(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: -)
الجوس في المنسوب إلى دوس القسم: الأنساب
الكتاب: الجوس في المنسوب إلى دوس
المؤلف: الدكتور/ مرزوق بن هيّاس آل مرزوق الزهراني
الناشر: (بدون ناشر)
الطبعة: الأولى، 1434 هـ - 2013 م
عدد الصفحات: 235
الكتاب/ إهداء من المؤلف جزاه الله خيرا للمكتبة الشاملة
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 14 ربيع الأول 1439
আল-জাওসু ফিল মানসুবি ইলা দাউস বিভাগ: বংশপরিচয় বিদ্যা
বই: আল-জাওসু ফিল মানসুবি ইলা দাউস (দাউস গোত্রের বংশপরিচয় অনুসন্ধান)
লেখক: ডক্টর/ মারজুক বিন হাইয়াস আল মারজুক আল-জাহারানি
প্রকাশক: (প্রকাশক উল্লেখ নেই)
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩৪ হিজরি - ২০১৩ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৩৫
বইটি/ লেখকের পক্ষ থেকে মাকতাবাতুশ শামেলার জন্য একটি উপহার, আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দান করুন
[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ১)
المقدمةالحمد لله حمدا طيبا مباركا فيه، ملء السماوات، وملء الأرض، وملء ما بينهن، وملء ما شاء ربي من بعد، أحمده وأشكره عدد خلقه، وزنة عرشه، ومداد كلماته، ورضا نفسه، وهو القائل عز وجل لملائكته: {إِنِّي جَاعِلٌ فِي الْأَرْضِ خَلِيفَةً قَالُوا أَتَجْعَلُ فِيهَا مَنْ يُفْسِدُ فِيهَا وَيَسْفِكُ الدِّمَاءَ وَنَحْنُ نُسَبِّحُ بِحَمْدِكَ وَنُقَدِّسُ لَكَ قَالَ إِنِّي أَعْلَمُ مَا لَا تَعْلَمُونَ} (1)، سبحانه من حكيم عليم أدال الأيام بين الناس، وجعل معيار التفاضل تقواه تعالى، فقال عز وجل: {يَاأَيُّهَا النَّاسُ إِنَّا خَلَقْنَاكُمْ مِنْ ذَكَرٍ وَأُنْثَى وَجَعَلْنَاكُمْ شُعُوبًا وَقَبَائِلَ لِتَعَارَفُوا إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرٌ} (2)، وصلى الله وسلم وبارك على المبعوث رحمة للعالمين، المخصوص بأشرف الأنساب وأكرم الأحساب، نبينا محمد وعلى آله وصحابته والتابعين له إلى يوم الدين، قرر العدل والمساواة بين الناس، فلم تبق مَيزة للشعوب والقبائل إلا التعارف إذا استظلوا بقيم الكتاب والسنة، أمابعد:
فقد روى أبو هريرة رضي الله عنه قيل: يا رسول الله، من من أكرم الناس؟ ، قال: «أتقاهم» قالوا: ليس عن هذا نسألك، قال: «فعن معادن العرب تسألوني؟ ، خيارهم في الجاهلية خيارهم في الإسلام فقهوا» (3)، ومن هنا نعلم يقينا أن الله عز وجل حكم بأن أكرم الناس أتقاهم له تعالى، ولو كان المتقي من أقل الناس حسبا ونسبا، وأن من عصى الله عز وجل انحطت درجة فضله ولو كان من نسل الأنبياء، ألا تسمع ما قال نبينا صلى الله عليه وسلم لبلال رضي الله عنه: «يا بلال، حدثني بأرجى عمل عملته عندك في الإسلام منفعة، فإني سمعت الليلة خشف نعليك بين يديَّ في الجنة» (4)، ويقول عمر الفاروق رضي الله عنه في شأن بلال رضي الله عنه: "أبو بكر سيدنا، وأعتق سيدنا" يعني بلالا رضي الله عنه.
--------------------------------------------
ভূমিকাসমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, এমন প্রশংসা যা পবিত্র ও বরকতময়, যা আসমানসমূহ পূর্ণ করে, জমিন পূর্ণ করে, এই দুইয়ের মধ্যবর্তী স্থান পূর্ণ করে এবং এরপর আমার রব যা ইচ্ছা করেন তা পূর্ণ করে। আমি তাঁর প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি তাঁর সৃষ্টির সংখ্যা পরিমাণ, তাঁর আরশের ওজন পরিমাণ, তাঁর কালেমাসমূহের কালি পরিমাণ এবং তাঁর নিজের সন্তুষ্টি অনুযায়ী। তিনি পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত, যিনি তাঁর ফেরেশতাদের বলেছিলেন: {নিশ্চয়ই আমি পৃথিবীতে একজন প্রতিনিধি সৃষ্টি করতে যাচ্ছি। তারা বলল, আপনি কি সেখানে এমন কাউকে সৃষ্টি করবেন যে দাঙ্গা-হাঙ্গামা করবে এবং রক্তপাত ঘটাবে? অথচ আমরা আপনার প্রশংসা ও পবিত্রতা বর্ণনা করছি। তিনি বললেন, নিশ্চয়ই আমি যা জানি, তোমরা তা জানো না} (১)। পবিত্র সেই সত্তা, যিনি প্রজ্ঞাময় ও সর্বজ্ঞাত, যিনি মানুষের মাঝে দিনগুলোর আবর্তন ঘটান এবং শ্রেষ্ঠত্বের মানদণ্ড নির্ধারণ করেছেন তাঁর প্রতি তাকওয়াকে। মহান আল্লাহ বলেছেন: {হে মানবমণ্ডলী, আমি তোমাদেরকে একজন পুরুষ ও একজন নারী থেকে সৃষ্টি করেছি এবং তোমাদেরকে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি যাতে তোমরা একে অপরের সাথে পরিচিত হতে পারো। নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে আল্লাহর কাছে সেই অধিক মর্যাদাসম্পন্ন, যে তোমাদের মধ্যে অধিক মুত্তাকি। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞ ও সম্যক অবহিত} (২)। সালাত, সালাম ও বরকত বর্ষিত হোক বিশ্বজগতের রহমত হিসেবে প্রেরিত সেই সত্তার ওপর, যিনি সর্বশ্রেষ্ঠ বংশ ও সর্বোত্তম আভিজাত্যের অধিকারী, আমাদের নবী মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ, তাঁর সাহাবীগণ ও কিয়ামত পর্যন্ত তাঁদের অনুসারীদের ওপর। তিনি মানুষের মধ্যে ন্যায়বিচার ও সাম্য প্রতিষ্ঠা করেছেন, ফলে কিতাব ও সুন্নাহর ছায়াতলে পারস্পরিক পরিচিতি ছাড়া জাতি ও গোত্রগুলোর আর কোনো বিশেষ আভিজাত্য অবশিষ্ট নেই। অতঃপর:
আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, জিজ্ঞেস করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল, মানুষের মধ্যে কে অধিক মর্যাদাসম্পন্ন? তিনি বললেন: "তাদের মধ্যে যে অধিক মুত্তাকি"। তারা বলল: আমরা আপনাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করছি না। তিনি বললেন: "তাহলে তোমরা কি আরবের বংশমর্যাদা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করছ? জাহিলিয়াতের যুগে যারা তোমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ছিল, ইসলাম গ্রহণ করার পর দ্বীনি জ্ঞান অর্জন করলে তারাই শ্রেষ্ঠ" (৩)। এখান থেকে আমরা নিশ্চিতভাবে জানতে পারি যে, মহান আল্লাহ ফয়সালা করেছেন যে, মানুষের মধ্যে আল্লাহর কাছে সেই অধিক মর্যাদাবান যে তাঁকে অধিক ভয় করে (মুত্তাকি), যদিও সেই মুত্তাকি ব্যক্তি বংশমর্যাদার দিক থেকে সাধারণ পর্যায়ের হয়। আর যে আল্লাহর অবাধ্য হয়, তার মর্যাদার স্তর নিচে নেমে যায়, যদিও সে নবীদের বংশধর হয়। আপনি কি শোনেননি আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বেলাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে কী বলেছিলেন: "হে বেলাল, তুমি ইসলাম গ্রহণের পর তোমার করা এমন আমলের কথা বলো যার সওয়াবের ব্যাপারে তুমি সবচাইতে বেশি আশাবাদী, কেননা আজ রাতে আমি জান্নাতে আমার সামনে তোমার জুতার আওয়াজ শুনেছি" (৪)। ওমর আল-ফারুক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বেলাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) সম্পর্কে বলতেন: "আবু বকর আমাদের নেতা এবং তিনি আমাদের নেতাকে মুক্ত করেছেন" অর্থাৎ বেলাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ২)
ولكن التعارف الذي ذكره الله عز وجل هو أن يعرف كل إنسان من خلال نسبه من يلقاه بنسب، فيُحرم الحرام منه، ويُحل الحلال، في نكاح أو ميراث، وما يلزمه من صلة الأرحام، وما يجب عليه من النفقات المشروعة، وهذا مما لا يسع المسلم جهله؛ لأنه من فروض الإسلام، ومن هنا نعلم أهمية قول رسول الله نبينا محمد صلى الله عليه وسلم: «تعلموا من أنسابكم ما تصلون به أرحامكم، فإن صلة الرحم محبة في الأهل، مثراة في المال، منسأة في الأجل، مرضاة للرب» (1)، فعِلم الأنساب له مكانته وفضله لما ذكرنا، ولمعرفة من أمر الله ورسوله بموالاتهم وحبهم، ولا ريب أن أكرم الناس علينا وأحبهم إلينا نبينا محمد صلى الله عليه وسلم فمعرفة نسبه أمر بالغ الأهمية لكل مسلم ومسلمة، وكذلك نسب أهل بيته رضي الله عنهم، ومن أهل بيته نساؤه رضي الله عنهن؛ فهن أمهات المؤمنين، مفروض حقهن على كل مسلم ومسلمة، ونكاحهن محرم على كل مسلم، وحق آل البيت علينا لازم من حق رسول الله صلى الله عليه وسلم، وهذا لا يجهله مسلم، وكذلك حب أصحابه المهاجرين رضي الله عنهم، الذين نصروه وهاجروا معه، تاركين الأهل والمال والوطن، نصرة لله ورسوله، وكذلك حب أصحابه الأنصار رضي الله عنهم، الذين استقبلوه وآووه؛ هو ومن هاجر معه، ونصروهم نصرا مؤزرا، فجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم حبهم علامة على الإيمان، وبغضهم علامة على النفاق، قال صلى الله عليه وسلم: «آية الإيمان حب الأنصار، وآية النفاق بغض الأنصار» (2)، أنهم الذين أقام الله بهم الإسلام، وأظهر الدين بسعيهم، وقد أمر صلى الله عليه وسلم كل من ولي من أمور المسلمين شيئا أن يستوصي بالأنصار خيرا، وأن يحسن إلى محسنهم، ويتجاوز عن مسيئهم (3)، ويدخل في الاهتمام بعلم النسب معرفة من له حق في الخمس، وفيم يكون الخمس؟ (4)، ومن تحرم عليه الصدقة، ومن لا حق له في
--------------------------------------------
কিন্তু আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা যে পরিচিতির কথা উল্লেখ করেছেন, তা হলো প্রত্যেক মানুষ যেন তার বংশের মাধ্যমে যাকে তার বংশের সাথে সম্পর্কিত পায় তাকে চিনতে পারে। ফলে এর মাধ্যমে বিবাহের ক্ষেত্রে বা উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে যা হারাম তা হারাম সাব্যস্ত করা যায় এবং যা হালাল তা হালাল সাব্যস্ত করা যায়। আরও জানা যায় আত্মীয়তার সম্পর্কের ক্ষেত্রে তার ওপর কী আবশ্যক এবং বৈধ ব্যয়নির্বাহের ক্ষেত্রে তার ওপর কী ওয়াজিব। আর এটি এমন একটি বিষয় যা না জানা কোনো মুসলিমের জন্য সমীচীন নয়; কারণ এটি ইসলামের ফরজসমূহের অন্তর্ভুক্ত। এখান থেকেই আমরা আমাদের নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণীর গুরুত্ব বুঝতে পারি: «তোমরা তোমাদের বংশপরিচয় সম্পর্কে ততটুকু জানো যার মাধ্যমে তোমরা তোমাদের আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখতে পারবে। কারণ আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা পরিবারের মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টি করে, ধন-সম্পদ বৃদ্ধি করে, আয়ু বৃদ্ধি করে এবং রবের সন্তুষ্টির কারণ হয়» (১), সুতরাং আমরা যা উল্লেখ করেছি তার কারণে বংশবিদ্যার নিজস্ব মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে। এছাড়া আল্লাহ ও তাঁর রাসূল যাদের সাথে বন্ধুত্ব ও ভালোবাসা বজায় রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন তাদের চেনার জন্যও এটি জরুরি। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, আমাদের নিকট সবচেয়ে সম্মানিত ও প্রিয় ব্যক্তি হলেন আমাদের নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তাই তাঁর বংশপরিচয় জানা প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একইভাবে তাঁর আহলে বাইত (রাদিয়াল্লাহু আনহুম)-এর বংশপরিচয় জানাও গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর আহলে বাইতের অন্তর্ভুক্ত হলেন তাঁর স্ত্রীগণ (রাদিয়াল্লাহু আনহুন্না); তাঁরা মুমিনদের জননী। প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর ওপর তাঁদের হক আদায় করা ফরজ এবং তাঁদের বিবাহ করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য হারাম। আহলে বাইতের হক আমাদের ওপর আবশ্যক হওয়া মূলত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হকেরই অংশ। কোনো মুসলিমের কাছে এটি অজানা নয়। একইভাবে তাঁর মুহাজির সাহাবীগণের (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) প্রতি ভালোবাসা পোষণ করাও আবশ্যক, যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সাহায্যের উদ্দেশ্যে পরিবার-পরিজন, ধন-সম্পদ ও স্বদেশ ত্যাগ করে তাঁর সাথে হিজরত করেছিলেন এবং তাঁকে সাহায্য করেছিলেন। একইভাবে তাঁর আনসার সাহাবীগণের (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) প্রতি ভালোবাসা পোষণ করাও জরুরি, যারা তাঁকে ও তাঁর সাথে হিজরতকারীগণকে অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন এবং আশ্রয় দিয়েছিলেন, আর তাঁদেরকে সর্বাত্মকভাবে সাহায্য করেছিলেন। ফলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁদের ভালোবাসাকে ঈমানের আলামত এবং তাঁদের প্রতি বিদ্বেষকে নিফাকের আলামত হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «আনসারদের ভালোবাসা হলো ঈমানের নিদর্শন এবং আনসারদের প্রতি বিদ্বেষ হলো নিফাকের নিদর্শন» (২), তাঁরাই সেই সকল লোক যাদের মাধ্যমে আল্লাহ ইসলামকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন এবং তাঁদের প্রচেষ্টায় দ্বীনকে বিজয়ী করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুসলিমদের বিষয়াবলির দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গকে আনসারদের ব্যাপারে কল্যাণের অসিয়ত করেছেন, যেন তাঁদের মধ্যে যারা সৎকর্মশীল তাদের প্রতি সদাচরণ করা হয় এবং যারা ভুলকারী তাদের ভুল ক্ষমা করা হয় (৩)। বংশবিদ্যার প্রতি গুরুত্ব প্রদানের মধ্যে এটিও অন্তর্ভুক্ত যে, খুমুস (এক-পঞ্চমাংশ) পাওয়ার অধিকার কার আছে এবং খুমুস কিসের ওপর ধার্য হয়? (৪), এছাড়া কাদের জন্য সদকা গ্রহণ করা হারাম এবং কাদের এতে কোনো অধিকার নেই...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ৩)
الخمس، ولا تحرم الصدقة عليه، فالعلم بالنسب نافع، والجهل به ضار دون شك، ويجوز أن يعرف الرجل من نسبه ما تيقن؛ ولو علا إلى ما قبل الإسلام، إذا كان دائرا في فلك البر والتقوى، فقد نادى رسول الله صلى الله عليه وسلم قبائل العرب بأنسابها حين عرض نفسه عليهم يدعوهم إلى الإسلام، ولما نزل عليه {وَأَنْذِرْ عَشِيرَتَكَ الْأَقْرَبِينَ} (1)، صعد على الصفا وقال: «يا معشر قريش، اشتروا أنفسكم، لا أغني عنكم من الله شيئا، يا بني عبد مناف لا أغني عنكم من الله شيئا» (2)، وفاضل بين قبائل الأنصار، بل وقبائل العرب، وأثنى على الحبشة، ونسبهم إلى جدهم أرفدة فقال: «دونكم بني أرفة» (3)، ولكن كل ذلك في إطار لا يُخرج إلى العصبية التي تفرق ولا تجمع، وتنتقص ولا ترفع، فقد أنكر ما جرى بين الأوس والخزرج من دعوى الجاهلية وهو صلى الله عليه وسلم بين أظهرهم.
فعلم النسب مأمور به شرعا، أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم حسان بن ثابت رضي الله عنه أن يأخذ ما يحتاج إليه من علم نسب قريش عن أبي بكر الصديق رضي الله عنه (4)؛ وكان هو وأبو الجهم بن حذيفة العدوي، وجبير بن مطعم بن عدي بن نوفل بن عبد مناف، كانوا من أعلم الناس بالأنساب، ولم يزل علما قائما في الصحابة والتابعين كسعيد بن المسيب، وابن شهاب الزهري، وغيرهما، ومن بعدهم في أتباع التابعين كالشافعي، وأبي عبيد القاسم بن سلام، وغيرهما، واعتنى به العلماء من بعدهم، وسيبقى إلى أن يرث الله الأرض ومن عليها، وإن قصَّر فيه مقصر.
