৮২২ - আমি আবু আল-আব্বাস আহমাদ বিন ইয়াহইয়া সা'লাবকে বলতে শুনেছি, যখন তাঁকে আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তায়ালার এই বাণীর অর্থ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: "এবং তারা তাদের ধ্বংস (তাতবীব) ব্যতীত কিছুই বৃদ্ধি করেনি" [হুদ: ১০১]। তিনি বললেন: অর্থাৎ ক্ষতি বা বিনাশ (তাখসীর)।

 

৮২৩ - আমি আবু আল-আব্বাসকে বলতে শুনেছি: বলা হয় "সাকারাতিল রিহ", অর্থাৎ বাতাস শান্ত হয়েছে। তিনি বলেন: এটি 'ইমতিলা' (পরিপূর্ণতা) থেকে উদ্ভূত, আর 'সুখর' (মাতলামি) এখান থেকেই এসেছে।

তিনি আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন, তিনি বলেন: আবু আল-আব্বাস আমাদের নিকট ইবনুল আ'রাবি থেকে আবৃত্তি করেছেন:

যদি তিনি সমুদ্র এবং ফোরাত নদী একত্রে মালিক হতেন … তবুও তাদের বদান্যতার কোনো সিক্ততা আমার নিকট পৌঁছাত না।

তাঁর কর্ম হলো তিক্ত যার পরিণাম মন্দ … আর তাঁর কথা, যদি তিনি তা পূর্ণ করতেন, তবে তা হতো মধুর মতো।

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: আল-আবইয়াদ বিন আল-আগার, আব্দুল্লাহ বিন ইয়াজিদ বিন আল-আসাম থেকে, মায়মুনা থেকে। সংশোধন পার্শ্বটীকা থেকে করা হয়েছে।

(২) মূল পাঠে রয়েছে: ফা-মা (فما)।

(৩) পার্শ্বটীকায় আস-সিহাহ গ্রন্থ থেকে উদ্ধৃত হয়েছে: 'ফায়াল' (ফ-এর ওপর ফাতহা যোগে) হলো 'ফাআলা' ক্রিয়ার মাসদার (ক্রিয়ামূল), যেমন 'দাহা' থেকে 'দাহাআ' এর মাসদার। আর 'ফিয়াল' (ফ-এর নিচে কাসরা যোগে) হলো 'ফেল' এর বহুবচন, যেমন 'কাদাহ' থেকে 'কিদাহ'।

(৪) পার্শ্বটীকায়: 'মাগাব্বাহ' অর্থ পরিণাম বা সুস্থতা।
(খণ্ড: ১) আহাদিসুল আত্তার আন শুয়ুখিহি (পৃষ্ঠা: ২৭৪)
قَالَ أَبُو الْعَبَّاسِ: نَالَنِي أَعْطَانِي، وقوله: لو وفا به عسلا، أي لكان عَسَلا.

وَأَنْشَدَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَيْضًا:

إِذَا لَمْ تَكُنْ حَاجَاتُنَا فِي نُفُوسِنَا لإِخْوَانِنَا لَمْ تُغْنِ عنا الرتايم

قَالَ أَبُو الْعَبَّاسِ: وَالرَّتِيمَةُ أَيْضًا أَنْ يَعْقِدَ الرَّجُلُ إِذَا أَرَادَ سَفَرًا شَجَرَتَيْنِ، فَإِذَا رَجَعَ فَوَجَدَهُمَا عَلَى مَا كَانَتَا عَلَيْهِ قَالَ: قَدْ وَفَّتِ امْرَأَتُهُ، وَإِذَا(1) لَمْ يَجِدْهُمَا قَالَ: قَدْ نكثت.

 

824 - حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ: حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ شَبِيبٍ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى، عَنْ فُلَيْحِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنِ صَالِحٍ سَنَةَ 162: حَدَّثَنِي عَمِّي سُلَيْمَانُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ عِكْرِمَةَ قَالَ: إِنِّي لَمَعَ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما بِعَرَفَةَ إِذَا فِتْيَةٌ أُدْمَانُ يَحْمِلُونَ فَتًى فِي كِسَاءٍ معروقَ الْوَجْهِ ناحلَ الْبَدَنِ لَهُ حَلاوَةٌ، حَتَّى وَضَعُوهُ بَيْنَ يَدَيِ ابْنِ عَبَّاسٍ، وَقَالُوا لَهُ: اسْتَشْفِ لَهُ يَا ابْنَ عَمِّ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: وَمَا بِهِ؟ فَأَنْشَأَ يَقُولُ:

بِنَا مِنْ جَوَى الأَحْزَانِ وَالْوَجْدِ لَوْعَةٌ … تَكَادُ لَهَا نَفْسُ الشَّفِيقِ تَذُوبُ

وَلَكِنَّمَا أَبْقَى حُشاشةَ مُعولٍ عَلَى … مَا بِهِ عَوْدٌ هُنَاكَ صَلِيبُ

/ فَأَقْبَلَ ابْنُ عَبَّاسٍ عَلَى عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ حُمَيْدِ بْنِ زُهَيْرِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ أسد بن عبد العزى فقال: أخذ هَذَا الْبَدَوِيَّ الْعَوْدُ عَلَيْنَا وَعَلَيْكَ. قَالَ: فَحَمَلُوهُ فَخَفَتَ فِي أَيْدِيهِمْ فَمَاتَ، فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: هَذَا قَتِيلُ الْحُبِّ لا عَقْلَ وَلا قَوْدَ. قَالَ عِكْرِمَةُ: فَمَا رَأَيْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ سَأَلَ اللَّهَ عز وجل فِي عَشِيَّتِهِ حَتَّى الْمَسَاءَ إِلا الْعَافِيَةَ مِمَّا ابْتَلَى حِينَ(2) ذَكَرَ الْفَتَى صلابة عوده أخذ الْبَدَوِيَّ الْعَوْدُ عَلَيْنَا وَعَلَيْكَ.

