(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: -)
شرح أبيات سيبويه القسم: النحو والصرف
الكتاب: شرح أبيات سيبويه
المؤلف: يوسف بن أبي سعيد الحسن بن عبد الله بن المرزبان أبو محمد السيرافي (ت 385هـ)
المحقق: الدكتور محمد علي الريح هاشم
راجعه: طه عبد الرءوف سعد
الناشر: مكتبة الكليات الأزهرية، دار الفكر للطباعة والنشر والتوزيع، القاهرة - مصر
عام النشر: 1394 هـ - 1974 م
عدد الأجزاء: 2
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 12 شعبان 1432
সিবওয়াইহ-এর কবিতাগুলোর ব্যাখ্যা বিভাগ: নাহু ও সরফ (ব্যাকরণ ও রূপতত্ত্ব)
গ্রন্থ: সিবওয়াইহ-এর কবিতাগুলোর ব্যাখ্যা
লেখক: ইউসুফ বিন আবি সাঈদ আল-হাসান বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-মারযুবান আবু মুহাম্মাদ আস-সিরাফী (মৃত্যু ৩৮৫ হিজরি)
তাহকীক: ড. মুহাম্মাদ আলী আল-রীহ হাশিম
নিরীক্ষক: ত্বহা আব্দুর রউফ সাদ
প্রকাশক: মাকতাবাতুল কুল্লিয়াত আল-আযহারিয়্যাহ, দারুল ফিকর মুদ্রণ, প্রকাশনা ও বিতরণ সংস্থা, কায়রো - মিশর
প্রকাশকাল: ১৩৯৪ হিজরি - ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ২
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ১২ শাবান ১৪৩২
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৩)
بسم الله الرحمن الرحيم
وبه نستعين
الحمد لله رب العالمين، والعاقبة للمتقين، والصلاة على محمد نبيه وآله الطيبين الطاهرين.
قال أبو محمد يوسف بن أبي سعيد بن عبد الله السيرافي:
الصفة المشبهة - تنوين معمولهاقال سيبويه في الكتاب باب حسن الوجه قال: ومما جاء منه منونا قول أبي زبيد:
وَأقْفَرَ الحِنْوُ إلاّ مِنْ تَواثبِهِ
… ومن فَريستِه جرّا وتَسْحابا
(كَأَنَّ أثوابَ تَقّادٍ قُدِرْنَ لهُ
… يعلو بخَمْلتها كهباَء هُدّابا
وصف أسدا، والحنو: موضع بعينه في هذا البيت، وتواثبه: وثبة على الناس وغيرهم وفريسته: ما يأخذ من الحيوان، و (جرا) مصدر منصوب بفعل محذوف تقديره: يجرها جرا، يعني الفريسة، و (تساحبا) مثله، كأنه قال: ويسحبها سحبا. ويجوز أن يكون الفعل المقدر الناصب - جرا) والناصب (تسحابا) في موضع الحال من الهاء التي أضيف التواثب إليها، فيكون موضعه نصبا لأنه في موضع الحال كأنه قال: ومن تواثبه ساحبا.
ويجوز أن يكون الفعل خبرا مستأنفا، فلا يكون له موضع من الإعراب، كأنه أخبر
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
এবং তাঁরই কাছে আমরা সাহায্য প্রার্থনা করি।
সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, এবং শুভ পরিণাম মুত্তাকীদের জন্য, আর দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর নবী মুহাম্মাদ ও তাঁর পবিত্র পরিচ্ছন্ন বংশধরদের ওপর।
আবু মুহাম্মাদ ইউসুফ ইবনে আবি সাঈদ ইবনে আব্দুল্লাহ আস-সিরাফী বলেন:
সিফাতে মুশাব্বাহ - এর মামূলের তানভীনসিবওয়াইহি তাঁর কিতাবের 'হাসানুল ওয়াজহি' (সুন্দর মুখমণ্ডল বিশিষ্ট) অধ্যায়ে বলেছেন: আর তানভীন সহকারে যা বর্ণিত হয়েছে তার অন্তর্ভুক্ত হলো আবু যুবাইদের উক্তি:
আর 'হিনউ' নির্জন হয়ে পড়েছে, কেবল তার লাফিয়ে পড়া... এবং তার শিকারকে টেনে নেওয়া ও হেঁচড়ে নেওয়ার চিহ্ন ব্যতীত।
(যেন 'তাক্কাদ' এর বস্ত্র তার জন্য পরিমাপ করা হয়েছে... যা তার ঘন ও দীর্ঘ পশমের আবরণে ধূসর বর্ণ ধারণ করেছে।)
তিনি একটি সিংহের বর্ণনা দিয়েছেন। 'হিনউ' হলো এই পঙক্তিতে উল্লিখিত একটি নির্দিষ্ট স্থানের নাম। 'তাওয়াসুবিহি' অর্থ হলো মানুষের ওপর বা অন্য কিছুর ওপর তার ঝাঁপিয়ে পড়া। 'ফারিসাতিহি' অর্থ হলো সে যে প্রাণীকে শিকার হিসেবে ধরে। আর (জাররান) শব্দটি একটি উহ্য ক্রিয়া দ্বারা নসবপ্রাপ্ত মাসদার, যার উহ্য রূপ হলো: সে একে প্রবলভাবে টেনে নিচ্ছে; অর্থাৎ শিকারটিকে। এবং (তাসহাবান) শব্দটিও অনুরূপ, যেন তিনি বলেছেন: এবং সে একে হেঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছে। এবং এটিও জায়েয যে, (জাররান) এবং (তাসহাবান) কে নসব প্রদানকারী উহ্য ক্রিয়াটি 'তাওয়াসুব' এর সাথে যুক্ত 'হা' সর্বনাম থেকে 'হাল' (অবস্থা) হিসেবে গণ্য হবে। এমতাবস্থায় এর স্থানটি নসব হবে যেহেতু এটি 'হাল'-এর স্থলাভিষিক্ত, যেন তিনি বলেছেন: এবং তার লাফিয়ে পড়ার সময় সে শিকারটিকে হেঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছিল।
আবার এটিও জায়েয যে, ক্রিয়াটি একটি প্রারম্ভিক বাক্য (খবরে মুস্তা'নাফ) হবে, সেক্ষেত্রে ব্যাকরণিক অবস্থানের (ইরাব) দিক থেকে এর কোনো নির্দিষ্ট স্থান থাকবে না, যেন তিনি নতুন করে সংবাদ দিচ্ছেন।
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৪)
بأنه يجر فريسته ويسحبها. هذان فرع من الكلام المتقدم.
ثم وصف شعر الأسد، وشبه لونه بلون ثياب النقاد. والنقاد صاحب الغنم، والنقد غنم صغار، وثياب النقاد غير شديدة الوسخ.
وقيل: إنه أراد أن النقاد عليه ثوب قد شمره، وشعر الأسد لا يكثر على قوائمه، فكأنه بمنزلة نقاد قد شمر ثيابه.
وقوله (فدرن له) أي جعلن له قدرا، وقدرت عليه. ويقال: قدرت الشيء من
التقدير. وجعله لأجل شعره بمنزلة النقاد الذي قد لبس قطيفة، وصير القطيفة أثوابه، وما عليه أثوابه، وجعل خملها ظاهرا. وهداب القطيفة: ما تدلى منها، وحواشيها أيضا اهدابها، والكهباء: التي بين السوداء والبيضاء. والكهبة: سواد يخلطه شيء من بياض.
وقوله: يعلو بخملتها، يريد إنه قد لبس القطيفة، وجعل الموضع الذي ليس فيه خمل مما يلي جسده، وجعل الموضع الذي فيه خمل ظاهرا، وإذ جعله ظاهرا فقد علا به. وفي (يعلو) ضمير يعود إلى النقاد، وهو في معنى يعلي خملتها، كقولك: ذهبت به وأذهبته.
و (كهباء) حال من الضمير الذي أضيفت الجملة إليه، والضمير يعود إلى الأثواب. ويجوز أن يكون حالا من النون في (قدرن) التي هي ضمير الثياب. ويجوز أن تكون (كهباء) من نعت الأثواب.
وكان الأصل فيه قبل النقل أن يكون (أكهب هدابها) لأن الهداب ذكر فلما نقل الضمير المؤنث الذي أضيف إليه الهداب عن موضعه وجعله في تقدير فاعل لأكهب؛ احتاج أن يجعل مكانه اللفظ الذي للمؤنث، لأنه جعل ضمير المؤنث فاعلا فصار كهباء في موضع اكهب. ومثله: مررت
যে সে তার শিকারকে টেনে নিয়ে যায় এবং হিঁচড়ে নিয়ে যায়। এই দুটি বিষয় পূর্বোক্ত আলোচনারই একটি শাখা।
এরপর সিংহের লোমের বর্ণনা দেয়া হয়েছে এবং এর রঙকে নাক্কাদের পোশাকের রঙের সাথে তুলনা করা হয়েছে। নাক্কাদ বলতে ভেড়ার মালিককে বোঝানো হয়, আর নাকাদ হলো ছোট ভেড়া। আর নাক্কাদের পোশাক খুব বেশি ময়লা হয় না।
এবং বলা হয়েছে: তিনি বুঝাতে চেয়েছেন যে, নাক্কাদের গায়ে এমন পোশাক রয়েছে যা তিনি গুটিয়ে রেখেছেন। সিংহের পায়ে খুব বেশি লোম থাকে না, তাই সে যেন এমন একজন নাক্কাদের স্তরে রয়েছে যে তার পোশাক গুটিয়ে রেখেছে।
আর তার উক্তি (ফাদারনা লাহু) অর্থাৎ তারা তার জন্য একটি পরিমাপ নির্ধারণ করেছে এবং আমি তার জন্য তা পরিমাপ করেছি। বলা হয়: আমি বিষয়টি পরিমাপ করা থেকে নির্ধারণ করেছি।
এবং সিংহের লোমের কারণে তাকে এমন একজন নাক্কাদের স্তরে রাখা হয়েছে যে একটি মখমলের চাদর পরিধান করেছে এবং সেই মখমলকেই তার পোশাকে পরিণত করেছে, আর যা তার গায়ে রয়েছে তা-ই তার পোশাক। সে এর আঁশগুলোকে বাইরের দিকে রেখেছে। মখমলের হুদাব হলো যা এর থেকে ঝুলে থাকে, আর এর কিনারাগুলোকেও আহদাব বলা হয়। আর কাহবা হলো সেই রঙ যা কালো ও সাদার মাঝামাঝি। কাহবাত হলো এমন কালো রঙ যার সাথে কিছুটা শুভ্রতা মিশ্রিত থাকে।
আর তার উক্তি: ‘সে এর আঁশ দ্বারা উপরে উঠছে’, এর দ্বারা তিনি বুঝাতে চেয়েছেন যে, সে মখমলটি পরিধান করেছে এবং যে অংশে আঁশ নেই তা তার শরীরের সাথে সংলগ্ন রেখেছে, আর আঁশযুক্ত অংশটি বাইরের দিকে রেখেছে। আর যখন সে একে প্রকাশমান রেখেছে, তখন সে এর মাধ্যমে উপরে উঠেছে। আর ‘ইয়া’লু’ (উপরে উঠা) শব্দের মধ্যে একটি সর্বনাম রয়েছে যা নাক্কাদের দিকে ফিরেছে, এবং এটি ‘সে তার আঁশকে উঁচিয়ে ধরছে’ এই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। যেমন আপনার উক্তি: ‘আমি তাকে নিয়ে গেলাম’ এবং ‘আমি তাকে সরিয়ে দিলাম’।
আর ‘কাহবা’ শব্দটি সেই সর্বনামের অবস্থা (হাল) যার দিকে বাক্যটি সম্বন্ধযুক্ত করা হয়েছে এবং এই সর্বনামটি পোশাকগুলোর দিকে ফিরছে। এটি ‘কাদারনা’-এর মধ্যে থাকা ‘নুন’ থেকেও ‘হাল’ হতে পারে যা পোশাকের সর্বনাম। আবার ‘কাহবা’ শব্দটি পোশাকের বিশেষণ হওয়াও সম্ভব।
আর স্থানান্তরের পূর্বে এর মূল রূপ হওয়ার কথা ছিল ‘আকহাব হুদাবুহা’, কারণ ‘হুদাব’ শব্দটি পুংলিঙ্গ। কিন্তু যখন স্ত্রীলিঙ্গ সর্বনামটিকে—যার সাথে ‘হুদাব’ যুক্ত ছিল—তার স্থান থেকে সরিয়ে ‘আকহাব’-এর উহ্য কর্তা হিসেবে ধরা হলো, তখন তার স্থলে স্ত্রীবাচক শব্দ ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়ল। কারণ তিনি স্ত্রীলিঙ্গ সর্বনামকে কর্তা বানিয়েছেন, ফলে ‘আকহাব’-এর স্থলে ‘কাহবা’ হয়ে গেছে। এর উদাহরণ যেমন: আমি অতিক্রম করলাম...
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৫)
بامرأة احمر غلامها، فإذا نقلت الضمير وجعلته في تقدير فاعل لأحمر قلت: مررت بامرأة حمراء الغلام بالإضافة، وحمراء الغلام بنصب الغلام، فإن لم تدخل الألف واللام قلت: حمراء غلاما بالنصب، أو حمراء غلام بالإضافة.
قال ولأبي زبيد:
(هيفاءُ مقبلةً عجزاءُ مدبرةً
… محطوطةٌ جُدِلَتْ شنباءُ أنيابا)
وصف امرأة في اول قصيدته فقال:
أصبحْتُ قَضَّيْتُ من حسناَء آرَابا
… هَجَرْتُها ورحيقَ الكَأسِ أَحقابا
يريد إنه هجرها وهجر شرب الخمر. ثم مضى في ذكرها حتى انتهى إلى قوله: هيفاء مقبلة، والهيف: ضمر البطن، والمجدولة: المفتولة الجسم ليست بمسترخية اللحم، ولم يرد بوصفها بالجدل أنها صلبة الجسم، إنما يراد أن لحمها ليس بمسترخ ولا متدل، هي مستوية الأعضاء كالعنان والنسع المجدول. والمحوطة: قيل في معناها: إنها ليست بكثيرة لحم المتنين، وعندي إنه يراد به أنها ملساء الجلد براقته. وقيل الشنب حدة في الأسنان. وقيل: الشنب برد في الأسنان.
وهيفاء، خبر مبتدأ محذوف ومعناه: هي هيفاء، ومقبلة، نصب على الحال، والعامل فيه محذوف تقديره: هيفاء إذا كانت
একজন মহিলা যার গোলাম লালবর্ণের; যখন আপনি সর্বনামটি স্থানান্তর করবেন এবং সেটিকে 'লাল' শব্দের কর্তার প্রাক্কলনে স্থাপন করবেন, তখন আপনি বলবেন: 'আমি এমন একজন মহিলার পাশ দিয়ে অতিক্রম করলাম যার গোলাম লাল' - এটি সম্বন্ধযুক্ত অবস্থায়, এবং 'লাল গোলাম' - গোলাম শব্দটি নসবের অবস্থায়। আর যদি আলিফ ও লাম যুক্ত না হয়, তবে আপনি বলবেন: 'লাল গোলাম' - নসবের সাথে, অথবা 'গোলামের লাল' - সম্বন্ধের সাথে।
তিনি আবু যুবাইদ-এর একটি পঙক্তি সম্পর্কে বলেন:
(সে সম্মুখভাগে ক্ষীণকটি, পশ্চাৎভাগে স্থূলকটি
… সুগঠিত দেহের অধিকারিনী এবং তার সামনের দাঁতগুলো উজ্জ্বল ও সুন্দর।)
তিনি তাঁর কাসিদার শুরুতে একজন মহিলার বর্ণনা দিয়ে বলেছেন:
আমি ভোরে উপনীত হয়েছি সুন্দরী নারীর প্রতি আমার প্রয়োজন পূরণ করে
… আমি তাকে এবং সুরাপাত্রের নির্যাসকে দীর্ঘকাল যাবত বর্জন করেছি।
এর দ্বারা তিনি বুঝিয়েছেন যে, তিনি সেই মহিলাকে এবং মদ্যপানকে বর্জন করেছেন। এরপর তিনি তার বর্ণনায় অগ্রসর হলেন যতক্ষণ না তাঁর এই কথা পর্যন্ত পৌঁছালেন: সম্মুখভাগে ক্ষীণকটি। 'হাইফ' অর্থ হলো পেটের কৃশতা বা ক্ষীণতা। আর 'মাজদুলাহ' অর্থ হলো সুগঠিত ও দৃঢ় দেহের অধিকারিনী যার গোশত শিথিল নয়; তাকে সুগঠিত গুনে বিশেষিত করার অর্থ এই নয় যে তার শরীর অত্যন্ত শক্ত, বরং এর উদ্দেশ্য হলো তার গোশত শিথিল বা ঝুলে পড়া নয়। তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো সুসামঞ্জস্যপূর্ণ, যেমন পাকানো লাগাম বা মজবুত রশি। আর 'মাহতুতাহ' শব্দের অর্থ সম্পর্কে বলা হয়েছে: যার পিঠের দুই পাশের গোশত অতিরিক্ত নয়। তবে আমার মতে এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো তার চামড়া মসৃণ ও উজ্জ্বল। আরও বলা হয়েছে যে, 'শানাব' হলো দাঁতের তীক্ষ্ণতা। আবার বলা হয়েছে 'শানাব' হলো দাঁতের শীতলতা।
'হাইফাউ' শব্দটি একটি উহ্য মুবতাদার খবর, যার অর্থ হলো: সে ক্ষীণকটি। আর 'মুকবিলাতান' শব্দটি হাল হিসেবে নসব হয়েছে, যার العامل বা ক্রিয়ক উহ্য রয়েছে এবং তার প্রাক্কলন হলো: সে যখন সম্মুখভাগে থাকে তখন ক্ষীণকটি।
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৬)
مقبلة، و (كانت) في هذا الموضع هي كان التامة، وفيها ضمير فاعل يعود إلى المبتدأ المحذوف. ومثله: شربك السويق ملتوتا، فمعناه: شربك السويق إذا كان ملتوتا، وضربك زيدا إذا كان قائما.
فإن قال قائل: فإذا جعلت كان، تامة، فهي بمعنى حدث ووقع، والذي مثلت به؛ فاعله لم يحدث في الحال التي أخبرت بها عنه، لأنك إذا قلت: شربك السويق ملتوتا، فمعناه: شربك السويق إذا كان السويق ملتوتا، وضربك زيدا إذا كان زيد قائما. فالسويق وزيد، لم يحدثا في الحال التي أخبرت بها؛ فلم لم تجعل كان - في هذا وأشباهه - ناقصة، وتجعل هذا المنصوب خبرا؟ قيل له: قولنا شربك السويق ملتوتا، وضربك زيدا قائما، معناه: شربك السويق إذا حدث لته، وضربك زيدا إذا حدث قيامه، فاللفظ لزيد والسويق، والمراد الإخبار عن حدوث أحوالهما.