--------------------------------------------
খুমুস (পঞ্চমাংশ), এবং তার ওপর সদকা হারাম নয়। সুতরাং বংশতত্ত্বের জ্ঞান উপকারী এবং সে বিষয়ে অজ্ঞতা নিঃসন্দেহে ক্ষতিকর। একজন ব্যক্তির জন্য তার বংশের যতটুকু নিশ্চিতভাবে জানা যায় তা জানা বৈধ; এমনকি যদি তা ইসলামের পূর্ববর্তী সময় পর্যন্তও বিস্তৃত হয়, যদি তা পুণ্য ও তাকওয়ার পরিমণ্ডলে আবর্তিত হয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন নিজেকে আরব গোত্রগুলোর কাছে পেশ করেছিলেন এবং তাদের ইসলামের দিকে আহ্বান করছিলেন, তখন তিনি তাদের বংশানুসারে ডেকেছিলেন। যখন তাঁর ওপর {এবং আপনি আপনার নিকটাত্মীয়দের সতর্ক করুন} (১) আয়াতটি নাযিল হলো, তখন তিনি সাফা পাহাড়ে আরোহণ করলেন এবং বললেন: «হে কুরাইশ সম্প্রদায়, তোমরা তোমাদের নফসের মুক্তি কিনে নাও, আল্লাহর পাকড়াও থেকে আমি তোমাদের কোনো উপকারে আসব না। হে বনু আবদে মানাফ, আল্লাহর পাকড়াও থেকে আমি তোমাদের কোনো উপকারে আসব না» (২)। তিনি আনসার গোত্রগুলোর মাঝে, এমনকি আরব গোত্রগুলোর মাঝেও মর্যাদার পার্থক্য করেছেন এবং হাবশীদের প্রশংসা করেছেন এবং তাদের তাদের পূর্বপুরুষ আরফাদার সাথে সম্পৃক্ত করে বলেছেন: «হে বনু আরফাদা, তোমরা তোমাদের কাজ চালিয়ে যাও» (৩)। কিন্তু এই সবকিছুই এমন একটি কাঠামোর মধ্যে ছিল যা এমন গোত্রীয় সংকীর্ণতার দিকে নিয়ে যায় না যা ঐক্য নষ্ট করে বিচ্ছিন্নতা তৈরি করে এবং মর্যাদা বৃদ্ধির বদলে তা খর্ব করে। কারণ আউস ও খাজরাজ গোত্রের মধ্যে জাহেলিয়াতের যে গোত্রীয় উন্মাদনা তৈরি হয়েছিল, তিনি তাদের মাঝে উপস্থিত থাকা অবস্থাতেই তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।
সুতরাং বংশতত্ত্বের জ্ঞান শরিয়তসম্মতভাবে আদিষ্ট। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হাসসান ইবনে সাবিত (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে নির্দেশ দিয়েছিলেন যাতে তিনি কুরাইশদের বংশতত্ত্বের প্রয়োজনীয় জ্ঞান আবু বকর সিদ্দিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে গ্রহণ করেন (৪); তিনি এবং আবু জাহম ইবনে হুজায়ফা আল-আদভী এবং জুবাইর ইবনে মুতয়িম ইবনে আদি ইবনে নাওফাল ইবনে আবদে মানাফ বংশতত্ত্বে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী ছিলেন। এই জ্ঞান সাহাবী এবং তাবেয়ী যেমন সাঈদ ইবনে মুসায়্যিব, ইবনে শিহাব আজ-জুহরি এবং অন্যদের মাঝে একটি প্রতিষ্ঠিত শাস্ত্র হিসেবে বিদ্যমান ছিল। তাদের পরে তাবে-তাবেয়ীদের মধ্যে ইমাম শাফেয়ী, আবু উবায়েদ কাসেম ইবনে সাল্লাম এবং অন্যরা এর চর্চা করেছেন। পরবর্তী উলামায়ে কেরামও এর প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন এবং আল্লাহ জমিন ও এর ওপর যা কিছু আছে তার উত্তরাধিকারী হওয়া পর্যন্ত এটি বিদ্যমান থাকবে, যদিও কেউ কেউ এতে অবহেলা প্রদর্শন করে থাকে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ৪)
وبعد: فقد جمعت في كتابي هذا من الدوسيين ما أمكنني العثور على ذكر لهم في كتب الأنساب وغيرها، وأتمنى أن أكتب عن كل قبيلة من قبائل العرب ولاسيما في الموطن الأساس؛ جزيرة العرب، المستظلة اليوم بحكم الدولة السعودية، في نهج فريد في هذا العصر؛ أقامه موحد قبائل جزيرة العرب الملك عبد العزيز بن عبد الرحمن الفيصل آل سعود؛ ملك اعترف الأفذاذ والعلماء والعظماء بأنه من أفذاذ هذا العصر، وإن جعلوه ضمن مائة عظيم (1) ذُكروا، فأنا أجعله في هذا العصر العظيم الأول؛ لاعتقاده وسياسته وبعد نظره، نعم أتمنى أن أكتب عن كل قبيلة على مبدأ {إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ} (2)، ولكن ما كل ما يتمنى المرء يدركه، وما لا يدرك كله لا يترك جله، والأقربون أولى بالمعروف، فرأيت أن أجمع قدرا ممن نسب إلى دوس بن عُدثان بن عبد الله بن زهران؛ وهم قبيل متفرع من زهران، هاجروا من اليمن الأقصى، على أثر دمار سد مأرب، ومرتكز قسم منهم جبال السروات، وما يلها من تهامة، وجميع من تفرع من أبناء دوس ينتسبون اليوم إلى الجد الأعلى زهران بن كعب، وإن ذكروا انتسابهم إلى من دونه من الأجداد، وهم من أشهر قبائل المملكة العربية السعودية، وقسم منهم استوطن عمان؛ إما مباشرة من اليمن أو إلحاقا من السروات، ومنها وصلوا إلى كرمان، وانتشروا في بلاد فارس، والعراق، والشام، ومصر، والأندلس، ولا أزعم أني أوفيت الكيل، ولا أن جهدي أتى بالقَدَح المُعَلَّى، ولكني بذلت جهدا في التعريف بقدر لا بأس به، ليكون نواة لذوي الهمم من الأجيال القادمة، وكم ترك الأول للآخر، وحسبي من الناظر فيه أن يقول: رحمه الله وغفر له، ومن الناقد أن يقول: أخطأ رحمه الله وغفر له والصواب كذا، ويثبت ذلك ببرهان شافٍ وقلب صاف، وقد سميته "الجوس في المنسوب إلى دوس" وفي الحقيقة قد كان جوسا ممتعا، ولأني من أبناء العم؛ لأن قبيلتي بني حسن ينتسبون إلى أوس بن عامر بن
--------------------------------------------
অতঃপর: আমি আমার এই গ্রন্থে দাউস গোত্রের সেই সমস্ত ব্যক্তিদের তথ্য একত্রিত করেছি যাদের কথা আমি বংশলতিকা এবং অন্যান্য গ্রন্থে খুঁজে পেতে সক্ষম হয়েছি। আমি আশা করি আরবের প্রত্যেকটি গোত্র সম্পর্কে লিখব, বিশেষ করে তাদের আদি আবাসভূমি জাযিরাতুল আরব (আরব উপদ্বীপ) সম্পর্কে, যা আজ সৌদি রাষ্ট্রের শাসনের ছায়াতলে রয়েছে। এই যুগে এটি এক অনন্য পন্থায় পরিচালিত; যা প্রতিষ্ঠা করেছেন আরব উপদ্বীপের গোত্রসমূহের একত্রকারী বাদশাহ আব্দুল আজিজ ইবনে আব্দুর রহমান আল-ফয়সাল আল-সৌদ। তিনি এমন একজন বাদশাহ যাকে অনন্য ব্যক্তিগণ, ওলামায়ে কেরাম এবং মহান ব্যক্তিগণ এই যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে স্বীকার করেছেন। যদিও তারা তাঁকে একশত মহান ব্যক্তির (১) তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন, তবে আমি তাঁর আকিদা, রাজনীতি এবং দূরদর্শিতার কারণে তাঁকে এই যুগের প্রথম মহান ব্যক্তি হিসেবে গণ্য করি। হ্যাঁ, আমি "নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে তোমাদের মধ্যে সেই সবচেয়ে বেশি সম্মানিত, যে তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মুত্তাকী" (২) এই নীতির ভিত্তিতে প্রতিটি গোত্র সম্পর্কে লিখতে চাই, কিন্তু মানুষ যা চায় তার সবকিছু পায় না, আর যার সম্পূর্ণটা অর্জন করা যায় না, তার অধিকাংশ বর্জন করা উচিত নয়। আর নিকটাত্মীয়রাই উত্তম আচরণের অধিক হকদার, তাই আমি দাউস ইবনে উদসান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে যাহরানের সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের একটি অংশকে একত্রিত করা সমীচীন মনে করেছি; যারা যাহরান গোত্রের একটি শাখা। তারা মা’রিব বাঁধ ধ্বংস হওয়ার পর সুদূর ইয়ামেন থেকে হিজরত করেছিলেন এবং তাদের একটি অংশের মূল আবাসস্থল হলো সারওয়াত পর্বতমালা ও এর পার্শ্ববর্তী তিহামা অঞ্চল। দাউসের সন্তানদের মধ্য থেকে যারা শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত হয়েছে, তারা সবাই আজ উচ্চতর পূর্বপুরুষ যাহরান ইবনে কাবের সাথে নিজেদের বংশ পরিচয় দিয়ে থাকে, যদিও তারা তাদের পরবর্তী কোনো পূর্বপুরুষের দিকেও নিজেদের নিসবত বা সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করে। তারা সৌদি আরব রাজ্যের অন্যতম প্রসিদ্ধ গোত্র এবং তাদের একটি অংশ ওমানে বসতি স্থাপন করেছে; হয় সরাসরি ইয়ামেন থেকে অথবা সারওয়াত থেকে এসে। সেখান থেকে তারা কারমানে পৌঁছেছে এবং পারস্য, ইরাক, সিরিয়া, মিশর ও আন্দালুসে ছড়িয়ে পড়েছে। আমি দাবি করি না যে আমি এর পূর্ণ হক আদায় করেছি, কিংবা আমার প্রচেষ্টা শ্রেষ্ঠত্বের চূড়ায় পৌঁছেছে, তবে আমি একটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পরিচিতি তুলে ধরার চেষ্টা করেছি, যাতে এটি আগামী প্রজন্মের উচ্চাকাঙ্ক্ষী ব্যক্তিদের জন্য একটি ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। পূর্ববর্তীরা পরবর্তীদের জন্য কত কিছুই না রেখে গেছেন! আর আমার জন্য পাঠকের কাছ থেকে এটুকুই যথেষ্ট যে তিনি বলবেন: "আল্লাহ তাঁকে রহম করুন এবং তাঁকে ক্ষমা করুন", আর সমালোচকের কাছ থেকে আশা করি তিনি বলবেন: "তিনি ভুল করেছেন, আল্লাহ তাঁকে রহম করুন ও ক্ষমা করুন, সঠিক বিষয়টি হলো এই", এবং তিনি তা সন্তোষজনক প্রমাণ ও স্বচ্ছ হৃদয়ের সাথে সাব্যস্ত করবেন। আমি এই গ্রন্থের নামকরণ করেছি "আল-জাওস ফি আল-মানসুব ইলা দাউস" (দাউস বংশীয়দের সন্ধানে পরিভ্রমণ) এবং বাস্তবে এটি একটি আনন্দদায়ক অনুসন্ধান ছিল। আর যেহেতু আমি তাদেরই একজন চাচাতো ভাই; কারণ আমার গোত্র বনু হাসান আওস ইবনে আমের ইবনে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ৫)
حفين بن النمر بن عثمان بن نصر بن زهران بن كعب (1)، وقبائل دوس بنوا عبد الله بن زهران؛ أخي نصر بن زهران، وقد رتبت مادة كتابي هذا على حروف المعجم، وتوجهت إلى الكتابة عن دوس من زهران؛ لأن دوسا حصل لهم من الشرف ما لم يحصل لغيرهم؛ وذلك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما قال عمرو بن الطفيل سيد دوس: "يا رسول الله، إن دوسا قد عصت وأبت، فادع الله عليهم"، فقيل: هلكت دوس، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «اللهم اهد دوسا وأت بهم» (2)، فتحققت فيهم دوعوة رسول الله صلى الله عليه وسلم، فحصل لهم من الخير والهداية الشيء الكثير، وامتازوا بدعوة رسول الله صلى الله عليه وسلم لهم عن بقية قبائل زهران، ولا يلحق بهم إلا من صدق مع الله ورسوله وعمل عملهم، ويبقى للصحابة منهم فضل الصحبة، ومن فضلهم قول الرسول صلى الله عليه وسلم: «لقد هممت ألا أقبل هدية إلا من قرشي، أو أنصاري، أو ثقفي، أو دوسي» (3)، وذلك فضل الله يؤتيه من يشاء، والله يرث الأرض ومن عليها وهو خير الوارثين.
المؤلف
--------------------------------------------
হাফিন ইবনে আন-নামির ইবনে উসমান ইবনে নাসর ইবনে জাহরান ইবনে কাব (১), এবং দাওস গোত্রসমূহ হলো জাহরানের ভাই নাসর ইবনে জাহরানের পুত্র আবদুল্লাহ ইবনে জাহরানের বংশধর; আমি আমার এই বইয়ের বিষয়বস্তু অভিধানের বর্ণানুক্রমে সাজিয়েছি এবং জাহরানের দাওস গোত্র সম্পর্কে লেখার দিকে মনোনিবেশ করেছি; কারণ দাওস এমন সম্মান লাভ করেছে যা অন্যদের ভাগ্যে জোটেনি; আর তা এই কারণে যে, দাওস গোত্রের নেতা আমর ইবনে তুফাইল যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল, দাওস গোত্র নাফরমানি করেছে এবং অবাধ্য হয়েছে, তাই তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহর কাছে বদদোয়া করুন", তখন বলা হলো: দাওস ধ্বংস হয়ে গেল। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «হে আল্লাহ, দাওসকে হিদায়েত দিন এবং তাদেরকে (আমার কাছে) নিয়ে আসুন» (২), ফলে তাদের ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দুআ কবুল হলো এবং তারা প্রচুর কল্যাণ ও হিদায়েত লাভ করল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সেই বিশেষ দুআর কারণে তারা জাহরানের অন্যান্য গোত্র থেকে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত হলো। আর যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি সত্যনিষ্ঠ এবং তাদের মতো আমল করে, তারা ছাড়া কেউ তাদের সমপর্যায়ে পৌঁছাতে পারবে না। তাদের মধ্য থেকে যারা সাহাবী ছিলেন, তাদের জন্য সাহাবিয়াতের মর্যাদা অটুট থাকবে। তাদের শ্রেষ্ঠত্বের আরও প্রমাণ হলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই বাণী: «আমি সংকল্প করেছিলাম যে, কুরাইশ, আনসার, সাকিফ অথবা দাওস গোত্র ছাড়া আর কারো পক্ষ থেকে উপহার গ্রহণ করব না» (৩), আর এটি আল্লাহর অনুগ্রহ, তিনি যাকে ইচ্ছা তা দান করেন। আর আল্লাহই পৃথিবী ও তার অধিবাসীদের উত্তরাধিকারী হবেন এবং তিনিই শ্রেষ্ঠ উত্তরাধিকারী।
লেখক
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ৬)
تمهيدلفت نظري منذ سنين عديدة تكرر نسب بعض الرواة هكذا: الزهراني، الدوسي، العتكي، الأزدي، فقررت تدوين ما أقف عليه أثناء البحث، على أمل الكتابة فيه لاحقا، فجمعت قدرا مشجعا على الكتابة، ولكن سمعت من بعض الزملاء أثناء المذاكرة في أبواب من العلم أن من أبناء القبيلة من هو معني بهذا الأمر، فقلت: كفيتُ الأمر، ولا داعي لتكرار الجهد، غير أني توقعت أن الأمر ليس من السهولة بمكان أن يكتب فيه بدقة لا كمال فيها، لكنها تتسم بعناية يقصر عنها عمل المستعجل مثلي، فقلت لأخٍ عزيز أثناء الحوار حول من تصدر للأمر: إن الأمر ليس سهلا، فالأنساب تحتاج إلى دقة، وأتوقع الخلط بين المنتسب والحليف "المولى" هذا من جانب، ومن جانب آخر هل زهران المنتسب إليه واحد، أو: أكثر من شخص؟ ، فضحك زميلي عاليا، وعرفت في ضحكته شيئا من السخرية مما ذكرت، وقال: أما الموالي فهم يعدون في الأنساب؛ لأن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «مولى القوم منهم» (1)، وأما زهران المنتسب إليه فواحد لا غير، فقلت: نعم صدق رسول الله صلى الله عليه وسلم، ولكن المراد أن لهم العزة والكرامة، على خلاف في أخذ الصدقة لموالي بني هاشم، وأبعد من ذلك أراد رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يقضي على العصبية، ودعوى الجاهلية في المواقف، أما الأنساب فالعربي عربي، والرومي رومي، والفارسي فارسي وهكذا، ألا ترى علماء النسب يذكرون قيد الولاء، فيقولون: "مولاهم" أو من أنفسهم، وهذا تحقيق لقول الله تعالى: {يَاأَيُّهَا النَّاسُ إِنَّا خَلَقْنَاكُمْ مِنْ ذَكَرٍ وَأُنْثَى وَجَعَلْنَاكُمْ شُعُوبًا وَقَبَائِلَ لِتَعَارَفُوا إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرٌ} (2)، وأما زهران فإن سبقتني أنت أو غيرك إلى البحث فإنك ستجد توقعي حقيقة تكد ذهنك أمامها لتجد حلا، وهكذا مرت السنون تترى حتى جاوزت العشرين سنة، وتفرغت من العمل في الجامعة، وازدادت حاجتي للأنيس، فقررت معاودت البحث علِّي أجد فيه حلا، وإلا فلن أخسر الوقت في معاشرة عشرات الألوف من الرواة رحمني الله وإياهم، ومن يقرأ كتابي هذا، وجميع المسلمين،
--------------------------------------------
সূচনাবহু বছর ধরে আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করছিল যে, কিছু রাবীর বংশপরিচয় বারবার এভাবে আসছিল: আয-যাহরানি, আদ-দাওসি, আল-আতাকি, আল-আযদিও। তাই আমি গবেষণার সময় যা কিছু পেতাম তা লিখে রাখার সিদ্ধান্ত নিলাম, এই আশায় যে পরবর্তীতে এ বিষয়ে লিখব। ফলে আমি লেখার জন্য উৎসাহব্যঞ্জক অনেক উপাদান সংগ্রহ করলাম, কিন্তু ইলমের বিভিন্ন শাখা নিয়ে আলোচনার সময় আমি কিছু সহকর্মীর নিকট শুনলাম যে, এই গোত্রের সন্তানদের মধ্যেই এমন কেউ আছেন যারা এই বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন। তখন আমি বললাম: বিষয়টি তাহলে সমাধান হয়ে গেছে, আর এই পরিশ্রমের পুনরাবৃত্তি করার প্রয়োজন নেই। তবে আমার ধারণা ছিল যে, বিষয়টি এত সহজ নয় যে তাতে এমন সূক্ষ্মতার সাথে লেখা সম্ভব হবে যা পূর্ণাঙ্গ না হলেও এমন এক যত্নের দাবি রাখে, যা আমার মতো তড়িঘড়ি করা ব্যক্তির কাজের পক্ষে সম্ভব নয়। এ বিষয়টি নিয়ে যারা কাজ করছেন তাদের সম্পর্কে আলোচনার সময় এক প্রিয় ভাইকে আমি বলেছিলাম: বিষয়টি সহজ নয়, কারণ বংশবিদ্যার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সূক্ষ্মতার প্রয়োজন। একদিকে আমি বংশীয় উত্তরসূরি এবং মিত্র বা 'মাওলা'-এর মধ্যে গুলিয়ে ফেলার আশঙ্কা করছি; অন্যদিকে, যাঁর দিকে 'যাহরানি' সম্বোধন করা হচ্ছে, সেই 'যাহরান' কি একজন ব্যক্তি, নাকি একাধিক? আমার সহকর্মী সশব্দে হেসে উঠলেন এবং তাঁর হাসির মধ্যে আমার কথার প্রতি কিছুটা উপহাস টের পেলাম। তিনি বললেন: মাওলাদের তো বংশপরিচয়ের মধ্যেই গণ্য করা হয়; কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «কোনো সম্প্রদায়ের মাওলা (মিত্র বা আযাদকৃত দাস) তাদেরই অন্তর্ভুক্ত» (১)। আমি বললাম: হ্যাঁ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সত্য বলেছেন, কিন্তু এর অর্থ হলো তাদের সম্মান ও মর্যাদা রয়েছে; যদিও বনু হাশিমের মাওলাদের সদকা গ্রহণের ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। এর চেয়েও বড় কথা হলো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিভিন্ন ক্ষেত্রে গোত্রপ্রীতি এবং জাহেলিয়াতের দাবিকে মিটিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বংশের পরিচয়ের ক্ষেত্রে আরব আরবই, রোমান রোমানই এবং পারস্যের অধিবাসী পারস্যেরই, এভাবেই সব বিবেচিত হয়। আপনি কি দেখেন না যে বংশবিদগণ 'ওয়ালা' বা মিত্রতার শর্তটি উল্লেখ করেন? তাঁরা বলেন: "তাদের মাওলা" অথবা "তাদের নিজেদের মধ্য থেকে একজন"। আর এটি মহান আল্লাহর বাণীরই বাস্তবায়ন: {হে মানুষ, আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি এক পুরুষ ও এক নারী হতে, আর তোমাদেরকে বিভক্ত করেছি বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে যাতে তোমরা একে অপরের সাথে পরিচিত হতে পার। তোমাদের মধ্যে আল্লাহর কাছে সেই অধিক মর্যাদাসম্পন্ন যে তোমাদের মধ্যে অধিক মুত্তাকী। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সম্যক অবহিত।} (২)। আর যাহরানের ব্যাপারে কথা হলো, আপনি বা অন্য কেউ যদি আমার আগে এটি নিয়ে গবেষণায় নামেন, তবে দেখবেন আমার আশঙ্কাই বাস্তবে রূপ নিয়েছে এবং এর সমাধান খুঁজতে গিয়ে আপনার মেধাকে অনেক কসরত করতে হচ্ছে। এভাবেই একের পর এক বছর কেটে গেল এবং বিশ বছরেরও বেশি সময় পার হয়ে গেল। ইতিমধ্যে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ থেকেও অবসর নিলাম এবং আমার একাকিত্ব দূর করার জন্য একজন সঙ্গীর প্রয়োজনীয়তা বেড়ে গেল। তাই আমি পুনরায় গবেষণার কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নিলাম এই আশায় যে, হয়তো এতে কোনো সমাধান খুঁজে পাব; অন্যথায়, হাজার হাজার রাবীদের সান্নিধ্যে আমি এই সময়টুকু ব্যয় করতাম না। আল্লাহ আমার প্রতি ও তাঁদের প্রতি রহম করুন, আর যে ব্যক্তি আমার এই বইটি পড়বে তার প্রতি এবং সকল মুসলিমের প্রতিও রহম করুন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ৭)
ها أنذا أطرق الباب على مهل في هذا العام "1431" الحادي والثلاقين بعد الأربعمائة والألف من الهجرة، وهنا يظهر لي بجلاء ما توقعته قبل أكثر من عشرين سنة، وظهر لي الشبة بقوة بين أقوال العلماء في تراجم الرواة وما يقولون من ألفاظ الجرح والتعديل، التي تحار فيها اليوم عقول الباحثين، لكثرة اختلافها وتعارضها بين القوة والضعف والتوسط في الأمر، وكان هذا منطبقا على أقوالهم في الأنساب، فلنأخذ زهران المنتسب إليه، فقد تبين بعد البحث أن من ينسب إليهم أربعة هم:
الأول: زهران بن كعب بن الحارث بن كعب بن عبد الله بن مالك بن نصر بن الأزد (1) بن الغوث بن نبت بن مالك بن زيد بن كهلان (2)، وهو قبيل عظيم من نسله (3)، قبائل دوس بن عُدثان بن عبد الله بن زهران، وكل دوسي منسوب فإلى دوس هذا، وهو ابن حفيد زهران بن كعب، وهو أحد أحفاد زهران على العموم، ولكن يظهر الإشكال في اختلاف المصادر في "عُدثان" هل هو كما ذكر هذا المصدر هكذا: بالعين المهملة، والدال المهملة، والثاء المثلثة، بعده ألف ثم نون (4)، وإلا كما في المصدر الآخر هكذا: دوس بن "عدنان" بالعين المهملة، والدال المهملة، والنونين بينهما ألف (5)، ابن عبد الله بن حُمى، وهو عبد الله بن نصر بن زهران، والإشكال الثاني في هذا المصدر أن دوسا أصبح حفيد نصر بن زهران، وفي المصدر السابق حفيد عبد الله بن زهران، والإشكان الآخر هل عبد الله بن نصر، حفيد زهران كما في هذا المصدر، أم هو أخو نصر بن زهران كما في المصدر التالي، هكذا: دوس بن عبد الله بن زهران (6)، والذي يظهر لي أن هناك عدم دقة في النقل رواية، أو تصحيفا،
--------------------------------------------
আমি এই হিজরি ১৪৩১ সনে ধীরস্থিরভাবে দ্বারে করাঘাত করছি। এখানে আমার কাছে স্পষ্টভাবে তা-ই প্রতিভাত হচ্ছে যা আমি বিশ বছরেরও বেশি সময় আগে অনুমান করেছিলাম। বর্ণনাকারীদের জীবনীতে আলেমদের বক্তব্য এবং তাঁদের ব্যবহৃত 'জারহ ও তাদিল' (সমালোচনা ও প্রশংসা) এর শব্দাবলির মধ্যে এক প্রবল সাদৃশ্য আমার কাছে ধরা পড়েছে। এ সকল শব্দাবলির শক্তি, দুর্বলতা ও মধ্যমপন্থা সংক্রান্ত প্রচুর মতভেদ ও বৈপরীত্যের কারণে আজ গবেষকদের বুদ্ধি বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। এই বিষয়টি বংশপরম্পরা (আনসাব) সংক্রান্ত তাঁদের বক্তব্যের ক্ষেত্রেও একইভাবে প্রযোজ্য। আসুন আমরা যাহরানকে উদাহরণ হিসেবে নেই যাঁর দিকে বংশীয় সম্বন্ধ করা হয়। অনুসন্ধানের পর এটি স্পষ্ট হয়েছে যে, যাঁদের তাঁর দিকে সম্বন্ধ করা হয় তাঁরা চারজন:
প্রথম: যাহরান বিন কাব বিন আল-হারিস বিন কাব বিন আব্দুল্লাহ বিন মালিক বিন নাসর বিন আল-আযদ (১) বিন আল-গাউস বিন নাবাত বিন মালিক বিন যায়েদ বিন কাহলান (২)। তাঁর বংশধর থেকে এক মহান গোত্রের উদ্ভব (৩); তারা হলো দাউস বিন উদসান বিন আব্দুল্লাহ বিন যাহরান-এর গোত্রসমূহ। প্রত্যেক দাউসি ব্যক্তি মূলত এই দাউসের দিকেই সম্বন্ধযুক্ত। তিনি যাহরান বিন কাবের প্রপৌত্র এবং সাধারণভাবে যাহরানের বংশধরদের একজন। তবে বিভিন্ন উৎসে 'উদসান' নামটির ক্ষেত্রে মতভেদের কারণে জটিলতা দেখা দেয়—এটি কি এই উৎসে উল্লিখিত বর্ণনার মতো: নুকতাহীন 'আইন', নুকতাহীন 'দাল' এবং তিন নুকতাওয়ালা 'সা', এরপর আলিফ ও 'নুন' (৪)? নাকি অন্য উৎসের বর্ণনা অনুযায়ী: দাউস বিন 'আদনান'—নুকতাহীন 'আইন', নুকতাহীন 'দাল' এবং দুই 'নুন'-এর মাঝে আলিফ (৫)—বিন আব্দুল্লাহ বিন হুমা, আর তিনি হলেন আব্দুল্লাহ বিন নাসর বিন যাহরান। দ্বিতীয় জটিলতা হলো, এই উৎসে 'দাউস' নাসর বিন যাহরানের নাতি হয়ে গিয়েছেন, অথচ পূর্ববর্তী উৎসে তিনি ছিলেন আব্দুল্লাহ বিন যাহরানের নাতি। আরেকটি জটিলতা হলো, আব্দুল্লাহ বিন নাসর কি যাহরানের নাতি যেমনটি এই উৎসে আছে, নাকি তিনি নাসর বিন যাহরানের ভাই যেমনটি পরবর্তী উৎসে বর্ণিত হয়েছে: দাউস বিন আব্দুল্লাহ বিন যাহরান (৬)। আমার কাছে যা প্রতীয়মান হয় তা হলো, বর্ণনার হস্তান্তরে নির্ভুলতার অভাব রয়েছে অথবা এটি কোনো অনুলিপিজনিত ভুল (তাসহিফ)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ৮)
وهو الأقوى عندي، وأن الصواب في النسب "دوس بن عُدثان بن عبدالله بن زهران بن كعب" لاتفاق الكثرة من علماء الأنساب الأقدمين عليه، وأن "عدنان" تحريف، درج عليه أكثر المتأخرين، لاستغرابهم "عدثان" في مقابل "عدنان".
