(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: -)
تخريج مشكلة الفقر (ناصر الدين الألباني)
القسم: التخريج والأطراف
الكتاب: تخريج أحاديث مشكلة الفقر وكيف عالجها الإسلام
المؤلف: محمد ناصر الدين الألباني (ت 1420هـ)
الناشر: المكتب الإسلامي - بيروت
الطبعة: الأولى - 1405 هـ- 1984 م
عدد الصفحات: 83
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
দারিদ্র্য সমস্যার তাখরিজ (নাসিরুদ্দিন আল-আলবানি)
বিভাগ: তাখরিজ ও আতরাফ
বই: দারিদ্র্য সমস্যা এবং ইসলাম যেভাবে এর সমাধান করেছে তার হাদিসসমূহের তাখরিজ
লেখক: মুহাম্মদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানি (মৃত্যু ১৪২০ হিজরি)
প্রকাশক: আল-মাকতাবুল ইসলামি - বৈরুত
সংস্করণ: প্রথম - ১৪০৫ হিজরি - ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮৩
[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ৯)
1 - (صحيح) نعم المال الصالح للمرء الصالح
১ - (সহিহ) একজন সৎ ব্যক্তির জন্য সৎ সম্পদ কতই না উত্তম!
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ৯)
2 - (ضعيف)كاد الفقر أن يكون كفرا ضعيف أخرجه العقيلي في الضعفاء وأبو نعيم في الحلية وأبو الحسن بن عبد كويه في ثلاثة مجالس من طريق سفيان عن حجاج عن يزيد الرقاشي عن أنس بن مالك مرفوعا به وزاد وكاد الحسد أن يكن سبق القدر وهذا اسناد ضعيف
২ - (দুর্বল)দারিদ্র্য কুফরে পরিণত হওয়ার উপক্রম হয়। এটি দুর্বল। আল-উকায়লি 'আদ-দুয়াফা' গ্রন্থে, আবু নুআইম 'আল-হিলইয়া' গ্রন্থে এবং আবু আল-হাসান বিন আবদ কুওয়াইহ 'সালাসাহ মাজালিস' গ্রন্থে সুফিয়ান হতে হাজ্জাজ, তিনি ইয়াজিদ আর-রাক্কাশি হতে এবং তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে মারফু হিসেবে এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি আরও বর্ধিত করেছেন যে, "এবং হিংসা প্রায় তাকদিরকে ছাড়িয়ে যাওয়ার উপক্রম করে।" আর এই সনদটি দুর্বল।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ১০)
3 - (ضعيف)اللهم إني أعوذ بك من الكفر والفقر ضعيف أخرجه النسائي والحاكم وأحمد
৩ - (যঈফ)হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার নিকট কুফর এবং দারিদ্র্য থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। এটি যঈফ; এটি বর্ণনা করেছেন নাসাঈ, হাকীম এবং আহমাদ।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ১০)
4 - (صحيح)اللهم إني أعوذ بك من الفقر والقلة والذلة وأعوذ بك من أن أظلم أو أظلم صحيح ورد في صحيح الجامع لصغير
4 - (সহীহ)হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার নিকট দারিদ্র্য, স্বল্পতা ও হীনতা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি এবং আমি আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি যেন আমি কারও প্রতি জুলুম না করি অথবা আমি নিজে জুলুমের শিকার না হই। এটি সহীহ, যা সহীহুল জামি আস-সাগীর-এ বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ১১)
5 - (ضعيف)خذوا العطاء ما دام عطاء فإذا صار رشوة على الدين فلا تأخذوه ولستم بتاركيه تمنعكم الحاجة والفقر ضعيف أخرجه الطبراني في الصغير وعنه أبو نعيم في الحلية والخطيب في تاريخ بغداد
