(খণ্ড: ১)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: -)
تغليق التعليق (ابن حجر العسقلاني)
القسم: التخريج والأطراف
الكتاب: تغليق التعليق على صحيح البخاري
المؤلف: أبو الفضل أحمد بن علي بن محمد بن أحمد بن حجر العسقلاني (ت 852 هـ)
المحقق: سعيد عبد الرحمن موسى القزقي [ت 1441 هـ]
الناشر: المكتب الإسلامي , دار عمار - بيروت , عمان - الأردن
الطبعة: الأولى، 1405
عدد الأجزاء: 5
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
তাগলিকুত তালীক (ইবনে হাজার আল-আসকালানি)
বিভাগ: তাখরীজ ও আতরাফ
গ্রন্থ: সহীহ বুখারীর ওপর তাগলিকুত তালীক
লেখক: আবু আল-ফদল আহমদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে হাজার আল-আসকালানি (মৃ. ৮৫২ হিজরি)
গবেষক: সাঈদ আবদুর রহমান মুসা আল-কাযাকি [মৃ. ১৪৪১ হিজরি]
প্রকাশক: আল-মাকতাবুল ইসলামী, দার আম্মার - বৈরুত, আম্মান - জর্ডান
সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৫
খণ্ড সংখ্যা: ৫
[গ্রন্থের নম্বরবিন্যাস মুদ্রণকপির অনুরূপ]
শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ৫)
بِسم الله الرَّحْمَن الرَّحِيم {رَبَّنَا آتِنَا مِنْ لَدُنْكَ رَحْمَةً وَهَيِّئْ لنا من أمرنَا رشدا}وصل وَسلم على سيدنَا مُحَمَّد وَآله وَصَحبهالْحَمد لله الَّذِي من تعلق بِأَسْبَاب طَاعَته فقد أسْند أمره إِلَى الْعَظِيم جَلَاله وَمن انْقَطع لأبواب خدمته متمسكا بنفحات كرمه قرب اتِّصَاله وَمن انتصب لرفع يَدَيْهِ جَازِمًا بِصِحَّة رجائه مَعَ انكسار نَفسه صلح حَاله وَصلى الله على سيدنَا مُحَمَّد الْمَشْهُور جماله الْمَعْلُوم كَمَاله وعَلى آل مُحَمَّد وَصَحبه الطيبين الطاهرين فصحبه خير صحب وَآلهأما بعد فَإِن الِاشْتِغَال بِالْعلمِ خير عَاجل وثواب حَاصِل لَا سِيمَا علم الحَدِيث النَّبَوِيّ وَمَعْرِفَة صَحِيحَة من معلله وموصوله من مرسله وَلما كَانَ كتاب الْجَامِع الصَّحِيح الْمسند الْمُخْتَصر من أُمُور سيدنَا رَسُول الله صلى الله عليه وسلم وسننه وأيامه تأليف الإِمَام الأوحد عُمْدَة الْحفاظ تَاج الْفُقَهَاء أبي عبد الله مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل بن إِبْرَاهِيم البُخَارِيّ رحمه الله وشكر سَعْيه قد اخْتصَّ بالمرتبة الْعليا وَوصف بِأَنَّهُ لَا يُوجد كتاب بعد كتاب الله مُصَنف أصح مِنْهُ فِي الدُّنْيَا وَذَلِكَ لما اشْتَمَل عَلَيْهِ من جمع الْأَصَح وَالصَّحِيح وَمَا قرن بأبوابه من الْفِقْه النافع الشَّاهِد لمؤلفه بالترجيح إِلَى مَا تميز بِهِ مُؤَلفه عَن غَيره بإتقان معرفَة التَّعْدِيل وَالتَّجْرِيح وَكنت مِمَّن من الله عز وجل عَلَيْهِ بالاشتغال بِهَذَا الْعلم النافع فصرفت فِيهِ مُدَّة من الْعُمر الَّذِي لولاه لَقلت البضائع وتأملت مَا يحْتَاج إِلَيْهِ طَالب الْعلم من شرح هَذَا الْجَامِع فَوَجَدته ينْحَصر فِي ثَلَاثَة أَقسَام من غير رَابِع
পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে। {হে আমাদের পালনকর্তা, আপনার পক্ষ থেকে আমাদের প্রতি রহমত দান করুন এবং আমাদের এই কাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন।}আমাদের নেতা মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবার ও সহচরদের উপর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক।সকল প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য, যিনি তাঁর আনুগত্যের মাধ্যমসমূহের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছেন, তিনি তাঁর বিষয়সমূহকে সেই মহান মহিমান্বিত সত্তার প্রতি সোপর্দ করেছেন। আর যে ব্যক্তি তাঁর করুণার সুবাতাস আঁকড়ে ধরে তাঁর খিদমতের দুয়ারে নিজেকে উৎসর্গ করেছে, তাঁর নৈকট্য অর্জিত হয়েছে। আর যে ব্যক্তি নিজের অন্তরের দীনতা নিয়ে স্বীয় আশা পূরণের দৃঢ় বিশ্বাসে দুহাত তুলে দাঁড়িয়েছে, তাঁর অবস্থা সংশোধন হয়েছে। এবং আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক আমাদের নেতা মুহাম্মাদের উপর, যাঁর সৌন্দর্য সুবিদিত এবং পূর্ণতা সুপরিচিত; এবং মুহাম্মাদের পরিবারবর্গ ও তাঁর পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন সহচরদের উপর। কেননা তাঁর সহচরগণ সর্বশ্রেষ্ঠ সহচর এবং তাঁর পরিবারবর্গও সর্বোত্তম পরিবার।অতঃপর, ইলম বা জ্ঞান অর্জনে ব্যাপৃত হওয়া একটি তাৎক্ষণিক কল্যাণ এবং অর্জিত সওয়াব, বিশেষ করে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীস শাস্ত্র এবং এর ত্রুটিযুক্ত বর্ণনা থেকে সহীহ বর্ণনা এবং বিচ্ছিন্ন বর্ণনা থেকে সংযুক্ত বর্ণনা চেনার জ্ঞান। আর যেহেতু আমাদের নেতা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ঘটনাবলি, তাঁর সুন্নাহ ও সময়কাল বিষয়ক সংক্ষিপ্ত ও সংযুক্ত সহীহ সংকলন গ্রন্থটি—যা একক ইমাম, হাফিযদের প্রধান অবলম্বন, ফকীহদের শিরোমণি আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল বিন ইবরাহীম আল-বুখারী (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন এবং তাঁর প্রচেষ্টাকে কবুল করুন) কর্তৃক সংকলিত—সর্বোচ্চ মর্যাদায় অভিষিক্ত হয়েছে এবং যার সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে যে, আল্লাহর কিতাবের পর পৃথিবীতে এর চেয়ে বিশুদ্ধ আর কোনো কিতাব রচিত হয়নি। আর তা এজন্য যে, এটি সর্বাধিক সহীহ ও বিশুদ্ধ বর্ণনাসমূহকে ধারণ করেছে এবং এর অধ্যায়গুলোতে এমন উপকারী ফিকহ সন্নিবেশিত হয়েছে যা গ্রন্থকারের অগ্রাধিকার প্রদানের (তারজীহ) যোগ্যতার সাক্ষ্য দেয়; তদুপরি গ্রন্থকার বর্ণনাকারীদের যাচাই-বাছাই (জারহ-তাদীল) সংক্রান্ত জ্ঞানের নিপুণতায় অন্যের চেয়ে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছেন। আমি তাদের অন্তর্ভুক্ত যাদের প্রতি আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা এই উপকারী ইলম নিয়ে ব্যাপৃত থাকার অনুগ্রহ করেছেন, ফলে আমি আমার জীবনের একটি সময় এতে ব্যয় করেছি—যা না হলে আমার জ্ঞানের পুঁজি অতি নগণ্য হতো। আমি একজন জ্ঞানপিপাসুর এই 'জামি'র ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে কী কী প্রয়োজন তা নিয়ে চিন্তা-গবেষণা করলাম এবং দেখলাম যে তা চতুর্থ কোনো বিভাগ ছাড়াই তিনটি বিভাগে সীমাবদ্ধ।
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ৬)
الأول فِي شرح غَرِيب ألفاضه وضبطها وإعرابهاوَالثَّانِي فِي معرفَة أَحَادِيثه وتناسب أبوابهوَالثَّالِث وصل الْأَحَادِيث المرفوعة والْآثَار الْمَوْقُوفَة الْمُعَلقَة فِيهِ وَمَا أشبه ذَلِك من قَوْله تَابعه فلَان وَرَوَاهُ فلَان وَغير ذَلِك فَبَان لي أَن الْحَاجة الْآن إِلَى وصل الْمُنْقَطع مِنْهُ ماسة أَن كَانَ نوعا لم يفرد وَلم يجمع ومنهلا لم يشرع فِيهِ وَلم يكرع وَإِن كَانَ صرف الزَّمَان إِلَى تَحْرِير الْقسمَيْنِ الْأَوَّلين أولى وَأَعْلَى والمعتني بهما هُوَ الَّذِي حَاز الْقدح الْمُعَلَّى وَلَكِن ملئت مِنْهُمَا بطُون الدفاتر فَلَا يُحْصى كم فِيهَا من حُبْلَى وَسبق إِلَى تحريرهما من قصاراي وقصارى غَيْرِي أَن ينْسَخ نَص كَلَامه فرعا وأصلا فاستخرت الله فِي جمع هَذَا الْقسم إِلَى أَن حصرته وتتبعت مَا انْقَطع مِنْهُ فَكل مَا وصلت إِلَيْهِ وصلته وسردته على تَرْتِيب الأَصْل بَابا بَابا وَذكرت من كَلَام الأَصْل مَا يحْتَاج إِلَيْهِ النَّاظر وَكَانَ ذَلِك صَوَابا وغيبته عَن عُيُون النقاد إِلَى أَن أطلعته فِي أفق الْكَمَال شهابا وسميته تغليق التَّعْلِيق لِأَن أسانيده كَانَت كالأبواب المفتحة فغلقت ومتونه رُبمَا كَانَ فِيهَا اخْتِصَار فكملت واتسقتوَقد نقلت من كتاب ترجمان التراجم لِلْحَافِظِ أبي عبد الله بن رشيد مَا نَصه بعد أَن ذكر التَّعْلِيق وَهل هُوَ لَاحق بِحكم الصَّحِيح أم متقاصر عَنهُ قَالَ وَسَوَاء كَانَ مَنْسُوبا إِلَى النَّبِي صلى الله عليه وسلم أَو إِلَى غَيره وَأكْثر مَا وَقع للْبُخَارِيّ من ذَلِك فِي صُدُور الْأَبْوَاب وَهُوَ مفتقر إِلَى أَن يصنف فِيهِ كتاب يَخُصُّهُ تسند فِيهِ تِلْكَ المعلقات وَتبين درجتها من الصِّحَّة أَو الْحسن أَو غير ذَلِك من الدَّرَجَات
প্রথমটি এর দুর্লভ শব্দাবলির ব্যাখ্যা, সেগুলোর সঠিক উচ্চারণ ও ব্যাকরণিক বিশ্লেষণ প্রসঙ্গে।দ্বিতীয়টি এর হাদিসসমূহ অনুধাবন এবং এর অধ্যায়সমূহের পারস্পরিক সামঞ্জস্য বিধান প্রসঙ্গে।তৃতীয়টি হলো এতে উল্লেখিত মারফূ হাদিস এবং মাওকূফ আসারসমূহ যা মুআল্লাক (ঝুলন্ত) হিসেবে রয়েছে সেগুলোকে সংযুক্ত করা, এবং এই জাতীয় অন্যান্য বিষয় যেমন তাঁর উক্তি—‘অমুক তাঁর অনুসরণ করেছেন’ বা ‘অমুক এটি বর্ণনা করেছেন’ ইত্যাদি। আমার কাছে এটি স্পষ্ট হয়েছে যে, এর মধ্যে যা বিচ্ছিন্ন রয়েছে তা সংযুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা এখন অনস্বীকার্য; যেহেতু এটি এমন এক প্রকারের কাজ যা এককভাবে সম্পাদিত বা সংকলিত হয়নি এবং এটি এমন এক প্রস্রবণ যেখানে আগে কেউ অবগাহন বা পান করেনি। যদিও প্রথম দুই বিভাগের সম্পাদনায় সময় ব্যয় করা অধিক শ্রেয় ও উচ্চতর কাজ এবং যারা এ দুটির প্রতি যত্নবান হন তারাই সফলতার উচ্চশিখরে আরোহণ করেন। তবে এ দুটি বিষয়ে তো কিতাবসমূহের উদর পূর্ণ হয়ে গেছে, ফলে তাতে গর্ভবতী (তথ্যবহুল) কিতাব কত রয়েছে তা গণনা করা সম্ভব নয়। আমার এবং অন্যদের সর্বোচ্চ চেষ্টা এটাই যে, মূল এবং শাখা উভয় ক্ষেত্রে তাঁর কালামের পাঠের কেবল অনুলিপি করা। অতঃপর আমি এই বিভাগটি সংকলন করার বিষয়ে আল্লাহর কাছে ইস্তিখারা করেছি যতক্ষণ না আমি একে সীমাবদ্ধ করতে পেরেছি এবং যা কিছু বিচ্ছিন্ন ছিল তা অনুসন্ধান করেছি। ফলে যা কিছু আমি পেয়েছি তা সংযুক্ত করেছি এবং মূল গ্রন্থের বিন্যাস অনুযায়ী প্রতিটি অধ্যায় ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করেছি। আর মূল গ্রন্থের বক্তব্য থেকে যতটুকু একজন পাঠকের প্রয়োজন হতে পারে তা উল্লেখ করেছি এবং তা সঠিক হয়েছে। আমি একে সমালোচকদের দৃষ্টি থেকে আড়ালে রেখেছিলাম যতক্ষণ না পূর্ণতার দিগন্তে একে একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে প্রকাশ করেছি। আমি এর নামকরণ করেছি ‘তাগলিকুত তালীক’ (ঝুলন্ত বিষয়গুলোকে আবদ্ধ করা), কারণ এর সনদগুলো উন্মুক্ত দ্বারের মতো ছিল যা আমি রুদ্ধ (সংযুক্ত) করে দিয়েছি এবং এর মতনগুলোতে সম্ভবত কিছু সংক্ষিপ্ততা ছিল যা আমি পূর্ণাঙ্গ ও সুশৃঙ্খল করেছি।আমি হাফিজ আবু আব্দুল্লাহ ইবনে রুশাইদ-এর ‘তারজুমানুত তারাজিম’ কিতাব থেকে সেই অংশটি উদ্ধৃত করছি যা তিনি ‘তালীক’ বা ঝুলন্ত বর্ণনার কথা উল্লেখ করার পর এবং তা সহীহ-এর পর্যায়ভুক্ত কি না নাকি তার চেয়ে নিম্নমানের—সেই বিষয়ে আলোকপাত করতে গিয়ে বলেছেন। তিনি বলেন: ‘চাই তা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দিকে সম্বন্ধযুক্ত হোক বা অন্য কারো দিকে। ইমাম বুখারীর কিতাবে এর অধিকাংশ বিষয়ই অধ্যায়সমূহের শিরোনামে এসেছে। এটি এমন একটি বিষয় যার জন্য একটি স্বতন্ত্র কিতাব রচনা করা প্রয়োজন যেখানে এই মুআল্লাক বর্ণনাগুলোর সনদ প্রদান করা হবে এবং সহীহ, হাসান বা অন্যান্য স্তরের মধ্য থেকে সেগুলোর মর্যাদা স্পষ্ট করা হবে।’
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ৭)
وَمَا علمت أحدا تعرض لتصنيف فِي ذَلِك وَأَنه لمهم لَا سِيمَا لمن لَهُ عناية بِكِتَاب البُخَارِيّ انْتهىوَكفى بهَا شَهَادَة من هَذَا الْمُحَقق الْحَافِظ المدقق الرّحال إِلَى الْمشرق وَالْمغْرب وَلَقَد وقفت على فَوَائِد رحلته فِي سِتّ مجلدات أَتَى فِيهَا بالعجب العجاب وَلَقي فِيهَا مُسْند دمشق الْفَخر بن البُخَارِيّ ومسند مصر الْعِزّ الْحَرَّانِي ومجتهد الْعَصْر بن دَقِيق الْعِيد وأقرانهم وَرجع إِلَى بَلَده سبته بِعلم جم رَحمَه الله تَعَالَىفَأَما تَسْمِيَة هَذَا النَّوْع بِالتَّعْلِيقِ فَأول مَا وجد ذَلِك فِي عبارَة الْحَافِظ الأوحد أبي الْحسن عَليّ بن عمر الدَّارَقُطْنِيّ وَتَبعهُ عَلَيْهِ من بعده فَقَالَ الشَّيْخ أَبُو عَمْرو ابْن الصّلاح فِيمَا أَخْبَرَنَا أَبُو الْحسن بن أبي الْمجد عَن مُحَمَّد بن يُوسُف بن عبد الله الشَّافِعِي عَنهُ كَأَنَّهُ مَأْخُوذ من تَعْلِيق الْجِدَار وَتَعْلِيق ز 1 ب الطَّلَاق وَنَحْوه لما يشْتَرك الْجَمِيع فِيهِ من قطع الِاتِّصَال وَالله أعلمقلت أَخذه من تَعْلِيق الْجِدَار فِيهِ بعد وَأما أَخذه من تَعْلِيق الطَّلَاق وَغَيره فَهُوَ أقرب للسببيه لِأَنَّهُمَا معنويانوَأما التَّعْرِيف بِهِ فِي الْجَامِع فَهُوَ أَن يحذف من أول الْإِسْنَاد رجلا فَصَاعِدا