 

825 - حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ: حدثنا زُبَيْرُ بْنُ بَكَّارٍ: حَدَّثَنِي عَاصِمُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ حَفْصِ بْنِ عَاصِمَ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، عَنْ أَبِيهِ، وَحَدَّثَنِيهِ يُونُسُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بن سَالِمٍ الْخَيَّاطِ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ حَفْصٍ: أَنَّ رَجُلا مِنْ بَنِي كِلابٍ يُكَنَّى أَبَا حُبَالٍ نَزَلَ عَلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ حَفْصٍ وَمَعَهُ ابْنُهُ حُبَالٌ، فَمَرِضَ ابْنُهُ ثُمَّ مَاتَ. قَالَ عَبْدُ اللَّهِ(3) : فَأَمَرَنَا أَبِي أَنْ نُكَفِّنَهُ، فَكَفَّنَّاهُ وَحَنَّطْنَاهُ، فَلَمَّا فَرَغْنَا مِنْ أَمْرِهِ اسْتَأْذَنَ

--------------------------------------------

(1) في الهامش: فإذا.

(2) هكذا في الأصل. والظاهر أنه يوجد سقط هنا، انظر مجالس ثعلب (1/94-95) .

(3) في الهامش: لعله عبد الرحمن، قاله الدمياطي.
আবু আল-আব্বাস বলেন: ‘নালানি’ অর্থ ‘আমাকে দান করেছেন’। আর তাঁর উক্তি: ‘যদি সে মধু দ্বারা পূর্ণ করত’ অর্থাৎ তা মধু হতো।

আবু আল-আব্বাস আমাদের আরও শুনিয়েছেন:

যখন আমাদের প্রয়োজনগুলো আমাদের ভাইদের অন্তরে স্থান পায় না, তখন আমাদের স্মারক সূতাগুলো আমাদের কোনো কাজে আসে না।

আবু আল-আব্বাস বলেন: ‘রাতিমাহ’ আরও একটি বিষয়কে বলা হয়, তা হলো—কোনো ব্যক্তি যখন সফরের ইচ্ছা করত, তখন সে দুটি গাছকে একত্র করে গিট দিত। যখন সে ফিরে এসে গাছ দুটিকে আগের অবস্থায় দেখতে পেত, তখন সে বলত: তার স্ত্রী বিশ্বস্ত থেকেছে। আর যদি(১) সেগুলোকে (গিটবদ্ধ) না পেত, তবে বলত: সে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে।

 

৮২৪ - আবু আল-আব্বাস আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: আবদুল্লাহ ইবনে শাবীব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ফুলায়হ ইবনে ইসমাইল থেকে: আবদুল্লাহ ইবনে সালিহ ১৬২ হিজরীতে আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: আমার চাচা সুলাইমান ইবনে আলী আমার কাছে বর্ণনা করেছেন ইকরামা থেকে, তিনি বলেন: আমি আরাফাতের ময়দানে ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সাথে ছিলাম। হঠাৎ দেখা গেল শ্যামলা বর্ণের কিছু যুবক একটি চাদরে করে এক যুবককে বহন করে নিয়ে আসছে। যুবকের চেহারা ছিল শীর্ণ এবং শরীর অত্যন্ত কৃশ, তবে তাতে এক ধরণের লাবণ্য ছিল। তারা তাকে ইবনে আব্বাসের সামনে রাখল এবং তাকে বলল: ‘হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চাচাতো ভাই! তার জন্য আরোগ্যের প্রার্থনা করুন।’ বর্ণনাকারী বলেন: ইবনে আব্বাস বললেন: তার কী হয়েছে? তখন সে কবিতা আবৃত্তি করতে লাগল:

দুঃখ ও বিরহের দহনে আমাদের অন্তরে এমন এক জ্বালা বিরাজ করছে... যার ফলে সহমর্মী ব্যক্তির প্রাণও প্রায় গলে যায়।

কিন্তু বিলাপকারীর অবশিষ্ট প্রাণটুকু এমন এক শক্ত কাষ্ঠখণ্ডকে (অবলম্বন করে) টিঁকে আছে... যার সেখানে কোনো প্রত্যাবর্তন নেই।

/ অতঃপর ইবনে আব্বাস উবায়দুল্লাহ ইবনে হুমাইদ ইবনে যুহাইর ইবনে আল-হারিস ইবনে আসাদ ইবনে আবদিল উযযার দিকে তাকিয়ে বললেন: এই মরুবাসী যুবকের দৃঢ়তা আমাদের ও আপনার ওপর প্রভাব ফেলেছে। বর্ণনাকারী বলেন: এরপর তারা তাকে উঠিয়ে নিল, তখন তাদের হাতেই তার আওয়াজ ক্ষীণ হয়ে এল এবং সে মারা গেল। তখন ইবনে আব্বাস বললেন: এ হচ্ছে প্রেমের নিহত ব্যক্তি, যার কোনো রক্তপণ বা প্রতিশোধ নেই। ইকরামা বলেন: আমি ইবনে আব্বাসকে দেখিনি যে তিনি সেই বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আল্লাহর কাছে সেই বিপদ থেকে মুক্তি বা সুস্থতা ছাড়া অন্য কিছু প্রার্থনা করেছেন, যখন(২) সেই যুবক তার দৃঢ়তার কথা উল্লেখ করেছিল—এই মরুবাসী যুবকের দৃঢ়তা আমাদের ও আপনার ওপর প্রভাব ফেলেছে।

 

৮২৫ - আবু আল-আব্বাস আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: যুবাইর ইবনে বাক্কার আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: আসিম ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে হাফস ইবনে আসিম ইবনে উমর ইবনে আল-খাত্তাব তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। আর আমার কাছে এটি বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে সালিম আল-খায়্যাত, মালিক ইবনে আনাস থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে হাফস থেকে বর্ণনা করেছেন: বনু কিলাব গোত্রের আবু হুবাল উপনামের এক ব্যক্তি আবদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে হাফসের কাছে মেহমান হলেন, তার সাথে তার পুত্র হুবালও ছিল। অতঃপর তার পুত্র অসুস্থ হয়ে পড়ল এবং মারা গেল। আবদুল্লাহ(৩) বলেন: আমার পিতা আমাদের নির্দেশ দিলেন তাকে কাফন পরাতে। আমরা তাকে কাফন পরালাম এবং সুগন্ধি লাগালাম। যখন আমরা তার কাজ থেকে অবসর হলাম, তখন তিনি অনুমতি চাইলেন—

--------------------------------------------

(১) পার্শ্বটীকায় রয়েছে: অতঃপর যদি।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই রয়েছে। স্পষ্টত এখানে কিছু অংশ বাদ পড়েছে, দেখুন মজালিসু সা'লাব (১/৯৪-৯৫)।

(৩) পার্শ্বটীকায় রয়েছে: সম্ভবত তিনি আবদুর রহমান, আদ-দামইয়াতি এটি বলেছেন।
(খণ্ড: ১) আহাদিসুল আত্তার আন শুয়ুখিহি (পৃষ্ঠা: ২৭৫)
أَبُوهُ أَبِي أَنْ يدخل فيسلم عليه، فأذن له فدخل، فانكب عَلَيْهِ، فَسَمِعْتُهُ يَقُولُ:

فَلَوْلا حُبَالٌ لَمْ تَنِخْ بي مطيتي بأرض بها الحمى ببرد وَصَالِبُ

قَالَ الشَّيْخُ: نَاخَتْ هِيَ وَأَنَاخَهَا صَاحِبُهَا.

