(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: -)
العقل وفضله لابن أبي الدنيا (ابن أبي الدنيا)
القسم: كتب السنة
الكتاب: العقل وفضله
المؤلف: أبو بكر عبد الله بن محمد بن عبيد بن سفيان بن قيس البغدادي الأموي القرشي المعروف بابن أبي الدنيا (ت 281هـ)
الناشر: مكتبة القرآن - مصر
عدد الصفحات: 70
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইবন আবিদ দুনিয়া রচিত আকল এবং এর ফযীলত (ইবন আবিদ দুনিয়া)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আল-আকল ওয়া ফাদলুহু (বিবেক ও এর শ্রেষ্ঠত্ব)
লেখক: আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ ইবনে সুফিয়ান ইবনে কায়স আল-বাগদাদি আল-উমাবি আল-কুরাশি, যিনি ইবন আবিদ দুনিয়া নামে পরিচিত (মৃত্যু ২৮১ হিজরি)
প্রকাশক: মাকতাবাতুল কুরআন - মিসর
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭০
[কিতাবটির পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ١٩)
كتاب الْعقل وفضلهتأليف الْقرشِي الْمَعْرُوف بِأبي الدُّنْيَا الْمُتَوفَّى سنة 281هـ رضى الله عَنهُ
বুদ্ধি এবং এর শ্রেষ্ঠত্ব বিষয়ক গ্রন্থআল-কুরাশি কর্তৃক রচিত, যিনি ইবনে আবিদ দুনিয়া নামে পরিচিত, মৃত্যু ২৮১ হিজরী, আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন।
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ١٩)
(سَنَد الْكتاب)رِوَايَة أبي بكر مُحَمَّد بن جَعْفَر بن أَحْمد العسكري الدقاق عَنهُ رِوَايَة أبي الْفرج مُحَمَّد بن فَارس بن مُحَمَّد بن مَحْمُود الغوري عَنهُ رِوَايَة أبي عبد الله مُحَمَّد بن عَليّ بن الْحُسَيْن سيكنة وعَلى بن أَحْمد الْمَلْطِي جَمِيعًا عَنهُ رِوَايَة أبي عبد الله يحيى بن الْحسن بن أَحْمد بن عبد الله بن الْبناء عَنْهُمَا رِوَايَة الشَّيْخ الإِمَام أبي الْحسن عَليّ بن يحيى بن عَليّ بن مُحَمَّد بن الطراح عَنهُ كَذَا فِي الأَصْل الْمَنْقُولرِوَايَة: أبي بكر مُحَمَّد بن جَعْفَر بن أَحْمد العسكري الدقاق عَنهُ رِوَايَة: أبي الْفرج مُحَمَّد بن فَارس بن مُحَمَّد بن مَحْمُود الغوري عَنهُ.رِوَايَة: أبي عبد الله مُحَمَّد بن عَليّ بن الْحُسَيْن سيكنة، وعَلى بن أَحْمد الْمَلْطِي جَمِيعًا عَنهُ.رِوَايَة: أبي عبد الله يحيى بن الْحسن بن أَحْمد بن عبد الله بن الْبناء عَنْهُمَا.رِوَايَة: الشَّيْخ الإِمَام أبي الْحسن عَليّ بن يحيى بن عَليّ بن مُحَمَّد بن الطراح عَنهُ.كَذَا فِي الأَصْل الْمَنْقُول.
