(খণ্ড: ১)
ইশকালাত ফীল জারহি ওয়াত তা’দীল - যিমনা আসারুল মুয়াল্লিমি
(পৃষ্ঠা: -)
إشكالات في الجرح والتعديل - ضمن «آثار المعلمي» القسم: علوم الحديث
الكتاب: إشكالات في الجرح والتعديل
[آثار عبد الرحمن بن يحيى المعلمي اليماني (15)]
المؤلف: عبد الرحمن بن يحيى المُعَلِّمي اليماني (1313 - 1386 هـ)
المحقق: علي بن محمد العمران
راجعه: محمد أجمل الإصلاحي - عادل بن عبد الشكور الزرقي
الناشر: دار عالم الفوائد للنشر والتوزيع
الطبعة: الأولى، 1434 هـ
قدمه للشاملة: مؤسسة «عطاءات العلم»، جزاهم الله خيرا
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 10 شوّال 1442
জরাহ ও তাদিল (الجرح والتعديل) সংক্রান্ত জটিলতাসমূহ - «আসারুল মুয়াল্লিমী»-এর অন্তর্ভুক্ত বিভাগ: হাদিস শাস্ত্র (علوم الحديث)
বই: জরাহ ও তাদিল (الجرح والتعديل) সংক্রান্ত জটিলতাসমূহ
[আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমী আল-ইয়ামানির রচনাবলি (১৫)]
লেখক: আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমী আল-ইয়ামানি (১৩১৩ - ১৩৮৬ হিজরি)
সম্পাদক: আলী বিন মুহাম্মদ আল-উমরান
পর্যালোচক: মুহাম্মদ আজমাল আল-ইসলাহি - আদিল বিন আব্দুশ শাকুর আল-জুরকি
প্রকাশক: দার আলামুল ফাওয়াইদ পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩৪ হিজরি
শামেলা সংস্করণের জন্য পেশ করেছে: ‘আতাউল ইলম’ ফাউন্ডেশন, আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দিন
[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ১০ শাওয়াল ১৪৪২
(খণ্ড: ১৫)
ইশকালাত ফীল জারহি ওয়াত তা’দীল - যিমনা আসারুল মুয়াল্লিমি
(পৃষ্ঠা: ৯১)
الرسالة الثالثة
إشكالات في الجرح والتعديل
তৃতীয় পত্র
জরাহ ও তাদিল (الجرح والتعديل) সংক্রান্ত জটিলতাসমূহ
(খণ্ড: ১৫)
ইশকালাত ফীল জারহি ওয়াত তা’দীল - যিমনা আসারুল মুয়াল্লিমি
(পৃষ্ঠা: ৯৩)
بسم الله الرحمن الرحيم
مُهمّة
نَجِد أئمة الجرح والتعديل يوثِّقون كثيرًا ممن لم يروهم ولم يدركوهم، وذلك كأبان بن صالح، توفي سنة بضع عشرة ومئة، ووثَّقه ابن معين والعجليّ ويعقوب بن شيبة وأبو زُرعة وأبو حاتم. وهؤلاء كلهم لم يُدْركوه، وأكبرهم ابن معين، وإنما ولد سنة 158 أي بعد وفاة أبان بنحو أربعين سنة.
ونعجة بن عبد الله الجهني توفي سنة مئة ولم يصرح بتوثيقه غير النسائي، ومولد النسائي سنة 215. ومثل هذا كثير.
فلا يُنكَر على المتبحّر في الحديث حتى في عصرنا هذا أن يقضي للتابعي فمَن دونه بتحرِّي الصدق في الحديث والضبط له؛ وذلك بأن يتتبّع أحاديث الراوي ويعتبرها، فيجد لها أو لأكثرها متابعات ثابتة وشواهد صحيحة، وإن لم يجد للقليل منها متابعة ولو شاهدًا خاصًّا وجد لها شواهد عامة بمطابقتها القواعد الشرعية وموافقة للقياسات الجليّة، فيغلب على ظنه أن ذلك الراوي صدوق في الحديث ضابط له.
