(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: -)
مراصد المطالع في تناسب المقاطع والمطالع القسم: علوم القرآن وأصول التفسير
الكتاب: مراصد المطالع في تناسب المقاطع والمطالع - بحث في العلاقات بين مطالع سور القرآن وخواتيمها
المؤلف: عبد الرحمن بن أبي بكر، جلال الدين السيوطي (ت 911هـ)
قرأه وتممه: د. عبد المحسن بن عبد العزيز العسكر
الناشر: مكتبة دار المنهاج للنشر والتوزيع، الرياض - المملكة العربية السعودية
الطبعة: الأولى، 1426 هـ
عدد الصفحات: 85
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 صفر 1433
মারাসিদুল মাতালি ফি তানাসুবিল মাকাত্বি ওয়াল মাতালি বিভাগ: উলূমুল কুরআন ও উসূলে তাফসীর
বই: মারাসিদুল মাতালি ফি তানাসুবিল মাকাত্বি ওয়াল মাতালি - কুরআনের সূরাসমূহের প্রারম্ভ ও সমাপ্তির মধ্যকার সম্পর্কের ওপর একটি গবেষণা
লেখক: আবদুর রহমান বিন আবু বকর، জালালুদ্দীন আস-সুয়ূতী (মৃত্যু ৯১১ হিজরী)
পঠন ও পরিমার্জন: ড. আবদুল মুহসিন বিন আবদুল আযীয আল-আসকার
প্রকাশক: মাকতাবাতু দারিল মিনহাজ লিন-নাশর ওয়াত-তাওযী، রিয়াদ - সৌদি আরব সাম্রাজ্য
সংস্করণ: প্রথম، ১৪২৬ হিজরী
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮৫
[বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ সফর ১৪৩৩
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৪৫)
بسم الله الرحمن الرحيم
صلى الله على سيدنا محمد وآله وصحبه وسلم.
الحمد لله الذي أرشد قاصده إلى مقاصده، واطلعنا على مراكز كتابه ومراصده، والصلاة والسلام على سيدنا محمد وعلى آله وصحبه ومعاضده وبعد:
فإن من علوم القرآن العظيم مناسبة مطالع السور ومقاطعها كما أوضحته في الإتقان وكتاب أسرار التنزيل، وقد صرح بذلك المحققون: كصاحب
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
আমাদের নেতা মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবার ও সহচরদের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি তাঁর অন্বেষণকারীকে অভীষ্ট লক্ষ্যের দিকে পরিচালিত করেছেন এবং আমাদেরকে তাঁর কিতাবের কেন্দ্রবিন্দু ও পর্যবেক্ষণস্থলসমূহ সম্পর্কে অবহিত করেছেন। আর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নেতা মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবার, সহচর ও সাহায্যকারীদের ওপর। অতঃপর:
নিশ্চয়ই মহান কুরআনের জ্ঞানসমূহের অন্যতম একটি হলো সূরাসমূহের প্রারম্ভ ও সমাপ্তির মধ্যকার সামঞ্জস্যবিধান, যেমনটি আমি আল-ইতকান এবং আসরারুত তানজিল কিতাবে ব্যাখ্যা করেছি। আর গবেষকগণ এ বিষয়টি স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেছেন; যেমন জনৈক গ্রন্থকার:
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৪৬)
الكشاف وشيخه محمود بن حمزة الكرماني صاحب البرهان في متشابه القرآن، والغرائب والعجائب في
আল-কাশশাফ এবং তাঁর শাইখ মাহমুদ ইবনে হামজা আল-কিরমানি, যিনি ‘আল-বুরহান ফি মুতাশাবিহিল কুরআন’ এবং ‘আল-গরাইব ওয়াল আজাইব ফি’-এর রচয়িতা,
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৪৭)
التفسير، والإمام فخر الدين والأصبهاني وغيرهم.
وقد أردت بيان ذلك على ترتيب السور في هذه الكراسة مستخرجاً له بفكري، إما ما صرّحت بنقله عن غيري، وسمّيتها: مراصد المطالع في تناسب المقاطع والمطالع.
البقرة: قال الأصبهاني: وافق آخرها أولها من ذكر أوصاف
তাফসির (التفسير), ইমাম ফখরুদ্দীন, আল-আসবাহানি এবং অন্যান্যগণ।
আমি এই পুস্তিকায় সূরাসমূহের বিন্যাস অনুযায়ী তা বর্ণনা করতে চেয়েছি যা আমি আমার নিজস্ব চিন্তাপ্রসূত গবেষণার মাধ্যমে বের করেছি, তবে যা আমি অন্যের কাছ থেকে উদ্ধৃত করার বিষয়টি স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেছি; আর আমি এর নামকরণ করেছি: মরাসাদুল মাতালি' ফি তানাসুবিল মাক্বাত্বি' ওয়াল মাতালি'।
আল-বাক্বারাহ: আসবাহানি বলেছেন: গুণাবলি বর্ণনার ক্ষেত্রে এই সূরার শেষাংশ এর প্রথমাংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়েছে
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৪৮)
المؤمنين، ثم الإشارة إلى وصف الكافرين.
آل عمران: افتتحت بذكر إنزال القرآن والتوراة والإنجيل من قبل، وختمت بذلك في قوله {وَإِنَّ مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ لَمَن يُؤْمِنُ بِاللهِ وَمَا أُنزِلَ إِلَيْكُمْ وَمَا أُنزِلَ إِلَيْهِمْ}. وافتتحت بقوله: {إِنَّ اللهَ لَا يُخْلِفُ الْمِيعَادَ}. وختمت بقوله: {إِنَّكَ لَا تُخْلِفُ الْمِيعَادَ}.
