0/0
(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: -)
ألفية ابن مالك - ت القاسم   (ابن مالك)

القسم: النحو والصرف


الكتاب: الخلاصة في النحو، ألفية ابن مالك

المؤلف: أبو عبد الله محمد بن عبد الله بن مالك الأندلسي (ت 672 هـ)

المحقق: د عبد المحسن بن محمد القاسم

محققة على نسخة مقروءة على تلميذ الناظم وعليها خطه وإجازته، ونسخة بخط ابن هشام ونسخ مقروءة على أبي حيان وابن السراج وابن عقيل والفيروزآبادي، ونسخ أخرى

الطبعة: الرابعة، 1442 هـ - 2021 م

عدد الصفحات: 441

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 17 جُمادَى الآخرة 1443

আলফিয়্যাহ ইবনে মালিক - তাহকিক: আল-কাসিম   (ইবনে মালিক)

বিভাগ: নাহু ও সরফ


গ্রন্থ: আল-খুলাসাহ ফিন নাহু, আলফিয়্যাহ ইবনে মালিক

লেখক: আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ বিন মালিক আল-আন্দালুসি (মৃত্যু ৬৭২ হিজরি)

গবেষক: ড. আব্দুল মুহসিন বিন মুহাম্মাদ আল-কাসিম

এটি রচয়িতার ছাত্রের নিকট পঠিত একটি পাণ্ডুলিপির ভিত্তিতে সম্পাদিত হয়েছে যাতে রচয়িতার স্বহস্তাক্ষর ও অনুমতি (ইজাজত) রয়েছে, এবং ইবনে হিশামের হস্তলিপি সম্বলিত পাণ্ডুলিপি ও আবু হাইয়ান, ইবনে আল-সাররাজ, ইবনে আকিল ও আল-ফায়রুজাবাদি-র নিকট পঠিত পাণ্ডুলিপি এবং অন্যান্য পাণ্ডুলিপির ভিত্তিতে এটি যাচাই করা হয়েছে।

সংস্করণ: চতুর্থ, ১৪৪২ হিজরি - ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৪১

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ১৭ জুমাদিউল আখিরা ১৪৪৩

(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ১)
مُتُونُ طالِبِ العِلِم

مُحَقَّقَةٌ عَلى (230) مَخطوُطَة

المُستَوَى الخَامِسُ (3)

 

الخُلَاصَةُ في النَّحوِ

أَلفِيَّةُ ابْنِ مَالِكٍ

مُحَقَّقَةٌ عَلَى نُسَخَةٍ مَقرُوءةٍ عَلَى تِلمِيذِ النَّاظِمِ وَعَلَيهَا خَطُّهُ وَإجَازَتُهُ، وَنُسْخَةٍ بِخَطِ ابْنِ هِشَام وَنُسَخٍ مَقْرُوءَةٍ عَلَى أَبي حَيَّانَ وَابْنِ السَّرَّاجِ وابْن عَقِيلٍ وَالفَيْرُوزآبَادِيّ، وَنُسَخٍ أُخْرَى

 

نَظَمَهَا

أَبُو عَبْدِ اللهِ محمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْن مَالِكٍ الأَنْدَلُسِيّ

رحمه الله (ت 672 هـ)

 

تحقيق

د. عَبد المُحْسِن بن مُحَمَّدَ القَاسم

إمَامِ وَخَطِيبِ المَسجِدِ النَّبَوي الشَريف
ইলম অন্বেষীর পাঠ্যসমগ্র

২৩০টি পাণ্ডুলিপির ভিত্তিতে সম্পাদিত

পঞ্চম স্তর (৩)

 

নাহু শাস্ত্রের সারসংক্ষেপ

আলফিয়্যাহ ইবনে মালিক

মূল রচয়িতার ছাত্রের নিকট পঠিত এমন এক পাণ্ডুলিপির ভিত্তিতে সম্পাদিত যাতে রচয়িতার হস্তাক্ষর ও অনুমতি রয়েছে, এবং ইবনে হিশামের হস্তলিখিত পাণ্ডুলিপি এবং আবু হাইয়ান, ইবনাস সাররাজ, ইবনে আকিল ও আল-ফায়রুজাবাদীর নিকট পঠিত পাণ্ডুলিপি ও অন্যান্য কপির ভিত্তিতে সম্পাদিত

 

কাব্যরূপে রচনা করেছেন

আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মালিক আল-আন্দালুসি

আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন (মৃত্যু: ৬৭২ হিজরি)

 

সম্পাদনায়

ড. আব্দুল মুহসিন বিন মুহাম্মদ আল-কাসিম

ইমাম ও খতিব, মসজিদে নববী শরীফ
(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ২)
ح

عبد المحسن بن محمد القاسم 1442 هـ.

فهرسة مكتبة الملك فهد الوطنية أثناء النشر

الجياني، محمد بن عبد الله ابن مالك الطائي

الخلاصة في النحو (ألفية ابن مالك)./ محمد بن عبد الله ابن مالك الطائي الجياني؛ عبد المحسن بن محمد القاسم ـ ط 4 .. المدينة المنورة، 1442 هـ.

440 ص 17 × 24 سم

ردمك: 2 - 6585 - 03 - 603 - 978

1 ـ اللغة العربية ـ النحو

2 ـ اللغة العربية ـ الصرف

أ. القاسم، عبد المحسن بن محمد (محقق)

ب ـ العنوان

ديوي 415،1

3907/ 1442

رقم الإيداع: 3907/ 1442

ردمك: 2 - 6585 - 03 - 603 - 978

حقوق الطبع محفوظة

الطبعة الرابعة

1442 هـ - 2021 م
©

আব্দুল মুহসিন বিন মুহাম্মাদ আল-কাসিম ১৪৪২ হিজরি।

প্রকাশনা কালীন কিং ফাহাদ জাতীয় গ্রন্থাগার ক্যাটালগিং তথ্য

আল-জাইয়ানি, মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ ইবন মালিক আত-তাঈ

আল-খুলাসা ফিন নাহব (আলফিয়্যাহ ইবন মালিক)।/ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ ইবন মালিক আত-তাঈ আল-জাইয়ানি; আব্দুল মুহসিন বিন মুহাম্মাদ আল-কাসিম — ৪র্থ সংস্করণ.. মদিনা মুনাওয়ারা, ১৪৪২ হিজরি।

৪৪০ পৃষ্ঠা ১৭ × ২৪ সেমি

আইএসবিএন: ৯৭৮ - ৬০৩ - ০৩ - ৬৫৮৫ - ২

১ — আরবি ভাষা — নাহব (ব্যাকরণ)

২ — আরবি ভাষা — সরফ (শব্দপ্রকরণ)

ক. আল-কাসিম, আব্দুল মুহসিন বিন মুহাম্মাদ (মুহাক্কিক)

খ — শিরোনাম

ডিউই ৪১৫.১

৩৯০৭/ ১৪৪২

জমাদান নম্বর: ৩৯০৭/ ১৪৪২

আইএসবিএন: ৯৭৮ - ৬০৩ - ০৩ - ৬৫৮৫ - ২

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

চতুর্থ সংস্করণ

১৪৪২ হিজরি - ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ৩)
مُتُونُ طالِبِ العِلِم

مُحَقَّقَةٌ عَلى (230) مَخطوُطَة

المُستَوَى الخَامِسُ (3)

 

الخُلَاصَةُ في النَّحوِ

أَلفِيَّةُ ابْنِ مَالِكٍ

مُحَقَّقَةٌ عَلَى نُسَخَةٍ مَقرُوءةٍ عَلَى تِلمِيذِ النَّاظِمِ وَعَلَيهَا خَطُّهُ وَإجَازَتُهُ، وَنُسْخَةٍ بِخَطِ ابْنِ هِشَام وَنُسَخٍ مَقْرُوءَةٍ عَلَى أَبي حَيَّانَ وَابْنِ السَّرَّاجِ وابْن عَقِيلٍ وَالفَيْرُوزآبَادِيّ، وَنُسَخٍ أُخْرَى

 

نَظَمَهَا

أَبُو عَبْدِ اللهِ محمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْن مَالِكٍ الأَنْدَلُسِيّ

رحمه الله (ت 672 هـ)

 

تحقيق

د. عَبد المُحْسِن بن مُحَمَّدَ القَاسم

إمَامِ وَخَطِيبِ المَسجِدِ النَّبَوي الشَريف
ইলম অন্বেষণকারীর পাঠ্যসমূহ

২৩০টি পাণ্ডুলিপির ভিত্তিতে সম্পাদিত

পঞ্চম স্তর (৩)

 

নাহু শাস্ত্রের সারসংক্ষেপ

আলফিয়্যাহ ইবনে মালিক

মূল কাব্যকারের ছাত্রের নিকট পঠিত এবং তার স্বহস্তলিপি ও অনুমতি (ইজাজত) সম্বলিত একটি কপি, ইবনে হিশামের স্বহস্তলিখিত একটি কপি এবং আবু হাইয়ান, ইবনুস সাররাজ, ইবনে আকীল ও আল-ফিরোজাবাদীর নিকট পঠিত কপিসমূহ এবং অন্যান্য পাণ্ডুলিপির ভিত্তিতে সম্পাদিত

 

কাব্যটি রচনা করেছেন

আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মালিক আল-আন্দালুসী

রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু ৬৭২ হি.)

 

সম্পাদনা

ড. আব্দুল মুহসিন বিন মুহাম্মাদ আল-কাসিম

মসজিদে নববী শরীফের ইমাম ও খতীব
(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ৪)
لأهمية المتون لطالب العلم

أُنشئ قسم في المسجد النبوي لحفظ هذه المتون،

ويضم العديد من الطلاب الصغار والكبار طوال العام

ويمكن الالتحاق به في حلقات التعليم عن بعد على رابط:

www.mottoon.com

 

لتَحْمِيلِ مُتونِ طالبِ العلمِ نُسخةً إلكترُونيَّةً،

والاستماعِ إلى شرحِها مباشرةً أو تَحْميلِها على رابط:

www.a-alqasim.com
ইলম অন্বেষণকারীর নিকট মূল পাঠ্যপুস্তকসমূহের (মুতূন) গুরুত্বের কারণে

এই মূল পাঠ্যপুস্তকসমূহ মুখস্থ করার জন্য মসজিদে নববীতে একটি বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে,

এবং এতে সারা বছর ধরে ছোট-বড় অসংখ্য শিক্ষার্থী অন্তর্ভুক্ত থাকে।

নিম্নোক্ত লিঙ্কের মাধ্যমে দূরশিক্ষণ পাঠদান হালকাসমূহে অংশগ্রহণ করা সম্ভব:

www.mottoon.com

 

ইলম অন্বেষণকারীর মূল পাঠ্যপুস্তকসমূহের ইলেকট্রনিক সংস্করণ ডাউনলোড করার জন্য,

এবং এগুলোর ব্যাখ্যা সরাসরি শ্রবণ করার জন্য অথবা ডাউনলোড করার জন্য নিচের লিঙ্কে প্রবেশ করুন:

www.a-alqasim.com
(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ৫)
بسم اللَّه الرحمن الرحيم

المُقَدِّمَةُ

الحمد للَّه ربِّ العالمين، والصَّلاةُ والسَّلام على نبيِّنا مُحمَّد، وعلى آلِه وصحبِه أجمعين.

أمَّا بعد:

فإنَّ اللُّغةَ العربيَّةَ أشرفُ اللُّغاتِ وأجلُّها، والقرآنُ الكريم نزل بها، قال سبحانه: {بلسان عربي مبين}، وقد كان العربُ في الجاهليَّة وصدرِ الإسلام يتكلَّمون العربيَّةَ على سَجِيَّتِهم سالمةً من اللَّحْن، فلمَّا أَظْهَر اللَّهُ الإسلامَ على سائر الأديان، ودخل النَّاسُ فيه أفواجاً، وأقبلوا إليه أَرسالاً، واجتمعتْ فيه الأَلسِنةُ المتفرِّقة، واللُّغاتُ المختلِفةُ؛ فَشا اللَّحْن في اللُّغة العربيَّة، واستبان مِنها في الإعراب الذي هو حُليُّها، والمُوضِح لِمعانيها، فعَظُم الإشفاقُ مِن غلبةِ اللَّحْن وفسادِ اللُّغة، فوضعَ العلماءُ في صَدر الإسلام قواعِدَه ودوَّنُوها مَنْثُورةً في كُتُبهم، ومِنهم من نَظَم تلك القواعدَ في منظوماتٍ؛ تقريباً لمسائل العلم، وتسهيلاً على النَّاشِئة.

ومِن أولئك: إمامُ النَّحوِ أبو عبد اللَّه محمد بنُ عبد اللَّه ابنِ مالكٍ الطَّائيُّ الجَيَّانيُّ رحمه الله المتوفَّى سنة (672 هـ)، فقد نَظَم مسائل النَّحو في مَنظومَةٍ على بحر الرَّجَز، عدَّةُ أبياتِها (2757) بيتاً، سمَّاها: «الكافيةَ الشَّافية»، ثمَّ اختصرها في أُرجوزةٍ حَوَتْ أَلْف بيتٍ وبيتين (1002)،
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

ভূমিকা

সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, আর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ এবং তাঁর সকল সঙ্গীর ওপর।

অতঃপর:

নিশ্চয়ই আরবি ভাষা সকল ভাষার মধ্যে শ্রেষ্ঠ ও মহিমান্বিত, আর কুরআনুল কারীম এই ভাষাতেই অবতীর্ণ হয়েছে। মহান আল্লাহ বলেছেন: {সুস্পষ্ট আরবি ভাষায়}। জাহেলি যুগ ও ইসলামের প্রাথমিক যুগে আরবরা তাদের সহজাত প্রবৃত্তি অনুযায়ী ব্যাকরণগত ভুলভ্রান্তি মুক্ত শুদ্ধ আরবি ভাষায় কথা বলতেন। অতঃপর যখন আল্লাহ ইসলামকে অন্যান্য সকল ধর্মের ওপর বিজয়ী করলেন এবং মানুষ দলে দলে ইসলামে প্রবেশ করতে শুরু করল ও চারদিক থেকে লোকজন আসতে থাকল, আর সেখানে বিভিন্ন ভাষা ও উপভাষার সংমিশ্রণ ঘটল; তখন আরবি ভাষায় ব্যাকরণগত ভুলের প্রাদুর্ভাব ঘটল। বিশেষ করে ই'রাবের (শব্দ বিভক্তি) ক্ষেত্রে ভুলগুলো স্পষ্ট হয়ে উঠল, যা ছিল ভাষার অলঙ্কার এবং অর্থের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যাকারী। ফলে ভুলের আধিক্য ও ভাষার বিকৃতির আশঙ্কায় গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হলো। তাই ইসলামের প্রাথমিক যুগের পণ্ডিতগণ ব্যাকরণের নিয়মাবলি প্রণয়ন করলেন এবং তাদের গ্রন্থসমূহে গদ্য আকারে তা লিপিবদ্ধ করলেন। আবার তাদের মধ্যে কেউ কেউ সেই নিয়মাবলিকে পদ্যাকারে সাজালেন, যাতে জ্ঞানের বিষয়গুলো আয়ত্ত করা সহজ হয় এবং নতুন শিক্ষার্থীদের জন্য তা সহজসাধ্য হয়।

তাদেরই একজন হলেন নাহু শাস্ত্রের ইমাম আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মালিক আত-তায়ী আল-জায়্যানি (রাহিমাহুল্লাহ), যিনি ৬৭২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি নাহু শাস্ত্রের বিষয়াবলিকে 'রাজায' ছন্দে একটি কাব্যগ্রন্থে রূপ দান করেন, যার পঙ্ক্তি সংখ্যা ছিল ২৭৫৭। তিনি এর নাম দিয়েছিলেন "আল-কাফিয়াহ আশ-শাফিয়াহ"। এরপর তিনি সেটিকে সংক্ষেপ করে একটি কাব্যমালায় রূপ দেন যা এক হাজার দুই (১০০২)টি পঙ্ক্তি সংবলিত,
(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ৬)
سمَّاها: «الخُلَاصَةَ»، واشْتَهَرت بـ «أَلْفيَّة ابنِ مَالكٍ»، امتازتْ بحُسن النَّظم والسَّلاسَةِ، والإحاطة بالقواعد النَّحويَّة، ومُهِمَّاتِ القواعد الصَّرفيَّة، مع ترتيبٍ مُحكَمٍ لموضوعاتها، فحَظِيَت بالقَبول، وانتشرت في الآفاق، وأقبل العلماءُ عليها حفظاً وشرحاً.

ولأهمِّيَّتها ولِاعتناء العُلماء بها في الأَمصار والأَعصار؛ حقَّقتُها على عددٍ من نُسَخِها الخَطِّيَّة النَّفِيسة؛ لتَظهر كما وضعها ناظِمُها.

وهي ضِمنَ المستوى الخامس مِن سلسلةِ «مُتُونِ طَالِبِ العِلْمِ»؛ المُشتملةِ على ستَّة مستوياتٍ، مُتضمِّنةٍ اثنَيْنِ وعشرِينَ (22) مَتْناً، الخمسةُ الأُولَى منها مُحقَّقةٌ على مِئَتَيْنِ وثلاثِينَ (230) نسخةً خطِّيَّةً، مُنْتَخَبَةٍ مِنْ أكثرَ مِنْ ستِّ مِئَةِ (600) نسخةٍ.