ومن نسل زهران بن كعب أيضا:
أوس بن عامر بن حفين بن النمر بن عثمان بن نصر بن زهران (1)، وكذلك ابن عمه أوس بن مبشر بن صعب بن دُهمان (2) بن نصر بن زهران بن كعب بن الحارث بن كعب بن عبد الله بن مالك بن نصر بن الأزد (3)، ولم يسلم السياق في بعض المصادر من التحريف، فقد ورد في المصدر التالي هكذا: نمر بن عيمان بن نصر بن زهران بن كعب (4)، هكذا "عيمان" بالعين المهملة، والميم قبلها ياء مثناة من تحت، والصواب "عثمان" بالعين المهملة، والثاء المثلة، ثم الميم بعدها، ومن هذا يتبين أن الدوسيين، والأوسيين في زهران هم أبناء الأخوين: عبد الله بن زهران بن كعب من نسله قبائل دوس، ونصر بن زهران بن كعب من نسله قبائل أوس، المنطوق اليوم "يوس" عند العامة، وهم اليوم قبيلة بني حسن أكبر قبائل زهران، شيخها الأول عصيدان بن محمد الحسني الزهراني، توفي سنة "1353" وخلفه ابنه أحمد بن عصيدان، شيخا للقبيلة حتى توفي سنة "1360" وخلفه ابنه منسي بن أحمد شيخا للقبيلة حتى توفي سنة "1415" رحمهم الله، وخلفه إبنه مبارك بن منسي، شيخ القبيلة
--------------------------------------------
আমার মতে এটিই অধিক শক্তিশালী মত যে, বংশপরম্পরার ক্ষেত্রে সঠিক হলো "দাওস বিন উদসান বিন আবদুল্লাহ বিন যাহরান বিন কাব"। কেননা প্রাচীন বংশতত্ত্ববিদগণের অধিকাংশই এই বিষয়ে একমত। আর "আদনান" শব্দটি মূলত একটি বিকৃতি, যা অধিকাংশ পরবর্তীকালীন গবেষকদের মাঝে প্রচলিত হয়ে গেছে; কারণ তারা "আদনান"-এর বিপরীতে "উদসান" শব্দটিকে অপরিচিত মনে করেছেন।
যাহরান বিন কাব-এর বংশধরদের মধ্যে আরও রয়েছেন:
আউস বিন আমির বিন হাফিন বিন আন-নামির বিন উসমান বিন নাসর বিন যাহরান (১), এবং অনুরূপভাবে তাঁর চাচাতো ভাই আউস বিন মুবাশশির বিন সাব বিন দুহমান (২) বিন নাসর বিন যাহরান বিন কাব বিন আল-হারিস বিন কাব বিন আবদুল্লাহ বিন মালিক বিন নাসর বিন আল-আযদ (৩)। কোনো কোনো উৎসে বর্ণনার এই ধারাটি বিকৃতি থেকে মুক্ত থাকেনি; যেমন পরবর্তী উৎসে বিষয়টি এভাবে এসেছে: নামির বিন আইমান বিন নাসর বিন যাহরান বিন কাব (৪)। এখানে "আইমান" শব্দটি নুকতাহীন 'আইন' এবং মিমের আগে নিচে দুই নুকতাবিশিষ্ট 'ইয়া' দিয়ে বর্ণিত হয়েছে। অথচ সঠিক হলো "উসমান", যা নুকতাহীন 'আইন', তিন নুকতাবিশিষ্ট 'ছা' এবং এরপর 'মিম' দিয়ে গঠিত। এর মাধ্যমে এটি স্পষ্ট হয় যে, যাহরান গোত্রের দাওস বংশীয় এবং আউস বংশীয় লোকেরা মূলত দুই ভাইয়ের সন্তান: আবদুল্লাহ বিন যাহরান বিন কাব, যাঁর বংশ থেকে দাওস গোত্রগুলোর উৎপত্তি; এবং নাসর বিন যাহরান বিন কাব, যাঁর বংশ থেকে আউস গোত্রগুলোর উৎপত্তি। বর্তমানে সাধারণ মানুষের উচ্চারণে এটি "ইউস" নামে পরিচিত। তারা বর্তমানে বনু হাসান গোত্রভুক্ত, যা যাহরানের সবচেয়ে বড় গোত্র। তাদের প্রথম শায়খ ছিলেন আসাইদান বিন মুহাম্মদ আল-হাসানি আজ-যাহরানি, যিনি ১৩৫৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর পর তাঁর পুত্র আহমাদ বিন আসাইদান গোত্রের শায়খ হন এবং তিনি ১৩৬০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর পর তাঁর পুত্র মানসি বিন আহমাদ গোত্রের শায়খ হন এবং তিনি ১৪১৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন—আল্লাহ তাদের প্রতি রহম করুন। তাঁর পর বর্তমানে তাঁর পুত্র মুবারক বিন মানসি গোত্রের শায়খ হিসেবে দায়িত্বরত আছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ৯)
اليوم، ندعو له بالتوفيق للقيام بما يجب عليه تجاه قبيلته (1)، وقبيلة بني تتكون من أربعة أفخاذ هي:
1 ــ أيل (2) وجه الذيب قرى الفرعة والعفوص، وهم الفخذ الذي فيه المشيخة.
2 ــ بني مسعود قرى نقاع بني حسن وتوابعها.
3 ــ بني مروان قرى قرن ظبي وتوابعها.
4 ــ الفضيلة قرى الجوفاء وتوابعها.
وقبيلة بني حسن رأس بني "يوس" (3)، باعتبار أنها أكبر قبيلة في زهران، وأكبر قبائل بني "يوس" وهم تسع قبائل: قبيلة بني حسن، قبيلة بني كنانة (4)، قبيلة بلخزمر، الأحلاف ست قبائل متحالفة هي: قبيلة بني عامر، قبيلة بيضان، قبيلة أحلاف بلَّسْوَد، قبيلة بلَّعْوَر، قبيلة أيل عبدالحميد، قبيلة أيل سعدي، وهذه القبائل تنتسب إلى رجلين اسم كل منهما أوس:
أحدهما: أوس بن عامر بن حفين بن النمر بن عثمان بن نصر بن زهران بن كعب من الأزد (5)، من نسله أخو عائشة، وعبد الرحمن ابني أبي بكر لأمهما رضي الله عنهم؛ الطفيل (6) ابن
--------------------------------------------
আজ, আমরা তাঁর কবিলার (১) প্রতি তাঁর যে কর্তব্য রয়েছে তা পালন করার জন্য তাঁর তাওফিকের জন্য দোয়া করি। বনী কবিলাটি চারটি শাখায় গঠিত, সেগুলি হলো:
১ ــ আইল (২) ওয়াজহ আল-যীব, আল-ফারআ এবং আল-আফুস গ্রামসমূহ; এটি সেই শাখা যেখানে নেতৃত্ব বিদ্যমান।
২ ــ বনী মাসউদ, নাকা বনী হাসান এবং এর আশপাশের গ্রামসমূহ।
৩ ــ বনী মারওয়ান, কারন যাবী এবং এর আশপাশের গ্রামসমূহ।
৪ ــ আল-ফাযিলাহ, আল-জাওফা এবং এর আশপাশের গ্রামসমূহ।
বনী হাসান কবিলা হলো বনী "ইউস" (৩)-এর প্রধান, যেহেতু এটি যাহরানের সবচেয়ে বড় কবিলা এবং বনী "ইউস"-এর অন্তর্ভুক্ত কবিলাগুলোর মধ্যে বৃহত্তম। তারা মোট নয়টি কবিলা: বনী হাসান কবিলা, বনী কিনানাহ (৪) কবিলা, বিলখাযমার কবিলা, এবং আল-আহলাফ যা ছয়টি মিত্র কবিলা নিয়ে গঠিত: বনী আমির কবিলা, বায়দান কবিলা, আহলাফ বিল-আসওয়াদ কবিলা, বিল-আওয়ার কবিলা, আইল আব্দুল হামিদ কবিলা এবং আইল সাদী কবিলা। এই কবিলাগুলো দুইজন ব্যক্তির বংশধর যাদের প্রত্যেকের নাম ছিল আওস:
তাদের একজন: আওস বিন আমির বিন হাফাইন বিন আল-নামির বিন উসমান বিন নাসর বিন যাহরান বিন কাব, যিনি আযদ (৫) গোত্রীয়। তাঁর বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন আয়েশা এবং আব্দুর রহমান—আবু বকরের দুই সন্তান—এর মাতৃকুলীয় ভাই; তুফাইল (৬) ইবনে
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ১০)
الحارث بن سخبرة بن جرثومة بن عادية بن مرة بن جشم بن الأوس بن عامر بن حفين بن النمر بن عثمان بن نصر بن زهران بن كعب من الأزد (1)؛ وذلك أن أم رومان امرأة الحارث بن سخبرة ولدت له الطفيل المذكور، وقدم الحارث بن سخبرة من السراة إلى مكة ومعه امرأته أم رومان وولده منها الطفيل، فحالف أبا بكر الصديق ثم مات الحارث بمكة، فتزوج أبو بكر أم رومان رضي الله عنهما، فولدت له عبد الرحمن، وعائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم، وأسلمت أم رومان بمكة قديما، وبايعت وهاجرت إلى المدينة مع أهل رسول الله وولده، وأهل أبي بكر حين قدم بهم في الهجرة، وكانت أم رومان امرأة صالحة، وتوفيت في عهد النبي صلى الله عليه وسلم بالمدينة، في ذي الحجة سنة ست من الهجرة (2)، ومن المصادر من قال في نسب الطفيل: القرشي، وقيل: الأزدي (3)، وقال بعضهم في نسب الأوس: ابن عامر بن عبد الله ــ وهو حُمى ــ بن عثمان ــ ويسمى نجا ــ؛ وقال ابن الأثير رحمه الله: طفيل بن عبد الله بن الحارث بن سخبرة الأزدي، وقد ينسب إلى جده فيقال: طفيل بن سخبرة وهو هذا، وهو أخو عائشة رضي الله عنها (4)، وقد تحرف اسم "حفين" في بعض المصادر.
--------------------------------------------
আল-হারিস বিন সাখবারাহ বিন জারসুমাহ বিন আদিয়্যাহ বিন মুররাহ বিন জুশাম বিন আল-আউস বিন আমির বিন হুফাইন বিন আন-নামির বিন উসমান বিন নাসর বিন যাহরান বিন কাব, তিনি আযদ গোত্রীয় (১); আর তা এজন্য যে, উম্মু রুমান ছিলেন আল-হারিস বিন সাখবারাহ-এর স্ত্রী এবং তিনি তাঁর গর্ভে উল্লিখিত তুফাইলের জন্ম দেন। আল-হারিস বিন সাখবারাহ সারাওয়াত থেকে মক্কায় আসেন এবং তাঁর সাথে তাঁর স্ত্রী উম্মু রুমান ও তাঁর ছেলে তুফাইল ছিলেন। তিনি আবু বকর আস-সিদ্দিকের সাথে মৈত্রী চুক্তি করেন, অতঃপর হারিস মক্কায় মারা যান। এরপর আবু বকর উম্মু রুমানকে (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) বিয়ে করেন, ফলে তিনি তাঁর গর্ভে আব্দুর রহমান এবং নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সহধর্মিণী আয়েশাকে জন্ম দেন। উম্মু রুমান মক্কায় প্রাচীনকালেই ইসলাম গ্রহণ করেন, বায়াত প্রদান করেন এবং হিজরতের সময় যখন রাসূলুল্লাহর পরিবার-পরিজন, তাঁর সন্তানাদি এবং আবু বকরের পরিবারকে মদিনায় আনা হয়, তখন তিনিও তাঁদের সাথে হিজরত করেন। উম্মু রুমান একজন পুণ্যবতী নারী ছিলেন এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর জীবদ্দশায় মদিনায় হিজরী ষষ্ঠ সনের যিলহজ্জ মাসে ইন্তেকাল করেন (২)। কিছু উৎস তুফাইলের বংশপরিচয় সম্পর্কে বলেছে: আল-কুরাশী, আবার কেউ বলেছে: আল-আযদি (৩)। তাঁদের কেউ কেউ আউস-এর বংশপরম্পরায় বলেছেন: ইবনে আমির বিন আব্দুল্লাহ—যিনি হলেন হুমা—বিন উসমান—যাকে নাজা বলা হয়—; এবং ইবনে আল-আসীর (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: তুফাইল বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হারিস বিন সাখবারাহ আল-আযদি, কখনও কখনও তাঁকে তাঁর দাদার দিকে সম্বন্ধ করে বলা হয়: তুফাইল বিন সাখবারাহ, এবং তিনি হলেন এই ব্যক্তিই, এবং তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা)-এর ভাই (৪)। কিছু উৎসে 'হুফাইন' নামটি বিকৃত হয়ে গিয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ১১)
تنبيه: أوس بن عامر هو أخو كنانة، فبني كنانة ليسوا من بني أوس، وهم أبناء العم، ومن وِلد كنانة الحارث بن حصيرة بن عبد الله بن الحارث بن دريد بن شبل بن عويف بن مازن بن علي بن كنانة بن عامر بن حفين (1).
والثاني: أوس بن مبشر بن صعب بن دُهمان (2) بن نصر بن زهران بن كعب بن الأزد (3).
وهنا ملاحظة: ورود ثلاثة أسماء: الأوس بن عامر بن حفين بن النمر بن عثمان بن نصر، وأوس بن النمر بن عثمان بن نصر، وأوس بن مبشر بن صعب بن دُهمان بن نصر، وعليه فلا إشكال بين الأول والثاني، فالثاني هو الأول نسب إلى جده النمر، أما الثالث فهو ابن العم للأول؛ لأن عثمان ودهمان أخوان ابنا نصر، وهنا يرد احتمالان:
الأول: أن يكون أوس بن مبشربن صعب بن دهمان لم يعقب، وقد بحثت فلم أجد من ينسب إليه، وهنا تكون قبائل بني أوس تنتسب إلى أوس بن عامر.
الثاني: أن يكون لأوس بن مبشر عقب؛ وهو ما لا أرجحه، وبناء على احتمال وجود العقب فبني أوس أبناء عم يتكونون من فريقين منهم من ينتسب إلى أوس بن عامر، وآخرون ينتسبون إلى أوس بن مبشر، يلتقي بهما النسب في نصر بن زهران، فلا يستطيع أحد من قبائل بني أوس اليوم تحديد نسبه إلى أي الأوسين، وما ورد عن الشاعر محمد الثوابي الزهراني رحمه الله من ذكر "اليوسين" في بعض قصائده فإنما يريد "بني يوس" في السراة، وبني "يوس" في تهامة (4)، وقد عرفنا ذلك من كبار السن قبل أكثر من خمسين سنة، وكان جدي رحمه الله من كبارهم، وشارك في مواجهة
--------------------------------------------
সতর্কবার্তা: আউস ইবনে আমির হলেন কিনানার ভাই, সুতরাং বনু কিনানা বনু আউসের অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং তারা চাচাতো ভাই। কিনানার বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন হারিস ইবনে হাসিরা ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে হারিস ইবনে দুরাইদ ইবনে শিবল ইবনে উওয়াইফ ইবনে মাজেন ইবনে আলী ইবনে কিনানা ইবনে আমির ইবনে হুফাইন (১)।
এবং দ্বিতীয়জন: আউস ইবনে মুবাশির ইবনে সা’ব ইবনে দুহমান (২) ইবনে নাসর ইবনে যাহরান ইবনে কাব ইবনে আল-আযদ (৩)।
এখানে একটি বিষয় লক্ষণীয়: তিনটি নাম পাওয়া যায়: আল-আউস ইবনে আমির ইবনে হুফাইন ইবনে আন-নামির ইবনে উসমান ইবনে নাসর, এবং আউস ইবনে আন-নামির ইবনে উসমান ইবনে নাসর, এবং আউস ইবনে মুবাশির ইবনে সা’ব ইবনে দুহমান ইবনে নাসর। অতএব, প্রথম ও দ্বিতীয়জনের মাঝে কোনো অস্পষ্টতা নেই; কারণ দ্বিতীয় ব্যক্তি মূলত প্রথমজনই, যাকে তার দাদা নামিরের দিকে সম্বন্ধ করা হয়েছে। আর তৃতীয়জন হলেন প্রথমজনের চাচাতো ভাই; কারণ উসমান ও দুহমান নাসরের দুই পুত্র ও সহোদর ভাই। এখানে দুটি সম্ভাবনা দেখা দেয়:
প্রথমত: আউস ইবনে মুবাশির ইবনে সা’ব ইবনে দুহমান নিঃসন্তান ছিলেন। আমি অনুসন্ধান করেছি কিন্তু এমন কাউকে পাইনি যে তার দিকে নিজের বংশের সম্বন্ধ করে। এক্ষেত্রে বনু আউস গোত্রগুলো আউস ইবনে আমিরের দিকেই সম্বন্ধযুক্ত হবে।
দ্বিতীয়ত: আউস ইবনে মুবাশিরের বংশধর থেকে থাকতে পারে; যদিও আমি এটিকে প্রাধান্য দেই না। তবে বংশধর থাকার সম্ভাবনা অনুযায়ী বনু আউস মূলত চাচাতো ভাইদের সমন্বয়ে গঠিত দুটি দল হবে, যাদের একাংশ আউস ইবনে আমিরের দিকে সম্বন্ধযুক্ত এবং অন্য অংশ আউস ইবনে মুবাশিরের দিকে সম্বন্ধযুক্ত। নাসর ইবনে যাহরানে গিয়ে তাদের উভয়ের বংশধারা মিলিত হয়। ফলে বর্তমানের বনু আউস গোত্রসমূহের কেউ নির্দিষ্টভাবে বলতে পারবে না যে সে এই দুই আউসের কার বংশধর। আর কবি মুহাম্মদ আস-সাউয়াবি আজ-যাহরানি (রহিমাহুল্লাহ) তার কিছু কবিতায় যে "আল-ইউসাইন" শব্দটি উল্লেখ করেছেন, তা দ্বারা তিনি আস-সারাত অঞ্চলের "বনু ইউস" এবং তিহামাহ অঞ্চলের "বনু ইউস" বুঝিয়েছেন (৪)। আমরা এটি পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় আগে বয়োজ্যেষ্ঠদের কাছ থেকে জানতে পেরেছি। আমার দাদা (রহিমাহুল্লাহ) তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন এবং তিনি মোকাবিলায় অংশগ্রহণ করেছিলেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ১২)
الأتراك سنة "1320" جزامه جنبية وبندقة، وعاصر الشاعر الثوابي، وقد عشت معه إلى سن العشرين من عمري، وتوفي رحمه الله في جمادى الآخرة سنة "1386".
