(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: -)
المطالب العالية محققا القسم: كتب السنة
الكتاب: المطَالبُ العَاليَةُ بِزَوَائِدِ المسَانيد الثّمَانِيَةِ
المؤلف: أبو الفضل أحمد بن علي بن محمد بن أحمد بن حجر العسقلاني (ت 852هـ)
المحقق: مجموعة من الباحثين في 17 رسالة جامعية
تنسيق: د. سعد بن ناصر بن عبد العزيز الشَّثري
الناشر: دار العاصمة للنشر والتوزيع - دار الغيث للنشر والتوزيع
الطبعة: الأولى
من المجلد 1 - 11: 1419 هـ - 1998 م
من المجلد 12 - 18: 1420 هـ - 2000 م
عدد الأجزاء: 19 (18 ومجلد للفهارس)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 21 ذو الحجة 1432
আল-মাতালিবুল আলিয়া (তাহকিককৃত) বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিল সামানিয়্যাহ
লেখক: আবুল ফজল আহমদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হাজার আল-আসকালানি (মৃত্যু ৮৫২ হিজরি)
তাহকিক: ১৭টি গবেষণাপত্রের মাধ্যমে একদল গবেষক
সমন্বয়: ড. সাদ বিন নাসের বিন আব্দুল আজিজ আশ-শাথরি
প্রকাশক: দারুল আসিমা প্রকাশনা ও বিতরণ - দারুল গাইস প্রকাশনা ও বিতরণ
সংস্করণ: প্রথম
খণ্ড ১ - ১১ থেকে: ১৪১৯ হিজরি - ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড ১২ - ১৮ থেকে: ১৪২০ হিজরি - ২০০০ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ১৯ (১৮ খণ্ড এবং এক খণ্ড সূচিপত্রের জন্য)
[বইয়ের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২১ জিলহজ ১৪৩২
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ১)
المطَالبُ العَاليَةُ
بِزَوَائِدِ المسَانيد الثّمَانِيَةِ
للحافظ أحمد بن عليِّ بن حَجَر العَسْقَلانِيِّ
(773 - 852 هجرية)
تأليف
محقّقي الكتاب
تنسيق
د. سعد بن ناصر بن عبد العزيز الشَّثري
المجلد الأول
(1 - 2)
المقدمة
دار العاصمة
للنشر والتوزيع
دار الغيث
للنشر والتوزيع
আল-মাতালিবুল আলিয়া
আটটি মুসনাদের অতিরিক্ত হাদিসসমূহ সংবলিত
হাফেজ আহমাদ ইবনে আলী ইবনে হাজার আল-আসকালানীর
(৭৭৩ - ৮৫২ হিজরি)
প্রস্তুতকরণে
গ্রন্থের গবেষকবৃন্দ
সমন্বয়ে
ড. সা'দ বিন নাসির বিন আব্দুল আজিজ আল-শাথরি
প্রথম খণ্ড
(১ - ২)
ভূমিকা
দারুল আসিমাহ
প্রকাশনা ও বিতরণ
দারুল গাইস
প্রকাশনা ও বিতরণ
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ২)
{بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ}
{পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।}
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ৩)
المطالب العالية
بزوائد المسانيد الثمانية
1 - 2
উচ্চতর লক্ষ্যসমূহ
আটটি মুসনাদ গ্রন্থের অতিরিক্ত হাদীসসমূহ সম্বলিত
১ - ২
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ৪)
دار العاصمة للنشر والتوزيع، 1418 هـ
فهرسة مكتبة الملك فهد الوطنية أثناء النشر
ابن حجر العسقلاني، أحمد بن علي
المطالب العالية بزوائد المسانيد الثمانية/
تحقيق سعد بن ناصر الشثري - الرياض.
655 ص؛ 17 × 24 سم
ردمك: 1 - 68 - 749 - 9960 (مجموعة)
8 - 87 - 749 - 9960 (ج 1)
1 - الحديث- زوائد 2 - الحديث-مسانيد 3 - الحديث-تخريج 4 - الحديث-شرح
أ- الشثري سعد بن ناصر (محقق)
ب- العنوان
2612/ 16
ديوي 4، 237
رقم الإيداع: 2612/ 18
ردمك: 1 - 87 - 749 - 9960 (مجموعة)
6 - 87 - 749 - 9960 (ج 1)
حقوُق الطبع محفوظة للمنسق
الطبعة الأولى
1419هـ - 1998مـ
دار العاصمة المملكة العربية السعودية
الرياض - ص ب 42507 - الرمز البريدي 11551
هاتف 4915154 - 4933318 - فاكس 4915154
دار الغيث
المملكة العربية السعودية
ص ب: 32594 - الرياض: 11438 - تلفاكس: 2660 - 421
দারুল আসিমাহ প্রকাশনী ও পরিবেশনী, ১৪১৮ হিজরী
প্রকাশনা চলাকালীন কিং ফাহাদ জাতীয় গ্রন্থাগার ক্যাটালগিং
ইবনে হাজার আল-আসকালানী, আহমদ বিন আলী
আল-মাতালিবুল আলীয়াহ বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিল সামানিয়াহ/
সম্পাদনা ও তাহকীক: সাদ বিন নাসির আল-শাছরী - রিয়াদ।
৬৫৫ পৃষ্ঠা; ১৭ × ২৪ সেমি
আইএসবিএন: ১ - ৬৮ - ৭৪৯ - ৯৯৬০ (সমষ্টি)
৮ - ৮৭ - ৭৪৯ - ৯৯৬০ (খণ্ড ১)
১ - হাদিস-যাওয়াইদ ২- হাদিস-মাসানিদ ৩- হাদিস-তাখরীজ ৪- হাদিস-শরহ
ক- আল-শাছরী, সাদ বিন নাসির (মুহাক্কিক)
খ- শিরোনাম
২৬১২/ ১৬
ডিউই ৪, ২৩৭
ডিপোজিট নম্বর: ২৬১২/ ১৮
আইএসবিএন: ১ - ৮৭ - ৭৪৯ - ৯৯৬০ (সমষ্টি)
৬ - ৮৭ - ৭৪৯ - ৯৯৬০ (খণ্ড ১)
সর্বস্বত্ব সমন্বয়কারীর জন্য সংরক্ষিত
প্রথম সংস্করণ
১৪১৯ হিজরী - ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দ
দারুল আসিমাহ, সৌদি আরব রাজতন্ত্র
রিয়াদ - পি.ও. বক্স ৪২৫০৭ - পোস্টাল কোড ১১৫৫১
টেলিফোন ৪৯১৫১৫৪ - ৪৯৩৩৩১৮ - ফ্যাক্স ৪৯১৫১৫৪
দারুল গাইস
সৌদি আরব রাজতন্ত্র
পি.ও. বক্স: ৩২৫৯৪ - রিয়াদ: ১১৪৩৮ - টেলফ্যাক্স: ২৬৬০ - ৪২১
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ৫)
المقَدّمةإن الحمد لله نحمده ونستعينه ونستغفره، وَنَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ شُرُورِ أَنْفُسِنَا وَسَيِّئَاتِ أَعْمَالِنَا مَنْ يَهْدِهِ اللَّهُ فَلَا مُضِلَّ لَهُ، وَمَنْ يضلل فلا هادي له، وَأَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إلَاّ اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ صلى الله عليه وعلى آله وسلم تسليماً كثيراً.
{يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ (102)} {يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالًا كَثِيرًا وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا (1)} {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلًا سَدِيدًا (70) يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيمًا (71)}.
أما بعد: فإن الله قد حفظ لهذه الأمة دينها من خلال حفظ كتابه العزيز الذي لا يأتيه الباطل، فتناقلته الأمة جيلاً عن جيل نقلاً متواتراً: حفظاً وتلاوة وتدبراً، ليكون سعادة للعالمين ورحمة للمؤمنين فالحمد لله على هذه النعمة الجليلة والمنة العظيمة، كما أن الله حفظ لهذه الأمة دينها من خلال حفظ سنة نبيه محمد صلى الله عليه وسلم فيسر لها صحابة نبيه رضوان الله عليهم فحفظوها وتناقلوها وتدارسوها ثم جاء بعدهم التابعون فساروا على نهجهم واقتفوا أثرهم، فحفظوا سنة المصطفى صلى الله عليه وسلم واستخرجوا أحكام الشريعة منها وذبّوا عنها تحريف المتأولين
ভূমিকানিশ্চয়ই সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই নিকট সাহায্য প্রার্থনা করি এবং তাঁরই নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা ও আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আল্লাহ যাকে হিদায়াত দেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথ দেখানোর কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল। আল্লাহ তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজনের ওপর অজস্র রহমত ও অধিক শান্তি বর্ষণ করুন।
{হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং তোমরা মুসলিম হওয়া ব্যতীত মৃত্যুবরণ করো না। (১০২)} {হে মানবজাতি! তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় করো, যিনি তোমাদের এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তা থেকে তার জোড়া সৃষ্টি করেছেন, আর তাঁদের উভয় থেকে বহু পুরুষ ও নারী ছড়িয়ে দিয়েছেন। তোমরা সেই আল্লাহকে ভয় করো যাঁর নামে তোমরা একে অপরের নিকট যাচ্ঞা করো এবং রক্ত-সম্পর্কিত আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা থেকে সতর্ক থাকো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের ওপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখেন। (১)} {হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো। (৭০) তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের আমলসমূহ সংশোধন করে দেবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, সে অবশ্যই মহা সফলতা অর্জন করেছে। (৭১)}।
অতঃপর: নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সম্মানিত কিতাব সংরক্ষণের মাধ্যমে এই উম্মতের জন্য তাদের দ্বীনকে সংরক্ষণ করেছেন, যার নিকট কোনো দিক থেকেই বাতিল আসতে পারে না। ফলে উম্মত প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে অবিচ্ছিন্ন পরম্পরায় (মুতাওয়াতির) এটি মুখস্থকরণ, তেলাওয়াত এবং অনুধাবনের মাধ্যমে বহন করে নিয়ে এসেছে, যাতে এটি বিশ্ববাসীর জন্য সৌভাগ্য এবং মুমিনদের জন্য রহমত স্বরূপ হয়। সুতরাং এই মহান নেয়ামত ও শ্রেষ্ঠ অনুগ্রহের জন্য আল্লাহরই সমস্ত প্রশংসা। অনুরূপভাবে, আল্লাহ তাঁর নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাহ সংরক্ষণের মাধ্যমেও এই উম্মতের জন্য তাদের দ্বীনকে হেফাজত করেছেন। এর জন্য তিনি তাঁর নবীর সাহাবীদের (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) সহজসাধ্য করে দিয়েছিলেন, ফলে তাঁরা এটি সংরক্ষণ করেছেন, একে অপরের নিকট পৌঁছে দিয়েছেন এবং তা নিয়ে অধ্যয়ন করেছেন। অতঃপর তাঁদের পরে তাবেয়ীগণ আগমন করলেন, তাঁরা তাঁদের (সাহাবীদের) সঠিক পথ অনুসরণ করলেন এবং তাঁদের পদাঙ্ক অনুসরণ করলেন। তাঁরা মুস্তফা (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাহকে সংরক্ষণ করেছেন, তা থেকে শরীয়তের বিধানসমূহ আহরণ করেছেন এবং অপব্যাখ্যাকারীদের বিকৃতি থেকে একে রক্ষা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ৬)
وشبهات المبطلين، وغلط الواهمين، وانبرى الأئمة للكلام في الرجال جرحًا وتوثيقًا غيرة على دين الله عز وجل وحماية لسنة رسول الله صلى الله عليه وسلم.
واستكمالًا لحفظ السنة المطهرة قيض الله لهذه الأمة من يدون الأحاديث النبوية فوضعت الجوامع وهذبت الصحاح وحررت المسانيد ورتبت السنن، وكتبت المعاجم، وخرجت الأجزاء الحديثية، واستخرجت الفوائد، وعلقت الأمالي، واعتُنِيَ بالمشيخات، واهتُم بالمستدركات، وتُفُنن في المستخرجات.
فجمعت الأحاديث من خلال الأسانيد المتكاثرة فأصبحت الإحاطة بجملتها مع ضعف الهمم وطول الأسانيد أمراً متعسراً إلَاّ على نوادر الأئمة.
ومن هنا وُجِدَت الرغبة لتقريب السنة بين يدي الأمة فظهرت أعمال جيدة ومؤلفات عظيمة في ذلك، وقد اتخذت منهجين:
المنهج الأول: جمع الأحاديث بحسب أطرافها مرتبة على المسانيد ومن هذا الصنف كتاب (تحفة الأشراف) للمزي الذي جمع فيه أطراف الكتب الستة مع معلقات البخاري وشمائل الترمذي والمراسيل لأبي داود وعمل اليوم والليلة للنسائي.
ثم جاء العلامة ابن حجر فألف كتابه (إتحاف المهرة بالفوائد المبتكرة) فجمع أطراف كل من: موطأ مالك ومسند الشافعي ومسند أحمد مع زوائد ابنه والدارمي وابن الجارود وابن خزيمة والحاكم وابن حبان وأبي عوانة والدارقطني وشرح معاني الآثار للطحاوي.
المنهج الثاني: جمع الأحاديث بحسب موضوعاتها، وهذا على ثلاث درجات:
الأول: أحاديث الصحيحين والسنن وقد جمعها ابن الأثير في كتابه "جامع الأصول" كما جمع البوصيري زوائد ابن ماجه في "مصباح الزجاجة".
