(খণ্ড: ১) নাজমু ইখতিয়ারাত শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: -)
نظم اختيارات شيخ الإسلام ابن تيمية   (سليمان بن سحمان)

القسم: الفقه العام


الكتاب: نظم اختيارات شيخ الإسلام ابن تيمية

المؤلف: سليمان بن سحمان بن مصلح بن حمدان بن مصلح بن حمدان بن مسفر بن محمد بن مالك بن عامر الخثعمي , التبالي , العسيري , النجدي (ت 1349هـ)

[الكتاب مرقم آليا]

عدد الصفحات: 8

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহর ইখতিয়ারাতসমূহের কাব্যরূপ   (সুলাইমান বিন সাহমান)

বিভাগ: সাধারণ ফিকহ


গ্রন্থ: শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহর ইখতিয়ারাতসমূহের কাব্যরূপ

লেখক: সুলাইমান বিন সাহমান বিন মুসলিহ বিন হামদান বিন মুসলিহ বিন হামদান বিন মিসফার বিন মুহাম্মাদ বিন মালিক বিন আমির আল-খাসআমি, আত-তাবালি, আল-আসীরি, আন-নাজদি (মৃত্যু: ১৩৪৯ হিজরি)

[গ্রন্থটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংখ্যায়িত]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১ হিজরি

(খণ্ড: ১) নাজমু ইখতিয়ারাত শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১)
نظم اختيارات شيخ الإسلام ابن تيمية

للعَلامة سُليْمَان بن سَحْمَان

رحمه الله

1266 ـ 1349 هـ

‌‌ترجمة الناظم رحمه الله ـ (1) :

سليمان بن سحمان بن مصلح بن حمدان بن مصلح بن حمدان بن مسفر بن محمد بن مالك بن عامر الخثعمي ، التبالي ، العسيري ، النجدي ، الشيخ ، العلامة ، صاحب الردود القويمة وُلد في قرية السُّقا، مِن قُرى أبها، واخْتُلِفَ في سنة ميلاده ما بين عام 1266 وعام 1269، نشأَ في بيت علمٍ وشرفٍ ودينٍ، وتربَّى على يدي والده تربيةً حسنة، فحفظ عليه القرآن ثم أخذ يلقنه مبادئ العلوم وفي سنة 1280 هـ نزح والده من عسير

يدي والده تربيةً حسنة، فحفظ عليه القرآن ثم أخذ يلقنه مبادئ العلوم وفي سنة 1280 هـ نزح والده من عسير إلى نجد واصطحب معه ابنه سليمان فأخذ سليمان في القراءة على الشيخ عبد الرحمن بن حسن آل الشيخ (ت 1285 هـ) وعلى ابنه عبد اللطيف بن عبد الرحمن (ت 1293 هـ) ولازم الشيخ علبداللطيف ملازمة تامة ثمَّ انتقل الشيخ مِن الرِّياض مع والده إلى بلدة العمار من بلاد الأفلاج فقرأ على الشيخ حمد بن عتيق (1301 هـ) ولازمه سبعة عشر عاماً ثم رجع إلى الرياض بعد وفاة الشيخ حمد وقويت صلته بالشيخ عبد الله بن عبد اللطيف آل الشيخ (ت 1339 هـ) وأخذَ علوم اللغة العربية مِن الشيخ حمد بن فارس، فبلغ رحمه الله في العلوم مبلغاً، حتَّى صار مناراً يُهتدى به، كثيرَ التَّصانيف، كشف شبهَ المشبِّهين نظماً ونثراً

تلاميذه:

أخذ عنه العلم علماء أجلاء منهم ابنه صالح (ت 1402هـ) وابنه عبد العزيز (1394هـ) والشيخ سليمان بن حمدان (ت1394هـ) والشيخ عمر آل الشيخ (ت1395هـ) والشيخ عبد الرحمن بن محمد بن قاسم (ت1392هـ)

مصنفاته:

الأسنة الحداد في ردِّ شبهات علوي الحدَّاد

إرشاد الطالب إلى أهمِّ المطالب

الصواعق المرسلة الشهابية في الرد على الشبه الشامية

الضياء الشارق في رد شبهات الماذق المارق

--------------------------------------------

(1) ترجمته في مجلة المنار:31/ 238 والأعلام: 3 / 126 تراجم متأخري الحنابلة: 16 مشاهير علماء نجد: 290 معجم المؤلفين: 4 / 264 روضة الناظرين: 1 / 126 علماء نجد: 2 / 399 معجم مصنفات الحنابلة: 6 / 280
শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহর পছন্দসমূহের কাব্যিক রূপ

আল্লামা সুলাইমান বিন সাহমান

আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন

১২৬৬ — ১৩৪৯ হিজরি

‌‌নাজিম (কাব্যকার)-এর পরিচিতি, আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন — (১) :

সুলাইমান বিন সাহমান বিন মুসলিহ বিন হামদান বিন মুসলিহ বিন হামদান বিন মুসফির বিন মুহাম্মাদ বিন মালিক বিন আমির আল-খাশআমি, আত-তাবালি, আল-আসীরি, আন-নাজদি। তিনি শায়খ, প্রখ্যাত আলেম এবং বলিষ্ঠ খণ্ডনমূলক রচনার রচয়িতা। তিনি আভা অঞ্চলের আস-সুকা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর জন্মসাল নিয়ে ১২৬৬ ও ১২৬৯ হিজরির মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তিনি জ্ঞান, মর্যাদা ও দ্বীনদার এক পরিবারে বেড়ে ওঠেন এবং পিতার তত্ত্বাবধানে সুশিক্ষা লাভ করেন। তিনি তাঁর কাছে কুরআন হিফজ করেন এবং বিজ্ঞানের প্রাথমিক বিষয়সমূহ শিখতে শুরু করেন। ১২৮০ হিজরিতে তাঁর পিতা আসীর থেকে নজদে হিজরত করেন

পিতার তত্ত্বাবধানে সুশিক্ষা লাভ করেন। তিনি তাঁর কাছে কুরআন হিফজ করেন এবং বিজ্ঞানের প্রাথমিক বিষয়সমূহ শিখতে শুরু করেন। ১২৮০ হিজরিতে তাঁর পিতা আসীর থেকে নজদে চলে যান এবং পুত্র সুলাইমানকে সাথে নেন। অতঃপর সুলাইমান শায়খ আবদুর রহমান বিন হাসান আল-শায়খ (ওফাত ১২৮৫ হি.) এবং তাঁর পুত্র আব্দুল লতিফ বিন আবদুর রহমান (ওফাত ১২৯৩ হি.)-এর নিকট পড়াশোনা করেন। তিনি শায়খ আব্দুল লতিফের একনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। পরবর্তীতে শায়খ রিয়াদ থেকে তাঁর পিতার সাথে আফলাজ অঞ্চলের আল-আম্মার জনপদে স্থানান্তরিত হন এবং সেখানে শায়খ হামাদ বিন আতিক (ওফাত ১৩০১ হি.)-এর কাছে পাঠ গ্রহণ করেন ও দীর্ঘ সতের বছর তাঁর সান্নিধ্যে থাকেন। শায়খ হামাদের ইন্তেকালের পর তিনি রিয়াদে ফিরে আসেন এবং শায়খ আবদুল্লাহ বিন আব্দুল লতিফ আল-শায়খ (ওফাত ১৩৩৯ হি.)-এর সাথে তাঁর ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি পায়। তিনি শায়খ হামাদ বিন ফারিসের কাছ থেকে আরবি ভাষার বিভিন্ন জ্ঞান অর্জন করেন। জ্ঞানার্জনে তিনি এমন এক উচ্চশিখরে পৌঁছেছিলেন যে, তিনি একটি আলোকবর্তিকায় পরিণত হন যার মাধ্যমে মানুষ সঠিক পথের দিশা পায়। তিনি বহু গ্রন্থের প্রণেতা; কবিতা ও গদ্যের মাধ্যমে তিনি সংশয়বাদীদের সংশয়সমূহ উন্মোচন করেছেন।

তাঁর ছাত্রবৃন্দ:

