(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: -)
مجموع فيه مصنفات أبي الحسن ابن الحمامي وأجزاء حديثية أخرى القسم: كتب السنة
الكتاب: مجموع فيه مصنفات أبي الحسن ابن الحمامي وأجزاء حديثية أخرى
المحقق: نبيل سعد الدين جرار
الناشر: أضواء السلف [ضمن سلسلة مجاميع الأجزاء الحديثية (4)]
الطبعة: الأولى، 1425 هـ - 2004 م
عدد الصفحات: 401
أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل
مصدر الكتاب/ ملفات مصححة من المحقق
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 2 ربيع الأول 1433
আবুল হাসান ইবনুল হামামির সংকলিত রচনাবলি ও অন্যান্য হাদিস বিষয়ক অংশসমূহ বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
গ্রন্থ: আবুল হাসান ইবনুল হামামির সংকলিত রচনাবলি ও অন্যান্য হাদিস বিষয়ক অংশসমূহ
গবেষক: নাবিল সাদ আদ-দীন জাররার
প্রকাশক: আদওয়াউস সালাফ [হাদিস বিষয়ক সংকলন সিরিজের অন্তর্ভুক্ত (৪)]
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৫ হিজরি - ২০০৪ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪০১
শামিলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: হে কল্যাণের অন্বেষী, অগ্রসর হও
গ্রন্থের উৎস/ গবেষক কর্তৃক সংশোধিত ফাইলসমূহ
[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মূল মুদ্রণের অনুরূপ]
শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৩
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: -)
مجاميع الأجزاء الحديثية (4)
مجموع فيه مصنفات
أبي الحسن ابن الحمامي
وأجزاء حديثية أخرى
تحقيق
نبيل سعد الدين جرار
أضواء السلف
الطبعة الأولى
1425 هـ - 2004 م
হাদিস শাস্ত্রীয় অংশসমূহের সংকলন (৪)
এমন একটি সংকলন যাতে সংবলিত হয়েছে
আবুল হাসান ইবনুল হাম্মামী-এর রচনাবলি
এবং অন্যান্য হাদিস শাস্ত্রীয় অংশসমূহ
তাহকীক ও সম্পাদনা
নাবিল সা'দ উদ্দীন জাররার
আদওয়াউস সালাফ
প্রথম সংস্করণ
১৪২৫ হিজরি - ২০০৪ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: ٥)
المقدمةإنَّ الحمدَ لله نحمدُه ونستعينُه ونستغفرُه، ونعوذُ باللهِ من شُرورِ أنفسِنا، ومن سيئاتِ أعمالِنا، من يهدِهِ اللهُ فلا مضلَّ له، ومن يُضللْ فلا هاديَ له. وأشهدُ أن لا إلهَ إلا اللهُ وحدَه لا شريكَ له. وأشهدُ أن محمداً عبدُه ورسولُه.
وبعدُ، فهذا هو المَجموع الرابعُ الذي يُوفقني اللهُ لإخراجِهِ ضمنَ سلسلةِ مجاميعِ الأجزاءِ الحديثيةِ، وهو يتضمنُ تحقيقَ مصنفاتِ أبي الحسنِ الحَمَّامي وأجزاءَ أُخرى، وهي:
* مجموعةٌ مِن الأجزاءِ الصغيرةِ مِن ضمنِها جزءٌ للحَمامي، أخرجتُها جميعَها باعتبارِ أنَّها جزءٌ واحدٌ.
* جزءُ أبي أحمدَ البخاريِّ.
* جزءُ المُخَرِّمي والمَروزي.
* مُنتقى مِن حديثِ أبي القاسمِ الحامضِ.
* الجزءُ الثاني مِن فوائدِ ابنِ البَطرِ.
* الجزءُ الثاني مِن حديثِ حمادِ بنِ سلمةَ للبَغوي.
* الثمانونَ للآجُري.
وبدأتُ بترجمةِ أبي الحسنِ الحَمّامي، ثم تراجم مختصرة لشيوخِهِ في هذا المجموعِ، ثم تكلمتُ عن مصنفاتِهِ والأصولِ الخطيةِ التي اعتمدتها في التحقيقِ، ثم النصوصُ المحقَّقةُ، ثم الأجزاءُ الحديثيةُ الأخرى.
⦗ص: 6⦘وختمتُ الكتابَ بالفهارسِ العلمية معتمداً على الرقمِ العام لأَحاديثِ المجموعِ كلِّه.
ومَنهجي في هذا المجموعِ كسوابقِه مِن حيثُ الاهتمامُ بضبطِ النص، وموافقةِ المطبوعِ للمخطوطِ، وتصحيحِ التحريفاتِ والتصحيفاتِ قدر الإمكان. والاكتفاءُ في التخريجِ بالعزوِ للصحيحينِ أو أحدِهما إِن وجدَ، فإن لم يكنْ فكتبُ الحديثِ المتداولةُ المشهورةُ متجنباً الإطالةَ وحشدَ المصادرِ.
واللهَ أسألُ أن يجعلَ هذا العملَ خالصاً لوجهِهِ الكريمِ، وأن يُوفقَني لإخراجِ أعمالٍ أُخرى خدمةً لسنةِ نبيِّه المصطفى صلى الله عليه وسلم، واللهُ وليُّ التوفيقِ.
وكتب
نبيل سعد الدين جرار
الأردن - عمان
ভূমিকানিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই কাছে সাহায্য চাই এবং তাঁরই নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। আল্লাহ যাকে পথপ্রদর্শন করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথপ্রদর্শন করার কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য মাবুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসুল।
অতঃপর, এটি চতুর্থ সংকলন যা আল্লাহ আমাকে হাদিসের অংশসমূহের সংকলন সিরিজের অধীনে প্রকাশের তৌফিক দান করেছেন। এতে আবুল হাসান আল-হামমামি-র রচনাবলি এবং অন্যান্য অংশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা নিম্নরূপ:
* ছোট ছোট কিছু অংশের সমষ্টি যার মধ্যে আল-হামমামির একটি অংশ রয়েছে; আমি এই সবগুলোকে একটি অংশ হিসেবে বিবেচনা করে প্রকাশ করেছি।
* আবু আহমদ আল-বুখারির অংশ।
* আল-মুখাররিমি ও আল-মারওয়াজির অংশ।
* আবুল কাসিম আল-হামিদ-এর হাদিস থেকে সংগৃহীত অংশ।
* ইবনুল বাতর-এর 'ফাওয়ায়েদ'-এর দ্বিতীয় খণ্ড।
* বাগাওয়ি বর্ণিত হাম্মাদ ইবনে সালামাহ-র হাদিসের দ্বিতীয় খণ্ড।
* আল-আজুররির 'আস-সামানুন' (আশিটি হাদিস)।
আমি আবুল হাসান আল-হামমামি-র জীবনী দিয়ে শুরু করেছি, এরপর এই সংকলনের অন্তর্ভুক্ত তাঁর শাইখগণের সংক্ষিপ্ত জীবনী দিয়েছি। অতঃপর তাঁর রচনাবলি এবং তাহকিকের ক্ষেত্রে আমি যেসব মূল পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি সে সম্পর্কে আলোচনা করেছি। এরপর তাহকিককৃত মূল পাঠ এবং সবশেষে হাদিসের অন্যান্য অংশগুলো প্রদান করেছি।
⦗পৃষ্ঠা: ৬⦘আমি পুরো সংকলনের হাদিসগুলোর সাধারণ নম্বরের ওপর ভিত্তি করে ইলমি সূচিপত্র দিয়ে বইটি সম্পন্ন করেছি।
এই সংকলনে আমার অনুসৃত পদ্ধতি পূর্ববর্তীগুলোর মতোই; অর্থাৎ পাঠ্য নির্ভুল করা, পাণ্ডুলিপির সাথে মুদ্রিত কপির সামঞ্জস্য রক্ষা করা এবং যথাসম্ভব বিকৃতি ও মুদ্রণজনিত ভুল সংশোধন করার প্রতি গুরুত্বারোপ করা। তাখরিজের ক্ষেত্রে বুখারি ও মুসলিম কিংবা এই দুইটির যেকোনো একটিতে হাদিসটি পাওয়া গেলে কেবল সেটির উদ্ধৃতি দিয়েই ক্ষান্ত হয়েছি। যদি সেখানে না থাকে, তবে দীর্ঘ আলোচনা ও উৎসের ভিড় এড়িয়ে প্রসিদ্ধ ও প্রচলিত হাদিসের গ্রন্থাবলির উদ্ধৃতি দিয়েছি।
আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন এই কাজটিকে কেবল তাঁর মহান সন্তুষ্টির জন্য কবুল করেন এবং তাঁর মনোনীত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহর খিদমতে আমাকে আরও কাজ করার তৌফিক দান করেন। আল্লাহই তৌফিকদাতা।
লিখেছেন:
নাবিল সাদ উদ্দিন জাররার
জর্ডান - আম্মান
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: ٤١)
فيه جزءٌ مِن حديثِ أبي الحسنِ عليِّ بنِ أحمدَ بنِ عمرَ بنِ حفصٍ الحَمَّاميِّ المُقرئِ عن شيوخِهِ
تخريج أبي الفتحِ ابنِ أبي الفوارسِ رحمَهُما اللهُ
رواية الحاجبِ أبي الحسنِ عليِّ بنِ محمدِ
بنِ عليِّ بنِ العلَاّفِ المُقرئِ
عن الحَمَّاميِّ
এতে আবুল হাসান আলী ইবনে আহমাদ ইবনে উমর ইবনে হাফস আল-হাম্মামি আল-মুকরির তাঁর শাইখদের নিকট থেকে বর্ণিত হাদীসের একটি অংশ রয়েছে
আবুল ফাতহ ইবনে আবুল ফাওয়ারিসের তাখরীজ (আল্লাহ তাঁদের প্রতি রহম করুন)
হাজিব আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদের বর্ণনা
ইবনে আলী ইবনুল আল্লাফ আল-মুকরি
আল-হাম্মামি থেকে
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: ٤٢)
بسم الله الرحمن الرحيم
(بِهِ الثقةُ وعليه التوكلُ
ربِّ يَسرْ ولا تُعسرْ) (1)
1 - أخبرنا الحاجبُ أبوالحسنِ عليُّ بنُ محمدِ بنِ عليِّ بنِ العلافِ قراءةً عليه وأنا أسمعُ قالَ: أخبرنا الشيخُ أبوالحسنِ عليُّ بنُ أحمدَ بنِ عمرَ بنِ حفصٍ المُقرئُ الحَمَّاميُّ قراءةً عليه في صفرَ مِن سنةِ ستَّ عشرةَ وأربعمِئةٍ، قالَ: أخبرنا أبوبكرٍ محمدُ بنُ إبراهيمَ (2) الشافعيُّ: حدثنا (3) إسحاقُ بنُ الحسنِ: حدثنا القعنبيُّ، عن مالكٍ، عن يزيدَ بنِ عبدِاللهِ بنِ الهادِ، عن محمدِ بنِ إبراهيمَ بنِ الحارِثِ التيميِّ، عن أبي سلمةَ بنِ عبدِالرحمنِ، عن أبي سعيدٍ الخُدريِّ، أنَّه قالَ: كانَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَعتكفُ في (4) العشرِ الأوسطِ مِن رمضانَ، فاعتكَفَ عاماً حتى إذا كانَ ليلةَ إحدى وعشرينَ وهي التي يَخرجُ فيها مِن اعتكافِهِ، قالَ: «مَن اعتكَفَ معي فليعتكِف العشرَ الأواخِر، وقد رأيتُ هذه الليلةَ ثم أُنسيتُها، وقد رأيتُني أسجدُ مِن صَبيحتِها في ماءٍ وطينٍ، فالتمِسُوها في العشرِ الأواخرِ، التمِسُوها في كلِّ وترٍ».
قالَ أبوسعيدٍ: وأُمطرت السماءُ تلكَ الليلةَ، وكانَ المسجدُ على عريشٍ، فوَكَفَ المسجدُ، قالَ أبوسعيدٍ: فأَبصرتْ عَينايَ رسولَ اللهِ على جبهتِهِ وأنفِهِ أثرُ الماءِ والطينِ صَبيحةَ إِحدى وعشرينَ.
⦗ص: 43⦘ هذا حديثٌ صحيحٌ مِن حديثِ مالكٍ، أخرجهُ البخاريُّ عن إسماعيلَ بنِ أبي أُويسٍ، عن مالكٍ.
--------------------------------------------
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
(তাঁর ওপরই ভরসা এবং তাঁরই ওপর নির্ভরতা। হে আমার প্রতিপালক, সহজ করুন এবং কঠিন করবেন না।) (১)
১ - হাজিব আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনুল আল্লাফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর উপস্থিতিতে পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেন: শায়খ আবুল হাসান আলী ইবনে আহমদ ইবনে ওমর ইবনে হাফস আল-মুকরি আল-হাম্মামী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ৪১৬ হিজরী সনের সফর মাসে তাঁর উপস্থিতিতে পাঠ করার সময়, তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম (২) শাফেয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: ইসহাক ইবনুল হাসান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: কানাবি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মালেক থেকে, তিনি ইয়াজিদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনুল হাদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম ইবনুল হারিস আত-তাইমি থেকে, তিনি আবু সালামা ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমজানের মধ্য দশকে ইতিকাফ করতেন। তিনি এক বছর ইতিকাফ করলেন, এমনকি যখন একুশতম রাত এল—যে রাতে তিনি ইতিকাফ থেকে বের হতেন—তখন তিনি বললেন: "যে ব্যক্তি আমার সাথে ইতিকাফ করেছে, সে যেন শেষ দশকেও ইতিকাফ করে। আমি এই রাতটি দেখেছি, অতঃপর আমাকে তা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি নিজেকে সেই রাতের পরবর্তী ভোরে পানি ও কাদার মধ্যে সিজদা করতে দেখেছি। অতএব তোমরা একে শেষ দশকে অনুসন্ধান করো, এবং একে প্রতিটি বিজোড় রাতে অনুসন্ধান করো।"
আবু সাঈদ বলেন: সেই রাতে আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষিত হলো, আর মসজিদের ছাদ ছিল খেজুর পাতার ছাউনির, ফলে মসজিদ থেকে পানি চুইয়ে পড়ল। আবু সাঈদ বলেন: একুশতম তারিখের ভোরে আমি আমার দুই চোখে আল্লাহর রাসূলের কপাল ও নাকের ওপর পানি ও কাদার চিহ্ন দেখতে পেলাম।
⦗পৃষ্ঠা: ৪৩⦘ এটি ইমাম মালেকের বর্ণিত একটি সহিহ হাদিস। ইমাম বুখারি এটি ইসমাইল ইবনে আবি উওয়াইস থেকে, তিনি মালেক থেকে বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: ٤٣)
2 - أخبرنا محمدُ بنُ عبدِاللهِ الشافعيُّ: حدَّثني إسحاقُ بنُ الحسنِ: حدثنا القَعنبيُّ، عن مالكٍ، عن يزيدَ بنِ عبدِاللهِ بنِ الهادِ، عن محمدِ بنِ إبراهيمَ، عن أبي سلمةَ بنِ عبدِالرحمنِ، عن أبي هريرةَ، قالَ: خرجتُ إلى الطورِ، فَلقيتُ (1) كعبَ الأحبارِ، فجلستُ معه، فحدَّثني عن التوراةِ وحدَّثتُهُ عن رسولِ اللهِ، فكانَ فيما حدَّثتُهُ أنْ قلتُ: قالَ رسولُ اللهِ: «خيرُ يومٍ طَلَعت فيه الشمسُ يومُ الجمعةِ، فيه خُلِقَ آدمُ، وفيه أُهبطَ، وفيه تِيبَ عليهِ، وفيه ماتَ، وفيه تقومُ الساعةُ، وما مِن دابةٍ إلا وهي مُسيخةٌ يومَ الجمعةِ مِن حينِ تُصبحُ حتى تَطلُعَ الشمسُ شفقاً مِن الساعةِ إلا الجنَّ والإنسَ، وفيها ساعةٌ لا يُصادِفُها عبدٌ مسلمٌ وهو يُصلِّي يسألُ اللهَ عز وجل شيئاً إلا أعطاهُ إياهُ».
قال كعبٌ: وذلكَ في كلِّ سنةٍ يومٌ، فقالَ: بل في كلِّ جمعةٍ، قالَ: فقرأَ كعبٌ التوراةَ، فقالَ: صدقَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم.
