أهمية دراسة التاريخ الإسلاميإن الحمد لله، نحمده ونستعينه ونستغفره ونستهديه، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا ومن سيئات أعمالنا، من يهده الله فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له.
وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، وأشهد أن محمداً عبده ورسوله.
اللهم أحسن عاقبتنا في الأمور كلها، وأجرنا من خزي الدنيا وعذاب الآخرة، اللهم فقهنا في الدين، اللهم انفعنا بما علمتنا، وعلمنا ما ينفعنا وزدنا علماً.
وصل اللهم وبارك على سيدنا محمد، وعلى آله وصحبه وسلم.
أما بعد: فمرحباً بكم في هذا اللقاء الطيب، وفي هذا الجمع المبارك، وأسأل الله أن يجعل هذا العمل في ميزان حسناتنا أجمعين، وأن يجعله حجة لنا لا علينا، إنه على ذلك قدير، وبالإجابة جدير.
قد تحدثت قبل ذلك كثيراً عن أهمية دراسة التاريخ الإسلامي، وأشرت قبل ذلك كثيراً إلى أنه لا جديد على الأرض، نعم والله لا جديد على الأرض، والتاريخ يكرر نفسه بصورة عجيبة، فنفس الأحداث نراها رأي العين، ولكن باختلاف في الأسماء والأمكنة.
فمن يدرس التاريخ بعمق يكون كأنه يرى المستقبل ويقرأ ما يجد على وجه الأرض من أمور، ولا يخدع بسهولة مهما تعاظمت المؤامرات ومهما تعددت وسائل المكر والمكيدة.
من يدرس التاريخ بعمق يعرف أين يضع قدمه وكيف يقود نفسه ومجتمعه وأمته، ويكون كالشمس الساطعة تنير الطريق لأجيال تتلوها أجيال، وقد يمتد أثره إلى يوم تقوم الساعة، كيف لا وقد ذكرنا من قبل أنه لا جديد على الأرض؟ ويكفينا في ذلك قول الله عز وجل: {فَاقْصُصِ الْقَصَصَ لَعَلَّهُمْ يَتَفَكَّرُونَ} [الأعراف:176]، وهذا أمر من الله عز وجل.
ولكن قص القصة أو رواية الرواية لا يغني شيئاً إن لم يتبع بتفكر وتدبر، فدراسة التاريخ ليست دراسة تكميلية أو جانبية أو تطوعية، بل دراسة التاريخ ركن أساسي من أركان بناء الأمة القوية الصحيحة.
وفي دراستنا للتاريخ نعرض لأمور لا تستقيم حياة المسلمين بغيرها، وستجدون أننا في دراستنا للتاريخ نعرض لأمور من العقيدة وأمور من الفقه وأمور من الأخلاق وأمور من المعاملات، وأمور من الأحكام، ونعرض لفقه الموازنات والأولويات، ونعرض لفقه الواقع وغير ذلك من الأمور، وإن شئت فقل: نعرض لكل أمور الدين، فإن الله عز وجل في كتابه الحكيم يقص القصة فيعرض فيها الحجة التي تقنع العقل، ويعرض فيها الرقائق التي تلمس القلب، وقد يعرض فيها أمراً عقائدياً، وقد يعرض فيها حكماً فقهياً، ثم هو يربط القديم بالحديث، والتاريخ بالواقع، والماضي بالحاضر، فتشعر أن التاريخ حي ينبض ولساناً ينطق.
ولا يحدثنا عن رجال ماتوا ولا عن بلاد طواها التاريخ بين صفحاته العديدة، بل يحدثنا عن أحداثنا وينبئنا بأنبائنا، ويخبرنا بأخبارنا.
فالتاريخ ثروة حقيقية، ولكنها مدفونة تحتاج إلى بذل مجهود وتفريغ وقت وحشد طاقات، وتحتاج إلى عقول وقلوب وجوارح، يعني: لن ينفع جهد رجل أو رجلين أو عشرة أو جهد يوم أو يومين أو سنة، بل تحتاج إلى جهود إلى جهود علماء كثر، وتحتاج إليكم جميعاً يا من ترجون للإسلام قياماً.
التاريخ الإسلامي هو أنقى وأزهى وأعظم وأدق تاريخ عرفته البشرية، ووالله! إني أشعر أن الدنيا قد سعدت بتدوين التاريخ الإسلامي، فالتاريخ الإسلامي هو تاريخ أمة شاهدة، أمة خاتمة، أمة صالحة، أمة تقية نقية، هو تاريخ أمة آمرة بالمعروف وناهية عن المنكر، داعية إلى كل خير، محاربة لكل شر.