বাতিলপন্থীদের সংশয়সমূহ ও বিভ্রান্তদের ভুলত্রুটি দূর করতে এবং মহান আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লার দীনের প্রতি গভীর মমতা ও আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাহর সুরক্ষায় ইমামগণ বর্ণনাকারীদের সমালোচনা ও নির্ভরযোগ্যতা (জারহ ও তাদীল) নির্ণয়ে সচেষ্ট হন।
পবিত্র সুন্নাহর সংরক্ষণের পূর্ণতা দানের লক্ষ্যে আল্লাহ এই উম্মতের জন্য এমন সব ব্যক্তিত্বকে নিয়োজিত করেছেন যারা নববী হাদীসসমূহ সংকলন করেছেন। ফলে 'জাওয়ামে'সমূহ সংকলিত হয়েছে, 'সিহাহ' (সহীহ হাদীসগ্রন্থ) পরিমার্জিত হয়েছে, 'মুসনাদ'সমূহ সম্পাদিত হয়েছে, 'সুনান'সমূহ বিন্যস্ত হয়েছে, 'মু’জাম'সমূহ রচিত হয়েছে, হাদীসের 'আজযা' (অংশসমূহ) প্রকাশিত হয়েছে, 'ফাওয়াইদ' (উপকারিতা) সংকলিত হয়েছে, 'আমালি' (বক্তৃতা নোট) লিপিবদ্ধ হয়েছে, 'মাশয়াখাত' (উস্তাদদের তালিকা)-এর প্রতি যত্ন নেওয়া হয়েছে, 'মুস্তাদরাকাত'-এর প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে এবং 'মুস্তাখরাজাত' রচনায় সৃজনশীল পাণ্ডিত্য প্রদর্শন করা হয়েছে।
এভাবে অসংখ্য সনদের মাধ্যমে হাদীসসমূহ সংকলিত হয়েছে, যার ফলে মানুষের সংকল্পের দুর্বলতা এবং সনদের দীর্ঘতার কারণে এর সামগ্রিক রূপ আয়ত্ত করা কেবল বিরল প্রতিভাধর ইমামগণ ব্যতীত অন্যদের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
আর এ প্রেক্ষাপটেই উম্মতের জন্য সুন্নাহর জ্ঞানকে সহজলভ্য করার আকাঙ্ক্ষা জাগ্রত হয়। এর ফলে এই বিষয়ে অনেক উৎকৃষ্ট কাজ ও মহান গ্রন্থাবলি আত্মপ্রকাশ করে, যা মূলত দুটি পদ্ধতি অবলম্বন করেছে:
প্রথম পদ্ধতি: হাদীসসমূহকে তাদের শুরুর অংশ (আতরাফ) অনুযায়ী মুসনাদ ভিত্তিক বিন্যাসে সংকলন করা। এই শ্রেণির একটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো ইমাম মিযযী-র 'তুহফাতুল আশরাফ', যেখানে তিনি কুতুবে সিত্তাহ (ছয়টি প্রধান হাদীসগ্রন্থ), বুখারীর মুআল্লাকাত, তিরমিযীর শামায়িল, আবু দাউদের মারাসীল এবং নাসায়ীর 'আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ' এর আতরাফ একত্রিত করেছেন।
অতঃপর আল্লামা ইবনে হাজার তাঁর 'ইতিহাফুল মাহারা বিল ফাওয়াইদিল মুবতাকারা' গ্রন্থটি রচনা করেন। এতে তিনি ইমাম মালেকের মুয়াত্তা, ইমাম শাফিয়ীর মুসনাদ, ইমাম আহমদের মুসনাদ ও তাঁর পুত্রের বর্ণিত অতিরিক্ত হাদীসসমূহ, দারেমী, ইবনুল জারুদ, ইবনে খুযাইমাহ, হাকিম, ইবনে হিব্বান, আবু আওয়ানা, দারা কুতনী এবং তহাবীর 'শারহু মাআনিল আসার'-এর আতরাফসমূহ একত্রিত করেছেন।
দ্বিতীয় পদ্ধতি: হাদীসসমূহকে তাদের বিষয়বস্তু অনুযায়ী সংকলন করা। এটি তিন স্তরে বিন্যস্ত:
প্রথম স্তর: সহীহাইন (বুখারী ও মুসলিম) এবং সুনান গ্রন্থসমূহের হাদীসসমূহ। ইবনুল আসীর তাঁর 'জামেউল উসুল' গ্রন্থে এগুলো সংকলন করেছেন। ঠিক যেমনটি বুসীরী ইবনে মাজাহ-র অতিরিক্ত হাদীসসমূহ (যাওয়াইদ) 'মিসবাহুয যুজাজাহ' গ্রন্থে একত্রিত করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ৭)
الثاني: أحاديث المسانيد المشهورة والمعاجم حيث قام الهيثمي بجمع زوائد أحمد وأبي يعلى والبزار في مسانيدهم والطبراني في معاجمه الثلاثة في كتاب "مجمع الزوائد".
الئاك: بقية المسانيد مثل مسند مسدد وأحمد بن منيع، وابن أبي شيبة، وابن أبي عمر، وعبد بن حميد، وإسحاق بن راهوية، وأبي داود الطيالسي، والحميدي، والحارث بن أبي أسامة.
وقد انبرى لجمع زوائد هذه الكتب كل من:
1 - العلامة المحقق الحافظ ابن حجر العسقلاني في كتابه "المطالب العالية".
2 - الحافظ البوصيري في كتابه "إتحاف الخيرة المهرة".
فإذا حصل طالب العلم هذه الكتب المهمة، فإنه قد حصل أصول الأحاديث النبوية التي قلما يتخلف عنها حديث.
وهذا القسم الأخير لم تطبع كتبه المسندة مع أهميتها البالغة حيث تتجلى أهميتها فيما يأتي:
1 - أنها مكملة العقد في الأحاديث النبوية، فباستكمالها يحصل لنا تكميل موسوعة أغلب الأحاديث النبوية.
2 - أن أغلب المسانيد التي جُمعت زوائدها في هذين الكتابين مفقودة اليوم فبنشر هذين الكتابين أو أحدهما نحفظ أصولها.
3 - أن القائم على تأليف هذين الكتابين إمامان لهما مكانتهما في علوم الشريعة عامة وفي علوم الحديث النبوي خاصة، فلهما من التدقيق والضبط ما يجعل القارئ يطمئن لكتابيهما وجمعهما.
দ্বিতীয়: প্রসিদ্ধ মুসনাদ ও মু'জামসমূহের হাদীসসমূহ, যেখানে আল-হাইসামী তাঁর "মাজমাউয যাওয়াইদ" গ্রন্থে আহমাদ, আবু ইয়ালা ও আল-বাযযার-এর মুসনাদসমূহ এবং তাবারানীর তিনটি মু'জামের অতিরিক্ত হাদীসগুলো (যাওয়াইদ) একত্রিত করেছেন।
তৃতীয়: অন্যান্য মুসনাদসমূহ যেমন—মুসাদ্দাদ, আহমাদ বিন মানী', ইবনে আবী শায়বাহ, ইবনে আবী উমার, আব্দ বিন হুমাইদ, ইসহাক বিন রাহওয়াইহ, আবু দাউদ আত-তায়ালিসী, আল-হুমাইদী এবং আল-হারিস বিন আবী উসামাহ-র মুসনাদ।
এই গ্রন্থগুলোর অতিরিক্ত হাদীসসমূহ (যাওয়াইদ) সংকলনের দায়িত্ব পালন করেছেন:
১ - আল্লামা মুহাক্কিক আল-হাফিয ইবনে হাজার আসকালানী তাঁর "আল-মাতালিবুল আলিয়া" গ্রন্থে।
২ - হাফিয আল-বূসীরী তাঁর "ইতহাফুল খিয়ারাতিল মাহারা" গ্রন্থে।
যদি ইলম অন্বেষণকারী এই গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থগুলো অর্জন করতে পারে, তবে সে নববী হাদীসের এমন মূল উৎসগুলো অর্জন করল, যা থেকে খুব কম হাদীসই বাদ পড়েছে।
এই শেষোক্ত অংশের মূল মুসনাদ গ্রন্থগুলো তাদের ব্যাপক গুরুত্ব থাকা সত্ত্বেও মুদ্রিত হয়নি। তাদের গুরুত্ব নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর মাধ্যমে ফুটে ওঠে:
১ - এগুলো নববী হাদীসসমূহের বিন্যাসকে পূর্ণতা দান করে। এগুলো অর্জনের মাধ্যমে আমাদের কাছে অধিকাংশ নববী হাদীসের একটি বিশ্বকোষ পূর্ণতা পায়।
২ - এই দুই গ্রন্থে যে মুসনাদগুলোর অতিরিক্ত হাদীস একত্রিত করা হয়েছে, সেগুলোর অধিকাংশ আজ বিলুপ্ত। তাই এই গ্রন্থ দুটি অথবা এদের যেকোনো একটি প্রকাশের মাধ্যমে আমরা সেগুলোর মূল উৎসগুলো সংরক্ষণ করতে পারি।
৩ - এই গ্রন্থ দুটির সংকলক হলেন এমন দুইজন ইমাম, শরীয়াহর জ্ঞানশাখায় সাধারণভাবে এবং হাদীসশাস্ত্রে বিশেষভাবে যাঁদের সুউচ্চ মর্যাদা রয়েছে। তাঁদের তাহকীক ও নির্ভুলতা এতটাই যে, তা পাঠককে তাঁদের গ্রন্থ ও সংকলনের প্রতি আশ্বস্ত করে।
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ৮)
4 - أن المؤلِّفَين قاما بالتعليق على أغلب الأحاديث النبوية التي وردت مما يعطي الثقة فيما ورد في الكتابين ويزيد فوائدهما.
5 - أنهما أبقيا الأسانيد بحيث يطمئن المرء إلى أحكامهما، ويحكم على أحاديثها ويساعد ذلك على نشر القدرة على نقد الأحاديث ودراسة الأسانيد.
6 - أن المسانيد مرتبة حسب الرواة من الصحابة مما يصعب معه العثور على حديث فيها، بينما هذه الكتب مرتبة حسب الأبواب الفقهية مما يجعل مراجعتها سهلة وميسرة.
وكان هذان الكتابان في قيد الإهمال حتى نشطت حركة التحقيق في العصر الحاضر من خلال الجامعات السعودية وغيرها فحققت بعض أجزاء كتاب البوصيري في الجامعة الإسلامية، وحقق كتاب ابن حجر في جامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية مما يجعل المرء يستحضر الدعاء لقادة المملكة العربية السعودية لاهتمامهم بإنشاء المراكز العلمية التي تعنى بذلك.
ومن هنا جاءت الرغبة شديدة في استكمال السلسلة الحديثية بطبع أحد هذين الكتابين، وتم اختيار كتاب المطالب العالية لأمور عديدة من أهمها:
1 - نقل ابن حجر رحمه الله فوائد عديدة من كتب مختلفة، بناء على تعمقه في علم الحديث واطلاعه على كثير من الكتب المؤلفة فيه، وكثير من هذه الكتب معدوم يعز وجوده، فطبع الكتاب ونشره إبقاء لهذه الفوائد، وتعريف بمصادرها.
2 - أن الحافظ ابن حجر له مكانة مرموقة في علم الحديث وله شهرة في ذلك أكثر من تلميذه البوصيري مما يجعل ثقة القراء فيه أكثر من البوصيري، وإن كان لكل منهما مكانته العالية، ومنزلته الرفيعة نسأل الله لهما الرحمة والمغفرة.
৪ - উভয় লেখকই বর্ণিত অধিকাংশ নববী হাদীসের ওপর টীকা প্রদান করেছেন, যা এই দুই কিতাবে বর্ণিত বিষয়সমূহের প্রতি নির্ভরযোগ্যতা দান করে এবং এগুলোর উপকারিতা বৃদ্ধি করে।
৫ - তাঁরা সনদসমূহ (বর্ণনাসূত্র) অক্ষুণ্ণ রেখেছেন যাতে মানুষ তাঁদের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আশ্বস্ত হতে পারে এবং এর হাদীসগুলোর ওপর বিচার-বিশ্লেষণ করতে পারে। এটি হাদীস সমালোচনা এবং সনদ পর্যালোচনার সক্ষমতা প্রসারে সহায়তা করে।
৬ - মাসানীদ গ্রন্থসমূহ সাহাবী রাবীগণের ক্রম অনুসারে বিন্যস্ত, যার ফলে সেখানে কোনো নির্দিষ্ট হাদীস খুঁজে বের করা কঠিন হয়; পক্ষান্তরে এই কিতাবগুলো ফিকহী অধ্যায় অনুযায়ী বিন্যস্ত, যা এগুলো অধ্যয়ন করা সহজ ও সাবলীল করে তোলে।
এই গ্রন্থদ্বয় অবহেলিত অবস্থায় ছিল, যতক্ষণ না বর্তমান যুগে সৌদি আরবের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পাণ্ডুলিপি সম্পাদনার আন্দোলন বেগবান হয়েছে। ফলে মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বুসীরীর কিতাবের কিছু অংশ সম্পাদিত হয়েছে এবং ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইবনে হাজারের কিতাবটি সম্পাদিত হয়েছে। এটি সৌদি আরব রাজ্যের নেতৃবৃন্দের জন্য দোয়া করতে উদ্বুদ্ধ করে, কারণ তাঁরা এই সংশ্লিষ্ট বৈজ্ঞানিক ও গবেষণা কেন্দ্রসমূহ প্রতিষ্ঠার প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন।
এখান থেকেই এই হাদীস-সিরিজটি পূর্ণ করার লক্ষ্যে এই দুই গ্রন্থের যেকোনো একটি ছাপানোর তীব্র আকাঙ্ক্ষা জাগ্রত হয়। বিভিন্ন কারণে 'আল-মাতালিবুল আলিয়া' কিতাবটি নির্বাচিত হয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো:
১ - ইবনে হাজার (রহিমাহুল্লাহ) হাদীস শাস্ত্রে তাঁর গভীর পাণ্ডিত্য এবং এই বিষয়ে রচিত বহু কিতাব সম্পর্কে তাঁর ব্যাপক জানাশোনার ভিত্তিতে বিভিন্ন গ্রন্থ থেকে অসংখ্য জ্ঞানগর্ভ তথ্য ও ফায়দা উদ্ধৃত করেছেন। এই কিতাবগুলোর অনেকগুলোই বর্তমানে বিলুপ্ত বা পাওয়া দুষ্কর। তাই এই কিতাবটি মুদ্রণ ও প্রকাশ করার অর্থ হলো সেই ফায়দাগুলোকে সংরক্ষণ করা এবং সেগুলোর মূল উৎসসমূহের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া।
২ - হাদীস শাস্ত্রে হাফেজ ইবনে হাজারের সুউচ্চ মর্যাদা রয়েছে এবং এ ক্ষেত্রে তাঁর খ্যাতি তাঁর ছাত্র বুসীরীর চেয়েও অধিক, যা পাঠকদের মনে বুসীরীর তুলনায় তাঁর প্রতি আস্থাকে আরও বাড়িয়ে দেয়; যদিও তাঁদের উভয়েরই রয়েছে সুউচ্চ মর্যাদা ও মহান অবস্থান। আমরা আল্লাহর কাছে তাঁদের উভয়ের জন্য রহমত ও মাগফিরাত প্রার্থনা করি।
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ৯)
3 - أن اطلاع ابن حجر فيما يظهر على الأحاديث النبوية أكثر من البوصيري، وكتاب كل منهما يعكس ثقافته.
4 - أن الحافظ ابن حجر ضابط لأحاديث هذه الكتب لأنه قد رواها عن مؤلفيها بالإسناد.
5 - أن ابن حجر أدق في أحكامه على الأحاديث من البوصيري، مع إيجاز لفظه، وقلة وهمه، وتمييزه للرواة الذين قد يُشتبه فيهم؛ وقد أدرك البوصيري ذلك فعرض كتابه على ابن حجر فعلق عليه عدة تعليقات.
6 - اقتصر البوصيري في كثير من الأحيان على زوائد الكتب التي ذكرها، بينما الحافظ ابن حجر أكثر من النقل من غيرها على سبيل التخريج أو التعليق أو الاستشهاد ونحو ذلك، وهذه النقولات هي من كتب لها قيمة علمية رفيعة ومن هنا يتميز عمل الحافظ بها على عمل البوصيري.
7 - أن البوصيري خرج زوائد هذه المسانيد على الكتب الستة، بينما ابن حجر خرج زوائدها على الستة وعلى مسند الإمام أحمد، مع أن الهيثمي قد خرج زوائد أحمد في مجمع الزوائد وفي غاية المقصد في زوائد المسند، فيكون عملهما في ذلك متكرراً، بينما الحافظ ابن حجر في المطالب لم يخرج زوائد هذه المسانيد الواردة في مسند الإمام أحمد اكتفاءَ بعمل الهيثمي، ومن هنا كان الإتحاف ضعف المطالب تقريباً.
8 - وقعت بعض الأوهام في كتاب البوصيري فجُعلت زوائد بعض المسانيد من زوائد مسند آخر.