৫ - (যঈফ)তোমরা দান গ্রহণ করো যতক্ষণ তা দান হিসেবে থাকে; অতঃপর যখন তা দ্বীনের বিনিময়ে ঘুষে পরিণত হবে, তখন তা গ্রহণ করো না। কিন্তু তোমরা তা বর্জন করবে না, প্রয়োজন ও দারিদ্র্য তোমাদেরকে (তা বর্জন করা থেকে) বাধা দেবে। যঈফ; এটি তাবারানি 'আস-সাগীর' গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর সূত্রে আবু নুআইম 'আল-হিলয়াহ' গ্রন্থে ও আল-খতিব 'তারিখে বাগদাদ' গ্রন্থে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ১১)
6 - (صحيح)عن أبي هريرة أن رسول الله (ص) قال: قال رجل: لأتصدقن الليلة بصدقة فخرج بصدقته فوضعها في يد سارق فأصبحوا يتحدثون تصدق على سارق فقال: اللهم لك الحمد لأتصدقن بصدقة … ثم تصدق مرة أخرى على امرأة فصادفت صدقته زانية فأصبح الناس يتحدثون بذلك تصدق الليلة على زانية فجاءه في المنام من قال له أما صدقتك على سارق فلعله أن يستعفف عن سرقته وأما صدقتك على زانية فلعلها أن تستعفف عن زناها صحيح أخرجه البخاري ومسلم والنسائي وأحمد
৬ - (সহিহ)আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: এক ব্যক্তি বলল, "আমি আজ রাতে অবশ্যই কিছু সদকা করব।" অতঃপর সে তার সদকা নিয়ে বের হলো এবং তা একজন চোরের হাতে প্রদান করল। সকালে লোকেরা বলাবলি করতে লাগল যে, এক চোরকে সদকা দেওয়া হয়েছে। তখন সে বলল: "হে আল্লাহ! সকল প্রশংসা আপনারই, আমি অবশ্যই সদকা করব।" ... এরপর সে পুনরায় সদকা করল এবং তার সদকাটি একজন ব্যভিচারিণী নারীর হাতে পড়ল। সকালে লোকেরা এ নিয়ে আলোচনা করতে লাগল যে, গত রাতে এক ব্যভিচারিণীকে সদকা দেওয়া হয়েছে। অতঃপর স্বপ্নে এক ব্যক্তি এসে তাকে বলল: "তোমার চোরকে দেওয়া সদকার বিষয়টি হলো—হয়তো সে এর কারণে চুরি থেকে বিরত থাকবে। আর ব্যভিচারিণীকে দেওয়া সদকার বিষয়টি হলো—হয়তো সে এর ফলে ব্যভিচার থেকে বিরত থাকবে।" সহিহ; এটি বুখারি, মুসলিম, নাসাঈ এবং আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ১২)
7 - (صحيح)لايقضي القاضي وهو غضبان صحيح أخرجه الشيخان وغيرهما وهو في الارواء
৭ - (সহিহ)কোনো বিচারক রাগান্বিত অবস্থায় বিচার করবেন না। হাদিসটি সহিহ, এটি দুই শায়খ এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন এবং এটি ইরওয়া গ্রন্থে রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ১২)
8 - (صحيح)لا ضرر ولا ضرار صحيح أخرجه ابن ماجة وغيره وصحته من مجموع طرقه وشواهده وهو في الارواء
৮ - (সহীহ)ক্ষতি করা যাবে না এবং ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া যাবে না। এটি সহীহ; ইবনে মাজাহ এবং অন্যান্যরা এটি বর্ণনা করেছেন এবং এর সকল সূত্র ও সমর্থক বর্ণনার সমষ্টির ভিত্তিতে এটি সহীহ। এটি 'ইরওয়া' (ইরওয়াউল গালীল) গ্রন্থে রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ১৩)
9 - (صحيح) سئل الرسول صلى الله عليه وسلم أي الذنب أعظم؟ قال: أن تجعل لله ندا وهو خلقك. قال: ثم أي؟ قال: أن تقتل ولدك مخافة أن يطعم معك
৯ - (সহিহ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হলো, কোন গুনাহ সবচেয়ে বড়? তিনি বললেন: আল্লাহর সাথে কাউকে সমকক্ষ সাব্যস্ত করা, অথচ তিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি (প্রশ্নকারী) বললেন: তারপর কোনটি? তিনি বললেন: তোমার সন্তানকে এই ভয়ে হত্যা করা যে সে তোমার সাথে আহার করবে।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ১৩)
10 - (لم تتم دراسته)روي عن أبي ذر أنه قال: عجبت لمن لا يجد القوت في بيته كيف لا يخرج على الناس شاهرا سيفه غريب