وقد أثبتُّ في هذه النُّسخة حواشيَ التَّحقيقِ المُتضمِّنةَ لبيان فروق النُّسَخ والتَّعليق عليها، وعَزوِ المسائل، وشرحِ الغريب، وغير ذلك، وأفردتُ نسخةً أخرى مجرَّدةً مِن جميع ذلك.

أسأل اللَّه تعالى أن يجعلَ عَمَلَنا فيه خالصاً لوجهه الكريم، وأن يتقبَّلَه بقَبولٍ حسَن.

وصلَّى اللَّه وسلَّم وبارك على نبيِّنا محمَّد، وعلى آله وصحبِه أجمعين.

د. عبد المحسن بن محمد القاسم

إمام وخطيب المسجد النبوي

فرغتُ مِنه في الرَّابع من شعبانَ مِن عام واحدٍ وأربعين وأربعِ مِئةٍ وألفٍ مِنَ الهجرة
তিনি এর নাম রেখেছেন: «আল-খুলাসাহ», এবং এটি «আলফিয়াতু ইবনি মালিক» নামে প্রসিদ্ধি লাভ করেছে। এটি এর চমৎকার ছন্দ, সাবলীলতা, ব্যাকরণগত (নাহু) নিয়মাবলির পূর্ণতা এবং রূপান্তরবিদ্যার (সারফ) গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালাসহ বিষয়বস্তুর সুশৃঙ্খল বিন্যাসের কারণে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত। ফলে এটি বিপুল গ্রহণযোগ্যতা লাভ করেছে, বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে এবং আলিমগণ এটি মুখস্থ ও ব্যাখ্যা করার প্রতি ধাবিত হয়েছেন।

এর গুরুত্ব এবং বিভিন্ন দেশ ও যুগে আলিমগণের এর প্রতি বিশেষ যত্নের কারণে, আমি এটি বেশ কিছু মূল্যবান পাণ্ডুলিপির ভিত্তিতে সম্পাদনা করেছি; যাতে এটি তার রচয়িতা যেভাবে বিন্যস্ত করেছিলেন সেভাবেই আত্মপ্রকাশ করে।

এটি «মুতুনু তালিবিল ইলম» (ইলম অন্বেষীর মূলপাঠ) সিরিজের পঞ্চম স্তরের অন্তর্ভুক্ত; যা ছয়টি স্তরের সমন্বয়ে গঠিত এবং এতে বাইশটি (২২) মূলপাঠ (মতন) রয়েছে। এর প্রথম পাঁচটি স্তর ছয়শটিরও (৬০০) বেশি পাণ্ডুলিপি থেকে নির্বাচিত দুইশ ত্রিশটি (২৩০) পাণ্ডুলিপির ভিত্তিতে সম্পাদিত হয়েছে।

আমি এই কপিতে সম্পাদনার টীকা যুক্ত করেছি যাতে পাণ্ডুলিপির পাঠান্তরসমূহের বর্ণনা ও সেগুলোর ওপর মন্তব্য, মাসআলাগুলোর উৎস নির্দেশ, কঠিন শব্দের ব্যাখ্যা এবং অন্যান্য বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আর আমি এ সমস্ত বিষয় মুক্ত পৃথক একটি সংস্করণও প্রস্তুত করেছি।

আমি আল্লাহ তাআলার কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের এই আমলকে কেবল তাঁর মহান সন্তুষ্টির জন্য নিবেদিত করেন এবং একে উত্তমভাবে কবুল করেন।

আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবার-পরিজন এবং তাঁর সকল সাহাবীর ওপর রহমত, শান্তি ও বরকত বর্ষণ করুন।

ড. আব্দুল মুহসিন বিন মুহাম্মাদ আল-কাসিম

ইমাম ও খতিব, মসজিদে নববী

আমি এটি চৌদ্দশ একচল্লিশ হিজরি সালের চার শাবান তারিখে সম্পন্ন করেছি।
(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ৭)
‌‌مَنْهَجِي فِي التَّحْقِيقِ

1. رَمزتُ للنُّسخِ بالحُروفِ الأَبْجديَّة بِحسبِ تَاريخِها؛ الأَقْدم فالأَقْدم.

2. أثبتُّ النَّصَّ على ما اشتهرَ من قواعدِ الإملاء المُعاصِر، ولم أُشِر إلى اختلاف النُّسخ فِي ذَلِك؛ كطريقةِ كِتابةِ الهَمَزات، ورَسْمِ التَّاءِ مَفتوحة أو مَرْبوطة، ونَحْو ذَلك.

3. أثبتُّ في الحاشية الفُروقَ المُهمَّة بين النُّسَخ، مكتفياً بتسمية رُموز النُّسخ المخالِفَة للمثبتِ، دون النُّسخِ الموافقة للمَتن؛ إلَّا إذا كان الاختلافُ من قبيل الضَّبطِ؛ فإنِّي أذكرُها.

4. إذا كان في حاشيةِ بعض النُّسخ إشارةٌ إلى نسخة توافق النَّصَّ المثبت؛ فإنِّي لا أذكر ذلك، اكتفاءً بالنُّسخ المعتمدةِ، إلَّا إذا كَان في ذكر ذلك مزيدُ فائدةٍ.

5. نبَّهتُ على مَا كان من قَبِيل الوهَم أو التَّصحيف الظَّاهر، وما ينكسرُ به الوزنُ من الفروقِ؛ وبخاصةٍ في النُّسَخ المُتقَنة، وهي: «أ، ب، ج، د، هـ، و، ز، ح، ك»، مكتفياً بذلك عن ذكرِ المثبت من بقيَّة النُّسخ.

6. أهملتُ في الغالب ذِكرَ ما سها فيه النُّسَّاخ، مِمَّا هو مِن قبيل الأخطاءِ المَحْضةِ، وبخاصةٍ مَا كان منها من قَبيل الخطأ فِي الضَّبط؛ إلَّا إذا كان لهذَا الخطأ وجهٌ ولو ضعيفاً؛ فإنِّي أثبتهُ.
সম্পাদনার ক্ষেত্রে আমার কর্মপদ্ধতি

১. আমি পাণ্ডুলিপিগুলোকে তাদের প্রাচীনত্বের ক্রমানুসারে বর্ণমালার অক্ষর দ্বারা চিহ্নিত করেছি; অর্থাৎ প্রাচীনতম থেকে তার পরবর্তী প্রাচীন।

২. আমি প্রচলিত আধুনিক বানানরীতি অনুযায়ী পাঠ্যটি স্থির করেছি এবং এ বিষয়ে পাণ্ডুলিপিগুলোর মধ্যকার পার্থক্যের প্রতি ইঙ্গিত করিনি; যেমন হামযা লেখার পদ্ধতি, কিংবা ‘তা’ অক্ষরটি খোলা (তা-মাফতুহা) বা গোল (তা-মারবুতাহ) অবস্থায় লেখা এবং এই জাতীয় অন্যান্য বিষয়।

৩. আমি পাণ্ডুলিপিগুলোর মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্যসমূহ পাদটীকায় উল্লেখ করেছি। এক্ষেত্রে মূল পাঠের সাথে ভিন্নমত পোষণকারী পাণ্ডুলিপিগুলোর প্রতীকের বর্ণনা দেওয়াই যথেষ্ট মনে করেছি এবং মূল পাঠের সাথে একমত হওয়া পাণ্ডুলিপিগুলো উল্লেখ করিনি; তবে পার্থক্যটি যদি স্বরচিহ্ন বা উচ্চারণবিধি (দাবত) সংক্রান্ত হয়, তবে তা উল্লেখ করেছি।

৪. যদি কোনো পাণ্ডুলিপির পার্শ্বটীকায় এমন কোনো পাঠের ইঙ্গিত থাকে যা মূল পাঠের সাথে মিলে যায়, তবে নির্ভরযোগ্য পাণ্ডুলিপিগুলোর বর্ণনাই যথেষ্ট মনে করে আমি তা উল্লেখ করিনি; তবে যদি তা উল্লেখ করার মধ্যে অতিরিক্ত কোনো ফায়দা থাকে তবে ভিন্ন কথা।

৫. আমি নিছক ভ্রম বা স্পষ্ট লিপিবিকৃতি (তাসহিফ) এবং ছন্দের ভারসাম্য নষ্ট করে এমন পার্থক্যগুলোর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি; বিশেষ করে সূক্ষ্ম ও নিখুঁত পাণ্ডুলিপিগুলোর ক্ষেত্রে, যেগুলো হলো: ‘আলিফ, বা, জিম, দাল, হা, ওয়াও, যা, হা, কাফ’। অবশিষ্ট পাণ্ডুলিপিগুলোর পাঠ উল্লেখ না করে কেবল এগুলোর বর্ণনাই যথেষ্ট মনে করেছি।

৬. পাণ্ডুলিপি লেখকদের অসাবধানতাবশত ঘটে যাওয়া নিছক ভুলগুলো আমি সাধারণত এড়িয়ে গিয়েছি, বিশেষ করে স্বরচিহ্ন (দাবত) প্রদানের ক্ষেত্রে সংঘটিত ভুলগুলো; তবে ভুলটির যদি কোনো যৌক্তিক দিক থাকে—যদিও তা দুর্বল হয়—তবে আমি তা উল্লেখ করেছি।
(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ৮)
7. لم أُثبت فروقَ الأجزاء المُلَفَّقةِ التي ترجَّح عند النَّظر أنَّها متأخرةٌ؛ في النُّسخ التِي وقع فيهَا ذلك عَلى ما تقدَّم في وصفِ النُّسخ.

8. وقعَ في نُسخِ: «ب، ط، ي»؛ شيءٌ من التَّصرُّف بقلمِ بعض قرَّاء النُّسخةِ، وقَد أهملتُ ما غلبَ على الظَّنِّ أنَّه تصرُّف من متأخِّرٍ.

9. إذا كانَ في إحدى النُّسخ كلمةٌ غير واضحةٍ وتحتمل الخطأَ أو التفرُّد، وتحتمل الصوابَ وموافقةَ بقية النُّسخِ؛ فإنِّي أحملُها على الصَّوابِ الموافِقِ لبقيَّة النسخِ، ولا أُنبِّه على ذلكَ.

10. إذا ضُبِطت كلمةٌ في بعض النُّسخ وأُهْملت في البقيَّة؛ معَ عدم وجودِ خلافٍ بين النُّسخ المَضْبوطة، ورأيتُ أنَّ ضبطَها صحيحٌ؛ فإنِّي أُثْبت الضَّبط الموجود دون إشارةٍ إِلى النُّسخ المهملةِ، حتَّى لو كانت الكلمةُ من مواضع الخلافِ، وإذا اختلفت النُّسخ في الضَّبط فإنِّي أشير إلى ما في النُّسخ المضبوطة، ثمَّ أَعزو الضَّبطَ المختارَ إلى النُّسخ التي ورد فِيها، وأترك ذكر النُّسخ غيرِ المضبوطةِ.

11. الرُّموز الواردةُ في حواشي النُّسخ لم أُثبتها كما هي - بحكاية صورة رمزها -، وإنَّما كتبتها باللَّفظِ المقصود منها، مثال ذلك حرف: «خ، خـ» المقصود به الإشارة إلى نسخة أخرى؛ كتبته هكذا: «في نسخة على حاشية كذا: … »، ولفظ: «معاً» المشار به إلى صحَّة الوَجهَيْن في لفظِ الكلمة أو ضبطِها؛ استغنيتُ عنه بذكر الوَجهَيْن بلفظِهما.

12. راعيتُ في وصفِ اختلافِ ضَبطِ الكلمات: تَمييزَ علامة البناءِ وما يرجع إلى البِنيةِ الصَّرفية للكلمة؛ عَن علامات الإعرَاب.
7. আমি সেই জালকৃত অংশগুলোর পার্থক্যসমূহ অন্তর্ভুক্ত করিনি যা পর্যালোচনায় পরবর্তী সময়ের সংযোজন বলে প্রবল ধারণা হয়েছে; যেসব পাণ্ডুলিপিতে এটি ঘটেছে সেগুলোতে, যা পাণ্ডুলিপির বর্ণনায় পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে।

8. 'বা', 'ত্বা', 'ইয়া' পাণ্ডুলিপিগুলোতে কোনো কোনো পাঠকের কলমে কিছু পরিবর্তন সাধিত হয়েছে, আর যা পরবর্তী সময়ের কোনো পরিবর্তন বলে আমার নিকট প্রবল ধারণা হয়েছে আমি তা বর্জন করেছি।

9. যদি কোনো পাণ্ডুলিপিতে এমন কোনো অস্পষ্ট শব্দ থাকে যা ভুল বা একক পাঠ হওয়ার সম্ভাবনা রাখে, আবার সঠিক হওয়া এবং অন্য পাণ্ডুলিপিগুলোর সাথে মিল থাকারও সম্ভাবনা রাখে; তবে আমি সেটিকে অন্য পাণ্ডুলিপিগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ সঠিক পাঠ হিসেবেই গ্রহণ করেছি এবং সে বিষয়ে কোনো টীকা দিইনি।

10. যদি কোনো শব্দ কোনো কোনো পাণ্ডুলিপিতে হরকতযুক্ত থাকে এবং বাকিগুলোতে তা না থাকে; অথচ হরকতযুক্ত পাণ্ডুলিপিগুলোর মধ্যে কোনো মতভেদ না থাকে এবং আমি যদি দেখি যে সেই হরকত প্রদান সঠিক হয়েছে; তবে আমি বর্জনকৃত পাণ্ডুলিপিগুলোর প্রতি ইঙ্গিত না করেই সেই বিদ্যমান হরকত বহাল রেখেছি, এমনকি যদি শব্দটি মতভেদের স্থলেও হয়ে থাকে। আর যদি পাণ্ডুলিপিগুলোতে হরকত প্রদানের ক্ষেত্রে মতভেদ থাকে, তবে আমি হরকতযুক্ত পাণ্ডুলিপিগুলোর পাঠের প্রতি ইঙ্গিত করেছি, এরপর নির্বাচিত হরকতকে সংশ্লিষ্ট পাণ্ডুলিপির দিকে নিসবত করেছি এবং হরকতহীন পাণ্ডুলিপিগুলোর উল্লেখ বর্জন করেছি।

11. পাণ্ডুলিপিগুলোর টীকাভাষ্যে বিদ্যমান প্রতীকগুলোকে আমি হুবহু তাদের প্রতীকি রূপ অনুযায়ী উল্লেখ করিনি, বরং তা দিয়ে যা উদ্দেশ্য সেই শব্দ দ্বারাই লিখেছি। উদাহরণস্বরূপ: 'খা' বর্ণটি দ্বারা অন্য একটি পাণ্ডুলিপির প্রতি ইঙ্গিত করা উদ্দেশ্য; আমি তা এভাবে লিখেছি: 'অমুক পাণ্ডুলিপির টীকায় রয়েছে: ...'। আর 'মা'আন' শব্দ দ্বারা শব্দের উচ্চারণ বা হরকতের ক্ষেত্রে উভয় রূপ সঠিক হওয়া বোঝানো হয়; আমি শব্দ দুটির উভয় রূপ সরাসরি উল্লেখ করার মাধ্যমে সেই শব্দের প্রয়োজনীয়তা দূর করেছি।

12. শব্দের হরকতের পার্থক্য বর্ণনার ক্ষেত্রে আমি 'মাবনি' হওয়ার চিহ্ন এবং শব্দের রূপতাত্ত্বিক কাঠামোর সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোকে 'ইরাব' বা ব্যাকরণিক পরিবর্তনের চিহ্ন থেকে পৃথক করার বিষয়টি বজায় রেখেছি।
(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ৯)
13. رجَّحتُ بين فروقِ النسخ على النَّحو الآتِي:

أ- أرجِّح بين أوجه الخلاف في الضَّبط بإثبات الأصحِّ معنىً، وهُو الموافق - غالباً - لأكثرِ النُّسخِ.

ب- أَنقل ما يدلُّ على الرَّاجح من كلام شُرَّاح الألفيَّة، وهذه الدلالة إمَّا بالتَّصريح بأرجحيَّة الوجه، أو ببيانِهم لإعرابِ الكلمة، أو من خِلال ما يدلُّ عليه سياق الشَّرح.

ج- أكتفي بِنقل كلام المتقدِّم من الشُّرَّاح عن كلام مَنْ بعده - غالباً -، ما لم تكن فِي كلام المتأخِّر مزيدُ فائدةٍ، وقد أُحيل إلى مصادرَ أخرى.

د- نقلتُ من كلام الشُّرَّاح ما يوافق بعضَ الفروق المرجوحةِ لبيان وجهها، وأنَّها فرق معتبَر له وجهٌ صحيحٌ وليس وهماً.

هـ- أرجِّح أحد أوجهِ الخلاف في رَسْم الكلمة، أو في إبدالِها بكلمةٍ أخرَى، أو عند التَّقديم والتَّأخير بما ورد في أغلب النُّسخ، وأشير إلى ما يوافقُهُ من شروح الألفيَّة.

و- إذا تكرَّر الفرقُ وكان مأخذُ الخلاف فيه واحداً؛ فإنِّي أكتفي بالتَّعليقِ عليه في أوَّل موضعٍ وردَ فيه(1).

--------------------------------------------

(1) مثل كلمة: «نحو» التي أكثر الناظمُ من ذكرها في سياقِ التمثيل مضافةً إلى ما بعدها؛ فإنَّه يجوز فيها في كثيرٍ من المواضع الرفعُ والنصب مطلقاً، ولم أُعلِّق على اختلاف النسخِ في كل موضعٍ.