9 - أن كتاب المطالب العالية قد استكمل تحقيقه من خلال الرسائل العلمية، بخلاف كتاب إتحاف المهرة.
3 - বাহ্যত প্রতীয়মান হয় যে, আল-বুসায়রীর তুলনায় ইবনে হাজারের নববী হাদিস সংক্রান্ত জ্ঞান অধিকতর এবং তাঁদের প্রত্যেকের গ্রন্থ তাঁদের নিজস্ব জ্ঞানতাত্ত্বিক পাণ্ডিত্যের প্রতিফলন ঘটায়।
4 - হাফেজ ইবনে হাজার এই গ্রন্থগুলোর হাদিসসমূহ সংরক্ষণে অত্যন্ত নির্ভুল, কারণ তিনি এগুলো তাঁদের মূল লেখকদের কাছ থেকে সনদসহ বর্ণনা করেছেন।
5 - ইবনে হাজার হাদিসের ওপর হুকুম প্রদানের ক্ষেত্রে আল-বুসায়রীর তুলনায় অধিক সূক্ষ্ম; তাঁর শব্দ চয়ন সংক্ষিপ্ত, ভুলভ্রান্তি নগণ্য এবং তিনি সন্দেহযুক্ত বর্ণনাকারীদের শনাক্ত করতে পারদর্শী। আল-বুসায়রী বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন, তাই তিনি তাঁর গ্রন্থটি ইবনে হাজারের কাছে পেশ করেন এবং ইবনে হাজার তাতে বেশ কিছু টীকা প্রদান করেন।
6 - আল-বুসায়রী অধিকাংশ ক্ষেত্রেই উল্লেখিত গ্রন্থগুলোর 'যাওয়াইদ' (অতিরিক্ত হাদিস) বর্ণনায় সীমাবদ্ধ ছিলেন, পক্ষান্তরে হাফেজ ইবনে হাজার তাখরিজ, টীকা প্রদান বা উদ্ধৃতি হিসেবে অন্যান্য উৎস থেকেও প্রচুর বর্ণনা গ্রহণ করেছেন। এই উদ্ধৃতিগুলো অত্যন্ত উচ্চমানের ইলমী গ্রন্থসমূহ থেকে সংগৃহীত, যার ফলে হাফেজের কর্মটি আল-বুসায়রীর কর্মের তুলনায় বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছে।
7 - আল-বুসায়রী কুতুবে সিত্তার বিপরীতে এই মাসানিদগুলোর 'যাওয়াইদ' বের করেছেন, আর ইবনে হাজার তা বের করেছেন কুতুবে সিত্তা ও মুসনাদে আহমাদ—উভয়টির বিপরীতে। যদিও হাইসামি 'মাজমাউয যাওয়াইদ' এবং 'গায়াতুল মাকসাদ ফি যাওয়াইদিল মুসনাদ'-এ মুসনাদে আহমাদের যাওয়াইদ সংকলন করেছিলেন, ফলে তাঁদের কাজ এক্ষেত্রে পুনরাবৃত্ত হয়েছে। তবে হাফেজ ইবনে হাজার 'আল-মাতালিব' গ্রন্থে হাইসামির কাজের ওপর নির্ভর করে মুসনাদে আহমাদে বিদ্যমান এই মাসানিদগুলোর যাওয়াইদ বের করেননি। এ কারণেই 'ইতহাফ' গ্রন্থের কলেবর 'মাতালিব'-এর প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
8 - আল-বুসায়রীর গ্রন্থে কিছু ভুলভ্রান্তি ঘটেছে, যার ফলে এক মুসনাদের যাওয়াইদ অন্য মুসনাদের যাওয়াইদ হিসেবে গণ্য হয়ে গেছে।
9 - 'আল-মাতালিবুল আলিয়া' গ্রন্থটি বিভিন্ন গবেষণামূলক অভিসন্দর্ভের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গরূপে সম্পাদিত হয়েছে, যা 'ইতহাফুল মাহারা' গ্রন্থের ক্ষেত্রে ঘটেনি।
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ১০)
10 - أن المنهج الذي سار عليه محققو كتاب المطالب في تحقيقهم له مميزات عديدة ويُظهر للقارىء فوائد جليلة.
11 - أن الحافظ قد يكرر بعض ألفاظ الحديث لمناسبته لأبواب مختلفة، ولا يورد في الباب إلَاّ ما يناسبه.
12 - إن كتاب الإمام البوصيري لم يوجد القسم المسند منه كاملاً بل وجد بعضه في نسخة وحيدة بينما نسخ المطالب المخطوطة متعددة.
13 - أن المطالب أحسن ترتيباً، وأجمل في التراجم.
وقد احتوى كتاب المطالب العالية على (5694) إسناداً لـ (4627) حديثاً فكان اختيار كتاب المطالب العالية لهذه الأسباب.
وكتاب المطالب العالية وجد له مختصر قام العلامة الشيخ حبيب الرحمن الأعظمي بطبعه بعد أن بذل فيه جهوداً في تحقيقه والحكم على بعض أحاديثه، إلَاّ أن هذا المختصر لا يغني عن أصل كتاب المطالب العالية للأسباب الآتية:
1 - أن هذا المختصر قد حذفت أسانيده، وحذف الأسانيد يفقد الكتاب شيئاً من عناصر أهميته، إذ بالإسناد يتم الحكم على الحديث فالإسناد من الدين، ولولا الإسناد لقال من شاء ما شاء.
2 - أن النسخة المجردة قد اختصرت من إحدى نسخ الكتاب الخطية (وهي النسخة التركية) وهذه النسخة لا تتفق مع باقي النسخ فيما يأتي:
(أ) هناك أحاديث كثيرة سقطت من هذه النسخة ووجدت في باقي النسخ، وهذه الأحاديث لم ترد في المختصر تبعاً للأصل الذي أخذ
منه.
(ب) هناك أبواب متتابعة سقطت من هذه النسخة وسقط ما فيها من أحاديث.
১০ - আল-মাতালিব গ্রন্থের মুহাক্কিকগণ (সম্পাদকগণ) তাদের সম্পাদনার ক্ষেত্রে যে পদ্ধতি অনুসরণ করেছেন, তার বহু বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং এটি পাঠকের সামনে মহান কিছু উপকারিতা প্রকাশ করে।
১১ - হাফেজ (ইবনে হাজার) কোনো হাদীসকে বিভিন্ন অধ্যায়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ার কারণে এর শব্দসমূহকে পুনরাবৃত্তি করে থাকতে পারেন, তবে তিনি কোনো নির্দিষ্ট অধ্যায়ে কেবল সেই অংশটুকুই উল্লেখ করেন যা তার সাথে মানানসই।
১২ - ইমাম আল-বুসিরীর গ্রন্থের মুসনাদ (সনদযুক্ত) অংশটি পূর্ণাঙ্গরূপে পাওয়া যায়নি, বরং এর কিছু অংশ মাত্র একটি পাণ্ডুলিপিতে পাওয়া গেছে; যেখানে আল-মাতালিব গ্রন্থের একাধিক পাণ্ডুলিপি বিদ্যমান।
১৩ - আল-মাতালিব গ্রন্থটি বিন্যাসের দিক থেকে অধিক উত্তম এবং এর অধ্যায়ের শিরোনামসমূহ (তারাজুম) অধিক সুন্দর।
আল-মাতালিব আল-আলিয়াহ গ্রন্থে ৪৬২৭টি হাদীসের জন্য ৫৬৯৪টি সনদ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, তাই এই কারণগুলোর ভিত্তিতে আল-মাতালিব আল-আলিয়াহ গ্রন্থটিকে নির্বাচন করা হয়েছে।
আল-মাতালিব আল-আলিয়াহ গ্রন্থের একটি সংক্ষিপ্ত রূপ (মুখতাসার) পাওয়া যায়, যা আল্লামা শেখ হাবীবুর রহমান আল-আজমী অত্যন্ত পরিশ্রমের সাথে এর তাহকীক ও কিছু হাদীসের মান নির্ণয় করে মুদ্রণ করেছেন। তবে নিম্নোক্ত কারণগুলোর জন্য এই সংক্ষিপ্ত রূপটি আল-মাতালিব আল-আলিয়াহ মূল গ্রন্থের বিকল্প হতে পারে না:
১ - এই সংক্ষিপ্ত রূপটি থেকে সনদসমূহ বিলুপ্ত করা হয়েছে। আর সনদ বিলোপ করা গ্রন্থের গুরুত্বের অন্যতম একটি উপাদানকে নষ্ট করে দেয়। কেননা সনদের মাধ্যমেই হাদীসের মান যাচাই করা হয়; আর সনদ তো দ্বীনের অন্তর্ভুক্ত, যদি সনদ না থাকত তবে যে কেউ যা ইচ্ছা তা-ই বলত।
২ - এই বিয়োজিত সংস্করণটি গ্রন্থের পাণ্ডুলিপিসমূহের মধ্য হতে কেবল একটি পাণ্ডুলিপি (যা তুর্কি পাণ্ডুলিপি) থেকে সংক্ষেপ করা হয়েছে। আর এই পাণ্ডুলিপিটি নিম্নোক্ত বিষয়গুলোতে অবশিষ্ট পাণ্ডুলিপিসমূহের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়:
(ক) এমন অনেক হাদীস রয়েছে যা এই পাণ্ডুলিপি থেকে পড়ে গেছে কিন্তু বাকি পাণ্ডুলিপিসমূহে পাওয়া গেছে। এই হাদীসগুলো যে মূল পাণ্ডুলিপি থেকে সংক্ষেপিত রূপটি তৈরি করা হয়েছে তাতে না থাকার কারণে এই সংক্ষিপ্ত সংস্করণেও আসেনি।
(খ) এখানে ধারাবাহিকভাবে বেশ কিছু অধ্যায় এই পাণ্ডুলিপি থেকে বাদ পড়েছে এবং সেই সাথে সেগুলোতে থাকা হাদীসগুলোও বাদ গেছে।
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ১১)
(ج) أن ترتيب الأحاديث في هذه النسخة ليس موافقاً لباقي النسخ وبالتالي فقد تجد فيها أحاديث ليست في مظانها، فإرجاع هذه الأحاديث -حسب ما ورد في النسخ الأخرى- أمر له أهميته.
(د) أن هذه النسخة منقولة عن أصل غير منقوط، مخالف للخط المعتاد ومن هنا اجتهد ناسخها في معرفة ألفاظ الكتاب ونقط حروفه، وقد أصاب في كثير من ذلك، ولكنه وقع في أخطاء ليست بالقليلة.
3 - أن فضيلة المحقق مع ما بذله من جهود مشكورة في الحكم على أحاديث الكتاب وقع في أوهام متعددة، ولعل مصدر ذلك هو متابعته للبوصيري في الإتحاف حيث قد وقع في بعض الأوهام، أو تقليده للهيثمي في مجمع الزوائد مع أن الهيثمي يتحدث عن إسناد، وابن حجر يتحدث عن إسناد مختلف عنه، على أن الهيثمي وقعت له بعض الأوهام.
4 - أن فضيلة المحقق لم يراجع الموجود من أصول تلك المسانيد ومن هنا وقع في إشكالات عدة في رواة الأحاديث وألفاظها.
5 - أنه يعزو إلى كتب موجودة متوفرة مثل مسند أحمد ومجتبى النسائي بالواسطة مثل مجمع الزوائد وكنز العمال وغيرهما.
ولأن كتاب "المطالب العالية" قد تتابعت عليه جهود خيرة الأمة في عصرنا الحاضر الذين يعدون من محدثي العصر بالإشراف على تحقيق الكتاب أو مناقشته بحيث شارك في ذلك أكثر من ثلاثين عالماً من أقطار شتى من أقطار المعمورة وبذلوا جهوداً في تقويمه وتصحيحه وأمضوا فيه أزمنة عديدة من أعمارهم، كما تتابع عليه سبعة عشر باحثاً من قارات شتى كل منهم له رغبة قوية في إخراج الكتاب ولديه ملكة علمية مدركة في علوم الحديث، فبذلوا فيه جهوداً مضنية في جمع مخطوطاته والبحث عن أصول المسانيد التي استخرج
(গ) এই পাণ্ডুলিপিতে হাদিসসমূহের বিন্যাস অন্যান্য পাণ্ডুলিপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, ফলে আপনি এতে এমন কিছু হাদিস পেতে পারেন যা তাদের প্রত্যাশিত স্থানে নেই। সুতরাং অন্যান্য পাণ্ডুলিপিতে যেভাবে বর্ণিত হয়েছে সেই অনুযায়ী এই হাদিসগুলোকে নিজ স্থানে ফিরিয়ে আনা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
(ঘ) এই পাণ্ডুলিপিটি এমন একটি মূল কপি থেকে নকল করা হয়েছে যাতে নুকতা (বর্ণের বিন্দু) ছিল না এবং যা প্রচলিত লিপি থেকে ভিন্ন ছিল। এই কারণে এর লিপিকার কিতাবের শব্দাবলি চিহ্নিত করতে এবং বর্ণগুলোতে নুকতা প্রদান করতে ইজতিহাদ (প্রচেষ্টা) করেছেন; তিনি এর অনেক ক্ষেত্রেই সফল হয়েছেন, তবে তিনি বেশ কিছু ভুলও করেছেন।
৩ - শ্রদ্ধেয় মুহাক্কিক (গবেষক) কিতাবের হাদিসগুলোর ওপর হুকুম প্রদানের ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় প্রচেষ্টা ব্যয় করা সত্ত্বেও বিভিন্ন ভুল-ভ্রান্তিতে পতিত হয়েছেন। সম্ভবত এর উৎস হলো 'আল-ইতহাফ'-এ বুসিরিকে অনুসরণ করা, যেখানে তিনি কিছু ভুল করেছেন; অথবা 'মাজমাউয যাওয়াইদ'-এ হাইসামিকে অনুকরণ করা, অথচ হাইসামি একটি সনদ নিয়ে আলোচনা করেন আর ইবনে হাজার তার থেকে ভিন্ন একটি সনদ নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়া হাইসামিও কিছু ভুল করেছেন।
৪ - শ্রদ্ধেয় মুহাক্কিক উক্ত মুসনাদসমূহের বিদ্যমান মূল উৎসগুলো পর্যালোচনা করেননি, যার ফলে তিনি হাদিসের বর্ণনাকারী এবং শব্দাবলির ক্ষেত্রে বেশ কিছু জটিলতায় পড়েছেন।
৫ - তিনি মুসনাদে আহমদ এবং নাসাঈর মুজতাবার মতো বিদ্যমান ও সহজলভ্য কিতাবসমূহের উদ্ধৃতি দিয়েছেন মাজমাউয যাওয়াইদ ও কানযুল উম্মালের মতো মধ্যস্থতাকারী কিতাবের মাধ্যমে।
যেহেতু "আল-মাতালিবুল আলিয়া" কিতাবটির ওপর বর্তমান যুগের উম্মাহর শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিবর্গের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে, যারা এই কিতাবের তাহকীক (সম্পাদনা) তত্ত্বাবধান বা পর্যালোচনার ক্ষেত্রে এই যুগের মুহাদ্দিস হিসেবে গণ্য। এতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ত্রিশ জনেরও বেশি আলেম অংশগ্রহণ করেছেন এবং তাঁরা এটি সংশোধন ও পরিমার্জনে প্রচেষ্টা ব্যয় করেছেন এবং তাঁদের জীবনের দীর্ঘ সময় এতে অতিবাহিত করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন মহাদেশের সতেরো জন গবেষক ধারাবাহিকভাবে এর ওপর কাজ করেছেন, যাদের প্রত্যেকেরই কিতাবটি প্রকাশের তীব্র আকাঙ্ক্ষা ছিল এবং হাদিসশাস্ত্রে তাদের গভীর পাণ্ডিত্য ছিল। ফলে তাঁরা এর পাণ্ডুলিপি সংগ্রহে এবং যে সকল মুসনাদ থেকে এটি সংকলিত হয়েছে সেগুলোর মূল উৎস অনুসন্ধানে কঠোর পরিশ্রম করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ১২)
الحافظ زوائدها وقارنوا بينها وقاموا بتحقيق الكتاب ومقابلة نسخه ودراسة أسانيده والحكم على أحاديثه وتخريجها وقد بذل كل منهم نحوا من ثلاث سنوات من عمره في ذلك، إلَاّ أنهم أخرجوا الكتاب من قائمة المخطوطات إلى قائمة الرسائل الجامعية المحدودة الاطلاع، ومن هنا تكونت لديَّ رغبة ملحة في طبع الكتاب ونشره بعد إشارة من الأخ الكريم الفاضل عبد الله بن ناصر الشثري وفقه الله فنظرت في جهد أصحاب الفضيلة المحققين فوجدته قد زخر بمعلومات قيمة وقد ألبسوا الكتاب ثوباً حسناً زاده جمالاً إلى جماله، وحسناً إلى حسنه، فاستعنت بالأخوين الناصحين الدكتور عبد الله التويجري والدكتور ناصر آل عبد الله في الاتصال بالباحثين الذين عملوا على تحقيق الكتاب فوجدت فيهما خير عون. ولما نظرت في جهود أولئك الباحثين في ذلك وجدت في بعضها بعض التكرار، ومن هنا حاولت تنسيقه من خلال الخطوات الآتية:
1 - قمت بجمع مقدمات المحققين التي تتعلق بدراسة المؤلف
أو الكتاب أو المسانيد أو أصحابها في جزء مستقل -هو هذا- فنسقت بين مقدمات الباحثين حتى ظهرت بهذا الشكل، وطريقة ترتيب هذه المقدمة موجودة في فهرس هذا الجزء فلا حاجة لذكرها هنا.
