(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: -)
الإيماء إلى زوائد الأمالي والأجزاء   (نبيل جرار)

القسم: كتب السنة

الكتاب: الإيماء إلى زوائد الأمالي والأجزاء - زوائد الأمالي والفوائد والمعاجم والمشيخات على الكتب الستة والموطأ ومسند الإمام أحمد

المؤلف: نبيل سعد الدين سَليم جَرَّار

الناشر: أضواء السلف

الطبعة: الأولى، 1428 هـ - 2007 م

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 28 جُمادَى الأولى 1432

আল-ইমা ইলা যাওয়াইদিল আমালি ওয়াল আজযা   (নাবিল জাররার)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ

কিতাব: আল-ইমা ইলা যাওয়াইদিল আমালি ওয়াল আজযা - কুতুবে সিত্তা, মুওয়াত্তা এবং মুসনাদে ইমাম আহমদের অতিরিক্ত আমালি, ফাওয়ায়িদ, মু'জাম এবং মাশইয়াহাতসমূহ

লেখক: নাবিল সা'দুদ্দীন সালিম জাররার

প্রকাশক: আদওয়াউস সালাফ

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৮ হিজরি - ২০০৭ খ্রিস্টাব্দ

[কিতাবটির সংখ্যায়ন মুদ্রণকপির অনুরূপ]

শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ২৮ জুমাদাল উলা ১৪৩২

(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: -)
ـ[الإيماء إلى زوائد الأمالي والأجزاء - زوائد الأمالي والفوائد والمعاجم والمشيخات على الكتب الستة والموطأ ومسند الإمام أحمد]ـ

المؤلف: نبيل سعد الدين سَليم جَرَّار

الناشر: أضواء السلف

الطبعة: الأولى، 1428 هـ - 2007 م

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
[আল-আমালি ও আল-আজজা-এর অতিরিক্ত বর্ণনাসমূহের প্রতি ইঙ্গিত - কুতুবুস সিত্তা, মুয়াত্তা এবং মুসনাদে ইমাম আহমদের ওপর আমালি, ফাওয়ায়েদ, মু'জাম ও মাশয়িখাত-এর অতিরিক্ত বর্ণনাসমূহ]

লেখক: নাবিল সাদউদ্দিন সালিম জাররার

প্রকাশক: আদওয়াউস সালাফ

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৮ হিজরি - ২০০৭ খ্রিস্টাব্দ

[বইটির নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: ৫)
‌‌المقدمة

إنَّ الحمدَ للهِ نحمدُه ونستعينُه ونستغفرُه، ونعوذُ باللهِ من شُرورِ أنفسِنا، ومن سيئاتِ أعمالِنا، من يهدِهِ اللهُ فلا مضلَّ له، ومن يُضللْ فلا هاديَ له، وأشهدُ أن لا إلهَ إلا اللهُ وحدَه لا شريكَ له، وأشهدُ أن محمداً عبدُه ورسولُه.

وبعدُ، فقد بعثَ اللهُ عز وجل نبيَّه محمداً صلى الله عليه وسلم للعالمَينَ بشيراً ونذيراً، فبلَّغَ الرسالةَ وأدَّى الأمانةَ ونصحَ للأُمةِ، وتركَها على المحجَّةِ البيضاءِ ليلُها كنهارِها، لا يَزيغُ عنها إلا هالكٌ، وكانَ كما أخبرَ عن نفسِهِ صلى الله عليه وسلم حيثُ قالَ: «ما تَركتُ شيئاً يُقربُكم إلى اللهِ إلا وقد أمرتُكم به، وما تَركتُ شيئاً يُبعدُكم عن اللهِ ويُقربُكم إلى النارِ إلا وقد نَهيتُكم عنه»، فجزاهُ اللهُ عن أُمتِه خيرَ ما يَجزي نبياً عن أُمتِه.

ثم قامَ مِن بعدِه صحابتُه الكرامُ رضوانُ اللهِ عليهم أجمعينَ فحمَلوا الرسالةَ وجاهَدوا في اللهِ باللسانِ والسنانِ، فبلَّغوا ما سمِعوا، وبيَّنوا ونَصحوا، فجَزاهم اللهُ عمَّن بعدَهم خيرَ جزاءٍ.

ثم مِن بعدِهم لايزالُ يحملُ هذا العلمَ مِن كلِّ خَلَفٍ عُدولُه، يَنفونَ عنه تَحريفَ الغالينَ وانتحالَ المبطِلينَ وتأويلَ الجاهلينَ.

وسخَّر اللهُ في كلِّ عصرٍ لسُنةِ نبيِّه صلى الله عليه وسلم مَن يحفظُها ويَعيها ويُبلغُها بأمانةٍ لمن بعدَه.

فكانَ تَدوينُ السُّنة مِن وسائلِ الحفظِ والتبليغِ، فتَفننَ أهلُ الحديثِ في تدوينِ أحاديثِ المُصطفى صلى الله عليه وسلم وتَصنيفِها، فظهرَ التصنيفُ على أبوابِ الفقهِ، وعلى مَسانيدِ الصحابةِ، وظهرَت الأجزاءُ الحديثيةُ، والأَمالي والفوائدُ الحديثيةُ، وظهرَت المعاجمُ
ভূমিকা

নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য; আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই নিকট সাহায্য প্রার্থনা করি এবং তাঁরই নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা ও আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি। আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করেন, তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই; আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন, তাকে পথ প্রদর্শন করার কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।

অতঃপর, মহান আল্লাহ তাঁর নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিশ্ববাসীর জন্য সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী হিসেবে প্রেরণ করেছেন। তিনি রিসালাত পৌঁছে দিয়েছেন, আমানত আদায় করেছেন এবং উম্মতকে নসিহত করেছেন। তিনি উম্মতকে এক শুভ্র উজ্জ্বল পথের ওপর রেখে গেছেন, যার রাতও দিনের মতো উজ্জ্বল; ধ্বংসপ্রাপ্ত ব্যক্তি ছাড়া কেউ তা থেকে বিচ্যুত হয় না। তিনি নিজের সম্পর্কে যেমনটি বলেছেন: “আমি এমন কোনো বিষয় বাকি রাখিনি যা তোমাদেরকে আল্লাহর নিকটবর্তী করবে অথচ আমি তোমাদেরকে তার নির্দেশ দেইনি; আর এমন কোনো বিষয় বাকি রাখিনি যা তোমাদেরকে আল্লাহ থেকে দূরে সরিয়ে দেবে এবং জাহান্নামের নিকটবর্তী করবে অথচ আমি তোমাদেরকে তা থেকে নিষেধ করিনি।” সুতরাং আল্লাহ তাঁর উম্মতের পক্ষ থেকে তাঁকে সেই সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন, যা তিনি কোনো নবীকে তাঁর উম্মতের পক্ষ থেকে দান করে থাকেন।

অতঃপর তাঁর পরে তাঁর সম্মানিত সাহাবীগণ (আল্লাহ তাঁদের সকলের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁরা রিসালাতের গুরুভার বহন করেছেন এবং আল্লাহর পথে জবান ও অস্ত্রের মাধ্যমে জিহাদ করেছেন। তাঁরা যা শুনেছেন তা পৌঁছে দিয়েছেন, স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন এবং কল্যাণ কামনা করেছেন। আল্লাহ তাঁদের পরবর্তী প্রজন্মের পক্ষ থেকে তাঁদেরকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন।

অতঃপর তাঁদের পরবর্তী প্রতিটি প্রজন্মের ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তিগণ এই ইলম বহন করে চলছেন। তাঁরা এ থেকে সীমালঙ্ঘনকারীদের বিকৃতি, বাতিলপন্থীদের মিথ্যাচার এবং মূর্খদের অপব্যাখ্যা দূর করেন।

আল্লাহ প্রত্যেক যুগে তাঁর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাহর জন্য এমন ব্যক্তিদের নিয়োজিত করেছেন, যারা তা সংরক্ষণ করেন, অনুধাবন করেন এবং আমানতদারিতার সাথে তাঁদের পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেন।

সুন্নাহর সংকলন ছিল সংরক্ষণ ও প্রচারের অন্যতম মাধ্যম। মুহাদ্দিসগণ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাদীসসমূহ সংকলন ও শ্রেণিবিন্যাসে বিশেষ নৈপুণ্য প্রদর্শন করেছেন। ফলে ফিকহী অধ্যায় এবং সাহাবীগণের মুসনাদ অনুযায়ী গ্রন্থ রচনার পদ্ধতি প্রকাশ পায়। এছাড়া হাদীসের অংশবিশেষ (আজযা), আমালি ও হাদীসের ফাওয়াইদ এবং মু'জাম গ্রন্থসমূহ আত্মপ্রকাশ করে।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: ৬)
والمشيخاتُ، وكذلكَ فإنَّ كتبَ التواريخِ والبلدانِ والطبقاتِ والرجالِ لا تَخلو مِن الأحاديثِ المسندةِ، بل إنَّ بعضَها مِن المصادرِ المعتمدةِ في ذلكَ كتاريخِ بغدادَ وتاريخِ دمشقَ وحليةِ الأولياءِ لأبي نعيمٍ.

وكما اهتمَّ أهلُ الحديثِ بتدوينِ السُّنةِ والتنوعِ في التصنيفِ والترتيبِ، اهتمُّوا أيضاً بما مِن شأنِهِ أَن يُيسِّرَ الوصولَ لما تَحويه هذه المصنفاتُ مِن الأحاديثِ والعلمِ الغزيرِ. فكانَت كتبُ الأطرافِ والزوائدِ.

ومعلومٌ أنَّ كتبَ الروايةِ تَتفاوتُ مِن حيثُ سهولةُ الوصولِ للمرادِ مِنها، فما كانَ مِنها مُصنفاً على أبوابِ الفقهِ فهو أقربُ لنيلِ المرادِ، يليهِ ما كانَ مرتباً على المسانيدِ، أمَّا الأَمالي والفوائدُ والأجزاءُ الحديثيةُ غيرُ المرتبةِ على المواضيعِ وأبوابِ العلمِ فالوصولُ لما فيها عسرٌ جداً، وكذلكَ الحالُ في كتبِ التاريخِ والرجالِ.

وكنتُ كُلما قلبتُ النظرَ في الأجزاءِ والأَمالي والفوائدِ وأَرى ما فيها مِن فوائدَ حديثيةٍ وأحاديثَ زائدةٍ ورواياتٍ وألفاظٍ لا أَجدُها في الأصولِ، أسألُ نَفسي: هل مِن سبيلٍ لتَيسيرِ الوصولِ إليها؟

وكنتُ أَمامَ طَريقينِ: جمع كلِّ الأحاديثِ المسندةِ في هذه الكتبِ وتَرتيبِها، وقَد بدأتُ بذلكَ فعلاً، ولكنْ بكتابِ حليةِ الأولياءِ لأبي نعيمٍ، وما كدتُ أقطعُ شوطاً يسيراً حتى رأيتُ أنَّ أكثرَ الأحاديثِ التي كتبتُها مِنه هي في الكتبِ الستةِ مِن نفسِ الطريقِ وبنفسِ اللفظِ، ولمَّا كنتُ لا أزالُ بعدُ في بدايةِ البدايةِ رأيتُ أَن أُحولَ عَملي إلى استخراجِ الزوائدِ (1)، أمَّا الأحاديثُ التي في الكتبِ الأُصولِ فيُمكن ضَبطُها في

--------------------------------------------

(1) وهذا العدول مني من جمع الكل إلى جمع الزوائد قريب من صنيع الحافظ ابن حجر، حيث قال في المطالب العالية: فإن الاشتغال بالعلم خصوصاً الحديث النبوي من أفضل القربات، وقد جمع أئمتنا منه الشتات على المسانيد والأبواب المرتبات، فرأيت جمع جميع ما وقعت عليه من ذلك في كتاب واحد ليسهل الكشف منه على أولي الرغبات، ثم عدلت إلى جمع الأحاديث الزائدة على الكتب المشهورات في الكتب المسندات.
মাশয়াখাতসমূহ, এবং একইভাবে ইতিহাস, বিভিন্ন দেশ, তাবাকাত (জীবনীস্তর) এবং রিজাল (বর্ণনাকারী) শাস্ত্রের কিতাবসমূহ সনদযুক্ত হাদিস থেকে খালি নয়। বরং এগুলোর কোনো কোনোটি এ ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে বিবেচিত, যেমন—তারিখু বাগদাদ, তারিখু দিমাশক এবং আবু নুআইমের হিলইয়াতুল আউলিয়া।

হাদিস বিশারদগণ যেভাবে সুন্নাহ সংকলন এবং এর শ্রেণিবিন্যাস ও বিন্যাসপদ্ধতিতে বৈচিত্র্য আনয়নের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন, তেমনিভাবে এই সংকলনগুলোর অন্তর্ভুক্ত হাদিস ও অগাধ ইলম পর্যন্ত পৌঁছানোর পথ সহজতর করার বিষয়েও সমান গুরুত্ব দিয়েছেন। এভাবেই আতরাফ এবং যাওয়াইদ গ্রন্থসমূহের সংকলন শুরু হয়।

এটি সুবিদিত যে, রিওয়ায়াত বা হাদিস বর্ণনার গ্রন্থগুলো কাঙ্ক্ষিত বিষয় খুঁজে পাওয়ার সহজসাধ্যতার দিক থেকে ভিন্ন ভিন্ন স্তরের হয়ে থাকে। যে গ্রন্থগুলো ফিকহী অধ্যায় অনুযায়ী বিন্যস্ত, সেগুলো উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য সবচেয়ে সহজলভ্য। এরপর সেই গ্রন্থগুলোর স্থান যা মাসানিদ (সাহাবীদের নাম) অনুযায়ী বিন্যস্ত। তবে আমালি, ফাওয়ায়েদ এবং হাদিসের সেই সব জুজ (অংশ), যা নির্দিষ্ট বিষয় বা ইলমের অধ্যায় অনুযায়ী সাজানো নয়, সেগুলোর বিষয়বস্তু খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। ইতিহাস এবং রিজাল শাস্ত্রের কিতাবগুলোর অবস্থাও তদ্রূপ।

যখনই আমি বিভিন্ন জুজ, আমালি এবং ফাওয়ায়েদ গ্রন্থগুলোতে দৃষ্টিপাত করতাম এবং সেখানে এমন সব হাদিসতাত্ত্বিক উপকারিতা, অতিরিক্ত হাদিস, বর্ণনা ও শব্দাবলি দেখতাম যা মূল উৎসগ্রন্থগুলোতে পাওয়া যায় না, তখন আমি নিজেকে প্রশ্ন করতাম: এগুলো সহজে খুঁজে পাওয়ার কি কোনো পথ আছে?

আমার সামনে দুটি পথ ছিল: এই সকল কিতাবে বিদ্যমান সকল সনদযুক্ত হাদিস একত্রিত করা এবং সেগুলো বিন্যস্ত করা। আমি বাস্তবিকভাবেই আবু নুআইমের হিলইয়াতুল আউলিয়া কিতাব দিয়ে তা শুরু করেছিলাম। কিন্তু আমি অল্প কিছুটা পথ যেতেই লক্ষ্য করলাম যে, উক্ত কিতাব থেকে আমার সংগৃহীত অধিকাংশ হাদিসই কুতুবে সিত্তাহ-তে (ছয়টি প্রসিদ্ধ কিতাবে) একই সূত্রে এবং একই শব্দে বর্ণিত হয়েছে। যেহেতু আমি তখনো একেবারেই শুরুর দিকে ছিলাম, তাই আমি আমার কাজটিকে যাওয়াইদ (অতিরিক্ত হাদিসসমূহ) বের করার কাজে রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত নিলাম (১)। আর যে সকল হাদিস মূল উৎসগ্রন্থগুলোতে রয়েছে, সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব...

--------------------------------------------

(১) সব হাদিস একত্রিত করার পরিবর্তে শুধু যাওয়াইদ বা অতিরিক্ত হাদিসগুলো সংকলনের দিকে আমার এই ফিরে আসা হাফেজ ইবনে হাজারের কর্মপদ্ধতিরই সদৃশ। যেমনটি তিনি ‘আল-মাতালিবুল আলিয়া’ গ্রন্থে বলেছেন: “নিশ্চয়ই ইলমচর্চা, বিশেষ করে নবীজির হাদিস চর্চা করা আল্লাহর নৈকট্য লাভের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। আমাদের ইমামগণ মাসানিদ এবং বিন্যস্ত অধ্যায় অনুসারে বিভিন্ন কিতাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা হাদিসগুলো একত্রিত করেছেন। তাই আমি আগ্রহী ব্যক্তিদের অনুসন্ধানের কাজ সহজ করার লক্ষ্যে আমার নজরে আসা এই সব হাদিসকে একটি কিতাবে সংকলন করার ইচ্ছা পোষণ করি। এরপর আমি প্রসিদ্ধ কিতাবসমূহের অতিরিক্ত এবং মুসনাদ গ্রন্থসমূহে বিদ্যমান হাদিসগুলো সংকলন করার দিকে মনোনিবেশ করি।”
(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: ৭)
عملٍ آخَرَ كذيلٍ على أحدِ الكتبِ الجامعةِ.

فبدأتُ العملَ في مشروعِ الزوائدِ وغيَّرتُ وجهَتي للأجزاءِ الحديثيةِ، وكانَ ذلكَ قبلَ عشرِ سِنينَ مِن كتابةِ هذه الكلماتِ، وتحديداً بعدَ منتصفِ شهرِ شعبانَ سنةَ (1417 هـ)، وأولُ جزءٍ بدأتُ به هو جزءُ سفيانَ بنِ عيينةَ.

ولا زالَ اللهُ يمدُّني مِنه بعونٍ طيلةَ الأعوامِ السابقةِ حتى مَنَّ عليَّ بإنجازِ هذا المشروعِ وكتابةِ هذه الكلماتِ، فَله سبحانَه وحدَه الفضلُ أولاً وآخِراً، وله الحمدُ والشكرُ على ما يَليقُ بجلالِ وجهِه وعظيمِ سلطانِه وتجددِ إنعامِهِ وإحسانِهِ.

وها هو كتابُ

 

‌‌الإيماءُ إلى زوائدِ الأَمالي والأَجزاءِ

جمعتُ فيه ما تفرَّق في المعاجمِ، والمشيخاتِ، والأربعيناتِ، والأَمالي، والفوائدِ، والمجالسِ، والأجزاءِ الحديثيةِ، مِن الأحاديثِ المرفوعةِ الزائدةِ على الكتبِ الستةِ والموطأ ومسندِ الإمامِ أحمدَ.

واستَثنيتُ مِن الأجزاءِ الحديثيةِ الأجزاءَ التي تُرتبُ الأحاديثَ على موضوعٍ، سواءً كانَ موضوعاً واحداً محدداً ككتبِ ابنِ أبي الدُّنيا، أو موضوعاتٍ مترابطةً تندرجُ تحتَ موضوعٍ عامٍّ، ككتبِ الزهدِ والرقائقِ والآدابِ والفضائلِ والعقيدةِ والتوحيدِ والمسائلِ الفقهيةِ ونحوِها.