فإن قال قائل: قولك: كان أخوك ظريفا، وكان زيد ذاهبا، هو إخبار عن حدوث ذهابه وحدوث ظرفه، فاجعل (كان) تامة في مثل ذا الموضع وفي جميع احوالها؛ قيل له:
ليس معنى الكلام الإخبار عن حدوث الظرف والذهاب، وإنما معناه الإخبار عن استحقاق زيد لهذا الوصف فيما مضى من الزمان، ولهذا كان الخبر يجوز أن
يكون معرفة ونكرة. ومع هذا إنا لم نعلق وقوع شيء من الأشياء بحدوث الظرف والذهاب، كما فعلنا في قولك: شربك السويق
সম্মুখবর্তী, এবং এই স্থানে (কানাত) হলো ‘কানা আত-তাম্মা’ (পূর্ণ ক্রিয়া), আর এতে একটি ফায়িল (কর্তা) সর্বনাম রয়েছে যা উহ্য মুবতাদা (উদ্দেশ্য)-এর দিকে ফিরে যায়। এর উদাহরণ হলো: ‘শারবুকা আস-সাবীকা মালতুতান’ (ছাতু মিশ্রিত অবস্থায় তোমার পান করা), যার অর্থ হলো: তোমার ছাতু পান করা যখন তা মিশ্রিত থাকে, এবং তোমার যায়েদকে প্রহার করা যখন সে দণ্ডায়মান থাকে।
যদি কোনো প্রশ্নকারী বলে: আপনি যখন ‘কানা’-কে ‘তাম্মা’ (পূর্ণ) সাব্যস্ত করেছেন, তখন তা ‘সংঘটিত হওয়া’ ও ‘ঘটা’ অর্থে ব্যবহৃত হয়। অথচ আপনি যে উদাহরণ পেশ করেছেন, তার ফায়িল (কর্তা) সেই অবস্থায় ঘটেনি যে সম্পর্কে আপনি সংবাদ দিয়েছেন। কারণ আপনি যখন বলেন: ‘শারবুকা আস-সাবীকা মালতুতান’, তখন তার অর্থ হয়: তোমার ছাতু পান করা যখন ছাতুটি মিশ্রিত হয়; এবং ‘দারবুকা যাইদান কাইমান’ অর্থাৎ যায়েদকে তোমার প্রহার করা যখন সে দণ্ডায়মান হয়। এখানে ছাতু এবং যায়েদ সেই অবস্থায় উৎপন্ন হয়নি যে সম্পর্কে সংবাদ দেওয়া হয়েছে; তবে কেন আপনি এই জাতীয় উদাহরণগুলোতে ‘কানা’-কে ‘নাক্বিসা’ (অপূর্ণ) ধরছেন না এবং এই মানসুব (যবরযুক্ত) পদটিকে খবর (বিধেয়) বানাচ্ছেন না? উত্তরে তাকে বলা হবে: আমাদের কথা—‘শারবুকা আস-সাবীকা মালতুতান’ এবং ‘দারবুকা যাইদান কাইমান’-এর অর্থ হলো: তোমার ছাতু পান করা যখন তার মিশ্রিত হওয়ার অবস্থাটি ঘটে, এবং যায়েদকে তোমার প্রহার করা যখন তার দণ্ডায়মান হওয়ার অবস্থাটি ঘটে। সুতরাং শব্দটি যায়েদ ও ছাতুর ক্ষেত্রে প্রযুক্ত হলেও এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো তাদের অবস্থার উদ্ভব সম্পর্কে সংবাদ দেওয়া।
যদি কোনো প্রশ্নকারী বলে: আপনার কথা— ‘কানা আখুকা যারিফান’ (তোমার ভাই বুদ্ধিমান ছিল) এবং ‘কানা যাইদুন যাহিবান’ (যায়েদ প্রস্থানকারী ছিল), এটি তো তার বুদ্ধিমান হওয়া এবং প্রস্থান করার অবস্থার উদ্ভব সম্পর্কে সংবাদ প্রদান করা, সুতরাং এই জাতীয় স্থানে এবং সকল অবস্থায় ‘কানা’-কে ‘তাম্মা’ (পূর্ণ) সাব্যস্ত করুন; তাকে বলা হবে:
বক্তব্যের উদ্দেশ্য বুদ্ধিমান হওয়া বা প্রস্থানের উদ্ভব সম্পর্কে সংবাদ দেওয়া নয়, বরং এর অর্থ হলো অতীতকালে যায়েদ এই গুণের যোগ্য ছিল—এ সম্পর্কে সংবাদ দেওয়া। আর এই কারণেই খবরটি ‘মারেফা’ (নির্দিষ্ট) ও ‘নাকিরা’ (অনির্দিষ্ট) উভয়ই হওয়া বৈধ। তদুপরি, আমরা এখানে কোনো বিষয়ের সংঘটনকে বুদ্ধিমান হওয়া বা প্রস্থানের উদ্ভবের সাথে সম্পৃক্ত করিনি, যেমনটি আমরা আপনার এই বক্তব্যে করেছি: ‘শারবুকা আস-সাবীকা’...
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৭)
ملتوتا، وضربك زيدا قائما، ونحن قد علقنا وقوع الشرب والضرب بحدوث لت السويق وقيام زيد.
و (هيفاء) عاملة في إذا المقدرة بعدها، وكذلك عجزاء. وأصل الكلام: هي هيفاء إذا كانت مقبلة، وعجزاء إذا كانت مدبرة.
و (جُدلتْ) وصف لمحطوطة، وعجزاء خبر مبتدأ مثل هيفاء، وكذلك شنباء. واصله: شنب أنيابها. وشُنْب جمع أشنب، والناب مذكر ولكنه نقل الفعل إليها فجعله على وصف الواحدة المؤنثة، ونصب (انيابا) شبهه بالمفعول كما تقدم من الباب.
الصفة المشبهة - إضافة معمولها إلى ضميرصاحبهاقال سيبويه: وقد جاء في الشعر حسنة وجهها، شبهوه بحسنة الوجه، وذلك رديء. قال الشماخ:
أَمِنْ دِمنَتَين عرَّجَ الرّكبُ فيهما
… بحقل الرُّخامَى قد عفا طللاهما
(أَقامتْ على رَبْعَيهما جارتا صَفا
… كَميْتا الأعالي جَوْنَتا مُصْطلاهما)
ويروى: عرس الركب فيهما، ويروى: قد أنى لبلاهما.
মিশ্রিত অবস্থায়, এবং যায়িদ দণ্ডায়মান থাকা অবস্থায় তোমার তাকে প্রহার করা; আর আমরা পান করা এবং প্রহার করার বিষয়টির সংঘটনকে ছাতু মিশ্রিত করা এবং যায়িদের দণ্ডায়মান হওয়ার সময়ের সাথে সংশ্লিষ্ট করেছি।
এবং (হাইফা) শব্দটি তার পরবর্তী উহ্য 'ইযা' (যখন) এর মধ্যে আমল করছে, 'আজযা' শব্দটিও তদ্রূপ। আর মূল বাক্যটি হলো: সে কৃশাঙ্গী যখন সে সম্মুখপানে আসে, এবং স্থূল-নিতম্বিনী যখন সে পশ্চাৎপানে ফিরে যায়।
এবং 'জুদিলত' শব্দটি 'মাহতুতা' এর জন্য বিশেষণ, আর 'আজযা' শব্দটি 'হাইফা' এর ন্যায় মুবতাদার খবর, 'শানবা' শব্দটিও অনুরূপ। এর মূল রূপ হলো: তার দাঁতগুলোর শুভ্রতা ও শীতলতা। 'শুনব' হলো 'আশনাব' এর বহুবচন, আর 'নাব' (দাঁত) শব্দটি পুংলিঙ্গ কিন্তু এখানে ক্রিয়াটিকে তার দিকে স্থানান্তরিত করা হয়েছে এবং তাকে একবচন স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। আর 'আনিয়াবান' শব্দটিকে মাফউলের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়ার কারণে নসব প্রদান করা হয়েছে, যেমনটি এই অধ্যায়ের পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে।
সিফাতে মুশাব্বাহা - এর মামূলকে তার অধিকারীর সর্বনামের (যমীর) দিকে সম্বন্ধ (ইযাফত) করাসীবাওয়াইহ বলেন: কবিতায় 'হাসানাতুন ওয়াজহুহা' (তার চেহারা সুন্দর) ব্যবহৃত হয়েছে, তারা একে 'হাসানাতুল ওয়াজহি' (সুন্দর চেহারাবিশিষ্ট) এর সাথে তুলনা করেছেন, তবে তা ভাষাগতভাবে নিকৃষ্ট। আশ-শাম্মাখ বলেন:
দুটি ধ্বংসাবশেষের কারণে কি কাফেলা সেখানে যাত্রা বিরতি করেছে
… আর-রুখামা নামক প্রান্তরে যার চিহ্নসমূহ বিলীন হয়ে গেছে
(সেই ধ্বংসস্তূপের ওপর সফা পাহাড়ের দুই প্রতিবেশী অবস্থান করছে
… যাদের উপরিভাগ লালচে-কালো এবং আগুনের উত্তাপ নেওয়ার স্থানটি কৃষ্ণবর্ণের)
বর্ণিত আছে: 'আরাসার রাকবু ফীহিমা' (কাফেলা সেখানে রাত্রিযাপন করেছে), আরও বর্ণিত আছে: 'কাদ আনা লি-বিলা-হুমা' (তাদের জীর্ণ হওয়ার সময় হয়েছে)।
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৮)
الشاهد في البيت على أن الشاعر أضاف (جونتا) إلى (مصطلاهما). وجونتا صفة لـ (جارتا صفا) و (المصطلى) مضاف إلى (الجارتين) والإضافة لا تقع في باب حسن الوجه إلا بعد أن تجعل الذي كان فاعلا مفعولا من طريق اللفظ، وتنقل ضميره المجرور إلى أن يجعل فاعل للصفة التي تجري عليه. فإن لم ينقل الضمير عن موضعه، لم يكن للصفة فاعل، وإذا لم يكن لها فاعل، لم يجز أن
يكون السبب إلا فاعلا.
ونظير ما ذكرته لك أنك تقول: جاءني امرأتان قائم غلاماهما، الفعل للغلامين، وجعلت اسم الفاعل لـ (المرأتان) وهما من سببهما، (فلذلك جاز أن توصفا بشيء لم تفعلاه من فعل سببهما). وليس يجوز في الغلامين إلا الرفع لأن قائما لابد له من فاعل، وليس فاعل سوى الغلامين فإذا أرادوا أن يجعلوا القيام فعلا للمرأتين من طريق اللفظ؛ والمعنى باق على ما كان عليه، جاءوا إلى الضمير المجرور الذي هو ضمير المرأتين وقد أضيف الغلامان إليه؛ فجعلوه فاعلا للقيام على طريق الاتساع، ونصبوا الغلامين بقائم على طريق التشبيه باسم الفاعل الذي يتعمل في المفعول فقالوا: جاءتني امرأتان قائمتان الغلامين، وغلامين، بغير ألف ولام، كما تقول: جاءتني امرأتان ضاربتان الرجلين، ويجوز فيها الإضافة فتقول: جاءتني امرأتان قائمتا غلامين، وقائمتا الغلامين.
والإضافة إنما تسوغ بعد أن يسقل الفعل إلى الأول الموصوف، ويجعل ضميره الذي كان مجرورا فاعلا، ويجعل سبب الموصوف الذي كان فاعلا مفعولا ثم يضاف، فالإضافة داخلة عليه بعد دخول النصب فيه، والنصب لا يجوز فيه إلا بعد أن ينقل الضمير الذي كان يرجع إلى الموصوف فيجعل فاعلا. ونظيره في المسألة التي ذكرتها، إنه لا يجوز أن تقول: جاءتني امرأتان قائمتان غلاميهما، لأن القيام للغلامين، ولا طريق إلى أن تجعل في قائمين ضميرا
কাব্যের এই চরণে প্রমাণ হলো যে, কবি 'জাওনাতা' শব্দটিকে 'মুসতালাহুমা' শব্দের সাথে অন্বয় (ইদাফাত) করেছেন। 'জাওনাতা' হলো 'জারাতা সাফা'-এর বিশেষণ এবং 'আল-মুসতালা' শব্দটি 'আল-জারাটাইন'-এর সাথে অন্বিত। আর 'হুসনুল ওয়াজহ' (সুন্দর রূপ) পরিচ্ছেদে অন্বয় বা ইদাফাত ততক্ষণ পর্যন্ত ঘটে না, যতক্ষণ না শাব্দিক বিচারে যা ফায়েল (কর্তা) ছিল তাকে মাফউল (কর্ম) বানানো হয় এবং তার মাজরুর (সম্বন্ধযুক্ত) সর্বনামটিকে স্থানান্তরিত করে সেই বিশেষণের ফায়েল বানানো হয় যা তার উপর প্রযুক্ত হচ্ছে। যদি সর্বনামটিকে তার স্থান থেকে স্থানান্তরিত না করা হয়, তবে সেই বিশেষণের কোনো ফায়েল থাকবে না; আর যখন তার কোনো ফায়েল থাকবে না, তখন 'সাবাব' (সংশ্লিষ্ট বিষয়) ফায়েল হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।
আমি আপনার কাছে যা উল্লেখ করেছি তার অনুরূপ হলো আপনার এই উক্তি: "আমার নিকট দুইজন নারী এসেছে যাদের দুইজন দাস দণ্ডায়মান"। এখানে দণ্ডায়মান হওয়ার ক্রিয়াটি দুই দাসের সাথে সংশ্লিষ্ট, আর আপনি ইসমুল ফায়েলকে (বিশেষণটিকে) নারীদের জন্য নির্ধারণ করেছেন যারা তাদের সংশ্লিষ্ট (সাবাব) পক্ষ; (এ কারণেই তাদের এমন একটি গুণের মাধ্যমে বিশেষিত করা বৈধ হয়েছে যা তারা নিজেরা করেনি, বরং তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা করেছে)। আর "দুই দাস" শব্দটিতে 'রফা' (পেশ) হওয়া ছাড়া অন্য কিছু বৈধ নয়, কারণ "কায়েম" (দণ্ডায়মান) শব্দটির জন্য একজন ফায়েল থাকা আবশ্যক, আর এখানে দুই দাস ব্যতীত অন্য কোনো ফায়েল নেই। সুতরাং যখন তারা শাব্দিক দিক থেকে দণ্ডায়মান হওয়াকে নারীদের ক্রিয়া হিসেবে সাব্যস্ত করতে চাইল—অথচ অর্থ পূর্বের ন্যায় অপরিবর্তিত থাকল—তখন তারা সেই মাজরুর সর্বনামটির দিকে ফিরে গেল যা নারীদের সর্বনাম ছিল এবং যার দিকে দুই দাসকে অন্বিত করা হয়েছিল; অতঃপর তারা ভাষাগত প্রশস্ততার খাতিরে সেটিকে দণ্ডায়মান হওয়ার ফায়েল সাব্যস্ত করল এবং "কায়েম" শব্দটির মাধ্যমে দুই দাসকে 'নসব' (যবর) প্রদান করল, সেই ইসমুল ফায়েলের সাথে সাদৃশ্য রেখে যা মাফউলের মধ্যে আমল করে। ফলে তারা বলল: "আমার নিকট দুইজন নারী এসেছে যাদের দুইজন দাস দণ্ডায়মান", অথবা আলিফ-লাম ব্যতীত "দুই দাস" (গুলামাইন) বলল। যেমন আপনি বলেন: "আমার নিকট দুইজন নারী এসেছে যারা দুইজন পুরুষকে প্রহারকারিণী"। আর এতে ইদাফাত বা অন্বয় করাও জায়েজ, তখন আপনি বলবেন: "আমার নিকট দুইজন নারী এসেছে যাদের দুইজন দাস দণ্ডায়মান" (ইদাফাত সহযোগে)।
আর ইদাফাত বা অন্বয় তখনই বৈধ হয় যখন ক্রিয়াটি প্রথম মাউসুফের (বিশেষিত ব্যক্তি) দিকে স্থানান্তরিত হয় এবং তার সর্বনামটি—যা মাজরুর ছিল—তাকে ফায়েল বানানো হয়, আর মাউসুফের সংশ্লিষ্ট বিষয়টিকে (সাবাব)—যা ফায়েল ছিল—মাফউল বানিয়ে তারপর ইদাফাত করা হয়। সুতরাং ইদাফাত তাতে নসব আসার পরই কার্যকর হয়। আর নসব তখনই বৈধ হয় যখন মাউসুফের দিকে প্রত্যাবর্তনকারী সর্বনামটিকে স্থানান্তরিত করে ফায়েল বানানো হয়। আর আমি যে মাসআলাটি উল্লেখ করেছি তার অনুরূপ হলো এটি বলা বৈধ নয় যে: "আমার নিকট দুইজন নারী এসেছে যাদের দুইজন দাস দণ্ডায়মান" (পূর্ববর্তী নিয়মের ব্যতিক্রম করে), কারণ দণ্ডায়মান হওয়াটি দুই দাসের কাজ, আর "কায়েমাইন" শব্দটিতে কোনো সর্বনাম অন্তর্ভুক্ত করার অবকাশ নেই।
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৯)
للمرأتين وهما لم تفعلا القيام، ولم تنقل ضميرهما المجرور الذي أضيف الغلامان إليه، فتجعله في تقدير فاعل للقيام. وإذا امتنع أن تقول: جاءتني امرأتان قائمتان غلامين أو الغلامين بالنصب؛ امتنع الجر، لأن الجر إنما يدخل على النصب، لأن الفاعل إذا نصب مفعوله، جازت فيه الإضافة إلى المفعول، لأن الإضافة أخف فإذا امتنع من النصب فهو من الجر أبعد.
فلذلك لا يجوز: مررت بامرأة حسنة وجهها في ضرورة، لأنك جئت بضميرها بعد أن نقلت الضمير الذي كان (الوجه) مضافا إليه فجعلته فاعلا لـ (حسن)، ثم جئت بضمير آخر فأضفت الوجه إليه. والإضافة لا تكون إلا بعد النقل، وإذا السبب مضافا كان السبب مضافا إلى ضمير الأول، لم يحسن أن يجعل - وهو فاعل في الأصل - مفعولا، ويجري هذا في كلامهم مجرى التكرير للشيء بعد ذكره.
الدمنة: الموضع الذي أثر فيه الناس بنزولهم وإقامتهم، والركب: جمع راكب، وهم أصحاب الإبل، والرخامي: شجر بعينه، والحقل: الموضع الذي نبت فيه الرخامى، والحقل: القراح، والتعريج: أن يعطفوا إلى الموضع ويقفوا فيه، وأنى: حان، أي قد حان لهما أن يبليا، والطلل: ما شخص من آثار الدار، وعفا: درس، ومعنى عرس: نزل ليلا في المكان بعد ما سار أكثر الليل.
