(খণ্ড: ১)
আল-মাওরিদ ফী আমালিল মাওলিদ
(পৃষ্ঠা: -)
المورد في عمل المولد القسم: الفرق والردود
الكتاب: المورد في عمل المولد (مطبوع ضمن: رسائل في حكم الإحتفال بالمولد النبوي)
المؤلف: عمر بن علي بن سالم بن صدقة اللخمي الإسكندري، تاج الدين الفاكهاني (ت 734هـ)
المحقق: علي بن حسن بن عبد الحميد
الناشر: دار العاصمة - الرياض
الطبعة: الأولى، 1419 هـ - 1998 م
عدد الصفحات: 13
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 20 ذو القعدة 1432
আল-মাওরিদ ফি আমালিল মাওলিদ বিভাগ: ফিরকা এবং খণ্ডনসমূহ
গ্রন্থ: আল-মাওরিদ ফি আমালিল মাওলিদ (নিম্নোক্ত গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত মুদ্রিত: মিলাদুন্নবী উদযাপনের বিধান সংক্রান্ত পত্রাবলি)
লেখক: উমর ইবন আলী ইবন সালেম ইবন সাদাকা আল-লাখমি আল-ইসকান্দারি, তাজউদ্দীন আল-ফাকিহানি (মৃত্যু ৭৩৪ হিজরি)
সম্পাদক: আলী ইবন হাসান ইবন আব্দুল হামিদ
প্রকাশক: দারুল আসিমা - রিয়াদ
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৯ হিজরি - ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৩
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা সংখ্যা মূল মুদ্রণের অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ২০ জিলকদ ১৪৩২
(খণ্ড: ১)
আল-মাওরিদ ফী আমালিল মাওলিদ
(পৃষ্ঠা: -)
ـ[المورد في عمل المولد (مطبوع ضمن: رسائل في حكم الإحتفال بالمولد النبوي)]ـ
المؤلف: عمر بن علي بن سالم بن صدقة اللخمي الإسكندري، تاج الدين الفاكهاني (المتوفى: 734هـ)
المحقق: علي بن حسن بن عبد الحميد
الناشر: دار العاصمة - الرياض
الطبعة: الأولى، 1419 هـ - 1998 م
عدد الأجزاء: 1
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
—[আল-মাওরিদ ফি আমালিল মাওলিদ (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মোৎসব পালনের বিধান বিষয়ক গবেষণাপত্র সংকলনের অন্তর্ভুক্ত)]—
লেখক: উমর ইবনে আলী ইবনে সালেম ইবনে সাদাকা আল-লাখমি আল-ইসকান্দারি, তাজউদ্দীন আল-ফাকিহানি (মৃত্যু: ৭৩৪ হিজরি)
সম্পাদক: আলী ইবনে হাসান ইবনে আব্দুল হামিদ
প্রকাশক: দারুল আসিমা - রিয়াদ
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৯ হিজরি - ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ১
[বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
(খণ্ড: ১)
আল-মাওরিদ ফী আমালিল মাওলিদ
(পৃষ্ঠা: ৭)
-
بسم الله الرحمن الرحيم -
الحمد لله الذي هدانا لاتباع سيد المرسلين، وأيدنا بالهداية إلى دعائم الدين، ويسر لنا اقتفاء آثار السلف الصالحين، حتى امتلأت قلوبنا بأنوار علم الشرع وقواطع الحق المبين، وطهر سرائرنا من حدث الحوادث والابتداع في الدين.
أحمده على ما من به من أنوار اليقين، وأشكره على ما أسداه من التمسك بالحبل المتين، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، وأن محمدا عبده ورسوله، سيد الأولين والآخرين، صلى الله عليه وعلى آله وأصحابه وأزواجه الطاهرات أمهات المؤمنين، صلاة دائمة إلى يوم الدين.