আর এ বিষয়ে কেউ কোনো গ্রন্থ রচনায় প্রবৃত্ত হয়েছেন বলে আমার জানা নেই, অথচ এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়, বিশেষ করে তাদের জন্য যাদের ইমাম বুখারীর কিতাব নিয়ে বিশেষ যত্ন ও মনোযোগ রয়েছে। ইতি।এই মুহাক্কিক, হাফিজ, সূক্ষ্মদর্শী এবং পূর্ব ও পশ্চিম দিগন্তে পরিভ্রমণকারী পর্যটকের পক্ষ থেকে এই সাক্ষ্যই যথেষ্ট। আমি ছয় খণ্ডে তাঁর ভ্রমণলব্ধ জ্ঞানগর্ভ তথ্যাদি (ফাওয়ায়েদ) পাঠ করেছি, যাতে তিনি বিস্ময়কর ও চমৎকার সব বিষয় সংকলন করেছেন। সেই সফরে তিনি দামেস্কের মুসনিদ আল-ফখর ইবনে আল-বুখারী, মিসরের মুসনিদ আল-ইজ্জ আল-হাররানী এবং এই যুগের মুজতাহিদ ইবনে দাকীক আল-ঈদ ও তাঁদের সমসাময়িকদের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। অতঃপর তিনি তাঁর শহর সিউটাতে বিপুল জ্ঞানভাণ্ডার নিয়ে প্রত্যাবর্তন করেন। আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন।আর হাদিসের এই প্রকারকে 'তালিক' (ঝুলন্ত রাখা) নামে অভিহিত করার বিষয়টি সর্বপ্রথম অনন্য হাফিজ আবুল হাসান আলী ইবনে উমর আদ-দারাকুতনীর বক্তব্যে পাওয়া যায় এবং তাঁর পরবর্তীগণ এই পরিভাষায় তাঁরই অনুসরণ করেছেন। শায়খ আবু আমর ইবনুস সালাহ—যেমনটি আমাদের জানিয়েছেন আবুল হাসান ইবনে আবিল মাজদ, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ ইবনে আব্দুল্লাহ আশ-শাফেয়ী থেকে, তিনি তাঁর (ইবনুস সালাহ) থেকে—বলেছেন, এটি যেন দেয়ালের কোনো কিছু ঝুলিয়ে রাখা কিংবা তালাক স্থগিত রাখার প্রয়োগ থেকে গৃহীত হয়েছে, কারণ এই সবকিছুর মধ্যেই সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার বিষয়টি বিদ্যমান। আল্লাহই সর্বজ্ঞ।আমি বলি, দেয়ালের ঝুলন্ত বস্তু থেকে এই নাম আহরণ করার বিষয়টি কিছুটা দূরবর্তী। তবে তালাক স্থগিত রাখা বা এই জাতীয় বিষয় থেকে এটি গ্রহণ করার বিষয়টি কারণ হিসেবে অধিকতর নিকটবর্তী; যেহেতু এ উভয়টিই অর্থগত বা বিমূর্ত বিষয়।আর 'আল-জামে' গ্রন্থে এর সংজ্ঞা হলো, সনদের শুরু থেকে একজন বা তদুর্ধ্ব বর্ণনাকারীকে বাদ দেওয়া।
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ৮)
معبرا بِصِيغَة لَا تَقْتَضِي التَّصْرِيح بِالسَّمَاعِ مثل قَالَ وروى وَزَاد وَذكر أَو يرْوى وَيذكر وَيُقَال وَمَا أشبه ذَلِك من صِيغ الْجَزْم والتمريض فَإِن جزم بِهِ فَذَلِك حكم مِنْهُ بِالصِّحَّةِ إِلَى من علقه عَنهُ وَيكون النّظر إِذْ ذَاك [فِيمَن] أبرز من رِجَاله فَإِن كَانُوا ثِقَات فالسبب فِي تَعْلِيقه أما لتكراره أَو لِأَنَّهُ أسْند مَعْنَاهُ فِي الْبَاب وَلَو من طَرِيق أُخْرَى فنبه عَلَيْهِ بِالتَّعْلِيقِ اختصارا أَو ليبين سَماع أحد رُوَاته من شَيْخه إِذا كَانَ مَوْصُوفا بالتدليس أَو كَانَ مَوْقُوفا لِأَن الْمَوْقُوف لَيْسَ من مَوْضُوع الْكتاب أَو كَانَ فِي رُوَاته من لم يبلغ دَرَجَة الضَّبْط والإتقان م 2 أوَإِن كَانَ ثِقَة فِي نَفسه فَلَا يرتقي إِلَى شَرط أبي عبد الله الْمُؤلف فِي الصَّحِيح فيعلق حَدِيثه تَنْبِيها عَلَيْهِ تَارَة أصلا وَتارَة فِي المتابعاتفَهَذِهِ عدَّة أوجه من الْأَسْبَاب الحاملة لَهُ على تَعْلِيق الْإِسْنَاد المجزوم بِهِ وَسَيَأْتِي مزِيد بَيَان لذَلِك فِي أثْنَاء هَذَا التصنيفوَإِن أَتَى بِهِ بِصِيغَة التمريض فَهُوَ مشْعر بضعفه عِنْده إِلَى من علقه عَنهُ لَكِن رُبمَا كَانَ ذَلِك الضعْف خَفِيفا حَتَّى رُبمَا صَححهُ غَيره أما لعدم اطِّلَاعه على علته أَو لِأَن تِلْكَ الْعلَّة لَا تعد عِنْد هَذَا الْمُصَحح قادحة وَالنَّظَر فِيمَا أبرزه من رِجَاله كالنظر فِيمَا أبرزه من رجال الأول وَالسَّبَب فِي تَعْلِيقه بعض مَا تقدمفَهَذَا حكم جَمِيع مَا ح 2 ب فِي الْكتاب من التَّعَالِيق إِلَّا إِذا مَا علق الحَدِيث عَن شُيُوخه الَّذين سمع مِنْهُم فقد ذكر الشَّيْخ أَبُو عَمْرو بن الصّلاح أَن حكم قَالَ)) حكم ((عَن)) وَأَن ذَلِك مَحْمُول على الِاتِّصَال ثمَّ اخْتلف كَلَامه فِي مَوضِع آخر فَمثل التَّعَالِيق الَّتِي فِي البُخَارِيّ بأمثلة ذكر مِنْهَا شُيُوخ البُخَارِيّ كالقعنبي وَالْمُخْتَار الَّذِي لَا محيد عَنهُ أَن حكمه مثل غَيره من التَّعَالِيق فَإِنَّهُ وَإِن قُلْنَا يُفِيد الصِّحَّة لجزمه بِهِ فقد يحْتَمل أَنه لم يسمعهُ من شَيْخه الَّذِي علق عَنهُ بِدَلِيل أَنه علق عدَّة أَحَادِيث عَن شُيُوخه الَّذين سمع مِنْهُم ثمَّ أسندها فِي مَوضِع آخر من كِتَابه بِوَاسِطَة بَينه وَبَين من علق عَنهُ كَمَا سَيَأْتِي إِن شَاءَ الله تَعَالَى فِي موَاضعه
এমন শব্দ ব্যবহার করে যা সরাসরি শ্রবণের দাবি করে না, যেমন—'তিনি বলেছেন', 'তিনি বর্ণনা করেছেন', 'তিনি বৃদ্ধি করেছেন', 'তিনি উল্লেখ করেছেন', অথবা 'বর্ণিত হয়েছে', 'উল্লিখিত হয়েছে', 'বলা হয়ে থাকে' এবং এ জাতীয় দৃঢ়তাসূচক ও সংশয়সূচক শব্দাবলি। যদি তিনি দৃঢ়তাসূচক শব্দ ব্যবহার করেন, তবে তা তার পক্ষ থেকে ঐ ব্যক্তির নিকট পর্যন্ত সহীহ হওয়ার সিদ্ধান্ত যার থেকে তিনি সূত্রহীনভাবে (মুআল্লাক) বর্ণনাটি করেছেন। এমতাবস্থায় যাদের নাম তিনি প্রকাশ করেছেন, সেই বর্ণনাকারীদের অবস্থা বিবেচনা করতে হবে। যদি তারা নির্ভরযোগ্য হন, তবে তা সূত্রহীনভাবে উল্লেখ করার কারণ হতে পারে—হয়তো বর্ণনাটির পুনরাবৃত্তি হওয়ার কারণে, অথবা তিনি উক্ত অনুচ্ছেদে এর অর্থকে অন্য কোনো সূত্রে বর্ণনা করেছেন বিধায় সংক্ষেপ করার জন্য সূত্রহীনভাবে উল্লেখ করে সেদিকে ইঙ্গিত দিয়েছেন। অথবা কোনো বর্ণনাকারীর তার শায়খ থেকে সরাসরি শ্রবণের বিষয়টি স্পষ্ট করার জন্য, যখন সেই বর্ণনাকারী 'তাদলিস' করার দোষে পরিচিত হন। অথবা বর্ণনাটি 'মাওকুফ' হওয়ার কারণে, কেননা মাওকুফ বর্ণনা এই কিতাবের মূল বিষয়বস্তু নয়। অথবা বর্ণনাকারীদের মধ্যে এমন কেউ থাকার কারণে যিনি নির্ভুলতা ও মুখস্থশক্তির পূর্ণ স্তরে পৌঁছাতে পারেননি—যদিও তিনি ব্যক্তিগতভাবে নির্ভরযোগ্য, তবুও তিনি এই গ্রন্থের লেখক আবু আব্দুল্লাহর 'সহীহ' হওয়ার শর্তে উন্নীত হননি। ফলে তিনি তার হাদীসটি কখনো মূল হিসেবে আবার কখনো সহায়ক বর্ণনা হিসেবে উল্লেখ করার সময় সেদিকে দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য সূত্রহীনভাবে উল্লেখ করেন।এগুলোই হলো দৃঢ়তাসূচক শব্দের মাধ্যমে সূত্রহীন সনদ উল্লেখ করার পেছনে বেশ কিছু কারণ। এ গ্রন্থে সামনে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত বর্ণনা আসবে।আর যদি তিনি সংশয়সূচক শব্দ ব্যবহার করেন, তবে তা তার নিকট ঐ ব্যক্তি পর্যন্ত বর্ণনার দুর্বলতার ইঙ্গিত দেয় যার থেকে তিনি সূত্রহীনভাবে বর্ণনাটি করেছেন। তবে কখনো সেই দুর্বলতা সামান্য হতে পারে, এমনকি অন্য কেউ একে সহীহও বলতে পারেন—হয়তো এর সূক্ষ্ম ত্রুটি সম্পর্কে অবগত না থাকার কারণে, অথবা ঐ ত্রুটি উক্ত সহীহ আখ্যাদানকারীর নিকট ক্ষতিকর নয় বলে বিবেচিত হওয়ার কারণে। এমতাবস্থায় যাদের নাম তিনি প্রকাশ করেছেন, সেই বর্ণনাকারীদের অবস্থা বিবেচনা করার পদ্ধতি প্রথমোক্ত প্রকারের মতোই। আর এটি সূত্রহীনভাবে উল্লেখ করার কারণ ইতিপূর্বে বর্ণিত কারণগুলোরই অন্তর্ভুক্ত।এই কিতাবে বর্ণিত সকল সূত্রহীন বর্ণনার বিধান এটিই। তবে তিনি যখন এমন শায়খদের থেকে সূত্রহীনভাবে বর্ণনা করেন যাদের থেকে তিনি সরাসরি হাদীস শুনেছেন, তখন শায়খ আবু আমর ইবনুস সালাহ উল্লেখ করেছেন যে, 'তিনি বলেছেন' শব্দটির বিধান 'হতে' শব্দের বিধানের মতোই এবং তা বর্ণনার অবিচ্ছিন্নতার ওপর নির্ভরশীল। অতঃপর অন্য স্থানে তার বক্তব্যে ভিন্নতা পাওয়া যায়; তিনি বুখারীর সূত্রহীন বর্ণনার উদাহরণ দিতে গিয়ে বুখারীর শায়খদের নাম উল্লেখ করেছেন, যেমন কা'নাবী। তবে সুনিশ্চিত সিদ্ধান্ত হলো—এর বিধান অন্যান্য সূত্রহীন বর্ণনার মতোই। কেননা, যদিও আমরা বলি যে তার দৃঢ়তাসূচক শব্দ ব্যবহার করা সহীহ হওয়ার প্রমাণ দেয়, তবুও এমন সম্ভাবনা থাকে যে তিনি এটি সরাসরি ঐ শায়খের নিকট থেকে শোনেননি যার থেকে তিনি সূত্রহীনভাবে বর্ণনা করেছেন। এর প্রমাণ হলো, তিনি তার এমন সব শায়খদের থেকে অনেক হাদীস সূত্রহীনভাবে উল্লেখ করেছেন যাদের থেকে তিনি শ্রবণের সুযোগ পেয়েছেন, কিন্তু পরবর্তীকালে কিতাবের অন্য স্থানে নিজের এবং যার থেকে সূত্রহীন বর্ণনা করেছেন তার মাঝে একজন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে সেটি বর্ণনা করেছেন। ইনশাআল্লাহ যথাস্থানে এ বিষয়ে আলোচনা আসবে।
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ৯)
وَقد رَأَيْته علق فِي تَارِيخه عَن بعض شُيُوخه شَيْئا وَصرح ز 2 أبِأَنَّهُ لم يسمعهُ مِنْهُ فَقَالَ فِي تَرْجَمَة مُعَاوِيَة قَالَ إِبْرَاهِيم بن مُوسَى فِيمَا حَدثُونِي عَنهُ عَن هِشَام ابْن يُوسُف فَذكر خَبرافَإِن قلت هَذَا يَقْتَضِي أَن يكون البُخَارِيّ مدلسا وَلم يصفه أحد بذلك إِلَّا أَبُو عبد الله بن مَنْدَه وَذَلِكَ مَرْدُود عَلَيْهِقلت لَا يلْزم من هَذَا الْفِعْل الاصطلاحي لَهُ أَن يُوصف بالتدليس لأَنا قد قدمنَا الْأَسْبَاب الحاملة للْبُخَارِيّ على عدم التَّصْرِيح بِالتَّحْدِيثِ فِي الْأَحَادِيث الَّتِي علقها حَتَّى لَا يَسُوقهَا مساق أصل الْكتاب فَسَوَاء عِنْده علقها عَن شَيْخه أَو شيخ شَيْخه وَسَوَاء عِنْده كَانَ سَمعهَا من هَذَا الَّذِي علقه عَنهُ أَو سَمعهَا عَنهُ بِوَاسِطَة ثمَّ إنَّ ((عَن)) فِي عرف الْمُتَقَدِّمين مَحْمُولَة على السماع قبل ظُهُور المدلسين وَكَذَا لَفْظَة ((قَالَ)) لَكِنَّهَا لم تشتهر اصْطِلَاحا للمدلسين مثل لَفْظَة ((عَن)) فَحِينَئِذٍ لَا يلْزم من اسْتِعْمَال البُخَارِيّ لَهَا أَن يكون مدلسا وَقد صرح الْخَطِيب بِأَن لَفْظَة ((قَالَ)) لَا تحمل على السماع إِلَّا إِذا عرف من عَادَة الْمُحدث أَنه لَا يطلقهَا إِلَّا فِيمَا سمعوَقد قَرَأت على أَحْمد بن عمر اللؤْلُؤِي عَن يُوسُف بن عبد الرَّحْمَن الْقُضَاعِي أَن يُوسُف بن يَعْقُوب [بن المجاور] أخبرهُ أَن أَبُو الْيمن الْكِنْدِيّ أَن أَبُو مَنْصُور الْقَزاز أَنا أَبُو بكر الْخَطِيب حَدَّثَني أَبُو النجيب الأرموي حَدَّثَني مُحَمَّد بن إِبْرَاهِيم الْأَصْبَهَانِيّ أَخْبَرَنِي مُحَمَّد بن إِدْرِيس الْوراق ثَنَا مُحَمَّد بن حم [بن ناقب البُخَارِيّ] ثَنَا مُحَمَّد بن يُوسُف الْفرْيَابِيّ ثَنَا مُحَمَّد بن أبي حَاتِم قَالَ سُئِلَ
আমি দেখেছি যে তিনি তাঁর ইতিহাস গ্রন্থে (তারিখ) তাঁর কোনো কোনো শিক্ষকের সূত্রে কিছু বিষয় মুয়াল্লাক (ঝুলন্তভাবে) বর্ণনা করেছেন এবং স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি তা তাঁর নিকট থেকে সরাসরি শোনেননি। তিনি মুয়াবিয়ার জীবনীতে বলেছেন: ইব্রাহিম ইবনে মুসা আমাকে যা বর্ণনা করেছেন তাতে হিশাম ইবনে ইউসুফের সূত্রে বর্ণিত হয়েছে... অতঃপর তিনি একটি হাদিস উল্লেখ করেছেন।যদি আপনি বলেন যে, এটি ইমাম বুখারিকে ‘মুদাল্লিস’ (বর্ণনাসূত্র গোপনকারী) হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করে, অথচ আবু আবদুল্লাহ ইবনে মানদাহ ছাড়া অন্য কেউ তাঁকে এই বিশেষণে বিশেষিত করেননি এবং তাঁর সেই দাবিটিও প্রত্যাখ্যাত।আমি উত্তরে বলব, তাঁর এই পারিভাষিক কর্মপদ্ধতি থেকে তাঁকে ‘তাদলিস’ (তাদলিসকারী)-এর গুণে গুণান্বিত করা আবশ্যক হয় না। কারণ, আমরা ইতিপূর্বেই ইমাম বুখারি কর্তৃক মুয়াল্লাক হাদিসগুলোতে সরাসরি শ্রবণের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ না করার কারণসমূহ উপস্থাপন করেছি, যাতে তিনি সেগুলোকে মূল গ্রন্থের মূল হাদিসগুলোর পর্যায়ভুক্ত না করেন। সুতরাং তাঁর নিকট এটি সমান কথা যে, তিনি বিষয়টি সরাসরি তাঁর শিক্ষক থেকে মুয়াল্লাক করেছেন নাকি তাঁর শিক্ষকের শিক্ষক থেকে; এবং এটিও তাঁর কাছে সমান যে, তিনি যাঁর থেকে মুয়াল্লাক করেছেন তাঁর নিকট থেকে সরাসরি শুনেছেন নাকি কোনো মাধ্যমের সাহায্যে শুনেছেন। অধিকন্তু, মুদাল্লিসদের আবির্ভাবের পূর্বে প্রাচীন মুহাদ্দিসগণের পরিভাষায় ‘আন’ (হতে) শব্দটিকে সরাসরি শ্রবণের ওপরই প্রয়োগ করা হতো। অনুরূপভাবে ‘কালা’ (তিনি বলেছেন) শব্দটিও; তবে তা মুদাল্লিসদের পরিভাষায় ‘আন’ শব্দের ন্যায় অধিক প্রসিদ্ধি লাভ করেনি। এমতাবস্থায় ইমাম বুখারি কর্তৃক এর ব্যবহার থেকে তাঁকে মুদাল্লিস বলা আবশ্যক হয় না। আর খতিব (বাগদাদী) স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেছেন যে, ‘কালা’ শব্দটিকে সরাসরি শ্রবণের অর্থে ততক্ষণ পর্যন্ত গ্রহণ করা হবে না, যতক্ষণ না সংশ্লিষ্ট মুহাদ্দিসের অভ্যাস সম্পর্কে জানা যাবে যে, তিনি এটি সরাসরি শ্রবণ করা ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রে প্রয়োগ করেন না।আমি আহমদ বিন উমর আল-লুলুয়ির নিকট পাঠ করেছি, তিনি ইউসুফ বিন আবদুর রহমান আল-কুদায়ি থেকে, তিনি ইউসুফ বিন ইয়াকুব [ইবনুল মুজাউয়ির] থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আবুল ইয়ামন আল-কিন্দি তাকে সংবাদ দিয়েছেন, আবু মনসুর আল-কাযযায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আল-খতিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু নাজিব আল-আরমুউয়ি আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল-আসফাহানি আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন ইদ্রিস আল-ওয়াররাক আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন হাম [বিন নাক্বিব আল-বুখারি] আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আল-ফিরইয়াবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন আবু হাতিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল...