فهذه الأجزاءُ اصطلحتُ على تَسميتِها بالأجزاءِ الموضوعيةِ، وأضفتُ إليها أيضاً الأجزاءَ التي تجمعُ أحاديثَ الصحابيِّ الواحدِ (1)، والأجزاءَ المفردةَ لطُرقِ

--------------------------------------------

(1) مثل مسند أبي بكر الصديق للمروزي.
একটি সংকলন গ্রন্থের পরিশিষ্ট হিসেবে অন্য একটি কাজ।

আমি জাওয়াইদ (অতিরিক্ত হাদিস সংগ্রহ) প্রকল্পে কাজ শুরু করি এবং হাদিস বিষয়ক অজজাসমূহের (ক্ষুদ্র হাদিস গ্রন্থ) দিকে আমার দিক পরিবর্তন করি। এই কথাগুলো লেখার দশ বছর আগে তা শুরু হয়েছিল, সুনির্দিষ্টভাবে ১৪১৭ হিজরি সালের শাবান মাসের মাঝামাঝি সময়ের পরে। আর আমি যে অজজাটি দিয়ে প্রথম কাজ শুরু করেছিলাম তা হলো সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহর অজজা।

বিগত বছরগুলোতে আল্লাহ তাআলা ধারাবাহিকভাবে আমাকে তাঁর পক্ষ থেকে সাহায্য করে গেছেন, অবশেষে তিনি আমাকে এই প্রকল্পটি সম্পন্ন করার এবং এই কথাগুলো লেখার অনুগ্রহ দান করেছেন। সুতরাং শুরুতে এবং শেষে যাবতীয় শ্রেষ্ঠত্ব ও অনুগ্রহ একমাত্র তাঁরই। তাঁর চেহারার মহিমা এবং তাঁর রাজত্বের বিশালতা অনুযায়ী এবং তাঁর ক্রমাগত নিআমত ও ইহসানের উপযুক্ত যাবতীয় প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা একমাত্র তাঁরই প্রাপ্য।

আর এই হলো সেই কিতাব:

 

‌‌আল-ঈমা ইলা জাওয়াইদিল আমালি ওয়াল অজজা

এতে আমি মু'জাম, মাশইয়াখাত, আরবাঈন, আমালি, ফাওয়ায়েদ, মাজালিস এবং হাদিস বিষয়ক অজজাসমূহে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সেই মারফু হাদিসগুলো একত্রিত করেছি, যা কুতুবে সিত্তা (ছয়টি প্রসিদ্ধ কিতাব), মুয়াত্তা এবং ইমাম আহমাদের মুসনাদে নেই।

আর হাদিস বিষয়ক অজজাসমূহের মধ্য থেকে আমি সেই অজজাসমূহকে বাদ দিয়েছি যা বিষয়ভিত্তিক বিন্যস্ত। চাই তা নির্দিষ্ট একটি বিষয়ের ওপর হোক—যেমন ইবনে আবিদ দুনিয়ার কিতাবসমূহ—অথবা এমন পরস্পর সম্পর্কযুক্ত বিষয়সমূহ যা কোনো একটি সাধারণ বিষয়ের অধীনে পড়ে, যেমন: যুহদ (দুনিয়া বিমুখতা), রাকায়েক (হৃদয় বিগলনকারী বর্ণনা), আদাব (শিষ্টাচার), ফাজায়েল (ফজিলত), আকিদা, তাওহিদ, ফিকহি মাসায়েল এবং এই জাতীয় অন্যান্য কিতাব।

এই অজজাসমূহকে আমি 'বিষয়ভিত্তিক অজজা' হিসেবে নামকরণ করেছি। এর সাথে আমি সেই অজজাসমূহকেও যুক্ত করেছি যা কেবল একজন সাহাবির হাদিসসমূহ সংগ্রহ করে (১), এবং একক সুত্রের (তুরুক) জন্য উৎসর্গকৃত অজজাসমূহকেও...

--------------------------------------------

(১) যেমন মারওয়াযী রচিত মুসনাদে আবু বকর সিদ্দিক।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: ৮)
الحديثِ الواحدِ (1).

وهي مِن حيثُ العددُ أكثرُ من الأجزاءِ والكتبِ التي يقومُ عَليها كتابي هذا، لذلكَ رأيتُ أنَّه مِن الأيسرِ لي أَن أَقسمَ العملَ في الأجزاءِ على مرحلَتينِ، فلا يعلمُ الإنسانُ ما يعرضُ له ويحولُ بينَه وبينَ مرادِه، والحمدُ للهِ أَن وفَّقني لإتمامِ المرحلةِ الأُولى.

ولعلَّ هذه الأجزاءَ الموضوعيةَ تكونُ المرحلةَ الثانيةَ مِن مشروعِ الزوائدِ. واللهُ وليُّ التوفيقِ.

وسَيأتي سردُ أسماءِ الأجزاءِ والكتبِ التي استَخرجتُ زوائدَها في هذا الكتابِ في فصلٍ مستقلٍّ، مرتبةً أبجدياً، ثم مرتبةً على وفياتِ مُصنِّفيها.

ومجالُ عَملي هو الأحاديثُ المرفوعةُ فقط، أمَّا الآثارُ والمقطوعاتُ فقد ميَّزتُها لإخراجِها في عملٍ آخرَ، واللهُ الموفقُ.

 

*‌‌ ترتيبُ الأحاديثِ وطريقةُ كتابةِ المتنِ والسندِ

ورتبتُ الأحاديثَ على مسانيدِ الصحابةِ، وأحاديثَ الصحابيِّ الواحدِ على الموضوعاتِ. على نسقِ ترتيبِ المسندِ الجامعِ (2).

وأذكرُ الحديثَ كاملاً بسندِه (3) ومَتنِه، مُقدماً متنَه مع الحرصِ على التنبيهِ على

--------------------------------------------

(1) مثل جزء فيه قول النبي صلى الله عليه وسلم نضر الله امرءاً سمع مقالتي لأبي عمرو المديني.

‌‌(2) وكتاب المسند الجامع اعتبرته أصلاً لي في عملي هذا في الإحالة والتخريج وبيان اختلاف الألفاظ والروايات، وسيأتي بيان ذلك في فصل خاص، مع بيان سبب اختياري لهذا الترتيب، وتفصيل الأبواب التي رتبت المسانيد عليها.

‌‌(3) وقد أختصر أسانيد الكتب المتأخرة إذا كان المصنف يرويه من طريق أحد المصنفات المطبوعة كمعاجم الطبراني. وكذلك إذا كان الحديث في أكثر من كتاب من طريق أحد المصنفين المشهورين بالتصنيف كالبغوي، فأقول في هذا وسابقه: «من طريق فلان». وقصدي من ذلك الاختصار، حيث أن نظر الناقد والمحقق في مثل هذه الأسانيد يتوجه لإسناد المصنف المتقدِّم المروي من طريقه.
একক হাদীস সংক্রান্ত (১)।

আর সংখ্যার দিক থেকে এগুলো সেই সকল জুজ (অংশ) ও কিতাবসমূহের চেয়েও বেশি যেগুলোর ওপর আমার এই কিতাবটি দাঁড়িয়ে আছে। তাই আমি মনে করেছি যে, জুজসমূহের কাজকে দুই পর্যায়ে ভাগ করা আমার জন্য সহজ হবে; কারণ মানুষ জানে না তার সামনে কী বিপদ আসতে পারে যা তাকে তার উদ্দেশ্য অর্জনে বাধা দেবে। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি আমাকে প্রথম পর্যায় সম্পন্ন করার তাওফিক দান করেছেন।

সম্ভবত এই বিষয়ভিত্তিক জুজসমূহ হবে 'জাওয়াইদ' প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়। আর আল্লাহই তাওফিক দানকারী।

এই কিতাবে যে সকল জুজ ও কিতাব থেকে আমি জাওয়াইদ (অতিরিক্ত হাদীস) বের করেছি, সেগুলোর নামের তালিকা একটি স্বতন্ত্র পরিচ্ছেদে আসবে, যা প্রথমে বর্ণানুক্রমিকভাবে এবং পরে তাদের রচয়িতাদের মৃত্যুসাল অনুযায়ী বিন্যস্ত থাকবে।

আমার কাজের ক্ষেত্র কেবল মারফু হাদীসসমূহ। তবে আসার (সাহাবীদের বাণী) এবং মাকতু (তাবেঈদের বাণী) বিষয়গুলোকে আমি পৃথক করে রেখেছি অন্য একটি কাজে প্রকাশের জন্য। আল্লাহই তাওফিকদাতা।

 

*‌‌ হাদীসসমূহের বিন্যাস এবং মতন ও সনদ লেখার পদ্ধতি

আমি হাদীসসমূহকে সাহাবীদের মুসনাদ অনুযায়ী বিন্যস্ত করেছি এবং একজন সাহাবীর হাদীসসমূহকে বিষয়ভিত্তিক সাজিয়েছি। এটি 'আল-মুসনাদ আল-জামি' (২) এর বিন্যাস পদ্ধতি অনুযায়ী।

আমি হাদীসটি এর সনদ (৩) ও মতনসহ পূর্ণাঙ্গভাবে উল্লেখ করি, যেখানে মতনকে আগে রাখি এবং সেই সাথে সতর্ক করার প্রতি যত্নশীল থাকি...

--------------------------------------------

(১) যেমন আবু আমর আল-মাদীনীর সংকলিত সেই জুজ, যাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এই বাণী রয়েছে: "আল্লাহ সেই ব্যক্তিকে সজীব রাখুন যে আমার কথা শুনেছে"।

‌‌(২) আর 'আল-মুসনাদ আল-জামি' কিতাবটিকে আমি আমার এই কাজে সূত্র প্রদান, তাখরিজ এবং শব্দ ও বর্ণনার ভিন্নতা বর্ণনার ক্ষেত্রে মূল ভিত্তি হিসেবে গণ্য করেছি। এর বিস্তারিত বর্ণনা একটি বিশেষ পরিচ্ছেদে আসবে, যেখানে এই বিন্যাস পদ্ধতি বেছে নেওয়ার কারণ এবং যে সকল অধ্যায় অনুযায়ী মুসনাদগুলোকে সাজানো হয়েছে তার বিবরণ থাকবে।

‌‌(৩) আমি পরবর্তী যুগের কিতাবসমূহের সনদগুলোকে সংক্ষিপ্ত করে দিয়েছি যদি গ্রন্থকার সেটি তাবারানীর মুজামসমূহের মতো কোনো মুদ্রিত গ্রন্থের মাধ্যমে বর্ণনা করেন। একইভাবে যদি হাদীসটি একাধিক কিতাবে বাগভীর মতো কোনো প্রসিদ্ধ গ্রন্থকারের সূত্রের মাধ্যমে থাকে, তবে আমি এক্ষেত্রে এবং পূর্ববর্তী ক্ষেত্রে বলি: "অমুকের সূত্রে"। আমার উদ্দেশ্য হলো সংক্ষেপণ, কারণ এই ধরণের সনদের ক্ষেত্রে সমালোচক ও গবেষকের দৃষ্টি মূলত সেই পূর্ববর্তী গ্রন্থকারের সনদের দিকেই নিবদ্ধ থাকে যার সূত্রে এটি বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: ৯)
اختلافِ الألفاظِ والرواياتِ، ثم اسمَ الكتابِ الذي استَخرجتُ الحديثَ مِنه بإسنادِهِ.

وفي الأحاديثِ التي رَواها أكثرُ مِن مصنِّفٍ أسوقُ إسنادَ كلِّ مصنِّفٍ مُبتدئاً بالأسبقِ وفاةً.

وعندَ التقاءِ الأسانيدِ عندَ راوٍ أختارُ أحدَ أسانيدِ تلكَ الكتبِ وأكملِ به السندَ إلى راوي الحديثِ، وبالتحديدِ أختارُ الإسنادَ الأكثرَ بياناً ووضوحاً في أسماءِ الرواةِ، وقد أضيفُ إليه مِن الأسانيدِ الأُخرى ما يزيدُ في بيانِ الرَّاوي مِن نسبةٍ أو كنيةٍ أو غيرِ ذلكَ، كأَن يكونَ في الإسنادِ الذي اخترتُه: عن سفيانَ، وفي غيرِه: عن الثوريِّ، فأدمجُهما: عن سفيانَ الثوريِّ.

ولا أذكرُ الخلافَ في صيغِ السماعِ، إلا إذا كانَ في السندِ مدلسٌ وكانتْ روايتُه في السندِ الذي اخترتُه عنعنةً وفي غيرِه تصريحٌ بالسماعِ، فأشيرُ إلى الخلافِ بقَولي: وفي رواية .. ، كما يَأتي في حديثِ تميمٍ الداريِّ: «مَن جاءَ يومَ القيامةِ بخمسٍ .. ».

 

*‌‌ تخريجُ الأحاديثِ

وأَكتفي في التعليقِ على الأحاديثِ الزائدةِ بتخريجِها من مجمعِ الزوائدِ للهيثميِّ (1)، والمطالبِ لابنِ حجرَ (2)، والإتحافِ للبُوصيري (3). وأنقلُ حكمَهم على

--------------------------------------------

(1) واعتمدت طبعة مؤسسة المعارف في عشرة مجلدات.

‌‌(2) واعتمدت طبعة دار العاصمة (1419 - 1420 هـ)، والتي أصلها رسائل جامعية نسق بينها الدكتور سعد بن ناصر الشثري.

‌‌(3) واعتمدت الطبعتين المختصرة والمسندة، مبتدئاً برقم الحديث في المختصرة، وحيث وجدت الحديث في أحدهما فقط بينت ذلك.

المختصرة بتحقيق سيد كسروي حسن، طباعة دار الكتب العلمية (1417 هـ).

والمسندة بتحقيق دار المشكاة للبحث العلمي بإشراف أبي تميم ياسر بن إبراهيم، طباعة دار الوطن (1420 هـ). وهي أحسن حالاً من طبعة سابقة لها صدرت عن مكتبة الرشد (1419) بتحقيق عادل بن سعد والسيد بن محمود بن إسماعيل.
শব্দগত ও বর্ণনাগত পার্থক্য, তারপর যে কিতাব থেকে আমি হাদিসটি এর সনদসহ চয়ন করেছি তার নাম।

আর যে হাদিসগুলো একাধিক গ্রন্থকার বর্ণনা করেছেন, সেখানে আমি প্রত্যেক গ্রন্থকারের সনদ উল্লেখ করেছি, যার মৃত্যু আগে হয়েছে তাঁর থেকে শুরু করে।

আর যখন কোনো বর্ণনাকারীর নিকট সনদগুলো মিলিত হয়, তখন আমি ঐ কিতাবগুলোর যেকোনো একটি সনদ বেছে নিই এবং তা দিয়ে মূল বর্ণনাকারী পর্যন্ত সনদ পূর্ণ করি। বিশেষভাবে আমি এমন সনদ নির্বাচন করি যা বর্ণনাকারীদের নামের ক্ষেত্রে অধিক স্পষ্ট ও প্রাঞ্জল। কখনো কখনো আমি অন্যান্য সনদ থেকে এমন কিছু যোগ করি যা বর্ণনাকারীর বংশপরিচয়, উপনাম বা অন্য কিছুকে আরও স্পষ্ট করে; যেমন আমার নির্বাচিত সনদে হয়তো আছে: 'সুফিয়ান থেকে', আর অন্য সনদে আছে: 'সাওরি থেকে', তখন আমি উভয়কে মিলিয়ে উল্লেখ করি: 'সুফিয়ান সাওরি থেকে'।

আর আমি শ্রবণ-পদ্ধতির শব্দগত পার্থক্য উল্লেখ করি না, যদি না সনদে কোনো মুদাল্লিস (বর্ণনাকারী) থাকেন এবং আমার নির্বাচিত সনদে তাঁর বর্ণনাটি অস্পষ্ট শব্দে (আনআনা) হয় আর অন্য কোনো সনদে সরাসরি শ্রবণের স্পষ্ট উল্লেখ থাকে। সেক্ষেত্রে আমি 'অন্য বর্ণনায় এসেছে...' বলে পার্থক্যের দিকে ইঙ্গিত করি, যেমনটি তামীম আদ-দারি (রা.)-এর হাদিসে আসবে: 'যে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন পাঁচটি বিষয় নিয়ে উপস্থিত হবে...'।

 

*‌‌ হাদিসসমূহের তাখরিজ

অতিরিক্ত হাদিসগুলোর ওপর টীকা প্রদানের ক্ষেত্রে আমি সেগুলোকে হাইসামির মাজমাউজ যাওয়ায়েদ (১), ইবনে হাজারের আল-মাতালিব (২) এবং বুসিরির আল-ইতহাফ (৩) থেকে তাখরিজ করার ওপর সীমাবদ্ধ থাকব। এবং আমি তাদের হুকুম (মন্তব্য) উদ্ধৃত করব...

--------------------------------------------

(১) আমি মুআসসাসাতুল মাআরিফ-এর দশ খণ্ডের সংস্করণের ওপর নির্ভর করেছি।

‌‌(২) আমি দারুল আসিমা (১৪১৯ - ১৪২০ হি.) সংস্করণের ওপর নির্ভর করেছি, যার মূল ভিত্তি হলো কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় অভিসন্দর্ভ, যেগুলোর মধ্যে ড. সাদ বিন নাসের আশ-শাথরি সমন্বয় সাধন করেছেন।

‌‌(৩) আমি মুখতাসার (সংক্ষিপ্ত) এবং মুসনাদ (পূর্ণাঙ্গ সনদযুক্ত)—উভয় সংস্করণের ওপরই নির্ভর করেছি; শুরুতে মুখতাসার সংস্করণের হাদিস নম্বর উল্লেখ করেছি, আর যেখানে কেবল একটি সংস্করণে হাদিসটি পেয়েছি সেখানে তা স্পষ্ট করে দিয়েছি।

মুখতাসার সংস্করণটি সাইয়্যেদ কাসরাওয়ি হাসানের তাহকিককৃত, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ (১৪১৭ হি.) থেকে মুদ্রিত।

এবং মুসনাদ সংস্করণটি আবু তামীম ইয়াসির বিন ইবরাহিমের তত্ত্বাবধানে দারুল মিশকাতুল ইলমিয়্যাহ-এর তাহকিককৃত, যা দারুল ওয়াতান (১৪২০ হি.) থেকে প্রকাশিত। এটি মাকতাবাতুর রুশদ (১৪১৯ হি.) থেকে আদিল বিন সাদ এবং আস-সাইয়্যেদ বিন মাহমুদ বিন ইসমাইলের তাহকিককৃত পূর্ববর্তী সংস্করণের চেয়ে উন্নত।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: ১০)
الحديثِ إذا كانَ ينطبقُ على إسنادِ حديثِ الكتابِ. مكتفياً بنقلِ عبارةِ أحدِهم إذا كانتْ عباراتُهم تصبُّ في مصبٍّ واحدٍ.

وإذا كانَ لمحققِ الكتابِ الذي استَخرجتُ الحديثَ مِنه كلامٌ على إسنادِ الحديثِ نقلتُه في الحاشيةِ مختصراً بينَ معقوفَتينِ [].

فكلُّ ما كانَ في الحاشيةِ بينَ معقوفَتينِ [] فهو مِن كلامِ المحققِ، فليُعلمْ ذلكَ فإنَّه مهمٌ.

ونقلتُ ما تيسَّرَ لي مِن كلامِ الأئمةِ في الحكمِ على الحديثِ، واعتَنيتُ خاصةً بكتبِ الألباني رحمه الله، فقَد كانَ كثيرَ العنايةِ بنقلِ كلامِ الأئمةِ على الأحاديثِ، فالإحالةُ على كتبِه إحالةٌ على كثيرٍ مِن الكتبِ المتقدمةِ.

وتكلمتُ في مواضعَ قليلةٍ على إسنادِ الحديثِ إِن لم أجدْ كلاماً لأحدٍ ممن سبقَ، ولم ألتزمْ ذلكَ في كلِّ الأحاديثِ التي هذا شأنُها، لأنَّني لستُ مِن فرسانِ هذا الميدانِ، ثم لأنَّ الحكمَ على الحديثِ فرعٌ عن تخريجِه وطلبِ طرقِهِ وشواهدِهِ،

وعَملي هنا مقتصرٌ على جمعِ الزوائدِ وترتيبِها وتخريجِها مِن كتبِ الزوائدِ.

 

*‌‌ التحريفُ والتصحيفُ في الكتبِ المطبوعةِ.

وهي مِن المشاكلِ التي واجهَتني، فبابُ التحريفِ والسقطِ بابٌ واسعٌ، ومِنه ما يكونُ في المطبوعِ، ومِنه ما يكونُ في الأصلِ الخطيِّ (1)،

--------------------------------------------

(1) وأصعب ما يكون التحريف إذا كان يؤدي إلى اعتبار الحديث زائداً وهو ليس كذلك. ومن أمثلة ذلك:

* ما في أمالي الشجري (2/ 112) وبه قال: أخبرنا ابن ريذة قال: أخبرنا الطبراني قال: حدثنا المقدم بن داود قال: حدثنا أسد بن موسى قال: حدثنا ابن لهيعة قال: حدثنا إزمان بن فايد بن سهم بن حماد عن الحسين عن أبيه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، أن رجلاً سأله فقال: وأي الصائمين أعظم أجراً؟ قال: «أكثرهم لله ذكراً .. »، الصواب كما عند الطبراني 20/ (407): حدثنا زبان بن فائد، عن سهل بن معاذ بن أنس، عن أبيه.