১৩. আমি পান্ডুলিপিগুলোর পাঠভেদসমূহের মধ্যে নিম্নোক্ত পদ্ধতিতে অগ্রাধিকার প্রদান করেছি:

ক- আমি শব্দের হরকত বা উচ্চারণের ভিন্নতার ক্ষেত্রে অর্থের দিক থেকে যেটি অধিকতর সঠিক সেটিকে অগ্রাধিকার দেই, যা সাধারণত অধিকাংশ পান্ডুলিপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

খ- আমি আলফিয়্যাহর ব্যাখ্যাকারদের বক্তব্যের মধ্য থেকে যা অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মতকে নির্দেশ করে তা উদ্ধৃত করি; এই নির্দেশনা হয় স্পষ্টভাবে কোনো একটি দিককে অগ্রাধিকার দেওয়ার মাধ্যমে, অথবা শব্দের ব্যাকরণিক অবস্থান (ইরাব) বর্ণনা করার মাধ্যমে, অথবা ব্যাখ্যার প্রেক্ষাপট থেকে যা নির্দেশিত হয় তার মাধ্যমে।

গ- সাধারণত আমি পরবর্তী ব্যাখ্যাকারদের বক্তব্যের পরিবর্তে পূর্ববর্তী ব্যাখ্যাকারদের বক্তব্য উদ্ধৃত করার ওপরই সন্তুষ্ট থাকি, যদি না পরবর্তী ব্যাখ্যাকারদের বক্তব্যে অতিরিক্ত কোনো উপকারিতা থাকে। অনেক ক্ষেত্রে আমি অন্যান্য উৎসের উদ্ধৃতিও প্রদান করে থাকি।

ঘ- কিছু ক্ষেত্রে আমি ব্যাখ্যাকারদের বক্তব্য থেকে এমন কিছু অংশ উদ্ধৃত করেছি যা তুলনামূলক কম গ্রহণযোগ্য পাঠভেদের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যাতে এর প্রেক্ষাপট স্পষ্ট হয় এবং এটি যে একটি গ্রহণযোগ্য পাঠভেদ যার সঠিক ভিত্তি রয়েছে এবং তা নিছক কোনো ভ্রম নয়, তা প্রমাণিত হয়।

ঙ- শব্দের লিখনরীতি, একটি শব্দের পরিবর্তে অন্য শব্দের ব্যবহার, অথবা শব্দের আগে-পিছে হওয়ার ক্ষেত্রে মতপার্থক্যের সময় অধিকাংশ পান্ডুলিপিতে যা এসেছে আমি তাকেই অগ্রাধিকার দিয়েছি এবং আলফিয়্যাহর ব্যাখ্যাগ্রন্থসমূহের মধ্যে যা এর অনুকূলে রয়েছে তার প্রতি ইঙ্গিত করেছি।

চ- যদি কোনো পাঠভেদ বারবার ফিরে আসে এবং তার মতপার্থক্যের উৎস একই হয়, তবে আমি প্রথমবার যেখানে এটি এসেছে সেখানেই তার ওপর মন্তব্য করার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ থাকি(১)।

--------------------------------------------

(১) উদাহরণস্বরূপ: ‘নাহ্-উ’ (মতো) শব্দটি, যা রচয়িতা উদাহরণের প্রেক্ষাপটে পরবর্তী শব্দের সাথে সম্বন্ধযুক্ত অবস্থায় প্রচুর উল্লেখ করেছেন; অনেক ক্ষেত্রে এতে ‘রফ’ (পেশ) এবং ‘নসব’ (যবর) উভয়ই নিঃশর্তভাবে জায়েয। তাই আমি প্রতিটি স্থানে পান্ডুলিপিগুলোর এই মতপার্থক্য নিয়ে মন্তব্য করিনি।

(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ১০)
ز- أهمُّ شروح الألفيَّة التي راجعتُها ونقلتُ منها أو أحلتُ إليها؛ هي(1): شرحُ ابن النَّاظم، وشرح محمَّدِ بن أبي الفتح البَعْليِّ، وشرح المُراديِّ، وشرح ابنِ هِشام، وشرح البرهان ابن القَيِّم، وشرح ابنِ عَقيل، وشرح ابن جابر الهُوَّاريِّ، وشرح ابنِ هانِئ، وشرح الشَّاطِبيِّ، وشرح المَكوديِّ، وشرح المقريِّ، وإعرابُ الأزهري، وشرح السُّيوطيِّ، وشرح المَكْناسيِّ، وشرح الأُشْمونيِّ، وشرح ابنِ طولونَ، وإعراب الحطَّاب، وشرح الخطيب الشِّرْبينيِّ، وحواشي الشُّروح؛ كحاشيةِ الأزهري على شرحِ ابن هِشام، وحاشيةِ زكريَّا الأنصاريِّ على ابن النَّاظم، وحاشية ياسين العُليميِّ، وحاشية السُّجاعيِّ والخُضَريِّ ومحمد محيي الدِّين على ابنِ عَقيل، والصَّبَّان على الأشموني، وابنِ حَمْدون على المَكوديِّ، وكذَا راجعتُ شرح الكافية الشَّافيةِ للنَّاظم؛ لكونِها أصل الألفيَّة، وأفدتُ أيضاً من حاشيةِ ابن هِشامٍ على نسخة «د»، وحاشيته الأخرى(2) على الألفيَّة كذلك، وقد اعتمدتُ على النُّسخ المطبوعةِ لهذه الشُّروح، وراجعتُ بعض نسخِها الخطِّيَّة في بعضِ المواضعِ(3).

--------------------------------------------

(1) اكتفيتُ في العزوِ لهذه الشُّروحِ والأعاريبِ والحواشي بذكرِ اسم المؤلِّف عن ذكر اسمِ كتابِه طلباً للاختصار؛ إلَّا التَّصريح للأزهريِّ - الذي هو حاشية على شرح ابن هشام - فإنِّي أنصُّ عليه.

(2) وهما محقَّقتان في رسالة علميَّة بالجامعة الإسلاميةِ بالمدينة المنوَّرة؛ بعنوان: «حاشيتانِ من حواشي ابنِ هشامٍ الأنصاري على ألفيَّة ابن مالكٍ».

(3) ما عَدا شرح ابن جابرٍ الهُوَّاريِّ فلم يتيسر لي مطبوعاً، فنقلتُ منه معتمِداً على نسخةٍ خطيَّة في جميعِ المواضع، وكذلكَ شرح البعليِّ، وإعراب الحطاب، والنُّكت على الألفيَّة للسُّيوطيِّ.

য- আলফিয়্যাহর প্রধান ব্যাখ্যাগ্রন্থসমূহ যা আমি পর্যালোচনা করেছি এবং যেখান থেকে উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছি অথবা যার প্রতি নির্দেশ করেছি; সেগুলো হলো(১): ইবনুন নাজিমের শরহ, মুহাম্মাদ ইবনে আবু ফাতহ আল-বালির শরহ, আল-মুরাদীর শরহ, ইবনে হিশামের শরহ, বুরহান ইবনুল কায়্যিমের শরহ, ইবনে আকীলের শরহ, ইবনে জাবির আল-হুওয়ারীর শরহ, ইবনে হানির শরহ, আশ-শাতিবীর শরহ, আল-মাকুদীর শরহ, আল-মাক্কারীর শরহ, আল-আযহারীর ইরাব, আস-সুয়ূতীর শরহ, আল-মাকনাসীর শরহ, আল-উশমুনীর শরহ, ইবনে তুলুনের শরহ, আল-হাত্তাবের ইরাব, আল-খাতীব আশ-শিরবীনীর শরহ এবং ব্যাখ্যাগ্রন্থগুলোর ওপর লিখিত হাশিয়াসমূহ (টীকাগ্রন্থ); যেমন ইবনে হিশামের শরহের ওপর আল-আযহারীর হাশিয়া, ইবনুন নাজিমের ওপর জাকারিয়া আল-আনসারীর হাশিয়া, ইয়াসীন আল-উলাইমীর হাশিয়া, ইবনে আকীলের ওপর আস-সুজায়ী, আল-খুদরী ও মুহাম্মাদ মুহিউদ্দীনের হাশিয়া, আল-উশমুনীর ওপর আস-সাব্বানের হাশিয়া এবং আল-মাকুদীর ওপর ইবনে হামদুনের হাশিয়া। একইভাবে আমি মূল গ্রন্থকারের 'আল-কাফিয়াতুশ শাফিয়া'-এর শরহও পর্যালোচনা করেছি; যেহেতু এটিই আলফিয়্যাহর মূল উৎস। এছাড়া আমি 'দাল' পাণ্ডুলিপির ওপর ইবনে হিশামের হাশিয়া এবং আলফিয়্যাহর ওপর তাঁর অন্য হাশিয়া(২) থেকেও উপকৃত হয়েছি। আমি এই শরহগুলোর মুদ্রিত কপির ওপর নির্ভর করেছি এবং কিছু কিছু স্থানে এগুলোর পাণ্ডুলিপিও পর্যালোচনা করেছি(৩)।

--------------------------------------------

(১) সংক্ষেপ করার উদ্দেশ্যে এই শরহ, ইরাব এবং হাশিয়াগুলোর উদ্ধৃতি প্রদানের ক্ষেত্রে আমি কিতাবের নামের পরিবর্তে কেবল লেখকের নাম উল্লেখ করার ওপর যথেষ্ট করেছি; তবে আল-আযহারীর 'আত-তাসরীহ'—যা ইবনে হিশামের শরহের ওপর হাশিয়া—এর ক্ষেত্রে আমি তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছি।

(২) এ দুটি মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি গবেষণা অভিসন্দর্ভে সম্পাদিত হয়েছে; যার শিরোনাম: 'হাশিয়াতানি মিন হাওয়াশি ইবনি হিশাম আল-আনসারী আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক' (ইবনে মালিকের আলফিয়্যাহর ওপর ইবনে হিশাম আল-আনসারীর দুটি হাশিয়া)।

(৩) ইবনে জাবির আল-হুওয়ারীর শরহ ব্যতীত, কারণ এর মুদ্রিত কপি আমার নিকট সহজলভ্য ছিল না। ফলে আমি সকল ক্ষেত্রে পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করে তা থেকে উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছি। একইভাবে আল-বালির শরহ, আল-হাত্তাবের ইরাব এবং আলফিয়্যাহর ওপর আস-সুয়ূতীর 'আন-নুকাত' গ্রন্থটিও পাণ্ডুলিপি থেকে পর্যালোচনা করেছি।

(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ১১)
ح- إذا لم أجِدْ في كلام الشُّرَّاح ما يرجِّح بين الفروقِ فإنِّي أراجعُ مصادر أخرى؛ ككتبِ اللُّغة وغيرِها، وأنقل ما يُناسب المقام.

14. أَثْبَتُّ ما ورد في حواشي النُّسَخ من سماعاتٍ ومقابَلاتٍ، وأهملتُ ما ورد فيها من شرحٍ أو إعرابٍ أو عدٍّ للأبياتِ وغيرِ ذلك.

15. بيَّنتُ معاني الكلماتِ الغريبة في النَّظم.

16. ترجمتُ للأعلام الوارِد ذكرُهم في النَّظم.

17. بيَّنتُ ما أبهمه النَّاظم من نسبة الأقوالِ في المسائل النَّحوية المختلف فيهَا.

18. أثبتُّ عدَّ أبيات النَّظم كاملاً بكتابةِ رقم كلِّ بيتٍ في أوَّلِه.

19. مَيَّزتُ رؤوسَ المسائل وما يُحتاج إلى إبرازهِ منها بلونٍ أحمرَ.

20. أثبتُّ علاماتِ التَّرقيم في أبياتِ المنظُومة؛ توضيحاً لمعانِيها، وتمييزاً لمهمَّاتِها ومقاصدِها.

21. حوَّلتُ المقاييس والأوزان والأطوال بالحسابات المعاصرة، وَفق ما حررتُه في كتابي: (تحقيق المقاييس والمكاييل الشَّرعيَّة وتنزيلها على الأطوال والأوزان المعاصرة).

22. جعلتُ للكتابِ نُسختينِ:

النُّسْخَةُ الأُولَى: وهي النُّسْخة المُتضمِّنة لحواشي التَّحقيق؛ مِن
চ- যদি আমি ব্যাখ্যাকারীদের বক্তব্যে পাঠভেদের মধ্যে কোনো একটিকে প্রাধান্য দেওয়ার মতো কিছু না পাই, তবে আমি অন্যান্য উৎস যেমন অভিধানের কিতাব ও অন্যান্য গ্রন্থ অনুসন্ধান করি এবং প্রাসঙ্গিক বিষয়টি উদ্ধৃত করি।

১৪. পাণ্ডুলিপিগুলোর পার্শ্বটীকায় উল্লেখিত শ্রুতিলিপি ও পাঠ-তুলনা সংক্রান্ত বিষয়গুলো আমি বহাল রেখেছি; তবে সেখানে বর্ণিত ব্যাখ্যা, ব্যাকরণগত বিশ্লেষণ, পঙক্তি গণনা এবং এই জাতীয় অন্যান্য বিষয়গুলো বর্জন করেছি।

১৫. কাব্যের কঠিন ও অপরিচিত শব্দগুলোর অর্থ আমি স্পষ্ট করেছি।

১৬. কাব্যে উল্লেখিত ব্যক্তিবর্গের সংক্ষিপ্ত জীবনী যোগ করেছি।

১৭. মতভেদপূর্ণ ব্যাকরণগত মাসআলাসমূহে কবি যে উক্তিগুলোর বক্তাকে অস্পষ্ট রেখেছিলেন, সেগুলো কাদের বক্তব্য তা আমি স্পষ্ট করেছি।

১৮. প্রতিটি পঙক্তির শুরুতে নম্বর প্রদানের মাধ্যমে কাব্যগ্রন্থের পঙক্তিগুলোর পূর্ণাঙ্গ গণনা নিশ্চিত করেছি।

১৯. মাসআলাসমূহের শিরোনাম এবং যে বিষয়গুলো ফুটিয়ে তোলা প্রয়োজন, সেগুলোকে লাল রঙ দ্বারা পৃথক করেছি।

২০. কাব্যগ্রন্থের পঙক্তিগুলোতে যতিচিহ্ন প্রয়োগ করেছি, যাতে এর অর্থসমূহ স্পষ্ট হয় এবং গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যগুলো ফুটে ওঠে।

২১. মাপজোখ, ওজন এবং দৈর্ঘ্যসমূহকে আধুনিক হিসাব অনুযায়ী রূপান্তর করেছি, যা আমি আমার ‘তাহকীকুল মাকায়িস ওয়াল মাকাইলিশ শারইয়্যাহ ওয়া তানজিলুহা আলাল আতওয়াল ওয়াল আওজানিল মু'আসিরাহ’ নামক গ্রন্থে সবিস্তারে বর্ণনা করেছি।

২২. কিতাবটিকে আমি দুটি সংস্করণে বিন্যস্ত করেছি:

প্রথম সংস্করণ: এটি সেই সংস্করণ যা সম্পাদনার টীকাগুলো সম্বলিত; যার মধ্যে...
(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ১২)
الفُروقِ بين النُّسخ، والتَّرجيح بينها، والتَّعليق على مَا يحتاج إلى تعليقٍ، وهي هذه النُّسخة.

النُّسْخَةُ الثَّانِيَةُ: نُسخة مُجرَّدةٌ من جَميع الحَواشي المثبتةِ في النُّسخة الأولى، وهي أنسبُ للحفظِ.
পাণ্ডুলিপিগুলোর মধ্যকার পার্থক্যসমূহ নির্ণয়, সেগুলোর মধ্য হতে সঠিকটিকে প্রাধান্য প্রদান এবং যে স্থানে ব্যাখ্যা প্রয়োজন সেখানে টীকা সংযোজন করা হয়েছে; আর এটিই সেই পাণ্ডুলিপি।

দ্বিতীয় পাণ্ডুলিপি: এটি প্রথম পাণ্ডুলিপিতে উল্লেখিত সকল টীকা থেকে মুক্ত একটি সংস্করণ, এবং এটি মুখস্থ করার জন্য অধিকতর উপযোগী।
(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ১৩)
‌‌تَرْجَمَةُ النَّاظِمِ

‌‌اسْمُهُ وَنَسَبُهُ:

هو: الإمام جمالُ الدِّين، أبو عبد اللَّه محمدُ بن عبد اللَّه بنِ عبد اللَّه ابن مالكٍ، الطَّائي، الجَيَّاني، الشَّافعي، النَّحويُّ.

والجَيَّانيُّ: نسبة إلى (جَيَّان)، وهي مدينة بالأندلسِ شرق قُرطبة، تجمع قرى كَثيرة وبلداناً(1).

 

‌‌مَوْلِدُهُ وَنَشْأَتُهُ:

وُلد بجيَّان سنة (600 هـ)، أو سنة (601 هـ)(2).

 

‌‌رِحْلَتُهُ، وَأَشْهَرُ شُيُوخِهِ:

أخذ العَربيَّة في بلاده عن ثابتِ بن خيار(3)، وحضر عند الأستاذ أبي عليٍّ الشَّلوبين(4) نحو العشرين يوماً.

ثم قَدِمَ دمشق فأخذ عن أبي الحسنِ علي بن محمَّد السَّخاوي(5)

--------------------------------------------

(1) معجم البلدان للحموي (2/ 195).

(2) انظر: البلغة للفيروزآبادي (ص 270)، وتاريخ الإسلام (15/ 249).