১০ - (অধ্যয়ন করা হয়নি)আবু যর থেকে বর্ণিত যে তিনি বলেছেন: আমি সেই ব্যক্তির প্রতি বিস্মিত হই যে তার ঘরে আহার্য পায় না, সে কীভাবে কোষমুক্ত তলোয়ার নিয়ে মানুষের সামনে বেরিয়ে আসে না! গরীব।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ১৩)
11 - (حسن)عن الزهري عن أبي خزامة عن أبيه قال: سألت رسول الله (ص) فقلت: يا رسول الله أرأيت رقى نسترقيها ودواء نتداوى به وتقاة نتقيها هل ترد من قدر الله شيئا قال: هي من قدر الله حسن أخرجه الترمذي وابن ماجة والحاكم وأحمد وذكر الهيثمي للحديث شاهدا عن ابن عباس قال: قال رجل يا رسول الله ينفع الدواء من القدر فقال: الدواء من القدر وقد ينفع بإذن الله رواه الطبراني وفيه صالح بن بشير المري وهو ضعيف
১১ - (হাসান)যুহরি থেকে, তিনি আবু খুযামাহ থেকে এবং তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করলাম এবং বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমরা যে ঝাড়ফুঁক গ্রহণ করি, যে ঔষধ দ্বারা চিকিৎসা করি এবং যে সুরক্ষা ব্যবস্থা অবলম্বন করি, সে সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? এগুলো কি আল্লাহর তাকদিরের কোনো কিছুকে প্রতিহত করতে পারে? তিনি বললেন: "এগুলো আল্লাহর তাকদিরেরই অন্তর্ভুক্ত।" হাদিসটি হাসান। এটি তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, হাকেম এবং আহমাদ বর্ণনা করেছেন। হাইসামি এই হাদিসের সমর্থনে ইবনে আব্বাস থেকে একটি শাহেদ (সমর্থনমূলক বর্ণনা) উল্লেখ করেছেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! ঔষধ কি তাকদিরের ক্ষেত্রে কোনো উপকারে আসে? তিনি বললেন: "ঔষধ তাকদিরেরই অংশ এবং তা আল্লাহর অনুমতিক্রমে উপকারে আসতে পারে।" তাবারানি এটি বর্ণনা করেছেন এবং এর সনদে সালিহ বিন বাশির আল-মুররি রয়েছেন, যিনি দুর্বল।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ১৫)
12 - (صحيح)دعا لصاحبه وخادمه أنس اللهم أكثر ماله صحيح أخرجه البخاري ومسلم والترمذي والطيالسي وأحمد من طريق قتادة عن أنس عن أم سليم أنها قالت: يا رسول الله خادمك أنس ادع الله له فقال اللهم أكثر ماله وولده وبارك له فيما أعطيته وله طريق أخرى يرويه حميد عن أنس قال: دخل النبي (ص) على أم سليم فاتته بتمر وسمن فقال أعيدوا سمنكم في سقائه وتمركم في وعائه فإني صائم ثم قام إلى ناحية من البيت فصلى غير المكتوبة فدعا لأم سليم وأهل بيتها فقالت أم سليم يا رسول الله إن لي خويصة قال: ما هي قالت: خادمك أنس فما ترك خير آخرة ولا دنيا إلا دعا لي به اللهم ارزقه مالا وولدا وبارك له فيه فإني لمن أكثر الأنصار مالا وحدثتني انتي أمينة أنه دفن لصلبي مقدم الحجاج البصرة بضع وعشرون ومائة أخرجه البخاري والطيالسي وأحمد وله طريق ثالث يرويه ثابت عن أنس نحوه وزاد: وما أصبح في الأنصار رجل أكثر مني مالا ثم قال أنس يا ثابت ما أملك صفراء ولا بيضاء إلا خاتمي أخرجه مسلم وأحمد والزيادة له