وَقَائِلَةٌ أَرَادَكَ وَاللَّهِ حِبَّةٌ بِنَفْسِي … حِبَالٌ مِنْ خليل وصاحب.

فَجَعَلَ يُرَدِّدُ ذَلِكَ ثُمَّ فَقَدْنَا صَوْتَهُ، فَقَالَ لَنَا أَبِي: انْظُرُوا فَإِنِّي وَاللَّهِ أَحْسَبُهُ قَدْ مَاتَ، فَدَخَلْنَا فَوَجَدْنَاهُ مَيِّتًا، فَجَهَّزْنَاهُ وَحَمَلْنَاهُ مَعَ ابْنِهِ.

 

826 - حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ قَالَ: حَجَّ الْحَجَّاجُ وَمَعَهُ صَاحِبٌ لَهُ، فَأَرَادَ أَنْ يَأْكُلَ لُقْمَةً، فَوَضَعَهَا مِنَ النُّعَاسِ فِي عَيْنِهِ، وَطَارَتْ عِمَامَةُ صَاحِبِهِ أَيْضًا مِنَ النُّعَاسِ، فَقَالَ لَهُ الْحَجَّاجُ: مَا فَعَلَتْ عِمَامَتُكَ؟ قَالَ: مَعَ لُقْمَتِكَ.

وَأَنْشَدَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ: وَالنَّوْمُ ينتزعُ الْعَصَا مِنْ رَبِّهَا … ويلوك ثِنْيَ لسانه المنطيق

 

827 - حدثنا موسى بن علي(1) الخُتَّلي: حدثنا زكريا: حدثنا الأصمعي: حدثنا سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: عُمَّارُ بُيُوتِ اللَّهِ عز وجل هُمْ أَهْلُ اللَّهِ تبارك وتعالى.

 

828 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ علي الختلي: حدثنا زكريا: حدثنا الأصمعي: حدثنا أَبُو عُوَانَةَ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رضي الله عنه: جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ يُوسُفُ هَذِهِ الأمة.

 

829 - حدثنا موسى بن علي الختلي: حدثنا زكريا: حدثنا الأصمعي: حدثنا جُوَيْرِيَّةُ بْنُ أَسْمَاءَ قَالَ: قَالَ عَمْرُو بْنُ الْعَاصِ: مَا مِنْ شَيْءٍ أُفِيدُهُ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ أَنْ أُصْبِحَ عَرُوسًا بِعَقِيلَةٍ مِنْ عَقَائِلِ العرب. قال: وَقَالَ مُعَاوِيَةُ بْنُ أَبِي سُفْيَانَ: مَا مِنْ شَيْءٍ أُفِيدُهُ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ عَيْنٍ خَرَّارَةٍ فِي أَرْضٍ خَوَّارَةٍ. قَالَ وَرْدَانُ مَوْلَى عَمْرٍو: وَمَا مِنْ شَيْءٍ أُفِيدُهُ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنَ الإِفْضَالِ عَلَى الإِخْوَانِ. فَقَالَ مُعَاوِيَةُ: أَنَا(2) أَحَقُّ بها.

 

830 - حدثنا إسحاق بن إبراهيم الأنماطي: حدثنا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي الْحَوَارِيِّ قَالَ:

--------------------------------------------

(1) تحرف في الأصل إلى: بن إسماعيل.

(2) في الهامش: لعله أنت.
তার বাবা তাকে প্রবেশ করতে এবং তাকে সালাম দিতে অস্বীকার করেছিলেন, অতঃপর তিনি তাকে অনুমতি দিলেন এবং তিনি প্রবেশ করলেন। তারপর তিনি তার ওপর ঝুঁকে পড়লেন এবং আমি তাকে বলতে শুনলাম:

যদি ভালোবাসার বন্ধন না থাকত, তবে আমার বাহন আমাকে এমন এক ভূমিতে নিয়ে যেত না যেখানে জীর্ণতা, শীতলতা এবং প্রখর উত্তাপ বিদ্যমান।

শায়খ বললেন: উটটি বসে পড়েছিল এবং তার মালিক তাকে বসিয়েছিলেন।

একজন নারী বলছিল, আল্লাহর কসম, সে তোমাকে চায়, সে আমার প্রাণের মতো... বন্ধু ও সঙ্গীর পক্ষ থেকে ভালোবাসার বন্ধন।

অতঃপর তিনি বারবার এটি বলতে লাগলেন, তারপর আমরা তার কণ্ঠস্বর শুনতে পেলাম না। আমার বাবা আমাদের বললেন: তোমরা দেখো, আল্লাহর কসম, আমার মনে হয় তিনি মারা গেছেন। আমরা প্রবেশ করে তাকে মৃত অবস্থায় পেলাম। অতঃপর আমরা তাকে দাফনের জন্য প্রস্তুত করলাম এবং তার ছেলের সাথে তাকে বহন করে নিয়ে গেলাম।

 

৮২৬ - আবুল আব্বাস আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাজ্জাজ হজ পালন করছিলেন এবং তার সাথে তার একজন সঙ্গী ছিল। তিনি এক লোকমা খাবার খেতে চাইলেন, কিন্তু তন্দ্রাচ্ছন্ন হওয়ার কারণে তিনি তা (মুখের বদলে) নিজের চোখের ওপর রাখলেন। তন্দ্রার কারণে তার সঙ্গীর পাগড়িও উড়ে গেল। হাজ্জাজ তাকে বললেন: তোমার পাগড়ির কী হলো? সে বলল: আপনার লোকমার যা হয়েছে তাই।

আবুল আব্বাস আমাদের কাব্য আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন: ঘুম তার মালিকের হাত থেকে লাঠি কেড়ে নেয়... এবং তা বাচাল ব্যক্তির জিহ্বার জড়তাকে চিবিয়ে ফেলে।