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ১০)
مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل عَن خبر حَدِيث فَقَالَ ((يَا أَبَا فلَان أَترَانِي أدلس وَأَنا تركت عشرَة آلَاف حَدِيث لرجل لي فِيهِ نظر)) ] يَعْنِي إِذا كَانَ يسمح بترك هَذَا الْقدر الْعَظِيم كَيفَ نشره لقدر يسير فحاشاه من التَّدْلِيس المذموموَبِه إِلَى الْخَطِيب أَخْبَرَنِي أَبُو الْوَلِيد [الدربندي] ثَنَا مُحَمَّد بن أَحْمد بن مُحَمَّد ابْن سُلَيْمَان (ثَنَا مُحَمَّد بن سعيد) ثَنَا مُحَمَّد بن يُوسُف هُوَ الْفربرِي ثَنَا مُحَمَّد بن أبي حَاتِم قَالَ سَمِعت أَبَا عَمْرو المستنير بن عَتيق الْبكْرِيّ سَمِعت رَجَاء بن مرجى يَقُول فضل مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل على الْعلمَاء كفضل الرِّجَال على النِّسَاءفَأَما إِذا قَالَ البُخَارِيّ قَالَ لنا أَو قَالَ لي أَو زادنا أَو زادني أَو ذكر لنا أَو ذكر لي فَهُوَ وَإِن ألحقهُ بعض من صنف فِي الْأَطْرَاف بالتعاليق فَلَيْسَ مِنْهَا بل هُوَ مُتَّصِل صَرِيح فِي الِاتِّصَال وَإِن كَانَ أَبُو جَعْفَر ابْن حمدَان قد قَالَ إِن ذَلِك عرض ومناولة وَكَذَا قَالَ ابْن مَنْدَه إِن قَالَ لنا إجَازَةفَإِن صَحَّ مَا قَالَاه فَحكمه الِاتِّصَال أَيْضا على رَأْي الْجُمْهُور مَعَ أَن بعض الْأَئِمَّة ذكر أَن ذَلِك مِمَّا حمله عَن شَيْخه فِي المذاكرة وَالظَّاهِر أَن كل ذَلِك تحكم ز 2 ب وَإِنَّمَا للْبُخَارِيّ مقصد فِي هَذِه الصِّيغَة وَغَيرهَا فَإِنَّهُ لَا يَأْتِي بِهَذِهِ الصِّيغَة إِلَّا فِي المتابعات والشواهد أَو فِي الْأَحَادِيث الْمَوْقُوفَة فقد رَأَيْته فِي كثير من الْمَوَاضِع الَّتِي يَقُول فِيهَا فِي الصَّحِيح قَالَ لنا قد سَاقهَا فِي تصانيفه بِلَفْظ حَدَّثنا وَكَذَا بِالْعَكْسِ فَلَو كَانَ مثل ذَلِك عِنْده إجَازَة أَو مناولة أَو مُكَاتبَة لم يستجز إِطْلَاق حَدَّثنا فِيهِ من غير بَيَان
মুহাম্মদ বিন ইসমাইল একটি হাদিসের বর্ণনা প্রসঙ্গে বললেন, "হে অমুক, আপনি কি মনে করেন যে আমি তাদলিস (বর্ণনাকারীর তথ্য গোপন) করব? অথচ আমি এমন একজন ব্যক্তির কারণে দশ হাজার হাদিস পরিত্যাগ করেছি যার ব্যাপারে আমার সংশয় ছিল।" অর্থাৎ, তিনি যদি এত বিশাল পরিমাণ হাদিস বর্জনে কুণ্ঠাবোধ না করেন, তবে নগণ্য পরিমাণের জন্য কীভাবে তিনি তা প্রকাশ করবেন? সুতরাং নিন্দনীয় তাদলিস থেকে তিনি বহু ঊর্ধ্বে।সনদসহ আল-খতিব পর্যন্ত: আবুল ওয়ালিদ [আদ-দারবান্দি] আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, (মুহাম্মদ বিন সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন), মুহাম্মদ বিন ইউসুফ—যিনি আল-ফিরবরী—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন আবি হাতিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আমর আল-মুস্তানির বিন আতিক আল-বাকরিকে বলতে শুনেছি, আমি রাজা বিন মুরজ্জাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: আলেমদের ওপর মুহাম্মদ বিন ইসমাইলের শ্রেষ্ঠত্ব তেমন, যেমন নারীদের ওপর পুরুষদের শ্রেষ্ঠত্ব।পক্ষান্তরে ইমাম বুখারি যখন বলেন, 'তিনি আমাদের বলেছেন' অথবা 'তিনি আমাকে বলেছেন' অথবা 'তিনি আমাদের নিকট অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন' অথবা 'তিনি আমাকে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন' অথবা 'তিনি আমাদের নিকট উল্লেখ করেছেন' অথবা 'তিনি আমার নিকট উল্লেখ করেছেন'—যদিও আতরাফ গ্রন্থসমূহের লেখকদের কেউ কেউ একে 'তা'লিক' (সনদহীন বর্ণনা) এর অন্তর্ভুক্ত করেছেন, কিন্তু এটি তা নয়। বরং এটি 'মুত্তাসিল' বা নিরবচ্ছিন্ন এবং নিরবচ্ছিন্নতার ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট। যদিও আবু জাফর ইবনে হামদান বলেছেন যে এটি উপস্থাপনা (আরয) ও হস্তান্তর (মুনাতয়ালাহ) পর্যায়ের; অনুরূপভাবে ইবনে মানদাহ বলেছেন যে 'তিনি আমাদের বলেছেন' দ্বারা 'অনুমতি' (ইজাজত) বোঝানো হয়েছে।যদি তাদের এই বক্তব্য সঠিকও হয়, তবুও জমহুর বা সংখ্যাগরিষ্ঠের মতে এর বিধান হলো নিরবচ্ছিন্নতা। এর পাশাপাশি কোনো কোনো ইমাম উল্লেখ করেছেন যে, এগুলো তিনি তাঁর উস্তাদের নিকট থেকে জ্ঞানগর্ভ আলোচনার (মুযাকারা) সময় গ্রহণ করেছেন। আর বাহ্যত এই সবই হলো অনুমাননির্ভর [পৃষ্ঠা ২-বি]। মূলত এই পরিভাষা ও অন্যান্য শব্দের ক্ষেত্রে বুখারির একটি সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য রয়েছে। তিনি এই শব্দগুলো কেবল মুতাবাআত (পারস্পরিক সমর্থনকারী), শাওয়াহিদ (সাক্ষ্যমূলক বর্ণনা) অথবা মাওকুফ (সাহাবীর বক্তব্য) হাদিসের ক্ষেত্রেই ব্যবহার করেন। আমি তাঁর 'সহিহ' গ্রন্থের অনেক জায়গায় দেখেছি যেখানে তিনি বলেছেন 'তিনি আমাদের বলেছেন', কিন্তু নিজের অন্যান্য গ্রন্থে সেই বর্ণনাগুলোই 'তিনি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন' (হাদ্দাসানা) শব্দে উল্লেখ করেছেন; আবার এর বিপরীতটিও করেছেন। যদি তাঁর নিকট এগুলো কেবল ইজাজত, মুনাতয়ালাহ কিংবা মুকাতাবাহ (লিখিত পত্র) হতো, তবে তিনি কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই সেখানে সরাসরি 'হাদ্দাসানা' শব্দ ব্যবহার করাকে বৈধ মনে করতেন না।
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ১১)
فَإِن اعْترض على مَا قدمنَا من حكم صيغتي الْجَزْم والتمريض بِأَن البُخَارِيّ قد أورد مَا لَيْسَ لَهُ إِلَّا سَنَد وَاحِد وَفِيه من تكلم فِيهِ وَجزم بِهِ (مَعَ ذَلِك)فَالْجَوَاب أَن البُخَارِيّ فِي الْمنزلَة الَّتِي رَفعه الله ح 3 أإِلَيْهَا فِي هَذَا الْفَنّ وَهُوَ أحد الْأَئِمَّة فِي الْجرْح وَالتَّعْدِيل بل مَعْدُود من أعدلهم قولا فِيهِ وَأَكْثَرهم تثبيتا فَإِذا اخْتَار تَوْثِيق رجل اخْتلف كَلَام غَيره فِي جرحه وتعديله لم يكن كَلَام غَيره حجَّة عَلَيْهِ لِأَنَّهُ إِمَام مُجْتَهد مَعَ أَنا لَا نلتزم فِيمَا جزم بِهِ أَن يكون على شَرطه فِي الْجَامِع الَّذِي هُوَ أعالي شُرُوط الصِّحَّة وَمن تَأمل هَذَا التَّخْرِيج أعياه أَن يجد فِيهِ حَدِيثا مُعَلّقا مَجْزُومًا بِهِ لَيْسَ لَهُ إِلَّا سَنَد وَاحِد م 2 ب ضَعِيف بل لَا يجد فِيهِ حَدِيثا من المرفوعات كَذَلِك لم يُصَحِّحهُ أحد من الْأَئِمَّة فَبَطل هَذَا الِاعْتِرَاضفَإِن قيل فقد أورد أَشْيَاء بِصِيغَة التمريض ثمَّ أسندها فِي مَوَاضِع من صَحِيحه أَو لم يسندها وَهِي صَحِيحَة على شَرطه أَو على شَرط غَيرهفَالْجَوَاب أَنه إِذا أورد مثل ذَلِك فَأَما أَن يكون اختصر الحَدِيث الْمُعَلق أَو رَوَاهُ من حفظه بِالْمَعْنَى فَذَلِك لَا يجْزم بِهِ لمحل الْخلاف فِي جَوَاز الرِّوَايَة بكلا الْأَمريْنِ هَذَا مِمَّا خرجه فِي مَوضِع آخر فِي صَحِيحه وَأما مَا لم يُخرجهُ فَيحْتَمل أَن يكون لَهُ عِلّة خُفْيَة من انْقِطَاع أَو اضْطِرَاب أَو ضعف راو وخفي ذَلِك على من صَححهُ وَكثير من أَمْثَال هَذَا يَأْتِي مُفَسرًا فِي هَذَا الْكتابوَقد يُقَال إِن صِيغَة التمريض قد تسْتَعْمل فِي الصَّحِيح أَيْضا وَلَكِن الَّذِي ظهر لي أَنه لَا يعبر بِصِيغَة التمريض إِلَّا فِيمَا لَهُ عِلّة وَإِن لم تكن تِلْكَ الْعلَّة قادحة وَمن تَأمل هَذَا التَّخْرِيج عرف صِحَة مَا أَشرت إِلَيْهِفَإِن قيل قد قررت أَن مَا علقه بِصِيغَة الْجَزْم يُفِيد الصِّحَّة إِلَى آخِره فَمَا الْفَائِدَة وَالْحَالة هَذِه ز 3 أفِي تكلفك وَصله بأسانيدهقلت فَائِدَة ذَلِك إِقَامَة الْبُرْهَان على مَا قَرّرته وإدحاض حجَّة الْمُخَالف لهَذِهِ
যদি আমাদের উপস্থাপিত 'সিগায়ে জজম' (দৃঢ়তাজ্ঞাপক শব্দ) এবং 'সিগায়ে তামরিদ' (দুর্বলতাজ্ঞাপক শব্দ) সংক্রান্ত হুকুমের ওপর এই আপত্তি করা হয় যে, ইমাম বুখারী এমন কিছু বর্ণনাও উল্লেখ করেছেন যার মাত্র একটিই সনদ রয়েছে এবং তাতে এমন বর্ণনাকারী রয়েছেন যার সমালোচনা করা হয়েছে, (এতদসত্ত্বেও) তিনি তা জজম বা দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেছেন।এর উত্তর হলো, ইমাম বুখারী এই শিল্পে (হাদীস শাস্ত্রে) এমন এক মর্যাদায় অধিষ্ঠিত যা আল্লাহ তাকে দান করেছেন (পৃষ্ঠা ৩ ক)। তিনি 'জারহ ও তাদীল' (বর্ণনাকারীদের সমালোচনা ও মূল্যায়ন) শাস্ত্রের অন্যতম ইমাম, বরং এই বিষয়ে তাঁর বক্তব্যকে সবচেয়ে ন্যায়নিষ্ঠ এবং তাঁকে সবচেয়ে বেশি দৃঢ়তাসম্পন্ন হিসেবে গণ্য করা হয়। সুতরাং তিনি যখন এমন কোনো ব্যক্তিকে নির্ভরযোগ্য হিসেবে গ্রহণ করেন, যার জারহ ও তাদীল সম্পর্কে অন্যদের বক্তব্যে মতভেদ রয়েছে, তখন অন্যদের বক্তব্য তাঁর বিরুদ্ধে দলিল হিসেবে গণ্য হবে না; কারণ তিনি একজন ইমাম মুজতাহিদ। এর পাশাপাশি আমরা এ কথা মেনে নিতে বাধ্য নই যে, তিনি যে বিষয়গুলো দৃঢ়তার (জজম) সাথে উল্লেখ করেছেন, তা তাঁর জামে’ (সহীহ বুখারী) গ্রন্থের মূল শর্ত অনুযায়ী হতে হবে, যা বিশুদ্ধতার সর্বোচ্চ শর্ত। আর যে ব্যক্তি এই তাখরীজটি (হাদীস বিশ্লেষণ) নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন, তিনি এমন কোনো ‘মুআল্লাক’ হাদীস খুঁজে পেতে অক্ষম হবেন যা দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করা হয়েছে অথচ তার মাত্র একটিই দুর্বল সনদ (পৃষ্ঠা ২ খ) রয়েছে। বরং তিনি মারফূ হাদীসসমূহের মধ্যে এমন কোনো হাদীসই পাবেন না যা অন্য কোনো ইমাম সহীহ বলেননি। সুতরাং এই আপত্তি অসার প্রমাণিত হলো।যদি বলা হয় যে, তিনি অনেক বিষয় ‘তামরিদ’ (দুর্বলতাজ্ঞাপক শব্দ) যোগে উল্লেখ করেছেন, অতঃপর তাঁর সহীহ গ্রন্থের অন্য স্থানে সেগুলোর সনদ বর্ণনা করেছেন, অথবা সনদ বর্ণনা করেননি অথচ সেগুলো তাঁর নিজের শর্তে কিংবা অন্যদের শর্তে সহীহ।এর উত্তর হলো, তিনি যখন এমনটি করেন, তখন হয়তো তিনি সেই মুআল্লাক হাদীসটি সংক্ষিপ্ত করেছেন অথবা তাঁর স্মৃতি থেকে শব্দ পরিবর্তন করে অর্থগতভাবে (বি-ল মা’না) বর্ণনা করেছেন। আর এই উভয় পদ্ধতির বৈধতা নিয়ে মতভেদ থাকায় তিনি সে বিষয়ে দৃঢ়তাজ্ঞাপক শব্দ (জজম) ব্যবহার করেননি—এমন হাদীস তিনি তাঁর সহীহ গ্রন্থের অন্য স্থানে পূর্ণাঙ্গ সনদে বর্ণনা করেছেন। আর যা তিনি পূর্ণাঙ্গ সনদে বর্ণনা করেননি, সেক্ষেত্রে সম্ভাবনা রয়েছে যে তাতে কোনো গোপন ত্রুটি (ইল্লাত) রয়েছে, যেমন—সনদে বিচ্ছিন্নতা (ইনকিতা), অস্থিরতা (ইজতিরাব) অথবা বর্ণনাকারীর দুর্বলতা; যা ওই হাদীসকে সহীহ বলা ব্যক্তিদের নিকট গোপন থেকে গেছে। এই জাতীয় অনেক উদাহরণ এই গ্রন্থে বিস্তারিতভাবে আসবে।আরও বলা হয়ে থাকে যে, কখনো কখনো সহীহ হাদীসের ক্ষেত্রেও ‘তামরিদ’ শব্দ ব্যবহৃত হতে পারে। কিন্তু আমার কাছে যা স্পষ্ট হয়েছে তা হলো, তিনি কেবল সে সকল ক্ষেত্রেই ‘তামরিদ’ শব্দ ব্যবহার করেন যেখানে কোনো ত্রুটি (ইল্লাত) থাকে, যদিও সেই ত্রুটি বর্ণনার বিশুদ্ধতার জন্য ক্ষতিকর (কাদিহ) না হয়। যে ব্যক্তি এই তাখরীজটি পর্যবেক্ষণ করবেন, তিনি আমার নির্দেশিত বিষয়টির যথার্থতা বুঝতে পারবেন।যদি বলা হয় যে, আপনি তো ইতিপূর্বে স্থির করেছেন যে, তিনি যা দৃঢ়তার সাথে (জজম) মুআল্লাক হিসেবে উল্লেখ করেছেন তা বিশুদ্ধতার প্রমাণ দেয়, তবে এমতাবস্থায় আপনার পরিশ্রম করে (পৃষ্ঠা ৩ ক) সেগুলোকে সনদের সাথে সংযুক্ত করার ফায়দা কী?আমি বলব, এর ফায়দা হলো আমি যা স্থির করেছি তার সপক্ষে প্রমাণ কায়েম করা এবং এর বিরোধিতাকারীদের যুক্তি খণ্ডন করা।
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ১২)
الْقَاعِدَة فَإِن الْمُخَالف لَهَا إِذا رأى حَدِيثا علقه البُخَارِيّ وَلم يُوصل إِسْنَاده حكم عَلَيْهِ بالانقطاع لَا سِيمَا إِن كَانَ علقه عَن شُيُوخ شُيُوخه أَو عَن الطَّبَقَة الَّتِي فَوقفَإِن قَالَ لَهُ خَصمه هَذَا مُعَلّق بِصِيغَة الْجَزْم فَطلب مِنْهُ الدَّلِيل على أَنه مَوْصُول عِنْد البُخَارِيّ مَا يكون جَوَابه إِن أجَاب بِأَن الْقَاعِدَة أَنه لَا يجْزم إِلَّا بِمَا صَحَّ عِنْده قَالَ لَهُ أَنا لَا ألتزم هَذِه الْقَاعِدَة بِلَا دَلِيل لِأَنَّهَا على خلاف الأَصْل وَإِنَّمَا أحكم بِمَا ظهر لي من أَن هَذَا السِّيَاق حكمه الِانْقِطَاع وَأَن البُخَارِيّ لم يلق هَذَا الرجل الْمُعَلق عَنهُ وَأي فرق يبقي بَين هَذَا وَبَين الْمُنْقَطع وَإِن أَجَابَهُ بِأَن الإِمَام فلَانا روى هَذَا الحَدِيث فِي تصنيفه مُسْندًا مُتَّصِلا كَانَ ذَلِك أدعى لرجوعه وأذعن لخضوعه وَلم يبْق إِلَّا التَّسْلِيم وَفَوْقَ كل ذِي علم عليموالتزمت فِي وصل هَذَا التَّعْلِيق أَن أسوق ح 3 ب أَحَادِيثه المرفوعة وآثاره الْمَوْقُوفَة بإسنادي إِلَى من علق عَنهُ المُصَنّف لَا إِلَى غَيره إِلَّا أَن يتَكَرَّر النَّقْل من كتاب كَبِير هُوَ عِنْدِي أَو أَكْثَره بِإِسْنَاد وَاحِد إِلَى مُصَنفه فَإِنِّي أُحِيل عَلَيْهِ غَالِبا وَأجْمع أسانيدي فِي الْكتب الَّتِي أُحِيل عَلَيْهَا فِي فصل أختم بِهِ هَذَا الْمَجْمُوع يَتْلُو فصلا آخر فِي سِيَاق تَرْجَمَة الْمُؤلف ومناقبهفَإِن علق الحَدِيث فِي مَوضِع وأسنده نبهت عَلَيْهِ واكتفيت بِهِ إِلَّا أَن يخْتَلف لفظ الْمُعَلق وَلَفظ الْمَوْصُول فأنبه حِينَئِذٍ على من وَصله بذلك اللَّفْظوَإِذا لم يسم أحدا من الروَاة بل قَالَ رَسُول الله صلى الله عليه وسلم مثلا كَذَا فإنني أخرجه من أصح طرقه إِن لم يكن عِنْده فِي مَوضِع آخر كَمَا سبقوَأما التَّبْوِيب فَإِنَّهُ يبوب كثيرا بِلَفْظ حَدِيث أَو أثر ويسوقه فِي ذَلِك الْبَاب مُسْندًا أَو يُورد مَعْنَاهُ أَو مَا يُنَاسِبه كَقَوْلِه فِي كتاب الْأَحْكَام بَاب الْأُمَرَاء من قُرَيْش وسَاق فِي الْبَاب حَدِيث مُعَاوِيَة لَا يزَال وَال من
নীতিটি হলো, এই নীতির বিরোধিতাকারী যখন কোনো হাদিস দেখেন যা বুখারি 'মুআল্লাক' (ঝুলন্ত/সনদহীনভাবে) উল্লেখ করেছেন এবং সেটির সনদ যুক্ত করেননি, তখন তিনি সেটিকে 'মুনকাতি' (বিচ্ছিন্ন) হিসেবে গণ্য করেন। বিশেষ করে যদি তিনি তা তাঁর শিক্ষকদের শিক্ষকদের কাছ থেকে কিংবা তার উপরের স্তর থেকে মুআল্লাক হিসেবে উল্লেখ করেন।যদি তার প্রতিপক্ষ তাকে বলে যে এটি দৃঢ়তার সূচক শব্দে (সিগাতুল জাযম) বর্ণিত একটি মুআল্লাক হাদিস, এবং তার কাছে প্রমাণ চায় যে এটি ইমাম বুখারির নিকট 'মাউসুল' (সংযুক্ত/অবিচ্ছিন্ন সনদসহ), তবে তার উত্তর কী হবে? যদি সে উত্তর দেয় যে, নিয়ম হলো—ইমাম বুখারি কোনো কিছুর ব্যাপারে দৃঢ়তার সাথে বলেন না যদি না সেটি তাঁর কাছে বিশুদ্ধ হয়; তবে প্রতিপক্ষ তাকে বলবে: আমি প্রমাণ ছাড়া এই নিয়ম মেনে চলতে বাধ্য নই, কারণ এটি মূলনীতির পরিপন্থী। বরং আমি তা দিয়েই ফয়সালা করব যা আমার কাছে স্পষ্ট হয়েছে—আর তা হলো, এই বর্ণনাভঙ্গির বিধান হলো 'ইনকিতা' (বিচ্ছিন্নতা), এবং ইমাম বুখারি এই ব্যক্তির সাথে সাক্ষাৎ করেননি যার থেকে তিনি মুআল্লাক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এমতাবস্থায় এর এবং 'মুনকাতি' (বিচ্ছিন্ন) হাদিসের মধ্যে আর কী পার্থক্য অবশিষ্ট থাকে? আর যদি সে তাকে এই উত্তর দেয় যে, অমুক ইমাম এই হাদিসটি তাঁর গ্রন্থে মুসনাদ ও মুত্তাসিল (অবিচ্ছিন্ন সনদসহ) বর্ণনা করেছেন, তবে এটিই হবে তার প্রত্যাবর্তনের জন্য অধিক শক্তিশালী কারণ এবং সত্যের কাছে তার নতি স্বীকার। তখন আর আত্মসমর্পণ ছাড়া কিছু অবশিষ্ট থাকবে না। আর প্রত্যেক জ্ঞানীর ওপরেই রয়েছেন মহাজ্ঞানী।আর আমি এই মুআল্লাক বর্ণনাগুলোকে সংযুক্ত করার ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছি যে, আমি এর মারফু হাদিস এবং মাওকুফ আসারসমূহকে আমার নিজ সনদসহ ঐ ব্যক্তির পর্যন্ত পৌঁছে দেব যাঁর থেকে লেখক (ইমাম বুখারি) মুআল্লাক হিসেবে বর্ণনা করেছেন, অন্য কারও দিকে নয়। তবে যদি কোনো বড় গ্রন্থ থেকে বারবার উদ্ধৃতি আসে যা আমার কাছে রয়েছে, অথবা তার অধিকাংশ আমার কাছে এক সনদে সংরক্ষিত আছে তার মূল লেখকের পর্যন্ত, তবে আমি সাধারণত সেটির দিকেই উদ্ধৃতি দিয়ে থাকি। এবং আমি সেই সমস্ত গ্রন্থের সনদসমূহ যা আমি উদ্ধৃত করছি, একটি পরিচ্ছেদে একত্রিত করব যার মাধ্যমে আমি এই সংকলনটি সমাপ্ত করব। এটি লেখকের জীবনী ও গুণাবলি সম্বলিত অপর একটি পরিচ্ছেদের অনুগামী হবে।যদি তিনি কোনো এক স্থানে হাদিসটি মুআল্লাক হিসেবে এবং অন্য স্থানে মুসনাদ (অবিচ্ছিন্ন সনদসহ) হিসেবে উল্লেখ করে থাকেন, তবে আমি সেটির প্রতি নির্দেশ করব এবং সেটিই যথেষ্ট গণ্য করব। তবে মুআল্লাক এবং মাওসুল শব্দের মধ্যে যদি কোনো পার্থক্য থাকে, তখন আমি সেই ব্যক্তির দিকে নির্দেশ করব যিনি হাদিসটি ঐ শব্দে সংযুক্ত (মাওসুল) করেছেন।আর যখন তিনি কোনো রাবির নাম উল্লেখ না করে সরাসরি বলেন, যেমন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এমন বলেছেন, তখন আমি তা সবচেয়ে বিশুদ্ধতম সূত্র থেকে বের করে আনব, যদি না তাঁর নিকট অন্য কোনো স্থানে সেটি ইতিপূর্বের ন্যায় বিদ্যমান থাকে।আর অধ্যায় বিন্যাসের (তাবউইব) ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, তিনি অনেক সময় কোনো হাদিস বা আসারের শব্দ দ্বারাই অধ্যায়ের শিরোনাম দেন এবং সেই অধ্যায়ে তা সনদসহ উল্লেখ করেন, অথবা তার অর্থ বা তার সাথে প্রাসঙ্গিক কিছু উল্লেখ করেন। যেমন 'কিতাবুল আহকাম'-এ তাঁর উক্তি: 'কুরাইশদের মধ্য থেকে আমির হওয়া সংক্রান্ত অধ্যায়'; এবং তিনি এই অধ্যায়ে মুয়াবিয়া (রা.)-এর হাদিস উল্লেখ করেছেন: ‘শাসক সর্বদা কুরাইশদের মধ্য থেকেই হবে’।
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ১৩)
قُرَيْش وَاللَّفْظ الأول لم يُخرجهُ وَهُوَ لفظ حَدِيث آخر وَقَوله بَاب اثْنَان فَمَا فَوْقهمَا جمَاعَة ثمَّ سَاق فِيهِ حَدِيث أذنا وأقيما وليؤمكما أكبركما فَلم أتكلف لتخريج ذَلِك إِلَّا إِذا صرح فِيهِ بالروايةوَإِذا أخرجت ز 3 ب الحَدِيث من مُصَنف غير متداول فَذَلِك لفائدتينأَحدهمَا أَن يكون من مسموعيوَالثَّانيَِة أَن يكون عَالِياوَمَعَ ذَلِك فأنبه على من أخرجه من أَصْحَاب الْكتب الْمَشْهُورَة وعَلى كَيْفيَّة مَا أَخْرجُوهُ فِي الْغَالِبوَقد قَرَأت على شيخ الْإِسْلَام أبي حَفْص بن أبي الْفَتْح عَن الْحَافِظ أبي الْحجَّاج الْمزي أَن يُوسُف بن يَعْقُوب [بن المجاور] أخبرهُ أَنا أَبُو الْيمن الْكِنْدِيّ أَنا أَبُو مَنْصُور الْقَزاز أَنا الْحَافِظ أَبُو بكر الْخَطِيب أَنا البرقاني يَعْنِي أَبَا بكر أَحْمد ابْن مُحَمَّد بن غَالب الْفَقِيه الْحَافِظ فِيمَا أنْشد لنَفسِهِ من أَبْيَات … أعلل نَفسِي بكتب الحَدِيث … ... وأجمل فِيهِ لَهَا الْمَوْعِدَا … ... وأشغل نَفسِي بتصنيفه … ... وتخريجه دَائِما سرمدا … وأقفوا البُخَارِيّ فِيمَا نحاه … ... وصنفه جاهدا مرشدا … ... … وَمَالِي فِيهِ سوى أنني … ... أرَاهُ هوى صَادف المقصدا … ... وَأَرْجُو الثَّوَاب بكتب الصَّلَاة … ... على السَّيِّد الْمُصْطَفى أحمدا … ... وأسأل رَبِّي إِلَه الْعباد … ... جَريا على مَا لنا عودا …