لكن بقيت إشكالات:
الأول: أننا نجد بعض الأئمة يوثّق مَن لم يُدركه مع أنه لم يقف له إلا على الحديث والحديثين، ومثل هذا لا يظهر منه صدق الراوي ولا ضبطه. وهب أنه ترجح عند النسائي صدق الراوي وضبطه لمّا وجد ثقةً قد تابعه فروى ذينك الحديثين عن شيخه كما رواهما، فما يُدريه لعل لذلك الراوي أحاديث أُخَر قد تفرّد بها، ولا يلزم من صدقه وضبطه في الحديثين صدقه
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
আমরা দোষারোপ ও গুণগান (الجرح والتعديل) শাস্ত্রের ইমামগণকে এমন অনেক বর্ণনাকারীকে নির্ভরযোগ্য (وثق/توثيق) সাব্যস্ত করতে দেখি, যাদের তারা দেখেননি এবং যাদের সমকাল তারা পাননি। যেমন আবান ইবনে সালিহ, যিনি ১১০ হিজরির কিছুকাল পরে ইন্তেকাল করেছেন; অথচ তাকে ইবনে মাঈন, ইজলী, ইয়াকুব ইবনে শায়বাহ, আবু জুরআহ এবং আবু হাতিম নির্ভরযোগ্য (وثق/توثيق) বলেছেন। তাদের কেউই তাকে পাননি; তাদের মধ্যে বয়োজ্যেষ্ঠ ইবনে মাঈন ১৫৮ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন, অর্থাৎ আবানের ইন্তেকালের প্রায় চল্লিশ বছর পর।
আবার না’জাহ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-জুহানি ১০০ হিজরিতে ইন্তেকাল করেছেন, অথচ নাসাঈ ছাড়া আর কেউ তাকে স্পষ্টভাবে নির্ভরযোগ্য (توثيق) বলেননি; যেখানে নাসাঈর জন্ম ২১৫ হিজরিতে। এরূপ উদাহরণ অনেক রয়েছে।
সুতরাং বর্তমান যুগেও হাদিস শাস্ত্রে গভীর জ্ঞানের অধিকারী কোনো ব্যক্তির পক্ষে তাবিঈ বা তার পরবর্তী স্তরের কোনো বর্ণনাকারীর হাদিসে সত্যবাদিতা এবং স্মৃতিশক্তির নির্ভুলতা (ضبط) সম্পর্কে ফয়সালা প্রদানকে অস্বীকার করা যায় না। আর তা এভাবে যে, তিনি উক্ত বর্ণনাকারীর হাদিসসমূহ অনুসন্ধান করবেন এবং সেগুলো পর্যালোচনা করবেন। ফলে তিনি সেগুলোর অথবা সেগুলোর অধিকাংশের জন্য প্রমাণিত সমর্থক বর্ণনা (متابعات) এবং সহিহ (صحيح) সাক্ষ্যমূলক বর্ণনা (شواهد) পাবেন। যদি তিনি সেগুলোর অল্প কিছুর জন্য কোনো সমর্থক বর্ণনা বা সুনির্দিষ্ট সাক্ষ্যমূলক বর্ণনা না-ও পান, তবে সেগুলোর জন্য এমন সাধারণ সাক্ষ্য পাবেন যা শরিয়তের মূলনীতিসমূহের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং সুস্পষ্ট যুক্তির সাথে সংগতিপূর্ণ; ফলে তার প্রবল ধারণা জন্মে যে, উক্ত বর্ণনাকারী হাদিসের ক্ষেত্রে সত্যবাদী (صدوق) এবং স্মৃতিশক্তির অধিকারী (ضابط)।
তবে কিছু সংশয় থেকে যায়:
প্রথমত: আমরা দেখি কোনো কোনো ইমাম এমন বর্ণনাকারীকে নির্ভরযোগ্য (وثق) বলছেন যাকে তিনি পাননি, অথচ তিনি তার মাত্র একটি বা দুটি হাদিস সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। এ ধরনের ক্ষেত্রে বর্ণনাকারীর সত্যবাদিতা বা স্মৃতিশক্তির নির্ভুলতা (ضبط) প্রকাশ পায় না। ধরা যাক, নাসাঈর নিকট বর্ণনাকারীর সত্যবাদিতা ও স্মৃতিশক্তির নির্ভুলতা (ضبط) এই কারণে প্রাধান্য পেয়েছে যে, তিনি একজন নির্ভরযোগ্য (ثقة) বর্ণনাকারীকে পেয়েছেন যিনি তার অনুসরণ করেছেন এবং ওই দুটি হাদিস তাদের উস্তাদ থেকে একইভাবে বর্ণনা করেছেন যেভাবে তিনিও বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি কীভাবে জানবেন যে উক্ত বর্ণনাকারীর অন্য কোনো হাদিস থাকতে পারে যাতে তিনি একক (تفرد) হয়ে পড়েছেন? আর দুটি হাদিসে তার সত্যবাদিতা ও স্মৃতিশক্তির নির্ভুলতা (ضبط) থেকে তার (সার্বিক) সত্যবাদিতা আবশ্যক হয় না।
(খণ্ড: ১৫)
ইশকালাত ফীল জারহি ওয়াত তা’দীল - যিমনা আসারুল মুয়াল্লিমি
(পৃষ্ঠা: ৯৪)
وضبطه مطلقًا، وهو إذا وثَّقه قَبِلَ الناسُ ذلك منه، فاحتجوا بذلك الراوي مطلقًا.