2 - هناك كلمات واضحة في أصل الكتاب قام بعض المحققين بشرحها فحذفت هذا الشرح، اكتفاءً بشهرة معنى تلك الكلمة.
3 - أخرت دراسة الإسناد فجعلتها في جزء مستقل في آخر الكتاب ونسقت بين كتابات الباحثين في ذلك بحيث نخرج بترجمة موجزة شاملة، فالرواة الذين يكون الكلام فيهم متحداً توثيقاً أو قدحاً ترجمت للراوي بذكر سنة ولادته ووفاته وبعض كلام الأئمة فيه وأشهر مشايخه وتلاميذه وخلاصة ما توصلت إليه بعد دراسة ما قيل فيه وذكر مراجع ترجمته ما استطعت إلى ذلك سبيلاً من خلال ما ترجمه به محققو الكتاب.
হাফিজ (ইবনে হাজার)-এর সংগৃহীত অতিরিক্ত হাদিসসমূহ, তাঁরা এগুলোর মধ্যে তুলনা করেছেন এবং গ্রন্থটির তাহকিক বা সম্পাদনা সম্পন্ন করেছেন। পাশাপাশি পাণ্ডুলিপিগুলোর পাঠান্তর তুলনা, এর সনদসমূহ পর্যালোচনা এবং হাদিসগুলোর ওপর হুকুম প্রদান ও সেগুলোর তাখরিজ করেছেন। তাঁদের প্রত্যেকেই এই কাজে নিজেদের জীবনের প্রায় তিন বছর ব্যয় করেছেন। তবে তাঁরা গ্রন্থটিকে পাণ্ডুলিপির তালিকা থেকে কেবল সীমিত পরিধির প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণাপত্রের তালিকায় নিয়ে এসেছিলেন। এখান থেকেই শ্রদ্ধেয় ও মহিমান্বিত ভাই আব্দুল্লাহ বিন নাসির আল-শাথরি—আল্লাহ তাঁকে তাওফিক দান করুন—এর ইঙ্গিতে গ্রন্থটি মুদ্রণ ও প্রকাশের এক তীব্র আকাঙ্ক্ষা আমার মাঝে তৈরি হয়। আমি সম্মানিত গবেষকদের শ্রমের ওপর দৃষ্টিপাত করলাম এবং একে মূল্যবান তথ্যে পরিপূর্ণ পেলাম। তাঁরা গ্রন্থটিকে একটি সুন্দর পোশাকে সজ্জিত করেছেন, যা এর সৌন্দর্যের ওপর সৌন্দর্য এবং উৎকর্ষের ওপর উৎকর্ষ বৃদ্ধি করেছে। আমি এই গ্রন্থটির তাহকিকের কাজে নিয়োজিত গবেষকদের সাথে যোগাযোগের জন্য দুই হিতৈষী ভাই ড. আব্দুল্লাহ আত-তুওয়াইজিরি এবং ড. নাসির আল-আব্দুল্লাহর সহায়তা গ্রহণ করি এবং তাঁদের মাঝে সর্বোত্তম সহযোগীর দেখা পাই। আমি যখন সেসব গবেষকদের প্রচেষ্টার প্রতি দৃষ্টিপাত করলাম, তখন সেগুলোর কোনো কোনো ক্ষেত্রে কিছুটা পুনরাবৃত্তি দেখতে পেলাম। সেখান থেকেই আমি নিম্নোক্ত পদক্ষেপসমূহের মাধ্যমে এর সমন্বয় সাধনের চেষ্টা করেছি:
১ - আমি গবেষকগণের ভূমিকাসমূহ—যা লেখক, গ্রন্থ, মুসনাদ অথবা সেগুলোর রচয়িতা সংক্রান্ত পর্যালোচনার সাথে সংশ্লিষ্ট ছিল—তা একটি স্বতন্ত্র খণ্ডে (যা এই খণ্ডটি) একত্রিত করেছি। অতঃপর গবেষকদের ভূমিকাগুলোর মধ্যে এমনভাবে সমন্বয় সাধন করেছি যাতে তা এই বর্তমান রূপ লাভ করে। এই ভূমিকার বিন্যাস পদ্ধতি এই খণ্ডের সূচিপত্রে দেওয়া আছে, তাই এখানে তা উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই।
২ - মূল গ্রন্থে এমন কিছু স্পষ্ট শব্দ ছিল যা কোনো কোনো গবেষক ব্যাখ্যা করেছিলেন; আমি সেই শব্দের অর্থের প্রসিদ্ধির ওপর নির্ভর করে সেই ব্যাখ্যাগুলো বাদ দিয়েছি।
৩ - আমি সনদসমূহের পর্যালোচনাকে শেষে নিয়ে গিয়েছি এবং একে গ্রন্থের শেষে একটি স্বতন্ত্র খণ্ডে স্থাপন করেছি। এই বিষয়ে গবেষকদের লেখাগুলোর মধ্যে এমনভাবে সমন্বয় করেছি যাতে একটি সংক্ষিপ্ত অথচ পূর্ণাঙ্গ পরিচিতি তুলে ধরা সম্ভব হয়। সুতরাং যেসব বর্ণনাকারীর (রাবি) ব্যাপারে নির্ভরযোগ্যতা বা দুর্বলতার দিক থেকে অভিন্ন বক্তব্য রয়েছে, আমি তাঁদের জন্ম ও মৃত্যুর সাল, তাঁদের সম্পর্কে ইমামগণের কিছু বক্তব্য, তাঁদের প্রসিদ্ধ শিক্ষক ও ছাত্রবৃন্দের নাম এবং তাঁদের নিয়ে পর্যালোচনার পর প্রাপ্ত সারসংক্ষেপ উল্লেখ করার মাধ্যমে বর্ণনাকারীর জীবনী প্রস্তুত করেছি। পাশাপাশি সাধ্যমতো তাঁদের জীবনীর তথ্যসূত্রগুলোও উল্লেখ করেছি, যা গ্রন্থটির গবেষকগণ তাঁদের সম্পাদনায় তুলে ধরেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ১৩)
أما من وقع فيه اختلاف بين الباحثين فيه فإني أورد أولاً رأي أكثر فيه وتعليلاتهم ثم أثني برأي الأقل مبينًا أسماء المحققين الذين خالفوا في ذلك وتعليلاتهم.
4 - ما ورد في تخريج الحديث والحكم عليه فإني أذكره كاملاً وأُغير فيه أرقام الإحالات إلى الأحاديث تبعاً للترقيم الجديد كما ألغي فيه الإشارة إلى التراجم وأحذف ما كان منه مكرراً في تخريج نفس الحديث.
5 - حذفت الفوائد الفقهية لكون الكتاب من المصادر الحديثية لا الفقهية، والقارئ فيه إنما هدفه معرفة الحديث ودرجته فلا داعي لتكبير حجم الكتاب بذكرها، ثم إن مناهج محققي الكتاب قد اختلفت في ذلك فمنهم من يتوسع توسعاً كبيراً وعنهم من يكتفي بإشارات في ذلك فتوحيداً للمنهج وحفاظًا على المعاني السابقة كان الرأي حذف هذه الفوائد الفقهية.
6 - بعض الباحثين لم يعتمد النسخة التركية ولا نسخة برنستون مع أن فيهما زوائد عديدة ولذلك قمت باستخراج الأحاديث الزائدة في هذه النسخة وإلحاقها في مكانها من أصل الكتاب مع إعطائها رقماً من الأرقام المتسلسلة للأحاديث ونبهت في الهامش على ذلك وأشرت إلى بعض مصادرها وأوردت نتفاً من كلام أهل العلم عليها.
7 - قمت بإعادة ترقيم أحاديث الكتاب بحيث يكون للكتاب ترقيم واحد من أوله إلى آخره.
8 - كما وضعت ترقيماً للأبواب داخل كل كتاب، وترقيماً لأسماء الكتب التي عنون بها المؤلف.
9 - سيكون في آخر الكتاب بإذن الله فهارس فنية تقرب لطلاب العلم طريق الاستفادة من هذا الكتاب.
আর যেসব বিষয়ে গবেষকদের মধ্যে মতভেদ ঘটেছে, সে ক্ষেত্রে আমি প্রথমে অধিকাংশের মত এবং তাদের স্বপক্ষে যুক্তিগুলো উল্লেখ করেছি। এরপর দ্বিতীয় পর্যায়ে আমি সংখ্যালঘিষ্ঠদের মত এবং এর সাথে যারা ভিন্নমত পোষণ করেছেন সেই গবেষকদের নাম ও তাদের দলিলাদি বর্ণনা করেছি।
৪ - হাদিসের তাখরিজ (উৎসনির্দেশ) এবং তার হুকুম বা মানের বিষয়ে যা বর্ণিত হয়েছে, তা আমি পূর্ণাঙ্গভাবে উল্লেখ করেছি। নতুন ক্রমিক নম্বর অনুযায়ী হাদিসের উদ্ধৃতির নম্বরগুলো পরিবর্তন করেছি। পাশাপাশি জীবনীগ্রন্থের সংকেতগুলো বাদ দিয়েছি এবং একই হাদিসের তাখরিজের ক্ষেত্রে যা পুনরাবৃত্তি হয়েছে তা মুছে দিয়েছি।
৫ - আমি ফিকহী মাসআলা বা উপকারিতাগুলো বাদ দিয়েছি, কারণ বইটি হাদিসের মূল উৎসগুলোর অন্তর্ভুক্ত, ফিকহ শাস্ত্রের নয়। এই বইয়ের পাঠকের মূল লক্ষ্য হলো হাদিস এবং তার মান সম্পর্কে জানা, তাই সেগুলো উল্লেখ করে বইয়ের কলেবর বৃদ্ধি করার কোনো প্রয়োজন নেই। এছাড়া এই কিতাবের পূর্ববর্তী গবেষকদের কর্মপদ্ধতিও এ ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন ছিল; তাদের মধ্যে কেউ কেউ অনেক বিস্তারিত আলোচনা করেছেন আবার কেউ কেউ কেবল ইশারা-ইঙ্গিত দিয়েই ক্ষান্ত হয়েছেন। তাই কর্মপদ্ধতির অভিন্নতা রক্ষা করতে এবং পূর্বোক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রেখে এই ফিকহী ফায়দাগুলো বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৬ - কিছু গবেষক তুর্কি পাণ্ডুলিপি বা প্রিন্সটন পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেননি, যদিও এই দুটিতে অনেক অতিরিক্ত হাদিস রয়েছে। এ কারণে আমি এই পাণ্ডুলিপিগুলোতে থাকা অতিরিক্ত হাদিসগুলো চয়ন করেছি এবং মূল কিতাবের সংশ্লিষ্ট স্থানে সেগুলো যুক্ত করেছি। সেই সঙ্গে সেগুলোকে হাদিসের ধারাবাহিক ক্রমিক নম্বর প্রদান করেছি এবং পাদটীকায় এ বিষয়ে অবগত করেছি। এছাড়া সেগুলোর কিছু উৎসের প্রতি ইঙ্গিত করেছি এবং সেগুলোর ওপর আলেমদের কিছু বক্তব্য তুলে ধরেছি।
৭ - আমি কিতাবের হাদিসগুলোর নতুন করে নম্বর বিন্যাস করেছি, যাতে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো কিতাবের একটি স্বতন্ত্র ও অভিন্ন ক্রমিক নম্বর থাকে।
৮ - একইভাবে প্রতিটি মূল অধ্যায়ের (কিতাব) অধীনে থাকা অনুচ্ছেদগুলোর (বাব) নম্বর দিয়েছি এবং লেখক যে সব মূল শিরোনামের নাম দিয়েছেন সেগুলোরও নম্বর প্রদান করেছি।
৯ - আল্লাহর ইচ্ছায় কিতাবের শেষে বিভিন্ন নির্ঘণ্ট বা সূচিপত্র সংযোজন করা হবে, যা জ্ঞানপিপাসু শিক্ষার্থীদের জন্য এই কিতাব থেকে উপকৃত হওয়ার পথকে সুগম করে দেবে।
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ১৪)
وقمت بعرض عملي في كل جزء على الباحث الذي قام بتحقيقه فما وافق عليه من ذلك تم اعتماده، وما رأى تعديله فإن رأي الباحث مقدم على رأي غيره في الجزء الذي قام بتحقيقه.
والعزم منعقد على إخراج الكتاب كاملاً بهذا الثوب القشيب.
وإن كان هناك من أجزاء الكتاب جزء امتنع محققه من الاشتراك معنا في إخراجه فسيتم تحقيقه مرة أخرى.
وقد تم عرض فكرة طبع الكتاب وطريقة العمل فيه على بعض أصحاب الفضيلة من علماء الحديث الذين لهم اتصال بالكتاب وقد وجهونا توجيهات قيمة وأرشدونا إرشادات متعددة وأذكر من هؤلاء صاحب الفضيلة الشيخ العلامة الدكتور محمود أحمد ميره عضو هيئة التدريس في كلية أصول الدين بالرياض جامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية وصاحب الفضيلة الشيخ العلامة الدكتور أحمد معبد عضو هيئة التدريس في الكلية المذكورة، فأسأل الله لهما وللجميع التوفيق لخَيري الدنيا والآخرة.