* وما في معجم ابن الأعرابي (2414) حدثنا يحيى: حدثنا يزيد بن أبي حكيم العدني: حدثنا زمعة بن صالح، عن ابن طاوس عن أبيه، عن أبي هارون قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أبردوا بالظهر فإن شدة الحر من فيح جهنم». الصواب والله أعلم: عن أبي هريرة، وكذلك جاء في طبعة دار الكتب العلمية.

* وقد يكون التحريف في المتن، كما في معجم ابن عساكر (1150) من طريق البغوي: حدثنا علي بن الجعد: أخبرنا شعبة، عن الحكم قال: سمعت ابن أبي ليلى، عن بلال، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يمسح على الجبائر والخف. الصواب: على الخمار والخف، وجاء على الصواب في الجعديات (145)، فقد رواه ابن عساكر من طريقه.
হাদিসটি যদি কিতাবের হাদিসের সনদের সাথে সংগতিপূর্ণ হয়। আমি তাদের মধ্য থেকে কেবল একজনের উক্তি উদ্ধৃত করার ওপরই যথেষ্ট মনে করেছি যদি তাদের সকলের বক্তব্য একই মর্ম প্রকাশ করে।

আর যে কিতাব থেকে আমি হাদিসটি চয়ন করেছি, তার মুহাক্কিক (গবেষক) যদি সেই হাদিসের সনদের ওপর কোনো মন্তব্য করে থাকেন, তবে তা আমি টীকায় তৃতীয় বন্ধনীর [] ভেতরে সংক্ষেপে উল্লেখ করেছি।

সুতরাং টীকায় তৃতীয় বন্ধনীর [] ভেতর যা কিছু আছে, তা মুহাক্কিকের বক্তব্য; বিষয়টি জেনে রাখা উচিত, কারণ এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এবং হাদিসের মান নির্ধারণে ইমামগণের বক্তব্য থেকে যা আমার পক্ষে সহজসাধ্য হয়েছে আমি তা উদ্ধৃত করেছি। আমি বিশেষভাবে শায়খ আলবানি (রহিমাহুল্লাহ)-এর কিতাবসমূহের প্রতি গুরুত্ব দিয়েছি, কারণ তিনি হাদিসের বিষয়ে ইমামগণের উক্তি উদ্ধৃত করার ব্যাপারে অতি যত্নবান ছিলেন। তাই তাঁর কিতাবসমূহের হাওয়ালা প্রদান করা মূলত পূর্ববর্তী বহু কিতাবেরই হাওয়ালা প্রদানের নামান্তর।

আর আমি খুব অল্প কিছু স্থানে হাদিসের সনদের ওপর আলোচনা করেছি যদি পূর্ববর্তী কারো কোনো মন্তব্য না পেয়ে থাকি। তবে এ ধরনের সকল হাদিসের ক্ষেত্রে আমি এই নিয়ম অনুসরণ করিনি, কারণ আমি এই ময়দানের কোনো অশ্বারোহী (বিশেষজ্ঞ) নই। তদুপরি, হাদিসের ওপর হুকুম লাগানো মূলত তার তাখরিজ এবং তার বিভিন্ন সূত্র ও সমর্থক বর্ণনা অনুসন্ধানের একটি শাখা মাত্র।

আর আমার কাজ এখানে মূলত জাওয়ায়েদসমূহ (অতিরিক্ত হাদিস) সংগ্রহ, সেগুলোকে বিন্যস্ত করা এবং জাওয়ায়েদের কিতাবসমূহ থেকে সেগুলোর তাখরিজ করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

 

*‌‌ মুদ্রিত কিতাবসমূহে বিকৃতি ও বর্ণবিভ্রান্তি (তাহরিফ ও তাসহিফ)।

এটি এমন এক সমস্যা যার সম্মুখীন আমি হয়েছি; কেননা বিকৃতি ও বাদ পড়ার বিষয়টি অত্যন্ত ব্যাপক। এর কিছু ঘটে মুদ্রিত কপিতে, আবার কিছু ঘটে মূল পাণ্ডুলিপিতে (১)।

--------------------------------------------

(১) বিকৃতির সবচেয়ে কঠিন রূপ হলো যখন এটি কোনো হাদিসকে জায়েদ (অতিরিক্ত) হিসেবে গণ্য করতে বাধ্য করে, অথচ প্রকৃতপক্ষে তা তেমন নয়। এর কিছু উদাহরণ হলো:

* আমালি আশ-শাজারি (২/ ১১২)-তে যা এসেছে: তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবন রিযাহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাবারানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আল-মুকাদ্দাম বিন দাউদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আসাদ বিন মুসা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইবন লাহিআহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইজমান বিন ফায়েদ বিন সাহম বিন হাম্মাদ, হুসাইন থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি তাঁকে জিজ্ঞাসা করল: রোজা পালনকারীদের মধ্যে কার সওয়াব সবচেয়ে বেশি? তিনি বললেন: «যাদের মধ্যে আল্লাহর জিকির সবচেয়ে বেশি...»। সঠিক হলো তাবারানি (২০/ ৪০৭) এর বর্ণনা অনুযায়ী: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন যাব্বান বিন ফায়েদ, সাহল বিন মুআয বিন আনাস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে।

* ইবনুল আরাবির মুজাম (২৪১৪)-তে যা এসেছে: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইয়াযিদ বিন আবি হাকিম আল-আদানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন যামআহ বিন সালিহ, ইবন তাউস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হারুন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমরা জোহরের নামাজ ঠান্ডা করে (দেরিতে) পড়ো, কারণ প্রচণ্ড তাপ জাহান্নামের উত্তাপের অংশ থেকে আসে»। সঠিক হলো—আল্লাহই ভালো জানেন—আবু হুরায়রা থেকে; আর দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ-এর মুদ্রণে এভাবেই এসেছে।

* আর কখনো বিকৃতি মূল পাঠ্যে (মতন) হয়ে থাকে, যেমনটি ইবন আসাকিরের মুজাম (১১৫০)-এ আল-বাগাওয়ির সূত্রে বর্ণিত হয়েছে: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আলি বিন আল-জাদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শু’বাহ, হাকাম থেকে, তিনি বলেন: আমি ইবন আবি লায়লার নিকট শুনেছি, তিনি বিলাল থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাথার কাপড় (খিমার) এবং মোজার ওপর মাসাহ করতেন। সঠিক হলো: খিমার এবং মোজার ওপর। আল-জাদিয়্যাত (১৪৫)-এ এটি সঠিকভাবেই এসেছে, এবং ইবন আসাকির মূলত তাঁর সূত্রেই এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: ১১)
وأَنا هنا مجردُ ناقلٍ لما في المطبوعِ، وقَد يُوفقُني اللهُ بفضلِه ومنِّه للوقوفِ على بعضِ تلكَ التحريفاتِ وتداركِ ما يمكنُ تداركُه، ويَبقى الكثيرُ مما لم أتنبَّه له أو لم أستَطع الجزمَ فيه بشيءٍ، والعهدةُ فيه على المنقولِ مِنه.

وفيما يلي الكلامُ على المسندِ الجامعِ وترتيبِه والذيلِ عليه، وترتيبِ الأبوابِ المعتمدِ في هذا الكتابِ.

ثم فصلٌ عن كتبِ الزوائدِ.

ثم فهرس للأجزاءِ والكتبِ التي استَخرجتُ الزوائدَ مِنها.

ثم فصلٌ خاصٌّ مطولٌ عن الضوابطِ التي اعتمدتُها في اعتبارِ الحديثِ مِن الزوائدِ.
আমি এখানে মুদ্রিত কপির পাঠের একজন বর্ণনাকারী মাত্র। আল্লাহ হয়তো তাঁর অনুগ্রহ ও দয়ায় আমাকে সেসব বিকৃতির কিছু চিহ্নিত করার এবং যা সংশোধনযোগ্য তা সংশোধনের তাওফিক দান করবেন। তবে এমন অনেক কিছুই রয়ে গেছে যা আমার নজরে আসেনি অথবা যে বিষয়ে আমি কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারিনি। এমতাবস্থায় এর দায়ভার যে উৎস থেকে তা সংকলিত হয়েছে তার ওপরই বর্তাবে।

নিম্নে 'আল-মুসনাদ আল-জামি', এর বিন্যাস, এর পরিশিষ্ট এবং এই কিতাবে অনুসৃত অধ্যায়সমূহের বিন্যাস সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

তারপর 'কুতুবুজ জাওয়াইদ' (অতিরিক্ত হাদিসসমূহের কিতাব) সম্পর্কিত একটি পরিচ্ছেদ।

এরপর ঐ সকল খণ্ড ও কিতাবসমূহের সূচিপত্র, যেখান থেকে আমি 'জাওয়াইদ' বের করেছি।

অতঃপর কোনো হাদিসকে 'জাওয়াইদ' হিসেবে গণ্য করার ক্ষেত্রে আমি যে নীতিমালাগুলো অবলম্বন করেছি, সে বিষয়ে একটি সুদীর্ঘ বিশেষ পরিচ্ছেদ।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: ১২)
وبعدُ، فهذا نتاجُ عشرِ سنينَ مِن العملِ، أَرجو أَن أكونَ قد أضفتُ فيه جديداً ومفيداً لمكتبةِ الحديثِ، بذلتُ فيه ما استطعتُ مِن جهدٍ للتشبِّه بالأئمةِ الأعلامِ في سعيِهم لتيسيرِ السُّنةِ لطالِبيها

فتَشبَّهوا إِن لم تكونُوا مِثلَهم … إنَّ التَّشبهَ بالكرامِ فلاحُ

 

واللهَ أسألُ أَن يجعلَ عَملي هذا خالصاً لوَجهِه الكريمِ، وكما منَّ عليَّ بإتمامِ هذا العملِ أن يمنَّ عليَّ بإتمامِ المرحلةِ الثانيةِ واستخراجِ زوائدِ الأجزاءِ الحديثيةِ الموضوعيةِ، وأَن يوفِّقني لخدمةِ سُنةِ نبيِّه صلى الله عليه وسلم وتيسيرِها لطالِبيها.

{وما تَوفيقي إلا باللهِ عَليه تَوكلتُ وإليهِ أُنيبُ}

وللهِ الحمدُ أولاً وآخراً وظاهراً وباطناً

وصلواتُه وسلامُه على سيدِ المرسلينَ وآلِه وصحبِه أجمعينَ

 

وكتب

نبيل سعد الدين جرَّار

مستهل شعبان سنة 1427 هـ

الأردن - عمَّان
অতঃপর, এটি দশ বছরের শ্রমের ফসল। আমি আশা করি এর মাধ্যমে হাদীস পাঠাগারে নতুন ও উপকারী কিছু যোগ করতে পেরেছি। আমি এতে প্রখ্যাত ইমামগণের পদাঙ্ক অনুসরণ করতে আমার সাধ্যমতো প্রচেষ্টা ব্যয় করেছি, যারা সুন্নাহ অন্বেষণকারীদের জন্য তা সহজ করতে সচেষ্ট ছিলেন।

সুতরাং তোমরা তাঁদের সাদৃশ্য গ্রহণ করো যদি তোমরা তাঁদের মতো না-ও হও … নিশ্চয়ই মহান ব্যক্তিদের সাদৃশ্য গ্রহণ করাই হলো সফলতা।

 

আর আল্লাহর কাছে আমি প্রার্থনা করি, তিনি যেন আমার এই কাজকে কেবল তাঁর মহান চেহারার জন্য একনিষ্ঠ করেন। এবং তিনি যেভাবে আমাকে এই কাজ সম্পন্ন করার অনুগ্রহ দান করেছেন, তেমনিভাবে দ্বিতীয় পর্যায় সম্পন্ন করার এবং বিষয়ভিত্তিক হাদীস অংশসমূহের অতিরিক্ত বর্ণনাগুলো বের করার অনুগ্রহ দান করেন। আর তিনি যেন তাঁর নবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সুন্নাহর খিদমত করার এবং অন্বেষণকারীদের জন্য তা সহজ করার তৌফিক দান করেন।

{আর আমার তৌফিক তো কেবল আল্লাহরই সাহায্যে, তাঁরই ওপর আমি ভরসা করেছি এবং তাঁরই দিকে আমি প্রত্যাবর্তন করি}

সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য শুরুতে ও শেষে, প্রকাশ্যে ও অপ্রকাশ্যে।

এবং তাঁর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক রাসূলগণের সরদার এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবীর ওপর।

 

লিখেছেন

নাবিল সা’দ উদ্দীন জাররার

১৪২৭ হিজরি সনের শাবান মাসের শুরুতে

জর্ডান - আম্মান
(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: ১৩)
‌‌المسند الجامع والتذييل عليه

المسندُ الجامعُ لأحاديثِ الكتبِ الستةِ ومؤلفاتِ أصحابِها الأُخرى ومُوطأ مالكٍ ومسانيدِ الحميديِّ وأحمدَ بنِ حنبلٍ وعبدِ بنِ حميدٍ وسننِ الدارميِّ وصحيحِ ابنِ خزيمةَ.

تحقيقُ وترتيبُ: الدكتور بشار عواد، أبوالمعاطي محمد النوري، أحمد عبدالرزاق عيد، أيمن الزاملي، محمود خليل.

نشرُ دار الجيلِ والشركة المتحدةِ (1413 هـ).

عقدتُ هذا الفصلَ للكلامِ عن هذا الكتابِ وترتيبِه، حيثُ أنَّني اعتبرتُه مرجعاً أصيلاً لي في التخريجِ، واستَعضتُ به عن التخريجِ مِن الكتبِ الستةِ ومسندِ أحمدَ والموطأ عندَ تَعددِ الطرقِ والرواياتِ طلباً لاختصارِ العبارةِ.

في نفسِ الوقتِ الذي لمستُ فيه مِن بعضِ الأفاضلِ التقليلَ مِن شأنِ هذا الكتابِ، وأَرجو أَلا يكونَ سببُ ذلكَ الرغبةَ عن كلِّ ما هو جديدٌ.

أمَّا عنِّي أنا فقد وجدتُ فيه مِن المَزايا ما جعَلَني لا أَترددُ في الإعتمادِ عليه في الإحالةِ والتخريجِ، بل وفي أكثرَ مِن ذلكَ، في عملِ تذييلٍ عليه لجمعِ ما تفرَّقَ في الكتبِ والأجزاءِ التي جردتُها مِن أحاديثِ الكتبِ الأصولِ وطرقِها وألفاظِها.

* أولُ هذه المَزايا وأهمُّها: أنَّه يجمعَ الكتبَ الأصولَ في اصطِلاحي لتخريجِ الزوائدِ عليها، وهي الكتبُ الستةُ ومسندُ أحمدَ وموطأ مالكٍ، ولا يشاركُه في هذه الميزةِ كتابٌ مطبوعٌ غيرُه فيما أعلمُ.

* وثانيها: جودةُ ترتيبِه التي تَجمعُ بينَ سهولةِ التخريجِ مِنه حتى دونَ استخدامِ
আল-মুসনাদুল জামি এবং এর পরিশিষ্ট

সিহাহ সিত্তার হাদিসসমূহ এবং তাদের লেখকদের অন্যান্য রচনাবলী, মুওয়াত্তা মালিক, মুসনাদে হুমাইদী, আহমাদ বিন হাম্বল, আবদ বিন হুমাইদ, সুনানে দারেমী এবং সহীহ ইবনে খুযাইমার হাদিসসমূহের সমন্বিত সংকলন আল-মুসনাদুল জামি।

সম্পাদনা ও বিন্যাস: ডক্টর বাশার আওয়াদ, আবুল মাআতী মুহাম্মাদ আল-নূরী, আহমাদ আবদুর রাজ্জাক ঈদ, আয়মান আল-যামিলী, মাহমুদ খলীল।

দারুল জীল এবং আশ-শারিকাতুল মুত্তাহিদা (১৪১৩ হি.) কর্তৃক প্রকাশিত।

আমি এই কিতাব এবং এর বিন্যাস পদ্ধতি নিয়ে আলোচনার জন্য এই অধ্যায়টি নির্ধারণ করেছি। আমি হাদিস নির্দেশিকা বা তাখরীজের ক্ষেত্রে এটিকে একটি মৌলিক রেফারেন্স হিসেবে গণ্য করেছি। বর্ণনার আধিক্য এবং সূত্রের বিভিন্নতার সময় সংক্ষেপণের উদ্দেশ্যে আমি সিহাহ সিত্তাহ, মুসনাদে আহমাদ এবং মুওয়াত্তার পরিবর্তে এই কিতাবটির ওপর নির্ভর করেছি।

একই সাথে আমি লক্ষ্য করেছি যে, কিছু গুণী ব্যক্তি এই কিতাবটির মাহাত্ম্যকে কিছুটা খাটো করে দেখছেন। আমি আশা করি এর কারণ যেন কেবল নতুনের প্রতি বিমুখতা না হয়।

ব্যক্তিগতভাবে আমি এতে এমন সব বৈশিষ্ট্য খুঁজে পেয়েছি যা আমাকে এর ওপর ভিত্তি করে উদ্ধৃতি ও তাখরীজ করতে কোনো দ্বিধায় ফেলেনি। বরং আমি আরও এক ধাপ এগিয়ে এর ওপর একটি পরিশিষ্ট (তাদয়ীল) যুক্ত করার কাজ করেছি; যাতে মূল উৎস গ্রন্থসমূহের ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা হাদিস, সেগুলোর বিভিন্ন সূত্র ও শব্দাবলি যা আমি সংগ্রহ করেছি, সেগুলোকে একত্রিত করা সম্ভব হয়।

* এই গুণাবলির প্রথম এবং প্রধানতম হলো: এটি আমার পরিভাষায় মূল উৎস গ্রন্থসমূহকে একত্রিত করেছে যেগুলোর ওপর ভিত্তি করে অতিরিক্ত হাদিসের (যাওয়ায়েদ) তাখরীজ করা হয়; আর সেগুলো হলো সিহাহ সিত্তাহ, মুসনাদে আহমাদ এবং মুওয়াত্তা মালিক। আমার জানামতে অন্য কোনো মুদ্রিত কিতাব এই বৈশিষ্ট্যে এর সমকক্ষ নয়।

* দ্বিতীয়ত: এর বিন্যাস পদ্ধতির চমৎকারিত্ব, যা কোনো কিছুর সাহায্য ছাড়াই অত্যন্ত সহজে তাখরীজ করার সুযোগ করে দেয়...
(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: ১৪)
الفهارسِ، وأهمُّ مِن ذلكَ: جمعُ طرقِ الحديثِ الواحدِ في مكانٍ واحدٍ، انظرْ فيه مثلاً طرقَ ورواياتِ حديثِ البسملةِ لأنسٍ، وكذا حديث القنوتِ، وحديث العُرَنيينَ له، وغيرُ ذلكَ كثيرٌ.

وهذا الترتيبُ ليسَ بدعةً محدثةً، فقد سُبقوا إليه، قالَ الذَّهبي في ترجمةِ بقيِّ بنِ مخلدٍ في سيرِ أعلامِ النبلاءِ (13/ 291): قالَ ابنُ حزمٍ: ومسندُ بقيٍّ رَوى فيه عن ألفٍ وثلاثِمئةِ صاحبٍ ونيفٍ، ورتَّبَ حديثَ كلِّ صاحبٍ على أبوابِ الفقهِ، فهو مسندٌ ومصنفٌ، وما أعلمُ هذه الرتبةَ لأحدٍ قبلَه.

* وهو بعدَ ذلكَ كتابٌ مطبوعٌ متداولٌ، وأكثرُ مِن ذلكَ هو موجودٌ على شبكةِ المعلوماتِ الإلكترونيةِ الانتَرنت، فيُمكن تحصيلُه بسهولةٍ واستخدامُ خواصِّ الحاسبِ الآلي للبحثِ فيه.