التاريخ الإسلامي هو تاريخ رجال ما عرف التاريخ أمثالهم، رجال فهموا دينهم ودنياهم فأداروا الدنيا بحكمة، وعيونهم على الآخرة، فتحققت المعادلة العجيبة، عز في الدنيا وعز في الآخرة، ومجد في الدنيا ومجد في الآخرة، وملك في الدنيا وملك في الآخرة، التاريخ الإسلامي هو تاريخ حضارة جمعت كل مجالات الحياة في منظومة رائعة راقية، حضارة جمعت الأخلاق والسياسة والاجتماع والاقتصاد والمعمار والقضاء والترفيه، جمعت القوة والإعداد والذكاء والتدبير، جمعت كل ذلك جنباً إلى جنب مع سلامة العقيدة وصحة العبادة وصدق التوجه ونبل الغاية، وصدق الله تعالى إذ يقول: {الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الإِسْلامَ دِينًا} [المائدة:3].
هذا هو التاريخ الإسلامي في أصله وجوهره، ولا يمنع ذلك أنه يحوي أخطاءً بعضها عظيم، ويشمل عيوباً بعضها خطير، وإنه لمن العبث أن ندعي أنه بياض بلا سواد، ونقاء بلا شوائب، لكن أيضاً من الظلم البين أن نلصق أخطاء المسلمين بدين الإسلام؛ فالإسلام دين لا ثغرة فيه ولا خطأ ولا عيب، فهو دين محكم تام كامل، أنزله الذي يعلم السر وأخفى سبحانه وتعالى الحكيم الخبير، ومن خالف دين الإسلام من المسلمين فوباله على نفسه وليس على الإسلام، وكثيراً ما يخالف الناس فتحدث هنات وسقطات، لكنه في تاريخ المسلمين ما تلبث أن تتبع بقيام إذا ثاب المسلمون إلى رشدهم وعادوا إلى دينهم، وإلا استبدلهم القوي العزيز بغيرهم من المجاهدين الصابرين الطاهرين.
هذا هو التاريخ الإسلامي، ومع كل هذا القدر لهذا التا
ইসলামিক ইতিহাস অধ্যয়নের গুরুত্বনিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই সাহায্য চাই, তাঁর কাছেই ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং তাঁরই নিকট হিদায়াত প্রার্থনা করি। আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আল্লাহ যাকে হিদায়াত দান করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথপ্রদর্শন করার কেউ নেই।
আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল।
হে আল্লাহ! সকল বিষয়ে আমাদের শেষ পরিণাম উত্তম করুন এবং আমাদের দুনিয়ার লাঞ্ছনা ও আখিরাতের আজাব থেকে রক্ষা করুন। হে আল্লাহ! আমাদের দ্বীনের সঠিক বুঝ দান করুন। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের যা শিখিয়েছেন তা দিয়ে আমাদের উপকৃত করুন, যা আমাদের জন্য উপকারী তা আমাদের শিখিয়ে দিন এবং আমাদের জ্ঞান বৃদ্ধি করে দিন।
হে আল্লাহ! আমাদের নেতা মুহাম্মদের ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবীগণের ওপর শান্তি ও বরকত বর্ষণ করুন।
অতঃপর: এই চমৎকার সাক্ষাতে এবং এই বরকতময় সমাবেশে আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন এই কাজটিকে আমাদের সকলের নেকির পাল্লায় ভারী করে দেন এবং এটিকে আমাদের পক্ষে দলিল হিসেবে কবুল করেন, আমাদের বিপক্ষে নয়। নিশ্চয়ই তিনি এর ওপর সক্ষম এবং প্রার্থনা কবুলকারী।
এর আগে আমি ইসলামিক ইতিহাস অধ্যয়নের গুরুত্ব নিয়ে অনেক কথা বলেছি এবং বারবার ইঙ্গিত করেছি যে, পৃথিবীতে নতুন কিছু নেই। হ্যাঁ, আল্লাহর কসম! পৃথিবীতে নতুন কিছু নেই। ইতিহাস আশ্চর্যজনকভাবে নিজেকে পুনরাবৃত্তি করে; আমরা একই ধরনের ঘটনা চাক্ষুষ দেখতে পাই, তবে কেবল নাম এবং স্থানের ভিন্নতা থাকে।
