(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: -)
المسائل النحوية في كتاب التوضيح لشرح الجامع الصحيح   (داود بن سليمان الهويمل)

القسم: النحو والصرف

الكتاب: المسائل النحوية في كتاب (التوضيح لشرح الجامع الصحيح) لابن المُلقِّن

المؤلف: داود بن سليمان الهويمل

رسالة: ماجستير الآداب في الدراسات اللغوية - كلية اللغة العربية والدراسات الاجتماعية (قسم اللغة العربية وآدابها)، جامعة القصيم - المملكة العربية السعودية

إشراف: د. سليمان يوسف خاطر (أستاذ النحو والصرف المشارك)

العام الجامعي: 1437/ 1438 هـ

عدد الصفحات: 304

النسخة الإلكترونية أهداها المؤلف -جزاه الله خيرا- للمكتبة الشاملة

[ترقيم الكتاب موافق للرسالة الجامعية]

تاريخ النشر بالشاملة: 19 ربيع الآخر 1439

আত-তাওদিহ লি-শারহিল জামিইস সহিহ গ্রন্থে নাহু সংক্রান্ত মাসয়ালাসমূহ   (দাউদ বিন সুলাইমান আল-হুওয়াইমিল)

বিভাগ: নাহু ও সরফ

গ্রন্থ: ইবনুল মুলাক্কিন রচিত (আত-তাওদিহ লি-শারহিল জামিইস সহিহ) গ্রন্থে নাহু সংক্রান্ত মাসয়ালাসমূহ

লেখক: দাউদ বিন সুলাইমান আল-হুওয়াইমিল

থিসিস: ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণায় মাস্টার্স অব আর্টস - আরবি ভাষা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ (আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ)، কাসিম বিশ্ববিদ্যালয় - সৌদি আরব রাজ্য

তত্ত্বাবধান: ড. সুলাইমান ইউসুফ খাতির (নাহু ও সরফের সহযোগী অধ্যাপক)

শিক্ষাবর্ষ: ১৪৩৭/ ১৪৩৮ হিজরি

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩০৪

ইলেকট্রনিক কপিটি লেখক -আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দিন- মাকতাবাতুশ শামেলাকে উপহার দিয়েছেন

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বরসমূহ বিশ্ববিদ্যালয় থিসিসের অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ১৯ রবিউল আখের ১৪৩৯

(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ১)
المملكة العربية السعودية

وزارة التعليم

جامعة القصيم

كلية اللغة العربية والدراسات الاجتماعية

قسم اللغة العربية وآدابها

برنامج الماجستير في الدراسات اللغوية

 

المسائل النحوية

في كتاب (التوضيح لشرح الجامع الصحيح)

لابن المُلقِّن (723 - 804 هـ) جمعًا وعرضًا ودراسة

 

رسالة مقدمة لاستكمال متطلبات الحصول على درجة ماجستير

الآداب في الدراسات اللغوية

 

إعداد الطالب

داود بن سليمان الهويمل

الرقم الجامعي (331100091)

 

إشراف

د. سليمان يوسف خاطر

أستاذ النحو والصرف المشارك بالقسم

 

للعام الجامعي: 1437/ 1438 هـ
সৌদি আরব রাজতন্ত্র

শিক্ষা মন্ত্রণালয়

কাসিম বিশ্ববিদ্যালয়

আরবি ভাষা ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদ

আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ

ভাষাতাত্ত্বিক অধ্যয়নে মাস্টার্স প্রোগ্রাম

 

নাহু সংক্রান্ত বিষয়সমূহ

‘আত-তাওদিহ লি-শারহিল জামিউস সহিহ’ গ্রন্থে

ইবনুল মুলাক্কিন (৭২৩ - ৮০৪ হি.): সংকলন, উপস্থাপন ও পর্যালোচনা

 

মাস্টার অব আর্টস ডিগ্রি লাভের প্রয়োজনীয় শর্তাবলি

পূরণের লক্ষ্যে ভাষাতাত্ত্বিক অধ্যয়নে উপস্থাপিত থিসিস

 

প্রস্তুতকারী ছাত্র

দাউদ বিন সুলাইমান আল-হুওয়াইমিল

বিশ্ববিদ্যালয় আইডি (৩৩১১০০০০৯১)

 

তত্ত্বাবধানে

ড. সুলাইমান ইউসুফ খাতির

বিভাগের নাহু ও সরফ বিষয়ের সহযোগী অধ্যাপক

 

শিক্ষাবর্ষ: ১৪৩৭/ ১৪৩৮ হিজরি
(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ২)
بسم الله الرحمن الرحيم
পরম করুণাময়, অত্যন্ত দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৩)
إهداء

عِقدان لم تكتحل عيني برؤيتك ..

تحت الثرى .. في روضة الخلد .. هناك الملتقى

لن أنساك من الدعاء ..

أبي

قرة عيني

 

هي مُقلتي ..

تأبى المهابة أن تقول بغير ذلك … لا ترتضي

إن أُهدينَّ .. فليت شعري:

كيف السبيل لقول (أهديكِ)

وأنتِ أنتِ .. لا أجتري

أمي الحبيبة

 

بكِ بهجتي .. بك فرحتي ..

أنتِ المُنى

(أهديكِ) كل مشاعري

أنتِ المنال وأنت سر سعادتي

زوجي الغالية
উৎসর্গ

দুইটি দশক অতিক্রান্ত হলো, আপনার দর্শনে আমার চক্ষু শীতল হয়নি...

মাটির নিচে... চিরস্থায়ী জান্নাতে... সেখানেই হবে আমাদের সাক্ষাৎ

দোয়ায় আমি আপনাকে বিস্মৃত হব না...

আমার আব্বাজান

আমার নয়নমণি

 

তিনিই আমার নয়ন...

গাম্ভীর্য এ ছাড়া অন্য কিছু বলতে অস্বীকার করে... সে তা গ্রহণ করে না …

যদি আমি উৎসর্গ করি... হায়! যদি আমি জানতাম:

কীভাবেই বা বলব (আপনাকে উৎসর্গ করছি)

অথচ আপনি তো আপনিই... আমি সাহস করতে পারি না

আমার প্রিয় আম্মাজান

 

তোমাতেই আমার আনন্দ... তোমাতেই আমার উল্লাস...

তুমিই আমার পরম আকাঙ্ক্ষা

(তোমাকে উৎসর্গ করছি) আমার সকল অনুভূতি

তুমিই আমার প্রাপ্তি এবং তুমিই আমার সুখের রহস্য

আমার প্রিয়তমা স্ত্রী
(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৪)
ملخص الرسالة

 

هذا البحث الموسوم بـ (المسائل النحوية في كتاب "التوضيح لشرح الجامع الصحيح"، لابن المُلَقِّن) هدف إلى عرض المسائل النحوية في كتاب التوضيح وتحليلها تحليلًا علميًّا، مع تبيين أثر المسائل النحوية في إيضاح معنى الحديث، وإبراز ملكة (ابن الملقن) ومدى تبحُّره في جانب النحو. وذلك بدراسة آرائه النحوية في ضوء آراء النحويين على اختلاف مذاهبهم، هذا مع إبراز المنهج النحوي لابن الملقن من خلال شرحه لصحيح البخاري.

وقد بدأتُ البحث (بالمقدمة) فذكرتُ فيها وظائف المقدمة المعروفة في البحث العلمي الحديث، يليها التمهيدُ، واشتمل على عدة نقاط؛ تطرقتُ فيها لحياة ابن الملقِّن وآثارِه، وإلى كتاب (التوضيح لشرح الجامع الصحيح)؛ محتواه وقيمته، وأثر الحديث الشريف في التقعيد النحوي.

ثم قسمت البحث إلى قسمين: قسم لدراسة المسائل، وقسم للدراسة المنهجية، فجعلتُ تحت قسم دراسة المسائل ثلاثةَ فصول، فالفصلُ الأول لمسائل الأسماء، وتحته مبحثان: مبحث للأسماء المبنية، ومبحث للأسماء المعربة، والفصل الثاني لمسائل الأفعال، وتحته مبحثان: مبحث للأفعال المبنية، ومبحث للأفعال المُعْرَبة، أما المبحثُ الثالث فللحروف؛ وتحته مبحثان: مبحث للحروف العاملة، ومبحث للحروف المُهمَلة، أما قسم الدراسة المنهجية فجعلتُ تحته أربعةَ فصول، فالفصل الأول لمصادره؛ وتحته مبحثان: مبحث للرجال ومبحث للكتب، والفصل الثاني لمنهجه في عرض المسائل؛ وتحته ثلاثة مباحث: المبحث الأول لطريقته في عرض المسائل، والمبحث الثاني للإيجاز والإطناب لديه، والمبحث الثالث لطريقة عرضه للخلاف النحوي وموقفه من النحويين، أما الفصل الثالث فلأصول الاستدلال في دراسته للمسائل النحوية، وتحته خمسة مباحث، المبحث الأول للسماع، والمبحث الثاني للقياس، والمبحث الثالث للإجماع، والمبحث الرابع للأصول الأخرى، والمبحث الخامس لاستعانته بالتعليل، أما الفصل الرابع فللتقويم؛ وتحته خمسة مباحث: المبحث الأول للوضوح والغموض، والمبحث الثاني للدقة وعدمها في النقل، والمبحث الثالث للتبعية والاستقلال، والبحث الرابع لتأثير آرائه في من جاء بعده، والمبحث الخامس لأثر بحثه النحوي في دلالة الحديث، ثم ذيَّلتُ البحثَ بخاتمة
গবেষণাপত্রের সারাংশ

 

ইবনুল মুলাক্কিন রচিত "আত-তাওদিহ লি-শারহিল জামিউস সহীহ" গ্রন্থে বিদ্যমান ব্যাকরণিক মাসআলাসমূহ শিরোনামের এই গবেষণাটির লক্ষ্য হলো "আত-তাওদিহ" কিতাবে বর্ণিত ব্যাকরণিক মাসআলাগুলো উপস্থাপন এবং সেগুলোর বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ করা। এর পাশাপাশি হাদিসের অর্থ পরিস্ফুট করার ক্ষেত্রে ব্যাকরণিক মাসআলাসমূহের প্রভাব বর্ণনা করা এবং ব্যাকরণশাস্ত্রে ইবনুল মুলাক্কিনের প্রতিভা ও অগাধ পাণ্ডিত্যের বিষয়টি ফুটিয়ে তোলা এর অন্যতম উদ্দেশ্য। আর এটি করা হয়েছে বিভিন্ন মতাদর্শের বৈয়াকরণদের মতামতের আলোকে তাঁর ব্যাকরণিক মতামতগুলো পর্যালোচনার মাধ্যমে। সেই সাথে সহীহ বুখারীর ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে ইবনুল মুলাক্কিনের ব্যাকরণিক পদ্ধতিকেও এখানে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

আমি গবেষণাটি একটি 'ভূমিকা'র মাধ্যমে শুরু করেছি, যেখানে আধুনিক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ভূমিকার যে প্রচলিত কাজ বা বৈশিষ্ট্য থাকে তা উল্লেখ করেছি। এরপর রয়েছে 'উপক্রমণিকা', যা বেশ কয়েকটি বিষয়ের সমন্বয়ে গঠিত। সেখানে আমি ইবনুল মুলাক্কিনের জীবন ও তাঁর রচনাবলী সম্পর্কে আলোকপাত করেছি এবং "আত-তাওদিহ লি-শারহিল জামিউস সহীহ" কিতাবটির বিষয়বস্তু ও এর গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করেছি। সেই সাথে ব্যাকরণিক নিয়ম ও নীতিমালা প্রণয়নে হাদিসে নববীর প্রভাব নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

অতঃপর আমি গবেষণাপত্রটিকে দুই ভাগে ভাগ করেছি: একটি মাসআলা বা তাত্ত্বিক আলোচনার অংশ এবং অপরটি পদ্ধতিগত পর্যালোচনার অংশ। মাসআলা সংক্রান্ত আলোচনার অধীনে আমি তিনটি পরিচ্ছেদ রেখেছি; প্রথম পরিচ্ছেদটি বিশেষ্য (ইসিম) সংক্রান্ত মাসআলার জন্য, যার অধীনে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে: একটি অপরিবর্তনীয় বিশেষ্য (মাবনি) এবং অপরটি পরিবর্তনীয় বিশেষ্য (মু'রাব) বিষয়ক। দ্বিতীয় পরিচ্ছেদটি ক্রিয়া (ফেল) সংক্রান্ত মাসআলার জন্য, এর অধীনেও দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে: একটি অপরিবর্তনীয় ক্রিয়া (মাবনি) এবং অপরটি পরিবর্তনীয় ক্রিয়া (মু'রাব) বিষয়ক। আর তৃতীয় পরিচ্ছেদটি অব্যয় (হরফ) সংক্রান্ত; এর অধীনেও দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে: একটি আমলকারী (কার্যকরী) অব্যয় এবং অপরটি আমলহীন (অকার্যকরী) অব্যয় বিষয়ক। পদ্ধতিগত পর্যালোচনার অংশে আমি চারটি পরিচ্ছেদ অন্তর্ভুক্ত করেছি। প্রথম পরিচ্ছেদটি তাঁর গবেষণার উৎসসমূহ নিয়ে; এর অধীনে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে: একটি ব্যক্তিবর্গ (উলামায়ে কেরাম) এবং অন্যটি কিতাবসমূহ বিষয়ক। দ্বিতীয় পরিচ্ছেদটি মাসআলা উপস্থাপনের পদ্ধতি সংক্রান্ত; যার অধীনে তিনটি অনুচ্ছেদ রয়েছে: প্রথমটি মাসআলা উপস্থাপনে তাঁর শৈলী, দ্বিতীয়টি তাঁর লেখার সংক্ষিপ্ততা ও দীর্ঘতা (ইজায ও ইত্নাব) এবং তৃতীয়টি ব্যাকরণিক মতভেদ উপস্থাপনের পদ্ধতি ও বৈয়াকরণদের প্রতি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি বিষয়ক। তৃতীয় পরিচ্ছেদটি ব্যাকরণিক মাসআলা পর্যালোচনার ক্ষেত্রে তাঁর দলীল প্রদানের মূলনীতিসমূহ নিয়ে; যার অধীনে পাঁচটি অনুচ্ছেদ রয়েছে: প্রথমটি শ্রুত বা উদ্ধৃত দলীল (সামা'), দ্বিতীয়টি অনুমান বা তুলনা (কিয়াস), তৃতীয়টি সর্বসম্মত ঐক্যমত (ইজমা), চতুর্থটি অন্যান্য মূলনীতি এবং পঞ্চমটি কারণ দর্শানোর (তালিল) ক্ষেত্রে তাঁর সাহায্য গ্রহণ বিষয়ক। চতুর্থ পরিচ্ছেদটি হলো মূল্যায়ন সংক্রান্ত; যার অধীনে পাঁচটি অনুচ্ছেদ রয়েছে: প্রথমটি স্পষ্টতা ও অস্পষ্টতা, দ্বিতীয়টি তথ্য উদ্ধৃতির ক্ষেত্রে নির্ভুলতা ও অনির্ভুলতা, তৃতীয়টি অনুসারী হওয়া ও স্বাধীন মত প্রকাশ, চতুর্থটি পরবর্তী গবেষকদের ওপর তাঁর মতামতের প্রভাব এবং পঞ্চম অনুচ্ছেদটি হাদিসের অর্থগত তাৎপর্যে তাঁর ব্যাকরণিক গবেষণার প্রভাব বিষয়ক। পরিশেষে একটি উপসংহারের মাধ্যমে আমি এই গবেষণাপত্রটি সমাপ্ত করেছি।
(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৫)
ذكرتُ فيها نتائجَ الدراسة، وتوصياتِ الباحث، ثم وضعتُ فهارس تفصيلية عامة؛ للآيات، والأحاديث، والآثار، والأشعار، والمصادر والمراجع، والموضوعات.

وقد ظهر من خلال البحث أن كتاب (التوضيح لشرح الجامع الصحيح) لابن الملقِّن يُعَدُّ من الشروح المعنيَّة بالنحو ومسائله، كما أظهر البحثُ منزلةَ ابن الملقن في النحو، غير أنه لم يلقَ العنايةَ الكافية بإبراز ما في كتبه في هذا الجانب؛ بدراستها دراسة نحوية، مع أنه من العلماء المجتهدين المُكثِرين في التصنيف، وصاحب حُجة ورأيٍ مستقل، كما أوضحَ لنا ذلك شرحُه للجامع الصحيح، ولذا كان مما أوصى به الباحثُ: الاهتمام بالدراسات النحوية في كتب ابن الملقن الأخرى.
এতে আমি গবেষণার ফলাফল এবং গবেষকের সুপারিশসমূহ উল্লেখ করেছি। এরপর আয়াত, হাদিস, আসার (পূর্বসূরিদের বর্ণনা), কবিতা, উৎস ও তথ্যসূত্র এবং বিষয়বস্তুর বিস্তারিত সাধারণ নির্ঘণ্ট যুক্ত করেছি।

গবেষণার মাধ্যমে প্রতীয়মান হয়েছে যে, ইবনুল মুলাক্কিনের 'আত-তাওদিহ লি-শারহিল জামিইস সহিহ' গ্রন্থটি ব্যাকরণ ও এর সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলির প্রতি যত্নবান ব্যাখ্যাগ্রন্থগুলোর অন্তর্ভুক্ত। এই গবেষণা ব্যাকরণশাস্ত্রে ইবনুল মুলাক্কিনের সুউচ্চ অবস্থানকেও ফুটিয়ে তুলেছে। তবে তার গ্রন্থসমূহের এই ব্যাকরণিক দিকটি পর্যালোচনার মাধ্যমে তুলে ধরার ক্ষেত্রে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়নি; যদিও তিনি ছিলেন একজন কঠোর পরিশ্রমী ও প্রচুর গ্রন্থ প্রণেতা আলেম এবং অকাট্য যুক্তি ও স্বতন্ত্র মতামতের অধিকারী, যা 'আল-জামি আস-সহিহ'-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থে আমাদের নিকট স্পষ্ট হয়েছে। এ কারণেই গবেষকের অন্যতম সুপারিশ হলো: ইবনুল মুলাক্কিনের অন্যান্য গ্রন্থসমূহের ব্যাকরণিক পর্যালোচনার প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করা।
(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৬)
بسم الله الرحمن الرحيم

 

‌‌مقدمة

اللهم يسِّر وأعن يا كريم!