الترتيبُ على الأبوابِ والترتيبُ على المسانيدِ

إنَّ الترتيبَ على أبوابِ الفقهِ فيه فوائدُ كبيرةٌ جليلةٌ، في بابِ الاستنباطِ والاستدلالِ، بل حتى في التخريجِ، خاصةً إذا لم يكن الباحثُ يعرفُ صحابيَّ الحديثِ، فليسَ أمامَه إلا البحثُ بالاعتمادِ على مَعنى الحديثِ.

وهو في هذه الحالةِ - عندَ عدمِ معرفةِ الصحابي - يتفوقُ على الترتيبِ على المسانيدِ، ولكنِّي اخترتُ هذا الأخيرَ لأَمرينِ:

الأمرُ الأولُ: أنَّه يُضيقُ ويحددُ دائرةَ البحثِ إذا عُلم الصحابي، ويُعطي نتيجةً أدقَّ إذا كانَ الصحابي غيرَ مكثرٍ، فبإمكانِ الباحثِ أن يَجردَ مسندَه كلَّه بحثاً عن حديثِهِ، فقد يُروى بغيرِ اللفظِ الذي يبحثُ عنه، وقد يُروى ضمنَ حديثٍ مطولٍ فيه مواضيعُ أُخرى تجعلُه يُصنفُ في بابٍ غيرِ الذي يتوقَّعُه فيه.

الأمرُ الثاني: أنَّني قد عملتُ لنَفسي مشروعاً خاصاً مصغراً، جمعتُ فيه
নির্ঘণ্টসমূহ এবং তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো: একটি একক হাদিসের সকল সূত্র এক স্থানে জমা করা। উদাহরণস্বরূপ এতে আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত বিসমিল্লাহর হাদিস, তেমনিভাবে কুনুতের হাদিস, তাঁর থেকে বর্ণিত উরানীয়্যিনদের হাদিস এবং এ ধরনের আরও অনেক হাদিসের সূত্র ও বর্ণনাগুলো দেখুন।

আর এই বিন্যাস কোনো নতুন উদ্ভাবিত বিদআত নয়, বরং তাঁদের পূর্বেও এটি করা হয়েছে। আয-যাহাবী 'সিয়ারু আলামিন নুবালা' গ্রন্থে (১৩/ ২৯১) বাকি ইবনে মাখলাদ-এর জীবনীতে উল্লেখ করেছেন: ইবনে হাজম বলেছেন: বাকির মুসনাদে তিনি এক হাজার তিনশ'রও বেশি সাহাবী থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং প্রত্যেক সাহাবীর হাদিসকে ফিকহী অধ্যায় অনুসারে বিন্যস্ত করেছেন। ফলে এটি একই সাথে একটি মুসনাদ এবং মুসান্নাফ গ্রন্থ। তাঁর পূর্বে অন্য কারো ক্ষেত্রে এই বিন্যাসের মর্যাদা সম্পর্কে আমি জানি না।

* তাছাড়া এটি বর্তমানে একটি মুদ্রিত ও প্রচলিত গ্রন্থ, এবং এর চেয়েও বড় কথা হলো এটি ইন্টারনেটে বিদ্যমান। তাই এটি সহজেই সংগ্রহ করা এবং এতে অনুসন্ধানের জন্য কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যগুলো ব্যবহার করা সম্ভব।

অধ্যায় ভিত্তিক বিন্যাস বনাম মুসনাদ ভিত্তিক বিন্যাস

নিশ্চয়ই ফিকহী অধ্যায় অনুসারে বিন্যস্ত করার মধ্যে মাসআলা উদ্ভাবন (ইস্তিনবাত) এবং দলিল পেশ করার (ইস্তিদলাল) ক্ষেত্রে অনেক বড় ও মহান উপকারিতা রয়েছে, এমনকি তা হাদিস যাচাই-বাছাই বা তাখরিজের ক্ষেত্রেও সহায়ক। বিশেষ করে যদি গবেষক হাদিসটির বর্ণনাকারী সাহাবীকে না জানেন, তবে হাদিসের অর্থের ওপর ভিত্তি করে অনুসন্ধান করা ছাড়া তাঁর সামনে আর কোনো পথ থাকে না।

এই অবস্থায়—অর্থাৎ সাহাবীর নাম জানা না থাকলে—এটি মুসনাদ ভিত্তিক বিন্যাসের তুলনায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে। তবে আমি নিম্নোক্ত দুটি কারণে পরবর্তীটি বেছে নিয়েছি:

প্রথম কারণ: যদি সাহাবীর নাম জানা থাকে, তবে এটি অনুসন্ধানের পরিধিকে সংকীর্ণ ও নির্দিষ্ট করে দেয় এবং সাহাবী যদি স্বল্প বর্ণনাকারী হন, তবে এটি আরও নিখুঁত ফলাফল প্রদান করে। ফলে গবেষক কাঙ্ক্ষিত হাদিসটি খোঁজার জন্য তাঁর পুরো মুসনাদটিই পর্যালোচনা করতে পারেন। কারণ অনেক সময় হাদিসটি এমন শব্দে বর্ণিত হতে পারে যা দিয়ে গবেষক খুঁজছেন না, অথবা এটি এমন কোনো দীর্ঘ হাদিসের অংশ হিসেবে বর্ণিত হতে পারে যাতে অন্যান্য বিষয়ও রয়েছে, যা একে এমন এক অধ্যায়ে বিন্যস্ত করে দেয় যা গবেষক আশা করেননি।

দ্বিতীয় কারণ: আমি নিজের জন্য একটি ক্ষুদ্র ব্যক্তিগত প্রজেক্ট করেছি, যাতে আমি একত্র করেছি
(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: ১৫)
الأحاديثَ المرفوعةَ مِن كتبِ الزوائدِ الجامعةِ: المجمعِ والمطالبِ والإتحافِ، وضممتُ إليها زوائدَ هذا الكتابِ، وفي نيَّتي أن أضمَّ إليهم زوائدَ بقيةِ الأجزاءِ الحديثيةِ إِن منَّ اللهُ عليَّ ووفَّقني لجمعِها. فلعلَّه إن تم لي ذلكَ أُخرجُها جميعاً مرتبةً على الأبوابِ مختصرةَ الأسانيدِ، فمَن أرادَ البحثَ على المسانيدِ فأمامَه الكتبُ المطولةُ، ومَن أرادَ البحثَ على الأبوابِ فأمامَه المختصرُ الجامعُ. واللهُ وليُّ التوفيقِ (1).

 

‌‌الذَّيلُ على المسندِ الجامعِ

إنَّ استخراجَ الزوائدِ وترتيبَها عملٌ جليلٌ مفيدٌ، يجمعُ ماتفرقَ في الكتبِ مِن الفوائدِ ويجعلُها سهلةً قريبةَ المنالِ لمبتَغيها، ولكنَّه مِن جهةٍ أُخرى يُفوّتُ الاستفادةَ مِن الطرقِ والألفاظِ والرواياتِ التي لا ينطبقُ عليها شرطُ الزوائدِ.

ولما كانَ هدَفي لما بدأتُ مَشروعي هذا هو تيسير الوصولِ لكلِّ ما في هذه الأجزاءِ مِن الأسانيدِ، المرفوعِ مِنها والموقوفِ والمقطوعِ، ما كانَ مِنها في الكتبِ الأصولِ بلفظِه أو معناهُ وما لم يكنْ.

لذلكَ ميزتُ ما ليسَ بالمرفوعِ لجمعِه وترتيبِه، وفيه الموقوفاتُ عن الصحابةِ، والمقطوعاتُ عمَّن بعدَهم، وفيه الأشعارُ والأخبارُ المسندةُ في التاريخِ والجرحِ والتعديلِ.

أمَّا الأحاديثُ المرفوعةُ التي ليستْ في الأصولِ فجمعتُها هنا بضوابطَ سوفَ يَأتي بيانُها.

وبقيَ القسمُ الأكبرُ مِن أسانيدِ هذه الكتبِ والأجزاءِ، وهو ما كانَ في الكتبِ

--------------------------------------------

(1) وأنا بذلك أسير على خطى الهيثمي رحمه الله مع بعض الاختلاف، فمعلوم أن كتابه الجامع الفذ «مجمع الزوائد» هو جمع لكتبه السابقة في الزوائد: زوائد مسند أحمد وأبي يعلى والبزار ومعاجم الطبراني الثلاثة.
সংকলিত যাওয়ায়েদ গ্রন্থসমূহ: মাজমা, মাতালিব এবং ইতহাফ থেকে মারফু হাদিসসমূহ এবং আমি এতে এই গ্রন্থের অতিরিক্ত (যাওয়ায়েদ) অংশগুলোকেও যুক্ত করেছি। আমার নিয়ত হলো এতে অবশিষ্ট হাদিস সংকলনগুলোর অতিরিক্ত অংশগুলোও যুক্ত করা, যদি আল্লাহ আমার প্রতি অনুগ্রহ করেন এবং আমাকে সেগুলো সংগ্রহের তাওফিক দান করেন। সম্ভবত যদি এটি আমার দ্বারা সম্পন্ন হয়, তবে আমি সেগুলোকে অধ্যায়ভিত্তিক সাজিয়ে সংক্ষিপ্ত সনদসহ প্রকাশ করব। তাই যারা মুসনাদ অনুযায়ী অনুসন্ধান করতে চান, তাদের সামনে বিস্তারিত গ্রন্থাবলি রয়েছে; আর যারা অধ্যায়ভিত্তিক অনুসন্ধান করতে চান, তাদের সামনে এই সংক্ষিপ্ত সংকলনটি রয়েছে। আর আল্লাহই তাওফিকদাতা (১)।

 

‌‌আল-মুসনাদ আল-জামি'-এর পরিশিষ্ট

যাওয়ায়েদ (অতিরিক্ত হাদিসসমূহ) বের করা এবং সেগুলো বিন্যস্ত করা একটি মহান ও উপকারী কাজ, যা বিভিন্ন কিতাবে ছড়িয়ে থাকা উপকারিতাগুলোকে একত্রিত করে এবং অনুসন্ধানকারীর কাছে সেগুলোকে সহজলভ্য করে দেয়। কিন্তু অন্যদিকে, এটি এমন সব সূত্র, শব্দ এবং বর্ণনা থেকে উপকৃত হওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করে দেয় যেগুলোর ওপর যাওয়াইদের শর্ত প্রযোজ্য নয়।

আমি যখন এই প্রকল্প শুরু করেছিলাম, তখন আমার উদ্দেশ্য ছিল এই সংকলনগুলোতে বিদ্যমান সকল সনদে পৌঁছানো সহজ করে দেওয়া, চাই তা মারফু হোক, মাওকুফ হোক কিংবা মাকতু হোক; চাই তা মূল গ্রন্থাবলীতে হুবহু শব্দে থাকুক বা অর্থে থাকুক অথবা একেবারেই না থাকুক।

সেজন্য আমি যা মারফু নয় তা সংগ্রহ ও বিন্যস্ত করার জন্য পৃথক করেছি। এতে সাহাবীগণের মাওকুফাত এবং তাদের পরবর্তীগণের মাকতুয়াত রয়েছে এবং এতে রয়েছে কবিতা এবং ইতিহাস ও জারহ-তাদিল বিষয়ক সনদযুক্ত সংবাদসমূহ।

আর যেসব মারফু হাদিস মূল গ্রন্থাবলীতে নেই, সেগুলো আমি এখানে এমন কিছু নীতিমালার ভিত্তিতে সংকলন করেছি যার বর্ণনা সামনে আসবে।

আর এই বই এবং সংকলনগুলোর সনদের বৃহত্তম অংশ অবশিষ্ট রয়ে গেছে, যা মূল কিতাবগুলোতে রয়েছে...

--------------------------------------------

(১) এবং এর মাধ্যমে আমি কিছু পার্থক্যসহ হাইসামি (রহিমাহুল্লাহ)-এর পদাঙ্ক অনুসরণ করছি। এটা সুবিদিত যে, তাঁর অনন্য সংকলন গ্রন্থ 'মাজমাউয যাওয়ায়েদ' হলো তাঁর পূর্ববর্তী যাওয়ায়েদ গ্রন্থসমূহের সংকলন: মুসনাদে আহমাদ, আবু ইয়ালা, বাযযার এবং তাবারানির তিনটি মু'জামের যাওয়ায়েদ।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: ১৬)
الأصولِ مِن نفسِ الطريقِ أو غيرِه، بلفظِه أو بمعناهُ مما لا ينطبقُ عليه شَرطي في الزوائدِ.

وهذِه قد رتبتُها على أرقامِ المسندِ الجامعِ مَع التنبيهِ الموجزِ على تعددِ الطرقِ واختلافِ الألفاظِ، ولعلَّ اللهَ يوفِّقني لإخراجِها كذيلٍ على المسندِ الجامعِ، فَما على الباحثِ إلا أَن يعرفَ رقمَ الحديثِ الذي يريدُه في المسندِ الجامعِ، ثم ينظرَ في هذا الذيلِ ليعرفَ مواضعَ هذا الحديثِ في تلكَ الأجزاءِ فيرجع إليها (1).

وقد رأيتُ هذا الصنيعَ أيسرَ عليَّ مِن جمعِ كلِّ الأحاديثِ وترتيبِها، وأقلُّ تكلفةً على طلبةِ العلمِ، فإذا كانت الزوائدُ وحدَها قد بلغتْ هذه المجلداتِ، فكيفَ بكلِّ الأحاديثِ، هذا فضلاً عن أن جمعَ كلِّ الأحاديثِ يتطلبُ أموراً ليستْ مُتيسرةً لي في الوقتِ الحاضرِ، و {لَا تَدْرِي لَعَلَّ اللَّهَ يُحْدِثُ بَعْدَ ذَلِكَ أَمْرًا} واللهُ الموفقُ.

--------------------------------------------

(1) ولا يشكل على ذلك أن المسند الجامع قد حوى كتباً غير الكتب الأصول في مصطلحي، كمسند الحميدي وعبد بن حميد، فمجال التذييل عندي أحاديث الكتب الستة والموطأ ومسند أحمد.
মূল কিতাবসমূহে একই সূত্র থেকে অথবা ভিন্ন সূত্র থেকে, একই শব্দে বা একই অর্থে বিদ্যমান রয়েছে, যা আমার 'জাওয়ায়েদ' (অতিরিক্ত হাদিস) সংক্রান্ত শর্তের অন্তর্ভুক্ত নয়।

আর আমি এগুলোকে 'আল-মুসনাদ আল-জামি'-এর নম্বর অনুযায়ী সাজিয়েছি, সাথে সূত্রের আধিক্য ও শব্দের ভিন্নতার ওপর সংক্ষিপ্ত সতর্কতা প্রদান করেছি। সম্ভবত আল্লাহ আমাকে এটিকে 'আল-মুসনাদ আল-জামি'-এর একটি পরিশিষ্ট হিসেবে প্রকাশ করার তাওফিক দান করবেন। সুতরাং গবেষকের করণীয় হলো, তিনি 'আল-মুসনাদ আল-জামি'-তে তাঁর কাঙ্ক্ষিত হাদিসের নম্বরটি জানবেন, অতঃপর এই পরিশিষ্টে দেখবেন যাতে ওই অংশগুলোতে এই হাদিসের স্থানগুলো জানতে পারেন এবং সেগুলোর দিকে ফিরে যেতে পারেন (১)।

আমি এই পদ্ধতিটি সব হাদিস একত্রিত করা ও বিন্যস্ত করার চেয়ে আমার জন্য সহজ মনে করেছি এবং এটি ইলম অন্বেষণকারীদের জন্য স্বল্প ব্যয়সাপেক্ষও বটে। কারণ যদি কেবল 'জাওয়ায়েদ' বা অতিরিক্ত হাদিসগুলোই এতো খণ্ডে পৌঁছে যায়, তবে সব হাদিসের ক্ষেত্রে কী অবস্থা হবে? তা ছাড়া সব হাদিস একত্রিত করার জন্য এমন কিছু বিষয়ের প্রয়োজন যা বর্তমানে আমার জন্য সহজলভ্য নয়। আর "তুমি জানো না, হয়তো আল্লাহ এরপর নতুন কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি করবেন।" আল্লাহই তাওফিক দাতা।

--------------------------------------------

(১) এতে কোনো অস্পষ্টতা থাকা উচিত নয় যে, 'আল-মুসনাদ আল-জামি' আমার পরিভাষার মূল কিতাবসমূহ (উসুল) ব্যতীত অন্য কিতাবগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করেছে, যেমন- মুসনাদে হুমাইদি ও আবদ বিন হুমাইদ। তবে আমার এই পরিশিষ্টকরণের ক্ষেত্র হলো কুতুবে সিত্তা (ছয়টি কিতাব), মুওয়াত্তা এবং মুসনাদে আহমাদ-এর হাদিসসমূহ।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: ১৭)
‌‌ترتيب الأبواب

رتبتُ الأحاديثَ على مسانيدِ الصحابةِ، مُبتدئاً بمَن عرفَ باسمِه مِن الرجالِ، ثم مَن عرفَ بالكنيَةِ مِنهم، ثم مسانيدُ النساءِ على نفسِ النهجِ، ثم المبهماتُ، ثم المراسيلُ، وراعيتُ في ترتيبِ المبهماتِ اسمَ المبهِمِ دونَ النظرِ لكونِ المبهَمِ مِن الرجالِ أم مِن النساءِ.

ثم رتبتُ أحاديثَ الصحابيِّ الواحدِ على الموضوعاتِ على التسلسلِ التالي:

‌‌1 - الإيمان. وفيه مِن الأبوابِ: عظمةُ اللهِ، النصيحةُ، الكبائرُ، النفاقُ والرياءُ.

‌‌2 - القدر.

‌‌3 - الطهارة: قضاءُ الحاجةِ، المياهُ والنجاساتُ، السواكُ وخصالُ الفطرةِ، الوضوءُ، المسحُ على الخفينِ، الغسلُ، التيممُ، الحيضُ والنفاسُ.

‌‌4 - الصلاة: فرضُها وفضلُها، المواقيتُ والأوقاتُ المنهيُّ عَنها، الأذانُ، ما يصلَّى فيه وعَليه، السترةُ، صفةُ الصلاةِ، المساجدُ والإمامةُ، الجمعةُ، صلاةُ العيدينِ، الاستسقاءُ، الكسوفُ والخسوفُ، الاستخارةُ، صلاةُ الخوفِ، الجمعُ، السفرُ، التطوعُ وقيامُ الليلِ، سجودُ التلاوةِ وسجودُ الشكرِ.

‌‌5 - الجنائز

‌‌6 - الزكاة: فرضُها، فضلُ الزكاةِ والصدقةُ، أحكامُ الزكاةِ، أنواعُ الصدقةِ، السؤالُ، صدقةُ الفطرِ.

‌‌7 - الصيام: فضلُ شهرِ رمضانَ وصيامِه، أحكامُ الصيامِ، صيامُ النوافلِ، الاعتكافُ وليلةُ القدرِ.
অধ্যায়সমূহের বিন্যাস

আমি হাদিসগুলোকে সাহাবীদের মুসনাদ অনুযায়ী বিন্যস্ত করেছি; শুরুতে পুরুষদের মধ্যে যারা নিজ নামে পরিচিত তাদের দিয়ে শুরু করেছি, এরপর তাদের মধ্যে যারা উপনামে পরিচিত, অতঃপর একই পদ্ধতিতে নারীদের মুসনাদসমূহ, এরপর নামহীন বর্ণনাকারী (মুবহামাত), তারপর মারাসীল (মুরসাল হাদিসসমূহ)। আর নামহীন বর্ণনাকারীদের বিন্যাসের ক্ষেত্রে আমি বর্ণনাকারী পুরুষ না কি নারী তা না দেখে বরং অস্পষ্ট নামটিকে বিবেচনা করেছি।

এরপর আমি প্রত্যেক সাহাবীর হাদিসগুলোকে বিষয়ভিত্তিক হিসেবে নিচের ক্রমধারা অনুযায়ী সাজিয়েছি:

১ - ঈমান। এতে রয়েছে: আল্লাহর মহিমা, নসিহত, কবিরা গুনাহ, নিফাক ও রিয়া সংক্রান্ত অধ্যায়সমূহ।

২ - তাকদির।

৩ - পবিত্রতা: হাজত পূরণ, পানি ও অপবিত্রতাসমূহ, মিসওয়াক ও ফিতরাতের বৈশিষ্ট্যসমূহ, ওযু, মোজার ওপর মাসাহ, গোসল, তায়াম্মুম, হায়েজ ও নিফাস।

৪ - সালাত: সালাতের ফরজ ও মর্যাদা, ওয়াক্তসমূহ ও নিষিদ্ধ সময়সমূহ, আযান, যে পোশাকে ও যার ওপর সালাত আদায় করা হয়, সুতরাহ, সালাতের পদ্ধতি, মসজিদ ও ইমামত, জুমুআ, দুই ঈদের সালাত, ইসতিসকা, সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ, ইস্তিখারা, ভয়ের সালাত, দুই সালাত একত্র করা, সফর, নফল ও কিয়ামুল লাইল, তিলাওয়াতের সিজদাহ ও শোকরানা সিজদাহ।

৫ - জানাযা

৬ - জাকাত: জাকাতের আবশ্যকতা, জাকাত ও সদকার ফজিলত, জাকাতের বিধানাবলি, সদকার প্রকারভেদ, যাঞ্চা করা, সদকাতুল ফিতর।

৭ - সিয়াম: রমজান মাস ও এর রোজার ফজিলত, সিয়ামের বিধানাবলি, নফল রোজা, ইতিকাফ ও লাইলাতুল কদর।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: ১৮)
‌‌8 - الحج.