তাঁর নিকট থেকে অনেক প্রথিতযশা আলেম জ্ঞান অর্জন করেছেন, যাঁদের মধ্যে রয়েছেন তাঁর পুত্র সালেহ (ওফাত ১৪০২ হি.), পুত্র আব্দুল আজিজ (ওফাত ১৩৯৪ হি.), শায়খ সুলাইমান বিন হামদান (ওফাত ১৩৯৪ হি.), শায়খ উমর আল-শায়খ (ওফাত ১৩৯৫ হি.) এবং শায়খ আবদুর রহমান বিন মুহাম্মাদ বিন কাসিম (ওফাত ১৩৯২ হি.)।

তাঁর রচনাবলি:

আল-আসিন্নাতুল হিদ্দাদ ফী রাদ্দি শুবুহাতি আলাওয়ী আল-হাদ্দাদ

ইরশাদুত তালিব ইলা আহমিল মাতালিব

আস-সাওয়ায়েকুল মুরসালাহ আল-শিহাবিয়্যাহ ফী রাদ্দি আলাশ শুবাহ আশ-শামিয়্যাহ

আদ-দিয়াউশ শারিক ফী রাদ্দি শুবুহাতিল মাযিকিল মারিক

--------------------------------------------

(১) তাঁর জীবনী পাওয়া যাবে: মাজাল্লাতুল মানার: ৩১/২৩৮; আল-আ’লাম: ৩/১২৬; তারাজিমু মুতাআখখিরিল হানাবিলাহ: ১৬; মাশাহীরু উলামায়ি নাজদ: ২৯০; মুজামুল মুআল্লিফীন: ৪/২৬৪; রওদাতুন নাজিরীন: ১/১২৬; উলামাউ নাজদ: ২/৩৯৯; মুজামু মুসান্নাফাতিল হানাবিলাহ: ৬/২৮০।
(খণ্ড: ১) নাজমু ইখতিয়ারাত শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২)
كشف غياهب الظلام عن أوهام جلاء الأوهام

كشف شبهات عبد الكريم البغدادي في تحليله ذبائح الصلب وكفار البوادي

الجواب الفاصل في الساعة بين من يقول إنها سحر ومن يقول إنها صناعة

منهاج أهل الحق والإتباع في مخالفة أهل الجهل والإبتداع

أشعة الأنوار فيما تضمنته لا إله إلا الله من الأسرار

عقود الجواهر المنضدة الحسان (ديوانه)

وغيرها.

نسبة النظم إلى الناظم رحمه الله:

نسبها له القاضي في روضة الناظرين 1/129 وابن بسام في علماء نجد 2 / 402 والدكتور عبد الله الطريقي في معجم مصنفات الحنابلة 6 / 208 ونسبها له الشيخ عبد العزيز السلمان في الأسئلة والأجوبة الفقهية المقرونة بالأدلة الشرعية في عدة مواضع من كتابه.

 

‌‌[كتاب الطهارة] (1)

‌‌أحكام المياه (1)

وَقَوْلُ أَبي العبَّاسِ أَحمدَ إِنَّها … لمَاءانِ في القولِ الصَّحيح المؤَيدِ

وَما لَهُما مِنْ ثالثٍ جاء مثبت … بنصِّ رسولِ اللهِ أَفضلِ مُرشدِ

وأَمَّا الذي استثني ببولٍ وغوطة … فإِنَّ على القولِ الصحيحِ المسدَّدِ

إِذا كانَ دونَ القُلَّتينِ فإِنَّه … على ذاكَ محمولٌ بغيرِ تردُّدِ

يؤَيدُهُ نصُّ ببئرِ بضاعةٍ … فراجعه لا تكسلْ ولا تتبلَّدِ

وعندَ أَبي العبَّاسِ ذلكَ طاهرٌ … إِذالم يغيِّره الملاقي بمفسِدِ

وقالَ أَبو العباسِ أَحمدُ إِنَّهُ … لماءٌ طهورٌ في الأَصحِّ المؤيَّدِ

ولَا نصَّ في تقسيِمهِ بين طاهرٍ … وبينَ طهورٍ عن نبيِّكَ أَحمدِ

وعندَ أَبي العبَّاس في عَظْم مِيتةٍ … ومنفحةٍ والقرنِ والظفرِ فاعْدُدِ

كذا الرِّيشُ مع صوفٍ فذلكَ طاهرٌ … وَلَا نصَّ في تنجيسِها فتقيَّدِ

--------------------------------------------

(1) هذه العناوين ليست من المتن وإنما للتقسيم.
কাশফ গায়াহিবুজ জুলাম আন আওহামি জালাইল আওহাম (জালাউল আওহামের ভ্রান্তিগুলো থেকে অন্ধকারের আড়াল উন্মোচন)

কাশফ শুবুহাতি আবদুল কারিম আল-বাগদাদী ফী তাহলীলিহি জাবায়িহাস সুলবি ওয়া কুফফারিল বাওয়াদী (ক্রুশবিদ্ধদের জবেহকৃত পশু ও মরুচারী কাফিরদের হালাল সাব্যস্ত করার বিষয়ে আবদুল কারিম আল-বাগদাদীর সংশয় নিরসন)

আল-জাওয়াবুল ফাসিল ফিস সা'আতি বাইনা মান ইয়াকুলু ইন্নাহা সিহরুন ওয়া মান ইয়াকুলু ইন্নাহা সিনা'আহ (ঘড়ি সম্পর্কে চূড়ান্ত ফয়সালা: যারা একে জাদু বলে এবং যারা একে শিল্প বলে তাদের মাঝে)

মিনহাজু আহলিল হাক্কি ওয়াত তিব্বা' ফী মুখালাফাতি আহলিল জাহলি ওয়াল ইবতিদা' (মূর্খ ও বিদআতিদের বিরোধিতায় সত্যপন্থী ও অনুসারীদের পথ)

আশিয়াতুল আনোয়ার ফীমা তাদাম্মানাতহু লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মিনাল আসরার ('লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ'-এর রহস্যসমূহের মাঝে যে নূরের ছটা বিদ্যমান)

উকুদুল জাওয়াহিরিল মুনাদ্দাদাতিল হিসান (তাঁর দিওয়ান বা কাব্যসংকলন)

এবং অন্যান্য।

রচনাকারীর (রাহিমাহুল্লাহ) প্রতি এই পঙক্তিগুলোর সম্বন্ধ:

কাজী একে তাঁর প্রতি সম্বন্ধ করেছেন 'রওদাতুন নাজিরিন' (১/১২৯)-এ, ইবনে বাসসাম 'উলামাউ নাজদ' (২/৪০২)-এ, ডক্টর আব্দুল্লাহ আত-তারিকি 'মু'জামু মুসান্নাফাতিল হানাবিলাহ' (৬/২০৮)-এ এবং শাইখ আব্দুল আজিজ আস-সালমান তাঁর কিতাব 'আল-আসইলাতু ওয়াল আজওয়িবাতুল ফিকহিয়্যাহ আল-মাকরুনাতু বিল আদিল্লাতিশ শারইয়্যাহ'-এর বিভিন্ন স্থানে এটি তাঁর বলে উল্লেখ করেছেন।

 

‌‌[পবিত্রতা অধ্যায়] (১)

‌‌পানির বিধানসমূহ (১)

আবু আব্বাস আহমদের অভিমত হলো—সমর্থিত সঠিক (صحيح) মতানুসারে পানি মাত্র দুই প্রকার।

আর শ্রেষ্ঠ পথপ্রদর্শক রাসূলুল্লাহর অকাট্য পাঠ (نص) দ্বারা তৃতীয় কোনো প্রকার সাব্যস্ত হয়নি।

আর যে পানিকে প্রস্রাব ও পায়খানার মাধ্যমে ব্যতিক্রম করা হয়েছে, সুদৃঢ় সঠিক (صحيح) মতানুযায়ী—

যদি তা দুই মটকার (কুল্লাতাইন) কম হয়, তবে দ্বিধাহীনভাবে তা সেটার (অপবিত্রতার) ওপরই ন্যস্ত হবে।