১২ - (সহিহ)তিনি তাঁর সঙ্গী ও খাদেম আনাসের জন্য দোয়া করেছেন: হে আল্লাহ, আপনি তার সম্পদ বৃদ্ধি করে দিন। এটি সহিহ। বুখারি, মুসলিম, তিরমিজি, তায়ালিসি এবং আহমাদ এটি কাতাদা হতে, তিনি আনাস হতে এবং তিনি উম্মে সুলাইম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, উম্মে সুলাইম বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, আপনার খাদেম আনাস, তার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করুন। তখন তিনি বললেন: হে আল্লাহ, তার সম্পদ ও সন্তান বৃদ্ধি করে দিন এবং আপনি তাকে যা দান করেছেন তাতে বরকত দান করুন। এর অন্য একটি সূত্র রয়েছে যা হুমাইদ আনাস হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: নবী (সা.) উম্মে সুলাইমের নিকট প্রবেশ করলেন। তিনি তাঁর সামনে খেজুর ও ঘি নিয়ে আসলেন। তিনি বললেন: তোমাদের ঘি তার পাত্রে এবং খেজুর তার পাত্রে ফিরিয়ে রাখো, কারণ আমি রোজা পালন করছি। অতঃপর তিনি ঘরের এক কোণে দাঁড়ালেন এবং ফরজ ব্যতীত (নফল) সালাত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি উম্মে সুলাইম ও তাঁর পরিবারের জন্য দোয়া করলেন। তখন উম্মে সুলাইম বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, আমার একটি বিশেষ বিষয় আছে। তিনি বললেন: সেটি কী? তিনি বললেন: আপনার খাদেম আনাস। অতঃপর তিনি দুনিয়া ও আখেরাতের এমন কোনো কল্যাণই বাকি রাখেননি যার জন্য আমার জন্য দোয়া করেননি। তিনি দোয়া করলেন: হে আল্লাহ, তাকে সম্পদ ও সন্তান দান করুন এবং তাতে বরকত দিন। (আনাস বলেন:) ফলে আমি আনসারদের মধ্যে সর্বাধিক সম্পদশালীদের অন্তর্ভুক্ত হলাম। আমার কন্যা আমিনা আমাকে জানিয়েছে যে, হাজ্জাজ ইবন ইউসুফের বসরায় আগমনের পূর্ব পর্যন্ত আমার ঔরসজাত একশ বিশের অধিক সন্তানকে দাফন করা হয়েছে। এটি বুখারি, তায়ালিসি এবং আহমাদ বর্ণনা করেছেন। এর তৃতীয় একটি সূত্র রয়েছে যা সাবিত আনাস হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন এবং তাতে অতিরিক্ত বর্ণিত হয়েছে: আনসারদের মধ্যে আমার চেয়ে অধিক সম্পদশালী কোনো ব্যক্তি সকালে উপনীত হয় না। অতঃপর আনাস বললেন: হে সাবিত, আমার আংটিটি ব্যতীত স্বর্ণ বা রৌপ্যের আর কোনো সম্পদের আমি মালিক নই। এটি মুসলিম এবং আহমাদ বর্ণনা করেছেন এবং অতিরিক্ত অংশটি আহমাদের।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ১৬)
13 - (صحيح)ما نفعني مال كمال أبي بكر صحيح أخرجه ابن ماجة والطحاوي وابن حبان وأحمد وابن عساكر عن أبي هريرة قال: قال رسول الله (ص) ما نفعني مال قط ما نفعني مال أبي بكر قال: فبكى أبو بكر وقال: يا رسول الله هل أنا ومالي إلا لك يا رسول الله واسناده صحيح ولحديث أبي هريرة طريق أخرى بلفظ: ما لأحد عندنا يدا إلا وقد كافيناه ما خلا أبا بكر فإن له عندنا يدا يكافئه الله به يوم القيامة وما نفعني مال أحد قط ما نفعني مال أبي بكر ولو كنت متخذا خليلا لاتخذت أبا بكر خليلا وإن صاحبكم خليل الله أخرجه الترمذي وقا حديث حسن غريب كذا قال ولكن اسناده ضعيف
১৩ - (সহীহ)আবু বকরের সম্পদের মতো কোনো সম্পদ আমাকে উপকৃত করেনি। এটি সহীহ, যা ইবনে মাজাহ, ত্বহাবী, ইবনে হিব্বান, আহমাদ এবং ইবনে আসাকির আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: কোনো সম্পদই আমাকে কখনো তেমন উপকৃত করেনি, যেমন আবু বকরের সম্পদ আমাকে উপকৃত করেছে। বর্ণনাকারী বলেন: তখন আবু বকর (রা.) কেঁদে ফেললেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমি এবং আমার সম্পদ কি আপনি ছাড়া আর কারো জন্য? হে আল্লাহর রাসূল! এর সনদ সহীহ। আবু হুরায়রা (রা.)