‌‌9 - النكاح: فضلُه والحثُّ عليه، المحارمُ، الصَّداقُ وما بعدَه، آدابُ الجِماعِ، العِشرةُ وطاعةُ الزوجِ، الغيرةُ، الحضانةُ والنفقةُ.

‌‌10 - الطلاق. وفيه أبوابُ العدةِ، والظهارِ، والإيلاءِ، واللعانِ.

‌‌11 - الفرائض والوصايا.

‌‌12 - البيوع: فضلُ التكسبِ، التجارةُ وأنواعُ الكسبِ، اتخاذُ الغنمِ وغيرِها، البيوعُ المنهيُّ عَنها، أحكامُ البيوعِ، الرِّبا، الدَّينُ والقرضُ، الهديةُ والهبةُ، العُمرى والرُّقبى، إحياءُ المواتِ، الشُّفعةُ، اللقطةُ.

‌‌13 - العتق.

‌‌14 - الأيمان والنذور.

‌‌15 - الحدود والديات.

‌‌16 - الأقضية والأحكام.

‌‌17 - الأطعمة.

‌‌18 - الأشربة.

‌‌19 - الصيد والذبائح.

‌‌20 - الأضاحي.

‌‌21 - الطب والمرض: الصبرُ على المرضِ، التَّداوي والأدويةُ، الكهانةُ والسِّحرُ.

‌‌22 - اللباس والزينة.

‌‌23 - الأدب: برُّ الوالدينِ، صلةُ الرحمِ، البرُّ بالعيالِ والإحسانُ لليَتيمِ، حقُّ الجارِ، حقُّ الضيفِ، حقُّ المسلمِ، الحبُّ في اللهِ والبغضُ في اللهِ، الصلةُ والمعاملةُ بينَ الإخوانِ، صنائعُ المعروفِ، حسنُ الخلقِ، محاسنُ الأخلاقِ ومذمومُها، حفظُ اللسانِ،
8 - হজ।

9 - বিবাহ: এর মর্যাদা ও এর প্রতি উৎসাহ প্রদান, মাহরামগণ, মোহরানা ও তৎপরবর্তী বিষয়সমূহ, সহবাসের আদবসমূহ, দাম্পত্য জীবন ও স্বামীর আনুগত্য, আত্মমর্যাদাবোধ, লালন-পালন ও ভরণপোষণ।

10 - তালাক। এতে রয়েছে ইদ্দত, যিহার, ঈলা এবং লি'আনের অধ্যায়সমূহ।

11 - ফারায়েজ (উত্তরাধিকার) ও অসিয়তসমূহ।

12 - ক্রয়-বিক্রয়: জীবিকা উপার্জনের মর্যাদা, ব্যবসা ও উপার্জনের প্রকারভেদ, ছাগল ও অন্যান্য গবাদিপশু পালন, নিষিদ্ধ ক্রয়-বিক্রয়সমূহ, ক্রয়-বিক্রয়ের বিধানাবলি, সুদ, ঋণ ও কর্জ, হাদিয়া ও হেবা, উমরা ও রুকবা, অনাবাদী জমি আবাদ করা, শুফআ (অগ্রক্রয় অধিকার), কুড়িয়ে পাওয়া বস্তু।

13 - দাসমুক্তি।

14 - শপথ ও মানতসমূহ।

15 - হুদুদ (নির্ধারিত শাস্তি) ও দিয়াত (রক্তপণ)।

16 - বিচারব্যবস্থা ও বিচারবিভাগীয় বিধানাবলি।

17 - খাদ্যদ্রব্যসমূহ।

18 - পানীয়সমূহ।

19 - শিকার ও যবাইকৃত পশু।

20 - কোরবানি।

21 - চিকিৎসা ও রোগ: অসুস্থতায় ধৈর্য ধারণ, চিকিৎসা ও ঔষধপত্র, গণতগিরি ও জাদু।

22 - পোশাক-পরিচ্ছদ ও অলংকরণ।

23 - শিষ্টাচার: পিতা-মাতার সাথে সদাচরণ, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা, পরিবার-পরিজনের সাথে সদাচরণ ও এতিমের প্রতি দয়া, প্রতিবেশীর হক, মেহমানের হক, মুসলিমের হক, আল্লাহর জন্য ভালোবাসা ও আল্লাহর জন্য ঘৃণা পোষণ করা, ভাইদের মধ্যে সুসম্পর্ক ও পারস্পরিক লেনদেন, জনকল্যাণমূলক কাজ, সচ্চরিত্র, প্রশংসনীয় ও নিন্দনীয় গুণাবলি, জিহ্বা নিয়ন্ত্রণ,
(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: ১৯)
الغيبةُ والنميمةُ، الشِّعر، أبوابُ متفرقةٌ، أبوابُ السلامِ والاستئذانِ.

‌‌24 - العقل وعجائب المخلوقات.

‌‌25 - الذكر والدعاء.

‌‌26 - التوبة والاستغفار.

‌‌27 - الرؤيا.

‌‌28 - القرآن. وفيه أبوابُ فضائلِ القرآنِ والتفسيرِ والقرآتِ.

‌‌29 - العلم. وفيه أبوابُ البدعِ والتحذيرِ مِنها.

‌‌30 - الجهاد والسير: فضلُ الجهادِ، الشهادةُ، أبوابُ الرَّمي والخيلِ، أحكامُ الجهادِ، الفيءُ والغنيمةُ، أبوابَ السِّيرُ والمَغازي.

‌‌31 - الهجرة.

‌‌32 - الإمارة. وفيه الترهيبُ مِن الظلمِ، الإخبارُ عن ولاةِ السوءِ.

‌‌33 - المناقب: ذكرُ الأنبياءِ، فضلُ النبيِّ صلى الله عليه وسلم وكرامتُه، خَلقُه وخُلقُه، الخصائصُ وعلاماتُ النبوةِ، فضلُ هذه الأمةِ، فضائلُ آلِ البيتِ والصحابةِ إجمالاً، فضائلُ الخلفاءِ الأربعةِ والعشرةِ المبشرينَ بالجنةِ، فضائلُ الصحابةِ، النساءِ، القبائلِ، الأمكنةِ.

‌‌34 - الزهد.

‌‌35 - الفتن. وفيه أبوابُ الأمرِ بالمعروفِ والنهيِ عن المنكرِ.

‌‌36 - القيامة. وفيه أبوابُ الحوضِ والشفاعةِ والمقامِ المحمودِ.

‌‌37 - صفة الجنة والنار.
গীবত ও চোগলখোরি, কবিতা, বিবিধ অধ্যায়সমূহ, সালাম ও অনুমতি প্রার্থনার অধ্যায়সমূহ।

‌‌২৪ - বুদ্ধি এবং সৃষ্টির বিস্ময়কর বিষয়সমূহ।

‌‌২৫ - জিকির ও দোয়া।

‌‌২৬ - তওবা ও ক্ষমা প্রার্থনা।

‌‌২৭ - স্বপ্ন।

‌‌২৮ - কুরআন। এতে রয়েছে কুরআনের ফজিলত, তাফসির ও কিরাত সম্পর্কিত অধ্যায়সমূহ।

‌‌২৯ - জ্ঞান। এতে রয়েছে বিদআত ও তা হতে সতর্কীকরণ সম্পর্কিত অধ্যায়সমূহ।

‌‌৩০ - জিহাদ ও যুদ্ধাভিযান: জিহাদের ফজিলত, শাহাদাত, তিরন্দাজি ও ঘোড়া সম্পর্কিত অধ্যায়সমূহ, জিহাদের বিধানাবলি, ফায় ও গণিমত, যুদ্ধযাত্রা ও মাগাজি সম্পর্কিত অধ্যায়সমূহ।

‌‌৩১ - হিজরত।

‌‌৩২ - নেতৃত্ব। এতে রয়েছে জুলুমের ব্যাপারে ভীতিপ্রদর্শন এবং মন্দ শাসকদের সম্পর্কে সংবাদ।

‌‌৩৩ - গুণাবলি ও মর্যাদা: নবীদের আলোচনা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ফজিলত ও তাঁর মর্যাদা, তাঁর শারীরিক গঠন ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, বৈশিষ্ট্যসমূহ ও নবুয়তের নিদর্শনাবলি, এই উম্মতের শ্রেষ্ঠত্ব, আহলে বাইত ও সাহাবায়ে কেরামের সামগ্রিক ফজিলত, চার খলিফা ও জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত দশজন সাহাবীর ফজিলত, সাহাবায়ে কেরাম, নারীগণ, গোত্রসমূহ এবং স্থানসমূহের ফজিলত।

‌‌৩৪ - দুনিয়াবিমুখতা।

‌‌৩৫ - ফিতনা। এতে রয়েছে সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ সম্পর্কিত অধ্যায়সমূহ।

‌‌৩৬ - কিয়ামত। এতে রয়েছে হাউজ, শাফায়াত ও মাকামে মাহমুদের অধ্যায়সমূহ।

‌‌৩৭ - জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: ২০)
‌‌كتب الزوائد (1)

بدأَ التصنيفُ في الزوائدِ في القرنِ الثامنِ الهجري، فأولُ مَن ذُكر أنَّه صنفَ في الزوائدِ هو مغلطاي بنُ قليج الحنفيُّ (762 هـ)، وصنفَ:

‌‌1 - زوائدَ ابنِ حبانَ على الصحيحينِ.

قالَ الدكتورُ خلدون الأحدب (ص 52): وهو في مجلدٍ .. والظاهرُ أنَّ عملَه هذا لم يُكتبْ له الذيوعُ والانتشارُ، ولم أقفْ على مَن ذكرَه أو أشادَ به ممن صنفَ في هذا الفنِّ مِن المتقدمينَ.

* ومِن بعدِه ابنُ المُلقنِ عمرُ بنُ عليِّ بنِ أحمدَ الشافعيُّ (804 هـ)، ذكرَ السخاويُّ في الضوءِ اللامعِ (3/ 200) أنَّه

‌‌2 - شرحَ زوائدَ مسلمٍ على البخاريِّ في أربعةِ أجزاءَ.

‌‌3 - وزوائدَ أبي داودَ على الصحيحينِ في مجلدينِ.

‌‌4 - وزوائدَ الترمذيِّ على الثلاثةِ، كتبَ مِنه قطعةً صالحةً.

‌‌5 - وزوائدَ النسائيِّ عليها، كتبَ مِنه جزءاً.

‌‌6 - وزوائدَ ابنِ ماجة على الخمسةِ، في ثلاثِ مجلداتٍ، وسمَّاه: ما تمسُّ إليه الحاجةُ على سننِ ابنِ ماجة، وقالَ في خطبتِه أنَّه لم يرَ مَن كتبَ عليه شيئاً، وأنَّه يبينُ مَن وافقَه مِن باقي الأئمةِ الستةِ، وضبطَ المشكلِ في الأسماءِ والكُنى، وما يحتاجُ إليه

--------------------------------------------

(1) ما سوف أذكره في هذا الفصل تلخيص لما استفدته من مقدمة زوائد تاريخ بغداد للدكتور خلدون الأحدب، وكتاب «علم زوائد الحديث» لعبدالسلام علوش، وكتاب «كتب الزوائد» لمحمد أبوصعيليك.
জাওয়াইদ গ্রন্থসমূহ (১)

অষ্টম হিজরি শতাব্দীতে জাওয়াইদ (অতিরিক্ত হাদিস সংগ্রহ) বিষয়ক গ্রন্থ রচনার সূচনা হয়। এ বিষয়ে প্রথম গ্রন্থ প্রণেতা হিসেবে যার নাম উল্লেখ করা হয়, তিনি হলেন মুগলতাই বিন কুলিজ আল-হানাফি (৭৬২ হি.)। তিনি সংকলন করেছেন:

১ - সহিহাইনের (বুখারি ও মুসলিম) ওপর ইবনে হিব্বানের জাওয়াইদ।

ড. খালদুন আল-আহদাব বলেন (পৃষ্ঠা ৫২): এটি এক খণ্ডে সমাপ্ত... স্পষ্টতই তার এই কর্মটি তেমন সুখ্যাতি ও প্রসার লাভ করেনি, আর এই শাস্ত্রের পূর্ববর্তী লেখকদের মাঝে এমন কাউকে আমি পাইনি যিনি এর উল্লেখ করেছেন বা এর প্রশংসা করেছেন।

* এবং তার পরবর্তী সময়ে ইবনুল মুলাক্কিন উমর বিন আলী বিন আহমদ আশ-শাফিঈ (৮০৪ হি.)। সাখাউয়ি ‘আদ-দাউউল লামি’ (৩/২০০) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে তিনি:

২ - বুখারির ওপর মুসলিমের জাওয়াইদ-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ রচনা করেছেন, যা চার অংশে বিভক্ত।

৩ - এবং সহিহাইনের ওপর আবু দাউদের জাওয়াইদ, দুই খণ্ডে।

৪ - এবং তিন গ্রন্থের ওপর তিরমিজির জাওয়াইদ, তিনি এর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ লিখেছেন।

৫ - এবং সেগুলোর ওপর নাসায়ির জাওয়াইদ, তিনি এর একটি অংশ লিখেছেন।

৬ - এবং পাঁচ গ্রন্থের ওপর ইবনে মাজাহর জাওয়াইদ, তিন খণ্ডে; তিনি এর নামকরণ করেছেন: ‘মা তামাসসু ইলাইহিল হাজাহ আলা সুনানি ইবনে মাজাহ’। তিনি এর ভূমিকায় বলেছেন যে, এই গ্রন্থের ওপর অন্য কাউকে কিছু লিখতে তিনি দেখেননি। এতে তিনি দেখিয়েছেন যে বাকি ছয় ইমামের মধ্য থেকে কারা তার সাথে একমত হয়েছেন, এবং নামের জটিলতা ও উপনামসমূহের নির্ভুল রূপ বর্ণনা করেছেন এবং প্রয়োজনীয় বিষয়সমূহ তুলে ধরেছেন।

--------------------------------------------

(১) এই অধ্যায়ে আমি যা উল্লেখ করব তা হলো ড. খালদুন আল-আহদাবের 'জাওয়াইদ তারিখ বাগদাদ'-এর ভূমিকা, আবদুস সালাম আল্লুশের 'ইলমু জাওয়াইদিল হাদিস' এবং মুহাম্মদ আবু সাঈলিকের 'কুতুবুজ জাওয়াইদ' গ্রন্থ থেকে আমার অর্জিত জ্ঞানের সারসংক্ষেপ।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: ২১)
مِن الغريبِ والغرائبِ مما لم يوافِق الباقينَ.

وقالَ ابنُ قاضي شهبةَ في طبقاتِ الشافعيةِ: ولكن لم يوجدْ ذلكَ بعدَه، لأنَّ كتبَه احتَرقتْ قبلَ موتِهِ بقليلٍ.

* ثم جاءَ الإمامُ الهيثمي (807 هـ) وتركَ بصماتِه الواضحةَ في هذا الفنِّ، وليسَ مِن المبالغةِ القولُ أنَّه إمامُ هذا الفنِّ بلا منازعٍ. وله في هذا الفنِّ ثمانيةُ مصنفاتٍ:

‌‌7 - مواردُ الظمآنِ إلى زوائدِ ابنِ حبانَ. مطبوعٌ.

‌‌8 - بغيةُ الباحثِ عن زوائدِ مسندِ الحارثِ. مطبوعٌ.

‌‌9 - غايةُ المقصدِ في زوائدِ المسندِ. مطبوعٌ.

‌‌10 - المقصدُ العليِّ في زوائدِ أبي يعلى الموصليِّ. مطبوعٌ.

‌‌11 - كشفُ الأستارِ عن زوائدِ البزارِ. مطبوعٌ.

‌‌12 - مجمعُ البحرينِ في زوائدِ المعجمينِ. مطبوعٌ.

‌‌13 - البدرُ المنيرُ في زوائدِ المعجمِ الكبيرِ.

‌‌14 - مجمعُ الزوائدِ ومنبعُ الفوائدِ. مطبوعٌ.

* ومِن بعدِه البُوصيري (840 هـ)، وله في هذا الفنِّ ثلاثةُ مصنفاتٍ:

‌‌15 - مصباحُ الزجاجةِ في زوائدِ ابنِ ماجه. مطبوعٌ.

‌‌16 - فوائدُ المنتقي لزوائدِ البيهقي.

‌‌17 - إتحافُ الخيرةِ المهرةِ بزوائدِ المسانيدِ العشرةِ، وهذه المسانيدُ هي:

مسندُ أبي داودَ الطيالسي، ومُسددٍ، والحميديِّ، وابنِ أبي عمرَ، وإسحاقِ بنِ راهويه، وأبي بكرِ بنِ أبي شيبةَ، وأحمدَ بنِ منيعٍ، وعبدِ بنِ حميدٍ، والحارثِ بنِ أبي
এটি বিরল ও বিস্ময়কর বিষয়সমূহের অন্তর্ভুক্ত যা অন্যান্যদের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।

ইবনে ক্বাযী শুহবাহ 'তাবাক্বাতুশ শাফিঈয়্যাহ' গ্রন্থে বলেন: কিন্তু তাঁর পরে তা আর পাওয়া যায়নি, কারণ তাঁর মৃত্যুর অল্পকাল পূর্বে তাঁর কিতাবসমূহ পুড়ে গিয়েছিল।

* অত:পর ইমাম হাইসামি (৮০৭ হি.) আগমন করেন এবং এই শাস্ত্রে তাঁর সুস্পষ্ট পদচিহ্ন রেখে যান। এ কথা বলা অত্যুক্তি হবে না যে, তিনি এই শাস্ত্রের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ইমাম। এই শাস্ত্রে তাঁর আটটি সংকলন রয়েছে:

‌‌৭ - মাওয়ারিদুজ জামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনে হিব্বান। এটি মুদ্রিত।

‌‌৮ - বুগইয়াতুল বাহিস আন যাওয়াইদি মুসনাদিল হারিস। এটি মুদ্রিত।

‌‌৯ - গায়াতুল মাক্বসাদ ফি যাওয়াইদিল মুসনাদ। এটি মুদ্রিত।

‌‌১০ - আল-মাক্বসাদুল আলি ফি যাওয়াইদি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলি। এটি মুদ্রিত।

‌‌১১ - কাশফুল আসতার আন যাওয়াইদিল বাজ্জার। এটি মুদ্রিত।

‌‌১২ - মাজমাউল বাহরাইন ফি যাওয়াইদিল মুজামাইন। এটি মুদ্রিত।

‌‌১৩ - আল-বাদরুল মুনীর ফি যাওয়াইদিল মুজামিল কাবীর।

‌‌১৪ - মাজমাউয যাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ। এটি মুদ্রিত।

* এবং তাঁর পরে বুসিরি (৮৪০ হি.) আগমন করেন, এই শাস্ত্রে তাঁর তিনটি সংকলন রয়েছে:

‌‌১৫ - মিসবাহুজ যুজাজাহ ফি যাওয়াইদি ইবনি মাজাহ। এটি মুদ্রিত।

‌‌১৬ - ফাওয়াইদুল মুনতাক্বি লি-যাওয়াইদিল বাইহাক্বি।

‌‌১৭ - ইতাহাফুল খাইরাতিল মাহারা বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিল আশারা। আর এই মুসনাদগুলো হলো:

মুসনাদে আবু দাউদ আত-তায়ালিসি, মুসাদ্দাদ, হুমাইদি, ইবনে আবি উমর, ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহ, আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহ, আহমাদ ইবনে মানি, আবদ ইবনে হুমাইদ এবং আল-হারিস ইবনে আবি
(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: ২২)
أسامةَ، والمسندُ الكبيرُ لأبي يعلى الموصليِّ.