বুদাআ' কূপ সম্পর্কিত অকাট্য পাঠ (نص) একে সমর্থন করে; অতএব এটি দেখে নিন, অলসতা বা স্থবিরতা করবেন না।

আবু আব্বাসের মতে তা পবিত্র (طاهر), যতক্ষণ না সংস্পর্শে আসা কোনো দূষিত বস্তু তাকে পরিবর্তন করে দেয়।

আবু আব্বাস আহমদ বলেছেন, সমর্থিত অধিকতর সঠিক (أصح) মতানুসারে এটি পবিত্রকারী (طهور) পানি।

আপনার নবী আহমদের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে 'পবিত্র' (طاهر) ও 'পবিত্রকারী' (طهور)-এর মাঝে পানি বিভাজনের কোনো অকাট্য পাঠ (نص) নেই।

আবু আব্বাসের মতে মৃত প্রাণীর হাড়, পনির তৈরির জমাট দুধ (রেনেট), শিং ও নখ—এগুলো গণনা করুন (পবিত্র হিসেবে)।

একইভাবে পালক ও পশম—এগুলোও পবিত্র (طاهر); এগুলো নাপাক হওয়ার কোনো অকাট্য পাঠ (نص) নেই, সুতরাং এটিই অনুসরণ করুন।

--------------------------------------------

(১) এই শিরোনামগুলো মূল পাঠ (متن) এর অংশ নয়, বরং কেবল বিন্যাসের জন্য দেওয়া হয়েছে।
(খণ্ড: ১) নাজমু ইখতিয়ারাত শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৩)
‌‌آداب قضاء الحاجة

وكان أَبو العباسِ للمسْحِ مانعاً … وللنَّترِ إِذْ لَا نصَّ فيهِ لمقتدِ

ويحدثُ هذا المسحُ للسَّلِسِ الَّذي … يشقُّ فَخُذْ بالعلمِ عن كُلِّ مهتدِ

وليسَ حديثُ النَّترِ والمسحِ ثابتاً … ولا صحَّ في فعلِ النَّبي محمَّدِ

وعندَ أَبي العباسِ ليسَ بجائزٍ … وَلَوْ مِنْ وَرَاء ما حالَ فاحظُرْ وشَدِّدِ

فكم بين بيتِ اللهِ من ركنِ شامخٍ … وأَسْوارِ حيطانٍ وبيتٍ معمَّدِ

فللجهةِ التَّحريمُ يا صاحِ فاعْلَمِ … فَخُذْ نصَّ تصريحٍ صحيحٍ مُؤَيَّدِ

وإِنْ ذكروا يوماً حديثاً مجوِّزا … لذلك في البنيانِ غيرَ مُفْنَّدِ

فقد ذَكَرَ ابنُ القيِّم الحبرُ أَنَّها … قضيةُ عينٍ خُصِّصَتْ بمحمَّدِ

وَما جاء نَصٌّ في الكراهةِ أَن تُدِرْ … إِلى القَمَرين الفَرْجَ عَن خيرِ مُرْشِدِ

لئن لم يَكُنْ هَدْيُ النبيِّ محمدٍ … وَلَيْسَ عليه أَمرُه فَله ارْدُدِ

 

‌‌نواقض الوضوء

بَلى مَسُّ إِنسانٍ لأَمردَ ناقِضٌ … وَعَنْ شَهْوةٍ ذاكَ المسيسُ فقيِّدِ

وهذا هو القولُ الصحيحُ الَّذي له … أَشارَ أَبو العباسِ يا ذا التنقُّدِ

 

‌‌التيمم

وَكُنْ عالمِاً أَنَّ التيمُّمَ رافعٌ … يصلَّى بِهِ كالماءِ كلَّ التعبدِ

فصحَّ عن المعصومِ أَنَّ طهورَنا … إِذا لم نجدْ ماءً هو الترُّبُ فاقْتَدِ

فيجزئُ قبلَ الوقتِ بالنص يا فَتى … وفي الوقتِ حظرُ النفلِ للمتعبِّدَ

فمقتدياً بالحقِّ كن لا مُقَلِّدًا … تَفُزْ إِقتفا هَدْيِ النَّبي مُحمَّدِ

وَلَا تَتيمَّمْ عندَ كُلِّ فريضَةٍ … فما صحَّ هذا الفعلُ عن خيرِ مُرْشدِ

فأَطلِقْه كالماء في كُلِّ حُكْمِهِ … فصلِّ به الأوقاتِ ذاتِ التَّعدُّدِ

وأَن تمسَحَنْ بالرَّمل يا صاحِ خالصاً … فَلَا بأْسَ في هذا لدى كُلِّ مهتدِ

إِذا كنتَ في أَرضٍ كثيرٍ رِمالُها … كأَرَضِ تبوكٍ فامْسَحَنْ لَا تَقَيَّدِ
শৌচাগারের আদবসমূহ

আবু আব্বাস (ইবনে তাইমিয়্যাহ) লিঙ্গ মোছা (মর্দন) ও ঝাড়ার বিরোধী ছিলেন … কেননা অনুসারীদের জন্য এ বিষয়ে কোনো অকাট্য প্রমাণ (نص) নেই।

এই মোছা বা মর্দন সেই ব্যক্তির জন্য সমস্যা সৃষ্টি করে যার প্রস্রাব ঝরার রোগ আছে, … অতএব প্রত্যেক হেদায়েতপ্রাপ্ত ব্যক্তির নিকট থেকে ইলম গ্রহণ করো।

লিঙ্গ ঝাড়া এবং মোছা সংক্রান্ত হাদিসটি প্রমাণিত (ثابت) নয় … আর নবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর আমল থেকেও তা সহিহ (صحيح) নয়।

আবু আব্বাসের নিকট এটি বৈধ নয় … এমনকি আড়ালে থাকলেও; সুতরাং এটি বর্জন করো এবং কঠোরতা অবলম্বন করো।

আল্লাহর ঘর (কাবা) এবং সুউচ্চ রুকনসমূহের মাঝে কতই না ব্যবধান, … আর দেয়ালের প্রাচীর ও স্তম্ভবিশিষ্ট ঘরের মাঝেও।

হে বন্ধু! জেনে রেখো, কেবল দিকের কারণেই (কিবলামুখিতা) এই নিষেধাজ্ঞা; … সুতরাং সুস্পষ্ট সহিহ (صحيح) ও সমর্থিত অকাট্য প্রমাণের (نص) অনুসরণ করো।

যদি তারা দালানকোঠার ভেতরে এর বৈধতা বিষয়ে কোনো হাদিসের উল্লেখ করে … যা অগ্রাহ্য করার মতো নয়,

তবে বিজ্ঞ আলেম ইবনুল কাইয়্যিম উল্লেখ করেছেন যে, এটি একটি … সুনির্দিষ্ট ঘটনা (قضية عين) যা কেবল মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর জন্য খাস।

আর শ্রেষ্ঠ পথপ্রদর্শকের পক্ষ থেকে চন্দ্র ও সূর্যের দিকে লজ্জাস্থান রাখা … অপছন্দনীয় হওয়ার বিষয়ে কোনো অকাট্য প্রমাণ (نص) আসেনি।

যদি কোনো বিষয় নবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর আদর্শ না হয় … এবং তাঁর নির্দেশিত না হয়, তবে তা প্রত্যাখ্যান করো।

 

অজু ভঙ্গের কারণসমূহ

হ্যাঁ, কোনো কিশোরকে স্পর্শ করা অজু ভঙ্গকারী, … তবে সেই স্পর্শকে কামনাবাসনার সাথে শর্তযুক্ত করো।

হে সূক্ষ্মদর্শী! এটিই সেই সহিহ (صحيح) মত … যার দিকে আবু আব্বাস ইঙ্গিত করেছেন।

 

তায়াম্মুম

জেনে রেখো যে, তায়াম্মুম পবিত্রতা অর্জনকারী (নাপাকি দূরকারী), … পানির মতোই এটি দিয়ে সমস্ত ইবাদত করা যায়।

