(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: -)
السماع والقياس   (أحمد تيمور باشا)

القسم: النحو والصرف


الكتاب: السماع والقياس

رسالة تجمع ما تفرق من أحكام السماع والقياس والشذوذ وما إليها من المباحث اللغوية النادرة في ذخائر الكتب المطبوعة والمخطوطة

المؤلف: أحمد بن إسماعيل بن محمد تيمور (ت 1348هـ)

الناشر: دار الآفاق العربية، القاهرة - مصر

الطبعة: الأولى، 1421 هـ - 2001 م

عدد الأجزاء: 1

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 16 رجب 1432

আস-সামা' ওয়াল কিয়াস   (আহমাদ তায়মুর পাশা)

বিভাগ: নাহু ও সরফ


গ্রন্থ: আস-সামা' ওয়াল কিয়াস

একটি পুস্তিকা যা শ্রবণযোগ্য প্রমাণ (السماع), বিধিবদ্ধ অনুমান (القياس), বিরলতা (الشذوذ) এবং মুদ্রিত ও পাণ্ডুলিপি আকারে সংরক্ষিত দুর্লভ কিতাবসমূহে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সমজাতীয় বিরল ভাষাতাত্ত্বিক আলোচনার বিধিবিধানগুলোকে একত্রিত করেছে

লেখক: আহমাদ বিন ইসমাইল বিন মুহাম্মদ তায়মুর (মৃ. ১৩৪৮ হিজরি)

প্রকাশক: দারুল আ ফাক আল-আরাবিয়্যাহ، কায়রো - মিশর

সংস্করণ: প্রথম، ১৪২১ হিজরি - ২০০১ খ্রি.

খণ্ড সংখ্যা: ১

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণ কপির অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ১৬ রজব ১৪৩২

(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ১৪)
بسم الله الرحمن الرحيم

 

‌‌السماع والقياس

إذا ورد السماع بطل القياس: خزانة البغدادي.

في شرح الأشمونى على الألفية بعد وسط بحاشية الصبان:

. . ويؤخذ منه: أنه إذا سمع فيه غير قياسه امتنع النطق بقياسه، وهو أحد قولين في المصدر الوارد على خلاف قياسه. ونظير ما نحن فيه. . .

قال ذلك في الكلام على جموع التكسير.

وقال الأشموني في المصدر:

. . والمراد بالقياس هنا: أنه إذا ورد شئ ولم يعلم كيف تكلموا بمصدره، فإنك تقيسه على هذا، لا أنك تقيس مع وجود السماع. قال ذلك سيبويه، والأخفش. .

وقال الصبان:

قوله: سيبويه، الأخفش - وذهب الفراء إلى أنه يجوز القياس عليه وإن سمع غيره. أه - دماميني. وحكى في الهمع عن بعضهم أنه قال: لا تدرك مصادر الأفعال الثلاثية إلا بالسماع، فلا يقاس على فعل ولو عدم السماع.

ليس لنا أن نخترع في اللغة، ولا نقول غير ما قالوه:

فقه اللغة، الصاحبي.

انظر المسألة 22 من مسائل الراعى المسماة بالأجوبة المرضية عن الأسئلة النحوية رقم 393 نحو ص67 - 77 ففيها أشياء عن السماع والقياس.

قول القاموس في (عبد):

. . العبابيد، والعباديد: بلا واحد من لفظها، وقول الشارح:

. . قال سيبويه، وعليه الأكثر. . إلخ. والقياس يقتضى أن يكون واحدهما على: فعول أو فعيل أو فعلال، فيه ما يشعر بأن الأكثرين على أن السماع يبطل القياس،
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ

 

‌শ্রবণ (السماع) এবং অনুমান (القياس)

যখন শ্রবণ (السماع) এর প্রমাণ পাওয়া যায়, তখন অনুমান (القيাস) বাতিল হয়ে যায়: খিজানাতুল বাগদাদি।

সাব্বানের টীকাসহ আলফিয়্যাহ-এর ওপর আল-আশমুনির ব্যাখ্যাগ্রন্থের মাঝামাঝি অংশের পরে:

. . এ থেকে এটি গ্রহণ করা হয় যে: যদি কোনো বিষয়ে এর অনুমানের (القياس) বিপরীত শ্রবণ (السماع) পাওয়া যায়, তবে অনুমানের (القيাস) ভিত্তিতে তা উচ্চারণ করা নিষিদ্ধ। এটি অনুমানের (القيাস) বিপরীতে বর্ণিত মূল ধাতু (المصدر) সম্পর্কে দুটি মতের একটি। এবং এটি আমাদের বর্তমান আলোচনার অনুরূপ। . .

তিনি এ কথাটি ভগ্ন বহুবচন (جموع التكسير) সম্পর্কিত আলোচনায় বলেছেন।

আল-আশমুনি মূল ধাতু (المصدر) প্রসঙ্গে বলেছেন:

. . এবং এখানে অনুমান (القياس) দ্বারা উদ্দেশ্য হলো: যখন কোনো বিষয় আসে এবং তারা কীভাবে সেটির মূল ধাতু (المصدر) উচ্চারণ করত তা জানা না থাকে, তখন আপনি সেটির ওপর অনুমান (القيাস) করবেন; এমন নয় যে শ্রবণ (السماع) থাকা সত্ত্বেও আপনি অনুমান (القيাস) করবেন। এ কথাটি সিবওয়াইহ এবং আল-আখফাশ বলেছেন। . .

সাব্বান বলেছেন:

তাঁর বক্তব্য: সিবওয়াইহ, আল-আখফাশ - এবং আল-ফাররা এই মত পোষণ করেছেন যে, অন্য কিছু শোনা গেলেও তার ওপর অনুমান (القياس) করা জায়েজ। সমাপ্ত - দামামিনি। আল-হাম’ গ্রন্থে কারো কারো থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন: তিন অক্ষরবিশিষ্ট ক্রিয়ার (الأفعال الثلاثية) মূল ধাতুগুলো (المصدر) শ্রবণ (السماع) ব্যতীত জানা সম্ভব নয়, তাই শ্রবণ (السماع) না থাকলেও ক্রিয়ার ওপর অনুমান (القياس) করা যাবে না।

ভাষায় নতুন কিছু উদ্ভাবন করা আমাদের জন্য উচিত নয়, এবং তারা যা বলেছেন তার বাইরে কিছু বলাও আমাদের জন্য সংগত নয়:

ফিকহুল লুগাহ, আস-সাহীবি।

আল-রায়ি-এর মাসআলাসমূহের ২২ নম্বর মাসআলাটি দেখুন যার নাম আল-আজওয়িবাহ আল-মারদিয়্যাহ আনিল আসয়িলাত আন-নাহউইয়্যাহ, নম্বর ৩৯৩ নাহু, পৃষ্ঠা ৬৭ - ৭৭; এতে শ্রবণ (السماع) এবং অনুমান (القياس) সম্পর্কে কিছু বিষয় রয়েছে।

‘আবদ’ শব্দে আল-কামুস-এর বক্তব্য:

. . আল-আবাবীদ এবং আল-আবাদীদ: এর স্বীয় শব্দজাত কোনো একবচন নেই। এবং ব্যাখ্যাকারকের বক্তব্য: . . সিবওয়াইহ বলেছেন এবং অধিকাংশের মত এটিই। . . ইত্যাদি। এবং অনুমান (القياس) দাবি করে যে এদের একবচন: ‘ফাউল’ বা ‘ফায়ীল’ বা ‘ফিলআল’ ওজনে হওয়া উচিত। এতে এমন ইঙ্গিত রয়েছে যে অধিকাংশের মতে শ্রবণ (السماع) অনুমানকে (القياس) বাতিল করে দেয়।
(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ১৫)
لأنهما لما لم يسمع فيهما الوحد قالوا بعدمه فيهما - وهو مذهب ثالث غير المذهبين المتقدمين أولاً - يوافق ما في الهمع.

متابعة ابن مالك للكوفيين في القياس على الشاذ والنادر:

همع الهوامع ج - 1 أواخر ص50 (وانظر: الشاذ، والنادر، والضعيف) في مادة (بدا) من اللسان آخر ص71: إذا أمكن في الشئ المنسوب أن يكون قياسياً وشاذاً، كان حمله على القياس أولى، لأن القياس أشيع وأوشع.

(ذكرناه أيضاً في النسب لهذا الكتاب).

ابن الطيب على الاقتراح أواخر ص26 وأولص27:

كلام مختصر في تقديم السماع على القياس:

كناش الكواكبي ص101:

السماعي قد يصير قياسياً، إذا استخرجت قاعدة يعرف بها.

في إرشاد الأريب ج7 ص46:

قول أبي المنصور بن الحيّان: قياسات النحو تتوقف ولا تطرد، كقميص له جربانات، فصاحبه كل ساعة يخرجرأسه من جربانه.

بغية الوعاة ص 79 من كلام محمد بن علي بن عمر بن جياز:

قياسات النحو تتوقف ولا تطرد، كقميص له جربانات، فصاحبه كل ساعة يخرج رأسه من جربانه.

تصرف العجاج ورؤبة في اللغة وقياسهما فيها:

الخصائص ج - 1 ص363، 11 (ذكر في الكتب والعلوم).

ارتكابهم لأشياء كثيرة مخالفة: في باب غلبة الفرع على الأصل من الخصائص ج - 1 ص300.

خطأ بشار في قياسه لفظين مع أنهما مما لم يسمع: الموشح للمرزبانى ص246.

للشاعر أن يقيس - في الضرورة - ما قل على ما كثر، ولا بأس في ذلك. وعيب سيبوبه على بشار استعماله (العزلى) واحتجاجه بانه قاسه على (جمزى، ووكرى):

عبث الوليد ص21.
যেহেতু সে দুটির ক্ষেত্রে কোনো একবচন শব্দ শ্রুত হয়নি, তাই তাঁরা সেগুলোতে তার অনুপস্থিতির কথা বলেছেন—এটি আগে উল্লিখিত দুটি মাযহাবের বাইরে একটি তৃতীয় মাযহাব—যা হামউিল্ হাওয়ািম গ্রন্থের বর্ণনার সাথে সংগতিপূর্ণ।

শায (شاذ) এবং বিরল (نادر) এর ওপর কিয়াসের (অনুমান) ক্ষেত্রে কুফী পণ্ডিতদের প্রতি ইবনে মালিকের অনুসরণ:

হামউিল্ হাওয়ািম, ১ম খণ্ড, ৫০ পৃষ্ঠার শেষ দিকে (আরও দেখুন: শায (شاذ), বিরল (نادر) এবং দুর্বল (ضعيف)) 'লিসান' গ্রন্থের 'বাদা' পরিচ্ছেদে ৭১ পৃষ্ঠার শেষে: যখন কোনো সম্বন্ধযুক্ত বিষয়ের ক্ষেত্রে কিয়াসভিত্তিক এবং শায (شاذ) হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তখন একে কিয়াসের ওপর প্রয়োগ করাই শ্রেয়; কারণ কিয়াস অধিক প্রচলিত ও বিস্তৃত।

(আমরা এই কিতাবের নিসবত বা সম্বন্ধের আলোচনায় এটিও উল্লেখ করেছি)।

আল-ইকতিরাহ গ্রন্থের ওপর ইবনে আত-তয়্যিবের টীকা, ২৬ পৃষ্ঠার শেষ এবং ২৭ পৃষ্ঠার শুরু:

কিয়াসের ওপর সিমায়ের (শ্রুত ভাষ্য) প্রাধান্য প্রসঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলোচনা:

কুনাশ আল-কাওয়াকিবি, ১০১ পৃষ্ঠা:

শ্রুত ভাষ্য কিয়াসভিত্তিক হতে পারে, যদি এমন কোনো মূলনীতি উদ্ভাবন করা হয় যার দ্বারা তা চেনা যায়।

ইরশাদুল আরিব, ৭ম খণ্ড, ৪৬ পৃষ্ঠা:

আবু মানসুর ইবনুল হাইয়ানের উক্তি: নাহুর কিয়াসসমূহ সীমিত এবং তা সর্বদা প্রযোজ্য হয় না; এটি এমন একটি জামার মতো যার একাধিক কলার (ছিদ্র) রয়েছে, যার পরিধানকারী প্রতি মুহূর্তে কোনো না কোনো ছিদ্র দিয়ে নিজের মাথা বের করে।

বুগইয়াতুল উয়াত, ৭৯ পৃষ্ঠা, মুহাম্মদ বিন আলী বিন উমর বিন জিয়াজ-এর বক্তব্য থেকে:

নাহুর কিয়াসসমূহ সীমিত এবং তা সর্বদা প্রযোজ্য হয় না; এটি এমন একটি জামার মতো যার একাধিক কলার রয়েছে, যার পরিধানকারী প্রতি মুহূর্তে কোনো না কোনো ছিদ্র দিয়ে নিজের মাথা বের করে।

ভাষার ক্ষেত্রে আল-আজজাজ ও রু’বাহ-র প্রয়োগ এবং সে বিষয়ে তাদের কিয়াস:

আল-খাসাইস, ১ম খণ্ড, ৩৬৩ পৃষ্ঠা, ১১ (কিতাব ও উলুম অধ্যায়ে উল্লিখিত)।

তাদের অনেক বিরোধপূর্ণ বিষয়ের অবতারণা: আল-খাসাইস গ্রন্থের ১ম খণ্ড, ৩০০ পৃষ্ঠায় 'মূলের ওপর শাখার প্রাধান্য' শীর্ষক অধ্যায়ে।

বাশারের দুটি শব্দের কিয়াসের ক্ষেত্রে ভুল, অথচ সেই শব্দ দুটি শ্রুত নয়: আল-মুওয়াশশাহ লিল মারযুবানি, ২৪৬ পৃষ্ঠা।

কবির জন্য সুযোগ রয়েছে—কাব্যিক প্রয়োজনে—অল্প ব্যবহৃত শব্দকে বহুল ব্যবহৃত শব্দের ওপর কিয়াস করার এবং এতে কোনো দোষ নেই। সিবওয়াইহ বাশারের 'আল-ইজলা' শব্দ ব্যবহারের সমালোচনা করেছেন, যদিও বাশার যুক্তি দিয়েছিলেন যে তিনি এটিকে 'জামাযা' ও 'ওয়াকারা' শব্দের ওপর কিয়াস করেছেন:

আবাসুল ওয়ালিদ, ২১ পৃষ্ঠা।
(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ১৬)
لا أفعله قط وهو خطأ، وكلام في مثل هذه الألفاظ، وهل يجوز لنا مخالفة العرب في استعمالها لها، وإن خالفناهم هل يكون مجازاً:

خزانة البغدادى ج - 3 ص204.

باب تعارض القياس والسماع:

انظره في الخصائص لابن جنى في الجزء الأول من النسخة المخطوطة.

(وانظر المطبوعة ج - 1 ص123).

صوغ أفعل فهو مفعل لكثرة، مثل: أعشب المكان مهو معشب، سماعية. ويرى ابن يعقوب أنها قياسية لكثرتها: في وسط ص63 من حاشية ابن الحاج على بحرق على اللامية رقم 156 صرف.

مفعلة مثل: (مأسدة، ومقتاة) سماعية، ويرى بعضهم قياسها لكثرتها:

(انظر مادة أسدمن شرح القاموس).

فعال للحرفة مثل (عطار) سماعي، ويرى المبرد قياسه:

(انظر الأشمونى والصبان رقم 34 نحو ج - 3 ص 240).

مصادر الثلاثي سماعية عند سيبويه. وأما الزمخشرى فيرى أنها قياسية لكثرتها:

(انظر المطلوب شرح المقصود رقم1 صرف أواخر ص21 - 22).

 

‌‌الشاذ، والنادر، والضعيف

الفرق بين الشاذ، وبين النادر والضعيف:

كناش الخونكى آخر ص75 - 76 رقم 544 أدب.

الشاذ وتعريفه عند النحاة: مادة (شذ) من المصباح.

(ويراجع شرح القاموس).

الفرق بين الشاذ والنادر والضعيف: كناشنا ص44.

انظر تعريفها وأمثلتها، والنسبة بينها: في مجموعة شروح الشافية رقم2 صرف ج - 1 ص20.
আমি এটি কখনোই করব না এবং এটি ভুল; আর এই জাতীয় শব্দাবলি সম্পর্কে আলোচনা এবং তাদের ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরবদের বিরোধিতা করা কি আমাদের জন্য বৈধ হবে, আর যদি আমরা তাদের বিরোধিতা করি তবে কি তা রূপক (مجازاً) হিসেবে গণ্য হবে?

খুযানাতুল বাগদাদি, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ২০৪।

কিয়াস (قياس) এবং সামা' (সুনীতি) (سماع)-এর বিরোধ বিষয়ক অধ্যায়:

এটি ইবনে জিন্নির আল-খাসাইস গ্রন্থের পাণ্ডুলিপির প্রথম খণ্ডে দেখুন।

(এবং মুদ্রিত সংস্করণ দেখুন, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১২৩)।

আধিক্য বোঝাতে আফল (أفعل) ওজনে শব্দ গঠন মুফিল (مفعل) হয়, যেমন: 'আ'শাবাল মাকানু' (স্থানটি ঘাসবহুল হয়েছে), সুতরাং এটি 'মু'শিব', যা সামাঈ (সুনীতিভিত্তিক) (سماعية)। ইবনে ইয়াকুব মনে করেন যে, এর আধিক্যের কারণে এটি কিয়াসি (নিয়মভিত্তিক) (قياسية): ইবনুল হাজ কর্তৃক বাহরাক আলাল লামিয়া-র টীকা (হাশিয়া)-র মধ্যভাগ, পৃষ্ঠা ৬৩, ইলমুস সারফ ক্রম ১৫৬।

মাফআলাহ (مفعلة) ওজন যেমন: (মাসআদাহ এবং মাকতাহ) এগুলো সামাঈ (সুনীতিভিত্তিক) (سماعية), এবং কেউ কেউ এদের আধিক্যের কারণে এগুলোকে কিয়াসি (নিয়মভিত্তিক) (قياسية) মনে করেন:

(শারহুল কামুস-এর আসাদ অনুচ্ছেদ দেখুন)।

পেশার ক্ষেত্রে ফা'আল (فعال) ওজন যেমন (আত্তার) এটি সামাঈ (সুনীতিভিত্তিক) (سماعي), তবে আল-মুবররাদ একে কিয়াসি (নিয়মভিত্তিক) (قياسي) মনে করেন:

(আল-আশমুনি ওয়াস সাব্বান দেখুন, ইলমুন নাহু ক্রম ৩৪, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ২৪০)।

সিবাওয়াইহ-এর মতে তিন অক্ষরবিশিষ্ট ক্রিয়ামূলসমূহ (মাসদার) সামাঈ (সুনীতিভিত্তিক) (سماعية)। অন্যদিকে যামাখশারী মনে করেন যে, সেগুলোর আধিক্যের কারণে সেগুলোকে কিয়াসি (নিয়মভিত্তিক) (قياسية):

(আল-মাতলুব শারহুল মাকসুদ দেখুন, ইলমুস সারফ ক্রম ১, ২১-২২ পৃষ্ঠার শেষাংশ)।

 

‌‌ব্যতিক্রমী (شاذ), বিরল (نادر) এবং দুর্বল (ضعيف)

ব্যতিক্রমী (شاذ), এবং বিরল (نادر) ও দুর্বল (ضعيف)-এর মধ্যে পার্থক্য:

কুনাশ আল-খুনকি, ৭৫-৭৬ পৃষ্ঠার শেষাংশ, আদব ক্রম ৫৪৪।

ব্যাকরণবিদদের নিকট ব্যতিক্রমী (شاذ) এবং এর সংজ্ঞা: আল-মিসবাহ-এর 'শাযয' (شذ) মূলশব্দ দ্রষ্টব্য।

(এবং শারহুল কামুস-এর সাহায্য নেওয়া যেতে পারে)।

ব্যতিক্রমী (شاذ), বিরল (نادر) এবং দুর্বল (ضعيف)-এর মধ্যে পার্থক্য: আমাদের কুনাশ, পৃষ্ঠা ৪৪।

এগুলোর সংজ্ঞা ও উদাহরণ এবং এগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক দেখুন: মাজমুআতু শুরহিশ শাফিয়া, ইলমুস সারফ ক্রম ২, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ২০।
(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ১৭)
انظر الكلام عليها في شرح شواهد الشافية للبغدادى ص3.

تفصيل الكلام على الطرد والشاذ في القياس والاستعمال:

ابن جنى على ترصيف المازنى ص255 - 257.

الوسيط في أدباء شنقيط ص372:

نظم للحسن بن زين في المراد بالشاذ، والفاشى، والنادر، والضعيف.

متابعة ابن مالك للكوفيين في القياس على الشاذ والنادر:

همع الهوامع ج - 1 أواخر ص50.

الغالب والكثير في ص 50 من المجموعة رقم 300 مجامعي.

المزهر ج - 1 ص140: الغالب والكثير والنادر والقليل والطرد.

 

‌‌الاشتقاق من الجامد سماعي

في آخر باب العدد من النكت للسيوطي: تنبيه، فيه استطراد لذلك.

كونه نادراً: انظره في البغدادى على شرح بانت سعاد ج - 2 ص472 - 473 انظر أيضاً: (الممات من الأفعال وغيرها).

وانظر الاشتقاق في فهرس (أقاليم التعاليم)، فلعل فيه ما يفيد وهو من 395 - 413 وفي مادة (ربع) من اللسان أول ص460:

. . لا يقال: يوم رابع، كما يقال: شات ومنه يفهم أن الاشتقاق من الجامد سماعي.

وفي مادة (جرب) من اللسان أوائل ص256 في الكلام على الجورب:

. . واستعمل ابن السكيت منه فعلاً، فقال يصف مقتنص الظباء: وقد تجورب جوربين. يعني: لبسهما أه.

