(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: -)
الأمر بالمعروف والنهي عن المنكر- أبو يعلى القسم: السياسة الشرعية والقضاء
الكتاب: الأمر بالمعروف والنهي عن المنكر
المؤلف: أبو يعلى محمد بن الحسين بن محمد بن خلف الفراء الحنبلي
تحقيق: محمد الأمين مصطفى أبوه الشنقيطي، أستاذ مساعد بكلية الشريعة بالجامعة الإسلامية
الناشر: مكتبة العلوم والحكم، المدينة المنورة - المملكة العربية السعودية
الطبعة: (بدون)
عدد الصفحات: 216
أعده للشاملة: مركز المحتسب http://almohtasb.com
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 21 ربيع الآخر 1439
সৎ কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজের নিষেধ - আবু ইয়ালা বিভাগ: ইসলামী রাজনীতি ও বিচার ব্যবস্থা
গ্রন্থ: সৎ কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজের নিষেধ
লেখক: আবু ইয়ালা মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন খালাফ আল-ফাররা আল-হাম্বলী
সম্পাদনা ও পাঠ-বিশুদ্ধিকরণ: মুহাম্মদ আল-আমিন মুস্তফা আবুহু আশ-শানকীতি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীয়াহ অনুষদের সহযোগী অধ্যাপক
প্রকাশক: মাকতাবাতুল উলুম ওয়াল হিকাম, মদিনা মুনাওয়ারা - সৌদি আরব রাজতন্ত্র
সংস্করণ: (নেই)
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২১৬
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছে: আল-মুহতাসিব সেন্টার http://almohtasb.com
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা ও নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রণের অনুরূপ]
শামলায় প্রকাশের তারিখ: ২১ রবিউস সানি ১৪৩৯
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: -)
الأمر بالمعروف والنهي عن المنكر
تأليف
القاضي أبي يعلى محمد بن الحسين بن محمد بن خلف الفراء الحنبلي
সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ
রচনায়
আল-কাদি আবু ইয়ালা মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ ইবনে খালাফ আল-ফাররা আল-হাম্বলি
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: ৪৩)
. . . . . . . بن منصور ومحمد بن أبي حرب والمروذي
. . . . . . . বিন মনসুর, মুহাম্মদ বিন আবি হারব এবং আল-মারউজি
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: ৪৪)
وحنبل وأبو الصقر.
وأما كسر أواني الخمر فقد نقل الأثرم وإبراهيم بن الحربي في زق
হানবাল এবং আবু আস-সাকর।
আর মদের পাত্রসমূহ ভেঙে ফেলার বিষয়ে আল-আছরাম এবং ইব্রাহিম ইবনুল হারবি একটি মশক প্রসঙ্গে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: ৪৫)
الخمر يحله فإن لم يقدر على حله يشقه (إن لم يقدر). وظاهر هذا أنه لا يجوز كسره مع القدرة على إراقته وقال في رواية المروذي في الرجل يرى مسكراً في قنينة، أو قربة يكسره، وظاهر هذا جواز الكسر. وذهب أكثر الفقهاء إلى أن ما أمكن الانتفاع به في غير اللهو لا يجوز كسره وإذا كسره ضمنه.
والدلالة عليه: ما روى على ابن أبي طالب قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بعثت يكسر المزامير والمعازف.
وروى أبو أمامه قال رسول الله صلى الله عليه وسلم (إن الله بعثني رحمة، وهدى للعالمين، وأمرني أن أمحق المزامير، والمعازف، والخمور، والأوثان التي كانت تعبد في الجاهلية) لأنها في حكم الخمر، ألا ترى أنه لا يقطع بسرقتها
মদ (الخمر) সে ঢেলে দেবে, আর যদি ঢালতে সক্ষম না হয় তবে সে তা চিরে বা ফেড়ে ফেলবে (যদি সক্ষম না হয়)। এর বাহ্যিক অর্থ হলো, যদি তা ঢেলে দেওয়া সম্ভব হয় তবে তা ভেঙে ফেলা জায়েজ নয়। আর আল-মারওয়াযীর বর্ণনায় (رواية) জনৈক ব্যক্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে যে সে বোতল বা চামড়ার থলিতে মাদকদ্রব্য দেখতে পায়, তবে সে তা ভেঙে ফেলবে; এর বাহ্যিক দিক হলো ভেঙে ফেলা বৈধ হওয়া। অধিকাংশ ফকিহ এই মত পোষণ করেছেন যে, যা আমোদ-প্রমোদ ব্যতীত অন্য কাজে ব্যবহার করা সম্ভব, তা ভেঙে ফেলা জায়েজ নয় এবং যদি কেউ তা ভেঙে ফেলে তবে তাকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
এর দলিল হলো যা আলী ইবনে আবি তালিব থেকে বর্ণিত (روى) হয়েছে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, "আমাকে বংশীবাদ্য ও বাদ্যযন্ত্রসমূহ ভেঙে ফেলার জন্য পাঠানো হয়েছে।"
আবু উমামাহ থেকে বর্ণিত (روى) হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাকে জগতসমূহের জন্য রহমত ও হিদায়েত স্বরূপ পাঠিয়েছেন এবং আমাকে বংশীবাদ্য, বাদ্যযন্ত্র, মদসমূহ (الخمور) ও জাহেলি যুগে পূজিত মূর্তিসমূহ মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।" কারণ এগুলি মদের (الخمر) বিধানের অন্তর্ভুক্ত, আপনি কি দেখেন না যে, এগুলি চুরির কারণে হাত কাটা হয় না?
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: ৪৬)
عندنا وعند أبي حنيفة.