 

৮২৭ - মূসা বিন আলী আল-খুতালি আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন: যাকারিয়া আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন: আসমায়ী আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন: সুলায়মান বিন মুগিরা আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন সাবিত থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যারা মহান আল্লাহর ঘরসমূহের আবাদকারী, তারাই মহান ও বরকতময় আল্লাহর আপনজন।

 

৮২৮ - মূসা বিন আলী আল-খুতালি আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন: যাকারিয়া আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন: আসমায়ী আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন: আবু আওয়ানাহ আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক বিন উমায়ের থেকে, তিনি ইব্রাহিম বিন জারীর বিন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) বলেছেন: জারীর বিন আব্দুল্লাহ হলেন এই উম্মতের ইউসুফ।

 

৮২৯ - মূসা বিন আলী আল-খুতালি আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন: যাকারিয়া আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন: আসমায়ী আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন: জুওয়াইরিয়া বিন আসমা আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর ইবনুল আস বলেছেন: আমার অর্জিত কোনো সম্পদ বা বিষয় আমার কাছে আরবের সম্ভ্রান্ত নারীদের মধ্যে কোনো একজনকে নববধূরূপে পাওয়ার চেয়ে অধিক প্রিয় নয়। তিনি বলেন: মুয়াবিয়া বিন আবু সুফিয়ান বললেন: আমার অর্জিত কোনো সম্পদ বা বিষয় আমার কাছে উর্বর ভূমিতে প্রবহমান কোনো ঝরনার চেয়ে অধিক প্রিয় নয়। আমরের মুক্তদাস ওয়ারদান বললেন: আমার অর্জিত কোনো সম্পদ বা বিষয় আমার কাছে ভাইদের প্রতি অনুগ্রহ করার চেয়ে অধিক প্রিয় নয়। তখন মুয়াবিয়া বললেন: আমিই এর জন্য অধিক যোগ্য।

 

৮৩০ - ইসহাক বিন ইব্রাহিম আল-আনমাতি আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন: আহমদ বিন আবুল হাওয়ারি আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন:

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এটি ভুলবশত 'ইসমাইলের ছেলে' হিসেবে পরিবর্তিত হয়েছে।

(২) পার্শ্বটীকায় আছে: সম্ভবত এটি 'আপনি' (আনতা) হবে।
(খণ্ড: ১) আহাদিসুল আত্তার আন শুয়ুখিহি (পৃষ্ঠা: ২৭৬)
قُلْتُ لأَبِي سليمان الداراني: يا أبا سليمان الرجل ينقطع عَنِ الْكَسْبِ وَالتَّصَرُّفِ، ثم يرجع إلى الكسب لطلب الحلال والسنة. قَالَ: فَقَالَ لِي: أَبُو سُلَيْمَانَ: لا يَفْلَحُ قَلْبٌ يَهْتَمُّ بِجَمْعِ الْقَرَارِيطِ.

 

831 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْبَصْرِيُّ بِمَكَّةَ: حدثنا أبو الوليد الطيالسي: حدثنا حماد بن سلمة: حدثنا بَهْزُ بْنُ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ مَنْ أَبِرُّ؟ قَالَ: أُمَّكَ قُلْتُ: ثُمَّ مَنْ؟ قَالَ: ثُمَّ أُمَّكَ، قُلْتُ: ثُمَّ مَنْ؟ قَالَ: ثُمَّ أُمَّكَ، قُلْتُ: ثُمَّ مَنْ؟ قَالَ: ثُمَّ أَبَاكَ، ثُمَّ الأَقْرَبَ فَالأَقْرَبَ.

 

832 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْقَطَّانُ: حدثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ مَعْمَرٍ، أَخْبَرَنِي أَبِي، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ: / سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: مَنْ سَرَّهُ أَنْ يُبْسَطَ لَهُ فِي رِزْقِهِ وَيُنْسَأَ لَهُ فِي أَثَرِهِ فَلْيَصِلْ رَحِمَهُ.

 

833 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ سهل البصري: حدثنا إسحاق بن إبراهيم القرقساني: حدثنا عيسى بن يونس: حدثنا كَثِيرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: صَدَقَةُ الْمَرْءِ الْمُسْلِمِ تَزِيدُ فِي الْعُمْرِ، وَتَمْنَعُ ميتَةَ السُّوءِ، وَيُذْهِبُ اللَّهُ بِهَا الْفَخْرَ وَالْكِبْرَ.

 

834 - حَدَّثَنَا أَبُو مُسْلِمٍ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عبد الله البصري: حدثنا أَبُو عَاصِمٍ النَّبِيلُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عِجْلانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: لَوْ تَعْلَمُونَ مَا أَعْلَمُ لَضَحِكْتُمْ قَلِيلا وَلَبَكَيْتُمْ كَثِيرًا.
আমি আবু সুলায়মান আদ-দারানিকে বললাম: হে আবু সুলায়মান, এক ব্যক্তি উপার্জন ও কাজকর্ম ত্যাগ করে, এরপর হালাল অন্বেষণ এবং সুন্নাহ পালনের উদ্দেশ্যে পুনরায় উপার্জনে ফিরে আসে। তিনি বলেন: আবু সুলায়মান আমাকে বললেন: সেই অন্তর সফল হবে না যা কিরাত (সামান্য অর্থ) সঞ্চয় করার চিন্তায় মগ্ন থাকে।

 

৮৩১ - ইবরাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ আল-বাসরি মক্কায় আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবুল ওয়ালিদ আত-তায়ালিসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: হাম্মাদ ইবনে সালামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: বাহয ইবনে হাকিম তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমি কার সাথে সদাচরণ করব? তিনি বললেন: তোমার মায়ের সাথে। আমি বললাম: তারপর কার সাথে? তিনি বললেন: তারপর তোমার মায়ের সাথে। আমি বললাম: তারপর কার সাথে? তিনি বললেন: তারপর তোমার মায়ের সাথে। আমি বললাম: তারপর কার সাথে? তিনি বললেন: তারপর তোমার পিতার সাথে, এরপর পর্যায়ক্রমে নিকটাত্মীয়দের সাথে।

 