النساء: افتتحت بذكر بدء الخلق والولادة، وختمت بأحكام الوفاة. وفتحت بآيات المواريث
মুমিনগণের বর্ণনা, অতঃপর কাফিরদের বৈশিষ্ট্যের প্রতি ইঙ্গিত।
আল ইমরান: এর সূচনা হয়েছে ইতিপূর্বে কুরআন, তাওরাত ও ইঞ্জিল অবতীর্ণ করার আলোচনার মাধ্যমে, এবং এর সমাপ্তি টানা হয়েছে মহান আল্লাহর এই বাণীতে: {আর নিশ্চয়ই আহলে কিতাবদের মধ্যে এমন লোক রয়েছে যারা আল্লাহর প্রতি এবং যা তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে ও যা তাদের প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে তাতে ঈমান আনে}। আর এর শুরু হয়েছে তাঁর এই বাণীর মাধ্যমে: {নিশ্চয়ই আল্লাহ প্রতিশ্রুতির খেলাফ করেন না}। আর সমাপ্তি হয়েছে তাঁর এই বাণীর মাধ্যমে: {নিশ্চয়ই আপনি প্রতিশ্রুতির খেলাফ করেন না}।
আন-নিসা: এর সূচনা হয়েছে সৃষ্টির প্রারম্ভ ও জন্মের আলোচনার মাধ্যমে এবং সমাপ্তি হয়েছে মৃত্যুর বিধানাবলির মাধ্যমে। আর এর প্রারম্ভ হয়েছে মিরাসের আয়াতসমূহের মাধ্যমে।
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৪৯)
والكلالة، وختمت بمثل ذلك.
المائدة: بدأت بتحريم الصيد [في الإحرام] والشهر الحرام والهدي والقلائد، وختمت بذلك. وفي أولها إحلال بهيمة
এবং কালালাহ (الكلالة), আর অনুরূপ বিষয়ের মাধ্যমেই এটি সমাপ্ত হয়েছে।
আল-মায়িদাহ: এটি শুরু হয়েছে [ইহরাম (الإحرام) অবস্থায়] শিকার, সম্মানিত মাস (الشهر الحرام), হাদঈ (الهدي) এবং গলায় চিহ্নযুক্ত কুরবানির পশু (القلائد) নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে, এবং অনুরূপ বিষয়ের মাধ্যমেই এটি সমাপ্ত হয়েছে। আর এর প্রারম্ভে চতুষ্পদ জন্তু হালাল করার বিষয়টি বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৫০)
الأنعام، وفي آخرها النعي على من حرّم منها ما لم يحرمه الله. وفي أولها {وَلَقَدْ أَخَذَ اللهُ مِيثَاقَ بَنِي إِسْرَائِيلَ}، وفي آخرها: {لَقَدْ أَخَذْنَا مِيثَاقَ بَنِي إِسْرَائِيلَ} وفي أولها: {لَّقَدْ كَفَرَ الَّذِينَ قَالُواْ إِنَّ اللهَ هُوَ الْمَسِيحُ ابْنُ مَرْيَمَ}، وفي آخرها مثل ذلك.
الأنعام: في أولها: {الَّذِينَ كَفَرُواْ بِرَبِّهِم يَعْدِلُونَ}، وفي آخرها: {وَهُم بِرَبِّهِمْ يَعْدِلُونَ}. وفي أولها: {أَلَمْ يَرَوْاْ
আল-আনআম; এবং এর শেষাংশে রয়েছে তাদের প্রতি তিরস্কার যারা এমন বিষয়কে হারাম করেছে যা আল্লাহ হারাম করেননি। এর প্রথমাংশে রয়েছে: {আর অবশ্যই আল্লাহ বনী ইসরাঈলের অঙ্গীকার গ্রহণ করেছিলেন}, এবং এর শেষাংশে রয়েছে: {অবশ্যই আমরা বনী ইসরাঈলের অঙ্গীকার গ্রহণ করেছি}। এর প্রথমাংশে রয়েছে: {নিশ্চয়ই তারা কুফরি করেছে যারা বলেছে যে, আল্লাহই হলেন মারয়াম-পুত্র মাসীহ}, এবং এর শেষাংশেও অনুরূপ বিষয় রয়েছে।
আল-আনআম: এর প্রথমাংশে রয়েছে: {যারা তাদের রবের সাথে কুফরি করেছে তারা (অন্যকে তাঁর) সমকক্ষ সাব্যস্ত করে}, এবং এর শেষাংশে রয়েছে: {এবং তারা তাদের রবের সাথে সমকক্ষ সাব্যস্ত করে}। এবং এর প্রথমাংশে রয়েছে: {তারা কি দেখেনি
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৫১)
كَمْ أَهْلَكْنَا مِن قَبْلِهِم مِّن قَرْنٍ} إلى قوله: {وَأَنْشَأْنَا مِن بَعْدِهِمْ قَرْناً آخَرِينَ}، وفي آخرها: {وَهُوَ الَّذِي جَعَلَكُمْ خَلَائِفَ الأَرْضِ}.
الأعراف: في أولها {وَذِكْرَى لِلْمُؤْمِنِينَ}. وفي آخرها: {تَذَكَّرُواْ فَإِذَا هُم مُّبْصِرُونَ}. وفي أولها: {اتَّبِعُواْ مَا أُنزِلَ إِلَيْكُم مِّن رَّبِّكُمْ}، وفي آخرها: {قُلْ إِنَّمَا أَتَّبِعُ مَا يِوحَى إِلَيَّ مِن رَّبِّي}.
وفي أولها: {وَلَا تَتَّبِعُواْ مِن دُونِهِ أَوْلِيَاء قَلِيلاً مَّا تَذَكَّرُونَ}، وفي آخرها: {وَإِخْوَانُهُمْ يَمُدُّونَهُمْ فِي الْغَيِّ ثُمَّ لَا يُقْصِرُونَ}. وفي أولها وصف إبليس بالاستكبار، وختمها بوصف الملائكة بأنهم لا يستكبرون. وفي أولها: {ادْعُواْ رَبَّكُمْ تَضَرُّعاً وَخُفْيَةً}، وفي آخرها: {وَاذْكُر رَّبَّكَ فِي نَفْسِكَ تَضَرُّعاً وَخِيفَةً}.