أما قبائل دوس اليوم فهم: قبيلة دوس بني علي، وشيخها مساعد بن عبدربه بن فرحة العلي الزهراني، وقبيلة دوس أيل (1) عياش، وكان شيخها يحيى بن أحمد، ومن بعده ابنه محمد بن يحيى العياسي، وترشح لها بعده عيسى بن مسفر ولم يبت فيها، وقبيلة دوس بني فهم، وشيخها خضران بن فراج بن سعيد الداموك الفهمي، وقبيلة بني منهب، وبالطفيل، وبني سليم، وشيخها عوض بن خضران بن عطية المنهبي، ومنهم أبو هريرة، والطفيل وغيرهما من الصحابة رضي الله عنه، وهذه القبائل متفرعة من أبناء دوس بن عُدثان بن عبد الله بن زهران بن كعب.
أولاد دوس هم:
منهب بن دوس، وغَنْم بن دوس، وقد صُحِّف في بعض المصادر إلى "غانم" وإلى "عمرو" ومنهب، وغنم قبيلان نسلهما أكبر قبائل دوس، أما عبد نهم بن دوس فليس أخا لمنهب وغنم، بل هو ابن دوسٍ آخر (2).
وتميم بن دوس من نسله بنوا واشح بن عمرو بن مالك بن فهم بن تميم بن دوس، ولم أقف عليه في غير تاريخ بغداد، وذيوله 17/ 11، فقد يكون من أبناء دوس بن عُدثان، وقد يكون آخر.
ومالك بن دوس هو أخو منهب وغَنم، وهو مالك بن دوس بن عدثان بن عبد الله بن زهران، من ولده عويمر بن أشقر له صحبة، ورواية عن النبي صلى الله عليه وسلم، وروى عنه عباد بن تميم، وعبد الله بن عبد الرحمن بن الخليل بن الأشقر أبو القاسم، ولي قضاء الكرخ، وحدث عن لوين، وزيد بن أخزم، وخلق كثير، وروى عنه محمد بن المظفر، وابن حيوة، وابن شاهين، وغيرهم (3)، ولم أقف عليه في غير الإكمال.
--------------------------------------------
তুর্কিরা ১৩২০ হিজরি সালে জানবিয়্যাহ (এক প্রকার বাঁকানো ছুরি) এবং বন্দুকসহ [আক্রমণ করেছিল], এবং তিনি কবি আস-সাওয়াবির সমসাময়িক ছিলেন। আমি তাঁর সাথে আমার বিশ বছর বয়স পর্যন্ত বসবাস করেছি, এবং তিনি ১৩৮৬ হিজরি সনের জুমাদাল আখিরা মাসে মৃত্যুবরণ করেন, আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন।
আর বর্তমানে দাউস গোত্রসমূহ হলো: দাউস বনু আলী গোত্র, এবং এর শায়খ হলেন মুসা’ইদ বিন আবদ রাব্বিহি বিন ফারহা আল-আলি আল-জাহরানি; এবং দাউস আল (১) আইয়াশ গোত্র, যার শায়খ ছিলেন ইয়াহইয়া বিন আহমদ এবং তাঁর পরে তাঁর ছেলে মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আল-আইয়াশি, এবং তাঁর পরে ঈসা বিন মুসফির এর জন্য মনোনীত হয়েছিলেন তবে বিষয়টি চূড়ান্ত হয়নি; এবং দাউস বনু ফাহম গোত্র, যার শায়খ হলেন খুদরান বিন ফাররাজ বিন সা’ইদ আদ-দামুক আল-ফাহমি; এবং বনু মুনহিব, বনু তুফাইল এবং বনু সুলাইম গোত্র, যাদের শায়খ হলেন আওয়াদ বিন খুদরান বিন আতিয়্যাহ আল-মুনহিবি। তাঁদের মধ্য থেকেই আবু হুরায়রা, তুফাইল এবং অন্যান্য সাহাবী (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) এসেছেন। আর এই গোত্রগুলো দাউস বিন উদসান বিন আব্দুল্লাহ বিন জাহরান বিন কা’ব-এর সন্তানদের থেকে শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত হয়েছে।
দাউস-এর পুত্ররা হলেন:
মুনহিব বিন দাউস এবং গানাম বিন দাউস। কোনো কোনো উৎসে একে "গানিম" এবং "আমর" হিসেবে ভুলভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। মুনহিব এবং গানাম হলেন দুটি গোত্র যাদের বংশধররাই দাউসের সবচেয়ে বড় গোত্রসমূহ। আর আবদে নাহাম বিন দাউস মুনহিব ও গানামের ভাই নন, বরং তিনি অন্য একজন দাউসের পুত্র (২)।
আর তামিম বিন দাউসের বংশধরদের মধ্যে রয়েছে বনু ওয়াশিহ বিন আমর বিন মালিক বিন ফাহম বিন তামিম বিন দাউস। আমি 'তারিখে বাগদাদ' এবং এর পরিশিষ্ট (১৭/১১) ছাড়া অন্য কোথাও তাঁর উল্লেখ পাইনি। হতে পারে তিনি দাউস বিন উদসানের সন্তানদের একজন, অথবা তিনি অন্য কেউ হতে পারেন।
আর মালিক বিন দাউস হলেন মুনহিব ও গানামের ভাই। তিনি হলেন মালিক বিন দাউস বিন উদসান বিন আব্দুল্লাহ বিন জাহরান। তাঁর সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন উয়াইমির বিন আশকার, যিনি সাহাবী ছিলেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আব্বাদ বিন তামিম বর্ণনা করেছেন। আরও রয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান বিন খলীল বিন আশকার আবুল কাসিম, যিনি কারখ-এর বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং লুওয়াইন, যাইদ বিন আখযাম ও আরও অনেকের থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মুহাম্মদ বিন মুজাফফর, ইবনুল হাইওয়াহ, ইবনে শাহীন এবং অন্যান্যরা (৩) বর্ণনা করেছেন। আমি 'আল-ইকমাল' গ্রন্থ ছাড়া অন্য কোথাও তাঁর কথা উল্লেখ দেখিনি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ১৩)
وعامر بن دوس ليس من إخوتهم؛ لأن عامر بن دوس هذا حليف أبي بكر رضي الله عنه، وهو متأخر (1).
وفهم بن دوس، من أبناء دوس بن عدثان؛ من وِلده: جهضم بن مالك بن فهم بن دوس بن عدثان بن عبد الله بن زهران (2)، من وِلده جذيمة.
فتبين من أبناء دوس بن عدثان على اليقين أربعة هم: منهب، وغَنْم، ومالك، وفهم. أولاد نصر بن زهران:
عثمان بن نصر بن زهران (3)، ودُهمان بن نصر بن زهران (4)، وعبد الله بن نصر بن زهران: لقبه حُمى (5)، وغَنْم بن نصر بن زهران (6).
وبناء على هذا فقبائل زهران دوس وما تفرع عنها، وأوس وما تفرع عنها، هم أبناء عم يلتقون في زهران بن كعب؛ دوس من طريق عبد الله بن زهران، وأوس من طريق نصر بن زهران.
أما زهران الثاني فهو:
زهران بن الحجر بن عمران بن عمرو بن عامر (7)، وقيل: زهران بن حجر بن عمران بن مزيقيا (8)، ولا خلاف فمزيقيا هو عمرو بن عامر، ومن ولد زهران بن الحجر:
1 ــ فضالة بن عمير بن عامر بن عمرو بن عبدة بن زيد بن ذبيان بن حارثة بن الحارث بن زهران بن الحجر بن عمران بن عمرو "مزيقيا" بن عامر.
--------------------------------------------
আমির ইবনে দাওস তাদের ভাইদের অন্তর্ভুক্ত নন; কারণ এই আমির ইবনে দাওস আবু বকর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর মিত্র এবং তিনি পরবর্তী প্রজন্মের। (১)
আর ফাহম ইবনে দাওস হলেন দাওস ইবনে আদসানের সন্তানদের অন্তর্ভুক্ত; তার বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন: জাহযাম ইবনে মালিক ইবনে ফাহম ইবনে দাওস ইবনে আদসান ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে যাহরান (২), যার বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন জাযিমাহ।
সুতরাং এটি নিশ্চিতভাবে স্পষ্ট হয়েছে যে দাওস ইবনে আদসানের চারজন সন্তান ছিলেন: মুনহিব, গানাম, মালিক এবং ফাহম। নাসর ইবনে যাহরানের সন্তানরা হলেন:
উসমান ইবনে নাসর ইবনে যাহরান (৩), দুহমান ইবনে নাসর ইবনে যাহরান (৪), এবং আবদুল্লাহ ইবনে নাসর ইবনে যাহরান: তার উপাধি হলো হুমা (৫), এবং গানাম ইবনে নাসর ইবনে যাহরান (৬)।
এর ভিত্তিতে যাহরানের দাওস গোত্র ও তার শাখাগুলো এবং আওস ও তার শাখাগুলো হলো পরস্পর চাচাতো ভাই যারা যাহরান ইবনে কাবের বংশধারায় মিলিত হয়; দাওস হলো আবদুল্লাহ ইবনে যাহরানের সূত্র থেকে এবং আওস হলো নাসর ইবনে যাহরানের সূত্র থেকে।
আর দ্বিতীয় যাহরান হলেন:
যাহরান ইবনে হুজর ইবনে ইমরান ইবনে আমর ইবনে আমির (৭), এবং বলা হয়েছে: যাহরান ইবনে হুজর ইবনে ইমরান ইবনে মুযাইকিয়া (৮); এতে কোনো মতভেদ নেই যে মুযাইকিয়া হলেন আমর ইবনে আমির। আর যাহরান ইবনে হুজরের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন:
১ ــ ফাদ্বালাহ ইবনে উমাইর ইবনে আমির ইবনে আমর ইবনে আবদাহ ইবনে যায়িদ ইবনে যুবইয়ান ইবনে হারিসাহ ইবনে হারিস ইবনে যাহরান ইবনে হুজর ইবনে ইমরান ইবনে আমর "মুযাইকিয়া" ইবনে আমির।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ১৪)
2 ــ الحريش بن جذيمة بن زهران بن الحجر بن عمران بن عمرو "مزيقيا" بن عامر (1)، وهذا غير زهران بن كعب قطعا.
ومن ولد الحريش: ثور بن زهران بن الحجر بن عمران بن عمرو "مزيقيا" بن عامر (2).
وزهران الثالث:
هو زهران بن مراد من ولده قيس بن هبيرة المكشوح بن عبد يغوث بن الغربل بن سلم بن عَوتبان بن زهران بن مراد؛ وإنما سمي المكشوح؛ لأنه كشح نفسه بالنار، وهو الذي قتل الأسود العنسي، الذي تنبأ باليمن، وكان قيس بن هبيرة المكشوح رضي الله عنه وفد على النبي صلى الله عليه وسلم وشهد فتوح فارس أيام عمر بن الخطاب رضي الله عنه بالقادسية ونهاوند، وهو أحد فرسان العرب المذكورين في الجاهلية والإسلام (3) رضي الله عنه.
زهران الرابع هو:
زهران بن بن مالك ينسب إليه حي عظيم، ولهم كانت اليمامة (4)، وهذا في نظري لا علاقة له بالسراة، والله أعلم.
تنبيه:
كل من ينسب إلى العتيك ليس من ولد زهران بن كعب، ولا من ولد زهران بن الحجر؛ لأنهما أبناء عم، زهران بن الحجر بن عمران بن عمرو مزيقيا، والعتيك بن أحمد (5) بن عمران بن عمرو مزيقيا، قال القاضي عياض رحمه الله: ذكر مسلم أبا الربيع الزهراني؛ كذا يعرف بفتح الزاي، وسكون الهاء، بعد الألف نون وياء النسبة، ونسبه مرة العتكي، ومرة جمع له النسبتين، ومرة اختلف رواته في نسبيه هذين، وهما لا يجتمعان، إنما يرجع إلى الأزد، لأن العتيك وزهران ابنا عم، جدهما عمران ين
--------------------------------------------
২ — আল-হারিশ ইবনে জাযিমা ইবনে যাহরান ইবনে আল-হাজার ইবনে ইমরান ইবনে আমর "মুযাইকিয়া" ইবনে আমির (১), আর এটি নিশ্চিতভাবেই যাহরান ইবনে কাব থেকে ভিন্ন।
আর আল-হারিশের সন্তানদের মধ্য হতে হলো: সাওর ইবনে যাহরান ইবনে আল-হাজার ইবনে ইমরান ইবনে আমর "মুযাইকিয়া" ইবনে আমির (২)।
এবং তৃতীয় যাহরান:
তিনি হলেন যাহরান ইবনে মুরাদ; তার সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন কাইস ইবনে হুবাইরা আল-মাকশুহ ইবনে আবদ ইয়াগুস ইবনে আল-গারবাল ইবনে সালাম ইবনে আউতবান ইবনে যাহরান ইবনে মুরাদ। তাকে মূলত মাকশুহ নামকরণ করা হয়েছিল কারণ তিনি আগুন দিয়ে তার পার্শ্বদেশ দাগিয়েছিলেন। আর তিনিই আসওয়াদ আল-আনসীকে হত্যা করেছিলেন, যে ইয়েমেনে নবুওয়তের দাবি করেছিল। কাইস ইবনে হুবাইরা আল-মাকশুহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট প্রতিনিধি হিসেবে গিয়েছিলেন এবং উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু)-এর যুগে কাদিসিয়া ও নাহাওয়ান্দের পারস্য বিজয়ে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি জাহেলি ও ইসলামি উভয় যুগে আরবদের অন্যতম প্রসিদ্ধ অশ্বারোহী বীর ছিলেন (৩), আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হোন।
চতুর্থ যাহরান হলেন:
যাহরান ইবনে মালিক, যার দিকে একটি বিশাল জনপদ নিজেদের সম্পৃক্ত করে এবং তাদের অধিকারে ছিল ইয়ামামা (৪)। আমার মতে, আস-সারাত অঞ্চলের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই, আর আল্লাহই ভালো জানেন।
সতর্কতা:
আল-আতিকের দিকে যাকে সম্বন্ধ করা হয়, সে যাহরান ইবনে কাবের বংশধর নয় এবং যাহরান ইবনে আল-হাজারের বংশধরও নয়; কারণ তারা উভয়ে চাচাতো ভাই। যাহরান ইবনে আল-হাজার ইবনে ইমরান ইবনে আমর মুযাইকিয়া এবং আল-আতিক ইবনে আহমাদ (৫) ইবনে ইমরান ইবনে আমর মুযাইকিয়া। কাযী আয়ায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: ইমাম মুসলিম আবু রাবী’ আয-যাহরানী-এর কথা উল্লেখ করেছেন; এটি 'যা' বর্ণে ফাতহা, 'হা' বর্ণে সুকুন এবং আলিফের পর নুন ও সম্বন্ধসূচক 'ইয়া' সহ পরিচিত। তিনি তাকে কখনো আল-আতিকী হিসেবে উল্লেখ করেছেন, কখনো উভয় সম্বন্ধ একত্রে ব্যবহার করেছেন, আবার কখনো তার রাবীরা এই দুটি সম্পর্কের ব্যাপারে মতভেদ করেছেন। অথচ এই দুটি সম্পর্ক একত্রে হওয়া সম্ভব নয়। এটি মূলত আযদ গোত্রের দিকে ফিরে যায়, কারণ আতিক এবং যাহরান হলো চাচাতো ভাই, যাদের দাদা হলেন ইমরান ইবনে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ১৫)
عمرو مزيقيا، إلا أن يكون أصله من أحدهما، وله نسب من جوار أو حلف من الآخر، والله أعلم (1).
قلت: صدق القاضي رحمه الله العتيك بطن من الأزد (2)، فالعتكي في الأزد ينسب إلى العتيك بن أحمد أو بن الأسْد بن عمران بن عمرو بن عامر بن حارثة بن امرئ القيس بن ثعلبة بن مازن بن الأزد (3).
والذي أراه أن الخطط التي عُملت في الفتح في البصرة والفسطاط كانت تجمع كل قبيلة في موقع، وكان الدوسيون، والعتكيون، والأزديون، ومن تفرع منهم في موقع، ومن هنا تكون النسبة متعددة كما ذكر في نسبة الإمام أبي الربيع رحمه الله، فمن نسب إلى الأزد فهو الجد الأبعد، ومن نسب إلى زهران فهو الذي دونه، ومن نسب إلى دوس فهو الذي دونه، ومن نسب إلى جهضم فهو الذي دونه، ومن نسب إلى العتيك فهو من دون الأزد، ولكون الأزد الجد الأبعد يلتقي فيه كل القبائل المتفرعة عنه، وكانوا في وقت يحتاجون فيه إلى العصبية والتناخي والجوار، وللمجاورة تعددت النسبة للشخص الواحد، ومن هذا نشأ الخطأ، كما في نسبة أبي الربيع الزهراني وليس منهم، إنما هو عتكي أو العكس، ولم أذكر ترجمته رحمه الله لعدم جزمي بنسبته إلى واحد منهما، وغيره كثير، نعم الكل أزديون، والأزد تنقسم إلى أربعة أقسام: أزد شنوءة، وأزد السراة، وأزد غسان، وأزد عمان (4)، ونحن اليوم من قبائل العرب في المملكة العربية السعودية حرسها الله، ومنها زهران؛ ينتسبون إلى زهران الجد الأبعد وهو قبيل كبير، وهم قبائل متفرعة منه، وهم أزد السراة ومنهم دوس اليوم، وأنا من بني حسن، فكل دوسي زهراني، وكل حسني زهراني، وكذلك بقية القبائل، وعلى هذا قس القبائل، منها من ينتسب إلى القبيل: الجد الأبعد، ومنها من ينتسب إلى من تفرع منه.