ولينظر، فإن كان ابن السكيت اشتق من الجامد في هذا بدون سماع من العرب، فهو مما يستأنس به في كونه مقيساً. ولعل له مستنداً فيه. ثم قال في اللسان:

. . وجوربته فتجورب. أي: ألبسته الجورب فلبسه.
আল-বাগদাদী রচিত শারহু শাওয়াহিদিশ শাফিয়া-এর ৩ নং পৃষ্ঠায় এ সংক্রান্ত আলোচনা দেখুন।

কিয়াস (قياس) এবং ব্যবহারের ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতা (طرد) ও শায বা ব্যতিক্রমধর্মী (شاذ) প্রসঙ্গের বিস্তারিত আলোচনা:

আল-মাযিনী রচিত তারসিফ-এর ওপর ইবনে জিন্নি-র ভাষ্য, পৃষ্ঠা ২৫৫ - ২৫৭।

আল-ওয়াসিত ফি আদাবায়ি শিনকীত, পৃষ্ঠা ৩৭২:

শায (شاذ), প্রচলিত (فاشي), বিরল (نادر) এবং দুর্বল (ضعيف) দ্বারা কী উদ্দেশ্য, সে সম্পর্কে হাসান ইবনে যায়ন-এর একটি কাব্য।

শায (شاذ) ও বিরল (نادر) প্রসঙ্গের ওপর কিয়াস (قياس) করার ক্ষেত্রে কুফী পণ্ডিতদের প্রতি ইবনে মালিকের অনুসরণ:

হামউল হাওয়ামি, ১ম খণ্ড, ৫০ নং পৃষ্ঠার শেষ দিকে।

মুজামিয়ি (সংকলন) এর ৩০০ নং সংগ্রহের ৫০ নং পৃষ্ঠায় প্রধান (غالب) ও অধিক (كثير) সংক্রান্ত আলোচনা।

আল-মুযহির, ১ম খণ্ড, ১৪০ পৃষ্ঠা: প্রধান (غالب), অধিক (كثير), বিরল (نادر), অল্প (قليل) এবং ধারাবাহিকতা (طرد)।

 

‌‌জামিদ বা অপরিবর্তনশীল (جامد) শব্দ থেকে ইশতিকাক (اشتقاق) করা শ্রুতি-নির্ভর (سماعي)

আস-সুয়ূতী রচিত আন-নুকাআত-এর আদাদ (সংখ্যা) অধ্যায়ের শেষে: একটি সতর্কবার্তা, সেখানে এ বিষয়ের বিস্তারিত ব্যাখ্যা রয়েছে।

এটি বিরল (نادر) হওয়া প্রসঙ্গে: আল-বাগদাদী রচিত শারহু বান্ত সুয়াদ-এর ২য় খণ্ড, ৪৭২-৪৭৩ পৃষ্ঠা দেখুন। আরও দেখুন: (অপ্রচলিত বা বিলুপ্ত ক্রিয়া ও অন্যান্য)।

আকালিমুত তাআলিম-এর নির্ঘণ্টে ইশতিকাক (اشتقاق) দেখুন, সম্ভবত সেখানে উপকারী কিছু আছে, পৃষ্ঠা ৩৯৫-৪১৩। লিসানুল আরব-এর 'রা-বা-আইন' (ربع) মূলশব্দে ৪৬০ পৃষ্ঠার শুরুতে রয়েছে:

. . 'ইয়াউমুন রাবি' (চতুর্থ দিন) বলা হয় না, যেমনটি 'শাতুন' বলা হয়। এ থেকে বোঝা যায় যে, জামিদ (جامد) শব্দ থেকে ইশতিকাক (اشتقاق) করা শ্রুতি-নির্ভর (سماعي)।

লিসানুল আরব-এর 'জিম-রা-বা' (جرب) মূলশব্দে ২৫৬ পৃষ্ঠার শুরুতে মোজা (জাওরাব) সংক্রান্ত আলোচনায় রয়েছে:

. . ইবনুস সিক্কিত এ থেকে একটি ক্রিয়া ব্যবহার করেছেন; তিনি হরিণ শিকারীর বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন: 'ওয়াকাদ তাজাওরাবা জাওরাবাইনি'। অর্থাৎ: সে দুটি মোজা পরিধান করেছে (উদ্ধৃতি সমাপ্ত)।

বিষয়টি খতিয়ে দেখা দরকার; যদি ইবনুস সিক্কিত আরবদের থেকে সরাসরি শোনা ব্যতীত জামিদ (جامد) শব্দ থেকে এই শব্দ গঠন করে থাকেন, তবে তা কিয়াসযোগ্য (مقيس) হওয়ার স্বপক্ষে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা যেতে পারে। সম্ভবত এ বিষয়ে তাঁর নিকট কোনো দলিল ছিল। অতঃপর লিসানুল আরব-এ বলা হয়েছে:

. . 'জাওরাবতুহু ফাতাজাওরাবা'। অর্থাৎ: আমি তাকে মোজা পরিয়েছি এবং সে তা পরিধান করেছে।
(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ১৮)
ولينظر هذه العبارة، فلعلها بقية كلام ابن السكيت. ولعله ذكر ذلك في (كتاب الألفاظ).

وفي شرح السيرافي على سيبوبه ج - 6 ص227 - 231:

إجازتهم الاشتقاق من الجامد - وإن لم يسمع - في مسائل الامتحان فقط.

وفي مجلة الضياء ج - 1 أواخر ص338:

قولهم: (درفس) من (دريفوس) وأنه لا يذكر عن العرب إلا قصة فيها (المخندف)

للذي يذكر (خندف).

وفي ج - 8 ص276 - 277: رأيه في جواز الاشتقاق من الجامد، وانظر مجلته البيان ص547 - 550.

في (عشر) من القاموس:

عَشْرَتَهُ جعله عشرين - نادر. وفي الشرح للفرق الذي بينه وبين (عشرة).

وفي الشرح درة الغواص للخفاجى ص50: شيء من الاشتقاق من الجامد.

وفي ابن هشام على بانت سعاد ص141:

صيغة المفعول لا تشتق من أسماء العيان، وإنما تشتق من الفعل وشذ: مدرهم.

محاضرات الراغب ج - 2 ص367:

الحجاج لما جنق الكعبة - أي أنه اشتق فعلاً من (المنجنيق).

خزانة ابن حجة ص92: ومن تثاقل منكم خففوه.

وانظر المنهل الصافي ج - 4 ص619.

نزهة الجليس ج - 2 ص176:

قول الإمام عليه السلام: مهرجونا كل يوم - نقلاً عن الخطيب في تاريخه.

القول المأنوس في أوصاف القاموس لمحمد عبد الغني طبع الهند ص165:

قولهم: - مرهمت) أي من المرهم - من (الاشتقاق الجعلى) وينظر شرح القاموس.

عبث الوليد - أواخر ظهر ص80: ما يفهم منه أن الاشتقاق من الجامد سماعي.

الشطر: الجهة والناحية - وإذا كان بهذا المعنى فلا يتصرف الفعل منه، أو يقال. إلخ:
এই উক্তিটির দিকে লক্ষ্য করা উচিত, সম্ভবত এটি ইবনুল সিক্কিতের বক্তব্যের অবশিষ্টাংশ। সম্ভবত তিনি এটি কিতাবুল আলফায-এ উল্লেখ করেছেন।

সিবওয়াইহ-এর ওপর সিরাফীর শারহ-এ (৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃষ্ঠা ২২৭-২৩১):

তাদের অজাতশব্দ (جامد) থেকে ব্যুৎপত্তি বা শব্দগঠন (اشتقاق) অনুমোদন করা - যদিও তা আরবে প্রচলিত হিসেবে শ্রুত না হয় - কেবল পরীক্ষার বিষয়াবলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

আদ-দিয়া সাময়িকীতে (১ম খণ্ড, ৩৩৮ পৃষ্ঠার শেষভাগে):

তাদের উক্তি: 'দরিফাউস' থেকে 'দিরফাস' এবং আরবদের পক্ষ থেকে এমন কোনো ঘটনা বর্ণিত নেই যাতে 'খিনদিফ' উচ্চারণকারীর জন্য 'আল-মুখানদিফ' শব্দটির প্রয়োগ রয়েছে।

৮ম খণ্ড, ২৭৬-২৭৭ পৃষ্ঠায়: অজাতশব্দ (جامد) থেকে ব্যুৎপত্তি (اشتقاق) বৈধ হওয়ার ব্যাপারে তাঁর অভিমত। আরও দেখুন তাঁর আল-বাইয়ান সাময়িকী, পৃষ্ঠা ৫৪৭-৫৫০।

আল-কামুস-এর (আশারা) পরিচ্ছেদে:

'আশরাতাহু' অর্থ সেটিকে বিশে পরিণত করা - যা বিরল (نادر)। আর শারহ বা ব্যাখ্যায় 'আশরাতাহু' ও 'আশারাহ্' এর মধ্যকার পার্থক্য বর্ণিত হয়েছে।

খাফাজীর দুররাতুল গাওয়াস-এর শারহ-এ (পৃষ্ঠা ৫০): অজাতশব্দ (جامد) থেকে ব্যুৎপত্তি (اشتقاق) সংক্রান্ত কিছু আলোচনা।

ইবনে হিশামের 'বানাত সুয়াদ'-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থে (পৃষ্ঠা ১৪১):

মাফউল (مفعول) এর রূপটি দৃশ্যমান বস্তুবাচক বিশেষ্য থেকে গঠিত হয় না, বরং এটি কেবল ক্রিয়া থেকেই গঠিত হয়; তবে 'মাদারহাম' শব্দটি ব্যতিক্রম (شاذ)।

মুহাদারাতুল রাগিব (২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩৬৭):

হাজ্জাজ যখন কাবায় মিনজানিক নিক্ষেপ করেছিলেন - অর্থাৎ তিনি 'মিনজানিক' শব্দ থেকে একটি ক্রিয়া গঠন (اشتقاق) করেছিলেন।

খিজানাতু ইবনে হিজজাহ (পৃষ্ঠা ৯২): তোমাদের মধ্যে যারা অলসতা দেখায় তাদের জন্য সহজ করো।

আরও দেখুন আল-মানহালুস সাফি (৪র্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা ৬১৯)।

নুযহাতুল জালিস (২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৭৬):

ইমাম (আলাইহিস সালাম)-এর বাণী: "প্রতিদিন আমাদের মেহেরজান (উৎসব) করো" - খতীব তাঁর তারিখে (ইতিহাস গ্রন্থে) এটি উদ্ধৃত করেছেন।

মুহাম্মদ আব্দুল গনি রচিত আল-কাওলুল মানুস ফী আওসাফিল কামুস (ভারত সংস্করণ, পৃষ্ঠা ১৬৫):

তাদের উক্তি: 'মারহামতু' অর্থাৎ মারহাম থেকে উদ্ভূত - যা কৃত্রিম ব্যুৎপত্তি (الاشتقاق الجعلى) এর অন্তর্ভুক্ত। আল-কামুস-এর শারহ বা ব্যাখ্যা দ্রষ্টব্য।

আবাথুল ওয়ালিদ (৮০ পৃষ্ঠার শেষভাগ): যা থেকে বোঝা যায় যে, অজাতশব্দ (جامد) থেকে ব্যুৎপত্তি (اشتقاق) হলো শ্রবণনির্ভর বা বর্ণনাভিত্তিক (سماعي)।

আশ-শাতর: দিক বা পার্শ্ব - যখন এটি এই অর্থে ব্যবহৃত হয়, তখন তা থেকে ক্রিয়ার রূপান্তর ঘটে না, অথবা বলা হয়... ইত্যাদি:
(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ১৯)
عن القاموس ويراجع الشرح (هذا دليل على عدم الاشتقاق من الجامد قياسياً).

الكشر: ضرب من النكاح ك - (الكاشر) ولا فعل منهما - (القاموس).

قول عبد الملك بن مروان لجرير: (مغرنا) أي: أنشدنا كلمة ابن مغراء:

القاموس مادة (مغر) (عبد الملك: عربي، له أن يشتق ما شاء).

لم يبنوا من (أفكل) فعلاً: سفر السعادة، النسخة العتيقة ص16.

الاشتقاق من الجامد، وكونه نادراً:

البغدادي على شرح بانت سعاد ج - 2 ص472 - 473.

وانظر النكت للسيوطي في آخر باب العدد على ما نظن.

أسماء أهملت أفعالها وبالعكس: الاقتضاب ص160.

الأوصاف التي لم يسمع لها بأفعال وعكسه: فقه اللغة على الحماسة ج - 1 ص71.

شيء من الاشتقاق من الجامد: شرح الدرة للخفاجي ص50.

(الحتف: الهلاك) ولا يبنى منه فعل - مادة حتف من المصباح.

الاشتقاق - انظره في فهرس أقاليم التعاليم، فلعل فيه ما يلزم. وهو من ص395 - 413.

الاشتقاق من الجامد - انظر ص170 من كراس اللغة وص177.

نشوار المحاضرة ص190: عصا. . إلخ (فرطلتها) أي فوزنتها في يدي لأعرف ثقلها - اشتقه من الرطل - انظر ص177 من كراس اللغة.

 

‌‌جمع فعل على أفعال إذا كان صحيح العين

انظر في أوائل مادة (غرض) من اللسان: جمع غرض على أغراض.

وانظر بيت الطرماح في الجمهرة: وجالت. . الأغراض. . .

في القاموس: ورد، وأوراد.

وفيه: سمع، وأسماع. ووهم، وأوهام.
আল-কামুস থেকে বর্ণিত এবং এর ব্যাখ্যা দ্রষ্টব্য (এটি নিয়ম অনুযায়ী স্থির বিশেষ্য (جامد) থেকে ব্যুৎপত্তি (اشتقاق) অসম্ভব হওয়ার প্রমাণ)।

আল-কাশর: এক প্রকারের বিবাহ যেমন- (আল-কাশির), তবে এগুলোর কোনো ক্রিয়াপদ নেই - (আল-কামুস)।

জারিরের প্রতি আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ানের উক্তি: (মাগিরনা) অর্থাৎ: আমাদের ইবনে মাগরা-এর কবিতা শুনিয়ে দাও:

আল-কামুস, 'মা-গা-রা' মূলধাতু (مادة) (আব্দুল মালিক: একজন আরব, তিনি যেভাবে ইচ্ছা শব্দ গঠন করার অধিকার রাখেন)।

তারা 'আফকাল' (أفكل) শব্দ থেকে কোনো ক্রিয়াপদ তৈরি করেননি: সাফারুস সাআদাহ, প্রাচীন পাণ্ডুলিপি, ১৬ নং পৃষ্ঠা।

স্থির বিশেষ্য (جامد) থেকে ব্যুৎপত্তি (اشتقاق) এবং তার বিরল (نادر) হওয়া প্রসঙ্গ:

শারহু বানাত সুআদ-এর ওপর আল-বাগদাদি, ২য় খণ্ড, ৪৭২ - ৪৭৩ পৃষ্ঠা।

এবং আমাদের ধারণা অনুযায়ী সংখ্যা (عدد) অধ্যায়ের শেষে সুয়ুতির আন-নুকাত গ্রন্থটি দেখুন।

এমন কিছু বিশেষ্য যাদের ক্রিয়াপদ পরিত্যক্ত হয়েছে এবং এর বিপরীতগুলোও: আল-ইকতিদাব, ১৬০ নং পৃষ্ঠা।

এমন বিশেষণ (وصف) যেগুলোর জন্য কোনো ক্রিয়াপদ শোনা যায়নি এবং এর বিপরীত: ফিকহুল লুগাহ আলাল হামাসাহ, ১ম খণ্ড, ৭১ নং পৃষ্ঠা।

স্থির বিশেষ্য (جامد) থেকে ব্যুৎপত্তি (اشتقاق) সংক্রান্ত কিছু আলোচনা: আল-খাফাজির শারহুদ দুররাহ, ৫০ নং পৃষ্ঠা।

(আল-হাতফ: ধ্বংস), এটি থেকে কোনো ক্রিয়াপদ গঠিত হয় না - আল-মিসবাহ-এর 'হা-তা-ফা' মূলধাতু (مادة)।

ব্যুৎপত্তি (اشتقاق) - এটি আকালিমুত তায়ালিম-এর নির্ঘণ্টে দেখুন, সম্ভবত সেখানে প্রয়োজনীয় বিষয়াদি রয়েছে। এটি ৩৯৫ থেকে ৪১৩ পৃষ্ঠা পর্যন্ত।

স্থির বিশেষ্য (جامد) থেকে ব্যুৎপত্তি (اشتقاق) - কুরাসাতুল লুগাহ-এর ১৭০ এবং ১৭৭ নং পৃষ্ঠা দেখুন।

নিশওয়ারুল মুহাদ্বারাহ, ১৯০ নং পৃষ্ঠা: লাঠি... ইত্যাদি। (ফারাটতালতুহা) অর্থাৎ আমি আমার হাত দিয়ে সেটির ওজন করলাম যাতে তার ভার বুঝতে পারি - তিনি এটি 'রাত্ল' শব্দ থেকে ব্যুৎপত্তি (اشتقاق) করেছেন - কুরাসাতুল লুগাহ-এর ১৭৭ নং পৃষ্ঠা দেখুন।

 

‌‌মধ্যাক্ষর সহিহ (صحيح العين) হলে 'ফাল' ওজনের শব্দকে 'আফআল' ওজনে বহুবচন করা

লিসানুল আরব-এর 'গাইন-রা-দদ' মূলধাতুর (مادة) শুরুর দিকে দেখুন: 'গারাদ' শব্দের বহুবচন 'আগরাদ' হিসেবে।

এবং আল-জামহারাহ-তে আত-তিরিম্মাহ-এর কাব্য পঙ্ক্তি দেখুন: "ওজালাত... আল-আগরাদ..."

আল-কামুস-এ রয়েছে: 'ওয়ারদ' এবং এর বহুবচন 'আওরাদ'।

এবং এতে আরও রয়েছে: 'সাম্' এবং এর বহুবচন 'আসমা''; 'ওয়াহম' এবং এর বহুবচন 'আওহাম'।
(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ২০)
وفي شرح أبي الحديد على نهج البلاغة ج - 3 أواخر ص286: جمع قزم على أقزام.

التنبيهات ص89: ما جاء من فعل مجموعاً على أفعال (وراجع الكامل، وسيبويه).

تحقق هذه الكلمات من اللغة، وهي:

وصف، وأوصاف. وشخص، وأشخاص. وشكل، وأشكال. ولحظ، وألحاظ.

سعود المطالع ج - 1 ص268.

أورد: (فرخاً، وأفراخاً. وزنداً، وأزناداً. وحملاً، وأحمالاً. وضرباً، وأضراباً).

وانظر الاقتضاب ص476.

مما اشتهر على الألسنة: وقف، وأوقاف فليحقق.

السيرافي على سيبويه ج - 5 ص46:

سوط، وأسواط له نظائر من غير المعتل، نحو: فرخ، وأفراخ، وقرد، وأقراد. ورفغ، وأرفاغ.

وفي اوائل 134: زند، وأزناد.

همع الهوامع ج - 2 أواخر ص 174: فرخ، وأفراخ ولم يذكر غيره.

مسائل الراعي رقم 393 بحو أواخر ص64 في أثناء المسألة 21:

أن ما جاء منه ألفاظ شذت أنهوها إلى 35 لفظاً ولم يذكرها.

أمالي ابن الشجري ج - 1 ص418:

كثر في جمع فعل: أفعال - وإن كان خارجاً عن القياس. وقد ذكر بعض ما جاء من ذلك.

انظر في الأشموني على الألفية ج - 3 ص162 - 164:

(ما جاء منه وهو: فرخ، وأفراخ. وزند، وأزناد - ونقل عن الفراء: أنه ينقاس فيما فاؤه همزة، أو واو - ومذهب الجمهور أنه لا ينقاس. وأورد منه هذه الألفاظ وهي:

الف، آلاف. ووهم، أوهام. ووقت، أوقات. ووصف، أوصاف. ووقف، أوقاف. ووكر، أوكار. ووعر، أوعار. ووغد، أوغاد.
এবং নাহজুল বালাগাহ-এর ওপর আবু আল-হাদিদ-এর শারহ, ৩য় খণ্ড, ২৮৬ পৃষ্ঠার শেষাংশে: ক্বাযাম (নীচ) শব্দের বহুবচন আক্বযাম হিসেবে হয়।

আত-তানবিহাত, ৮৯ পৃষ্ঠা: ‘ফাউল’ ওজনের যে শব্দগুলো ‘আফআল’ ওজনে বহুবচন হিসেবে এসেছে (এবং আল-কামিল ও সিবওয়াইহ দেখুন)।

ভাষাগতভাবে এই শব্দগুলো যাচাই করুন, যেগুলো হলো:

ওয়াসফ (গুণ) ও আওসাফ। শাখস (ব্যক্তি) ও আশখাস। শাকল (আকৃতি) ও আশকাল। লাহয (দৃষ্টি) ও আলহায।

সুউদুল মাতালি’, ১ম খণ্ড, ২৬৮ পৃষ্ঠা।

তিনি উল্লেখ করেছেন: (ফারখ বা পাখির ছানা ও আফরাখ। যান্দ বা চকমকি পাথর ও আযনাদ। হামল বা বোঝা ও আহমাল। যারব বা সদৃশ ও আযরাব)।

এবং আল-ইকতিদাব দেখুন, ৪৭৬ পৃষ্ঠা।

মানুষের মুখে যা প্রসিদ্ধি লাভ করেছে: ওয়াকফ ও আওকাফ, সুতরাং এটি যাচাই করা প্রয়োজন।

সিবওয়াইহ-এর ওপর সিরাফির ব্যাখ্যা, ৫ম খণ্ড, ৪৬ পৃষ্ঠা:

সাওত (চাবুক) ও আসওয়াত-এর অনুরূপ উদাহরণ হরফে ইল্লত বা অসুস্থ অক্ষরহীন শব্দগুলোর মধ্যে রয়েছে, যেমন: ফারখ ও আফরাখ, কিরদ (বানর) ও আকরাদ। রাফগু ও আরফাগ।

এবং ১৩৪ পৃষ্ঠার শুরুতে: যান্দ ও আযনাদ।

হামউল হাওয়া-মি’, ২য় খণ্ড, ১৭৪ পৃষ্ঠার শেষাংশ: ফারখ ও আফরাখ, এবং তিনি এছাড়া অন্য কিছু উল্লেখ করেননি।

মাসাইলুর রায়ী, ৩৯৩ নম্বর, ৬৪ পৃষ্ঠার শেষাংশে, ২১ নম্বর মাসআলার বর্ণনায়:

এর মধ্য থেকে যে শব্দগুলো ব্যতিক্রমী (شاذ) হিসেবে এসেছে, সেগুলোকে তারা ৩৫টি শব্দ পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছেন, তবে তিনি সেগুলো উল্লেখ করেননি।

ইবনুল শাজ্জারি-এর আমালি, ১ম খণ্ড, ৪১৮ পৃষ্ঠা:

‘ফাউল’ ওজনের বহুবচনে ‘আফআল’ ওজনের ব্যবহার অধিক—যদিও তা নিয়মানুগ (قياس) পদ্ধতির বহির্ভূত। এর অন্তর্ভুক্ত যা বর্ণিত হয়েছে তার কিছু তিনি উল্লেখ করেছেন।

আল-আলফিয়্যাহ-এর ওপর আল-আশমুনির ব্যাখ্যা দেখুন, ৩য় খণ্ড, ১৬২-১৬৪ পৃষ্ঠা:

(এর অন্তর্ভুক্ত যা বর্ণিত হয়েছে তা হলো: ফারখ ও আফরাখ। যান্দ ও আযনাদ—এবং আল-ফাররা থেকে বর্ণিত হয়েছে যে: যে শব্দের প্রথম বর্ণে হামযাহ অথবা ওয়াও থাকে, তাতে এই নিয়মটি কার্যকর (قياس)। তবে জমহুর (جمهور) বা অধিকাংশ আলিমের মত হলো এটি নিয়মানুগ নয়। তিনি এর মধ্য থেকে এই শব্দগুলো উল্লেখ করেছেন, যেগুলো হলো:

আলিফ ও আলাফ। ওয়াহম ও আওহাম। ওয়াকত ও আওকাত। ওয়াসফ ও আওসাফ। ওয়াকফ ও আওকাফ। ওয়াকার ও আওকার। ওয়াআর ও আওআর। ওয়াগদ ও আওগাদ।
(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ২১)
ثم قال: إن المضاعف يكثر فيه أفعال كعم، وأعمام. وجد، وأجداد. ورب، وأرباب. وشت، وأشتات. وفن، وأفنان. وفذ، وأفذاذ).