{رَبَّنَا آتِنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً وَهَيِّئْ لَنَا مِنْ أَمْرِنَا رَشَدًا}

أحمدُ الله على تَوالي إنعامه، وأشكرُه على ترادُفِ أفضالِه، بنَفْي الزيغِ والتحريفِ عن كلامِ أشرفِ أصفيائه، ببقاء الجهابذةِ والنقَّادِ إلى يوم لقائه.

وأشهدُ أن لا إله إلا اللهُ وحده لا شريكَ له، شهادةً دائمة بدوامِه، وأنَّ محمدًا عبدُه ورسولُه، خاتمُ رُسُلِه ومِسْكُ ختامِه، صلى الله عليه وسلم، وعلى آله وصَحْبه؛ صلاةً مقرونة بسلامِه.

هذه المقدمةُ قدَّمها ابنُ المُلَقِّن لكتابه: (التوضيح لشرح الجامع الصحيح)، فآثرتُ جعلَها في مقدمة بحثي الذي أسعى به إلى استكمالِ متطلَّباتِ الحصول على درجة الماجستير في الدراسات اللغوية.

وقد كنتُ حريصًا -عند اختيار موضوع البحث- أن يكون مرتبطًا بالنصوص الشرعية؛ من كتابٍ وسنةٍ، فالحمدُ لله الذي يسَّر ووفَّق وأعان.

وبعد السؤال والبحث في الدراسات السابقة في مجال التخصص؛ رأيتُ أن المسائلَ النحوية في كتاب (التوضيح لشرح الجامع الصحيح) لم تُدرسِ الدراسةَ الكافية التي تُبرز ارتباطَ البحث النحوي النظري بالبحث الدلالي في معاني النصوص النبوية؛ فجعلتُه موضوعًا لبحثي؛ لأن ابنَ الملقن -على كثرة مؤلفاته وعلوِّ كَعْبه في العلوم الشرعية والعربية عمومًا- لم يُرزق من الشهرة والدراسة مثلما رُزق مثلًا تلميذُه ابنُ حجر العسقلاني، رحمهما الله.

وبعد اطلاعٍ ونظرٍ في هذا الشرح الكبير من شروح صحيح البخاري، وبعد مشاورةٍ لأهل التخصص والشأن؛ ارتأيتُ أن يكون عنوانُ البحث:

المسائل النحوية في كتاب التوضيح لشرح الجامع الصحيح

جمعًا وعرضًا ودراسةً
পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।

 

‌‌ভূমিকা

হে আল্লাহ! হে দয়ালু! সহজ করে দিন এবং সাহায্য করুন!

{হে আমাদের প্রতিপালক! আপনার পক্ষ থেকে আমাদের রহমত দান করুন এবং আমাদের জন্য আমাদের কাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন।}

আমি আল্লাহর প্রশংসা করছি তাঁর নিরন্তর অনুগ্রহের জন্য, এবং তাঁর ক্রমাগত দয়ার জন্য শুকরিয়া আদায় করছি; তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ মনোনীত বান্দার বাণীর মধ্য থেকে বিচ্যুতি ও বিকৃতি দূর করার মাধ্যমে এবং তাঁর সাথে সাক্ষাতের দিন পর্যন্ত বিচক্ষণ বিশেষজ্ঞ ও সমালোচক আলেমদের অস্তিত্ব বজায় রাখার মাধ্যমে।

আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই; এমন সাক্ষ্য যা তাঁর অবিনশ্বরতার সাথে চিরস্থায়ী। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল, তিনি রাসূলগণের সমাপ্তি এবং তাঁদের শেষ সুগন্ধি। তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবার ও সাহাবীগণের ওপর আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক।

ইবনে আল-মুলাক্কিন তাঁর 'আত-তাওদিহ লি-শারহি আল-জামি আল-সহিহ' গ্রন্থের জন্য এই ভূমিকাটি প্রদান করেছিলেন। আমি আমার গবেষণার প্রারম্ভে এটি ব্যবহার করাকে সমীচীন মনে করেছি, যার মাধ্যমে আমি ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণায় (লিঙ্গুইস্টিক স্টাডিজ) মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনের প্রয়োজনীয় শর্তাবলি পূরণ করার প্রয়াস চালাচ্ছি।

গবেষণার বিষয় নির্বাচনের সময় আমি এই বিষয়ে সচেষ্ট ছিলাম যেন তা কুরআন ও সুন্নাহর শরয়ী ভাষ্যের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত হয়। সুতরাং সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি বিষয়টি সহজ করেছেন, তাওফিক দিয়েছেন এবং সাহায্য করেছেন।

সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পূর্ববর্তী গবেষণাসমূহ পর্যালোচনা ও অনুসন্ধানের পর আমি দেখলাম যে, 'আত-তাওদিহ লি-শারহি আল-জামি আল-সহিহ' গ্রন্থের ব্যাকরণগত মাসআলাগুলো পর্যাপ্তভাবে অধ্যয়ন করা হয়নি, যা তাত্ত্বিক ব্যাকরণগত গবেষণার সাথে নববী বাণীর অর্থগত বিশ্লেষণের নিবিড় সম্পর্ককে ফুটিয়ে তুলবে। তাই আমি একেই আমার গবেষণার বিষয় হিসেবে নির্ধারণ করেছি; কারণ ইবনে আল-মুলাক্কিন -তাঁর প্রচুর রচনা এবং শরয়ী ও আরবি জ্ঞান-বিজ্ঞানে উচ্চ মর্যাদা থাকা সত্ত্বেও- তাঁর ছাত্র ইবনে হাজার আল-আসকালানির মতো তদ্রূপ খ্যাতি বা গবেষণার সুযোগ পাননি, আল্লাহ তাঁদের উভয়ের ওপর রহম করুন।

সহিহ বুখারীর এই বিশাল ভাষ্যগ্রন্থটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ এবং বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে পরামর্শ করার পর আমি গবেষণার শিরোনাম নির্ধারণ করেছি:

আত-তাওদিহ লি-শারহি আল-জামি আল-সহিহ গ্রন্থে ব্যাকরণগত মাসআলাসমূহ

সংগ্রহ, উপস্থাপন ও পর্যালোচনা।
(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৭)
‌‌أولًا- التعريفُ بالموضوع:

يقومُ هذا البحثُ على استقراء المسائل النحوية المنثورةِ في هذا الكتاب (التوضيح)، وجمعِها وتصنيفِها ودراستِها، ومعرفةِ ما إذا كان للمكوِّن النحويِّ قيمةٌ في هذا الكتاب، وهل له أثرٌ في شرح الحديث، أوْ لا؟

 

‌‌ثانيًا- أهميةُ الموضوع وأسبابُ اختياره:

تتمثلُ أهميةُ هذا الموضوع في أمورٍ؛ أهمُّها في نظري:

‌‌1 - كونُه مرتبطًا بالحديث النبوي.

‌‌2 - كونُه دراسةً تطبيقية.

‌‌3 - كونُه دراسةً جامعةً بين علمَيِ النحو ومعاني الحديث النبوي الشريف.

‌‌4 - كونُ هذا الشرحِ أُلِّف في القرن الثامن الهجري، عصرِ الحضارة والازدهار.

ومن أسباب اختياره:

‌‌1 - الرغبةُ في إبراز أثرِ المكوِّن النحوي في شرح الحديث النبوي الشريف.

‌‌2 - مكانةُ ابنِ الملقِّنِ العلمية وتمكنُه وإمامتُه في كثير من الفنون.

‌‌3 - إبرازُ شخصية ابنِ الملقن النحوية، التي ظهرت في جوانبَ عدةٍ.

 

‌‌ثالثًا- مشكلةُ البحث وتساؤلاتُه:

تتمثلُ مشكلةُ هذا البحث في أن ابنَ الملقن نحويٌّ متمكنٌ نظرًا وتطبيقًا؛ كما في ظهر في شرحه هذا الذي يبلغُ عددُ مجلداتِه خمسةً وثلاثين مجلدًا، ولكنه مع ذلك لم يُعْرَفْ نحويًّا كما عُرِفَ فقيهًا محدثًا عالمًا مشاركًا في علومٍ عدةٍ. فهو في شروحه لكتب الحديث وغيرها معنيٌّ بالنحو وأصولِه وباللغة وقواعدِها وبالصرف وأحكامِه، يثيرُ مسائلَ هذه العلوم اللغوية في أثناء شرحه لنصوص الأحاديثِ النبوية وغيرها؛ ليُبرزَ المعنى، أو يرجحَ الرأيَ، أو يقررَ الحكمَ، مستعينًا باللغة وعلومها.

فأردتُ إبرازَ هذا الجانبِ المشرق لهذا الإمام العَلَم من خلالِ شرحِه على صحيح البخاري، محاولًا الإجابةَ عن التساؤلات الآتية:
‌প্রথম- বিষয়ের পরিচিতি:

এই গবেষণাটি এই কিতাবে (আত-তাওদীহ) ছড়িয়ে থাকা ব্যাকরণিক মাসআলাসমূহের অনুসন্ধান, সেগুলোর সংগ্রহ, শ্রেণিবিন্যাস ও পর্যালোচনা এবং এই কিতাবে ব্যাকরণিক উপাদানের কোনো গুরুত্ব আছে কি না এবং হাদিসের ব্যাখ্যায় এর কোনো প্রভাব আছে কি না, তা জানার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

 

‌দ্বিতীয়- বিষয়ের গুরুত্ব ও এটি নির্বাচনের কারণসমূহ:

এই বিষয়ের গুরুত্ব কয়েকটি বিষয়ের মাঝে নিহিত; আমার দৃষ্টিতে সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো:

‌১ - এটি হাদিসে নববীর সাথে সম্পর্কিত হওয়া।

‌২ - এটি একটি প্রায়োগিক গবেষণা হওয়া।

‌৩ - এটি নাহু (ব্যাকরণ) এবং হাদিসে নববীর মর্মার্থ—এই উভয় ইলমের সমন্বয়কারী একটি গবেষণা হওয়া।

‌৪ - এই ব্যাখ্যাগ্রন্থটি হিজরি অষ্টম শতাব্দীতে রচিত হওয়া, যা ছিল সভ্যতা ও সমৃদ্ধির যুগ।

আর এটি নির্বাচনের কারণসমূহের মধ্যে রয়েছে:

‌১ - হাদিসে নববীর ব্যাখ্যায় ব্যাকরণিক উপাদানের প্রভাব ফুটিয়ে তোলার আকাঙ্ক্ষা।

‌২ - ইবনুল মুলাক্কিনের ইলমি মর্যাদা এবং অনেক শাস্ত্রে তাঁর পারদর্শিতা ও ইমামত।

‌৩ - ইবনুল মুলাক্কিনের ব্যাকরণিক ব্যক্তিত্ব ফুটিয়ে তোলা, যা বিভিন্ন দিক থেকে প্রকাশ পেয়েছে।

 

‌তৃতীয়- গবেষণার সমস্যা ও এর প্রশ্নাবলি:

এই গবেষণার সমস্যা হলো, ইবনুল মুলাক্কিন তত্ত্ব এবং প্রয়োগ—উভয় দিক থেকেই একজন দক্ষ ব্যাকরণবিদ ছিলেন; যা তাঁর এই পঁয়ত্রিশ খণ্ডের ব্যাখ্যাগ্রন্থে ফুটে উঠেছে। তবে এতদসত্ত্বেও তিনি যেভাবে ফকিহ, মুহাদ্দিস এবং বহু শাস্ত্রে পারদর্শী আলেম হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন, সেভাবে ব্যাকরণবিদ হিসেবে পরিচিত হননি। তিনি হাদিসের কিতাবসমূহের ব্যাখ্যায় এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে নাহু ও এর উসুল, ভাষা ও এর নিয়মাবলি এবং সরফ (শব্দতত্ত্ব) ও এর বিধানাবলির প্রতি বিশেষ যত্নশীল ছিলেন। তিনি হাদিসে নববীর নসসমূহ এবং অন্যান্য বিষয়ের ব্যাখ্যা করার সময় ভাষাতাত্ত্বিক এই ইলমসমূহের মাসআলাগুলো উত্থাপন করতেন; যাতে অর্থ স্পষ্ট করা যায়, কোনো মতকে প্রাধান্য দেওয়া যায় অথবা কোনো বিধান সুপ্রতিষ্ঠিত করা যায়—আর এক্ষেত্রে তিনি ভাষা ও এর বিভিন্ন ইলমের সহায়তা নিতেন।

তাই আমি সহিহ বুখারীর ওপর রচিত তাঁর ব্যাখ্যাগ্রন্থের মাধ্যমে এই বরেণ্য ইমামের এই উজ্জ্বল দিকটি ফুটিয়ে তোলার ইচ্ছা করেছি এবং নিম্নোক্ত প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছি:
(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৮)
‌‌1 - هل لابنِ الملقن اختياراتُه النحويةُ؟ أو أنه مقلدٌ ومجردُ ناقلٍ عمَّن قبلَه؟

‌‌2 - ما القيمةُ العلمية لمسائل النحو التي أثارها ابنُ الملقن في كتاب التوضيح؟

‌‌3 - هل أثرُ الجانب النحوي واضحٌ في شرحه للحديث النبوي، أو أنه يعرِضُ له فقط لبيان تمكُّنه وعلمِه بالنحو؟

‌‌4 - ما أثرُ تعددِ الأوجُه الإعرابيةِ للمسألة النحوية الواحدة في معنى الحديث النبوي؟

‌‌5 - ما حجمُ المكوِّن النحوي في هذا الكتاب، كمًّا ونوعًا، وما مميزاتُه؟
১ - ইবনুল মুলাক্কিনের কি নিজস্ব ব্যাকরণিক পছন্দ রয়েছে? নাকি তিনি কেবল তাঁর পূর্ববর্তীদের একজন অনুসারী এবং নিছক বর্ণনাকারী মাত্র?

২ - 'আত-তাওদীহ' গ্রন্থে ইবনুল মুলাক্কিন যেসব ব্যাকরণিক মাসআলা উত্থাপন করেছেন তার তাত্ত্বিক মূল্য কী?

৩ - হাদীসে নববীর ব্যাখ্যায় ব্যাকরণিক প্রভাব কি সুস্পষ্ট, নাকি তিনি কেবল ব্যাকরণ শাস্ত্রে তাঁর দক্ষতা ও জ্ঞান প্রদর্শনের জন্য এটি উল্লেখ করেছেন?

৪ - একটি ব্যাকরণিক মাসআলায় একাধিক ইরাব বা শব্দতাত্ত্বিক অবস্থানের ভিন্নতা হাদীসের অর্থের ওপর কী প্রভাব ফেলে?

৫ - এই গ্রন্থে ব্যাকরণিক উপাদানের পরিমাণ ও গুণগত মান কতটুকু এবং এর বৈশিষ্ট্যসমূহ কী কী?
(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৯)
‌‌رابعًا- أهدافُ البحث:

‌‌1 - توضيحُ مكانة ابن الملقن في النحو، وهل هو نحويٌّ أصيلٌ من طبقة الأئمة، كما هو إمامٌ في عدد من الفنون الأخرى.

‌‌2 - عرضُ المسائل النحوية في كتاب (التوضيح لشرح الجامع الصحيح)، وتحليلُ نماذجَ منها تحليلًا علميًّا.

‌‌3 - بيانُ مدى ما للمسائلِ النحوية من أثرٍ في توضيحِ معاني الحديث النبوي.

‌‌4 - دراسةُ آراء ابن الملقن النحوية في ضوء آراء النحويين على اختلافِ مذاهبِهم.