ولا يجوز أخذ العوض عليها ثم ثبت أن الخمر يجوز إراقتها ولا ضمان، كذلك ههنا. ولأنه إذا لم تتوصل إلى إتلاف الخمر إلا بإتلافها فيجب أن يسقط ضمانها كما قلنا في المشركين تترسوا بأطفال المسلمين ولم يتوصل إلى قتالهم ورميهم إلا بإصابة المسلمين لم يلزم الرامي الضمان، كذلك [ههنا]. ويفارق هذا إذا كان قادراً على إراقتها من غير كسر لأنه لا يمكنه إتلاف المنكر من غير
আমাদের নিকট এবং আবু হানিফার নিকট।
এবং এর বিনিময়ে কোনো বিনিময় গ্রহণ করা বৈধ নয়। অতঃপর এটি প্রমাণিত হয়েছে যে, মদ ঢেলে ফেলা বৈধ এবং এতে কোনো দায়বদ্ধতা নেই; এখানেও বিষয়টি তদ্রূপ। আর যেহেতু পাত্রটি ধ্বংস করা ব্যতীত মদ নষ্ট করার কোনো উপায় না থাকলে তার দায়বদ্ধতা রহিত হওয়া আবশ্যক—যেমনটি আমরা মুশরিকদের ক্ষেত্রে বলেছি যে, যখন তারা মুসলিম শিশুদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে এবং সেই শিশুদের আঘাত করা ছাড়া তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা বা তীর নিক্ষেপ করা সম্ভব হয় না, তখন নিক্ষেপকারীর ওপর কোনো দায়বদ্ধতা বর্তায় না; এখানেও [বিষয়টি] তেমনই। আর বিষয়টি ভিন্ন হবে যদি কেউ ভাঙচুর ছাড়াই তা ঢেলে ফেলতে সক্ষম হয়; কারণ গর্হিত (منكر) বিষয় এর ব্যতিরেকে ধ্বংস করা সম্ভব নয়...
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: ৪৭)
إتلاف ما هو في حكم المال ولهذا يقطع سارق الظرف ويجوز المعاوضة عليه ويفارق آلة اللهو لأنها ليست في حكم المال من الوجه الذي ذكرنا.
সম্পদ (مال) এর বিধানভুক্ত (حكم) কোনো বস্তুর বিনাশ সাধন করা; আর একারণেই আধারের (পাত্রের) চোরকে দণ্ডস্বরূপ হস্তচ্ছেদ (قطع) করা হয় এবং এর বিনিময়ে বিনিময় প্রদান (معاوضة) করা বৈধ। এটি আমোদ-প্রমোদের সরঞ্জাম থেকে ভিন্ন, কারণ আমাদের উল্লিখিত প্রেক্ষিত অনুযায়ী তা সম্পদ (مال) এর বিধানভুক্ত (حكم) হিসেবে গণ্য নয়।
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: ৪৮)
فصل
يجوز للرجل أن يقاتل عن نفسه، وماله، لمن طلب ذلك. نص عليه في رواية الجماعة وظاهر كلام أحمد أن له ذلك في المال الكثير والقليل. قال في رواية أبي طالب في اللصوص إذا دخلوا على الرجل مكابرة يقاتلهم
পরিচ্ছেদ
এক ব্যক্তির জন্য নিজের জীবন এবং সম্পদের সুরক্ষায় আক্রমণকারীর বিরুদ্ধে লড়াই করা বৈধ। জামাআতের বর্ণনা (رواية)-এ বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ইমাম আহমদের বক্তব্যের বাহ্যিক দিকটি হলো, সম্পদ অধিক হোক বা সামান্য—উভয় ক্ষেত্রেই তার এই অধিকার রয়েছে। আবু তালিবের বর্ণনা (رواية)-এ তিনি চোরদের সম্পর্কে বলেছেন যে, তারা যদি দস্যুতা করার উদ্দেশ্যে কারও ওপর চড়াও হয়, তবে সে তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করবে।
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: ৪৯)
لكن لا ينوي القتل فإن قتله فليس عليه شيء، وكذلك نقل بكر بن محمد عن أبيه عن أحمد: أرى أن يدفع الرجل عن ماله ويقاتل ولكن إذا ولى اللص لا يتبعه، وهو محارب يفعل به الإمام ما أحب.
وكذلك في رواية عبدوس بن مالك العطار جائز أن يدفع عن نفسه، وماله بكل ما يقدر عليه، وليس له إذا فارقوه، وتركوه أن يطلبهم، ليس ذلك لأحد إلا الإمام، أو ولاة المسلمين.
وكذلك قال في رواية صالح كل من عرض لك يريد مالك أو نفسك فلك أن
তবে সে হত্যার নিয়ত করবে না; যদি তাকে হত্যা করে ফেলে তবে তার ওপর কোনো দায় থাকবে না। একইভাবে বকর ইবনে মুহাম্মদ তার পিতার সূত্রে আহমাদ থেকে বর্ণনা করেছেন: আমি মনে করি যে, ব্যক্তি তার সম্পদ রক্ষার্থে প্রতিরোধ করবে এবং লড়াই করবে, তবে চোর যদি পিঠ ফিরিয়ে পালায় তবে সে তাকে অনুসরণ করবে না। সে হলো একজন যুদ্ধলিপ্ত ব্যক্তি (محارب), ইমাম তার ব্যাপারে যা ইচ্ছা করবেন।
তেমনিভাবে আবদুস ইবনে মালিক আল-আত্তারের বর্ণনা (رواية)-তে এসেছে যে, নিজের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় সামর্থ্য অনুযায়ী সবকিছু দিয়ে প্রতিরোধ করা বৈধ। তবে তারা যদি তাকে ছেড়ে চলে যায় এবং তাকে বর্জন করে, তবে তাদের পিছু নেওয়া তার জন্য জায়েজ নয়। এটি ইমাম বা মুসলিম শাসকদের ব্যতীত অন্য কারও জন্য বৈধ নয়।
একইভাবে সালিহ-এর বর্ণনা (رواية)-তে তিনি বলেছেন: যে কেউ তোমার সম্পদ বা জীবন ছিনিয়ে নিতে চায় এবং তোমার সামনে আসে, তবে তোমার অধিকার রয়েছে যে
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: ৫০)
تدفع عن نفسك ومالك وكذلك قال في رواية أحمد بن الحسن الترمذي.
আপনি নিজেকে এবং আপনার সম্পদকে রক্ষা করবেন এবং আহমদ ইবনুল হাসান আল-তিরমিযীর বর্ণনাতেও (رواية) তিনি অনুরূপ বলেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: ৫১)
قاتلهم حتى تمنع عن نفسك ومالك.
وكذلك نقل الميموني وأيوب بن إسحاق بن سافري و (أبو) الحرب.