(3) هو: ثابت بن محمَّد بن يوسف الكَلاعي اللَّبلي، توفِّي سنة (628 هـ). البلغة للفيروزآبادي (ص 99).

(4) هو: أبو عليّ عمرُ بن محمَّد الشَّلوبين، توفِّي سنة (645 هـ). البلغة للفيروزآبادي (ص 221)، وبغية الوعاة (2/ 224).

(5) هو: علم الدِّين أبو الحسن علي بنُ محمد الهمَذاني، توفي سنة (643 هـ). الوافي بالوفيات للصفدي (22/ 43)، وبغية الوعاة (2/ 192).

নাজেম বা গ্রন্থকারের জীবনী

‌তাঁর নাম ও বংশপরিচয়:

তিনি হলেন: ইমাম জামালুদ্দীন, আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন আবদুল্লাহ ইবনে মালিক, আত-তাঈ, আল-জায়্যানি, আশ-শাফিয়ি, আন-নাহবি (ব্যাকরণবিদ)।

আল-জায়্যানি: এটি (জায়্যান)-এর সাথে সম্পৃক্ততা, যা কুরতুবার (কর্ডোভা) পূর্বে আন্দালুসের একটি শহর; এটি অনেক গ্রাম ও জনপদকে অন্তর্ভুক্ত করে(১)।

 

‌তাঁর জন্ম ও লালন-পালন:

তিনি ৬০০ হিজরি অথবা ৬০১ হিজরি সালে জায়্যানে জন্মগ্রহণ করেন(২)।

 

‌তাঁর সফর ও প্রখ্যাত উস্তাদগণ:

তিনি নিজ দেশে সাবেত বিন খিয়ার(৩)-এর নিকট আরবি ভাষা শিক্ষা করেন এবং উস্তাদ আবু আলী আশ-শালুবিন(৪)-এর মজলিসে প্রায় বিশ দিন উপস্থিত ছিলেন।

অতঃপর তিনি দামেস্কে আগমন করেন এবং আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ আস-সাখাওয়ি(৫)-এর নিকট শিক্ষা লাভ করেন।

--------------------------------------------

(১) হামাভির মুজামুল বুলদান (২/১৯৫)।

(২) দেখুন: ফিরোজাবাদীর আল-বুলগাহ (পৃষ্ঠা ২৭০) এবং তারিখুল ইসলাম (১৫/২৪৯)।

(৩) তিনি হলেন: সাবেত বিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আল-কালাই আল-লাবলি, তিনি ৬২৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। ফিরোজাবাদীর আল-বুলগাহ (পৃষ্ঠা ৯৯)।

(৪) তিনি হলেন: আবু আলী উমর বিন মুহাম্মদ আশ-শালুবিন, তিনি ৬৪৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। ফিরোজাবাদীর আল-বুলগাহ (পৃষ্ঠা ২২১) এবং বুগয়াতুল উয়াত (২/২২৪)।

(৫) তিনি হলেন: আলামুদ্দীন আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ আল-হামাদানি, তিনি ৬৪৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। সাফাদির আল-ওয়াফি বিল ওয়াফায়াত (২২/৪৩) এবং বুগয়াতুল উয়াত (২/১৯২)।

(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ১৪)
وسمعَ منه، ومن مُكَرَّم بن محمَّد بن أبي الصَّقر(1)، ومحمد بن أبي الفَضل المُرسِي(2).

ولمَّا دخل حلب لازَمَ حلقةَ ابن يَعيش(3)، ثمّ حضرَ عند تلميذِه ابن عمرون(4) ولَزِمَه.

ثمَّ نَزلَ حمَاة، وبها ألَّف كتابه (الخلاصة) للقاضي شرف الدِّين البارزيِّ(5).

ثم قَدِمَ دمشقَ مُسْتَوْطناً، ونَزَلَ بالعادليَّة الكبرى، ووَلِي مشيختها الكُبرى التي مِن شرطِها القراءاتُ والعربية(6).

 

‌‌أَشْهَرُ تَلَامِيذِهِ:

- ولده بدرُ الدِّين محمَّد(7).

--------------------------------------------

(1) هو: أبو الفضل مُكرم بن محمَّد بن حمزة الدِّمشقي، المعروف بابن أبي الصَّقر، توفي سنة (635 هـ). تاريخ الإسلام (14/ 195).

(2) هو: شرف الدِّين محمَّد بنُ عبد اللَّه بن أبي الفضل المُرسِي السُّلَميّ، توفي سنة (655 هـ). سير أعلام النُّبلاء للذَّهبي (23/ 313).

(3) هو: موفق الدِّين أبو البقاء يعيش بنُ علي بن يعيش الحَلَبي، توفي سنة (643 هـ). تاريخ الإسلام (14/ 489).

(4) هو: جمال الدِّين أبو عبد اللَّه محمد بن عَمرون الحلبيُّ، توفي سنة (649 هـ). سير أعلام النُّبلاء (23/ 251).

(5) تاريخ ابن الوردي (2/ 216).

وهو: القاضي شرفُ الدين أبي القاسم هبة اللَّه بنُ نجم الدين الجهنيُّ الشهير بابن البارزي، المتوفى سنة (738 هـ). طبقات الشَّافعيَّة الكبرى للسُّبكي (10/ 387).

(6) انظر: تاريخ الإسلام (15/ 249)، وغاية النهاية (2/ 180).

(7) هو: بدر الدِّين محمَّد بن محمَّد ابن مالكٍ، له شرح على ألفيَّة والده، توفِّي سنة (686 هـ). بغية الوعاة (1/ 225).

তিনি তাঁর নিকট থেকে এবং মুকাররম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবিস সাকর(১) ও মুহাম্মদ ইবনে আবুল ফজল আল-মুরসি(২) থেকে (ইলম) শ্রবণ করেছেন।

যখন তিনি হালাবে প্রবেশ করলেন, তখন তিনি ইবনে ইয়াঈশ(৩)-এর হালকায় (শিখনচক্রে) নিয়মিত অংশগ্রহণ করতে লাগলেন। অতঃপর তিনি তাঁর ছাত্র ইবনে আমরুন(৪)-এর নিকট উপস্থিত হলেন এবং তাঁর সান্নিধ্য গ্রহণ করেন।

এরপর তিনি হামাতে অবতরণ করেন এবং সেখানেই তিনি কাজী শরফুদ্দীন আল-বারজি(৫)-এর জন্য তাঁর কিতাব ‘আল-খুলাসাহ’ রচনা করেন।

পরবর্তীতে তিনি স্থায়ীভাবে বসবাসের উদ্দেশ্যে দামেস্কে আগমন করেন এবং আল-আদিলিয়্যাহ আল-কুবরাতে অবস্থান করেন। তিনি সেখানকার প্রধান মাশয়াখাত (প্রধান শিক্ষকের পদ) লাভ করেন, যার শর্ত ছিল কিরাআত এবং আরবি ভাষায় পাণ্ডিত্য থাকা(৬)।

 

‌‌তাঁর প্রসিদ্ধ ছাত্রগণ:

- তাঁর পুত্র বদরুদ্দীন মুহাম্মদ(৭)।

--------------------------------------------

(১) তিনি হলেন: আবু ফজল মুকাররম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হামজা আদ-দিমাশকি, যিনি ইবনে আবিস সাকর নামে পরিচিত, তিনি (৬৩৫ হি.) সালে ইন্তেকাল করেন। তারিখুল ইসলাম (১৪/ ১৯৫)।

(২) তিনি হলেন: শরফুদ্দীন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবুল ফজল আল-মুরসি আস-সুলামি, তিনি (৬৫৫ হি.) সালে ইন্তেকাল করেন। যাহাবির সিয়ারু আলামিন নুবালা (২৩/ ৩১৩)।

(৩) তিনি হলেন: মুয়াফফাকুদ্দীন আবুল বাকা ইয়াঈশ ইবনে আলী ইবনে ইয়াঈশ আল-হালাবি, তিনি (৬৪৩ হি.) সালে ইন্তেকাল করেন। তারিখুল ইসলাম (১৪/ ৪৮৯)।

(৪) তিনি হলেন: জামালুদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আমরুন আল-হালাবি, তিনি (৬৪৯ হি.) সালে ইন্তেকাল করেন। সিয়ারু আলামিন নুবালা (২৩/ ২৫১)।

(৫) তারিখু ইবনিল ওয়ারদি (২/ ২১৬)।

তিনি হলেন: কাজী শরফুদ্দীন আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে নাজমুদ্দীন আল-জুহানি, যিনি ইবনুল বারজি নামে প্রসিদ্ধ, তিনি (৭৩৮ হি.) সালে ইন্তেকাল করেন। সুবকির তবাকাতুশ শাফিইয়্যাহ আল-কুবরা (১০/ ৩৮৭)।

(৬) দেখুন: তারিখুল ইসলাম (১৫/ ২৪৯), এবং গায়াতুন নিহায়া (২/ ১৮০)।

(৭) তিনি হলেন: বদরুদ্দীন মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মালিক, তাঁর পিতার আলফিয়্যার ওপর তাঁর একটি ব্যাখ্যাগ্রন্থ রয়েছে, তিনি (৬৮৬ হি.) সালে ইন্তেকাল করেন। বুগয়াতুল উআত (১/ ২২৫)।

(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ১৫)
- شَمس الدِّين ابن جعوان(1).

- شمس الدِّين ابنُ أبي الفتح(2).

- علاء الدِّين ابن العطَّار(3).

 

‌‌ثَنَاءُ العُلَمَاءِ عَلَيْهِ:

- قال الفَيْرُوزآباديُّ رحمه الله: «إمامٌ في العَربيَّة واللُّغةِ، طالع الكثيرَ، وضبط الشَّواهدَ مع ديانةٍ وصيانة وعفة وصلاحٍ، وكان مبرّزا في صناعة العربيَّةِ»(4).

- وقال الذَّهبيُّ رحمه الله: «وصرف هِمَّته إلى إتقان لسانِ العرب حتى بلغَ فيه الغاية وأربَى على المتقدِّمين … وأما النَّحوُ والتَّصريف فكان فيهما بحراً لا يُجارى، وحَبْراً لا يُبَارى … هذا مع ما هو عليه من الدِّين المتينِ، وصدق اللَّهجَة، وكثرة النَّوافلِ، وحسن السَّمْت، ورِقَّة القلب، وكمال العقلِ، والوَقار، والتُّؤدة»(5).

- وقال ابن الجَزريِّ رحمه الله: «وكان ذهنُه من أصحِّ الأذهان، مع ملازمتِهِ العمل والنَّظر والكتابة والتَّأليف، وبدونِ ذلك يصير أستاذَ أهلِ زمانه، وإمام أوانِهِ»(6).

--------------------------------------------

(1) هو: شمس الدِّين أبو عبد اللَّه محمَّد بن جَعوان الأنصاريُّ، توفي سنة (682 هـ). بغية الوعاة (1/ 224).

(2) هو: شمس الدِّين أبو عبد اللَّه محمَّدُ بن أبي الفتحِ بن أبي الفضل البَعْليّ، له شرح على ألفيَّة ابن مالك، توفي سنة (709 هـ). الذَّيل على طبقات الحنابلة لابن رجب (4/ 372).

(3) هو: علاء الدِّين أبو الحسن علي بن إبراهيم العطَّار، توفي سنة (724 هـ). الدُّرر الكامنة (3/ 73).

(4) البلغة للفيروزآبادي (ص 270).

(5) تاريخ الإسلام (15/ 249).

(6) غاية النِّهاية (2/ 180).

- শামসুদ্দীন ইবনে জা'ওয়ান(১).

- শামসুদ্দীন ইবনে আবুল ফাতহ(২).

- আলাউদ্দীন ইবনুল আত্তার(৩).

 

‌‌তাঁর সম্পর্কে ওলামায়ে কেরামের প্রশংসা:

- আল-ফাইরুজাবাদি (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন: «তিনি ছিলেন আরবি ব্যাকরণ ও ভাষা শাস্ত্রের একজন ইমাম। তিনি প্রচুর অধ্যয়ন করেছিলেন এবং দ্বীনদারী, চারিত্রিক পবিত্রতা, নিষ্কলুষতা ও সততার সাথে (আরবি কাব্যের) উদ্ধৃতিগুলো আত্মস্থ করেছিলেন। তিনি আরবি ভাষা নির্মাণে অত্যন্ত পারদর্শী ছিলেন»(৪).

- ইমাম আয-যাহাবি (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন: «তিনি আরবি ভাষা আয়ত্ত করার ক্ষেত্রে তাঁর সকল প্রচেষ্টা ব্যয় করেছিলেন, এমনকি তিনি এতে চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছেছিলেন এবং পূর্বসূরিদের ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন... আর নাহু (ব্যাকরণ) ও সরফ (রূপান্তর) শাস্ত্রের ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন এমন এক সমুদ্র যার সমকক্ষ হওয়া যায় না এবং এমন এক পণ্ডিত যার মোকাবিলা করা যায় না... এর পাশাপাশি তিনি ছিলেন সুদৃঢ় দ্বীনদারী, সত্যবাদিতা, প্রচুর নফল ইবাদত, সুন্দর চালচলন, কোমল হৃদয়, পূর্ণ বুদ্ধিমত্তা, গাম্ভীর্য ও ধীরস্থির স্বভাবের অধিকারী»(৫).

- ইবনুল জাযারি (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন: «তাঁর মেধা ছিল অন্যতম প্রখর মেধা। এর পাশাপাশি তিনি সর্বদা কাজ, গবেষণা, লিখন ও গ্রন্থ রচনায় নিমগ্ন থাকতেন। এসব ছাড়াও তিনি তাঁর সমসাময়িকদের উস্তাদ এবং তাঁর যুগের ইমাম হওয়ার যোগ্য ছিলেন»(৬).

--------------------------------------------

(১) তিনি হলেন: শামসুদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন জা'ওয়ান আল-আনসারি, তিনি (৬৮২ হিজরি) সনে মৃত্যুবরণ করেন। বুগয়াতুল উয়াত (১/ ২২৪)।

(২) তিনি হলেন: শামসুদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আবুল ফাতহ বিন আবুল ফজল আল-বালি। ইবনে মালিকের আলফিয়্যাহ-র ওপর তাঁর একটি ব্যাখ্যাগ্রন্থ রয়েছে। তিনি (৭০৯ হিজরি) সনে মৃত্যুবরণ করেন। ইবনে রজব কৃত আয-যাইলু আলা তাবাকাতিল হানাবিলাহ (৪/ ৩৭২)।

(৩) তিনি হলেন: আলাউদ্দীন আবুল হাসান আলী বিন ইব্রাহিম আল-আত্তার, তিনি (৭২৪ হিজরি) সনে মৃত্যুবরণ করেন। আদ-দুরারুল কামিনাহ (৩/ ৭৩)।

(৪) আল-ফাইরুজাবাদি কৃত আল-বুলগাহ (পৃ. ২৭০)।

(৫) তারিখুল ইসলাম (১৫/ ২৪৯)।

(৬) গায়াতুন নিহাইয়াহ (২/ ১৮০)।

(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ১৬)
- وقال السُّيوطيُّ رحمه الله: «إِمَام النُّحَاة، وحافظ اللُّغَة»(1).

 

‌‌مِنْ مُؤَلَّفَاتِهِ:

- الخلاصة في النَّحو، المسمَّاة بـ «الألفيَّة»، وهو كتابنا هذا.

- تسهيلُ الفوائد وتكميلُ المقاصد.

- شرح تسهيل الفوائد وتكميل المقاصد.

- لاميَّة الأفعال.

- إيجاز التَّعريف في فنِّ التَّصريف.

- الكافية الشَّافية.

- شرحُ الكافية الشَّافية.

- الإعلام بتَثْليث الكلام.

- تحفة المودُود في المقصور والممدودِ.

- الاعتضادُ في الفرق بين الظاء والضادِ، وشرحه.

- شرح عمدة الحَافِظ وعُدَّة اللَّافظ.

- شواهد التَّوضيح والتَّصحيح لمشكلات الجامع الصَّحيح.

 

‌‌وَفَاتُهُ:

توفِّي رحمه الله بدمشقَ، ليلة الأربعاء ثالثَ عشر شعبانَ سنة اثنتينِ وسبعين وست مئةٍ (672 هـ)، وصُلِّيَ عليه بالجامع الأموي، ودُفِن بسفح قاسيون، وقد جاوز سِنُّه السَّبعين(2).

--------------------------------------------

(1) بغية الوعاة (1/ 130).

(2) البلغة للفيروز آبادي (ص 270)، وتاريخ الإسلام (15/ 249).

- ইমাম সুয়ূতী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: «ব্যাকরণবিদদের ইমাম এবং ভাষাবিজ্ঞানের হাফিজ»(১).