‌‌5 - استخلاصُ سمات منهجِ ابن الملقن النحويِّ من خلال شرحه لصحيح البخاري.
চতুর্থত- গবেষণার লক্ষ্যসমূহ:

১ - ব্যাকরণ শাস্ত্রে ইবনুল মুলাক্কিনের মর্যাদা স্পষ্ট করা এবং তিনি অন্যান্য বিভিন্ন শাস্ত্রে যেমন ইমাম, তেমনি ব্যাকরণ শাস্ত্রেও ইমামদের স্তরের একজন মৌলিক ব্যাকরণবিদ কি না তা যাচাই করা।

২ - ‘আত-তাওদীহ লি-শারহিল জামিই আস-সাহীহ’ গ্রন্থে ব্যাকরণিক মাসআলাসমূহ (বিষয়সমূহ) উপস্থাপন করা এবং সেগুলোর কিছু নির্বাচিত নমুনার বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ প্রদান করা।

৩ - হাদিসে নববীর অর্থ পরিস্ফুট করার ক্ষেত্রে ব্যাকরণিক মাসআলাসমূহের প্রভাবের মাত্রা বর্ণনা করা।

৪ - বিভিন্ন মাযহাবের ব্যাকরণবিদদের মতামতের আলোকে ইবনুল মুলাক্কিনের ব্যাকরণিক মতামতের ওপর গবেষণা করা।

৫ - সহীহ বুখারীর ব্যাখ্যাগ্রন্থের মধ্য দিয়ে ইবনুল মুলাক্কিনের ব্যাকরণিক পদ্ধতির বৈশিষ্ট্যসমূহ নির্যাস আকারে বের করা।
(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ১০)
‌‌خامسًا- الدراساتُ السابقة:

لم يألُ الباحثُ جهدًا في البحث عن دراساتٍ لغويةٍ سابقة لكتاب (التوضيح لشرح الجامع الصحيح) لابن الملقن، وبعد التحري والتقصِّي، لم يقفِ الباحثُ -حسَب اطلاعِه- إلا على دراستين:

‌‌1 - مسائل علم البيان في المطبوع من شروح البخاري في القرن الثامن الهجري- دراسة وتقويمًا، رسالة دكتوراة، مقدمة من الباحث: عبد الله بن سعد الرويس، لكلية اللغة العربية، قسم البلاغة والنقد، في جامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية، سنة 1434 هـ.

وقد اطلع عليها الباحثُ، ووجد أنها تعرَّضت لكتاب (التوضيح لشرح الجامع الصحيح) باعتباره في القرن الثامن الهجري، لكنها دراسةٌ في مجال البلاغة العربية، فهي بعيدةٌ عن تخصص هذا البحث.

‌‌2 - القضايا النحوية والصرفية في كتاب (التوضيح لشرح الجامع الصحيح) لابن الملقن- جمعًا ودراسة، رسالة دكتوراة، مقدمة من الباحث: أكرم محمد عقاب محمد، لكلية الآداب، قسم اللغة العربية وآدابها، في جامعة الفيوم، سنة 1434 هـ.

وقد اطلع عليها الباحثُ، ووجد أنها تختلفُ عن دراسته فيما يلي:

‌‌1 - أنه اقتصر على المسائل النحوية التي وقع فيها تعدد التوجيه الإعرابي، وقد ذكرت المسائل النحوية مطلقا؛ سواء تعدد فيها التوجيه أو اتحد.

‌‌2 - أنه جعل المسائل النحوية كلها فصلًا واحدًا، ولم يقسمها على الأبواب النحوية، وأنا قسمت المسائل على فصول ومباحث لتنظيم الدراسة.

‌‌3 - أنه ذكر 33 مسألة نحوية فقط، وأنا ذكرت 70 مسألة، وحاولت تجنب المسائل التي بحثها إلا ما لا بد منه في بيان منهج ابن الملقن وطريقته في البحث.

‌‌4 - أنه اقتصر في بيان منهج ابن الملقن على (القرآن والحديث وكلام العرب)، ولم يتعرض لباقي الأصول النحوية؛ كالإجماع والقياس والتعليل.
পঞ্চম- পূর্ববর্তী গবেষণাসমূহ:

ইবনুল মুলাক্কিন রচিত 'আত-তাওদিহ লি-শারহি আল-জামি আল-সহিহ' গ্রন্থের ওপর পূর্ববর্তী ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণাসমূহ অনুসন্ধানে গবেষক কোনো ত্রুটি করেননি। অনুসন্ধান ও তদন্তের পর গবেষক—তার জানামতে—মাত্র দুটি গবেষণার সন্ধান পেয়েছেন:

১ - অষ্টম হিজরি শতাব্দীতে বুখারির মুদ্রিত ব্যাখ্যাগ্রন্থসমূহে ইলমুল বায়ানের মাসআলাসমূহ: একটি পর্যালোচনা ও মূল্যায়নমূলক গবেষণা। এটি একটি পিএইচডি অভিসন্দর্ভ, যা গবেষক আব্দুল্লাহ বিন সাদ আল-রুওয়াইস ইমাম মুহাম্মদ ইবনে সউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি ভাষা অনুষদের বালাগাত ও সমালোচনা বিভাগে ১৪৩৪ হিজরি সনে পেশ করেছেন।

গবেষক এটি পর্যালোচনা করেছেন এবং দেখেছেন যে, এতে অষ্টম হিজরি শতাব্দীর গ্রন্থ হিসেবে 'আত-তাওদিহ লি-শারহি আল-জামি আল-সহিহ' গ্রন্থটি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তবে এটি আরবি অলঙ্কারশাস্ত্র (বালাগাত) বিষয়ক একটি গবেষণা, তাই এটি বর্তমান গবেষণার বিশেষায়িত ক্ষেত্র থেকে ভিন্ন।

২ - ইবনুল মুলাক্কিন রচিত 'আত-তাওদিহ লি-শারহি আল-জামি আল-সহিহ' গ্রন্থে নাহু ও সরফ সংক্রান্ত বিষয়াবলি: সংগ্রহ ও পর্যালোচনা। এটি একটি পিএইচডি অভিসন্দর্ভ, যা গবেষক আকরাম মুহাম্মদ উক্বাব মুহাম্মদ ফায়য়ুম বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে ১৪৩৪ হিজরি সনে পেশ করেছেন।

গবেষক এটি পর্যালোচনা করেছেন এবং দেখেছেন যে, এটি তার (বর্তমান) গবেষণার চেয়ে নিম্নোক্ত দিক থেকে ভিন্ন:

১ - তিনি কেবল সেই সব নাহু সংক্রান্ত মাসআলায় সীমাবদ্ধ থেকেছেন যেগুলোর ইরাব বা বাক্যবিশ্লেষণে একাধিক সম্ভাবনা (তাজউজিহ) রয়েছে। অথচ আমি নাহুর মাসআলাসমূহকে সাধারণভাবে উল্লেখ করেছি, চাই সেগুলোতে একাধিক বিশ্লেষণ থাকুক বা একটিই থাকুক।

২ - তিনি নাহুর সমস্ত মাসআলাকে একটি মাত্র পরিচ্ছেদে বিন্যস্ত করেছেন এবং নাহুর অধ্যায় অনুযায়ী সেগুলোকে বিভক্ত করেননি। আর আমি গবেষণাকে সুশৃঙ্খল করার জন্য মাসআলাগুলোকে বিভিন্ন পরিচ্ছেদ ও অনুচ্ছেদে বিভক্ত করেছি।

৩ - তিনি কেবল ৩৩টি নাহু সংক্রান্ত মাসআলা উল্লেখ করেছেন, আর আমি ৭০টি মাসআলা উল্লেখ করেছি। তিনি যেসব মাসআলা নিয়ে আলোচনা করেছেন, ইবনুল মুলাক্কিনের গবেষণা পদ্ধতি ও রীতি ব্যাখ্যা করার জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় ক্ষেত্র ছাড়া আমি সেগুলো এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছি।

৪ - তিনি ইবনুল মুলাক্কিনের পদ্ধতি বর্ণনায় কেবল (কুরআন, হাদিস ও আরবদের বাণী)-এর ওপর সীমাবদ্ধ থেকেছেন। তিনি নাহুর অন্যান্য মূলনীতি যেমন: ইজমা, কিয়াস ও কারণতত্ত্ব (তালিল) নিয়ে আলোচনা করেননি।
(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ১১)
‌‌سادسًا- منهجُ البحث:

عنوانُ الرسالة وموضوعُها، يقتضي أن يلتزمَ الباحثُ بالمنهج الوصفي التحليلي النقدي.

هذا، مع الاستعانة بالمناهجِ الأخرى؛ كالمنهج التاريخيِّ؛ في ترتيب الآراء والترجمةِ للمؤلف وغيرِه من الأعلام، والمنهجِ المقارِن؛ في الموازنة بين الآراء والترجيحِ بينها حسَبَ ما تقتضيه مصلحةُ البحث.

ويقومُ عملي في هذا البحث على الآتي:

‌‌1 - جمعُ المسائل النحوية الواردة في الكتاب (1)، وإدراجها وَفْقَ خطة البحث، بحيث يكون المبحثُ الأول من الفصل الأولِ للأسماء المبنية، والمبحثُ الثاني للأسماء المعربة، وسيكونُ المبحث الأولُ من الفصل الثاني للأفعال المبنية، والمبحثُ الثاني للأفعال المعربة، أما المبحثُ الأول من الفصل الثالث فللحروف العاملةِ، والمبحثُ الثاني للحروف المهملة.

‌‌2 - توثيقُ الحديث الذي حوى المسألةَ النحوية من صحيح البخاري، ثم نقلُ نصِّ قولِ ابنِ الملقن فيها، من كتابه موضع الدراسة (التوضيح لشرح الجامع الصحيح).

‌‌3 - دراسةُ المسألة نحويًّا مع مراجعة نسبة الأقوال التي ذكرها ابنُ الملقن بالرجوع إلى مراجعِها الأصلية إن أمكنَ أو إلى أقربِ المظانِّ إليها.

‌‌4 - عزوُ الشواهد إلى مظانها، مع توثيقِها.

‌‌5 - تبيينُ وجهة نظر الباحث حسَبَ الإمكانِ، وذلك بعد عرض المسألة ودراستِها.

‌‌6 - وضعُ الفهارس الفنية المعتبرة؛ وهي:

فهرس الآيات القرآنية، فهرس الحديث، فهرس الآثار، فهرس الأشعار، فهرس المصادر والمراجع، فهرس الموضوعات.

--------------------------------------------

(1) التزمتُ بدراسة سبعين مسألةً، وذلك هو حدُّ دراسة المسائل في مرحلة الماجستير، كما أفادني بذلك قسمُ اللغة العربية بكلية اللغة العربية والدراسات الاجتماعية بجامعة القصيم.
ষষ্ঠ- গবেষণা পদ্ধতি:

থিসিসের শিরোনাম ও এর বিষয়বস্তু গবেষককে বর্ণনামূলক, বিশ্লেষণাত্মক ও সমালোচনামূলক পদ্ধতি অনুসরণের দাবি রাখে।

এর পাশাপাশি অন্যান্য পদ্ধতিরও সহায়তা নেওয়া হয়েছে; যেমন: মতামতের বিন্যাস এবং লেখক ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জীবনী রচনার ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক পদ্ধতি; আর মতামতের মধ্যে তুলনা ও গবেষণার স্বার্থ অনুযায়ী সেগুলোর মধ্য থেকে অগ্রাধিকার প্রদানের ক্ষেত্রে তুলনামূলক পদ্ধতি।

এই গবেষণায় আমার কাজ নিম্নরূপ বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত:

১ - বইটিতে উল্লিখিত ব্যাকরণিক মাসআলাসমূহ (১) সংগ্রহ করা এবং সেগুলোকে গবেষণা পরিকল্পনা অনুযায়ী বিন্যস্ত করা; যেন প্রথম অধ্যায়ের প্রথম পরিচ্ছেদটি অপরিবর্তনীয় বিশেষ্য (মাবনি ইসিম) এবং দ্বিতীয় পরিচ্ছেদটি পরিবর্তনশীল বিশেষ্য (মু'রাব ইসিম)-এর জন্য হয়। দ্বিতীয় অধ্যায়ের প্রথম পরিচ্ছেদটি অপরিবর্তনীয় ক্রিয়া (মাবনি ফেল) এবং দ্বিতীয় পরিচ্ছেদটি পরিবর্তনশীল ক্রিয়া (মু'রাব ফেল)-এর জন্য নির্ধারিত থাকবে। আর তৃতীয় অধ্যায়ের প্রথম পরিচ্ছেদটি আমলকারী অব্যয় (হুরূফ আল-আমিলাহ) এবং দ্বিতীয় পরিচ্ছেদটি আমলবিহীন অব্যয় (হুরূফ আল-মুহমালাহ)-এর জন্য নির্ধারিত হবে।

২ - সহীহ বুখারী থেকে ব্যাকরণিক মাসআলা সম্বলিত হাদিসটির সূত্র উল্লেখ করা, অতঃপর গবেষণাধীন গ্রন্থ ‘আত-তাওদীহ লি-শারহিল জামিইস সহীহ’ হতে এ বিষয়ে ইবনুল মুলাক্কিনের বক্তব্য উদ্ধৃত করা।

৩ - মাসআলাটির ব্যাকরণিক পর্যালোচনা করা এবং ইবনুল মুলাক্কিন কর্তৃক উল্লিখিত বক্তব্যের উদ্ধৃতিগুলো সম্ভব হলে মূল উৎস হতে অথবা নিকটতম নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে যাচাই করা।

৪ - কাব্যিক বা ভাষাগত প্রমাণসমূহকে (শাওয়াহিদ) সেগুলোর মূল উৎসের দিকে সম্বন্ধযুক্ত করা এবং সেগুলোর প্রামাণিকতা যাচাই করা।

৫ - মাসআলাটি উপস্থাপন ও পর্যালোচনার পর যথাসম্ভব গবেষকের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ব্যক্ত করা।

৬ - নির্ভরযোগ্য প্রায়োগিক নির্ঘণ্টসমূহ যুক্ত করা; সেগুলো হলো:

কুরআনের আয়াতের নির্ঘণ্ট, হাদিসের নির্ঘণ্ট, আছারের নির্ঘণ্ট, কবিতার নির্ঘণ্ট, উৎস ও তথ্যসূত্রের নির্ঘণ্ট এবং বিষয়সূচির নির্ঘণ্ট।

--------------------------------------------

(১) আমি সত্তরটি মাসআলা পর্যালোচনার বাধ্যবাধকতা রক্ষা করেছি, আর এটাই হলো মাস্টার্স পর্যায়ে মাসআলা পর্যালোচনার সীমা, যেমনটি আমাকে কাসিম ইউনিভার্সিটির আরবি ভাষা ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের আরবি ভাষা বিভাগ হতে জানানো হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ১২)
‌‌سابعًا- خطة البحث:

اشتملت خطةُ البحث على: مقدمةٍ، وتمهيدٍ، وقسمين يشتملانِ على سبعةِ فصول، فيها واحدٌ وعشرون مبحثًا، ثم خاتمة تليها الفهارس الفنية، وتفصيلُ ذلك فيما يلي:

المقدمةُ، وفيها:

التعريفُ بالموضوع وأهميتُه، وأسبابُ اختياره، ومشكلةُ البحث وتساؤلاتُه، وأهدافُه، والدراساتُ السابقة، ومنهجُ البحث، وخطتُه.

التمهيدُ، وفيه:

أولًا: ابنُ الملقن (حياتُه وآثاره).

ثانيًا: كتابُ (التوضيح لشرح الجامع الصحيح)؛ المحتوَى والقيمةُ.

ثالثًا: الحديثُ النبوي وأثرُه في التقعيد النحوي.