মাসুম (নিষ্পাপ) নবী থেকে সহিহ (صحيح) ভাবে বর্ণিত হয়েছে যে, পানি না পেলে … মাটিই আমাদের পবিত্রতা অর্জনের মাধ্যম; সুতরাং এ আদর্শ অনুসরণ করো।

হে যুবক! অকাট্য প্রমাণের (نص) ভিত্তিতে এটি ওয়াক্ত শুরুর আগেই যথেষ্ট হয়, … আর ওয়াক্তের মধ্যে নফল ইবাদতকারীর জন্যও এটি অনুমোদিত।

সুতরাং সত্যের অনুসারী হও, অন্ধ অনুকরণকারী হয়ো না, … তবেই নবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সুন্নাত অনুসরণের সাফল্যে কামিয়াব হবে।

আর প্রত্যেক ফরজের জন্য নতুন করে তায়াম্মুম করো না, … কারণ শ্রেষ্ঠ পথপ্রদর্শকের পক্ষ থেকে এই আমলটি সহিহ (صحيح) ভাবে প্রমাণিত নয়।

বরং হুকুমের ক্ষেত্রে একে পানির মতোই গণ্য করো … এবং এটি দিয়ে একাধিক ওয়াক্তের নামাজ আদায় করো।

হে বন্ধু! যদি তুমি কেবল বালু দিয়ে মাসেহ (তায়াম্মুম) করো, … তবে প্রত্যেক হেদায়েতপ্রাপ্ত ব্যক্তির মতে এতে কোনো দোষ নেই।

যদি তুমি এমন কোনো ভূমিতে থাকো যেখানে প্রচুর বালু রয়েছে … যেমন তাবুক অঞ্চল, তবে দ্বিধাহীনভাবে তা দিয়ে মাসেহ করো।
(খণ্ড: ১) নাজমু ইখতিয়ারাত শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৪)
وَما صَحَّ هذا الوصفُ من نفسِ فعلِه … وَلَا أَمرِه فافهم وراجعْه تَرشُدِ

كمسحِكَ من بطنِ الأَصابع يا فَتى … لوجهِكَ والكفَّينِ في رَاحةِ الْيَدِ

فليَس على هذا دليلٌ مقرَّرٌ … فدعه وَلَا تعملْ بذلكَ تقتَدِ

ويكفيكَ فعلُ المصطفى فتقيَّدَن … لما سنَّه واحْذَر تُخالفه تعتدِ

 

‌‌إزالة النجاسة

وَتطهر بالحولِ النَّجاسةُ كلُّها … كَذا الخمرُ إنْ لمَ ْيقصد الخلَّ معتدِ

وهذا اختيارُ الشيخِ والنَّصُّ لمَ ْ يَرِدْ … بتنجيسِها بالحَوْلِ عَن خيرِ مُرشِد

 

‌‌[كتاب الصلاة]

‌‌صفة الصلاة

وَفي الفَجْرِ فاتلُ من طوالِ المفصَّل … واقصر في مَغربٍ ثم اقْصِدِ

وَلَيْسَ على هذا دليلٌ وَلَمْ تَكُنْ … بسنَّةِ خيرِ العالمينَ محمَّدِ

وَقَدْ أَنْكَروا أَعْني الصحابةَ فِعْلَه … فراجعْه في زادِ المعادِ لتَهْتَدِ

فَلَا تَقْرأَنْ في مغرِبٍ بِقصارِه … بَل اقرأْهُ أَحياناً وحيناً بأَزْيَدِ

فَقَد قَرأَ الأَعرافَ فيها نبيُّنا … وَبِالنورِ أحياناً وَلمَّا يُقَيّدِ

 

‌‌مبطلات الصلاة

وَكُنْ عالماً أَنَّ الكلامَ إِذا أَتَى … فأَصْغِ لَهْ سمعاً وعي العلمَ تَرْشُدِ

على دَرَجاتٍ فاعلمنَّ ذكرتها … فأُولاها بها الآن أَبتدي

يدلُّ على معنى بوضعٍ لنفسهِ … وإِلا فمع لفظٍ سواه فقّيدِ

وذاكَ كفي مِنْ فاعلمنَّ ومثله … يدٌ ودمٌ قم ثم خُذْ في المعدّدِ

فهذا كلامٌ ثم ثانيهما الَّذي … يدلُّ على معنى بطبعٍ مجرَّدِ

كمثلِ سؤَال والعطاس تثاوبٌ … بكاء وتأْويهٌ أَنينُ المجوِّدِ

فهذا الَّذي عددت أَشياء ما أَتى … من النَّفخ في النَّصِّ الأَكيدِ المؤَيَّدِ

وليس كلاماً في الحقيقةِ مبطلاً … صلاةَ الفتى في قولِ كُلِ مسدَّدِ

وَلَوْ بانت الحرفانِ منه كما أَتى … بأُفٍ ثلاثٍ في الحديث المؤَكَّدِ

إِذا كان مغلوباً على ذاكَ يا فَتى … وما ليسَ مغلوباً عليهِ فقيِّدِ
এই বর্ণনাটি তাঁর নিজস্ব কর্ম থেকে সহিহ (صحيح) হিসেবে প্রমাণিত নয় … এবং তাঁর নির্দেশ থেকেও নয়; সুতরাং এটি অনুধাবন করুন এবং পুনরায় পর্যালোচনা করুন, তবেই আপনি সঠিক পথের দিশা পাবেন।

হে যুবক, যেমন তোমার আঙুলের পেট দিয়ে মাসাহ করা … তোমার মুখমণ্ডল এবং হাতের তালু দিয়ে কব্জিদ্বয় পর্যন্ত।

এর ওপর কোনো প্রতিষ্ঠিত দলিল নেই … সুতরাং এটি বর্জন করুন এবং এর ওপর আমল করবেন না, তবেই আপনি অনুসরণযোগ্য হবেন।

মুস্তফা (সা.)-এর কর্মই আপনার জন্য যথেষ্ট, সুতরাং তিনি যা সুন্নাত হিসেবে নির্ধারণ করেছেন তাতেই সীমাবদ্ধ থাকুন … এবং তাঁর বিরুদ্ধাচরণ থেকে সতর্ক থাকুন, অন্যথায় আপনি সীমালঙ্ঘন করবেন।

 

‌‌অপবিত্রতা দূরীকরণ

সময়ের বিবর্তনের (الحول) মাধ্যমে সমস্ত নাপাকি পবিত্র হয়ে যায় … অনুরূপভাবে মদও, যদি কোনো সীমালঙ্ঘনকারী তা সিরকা বানানোর উদ্দেশ্যে (প্রক্রিয়াজাত) না করে থাকে।

এটি শাইখের মনোনীত মত, অথচ সময়ের বিবর্তনের মাধ্যমে একে অপবিত্র করার ব্যাপারে কোনো নস (النص) … সর্বোত্তম পথপ্রদর্শক (সা.) থেকে বর্ণিত হয়নি।

 

‌‌[নামাজ অধ্যায়]

‌‌নামাজের বিবরণ

ফজরের নামাজে আপনি দীর্ঘ মুফাসসাল (المفصل) সূরাগুলো থেকে তিলাওয়াত করুন … এবং মাগরিবে সংক্ষিপ্ত করুন, অতঃপর মধ্যপন্থা অবলম্বন করুন।

এর ওপর কোনো দলিল নেই এবং এটি বিশ্বজগতের শ্রেষ্ঠ মানব … মুহাম্মাদ (সা.)-এর সুন্নাতও ছিল না।

সাহাবীগণ এটি অপছন্দ করেছেন—অর্থাৎ তাঁর সেই কাজকে … সুতরাং সঠিক পথের দিশা পেতে জাদুল মাআদ কিতাবটি দেখুন।

সুতরাং মাগরিবের নামাজে কেবল ছোট সূরাগুলো পড়বেন না … বরং কখনও কখনও সেগুলো পড়ুন এবং কখনও এর চেয়ে দীর্ঘ সূরা তিলাওয়াত করুন।

আমাদের নবী (সা.) এতে সূরা আরাফ তিলাওয়াত করেছেন … এবং কখনও সূরা নূর পাঠ করেছেন, অথচ তিনি একে নির্দিষ্ট করে দেননি।

 