وأما قتاله عن حرمته وأهله فقد توقف أحمد في رواية علي بن سعيد في الرجل يقاتل دون حرمته وأهله فقد توقف أحمد في رواية علي بن سعيد في الرجل يقاتل دون حرمته وأهله ما أدي لم يبلغني فيه شيء. ونقل الجماعة عنه جواز ذلك.
فقال في رواية الميموني.
তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করো যতক্ষণ না তুমি তোমার জান ও মাল রক্ষা করতে পারো।
এবং একইভাবে আল-মাইমুনি, আইয়ুব ইবনে ইসহাক ইবনে সাফারি এবং (আবু) আল-হারব বর্ণনা করেছেন।
আর নিজের সম্মান ও পরিবারের পক্ষে লড়াই করার বিষয়ে, আলী ইবনে সাঈদের বর্ণনায় (رواية) ইমাম আহমদ সেই ব্যক্তির ব্যাপারে বিরত থেকেছেন (توقف) যে তার সম্মান ও পরিবারের জন্য লড়াই করে; পুনরায় আলী ইবনে সাঈদের বর্ণনায় (رواية) ইমাম আহমদ সেই ব্যক্তির ব্যাপারে বিরত থেকেছেন (توقف) যে তার সম্মান ও পরিবারের জন্য লড়াই করে—যা পৌঁছেছে সে বিষয়ে আমার কাছে কোনো বর্ণনা পৌঁছেনি। তবে একদল বর্ণনাকারী (الجماعة) তাঁর থেকে এর বৈধতার কথা বর্ণনা করেছেন।
অতঃপর তিনি আল-মাইমুনির বর্ণনায় (رواية) বলেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: ৫২)
وكذلك نقل أبو طالب وإبراهيم بن الحارث يقاتل دون حرمته. وكذلك نقل محمد بن داود .....
অনুরূপভাবে আবু তালিব এবং ইবরাহিম ইবনুল হারিস বর্ণনা করেছেন যে, তিনি স্বীয় মর্যাদা রক্ষার্থে যুদ্ধ করবেন। একইভাবে মুহাম্মাদ ইবনে দাউদ বর্ণনা করেছেন .....
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
الظاهر من حاله أن اجتهاده يخالف ذلك.
مثل أن يرى حنفياً رعف في صلاة ولم يتوضأ. أنكر عليه وإن جاز أن يختلف اجتهاده في ذلك. لأن الظاهر من حاله أنه باق على اجتهاده الأول. وأنه لو اختلف اجتهاده لأظهره لتنتفي عنه الظنة والشبهة. كما هو [الحال] فيمن وجدناه يأكل نهار رمضان أو يأكل طعام غيره أننا ننكر عليه وإن جاز أن يكون هناك عذر. لأنه لو كان لأظهره.
فأما العامي. إذا رأيناه يفعل ما يسوغ فيه الاجتهاد نظرت، فإن علمنا من حاله أنه سأل من يسوغ اجتهاده لم ننكر عليه وإن لم نعلم من حاله ذلك أنكرنا عليه لأنه لا يجوز له العمل بما عنده. فعلى هذا لو قال لزوجته أنت خلية عند سؤالها
তার বাহ্যিক অবস্থা থেকে এটিই স্পষ্ট যে, তার গবেষণা (اجتهاد) এর বিপরীত।
যেমন কোনো হানাফি ব্যক্তিকে যদি দেখা যায় যে নামাজের মধ্যে তার নাক দিয়ে রক্ত ঝরছে অথচ সে অজু করেনি, তবে তার ওপর আপত্তি (إنكار) করা হবে, যদিও এক্ষেত্রে তার গবেষণা (اجتهاد) ভিন্ন হওয়ার অবকাশ থাকে। কারণ তার বাহ্যিক অবস্থা থেকে এটিই প্রতীয়মান হয় যে, সে তার পূর্ববর্তী গবেষণার (اجتهاد) ওপরই অটল রয়েছে। আর যদি তার গবেষণায় (اجتهاد) পরিবর্তন আসত, তবে সে তা প্রকাশ করত যাতে তার থেকে ধারণা (ظنة) ও সংশয় (شبهة) দূর হয়ে যায়। যেমনটি সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে হয় যাকে আমরা রমজানের দিনে পানাহার করতে দেখি অথবা অন্যের খাবার খেতে দেখি; আমরা তার ওপর আপত্তি (إنكار) করি, যদিও সেখানে কোনো ওজর (عذر) থাকার সম্ভাবনা থাকে। কারণ ওজর (عذر) থাকলে সে তা প্রকাশ করত।
পক্ষান্তরে সাধারণ মানুষের (عامي) ক্ষেত্রে, যদি আমরা তাকে এমন কিছু করতে দেখি যাতে গবেষণা (اجتهاد) করার অবকাশ রয়েছে, তবে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করতে হবে; যদি আমরা জানতে পারি যে সে এমন কাউকে জিজ্ঞাসা করেছে যার গবেষণা (اجتهاد) গ্রহণযোগ্য, তবে আমরা তার ওপর আপত্তি (إنكار) করব না। আর যদি তার অবস্থা সম্পর্কে এমনটি জানা না থাকে, তবে আমরা তার ওপর আপত্তি (إنكار) করব, কারণ তার জন্য নিজের বিচার-বুদ্ধি অনুযায়ী আমল করা বৈধ নয়। এর ভিত্তিতে, যদি সে তার স্ত্রীর জিজ্ঞাসার প্রেক্ষিতে তাকে বলে ‘তুমি মুক্ত’ (أنت خلية) -
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
الطلاق، ثم أمسكها من غير سؤال منعناه، وأنكرنا عليه، لأنه يلزمه الرجوع إلى غيره في الرخصة، أو الحظر.
وقد نقل الحسن بن ثواب والميموني عنه في الرجل يمر على القوم وهم يلعبون بالشطرنج ينهاهم، ويعظهم، وهذا محمول على ما ذكرنا وأن الفاعل له ليس من أهل الاجتهاد. ولا سأل عن ذلك من هو أهله.
لأنه قد نقل عنه في رواية المروذي أنه قال: لا ينبغي للفقيه أن يحمل الناس على [مذاهبهم]. ولا يشدد عليهم.