(গ্রন্থের সনদ)আবু বকর মুহাম্মদ বিন জাফর বিন আহমদ আল-আসকারি আদ-দাক্কাকের বর্ণনা তাঁর থেকে; আবুল ফারাজ মুহাম্মদ বিন ফারিস বিন মুহাম্মদ বিন মাহমুদ আল-গৌরির বর্ণনা তাঁর থেকে; আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আলী বিন আল-হুসাইন সাইকানা এবং আলী বিন আহমদ আল-মালতি—উভয়েরই বর্ণনা তাঁর থেকে; আবু আবদুল্লাহ ইয়াহইয়া বিন আল-হাসান বিন আহমদ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-বান্নার বর্ণনা তাঁদের উভয়ের থেকে; শায়খ ইমাম আবুল হাসান আলী বিন ইয়াহইয়া বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আত-তাররাহ-এর বর্ণনা তাঁর থেকে; অনুলিখিত মূল কপিতে এভাবেই বর্ণিত হয়েছে।বর্ণনা: আবু বকর মুহাম্মদ বিন জাফর বিন আহমদ আল-আসকারি আদ-দাক্কাক তাঁর থেকে; বর্ণনা: আবুল ফারাজ মুহাম্মদ বিন ফারিস বিন মুহাম্মদ বিন মাহমুদ আল-গৌরি তাঁর থেকে।বর্ণনা: আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আলী বিন আল-হুসাইন সাইকানা এবং আলী বিন আহমদ আল-মালতি, উভয়েই তাঁর থেকে।বর্ণনা: আবু আবদুল্লাহ ইয়াহইয়া বিন আল-হাসান বিন আহমদ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-বান্না তাঁদের উভয়ের থেকে।বর্ণনা: শায়খ ইমাম আবুল হাসান আলী বিন ইয়াহইয়া বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আত-তাররাহ তাঁর থেকে।অনুলিখিত মূল কপিতে এভাবেই রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
وَبعده سماعات سمع جَمِيعه على الشَّيْخ أبي الْحسن عَليّ بن يحيى الطراح بِسَمَاعِهِ من ابْن الْبناء بِقِرَاءَة الشَّيْخ أَبَا السعادات مُحَمَّد بن الْمُبَارك بن مُحَمَّد الجبى أَبُو الْفَتْح مُحَمَّد بن عبد الْغنى بن عبد الْوَاحِد وَمُحَمّد بن عمر بن أبي بكر وَأحمد بن عمر بن مُحَمَّد بن أَحْمد وَمُحَمّد بن إِبْرَاهِيم بن سعد وَكَاتب الْأَسْمَاء عبد الرَّحْمَن بن إِبْرَاهِيم بن أَحْمد المقدسيون وَمُحَمّد بن يُوسُف بن همام الدِّمَشْقِي وَأَبُو حَفْص بن عمر بن أبي مَنْصُور ابْن أبي الْقَاسِم وَأَبُو الرضى مُحَمَّد بن مُبشر بن أَحْمد بن عَليّ الرَّازِيّ وَأَبُو الْفضل عبد الْعَزِيز بن مَسْعُود بن سعد النَّاقِد وَعبد الرَّحِيم بن نَفِيس بن هبة الله بن وهبان الحديثي وَأَبُو بكر بن عبد الله بن المكرم بن هبة الله بن المكرم الصُّوفِي وَذَلِكَ فِي ذِي الْحجَّة من سنة اثْنَتَيْنِ وَثَمَانِينَ وَخَمْسمِائة وَصَحَّ ذَلِك بِبَغْدَاد بسوق الثُّلَاثَاء وَالْحَمْد لله وَصلى الله على سيدنَا مُحَمَّد وَآلهوَبعده سماعات: سمع جَمِيعه على الشَّيْخ أبي الْحسن عَليّ بن يحيى الطراح بِسَمَاعِهِ من ابْن الْبناء بِقِرَاءَة الشَّيْخ أَبَا السعادات مُحَمَّد بن الْمُبَارك بن مُحَمَّد الجبى أَبُو الْفَتْح مُحَمَّد بن عبد الْغنى بن عبد الْوَاحِد، وَمُحَمّد بن عمر بن أبي بكر وَأحمد بن عمر بن مُحَمَّد بن أَحْمد، وَمُحَمّد بن إِبْرَاهِيم بن سعد، وَكَاتب الْأَسْمَاء عبد الرَّحْمَن بن إِبْرَاهِيم بن أَحْمد المقدسيون، وَمُحَمّد بن يُوسُف بن همام الدِّمَشْقِي، وَأَبُو حَفْص بن عمر بن أبي مَنْصُور ابْن أبي الْقَاسِم، وَأَبُو الرضى مُحَمَّد بن مُبشر بن أَحْمد بن عَليّ الرَّازِيّ، وَأَبُو الْفضل عبد الْعَزِيز بن مَسْعُود بن سعد النَّاقِد، وَعبد الرَّحِيم بن نَفِيس بن هبة الله بن وهبان الحديثي، وَأَبُو بكر بن عبد الله بن المكرم بن هبة الله بن المكرم الصُّوفِي وَذَلِكَ فِي ذِي الْحجَّة من سنة اثْنَتَيْنِ وَثَمَانِينَ وَخَمْسمِائة، وَصَحَّ ذَلِك بِبَغْدَاد بسوق الثُّلَاثَاء، وَالْحَمْد لله، وَصلى الله على سيدنَا مُحَمَّد وَآله.