وقد اختصَرَه وجرَّدَه مِن الأسانيدِ وسمَّاه: مختصر إتحافِ السادةِ المهرةِ بزوائدِ المسانيدِ العشرةِ.

* ومعاصرُه وشيخُه الحافظُ ابنُ حجرٍ (852 هـ)، وله في هذا الفنِّ خمسةُ مصنفاتٍ:

‌‌18 - زوائدُ مسندِ البزارِ. وقد اعتمدَ فيه على كتابِ الهيثميِّ: كشفِ الأستارِ، وحذفَ مِنه ما رواه الإمامُ أحمدُ في مسندِه، «لأنَّ الحديثَ إذا كانَ في المسندِ الحنبليِّ لم يحتجْ إلى عزوِه إلى مصنفٍ غيرِه لجلالتِه» كذا قالَ في مقدمتِه رحمه الله. والكتابُ مطبوعٌ.

‌‌19 - زوائدُ مسندِ الحارثِ بنِ أبي أسامةَ.

‌‌20 - زوائدُ مسندِ أحمدَ بنِ منيعٍ.

‌‌21 - زوائدُ الأدبِ المفردِ للبخاري.

‌‌22 - المطالبُ العاليةُ بزوائدِ المسانيدِ الثمانيةِ. وهي نفسُها المسانيدُ العشرةُ التي استخرجَ البُوصيري زوائدَها في إتحافِ الخيرةِ، أما قولُه في اسمِ الكتابِ: المسانيد الثمانية، فلأنَّها التي وقعتْ له كاملةً، كما قالَ في مقدمتِه: وقد وقعَ لي مِنها ثمانيةٌ كاملاتٌ.

قلتُ: وتاسعُها مسندُ إسحاقَ بنِ راهويه لم يقعْ له مِنه إلا النصفُ، وعاشرُها مسندُ أبي يعلى فإنَّه تتبعَ ما فاتَ شيخَه الهيثمي في المجمعِ، فغَدا الأمرُ كما قالَ هو في مقدمتِه: فصارَ ما تتبعتُه مِن ذلكَ مِن عشرةِ دواوينَ.

وكتابُه هذا سابقٌ لكتابِ البُوصيري، يظهرُ ذلكَ مِن كلامِ ابنِ حجرَ على الأحاديثِ والتي نقلَها البُوصيري ونسبَها للحافظِ في مواضعَ قليلةٍ، وفي الأغلبِ
উসামা এবং আবু ইয়ালা আল-মাওসিলির আল-মুসনাদুল কাবির।

তিনি এটি সংক্ষেপ করেছেন এবং সনদসমূহ বাদ দিয়েছেন, আর এর নামকরণ করেছেন: মুখতাসারু ইতহাফিস সাদাতিল মাহারা বি-জাওয়াইদিল মাসানিদিল আশারা।

* তাঁর সমসাময়িক এবং তাঁর শিক্ষক হাফিজ ইবনে হাজার (৮৫২ হি.), এই বিদ্যায় তাঁর পাঁচটি গ্রন্থ রয়েছে:

‌‌১৮ - জাওয়াইদু মুসনাদিল বাজার। এতে তিনি হাইসামির কিতাব 'কাশফুল আস্তার'-এর ওপর নির্ভর করেছেন এবং ইমাম আহমদ তাঁর মুসনাদে যা বর্ণনা করেছেন তা তিনি এখান থেকে বাদ দিয়েছেন, «কেননা কোনো হাদিস যখন হাম্বলি মুসনাদে থাকে, তখন এর মর্যাদার কারণে অন্য কোনো গ্রন্থের দিকে তা নিসবত করার প্রয়োজন পড়ে না»—তাঁর কিতাবের ভূমিকায় তিনি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) এভাবেই বলেছেন। আর কিতাবটি মুদ্রিত।

‌‌১৯ - জাওয়াইদু মুসনাদিল হারিস ইবনে আবি উসামা।

‌‌২০ - জাওয়াইদু মুসনাদি আহমদ ইবনে মানি'।

‌‌২১ - জাওয়াইদুল আদাবিল মুফরাদ লিল বুখারি।

‌‌২২ - আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-জাওয়াইদিল মাসানিদিল সামানিয়া। এটি মূলত সেই দশটি মুসনাদ যার অতিরিক্ত হাদিসসমূহ (জাওয়াইদ) বুসিরি 'ইতহাফুল খায়ারা' গ্রন্থে সংকলন করেছেন। আর কিতাবের নামে 'আটটি মুসনাদ' বলার কারণ হলো, এই আটটি তিনি পূর্ণাঙ্গরূপে পেয়েছিলেন, যেমনটি তিনি তাঁর ভূমিকায় বলেছেন: «আমি এগুলোর মধ্যে আটটি পূর্ণাঙ্গরূপে পেয়েছি।»

আমি বলছি: এর নবমটি হলো ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহ-এর মুসনাদ, যার মাত্র অর্ধেক তিনি পেয়েছিলেন। আর দশমটি হলো আবু ইয়ালার মুসনাদ, কেননা তাঁর উস্তাদ হাইসামি 'আল-মাজমা' গ্রন্থে যা ছেড়ে গিয়েছিলেন তিনি তা অনুসন্ধান করেছেন। ফলে বিষয়টি সেরকমই হয়েছে যেমনটি তিনি তাঁর ভূমিকায় বলেছেন: «এভাবে আমি যা অনুসন্ধান করেছি তা দশটি দিওয়ান (সংকলন) থেকে হয়েছে।»

তাঁর এই কিতাবটি বুসিরির কিতাবের আগের, যা হাদিসসমূহের ওপর ইবনে হাজারের মন্তব্য থেকে স্পষ্ট হয়, যে মন্তব্যগুলো বুসিরি উদ্ধৃত করেছেন এবং অল্প কিছু স্থানে হাফিজের দিকে নিসবত করেছেন, আর অধিকাংশ ক্ষেত্রে...
(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: ২৩)
بدونِ الإشارةِ إلى ذلكَ، واللهُ أعلمُ.

* ومِن بعدِهم السيوطي (911 هـ)، وله في هذا الفنِّ مصنفانِ:

‌‌23 - زوائدُ شعبِ الإيمانِ للبيهقي.

‌‌24 - زوائدُ نوادرِ الأصولِ للحكيمِ الترمذي.

 

*‌‌ مصنفاتٌ ذُكرت في الزوائد وهماً:

قالَ الدكتورُ خلدون الأحدب (ص 64 - 65): نُسبَ كتابُ زوائدِ الحليةِ لأبي نعيمٍ، وكتابُ زوائدِ فوائدِ تمامٍ على الكتبِ الستةِ للإمامِ الهيثميِّ، وهو وَهمٌ ممن نسبَه. والذي ذكرَه مُترجمو الإمامِ الهيثميِّ هو قيامُه بترتيبِ أحاديثِ الكتابينِ المذكورينِ على الأبوابِ، كما قامَ بترتيبِ أحاديثِ الغيلانياتِ والخلعياتِ والأفرادِ للدارقطنيِّ، كلٌّ على حدةٍ.

كما نُسبَ كتابُ زوائدِ سننِ الدارقطنيِّ لزينِ الدينِ القاسمِ بنِ قطلوبغا، وهو وَهمٌ أيضاً، والذي قامَ به الإمامُ ابنُ قطلوبغا هو تخريجُ زوائدِ رجالِ سننِ الدارقطنيِّ على الكتبِ الستةِ.

كما نُسبَ كتابُ زوائدِ مسندِ الفردوسِ للدَّيلمي شهردار بنِ شيرويه الهمذاني، للحافظِ ابنِ حجرٍ العسقلانيِّ، ولم أقفْ على مَن ذكرَه مَنسوباً إليه غير المُحدثِ الكتاني. والذي قامَ به الحافظُ رحمه الله هو اختصارُ مسندِ الفردوسِ للدَّيلمي في كتابٍ سمَّاه تسديدَ القوسِ. انتهى.

 

*‌‌ الكتب المعاصرة في الزوائد:

تجددَ في هذا العصرِ الاهتمامُ بالتصنيفِ في الزوائدِ، وأُعدتْ لذلكَ رسائلُ جامعيةٌ، مِنها عدةُ رسائلَ في زوائدِ مصنفِ عبدِالرزاقِ على الكتبِ الستةِ، وأُخرى
সেই বিষয়ের প্রতি ইশারা করা ছাড়াই, আর আল্লাহই ভালো জানেন।

* এরপর রয়েছেন সুয়ূতী (৯১১ হি.), এই শিল্পে (বিদ্যায়) তাঁর দুটি গ্রন্থ রয়েছে:

‌‌২৩ - বায়হাকীর শুয়াবুল ঈমানের যাওয়ায়েদ।

‌‌২৪ - হাকীম তিরমিযীর নাওয়াদিরুল উসূলের যাওয়ায়েদ।

 

*‌‌ যাওয়ায়েদ হিসেবে ভুলবশত উল্লিখিত গ্রন্থসমূহ:

ড. খালদুন আল-আহদাব (পৃষ্ঠা ৬৪ - ৬৫) বলেন: আবু নুআয়ম রচিত ‘হিলয়া’-এর যাওয়ায়েদ এবং ইমাম হাইসামীর ‘কুতুবে সিত্তাহ’-এর ওপর তাম্মাম-এর ‘ফাওয়ায়িদ’-এর যাওয়ায়েদ গ্রন্থদ্বয় ভুলবশত তাঁদের দিকে সম্বন্ধ করা হয়েছে। মূলত ইমাম হাইসামীর জীবনীকারগণ যা উল্লেখ করেছেন তা হলো, তিনি উল্লিখিত গ্রন্থদ্বয়ের হাদিসগুলোকে অধ্যায়ভিত্তিক বিন্যস্ত করেছেন, যেভাবে তিনি ‘গাইলানিয়াত’, ‘খুলাঈয়াত’ এবং দারাকুতনীর ‘আফরাদ’-এর হাদিসগুলো পৃথক পৃথকভাবে বিন্যস্ত করেছেন।

অনুরূপভাবে যয়নুদ্দীন কাসিম ইবন কুতলুবুগার দিকে ‘সুনানুত দারাকুতনী’-এর যাওয়ায়েদ সম্বন্ধ করা হয়েছে, যা একটি ভুল ধারণা। মূলত ইমাম ইবন কুতলুবুগা যা করেছেন তা হলো, কুতুবে সিত্তাহর অতিরিক্ত ‘সুনানুত দারাকুতনী’-এর রাবিদের (বর্ণনাকারীদের) যাওয়ায়েদ সমূহের তাখরিজ করা।

তেমনিভাবে হাফেজ ইবন হাজার আসকালানীর দিকে দাইলামী শাহরদার বিন শিরওয়াইহ আল-হামদানীর ‘মুসনাদুল ফিরদাউস’-এর যাওয়ায়েদ সম্বন্ধ করা হয়েছে, অথচ মুহাদ্দিস কাত্তানী ছাড়া অন্য কাউকে এটি তাঁর দিকে সম্বন্ধ করতে আমি দেখিনি। মূলত হাফেজ (রহ.) যা করেছেন তা হলো দাইলামীর ‘মুসনাদুল ফিরদাউস’-কে সংক্ষিপ্ত করেছেন, যার নাম দিয়েছেন ‘তাসদীদুল কাউস’। সমাপ্ত।

 

*‌‌ যাওয়ায়েদ শাস্ত্রে সমকালীন গ্রন্থসমূহ:

বর্তমান যুগে যাওয়ায়েদ শাস্ত্রের রচনায় আগ্রহ পুনর্জাগরিত হয়েছে এবং এ বিষয়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থিসিস প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কুতুবে সিত্তাহর অতিরিক্ত ‘মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক’-এর যাওয়ায়েদ বিষয়ক বেশ কিছু থিসিস এবং আরও অন্যান্য...
(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: ২৪)
في زوائدِ مصنفِ ابنِ أبي شيبةَ، وغير ذلك.

ولستُ هنا بصددِ تتبعِ هذه الرسائلِ وغيرِها مما صُنفَ حديثاً وما طُبعَ مِنها وما لم يطبعْ.

ولكنْ لا بد هنا مِن ذكرِ كتابِ زوائدِ تاريخِ بغدادَ على الكتبِ الستةِ، للدكتور خلدون الأحدب، والذي طبعَ في عشرِ مجلداتٍ عن دارِ القلمِ سنةَ (1417 هـ). فقد أجادَ فيه وأفادَ، فجزاهُ اللهُ خيراً.

ومما طبعَ حديثاً كتابُ زوائدِ الأجزاءِ المنثورةِ على الكتبِ الستةِ المشهورةِ، لعبدِالسلامِ محمدِ علوش، طبعَ في مجلدٍ عن المكتبِ الإسلامي سنةَ (1416 هـ). جمعَ فيه زوائدَ ثلاثةَ عشرَ جزءاً، وهي:

‌‌(1) جزءُ محمدِ بنِ عاصمٍ الثقفيِّ الأصبهانيِّ.

‌‌(2) جزءٌ مِن مسندِ عبدِالرحمنِ بنِ عوفٍ للبرتي.

‌‌(3) العرشُ وما رويَ فيه لمحمدِ بنِ عثمانَ بنِ أبي شيبةَ.

‌‌(4) جزءُ البعثِ لأبي بكرِ بنِ داودَ السجستانيِّ.

‌‌(5) جزءُ القناعةِ لابنِ السني.

‌‌(6) جزءُ الفوائدِ لأبي الشيخِ الأصبهانيِّ.

‌‌(7) فوائدُ تمامٍ الرازي.

‌‌(8) الأربعينَ الصوفية لأبي نعيمٍ الأصبهاني.

‌‌(9) الأربعينَ الصُّغرى للبيهقي.

‌‌(10) جزءُ فضلِ التهليلِ وثوابِه الجزيلِ لابنِ البنَّاء.

‌‌(11) جزءُ الأربعينَ في فضلِ الدعاءِ والداعينَ لأبي الحسنِ عليِّ بنِ المفضلِ
ইবনে আবি শায়বার মুসান্নাফের অতিরিক্ত হাদিসসমূহ (যাওয়াইদ) এবং অন্যান্য বিষয়ে।

আমি এখানে এই সকল পুস্তিকা এবং আধুনিককালে সংকলিত অন্যান্য রচনাবলী, তার মধ্যে যা মুদ্রিত হয়েছে এবং যা মুদ্রিত হয়নি, সেসব বিস্তারিত পর্যালোচনার উদ্দেশ্যে বসিনি।

তবে এখানে ডক্টর খালদুন আল-আহদাব রচিত 'যাওয়াইদু তারিখি বাগদাদ আলাল কুতুবিল সিত্তা' কিতাবটির কথা উল্লেখ করা আবশ্যক, যা ১৪১৭ হিজরীতে দারুল কলম থেকে দশ খণ্ডে মুদ্রিত হয়েছে। তিনি এতে অত্যন্ত নিপুণ কাজ করেছেন এবং জ্ঞান দান করেছেন, আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দিন।

আর আধুনিককালে মুদ্রিত গ্রন্থসমূহের মধ্যে রয়েছে আবদুস সালাম মুহাম্মদ আল্লুশ রচিত 'যাওয়াইদুল আজযাইল মানসুরা আলাল কুতুবিল সিত্তাতিল মাশহুরা', যা ১৪১৬ হিজরীতে আল-মাকতাবুল ইসলামি থেকে এক খণ্ডে মুদ্রিত হয়েছে। তিনি এতে তেরোটি খণ্ডের (জুজ) অতিরিক্ত হাদিসগুলো একত্রিত করেছেন, আর সেগুলো হলো:

‌‌(১) মুহাম্মদ বিন আসিম আস-সাকাফি আল-আসবেহানির জুজ।

‌‌(২) আল-বারতি বর্ণিত আবদুর রহমান বিন আউফের মুসনাদ থেকে একটি জুজ।

‌‌(৩) মুহাম্মদ বিন উসমান বিন আবি শায়বা বর্ণিত আরশ এবং তৎসম্পর্কিত হাদিসসমূহ।

‌‌(৪) আবু বকর বিন দাউদ আস-সিজিস্তানি রচিত পুনরুত্থান সংক্রান্ত জুজ।

‌‌(৫) ইবনে আস-সুন্নি রচিত তুষ্টি (কানাআত) সংক্রান্ত জুজ।

‌‌(৬) আবুশ শায়খ আল-আসবেহানি রচিত ফাওয়াইদ (উপকারিতা) সংক্রান্ত জুজ।

‌‌(৭) তাম্মাম আর-রাজি-এর ফাওয়াইদ।

‌‌(৮) আবু নুআইম আল-আসবেহানি রচিত আল-আরবাউন আস-সুফিয়া।

‌‌(৯) আল-বাইহাকি রচিত আল-আরবাউন আস-সুগরা।

‌‌(১০) ইবনুল বান্না রচিত তাহলিলের ফজিলত ও এর মহাপুরস্কার সংক্রান্ত জুজ।

‌‌(১১) আবুল হাসান আলী বিন আল-মুফাদ্দাল রচিত দোয়া ও দোয়াকারীদের ফজিলত সংক্রান্ত চল্লিশ হাদিসের সংকলন (আরবাউন)।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: ২৫)
المقدسيِّ.

‌‌(12) جزءُ الأربعينَ في الجهادِ والمجاهدينَ لأبي الفرجِ محمدِ بنِ عبدِالرحمنِ المقرئِ.

‌‌(13) جزءُ الأربعينَ العشاريةِ للعراقيِّ.

وقد اتفقْنا حيثُ استَخراجنا زوائدَ الأجزاءِ الحديثيةِ، وافتَرقنا في أمورٍ مِنها: عددُ الأجزاءِ، وترتيبُ الأحاديثِ، واعتباري الموطأَ ومسندَ أحمدَ مِن الكتبِ الأصولِ.
আল-মাকদিসী।

‌‌(১২) আবুল ফরাজ মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান আল-মুকরি রচিত জিহাদ ও মুজাহিদদের বিষয়ে চল্লিশ হাদীসের সংকলন।

‌‌(১৩) আল-ইরাকির আল-আরবাঈন আল-উশারিয়্যাহ।

আর আমরা হাদীস সংকলনের অতিরিক্ত অংশসমূহ (যা মূল কিতাবে নেই) আহরণের ক্ষেত্রে একমত হয়েছি, তবে আমরা কিছু বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছি, যার মধ্যে রয়েছে: খণ্ডগুলোর সংখ্যা, হাদীসের বিন্যাস এবং মুয়াত্তা ও মুসনাদে আহমাদকে মৌলিক গ্রন্থসমূহের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে আমার গণ্য করা।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: ২৬)
‌‌فهرس الأجزاء والكتب التي جمعت زوائدها

تقدمَ أنَّ الكتبَ التي جمعتُ زوائدَها في هذا الكتابِ هي: المعاجمُ، والمشيخاتُ، والأربعيناتُ، والأَمالي، والفوائدُ، والمجالسُ، والأجزاءُ الحديثيةُ غيرُ المرتبةُ على موضوعٍ أو مسندِ صحابيٍّ.

وفيما يَلي فهرسٌ بأسمائِها مرتبةً أبجدياً، ثم فهرسٌ لوفياتِ مؤلِّفيها.

وقبلَ الشروعِ في ذلكَ لابدَّ هنا مِن تسجيلِ كلمةِ شكرٍ لكلِّ مَن ساعَدني في تجميعِ كلِّ هذه الأجزاءِ، فمَن لم يَشكر الناسَ لم يَشكر اللهَ.