-এর হাদিসের আরেকটি সূত্র এই শব্দে বর্ণিত হয়েছে: আমাদের নিকট যারই কোনো অনুগ্রহ ছিল আমরা তার প্রতিদান দিয়েছি, আবু বকর ব্যতীত। নিশ্চয়ই আমাদের প্রতি তার এমন অনুগ্রহ রয়েছে যার প্রতিদান আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন প্রদান করবেন। আর কোনো ব্যক্তির সম্পদ আমাকে কখনো তেমন উপকৃত করেনি যেমন আবু বকরের সম্পদ আমাকে উপকৃত করেছে। আমি যদি কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতাম তবে আবু বকরকেই অন্তরঙ্গ বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতাম; আর নিশ্চয়ই তোমাদের সাথী আল্লাহর অন্তরঙ্গ বন্ধু। এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন এটি হাসান গরীব হাদিস। তিনি এরূপই বলেছেন, তবে এর সনদ দুর্বল।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ১৮)
14 - (صحيح)لو كان لابن آدم واديان من ذهب لابتغى ثالثا ولو كان له ثالثا لابتغى رابعا ولا يملأ عين ابن آدم إلا التراب صحيح بلفظ لو كان لابن آدم واديان من مال لابتغى ثالثا ولا يملأ جوف (وفي رواية عين) ابن آدم إلا التراب ويتوب الله على من تاب أخرجه البخاري والسياق مع الرواية الأخرى له ومسلم وأحمد
১৪ - (সহীহ)যদি আদম সন্তানের জন্য স্বর্ণের দুটি উপত্যকা থাকত, তবে সে অবশ্যই তৃতীয় একটির অনুসন্ধান করত। আর যদি তার জন্য তিনটি থাকত, তবে সে অবশ্যই চতুর্থ একটির অনুসন্ধান করত। আর মাটি ব্যতীত অন্য কোনো কিছু দিয়ে আদম সন্তানের চোখ পূর্ণ হয় না। সহীহ বর্ণনা এই শব্দে: যদি আদম সন্তানের জন্য সম্পদের দুটি উপত্যকা থাকত, তবে সে অবশ্যই তৃতীয় একটির অনুসন্ধান করত। আর মাটি ব্যতীত অন্য কোনো কিছু দিয়ে আদম সন্তানের পেট (অন্য বর্ণনায় চোখ) পূর্ণ হয় না। আর আল্লাহ সেই ব্যক্তির তাওবা কবুল করেন যে তাওবা করে। এটি ইমাম বুখারী বর্ণনা করেছেন এবং বর্ণনাভঙ্গিটি তাঁর অন্য একটি বর্ণনার অনুরূপ, এছাড়া ইমাম মুসলিম ও ইমাম আহমাদও এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ১৯)
15 - (صحيح)إن روح القدس نفث في روعي أن نفسا لن تموت حتى تستكمل رزقها فاتقوا الله وأجملوا في الطلب صحيح أخرجه أبو عبيد في غريب الحديث والقضاعي في مسند الشهاب بسند صحيح وأخرجه الحاكم وورد بلفظ لا تستبطئوا الرزق فإنه لن يموت العبد حتى يبلغه آخر رزق هو له فأجملوا في الطلب: أخذ الحلال وترك الحرام أخرجه ابن حبان والحاكم وأبو عبد الرزاق وقال الحاكم صحيح على شرط الشيخين ووافقه الذهبي
১৫ - (সহিহ)নিশ্চয়ই রুহুল কুদস (জিবরাঈল) আমার অন্তরে এই কথা ফুঁকে দিয়েছেন যে, কোনো প্রাণই তার নির্ধারিত রিজিক পূর্ণ না করা পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করবে না। অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং উপার্জনের অন্বেষণে উত্তম পন্থা অবলম্বন করো। এটি সহিহ; আবু উবাইদ 'গারিবুল হাদিস' গ্রন্থে এবং কুদায়ী 'মুসনাদুশ শিহাব' গ্রন্থে এটি সহিহ সনদে বর্ণনা করেছেন। হাকেমও এটি বর্ণনা করেছেন। আর এটি এই শব্দেও বর্ণিত হয়েছে: "তোমরা রিজিক লাভে বিলম্ব হচ্ছে বলে মনে করো না; কারণ কোনো বান্দাই তার জন্য বরাদ্দকৃত শেষ রিজিকটুকু পাওয়ার আগে মৃত্যুবরণ করবে না। সুতরাং তোমরা উপার্জনের ক্ষেত্রে সুন্দর ও উত্তম পন্থা অবলম্বন করো।" যার অর্থ হলো: হালাল গ্রহণ করা এবং হারাম বর্জন করা। এটি বর্ণনা করেছেন ইবনে হিব্বান, হাকেম এবং আবু আবদুর রাজ্জাক। হাকেম বলেছেন যে এটি বুখারি ও মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহিহ এবং ইমাম যাহাবি তাঁর সাথে একমত পোষণ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ২০)