সুতরাং যে ব্যক্তি গভীরভাবে ইতিহাস অধ্যয়ন করে, সে যেন ভবিষ্যৎ দেখতে পায় এবং পৃথিবীতে যা ঘটছে তা অনুধাবন করতে পারে। চক্রান্ত যত বড়ই হোক এবং প্রতারণা ও কৌশলের মাধ্যম যত বহুমুখীই হোক না কেন, সে সহজে প্রতারিত হয় না।
যে ব্যক্তি গভীরভাবে ইতিহাস অধ্যয়ন করে, সে জানে কোথায় তার পদক্ষেপ রাখতে হবে এবং কীভাবে নিজেকে, নিজের সমাজ ও উম্মাহকে নেতৃত্ব দিতে হবে। সে হয় এক প্রজ্জ্বলিত সূর্যের মতো যা পরবর্তী প্রজন্মের পর প্রজন্মের জন্য পথ আলোকিত করে। তার প্রভাব কিয়ামত পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। তা হবে না-ই বা কেন, যখন আমরা আগেই বলেছি যে পৃথিবীতে নতুন কিছু নেই? এ বিষয়ে মহান আল্লাহর বাণীই আমাদের জন্য যথেষ্ট: {অতঃপর আপনি কাহিনী বর্ণনা করুন, যাতে তারা চিন্তা-ভাবনা করে} [আরাফ: ১৭৬]। এটি মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি নির্দেশ।
কিন্তু কাহিনী বর্ণনা বা বিবরণ প্রদান করা কোনো কাজে আসবে না যদি তার সাথে চিন্তা-গবেষণা ও অনুধাবন না থাকে। ইতিহাস অধ্যয়ন কোনো পরিপূরক, পার্শ্ববর্তী বা ঐচ্ছিক বিষয় নয়; বরং ইতিহাস অধ্যয়ন হলো একটি শক্তিশালী ও সঠিক উম্মাহ গঠনের মৌলিক স্তম্ভগুলোর একটি।
ইতিহাস অধ্যয়নের ক্ষেত্রে আমরা এমন কিছু বিষয় উপস্থাপন করব যা ছাড়া মুসলমানদের জীবন সঠিক পথে চলতে পারে না। আপনারা দেখতে পাবেন যে, ইতিহাস আলোচনার সময় আমরা আকীদা, ফিকহ, আখলাক, লেনদেন এবং বিধান সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে আসব। আমরা ভারসাম্য ও অগ্রাধিকারের ফিকহ এবং সমকালীন বাস্তবতার ফিকহসহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। আপনি চাইলে বলতে পারেন: আমরা দ্বীনের যাবতীয় বিষয় উপস্থাপন করব। কেননা মহান আল্লাহ তাঁর প্রজ্ঞাপূর্ণ কিতাবে কাহিনী বর্ণনা করেন, সেখানে এমন দলিল পেশ করেন যা যুক্তিকে সন্তুষ্ট করে এবং এমন কোমল বিষয় তুলে ধরেন যা হৃদয়কে স্পর্শ করে। সেখানে কখনও আকীদা সংক্রান্ত বিষয় থাকে, আবার কখনও ফিকহী বিধান থাকে। এরপর তিনি অতীতের সাথে বর্তমানের এবং ইতিহাসের সাথে বাস্তবতার সংযোগ স্থাপন করেন। ফলে আপনি অনুভব করবেন যে, ইতিহাস যেন এক জীবন্ত স্পন্দন এবং এক কথা বলা জিহ্বা।
ইতিহাস আমাদের এমন সব মানুষের কথা বলে না যারা মারা গেছে, কিংবা এমন সব দেশের কথা বলে না যাদের ইতিহাস তার অসংখ্য পৃষ্ঠার আড়ালে বিলীন করে দিয়েছে; বরং এটি আমাদের নিজেদের ঘটনাবলীই আমাদের কাছে বর্ণনা করে, আমাদের সংবাদ আমাদের জানায় এবং আমাদের খবর আমাদের অবহিত করে।
তাই ইতিহাস হলো এক প্রকৃত সম্পদ, তবে তা লুকায়িত। এর জন্য প্রয়োজন প্রচেষ্টা ব্যয় করা, সময় বের করা এবং শক্তির সমাবেশ ঘটানো। এর জন্য প্রয়োজন মস্তিষ্ক, হৃদয় ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সম্পৃক্ততা। অর্থাৎ, এটি কেবল একজন বা দুজন বা দশজন ব্যক্তির প্রচেষ্টায় কিংবা একদিন বা দুদিন বা এক বছরের শ্রমে সম্ভব নয়। বরং এর জন্য প্রয়োজন বহু আলেমের সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং আপনাদের সকলের সহযোগিতা—যারা ইসলামের পুনর্জাগরণ কামনা করেন।