وقوله: أمن دمنتين، يريد: أمن دمنتين؟ و (من) في صلة فعل محذوف كأنه قال: أتحزن أو أتجزع من أجل دمنتين رأيتهما فتذكرت من كان يحل بهما؟! والضمير المجرور في (ربعيهما) يعود إلى الدمنتين، والصفا: الجبل في هذا الموضع، وجارتاه: حجران يجعلان تحت القدر وهما الاثفبتان، وتسند القدر إلى الجبل، فيقوم الجبل مقام حجر ثالث فيكون
দুই মহিলার জন্য, অথচ তারা উভয়ে দাঁড়ানোর কাজটি সম্পাদন করেনি, এবং আপনি তাদের মাজরুর (সম্বন্ধসূচক) জমিরটিকে (সর্বনাম) স্থানান্তর করেননি যা বালকদ্বয়ের সাথে যুক্ত ছিল, যাতে আপনি সেটিকে দাঁড়ানোর জন্য কর্তা (ফায়িল) হিসেবে গণ্য করতে পারেন। আর যখন আপনি এটি বলা থেকে বিরত থাকেন যে: 'জায়াতনি ইমরাআতানি কায়িমাতানি গুলামাইনি' অথবা 'আল-গুলামাইনি' নাসব (কর্মকারক) অবস্থায়; তখন জার (সম্বন্ধ পদ) করাও নিষিদ্ধ হয়ে যায়। কারণ জার কেবল তখনই প্রবেশ করে যখন নাসব সম্ভব হয়; কেননা কর্তা যখন তার কর্মকে নাসব প্রদান করে, তখন কর্মের দিকে ইদাফাত (সম্বন্ধ) করা জায়েজ হয়, কারণ ইদাফাত উচ্চারণে হালকা। অতএব যদি নাসব নিষিদ্ধ হয়, তবে তা জার থেকে আরও দূরে।
এই কারণেই এটি জায়েজ নেই: 'মারারতু বি ইমরাআতিন হাসানাতিন ওয়াজহুহা'—কোনো কাব্যিক প্রয়োজনেও নয়। কারণ আপনি মহিলার সর্বনামটি নিয়ে এসেছেন সেই সর্বনামটি স্থানান্তর করার পর যা চেহারার সাথে সম্বন্ধযুক্ত ছিল, ফলে আপনি সেটিকে 'সুন্দর হওয়া' ক্রিয়ার কর্তা হিসেবে নির্ধারণ করেছেন, এরপর আপনি অন্য একটি সর্বনাম নিয়ে এসে চেহারাকে সেটির সাথে সম্বন্ধযুক্ত করেছেন। আর ইদাফাত কেবল স্থানান্তরের পরেই সম্ভব হয়। আর যখন সংশ্লিষ্ট বিষয়টি সম্বন্ধযুক্ত হয় এবং তা প্রথম সর্বনামের দিকে সম্বন্ধযুক্ত থাকে, তখন সেটিকে কর্ম (মাফউল) বানানো সমীচীন নয়—অথচ তা মূলত কর্তা—এবং আরবদের বক্তব্যে এটি কোনো বিষয় উল্লেখ করার পর পুনরায় তা পুনরাবৃত্তি করার সমতুল্য।
দামনাহ: এমন স্থান যেখানে মানুষের অবতরণ ও অবস্থানের চিহ্ন রয়ে গেছে। রাকিব: আরোহীর বহুবচন, তারা উটের মালিক। রুখামি: একটি বিশেষ বৃক্ষ। হাকল: সেই স্থান যেখানে রুখামি বৃক্ষ জন্মে; হাকল অর্থ অনাবাদী জমিও হয়। তারিজি: কোনো স্থানের দিকে মোড় নেওয়া এবং সেখানে অবস্থান করা। আন্না: সময় হয়েছে, অর্থাৎ তাদের জীর্ণ হওয়ার সময় হয়েছে। তালাল: বসতবাড়ির ধ্বংসাবশেষের যা দৃশ্যমান থাকে। ‘আফা: বিলীন হওয়া বা চিহ্ন মুছে যাওয়া। ‘আররাসা: রাতের অধিকাংশ সময় পথ চলার পর রাতের শেষভাগে কোথাও বিশ্রামের জন্য যাত্রাবিরতি করা।
আর কবির উক্তি: ‘আমিন দামনাতাইনি’, এর অর্থ: ‘এটি কি দুটি ধ্বংসাবশেষের কারণে?’। এখানে ‘মিন’ অব্যয়টি একটি উহ্য ক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট, যেন তিনি বলতে চেয়েছেন: ‘তুমি কি সেই দুটি ধ্বংসাবশেষ দেখে ব্যথিত হচ্ছ যা দেখে তোমার সেখানে বসবাসকারীদের কথা মনে পড়ে গেছে?!’ আর ‘রাবিয়াইহিমা’ শব্দের মাজরুর সর্বনামটি ‘দুটি ধ্বংসাবশেষ’ এর দিকে ফিরেছে। সাফা: এই স্থানে পাহাড়কে বোঝানো হয়েছে। জারা-তাহু: দুটি পাথর যা রান্নার হাঁড়ির নিচে রাখা হয়, যেগুলোকে চুলা তৈরির পাথর বলা হয়। আর হাঁড়িটিকে পাহাড়ের সাথে ঠেস দিয়ে রাখা হয়, ফলে পাহাড়টি তৃতীয় পাথরের কাজ করে এবং তা হয়...
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ১০)
تحت القدر، والربع: الدار.
يريد: أقامت الاثفيتان اللتان تقربان من الجبل في ربع الدمنة. والذي يوجبه معنى الشعر، إنه ليس يعني أثفيتين اثنتين، لأنه ذكر دمنتين ثم قال: أقامت على ربعيهما، وليس أن في الربعين اثفيتين في كل ربع اثفية؛ وإنما يريد أن في كل ربع من هذين اثفيتين.
والأعالي: أعالي الأثافي. يريد: أن أعالي الأثافي أقمن شديدة الحمرة، قد اكماتت من ارتفاع النار إليها، والجون: الأسود، والجونة: السوداء يريد أن أسافل الأثافي
قد اسودت من اتقاد النار بينها، وأعاليها قد احمرت من ارتفاع النار إليها. والمصطلى: موضع اتقاد النار، و (كميتا) وصف للجارتين، و (وجونتا) وصف للجارتين أيضا.
وقد رد هذا الاستشهاد على سيبويه، وزعم الراد أن الضمير الذي أضيف المصطلى إليه ليس بعائد إلى الموصوف، بل هو عائد إلى غيره، ومثلوا ذلك بداءتني امرأتان حسنتا الغلامين كريمتاهما فالضمير المضاف (كريمتا) إليه هو ضمير الغلامين ليس بضمير المرأتين، وهذا لا يشبه: مررت بامرأة حسنة وجهيها. وعندهم أن الضمير الذي أضيف المصطلى إليه يعود إلى الأعالي.
فقيل لهم: ينبغي على ادعائكم أن يقال: كميتا الأعالي جونتا مصطلاها،
পাতিলের নিচে, আর 'রাব' (ربع) অর্থ হলো: ঘর।
তিনি বুঝাতে চেয়েছেন: পাহাড়ের কাছাকাছি থাকা দুটি উনুন-পাথর (আছফিয়্যা) বসতির অবশিষ্টাংশে অবস্থান করছে। আর কবিতার অর্থের দাবি হলো এই যে, তিনি কেবল দুটি উনুন-পাথর বুঝাতে চাননি। কারণ তিনি দুটি বসতির চিহ্নের (দিমনাতাইন) কথা উল্লেখ করেছেন, তারপর বলেছেন: তারা উভয়ের বসতিস্থলে অবস্থান করছে। এর অর্থ এই নয় যে, দুটি বসতিস্থলের প্রতিটিতে একটি করে মাত্র একটি পাথর আছে; বরং তিনি বুঝাতে চেয়েছেন যে, এই দুটির প্রত্যেকটি বসতিস্থলেই দুটি করে উনুন-পাথর রয়েছে।
আর 'আয়ালি' (أعالي) মানে: উনুন-পাথরগুলোর উপরিভাগ। তিনি বুঝাতে চেয়েছেন: উনুন-পাথরগুলোর উপরের অংশ প্রচণ্ড লাল বর্ণ হয়ে অবস্থান করছে, আগুনের শিখা সেখানে পৌঁছানোর কারণে সেগুলো কালচে-লাল বর্ণ ধারণ করেছে। আর 'জাওন' (الجون) মানে কালো, এবং 'জাওনাহ' (الجونة) মানে কালো বর্ণা। তিনি বুঝাতে চেয়েছেন যে, উনুন-পাথরগুলোর নিচের অংশগুলো
সেগুলোর মাঝে আগুন জ্বলার কারণে কালো হয়ে গেছে, আর সেগুলোর উপরিভাগ আগুনের শিখা সেখানে পৌঁছানোর কারণে লাল হয়ে গেছে। আর 'মুসতলা' (المصطلى) হলো: আগুন জ্বলার স্থান। এবং 'কুমিইতা' (كميتا) শব্দটি হলো দুটি পার্শ্ববর্তী পাথরের বিশেষণ, আর 'জাওনাতা' (جونتا) শব্দটিও সেই পার্শ্ববর্তী পাথর দুটির বিশেষণ।
সীবওয়াইহ-এর এই প্রমাণ উপস্থাপনকে খণ্ডন করা হয়েছে। খণ্ডনকারী দাবি করেছেন যে, 'মুসতলা' শব্দটি যার দিকে সম্বন্ধ করা হয়েছে, সেই সর্বনামটি (দমীর) বিশেষিত পদের (মাওসুফ) দিকে ফিরছে না, বরং তা অন্য কিছুর দিকে ফিরছে। তারা এর উদাহরণ দিয়েছেন এভাবে: "আমার কাছে এমন দুজন মহিলা এসেছে যাদের গোলাম দুজন সুন্দর এবং তারা (গোলাম দুজন) সম্মানিত।" এখানে 'কারিমাতা' যার দিকে সম্বন্ধ করা হয়েছে, সেটি গোলামদের সর্বনাম, মহিলাদের সর্বনাম নয়। আর এটি "আমি এমন এক মহিলার পাশ দিয়ে গিয়েছি যার চেহারা সুন্দর" - এই বাক্যের সদৃশ নয়। তাদের মতে, 'মুসতলা' শব্দটি যার দিকে সম্বন্ধ করা হয়েছে, সেই সর্বনামটি 'আয়ালি' (উপরিভাগ)-এর দিকে ফিরছে।
তখন তাদের বলা হলো: আপনাদের দাবি অনুযায়ী বলা আবশ্যক ছিল: "আয়ালি-র (উপরিভাগের) উভয় পার্শ্ব লাল, আর তার অগ্নিকুণ্ড কালো।"
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ১১)
لأن الأعالي جمع. فأجابوا عن هذا بأن قالوا: الأعالي في معنى الاعليين، كما قال الله عز وجل: (فقد صغت قلوبكما) وهو يريد قلبين. وهذا الذي تأولوه يضعف في المعنى، لأن الأعالي هي أعلى هاتين الاثفيتين، والمصطلى: الموضع الذي تصيبه النار من الاثفيتين، والاثفيتان لهما مصطلى وأعال، والأعالي لا مصطلى لها، ومثل هذا أنا نقول: أسفل الاثفيتين، وأعلى الاثفيتين، وأوسط الاثفيتين، وهذه مواضع الاثفيتين يضاف لكل كل واحد منها إليها. ولو قلنا: أوسط الأعلى وأسفل الأعلى وأوسط الاسفل، لم يحسن كحسن ما ذكرنا وأن كان على وجه المجاز.
الفصل بالظرف بين اسم الفاعل ومعمولهقال سيبويه: هذا باب ما جرى مجرى الفاعل الذي يتعداه فعله إلى مفعولين، في اللفظ لا في المعنى. وذلك قولك:
يا سارقَ الليلةِ أهلَ الدارِ
ثم ساق الكلام إلى أن قال: ولا يجوز أن تقول: يا سارق الليلة أهل الدار إلا في شعر، كراهية أن يفصلوا بين الجار والمجرور. قال جبار بن جزء ابن ضرار ابن
أخي الشماخ:
কারণ 'আল-আআলি' হলো বহুবচন। তারা এর উত্তরে বলেছেন যে: 'আল-আআলি' শব্দটি 'আল-আলাইয়াইন' (দুটি উচ্চাংশ) এর অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যেমনটি মহান আল্লাহ বলেছেন: (তোমাদের দুজনের অন্তরসমূহ ঝুঁকে পড়েছে), অথচ তিনি এর দ্বারা দুটি অন্তর বুঝিয়েছেন। তারা যে ব্যাখ্যাটি করেছেন তা অর্থের দিক থেকে দুর্বল, কারণ 'আল-আআলি' হলো এই চুল্লির পাথর দুটির উচ্চতর অংশ। আর 'আল-মুসতালা' হলো চুল্লির পাথরের সেই স্থান যেখানে আগুন স্পর্শ করে। চুল্লির পাথর দুটির দহনস্থান ও উচ্চাংশ থাকে, কিন্তু উচ্চাংশগুলোর কোনো দহনস্থান নেই। এর উদাহরণ হলো যেমন আমরা বলি: চুল্লির পাথর দুটির নিম্নভাগ, চুল্লির পাথর দুটির উচ্চভাগ এবং চুল্লির পাথর দুটির মধ্যভাগ। এগুলো হলো চুল্লির পাথরের বিভিন্ন অংশ যা তাদের প্রত্যেকটির সাথে সম্পর্কিত করা হয়। যদি আমরা বলি: উচ্চাংশের মধ্যভাগ, উচ্চাংশের নিম্নভাগ এবং নিম্নভাগের মধ্যভাগ, তবে তা আমরা যা উল্লেখ করেছি তার মতো প্রাঞ্জল হবে না, যদিও তা রূপক অর্থে হতে পারে।
ইসমে ফায়েল এবং তার মামুলের মাঝে জরফ দ্বারা ব্যবধানসিবওয়াইহ বলেছেন: এটি সেই অধ্যায় যা সেই কর্তার অনুরূপ যার ক্রিয়াটি শব্দগতভাবে দুটি কর্মের দিকে প্রসারিত হয়, কিন্তু অর্থগতভাবে নয়। আর তা হলো তোমার কথা:
হে রাতের বেলা গৃহবাসীদের লুণ্ঠনকারী
এরপর তিনি আলোচনা প্রলম্বিত করে বললেন: কবিতা ব্যতিরেকে "হে রাতের বেলা গৃহবাসীদের লুণ্ঠনকারী" বলা জায়েজ নেই, কারণ যার ও মাজরুরের মাঝে ব্যবধান সৃষ্টি করাকে তারা অপছন্দ করেছেন। জাব্বার ইবনে জুজ ইবনে দিরার ইবনে আখিশ শাম্মাখ বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ১২)
قالتْ سُلَيْمَى لست بالحادي المُدِلُّ
مالَكَ لا تمِلك أَعضادَ الإبلْ
رُبَّ ابنِ عمٍ لِسُلَيْمَى مُشْمَعِلُّ
أروعَ في السَّفْر وفي الحيَّ غَزلْ
(طباخِ ساعاتِ الكرى زادَ الكَسِلْ)
الشاهد على إنه أضاف (طباخ) إلى (ساعات) ونصب (الكسل) مثل: يا سارق الليلة أهل الدار.
المدل: القوي النشيط. وقوله: لا تملك أعضاد الإبل أي لا تقوى على أن تكون معها، وتسير إلى جنبها تحدوها. والمشمعل: الخفيف فما أخذ فيه من عمل، والأروع: الذكي الحديد الفؤاد. والغزل: الذي يحدث النساء ويضاحكهن ويمزح معهن. والكرى: النعاس، والكسل: الكسلان.
সুলাইমা বলল, তুমি সেই আত্মবিশ্বাসী ও শক্তিশালী উষ্ট্রচালক নও।
তোমার কী হলো যে তুমি উটগুলোর পার্শ্বদেশ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছ না?
সুলাইমার এমন অনেক চাচাতো ভাই আছে যারা অত্যন্ত তৎপর ও কর্মঠ।
ভ্রমণকালে তারা অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত এবং নিজ গোত্রে তারা নারীদের সাথে সদালাপে মত্ত।
(নিদ্রার প্রহরগুলোতে অলসদের পাথেয় রন্ধনকারী।)
এখানে কাব্যিক প্রমাণটি হলো যে, তিনি 'রন্ধনকারী' শব্দটিকে 'প্রহরসমূহ' শব্দের দিকে ইজাফাত (সম্বন্ধ) করেছেন এবং 'অলস' শব্দটিকে নসব (তথা কর্মকারক) প্রদান করেছেন; যেমন বলা হয়: "হে রাতের বেলা গৃহবাসীদের লুণ্ঠনকারী।"
আল-মুদিল: শক্তিশালী ও প্রাণবন্ত। আর তাঁর উক্তি 'তুমি উটগুলোর পার্শ্বদেশ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছ না' এর অর্থ হলো: তুমি তাদের সাথে থাকার এবং তাদের পাশে পাশে চলে তাদের হাঁকিয়ে নিয়ে যাওয়ার সামর্থ্য রাখো না। আল-মুশমা'ইল: যে কোনো কাজে অত্যন্ত তৎপর ও ক্ষিপ্র। আল-আরওয়া: প্রখর বুদ্ধিমান ও সাহসী হৃদয়ের অধিকারী। আল-গজল: সেই ব্যক্তি যে নারীদের সাথে কথা বলে, তাদের হাসায় এবং তাদের সাথে রসিকতা করে। আল-কারা: তন্দ্রা বা ঘুম। আল-কাসিল: অলস ব্যক্তি।
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ১৩)
حَذْفُ الضمير العائد إلى المبتدأقال سيبويه: قال أبو النجم:
قد أَصبحتْ أُمُّ الخِيارِ تدّعي
(عليَّ ذنبا كله لم أَصنعِ)
أم الخيار امرأته، وارد بقوله (ذنبا) أي ذنوبا، فجعل الواحد في موضع الجميع. وقوله: كله لم أصنع، يحتمل أمرين: أحدهما: إنه أراد لم يصنع جميعا ولا شيئا منها. والوجه الآخر: إنه صنع بعضها ولم يصنع جميعها، كما تقول لمن يدعي عليك أشياء لم تفعل جميعها: ما فعلت جميع ما ذكرت بل فعلت بعضه.
والشاهد منه إنه حذف الضمير العائد إلى المبتدأ الذي هو كله.