এর পরবর্তী শ্রবণলিপিসমূহ: এর সমস্তটি শাইখ আবুল হাসান আলী বিন ইয়াহইয়া আত-তাররাহ-এর নিকট শোনা হয়েছে, যা তিনি ইবনুল বান্নার নিকট থেকে শ্রবণ করেছিলেন; এটি পাঠ করেছিলেন শাইখ আবা আস-সাআদাত মুহাম্মদ বিন আল-মুবারক বিন মুহাম্মদ আল-জুব্বী। এতে উপস্থিত ছিলেন আবু আল-ফাতহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল গানি বিন আব্দুল ওয়াহিদ, মুহাম্মদ বিন উমর বিন আবি বকর, আহমদ বিন উমর বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ, মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন সাদ, নামসমূহের লেখক আব্দুল রহমান বিন ইবরাহিম বিন আহমদ আল-মাকদিসীগণ, মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন হাম্মাম আদ-দিমাশকী, আবু হাফস বিন উমর বিন আবি মানসুর ইবনে আবিল কাসিম, আবু আর-রিদা মুহাম্মদ বিন মুবাশশির বিন আহমদ বিন আলী আর-রাযী, আবু আল-ফাদল আব্দুল আযীয বিন মাসউদ বিন সাদ আন-নাক্বিদ, আব্দুর রাহিম বিন নাফীস বিন হিবাতুল্লাহ বিন ওয়াহবান আল-হাদীসী এবং আবু বকর বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-মুকাররম বিন হিবাতুল্লাহ বিন আল-মুকাররম আস-সূফী। এটি পাঁচশত বিরাশি হিজরী সনের যিলহজ মাসে সংঘটিত হয়েছে। বাগদাদের সুকুত থুলাসা (মঙ্গলবার বাজার)-তে এটি সত্যায়িত হয়েছে। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য এবং আমাদের নেতা মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবারের ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক।এর পরবর্তী শ্রবণলিপিসমূহ: এর সমস্তটি শাইখ আবুল হাসান আলী বিন ইয়াহইয়া আত-তাররাহ-এর নিকট শোনা হয়েছে, যা তিনি ইবনুল বান্নার নিকট থেকে শ্রবণ করেছিলেন; এটি পাঠ করেছিলেন শাইখ আবা আস-সাআদাত মুহাম্মদ বিন আল-মুবারক বিন মুহাম্মদ আল-জুব্বী। এতে উপস্থিত ছিলেন আবু আল-ফাতহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল গানি বিন আব্দুল ওয়াহিদ, মুহাম্মদ বিন উমর বিন আবি বকর, আহমদ বিন উমর বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ, মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন সাদ, নামসমূহের লেখক আব্দুল রহমান বিন ইবরাহিম বিন আহমদ আল-মাকদিসীগণ, মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন হাম্মাম আদ-দিমাশকী, আবু হাফস বিন উমর বিন আবি মানসুর ইবনে আবিল কাসিম, আবু আর-রিদা মুহাম্মদ বিন মুবাশশির বিন আহমদ বিন আলী আর-রাযী, আবু আল-ফাদল আব্দুল আযীয বিন মাসউদ বিন সাদ আন-নাক্বিদ, আব্দুর রাহিম বিন নাফীস বিন হিবাতুল্লাহ বিন ওয়াহবান আল-হাদীসী এবং আবু বকর বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-মুকাররম বিন হিবাতুল্লাহ বিন আল-মুকাররম আস-সূফী। এটি পাঁচশত বিরাশি হিজরী সনের যিলহজ মাসে সংঘটিত হয়েছে। বাগদাদের সুকুত থুলাসা (মঙ্গলবার বাজার)-তে এটি সত্যায়িত হয়েছে। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য এবং আমাদের নেতা মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবারের ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক।
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