قال أبو بكر عبد العزيز فيما وجدته معلقاً على ظهر كتاب التنبيه:
তালাক (الطلاق), এরপর সে তাকে কোনো জিজ্ঞাসা ছাড়াই রেখে দিলে আমরা তাকে তা থেকে বারণ করব এবং তার এই কাজের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করব; কারণ অনুমোদন (الرخصة) কিংবা নিষেধাজ্ঞা (الحظر) জানার ক্ষেত্রে তার জন্য অন্যের শরণাপন্ন হওয়া আবশ্যক।
হাসান বিন সাওয়াব এবং মায়মুনি তাঁর থেকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন যে একদল লোকের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তাদেরকে দাবা খেলতে দেখে বারণ করে এবং নসিহত করে। এটি আমাদের পূর্বোল্লিখিত বিষয়ের ওপরই প্রয়োগ হবে যে, উক্ত কাজের কর্তা ইজতিহাদ করার যোগ্য ব্যক্তিদের (أهل الاجتهاد) অন্তর্ভুক্ত নন এবং তিনি এ বিষয়ে অভিজ্ঞ কারো নিকট জিজ্ঞাসাও করেননি।
কেননা মারওয়াযীর বর্ণনা (رواية) অনুযায়ী তাঁর থেকে বর্ণিত হয়েছে যে তিনি বলেছেন: আইনবিশারদ বা ফকীহগণের (الفقيه) জন্য সমীচীন নয় যে তারা মানুষকে তাদের মাযহাবের (مذاهبهم) ওপর চলতে বাধ্য করবেন এবং তাদের ওপর কঠোরতা আরোপ করবেন।
আবু বকর আব্দুল আজিজ 'কিতাবুত তানবিহ'-এর পৃষ্ঠদেশের টীকা হিসেবে যা পেয়েছিলেন তাতে তিনি বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
حدثنا أبو بكر الخلال قال: حدثنا محمد بن علي قال: حدثني مهنا قال: سمعت أحمد بن حنبل يقول: من أراد أن يشرب هذا النبيذ [ ...... ] فليشربه وحده.
আবু বকর আল-খাল্লাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا), তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا), তিনি বলেন: মুহান্না আমার নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثني), তিনি বলেন: আমি আহমদ বিন হাম্বলকে বলতে শুনেছি: "যে ব্যক্তি এই নাবিদ পান করতে চায় [ ...... ] সে যেন তা একাকী পান করে।"
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
فصلوالأولى: أن يكون الآمر بالمعروف، والناهي عن المنكر من أهل السنن والعدالة والقبول عند الناس.
لأنه إذا كان بهذه الصفة رهبه المأمور وربما استجاب إليه. ورجع إلى قوله. تعظيماً لله سبحانه، ولدينه، ولأن من هذه صفته، كلامه أوقع في النفوس وأقرب إلى القلوب. وإذا كان يخالف ما يأمر به وينهى عنه. قيل له مر
পরিচ্ছেদ (فصل)অধিকতর উত্তম হলো: সৎকাজের আদেশদানকারী এবং অসৎকাজে নিষেধকারী ব্যক্তি সুন্নাহর অনুসারী এবং ন্যায়পরায়ণতা (العدالة) ও মানুষের নিকট গ্রহণযোগ্যতা (القبول) সম্পন্ন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত হবেন।কেননা তিনি যদি এই গুণের অধিকারী হন, তবে আদিষ্ট ব্যক্তি তাকে সমীহ করবে এবং সম্ভবত তার আহবানে সাড়া দেবে; আর মহান আল্লাহ ও তাঁর দ্বীনের প্রতি সম্মান প্রদর্শনার্থে তার কথার দিকে ফিরে আসবে। আর যেহেতু যার মধ্যে এই গুণাবলি বিদ্যমান থাকে, তার কথা নফসের ওপর অধিক প্রভাব বিস্তারকারী এবং হৃদয়ের অধিক নিকটবর্তী হয়। কিন্তু যখন সে নিজেই যা আদেশ করে এবং যা থেকে নিষেধ করে তার বিরুদ্ধাচরণ করে, তখন তাকে বলা হয়: আদেশ করুন...
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
على نفسك وانهها. وربما صار ذلك ذريعة إلى الإيقاع به وقد قال سبحانه في صفة نبيه {وما أريد أن أخالفكم إلى ما أنهاكم عنه} وقد روى في تغليظ من نهي عن منكر وهو فاعله ما رواه أبو عبيد في كتابه بإسناده عن أسامة بن زيد عن النبي صلى الله عليه وسلم (يؤتى بالرجل يوم القيامة فيلقى في النار فتندلق أقتاب بطنه فيدور بها كما يدور الحمار بالرحى فيقال له: مالك فيقول: إني كنت آمر بالمعروف ولا آتيه وأنهى عن المنكر وآتيه.
আপনার নফসের প্রতি মনোযোগ দিন এবং তাকে (মন্দ থেকে) বারণ করুন। সম্ভবত এটি তাকে বিপদে ফেলার একটি অজুহাতে পরিণত হতে পারে। মহান আল্লাহ তাঁর নবীর বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বলেছেন: {আমি তোমাদের যা থেকে নিষেধ করি, তার বিপরীত কাজ আমি নিজে করতে চাই না}। যে ব্যক্তি অন্যকে মন্দ কাজ (منكر) থেকে নিষেধ করে অথচ সে নিজেই তা সম্পাদন করে, তার শাস্তির কঠোরতা সম্পর্কে আবু উবাইদ তাঁর কিতাবে স্বীয় সনদ (إسناد)-এর মাধ্যমে উসামা বিন যায়েদ থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন: (কিয়ামতের দিন এক ব্যক্তিকে আনা হবে এবং তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে, ফলে তার পেটের নাড়িভুঁড়ি বেরিয়ে আসবে। এরপর সে তা নিয়ে এমনভাবে ঘুরতে থাকবে যেমন গাধা যাঁতাকলে ঘুরতে থাকে। তখন তাকে জিজ্ঞেস করা হবে: তোমার কী হয়েছে? সে বলবে: আমি সৎ কাজের আদেশ দিতাম কিন্তু নিজে তা করতাম না, আর আমি মন্দ কাজ (منكر) থেকে বারণ করতাম অথচ নিজেই তা করতাম।)
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
قال أبو عبيد: القتب ما يكون في البطن من الحوايا.
قال: وأما الأمعاء فإنها الأقصاب واحدها قصب.