قالَ أبوهريرةَ: فَلَقيتُ بَصرةَ بنَ أبي بَصرةَ الغِفاريَّ، / فقالَ: مِن أينَ أَقبلتَ؟ فقلتُ: مِن الطورِ، فقالَ: لو أدركتُكَ قبلَ أنْ تخرُجَ إليه ما خرجتَ إليه، سمعتُ رسولَ اللهِ يقولُ: «لا تُعمَلُ المطيُّ إلا إلى ثلاثةِ مساجدَ: إلى المسجدِ الحرامِ، وإلى هذا، وإلى مسجدِ إيلياءَ أو بيتِ المقدسِ» يشكُّ (2) أيَّهما. قالَ أبوهريرةَ: ثم لَقيتُ عبدَاللهِ بنَ سلامٍ، فقالَ: كذبَ كعبٌ، فقلتُ: ثم قرأ التوراةَ فقالَ: بل في كلِّ جمعةٍ، فقالَ عبدُاللهِ بنُ سلامٍ: صدقَ كعبٌ، ثم قالَ عبدُاللهِ: قد علمتُ أَيتَ ساعةٍ هي، فقالَ أبوهريرةَ: فقلتُ له: بيِّنْها لي (3) ولا تَضنَّ بها عليَّ، قالَ عبدُاللهِ بنُ
⦗ص: 44⦘ سلامٍ: هي آخرُ ساعةٍ في يومِ الجمعةِ، فقالَ أبوهريرةَ: وكيفَ (4) تقولُ آخر ساعةٍ في يومِ الجمعةِ، وقد قالَ رسولُ اللهِ: «لا يُصادِفُها عبدٌ مسلمٌ وهو يُصلِّي» وتلكَ ساعةٌ لا يُصلَّى فيها! فقالَ عبدُاللهِ: أَلمْ يقلْ رسولُ اللهِ: «مَن جلسَ مَجلساً ينتظِرُ الصلاةَ فهو في صلاةٍ حتى يُصلِّي»؟ قالَ: فقلتُ: بَلى، هو ذلكَ. هذا حديثٌ محفوظٌ عالٍ مِن حديثِ مالكٍ، وهو إسنادٌ كلُّهم ثقاتٌ.
--------------------------------------------
২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আশ-শাফিয়ী: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন আল-হাসান: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-কা'নাবি, মালিক থেকে, তিনি ইয়াজিদ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-হাদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম থেকে, তিনি আবু সালামাহ বিন আব্দুর রহমান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি তূর পাহাড়ের দিকে বের হলাম, তখন কাব আল-আহবারের সাথে আমার সাক্ষাৎ হলো। আমি তার সাথে বসলাম। সে আমাকে তাওরাত থেকে বর্ণনা শোনাল এবং আমি তাকে আল্লাহর রাসূলের পক্ষ থেকে হাদিস শোনালাম। আমি তাকে যা শুনিয়েছিলাম তার মধ্যে এটিও ছিল যে, আমি বলেছিলাম: আল্লাহর রাসূল বলেছেন: «সূর্য উদিত হওয়া দিনগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠ দিন হলো জুমার দিন। এই দিনেই আদমকে সৃষ্টি করা হয়েছে, এই দিনেই তাঁকে (জান্নাত থেকে) নামিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই দিনেই তাঁর তাওবা কবুল করা হয়েছে, এই দিনেই তিনি ইন্তেকাল করেছেন এবং এই দিনেই কিয়ামত সংঘটিত হবে। জিন ও মানুষ ছাড়া এমন কোনো প্রাণী নেই যা জুমার দিন ভোর হওয়া থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত কিয়ামতের ভয়ে উৎকণ্ঠিত থাকে না। এই দিনে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে যা কোনো মুসলিম বান্দা সালাতরত অবস্থায় পায় না—সে সময় সে আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা-র কাছে যা কিছু চায়, আল্লাহ তাকে তা দান করেন।»
কাব বললেন: এটি তো বছরে একবার একটি দিন। তখন তিনি (আবু হুরায়রা) বললেন: বরং প্রতি জুমায়। বর্ণনাকারী বলেন: তখন কাব তাওরাত পাঠ করলেন এবং বললেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সত্য বলেছেন।
আবু হুরায়রা বলেন: এরপর বাসরাহ বিন আবি বাসরাহ আল-গিফারির সাথে আমার সাক্ষাৎ হলো। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: আপনি কোথা থেকে আসলেন? আমি বললাম: তূর থেকে। তিনি বললেন: আপনি সেখানে যাওয়ার আগে যদি আপনার সাথে আমার দেখা হতো, তবে আপনি সেখানে যেতেন না। আমি আল্লাহর রাসূলকে বলতে শুনেছি: «তিনটি মসজিদ ছাড়া (সওয়াবের উদ্দেশ্যে) বাহন চালনা করা যাবে না: মসজিদুল হারাম, আমার এই মসজিদ এবং ঈলিয়া বা বায়তুল মাকদিস মসজিদ» — বর্ণনাকারীর সন্দেহ যে দুটির মধ্যে কোনটি। আবু হুরায়রা বলেন: এরপর আমি আবদুল্লাহ বিন সালামের সাথে দেখা করলাম। তিনি বললেন: কাব মিথ্যা বলেছে। আমি বললাম: অতঃপর সে তাওরাত পাঠ করে বলল: বরং প্রতি জুমায়। তখন আবদুল্লাহ বিন সালাম বললেন: কাব সত্য বলেছে। তারপর আবদুল্লাহ বললেন: আমি জানি সেই মুহূর্তটি কখন। আবু হুরায়রা বললেন: আমি তাকে বললাম: আপনি সেটি আমাকে স্পষ্ট করে বলে দিন এবং এ বিষয়ে আমার সাথে কার্পণ্য করবেন না। আবদুল্লাহ বিন
⦗পৃষ্ঠা: ৪৪⦘ সালাম বললেন: এটি হলো জুমার দিনের শেষ মুহূর্ত। আবু হুরায়রা বললেন: আপনি কীভাবে জুমার দিনের শেষ মুহূর্ত বলছেন, অথচ আল্লাহর রাসূল বলেছেন: «কোনো মুসলিম বান্দা একে সালাতরত অবস্থায় পায় না», আর ঐ সময়ে তো সালাত আদায় করা যায় না! তখন আবদুল্লাহ বললেন: আল্লাহর রাসূল কি বলেননি: «যে ব্যক্তি সালাতের অপেক্ষায় বসে থাকে, সে সালাত আদায় করা পর্যন্ত সালাতের মধ্যেই গণ্য হয়»? তিনি (আবু হুরায়রা) বললেন: আমি বললাম: হ্যাঁ, অবশ্যই তাই। এটি ইমাম মালিকের হাদিস থেকে একটি সংরক্ষিত ও উচ্চমানের (আলি) হাদিস, এবং এর বর্ণনাকারীদের সবাই নির্ভরযোগ্য।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: ٤٤)
3 - حدثنا محمدُ بنُ عبدِاللهِ الشافعيُّ: حدَّثني إسحاقُ بنُ الحسنِ وإسماعيلُ، قالا: حدثنا عبدُاللهِ، عن مالكٍ، عن العلاءِ بنِ عبدِالرحمنِ، عن أبيه، عن أبي هريرةَ، أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قالَ: «السلامُ عليكُم دارَ قومٍ مؤمنينَ، وإنَّا إنْ شاءَ اللهُ بِكم لاحِقونَ، وَدِدتُّ أنِّي قد رأيتُ إخواني» قالوا: يا رسولَ اللهِ، أَلَسْنا بإخوانِكَ؟ قالَ: «بلْ أنتُم أَصحابي، وإِخواني الذين لم يأْتوا بعدُ، وإنِّي فَرَطُكم على الحوضِ» قالوا: يا رسولَ اللهِ، كيفَ تعرفُ مَن يأتي بعدَكَ مِن أُمَّتك؟ قالَ: «أرأيتَ [لو كان] (1) لِرجلٍ خيلٌ غُرٌّ مُحجلةٌ في خيلٍ دُهْمٍ بُهْمٍ، ألا يعرفُ خيلَهُ؟» قالوا: بَلى يا رسولَ اللهِ؟ قالَ: «فإنَّهم يأتونَ يومَ القيامةِ غرّاً مُحجلينَ مِن الوضوءِ، وأَنَا فَرَطُكم على الحوضِ، فليُذادَنَّ رجالٌ عن حوضي كما يُذادُ البعيرُ الضالُّ». هذا حديثٌ صحيحٌ مِن حديثِ مالكٍ عن العلاءِ، أخرجه مسلمٌ عن إسحاقَ
⦗ص: 45⦘ بنِ موسى، عن معنٍ، عن مالكٍ.