قَرَأت من أول الْجُزْء إِلَى الْبَلَاغ على شَيخنَا بهاء الدّين أبي مُحَمَّد عبد الرَّحْمَن بن إِبْرَاهِيم بِسَمَاعِهِ قَرَأَهُ فَسَمعهُ الراجي تَقِيّ الدّين أَحْمد بن مُحَمَّد وشجاع الدّين حمد بن مرزبان وَولده أَحْمد وَذَلِكَ فِي رَابِع ذِي الْحجَّة سنة إِحْدَى وَعشْرين وسِتمِائَة كتبه عبد الله بن عبد الْغَنِيّ الْمَقْدِسِيقَرَأت من أول الْجُزْء إِلَى الْبَلَاغ على شَيخنَا بهاء الدّين أبي مُحَمَّد عبد الرَّحْمَن بن إِبْرَاهِيم بِسَمَاعِهِ قَرَأَهُ فَسَمعهُ الراجي تَقِيّ الدّين أَحْمد بن مُحَمَّد، وشجاع الدّين حمد بن مرزبان، وَولده أَحْمد.وَذَلِكَ فِي رَابِع ذِي الْحجَّة سنة إِحْدَى وَعشْرين وسِتمِائَة كتبه عبد الله بن عبد الْغَنِيّ الْمَقْدِسِي
আমি এই খণ্ডের শুরু থেকে ‘বালাঘ’ (নির্ধারিত সীমা) পর্যন্ত আমাদের শাইখ বাহাউদ্দিন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান বিন ইব্রাহিমের নিকট পাঠ করেছি; তিনি তাঁর শ্রবণের ভিত্তিতে এটি পাঠ করেছেন। আর এটি শুনেছেন আল্লাহর অনুগ্রহের প্রত্যাশী তাকিউদ্দিন আহমদ বিন মুহাম্মদ এবং শুজাউদ্দিন হামদ বিন মারজুবান ও তাঁর পুত্র আহমদ। আর এটি সম্পন্ন হয়েছিল ছয়শ একুশ হিজরি সনের চার জিলহজ তারিখে। এটি লিখেছেন আবদুল্লাহ বিন আবদুল গনি আল-মাকদিসি।আমি এই খণ্ডের শুরু থেকে ‘বালাঘ’ (নির্ধারিত সীমা) পর্যন্ত আমাদের শাইখ বাহাউদ্দিন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান বিন ইব্রাহিমের নিকট পাঠ করেছি; তিনি তাঁর শ্রবণের ভিত্তিতে এটি পাঠ করেছেন। আর এটি শুনেছেন আল্লাহর অনুগ্রহের প্রত্যাশী তাকিউদ্দিন আহমদ বিন মুহাম্মদ, শুজাউদ্দিন হামদ বিন মারজুবান এবং তাঁর পুত্র আহমদ।আর এটি সম্পন্ন হয়েছিল ছয়শ একুশ হিজরি সনের চার জিলহজ তারিখে। এটি লিখেছেন আবদুল্লাহ বিন আবদুল গনি আল-মাকদিসি।
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
بسم الله الرحمن الرحيم
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
الْعَاقِلُ مَصِيرُهُ إِلَى الْجَنَّةِ
বিবেকবান ব্যক্তির পরিণতি হলো জান্নাত
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢١)
1 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْإِمَامُ الصَّالِحُ عُمَرُ بْنُ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ التِّبَّانُ قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْإِمَامُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ يَحْيَى بْنُ الْحَسَنِ بْنِ الْبَنَّاءِ الْمَرْوَزِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ قَالَ بِسَنَدِهِ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ سُفْيَانَ ابْنُ أبِي الدُّنْيَا، ثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ زِيَادٍ الْبَصْرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الرُّومِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمٍ الطَّائِفِيُّ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَيْسَرَةَ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَنَا الشَّاهِدُ عَلَى اللَّهِ عز وجل أَنْ لَا يَعْثُرَ عَاقِلٌ إِلَّا رَفَعَهُ اللَّهُ عز وجل، ثُمَّ لَا يَعْثُرَ إِلَّا رَفَعَهُ حَتَّى يَجْعَلَ مَصِيرَهُ إِلَى الْجَنَّةِ» . شَكَّ مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمٍ فِي الثَّالِثَةِ