الإشكال الثاني: أن الحفَّاظ يختلفون في الرجال فقد يعتمد الحافظ في توثيق الراوي على أنه وجد له متابعًا هو ثقة عنده، وقد اطلع غيره على جرح ذلك المتابع. ومَن يجيء بعده يعتمد توثيقه ولا يشعر أنه إنما وثَّقه لظنه أن المتابع له ثقة.
الإشكال الثالث: أن الحفّاظ لا يستنكرون تفرُّد الصحابي بل ولا تفرُّد التابعي بل ولا تفرُّد الراوي عن التابعين إذا روى عن تابعيّ لم تَكْثُر الرواةُ عنه. وعلى هذا فإذا وجد أحدُ الحفَّاظ لبعض أتباع التابعين حديثين قد رواهما عن بعض التابعين الذين لم يكثر الرواةُ عنهم عن بعض الصحابة، ولم يجد ذينك الحديثين من جهةٍ أخرى= فالظاهر أنه يعتمد على الشواهد المعنوية. وقد يُخطئ الحافظ في فهم الشواهد المعنوية، فقد يكون ذانك الحديثان في القدر، ويكون مذهب ذلك الحافظ على وفق معناهما، فلا يستنكرهما، وقد يكون مذهبه خطأ. وإذا وثّق ذلك الراوي قبل الناسُ توثيقه مطلقًا.
وربما كان ظاهر الحديثين على معنى منكر، ولكن الحافظ تأوّلهما على معنى صحيح فوثَّق الراوي، فيأتي مَن بعده يحتج بهما على ظاهرهما.
الإشكال الرابع ــ وهو أشدها ــ: أنه لا يلزم من معرفة الصدق في الحديث والضبط له معرفة العدالة المطلقة، وقد تقرَّر في الفقه أن المعدِّل لابدّ أن يكون ذا خبرة بمن يعدّله، وأيّ خبرةٍ للحافظ بمن مات قبله بزمان طويل؟!
এবং তার নির্ভুলতা (ضبط) নিরঙ্কুশভাবে। তিনি যখন কাউকে নির্ভরযোগ্য (وثق) সাব্যস্ত করেন, তখন লোকেরা তা গ্রহণ করে নেয়; ফলে তারা সেই বর্ণনাকারীকে (الراوي) দলিল হিসেবে (احتج) নিরঙ্কুশভাবে গ্রহণ করে।
দ্বিতীয় সমস্যা: হাদিস বিশারদগণ (الحفاظ) বর্ণনাকারীদের বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত পোষণ করেন। কোনো একজন হাফিজ হয়তো কোনো বর্ণনাকারীকে নির্ভরযোগ্য সাব্যস্ত করার (توثيق) ক্ষেত্রে এই বিষয়ের ওপর নির্ভর করেন যে, তিনি তার জন্য একজন সমর্থনমূলক বর্ণনাকারী (متابع) পেয়েছেন যিনি তার নিকট নির্ভরযোগ্য (ثقة)। অথচ অন্য কেউ হয়তো সেই সমর্থনকারী বর্ণনাকারীর ত্রুটি (جرح) সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। পরবর্তীতে যারা আসেন তারা তার সেই নির্ভরযোগ্য সাব্যস্তকরণের (توثيق) ওপর নির্ভর করেন, অথচ তারা বুঝতে পারেন না যে, তিনি মূলত তাকে নির্ভরযোগ্য (وثق) সাব্যস্ত করেছিলেন এই ধারণার বশবর্তী হয়ে যে, সেই সমর্থনকারী বর্ণনাকারীটি (متابع) নির্ভরযোগ্য (ثقة)।