কুরাইশ এবং প্রথম শব্দগুচ্ছ তিনি উদ্ধৃত করেননি, যা অন্য একটি হাদিসের শব্দ। আর তাঁর বক্তব্য "অধ্যায়: দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে জামাত হয়", এরপর তিনি এতে এই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন: "তোমরা দু'জন আজান দাও, ইকামাত দাও এবং তোমাদের মধ্যে যে বড় সে যেন ইমামতি করে।" সুতরাং আমি সেটি উদ্ধৃত করার কষ্ট স্বীকার করিনি, যতক্ষণ না তাতে স্পষ্টভাবে বর্ণনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।আর আমি যখন কোনো অপ্রচলিত গ্রন্থ থেকে হাদিস উদ্ধৃত করি, তখন তার দুটি উপকারিতা থাকে।একটি হলো, এটি আমার শ্রুত বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত হওয়া।দ্বিতীয়টি হলো, সনদটি উচ্চপর্যায়ের হওয়া।তা সত্ত্বেও, প্রসিদ্ধ গ্রন্থাবলির সংকলকদের মধ্যে যারা এটি উদ্ধৃত করেছেন এবং সাধারণত তারা যেভাবে এটি বর্ণনা করেছেন, আমি সে বিষয়ে সতর্ক করে দেই।আমি শাইখুল ইসলাম আবু হাফস বিন আবিল ফাতহের নিকট পাঠ করেছি, তিনি হাফেজ আবু হাজ্জাজ আল-মিজ্জি থেকে, ইউসুফ বিন ইয়াকুব [বিন আল-মুজাবির] তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবুল ইয়ামান আল-কিন্দি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মনসুর আল-কাযযায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাফেজ আবু বকর আল-খতিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-বারকানি অর্থাৎ আবু বকর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ বিন গালিব আল-ফকিহ আল-হাফেজ নিজের রচিত যে কবিতাগুলো শুনিয়েছেন তার মধ্যে রয়েছে … আমি হাদিসের কিতাবগুলো দিয়ে নিজের মনকে প্রবোধ দেই … ... আর তাতে মনের জন্য সুন্দর প্রতিশ্রুতি রাখি … ... আর এর সংকলন ও উৎস নির্ণয় কার্যে সর্বদা নিজেকে ব্যস্ত রাখি … ... এবং ইমাম বুখারি যে পথ অনুসরণ করেছেন … ... এবং তিনি হিদায়াতকারী হিসেবে পরিশ্রমে যা সংকলন করেছেন, আমি তারই অনুকরণ করি … ... … এতে আমার আর কিছুই নেই, কেবল এই যে … ... আমি মনে করি এটি এমন এক ভালোবাসা যা সঠিক উদ্দেশ্যের দেখা পেয়েছে … ... আর সাইয়্যিদুল মুস্তফা আহমদের ওপর দরুদ … ... লেখার মাধ্যমে আমি সওয়াব প্রত্যাশা করি … ... আর আমি আমার প্রতিপালক, বান্দাদের মাবুদের কাছে প্রার্থনা করি … ... তিনি আমাদের যে নেয়ামতে অভ্যস্ত করেছেন তারই ধারাবাহিকতায় …
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ১৪)
قلت وَهَذِه الأبيات أطول من هَذَا وَهِي حَسَنَة فِي مَعْنَاهَا مُنَاسِب لمغزانا مغزاها ح 4 أفأسأل الله السَّمِيع الْقَرِيب الْإِعَانَة على إكماله مخلصا لَهُ فَمَا توفيقي إِلَّا بِاللَّه عَلَيْهِ توكلت وَإِلَيْهِ أنيب م 3 أ[1]من كتاب بَدْء الْوَحْي أَخْبَرَنِي أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الرَّحَمْنِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْمُبَارَكِ بْنِ حَمَّادٍ الْغَزِّيُّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ قُلْتُ لَهُ أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْمَخْزُومِيُّ أَنا عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ عَلِيٍّ الْحَرَّانِيُّ عَنْ مَسْعُودِ بْنِ أَبِي مَنْصُورِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْجَمَّالِ أَنَّ أَبَا عَلِيٍّ الْحَسَنَ بْنَ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الْمُقْرِئَ أَخْبَرَهُمْ أَنا أَبُو نُعَيْمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ الْحَافِظُ قَالَ وَحَدَّثنا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ وَهُوَ ابْنُ الصَّوَّافِ ح وَأَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْمِقْدَادِ الْقَيْسِيُّ فِي كِتَابِهِ أَنا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي طَالِبٍ عَنْ عَبْدِ اللَّطِيفِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ أَنَّ أَبَا الْمَعَالِي أَحْمَدَ بْنَ عَبْدِ الْغَنِيِّ أَخْبَرَهُمْ أَنا أَبُو مَنْصُورٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيٍّ الْخَيَّاطُ أَنا أَبُو طَاهِرٍ عَبْدُ الْغَفَّارِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ الْمُؤَدِّبُ أَنا أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بن الْحسن ز 4 أالصَّوَّافُ ثَنَا بِشْرُ بْنُ مُوسَى ثَنَا الْحُمَيْدِيُّ ثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عَيْنِيَّة ثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الأَنْصَارِيُّ أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيُّ أَنَّهُ سَمِعَ عَلْقَمَةَ بْنَ وَقَّاصٍ يَقُولُ سَمِعت عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ عَلَى الْمِنْبَرِ يُخْبِرُ ذَلِكَ عَنْ رَسُول الله صلى الله عليه وسلم قَالَ سَمِعت رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ((إِنَّمَا الأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ وَإِنَّمَا لِكُلِّ امْرِئٍ مَا نَوَى فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ فَهِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ وَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى دُنْيَا يُصِيبُهَا أَوِ امْرَأَةٍ يَنْكِحُهَا فَهِجْرَتُهُ إِلَى مَا هَاجَرَ إِلَيْهِ)) لفظ الْمُؤَدبافْتتح بِهِ أَبُو عبد الله كِتَابه فَرَوَاهُ عَن الْحميدِي وَاخْتصرَ مِنْهُ مَا كتبت عَلَيْهِ من إِلَى وَلم يتَّجه لي السَّبَب الْحَامِل لَهُ على اختصاره لِأَن شَيْخه وَشَيخ
আমি বলছি, এই পংক্তিগুলো এর চেয়েও দীর্ঘ এবং এর অর্থ চমৎকার, যা আমাদের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যের সাথে মানানসই। ৪-ক। আমি সর্বশ্রোতা, নিকটবর্তী আল্লাহর কাছে এটি একনিষ্ঠভাবে সম্পন্ন করার তাওফিক কামনা করছি। আমার সাফল্য কেবল আল্লাহর সাহায্যে, আমি তাঁরই ওপর ভরসা করেছি এবং তাঁরই দিকে আমি ফিরে যাই। ৩-অ [১]ওহীর সূচনা অধ্যায় থেকে আবু আল-ফারাজ আবদুর রহমান ইবনে আহমাদ ইবনে আল-মুবারক ইবনে হাম্মাদ আল-গাজ্জি আমাকে অবহিত করেছেন তাঁর নিকট আমার পাঠের সময়। আমি তাঁকে বললাম: আবু আল-হাসান আলী ইবনে ইসমাইল ইবনে ইবরাহিম আল-মাখজুমি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবদুল লতিফ ইবনে আবদুল মুনইম ইবনে আলী আল-হাররানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মাসউদ ইবনে আবি মানসুর ইবনে মুহাম্মদ আল-জাম্মাল থেকে যে, আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে আল-হাসান আল-মুকরি তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু নুয়াইম আহমাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ—যিনি ইবনে আস-সাওয়াফ—আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন। (হ)। এবং আবদুর রহমান ইবনে আহমাদ ইবনে আল-মিকদাদ আল-কাইসি তাঁর কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আহমাদ ইবনে আবি তালিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল লতিফ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী থেকে যে, আবু আল-মাআলি আহমাদ ইবনে আবদুল গনি তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু মানসুর মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে আলী আল-খাইয়াত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু তাহির আবদুল গাফফার ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর আল-মুয়াদ্দিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু আলী মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে আল-হাসান ৪-অ আস-সাওয়াফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: বিশর ইবনে মুসা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: আল-হুমাইদি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-আনসারি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম আত-তাইমি আমাকে অবহিত করেছেন যে তিনি আলকামা ইবনে ওয়াক্কাসকে বলতে শুনেছেন: আমি উমর ইবনুল খাত্তাবকে মিম্বারের ওপর দাঁড়িয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই হাদীসটি বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি:((নিশ্চয়ই সমস্ত আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। প্রত্যেক ব্যক্তি তাই পাবে যা সে নিয়ত করেছে। সুতরাং যার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্যে হবে, তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে। আর যার হিজরত দুনিয়া লাভের জন্য অথবা কোনো নারীকে বিয়ে করার জন্য হবে, তার হিজরত সে উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে যার জন্য সে হিজরত করেছে।)) —এটি মুয়াদ্দিব-এর শব্দ।আবু আবদুল্লাহ (ইমাম বুখারী) তাঁর কিতাব এর মাধ্যমেই শুরু করেছেন। তিনি এটি আল-হুমাইদি থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এতে 'থেকে' ও 'পর্যন্ত' যা আমি লিখেছি তা সংক্ষেপ করেছেন। কেন তিনি এটি সংক্ষেপ করেছেন তার সঠিক কারণ আমার কাছে স্পষ্ট হয়নি, কারণ তাঁর শাইখ এবং শাইখ (পরবর্তী অংশ)।
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ১৫)
شَيْخه قد روياه على التَّمام إِلَّا أَن يكون هَكَذَا حفظه وَالله أعلموَإِنَّمَا أوردت هَذَا الحَدِيث وَإِن لم يكن من شَرط هَذَا الْكتاب تيمنا بِهِ ولأستفتح الْكتاب بِحَدِيث مُسْندقَوْله فِيهِ حَدَّثنا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ ثَنَا اللَّيْثُ ثَنَا عُقَيْلٌ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ عَائِشَةَ [أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ أَنَّهَا] قَالَتْ أَوَّلُ مَا بُدِئَ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنَ الْوَحْيِ الرُّؤْيَا الصَّادِقَةُ الحَدِيث بِطُولِهِ وَفِيه((فَرجع إِلَى خَدِيجَة يرجف فُؤَاده))وَقَالَ عقبه تَابعه عبد الله بن يُوسُف وَأَبُو صَالح هُوَ عبد الله بن صَالح يَعْنِي عَن اللَّيْث عَن عقيل ثمَّ قَالَ وَتَابعه هِلَال بن رداد عَن الزُّهْرِيّ وَقَالَ يُونُس وَمعمر يَعْنِي عَن الزُّهْرِيّ ((بوادره)) انْتهى
তাঁর উস্তাদ এটি পূর্ণাঙ্গভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে এমনও হতে পারে যে তিনি এভাবেই এটি মুখস্থ করেছিলেন। আর আল্লাহই ভালো জানেন।আমি এই হাদিসটি বরকত হাসিলের উদ্দেশ্যে এবং একটি মুসনাদ হাদিসের মাধ্যমে কিতাবটি শুরু করার জন্য উল্লেখ করেছি, যদিও এটি এই কিতাবের শর্তানুযায়ী নয়।তাঁর উক্তি এতে রয়েছে: ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইর আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, লাইস আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, উকাইল আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উরওয়াহ ইবনুল যুবায়ের থেকে, তিনি উম্মুল মুমিনীন আয়িশাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি ওহী আসার সূচনা হয়েছিল সত্য স্বপ্নের মাধ্যমে—সম্পূর্ণ দীর্ঘ হাদিসটি এবং এতে রয়েছে:((অতঃপর তিনি খাদিজার নিকট ফিরে আসলেন এমতাবস্থায় যে তাঁর অন্তর কাঁপছিল))এর পরপরই তিনি বলেছেন যে, আবদুল্লাহ ইবনে ইউসুফ এবং আবু সালেহ (যিনি আবদুল্লাহ ইবনে সালেহ) এটিকে অনুসরণ করেছেন অর্থাৎ লাইস থেকে, তিনি উকাইল থেকে। এরপর তিনি বলেন, হিলাল ইবনে রাদ্দাদ যুহরী থেকে এটিকে অনুসরণ করেছেন। আর ইউনুস ও মা'মার যুহরী থেকে বর্ণনা করতে গিয়ে “বাওয়াদিরুহু” (তাঁর কাঁধের গোশত) শব্দ উল্লেখ করেছেন। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ১৬)
أما مُتَابعَة عبد الله بن يُوسُف فأسندها أَبُو عبد الله فِي أَحَادِيث الْأَنْبِيَاء بِتَمَامِهَا وَفِي التَّفْسِير عَنهُ مختصرة ح 4 بوَأما مُتَابعَة عبد الله بن صَالح فَقَرَأت على مُحَمَّد بن مُحَمَّد بن مُحَمَّد بن منيع الْمُؤَدب بسفح قاسيون أخْبركُم أَبُو مُحَمَّد عبد الله بن الْحُسَيْن الْأنْصَارِيّ إجَازَة إِن لم يكن سَمَاعا عَن إِسْمَاعِيل بن أَحْمد الْعِرَاقِيّ أَنا الْحَافِظ أَبُو مُوسَى مُحَمَّد بن أبي بكر عمر الْمَدِينِيّ فِي كِتَابه أَن أَبَا عَليّ الْحسن بن أَحْمد الْحداد أخبرهُ أَنا أَحْمد بن عبد الله بن أَحْمد أَبُو نعيم ثَنَا سُلَيْمَان بن أَحْمد الطَّبَرَانِيّ ثَنَا مطلب بن شُعَيْب الْأَزْدِيّ إملاء ثَنَا عبد الله بن صَالح ثَنَا اللَّيْث فَذكره بِتَمَامِهِ
আবদুল্লাহ ইবনে ইউসুফের অনুসরণমূলক বর্ণনার (মুতাবায়াত) বিষয়টি আবু আবদুল্লাহ 'নবীদের হাদীসসমূহ' (আহাদীসুল আম্বিয়া) অধ্যায়ে পূর্ণাঙ্গভাবে এবং 'তাফসীর' অধ্যায়ে তাঁর থেকে সংক্ষিপ্ত আকারে বর্ণনা করেছেন (হাদিস ৪, পরিচ্ছেদ খ)।আর আবদুল্লাহ ইবনে সালেহ-এর অনুসরণমূলক বর্ণনার বিষয়ে আমি কাসিউন পর্বতের পাদদেশে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মানি' আল-মুয়াদ্দিব-এর নিকট পাঠ করেছি। তিনি বলেন, আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আল-হুসাইন আল-আনসারী আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন—যদি সরাসরি শ্রবণ (সামা) না-ও হয়ে থাকে তবে অনুমতির (ইজাজাহ) মাধ্যমে—ইসমাইল ইবনে আহমদ আল-ইরাকী থেকে। তিনি বলেন, হাফেজ আবু মুসা মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর উমর আল-মাদীনী তাঁর কিতাবে উল্লেখ করেছেন যে, আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমদ আল-হাদ্দাদ তাকে সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ আবু নুআইম। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান ইবনে আহমদ আত-তাবারানি। তিনি বলেন, আমাদের নিকট শ্রুতলিপি (ইমলা) প্রদানের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন মুত্তালিব ইবনে শুয়াইব আল-আযদি। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে সালেহ। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-লাইস। অতঃপর তিনি তা পূর্ণাঙ্গভাবে উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ১৭)
وَرَوَاهُ يَعْقُوب بن سُفْيَان فِي تَارِيخه قَالَ ثَنَا أَبُو صَالح وَابْن بكير قَالَا ثَنَا اللَّيْث بِهِوَرَوَاهُ الرَّوْيَانِيّ فِي مُسْنده عَن مُحَمَّد بن إِسْحَاق الصغاني عَن عبد الله بن صَالح بِهِ فَوَقع لنا بَدَلا عَالِياوَأما مُتَابعَة هِلَال بن رداد فَقَالَ أَبُو عبد الله مُحَمَّد بن يحيى الذهلي فِي جمعه لحَدِيث الزُّهْرِيّ أَخْبَرَنِي مُحَمَّد بن مُسلم الرَّازِيّ حَدَّثَني أَبُو الْقَاسِم بن هِلَال بن رداد الطَّائِي ثَنَا أبي وَكَانَ من كتبة هِشَام قَالَ سَمِعت ابْن شهَاب قَالَ الذهلي وَكَانَ هِلَال بن رداد (الطَّائِي) أسوقهم للْحَدِيث باقتصاصه يَعْنِي لحَدِيث الزُّهْرِيّ انْتهىأَخْبَرَنَا بذلك أَبُو الْعَبَّاس أَحْمد بن أبي بكر [بن قدامَة] فِي كِتَابه عَن سُلَيْمَان ابْن حَمْزَة أَن الضياء مُحَمَّد بن عبد الْوَاحِد [الْمَقْدِسِي] أنبأهم أَنا الْقَاسِم بن عبد الله بن عمر [الصفار] أَنا وجيه بن طَاهِر أَنا أَبُو حَامِد الْأَزْهَرِي أَنا مُحَمَّد ابْن عبد الله بن حمدون أَنا أَبُو حَامِد الشَّرْقِي ثَنَا مُحَمَّد بن يحيى الذهلي بِهِوَأما رِوَايَة يُونُس فأسندها أَبُو عبد الله فِي التَّفْسِير عَن سعيد بن سُلَيْمَان
এবং ইয়াকুব বিন সুফিয়ান তাঁর তারিখে এটি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু সালেহ ও ইবনে বুকাইর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন: লায়স আমাদের এটি শুনিয়েছেন।এবং রুইয়ানি তাঁর মুসনাদে মুহাম্মদ বিন ইসহাক আস-সাগানি থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন সালেহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি আমাদের নিকট উচ্চ পর্যায়ের বাদাল (বিকল্প উচ্চতর সনদ) হিসেবে পৌঁছেছে।আর হিলাল বিন রাদাদের মুতাবিআত (সমর্থক বর্ণনা) সম্পর্কে আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আজ-যুহলি তাঁর সংকলিত যুহরির হাদীসসমূহের সংকলনে বলেছেন: আমাকে মুহাম্মদ বিন মুসলিম আর-রাজি সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম বিন হিলাল বিন রাদাদ আত-তাঈ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন—যিনি হিশামের লেখকদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন—তিনি বলেন: আমি ইবনে শিহাবকে বলতে শুনেছি। যুহলি বলেন: হিলাল বিন রাদাদ (আত-তাঈ) ছিলেন যুহরির হাদীস যথাযথভাবে বর্ণনা করার ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে সবচেয়ে পারদর্শী। সমাপ্ত।আবু আল-আব্বাস আহমদ বিন আবু বকর [বিন কুদামা] তাঁর কিতাবে সুলাইমান ইবনে হামজা থেকে আমাদের এটি জানিয়েছেন যে, দিয়া মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ [আল-মাকদিসি] তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন: আল-কাসিম বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর [আস-সাফফার] আমাদের জানিয়েছেন, ওয়াজিহ বিন তাহির আমাদের জানিয়েছেন, আবু হামিদ আল-আজহারি আমাদের জানিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন হামদুন আমাদের জানিয়েছেন, আবু হামিদ আশ-শারকি আমাদের জানিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আজ-যুহলি এটি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন।আর ইউনুসের বর্ণনাটি আবু আবদুল্লাহ তাফসীর গ্রন্থে সাঈদ বিন সুলাইমান থেকে সনদসহ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ১৮)
عَن مُحَمَّد بن عبد الْعَزِيز بن أبي رزمة عَن أبي صَالح سلمويه عَن عبد الله بن الْمُبَارك عَن يُونُس بِتَمَامِهِوَقد رَوَاهَا الطَّبَرَانِيّ فِي المعجم الْكَبِير عَن هَارُون بن كَامِل عَن عبد الله بن صَالح عَن اللَّيْث بن سعد عَن يُونُسوَأما رِوَايَة معمر فأسندها أَبُو عبد الله أَيْضا فِي التَّعْبِير عَن شَيْخه عبد الله ابْن مُحَمَّد المسندي عَن عبد الرَّزَّاق عَن معمر بِهِقَوْله فِيهِ عقب حَدِيث (7) شُعَيْب بن أبي حَمْزَة عَن الزُّهْرِيّ عَن عبيد الله بن عبد الله عَن ابْن عَبَّاس عَن أبي سُفْيَان صَخْر بن حَرْب فِي قصَّة هِرقل الحَدِيث بِطُولِهِرَوَاهُ صَالح وَيُونُس وَمعمر عَن الزُّهْرِيّ انْتهىوَقد أسْند أَحَادِيث الثَّلَاثَة فِي الْجَامِعأما حَدِيث صَالح فَفِي الْجِهَاد بِتَمَامِهِ عَن إِبْرَاهِيم بن حَمْزَة عَن إِبْرَاهِيم بن سعد عَنهُوَأما حَدِيث يُونُس فَفِي الاسْتِئْذَان من طَرِيق ابْن الْمُبَارك مُخْتَصرا وَفِي
মুহাম্মদ ইবন আবদুল আজিজ ইবন আবি রিযমাহ থেকে বর্ণিত, তিনি আবু সালিহ সালামাওয়াইহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক থেকে, তিনি ইউনুস থেকে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে বর্ণনা করেছেন।আর তাবারানি এটি 'আল-মু'জামুল কাবীর'-এ হারুন ইবন কামিল থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন সালিহ থেকে, তিনি লাইস ইবন সাদ থেকে, তিনি ইউনুস থেকে বর্ণনা করেছেন।আর মা'মারের বর্ণনার ক্ষেত্রে, আবু আবদুল্লাহও এটি 'আত-তাবির' (স্বপ্ন ব্যাখ্যা) অধ্যায়ে তাঁর শিক্ষক আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ আল-মুসনাদি থেকে, তিনি আবদুর রাজ্জাক থেকে, তিনি মা'মার থেকে এটি সনদসহ উল্লেখ করেছেন।শুআইব ইবন আবি হামযাহ এর (৭) নং হাদিসের পরবর্তী অংশে তাঁর বক্তব্য; তিনি যুহরি থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবন আবদুল্লাহ থেকে, তিনি ইবন আব্বাস থেকে, তিনি আবু সুফিয়ান সাখর ইবন হারব থেকে হিরাক্লিয়াস সংক্রান্ত দীর্ঘ হাদিসটি বর্ণনা করেছেন।এটি সালিহ, ইউনুস এবং মা'মার যুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন। (সমাপ্ত)আর তিনি এই তিনজনের হাদিসসমূহ 'আল-জামি' (সহিহ বুখারি) গ্রন্থে সনদসহ উল্লেখ করেছেন।সালিহ এর হাদিসটি 'আল-জিহাদ' অধ্যায়ে ইব্রাহিম ইবন হামযাহ থেকে, তিনি ইব্রাহিম ইবন সাদ থেকে, তিনি তাঁর থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে বর্ণনা করেছেন।আর ইউনুসের হাদিসটি 'আল-ইস্তিজান' (অনুমতি গ্রহণ) অধ্যায়ে ইবনুল মুবারকের সূত্রে সংক্ষেপে এবং...