قال أبو عبيد: وأما قوله (فتندلق أقتاب بطنه) فإن الاندلاق خروج الشيء من مكانه أو كل شيء ندر خارجاً فقد اندلق. ومنه قيل للسيف: اندلق من جفنه إذا شقه حتى خرج منه. وليس هذا القول منعاً للفاسق من إنكار المنكر.
بل يجب على الفاسق أن ينكر ما يرى من المنكر مع القدرة لما روى ابن عمر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم "مروا بالمعروف وإن لم تعملوا به. وأنهوا عن المنكر وإن لم تنتهوا".
ولأن الفاسق إذا شاهد المنكر كان بمثابة من وجب عليه فرضان: التوبة، وإنكار المنكر، فإذا امتنع عن أحدهما وهو التوبة وأتى بالآخر وهو الأمر بالمعروف وجب أن نحكم بصحته كمن وجبت عليه الصلاة والزكاة والصيام والحج. فأتى بأحدها وامتنع عن الآخر حكم بصحة ما أتى به.
আবু উবাইদ বলেন: ‘কাতাব’ হলো পেটের নাড়িভুঁড়ি।
তিনি বলেন: আর অন্ত্রসমূহ হলো ‘আকসাব’, যার একবচন হলো ‘কাসাব’।
আবু উবাইদ বলেন: আর তাঁর বাণী— "তার পেটের নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে পড়বে"—এখানে ‘ইন্দিলাক’ অর্থ হলো কোনো বস্তু তার নিজ স্থান থেকে বের হয়ে আসা, অথবা যা কিছু বাইরে নিক্ষিপ্ত হয় তাকেই ‘ইন্দালাকা’ বলা হয়। এর থেকেই তলোয়ারের ক্ষেত্রে বলা হয়: ‘তলোয়ার তার কোষ থেকে বের হয়ে এসেছে’, যখন তা কোষ চিরে বেরিয়ে আসে। আর এই উক্তিটি পাপাচারীকে (الفاسق) মন্দ কাজ (المنكر) প্রতিরোধ করা থেকে বিরত রাখে না।
বরং পাপাচারীর (الفاسق) ওপর সামর্থ্য অনুযায়ী দৃশ্যমান মন্দ কাজ (المنكر) প্রতিরোধ করা আবশ্যক; কারণ ইবনে উমর থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "তোমরা সৎ কাজের আদেশ দাও যদিও নিজেরা তা পালন না করো, এবং মন্দ কাজ (المنكر) থেকে নিষেধ করো যদিও নিজেরা তা থেকে বিরত না থাকো।"
কেননা পাপাচারী (الفاسق) যখন কোনো মন্দ কাজ (المنكر) প্রত্যক্ষ করে, তখন সে এমন ব্যক্তির পর্যায়ে গণ্য হয় যার ওপর দুটি ফরজ অর্পিত হয়েছে: তওবা করা এবং মন্দ কাজ (المنكر) প্রতিরোধ করা। এখন সে যদি একটি থেকে বিরত থাকে—অর্থাৎ তওবা—এবং অন্যটি পালন করে—অর্থাৎ সৎ কাজের আদেশ—তবে তা সঠিক (بصحته) বলে গণ্য করা আবশ্যক। যেমন কারো ওপর সালাত, জাকাত, সিয়াম ও হজ ওয়াজিব হলো; এরপর সে তার কোনো একটি আদায় করল এবং অন্যটি থেকে বিরত থাকল, তবে সে যা আদায় করেছে তা সঠিক (بصحة) বলে গণ্য হবে।
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: ৫৯)
فصل
فصل في وجوب الإنكار على السلطان إذا غصب وعطل الحدود وضرب الأبشار واستأثر بأموال الفيء والغنائم والأعشار فإنه يجب وعظه وتخويفه بالله تعالى، أما بالفتال وشهر السلاح عليه فلا يجوز ذلك وقد نص أحمد على هذا
পরিচ্ছেদ
সুলতানের প্রতিবাদ করার আবশ্যকতা বিষয়ক পরিচ্ছেদ—যখন সে (জনগণের অধিকার) আত্মসাৎ করে, দণ্ডবিধি স্থগিত করে, মানুষের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালায় এবং ফাই, গণিমত ও উশরের সম্পদ কুক্ষিগত করে; এমতাবস্থায় তাকে নসিহত করা এবং মহান আল্লাহ তাআলার ভয় প্রদর্শন করা আবশ্যক। তবে তার বিরুদ্ধে লড়াই করা এবং অস্ত্র ধারণ করা বৈধ নয়; ইমাম আহমদ এই বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: ৬০)
في رواية حنبل قال اجتمع فقهاء بغداد في ولاية الواقف إلى أبي عبد الله.
وقالوا: إن هذا الأمر قد تفاقم وفشا يعنون إظهار القول بخلق القرآن
হম্বলের বর্ণনায় (رواية) তিনি বলেন, আল-ওয়াকেফের (الواقف) শাসনামলে বাগদাদের ফকিহগণ (فقهاء) আবু আব্দুল্লাহর নিকট সমবেত হলেন।
এবং তারা বললেন: "নিশ্চয়ই এই বিষয়টি চরম আকার ধারণ করেছে এবং ছড়িয়ে পড়েছে," তারা এর দ্বারা কুরআন সৃষ্টির (خلق القرآن) মতবাদটি প্রকাশ করাকে বুঝিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: ৬১)
وغير ذلك فلا نرضى بإمرته ولا سلطانه.
فناظرهم في ذلك وقال: عليكم بالنكرة بقلوبكم ولا تخلعوا يد من طاعة. ولا تشقوا عصا المسلمين. ولا تسفكوا دماءكم ودماء المسلمين معكم. وانظروا في عاقبة أمركم وأصبروا حتى يستريح بر أو يستراح من فاجر؟ وقال: ليس هذا صواباً، هذا خلاف الآثار. وقال ابو بكر المروذي سمعت أبا عبد الله يأمر
এছাড়া অন্য বিষয়ে আমরা তার নেতৃত্ব কিংবা শাসনে সন্তুষ্ট নই।
তিনি এ বিষয়ে তাদের সাথে বিতর্ক করলেন এবং বললেন: তোমরা তোমাদের অন্তরে (অন্যায়কে) ঘৃণা করো এবং আনুগত্যের হাত গুটিয়ে নিও না। আর মুসলিমদের ঐক্য বিনষ্ট করো না এবং তোমাদের ও তোমাদের সাথে থাকা মুসলিমদের রক্তপাত ঘটিও না। তোমরা তোমাদের কাজের পরিণাম চিন্তা করো এবং ধৈর্য ধারণ করো, যতক্ষণ না কোনো পুণ্যবান ব্যক্তি শান্তি পায় অথবা কোনো পাপাচারী থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তিনি বললেন: এটি সঠিক নয়, এটি বর্ণনা বা সুন্নাহর (الآثار) পরিপন্থী। আবু বকর আল-মারওয়াযি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে আদেশ দিতে শুনেছি...