القسمُ الأول: دراسةُ المسائل

وتحته ثلاثةُ فصول:

الفصلُ الأول: مسائل الأسماء؛ وتحته مبحثان:

المبحثُ الأول: الأسماءُ المبنية

المبحثُ الثاني: الأسماءُ المعربة

الفصلُ الثاني: مسائلُ الأفعال؛ وتحته مبحثان:

المبحثُ الأول: الأفعالُ المبنية

المبحثُ الثاني: الأفعالُ المعربة

الفصلُ الثالثُ: مسائلُ الحروف؛ وتحته مبحثان:

المبحثُ الأول: الحروفُ العاملة

المبحثُ الثاني: الحروفُ المُهمَلة

القسمُ الثاني: الدراسةُ المنهجية

وتحته أربعةُ فصول:

الفصلُ الأول: مصادرُه؛ وتحته مبحثان:

المبحثُ الأول: الرجالُ
সপ্তম- গবেষণার পরিকল্পনা:

গবেষণা পরিকল্পনাটি নিম্নোক্ত বিষয়গুলো নিয়ে গঠিত: একটি ভূমিকা, একটি উপক্রমণিকা এবং দুটি অংশ যা সাতটি অধ্যায়কে অন্তর্ভুক্ত করে, যার মধ্যে একুশটি পরিচ্ছেদ রয়েছে। এরপর একটি উপসংহার এবং তাকে অনুসরণ করে বিষয়ভিত্তিক নির্ঘণ্টসমূহ রয়েছে। এর বিস্তারিত বিবরণ নিম্নরূপ:

ভূমিকা, এতে রয়েছে:

বিষয়ের পরিচয় ও এর গুরুত্ব, এটি নির্বাচনের কারণসমূহ, গবেষণার সমস্যা ও এর জিজ্ঞাসাগুলো, এর লক্ষ্যসমূহ, পূর্ববর্তী গবেষণাসমূহ, গবেষণা পদ্ধতি এবং এর পরিকল্পনা।

উপক্রমণিকা, এতে রয়েছে:

প্রথমত: ইবনুল মুলাক্কিন (তাঁর জীবন ও কর্ম)।

দ্বিতীয়ত: 'আত-তাওদিহ লি-শারহিল জামিইস সহিহ' গ্রন্থ; এর বিষয়বস্তু ও গুরুত্ব।

তৃতীয়ত: হাদিসে নববী এবং নাহব বা ব্যাকরণগত মূলনীতি নির্ধারণে এর প্রভাব।

প্রথম অংশ: মাসআলাসমূহের পর্যালোচনা

এর অধীনে তিনটি অধ্যায় রয়েছে:

প্রথম অধ্যায়: বিশেষ্য (ইসিম) সংক্রান্ত মাসআলাসমূহ; এর অধীনে দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: মাবনি (অপরিবর্তনীয়) বিশেষ্যসমূহ

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: মুরব (পরিবর্তনশীল) বিশেষ্যসমূহ

দ্বিতীয় অধ্যায়: ক্রিয়া (ফেল) সংক্রান্ত মাসআলাসমূহ; এর অধীনে দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: মাবনি (অপরিবর্তনীয়) ক্রিয়াসমূহ

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: মুরব (পরিবর্তনশীল) ক্রিয়াসমূহ

তৃতীয় অধ্যায়: অব্যয় (হরফ) সংক্রান্ত মাসআলাসমূহ; এর অধীনে দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: আমিল (প্রভাব বিস্তারকারী) অব্যয়সমূহ

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: মুহমালাহ (প্রভাবহীন) অব্যয়সমূহ

দ্বিতীয় অংশ: পদ্ধতিগত পর্যালোচনা

এর অধীনে চারটি অধ্যায় রয়েছে:

প্রথম অধ্যায়: তাঁর উৎসসমূহ; এর অধীনে দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: ব্যক্তিবর্গ (উৎস হিসেবে বর্ণিত ব্যক্তিগণ)
(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ১৩)
المبحثُ الثاني: الكتبُ

الفصلُ الثاني: منهجُه في عرض المسائل؛ وتحته ثلاثةُ مباحثَ:

المبحثُ الأول: طريقتُه في عرض المسائل

المبحثُ الثاني: الإيجازُ والإطنابُ لديه

المبحثُ الثالث: عرضُه للخلاف النحوي، وموقفُه من النحويين

الفصلُ الثالث: أصولُ الاستدلال في دراسته للمسائل النحوية

وتحته خمسة مباحث:

المبحثُ الأول: السماعُ

المبحثُ الثاني: القياسُ

المبحثُ الثالث: الإجماعُ

المبحثُ الرابع: أصولٌ أخرى

المبحثُ الخامس: استعانتُه بالتعليل

الفصلُ الرابع: التقويمُ؛ وتحته خمسةُ مباحثَ:

المبحثُ الأول: الوضوحُ والغموض

المبحثُ الثاني: الدقةُ في النقل، وعدمُها

المبحثُ الثالث: التبعيةُ والاستقلالُ

المبحثُ الرابع: تأثيرُ آرائه فيمن جاء بعده

المبحثُ الخامس: أثرُ بحثه النحوي في دلالةِ الحديث

الخاتمة:

وفيها:

أولًا: أهمُّ النتائجِ التي توصل إليها الباحثُ.

ثانيًا: أهمُّ التوصيات التي يُوصي بها الباحثُ.

الفهارسُ الفنية:

وهي الفهارسُ الآتية:

- فهرس الآيات القرآنية
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: গ্রন্থসমূহ

দ্বিতীয় অধ্যায়: মাসআলা উপস্থাপনে তাঁর পদ্ধতি; এর অধীনে তিনটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: মাসআলা উপস্থাপনে তাঁর পদ্ধতি

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: তাঁর নিকট সংক্ষেপণ ও সম্প্রসারণ

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: নাহু-সংক্রান্ত মতভেদ উপস্থাপন এবং বৈয়াকরণদের প্রতি তাঁর অবস্থান

তৃতীয় অধ্যায়: নাহু-সংক্রান্ত মাসআলা গবেষণায় দলীল গ্রহণের মূলনীতিসমূহ

এবং এর অধীনে পাঁচটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: আস-সামা‘ (শ্রুত প্রমাণ)

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: আল-কিয়াস (যৌক্তিক অনুমান)

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: আল-ইজমা (ঐক্যমত)

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: অন্যান্য মূলনীতিসমূহ

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: কারণ দর্শানোর (তা‘লীল) সহায়তা গ্রহণ

চতুর্থ অধ্যায়: মূল্যায়ন; এর অধীনে পাঁচটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: স্পষ্টতা ও অস্পষ্টতা

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: উদ্ধৃতি প্রদানের নির্ভুলতা এবং এর অভাব

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: অনুসারিতা ও স্বকীয়তা

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: পরবর্তী প্রজন্মের ওপর তাঁর মতামতের প্রভাব

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: হাদীসের অর্থ প্রকাশে তাঁর নাহু-সংক্রান্ত গবেষণার প্রভাব

উপসংহার:

এবং এতে রয়েছে:

প্রথমত: গবেষক যেসব গুরুত্বপূর্ণ ফলাফলে উপনীত হয়েছেন।

দ্বিতীয়ত: গবেষক যেসব গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ প্রদান করেছেন।

কারিগরী নির্ঘণ্টসমূহ:

তা হলো নিম্নোক্ত নির্ঘণ্টসমূহ:

- কুরআনের আয়াতসমূহের নির্ঘণ্ট
(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ১৪)
- فهرس الأحاديث

- فهرس الآثار

- فهرس الأشعار

- فهرس المصادر والمراجع

- فهرس الموضوعات

وممَّا أودُّ التنبيهَ عليه: أنه بعد جمع مسائلِ الكتاب -حسَبَ ورودِها في الشرح- الأولى فالأولى، اخترتُ منها سبعين مسألةً تجنبًا للإطالة؛ لأنها تفي بالغرض وتدلُّ على المقصود، ثم صنفتُها حسَبَ فصولِ ومباحثِ الرسالة، غيرَ مُحدِّدٍ للمبحث الواحد عددًا من المسائل؛ إذ المجالُ في ذلك واسعٌ، والبغيةُ حاصلةٌ.

وقد اعتمدتُ في استخراج المسائل النحوية، على:

- الطبعة التي نشرتها دارُ النوادر - سوريا، وحققتها دارُ الفلاح للبحث العلمي وتحقيق التراث.

وذلك لما يلي:

‌‌1 - أنها اعتمدت على النسخة السلطانية.

‌‌2 - اعتناؤها بتوثيق نصوص ابنِ الملقن ومصادرِه.

‌‌3 - سهولةُ الوصول إليها، وجودةُ طباعتها، وسلامةُ نصوصها.

ومن العقبات التي واجهتني في بحثي: الجمعُ بين العمل والدراسة في آنٍ، إذ لم تفرِّغْني الجامعةُ للدراسة مع موافقتها على ابتعاثي، وكنت أعاني الجمع بين الدراسة والعمل، وهذا أدى إلى كثير من الضغط وطولِ مدة الدراسة. ومن المشكلات التي واجهتني كذلك: أنَّ هناك مسائلَ اختلط فيها الجانبُ النحوي بالجانب الصرفي، كما أنَّ هناك مسائلَ اختلط فيها البحثُ النحوي بالبحث الدلالي، ومسائلَ اجتمع فيها المبنيُّ والمعربُ من الأسماء والأفعال، ومسائلَ اجتمع فيها الكلامُ عن الاسم والفعل والحرف، فاجتهدتُ في حَلِّ ذلك عند التصنيف؛ بمراعاة الجانب الغالبِ في المسألة؛ وهو جوهرُ القضية التي من أجلِها أثارَ ابنُ الملقن المسألةَ؛ مع تجنُّب التشدد في التفريق بين علمَيِ النحو والصرف؛ إذ إنَّ مِن النحاة مَن يجعلهما علمًا واحدًا (ولا سيَّما عند المتقدمين)، وهما تخصصٌ واحدٌ في جميع الجامعات العربية.
হাদিসের সূচিপত্র

- আসার বা সাহাবীগণের বাণীর সূচিপত্র

- কবিতার সূচিপত্র

- উৎস ও তথ্যসূত্র সমূহের সূচিপত্র

- বিষয়সূচি

এবং যে বিষয়টি আমি বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই তা হলো: কিতাবের মাসআলাগুলো—ব্যাখ্যাগ্রন্থে যেভাবে এসেছে সে অনুযায়ী ধারাবাহিকভাবে—সংগ্রহ করার পর, আমি তা থেকে সত্তরটি মাসআলা নির্বাচন করেছি দীর্ঘসূত্রিতা এড়ানোর জন্য; কারণ এগুলো মূল উদ্দেশ্য পূরণের জন্য যথেষ্ট এবং অভীষ্ট লক্ষ্যকে নির্দেশ করে। অতঃপর আমি এই গবেষণাপত্রের পরিচ্ছেদ ও অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সেগুলো বিন্যস্ত করেছি, প্রতিটি অনুচ্ছেদের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক মাসআলা নির্ধারণ না করে; কারণ এ ক্ষেত্রে পরিসর ব্যাপক এবং কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য এতে অর্জিত হয়।

নাহবী (ব্যাকরণগত) মাসআলাসমূহ আহরণে আমি নির্ভর করেছি:

- সিরিয়ার দারুন নাওয়াদির কর্তৃক প্রকাশিত এবং দারুল ফালাহ লুল বাহসিল ইলমি ওয়া তাহকীকিত তুরাস কর্তৃক তাহকীককৃত সংস্করণের ওপর।

আর তা নিম্নোক্ত কারণসমূহের জন্য:

‌‌১ - এটি সুলতানি পাণ্ডুলিপির ওপর ভিত্তি করে প্রস্তুত করা হয়েছে।

‌‌২ - ইবনুল মুলাক্কিনের উদ্ধৃতি এবং তাঁর উৎসসমূহ যাচাইয়ের প্রতি এতে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

‌‌৩ - এটি সহজে লভ্য হওয়া, এর উন্নত মুদ্রণ এবং পাঠের বিশুদ্ধতা।

আমার গবেষণাকালে আমি যে সকল বাধার সম্মুখীন হয়েছি তার মধ্যে একটি হলো: একই সাথে চাকুরি এবং পড়াশোনার সমন্বয় করা, কারণ বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে বিদেশে পাঠানোর অনুমতি দিলেও পড়াশোনার জন্য আমাকে কর্মমুক্ত করেনি। ফলে পড়াশোনা ও কাজের মধ্যে সমন্বয় করতে গিয়ে আমাকে কষ্টের শিকার হতে হয়েছে, যা প্রচুর চাপ এবং পড়াশোনার সময়কাল দীর্ঘ হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আরও যেসব সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি তার মধ্যে রয়েছে: এমন কিছু মাসআলা যেখানে নাহবী (বাক্যতত্ত্ব) ও সরফী (শব্দতত্ত্ব) বিষয় পরস্পর মিশে গিয়েছিল, ঠিক যেমন কিছু মাসআলায় নাহবী আলোচনার সাথে অর্থতাত্ত্বিক আলোচনা মিশে গিয়েছিল। এছাড়া এমন কিছু মাসআলাও ছিল যেখানে বিশেষ্য ও ক্রিয়ার মাবনী (অপরিবর্তনীয়) ও মু’রাব (পরিবর্তনীয়) হওয়ার বিষয়গুলো একত্রে এসেছে, এবং এমন কিছু মাসআলা যেখানে বিশেষ্য, ক্রিয়া ও অব্যয় সংক্রান্ত আলোচনা একসাথে হয়েছে। তাই আমি এগুলো বিন্যাসের সময় মাসআলার প্রধান দিকটির প্রতি লক্ষ্য রেখে সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি; আর তা হলো সেই মূল বিষয় যার কারণে ইবনুল মুলাক্কিন মাসআলাটি উত্থাপন করেছেন। সাথে সাথে নাহু ও সরফ শাস্ত্র দুটির মধ্যে পার্থক্যের ক্ষেত্রে কঠোরতা পরিহার করেছি; কারণ ব্যাকরণবিদদের মধ্যে এমন অনেকে আছেন যারা এই দুই শাস্ত্রকে এক মনে করেন (বিশেষ করে প্রাচীন ব্যাকরণবিদগণের নিকট), এবং সমস্ত আরব বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এ দুটিকে একই বিশেষায়ন হিসেবে গণ্য করা হয়।
(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ১৫)
وختامًا أقدِّمُ أرقَّ آياتِ الشكر، وأسمى معانيه، وأعذب ألحانه، وأرقى مشاعره، لـ (جامعة شقراء) التي حاطتني برعايتها لأكمل دراستي هذه، ممثلةً في معالي مديرها (عوض بن خزيم آل سرور الأسمري)، كما أشكرُ عميد كلية التربية بالدوادمي (د. لفا بن محمد الحافي)، كذا أشكرُ وكيل الكلية (د. عبد الله بن سعد الرويس)، فقد كان لهما فضلُ المتابعة والحثِّ والنصح.

كما أقدمُ الشكرَ لجامعة القصيم، التي احتوتني في مرحلة البكالوريوس والماجستير؛ ففي أروِقَتِها وجدتُ الخير والبركة، ممثلةً في معالي مديرها (عبد الرحمن بن حمد محمد الداود)، فله مني أفضلُ الدعاء.

وأقدِّمُ شكري كذلك لكلية الدراساتِ العليا (عميدًا ووكيلًا ومنسوبِين)، كما أقدِّمُ شكري لكلية اللغة العربية والدراسات الاجتماعية، وأصدقُ الدعاء لقسم اللغة العربية وآدابها ممثلًا في رئيسه وأعضاء هيئة التدريس فيه، وأُبرِز عَلَمَ الوفاء لكل عالم تشرَّفتُ بالدراسة على يديه، ففيهم اللهم بارِكْ.

وأشكرُ شكرًا خاصًّا لأستاذي (سعادة الشيخ الأستاذ: سعد بن عبدالله الواصل)، الذي صمَّم قالبَ البحوث والرسائل العلمية، فيسَّر كتابةَ البحث وتنسيقَه.

ومسكُ الختام هو الشكرُ لشيخي (الدكتور سليمان يوسف خاطر) عرفانًا بفضله، فقد غَمَرني بلطفه، وأكرمني بخلقه، وأرشدني بعلمه وحلمه، فأسألُ الله أن يُطيلَ عمرَه على طاعته، ويرزقَه من حيث لا يحتسب.

والشكرُ لكل مَن أكرمني بدعوةٍ صادقةٍ أو مشورةٍ نافعة، كان لها الأثرُ النافع في مسيرة حياتي العلمية، وعلى رأس هؤلاء: والدتي الكريمةُ الذي يعجِزُ لساني عن شكرها وبيانِ حقِّها، ثم زوجي الفاضلة التي عانت وصبَرت وهيَّأت لي بيئةً هادئة لأقرأ وأبحث.