-
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে -
সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর, যিনি আমাদেরকে রাসূলকুলের সর্দারের অনুসরণের দিশা দিয়েছেন, দ্বীনের স্তম্ভসমূহের দিকে হিদায়াত প্রদানের মাধ্যমে আমাদের বলিষ্ঠ করেছেন এবং নেককার পূর্বসূরীদের পদাঙ্ক অনুসরণ আমাদের জন্য সহজ করেছেন; যার ফলে আমাদের অন্তর শরয়ি জ্ঞানের আলো এবং সুস্পষ্ট সত্যের অকাট্য দলীলসমূহ দ্বারা পরিপূর্ণ হয়েছে এবং তিনি আমাদের অন্তঃকরণকে দ্বীনের নব-উদ্ভাবিত অনিষ্ট ও বিদআত থেকে পবিত্র করেছেন।
আমি তাঁর প্রশংসা করি ইয়াকীনের যে আলো তিনি দান করেছেন তার জন্য, এবং তাঁর শুকরিয়া আদায় করি তাঁর সুদৃঢ় রজ্জুকে আঁকড়ে ধরার তাওফীক প্রদানের জন্য। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল, যিনি আদি-অন্ত সকল মানুষের শ্রেষ্ঠ। আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক তাঁর ওপর, তাঁর পরিবার-পরিজন, তাঁর সাহাবীগণ এবং মুমিনগণের জননী তাঁর পবিত্র সহধর্মিণীগণের ওপর—এমন রহমত যা কিয়ামত দিবস পর্যন্ত চিরকাল জারি থাকবে।
(খণ্ড: ১)
আল-মাওরিদ ফী আমালিল মাওলিদ
(পৃষ্ঠা: ৮)
أما بعد، فقد تكرر سؤال جماعة من المباركين عن الاجتماع الذي يعمله بعض الناس في شهر ربيع الأول، ويسمونه
المولد: هل له أصل في الشرع؟ أو هو بدعة وحدث في الدين؟
وقصدوا الجواب عن ذلك مبينا، والإيضاح عنه معينا.
فقلت وبالله التوفيق:
لا أعلم لهذا المولد أصلا في كتاب ولا سنة، ولا ينقل عمله عن أحد من علماء الأمة، الذين هم القدوة
অতঃপর, একদল বরকতময় ব্যক্তি রবিউল আউয়াল মাসে কিছু মানুষের আয়োজিত সমাবেশ সম্পর্কে বারবার জিজ্ঞাসা করেছেন, যাকে তারা অভিহিত করেন
‘মাওলিদ’ (জন্মোৎসব) নামে: শরিয়তে কি এর কোনো ভিত্তি আছে? নাকি এটি দ্বীনের মধ্যে একটি বিদআত ও নব-উদ্ভাবিত বিষয়?
তারা এ বিষয়ে একটি সুস্পষ্ট উত্তর এবং এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা কামনা করেছেন।
আমি বললাম—এবং আল্লাহর সাহায্যেই তাওফীক অর্জিত হয়—:
কিতাব (কুরআন) কিংবা সুন্নাহতে এই মাওলিদের কোনো ভিত্তি আমার জানা নেই এবং উম্মতের আলেমদের কারোর থেকেও এটি পালনের কোনো বর্ণনা পাওয়া যায় না, যাঁরা হলেন অনুসরণীয় আদর্শ।
(খণ্ড: ১)
আল-মাওরিদ ফী আমালিল মাওলিদ
(পৃষ্ঠা: ৯)
في الدين، المتمسكون بآثار المتقدمين؛ بل هو بدعة أحدثها البطالون، وشهوة نفس اغتنى بها الأكالون، بدليل أنا إذا أدرنا
দ্বীনের ক্ষেত্রে যারা পূর্ববর্তীদের পদাঙ্ক দৃঢ়ভাবে অনুসরণকারী; বরং এটি একটি নব-উদ্ভাবিত প্রথা (বিদআত), যা অলস ব্যক্তিরা প্রবর্তন করেছে এবং এটি এমন এক নফসানি কামনা যার মাধ্যমে উদরপূজারিরা সম্পদশালী হয়েছে, এর প্রমাণ হলো এই যে, আমরা যদি পর্যালোচনা করি
(খণ্ড: ১)
আল-মাওরিদ ফী আমালিল মাওলিদ
(পৃষ্ঠা: ১০)
عليه الأحكام الخمسة قلنا: إما أن يكون واجبا، أو مندوبا، أو مباحا، أو مكروها، أو محرما.
وهو ليس بواجب إجماعا، ولا مندوبا، لأن حقيقة المندوب ما طلبه الشرع من غير ذم على تركه، وهذا لم يأذن فيه الشرع، ولا فعله الصحابة ولا التابعون [ولا العلماء] المتدينون فيما علمت. وهذا جوابي عنه بين يدي الله تعالى إن عنه سئلت.
ولا جائز أن يكون مباحا، لأن الابتداع في الدين ليس مباحا بإجماع المسلمين.