إعمال صيغة: فعولقال سيبويه: قال الراعي:
لياليَ سُعدى لَوْ تَراَءتْ لِراهبٍ
… بدُوَمةَ تَجْرٌ عندهُ وحَجيجُ
মুক্তাদার (উদ্দেশ্য) দিকে প্রত্যাবর্তনকারী সর্বনাম বিলুপ্তকরণসিবওয়াইহি বলেন: আবু আন-নাজম বলেছেন:
উম্মুল খিয়ার এমন অবস্থায় উপনীত হয়েছেন যে তিনি দাবি করছেন
(আমার বিরুদ্ধে এমন এক পাপের, যার সবটুকুই আমি করিনি)
উম্মুল খিয়ার হলেন তার স্ত্রী। তিনি 'পাপ' (একবচন) শব্দ দ্বারা 'পাপসমূহ' (বহুবচন) বুঝিয়েছেন; অর্থাৎ তিনি বহুবচনের স্থলে একবচন ব্যবহার করেছেন। আর তার উক্তি: "যার সবটুকুই আমি করিনি", এটি দুটি বিষয়ের সম্ভাবনা রাখে: প্রথমটি হলো, তিনি বুঝাতে চেয়েছেন যে তিনি এর কোনোটিই বা তার কোনো অংশই করেননি। আর দ্বিতীয় দিকটি হলো, তিনি এর কিছু অংশ করেছেন কিন্তু সবটুকু করেননি; যেমনটি আপনি তাকে বলেন যে আপনার বিরুদ্ধে এমন কিছু বিষয়ের দাবি করে যা আপনি সম্পূর্ণ করেননি: "আমি তোমার উল্লিখিত সবটুকু করিনি, বরং তার কিছু অংশ করেছি।"
আর এখান থেকে প্রমান্য বিষয়টি হলো, তিনি মুক্তাদার দিকে প্রত্যাবর্তনকারী সর্বনামটি বিলুপ্ত করেছেন, যা হলো 'সবটুকু' (কুল্লু)।
'ফাউল' ছন্দের আমলসিবওয়াইহি বলেন: আর-রায়ি বলেছেন:
সু'দার সেই রাতগুলো, যদি তা দুমার এমন কোনো সন্ন্যাসীর সম্মুখে প্রকাশমান হতো
... যার নিকটে বণিকদল ও হাজীদের ভিড় থাকে।
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ১৪)
(قَلَى دينَهُ واهْتاجَ للشَّوقِ إِنَّها
… على الشَّوقِ إخْوانَ العَزاءِ هَيوجُ)
تراءت: تعرضت لأن يراها، ودومة: موضع معروف وهي دومة الجندل، والتجر: جمع تاجر، والحجيج: الحجاج، وقوله: تجر عنده؛ يريد أن الموضع الذي هو فيه ينزله التجار والحجاج، قلى دينه: أبغضه.
وأراد أن الراهب من شأنه في دينه أن النساء حرام عليه، فلو رأى هذه المرأة لأبغض الترهب، وأحب مواصلتها، واشتاق إلى الغزل وإلى محادثة النساء واللعب معهن. و (على الشوق) في صلة هيوج، وهيوج: تهيج الشوق عليهم. يقال: هيجته على كذا، إذا بعثته على فعله. يعني أن رؤيتها تدعو من رآها إلى الاشتياق إليها.
والشاهد في البيت إنه نصب (إخوان) العزاء بـ (هيوج). وإخوان العزاء: الذين قد تعزوا عن الدنيا وملاذها، وعزفت نفوسهم عنها، فإذا رأوا هذه المرأة ذهب عزاؤهم عن الدنيا واحبوا مواصلتها.
حذف عامل المنصوب لدلالة بعض الكلام عليهقال سيبويه بعد ذكره في الباب أشياء من المنصوبات قد حذفت عواملها، لدلالة بعض الكلام عليها: أتته يا فلان أمرا قاصدا. كأنك
(সে তার ধর্মকে ঘৃণা করল এবং আকাঙ্ক্ষায় উদ্বেলিত হলো; নিশ্চয়ই সে ধৈর্যের সঙ্গীদের আকাঙ্ক্ষায় অত্যন্ত উত্তেজিতকারী।)
প্রকাশ পাওয়া: নিজেকে দেখানোর জন্য উন্মোচিত হওয়া। ‘দুমাহ’ একটি সুপরিচিত স্থান, যা দুমাতুল জান্দাল। ‘তাজর’ হলো ব্যবসায়ীর বহুবচন এবং ‘হাজিজ’ হলো হাজিগণ। কবির উক্তি: ‘তার নিকট বণিকগণ আসে’—এর অর্থ হলো সে যে স্থানে অবস্থান করছে সেখানে বণিক ও হাজিগণ অবতরণ করেন। ‘সে তার ধর্মকে ঘৃণা করল’ অর্থ সে তার ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করল।
তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, সন্ন্যাসীর ধর্মের বৈশিষ্ট্য হলো তার জন্য নারী নিষিদ্ধ। কিন্তু সে যদি এই নারীকে দেখত তবে সে সন্ন্যাসজীবনকে অপছন্দ করত এবং তার সান্নিধ্য কামনা করত; সে প্রেমলাপ, নারীদের সাথে কথোপকথন এবং তাদের সাথে আমোদ-প্রমোদের জন্য ব্যাকুল হয়ে পড়ত। আর ‘আকাঙ্ক্ষার ওপর’ কথাটি ‘উত্তেজিতকারী’ শব্দের সাথে সংশ্লিষ্ট। ‘উত্তেজিতকারী’ অর্থ হলো যা তাদের মাঝে আকাঙ্ক্ষাকে প্রবল করে তোলে। বলা হয়ে থাকে: ‘আমি তাকে অমুক বিষয়ে প্ররোচিত করেছি’, অর্থাৎ যখন তাকে কোনো কাজ করতে উদ্দীপ্ত করা হয়। এর অর্থ হলো, তাকে দেখা মাত্রই দর্শক তার প্রতি ব্যাকুল হয়ে ওঠে।
এই পংক্তির ব্যাকরণিক প্রমাণ হলো যে, ‘উত্তেজিতকারী’ শব্দের কারণে ‘ধৈর্যের ভাইদের’ শব্দটিকে মানসুব (জবর প্রদান) করা হয়েছে। ‘ধৈর্যের ভাই’ হলো তারা যারা দুনিয়া ও এর ভোগবিলাস থেকে বিমুখ হয়েছে এবং যাদের অন্তর দুনিয়া থেকে নিস্পৃহ হয়েছে। কিন্তু তারা যখন এই নারীকে দেখে তখন দুনিয়ার প্রতি তাদের সেই ধৈর্য চলে যায় এবং তারা তার সান্নিধ্য কামনা করে।
কথার ইঙ্গিতের কারণে মানসুবের আমেল উহ্য রাখাসিবওয়াইহ এই অধ্যায়ে এমন কিছু মানসুব বা জবরযুক্ত পদের কথা উল্লেখ করার পর যাদের আমেল বা প্রভাবক উহ্য রাখা হয়েছে (কারণ পূর্ববর্তী কথা তার প্রমাণ দেয়), বলেন: হে অমুক, তুমি তার কাছে একটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে এসেছ। যেন তুমি...
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ১৫)
قلت: انته وائت أمرا قاصدا. ثم قال: فحذف هذا كحذفهم: ما رأيت كاليوم رجلا. ومثل ذلك قول القطامي
كأَنَّ نُسوعَ رَحْلي حينَ ضَمَّتْ
… جوالِبَ غُرَّزا وَمعي جِياعا
على وَحْشِيَّةٍ خَذَلَتْ خَلوجٍ
… وكان لها طَلاً طفلٌ فضاعا
فَكَرَّتْ تَبْتَغيهِ فَوافَقَتْهُ
… على دَمِه ومَصرَعهِ السَباعا
هذا إنشاد سيبويه، والشاهد فيه إنه نصب (الباع) بإضمار: وافقت السباع على
مصرعه، وإنما حذفه لدلالة (وافقته) على ما تقدم من البيت.
وأنشد غير سيبويه:
فكرت عند فيقتها إليه
… فألفت عند مصرعه السباعا
النسوع: حبال من أدم، وقوله حين ضمت يريد: حين شدت على حوالب ناقتي، والحوالب: عروق الضرع، والغرز: جمع غارز وهي التي لا لبن لها، ومعي جياعا: أراد بالمعي الأمعاء، ولذلك وصفها بالجمع، وقوله: (على وحشية)
আমি বললাম: বিরত হও এবং পরিমিত বিষয়ের দিকে আসো। এরপর তিনি বললেন: এটি বিলুপ্ত করা হয়েছে যেমন তাদের বিলোপ করার রীতি: আমি আজকের মতো কোনো মানুষ দেখিনি। আল-ক্বাতামির এই উক্তিটিও এর অনুরূপ—
মনে হয় আমার উটের জিনের চামড়ার রশিগুলো যখন সংকুচিত করল
… শুষ্ক ওলানসমূহ এবং ক্ষুধার্ত অন্ত্রগুলোকে
এমন এক বন্য পশুর পিঠে যে সঙ্গীদের ছেড়ে আসা এবং ব্যাকুল
… তার একটি ছোট শাবক ছিল যা হারিয়ে গিয়েছিল
সে পুনরায় ফিরে এসে তাকে খুঁজতে লাগল, অতঃপর সে তাকে পেল
… তার রক্ত এবং বধ্যভূমির ওপর হিংস্র প্রাণীদের
এটি সিবওয়াইহ-এর উদ্ধৃতি, এবং এতে প্রমাণের বিষয় হলো তিনি (আস-সিবা'আ) শব্দটিকে 'মানসুব' (যবরযুক্ত) করেছেন একটি ক্রিয়া উহ্য রাখার মাধ্যমে: সে হিংস্র প্রাণীদের পেল তার বধ্যভূমিতে। তিনি মূলত এটি বিলুপ্ত করেছেন কারণ কবিতার পূর্ববর্তী অংশে 'সে তাকে পেল' কথাটি এর প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করছে।
সিবওয়াইহ ব্যতীত অন্য কেউ পাঠ করেছেন:
দুধ নামার সময় সে তার দিকে ফিরে এল
… অতঃপর তার বধ্যভূমির নিকট হিংস্র প্রাণীদের দেখতে পেল
আন-নুসু': চামড়ার রশি। তার কথা 'যখন সংকুচিত হলো' দ্বারা উদ্দেশ্য হলো: যখন আমার উষ্ট্রীর স্তনের শিরাগুলোর ওপর শক্ত করে বাঁধা হলো। আল-হাওয়ালিব: স্তনের শিরাসমূহ। আল-গুররায: গারিজ-এর বহুবচন, যা এমন উষ্ট্রী যার দুধ নেই। 'ক্ষুধার্ত অন্ত্র': অন্ত্র দ্বারা তিনি নাড়িভুঁড়ি বুঝিয়েছেন, এজন্যই তিনি একে বহুবচন হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এবং তার উক্তি: 'একটি বন্য পশুর ওপর'...
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ১৬)
خبر كأن، والوحشية: بقرة، أراد على بقرة وحشية. يقول: كأن نسوع رحلي حين شددت بها راحلتي قد شددتها على بقرة وحيشة، يعني أن راحلته تسرع في سيرها كما تسرع في سيرها كما تسرع البقرة الوحشية في عدوها.
ومعنى خذلت: تأخرت عن جماعة البقر، والخلوج: التي اختلج منها ولدها، أخذ منها، فهي تعود تبتغي ولدها فصادفت السباع قد أكلته، وإنما ذكر أنها خذلت وأنها تبتغي ولدها؛ ليعظم أمر عدوها واجتهادها في شدته، لأنها تعدو حتى تدرك ولدها. والطلا ولد الظبية والبقرة، والفيقة اجتماع اللبن. يريد أنه لما اجتمع اللبن؛ طلبت ولدها لترضعه بما اجتمع منه.
المصدر المعرف بأل - وقوعه حالاقال سيبويه وهذا ما جاء منه في الألف واللام يريد ما جاء من هذا الباب، يعني باب المصادر التي تقع أحوالا وذلك قولك: أرسلها العراك قال لبيد:
رَفَعنَ سُرادِقا في يومِ ريحٍ
… يُصَفَّقُ بينَ مَيْلٍ واعْتِدالِ
(فأَورَدَها العِراكَ ولم يَذُدْها
… ولم يُشْفِقْ على نَغَصِ الدِخالِ)
وصف حمير وحش تعدو إلى الماء، فقد أثارت غبارا كأنه سرادق، ويصفق:
এটি 'কাআন্না'-এর খবর, এবং 'আল-ওয়াহশিয়া' বলতে বন্য গাভী বুঝিয়েছেন। তিনি মূলত একটি বন্য গাভীর কথা বুঝিয়েছেন। তিনি বলছেন: আমি যখন আমার সওয়ারির পিঠে পালানের দড়ি দিয়ে বাঁধলাম, তখন মনে হলো যেন আমি তা একটি বন্য গাভীর উপর বেঁধেছি। অর্থাৎ, তার সওয়ারিটি তার চলনে ততটাই দ্রুত যতটা একটি বন্য গাভী তার দৌড়ে দ্রুততা প্রদর্শন করে।
আর 'খাজালাত' এর অর্থ হলো: গাভীদের দল থেকে পিছিয়ে পড়া। আর 'আল-খালুজ' বলতে সেই গাভীকে বোঝায় যার সন্তানকে তার কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে; ফলে সে তার সন্তানের সন্ধানে ফিরে আসে এবং দেখতে পায় যে হিংস্র পশুরা তাকে খেয়ে ফেলেছে। তিনি যে এটি দলছুট হওয়ার এবং তার সন্তানকে খোঁজার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন, তা মূলত তার দৌড়ানোর তীব্রতা এবং প্রচেষ্টাকে ফুটিয়ে তোলার জন্য; কারণ সে তার সন্তানকে খুঁজে পাওয়া পর্যন্ত অত্যন্ত দ্রুত দৌড়ায়। 'আত-ত্বলা' হলো হরিণী বা গাভীর শাবক। আর 'আল-ফাইকাহ' হলো ওলানে দুধ জমা হওয়া। তিনি বুঝিয়েছেন যে, যখন দুধ জমা হলো, তখন সে তার শাবককে সেই জমানো দুধ পান করানোর জন্য খুঁজতে থাকল।
আলিফ-লাম যুক্ত মাজদার - এর 'হাল' হিসেবে ব্যবহৃত হওয়াসিবওয়াইহি বলেন: এটি সেই উদাহরণ যা আলিফ এবং লাম যুক্ত হয়ে এসেছে। এর দ্বারা তিনি এই পরিচ্ছেদের উদ্দেশ্য বুঝিয়েছেন, অর্থাৎ সেই মাজদারসমূহের পরিচ্ছেদ যা 'হাল' (অবস্থা) হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যেমন আপনার উক্তি: 'সেটি ভিড়ের সাথে প্রেরণ করল'। লাবীদ বলেন:
তারা বাতাসের দিনে ধূলিকণার একটি তাবু উঠাল... যা হেলান এবং সোজা হওয়ার মাঝে আন্দোলিত হচ্ছিল
(অতঃপর তিনি সেগুলোকে ভিড়ের অবস্থায় পানির ঘাটে নিয়ে আসলেন এবং সেগুলোকে বাধা দিলেন না... আর তিনি পিপাসার্তদের পানি পানে বিঘ্ন ঘটার বিষয়ে বিচলিত হলেন না)
তিনি সেই বন্য গাধাগুলোর বর্ণনা দিয়েছেন যেগুলো পানির দিকে দৌড়াচ্ছে, ফলে তারা এমন ধুলোবালি উড়িয়েছে যা দেখতে একটি তাবুর মতো মনে হচ্ছে। আর 'ইউসাফফাকু' এর অর্থ হলো:
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ১৭)
يردد، كأن الغبار يرتفع مرة في الهواء مستويا، ومرة يميل في جانب، على حسب ما تميله الريح.
فأوردها: يعني العير أورد الأتن إلى الماء، والأتن تتبع العير إذا مضت إلى الماء، فإذا وردت تقدم العير، فإذا أدخل قوائمه في الماء اتبعه. فأوردها: يعني العير أورد الأتن العراك، كأنه قال: أوردها عراكا. و (عراكا) في موضع معتركة، والمعتركة التي يزحم بعضها بعضا. يريد أن العير أرسل الأتن مرة واحدة، ولم يطردها عن الماء يخاف القصاص، ولم يذدها: لم يطردها. وأراد أن العير يورد الأتن دفعة وليس كالرعاء الذين يدبرون أمر الإبل، فإذا وردت الماء جعلوها قطعا، وأوردوها قطعة قطعة إلى الماء حتى تروى، ولو أوردوها دفعة واحدة لزاحم بعضها بعضا وهدمت الحوض ولم ترو من الماء. والدخال في شرب الإبل: أن ينظر الذي أورد الإبل الماء إلى الإبل التي وردت أول شيء، فإن كان فيها بعير ضعيف أو عليل أو قليل الصبر عن الماء، سريع العطش، أو بعير كريم يحب أن يؤثره بكثرة الشرب؛ أدخله مع القطعة الثانية من الإبل التي وردت، فيكون هذا البعير قد شرب مرتين: مرة مع الأولى، ومرة مع الثانية.
وهذا معنى الدخال: أن يداخل بعير قد شرب مرة أي الإبل التي لم تشرب بعد حتى يشرب معها.
والنغص: بصاد غير معجمة على وزن جبل، زعموا إنه لم يشفق على أن ينغصها، والتنغيص: العجلة. وعندي إنه يريد أن بعضها يزحم بعضا حتى لا يقدر أن يتحرك لشدة الازدحام، فهو واقف مزحزم لا يتمكن من الحركة.
ويروى: على نغص الدخال، بضاد معجمة على وزن كعب، وهو التحرك وإمالة الرأس نحو الشيء. يريد أنها تميل أعناقها إلى الماء في الدخال بشدة وتعب. وفي (يشفق) ضمير يعود إلى العير.