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: ৬২)
بكف الدما وينكر الخروج إنكاراً شديداً.
وقال أيضاً: في رواية إسماعيل بن سعيد: الكف لأنا نجد عن النبي صلى الله عليه وسلم "ما صلوا فلا" فالظاهر من كلامه منع قتاله وإظهار السلاح عليه خلافاً للمتكلمين في قولهم يجوز قتالهم وإظهار السلاح عليهم والدلالة على منع ذلك
রক্তপাত থেকে বিরত থাকা এবং বিদ্রোহ (خروج) করাকে তিনি কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করতেন।
তিনি আরও বলেন: ইসমাঈল ইবনে সাঈদের বর্ণনায় (رواية) রয়েছে: বিরত থাকা [উচিত], কারণ আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে পাই যে, "যতক্ষণ তারা সালাত আদায় করবে, ততক্ষণ নয়।" সুতরাং তাঁর বক্তব্য হতে প্রতীয়মান হয় যে, তাদের সাথে যুদ্ধ করা এবং তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করা নিষিদ্ধ। এটি ইলমুল কালাম শাস্ত্রবিদদের (متكلمين) মতের পরিপন্থী, যারা তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা এবং অস্ত্র ধারণ করা বৈধ মনে করেন; অথচ এর সপক্ষে দলিল-প্রমাণ (الدلالة) এটি নিষিদ্ধ হওয়ার পক্ষেই নির্দেশ করে।
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: ৬৩)
ما رواه أبو بكر الخلال بإسناده أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لأبي ذر "إذا رأيت البناء قد بلغ سلعاً فاخرج من المدينة" ووجه بيده نحو الشام ولا أرى امراءك يدعونك.
قال قلت يا رسول الله أفلا أضع سيفي على عاتقي وأضرب به من حال بيني
আবু বকর আল-খাল্লাল তাঁর সনদ (إسناد)-এর মাধ্যমে যা বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু যারকে বলেছিলেন, "যখন তুমি দেখবে যে দালানকোঠা সালা পাহাড় পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, তখন মদিনা থেকে বেরিয়ে যেয়ো।" তিনি তাঁর হাত দিয়ে শামের দিকে ইশারা করলেন এবং বললেন, "আমি মনে করি না যে তোমার শাসকরা তোমাকে থাকতে দেবে।"
তিনি (আবু যার) বললেন, আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি তবে আমার কাঁধে তলোয়ার তুলে নেব না এবং তাকে আঘাত করব না যে আমার মাঝে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে?
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: ৬৪)
وبين أمرك قال: لا ولكن إن أمر عليك عبد حبشي مجدع فاسمع له وأطلع" وروى في حديث آخر قال: كنت خلف رسول الله حين خرج من جانبي المدينة فقال: يا أبا ذر؛ إن رأيت الناس قتلوا حتى تغرق حجارة الزيت من الدماء كيف تصنع قال قلت: الله ورسوله أعلم. قال تدخل بيتك قال قلت يا رسول الله فإن أتى علي أحمل السلاح؟ قال شاركت القوم.
قلت: كيف أصنع يا رسول الله. قال إن خفت أن يهرك شعاع السيف فألق طائفة من ثوبك على وجهك يبوء بإثمك وإثمه".
এবং আপনার বিষয়টি স্পষ্ট করুন। তিনি বললেন: "না, বরং যদি কোনো কর্তিত অঙ্গবিশিষ্ট আবিসিনীয় ক্রীতদাসকেও তোমাদের ওপর আমির নিযুক্ত করা হয়, তবে তার কথা শোনো এবং আনুগত্য করো।" অন্য একটি হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুলের পেছনে ছিলাম যখন তিনি মদিনার এক প্রান্ত দিয়ে বের হচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেন: "হে আবু যার! তুমি কী করবে যখন দেখবে যে মানুষ এমনভাবে হত্যাকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছে যে, রক্তের বন্যায় হিজারাতুল যাইত ডুবে যাচ্ছে?" তিনি বলেন, আমি বললাম: আল্লাহ ও তাঁর রাসুলই ভালো জানেন। তিনি বললেন: "তুমি তোমার ঘরে প্রবেশ করো।" আমি বললাম: "হে আল্লাহর রাসুল! যদি কেউ আমার নিকট আসে, তবে কি আমি অস্ত্র ধারণ করব?" তিনি বললেন: "(তাহলে তো) তুমি সেই কওমেরই অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেলে।"
আমি বললাম: "হে আল্লাহর রাসুল! তবে আমি কী করব?" তিনি বললেন: "যদি তুমি তরবারির চমক দেখে ভীত হও, তবে তোমার কাপড়ের একাংশ তোমার চেহারার ওপর টেনে দিও, তখন সে তোমার পাপ এবং তার নিজের পাপের বোঝা বহন করবে।"
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: ৬৫)
وروى أبو القاسم الصيرفي بإسناده عن أم سلمة قالت قال: رسول الله صلى الله عليه وسلم: سيكون عليكم أئمة تعرفون وتنكرون فمن أنكر فقد بريء ومن كره فقد سلم ولكن من رضي وتابع فقيل يا رسول الله أفلا نقاتلهم، قال: لا ماصلوا.