فلم يبق إلا أن يكون مكروها، أو حراما. وحينئذ يكون الكلام فيه في فصلين، والتفرقة بين حالين:
أحدهما: أن يعمله رجل من عين ماله لأهله وأصحابه وعياله، لا يجاوزون [في] ذلك الاجتماع على أكل الطعام، ولا يقترفون شيئا من الآثام؛ فهذا الذي وصفناه بأنه بدعة مكروهة وشناعة، إذ لم
এর ওপর পাঁচটি বিধান প্রযোজ্য। আমরা বলি: এটি হয় ওয়াজিব, অথবা মানদুব, অথবা মুবাহ, অথবা মাকরুহ, অথবা হারাম হবে।
এটি সর্বসম্মতিক্রমে ওয়াজিব নয় এবং মানদুবও নয়। কারণ মানদুবের প্রকৃত সংজ্ঞা হলো—যা শরিয়ত তলব করেছে কিন্তু তা বর্জনের কারণে কোনো নিন্দা করা হয় না; অথচ শরিয়ত এর অনুমতি দেয়নি এবং সাহাবীগণ, তাবেঈগণ কিংবা আমার জানামতে ধর্মপ্রাণ [আলেমগণও] এটি পালন করেননি। আর যদি এ সম্পর্কে মহান আল্লাহর সামনে আমাকে প্রশ্ন করা হয়, তবে এটিই হবে আমার উত্তর।
এটি মুবাহ হওয়াও বৈধ নয়, কেননা দ্বীনের মধ্যে নব-উদ্ভাবন (বিদআত) মুসলিমদের ঐকমত্যে মুবাহ বা বৈধ নয়।
সুতরাং এটি মাকরুহ কিংবা হারাম হওয়া ছাড়া আর কোনো গত্যন্তর নেই। এমতাবস্থায় এ বিষয়ে আলোচনা দুটি পরিচ্ছেদে বিভক্ত হবে এবং দুটি অবস্থার মধ্যে পার্থক্য করতে হবে:
প্রথমটি হলো: কোনো ব্যক্তি তার নিজস্ব সম্পদ থেকে নিজের পরিবার, বন্ধু-বান্ধব ও পরিজনদের জন্য এর আয়োজন করল, যেখানে তারা আহার গ্রহণের উদ্দেশ্যে একত্রিত হওয়া ছাড়া অন্য কোনো সীমা লঙ্ঘন করবে না এবং কোনো পাপে লিপ্ত হবে না; এটিই সেই বিষয় যাকে আমরা মাকরুহ বিদআত ও কদর্য কাজ হিসেবে অভিহিত করেছি, যেহেতু...
(খণ্ড: ১)
আল-মাওরিদ ফী আমালিল মাওলিদ
(পৃষ্ঠা: ১১)
يفعله أحد من متقدمي أهل الطاعة، الذين هم فقهاء الإسلام وعلماء الأنام، سرج الأزمنة وزين الأمكنة.
والثاني: أن تدخله الجناية، وتقوى به العناية، حتى يعطي أحدهم الشيء ونفسه تتبعه، وقلبه يؤلمه ويوجعه، لما يجد من ألم الحيف. وقد قال العلماء رحمهم الله تعالى: أخذ المال بالحياء كأخذه بالسيف. لا سيما إن انضاف إلى ذلك شيء من الغناء مع البطون الملأى بآلات الباطل من الدفوف والشبابات، واجتماع الرجال مع الشباب المرد والنساء الغانيات، إما مختلطات بهم أو
পূর্ববর্তী অনুগত বান্দাদের মধ্যে কেউ এটি করেননি, যারা ছিলেন ইসলামের ফকিহ এবং সৃষ্টির আলেম, কালের প্রদীপ এবং স্থানসমূহের শোভা।
আর দ্বিতীয়টি হলো: এতে অপরাধের প্রবেশ ঘটা এবং এর প্রতি আসক্তি প্রবল হওয়া, এমনকি তাদের কেউ কোনো কিছু প্রদান করলে তার মন তার পেছনে পড়ে থাকে এবং তার অন্তর ব্যথিত ও পীড়িত হয় অন্যায়ের যাতনা অনুভব করার কারণে। উলামায়ে কেরাম (আল্লাহ তাআলা তাঁদের প্রতি রহম করুন) বলেছেন: লজ্জার মাধ্যমে সম্পদ গ্রহণ করা তলোয়ারের মাধ্যমে গ্রহণ করার মতোই। বিশেষত যদি এর সাথে যুক্ত হয় গান-বাজনা, আর উদর পূর্ণ থাকে দফ ও বাঁশির মতো বাতিল বাদ্যযন্ত্রের সুরে, এবং দাড়িহীন কিশোর ও সুন্দরী নারীদের সাথে পুরুষদের সমাবেশ ঘটে, তারা হয়তো তাদের সাথে মিশ্রিত অবস্থায় থাকে অথবা
(খণ্ড: ১)
আল-মাওরিদ ফী আমালিল মাওলিদ
(পৃষ্ঠা: ১২)
مشرفات، والرقص بالتثني والانعطاف، والاستغراق في اللهو ونسيان يوم المخاف.