الأنفال: افتتحت بقوله: {أُوْلَئِكَ هُمُ الْمُؤْمِنُونَ حَقّاً لَّهُمْ دَرَجَاتٌ عِندَ
{তাদের পূর্বে আমি কত প্রজন্মকে ধ্বংস করেছি} হতে তাঁর বাণী: {এবং তাদের পরে আমি অন্য প্রজন্মকে সৃষ্টি করেছি} পর্যন্ত; এবং এর শেষাংশে রয়েছে: {আর তিনিই তোমাদেরকে যমীনে খলিফা (প্রতিনিধি) বানিয়েছেন}।
আল-আরাফ: এর প্রারম্ভে রয়েছে {এবং মুমিনদের জন্য উপদেশ}। আর এর শেষাংশে রয়েছে: {তারা উপদেশ গ্রহণ করে, ফলে তখনই তারা সচেতন হয়ে ওঠে}। এবং এর শুরুতে রয়েছে: {তোমাদের প্রতি তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে যা অবতীর্ণ করা হয়েছে তোমরা তার অনুসরণ করো}, আর এর শেষে রয়েছে: {বলুন, আমার প্রতি আমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে যা ওহী করা হয় আমি কেবল তারই অনুসরণ করি}।
এবং এর শুরুতে রয়েছে: {তাঁকে ব্যতীত অন্য কোনো অভিভাবকের অনুসরণ করো না, তোমরা খুব সামান্যই উপদেশ গ্রহণ করো}, আর এর শেষে রয়েছে: {আর তাদের ভ্রাতারা তাদেরকে বিভ্রান্তির দিকে টেনে নিয়ে যায়, অতঃপর তারা কোনো শিথিলতা করে না}। এর শুরুতে ইবলিসকে অহংকারের গুণে বর্ণনা করা হয়েছে, আর এর সমাপ্তি টানা হয়েছে ফেরেশতাদের এমন গুণ বর্ণনার মাধ্যমে যে, তারা অহংকার করে না। এর শুরুতে রয়েছে: {তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে বিনীতভাবে ও গোপনে ডাকো}, আর শেষে রয়েছে: {এবং তোমার প্রতিপালককে নিজের মনে বিনীতভাবে ও ভয়ভীতি সহকারে স্মরণ করো}।
আল-আনফাল: এটি শুরু হয়েছে তাঁর এই বাণীর মাধ্যমে: {তারাই হলো প্রকৃত মুমিন, তাদের জন্য রয়েছে উচ্চ মর্যাদা...}
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৫২)
رَبِّهِمْ وَمَغْفِرَةٌ وَرِزْقٌ كَرِيمٌ}، واختتمت بقوله: {أُولَئِكَ هُمُ الْمُؤْمِنُونَ حَقّاً لَّهُم مَّغْفِرَةٌ وَرِزْقٌ كَرِيمٌ}.
براءة: افتتحت بقوله: {وَإِن تَوَلَّيْتُمْ فَاعْلَمُواْ أَنَّكُمْ غَيْرُ مُعْجِزِي اللهِ}، وختمت بقوله: {فَإِن تَوَلَّوْاْ فَقُلْ حَسْبِيَ اللهُ}.
يونس: في أولها: {أَوْحَيْنَا إِلَى رَجُلٍ مِّنْهُمْ}، وفي آخرها: {وَاتَّبِعْ مَا يُوحَى إِلَيْكَ}.
هود.
و: يوسف.
و: الرعد.
و: إبراهيم.
والحجر كلها مفتتحة بذكر القرآن، ومختتمة به.
...তাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে এবং ক্ষমা ও সম্মানজনক জীবিকা}; আর এটি সমাপ্ত হয়েছে তাঁর এই বাণীর মাধ্যমে: {তারাই প্রকৃত মুমিন; তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও সম্মানজনক জীবিকা}।
বারাআত: এটি শুরু হয়েছে তাঁর এই বাণীর মাধ্যমে: {আর যদি তোমরা বিমুখ হও, তবে জেনে রাখো যে, তোমরা আল্লাহকে হীনবল করতে পারবে না}, এবং সমাপ্ত হয়েছে তাঁর এই বাণীর মাধ্যমে: {অতঃপর তারা যদি মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে বলো—আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট}।
ইউনুস: এর শুরুতে রয়েছে: {আমরা তাদের মধ্য থেকে একজনের প্রতি ওহি প্রেরণ করেছি}, এবং এর শেষে রয়েছে: {আর আপনার প্রতি যা ওহি নাজিল করা হয়, আপনি তারই অনুসরণ করুন}।
হুদ।
এবং: ইউসুফ।
এবং: আর-রাদ।
এবং: ইব্রাহিম।
এবং আল-হিজর—এই সবগুলোরই সূচনা হয়েছে কুরআনের আলোচনার মাধ্যমে এবং সমাপ্তিও হয়েছে এর মাধ্যমে।
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
النحل: افتتحت بالنّهي عن الاستعجال، وختمت بالأمر بالصبر.
আন-নাহল: এটি তাড়াহুড়ো করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা প্রদানের মাধ্যমে শুরু হয়েছে এবং ধৈর্য ধারণের নির্দেশের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
الإسراء: افتتحت بالتسبيح، وختمت بالتحميد.
الكهف.
و: مريم.
و: طه كلها مفتتحة بذكر القرآن والذكر، ومختتمة به.
আল-ইসরা: এটি তাসবিহ দ্বারা শুরু হয়েছে এবং তাহমিদ দ্বারা সমাপ্ত হয়েছে।
আল-কাহফ।
এবং: মারইয়াম।
এবং: ত্ব-হা—সবগুলোই কুরআন ও জিকিরের আলোচনার মাধ্যমে শুরু হয়েছে এবং এর মাধ্যমেই শেষ হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
الأنبياء: في أولها: {اقْتَرَبَ لِلنَّاسِ حِسَابُهُمْ}، وفي آخرها: {وَاقْتَرَبَ الْوَعْدُ الْحَقُّ}.
الحج: بدئت بذكر الساعة، وختمت بقوله: {لِيَكُونَ الرَّسُولُ شَهِيداً عَلَيْكُمْ وَتَكُونُوا شُهَدَاء عَلَى النَّاسِ}، وذلك يوم القيامة.
আল-আম্বিয়া: এর প্রারম্ভে রয়েছে: {মানুষের হিসাব-নিকাশের সময় নিকটবর্তী}, এবং এর সমাপ্তিতে রয়েছে: {সত্য প্রতিশ্রুতি নিকটবর্তী হয়েছে}।
আল-হাজ্জ: এটি কিয়ামত স্মরণের মাধ্যমে সূচিত হয়েছে এবং মহান আল্লাহর এই বাণীর মাধ্যমে সমাপ্ত হয়েছে: {যাতে রসূল তোমাদের জন্য সাক্ষী হন এবং তোমরা মানবজাতির জন্য সাক্ষী হও}, আর তা কিয়ামত দিবসের বিষয়।
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
المؤمنون: أولها: {قَدْ أَفْلَحَ الْمُؤْمِنُونَ}، وآخرها: {إِنَّهُ لا يُفْلِحُ الْكَافِرُونَ} قاله الزمخشري.