আবুল কাসিম আস-সাইরাফি তাঁর সনদের (إسناد) মাধ্যমে উম্মে সালামাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, "অচিরেই তোমাদের ওপর এমন সব শাসক নিযুক্ত হবে যাদের কিছু কাজ তোমরা সংগত মনে করবে এবং কিছু কাজ প্রত্যাখ্যান করবে। সুতরাং যে ব্যক্তি (অন্যায়কে) ঘৃণা করল সে দায়মুক্ত হলো, আর যে ব্যক্তি অপছন্দ করল সে নিরাপত্তা পেল; কিন্তু যে ব্যক্তি তাতে সন্তুষ্ট হলো এবং তাদের অনুসরণ করল (সে অপরাধী হলো)।" জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না? তিনি বললেন, "না, যতক্ষণ তারা সালাত আদায় করবে।"
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: ৬৬)
ورواه أبو بكر ابن الأجري بإسناده عن يزيد بن سلمه الجعفي أنه سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم أرأيت إن قامت علينا أمراء فسألونا حقهم ومنعوا حقنا فما تأمرنا؟ فأعرض عنه ثم سأله الثانية أو الثالث فجذبه الأشعث بن قيس وقال: أسمعوا وأطيعوا فإنما عليه ما حمل وعليكم ما حملتم.
এবং আবু বকর ইবনুল আজুররি এটি তাঁর বর্ণনা সূত্রের (إسناد) মাধ্যমে ইয়াজিদ বিন সালামা আল-জু'ফি থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আল্লাহর রাসূলকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞাসা করেছিলেন: "আপনি কি মনে করেন যদি আমাদের ওপর এমন শাসকবর্গ নিযুক্ত হন যারা আমাদের কাছে তাদের অধিকার দাবি করে কিন্তু আমাদের অধিকার খর্ব করে, তবে আপনি আমাদের কী নির্দেশ দেন?" তখন তিনি (রাসূল) তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। অতঃপর তিনি দ্বিতীয় বা তৃতীয়বার জিজ্ঞাসা করলে আল-আশ'আস বিন কায়েস তাকে টেনে নিলেন এবং বললেন: "তোমরা শোনো এবং আনুগত্য করো; কারণ তাদের ওপর যে দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে তার জন্য তারা দায়ী এবং তোমাদের ওপর যে দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে তার জন্য তোমরাই দায়ী।"
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: ৬৭)
وروى زيد بن سلام عن أبي سلام قال: سمعت حذيفة بن اليمان يقول: يا رسول الله إنا كنا بشر فجاء الله بالخير، فهل وراء هذا من شر؟ قال: نعم، قال قلت فما وراء الشر خير؟ قال: نعم. ووراء ذلك مراراً قال: ثم يكون بعد أئمة لا يهتدون بهدى ولا يستنون بسنتي، وسيقوم فيهم رجال قلوبهم قلوب الشياطين. قال فما أصنع يا رسول الله إن أدركت ذلك. قال: تسمع وتطع الأمير الأعظم وإن ضرب ظهرك وإن أخذ مالك فاسمع وأطع" وروى أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: أطيعوا أمراءكم فيما كان. فإن أمروكم بشيء لم آمركم به فهو عليهم وأنتم منه براء. وإن أمروكم بشيء مما جئتكم به فأنتم مأجورون عليه. وتؤجرون بطاعتكم
যায়েদ ইবনে সালাম আবু সালাম থেকে বর্ণনা করেছেন (روى); তিনি বলেন: আমি হুজাইফা ইবনে ইয়ামানকে বলতে শুনেছি (سمعت): "হে আল্লাহর রাসূল! আমরা অনিষ্টের মধ্যে ছিলাম, অতঃপর আল্লাহ এই কল্যাণ (ইসলাম) দান করলেন। এই কল্যাণের পেছনে কি আর কোনো অনিষ্ট আছে?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ।" আমি জিজ্ঞাসা করলাম: "সেই অনিষ্টের পেছনে কি আবার কোনো কল্যাণ আছে?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ। এর পেছনে আরও কয়েকবার (কল্যাণ ও অকল্যাণের পর্যায়) রয়েছে।" অতঃপর তিনি বললেন: "এরপর এমন কিছু নেতার উদ্ভব হবে যারা আমার প্রদর্শিত হেদায়েত অনুযায়ী চলবে না এবং আমার সুন্নাত অনুসরণ করবে না। তাদের মাঝে এমন কিছু লোক দাঁড়াবে যাদের দেহ মানুষের হলেও অন্তর হবে শয়তানের অন্তরের মতো।" হুজাইফা বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল! আমি যদি সেই পরিস্থিতির সম্মুখীন হই তবে আমি কী করব?" তিনি বললেন: "তুমি প্রধান আমিরের কথা শুনবে এবং তাঁর আনুগত্য করবে; যদিও তোমার পিঠে আঘাত করা হয় এবং তোমার সম্পদ কেড়ে নেওয়া হয়, তবুও তুমি শুনবে এবং আনুগত্য করবে।" আরও বর্ণিত (روى) হয়েছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমরা তোমাদের শাসকদের আনুগত্য করো। যদি তারা তোমাদের এমন কোনো বিষয়ের নির্দেশ দেয় যা আমি তোমাদের নির্দেশ করিনি, তবে তার দায়ভার তাদের ওপরই বর্তাবে এবং তোমরা তা থেকে মুক্ত থাকবে। আর যদি তারা তোমাদের এমন কোনো বিষয়ের নির্দেশ দেয় যা নিয়ে আমি তোমাদের নিকট এসেছি, তবে তোমরা তার জন্য সওয়াব লাভ করবে এবং তোমাদের এই আনুগত্যের কারণে তোমরা প্রতিদান প্রাপ্ত হবে।"
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: ৬৮)
ذلك. فأنكم إذا لقيتم الله قلتم ربنا لا ظلم، فيقولون ربنا أرسلت إلينا رسلاً فأطعناهم بإذنك واستخلفت علينا خلفاء فأطعناهم لك. فيقول صدقتم فهو عليهم. وأنتم منه برءاء، وروى عوف بن مالك الأشجعي قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول "خيار أئمتكم الذين تحبونهم ويحبونكم وتصلون عليهم ويصلون عليكم وشرار أئمتكم الذين تبغضونهم ويبغضونكم.