في الأغاني طبع دار الكتب ج - 1 أول ص178:

بيت فيه (أسطار) وبالحاشية: أنه جمع (سطر) وهو في أخبار عمر بن أبي ربيعة.

في الضياء ج - 8 أواخر ص514: أبيات فيها جمع فعل على أفعال وعده من الخطأ إلى ص515.

في مادة (فرزع) من القاموس استعمل (أنسارا) جمعاً لنسر. وخطأه الشارح وقال:

ليس منه إلا حمل. وزند. وفرخ.

في مادة (طرف) من القاموس:

الطرف: العين، لايجمع، لأنه في الأصل مصدر. . إلخ وقيل: أطراف.

في القاموس: الوطب: السقا. . إلخ وذكر من جموعه أوطاب. قال الشارح: شاذ في فعل بالفتح. وتساهلوا في المعتل منه، كأوهام، وأسياف.

في القاموس: (الطلق: الطبي جمعه أطلاق).

انظر: (زنداً، وأزناد. فرخاً وأفراخاً) في مادة ورطمن اللسان ص304.

في مادة حملمن القاموس قبل وسط ص350:

(الحمل: ما يحمل في البطن من الولد، جمع حمال، وأحمال).

وفي فقه اللغة رقم 249 لغة أواخر ص208:

والأقدار الشريفة (أي جمع قدر).

 

‌‌جمع فاعل العاقل على فواعل

ما جاء منه:

السيرافي على سيبويه ج - 5 ص94 - 95، وانظر ص128.

في أواخر ص35 من مادة قرا من اللسان: قار، وقواروهو شاذ. كفوارس، ونواكس. . إلخ.
অতঃপর তিনি বললেন: নিশ্চয়ই দ্বিরুক্ত (مضاعف) শব্দে ‘আফ‘আল’ ওজনের আধিক্য দেখা যায়, যেমন: আম্মুন থেকে আ‘মাম, জাদ্দুন থেকে আজদাদ, রাব্বুন থেকে আরবাব, শাত্তুন থেকে আশতাত, ফাননুন থেকে আফনান এবং ফাযযুন থেকে আফযায।

কিতাবুল আগানি-র দারুল কুতুব সংস্করণের ১ম খণ্ডের ১৭৮ পৃষ্ঠার শুরুতে রয়েছে:

একটি কাব্য পংক্তি যাতে ‘আস্তার’ শব্দ রয়েছে এবং পার্শ্বটীকায় বলা হয়েছে: এটি ‘সাতার’-এর বহুবচন এবং এটি উমর ইবনে আবি রাবিয়াহ সংক্রান্ত বর্ণনায় রয়েছে।

আদ-দিয়া গ্রন্থের ৮ম খণ্ডের ৫১৪ পৃষ্ঠার শেষাংশে: কিছু পংক্তি যেখানে ‘ফা‘ল’ ওজনের বহুবচন ‘আফ‘আল’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং ৫১৫ পৃষ্ঠা পর্যন্ত একে ভুল হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

কামুস অভিধানের ‘ফারযা‘’ পরিচ্ছেদে ‘নিসর’-এর বহুবচন হিসেবে ‘আনসার’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাখ্যাকার একে ভুল হিসেবে চিহ্নিত করে বলেছেন:

কেবল হামল, যান্দ এবং ফারখ শব্দগুলোই এই ওজনে আসে।

কামুস-এর ‘তারফ’ পরিচ্ছেদে রয়েছে:

‘তারফ’ মানে চোখ, এর বহুবচন হয় না, কারণ এটি মূলত একটি ক্রিয়ামূল (مصدر)... ইত্যাদি। তবে কেউ কেউ একে ‘আতরাফ’ বলেছেন।

কামুস-এ আছে: ‘ওয়াতাব’ মানে মশক... ইত্যাদি। এর বহুবচন হিসেবে ‘আওতাব’-এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যাখ্যাকার বলেছেন: জবরযুক্ত ‘ফা‘ল’ ওজনে এটি বিরল (شاذ)। তবে দুর্বল বা বর্ণলোপ পাওয়া (معتل) শব্দের ক্ষেত্রে তারা শিথিলতা অবলম্বন করেছেন, যেমন: আওহাম এবং আসইয়াফ।

কামুস-এ আছে: (আত-তালক: প্রসব বেদনা, এর বহুবচন আতলাক)।

দেখুন: লিসানুল আরব-এর ‘ওয়ারাতি’ পরিচ্ছেদে ৩০৪ পৃষ্ঠায় (যান্দ থেকে আযনাদ; ফারখ থেকে আফরাখ)।

কামুস-এর ‘হামল’ পরিচ্ছেদে ৩৫০ পৃষ্ঠার মাঝামাঝি অংশের আগে রয়েছে:

(হামল: গর্ভে যা সন্তান হিসেবে থাকে, এর বহুবচন হলো হিমাল ও আহমাল)।

এবং ফিকহুল লুগাহ-এর ২০৮ পৃষ্ঠার শেষে ২৪৯ নম্বর ভাষাতাত্ত্বিক আলোচনায় রয়েছে:

আল-আকদারুশ শারিফাহ (অর্থাৎ ‘কদর’-এর বহুবচন)।

 

‌‌বুদ্ধিসম্পন্ন (عاقل) সত্তার ক্ষেত্রে ‘ফা‘ইল’ ওজনের বহুবচন ‘ফাওয়ায়িল’ রূপে হওয়া

এ প্রসঙ্গে যা এসেছে:

সিবওয়াইহ-এর ওপর সিরাফির ভাষ্য, ৫ম খণ্ড, ৯৪-৯৫ পৃষ্ঠা; আরও দেখুন ১২৮ পৃষ্ঠা।

লিসানুল আরব-এর ‘কারা’ পরিচ্ছেদের ৩৫ পৃষ্ঠার শেষাংশে: ‘কার’ এবং ‘কুওয়ার’, যা বিরল (شاذ)। যেমন: ফাওয়ারিস ও নাওয়াকিস... ইত্যাদি।
(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ২২)
وفي الاقتضاب ص 148 - 149:

الكلام في جمع فاعل على فواعل، وغلط بعضهم في جمع ناطل على نياطل.

في مادة فرس من المصباح ما جاء من ذلك.

وانظر كناشنا ص17.

في معاهد التنصيص ص127: (وجه جمع عادل على عواذل).

وفي شرح شواهد الشافعية للبغدادي ص 159 - 160: (فوارس، وهوالك، ونواكس).

وانظر التبريزي على الحماسة ج1 ص16 - وج2 ص15 و138.

المرشح للمرزباني ص97: (نواكس الأبصار) والكلام فيه.

البغدادي على شرح بانت سعاد ج1 ص554:

(الفارط، قد يجمع على فوارط. وهو نادر كفوارس، ونواكس) وشاهد عليه.

خزانة البغدادي ج1 ص99 (جاء من ذلك إحدى عشرة كلمة. . . . إلخ).

عبث الوليد ظهر ص59: إيتان البحتري بـ (نواكل) جمعناً لناكل. وهو لمذكر عاقل. وهو جائز في ضرورة الشعر، وذكر ما سمع منه.

من قال: إن الفرزدق أراد بـ (نواكس الأبصار): نواكسي الأبصار. كأنه جمع نواكس على نواكسين وليس بالحسن. . . إلخ:

عبث الوليد ص90.

 

‌‌فعال في الجمع وهو نادر

انظر نبذة في مجلة المجتمع العلمي العربي بدمشق ج6 ص172، وقد ذهب كاتبها إلى أنه غير نادر.

وانظر أمالي الزجاجي ص81.

والاقتضاب ص100.

وأمالي القالي ج2 آخر ص294.
এবং আল-ইকতিদাব-এ (পৃষ্ঠা ১৪৮-১৪৯):

‘ফায়িল’ (فاعل) ওজনের শব্দকে ‘ফাওয়ায়িল’ (فواعل) ওজনে বহুবচন করার আলোচনা, এবং ‘নাতিল’ (ناطل) এর বহুবচন হিসেবে ‘নিয়াতিল’ (نياطل) বলায় কারো কারো ভুল করা।

আল-মিসবাহ-এর ‘ফরাস’ (فرس) মূলধাতুর আলোচনায় এ সম্পর্কিত যা এসেছে।

এবং আমাদের কুনাশ (নোটবুক) দেখুন, পৃষ্ঠা ১৭।

মাআহিদুত তানসিস-এর ১২৭ পৃষ্ঠায়: (‘আদিল’ (عادل) এর বহুবচন হিসেবে ‘আওয়াযিল’ (عواذل) হওয়ার কারণ)।

এবং বাগদাদির শারহু শাওয়াযেদিশ শাফিইয়্যাহ-এর ১৫৯-১৬০ পৃষ্ঠায়: (‘ফাওয়ারিস’ (فوارس), ‘হাওয়ালিক’ (هوالك) এবং ‘নাওয়াকিস’ (نواكس))।

এবং হামাসাহ-এর ওপর তিবরিজির ভাষ্য দেখুন, ১ম খণ্ড ১৬ পৃষ্ঠা এবং ২য় খণ্ড ১৫ ও ১৩৮ পৃষ্ঠা।

মারযুবানি রচিত আল-মুরাশাহ-এর ৯৭ পৃষ্ঠা: (‘নাওয়াকিসুল আবসার’ (نواكس الأبصار)) এবং এ প্রসঙ্গে আলোচনা।

বানাত সুআদ-এর ভাষ্যে বাগদাদি, ১ম খণ্ড ৫৫৪ পৃষ্ঠা:

(‘আল-ফারিত’ (الفارط) এর বহুবচন কখনও ‘ফাওয়ারিত’ (فوارط) হিসেবে আসে। এটি ‘ফাওয়ারিস’ (فوارس) ও ‘নাওয়াকিস’ (نواكس)-এর মতোই বিরল (نادر)) এবং এর স্বপক্ষে প্রমাণ।

বাগদাদির খিজানাতুল আদাব, ১ম খণ্ড ৯৯ পৃষ্ঠা (এ প্রসঙ্গে এগারোটি শব্দ এসেছে... ইত্যাদি)।

আবাথুল ওয়ালিদ, পৃষ্ঠা ৫৯: বুহুতুরি কর্তৃক ‘নাকিল’ (ناكل)-এর বহুবচন হিসেবে ‘নাওয়াকিল’ (نواكل) শব্দের ব্যবহার। এটি বিবেকবান পুরুষবাচক শব্দের ক্ষেত্রে হয়েছে। কবিতার ছন্দগত আবশ্যকতা (ضرورة الشعر) অনুযায়ী এটি জায়েজ, এবং এ প্রসঙ্গে যা শ্রুত হয়েছে তার উল্লেখ।

যারা বলেন যে, ফারাযদাক ‘নাওয়াকিসুল আবসার’ (نواكس الأبصار) দ্বারা ‘নাওয়াকাসিয়্যাল আবসার’ (نواكسي الأبصار) বুঝিয়েছেন; যেন তিনি ‘নাওয়াকিস’ (نواكس) শব্দটিকে ‘নাওয়াকিসিন’ (نواكسين) এর মতো বহুবচন করেছেন, যা তেমন উত্তম নয়... ইত্যাদি:

আবাথুল ওয়ালিদ, পৃষ্ঠা ৯০।

 

‌‌বহুবচনের ক্ষেত্রে ‘ফি‘আল’ (فعال) ওজন, যা বিরল (نادر)

দামেস্কের মাজাল্লাতুল মুজতামা আল-ইলমি আল-আরাবি-র ৬ষ্ঠ খণ্ড ১৭২ পৃষ্ঠার একটি নিবন্ধ দেখুন, যার লেখক এটিকে বিরল (نادر) নয় বলে মত দিয়েছেন।

এবং যাজ্জাজির আমালি, পৃষ্ঠা ৮১ দেখুন।

এবং আল-ইকতিদাব, পৃষ্ঠা ১০০।

এবং কালির আমালি, ২য় খণ্ডের শেষে ২৯৪ পৃষ্ঠা।
(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ২৩)
والمحتسب ج1 ص355.

وانظر رسالتنا تصحيح لسان العرب القسم الأول ص3 - 4.

في القاموس (الربى: الشاة. . . إلخ جمع رباب نادر).

في المجموعة رقم 300 مجاميع ص40:

نظم ما جاء على فعال من الجموع منسوباً لجار الله، وبعده زيادة لابن خالويه. (ابن خالويه قبله في الزمن، فلعل المراد أن ما نظمه لم يطلع عليه الزمخشري فلم يذكره في أبياته).

في القاموس (شاة ساحة، وغنم سحاح، وسحاح: نادر).

وفي الشرح: (من الجمع العزيز كظؤار، ورخال. وحكى بعضهم: سحاحا بالتشديد).

قي القاموس: (اللهاث: النقط الحمر. . . إلخ والقياس الكسر).

ما جاء من هذا الجمع: المزهر ج2 ص38.

وانظر شرح الدرة للخفاجي ص140.

شرح القاموس مادة (جمل) آخر ص262: (جمالة وجمعها جمال - نادر).

في إعراب القراءات الشاذة للعكبري ما نصه:

سقاية الحاج يقرأ بالسين وضمها. والوجه فيها أنه جمع مثل: رخال في رخل. وتؤام في توأم. هكذا ذكر بعض من علل. والأشبه عندي: أن تكون بمعنى المكسورة، وتكون لغة) أه. من نسخة قديمة اطلعت عليها عند أحد الأصحاب.

في مجلة المجمع العلمي بدمشق ج6 ص172:

(جمع فعال المضموم، ليس بنادر) وهي نبذة المحقق وهو الأب أنستانس الكرملي، وفي الصفحة 377 رد عليه للأستاذ أسعد داغر.

الجمع الذي لا واحد له:

في القاموس: (بابات الكتاب: سطوره. لا واحد لها) وليراجع الشرح.
আল-মুহতাসিব, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৩৫৫।

এবং আমাদের প্রবন্ধ 'তাসহিহু লিসানিল আরব', প্রথম অংশ, পৃষ্ঠা ৩ - ৪ দেখুন।

আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে (আর-রুবা: বকরি... ইত্যাদি, এর বহুবচন রিবাব, যা বিরল (نادر))।

মাজমুআ (সংকলন) নম্বর ৩০০, মাজামি পৃষ্ঠা ৪০-এ রয়েছে:

'ফিআল' ওজনে আগত বহুবচনসমূহের কাব্যগাথা যা জারুল্লাহর প্রতি নিসবত করা হয়েছে, এবং এর পরে ইবনে খালুওয়াইহর সংযোজন রয়েছে। (ইবনে খালুওয়াইহ সময়ের দিক থেকে তাঁর পূর্ববর্তী ছিলেন, তাই সম্ভবত উদ্দেশ্য হলো তিনি যা রচনা করেছেন তা যামাখশারীর দৃষ্টিগোচর হয়নি, ফলে তিনি তাঁর পঙ্ক্তিমালায় তা উল্লেখ করেননি)।

আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে (শাতুন সাহাতুন এবং গানামুন সিহাহুন; আর 'সিহাহুন' শব্দটি বিরল (نادر))।

এবং ব্যাখ্যাগ্রন্থে (শারহে) রয়েছে: (এটি বিরল (عزيز) বহুবচনসমূহের অন্তর্ভুক্ত যেমন: যুআর এবং রিখাল। কেউ কেউ তাশদীদসহ 'সিহাহান' বর্ণনা করেছেন)।

আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে: (আল-লুহাওয়াত: লাল বিন্দুসমূহ... ইত্যাদি এবং কিয়াস বা নিয়ম অনুযায়ী এটি কাসরা হবে)।

এই ওজনে আগত বহুবচনসমূহ: আল-মুযহির, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৩৮।

এবং খাফাজীর শারহুদ দুররাহ, পৃষ্ঠা ১৪০ দেখুন।

শারহুল কামুস, 'জামাল' মূলশব্দ, ২৬২ পৃষ্ঠার শেষাংশে: (জামালাহ এবং এর বহুবচন জিমাল - যা বিরল (نادر))।

ইরাবুল কিরাআত আশ-শাযযাহ গ্রন্থে আল-উকবারীর পাঠ নিম্নরূপ:

'সিকায়াতুল হাজ্জ' সিন বর্ণে পেশ দিয়ে পড়া হয়। এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে যে, এটি একটি বহুবচন যেমন: রখল-এর বহুবচন রিখাল এবং তাওআম-এর বহুবচন তুয়াম। যারা কারণ দর্শিয়েছেন তাদের কেউ কেউ এমনটি উল্লেখ করেছেন। আমার মতে অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ হলো: এটি কাসরাযুক্ত শব্দের অর্থেই ব্যবহৃত হবে এবং এটি একটি উপভাষা হবে।) - সমাপ্ত। জনৈক বন্ধুর কাছে সংরক্ষিত একটি প্রাচীন পাণ্ডুলিপি থেকে আমি এটি অবগত হয়েছি।

দামেস্কের মাজাল্লাতুল মাজমাউল ইলমি, খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ১৭২-এ রয়েছে:

(পেশযুক্ত 'ফুআল' ওজনের বহুবচন বিরল (نادر) নয়) - এটি মুহাক্কিক (গবেষক) ফাদার আনস্তাস আল-কারমালীর একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা। পৃষ্ঠা ৩৭৭-এ উস্তাদ আসআদ দাগির কর্তৃক এর একটি প্রত্যুত্তর রয়েছে।

যে বহুবচনের কোনো একবচন নেই:

আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে: (ববাতুল কিতাব: কিতাবের লাইনসমূহ। এর কোনো একবচন নেই) বিস্তারিত জানার জন্য ব্যাখ্যাগ্রন্থ (শারহ) দ্রষ্টব্য।
(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ২৪)
في القاموس: (الأرجاب: الأمعاء لا واحد لها. أو الواحد: رجب محركاً أو كقفل).

في القاموس: (الزآنب: لا واحد لها) وفي الشرح: (على الأفصح. ويقال واحدها: زئناب).

في القاموس (المطايب: لا واحد لها. أو واحدها مطيب، أو: مطاب، ومطابة).

قلنا: (مطيب، من المسموع أيضاً).

وفي القاموس (القسوب: الخفاف. لاواحد لها) وليراجع الشرح.

وفي القاموس: (الأنقاب: الآذان - بلا واحد) وفيه (الوذاب: الكرش والأمعاء. . إلخ لاواحد لها)

في القاموس (الشماتى، والشمات: الخائبون بلا واحد) وليراجع الشرح.

في القاموس وشرحه (التجاويد في قول صخر الغى:

يلاعب الريح بالعصرين قسطله … والوابلون وتهتان التجاويد.

يكون جمعاً لا واحد له، كالتعاجيب، والتعاشيب، والتباشير، وقد يكون جمع تجواد).

وفي القاموس: (الذود: واحد، وجمع. أو جمع لا واحد له. أو واحد] جمعه [أذواد. . إلخ).

في القاموس: (العبابيد. والعباديد - بلا واحد من لفظها: الفرق من الناس. إلخ) وفيه (شماطيط: لا واحد لها).

في القاموس: (هم أكتاد، أي: جماعات. . إلخ - لا واحد لها).

في القاموس: (الخور: النساء الكثيرات الريب، لفسادهن - بلا واحد).

في القاموس: (الدهارير: أول الدهر. . إلخ - بلا واحد).

في القاموس: (الذكر: جمع ذكور ومذاكير) وفي الشرح: على غير قياس، وقال الأخفش: من الجمع الذي لا واحد له.