--------------------------------------------
৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আশ-শাফেঈ: তিনি বলেন, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন আল-হাসান এবং ইসমাঈল, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ, মালিক থেকে, তিনি আল-আলা বিন আব্দুর রহমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক, হে মুমিন সম্প্রদায়ের আবাসস্থল। আর আমরাও আল্লাহর ইচ্ছায় তোমাদের সাথে মিলিত হব। আমি আকাঙ্ক্ষা করি যে যদি আমি আমার ভাইদের দেখতে পেতাম!» তাঁরা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমরা কি আপনার ভাই নই? তিনি বললেন: «বরং তোমরা হলে আমার সঙ্গী (সাহাবী), আর আমার ভাই তারা যারা এখনও আসেনি। আর আমি হাউজের নিকট তোমাদের অগ্রগামী থাকব (অভ্যর্থনার জন্য)» তাঁরা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আপনার উম্মতের মধ্য হতে যারা আপনার পরে আসবে তাদের আপনি কীভাবে চিনবেন? তিনি বললেন: «বলো তো, [যদি] (১) কোনো ব্যক্তির কপালে ও পায়ে শুভ্রতাযুক্ত কিছু ঘোড়া থাকে যা একদল কুচকুচে কালো ঘোড়ার মধ্যে মিশে আছে, তবে কি সে তার ঘোড়াগুলোকে চিনতে পারবে না?» তাঁরা বললেন: অবশ্যই, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই তারা কিয়ামতের দিন ওযুর প্রভাবে উজ্জ্বল কপাল ও হাত-পা নিয়ে উপস্থিত হবে। আর আমি হাউজের নিকট তোমাদের অগ্রগামী থাকব। সাবধান! কিছু লোককে আমার হাউজ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হবে যেমনিভাবে পথভ্রষ্ট উটকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়।» এটি আল-আলা সূত্রে মালিক বর্ণিত একটি সহীহ হাদীস। ইমাম মুসলিম এটি ইসহাক
⦗পৃষ্ঠা: ৪৫⦘ বিন মুসা থেকে, তিনি মা'ন থেকে, তিনি মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: ٤٥)
4 - حدثنا محمدُ بنُ عبدِاللهِ: حدثنا إسماعيلُ بنُ إسحاقَ: حدثنا عبدُاللهِ بنُ مسلمةَ، عن مالكٍ، عن العلاءِ بنِ عبدِالرحمنِ، عن أبيهِ وأبي عبدِاللهِ إسحاقَ، أنَّهما أَخبراهُ أنَّهما سمِعا أبا هريرةَ يقولُ: قالَ رسولُ الله صلى الله عليه وسلم: «إذا ثوبَ أحدكم /بالصلاةِ فلا تأتُوها وأنتُم تَسعَونَ وأتوها وعليكُم السكينةُ، فما أدركتُم فصلُّوا، وما فاتَكم فأَتِمُّوا، وإنَّ أحدَكم في الصلاةِ (1) ما كانَ يعمَدُ إلى الصلاةِ». هذا حديثٌ محفوظٌ مِن حديثِ مالكٍ، وهو إسنادٌ كلُّهم ثقاتٌ.
--------------------------------------------
৪ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট ইসমাইল ইবনে ইসহাক বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে মাসলামাহ বর্ণনা করেছেন, মালিক থেকে, তিনি আলা ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা এবং আবু আবদুল্লাহ ইসহাক থেকে বর্ণনা করেন যে, তাঁরা উভয়ে তাঁকে অবহিত করেছেন যে তাঁরা আবু হুরায়রাকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যখন তোমাদের কারো জন্য সালাতের ইকামত প্রদান করা হয়, তখন তোমরা দৌড়ে সালাতে আসবে না, বরং ধীরস্থিরতার সাথে আসবে। অতঃপর সালাতের যতটুকু অংশ তোমরা পাবে তা আদায় করবে, আর যা তোমাদের থেকে ছুটে যাবে তা পূর্ণ করবে। কেননা তোমাদের কেউ যতক্ষণ সালাতের সংকল্প করে সালাতের দিকে অগ্রসর হয়, ততক্ষণ সে সালাতেই থাকে (১)।’ এটি মালিকের বর্ণিত হাদিসসমূহের অন্তর্ভুক্ত একটি সংরক্ষিত হাদিস এবং এর সনদের সকল বর্ণনাকারীই নির্ভরযোগ্য।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: ٤٥)
5 - حدثنا محمدُ بنُ عبدِاللهِ الشافعيُّ: حدَّثني صالحُ بنُ عمرانَ: حدثنا سعيدٌ الزَّنْبَري: حدثنا مالكٌ، عن العلاءِ بنِ عبدِالرحمنِ، عن أبيه، عن أبي هريرةَ، أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قالَ: «أُقاتلُ الناسَ حتى يَقولوا: لا إلهَ إلا اللهُ، فإذا قالُوها عَصَموا منِّي دماءَهم وأموالَهم إلا بحقِّها وحسابُهم على اللهِ عز وجل». هذا حديثٌ محفوظٌ مِن حديثِ مالكٍ، عن العلاءِ بنِ عبدِالرحمنِ.
৫ - মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আশ-শাফিয়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: সালিহ ইবনে ইমরান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন: সাঈদ আয-যানবারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আলা ইবনে আব্দুর রহমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «আমি মানুষের সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যাব যতক্ষণ না তারা বলে: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই। অতঃপর যখন তারা তা বলবে, তখন তারা আমার থেকে তাদের রক্ত ও সম্পদ নিরাপদ করে নিল, তবে তার হকের কারণ ব্যতীত; আর তাদের হিসাব মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর নিকট।’ এটি আল-আলা ইবনে আব্দুর রহমানের সূত্রে ইমাম মালিকের বর্ণিত একটি সংরক্ষিত (মাহফুজ) হাদীস।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: ٤٥)
6 - أخبرنا عليُّ بنُ الحسنِ بنِ عليِّ بنِ عمرانَ بنِ الحجاجِ بنِ كيسانَ قراءةً عليه: حدثنا أحمدُ بنُ عبدِالرحمنِ بنِ سراجٍ: حدثنا عبادُ بنُ ثابتٍ: حدثنا أبومريمَ عبدُ الغفارِ بنُ القاسمِ، عن عطيةَ، عن أبي سعيدٍ الخدريِّ قالَ: ⦗ص: 46⦘ قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «يقولُ اللهُ عز وجل: عَبدي تركَ شهوتَهُ مِن الطعامِ مِن أَجْلي، والصومُ لي وأَنا أجزي بِهِ»، ثم قالَ: «والذي نَفسي بيدِهِ لَلْخلوفُ مِن فمِ الصائمِ أطيبُ عندَ اللهِ مِن ريحِ المسكِ». هذا حديثٌ غريبٌ مِن حديثِ أبي مريمَ عبدِالغفارِ، وقعَ إلينا عالياً.
৬ - আলী ইবনুল হাসান ইবনে আলী ইবনে ইমরান ইবনুল হাজ্জাজ ইবনে কায়সান আমাদের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন: আহমাদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে সিরাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আব্বাদ ইবনে সাবিত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু মারইয়াম আব্দুল গাফফার ইবনুল কাসিম আতিয়্যাহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৪৬⦘ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «মহামহিম আল্লাহ বলেন: আমার বান্দা কেবল আমারই জন্য তার খাবারের প্রবৃত্তি বর্জন করেছে; রোজা আমারই জন্য এবং আমিই এর প্রতিদান দেব», অতঃপর তিনি বললেন: «সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, নিশ্চয়ই রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর নিকট কস্তুরীর সুঘ্রাণের চেয়েও অধিক সুগন্ধময়।» এটি আবু মারইয়াম আব্দুল গাফফারের বর্ণিত একটি গারীব হাদিস, যা আমাদের নিকট উচ্চ সনদে পৌঁছেছে।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: ٤٦)
7 - أخبرنا عليُّ بنُ الحسنِ: حدثنا أحمدُ بنُ عبدِالرحمنِ: حدثنا عبادٌ: حدثنا أبومريمَ، عن عطيةَ، عن أبي سعيدٍ قالَ: قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «لا تَبايعوا دينار بدينارينِ، ولا درهم بدرهمينِ، فإنِّي أخافُ عليكُم الرِّما». محفوظٌ مِن حديثِ عطيةَ، وهو غريبٌ مِن حديثِ أبي مريمَ.