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ ইমাম সালিহ উমর ইবনে আবি বকর ইবনে আলী ইবনুল হাসান আত-তিব্বান, তিনি বলেন: শায়খ ইমাম আবু আবদুল্লাহ ইয়াহইয়া ইবনুল হাসান ইবনুল বান্না আল-মারওয়াযী তাঁর নিকট পাঠকালে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি তাঁর সনদে বলেছেন: আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ ইবনে সুফিয়ান ইবনে আবিদ দুনইয়া আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইয়াকুব ইবনে ইসহাক ইবনে যিয়াদ আল-বাসরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে আবদুল্লাহ ইবনুর রুমী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে মুসলিম আত-তায়েফী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবরাহীম ইবনে মাইসারা থেকে, তিনি তাউস থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “আমি মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, কোনো বুদ্ধিমান ব্যক্তি হোঁচট খেলে মহান আল্লাহ অবশ্যই তাকে তুলে ধরেন। এরপর সে পুনরায় হোঁচট খেলেও তিনি তাকে তুলে ধরেন, এমনকি পরিশেষে তাকে জান্নাতে পৌঁছে দেন।” মুহাম্মদ ইবনে মুসলিম তৃতীয় বাক্যটিতে সন্দেহ পোষণ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
الْعَاقِلُ حَازِمٌ فِي أُمُورِهِ
বিচক্ষণ ব্যক্তি তার কার্যাবলীতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
2 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ قَادِمٍ، قَالَ: سَمِعْتُ شُعْبَةَ بْنَ الْحَجَّاجِ، يَقُولُ: قَالَ زِيَادٌ: «مَا حَمِدْتُ نَفْسِي فِي أَمْرٍ قَطُّ عَقَدْتُ فِيهِ عُقْدَةً ضَعِيفَةً، وَلَا لُمْتُ نَفْسِي فِي أَمْرٍ قَطُّ عَقَدْتُ فِيهِ عُقْدَةَ الْجَزْمِ، وَلَا حَدَّثْتُ نَفْسِي بِأَمْرٍ قَطُّ فَحَدَّثْتُ بِهِ غَيْرِي حَتَّى أَصِيرَ إِلَيْهِ» قَالَ عَلِيٌّ: فَقَالَ أَبُو مَرْيَمَ عَبْدُ الْغَفَّارِ بْنُ الْقَاسِمِ: سَوْءًا لَكَ تَذْكُرُ مِثْلَ هَذَا الْكَلَامِ عَنْ زِيَادٍ
২ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আলী ইবনুল হুসাইন ইবনে আবী মারইয়াম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে কাদিম থেকে, তিনি বলেন: আমি শু’বাহ ইবনুল হাজ্জাজকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: যিয়াদ বলেছেন: «আমি কোনো বিষয়ে দুর্বল সংকল্প করে কখনো নিজের প্রশংসা করিনি, আর কোনো বিষয়ে দৃঢ় সংকল্প করে কখনো নিজেকে তিরস্কার করিনি। আর আমি কখনো নিজের মনে মনে কোনো বিষয় নিয়ে চিন্তা করিনি যা আমি অন্য কারো নিকট ব্যক্ত করেছি যতক্ষণ না আমি সেই পর্যায়ে পৌঁছেছি» আলী বলেন: অতঃপর আবু মারইয়াম আব্দুল গাফফার ইবনুল কাসিম বললেন: তোমার প্রতি ধিক্কার! তুমি যিয়াদের পক্ষ থেকে এই জাতীয় কথা বর্ণনা করছ?