 

‌‌তাঁর রচনাবলি:

- আল-খুলাসাহ ফিন নাহু, যা «আলফিয়্যাহ» নামে পরিচিত; এবং এটিই আমাদের এই কিতাব।

- তাসহীলুল ফাওয়ায়িদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ।

- শারহু তাসহীলিল ফাওয়ায়িদ ওয়া তাকমীলুল মাকাসিদ।

- লামিয়্যাতুল আফআল।

- ঈজাযুত তারিফ ফী ফাননীত তাসরীফ।

- আল-কাফিয়াতুশ শাফিয়াহ।

- শারহুল কাফিয়াতিশ শাফিয়াহ।

- আল-ইলাম বি-তাসলীসিল কালাম।

- তুহফাতুল মওদুদ ফিল মাকসুর ওয়াল মামদুদ।

- আল-ইতিদাদ ফিল ফারকি বাইনাজ জোয়া ওয়াদ দোয়াদ এবং এর ব্যাখ্যা।

- শারহু উমদাতুল হাফিজ ওয়া উদ্দাতুল লাফিজ।

- শাওয়াাহিদুত তাওদীহ ওয়াত তাসহীহ লি-মুশকিলাতিল জামিইস সহীহ।

 

‌‌তাঁর মৃত্যু:

তিনি (রাহিমাহুল্লাহ) দামেস্কে ৬৭২ হিজরি সনের ১৩ই শাবান বুধবার রাতে ইন্তেকাল করেন। উমাইয়া জামে মসজিদে তাঁর জানাজা পড়া হয় এবং কাসিউন পাহাড়ের পাদদেশে তাঁকে দাফন করা হয়। সে সময় তাঁর বয়স সত্তর বছর অতিক্রম করেছিল(২).

--------------------------------------------

(১) বুগইয়াতুল উয়াত (১/ ১৩০)।

(২) আল-বুলগাহ লিল-ফিরোয আবাদী (পৃ. ২৭০), এবং তারিখুল ইসলাম (১৫/ ২৪৯)।

(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ১৭)
‌‌اسْمُ الكِتَابِ

اعتمدتُ عُنوانَ الكتاب الذي أشار إليه النَّاظم في نظمه، وهو الواردُ في أغلب النُّسخ الخطِّيَّةِ، وفي أَهمِّ الشُّروح وكتب التَّراجم والفَهارِس ونحوها مِن مَظانِّ معرفةِ اسمِ الكتاب.

 

‌‌أَوَّلاً: اسْمُ الكِتَابِ كَمَا نَصَّ عَلَيْهِ النَّاظِمُ رحمه الله:

نصَّ النَّاظم على اسم منظومته في آخرِها بقوله:

وَمَا بِجَمْعِهِ عُنِيتُ قَدْ كَمَلْ … نَظْماً عَلَى جُلِّ الْمُهِمَّاتِ اشْتَمَلْ

أَحْصَى مِنَ الْكَافِيَةِ الْخُلَاصَهْ … كَمَا اقْتَضَى غِنىً بِلَا خَصَاصَهْ

وقد جاءَ هذا الاسمُ كذلك في بعض النُّسخ الخطِّيَّة، وفيها زيادةُ: (في النَّحو) - كما سيأتي - لبيانِ الاختصاص.

ونصَّ النَّاظمُ في أوَّل منظومته على أنَّها «ألفيَّة»، حيث قال:

وَأَسْتَعِينُ اللَّهَ فِي أَلْفِيَّهْ … مَقَاصِدُ النَّحْوِ بِهَا مَحْوِيَّهْ

قال الشَّاطبيُّ رحمه الله(1): «ويعني النَّاظِمُ بقوله: (أَلْفِيَّهْ) النِّسبَة إلى ألفٍ مزدوج، لا إلى ألفِ بيت؛ لأنَّها ألفَا بيت مِن مشطور الرَّجَز، ويَبعُد أن يكون قصدُه النِّسبة إلى الألفين وإن كان في اللَّفظ ممكناً».

وهذان الاسمان: «الألفية» و «الخلاصة» بهما اشتهرَ هذا النَّظم.

--------------------------------------------

(1) المقاصد الشافية (1/ 17).

গ্রন্থের নাম

আমি সেই গ্রন্থের শিরোনামটি গ্রহণ করেছি যেটির দিকে রচয়িতা তার কাব্যে ইঙ্গিত করেছেন, যা অধিকাংশ পাণ্ডুলিপিতে বিদ্যমান এবং প্রধান ব্যাখ্যাগ্রন্থসমূহ, জীবনী অভিধান, গ্রন্থতালিকা ও গ্রন্থের নাম জানার অনুরূপ উৎসসমূহে বর্ণিত হয়েছে।

 

প্রথমত: রচয়িতা (রহিমাহুল্লাহ) যেভাবে গ্রন্থের নাম উল্লেখ করেছেন:

রচয়িতা তার কাব্যগ্রন্থের শেষে এর নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে বলেছেন:

আমি যা সংকলনে যত্নবান হয়েছিলাম তা পূর্ণ হয়েছে … এমন এক কাব্য যা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলির অধিকাংশকে অন্তর্ভুক্ত করেছে।

এটি 'কাফিয়া' থেকে নির্যাস বা সারাংশ চয়ন করেছে … যেমনটি এটি কোনো অভাব ছাড়াই স্বয়ংসম্পূর্ণতা দাবি করে।

এই নামটি কিছু পাণ্ডুলিপিতেও একইভাবে এসেছে, যেখানে বিষয়বস্তু স্পষ্ট করার জন্য অতিরিক্ত হিসেবে যুক্ত আছে: '(ব্যাকরণ বিষয়ে)'—যেমনটি সামনে আলোচিত হবে।

রচয়িতা তার কাব্যের শুরুতে একে 'আলফিয়্যাহ' হিসেবে অভিহিত করেছেন, যেখানে তিনি বলেছেন:

আর আমি আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করছি এমন এক 'আলফিয়্যাহ' রচনায় … যাতে ব্যাকরণের মূল উদ্দেশ্যসমূহ সন্নিবেশিত হয়েছে।

শাতবি (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন(১): "রচয়িতা 'আলফিয়্যাহ' বলতে এক হাজার জোড়া চরণের (বাইত) দিকে সম্বন্ধ করেছেন, কেবল এক হাজার পঙ্‌ক্তির দিকে নয়; কারণ এটি 'মাশতুর রাজায' ছন্দে দুই হাজার পঙ্‌ক্তি বিশিষ্ট। আর দুই হাজারের দিকে সম্বন্ধ করার ইচ্ছা পোষণ করাটা সুদূরপরাহত, যদিও শাব্দিক দিক থেকে তা সম্ভব।"

এই দুটি নাম—'আলফিয়্যাহ' এবং 'আল-খুলাসা'—দ্বারাই এই কাব্যটি প্রসিদ্ধি লাভ করেছে।

--------------------------------------------

(১) আল-মাকাসিদুশ শাফিয়া (১/ ১৭)।

(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ১৮)
‌‌ثَانِياً: اسْمُ الكِتَابِ كَمَا وَرَدَ فِي النُّسَخِ الخَطِّيَّةِ:

1 - في أ: «ألفية ابن مالك».

2 - وفي ب: «كتاب فيه الأسديَّة(1)، وتُعرَف بالخلاصة في العربيَّة».

3 - وفي ج: «الخلاصة … » ولم يَظهر بقيَّة الاسم.

4 - وفي د: «الخلاصة فِي النحو».

5 - وفي هـ - بخطٍّ متأخِّرٍ -: «كتاب متن ألفيَّة ابن مالك الطَّائي عليهِ رحمة الباري».

6 - وفي و، ط: «كتاب الخُلاصة في النَّحو».

7 - وفي ك: «كتاب الألفيَّة في النحو».

8 - وفي ل - بخطٍّ متأخِّرٍ -: «شرح أرجوزة في النَّحو، الشَّهير بالألفيَّة».

9 - وفي م: «شرح الألفيَّة لابن مالك».

10 - وفي ن: «كتاب شرحِ ألفيَّة ابن مالكٍ».

11 - وفي ع: «شرح ألفيَّة ابن مالك لابنِ المصنف».

--------------------------------------------

(1) كذا في هذه النسخةِ، وقد حكى الذهبي رحمه الله في تاريخ الإسلام (52/ 450) - أنَّه بلغه أنَّ ابن مالك صنَّف الألفيَّة لولده تقيِّ الدِّين محمد الملقَّب بالأسد، والصَّواب: أنَّه ألف له كتاباً آخرَ سمَّاه المقدِّمة الأسدية. انظر: نفح الطِّيب للمقري (2/ 232).

দ্বিতীয়ত: পাণ্ডুলিপিগুলোতে যেভাবে কিতাবটির নাম এসেছে:

১ - 'আ' পাণ্ডুলিপিতে: "ইবনে মালিকের আলফিয়্যা"।

২ - এবং 'বা' পাণ্ডুলিপিতে: "একটি কিতাব যাতে আসাদিয়্যাহ রয়েছে(১), এবং এটি আরবি ভাষায় 'আল-খুলাসা' নামে পরিচিত"।

৩ - এবং 'জিম' পাণ্ডুলিপিতে: "আল-খুলাসা … " এবং নামের বাকি অংশ প্রকাশ পায়নি।

৪ - এবং 'দাল' পাণ্ডুলিপিতে: "নাহু শাস্ত্রে আল-খুলাসা"।

৫ - এবং 'হা' পাণ্ডুলিপিতে—পরবর্তী সময়ের হস্তাক্ষরে—: "তায়ী বংশীয় ইবনে মালিকের আলফিয়্যার মূল পাঠের কিতাব, স্রষ্টার রহমত তাঁর উপর বর্ষিত হোক"।

৬ - এবং 'ওয়াও' ও 'ত্ব' পাণ্ডুলিপিতে: "নাহু শাস্ত্রে আল-খুলাসা কিতাব"।

৭ - এবং 'কাফ' পাণ্ডুলিপিতে: "নাহু শাস্ত্রে আলফিয়্যা কিতাব"।

৮ - এবং 'লাম' পাণ্ডুলিপিতে—পরবর্তী সময়ের হস্তাক্ষরে—: "নাহু শাস্ত্রের একটি রাজয কবিতার ব্যাখ্যা, যা আলফিয়্যা নামে প্রসিদ্ধ"।

৯ - এবং 'মিম' পাণ্ডুলিপিতে: "ইবনে মালিকের আলফিয়্যার ব্যাখ্যা"।

১০ - এবং 'নুন' পাণ্ডুলিপিতে: "ইবনে মালিকের আলফিয়্যার ব্যাখ্যার কিতাব"।

১১ - এবং 'আইন' পাণ্ডুলিপিতে: "গ্রন্থকারের পুত্রের রচিত ইবনে মালিকের আলফিয়্যার ব্যাখ্যা"।

--------------------------------------------

(১) এই পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে। যাহাবী (রহিমাহুল্লাহ) ‘তারিখুল ইসলাম’-এ (৫২/ ৪৫০) উল্লেখ করেছেন যে, তাঁর নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, ইবনে মালিক তাঁর পুত্র ‘আসাদ’ উপাধিতে ভূষিত তাকিউদ্দীন মুহাম্মদের জন্য এই আলফিয়্যা রচনা করেছেন। কিন্তু সঠিক বিষয় হলো: তিনি তাঁর জন্য অন্য একটি কিতাব রচনা করেছিলেন যার নাম দিয়েছিলেন ‘আল-মুকাদ্দিমাতুল আসাদিয়্যাহ’। দেখুন: মাক্কারীর ‘নাফহুত তীব’ (২/ ২৩২)।

(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ১৯)
‌‌ثَالِثاً: اسْمُ الكِتَابِ كَمَا وَرَدَ عِنْدَ الشُّرَّاحِ:

1 - قال ابن النَّاظم رحمه الله في شرحه (ص 3): «فإنِّي ذاكرٌ في هذا الكتابِ أرجوزة والدِي رحمه الله في علمِ النحو، المسمَّاة بـ: (الخُلاصة)».

2 - وقال ابن جابر الهُوَّاريُّ رحمه الله في شرحه (2/ ب): «وهذه الألفيَّة خلاصةُ ما في أرجوزتِه الكبيرة المسمَّاة بـ (الكافية الشَّافية)، ولهذا سمَّى هذه: (الخُلاصَة)».

3 - وقال الشَّاطبيُّ رحمه الله في شرحه المقاصد الشَّافية (1/ 2): «وهي المسمَّاة بـ: (الخلاصة)».

4 - وقال المَكوديُّ رحمه الله في شرحه (2/ 981): «وإنما سُمِّيت خُلاصة بعد نظمِها؛ لكونه ذكرَ أنَّها جَمعتِ الخلاصَة من الكافيةِ».

وقد اقتصرتُ على هؤلاء؛ لأنهم نصُّوا على أنها تُسمَّى بهذا الاسمِ.

 

‌‌رَابِعاً: اسْمُ الكِتَابِ كَمَا وَرَدَ فِي بَعْضِ كُتُبِ التَّرَاجِمِ:

1 - «كتاب الخُلاصة»(1).

2 - «الخلاصة الألفيَّة في النَّحو»(2).

3 - «الخلاصة الألفيَّة»(3).

--------------------------------------------

(1) انظر: تاريخ الإسلام (50/ 110)، وفوات الوفيات لابن شاكر الكتبي (3/ 408)، وبغية الوعاة (1/ 131).

(2) تاريخ ابن الوردي (2/ 215).

(3) البلغة للفيروزآبادي (ص 270).

তৃতীয়: ব্যাখ্যাকারদের নিকট কিতাবটির যে নাম উল্লেখ হয়েছে:

১ - ইবনুন নাজিম (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর ব্যাখ্যাগ্রন্থে (পৃ. ৩) বলেছেন: «আমি এই কিতাবে নাহু শাস্ত্রে আমার পিতার (রাহিমাহুল্লাহ) সেই কাব্যগাথা উল্লেখ করছি, যার নাম রাখা হয়েছে: (আল-খুলাসা)»।

২ - ইবনু জাবির আল-হুওয়ারি (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর ব্যাখ্যাগ্রন্থে (২/ খ) বলেছেন: «এই আলফিয়্যাহ হলো তাঁর (আল-কাফিয়া আশ-শাফিয়া) নামক বৃহৎ কাব্যগ্রন্থের সারসংক্ষেপ, আর এই কারণেই তিনি এর নাম রেখেছেন: (আল-খুলাসা)»।

৩ - আশ-শাতিবি (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর ব্যাখ্যাগ্রন্থ 'আল-মাকাসিদ আশ-শাফিয়া' (১/ ২)-তে বলেছেন: «এর নাম হলো: (আল-খুলাসা)»।

৪ - আল-মাকুদি (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর ব্যাখ্যাগ্রন্থে (২/ ৯৮১) বলেছেন: «এটি কাব্যরূপে রচনার পরেই এর নাম 'খুলাসা' রাখা হয়েছে; কারণ তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এটি কাফিয়া থেকে সারসংক্ষেপ (খুলাসা) সংগ্রহ করেছে»।

আমি শুধু এঁদের কথা উল্লেখ করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছি; কারণ তাঁরা স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেছেন যে কিতাবটি এই নামেই অভিহিত।

 

চতুর্থ: কিছু জীবনীগ্রন্থে কিতাবটির যে নাম উল্লেখ হয়েছে:

১ - «কিতাবুল খুলাসা»(১)।

২ - «আন-নাহু শাস্ত্রে আল-খুলাসাতুল আলফিয়্যাহ»(২)।

৩ - «আল-খুলাসাতুল আলফিয়্যাহ»(৩)।

--------------------------------------------

(১) দেখুন: তারিখুল ইসলাম (৫০/ ১১০), ইবনু শাকির আল-কুতুবি প্রণীত ফাওয়াতুল ওফায়াত (৩/ ৪০৮) এবং বুগইয়াতুল উআত (১/ ১৩১)।

(২) তারিখ ইবনুল ওয়ারদি (২/ ২১৫)।

(৩) আল-ফিরোজাবাদি প্রণীত আল-বুলগাহ (পৃ. ২৭০)।

(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ২০)
4 - «الألفيَّة»(1).

 

‌‌خَامِساً: اسْمُ الكِتَابِ كَمَا وَرَدَ فِي بَعْضِ الأَثْبَاتِ وَالفَهَارِسِ:

1 - «الخُلاصة»(2).

2 - «الخلاصة الألفيَّة في العربيَّةِ»(3).

--------------------------------------------

(1) انظر: البداية والنِّهاية لابن كثير (13/ 267)، وطبقات الشَّافعيين لابن كثير (1/ 908)، وعقد الجمان للعيني (ص 139)، والعقد المذهب لابن الملقن (ص 371)، والأعلام (6/ 233).

(2) كشف الظُّنون عن أسامي الكتب والفنون لحاجي خليفة (1/ 152).

(3) المعجم المفهرس لابن حجر (ص 412).

৪ - «আল-আলফিয়্যাহ»(১).

 

‌‌পঞ্চম: কতিপয় কিতাব তালিকা ও নির্ঘণ্টে যেভাবে কিতাবটির নাম বর্ণিত হয়েছে:

১ - «আল-খুলাসাহ»(২).

২ - «আল-খুলাসাহ আল-আলফিয়্যাহ ফিল আরাবিয়্যাহ»(৩).

--------------------------------------------

(১) দেখুন: ইবনে কাসীরের ‘আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া’ (১৩/ ২৬৭), ইবনে কাসীরের ‘তাবাকাতুশ শাফিঈন’ (১/ ৯০৮), আল-আইনীর ‘ইকদুল জুমান’ (পৃ. ১৩৯), ইবনুল মুলাক্কিনের ‘আল-ইকদুল মুযাহহব’ (পৃ. ৩৭১) এবং ‘আল-আ’লাম’ (৬/ ২৩৩)।

(২) হাজী খলিফার ‘কাশফুয যুনুন আন আসামিল কুতুবি ওয়াল ফুনুন’ (১/ ১৫২)।

(৩) ইবনে হাজারের ‘আল-মুজামুল মুফাহরাস’ (পৃ. ৪১২)।

(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ২১)
‌‌النُّسَخُ المُعْتَمَدَةُ فِي التَّحْقِيقِ

اعتَمدتُ فِي تحقيقِ المتنِ على ستَّ عَشرةَ نسخةً خطِّيَّةً؛ إحدى عشرةَ نسخةً منها مفردةٌ لمتن الألفيَّة، وبقيَّتها ضمنَ نسخٍ قديمةٍ لشرحِ ابن النَّاظمِ على الألفيَّة، وهِي حَسبَ تَارِيخِ نَسْخِهَا كمَا يأتِي:

 

‌‌أَوَّلاً: نُسَخُ مَتْنِ الأَلْفِيَّةِ:

‌‌النُّسْخَةُ الأُولَى، وَرَمَزْتُ لَهَا بِـ (أ):

وهي نسخةٌ عتيقةٌ، فِي مجمُوعٍ - هيَ الأولى فِيه - بمكتبة شهيد علي باشَا، ضِمن المكتبةِ السُّليمانيَّة بإسطنبول - تركيا -، برقم: (2334).