৮৩২ - আল-হাসান ইবনে আলী আল-কাত্তান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইবরাহিম ইবনে আল-মুনযির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মদ ইবনে মা'মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা সাঈদ ইবনে আবু সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: যে ব্যক্তি তার রিযিক প্রশস্ত হওয়া এবং তার আয়ু বৃদ্ধি পাওয়া পছন্দ করে, সে যেন আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করে।

 

৮৩৩ - মুসা ইবনে সাহল আল-বাসরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইসহাক ইবনে ইবরাহিম আল-কারকিসানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ঈসা ইবনে ইউনুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: কাসীর ইবনে আব্দুল্লাহ তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: মুসলিম ব্যক্তির দান তার আয়ু বৃদ্ধি করে, অপমৃত্যু রোধ করে এবং এর মাধ্যমে আল্লাহ অহঙ্কার ও দম্ভ দূর করেন।

 

৮৩৪ - আবু মুসলিম ইবরাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ আল-বাসরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু আসিম আন-নাবিল মুহাম্মদ ইবনে আজলান থেকে, তিনি তার পিতা থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আমি যা জানি তা যদি তোমরা জানতে, তবে তোমরা অবশ্যই হাসতে কম এবং কাঁদতে বেশি।
(খণ্ড: ১) আহাদিসুল আত্তার আন শুয়ুখিহি (পৃষ্ঠা: ২৭৭)
835 - حدثنا إبراهيم بن موسى الفقيه: حدثنا عبد الرحيم بن يحيى بن عَطَاءَ بْنِ مُسْلِمٍ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: مَنِ اتَّقَى رَبَّهُ عز وجل كَفَّ لِسَانَهُ وَلَمْ يُشْفِ غَيْظَهُ.

 

836 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إبراهيم الأنماطي: حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم: حدثنا ابن أبي فديك، عن الضحاك، عن عُثْمَانَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُنَيْنٍ، عَنْ أَبِي مُرَّةَ مَوْلَى أُمِّ هَانِئٍ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ قَالَ: أَوْصَانِي حَبِيبِي صَلَوَاتُ اللَّهِ عَلَيْهِ بِثَلاثٍ لا أَدَعَهُنَّ مَا عِشْتُ: بِصِيَامِ ثَلاثَةِ أَيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ، وَصَلاةِ الضُّحَى، وَأَنْ لا أَنَامُ حَتَّى أُوتِرَ.

 

837 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ مَوْلَى بَنِي هاشم: حدثنا سويد بن سعيد الحدثاني: أخبرنا مُوسَى بْنُ عُمَيْرٍ الْكُوفِيُّ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ صِلَةَ بْنِ زُفَرَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: قَالَ اللَّهُ جَلَّ ثَنَاؤُهُ: الصَّوْمُ لِي وَأَنَا أَجْزِي بِهِ، وَلَخَلُوفُ فَمِ الصَّائِمِ أَطْيَبُ عِنْدَ اللَّهِ مِنْ رِيحِ الْمِسْكِ.

 

838 - / حدثنا أبو العباس: حدثنا عُمَرُ بْنُ شَبَّةَ: حَدَّثَنِي ابْنُ أُقَيْصَر قَالَ: تَنَازَعْنَا إِلَى الْحَسَنِ بْنِ زَيْدٍ فِي قَطِيعَةِ سَلَمَةَ بْنِ مَالِكٍ، فَعَرَفَهَا الْحَسَنُ وَقَالَ: ائْتُونِي بِبُرْهَانٍ مَعَ مَعْرِفَتِي قَالَ: فَأَتَيْنَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ أَبِي عُبَيْدَةَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمَّارِ بْنِ يَاسِرٍ فَسَأَلْنَاهُ، فَأَخْبَرَنَا عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، رَفَعَهُ إِلَى عَمَّارِ بْنِ يَاسِرٍ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَقْطَعَ سَلَمَةَ بْنَ مَالِكٍ السُّلَمِيَّ وَكَتَبَ لَهُ: بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ، هَذَا مَا أَعْطَى مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سَلَمَةَ بْنَ مَالِكٍ، أَعْطَاهُ مَا بَيْنَ الْحَبَاطِي إِلَى ذَاتِ الأَسَاوِدِ، مَن حاقَّهُ فَهُوَ مُبْطِلٌ وحقُّهُ حَقٌّ.

 

839 - سَمِعْتُ أَبَا الْعَبَّاسِ: وَقَدْ سُئِلَ عَنْ مَعْنَى قَوْلِ اللَّهِ تبارك وتعالى: يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَيُؤْمِنُ للمؤمنين، قَالَ: يُصَدِّقُ الْمُؤْمِنِينَ.
৮৩৫ - ইবরাহীম ইবনে মুসা আল-ফকীহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবদুর রহীম ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আতা ইবনে মুসলিম আমাদের নিকট তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবরাহীম থেকে, তিনি আবু হাযিম থেকে, তিনি সাহল ইবনে সাদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি তার মহান রবকে ভয় করে, সে নিজের জিহ্বাকে সংযত রাখে এবং নিজের ক্রোধ চরিতার্থ করে না।

 

৮৩৬ - ইসহাক ইবনে ইবরাহীম আল-আনমাতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবদুর রহমান ইবনে ইবরাহীম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইবন আবু ফুদাইক আদ-দাহহাক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি উসমান থেকে, তিনি ইবরাহীম ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে হুনাইন থেকে, তিনি উম্মে হানির আযাদকৃত গোলাম আবু মুররা থেকে, তিনি আবু দারদা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার প্রিয়তম (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে তিনটি বিষয়ের অসিয়ত করেছেন যা আমি যতদিন বেঁচে থাকব ত্যাগ করব না: প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখা, চাশতের (দুহা) নামাজ পড়া এবং বিতর না পড়ে না ঘুমানো।

 

৮৩৭ - বনু হাশিমের আযাদকৃত গোলাম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: সুওয়াইদ ইবনে সাঈদ আল-হাদাসানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুসা ইবনে উমায়ের আল-কুফি আমাদের আবু ইসহাক থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি সিলাহ ইবনে যুফার থেকে, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: মহান আল্লাহ বলেছেন: রোজা আমারই জন্য এবং আমিই এর প্রতিদান দেব। আর রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর নিকট মিশকের সুগন্ধির চেয়েও অধিক সুগন্ধযুক্ত।

 