النور: في أولها في النساء: {وَلْيَضْرِبْنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلَى جُيُوبِهِنَّ وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ}، وفي آخرها في القواعد من النساء: {فَلَيْسَ عَلَيْهِنَّ جُنَاحٌ أَن يَضَعْنَ ثِيَابَهُنَّ غَيْرَ مُتَبَرِّجَاتٍ
بِزِينَةٍ}.
আল-মুমিনুন: এর প্রারম্ভে রয়েছে: {নিশ্চয়ই মুমিনগণ সফলকাম হয়েছে}, এবং এর সমাপ্তিতে রয়েছে: {নিশ্চয়ই কাফিররা সফলকাম হবে না}। আল-জামাখশারি এটি বলেছেন।
আন-নূর: এর প্রথমাংশে নারীদের প্রসঙ্গে বর্ণিত হয়েছে: {এবং তারা যেন তাদের ওড়না দিয়ে তাদের বক্ষদেশ আবৃত রাখে এবং তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে}, আর এর শেষাংশে বয়স্কা নারীদের প্রসঙ্গে বলা হয়েছে: {তাদের জন্য কোনো অপরাধ নেই যদি তারা তাদের পোশাক সরিয়ে রাখে সৌন্দর্য প্রদর্শন
না করে}।
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
الفرقان: بدأت ب {تَبَارَك} وختمت بذلك.
الشعراء: بدأت بذكر الكتاب، وختمت به في قوله: {وَإِنَّهُ لَتَنزِيلُ رَبِّ الْعَالَمِينَ}.
আল-ফুরকান: এটি {তাবারাক} শব্দের মাধ্যমে শুরু হয়েছে এবং তা দিয়েই সমাপ্ত হয়েছে।
আশ-শুআরা: এটি কিতাবের আলোচনার মাধ্যমে শুরু হয়েছে এবং তাঁর এই বাণীর মাধ্যমে সমাপ্ত হয়েছে: {নিশ্চয়ই এটি বিশ্বজগতের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে অবতীর্ণ}।
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
طس: بدأت بذكر الكتاب وأنه هدى، وختمت بذلك في قوله: {وَأَنْ أَتْلُوَ الْقُرْآنَ فَمَنِ اهْتَدَى}.
القصص: في أولها: {فَلَنْ أَكُونَ ظَهِيراً لِّلْمُجْرِمِينَ}، وفي آخرها: {فَلَا تَكُونَنَّ ظَهِيراً لِّلْكَافِرِينَ}. وفي أولها: هجرة موسى من موطنه والعود إليه، وفي آخرها هجرة النبي صلى الله عليه وسلم من بلده والعود إليه.
العنكبوت: ختمت بالهجرة والجهاد لقوله في أولها: {أَحَسِبَ
ত-সিন: এই সূরাটি কিতাবের উল্লেখ এবং তা যে পথনির্দেশ সেই বিবরণের মাধ্যমে শুরু হয়েছে। আর এর সমাপ্তিও ঘটেছে আল্লাহর এই বাণীর মাধ্যমে: "এবং যেন আমি কুরআন তিলাওয়াত করি। অতঃপর যে ব্যক্তি সঠিক পথ প্রাপ্ত হয়..."।
আল-কাসাস: এর প্রারম্ভে বর্ণিত হয়েছে: "আমি কখনোই অপরাধীদের সাহায্যকারী হব না", আর এর পরিশেষে বলা হয়েছে: "সুতরাং আপনি কখনোই কাফেরদের সাহায্যকারী হবেন না।" এছাড়া এর শুরুতে রয়েছে মুসা (আলাইহিস সালাম)-এর নিজ জন্মভূমি থেকে হিজরত এবং পুনরায় সেখানে প্রত্যাবর্তনের বিবরণ, আর এর শেষে রয়েছে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিজ শহর থেকে হিজরত এবং পুনরায় সেখানে প্রত্যাবর্তনের আলোচনা।
আল-আনকাবুত: এই সূরাটি হিজরত ও জিহাদের আলোচনার মাধ্যমে সমাপ্ত হয়েছে, কেননা এর প্রারম্ভে মহান আল্লাহর বাণী রয়েছে: "মানুষ কি মনে করে নিয়েছে যে..."
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৫৯)
النَّاسُ أَن يُتْرَكُوا أَن يَقُولُوا آمَنَّا وَهُمْ لَا يُفْتَنُونَ}.
الروم: في أولها: {وَيَوْمَ تَقُومُ السَّاعَةُ يُبْلِسُ الْمُجْرِمُونَ}، وفي آخرها: {وَيَوْمَ تَقُومُ السَّاعَةُ يُقْسِمُ الْمُجْرِمُونَ}.
لقمان: في صدرها: {وَبَثَّ فِيهَا مِن كُلِّ دَابَّةٍ وَأَنزَلْنَا مِنَ السَّمَاءِ مَاءً}، وفي آخرها: {وَيُنَزِّلُ الْغَيْثَ وَيَعْلَمُ مَا فِي الْأَرْحَامِ}.
السجدة: في أولها: {لِتُنذِرَ قَوْماً مَّا أَتَاهُم مِّن نَّذِيرٍ مِّن قَبْلِكَ}،
...মানুষ কি মনে করে যে, তারা কেবল এ কথা বলেই অব্যাহতি পেয়ে যাবে যে, ‘আমরা ঈমান এনেছি’, অথচ তাদের পরীক্ষা করা হবে না?}।
আর-রুম: এর শুরুতে রয়েছে: {আর যেদিন কিয়ামত সংঘটিত হবে, সেদিন অপরাধীরা হতাশ হয়ে পড়বে}, এবং এর শেষে রয়েছে: {আর যেদিন কিয়ামত সংঘটিত হবে, সেদিন অপরাধীরা কসম খাবে}।
লুকমান: এর প্রারম্ভে রয়েছে: {এবং তিনি তাতে ছড়িয়ে দিয়েছেন সব ধরনের জীবজন্তু আর আমরা আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেছি}, এবং এর শেষে রয়েছে: {তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং জরায়ুতে যা আছে তা তিনি জানেন}।
আস-সাজদাহ: এর শুরুতে রয়েছে: {যাতে আপনি এমন এক সম্প্রদায়কে সতর্ক করেন যাদের কাছে আপনার পূর্বে কোনো সতর্ককারী আসেনি},
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৬০)
وفي آخرها: {فَأَعْرِضْ عَنْهُمْ وَانتَظِرْ إِنَّهُم مُّنتَظِرُونَ}.