‌‌নামাজ ভঙ্গকারী বিষয়সমূহ

জেনে রাখুন যে, যখন কথাবার্তার প্রসঙ্গ আসে … তখন তাতে কর্ণপাত করুন এবং জ্ঞানার্জন করুন, তবেই আপনি সঠিক পথ পাবেন।

এটি বিভিন্ন স্তরের, জেনে রাখুন আমি তা উল্লেখ করেছি … এখন আমি তার প্রথমটি দিয়ে শুরু করছি।

যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনো অর্থের ওপর দালালত (الدلالة) করে … অন্যথায় অন্য কোনো শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে সীমাবদ্ধ হয়।

এটি যেমন 'ফায়ালামালান' এর মধ্যে 'ফি' (শব্দ), এবং অনুরূপভাবে … 'ইয়াদ' (হাত), 'দাম' (রক্ত), 'কুম' (দাঁড়াও); অতঃপর গণনাকৃত বিষয়গুলো গ্রহণ করুন।

এগুলো হলো কালাম (الكلام), অতঃপর দ্বিতীয় প্রকার হলো সেই শব্দ … যা কেবল স্বভাবগতভাবে কোনো অর্থের ওপর দালালত (الدلالة) করে।

যেমন কাশি এবং হাঁচি, হাই তোলা … কান্না, আক্ষেপের শব্দ এবং তিলাওয়াতকারীর গোঙানি।

আমি যা গণনা করেছি তা এমন বিষয় যা সুনিশ্চিত সমর্থিত নস (النص)-এর মধ্যে … ফুঁ দেওয়ার মতো সাব্যস্ত হয়ে আসেনি।

প্রকৃতপক্ষে এটি কোনো কালাম (الكلام) নয় যা কোনো ব্যক্তির নামাজকে … নষ্ট করে দেয়, এটি প্রত্যেক সঠিক মত পোষণকারীর অভিমত।

যদিও তা থেকে দুটি অক্ষর স্পষ্ট হয়ে যায়, যেমনটি সুনিশ্চিত হাদিসে … তিনবার 'উফ' বলার বর্ণনায় এসেছে।

হে যুবক, এটি তখন যখন কেউ তার দ্বারা পরাভূত (অনিচ্ছাকৃত) হয় … আর যা অনিচ্ছাকৃত নয় তাকে সীমাবদ্ধ করুন।
(খণ্ড: ১) নাজমু ইখতিয়ারাত শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৫)
ففيه نزاعٌ مستفيضٌ مقرَّرٌ … وَلَيس لعمري مبطلاً في المؤَكَّدِ

فَلَا بُدَّ في لفظِ الكلامِ دلالةٌ … تدلُّ على معنى بوضعٍ كما ابتدي

وما لَا على معنى يدلُّ بوصفِهِ … وَلَا طَبْعِهِ مثل التنخعِ فاشْهدِ

فقد جاء في النصِّ المؤَكد فعلُه … وَذا حاصلُ التقريرِ مِنْ قَوِل أَحمدِ

وأَعني أَبا العباسِ حيثُ نظمتهُ … ولخَّصتُ ما مِنه المرادَ لمقصدِ

 

‌‌القنوت في الوتر

ولا تَقْنَتَنْ في كلِّ وترِك يا فَتى … فتجعلُه كالواجبِ المتأَكِّد

وَكُنْ قانتاً حيناً وحيناً فتارِكاً … لذلك تسعدْ بالدَّليل وتهتَدِ

ففعلٌ وتركٌ سُنَّةٌ وكلاهما … أَتتْ عن رسولِ اللهِ إِن كنتَ مقتدِ

 

‌‌سجود التلاوة

بلى فاسْجُدَنْ في فرضِ سِرٍ فإِنَّه … لَسُنَّةُ خيرِ العالمينَ محمَّدِ

فراجعْه في الأَعلامِ إِنْ كنتَ شائقاً … تجد ثمَّ ما يشفي وَيَكفي لمنْ هُدي

 

‌‌أوقات النهي

كذا سُنَّةٌ للفَجْرِ تُفْعَلُ بعدَها … إذا لم تُصَلَّ قبلَها فتقيَّدِ

فإِنْ أَنتَ لم تفعلْ فللشَّمسِ فارقُبَنْ … إلى قِيْدِ رُمحٍ ثمَّ انثني فلتسجد

وَعِند أبي العباسِ لا حظرَ للَّذي … يصليهما أَعني تحيةَ مَسْجدِ

وذا لعمومِ النَّصِّ إِذْ لا مخصِّصٌ … فَخُذ قولَ مَنْ بالنَّص يهدي وَيَهْتَدي

أَلَيسَ لها تُقضى الفروضُ وكالَّذي … سمعتَ به في نظمِه ذا التَّعدُّدِِ

كذلك صحَّ النهيُ حالةَ خطبةِ الـ … إِمامِ لمن يَأْتي بنفلِ التَّعبُّدِ

فأَمَّا الذي يأْتي ابتداءً فإِنه … يُصلِّي وَلَا يجِلسْ تحيَّةَ مسجدِ

فهذا دليلٌ واضحٌ متقرِّرٌ … وَقَدْ كان في وقتٍ من النَّهيِ فاقتدِ

 

‌‌صلاة الجماعة

وإِنَّ الصحيحَ المرتَضى عِندَ من قَضى … بتعيينها فرضاً وبالنَّصِّ يقتدي

سوى من أَتى بالعذرِ فالنَّصُّ قد أَتى … بتخصيصِه لاغير ذا قولُ أَحمدِ

وقالَ أَبو العبَّاس بل ذاكَ جائزٌ … لفعلِ مُعاذٍ معْ صحابةِ أَحمدِ
এতে একটি সুপ্রতিষ্ঠিত ও বহুল প্রচলিত (مستفيض) মতপার্থক্য রয়েছে … আর আমার জীবনের শপথ, এটি সুনিশ্চিত বিষয়ের ক্ষেত্রে কোনো বাতিলকারী নয়।

কথার শব্দের মধ্যে অবশ্যই নির্দেশনামূলক বৈশিষ্ট্য থাকতে হবে … যা প্রারম্ভিক প্রয়োগের ভিত্তিতে কোনো অর্থের নির্দেশ করবে।

আর যা তার বৈশিষ্ট্য বা প্রকৃতির দ্বারা কোনো অর্থ প্রকাশ করে না … যেমন গলা খাঁকারি দেওয়া; সুতরাং এ বিষয়ে সাক্ষী থেকো।

সুনিশ্চিত অকাট্য পাঠে (نص) তার আমল বর্ণিত হয়েছে … আর ইমাম আহমদের বক্তব্য থেকে এটিই নির্যাস হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।

যখন আমি এটি পদ্যবদ্ধ করেছি তখন আবুল আব্বাসকেই উদ্দেশ্য করেছি … এবং নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যের খাতিরে আমি তার মর্ম সংক্ষেপ করেছি।

 

‌‌বিতরের নামাজে কুনুত

হে যুবক! তোমার প্রতিটি বিতর নামাজে কুনুত পাঠ করো না … অন্যথায় তুমি একে সুনিশ্চিত ওয়াজিবের মতো করে ফেলবে।

কখনো কুনুত পাঠকারী হও আবার কখনো তা বর্জন করো … এর মাধ্যমেই তুমি দলিলের অনুসরণে সৌভাগ্যবান ও সঠিক পথপ্রাপ্ত হবে।

কেননা কুনুত পাঠ করা এবং বর্জন করা উভয়ই সুন্নাহ (سنة); আর উভয়টিই … আল্লাহর রাসূল থেকে বর্ণিত হয়েছে, যদি তুমি তাঁর অনুসারী হয়ে থাকো।

 

‌‌তিলাওয়াতের সিজদাহ

হ্যাঁ, তুমি সিররি (নিভৃত) ফরজ (فرض) নামাজেও সিজদাহ করো, কেননা এটি … বিশ্বজগতের শ্রেষ্ঠ সত্তা মুহাম্মদের সুন্নাহ (سنة)।