فإنَّ مِن فضلِ اللهِ عليَّ أَن يسَّر لي إخواناً مدُّوا لي يدَ العونِ لتحصيلِ كلِّ هذه الأجزاءِ والكتبِ، ولا يَخفى على مَن له عنايةٌ باقتناءِ الكتبِ كم هو عسرٌ تتبعُ ما يطبعُ حديثاً مِن الكتبِ، فضلاً عن الحصولِ على نسخٍ مما طبعَ قديماً.

وليستْ كلُّ الأجزاءِ التي تأْتي أسماؤُها تمكنتُ مِن الحصولِ على نُسخِها المطبوعةِ، فمِنها ما قمتُ بتَصويرِه مِن مكتبةِ الشيخِ عليٍّ الحلبيِّ، ومكتبةِ الشيخِ مشهور حسن، ومكتبِ الشيخِ شعيبٍ الأرنؤوطِ، جزاهم اللهُ خيراً.

ومِنها ما أحضَره لي بعضُ الأخوةِ عندَ سفرِهم خارجَ الأُردن.

ومِنها ما لم أكنْ أعلمُ بكونِه مطبوعاً حتى نبَّهني عَليه بعضُ الأفاضلِ.

وأحبُّ هنا أَن أخصَّ بالذِّكرِ موقعَ مُلتقى أهلِ الحديثِ:

www.ahlalhdeeth.com

حيثُ كانَ لأعضائِهِ الكرامِ الفضلُ في تَنبيهي على أجزاءَ لم أكنْ أعلمُ بها، ومِنهم مَن أرسلَ لي صوراً عمَّا عجزتُ عن تَحصيلِه.

فجزَى اللهُ خيراً كلَّ مَن ساعَدني في تحصيلِ هذه الأجزاءِ.
যে সকল খণ্ড এবং কিতাবসমূহের অতিরিক্ত অংশসমূহ (জাওয়ায়িদ) সংগ্রহ করা হয়েছে সেগুলোর নির্ঘণ্ট

পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আমি এই গ্রন্থে যে সকল কিতাবের অতিরিক্ত অংশসমূহ সংগ্রহ করেছি সেগুলো হলো: মু’জামসমূহ, মাশায়িখাতসমূহ, আরবাঈনসমূহ, আমালি, ফাওয়ায়িদ, মাজালিস এবং হাদিসের এমন সব খণ্ড (আজজা) যা কোনো নির্দিষ্ট বিষয় বা কোনো সাহাবির মুসনাদ অনুযায়ী বিন্যস্ত নয়।

নিচে সেগুলোর নামের বর্ণানুক্রমিক একটি নির্ঘণ্ট প্রদান করা হলো, এরপর সেগুলোর লেখকদের মৃত্যুসন অনুযায়ী একটি নির্ঘণ্ট দেওয়া হয়েছে।

এ কাজে অগ্রসর হওয়ার আগে যারা আমাকে এই সকল খণ্ড সংগ্রহে সাহায্য করেছেন, তাদের প্রত্যেকের প্রতি এখানে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা প্রয়োজন; কেননা যে মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না, সে আল্লাহর প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না।

এটি আমার ওপর আল্লাহর অনুগ্রহ যে, তিনি আমার জন্য এমন কিছু ভাইকে সহজ করে দিয়েছেন যারা এই সকল খণ্ড এবং কিতাব সংগ্রহের জন্য আমাকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। আর কিতাব সংগ্রহের প্রতি যাদের বিশেষ আগ্রহ আছে তাদের কাছে এটি মোটেও গোপন নয় যে, বর্তমানে নতুন মুদ্রিত কিতাবসমূহের খোঁজ রাখা কতটা দুরূহ কাজ, আর প্রাচীনকালে মুদ্রিত কিতাবগুলোর কপি সংগ্রহ করার বিষয়টি তো বলাই বাহুল্য।

যেসব খণ্ডের নাম সামনে আসবে সেগুলোর সবকটির মুদ্রিত কপি সংগ্রহ করা আমার পক্ষে সম্ভব হয়নি। এগুলোর মধ্যে কোনোটি আমি শায়খ আলী আল-হালাবী, শায়খ মাশহুর হাসান এবং শায়খ শুআইব আল-আরনাউতের লাইব্রেরি থেকে ফটোকপি করে নিয়েছি; আল্লাহ তাঁদেরকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।

এগুলোর মধ্যে কোনোটি জর্ডানের বাইরে ভ্রমণের সময় কিছু ভাই আমার জন্য নিয়ে এসেছেন।

আবার এমন কিছু খণ্ডও ছিল যা মুদ্রিত হয়েছে বলে আমার জানা ছিল না, যতক্ষণ না কিছু গুণী ব্যক্তি আমাকে সে বিষয়ে অবহিত করেছেন।

আমি এখানে বিশেষভাবে ‘মুলতাকা আহলিল হাদিস’ ওয়েবসাইটটির কথা উল্লেখ করতে চাই:

www.ahlalhdeeth.com

যেহেতু এর সম্মানিত সদস্যদের অবদান রয়েছে আমাকে এমন কিছু খণ্ড সম্পর্কে অবহিত করার ক্ষেত্রে যা সম্পর্কে আমি অবগত ছিলাম না, আর তাদের মধ্যে এমনও কেউ ছিলেন যারা আমাকে এমন সব অনুলিপি পাঠিয়েছেন যা সংগ্রহ করতে আমি অক্ষম ছিলাম।

সুতরাং যারা আমাকে এই খণ্ডগুলো সংগ্রহ করতে সাহায্য করেছেন আল্লাহ তাদের সকলকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: ২৭)
‌‌الأجزاء والكتب مرتبة أبجدياً

مما يَنبغي التنبيهُ عَليه قبلَ البدءِ بسردِ الأسماءِ، أنَّني اعتمدتُ في التَرتيبِ الاسمَ المختصرَ الذي اختَرتُه لكلِّ كتابٍ، ومما راعيتُه في الاختصارِ حذفَ كلمةِ: «جزء فيه» في مثلِ: جزءٌ فيه ثلاثةٌ وثلاثونَ حديثاً عن البغويِّ. وحذفَ كلمةِ: «جزء من» في مثلِ: جزءٍ مِن أحاديث أيوبَ السختيانيِّ.

وحذفتُ أيضاً ما وردَ في اسمِ الجزءِ مِن العددِ، مثلَ: «الجزء الثالث والعشرون من» حديثِ أبي الطاهرِ الذهلي. إلا ما كانَ لا بدَّ مِنه للتَمييزِ بينَ المصنفاتِ المتعددةِ لنفسِ المصنِّفِ، مثلَ: الثالث والثمانون مِن الأفرادِ للدارقطني.

وأبدأُ الآنَ بسردِ الأسماءِ مُستعيناً باللهِ:

‌‌1 - أحاديثُ إسماعيلَ بنِ نجيدٍ. نُشرَ على شبكةِ الإنترنت (1) بتَحقيقي.

* وطبعَ ضمنَ مجموعٍ يضمُّ عدداً مِن الأجزاءِ باسمِ: الفوائدِ لابنِ مندةَ. تحقيقُ خلاف محمود عبدالسميع. دار الكتب العلمية (1423 هـ).

‌‌2 - أحاديثُ أيوبَ السّختياني، لإسماعيلَ بنِ إسحاقَ القاضي. تحقيقُ سليمان بنِ عبدِالعزيزِ العريني. مكتبة الرشد (1418 هـ).

‌‌3 - أحاديثُ ابنِ حيانَ. وهو جزءٌ فيه أحاديثُ أبي محمدَ بنِ حيانَ، انتقاء ابنِ

--------------------------------------------

(1) في ملتقى أهل الحديث المتقدم ذكره، حيث وضعت فيه عدداً من الأجزاء الحديثية التي انفردت بها طبعة دار الكتب العلمية المشار إليها، بعد أن قمت بمقابلة تلك الأجزاء على المخطوط لاستدراك ما أمكن من السقط والتصحيف والتحريف الذي امتلأت به تلك الطبعة.
বর্ণানুক্রমে বিন্যস্ত অংশ ও গ্রন্থসমূহ

নামসমূহ তালিকাভুক্ত করার আগে যে বিষয়টি সতর্ক করা প্রয়োজন তা হলো, প্রতিটি গ্রন্থের জন্য আমি যে সংক্ষিপ্ত নাম নির্বাচন করেছি, বিন্যাসের ক্ষেত্রে আমি তা-ই অনুসরণ করেছি। সংক্ষিপ্তকরণের ক্ষেত্রে আমি যা খেয়াল রেখেছি তা হলো: «এতে রয়েছে একটি অংশ» কথাটি বাদ দেওয়া; যেমন: বাগাভী থেকে বর্ণিত তেত্রিশটি হাদিস সংবলিত অংশ। এবং «...এর অংশ» কথাটি বাদ দেওয়া; যেমন: আইয়ুব আস-সাখতিয়ানির হাদিসের অংশ।

এছাড়া গ্রন্থের নামে উল্লেখিত সংখ্যাও আমি বাদ দিয়েছি, যেমন: আবু তাহির আল-জুহলি বর্ণিত হাদিসের «তেেইশতম অংশ»। তবে একই লেখকের একাধিক রচনার মধ্যে পার্থক্য করার জন্য যেখানে সংখ্যা অপরিহার্য ছিল, সেখানে তা রেখে দিয়েছি; যেমন: আদ-দারাকুতনি রচিত ‘আল-আফরাদ’-এর «তিরাশিতম অংশ»।

এখন আল্লাহর সাহায্য নিয়ে নামগুলো উল্লেখ করা শুরু করছি:

১ - ইসমাইল বিন নুজাইদ-এর হাদিসসমূহ। আমার সম্পাদনায় এটি ইন্টারনেটে (১) প্রকাশিত হয়েছে।

* এবং এটি ইবনে মান্দাহ-এর ‘আল-ফাওয়াইদ’ নামক একাধিক অংশের একটি সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়ে মুদ্রিত হয়েছে। সম্পাদনা: খালাফ মাহমুদ আব্দুস সামি। দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ (১৪২৩ হি.)।

২ - আইয়ুব আস-সাখতিয়ানির হাদিসসমূহ, ইসমাইল বিন ইসহাক আল-কাদির রচিত। সম্পাদনা: সুলাইমান বিন আব্দুল আজিজ আল-উরাইনি। মাকতাবাতুর রুশদ (১৪১৮ হি.)।

৩ - ইবনে হাইয়্যান-এর হাদিসসমূহ। এটি একটি পুস্তিকা যাতে আবু মুহাম্মদ ইবনে হাইয়্যানের হাদিস রয়েছে, যা ইবনে... কর্তৃক চয়নকৃত।

--------------------------------------------

(১) পূর্বে উল্লেখিত ‘মুলতাকা আহলিল হাদিস’-এ, যেখানে আমি হাদিসের বেশ কিছু অংশ প্রদান করেছি যা দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ-এর উল্লেখিত সংস্করণে এককভাবে ছিল। পাণ্ডুলিপির সাথে সেই অংশগুলো মিলিয়ে দেখার পর আমি সেগুলোতে বিদ্যমান সম্ভাব্য বাদ পড়া অংশ, লিপিপার্থক্য ও বিকৃতিগুলো সংশোধন করেছি যা ওই সংস্করণে প্রচুর পরিমাণে ছিল।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: ২৮)
مَردويه. تحقيقُ بدر البدر. مكتبة الرشد (1414 هـ).

‌‌4 - أحاديثُ أبي الزبيرِ عن غيرِ جابرٍ، لأبي الشيخِ الأصبهانيِّ. تحقيقُ بدر البدر. مكتبة الرشد (1417 هـ).

‌‌5 - الأحاديثُ الستةُ لابنِ ناصرِ الدينِ. تحقيقُ مشعل بن باني المطيري. طبعَ ضمنَ مجموع فيه رسائلُ لابنِ ناصرِ الدينِ. دار ابن حزم (1422 هـ).

‌‌6 - الأحاديثُ الصحاحُ الغرائبُ لعبدِالرحمنِ بنِ يوسفَ المزي. تحقيقُ إبراهيم بنِ علي بنِ محمد آل كليب. مكتبة العبيكان (1421 هـ).

* وطبعَ بتحقيقِ رياض حسين الطائي. دار المغني (1425 هـ).

‌‌7 - الأحاديثُ الطوالُ للطبرانيِّ. طبعَ في آخِرِ المعجمِ الكبيرِ بتحقيقِ حمدي السلفي.

‌‌8 - أحاديثُ أبي عروبةَ الحرانيِّ. رواية أبي أحمدَ الحاكمِ. تحقيقُ عبدِالرحيمِ محمد أحمد القشقري. مكتبة الرشد (1419 هـ).

‌‌9 - أحاديثُ أبي عمرَ المقرئِ السلميِّ عبدِاللهِ بنِ محمدِ بنِ أحمدَ. نشرَ على شبكةِ الإنترنت بتَحقيقي.

* وطبعَ ضمنَ مجموعٍ يضمُّ عدداً مِن الأجزاءِ كما تقدَّمَ برقم (1).

‌‌10 - أحاديثُ عن أصحابِ ابنِ طبرزدَ. وهو جزءٌ فيه أحاديثُ عن تسعةَ عشرَ شيخاً مِن أصحابِ ابنِ طبرزدَ عمرَ بنِ محمدِ بنِ معمرٍ، تخريج البرزالي. طبعَ ضمنَ مجموعٍ باسمِ: جمهرة الأجزاء الحديثية. تحقيق محمد زياد تكلة. مكتبة العبيكان (1421 هـ).

‌‌11 - أحاديثُ ابنِ معينٍ رواية الشيباني. تحقيقُ عبدالله محمد حسن دمفو. دار المآثر (1420 هـ).
মারদুওয়াই। সম্পাদনা: বদর আল-বদর। মাকতাবাতুর রুশদ (১৪১৪ হিজরি)।

‌‌৪ - আবু শাইখ আল-আসবাহানী বর্ণিত জাবির ছাড়া অন্যদের থেকে আবু আল-যুবাইরের হাদিসসমূহ। সম্পাদনা: বদর আল-বদর। মাকতাবাতুর রুশদ (১৪১৭ হিজরি)।

‌‌৫ - ইবনু নাসিরুদ্দিনের 'আল-আহাদিস আস-সিত্তাহ'। সম্পাদনা: মিশআল বিন বানি আল-মুতাইরি। ইবনু নাসিরুদ্দিনের রিসালাসমূহের একটি সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়ে মুদ্রিত। দার ইবনু হাযম (১৪২২ হিজরি)।

‌‌৬ - আবদুর রহমান বিন ইউসুফ আল-মিযযির 'আল-আহাদিস আস-সিহাহ আল-গরাইব'। সম্পাদনা: ইব্রাহিম বিন আলি বিন মুহাম্মাদ আল কুলাইব। মাকতাবাতুল উবাইকান (১৪২১ হিজরি)।

* এবং রিয়াদ হুসাইন আত-ত্বায়ির সম্পাদনায় মুদ্রিত। দারুল মুগনি (১৪২৫ হিজরি)।

‌‌৭ - তাবারানির 'আল-আহাদিস আত-তিওয়াল'। হামদি আস-সালাফির সম্পাদনায় 'আল-মু'জাম আল-কাবীর'-এর শেষে মুদ্রিত।

‌‌৮ - আবু আরুবাহ আল-হাররানির হাদিসসমূহ। আবু আহমাদ আল-হাকিমের বর্ণনা। সম্পাদনা: আবদুর রহিম মুহাম্মাদ আহমাদ আল-কাশকারি। মাকতাবাতুর রুশদ (১৪১৯ হিজরি)।

‌‌৯ - আবু উমর আল-মুকরি আস-সুলামি আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ-এর হাদিসসমূহ। ইন্টারনেটে আমার সম্পাদনায় প্রকাশিত।

* এবং পূর্বের ১ নম্বরের মতো বেশ কিছু খণ্ড সংবলিত একটি সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়ে মুদ্রিত।

‌‌১০ - ইবনু তাবারযাদের সঙ্গীদের সূত্রে বর্ণিত হাদিসসমূহ। এটি একটি পুস্তিকা যাতে ইবনু তাবারযাদ উমর বিন মুহাম্মাদ বিন মুআম্মার-এর উনিশজন উস্তাদের সূত্রে হাদিস রয়েছে, যা তাখরিজ করেছেন আল-বিরযালি। 'জামহারাতুল আজযা আল-হাদিসিয়্যাহ' নামে একটি সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়ে মুদ্রিত। সম্পাদনা: মুহাম্মাদ যিয়াদ তাকলাহ। মাকতাবাতুল উবাইকান (১৪২১ হিজরি)।

‌‌১১ - ইবনু মাঈনের হাদিসসমূহ, আশ-শায়বানির বর্ণনা। সম্পাদনা: আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ হাসান দামফু। দারুল মাআসির (১৪২০ হিজরি)।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: ২৯)
‌‌12 - أحاديثُ مِن مسموعاتِ أبي ذرٍّ الهرويِّ. نشرَ على شبكةِ الإنترنت بتَحقيقي.

* وطبعَ ضمنَ مجموعٍ يضمُّ عدداً مِن الأجزاءِ كما تقدمَ برقم (1).

‌‌13 - أحاديثُ منتقاةٌ مِن جزءِ أبي مسعودٍ أحمدَ بنِ الفراتِ، انتقاءُ العلائي. تحقيقُ أبي عمارٍ عبدلله بن ضيف الله الشمراني. دار الريان - الإمارت (1413 هـ).

‌‌14 - الأحاديثُ المئةُ لابنِ طولونَ، وهو الأحاديثُ المئةُ المشتملةُ على مئةِ نسبةٍ إلى الصنائعِ. تحقيق مسعد عبدالحميد السعدني. دار الطلائع.

‌‌15 - أحاديثُ أبي نعيمٍ عن أبي علي الصوافِ. تحقيقُ سليمانَ بنِ عبدِالعزيزِ العريني. مكتبة الرشد (1420 هـ).

‌‌16 - أحاديثُ وأخبارٌ عن أبي بكرٍ الصولي محمدِ بنِ يحيى النديمِ. نشرَ على شبكة الإنترنت بتَحقيقي.

* وطبعَ ضمنَ مجموعٍ يضمُّ عدداً مِن الأجزاءِ كما تقدمَ برقم (1).

‌‌17 - أخبارُ أبي حنيفةَ وأصحابِه للصيمري الحسينِ بنِ عليِّ بنِ محمدٍ الحنفيِّ. تحقيقُ أبي الوفا الأفغاني. حيدر آباد (1394 هـ).

‌‌18 - أخبارُ ابنِ أبي ذئبٍ لابنِ زبر الربعي أبي سليمانَ محمدِ بنِ عبدِاللهِ. تحقيقُ أبي هاشمٍ إبراهيمَ بنِ منصورٍ الهاشمي. مؤسسة الريان (1425 هـ).

‌‌19 - أخبارُ الشيوخِ لأبي بكرٍ المروذي أحمدَ بنِ محمدِ بنِ الحجاجِ. تحقيقُ عامر صبري. دار البشائر الإسلامية (1426 هـ).

‌‌20 - أخبارُ عَمرو بنِ عبيدٍ للدارقطنيِّ. أصدرَه المعهدُ الألماني للأبحاثِ الشرقية في بيروت سنة (1967) بتحقيق يوسف فان إس.