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
فَضْلُ مُجَالَسَةِ وُجُوهِ النَّاسِ
জনগণের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে বসার মর্যাদা
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
3 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ شَبِيبِ بْنِ مِهْرَانَ، قَالَ: قَالَ مُعَاوِيَةُ بْنُ قُرَّةَ: «جَالِسُوا وُجُوهَ النَّاسِ فَإِنَّهُمْ أَحْلَمُ وَأَعْقَلُ مِنْ غَيْرِهِمْ»
৩ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহিম বিন সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইউনুস বিন মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শাবীব বিন মেহরান থেকে, তিনি বলেন: মুআবিয়াহ বিন কুররাহ বলেছেন: «তোমরা সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে ওঠাবসা করো, কারণ তারা অন্যদের তুলনায় অধিক ধৈর্যশীল এবং অধিক বুদ্ধিমান।»
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
مُرُوءَةِ الْمُؤْمِنِ فِي عَقْلِهِ
মুমিনের ব্যক্তিত্ব তার আকলের মাঝে
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
4 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ خَالِدٍ، عَنِ الْعَلَاءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «كَرَمُ الْمَرْءِ دِينُهُ، وَمُرُوءَتُهُ عَقْلُهُ، وَحَسَبُهُ خُلُقُهُ»
৪ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী ইবনুল জাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুসলিম ইবনে খালিদ আমাদের নিকট আল-আলা ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «ব্যক্তির মর্যাদা হলো তার দ্বীন, তার মনুষ্যত্ব হলো তার বুদ্ধি এবং তার আভিজাত্য হলো তার চরিত্র।»
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
5 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ خِدَاشٍ، ثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ مُجَالِدٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ مَسْرُوقٍ، قَالَ: كُنَّا عِنْدَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رضي الله عنه فَذُكِرَ الْحَسَبُ فَقَالَ: «حَسَبُ الْمَرْءِ دِينُهُ، وَأَصْلُهُ عَقْلُهُ، وَمُرُوءَتُهُ خُلُقُهُ»
৫ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: খালিদ বিন খিদাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ বিন যায়িদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুজালিদ থেকে, তিনি আশ-শা’বী থেকে, তিনি মাসরুক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তখন আভিজাত্য নিয়ে আলোচনা হলো। তিনি বললেন: «ব্যক্তির আভিজাত্য হলো তার দীন, তার মূল ভিত্তি হলো তার বুদ্ধি এবং তার সৌজন্যবোধ হলো তার সচ্চরিত্র।»
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
6 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: أَنْشَدَنِي أَبُو جَعْفَرٍ الْقُرَشِيُّ: «[الْبَحْر الْكَامِل]نَسَبُ ابْنِ آدَمَ فِعْلُهُ … فَانْظُرْ لِنَفْسِكَ فِي النَّسَبْحَسَبَ ابْنُ آدَمَ مَالُهُ … إِنْ طَابَ طَابَ لَهُ الْحَسَبْزَيْنُ ابْنِ آدَمَ عَقْلُهُ … وَالْعَقْلُ زِينَتُهُ الْأَدَبْ»
৬ - আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু জাফর আল-কুরাশি আমার নিকট আবৃত্তি করেছেন: «[আল-কামিল ছন্দ]আদম সন্তানের বংশপরিচয় হলো তার কর্ম … সুতরাং তুমি নিজের বংশমর্যাদার বিষয়ে লক্ষ্য করোআদম সন্তানের আভিজাত্য হলো তার সম্পদ … যদি তা পবিত্র হয়, তবে তার আভিজাত্যও পবিত্র হয়আদম সন্তানের সৌন্দর্য হলো তার বুদ্ধি … আর বুদ্ধির সৌন্দর্য হলো শিষ্টাচার»
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
أَصْحَابُ الْأَبْصَارِ هُمْ أَصْحَابُ الْعَقْلِ
অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন ব্যক্তিগণই হলেন বিবেকসম্পন্ন ব্যক্তি
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
7 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: ثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى، قَالَ: ثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، {أُولِي الْأَيْدِي وَالْأَبْصَارِ} [ص: 45] قَالَ: " الْأَيْدِي: الْقُوَّةُ، وَالْأَبْصَارُ: الْعَقْلُ "
৭ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইউসুফ ইবনে মূসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জারীর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মানসূর থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে {হাত ও দৃষ্টির অধিকারী} [সাদ: ৪৫] আয়াত প্রসঙ্গে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "হাতসমূহ হলো শক্তি, আর দৃষ্টিসমূহ হলো বুদ্ধি।"
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
هَلْ إِسْلَامُ الْمَرْءِ يَتَوَقَّفُ عَلَى عَقْلِهِ؟
ব্যক্তির ইসলাম কি তার বুদ্ধিবৃত্তির ওপর নির্ভর করে?