16 - (صحيح)ليس الغنى عن كثرة العرض إنما الغنى غنى النفس صحيح أخرجه البخاري والترمذي وأحمد ومسلم وابن ماجة وزاد أحمد من طريق يزيد بن الأصم والله ما أخشى عليكم الفقر ولكن أخشى عليكم التكاثر ولكن أخشى عليكم العمد واسناده صحيح على شرط مسلم
১৬ - (সহীহ)পার্থিব উপকরণের আধিক্যের নাম সচ্ছলতা নয়, বরং প্রকৃত সচ্ছলতা হলো অন্তরের সচ্ছলতা। এটি সহীহ; বুখারী, তিরমিযী, আহমাদ, মুসলিম ও ইবনে মাজাহ এটি বর্ণনা করেছেন। আর আহমাদ ইয়াযীদ বিন আস-সামের সূত্রে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর শপথ! আমি তোমাদের ব্যাপারে দারিদ্র্যের আশঙ্কা করি না, বরং আমি তোমাদের ব্যাপারে সম্পদের প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা এবং উদ্দেশ্যহীন লক্ষ্যচ্যুত হওয়ার আশঙ্কা করি। এর সনদ ইমাম মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ২০)
17 - (ضعيف)إرض بما قسم الله لك تكن أغنى الناس ضعيف أخرجه الترمذي وأحمد وابن عساكر من طريق أبي طارق عن الحسن عن أبي هريرة قال: قال رسول الله (ص) من يأخذ عني هؤلاء الكلمات فيعمل بهن أو يعلم من يعمل بهن فقال أبو هريرة فقلت: أنا يا رسول الله فأخذ بيدي فعد خمسا قال: اتق المحارم تكن أعبد الناس وارض بما قسم الله لك تكن أغنى الناس وأحسن إلى جارك تكن مؤمنا وأحب للناس ما تحب لنفسك تكن مسلما ولا تكثر الضحك فإن كثرة الضحك تميت القلب وقال الترمذي حديث غريب والحسن لم يسمع من أبي هريرة
১৭ - (যঈফ)আল্লাহ তোমার ভাগ্যে যা নির্ধারণ করেছেন তাতে সন্তুষ্ট থাকো, তবেই তুমি মানুষের মধ্যে সবচেয়ে ধনী হতে পারবে। এটি যঈফ; তিরমিযী, আহমাদ এবং ইবনে আসাকির আবু তরিকের সূত্রে হাসান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "কে আমার কাছ থেকে এই কথাগুলো গ্রহণ করবে এবং সে অনুযায়ী আমল করবে অথবা এমন কাউকে শিক্ষা দিবে যে সে অনুযায়ী আমল করবে?" আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, আমি বললাম: "আমি, হে আল্লাহর রাসূল!" অতঃপর তিনি আমার হাত ধরলেন এবং পাঁচটি বিষয় গণনা করলেন। তিনি বললেন: "হারাম কাজগুলো থেকে বেঁচে থাকো, তবেই তুমি মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় ইবাদতকারী হতে পারবে। আর আল্লাহ তোমার ভাগ্যে যা নির্ধারণ করেছেন তাতে সন্তুষ্ট থাকো, তবেই তুমি মানুষের মধ্যে সবচেয়ে ধনী হতে পারবে। তোমার প্রতিবেশীর প্রতি ইহসান করো, তবেই তুমি মুমিন হতে পারবে। নিজের জন্য যা পছন্দ করো, মানুষের জন্যও তা-ই পছন্দ করো, তবেই তুমি মুসলিম হতে পারবে। আর অধিক হেসো না, কারণ অতিরিক্ত হাসি অন্তরকে মৃত করে দেয়।" ইমাম তিরমিযী বলেছেন, এটি একটি ‘গরীব’ হাদিস এবং হাসান (বসরী) আবু হুরায়রা থেকে কোনো হাদিস শোনেননি।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ২১)
18 - (صحيح)قد أفلح من هدي للإسلام وكان رزقه كفافا وقنع به صحيح أخرجه مسلم والترمذي وابن ماجة وأحمد
১৮ - (সহীহ)নিশ্চয়ই সেই ব্যক্তি সফলকাম হয়েছে যাকে ইসলামের দিকে পরিচালিত করা হয়েছে, যার রিযিক ছিল প্রয়োজন মাফিক এবং সে তাতে সন্তুষ্ট হয়েছে। সহীহ; এটি মুসলিম, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ২২)
19 - (صحيح) نعم المال الصالح للرجل الصالح
১৯ - (সহীহ) সৎ ব্যক্তির জন্য সৎ সম্পদ কতই না চমৎকার!