في القاموس: (السفجر: الصغار. لا واحد لها).
আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে: (আল-আরজাব: অন্ত্রসমূহ, এর কোনো একবচন (واحد) নেই। অথবা এর একবচন (واحد) হলো: রজাব যবরযুক্ত অবস্থায় অথবা কুফল এর ওজনে)।

আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে: (আয-যাআনীব: এর কোনো একবচন (واحد) নেই) এবং ব্যাখ্যাগ্রন্থে (শারহ) রয়েছে: (বিশুদ্ধতম অভিমত অনুযায়ী। তবে বলা হয় এর একবচন (واحد) হলো: যিনাব)।

আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে: (আল-মাতায়িব: এর কোনো একবচন (واحد) নেই। অথবা এর একবচন (واحد) হলো মুতায়্যাব, অথবা: মাতাব এবং মাতাবাহ)।

আমরা বলি: (মুতায়্যাব শব্দটি লোকমুখে শ্রুত (مسموع) শব্দগুলোরও অন্তর্ভুক্ত)।

এবং আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে: (আল-কাসুব: পাতলা জুতা। এর কোনো একবচন (واحد) নেই) এ ব্যাপারে ব্যাখ্যাগ্রন্থ (শারহ) দেখা যেতে পারে।

এবং আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে: (আল-আনকাব: কানসমূহ - একবচন (واحد) বিহীন) এবং এতে আরও রয়েছে (আল-ওয়াদাব: পাকস্থলী ও অন্ত্রসমূহ... ইত্যাদি, এর কোনো একবচন (واحد) নেই)

আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে: (আশ-শামাতা এবং আশ-শামাত: ব্যর্থ বা হতাশ ব্যক্তিগণ, একবচন (واحد) বিহীন) এ ব্যাপারে ব্যাখ্যাগ্রন্থ (শারহ) দেখা যেতে পারে।

আল-কামুস এবং এর ব্যাখ্যাগ্রন্থে (শারহ) রয়েছে (সাখর আল-গাই এর উক্তিতে আত-তাজাওয়ীদ শব্দটি এসেছে:

বাতাস তার ধূলিকণা নিয়ে সকাল-সন্ধ্যা খেলা করে … আর প্রবল বর্ষণ এবং বিরামহীন মুষলধারে বৃষ্টি।

এটি এমন এক বহুবচন (جمع) যার কোনো একবচন (واحد) নেই, যেমন: আত-তাআজীব, আত-তাআশীব এবং আত-তাবাশীর। আবার কখনো এটি তিজওয়াদ এর বহুবচন (جمع) হতে পারে)।

এবং আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে: (আয-যাওদ: এটি একবচন (واحد) ও বহুবচন (جمع) উভয়ই। অথবা এটি এমন বহুবচন (جمع) যার কোনো একবচন (واحد) নেই। অথবা এটি একবচন (واحد) যার বহুবচন (جمع) হলো আযওয়াদ... ইত্যাদি)।

আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে: (আল-আবাবিদ এবং আল-আবাদিদ - এর নিজস্ব শব্দমূল থেকে এর কোনো একবচন (واحد) নেই: মানুষের বিভিন্ন দল... ইত্যাদি) এবং এতে রয়েছে (শামাতীত: এর কোনো একবচন (واحد) নেই)।

আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে: (তারা হলো আকতাদ, অর্থাৎ: দলসমূহ... ইত্যাদি - এর কোনো একবচন (واحد) নেই)।

আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে: (আল-খুর: চারিত্রিক স্খলনের কারণে অধিক সন্দেহভাজন নারীগণ - একবচন (واحد) বিহীন)।

আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে: (আদ-দাহারীর: মহাকালের শুরু... ইত্যাদি - একবচন (واحد) বিহীন)।

আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে: (আয-যিকর: এটি যুকুর এবং মাযাকীর এর বহুবচন (جمع)) এবং ব্যাখ্যাগ্রন্থে (শারহ) রয়েছে: এটি নিয়মের বহির্ভূত (على غير قياس), আর আখফাশ বলেছেন: এটি এমন বহুবচন (جمع) যার কোনো একবচন (واحد) নেই।

আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে: (আস-সাফাজার: ছোটরা। এর কোনো একবচন (واحد) নেই)।
(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ২৫)
في القاموس: (الشهاجر: الرخم - لا واحد لها).

في القاموس: (الأصبرة من الغنم، والإبل التي. . إلخ بلا واحد لها).

في القاموس: (الضبار] والضِّبار [: الكتب. بلا واحد).

في القاموس: (الأظفار. وكسحاب وقد يمنع: شيء من العطر، كأنه ظفر مقتلف من أصله - لا واحد له. وربما قيل: أظفارة واحدة. ولا يجوز في القياس جمع أظافير، فإن أفرد فالقياس أن يقال: ظفر، وظفر به ثوبه تظفيراً: طيبه به).

في القاموس: كسور الأودية: معاطفعا وشعابها. بلا واحد).

في القاموس: (العزائر، والعيازر: العيدان، وبقايا الشجر. لا واحد لها).

من هذا الجمع (النفاطير، والتفاطير، والتعاشيب، والتعاجيب، والتباشير): انظر الكلام عليها في كنّاشنا ص54.

في القاموس: (الضنء: الولد - لا واحد له كنفر، جمع ضنوء).

في القاموس: (الحضار كسحاب: الهجان، أو الإبل. . إلخ ولا واحد لها، أو الواحد، والجمع سواء).

التبريري على الحماسة ج - 4 ص37:

القتود: خشب الرحل. الواحد قتد. وعند البصرين: لا واحد له.

وانظر مادة (قتد) في شبرح القاموس.

 

‌‌ما اختلف لفظ جمعه عن لفظ مفردة

في القاموس: (الركاب ككتاب: الإبل - واحدتها: راحلة).

في القاموس: (الخلد) جمعه (مناجد) على غير لفظه - في نسخة: مناجد - كالمخاض جمع (خلفة).

في القاموس: (المرء) مثلثة الميم (الإنسان، والرجل) ولا يجمع من لفظه - أوسُمع - مَرّءون - وفي الشرح: ولكن يثني.

وفي فقه اللغة طبع اليسوعيين 149 لغة ص222: ذكر جموع لا واحد لها من لفظها.
আল-কামূস-এ বর্ণিত হয়েছে: (আশ-শাহাজির: শকুন - এর কোনো একবচন (واحد) নেই)।

আল-কামূস-এ বর্ণিত হয়েছে: (আল-আসবীরাহ: ছাগল ও উটের সেই পাল... ইত্যাদি যার কোনো একবচন (واحد) নেই)।

আল-কামূস-এ বর্ণিত হয়েছে: (আদ-দিবার এবং আদ-দিবার: কিতাবসমূহ। এর কোনো একবচন (واحد) নেই)।

আল-কামূস-এ বর্ণিত হয়েছে: (আল-আজফার। যা 'সাহাব'-এর ওজনে, কখনো এটি গায়রে মুনসারিফও হয়: এক প্রকার সুগন্ধি, যা যেন এর গোড়া থেকে উপড়ে ফেলা নখ - এর কোনো একবচন (واحد) নেই। কখনো কখনো 'আজফারাহ' একবচন (واحد) হিসেবে বলা হয়। কিয়াস (قياس) অনুযায়ী 'আজাফির' বহুবচন (جمع) করা বৈধ নয়। আর যদি এককভাবে ব্যবহার করা হয় তবে কিয়াস (قياس) অনুযায়ী বলা হয়: জুফর। সে তার কাপড়ে সুগন্ধি মাখালো)।

আল-কামূস-এ বর্ণিত হয়েছে: (কুসুরুল আওদিয়াহ: উপত্যকার বাঁক ও পাহাড়ি পথসমূহ। এর কোনো একবচন (واحد) নেই)।

আল-কামূস-এ বর্ণিত হয়েছে: (আল-আজাইর এবং আল-আইয়াজির: লাঠিসমূহ এবং গাছের অবশিষ্টাংশ। এর কোনো একবচন (واحد) নেই)।

এই বহুবচনগুলোর (جمع) মধ্যে রয়েছে (আন-নাফাতির, আত-তাফাতির, আত-তাআশিব, আত-তাআজিব, আত-তাবাশির): এ সংক্রান্ত আলোচনা আমাদের 'কুননাশ'-এর ৫৪ পৃষ্ঠায় দেখুন।

আল-কামূস-এ বর্ণিত হয়েছে: (আদ-দানউ: সন্তান - 'নাফার'-এর মতো এর কোনো একবচন (واحد) নেই, এর বহুবচন (جمع) হলো 'দুনুউ')।

আল-কামূস-এ বর্ণিত হয়েছে: (আল-হাদার 'সাহাব'-এর ওজনে: শ্রেষ্ঠ উট বা উটসমূহ... ইত্যাদি। এর কোনো একবচন (واحد) নেই, অথবা এর একবচন (واحد) ও বহুবচন (جمع) উভয়ই সমান)।

আল-হামাসাহ-এর ওপর তিবরীযি-র ব্যাখ্যা, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৩৭:

আল-কাতুদ: হাওদার কাঠ। এর একবচন (واحد) হলো কাতাদ। আর বসরী বৈয়াকরণদের মতে: এর কোনো একবচন (واحد) নেই।

আর আল-কামূস-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থে 'কাতাদ' মূলশব্দটি দেখুন।

 

‌‌যেসব শব্দের বহুবচনের রূপ তার একবচনের রূপ থেকে ভিন্ন

আল-কামূস-এ বর্ণিত হয়েছে: (আর-রিকাব 'কিতাব'-এর ওজনে: উটসমূহ - এর একবচন (واحد) হলো: রাহিলাহ)।

আল-কামূস-এ বর্ণিত হয়েছে: (আল-খুলদ) এর বহুবচন (جمع) হলো (মানাজিদ) যা ভিন্ন মূলশব্দ থেকে আগত - অন্য একটি পাণ্ডুলিপিতে আছে: মানাজিদ - যেমন 'খলিফাহ' এর বহুবচন (جمع) হলো 'মাখাদ')।

আল-কামূস-এ বর্ণিত হয়েছে: (আল-মারউ) মীম অক্ষরে তিন হরকতবিশিষ্ট (মানুষ এবং পুরুষ), এর স্বীয় শব্দরূপ থেকে বহুবচন (جمع) হয় না - তবে 'মারউন' শোনা গেছে - আর ব্যাখ্যাগ্রন্থে রয়েছে: কিন্তু এর দ্বিবচন হয়।

আর ফিকহুল লুগাহ (জেসুইট সংস্করণ ১৪৯ লুগাহ, পৃষ্ঠা ২২২)-এ এমন সব বহুবচনের (جمع) কথা উল্লেখ করা হয়েছে যেগুলোর স্বীয় শব্দরূপ থেকে কোনো একবচন (واحد) নেই।
(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ২৬)
‌‌ما اختلف لفظة عن لفظ مؤنثه

في القامو: (السالخ) الأسود من الحيات، والأنثى (أسودة) ولا توصف بسالخة. (وراجع امرأة. وليراجع رجل، وما قيل فيها).

في شفاء الغليل ص179: (القبج) اسم طائر وذكره يعقوب، كدرّاجة، وحيقطان، ونحلة، ويعسوب، ونعامة، وظليم. أه. - ملخصاً.

وانظر الكلام في قولهم: (رجلان: للرجل والمرأة) ولا يجوز إلا لمن يقول (رجلة) - في شرح شواهد الجمل ص90 (ذكر في اللغة أيضاً).

انظر (رجلة) وكونها قليلة: في التبريزي على الحماسة ج - 1 ص117.

شرح كفاية المتحفظ ص287:

(المنّة) لأنثى القرد أهمله مصنفوا اللغة، وذكره ابن دريد في الجمهرة على أنه مولد.

في مادة (نسو) من شرح القاموس ص365: (النسوة، والنساء، والنسوان، والنسون) جمع المرأة من غير لفظها، كالقوم في جمع المرء. . إلخ.

عبث الوليد ص32: (الرتوت) ذكر الخنازير.

وفي ظهر ص38: (العفر) ذكر الخنازير.

 

‌‌ما استوى لفظة في المفرد والجمع

والمؤنث، والمذكر:

(الذود) واحد، وجمع لا واحد له عن القاموس.

في القاموس (الحضار) كسحبان الهجان. . إلخ. ولا واحد لها. أو الواحد والجمع سواء.

في القاموس: (الشعراء) ضرب من الخوخ، جمعها كواحدها.

(الشغار) كسحاب من الآبار: الكثيرة الماء. للجمع والواحد.

في القاموس: (أنا براء منه) وراجع فيه: (وهو جنب. . إلخ).

في القاموس: (العداب) كسحاب: ما استرق من الرمل. . إلخ للواحد والجمع.

(الفلك، والدلاص، والهجان، والشمال) انظرها في الأشموني على الألفية ج - 3 ص159.
শব্দগতভাবে যে সকল পুরুষবাচক রূপ তাদের স্ত্রীবাচক রূপ থেকে ভিন্ন

আল-কামুস-এ রয়েছে: 'আস-সালিখ' (السالخ) হলো কালো রঙের সাপ, আর এর স্ত্রীবাচক হলো 'আসওয়াদাহ' (أسودة), একে 'সালিখাহ' (سالخة) বলে গুণান্বিত করা হয় না। (দেখুন 'ইমরাআহ'। আরও দেখুন 'রাজুল' এবং এ সম্পর্কে যা বলা হয়েছে)।

শিফাউল গালীল-এর ১৭৯ পৃষ্ঠায়: 'আল-কাবাজ' (القبج) একটি পাখির নাম এবং ইয়াকুব এটি উল্লেখ করেছেন, যেমন: 'দাররাজাহ' (درّاجة), 'হায়কাতান' (حيقطان), 'নাহলাহ' (نحلة), 'ইয়াসুব' (يعسوب), 'না'আমাহ' (نعامة), এবং 'জালিম' (ظليم)। - সংক্ষেপে সমাপ্ত।

তাদের উক্তি: 'রাজুলান' (رجلান) [দুই ব্যক্তি] পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্য ব্যবহৃত হওয়ার আলোচনাটি দেখুন। এটি কেবল তাদের পক্ষেই অনুমোদিত যারা 'রাজুলাহ' (رجلة) শব্দটিও ব্যবহার করেন - শারহু সাওয়াহিদিল জুমাল-এর ৯০ পৃষ্ঠায় (এটি ভাষাতত্ত্বেও উল্লিখিত হয়েছে)।

'রাজুলাহ' (رجلة) এবং এর ব্যবহার স্বল্প হওয়ার বিষয়টি দেখুন: আত-তাবরিজি আলাল হামাসাহ-এর ১ম খণ্ড, ১১৭ পৃষ্ঠায়।

শারহু কিফায়াতিল মুতাহাফফিজ-এর ২৮৭ পৃষ্ঠায়:

'আল-মিননাহ' (المنّة) স্ত্রী বানরের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা অভিধান রচয়িতাগণ উপেক্ষা করেছেন, তবে ইবনে দুরেয়দ আল-জামহারা গ্রন্থে একে পরবর্তী সময়ের উদ্ভাবিত শব্দ (مولد) হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

শারহুল কামুস-এর ৩৬৫ পৃষ্ঠায় 'নাসু' (نسو) মূলশব্দের অধীনে: 'নিসওয়াহ' (النسوة), 'নিসা' (النساء), 'নিসওয়ান' (النسوان) এবং 'নিসুন' (النسون) হলো 'ইমরাআহ' (المرأة) এর বহুবচন যা ভিন্ন শব্দমূল থেকে গঠিত, যেমন 'মার' (المرء) এর বহুবচনে 'কাওম' (القوم) আসে... ইত্যাদি।

আবাসুল ওয়ালিদ-এর ৩২ পৃষ্ঠায়: 'আর-রাুত' (الرتوت) হলো পুরুষ শূকরসমূহ।

এবং ৩৮ পৃষ্ঠার অপর পৃষ্ঠায়: 'আল-ইফর' (العفر) হলো পুরুষ শূকরসমূহ।

 

‌‌একবচন ও বহুবচনে যে সকল শব্দের রূপ অভিন্ন

এবং স্ত্রীবাচক ও পুরুষবাচক উভয় ক্ষেত্রে:

'আদ-দাওদ' (الذود) একবচন এবং এটি এমন বহুবচন যার কোনো একবচন নেই, আল-কামুস থেকে সংগৃহীত।

আল-কামুস-এ 'আল-হাদার' (الحضار) শব্দটি 'সাহবান'-এর ওজনে, এর অর্থ অতি সাদা উট... ইত্যাদি। এর কোনো একবচন নেই অথবা একবচন ও বহুবচন একই রূপ।

আল-কামুস-এ: 'আশ-শু'আরা' (الشعراء) এক প্রকারের পিচ ফল, এর বহুবচন এর একবচনের রূপের মতোই।

'আশ-শিগার' (الشغار) শব্দটি 'সাহাব'-এর ওজনে, এমন কূপের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যাতে প্রচুর পানি রয়েছে। এটি বহুবচন ও একবচন উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়।

আল-কামুস-এ: "আমি তা থেকে বিমুক্ত (براء)"। এবং সেখানে আরও দেখুন: "সে অপবিত্র (جنب)..." ইত্যাদি।

আল-কামুস-এ: 'আল-আদাব' (العداب) শব্দটি 'সাহাব'-এর ওজনে: বালিয়াড়ির পাতলা অংশ... ইত্যাদি একবচন ও বহুবচন উভয়ের জন্য।

'আল-ফুলক' (الفلك), 'আদ-দিলাস' (الدلاص), 'আল-হিজান' (الهجان) এবং 'আশ-শিমাল' (الشمال) শব্দগুলো দেখুন আলফিয়ার ওপর আল-আশমুনি'র ব্যাখ্যাগ্রন্থের ৩য় খণ্ড, ১৫৯ পৃষ্ঠায়।
(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ২৭)
وانظر: الشمال، والعصام، والدلاص، والهجان: في الشرح شواهد الشافية للبغدادي ص152 - 153 وبعدها ألفاظ أخرى إلى 154.

 

‌‌أفعل وفعلاء

ابن أبي الحديد على نهج البلاغة ج - 2 قبل آخر 489:

(رجل آلي) عظيم الألية - وامرأة عجزاء، ولا تقل الياء.

وفي الاقتضاب ص326: (شوهاء) ولا أشوه لها.

وفي المجموعة رقم 332 لغة ص173 - 174:

(فرس شوهاء) أي: حسنة، ولا أفعل لها - ويقال في القبح: رجل أشوه، وامرأة شوهاء.

في القاموس: (هو أشيب) ولا فعلاء له. وفي الشرح قوله: (هوأشيب) أي وصفاً على غير قياس، لأن الوصف على أفعل إنما يكون من فعل كفرح، وشرطه الدلالة على العيوب أو الألوان. كذا قال شيخنا.

وقال أيضاً: رأيت بخط شيخ شيوخنا الشهاب الخفاجي أنه على وزن الوصف، من المصائب الخليقة، فعدوه من العيوب. ولأبي الحسن الزوزني:

كفى الشيب عيباً أن صاحبه إذا … أردت به وصفاً له قلت أشيب.

وكان قياس الأصل لو قلت شائباً … ولكنه في حلة العيب يحسب.

فشائب خطأ لم يستعمل أه.

وفي (اللسان): يقال (رجل أشيب) ولا يقال امرأة شيباء. ولا تنعت] به [المرأة، اكتفوا بالشمطاء عن الشيباء. وقد يقال (شاب رأسها). أه.

التبريزي على الحماسة ج - 3 ص78: (أوجل) لا فعلاء له.

وفي ج - 4 ص70: (بهراء) لا أبهر لها.

الاقتضاب ص138 - 139: (أسفى) بلا سفواء. وسفواء بلا أسفى: في الخيل والبغال.

عبث الوليد ظهر ص18: (أبلخ) وقول بعضهم: لا يقال للمرأة بلخاء.
আরও দেখুন: আশ-শিমাল, আল-ইসাম, আদ-দিলাস এবং আল-হাজান: বাগদাদীর শারহু শাওয়াহিদিল শাফিয়া-এর ১৫২-১৫৩ পৃষ্ঠায় এবং এর পরবর্তী ১৫৪ পৃষ্ঠা পর্যন্ত অন্যান্য শব্দাবলি।

 

‌‌আফআলু এবং ফাউলাউ ওজন

নাহজুল বালাগার ওপর ইবনে আবিল হাদিদ, ২য় খণ্ড, ৪৮৯ পৃষ্ঠার শেষের আগে:

(রাজুলুন আলিউন) বিশাল পশ্চাদ্দেশ বিশিষ্ট ব্যক্তি—এবং নারী ‘আজজা’, তবে ‘আলইয়া’ বলা হয় না।

এবং আল-ইকতিজাব-এর ৩২৬ পৃষ্ঠায়: (শাওহা), এর জন্য ‘আশওয়াহ’ ব্যবহৃত হয় না।

এবং আল-মাজমুআ (সংখ্যা ৩৩২, লুগাত অংশ) এর ১৭৩-১৭৪ পৃষ্ঠায়:

(ফারাসুন শাওহা) অর্থাৎ: সুন্দর ঘোড়া, এর জন্য ‘আফআলু’ ওজন ব্যবহৃত হয় না—তবে কুৎসিত অর্থে বলা হয়: ‘রাজুলুন আশওয়াহ’ এবং ‘ইমরাআতুন শাওহা’।

আল-কামুস-এ রয়েছে: (হুয়া আশইয়াব) এর কোনো ‘ফাউলাউ’ রূপ নেই। আর এর ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে: (হুয়া আশইয়াব) অর্থাৎ এটি নিয়ম বহির্ভূত একটি বিশেষণ, কারণ ‘আফআলু’ ওজনের বিশেষণ কেবল ‘ফারিহা’-এর ন্যায় ক্রিয়া থেকে আসে এবং এর শর্ত হলো তা কোনো খুঁত বা রঙ নির্দেশ করা। আমাদের শায়খ এমনটিই বলেছেন।

তিনি আরও বলেছেন: আমি আমাদের শায়খদের শায়খ শিহাব আল-খাফাজির হস্তাক্ষরে দেখেছি যে, এটি বার্ধক্যজনিত বিপত্তি থেকে উদ্ভূত বিশেষণের ওজনে গঠিত, তাই তারা একে দোষত্রুটির অন্তর্ভুক্ত করেছেন। আবুল হাসান আজ-জাওজানির কবিতা:

বার্ধক্যই দোষ হিসেবে যথেষ্ট যে, যখন তুমি তার অধিকারী সম্পর্কে … কোনো বর্ণনা দিতে চাও, তখন বলো ‘আশইয়াব’।

মূল নিয়ম অনুযায়ী যদি তুমি ‘শাইব’ বলতে … কিন্তু একে দোষের আবরণে গণ্য করা হয়।

সুতরাং ‘শাইব’ শব্দটি ভুল যা ব্যবহৃত হয়নি। (সমাপ্ত)

এবং লিসানুল আরব-এ আছে: বলা হয় (রাজুলুন আশইয়াব), কিন্তু ‘ইমরাআতুন শাইবা’ বলা হয় না। নারীর ক্ষেত্রে এ দ্বারা বিশেষণ প্রকাশ করা হয় না, বরং ‘শাইবা’-এর পরিবর্তে তারা ‘শামতা’ শব্দেই সন্তুষ্ট থেকেছেন। অবশ্য বলা হয় (তার মাথা পেকেছে)। (সমাপ্ত)

আল-হামাসাহ-এর ওপর তিবরিজি, ৩য় খণ্ড, ৭৮ পৃষ্ঠা: (আওজাল) এর কোনো ‘ফাউলাউ’ রূপ নেই।

এবং ৪র্থ খণ্ড, ৭০ পৃষ্ঠায়: (বাহরা) এর কোনো ‘আভহার’ ওজন নেই।

আল-ইকতিজাব ১৩৮-১৩৯ পৃষ্ঠা: (আসফা) কোনো ‘সাফওয়া’ রূপ ব্যতীত। আবার ‘সাফওয়া’ যার কোনো ‘আসফা’ রূপ নেই: এটি ঘোড়া ও খচ্চরের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

আবাসুল ওয়ালিদ, পৃষ্ঠা ১৮: (আবলাখ) এবং কারো কারো মতে: নারীর জন্য ‘বালখা’ বলা হয় না।
(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ২৮)
‌‌ما بين واحده وحجمه، أو مثناه وجمعه

اختلاف حركة:

في القاموس: (الحصبة) الحجارة، واحدتها (حصبة) محركة - نادر.