وأقدِّمُ شكري لعضوَيْ لجنة المناقشة:

‌‌1 - (الأستاذ الدكتور علي بن إبراهيم السعود) أستاذي وشيخي، أستاذ النحو والصرف بهذه الجامعة؛ الذي تتلمذت على يده في مرحلة الماجستير؛ فله عليَّ أيادٍ علميةٌ وعملية أعدُّ منها ولا أعددُها؛ فقد كان الشيخَ الناصحَ والأستاذَ الحريص على طلابه علمًا وعملًا وخلقًا.
পরিশেষে, আমি শাকরা বিশ্ববিদ্যালয়কে আমার গভীরতম কৃতজ্ঞতা, সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা ও আন্তরিক অনুভূতি জ্ঞাপন করছি, যা আমাকে আমার এই গবেষণা সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় রেক্টর (আওয়াদ বিন খুজাইম আল-সুরূর আল-আসমারী)-এর মাধ্যমে আমি এই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এছাড়াও আমি দাওয়াদমি শিক্ষা অনুষদের ডিন (ড. লাফা বিন মুহাম্মাদ আল-হাফী) এবং অনুষদের ভাইস-ডিন (ড. আবদুল্লাহ বিন সা’দ আল-রুওয়াইস)-কে ধন্যবাদ জানাচ্ছি; তাঁদের নিয়মিত তদারকি, উৎসাহ এবং সুপরামর্শের জন্য।

সেই সাথে আমি কাসিম বিশ্ববিদ্যালয়কেও ধন্যবাদ জানাই, যেখানে আমি আমার স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায় সম্পন্ন করেছি। এর প্রাঙ্গণে আমি অশেষ কল্যাণ ও বরকত লাভ করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় রেক্টর (আবদুর রহমান বিন হামাদ মুহাম্মাদ আল-দাউদ)-এর মাধ্যমে আমি এই কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি এবং তাঁর জন্য আমার পক্ষ থেকে সর্বোত্তম দোয়া রইল।

আমি আরও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি উচ্চশিক্ষা অনুষদের প্রতি (এর ডিন, ভাইস-ডিন ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের প্রতি)। একইভাবে আরবি ভাষা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এবং এর শিক্ষকবৃন্দের জন্য আমার অকৃত্রিম দোয়া নিবেদন করছি। এছাড়াও সেই সকল আলেম ও গবেষকদের প্রতি আমার অকুণ্ঠ শ্রদ্ধা পেশ করছি, যাঁদের সান্নিধ্যে শিক্ষালাভের সৌভাগ্য আমার হয়েছে। হে আল্লাহ, আপনি তাঁদের বরকত দান করুন।

আমি বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমার উস্তাদ (সম্মানিত শাইখ প্রফেসর সা’দ বিন আবদুল্লাহ আল-ওয়াসিল)-কে, যিনি বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও থিসিসের এই ফরম্যাট বা কাঠামোটি তৈরি করেছেন, যা গবেষণার লিখন ও বিন্যাসকে অত্যন্ত সহজতর করে দিয়েছে।

পরিশেষে আমি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমার শাইখ (ডক্টর সুলাইমান ইউসুফ খাতির)-এর প্রতি তাঁর অনুগ্রহের স্বীকৃতিরূপে। তিনি আমাকে তাঁর অমায়িক ব্যবহার দ্বারা সিক্ত করেছেন, তাঁর উন্নত চারিত্রিক গুণাবলি দ্বারা আমাকে সম্মানিত করেছেন এবং তাঁর ইলম ও ধৈর্য দ্বারা আমাকে সঠিক পথনির্দেশনা দিয়েছেন। আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি তাঁর আনুগত্যের ওপর তাঁর হায়াতকে দীর্ঘায়িত করেন এবং তাঁকে এমন উৎস থেকে রিজিক দান করেন যা তিনি কল্পনাও করেননি।

আমি সেই সকল ব্যক্তির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি যারা আমাকে নেক দোয়া অথবা উপকারী পরামর্শ দিয়ে ধন্য করেছেন, যা আমার শিক্ষা জীবনে অত্যন্ত ফলপ্রসূ প্রভাব ফেলেছে। তাঁদের শীর্ষে রয়েছেন আমার সম্মানিত জননী, যাঁর কৃতজ্ঞতা ও হক আদায় করতে আমার জবান অক্ষম। এরপর আমার মহীয়সী স্ত্রী, যিনি কষ্ট সহ্য করে ধৈর্য ধরেছেন এবং আমার পড়াশোনা ও গবেষণার জন্য একটি শান্ত পরিবেশ তৈরি করে দিয়েছেন।

আমি আমার মৌখিক পরীক্ষার কমিটির দুইজন সম্মানিত সদস্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি:

‌‌১ - (প্রফেসর ডক্টর আলী বিন ইবরাহিম আল-সাউদ), আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ও উস্তাদ, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নাহু ও সরফ বিষয়ের অধ্যাপক; যাঁর কাছে আমি আমার স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পাঠ গ্রহণ করেছি। আমার ওপর তাঁর জ্ঞানগত ও ব্যবহারিক বহু অবদান রয়েছে যা বর্ণনা করে শেষ করা সম্ভব নয়। তিনি ছিলেন একজন হিতাকাঙ্ক্ষী শাইখ এবং এমন একজন উস্তাদ যিনি ইলম, আমল এবং আখলাকের ক্ষেত্রে নিজ ছাত্রদের বিষয়ে অত্যন্ত যত্নশীল ছিলেন।
(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ১৬)
‌‌2 - (سعادة الدكتور عبد المجيد ياسين الحميدي) أستاذ النحو والصرف المشارك بجامعة الطائف الذي كابدَ مشاقَّ القراءة والاطلاع على هذا البحث، ثم مشاقَّ السفر للمشاركة في مناقشته وتقويمه. فله مني خالصُ الشكر والدعاء.

 

والحمدُ لله الذي بنعمته تتمُّ الصالحاتُ.
২ - (সম্মানিত ডক্টর আবদুল মাজীদ ইয়াসীন আল-হুমাইদী) তায়েফ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাহু ও সরফ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক, যিনি এই গবেষণাটি পাঠ ও পর্যালোচনার কষ্ট সহ্য করেছেন, অতঃপর এর আলোচনা ও মূল্যায়নে অংশগ্রহণের জন্য সফরের কষ্ট স্বীকার করেছেন। তাঁর প্রতি আমার আন্তরিক শুকরিয়া ও দুআ রইল।

 

আর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যাঁর অনুগ্রহে নেক কাজসমূহ পূর্ণতা লাভ করে।
(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ১৭)
‌‌التمهيد

ويشمل:

 

أولًا: ابن الملقن (حياته وآثاره).

ثانيًا: كتاب (التوضيح لشرح الجامع الصحيح)؛ المحتوى والقيمة.

ثالثًا: الحديث النبوي وأثره في التقعيد النحوي.
উপক্রমণিকা

এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:

 

প্রথমত: ইবনুল মুলাক্কিন (তাঁর জীবন ও কর্ম)।

দ্বিতীয়ত: 'আত-তাওদিহ লি-শারহি আল-জামিইস সহিহ' গ্রন্থ; বিষয়বস্তু ও গুরুত্ব।

তৃতীয়ত: হাদিসে নববী এবং নাহবি (ব্যাকরণিক) মূলনীতি নির্ধারণে এর প্রভাব।
(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ১৮)
‌‌أولًا: ابنُ الملقن (حياتُه وآثارُه) (1)

‌‌أ- اسمُه ونسبُه:

هو عمرُ بنُ عليِّ بنِ أحمدَ بنِ محمدِ بن عبد الله؛ سراجُ الدين أبو حفص، الأنصاري، الأندلسي، الوادي آشي، التَّكرُوري، المصري، الشافعيُّ، ابنُ النحوي (2).

ويُعرف بابن الملقِّن، وسببُ شهرته بذلك كونُ والده أوصى صديقَه برعاية ابنه بعد موته، وكان الوصيُّ يُقرئ القرآن فنُسِب إليه؛ أي: (ابن الملقن).

مع أن هذا اللقبَ كان مكروهًا عنده؛ فقد كان كثيرًا ما يكتبُ في مصنفاته: (ابنُ النحوي).

--------------------------------------------

(1) سأستعين في (التمهيد) بمصادر عدة؛ إذ الحديث عن (حياة ابن الملقن وآثاره) منثور في الكتب مكرور، لذا آثرت أن أذكر بعض المصادر التي تكلمت عن ذلك جملة واحدة؛ مخافة إثقال كاهل النص بكثرة الإحالات في الهامش، فمنها: مقدمات المحققين لكتاب التوضيح لشرح الجامع الصحيح 1/ 196، ولكتاب العقد المذهب في طبقة حملة المذهب 1/ 9، ولكتاب المعين على تفهم الأربعين 1/ 13، وكلها لابن الملقن، والضوء اللامع لأهل القرن التاسع 6/ 100، والأعلام 5/ 57، وتهذيب الكمال في أسماء الرجال 1/ 65.

‌‌(2) من المناسب بيان إلامَ انتسب إليه الأنصاري والأندلسي، وما إلى ذلك، وهي كما يلي:

الأنصاري، الأندلسي: نسبة إلى: الأنصار الأوس والخزرج؛ الذين كانوا ممن فتح بلاد الأندلس، فنزلوا بها، وتزاوجوا، وتكاثروا.

 

الوادي آشي: نسبة إلى الوادي الموجود في الوشم. أي: وشم اليمامة في نجد.

التكروري: نسبة إلى بلدة من بلاد السودان.

المصري: نسبة إلى مصر.

الشافعي: نسبة إلى المذهب الشافعي.

ابن النحوي: نسبة إلى والده -طيب الله ثراه- إذ كان عالما بالنحو معلِّما للناس.
প্রথমত: ইবনুল মুলাক্কিন (তাঁর জীবন ও কর্ম)(১)

ক- তাঁর নাম ও বংশপরিচয়:

তিনি হলেন উমর ইবন আলী ইবন আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল্লাহ; সিরাজুদ্দীন আবু হাফস, আল-আনসারী, আল-আন্দালুসী, আল-ওয়াদি আশি, আত-তাকরুরী, আল-মিসরী, আশ-শাফেয়ী, ইবনুন নাহবী (২)।

তিনি ইবনুল মুলাক্কিন নামে পরিচিত; তাঁর এই খ্যাতির কারণ হলো তাঁর পিতা মৃত্যুর সময় তাঁর এক বন্ধুকে তাঁর ছেলের দেখাশোনার অসিয়ত বা দায়িত্ব দিয়ে গিয়েছিলেন। সেই অভিভাবক কুরআন তিলাওয়াত শেখাতেন (মুলাক্কিন ছিলেন), তাই তাঁর দিকেই তাঁকে সম্বন্ধ করা হয়েছে; অর্থাৎ: (ইবনুল মুলাক্কিন)।

যদিও এই উপাধিটি তাঁর কাছে অপছন্দনীয় ছিল; তিনি প্রায়ই তাঁর গ্রন্থসমূহে লিখতেন: (ইবনুন নাহবী)।

--------------------------------------------

(১) আমি (উপক্রমণিকায়) একাধিক উৎসের সাহায্য গ্রহণ করব; যেহেতু (ইবনুল মুলাক্কিনের জীবন ও কর্ম) সম্পর্কে আলোচনা বিভিন্ন গ্রন্থে ছড়িয়ে আছে এবং বারবার এসেছে, তাই টীকায় অধিক রেফারেন্স দিয়ে মূল পাঠের বোঝা ভারী হওয়ার ভয়ে আমি সেই উৎসগুলোর কয়েকটি একত্রে উল্লেখ করাকে শ্রেয় মনে করেছি। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে: 'আত-তাওদিহ লি-শারহিল জামিইস সহিহ' গ্রন্থের মুহাক্কিকগণের ভূমিকা ১/১৯৬, 'আল-আকদুল মাজহাব ফি তাবাকাতি হামালাতিল মাজহাব' গ্রন্থের ভূমিকা ১/৯ এবং 'আল-মুইন আলা তাফাহুমিল আরবাঈন' গ্রন্থের ভূমিকা ১/১৩; এ সবগুলোই ইবনুল মুলাক্কিনের। এছাড়াও 'আদ-দাওউল লামি লি-আহলিল করনিত্তাসি' ৬/১০০, 'আল-আলাম' ৫/৫৭ এবং 'তাহজিবুল কামাল ফি আসমাইর রিজাল' ১/৬৫।

(২) তিনি কেন আনসারী, আন্দালুসী ইত্যাদির দিকে সম্বন্ধিত হলেন তা বর্ণনা করা সমীচীন, যা নিম্নরূপ:

আল-আনসারী, আল-আন্দালুসী: আনসার তথা আওস ও খাযরাজ গোত্রের দিকে নিসবত; যারা আন্দালুস বিজয়ী বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, সেখানে বসবাস শুরু করেছিলেন এবং বৈবাহিক সূত্রের মাধ্যমে তাদের বংশবৃদ্ধি হয়েছিল।

 

আল-ওয়াদি আশি: আল-ওয়াদি-এর দিকে নিসবত যা আল-ওয়াশমে অবস্থিত। অর্থাৎ: নজদ অঞ্চলের ওয়াশমে ইয়ামামা।

আত-তাকরুরী: সুদান অঞ্চলের একটি শহরের দিকে নিসবত।

আল-মিসরী: মিশরের দিকে নিসবত।

আশ-শাফেয়ী: শাফেয়ী মাযহাবের দিকে নিসবত।

ইবনুন নাহবী: তাঁর পিতার দিকে নিসবত—আল্লাহ তাঁর মাটিকে সুগন্ধিময় করুন—কেননা তিনি নাহু (আরবি ব্যাকরণ) শাস্ত্রে পণ্ডিত ছিলেন এবং মানুষকে তা শিক্ষা দিতেন।
(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ১৯)
‌‌ب- مولدُه ونشأتُه:

وُلد ابنُ الملقن يوم السبت لأربعٍ وعشرين ليلةً مضين من ربيعٍ الأول عامَ ثلاثٍ وعشرين وسبعِمائةٍ للهجرة النبوية، وعاش يتيمًا، فقد تُوفي عنه والدُه وهو ابنُ سنة، فتكفَّل برعايته صاحبُ أبيه؛ إذ تزوج الوصيُّ بأم عمر -أمِّ ابنِ الملقن- وكان يُقرئ القرآنَ في جامع ابنِ طولون، وإليه نُسب عُمَرُ، فعُرف بـ (ابن الملقن)، ولكنه كان يُفضِّل أن يُدعى بابن النحوي.

وقد اعتنى به وصيُّه ودرَّسه عمدة الأحكام، ثم بدأ بإقرائه المذهبَ الشافعي.

وطلب العلمَ صغيرًا، ولزم مشايخَ عصرِه، ثم بدأ برحلاتِه العلمية خارجَ مصر، مثلِ: رحلته إلى القدس، التي أخذ فيها عن الحافظ العلائي، وكذلك رحلتُه إلى دمشقَ، ثم إلى مكةَ لأداء الحج، وما كان عليه ابنُ الملقن من كثرة رحلاته العلمية، هو عادةُ المحدِّثين؛ من مكابدةِ عناءِ السفرِ ومشاقِّ الحياةِ في طلب العلم.

وقد أثمرت هذه الرحلاتُ ثمارًا يانعةً يُجنى منها إلى يومنا هذا، وذلك بما تركه ابنُ الملقن من الآثار والمؤلفات التي انتشرت في الدنيا، وطارت في الآفاق وقتَها، ومن هذه الآثارِ ما سأتناولُه في الفقرات التالية.

 

‌‌ج- آثارُه ومؤلفاتُه:

اعترف أقرانُ ابن الملقن -بَلْهَ لاحِقِيه- بشمولية علمه وسَعةِ اطلاعِه؛ قال تقيُّ الدين ابنُ فهد: "هو الإمام، العلامة، الحافظُ، شيخُ الإسلام، وعَلَم الأئمة الأعلام، عمدةُ المحدِّثين، وقدوةُ المصنفين … " (1).

وقد فُتح عليه في التأليف ما لم يُفتح على غيره؛ إذ أربَتْ مؤلفاتُه على ثلاثِمائةِ مصنفٍ، ووصفَه السخاويُّ بـ: أعجوبة العصر في كثرة التصانيف (2).

أما عن سَعة اطلاعه، فيشهدُ لذلك ما نقله برهانُ الدين سبطُ ابنِ العجمي عن ابن الملقن، أنه قال: "أنا نظرتُ مجلدين من الأحكام للمُحِب الطبريِّ في يوم واحد" (3).

--------------------------------------------

(1) لحظ الألحاظ بذيل طبقات الحفاظ 1/ 129 - 130.

‌‌(2) الضوء اللامع لأهل القرن التاسع 6/ 105.

‌‌(3) مقدمة الكاشف في معرفة من له رواية في الكتب الستة 1/ 110.
‌‌খ- তাঁর জন্ম ও লালন-পালন:

ইবনুল মুলাক্কিন হিজরি সাতশ তেইশ সালের চব্বিশে রবিউল আউয়াল, শনিবার জন্মগ্রহণ করেন। তিনি এতিম হিসেবে বেড়ে ওঠেন, কারণ তাঁর বয়স যখন মাত্র এক বছর তখন তাঁর পিতা ইন্তেকাল করেন। এরপর তাঁর পিতার এক বন্ধু তাঁর লালন-পালনের দায়িত্ব গ্রহণ করেন; সেই অভিভাবক উমরের (ইবনুল মুলাক্কিন) মাতাকে বিবাহ করেন। তিনি ইবনে তুলুন মসজিদে কুরআন শিক্ষা দিতেন এবং তাঁর দিকে সম্বন্ধ করেই উমরকে ডাকা হতো, ফলে তিনি 'ইবনুল মুলাক্কিন' (শিক্ষকের পুত্র) নামে পরিচিতি লাভ করেন। তবে তিনি নিজে 'ইবনুন নাহবি' নামে অভিহিত হওয়া পছন্দ করতেন।

তাঁর অভিভাবক তাঁর বিশেষ যত্ন নিতেন এবং তাঁকে উমদাতুল আহকাম পড়ান, এরপর তাঁকে শাফিঈ মাযহাবের পাঠদান শুরু করেন।

তিনি অল্প বয়সেই ইলম অর্জন শুরু করেন এবং সমকালীন শাইখদের সাহচর্যে থাকেন। এরপর তিনি মিসরের বাইরে তাঁর ইলমি সফর শুরু করেন, যেমন: তাঁর কুদস সফর, যেখানে তিনি হাফেজ আলায়ীর নিকট থেকে ইলম গ্রহণ করেন। একইভাবে তাঁর দামেস্ক সফর এবং পরবর্তীতে হজ পালনের জন্য মক্কা সফর। ইবনুল মুলাক্কিনের এই অধিক হারে ইলমি সফর ছিল মূলত মুহাদ্দিসগণের চিরাচরিত রীতি; যা ইলম অর্জনের পথে সফরের ক্লান্তি ও জীবনের নানাবিধ কষ্ট সহ্য করারই নামান্তর।

এই সফরগুলো অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছিল যার সুফল আজও ভোগ করা যাচ্ছে। এর প্রমাণ হলো ইবনুল মুলাক্কিনের রেখে যাওয়া সেই সব নিদর্শন ও রচনাবলি যা তৎকালীন সময়েই সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছিল এবং দিগদিগন্তে খ্যাতি লাভ করেছিল। তাঁর এই রচনাবলির মধ্য থেকে কিছু বিষয় আমি পরবর্তী অনুচ্ছেদগুলোতে আলোচনা করব।