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
8 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ: حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْعَلَاءِ الْهَمْدَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ حَيَّانَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ الرَّقِّيِّ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَا يُعْجِبنَّكُمْ إِسْلَامُ امْرِئٍ حَتَّى تَعْرِفُوا مَعْقُودَ عَقْلِهِ»
৮ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু কুরাইব ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল আলা আল-হামদানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: খালিদ ইবনে হাইয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবাইদুল্লাহ ইবনে উমর আর-রাক্কি থেকে, তিনি ইসহাক ইবনে আবদুল্লাহ থেকে, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «কোনো ব্যক্তির ইসলাম যেন তোমাদেরকে মুগ্ধ না করে, যতক্ষণ না তোমরা তার বিচারবুদ্ধির দৃঢ়তা সম্পর্কে জানতে পারো»
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
كَيْفَ عَقْلُهُ؟
তাঁর বুদ্ধি কেমন?
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
9 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: ثَنَا سُرَيْجُ بْنُ يُونُسَ، وَمُحْرِزُ بْنُ عَوْنٍ، قَالَا: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَجِيدِ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ مَرْوَانَ بْنِ سَالِمٍ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ شُرَيْحِ بْنِ عُبَيْدٍ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا بَلَغَهُ عَنْ أَحَدٍ مِنْ أَصْحَابِهِ عِبَادَةٌ قَالَ: «كَيْفَ عَقْلُهُ؟» فَإِنْ قَالُوا: عَاقِلٌ قَالَ: «مَا أَخْلَقَ صَاحِبَكُمْ أَنْ يَبْلُغَ» وَإِنْ قَالُوا: لَيْسَ بِعَاقِلٍ قَالَ: «مَا أَخْلَقَهُ أَنْ لَا يَبْلُغَ»
৯ - আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুরাইজ ইবনে ইউনুস ও মুহরিজ ইবনে আউন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আব্দুল মাজীদ ইবনে আব্দুল আযীয আমাদের নিকট মারওয়ান ইবনে সালিম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি সাফওয়ান ইবনে আমর থেকে, তিনি শুরাইহ ইবনে উবাইদ থেকে এবং তিনি আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট যখন তাঁর কোনো সাহাবীর ইবাদত সম্পর্কে সংবাদ পৌঁছাত, তখন তিনি বলতেন: «তার বিবেক কেমন?» যদি তারা বলতেন: «তিনি বিবেকসম্পন্ন», তখন তিনি বলতেন: «তোমাদের এই সাথী (কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে) পৌঁছানোর কতই না যোগ্য!» আর যদি তারা বলতেন: «তিনি বিবেকসম্পন্ন নন», তখন তিনি বলতেন: «সে (কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে) না পৌঁছানোরই কত বেশি যোগ্য!»