--------------------------------------------
আমর মুযাইকিয়া, তবে তার মূল এই দুইটির একটি থেকে হতে পারে, আর অন্যটির সাথে প্রতিবেশী হওয়া বা মিত্রতার মাধ্যমে বংশগত সম্পর্ক থাকতে পারে। আল্লাহই ভালো জানেন (১)।
আমি বলি: বিচারক (কাজি) —আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন— সত্য বলেছেন, আতিক হলো আজদ গোত্রের একটি শাখা (২), সুতরাং আজদ গোত্রের আতিকি ব্যক্তিকে সম্বন্ধ করা হয় আতিক বিন আহমদ অথবা বিন আসাদ বিন ইমরান বিন আমর বিন আমির বিন হারিসা বিন ইমরুল কায়েস বিন সা'লাবা বিন মাযিন বিন আজদ-এর দিকে (৩)।
আমার অভিমত এই যে, বসরা এবং ফুস্তাতের বিজয়ের সময় যে বসতি পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তাতে প্রতিটি গোত্রকে একটি নির্দিষ্ট স্থানে একত্রিত করা হয়েছিল। দাওসি, আতিকি, আজদি এবং তাদের শাখা-প্রশাখাগুলো এক স্থানে ছিল। এই কারণেই বংশের পরিচয় একাধিক হয়ে থাকে, যেমনটি ইমাম আবু রবি —আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন— এর বংশপরিচয়ের ক্ষেত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। সুতরাং যাকে আজদ গোত্রের দিকে সম্বন্ধ করা হয়, তা হলো দূরতম পূর্বপুরুষ; আর যাকে যাহরানের দিকে সম্বন্ধ করা হয়, সেটি তার নিম্নস্তরের; যাকে দাওসের দিকে সম্বন্ধ করা হয়, সেটি তার আরও নিম্নস্তরের; যাকে জাহযামের দিকে সম্বন্ধ করা হয়, সেটি তার আরও নিম্নস্তরের; আর যাকে আতিকের দিকে সম্বন্ধ করা হয়, সেটি আজদ-এর পরবর্তী স্তর। যেহেতু আজদ হলো দূরতম পূর্বপুরুষ, তাই এর থেকে বিস্তৃত সকল গোত্র এতে মিলিত হয়। তারা এমন এক সময়ে ছিল যখন তাদের গোত্রীয় সংহতি, পারস্পরিক সাহায্য এবং প্রতিবেশিত্বের প্রয়োজন ছিল। আর এই প্রতিবেশিত্বের কারণে একই ব্যক্তির একাধিক বংশগত পরিচয় দেখা যেত। এখান থেকেই ভুলের উৎপত্তি হয়েছে, যেমনটি আবু রবি আল-যাহরানির পরিচয়ে ঘটেছে, অথচ তিনি তাদের অন্তর্ভুক্ত নন, বরং তিনি একজন আতিকি অথবা এর উল্টোটা। আমি তাঁর জীবনী উল্লেখ করিনি কারণ তাঁর বংশপরিচয় কোনো একটির দিকে নির্দিষ্ট করার ব্যাপারে আমি নিশ্চিত নই, এবং এমন আরও অনেকেই আছেন। হ্যাঁ, সবাই আজদি গোত্রীয়। আজদ চার ভাগে বিভক্ত: আজদ শানুয়াহ, আজদ আল-সারাত, আজদ গাসসান এবং আজদ আম্মান (৪)। বর্তমানে আমরা সৌদি আরব রাজ্যে—আল্লাহ একে রক্ষা করুন—আরব গোত্রগুলোর অন্তর্ভুক্ত, যার মধ্যে একটি হলো যাহরান; তারা তাদের দূরতম পূর্বপুরুষ যাহরানের সাথে নিজেদের সম্পর্কিত করে, যা একটি বিশাল গোত্র। তারা তা থেকে বিস্তৃত বিভিন্ন গোত্র। তারা হলো আজদ আল-সারাত এবং বর্তমানের দাওস তাদেরই অন্তর্ভুক্ত। আমি বনু হাসান গোত্রের লোক; সুতরাং প্রত্যেক দাওসি ব্যক্তিই যাহরানি, এবং প্রত্যেক হাসানি ব্যক্তিই যাহরানি। একইভাবে অবশিষ্ট গোত্রগুলোও। এর ওপর ভিত্তি করেই অন্যান্য গোত্রগুলোকে বিবেচনা করুন; তাদের কেউ মূল বংশের সাথে নিজেকে সম্পর্কিত করে, আবার কেউ তার থেকে বিস্তৃত শাখা গোত্রের সাথে নিজেকে সম্পর্কিত করে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ১৬)
وكذلك كل من ينسب إلى المهلب ليس من أولاد زهران بن كعب، بل من العتيك، ومنهم المهلب بن أبي صفرة، واسم أبي صفرة ظالم بن سَرَّاق، ومنهم جديع بن سعيد بن قبيصة، ومنهم عمرو بن الأشرف؛ قتل مع عائشة رضي الله عنها يوم الجمل؛ وهو والد زياد الآخذ بثأر مسعود بن عمرو الدوسي قتله الأزارقة فأخذ بثأره منهم، وهذا يؤيد التناخي بين الأزديين، وغيرهم كثير.
وكان عمرو فارس أهل البصرة، لا يخرج إليه أحد من أصحاب علي رضي الله عنه إلا قتله وهو يرتجز ويقول:
يا أمنا يا خير أم نعلم
… الأم تغذو وِلدها وترحم
ألا ترين كم جواد يكلم
… وتختلى هامته والمعصم (1)
فأقبل إليه الحارث بن زهير الأزدي من فرسان علي رضي الله عنه وهو يقوا:
يا أمنا يا خير أم نعلم
… أما ترين كم شجاع يكلم
وتختلى هامته والمعصم (2)
واختلفا ضربتين فقتل كل واحد صاحبه (3).
وقد أهملت من لم يرق نسبه إلى دوس بن عدثان، أو لم يرد نسبه إلى أحد من نسل دوس، كفلان الأزدي، أو فلان العتكي، أو فلان الزهراني، وهذا كثير، فما كل أزدي دوسي، أو زهراني، ولا كل زهراني دوسي، وليس العتكي دوسى ولا زهراني، ولكنه أزدي، وكل دوسي زهراني أزدي، وكل زهراني أزدي، وسمعت من يزعم أن الأوس والخزرج من زهران وهو خطأ، إنما هم من الأزد؛ وهو الجد الأبعد لزهران، وغامد، وعدد كبير من القبائل (4)، فالأوس والخزرج هما ابنا حارثة بن ثعلبه بن عمرو بن
--------------------------------------------
তেমনিভাবে, মুহাল্লাবের দিকে যাদের সম্বন্ধ করা হয় তারা যাহরান ইবনে কা'ব-এর সন্তানদের অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং আল-আতিক গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। তাদের মাঝে রয়েছেন মুহাল্লাব ইবনে আবি সুফরাহ, আর আবু সুফরাহ-এর নাম ছিল জালিম ইবনে সাররাক। তাদের মাঝে আরও রয়েছেন জুদাই ইবনে সাঈদ ইবনে কুবাইসাহ এবং আমর ইবনে আশরাফ; তিনি জঙ্গে জামালের দিনে আয়িশাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহা)-এর পক্ষে লড়াই করে নিহত হন। তিনি হলেন যিয়াদের পিতা, যিনি মাসউদ ইবনে আমর আদ-দাউসী-এর হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণ করেছিলেন; মাসউদকে আযারিরাহ-রা হত্যা করলে তিনি তাদের নিকট থেকে প্রতিশোধ নেন। এটি আযদীদের পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব ও সহযোগিতাকে সমর্থন করে, আর এ ধরনের আরও অনেকে আছেন।
আমর ছিলেন বসরার অধিবাসীদের প্রধান ঘোড়সওয়ার। আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর সঙ্গীদের মধ্য থেকে যে কেউ তার মোকাবিলা করতে আসত, তিনি তাকেই হত্যা করতেন এবং এই কবিতা আবৃত্তি করতেন:
হে আমাদের জননী! আমাদের জানামতে আপনিই শ্রেষ্ঠ মা
… মা তাঁর সন্তানদের অন্ন দান করেন এবং দয়া করেন
আপনি কি দেখছেন না কত জন বীর আহত হচ্ছে
… এবং কতজনের মাথা ও কবজি দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে (১)
অতঃপর আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর ঘোড়সওয়ারদের মধ্য থেকে হারিস ইবনে যুহাইর আল-আযদী তাঁর দিকে এগিয়ে এলেন এবং বলছিলেন:
হে আমাদের জননী! আমাদের জানামতে আপনিই শ্রেষ্ঠ মা
… আপনি কি দেখছেন না কত জন সাহসী বীর আহত হচ্ছে
এবং কতজনের মাথা ও কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে (২)
তারা একে অপরকে আঘাত করলেন এবং উভয়েই নিজ প্রতিপক্ষকে হত্যা করলেন (৩)।
আমি তাদের উল্লেখ করা বাদ দিয়েছি যাদের বংশধারা দাওস ইবনে আদসান পর্যন্ত পৌঁছায় না, অথবা যাদের বংশলতিকা দাওসের কোনো উত্তরসূরির সাথে সংশ্লিষ্ট নয়; যেমন অমুক আল-আযদী, বা অমুক আল-আতিকী, অথবা অমুক আয-যাহরানী। এমন সংখ্যা অনেক, কেননা সকল আযদী যেমন দাওসী বা যাহরানী নয়, তেমনি সকল যাহরানীও দাওসী নয়। আর আল-আতিকীরা দাওসী বা যাহরানী নয়, তবে তারা আযদী। পক্ষান্তরে, প্রত্যেক দাওসীই যাহরানী ও আযদী, এবং প্রত্যেক যাহরানীই আযদী। আমি কাউকে দাবি করতে শুনেছি যে, আওস ও খাযরাজ যাহরানের অন্তর্ভুক্ত, যা ভুল। তারা মূলত আযদ বংশোদ্ভূত; আর আযদ হলেন যাহরান, গামিদ এবং আরও অনেক গোত্রের উর্ধ্বতন পূর্বপুরুষ (৪)। আওস ও খাযরাজ হলো হারিসাহ ইবনে সালাবাহ ইবনে আমর ইবনে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ১৭)
عامر بن حارثة بن امرئ القيس بن ثعلبة بن مازن بن عبد الله بن الأزد بن الغوث بن النبت بن مالك بن زيد بن كهلان بن سبأ؛ وهما ابنا قيلة، نسبا إلى أمهما وهم الأنصار.
وكذلك أهملت من ورد في نسبه "مولاهم" ومنهم أئمة كبار كشعبة بن الحجاج، وهشام بن حسان، وحماد بن زيد، وغيرهم كثير، ومعلوم اشتغال العرب بالفتوحات والرياسة بعد ذلك، وعدم تفرغهم للعلم إلا النادر منهم، ولذلك قال ابن شهاب الزهري رحمه الله، قدمت على عبدالملك بن مروان فقال لي: من أين قدمت يا زهري؟ ، قلت: من مكة، قال: فمن خلفت يسودها؟ ، قلت: عطاء بن أبي رباح، قال: أفمن العرب هو أم من الموالي؟ قلت: من الموالي، قال: فبما سادهم؟ قلت: بالديانة، قال: إن أهل الديانة والرواية ينبغي أن يسودوا.
قال: فمن يسود أهل اليمن؟ ، قلت: طاووس بن كيسان، قال: أفمن العرب هو أم من الموالي؟ قلت من الموالي، قال: فبم سادهم؟ قلت: بما سادهم به عطاء، قال: فمن يسود أهل مصر؟ ، قلت: يزيد بن أبي حبيب، قال: أفمن العرب هو أم من الموالي؟ قلت: من الموالي، قال: فمن يسود أهل الشام؟ ، قلت: مكحول، قال: أمن العرب هو أم من الموالي؟ ، قلت: من الموالي؛ عبد نوبي أعتقته امرأة من هذيل، قال: فمن يسود أهل الجزيرة؟ ، قلت: ميمون بن مهران، قال: أمن العرب هو؟ ، قلت: بل من الموالي، قال: فمن يسود أهل خراسان؟ ، قلت: الضحاك بن مزاحم، قال: أفمن العرب هو؟ ، قلت: بل من الموالي، قال: فمن يسود أهل البصرة؟ ، قلت: الحسن البصري، قال: أفمن العرب هو؟ ، قلت: بل من الموالي، قال: ويلك فمن يسود أهل الكوفة؟ ، قلت: إبراهيم النخعي، قال: أفمن العرب؟ ، قلت: من العرب، قال: ويلك فرجت عني، والله ليسودن الموالي العرب، حتى يخطب لها على المنابر والعرب تحتها، قلت: يا أمير المؤمنين إنما هو دين، من حفظه ساد، ومن ضيعه سقط (1).
ولم أذكر الأخساء من دوس؛ الجعد بن أبي ضِمام الخارجي الدوسي، والعلباء بن دراع الدوسي، وإليه ينسب العلبائية من الرافضة، وهو كان يفضل عليا على النبي
--------------------------------------------
আমির বিন হারিসা বিন ইমরাউল কায়েস বিন ছালাবা বিন মাজিন বিন আবদুল্লাহ বিন আল-আযদ বিন আল-গাউস বিন আন-নাবিত বিন মালিক বিন যায়েদ বিন কাহলান বিন সাবা; তাঁরা কায়লা-র দুই পুত্র, যাদের তাঁদের মায়ের বংশপরিচয়ে সম্বন্ধ করা হয়েছে এবং তাঁরাই হলেন আনসার।
তেমনিভাবে আমি তাদেরও বাদ দিয়েছি যাদের বংশপরিচয়ে "মাওলাহুম" (তাদের মুক্তদাস) শব্দটি এসেছে, যাদের মধ্যে রয়েছেন শু'বা বিন আল-হাজ্জাজ, হিশাম বিন হাসসান, হাম্মাদ বিন যায়েদ-এর মতো বড় ইমামগণ এবং আরও অনেকে। আর এটা সুপরিচিত যে আরবরা এরপর বিজয় অভিযান ও রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছিল এবং খুব অল্পসংখ্যক ব্যতীত তারা ইলমের জন্য অবসর পাননি। এজন্যই ইবনে শিহাব আল-জুহরি (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: আমি আব্দুল মালিক বিন মারওয়ানের নিকট উপস্থিত হলাম, তিনি আমাকে বললেন: হে জুহরি, আপনি কোথা থেকে এসেছেন? আমি বললাম: মক্কা থেকে। তিনি বললেন: আপনি সেখানে কাকে নেতৃত্বশীল রেখে এসেছেন? আমি বললাম: আতা বিন আবি রাবাহ-কে। তিনি বললেন: তিনি কি আরবদের মধ্য থেকে নাকি মাওয়ালিদের (মুক্তদাস) মধ্য থেকে? আমি বললাম: মাওয়ালিদের মধ্য থেকে। তিনি বললেন: কিসের ভিত্তিতে তিনি তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন? আমি বললাম: দ্বীনদারির দ্বারা। তিনি বললেন: নিশ্চয়ই দ্বীনদার ও রেওয়ায়েতকারীদেরই (বর্ণনাকারী) নেতৃত্ব দেওয়া উচিত।
তিনি বললেন: ইয়েমেনের অধিবাসীদের সরদার কে? আমি বললাম: তাউস বিন কায়সান। তিনি বললেন: তিনি কি আরব নাকি মাওয়ালিদের মধ্য থেকে? আমি বললাম: মাওয়ালিদের মধ্য থেকে। তিনি বললেন: কিসের ভিত্তিতে তিনি তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন? আমি বললাম: যার মাধ্যমে আতা নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি বললেন: মিশরের অধিবাসীদের সরদার কে? আমি বললাম: ইয়াজিদ বিন আবি হাবিব। তিনি বললেন: তিনি কি আরব নাকি মাওয়ালিদের মধ্য থেকে? আমি বললাম: মাওয়ালিদের মধ্য থেকে। তিনি বললেন: সিরিয়াবাসীদের সরদার কে? আমি বললাম: মাকহুল। তিনি বললেন: তিনি কি আরব নাকি মাওয়ালিদের মধ্য থেকে? আমি বললাম: মাওয়ালিদের মধ্য থেকে; তিনি ছিলেন একজন নুবীয় দাস যাকে হুযাইল গোত্রের এক নারী মুক্ত করেছিলেন। তিনি বললেন: জাজিরা-বাসীদের সরদার কে? আমি বললাম: মায়মুন বিন মিহরান। তিনি বললেন: তিনি কি আরবদের মধ্য থেকে? আমি বললাম: বরং মাওয়ালিদের মধ্য থেকে। তিনি বললেন: খোরাসানবাসীদের সরদার কে? আমি বললাম: দাহহাক বিন মুযাহিম। তিনি বললেন: তিনি কি আরবদের মধ্য থেকে? আমি বললাম: বরং মাওয়ালিদের মধ্য থেকে। তিনি বললেন: বসরার অধিবাসীদের সরদার কে? আমি বললাম: হাসান আল-বাসরি। তিনি বললেন: তিনি কি আরবদের মধ্য থেকে? আমি বললাম: বরং মাওয়ালিদের মধ্য থেকে। তিনি বললেন: তোমার সর্বনাশ হোক! কুফাবাসীদের সরদার কে? আমি বললাম: ইব্রাহিম আন-নাখয়ী। তিনি বললেন: তিনি কি আরবদের মধ্য থেকে? আমি বললাম: আরবদের মধ্য থেকে। তিনি বললেন: তোমার সর্বনাশ হোক, তুমি আমাকে স্বস্তি দিলে। আল্লাহর কসম, মাওয়ালিরা অবশ্যই আরবদের ওপর নেতৃত্ব দিবে, এমনকি মিম্বরগুলোতে তাদের পক্ষ থেকে খুতবা দেওয়া হবে আর আরবরা তাদের নিচে থাকবে। আমি বললাম: হে আমিরুল মুমিনীন, এটি কেবলই দ্বীন; যে একে সংরক্ষণ করবে সে নেতৃত্ব লাভ করবে, আর যে একে ধ্বংস করবে সে নিপতিত হবে (১)।
আর আমি দাওস গোত্রের নিকৃষ্টদের কথা উল্লেখ করিনি; যেমন দাওসি খারেজি আল-জা'দ বিন আবি দ্বিমাম এবং আলবা বিন দারা' আদ-দাওসি, যার দিকে রাফেজিদের আলবাইয়্যাহ উপদলটি সম্বন্ধিত, আর সে আলীকে নবীর ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করত।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ১৮)
- صلى الله عليه وسلم، وكان يقول بذم محمد صلى الله عليه وسلم، وزعم أنه بعث ليدعو إلى علي، فدعا إلى نفسه (1)، ولا الخارجي صاحب يوم قديد؛ المختار بن عوف بن عبدالله بن مازن بن مخاشن بن سليمة بن مالك بن فهم بن غَنْم بن دوس (2).
إن من أبناء زهران بن كعب من سكن السراة، ومعهم العديد من القبائل المهاجرة من اليمن بعد دمار سد مأرب، كبني مالك، وغامد، وغيرهم من قبائل الأزد، وقد دون ابن بطوطة (3) بعض صفات قبائل بني مالك "بجيلة" وزهران، وغامد، وهو شاهد عيان، فقال: وبلاد السروات التي يسكنها بجيلة، وزهران، وغامد، وسواهم من القبائل مُخْصِبة، كثيرة الأعناب، وافرة الغلات، وأهلها فصحاء الألسن، لهم صدق نية، وحسن اعتقاد، وهم إذا طافوا بالكعبة يتطارحون عليها، لائذين بجوارها، متعلقين بأستارها، داعين بأدعية تتصدع لرقتها القلوب، وتدمع العيون الجامدة، فترى الناس حولهم باسطي أيديهم، مؤمنين على أدعيتهم، ولا يتمكن لغيرهم الطواف معهم، ولا استلام الحجر لتزاحمهم على ذلك، وهم شجعان أنجاد، ولباسهم الجلود، وإذا وردوا مكة هابت أعراب الطريق مقدمهم، وتجنبوا اعتراضهم، ومن صحبهم من الزوار حمد صحبتهم، وذُكر أن النبي صلى الله عليه وسلم ذكرهم، وأثنى عليهم خيرا، وقال: «علموهم الصلاة يعلموكم الدعاء» (4).
وكفاهم شرفا دخولهم في عموم قوله صلى الله عليه وسلم: «الإيمان يماني، والحكمة يمانية» (5)، وذكر أن عبدالله بن عمر رضي الله عنهما كان يتحرى وقت طوافهم، ويدخل في جملتهم تبركا بدعائهم، وشأنهم عجيب كله، وقد جاء في أثر: «زاحمهم في الطواف، فإن الرحمة تنصب عليهم صبا» (6).