 

‌‌গ- তাঁর নিদর্শন ও রচনাবলি:

ইবনুল মুলাক্কিনের সমসাময়িকগণ—বরং তাঁর পরবর্তী প্রজন্মও—তাঁর ইলমের ব্যাপকতা ও গভীর পাণ্ডিত্যের কথা স্বীকার করেছেন। তাক্বিউদ্দীন ইবনে ফাহদ বলেন: "তিনি হলেন ইমাম, আল্লামা, হাফেজ, শাইখুল ইসলাম, শ্রেষ্ঠ ইমামগণের পথপ্রদর্শক, মুহাদ্দিসগণের প্রধান আশ্রয়স্থল এবং গ্রন্থকারগণের আদর্শ … " (১)।

গ্রন্থ রচনার ক্ষেত্রে তাঁর জন্য এমন এক দ্বার উন্মোচিত হয়েছিল যা অন্য অনেকের জন্যই হয়নি; তাঁর রচিত গ্রন্থের সংখ্যা তিনশ ছাড়িয়ে গেছে। সাখাভী তাঁকে "অধিক গ্রন্থ রচনার ক্ষেত্রে যুগের এক বিস্ময়" হিসেবে অভিহিত করেছেন (২)।

আর তাঁর পাণ্ডিত্যের গভীরতা সম্পর্কে বুরহানুদ্দীন সিবত ইবনুল আজমী ইবনুল মুলাক্কিন থেকে যা বর্ণনা করেছেন তা-ই সাক্ষ্য দেয়; তিনি বলেছিলেন: "আমি একদিনে মুহিব তাবারির আহকাম বিষয়ক গ্রন্থের দুই খণ্ড অধ্যয়ন করেছি" (৩)।

--------------------------------------------

(১) লাহযুল আলহায বিযাইলি তাবাকাতিল হুফফাজ ১/ ১২৯ - ১৩০।

‌‌(২) আদ-দাউউল লামি’ লি-আহলি কার্নিত তাসি’ ৬/ ১০৫।

‌‌(৩) মুকাদ্দিমাতুল কাশিফ ফি মারিফাতি মান লাহু রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিল সিততাহ ১/ ১১০।
(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ২০)
وسأكتفي بذكر عشرين مصنفًا من مؤلفاته؛ يمثل كلُّ واحدٍ منها علمًا من العلوم، وجانبًا من فنون العلم، مبتدِئًا بمصنَّفه موضعِ الدراسة، ثم بالتسعةَ عشرَ الباقيةِ مرتَّبةً ترتيبًا هجائيًّا:

‌‌1 - التوضيح لشرح الجامع الصحيح، وسيأتي الكلامُ عنه مفصلًا.

‌‌2 - الإشاراتُ إلى ما وقع في المنهاج من الأسماء والأماكن واللغات، وقد حُقق الكتاب، وهو الآن في المراجعة الآخيرة بدار الفلاح.

‌‌3 - الأشباه والنظائر، وهو مطبوع سنة 1427 هـ، حققه: حمد بن عبد العزيز الخضيري، ونشرته إدارةُ القرآن الكريم والعلوم الإسلامية في كراتشي بباكستان.

‌‌4 - الإشراف على الأطراف، وهو مفقود، ينظر: كشف الظنون 1/ 103.

‌‌5 - الإعلام بفوائد عمدة الأحكام، وهو مطبوع سنة 1417 هـ، حققه: عبد العزيز بن أحمد المشيقح، ونشرته دارُ العاصمة بالمملكة العربية السعودية.

‌‌6 - إكمال تهذيب الكمال، وهو مفقود، ينظر: البدر الطالع 1/ 509.

‌‌7 - إنجاز الوعد الوفي في شرح جامع الترمذي، وهو مخطوط، ومنه نسخة في مكتبة جامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية بالرياض.

‌‌8 - إيضاح الارتياب في معرفة ما يشتبهُ ويتصحفُ من الأسماء والأنساب، والألفاظ والكنى والألقاب، الواقعة في تحفة المحتاج إلى أحاديث المنهاج، وهو قيد التحقيق بدار الفلاح.

‌‌9 - البدر المنير في تخريج أحاديث الشرح الكبير، وهو مطبوع، حققته دارُ الكوثر، ونشرته دارُ الهجرة بالخبر.

‌‌10 - البلغة في أحاديث الأحكام، وهو مخطوط، ومنه نسخة بالمكتبة الظاهرية، وعنها صورة بالجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة، وجامعةِ الملك سعود بالرياض.

‌‌11 - تاريخ بيت المقدس، وهو مخطوط، ومنه نسخة بجامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية بالرياض.

‌‌12 - تاريخ الدولة التركية، وهو مفقود؛ ينظر: كشف الظنون 1/ 280.

‌‌13 - التبصرة شرح التذكرة في علوم الحديث، وهو مخطوط؛ ومنه نسخة بمكتبة الأزهر بالقاهرة.

‌‌14 - تحرير الفتاوي الواقعة في الحاوي، وهو مخطوط، ومنه نسخة بالمكتبة المصرية.

‌‌15 - التذكرة في الفروع، وهو مفقود؛ ينظر: كشف الظنون 1/ 392.
আমি তাঁর রচনাবলি থেকে বিশটি গ্রন্থের কথা উল্লেখ করেই ক্ষান্ত হব; যার প্রতিটি ইলমের কোনো না কোনো শাখার এবং জ্ঞানের কোনো না কোনো শিল্পের প্রতিনিধিত্ব করে। আলোচনার বিষয়বস্তু গ্রন্থটি দিয়ে শুরু করে অবশিষ্ট উনিশটি গ্রন্থকে বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজানো হলো:

‌‌১ - আত-তাওযীহ লি-শারহিল জামিইস সহীহ, এ সম্পর্কে সামনে বিস্তারিত আলোচনা আসবে।

‌‌২ - আল-ইশারাতু ইলা মা ওয়াকা'আ ফিল মিনহাজ মিনাল আসমায়ি ওয়াল আমাকিনি ওয়াল লুগাত। কিতাবটি তাহকীক করা হয়েছে এবং বর্তমানে এটি দারুল ফালাহ-তে সর্বশেষ পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে।

‌‌৩ - আল-আশবাহ ওয়ান নাজায়ির, এটি ১৪২৭ হিজরীতে মুদ্রিত হয়েছে। এটি তাহকীক করেছেন হামাদ ইবনে আব্দুল আজীজ আল-খুদাইরি এবং পাকিস্তানের করাচিতে ইদারাতুল কুরআন ওয়াল উলুমিল ইসলামিয়্যাহ থেকে এটি প্রকাশিত হয়েছে।

‌‌৪ - আল-ইশরাফু আলাল আতরাফ, এটি বর্তমানে নিখোঁজ। দেখুন: কাশফুয যুনুন ১/ ১০৩।

‌‌৫ - আল-ইলামু বি-ফাওয়ায়িদি উমদাতিল আহকাম, এটি ১৪১৭ হিজরীতে মুদ্রিত হয়েছে। এটি তাহকীক করেছেন আব্দুল আজীজ ইবনে আহমাদ আল-মুশাইকিহ এবং সৌদি আরবের দারুল আসিমাহ থেকে এটি প্রকাশিত হয়েছে।

‌‌৬ - ইকমালু তাহযিবিল কামাল, এটি বর্তমানে নিখোঁজ। দেখুন: আল-বাদরুত তালি' ১/ ৫০৯।

‌‌৭ - ইনজাযুল ওয়াদিল ওয়াফি ফি শারহি জামিয়িত তিরমিযী, এটি একটি পাণ্ডুলিপি। রিয়াদের ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে এর একটি অনুলিপি রয়েছে।

‌‌৮ - ঈযাহুল ইরতিয়াব ফি মা'রিফাতি মা ইয়াশতাবিহু ওয়া ইয়াতাসাহহাফু মিনাল আসমায়ি ওয়াল আনসাব, ওয়াল আলফাযি ওয়াল কুনা ওয়াল আলকাব, আল-ওয়াকিআতু ফি তুহফাতিল মুহতাতি ইলা আহাদিসিল মিনহাজ। এটি দারুল ফালাহ-তে তাহকীকধীন রয়েছে।

‌‌৯ - আল-বাদরুল মুনীর ফি তাখরীজি আহাদিসিশ শারহিল কাবীর, এটি মুদ্রিত। এটি দারুল কাওসার তাহকীক করেছে এবং আল-খুবরের দারুল হিজরাহ থেকে প্রকাশিত হয়েছে।

‌‌১০ - আল-বুলগাতু ফি আহাদিসিল আহকাম, এটি একটি পাণ্ডুলিপি। এর একটি অনুলিপি যাহিরিয়া লাইব্রেরিতে রয়েছে এবং মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় ও রিয়াদের কিং সাউদ বিশ্ববিদ্যালয়ে এর আলোকচিত্র সংরক্ষিত আছে।

‌‌১১ - তারিখু বাইতিল মাকদিস, এটি একটি পাণ্ডুলিপি। রিয়াদের ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে এর একটি অনুলিপি রয়েছে।

‌‌১২ - তারিখুদ দাওলাতিত তুর্কিয়্যাহ, এটি বর্তমানে নিখোঁজ; দেখুন: কাশফুয যুনুন ১/ ২৮০।

‌‌১৩ - আত-তাবসিরাতু শারহুত তাযকিরা ফি উলুমিল হাদীস, এটি একটি পাণ্ডুলিপি; কায়রোর আল-আযহার লাইব্রেরিতে এর একটি অনুলিপি রয়েছে।

‌‌১৪ - তাহরীরুল ফাতাউয়াল ওয়াকিআতি ফিল হাবি, এটি একটি পাণ্ডুলিপি। আল-মাকতাবাতুল মিসরিয়্যাহ-তে এর একটি অনুলিপি রয়েছে।

‌‌১৫ - আত-তাযকিরাতু ফিল ফুরু, এটি বর্তমানে নিখোঁজ; দেখুন: কাশফুয যুনুন ১/ ৩৯২।
(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ২১)
‌‌16 - تحفة المحتاج إلى أدلة المنهاج، وهو مطبوع سنة 1406 هـ، حققه: عبد الله بن عساف اللحياني، ونشرته دارُ حراء بمكة المكرمة.

‌‌17 - تخريج أحاديث (مختصر منتهى السُّول والأمل في علمَيِ الأصول والجدل)، وهو مفقود؛ ينظر: كشف الظنون 2/ 1853.

‌‌18 - تخريج أحاديث (منهاج الأصول) للبيضاوي، وهو مفقود؛ ينظر: البدر الطالع 1/ 508.

‌‌19 - تذكرة الأخيار بما في الوسيط من الأخبار، وهو مفقود؛ ينظر: البدر الطالع 1/ 508.

‌‌20 - تصحيح المنهاج، وهو مفقود؛ ينظر: كشف الظنون 2/ 1874.

 

ومن خلال أسماء مصنفات ابن الملقن التي ذكرتُ، تتبينُ الفنونُ التي كتب فيها؛ من: الحديث، والفقه، والتاريخ، والأصول، وعلم الرجال، والجدل، وغير ذلك.
‌১৬ - তুহফাতুল মুহতাজ ইলা আদিল্লাতিল মিনহাজ, এটি ১৪০৬ হিজরি সনে মুদ্রিত হয়েছে, এর তাহকিক করেছেন: আবদুল্লাহ ইবন আসসাফ আল-লিহয়ানি এবং এটি মক্কার দারু হেরা কর্তৃক প্রকাশিত হয়েছে।

‌‌১৭ - তাখরিজু আহাদিস (মুখতাসার মুনতাহাস সুল ওয়াল আমাল ফি ইলমাইল উসুল ওয়াল জাদাল), এটি বর্তমানে নিখোঁজ; দেখুন: কাশফুজ জুনুন ২/ ১৮৫৩।

‌‌১৮ - বায়দাবির (মিনহাজুল উসুল)-এর হাদিসসমূহের তাখরিজ, এটি নিখোঁজ; দেখুন: আল-বাদরুত তালি ১/ ৫০৮।

‌‌১৯ - তাযকিরাতুল আখইয়ার বিমা ফিল ওয়াসিত মিনাল আখবার, এটি নিখোঁজ; দেখুন: আল-বাদরুত তালি ১/ ৫০৮।

‌‌২০ - তাসহিহুল মিনহাজ, এটি নিখোঁজ; দেখুন: কাশফুজ জুনুন ২/ ১৮৭৪।

 

ইবনুল মুলাক্কিনের যে সকল রচনার নাম আমি উল্লেখ করেছি, তার মাধ্যমে তিনি যে সকল বিষয়ে লিখেছেন তা সুস্পষ্ট হয়; যেমন: হাদিস, ফিকহ, ইতিহাস, উসুল (মূলনীতি শাস্ত্র), ইলমুর রিজাল (বর্ণনাকারী শাস্ত্র), বিতর্কশাস্ত্র এবং অন্যান্য বিষয়।
(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ২২)
‌‌د- وفاتُه:

توفي ابنُ الملقن بمصرَ ليلةَ الجمعة لسِتَّ عشرةَ ليلة مضين من ربيعٍ الأول لعام أربعةٍ وثمانِمائةٍ للهجرة النبوية، عن عمر جاوز الثمانين، فرحمه الله رحمة واسعة، وجعل ما قدَّمه حجةً له لا عليه؛ إنه سميع مجيب.
ঘ. তাঁর ইন্তেকাল:

ইবনে আল-মুলাক্কিন ৮০৪ হিজরি সনের রবিউল আউয়াল মাসের ১৬ তারিখ শুক্রবার রাতে মিসরে ইন্তেকাল করেন। সে সময় তাঁর বয়স আশি বছর অতিক্রম করেছিল। আল্লাহ তাঁর প্রতি প্রশস্ত রহমত বর্ষণ করুন এবং তিনি যা পেশ করেছেন তা যেন তাঁর পক্ষে দলিল হিসেবে গণ্য করেন, তাঁর বিপক্ষে নয়; নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা ও প্রার্থনা কবুলকারী।
(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ২৩)
‌‌ثانيًا: كتابُ (التوضيح لشرح الجامع الصحيح)

المحتوى والقيمة

كتاب (التوضيح) موسوعةٌ ضخمة، ذاتُ قِيمة كبيرة، ويدلُّ على ذلك قولُ أولي النهى: إن شرف العلم بشرف المعلوم، وكتابُ (التوضيح) يتناولُ أصحَّ كلام بعد كلام الله عز وجل بالشرح والدراسة، فهو يعتمد على أصحِّ كتب الأحاديث سندًا، وهو صحيحُ البخاري رحمه الله رحمةً واسعة- فنالَ شرفَ المعلوم (حديثَ النبي صلى الله عليه وسلم)، بخدمة أصحِّ كتاب بعد كتاب الله تعالى؛ وهو صحيحُ البخاري.

وكتابُ التوضيح أيضًا يُعَد من الأصول والمصادرِ الأساسية لكثيرٍ من الكتب المعاصرةِ له والتاليةِ بعده، فقلَّما تجدُ شارحًا للحديث إلا وقد أفاد من هذا الشرح ونقل عنه.

ولنا في كتاب (فتح الباري) لتلميذه الحافظِ ابن حجر -الذي قِيل عنه: لا هجرةَ بعد الفتح- خير دليل! . فإن الفتح قد ملأ الدنيا، وسارت به الركبانُ إلى يومنا هذا.

فتارة يُصرح ابنُ حجر باسم ابن الملقن، وتارةً يقولُ: قال شيخُنا. وقد تعرَّضنا لشيء من ذلك في مبحث: (تأثير آرائه فيمن جاء بعده).

كما أنَّ لكتاب التوضيح مزيةً؛ وهي: حِفظُ بعض ما فُقِد من الكتب، فمِن أمثال ذلك ما يعزو إليه كثيرًا؛ مثل: شرح البخاري لـ (مُغَلْطاي)، وشرحِ البخاري لـ (ابن التِّين)، وغيرِهما، وسيمُرُّ بنا ذلك لاحقًا في: مصادره من الكتب.

أما من ناحية المحتوى: فهذا الشرح بحر لُجِّي مختلِجة أمواجُه، فما إن يذكرُ الحديثَ إلا يُتبِعُه بالتثبت من الأسانيد، مُردفًا ذلك ما يُشكِلُ من الألفاظ والغريب والرجال، ولا يُغفِلُ بيانَ ما يُحتاج إليه من: الأحكام الفقهية، والأصولية، واللغوية، والنحوية، والصرفية، وكذلك ما يتعلق بالحديث من علم الرجال، والأنساب، والبلدان، والتاريخ، وما إلى ذلك.

مع كون مصنِّفِ الكتابِ قد ذكر أن المقصودَ من هذا الشرح، يتمثلُ في عشرة أمورٍ، سأوردُها، ثم أتبعُ ذلك بشيء من التعليق على هذه المقاصد؛ قال رحمه الله:

"أحدُها: في دقائقِ إسناده، ولطائفِه.

ثانيها: في ضبط ما يُشكِلُ من رجاله، وألفاظِ متونه ولغتِه، وغريبِه.