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ২২)
20 - (ضعيف)دب إليكم داء الأمم قبلكم الحسد والبغضاء هي الحالقة لا أقول تحلق الشعر ولكن تحلق الدين والذي نفسي بيده لا تدخلوا الجنة حتى تؤمنوا ولا تؤمنوا حتى تحابوا أفلا أنبئكم بما يثبت ذاكم لكم أفشوا السلام بينكم ضعيف أخرجه الترمذي
২০ - (দুর্বল)তোমাদের মাঝে তোমাদের পূর্ববর্তী জাতিসমূহের ব্যাধি সংক্রামিত হয়েছে: হিংসা ও বিদ্বেষ। এটি মুণ্ডনকারী; আমি বলছি না যে এটি চুল মুণ্ডন করে, বরং এটি দ্বীনকে মুণ্ডন (বিনাশ) করে দেয়। সেই সত্তার কসম যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না যতক্ষণ না তোমরা ঈমান আনবে, আর তোমরা মুমিন হতে পারবে না যতক্ষণ না তোমরা একে অপরকে ভালোবাসবে। আমি কি তোমাদের এমন কিছু জানিয়ে দেব না যা তোমাদের মাঝে এটি সুপ্রতিষ্ঠিত করবে? তোমরা নিজেদের মধ্যে সালামের প্রসার ঘটাও। দুর্বল; এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ২৩)
21 - (صحيح)وكونوا عباد الله إخوانا
২১ - (সহিহ)এবং আল্লাহর বান্দারা, তোমরা পরস্পর ভাই ভাই হয়ে যাও।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ২৩)
22 - (حسن)قال النبي (ص) للإعرابي الذي ترك الناقة سائبة متوكل على الله فقال له: اعقلها وتوكل حسن أخرجه الترمذي عن أنس بن مالك يقول: قال رجل: يا رسول أعقلها وأتوكل أو أطلقها وأتوكل قال: اعقلها وتوكل انظر الشرح وفي آخره وفي هذا الشاهد اطمئن قلبي لثبوت الحديث ولو بدرجة الحسن على أقل الأحوال
২২ - (হাসান)নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেই মরুবাসীকে বলেছিলেন যে আল্লাহর ওপর ভরসা করে উটটিকে মুক্ত অবস্থায় ছেড়ে দিয়েছিল, তিনি তাকে বললেন: "এটি বাঁধো এবং ভরসা করো।" হাসান; তিরমিযী এটি আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি বলল: হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি এটি বাঁধব এবং ভরসা করব, নাকি এটি ছেড়ে দেব এবং ভরসা করব? তিনি বললেন: "এটি বাঁধো এবং ভরসা করো।" ব্যাখ্যাটি দেখুন এবং এর শেষে রয়েছে: আর এই সাক্ষ্যের মাধ্যমে হাদীসটি সাব্যস্ত হওয়ার বিষয়ে আমার অন্তর প্রশান্ত হয়েছে, অন্ততপক্ষে হাসান স্তরে হলেও।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ২৪)
23 - (صحيح)لو توكلتم على الله حق توكله لرزقكم كما ترزق الطير تغدوا خماصا وتروح بطانا صحيح أخرجه الترمذي وابن حبان وعبد الله بن المبارك وابن أبي الدنيا والحاكم وأحمد والقضاعي
২৩ - (সহিহ)তোমরা যদি আল্লাহর ওপর যথাযথভাবে ভরসা করতে, তবে তিনি অবশ্যই তোমাদেরকে এমনভাবে জীবিকা দান করতেন যেভাবে তিনি পাখিদের জীবিকা দান করেন; তারা সকালে খালি পেটে বের হয় এবং সন্ধ্যায় ভরা পেটে ফিরে আসে। সহিহ। এটি তিরমিজি, ইবনে হিব্বান, আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক, ইবনে আবিদ দুনিয়া, হাকেম, আহমাদ এবং কুদাই বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ২৫)
24 - (صحيح)جعل رزقي تحت ظل رمحي صحيح وهو قطعة من حديث مخرج في حجاب المرأة المسلمة عن عبد الله بن عمر قال: قال رسول الله (ص) : بعثت بين يدي الساعة بالسيف حتى يعبد الله وحده لا شريك له وجعل رزقي تحت ظل رمحي وجعل الذلة والصغار على من خالف أمري ومن تشبه بقوم فهو منهم