৭ - আলী বিন আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আহমাদ বিন আব্দুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আব্বাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু মারইয়াম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আতিয়্যাহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা এক দিনারের বিনিময়ে দুই দিনার এবং এক দিরহামের বিনিময়ে দুই দিরহাম কেনাবেচা করো না, কেননা আমি তোমাদের ব্যাপারে রিমার (সুদ) আশঙ্কা করছি।’ এটি আতিয়্যাহর হাদীস হিসেবে সংরক্ষিত (মাহফুজ), এবং আবু মারইয়ামের বর্ণনা হিসেবে এটি গারিব।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: ٤٦)
8 - أخبرنا عليُّ بنُ الحسنِ: حدثنا أحمدُ: حدثنا عبادٌ: حدثنا أبومريمَ، عن عطيةَ، عن أبي سعيدٍ قالَ: قالَ رسولُ اللهِ: «يومانِ مِن الدهرِ لا تَصومُوهما، وساعتانِ مِن النهارِ لا تُصلُّوا فيهما، فإنَّ اليهودَ والنَّصارى يَتَحرونَهما، لا صلاةَ بعدَ الفجرِ حتى تطلعَ الشمسُ ولا ⦗ص: 47⦘ صلاةَ بعدَ العصرِ حتى تغربَ الشمسُ، ولا تصومُوا يومَ الفطرِ ولا يومَ الأَضحى، وأَبْرِدوا بالظهرِ فإنَّ شدَّةَ الحرِّ مِن فَيحِ جهنَّمَ». هذا حديثٌ محفوظٌ مِن حديثِ عطيةَ، وهو غريبٌ مِن حديثِ أبي مريمَ عنه.
৮ - আলী ইবনে আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আব্বাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু মারইয়াম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আতিয়্যাহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল বলেছেন: «কালের মধ্যে এমন দুটি দিন রয়েছে যাতে তোমরা রোজা রাখবে না এবং দিনের মধ্যে এমন দুটি সময় রয়েছে যাতে তোমরা নামাজ পড়বে না; কেননা ইহুদি ও খ্রিস্টানরা সেই সময়গুলো অন্বেষণ করে। ফজরের পর সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত কোনো নামাজ নেই এবং ⦗পৃষ্ঠা: ৪৭⦘ আসরের পর সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত কোনো নামাজ নেই। আর তোমরা ঈদুল ফিতরের দিন এবং ঈদুল আযহার দিন রোজা রাখবে না। আর তোমরা জোহরের নামাজ শীতল করে (দেরি করে) আদায় করো, কেননা উত্তাপের তীব্রতা জাহান্নামের নিশ্বাসের অংশ থেকে আসে।» এটি আতিয়্যাহর বর্ণনা থেকে একটি সংরক্ষিত (মাহফুজ) হাদিস, তবে তার সূত্রে আবু মারইয়ামের বর্ণনা হিসেবে এটি গারিব (একক)।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: ٤٧)
9 - حدثنا أبوالحسينِ زيدُ بنُ عليِّ بنِ يونسَ القصارُ /بالكوفةَ: حدثنا أبوبكرٍ أحمدُ بنُ محمدِ بنِ مقاتلٍ الرازيُّ: حدثنا أَبي: حدثنا حمادُ بنُ قيراطٍ، عن خارجةَ، عن ابنِ جُريجٍ، عن مجاهدٍ، عن ابنِ عمرَ قالَ: قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إنَّ اللهَ عز وجل زادَكم صلاةً وهي الوترُ». غريبٌ مِن حديثِ حمادِ بنِ قيراطٍ، لا أعلمُ حدَّثَ بِه إلا محمدُ بنُ مقاتلٍ.
৯ - আবুল হুসাইন যাইদ বিন আলী বিন ইউনুস আল-কাসসার কূফায় আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু বকর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন মুকাতিল আর-রাজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: হাম্মাদ বিন কিরাত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খারিজাহ থেকে, তিনি ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক) বলেছেন: «নিশ্চয়ই মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ তোমাদের জন্য একটি সালাত বৃদ্ধি করেছেন, আর তা হলো বিতর সালাত।’» এটি হাম্মাদ বিন কিরাতের বর্ণনা হিসেবে গরীব (অপ্রসিদ্ধ); মুহাম্মদ বিন মুকাতিল ছাড়া আর কেউ এটি বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: ٤٧)
10 - حدثنا زيدُ بنُ عليِّ بنِ يونسَ: حدثنا أبومحمدٍ عبدُاللهِ بنُ غنامِ بنِ عمرَ بنِ حفصِ بنِ غياثٍ: حدثنا أبوبكرِ بنُ أبي شيبةَ: حدثنا سفيانُ بنُ عُيينةَ، عن عمرو بنِ دينارٍ، عن جابرٍ قالَ: أَطعَمَنَا رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم لحومَ الخيلِ، ونَهانا عن لحومِ الحُمُرِ.
⦗ص: 48⦘هذا حديثُ محفوظٌ مِن حديثِ عمرو بنِ دينارٍ.
১০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যায়েদ বিন আলী বিন ইউনুস: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন গান্নাম বিন উমর বিন হাফস বিন গিয়াস: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবি শায়বাহ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ, তিনি আমর বিন দিনার থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের ঘোড়ার গোশত খাইয়েছেন এবং আমাদের গাধার গোশত থেকে নিষেধ করেছেন।
⦗পৃষ্ঠা: ৪৮⦘এটি আমর বিন দিনারের বর্ণিত হাদিসসমূহের মধ্যে একটি সংরক্ষিত (মাহফুজ) হাদিস।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: ٤٨)
11 - حدثنا زيدُ بنُ عليٍّ: حدثنا أبوالقاسمِ المنذرُ بنُ محمدِ بنِ المنذرِ بنِ سعيدِ بنِ أبي الجهمِ: حدثنا أَبي محمدُ بنُ المنذرِ: حدَّثني عمِّي الحسينُ بنُ سعيدِ بنِ أبي الجهمِ، عن أبيه، عن أبانَ بنِ تغلبَ، عن جُميعِ بنِ عُميرٍ قالَ: دخلتُ مَع عمَّتي على عائشةَ رضي الله عنها فسألتُها: مَن كانَ أحبَّ الناسِ إلى رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم؟ فقالتْ: فاطمةُ، قلتُ: ومِن الرجالِ؟ قالتْ (1): زوجُها، رضي الله عنهما. غريبٌ مِن حديثِ أبانَ بنِ تغلبَ، وهو غريبٌ مِن حديثِ سعيدِ بنِ أبي الجهمِ.
--------------------------------------------
১১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যাইদ ইবনে আলী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম আল-মুনজির ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল-মুনজির ইবনে সাঈদ ইবনে আবিল জাহম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা মুহাম্মাদ ইবনুল মুনজির, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার চাচা আল-হুসাইন ইবনে সাঈদ ইবনে আবিল জাহম, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবান ইবনে তাগলিব থেকে, তিনি জুমাই ইবনে উমাইর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আমার ফুফুর সাথে আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর নিকট প্রবেশ করলাম এবং তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম: মানুষের মধ্যে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট সবচাইতে প্রিয় কে ছিলেন? তিনি বললেন: ফাতিমা। আমি বললাম: আর পুরুষদের মধ্যে? তিনি বললেন (১): তাঁর স্বামী, আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন। হাদীসটি আবান ইবনে তাগলিবের বর্ণনা হিসেবে গারীব (সূত্রগতভাবে একক), এবং এটি সাঈদ ইবনে আবিল জাহমের বর্ণনা হিসেবেও গারীব।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: ٤٨)
12 - حدثنا زيدُ بنُ عليٍّ: حدثنا محمدُ بنُ موسى بنِ إبراهيمَ الفارسيُّ مِن حفظِهِ: حدثنا بشرُ بنُ عليٍّ الكِرْماني: حدثنا حسانُ بنُ إبراهيمَ: حدثنا أبانُ بنُ تغلبَ، عن الأعمشِ، عن أبي رَزينٍ وأبي صالحٍ، عن أبي هريرةَ قالَ: قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إذا وَلَغَ الكلبُ في إناءِ أحدِكم فليغسل ثلاثَ مراتٍ (1)». هذا حديثٌ غريبٌ مِن حديثِ أبانَ بنِ تغلبَ، تفرَّدَ بِه حسانُ بنُ إبراهيمَ.