ثالثُها: في بيان أسماء ذوي الكنى، وأسماءِ ذوي الآباء والأمهات.
‌‌দ্বিতীয়ত: (আত-তাওদিহ লি-শারহিল জামিউস সহিহ) কিতাবটি

বিষয়বস্তু ও গুরুত্ব

(আত-তাওদিহ) গ্রন্থটি একটি বিশাল বিশ্বকোষ, যার গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। জ্ঞানীদের বক্তব্য এর প্রমাণ দেয় যে: বিষয়ের মর্যাদা দ্বারা জ্ঞানের মর্যাদা নির্ধারিত হয়। (আত-তাওদিহ) গ্রন্থটি মহান আল্লাহর বাণীর পর সবচেয়ে বিশুদ্ধ বাণীর ব্যাখ্যা ও পর্যালোচনা নিয়ে রচিত। এটি সনদের দিক থেকে হাদীসের সর্বাধিক বিশুদ্ধ গ্রন্থ অর্থাৎ সহীহুল বুখারীর (আল্লাহ তাঁর ওপর ব্যাপক রহমত বর্ষণ করুন) ওপর ভিত্তি করে রচিত। ফলে এটি মহান আল্লাহর কিতাবের পর সর্বাধিক বিশুদ্ধ কিতাব সহীহুল বুখারীর খিদমতের মাধ্যমে এর আলোচ্য বিষয়ের (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীস) মর্যাদা লাভ করেছে।

আর (আত-তাওদিহ) গ্রন্থটি এর সমসাময়িক এবং পরবর্তী অনেক গ্রন্থের জন্য অন্যতম মূল ভিত্তি ও প্রধান উৎস হিসেবে বিবেচিত। আপনি খুব কমই এমন কোনো হাদীস ব্যাখ্যাকার পাবেন যিনি এই ব্যাখ্যাগ্রন্থ থেকে উপকৃত হননি বা এটি থেকে উদ্ধৃতি দেননি।

তাঁর ছাত্র হাফিয ইবনে হাজার এর (ফাতহুল বারী) গ্রন্থটি আমাদের জন্য সর্বোত্তম প্রমাণ—যাঁর সম্পর্কে বলা হয়েছে: ‘ফাতহুল বারীর পর আর কোনো হিজরতের প্রয়োজন নেই!’ নিশ্চয়ই ‘আল-ফাতহ’ (ফাতহুল বারী) পুরো বিশ্বকে জ্ঞানালোকে পূর্ণ করে দিয়েছে এবং আজ পর্যন্ত এর সুখ্যাতি দূর-দূরান্তে ছড়িয়ে রয়েছে।

ইবনে হাজার কখনো ইবনুল মুলাক্কিনের নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, আবার কখনো বলেছেন: 'আমাদের শাইখ বলেছেন'। আমরা এই বিষয়ে কিছু আলোচনা ‘পরবর্তীদের ওপর তাঁর মতামতের প্রভাব’ নামক অধ্যায়ে করেছি।

এছাড়াও (আত-তাওদিহ) গ্রন্থের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো: কিছু হারিয়ে যাওয়া গ্রন্থের অংশবিশেষ এতে সংরক্ষিত হওয়া। এর উদাহরণ হলো সেই সব কিতাব যা থেকে তিনি প্রচুর উদ্ধৃতি দিয়েছেন; যেমন: মুগলতাই-এর বুখারীর ব্যাখ্যা, ইবনে তীন-এর বুখারীর ব্যাখ্যা এবং অন্যান্য। গ্রন্থের উৎসসমূহ সংক্রান্ত আলোচনায় পরবর্তীতে আমাদের সামনে এটি আসবে।

বিষয়বস্তুর দিক থেকে: এই ব্যাখ্যাগ্রন্থটি একটি উত্তাল গভীর সমুদ্রের মতো। এতে হাদীস উল্লেখ করার পরপরই এর সনদসমূহ যাচাই করা হয়েছে, পাশাপাশি শব্দগত অস্পষ্টতা, দুর্লভ শব্দ এবং বর্ণনাকারীদের পরিচয় যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া ফিকহী বিধান, উসূল, ভাষা, নাহু এবং সরফ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় বিষয়গুলোর বর্ণনায় অবহেলা করা হয়নি। পাশাপাশি হাদীস সংশ্লিষ্ট রিজাল শাস্ত্র (বর্ণনাকারী), বংশধারা, জনপদ, ইতিহাস এবং এই জাতীয় বিষয়গুলোও স্থান পেয়েছে।

যদিও গ্রন্থের রচয়িতা উল্লেখ করেছেন যে, এই ব্যাখ্যার উদ্দেশ্য দশটি বিষয়ে নিহিত, যা আমি উল্লেখ করব এবং এরপর এই উদ্দেশ্যগুলোর ওপর কিছু টীকা প্রদান করব। তিনি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) বলেছেন:

"প্রথমটি: এর সনদের সূক্ষ্ম ও বিশেষ দিকসমূহ বর্ণনা করা।

দ্বিতীয়টি: বর্ণনাকারীদের নামের অস্পষ্টতা এবং মূল পাঠের শব্দাবলী, ভাষা ও দুর্লভ শব্দের শুদ্ধ রূপ নির্ধারণ করা।

তৃতীয়টি: উপনামধারী ব্যক্তিদের নাম এবং পিতা ও মাতাদের নাম বর্ণনা করা।"
(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ২৪)
رابعُها: فيما يَختلِفُ منها ويأتلفُ.

خامسُها: في التعريف بحال صحابتِه، وتابعيهم، وأتباعهم، وضبطِ أنسابهم، ومولدِهم، ووفاتهم. وإن وقع في التابعين أو أتباعهم قدحٌ يسيرٌ بيَّنته، وأجبتُ عنه. كل ذلك على سبيل الاختصار؛ حذرًا من الملالة والإكثار.

سادسُها: في إيضاح ما فيه من المرسل، والمنقطعِ، والمقطوع، والمُعْضل، والغريب، والمتواتر، والآحادِ، والمدرَجِ، والمعلَّل، والجوابِ عمَّن تكلَّم على أحاديثَ فيه بسببِ الإرسال، أو الوَقْف، أو غير ذلك.

سابعُها: في بيان غامضِ فقهه، واستنباطِه، وتراجِمِ أبوابه؛ فإنَّ فيه مواضعَ يتحيرُ الناظرُ فيها، كالإحالة على أصل الحديث ومخرجه، وغيرِ ذلك مما ستراه.

ثامنُها: في إسناد تعاليقِه، ومرسلاتِه، ومقاطعِه.

تاسعُها: في بيان مبهماته، وأماكنِه الواقعة فيه.

عاشرُها: في الإشارة إلى بعض ما يُستنبط منه؛ من الأصول، والفروع، والآداب، والزهد، وغيرها، والجمعِ بين مختلِفها، وبيانِ الناسخ والمنسوخ منها، والعام والخاص، والمجمل والمبيَّن، وتبيينِ المذاهب الواقعة فيه. وأذكرُ -إن شاء الله تعالى- وجهَها، وما يظهرُ منها مما لا يظهر، وغير ذلك من الأقسام التي نسأل الله إفاضتَها علينا".

هذا ما ذكره ابنُ الملقن في مقدمة مصنفه، ومنه يُفهم مدى تبحُّر الرجل وشمولية معارفه في العلوم الشرعية واللغوية وغيرها، وإمامته في كثير منها؛ لأن الترجيحَ والتدقيق والتصحيح -ونحوَها من الكلمات التي وردت في كلامه وتحققت في كتابه- من الأمور التي لا تتيسرُ إلا للأئمة الكبار من العلماء في كل علم وشأن.
চতুর্থত: এগুলোর মধ্যকার বৈসাদৃশ্য ও সাদৃশ্য প্রসঙ্গে।

পঞ্চমত: তাঁর সাহাবীগণ, তাবেয়ীগণ এবং তবে-তাবেয়ীগণের অবস্থা পরিচিতকরণ, তাঁদের বংশপরিচয় সংরক্ষণ এবং তাঁদের জন্ম ও মৃত্যু বিষয়ক আলোচনায়। যদি তাবেয়ী বা তবে-তাবেয়ীগণের ক্ষেত্রে সামান্যতম কোনো সমালোচনা থেকে থাকে, তবে আমি তা বর্ণনা করেছি এবং তার উত্তর প্রদান করেছি। এই সবকিছুই সংক্ষিপ্তাকারে করা হয়েছে, যাতে দীর্ঘসূত্রিতা ও বিরক্তির উদ্রেক না হয়।

ষষ্ঠত: এতে বিদ্যমান মুরসাল, মুনকাতি‘, মাকতু‘, মু‘দাল, গারীব, মুতাওয়াতির, আহাদ, মুদরাজ ও মু‘আল্লাল হাদিসসমূহের বর্ণনায় এবং মুরসাল হওয়া বা ওয়াকফ হওয়া কিংবা অন্য কোনো কারণে এর হাদিসগুলো সম্পর্কে যারা সমালোচনা করেছেন, তাঁদের জবাব প্রদানে।

সপ্তমত: এর ফিকহী নিগূঢ়তা, মাসআলা উদ্ভাবন (ইস্তিনবাত) এবং এর অধ্যায়সমূহের শিরোনামের বর্ণনায়; কেননা এতে এমন কিছু স্থান রয়েছে যেখানে পাঠক কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়তে পারেন, যেমন কোনো হাদিসের মূল উৎস বা মাখরাজের দিকে ইঙ্গিত করা এবং অন্যান্য বিষয় যা আপনি সামনে দেখতে পাবেন।

অষ্টমত: এর মু‘আল্লাক (তা‘লীক), মুরসাল এবং মাকতু‘ বর্ণনাসমূহের সনদ বর্ণনায়।

নবমত: এর অস্পষ্ট নামসমূহ (মুবহামাত) এবং এতে উল্লেখিত স্থানসমূহের বর্ণনায়।

দশমত: তা থেকে উদ্ভাবিত কিছু বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত প্রদানে; যেমন—উসূল (মূলনীতি), ফুরূ‘ (শাখা-প্রশাখা), শিষ্টাচার, যুহদ (বিরাগ) এবং অন্যান্য বিষয়। পাশাপাশি এর মধ্যকার বাহ্যিক বিরোধপূর্ণ বর্ণনাসমূহের মধ্যে সমন্বয় সাধন, নাসিখ-মানসূখ (রহিতকারী ও রহিত), আম-খাস (সাধারণ ও বিশেষ), মুজমাল-মুবাইয়্যান (সংক্ষিপ্ত ও বিস্তারিত) এর বর্ণনা এবং এতে উল্লেখিত মাযহাবসমূহের বিশদ বিবরণ। আমি ইনশাআল্লাহ সেগুলোর প্রেক্ষাপট, যা প্রকাশ্য এবং যা প্রকাশ্য নয়—তা উল্লেখ করব, এছাড়াও অন্যান্য বিভাগসমূহ নিয়ে আলোচনা করব যা আমাদের উপর বর্ষণ করার জন্য আমরা আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি।

ইবনুল মুলাক্কিন তাঁর গ্রন্থের ভূমিকায় এই বিষয়গুলোই উল্লেখ করেছেন। এর মাধ্যমেই এই মহান ব্যক্তির অগাধ পাণ্ডিত্য এবং শরীয়াহ, ভাষা ও অন্যান্য জ্ঞানে তাঁর বিস্তৃত জ্ঞানের পরিধি ফুটে ওঠে, এবং বহু শাস্ত্রেই তাঁর ইমামত বা নেতৃত্ব অনুভূত হয়। কেননা অগ্রাধিকার প্রদান (তারজীহ), সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ (তাদাক্কুক) এবং বিশুদ্ধতা নিরূপণ (তাসহীহ)—এর মতো বিষয়গুলো যা তাঁর বক্তব্যে এসেছে এবং তাঁর কিতাবে বাস্তবায়িত হয়েছে—এগুলো এমন কাজ যা প্রতিটি শাস্ত্রের বড় মাপের ইমামগণ ব্যতীত অন্যদের জন্য সহজসাধ্য নয়।
(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ২৫)
‌‌ثالثًا: الحديثُ النبوي وأثرُه في التقعيد النحوي

تبقى مسألةُ الاستدلال بالأحاديث النبوية على القواعد النحوية سجالًا بين أهل العلم، فَصَولةُ صائل تُبرزُ جانبًا، وأخرى تدحضُ جانبًا آخر، وما كان من الباحث -بعد أنِ اطلعَ على بعض ما كُتب في هذه المسألة (1)

- إلا أن يُدرك أن العِلمَ أخذٌ وعطاءٌ بين أهله بالحسنى، ومحاولة للترجيح بالدليل؛ فحاولَ الترجيحَ بين الأقوال حسَبَما يظهرُ له.

ومن هنا أستعرضُ جوانبَ المسألة، وأذكرُ أبرزَ ما قيل فيها، مختصرًا ما أمكن.

انقسم النحويون، حيالَ الاستشهاد بالحديث الشريف على إثبات القواعد النحوية؛ إلى ثلاث طوائف:

أُولاها- طائفةٌ أجازت الاستشهادَ بلا قيود، ما دام النصُّ هو قولَ خير البشرية صلى الله عليه وسلم؛ إذ هو أفصحُ العرب، وكان ممن يذهب إلى ذلك: الفارسيُّ، والسُّهَيلي، وابنُ خروف، وابنُ مالك.

ثانيها- طائفة مَنَعَتْ الاستشهادَ بالحديث الشريف على القواعد النحوية مطلقًا؛ وكان

--------------------------------------------

(1) قضية الاستشهاد بالحديث النبوي على إثبات القواعد النحوية تستلزم من كل باحث الاعتراف بثلاثة أمور:

أحدها: فضل من سبقه من العلماء، واحترام وجهة نظرهم.

ثانيها: تلاطم الأمواج واختلاجها وكثرة المصنفات فيها، بَلْهَ الآراء المنثورة في الكتب والرسائل العلمية.

ثالثها: أن من أهداف البحث العلمي اختصار المطول، كما أن تكرار كلام الآخرين لا يزيد البحث العلمي إلا تورُّما -أي: ليس كل بيضاء شحمة- خصوصًا إن لم يُرافقه إبداء وجهة نظر، أو محاولة الوصول إلى نتيجة، أو انتهاج منهج جديد حيال هذه القضية.

ومما مضى آثر الباحث أمرين:

أحدهما: أن يعرض القضية بأسلوبه مُختصِرًا ما أمكنه الاختصار، مُردفًا ذلك بذكر بعض الأمور التي قد يكون لها بعض الأثر -فيما يراه- بإذن الله.

ثانيهما: أن يذكر المصادر التي اطلع عليها جملة واحدة؛ مخافة إثقال كاهل النص بكثرة الإحالات، ما دام الكلام في هذه القضية مكرورًا منشورًا، وذكرها حسب الترتيب الهجائي:

 

الاستدلال بالأحاديث النبوية الشريفة على إثبات القواعد النحوية 5، الاستشهاد بالحديث النبوي الشريف عند ابن عقيل 24، الأصول دراسة إبستيمولوجية للفكر العربي عند العرب 94، الاقتراح في أصول النحو وجدله 96، الحديث النبوي في النحو العربي 133، خزانة الأدب ولب لباب لسان العرب 12 - 13، السير الحثيث إلى الاستشهاد بالحديث في النحو العربي 63، القضايا النحوية والصرفية في كتاب التوضيح لشرح الجامع الصحيح 23 - 64، الكفاية في علم الرواية 177، موقف النحاة من الاحتجاج بالحديث الشريف 46.
তৃতীয়ত: নববী হাদিস এবং ব্যাকরণিক মূলনীতি নির্ধারণে এর প্রভাব

ব্যাকরণিক নিয়মাবলির ক্ষেত্রে নববী হাদিস দ্বারা দলিল পেশ করার বিষয়টি আলেমদের মধ্যে একটি বিতর্কিত বিষয় হিসেবে রয়ে গেছে; এক পক্ষের আক্রমণাত্মক যুক্তি একটি দিককে ফুটিয়ে তোলে, আবার অন্য পক্ষ এসে সেটিকে খণ্ডন করে। গবেষক—এই বিষয়ে রচিত কিছু লেখা (১) দেখার পর—

—এই উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন যে, জ্ঞান হলো আলেমদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ আদান-প্রদান এবং দলিলের ভিত্তিতে একটি মতকে প্রাধান্য দেওয়ার চেষ্টা। তাই তিনি তাঁর কাছে যা স্পষ্ট হয়েছে সে অনুযায়ী বিভিন্ন মতামতের মধ্যে প্রাধান্য দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।

এখান থেকেই আমি এই বিষয়ের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করছি এবং এর ওপর বলা প্রধান কথাগুলো যতদূর সম্ভব সংক্ষেপে উল্লেখ করছি।

ব্যাকরণিক নিয়ম প্রমাণের ক্ষেত্রে হাদিস শরিফ দ্বারা দলিল গ্রহণের বিষয়ে বৈয়াকরণগণ তিন শ্রেণিতে বিভক্ত হয়েছেন:

প্রথমত—এমন একটি দল যারা কোনো শর্ত ছাড়াই দলিল গ্রহণ করাকে বৈধ মনে করেন, যতক্ষণ পর্যন্ত সেই পাঠটি মানবজাতির শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী হবে; কারণ তিনি আরবের শ্রেষ্ঠ বাগ্মী ছিলেন। এই মত পোষণকারীদের মধ্যে ছিলেন: আল-ফারিসি, আস-সুহাইলি, ইবনু খুরূফ এবং ইবনু মালিক।