--------------------------------------------
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, এবং সে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিন্দা করত এবং দাবি করত যে, তাকে আলীর দিকে ডাকার জন্য পাঠানো হয়েছে, কিন্তু সে নিজের দিকে ডাকল (১); আর না কুদাইদ দিবসের হোতা সেই খারিজি; আল-মুখতার বিন আউফ বিন আবদুল্লাহ বিন মাজিন বিন মুখাশিন বিন সালিমা বিন মালিক বিন ফাহম বিন গানম বিন দাওস (২)।
নিশ্চয়ই জাহরান বিন কাবের সন্তানদের মধ্যে যারা সারাতে বসবাস করত, তাদের সাথে মা'রিব বাঁধ ধ্বংসের পর ইয়ামেন থেকে হিজরতকারী অনেক গোত্র ছিল, যেমন বনু মালিক, গামিদ এবং আযদ গোত্রের অন্যান্যরা। ইবনে বতুতা (৩) বনু মালিক "বাজিলা", জাহরান এবং গামিদ গোত্রের কিছু বৈশিষ্ট্য লিপিবদ্ধ করেছেন, তিনি ছিলেন একজন প্রত্যক্ষদর্শী। তিনি বলেন: সারওয়াত অঞ্চল যেখানে বাজিলা, জাহরান, গামিদ এবং অন্যান্য গোত্রগুলো বসবাস করে, তা উর্বর ভূমি, যেখানে প্রচুর আঙ্গুর এবং পর্যাপ্ত শস্য উৎপন্ন হয়। সেখানকার অধিবাসীরা বিশুদ্ধভাষী, তাদের নিয়ত সত্যনিষ্ঠ এবং তাদের বিশ্বাস বা আকিদা সুন্দর। তারা যখন কাবা তাওয়াফ করে, তখন তার ওপর লুটিয়ে পড়ে, এর সান্নিধ্যে আশ্রয় নেয়, এর গিলাফ ধরে ঝুলে থাকে এবং এমন সব দোয়ার মাধ্যমে ডাকতে থাকে যার কোমলতায় অন্তর বিদীর্ণ হয় এবং শুষ্ক চোখ অশ্রুসিক্ত হয়। তখন দেখা যায় মানুষ তাদের চারপাশে হাত প্রসারিত করে আছে এবং তাদের দোয়ার ওপর আমীন বলছে। তাদের ভিড়ের কারণে অন্যদের পক্ষে তাদের সাথে তাওয়াফ করা বা হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করা সম্ভব হয় না। তারা সাহসী ও বীর, তাদের পোশাক চামড়ার। তারা যখন মক্কায় আসত, তখন পথের বেদুঈনরা তাদের আগমনে ভীত হতো এবং তাদের পথরোধ করা পরিহার করত। দর্শনার্থীদের মধ্যে যারা তাদের সান্নিধ্য পেত, তারা তাদের সাহচর্যের প্রশংসা করত। বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের কথা উল্লেখ করেছেন এবং তাদের কল্যাণের প্রশংসা করেছেন এবং বলেছেন: «তোমরা তাদের সালাত শেখাও, তারা তোমাদের দোয়া শেখাবে» (৪)।
তাদের সম্মানের জন্য এটাই যথেষ্ট যে, তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই সাধারণ বাণীর অন্তর্ভুক্ত: «ঈমান ইয়ামেনী এবং হিকমত ইয়ামেনী» (৫)। আরও বর্ণিত আছে যে, আবদুল্লাহ বিন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা তাদের তাওয়াফের সময়ের খোঁজ রাখতেন এবং তাদের দোয়ার বরকত লাভের আশায় তাদের দলে শামিল হতেন। তাদের পুরো বিষয়টিই বিস্ময়কর। একটি বর্ণনায় এসেছে: «তাওয়াফে তাদের সাথে ভিড় করো, কারণ তাদের ওপর রহমত মুষলধারে বর্ষিত হয়» (৬)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ১৯)
أما عن الانتاج الزراعي الذي كانت تتمتع به مناطق القبائل المذكورة فقال: وأهل الجهات الموالية لمكة مثل: بجيلة، وزهران، وغامد، يبادرون لحضور عمرة رجب (1)
ويجلبون إلى مكة الحبوب، والسمن، والعسل، والزبيب، واللوز، فترخص الأسعار بمكة، ويرغد عيش أهلها، وتعمهم المرافق، ولولا أهل هذه البلاد لكان أهل مكة في شظف من العيش، ويذكر أنهم متى أقاموا ببلادهم، ولم يأتوا بهذه الميرة أجدبت بلادهم، ووقع الموت في مواشيهم، ومتى أوصلوا الميرة أخصبت بلادهم، وظهرت فيها البركة، ونمت أموالهم، فهم إذا حان وقت ميرتهم وأدركهم كسل عنها اجتمعت نساؤهم فأخرجنهم، ! وهذا من لطائف صنع الله تعالى، وعنايته ببلده الأمين (2).
قلت: لا شك فقد كانت مناطق زهران وغامد وبني مالك وغيرها سلة غذاء لأهلها، ولمكة وجدة وغيرها أيضا، وكانت قبائل السروات عموما تهامة وسراة؛ من الطائف
--------------------------------------------
উল্লেখিত গোত্রগুলোর অঞ্চলসমূহ যে কৃষি উৎপাদনের অধিকারী ছিল, সে সম্পর্কে তিনি বলেন: মক্কার নিকটবর্তী অঞ্চলের অধিবাসীগণ যেমন: বাজিলা, যাহরান এবং গামিদিরা রযব মাসের উমরাহ (১) পালনের জন্য দ্রুত অগ্রসর হয়।
এবং তারা মক্কায় শস্য, ঘি, মধু, কিশমিশ এবং বাদাম নিয়ে আসে। ফলে মক্কায় দ্রব্যমূল্য হ্রাস পায়, সেখানকার অধিবাসীদের জীবন আরামদায়ক হয় এবং তারা নানা সুযোগ-সুবিধা লাভ করে। যদি এই অঞ্চলের মানুষ না থাকত, তবে মক্কাবাসীরা অত্যন্ত সংকটাপন্ন জীবন যাপন করত। উল্লেখ্য যে, তারা যখন নিজ দেশে অবস্থান করে এবং এই খাদ্যসামগ্রী নিয়ে আসে না, তখন তাদের দেশ অনাবৃষ্টির কবলে পড়ে এবং তাদের গবাদি পশুর মৃত্যু ঘটে। আর যখন তারা খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেয়, তখন তাদের দেশ উর্বর হয়, সেখানে বরকত প্রকাশ পায় এবং তাদের ধন-সম্পদ বৃদ্ধি পায়। সুতরাং যখন তাদের খাদ্যসামগ্রী পাঠানোর সময় হয় এবং তাদের মধ্যে আলস্য দেখা দেয়, তখন তাদের নারীরা একত্রিত হয়ে তাদেরকে বের করে দেয়! আর এটি মহান আল্লাহর নিপুণ কারুকার্য এবং তাঁর নিরাপদ শহরের প্রতি তাঁর বিশেষ যত্নের বহিঃপ্রকাশ (২)।
আমি বলি: নিঃসন্দেহে যাহরান, গামিদি, বনী মালিক এবং অন্যান্য অঞ্চলগুলো তাদের নিজেদের জন্য এবং মক্কা, জেদ্দা ও অন্যান্য অঞ্চলের জন্যও খাদ্যের ঝুড়ি ছিল। আর সারওয়াত গোত্রসমূহ সাধারণত তিহামা এবং সারাত অঞ্চলের; যা তায়েফ থেকে
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ২০)
إلى عسير تتمتع بما ذكر من الخيرات، فالمحاصيل فيها كثيرة ومتنوعة، وما يزرع في تهامة لا تجود زراعته في السراة، كالدخن، والسيال، والدقسة، والمجدولة، وكذلك المحصيل الشتوية في السراة متنوعة، منها البر "الحنطة" وتسمى "الشوقلي" والعسيرية، والمابية، والعجلانة، والشعير، والعدس الأسمر "البوسن" ومحاصيل الصيف: اللوبية "الدجر" وأنواع الذرة منها: الدفين، والقشاشة، والصفراء، والقريطة، والبسيسة، والبلس "ذرة حمراء" والقذافة، والذرة الحبشية "حب الحاج".
وكانت حبوب البر"الحنطة" والعسيرية ترسل لبيت المال، عن طريق أمراء المراكز، وفي ذلك يقول الشاعر محمد بن حسن المالحي الزهراني رحمه الله، وقد حل عيد الفطر، وكانت الحنطة من أحب ما يقدم طعاما في العيد، مع السمن، والعسل، والمرق، حسب أحوال الناس، ولكون ما نتج من مزارع المالحي ذهب لبيت المال، ولا يملك إلا حب البلس "ذرة حمراء" قال: معتذرا:
إنه يقول المالحي مالبلس (1) عيدي*
حمول الشوقبي راحت لتركي (2) ورادبها (3) *
وكان الناس يفرحون بالعيد، ويقيمون له ألعابا منها: العرضة، واللِّعْب، والمُدْرَيها، ولكل نوع من هذه الفنون لحنه الحاص به، وقول المالحي هذا من لحن المدريها، ومن الألعاب: المباراة في الرماية، وإصابة الهدف "المناش" ومن ألحانهم عندها قولهم: حنا رجاجيل الرماية
… واللي يغمُّض ما يصيب
وقد عشت فترة من عمري في هذا الواقع، وذلك قبل ستين سنة من الآن، وقد تدرج الوضع في التصحر في البيئة والعادات حتى وصل إلى ما هو قائم اليوم، عدا
--------------------------------------------
আসির অঞ্চল উল্লিখিত নেয়ামতসমূহ দ্বারা সমৃদ্ধ, সেখানে ফসলাদি প্রচুর এবং বৈচিত্র্যময়। তিহামাহ অঞ্চলে যা চাষ করা হয় তা সারাত অঞ্চলে ভালো হয় না, যেমন: বাজরা (দুখুন), সিয়াল, দাকসাহ এবং মাজদুলাহ। একইভাবে সারাত অঞ্চলের শীতকালীন ফসলগুলোও বৈচিত্র্যময়, যার মধ্যে রয়েছে গম (হিনতাহ) যা 'শাওকালি' নামে পরিচিত, আসিরিয়াহ, মাবিয়াহ, আজলানাহ, যব এবং বাদামী মসুর ডাল যা 'বুসান' নামে পরিচিত। আর গ্রীষ্মকালীন ফসলসমূহ হলো: বরবটি (দাজার) এবং বিভিন্ন প্রজাতির জোয়ার, যার মধ্যে রয়েছে: দাফিন, কাশাসাহ, সাফরা, কুরাইতাহ, বাসিসাহ, বালাাস (লাল জোয়ার), কাযযাফাহ এবং হাবাশি জোয়ার (হাবুল হাজ্জ)।
গম এবং আসিরিয়াহ শস্যসমূহ আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলোর আমিরদের মাধ্যমে বায়তুল মালে পাঠানো হতো। এ প্রসঙ্গে কবি মুহাম্মাদ বিন হাসান আল-মালিহি আল-যাহরানি (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন—আর তখন ঈদুল ফিতর উপস্থিত হয়েছিল; মানুষের সামর্থ্য অনুযায়ী ঘি, মধু ও ঝোলের সাথে গম ছিল ঈদের দিন পরিবেশিত খাবারের মধ্যে সবচেয়ে পছন্দনীয়। মালিহির খামার থেকে উৎপাদিত গম বায়তুল মালে চলে যাওয়ার কারণে তার কাছে কেবল বালাাস (লাল জোয়ার) অবশিষ্ট ছিল, তাই তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন:
মালিহি বলে, এই বালাাস (১) দিয়েই কি আমার ঈদ পালন করতে হবে!
শাওকাবি (গম)-র বোঝাগুলো তুর্কির (২) কাছে চলে গেছে এবং তা ইরদাব (৩) হিসেবে গণ্য হয়েছে।
মানুষ ঈদের আনন্দ উদযাপন করত এবং বিভিন্ন খেলার আয়োজন করত, যেমন: আরদাহ, আল-লি’ব এবং আল-মুদরাইহা। এই প্রতিটি কলার নিজস্ব সুর বা ছন্দ ছিল। মালিহির এই উক্তিটি মুদরাইহার ছন্দে রচিত। অন্যান্য খেলার মধ্যে ছিল তীরন্দাজি প্রতিযোগিতা এবং লক্ষ্যবস্তুতে (মানাশ) আঘাত হানা। তখন তাদের গাওয়া ছন্দগুলোর মধ্যে একটি হলো: আমরা তীরন্দাজ বীর... আর যে চোখ বন্ধ করে সে লক্ষ্যভেদ করতে পারে না।
আমি আমার জীবনের একটি সময় এই বাস্তবতায় অতিবাহিত করেছি, যা আজ থেকে প্রায় ষাট বছর আগের কথা। পরিবেশ ও অভ্যাসের ক্ষেত্রে পরিবর্তনের প্রক্রিয়াটি পর্যায়ক্রমে আজকের এই অবস্থায় এসে পৌঁছেছে, তবে
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ২১)
بعض هواة الزراعة من كبار السن وهم قلة، يذكرون الأبناء والأحفاد وأحفاد الأبناء بما كان علية الآباء والأجداد.
ولكن المقولة التي ذكرها ابن نطوطة عن أهل السراة عموما هي خطأ، قال: "إنهم متى أقاموا ببلادهم، ولم يأتوا بهذه الميرة أجدبت بلادهم، ووقع الموت في مواشيهم، ومتى أوصلوا الميرة أخصبت بلادهم، وظهرت فيها البركة، ونمت أموالهم" ليست صحيحة؛ لأن القبائل المذكورة وغيرها في ذلك الزمان لا موارد لها سوى الزراعة، وتربية المواشي، فهم من أبعد الناس عن الكسل عن مزارعهم، ومصالح معاشهم، بل يتنافسون في الهمة والرجالة في ذلك.
وقوله: "فهم إذا حان وقت ميرتهم وأدركهم كسل عنها اجتمعت نساؤهم فأخرجنهم"! كلك غير صحيح فليس للنساء دور في أمر الرجال بشيء، أو منعهم من شيء، إلا في المشاركة في العمل، وهو أمر يشمل كل أفراد العائلة، ويتعاون الناس القريب منهم والبعيد، ولكن قد يحصل الجدب في بعض المناطق، وتخصب مناطق أخر، وكان من عادتهم المواساة في هذه الظروف، فيحل المجدب على المخصب، وينال خيرا كثيرا، والأيام دول بينهم، ولذلك يقول الشاعر الغامدي في وصف السنة المجدبة في قصيدة طويلة منها:
واشرب الما من آلبيار واتروح قاعا صفصفا*
وا تدهن بسمن البدو والتاجر اتسلط عليه*
واندر (1) الساروري وَيْلَ (2) التهامي يدوِّرْ للمعوشة*
والتهامي نبيِّح ميرته واطلعه وَيْلَ (3) السراة*
--------------------------------------------
কৃষি অনুরাগী কিছু প্রবীণ ব্যক্তি, যারা সংখ্যায় অতি নগণ্য, তারা সন্তান, নাতি-নাতনি এবং তাদের পরবর্তী প্রজন্মকে তাদের পূর্বপুরুষদের জীবনধারা সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দেন।
কিন্তু ইবনে বতুতা সাধারণভাবে সরাতের অধিবাসীদের সম্পর্কে যা উল্লেখ করেছেন তা ভুল। তিনি বলেছেন: "তারা যখন নিজ দেশে অবস্থান করে এবং এই খাদ্যশস্য সংগ্রহ করতে না আসে, তখন তাদের দেশ দুর্ভিক্ষকবলিত হয় এবং তাদের গবাদি পশুর মৃত্যু ঘটে; আর যখন তারা খাদ্যশস্য নিয়ে আসে, তখন তাদের দেশ উর্বর হয়, সেখানে বরকত প্রকাশ পায় এবং তাদের ধন-সম্পদ বৃদ্ধি পায়"—এই উক্তিটি সঠিক নয়; কারণ উল্লিখিত গোত্রসমূহ এবং তখনকার অন্যদের কৃষি ও পশুপালন ছাড়া অন্য কোনো সম্পদ বা জীবিকার উৎস ছিল না। তাই তারা তাদের খামার এবং জীবনযাত্রার প্রয়োজনে অলসতা থেকে অনেক দূরে ছিল, বরং তারা এই বিষয়ে সাহস ও পুরুষত্বের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হতো।
এবং তার এই উক্তি: "তাদের খাদ্য সংগ্রহের সময় হলে যদি তারা অলসতা বোধ করত, তবে তাদের স্ত্রীরা একত্রিত হয়ে তাদের বের করে দিত!"—এটিও সঠিক নয়। পুরুষদের আদেশ করা বা কোনো কাজে বাধা দেওয়ার ক্ষেত্রে নারীদের কোনো ভূমিকা ছিল না, তবে তারা কাজে অংশগ্রহণ করত, যা পরিবারের সকল সদস্যের জন্য প্রযোজ্য ছিল। নিকটবর্তী এবং দূরবর্তী মানুষ একে অপরকে সহযোগিতা করত। তবে কিছু অঞ্চলে খরা হতে পারত এবং অন্য অঞ্চলগুলো উর্বর হতে পারত। এই পরিস্থিতিতে পারস্পরিক সহমর্মিতা ছিল তাদের অভ্যাস; তাই অভাবগ্রস্তরা সচ্ছলদের নিকট আশ্রয় নিত এবং অনেক কল্যাণ লাভ করত। দিনগুলো তাদের মাঝে আবর্তিত হতো। এ কারণেই গামেদি কবি একটি দীর্ঘ কবিতায় খরার বছরের বর্ণনায় বলেন:
কূপ থেকে পানি পান করো এবং সমতল প্রান্তরে বিচরণ করো*
বেদুইনদের ঘি মেখে নাও এবং বণিকের ওপর আধিপত্য বিস্তার করো*
সারুরি (১) নেমে আসে তিহামির (২) অভিমুখে জীবিকার সন্ধানে*
আর তিহামি তার খাদ্যভাণ্ডার নিঃশেষ করে সরাতের (৩) দিকে আরোহণ করে*
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ২২)
هذي اعلامنا يا زرقوي وان بغيت آزيد زدنا*
وانت فاصبر لحكم الله والصبر مفتاح الفرج*
هذا وصف سنة الجدب، وتعامل المخصب مع المجدب، سواء بسواء بين سكان السراة وتهامة، هذا في القبيلة الواحدة، كزهران والبطون منها، بل يتعدى وينطبق الحال بين القبئل، كزهران وبني مالك، وغامد، على أني لا أنكر دعوة إبراهيم عليه السلام للبلد الحرام، وكرامته وأهله على سكان الأرض، ولكن ما ذكر ابن بطوطة في الميرة ليس صحيحا، وليس سببا في حدوث الجدب أحيانا، والجد بأمر الله دول على الأرض قاصيها ودانيها، إلى أن يرثها الله عز وجل.
أما الأن فقد حان الشروع في كتابة ما يمكننا العثور عليه من المنسوبين إلى دوس، ومن حل السراة منهم ومن رحل، ومن كتب الله لهم المشاركة في أمجاد الفتح الإسلامي، ومن تدرج في منكب الأرض، وساس الناس ورأس، ومن ساد بالعلم وغير ذلك، ونسأل الله التمام عليه التوكل وبه الاعتصام.
(1) إبراهيم بن أحمد الدوسيأبو إسحاق حفيد الإمام مسدد، روى عن أبيه أحمد قال: حدثني أبي مسدد، وذكر سنده عن عائشة رضي الله عنها "أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقبل الهدية ويثيب عليها" (1)، والد أحمد ترجمته (20) وللوقوف على النسب أنظر: ترجمة جده مسدد (218).
(2) ابن حميد الدوسي (2).
راوي سنن النسائي، عن أبي نصر الكسار، عن ابن السني، عن النسائي، رواها عنه أبو زرعة (3)، ولعله خطأ والصواب: أبو محمد عبد الرحمن بن محمد الصوفي،
--------------------------------------------
এগুলো আমাদের নিশান হে জারকাউয়ি, আর তুমি যদি আরও চাও তবে আমরা বৃদ্ধি করব*
আর তুমি আল্লাহর ফয়সালার উপর সবর করো, আর সবরই হলো মুক্তির চাবিকাঠি*
এটি দুর্ভিক্ষের বছরের বর্ণনা, এবং সচ্ছল ব্যক্তির পক্ষ থেকে দুর্ভিক্ষকবলিত ব্যক্তির সাথে আচরণের বর্ণনা, যা সারাত ও তিহামাহর অধিবাসীদের মধ্যে সমানভাবে বিদ্যমান। এটি একটি গোত্রের ক্ষেত্রেও ঘটে, যেমন জাহারান এবং তার শাখাগুলো, বরং এটি গোত্রগুলোর মাঝেও প্রযোজ্য, যেমন জাহারান, বনী মালিক এবং গামিদ। যদিও আমি পবিত্র শহরের প্রতি ইব্রাহিম আলাইহিস সালামের দুআ এবং পৃথিবীর অধিবাসীদের উপর এর ও এর অধিবাসীদের মর্যাদাকে অস্বীকার করি না, তবে ইবনে বতুতা খাদ্যদ্রব্য সরবরাহের বিষয়ে যা উল্লেখ করেছেন তা সঠিক নয়। এটি মাঝে মাঝে দুর্ভিক্ষের কারণ নয়। আর আল্লাহর আদেশে দুর্ভিক্ষ পৃথিবীতে পর্যায়ক্রমে আসে, এর দূরবর্তী ও নিকটবর্তী স্থানে, যতক্ষণ না আল্লাহ মহান ও পরাক্রমশালী এর উত্তরাধিকারী হন।
আর এখন, দাউস গোত্রের সাথে সম্পর্কিত যাদের সন্ধান পাওয়া সম্ভব তাদের সম্পর্কে লেখা শুরু করার সময় এসেছে। তাদের মধ্যে যারা সারাত অঞ্চলে বসবাস করেছেন এবং যারা সেখান থেকে প্রস্থান করেছেন, যাদের জন্য আল্লাহ ইসলামী বিজয়ের গৌরবময় অধ্যায়গুলোতে অংশগ্রহণের সৌভাগ্য লিখেছিলেন, যারা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে বিচরণ করেছেন, মানুষের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং শাসন করেছেন, যারা জ্ঞানের মাধ্যমে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন এবং এর বাইরেও আরও অনেক কিছু। আমরা আল্লাহর কাছে এর পূর্ণতা প্রার্থনা করি, তাঁরই ওপর ভরসা করি এবং তাঁরই কাছে আশ্রয় চাই।
(১) ইব্রাহিম বিন আহমদ আদ-দাউসিআবু ইসহাক ইমাম মুসাদ্দাদের নাতি। তিনি তাঁর পিতা আহমদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা মুসাদ্দাদ আমাকে বর্ণনা করেছেন—তিনি তাঁর সনদে আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, "আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হাদিয়া কবুল করতেন এবং তার প্রতিদান দিতেন" (১), আহমদের পিতার জীবনী (২০)-এ রয়েছে এবং বংশপরিচয় জানতে তাঁর দাদা মুসাদ্দাদের জীবনী (২১৮) দেখুন।
(২) ইবনে হুমাইদ আদ-দাউসি (২)।
সুনান আন-নাসায়ীর বর্ণনাকারী, আবু নাসর আল-কাসসার থেকে, তিনি ইবনুস সুন্নি থেকে, তিনি নাসায়ী থেকে। এটি তাঁর থেকে আবু জুরআ বর্ণনা করেছেন (৩), সম্ভবত এটি ভুল এবং সঠিক হলো: আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ আস-সুফি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ২৩)
الدوني، راوي سنن النسائي، عن القاضي أبي نصر أحمد بن الحسين الكسار (1)، تحرف "الدوني" إلى "الدوسي".