--------------------------------------------
১২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যায়িদ বিন আলী: আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বিন মূসা বিন ইবরাহীম আল-ফারিসী তাঁর মুখস্থ স্মৃতি থেকে বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর বিন আলী আল-কিরমানী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসসান বিন ইবরাহীম: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবান বিন তাগলিব, তিনি আল-আ’মাশ থেকে, তিনি আবু রাযীন ও আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যখন তোমাদের কারো পাত্রে কুকুর মুখ দেয়, তখন সে যেন তা তিনবার ধৌত করে (১)»। এটি আবান বিন তাগলিবের বর্ণিত হাদীস হিসেবে একটি ‘গরীব’ হাদীস, হাসসান বিন ইবরাহীম এটি বর্ণনায় একক হয়ে গেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: ٤٩)
13 - حدثنا زيدُ بنُ عليٍّ: حدثنا أبوذرٍّ محمدُ بنُ محمدِ بنِ يوسفَ بنِ الحكمِ البخاريُّ القاضي: حدثنا أبوزكريا يحيى بنُ سهيلٍ السلمي البخاريُّ وسألَ عنه نصر بن أحمد الكندي البغدادي: حدثنا أبوعاصمٍ الضحاكُ بنُ مخلدٍ، عن ابنِ جُريجٍ وسفيانَ، عن الشَّيباني، عن الشَّعبيِّ، عن ابنِ عباسٍ، أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم صلَّى على قبر. هذا حديثٌ غريبٌ مِن حديثِ ابنِ جُريجٍ، تفرَّدَ بِه هذا الشيخُ يحيى بنُ سُهيل.
১৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যাইদ ইবনে আলী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যর মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ ইবনুল হাকাম আল-বুখারি আল-কাদি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবনে সুহাইল আস-সুলামি আল-বুখারি—আর তাঁর সম্পর্কে নসর ইবনে আহমাদ আল-কিন্দি আল-বাগদাদি জিজ্ঞাসা করেছিলেন—: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আসিম আদ-দাহহাক ইবনে মাখলাদ, ইবনে জুরাইজ ও সুফিয়ান থেকে, তাঁরা আশ-শাইবানি থেকে, তিনি আশ-শা’বি থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি কবরের ওপর জানাজার সালাত আদায় করেছেন। ইবনে জুরাইজের বর্ণিত হাদিসের মধ্যে এটি একটি ‘গারিব’ (বিরল) হাদিস; এই শায়খ ইয়াহইয়া ইবনে সুহাইল এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: ٤٩)
14 - حدثنا زيدُ بنُ عليٍّ: حدثنا أبوسعيدٍ محمدُ بنُ يحيى بنُ محمدٍ الرهاوي: حدثنا عبدُاللهِ بنُ يحيى - يعني عمَّ أَبيه -، عن عثمانَ بنِ عبدِالرحمنِ، عن المسيبِ بنِ شريكٍ /وسابقٍ البربريِّ، عن إسماعيلَ بنِ أبي خالدٍ، عن قيسِ بنِ أبي حازمٍ، عن عبدِاللهِ بنِ مسعودٍ رضي الله عنه قالَ: قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «لا حسدَ إلا في اثنتين: رجلٌ آتاهُ اللهُ عز وجل مالاً فسلَّطَهُ على هَلَكتِهِ في الحقِّ، وآخرُ آتاهُ اللهُ عز وجل حكمةً فهو يَقضي بِها ويُعلِّمُها». صحيحٌ مِن حديثِ إسماعيلَ بنِ أبي خالدٍ، غريبٌ مِن حديثِ سابقٍ البربريِّ.
১৪ - জায়েদ ইবন আলী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: আবু সাঈদ মুহাম্মদ ইবন ইয়াহইয়া ইবন মুহাম্মদ আর-রুহাবি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: আবদুল্লাহ ইবন ইয়াহইয়া—অর্থাৎ তাঁর পিতার চাচা—আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, উসমান ইবন আবদুর রহমান থেকে, তিনি মুসাইয়্যাব ইবন শারিক ও সাবিক আল-বারবারী থেকে, তিনি ইসমাইল ইবন আবি খালিদ থেকে, তিনি কাইস ইবন আবি হাযিম থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «কেবল দুই ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কারও প্রতি ঈর্ষা করা যায় না: এক ব্যক্তি যাকে আল্লাহ মহান ও পরাক্রমশালী সম্পদ দান করেছেন, অতঃপর তাকে তা সত্যের পথে ব্যয় করার সামর্থ্য দিয়েছেন; আর অন্য এক ব্যক্তি যাকে আল্লাহ মহান ও পরাক্রমশালী হিকমত বা প্রজ্ঞা দান করেছেন, অতঃপর সে তা অনুযায়ী বিচার-ফয়সালা করে এবং তা শিক্ষা দেয়।» ইসমাইল ইবন আবি খালিদের বর্ণনা হিসেবে এটি সহীহ, সাবিক আল-বারবারীর বর্ণনা হিসেবে এটি গরীব।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: ٤٩)
15 - حدثنا زيدُ بنُ عليٍّ: حدثنا أبوعبدِاللهِ محمدُ بنُ موسى بنِ عمرانَ بنِ حيانَ البصري المعروفُ بجامعِ التفسيرِ حافظ: حدثنا أبوموسى محمدُ بنُ المُثنى: حدثنا محمدُ بنُ خالدِ بنِ عَثمةَ: حدثنا رقبةُ بنُ مَصقلةَ، عن شمرِ بنِ عطيةَ، عن شهرٍ، عن أبي أُمامةَ، عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «مَن توضَّأَ فأسبَغَ الوضوءَ خرجتْ خَطاياهُ مِن جسدِهِ حتى ⦗ص: 50⦘ مِن أشفارِ عَينيهِ». غريبٌ مِن حديثِ رقبةَ بنِ مَصقلةَ، تفرَّدَ بهِ محمدُ بنُ خالدِ بنِ عَثمةَ.
১৫ - আমাদের নিকট যায়িদ ইবনে আলী বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে মুসা ইবনে ইমরান ইবনে হাইয়ান আল-বাসরি বর্ণনা করেছেন, যিনি ‘জামেউত তাফসীর’ হিসেবে পরিচিত এবং একজন হাফিজ: আমাদের নিকট আবু মুসা মুহাম্মদ ইবনে আল-মুসান্না বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে খালিদ ইবনে আসমাহ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট রাকাবাহ ইবনে মাসকালাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি শাম্মার ইবনে আতিয়্যাহ থেকে, তিনি শাহর থেকে, তিনি আবু উমামাহ থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি অজু করল এবং পরিপূর্ণভাবে অজু সম্পন্ন করল, তার শরীর থেকে তার গুনাহসমূহ বের হয়ে যায়, এমনকি ⦗পৃষ্ঠা: ৫০⦘ তার চোখের পাপড়ি থেকেও।» এটি রাকাবাহ ইবনে মাসকালাহর বর্ণনা হিসেবে গরিব, মুহাম্মদ ইবনে খালিদ ইবনে আসমাহ এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: ٥٠)
16 - حدثنا زيدُ بنُ عليٍّ: حدثنا الحَضرميُّ: حدثنا جُمهورٌ - يَعني ابنَ منصورٍ -: حدثنا مروانُ، عن يزيدَ اليَشكريِّ، عن أبي حازمٍ، عن أبي هريرةَ، قالَ: قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «استأذنْتُ ربِّي عز وجل أنْ أَستغفِرَ لأُمي فلم يأذَنْ، فاستأذنتُهُ أنْ أَزورَ قبرَهَا فأَذنَ لي». غريبٌ مِن حديثِ يزيدَ بنِ كَيسانَ، لا أعلمُ حدَّثَ بِه إلا مروانُ الفَزَاريُّ.