দ্বিতীয়ত—এমন একটি দল যারা ব্যাকরণিক নিয়মের ক্ষেত্রে হাদিস শরিফ দ্বারা দলিল প্রদান করাকে ঢালাওভাবে নিষিদ্ধ করেছেন; এবং তারা ছিলেন

--------------------------------------------

(১) ব্যাকরণিক নিয়ম প্রমাণের ক্ষেত্রে নববী হাদিস দ্বারা দলিল গ্রহণের বিষয়টি প্রতিটি গবেষকের জন্য তিনটি বিষয় স্বীকার করা অপরিহার্য করে দেয়:

প্রথমত: পূর্ববর্তী আলেমদের মর্যাদা এবং তাদের দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা।

দ্বিতীয়ত: এই বিষয়ে উত্তাল তরঙ্গের মতো অসংখ্য মতভেদ এবং প্রচুর গ্রন্থ রচিত হওয়া, এমনকি বিভিন্ন বই ও বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধেও ছড়ানো-ছিটানো অসংখ্য মতামত থাকা।

তৃতীয়ত: বৈজ্ঞানিক গবেষণার অন্যতম লক্ষ্য হলো দীর্ঘ আলোচনাকে সংক্ষিপ্ত করা, কারণ অন্যের কথার পুনরাবৃত্তি গবেষণার গুরুত্ব কেবল কৃত্রিমভাবেই বৃদ্ধি করে—অর্থাৎ, যা চকচক করে তা-ই সোনা নয়—বিশেষ করে যদি তার সাথে নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ব্যক্ত করা, কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর চেষ্টা বা এই বিষয়ে কোনো নতুন পদ্ধতির অনুসরণ না থাকে।

উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষাপটে গবেষক দুটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়েছেন:

এক: বিষয়টিকে নিজের শৈলীতে যতদূর সম্ভব সংক্ষিপ্তভাবে উপস্থাপন করা এবং এর সাথে এমন কিছু বিষয় যুক্ত করা যা ইনশাআল্লাহ তাঁর দৃষ্টিতে কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে।

দুই: তিনি যেসব উৎস দেখেছেন সেগুলো একসাথে উল্লেখ করা; যেন উদ্ধৃতির আধিক্যের কারণে মূল পাঠের ওপর বোঝা তৈরি না হয়, যেহেতু এই বিষয়ের আলোচনাগুলো বারবার পুনরাবৃত্ত এবং প্রকাশিত। তিনি এগুলো বর্ণানুক্রমে উল্লেখ করেছেন:

 

ব্যাকরণিক নিয়ম প্রমাণের ক্ষেত্রে নববী হাদিস দ্বারা দলিল গ্রহণ ৫, ইবনু আকিলের নিকট হাদিস শরিফ দ্বারা দলিল গ্রহণ ২৪, আরবদের কাছে আরবি চিন্তাধারার জ্ঞানতাত্ত্বিক অধ্যয়ন ৯৪, নাহুর মূলনীতি ও তার বিতর্কের ক্ষেত্রে আল-ইকতিরাহ ৯৬, আরবি ব্যাকরণে নববী হাদিস ১৩৩, খিজানাতুল আদাব ও লুব্বু লুবাবি লিসানিল আরব ১২-১৩, আরবি ব্যাকরণে হাদিস দ্বারা দলিল গ্রহণের ক্ষেত্রে নিরলস প্রচেষ্টা ৬৩, ‘তাওদিহ লি-শারহিল জামিইস সহিহ’ গ্রন্থে নাহু ও সরফ সংক্রান্ত বিষয়াবলি ২৩-৬৪, কিফায়া ফি ইলমির রিওয়ায়া ১৭৭, হাদিস শরিফ দ্বারা দলিল পেশের বিষয়ে বৈয়াকরণদের অবস্থান ৪৬।
(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ২৬)
من أسباب امتناعهم عن الاستشهادِ بالحديث الشريف: فُشُوُّ اللحن بدخول الأعاجم في الإسلام، مع إجازة العلماء روايةَ الحديث بالمعنى، فيصعبُ التيقنُ من أنَّ ما ورد في الحديث هو من ألفاظه صلى الله عليه وسلم، وممن يُمثِّلُ هذه الطائفة: ابن الضائع، وأبو حيَّان الأندلسي.

ثالثُها- طائفةٌ انتهجت منهجًا وسطًا -لا هي إلى الأخذ المطلق أقربُ، ولا إلى المنع المطلق أقرب؛ إذ كان منظورُهم لهذه المسألة مبنيًّا على غلبة الظن بأن ما ورد في حديثٍ ما هو من قوله عليه السلام لفظًا؛ فما ترجَّح لديهم أنه رُوي باللفظ فإنه يُستدل به، وما لم يكن كذلك فلا، وكان ممَّن سار على هذا النهج: الشاطبيُّ.

وبعد القراءة والتأمل لأبرزِ ما دار حولَ القضية من اتجاهاتٍ متعددة وآراءٍ متآلفة أو متخالفة، انتهى الباحثُ إلى أمرين:

أحدُهما: دراسةُ أسباب منع الاحتجاج بالحديث الشريف، والاحترازاتِ التي وضعها العلماءُ فيما رُوي بالمعنى، وستكون هذه الدراسة موجزة.

الثاني: إبداءُ الرأي في هذه القضية من خلال ما وقف عليه الباحثُ من الأدلة.

وليس من موضوعِ حديثِنا مسألةُ الحديث الموضوع أو الضعيف ونحوه مما لم يثبُت أنه حديثٌ، فهو ليس محلَّ خلافٍ أنه لا يُستشهدُ به.

وإنما الكلامُ عن الأحاديثِ الصحيحة الثابتة عند أهل الحديث في كتبه المعتمدة.

أولُ أسباب رفض الاستشهاد بالحديث: دخولُ الأعاجم الإسلامَ، ومشاركتُهم في رواية الحديث مع تفشِّي اللحن بعد الصدر الأول من الإسلام، ويبدو أن هذا الكلامَ لا يؤخذُ على إطلاقه؛ لأن الواقعَ يخالفُه، وكثيرٌ من علماء العربية أيضًا ليسوا من أصول عربية، وكذلك العلوم الأخرى، فمَن دخل الإسلامَ تعلمَ العربيةَ ووصل فيها إلى ما يكفي للمشاركة في العلم روايةً ودراية، ولهذا يبدو للباحث أن هذا السبب لا يُعد مانعًا من الاستشهاد بالحديث، خاصةً مع حرص كل مسلم على نقل الكلام بلفظه، خاصةً كلامَه صلى الله عليه وسلم الذي اعتنى به المسلمون عنايةً خاصة؛ حرصًا عليه وخوفًا من الكذب الذي حذَّر منه في مثل قوله: (مَن كذبَ عليَّ متعمدًا فليتبوأْ مقعدَه من النار) (1).

--------------------------------------------

(1) صحيح البخاري 1/ 33، صحيح مسلم 1/ 10.
হাদিস শরিফকে দলিল হিসেবে গ্রহণ করার ক্ষেত্রে তাদের বিরত থাকার অন্যতম কারণ হলো: অনারবদের ইসলামে প্রবেশের ফলে ব্যাকরণগত ভুলের ব্যাপক বিস্তার এবং এর পাশাপাশি আলেমদের পক্ষ থেকে হাদিসকে মর্মগতভাবে বর্ণনা করার অনুমতি প্রদান। ফলে হাদিসে যা বর্ণিত হয়েছে তা হুবহু রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর শব্দ কি না, তা নিশ্চিত হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। যারা এই মতাদর্শের প্রতিনিধিত্ব করেন তাদের মধ্যে রয়েছেন: ইবনে আল-দায়ি’ এবং আবু হাইয়ান আল-আন্দালুসি।

তৃতীয়ত—এমন একটি দল যারা মধ্যপন্থা অবলম্বন করেছে—তারা না নিরঙ্কুশ গ্রহণের খুব নিকটবর্তী, না নিরঙ্কুশ বর্জনের খুব নিকটবর্তী; কারণ এই বিষয়ে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল এই প্রবল ধারণার ওপর ভিত্তি করে যে, কোনো হাদিসে যা বর্ণিত হয়েছে তা হুবহু রাসুলুল্লাহ আলাইহিস সালাম-এর উচ্চারিত শব্দ কি না। সুতরাং তাদের নিকট যেটি শব্দে-শব্দে বর্ণিত হওয়ার বিষয়টি প্রাধান্য পেত, সেটিকে তারা দলিল হিসেবে গ্রহণ করতেন, আর যা তেমন হতো না তা বর্জন করতেন। যারা এই পথ অনুসরণ করেছেন তাদের মধ্যে ছিলেন: শাতোবি।

এই বিষয়টি নিয়ে বিভিন্নমুখী ধারা এবং একমত বা ভিন্নমতসমূহ নিয়ে পাঠ ও চিন্তা-ভাবনার পর গবেষক দুটি বিষয়ে উপনীত হয়েছেন:

প্রথমটি: হাদিস শরিফকে দলিল হিসেবে গ্রহণের প্রতিবন্ধকতার কারণসমূহ এবং মর্মগতভাবে বর্ণিত হাদিসের ক্ষেত্রে আলেমগণ যেসব সতর্কতা অবলম্বন করেছেন তা নিয়ে গবেষণা করা; আর এই গবেষণাটি হবে সংক্ষিপ্ত।

দ্বিতীয়টি: গবেষকের নিকট উদ্ভাসিত দলিলের আলোকে এই বিষয়ে মতামত ব্যক্ত করা।

আমাদের আলোচনার বিষয়বস্তুর মধ্যে জাল বা দুর্বল হাদিস এবং অনুরূপ যা হাদিস হিসেবে প্রমাণিত নয় তা অন্তর্ভুক্ত নয়; কেননা এটি কোনো মতভেদের জায়গা নয় যে সেগুলোকে দলিল হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

বরং আলোচনা কেবল মুহাদ্দিসগণের নিকট তাদের নির্ভরযোগ্য কিতাবসমূহে প্রমাণিত সহিহ হাদিসগুলোর বিষয়ে।

হাদিসকে দলিল হিসেবে প্রত্যাখ্যান করার প্রথম কারণ: অনারবদের ইসলামে প্রবেশ এবং ইসলামের প্রথম যুগের পর ব্যাকরণগত ভুলের বিস্তারের সাথে হাদিস বর্ণনায় তাদের অংশগ্রহণ। তবে প্রতীয়মান হয় যে, এই কথাটি ঢালাওভাবে গ্রহণ করা যায় না; কারণ বাস্তবতা এর পরিপন্থী। আরবি ভাষার অনেক বিজ্ঞ আলেমও অনারব বংশোদ্ভূত ছিলেন এবং অন্যান্য শাস্ত্রের ক্ষেত্রেও এটি সত্য। সুতরাং যারা ইসলাম গ্রহণ করেছেন তারা আরবি ভাষা শিখেছেন এবং বর্ণনা ও উপলব্ধি উভয় ক্ষেত্রেই ইলমে অংশগ্রহণের উপযোগী পর্যাপ্ত স্তরে পৌঁছেছেন। এই কারণে গবেষকের নিকট মনে হয় যে, এই কারণটি হাদিসকে দলিল হিসেবে গ্রহণের ক্ষেত্রে বাধা হিসেবে গণ্য হতে পারে না। বিশেষ করে যখন প্রত্যেক মুসলিম কোনো কথাকে হুবহু শব্দে বর্ণনা করার ব্যাপারে সচেষ্ট থাকেন, বিশেষ করে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণীর ক্ষেত্রে যার প্রতি মুসলিমগণ বিশেষ যত্ন নিতেন। এটি তাঁর প্রতি বিশেষ যত্ন এবং মিথ্যারোপের আশঙ্কার কারণে করা হতো, যে মিথ্যা সম্পর্কে তিনি এই বলে সতর্ক করেছেন: "যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার নামে মিথ্যা বলবে, সে যেন জাহান্নামে তার স্থান নির্ধারণ করে নেয়" (১)।

--------------------------------------------

(১) সহিহ বুখারি ১/৩৩, সহিহ মুসলিম ১/১০।
(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ২৭)
وإن قيلَ: إن أئمةَ النحو القدماءَ لم يستشهدوا بالأحاديث النبوية، فهذا القولُ خطأٌ بهذا الإطلاق؛ فقد كتب غيرُ واحد من العلماء والباحثين مبينًا استدلالَ القدماء بالحديث؛ على تفاوُتٍ بينهم، وأسبابُ ذلك مذكورةٌ في الكتب التي أحلتُ إليها سابقًا.

ولو كان ذلك صوابًا فيُمكنُ القولُ بأن عدم الاستدلال لا يعني الرفضَ؛ إذ من المعروف في الأصول الفقهية والعلمية: أنه لا يُنسب إلى ساكت قولٌ، وأن السكوتَ لا يُقدَّم على التصريح.

ولا يغيبُ عن ذي لبٍّ أن في الشعر أبياتًا مصنوعةً، وأن في بعضها لحنًا، وألفاظًا مختلفة للبيت الواحد، وبعضُ قائليها أعاجمُ، وبعضُها مجهولٌ قائلُه، لكنَّ ذلك لم يمنعْ من الاستشهادِ بالشعر جملةً واحدة.

وخلاصةُ ما تبيَّن لي من دراسة الموضوع هو: جوازُ الاحتجاج بالحديث النبوي الشريف على القواعد النحوية إذا استوفى شروط الاحتجاج.
আর যদি বলা হয় যে, প্রাচীন নাহু (ব্যাকরণ) শাস্ত্রের ইমামগণ নববী হাদিস দ্বারা দলিল গ্রহণ করেননি, তবে ঢালাওভাবে এই কথাটি ভুল। একাধিক আলেম ও গবেষক প্রাচীনদের হাদিস দ্বারা দলিল প্রদানের বিষয়টি স্পষ্ট করে লিখেছেন; যদিও তাঁদের মাঝে এর মাত্রায় তারতম্য রয়েছে। আর এর কারণসমূহ ঐসব কিতাবে বর্ণিত হয়েছে যেগুলোর দিকে আমি ইতিপূর্বে ইশারা করেছি।

আর যদি বিষয়টি সঠিকও হতো, তবে বলা যেত যে, দলিল হিসেবে পেশ না করার অর্থ এই নয় যে তা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। কেননা ফিকহশাস্ত্র ও ইলমি মূলনীতিতে এটি সুপরিচিত যে: কোনো নীরব ব্যক্তির প্রতি কোনো বক্তব্য আরোপ করা যায় না, এবং নীরবতাকে সুস্পষ্ট বক্তব্যের ওপর প্রাধান্য দেওয়া যায় না।

কোনো বুদ্ধিমান ব্যক্তির নিকট এটি অস্পষ্ট নয় যে, কবিতার মধ্যে কিছু কৃত্রিম পঙক্তি রয়েছে এবং কোনো কোনোটিতে ব্যাকরণগত বিচ্যুতি ও একই পঙক্তির ভিন্ন ভিন্ন পাঠান্তর রয়েছে। কোনো কোনো কবিতা রচয়িতা ছিলেন অনারব, আবার কোনো কোনোটির রচয়িতা অজ্ঞাত। কিন্তু এই বিষয়গুলো সামগ্রিকভাবে কবিতাকে দলিল হিসেবে গ্রহণ করার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।

বিষয়টি পর্যালোচনার মাধ্যমে আমার কাছে যা স্পষ্ট হয়েছে তার সারসংক্ষেপ হলো: ব্যাকরণিক নিয়মাবলির ক্ষেত্রে নববী হাদিস দ্বারা দলিল গ্রহণ করা বৈধ, যদি তা দলিল পেশ করার শর্তাবলি পূরণ করে।
(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ২৮)
‌‌القسمُ الأول

دراسةُ المسائل
، وفيه فصولٌ:

الفصلُ الأول: مسائلُ الأسماء

الفصلُ الثاني: مسائلُ الأفعال

الفصلُ الثالث: مسائلُ الحروف
প্রথম ভাগ

মাসআলাসমূহের পর্যালোচনা
, এতে কয়েকটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: নামসমূহ সংক্রান্ত মাসআলাসমূহ

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ক্রিয়াসমূহ সংক্রান্ত মাসআলাসমূহ

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: হরফসমূহ সংক্রান্ত মাসআলাসমূহ
(খণ্ড: ১) আল-মাসায়িলুন নাহভিয়্যাহ ফী কিতাবিত তাওদীহি লিশারহিল জামিইস সহীহ (পৃষ্ঠা: ২৯)
‌‌الفصلُ الأول:

مسائلُ الأسماء
، وفيه مبحثان:

المبحثُ الأول: الأسماء المبنية

المبحثُ الثاني: الأسماء المعربة
প্রথম পরিচ্ছেদ:

বিশেষ্য সংক্রান্ত বিষয়াবলি
, আর এতে দুটি আলোচনা রয়েছে:

প্রথম আলোচনা: মাবনি (অপরিবর্তনীয়) বিশেষ্যসমূহ

দ্বিতীয় আলোচনা: মু'রাব (পরিবর্তনীয়) বিশেষ্যসমূহ