৮৩৮ - / আবুল আব্বাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: উমর ইবনে শাব্বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইবনে উকাইসার আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমরা সালামাহ ইবনে মালিকের জন্য বরাদ্দকৃত ভূমি নিয়ে হাসান ইবনে যায়িদের নিকট বিবাদে লিপ্ত হলাম। হাসান তা চিনতে পারলেন এবং বললেন: আমার অবগতির পাশাপাশি তোমরা আমার নিকট একটি প্রমাণ নিয়ে এসো। তিনি বলেন: এরপর আমরা আবদুল্লাহ ইবনে আবি উবায়দাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আম্মার ইবনে ইয়াসিরের নিকট আসলাম এবং তাকে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি আমাদের তার পিতা থেকে, তার দাদা থেকে, তিনি আম্মার ইবনে ইয়াসির পর্যন্ত উন্নীত করে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালামাহ ইবনে মালিক আস-সুলামিকে ভূমি বরাদ্দ দিয়েছিলেন এবং তার জন্য লিখে দিয়েছিলেন: "বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম। এটি মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালামাহ ইবনে মালিককে প্রদান করেছেন। তিনি তাকে আল-হাবাতি থেকে যাতুল আসওয়াদ পর্যন্ত ভূমি দান করেছেন। যে ব্যক্তি তার সাথে এই বিষয়ে বিবাদ করবে সে বাতিলপন্থী এবং তার (সালামাহর) অধিকারই সত্য অধিকার।"

 

৮৩৯ - আমি আবুল আব্বাসকে বলতে শুনেছি, যখন তাকে মহান আল্লাহর এই বাণীর অর্থ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: "তিনি আল্লাহর প্রতি ঈমান আনেন এবং মুমিনদের বিশ্বাস করেন।" তিনি বলেছিলেন: তিনি মুমিনদের সত্যবাদী বলে গণ্য করেন।
(খণ্ড: ১) আহাদিসুল আত্তার আন শুয়ুখিহি (পৃষ্ঠা: ২৭৮)
قَالَ أَبُو الْعَبَّاسِ: وَاللامُ تدخل لأنه بنى الماضي وَالْمُسْتَقْبَلِ عَلَى الدَّائِمِ قَالَ أَبُو الْعَبَّاسِ: وَتَدْخُلُ أيضا لتأويل الإضافة، وهذا كقوله:

يذُمونَ لِيَ الدُّنْيَا وَهُمْ يرضعُونها أفاوِيقَ حَتَّى مَا يدِرُ لها ثُعْلُ

 

840 - حدثنا أبو العباس: حدثنا أبو سعيد: حدثني عتاب بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ: حَدَّثَنِي عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ الرِّيَاحِيُّ قَالَ: أَتَيْتُ بَدَوِيَّةً بِقَصْرِ أَوْسٍ فِي غَدَاةٍ شَاتِيَةٍ، فَسَلَّمْتُ فَقَالَتْ: يَا أَبَا حَفْصٍ، إِنَّكَ أَتَيْتَنِي فِي غَدَاةِ قَرَّةٍ وَأَنَا أَتَشَفَّعُ بِالنَّارِ، ثُمَّ أَنْشَدَتْ:

حَيَّ الإلهُ خيالَ مَا لَوْ زَارَنَا عَدَدَ اللَّيَالِي كَانَ ذَاكَ قليلا

 

841 - حدثنا أبو العباس: حدثنا مُحَمَّدُ بْنُ سَلامٍ الْجُمَحِيُّ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْحَارِثِ قَالَ: دَخَلَ ابْنُ أَبِي رَبِيعَةَ عَلَى عبد الملك فقال: ما بقي من فسقك يا ابن أَبِي رَبِيعَةَ؟ قَالَ: بِئْسَتْ تَحِيَّةُ الشَّيْخِ ابنَ عمه على بعد المزار.

 

842 - سَمِعْتُ أَبَا الْعَبَّاسِ يَقُولُ: إِذَا قَالَ: يَا خَيْلَ اللَّهِ ارْكَبِي، يَقُولُ: مَنْ يُقَاتِلُ عَنِ الله تعالى ويركب. وقال أبو العباس: وأما ناقة الله ورحمة الله فإنه يريد أعلى الأَشْيَاءَ.

 

843 - سَمِعْتُ أَبَا الْعَبَّاسِ يَقُولُ: إِذَا كَانَ أمر يسير قيل: لا تنتطح فيه عنزان.

 

844 - سَمِعْتُ أَبَا الْعَبَّاسِ يَقُولُ: قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ: كَانَ زُهَيْرٌ لا يُعَاظِلُ بَيْنَ الْكَلامِ، وَلا يَصِفُ الرَّجُلَ إِلا بِمَا فِيهِ. ثُمَّ قال لنا أبو العباس: يقال تعاظلت الجرادتان إِذَا رَكِبَ بَعْضُهَا بَعْضًا. قَالَ أَبُو الْعَبَّاسِ: وَلا يَصِفُ الرَّجُلَ إِلا بِمَا فِيهِ، أَيْ لا يَقُولُ: هُوَ أَسَدٌ، هُوَ حَيَّةٌ.

 

845 - حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ: سَمِعْتُ ابْنَ الأَعْرَابِيِّ يَقُولُ: الرَّسُولُ وَالرَّسِيلُ وَالرِّسَالَةُ وَاحِدٌ، وَأَنْشَدَنَا فِي ذَلِكَ:

لَقَدْ كَذَبَ الْوَاشُونَ مَا بحتُ عِنْدَهُمْ … بِلَيْلَى وَمَا أَرْسَلْتُهُمْ بِرَسِيلُ.

قَالَ: وَبِرَسُولِ أَيْضًا.

 

846 - سَمِعْتُ أَبَا العباس وقد سئل عن قولهم: ملكت فأسجح، قال: معناه فَسَهِّلْ قَالَ أَبُو الْعَبَّاسِ: وَمِنْهُ وَأَنْشَدَ:

أَلِكْنى إِلَيْهَا وخيرُ الرَّسُولِ … أَعْلَمُهُمْ بِنَوَاحِي الْخَبَرِ.

قَالَ الشيخ: معنى أَلِكْنى أرسلني. قال أبو العباس: وخير الرجل (مجال؟)(1) . قَالَ الشَّيْخُ: لا يُقَالُ خَيْرُ الرَّجُلِ كَمَا لا يُقَالُ خَيْرُ الرَّسُولِ.