‌‌21 - أخبارٌ وحكاياتٌ عن أبي بكرٍ الربعيِّ، لأبي الحسنِ محمدِ بنِ الفيضِ
‌১২ - আবু যার আল-হারাউয়ীর শ্রবণকৃত হাদীসসমূহ। আমার সম্পাদনায় ইন্টারনেটে প্রকাশিত।

* এবং এটি ১ নম্বর ক্রমিকে বর্ণিত একাধিক খণ্ড সংবলিত একটি সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়ে মুদ্রিত হয়েছে।

‌‌১৩ - আবু মাসউদ আহমদ ইবনুল ফুরাতের জুয থেকে নির্বাচিত হাদীসসমূহ, নির্বাচন করেছেন আল-আলাঈ। সম্পাদনা: আবু আম্মার আব্দুল্লাহ বিন দাইফুল্লাহ আশ-শামরানি। দারুর রাইয়ান - আমিরাত (১৪১৩ হিজরী)।

‌‌১৪ - ইবনে তুলুনের একশত হাদীস, যা মূলত শিল্প ও পেশার সাথে সম্পৃক্ত একশত সম্বন্ধের ওপর ভিত্তি করে রচিত একশত হাদীস। সম্পাদনা: মুসআদ আব্দুল হামিদ আস-সাদানি। দারুত তালাই।

‌‌১৫ - আবু আলী আস-সাউওয়াফ থেকে বর্ণিত আবু নুয়াইমের হাদীসসমূহ। সম্পাদনা: সুলাইমান বিন আব্দুল আজিজ আল-উরাইনি। মাকতাবাতুর রুশদ (১৪২০ হিজরী)।

‌‌১৬ - আবু বকর আস-সুলি মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আন-নাদিমের হাদীস ও বর্ণনাগুলি। আমার সম্পাদনায় ইন্টারনেটে প্রকাশিত।

* এবং এটি ১ নম্বর ক্রমিকে বর্ণিত একাধিক খণ্ড সংবলিত একটি সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়ে মুদ্রিত হয়েছে।

‌‌১৭ - আস-সাইমারি আল-হুসাইন বিন আলী বিন মুহাম্মদ আল-হানাফি রচিত আবু হানিফা ও তাঁর সাথীদের সংবাদসমূহ। সম্পাদনা: আবুল ওয়াফা আল-আফগানি। হায়দ্রাবাদ (১৩৯৪ হিজরী)।

‌‌১৮ - ইবনে যাবর আর-রুবায়ী আবু সুলাইমান মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ রচিত ইবনে আবি দি'বের সংবাদসমূহ। সম্পাদনা: আবু হাশিম ইব্রাহিম বিন মনসুর আল-হাশেমি। মুয়াসসাসাতুর রাইয়ান (১৪২৫ হিজরী)।

‌‌১৯ - আবু বকর আল-মাররুজি আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাজ্জাজ রচিত শায়েখদের সংবাদসমূহ। সম্পাদনা: আমির সাবরি। দারুল বাশাইর আল-ইসলামিয়্যাহ (১৪২৬ হিজরী)।

‌‌২০ - আদ-দারা কুতনি রচিত আমর বিন উবাইদের সংবাদসমূহ। এটি ১৯৬৭ সালে বৈরুতে অবস্থিত জার্মান ওরিয়েন্টাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট কর্তৃক ইউসেফ ভ্যান এস-এর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছে।

‌‌২১ - আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন আল-ফায়েজ রচিত আবু বকর আর-রুবায়ী সংক্রান্ত সংবাদ ও গল্পসমূহ।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: ৩০)
الغساني. تحقيقُ إبراهيم صالح. دار البشائر (1994 م).

‌‌22 - الأربعينَ للآجُري. تحقيقُ بدر البدر. أضواء السلف (1420 هـ).

* وطبعَ بتحقيقِ عليٍّ الحلبي. المكتب الإسلامي ودار عمار. (1409 هـ).

‌‌23 - الأربعينَ الأبدال العَوالي لابنِ عساكرٍ. تحقيقُ محمدِ بنِ ناصرٍ العجمي. دار البشائر الإسلامية (1425 هـ).

‌‌24 - الأربعينَ لأبي البركاتِ النيسابوريِّ إسماعيلَ بنِ أبي سعدٍ. تحقيقُ مفلح بن سليمان الرشيدي وبدر بن فواز المطرفي. دار الخضيري (1421 هـ).

‌‌25 - الأربعينَ للبكري أبي عليٍّ الحسنِ بنِ محمدِ بنِ محمدٍ. تحقيقُ محمد محفوظ. دار الغرب الإسلامي (1400 هـ).

‌‌26 - الأربعينَ البُلدانية للسِّلَفي. تحقيقُ مسعد السعدني. أضواء السلف (1418 هـ).

* وطبعَ بتحقيقِ عبدِاللهِ رابح. مكتبة دار البيروتي (1412 هـ).

‌‌27 - الأربعينَ البُلدانية لابنِ عساكرٍ. تحقيقُ عبدو الحاج محمد الحريري. المكتب الإسلامي (1413 هـ).

* وطبعَ بتحقيقِ محمد مطيع حافظ. دار الفكر - سوريا. (1413 هـ).

* وطبعَ بتحقيقِ مصطفى عاشور. مكتبة القرآن.

‌‌28 - الأربعينَ التساعية لابنِ جماعةَ. تحقيقُ عبدالجواد خلف. دار البيان (1416 هـ).

‌‌29 - الأربعينَ لابنِ تيميةَ. تحقيقُ أحمد إبراهيم الحاج. مؤسسة الريان (1418 هـ).

‌‌30 - الأربعينَ للثقفيِّ القاسمِ بنِ الفضلِ الأصبهاني. طبعَ مع الأربعينَ لمحمدِ بنِ أسلمَ الطوسي. تحقيقُ مشعل بن باني المطيري. دار ابن حزم (1421 هـ).
আল-গাসসানি। সম্পাদনা: ইব্রাহিম সালিহ। দারুল বাশাইর (১৯৯৪ খ্রি.)।

‌‌২২ - আল-আজুররি সংকলিত আল-আরবাউন। সম্পাদনা: বদর আল-বদর। আদওয়াউস সালাফ (১৪২০ হি.)।

* এবং আলি আল-হালাবির সম্পাদনায় মুদ্রিত। আল-মাকতাবুল ইসলামি ও দারু আম্মার। (১৪০৯ হি.)।

‌‌২৩ - ইবনে আসাকিরের আল-আরবাউন আল-আবদাল আল-আওয়ালি। সম্পাদনা: মুহাম্মদ বিন নাসির আল-আজমি। দারুল বাশাইর আল-ইসলামিয়্যাহ (১৪২৫ হি.)।

‌‌২৪ - আবু বারাকাত আন-নিশাবুরি ইসমাইল বিন আবি সা'দের আল-আরবাউন। সম্পাদনা: মুফলিহ বিন সুলাইমান আল-রাশিদি ও বদর বিন ফাওয়াজ আল-মুতারিফি। দারুল খুদাইরি (১৪২১ হি.)।

‌‌২৫ - আল-বাকরি আবু আলি আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদের আল-আরবাউন। সম্পাদনা: মুহাম্মদ মাহফুজ। দারুল গারব আল-ইসলামি (১৪০০ হি.)।

‌‌২৬ - আস-সিলাফির আল-আরবাউন আল-বুলদানিয়্যাহ। সম্পাদনা: মুসআদ আস-সাদানি। আদওয়াউস সালাফ (১৪১৮ হি.)।

* এবং আব্দুল্লাহ রাবিহ-এর সম্পাদনায় মুদ্রিত। মাকতাবাতু দারিল বৈরুতি (১৪১২ হি.)।

‌‌২৭ - ইবনে আসাকিরের আল-আরবাউন আল-বুলদানিয়্যাহ। সম্পাদনা: আবদু আল-হাজ মুহাম্মদ আল-হারিরি। আল-মাকতাবুল ইসলামি (১৪১৩ হি.)।

* এবং মুহাম্মদ মুতি হাফিজের সম্পাদনায় মুদ্রিত। দারুল ফিকর - সিরিয়া। (১৪১৩ হি.)।

* এবং মুস্তফা আশুরের সম্পাদনায় মুদ্রিত। মাকতাবাতুল কুরআন।

‌‌২৮ - ইবনে জামাআহর আল-আরবাউন আত-তুসায়িয়্যাহ। সম্পাদনা: আব্দুল জাওয়াদ খালাফ। দারুল বায়ান (১৪১৬ হি.)।

‌‌২৯ - ইবনে তাইমিয়্যাহর আল-আরবাউন। সম্পাদনা: আহমাদ ইব্রাহিম আল-হাজ। মুয়াসসাসাতুর রায়্যান (১৪১৮ হি.)।

‌‌৩০ - আস-সাকাফি আল-কাসিম বিন আল-ফজল আল-আসফাহানির আল-আরবাউন। এটি মুহাম্মদ বিন আসলাম আত-তুসির আল-আরবাউনের সাথে মুদ্রিত। সম্পাদনা: মিশআল বিন বানি আল-মুতাইরি। দারু ইবনু হাজম (১৪২১ হি.)।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: ৩১)
‌‌31 - أربعينَ حديثاً مِن حديثِ بريدٍ للدارقطنيِّ. وهو كتابٌ فيه أربعونَ حديثاً مِن مسندِ بريدِ بنِ عبدِاللهِ بنِ أبي بردةَ عن جده عن أبي موسى الأشعريِّ، جمع الدارقطنيِّ. تحقيقُ محمد بن عبدالكريم عبيد. جامعة أم القرى (1420 هـ).

‌‌32 - الأربعينَ الصُّغرى للبيهقي. تحقيقُ أبي إسحاقَ الحويني الأثري. دار الكتاب العربي (1408 هـ).

‌‌33 - الأربعينَ الصوفية للسُّلمي أبي عبدِالرحمنِ محمد بن الحسين. دائرة المعارف العثمانية بحيدر آباد.

* واستعنتُ بكتابِ تخريجِ الأربعينَ السلميةِ للسَّخاوي. تحقيقُ علي الحلبي. دار عمار (1408 هـ).

‌‌34 - الأربعينَ الصوفية لأبي نعيمٍ. تحقيقُ بدر البدر. دار ابن حزم (1414 هـ).

‌‌35 - الأربعينَ الطائية، لأبي الفتوحِ محمدِ بنِ محمدِ بنِ عليٍّ الطائي. تحقيقُ عبدالستار أبوغدة. دار البشائر الإسلامية (1420 هـ).

* وطبعَ بتحقيقِ علي حسين البواب. مكتبة المعارف (1417 هـ).

* وبتحقيقِ أحمدَ بنِ فريد المزيدي. دار الكتب العلمية (1419 هـ).

‌‌36 - الأربعينَ العُشارية، لأبي الفضلِ العراقي. طبعَ مع الأربعينَ في الجهادِ لأبي الفرجِ المقرئ. تحقيق بدر البدر. دار ابن حزم (1413 هـ).

‌‌37 - الأربعينَ على الطبقاتِ لعليِّ بنِ المفضلِ المقدسي. تحقيقُ محمد سالم بن محمد بن جمعان العبادي. أضواء السلف (1413 هـ).

‌‌38 - الأربعينَ في الجهادِ لأبي الفرجِ المقرئ محمدِ بنِ عبدِالرحمنِ. طبعَ مع الأربعينَ العُشارية. تحقيقُ بدر البدر. دار ابن حزم (1413 هـ).

‌‌39 - الأربعينَ في الحثِّ على الجهادِ لابنِ عساكرٍ. تحقيقُ عبدالله بن يوسف.
‌31 - দারাকুতনী সংকলিত বুরাইদের চল্লিশটি হাদিস। এটি এমন একটি গ্রন্থ যাতে বুরাইদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি বুরদাহ তার দাদা থেকে এবং তিনি আবু মুসা আল-আশআরী থেকে বর্ণিত মুসনাদে বুরাইদ-এর চল্লিশটি হাদিস রয়েছে, যা দারাকুতনী সংগ্রহ করেছেন। সম্পাদনা: মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল কারিম উবাইদ। উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয় (১৪২০ হিজরি)।

‌‌32 - বায়হাকী রচিত ‘আল-আরবাউন আস-সুগরা’। সম্পাদনা: আবু ইসহাক আল-হুওয়াইনী আল-আসারি। দারুল কিতাব আল-আরাবি (১৪০৮ হিজরি)।

‌‌33 - আবু আব্দুর রহমান মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আস-সুলামী রচিত ‘আল-আরবাউন আস-সুফিয়্যাহ’। হায়দ্রাবাদের দাইরাতুল মাআরিফ আল-উসমানিয়া।

* এবং আমি সাখাবী রচিত ‘তাখরিজু আরবাউন আস-সুলামিয়্যাহ’ গ্রন্থের সাহায্য নিয়েছি। সম্পাদনা: আলী আল-হালাবি। দারু আম্মার (১৪০৮ হিজরি)।

‌‌34 - আবু নুআইম রচিত ‘আল-আরবাউন আস-সুফিয়্যাহ’। সম্পাদনা: বদর আল-বদর। দারু ইবনে হাযম (১৪১৪ হিজরি)।

‌‌35 - আবুল ফুতুহ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী আত-তাঈ রচিত ‘আল-আরবাউন আত-তাইয়্যাহ’। সম্পাদনা: আব্দুস সাত্তার আবু গুদ্দাহ। দারুল বাশাইর আল-ইসলামিয়্যাহ (১৪২০ হিজরি)।

* এটি আলী হুসাইন আল-বাউওয়াব-এর সম্পাদনায় মুদ্রিত হয়েছে। মাকতাবাতুল মাআরিফ (১৪১৭ হিজরি)।

* এবং আহমদ ইবনে ফারিদ আল-মাযিদি-এর সম্পাদনায়। দারুল কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ (১৪১৯ হিজরি)।

‌‌36 - আবুল ফাদল আল-ইরাকি রচিত ‘আল-আরবাউন আল-উশারিয়্যাহ’। এটি আবু আল-ফারাজ আল-মুকরি রচিত ‘আল-আরবাউন ফিল জিহাদ’-এর সাথে মুদ্রিত হয়েছে। সম্পাদনা: বদর আল-বদর। দারু ইবনে হাযম (১৪১৩ হিজরি)।

‌‌37 - আলী ইবনুল মুফাদ্দাল আল-মাকদিসি রচিত ‘আল-আরবাউন আলাত তাবাকাত’। সম্পাদনা: মুহাম্মদ সালিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জামআন আল-আব্বাদি। আদওয়াউস সালাফ (১৪১৩ হিজরি)।

‌‌38 - আবু আল-ফারাজ আল-মুকরি মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান রচিত ‘আল-আরবাউন ফিল জিহাদ’। এটি ‘আল-আরবাউন আল-উশারিয়্যাহ’-এর সাথে মুদ্রিত হয়েছে। সম্পাদনা: বদর আল-বদর। দারু ইবনে হাযম (১৪১৩ হিজরি)।

‌‌39 - ইবনে আসাকির রচিত ‘আল-আরবাউন ফিল হাসসি আলাল জিহাদ’। সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমা ইলা যাওয়ায়িদিল আমালী ওয়াল আজযা (পৃষ্ঠা: ৩২)
دار الخلفاء للكتاب الإسلامي (1404 هـ).

‌‌40 - الأربعينَ في دلائلِ التوحيدِ للهرويِّ. تحقيقُ أبي مالك جهاد بن السيد المرشدي. دار ابن رجب - المنصورة.

* وطبعَ بتحقيقِ علي بن محمد بن ناصر الفقيهي (1404 هـ).

‌‌41 - الأربعينَ في شيوخِ الصوفيةِ للماليني أبي سعدٍ أحمدَ بنِ محمدِ بنِ أحمدَ. تحقيقُ عامر صبري. سلسلة الأجزاء (4). دار البشائر الإسلامية (1417 هـ).

‌‌42 - الأربعينَ في فضلِ الدعاءِ لعليِّ بنِ المفضلِ المقدسي. طبعَ مع الأربعينَ الصوفية لأبي نعيمٍ. تحقيقُ بدر البدر. دار ابن حزم (1414 هـ).

‌‌43 - الأربعينَ في فضلِ الرحمةِ لابنِ طولونَ. تحقيقُ محمد خير رمضان يوسف. دار ابن حزم (1416 هـ).

‌‌44 - الأربعينَ في مناقبِ أمهاتِ المؤمنينَ، لأبي منصورٍ عبدِالرحمنِ بنِ محمدِ بنِ الحسنِ بنِ هبةِ اللهِ بنِ عساكرٍ. تحقيقُ محمد مطيع الحافظ وغزوة بدير. دار الفكر - دمشق (1406 هـ).

* وطبعَ بتحقيقِ محمدِ بنِ إبراهيمَ الدسوقي. مكتبة القرآن.

‌‌45 - الأربعينَ القشيرية، لأبي سعدٍ عبدِاللهِ بنِ عمرَ بنِ أبي نصرٍ القُشيري. طبعَ مع أربعين الآجُري. تحقيقُ بدر البدر. أضواء السلف (1420 هـ).

‌‌46 - الأربعينَ الكيلانية لعبدِالرزاقِ بنِ عبدِالقادرِ الكيلاني. تحقيقُ زهير الشاويش. المكتب الإسلامي (1421 هـ).

‌‌47 - الأربعينَ المتبانية بالسماعِ لابنِ حجرٍ. تحقيقُ صلاح الدين مقبول أحمد. الدار السلفية - الكويت (1408 هـ).

* وطبعَ بتحقيقِ محمد حسن إسماعيل. دار الكتب العلمية (1418 هـ).
দারুল খুলাফা লিল কিতাব আল-ইসলামি (১৪০৪ হি.)।

‌‌৪০ - আল-হারউয়ীর ‘দালাইলুত তাওহিদ’-এর উপর আল-আরবাউন। তাহকিক: আবু মালিক জিহাদ বিন আস-সাইয়্যিদ আল-মুরশিদী। দার ইবনে রাজাব - আল-মানসুরাহ।

* এবং এটি আলী বিন মুহাম্মাদ বিন নাসির আল-ফাকিহীর তাহকিকে মুদ্রিত হয়েছে (১৪০৪ হি.)।

‌‌৪১ - মালিনী আবু সাদ আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদের ‘সুফি মাশায়িখ’-এর উপর আল-আরবাউন। তাহকিক: আমির সাবরি। সিলসিলাতুল আজজা (৪)। দারুল বাশায়ির আল-ইসলামিয়্যাহ (১৪১৭ হি.)।

‌‌৪২ - আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসীর ‘দোয়ার ফজিলত’-এর উপর আল-আরবাউন। এটি আবু নুয়াইমের ‘আরবাউন সুফিয়্যাহ’-এর সাথে মুদ্রিত হয়েছে। তাহকিক: বদর আল-বদর। দার ইবনে হাজম (১৪১৪ হি.)।

‌‌৪৩ - ইবনে তুলুনের ‘রহমতের ফজিলত’-এর উপর আল-আরবাউন। তাহকিক: মুহাম্মাদ খাইর রামাদান ইউসুফ। দার ইবনে হাজম (১৪১৬ হি.)।

‌‌৪৪ - আবু মানসুর আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হাসান বিন হিবাতুল্লাহ বিন আসাকিরের ‘উম্মাহাতুল মুমিনীনের গুণাবলি’-এর উপর আল-আরবাউন। তাহকিক: মুহাম্মাদ মুতি আল-হাফিয এবং গাযওয়াহ বদীর। দারুল ফিকর - দামেস্ক (১৪০৬ হি.)।

* এবং এটি মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম আদ-দুসুকীর তাহকিকে মুদ্রিত হয়েছে। মাকতাবাতুল কুরআন।

‌‌৪৫ - আবু সাদ আব্দুল্লাহ বিন উমার বিন আবু নাসর আল-কুশাইরীর ‘আল-আরবাউন আল-কুশাইরিয়্যাহ’। এটি আল-আজুররীর ‘আরবাউন’-এর সাথে মুদ্রিত হয়েছে। তাহকিক: বদর আল-বদর। আদওয়াউস সালাফ (১৪২০ হি.)।

‌‌৪৬ - আব্দুর রাজ্জাক বিন আব্দুল কাদির আল-কিলানীর ‘আল-আরবাউন আল-কিলানিয়্যাহ’। তাহকিক: যুহাইর আশ-শাভিশ। আল-মাকতাব আল-ইসলামি (১৪২১ হি.)।

‌‌৪৭ - ইবনে হাজারের ‘আল-আরবাউন আল-মুতাবায়িনাতু বিস-সামা’। তাহকিক: সালাহুদ্দিন মাকবুল আহমাদ। আদ-দারুস সালাফিয়্যাহ - কুয়েত (১৪০৮ হি.)।

* এবং এটি মুহাম্মাদ হাসান ইসমাইলের তাহকিকে মুদ্রিত হয়েছে। দারুল কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ (১৪১৮ হি.)।