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ১৯)
الْجِزْيَة من طَرِيق اللَّيْث بن سعد كِلَاهُمَا عَنهُوَأما حَدِيث معمر فَفِي التَّفْسِير من حَدِيث هِشَام بن يُوسُف وَعبد الرَّزَّاق كِلَاهُمَا عَن معمر بِهِ م 3 بوَمن [2] كتاب الْإِيمَان قَوْله فِي [1]بَاب قَول النَّبِي صلى الله عليه وسلم ((بُنِيَ الإِسْلامُ عَلَى خَمْسٍ))وَكتب عمر بن عبد الْعَزِيز إِلَى عدي بن عدي إِن للْإيمَان فَرَائض وَشَرَائِع وحدودا وسننا فَمن استكملها اسْتكْمل الْإِيمَان وَمن لم يستكملها لم يستكمل الْإِيمَان فَإِن أعش فسأبينها لكم حَتَّى تعملوا بهَا وَإِن أمت فَمَا أَنا على صحبتكم بحريص انْتهىأما الحَدِيث الْمَرْفُوع فأسنده فِي الْبَاب الَّذِي بعده من حَدِيث عِكْرِمَة بن خَالِد عَن ز 5 أابْن عمر وَفِي بعض النّسخ أسْندهُ فِي الْبَابوَأما أثر عمر بن عبد الْعَزِيز فأَخْبَرَنِي بِهِ عبد الله بن عمر بن عَليّ فِيمَا قَرَأت عَلَيْهِ أخْبركُم يحيى بن يُوسُف الْمَقْدِسِي إجَازَة إِن لم يكن سَمَاعا عَن عبد الْوَهَّاب ابْن رواج الْأَزْدِيّ أَن عبد الْوَاحِد بن عَسْكَر المَخْزُومِي أخبرهُ أَنا أَبُو صَادِق مرشد بن يحيى بن الْقَاسِم الْمَدِينِيّ أَنا أَبُو الْقَاسِم عَليّ بن مُحَمَّد الْفَارِسِي ثَنَا الْحسن ابْن رَشِيق العسكري ثَنَا أَبُو جَعْفَر مُحَمَّد بن أَحْمد الوكيعي ثَنَا أَبُو بكر بن أبي شيبَة ثَنَا أَبُو أُسَامَة عَن جرير بن حَازِم حَدَّثَني عِيسَى بن عَاصِم حَدثنِي عدي
জিজিয়া (অধ্যায়) লায়স বিন সা'দ-এর সূত্রে, তাঁরা উভয়ই তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।আর মা'মারের হাদীসটি তাফসীর অধ্যায়ে হিশাম বিন ইউসুফ ও আব্দুর রাজ্জাক-এর হাদীস থেকে বর্ণিত, তাঁরা উভয়ই মা'মার থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। ম ৩ খএবং [২] ঈমান অধ্যায় থেকে [১]-এ তাঁর উক্তিপরিচ্ছেদ: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী ((ইসলাম পাঁচটি স্তম্ভের উপর প্রতিষ্ঠিত))উমর বিন আব্দুল আজিজ আদি বিন আদি-র নিকট লিখেছিলেন: "নিশ্চয়ই ঈমানের কিছু আবশ্যিক কর্তব্য, বিধান, সীমা ও সুন্নত রয়েছে। সুতরাং যে ব্যক্তি এগুলো পূর্ণ করল, সে তার ঈমান পূর্ণ করল; আর যে এগুলো পূর্ণ করল না, সে তার ঈমান পূর্ণ করল না। যদি আমি বেঁচে থাকি তবে আমি তোমাদের কাছে এগুলো স্পষ্ট করে বর্ণনা করব যাতে তোমরা সে অনুযায়ী আমল করতে পার; আর যদি আমি মারা যাই, তবে তোমাদের সান্নিধ্যের জন্য আমি অতি উৎসুক নই।" সমাপ্ত।মারফূ হাদীসটির সনদ তিনি এর পরবর্তী পরিচ্ছেদে ইকরিমা বিন খালিদ-এর সূত্রে য ৫ আ ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন। কোনো কোনো পাণ্ডুলিপিতে তিনি এই পরিচ্ছেদেই এর সনদ উল্লেখ করেছেন।আর উমর বিন আব্দুল আজিজের আসার (বিবৃতি) সম্পর্কে আব্দুল্লাহ বিন উমর বিন আলী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যা আমি তাঁর নিকট পাঠ করেছি: ইয়াহইয়া বিন ইউসুফ আল-মাকদিসি ইজাজাতান (অনুমতি সূত্রে), যদি সামা' (সরাসরি শ্রবণ) না হয়ে থাকে, আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে রাওয়াজ আল-আজদী থেকে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আব্দুল ওয়াহিদ বিন আসকার আল-মাখযুমি তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন: আবু সাদিক মুরশিদ বিন ইয়াহইয়া বিন আল-কাসিম আল-মাদিনী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু আল-কাসিম আলী বিন মুহাম্মদ আল-ফারিসী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: হাসান ইবনে রাশিদ আল-আসকারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-ওয়াকিঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু বকর বিন আবী শায়বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু উসামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জারীর বিন হাযিম থেকে: ঈসা বিন আসিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন: আদি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ২০)
ابْن عدي قَالَ كتب إِلَيّ عمر بن عبد الْعَزِيز (أما بعد) فَإِن للْإيمَان فَرَائض قلت فَذكره بِحُرُوفِهِ وَهُوَ إِسْنَاد صَحِيح وَرِجَاله ثِقَاترَوَاهُ أَحْمد بن حَنْبَل فِي الْإِيمَان لَهُ عَن وَكِيع عَن جرير بن حَازِم نَحوهقَوْله فِيهِ وَقَالَ معَاذ ((اجْلِسْ بِنَا نُؤْمِنْ سَاعَةً))أَخْبَرَنِي بِذَلِكَ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْمَجْدِ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِالْقَاهِرَةِ أَخْبَرَكُمْ أَبُو مُحَمَّدٍ الْقَاسِمُ بْنُ عَسَاكِرَ إِجَازَةً إِنْ لَمْ يَكُنْ سَمَاعًا أَنَّ أَبَا الْمُنَجَّا عبد الله ابْن عُمَرَ اللَّتِّيَّ أَخْبَرَهُمْ أَنا أَبُو الْمَعَالِي مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ اللَّحَّاسِ أَنْبَأَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْبُسْرِيُّ أَنا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُوسَى بْنِ الْقَاسِمِ بْنِ الصَّلْتِ ثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ بْنِ مُوسَى الْهَاشِمِيُّ إِمْلاءً ثَنَا عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ الْعَلاءِ بِمَكَّةَ ثَنَا وَكِيعٌ عَنِ الأَعْمَشِ ومسعر عَن جَامع ابْن شَدَّادٍ عَنِ الأَسْوَدِ بْنِ هِلالٍ الْمُحَارِبِيِّ قَالَ قَالَ مُعَاذُ بْنُ جَبَلٍ ((اجْلِسْ بِنَا نُؤْمِنْ سَاعَةً))رَوَاهُ أَحْمد بن حَنْبَل فِي الإِيمَانِ لَهُ عَنْ وَكِيعٍ فَوَافَقْنَاهُ بِعُلُوٍّوَأَخْبَرَنِي بِهِ أَبُو هُرَيْرَةَ بْنُ الْحَافِظِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ ابْن الذَّهَبِيِّ إِجَازَةً أَنَّ أَبَا الْفَتْحِ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ الرَّحِيمِ الْمَخْزُومِيَّ أَخْبَرَهُمْ سَمَاعًا عَلَيْهِ أَنا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ ظَافِرٍ أَنا الْحَافِظُ
ইবনে আদি বলেন, ওমর ইবনে আবদুল আজিজ আমার কাছে লিখেছেন: (অতঃপর) নিশ্চয়ই ঈমানের কিছু আবশ্যিক বিধান (ফরজ) রয়েছে। আমি (লেখক) বলছি, তিনি এটি হুবহু উল্লেখ করেছেন এবং এর সনদ সহিহ এবং এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।ইমাম আহমদ বিন হাম্বল তাঁর 'আল-ঈমান' গ্রন্থে ওয়াকি' থেকে, তিনি জারীর বিন হাযিম থেকে এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।সেখানে তাঁর উক্তি: মুয়াজ (রা.) বলেছেন, "আমাদের সাথে বসুন, আমরা কিছুক্ষণ ঈমান আনি (ঈমানি আলোচনা করি)।"কায়রোতে তাঁর কাছে আমার পাঠের মাধ্যমে আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবিল মাজদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন। আবু মুহাম্মদ আল-কাসিম ইবনে আসাকির আপনাদের ইজাজাত দিয়েছেন—যদি সরাসরি শ্রবণ না হয়ে থাকে—যে আবুল মুনাজ্জা আবদুল্লাহ ইবনে ওমর আল-লাত্তি তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আবু আল-মাআলি মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-লাহাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আবুল কাসিম আলী ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-বুসরি আমাদের জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আবুল হাসান আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুসা ইবনে কাসিম ইবনে আস-সালত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে আবদুস সামাদ ইবনে মুসা আল-হাশেমি শ্রুতলিখন হিসেবে আমাদের বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, মক্কায় আবদুল জব্বার ইবনুল আলা আমাদের বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ওয়াকি' আমাশ এবং মিসআর থেকে, তাঁরা জামি' ইবনে শাদ্দাদ থেকে, তিনি আসওয়াদ ইবনে হিলাল আল-মুহারিবি থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.) বলেছেন, "আমাদের সাথে বসুন, আমরা কিছুক্ষণ ঈমান আনি।"ইমাম আহমদ বিন হাম্বল তাঁর 'আল-ঈমান' গ্রন্থে ওয়াকি' থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, ফলে আমরা উচ্চতর সনদে তাঁর সাথে একমত হয়েছি।হাফেজ আবু আবদুল্লাহ ইবনে আয-যাহাবীর পুত্র আবু হুরায়রা আমাকে ইজাজাত সূত্রে এটি সংবাদ দিয়েছেন যে, আবুল ফাতহ মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহিম আল-মাখজুমি তাঁদের কাছে সরাসরি শ্রবণ সূত্রে সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আবু মুহাম্মদ ইবনে জাফির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, হাফেজ (আমাদের সংবাদ দিয়েছেন)...
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ২১)
أَبُو طاهرالسلفي أَنا أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ السَّلامِ أَنا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ أَنا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ ماتي ثَنَا أَبُو اسحق إِبْرَاهِيم بن عبد الله ابْن عُمَرَ الْقَصَّارُ الْعَبْسِيُّ ثَنَا وَكِيعٌ عَنِ الأَعْمَشِ عَنْ جَامِعِ بْنِ شَدَّاد عَن الْأسود ابْن هِلالٍ قَالَ قَالَ مُعَاذُ بْنُ جَبَلٍ ((اجْلِسْ بِنَا نُؤْمِنْ سَاعَةً)) قَالَ وَكِيع يَعْنِي نذْكر اللههَذَا مَوْقُوف صَحِيح رَوَاهُ أَبُو بكر بن أبي شيبَة فِي كتاب الْإِيمَان عَن وَكِيع عَن الْأَعْمَش وَحده فوافقناه بعلو دَرَجَة على طَرِيقهوَرَوَاهُ أَيْضا عَن أبي أُسَامَة عَن الْأَعْمَش بِلَفْظ كَانَ معَاذ بن جبل يَقُول للرجل من ح 5 ب إخوانه ز 5 ب ((اجْلِسْ بِنَا فلنؤمن سَاعَة)) فيجلسان فيذكران الله ويحمدانهوَرَوَاهُ أَحْمد بن حَنْبَل فِي الْإِيمَان لَهُ عَن يحيى بن سعيد وَعبد الرَّحْمَن بن مهْدي عَن سُفْيَان حَدَّثَني جَامع فَذكر نَحوهقَوْله فِيهِ وَقَالَ ابْن مَسْعُود ((الْيَقِين الْإِيمَان كُله))قَالَ ابْنُ أَبِي خَيْثَمَةَ فِي تَارِيخِهِ حَدَّثنا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ ثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ عَنِ الأَعْمَشِ عَنْ أَبِي ظَبْيَانَ عَنْ عَلْقَمَةَ قَالَ عبد الله ((الصَّبْر نصف
আবু তাহের আস-সিলাফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু আল-ফাদল মুহাম্মদ ইবনে আব্দুস সালাম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আল-হাসান ইবনে আহমদ ইবনে ইবরাহিম আদ-দাওরাকী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আলী ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে মাতী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর আল-কাসসার আল-আবসী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ওয়াকী' আমাশ থেকে, তিনি জামি' ইবনে শাদ্দাদ থেকে, তিনি আসওয়াদ ইবনে হিলাল থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: মু’আয ইবনে জাবাল বললেন, “আমাদের সাথে বসুন, আমরা কিছুক্ষণ ঈমান আনি।” ওয়াকী’ বলেন, অর্থাৎ আমরা আল্লাহর যিকর করি।এটি একটি সহীহ মাওকুফ বর্ণনা। আবু বকর ইবনে আবী শায়বাহ তাঁর ‘কিতাবুল ঈমান’-এ এটি ওয়াকী’ থেকে, শুধুমাত্র আমাশ-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। ফলে আমরা উচ্চ পর্যায়ের সনদে তাঁর সূত্রের সাথে মিলিত হয়েছি।তিনি এটি আবু উসামা থেকে, তিনি আমাশ থেকে এই শব্দে বর্ণনা করেছেন যে, মু’আয ইবনে জাবাল তাঁর ভাইদের মধ্য থেকে কোনো ব্যক্তিকে বলতেন: “আমাদের সাথে বসুন, যেন আমরা কিছুক্ষণ ঈমান আনতে পারি।” অতঃপর তাঁরা উভয়ই বসতেন এবং আল্লাহর যিকর করতেন ও তাঁর প্রশংসা করতেন।আহমাদ ইবনে হাম্বল তাঁর ‘ঈমান’ গ্রন্থে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ ও আব্দুর রহমান ইবনে মাহদী থেকে, তাঁরা সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন; (সুফিয়ান বলেন) জামি' আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, অতঃপর তিনি অনুরূপ বর্ণনা উল্লেখ করেন।এতে তাঁর বক্তব্য: ইবনে মাসউদ বলেছেন, “ইয়াকীন (দৃঢ় বিশ্বাস) হলো পূর্ণ ঈমান।”ইবনে আবী খাইসামা তাঁর ‘তারীখ’-এ বলেছেন: মূসা ইবনে ইসমাইল আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে যিয়াদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আমাশ থেকে, তিনি আবু জাবিয়ান থেকে, তিনি আলকামা থেকে বর্ণনা করেন যে, আব্দুল্লাহ বলেছেন, “সবর (ধৈর্য) হলো অর্ধেক...”
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ২২)
الإِيمَانِ وَالْيَقِينُ الإِيمَانُ كُلُّهُ))وَأَخْبَرَنِي بِذَلِكَ أَبُو الْمَعَالِي السُّعُودِيُّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِالْقَاهِرَةِ عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَحْمَدَ الْمَقْدِسِيَّةِ عَنْ عُجَيْبَةَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ الْبَغْدَادِيَّةِ عَنْ أَبِي الْفرج مَسْعُود بن الْحسن ابْن الْقَاسِمِ بْنِ الْفَضْلِ الثَّقَفِيِّ أَنَّ الْمُطَهَّرَ بْنَ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْبُزَانِيَّ أخْبرهُم أَنا أَبُو بكر عُمَرَ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ أَنا عبد الله بن عمر بن يَزِيدَ الزُّهْرِيُّ أَنا عَمِّي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ يَزِيدَ رُسْتَةُ الْحَافِظُ فِي كِتَابِ الإِيمَانِ مِنْ تَأْلِيفِهِ ثَنَا أَبُو زُهَيْرٍ هُوَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مِغْرَاءَ أَخْبَرَنَا الأَعْمَشُ عَنْ أَبِي ظَبْيَانَ ح وَبِهِ إِلَى رُسْتَهْ ثَنَا عَبْدُ الرَّحَمْنِ هُوَ ابْنُ مَهْدِيٍّ ثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الأَعْمَشِ عَنْ أَبِي ظَبْيَانَ عَنْ عَلْقَمَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ ((الصَّبْرُ نِصْفُ الإِيمَانِ وَالْيَقِينُ الإِيمَانُ كُلُّهُ))أَبُو ظبْيَان اسْمه حُصَيْن بن جُنْدُب مُتَّفق على الِاحْتِجَاج بِهِ وَهَذَا مَوْقُوف صَحِيحرَوَاهُ الْحَاكِم فِي الْمُسْتَدْرك من حَدِيث الْأَعْمَش مُخْتَصراوَرَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي المعجم الْكَبِير عَن مُحَمَّد بن عَليّ بن زيد الصَّائِغ عَن سعيد بن مَنْصُور عَن أبي مُعَاوِيَة عَن الْأَعْمَش بِهِ فَوَقع لنا عَالِياوَقد رُوِيَ مَرْفُوعا من وَجه لَا يثبت قَرَأْتُهُ عَلَى الإِمَامِ أَبِي الْحَسَنِ بن أبي بكر ابْن سُلَيْمَانَ [الْهَيْثَمِيِّ] أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ بن صَالح عَن عَليّ ابْن أَحْمَدَ السَّعْدِيِّ سَمَاعًا أَنَّ عَبْدَ الصَّمَدِ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْفَضْلِ الْقَاضِي أَخْبَرَهُمْ أَنا عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ حَمْزَةَ أَنا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَحْمَدَ الْكَتَّانِيُّ ثَنَا تَمَّامُ بْنُ مُحَمَّدٍ الرَّازِيُّ ثَنَا خَيْثَمَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى بْنِ أَبِي قُمَاشٍ بواسط ثَنَا يَعْقُوب بن
((ধৈর্য হলো ঈমানের অর্ধেক এবং ইয়াকীন (দৃঢ় বিশ্বাস) হলো পূর্ণ ঈমান।))কায়রোতে আমার পাঠের মাধ্যমে এটি আমাকে জানিয়েছেন আবু আল-মাআলি আস-সুউদি, তিনি জয়নব বিনতে আহমদ আল-মাকদিসিয়্যাহ থেকে, তিনি উজাইবাহ বিনতে আবি বকর আল-বাগদাদিয়্যাহ থেকে, তিনি আবুল ফারাজ মাসউদ ইবনুল হাসান ইবনুল কাসিম ইবনুল ফাদল আস-সাকাফি থেকে; আল-মুতাহার বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-বুজানি তাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু বকর উমর বিন আব্দুল ওয়াহহাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ বিন উমর বিন ইয়াজিদ আজ-জুহরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমার চাচা আব্দুর রহমান বিন ইয়াজিদ রুস্তাহ আল-হাফিজ তার রচিত 'কিতাবুল ঈমান'-এ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু জুহাইর (তিনি হলেন আব্দুর রহমান বিন মিগরা) আমাদের বর্ণনা করেছেন, আল-আ’মাশ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জোবইয়ান থেকে। (হাদিসের অন্য সূত্র): রুস্তাহ পর্যন্ত একই সনদে, আব্দুর রহমান (তিনি ইবনে মাহদি) আমাদের বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের বর্ণনা করেছেন আল-আ’মাশ থেকে, তিনি আবু জোবইয়ান থেকে, তিনি আলকামা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ (ইবনে মাসউদ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: ((ধৈর্য হলো ঈমানের অর্ধেক আর ইয়াকীন হলো পূর্ণ ঈমান।))আবু জোবইয়ানের নাম হুসাইন বিন জুনদুব, তার থেকে দলিল গ্রহণের ব্যাপারে সকলে একমত এবং এটি একটি সহীহ মাওকুফ (সাহাবীর উক্তি)।হাকিম তার 'মুস্তাদরাক' গ্রন্থে আল-আ’মাশ থেকে এটি সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন।তাবারানি এটি তার 'আল-মুজামুল কাবীর' গ্রন্থে মুহাম্মাদ বিন আলী বিন জাইদ আস-সায়িগ থেকে, তিনি সাঈদ বিন মনসুর থেকে, তিনি আবু মুয়াবিয়া থেকে, তিনি আল-আ’মাশ থেকে এই সনদে বর্ণনা করেছেন; ফলে এটি আমাদের কাছে উচ্চ সনদে (আলিয়া) পৌঁছেছে।এটি একটি সূত্রে মারফু (রাসূলুল্লাহর বাণী) হিসেবেও বর্ণিত হয়েছে যা প্রমাণিত নয়। আমি এটি ইমাম আবুল হাসান বিন আবু বকর বিন সুলাইমান [আল-হাইসামি]-এর নিকট পাঠ করেছি, (তিনি বলেছেন) আবুল হাসান আলী বিন আহমদ বিন মুহাম্মাদ বিন সালিহ আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী বিন আহমদ আস-সাদি থেকে শ্রবণ করার মাধ্যমে যে, আব্দুল সামাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আবিল ফাদল আল-কাদি তাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল কারীম বিন হামজা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল আজিজ বিন আহমদ আল-কাত্তানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাম্মাম বিন মুহাম্মাদ আর-রাজি আমাদের বর্ণনা করেছেন, খাইসামা বিন সুলাইমান আমাদের বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন ঈসা বিন আবি কুমাস ওয়াসিত থেকে আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইয়াকুব বিন...