في الاقتضاب ص354.

جمع خشارم على خشارم - وجوالق، وجوالق - وقراقر، وقراقر - وعذافر، وعذافر.

انظر شفاء الغليل ص68.

في العكبرى ج - 1 ص501: غرانق، وغرانق.

وفي 106: شبارق، شَبَارق.

وانظر مادة (غرنق) من اللسان ص161.

انظر التبريزي على الحماسة ج - 3 ص179.

والتنبيهات ص104.

في ألف باء ج - 1 ص160:

كلمات تختلف فيها التثنية والجمع بالحركة فقط (وليراجع: أسَد، أشْد).

وانظر شرح الدرة للخفاجي ص242.

 

‌‌فعلة في المفرد

(هو وزن، الأغلب عليه الجمع):

انظر (ما جاء من المفرد بصورة الجمع) فيما يأتي من هذا الكتاب.

في القاموس: (العنب) معروف كالعنباء واحده: عنبة - وقول الجوهري: هو بناء نادر، لأن الأغلب عليه الجمع كقردة، وفيلة، إلا أنه جاء للواحد. وهو قليل، نحو التولة، والحبرة، والطيبة، والخيرة، ولا أعرف غيره - قصور منه وقلة اطلاع.

ومن النادر: (الزِّمَخَة، والمنَنَة، والثِّومَة، والحدأة، والظِّمخة، والذبخة، والطِّيرَة والهننَة) وغير ذلك.
একবচন (واحد) ও তার গঠন, অথবা দ্বিবচন (مثنى) ও বহুবচনের (جمع) মধ্যবর্তী অবস্থা

হরকতের ভিন্নতা:

আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে: (আল-হাসবাহ) অর্থ পাথর, এর একবচন (واحد) হলো 'হাসবাহ' যা হরকতযুক্ত - এটি বিরল (نادر)।

আল-ইকতিজাব গ্রন্থের ৩৫৪ পৃষ্ঠায়।

খাশারিম-এর বহুবচন (جمع) খাশারিম রূপে - এবং জাওয়ালিক ও জাওয়ালিক - এবং কারাকির ও কারাকির - এবং আযাফির ও আযাফির।

শিফা আল-গালীল গ্রন্থের ৬৮ পৃষ্ঠা দেখুন।

আল-উকবরি গ্রন্থের ১ম খণ্ডের ৫০১ পৃষ্ঠায়: গারানিক এবং গারানিক।

এবং ১০৬ পৃষ্ঠায়: শাবালিক, শাবালিক।

লিসান আল-আরব গ্রন্থের ১৬১ পৃষ্ঠার (গুরনিক) মূলধাতু বা পরিচ্ছেদটি দেখুন।

আল-হামাসাহ গ্রন্থের ওপর আত-তিবরিযির ব্যাখ্যাগ্রন্থের ৩য় খণ্ডের ১৭৯ পৃষ্ঠা দেখুন।

এবং আত-তানবিহাত গ্রন্থের ১০৪ পৃষ্ঠা।

আলিফ বা গ্রন্থের ১ম খণ্ডের ১৬০ পৃষ্ঠায়:

এমন কিছু শব্দ যেখানে দ্বিবচন (تثنية) ও বহুবচনের (جمع) পার্থক্য কেবল হরকতের মাধ্যমে হয় (দ্রষ্টব্য: আসাদ, আশুদ)।

এবং খাফাজির শারহ আদ-দুররাহ-এর ২৪২ পৃষ্ঠা দেখুন।

 

একবচনের (مفرد) ক্ষেত্রে 'ফি'লাহ' (فعلة) গঠন

(এটি একটি ওযন (وزن), যা অধিকাংশ ক্ষেত্রে বহুবচনের (جمع) জন্য ব্যবহৃত হয়):

এই বইয়ের পরবর্তী অংশে 'যেসব একবচন (مفرد) বহুবচনের (جمع) রূপে এসেছে' শীর্ষক আলোচনাটি দেখুন।

আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে: (আল-ইনাব) শব্দটি আল-ইনবা-এর মতোই পরিচিত, এর একবচন (واحد): ইনাবাহ। জাওহারির বক্তব্য হলো: এটি একটি বিরল (نادر) গঠন, কারণ এই ওযনটি (وزن) সাধারণত বহুবচনের (جمع) জন্য আসে যেমন 'ক্বিরাদাহ' ও 'ফিলাহ', তবে এটি একবচনের (واحد) জন্যও ব্যবহৃত হয়েছে। এটি খুবই কম (قليل), যেমন: আত-তুলাহ, আল-হিবরাহ, আত-তীবাহ, আল-খাইরাহ; তিনি বলেছেন: আমি এগুলি ছাড়া আর কিছু জানি না - এটি তার সীমাবদ্ধতা ও অল্প জ্ঞানের বহিঃপ্রকাশ।

বিরল (نادر) উদাহরণগুলোর মধ্যে রয়েছে: (আয-জিমাকাহ, আল-মানানাহ, আস-সুমাহ, আল-হিদাআহ, আয-জিমাকাহ, আয-যাবাকাহ, আত-তিয়ারাহ ও আল-হিনানাহ) এবং আরও অন্যান্য।
(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ২৯)
‌‌فعلاء

في اللسان (العنباء) لا نظير له إلا (السيراء) وهو ضرب من البرود. هذا قول كراع.

في مادة (حول) من القاموس: والحولاء كالعنباء، والسيراء - ولا رابع لها. وتضم كالمشيمة للنافة. ومنه نزلوا في مثل حولاء الناقة: يريدون الخصب إلخ.

 

‌‌الممات من الأفعال وغيرها

في القاموس: (السغب) محركة: العطش. وليس بمستعمل.

في اللسان: (التسهيب): ذهاب العقل. والفعل منه ممات.

في القاموس: (صرأ) من الأفعال المهملة - وانظر بيان ذلك في الشرح.

في القاموس: (العكث) مما أميت بناء أصله - أي: لم يستعمل ثلاثياً، وإنما استعمل المزيد. وراجع الشرح.

في القاموس: (السافِرُ: المسَافرْ) لا فعل له.

أسماء أهملت أفعالها وعكسه: الاقتضاب ص160.

الأوصاف التي لم يسمع لها بأفعال، وعكسه: فقه اللغة، الصاحبي ص235.

وفي شفاء الغليل ص239: الكلام على (وَدَع) وأنه ليس مماتاً.

في ابن الطيب على الاقتراح ص308: كون الماضي من (يذر، ويدع) مماتاً، لا معنى له.

أصل (يدع) وتصريفاتها: أمالي ابن الشجري ج - 2 آخر ص239.

وفي شرح شواهد الشافية للبغدادي ص53: (وَدَع).

التبريزيّ على الحماسة ج - 4 ص18: (وزر) ممات.

المحتسب ج - 2 ص433 - 435: (وزر، وودع).

خزانة البغدادي ج - 3 ص120 - 121 مجيء (ودع) ماضي (يدع) في شعر عربي. وكذلك (وادع).

الإسعاف شرح شواهد الكشاف ص516:
‌‌ফুআলা (فعلاء) ছন্দ

লিসানুল আরব গ্রন্থে আছে: (العنباء) 'আল-আন্‌বা' এর কোনো সমরূপ নেই কেবল (السيراء) 'আস-সাইরা' ব্যতীত, যা এক প্রকারের ডোরাকাটা চাদর। এটি কুরা'-এর উক্তি।

আল-কামুস গ্রন্থের (حول) 'হা-ওয়া-লাম' মূলধাতুর আলোচনায় রয়েছে: 'আল-হাউলা' শব্দটি 'আল-আন্‌বা' ও 'আস-সাইরা'-এর ন্যায়—এর চতুর্থ কোনো উদাহরণ নেই। এটি উটনীর গর্ভফুলের ন্যায়। এর থেকেই বলা হয়, "তারা উটনীর গর্ভফুলের ন্যায় স্থানে অবতরণ করেছে", যার দ্বারা তারা উর্বরতা বা প্রাচুর্য (الخصب) বোঝাতে চায় ইত্যাদি।

 

‌‌বিলুপ্ত বা পরিত্যক্ত (الممات) ক্রিয়াপদ ও অন্যান্য

আল-কামুস গ্রন্থে আছে: (السغب) 'আস-সাগাব' শব্দটি হারাকাতবিশিষ্ট (محركة): এর অর্থ পিপাসা। এটি ব্যবহৃত নয়।

লিসানুল আরব গ্রন্থে আছে: (التسهيب) 'আত-তাসবীহ': বুদ্ধি লোপ পাওয়া। এর থেকে উদ্ভূত ক্রিয়াপদটি বিলুপ্ত বা অপ্রচলিত (ممات)।

আল-কামুস গ্রন্থে আছে: (صرأ) 'সারাআ' পরিত্যক্ত (المهملة) ক্রিয়াপদগুলোর অন্তর্ভুক্ত—এর বিস্তারিত বিবরণ ব্যাখ্যাগ্রন্থে (الشرح) দেখুন।

আল-কামুস গ্রন্থে আছে: (العكث) 'আল-আকাস' এমন শব্দের অন্তর্ভুক্ত যার মূল গঠনটি বিলুপ্ত (أميت) করা হয়েছে—অর্থাৎ, এটি তিন অক্ষরবিশিষ্ট (ثلاثياً) হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি, বরং কেবল অতিরিক্ত অক্ষরযুক্ত (المزيد) হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাখ্যাগ্রন্থ (الشرح) দেখুন।

আল-কামুস গ্রন্থে আছে: (السافِرُ) 'আস-সাফির' অর্থ মুসাফির; এর কোনো ক্রিয়াপদ নেই।

সেসব বিশেষ্য যেগুলোর ক্রিয়াপদ পরিত্যক্ত হয়েছে এবং এর বিপরীত অবস্থা: আল-ইকতিদাব, পৃষ্ঠা ১৬০।

সেসব গুণবাচক শব্দ যেগুলোর কোনো ক্রিয়াপদ শ্রুত হয়নি এবং এর বিপরীত অবস্থা: ফিকহুল লুগাহ, আস-সাহিবী, পৃষ্ঠা ২৩৫।

এবং শিফাউল গালীল, পৃষ্ঠা ২৩৯-এ রয়েছে: (وَدَع) 'ওয়াদাআ' সম্পর্কিত আলোচনা এবং এটি যে বিলুপ্ত (مماتاً) নয়।

ইবনে তাইয়্যিব-এর আল-ইকতিরাহ-এর টীকা, পৃষ্ঠা ৩০৮-এ রয়েছে: (يذر) 'ইয়াদারু' ও (يدع) 'ইয়াদাউ'-এর অতীত রূপ বিলুপ্ত (مماتاً) হওয়ার কোনো ভিত্তি নেই।

(يدع) 'ইয়াদাউ'-এর মূল এবং এর শব্দরূপান্তরসমূহ: আমালি ইবনুল শাজারি, ২য় খণ্ড, ২৩৯ পৃষ্ঠার শেষে।

এবং বাগদাদীর শারহু শাওয়াযিদ আশ-শাফিয়া, পৃষ্ঠা ৫৩: (وَدَع) 'ওয়াদাআ' প্রসঙ্গে।

আত-তাবরিযীর শারহুল হামাসাহ, ৪র্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৮: (وزر) 'ওয়াযারা' শব্দটি বিলুপ্ত (ممات)।

আল-মুহতাসাব, ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ৪৩৩ - ৪৩৫: (وزر) ও (ودع) প্রসঙ্গে।

খিযানাতুল আদাব, ৩য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১২০ - ১২১: আরবি কবিতায় (يدع)-এর অতীত কাল হিসেবে (ودع)-এর ব্যবহার। অনুরূপভাবে (وادع)-এর ব্যবহার।

আল-ইস'আফ শারহু শাওয়াযিদ আল-কাশশাফ, পৃষ্ঠা ৫১৬:
(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ৩০)
شاهد على أن (ودع) غير ممات، ولكنه قليل.

وفي شرح المضنون به على غير أهله ص102:

(وَدَع) إنما يأتي في ضرورة الشعر.

أصل (يدع) وتصريفاتها: أمالي ابن الشجري ج - 2 آخر ص239.

في الصفدي على لامية العجم ج - 2 ص53 - 54: الكلام في (دَعْ، وذر).

وفي بائع الفوائد ص698:

سبب امتناعهم من النطق بأفعال (ويحه، وويله، وويسه، وويبه).

وانظر الكلام عليها في البغدادي على شرح بانت سعاد ص76 ج - 1.

المحتسب ج - 2 ص26: (نذرت بالشيء): أي عملت به. لا مصدر له، كأنهم استغنوا عنه ب - (أن، والفعل) فقالوا: (سرني بأن نذرت به).

ابن الطيب على الاقتراح ص44: (ينبغي) لم يسمع عن العرب إلا مضارعه.

مادة (حتف) من المصباح (الحتف): الهلاك، لم يبنوا من (أفكل) فعلاً.

سفر السعادة، النسخة العتيقة ص16: لم يبنوا من (أفكل) فعلاً.

وانظر شيئاً عن هذه الأفعال في السيرافي على سيبويه ج - 1 ص223.

وفي ج - 2 منه ص275 - 276: بهرا، أي: قهرا وفعله ممات.

وفي اللسان (الإسكاف) مصدره (السكافة) ولا فعل له.

استطاع: استفعل، من طاع يطوع - وإن لم ينطقوا به:

بدائع الفوائد لابن القيم ص693 - 697.

عبث الوليد ظهر ص80: أنهم قلّ أن يستعملوا الفعل من (الشعاع).

في شرح القاموس: (الهدبد) من الألفاظ التي استعملوها اسماً وصفة، ولا فعل له.

في مادة (هدس) من اللسان: هَدَسَهُ: طرده وزجره - يمانية مماتة.

في أول مادة (حمط) من اللسان: حمط الشيء: قشره. وهذا فعل ممات.

المزهر ج - 2 ص25 - 26: أفعال مماتة.
এটি প্রমাণ করে যে (ودع) শব্দটি অপ্রচলিত (ممات) নয়, তবে এর ব্যবহার কম।

এবং শারহু আল-মাদনুন বিহি আলা গইরি আহলিহি-এর ১০২ পৃষ্ঠায় রয়েছে:

(وَدَع) কেবল কাব্যিক প্রয়োজনেই ব্যবহৃত হয়।

(يدع) শব্দের মূল এবং এর রূপান্তরসমূহ: আমালি ইবনুশ শাজরি, ২য় খণ্ড, ২৩৯ পৃষ্ঠার শেষে।

আস-সাফাদি রচিত লামিয়াতুল আজমের ব্যাখ্যায়, ২য় খণ্ড, ৫৩-৫৪ পৃষ্ঠা: (دَعْ) এবং (وذر) সম্পর্কে আলোচনা।

এবং বাদায়েউল ফাওয়াইদ-এর ৬৯৮ পৃষ্ঠায়:

তাদের (ويحه, وويله, وويسه, وويبه) শব্দগুলোর ক্রিয়া ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকার কারণ।

এবং এ বিষয়ে বাগদাদির শারহু বানাত সুআদ-এর ১ম খণ্ড, ৭৬ পৃষ্ঠার আলোচনা দেখুন।

আল-মুহতাসিব, ২য় খণ্ড, ২৬ পৃষ্ঠা: (نذرت بالشيء): অর্থাৎ আমি তা দ্বারা আমল করেছি। এর কোনো ক্রিয়ামূল (مصدر) নেই, যেন তারা (أن এবং ক্রিয়া) ব্যবহারের মাধ্যমে তা থেকে অমুখাপেক্ষী হয়েছে। ফলে তারা বলেছে: (আমি আনন্দিত যে আমি তা পালন করেছি)।

আল-ইকতিরাহ গ্রন্থের ওপর ইবনুুত তায়্যিব-এর টীকা, ৪৪ পৃষ্ঠা: আরবদের কাছ থেকে (ينبغي) শব্দের কেবল বর্তমান বা ভবিষ্যৎকালীন রূপ (مضارع) শোনা গেছে।

আল-মিসবাহ-এর (حتف) অনুচ্ছেদে (الحتف): ধ্বংস বা মৃত্যু; তারা (أفكل) শব্দ থেকে কোনো ক্রিয়া গঠন করেনি।

সিফরুস সাআদাহ, প্রাচীন পাণ্ডুলিপি, ১৬ পৃষ্ঠা: তারা (أفكل) শব্দ থেকে কোনো ক্রিয়া গঠন করেনি।

এবং সিরাফি রচিত সিবাওয়াইহ-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থের ১ম খণ্ড, ২২৩ পৃষ্ঠায় এই ক্রিয়াগুলো সম্পর্কে কিছু আলোচনা দেখুন।

এবং এর ২য় খণ্ডের ২৭৫-২৭৬ পৃষ্ঠায়: ‘বাহরান’ (بهرا) অর্থাৎ ‘কাহরান’ (قهرا) এবং এর ক্রিয়াটি অপ্রচলিত (ممات)।

এবং লিসানুল আরব-এ রয়েছে: (الإسكاف)-এর ক্রিয়ামূল (مصدر) হলো (السكافة), কিন্তু এর কোনো ক্রিয়া নেই।

استطاع: এটি استفعل ওজনের শব্দ, যা طاع-يطوع থেকে এসেছে—যদিও তারা এটি উচ্চারণ করেনি:

ইবনুল কাইয়্যিমের বাদায়েউল ফাওয়াইদ, ৬৯৩-৬৯৭ পৃষ্ঠা।

আবাসুল ওয়ালিদ, ৮০ পৃষ্ঠার পিঠ: তারা (الشعاع) থেকে ক্রিয়ার ব্যবহার খুব কমই করে থাকে।

শারহুল কামুস-এ রয়েছে: (الهدبد) এমন শব্দগুলোর অন্তর্ভুক্ত যা তারা বিশেষ্য ও বিশেষণ হিসেবে ব্যবহার করেছে, তবে এর কোনো ক্রিয়া নেই।

লিসানুল আরব-এর (هدس) অনুচ্ছেদে: هَدَسَهُ অর্থ তাকে তাড়িয়ে দিল এবং ধমক দিল—এটি একটি ইয়ামানি অপ্রচলিত (مماتة) শব্দ।

লিসানুল আরব-এর (حمط) অনুচ্ছেদের শুরুতে: حمط الشيء অর্থ কোনো কিছুর খোসা ছাড়ানো। এটি একটি অপ্রচলিত (ممات) ক্রিয়া।

আল-মুযহির, ২য় খণ্ড, ২৫-২৬ পৃষ্ঠা: অপ্রচলিত (مماتة) ক্রিয়াসমূহ।
(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ৩১)
وانظر ابن جنى على تصريف المازني ص18 وص580.

التبريزي على الحماسة ج - 1 ص71: (رجل أزيب) ولم يصرفوا منه فعلاً.

 

‌‌فعلاء

في القاموس: القوباء، والقوباء الذي يظهر بالجسد. . . وليس فعلاء ساكنة العين غيرها والخشاء.

وفي النسخة العتيقة من سفر السعادة ص78.

ليس في العربية فعلاء بالمد إلا (قوباء، وخشاء). . إلخ.

فعل في الأسماء:

في القاموس: تَوَّج كبَقّم: مأسدة وفي الشرح:

لم تأت أسماء بوزن فَعّل للغرب غير - شَمّر، وبَقّم، وعَثَّر، وبَذّر، وتوَّج، وخَوَّد، وسَلّم، وخَضَّم - ولا تاسع لها، لأن هذا الوزن خاصّ بالأفعال.

وانظر ما كتبه المصحح في حاشية النسخة.

وانظر ما جاء من ذلك في مادة (بَذّر) من معجم البلدان لياقوت.

في شفاء الغليل ص42 - 43:

ما جاء من ذلك، فليراجع - وقال عن خَوّد، وتَوّج: يجوز أن يكون وزنهما فَوْعَلاً.

وانظر إرشاد الأريب لياقوت ج - 2 ص272.

وج - 6 منه ص418.