তৃতীয় সমস্যা: হাদিস বিশারদগণ (الحفاظ) সাহাবীর একক বর্ণনাকে (تفرد) প্রত্যাখ্যান (استنكار) করেন না, এমনকি তাবেঈর একক বর্ণনাকেও (تفرد) নয়; এমনকি তাবে-তাবেঈর এমন বর্ণনাকারীর একক বর্ণনাকেও (تفرد) নয় যখন তিনি এমন কোনো তাবেঈ থেকে বর্ণনা করেন যার থেকে বর্ণনাকারীর সংখ্যা অধিক নয়। এর ভিত্তিতে, যখন কোনো হাফিজ কোনো তাবে-তাবেঈর এমন দুটি হাদিস পান যা তিনি এমন কিছু তাবেঈ থেকে বর্ণনা করেছেন যাদের থেকে বর্ণনাকারীর সংখ্যা অধিক নয় এবং তারা সাহাবীদের থেকে বর্ণনা করেছেন, অথচ অন্য কোনো সূত্র থেকে সেই হাদিস দুটি পাওয়া যায়নি—তখন বাহ্যত তিনি অর্থগত সাক্ষ্যসমূহের (الشواهد) ওপর নির্ভর করেন। আর একজন হাফিজ অর্থগত সাক্ষ্য (الشواهد) অনুধাবনে ভুলও করতে পারেন। হতে পারে সেই হাদিস দুটি তাকদির প্রসঙ্গে, আর সেই হাফিজের মাযহাবও সেই হাদিসের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ; ফলে তিনি সেগুলোকে প্রত্যাখ্যান (استنكار) করেন না, যদিও হয়তো তার মাযহাবটি ভুল হতে পারে। আর যখন তিনি সেই বর্ণনাকারীকে নির্ভরযোগ্য (وثق) সাব্যস্ত করেন, তখন মানুষ তার সেই নির্ভরযোগ্য সাব্যস্তকরণকে (توثيق) নিরঙ্কুশভাবে গ্রহণ করে নেয়।
কখনও কখনও হাদিস দুটির বাহ্যিক রূপটি একটি প্রত্যাখ্যানযোগ্য (منكر) অর্থের ওপর হতে পারে, কিন্তু হাফিজ সে দুটিকে একটি সঠিক (صحيح) অর্থের নিরিখে ব্যাখ্যা করেন এবং সেই বর্ণনাকারীকে নির্ভরযোগ্য (وثق) সাব্যস্ত করেন। ফলে পরবর্তীতে যারা আসেন তারা হাদিস দুটির বাহ্যিক অর্থের ওপর ভিত্তি করেই সেগুলোকে দলিল হিসেবে (احتج) পেশ করেন।
চতুর্থ সমস্যা —যা সবচেয়ে গুরুতর—: হাদিসের ক্ষেত্রে সত্যবাদিতা (الصدق) এবং নির্ভুলতা (الضبط) সম্পর্কে জ্ঞান থাকা মানেই নিরঙ্কুশ ন্যায়পরায়ণতা (العدالة) সম্পর্কে জ্ঞান থাকা জরুরি নয়। ফিকহ শাস্ত্রে এটি স্বীকৃত যে, যিনি নির্ভরযোগ্যতা প্রদান (المعدل) করেন, তাকে অবশ্যই ওই ব্যক্তি সম্পর্কে অভিজ্ঞ হতে হবে যাকে তিনি নির্ভরযোগ্য বলছেন। অথচ একজন হাফিজের সেই ব্যক্তি সম্পর্কে কী অভিজ্ঞতা থাকতে পারে যিনি তার অনেক দীর্ঘ সময় আগে মৃত্যুবরণ করেছেন?!
(খণ্ড: ১৫)
ইশকালাত ফীল জারহি ওয়াত তা’দীল - যিমনা আসারুল মুয়াল্লিমি
(পৃষ্ঠা: ৯৫)
فإن قيل: لعله ثبت عنده تعديل الراوي عن بعض الثقات الذين خَبَروه من أهل عصره.