--------------------------------------------

(1) هكذا في الأصل، ولعله: محال، والله أعلم.
আবু আল-আব্বাস বলেছেন: এবং 'লাম' বর্ণটি যুক্ত হয় কারণ তিনি অতীত ও ভবিষ্যৎ কালকে চিরন্তন বা নিত্যকালের উপর ভিত্তি করে গঠন করেছেন। আবু আল-আব্বাস আরও বলেছেন: এটি সম্বন্ধপদের (ইদাফাহ) ব্যাখ্যার জন্যও যুক্ত হয়, আর এটি তার এই উক্তির ন্যায়:

তারা আমার কাছে দুনিয়ার নিন্দা করে অথচ তারা তা স্তন্যপান করছে; তারা অল্প অল্প করে দুধ পান করে যতক্ষণ না এর ওলান শুকিয়ে যায়।

 

৮৪০ - আমাদের কাছে আবু আল-আব্বাস বর্ণনা করেছেন: আমাদের কাছে আবু সাঈদ বর্ণনা করেছেন: আমার কাছে আত্তাব বিন আবদুর রহমান বর্ণনা করেছেন: আমার কাছে উমর বিন আব্দুল ওয়াহহাব আল-রিয়াহি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি এক শীতের সকালে কাসরে আউস-এ এক বেদুইন মহিলার কাছে আসলাম। আমি তাকে সালাম দিলে তিনি বললেন: হে আবু হাফস, আপনি আমার কাছে এক প্রচণ্ড শীতের সকালে এসেছেন যখন আমি আগুনের মাধ্যমে উষ্ণতা খুঁজছি। অতঃপর তিনি আবৃত্তি করলেন:

আল্লাহ সেই কাল্পনিক মূর্তিকে অভিবাদন জানান, যে যদি আমাদের কাছে রাতগুলোর সংখ্যার সমান বারও আসত, তবে তাও অল্পই মনে হতো।

 

৮৪১ - আমাদের কাছে আবু আল-আব্বাস বর্ণনা করেছেন: আমাদের কাছে মুহাম্মদ বিন সালাম আল-জুমাহি বর্ণনা করেছেন: আমার কাছে মুহাম্মদ বিন আল-হারিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে আবি রাবিআ আব্দুল মালিকের দরবারে প্রবেশ করলেন। আব্দুল মালিক বললেন: হে ইবনে আবি রাবিআ, তোমার পাপাচারের আর কী অবশিষ্ট আছে? তিনি বললেন: সাক্ষাতের দীর্ঘ বিরতির পর ভাইয়ের ছেলের প্রতি চাচার এটি কতই না মন্দ সম্ভাষণ।

 

৮৪২ - আমি আবু আল-আব্বাসকে বলতে শুনেছি: যখন বলা হয়: 'হে আল্লাহর ঘোড়া, আরোহণ করো', তখন তিনি বোঝান: যে ব্যক্তি মহান আল্লাহর পক্ষ হয়ে যুদ্ধ করে এবং আরোহণ করে। আবু আল-আব্বাস আরও বলেছেন: আর 'আল্লাহর উটনী' এবং 'আল্লাহর রহমত' দ্বারা তিনি সর্বোত্তম বস্তুসমূহকে বুঝিয়ে থাকেন।

 

৮৪৩ - আমি আবু আল-আব্বাসকে বলতে শুনেছি: যখন কোনো বিষয় অতি সহজ হয়, তখন বলা হয়: এ নিয়ে দুটি ছাগীও একে অপরকে গুঁতো দেবে না।

 

৮৪৪ - আমি আবু আল-আব্বাসকে বলতে শুনেছি: উমর ইবনুল খাত্তাব বলেছেন: জুহাইর তার কথার মধ্যে জটিলতা সৃষ্টি করতেন না এবং কোনো ব্যক্তির প্রশংসা করার সময় তার মধ্যে যা বিদ্যমান নেই তা দিয়ে প্রশংসা করতেন না। অতঃপর আবু আল-আব্বাস আমাদের বললেন: বলা হয়ে থাকে দুটি ফড়িং 'তাআধালাত' (একে অপরের ওপর চড়া), যখন একটি অন্যটির ওপর আরোহণ করে। আবু আল-আব্বাস বলেছেন: 'তিনি কোনো ব্যক্তির প্রশংসা করার সময় তার মধ্যে যা বিদ্যমান নেই তা দিয়ে প্রশংসা করতেন না'—এর অর্থ হলো তিনি বলতেন না যে: সে একজন সিংহ, অথবা সে একটি সাপ।

 

৮৪৫ - আমাদের কাছে আবু আল-আব্বাস বর্ণনা করেছেন: আমি ইবনুল আরাবিকে বলতে শুনেছি: আর-রাসুল, আর-রাসিল এবং আর-রিসালাহ—সবই একই অর্থের। আর তিনি এ বিষয়ে আমাদের কবিতা শুনিয়েছেন:

চোগলখোররা মিথ্যা বলেছে যে আমি তাদের কাছে লায়লার কথা প্রকাশ করেছি... আর আমি তাদের বার্তা বাহক হিসেবেও পাঠাইনি।

তিনি বলেন: 'রাসুল' হিসেবেও (একই অর্থ)।

 

৮৪৬ - আমি আবু আল-আব্বাসকে বলতে শুনেছি, যখন তাকে তাদের এই প্রবাদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: 'তুমি যখন ক্ষমতার অধিকারী হয়েছ, তখন কোমল হও (আসজিহ)'। তিনি বললেন: এর অর্থ হলো সহজ করো। আবু আল-আব্বাস বলেছেন: এ থেকেই উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি আবৃত্তি করেছেন:

আমার বার্তা তার কাছে পৌঁছে দাও, আর শ্রেষ্ঠ দূত... হলো সে-ই যে খবরের সকল দিক সম্পর্কে অধিক অবগত।

শাইখ বলেছেন: 'আলেকনি' শব্দের অর্থ হলো আমাকে দূত হিসেবে পাঠাও। আবু আল-আব্বাস বলেছেন: এবং 'খাইরুর রাজুল' (মানুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠ?)(১)। শাইখ বলেছেন: 'খাইরুর রাজুল' বলা হয় না, যেমনটি 'খাইরুর রাসুল' বলা হয় না।

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে, সম্ভবত এটি 'মুহাল' (অসম্ভব) হবে, আল্লাহই ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১) আহাদিসুল আত্তার আন শুয়ুখিহি (পৃষ্ঠা: ২৭৯)
847 - وَسَمِعْتُ أَبَا الْعَبَّاسِ يَقُولُ: السَدَن الضَّوْءُ، وَالسَّدَفُ الظُّلْمَةُ، هَذَا مِنَ الأَضْدَادِ، وَإِنِّمَا سُمِّيَا بِاسْمٍ وَاحِدٍ لأَنَّ الضَّوْءَ يَأْتِي عَلَى الظُّلْمَةِ، وَالظُّلْمَةُ تَأْتِي عَلَى الضَّوْءِ.