والمزهر ج - 2 ص34.

وابن هشام على بانت سعاد ص190.

وحاشية البغدادي عليه ج - 2 ص690 - 694.

الوسيط في أدباء شنقيط ص372: نظم الحسن بن زين فيما جاء على فعل.
এবং মাজিনির তাসরিফ-এর ওপর ইবনে জিনির ভাষ্য দেখুন, পৃষ্ঠা ১৮ এবং পৃষ্ঠা ৫৮০।

আল-হামাসাহ-এর ওপর তিবরিজির ভাষ্য, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৭১: (রাজুলুন আজইয়াব) এবং তারা এটি থেকে কোনো ক্রিয়া গঠন করেনি।

 

‌‌ফা'লা-উ (فعلاء)

আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে: আল-কাউবা, আর আল-কাউবা হলো যা শরীরে প্রকাশ পায়... আর 'আইন' বর্ণে সুকুনযুক্ত ফা'লা-উ (فعلاء) ওজনে এটি এবং আল-খাশা-উ ব্যতীত অন্য কোনো শব্দ নেই।

এবং সাফারুস সা’আদাহ-এর প্রাচীন পাণ্ডুলিপিতে, পৃষ্ঠা ৭৮।

আরবি ভাষায় মাদ্দ-সহ ফা'লা-উ (فعلاء) ওজনে (কাউবা এবং খাশা-উ) ব্যতীত অন্য কিছু নেই... ইত্যাদি।

বিশেষ্যের ক্ষেত্রে ফা’’আল (فعل) ওজন:

আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে: 'তাউওয়াজ' যেমন 'বাক্কাম' (ওজনে): সিংহলয়। আর ব্যাখ্যাগ্রন্থে রয়েছে:

আরবদের নিকট ফা’’আল (فَعّل) ওজনে শম্মার, বাক্কাম, আসসার, বাজ্জার, তাউওয়াজ, খাউওয়াদ, সাল্লাম এবং খদ্দম ব্যতীত কোনো বিশেষ্য আসেনি—এবং এর নবম কোনোটি নেই, কারণ এই ওজনটি ক্রিয়ার জন্য নির্দিষ্ট।

এবং পাণ্ডুলিপির টীকাভাষ্যে (حاشية) যা সংশোধক লিখেছেন তা দেখুন।

এবং ইয়াকুতের মুজামুল বুলদান গ্রন্থের (বাজ্জার) পরিচ্ছেদে এ সংক্রান্ত যা এসেছে তা দেখুন।

শিফাউল গালীল গ্রন্থে, পৃষ্ঠা ৪২-৪৩:

এ সম্পর্কে যা এসেছে তা যাচাই করা উচিত—এবং তিনি খাউওয়াদ ও তাউওয়াজ সম্পর্কে বলেছেন: এই দুটির ওজন ফাউ'আল (فَوْعَل) হওয়া সম্ভব।

এবং ইয়াকুতের ইরশাদুল আরীব দেখুন, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ২৭২।

এবং এর ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃষ্ঠা ৪১৮।

এবং আল-মুযহির, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৩৪।

এবং বানাত সুয়াদ-এর ওপর ইবনে হিশামের ভাষ্য, পৃষ্ঠা ১৯০।

এবং এর ওপর আল-বাগদাদির টীকাভাষ্য (حاشية), খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৬৯০-৬৯৪।

আল-ওয়াসিত ফি উদাবায়ি শিনকিত, পৃষ্ঠা ৩৭২: ফা’’আল (فعل) ওজনে যা এসেছে সে সম্পর্কে হাসান বিন জাইনের পদ্য।
(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ৩২)
‌‌‌‌فعل

قليل، وجاء منه: حِمَّص، وقِنّف، وقِلّف، وقِنّب، وخِنّب.

انظر الكلام فيما في كنّاشنا ص24.

وفي شفاء الغليل أول ص79.

 

فعل

في القاموس: بجدِّ، كجلِّق، وحمِّص، وحلِّز، موضعومالهن خامس. وفي الشرح: قال شيخنا: وسيأتي له في الزاي خامس.

 

‌‌فعلولة

ما جاء منه وليس يائيّاً: كينونة، وهيعوعة، وديمومة، وسيدودة. . إلخ. والكلام فيها: انظر كنّاشنا ص14.

انظر وزن كينونة في الاقتضاب ص281.

وانظر ما جاء من ذلك في ابن جنى على تصريف المازني ص322 - 327.

وانظر البغدادي على شرح بانت سعاد ج - 1 ص150 - 155.

 

‌‌فعلوة

في نظام العريب للربعي:

ليس في كلام العرب على وزن فعلوة إلا: ترقوة، وعرقوة. وجمعها: تراق، وعراق أه.

وذكر في القاموس أيضاً: القرنوة، والهرنوة، والعنصوة، والثندوة.

 

‌‌فعيل وفعيل

(كوكب درئ) كسكين، ويضم - وليس في الكلام العرب فعيل سواه. (ومريق) للعصفر -: متوقد متلألئ.
‌‌‌ফি'িল্ল (فعل)

এটি অল্প ব্যবহৃত; এর উদাহরণ হিসেবে পাওয়া যায়: হিম্মাস, কিন্নফ, কিল্লাফ, কিন্নাব এবং খিন্নাব।

এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার জন্য আমাদের সংগ্রহশালার (কুন্নাশের) ২৪ পৃষ্ঠা দেখুন।

এবং 'শিফা আল-গালিল' গ্রন্থের ৭৯ পৃষ্ঠার শুরুতে।

 

ফি'িল্ল (فعل)

'আল-কামুস' গ্রন্থে রয়েছে: বিজিদ্দি শব্দটি জিল্লিক্ব, হিম্মাস ও হিল্লিজ-এর ওজনে একটি স্থানের নাম এবং এগুলোর কোনো পঞ্চম উদাহরণ নেই। 'আশ-শারহ' (ব্যাখ্যাগ্রন্থ)-এ রয়েছে: আমাদের শাইখ বলেছেন: অচিরেই লেখকের নিকট 'যাই' (ز) অক্ষরের আলোচনায় এর পঞ্চম একটি উদাহরণ আসবে।

 

‌‌ফালুলাহ (فعلولة)

এ ওজনে যে শব্দগুলো এসেছে এবং যেগুলো 'ইয়া' মূলবর্ণ সংবলিত নয়: কাইনুনা, হাইউ'আহ, দাইমুমা, সাইদুদা... ইত্যাদি। এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার জন্য আমাদের সংগ্রহশালার ১৪ পৃষ্ঠা দেখুন।

'আল-ইকতিদাব' গ্রন্থের ২৮১ পৃষ্ঠায় 'কাইনুনা' শব্দের ওজনটি দেখুন।

এবং এ সংক্রান্ত আরও উদাহরণের জন্য ইবনে জিন্নি রচিত 'মাযিনির আত-তাসরিফের ব্যাখ্যা'র ৩২২-৩২৭ পৃষ্ঠা দেখুন।

এবং 'শারহ বানাত সুয়াদ' গ্রন্থের ওপর আল-বাগদাদির ব্যাখ্যা ১ম খণ্ড, ১৫০-১৫৫ পৃষ্ঠা দেখুন।

 

‌‌ফালুওয়াহ (فعلوة)

আর-রাবই রচিত 'নিজাম আল-গারিব' গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে:

আরবদের কথাবার্তায় 'ফালুওয়াহ' (فعلوة) ওজনে কেবল তারকুওয়াহ এবং আরকুওয়াহ শব্দ দুটি বিদ্যমান। এগুলোর বহুবচন হলো: তরাক্বি এবং ইরাক্বি। (সমাপ্ত)

'আল-কামুস' গ্রন্থে আরও উল্লেখ করা হয়েছে: আল-ক্বরনুওয়াহ, আল-হারনুওয়াহ, আল-উনসুওয়াহ এবং আস-সুন্দুওয়াহ।

 

‌‌ফি'ইল (فعيل) এবং ফু'ইল (فعيل)

(একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র) 'সিক্কিন'-এর ওজনে, আবার এটি পেশ সহযোগেও পঠিত হয়—আরবদের ভাষায় 'ফি'ইল' (فعيل) ওজনে এটি ছাড়া আর কোনো শব্দ নেই। (এবং মুরিক্ব) কুসুম ফুলের বর্ণনায় ব্যবহৃত—এর অর্থ হলো: প্রদীপ্ত ও উজ্জ্বল।
(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ৩৩)
وفي الشرح: (درئ) أيضاً - أي بفتح أوله.

ومثله: (أليت): موضع، (وسكين).

وما حكاه أبو زيد من قولهم: عليه سكينة. ينظر هذا.

ومثله أيضاً: (البريت) فرس إياد بن قبيصة - وهو وزن عزيز أو معدوم، لم يأت منه إلا هذه الألفاظ الأربعة.

وقيل فرس قبيصة: ضبط اسمه كزبير.

وعلى الوجهين شواهد الأشعار.

انتهى ملجصاً من القاموس وشرحه من مادتي: درأ، ودرر وليراجع اللسان فيهما.

وانظر الاقتضاب ص275.

 

‌‌فعلل المضاعف

في مادة (لألأ) من شرح القاموس:

الؤْلؤ: لا نظير له، إل بُؤْبُؤْ، وجُؤّجُؤ، وسُؤسُؤ، ودُؤّدُؤ، وضُؤّضُؤ.

واتراجع في موادها.

 

‌‌فعلال

لم يجئ من غير المضاف: الغفران للمعري ص100.

جاء منه (خزعال، وقسطال): الاقتضاب ص275 - 276.

 

‌‌أفعل التفضيل والتعجب

في القاموس: ما بالبادية أنوأ منه: أي أعلم بالأنواء لا فعل له. وهو كأحنك الشاتين.

وفي الشرح: (وأحنك البعيرين. على الشذوذ - أي من بابهما - أعظمهما حنكاً.
এবং শারহ (ব্যাখ্যাগ্রন্থ)-এ রয়েছে: 'দারি' শব্দটিও একইভাবে—অর্থাৎ এর প্রথম বর্ণটি ফাতহা (জবর) যোগে।

তদ্রূপ: 'আলিয়্যাত' একটি স্থানের নাম এবং 'সিক্কীন'।

আবু যায়েদ তাদের উক্তি থেকে যা বর্ণনা করেছেন যে: "তার ওপর প্রশান্তি রয়েছে"। বিষয়টি পর্যালোচনার দাবি রাখে।

এর সমরূপ আরও একটি হলো: ইয়াদ ইবনে কুবাইসার ঘোড়ার নাম 'বারীত'—এটি এমন একটি ওজন বা গঠন যা অত্যন্ত বিরল (عزيز) অথবা অস্তিত্বহীন; এই চারটি শব্দ ব্যতিরেকে এর আর কোনো উদাহরণ পাওয়া যায় না।

কেউ কেউ বলেছেন কুবাইসার ঘোড়ার নাম: এর উচ্চারণ হবে 'যুবায়ের'-এর ন্যায়।

উভয় মতের স্বপক্ষেই কাব্যের উদাহরণ বিদ্যমান।

আল-কামুস এবং এর শারহ (ব্যাখ্যাগ্রন্থ)-এর 'দারাআ' এবং 'দারারা' মূলশব্দ দুটি থেকে সংক্ষেপে সমাপ্ত হলো। এ বিষয়ে লিসানুল আরব দেখা যেতে পারে।

দ্রষ্টব্য: আল-ইকতিদাব, পৃষ্ঠা ২৭৫।

 

‌‌দ্বিত্ববিশিষ্ট ফু'লুল গঠন

শারহুল কামুস-এর 'লা-লা' মূলশব্দে বর্ণিত হয়েছে:

'লুলু': এর কোনো নজির নেই, কেবল 'বুবু', 'জু'জু', 'সু'সু', 'দু'দু' এবং 'দু'দু' ব্যতিরেকে।

এগুলোর মূলশব্দগুলোতে অনুসন্ধান করা যেতে পারে।

 

‌‌ফি'লাল গঠন

আল-মা'আররি রচিত আল-গুফরান (পৃষ্ঠা ১০০)-এ বর্ণিত হয়েছে যে, এটি মুদাফ (সংযুক্ত) ছাড়া ব্যবহৃত হয়নি।

আল-ইকতিদাব (পৃষ্ঠা ২৭৫-২৭৬)-এ এর উদাহরণ হিসেবে 'খিজ'আল' ও 'কিসতাল' এসেছে।

 

‌‌আফ'আলুত তাফদিল (শ্রেষ্ঠত্ববোধক) এবং বিস্ময়সূচক রূপ

আল-কামুস গ্রন্থে আছে: মরুভূমিতে তার চেয়ে অধিক নক্ষত্র-বিশারদ আর কেউ নেই: অর্থাৎ সে নক্ষত্রপুঞ্জ সম্পর্কে অধিক জ্ঞানী। এর কোনো ক্রিয়ামূল নেই। এটি 'আহনাকুশ শাতাইন'-এর মতো।

শারহ (ব্যাখ্যাগ্রন্থ)-এ রয়েছে: এবং 'আহনাকুল বা'ইরাইন', ব্যতিক্রমী (شاذ) হিসেবে—অর্থাৎ তাদের নিজ নিজ অধ্যায় থেকে—যার অর্থ তাদের মধ্যে সবচেয়ে বিশাল চিবুকবিশিষ্ট।
(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ৩৪)
ووجه الشذوذ: أن شرط أفعل التفضيل: أن لا يبنى إلا من فعل - وقد ذكر ابن هشام له نظائر).

في القاموس: (ما أعجبه برأيه، شاذ، لأنه صيغ من المجهول).

وانظر في كناشنا ص20: الكلام على أهيب من الأسد لأنه صيغ من المجهول.

وانظر في كناشنا ص35: ما صيغ من غير الثلاثي شاذاً.

بناء أفعل التفضيل من المجهول: سماعي: عبث الوليد ظهر ص13.

وانظر ص37 منه، في كلامه على قول البحتري: (أهوى إليه من بياض نهاره).

وفي كناشنا ص149: فائدة من أنك إذا قلت: ما أسود زيداً. وما أسمر عمراً. وما أصفر هذا الطائر. وما أبيض هذه الحمامة. وما أحمر هذا الفرس فسدت كل مسألة من وجه،

وصحت من وجه.

في القاموس: ما أموته أي ما أموت قلبه، لأن كل فعل لا يتريد، لا يتعجب منه.

التبريزي على الحماسة ج - 2 ص148: بعض ما جاء للتعجب من أفعل.

وفي ج - 3 منه ص126، 148: تجويز سيبويه بناء التعجب بعد الثلاثي مما جاء على أفعل خاصة.

وانظر البغدادي على شرح بانت سعاد ج - 1 ص485.

ابن هشام على بانت سعاد ص13:

بناء أفعل التفضيل من أفعل، هل هو مقيس أم مسموع؟

وفي 93 منه قولهم: (ما أفقره) ليس شاذاً، لمجيء (فقر) الثلاثي. في خزانة البغدادي ج - 1 ص16 - 17: (أبغض) اسم تفضيل جاء على غير بابه. معالم الكتابة ص153: قولهم: (ما أولاه بكذا، وما أعطاه، وما أولمه. وهو أولم من فلان وما أخلفه للوعد. وما أنصفه. وما أسرعه. وما أبطأه - وقد سمع في هذين: سَرُع، وبَطْؤ - وما أفرط جهله. وما أعدمه. وما أعجبه. وما أخطأه. وما أيسره. وما أظلم المكان. وما أضوأه. وما أصوبه. وما أخصبه. وما أمرعه): كلها خطأ.

وفي 154 منه:

(ما أتقاه. وما أشده. وما أفقره): خطأ، لأنها من افتغل. (وما أقومه) لأنه من استقام.
ব্যতিক্রমধর্মী (شاذ) হওয়ার কারণ হলো: আধিক্যবোধক নাম (أفعل التفضيل) গঠনের শর্ত হলো এটি কেবল ক্রিয়া (فعل) থেকে গঠিত হবে - ইবনে হিশাম এর সদৃশ কিছু উদাহরণ উল্লেখ করেছেন।

আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে: (তার নিজের মতের ব্যাপারে সে কতই না বিস্ময়কর, এটি ব্যতিক্রমধর্মী (شاذ), কারণ এটি কর্মবাচ্য (مجهول) থেকে গঠিত হয়েছে)।

আমাদের নোটবুকের ২০ পৃষ্ঠায় দেখুন: 'সিংহের চেয়ে অধিক ভীতিপ্রদ' (أهيب من الأسد) বাক্যটির ওপর আলোচনা, কারণ এটি কর্মবাচ্য (مجهول) থেকে গঠিত হয়েছে।

আমাদের নোটবুকের ৩৫ পৃষ্ঠায় দেখুন: যা ব্যতিক্রমধর্মী (شاذ) হিসেবে তিন বর্ণের অতিরিক্ত শব্দ থেকে গঠিত হয়েছে।

কর্মবাচ্য (مجهول) থেকে আধিক্যবোধক নাম (أفعل التفضيل) গঠন করা শ্রুতিনির্ভর (سماعي): আবাসুল ওয়ালিদ এর ১৩ পৃষ্ঠার উল্টো পিঠে এটি উল্লিখিত হয়েছে।

এবং এর ৩৭ পৃষ্ঠায় আল-বুহতুরির উক্তি: (তার শুভ্র দিনের চেয়েও সে তার প্রতি অধিক অনুরক্ত) এর ওপর তার আলোচনা দেখুন।

এবং আমাদের নোটবুকের ১৪৯ পৃষ্ঠায় একটি শিক্ষা রয়েছে: যখন আপনি বলবেন: 'যায়েদ কতই না কালো', 'আমর কতই না শ্যামলা', 'এই পাখিটি কতই না হলুদ', 'এই কবুতরটি কতই না সাদা' এবং 'এই ঘোড়াটি কতই না লাল', তখন প্রতিটি বিষয় একদিক থেকে অশুদ্ধ হবে,

এবং অন্য একদিক থেকে শুদ্ধ (صحيح) হবে।

আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে: 'সে কতই না মৃত' অর্থাৎ তার অন্তর কতই না মৃত, কারণ যে ক্রিয়া বৃদ্ধি বা হ্রাস পায় না, তা থেকে বিস্ময়সূচক বাক্য গঠিত হয় না।

আল-হামাসাহর ওপর আত-তাবরিজির ব্যাখ্যাগ্রন্থের ২য় খণ্ড, ১৪৮ পৃষ্ঠায়: 'আফ'আলু' (أفعل) ওজন থেকে বিস্ময়সূচক ব্যবহারের কিছু উদাহরণ।

এবং এর ৩য় খণ্ড ১২৬ ও ১৪৮ পৃষ্ঠায়: তিন বর্ণের অতিরিক্ত শব্দ থেকে বিস্ময়সূচক রূপ গঠনের ক্ষেত্রে সিবওয়াইহ-এর বিশেষত 'আফ'আলু' (أفعل) ওজনের শব্দগুলোর অনুমতি প্রদান।

এবং 'বানাত সু'আদ' এর ব্যাখ্যাগ্রন্থে আল-বাগদাদির আলোচনা দেখুন, ১ম খণ্ড, ৪৮৫ পৃষ্ঠা।

'বানাত সু'আদ' এর ওপর ইবনে হিশামের আলোচনা, ১৩ পৃষ্ঠা:

'আফ'আলা' (أفعل) থেকে আধিক্যবোধক নাম (أفعل التفضيل) গঠন করা কি নিয়মসিদ্ধ নাকি শ্রুতিনির্ভর?

এবং এর ৯৩ পৃষ্ঠায় রয়েছে যে, তাদের উক্তি 'সে কতই না দরিদ্র' (ما أفقره) এটি ব্যতিক্রমধর্মী (شاذ) নয়, কারণ তিন বর্ণের মূলক্রিয়া 'ফাকুরা' (فقر) থেকে এটি এসেছে। আল-বাগদাদির খিজানাতুল আদাব-এর ১ম খণ্ড, ১৬-১৭ পৃষ্ঠায়: 'সবচেয়ে অপ্রিয়' (أبغض) শব্দটি এমন একটি আধিক্যবোধক নাম যা এর নির্ধারিত নিয়মবহির্ভূতভাবে এসেছে। মা'আলিমুল কিতাবাহ-র ১৫৩ পৃষ্ঠায়: তাদের উক্তি: (সে এর জন্য কতই না যোগ্য, সে কতই না দানশীল, সে কতই না ভোজ আয়োজনকারী, সে অমুকের চেয়েও বড় ভোজ আয়োজনকারী, সে কতই না প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী, সে কতই না ন্যায়পরায়ণ, সে কতই না দ্রুত, সে কতই না ধীর - যদিও শেষোক্ত দুইটিতে 'সারু'আ' (سَرُع) ও 'বাতু'আ' (بَطْؤ) শোনা গেছে - সে কতই না অজ্ঞ, সে কতই না রিক্ত, সে কতই না আশ্চর্যজনক, সে কতই না ভুলকারী, সে কতই না সহজ, স্থানটি কতই না অন্ধকার, এটি কতই না উজ্জ্বল, এটি কতই না সঠিক, এটি কতই না উর্বর, এটি কতই না সতেজ): এই সবই ভুল।

এবং এর ১৫৪ পৃষ্ঠায়:

(সে কতই না মুত্তাকি, সে কতই না কঠোর, সে কতই না দরিদ্র): এগুলি ভুল, কারণ এগুলি 'ইফতা'আলা' (افتعل) থেকে এসেছে। আর (সে কতই না সোজা) — এটি ভুল কারণ এটি 'ইস্তাক্বামা' (استقام) থেকে এসেছে।
(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ৩৫)
الروض الأنف: ج - 2 ص211 - 114:

بعض ما جاء من التعجب من المفعول مسموعاً، وتعليله.

وما يعول عليه ج - 3 ص385:

(أكسى من بصلة): شاذ، لانه من المفعول، لأن الكاسي: المكسو.

ابن الطيب على القتراح ص250 - 254: كلام في أبيض من أخت بني إباض.