الأحزاب: بدئت بقوله: {يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ اتَّقِ اللَّهَ}، وفي آخرها خطاباً لأزواجه: {وَاتَّقِينَ اللَّهَ}.
سبأ: بدئت ب {عَالِمِ الْغَيْبِ}، وختمت ب {عَلَّامُ الْغُيُوبِ}.
فاطر: في أولها: {وَالَّذِينَ يَمْكُرُونَ السَّيِّئَاتِ لَهُمْ عَذَابٌ شَدِيدٌ وَمَكْرُ أُوْلَئِكَ هُوَ يَبُورُ}، وفي آخرها: {وَلَا يَحِيقُ الْمَكْرُ السَّيِّئُ إِلَّا بِأَهْلِهِ}.
এবং এর শেষে রয়েছে: {অতএব আপনি তাদের উপেক্ষা করুন এবং অপেক্ষা করুন; নিশ্চয়ই তারা অপেক্ষা করছে}।
আল-আহযাব: এটি তাঁর এই বাণীর মাধ্যমে শুরু হয়েছে: {হে নবী! আল্লাহকে ভয় করুন}, এবং এর শেষে তাঁর স্ত্রীদের প্রতি সম্বোধন করে বলা হয়েছে: {আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো}।
সাবা: এটি {অদৃশ্যের পরিজ্ঞাতা} দ্বারা শুরু হয়েছে এবং {অদৃশ্য বিষয়সমূহের সম্যক পরিজ্ঞাতা} দ্বারা সমাপ্ত হয়েছে।
ফাতির: এর শুরুতে রয়েছে: {যারা মন্দ চক্রান্ত করে তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি, আর তাদের চক্রান্ত নস্যাৎ হয়ে যাবে}, এবং এর শেষে রয়েছে: {মন্দ চক্রান্ত কেবল তার হোতাকেই পরিবেষ্টন করে}।
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৬১)
يس: بدئت بوصف القرآن، وختمت به في قوله: {وَمَا عَلَّمْنَاهُ الشِّعْرَ}. وبدئت بقوله: {إِنَّا نَحْنُ نُحْيِي الْمَوْتَى}، وختمت بإقامة الحجة على ذلك في قوله: {وَضَرَبَ لَنَا مَثَلاً} الآيات.
الصافات: أولها {وَالصَّافَّاتِ صَفّاً} وهم الملائكة، وآخرها فيهم: {وَإِنَّا لَنَحْنُ الصَّافُّونَ}.
ইয়াসিন: এটি কুরআনের বর্ণনার মাধ্যমে শুরু হয়েছে এবং তাঁর এই বাণীর মাধ্যমে সমাপ্ত হয়েছে: {আর আমি তাকে কবিতা শিক্ষা দেইনি}। এটি শুরু হয়েছে তাঁর এই বাণীর মাধ্যমে: {নিশ্চয়ই আমি মৃতদেরকে জীবিত করি}, এবং তাঁর এই বাণীর মাধ্যমে এর সপক্ষে প্রমাণ উপস্থাপনের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়েছে: {সে আমার জন্য একটি উদাহরণ পেশ করল} আয়াতসমূহ।
আস-সাফফাত: এর শুরু হয়েছে {শপথ সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মানদের} দ্বারা, আর তারা হলেন ফেরেশতাগণ; এবং তাদের ব্যাপারেই এর শেষাংশে রয়েছে: {আর নিশ্চয়ই আমরাই সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান}।
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৬২)
ص: أولها {وَالْقُرْآنِ ذِي الذِّكْرِ}، وآخرها: {إِنْ هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ لِّلْعَالَمِينَ}.
الزمر: في أولها: {فَاعْبُدِ اللَّهَ مُخْلِصاً لَّهُ الدِّينَ}، وفي آخرها: {بَلِ اللَّهَ فَاعْبُدْ}. وفاتحتها بدء الخلق، وخاتمتها المعاد والبعث، وفي أولها بدء الخلق: {خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ بِالْحَقِّ}،
وفي ختامها في نهاية المعاد: {وَقُضِيَ بَيْنَهُم بِالْحَقِّ}.
غافر: في أولها: {أَوَ لَمْ يَسِيرُوا فِي الْأَرْضِ} الآية، وفي آخرها: {أَفَلَمْ يَسِيرُوا فِي الْأَرْضِ} الآية. وفي أولها:
সুরা সদ: এর শুরুতে রয়েছে {শপথ উপদেশপূর্ণ কুরআনের}, এবং এর শেষে রয়েছে: {এটি তো বিশ্বজগতের জন্য উপদেশ ছাড়া আর কিছু নয়}।
সুরা যুমার: এর শুরুতে রয়েছে: {অতএব আল্লাহর ইবাদত করো তাঁর আনুগত্যে একনিষ্ঠ হয়ে}, এবং এর শেষে রয়েছে: {বরং আল্লাহরই ইবাদত করো}। আর এর প্রারম্ভে রয়েছে সৃষ্টির সূচনা, এবং এর সমাপ্তিতে রয়েছে পরকাল ও পুনরুত্থান। এর শুরুতে সৃষ্টির সূচনা সম্পর্কে রয়েছে: {তিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীকে যথাযথভাবে সৃষ্টি করেছেন},
এবং এর সমাপ্তিতে পরকালের শেষ পর্যায়ে রয়েছে: {তাদের মধ্যে যথাযথভাবে ফয়সালা করে দেওয়া হবে}।
সুরা গাফির: এর শুরুতে রয়েছে: {তারা কি পৃথিবীতে ভ্রমণ করেনি} আয়াতটি, এবং এর শেষে রয়েছে: {তারা কি তবে পৃথিবীতে ভ্রমণ করেনি} আয়াতটি। এবং এর শুরুতে:
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৬৩)
{فَادْعُوا اللَّهَ مُخْلِصِينَ لَهُ الدِّينَ}، وفي آخرها: {وَقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي}.
فصلت: في أولها: {فَأَعْرَضَ أَكْثَرُهُمْ}، وفي آخرها: {أَعْرَضَ وَنَأى بِجَانِبِهِ}.