তিনি বারবার বর্ণনা করছেন, যেন ধূলিকণাগুলো একবার সরাসরি বাতাসে উপরে উঠে যাচ্ছে, আবার অন্যবার বাতাসের গতির সাথে একদিকে হেলে পড়ছে।
"অতঃপর তিনি সেগুলোকে নিয়ে এলেন": অর্থাৎ বুনো গাধাটি মাদি গাধাগুলোকে পানির দিকে নিয়ে এলো। যখন সেগুলো পানির দিকে অগ্রসর হয়, তখন মাদি গাধাগুলো বুনো গাধাটিকে অনুসরণ করে। এরপর যখন তারা পানির ঘাটে পৌঁছে, তখন বুনো গাধাটি সামনে এগিয়ে যায়। আর যখন সে তার পাগুলো পানিতে প্রবেশ করায়, তখন মাদি গাধাগুলো তাকে অনুসরণ করে। "অতঃপর তিনি সেগুলোকে নিয়ে এলেন": অর্থাৎ বুনো গাধাটি মাদি গাধাগুলোকে ভিড়ের মধ্যে নিয়ে এলো; যেন তিনি বলতে চেয়েছেন: তিনি সেগুলোকে ভিড় বা হুড়োহুড়ির অবস্থায় নিয়ে এসেছেন। এখানে 'ইরাকান' শব্দটি ভিড়ের স্থানে থাকা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, আর ভিড়ের স্থান হলো এমন অবস্থা যেখানে একটি অন্যটিকে ধাক্কা দেয়। তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, বুনো গাধাটি মাদি গাধাগুলোকে একসাথেই ছেড়ে দিয়েছে, শাস্তির ভয়ে সেগুলোকে পানি থেকে তাড়িয়ে দেয়নি। "ওয়া লাম ইজুদহা": অর্থাৎ সেগুলোকে তাড়িয়ে দেয়নি। তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, বুনো গাধাটি মাদি গাধাগুলোকে একসাথেই নিয়ে আসে। সে ঐসব রাখালদের মতো নয় যারা উটের বিষয়টি পরিচালনা করে; উট যখন পানির ঘাটে আসে, তখন রাখালরা সেগুলোকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করে দেয় এবং এক এক দল করে পানির কাছে নিয়ে আসে যাতে তারা তৃপ্তি সহকারে পান করতে পারে। যদি তারা সেগুলোকে একবারে নিয়ে আসত, তবে একটি অন্যটিকে ধাক্কা দিত এবং পানির হাউজটি নষ্ট করে ফেলত, ফলে উটগুলো পানি পান করে তৃপ্ত হতে পারত না। উটের পানি পানের ক্ষেত্রে 'দিখাল' হলো: যে ব্যক্তি উটগুলোকে পানির ঘাটে নিয়ে এসেছে, সে প্রথমে পান করা উটগুলোর দিকে লক্ষ্য করবে; যদি সেগুলোর মধ্যে কোনো দুর্বল, অসুস্থ বা কম ধৈর্যশীল অর্থাৎ দ্রুত তৃষ্ণার্ত হয় এমন উট থাকে, অথবা কোনো উন্নত জাতের উট থাকে যাকে সে বেশি পানি পান করাতে পছন্দ করে, তবে সে সেই উটটিকে দ্বিতীয় দলের উটগুলোর সাথে পুনরায় প্রবেশ করাবে। ফলে সেই উটটি দুইবার পানি পান করার সুযোগ পাবে: একবার প্রথম দলের সাথে এবং একবার দ্বিতীয় দলের সাথে।
আর এটাই 'দিখাল'-এর অর্থ: অর্থাৎ যে উট একবার পানি পান করেছে তাকে এমন উটগুলোর মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া যারা এখনও পান করেনি, যাতে সে তাদের সাথে পান করতে পারে।
'নাগাস': 'সাদ' বর্ণের নুকতাহীন উচ্চারণে 'জাবাল' এর ওজনে। তারা ধারণা করেছেন যে, সে সেগুলোকে দ্রুততা বা তাড়াহুড়ো করানোর ক্ষেত্রে কোনো দয়া করেনি। আর 'তানগীস' অর্থ হলো তাড়াহুড়ো করা। কিন্তু আমার মতে, তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, একটি অন্যটিকে এমনভাবে ধাক্কা দেয় যে ভিড়ের তীব্রতার কারণে নড়াচড়া করতে পারে না; ফলে সেটি ভিড়ের মধ্যে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকে, নড়াচড়া করার সামর্থ্য রাখে না।
অন্য এক বর্ণনায় এটি 'নাগদ' অর্থাৎ 'দাদ' বর্ণের নুকতাযুক্ত উচ্চারণে 'কাব' এর ওজনে বর্ণিত হয়েছে; যার অর্থ হলো নড়াচড়া করা এবং কোনো কিছুর দিকে মাথা নিচু করা বা হেলিয়ে দেওয়া। তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, 'দিখাল'-এর সময় সেগুলো অত্যন্ত কষ্ট ও ক্লান্তির সাথে পানির দিকে নিজেদের ঘাড় কাত করে রাখে। আর "দয়া করা" বা 'ইউশফিকু' শব্দটির মধ্যে যে সর্বনামটি রয়েছে তা বুনো গাধার দিকে নির্দেশ করছে।
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ১৮)
الإعراب على الموضعقال سيبويه: ومما جاء في الشعر من الإجراء على الموضع، قول عقيبة الاسدي.
ثم قال بعد إنشاده بيت عقيبة: لأن الباء دخلت على شيء لو لم تدخل عليه لم يخل بالمعنى، ولم يحتج إليها وكان نصبا.
يريد أن الباء دخولها كخروجها، وإن الباء لو لم تدخل لكان قوله: فلسنا الجبال بمعنى: فلسنا بالجبال.
ثم ذكر بيت لبيد فقال:
فإنْ أَنتَ لم تَصْدُقْكَ نَفْسُكَ فانتَسِبْ
… لعلَّكَ تهديك القُرونُ الأوائِلُ
(فإنْ لم تَجد من دونِ عدنانَ والدا
… ودُونَ مَعَدٍ فَلْتَزَعْكَ العواذِلُ)
يريد أنك أن كنت لست على يقين من الموت والفناء، فانظر إلى من تقدم من آبائك، أبقي منهم أحد؟ فإذا علمت إنه ما بقي منهم أحد، وأنهم قد ماتوا كلهم، فاعلم أنك ميت، فلا تبخل بما في يديك، واسع فيما يبقى لك بفعله ذكر جميل، وثناء حسن في الناس.
وإن لم تجد من دون عدنان والدا
স্থানানুযায়ী শব্দের রূপান্তরসিবওয়াইহি বলেন: কবিতায় স্থানানুযায়ী ব্যবহারের (ইজরা আলাল মাউদি) উদাহরণসমূহের মধ্যে রয়েছে উকাইবাহ আল-আসাদীর বক্তব্য।
অতঃপর তিনি উকাইবার কবিতাটি আবৃত্তি করার পর বলেন: কারণ ‘বা’ এমন একটি শব্দের ওপর যুক্ত হয়েছে যার ওপর তা যুক্ত না হলেও অর্থের কোনো ব্যাঘাত ঘটত না এবং তার প্রয়োজনও ছিল না, বরং শব্দটি নসব (নাসব) অবস্থায় থাকত।
তিনি বুঝাতে চাচ্ছেন যে, ‘বা’-এর যুক্ত হওয়া এবং না হওয়া সমান। যদি ‘বা’ যুক্ত না হতো তবে তার কথা: ‘আমরা পাহাড় নই’ (ফালাসনা আল-জিবালা) এর অর্থ ‘আমরা পাহাড় নই’ (ফালাসনা বিল-জিবালা)-এর অনুরূপই হতো।
এরপর তিনি লাবীদের কবিতা উল্লেখ করে বলেন:
যদি তোমার আত্মা তোমার কাছে সত্য প্রকাশ না করে তবে তুমি তোমার বংশপরিচয় অনুসন্ধান করো
… সম্ভবত পূর্ববর্তী প্রজন্মসমূহ তোমাকে সঠিক পথের দিশা দেবে।
(যদি তুমি আদনানের পূর্বে আর কোনো পিতা খুঁজে না পাও
… এবং মাআদ-এর পূর্বে, তবে নিন্দুকদের তিরস্কার যেন তোমাকে নিবৃত্ত করে।)
তিনি বুঝাতে চেয়েছেন যে, তুমি যদি মৃত্যু এবং বিনাশের ব্যাপারে নিশ্চিত না হও, তবে তোমার পূর্বসূরি পিতৃপুরুষদের দিকে তাকাও, তাদের কি কেউ অবশিষ্ট আছে? যখন তুমি জানতে পারবে যে তাদের কেউ বেঁচে নেই এবং তারা সবাই মারা গেছে, তখন জেনে রেখো যে তুমিও মরণশীল। সুতরাং তোমার হাতে যা আছে তা নিয়ে কৃপণতা করো না এবং এমন কাজের চেষ্টা করো যার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে তোমার সুন্দর আলোচনা ও উত্তম প্রশংসা অবশিষ্ট থাকে।
আর যদি তুমি আদনানের পূর্বে আর কোনো পিতা খুঁজে না পাও।
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ১৯)
حيا، ووجدتهم كلهم موتى، فاقبل ممن يعذلك ويدعوك إلى فعل الجميل. ويقال: وزع يزع إذا كف.
ويجوز في معناه عندي وجه آخر، وهو إنه أراد: فإن لم تجد من دون عدنان والدا ميتا فلتزعك العواذل عن إنفاق مالك، واقبل منها ما تدعوك إليه من البخل والإمساك، لأنك باق كما بقي.
والعواذل جمع عاذلة، والعاذلة من النساء إنما كانت تعذلك على الإنفاق لا على الإمساك.
والشاهد في البيت إنه نصب (دون معد) وعطفه على موضع (من)، كأنه قال: فإن لم تجد دون عدنان والدا ودون معد. وهو مثل البيت المتقدم.
إعمال صيغة: فَعِلقال سيبويه: وقد جاء في (فِعِل) وليس ككثرة ذاك. قال لبيد:
حَرْفٌ أَضَرَّ بها السّفارُ كأَنَّها
… بعْد الكَلال مُسَدَّمٌ محجومُ
(أَو مِسْحَلٌ شَنِجٌ عِضادةَ سَمْحَجٍ
… بِسَراتها نَدَبٌ له وكُلومُ)
জীবিত হিসেবে, এবং তুমি তাদের সবাইকে মৃত পেয়েছ; অতএব তার কথা গ্রহণ করো যে তোমাকে তিরস্কার করে এবং মহৎ কাজ করার আহ্বান জানায়। বলা হয়ে থাকে: 'ওয়াযা'আ ইয়াযাউ' যখন কেউ বিরত থাকে।
আমার নিকট এর অর্থের আরেকটি দিক হওয়ার অবকাশ রয়েছে, আর তা হলো তিনি বুঝাতে চেয়েছেন: তুমি যদি আদনান ছাড়া অন্য কোনো মৃত পিতা না পাও, তবে তিরস্কারকারিণীরা যেন তোমাকে সম্পদ ব্যয় করা থেকে বিরত রাখে, এবং তারা তোমাকে কার্পণ্য ও সম্পদ ধরে রাখার যে আহ্বান জানায় তা গ্রহণ করো; কারণ তুমি তাদের মতোই অবশিষ্ট রয়েছ।
'আওয়াযিল' শব্দটি 'আযিলাহ' এর বহুবচন। নারীদের মধ্যে যারা 'আযিলাহ' বা তিরস্কারকারিনী, তারা মূলত সম্পদ ব্যয়ের কারণেই তিরস্কার করে থাকে, ধরে রাখার কারণে নয়।
এই চরণে দলিল হলো যে, কবি 'দুনা মা'আদ'-কে নসব (যবর) প্রদান করেছেন এবং একে 'মিন'-এর পদের ওপর আতফ করেছেন। যেন তিনি বলেছেন: 'যদি তুমি আদনান ব্যতীত এবং মা'আদ ব্যতীত কোনো পিতাকে না পাও'। এটি পূর্ববর্তী চরণের মতোই।
'ফা'ইল' রূপের আমল বা ক্রিয়াশীলতাসিবওয়াইহি বলেন: এটি 'ফা'ইল' রূপেও এসেছে, তবে তা পূর্বেরটির মতো প্রচুর নয়। লাবীদ বলেছেন:
উটনীটি কৃশ হয়ে গেছে দীর্ঘ ভ্রমণের কষ্টে, যেন অবসাদের পর সেটি
… একটি মুখবন্ধনী পরানো ও অবরুদ্ধ উট।
(অথবা এটি যেন একটি শক্তিশালী বন্য গাধা যা দীর্ঘদেহী মাদি গাধার পার্শ্বদেশ আঁকড়ে ধরেছে
… যার পিঠে রয়েছে দংশনের দাগ ও ক্ষতসমূহ)
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ২০)
والشاهد إنه نصب (عضادة) بـ (شنج) نصب المفعول به.
وصف الناقة، والحرف: الضامر، أضر بها السفار: أنضاها السفر وهزلها، والكلال: التعب والإعياء، والمسدم: الفحل من الإبل الذي قد حبس عن الضراب وهو ينتفخ ويتعظم. وقيل: السدم: غضب معه غم، وإذا فعل به ما يكون سدما فهو مسدم. والمسدم: البعير الهائج الذي لا يرضون فحلته فيربطون على موضع ذكره اهداما، وهي الثياب والخلقان، ويترك يهدر في الإبل لتضبع، فإذا تنوخ ناقة، لم يصل إليها، فيعزلونه ويجيئون بغيره من الفحول التي يرضون نسلها، والمحجوم: المشدود الفم. والمسحل: حمار الوحش، والسمحج: الأتان الطويلة على وجه الأرض، وسراتها: أعلاها، والندب: الأثر، والكلوم: الجراحات. يريد أن هذه الأتان بها آثار من عض الحمار كأنها جراحات. وعضادة: جنب، والشنج المنقبض في الأصل، ويراد به في البيت الملازم، كأنه قال: أو مسحل ملازم جنب أتان سمحج لا يفارقها. يقول: كأن هذه الناقة بعد أن كلت وضمرت بعير مسدم أو مسحل. يشبه الناقة بفحل من الإبل هائج. يريد أنها بعد كلالها عظيمة الجسم قوية النفس كهذا الفحل. (أو مسحل) عطف على مسدم. يريد كأنها فحل إبل أو حمار وحش، يريد أنها تعدو معدو الحمار، وهي نشيطة كنشاطه.
وسيبويه يرى أن (فعلا) في الصفات يتعدى كما يتعدى (فاعل)، وعنده أن هذا البيت يشهد بصحة ما يقول، لأن العضادة منصوبة.
وزعم مخالفه أن (عضادة سمحج) منصوب على الظرف. والذي يحتج له به أن العضادة ليست من الظروف،
এবং সাক্ষী (প্রমাণ) এই যে, তিনি 'শানায' (شنج) শব্দটির মাধ্যমে 'আদাদা' (عضادة)-কে 'মাফউল বিহি' হিসেবে নসব প্রদান করেছেন।
এখানে উষ্ট্রীর বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। 'হারফ' (الحرف) অর্থ কৃশকায়। 'সাফার' (সফর বা ভ্রমণ) তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, অর্থাৎ সফর তাকে ক্লান্ত ও রোগা করে দিয়েছে। 'কিলাল' (الكلال) অর্থ ক্লান্তি ও অবসাদ। 'মুসাদ্দাম' (المسدم) হলো সেই পুরুষ উট যাকে প্রজনন থেকে বিরত রাখা হয়েছে, ফলে সে ফুলে ওঠে এবং স্থূলকায় হয়ে যায়। কেউ কেউ বলেছেন: 'সাদাম' (السدم) হলো এমন ক্রোধ যার সাথে দুঃখ মিশে থাকে; আর যখন উটের সাথে এমন কিছু করা হয় যার ফলে সে 'সাদাম' অবস্থায় পৌঁছায়, তখন তাকে 'মুসাদ্দাম' বলা হয়। 'মুসাদ্দাম' সেই উত্তেজিত উটকেও বলা হয় যার প্রজনন ক্ষমতা বা বংশধারা মালিকরা পছন্দ করে না, ফলে তারা তার জননেন্দ্রিয়ের ওপর পুরনো জীর্ণ কাপড় (ইহদাম) বেঁধে রাখে; তাকে অন্য উটদের মধ্যে গর্জন করার জন্য ছেড়ে দেওয়া হয় যাতে মাদী উটগুলো কামোত্তেজিত হয়, কিন্তু সে যখন কোনো উষ্ট্রীর কাছে যায়, তখন সঙ্গমে লিপ্ত হতে পারে না। ফলে তারা তাকে সরিয়ে দেয় এবং অন্য এমন পুরুষ উট নিয়ে আসে যার বংশধারা তারা পছন্দ করে। 'মাহজুম' (المحجوم) অর্থ যার মুখ বাঁধা। 'মিসহাল' (المسحل) হলো বন্য গাধা। 'সামহাজ' (السمحج) হলো দীর্ঘাকৃতি মাদী গাধা। 'সারাত' (سراتها) হলো তার পিঠের উপরিভাগ। 'নাদাব' (الندব) অর্থ দাগ বা চিহ্ন এবং 'কুলুম' (الكلوم) অর্থ ক্ষতসমূহ। কবি বুঝাতে চেয়েছেন যে, এই মাদী গাধাটির শরীরে পুরুষ গাধার কামড়ের এমন সব চিহ্ন রয়েছে যা দেখতে ক্ষতের মতো। 'আদাদা' (عضادة) অর্থ পার্শ্বদেশ। 'শানায' (الشنج) মূলত সংকুচিত হওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়, তবে এই কবিতায় এর দ্বারা 'অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী' বুঝানো হয়েছে। যেন তিনি বলছেন: অথবা এমন এক বন্য গাধা যা একটি দীর্ঘাকৃতি মাদী গাধার পার্শ্বদেশের সাথে সবসময় লেপ্টে থাকে এবং তাকে ছেড়ে যায় না। তিনি বলছেন: এই উষ্ট্রীটি ক্লান্ত ও কৃশকায় হওয়ার পর যেন একটি 'মুসাদ্দাম' উট কিংবা বন্য গাধার মতো হয়ে গেছে। তিনি উষ্ট্রীটিকে একটি উত্তেজিত পুরুষ উটের সাথে তুলনা করছেন। তিনি বুঝাতে চাচ্ছেন যে, ক্লান্ত হওয়ার পরেও সে এই পুরুষ উটের মতো বিশাল দেহ ও শক্তিশালী মনোবলের অধিকারী। 'অথবা বন্য গাধা' (أو مسحل) অংশটি 'মুসাদ্দাম'-এর ওপর সংযোজিত হয়েছে। তিনি বুঝাতে চেয়েছেন যে, এটি যেন একটি পুরুষ উট অথবা বন্য গাধা; অর্থাৎ সে বন্য গাধার মতো দৌড়ায় এবং তার মতোই চটপটে।
সিবওয়াইহ-এর অভিমত হলো, গুণবাচক বিশেষণের ক্ষেত্রে 'ফায়িল' (فعِل) ছন্দটি 'ফায়িল' (فاعل) ছন্দের মতোই কর্মপদ গ্রহণ করে (মুতাআদ্দী হয়)। তাঁর মতে, এই কাব্য পঙক্তিটি তাঁর দাবির সত্যতার প্রমাণ দেয়, কারণ এখানে 'আদাদা' শব্দটি নসব অবস্থায় (কর্মপদ হিসেবে) রয়েছে।
তাঁর বিরোধীরা দাবি করেছেন যে, 'আদাদা সামহাজ' (عضادة سمحج) শব্দসমষ্টি 'যারফ' (স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ) হিসেবে নসব হয়েছে। তবে এর বিপক্ষে যুক্তি হলো এই যে, 'আদাদা' শব্দটি স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ বা 'যারফ'-এর অন্তর্ভুক্ত নয়।
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ২১)
لأنه يريد به جنبها، وأعضاؤها ليست بظروف، ألا ترى إنه لا يجوز أن تقول: هو شنج رجل سمحج! ويقوي هذا أن بعض الرواة
يفسره ويقول: شنج عضادة سمحج: هو معاضد لها، كما تقول ملازم لعضديها.
ويروى: (سنق عِضادة سمحج)، والسنق: الشبعان. وعلى هذه الرواية (عضادة) تجعل ظرفا.