وقد تعاون معنا في هذا الكتاب تعاونًا خاصًا كل من المشايخ الدكتور عبد الله التويجري والدكتور ناصر آل عبد الله والشيخ عبد القادر بن عبد الكريم والشيخ قاسم القاسم والشيخ جمال صاولي والشيخ عثمان شوشان، كما أن مما يذكر فَيُشكر سرعة تجاوب كل من فضيلة الشيخ عبد الرحمن المدخلي والشيخ عمر إيمان أبو بكر والدكتورة أم عبد الله البدراني، وأختم بشكر كل من الشيخ سمير العمران والشيخ باسم عناية فأسأل الله للجميع العلم النافع والعمل الصالح.
كما أن الشكر موصول لحكومة المملكة العربية السعودية لجهودها المشكورة في إحياء العلم الشرعي من خلال إقامة الجامعات الشرعية ومنها
আমি প্রতিটি খণ্ডের কাজ সেই গবেষকের নিকট পেশ করেছি যিনি তা তাহকীক (সম্পাদনা) করেছেন; তিনি যা সমর্থন করেছেন তা গ্রহণ করা হয়েছে এবং তিনি যা সংশোধন করার প্রয়োজন মনে করেছেন, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট খণ্ডে অন্য কারো মতামতের চেয়ে সেই গবেষকের মতামতকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
এই সুন্দর আঙ্গিকে সম্পূর্ণ কিতাবটি প্রকাশ করার দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।
কিতাবের এমন কোনো খণ্ড যদি থাকে যার মুহাক্কিক (গবেষক) আমাদের সাথে এটি প্রকাশে অংশগ্রহণ করতে অসম্মতি জানিয়েছেন, তবে সেটি পুনরায় তাহকীক করা হবে।
কিতাবটি মুদ্রণের পরিকল্পনা এবং এতে কাজ করার পদ্ধতি সম্পর্কে এমন কিছু ফযীলতমান হাদীস বিশারদ আলেমদের নিকট উপস্থাপন করা হয়েছে যাঁদের এই কিতাবের সাথে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তাঁরা আমাদের মূল্যবান দিকনির্দেশনা ও নানাবিধ পরামর্শ প্রদান করেছেন। তাঁদের মধ্য থেকে আমি সম্মানীত শায়খ আল্লামা ডক্টর মাহমুদ আহমাদ মীরা-এর কথা উল্লেখ করছি, যিনি রিয়াদের ইমাম মুহাম্মাদ বিন সাউদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উসূলুদ্দীন অনুষদের শিক্ষক এবং সম্মানীত শায়খ আল্লামা ডক্টর আহমাদ মাবাদ, যিনি উক্ত অনুষদের শিক্ষক। আমি আল্লাহর নিকট তাঁদের জন্য এবং সকলের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের তাওফীক প্রার্থনা করছি।
এই কিতাবের কাজে আমাদের সাথে বিশেষভাবে সহযোগিতা করেছেন শায়খ ডক্টর আব্দুল্লাহ আত-তুওয়াইজরী, ডক্টর নাসের আল-আব্দুল্লাহ, শায়খ আব্দুল কাদির বিন আব্দুল কারীম, শায়খ কাসেম আল-কাসেম, শায়খ জামাল সাউলী এবং শায়খ উসমান শুশান। একইভাবে সম্মানীত শায়খ আব্দুর রহমান আল-মাদখালী, শায়খ উমর ঈমান আবু বকর এবং ডক্টর উম্মু আব্দুল্লাহ আল-বদরানীর দ্রুত সাড়াদানের বিষয়টি কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণযোগ্য। পরিশেষে শায়খ সামীর আল-উমরান এবং শায়খ বাসিম ইনায়াহ-কে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমি সকলের জন্য উপকারী ইলম ও নেক আমলের দুআ করছি।
পাশাপাশি সৌদি আরব সরকারের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি শরঈ জ্ঞান পুনরুজ্জীবনে তাদের প্রশংসনীয় প্রচেষ্টার জন্য, যা তারা শরঈ বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সম্পন্ন করছে, যার মধ্যে রয়েছে
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ১৫)
جامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية نسأل الله أن يبارك في هذه الجهود وأن يجعل التوفيق حليفاً لهذه المؤسسات.
والشكر موصول لوالدي الكريمين وأهل بيتي وأبنائي على ما وفّروه لي من جو علمي تمكنت فيه من إنجاز العمل في هذا الكتاب الذي تفضل الله علي بأن جعلني أتوجه إليه وأعانني على العمل فيه من خلال خدمة سنة نبينا المصطفى صلى الله عليه وسلم فالحمد لله أولاً وآخراً.
المنسق
سعَد بن ناصر الشثري
ইমাম মুহাম্মাদ বিন সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়। আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন এই প্রচেষ্টাসমূহকে বরকতময় করেন এবং এই প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সাফল্যকে সঙ্গী করে দেন।
আমার সম্মানিত পিতা-মাতা, পরিবারের সদস্য এবং সন্তানদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি, তারা আমাকে যে জ্ঞানতাত্ত্বিক পরিবেশ দান করেছেন তাতে আমি এই কিতাবের কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছি। আল্লাহ তাআলা আমার প্রতি অনুগ্রহ করেছেন যে তিনি আমাকে এই কার্যের প্রতি ধাবিত করেছেন এবং আমাদের নির্বাচিত নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহর খিদমতের মাধ্যমে এই কিতাবের কাজ করার তাওফিক দান করেছেন। সুতরাং আদি ও অন্তে সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য।
সমন্বয়ক
সাদ বিন নাসির আশ-শাসরি
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ১৭)
تنبيه على طبعة المطالب التي صدرت عن دار الوطنفي مراحل الطبع الأخيرة خرج في الأسواق طبعة لكتاب المطالب العالية صدرت عن دار الوطن بالرياض بتحقيق أبي بلال غنيم بن عباس بن غنيم وأبي تميم ياسر بن إبراهيم بن محمد فكدت أن أتوقف عن إخراج الكتب بحيث يستثمر الجهد في كتاب آخر، ولما قارنت الطبعة المذكورة بطبعتنا من خلال الأحاديث الأربعمائة وخمسين الواردة في أول الكتاب وجدت أن طبعتنا امتازت بمميزات عديدة ليست في الطبعة الأخرى مما جعلني أستمر في إخراج هذا الكتاب، ومن هذه المميزات التي اتصفت بها هذه الطبعة:
أولاً: أن هذه الطبعة امتازت باعتماد ثماني نسخ خطية كما هو مذكور في القسم الثالث من هذا الجزء، بينما اُعتمد في الطبعة الأخرى على ثلاث نسخ فقط.
ثانياً: امتازت هذه الطبعة بدراسة وافية عن الكتاب وعن المؤلف وعن أصول المسانيد التي اهتم الحافظ بجمع زوائدها.
ثالثاً: امتازت هذه الطبعة بدراسة الأحاديث وتخريجها تخريجاً مستفيضاً.
رابعاً: امتازت هذه الطبعة بالحكم على جميع أحاديث الكتاب حكماً مبنياً
দারুল ওয়াতান থেকে প্রকাশিত আল-মাতালিব-এর সংস্করণের ওপর সতর্কবার্তামুদ্রণের শেষ পর্যায়ে বাজারে আল-মাতালিবুল আলিয়া গ্রন্থের একটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়, যা রিয়াদের দারুল ওয়াতান থেকে আবু বিলাল গুনাইম বিন আব্বাস বিন গুনাইম এবং আবু তামীম ইয়াসির বিন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মাদ-এর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছিল। ফলে আমি বইটি প্রকাশ করা থেকে প্রায় বিরত হতে চেয়েছিলাম, যাতে এই শ্রম অন্য কোনো কিতাবের পেছনে ব্যয় করা যায়। কিন্তু যখন আমি উক্ত সংস্করণটিকে আমাদের সংস্করণের সাথে কিতাবের শুরুতে বর্ণিত সাড়ে চারশ হাদীসের মাধ্যমে তুলনা করলাম, তখন দেখলাম যে আমাদের সংস্করণটি এমন কিছু অনন্য বৈশিষ্ট্যের অধিকারী যা অন্য সংস্করণে নেই। আর এটাই আমাকে এই কিতাবটি প্রকাশ করা অব্যাহত রাখতে উদ্বুদ্ধ করেছে। এই সংস্করণের বৈশিষ্ট্যসমূহের মধ্যে রয়েছে:
প্রথমত: এই সংস্করণটি আটটি পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করার মাধ্যমে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছে, যেমনটি এই খণ্ডের তৃতীয় অংশে উল্লেখ করা হয়েছে; যেখানে অন্য সংস্করণটিতে মাত্র তিনটি পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করা হয়েছিল।
দ্বিতীয়ত: এই সংস্করণটি গ্রন্থ, গ্রন্থকার এবং সেই সব মূল মুসনাদ সম্পর্কে একটি পর্যাপ্ত অধ্যয়নের মাধ্যমে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছে, যেগুলোর অতিরিক্ত হাদীসসমূহ (যাওয়াঈদ) সংকলনের ব্যাপারে হাফিজ বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছিলেন।
তৃতীয়ত: এই সংস্করণটি হাদীসসমূহের গবেষণা এবং সেগুলোর বিস্তৃত উৎস নির্দেশের মাধ্যমে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছে।
চতুর্থত: এই সংস্করণটি গ্রন্থের সকল হাদীসের ওপর এমন মানদণ্ড বা হুকুম প্রদানের মাধ্যমে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছে যা ভিত্তি করে...
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ১৮)
على الاجتهاد من خلال دراسة الإسناد وملاحظة المتابعات والشواهد، وليس هذا الحكم ناتجاً عن تقليد لبعض العلماء.
خامساً: امتازت هذه الطبعة بتراجم رجال الإسناد في جزء مستقل في آخر الكتاب مع أن كثيراً منهم لا يكاد المتخصص أن يعثر على أي شيء عنهم لعدم الرواية عنهم في الكتب المشهورة.
سادساً: امتازت هذه الطبعة بعدم تكرار الأحاديث المتكررة، فإن النسخة التركية ليست على ترتيب النسخة المحمودية ومن هنا تكررت الأحاديث في الطبعة الأخرى لذلك فأشير في الموطن الأول إلى أن الحديث إنما وجد في إحدى النسخ، وفي الموطن الثاني أشير إلى أنه لم يوجد إلَاّ في النسخة الأخرى.
ومن أمثلة ذلك:
1 - حديث (258) مع حديث (350).
2 - حديث (259) مع حديث (349).
سابعاً: امتازت هذه الطبعة بالإشارة إلى فروق النسخ مع الدقة في ذلك، فمثلاً في المقدمة التي كتبها الحافظ أشير في هذه الطبعة إلى (108) فرقاً؛ بينما في الطبعة الأخرى لم يشر فيها إلَاّ إلى (19) فرقاً.
ثامناً: امتازت هذه الطبعة بتصحيح الأخطاء التي وقع فيها النساخ؛ وقد فات الكثير من ذلك في الطبعة الأخرى ومن أمثلته ما يأتي:
1 - سقط في المطبوعة رجل من إسناد المؤلف إلى ابن أبي عمر مذكور في (سد) وفي المعجم لابن حجر.
2 - أثبت في حديث (2): "سعيد" أخذاً من (مح)، وصوابه: "شعبة" كما في باقي النسخ وإتحاف المهرة.
সনদ পর্যালোচনা এবং মুতাবাআত ও শাওয়াহিদ (সমর্থক বর্ণনা) পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে গবেষণার (ইজতিহাদ) ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে; এই হুকুম বা সিদ্ধান্ত কোনো নির্দিষ্ট আলেমদের অন্ধ অনুকরণের (তাকলিদ) ফলাফল নয়।
পঞ্চম: এই সংস্করণের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো কিতাবের শেষে একটি স্বতন্ত্র খণ্ডে সনদে বর্ণিত বর্ণনাকারীদের জীবনী প্রদান করা হয়েছে; যদিও তাঁদের মধ্যে এমন অনেকে রয়েছেন যাদের সম্পর্কে প্রসিদ্ধ কিতাবসমূহে বর্ণনা না থাকার কারণে একজন বিশেষজ্ঞের পক্ষেও তাঁদের কোনো তথ্য খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।
ষষ্ঠ: এই সংস্করণের বৈশিষ্ট্য হলো পুনরাবৃত্ত হাদিসগুলোর পুনরাবৃত্তি পরিহার করা। যেহেতু তুর্কি পাণ্ডুলিপিটি মাহমুদিয়া পাণ্ডুলিপির বিন্যাস অনুযায়ী নয়, তাই অন্য সংস্করণে হাদিসগুলো বারবার এসেছে। ফলে প্রথম স্থানে নির্দেশ করা হয়েছে যে হাদিসটি কেবল একটি পাণ্ডুলিপিতে পাওয়া গেছে এবং দ্বিতীয় স্থানে নির্দেশ করা হয়েছে যে এটি শুধুমাত্র অন্য পাণ্ডুলিপিতে পাওয়া গেছে।
এর উদাহরণ হলো:
১ - হাদিস (২৫৮) এর সাথে হাদিস (৩৫০)।
২ - হাদিস (২৫৯) এর সাথে হাদিস (৩৪৯)।
সপ্তম: এই সংস্করণের বৈশিষ্ট্য হলো অত্যন্ত সূক্ষ্মতার সাথে পাণ্ডুলিপিগত পার্থক্যসমূহ নির্দেশ করা। উদাহরণস্বরূপ, হাফেজ লিখিত ভূমিকায় এই সংস্করণে (১০৮)টি পার্থক্যের কথা উল্লেখ করা হয়েছে; অথচ অন্য সংস্করণে মাত্র (১৯)টি পার্থক্যের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
অষ্টম: এই সংস্করণের বৈশিষ্ট্য হলো লিপিকারদের কৃত ভুলসমূহ সংশোধন করা; যার অনেক কিছুই অন্য সংস্করণে বাদ পড়ে গিয়েছিল। এর কিছু উদাহরণ নিম্নরূপ:
১ - মুদ্রিত কপিতে লেখকের সনদ থেকে ইবনে আবি উমর পর্যন্ত একজন বর্ণনাকারী বাদ পড়ে গিয়েছিল, যা 'সাদ' পাণ্ডুলিপিতে এবং ইবনে হাজরের 'আল-মু'জাম'-এ উল্লিখিত আছে।
২ - ২ নম্বর হাদিসে 'মাহ' পাণ্ডুলিপির ভিত্তিতে 'সাঈদ' শব্দটি বহাল রাখা হয়েছে, তবে সঠিক হলো 'শু'বাহ', যা অন্যান্য পাণ্ডুলিপি এবং 'ইতিহাফুল মাহারা'-তে বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ১৯)
3 - في حديث (72): في النسخ: "مطر"، وصوابه: "فطر" كما في إتحاف المهرة.
4 - في حديث (114): في النسخ: "إسحاق عن ابن يسار"، وصوابه: "إسحاق بن يسار".
5 - في حديث (119): في النسخ: "أبو الجوزاء"، والصواب: "أبو الحواري"، وفي (ك): "الحوراء".
6 - في حديث (123): في النسخ: "منصور بن مهران"، وصوابه: "ميمون بن مهران".