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ২৩)
حُمَيْدِ بْنِ كَاسِبٍح وَأَخْبَرَنِي بِهِ عَالِيًا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ الْعَدْلُ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ ظَاهِرَ الْقَاهِرَةِ أَخْبَرَكُمْ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَلِيٍّ الْقُطْبِيُّ أَنَّ النَّجِيبَ الْحَرَّانِيَّ أَخْبَرَهُمْ عَنْ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ التَّيْمِيِّ أَنَّ أَبَا عَلِيٍّ الْحَدَّادَ أَخْبَرَهُمْ أَنا أَبُو نُعَيْمٍ ثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْوَرَّاقُ ثَنَا عبد الله بن صَالح ثَنَا ابْنُ كَاسِبٍ ح وَقرأت عَلَى خَدِيجَةَ بِنْتِ سُلْطَانٍ أَخْبَرَكُمْ مُحَمَّدُ بْنُ أَحَمْدَ بْنِ أَبِي الْهَيْجَاءِ كِتَابَةً أَنَّ أَبَا الْبَرَكَاتِ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ أَحْمَدَ أَخْبَرَهُمْ أَنا أَبُو سَعْدِ بْنُ أَبِي عَصْرُونٍ القَاضِي ز 16 أأَنا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ طَوْقٍ أَنا أَبُو الْحَسَنِ الرُّغَانِيُّ أَنا أَبُو الْفَتْحِ الأَزْدِيُّ ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ حَمَّادٍ ثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ حُمَيْدِ بْنِ كَاسِبٍ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَالِدٍ الضَّبِّيُّ وَقَالَ ابْنُ أَبِي قُمَاشٍ فِي رِوَايَتِهِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ خَالِدٍ الْمَخْزُومِيِّ عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ عَنْ زُبَيْدٍ الْيَامِيِّ عَنْ أَبِي وَائِلٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ عَنِ النَّبِي صلى الله عليه وسلم قَالَ ((الصَّبْرُ نِصْفُ الإِيمَانِ وَالْيَقِينُ الإِيمَانُ كُلُّهُ)) قَالَ أَبُو نعيم تفرد بِهِ المَخْزُومِي عَن سُفْيَانوَرَوَاهُ أَبُو الْحسن بن صَخْر فِي فَوَائده عَن أَحْمد بن عَليّ الْكَرَابِيسِي عَن عبد الله بن إِسْحَاق وَقَالَ غَرِيب تفرد بِهِ المَخْزُومِي عَن الثَّوْريّ فِيمَا قيلوَرَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ فِي الزّهْد من رِوَايَة ح 6 أالْأَعْمَش مَوْقُوفا وَمن رِوَايَة يَعْقُوب بن حميد مَرْفُوعا وَقَالَ تفرد بِهِ يَعْقُوب بن حميد عَن مُحَمَّد بن خَالِد هَذَا ثمَّ حكى عَن الْحَافِظ أبي عَليّ النَّيْسَابُورِي أَنه قَالَ هَذَا حَدِيث مُنكر لَا أصل لَهُ من حَدِيث زبيد وَلَا من حَدِيث الثَّوْريّ انْتهىوَيَعْقُوب بن حميد قد ضعف وَمُحَمّد بن خَالِد مَا عَرفته وَفِي طبقته مُحَمَّد بن خَالِد المَخْزُومِي ذكره ابْن حبَان فِي الثِّقَات وَقَالَ رُبمَا رفع وَأسْندَ فَهُوَ هُوَ لَكِن فِي روايتنا الْمُتَقَدّمَة من طَرِيق الْأَزْدِيّ نسبه الضَّبِّيّ وَهُوَ وهم من الْأَزْدِيّ لما
হুমাইদ ইবনে কাসিবহা, এবং আমাকে উচ্চতর সনদে এটি জানিয়েছেন আহমাদ ইবনুল হাসান আল-আদল, কায়রোর উপকণ্ঠে তাঁর সামনে আমার পাঠের মাধ্যমে; তিনি বলেন, ইব্রাহিম ইবনে আলী আল-কুতবি আপনাদের জানিয়েছেন যে, আন-নাজীব আল-হাররানি তাঁদের জানিয়েছেন আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আত-তাইমির সূত্রে, তিনি বলেন আবু আলী আল-হাদ্দাদ তাঁদের জানিয়েছেন: আবু নুয়াইম আমাদের জানিয়েছেন, হাসান ইবনে আলী আল-ওয়াররাক আমাদের জানিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে সালিহ আমাদের জানিয়েছেন, ইবনে কাসিব আমাদের জানিয়েছেন। হা, এবং আমি খাদিজা বিনতে সুলতানের সামনে পাঠ করেছি: মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে আবিল হাইজা লিখিতভাবে আপনাদের জানিয়েছেন যে, আবুল বারাকাত আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ তাঁদের জানিয়েছেন: আবু সাদ ইবনে আবি আসরুন আল-কাজি আমাদের জানিয়েছেন (পৃষ্ঠা ১৬/ক): আবু হাসান ইবনে তওক আমাদের জানিয়েছেন: আবু হাসান আর-রুগানি আমাদের জানিয়েছেন: আবু ফাতহ আল-আজদি আমাদের জানিয়েছেন: আব্দুল্লাহ ইবনে ইসহাক ইবনে হাম্মাদ আমাদের জানিয়েছেন: ইয়াকুব ইবনে হুমাইদ ইবনে কাসিব আমাদের জানিয়েছেন: মুহাম্মদ ইবনে খালিদ আদ-দাব্বি আমাদের জানিয়েছেন; এবং ইবনে আবি কুমাশ মুহাম্মদ ইবনে খালিদ আল-মাখজুমি থেকে তাঁর বর্ণনায় বলেছেন, সুফিয়ান আস-সাওরি থেকে, তিনি জুবাইদ আল-ইয়ামি থেকে, তিনি আবু ওয়ায়েল থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ (ইবনে মাসউদ) থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ((ধৈর্য হলো ঈমানের অর্ধেক, আর দৃঢ় বিশ্বাস (ইয়াকিন) হলো পূর্ণ ঈমান))। আবু নুয়াইম বলেন: মাখজুমি এককভাবে এটি সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন।এবং আবুল হাসান ইবনে সাখর তাঁর 'ফাওয়াইদ' গ্রন্থে এটি আহমাদ ইবনে আলী আল-কারাবিসি থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে ইসহাক থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: এটি বিরল (গরীব), বলা হয় যে মাখজুমি এককভাবে সাওরি থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।এবং ইমাম বায়হাকি 'আয-জুহদ' গ্রন্থে আমাশের বর্ণনা থেকে (পৃষ্ঠা ৬/ক) মাওকুফ হিসেবে এবং ইয়াকুব ইবনে হুমাইদের বর্ণনা থেকে মারফু হিসেবে এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: ইয়াকুব ইবনে হুমাইদ এককভাবে এই মুহাম্মদ ইবনে খালিদ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। অতঃপর তিনি হাফেজ আবু আলী আন-নাইসাবুরি থেকে উদ্ধৃত করেছেন যে তিনি বলেছেন: এটি একটি মুনকার (অস্বীকৃত) হাদিস, জুবাইদের হাদিস কিংবা সাওরির হাদিস হিসেবে এর কোনো ভিত্তি নেই। (সমাপ্ত)আর ইয়াকুব ইবনে হুমাইদ দুর্বল হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন, এবং মুহাম্মদ ইবনে খালিদকে আমি চিনি না। তবে তাঁর সমসাময়িক স্তরে মুহাম্মদ ইবনে খালিদ আল-মাখজুমি রয়েছেন, যাঁকে ইবনে হিব্বান 'আস-সিকাত' (নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: সম্ভবত তিনি হাদিসকে মারফু ও মুসনাদ হিসেবে বর্ণনা করতেন। সুতরাং তিনিই সেই ব্যক্তি। তবে আল-আজদির সূত্রে আমাদের পূর্ববর্তী বর্ণনায় তাকে 'আদ-দাব্বি' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা আল-আজদির একটি বিভ্রম...
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ২৪)
تبين من رِوَايَة ابْن صَخْر ثمَّ رَأَيْته فِي الْعِلَل لِابْنِ الْجَوْزِيّ فَقَالَ بعد أَن أخرجه من طَرِيق ابْن كاسب تفرد بِهِ مُحَمَّد بن خَالِد وَهُوَ مَجْرُوح لَكِن لم يذكر من جرحه وَفِي الْجُمْلَة رفع الحَدِيث خطأ وَالله أعلمقَوْله فِيهِ وَقَالَ ابْن عمر ((لَا يبلغ عبد حَقِيقَة التَّقْوَى حَتَّى يدع مَا حاك فِي الصَّدْر))لم أَقف عَلَيْهِ وَفِي التِّرْمِذِيّ وَالْحَاكِم من حَدِيث عَطِيَّة السَّعْدِيّ معنى هَذَا مَرْفُوعا وَلَفظه ((لَا يبلغ العَبْد أَن يكون من الْمُتَّقِينَ حَتَّى يدع مَا لَا بَأْس بِهِ حذرا لما بِهِ بَأْس))قَوْله فِيهِ وَقَالَ مُجَاهِد شَرَعَ لَكُمْ [13 الشورى] أوصيناك يَا مُحَمَّد وإياه دينا وَاحِدًاقَالَ عبد بن حميد فِي تَفْسِيره حَدَّثنا شَبابَة هُوَ ابْن سوار عَن وَرْقَاء عَن ابْن أبي نجيح عَن مُجَاهِد شَرَعَ لَكُمْ مِنَ الدِّينِ مَا وَصَّى بِهِ نُوحًا ووصاك بِهِ وأنبياءه دينا وَاحِدًا هَكَذَا رَوَاهُ الْفرْيَابِيّ فِي التَّفْسِير عَن وَرْقَاء وَهَذَا إِسْنَاد صَحِيح
ইবনে সাখরের বর্ণনা থেকে এটি স্পষ্ট হয়েছে। এরপর আমি ইবনুল জাওযীর 'আল-ইলাল' গ্রন্থে এটি দেখেছি, সেখানে তিনি ইবনে কাসিবের সূত্রে এটি বর্ণনা করার পর বলেছেন যে, মুহাম্মদ বিন খালিদ এটি বর্ণনায় একাকী হয়ে গেছেন এবং তিনি সমালোচিত (মাজরুহ), তবে কে তাঁকে সমালোচনা করেছেন তা তিনি উল্লেখ করেননি। সারকথা হলো, হাদীসটিকে মারফূ হিসেবে বর্ণনা করা ভুল। আর আল্লাহই ভালো জানেন।এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য যে, ইবনে উমর বলেছেন: "কোনো বান্দা ততক্ষণ পর্যন্ত তাকওয়ার প্রকৃত স্তরে পৌঁছাতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার অন্তরে যা খটকা সৃষ্টি করে তা বর্জন করবে।"আমি এটি এই শব্দে খুঁজে পাইনি। তবে তিরমিযী এবং হাকিম গ্রন্থে আতিয়্যাহ আস-সাদী বর্ণিত হাদীসে এর মর্মার্থ মারফূ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে, যার শব্দ হলো: "বান্দা ততক্ষণ পর্যন্ত মুত্তাকীদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে গুনাহের আশঙ্কায় এমন বিষয়ও বর্জন করে যাতে কোনো সমস্যা নেই।"এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য যে, মুজাহিদ বলেছেন: "তিনি তোমাদের জন্য বিধিবদ্ধ করেছেন" [সূরা আশ-শূরা: ১৩], অর্থাৎ—হে মুহাম্মদ, আমি আপনাকে এবং তাঁকে একই দ্বীনের নির্দেশ দিয়েছি।আবদ ইবনে হুমাইদ তাঁর তাফসীরে বলেছেন: আমাদের কাছে শাবাবাহ (যিনি ইবনে সাওয়ার) বর্ণনা করেছেন, তিনি ওয়ারকা থেকে, তিনি ইবনে আবি নাজিহ থেকে এবং তিনি মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেছেন: "তিনি তোমাদের জন্য দ্বীনের সেই বিধানই নির্ধারণ করেছেন যার নির্দেশ তিনি নূহকে দিয়েছিলেন এবং যা তিনি আপনাকে ও তাঁর নবীগণকে একই দ্বীন হিসেবে নির্দেশ দিয়েছেন।" আল-ফিরইয়াবীও তাঁর তাফসীরে ওয়ারকা থেকে এভাবেই বর্ণনা করেছেন এবং এটি একটি সহীহ সূত্র।
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ২৫)
قَوْله فِيهِ وَقَالَ ابْن عَبَّاس {شِرْعَةً وَمِنْهَاجًا} [48 الْمَائِدَة] سَبِيلا وَسنة {لَوْلَا دعاؤكم} [48 الْمَائِدَة] إيمَانكُمْأَخْبَرَنِي بِذَلِكَ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْقَادِرِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَليّ الْفراء ز 6 ب سِبْطُ الْحَافِظِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الذَّهَبِيِّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِدِمَشْقَ أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَزَرِيُّ أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ إِسْمَاعِيلَ الْخَطِيبَ أَخْبَرَهُمْ أَنا أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ طَلْحَةَ أَنا أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ الْحُصَيْنِ أَنا أَبُو طَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ غَيْلانَ أَنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الشَّافِعِيُّ ثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ الْحَسَنِ الْحَرْبِيُّ ثَنَا أَبُو حُذَيْفَةَ مُوسَى بْنُ مَسْعُودٍ النَّهْدِيُّ ثَنَا سُفْيَانُ هُوَ الثَّوْرِيُّ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنِ التَّمِيمِيِّ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ {لِكُلٍّ جَعَلْنَا مِنْكُمْ شِرْعَةً وَمِنْهَاجًا} [48 الْمَائِدَة] قَالَ سَبِيلا وَسُنَّةً هَذَا حَدِيث صَحِيحوَرَوَاهُ عبد الرَّزَّاق فِي تَفْسِيره عَن الثَّوْريّ فوافقناه بعلو على طَرِيقهوَرَوَاهُ عبد بن حميد فِي تَفْسِيره من طَرِيق شُعْبَة وَإِسْرَائِيل عَن أبي إِسْحَاق والتميمي اسْمه أربدة وَقد روى عَنهُ أَبُو إِسْحَاق كثيرا وَهُوَ رَاوِي التَّفْسِير عَن ابْن عَبَّاس وروى عَنهُ أَيْضا الْمنْهَال بن عَمْرو وَوَثَّقَهُ الْعجلِيّ وَأخرج لَهُ أَبُو دَاوُد أَحَادِيث وَسكت عَلَيْهِوتفاسير الصَّحَابَة عِنْد جُمْهُور الْأَئِمَّة الْمُتَقَدِّمين على مَا نَقله الْحَاكِم أَبُو عبد الله مَحْمُولَة على الرّفْع وَبَعض الْمُحَقِّقين حمل ذَلِك على مَا يتَعَلَّق بِأَسْبَاب النُّزُول وَمَا أشبههَا وَهُوَ وَاضح وَالله أعلم
তার উক্তি প্রসঙ্গে ইবনে আব্বাস (রা.) বলেছেন, {শরীয়ত ও কর্মপন্থা} [মায়েদাহ ৪৮] এর অর্থ হলো পথ ও সুন্নত। {যদি তোমাদের দোয়া না থাকত} [ফুরকান ৭৭] এর অর্থ হলো তোমাদের ঈমান।আমাকে এটি অবহিত করেছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল কাদির ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-ফাররা, যিনি হাফেজ আবু আব্দুল্লাহ ইবনে জাহাবির দৌহিত্র। আমি দামেস্কে তাঁর সামনে এটি পাঠ করেছি। তিনি বলেন, আপনাদের অবহিত করেছেন আবু আব্বাস আহমদ ইবনে আলী আল-জাজারি যে, মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-খতিব তাঁদের জানিয়েছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম ইবনে তালহা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে আল-হুসাইন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে গাইলান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইবরাহিম আশ-শাফিঈ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে আল-হাসান আল-হারবি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হুজায়ফা মুসা ইবনে মাসউদ আন-নাহদি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান সাওরি, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি তামিমি থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন: {তোমাদের প্রত্যেকের জন্য আমি একটি শরীয়ত ও কর্মপন্থা নির্ধারণ করেছি} [মায়েদাহ ৪৮]। তিনি বলেন, (এর অর্থ) পথ ও সুন্নত। এটি একটি সহীহ হাদিস।আবদুর রাজ্জাক এটি তাঁর তাফসীরে সাওরি থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে আমরা তাঁর সূত্রের মাধ্যমে উচ্চতর সনদে এর সাথে মিলিত হয়েছি।আবদ ইবনে হুমাইদ এটি তাঁর তাফসীরে শু’বা ও ইসরাঈলের সূত্র ধরে আবু ইসহাক থেকে বর্ণনা করেছেন। তামিমি-র নাম হলো আরবাদাহ। আবু ইসহাক তাঁর থেকে প্রচুর বর্ণনা করেছেন এবং তিনি ইবনে আব্বাসের নিকট থেকে তাফসীর বর্ণনাকারী। মিনহাল ইবনে আমরও তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং ইজলি তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আবু দাউদ তাঁর বর্ণিত কিছু হাদিস সংকলন করেছেন এবং সেগুলোর ব্যাপারে নীরবতা অবলম্বন করেছেন।হাকেম আবু আবদুল্লাহর বর্ণনা অনুযায়ী অধিকাংশ পূর্ববর্তী ইমামগণের নিকট সাহাবীগণের তাফসীরসমূহ মারফু (রাসূলুল্লাহর সা. দিকে সম্বন্ধযুক্ত) হিসেবে গণ্য। কিছু গবেষক একে শানে নুযূল ও এই জাতীয় বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট বর্ণনার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট করেছেন। এটি সুস্পষ্ট। আর আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ২৬)
وَأما قَوْله فِي تَفْسِير {لَوْلا دُعَاؤُكُمْ} [88 الْفرْقَان] قَالَ ابْنُ جَرِيرٍ حَدثنِي عَليّ هُوَ بن دَاوُدَ الْقَنْطَرِيُّ ثَنَا أَبُو صَالِحٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَني مُعَاوِيَةُ هُوَ ابْنُ صَالِحٍ عَنْ عَلِيٍّ هُوَ ابْنُ أَبِي طَلْحَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَوْلَهُ {مَا يَعْبَأُ بِكُمْ رَبِّي لَوْلا دُعَاؤُكُمْ} [88 الْفرْقَان] يَقُولُ لَوْلا إِيمَانُكُمْ أَخْبَرَ اللَّهُ الْكُفَّارَ أَنَّهُ لَا حَاجَةَ لَهُ بِهِمْ إِذْ لَمْ يَخْلُقْهُمْ مُؤْمِنِينَ وَلَوْ كَانَ لَهُ بِهِمْ حَاجَةٌ لَحَبَّبَ إِلَيْهِمُ الإِيمَانَ كَمَا حببه إِلَى الْمُؤمنِينَ ح 6 بقَوْله (4)بَاب الْمُسْلِمُ مَنْ سَلِمَ الْمُسْلِمُونَ مِنْ لِسَانِهِ وَيَدِهِ عقيب (10) حَدِيث إِسْمَاعِيل بن أبي خَالِد وَعبد الله بن أبي السّفر عَن الشّعبِيّ عَن عبد الله بن عمر [رضي الله عنهما] فِي ذَلِكوَقَالَ أَبُو مُعَاوِيَة ثَنَا دَاوُد عَن عَامر سَمِعت عبد الله عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم وَقَالَ عبد الْأَعْلَى عَن دَاوُد عَن عَامر عَن عبد الله عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم انْتهىأما حَدِيث أبي مُعَاوِيَة فَقَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ مَنْدَهِ الْحَافِظُ فِي كِتَابِ الإِيمَانِ مِنْ تَأْلِيفِهِ الَّذِي قَرَأْتُ جَمِيعَهُ عَلَى فَاطِمَة بنت الْمُحْتَسب ز 7 أأبي عبد الله مُحَمَّد بن عَبْدِ الْهَادِي بِسَفْحِ قَاسِيُونَ أَخْبَرَكُمْ عِيسَى بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ فِي كِتَابِهِ قُرِئَ عَلَى كَرِيمَةَ بِنْتِ عَبْدِ الْوَهَّابِ أَنَّ الْفَقِيهَ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ الْحَسَنَ بْنَ الْعَبَّاسِ الرُّسْتُمِيَّ أَخْبَرَهُمْ فِي كِتَابِهِ أَنا أَبُو عَمْرٍو عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ الامام
আর আল্লাহ তাআলার বাণী—{তোমাদের প্রার্থনা না থাকলে...} [৮৮ আল-ফুরকান] এর তাফসীর প্রসঙ্গে ইবনে জারীর বলেন: আমার নিকট আলী—তিনি ইবনে দাউদ আল-কানতারী—বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু সালেহ আব্দুল্লাহ ইবনে সালেহ বর্ণনা করেছেন, আমার নিকট মুয়াবিয়া—তিনি ইবনে সালেহ—আলী—তিনি ইবনে আবি তালহা—থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন: {তোমাদের প্রার্থনা না থাকলে আমার প্রতিপালক তোমাদের পরোয়া করবেন না} [৮৮ আল-ফুরকান]; তিনি (ইবনে আব্বাস) বলেন: অর্থাৎ তোমাদের ঈমান না থাকলে। আল্লাহ কাফেরদের সংবাদ দিয়েছেন যে, তাদের প্রতি তাঁর কোনো প্রয়োজন নেই যেহেতু তিনি তাদের মুমিন হিসেবে সৃষ্টি করেননি। আর যদি তাদের প্রতি তাঁর কোনো প্রয়োজন থাকত, তবে তিনি তাদের নিকট ঈমানকে প্রিয় করে দিতেন যেমনটি তিনি মুমিনদের নিকট প্রিয় করে দিয়েছেন। হা ৬ খতাঁর উক্তি (৪)পরিচ্ছেদ: মুসলিম সেই ব্যক্তি যার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্যান্য মুসলিমগণ নিরাপদ থাকে (১০) ইসমাঈল ইবনে আবি খালিদ এবং আব্দুল্লাহ ইবনে আবি আস-সাফার-এর হাদিসের পরে, যা আমির আশ-শা’বী থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর [রাযিয়াল্লাহু আনহুমা] থেকে এই বিষয়ে বর্ণনা করেছেন।এবং আবু মুয়াবিয়া বলেন: আমাদের নিকট দাউদ বর্ণনা করেছেন আমির থেকে, তিনি বলেন, আমি আব্দুল্লাহর নিকট শুনেছি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে। আর আব্দুল আলা দাউদ থেকে, তিনি আমির থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। সমাপ্ত।আর আবু মুয়াবিয়ার হাদিসটি হাফেজ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে মানদাহ তাঁর রচিত 'কিতাবুল ঈমান'-এ উল্লেখ করেছেন, যা আমি সম্পূর্ণ পাঠ করেছি ফাতিমা বিনতে আল-মুহতাসিব-এর নিকট ৭ ক আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল হাদী কাসিউন পর্বতের পাদদেশে। ঈসা ইবনে আব্দুর রহমান তাঁর কিতাবে আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, কারিমা বিনতে আব্দুল ওয়াহহাবের নিকট তা পাঠ করা হয়েছে যে, ফকিহ আবু আব্দুল্লাহ হাসান ইবনে আব্বাস আর-রুস্তুমি তাঁদেরকে তাঁর কিতাবে সংবাদ দিয়েছেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর আব্দুল ওয়াহহাব ইবনুল ইমাম...