الشورى: في أولها: {كَذَلِكَ يُوحِي إِلَيْكَ وَإِلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِكَ}، وفي آخرها: {وَكَذَلِكَ أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ رُوحاً مِّنْ أَمْرِنَا}.
{অতএব তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো তাঁর প্রতি আনুগত্যে একনিষ্ঠ হয়ে}, এবং এর শেষে রয়েছে: {এবং তোমাদের প্রতিপালক বলেছেন, তোমরা আমাকে ডাক}।
ফুসসিলাত: এর শুরুতে রয়েছে: {কিন্তু তাদের অধিকাংশ বিমুখ হয়েছে}, এবং এর শেষে রয়েছে: {সে বিমুখ হয় ও অহংকারে দূরে সরে যায়}।
আশ-শূরা: এর শুরুতে রয়েছে: {এভাবেই আপনার প্রতি এবং আপনার পূর্ববর্তীদের প্রতি ওহী অবতীর্ণ করা হয়}, এবং এর শেষে রয়েছে: {আর এভাবেই আমি আপনার প্রতি আমার নির্দেশ থেকে রূহ (ওহী) অবতীর্ণ করেছি}।
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৬৪)
الزخرف: في أولها: {وَلَئِن سَأَلْتَهُم مَّنْ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ لَيَقُولُنَّ خَلَقَهُنَّ الْعَزِيزُ الْعَلِيمُ}، وفي آخرها: {وَلَئِن سَأَلْتَهُم مَّنْ خَلَقَهُمْ لَيَقُولُنَّ اللَّهُ}. وفي أولها {صَفْحاً}، وفي آخرها: {فَاصْفَحْ عَنْهُمْ}.
الدخان: بدئت بذكر القرآن، وختمت به. وأولها: {فَارْتَقِبْ يَوْمَ تَأْتِي السَّمَاء بِدُخَانٍ}، وآخرها: {فَارْتَقِبْ إِنَّهُم مُّرْتَقِبُونَ}.
الجاثية: في صدرها: {وَإِذَا عَلِمَ مِنْ آيَاتِنَا شَيْئاً اتَّخَذَهَا هُزُواً}،
আয-যুখরুফ: এর প্রারম্ভে রয়েছে: {আর আপনি যদি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করেন, কে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন? তারা অবশ্যই বলবে, এগুলো সৃষ্টি করেছেন পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞ}, এবং এর শেষাংশে রয়েছে: {আর আপনি যদি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করেন, কে তাদের সৃষ্টি করেছেন? তবে তারা অবশ্যই বলবে, আল্লাহ}। তদ্রূপ এর শুরুতে রয়েছে {উপেক্ষা}, এবং শেষে রয়েছে: {অতএব আপনি তাদের উপেক্ষা করুন}।
আদ-দুখান: এটি কুরআনের আলোচনার মাধ্যমে শুরু হয়েছে এবং এর মাধ্যমেই সমাপ্ত হয়েছে। এর শুরুতে রয়েছে: {অতএব আপনি অপেক্ষা করুন সেই দিনের, যখন আকাশ সুস্পষ্ট ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হবে}, এবং শেষে রয়েছে: {সুতরাং আপনি অপেক্ষা করুন, নিশ্চয়ই তারাও অপেক্ষমাণ}।
আল-জাছিয়াহ: এর প্রারম্ভে রয়েছে: {আর যখন সে আমাদের আয়াতসমূহ থেকে কোনো কিছু অবগত হয়, তখন সেটিকে উপহাসের বিষয় হিসেবে গ্রহণ করে},
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৬৫)
وفي آخرها: {ذَلِكُم بِأَنَّكُمُ اتَّخَذْتُمْ آيَاتِ اللَّهِ هُزُواً}.
الأحقاف: بدئت بذكر خلق السموات والأرض، وختمت به.
القتال: بدئ بالأمر بالقتال، وختم به.
এবং এর শেষে রয়েছে: {এটা এ জন্য যে, তোমরা আল্লাহর আয়াতসমূহকে উপহাস হিসেবে গ্রহণ করেছিলে}।
আল-আহকাফ: এটি আসমান ও জমিন সৃষ্টির আলোচনার মাধ্যমে শুরু হয়েছে এবং এর মাধ্যমেই সমাপ্ত হয়েছে।
আল-কিতাল: এটি যুদ্ধের আদেশের মাধ্যমে শুরু হয়েছে এবং এর মাধ্যমেই সমাপ্ত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৬৬)
الفتح: بدئت بوصف النبي صلى الله عليه وسلم والمؤمنين وما وعدوه، وختمت بمثل ذلك.
الحجرات: بدئت بالنهي عن التقدم بين يدي الله ورسوله، وختمت بالنهي عن المن على الله ورسوله. وبدئت بوصف الله سبحانه وتعالى بالعلم، وختمت بمثل ذلك.
আল-ফাতহ: এটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং মুমিনগণের বৈশিষ্ট্য ও তাঁদেরকে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতির বর্ণনার মাধ্যমে সূচিত হয়েছে, এবং অনুরূপ বর্ণনার মাধ্যমেই সমাপ্ত হয়েছে।
আল-হুজুরাত: এটি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সম্মুখে অগ্রবর্তী হওয়ার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে সূচিত হয়েছে, এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি অনুগ্রহ জাহির করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে সমাপ্ত হয়েছে। আর এটি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার জ্ঞানের গুণাবলি বর্ণনার মাধ্যমে সূচিত হয়েছে এবং অনুরূপ বর্ণনার মাধ্যমেই সমাপ্ত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৬৭)
ق: بدئت بذكر البعث، وختمت به.
والذاريات: بدئت بقوله: {إِنَّمَا تُوعَدُونَ لَصَادِقٌ}، وختمت بقوله: {فَوَيْلٌ لِّلَّذِينَ كَفَرُوا مِن يَوْمِهِمُ الَّذِي يُوعَدُونَ}.
الطور: بدئت بقوله: {إِنَّ عَذَابَ رَبِّكَ لَوَاقِعٌ}، وختمت بقوله: {وَإِنَّ لِلَّذِينَ ظَلَمُوا عَذَاباً دُونَ ذَلِكَ}.