إعمال المصدر المضاف إلى فاعله أو مفعولهقال سيبويه وتقول: عجبت من كسوة زيد أبوه، ومن كسوة زيد أباه، إذا حذفت التنوين. يريد إذا أضفت المصدر إلى الفاعل أو المفعول. قال: ومما جاء لا ينون قول لبيد:
أقوى وعُرَّيَ واسِطٌ فَبَرامٌ
… منْ أَهْلِهِ فَصُوائِقٌ فَخِزامُ
(عهْدي بها الحَيَّ الجَميعَ وفيهِمُ
… قبل التَّفَرُّقِ مَيْسِرٌ ونِدامُ)
واسط وبرام وصوائق وخزام مواضع، وأقوى: أقفر، وعري: خلا ممن كان ينزله. ومعنى قوله: ومما جاء لا ينون يريد أن (عهدي) مصدر مضاف إلى ضمير المتكلم، ولا يجوز أن ينون المصدر وهو على هذا اللفظ، كما كنت
কারণ তিনি এর দ্বারা তার পার্শ্ব বুঝিয়েছেন, আর তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো কোনো আধার বা স্থান (জ়রফ) নয়। আপনি কি দেখেন না যে, এটা বলা বৈধ নয় যে: সে কুঁচকানো পাজরবিশিষ্ট দীর্ঘদেহী! একে আরও শক্তিশালী করে যে, কোনো কোনো বর্ণনাকারী এর ব্যাখ্যায় বলেন: "শাঞ্জু ইদাদাতু সামহাজ" (কুঁচকানো বাহুবিশিষ্ট দীর্ঘদেহী): অর্থাৎ সে তার বাহুদ্বয়ের সহায়ক, যেমন আপনি বলেন যে সে তার দুই বাহুর সাথে লেগে থাকে।
আরও বর্ণিত আছে: (সানাক্বু ইদাদাতু সামহাজ), আর 'সানাক্ব' মানে হলো অতিভোজী বা পরিতৃপ্ত। এই বর্ণনা অনুযায়ী 'ইদাদাত' শব্দটি আধার (জ়রফ) হিসেবে গণ্য হবে।
কর্তা (ফায়েল) বা কর্ম (মাফউল)-এর দিকে সম্বন্ধযুক্ত (ইদাফতকৃত) মাসদারের আমলসিবওয়াইহি বলেন, আপনি বলবেন: 'আমি যাইদের তার পিতাকে বস্ত্র দান করাতে আশ্চর্যান্বিত হয়েছি', এবং 'আমি যাইদকে তার পিতার বস্ত্র দান করাতে আশ্চর্যান্বিত হয়েছি', যখন আপনি তানভীন বিলুপ্ত করবেন। তিনি বুঝিয়েছেন, যখন আপনি মাসদারকে কর্তা বা কর্মের দিকে সম্বন্ধযুক্ত করবেন। তিনি বলেন: যা তানভীনহীনভাবে এসেছে, তার মধ্যে লাবীদের এই পঙক্তিটি অন্তর্ভুক্ত:
ওয়াসিত অতঃপর বারাম জনশূন্য ও রিক্ত হয়েছে... অধিবাসীদের থেকে, এরপর সুওয়াইক্ব ও খিজামও।
… (আমার স্মৃতিতে আছে সেখানে এক ঐক্যবদ্ধ জনপদ ছিল এবং তাদের মাঝে
… বিচ্ছিন্ন হওয়ার পূর্বে ছিল জুয়া ও মদ্যপানের আসর।)
ওয়াসিত, বারাম, সুওয়াইক্ব এবং খিজাম হলো বিভিন্ন স্থানের নাম। 'আক্বওয়া' অর্থ হলো জনশূন্য হওয়া, এবং 'উররিয়া' অর্থ হলো যারা সেখানে অবস্থান করত তাদের থেকে শূন্য হওয়া। তাঁর উক্তি "যা তানভীনহীনভাবে এসেছে" এর দ্বারা তিনি বুঝিয়েছেন যে, (আহদী) শব্দটি একটি মাসদার যা উত্তম পুরুষের সর্বনামের (দমীরে মুতাকাল্লিম) দিকে সম্বন্ধযুক্ত হয়েছে, আর মাসদার যখন এই রূপে থাকে তখন তাতে তানভীন হওয়া বৈধ নয়, যেমনটি আপনি...
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ২২)
تفعل في الاسم الظاهر، لأنك تنون الظاهر وتضيفه، والاسم الذي بعده على لفظ واحد، نحو ما ذكره من قولنا: عجبت من كسوة زيد أبوه، بإضافة كسوة إلى زيد. ولو نونت (كسوة) ونصبت (زيد) لم يصر في موضع زيد لفظ غيره. ولو فعلنا مثل هذا في ضمير المتكلم، لجعلنا في موضع الياء التي له (أنا) فكنا نقول: عهد بها أنا الحي الجميع. لأن الضمير المجرور؛ لفظه يخالف لفظ الضمير المرفوع. والظاهر؛ في موضع الرفع والجر والنصب على لفظ واحد.
(والميسر: الضرب بالقداح والتقامر على الجزر، والندام: المنادمة). يقول: كنت عهدت هذه الأحياء المجتمعة وهم بخير وحال حسنة، يتنادمون ويقامرون وينحرون ويطعمون الاضياف.
وعهدي: مبتدأ، وضمير المتكلم هو في المعنى فاعل، والحي: مفعول المصدر،
وميسر: مبتدأ، وندام: معطوف عليه، وفيهم: خبر المبتدأ، والجملة في موضع الحال من الحي؛ وقد سدت الحال مسد الخبر، وهو من قولهم: شربك السويق ملتوتا، وضربك زيدا قائما.
معمول الصفة المشبهةقال سيبويه قال النابغة:
فإنْ يَهْلَكْ أبو قابوسَ يَهْلَكْ
… رَبيع النَّاس والشهرُ الحَرامُ
(وَنُمسكُ بَعْدَهُ بذِنابِ عيشٍ
… أَحَبَّ الظَّهرَ ليسَ لهُ سَنَامُ)
আপনি প্রকাশ্য বিশেষ্যের (ইসম জাহির) ক্ষেত্রে এটি করেন, কারণ আপনি প্রকাশ্য বিশেষ্যে তানউইন প্রদান করেন এবং সেটিকে সম্বন্ধযুক্ত (ইদাফাহ) করেন, আর এরপরের বিশেষ্যটি একই শব্দরূপে থাকে; যেমন আমাদের এই উক্তিটি যা তিনি উল্লেখ করেছেন: "আমি জাইদের পিতার পোশাক পরিধানে বিস্মিত হয়েছি", এখানে 'কিসওয়াহ' (পোশাক) শব্দটিকে 'জাইদ'-এর দিকে সম্বন্ধ (ইদাফাহ) করার মাধ্যমে। আর যদি আপনি 'কিসওয়াহ' শব্দে তানউইন দিতেন এবং 'জাইদ' শব্দটিকে নসব (মানসুব) করতেন, তবে জাইদের স্থানে অন্য কোনো শব্দ আসত না। আর যদি আমরা উত্তম পুরুষের সর্বনামের (দমির মুতাকাল্লিম) ক্ষেত্রে অনুরূপ করতাম, তবে আমরা 'ইয়া' (ياء) সর্বনামের স্থলে 'আনা' (আমি) শব্দটিকে নিয়ে আসতাম। তখন আমরা বলতাম: "আহদি বিহা আনা আল-হাইয়্যুল জামি"। কারণ মাজরুর (সম্বন্ধসূচক) সর্বনামের রূপ মারফু (কর্তৃকারক) সর্বনামের রূপ থেকে ভিন্ন হয়। পক্ষান্তরে প্রকাশ্য বিশেষ্য রফউ, জর এবং নসব—সব অবস্থায় একই শব্দরূপে থাকে।
(আল-মাইসির হলো: তীরের সাহায্যে লটারি করা এবং উটের মাংস নিয়ে জুয়া খেলা; আর আন-নিদাম হলো: সহ-পানাহার)। তিনি বলছেন: আমি এই সমবেত গোত্রগুলোকে এমন অবস্থায় চিনেছি যখন তারা কল্যাণ ও উত্তম অবস্থায় ছিল; তারা একে অপরের সাথে পানাহারে মত্ত হতো, জুয়া খেলত, পশু জবাই করত এবং অতিথিদের আহার করাত।
'আহদি' শব্দটি মুবতাদা (উদ্দেশ্য), এবং উত্তম পুরুষের সর্বনামটি অর্থের দিক থেকে ফায়েল (কর্তা), আর 'আল-হাইয়্যু' শব্দটি মাসদারের মাফউল (কর্ম)।
এবং 'মাইসির' শব্দটি মুবতাদা, 'নিদাম' শব্দটি তার ওপর আতফ (সংযুক্ত), 'ফিহিম' শব্দটি মুবতাদার খবর (বিধেয়); আর এই বাক্যটি 'আল-হাইয়্যু' থেকে হাল (অবস্থা) হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এখানে হাল খবরের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে। এটি আরবদের এই উক্তির মতো: "ছাতু মিশ্রিত অবস্থায় তোমার পান করা" এবং "জাইদ দণ্ডায়মান অবস্থায় তোমার তাকে প্রহার করা।"
সিফাতে মুশাব্বাহ-এর আমলসীবওয়াইহ বলেন, আন-নাবিগাহ বলেছেন:
যদি আবু কাবুস ধ্বংস হয়ে যায়, তবে ধ্বংস হবে... মানুষের বসন্ত এবং পবিত্র মাসও।
(এবং আমরা তার পরে জীবনের লেজ ধরে বেঁচে থাকব... যা এমন এক পিঠের মতো যার কোনো কুঁজ নেই)
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ২৩)
كان النعمان بن المنذر، فوافى النابغة ليلقى النعمان، فخبره عصام ابن شهبر حاجبه إنه عليل، فقال أبياتا من جملتها ما أنشدته.
يقول: أن يمت النعمان يذهب خير الدنيا، لأنها كانت تعمر به وبجوده وبعدله ونفعه للناس. والشهر الحرام، يريد إنه من كان في ذمته وفي سلطانه فهو من على نفسه محقوق الدم، ونمسك بعده بذناب عيش أي: نبقى في طرف عيش قد مضى صدره وخيره ومعظمه، وقد بقي منه ذنبه وما لا خير فيه.
والاجب: الجمل المقطوع السنام. يريد أن عيشنا قد ذهب معظمه خيره وما كنا فيه من السعة والخصب، فهو كبعير قد جب سنامه.
و (نمسك) يجوز فيه أن يجزم ويكون معطوفا على قوله (يهلك) الذي هو جواب الشرط. ويجوز أن يرفع على استقبال خبر يخبر به، أي: ونحن نمسك بعده بذناب عيش. ويجوز أن ينصب على الجواب بالواو.
ويجوز أن ينشد: أجب الظهر بإضافة أجب إلى الظهر، ويجوز أن ينشد ينصب الظهر ويكون التنوين سقط من اجب لأنه لا ينصرف والتنوين متنوي. وإنشاد الكتاب على نصب الظهر.
المفعول لأجلهقال سيبويه في باب ما ينتصب من المصادر لأنه عذر لوقوع الأمر، وهذا الباب هو باب المفعول له. ثم ذكر وجه النصب حتى انتهى إلى التمثيل فقال: وذلك قولك: أتيتك حذار الشر، وفعلت ذاك مخافة فلان وادخار فلان. قال النابغة الذبياني:
নুমান ইবনে মুনযির ছিলেন, তখন নাবিগাহ নুমানের সাথে সাক্ষাৎ করতে আসলেন। তাঁর দ্বাররক্ষী ইছাম ইবনে শাহবার তাঁকে জানালেন যে তিনি অসুস্থ। তখন তিনি কিছু পঙক্তি বললেন, যার মধ্য থেকে আমি যা আবৃত্তি করেছি তা অন্তর্ভুক্ত।
তিনি বলছেন: যদি নুমান মারা যান তবে দুনিয়ার কল্যাণ চলে যাবে, কারণ দুনিয়া তাঁর দ্বারা এবং তাঁর দানশীলতা, ন্যায়বিচার ও মানুষের জন্য তাঁর উপকারের মাধ্যমে আবাদ হয়েছিল। আর 'পবিত্র মাস'—তিনি বুঝাতে চেয়েছেন যে, যে ব্যক্তি তাঁর নিরাপত্তায় ও তাঁর কর্তৃত্বে থাকত, সে নিজের প্রাণের নিরাপত্তার অধিকারী হতো। আর 'তাঁর পরে আমরা জীবনের অবশিষ্টাংশ আঁকড়ে ধরব'—অর্থাৎ আমরা জীবনের এমন এক প্রান্তে অবস্থান করব যার সূচনা, কল্যাণ ও অধিকাংশ ভাগ গত হয়ে গেছে, আর এখন কেবল তার শেষাংশ এবং অকল্যাণকর অংশটুকু বাকি আছে।
আর 'আজাব' হলো সেই উট যার কুঁজ কেটে ফেলা হয়েছে। তিনি বুঝাতে চেয়েছেন যে আমাদের জীবন, তার অধিকাংশ কল্যাণ এবং আমরা যে প্রাচুর্য ও উর্বরতার মধ্যে ছিলাম তা চলে গেছে; ফলে এটি এমন এক উটের ন্যায় হয়ে পড়েছে যার কুঁজ কেটে ফেলা হয়েছে।
আর 'নুমসিকু' শব্দটিতে জাযম হওয়া জায়েজ এবং তা 'ইয়াহলিক' শব্দের ওপর সংযোজিত হবে যা শর্তের উত্তর। আবার এটি সংবাদ প্রদানের উদ্দেশ্যে রাফ হওয়াও জায়েজ, অর্থাৎ: 'এবং আমরা তাঁর পরে জীবনের অবশিষ্টাংশ আঁকড়ে ধরব'। এছাড়া 'ওয়াও'-এর মাধ্যমে উত্তর হিসেবে নাসব হওয়াও জায়েজ।
এটি 'আজাবায-যহরি' হিসেবে 'আজাব' শব্দটিকে 'যহর'-এর সাথে ইযাফত করে পাঠ করাও জায়েজ। আবার 'যহর' শব্দটিকে নাসব দিয়ে পাঠ করাও জায়েজ, সেক্ষেত্রে 'আজাব' থেকে তানউইন বিলুপ্ত হবে কারণ এটি গাইরে মুনসারিফ এবং এখানে তানউইন উহ্য ধরা হয়েছে। কিতাবে 'যহর' শব্দটিতে নাসব দিয়েই বর্ণিত হয়েছে।
মাফউল লি-আলিহ (উদ্দেশ্যবাচক কর্ম)সিবাওয়াইহ সেই সকল মাসদার (ক্রিয়ামূল) সম্পর্কিত পরিচ্ছেদে বলেছেন যা কোনো বিষয় সংঘটিত হওয়ার কারণ হিসেবে নাসব হয়, আর এই পরিচ্ছেদটিই হলো মাফউল লাহু-এর পরিচ্ছেদ। এরপর তিনি নাসব হওয়ার দিকগুলো উল্লেখ করেছেন এবং উদাহরণের পর্যায়ে পৌঁছে বলেছেন: তা হলো তোমার উক্তি—'আমি অনিষ্টের আশঙ্কায় তোমার নিকট এসেছি' এবং 'আমি অমুকের ভয়ে ও অমুকের জন্য সঞ্চয়ের নিমিত্তে তা করেছি'। নাবিগাহ আল-যুবইয়ানি বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ২৪)
وحلتْ بيوتي في يَفاعٍ مُمَنَّعٍ
… يُخالُ به راعي الحَمُولَةِ طائِرا
تَزلُّ الوُعولُ العُصْمُ عن قذفاتِهِ
… وتُضْحي ذُراهُ في السماءِ كوافِرا
(حِذاراً على أن لا تُصابَ مَقادَتي
… ولا نِسْوَتي حتى يَمُتْنَ حرائرا)
اليفاع: الموضع العالي المشرف، والممنع: الذي يمتنع على من اراده، يريد به جبلا شامخا، والحمولة من الإبل: ما كان يصلح أن يحمل عليه. أراد أن الذي ينظر إلى هذا الجبل يرى الراعي للإبل فوقه كأنه طائر لارتفاعه.
والوعول: جمع وعل، وهو الذي يقال له تيس الجبل، والعصم من الوعول: التي في أيديها بياض، الذكر أعصم والانثى عصماء. والذرا: الأعالي الواحدة ذروة، والكوافر: المتغطية بالسحاب. ويقال: قد كفر بالدرع إذا لبسها، وسمي الليل كافرا لأنه ألبس كل شيء.
أراد أن أعالي هذا الجبل قد تغطت بالسحاب. والمقادة: القود، وأراد: أن لا ينال إذلالي وقهري ولا تستبعد نسائي.
يقول إني أحللت بيوتي في هذا الجبل العالي الممتنع، حذرا من أن أنال بما أكره وتسبى نسائي.
والشاهد: نصب (حذارا) على إنه مفعول له، والعامل فيه حلت.
حذف عامل المفعول المطلققال سيبويه في باب ما ينصب فيه المصدر المشبه به على إضمار
আমার ঘরবাড়িগুলো এক দুর্ভেদ্য উচ্চস্থানে স্থাপিত হয়েছে
… সেখানে ভারবাহী উটের রাখালকে উচ্চতার কারণে উড্ডীয়মান পাখি বলে ভ্রম হয়।
শুভ্র পা-বিশিষ্ট পাহাড়ী ছাগলগুলো এর সুউচ্চ প্রপাতসমূহ থেকে পিছলে পড়ে যায়
… এবং এর শৃঙ্গগুলো আকাশের মেঘমালায় ঢাকা পড়ে যায়।
(এই সতর্কতায় যেন আমার কর্তৃত্ব বা নেতৃত্ব ক্ষুণ্ণ না হয়
… এবং আমার নারীরা যেন স্বাধীন অবস্থায় মৃত্যু পর্যন্ত সুরক্ষিত থাকে।)
আল-ইয়াফা: উচ্চ ও পরিদৃশ্যমান স্থান। আল-মুমান্না: যা তার আকাঙ্ক্ষাকারীর জন্য দুর্ভেদ্য; তিনি এর দ্বারা একটি সুউচ্চ পাহাড় বুঝিয়েছেন। আর উটের ‘হামুলা’ বলতে বোঝায়: যে উটগুলো পিঠে ভার বহনের যোগ্য। তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, যে ব্যক্তি এই পাহাড়ের দিকে তাকাবে, সে এর উচ্চতার কারণে পাহাড়ের উপরের উটের রাখালকে পাখির মতো দেখবে।
আল-উউল: এটি ‘ওয়াল’ শব্দের বহুবচন, যাকে পাহাড়ী ছাগল বলা হয়। পাহাড়ী ছাগলের মধ্যে ‘উসম’ হলো সেইগুলো যাদের পায়ে শুভ্রতা রয়েছে; এর পুরুষকে ‘আসাম’ এবং স্ত্রীকে ‘আসমা’ বলা হয়। আয-যুরা: এর অর্থ হলো উচ্চতা বা চূড়া, যার একবচন ‘যিরওয়াহ’। আল-কাওয়াফির: যা মেঘ দ্বারা আচ্ছাদিত। বলা হয়ে থাকে: ‘সে বর্ম দ্বারা নিজেকে আবৃত করেছে’ যখন সে তা পরিধান করে। আর রাতকে ‘কাফির’ বলা হয় কারণ এটি সবকিছুকে ঢেকে দেয় বা আচ্ছাদিত করে।
তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, এই পাহাড়ের শীর্ষদেশ মেঘমালা দিয়ে ঢাকা পড়েছে। আল-মাকাদাহ: এর অর্থ হলো নেতৃত্ব বা আনুগত্য। তিনি উদ্দেশ্য করেছেন: যেন আমার অবমাননা ও পরাজয় সাধিত না হয় এবং আমার নারীদের যেন দাসীবৃত্তিতে বাধ্য করা না হয়।
তিনি বলছেন, আমি আমার ঘরবাড়িগুলোকে এই সুউচ্চ ও দুর্ভেদ্য পাহাড়ে স্থাপন করেছি এই আশঙ্কায় যেন আমার অপছন্দনীয় কিছু না ঘটে এবং আমার নারীরা যেন যুদ্ধবন্দী না হয়।
নিদর্শন বা শাহিদ: ‘হিযারান’ শব্দটি ‘মাফউল লাহু’ (উদ্দেশ্যবাচক কর্ম) হিসেবে নসব (জবর) হয়েছে এবং এর আমিল বা ক্রিয়া হলো ‘হাল্লাত’।
মাফউল মুতলাকের আমিল বা ক্রিয়া বিলুপ্ত হওয়াসিবওয়াইহি সেই অনুচ্ছেদে বলেছেন যাতে সাদৃশ্যপূর্ণ মাসদারকে উহ্য ক্রিয়ার ভিত্তিতে নসব প্রদান করা হয়
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ২৫)
الفعل المتروك
إظهاره. وذلك قولك: مررت به فإذا له صوت صوتَ حمار
أراد أن (صوت حمار) ينتصب يفعل مضمر تقديره: بصوته صوت حمار، ويخرجه صوتا مثل صوت الحمار.