7 - في حديث (125): في النسخ: "داود عن خالد"، وصوابه: "داود ثنا حماد عن خالد".
8 - في حديث (159): في النسخ: "أبو عاصم عن محمد"، وصوابه: "أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ مُحَمَّدِ"، وأشار لذلك في الهامش ولم يثبته في صلب الكتاب.
9 - في حديث (157): في النسخ: "الأزدي"، وصوابه: "الأذرمي".
10 - في حديث (165): في النسخ: "ابن أبي راشد"، وصوابه: "ابن راشد".
11 - في حديث (217): في (مح): "بخمس دنانير" فأثبته كذلك، والصواب ما في النسخ الأخرى: "بخمس دينار".
12 - في حديث (226): في النسخ: "الإيلي"، وصوابه: "الأبلي".
13 - في حديث (265): أثبت "عن أبي مهاجر"، وصوابه: "عن مهاجر".
14 - في حديث (270): أثبت "إسماعيل بن إبراهيم"، وصوابه: "إبراهيم بن إسماعيل".
৩ - ৭২ নম্বর হাদিসে: পাণ্ডুলিপিগুলোতে রয়েছে: "মাতর", এবং এর সঠিক রূপ হলো: "ফিতর" যেমনটি ইতহাফুল মাহারা-তে রয়েছে।
৪ - ১১৪ নম্বর হাদিসে: পাণ্ডুলিপিগুলোতে রয়েছে: "ইসহাক ইবনে ইয়াসার থেকে", এবং এর সঠিক রূপ হলো: "ইসহাক বিন ইয়াসার"।
৫ - ১১৯ নম্বর হাদিসে: পাণ্ডুলিপিগুলোতে রয়েছে: "আবু আল-জাওযা", এবং সঠিক রূপ হলো: "আবু আল-হাওয়ারি", আর (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "আল-হাওরা"।
৬ - ১২৩ নম্বর হাদিসে: পাণ্ডুলিপিগুলোতে রয়েছে: "মানসুর বিন মিহরান", এবং এর সঠিক রূপ হলো: "মায়মুন বিন মিহরান"।
৭ - ১২৫ নম্বর হাদিসে: পাণ্ডুলিপিগুলোতে রয়েছে: "দাউদ খালিদ থেকে", এবং এর সঠিক রূপ হলো: "দাউদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হাম্মাদ থেকে, তিনি খালিদ থেকে"।
৮ - ১৫৯ নম্বর হাদিসে: পাণ্ডুলিপিগুলোতে রয়েছে: "আবু আসিম মুহাম্মাদ থেকে", এবং এর সঠিক রূপ হলো: "আবু আসিম ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি মুহাম্মাদ থেকে", এবং তিনি টীকায় এর প্রতি ইঙ্গিত করেছেন কিন্তু কিতাবের মূল পাঠে এটি সংশোধন করেননি।
৯ - ১৫৭ নম্বর হাদিসে: পাণ্ডুলিপিগুলোতে রয়েছে: "আল-আজদি", এবং এর সঠিক রূপ হলো: "আল-আজরমি"।
১০ - ১৬৫ নম্বর হাদিসে: পাণ্ডুলিপিগুলোতে রয়েছে: "ইবনে আবি রাশিদ", এবং এর সঠিক রূপ হলো: "ইবনে রাশিদ"।
১১ - ২১৭ নম্বর হাদিসে: (মুহা) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "পাঁচ দিনার দিয়ে" এবং তিনি এভাবেই এটি সাব্যস্ত করেছেন, অথচ সঠিক রূপ হলো অন্য পাণ্ডুলিপিগুলোতে যা রয়েছে: "পাঁচ দিনার দিয়ে"।
১২ - ২২৬ নম্বর হাদিসে: পাণ্ডুলিপিগুলোতে রয়েছে: "আল-আইলি", এবং এর সঠিক রূপ হলো: "আল-উবুল্লি"।
১৩ - ২৬৫ নম্বর হাদিসে: "আবু মুহাজির থেকে" সাব্যস্ত করা হয়েছে, অথচ এর সঠিক রূপ হলো: "মুহাজির থেকে"।
১৪ - ২৭০ নম্বর হাদিসে: "ইসমাইল বিন ইব্রাহিম" সাব্যস্ত করা হয়েছে, অথচ এর সঠিক রূপ হলো: "ইব্রাহিম বিন ইসমাইল"।
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ২০)
15 - في حديث (272): أثبت "بكر بن عبد الله"، وصوابه: "بن عبد الرحمن".
16 - في حديث (289) سقط شيخ ابن أبي شيبة "عبد الله بن نمير" فلم يُنتبه له.
17 - أثبت في حديث (295): "عيينة"، وصوابه: عقبة كما في التاريخ الكبير (1/ 306).
18 - حديث (360): في الأصل: "عن شعيب"، وصوابه: "شعبة" كما في النسخ الأخرى.
19 - حديث (362) [8]،: أثبته "قطبة بن عبد العزيز"، وصوابه: "قطبة بن العلاء".
20 - حديث (405): أثبته "أبو سعيد" من (مح)، والصواب ما في (ك): "أبو سعد".
21 - حديث (408): أثبته "سفيان والأشجعي" من (مح)، وفي باقي النسخ: "سفيان أو الأشجعي" ولم يشر لها مع أنها الصواب.
22 - ورد خطأ في الإسناد من حديث (445)، ففيها: "ثنا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِي يحيى الأسلمي"، وصوابه: "ثنا عبد الله بن أبي يحيى الأسلمي".
تاسعاً: امتازت طبعتنا بذكر بداية أوراق المخطوط في جميع النسخ بحيث يسهل الرجوع إليها عند الحاجة لذلك، بينما لم يذكر إلَاّ بدايات أوراق المخطوطة المحمودية في طبعة دار الوطن.
عاشراً: أسقط المحقق بعض الأحاديث التي وردت في بعض نسخ الكتاب ومن أمثلة ذلك ما يأتي:
1 - حديث رقم (134) في نسختنا.
১৫ - হাদিস (২৭২)-এ: "বকর বিন আব্দুল্লাহ" সাব্যস্ত করা হয়েছে, কিন্তু এর সঠিক হলো: "বিন আব্দুর রহমান"।
১৬ - হাদিস (২৮৯)-এ ইবনে আবি শায়বার শায়খ "আব্দুল্লাহ বিন নুমাইর" বাদ পড়ে গেছেন, যার প্রতি লক্ষ্য করা হয়নি।
১৭ - হাদিস (২৯৫)-এ সাব্যস্ত করা হয়েছে: "উয়াইনা", কিন্তু এর সঠিক হলো: "উকবা", যেমনটি 'আত-তারিখুল কাবীর' (১/ ৩০৬)-এ রয়েছে।
১৮ - হাদিস (৩৬০): মূলে রয়েছে: "শুয়াইব থেকে", কিন্তু এর সঠিক হলো: "শু'বা", যেমনটি অন্যান্য পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে।
১৯ - হাদিস (৩৬২) [৮]: একে "কুতবা বিন আব্দুল আজিজ" হিসেবে সাব্যস্ত করা হয়েছে, কিন্তু এর সঠিক হলো: "কুতবা বিন আল-আলা"।
২০ - হাদিস (৪০৫): (মাহ) পাণ্ডুলিপি থেকে একে "আবু সাঈদ" সাব্যস্ত করা হয়েছে, অথচ সঠিক হলো যা (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "আবু সাদ"।
২১ - হাদিস (৪০৮): (মাহ) পাণ্ডুলিপি থেকে একে "সুফিয়ান ও আল-আশজায়ি" সাব্যস্ত করা হয়েছে, অথচ বাকি পাণ্ডুলিপিগুলোতে রয়েছে: "সুফিয়ান অথবা আল-আশজায়ি", এবং তিনি এর প্রতি ইঙ্গিত করেননি যদিও এটিই সঠিক।
২২ - হাদিস (৪৪৫)-এর সনদে একটি ভুল পরিলক্ষিত হয়েছে, এতে রয়েছে: "আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন আব্দুল্লাহ, তিনি আবু ইয়াহইয়া আল-আসলামি থেকে", আর এর সঠিক হলো: "আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আবু ইয়াহইয়া আল-আসলামি"।
নবমতঃ আমাদের এই সংস্করণটির বিশেষত্ব হলো এতে সকল পাণ্ডুলিপির পৃষ্ঠার শুরু উল্লেখ করা হয়েছে যাতে প্রয়োজনে সহজেই সেখানে ফিরে যাওয়া যায়, অথচ দারুল ওয়াতান সংস্করণে শুধুমাত্র মাহমুদিয়া পাণ্ডুলিপির পৃষ্ঠাগুলোর শুরু উল্লেখ করা হয়েছে।
দশমতঃ মুহাক্কিক কিছু হাদিস বাদ দিয়েছেন যা কিতাবটির কিছু পাণ্ডুলিপিতে বর্ণিত হয়েছে, তার উদাহরণ হলো নিম্নরূপ:
১ - হাদিস নম্বর (১৩৪) যা আমাদের পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ২১)
2 - باب بناء المساجد وتوسيعها.
حادي عشر: أعطي الحديث الواحد بجميع طرقه رقما واحداً في طبعتنا مع الإشارة لأرقام الطرق المندرجة في كل حديث، بينما في الطبعة الأخرى قد يتم إعطاء كل طريق من طرق الحديث الواحد أرقاماً مستقلة، ومن أمثلة ذلك:
1 - رقم (103) و (104).
2 - رقم (109) و (110).
3 - رقم (126) و (127).
4 - رقم (181) و (182).
5 - رقم (263) و (264).
ثاني عشر: حاول محققو الكتاب الاجتهاد في تصحيح الكتاب فقاموا بتحريف بعض الألفاظ فيه ومن أمثلة ذلك:
1 - ورد في (ص 52) من مقدمة الحافظ: "الويري" فلم يعرفوا هذا اللقب فحرفوه إلى "الويرج".
2 - في حديث رقم (64): "سنان بن حبيب"، فحرفاه إلى "سليمان عن أبي حبيب".
ثالث عشر: امتازت طبعتنا بالإشارة إلى فروق مصنف ابن أبي شيبة في الأحاديث التي من زوائده في الهامش، وفي الطبعة الأخرى ألحق المحققان فروق المصنف في الأحاديث الزائدة المستخرجة من مسند ابن أبي شيبة في صلب الكتاب ومن أمثلة ذلك زيادة لفظ: "وكفيه" من المصنف على ما في المطالب في صلب الكتاب، مع أنه لا يلزم من كون مؤلف الكتابين المسند والمصنف واحداً اتفاق ألفاظ الحديثين.
২ - মসজিদ নির্মাণ ও এর প্রশস্তকরণ অধ্যায়।
একাদশ: আমাদের এই সংস্করণে প্রতিটি হাদিসকে তার সকল সূত্রসহ একটি মাত্র নম্বর প্রদান করা হয়েছে এবং প্রতিটি হাদিসের অধীনে অন্তর্ভুক্ত সূত্রগুলোর নম্বরের দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। পক্ষান্তরে অন্য সংস্করণে একটি হাদিসের প্রতিটি সূত্রকে পৃথক পৃথক নম্বর প্রদান করা হতে পারে; এর কয়েকটি উদাহরণ নিম্নরূপ:
১ - নম্বর (১০৩) এবং (১০৪)।
২ - নম্বর (১০৯) এবং (১১০)।
৩ - নম্বর (১২৬) এবং (১২৭)।
৪ - নম্বর (১৮১) এবং (১৮২)।
৫ - নম্বর (২৬৩) এবং (২৬৪)।
দ্বাদশ: কিতাবটির গবেষকগণ কিতাবটি সংশোধনের ক্ষেত্রে ইজতিহাদ করার চেষ্টা করতে গিয়ে এর কিছু শব্দ বিকৃত করে ফেলেছেন। এর কয়েকটি উদাহরণ নিম্নরূপ:
১ - হাফেজের মুকাদ্দিমার ৫২ পৃষ্ঠায় এসেছে: "আল-ওয়াইরি"; কিন্তু তারা এই উপাধিটি চিনতে না পেরে একে "আল-ওয়াইরাজ" শব্দে বিকৃত করেছেন।
২ - ৬৪ নম্বর হাদিসে আছে: "সিনান ইবনে হাবিব", কিন্তু তারা দু'জন একে "সুলাইমান, আবু হাবিব থেকে" শব্দে বিকৃত করেছেন।
ত্রয়োদশ: আমাদের সংস্করণটি ইবনে আবি শায়বার মুসান্নাফ-এর অতিরিক্ত হাদিসগুলোর পাঠভেদগুলো টীকাতে উল্লেখ করার মাধ্যমে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছে। অন্যদিকে অন্য সংস্করণে গবেষকদ্বয় মুসনাদে ইবনে আবি শায়বা থেকে সংগৃহীত অতিরিক্ত হাদিসগুলোর পাঠভেদ মূল পাঠের মধ্যেই সংযুক্ত করেছেন। এর একটি উদাহরণ হলো: 'মাতালিব'-এ যা আছে তার ওপর মুসান্নাফ থেকে "এবং তাঁর দুই কবজি" শব্দটির সংযোজন মূল পাঠে অন্তর্ভুক্ত করা; অথচ মুসনাদ ও মুসান্নাফ উভয় গ্রন্থের লেখক একই ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বেও উভয় গ্রন্থের হাদিসের শব্দাবলি এক হওয়া আবশ্যক নয়।
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ২২)
رابع عشر: وقعت بعض الأخطاء في قراءة المخطوط عندهما، ومن أمثلة ذلك ما يأتي:
1 - في حديث (51): ذكرا أن في (ك): "المسيبي"، والذي فيها: "المسني".
2 - في حديث (98): ذكرا أن في (هـ): "بقية"، والذي فيها: "قتيبة".
3 - في حديث (107) [2]: في جميع النسخ: "سمعت"، فأثبتا: "سمعته".
4 - في حديث (111): في جميع النسخ: "الجزاز"، فأثبتا: "الخزاز".
5 - في حديث (164): في جميع النسخ: "ثنا ابن لهيعة"، وفي (مح) كأنها: "عن"، ومع ذلك أثبت: "عن" ولم يشر إلى فروق النسخ الأخرى.
6 - في حديث (168): في (مح) و (ك): "عبد الله"، بدل: "عبيد الله" ولم يشر لذلك.
7 - لم يتمكن من قراءة المخطوط (1/ 203)، باب متى يقام إلى الصلاة.
8 - حديث (295): نسب لـ (ك): "عيينة"، والذي فيها "عنبسة".
خامس عشر: كما وقع بعض الخلل عندهما في نسبة الأحاديث الزائدة لأصحابها كما في حديث رقم (305)، جعل من مسند مسدد وهو في الحقيقة من مسند ابن أبي شيبة، كما في (ك) والإتحاف.
سادس عشر: قام المحققان بتعديل بعض ألفاظ الكتاب خلافاً للنسخ المعتمدة ولم يُشر إلى ذلك ومن أمثلته:
1 - حديث رقم (70): في النسخ: "حفص بن غياث بن أبي داود"،
فصححاه إلى: "حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ ثنا حَفْصُ بْنُ أَبِي داود".
2 - حديث رقم (74): في النسخ: "ابن حسين"، فأثبتاها: "ابن أبي حسين".