১৬ - জাইদ ইবনে আলী আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন: হাদরামি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন: জুমহুর—অর্থাৎ ইবনে মানসুর—আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন: মারওয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ আল-ইয়াশকুরীর সূত্রে, তিনি আবু হাজিম থেকে, তিনি আবু হুরাইরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «আমি আমার মহান ও পরাক্রমশালী রবের নিকট আমার মায়ের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করার অনুমতি চেয়েছিলাম, কিন্তু তিনি আমাকে অনুমতি দেননি। অতঃপর আমি তাঁর নিকট তাঁর কবর জিয়ারত করার অনুমতি চাইলাম এবং তিনি আমাকে অনুমতি দিলেন।» এটি ইয়াজিদ ইবনে কায়সানের হাদিস হিসেবে গারিব, মারওয়ান আল-ফাজারি ছাড়া অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: ٥٠)
17 - حدثنا زيدُ بنُ عليٍّ: حدثنا أبوبكرٍ أحمدُ بنُ محمدِ بنِ مقاتلِ بنِ سليمانَ بنِ دينارٍ الرازيُّ: حدثنا أَبي: حدثنا سلمةُ بنُ الفضلِ، عن الحجاجِ بنِ أَرطاةَ، عن قتادةَ، عن زرارةَ بنِ أَوفى، عن عمرانَ بنِ حُصينٍ، أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم نَهى عن القراءةِ خلفَ الإمامِ.
⦗ص: 51⦘ غريبٌ مِن حديثِ قتادةَ، وهو غريبٌ عن (1) الحجاجِ بنِ أرطاةَ.
--------------------------------------------
১৭ - আমাদের নিকট যায়িদ ইবনে আলী বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবু বকর আহমদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মুকাতিল ইবনে সুলাইমান ইবনে দিনার আল-রাযী বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আমার পিতা বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট সালামাহ ইবনে আল-ফাদল বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ ইবনে আরতাত থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি যুরারাহ ইবনে আওফা থেকে, তিনি ইমরান ইবনে হুসাইন থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইমামের পেছনে কিরাত পাঠ করতে নিষেধ করেছেন।
⦗পৃষ্ঠা: ৫১⦘ কাতাদাহর বর্ণনা হিসেবে এটি 'গরীব' (বিরল), এবং এটি হাজ্জাজ ইবনে আরতাত থেকেও 'গরীব'।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: ٥١)
18 - حدثنا زيدُ بنُ عليٍّ: حدثنا عبدُاللهِ بنُ غنامٍ: حدثنا أبوبكرِ بنُ أبي شَيبةَ العَبسيُّ: حدثنا عبدُالرحمنِ بنُ مَهديٍّ، عن سفيانَ، عن زُبيدٍ، عن سعدِ بنِ عُبيدةَ، عن أبي عبدِالرحمنِ السُّلَميِّ، عن عليٍّ رضي الله عنه، عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «لا طاعةَ لبشرٍ في معصيةِ اللهِ عز وجل». محفوظٌ مِن حديثِ الثوريِّ.
১৮ - যাইদ ইবনে আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবদুল্লাহ ইবনে গান্নাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু বকর ইবনে আবি শায়বাহ আল-আবসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবদুর রহমান ইবনে মাহদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি জুবাইদ থেকে, তিনি সা'দ ইবনে উবাইদাহ থেকে, তিনি আবু আবদুর রহমান আস-সুলামী থেকে, তিনি আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা-র অবাধ্যতায় কোনো মানুষের আনুগত্য নেই»। এটি আস-সাওরীর হাদিস থেকে সংরক্ষিত।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: ٥١)
19 - حدثنا أبوالقاسمِ الحسنُ بنُ محمدِ بنِ الحسينِ السَّكونيُّ: حدثنا عبدُاللهِ بنُ غنامٍ: حدثنا أبوكريبٍ، عن عبدِالرحمنِ بنِ شريكٍ، /عن أبيه، عن جابرٍ، عن عكرمةَ، عن ابنِ عباسٍ، أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم كانَ يأمُرُ بصومِ يومِ (1) عاشوراءَ. غريبٌ مِن حديثِ شريكٍ، وهو غريبٌ مِن حديثِ عبدِالرحمنِ بنِ شريكٍ.
--------------------------------------------
১৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসেম আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আস-সাকুনি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে গান্নাম: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু কুরাইব, আব্দুর রহমান ইবনে শারিক থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি জাবির থেকে, তিনি ইকরামা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশুরার দিনে (১) রোজা রাখার নির্দেশ দিতেন। এটি শারিকের বর্ণনা থেকে গারিব এবং এটি আব্দুর রহমান ইবনে শারিকের বর্ণনা থেকেও গারিব।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: ٥١)
20 - حدثنا الحسنُ بنُ محمدٍ: حدَّثني أحمدُ بنُ الحسنِ بنِ إسماعيلَ بنِ صَبيحٍ اليَشكريُّ قالَ: وَجدتُ في كتابِ جدِّي إسماعيلَ بنِ صَبيحٍ: حدثنا محمدُ بنُ صَبيحٍ السماكُ، عن الحسنِ بنِ دينارٍ، عن الخَصيبِ بنِ جحدرٍ، عن النعمانِ بنِ نعيمٍ، عن عبدِالرحمنِ بنِ غنمٍ، عن معاذِ بنِ جبلٍ قالَ: ⦗ص: 52⦘ قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «ليسَ الحسدُ والمَلَقُ مِن خُلقِ المؤمنِ إلا في طلبِ العلمِ». غريبٌ مِن حديثِ محمدِ بنِ صَبيحِ بنِ السماكِ الزاهدِ، وقعَ إلينا عالياً.
২০ - আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আহমাদ ইবনে আল-হাসান ইবনে ইসমাইল ইবনে সবিহ আল-ইয়াশকারি আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার দাদা ইসমাইল ইবনে সবিহ-এর কিতাবে পেয়েছি: মুহাম্মদ ইবনে সবিহ আস-সাম্মাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান ইবনে দিনার থেকে, আল-খাসিব ইবনে জাহদার থেকে, আন-নুমান ইবনে নুআইম থেকে, আবদুর রহমান ইবনে গানম থেকে, মুয়াজ ইবনে জাবাল (রাযি.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৫২⦘ আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «ঈর্ষা এবং চাটুকারিতা মুমিনের চরিত্র নয়, তবে জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে ভিন্ন।» এটি যাহেদ মুহাম্মদ ইবনে সবিহ ইবনে আস-সাম্মাকের বর্ণিত হাদিস হিসেবে গারিব (সূত্র পরম্পরায় একক), এটি আমাদের নিকট উচ্চ সনদে পৌঁছেছে।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: ٥٢)
21 - حدثنا الحسنُ بنُ محمدٍ: حدثنا أحمدُ بنُ الحسنِ قالَ: وَجدتُ في كتابِ جدِّي: حدثنا عليُّ بنُ محمدِ بنِ زرارةَ، عن إدريسَ الأَوديِّ، عن عاصمِ بنِ أبي النَّجودِ، عن أبي وائلٍ، عن أبي موسى الأشعريِّ قالَ: كُنَّا عندَ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فذكَرْنا القتلَ: فينا الرجلُ يقاتلُ شجاعةً والرجلُ يقاتلُ على الشدة والرجلُ يقاتلُ رياءً، فقالَ: «مَن قاتَلَ لِتكونَ كلمةُ اللهِ عز وجل العُليا فهو شهيدٌ أو هو في الجنةِ». هذا حديثٌ غريبٌ مِن حديثِ إدريسَ الأَوديِّ، وهو غريبٌ مِن حديثِ عليِّ بنِ محمدٍ.
২১ - আল-হাসান ইবন মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আহমাদ ইবন আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি আমার দাদার কিতাবে পেয়েছি: আলী ইবন মুহাম্মাদ ইবন যুরারাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইদরীস আল-আওদী থেকে, তিনি আসিম ইবন আবিন নাজুদ থেকে, তিনি আবু ওয়াইল থেকে, তিনি আবু মুসা আল-আশআরি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট ছিলাম এবং আমরা লড়াই সম্পর্কে আলোচনা করছিলাম: আমাদের মধ্যে কোনো ব্যক্তি বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য লড়াই করে, কোনো ব্যক্তি সাহসিকতা প্রদর্শনের জন্য লড়াই করে, আবার কোনো ব্যক্তি লোক দেখানোর জন্য লড়াই করে। তখন তিনি বললেন: «যে ব্যক্তি মহামহিম আল্লাহর বাণীকে সমুন্নত করার উদ্দেশ্যে লড়াই করে, সে-ই শহীদ অথবা সে জান্নাতি হবে।» এই হাদীসটি ইদরীস আল-আওদীর বর্ণনা হিসেবে গরীব, এবং আলী ইবন মুহাম্মাদের বর্ণনা হিসেবেও এটি গরীব।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: ٥٢)
22 - حدثنا الحسنُ بنُ محمدٍ: حدثنا أبوالحسنِ عليُّ بنُ خالدِ بنِ بيانَ المطرزُ: حدثنا أبومعمرٍ صالحُ بنُ حربٍ: حدثنا إسماعيلُ بنُ يحيى التيميُّ: حدثنا مسعرُ بنُ كِدامٍ، عن عطاءِ بنِ أبي رباحٍ قالَ: قلتُ لابنِ عمرَ: أَشهدتَ بيعةَ الرضوانِ معَ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم؟ قالَ: نَعم، قلتُ: فما كانَ عليهِ؟ قالَ: قميصٌ مِن قطنٍ وجبةٌ مَحشوةٌ ورداءٌ، وسيفٌ، ورأيتُ النعمانَ بنَ ⦗ص: 53⦘ مُقرنٍ قائماً على رأسِهِ قد رفعَ أغصانَ الشجرةِ عن رأسِهِ والناسُ يُبايعونَهُ. غريبٌ مِن حديثِ مِسعرِ بنِ كِدامٍ، تفرَّدَ بهِ إسماعيلُ بنُ يحيى.