যদি তুমি আগ্রহী হও তবে বিজ্ঞ আলেমদের কিতাবসমূহ যাচাই করো … তবে সেখানে এমন সমাধান পাবে যা সঠিক পথপ্রাপ্তদের জন্য পর্যাপ্ত ও নিরাময়স্বরূপ।

 

‌‌নিষিদ্ধ সময়সমূহ

একইভাবে ফজরের সুন্নাহ (سنة) ফজরের নামাজের পরেও আদায় করা যায় … যদি তুমি তা আগে আদায় না করে থাকো; তবে এটি স্মরণে রেখো।

আর যদি তুমি তখন তা না করো, তবে সূর্যোদয়ের অপেক্ষা করো … যতক্ষণ না তা এক বল্লম পরিমাণ উপরে ওঠে, এরপর ফিরে এসে সিজদাহ (নামাজ) করো।

আবুল আব্বাসের মতে, যে ব্যক্তি এই সময়ে দুই রাকাত নামাজ পড়ে তার জন্য কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই … অর্থাৎ আমি এখানে তাহিয়াতুল মসজিদের কথা বোঝাচ্ছি।

আর এটি অকাট্য পাঠের (نص) সাধারণ অর্থের (عموم) কারণে, যেহেতু এর কোনো নির্দিষ্টকারী (مخصص) নেই … সুতরাং তার কথা গ্রহণ করো যে অকাট্য পাঠের (نص) মাধ্যমে হেদায়েত পায় ও পথ দেখায়।

ফরজ (فرض) নামাজগুলো কি তখন কাজা করা হয় না? ঠিক যেমনটি … এই পদ্যে একাধিকবার উল্লেখ করে তুমি শুনেছ।

একইভাবে ইমামের খুতবা চলাকালীন নফল ইবাদতের উদ্দেশ্যে … আগন্তুক ব্যক্তির জন্য নিষেধাজ্ঞা বিশুদ্ধ হয়েছে (صح)।

কিন্তু যে ব্যক্তি নতুন আগমন করবে, সে যেন … তাহিয়াতুল মসজিদ আদায় করে এবং না বসে।

এটি একটি সুস্পষ্ট ও সুপ্রতিষ্ঠিত দলিল … অথচ এটি নিষিদ্ধ সময়ের অন্তর্ভুক্ত ছিল, সুতরাং তুমি এরই অনুসরণ করো।

 

‌‌জামাআতে নামাজ

যিনি জামাআতে নামাজকে অকাট্য পাঠের (نص) অনুসরণে ফরজ (فرض) হিসেবে নির্ধারণ করেছেন, তাঁর নিকট … বিশুদ্ধ (صحيح) ও গ্রহণযোগ্য মত হলো এটিই।

তবে যে ব্যক্তি ওজর নিয়ে উপস্থিত হয়েছে সে ব্যতীত; কারণ অকাট্য পাঠ (نص) তাকে নির্দিষ্ট (تخصيص) করে দিয়েছে … এটিই ইমাম আহমদের বক্তব্য।

কিন্তু আবুল আব্বাস (ইবনে তাইমিয়্যাহ) বলেছেন, বরং মুয়ায (রা.)-এর আমলের কারণে আহমদের অনুসারীদের জন্য … এটি জায়েজ।
(খণ্ড: ১) নাজমু ইখতিয়ারাত শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৬)
يصلي بهم فرضٌ وهم ذُو فريضةٍ … وَقَدْ كانَ صلَّى الفرضَ خلفَ محمَّدِ

كَذا من يُصلِّي الظهرَ يأْتمُّ بالذي … يُصَلِّي صلاةَ العصرِ غيرَ مفنَّدِ

 

‌‌صلاة أهل الأعذار

وَقَد قَصروا أَعني الصحابةَ دونَ ما … يُقدِّرُه من فرسخ بالتَّعدُّد

فما حدد المعصومُ قدرَ مسافةٍ … لفطرٍ ولا قصرٍ فهل أَنتَ مقتدِ

وشرطُ جوازٍ نيةُ قصرِها … فشرطٌ بعيدُ الرشدِ غيرُ مسدَّدِ

وهل جاءها إِلَاّ بنيَّةِ قصرِها … نصَّ في تقييدِها حينَ يبتدي

بإِحرامه للقصرِ من سيِّد الورى … فدعْه وَلَا تعملْ بذلِكَ ترشُدِ

وسنَّةُ جمع الظهرِ والعصرِ يا فتى … كذا جمعُه بينَ العِشاءَيْنِ فاشْهَدِ

فعارض أَنْ جدّ بالسَّير قاصدٌ … فإِن لم يجدَّ السَّيرَ بل قامَ للغدِ

فسنَّةٌ القصر إنْ كنتَ مقتدِ … فراتبة فاعلم بذلك تَرشُدِ

وَعَنه وفي الظهرينِ أيضاً وإِنَّه … لقولُ أَبي العباسِ مَع كلِّ سيِّدِ

وفيه حديثٌ ثابتٌ متقرِّرٌ … عن السَّيِّدِ المعصومِ أَفضلِ مُرشدِ

وَما كانَ مِنْ هدي النَّبي اعتمادُه … على السَّيفِ إذ لا نصَّ فيه لمهتدِ

ولكن يكونُ الاعتمادُ على العَصى … أَو القوسِ ذا هديُ النَّبي محمدِ

وما ظَنَّهُ الجهال إِن اعتمادَه … على السَّيفِ فيما يزعمون لمقصِدِ

إشارة إظهارٍ لدينٍ أَتى به … فزعمٌ بعيدُ الرشدِ غيرُ مسدَّدِ

 

‌‌بدع المساجد

ووضعُ المصلَّى في المساجِدِ بدعةٌ … وليس من الهدي القويمِ المسدَّدِ

وَتقديمهُ في الصفِّ حجر لروضةٍ … وغصبٌ لها عن داخِلٍ متعبِّدِ

ويُشبهُه وضعُ العَصاةِ وحكمُها … كَحُكْمِ المصلَّى في ابتداعِ التعبُّدِ

بلى مستحبٌّ أَن يماطا وَيرفَعا … عن الداخلينَ الراكعينَ بمسجِدِ

لئن لمَ ْيَكُنْ هذا بنصٍّ مقرَّرٍ … وَلَا فعلِ أَصحابِ النبيِّ محمدِ

فخيرُ الأُمورِ السالفاتُ على الهدى … وشرُّ الأُمورِ المحدَثاتُ فبعِّدِ
তিনি তাদের নিয়ে ফরজ সালাত আদায় করেন যখন তারাও ফরজের অবস্থায় থাকে … আর তিনি ইতিপূর্বেই মুহাম্মাদ (সা.)-এর পেছনে সেই ফরজ পড়েছিলেন।

তেমনি যে ব্যক্তি জোহরের সালাত আদায় করছে সে এমন ব্যক্তির অনুসরণ করবে যে … আসরের সালাত আদায় করছে, এতে কোনো নিন্দা নেই।

 

‌‌অক্ষম ব্যক্তিদের (মুসাফিরের) সালাত

সাহাবীগণ কসর করেছেন এমন দূরত্বে যা … বর্তমানের একাধিক ফরসাখের হিসাবের চেয়ে কম।

নিষ্পাপ নবী সিয়াম ভঙ্গ বা কসরের জন্য কোনো নির্দিষ্ট দূরত্ব নির্ধারণ করেননি, … তবে কি আপনি তাঁর অনুসরণ করবেন?

কসর জায়েজ হওয়ার জন্য কসরের নিয়ত শর্ত হওয়া … এমন একটি শর্ত যা সঠিক পথ থেকে দূরে এবং অযৌক্তিক।

তিনি কি কসরের নিয়ত ছাড়া সালাতে আসতেন? … সালাত শুরুর সময় একে শর্তযুক্ত করার ব্যাপারে কি কোনো অকাট্য দলিল (نص) আছে?

সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মানবের পক্ষ থেকে কসরের জন্য ইহরাম (তাকবিরে তাহরিমা) বাঁধার সময় … সুতরাং এই মতটি বর্জন করুন এবং এর ওপর আমল করবেন না, তবেই সঠিক পথ পাবেন।

হে যুবক! জোহর ও আসর জমা করার সুন্নাত … তেমনি মাগরিব ও এশার মধ্যে জমা করার ব্যাপারে অবগত হও।

যদি কোনো যাত্রী দ্রুত পথ চলার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয় … আর যদি সে দ্রুত পথ না চলে বরং পরদিন পর্যন্ত অবস্থান করে (তবে জমা করবে না)।

তবে সুন্নাত হলো কসর করা যদি আপনি অনুসারী হন … আর রাতিবা সুন্নাত সম্পর্কে জেনে রাখুন, এতেই আপনি সঠিক পথ পাবেন।

তাঁর (নবীজি) থেকে এবং জোহর-আসরের ক্ষেত্রেও বর্ণিত আছে এবং এটিই … আবু আব্বাসের (ইবনে তাইমিয়্যাহ) উক্তি এবং সকল মহান ইমামের।

এই বিষয়ে সেই নিষ্পাপ সাইয়্যেদ ও শ্রেষ্ঠ পথপ্রদর্শকের পক্ষ থেকে … একটি সুপ্রমাণিত (ثابت) ও সুপ্রতিষ্ঠিত (متقرر) হাদিস রয়েছে।

নবীজির হেদায়েতের অন্তর্ভুক্ত ছিল না তলোয়ারের ওপর ভর করা, … কারণ হেদায়েতপ্রাপ্তদের জন্য এ ব্যাপারে কোনো অকাট্য দলিল (نص) নেই।

বরং লাঠি অথবা ধনুকের ওপর ভর করাই ছিল … নবী মুহাম্মাদ (সা.)-এর আদর্শ।

আর মূর্খরা যা ধারণা করে যে, তাঁর তলোয়ারের ওপর ভর করা … কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে ছিল যা তারা দাবি করে—

তা হলো তিনি যে দ্বীন নিয়ে এসেছেন তা প্রকাশের ইঙ্গিত স্বরূপ—এই দাবি … সঠিক পথ থেকে বহু দূরে এবং ভ্রান্ত।

 

‌‌মসজিদের বিদআতসমূহ

মসজিদে (জায়নামাজ বা আসন) বিছিয়ে রাখা বিদআত … এবং এটি সঠিক ও ঋজু আদর্শের অন্তর্ভুক্ত নয়।

কাতার অগ্রবর্তী করার জন্য জায়গা দখল করা আসলে একটি উদ্যানকে রুদ্ধ করা … এবং ইবাদত করতে আসা ব্যক্তির থেকে জায়গাটি জবরদখল করার শামিল।

লাঠি রাখাটাও এর সদৃশ এবং এর হুকুম … ইবাদতের ক্ষেত্রে উদ্ভাবিত বিদআত হিসেবে জায়নামাজ রাখার মতোই।

বরং এটি মুস্তাহাব (مستحب) যে, এগুলো সরিয়ে নেওয়া এবং তুলে ফেলা … যারা মসজিদে প্রবেশকারী রুকুকারী রয়েছে তাদের পথ থেকে।

যেহেতু এটি কোনো সুপ্রতিষ্ঠিত অকাট্য দলিল (نص) দ্বারা প্রমাণিত নয় … এবং নবী মুহাম্মাদ (সা.)-এর সাহাবীদের আমলও নয়।

সর্বোত্তম বিষয় হলো হেদায়েতের ওপর অতিবাহিত পূর্বসূরিদের পথ … আর নিকৃষ্ট বিষয় হলো নব-উদ্ভাবিত বিষয়সমূহ, সুতরাং তা থেকে দূরে থাকুন।
(খণ্ড: ১) নাজমু ইখতিয়ারাত শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৭)
‌‌[كتاب الصيام]

وَلَيسَ صيامُ الغيمِ يوماً واجبٍ … ولا مستحبٍّ في الصحيح المؤيَّدِ

فَقَدْ جاء في هذا نصوصٌ صحيحةٌ … فخذ بنصوصِ المصطفى وتقيَّدِ

وإِيَّاكَ والآراءَ لا تَقْبَلَنَّها … وقد صحَّ نصُّ عن نبيِّكَ أَحمدِ

وإِنْ أَوَّلُوا يوماً للفظِ اقدروا له … بأَن ضيِّقوا فاردُدْه بالنَّصِّ مهتدِ

وذلك في زاد المعادِ أَنِ اقدروا … ثلاثينَ يوماً كاملاتِ التَّعدُّدِ

فمن يستحب الصومَ في يومِ غيمنا … فذلك عاصٍ للرسولِ محمدِ

وماذا عَسى إِن قدروه لأَحمد … وَعَنْ تابعٍ أَو صاحبٍ لا تقلِّدِ

فليس لإنسانٍ من الناسِ حجةٌ … مع السَّيد المعصومِ أَفضلِ مرشدِ

وَقال أَبو العباسِ بل ذاكَ جائزٌ … وَعَن أَحمدٍ نصُّ الجوازِ فأَوردِ

إِن اعتاضَ عن حبٍّ شعيرٍ بسعرِه … ولا بأْسَ في هذا لدى كلِّ سيِّد

فيروى عن الحبرِ ابنِ عباسٍ أنَّه … يجوزُ وَلمَ يُعْرَفْ له من مفنِّّدِ

وأَما حديثُ النَّهي عن صرفه إِلى … سواه ففي الإسنادِ طعنٌ لنُقَّدِ

وإِنْ صحَّ هذا فالمرادُ بصرفهِ … إِلى سَلَمٍ في غيرِ ذاكَ فقيِّدِ

ليربحَ فيما ليسَ يضمنُ فاحضرَنْ … لهذا ففيه النَّهيُ فافْهمْ تُسَدَّدِ

 

‌‌[كتاب المواريث]

وإِنَّ صحيحَ القولِ في الجدِّ أَنَّه … لكالأَبِ في أَحوالِه والتودُّدِ

وذا ظاهرُ القرآن فاقرأْ ليوسفٍ … ترى الجد باسم الأَبِّ يا ذا التَّنقدِ

فعَنْ ظاهرِ القرآنِ أَخذُك يا فَتى … أَحقُّ وأَولى عن إِمامٍ مقلَّدِ

يرادُ اجتهادٌ منه إذ ليسَ واردٌ … بنصٍّ عن الهادي الأَمينِ محمَّدِ

وليس لأَبٍّ جبرُ بِكْرٍ على امرئٍ … أَبتْه ولم ترضاه إِنْ كنتَ مقتدِ

وهذا خلافُ السنَّةِ المحضةِ التي … أَتَتْنا عَن المعصومِ أَكملِ سَيِّدِ

فإِنْ كَرِهَتْ فاردُدْ إِليها مخيَّراً … فإِن لم تَشأْ فافسخْ وَلَا تَتَقَيَّدِ

وهذا هو القولُ الصحيحُ الَّذي به … ندينُ إله العالمَين ونَقْتَدِ
‌[সিয়াম অধ্যায়]

মেঘলা দিনে রোজা রাখা ওয়াজিব (واجب) নয় … আর বিশুদ্ধ (الصحيح) ও সমর্থিত মত অনুযায়ী তা মুস্তাহাবও (مستحب) নয়।

কেননা এ বিষয়ে সহিহ (صحيحة) দলিলসমূহ (نصوص) বর্ণিত হয়েছে … সুতরাং আপনি মুস্তাফার নসসমূহ (نصوص) গ্রহণ করুন এবং তাতেই সীমাবদ্ধ থাকুন।

খবরদার! ব্যক্তিগত মতামতসমূহ গ্রহণ করবেন না … যখন আপনার নবী আহমাদ থেকে সহিহ (صحَّ) নস (نص) সাব্যস্ত হয়েছে।

যদি কেউ 'ফাকদুরু লাহু' শব্দের ব্যাখ্যা সংকীর্ণ করার অর্থে করে থাকেন … তবে হে হেদায়াতপ্রাপ্ত, আপনি নসের (النص) মাধ্যমে তা প্রত্যাখ্যান করুন।

যাদুল মা'আদ গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে যে 'ফাকদুরু' এর অর্থ হলো … পূর্ণ ত্রিশ দিন গণনা করা।