ক্বাফ: এটি পুনরুত্থান (البعث) সংক্রান্ত আলোচনার মাধ্যমে শুরু হয়েছে এবং এর মাধ্যমেই সমাপ্ত হয়েছে।
আয-যারিয়াত: এটি মহান আল্লাহর এই বাণীর মাধ্যমে শুরু হয়েছে: {তোমাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে তা অবশ্যই সত্য}, এবং শেষ হয়েছে তাঁর এই বাণীর মাধ্যমে: {সুতরাং কাফিরদের জন্য সেই দিনের দুর্ভোগ, যার প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেওয়া হয়েছে}।
আত-তূর: এটি মহান আল্লাহর এই বাণীর মাধ্যমে শুরু হয়েছে: {নিশ্চয়ই তোমার রবের আযাব অবশ্যই আপতিত হবে}, এবং শেষ হয়েছে তাঁর এই বাণীর মাধ্যমে: {আর নিশ্চয়ই যারা যুলুম করেছে তাদের জন্য এর পূর্বেই আযাব রয়েছে}।
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৬৮)
النجم: بدئت بالنجم وهو الثريا، وختمت بذكر الشعرى وهي نجم.
القمر: بدئت باقتراب الساعة، وختمت بقوله: {بَلِ السَّاعَةُ مَوْعِدُهُمْ}.
আন-নাজম: এটি ‘নাজম’ তথা সুরাইয়া (নক্ষত্রপুঞ্জ) দ্বারা শুরু হয়েছে এবং ‘শিরা’ এর বর্ণনার মাধ্যমে সমাপ্ত হয়েছে যা একটি নক্ষত্র।
আল-কামার: এটি কিয়ামত নিকটবর্তী হওয়ার আলোচনার মাধ্যমে শুরু হয়েছে এবং আল্লাহর এই বাণী দ্বারা সমাপ্ত হয়েছে: {বরং কিয়ামতই তাদের প্রতিশ্রুত সময়}।
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৬৯)
الرحمن: افتتحت باسم الله جل جلاله، وختمت به في قوله: {تَبَارَكَ اسْمُ رَبِّكَ ذِي الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ}.
الواقعة: صُدِّرت بذكر أزواج الخلق الثلاثة: أصحاب الميمنة وأصحاب المشأمة والسابقين، وختمت بمثل ذلك في قوله: {فَأَمَّا إِن كَانَ مِنَ الْمُقَرَّبِينَ}.
الحديد: بدئت بوصف الله، وختمت به. وفي صدرها: {آمِنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ}، وفي آخرها: {اتَّقُوا اللَّهَ وَآمِنُوا بِرَسُولِهِ}. وفي صدرها ذكر النور، وفي آخرها ذكر النور.
আর-রাহমান: এটি মহান আল্লাহর নামের মাধ্যমে শুরু হয়েছে এবং তাঁর এই বাণীর মাধ্যমে শেষ হয়েছে: {আপনার মহিমাময় ও মহানুভব প্রতিপালকের নাম বরকতময়}।
আল-ওয়াকিআহ: এটি সৃষ্টির তিন শ্রেণির (أزواج) বর্ণনার মাধ্যমে শুরু হয়েছে: ডানদিকের দল (أصحاب الميمنة), বামদিকের দল (أصحاب المشأمة) এবং অগ্রবর্তীগণ (السابقون); আর এটি অনুরূপভাবেই শেষ হয়েছে তাঁর এই বাণীর মাধ্যমে: {অতঃপর যদি সে নৈকট্যপ্রাপ্তদের (المقربين) অন্তর্ভুক্ত হয়}।
আল-হাদিদ: এটি আল্লাহর গুণাবলি বর্ণনার মাধ্যমে শুরু হয়েছে এবং তাঁর মাধ্যমেই শেষ হয়েছে। এর প্রারম্ভে রয়েছে: {আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ওপর ঈমান আনো}, আর এর শেষে রয়েছে: {আল্লাহকে ভয় করো এবং তাঁর রাসূলের ওপর ঈমান আনো}। এর শুরুতে নূরের (النور) আলোচনা রয়েছে এবং এর শেষেও নূরের (النور) আলোচনা রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৭০)
المجادلة: في أولها ذكر من سمع الله من أوليائه، وفي آخرها ذكر من رضي عنه من أحبائه.
الحشر: أولها: {سَبَّحَ لِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ}، وآخرها: {يُسَبِّحُ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ}.
الممتحنة: أولها: {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا عَدُوِّي وَعَدُوَّكُمْ أَوْلِيَاء}، وآخرها: {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَوَلَّوْا قَوْماً غَضِبَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ}.
আল-মুজাদালাহ: এর প্রারম্ভে আল্লাহর বন্ধুদের মধ্য থেকে এমন একজনের আলোচনা রয়েছে যাঁর কথা আল্লাহ শুনেছেন, এবং এর শেষে তাঁর প্রিয়জনদের মধ্য থেকে এমন ব্যক্তিদের আলোচনা রয়েছে যাঁদের প্রতি তিনি সন্তুষ্ট হয়েছেন।
আল-হাশর: এর শুরুতে রয়েছে: {আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই আল্লাহর মহিমা ঘোষণা করে, আর তিনি মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়}, এবং এর শেষে রয়েছে: {আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই তাঁর মহিমা ঘোষণা করে, আর তিনি মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়}।
আল-মুমতাহিনাহ: এর শুরুতে রয়েছে: {হে মুমিনগণ, তোমরা আমার শত্রু ও তোমাদের শত্রুকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না}, এবং এর শেষে রয়েছে: {হে মুমিনগণ, তোমরা এমন সম্প্রদায়ের সাথে বন্ধুত্ব করো না যাদের প্রতি আল্লাহ রাগান্বিত হয়েছেন}।
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৭১)
الصف: أولها: {لِمَ تَقُولُونَ مَا لَا تَفْعَلُونَ}، النازل في الجهاد، وآخرها ذكر أنصار الله الذين جاهدوا من قوم عيسى. وفي أولها: {إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الَّذِينَ يُقَاتِلُونَ فِي سَبِيلِهِ}، وفي آخرها: {وَتُجَاهِدُونَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ}. وفي أولها: {وَمُبَشِّراً بِرَسُولٍ}، وفي آخرها: {وَبَشِّرِ الْمُؤْمِنِينَ}.
الجمعة: بدئت بوصف الله سبحانه، وختمت به.