وقال النابغة:
فَعَدَّ عما تَرى إذْ لا ارْتِجاعَ له
… وانْمِ القُتودَ على عَيْرانَةٍ أجدِ
(مَقْذوفَةٍ بدخيس النحضِ بازلُها
… له صَريفٌ صَريفَ القَعْو بالمسَدِ)
فعد عما ترى: انصرف عنه، يريد به انصرف عن الدار التي وقفت عليها تتذكر من كان يحل بها، فانك لا ترتجع بحزنك وبكائك عليهم شيئا مما كنت فيه. وانم القتود: ارفعها، يقال نميت الشيء أنميه إذا رفعته، والقتود: الرحل بما عليه، وقيل: القتود: خشب الرحل، والعيرانة: الموثقة الخلق، والمقذوفة: بالحم، أي رميت به؛ للحم الذي كثر في جسدها، والدخسين: اللحم المتدخل. يريد أنها مكتنزة اللحم صلبته. والنحض: اللحم، وبازلها: نابها الذي بزلت به، أي صارت بخروجه بازلا. وبازلها:
উহ্য ক্রিয়া
যা প্রকাশ করা বর্জন করা হয়েছে। আর তা হলো তোমার কথা: "আমি তার পাশ দিয়ে অতিক্রম করলাম, হঠাৎ তার একটি শব্দ শোনা গেল যা গাধার শব্দের মতো।"
তিনি বুঝাতে চেয়েছেন যে, (গাধার শব্দ) অংশটি একটি উহ্য ক্রিয়া দ্বারা নসব (মানসুব) হয়েছে, যার মূল রূপ হলো: "সে তার শব্দের মাধ্যমে গাধার ন্যায় শব্দ করছে," অর্থাৎ সে গাধার শব্দের মতো একটি শব্দ নির্গত করছে।
আর নাবিখাহ বলেছেন:
সুতরাং তুমি যা দেখছ তা পরিহার করো, কেননা তা আর ফিরে আসার নয়
… আর মজবুত ও দ্রুতগামী উষ্ট্রীর পিঠে শিবিকাটি তুলে দাও।
(যা মাংসল এবং সুগঠিত, তার প্রবীণ উষ্ট্রীর দাঁত
… তার দাঁত ঘষার শব্দ বালতির কপিকল ও রশির শব্দের মতো।)
"তুমি যা দেখছ তা পরিহার করো" অর্থ হলো: তা থেকে ফিরে আসো। তিনি এর মাধ্যমে বুঝাতে চেয়েছেন সেই আবাসস্থল থেকে বিমুখ হওয়া যার সামনে তুমি দাঁড়িয়ে সেখানে বসবাসকারীদের স্মরণ করছিলে। কেননা তুমি তোমার দুঃখ ও ক্রন্দনের মাধ্যমে তাদের সাথে কাটানো সেই সময়ের কিছুই ফিরিয়ে আনতে পারবে না। "আর শিবিকাটি তুলে দাও" অর্থ: তা উপরে উঠাও। বলা হয় "আমি বস্তুটি উপরে তুলেছি" যখন তা উপরে উঠানো হয়। আর "কাতুদ" হলো উটের পিঠের শিবিকা বা জিন তার সরঞ্জামসহ; আবার বলা হয়েছে যে: "কাতুদ" হলো শিবিকার কাঠ। আর "আইরানা" হলো সুগঠিত বা মজবুত দৈহিক গঠনের উষ্ট্রী। আর "মাকযুফাহ" অর্থ: মাংসল, অর্থাৎ তার শরীরের মাংসের প্রাচুর্যের কারণে তাকে যেন মাংস দিয়ে নিক্ষেপ করা হয়েছে। "দাখিস" হলো ঘন সন্নিবিষ্ট মাংস। তিনি বুঝাতে চেয়েছেন যে সেটি মাংসল ও সুদৃঢ়। "নাহয" অর্থ: মাংস। আর "বাযিল" হলো তার সেই দাঁত যা নির্গত হওয়ার কারণে সে পূর্ণ বয়স্কা হয়েছে। অর্থাৎ দাঁতটি বের হওয়ার মাধ্যমে সে "বাযিল" বা পূর্ণ বয়স্কা হিসেবে গণ্য হয়েছে। আর তার দাঁত:
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ২৬)
مبتدأ، والجملة التي بعده في موضع خبره، والصريف: صوت الناب إذا حك بالناب الذي تحته. والقعو: جانب البكرة، ويقولون خد البكرة. والمسد: الحبل من الليف، وقد يقال المسد لغير الحبل الذي يعمل من الليف. وأراد صريف القعو، أي إذا مد المسد على البكرة صوت القعو، فشبه صوت حك أنياب هذه الناقة بعضها على بعض بصوت تحك قعوا إذا جرت فتصوت.
عمل اسم الفاعلقال سيبويه في: باب من اسم الفاعل جرى مجرى الفعل المضارع في المفعول وفي المعنى. قال النابغة:
(واحْكُمْ كحكم فتاةِ الحيَّ إذ نظرَتْ
… إلى حَمَامٍ سِراعٍ وارِدِ الثَّمَدِ)
قالت: ألا ليتنا هذا الحمام لنا
… إلى حماتنا ونصفه فقدِ
قوله احكم أي كن حكيما، يقال منه: حكم الرجل يحكم حكما إذا صار حكيما، ومثله: ظرف يظرف فهو ظريف. وليس يريد به احكم
(এটি) উদ্দেশ্য (মুবতাদা), এবং এর পরবর্তী বাক্যটি এর বিধেয় (খবর)-এর স্থলাভিষিক্ত। ‘সারীফ’ হলো দাঁতের শব্দ যখন তা নিচের দাঁতের সাথে ঘর্ষিত হয়। ‘কাউ’ হলো কপিকলের পার্শ্বদেশ, যাকে কেউ কেউ কপিকলের গালও বলেন। ‘মাসাদ’ হলো তন্তুর তৈরি রশি, কখনও তন্তু ছাড়া অন্য কিছু দিয়ে তৈরি রশিকেও মাসাদ বলা হয়। তিনি ‘সারীফ আল-কাউ’ দ্বারা বুঝিয়েছেন যে, যখন রশিটি কপিকলের ওপর দিয়ে টানা হয় তখন কপিকল থেকে শব্দ উৎপন্ন হয়। এখানে তিনি এই উষ্ট্রীর একটি দাঁতের সাথে অন্য দাঁতের ঘর্ষণের শব্দকে কপিকলের ঘূর্ণনকালীন ঘর্ষণের শব্দের সাথে তুলনা করেছেন যা থেকে শব্দ নির্গত হয়।
কর্তৃবাচক বিশেষ্য (ইসমে ফায়িল)-এর আমলসিবাওয়াইহ বলেন: সেই পরিচ্ছেদে যেখানে কর্তৃবাচক বিশেষ্য (ইসমে ফায়িল) কর্মপদ (মাফউল) গ্রহণ এবং অর্থের দিক থেকে বর্তমান বা ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়া (ফেয়েলে মুযারে)-এর ন্যায় কাজ করে। আন-নাবিগাহ বলেছেন:
(আর তুমি ফয়সালা করো গোত্রের সেই তরুণীর ফয়সালার মতো, যখন সে তাকিয়েছিল
… দ্রুতগামী কবুতরগুলোর দিকে যারা স্বল্প পানির জলাধারে আসছিল)
সে বলেছিল: হায়! যদি এই কবুতরগুলো আমাদের হতো
… আমাদের কবুতরগুলোর সাথে এবং এর অর্ধেকও, তবে সংখ্যা পূর্ণ হতো
তার বক্তব্য ‘উহকুম’ এর অর্থ হলো তুমি প্রজ্ঞাবান হও। এ থেকে বলা হয়: ‘হাকুমার রাজুলু ইয়াহকুমু হুকমান’ যখন কোনো ব্যক্তি প্রজ্ঞাবান হয়। এর অনুরূপ হলো: ‘যরুফা ইয়াযরুফু’, সুতরাং সে হলো ‘যরীফ’। তিনি এর দ্বারা ‘আদেশ বা শাসন করা’ বুঝাতে চাননি।
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ২৭)
حكم القضاء، يريد تثبيت في أمري وافعل ما يفعله الحكماء، حتى تقف على صحة ما اذكره أنا، وما يذكره الذي سعى بي إليك.
وفتاة الحي هي الزرقاء التي كانت باليمامة، ويقال: أن الزرقاء اسمها اليمامة، واسم المدينة حجر، وسميت المدينة اليمامة باسم الزرقاء. والثمد: الماء القليل. وقوله: إلى حماتنا أي مع حماتنا. و (قد) بمعنى حسب، ويقال: قدي من كذا، أي: حسبي.
وكانت الزرقاء فيما زعموا نظرت إلى قطا يطير بين جبلين فقالت:
ليت الحمامَ لِيهْ
إلى حمامَتِيَهْ
ونصفه قَدِيَهْ
تمَّ الحمامُ مايهْ
فاتبع القطا إلى أن ورد الماء، فعد فإذا هو ست وستون.
يقول النابغة للنعمان: أصب في تأملك أمري حتى تقف على صحة ما ذكرته، كما أصابت هذه الجارية.
إضمار (كان) مع اسمهاقال سيبويه: ومن ذلك قول العرب: قد مررت بالرجل أن طويلا وأن قصيرا، وامرر بأبيهم أفضل أن زيدا وأن عمرا، ومررت برجل قبل أن زيدا وأن عمرا، لا يكون في هذا إلا النصب، لأنك لا تستطيع أن تحمل الطويل والقصير على غير الأول، ولا زيدا ولا عمرا على غير الأول.
المعنى في هذا إنه لا يسوغ أن تجعل الاسم الظاهر بعد إن على وجهين كما تقدم
في الباب، في قوله: المرء مجزي بعمله أن خيرا فخير: أن نصبت خيرا فقد جعلت الفاعل مضمرا في الفعل المحذوف الذي يقدر بعد أن. كأنه قال: أن كان عمله خيرا.
وإن قدرت الفعل المحذوف
বিচারের রায়; তিনি আমার বিষয়টি সুপ্রতিষ্ঠিত করতে চান। আপনিও প্রজ্ঞাবানরা যা করেন তাই করুন, যাতে আপনি আমার বর্ণিত বিষয়ের সত্যতা এবং যে ব্যক্তি আমার বিরুদ্ধে আপনার কাছে চোগলখুরি করেছে তার কথার বাস্তবতা বুঝতে পারেন।
গোত্রের সেই তরুণীটি হলো যরকা, যে ইয়ামামাতে ছিল। বলা হয়ে থাকে যে, যরকার নাম ছিল ইয়ামামা এবং শহরের নাম ছিল হাজার; পরবর্তীতে যরকার নামানুসারে শহরের নাম ইয়ামামা রাখা হয়। 'আছ-ছামাদ' অর্থ হলো অল্প পানি। আর তার উক্তি 'আমাদের হামাতিনা-র প্রতি' অর্থ হলো আমাদের কবুতরের সাথে। আর 'কাদ' শব্দটি যথেষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়; যেমন বলা হয়ে থাকে 'কাদ্দি মিন কাযা', অর্থাৎ আমার জন্য এটিই যথেষ্ট।
তাদের বর্ণনা অনুযায়ী, যরকা দুটি পাহাড়ের মাঝখানে উড়ন্ত একঝাঁক কাতা পাখির দিকে তাকিয়ে বলেছিল:
হায়, যদি এই কবুতরগুলো আমার হতো
আমার কবুতরটির সাথে যুক্ত হয়ে
এবং এদের অর্ধেকও যদি আমার হতো
তবে আমার কবুতরের সংখ্যা একশ পূর্ণ হতো।
অতঃপর কাতা পাখিগুলোকে অনুসরণ করা হলো যতক্ষণ না সেগুলো পানির ঘাটে পৌঁছাল। তারপর সেগুলোকে গণনা করা হলে দেখা গেল সেগুলো সংখ্যায় ছেষট্টিটি ছিল।
নাবিগা নুমানকে বলছেন: আমার বিষয়টি নিয়ে আপনার পর্যালোচনায় আপনি সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হোন যাতে আপনি আমার বর্ণিত বিষয়ের সত্যতা উপলব্ধি করতে পারেন, ঠিক যেভাবে এই বালিকাটি সঠিক অনুমান করেছিল।
ইসমসহ 'কানা' ক্রিয়াকে উহ্য রাখাসীবওয়াইহি বলেন: এর উদাহরণ হলো আরবদের এই উক্তি: 'আমি লোকটির পাশ দিয়ে গিয়েছি, সে লম্বা হোক বা খাটো', এবং 'তাদের পিতার পাশ দিয়ে যাও যে কি না যাইদ বা আমরের চেয়ে উত্তম', এবং 'আমি যাইদ বা আমরের পূর্বেই এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে গিয়েছি'। এসব ক্ষেত্রে কেবল 'নাসব' বা কর্মকারকের বিভক্তি হবে, কারণ আপনি 'লম্বা' এবং 'খাটো' শব্দ দুটিকে প্রথম বিশেষ্যের অনুগামী করতে পারেন না, তেমনি 'যাইদ' এবং 'আমর'-কেও প্রথমটির অনুগামী করতে পারেন না।
এর অর্থ হলো, 'ইন' অব্যয়ের পরের প্রকাশ্য বিশেষ্যকে দুইভাবে গঠন করা বৈধ নয়, যেমনটি ইতিপূর্বে আলোচনা করা হয়েছে।
এই পরিচ্ছেদে তার বক্তব্য: 'মানুষ তার কর্মের প্রতিফল পায়, তা ভালো হলে ভালো ফল পায়'। এখানে যদি আপনি 'ভালো' শব্দটিকে নাসব প্রদান করেন, তবে আপনি উহ্য ক্রিয়ার মধ্যে কর্তাকে সুপ্ত রেখেছেন যা 'ইন'-এর পরে উহ্য বলে ধরা হয়। বিষয়টি যেন এমন: 'যদি তার আমল ভালো হয়'।
আর যদি আপনি উহ্য ক্রিয়াকে বিবেচনা করেন...
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ২৮)
فارغا من ضمير، جعلت هذا الظاهر هو الفاعل، فتقدير: أن كان في عمله خير، فترفع (خير) بكان المضمرة، وتحذف الخبر. وهذان الوجهان سائغان في المواضع التي يسوغ فيها هذا التقدير. وإن كان الفعل المقدر بعد أن لا يكون فاعله إلا مضمرا فيه؛ لم يجز في الظاهر إلا النصب. وهذا شيء يقتضيه معنى الكلام.
ونحو ذلك: لا تقربن الأمير أن راضيا وأن غضبان، ولا يسوغ في مثل هذا أن نقول: أن راض وإن غضبان، على تقدير: أن كان فيه راض وإن كان فيه غضبان، وهذا محال.
وذكر سيبويه أشياء من هذا المعنى.
وقال النابغة الذبياني:
عيَّرتَني النسبَ الكريمَ وإنما
… ظَفَرُ المَفاخر أن تُعَدَّ كريما
(حَدَبَتْ عليّ بطونُضِنَّةَ طلُّها
… أن ظالما فيهم زإنْ مظلوما)
الشاهد في البيت إنه قدر: أن كنت ظالما وأن كنت مظلوما، وهذا الذي أوجبه المعنى، ولا يسوغ: أن ظالم وأن مظلوم، على: أن كان فيهم ظالم وان كان فيهم مظلوم؛ لأنه لا معنى لهذا الكلام.
وسبب هذا الشعر أن يزيد بن سنان بن أبي حارثة المري كان يقول:
সর্বনাম মুক্ত হওয়ার ফলে আপনি এই প্রকাশ্য বিশেষ্যটিকে কর্তা সাব্যস্ত করেছেন। এর ব্যাখ্যামূলক রূপ হবে: যদি তার কাজে কল্যাণ থাকে। তখন উহ্য 'কানা' ক্রিয়ার কারণে 'কল্যাণ' শব্দটি রফ' (পেশ) হবে এবং খবরটি বিলুপ্ত হবে। এই দুটি পদ্ধতিই ঐ সকল স্থানে বৈধ যেখানে এই ধরনের ব্যাখ্যার অবকাশ রয়েছে। আর যদি 'আন'-এর পরে উহ্য ক্রিয়ার কর্তা কেবল উহ্য সর্বনাম হিসেবেই হওয়া আবশ্যক হয়, তবে প্রকাশ্য বিশেষ্যটির ক্ষেত্রে নসব (জবর) ব্যতীত অন্য কিছু জায়েজ হবে না। এটি এমন এক বিষয় যা বাক্যের অর্থই দাবি করে।
এর উদাহরণ হলো: তুমি আমিরের নিকটবর্তী হবে না, সে সন্তুষ্ট থাকুক বা অসন্তুষ্ট। এই জাতীয় বাক্যে 'সন্তুষ্ট' বা 'অসন্তুষ্ট' শব্দটিকে রফ' দিয়ে বলা বৈধ নয় এই ব্যাখ্যায় যে, 'যদি তার মাঝে সন্তুষ্টি থাকে বা যদি তার মাঝে অসন্তুষ্টি থাকে', কারণ এটি অসম্ভব।
সিবওয়াইহ এই অর্থের আরও কিছু বিষয় উল্লেখ করেছেন।
নাবিগাহ আল-জুবইয়ানি বলেন:
তুমি আমাকে আমার সম্মানিত বংশ নিয়ে বিদ্রূপ করেছ, অথচ শ্রেষ্ঠত্বের জয় কেবল এতেই যে তোমাকে সম্মানিত হিসেবে গণ্য করা হবে।
(জিন্নাহর বংশধররা আমার প্রতি সহানুভূতিশীল হয়েছে, তাদের সেই অনুগ্রহ হলো
… আমি তাদের মাঝে জালিম হই কিংবা মাজলুম।)
এই কবিতার প্রমাণ্য বিষয় হলো যে, কবি এখানে ব্যাখ্যা করেছেন: 'যদি আমি জালিম হই এবং যদি আমি মাজলুম হই'। বাক্যের অর্থই এটি আবশ্যক করে। এখানে 'জালিম' এবং 'মাজলুম' শব্দদ্বয়কে রফ' দিয়ে বলা বৈধ হবে না—এই ভিত্তিতে যে, 'যদি তাদের মাঝে কোনো জালিম থাকে এবং যদি তাদের মাঝে কোনো মাজলুম থাকে'; কারণ এই কথার কোনো অর্থ হয় না।
এই কবিতাটির প্রেক্ষাপট হলো যে, ইয়াজিদ ইবনে সিনান ইবনে আবি হারিসাহ আল-মুররি বলতেন:
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ২৯)
أن النابغة وأهل بيته من قضاعة ثم من بني عذرة من بني ضنة، فقال النابغة: هؤلاء الذين نسبتني إليهم قوم كرام، ولو كنت منهم لم تكن علي غضاضة، وإنما سعادة الإنسان أن يكون آباؤه كراما، لهم مفاخر وأيام حسنة، ومن أي الكرام كان فقد بلغ
ما يريده.