(3) أبو أزيهر الدوسي.
اسمه كنيته: أبو أزيهر بن أنيس بن الجيسق (2) بن كعب بن الحارث بن العطريف أحد بني دوس بن عدثان بن عبدالله بن زهران (3).
قلت: هذا قول أبي البقاء الحِلِّي: وليس صحيحا أن أبا أزيهر من ولد دوس بن عدثان، بل من ولد ابن عم دوس: نصر بن زهران؛ لأن الغطريف هكذا نسبه: الغطريف بن عامر بن الغطريف بن يشكر بن مبشر بن صعب بن دهمان بن نصر بن زهران بن كعب بن الحارث بن كعب بن عبدالله بن مالك بن نصر بن الأزد، قال ذلك أحمد بن الحباب النسابة (4).
قلت: ولعله نسب إلى دوس مع أنه ابن العم، ومن أخذ بثأره من أبناء دوس إنما كان انتصارا لابن العم.
قُتل أبو أزيهر بعد وقعة بدر في حياة النبي صلى الله عليه وسلم (5)، كان أبو أزيهر قد زوج الوليد بن المغيرة أبو خالد رضي الله عنه، زوجه بنتا ثم أمسكها عنه، فلم يدخلها عليه حتى مات، وكان قد قبض عقرها منه، وهو صداقها، فلما مات الوليد وثب بنوا مخزوم على خزاعة يلتمسون منهم عقر الوليد، وقالوا: إنما قتله سهم صاحبكم، فأبت عليهم خزاعة ذلك،
--------------------------------------------
আদ-দুনী, সুনানে নাসায়ীর বর্ণনাকারী, কাজী আবু নাসর আহমদ ইবনুল হুসাইন আল-কাসসার (১) থেকে বর্ণিত, "আদ-দুনী" শব্দটি বিকৃত হয়ে "আদ-দাওসী" হয়ে গিয়েছে।
(৩) আবু আযিহার আদ-দাওসী.
তাঁর নামই তাঁর উপনাম (কুনিয়াত): আবু আযিহার ইবনে আনিস ইবনুল জাইসাক (২) ইবনে কাব ইবনুল হারিস ইবনুল গাতরিফ; তিনি বনু দাওস ইবনে আদসান ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে যাহরান (৩) গোত্রের অন্তর্ভুক্ত।
আমি (গ্রন্থকার) বলছি: এটি আবু আল-বাকা আল-হিল্লীর বক্তব্য। তবে আবু আযিহার যে দাওস ইবনে আদসানের বংশধর তা সঠিক নয়, বরং তিনি দাওসের চাচাতো ভাই নাসর ইবনে যাহরানের বংশধর। কারণ আল-গাতরিফের বংশপরম্পরা নিম্নরূপ: আল-গাতরিফ ইবনে আমির ইবনুল গাতরিফ ইবনে ইয়াশকর ইবনে মুবাশশির ইবনে সা’ব ইবনে দাহমান ইবনে নাসর ইবনে যাহরান ইবনে কাব ইবনুল হারিস ইবনে কাব ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মালিক ইবনে নাসর ইবনুল আযদ। বংশবিদ্যাবিশারদ আহমদ ইবনুল হুবাব (৪) এরূপই বলেছেন।
আমি বলছি: সম্ভবত তাঁকে দাওস গোত্রের দিকে সম্বন্ধযুক্ত করা হয়েছে যদিও তিনি চাচাতো ভাই ছিলেন। আর দাওসের বংশধরদের মধ্যে যারা তাঁর হত্যার প্রতিশোধ নিয়েছিলেন, তারা মূলত তাদের চাচাতো ভাইয়ের পক্ষাবলম্বন করেই তা করেছিলেন।
আবু আযিহার বদরের যুদ্ধের পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবদ্দশায় নিহত হন (৫)। আবু আযিহার তাঁর এক কন্যাকে আবু খালিদ ওয়ালিদ ইবনুল মুগীরা রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে বিয়ে দিয়েছিলেন। এরপর তিনি তাকে নিজের কাছেই রেখে দেন এবং ওয়ালিদের মৃত্যু পর্যন্ত তার কাছে পাঠাননি। তিনি তার নিকট থেকে মোহরানা গ্রহণ করেছিলেন। যখন ওয়ালিদ মারা গেলেন, তখন বনু মাখযুম গোত্র খুযাআ গোত্রের ওপর চড়াও হলো এবং ওয়ালিদের সেই মোহরানা ফেরত চাইল। তারা বলল: তোমাদের সাথীর তীরই তাকে হত্যা করেছে। কিন্তু খুযাআ গোত্র তা দিতে অস্বীকার করল।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ২৪)
حتى تقاولوا أشعارا وغلظ بينهم الأمر، ثم أعطتهم خزاعة بعض العقل، واصلحوا وتحاجزوا، لكن عدا هشام بن الوليد (1)، أخو خالد بن الوليد رضي الله عنه على أبي أزيهر وهو بسوق ذي المجاز فقتله، وكان شريفا في قومه، وكانت ابنته عاتكة تحت أبي سفيان، وذلك بعد وقعة بدر، فعمد يزيد بن أبي سفيان فجمع الناس لبني مخزوم وكا أبوه غائبا، فلما جاء أبو سفيان غاظه ما صنع ابنه يزيد، فلامه على ذلك وضربه، وودى أبا أزيهر؛ لأنه صهره كان يدخل مكة في جواره، وقال لزوجته عاتكة بنت أبي أزيهر: أعمدت على أن تقتل قريش بعضها بعضا في رجل من دوس، وكتب حسان بن ثابت رضي الله عنه قصيدة له يحض أبا سفيان في دم أبي أزيهر، فقال: بئس ما ظن حسان أن يقتل بعضنا بعضا وقد ذهب أشرافنا يوم بدر (2).
قلت: عاتكة بنت أزيهر هي أم عنبسة ومحمد ابني أبي سفيان، كان عنبسة ولاه أخوه من أبيه معاوية رضي الله عنه على الطائف، وعزله وولى شقيقه عتبة (3)، وقد حررته للتمييز.
(4) أبو إسحاق الدوسيمذكور بكنيته، وسماه ابن أبي شيبة إبراهيم (4)، وقد روى عن أبي هريرة الدوسي رضي الله عنه، قال: بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في سرية فقال: «إن ظفرتم بفلان وفلان فحرقوهما بالنار» حتى إذا كان الغد بعث إلينا فقال: «إني كنت أمرتكم بتحريق هذين الرجلين، فرأيت أنه لا ينبغي لأحد أن يعذب بالنار إلا الله، فإن ظفرتم بهما فاقتلوهما» (5)، وفي
--------------------------------------------
এমনকি তারা একে অপরের বিরুদ্ধে কবিতা বিনিময় করল এবং তাদের মধ্যে পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে উঠল। অতঃপর খুজাআহ গোত্র তাদের কিছু রক্তপণ প্রদান করল এবং তারা বিষয়টির মীমাংসা করল ও একে অপরের থেকে বিরত থাকল। কিন্তু হিশাম বিন ওয়ালিদ (১), যিনি খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর ভাই, যুল-মাজায বাজারে আবু আযয়হারের ওপর চড়াও হলেন এবং তাকে হত্যা করলেন। আবু আযয়হার তার কওমের মধ্যে একজন সম্মানিত ব্যক্তি ছিলেন। তার কন্যা আতিকা আবু সুফিয়ানের স্ত্রী ছিলেন এবং এটি ছিল বদর যুদ্ধের পরের ঘটনা। তখন ইয়াযিদ বিন আবু সুফিয়ান বনু মাখযুমের বিরুদ্ধে লোক জমায়েত করতে উদ্যত হলেন, তখন তার পিতা অনুপস্থিত ছিলেন। আবু সুফিয়ান যখন ফিরে এলেন, তখন তার পুত্র ইয়াযিদ যা করেছে তাতে তিনি অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হলেন। তিনি এ কারণে তাকে তিরস্কার করলেন ও প্রহার করলেন এবং আবু আযয়হারের রক্তপণ আদায় করলেন; কারণ তিনি ছিলেন তার আত্মীয় (শ্বশুর) এবং তিনি আবু সুফিয়ানের আশ্রয়ে মক্কায় প্রবেশ করতেন। তিনি তার স্ত্রী আতিকা বিনতে আবু আযয়হারকে বললেন: "তুমি কি চেয়েছিলে যে দাউস গোত্রের একজন লোকের জন্য কুরাইশরা একে অপরকে হত্যা করুক?" হাসসান বিন সাবিত (রাদিয়াল্লাহু আনহু) আবু আযয়হারের রক্তের প্রতিশোধ নিতে আবু সুফিয়ানকে প্ররোচিত করে একটি কবিতা লিখেছিলেন। তখন আবু সুফিয়ান বললেন: "হাসসান কতই না মন্দ ধারণা করেছে যে আমরা একে অপরকে হত্যা করব, অথচ বদরের দিন আমাদের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিবর্গ গত হয়েছেন (২)।"
আমি বলছি: আতিকা বিনতে আযয়হার হলেন আবু সুফিয়ানের দুই পুত্র আনবাসা ও মুহাম্মাদের মা। আনবাসাকে তার বৈমাত্রেয় ভাই মুআবিয়া (রাদিয়াল্লাহু আনহু) তায়েফের গভর্নর নিযুক্ত করেছিলেন, পরে তাকে অপসারণ করে তার আপন ভাই উতবাকে দায়িত্ব প্রদান করেন (৩)। পার্থক্যের খাতিরে আমি বিষয়টি সুস্পষ্ট করেছি।
(৪) আবু ইসহাক আদ-দাউসি
তিনি তার উপনামেই সুপরিচিত, তবে ইবনে আবি শায়বা তার নাম ইব্রাহিম (৪) উল্লেখ করেছেন। তিনি আবু হুরায়রা আদ-দাউসি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের একটি ক্ষুদ্র সেনা অভিযানে পাঠালেন এবং বললেন: «যদি তোমরা অমুক ও অমুককে পাকড়াও করতে পারো, তবে তাদের আগুনে পুড়িয়ে দিও»। পরদিন তিনি আমাদের কাছে লোক পাঠিয়ে বললেন: «আমি তোমাদের এই দুই ব্যক্তিকে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলাম, কিন্তু আমি অনুধাবন করেছি যে, আল্লাহ ছাড়া আর কারো জন্য আগুন দিয়ে শাস্তি দেওয়া সংগত নয়। অতএব, যদি তোমরা তাদের পাকড়াও করো, তবে তাদের হত্যা কোরো» (৫)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ২৫)
رواية: سمى الرجلين، قال: «إذا لقيتم هبار بن الأسود، ونافع بن عبدالقيس، فحرقوهما بالنار» (1).
وسبب هذا أن أبالعاص بن الربيع؛ زَوْج زينب بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم لما أسره الصحابة ثم أطلقه رسول الله صلى الله عليه وسلم من المدينة شرط عليه أن يجهز إليه ابنته زينب فجهزها، فتبعها هبار بن الأسود ورفيقه فنخسا بعيرها فأسقطت ومرضت من ذلك، وفي رواية: أن هبار بن الأسود أصاب زينب بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم بشيء وهي في خدرها، فاسقطت، "رماها بشيء فأصابها" فبعث رسول الله صلى الله عليه وسلم سرية فقال: «إن وجدتموه فجعلوه بين حزمتي حطب ثم اشعلوا فيه النار، ثم قال: إني لأستحي من الله، لا ينبغي لأحد أن يعذب بعذاب الله» (2)،
(5) أبو الأسود الدوسيلم أقف على ما يفيد عنه سوى قوله: كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم، وهذا يوحي بصحبته، ولذلك ذكره الحافظ ابن حجر في الإصابة.
(6) أبو العوام الدوسيلم أقف على ما يفيد عنه سوى أنه روى عن أبي ذر، وحسين بن علي، والحسن بن علي رضي الله عنهم، وروى عنه نوح بن قيس (3)، وجهَّله أبو حاتم (4)، وقال بن حجر: له شيء عن أبي ذر (5).
(7) أبو حناءة (6) بن أبي أزيهر الدوسي
نسب إلى دوس وهو من أبناء العم كما تقدم في ترجمة أبي أزيهر (3) وهو صحابيله إدراك، وقتل بعد وقعت بدر في حياة النبي صلى الله عليه وسلم ولأبي حناءة هذا بنت تسمى
--------------------------------------------
বর্ণনা: তিনি দুজন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছেন, তিনি বলেছেন: «যদি তোমরা হাব্বার ইবনে আসওয়াদ এবং নাফে ইবনে আবদিল কায়সের দেখা পাও, তবে তাদের উভয়কে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দাও» (১)।
এর কারণ হলো, যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কন্যা জয়নাবের স্বামী আবুল আস ইবনুর রাবীকে সাহাবায়ে কেরাম বন্দী করেছিলেন এবং পরে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে এই শর্তে মদিনা থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন যে, সে তাঁর কাছে তাঁর কন্যা জয়নাবকে পাঠিয়ে দেবে। ফলে সে তাঁকে পাঠায়। তখন হাব্বার ইবনে আসওয়াদ এবং তার সাথী তাঁকে অনুসরণ করে এবং তাঁর উটকে আঘাত করে, ফলে তিনি (গর্ভপাত করে) পড়ে যান এবং সেই কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন। অন্য এক বর্ণনায় আছে: হাব্বার ইবনে আসওয়াদ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কন্যা জয়নাবকে কোনো কিছু দিয়ে আঘাত করে যখন তিনি তাঁর হাওদায় ছিলেন, ফলে তাঁর গর্ভপাত ঘটে, "সে তাঁকে কিছু ছুড়ে মারে যা তাঁকে আঘাত করে"। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি বাহিনী পাঠান এবং বলেন: «যদি তোমরা তাকে পাও তবে তাকে দুই আটি কাঠের মাঝখানে রাখো এবং তাতে আগুন জ্বালিয়ে দাও। অতঃপর তিনি বলেন: আমি আল্লাহকে লজ্জা করি, আল্লাহর আজাব দিয়ে কাউকে শাস্তি দেওয়া কারো জন্য উচিত নয়» (২)।
(৫) আবু আসওয়াদ আদ-দাওসিতাঁর সম্পর্কে এই কথাটি ছাড়া অন্য কোনো তথ্য আমার জানা নেই যে, তিনি বলেছেন: আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম, আর এটি তাঁর সাহাবিত্বের ইঙ্গিত দেয়, এই কারণেই হাফিজ ইবনে হাজার 'আল-ইসাবাহ' গ্রন্থে তাঁকে উল্লেখ করেছেন।
(৬) আবুল আওয়াম আদ-দাওসিতাঁর সম্পর্কে এই তথ্যটুকু ছাড়া আমি আর কিছুই পাইনি যে, তিনি আবু যর, হুসাইন ইবনে আলী এবং হাসান ইবনে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন নূহ ইবনে কাইস (৩)। আবু হাতিম তাঁকে অপরিচিত বলেছেন (৪), আর ইবনে হাজার বলেছেন: আবু যর থেকে তাঁর সামান্য কিছু বর্ণনা আছে (৫)।
(৭) আবু হানাআহ (৬) ইবনে আবি আযিহার আদ-দাওসি
তিনি দাওস গোত্রের দিকে সম্বন্ধযুক্ত এবং তিনি চাচাতো ভাইদের অন্তর্ভুক্ত, যেমনটি আগে আবু আযিহারের জীবনীতে (৩) উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি একজন সাহাবী যিনি নবীজির যুগ পেয়েছেন এবং বদর যুদ্ধের পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবদ্দশাতেই শহীদ হন। এই আবু হানাআহর একটি কন্যা ছিল যার নাম
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ২৬)
شميلة (1) تزوجها مجاشع بن مسعود، وهي صاحبة القصة مع نصر بن حجاج (2)، والله أعلم بالقصة.
(8) أبو زهر الدوسيلم أقف على ذكر له إلا عند الصفدي، ضمن تصانيف في الأحلاف قال: كتاب أبي زهر الدوسي (3)، ولعله تصحف من أبي زهير: كنية لأكثر من شخص، ومنهم: عبد الرحمن بن مغراء ترجمته (123).
(9) ابو زيد الدوسيلم أقف على ذكر له إلا عند الحافظ ابن حجر، عند ذكر مرداس المعلم، قال: ذكره أبو زيد الدوسي كتاب الأسرار، بغير سند، فقال: مر النبي صلى الله عليه وسلم بمرداس المعلم فقال: «إياك الخبز المرقق، والشرط على كتاب الله تعالى»، وهذا لم أقف له على سند (4).
(10) أبو صفيح بن سعد الدوسيوالد سعد بن صفيح (5) ترجمته (92) ابن الحارث بن شابي بن أبي صعب بن هُنْيَة ابن سعد بن ثعلبة بن سليم بن فهم بن غنم بن دوس؛ ابن خال أبي هريرة، وابن خال أبي أزيهر، فأبو هريرة، وأبو أزيهر ولدا الأختين، وقد قَتَل به تسعة، قال سراقة الأكبر بن مرداس فيما جعلت قريش للأزد (6) عليهم من الخراج بعد أن قتلت الأزد (7) منهم وسمى بعض من قتل:
--------------------------------------------
শুমাইলাহ (১) মুজাশী বিন মাসউদ তাকে বিবাহ করেন। তিনি হলেন সেই নারী যার সাথে নাসর বিন হাজ্জাজের (২) ঘটনাটি সংশ্লিষ্ট। আর এ ঘটনা সম্পর্কে আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।
(৮) আবু যাহর আদ-দাওসীআস-সাফাদী ব্যতীত অন্য কারো কাছে আমি তার উল্লেখ পাইনি। তিনি বিভিন্ন মিত্রতা (আহলাফ) বিষয়ক রচনার আলোচনায় বলেছেন: আবু যাহর আদ-দাওসীর গ্রন্থ (৩)। সম্ভবত এটি আবু যুহাইর নামের বিকৃত রূপ (তাসহিফ); যা একাধিক ব্যক্তির উপনাম (কুনয়া)। তাদের মধ্যে রয়েছেন: আবদুর রহমান বিন মাগরা, তার জীবনী (১২৩) দ্রষ্টব্য।
(৯) আবু যাইদ আদ-দাওসীহাফিজ ইবনে হাজার ব্যতীত অন্য কারো কাছে আমি তার উল্লেখ পাইনি। মিরদাস আল-মুয়াল্লিমের বর্ণনার সময় তিনি বলেন: আবু যাইদ আদ-দাওসী ‘কিতাবুল আসরার’-এ কোনো সনদ ছাড়াই তার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিরদাস আল-মুয়াল্লিমের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি বললেন: «খুব পাতলা রুটি এবং আল্লাহর কিতাব (শিক্ষা দান)-এর বিনিময়ে পারিশ্রমিক নির্ধারণ থেকে বেঁচে থেকো», তবে এ বর্ণনার কোনো সনদ আমি পাইনি (৪)।
(১০) আবু সাফীহ বিন সাদ আদ-দাওসীসাদ বিন সাফীহ-এর (৫) পিতা, জীবনী (৯২); আল-হারিস বিন শাবীর পুত্র, তিনি আবি সাব বিন হুনিয়া বিন সাদ বিন সা’লাবা বিন সুলাইম বিন ফাহম বিন গানাম বিন দাওস-এর পুত্র। তিনি আবু হুরাইরার মামাতো ভাই এবং আবু উযাইহিরেরও মামাতো ভাই। আবু হুরাইরা ও আবু উযাইহির ছিলেন দুই বোনের ছেলে। তার কারণে নয়জন নিহত হয়েছিল। কুরাইশরা আযদ (৬) গোত্রকে যে খারাজ প্রদান করেছিল—আযদ (৭) গোত্র তাদের কিছু লোককে হত্যা করার পর—সে সম্পর্কে সুরাকা আল-আকবার বিন মিরদাস ছন্দবদ্ধ ভাষায় বলেন এবং তিনি নিহতদের কারো কারো নাম উল্লেখ করেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ২৭)
لقد علمت بنوا أسْد بأنا
… تقحمنا المشاعر معلمينا
تركنا بَعْككا (1) وابني هشام
… وعوفا بعده القوام رهنا
وحربا والمسيب إذ لقينا
… ولم نك من قريش أو جرينا (2)
تركنا تسعة للطير منهم
… بمكة والسباع مطرحينا
فلما أن قضينا الدين قالوا
… نريد السلم قلنا قد رضينا
وضعنا الخرج موظوفاعليهم
… يؤدون الإتاوة (3) آخرينا (4)
لنا في العير دينار مسمى
… به حزَّ الحلاقم يتقونا
ولولا ذاك ما جالت قريش
… شمالا في البلاد ولا يمينا
فلم يزل ذلك عليم يؤدونه إلى الأزد (5) حتى ظهر النبي صلى الله عليه وسلم وطرحه فيما طرح من سنن الجاهلية (6).