সুতরাং যে ব্যক্তি মেঘলা দিনে রোজা রাখাকে মুস্তাহাব (يستحب) মনে করে … সে তো রাসুল মুহাম্মদ (সা.)-এর অবাধ্য।

আহমাদের নির্দেশের বিপরীতে তারা কীইবা আন্দাজ করতে পারে … আর কোনো তাবিঈ (تابع) বা সাহাবীর (صاحب) অন্ধ অনুসরণ (تقليد) করবেন না।

কেননা সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ পথপ্রদর্শক নিষ্পাপ (المعصوم) নেতার উপস্থিতিতে … অন্য কোনো মানুষের কথা দলিল (حجة) হতে পারে না।

আবু আব্বাস বলেছেন, বরং তা জায়েজ … এবং ইমাম আহমাদ থেকে বৈধতার নস (نص) বর্ণিত হয়েছে, তা উপস্থাপন করুন।

যদি সে শস্য বা যব তার মূল্যের বিনিময়ে পরিবর্তন করে … তবে প্রত্যেক নেতার নিকট এতে কোনো অসুবিধা নেই।

বিদ্বান ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত যে … এটি জায়েজ এবং তাঁর এই মতের কোনো খণ্ডনকারী জানা নেই।

আর এটি অন্য দিকে ব্যয় করার ব্যাপারে যে নিষেধাজ্ঞার হাদিস রয়েছে … তার সনদ (الإسناد) নিয়ে হাদিস বিশারদ সমালোচকদের (نُقَّد) আপত্তি (طعن) রয়েছে।

যদি এটি সহিহ (صحَّ) হয়ও, তবে এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো … অগ্রিম ক্রয় চুক্তির ক্ষেত্রে এর ব্যয় সীমাবদ্ধ রাখা।

যাতে এমন বিষয়ে মুনাফা না করা হয় যার দায়ভার সে গ্রহণ করেনি, সুতরাং সতর্ক থাকুন … এতেই নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, এটি বুঝলে আপনি সঠিক পথে পরিচালিত হবেন।

 

‌‌[উত্তরাধিকার অধ্যায়]

দাদার ব্যাপারে সহিহ (صحيح) কথা হলো এই যে … তিনি সকল অবস্থায় এবং স্নেহের ক্ষেত্রে পিতার মতোই।

এটিই কুরআনের বাহ্যিক অর্থ, আপনি সূরা ইউসুফ পাঠ করুন … হে পর্যালোচক, সেখানে দাদাকে পিতার নামেই দেখতে পাবেন।

হে যুবক! জনৈক মুকাল্লিদ (مقلَّد) ইমামের অনুসরণের চেয়ে কুরআনের বাহ্যিক অর্থ গ্রহণ করাই … আপনার জন্য অধিক যুক্তিযুক্ত ও উত্তম।

এটি তাঁর ইজতিহাদ (اجتهاد) মাত্র, কারণ এ বিষয়ে হেদায়েতকারী বিশ্বস্ত মুহাম্মদ (সা.) থেকে … কোনো সুস্পষ্ট নস (نص) বর্ণিত হয়নি।

পিতার জন্য কোনো কুমারী কন্যাকে এমন ব্যক্তির সাথে বিবাহে বাধ্য করার অধিকার নেই … যাকে সে অপছন্দ করে, আপনি যদি সুন্নাহর অনুসারী (مقتد) হন।

এটি সেই বিশুদ্ধ সুন্নাহর পরিপন্থী যা … আমাদের নিকট নিষ্পাপ (المعصوم) ও শ্রেষ্ঠ নেতার পক্ষ থেকে পৌঁছেছে।

যদি সে অপছন্দ করে, তবে বিষয়টি তার এখতিয়ারে ফিরিয়ে দিন … যদি সে না চায় তবে বিবাহ বাতিল (افسخ) করে দিন এবং নিজেকে সীমাবদ্ধ করবেন না।

এটিই সেই সহিহ (الصحيح) কথা যার ওপর ভিত্তি করে … আমরা বিশ্বজগতের প্রতিপালকের ইবাদত করি এবং তাঁরই অনুসরণ করি।
(খণ্ড: ১) নাজমু ইখতিয়ারাত শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৮)
‌‌[التقليد]

أَلا أَيُّها الإنسانُ إيَّاكَ والهَوَى … وتقليد آراء الرجالِ فتقتَدِ

وَلَا تتعصَّبْ للمذاهبِ جهرَةً … وتنبذ خلفَ الظهرِ سنَّةَ أَحمدِ

فإِصداقُ تعليمِ القرآن فضيلةٌ … بنصِّ رسولِ اللهِ أَكملِ مرشدِ

فإِنَّ انتفاعَ الخودِ يا صاحِ بالَّذي … تعلَّمُ من آي الكتابِ الممجَّدِ

لأَفضلُ ما يسعى له الناسُ في الدُّنا … وأَعظمُ مرغوبٍ إِليه لمن هُدي

فأَينَ انتفاعُ الخودِ بالشعر يا فتى … من النَّفع بالقرآنِ إِنْ كنتَ تَقتدِي

ومَنْ قالَ هذا بالنبيِّ مخصصٌ … فقولٌ بعيدُ الرشدِ غيرُ مسدَّدِ

وَمَنْ قال لا إِصداقَ إِلَا على الَّذي … يقدَّرُ من مالٍ فليسَ بجيِّدِ

وإِنَّ الصَّحيحَ المرتَضى للذي أَتَى … ... وصحَّ عنِ الهادي النبيِّ محمَّدِ

بهذا ندينُ الله جل جلاله … فسل ربَّك التوفيقَ أَي موحِّدِ
‌‌[অন্ধ অনুকরণ (التقليد)]

হে মানুষ! সাবধান, তুমি প্রবৃত্তি হতে বেঁচে থাকো … এবং মানুষের মতামতের অন্ধ অনুকরণ (التقليد) করা থেকে, পাছে তুমি তার অনুসরণ করে ফেল।

প্রকাশ্যে বিভিন্ন মাযহাবের প্রতি গোঁড়ামি করো না … আর আহমাদ-এর সুন্নাহকে নিজের পিঠের পেছনে ফেলে দিয়ো না।

কেননা কুরআন শিক্ষা প্রদানকে মোহরানা হিসেবে নির্ধারণ করা একটি ফযিলত … যা শ্রেষ্ঠ পথপ্রদর্শক আল্লাহর রাসূলের অকাট্য ভাষ্য (نص) দ্বারা প্রমাণিত।

হে বন্ধু! মহিমান্বিত কিতাবের আয়াতসমূহ হতে একজন নারী যা শিক্ষা লাভ করে, তার যে উপকারিতা …

তা ইহকালে মানুষের সকল প্রচেষ্টার মধ্যে সর্বোত্তম … আর হিদায়াতপ্রাপ্ত ব্যক্তির নিকট তা-ই সবচেয়ে বড় কাঙ্ক্ষিত বস্তু।

হে যুবক! যদি তুমি অনুসরণই করতে চাও, তবে কবিতার মাধ্যমে নারীর প্রাপ্ত উপকার … কুরআনের উপকারের তুলনায় কোথায়?

আর যে ব্যক্তি বলে যে, এটি কেবল নবীর জন্য নির্দিষ্ট (مخصص) ছিল … তবে তার সেই বক্তব্য সঠিক পথ থেকে অনেক দূরে এবং তা নির্ভুল নয়।

আর যে বলে যে, নির্দিষ্ট সম্পদ ছাড়া আর কোনো মোহরানা হতে পারে না … তবে তার এই অভিমত উত্তম (جيد) নয়।

নিশ্চয়ই সহিহ (صحيح) ও গ্রহণযোগ্য বিষয় হলো সেটি যা বর্ণিত হয়েছে … এবং যা পথপ্রদর্শক নবী মুহাম্মদ হতে বিশুদ্ধভাবে প্রমাণিত (صح) হয়েছে।

এর মাধ্যমেই আমরা মহান আল্লাহর আনুগত্য করি … অতএব হে একত্ববাদী! তুমি তোমার রবের নিকট তাওফিক প্রার্থনা করো।