عددُ لوحاتِها: (51) لوحَة.

تاريخ نسخِها: لَم يُذكَر فيها تارِيخُ النَّسخِ، ولكِنَّ ناسخَ المجموعِ واحدٌ، وقد ذَكر تارِيخ نَسخِه لِكتابِ الاعتِضادِ - المُضَمَّنِ فِي هذا المجموعِ - في سَنة (698 هـ)، فيكون نَسخُها مقارباً لهذَا التَّاريخِ.

ناسخها: لا يُعرَف.

الخط: خُطَّت بِخطٍّ نَسخِيٍّ جَميلٍ وواضحٍ.

خصائصُها:

1 - نُسخَة عَتيقةٌ، ومُتقنَةٌ.
তাহকীকে (সম্পাদনায়) নির্ভরযোগ্য পাণ্ডুলিপিগুলো

মূল পাঠের (মতন) সম্পাদনায় আমি ষোলোটি পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি; এর মধ্যে এগারোটি পাণ্ডুলিপি আলফিয়্যার মূল পাঠের স্বতন্ত্র প্রতিলিপি, এবং অবশিষ্টগুলো আলফিয়্যার ওপর ইবনুন নাজিমের ব্যাখ্যার (শারহ) প্রাচীন পাণ্ডুলিপিগুলোর অন্তর্ভুক্ত। প্রতিলিপিকরণের তারিখ অনুযায়ী সেগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

 

প্রথমত: আলফিয়্যার মূল পাঠের (মতন) পাণ্ডুলিপিসমূহ:

প্রথম পাণ্ডুলিপি, যাকে আমি (আ) দ্বারা চিহ্নিত করেছি:

এটি একটি প্রাচীন পাণ্ডুলিপি, যা একটি সংকলনের (মাজমুআ) অন্তর্ভুক্ত—এবং এটিই সেই সংকলনের প্রথম পাণ্ডুলিপি। এটি তুরস্কের ইস্তাম্বুলের সুলাইমানিয়া লাইব্রেরির অন্তর্গত শহীদ আলী পাশা লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত রয়েছে, যার নম্বর: (২৩৩৪)।

এর পত্র সংখ্যা: (৫১)টি পত্র।

প্রতিলিপিকরণের তারিখ: এতে প্রতিলিপিকরণের কোনো তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। তবে পুরো সংকলনের লিপিকার একজনই। তিনি এই সংকলনের অন্তর্ভুক্ত 'কিতাবুল ইতিদ্বাদ' গ্রন্থটি প্রতিলিপিকরণের তারিখ ৬৯৮ হিজরি উল্লেখ করেছেন। অতএব, এর প্রতিলিপিকরণ উক্ত তারিখের কাছাকাছি সময়ে হয়েছে বলে গণ্য হবে।

লিপিকার: অজ্ঞাত।

লিপি: এটি সুন্দর ও স্পষ্ট নাসখ লিপিতে লিখিত।

বৈশিষ্ট্যসমূহ:

১ - এটি একটি প্রাচীন ও নির্ভুল পাণ্ডুলিপি।
(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ২২)
2 - خُرِم مِن أَوَّلها إلى أوَّل بيتٍ من «بابِ العَلم» رقم (72)، وأُكمِلَ النَّقصُ بخطٍّ متأخِّرٍ.

3 - جَميعُ كلماتِها مشكولَة، ويَظهَر في مواضعَ منها ضَبطٌ متأخِّرٌ عن ضَبطِ النَّاسِخِ الأوَّل وقد يخفَى التَّميِيزُ بَينهما، ووُجِد فيها مواضِعُ كَشْطٍ وتَغيِيرٍ يَسيرة.

4 - علَيها تصحِيحاتٌ، وعلاماتُ مقابلةٍ، وإشاراتٌ لفُروقِ النُّسَخ الأخرَى.

5 - تَحتَ كُلِّ بيتٍ شرح مُختصرٌ مكتوبٌ بالحُمرةِ، وعلى حواشِيها تَعليقات أخرى كثيرةٌ.

6 - مَيَّزَ النّاسخُ أبوابَ النَّظمِ بمِدادٍ أحمرَ.

7 - في آخِرهَا إجازةٌ مقرونةٌ بالمُناوَلةِ من الفَيرُوزآبَادِيِّ(1) بِخطِّه، لشِهابِ الدِّين أحمدَ بن الحسينِ الفارِقيِّ(2)، بتاريخ: السَّادِس من ذي الحجَّة سنة (800 هـ).

8 - في حاشيتِها بلاغُ قراءةٍ عند «بابِ النَّعت» على أبِي بكر بنِ

--------------------------------------------

(1) هو: مُحمَّد بن يعقوب بن محمد بن إبرَاهِيم، مَجد الدِّين أبو طاهر، الشِّيرازي الفيروزآبادي، من أئمة اللُّغة والدِّين، انتقل إلى العراق، وجالَ في مصر والشَّام وغيرها، وسكن زبيد، ووَلِي قضاءها، وتوفِّي بها سنة (817 هـ)، وله مؤلَّفات كثيرة؛ أشهرها: القامُوس المحيط، وسِفر السَّعادة - في الحديث والسِّيرة -، وغيرهما. طبقات الشَّافعية لابن قاضي شهبة (4/ 63)، والضَّوء اللَّامع لأهل القرن التَّاسع للسَّخاوي (10/ 79).

(2) لم أقف على ترجمتِه.

২ - পাণ্ডুলিপিটির শুরু থেকে ৭২ নম্বর 'বাবু আল-আলাম' (বিশেষ্য অধ্যায়)-এর প্রথম পঙ্ক্তি পর্যন্ত অংশটি ক্ষতিগ্রস্ত বা বিলুপ্ত হয়েছে এবং এই অপূর্ণতা পরবর্তী সময়ের হস্তাক্ষরে পূর্ণ করা হয়েছে।

৩ - এর সকল শব্দ হরকতযুক্ত (স্বরচিহ্নযুক্ত), এবং এর কিছু স্থানে মূল লিপিকারের পরবর্তী সময়ের হরকত প্রদান লক্ষ্য করা যায়, যার ফলে উভয়ের মধ্যে পার্থক্য করা কখনো কঠিন হয়ে পড়ে। এতে সামান্য ঘষামাজা ও পরিবর্তনের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

৪ - এতে সংশোধনীসমূহ, পাণ্ডুলিপি মিলকরণের চিহ্নসমূহ এবং অন্যান্য পাণ্ডুলিপির পাঠভেদের ইঙ্গিত রয়েছে।

৫ - প্রতিটি পঙ্ক্তির নিচে লাল কালিতে একটি সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা লেখা আছে এবং এর পার্শ্বটীকায় আরও অনেক মন্তব্য রয়েছে।

৬ - লিপিকার কবিতার অধ্যায়গুলোকে লাল কালি দ্বারা পৃথক করেছেন।

৭ - এর শেষে ফিরোজাবাদী(১)-এর স্বহস্তে লিখিত এবং হস্তান্তরের (মুনাওয়ালাহ) সাথে সম্পৃক্ত একটি অনুমতিপত্র (ইজাজত) রয়েছে, যা শিহাব উদ্দীন আহমদ ইবনুল হুসাইন আল-ফারিক্বী(২)-এর উদ্দেশ্যে লেখা। তারিখ: ৬ই যিলহজ্জ, ৮০০ হিজরী।

৮ - এর পার্শ্বটীকায় 'বাবু আন-না’ত' (বিশেষণ অধ্যায়)-এর নিকট আবু বকর ইবনে... এর সান্নিধ্যে পাঠ সম্পন্ন করার একটি টীকা রয়েছে।

--------------------------------------------

(১) তিনি হলেন: মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম, মাজদুদ্দীন আবু তাহির, আশ-শিরাজি আল-ফিরোজাবাদী। তিনি ভাষা ও দ্বীনের অন্যতম ইমাম। তিনি ইরাকে গমন করেন এবং মিসর, শাম ও অন্যান্য দেশ ভ্রমণ করেন। তিনি যাবিদ শহরে বসবাস করেন এবং সেখানকার বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ৮১৭ হিজরীতে সেখানে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর বহু গ্রন্থ রয়েছে; যার মধ্যে সর্বাধিক প্রসিদ্ধ হলো: আল-কামুস আল-মুহিত এবং সিফরুস সা’আদাহ —হাদিস ও সীরাত বিষয়ক— ইত্যাদি। তাবাকাতুশ শাফিইয়্যাহ লি-ইবনে কাদি শুহবাহ (৪/৬৩), আদ-দাও আল-লামি’ লি-আহলি আল-কারনি আত-তাসি’ লিস-সাখাবী (১০/৭৯)।

(২) আমি তাঁর জীবনী সম্পর্কে অবগত হতে পারিনি।

(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ২৩)
علي ابنِ ظَهِيرَةَ(1)، مع إِجازةٍ منه للقارِئ - وهو ابنُ أختهِ: عبد البَاسط بن مُحمد ابن ظَهِيرَة -(2).

 

‌‌النُّسْخَةُ الثَّانِيَةُ، وَرَمَزْتُ لَهَا بِـ (ب):

وهي مَحفوظة في مكتبة يُوسف زادَه بمدينة قُونية - تركيا -، برقم: (6133).

عددُ لوحاتِها: (36) لوحَة.

تاريخ نسخِها: الرَّابع من شهر اللَّه المُحرَّم سنة (719 هـ).

ناسخها: محمدُ بن يوسفَ بنِ عبد الكريم بن عَلِيِّ بن عُمر بنِ محمد الأنصاريُّ الأَوْسي الوَادِي آشِي الشَّافعيُّ(3)، (جدُّه ابنُ بِنت الشَّيخ أبي إسحاق العراقي)(4).

--------------------------------------------

(1) هو: فخر الدِّين أبو بكر بن علي بن محمد بن محمد بن حسين، ابن ظهيرة، القرشي المكِّي الشَّافعي، خطيبُ المسجد الحرام، أخذ عن تقي الدِّين الشُّمُنِّي، وعلم الدِّين البُلقيني، والبوتيجي وغيرهم، وله تآليف؛ منهَا: غُنية الفقير في حكم حج الأجير، وكفاية المُحتاج في الدِّماء الواجبة في الحجِّ، توفي سنة (889 هـ). الضوء اللامع (11/ 58).

(2) هو: أبو المفاخر زين الدِّين، عبد الباسط بنُ محمد بن محمَّد بنِ الحسين، ابن ظَهِيرةَ القرشي المكِّي الشَّافعي، لازم خالَه الفخر أبا بكر، رفيقاً للجمال أبي السُّعود فمن قبلَه في جُلِّ دروسِهِ، وقد ذكَر السَّخاوِيُّ رحمه الله أنَّه قَرَأ على خالِه هذا الألفِيَّة، واطَّلَع على هذه النُّسخَة وأفادَ مِن نَصِّ هذه الإجازةِ فقال: «وقرأ عليهِ الألفيَّة النَّحويَّة، وكتب له أنَّها قراءةُ بحثٍ وتحريرٍ وإتقانٍ، وأَذِنَ له في الإقراء والإفادة إن أَحبَّ، وذلك في سنة أربع وسبعين» - أي: (874 هـ) -. الضوء اللامع (4/ 29).

(3) لم أَقِفْ على ترجمتِه.

(4) هو: عبد الكريمُ بن علي بن عمر الأنصاريُّ، علَم الدِّين العِراقي، ابن بنت الشَّيخ أبي إسحاق العراقي، الفقيه المفسِّر، أصلُه من وادِي آش، له مختصرٌ في أصول الفقه، توفي سنة (704 هـ). طبقات الشَّافعية للإسنوي (2/ 107)، والدُّرر الكامنة في أعيان المئة الثَّامنة لابن حجر (3/ 200).

আলী ইবনে জহিরা(১), তাঁর পক্ষ থেকে পাঠকের জন্য একটি ইজাজতসহ - আর তিনি হলেন তাঁর ভাগ্নে: আব্দুল বাসিত বিন মুহাম্মদ ইবনে জহিরা -(২)।

 

‌‌দ্বিতীয় পাণ্ডুলিপি, এবং আমি একে (ব) প্রতীকে চিহ্নিত করেছি:

এটি তুরস্কের কোনিয়া শহরের ইউসুফ জাদাহ লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আছে, যার নম্বর: (৬১৩৩)।

এর পৃষ্ঠা সংখ্যা: (৩৬)টি পৃষ্ঠা।

এর অনুলিপিকরণের তারিখ: আল্লাহর মাস মুহাররমের চার তারিখ, ৭১৯ হিজরি।

এর অনুলিপিকারক: মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন আব্দুল কারিম বিন আলী বিন উমর বিন মুহাম্মদ আল-আনসারী আল-আওসী আল-ওয়াদি আশি আশ-শাফিঈ(৩), (তাঁর দাদা হলেন শায়খ আবু ইসহাক আল-ইরাকির মেয়ের ঘরের নাতি)(৪)।

--------------------------------------------

(১) তিনি হলেন: ফখর উদ্দীন আবু বকর বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন হুসাইন, ইবনে জহিরা, আল-কুরাশি আল-মাক্কি আশ-শাফিঈ, মাসজিদুল হারামের খতিব। তিনি তাকিউদ্দীন আশ-শুমুন্নি, ইলমুদ্দীন আল-বুলকিনি, আল-বুতাইজি এবং অন্যান্যদের থেকে ইলম অর্জন করেছেন। তাঁর বেশ কিছু রচনা রয়েছে; যার মধ্যে রয়েছে: ভাড়ায় হজ আদায়কারীর বিধান বিষয়ক 'গুনিয়াতুল ফাকির', এবং হজে ওয়াজিব দমের বর্ণনায় 'কিফায়াতুল মুহ তাজ'। তিনি ৮৮৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। আদ-দাও আল-লামি (১১/৫৮)।

(২) তিনি হলেন: আবুল মাফাখির জয়নুদ্দীন, আব্দুল বাসিত বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন, ইবনে জহিরা আল-কুরাশি আল-মাক্কি আশ-শাফিঈ। তিনি তাঁর মামা ফখর আবু বকরের সান্নিধ্যে থাকতেন এবং জামাল আবুস সুউদের সাথে তাঁর অধিকাংশ পাঠে অংশ নিতেন। আস-সাখাউই (রাহিমাহুল্লাহ) উল্লেখ করেছেন যে, তিনি তাঁর মামার কাছে আলফিয়্যাহ পাঠ করেছেন এবং এই পাণ্ডুলিপিটি দেখেছেন এবং এই ইজাজতের পাঠ থেকে উপকৃত হয়েছেন। তিনি বলেছেন: "তিনি তাঁর কাছে আলফিয়্যাতুন নাহবিয়্যাহ পাঠ করেছেন এবং তিনি তাঁর জন্য লিখেছেন যে, এটি ছিল গভীর অনুসন্ধান, সম্পাদনা ও নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করা পাঠ। তিনি চাইলে তাঁকে পাঠদান ও শিক্ষা দেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন এবং এটি ছিল চিয়াত্তর হিজরিতে (অর্থাৎ ৮৭৪ হিজরিতে)।" আদ-দাও আল-লামি (৪/২৯)।

(৩) আমি তাঁর জীবনী সম্পর্কে জানতে পারিনি।

(৪) তিনি হলেন: আব্দুল কারিম বিন আলী বিন উমর আল-আনসারী, আলম উদ্দীন আল-ইরাকি, শায়খ আবু ইসহাক আল-ইরাকির মেয়ের ঘরের নাতি। তিনি একজন ফকিহ ও মুফাসসির ছিলেন। তাঁর আদি নিবাস ছিল ওয়াদি আশ। উসুলে ফিকহ বিষয়ে তাঁর একটি সংক্ষিপ্ত গ্রন্থ রয়েছে। তিনি ৭০৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। আল-ইসনাভির তাবাকাতুশ শাফিঈয়্যাহ (২/১০৭), এবং ইবনে হাজারের আদ-দুরারুল কামিনাহ ফি আয়ানিল মিআতিল সামিনাহ (৩/২০০)।

(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ২৪)
الخط: نسخيٌّ جميل وَواضحٌ.

خصائصُها:

1 - نسخة تامَّةٌ عتيقةٌ متقنة.

2 - جميعُ كلماتها مَشكولةٌ.

3 - على حواشِيها تصحيحاتٌ وإلحاقاتٌ، وبيانٌ لبعض الكلماتِ، وتعليقاتٌ كثيرة، وإشاراتٌ إلى فروقِ بعض النُّسخ الأخرى.

4 - عَليها بلاغاتٌ وعلاماتُ مقابلةٍ.