ইসলামিক ইতিহাস হলো মানবজাতির জানা সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন, উজ্জ্বল, মহান এবং সূক্ষ্ম ইতিহাস। আল্লাহর কসম! আমি অনুভব করি যে, ইসলামিক ইতিহাস লিপিবদ্ধ হওয়ার মাধ্যমেই পৃথিবী ধন্য হয়েছে। কারণ ইসলামিক ইতিহাস হলো এক সাক্ষ্যদাতা উম্মাহর ইতিহাস, এক সর্বশেষ উম্মাহর ইতিহাস, এক পুণ্যবান উম্মাহর ইতিহাস, এক মুত্তাকী ও পরিচ্ছন্ন উম্মাহর ইতিহাস। এটি এমন এক উম্মাহর ইতিহাস যারা সৎকাজের আদেশ দেয়, অসৎকাজে বাধা দেয়, সকল কল্যাণের দিকে আহ্বান করে এবং সকল মন্দের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
ইসলামিক ইতিহাস হলো এমন সব মানুষের ইতিহাস যাদের সমকক্ষ ইতিহাস আর কাউকে দেখেনি। তারা তাদের দ্বীন ও দুনিয়াকে বুঝেছিল, তাই তারা প্রজ্ঞার সাথে দুনিয়া পরিচালনা করেছিল আর তাদের লক্ষ্য ছিল আখিরাতের দিকে। ফলে এক আশ্চর্যজনক সমীকরণ বাস্তবায়িত হয়েছিল—দুনিয়াতেও সম্মান, আখিরাতেও সম্মান; দুনিয়াতেও মর্যাদা, আখিরাতেও মর্যাদা; দুনিয়াতেও রাজত্ব, আখিরাতেও রাজত্ব। ইসলামিক ইতিহাস হলো এমন এক সভ্যতার ইতিহাস যা জীবনের সকল ক্ষেত্রকে এক চমৎকার ও উন্নত ব্যবস্থায় একত্রিত করেছিল। এমন এক সভ্যতা যা নীতি-নৈতিকতা, রাজনীতি, সমাজনীতি, অর্থনীতি, স্থাপত্যবিদ্যা, বিচার ব্যবস্থা ও বিনোদনকে সমন্বয় করেছিল। এটি শক্তি, প্রস্তুতি, বুদ্ধিমত্তা ও পরিকল্পনাকে একত্রিত করেছিল। এই সব কিছুর পাশাপাশি ছিল আকীদার বিশুদ্ধতা, ইবাদতের সঠিকতা, লক্ষ্যের সততা এবং উদ্দেশ্যের আভিজাত্য। আর মহান আল্লাহ সত্যই বলেছেন: {আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণ করলাম এবং তোমাদের ওপর আমার নিয়ামত সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্য দ্বীন হিসেবে মনোনীত করলাম} [মায়েদাহ: ৩]।
এটিই হলো ইসলামিক ইতিহাসের মূল ভিত্তি ও সারকথা। এর মানে এই নয় যে এতে কোনো ভুল নেই; এতে কিছু বড় ভুলও রয়েছে এবং কিছু গুরুতর ত্রুটিও রয়েছে। এটি দাবি করা বৃথা যে এটি কোনো কালো দাগহীন শুভ্রতা কিংবা কলুষমুক্ত পবিত্রতা। তবে মুসলমানদের ভুলগুলোকে ইসলাম ধর্মের সাথে জড়িয়ে দেওয়াও চরম জুলুম। কারণ ইসলাম এমন এক দ্বীন যাতে কোনো ছিদ্র নেই, কোনো ভুল নেই, কোনো ত্রুটি নেই। এটি এক সুসংহত, নিখুঁত ও পূর্ণাঙ্গ দ্বীন, যা অবতীর্ণ করেছেন তিনি, যিনি গোপন ও অতি গোপন বিষয় সম্পর্কে অবগত, যিনি সুমহান, প্রজ্ঞাময় ও সর্বজ্ঞ। মুসলমানদের মধ্যে যারা ইসলামের খেলাফ চলে, তার দায়ভার তাদের ওপরই বর্তাবে, ইসলামের ওপর নয়। মানুষ প্রায়ই বিরোধিতা করে ফলে কিছু বিচ্যুতি ও পতন ঘটে, কিন্তু মুসলমানদের ইতিহাসে দেখা যায় যে পতন ঘটার পর দ্রুতই উত্থান ঘটে যখন মুসলমানরা তাদের সুবুদ্ধি ফিরে পায় এবং দ্বীনের দিকে ফিরে আসে। অন্যথায়, মহাপরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত সত্তা তাদের পরিবর্তে অন্য ধৈর্যশীল ও পবিত্র মুজাহিদদের স্থলাভিষিক্ত করেন।
এটিই হলো ইসলামিক ইতিহাস, আর এই ইতিহাসের এত মর্যাদা থাকা সত্ত্বেও...