 

848 - سمعت أبا العباس يقول: وقع الأمر رصَّةً، أَيْ كُلِّهِ جَمِيعًا. قَالَ: / وَمِنْهُ قَوْلُهُ عليه السلام: تَرَاصُّوا فِي الصُّفُوفِ.

 

849 - وَسَمِعْتُ أَبَا الْعَبَّاسِ وَقَدْ سئل عن معنى أبى الله قال: معناه لم يواتك الأَمْرَ.

 

850 - حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ قَالَ: قَالَ لَنَا يعقوب بن السكيت: بُيُوتُ الْعَرَبِ سِتَّةٌ: قُبَّةٌ مِنْ أَدْمٍ، وَمَظَلَّةٌ مِنْ شَعْرٍ، وَخِبَاءٌ مِنْ صُوفٍ، وَبُجَادٌ مِنْ وبر، وخيمة من شجر، وَأَفْنِيَةٌ(1) مِنْ حَجَرٍ.

 

851 - سَمِعْتُ أَبَا الْعَبَّاسِ وَقَدْ سُئِلَ عَنْ مَعْنَى قَوْلِ عَلِيٍّ رضي الله عنه: أنا يعسوب المؤمنين قال: اليعسوب السيد.

 

852 - حدثنا أبو العباس: حدثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ شَبِيبٍ قَالَ: كَانَ يُقَالُ: إِيَّاكَ وَالْبِطْنَةَ فَإِنَّهَا تعمِّي عَنِ الْفِطْنَةِ.

 

853 - حَدَّثَنَا موسى بن علي: حدثنا زكريا: حدثنا الأَصْمَعِيُّ قَالَ: قَالَ أَكْثَمُ بْنُ صَيْفِيٍّ: أَكْرَمُ أَخْلاقِ الرِّجَالِ الْعَفْوُ.

 

854 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الأنماطي: [حدثنا](2) أَحْمَدُ بْنُ أَبِي الْحَوَارِيِّ: حَدَّثَنِي عَلِيٌّ الْمَكِّيُّ قال: ما من مؤمنين يلتقيان فيتذاكران فيفترقان حتى يكون لهما من الله عز وجل قِراً، وقراهما من الله تعالى المزيد من مغفرته.

 

آخره

الحمد لله أولا وآخرا وظاهرا وباطنا

--------------------------------------------

(1) في الهامش: وقبة.

(2) ليس في الأصل.
৮৪৭ - আমি আবুল আব্বাসকে বলতে শুনেছি: আস-সাদান হলো আলো, এবং আস-সাদাফ হলো অন্ধকার। এটি বিপরীতার্থক শব্দাবলির (আল-আজদাদ) অন্তর্ভুক্ত। এই দুই বিপরীত অবস্থাকে একই নামে অভিহিত করা হয়েছে কারণ আলো অন্ধকারের ওপর আপতিত হয় এবং অন্ধকার আলোর ওপর আপতিত হয়।

 

৮৪৮ - আমি আবুল আব্বাসকে বলতে শুনেছি: বিষয়টি 'রাচ্ছাতান' ভাবে ঘটেছে, অর্থাৎ এর পুরোটাই একত্রে। তিনি বলেন: আর এ থেকেই এসেছে নবী (সা.)-এর বাণী: "তোমরা কাতারে একে অপরের সাথে মিলেমিশে (নিবিড়ভাবে) দাঁড়াও।"

 

৮৪৯ - আমি আবুল আব্বাসকে বলতে শুনেছি, যখন তাঁকে 'আল্লাহ অস্বীকার করেছেন' (আবা আল্লাহ)-এর অর্থ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি বলেন: এর অর্থ হলো বিষয়টি আপনার অনুকূলে বা চাহিদামত হয়নি।

 

৮৫০ - আবুল আব্বাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াকুব বিন আস-সিক্কিত আমাদের বলেছেন: আরবদের ঘর ছয় প্রকার: চামড়ার তৈরি গম্বুজাকৃতি তাবু, পশমের তৈরি তাবু, পশমের তৈরি ছোট তাবু, উটের লোমের তৈরি তাবু, গাছের ডালপালার তৈরি তাবু এবং পাথরের তৈরি আঙ্গিনা।(১)

 

৮৫১ - আমি আবুল আব্বাসকে বলতে শুনেছি যখন তাঁকে আলী (রা.)-এর উক্তি "আমি মুমিনদের ইয়াসুব"-এর অর্থ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি বলেন: ইয়াসুব মানে হলো নেতা বা সরদার।

 

৮৫২ - আবুল আব্বাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবদুল্লাহ বিন শাবিব বলেছেন: বলা হতো: অতিভোজন থেকে বেঁচে থাকো, কারণ তা বুদ্ধিবৃত্তিকে আচ্ছন্ন বা অন্ধ করে দেয়।

 

৮৫৩ - মুসা বিন আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: যাকারিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আসমাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আকসাম বিন সায়ফি বলেছেন: পুরুষদের চরিত্রের মধ্যে সবচেয়ে মহৎ হলো ক্ষমা।

 

৮৫৪ - ইসহাক বিন ইব্রাহিম আল-আনমাতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: [আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন] আহমদ বিন আবিল হাওয়ারি: আলী আল-মাক্কি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যখনই দুইজন মুমিন একে অপরের সাথে সাক্ষাৎ করে এবং পরস্পরের সাথে (আল্লাহর) আলোচনা করে, অতঃপর তারা পৃথক হয়, তাদের জন্য মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে মেহমানদারি সাব্যস্ত হয়। আর আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদের সেই মেহমানদারি হলো তাঁর ক্ষমা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাওয়া।

 

সমাপ্ত

সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য আদিতে ও অন্তে, প্রকাশ্য ও গোপনে।

--------------------------------------------

(১) পার্শ্বটীকায়: এবং কুব্বাহ।

(২) এটি মূল পাঠে নেই।