চতুর্দশ: তাদের দুজনের পাণ্ডুলিপি পাঠের ক্ষেত্রে কিছু ভুল সংঘটিত হয়েছে, এর উদাহরণসমূহ নিম্নরূপ:
১ - ৫১ নং হাদিসে: তারা উল্লেখ করেছেন যে (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "আল-মুসাইয়্যেবী", অথচ তাতে রয়েছে: "আল-মাসনী"।
২ - ৯৮ নং হাদিসে: তারা উল্লেখ করেছেন যে (হা) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "বাকিয়্যাহ", অথচ তাতে রয়েছে: "কুতাইবাহ"।
৩ - ১০৭ নং হাদিসে [২]: সকল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "আমি শুনেছি", কিন্তু তারা সাব্যস্ত করেছেন: "আমি তা শুনেছি"।
৪ - ১১১ নং হাদিসে: সকল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "আল-জাযযায", কিন্তু তারা সাব্যস্ত করেছেন: "আল-খাযযায"।
৫ - ১৬৪ নং হাদিসে: সকল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "ইবনে লাহিয়াহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন", এবং (মীম হা) পাণ্ডুলিপিতে এটি "হতে" (আন) এর মতো মনে হয়; তাসত্ত্বেও তিনি "হতে" সাব্যস্ত করেছেন এবং অন্যান্য পাণ্ডুলিপির পার্থক্যের দিকে কোনো ইঙ্গিত করেননি।
৬ - ১৬৮ নং হাদিসে: (মীম হা) এবং (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "আবদুল্লাহ", "উবাইদুল্লাহ" এর পরিবর্তে, এবং তিনি এর প্রতি কোনো ইঙ্গিত করেননি।
৭ - পাণ্ডুলিপির (১/২০৩) অংশটি পাঠ করতে সক্ষম হননি, পরিচ্ছেদ: সালাতের জন্য কখন দাঁড়াতে হয়।
৮ - ২৯৫ নং হাদিস: (কাফ) পাণ্ডুলিপির দিকে সম্বন্ধ করেছেন: "উয়াইনাহ", অথচ তাতে রয়েছে "আনবাসাহ"।
পঞ্চদশ: অতিরিক্ত হাদিসগুলোকে তাদের মূল সংকলকদের দিকে সম্বন্ধ করার ক্ষেত্রেও তাদের কিছু ত্রুটি হয়েছে, যেমন ৩০৫ নং হাদিসে; একে মুসনাদে মুসাদ্দাদ-এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, অথচ বাস্তবে এটি মুসনাদে ইবনে আবি শাইবাহ-এর অন্তর্ভুক্ত, যেমনটি (কাফ) এবং আল-ইতহাফ গ্রন্থে রয়েছে।
ষোড়শ: গবেষকদ্বয় নির্ভরযোগ্য পাণ্ডুলিপিগুলোর বিপরীতে কিতাবের কিছু শব্দ পরিবর্তন করেছেন এবং এর প্রতি কোনো ইঙ্গিত করেননি, এর উদাহরণসমূহ:
১ - ৭০ নং হাদিস: পাণ্ডুলিপিগুলোতে রয়েছে: "হাফস ইবনে গিয়াস ইবনে আবি দাউদ",
কিন্তু তারা একে সংশোধন করে করেছেন: "হাফস ইবনে গিয়াস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাফস ইবনে আবি দাউদ"।
২ - ৭৪ নং হাদিস: পাণ্ডুলিপিগুলোতে রয়েছে: "ইবনে হুসাইন", কিন্তু তারা সাব্যস্ত করেছেন: "ইবনে আবি হুসাইন"।
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ২৩)
3 - (ص 440) من الجزء الأول أثبت: "الإقامة"، والذي في المخطوط: "الإمام".
سابع عشر: مع قلة الأخطاء في الطبعة المذكورة إلَاّ أن منها ما هو مؤثر ومن ذلك:
1 - في حديث (435): تحريف لآية: "ابتدعوها ما كتبناها"، حيث أثبت (واو) قبل (ما).
2 - حديث (444) فيه: "حدثنا يزيد ثنا شعبة، وعلق عليه بأنه في (ك): "سهل"، يعني بدل: "يزيد" بينما هي بدل: "شعبة".
ثامن عشر: مع أن محققي الكتاب اعتمدا النسخة المحمودية أصلاً، إلَاّ أنه ورد فيها فروق مؤثرة لم يشر إليها، ومن أمثلة ذلك ما يأتي:
1 - ففي حديث (42): ورد في (مح): "معاذ بن أوس"، بدل: "وقاء بن إياس" ولم يشيرا إلى ما في الأصل.
2 - في حديث (89): قال في (هـ): "عمر"، وفي (ك): "عمرو"، ولم يُذكر ما في الأصل.
3 - في حديث (120): في (مح): "زحمويه بن صالح"، وأثبت: "زحمويه حدثني صالح" ولم يشر لـ (مح).
4 - في حديث (177): في (مح): "ثنا ابن فضيل"، وأثبت: "ثنا فضيل" ولم يشر لذلك.
5 - في حديث (251): فيها: "عاين"، بدل: "عائذ".
6 - في حديث (253): فيها: "غر من"، بدل: "عرس".
7 - في حديث (293): فيها: "صلاته"، بدل: "صلاتكم".
8 - في حديث (333): فيها: "بن عمر"، بدل: "بن عثمان".
৩ - প্রথম খণ্ডের ৪৪০ পৃষ্ঠায় সাব্যস্ত করা হয়েছে: "আল-ইকামা", আর যা পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "আল-ইমাম"।
সতেরো: উল্লিখিত সংস্করণে ভুলের পরিমাণ কম হওয়া সত্ত্বেও এর মধ্যে এমন কিছু ভুল রয়েছে যা প্রভাব বিস্তারকারী, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
১ - হাদিস নম্বর ৪৩৫-এ: একটি আয়াতের বিকৃতি ঘটেছে: "ইবতাদা'উহা মা কাতাবনাহা", যেখানে "মা"-এর আগে একটি (ওয়াও) যুক্ত করা হয়েছে।
২ - হাদিস নম্বর ৪৪৪-এ রয়েছে: "ইয়াজিদ আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন, শু'বা আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন", এবং এর ওপর টীকায় বলা হয়েছে যে (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে এটি: "সাহল" রয়েছে; অর্থাৎ এটি "ইয়াজিদ"-এর পরিবর্তে, অথচ এটি মূলত "শু'বা"-এর পরিবর্তে হবে।
আঠারো: যদিও কিতাবটির গবেষকদ্বয় মাহমুদিয়া পাণ্ডুলিপিকে মূল উৎস হিসেবে গ্রহণ করেছেন, তবুও এতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য বিদ্যমান যা উল্লেখ করা হয়নি। তার কিছু উদাহরণ নিম্নরূপ:
১ - হাদিস নম্বর ৪২-এ: (মিম-হা) পাণ্ডুলিপিতে এসেছে: "মুয়াজ বিন আওস", যা "ওয়াকা বিন ইয়াস"-এর পরিবর্তে; কিন্তু তারা মূলে যা আছে তা উল্লেখ করেননি।
২ - হাদিস নম্বর ৮৯-এ: (হা) পাণ্ডুলিপিতে বলা হয়েছে: "উমর", আর (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "আমর", কিন্তু মূলে যা আছে তা উল্লেখ করা হয়নি।
৩ - হাদিস নম্বর ১২০-এ: (মিম-হা) পাণ্ডুলিপিতে আছে: "জাহমুয়াইহ বিন সলিহ", কিন্তু বইটিতে সাব্যস্ত করা হয়েছে: "জাহমুয়াইহ, সলিহ আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন" এবং সেখানে (মিম-হা) পাণ্ডুলিপির পাঠের কথা উল্লেখ করা হয়নি।
৪ - হাদিস নম্বর ১৭৭-এ: (মিম-হা) পাণ্ডুলিপিতে আছে: "ইবনে ফুদাইল আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন", আর বইটিতে সাব্যস্ত করা হয়েছে: "ফুদাইল আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন" এবং এর প্রতি কোনো ইঙ্গিত করা হয়নি।
৫ - হাদিস নম্বর ২৫১-এ: সেখানে রয়েছে: "আ'য়িন", যা "আ'য়িজ"-এর পরিবর্তে।
৬ - হাদিস নম্বর ২৫৩-এ: সেখানে রয়েছে: "গুররা মিন", যা "উরস"-এর পরিবর্তে।
৭ - হাদিস নম্বর ২৯৩-এ: সেখানে রয়েছে: "সলাতুহু" (তার সালাত), যা "সলাতুকুম" (তোমাদের সালাত)-এর পরিবর্তে।
৮ - হাদিস নম্বর ৩৩৩-এ: সেখানে রয়েছে: "ইবনে উমর", যা "ইবনে উসমান"-এর পরিবর্তে।
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ২৪)
9 - في حديث (404): فيها: "عمي"، بدل: "عمر".
تاسع عشر: كذلك ورد في (هـ) العمرية فروق مؤثرة ولم يشر لها، ومن أمثلة ذلك:
1 - في حديث (227): فيها: "سليمان"، بدل: "سفيان".
2 - في حديث (232): فيها: "بشير"، بدل: "نصير".
3 - في حديث (251): فيها: "عابداً"، بدل: "عائذ".
4 - في حديث (253): فيها: "غر من"، بدل: "عرس".
5 - في حديث (295): فيها: "صلاته"، بدل: "صلاتكم".
6 - في حديث (308): فيها زيادة: "عن عبد الله".
7 - في حديث (333): فيها: "الضحاك بن عمر"، بدل: "بن عثمان".
8 - في حديث (404): فيها: "عمي"، بدل: "عمر".
9 - في حديث (91): فيها: "عبد الرحمن"، بدل: "عبد الرحيم".
عشرون: كذلك ورد في نسخة (ك) فروق مؤثرة ولم يشر المحققان لها، مثلة ذلك ما يأتي:
1 - في حديث (47): ورد في (ك): "ربيعة"، بدل: "زمعة" ولم يشر له.
2 - في حديث (47): ورد في (ك): "خديج"، بدل: "مدلج".
3 - في حديث (79): أسقط في (ك): "ثنا"، وقال: "جارية"، بدل: "حارثة".
4 - في حديث (93): في (ك): "مصعب بن أبي عمر"، فأثبتا: "مصعب قال رأى ابن عمر".
5 - في حديث (100): جاء في (ك): "سري"، بدل: "سيرين".
৯ - হাদীস নং (৪০৪)-এ: এতে রয়েছে: "আম্মী", "উমর"-এর পরিবর্তে।
ঊনবিংশ: একইভাবে (হা) উমরিয়া পাণ্ডুলিপিতেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়েছে যা তিনি উল্লেখ করেননি, তার কিছু উদাহরণ হলো:
১ - হাদীস নং (২২৭)-এ: এতে রয়েছে: "সুলাইমান", "সুফিয়ান"-এর পরিবর্তে।
২ - হাদীস নং (২৩২)-এ: এতে রয়েছে: "বাশীর", "নাসীর"-এর পরিবর্তে।
৩ - হাদীস নং (২৫১)-এ: এতে রয়েছে: "আবিদ", "আইজ"-এর পরিবর্তে।
৪ - হাদীস নং (২৫৩)-এ: এতে রয়েছে: "গুর মান", "উরস"-এর পরিবর্তে।
৫ - হাদীস নং (২৯৫)-এ: এতে রয়েছে: "সালাতুহু", "সালাতুকুম"-এর পরিবর্তে।
৬ - হাদীস নং (৩০৮)-এ: এতে অতিরিক্ত বৃদ্ধি রয়েছে: "আবদুল্লাহ থেকে"।
৭ - হাদীস নং (৩৩৩)-এ: এতে রয়েছে: "দাহহাক বিন উমর", "বিন উসমান"-এর পরিবর্তে।
৮ - হাদীস নং (৪০৪)-এ: এতে রয়েছে: "আম্মী", "উমর"-এর পরিবর্তে।
৯ - হাদীস নং (৯১)-এ: এতে রয়েছে: "আবদুর রহমান", "আবদুর রহীম"-এর পরিবর্তে।
বিংশ: একইভাবে 'কাফ' (ক) পাণ্ডুলিপিতেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য বিদ্যমান রয়েছে যা গবেষকদ্বয় নির্দেশ করেননি, তার উদাহরণ নিম্নরূপ:
১ - হাদীস নং (৪৭)-এ: 'কাফ' (ক) পাণ্ডুলিপিতে এসেছে: "রাবী'আহ", "জাম'আহ"-এর পরিবর্তে এবং তিনি এটি নির্দেশ করেননি।
২ - হাদীস নং (৪৭)-এ: 'কাফ' (ক) পাণ্ডুলিপিতে এসেছে: "খাদীজ", "মুদলিয"-এর পরিবর্তে।
৩ - হাদীস নং (৭৯)-এ: 'কাফ' (ক) পাণ্ডুলিপিতে "সানা" (বর্ণনা করেছেন) শব্দটি বাদ পড়েছে, এবং বলা হয়েছে: "জারিয়াহ", "হারিসাহ"-এর পরিবর্তে।
৪ - হাদীস নং (৯৩)-এ: 'কাফ' (ক) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "মুসআব বিন আবি উমর", অথচ তারা সাব্যস্ত করেছেন: "মুসআব বলেছেন, তিনি ইবনে উমরকে দেখেছেন"।
৫ - হাদীস নং (১০০)-এ: 'কাফ' (ক) পাণ্ডুলিপিতে এসেছে: "সারী", "সীরীন"-এর পরিবর্তে।
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ২৫)
6 - في حديث (113): في (ك): "عبد العزيز بن يعلى المري"، بدل: "عبد الله بن مغفل المزني".
7 - في حديث (123): في (ك): "عن ابن جسرة"، بدل: "عمن أخبره".
8 - في حديث (165): في (ك): "سفيان بن فروخ"، بدل: "شيبان".
9 - في حديث (183): في (ك): "المقبرى"، بدل: "المقرىء" و"حيوة"، بدل: "خيرة".
10 - في حديث (255): في (ك): "عبد الله بن موسى"، بدل: "عبيد الله بن موسى".
11 - في حديث (382): زاد في (ك): "مرفوعا"، فلم يثبتها ولم يشر لها في الهامش.
الحادي والعشرون: في هذه الطبعة تمت الإشارة لمخالفة نسخة (ك) للنسخ الأخرى في الترتيب بخلاف الطبعة الأخرى، فلم يشر فيها لذلك ومن أمثلته:
1 - حديث (102).
2 - حديث (135).
3 - حديث (260).
4 - باب فضل الذكر تقدم على باب الأوقات المنهي عن الصلاة فيها.
الثاني والعشرون: سقط من نسخة (ك) أشياء كثيرة لم يُشر في تلك الطبعة إلى سقوطها منها، ومن أمثلة ذلك ما يأتي:
1 - تعليقات الحافظ على حديث رقم (4).
2 - الطريق الثالث من حديث رقم (55).