وحدبت: عطف وتحننت، وبطون ضنة: قبائلها. يقول: عطفت علي ضنة كلها إن كنت فيهم ظالما وأن كنت مظلوما يريد إنه لو كان منهم لنصروه وتحدبوا عليه.
جواز الابتداء بالنكرةقال سيبويه: في باب ما يجري مما كان ظرفا هذا المجرى. قال امرؤ القيس:
فبِتُّ أُكابدُ ليلَ التَّما
… مِ والقلبُ من خَشيةٍ مُقْشَعِرّْ
(فأَقبلتُ وحفاً على الركبتينِ
… فثوبٌ نسيتُ وثوبٌ أَجُرّْ)
يصف حاله مع امرأة التي قد مر ذكرها وهي هر. يريد إنه اجتهد في الوصول، وتسبب في الليل الطويل، وقاسى شدة من خوفه من أهلها. ولهذا قال:
والقلب من خشية مقشعر
يريد أن قلبه من خشية أهلها والرقباء عليها مقشعر،
নিশ্চয়ই নাবিগাহ এবং তার পরিবারের লোকজন কুদাআহ গোত্রের, অতঃপর বনু উদরাহ এবং বনু দিননাহ গোত্রীয়। নাবিগাহ বললেন: আপনি আমাকে যাদের সাথে সম্পর্কিত করেছেন তারা এক সম্মানীত জাতি, আর আমি যদি তাদের অন্তর্ভুক্ত হতাম তবে আমার জন্য কোনো হীনতা হতো না। মূলত মানুষের পরম সৌভাগ্য হলো তার পিতৃপুরুষগণ সম্মানীত হওয়া, যাদের রয়েছে গৌরবময় ঐতিহ্য ও সুন্দর দিনসমূহ। আর যে কেউ কোনো সম্মানীত ব্যক্তির বংশধর হয়, সে লাভ করেছে
তার কাঙ্ক্ষিত উদ্দেশ্য।
'হাদাবাতু' অর্থ হলো মমতা ও অনুকম্পা প্রদর্শন করা, আর 'বুতুনু দিননাহ' হলো তাদের উপগোত্রসমূহ। তিনি বলছেন: আমি যদি তাদের মাঝে জালিম হই কিংবা মজলুম হই, তবে পুরো দিননাহ গোত্রই আমার প্রতি মমতা প্রদর্শন করত। তিনি বুঝাতে চেয়েছেন যে, তিনি যদি তাদের অন্তর্ভুক্ত হতেন তবে তারা অবশ্যই তাকে সাহায্য করত এবং তার প্রতি দরদী হতো।
নাকিরাহ (অনির্দিষ্ট বিশেষ্য) দিয়ে বাক্য শুরু করার বৈধতাসিবওয়াইহ বলেছেন: যরফ (অধিকরণ) হিসেবে যা এই ধারায় ব্যবহৃত হয় সেই অধ্যায়ে। ইমরুল কায়স বলেছেন:
আমি পূর্ণিমার দীর্ঘ রজনীর কষ্ট সহ্য করে রাত অতিবাহিত করেছি
… আর ভয়ে আমার হৃদয় ছিল রোমাঞ্চিত
(অতঃপর আমি হাঁটু গেড়ে দ্রুত অগ্রসর হলাম
… একখানা কাপড় আমি ভুলে ফেলে এসেছি আর অন্যটি আমি টেনে নিয়ে যাচ্ছিলাম)
তিনি সেই নারীর সাথে নিজের অবস্থার বর্ণনা দিচ্ছেন যার কথা ইতিপূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে, আর তিনি হলেন হির। তিনি বুঝাতে চেয়েছেন যে, তিনি তার কাছে পৌঁছানোর আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন, দীর্ঘ রাতের কষ্ট সয়েছেন এবং তার পরিবারের ভয়ে তীব্র সংকটের সম্মুখীন হয়েছেন। এই কারণেই তিনি বলেছেন:
আর ভয়ে হৃদয় ছিল রোমাঞ্চিত
তিনি বুঝাতে চেয়েছেন যে, তার পরিবারের লোকজন এবং প্রহরীদের ভয়ে তার হৃদয় রোমাঞ্চিত বা শিহরিত হয়ে উঠেছিল,
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৩০)
فأقبل يزحف على ركبتيه حتى دخل عليها. ومن روى:
فلما دنونُ تسدَّيتُها
أي علوتها وركبتها. وقوله:
فثوبٌ نسيتُ وثوبٌ أَجُرّْ
يريد إنه نسي بعض ثيابه عندها لأنها ذهبت بفؤاده، فلم يدر على أي صورة يخرج من عندها.
تنازع الفعلين، وإعمال ما يحسن معه المعنىقال سيبويه في: باب الفاعلين المفعولين اللذين يفعل كل واحد منهما بفاعله مثل الذي فعل به. فأما قول امرئ القيس:
(فلو أن أَسْعى لأَدنى معيشةٍ
… كفاني - ولم أَطلبْ - قليلٌ من المالِ)
ولكنما أَسعى لمجدٍ مُؤثَّلٍ
… وقد يُدرك المجدَ المؤثَّلَ أَمثالي
فإنما رفع لأنه لم يجعل القليل مطلوبا، وإنما كان المطلوب عنده الملك، وجعل القليل كافيا. ولو لم يرد ذلك ونصب لفسد المعنى.
الشاهد فيه على أعمال الفعل الأول وهو (كفاني)، لأن قوله (قليل) قد ارتفع بـ (كفاني). ولم يجز أن يعمل الفعل الثاني وهو قوله (ولم أطلب) في (قليل)
এরপর সে তার হাঁটুতে ভর দিয়ে হামাগুড়ি দিয়ে এগিয়ে চলল, যতক্ষণ না সে তার কাছে প্রবেশ করল। এবং যারা বর্ণনা করেছেন:
"যখন আমি নিকটবর্তী হলাম, আমি তার উপরে আরোহণ করলাম"
অর্থাৎ আমি তার উপরে উঠলাম এবং চড়লাম। আর তার উক্তি:
"এক কাপড় আমি ভুলে এসেছি এবং অন্য কাপড় আমি টেনে নিয়ে আসছি"
এর দ্বারা সে উদ্দেশ্য করেছে যে, সে তার কাছে তার কিছু কাপড় ভুলে ফেলে এসেছে, কারণ সেই নারী তার হৃদয় হরণ করেছিল; ফলে সে বুঝতে পারছিল না কোন অবস্থায় সে তার নিকট থেকে বের হয়ে আসবে।
দুটি ক্রিয়ার পারস্পরিক দ্বন্দ্ব (তানাজু') এবং যেটির দ্বারা অর্থ যথাযথ হয় সেটিকে কার্যকর করাসিবওয়াইহ্ নিম্নোক্ত অনুচ্ছেদে বলেছেন: এমন দুইজন কর্তা ও কর্মের আলোচনা, যাদের প্রত্যেকেই তার কর্তার সাথে অনুরূপ কাজ করে যা তার সাথে করা হয়েছে। আর ইমরুল কায়েসের উক্তি প্রসঙ্গে:
(যদি আমি সামান্য জীবনোপকরণের জন্য চেষ্টা করতাম
… তবে অল্প সম্পদই আমার জন্য যথেষ্ট হতো - যদিও আমি তা চাইনি -)
কিন্তু আমি তো সুপ্রতিষ্ঠিত আভিজাত্যের অন্বেষণ করি
… আর আমার মতো লোকেরাই হয়তো সুপ্রতিষ্ঠিত আভিজাত্য লাভে সমর্থ হয়।
এখানে শব্দটি 'রাফা' বা পেশযুক্ত হয়েছে কারণ সে 'অল্প' (সম্পদ)-কে 'কাঙ্ক্ষিত বস্তু' হিসেবে নির্ধারণ করেনি। বরং তার নিকট কাঙ্ক্ষিত বিষয় ছিল রাজত্ব, আর সে 'অল্প'-কে 'যথেষ্ট' হিসেবে সাব্যস্ত করেছে। সে যদি এমনটি উদ্দেশ্য না করত এবং একে 'নসব' বা যবর প্রদান করত, তবে অর্থ বিকৃত হয়ে যেত।
এতে ভাষাতাত্ত্বিক প্রমাণ হলো প্রথম ক্রিয়াটিকে তথা (কাফানি)-কে কার্যকর করার ক্ষেত্রে, কারণ (কালিলুন) শব্দটি (কাফানি) ক্রিয়াটির মাধ্যমে 'রাফা' বা পেশপ্রাপ্ত হয়েছে। আর দ্বিতীয় ক্রিয়া তথা তার উক্তি (ওয়া লাম আতলুব)-কে (কালিলুন) শব্দটিতে আমল প্রদান করা বা কার্যকর করা এখানে বৈধ হয়নি।
(খণ্ড: ১)
শারহু আবইয়াতি সিবওয়াইহি
(পৃষ্ঠা: ৩১)
وينصبه به، لأنه لو فعل هذا فسد معنى البيت، وذلك أن (لو) المعنى الذي يشتمل عليه جوابها غير واقع، لأن المعنى الذي بعدها غير واقع، وعلة امتناع وقوع جوابها، هو أن ما بعدها لم يقع.
مثال هذا أنك تقول: لو جئتني لأكرمتك، الإكرام غير كائن لأن المجيء غير كائن، فإن المجيء وقع الإكرام.
ولو نفيت الجواب فقلت: لو جئتني لم أكرمك لصار معنى الكلام: لو وقع مجيئك انتفت كرامتي لك. فيكون المجيء سببا لامتناع الإكرام، وأنه متى جاء لم تكرمه. فعلة امتناع جوابها، هو امتناع ما بعدها.
فإذا قال قائل: أنا لو سعيت لمعيشة خسيسة كفاني قليل من المال؛ لكان الكلام صحيحا، وقد انتفى أن يكفيه قليل من المال لانتفاء طلبه معيشة خسيسة، ولو سعى لمعيشة خسيسة كفاه قليل من المال. ولو ادخل حرف النفي فقال: لو سعيت لمعيشة خسيسة ما كفاني قليل من المال لفسد الكلام. ومثال هذا كأنه قال: لو قنعت بمقدار قوتي كل يوم كفاني مقدار شبعي. (وهذا سديد من الكلام. وكل هاة إنه لا يكفيه مقدار شبعه ولا يقتنع بقوته في كل يوم.
ولو قال: لو قنعت بقوتي في كل يوم، لم أطلب مقدار شبعي في كل يوم لناقص. لأنه لو قال: متى طلبت قوتي لم يكفني شبعي) فسد الكلام. ولهذا لم يجز أن يعمل (لم أطلب) في (قليل) لأنه كان تقديره أن يكون: متى سعيت لأدنى معيشة لم
اطلب قليلا من المال، ومن سعى لأدنى معيشة طلب القليل. ومثله قولك: لو طلبت الملك طلبت مالا كثيرا، وهذا صحيح. ولو قال: لو طلبت الملك طلبت مالا قليلا؛ فسد الكلام. وقولنا: ولو طلبت الملك لم اطلب مالا كثيرا، فاسد، لأنه يكون بمنزلة من قال: لو طلبت الملك طلبت مالا قليلا.
في وجوب رفع المصدرقال سيبويه: هذا باب مالا يكون فيه إلا الرفع، وذلك قولك: صوته صوت حمار، وتلويحه تضميرك السابق، ووجدي بها وجد
এবং তিনি একে এর দ্বারা নসব (জবর) প্রদান করেন, কারণ তিনি যদি এটি করতেন তবে পংক্তিটির অর্থ নষ্ট হয়ে যেত। আর বিষয়টি হলো, 'লাও' (যদি) এর জওয়াবে (ফলাফলে) যে অর্থ অন্তর্ভুক্ত থাকে তা সংঘটিত হয় না, কারণ এর পূর্ববর্তী বিষয়টি সংঘটিত হয়নি। আর এর জওয়াব সংঘটিত না হওয়ার কারণ হলো এই যে, এর পরবর্তী বিষয়টি ঘটেনি।
এর উদাহরণ হলো আপনার এই কথা বলা: "যদি তুমি আমার কাছে আসতে, তবে আমি তোমাকে অবশ্যই সম্মান করতাম।" এখানে সম্মান প্রদর্শনটি সংঘটিত হয়নি কারণ আসাটি সংঘটিত হয়নি। যদি আসাটি সংঘটিত হতো তবে সম্মান প্রদর্শনও সংঘটিত হতো।
আর আপনি যদি জওয়াবটিকে না-বোধক করেন এবং বলেন: "যদি তুমি আমার কাছে আসতে, তবে আমি তোমাকে সম্মান করতাম না," তবে কথার অর্থ দাঁড়াবে: তোমার আসাটি যদি সংঘটিত হতো, তবে আমার পক্ষ থেকে তোমার প্রতি সম্মান প্রদর্শন না থাকাটি নিশ্চিত হতো। ফলে আসাটি সম্মান না করার কারণ হয়ে দাঁড়াত, অর্থাৎ সে যখনই আসবে আপনি তাকে সম্মান করবেন না। সুতরাং এর জওয়াবটি না ঘটার কারণ হলো এর পরবর্তী বিষয়টি না ঘটা।
অতএব, যদি কেউ বলে: "আমি যদি তুচ্ছ জীবিকার জন্য চেষ্টা করতাম, তবে সামান্য সম্পদই আমার জন্য যথেষ্ট হতো," তবে কথাটি সঠিক হতো। এখানে সামান্য সম্পদ যথেষ্ট হওয়াটি নাকচ হয়ে গেছে কারণ তুচ্ছ জীবিকা অন্বেষণ করার বিষয়টি নাকচ হয়েছে। আর সে যদি তুচ্ছ জীবিকার জন্য চেষ্টা করত, তবে সামান্য সম্পদই তার জন্য যথেষ্ট হতো। কিন্তু যদি সে না-বোধক অব্যয় যুক্ত করে বলে: "আমি যদি তুচ্ছ জীবিকার জন্য চেষ্টা করতাম, তবে সামান্য সম্পদ আমার জন্য যথেষ্ট হতো না," তবে কথাটি অর্থহীন হয়ে যাবে। এর উদাহরণ এমন যেন সে বলল: "আমি যদি প্রতিদিন আমার শক্তির পরিমাণ অনুযায়ী সন্তুষ্ট থাকতাম, তবে আমার তৃপ্ত হওয়ার পরিমাণই আমার জন্য যথেষ্ট হতো।" (আর এটি একটি সঠিক কথা। এর সারকথা হলো, সে তার তৃপ্ত হওয়ার পরিমাণ নিয়ে যথেষ্ট মনে করে না এবং প্রতিদিন তার শক্তির ওপর সন্তুষ্ট থাকে না।)
আর যদি সে বলত: "আমি যদি প্রতিদিন আমার শক্তির ওপর সন্তুষ্ট থাকতাম, তবে প্রতিদিন আমি আমার তৃপ্ত হওয়ার পরিমাণটি অন্বেষণ করতাম না," তবে তা ত্রুটিপূর্ণ হতো। কারণ সে যদি বলে: "যখনই আমি আমার শক্তি অন্বেষণ করেছি তখন আমার তৃপ্তি আমাকে যথেষ্ট করেনি," তবে কথাটি নষ্ট হয়ে যাবে। এই কারণেই 'আমি অন্বেষণ করিনি' অংশটিকে 'সামান্য' শব্দের ক্ষেত্রে আমল করানো বৈধ হয়নি, কারণ এর মর্মার্থ তখন এমন হতো: "যখনই আমি নগণ্য জীবিকার জন্য চেষ্টা করেছি, আমি সামান্য সম্পদ অন্বেষণ করিনি।" অথচ যে ব্যক্তি নগণ্য জীবিকার জন্য চেষ্টা করে সে সামান্যই অন্বেষণ করে। এর অনুরূপ আপনার কথা: "যদি আমি রাজত্ব অন্বেষণ করতাম, তবে আমি প্রচুর সম্পদ অন্বেষণ করতাম," এবং এটি সঠিক। কিন্তু যদি কেউ বলে: "যদি আমি রাজত্ব অন্বেষণ করতাম, তবে আমি সামান্য সম্পদ অন্বেষণ করতাম," তবে কথাটি অশুদ্ধ হবে। ঠিক তেমনি আমাদের কথা: "যদি আমি রাজত্ব অন্বেষণ করতাম, তবে আমি প্রচুর সম্পদ অন্বেষণ করতাম না," এটিও অশুদ্ধ; কারণ এটি সেই ব্যক্তির কথার সমপর্যায়ভুক্ত যে বলে: "যদি আমি রাজত্ব অন্বেষণ করতাম, তবে আমি সামান্য সম্পদ অন্বেষণ করতাম।"
মাসদার (ক্রিয়ামূল) পেশযুক্ত হওয়া আবশ্যক হওয়া প্রসঙ্গেসিবওয়াইহি বলেছেন: এটি এমন একটি অধ্যায় যেখানে পেশ (রফা) ব্যতীত অন্য কিছু হওয়া সম্ভব নয়। আর তা হলো আপনার কথা: "তার কণ্ঠস্বর গাধার কণ্ঠস্বরের মতো", "তার ইশারা তোমার পূর্বের গোপন বিষয়ের অনুরূপ", এবং "তার প্রতি আমার ভালোবাসা হলো ভালোবাসার মতো"।