قلت: هذا قد يقع وقد يُحتَمل ولكن في بعض الأفراد، فأما احتماله في جميع الموثقين فكلّا، بل من سَبَر هذا الفنّ عَلِم أنّ الأئمة كثيرًا ما يوثقون مِن عندهم بدون نقل، ولو كان هناك نقل لكان الأولى بالموثِّق أن يذكره.
ومع ذلك فهب أنه كان عند الموثّق نقل بذلك، فهذا النقل يحتاج إلى معرفة رواته، وإذا لم يُسمّهم الموثّق كان إطلاقه التوثيق بمنزلة إرساله الحديث، وأكبر أمْرِه أن يكون بمنزلة قوله: "حدثني الثقة عن الثقة". وقد قالوا: إن الحديث لا يثبت بذلك فكذلك التعديل، فلو صرّح به فقال: أخبرني ثقة عن ثقة عن ثقة: أنّ فلانًا كان عدلًا، هل تثبت العدالةُ بهذا؟
(1).
--------------------------------------------
যদি বলা হয়: সম্ভবত তাঁর নিকট বর্ণনাকারীর নির্ভরযোগ্যতা সাব্যস্তকরণ (تعديل) এমন কিছু নির্ভরযোগ্য (ثقات) ব্যক্তির সূত্রে প্রমাণিত হয়েছে যারা তাঁকে পরীক্ষা করেছেন এবং তাঁর সমসাময়িক ছিলেন।
আমি বলি: এটি কখনো ঘটতে পারে এবং এর সম্ভাবনাও রয়েছে, তবে তা কেবল কিছু একক ব্যক্তির ক্ষেত্রে। কিন্তু সকল নির্ভরযোগ্যতা প্রদানকারীর (موثقين) ক্ষেত্রে এমনটা হওয়া অসম্ভব। বরং যে ব্যক্তি এই শাস্ত্র গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ (سبر) করেছেন, তিনি জানেন যে ইমামগণ অনেক সময় কোনো বর্ণনা (نقل) উল্লেখ ছাড়াই নিজ থেকে কাউকে নির্ভরযোগ্য সাব্যস্ত (توثيق) করেন। আর যদি সেখানে কোনো বর্ণনা (نقل) থাকত, তবে নির্ভরযোগ্যতা প্রদানকারীর (موثق) জন্য তা উল্লেখ করাই অধিকতর সংগত ছিল।
তা সত্ত্বেও, ধরে নেওয়া যাক যে নির্ভরযোগ্যতা প্রদানকারীর (موثق) নিকট এই সংক্রান্ত কোনো বর্ণনা (نقل) ছিল। কিন্তু সেই বর্ণনার বর্ণনাকারীদের পরিচয় জানার প্রয়োজন রয়েছে। আর যদি নির্ভরযোগ্যতা প্রদানকারী (موثق) তাদের নাম উল্লেখ না করেন, তবে তাঁর ঢালাওভাবে নির্ভরযোগ্য সাব্যস্ত করা (توثيق) হাদিসকে বিচ্ছিন্নভাবে বর্ণনা (إرسال) করার সমতুল্য হবে। এর সর্বোচ্চ অবস্থা হলো তাঁর এই কথা বলার মতো: "আমার নিকট একজন নির্ভরযোগ্য (ثقة) ব্যক্তি অপর একজন নির্ভরযোগ্য (ثقة) ব্যক্তির সূত্রে বর্ণনা করেছেন।" অথচ বিশেষজ্ঞগণ বলেছেন যে, এর দ্বারা যেমন হাদিস সাব্যস্ত হয় না, তেমনি নির্ভরযোগ্যতা সাব্যস্তকরণও (تعديل) প্রমাণিত হয় না। সুতরাং তিনি যদি স্পষ্টভাবে বলেন: "আমাকে একজন নির্ভরযোগ্য (ثقة) ব্যক্তি অপর একজন নির্ভরযোগ্য (ثقة) ব্যক্তি থেকে, তিনি অপর একজন নির্ভরযোগ্য (ثقة) ব্যক্তি থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, অমুক ব্যক্তি ন্যায়পরায়ণ (عدل) ছিলেন" - তবে কি এর মাধ্যমে ন্যায়পরায়ণতা (عدالة) সাব্যস্ত হবে?
(১).
--------------------------------------------