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
النَّاسُ يَرْتَفِعُونَ عَلَى قَدْرِ عُقُولِهِمْ
মানুষ তাদের বুদ্ধিমত্তার স্তর অনুযায়ী উন্নীত হয়
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
10 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: ثَنَا عَلِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ السَّهْمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ الْمُحَبَّرِ، قَالَ: ثَنَا سَلَامٌ أَبُو الْمُنْذِرِ، عَنْ مُوسَى بْنِ جَابَانَ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِنَّمَا يَرْتَفِعُ النَّاسُ فِي الدَّرَجَاتِ وَيَنَالُونَ الزُّلْفَى مِنْ رَبِّهِمْ عز وجل عَلَى قَدْرِ عُقُولِهِمْ»
10 - আমাদের নিকট আবু বকর আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আলী বিন ইবরাহিম আস-সাহমি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট দাউদ বিন আল-মুহাব্বার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সালাম আবু আল-মুনজির বর্ণনা করেছেন, মুসা বিন জাবান হতে, তিনি আনাস হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «মানুষ কেবল তাদের বিবেকের মাত্রা অনুযায়ী উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত হয় এবং তাদের মহান ও পরাক্রমশালী রবের নিকট হতে নৈকট্য লাভ করে।»
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
النَّاسُ يَعْمَلُونَ الْخَيْرَ عَلَى قَدْرِ عُقُولِهِمْ
মানুষ তাদের জ্ঞানবুদ্ধির মাত্রা অনুযায়ী কল্যাণমূলক কাজ করে থাকে
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
11 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: ثَنَا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ الْبَزَّارُ، قَالَ: ثَنَا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ، عَنْ خُلَيْدٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ، رحمه الله قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «النَّاسُ يَعْمَلُونَ بِالْخَيْرِ عَلَى قَدْرِ عُقُولِهِمْ»
১১ - আমাদের নিকট আবু বকর আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট খালাফ ইবনে হিশাম আল-বাযযার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বাকিয়্যাহ ইবনুল ওয়ালিদ খুলাইদ থেকে, তিনি মুয়াবিয়া (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «মানুষ তাদের বুদ্ধিমত্তার পরিমাণ অনুযায়ী নেক কাজ করে থাকে»
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
أَفْلَحَ مَنْ جَعَلَ اللَّهُ لَهُ عَقْلًا
সেই ব্যক্তিই সফলকাম হয়েছে, আল্লাহ যাকে বুদ্ধি দান করেছেন
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
12 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: ثَنَا صَفْوَانُ بْنُ عِيسَى، عَنْ إِسْمَاعِيلَ الْمَكِّيِّ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ أَبِي بَزَّةَ، أَنَّ رَجُلًا مِنْ بَنِي قُشَيْرٍ أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: إِنَّمَا كُنَّا نَعْبُدُ فِي الْجَاهِلِيَّةِ أَوْثَانًا وَكُنَّا نَرَى أَنَّهَا تَضُرُّ وَتَنْفَعُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَفْلَحَ مَنْ جَعَلَ اللَّهُ عز وجل لَهُ عَقْلًا»
১২ - আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাফওয়ান ইবনে ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল আল-মাক্কী থেকে, তিনি কাসিম ইবনে আবি বাযযাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, বনু কুশায়র গোত্রের এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে বললেন: “আমরা জাহিলিয়্যাতের যুগে মূর্তিপূজা করতাম এবং আমরা মনে করতাম যে তারা ক্ষতি ও উপকার করতে পারে।” তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “সেই ব্যক্তিই সফলকাম হয়েছে যাকে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ বিবেক দান করেছেন।”
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
هَلِ الْجَزَاءُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِقَدْرِ الْعَقْلِ؟
কিয়ামতের দিনে প্রতিদান কি আকলের পরিমাণ অনুযায়ী হবে?
(খণ্ড: ১)
আল-আকলু ওয়া ফাদলুহু লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
13 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: ثَنَا مَنْصُورُ بْنُ صُقَيْرٍ، قَالَ: ثَنَا مُوسَى بْنُ أَعْيَنَ، قَالَ: حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْعُمَرِيُّ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَفَعَهُ، قَالَ: «إِنَّ الرَّجُلَ لَيَكُونُ مِنْ أَهْلِ الصَّلَاةِ وَالزَّكَاةِ وَالْجِهَادِ وَالْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ حَتَّى ذَكَرَ سِهَامَ الْخَيْرِ وَمَا يُجْزَى يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِلَّا بِقَدْرِ عَقْلِهِ»
১৩ - আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট মনসুর বিন সুকাইর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট মূসা বিন আয়ান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমার নিকট উবাইদুল্লাহ বিন উমর আল-উমারি বর্ণনা করেছেন নাফে’ হতে, তিনি ইবনে উমর হতে তা মারফু সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «নিশ্চয়ই কোনো ব্যক্তি সালাত, জাকাত, জিহাদ, হজ ও উমরা পালনকারীদের অন্তর্ভুক্ত হয়—এমনকি তিনি কল্যাণের আরও অনেক বিষয়ের কথা উল্লেখ করলেন—অথচ কিয়ামতের দিন তাকে কেবল তার বুদ্ধিবৃত্তিক বিবেচনার পরিমাণ অনুযায়ীই প্রতিদান দেওয়া হবে।»