5 - مقروءةٌ على ثلاثةٍ من أئمَّة النَّحو؛ وهُم: أبو حيَّان الأندلسيُّ(1)،

--------------------------------------------

(1) هو: محمدُ بن يوسف بن عليِّ بن يوسف بن حيَّان النفزي الأندلسيِّ، أثير الدِّين أبو حيَّان، شيخ البلاد المصريَّة والشَّامية ورئيسُها في علم العربية، وصاحب المصنَّفات الباهِرة؛ منها: البحر المحيط في التَّفسير، والتَّكميل شرح التَّسهيل، ومنهج السَّالك في الكلام على ألفيَّة ابن مالك، ولد سنة: (654 هـ) بغرناطة، وتوفِّي بالقاهرة سنة: (745 هـ). البلغة في تراجم أئمَّة النَّحو واللُّغة للفيروزآبادي (ص 250 - 252)، والدرر الكامنة (6/ 58 - 65).

ونصُّ إجازته لسراج الدين عمر بن عليٍّ الخزرجيّ المثبتةُ في ورقة العنوان: «عرض عليَّ جميع (الألفيّة في النحو)؛ للإمام جمال الدِّين ابن مالكٍ رحمه الله: الولدُ النَّجيب الفاضل الذِّكر سراج الدِّين عمر ابن الخطيب العدل نورِ الدين علي ابن الخطِيب [العدل] عماد الدِّين داوُد بن الخطيب العدل مجد الدِّين عبد العظيم بنِ نبهان بن عطاف [بن قيس] بن عطاف بن سَعْد بنِ عطاء بن قيس بنِ سعد بن عبادةَ الخزرجيّ صاحب رسُول اللَّه صلى الله عليه وسلم، عرضا حسناً في مجلسين - أَجْزل اللَّه من الفهم حظَّه كما يسَّر له حفظَهُ -، وأخبرته [أني] قرأتُ الألفيّة جمعاءَ على الشيخ الإمام رئيسِ أهل الإِنْشاء شهاب الدِّين محمود بنِ سلمان بن فهدٍ الحلبيّ، وقرأتُ من أوّلها إلى باب النعت على الشيخ الصَّالح المحدِّث شمس الدِّين أبي عبدِ اللَّه محمد بن أبي الفتح وأجازنِي؛ قالا: قرأناها على مُنْشِئها جمالِ الدين.

وأجزتُ له أن يرويَها [عني] بهذا الإسناد، وأن يرويَ عني جميع ما يجوز لي وعنِّي روايتُهُ، وكان آخر عرضِه عليَّ يوم الثلاثاء سابع عشر شهر ربيعٍ الآخر، سنةَ عشرين وسبع مئةٍ، بمنزلي من مدرسة الملك الصَّالح.

كتبه: أبو حيَّانَ محمدُ بن يوسف بن عليِّ بن حيانَ الأندلسيُّ نزيل ديار مصر - حرسها اللَّه -».

লিপি: সুন্দর ও স্পষ্ট নাসখ লিপি।

এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:

১ - একটি পূর্ণাঙ্গ, প্রাচীন ও সুবিন্যস্ত পাণ্ডুলিপি।

২ - এর সকল শব্দ হরকতযুক্ত (স্বরচিহ্নযুক্ত)।

৩ - এর পার্শ্বটীকায় সংশোধন ও সংযোজন, কিছু শব্দের ব্যাখ্যা, প্রচুর মন্তব্য এবং অন্যান্য কিছু পাণ্ডুলিপির সাথে পার্থক্যের নির্দেশিকা রয়েছে।

৪ - এতে পাঠ সমাপ্তির ঘোষণা ও মূল পাঠের সাথে মিলিয়ে দেখার চিহ্নসমূহ রয়েছে।

৫ - এটি নাহু শাস্ত্রের তিনজন ইমামের নিকট পাঠ করা হয়েছে; তারা হলেন: আবু হাইয়ান আল-আন্দালুসি(১),

--------------------------------------------

(১) তিনি হলেন: মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ ইবনে আলী ইবনে ইউসুফ ইবনে হাইয়ান আন-নাফযি আল-আন্দালুসি, আসীরুদ্দিন আবু হাইয়ান; মিসর ও শামের শায়খ এবং আরবি ভাষাবিজ্ঞানে তাঁদের প্রধান। তিনি চমৎকার সব গ্রন্থের রচয়িতা; যার মধ্যে রয়েছে: তাফসীরের ক্ষেত্রে 'আল-বাহরুল মুহিত', 'আত-তাকমিল শারহুত তাসিল', এবং ইবনে মালিকের আলফিয়্যাহর ব্যাখ্যাগ্রন্থ 'মানহাজুস সালিক ফীল কালাম আলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক'। তিনি ৬৫৪ হিজরিতে গ্রানাডায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ৭৪৫ হিজরিতে কায়রোতে মৃত্যুবরণ করেন। ফিরোজাবাদীর 'আল-বুলগাহ ফি তারাজিমিল আইম্মাতিন নাহবি ওয়াল লুগাহ' (পৃষ্ঠা ২৫০-২৫২) এবং 'আদ-দুরারুল কামিনাহ' (৬/ ৫৮-৬৫)।

শিরোনাম পত্রে সংরক্ষিত সিরাজুদ্দিন উমর ইবনে আলী আল-খাজরাজির প্রতি তাঁর ইজাজতের (অনুমতিপত্র) পাঠ নিম্নরূপ: «ইমাম জামালুদ্দিন ইবনে মালিক (রহিমাহুল্লাহ)-এর রচিত সম্পূর্ণ (আলফিয়্যাহ ফিন নাহু) আমার নিকট উপস্থাপন করেছেন: বুদ্ধিমান, শ্রেষ্ঠ ও সুপরিচিত সন্তান সিরাজুদ্দিন উমর ইবনুল খাতিব আল-আদল নুরুদ্দিন আলী ইবনুল খাতিব [আল-আদল] ইমাদুদ্দিন দাউদ ইবনুল খাতিব আল-আদল মাজদুদ্দিন আব্দুল আজিম ইবনে নাবহান ইবনে আত্তাফ [ইবনে কায়স] ইবনে আত্তাফ ইবনে সাদ ইবনে আতা ইবনে কায়স ইবনে সাদ ইবনে উবাদাহ আল-খাজরাজি (যিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবী ছিলেন)। তিনি এটি দুই মজলিসে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন — আল্লাহ যেমন তাঁর জন্য মুখস্থ করা সহজ করে দিয়েছেন, তেমনি যেন তাঁকে সম্যক উপলব্ধির তৌফিক দান করেন। আর আমি তাঁকে অবহিত করেছি যে, আমি সম্পূর্ণ আলফিয়্যাহ পাঠ করেছি শায়খ, ইমাম এবং পত্র-সাহিত্যিকদের প্রধান শিহাবুদ্দিন মাহমুদ ইবনে সালমান ইবনে ফাহদ আল-হালাবির নিকট। আর এর শুরু থেকে বিশেষণ (নাত) অধ্যায় পর্যন্ত পাঠ করেছি নেককার শায়খ ও মুহাদ্দিস শামসুদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবুল ফাতহের নিকট এবং তিনি আমাকে ইজাজত দিয়েছেন। তাঁরা দুজনেই বলেছেন: আমরা এটি এর রচয়িতা জামালুদ্দিনের নিকট পাঠ করেছি।

আমি তাঁকে এই সনদে এটি বর্ণনা করার অনুমতি প্রদান করলাম এবং আমার পক্ষ থেকে যা কিছু বর্ণনা করা আমার জন্য বৈধ, তা সবই বর্ণনা করার অনুমতি দিলাম। আমার নিকট তাঁর শেষ উপস্থাপনা ছিল ৭২০ হিজরির রবিউস সানি মাসের ১৭ তারিখ মঙ্গলবার, মাদ্রাসা আল-মালিক আস-সালিহ-এ অবস্থিত আমার বাসভবনে।

এটি লিখেছেন: আবু হাইয়ান মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ ইবনে আলী ইবনে হাইয়ান আল-আন্দালুসি, মিসর নিবাসী — আল্লাহ একে রক্ষা করুন।»।

(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ২৫)
وبهاءُ الدِّين ابنُ عقيلٍ(1)، ومحمد ابنُ السَّرَّاج المقرِئ(2).

6 - في آخرِها إجازة من محمدِ ابن السرَّاج المقرئ - المتقدِّم ذكرُه - بخطِّه، لعمرَ بن عليِّ بن داودَ بن عبد العظيمِ الخَزْرَجِي الأنصاريِّ(3)، بتاريخ: 16 ربيع الآخر (720 هـ).

7 - مقابَلةٌ على نسختينِ عتيقتين كما ذُكِر في بلاغِ المقابلة آخرهَا.

8 - ميَّز النَّاسِخُ عناوين الأبوابِ بالحُمْرَة.

 

‌‌النُّسْخَةُ الثَّالِثَةُ، وَرَمَزْتُ لَهَا بِـ (ج):

وهي محفوظةٌ في مكتبة المَتحفِ البريطاني بلندن - بريطانيا -، برقم: (28 - 2522 B).

عددُ لوحاتِها: (52) لوحَة.

تاريخ نسخِها: فِي شهر شوَّال سنةَ (728 هـ).

--------------------------------------------

(1) هو: بهاء الدِّين أبو محمد، عبدُ اللَّه بن عبد الرَّحمن بن عبد اللَّه، المشهور بابن عقيل الشَّافعي النَّحوي، وليَ قضاء مصرَ، قال الإسنوي رحمه الله: «وكان إماماً في العربية وعلمَي المعاني والبيان، ويتكلَّم في الأصول والفقه كلاماً حسناً»، وله شرح ألفية ابن مالك، توفي سنة (769 هـ). طبقات الشافعية للإسنوي (2/ 110)، وبغية الوعاة في طبقات اللغويين والنُّحاة للسُّيوطي (2/ 47)، والأعلام للزركلي (4/ 96).

وقيد القراءة عليه بخطِّه عندنا في باب النعت.

(2) هو: محمدُ بن محمد بنِ نمير ابن السرَّاج، أبو الحسن شمس الدِّين المصريُّ، الإمام الكاتب النَّحوي المُقرئ، أخذ عن السَّمين الحلبي، وقرأ على نور الدين الكفتيِّ، وعلى المكين الأسمر وغيرهم، وحدَّث عن شاميَّة بنت البكريِّ وغيرها، ولد سنة (670 هـ)، وتوفِّي بالقاهرة سنة (749 هـ). الوفيات لابن رافع (2/ 32)، وغاية النهاية في طبقات القراء لابن الجزري (2/ 256)، والمقفى الكبير للمقريزي (7/ 83).

(3) لم أَقِف على ترجمتِه.

এবং বাহাউদ্দীন ইবন আকীল(১), এবং মুহাম্মাদ ইবনুস সাররাজ আল-মুকরি(২)।

৬ - এর শেষে মুহাম্মাদ ইবনুস সাররাজ আল-মুকরি —যাঁর কথা পূর্বে বর্ণিত হয়েছে— তাঁর নিজ হাতের লেখা একটি ইজাজত (অনুমতিপত্র) রয়েছে উমর বিন আলী বিন দাউদ বিন আব্দুল আযীম আল-খাযরাজী আল-আনসারীর(৩) জন্য, তারিখ: ১৬ রবিউল আখির (৭২০ হিজরী)।

৭ - দুইটি প্রাচীন পাণ্ডুলিপির সাথে এটি মিলিয়ে দেখা হয়েছে (মুকাবালা), যেমনটি এর শেষের মুকাবালার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে।

৮ - অনুলিপিকারক অধ্যায়ের শিরোনামগুলোকে লাল রঙের মাধ্যমে পৃথক করেছেন।

 

‌‌তৃতীয় পাণ্ডুলিপি, যা আমি (জ) সংকেত দিয়ে চিহ্নিত করেছি:

এটি লন্ডনের ব্রিটিশ মিউজিয়াম লাইব্রেরিতে —যুক্তরাজ্য— সংরক্ষিত আছে, নম্বর: (28 - 2522 B)।

এর পৃষ্ঠা সংখ্যা: (৫২) টি পাতা।

এর অনুলিপি সম্পন্ন করার তারিখ: শাওয়াল মাস, (৭২৮ হিজরী) সালে।

--------------------------------------------

(১) তিনি হলেন: বাহাউদ্দীন আবু মুহাম্মাদ, আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ, যিনি ইবন আকীল আশ-শাফিয়ী আন-নাহবী নামে প্রসিদ্ধ। তিনি মিসরের বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। আল-ইসনাভী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: «তিনি আরবী ভাষা এবং মাআনী ও বয়ানশাস্ত্রে একজন ইমাম ছিলেন এবং উসূল ও ফিকহ শাস্ত্রে চমৎকার আলোচনা করতেন», তাঁর ইবন মালিকের আলফিয়্যাহর একটি শারহ (ব্যাখ্যাগ্রন্থ) রয়েছে। তিনি ৭৬৯ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন। আল-ইসনাভীর তাবাকাতুশ শাফিয়্যাহ (২/১১০), সুয়ূতী-র বুগইয়াতুল উয়াত ফি তাবাকাতিল লুগাবিয়্যিন ওয়ান নুহাত (২/৪৭), এবং যারকালীর আল-আ’লাম (৪/৯৬)।

তাঁর নিকট পাঠের রেকর্ডটি তাঁর নিজ হাতের লেখায় আমাদের নিকট না’ত (বিশেষণ) অধ্যায়ে সংরক্ষিত আছে।

(২) তিনি হলেন: মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন নুমাইর ইবনুস সাররাজ, আবুল হাসান শামসুদ্দীন আল-মিসরী। তিনি ইমাম, লেখক, ব্যাকরণবিদ এবং ক্বারী ছিলেন। তিনি আস-সামীন আল-হালাবীর নিকট শিক্ষা লাভ করেছেন এবং নূরুদ্দীন আল-কুফতী, মাকীন আল-আসমার ও অন্যদের নিকট পাঠ করেছেন। তিনি শামিয়াহ বিনতে আল-বাকরী ও অন্যদের থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি ৬৭০ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৭৪৯ হিজরীতে কায়রোতে মৃত্যুবরণ করেন। ইবন রাফে-এর আল-ওয়াফিয়াত (২/৩২), ইবনুল জাযারীর গায়াতুন নিহায়াহ ফি তাবাকাতিল কুররা (২/২৫৬), এবং মাকরিযীর আল-মুকাফ্ফাল কাবীর (৭/৮৩)।

(৩) আমি তাঁর জীবনবৃত্তান্ত খুঁজে পাইনি।

(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ২৬)
ناسخها: لا يُعرَف.

الخط: نَسخيٌّ جميلٌ وواضِحٌ.

خصائصُها:

1 - أنَّها نسخة تامَّة مُتقنةٌ، جميلةُ الخطِّ.

2 - أغلبُ كلماتِها مشكولَة.

3 - مُيِّزت عناوينُها بخطٍّ مغايِر.

4 - عليهَا تصحيحاتٌ وَعلاماتُ مقابلةٍ، وإشارات لفُروقِ النُّسخِ.

 

‌‌النُّسْخَةُ الرَّابِعَةُ، وَرَمَزْتُ لَهَا بِـ (د):

وهي نسخة تامَّة متقنةٌ، محفوظة فِي مكتبة رئيسِ الكُتَّاب، ضمنَ المكتبةِ السُّليمانيَّة بإسطنبول - تركيا -، برقم: (1039).

عددُ لوحاتِها: (74) لوحَة.

تاريخ نسخِها: فِي شَهر ربيع الأوَّلِ سنة (732 هـ).

ناسخها: عبد اللَّهِ بن يوسفَ، المعروفُ بابنِ هشامٍ النَّحوي(1).

الخط: نسخيٌّ معتاد.

--------------------------------------------

(1) هو: عبدُ اللَّه بن يوسف بن أحمدَ بن عبد اللَّه بنِ يوسف، أبو محمدٍ، جمال الدين، ابنُ هشام المصريُّ، من أئمَّة العربيَّة، له تصانيف كثيرة؛ منها: مغني اللَّبيب عن كتب الأعاريب، وأوضح المسالك إلى ألفيَّة ابن مالك، وغيرهما، وله عدَّة حواشٍ على ألفية ابن مالك والتَّسهيل، توفِّي سنة (761 هـ)، قال ابن خلدون رحمه الله: «ما زِلنا ونحن بالمغرب نسمعُ أنه ظهر بمصر عالم بالعربية - يُقال له: ابن هشام - أَنْحَى من سيبويه». الدرر الكامنة (3/ 94)، وبغية الوعاة (2/ 68).