قلت: الحمدلله الذي أنعم علينا بالإسلام، دين الحق والهدى، شرع الأحكام، وقضى على الجاهلية، فاجتمع عباده على فارق واحد هو التقوى، فكانوا بذلك إخوة، يظللهم كتاب الله وسنة نبيه محمد صلى الله عليه وسلم ، ثم وَحْدَةُ القبائل في المملكة يضرب بها المثل في التراحم والإخاء.
(11) أبو عامر الدوسيتبين لي من خلال البحث أن خلطا حدث في هذا، بين أن يكون عامر بن الطفيل، وترجمته (109) أو أبا عامر كما هنا، أو الطفيل بن عمرو، ترجمته (106) والذي أراه أن الخلط وقع في كتاب فتوح الشام للواقدي، فإنه الوحيد الذي قال عامر الدوسي، وتارة كناه أبا عامر، ولعل الخطأ من النسخ، وذكر أنه حامل كتاب عمرو
--------------------------------------------
বনূ আসাদ অবশ্যই জেনেছে যে আমরা
… পবিত্র স্থানগুলোতে প্রবেশ করেছি সুপরিজ্ঞাত অবস্থায়।
আমরা পেছনে ফেলে এসেছি বাককাক (১) এবং হিশামের দুই পুত্রকে
… আর আউফকে তার পরে কওমের স্তম্ভ হিসেবে বন্ধক রেখে।
এবং হারব ও মুসাইয়াবকে যখন আমরা তাদের সাথে দেখা করলাম
… আমরা কুরাইশদের মতো ছিলাম না বা আমরা পলায়ন করিনি (২)।
আমরা তাদের নয় জনকে পাখিদের জন্য ছেড়ে দিয়েছি
… মক্কায় বন্য পশুর সামনে নিক্ষিপ্ত অবস্থায়।
অতঃপর যখন আমরা ঋণ পরিশোধ করলাম (প্রতিশোধ নিলাম), তারা বলল
… আমরা শান্তি চাই, আমরা বললাম আমরা তাতে সন্তুষ্ট।
আমরা তাদের ওপর নির্দিষ্ট কর ধার্য করেছি
… তারা সেই কর পরিশোধ করে হীন অবস্থায় (৩) (৪)।
পণ্যের কাফেলায় আমাদের জন্য একটি নির্দিষ্ট দিনার রয়েছে
… যার মাধ্যমে তারা নিজেদের কণ্ঠনালী কেটে ফেলা থেকে রক্ষা করে।
আর যদি এই ব্যবস্থা না থাকত তবে কুরাইশরা ভ্রমণ করতে পারত না
… রাজ্যের উত্তরে কিংবা দক্ষিণে।
এই ব্যবস্থা তাদের ওপর বলবৎ ছিল যা তারা আযদ গোত্রকে (৫) প্রদান করত, যতক্ষণ না নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবির্ভূত হলেন এবং জাহিলিয়্যাতের অন্যান্য প্রথার মতো একেও বাতিল করে দিলেন (৬)।
আমি বলছি: সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি আমাদের ইসলাম দিয়ে ধন্য করেছেন, যা সত্য ও হিদায়াতের দীন, তিনি বিধি-বিধান প্রবর্তন করেছেন এবং জাহিলিয়্যাতকে নির্মূল করেছেন। ফলে তাঁর বান্দাগণ একটি মাত্র পার্থক্যের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, আর তা হলো তাকওয়া। এর মাধ্যমে তারা পরস্পর ভাই ভাই হয়ে গেছে, আল্লাহর কিতাব এবং তাঁর নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাহ তাদের ছায়া প্রদান করছে। অতঃপর বর্তমানে এই রাজ্যের গোত্রগুলোর ঐক্য সহানুভূতি ও ভ্রাতৃত্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।
(১১) আবু আমির আদ-দুসীগবেষণার মাধ্যমে আমার কাছে স্পষ্ট হয়েছে যে, এ বিষয়ে একটি বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে—তিনি আমির বিন তুফাইল (জীবনী নং ১০৯) হবেন, নাকি আবু আমির হবেন যেমনটি এখানে আছে, অথবা তুফাইল বিন আমর (জীবনী নং ১০৬) হবেন। আমার মতে, এই বিভ্রান্তিটি ওয়াকিদির 'ফুতুহ আল-শাম' গ্রন্থে ঘটেছে; কারণ তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি আমির আদ-দুসী বলেছেন, আবার কখনো তাকে আবু আমির উপনামে ডেকেছেন। সম্ভবত এই ভুলটি পাণ্ডুলিপি নকলকারীদের থেকে হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তিনি আমর-এর পত্রবাহক ছিলেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ২৮)
بن العاص إلى أبي عبيدة رضي الله عنهم "بسم الله الرحمن الرحيم من عمرو بن العاص إلى أمين الأمة أما بعد:
فإني أحمد الله الذي لا إله إلا هو، وأصلي على نبيه محمد صلى الله عليه وسلم ، وإني قد وصلت إلى أرض فلسطين، ولقينا عساكر الروم مع بطريق يقال له: "روبيس"في مائة ألف فارس، فمَنّ الله بالنصر وقتل من الروم خمسة عشر ألف فارس، وفتح الله على يدي فلسطين، بعد أن قتل من المسلمين مائة وثلاثون رجلا، فإن احتجت إلي سرت إليك، والسلام عليك ورحمة الله وبركاته" ودفع الكتاب إلى أبي عامر الدوسي وأمره أن يسير إلى أبي عبيدة، فأسرع عامر بالكتاب فوجد أبا عبيدة وهو نازل بأرض الشام، وجاهر بالدخول إليها، غير أنه أمَره كما أمَره أبو بكر، فلما وصل أبو عامر قال له أبو عبيدة: ما وراءك؟ قال: خيرا، هذا كتاب من عمرو بن العاص يخبرك بما فتح الله على يديه، ثم سلم إليه الكتاب فلما قرأه خر ساجدا فرحا بنصر الله، ثم قال: والله قُتل من المسلمين رجال أخيار منهم سعيد بن خالد، قال أبو عامر: فكان خالد والده جالسا، فلما سمع بأن ولده قد قتل قال: وا ابناه، وجعل يبكيه حتى بكى المسلمون لبكائه، ثم إن خالدا أسرع إلى فرسه فركبها، وعزم إلى أرض فلسطين لينظر إلى قبر ولده، فقال أبو عبيدة: كيف تسير وتدعنا؟ فقال: إنما انظر إلى قبر ولدي وأرجو الله ان يلحقني به، قال: وكتب أبو عبيدة كتابا لعمرو بن العاص يقول فيه: "بسم الله الرحمن الرحيم إنما أنت مأمور، فإن كان أبو بكر أمرك أن تكون معنا فسر إلينا، وإن كان أمرك بالثبات في موضعك فاثبت، والسلام عليك ورحمة الله وبركاته" وطوى الكتاب وسلمه إلى خالد بن سعيد وسار مع أبي عامر إلى أن أتيا إلى جيش عمرو بن العاص، فدفع له الكتاب وهو يبكي، فوثب عمرو وصافح خالد ورفع منزلته، وعزاه في ولده سعيد، وعزاه المسلمون، فقال خالد: ياأيها الناس هل أروى سعيد رمحه وسيفه في الكفار؟ قالوا: نعم فلقد قاتل وما قصر، ولقد جاهد في الدين ونَصر، فقال: أروني قبره، فأروه إياه فأقام على القبر وقال: يا ولدي رزقني الله الصبر عليك وألحقني بك، وإنا لله وإنا إليه راجعون، والله إن مكنني الله لآخذن بثأرك ياولدي، عند الله احتسبك، ثم قال لعمرو بن العاص: إني أريد أن أَسْري بسرية
আমর ইবনুল আস থেকে আবু উবাইদাহর প্রতি (আল্লাহ তাদের সকলের ওপর সন্তুষ্ট হন): "পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আমর ইবনুল আসের পক্ষ থেকে উম্মতের আমিনের প্রতি। অতঃপর:
আমি সেই আল্লাহর প্রশংসা করছি যিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই এবং তাঁর নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওপর দরুদ পাঠ করছি। আমি ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে পৌঁছেছি এবং আমরা রোমান বাহিনীর সম্মুখীন হয়েছি যাদের নেতৃত্বে ছিল 'রুবিস' নামক এক সেনাপতি। তাদের সঙ্গে ছিল এক লক্ষ অশ্বারোহী। আল্লাহ তাআলা আমাদের বিজয় দান করেছেন এবং পনের হাজার রোমান অশ্বারোহী নিহত হয়েছে। আমার হাতেই আল্লাহ ফিলিস্তিন বিজয় করেছেন, যেখানে একশ ত্রিশ জন মুসলিম শহীদ হয়েছেন। আপনার যদি আমার প্রয়োজন হয়, তবে আমি আপনার কাছে চলে আসব। আপনার ওপর শান্তি এবং আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক।" অতঃপর তিনি চিঠিটি আবু আমের আদ-দাউসিকে দিলেন এবং তাকে আবু উবাইদাহর কাছে যাওয়ার নির্দেশ দিলেন। আমের দ্রুত চিঠিটি নিয়ে রওয়ানা হলেন এবং আবু উবাইদাহকে সিরিয়া ভূখণ্ডে অবস্থানরত অবস্থায় পেলেন। তিনি সেখানে প্রবেশের ঘোষণা দিয়েছিলেন, তবে তিনি আবু বকর যেভাবে নির্দেশ দিয়েছিলেন সেভাবেই তাকে নির্দেশ প্রদান করলেন। যখন আবু আমের পৌঁছালেন, আবু উবাইদাহ তাকে জিজ্ঞেস করলেন: তোমার কাছে খবর কী? তিনি বললেন: ভালো খবর, এটি আমর ইবনুল আসের পক্ষ থেকে একটি চিঠি যা আপনাকে আল্লাহ তাঁর হাতে যে বিজয় দান করেছেন সে সম্পর্কে সংবাদ দিচ্ছে। এরপর তিনি তাঁর কাছে চিঠিটি হস্তান্তর করলেন। যখন তিনি তা পড়লেন, আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রাপ্ত বিজয়ে আনন্দিত হয়ে সিজদায় লুটিয়ে পড়লেন। এরপর তিনি বললেন: আল্লাহর কসম, মুসলিমদের মধ্য থেকে কিছু উত্তম ব্যক্তি শহীদ হয়েছেন, যাদের মধ্যে সাঈদ বিন খালিদও রয়েছেন। আবু আমের বললেন: তার পিতা খালিদ সেখানে বসা ছিলেন। যখন তিনি শুনলেন যে তার পুত্র নিহত হয়েছে, তিনি বলে উঠলেন: হায় আমার বৎস! এবং তিনি কাঁদতে শুরু করলেন, এমনকি তাঁর কান্নায় মুসলিমরাও কাঁদতে লাগলেন। এরপর খালিদ দ্রুত তাঁর ঘোড়ার দিকে গিয়ে তাতে আরোহণ করলেন এবং নিজ পুত্রের কবর দেখার জন্য ফিলিস্তিনের উদ্দেশ্যে সংকল্প করলেন। তখন আবু উবাইদাহ বললেন: আপনি আমাদের ছেড়ে কীভাবে চলে যাচ্ছেন? তিনি বললেন: আমি কেবল আমার পুত্রের কবরটি দেখতে চাই এবং আল্লাহর কাছে আশা করি যেন তিনি আমাকে তার সাথে মিলিয়ে দেন। বর্ণনাকারী বলেন: আবু উবাইদাহ আমর ইবনুল আসের কাছে একটি চিঠি লিখলেন যাতে তিনি বললেন: "পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আপনি তো আদিষ্ট। আবু বকর যদি আপনাকে আমাদের সাথে থাকার নির্দেশ দিয়ে থাকেন তবে আমাদের দিকে চলে আসুন, আর যদি তিনি আপনাকে আপনার নিজ স্থানে অটল থাকার নির্দেশ দিয়ে থাকেন তবে সেখানেই অটল থাকুন। আপনার ওপর শান্তি এবং আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক।" এরপর তিনি চিঠিটি ভাঁজ করে খালিদ বিন সাঈদের হাতে দিলেন এবং তিনি আবু আমেরের সাথে চলতে লাগলেন যতক্ষণ না তারা আমর ইবনুল আসের সেনাবাহিনীর কাছে পৌঁছালেন। তিনি কাঁদতে কাঁদতে চিঠিটি তাঁর কাছে হস্তান্তর করলেন। আমর দ্রুত এগিয়ে গিয়ে খালিদের সাথে মুসাফাহা করলেন, তাঁকে উচ্চ মর্যাদা দিলেন এবং তাঁর পুত্র সাঈদের জন্য শোক প্রকাশ করলেন। অন্য মুসলিমরাও তাঁর প্রতি শোক প্রকাশ করলেন। খালিদ বললেন: হে লোকসকল! সাঈদ কি তার বর্শা ও তরবারি কাফেরদের রক্তে রঞ্জিত করতে পেরেছে? তারা বলল: হ্যাঁ, সে বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করেছে এবং কোনো ত্রুটি করেনি; সে দীনের পথে জিহাদ করেছে এবং সাহায্যপ্রাপ্ত হয়েছে। তিনি বললেন: আমাকে তার কবরটি দেখাও। তারা তাকে তা দেখাল। তিনি কবরের পাশে দাঁড়িয়ে বললেন: হে আমার বৎস! আল্লাহ আমাকে তোমার বিরহে ধৈর্য ধারণের তাওফিক দান করুন এবং আমাকে তোমার সাথে মিলিয়ে দিন। নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর এবং নিশ্চয়ই আমরা তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তনকারী। আল্লাহর কসম, যদি আল্লাহ আমাকে সামর্থ্য দেন তবে হে আমার বৎস, আমি অবশ্যই তোমার হত্যার প্রতিশোধ নেব। আমি তোমার বিষয়টি আল্লাহর কাছেই সোপর্দ করছি। এরপর তিনি আমর ইবনুল আসকে বললেন: আমি একটি ছোট সৈন্যদল নিয়ে রাত্রিকালীন অভিযানে বের হতে চাই।
(খণ্ড: ১)
আল-জাওসু ফিল মানসূবি ইলা দাউস
(পৃষ্ঠা: ২৯)
فلعل أن أجد فيهم فرصة أو غنيمة، وأكون قد أخذت بثأر ولدي فقال عمرو: إن الحرب أمامك.
وأبو عامر أو عامر الدوسي هو حامل كتاب عمرو بن العاص إلى أبي بكر الصديق رضي الله عنهم ، وذكر له ماجرى مع الروم، قال الأزدي: وبعث الكتاب مع أبي عامر رضي الله عنه قدم به إلى المدينة، وأعطاه أبا بكر الصديق رضي الله عنه فلما قرأه على المسلمين فرحوا وضجوا بالتهليل والتكبير والصلاة على البشير النذير، ثم إن أبا بكر استخبر عن أبي عبيدة فقال له عامر: إنه قد أشرف على أوائل الشام، ولم يجسر على الدخول إليها، وأنه سمع أن جيوش الملك قد اجتمعت من حول أجنادين وهم أمم لا تحصى، وقد خاف على المسلمين أن يتوسط بهم عدوهم (1).
(12) أبو عبد الله بن سليمان بن زيد الدوسيلم أقف على ما يفيد عنه سوى أنه قال: حدثني الفضل بن العباس بن سعيد بن سلم بن قتيبة الباهلي قال: حدثنا محمد بن حرب بن قطن بن قبيصة بن مخارق الهلالي قال: لما مات المهدي وفدت العرب على موسى يهنئونه بالخلافة، ويعزونه عن المهدي، فدخل مروان بن أبي حفصة فأخذ بعضادتي الباب ثم قال:
لقد أصبحتْ تختال في كل بلدة
… بقبر أمير المؤمنين المقابر
ولو لم تُسكَّن بابنه في مكانه
… لما برحت تبكي عليه المنابر
قال: فخرج الناس بالبيتين (2).
(13) أبو عوف الدوسيلم أقف على ما يفيد عنه سوى ما قال أبو الفرج، ومعلوم ما في كتابه من حرج (3).
(14) أبو فاطمة الدوسيقيل: اسمه عبدالله بن أنيس، صحابي شهد مصر، سكن الشام، وانتقل إلى مصر، واختط بها دارا (4)، وهو والد إياس ترجمته (32)، وحفيده عبدالله بن إياس، ترجمته (132).
--------------------------------------------
হয়তো আমি তাদের মধ্যে কোনো সুযোগ বা গণিমত খুঁজে পাব এবং আমার সন্তানের হত্যার প্রতিশোধ নিতে পারব। আমর বললেন: যুদ্ধ তো তোমার সামনেই।
আর আবু আমির বা আমির আদ-দাওসি হলেন সেই ব্যক্তি, যিনি আমর ইবনুল আসের চিঠি আবু বকর আস-সিদ্দিক (রাযিয়াল্লাহু আনহুম)-এর নিকট বহন করে নিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি তাঁর কাছে রোমকদের সাথে যা ঘটেছিল তা বর্ণনা করেন। আজদি বলেন: তিনি আবু আমির (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর মাধ্যমে চিঠিটি প্রেরণ করেন। তিনি সেটি নিয়ে মদিনায় আসেন এবং আবু বকর আস-সিদ্দিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে প্রদান করেন। যখন তিনি তা মুসলিমদের সামনে পাঠ করলেন, তারা আনন্দিত হলেন এবং উচ্চস্বরে তাহলিল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ), তাকবির (আল্লাহু আকবার) এবং সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী (নবী)-এর ওপর দরুদ পাঠ করতে লাগলেন। এরপর আবু বকর আবু উবাইদাহ সম্পর্কে সংবাদ জানতে চাইলেন। তখন আমির তাঁকে বললেন: তিনি শামের প্রবেশদ্বারগুলোর কাছাকাছি পৌঁছেছেন, তবে সেখানে প্রবেশের সাহস করেননি। তিনি শুনেছেন যে, আজনাদাইনের চারপাশে বাদশাহর বিশাল সৈন্যবাহিনী সমবেত হয়েছে, যারা সংখ্যায় অগণিত। তিনি মুসলিমদের ব্যাপারে আশঙ্কা করছেন যে শত্রু তাদের ঘেরাও করে ফেলতে পারে (১)।
(১২) আবু আব্দুল্লাহ বিন সুলাইমান বিন যাইদ আদ-দাওসিআমি তাঁর সম্পর্কে তেমন কিছু জানতে পারিনি, তবে তিনি বলেছেন: ফজল বিন আব্বাস বিন সাঈদ বিন সালাম বিন কুতাইবা আল-বাহিলি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন হারব বিন কাতান বিন কাবিসা বিন মুখারিক আল-হিলালি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যখন (খলিফা) মাহদি মারা গেলেন, আরবরা মুসার নিকট খেলাফতের জন্য অভিনন্দন জানাতে এবং মাহদির জন্য শোক প্রকাশ করতে প্রতিনিধি পাঠালেন। তখন মারওয়ান বিন আবি হাফসা প্রবেশ করলেন এবং দরজার দুই পাশ ধরে বললেন:
নিশ্চয়ই প্রতিটি জনপদের কবরস্থানগুলো... আমিরুল মুমিনীনের কবরের কারণে আজ গর্বিত হয়ে উঠেছে।
আর যদি তাঁর স্থলে তাঁর পুত্রকে স্থলাভিষিক্ত করা না হতো... তবে মিম্বরগুলো তাঁর শোকে ক্রন্দন করা থামাত না।
তিনি বলেন: এরপর মানুষ এই দুটি পঙ্ক্তি মুখে নিয়ে বের হয়ে পড়ল (২)।
(১৩) আবু আউফ আদ-দাওসিআবু আল-ফারাজ যা বলেছেন তা ছাড়া আমি তাঁর সম্পর্কে আর কোনো তথ্য পাইনি। আর তাঁর কিতাবে যে ধরণের অসংলগ্নতা বা ত্রুটি রয়েছে তা সবারই জানা (৩)।
(১৪) আবু ফাতিমা আদ-দাওসিবলা হয়: তাঁর নাম ছিল আব্দুল্লাহ বিন আনাস। তিনি একজন সাহাবী ছিলেন এবং মিশরের অভিযানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি প্রথমে শামে বসবাস করতেন, পরে মিশরে স্থানান্তরিত হন এবং সেখানে একটি বাড়ি নির্মাণ করেন (৪)। তিনি ইয়াসের পিতা, যাঁর জীবনী (৩২) নং-এ বর্ণিত হয়েছে; আর তাঁর নাতি হলেন আব্দুল্লাহ বিন ইয়াস, যাঁর জীবনী (১৩২) নং-এ বর্ণিত হয়েছে।
--------------------------------------------