الإسعاف شرح شواهد الكشاف ص106:

(أوجع) بدل: (أشد وجعاً) مع أنه من غير الثلاثي، وكلام في ذلك الشعور بالعور للصفدي ص15 - 21:

أفعل التفضيل والتعجب، وبناؤهما، وما جاء منهما شاذاً.

سفر السعادة، النسخة العتيقة ظهر ص108 إلى ظهر ص113:

سبب عدم بناء التعجب من المفعول.

 

‌‌أفعل فهو مفعل للفاعل

في القاموس:

(أسهب فهو مسهب، ومسهب): أطال الكلام.

وفي اللسان عن ابن الأعرابي (مسهب) بالفتح وهو نادر. ويقال مسهب بالكسر.

وعد أبو على البغدادي (مسهباً) بالفتح: في الخطأ. وبالكسر: في الصواب.

ومما جاء على أفعل فهو مفعل: (ألفج فهو ملفج) إذا أفلس (وأحصن فهو محصن): أه. ملخصاً.

وفي شرح القاموس: في مادة لفج زاد: أسهم فهو مسهم، إذا أكثر.

أفعل فهو مفعل: شاذ. وذكر ما جاء منه:

انظر الاقتضاب ص282، ولم يذكر غير (مسهب، ومفلج، ومحصن).

كلام في (مسهب) ونحوه - انظر في نفح الطيب ج - 1 أواخر ص245. وج - 2 منه ص1029 - 1031.
আল-রওদুল উনুফ: খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ২১১ - ১১৪:

কর্মবাচ্য (مفعول) থেকে বিস্ময়সূচক (التعجب) ব্যবহারের কিছু শ্রুত (مسموع) উদাহরণ এবং সেগুলোর কারণ বিশ্লেষণ।

ওয়া মা ইউআলু আলাইহি: খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৩৮৫:

(পিয়াজের চেয়ে অধিক পোশাক পরিহিত): এটি ব্যতিক্রমী (شاذ), কারণ এটি কর্মবাচ্য (مفعول) থেকে এসেছে, যেহেতু আল-কাসি অর্থ আল-মাকসু (পরিহিত)।

ইবনুত তায়্যিব রচিত আল-ইকতিরাহ-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ, পৃষ্ঠা ২৫০ - ২৫৪: ‘বনু ইবাদ গোত্রের বোনের চেয়ে অধিক শ্বেতবর্ণ’ বাক্যটি সম্পর্কে আলোচনা।

আল-ইসআফ শারহু শাওয়াাহিদিল কাশশাফ, পৃষ্ঠা ১০৬:

‘অধিক যন্ত্রণাদায়ক’ (أشد وجعاً)-এর পরিবর্তে (أوجع) শব্দের ব্যবহার, যদিও এটি তিন অক্ষরের অধিক মূল ধাতু (غير الثلاثي) থেকে গঠিত; এবং সাফাদি রচিত আশ-শুউরু বিল-উওর গ্রন্থের ১৫ - ২১ পৃষ্ঠায় এ সংক্রান্ত আলোচনা:

আধিক্যবোধক বিশেষ্য (أفعل التفضিল) ও বিস্ময়সূচক (التعجب), তাদের গঠন এবং এগুলোর মধ্যে যা ব্যতিক্রমী (شاذ) হিসেবে এসেছে।

সুফরুস সাআদাহ, প্রাচীন পাণ্ডুলিপি, পৃষ্ঠা ১০৮-এর শেষাংশ থেকে ১১৩-এর শেষাংশ পর্যন্ত:

কর্মবাচ্য (مفعول) থেকে বিস্ময়সূচক (التعجب) গঠিত না হওয়ার কারণ।

 

‌‌Af'ala ওজনে হলে তা কর্তৃবাচ্য (فاعل)-এর জন্য Muf'il হবে

আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে:

(আসহাবা থেকে সে মুসহিব বা মুসহাব): সে কথা দীর্ঘায়িত করেছে।

আর লিসানুল আরব গ্রন্থে ইবনুল আরাবি থেকে বর্ণিত যে, ফাতহা যোগে (মুসহাব) শব্দটি বিরল (نادر)। তবে এটি কাসরা যোগে (মুসহিব) বলা হয়।

আবু আলী আল-বাগদাদি ফাতহা যোগে (মুসহাব)-কে ভুল (خطأ) এবং কাসরা যোগে (মুসহিব)-কে সঠিক (صواب) হিসেবে গণ্য করেছেন।

আর যা ‘আফআলা’ থেকে ‘মুফইল’ ওজনে এসেছে: (আলফাজা থেকে সে মুলফিজ) যখন সে নিঃস্ব হয়ে যায়, এবং (আহসানা থেকে সে মুহসিন): সমাপ্ত। মূল সংক্ষেপিত।

শারহুল কামুস-এ ‘লা-ফা-জা’ মূল ধাতুর অধীনে অতিরিক্ত বলা হয়েছে: আসহামা থেকে সে মুসহিম, যখন সে অধিক করে।

আফআলা থেকে মুফইল ওজনে আসা: ব্যতিক্রমী (شاذ)। আর এর মধ্য থেকে যা বর্ণিত হয়েছে:

আল-ইকতিদাব পৃষ্ঠা ২৮২ দেখুন, সেখানে (মুসহিব, মুলফিজ এবং মুহসিন) ব্যতীত অন্য কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

(মুসহিব) এবং এই জাতীয় শব্দ সম্পর্কে আলোচনা — নাফহুত তিব খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ২৪৫-এর শেষাংশ এবং খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ১০২৯ - ১০৩১ দেখুন।
(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ৩৬)
وألف باء ج - 2 ص459.

يلحق بذلك قولهم: (مدجج، ومدجج) إذا دجج نفسه بالسلاح، أو دججه غيره: انظر الاقتضاب أول 339.

 

‌‌مفعل ومفعل

(المدرب) من الإبل: المخرج المؤدب قد ألف الركوب، وعود المشي وهي بهاء - وكل ما في معناه مما جاء على مفعل فالفتح والكسر جائزان في عينه (كالمجرب، والمجرس) ونحوه. إلا (المدرب) فإنه بالفتح فقط، وهذه قاعدة متطردة. أه - من القاموس وشرحه.

 

‌‌فَعائل في جمع فَعيلة

في القاموس: (والجريئة كالخطيئة) بيت يصطاد فيه السباع، جمعه جرائي.

قال في الشرح: هذا من الأوزان المرفوضة عند أهل العربية إلا في الشذوذ. أه - لأن مثله يدخل التغيير، كما قالوا في (خطيئة: خطايا).

وانظر في مادة (خطأ): ورد (خطائي في جمع خطيئة) في قول.

وانظر باب شواذ الهمزة في الخصائص ج - 2 ص435.

انظر مفاعل فيما يلي من هذا الكتاب.

 

‌‌فعّال أي صاحب كذا

قس الاقتضاب ص402:

يقال: (بغالة، وحمارة، وجمالة) ولا يقال: (فرّاسة ولا خيّالة).

في نادة (لألأ) من اللسان ص144 - 145:

(لأل) لبائع اللؤلؤ شاذ، لأن فعالاً لا يبنى من الرباعي والقياس (لؤلؤي) أه - ملخصاً.
ওয়া আলিফ বা জিম - ২য় খণ্ড, ৪৫৯ পৃষ্ঠা।

এর সাথে তাদের এই উক্তিটিও সম্পৃক্ত হবে: (মুদাজ্জাজ এবং মুদাজ্জিজ) যখন কেউ নিজেকে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত করে অথবা অন্য কেউ তাকে সজ্জিত করে: দেখুন আল-ইকতিদাব, ৩৩৯-এর শুরু।

 

‌‌মুফআল (مفعل) এবং মুফইল (مفعل)

উটের ক্ষেত্রে (আল-মুদাররাব) হলো: সেই উট যাকে বের করা হয়েছে এবং প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, যা সওয়ারিতে অভ্যস্ত এবং চলায় অভ্যস্ত হয়েছে; এবং এটি 'তা' (ة) যুক্ত রূপেও ব্যবহৃত হয়। আর ‘মুফআল’ (مفعل) ওজনে আসা এই সমার্থক সকল শব্দের ‘আইন’ (ع) বর্ণে ফাতহা (যবর) ও কাসরা (জের) উভয়ই বৈধ (যেমন: আল-মুজাররাব ও আল-মুজাররিব, আল-মুজাররাস ও আল-মুজাররিস) এবং তদ্রূপ। তবে (আল-মুদাররাব) শব্দটির ক্ষেত্রে কেবল ফাতহা হবে, এবং এটি একটি অবিচ্ছিন্ন নিয়ম। সমাপ্ত - আল-কামুস ও এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ থেকে।

 

‌‌ফাঈলাহ (فعيلة)-এর বহুবচন হিসেবে ফাআইল (فعائل)

আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে: (আল-জারিয়াহ, যা আল-খাতিয়াহ-এর মতো) হলো এমন ঘর যেখানে হিংস্র পশু শিকার করা হয়, এর বহুবচন হলো জারায়ি।

ব্যাখ্যাগ্রন্থে বলা হয়েছে: এটি আরবী ভাষাবিদদের নিকট বিরল (شاذ) ক্ষেত্র ব্যতীত একটি বর্জনীয় ওজন। সমাপ্ত - কারণ এই ধরনের শব্দে পরিবর্তন পরিদৃষ্ট হয়, যেমনটি তারা ‘খাতিয়াহ’ (خطيئة)-এর ক্ষেত্রে ‘খাতায়া’ (خطايا) বলে থাকে।

এবং ‘খা-তা-হামজা’ (خطأ) মূল ধাতুতে দেখুন: একটি মতে ‘খাতিয়াহ’-এর বহুবচন হিসেবে ‘খাতায়ি’ বর্ণিত হয়েছে।

এবং আল-খাসায়িস, ২য় খণ্ড, ৪৩৫ পৃষ্ঠায় হামযার ব্যতিক্রমী (شواذ) নিয়মাবলির অধ্যায় দেখুন।

এই গ্রন্থের পরবর্তী অংশে ‘মাফায়িল’ (مفاعل) দেখুন।

 

‌‌ফাউআল (فعّাল) অর্থাৎ অমুক গুণের অধিকারী

আল-ইকতিদাব, ৪০২ পৃষ্ঠার আলোকে তুলনা করুন:

বলা হয়: (বাগালাহ, হামমারাহ এবং জামমালাহ), কিন্তু (ফাররাসাহ বা খায়ইয়াল্লাহ) বলা হয় না।

লিসানুল আরব-এর ১৪৪-১৪৫ পৃষ্ঠায় ‘লাম-হামজা-লাম-হামজা’ (لألأ) মূল ধাতুতে রয়েছে:

মুক্তা বিক্রেতার ক্ষেত্রে (লাআল) শব্দটি বিরল (شاذ), কারণ চার অক্ষরবিশিষ্ট শব্দ থেকে ‘ফাউআল’ (فعال) ওজন গঠিত হয় না এবং এর নিয়মসিদ্ধ (قياس) রূপ হলো (লুলুই)। সমাপ্ত - সংক্ষেপে।
(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ৩৭)
‌‌مُفْعُول

لم يجئ إلا (معلوق، ومغرود، ومنخور، ومغفور) والكلام فيها:

انظر النسخة العتيقة من سفر السعادة آخر ص91 إلى وسط ظهرها. وذكرها في التنبيهات ص160 - 161 وزاد فيها (مثغوراً).

 

‌‌فِعِلى

في مادة (جعر) ص211 من اللسان:

لم يأت منها إلا (الجعرى، والجعبى، والزمكى، والزمجى، والقمصى، والعبدى، والجرشى) وراجع معانيها والكلام فيها في هذه الصفحة.

 

‌‌إفْعال

 

ليس في الصفحات إفعال إلا (إسكاف): النسخة العتيقة من سفر السعادة ظهر ص11.

‌‌النّسب

في القاموس:

(علم ربوبي) نسبة إلى الرب على غير قياس.

في القاموس: (نخلة رجبية) كعمرية، وتشدد جيمه. نسب نادر.

وفي الشرح: على خلاف القياس. والتثقيل أذهب في الشذوذ، لانها نسبة إلى (الرجبة) وهي التي تبنى تحتها، كالدكان لتعتمد عليها.

 

في القاموس: (الرحبة) اسم موضع. . إلخ والنسبة إليها (رحبي) محركة.

في القاموس: (بوتة) قرية بمرور - والنسبة (بوتقي).

في القاموس: (الحانوت) النسبة إليه (حاني، وحانوي).

في القاموس: (نعل حضرمية ملسنة) وحكى: (نعلان حضر موتيتان).
‌মাফ’উল

(মা’লুক, মাগরুদ, মানখুর, মাগফুর) শব্দগুলো ব্যতিরেকে এই ওজনে আর কোনো শব্দ আসেনি এবং এগুলোর আলোচনা নিম্নরূপ:

সিফরুস সা’আদাহ-এর প্রাচীন পাণ্ডুলিপির ৯১ পৃষ্ঠার শেষাংশ থেকে এর উল্টোপিঠের মধ্যভাগ পর্যন্ত দেখুন। এটি আত-তানবিহাত-এর ১৬০-১৬১ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে এবং সেখানে (মাসগুরান) শব্দটি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

 

‌ফি’ইলি

লিসানুল আরব-এর ২১১ পৃষ্ঠায় (জ-উ-র) মূলশব্দের পরিচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে:

এর থেকে (আল-জু’আরা, আল-জু’আবা, আজ-জুমাক্কা, আজ-জুমাজ্জা, আল-কুমাসসা, আল-আবদা, আল-জুরাশা) শব্দগুলো ব্যতিরেকে অন্য কোনো শব্দ আসেনি। এই পৃষ্ঠায় এগুলোর অর্থ এবং এ সংক্রান্ত আলোচনা দেখে নিন।

 

‌ইফ’আল

 

সিফরুস সা’আদাহ-এর প্রাচীন পাণ্ডুলিপির ১১ পৃষ্ঠার উল্টোপিঠের পৃষ্ঠাগুলোতে (ইস্কাফ) শব্দ ছাড়া ‘ইফ’আল’ ওজনে অন্য কোনো শব্দ নেই।

‌সম্বন্ধ (نسبة)

আল-কামুস-এ বর্ণিত আছে:

(ইলম রব্বানি) শব্দটি হলো ‘রব’-এর দিকে একটি সম্বন্ধ বা নিসবত (نسبة), যা নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতির পরিপন্থী (على غير قياس)।

আল-কামুস-এ আছে: (নাখলা রজবিয়্যাহ) শব্দটি ‘উমরিয়্যাহ’-এর মতো, এর ‘জীম’ বর্ণটি তাশদীদযুক্ত হয়। এটি একটি বিরল (نادر) সম্বন্ধ (نسبة)।

এবং এর ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে: এটি নিয়মের পরিপন্থী (خلاف القياس)। আর এর দ্বিত্ব উচ্চারণ একে আরও শায বা ব্যতিক্রমী (شذوذ) করে তোলে, কারণ এটি (রজবাহ)-এর দিকে সম্বন্ধযুক্ত (نسبة); যা মূলত এমন কোনো কাঠামো যা কোনো কিছুর নিচে ভিত্তি হিসেবে নির্মাণ করা হয়, যেমন দোকান যা কোনো কিছুর ওপর ভর দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়।

 

আল-কামুস-এ আছে: (আর-রাহবাহ) একটি স্থানের নাম... ইত্যাদি। এর সাথে সম্বন্ধ বা নিসবত (نسبة) হলো হরকতযুক্ত (রহাবি)।

আল-কামুস-এ আছে: (বুতাহ) মারুর-এর একটি গ্রাম—এবং এর সম্বন্ধ বা নিসবত (نسبة) হলো (বুতাকি)।

আল-কামুস-এ আছে: (আল-হানুত) এর সাথে সম্বন্ধ বা নিসবত (نسبة) হলো (হানি) এবং (হানুয়ি)।

আল-কামুস-এ আছে: (না’ল হাদরামিয়্যাহ মুলাস্সানাহ); এবং বর্ণিত হয়েছে: (না’লানি হাদরামওতিয়াতানি)।
(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ৩৮)
(الوقرى) نسبة إلى (الوقير) شاذ: انظر القاموس وشرحه.

في القاموس: (الصعق) والنسبة (صعقى) محركة (وصعقى) كعتبى على غير قياس.

(ورود ملوكية) أي نسبة إلى الجمع - في شعر عربي:

التبريزي على الحماسة ج - 2 ص51، والمراد الملك (ملوكية كانت لهم ورياسة).

في مادة (بدا) من اللسان آخر ص71.

إذا امكن في الشيء المنسوب أن يكون قياسياً وشاذاً، كان حمله على القياس أولى، لأن القياس أشيع وأوسع.

(ذكرناه أيضاً في حكم القياس والسماع).

وفي المحتسب ج - 1 ص183: شيء من شواذ النسب.

 

‌‌فَعلات

بالاسكان في العين جمع فعلى الصحيح العين نادر.

في القاموس: (حربة يوم الجمعة) حمعة (حربات وحربات) وفي الشرح أن الثانية من النادر.

وانظر المحتسب ج - 1 ص37 - 42.

 

‌‌فُعل في جمع فُعول

في القاموس: (الزغبوب) بالضم: الئيم القصير ك - (الأزعب) جمع (زعب) بالضم شاذ أه -.

وفي الشرح: إن كان جمعاً للأزعب، فلا شذوذ، فإنه كأحمر، وحمر - وإن كان لزعبوب كما هو صريح قول المؤلف فهو شاذ، لأنه على غير القياس.

 

‌‌فَعالى في جمع فُعْلول

في القاموس: (السبروت) جمع (سباريت) وسبار، وهذه نادرة.
(আল-ওয়াকরি) হলো (আল-ওয়াকির)-এর দিকে সম্বন্ধযুক্ত যা ব্যতিক্রমী (شاذ): আল-কামুস এবং এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ দেখুন।

আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে: (আস-সা'ক) এবং এর নিসবত বা সম্বন্ধ হলো (সা'কা) হরকতযুক্ত এবং (সা'কা) যা 'উতবা'-এর ওজনে পদ্ধতিগত নিয়মের (قياس) পরিপন্থী।

(মুলুকিয়্যাহ-এর ব্যবহার) অর্থাৎ বহুবচনের দিকে সম্বন্ধ করা - যা আরবি কবিতায় এসেছে:

আল-হামাসাহ-এর ওপর তাবরিযির ব্যাখ্যা, ২য় খণ্ড, ৫১ পৃষ্ঠা; আর এখানে উদ্দেশ্য হলো রাজা (তাদের রাজকীয় মর্যাদা ও নেতৃত্ব ছিল)।

লিসানুল আরব-এর 'বাদা' (بدا) পরিচ্ছেদে, ৭১ পৃষ্ঠার শেষে।

যদি কোনো সম্বন্ধযুক্ত শব্দের ক্ষেত্রে পদ্ধতিগত (قياسي) এবং ব্যতিক্রমী (شاذ) উভয়টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তবে সেটিকে পদ্ধতিগত (قياسي) নিয়মের ওপর প্রয়োগ করাই শ্রেয়, কারণ পদ্ধতিগত নিয়ম (قياس) অধিক প্রচলিত ও বিস্তৃত।

(আমরা এটি পদ্ধতিগত নিয়ম (قياس) ও শ্রবণ নির্ভর (سماع) বিষয়ের বিধানেও উল্লেখ করেছি)।

এবং আল-মুহতাসিব গ্রন্থে, ১ম খণ্ড, ১৮৩ পৃষ্ঠা: সম্বন্ধের ক্ষেত্রে কিছু ব্যতিক্রমী (شاذ) বিষয়।

 

‌‌ফা’লাত (فعلات)

মাঝের বর্ণে সুকুন যোগে 'ফা’লা' (فعلى) শব্দের বহুবচন হওয়া বিরল (نادر), যখন তার মাঝের বর্ণটি হরফে সহীহ বা ব্যঞ্জনবর্ণ হয়।

আল-কামুস গ্রন্থে আছে: (জুমার দিনের হুরবাহ) এর বহুবচন (হুরাবাত ও হারবাত)। এবং এর ব্যাখ্যায় এসেছে যে, দ্বিতীয়টি বিরল (نادر) ব্যবহারের অন্তর্ভুক্ত।

এবং আল-মুহতাসিব, ১ম খণ্ড, ৩৭-৪২ পৃষ্ঠা দেখুন।

 

‌‌'ফু’উল' (فعول)-এর বহুবচন হিসেবে 'ফু’ল' (فُعُل)

আল-কামুস গ্রন্থে আছে: (আয-যুগবুব) পেশ বা যম্মাহ যোগে: অর্থ নিচ ও খাটো ব্যক্তি; যেমন (আল-আয'আব)-এর বহুবচন (য'ব) যম্মাহ যোগে যা ব্যতিক্রমী (شاذ) — উদ্ধৃতি শেষ।

এবং এর ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে: যদি এটি 'আয'আব'-এর বহুবচন হয়, তবে এতে কোনো ব্যতিক্রম (شذوذ) নেই; কারণ এটি 'আহমার' ও 'হুমর'-এর মতো। আর যদি এটি 'যুগবুব'-এর বহুবচন হয়, যেমনটি লেখকের বক্তব্যে স্পষ্ট, তবে তা ব্যতিক্রমী (شاذ), কারণ এটি পদ্ধতিগত নিয়মের (قياس) পরিপন্থী।

 

‌‌'ফু’লুল' (فعْلول)-এর বহুবচন হিসেবে 'ফা’আলি' (فعالى)

আল-কামুস গ্রন্থে আছে: (আস-সাবরুত) এর বহুবচন (সাবারিত) এবং (সাবার), যা বিরল (نادر)।
(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ৩৯)
‌‌فعائل في جمع مُفَعِّلَة

في القاموس: طوحته الطوائح، ولا يقال (المطوحات) وهو نادر.

وفي الشرح عن يونس: (الطوائح) جمع (مطيحة) على خلاف القياس، من الإطاحة بمعنى الإذهاب والإهلاك.

 

‌‌مفعول وجمعه على مفاعيل

الكلام على (مشهور، ومشاهير) للعلامة محمود شكري الآلوسي: كناشنا ص143.