অনুলিপিকার: অজ্ঞাত।

লিপি: সুন্দর ও স্পষ্ট নাসখ লিপি।

এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:

১ - এটি একটি পূর্ণাঙ্গ, সুসংহত ও সুন্দর হস্তাক্ষরের অনুলিপি।

২ - এর অধিকাংশ শব্দই স্বরচিহ্নযুক্ত।

৩ - এর শিরোনামগুলো ভিন্ন হস্তাক্ষরের মাধ্যমে পৃথক করা হয়েছে।

৪ - এতে সংশোধন ও পাঠ-পর্যালোচনার চিহ্ন এবং বিভিন্ন পাণ্ডুলিপির পাঠভেদের প্রতি ইঙ্গিত রয়েছে।

 

‌‌চতুর্থ অনুলিপি, এবং আমি একে (দাল) প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত করেছি:

এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ও নিখুঁত অনুলিপি, যা তুরস্কের ইস্তাম্বুলের সুলাইমানিয়া লাইব্রেরির অন্তর্গত 'রাইসুল কুতুব' লাইব্রেরিতে (১০৩৯) নম্বর সংগ্রহে সংরক্ষিত আছে।

এর পত্র সংখ্যা: (৭৪)টি পত্র।

অনুলিপিকরণের তারিখ: রবিউল আউয়াল মাস, ৭৩২ হিজরি।

অনুলিপিকার: আবদুল্লাহ বিন ইউসুফ, যিনি ইবনে হিশাম আন-নাহবি নামে পরিচিত(১)।

লিপি: সাধারণ নাসখ লিপি।

--------------------------------------------

(১) তিনি হলেন: আবদুল্লাহ বিন ইউসুফ বিন আহমদ বিন আবদুল্লাহ বিন ইউসুফ, আবু মুহাম্মদ, জামালুদ্দিন, ইবনে হিশাম আল-মিসরি। তিনি আরবি ভাষার অন্যতম ইমাম, তাঁর অনেকগুলো রচনা রয়েছে; যার মধ্যে রয়েছে: মুগনি আল-লাবিব আন কুতুবিল আ'আরিব, আওদাহুল মাসালিক ইলা আলফিয়্যাহ ইবনে মালিক এবং আরও অন্যান্য। এছাড়া ইবনে মালিকের আলফিয়্যাহ এবং আত-তাসহিল-এর ওপর তাঁর একাধিক টীকাগ্রন্থ রয়েছে। তিনি ৭৬১ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। ইবনে খালদুন (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: "আমরা যখন মাগরিবে (মরক্কো) ছিলাম, তখন থেকেই শুনতে পাচ্ছিলাম যে মিশরে আরবি ব্যাকরণের একজন পণ্ডিতের আবির্ভাব ঘটেছে—যাকে ইবনে হিশাম বলা হয়—তিনি সিবাওয়াইহের চেয়েও বড় ব্যাকরণবিদ।" আদ-দুরারুল কামিনাহ (৩/৯৪), বুগইয়াতুল উয়াত (২/৬৮)।

(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ২৭)
خصائصُها:

1 - نسخَةٌ تامَّة، وَمُتقنَةٌ.

2 - نَاسخها عالمٌ كبيرٌ، وهو ابن هشامٍ الإمام النَّحوي المعروفُ.

3 - مشكُولةٌ ومنقُوطةٌ في مواضع كثيرة، خاصةً فِيما يُشكِلُ.

4 - يَعتنِي النَّاسِخ كثيراً ببيانِ الأوجُه المتعدِّدَة فِي الكلمَة الواحِدَة، وأحياناً يَضَعُ فوقَها كلمة «مَعاً».

5 - يستَعْمِلُ الحُمْرَة في ضبطِ موَاضِع من المتنِ، وفي كتابة العَناوينِ، وبعض التَّعليقاتِ.

6 - عَليها تَصْحيحاتٌ، وفيها إِشاراتٌ لفروقٍ مِن نُسخة بهاء الدِّين ابن النَّحَّاسِ(1).

7 - عليها تعليقات كَثيرةٌ، بعضُها لنفسِه، وبعضها الآخَر منقولٌ من مصادرَ نحويَّة، ووضَعَ للتَّعليقات رموزاً أبان عنهَا على ظَهرِ النُّسخَة.

 

‌‌النُّسْخَةُ الخَامِسَةُ، وَرَمَزْتُ لَهَا بِـ (هـ):

وهي نسخةٌ نفيسَة متقَنة، محفوظةٌ في مكتبةِ الأسَد الوطنيَّة بدمشق - سُوريا -، برقم: (14213).

--------------------------------------------

(1) هو: بهاء الدِّين أبو عبد اللَّه، محمدُ بن إبراهيم بن محمد بنِ أبي نصر، ابن النَّحَّاس الحلبي الشَّافعي، شيخ العربيَّة بمصر، مشهور بالعدالة والدِّين، أخذ عن ابن عمرون وابن يعيش النَّحوي وغيرهم، توفِّي سنة (698 هـ). معجم الشُّيوخ الكبير للذهبي (2/ 137)، وبغية الوعاة (1/ 14).

এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:

১ - এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ও নির্ভুল পাণ্ডুলিপি।

২ - এর লিপিকার একজন মহান আলেম, তিনি হলেন প্রখ্যাত ব্যাকরণবিদ ইমাম ইবনে হিশাম।

৩ - অনেক স্থানে হরকত ও নুকতা প্রদান করা হয়েছে, বিশেষ করে যেখানে অস্পষ্টতার সম্ভাবনা রয়েছে।

৪ - লিপিকার একটি শব্দের বিভিন্ন রূপ বা দিক বর্ণনায় অত্যন্ত যত্নশীল ছিলেন এবং মাঝে মাঝে সেগুলোর ওপর ‘একত্রে’ শব্দটি লিখেছেন।

৫ - তিনি মূল পাঠের নির্দিষ্ট স্থানসমূহ সুবিন্যস্ত করতে এবং শিরোনাম ও কিছু টীকা লেখার ক্ষেত্রে লাল কালি ব্যবহার করেছেন।

৬ - এতে সংশোধন রয়েছে এবং বাহাউদ্দিন ইবনে নাহহাসের পাণ্ডুলিপি থেকে পাওয়া পাঠান্তরের প্রতি ইঙ্গিত রয়েছে(১)।

৭ - এতে প্রচুর টীকা রয়েছে, যার কিছু তাঁর নিজস্ব এবং অন্যগুলো ব্যাকরণিক উৎস থেকে সংগৃহীত। তিনি টীকাগুলোর জন্য কিছু সংকেত ব্যবহার করেছেন যা পাণ্ডুলিপির প্রচ্ছদে স্পষ্ট করেছেন।

 

‌‌পঞ্চম পাণ্ডুলিপি, যাকে আমি (হা) প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত করেছি:

এটি একটি মূল্যবান ও সুবিন্যস্ত পাণ্ডুলিপি, যা সিরিয়ার দামেস্কে অবস্থিত আল-আসাদ জাতীয় গ্রন্থাগারে (১৪২১৩) নম্বর ক্রমিকে সংরক্ষিত আছে।

--------------------------------------------

(১) তিনি হলেন: বাহাউদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ, মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি নাসর, ইবনে নাহহাস আল-হালাবি আশ-শাফেয়ি। মিশরের আরবি ভাষার শায়খ, তিনি ন্যায়পরায়ণতা ও দ্বীনদারির জন্য প্রসিদ্ধ ছিলেন। তিনি ইবনে আমরুন, ব্যাকরণবিদ ইবনে ইয়াঈশ এবং অন্যদের নিকট থেকে জ্ঞান অর্জন করেছেন। তিনি ৬৯৮ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। আয-যাহাবির মু'জামুশ শুয়ুখিল কাবির (২/১৩৭) এবং বুগইয়াতুল উ'আত (১/১৪)।

(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ২৮)
عددُ لوحاتِها: (43) لوحَة.

تاريخ نسخِها: لم يُذكَر عليها تاريخُ النَّسخ، ولكن فِي آخرِها إجازةٌ لِنَاسِخِهَا بتاريخِ: شعبان من سنة (732 هـ).

ناسخها: محمدُ بن أحمدَ بن محمدٍ الجهنيُّ الشيزريُّ(1).

الخط: نسخيٌّ جميلٌ.

خصائصُها:

1 - نسخةٌ تامَّة مجوَّدة.

2 - وقع فيها ترميمٌ قديمٌ في موضعين، استُدرِك فيها النَّظم بخطٍّ مغاير، وهي: من بداية النَّظم إلى قوله: «وابنتين يجريان» في «باب المعرب والمبني»؛ آخر البيت رقم (33)، ومن قوله: «واقطع أو اتبع» في «باب النَّعت»؛ أول البيت رقم (517)، إلى قوله: «والذي قد رخما» في «باب التَّرخيم»؛ آخر البيت رقم (609).

3 - جميعُ كلماتِها مشكولةٌ.

4 - على حواشِيها تصحيحاتٌ وإلحاقَات، وبيانٌ لبعضِ الكلماتِ، وإشاراتٌ إلى فرُوق نُسخٍ أخرَى.

5 - عَليها تعليقاتٌ كثيرَة، وتفسيرٌ لبعضِ كلماتِ المَتن.

6 - ميَّز النَّاسخُ عناوينَ الأبوابِ بالحمرَة.

--------------------------------------------

(1) لم أَقِفْ على ترجمته.

এর পত্রসংখ্যা: (৪৩) পত্র।

প্রতিলিপিকরণের তারিখ: এতে প্রতিলিপিকরণের কোনো তারিখ উল্লেখ নেই, তবে এর শেষে লিপিকারের জন্য একটি অনুমতিপত্র (ইজাজত) রয়েছে যার তারিখ: শাবান, ৭৩২ হিজরি।

লিপিকার: মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-জুহানি আশ-শাইযারি(১)।

লিপি: সুন্দর নাসখ লিপি।

এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:

১ - একটি পূর্ণাঙ্গ ও উন্নত মানের পাণ্ডুলিপি।

২ - এতে দুই স্থানে প্রাচীন সংস্কার করা হয়েছে, যেখানে ভিন্ন হস্তাক্ষরে কবিতাগুলো সংশোধন করা হয়েছে। সেগুলো হলো: কবিতার শুরু থেকে «বাবু আল-মু'রাব ওয়াল-মাবনি» অধ্যায়ের «ওয়াবনাতাইনি ইয়াজরিয়ান» উক্তি পর্যন্ত; যা ৩৩ নম্বর পদ্যের শেষ। এবং «বাবু আন-নাত» অধ্যায়ের «ওয়াকতা' আও ইততাবি'» উক্তি থেকে; যা ৫১৭ নম্বর পদ্যের শুরু, সেখান থেকে «বাবু আত-তারখিম» অধ্যায়ের «ওয়াল্লাযি কদ রাখখামা» উক্তি পর্যন্ত; যা ৬০৯ নম্বর পদ্যের শেষ।

৩ - এর সকল শব্দ হরকতযুক্ত (স্বরচিহ্নযুক্ত)।

৪ - এর পার্শ্বটীকায় সংশোধন ও সংযোজন রয়েছে, কিছু শব্দের ব্যাখ্যা এবং অন্যান্য পাণ্ডুলিপির পাঠভেদের প্রতি ইঙ্গিত রয়েছে।

৫ - এর উপর প্রচুর টীকা এবং মূল পাঠের কিছু শব্দের ব্যাখ্যা রয়েছে।

৬ - লিপিকার অধ্যায়ের শিরোনামগুলোকে লাল কালি দ্বারা পৃথক করেছেন।

--------------------------------------------

(১) আমি তাঁর জীবনী খুঁজে পাইনি।

(খণ্ড: ১) আলফিয়্যাতু ইবনে মালিক - তাকিক আল-কাসিম (পৃষ্ঠা: ২৯)
7 - قرأهَا ناسخُها على تلميذِ النَّاظم: محمدِ بن عبد الرَّحيمِ بن عبدِ الوهاب بن عليِّ ابن خطِيب بعلبَك السُّلميِّ(1)، في مجالس آخرُها في شعبان المكرَّم، سنة اثنتينِ وثلاثينَ وسبع مئةٍ، وأجازهُ بها بحقِّ سماعه إِيَّاها من ناظِمها ابنِ مالكٍ.

8 - قوبِلتْ على أصلِ الشَّيخ المقروءةِ عليه - وهو: الخَطيب السُّلمي - في سنةِ بضعٍ وثلاثينَ وسبع مئةٍ(2).

9 - ثمَّ قوبلتْ بأصلٍ آخرَ لم يَتبين صاحبُه بسببِ المَحو(3).

 

‌‌النُّسْخَةُ السَّادِسَةُ، وَرَمَزْتُ لَهَا بِـ (و):

وهي محفُوظة في مكتبةِ جامعةِ برنستون - أمريكا -، برقم: (1387 يهودا).

عددُ لوحاتِها: (43) لوحة.

تاريخ نسخِها: الرَّابع عَشر من شهر رمَضانَ سنةَ (732 هـ).

ناسخها: محمَّدُ بنُ محمدِ بنِ عبدِ الرَّحيمِ بنِ الخَطيبِ السُّلَمِيُّ الشَّافعيُّ(4).

--------------------------------------------

(1) هو: محيي الدِّين محمد بن عبد الرَّحيم بن عبد الوهَّاب، أبو المعالي، السُّلَمِيُّ، خطيب بَعْلَبكَّ، سمع من ابن عبد الدَّائم، وكتب الخطَّ المنسوب، ونسخ الكثيرَ، وكان مُجيداً للخطابة، توفي سنة (743 هـ). معجم الشيوخ الكبير للذَّهبي (2/ 215)، والدُّرر الكامنة (5/ 285).

(2) لم يتَّضح تاريخ المقابلةِ، وبقي منه قوله: «في مجالس آخرُها عاشر جمادى … من سنة … وثلاثين وسبع مئةٍ».

(3) لم يتَّضح تاريخ هذه المقابلة، لكن الخطَّ يدل على أنه قريبٌ من الأوَّل في الزمن.

(4) هو: محمد بنُ محمد بن عبد الرَّحيم الخطيبُ، جلال الدِّين أبو ذر، السُّلَمِيُّ البَعْلِيُّ، عالم محدثٌ، مشهورٌ بجودة خطِّه المنسوب، قال الذَّهبيُّ رحمه الله: «ونسخَ كتابَيَّ: طبقات الحفَّاظ والكاشف، وقرأ، وخطُّه منسوب، وديانتُه متينة». انظر ترجمته في: المعجم المختص بالمحدثين للذَّهبي (ص 259).

৭ - এর অনুলিপিকার এটি রচয়িতার ছাত্রের নিকট পাঠ করেছেন, যিনি হলেন: মুহাম্মদ বিন আবদুর রহিম বিন আবদুল ওয়াহহাব বিন আলি ইবনে খাতিব বালবাক আস-সুলামি(১), এমন মজলিসসমূহে যার শেষটি ছিল ৭৩২ হিজরির সম্মানিত শাবান মাসে। আর তিনি এটি রচয়িতা ইবনে মালিকের নিকট শ্রবণ করার বদৌলতে তাকে এর ইজাজত প্রদান করেন।

৮ - এটি সেই শাইখের মূল কপির সাথে মিলিয়ে দেখা হয়েছে যার নিকট এটি পাঠ করা হয়েছিল—আর তিনি হলেন: খাতিব আস-সুলামি—সাত শত ত্রিশের দশকের কোনো এক বছরে(২)।

৯ - এরপর এটি অন্য একটি মূল কপির সাথে মিলিয়ে দেখা হয়েছে যার মালিকের নাম মুছে যাওয়ার কারণে স্পষ্ট হওয়া যায়নি(৩)।

 

‌‌ষষ্ঠ পান্ডুলিপি, এবং আমি একে (ও) প্রতীক দিয়ে চিহ্নিত করেছি:

এটি আমেরিকার প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আছে, যার নম্বর: (১৩৮৭ ইয়াহুদা)।

এর পৃষ্ঠা সংখ্যা: (৪৩) পৃষ্ঠা।

অনুলিপির তারিখ: ৭৩২ হিজরির ১৪ই রমজান।

এর অনুলিপিকার: মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আবদুর রহিম বিন আল-খাতিব আস-সুলামি আশ-শাফিয়ি(৪)।

--------------------------------------------

(১) তিনি হলেন: মুহিউদ্দীন মুহাম্মদ বিন আবদুর রহিম বিন আবদুল ওয়াহহাব, আবু আল-মাআলি, আস-সুলামি, বালবাকের খতিব; তিনি ইবনে আবদুল দায়িম থেকে শ্রবণ করেছেন এবং 'মানসুব' লিপিতে লিখেছেন ও অনেক অনুলিপি করেছেন। তিনি বাগ্মিতায় পারদর্শী ছিলেন। তিনি ৭৪৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। দ্রষ্টব্য: আয-যাহাবির মুজামুশ শুয়ুখিল কাবীর (২/ ২১৫), এবং আদ-দুরারুল কামিনাহ (৫/ ২৮৫)।

(২) তুলনামূলক পাঠের (মুকাবালা) তারিখটি স্পষ্ট নয়, তবে তার এই কথাটি অবশিষ্ট রয়েছে: «মজলিসসমূহে যার শেষটি ছিল দশই জুমাদা … সাত শত … ত্রিশ হিজরি থেকে»।

(৩) এই তুলনামূলক পাঠের তারিখটি স্পষ্ট নয়, তবে হস্তাক্ষর নির্দেশ করে যে এটি সময়ের দিক থেকে প্রথমটির কাছাকাছি।

(৪) তিনি হলেন: মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আবদুর রহিম আল-খাতিব, জালালুদ্দীন আবু যর, আস-সুলামি আল-বালি; একজন আলেম ও মুহাদ্দিস, তাঁর উন্নত মানের হস্তাক্ষরের জন্য সুপরিচিত। আয-যাহাবি (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: «তিনি আমার দুটি কিতাব: তাবাকাতুল হুফফাজ এবং আল-কাশিফ অনুলিপি করেছেন এবং পাঠ করেছেন। তাঁর হস্তাক্ষর ছিল মানসম্মত এবং তাঁর দ্বীনদারি ছিল সুদৃঢ়»। তাঁর জীবনী দেখুন: আয-যাহাবির আল-মুজামুল মুখতাস বিল মুহাদ্দিসিন (পৃ. ২৫৯)।