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ২৭)
ابْن عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَنْدَهْ أَنا أَبِي أَنا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُضر هُوَ الْمروزِي م 4 ب ثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى أَنا أَبُو مُعَاوِيَةَ الضَّرِيرُ عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ عَنِ الشَّعْبِيِّ قَالَ سَمِعت عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو يَقُولُ ((وَرَبِّ هَذِهِ الْبَنِيَّةِ لَسمعت رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ((الْمُهَاجِرُ مَنْ هَجَرَ السَّيِّئَاتِ وَالْمُسْلِمُ مَنْ سَلِمَ النَّاسُ مِنْ لِسَانِهِ وَيَدِهِ))رَوَاهُ الإِمَام إِسْحَاق بن رَاهَوَيْه فِي مُسْنده عَن أبي مُعَاوِيَة فوافقناه بعلو دَرَجَةوَرَوَاهُ ابْن حبَان فِي صَحِيحه عَن أَحْمد بن يحيى بن زُهَيْر عَن أبي كريب عَن أبي مُعَاوِيَة بِهِ فَوَقع لنا عَالِيا أَيْضا بِدَرَجَةوَأما حَدِيث عبد الْأَعْلَىقَوْله بَاب من الْإِيمَان أَنْ يُحِبَّ لأَخِيهِ مَا يُحِبُّ لِنَفْسِهِ[13] حَدَّثنا مُسَدّد قَالَ حَدَّثنا يحيى بن شُعْبَة عَن قَتَادَة عَن أنس [رضي الله عنه وَعَن حُسَيْن الْمعلم [قَالَ] حَدَّثنا قَتَادَة عَن أنس فَذكر الحَدِيثوَقَوله ((عَن حُسَيْن)) مَعْطُوف على قَوْله ((عَن شُعْبَة)) فيحيى وَهُوَ ابْن سعيد الْقطَّان رَوَاهُ عَن شُعْبَة عَن قَتَادَة وَعَن حُسَيْن الْمعلم عَن قَتَادَة فَلهُ فِيهِ شَيْخَانِ وَإِنَّمَا لم يجمعهما لِأَن مُسَددًا حدث بِهِ هَكَذَا مفرقا وَإِنَّمَا نبهت عَلَيْهِ وَإِن كنت لَا
ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মানদাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইউসুফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে মুদার (তিনি মারওয়াযী) আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুআবিয়াহ আদ-দারীর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দাউদ ইবনে আবি হিন্দ থেকে, তিনি আশ-শাবি থেকে, তিনি বলেন: আমি আব্দুল্লাহ ইবনে আমরকে বলতে শুনেছি, "এই ঘরের রবের কসম! আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: 'মুহাজির সে-ই, যে মন্দ কাজ বর্জন করে; আর মুসলিম সে-ই, যার জিহ্বা ও হাত থেকে মানুষ নিরাপদ থাকে'।"ইমাম ইসহাক ইবনে রাহাওয়াইহ তাঁর মুসনাদে এটি আবু মুআবিয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে আমরা উচ্চস্তরের সনদে তাঁর সাথে মিলিত হয়েছি।ইবনে হিব্বান তাঁর সহীহ গ্রন্থে এটি আহমদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে যুহাইর থেকে, তিনি আবু কুরাইব থেকে, তিনি আবু মুআবিয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে এটিও আমাদের নিকট এক স্তর উচ্চতায় পৌঁছেছে।আর আব্দুল আ’লার হাদিসের ব্যাপারে—তাঁর উক্তি: পরিচ্ছেদ: নিজের জন্য যা পছন্দ করে, নিজ ভাইয়ের জন্যও তা পছন্দ করা ঈমানের অংশ।[১৩] মুসাদ্দাদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে শু’বাহ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস [রাদিয়াল্লাহু আনহু] থেকে বর্ণনা করেছেন; এবং হুসাইন আল-মুয়াল্লিম [বলেন]: কাতাদাহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আনাস থেকে, অতঃপর তিনি হাদিসটি উল্লেখ করেন।তাঁর উক্তি “হুসাইন থেকে” কথাটি “শু’বাহ থেকে” এর উপর সংযুক্ত হয়েছে। সুতরাং ইয়াহইয়া—যিনি হলেন ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান—তিনি এটি শু’বাহ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে এবং হুসাইন আল-মুয়াল্লিম থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। অতএব এই হাদিসে তাঁর দুইজন শিক্ষক রয়েছেন। তিনি এই দুজনকে একত্রে উল্লেখ করেননি কারণ মুসাদ্দাদ এটি এভাবে পৃথক পৃথকভাবে বর্ণনা করেছেন। আমি এ বিষয়ে সতর্ক করলাম, যদিও আমি এটি...
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ২৮)
أرى أَنه من الْمُعَلق لِأَن بعض الشُّرَّاح زعم فِي نَظَائِر لَهُ أَنه مُعَلّق فَأَرَدْت التَّنْبِيه عَلَيْهِ لِئَلَّا يغتر بِهِوَقد رَوَاهُ أَبُو نعيم فِي مستخرجه عَن أبي بكر مُحَمَّد بن جَعْفَر قَالَ ثَنَا إِبْرَاهِيم بن إِسْحَاق الْحَرْبِيّ قَالَ ثَنَا مُسَدّد قَالَ ثَنَا يحيى عَن الْحُسَيْن الْمعلم بِهِوَقد مشيت على هَذَا الْكتاب مرّة ثَانِيَة فألحقت فِيهِ مَا وَقع فِي أصل الصَّحِيح من نَظَائِر هَذَا منبها على كل مَوضِع بِمَا يَلِيق بِهِقَوْله فِي [18]بَاب من قَالَ إِن الْإِيمَان هُوَ الْعَمَل وَقَالَ عدَّة من أهل الْعلم فِي قَوْله تَعَالَى {فَوَرَبِّكَ لَنَسْأَلَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ عَمَّا كَانُوا يعْملُونَ} [92 93 الْجُحر] قَالَ عَن قَول ((لَا إِلَه إِلَّا الله))قلت رُوِيَ ذَلِك عَن (أنس وَمُجاهد وَابْن عمر) وَغَيرهمقَالَ البُخَارِيّ فِي خلق أَفعَال الْعباد وَيذكر عَن أنس وَغَيره فَذكرهوقرأت ز 7 ب على فَاطِمَة بنت الْعِزّ مُحَمَّد بن أَحْمد التنوخي بِدِمَشْق عَن القَاضِي أبي الْفضل سُلَيْمَان بن حَمْزَة بن أبي عمر أَن إِسْمَاعِيل بن ظفر أخْبرهُم أَنا أَبُو عبد الله مُحَمَّد بن أبي زيد الكراني أَنا أَبُو مَنْصُور مَحْمُود بن إِسْمَاعِيل الصَّيْرَفِي أَنا أَبُو الْحُسَيْن أَحْمد بن مُحَمَّد بن فاذشاه أَنا أَبُو الْقَاسِم سُلَيْمَان بن أَحْمد بن أَيُّوب الطَّبَرَانِيّ فِي كتاب الدُّعَاء لَهُ ثَنَا عبد الله بن مُحَمَّد بن سعيد بن أبي مَرْيَم ثَنَا مُحَمَّد بن يُوسُف الْفرْيَابِيّ ثَنَا سُفْيَان هُوَ الثَّوْريّ عَن لَيْث عَن مُجَاهِد {فَوَرَبِّكَ لَنَسْأَلَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ عَمَّا كَانُوا يَعْمَلُونَ} [92 93 الْحجر] قَالَ عَن لَا إِلَه إِلَّا اللهرَوَاهُ عبد الرَّزَّاق فِي تَفْسِيره عَن الثَّوْريّ فوافقناه بعلو دَرَجَة
আমি মনে করি এটি মুয়াল্লাক (সূত্রহীন) হাদীসসমূহের অন্তর্ভুক্ত, কারণ কিছু ব্যাখ্যাকারী এর অনুরূপ হাদীসসমূহের ক্ষেত্রে দাবি করেছেন যে এটি মুয়াল্লাক। তাই আমি এ ব্যাপারে সতর্ক করতে চেয়েছি যাতে কেউ এটি দেখে বিভ্রান্ত না হয়।আবু নুআইম তাঁর 'মুসতাখরাজ' গ্রন্থে আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে জাফর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইব্রাহীম ইবনে ইসহাক আল-হারবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুসাদ্দাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইয়াহইয়া হুসাইন আল-মুয়াল্লিমের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।আমি দ্বিতীয়বার এই কিতাবটি পর্যালোচনা করেছি এবং সহীহ (বুখারী)-এর মূল পাঠে এর অনুরূপ যা কিছু ঘটেছে তা এতে যুক্ত করেছি এবং প্রতিটি স্থানে তার উপযুক্ত বিষয় দ্বারা সতর্ক করে দিয়েছি।তাঁর উক্তি [১৮]:পরিচ্ছেদ: যারা বলেন যে ঈমানই হলো আমল। মহান আল্লাহর বাণী: "আপনার রবের কসম, আমি অবশ্যই তাদের সবাইকে তাদের আমল সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করব" [হিজর ৯২-৯৩] সম্পর্কে একদল আলিম বলেছেন: এর অর্থ হলো "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" (আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই) বলা সম্পর্কে।আমি বলি, এটি আনাস, মুজাহিদ, ইবনে উমর এবং অন্যদের থেকেও বর্ণিত হয়েছে।ইমাম বুখারী তাঁর ‘খালকু আফআলিল ইবাদ’ গ্রন্থে বলেছেন, এবং আনাস ও অন্যদের থেকে বর্ণিত হয়েছে, অতঃপর তিনি তা উল্লেখ করেন।আমি পাণ্ডুলিপির ৭/খ পৃষ্ঠায় দামেস্কে ফাতিমা বিনতুল ইজ্জ মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আত-তানুখীর নিকট পাঠ করেছি, তিনি কাজী আবু ফজল সুলায়মান ইবনে হামজাহ ইবনে আবি উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, ইসমাইল ইবনে জাফর তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আবি যায়েদ আল-কুররানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মানসুর মাহমুদ ইবনে ইসমাইল আস-সাইরাফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-হুসাইন আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ফাযশাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম সুলায়মান ইবনে আহমাদ ইবনে আইয়ুব আত-তাবারানী তাঁর ‘কিতাবুদ দুআ’ গ্রন্থে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সাঈদ ইবনে আবি মারইয়াম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে ইউসুফ আল-ফিরয়াবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আস-সাওরী লাইসের সূত্রে মুজাহিদ থেকে মহান আল্লাহর বাণী: "আপনার রবের কসম, আমি অবশ্যই তাদের সবাইকে তাদের আমল সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করব" [হিজর ৯২-৯৩] সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: এটি "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" সম্পর্কে।আব্দুর রাজ্জাক তাঁর তাফসীর গ্রন্থে সাওরী থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, ফলে আমরা উচ্চ পর্যায়ের সনদে তাঁর বর্ণনার সাথে মিলিত হয়েছি।
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ২৯)
وَكَذَا رَوَاهُ الْفرْيَابِيّ فِي تَفْسِيره عَن الثَّوْريّوَكَذَا رَوَاهُ أَبُو جَعْفَر الطَّبَرِيّ عَن الْحسن بن يحيى عَن عبد الرَّزَّاقوَبِه إِلَى الطَّبَرَانِيّ ثَنَا عبد الله بن أَحْمد بن مُحَمَّد بن حَنْبَل ثَنَا عبيد الله بن عمر القواريري ثَنَا مُؤَمل بن إِسْمَاعِيل ثَنَا سُفْيَان نَحوهوَبِه إِلَى الطَّبَرَانِيّ ثَنَا مُحَمَّد بن مُحَمَّد التمار ثَنَا أَبُو الْوَلِيد الطَّيَالِسِيّ ح وثنا الْحسن بن أَحْمد بن حبيب ثَنَا أَبُو بكر بن أبي شيبَة قَالَا ثَنَا حَفْص بن غياث عَن لَيْث عَن بشر عَن أنس مثله وَلَو يرفعهُوَقد رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ مَرْفُوعا من حَدِيث الْمُعْتَمِر عَن لَيْث عَن بشر عَن أنس وَقَالَ هَذَا حَدِيث غَرِيب إِنَّمَا نعرفه من حَدِيث لَيْثوَقد رَوَاهُ ابْن إِدْرِيس هَكَذَا عَن لَيْث نَحوه وَلم يرفعهُ انْتهىوَقد رَفعه أَيْضا عَن لَيْث شريك وَإِسْمَاعِيل بن زَكَرِيَّا الخلقاني وَجَرِير بن عبد الحميد وَاخْتلفُوا فِي بشر فبعضهم قَالَ بشر وَبَعْضهمْ قَالَ بشير وَبَعْضهمْ شكّ وَبَعْضهمْ نسبه بشير بن نهيكوَاخْتلف فِيهِ عَن شريك فَروِيَ عَنهُ هَكَذَا وَقيل عَنهُ عَن عَاصِم عَن أنس وَاخْتلف فِيهِ أَيْضا على لَيْث بن أبي سليم اخْتِلَافا ثَالِثاقَرَأت عَلَى أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ [السُّوَيْدَاوِيِّ] أَخْبَرَكُمْ مُحَمَّدُ بْنُ غَالِي أَنَّ النَّجِيبَ الْحَرَّانِيَّ أَخْبَرَهُمْ أَنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْقَاضِي فِي كِتَابِهِ أَنَّ أَبَا عَلِيٍّ الْحَدَّادَ أَخْبَرَهُ أَنا أَبُو نُعَيْمٍ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدِ بْنِ سُهَيْلٍ ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِسْحَاقَ الْمَدَائِنِي ثَنَا مُحَمَّد ابْن حَاتِمٍ الْمُؤَدِّبُ ثَنَا عَمَّارُ بْنُ مُحَمَّدٍ ثَنَا لَيْثُ بْنُ أَبِي سُلَيْمٍ عَنْ دَاوُدَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ الله صلى الله عليه وسلم {فَوَرَبِّكَ لَنَسْأَلَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ عَمَّا كَانُوا يَعْمَلُونَ} [92 93 الْحجر] قَالَ عَن قَول لَا إِلَه إِلَّا الله
অনুরূপভাবে আল-ফিরইয়াবি তার তাফসিরে আস-সাওরি থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।অনুরূপভাবে আবু জাফর আত-তাবারী আল-হাসান বিন ইয়াহইয়া থেকে, তিনি আবদুর রাজ্জাক থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।এবং একই সনদে আত-তাবারানি পর্যন্ত; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হাম্বল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ বিন উমর আল-কাওয়ারিরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুআম্মাল বিন ইসমাইল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।এবং একই সনদে আত-তাবারানি পর্যন্ত; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আত-তাম্মার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ওয়ালিদ আত-তায়ালিসি। (সনদ পরিবর্তন) এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান বিন আহমদ বিন হাবিব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবি শাইবা; তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট হাফস বিন গিয়াস লাইস থেকে, তিনি বিশর থেকে, তিনি আনাস থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন, যদিও তিনি একে মারফু (রাসূলুল্লাহর বাণী হিসেবে) বর্ণনা করেননি।আত-তিরমিজি একে মারফু হিসেবে আল-মু'তামিরের সূত্রে লাইস থেকে, তিনি বিশর থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: "এটি একটি গারিব হাদিস, আমরা কেবল লাইসের সূত্রেই এটি জানি।"ইবনে ইদ্রিসও লাইস থেকে অনুরূপভাবে এটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি একে মারফু করেননি। (সমাপ্ত)শারিক, ইসমাইল বিন যাকারিয়া আল-খালকানি এবং জারির বিন আবদুল হামিদও লাইস থেকে একে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আর তারা বিশর-এর ব্যাপারে মতভেদ করেছেন; তাদের কেউ বলেছেন 'বিশর', কেউ বলেছেন 'বুশাইর', কেউ সন্দেহ পোষণ করেছেন এবং কেউ তাকে 'বুশাইর বিন নাহিক' বলে উল্লেখ করেছেন।শারিকের সূত্রেও এতে মতভেদ রয়েছে; তাঁর থেকে এভাবেও বর্ণিত হয়েছে, আবার বলা হয়েছে যে তিনি আসিম থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন। লাইস বিন আবি সুলাইমের ক্ষেত্রেও এতে তৃতীয় এক প্রকার মতভেদ বিদ্যমান।আমি আহমদ বিন আল-হাসান [আস-সুওয়াইদাবি]-এর নিকট পাঠ করেছি: মুহাম্মদ বিন গালি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আন-নাজিব আল-হাররানি তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-কাদি তাঁর কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু আলী আল-হাদ্দাদ তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন হুমাইদ বিন সুহাইল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন ইসহাক আল-মাদায়িনি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন হাতিম আল-মুয়াদ্দিব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আম্মার বিন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন লাইস বিন আবি সুলাইম দাউদ থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "অতএব আপনার রবের কসম, আমি অবশ্যই তাদের সকলকে জিজ্ঞাসাবাদ করব, তারা যা করত সে সম্পর্কে" [সূরা আল-হিজর: ৯২-৯৩]। তিনি (রাসূলুল্লাহ) বলেছেন: (জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে) 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলা সম্পর্কে।
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ৩০)
دَاوُد هَذَا قيل إِنَّه ابْن أبي هِنْد فان يكن هُوَ فَمَا أَظُنهُ ز 8 أسمع من أنس وَفِيه من الِاضْطِرَاب غير ذَلِك وَالصَّوَاب فِيهِ عَن لَيْث مَا قَالَه الثَّوْريّ لِأَن ليثا وَهُوَ ابْن أبي سليم اخْتَلَط فِي آخر عمره وَنسب إِلَى الضعْف فَأَما مَا سمع مِنْهُ قبل الِاخْتِلَاط فسماعه صَحِيحوَبِه إِلَى الطَّبَرَانِيّ حَدَّثنا الْحسن بن أَحْمد بن حبيب الْكرْمَانِي ثَنَا أَبُو بكر بن أبي شيبَة ثَنَا حُسَيْن بن عَليّ الْجعْفِيّ عَن فُضَيْل بن مَرْزُوق عَن عَطِيَّة عَن أبي عمر مثله مَوْقُوفاوَرَوَاهُ أَبُو جَعْفَر الطَّبَرِيّ فِي التَّفْسِير عَن الْمثنى عَن إِسْحَاق عَن حُسَيْن الْجعْفِيّ مثلهأَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ أَبِي الْمَجْدِ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ حَمْزَةَ أَنا مُحَمَّدُ بْنُ عِمَادٍ [الْحَرَّانِيُّ] فِي كِتَابِهِ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ رِفَاعَةَ أَخْبَرَهُ أَنا أَبُو الْحَسَنِ الْخِلَعِيُّ أَنا أَبُو بَكْرٍ الْعَبَّاسُ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَاجِّ أَنا أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ أَنا الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ الأَسْفَاطِيُّ ثَنَا أَحَمْدُ بْنُ يُونُسَ ثَنَا شَرِيكٌ عَنْ رَجُلٍ قَدْ سَمَّاهُ عَنْ بَشِيرِ بْنِ نَهِيكٍ عَنْ أَنَسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي قَوْلِهِ عز وجل {فَوَرَبِّكَ لَنَسْأَلَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ عَمَّا كَانُوا يَعْمَلُونَ} [92 93 الْحجر] قَالَ عَن لَا إِلَه إِلَّا الله م 5 أأنبئت عَن إِسْحَاق بن يحيى الْآمِدِيّ أَن يُوسُف بن خَلِيل الْحَافِظ أخبرهُ أَنا أَبُو الْقَاسِم بن بوش أَنا أَبُو طَالب بن يُوسُف أَنا أَبُو مُحَمَّد الْجَوْهَرِي أَنا عمر بن مُحَمَّد الزيات ثَنَا أَحْمد بن الْحُسَيْن الصُّوفِي ثَنَا عبد الله بن خَالِد بن يزِيد اللؤْلُؤِي ثَنَا أبي ثَنَا شريك عَن عَاصِم عَن أنس رفع الحَدِيث مثله كَذَا قَالَ ح 7 ب