৬ - হাদিস (১১৩)-এ: (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে "আবদুল আজিজ বিন ইয়ালা আল-মুররি" রয়েছে, "আবদুল্লাহ বিন মুগাফফাল আল-মুজানি"-এর স্থলে।
৭ - হাদিস (১২৩)-এ: (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে "ইবনে জাসরাহ থেকে" রয়েছে, "যিনি তাকে সংবাদ দিয়েছেন তার থেকে"-এর স্থলে।
৮ - হাদিস (১৬৫)-এ: (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে "সুফিয়ান বিন ফাররুখ" রয়েছে, "শায়বান"-এর স্থলে।
৯ - হাদিস (১৮৩)-এ: (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে "আল-মুকরি"-এর স্থলে "আল-মাকবারি" এবং "খায়রাহ"-এর স্থলে "হায়ওয়াহ" রয়েছে।
১০ - হাদিস (২৫৫)-এ: (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে "আবদুল্লাহ বিন মুসা" রয়েছে, "উবাইদুল্লাহ বিন মুসা"-এর স্থলে।
১১ - হাদিস (৩৮২)-এ: (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে "মারফু হিসেবে" কথাটি বর্ধিত হয়েছে, কিন্তু তিনি তা সাব্যস্ত করেননি এবং পাদটীকায় এর প্রতি ইঙ্গিতও করেননি।
একুশতম: এই সংস্করণে অন্যান্য পাণ্ডুলিপির বিন্যাসের সাথে (কাফ) পাণ্ডুলিপির বৈপরীত্যের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে, যা অন্য সংস্করণের বিপরীত; কারণ তাতে এ বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। এর কিছু উদাহরণ হলো:
১ - হাদিস (১০২)।
২ - হাদিস (১৩৫)।
৩ - হাদিস (২৬০)।
৪ - জিকিরের ফজিলত অধ্যায়টি নামাজ নিষিদ্ধ হওয়ার সময়কাল সংক্রান্ত অধ্যায়ের আগে উপস্থাপিত হয়েছে।
বাইশতম: (কাফ) পাণ্ডুলিপি থেকে অনেক কিছু বাদ পড়েছে যা ওই সংস্করণে নির্দেশ করা হয়নি, তার কিছু উদাহরণ নিম্নরূপ:
১ - ৪ নম্বর হাদিসের ওপর হাফিজের মন্তব্যসমূহ।
২ - ৫৫ নম্বর হাদিসের তৃতীয় সূত্র।
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ২৬)
3 - حديث (85) سقط من (ك) بأكمله، ولم يشر لذلك.
4 - حديث (186) سقط من (ك).
5 - باب الأغسال الواجبة والمسنونة وفيه حديثان سقط بأكمله من (ك).
6 - حديث (218) سقط من (ك).
7 - حديث (219) سقط من (ك).
8 - حديث (221) سقط من (ك).
9 - باب فضل الصلاة سقط من (ك).
10 - باب ما يقول بعد الآذان سقط من (ك).
11 - باب قضاء الفوائت سقط من (ك) ولم يشر له.
12 - حديث (283) سقط من (ك).
13 - حديث (284) سقط من (ك).
14 - حديث (286) سقط من (ك).
15 - حديث (287) سقط من (ك).
16 - باب مراعاة الأوقات سقط من (ك).
الثالث والعشرون: أن الحافظ يحيل إلى مواطن متقدمة ومتأخرة من كتاب المطالب، وامتازت طبعتنا بذكر الموطن المحال عليه وذكر رقم الحديث واسم الباب والكتاب، وهذا ما لم يوجد في الطبعة الأخرى.
الرابع والعشرون: ورد في هوامش بعض النسخ تعليقات نفيسة ومع ذلك لم يشر المحققان لها، ومن أمثلة ذلك:
1 - في حديث (11) علق: "ليث بن أبي سليم ضعيف" فاغفلاه.
৩ - হাদিস (৮৫) সম্পূর্ণভাবে (কাফ) থেকে বাদ পড়েছে, এবং এর প্রতি কোনো ইঙ্গিত করা হয়নি।
৪ - হাদিস (১৮৬) (কাফ) থেকে বাদ পড়েছে।
৫ - ফরয ও সুন্নাত গোসলসমূহের অধ্যায় এবং এতে বিদ্যমান দুটি হাদিস সম্পূর্ণভাবে (কাফ) থেকে বাদ পড়েছে।
৬ - হাদিস (২১৮) (কাফ) থেকে বাদ পড়েছে।
৭ - হাদিস (২১৯) (কাফ) থেকে বাদ পড়েছে।
৮ - হাদিস (২২১) (কাফ) থেকে বাদ পড়েছে।
৯ - সালাতের ফযীলত অধ্যায়টি (কাফ) থেকে বাদ পড়েছে।
১০ - আযানের পর যা বলতে হয় সেই অধ্যায়টি (কাফ) থেকে বাদ পড়েছে।
১১ - ছুটে যাওয়া সালাত কাযা করার অধ্যায়টি (কাফ) থেকে বাদ পড়েছে এবং এর প্রতি ইঙ্গিত করা হয়নি।
১২ - হাদিস (২৮৩) (কাফ) থেকে বাদ পড়েছে।
১৩ - হাদিস (২৮৪) (কাফ) থেকে বাদ পড়েছে।
১৪ - হাদিস (২৮৬) (কাফ) থেকে বাদ পড়েছে।
১৫ - হাদিস (২৮৭) (কাফ) থেকে বাদ পড়েছে।
১৬ - ওয়াক্তসমূহের প্রতি খেয়াল রাখার অধ্যায়টি (কাফ) থেকে বাদ পড়েছে।
তেইশতম: হাফিয (ইবনে হাজার) আল-মাতালিব কিতাবের আগের ও পরের বিভিন্ন স্থানের উদ্ধৃতি দিয়েছেন। আমাদের এই সংস্করণটির বিশেষত্ব হলো, এতে উদ্ধৃত স্থানটির উল্লেখের পাশাপাশি হাদিস নম্বর, অধ্যায় ও কিতাবের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, যা অন্য সংস্করণে পাওয়া যায় না।
চব্বিশতম: কিছু পাণ্ডুলিপির পার্শ্বটীকায় মূল্যবান কিছু মন্তব্য এসেছে, কিন্তু তা সত্ত্বেও মুহাক্কিকদ্বয় সেগুলোর প্রতি কোনো ইঙ্গিত করেননি। তার উদাহরণ হলো:
১ - ১১ নম্বর হাদিসে মন্তব্য করা হয়েছে: "লায়স বিন আবি সুলাইম যয়ীফ (দুর্বল)", কিন্তু তারা দুজনেই বিষয়টি উপেক্ষা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ২৭)
2 - في حديث (13) علق: "إسماعيل بن مسلم- وهو ضعيف" فاغفلاه.
3 - في حديث (14) علق: "سمعان ليس بالقوي" فاغفلاه.
وما سبق هو في عُشر الكتاب الأول الذي يغلب على الظن أن الجهد المبذول فيه أكثر من الجهد المبذول فيما بعده، إذ إن الهمة والنشاط غالباً في أول الكتاب أعلى منها في آخره، والتعب والكلال في آخره أكثر منهما في أوله مما حدا بي إلى إتمام خطوات طباعة الكتاب، والمقصود طاعة الله عز وجل من خلال خدمة سنة نبيه محمد صلى الله عليه وسلم بإخراج كتاب المطالب صحيحاً سالمًا من الأخطاء والتحريفات والأوهام، وأسأل الله للجميع النية الحسنة، والعمل الصالح، والعلم النافع.
وصلى الله على نبينا محمد وعلى آله وصحبه وسلم.
حرره
د. سعد بن ناصر بن عبد العزيز الشثري
২ - ১৩ নং হাদীসে তিনি মন্তব্য করেছেন: "ইসমাঈল ইবন মুসলিম—তিনি যঈফ (দুর্বল)"; তবে তাঁরা তা উপেক্ষা করেছেন।
৩ - ১৪ নং হাদীসে তিনি মন্তব্য করেছেন: "সামআন শক্তিশালী রাবী নন"; তবে তাঁরা তা উপেক্ষা করেছেন।
আর যা পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে তা বইটির প্রথম দশমাংশের অন্তর্ভুক্ত, যার ব্যাপারে প্রবল ধারণা এই যে, এতে ব্যয়িত শ্রম পরবর্তী অংশের তুলনায় অনেক বেশি। কেননা সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী বইয়ের শুরুতে হিম্মত ও উদ্দীপনা শেষের তুলনায় বেশি থাকে, আর ক্লান্তি ও অবসাদ শুরুর তুলনায় শেষভাগে অধিক পরিলক্ষিত হয়। এই বিষয়টিই আমাকে বইটির মুদ্রণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পদক্ষেপ নিতে অনুপ্রাণিত করেছে। এর উদ্দেশ্য হলো আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার আনুগত্য করা—তাঁর নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহর খিদমতের মাধ্যমে—যাতে ‘আল-মাতালিব’ গ্রন্থটি ভুলত্রুটি, বিকৃতি ও বিভ্রম থেকে মুক্ত ও শুদ্ধ অবস্থায় প্রকাশ পায়। আমি আল্লাহর কাছে সকলের জন্য নেক নিয়ত, সৎ আমল এবং উপকারী ইলম প্রার্থনা করছি।
আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবীর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
সম্পাদনায়:
ড. সা’দ ইবন নাসির ইবন আব্দুল আজিজ আশ-শাতরি
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ২৯)
القسم الأول دراسة عن المؤلف والكتابوفيها فصلان:
الفصل الأول: دراسة عن المؤلف.
الفصل الثاني: دراسة عن الكتاب.
প্রথম অংশ: লেখক ও গ্রন্থ বিষয়ক গবেষণাএতে দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম পরিচ্ছেদ: লেখক পরিচিতি।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: গ্রন্থ পরিচিতি।
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ৩১)
الفصل الأول دراسة عن المؤلفوفيها المباحث التالية:
المبحث الأول: اسمه، ونسبه، ونسبته، ولقبه، وكنيته.
المبحث الثاني: مولده.
المبحث الثالث: نشأته وطلبه للعلم.
المبحث الرابع: رحلاته.
المبحث الخامس: الحافظ ابن حجر والقضاء.
المبحث السادس: ذكر أهمّ شيوخه.
المبحث السابع: أبرز تلاميذه.
المبحث الثامن: وفاته.
المبحث التاسع: ثناء العلماء عليه.
المبحث العاشر: ذكر كثرة مؤلفاته.
প্রথম অধ্যায়: লেখক সম্পর্কিত পর্যালোচনাএতে নিম্নোক্ত পরিচ্ছেদসমূহ রয়েছে:
প্রথম পরিচ্ছেদ: তাঁর নাম, বংশপরিচয়, নিসবত, উপাধি ও উপনাম।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: তাঁর জন্ম।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: তাঁর বেড়ে ওঠা ও জ্ঞান অন্বেষণ।
চতুর্থ পরিচ্ছেদ: তাঁর সফরসমূহ।
পঞ্চম পরিচ্ছেদ: হাফেজ ইবনে হাজার ও বিচারকার্য।
ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: তাঁর প্রধান শিক্ষকগণের বিবরণ।
সপ্তম পরিচ্ছেদ: তাঁর বিশিষ্ট ছাত্রগণ।
অষ্টম পরিচ্ছেদ: তাঁর ইন্তেকাল।
নবম পরিচ্ছেদ: তাঁর প্রশংসায় আলেমগণের উক্তি।
দশম পরিচ্ছেদ: তাঁর অধিক সংখ্যক রচনাবলির বিবরণ।
(খণ্ড: ১)
আল-মাতালিবুল আলিয়্যাহ মুহাক্কাকান
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
توطئةمن باب إفادة القارئ نذكر بعضاً من أهم المصنفات التي أفردت الحافظ ابن حجر بالترجمة، أو ذَكَرَتْهُ ضمناً:
1 - الجواهر والدرر في ترجمة شيخ الإسلام ابن حجر، لتلميذه الإمام السخاوي، وهو مجلد مخطوط تبلغ أوراقه نحو ثلاثمائة، وقد طبع منه الجزء الأول بتحقيق الدكتور طه الزيني، والدكتور حامد عبد المجيد، طبع لجنة إحياء التراث بمصر سنة 1406هـ.
2 - ابن حجر العسقلاني ودراسة مصنفاته ومنهجه وموارده في كتاب (الإصابة)، والكتاب دراسة وافية فريدة في بابها، أعدها محمود شاكر عبد المنعم ضمن رسالته في الدكتوراه، وطبع الجزء الأول منه بوزارة الأوقاف بالعراق سنة 1978 م.
3 - ابن حجر العسقلاني مؤرخا، وهي أطروحة أعدها الدكتور محمد كمال الدين عز الدين بالقاهرة، وطبعت بعالم الكتب سنة 1407 هـ.
4 - الحافظ ابن حجر العسقلاني أمير المؤمنين في الحديث، وهو بحث واف قام به الأستاذ عبد الستار الشيخ عن الحافظ ابن حجر، جاء فيما يزيد على ستمائة صفحة -من الحجم الوسط-، طبع بدار القلم سنة 1412هـ.
ভূমিকাপাঠকদের উপকারের সুবিধার্থে আমরা হাফেজ ইবনে হাজারের একক জীবনী বিষয়ক অথবা তাঁর সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক আলোচনা রয়েছে এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থের নাম উল্লেখ করছি:
১ - আল-জাওয়াহির ওয়া আল-দুরার ফি তারজামাত শায়খুল ইসলাম ইবনে হাজার; এটি তাঁর ছাত্র ইমাম সাখাভীর রচনা। এটি একটি পাণ্ডুলিপি সংকলন যার পৃষ্ঠা সংখ্যা প্রায় তিনশত। এর প্রথম খণ্ডটি ডক্টর ত্বহা আল-জাইনি এবং ডক্টর হামিদ আব্দুল মাজীদের তাহকীকে ১৪০৬ হিজরিতে মিসরের ঐতিহ্য পুনর্জাগরণ কমিটি কর্তৃক মুদ্রিত হয়েছে।
২ - ইবনে হাজার আসকালানি ওয়া দিরাসাতু মুসান্নাফাতিহি ওয়া মানহাজিহি ওয়া মাওয়ারিদিহি ফি কিতাবিল (ইসাবাহ); এই গ্রন্থটি নিজ বিষয়ে একটি অনন্য ও পূর্ণাঙ্গ গবেষণা। এটি মাহমুদ শাকির আব্দুল মুনঈম তাঁর ডক্টরেট থিসিসের অংশ হিসেবে প্রস্তুত করেছেন এবং ১৯৭৮ সালে ইরাকের ওয়াকফ মন্ত্রণালয় থেকে এর প্রথম খণ্ড মুদ্রিত হয়েছে।
৩ - ইবনে হাজার আসকালানি মুয়াররিখান; এটি কায়রোতে ডক্টর মুহাম্মদ কামালুদ্দীন ইযযুদ্দীন কর্তৃক প্রস্তুতকৃত একটি অভিসন্দর্ভ, যা ১৪০৭ হিজরিতে 'আলামুল কুতুব' থেকে প্রকাশিত হয়েছে।
৪ - আল-হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানি আমিরুল মুমিনীন ফিল হাদিস; এটি হাফেজ ইবনে হাজার সম্পর্কে উস্তাদ আব্দুস সাত্তার আল-শেখ কর্তৃক প্রণীত একটি বিস্তৃত গবেষণা। মাঝারি আকারের ছয়শতেরও বেশি পৃষ্ঠার এই গ্রন্থটি ১৪১২ হিজরিতে 'দারুল কলাম' থেকে প্রকাশিত হয়েছে।