২২ - হাসান ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবুল হাসান আলী ইবনে খালিদ ইবনে বায়ান আল-মুতরিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু মা'মার সালিহ ইবনে হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইসমাঈল ইবনে ইয়াহইয়া আত-তাইমি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মিসআর ইবনে কিদাম আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে উমরকে বললাম, আপনি কি আল্লাহর রাসূল (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন)-এর সাথে বাইয়াতে রিদওয়ানে উপস্থিত ছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি বললাম, তখন তাঁর পরিধানে কী ছিল? তিনি বললেন, একটি সুতি কামিস, তুলা ভর্তি একটি জুব্বা, একটি চাদর এবং একটি তলোয়ার। আর আমি নুমান ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ৫৩⦘ মুকাররিনকে তাঁর মাথার পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছি, তিনি তাঁর মাথার ওপর থেকে গাছের ডালগুলো সরিয়ে ধরে রেখেছিলেন এবং মানুষ তাঁর নিকট বাইয়াত গ্রহণ করছিল। মিসআর ইবনে কিদামের বর্ণনা হিসেবে এটি গরীব (অল্প সংখ্যক সূত্রে বর্ণিত); ইসমাঈল ইবনে ইয়াহইয়া এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: ٥٣)
23 - حدثنا الحسنُ بنُ محمدٍ: حدثنا الحَضرميُّ: حدثنا هارونُ: حدثنا محمدُ بنُ عبدِالوهابِ، عن مسعرٍ، عن عطاءٍ، عن أبيهِ، عن عبدِاللهِ بنِ عمرو قالَ: أَتى النبيَّ صلى الله عليه وسلم رجلٌ يُبايعُهُ على الهجرةِ وقد كانَ أسلَمَ، فقالَ: تركتُ أَبويَّ يَبكيانِ، فقالَ: «فارجِعْ فَأَضحكْهما كما أَبْكيتَهما»، وأَبى أنْ يُبايعَهُ. محفوظٌ مِن حديثِ مسعرٍ، وهو حديثٌ غريبٌ مِن حديثِ محمدِ بنِ عبدِالوهابِ.
২৩ - হাসান ইবন মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আল-হাদরামি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মিস'আর থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবন আমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট হিজরতের বায়আত (আনুগত্যের শপথ) গ্রহণ করতে আসলেন, এমতাবস্থায় যে তিনি ইতিপূর্বেই ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। তিনি বললেন: আমি আমার পিতামাতাকে ক্রন্দনরত অবস্থায় রেখে এসেছি। তিনি বললেন: «ফিরে যাও এবং তাঁদেরকে হাসাও যেমনটি তুমি তাঁদেরকে কাঁদিয়েছ», আর তিনি তাঁর বায়আত গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালেন। এটি মিস'আরের হাদীস হতে সংরক্ষিত (মাহফূয), আর এটি মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাবের বর্ণনা হতে একটি গরীব (একক) হাদীস।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: ٥٣)
24 - /حدثنا الحسنُ بنُ محمدٍ: حدثنا الحَضرميُّ: حدثنا هارونُ: حدثنا محمدُ بنُ عبدِالوهابِ، عن مسعرٍ، عن عطاءٍ، عن أبيهِ، عن عبدِاللهِ بنِ عمرو قالَ: أَمَرني النبيُّ صلى الله عليه وسلم أنْ أَقرأَ القرآنَ في شهرٍ، فلم أزلْ أُناقِصُهُ حتى بلغتُ سبعاً أو خمساً. قالَ عطاءٌ، عن أبيهِ: اختَلفْنا، مِنَّا مَن قالَ سبعٌ، ومنَّا مَن قالَ خمسٌ. حديثٌ محفوظٌ مِن حديثِ مسعرٍ، وهو غريبٌ مِن حديثِ محمدِ بنِ عبدِالوهابِ.
২৪ - আল-হাসান ইবন মুহাম্মদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: আল-হাদরামি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: হারুন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মিসআর থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবন আমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে মাসে একবার কুরআন তিলাওয়াত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আমি ক্রমাগত সময় কমাতে থাকলাম, অবশেষে সাত বা পাঁচ দিনে পৌঁছালাম। আতা তাঁর পিতার সূত্রে বলেন: আমরা মতভেদ করলাম; আমাদের কেউ বললেন সাত, আবার কেউ বললেন পাঁচ। এটি মিসআরের বর্ণনা হিসেবে একটি সংরক্ষিত (মাহফুয) হাদীস, তবে মুহাম্মদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাবের বর্ণনা হিসেবে এটি বিরল (গারীব)।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: ٥٤)
25 - حدثنا الحسنُ بنُ محمدٍ: حدثنا الحَضرميُّ: حدَّثني جعفرُ بنُ حربٍ: حدثنا محمدُ بنُ سليمانَ بنِ بزيعٍ: حدثنا حسينٌ الأشقرُ، عن مسعرٍ، عن عبدِالملكِ بنِ عُميرٍ القبطيِّ، أنَّ عليًّا عليه السلام كانَ يقولُ: إنَّ مَن كانَ (1) قبلَكم كانوا يَبْعَرونَ بعراً، وأنتُم تَثْلِطونَ ثَلْطاً، فأَتبعوا الحجارةَ الماءَ. غريبٌ مِن حديثِ مسعرٍ، وهو غريبٌ مِن حديثِ حسينٍ الأشقرِ.
--------------------------------------------
২৫ - আল-হাসান ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আল-হাদরামি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: জাফর ইবনে হারব আমাকে বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান ইবনে বাযি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: হুসাইন আল-আশকার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি মিসআর থেকে, তিনি আবদুল মালিক ইবনে উমাইর আল-কিবতি থেকে বর্ণনা করেন যে, আলী (আলাইহিস সালাম) বলতেন: "তোমাদের পূর্ববর্তীরা শক্ত শুষ্ক মল ত্যাগ করত, আর তোমরা পাতলা মল ত্যাগ করো; অতএব তোমরা পাথরের ব্যবহারের পর পানি ব্যবহার করো।" মিসআরের বর্ণনা হিসেবে এটি গারিব (একক), এবং হুসাইন আল-আশকারের বর্ণনা হিসেবেও এটি গারিব।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাজমুউন ফিহি মুসান্নাফাতু আবিল হাসান ইবনুল হাম্মামি ওয়া আজজাউ হাদিসিয়াহ উখরা
(পৃষ্ঠা: ٥٤)
26 - حدثنا الحسنُ بنُ محمدٍ: حدثنا محمدُ بنُ عبدِاللهِ الحضرميُّ: حدثنا أبوكريبٍ: حدثنا وكيعٌ، عن مسعرٍ، عن أبي عاصمٍ، عن يسارِ بنِ نميرٍ، عن عمرَ رضي الله عنه أنَّه قالَ: ابدؤُوا بالطعامِ إذا حضرَ العَشاءُ والصلاةُ. هذا حديثٌ غريبٌ مِن حديثِ مسعرٍ، عن أبي عاصمٍ.
২৬ - হাসান ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাদরামি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু কুরাইব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ওয়াকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মিসআর থেকে, তিনি আবু আসিম থেকে, তিনি ইয়াসার ইবনে নুমাইর থেকে, তিনি উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: যখন রাতের খাবার এবং সালাত উভয়ই উপস্থিত হয়, তখন তোমরা খাবার দিয়ে শুরু করো। আবু আসিম থেকে মিসআরের বর্ণনা হিসেবে এই হাদিসটি ‘গরিব’।