وكذلك النساء إذا اجتمعن على انفرادهن رافعات أصواتهن بالتهنيك والتطريب في الإنشاد، والخروج في التلاوة والذكر عن المشروع والأمر المعتاد، غافلات عن قوله تعالى: {إن ربك لبالمرصاد}.
وهذا الذي لا يختلف في تحريمه اثنان، ولا يستحسنه ذوو المروءة الفتيان. وإنما يحل ذلك بنفوس موتى القلوب، وغير المستقلين من الآثام والذنوب. وأزيدك أنهم يرونه من العبادات، لا من الأمور المنكرات المحرمات.
উন্নত অবস্থানে থাকা, শরীর দুলিয়ে ও বাঁকিয়ে নৃত্য করা, আমোদ-প্রমোদে নিমগ্ন হওয়া এবং মহাতঙ্কের দিবসের কথা বিস্মৃত হওয়া।
একইভাবে নারীরা যখন নির্জনে একত্রিত হয়ে উচ্চস্বরে আনন্দ প্রকাশ ও সুর করে কাব্য পাঠ করে এবং তিলাওয়াত ও জিকিরের ক্ষেত্রে শরয়ি ও প্রচলিত নিয়ম লঙ্ঘন করে; অথচ তারা মহান আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে বিমুখ যে, ‘নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক ওঁৎ পেতে আছেন’।
এটি এমন বিষয় যার অবৈধতার ব্যাপারে দুই ব্যক্তির মধ্যেও মতভেদ নেই এবং কোনো আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি একে ভালো মনে করেন না। মূলত মৃত হৃদয়ের অধিকারী এবং পাপে নিমজ্জিত ব্যক্তিদের কাছেই এটি শোভনীয় মনে হয়। অধিকন্তু তারা একে ইবাদত মনে করে থাকে, অথচ এটি কোনোভাবেই ইবাদত নয় বরং একটি গর্হিত ও নিষিদ্ধ বিষয়।
(খণ্ড: ১)
আল-মাওরিদ ফী আমালিল মাওলিদ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
فإنا لله وإنا إليه راجعون، «بدأ الإسلام غريبا وسيعود كما بدأ».
ولله در شيخنا القشيري رحمه الله تعالى حيث يقول فيما أجازناه:
قد عرف المنكر واستنكر الـ
… معروف في أيامنا الصعبة
وصار أهل العلم فى وهدة
… وصار أهل الجهل في رتبة
حادوا عن الحق فما للذي
… سادوا به فيما مضى نسبة
فقلت للأبرار أهل التقى
… والدين لما اشتدت الكربة
لا تنكروا أحوالكم قد أتت
… نوبتكم في زمن الغربة
ولقد أحسن الإمام أبو عمرو بن العلاء رحمه الله تعالى حيث يقول: "لا يزال الناس بخير ما تعجب من العجب".
আমরা আল্লাহরই এবং তাঁরই নিকট আমাদের প্রত্যাবর্তন। "ইসলামের যাত্রা শুরু হয়েছিল অপরিচিত অবস্থায় এবং অচিরেই তা সূচনাকালের ন্যায় অপরিচিত অবস্থায় ফিরে যাবে।"
আমাদের শাইখ আল-কুশাইরী (রহ.)-এর প্রতি আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক, তিনি আমাদের নিকট বর্ণিত একটি বর্ণনায় কতই না চমৎকার বলেছেন:
আমাদের এই কঠিন দিনগুলোতে মন্দকর্ম সুপরিচিত হয়ে উঠেছে এবং
… সৎকর্ম হয়েছে প্রত্যাখ্যাত;
জ্ঞানী সমাজ আজ গভীর গর্তে নিপতিত
… আর মূর্খরা আসীন হয়েছে সুউচ্চ মর্যাদায়;
তারা সত্য থেকে বিচ্যুত হয়েছে, ফলে অতীতে যা দ্বারা তারা
… শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করেছিল, বর্তমানের সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই;
অতঃপর যখন সংকট চরম আকার ধারণ করল, তখন আমি পুণ্যবান, মুত্তাকী
… ও দ্বীনদারদের উদ্দেশ্যে বললাম:
তোমরা তোমাদের অবস্থাকে অস্বীকার করো না, কেননা ইসলামের এই
… নিঃসঙ্গ ও অপরিচিত হওয়ার যুগে এখন তোমাদেরই পালা এসেছে;
ইমাম আবু আমর ইবনুল আলা (রহ.) কতই না চমৎকার বলেছেন: "মানুষ ততক্ষণ পর্যন্ত কল্যাণের ওপর থাকবে, যতক্ষণ তারা বিস্ময়কর বিষয়ে বিস্ময় বোধ করবে।"