المنافقون: في أولها: {فَصَدُّوا عَن سَبِيلِ اللَّهِ}، وفي آخرها: {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا
সূরা আস-সাফ: এর প্রারম্ভে রয়েছে: {কেন তোমরা তা বলো যা তোমরা করো না?}, যা জিহাদ প্রসঙ্গে অবতীর্ণ হয়েছে; এবং এর শেষে আল্লাহর সাহায্যকারীদের কথা আলোচিত হয়েছে যারা ঈসা (আ.)-এর কওমের মধ্য হতে জিহাদ করেছিলেন। এর শুরুতে রয়েছে: {নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদেরকে ভালোবাসেন যারা তাঁর পথে লড়াই করে}, আর এর শেষে রয়েছে: {এবং তোমরা আল্লাহর পথে জিহাদ করবে}। এর শুরুতে রয়েছে: {এবং একজন রাসূলের সুসংবাদদাতা হিসেবে}, আর এর শেষে রয়েছে: {এবং মুমিনদের সুসংবাদ দিন}।
সূরা আল-জুমুআহ: এটি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার গুণাবলি বর্ণনার মাধ্যমে শুরু হয়েছে এবং তাঁরই বর্ণনার মাধ্যমে শেষ হয়েছে।
সূরা আল-মুনাফিকুন: এর শুরুতে রয়েছে: {অতঃপর তারা আল্লাহর পথ হতে বাধা প্রদান করে}, এবং এর শেষে রয়েছে: {হে মুমিনগণ! তোমাদের যেন...}
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৭২)
تُلْهِكُمْ أَمْوَالُكُمْ وَلَا أَوْلَادُكُمْ عَن ذِكْرِ اللَّهِ}. وأولها: {إِذَا جَاءكَ الْمُنَافِقُونَ}، وفي آخرها: {وَلَكِنَّ الْمُنَافِقِينَ لَا يَعْلَمُونَ}. وفي أولها: {وَاللَّهُ يَعْلَمُ إِنَّكَ لَرَسُولُهُ وَاللَّهُ يَشْهَدُ إِنَّ الْمُنَافِقِينَ لَكَاذِبُونَ}، وفي آخرها: {وَاللَّهُ خَبِيرٌ بِمَا تَعْمَلُونَ}.
التغابن: في أولها: {يَعْلَمُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَيَعْلَمُ مَا تُسِرُّونَ وَمَا تُعْلِنُونَ وَاللَّهُ عَلِيمٌ بِذَاتِ الصُّدُورِ}، وآخرها: {عَالِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ}.
الطلاق: في أولها: {وَأَحْصُوا الْعِدَّةَ}، وقوله: {لَا تَدْرِي لَعَلَّ اللَّهَ يُحْدِثُ بَعْدَ ذَلِكَ أَمْراً}، وآخرها: {وَأَنَّ اللَّهَ قَدْ أَحَاطَ بِكُلِّ شَيْءٍ عِلْماً}.
التحريم: بدئت بذكر أزواج النبي صلى الله عليه وسلم، وختمت بذكر زوجتين
{তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি যেন তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণ হতে উদাসীন না করে}। এবং এর প্রারম্ভে রয়েছে: {যখন মুনাফিকরা তোমার নিকট আসে}, আর এর শেষাংশে রয়েছে: {কিন্তু মুনাফিকরা তা জানে না}। এর প্রারম্ভে আরও রয়েছে: {এবং আল্লাহ জানেন যে আপনি অবশ্যই তাঁর রাসূল এবং আল্লাহ সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, মুনাফিকরা নিশ্চয়ই মিথ্যাবাদী (كاذبون)}, আর এর শেষে রয়েছে: {এবং তোমরা যা করো আল্লাহ সে বিষয়ে সম্যক অবহিত}।
আত-তাগাবুন: এর প্রারম্ভে রয়েছে: {আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে তিনি তা জানেন এবং তোমরা যা গোপন করো ও যা প্রকাশ করো তাও তিনি জানেন; আর আল্লাহ অন্তরের বিষয়াদি সম্পর্কে সম্যক পরিজ্ঞাত}, এবং এর শেষে রয়েছে: {তিনি অদৃশ্য ও দৃশ্যের পরিজ্ঞাতা}।
আত-তালাক: এর প্রারম্ভে রয়েছে: {এবং তোমরা ইদ্দত গণনা করো}, এবং তাঁর বাণী: {তুমি জানো না, হয়তো আল্লাহ এরপর নতুন কোনো পরিস্থিতির উদ্ভব করবেন}, এবং এর শেষে রয়েছে: {এবং আল্লাহ তাঁর জ্ঞান দ্বারা সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে আছেন}।
আত-তাহরীম: এটি শুরু হয়েছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রীদের আলোচনার মাধ্যমে এবং সমাপ্ত হয়েছে দুইজন স্ত্রীর আলোচনার মাধ্যমে।
(খণ্ড: ১)
মারাসিদুল মাতালি ফী তানাসুবিল মাকাতি ওয়াল মাতালি
(পৃষ্ঠা: ৭৩)
في الجنة:
آسية امرأة فرعون، ومريم بنت عمران. وفي أولها: مظاهرة أزواجه عليه، وفي آخرها خيانة امرأتي نوح ولوط لهما تحذيراً لأمهات المؤمنين وتخويفاً.
تبارك: بدئت بوصف القدرة، وختمت بمعناه وهو عجز الخلق في قوله: {فَمَن يَأْتِيكُم بِمَاء مَّعِينٍ}.
জান্নাতে:
ফেরাউনের স্ত্রী আছিয়া এবং ইমরানের কন্যা মারইয়াম। আর এর শুরুতে রয়েছে: তাঁর (রাসূলের) বিরুদ্ধে তাঁর পত্নীদের সঙ্ঘবদ্ধ হওয়ার বর্ণনা, এবং এর শেষে রয়েছে নূহ ও লূতের স্ত্রীদের তাঁদের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতার বিবরণ; যা মুমিন জননীদের জন্য সতর্কবার্তা ও ভীতি প্রদর্শনস্বরূপ।
সুরা তাবারক: এটি ক্ষমতার বর্ণনার মাধ্যমে শুরু হয়েছে এবং এর সমাপ্তিও ঘটেছে একই অর্থে, আর তা হলো সৃষ্টির অক্ষমতা, যা তাঁর এই বাণীতে ব্যক্ত হয়েছে: {তবে কে তোমাদেরকে প্রবাহমান পানি এনে দিবে?}।