وتلعنونهم ويلعنونكم. قلت يا رسول الله: أفلا ننابذهم قال: لا: ما أقاموا فيكم الصلاة. إلا من ولى عليه منكم وال فرآه يأتي شيئاً من معصية الله فلينكر ما رأى من معصية الله ولا ينزل يداً من طاعة" وهذه الأخبار تدل على السمع والطاعة للأئمة وإن ظلموا وأمرنا بالصلاة خلفهم والجهاد معهم فإن
সেটি তাই। কেননা যখন তোমরা আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে, তখন তোমরা বলবে, 'হে আমাদের প্রতিপালক, কোনো অবিচার নেই।' তারা বলবে, 'হে আমাদের প্রতিপালক, আপনি আমাদের নিকট রাসূলগণকে প্রেরণ করেছিলেন এবং আমরা আপনার অনুমতিক্রমে তাঁদের আনুগত্য করেছিলাম। আর আপনি আমাদের ওপর স্থলাভিষিক্তদের নিযুক্ত করেছিলেন এবং আমরা আপনার সন্তুষ্টির জন্য তাঁদের আনুগত্য করেছিলাম।' তিনি বলবেন, 'তোমরা সত্য বলেছো, এর দায়ভার তাদের ওপর আর তোমরা এ থেকে মুক্ত।' আর আউফ ইবনে মালিক আল-আশজায়ি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "তোমাদের শ্রেষ্ঠ ইমাম তারাই, যাদের তোমরা ভালোবাসো এবং তারাও তোমাদের ভালোবাসে; তোমরা তাদের জন্য দোয়া করো এবং তারাও তোমাদের জন্য দোয়া করে। আর তোমাদের নিকৃষ্ট ইমাম তারাই, যাদের তোমরা ঘৃণা করো এবং তারাও তোমাদের ঘৃণা করে,
এবং তোমরা তাদের অভিশাপ দাও আর তারাও তোমাদের অভিশাপ দেয়।" আমি বললাম, 'হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করব না?' তিনি বললেন, 'না, যতক্ষণ তারা তোমাদের মাঝে সালাত কায়েম রাখবে। মনে রেখো, তোমাদের কারো ওপর যদি কোনো শাসক নিযুক্ত হয় এবং সে তাকে আল্লাহর কোনো নাফরমানিতে লিপ্ত হতে দেখে, তবে সে যেন আল্লাহর সেই নাফরমানি বা অবাধ্যতাকে ঘৃণা করে, কিন্তু আনুগত্য থেকে হাত গুটিয়ে না নেয়।' আর এই সংবাদ বা বিবরণসমূহ (الأخبار) ইমামদের কথা শোনা ও তাদের আনুগত্য করার আবশ্যকতা নির্দেশ করে যদিও তারা জুলুম করে। আর আমাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাদের পেছনে সালাত আদায় করতে এবং তাদের সাথে জিহাদ করতে, কারণ
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: ৬৯)
قيل: تحمل هذه الأخبار عليه إذا تحقق أنه لا يؤثر.
فيهم إنكار قيل: النبي صلى الله عليه وسلم جعل العلة في منع قتالهم إقامة الصلاة، وعلى قولك العلة فيه عدم التحقق من قبولهم، ولأنه منه من ذلك لئلا يخرج يداً من طاعة وعلى قولك العلة امتناع قبولهم. ولأن الكلام في هذه المسالة مبني على أصل وهو أن إمامته ثابته لم تزل بظهور الفسق منه وعندهم تزول، ويحصل
বলা হয়েছে: এই বর্ণনাগুলো (أخبار) এর ওপর প্রয়োগ করা হবে যদি এটি নিশ্চিত হয় যে তা কোনো প্রভাব ফেলে না।
তাদের ব্যাপারে আপত্তি (إنكار) বিদ্যমান; বলা হয়েছে: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিষিদ্ধ করার কারণ (علة) হিসেবে সালাত কায়েম করাকে নির্ধারণ করেছেন। আপনার মত অনুযায়ী এর কারণ (علة) হলো তাদের পক্ষ থেকে তা কবুল করার বিষয়টি নিশ্চিত না হওয়া। আর যেহেতু তাকে এ থেকে নিষেধ করা হয়েছে যাতে আনুগত্য (طاعة) থেকে হাত গুটিয়ে না নেওয়া হয়, অথচ আপনার মত অনুযায়ী কারণ (علة) হলো তাদের কবুল করতে অস্বীকৃতি জানানো। আর যেহেতু এই মাসআলার আলোচনা একটি মূলনীতির (أصل) ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত, আর তা হলো—তার পাপাচার (فسق) প্রকাশ পাওয়ার মাধ্যমে তার ইমামত (إمامة) বিলুপ্ত হয়ে যায় না, বরং তা বহাল থাকে; কিন্তু তাদের মতে তা বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং অর্জিত হয়...
(খণ্ড: ১)
আল-আমরু বিল মা’রূফ ওয়ান নাহয়ি আনিল মুনকার - আবু ইয়া’লা
(পৃষ্ঠা: ৭০)
بمثابة غيره من الخوارج والبغاة، والدلالة على بقائها ما تقدم من الأخبار وهو الأمر بالطاعة لهم ما أقاموا الصلاة وهذا يدل على بقائها.
واحتج المخالف بما رواه جابر بن عبد الله قال رسول الله (أفضل الشهداء عند الله حمزة بن عبد المطلب ثم رجل قام إلى إمام جائر فأمره ونهاه فقتل)،
অন্যান্য খারেজি (الخوارج) ও বিদ্রোহী (البغاة)-দের মতোই এটি বিবেচিত। এটি বলবৎ থাকার প্রমাণ হলো ইতিপূর্বে বর্ণিত সংবাদসমূহ (الأخبار), যা নির্দেশ দেয় তাদের আনুগত্য করতে যতক্ষণ তারা সালাত কায়েম রাখে এবং এটি তা বহাল থাকার প্রমাণ।
ভিন্নমত পোষণকারীরা জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ কর্তৃক বর্ণিত হাদিস দ্বারা দলিল পেশ করেছে যে, রাসূলুল্লাহ বলেছেন: (আল্লাহর নিকট সর্বোত্তম শহীদ হলেন হামজা ইবনে আব্দুল মুত্তালিব, এরপর ওই ব্যক্তি যে কোনো জালেম শাসকের সামনে দাঁড়িয়ে তাকে সৎকাজের আদেশ দেয় ও মন্দ কাজে নিষেধ করে, অতঃপর তাকে হত্যা করা হয়)।