২৪ - (সহীহ)আমার জীবিকা আমার বর্শার ছায়াতলে রাখা হয়েছে। এটি সহীহ এবং এটি 'হিজাবুল মারআতিল মুসলিমাহ' গ্রন্থে সংকলিত একটি হাদিসের অংশ। আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সা.) বলেছেন: কিয়ামতের প্রাক্কালে আমাকে তলোয়ারসহ পাঠানো হয়েছে যাতে একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করা হয় যাঁর কোনো শরিক নেই, এবং আমার জীবিকা রাখা হয়েছে আমার বর্শার ছায়াতলে, আর যে ব্যক্তি আমার আদেশের বিরোধিতা করবে তার জন্য লাঞ্ছনা ও অবমাননা নির্ধারণ করা হয়েছে, এবং যে ব্যক্তি কোনো জাতির সাদৃশ্য গ্রহণ করবে সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ২৫)
25 - (لم تتم دراسته)روي أن عمر رأى بعد الصلاة قوما قابعين في المسجدبدعوى التوكل على الله فعلاهم بدرته وقال: لايقعدن أحدكم عن طلب الرزق ويقول: اللهم ارزقني وقد علم أن السماء لاتمطر ذهبا ولا فضة وإن الله يقول {وإذا قضيت الصلاة فانتشروا في الأرض وابتغوا من فضل الله. سكت عنه الألباني
২৫ - (অধ্যয়ন করা হয়নি)বর্ণিত হয়েছে যে, উমর সালাতের পর একদল লোককে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুলের অজুহাতে মসজিদে বসে থাকতে দেখলেন। তখন তিনি তাঁর চাবুক দিয়ে তাদের প্রহার করলেন এবং বললেন: "তোমাদের কেউ যেন রিযিক অন্বেষণ ত্যাগ করে বসে না থাকে এবং বলে: 'হে আল্লাহ, আমাকে রিযিক দান করুন', অথচ সে জানে যে আকাশ কখনো সোনা বা রূপা বর্ষণ করে না। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা বলেন: {অতঃপর যখন সালাত সমাপ্ত হবে, তখন তোমরা জমিনে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহর অনুগ্রহ সন্ধান করো}।" আলবানী এটি সম্পর্কে নীরবতা অবলম্বন করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ২৫)
26 - (لم تتم دراسته)عن عمر بن الخطاب قال: ما من حال يأتيني عليها الموت - بعد الجهاد في سبيل الله - أحب إلي من أن يأتيني وأنا ألتمس من فضل الله. سكت أستاذنا الألباني عن هذا الخبر. وهو مروي في كتب الأدب انظر الفقد الفريد
২৬ - (এটি অধ্যয়ন করা হয়নি)উমর ইবনুল খাত্তাব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর পথে জিহাদের পর, আল্লাহর অনুগ্রহ অন্বেষণরত অবস্থায় আমার নিকট মৃত্যু আসার চেয়ে অধিক প্রিয় অন্য কোনো অবস্থা আমার নিকট নেই। আমাদের উস্তাদ আলবানী এই বর্ণনাটি সম্পর্কে নীরবতা অবলম্বন করেছেন। এটি আদব (সাহিত্য) বিষয়ক গ্রন্থসমূহে বর্ণিত হয়েছে; দেখুন: আল-ফাকদুল ফারিদ।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ২৬)
27 - (ضعيف)التاجر الصدوق الأمين مع النبيين والصديقين والشهداء
২৭ - (দুর্বল)সত্যবাদী ও আমানতদার ব্যবসায়ী নবীগণ, সিদ্দীকগণ এবং শহীদগণের সাথে থাকবেন।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ২৬)
28 - (صحيح)ما من مسلم يزرع زرعا أو يغرس غرسا فيأكل منه طير أو إنسان أو بهيمة إلا كان له به صدقة
২৮ - (সহিহ)কোনো মুসলিম যদি কোনো ফসল আবাদ করে অথবা কোনো বৃক্ষ রোপণ করে, অতঃপর তা থেকে কোনো পাখি, মানুষ কিংবা চতুষ্পদ জন্তু ভক্ষণ করে, তবে সেটি তার জন্য সাদাকাহ হিসেবে গণ্য হবে।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু মুশকিলাতিল ফাকর
(পৃষ্ঠা: ২৬)
29 - (صحيح)ما أكل أحد طعاما قط خيرا من أن يأكل من عمل يده
২৯ - (সহিহ)নিজ হাতের শ্রমের উপার্জিত আহারের চেয়ে উত্তম আহার কেউ কখনো গ্রহণ করেনি।