এই দাউদ সম্পর্কে বলা হয়েছে যে তিনি হলেন ইবনে আবি হিন্দ। যদি তিনি তিনি হন, তবে আমি মনে করি না যে তিনি আনাস (রা.) থেকে শুনেছেন। এতে আরও অসংলগ্নতা রয়েছে। লাইস সম্পর্কে সঠিক বক্তব্য হলো যা আস-সাওরি বলেছেন, কেননা লাইস—যিনি ইবনে আবি সুলাইম—জীবনের শেষ দিকে বিভ্রান্ত (ইখতিলাত) হয়ে পড়েছিলেন এবং তাকে দুর্বল হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। তবে তার বিভ্রান্ত হওয়ার আগে যা কিছু তার কাছ থেকে শোনা হয়েছে, তার সেই শ্রবণ সহিহ।এবং সেই একই সূত্রে আত-তাবারানি পর্যন্ত: আল-হাসান ইবনে আহমদ ইবনে হাবিব আল-কিরমানি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আবু বকর ইবনে আবি শায়বাহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, হুসাইন ইবনে আলি আল-জু’ফি আমাদের নিকট ফুযাইল ইবনে মারজুক থেকে, তিনি আতিয়্যাহ থেকে, তিনি আবু উমর থেকে অনুরূপ মাওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।আর আবু জাফর আত-তাবারী তাফসিরে আল-মুসান্না থেকে, তিনি ইসহাক থেকে, তিনি হুসাইন আল-জু’ফি থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।আবুল হাসান ইবনে আবি আল-মাজদ সুলাইমান ইবনে হামজাহ থেকে আমাদের জানিয়েছেন: মুহাম্মদ ইবনে ইমাদ [আল-হাররানি] তার কিতাবে আমাদের জানিয়েছেন যে আবদুল্লাহ ইবনে রিফাহ তাকে অবহিত করেছেন: আবুল হাসান আল-খিলায়ি আমাদের জানিয়েছেন: আবু বকর আল-আব্বাস আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাজ্জ আমাদের জানিয়েছেন: আবুল ফজল মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস আমাদের জানিয়েছেন: আল-আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ আল-আসফাতি আমাদের জানিয়েছেন: আহমদ ইবনে ইউনুস আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন: শারিক আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন এমন একজন ব্যক্তি থেকে যার নাম তিনি উল্লেখ করেছেন, তিনি বাশির ইবনে নাহিক থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মহান আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন: {অতএব আপনার রবের শপথ, আমি অবশ্যই তাদের সকলকে জিজ্ঞাসাবাদ করব, তারা যা করত সে সম্পর্কে} [হিজর ৯২-৯৩], তিনি বলেন: অর্থাৎ "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" (আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই) সম্পর্কে।আমি ইসহাক ইবনে ইয়াহইয়া আল-আমিদি থেকে অবগত হয়েছি যে, ইউসুফ ইবনে খলিল আল-হাফিজ তাকে জানিয়েছেন: আবুল কাসিম ইবনে বাউশ আমাদের জানিয়েছেন: আবু তালিব ইবনে ইউসুফ আমাদের জানিয়েছেন: আবু মুহাম্মদ আল-জাওহারি আমাদের জানিয়েছেন: উমর ইবনে মুহাম্মদ আজ-জায়য়াত আমাদের জানিয়েছেন: আহমদ ইবনে আল-হুসাইন আস-সুফি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন: আবদুল্লাহ ইবনে খালিদ ইবনে ইয়াজিদ আল-লু’লুয়ি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন: আমার পিতা আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন: শারিক আসিম থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে মারফু হিসেবে অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি এভাবেই বলেছেন।
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ৩১)
قَوْله فِي (15)بَاب تفاضل أهل الْإِيمَان فِي الْأَعْمَال عقيب حَدِيث [22] مَالك عَن عَمْرِو بْنِ يَحْيَى الْمَازِنِيِّ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رضي الله عنه عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم قَالَ((يَدْخُلُ أَهْلُ الْجَنَّةِ الْجَنَّةَ الْحَدِيثَ وَفِيهِ)) أَخْرِجُوا مِنَ النَّارِ مَنْ كَانَ فِي قَلْبِهِ مِثْقَالُ حَبَّةٍ مِنْ خَرْدَلٍ مِنْ إِيمَانٍ وَفِيهِ ((فَيُلْقَوْنَ فِي نَهْرِ الْحَيَا أَوِ الْحَيَاةِ))وَقَالَ وهيب ثَنَا عَمْرو ((الْحَيَاة)) وَقَالَ ((من خَرْدَل من خير)) انْتهىثمَّ أسْند حَدِيث وهيب فِي صفة الْجنَّة وَالنَّار عَن مُوسَى بن إِسْمَاعِيل عَن وهيب عَن عَمْرو بن يحيى الْمَازِني بِسَنَدِهِ بِالْحَدِيثِ بِتَمَامِهِ إِلَّا أَنه قَالَ ((من خَرْدَل من إِيمَان))وَرَوَاهُ مُسلم فِي صَحِيحه عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ عَنْ عَفَّانَ بْنِ مُسْلِمٍ عَنْ وُهَيْبٍ وَلَمْ يَسُقْ لَفْظَهُ بَلْ أَحَالَ بِهِ عَلَى حَدِيثِ مَالِكٍوَلَفْظُ أَبِي بَكْرٍ مُوَافِقٌ لِمَا عَلَّقَهُ الْبُخَارِيُّ قَالَ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شيبَة فِي مُسْنده
(১৫) এ তাঁর উক্তি: আমলের ক্ষেত্রে ঈমানদারদের মর্যাদার তারতম্য পরিচ্ছেদ মালিক কর্তৃক আমর ইবনে ইয়াহইয়া আল-মাজিনী, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত [২২] নং হাদিসের পরবর্তী অংশ; তিনি বলেছেন:((জান্নাতীরা জান্নাতে প্রবেশ করবে—সম্পূর্ণ হাদিসটি এবং এতে রয়েছে:)) জাহান্নাম থেকে তাকে বের করে আনো যার অন্তরে সরিষার দানা পরিমাণ ঈমান রয়েছে। আর এতে রয়েছে: ((অতঃপর তাদেরকে 'হায়া' (বৃষ্টি) অথবা 'হায়াত' (জীবন) নামক নদীতে নিক্ষেপ করা হবে।))উহাইব বলেছেন, আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—((হায়াত)) এবং তিনি বলেছেন—((সরিষার দানা পরিমাণ কল্যাণ))। সমাপ্ত।অতঃপর তিনি জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনায় উহাইব-এর হাদিসটিকে মুসা ইবনে ইসমাইল থেকে, তিনি উহাইব থেকে, তিনি আমর ইবনে ইয়াহইয়া আল-মাজিনী থেকে তাঁর সনদে পূর্ণাঙ্গ হাদিসসহ বর্ণনা করেছেন; তবে এতে তিনি বলেছেন: ((সরিষার দানা পরিমাণ ঈমান))।আর ইমাম মুসলিম তাঁর সহিহ গ্রন্থে এটি আবু বকর ইবনে আবি শায়বা থেকে, তিনি আফফান ইবনে মুসলিম থেকে, তিনি উহাইব থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি এর মূল পাঠ বর্ণনা না করে বরং একে মালিক-এর হাদিসের দিকে নির্দেশ করেছেন।আবু বকরের শব্দাবলি ইমাম বুখারীর মুয়াল্লাক (ঝুলন্ত) বর্ণনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আবু বকর ইবনে আবি শায়বা তাঁর মুসনাদ গ্রন্থে বলেছেন:
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ৩২)
ثَنَا عَفَّانُ قَالَ ثَنَا وُهَيْبٌ قَالَ ثَنَا عَمْرُو بْنُ يَحْيَى الْمَازِنِيِّ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي سعيد الْخُدْرِيّ عَن ز 8 ب النَّبِي صلى الله عليه وسلم قَالَ ((إِذَا دَخَلَ أَهْلُ الْجَنَّةِ الْجَنَّةَ وَأَهْلُ النَّارِ النَّارَ يَقُولُ اللَّهُ تبارك وتعالى مَنْ كَانَ فِي قَلْبِهِ مِثْقَالُ حَبَّةٍ مِنْ خَرْدَلٍ مِنْ خَيْرٍ فَأَخْرِجُوهُ فَذكر الحَدِيثأَخْبَرَنِاه أَبُو الْفرج بن الْغَزِّي عَن عَليّ بن إِسْمَاعِيل أَن عبد اللَّطِيف الْبَغْدَادِيّ أخبرهُ أَنا أَبُو الْحسن الْخياط كِتَابه أَنا الْحسن بن أَحْمد الْمُقْرِئ أَنا أَحْمد بن عبد الله الْحَافِظ ثَنَا أَبُو بكر الطلحي ثَنَا عبيد بن غَنَّام ثَنَا أَبُو بكر بن أبي شيبَة فَذكرهقَوْله فِي (19)بَاب إِذا لم يكن الْإِسْلَام على الْحَقِيقَة عقيب حَدِيث [27] شُعَيْب عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ سَعْدٍ [رضي الله عنه] أَنَّ رَسُول الله صلى الله عليه وسلم أَعْطَى رَهْطًا وَفِيهِمْ سَعْدٌ الْحَدِيثَرَوَاهُ يُونُسُ وَصَالِحٌ وَمَعْمَرٌ وَابْنُ أَخِي الزُّهْرِيِّ عَنِ الزُّهْرِيِّ انْتَهَىأَمَّا حَدِيثُ يُونُسَ فَقَالَ رُسْته فِي كتاب الْإِيمَان بِالْإِسْنَادِ الْمُتَقَدّم إِلَيْهِ آنِفا حَدَّثنا عبد الرَّحْمَن بن مهْدي ثَنَا عبد الله بن الْمُبَارك عَن يُونُس بن يزِيد الْأَيْلِي عَن الزُّهْرِيّ أَخْبَرَنِي عَامر بن سعد عَن سعد أَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم أعْطى رهطا وَسعد جَالس فيهم قَالَ سعد فَترك رجل مِنْهُم لم يُعْطه وَهُوَ وَهُوَ أعجبهم إِلَيّ فَقلت يَا رَسُول الله مَالك عَن فلَان وَالله إِنِّي لأراه مُؤمنا فَقَالَ رَسُول الله صلى الله عليه وسلم ((أَو مُسلما فَسكت قَلِيلا ثمَّ غلبني مَا أعلم مِنْهُ فَقلت لَهُ مثل ذَلِك فَقَالَ
আফফান আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, উহাইব আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমর ইবন ইয়াহইয়া আল-মাজিনী তার পিতা থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী (রা.) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "যখন জান্নাতীরা জান্নাতে এবং জাহান্নামীরা জাহান্নামে প্রবেশ করবে, তখন আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা বলবেন: যার অন্তরে সরিষা দানা পরিমাণ কল্যাণ আছে তাকে বের করে আনো।" অতঃপর তিনি হাদিসটি উল্লেখ করলেন।আবুল ফরাজ ইবনুল গাজ্জী আলী ইবন ইসমাইল থেকে আমাদের এটি সংবাদ দিয়েছেন যে, আব্দুল লতিফ আল-বাগদাদী তাকে সংবাদ দিয়েছেন, আবুল হাসান আল-খাইয়্যাত তার কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-হাসান ইবন আহমদ আল-মুকরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ ইবন আব্দুল্লাহ আল-হাফিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আত-তালহী আমাদের বর্ণনা করেছেন, উবাইদ ইবন গান্নাম আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবু বকর ইবন আবি শায়বা আমাদের বর্ণনা করেছেন, অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেছেন।(১৯) নং-এ তাঁর উক্তিপরিচ্ছেদ: যখন ইসলাম প্রকৃত অর্থের ওপর না হয় যুহরী থেকে শুআইব বর্ণিত [২৭] নং হাদিসের পর, তিনি আমের ইবন সাদ থেকে, তিনি সাদ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একদল লোককে কিছু দান করলেন এবং তাদের মধ্যে সাদ উপস্থিত ছিলেন—সম্পূর্ণ হাদিস।এটি ইউনুস, সালিহ, মা'মার এবং যুহরীর ভ্রাতুষ্পুত্র যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন। (সমাপ্ত)আর ইউনুসের হাদিসের ব্যাপারে রুস্তাহ 'কিতাবুল ঈমান' গ্রন্থে ইতিপূর্বে উল্লেখিত সনদে বলেছেন: আব্দুর রহমান ইবন মাহদী আমাদের বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি ইউনুস ইবন ইয়াযিদ আল-আইলি থেকে, তিনি যুহরী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমের ইবন সাদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, সাদ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একদল লোককে কিছু দান করলেন আর সাদ তাদের মধ্যে উপবিষ্ট ছিলেন। সাদ বলেন, নবীজি তাদের মধ্য থেকে একজনকে বাদ দিলেন—যাকে তিনি কিছু দেননি—অথচ সে ব্যক্তি তাদের মধ্যে আমার কাছে সবচাইতে বেশি পছন্দনীয় ছিল। আমি বললাম, "হে আল্লাহর রাসুল! অমুক ব্যক্তির ব্যাপারে আপনার কী হলো? আল্লাহর কসম, আমি তাকে মুমিন মনে করি।" তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "নাকি মুসলিম?" এরপর আমি কিছুক্ষণ নীরব রইলাম, তারপর তার সম্পর্কে আমি যা জানতাম তা আমাকে তাড়িত করল, তাই আমি পুনরায় একই কথা বললাম। তখন তিনি বললেন...
(খণ্ড: ২)
তাগলীকুত তালীক
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
رَسُول الله صلى الله عليه وسلم مثل ذَلِك ثمَّ قَالَ ((إِنِّي لأعطي الرجل وَغَيره أحب إِلَيّ مَخَافَة أَن يكب فِي النَّار على وَجهه))وَقد رُوِيَ عَن يُونُس فِيهِ إِسْنَاد آخرقَالَ بن أَبِي حَاتِمٍ فِي الْعِلَلِ سَأَلْتُ أَبِي عَنْ حَدِيثٍ رَوَاهُ الْعَبَّاسُ بْنُ الْوَلِيدِ بْنِ [صُبْحٍ] الدِّمَشْقِيُّ عَنْ مَرْوَانَ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِي وَهْبٍ وَرِشْدِينَ بْنِ سَعْدٍ عَنْ يُونُسَ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ رَسُولَ الله صلى الله عليه وسلم قَالَ ((إِنِّي لأعطي الرجل وَغَيره أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْهُ وَلَكِنْ أَكِلُهُ إِلَى إِيمَانِهِ)) قَالَ أَبِي كُنَّا نستغرب هَذَا الحَدِيث وَلم نَكُنْ عرفنَا علته [وَعلمنَا] أَنه خطأ يَعْنِي وَالصَّوَاب حَدِيث الزُّهْرِيّ عَن عَامر بن سعد عَن أَبِيه كَمَا سبقوَأما حَدِيث صَالح فأسنده أَبُو عبد الله فِي كتاب الزَّكَاة من حَدِيث يَعْقُوب ابْن إِبْرَاهِيم بن سعد عَن أَبِيه عَنهُ بِهِوَأما حَدِيث ز 9 أمعمر ح 98 أفَقرأت عَلَى الْعَلامَةِ أَبِي إِسْحَاقَ بْنِ الْحَرِيرِيِّ بِالْقَاهِرَةِ وَعَلَى الْمُسْنِدِ أَبِي إِسْحَاقَ بْنِ الرَّسَّامِ بِمَكَّةَ قُلْتُ لِكُلٍّ مِنْهُمَا أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْعَبَّاسِ بْنُ أَبِي النُّعْمِ فَأَقَرَّا بِهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ الْبَغْدَادِيِّ سَمَاعًا أَنا أَبُو الْوَقْتِ أَنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ [الْبُوشَنْجِيُّ] أَنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ [السَّرَخْسِيُّ] أَنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ خُرَيْمٍ ثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ ثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَنا مَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ رَسُول الله صلى الله عليه وسلم أَعْطَى رِجَالا وَلَمْ يُعْطِ رَجُلا مِنْهُمْ شَيْئًا فَقُلْتُ يَا رَسُول أَعَطَيْتَ فُلانًا وَفُلانًا وَلَمْ تُعْطِ فلَانا وَهُوَ
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনুরূপ করলেন, তারপর বললেন, "আমি কোনো ব্যক্তিকে দান করি অথচ অন্য কেউ আমার কাছে তার চেয়ে বেশি প্রিয়; এই ভয়ে যে সে উপুড় হয়ে আগুনে নিক্ষিপ্ত হবে।"আর ইউনুস থেকে এই বিষয়ে অন্য একটি সনদ বর্ণিত হয়েছে।ইবনে আবি হাতিম 'আল-ইলাল' গ্রন্থে বলেছেন, আমি আমার পিতাকে আব্বাস ইবনুল ওয়ালিদ ইবনে [সুবহ] আদ-দিমাশকি বর্ণিত একটি হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি, যা তিনি মারওয়ান ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি আবু ওয়াহাব ও রুশদিন ইবনে সা'দ থেকে, তিনি ইউনুস থেকে, তিনি জুহরি থেকে, তিনি ইব্রাহিম ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আউফ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "আমি কোনো ব্যক্তিকে দান করি অথচ অন্য কেউ আমার কাছে তার চেয়ে অধিক প্রিয়, কিন্তু আমি তাকে তার ঈমানের ওপর ছেড়ে দেই।" আমার পিতা বললেন, আমরা এই হাদিসটিকে অপরিচিত মনে করতাম এবং এর ত্রুটি জানতাম না; [পরবর্তীতে আমরা জানতে পারলাম] যে এটি ভুল। অর্থাৎ সঠিক হলো জুহরির হাদিস যা আমের ইবনে সাদ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, যেমনটি পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।আর সালেহ-এর হাদিসটি আবু আবদুল্লাহ (ইমাম বুখারি) 'কিতাবুয যাকাত'-এ ইয়াকুব ইবনে ইব্রাহিম ইবনে সা'দ সূত্রে তার পিতা থেকে তার মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন।আর মা'মার-এর হাদিস সম্পর্কে: আমি কায়রোতে আল্লামা আবু ইসহাক ইবনুল হারিরির নিকট এবং মক্কায় মুসনিদ আবু ইসহাক ইবনুর রাসসামের নিকট পাঠ করেছি; আমি তাদের প্রত্যেককে বলেছি যে, আবু আব্বাস ইবনে আবি নুম আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, তারা এতে স্বীকৃতি দিয়েছেন। তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর আল-বাগদাদি থেকে শ্রবণের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ওয়াক্ত, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ [আল-বুশাঞ্জি], আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ [আস-সারাকসি], আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইব্রাহিম ইবনে খুরাইম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদ ইবনে হুমাইদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রাজ্জাক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মা'মার, তিনি জুহরি থেকে, তিনি আমের ইবনে সাদ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছু লোককে দান করলেন এবং তাদের মধ্য থেকে একজনকে কিছুই দিলেন না। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি অমুক অমুককে দিলেন কিন্তু অমুককে দিলেন না, অথচ সে...