وانظر رأي صاحب (الضياء) في: مشهور، ومشاهير: ج - 4 ص339.

مما شذ جمعه على مفاعيل: (ملعون، وميمون، ومشئوم، ومكسور، ومسلوخة) ولتراجع في موادها.

وانظر ابن هشام على بانت سعاد ص106 - 109.

في مادة (نكر) من اللسان جمع (منكور) على (مناكير) من المسموع.

البغدادي على شرح بانت سعاد ج - 2 ص211 و337 - 338:

الكلام على جمع مفعول على (مفاعيل) وهو صفة.

(مشاهير) جمع (مشهور) وأمثاله: مجلة لغة العرب ج - 7 ص768.

 

‌‌أفْعَله فهو مَفعُول

الكلام على (أجنه فهو مجنون) وما جاء منه: الاقتضاب ص282 - 283.

في عبث الوليد ص20: إتيان البحتري ب - (مضعوف) من أضعفه - وكلام فيما جاء من ذلك مثل (مجنون من أجنه) إلخ.

أبرزه - نشره - فهو (مبرز) و (مبرز) شاذ على غير قياس جاء على حذف الزائد. . إلخ: مادة (برز) من اللسان ص173.

وفي مادة (كمد) من اللسان ص385: (أكمد فهو مكمود) نادر.
‌মুফাইল্লাহ (مُفَعِّلَة) এর বহুবচনে ফায়া'ইল (فعائل) এর প্রয়োগ

আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে: 'তাওয়াহাতহু আত-তাওয়ায়িহ' (বিপদ তাকে গ্রাস করেছে), তবে 'আল-মুতাওয়াহাত' বলা হয় না এবং এটি বিরল (نادر)।

শারহ্-এ ইউনুস থেকে বর্ণিত: 'আত-তাওয়ায়িহ' শব্দটি 'মুতিয়াহাহ' এর বহুবচন যা নিয়মবহির্ভূত; এটি 'আল-ইতাহাহ' শব্দ থেকে উদ্ভূত যার অর্থ বিলীন করা বা ধ্বংস করা।

 

‌মাফ'উল (مفعول) এবং মাফা'ঈল (مفاعيل) ওজনে এর বহুবচন

আল্লামা মাহমুদ শুকরি আল-আলুসি কর্তৃক প্রসিদ্ধ (مشهور) এবং প্রসিদ্ধ (مشاهير) সংক্রান্ত আলোচনা: কুনাশুনা, পৃষ্ঠা ১৪৩।

প্রসিদ্ধ (مشهور) এবং প্রসিদ্ধ (مشاهير) সম্পর্কে আদ-দিয়া গ্রন্থের লেখকের মতামত দেখুন: ৪র্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩৩৯।

মাফা'ঈল ওজনে যে বহুবচনগুলো ব্যতিক্রমী (شاذ) হিসেবে এসেছে: (মাল'উন, মাইমুন, মাশ'উম, মাকসুর, মাসলুখাহ); এগুলোর মূল শব্দগুলোর আলোচনায় বিস্তারিত দেখে নিন।

বানাত সু'আদ-এর ওপর ইবনে হিশামের আলোচনা দেখুন, পৃষ্ঠা ১০৬ - ১০৯।

লিসান আল-আরব অভিধানের 'নকর' অধ্যায়ে শ্রুত প্রয়োগ অনুযায়ী প্রত্যাখ্যাত (منكور) এর বহুবচন প্রত্যাখ্যাত (مناكير) হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।

বানাত সু'আদ-এর শারহ্-এ আল-বাগদাদী, ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ২১১ এবং ৩৩৭ - ৩৩৮:

গুণবাচক শব্দ হিসেবে মাফ'উল ওজনের শব্দের বহুবচন মাফা'ঈল ওজনে হওয়া প্রসঙ্গে আলোচনা।

প্রসিদ্ধ (مشاهير) শব্দটি প্রসিদ্ধ (مشهور) এর বহুবচন এবং এই জাতীয় উদাহরণসমূহ: লুগাত আল-আরব সাময়িকী, ৭ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৭৬৮।

 

‌আফ'আলাহু থেকে মাফ'উল গঠন

'আজনাহু ফাহুওয়া মাজনুন' এবং এ থেকে যা উদ্ভূত হয় সে সম্পর্কে আলোচনা: আল-ইক্তিদাব, পৃষ্ঠা ২৮২ - ২৮৩।

আবাসুল ওয়ালিদ, পৃষ্ঠা ২০-এ: আল-বুহতরী কর্তৃক 'আদ'আফাহু' থেকে দুর্বল (مضعوف) শব্দের ব্যবহার - এবং এ জাতীয় শব্দ যেমন 'আজনাহু' থেকে 'মাজনুন' ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা।

আবরাযাহু - অর্থাৎ নাশারাহু (সেটি প্রকাশ করেছে) - সেখান থেকে তা 'মুবরায' এবং 'মুবরায' শব্দটি নিয়মবহির্ভূত ব্যতিক্রমী (شاذ), যা অতিরিক্ত বর্ণ বিলুপ্তির মাধ্যমে গঠিত হয়েছে... ইত্যাদি: লিসান আল-আরব-এর 'বারায' অধ্যায়, পৃষ্ঠা ১৭৩।

লিসান আল-আরব-এর 'কামাদ' অধ্যায়, পৃষ্ঠা ৩৮৫-এ: 'আকমাদা ফাহুওয়া মাকমুদ' গঠনটি বিরল (نادر)।
(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ৪০)
وفي القاموس: (أسعده فهو مسعود) ولا يقال (مسعد).

في القاموس: (وجد - من العدم كعنى - فهو موجود).

ولا يقال: (وجده الله تعالى) وإنما يقال: (أوجده الله تعالى).

وفي الشرح: أنه من النادر.

وفي اللسان: (أرهمت السماء) إرهاماً أمطرت، و (روضة مرهومة).

ولم يقولوا: (مرهمة).

وانظر ما ورد منه في الخصائص 2 ص34.

في (لقح) من المصباح: (ألقح الفحل الناقة، إلخ فهي ملقوحة. . إلخ).

 

‌‌أفْعَلَ فهو فاعل

(أبقل فهو باقل) وقيل منه: عاطية بدل معطية، لكرمة - وقيل: بل تصحيف (غاطية): انظر الاقتضاب ص384.

وفي شوارد اللغة للصاغاني أول ص66: (أشوى السعف - وهذه سعفة شاوية).

وانظر ما ورد منه في الخصائص ج - 2 ص37 - وخزانة البغدادي ج - 1 ص23. في مادة (ورس) من اللسان: (أورس المكان فهو وارس) والقياس (موروس)، و (أحنطفهو حانط، ومحنط) وتقرأ المادة.

 

‌‌فَعَلَ يَفْعَل

(غير حلقى العين أو اللام):

(أبى يأبى) ووجه فتحة - انظر كناش الخونكي رقم أدب، آخر ص 75 - 76.

وانظر المادة (أَبى) من المصباح، وفيها ما جاء من ذلك.

وانظر كناشنا ص17.

وانظر الاقتضاب ص231.

المحتسب ج - 1 ص130 - 131:

وما جاء منه ومنازعة بعضهم فيه بأنه من تداخل اللغات.
আল-কামুস গ্রন্থে আছে: (আসআদাহু ফাহুওয়া মাসউদ) অর্থাৎ তাকে সৌভাগ্যবান করা হয়েছে, তাই সে মাসউদ; একে 'মুসয়িদ' বলা হয় না।

আল-কামুস গ্রন্থে আছে: (ওয়াজাদা - 'উনা' এর মতো অস্তিত্বহীনতা থেকে - তাই এটি 'মাওজুদ' (বিদ্যমান))।

আর 'ওয়াজাদাহুল্লাহু তাআলা' বলা হয় না, বরং বলা হয়: 'আওজাদাহুল্লাহু তাআলা' (আল্লাহ তাআলা তাকে অস্তিত্ব দান করেছেন)।

আর শারহ (ব্যাখ্যাগ্রন্থ)-এ আছে: এটি বিরল (نادر) বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত।

লিসানুল আরব গ্রন্থে আছে: (আরহামাতিস সামাউ) ইরহামান অর্থাৎ বৃষ্টি হওয়া, এবং (রাওজাতুম মারহুমা) অর্থাৎ সিক্ত বাগান।

তারা 'মুরহিমাহ' বলেননি।

এ সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে তা আল-খাসাইস, ২য় খণ্ড, ৩৪ পৃষ্ঠায় দেখুন।

আল-মিসবাহ গ্রন্থের 'লাকাহা' (لقح) পরিচ্ছেদে রয়েছে: (পুরুষ উট মাদি উটকে গর্ভবতী করেছে, ইত্যাদি, ফলে সেটি 'মালকুহাহ' - গর্ভবতী... ইত্যাদি)।

 

‌‌'আফআলা' (أفعل) ওজন থেকে 'ফাইল' (فاعل) আসা

(আবাক্বালা ফাহুওয়া বাক্বিল) - শাকসবজি জন্মানো। বলা হয়েছে: 'মু'তিয়াহ' এর পরিবর্তে 'আতিয়াহ' ব্যবহৃত হয়... আবার কেউ বলেছেন এটি 'গাতিয়াহ' এর শব্দগত বিকৃতি (تصحيف): আল-ইকতিদাব, ৩৮৪ পৃষ্ঠা দেখুন।

সাঘানির শাওয়ারিদুল লুগাহ গ্রন্থের ৬৬ পৃষ্ঠার শুরুতে রয়েছে: (আশওয়াস সা'ফ - এটি 'সা'ফাতুন শাউয়িয়াহ')।

আল-খাসাইস, ২য় খণ্ড, ৩৭ পৃষ্ঠা এবং খিজানাতুল বাগদাদি, ১ম খণ্ড, ২৩ পৃষ্ঠায় যা এসেছে তা দেখুন। লিসানুল আরব গ্রন্থের 'ওয়ারাছা' (ورس) পরিচ্ছেদে রয়েছে: (আওরাসাল মাকানু ফাহুওয়া ওয়ারিস), যদিও ভাষাতাত্ত্বিক নিয়ম (القياس) অনুযায়ী তা 'মাওরাস' হওয়ার কথা ছিল। আর (আহনি ফাহুওয়া হানিত এবং মুহনিত); মূল পরিচ্ছেদটি পড়ে নিন।

 

‌‌'ফাআলা-ইয়াফআলু' (فَعَلَ يَفْعَل)

(আইন বা লাম কালিমা কণ্ঠনালীর বর্ণ না হওয়া সত্ত্বেও):

(আবা-ইয়াবা) এবং এর জবর হওয়ার কারণ - আল-খুনকি রচিত কুনাশ এর আদব নম্বর, ৭৫-৭৬ পৃষ্ঠার শেষে দেখুন।

আল-মিসবাহ গ্রন্থের 'আবা' (أبى) পরিচ্ছেদটি দেখুন, সেখানে এ বিষয়ক আলোচনা রয়েছে।

আমাদের কুনাশ, ১৭ পৃষ্ঠা দেখুন।

আল-ইকতিদাব, ২৩১ পৃষ্ঠা দেখুন।

আল-মুহতাসিব, ১ম খণ্ড, ১৩০-১৩১ পৃষ্ঠা:

এ সম্পর্কে যা এসেছে এবং এ বিষয়ে কারো কারো বিতর্ক যে, এটি বিভিন্ন ভাষার সংমিশ্রণের (تداخل اللغات) কারণে হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ৪১)
وانظر ج - 2 ص29.

(زر الرجل): شاب مقدم رأسه (يزر) فيه بالفتح شاذ - من القاموس. وجاء فيه الشرح: وجه الشذوذ عدم حرف الحلق فيه.

وفي القاموس: (در وجهك يدر) بالفتح نادر.

ابن الطيب على الاقتراح ص121: لم يأت منه إلا (أبي يأبى) فقط - وانظر ص210.

أمالي ابن الشجري ج - 1 ص171 - 174:

علة مجيء (أبي يأبى) وذكر أفعال أخرى حملت على تداخل لغتين.

 

‌‌‌‌فَعِلَ يَفْعُل

ما جاء منه شاذاً: في الشرح شواهد الجمل ظخر ص11 - 12.

 

فَعِلَ يَفْعِل

ما جاء من ذلك: انظر كناشنا ص32.

وانظر الاقتضاب ص232.

والعكبري ج - 2 ص209.

 

‌‌أفْعَلْتُهُ بمعنى جعلته مَفْعُولاً

في الشرح ابن أبي الحديد على نهج البلاغة ج - 4 ص219:

(أغضضته أي جعلته مغضوضاً) وأكثر ما ياتي (أفعلته) أن تجعله (فاعلاً) وهذا هنا من المقلوب. . إلخ.

 

‌‌أفَعْوعَلَ (مجيئه متعدياً)

في شرح ابن أبي الحديد على نهج البلاغة ج - 2 أول ص201: لم يجيء منه متعدياً إلا (احلولى، واعرورى).
এবং দেখুন ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ২৯।

(জার্রা আর-রাজুলু): লোকটির মাথার সম্মুখভাগ পক্ক বা সাদা হয়ে গেল। (ইয়াযার্রু) এখানে ফাতহা দিয়ে পড়া ব্যতিক্রমধর্মী (شاذ) - আল-কামুস থেকে। এর ব্যাখ্যায় এসেছে: এর ব্যতিক্রমধর্মী (شذوذ) হওয়ার কারণ হলো এতে কোনো কণ্ঠনালীয় বর্ণ (হরফে হালক) নেই।

এবং আল-কামুসে বর্ণিত হয়েছে: (দাররা ওয়াজহুকা ইয়াদারু) ফাতহা সহকারে পড়া বিরল (نادر)।

আল-ইকতিরাহ গ্রন্থের ১২১ পৃষ্ঠায় ইবনে আত-তাইয়িব উল্লেখ করেছেন: এ থেকে কেবল (আবা ইয়া'বা) এসেছে - এবং দেখুন ২১০ পৃষ্ঠা।

আমালি ইবনুল শাজানি, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৭১ - ১৭৪:

(আবা ইয়া'বা) আসার কারণ এবং অন্যান্য ক্রিয়ার উল্লেখ যা দুটি ভাষার (উপভাষার) সংমিশ্রণের ওপর ভিত্তি করে বর্ণিত হয়েছে।

 

‌‌‌‌ফা'ইলা ইয়াফ'উলু (فَعِلَ يَفْعُل)

যা এ থেকে ব্যতিক্রমধর্মী (شاذ) হিসেবে এসেছে: শারহু শাওয়াহিদিল জুমাল-এর 'যাখার' অংশে, পৃষ্ঠা ১১ - ১২।

 

ফা'ইলা ইয়াফ'ইলু (فَعِلَ يَفْعِل)

এ থেকে যা এসেছে: আমাদের কুন্নাশনাহ-এর ৩২ পৃষ্ঠা দেখুন।

এবং দেখুন আল-ইকতিদাব পৃষ্ঠা ২৩২।

এবং আল-উকবারী ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ২০৯।

 

‌‌'আফ'আলতুহু' (أفعلته) একে কর্মবাচক (مفعول) করার অর্থে

নাহজুল বালাগাহ-এর ওপর ইবনে আবিল হাদিদের ব্যাখ্যাগ্রন্থের ৪র্থ খণ্ড, ২১৯ পৃষ্ঠায়:

(আগতিদতুহু অর্থাৎ আমি তাকে সংকুচিত বা অবনত করলাম)। সাধারণত 'আফ'আলতুহু' (أفعلته) কোনো কিছুকে কর্তৃবাচক (فاعل) করার অর্থে অধিক ব্যবহৃত হয়, আর এটি এখানে বিপর্যস্ত (مقلوب) রূপসমূহের অন্তর্ভুক্ত... ইত্যাদি।

 

‌‌'ইফ'আও'আলা' (أفعوعل) (এর সকর্মক (متعدي) হিসেবে আসা)

নাহজুল বালাগাহ-এর ওপর ইবনে আবিল হাদিদের ব্যাখ্যাগ্রন্থের ২য় খণ্ডের শুরুতে, ২০১ পৃষ্ঠায়: এ থেকে সকর্মক (متعدي) হিসেবে (ইহলাওলা এবং ই'রাওরা) ব্যতীত আর কিছুই আসেনি।
(খণ্ড: ১) আস-সামাউ ওয়াল কিয়াস (পৃষ্ঠা: ৪২)
‌‌فَعَلَ فهو مُفْعِل

في خزانة البغدادي ج - 3 ص462: (عم الرجل بمعروفه - ولم متاع بيته: فهو معم، وملم) ولم يقولوا في هذا المعنى: (عام. ولا لام) ولا نظير لهما.

 

‌‌فَعْلَ متعدِّياً

في القاموس: (رحبكم الدخول في طاعته - ككرم - وسعكم) شاذ، لأن فعل ليست متعدية، إلا أن أبى على الفارسي حكى عن هذيل تعديها. أه -.

ليس في فعل متعد غير هذه، وللشارح كلام فيها، فليراجع.

 

‌‌اللازم المتعدّي

في القاموس: (شبت النار، وشبت) لازم متعد. ولا يقال: (شابة) بل (مشبوبة). أه - باختصار.

ما ورد من ذلك من الأفعال وحكمته: الخصائص - 2 ص29.

معالم الكتابة ص161: أفعال متعدية لازمة.

كامل المبرد ج - 1 ص220: أفعال قليلة سمعت متعدية لازمة.

المتعدي اللازم - انظره في خاتمة المصباح في الفصل الذي أوله: الثلاثي اللازم قد يتعدى. . إلخ ص155 - 156 طبع بولاق.

 

‌‌تعدية اللازم

في التبريزي على الحماسة ج - 1 ص89:

(طلقت المرأة، وأطلقت البعير) وهما من الفروق. (هذا يدل على أن التعدية بالهمزة أو التضعيف سماعية).

وفي القاموس: (طلق وأطلق المرأة).

في أول مادة (غفل) من اللسان شيء عن التعدية بالهمزة أو التضعيف.

وفي مادة (برد) من اللسان ص49 ج - 2:
ফাআলা থেকে মুফইল গঠন

আল-বাগদাদীর খিজানাতুল আদাব গ্রন্থে, ৩য় খণ্ড, ৪৬২ পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে: (ব্যক্তিটি তার সদাচরণ দ্বারা সকলকে শামিল করেছেন - এবং তিনি তার ঘরের আসবাবপত্র গুছিয়েছেন: এমতাবস্থায় তাকে মু'মিম এবং মুলিম্ম বলা হয়)। এই অর্থে তারা 'আম' বা 'লাম' শব্দ ব্যবহার করেননি এবং এ দুটির কোনো অনুরূপ নেই।

 

‌সকর্মক ফা'উলা

আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে: (তার আনুগত্যে প্রবেশ করা তোমাদের জন্য প্রশস্ত হয়েছে - 'কারুমা' ক্রিয়ার ন্যায় - অর্থাৎ তোমাদের জন্য সংকুলান হয়েছে) এটি শাজ (شاذ), কারণ ফা'উলা ছাঁচের ক্রিয়া সকর্মক হয় না; তবে আবু আলী আল-ফারিসি হুযাইল গোত্র থেকে এটি সকর্মক হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার কথা বর্ণনা করেছেন। (উদ্ধৃতি সমাপ্ত)।

ফা'উলা ছাঁচে এটি ছাড়া আর কোনো সকর্মক ক্রিয়া নেই। এ বিষয়ে ভাষ্যকারের বক্তব্য রয়েছে, যা দেখে নেওয়া যেতে পারে।

 

‌অকর্মক ও সকর্মক ক্রিয়া

আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে: (আগুন প্রজ্বলিত হয়েছে এবং আমি আগুন জ্বালিয়েছি) এটি অকর্মক ও সকর্মক উভয়ভাবেই ব্যবহৃত হয়। এক্ষেত্রে 'শাব্বাহ' বলা হয় না বরং 'মাশবুবাহ' বলা হয়। (সংক্ষেপে সমাপ্ত)।

এই জাতীয় ক্রিয়াগুলোর মধ্য থেকে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে এবং সেগুলোর কারণ: আল-খাসাইস - ২য় খণ্ড, ২৯ পৃষ্ঠা।

মাআলিমুল কিতাবাহ, ১৬১ পৃষ্ঠা: সকর্মক ও অকর্মক ক্রিয়াসমূহ।

আল-মুবররাদের আল-কামিল, ১ম খণ্ড, ২২০ পৃষ্ঠা: অল্প কিছু ক্রিয়া সকর্মক ও অকর্মক হিসেবে শ্রুত হয়েছে।

সকর্মক-অকর্মক - এটি আল-মিসবাহ গ্রন্থের শেষে সেই পরিচ্ছেদে দেখুন যার শুরুতে রয়েছে: অকর্মক তিন অক্ষরবিশিষ্ট ক্রিয়া কখনো সকর্মক হয়... ইত্যাদি, ১৫৫-১৫৬ পৃষ্ঠা, বুলাক সংস্করণ।

 

‌অকর্মক ক্রিয়াকে সকর্মক করা

আল-তিবরিজীর আল-হামাসাহ-এর ভাষ্যে, ১ম খণ্ড, ৮৯ পৃষ্ঠা:

(স্ত্রী তালাকপ্রাপ্তা হয়েছে, এবং আমি উটকে মুক্ত করেছি) এ দুটি শব্দগত পার্থক্যের অন্তর্ভুক্ত। (এটি প্রমাণ করে যে, হামজা অথবা তাশদীদ যোগে সকর্মক করা শ্রুতিগত)।

এবং আল-কামুস গ্রন্থে রয়েছে: (সে স্ত্রীকে তালাক দিয়েছে এবং মুক্ত করেছে)।

লিসানুল আরবের 'গাফালা' মূলশব্দের শুরুতে হামজা অথবা তাশদীদ যোগে সকর্মক করার বিষয়ে কিছু আলোচনা রয়েছে।

এবং লিসানুল আরবের ২য় খণ্ড, ৪৯ পৃষ্ঠায় 'বারাদা' মূলশব্দের অধীনে বর্ণিত হয়েছে: