0/0
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: -)
الأصل لمحمد بن الحسن - ت شحاته   (محمد بن الحسن الشيباني)

القسم: الفقه الحنفي


الكتاب: الأصل - (البيوع والسَّلَم)

المؤلف: محمد بن الحسن الشيباني

حققه وعلق عليه: د. شفيق شحاته، الأستاذ بكلية الحقوق بجامعة القاهرة

الناشر: مطبعة جامعة القاهرة

عام النشر: 1954 م

عدد الصفحات: 333

[تنبيهات]:

1 - قد وعد المحقق بإخراج جزء ثانٍ للكتاب (يتضمن المقدمة والفهارس)؛ لا يُعلَم عنه شيء

2 - قامتْ إدارة القرآن والعلوم الإسلامية بكراتشي باكستان، بتصوير الأجزاء الأربعة التي حققها (أبو الوفاء الأفغاني) مع إلحاق هذا الجزء (ت شحاته) خامسا لها مصورا أيضا

3 - لكتاب «الأصل» طبعة أخرى بتحقيق د. محمد بوينوكالن تشتمل على أغلب الكتاب، وهي منشورة بالمكتبة الشاملة أيضا

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 11 صفر 1444

মুহাম্মদ বিন হাসানের আল-আসল - তাহকিক শাহাতা   (মুহাম্মদ বিন হাসান আশ-শাইবানি)

বিভাগ: হানাফি ফিকহ


কিতাব: আল-আসল - (বেচাকেনা এবং সালাম)

লেখক: মুহাম্মদ বিন হাসান আশ-শাইবানি

তাহকিক ও টীকা প্রদান: ড. শফিক শাহাতা, কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের অধ্যাপক

প্রকাশক: কায়রো বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস

প্রকাশকাল: ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৩৩

[সতর্কবার্তা]:

১ - মুহাক্কিক কিতাবটির দ্বিতীয় খণ্ড (যা ভূমিকা ও নির্ঘণ্ট সম্বলিত) প্রকাশের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন; তবে সে সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি

২ - পাকিস্তানের করাচির ইদারাতুল কুরআন ওয়াল উলূম আল-ইসলামিয়া, আবু ওয়াফা আল-আফগানি কর্তৃক সম্পাদিত চারটি খণ্ডের প্রতিলিপি তৈরি করেছে এবং এই খণ্ডটিকেও (শাহাতা সম্পাদিত) পঞ্চম খণ্ড হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে প্রতিলিপি প্রকাশ করেছে

৩ - «আল-আসল» কিতাবটির ড. মুহাম্মদ বয়েনুকালান কর্তৃক সম্পাদিত আরেকটি সংস্করণ রয়েছে যা কিতাবটির অধিকাংশ বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে, এটি মাকতাবাতুশ শামিলাতেও প্রকাশিত হয়েছে

[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ১১ সফর ১৪৪৪

(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ১)
بسم الله الرحمن الرحيم

الحمد لله الواحد العدل

‌‌كتاب البيوع والسلم

1 - أحمد بن حفص قال أخبرنا محمد بن الحسن قال حدثنا أبو حنيفة عن عطية العوفي عن أبي سعيد الخدري عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال الذهب بالذهب مثل بمثل يد بيد والفضل ربا والفضة بالفضة مثل بمثل يد بيد والفضل ربا
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি একক ও ন্যায়পরায়ণ।

ক্রয়-বিক্রয় ও সালাম (অগ্রিম ক্রয়) অধ্যায়

১ - আহমাদ ইবনে হাফস বলেন, মুহাম্মাদ ইবনে হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু হানিফা আমাদের নিকট আতিয়্যাহ আল-আওফী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণ সমান সমান এবং হাতে হাতে হতে হবে, এর অতিরিক্ত অংশ সুদ; এবং রৌপ্যের বিনিময়ে রৌপ্য সমান সমান এবং হাতে হাতে হতে হবে, এর অতিরিক্ত অংশ সুদ।
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ২)
والحنطة بالحنطة مثل بمثل يد بيد والفضل ربا والتمر بالتمر مثل بمثل يد بيد والفضل ربا والملح بالملح مثل بمثل يد بيد والفضل ربا

 

2 - محمد عن أبي حنيفة عن حماد عن إبراهيم أنه قال أسلم ما يكال فيما يوزن وأسلم ما يوزن فيما يكال ولا تسلم ما يوزن فيما يوزن ولا ما يكال فيما يكال وإذا اختلف النوعان فيما لا يكال ولا يوزن فلا بأس به اثنان بواحد يد بيد ولا بأس به نسيئة وإن كان من نوع واحد مما لا يكال ولا يوزن فلا بأس به اثنان بواحد يد بيد ولا خير فيه نسيئة

 

3 - وإذا أسلم الرجل في الطعام كيلا معلوما وأجلا معلوما وضربا من الطعام وسطا أو جيدا أو رديئا واشتراط المكان الذي يوفيه إياه فيه فهذا جائز وإن ترك شيئا من هذا لم يشترطه فالسلم فاسد
গমের বিনিময়ে গম সমান সমান এবং হাতে হাতে হতে হবে, অতিরিক্তটুকু সুদ। খেজুরের বিনিময়ে খেজুর সমান সমান এবং হাতে হাতে হতে হবে, অতিরিক্তটুকু সুদ। লবণের বিনিময়ে লবণ সমান সমান এবং হাতে হাতে হতে হবে, অতিরিক্তটুকু সুদ।

 

২ - মুহাম্মাদ বর্ণনা করেন আবু হানিফা থেকে, তিনি হাম্মাদ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে যে, তিনি বলেছেন: যা মাপা হয় তা ওজন করা হয় এমন বস্তুর বিনিময়ে অগ্রিম ক্রয় (সালাম) করা যাবে এবং যা ওজন করা হয় তা মাপা হয় এমন বস্তুর বিনিময়ে অগ্রিম ক্রয় করা যাবে। তবে যা ওজন করা হয় তা ওজন করা হয় এমন বস্তুর বিনিময়ে এবং যা মাপা হয় তা মাপা হয় এমন বস্তুর বিনিময়ে অগ্রিম ক্রয় করা যাবে না। আর যখন মাপা ও ওজন করা হয় না এমন বস্তুর মধ্যে প্রকার ভিন্ন হয়, তখন হাতে হাতে একটার বদলে দুইটা হলে কোনো সমস্যা নেই এবং বাকিতে হলেও কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু যদি মাপা ও ওজন করা হয় না এমন বস্তু একই প্রকারের হয়, তবে হাতে হাতে একটার বিনিময়ে দুইটা নিতে কোনো সমস্যা নেই, তবে বাকিতে লেনদেনে কোনো কল্যাণ নেই।

 

৩ - আর যখন কোনো ব্যক্তি খাদ্যদ্রব্যের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মাপে, নির্দিষ্ট মেয়াদে এবং খাদ্যদ্রব্যের প্রকার (যেমন মধ্যম, উন্নত বা নিম্নমানের) নির্ধারণ করে এবং যে স্থানে তা অর্পণ করা হবে সেই স্থান শর্ত হিসেবে উল্লেখ করে অগ্রিম চুক্তি (সালাম) করে, তবে তা বৈধ। আর যদি এর মধ্য থেকে কোনো কিছু সে বাদ দেয় এবং শর্ত না করে, তবে সালাম চুক্তিটি ফাসিদ হবে।
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ৩)
4 - وإن كان رأس المال دراهم غير معلومة فالسلم فاسد لأنهما إن تتاركا لم يدر ما هو بدين عليه أو وجد فيها درهما زائفا لم يدر ما هو من الثمن في قول أبي حنيفة

 

5 - وإذا اشترط طعام قرية أو أرض خاصة ولا يبقى طعامها في أيدي الناس فالسلم فاسد لأنه أسلم فيما ينقطع من أيدي الناس

 

6 - ولا بأس بأن تأخذ بعض رأس مالك وبعض ما أسلمت فيه إذا حل الأجل محمد عن أبي حنيفة عن أبي عمر عن ابن جبير عن ابن عباس أنه قال ذلك المعروف الحسن الجميل

 

7 - فالسلم في جميع ما يكال وجميع ما يوزن مما لا ينقطع من أيدي الناس جائز والشعير والحنطة والسمسم والزيت والزبيب والسمن وما أشبهه من الكيل والوزن فلا بأس به
4 - যদি মূলধন অজ্ঞাত পরিমাণ দিরহাম হয়, তবে সালাম চুক্তি ফাসিদ হবে। কেননা তারা যদি চুক্তিটি বাতিল করে দেয়, তবে তার ওপর পাওনা ঋণ কত তা জানা যাবে না, অথবা যদি তাতে কোনো জাল দিরহাম পাওয়া যায়, তবে মূল্যের অন্তর্ভুক্ত অংশটি কত তা জানা যাবে না—এটি ইমাম আবু হানিফার অভিমত।

 

5 - যদি কোনো নির্দিষ্ট গ্রাম বা বিশেষ কোনো জমির খাদ্যশস্য প্রদানের শর্তারোপ করা হয় এবং সেই খাদ্যশস্য সাধারণত মানুষের কাছে (বাজারে) লভ্য না থাকে, তবে সালাম চুক্তি ফাসিদ হবে। কেননা সে এমন বস্তুর ক্ষেত্রে সালাম চুক্তি করেছে যা মানুষের হাতের নাগাল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

 

6 - যখন মেয়াদের সময় উপস্থিত হয়, তখন আপনার মূলধনের কিছু অংশ এবং সালাম চুক্তিকৃত পণ্যের কিছু অংশ গ্রহণ করায় কোনো দোষ নেই। ইমাম মুহাম্মদ ইমাম আবু হানিফা থেকে, তিনি আবু উমর থেকে, তিনি ইবনে জুবায়ের থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি এ সম্পর্কে বলেছেন: এটিই হচ্ছে সুপরিচিত সৌজন্য, যা অত্যন্ত উত্তম ও সুন্দর।

 

7 - পরিমাপযোগ্য এবং ওজনযোগ্য এমন সকল বস্তুর ক্ষেত্রে সালাম চুক্তি করা জায়েয যা সাধারণত মানুষের হাতের নাগাল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় না (অর্থাৎ বাজারে সহজলভ্য থাকে)। যব, গম, তিল, তেল, কিশমিশ, ঘি এবং এই জাতীয় পরিমাপ ও ওজনের অন্তর্ভুক্ত সকল বস্তুর ক্ষেত্রে সালাম চুক্তিতে কোনো অসুবিধা নেই।
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ৪)
8 - ولا بأس بالسلم في الزعفران والمسك والعنبر وما أشبهه مما لا ينقطع من أيدي الناس إذا اشترط وزنا معلوما وضرب له أجلا معلوما وسمى صنفا معلوما فذلك جائز

 

9 - ولا بأس بالسلم في كل ما يكال من الحنا والورد والوسمة والرياحين اليابسة إذا اشترط كيلا معلوما وأجلا معلوما وصنفا معلوما

 

10 - ولا بأس بالسلم في الحديد والرصاص والصفر وما أشبهه مما يوزن إذا اشترط أجلا معلوما ووزنا معلوما وضربا معلوما

 

11 - ولا بأس بالسلم في القت وزنا معلوما وأجلا معلوما

 

12 - ولا خير في السلم في الرطبة ولا في الحطب حزما أو جرزا لأن هذا مجهول لا يعرف ألا ترى أنه لا يعرف طوله ولا عرضه ولا غلظه فإن عرف فهو جائز
8 - জাফরান, কস্তুরী, আম্বর এবং এই জাতীয় যেসব বস্তু মানুষের নিকট সহজলভ্য, সেগুলোতে 'সালাম' চুক্তিতে কোনো অসুবিধা নেই; যদি নির্দিষ্ট ওজন শর্ত করা হয়, নির্দিষ্ট মেয়াদ নির্ধারণ করা হয় এবং নির্দিষ্ট প্রকার উল্লেখ করা হয়। সুতরাং তা জায়েজ।

 

9 - মেহেদি, গোলাপ, ওয়াসমা এবং শুষ্ক সুগন্ধি গুল্মের মতো পরিমাপযোগ্য প্রতিটি বস্তুতে 'সালাম' চুক্তিতে কোনো অসুবিধা নেই; যদি নির্দিষ্ট পরিমাপ, নির্দিষ্ট মেয়াদ এবং নির্দিষ্ট প্রকার শর্ত করা হয়।

 

10 - লোহা, সীসা, পিতল এবং এই জাতীয় ওজনযোগ্য প্রতিটি বস্তুতে 'সালাম' চুক্তিতে কোনো অসুবিধা নেই; যদি নির্দিষ্ট মেয়াদ, নির্দিষ্ট ওজন এবং নির্দিষ্ট ধরন শর্ত করা হয়।

 

11 - নির্দিষ্ট ওজন এবং নির্দিষ্ট মেয়াদে পশু খাদ্যে (আলফালফা) 'সালাম' চুক্তিতে কোনো অসুবিধা নেই।

 

12 - কাঁচা ঘাস এবং আঁটি বা স্তূপ হিসেবে লাকড়িতে 'সালাম' চুক্তিতে কোনো কল্যাণ নেই; কারণ এটি অজ্ঞাত, যা জানা যায় না। আপনি কি দেখছেন না যে, এর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং স্থূলতা জানা যায় না? তবে যদি তা সুনির্দিষ্টভাবে জানা যায়, তবে তা জায়েজ।
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ৫)
13 - ولا خير في السلم في جلود الغنم والبقر والإبل ولا في الورق ولا في الأدم لأنه مجهول فيه الصغير والكبير إلا أن يشترط من الورق والصحف والأدم ضربا معلوما والطول والجودة والعرض

 

14 - ولا خير في السلم في شيء من الحيوان بلغنا ذلك عن عبد الله ابن مسعود ألا ترى إنه مختلف مجهول لا يعرف وقته ولا قدره

 

15 - ولو اشترط جذعا أو ثنيا كان ذلك باطلا لا خير فيه من قبل أن الجذعان والثنيان مختلفة

 

16 - ولا بأس بالسلم بالحرير والزطى واليهودي والسابري والقوهي والمروي والبتوت والطيالسة والثياب كلها بعد أن يشترط ضربا معلوما وطولا معلوما وعرضا معلوما وأجلا معلوما وصفة معلومة
১৩ - ভেড়া, গরু এবং উটের কাঁচা চামড়ায় সালাম (অগ্রিম ক্রয়) করা বৈধ নয় এবং কাগজ বা পরিশোধিত চামড়াতেও নয়; কারণ তা অজ্ঞাত, এতে ছোট ও বড় উভয়ই অন্তর্ভুক্ত থাকে। তবে যদি কাগজ, লিপিপত্র এবং পরিশোধিত চামড়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রকার, দৈর্ঘ্য, গুণগত মান এবং প্রস্থের শর্তারোপ করা হয় (তবে তা বৈধ)।

 

১৪ - কোনো প্রাণীর ক্ষেত্রেও সালাম করা বৈধ নয়; আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে আমাদের নিকট এরূপ পৌঁছেছে। আপনি কি দেখছেন না যে, এটি ভিন্ন ভিন্ন ও অজ্ঞাত? এর সময়কাল এবং এর পরিমাপ জানা যায় না।

 

১৫ - আর যদি জাযআ (নির্দিষ্ট বয়সের পশু) বা সানি (নির্দিষ্ট বয়সের পশু) শর্ত করা হয়, তবে তা বাতিল হবে এবং এতে কোনো কল্যাণ নেই; কারণ জাযআ ও সানি পশুর মাঝে ভিন্নতা থাকে।

 

১৬ - রেশম, জুত্তি, ইয়াহুদি, সাবেরি, কুহি, মারওয়ি, বাতুত, তায়ালিসা এবং যাবতীয় কাপড়ে সালাম করাতে কোনো দোষ নেই; যদি নির্দিষ্ট প্রকার, নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য, নির্দিষ্ট প্রস্থ, নির্দিষ্ট সময়সীমা এবং নির্দিষ্ট গুণের শর্তারোপ করা হয়।
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ৬)
17 - وكل شيء من السلم له حمل ومؤنة فلا بد من أن يشترط المكان الذي يوفيه فيه فإن لم يشترط ذلك فسد السلم في قول أبي حنيفة

 

18 - ولا خير في السلم في كل شيء ينقطع من أيدي الناس

 

19 - وكل شيء ليس له حمل ولا مؤنة فلا بأس بالسلم فيه ولا يشترط المكان الذي يوفيه

قال يعقوب ومحمد ما كان له حمل ومؤنة وما لم يكن له حمل ولا مؤنة سواء فهو جائز وإن لم يشترط المكان الذي يوفيه فيه وإلا فعليه أن يوفيه في المكان الذي أسلم إليه فيه وهو قول أبي حنيفة الأول ثم رجع عنه وقال لا يجوز

 

20 - ولا خير في السلم في الفاكهة كلها في غير حينها وإذا كان حينها الذي تكون فيه فلا بأس بالسلم فيها ضربا معلوما وكيلا معلوما وأجلا
১৭ - সালাম চুক্তির অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি বস্তু যার বহন খরচ এবং আনুষঙ্গিক ব্যয় রয়েছে, সেক্ষেত্রে যে স্থানে তা হস্তান্তর করা হবে তা নির্দিষ্ট করে শর্ত করা আবশ্যক। যদি তা শর্ত করা না হয়, তবে আবু হানিফার মতানুসারে সেই সালাম চুক্তি বাতিল হয়ে যাবে।

 

১৮ - মানুষের নিকট যা সহজলভ্য নয় বা যা সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, এমন কোনো জিনিসে সালাম চুক্তির মধ্যে কোনো কল্যাণ (বৈধতা) নেই।

 

১৯ - যে জিনিসের কোনো বহন খরচ বা আনুষঙ্গিক ব্যয় নেই, তাতে সালাম চুক্তিতে কোনো অসুবিধা নেই এবং হস্তান্তরের স্থান শর্ত করাও আবশ্যক নয়।

ইয়াকুব ও মুহাম্মদ বলেছেন: যার বহন খরচ আছে এবং যার বহন খরচ নেই উভয়ই সমান এবং তা বৈধ, যদিও হস্তান্তরের স্থান শর্ত করা না হয়। অন্যথায়, তাকে সেই স্থানেই পণ্য বুঝিয়ে দিতে হবে যেখানে সালাম চুক্তি সম্পাদিত হয়েছিল। এটিই ছিল আবু হানিফার প্রথম অভিমত, পরবর্তীতে তিনি তা থেকে ফিরে আসেন এবং বলেন যে এটি বৈধ নয়।

 

২০ - সকল প্রকার ফলমূলের মৌসুম ব্যতীত অসময়ে তাতে সালাম চুক্তির মধ্যে কোনো কল্যাণ নেই। তবে যখন ফলের মৌসুম উপস্থিত হয়, তখন সুনির্দিষ্ট প্রকার, সুনির্দিষ্ট পরিমাপ এবং সুনির্দিষ্ট মেয়াদের ভিত্তিতে তাতে সালাম চুক্তি করায় কোনো অসুবিধা নেই।
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ৭)
معلوما قبل أن ينقطع فإن جعلت أجلا بعد انقطاعه فلا خير في السلم فإذا جعلت أجلا قبل انقطاعه ثم لم يجد منه ما عليه حتى ينقطع فصاحب السلم بالخيار إن شاء أخذ رأس ماله وإن شاء أخر السلم حتى يجيء حينه الذي يكون فيه فيأخذ ما أسلم فيه

 

21 - ولا خير في السلم في الرمان ولا في السفرجل ولا في البطيخ ولا في القثاء ولا في البقل ولا في الخيار وما أشبه ذلك مما لا يكال ولا يوزن لأنه مختلف فيه الصغير والكبير

 

22 - ولا بأس بالسلم في الجوز والبيض عددا ولا بأس بالجوز كيلا معروفا

 

23 - ولا بأس بالسلم في الفلوس عددا

 

24 - ولا خير في السلم في اللحم لأنه مختلف في قول أبي حنيفة وأما في قول أبي يوسف ومحمد إذا أسلم في موضع منه معلوم وسمى صفة معلومة فهو جائز
সুনির্দিষ্ট হতে হবে তা ফুরিয়ে যাওয়ার আগে। যদি আপনি পণ্য ফুরিয়ে যাওয়ার পরের কোনো মেয়াদ নির্ধারণ করেন, তবে সেই সালাম চুক্তিতে কোনো কল্যাণ নেই। আর যদি আপনি পণ্য ফুরিয়ে যাওয়ার আগের কোনো মেয়াদ নির্ধারণ করেন, অতঃপর পণ্যটি ফুরিয়ে যাওয়া পর্যন্ত বিক্রেতা তা সরবরাহ করতে সক্ষম না হয়, তবে সালাম চুক্তির ক্রেতার ইখতিয়ার বা অধিকার থাকবে: সে চাইলে তার মূলধন ফেরত নিতে পারে, আর চাইলে সে সালাম চুক্তির মেয়াদকে পণ্যটির পুনরায় আসার সময় পর্যন্ত বিলম্বিত করতে পারে যাতে সে তার চুক্তিকৃত পণ্যটি বুঝে নিতে পারে।

 

২১ - ডালিম, সফেদা (সাফারজাল), তরমুজ, শসা (কিসসা), শাক-সবজি, খিরা এবং এজাতীয় এমন সব বস্তুতে সালাম চুক্তি করা সঠিক নয় যা পাত্রে মেপে বা ওজন করে নির্ধারিত হয় না; কারণ এগুলোর ছোট ও বড় হওয়ার ক্ষেত্রে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।

 

২২ - সংখ্যা হিসেবে আখরোট ও ডিমের সালাম চুক্তিতে কোনো অসুবিধা নেই এবং সুনির্দিষ্ট পরিমাপে আখরোটের সালাম চুক্তিতেও কোনো দোষ নেই।

 

২৩ - সংখ্যা হিসেবে মুদ্রার (ফুলুস) সালাম চুক্তিতে কোনো বাধা নেই।

 

২৪ - মাংসের সালাম চুক্তিতে কোনো কল্যাণ নেই, কারণ ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর মতে এতে ভিন্নতা দেখা দেয়; আর ইমাম আবু ইউসুফ ও ইমাম মুহাম্মদ (রহ.)-এর মতে যখন মাংসের সুনির্দিষ্ট অংশ ও সুনির্দিষ্ট গুণাগুণ উল্লেখ করা হয়, তখন তা জায়েজ।
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ৮)
25 - ولا خير في السلم في السمك الطري في غير حينه من قبل أنه ينقطع من أيدي الناس ولأنه مختلف وإن أسلم فيه في حينه فهو جائز وأما السمك المالح فلا بأس بالسلم فيه وزنا معلوما وضربا معلوما وأجلا معلوما وإن أسلمت فيه عددا فلا خير فيه

 

26 - وإذا أسلم الرجل في الجذوع ضربا معلوما وطولا معلوما وغلظا معلوما وأجلا معلوما فلا بأس به إن اشترط المكان الذي يوفيه فيه

 

27 - وكذلك الساج والصنوف من العيدان والخشب والقصب إذا اشترط طولا معلوما وغلظا معلوما ومكانا معلوما وأجلا معلوما فلا بأس بذلك

 

28 - إذا استصنع الرجل عند الرجل عند الرجل خفين أو قلنسوة أو تورا أو كوزا أو قمقما أو آنية من آنية النحاس واشترط من ذلك صناعة معروفة
25 - মৌসুম বহির্ভূত সময়ে তাজা মাছের ক্ষেত্রে 'সালাম' চুক্তিতে কোনো কল্যাণ নেই, কারণ তা মানুষের নাগালের বাইরে চলে যায় এবং এটি গুণগত মানে ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। তবে যদি মৌসুমের সময়ে তাতে 'সালাম' করা হয়, তবে তা বৈধ। আর নোনতা মাছের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ওজন, নির্দিষ্ট ধরণ এবং নির্দিষ্ট মেয়াদে 'সালাম' করা হলে তাতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু যদি আপনি সংখ্যার ভিত্তিতে এতে 'সালাম' করেন, তবে তাতে কোনো কল্যাণ নেই।

 

26 - যদি কোনো ব্যক্তি নির্দিষ্ট ধরণ, নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য, নির্দিষ্ট স্থূলতা এবং নির্দিষ্ট মেয়াদে গাছের গুঁড়ির ব্যাপারে 'সালাম' চুক্তি করে, তবে তাতে কোনো অসুবিধা নেই যদি সে হস্তান্তরের স্থানটি শর্ত হিসেবে নির্ধারণ করে।

 

27 - একইভাবে সেগুন কাঠ, বিভিন্ন প্রকারের কাষ্ঠখণ্ড, তক্তা এবং নলখাগড়ার ক্ষেত্রেও যদি সুনির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য, নির্দিষ্ট স্থূলতা, নির্দিষ্ট স্থান এবং সুনির্দিষ্ট মেয়াদের শর্ত করা হয়, তবে তাতে কোনো বাধা নেই।

 

28 - যদি কোনো ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির নিকট চামড়ার মোজা, টুপি, বড় পাত্র, কুঁজো, সরু ঘাড়বিশিষ্ট পাত্র অথবা তামার তৈরি কোনো আসবাবপত্র নির্মাণের ফরমায়েশ দেয় এবং সে ক্ষেত্রে সুপরিচিত নির্মাণশৈলীর শর্তারোপ করে...
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ৯)
ولم يضرب لذلك أجلا فهو بالخيار إذا فرغ الرجل من ذلك لأنه اشترى ما لم ير فإن شاء الذي استصنعه أخذه وإن شاء تركه فإن ضرب له أجلا وكانت تلك الصناعة معروفة واشترط منها وزنا معروفا من النحاس فهو بمنزلة السلم وهو جائز ليس له خيار في قول أبي حنيفة وإن كانت مجهولة فهو فاسد لا يجوز

قال أبو يوسف ومحمد هو جائز وصاحبه بالخيار إذا رآه إن شاء أخذه وإن شاء تركه ولا يكون بمنزلة السلم

 

29 - ولا بأس بالسلم في اللبن في حينه الذي يكون فيه إذا اشترط وزنا معلوما أو كيلا معلوما وأجلا معلوما قبل انقطاعه وكذلك ألبان البقر وغيرها

 

30 - ولا بأس بالسلم في اللبن والآجر إذا اشترط من ذلك شيئا معروفا وجعل له أجلا معلوما ومكانا معلوما وإن كان ذلك لا يعرف فلا خير فيه

 

31 - ولا بأس بالسلم في الأليات إذا اشترط وزنا معلوما وأجلا معلوما

 

32 - ولا بأس بالسلم في شحم البطن إذا اشترط من ذلك وزنا معلوما وأجلا معلوما
এবং এর জন্য কোনো সময়সীমা নির্ধারণ না করা হলে, কারিগর তা সম্পন্ন করার পর তার (ক্রেতার) ইখতিয়ার বা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ থাকবে। কারণ সে এমন কিছু ক্রয় করেছে যা সে দেখেনি। সুতরাং যে ব্যক্তি এটি তৈরির ফরমায়েশ দিয়েছে, সে চাইলে তা গ্রহণ করবে অথবা চাইলে বর্জন করবে। আর যদি তার জন্য একটি সময়সীমা নির্ধারণ করা হয় এবং সেই শিল্পটি সুপরিচিত হয় এবং তাতে তামার একটি নির্দিষ্ট ওজন নির্ধারণ করে দেওয়া হয়, তবে তা 'সালাম' (অগ্রিম ক্রয়) চুক্তির স্থলাভিষিক্ত হবে। ইমাম আবু হানিফার মতে এটি বৈধ এবং এতে ক্রেতার কোনো ইখতিয়ার থাকবে না। আর যদি তা অজ্ঞাত বা অনির্দিষ্ট হয় তবে তা ফাসিদ (ত্রুটিপূর্ণ) হবে, যা জায়েজ নয়।

আবু ইউসুফ এবং মুহাম্মদ (রহ.) বলেন, এটি জায়েজ এবং ক্রেতা তা দেখার সময় ইখতিয়ারপ্রাপ্ত হবে; সে চাইলে তা গ্রহণ করবে এবং চাইলে বর্জন করবে। এটি 'সালাম' চুক্তির অন্তর্ভুক্ত হবে না।

 

২৯ - দুধের ক্ষেত্রে এর প্রাপ্য মৌসুমে 'সালাম' করাতে কোনো অসুবিধা নেই, যদি সরবরাহ বন্ধ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত নির্দিষ্ট ওজন বা নির্দিষ্ট পরিমাপ এবং নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়। গরু ও অন্যান্য প্রাণীর দুধের ক্ষেত্রেও একই বিধান।

 

৩০ - কাঁচা ইট এবং পাকা ইটের ক্ষেত্রে 'সালাম' করাতে কোনো অসুবিধা নেই, যদি তার নির্দিষ্ট কিছু পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় এবং তার জন্য নির্দিষ্ট সময় ও নির্দিষ্ট স্থান সাব্যস্ত করা হয়। আর যদি তা অজ্ঞাত থাকে তবে তাতে কোনো কল্যাণ নেই (অর্থাৎ তা বৈধ হবে না)।

 

৩১ - ভেড়ার চর্বিযুক্ত লেজের ক্ষেত্রে 'সালাম' করাতে কোনো অসুবিধা নেই, যদি নির্দিষ্ট ওজন ও নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়।

 

৩২ - পেটের চর্বির ক্ষেত্রে 'সালাম' করাতে কোনো অসুবিধা নেই, যদি নির্দিষ্ট ওজন ও নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়।
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ১০)
33 - ولا بأس بالسلم في التبن إذا كان كيلا معلوما وأجلا معلوما وفيمانا معلومة وإذا كان ذلك لا يعرف له قيمة فلا خير فيه

 

34 - ولا خير في السلم في رؤوس الغنم والأكارع لأنها مختلفة فيها الصغيرة والكبيرة

 

35 - ولا خير في السلم في كل شيء يوزن أو يكال إذا اشترط بمكيال غير معروف ولو اشترط بإناء بعينه غير أن ذلك الإناء لا يعرف وزنه ولا يكون رطلا فلا خير فيه ألا ترى لو أن ذلك الإناء هلك لم يعرف ما أسلم فيه وكذلك الطعام وغيره إذا اشترط بإناء مجهول لا يعرف قدره
33 - খড়ের ক্ষেত্রে অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয় (সালাম) করাতে কোনো দোষ নেই, যখন তার পরিমাপ সুনির্ধারিত হয়, সময় সুনির্ধারিত হয় এবং মূল্য সুনির্ধারিত হয়। আর যখন এর মূল্য জানা না থাকে, তখন তাতে কোনো কল্যাণ নেই।

 

34 - বকরির মাথা এবং পায়ের নলার ক্ষেত্রে অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়ে (সালাম) কোনো কল্যাণ নেই; কারণ এগুলোর মধ্যে ছোট ও বড় হওয়ার ভিন্নতা থাকে।

 

35 - ওজন করা হয় বা পরিমাপ করা হয় এমন প্রত্যেক বস্তুর ক্ষেত্রে অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়ে (সালাম) কোনো কল্যাণ নেই, যদি তা এমন কোনো পরিমাপকের শর্তে করা হয় যা সুপরিচিত নয়। এমনকি যদি কোনো নির্দিষ্ট পাত্রের শর্ত করা হয় কিন্তু সেই পাত্রের ওজন জানা না থাকে এবং তা 'রিল' (পরিমাপের একক) হিসেবে গণ্য না হয়, তবে তাতে কোনো কল্যাণ নেই। আপনি কি দেখছেন না যে, যদি সেই পাত্রটি নষ্ট হয়ে যায়, তবে কিসের বিনিময়ে অগ্রিম লেনদেন করা হয়েছিল তা আর জানা যাবে না? খাদ্যদ্রব্য এবং অন্য সবকিছুর ক্ষেত্রেও একই হুকুম প্রযোজ্য হবে যখন এমন কোনো অজ্ঞাত পাত্রের শর্তারোপ করা হয় যার পরিমাণ জানা নেই।
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ১১)
وإذا اشترى بذلك الإناء يدا بيد فلا بأس ما كان قائما بعينه

 

36 - ولا بأس بالسلم في العصير في حينه الذي يكون فيه بعد أن يكون أجله قبل انقطاعه واشترط من ذلك وزنا وكيلا معلوما وأجلا معلوما ومكانا معلوما وضربا معلوما في حينه فإن ذهب حين العصير كان صاحبه بالخيار إن شاء أخذ رأس ماله وإن شاء أخره حتى يجيء حينه فيأخذ ما أسلم فيه

 

37 - ولا بأس بالسلم في الخل إذا اشترط كيلا معلوما وأجلا معلوما وضربا معلوما من الخل وصنفا معلوما

 

38 - وإذا أسلم الرجل في تمر ولم يسم فارسيا ولا دقلا فلا خير في السلم فيه لأن الفارسي مخالف للدقل

وإن كان اشترط فارسيا فلا بد من أن يقال جيدا أو وسطا أو رديئا
এবং যদি সে সেই পাত্রটি হাতে হাতে ক্রয় করে, তবে তাতে কোনো অসুবিধা নেই যতক্ষণ তা সশরীরে বিদ্যমান থাকে।

 

৩৬ - ফলের রসের মৌসুমে তার অগ্রিম ক্রয় (সালাম) পদ্ধতিতে কোনো অসুবিধা নেই, যদি তার সময়সীমা মৌসুম শেষ হওয়ার পূর্বেই নির্ধারিত হয় এবং এক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট ওজন, সুনির্দিষ্ট পরিমাপ, সুনির্দিষ্ট সময়সীমা, সুনির্দিষ্ট স্থান এবং সেই মৌসুমের সুনির্দিষ্ট প্রকারের শর্তারোপ করা হয়। অতঃপর যদি রসের মৌসুম অতিক্রান্ত হয়ে যায়, তবে ক্রেতা ইখতিয়ার লাভ করবেন; তিনি চাইলে তাঁর মূলধন ফেরত নিতে পারেন, আর চাইলে তা বিলম্বিত করতে পারেন যতক্ষণ না পুনরায় তার মৌসুম আসে এবং তিনি যা অগ্রিম ক্রয় করেছিলেন তা গ্রহণ করেন।

 

৩৭ - সিরকার ক্ষেত্রে অগ্রিম ক্রয় পদ্ধতিতে কোনো অসুবিধা নেই, যদি সুনির্দিষ্ট পরিমাপ, সুনির্দিষ্ট সময়সীমা, সিরকার সুনির্দিষ্ট প্রকার এবং সুনির্দিষ্ট শ্রেণি উল্লেখ করার শর্ত থাকে।

 

৩৮ - যদি কোনো ব্যক্তি খেজুরের অগ্রিম ক্রয়ের চুক্তি করে এবং তাতে ফারসি নাকি দাক্বল তা নির্দিষ্ট না করে, তবে সেই অগ্রিম ক্রয়ে কোনো কল্যাণ নেই; কারণ ফারসি খেজুর দাক্বল খেজুর থেকে ভিন্ন।

আর যদি ফারসি খেজুরের শর্তারোপ করা হয়, তবে অবশ্যই তা উৎকৃষ্ট, মাঝারি নাকি নিকৃষ্ট মানের তা উল্লেখ করতে হবে।
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ১২)
39 - ولا خير في السلم في شيء من الطير ولا في لحومها

 

40 - ولا خير في السلم في شيء من الجواهر ولا اللؤلؤ لأنه مختلف مجهول

 

41 - ولا بأس بالسلم في الجص والنورة إذا اشترط من ذلك كيلا معلوما وأجلا معلوما وضربا معلوما ومكانا معلوما وكذلك ما أشبهه مما يكال أو يوزن

 

42 - ولا خير في السلم في الزجاج إلا أن يكون مكسورا فليشترط من ذلك وزنا معلوما وضربا معلوما

 

43 - وإن كانت آنية واشترط من ذلك شيئا معروفا لا يجهل فلا بأس به

وإن كان هذا مجهولا فاشترط من ذلك عددا وفي ذلك الصغير والكبير فلا خير فيه

 

44 - وإذا أسلم الرجل ألف درهم إلى رجل في طعام خمسمائة درهم من ذلك كانت دينا عليه وخمسمائة نقدها إياه فإنه يجزئ ذلك
৩৯ - কোনো প্রকার পাখি কিংবা পাখির গোশতে সালাম চুক্তিতে কোনো কল্যাণ নেই।

 

৪০ - মণি-মুক্তা কিংবা মুক্তার ক্ষেত্রে সালাম চুক্তিতে কোনো কল্যাণ নেই; কারণ এগুলো বৈচিত্র্যময় ও অজ্ঞাত।

 

৪১ - জিপসাম ও চুনের ক্ষেত্রে সালাম চুক্তিতে কোনো দোষ নেই যদি তাতে সুনির্দিষ্ট পরিমাপ, সুনির্দিষ্ট মেয়াদ, সুনির্দিষ্ট প্রকার এবং সুনির্দিষ্ট স্থান শর্ত করা হয়; অনুরূপভাবে পরিমাপযোগ্য বা ওজনযোগ্য অন্যান্য জিনিসের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য।

 

৪২ - কাঁচের ক্ষেত্রে সালাম চুক্তিতে কোনো কল্যাণ নেই, যদি না তা ভাঙা কাঁচ হয়; সেক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট ওজন ও সুনির্দিষ্ট প্রকারের শর্ত করতে হবে।

 

৪৩ - আর যদি তা (কাঁচের তৈরি) পাত্র হয় এবং তাতে এমন সুপরিচিত বিষয়ের শর্ত করা হয় যা অজ্ঞাত নয়, তবে তাতে কোনো দোষ নেই।

কিন্তু যদি তা অজ্ঞাত হয় এবং সে ক্ষেত্রে কেবল সংখ্যার শর্ত করা হয় অথচ তাতে ছোট ও বড়র পার্থক্য থাকে, তবে তাতে কোনো কল্যাণ নেই।

 

৪৪ - যদি কোনো ব্যক্তি খাদ্যের বিনিময়ে অপর ব্যক্তিকে এক হাজার দিরহাম সালাম প্রদান করে, যার মধ্যে পাঁচশত দিরহাম তার নিকট পাওনা ঋণ বাবদ ছিল এবং অবশিষ্ট পাঁচশত দিরহাম সে নগদে প্রদান করে, তবে তা বৈধ হবে।
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ১৩)
من حصة النقد وهو النصف ويبطل من ذلك حصة الدين وهو النصف قال وبلغنا ذلك عن أبي حنيفة عن ابن عباس ألا ترى أنه أسلم دينا في دين

 

45 - وإذا أسلم الرجل إلى رجل مائة درهم في كر حنطة وكر شعير ولم يبين رأس مال كل واحد منهما فلا خير في ذلك وهو مردود وهذا قول أبي حنيفة قال وبلغنا ذلك عن عبد الله بن عمر

وقال أبو يوسف ومحمد هو جائز

 

46 - وإذا أسلم الرجل الدراهم إلى رجل في طعام على أن أحدهما بالخيار فلا يجوز السلم في هذا والسلم فاسد وهو بمنزلة الصرف إلا أن يبطل صاحب الخيار قبل أن يتفرقا فيجوز ذلك

 

47 - وكذلك لو أسلم إليه دراهم في طعام فافترقا قبل أن يقبض الدراهم

 

48 - قلت وكذلك لو أسلم إليه دراهم في طعام فأعطاه إياها فلما افترقا وجدها زيوفا فإنه يردها وينتقض السلم
নগদের অংশ থেকে, যা অর্ধেক, আর ঋণের অংশ থেকে তা বাতিল হয়ে যাবে, যা অর্ধেক। তিনি বলেন, এটি আমাদের নিকট আবু হানিফার মাধ্যমে ইবনে আব্বাস থেকে পৌঁছেছে; আপনি কি দেখছেন না যে, তিনি ঋণের বিপরীতে ঋণের অগ্রিম লেনদেন (সালাম) করেছেন?

 

45 - এবং যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির নিকট এক কুর গম এবং এক কুর যবের বিনিময়ে একশ দিরহাম অগ্রিম প্রদান (সালাম) করে এবং তাদের প্রত্যেকের মূলধনের পরিমাণ স্পষ্ট না করে, তবে এতে কোনো কল্যাণ নেই এবং তা প্রত্যাখ্যানযোগ্য। এটি আবু হানিফার অভিমত। তিনি বলেন, আমাদের নিকট এটি আব্দুল্লাহ বিন উমর থেকে পৌঁছেছে।

আর আবু ইউসুফ এবং মুহাম্মদ বলেন, এটি বৈধ।

 

46 - এবং যদি কোনো ব্যক্তি খাদ্যের বিনিময়ে কোনো ব্যক্তির নিকট দিরহাম অগ্রিম প্রদান (সালাম) করে এই শর্তে যে, তাদের একজনের ইখতিয়ার (চুক্তি বহাল রাখা বা বাতিলের অধিকার) থাকবে, তবে এই সালাম বৈধ হবে না এবং সালাম চুক্তিটি ফাসিদ। এটি 'সরফ' (মুদ্রা বিনিময়) এর সমপর্যায়ের, তবে ইখতিয়ারের অধিকারী ব্যক্তি যদি তারা পরস্পর বিচ্ছিন্ন হওয়ার পূর্বেই তা বাতিল করে দেয়, তবে তা বৈধ হবে।

 

47 - অনুরূপভাবে, যদি সে খাদ্যের বিনিময়ে তাকে দিরহাম অগ্রিম প্রদান করে এবং তারা দিরহাম হস্তগত করার পূর্বেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

 

48 - আমি বললাম, অনুরূপভাবে যদি সে খাদ্যের বিনিময়ে তাকে দিরহাম অগ্রিম প্রদান করে এবং তাকে তা দিয়ে দেয়, অতঃপর তারা বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর যদি সেগুলোকে নিম্নমানের (যুয়ুফ) হিসেবে পায়, তবে সে তা ফেরত দেবে এবং সালাম চুক্তিটি বাতিল হয়ে যাবে।
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ১৪)
وإن أعلمه أنها زيوف وقبضها على ذلك فليس أن يردها والسلم جائز

فإن لم يعلم ثم وجد فيها درهما زائفا فإني أستحسن أن يرده عليه ويأخذ غيره لأنه قبضه

وإن كان ستوقا رده وأحصى وحط عنه بقدره في قول أبي حنيفة وقال أبو يوسف ومحمد إن كان زيوفا كلها فإنا نستحسن أن يبدلها له والسلم على حاله

 

49 - وإذا أسلم الرجل إلى رجل في طعام وأعطاه دراهم لا يعلم ما وزنها أو فضة أو ذهبا لا يعلم ما وزنه فإن السلم فاسد لا يجوز من قبل
যদি তাকে জানানো হয় যে এগুলো ভেজাল এবং সে অবস্থাতেই তা গ্রহণ করে, তবে তা ফেরত দেওয়ার অধিকার নেই এবং সালাম চুক্তি বৈধ হবে।

আর যদি সে না জানে এবং পরবর্তীতে তাতে কোনো ভেজাল দিরহাম পায়, তবে আমি উত্তম মনে করি যে সে তা ফেরত দেবে এবং তার পরিবর্তে অন্যটি গ্রহণ করবে, কারণ সে তা গ্রহণ করেছিল।

আর যদি তা সাতুকা (তামা মিশ্রিত নিম্নমানের মুদ্রা) হয়, তবে ইমাম আবু হানিফার মতে সে তা ফেরত দেবে, হিসাব করবে এবং সেই পরিমাণ মূল্য কমিয়ে দেবে। ইমাম আবু ইউসুফ ও ইমাম মুহাম্মদ বলেন, যদি সবগুলোই ভেজাল হয় তবে আমরা সমীচীন মনে করি যে সে তার জন্য তা পরিবর্তন করে দেবে এবং সালাম চুক্তি আগের মতোই বহাল থাকবে।

 

৪৯ - আর যদি কোনো ব্যক্তি খাদ্যের বিনিময়ে অন্য ব্যক্তির সাথে সালাম চুক্তি করে এবং তাকে এমন দিরহাম প্রদান করে যার ওজন সে জানে না, অথবা এমন রূপা বা সোনা দেয় যার ওজন অজ্ঞাত, তবে সালাম চুক্তিটি ফাসিদ বা ত্রুটিপূর্ণ হবে; এর কারণ হলো...
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ১৫)
أنه لا يعلم ما رأس ماله وهذا قول أبي حنيفة

وقال أبو يوسف هو جائز

 

50 - ولو أسلم ثوبا في طعام فإن هذا جائز في قول أبي حنيفة وإن لم يعلم ما قيمة الثوب من أجل أن الثياب تختلف في الغلاء والرخص في البلدان وإنما تقوم بالظن والحرز وأما الفضة والذهب والدراهم فإنه يقدر على أن يزنه حتى يعلم ما هو فهذا مخالف لذلك

 

51 - وإذا أسلم الرجل إلى رجل في طعام وأخذ كفيلا ثم صالح الكفيل على رأس ماله فإن الذي عليه الطعام بالخيار فإن شاء أجاز الصلح وأعطاه رأس المال وإن شاء رد الصلح وهذا قول أبي حنيفة ومحمد

وقال أبو يوسف أما أنا فأرى الصلح جائزا على الكفيل ولا يلزم الذي عليه الطعام من الصلح شيء إنما يكون عليه طعام مثل ذلك يرده على الكفيل وهذا بمنزلة رجل كفل لرجل بألف درهم فصالحه على خادم أو ثياب فالصلح جائز ويرجع الكفيل على المكفول عنه بألف درهم

 

52 - وإذا أسلم الرجلان إلى رجل في طعام فصالحه أحدهما على رأس المال وأبى الآخر أن يجيز ذلك فإن الصلح لا يجوز من قبل أنه لا يكون لأحدهما دراهم وللآخر طعام فإن رضي الشريك بذلك كان
যে সে জানে না তার মূলধন কত এবং এটি ইমাম আবু হানিফার মত।

এবং আবু ইউসুফ বলেন, এটি বৈধ।

 

50 - আর যদি কেউ খাবারের বিনিময়ে কোনো কাপড় অগ্রিম অর্পণ (সালম) করে, তবে ইমাম আবু হানিফার মতে এটি জায়েয, যদিও কাপড়ের মূল্য জানা না থাকে। কারণ বিভিন্ন জনপদে কাপড়ের দামের হ্রাস-বৃদ্ধিতে ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয় এবং তা কেবল ধারণা ও অনুমানের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়। আর সোনা, রূপা ও দিরহামের ক্ষেত্রে সে তা ওজন করতে সক্ষম হয় যতক্ষণ না সে জানতে পারে তা কতটুকু; তাই এটি (কাপড়) সেটির (নকদ অর্থের) পরিপন্থী।

 

51 - যখন কোনো ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির নিকট খাদ্যের বিনিময়ে সালম চুক্তি করে এবং একজন জামিনদার গ্রহণ করে, অতঃপর জামিনদার মূলধনের বিনিময়ে আপস-নিষ্পত্তি করে, তবে যার ওপর খাদ্য সরবরাহ আবশ্যক সে এখতিয়ারপ্রাপ্ত হবে। সে চাইলে এই আপস অনুমোদন করতে পারে এবং তাকে মূলধন প্রদান করতে পারে, আবার চাইলে সে এই আপস প্রত্যাখ্যান করতে পারে। এটি ইমাম আবু হানিফা ও ইমাম মুহাম্মদের মত।

আর আবু ইউসুফ বলেন, আমার মতে জামিনদারের ওপর এই আপস জায়েয এবং যার ওপর খাদ্য সরবরাহ আবশ্যক তার ওপর এই আপসের কারণে কোনো কিছু অনিবার্য হবে না। বরং তার ওপর অনুরূপ খাদ্যই আবশ্যক থাকবে যা সে জামিনদারকে ফেরত দেবে। এটি সেই ব্যক্তির মতো যে অন্য কারো এক হাজার দিরহামের জামিন হলো, অতঃপর সে তার সাথে একজন খাদেম বা পোশাকের বিনিময়ে আপস করল; এক্ষেত্রে আপস জায়েয হবে এবং জামিনদার যার পক্ষ থেকে জামিন হয়েছে তার নিকট হতে এক হাজার দিরহাম ফেরত পাবে।

 

52 - যখন দুই ব্যক্তি কোনো এক ব্যক্তির নিকট খাদ্যের সালম চুক্তি করে এবং তাদের একজন মূলধনের বিনিময়ে আপস করে আর অন্যজন তা অনুমোদন করতে অস্বীকার করে, তবে এই আপস বৈধ হবে না; কারণ এটি হতে পারে না যে একজনের জন্য থাকবে দিরহাম আর অন্যজনের জন্য খাদ্য। তবে যদি অংশীদার তাতে সন্তুষ্ট হয় তবে তা কার্যকর হবে।
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ১৬)
ما أخذ الآخر من رأس المال وما بقي من الطعام بينهما وهذا قول أبي حنيفة ومحمد

وقال أبو يوسف أما أنا فأرى الصلح جائزا على الذي صالح وإن أبى شريكه كان للذي صالح رأس ماله وكان لشريكه طعامه على حاله فإن توى رجع على شريكه بنصف ما أخذ وهو بمنزلة رجلين لهما على رجل مائة درهم فصالحه أحدهما من حصته على ثوب وأبى الآخر أن يرضى فالمصالح الثوب وللآخر خمسون درهما على المطلوب فإن تويت فله أن يدخل مع صاحب الثوب في الثوب فيكون له نصفه إلا أن يرضى صاحب الثوب أن يرد عليه خمسة وعشرين درهما ولا يكون له من الثوب شيء والخيار في ذلك إلى صاحب الثوب وكذلك هذا في الكر السلم

 

53 - وإذا أسلم الرجل إلى الرجل دراهم في طعام فصالحه على رأس ماله ثم أراد أن يشتري برأس ماله منه بيعا قبل أن يقبضه فلا خير في ذلك ولا ينبغي له أن يشتري شيئا ولا يأخذ إلا سلمه بعينه أو رأس ماله بلغنا ذلك عن إبراهيم النخعي
অন্য অংশীদার মূলধনের যা গ্রহণ করেছে এবং অবশিষ্ট যা খাদ্য রয়েছে তা তাদের উভয়ের মাঝে [বণ্টন হবে]। এটি ইমাম আবু হানিফা ও ইমাম মুহাম্মদের অভিমত।

ইমাম আবু ইউসুফ বলেন, আমার মতে যার সাথে আপস করা হয়েছে তার ওপর সেই আপস বৈধ। যদি তার অংশীদার তা অস্বীকার করে, তবে যে আপস করেছে তার জন্য তার মূলধন থাকবে এবং তার অংশীদারের জন্য তার খাদ্য তার অবস্থায় বহাল থাকবে। আর যদি তা নষ্ট হয়ে যায়, তবে সে তার অংশীদারের নিকট ফিরে গিয়ে যা সে গ্রহণ করেছে তার অর্ধেক দাবি করবে। এটি সেই দুই ব্যক্তির মতো যাদের এক ব্যক্তির নিকট একশ দিরহাম পাওনা রয়েছে। তাদের একজন তার অংশের বিনিময়ে একটি কাপড়ের ওপর আপস করল এবং অন্যজন তাতে রাজি হতে অস্বীকৃতি জানাল। এমতাবস্থায় যে আপস করেছে কাপড়টি তার হবে এবং অন্যজনের জন্য দেনাদারের নিকট পঞ্চাশ দিরহাম পাওনা থাকবে। যদি তা নষ্ট হয়ে যায়, তবে কাপড়ের মালিকের সাথে কাপড়ে অংশীদার হওয়ার অধিকার তার থাকবে, ফলে সে কাপড়ের অর্ধেকের মালিক হবে; যদি না কাপড়ের মালিক তাকে পঁচিশ দিরহাম ফেরত দিতে রাজি হয় এবং কাপড়ে তার আর কোনো অংশ না থাকে। এক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কাপড়ের মালিকের। সালাম চুক্তিতে এক কুর খাদ্যের ক্ষেত্রেও হুকুম একই।

 

৫৩ - যদি কোনো ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির নিকট দিরহামের বিনিময়ে খাদ্যের সালাম (অগ্রিম ক্রয়) চুক্তি করে, অতঃপর সে তার মূলধনের ওপর আপস করে, তারপর সেই মূলধন হস্তগত করার আগেই তা দিয়ে তার নিকট থেকে কোনো কিছু ক্রয় করতে চায়, তবে তাতে কোনো কল্যাণ নেই। তার জন্য অন্য কিছু ক্রয় করা উচিত নয় এবং নির্দিষ্ট সালাম পণ্য অথবা মূলধন ছাড়া অন্য কিছু গ্রহণ করা সমীচীন নয়। ইবরাহিম নাখয়ি থেকে আমাদের নিকট এই বর্ণনা পৌঁছেছে।
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ১৭)
54 - وإذا أسلم الرجل إلى الرجل دراهم في طعام ودنانير في طعام قد علم وزن الذهب ولم يعلم وزن الدراهم فلا خير في هذا حتى يعلم وزنهما جميعا وهذا قول أبي حنيفة

وقال أبو يوسف ومحمد هو جائز

 

55 - وإذا أسلم الرجل إلى الرجل عشرة دراهم في ثوبين يهوديين إلى أجل معلوم واشترط طولا معلوما وعرضا معلوما ورقعة معلومة فهو جائز ولا يضره أن لا يسمي رأس مال كل واحد منهما على حدة وأكره له أن يبيع واحدا منهما مرابحة على خمسة دراهم لأنه إنما يقومها بالظن والحزر ولا بأس أن يبيعهما جميعا مرابحة على عشرة دراهم وهذا قول أبي حنيفة

وقال أبو يوسف ومحمد لا بأس بأن يبيع أحدهما مرابحة على خمسة دراهم
৫৪ - যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির নিকট খাদ্যের বিনিময়ে দিরহাম এবং খাদ্যের বিনিময়ে দিনার অগ্রিম প্রদান (সালাম) করে, এমতাবস্থায় স্বর্ণের ওজন জানা আছে কিন্তু দিরহামের ওজন জানা নেই, তবে উভয়ের ওজন জানা না হওয়া পর্যন্ত এতে কোনো কল্যাণ নেই। এটি ইমাম আবু হানিফার অভিমত।

ইমাম আবু ইউসুফ ও ইমাম মুহাম্মদ বলেন, এটি বৈধ।

 

৫৫ - যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির নিকট নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য, নির্দিষ্ট প্রস্থ এবং নির্দিষ্ট বুননের শর্তে দশ দিরহামের বিনিময়ে দুটি ইয়াহুদি পোশাকের অগ্রিম মূল্য (সালাম) প্রদান করে, তবে তা বৈধ। আর এগুলোর প্রতিটির মূলধন পৃথকভাবে উল্লেখ না করা তার জন্য ক্ষতিকর হবে না। তবে আমি তার জন্য এটি অপছন্দ করি যে, সে এগুলোর একটিকে পাঁচ দিরহামের ভিত্তিতে লাভসহ (মুরাবাহা) বিক্রি করবে; কারণ সে কেবল ধারণা ও অনুমানের ভিত্তিতে এর মূল্য নির্ধারণ করছে। তবে দশ দিরহামের ভিত্তিতে উভয়টিকে একত্রে লাভসহ (মুরাবাহা) বিক্রি করাতে কোনো দোষ নেই। এটি ইমাম আবু হানিফার অভিমত।

ইমাম আবু ইউসুফ ও ইমাম মুহাম্মদ বলেন, এগুলোর একটিকে পাঁচ দিরহামের ভিত্তিতে লাভসহ (মুরাবাহা) বিক্রি করাতে কোনো অসুবিধা নেই।
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ১৮)
56 - وإذا أسلم الرجل عشرة دراهم في ثوب يهودي وثوب سابري ولم يسم رأس مال كل واحد منهما فالسلم فاسد وليس هذا كالثوبين اليهوديين لأن هذين من صنفين مختلفين وذلك من صنف واحد

وقال أبو يوسف هو جائز

 

57 - وإذا أسلم الرجل إلى الرجل دراهم في شيء يجوز فيه السلم ثم تفرقا قبل أن يقبض الذي أسلم إليه الدراهم فإن السلم فاسد

 

58 - ولا بأس بالسلم في المسوح والأكسية والعباء والكرابيس إذا اشترطت طولا معلوما وغرضا معلوما وأجلا معلوما ورقعة معلومة من صنف معروف

 

59 - ولا بأس بالرهن والكفيل في السلم بلغنا ذلك عن إبراهيم النخعي

وبلغنا عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه اشترى من يهودي طعاما بنسيئة ورهنه درعه
৫৬ - যদি কোনো ব্যক্তি একটি ইয়াহুদী কাপড় এবং একটি সাবিরী কাপড়ের বিনিময়ে দশ দিরহাম অগ্রিম (সালাম) প্রদান করে এবং সে এগুলোর প্রতিটির মূলধন (মূল্য) পৃথকভাবে নির্দিষ্ট না করে, তবে সালাম চুক্তি ফাসিদ। এটি দুটি ইয়াহুদী কাপড়ের মতো নয়; কারণ এই দুটি ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত, আর সেগুলো ছিল একই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।

আবু ইউসুফ বলেন, এটি বৈধ।

 

৫৭ - যদি কোনো ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তিকে এমন কোনো জিনিসের বিনিময়ে দিরহাম অগ্রিম প্রদান করে যাতে সালাম চুক্তি বৈধ, অতঃপর যাকে দিরহাম প্রদান করা হয়েছে সে দিরহাম গ্রহণ করার পূর্বেই তারা একে অপরের থেকে পৃথক হয়ে যায়, তবে সালাম চুক্তি ফাসিদ।

 

৫৮ - মোটা পশমি কাপড়, চাদর, আলখাল্লা এবং সুতি কাপড়ে সালাম চুক্তি করাতে কোনো অসুবিধা নেই; যদি তাতে নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য, নির্দিষ্ট প্রস্থ, নির্দিষ্ট মেয়াদ এবং সুপরিচিত শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত নির্দিষ্ট পরিমাপের শর্ত করা হয়।

 

৫৯ - সালাম চুক্তিতে বন্ধক রাখা এবং জামিনদার নির্ধারণ করায় কোনো দোষ নেই। এটি আমাদের নিকট ইবরাহিম আন-নাখায়ি থেকে পৌঁছেছে।

আর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আমাদের নিকট পৌঁছেছে যে, তিনি জনৈক ইয়াহুদীর কাছ থেকে বাকিতে খাদ্যদ্রব্য ক্রয় করেছিলেন এবং তার নিকট নিজের বর্ম বন্ধক রেখেছিলেন।
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ১৯)
60 - وإذا أسلم الرجل في شيء من الثياب فاشترط طولا وعرضا بذراع رجل معروف فلا خير في ذلك ألا ترى أنه لو مات ذلك الرجل لم يدر صاحب السلم ما حقه

 

61 - وإذا اشترط كذا وكذا ذراعا فهو جائز وله ذراع وسط

 

62 - وإذا أسلم الرجل إلى الرجل في حرير واشترط وزنا معلوما ولم يشترط الطول والعرض فلا خير فيه ألا ترى أنه لا يدري ما أسلم فيه

 

63 - وإذا اشترط طولا وعرضا بفيمان غير الذراع فإن كان فيمانا معروفا من فيامين التجار فهو جائز وإن كان مجهولا فهو فاسد

 

64 - وإذا اشترط الرجل في سلمه ثوبا جيدا فأتاه الذي عليه الثوب بثوب ليعطيه إياه فقال رب السلم ليس هذا بجيد وقال الآخر هو جيد فإنه ينظر إلى رجلين عدلين من أهل تلك الصناعة فإن اجتمعا على أنه جيد مما يقع عليه اسم الجيد أجبره رب الثوب على أخذه وإن كان ليس بجيد لا يجبر رب السلم على أخذه

 

65 - وإن كان اشترط وسطا فأتاه الآخر بجيد فقال خذ هذا وزدني درهما فلا بأس بذلك إن فعله وكذلك لو أتاه بثوب أطول مما اشترط عليه أو أعرض فلا بأس بذلك إن فعله
৬০ - যদি কোনো ব্যক্তি কাপড়ের ক্ষেত্রে সালাম চুক্তি (অগ্রিম ক্রয়) করে এবং কোনো পরিচিত ব্যক্তির হাতের মাপে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের শর্তারোপ করে, তবে তাতে কোনো কল্যাণ নেই। আপনি কি দেখছেন না যে, যদি সেই ব্যক্তি মারা যায়, তবে সালামের মালিক (ক্রেতা) জানতে পারবে না যে তার পাওনা কী?

 

৬১ - আর যদি সে নির্দিষ্ট কয়েক হাত পরিমাণ হওয়ার শর্ত দেয়, তবে তা জায়েয এবং সে মধ্যম মানের হাতের মাপে পণ্য পাবে।

 

৬২ - যদি কোনো ব্যক্তি রেশমি কাপড়ের ক্ষেত্রে অন্য ব্যক্তির সাথে সালাম চুক্তি করে এবং নির্দিষ্ট ওজনের শর্ত দেয় কিন্তু দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের শর্ত না দেয়, তবে তাতে কোনো কল্যাণ নেই। আপনি কি দেখছেন না যে, সে কিসের ওপর সালাম চুক্তি করেছে তা স্পষ্ট নয়?

 

৬৩ - আর যদি সে 'হাত' ব্যতিরেকে অন্য কোনো পরিমাপক দ্বারা দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের শর্ত দেয়, তবে তা যদি ব্যবসায়ীদের নিকট পরিচিত কোনো পরিমাপক হয় তবে তা জায়েয। আর যদি তা অজ্ঞাত হয় তবে তা ফাসিদ (ত্রুটিপূর্ণ)।

 

৬৪ - যদি কোনো ব্যক্তি তার সালাম চুক্তিতে একটি উত্তম মানের কাপড়ের শর্ত দেয়, অতঃপর যার ওপর কাপড় প্রদান আবশ্যক সে তাকে দেওয়ার জন্য একটি কাপড় নিয়ে আসে এবং সালামের মালিক (ক্রেতা) বলে, "এটি উত্তম মানের নয়," আর অপরজন (বিক্রেতা) বলে, "এটি উত্তম মানের," তবে উক্ত পেশার সংশ্লিষ্ট দুইজন ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তির অভিমত গ্রহণ করা হবে। যদি তারা উভয়ে একমত হন যে এটি উত্তম মানের এবং তা 'উত্তম' সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত হয়, তবে কাপড় প্রদানকারী (বিক্রেতা) তাকে সেটি গ্রহণে বাধ্য করতে পারবে। আর যদি তা উত্তম মানের না হয়, তবে সালামের ক্রেতাকে তা গ্রহণে বাধ্য করা যাবে না।

 

৬৫ - আর যদি সে মধ্যম মানের শর্ত দিয়ে থাকে এবং অন্যজন তাকে উত্তম মানের কাপড় এনে দিয়ে বলে, "এটি গ্রহণ করুন এবং আমাকে অতিরিক্ত এক দিরহাম দিন," তবে সে তা করলে তাতে কোনো দোষ নেই। অনুরূপভাবে, যদি সে তাকে চুক্তিকৃত মাপের চেয়ে দীর্ঘতর বা প্রশস্ত কোনো কাপড় এনে দেয়, তবে সে তা করলে তাতে কোনো দোষ নেই।
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ২০)
66 - وإن كان شيئا مما يكال أو يوزن فأتاه بمثل ذلك الكيل الذي عليه غير أنه أجود مما اشترط فقال خذ هذا وزدني درهما لم يكن في هذا خير ولا يجوز ألا ترى أنه لا يصلح مختوم حنطة بمختوم حنطة وزيادة درهم وكذلك كل ما يكال أو يوزن فأما الثياب فلا بأس أن يأخذ ثوبا ويعطي مثله وزيادة درهم

 

67 - وإذا أسلم الرجل في ثوب قوهي فأتاه بثوب أطول منه على مثل رقعته أو مثل طوله غير أنه أجود منه فقال خذ هذا وزدني درهما فلا بأس بذلك لأن فضل ما بينهما درهم

 

68 - ولو أتاه بأنقص من ثوبه فقال خذ هذا وأرد عليك درهما من رأس مالك لم يجز هذا من قبل أنه لا يدري كم رأس مال ما أخذ وما ترك لأن الثوب مختلف

وكذلك في الطعام ولو أتاه بمثل طعامه في الكيل وهو دونه فقال خذ هذا وأرد عليك درهما كان ذلك باطلا لا يجوز

 

69 - وإذا اختلف الرجلان في السلم فقال الطالب شرطت لي
৬৬ - আর পণ্যটি যদি পরিমাপযোগ্য বা ওজনযোগ্য কোনো বস্তু হয়, আর সে তাকে সেই পরিমাণেরই পণ্য প্রদান করল যা তার জিম্মায় ছিল কিন্তু সেটি শর্তকৃত পণ্যের চেয়ে উন্নত মানের ছিল, অতঃপর সে বলল: "এটি গ্রহণ করুন এবং আমাকে অতিরিক্ত এক দিরহাম দিন", তবে এতে কোনো কল্যাণ নেই এবং তা জায়েয নয়। আপনি কি দেখছেন না যে, এক মোহরকৃত গমের বিনিময়ে এক মোহরকৃত গম এবং অতিরিক্ত এক দিরহাম দেওয়া সঠিক নয়? পরিমাপযোগ্য বা ওজনযোগ্য সকল বস্তুর ক্ষেত্রেও একই বিধান। তবে কাপড়ের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা নেই যে, সে একটি কাপড় গ্রহণ করবে এবং তার অনুরূপ একটি কাপড় ও অতিরিক্ত এক দিরহাম প্রদান করবে।

 

৬৭ - আর কোনো ব্যক্তি যদি 'কুহী' কাপড়ের জন্য সালাম (অগ্রিম ক্রয়) চুক্তি করে, এরপর সে তার কাছে চুক্তিকৃত কাপড়ের চেয়ে দীর্ঘতর কাপড় নিয়ে আসে যা একই প্রস্থের, অথবা সমদৈর্ঘ্যের কিন্তু উন্নত মানের কাপড় নিয়ে আসে এবং বলে: "এটি গ্রহণ করুন এবং আমাকে অতিরিক্ত এক দিরহাম দিন", তবে তাতে কোনো অসুবিধা নেই। কারণ তাদের মধ্যকার এই পার্থক্য হচ্ছে এক দিরহামের বিনিময়ে।

 

৬৮ - আর যদি সে চুক্তিকৃত কাপড়ের চেয়ে নিম্নমানের কাপড় নিয়ে আসে এবং বলে: "এটি গ্রহণ করুন এবং আমি আপনার মূলধন থেকে এক দিরহাম আপনাকে ফেরত দেব", তবে এটি জায়েয হবে না। এর কারণ হলো, যা গ্রহণ করা হলো এবং যা ছেড়ে দেওয়া হলো তার মূলধন কতটুকু তা জানা সম্ভব নয়, কারণ কাপড় ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। খাদ্যের ক্ষেত্রেও একই বিধান। আর যদি সে পরিমাপ অনুযায়ী সমপরিমাণ খাদ্য নিয়ে আসে কিন্তু তা মানের দিক থেকে নিম্ন হয় এবং বলে: "এটি গ্রহণ করুন এবং আমি আপনাকে এক দিরহাম ফেরত দেব", তবে তা বাতিল হবে এবং জায়েয হবে না।

 

৬৯ - আর যখন সালাম চুক্তির বিষয়ে দুই ব্যক্তি মতপার্থক্য করে এবং পাওনাদার বলে: "আপনি আমার জন্য শর্ত করেছিলেন..."
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ২১)
جيدا وقال المطلوب شرطته لك وسطا من صنف قد سميناه جميعا فالقول في ذلك قول المطلوب مع يمينه ويتحالفان ويترادان البيع إلا أن تقوم للطالب البينة فيؤخذ بينته

 

70 - وإذا اختلف الطالب والمطلوب فقال الطالب أسلمت إليك في كر حنطة وقال المطلوب أسلمت إلي في كر شعير أو قال الطالب في ثوب قوهى وقال المطلوب في ثوب يهودي ولا بينة بينهما فإنهما يترادان السلم ويأخذ الطالب رأس ماله بعد أن يحلف كل واحد منهما على دعوى صاحبه فالذي يبدأ به في الحلف المطلوب وهذا قول أبي يوسف الأول ثم قال بعد ذلك الذي يبدأ به باليمين الطالب وهو قول محمد وزفر

فإن قامت لهما بينة جميعا على ما ادعيا أخذت بينة الطالب لأنه هو المدعي وهو قول أبي يوسف وقال محمد يأخذ بالبينتين جميعا ويجعلهما سلمين فإن كانا لم يفترقا قضى على رب السلم بثمنين وقضى على المسلم إليه بالحنطة والشعير جميعا

 

71 - فإن لم يختلفا في السلم ولكنهما اختلفا في المكان الذي يوفيه فيه فقال الطالب شرطت لي مكان كذا وكذا وقال المطلوب
উন্নত মানের এবং বিবাদী বলল যে, আমি তোমার জন্য এমন এক মধ্যম মানের শর্ত করেছি যে শ্রেণিটি আমরা উভয়েই নির্ধারণ করেছি, এমতাবস্থায় বিবাদীর কথা তার শপথসহ গ্রহণযোগ্য হবে। তারা উভয়েই শপথ করবে এবং বিক্রয়টি বাতিল করে একে অপরের মাল ফেরত দেবে, যতক্ষণ না দাবিকারীর নিকট কোনো সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে। যদি সে সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করে, তবে তার সাক্ষ্যই গ্রহণ করা হবে।

 

৭০ - যদি দাবিকারী ও বিবাদী মতবিরোধ করে—দাবিকারী বলল, আমি তোমার নিকট এক 'কুর' গমের সালাম (অগ্রিম ক্রয়) চুক্তি করেছি, আর বিবাদী বলল, তুমি আমার নিকট এক 'কুর' যবের সালাম চুক্তি করেছ; অথবা দাবিকারী বলল 'কুহী' কাপড়ের ক্ষেত্রে, আর বিবাদী বলল 'ইয়াহুদী' কাপড়ের ক্ষেত্রে; এবং তাদের কারোর নিকট সাক্ষ্য-প্রমাণ না থাকে, তবে তারা সালাম চুক্তিটি বাতিল করে দিবে এবং দাবিকারী তার মূলধন ফেরত নিবে। তবে তার আগে তাদের প্রত্যেকেই অপরজনের দাবির বিপরীতে শপথ করবে। শপথ গ্রহণের ক্ষেত্রে যাকে দিয়ে শুরু করা হবে সে হলো বিবাদী—এটি ইমাম আবু ইউসুফের প্রথম অভিমত। এরপর তিনি বলেছেন, শপথ দাবিকারীকে দিয়ে শুরু করা হবে এবং এটি ইমাম মুহাম্মদ ও ইমাম যুফারের অভিমত।

যদি তাদের উভয়ের দাবির স্বপক্ষেই সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে, তবে দাবিকারীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, কারণ সেই হলো প্রকৃত দাবিদার এবং এটি ইমাম আবু ইউসুফের অভিমত। ইমাম মুহাম্মদ বলেন, উভয় সাক্ষ্যই গ্রহণ করা হবে এবং সেগুলোকে দুটি সালাম চুক্তি হিসেবে গণ্য করা হবে। এমতাবস্থায় তারা যদি মজলিস থেকে বিচ্ছিন্ন না হয়ে থাকে, তবে সালাম প্রদানকারীর ওপর দুইবার মূল্য প্রদানের এবং পণ্য সরবরাহকারীর ওপর গম ও যব উভয়টিই প্রদানের ফয়সালা দেওয়া হবে।

 

৭১ - যদি তারা সালাম চুক্তির বিষয়ে মতবিরোধ না করে কিন্তু হস্তান্তরের স্থান নিয়ে মতবিরোধ করে—দাবিকারী বলল, তুমি আমার জন্য অমুক অমুক স্থানের শর্ত করেছিলে, আর বিবাদী বলল...
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ২২)
بل شرطت لك مكان كذا وكذا لمكان آخر وليست بينهما بينة فالقول قول المطلوب مع يمينه فإن قامت لهما بينة على ما قالا أخذت بينة الطالب لأنه يدعي

 

72 - ولو أنهما لم يختلفا في المكان ولكنهما اختلفا في الأجل فقال الطالب شرطت لي كذا وكذا من الأجل وقد حل الأجل وقال المطلوب بل شرطت لي كذا وكذا من الأجل أبعد من ذلك ولم يحل ذلك بعد فالقول قول الطالب مع يمينه بالله على ذلك ولو قامت لهما بينة أخذت ببينة المطلوب لأنه المدعي

 

73 - وقال أبو يوسف ومحمد إذا اختلفا في المكان الذي يوفيه فيه السلم فانهما يتحالفان ويترادان السلم
বরং আমি তোমার জন্য অন্য এক স্থানের স্থলে অমুক অমুক স্থানের শর্ত দিয়েছিলাম, এমতাবস্থায় তাদের মধ্যে কোনো প্রমাণ না থাকলে বিবাদীর কথাই তার শপথসহ গ্রহণযোগ্য হবে। আর যদি তাদের উভয়ের দাবির সপক্ষে প্রমাণ থাকে, তবে ফরিয়াদীর প্রমাণ গ্রহণ করা হবে, কারণ সে দাবি করছে।

 

৭২ - আর যদি তারা স্থানের ব্যাপারে মতভেদ না করে বরং মেয়াদের ব্যাপারে মতভেদ করে, যেখানে ফরিয়াদী বলে: আপনি আমার জন্য অমুক অমুক মেয়াদের শর্ত দিয়েছিলেন এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে; আর বিবাদী বলে: বরং আপনি আমার জন্য এর চেয়ে দীর্ঘতর মেয়াদের শর্ত দিয়েছিলেন যা এখনো উত্তীর্ণ হয়নি; এমতাবস্থায় আল্লাহর নামে শপথসহ ফরিয়াদীর কথাই গ্রহণযোগ্য হবে। আর যদি তাদের উভয়ের প্রমাণ থাকে, তবে বিবাদীর প্রমাণ গ্রহণ করা হবে, কারণ সে-ই দাবিদার।

 

৭৩ - আর ইমাম আবু ইউসুফ ও ইমাম মুহাম্মদ বলেছেন: যখন তারা সেই স্থানের ব্যাপারে মতভেদ করবে যেখানে সালাম চুক্তির পণ্য বুঝিয়ে দিতে হবে, তখন তারা উভয়ে শপথ করবে এবং সালাম চুক্তিটি বাতিল করবে।
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ২৩)
74 - وإذا اختلفا في الأجل فقال الطالب أجلتك شهرا وقد مضى وقال المطلوب لم يمض بعد إنما أخذت السلم منك الساعة ولا بينة بينهما فالقول في ذلك قول المطلوب مع يمينه وعلى الطالب البينة فإن قامت لهما بينة أخذت بينة المطلوب لأن شهوده قد أكذبوا الطالب حيث ادعى أنه أجله شهرا وقد مضى ولأن المطلوب هو المدعي للفضل ههنا فالقول ههنا قوله والبينة بينته

 

75 - وإذا اختلفا في الأجل فقال أحدهما لم يكن له أجل وقال الآخر بلى قد كان له أجل فالقول قول الذي زعم أن له أجلا أيهما ما كان ولا يصدق الآخر لأنه يريد أن يفسد السلم فلا يصدق على إفساده

وأما في القياس فإنه ينبغي أن يكون القول قول الذي قال ليس له أجل وأن يكون السلم فاسدا وعلى الذي يدعي أجلا البينة وهو قول أبي يوسف ومحمد إذا كان الذي يقول ذلك الذي له السلم

 

76 - وإذا قبض صاحب السلم رأس ماله وتتاركا ثم اختلفا في رأس المال فقال المطلوب إن رأس مالك خمسة دراهم وقال الطالب بل كان رأس مالي عشرة دراهم فإن القول في ذلك 24
৭৪ - এবং যদি তারা মেয়াদের বিষয়ে মতভেদ করে; অতঃপর ক্রেতা বলে: "আমি তোমাকে এক মাসের মেয়াদ দিয়েছিলাম এবং তা অতিবাহিত হয়েছে," এবং বিক্রেতা বলে: "তা এখনো অতিবাহিত হয়নি, বরং আমি এইমাত্র আপনার নিকট থেকে সালাম গ্রহণ করেছি" এবং তাদের কারোরই প্রমাণ না থাকে, তবে এক্ষেত্রে বিক্রেতার কথা তার শপথসহ গ্রহণযোগ্য হবে এবং ক্রেতার ওপর প্রমাণের দায়িত্ব থাকবে। যদি উভয়েই প্রমাণ পেশ করে, তবে বিক্রেতার প্রমাণ গ্রহণ করা হবে; কারণ তার সাক্ষীরা ক্রেতাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে যখন সে দাবি করেছিল যে সে এক মাসের মেয়াদ দিয়েছিল এবং তা অতিবাহিত হয়েছে। আর যেহেতু বিক্রেতা এখানে মেয়াদের আধিক্যের দাবিদার, তাই এক্ষেত্রে বক্তব্য তারই এবং প্রমাণও তারই।

 

৭৫ - এবং যদি তারা মেয়াদের বিষয়ে মতভেদ করে; অতঃপর তাদের একজন বলে: "এর কোনো মেয়াদ ছিল না" এবং অন্যজন বলে: "অবশ্যই এর মেয়াদ ছিল," তবে যে ব্যক্তি মেয়াদের দাবি করছে তার কথাই গ্রহণযোগ্য হবে, সে তাদের মধ্যে যে কেউ হোক না কেন। আর অপরজনকে সত্যবাদী গণ্য করা হবে না, কারণ সে সালাম চুক্তিটিকে বাতিল করতে চাচ্ছে, সুতরাং চুক্তি বাতিলের বিষয়ে তাকে সত্যবাদী গণ্য করা হবে না।

আর কিয়াসের দাবি হলো, যে ব্যক্তি বলছে যে মেয়াদ নেই তার কথাই গ্রহণযোগ্য হওয়া এবং সালাম চুক্তিটি ফাসিদ হওয়া, আর যে মেয়াদের দাবি করছে তার ওপর প্রমাণের দায়িত্ব থাকা। আর এটি আবু ইউসুফ ও মুহাম্মাদ-এর অভিমত, যখন এই কথাটি সেই ব্যক্তি বলে যার সালাম প্রাপ্য।

 

৭৬ - এবং যদি সালামের অধিকারী ব্যক্তি তার মূলধন কব্জা করে নেয় এবং তারা একে অপরকে দায়মুক্ত করে দেয়, অতঃপর তারা মূলধনের ব্যাপারে মতভেদ করে; বিক্রেতা বলল: "আপনার মূলধন ছিল পাঁচ দিরহাম" এবং ক্রেতা বলল: "বরং আমার মূলধন ছিল দশ দিরহাম," তবে এই ক্ষেত্রে বক্তব্য হলো ২৪
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ২৪)
قول المطلوب مع يمينه فإن قامت للطالب بينة على ما يدعي من الفضل أخذ له بذلك

وإذا تتاركا السلم فقال المطلوب كان رأس مالك هذا الثوب وقال الطالب بل كان رأس مالي عشرة دراهم أو دينار أو ثوب هو أجود من هذا فإن القول في ذلك قول المطلوب مع يمينه إلا أن يقوم للطالب بينة على ما يدعي فيؤخذ له بدعواه

 

77 - وإذا أسلم الرجل إلي الرجل دراهم فوجد فيها درهما زائفا بعد ما افترقا به فإنه ينبغي في القياس أن يرد الدرهم ويبطل من السلم بحساب ذلك فإن أنكر رب السلم أن يكون ذلك من دراهمه فالقول قول المطلوب المسلم إليه مع يمينه وعلى الطالب البينة إنه أعطاه جيادا في قول أبي حنيفة

وقال أبو يوسف ومحمد يستبدله إذا كان زائفا إذا أقر به صاحبه ولا ينتقض وليس ينبغي أن يفترقا

 

78 - فإذا أسلم إليه حتى يقبض رأس المال فإن افترقا قبل أن يقبض رأس المال فالسلم فاسد لا يكون دينا 25
বিবাদীর বক্তব্য তার শপথসহ গ্রহণ করা হবে। আর যদি দাবিদার তার দাবিকৃত অতিরিক্ত পরিমাণের ওপর প্রমাণ পেশ করতে পারে, তবে সে অনুযায়ী তার পক্ষে ফয়সালা দেওয়া হবে।

যদি তারা সালাম চুক্তি বাতিল করে দেয় এবং বিবাদী বলে, ‘আপনার পুঁজি ছিল এই কাপড়টি’, আর দাবিদার বলে, ‘বরং আমার পুঁজি ছিল দশ দিরহাম বা এক দিনার অথবা এমন একটি কাপড় যা এর চেয়ে উন্নত’, তবে এক্ষেত্রে বিবাদীর কথা তার শপথসহ গ্রহণ করা হবে। তবে যদি দাবিদার তার দাবির পক্ষে প্রমাণ পেশ করতে পারে, তবে তার দাবি অনুযায়ী তার পক্ষে ফয়সালা হবে।

 

৭৭ - যদি কোনো ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তির নিকট দিরহাম অগ্রিম প্রদান (সালাম) করে এবং তারা পৃথক হওয়ার পর তাতে কোনো জাল দিরহাম পাওয়া যায়, তবে কিয়াসের দাবি হলো যে, দিরহামটি ফেরত দিতে হবে এবং সেই পরিমাণ সালাম চুক্তি বাতিল হয়ে যাবে। আর যদি সালামের পুঁজি প্রদানকারী অস্বীকার করে যে এটি তার দেওয়া দিরহাম, তবে বিবাদী (যাকে পুঁজি দেওয়া হয়েছে) এর কথা তার শপথসহ গ্রহণ করা হবে। ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মতে, দাবিদারের ওপর প্রমাণ পেশ করার দায়িত্ব বর্তাবে যে সে তাকে ভালো মুদ্রা প্রদান করেছে।

ইমাম আবু ইউসুফ ও ইমাম মুহাম্মদ (র.) বলেন, যদি দিরহামটি জাল হয় এবং প্রদানকারী তা স্বীকার করে, তবে সে সেটি পরিবর্তন করে দেবে এবং চুক্তি বাতিল হবে না; আর তাদের জন্য তা পরিবর্তন না করে পৃথক হওয়া উচিত নয়।

 

৭৮ - যদি সে তার নিকট সালাম চুক্তি করে, তবে তাকে পুঁজি গ্রহণ করতে হবে; অতঃপর যদি তারা পুঁজি হস্তগত করার পূর্বেই পৃথক হয়ে যায়, তবে সালাম চুক্তিটি ফাসেদ হয়ে যাবে এবং তা ঋণ হিসেবে সাব্যস্ত হবে না ২৫।
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ২৫)
في دين إن أسلم إليه دراهم

 

79 - وإذا أسلم الرجل إلى رجل دراهم في شيء مما ذكرت لك إلى أجل معلوم وجعل للدراهم أجلا يعطيها إياه ثم افترقا فالسلم فاسد ولا يكون دينا في دين

 

80 - فإن أسلم إليه دراهم في طعام فقبض بعضا وأحال ببعض على آخر وبقي عنده بعض ثم تفرقا فإنما له من السلم بحساب ما قبض من المال فأما ما أحاله به أو بقي عنده لم ينقده إياه فلا خير فيه ويرجع رب السلم بالدراهم التي أحاله بها على المحتال عليه

 

81 - وإذا أسلم الرجل إلى الرجل جارية أو غلاما أو إبلا أو بقرا أو ثوبا من صنوف الثياب في شيء مما يكال أو يوزن واشترط 26
ঋণের বিনিময়ে যদি দিরহাম অগ্রিম প্রদান (সালাম) করা হয়

 

৭৯ - যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তিকে আপনার কাছে আমার উল্লেখ করা কোনো জিনিসের বিনিময়ে একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য দিরহাম অগ্রিম প্রদান করে এবং দিরহাম পরিশোধের জন্য একটি মেয়াদ নির্ধারণ করে যা সে তাকে দিবে, অতঃপর তারা (মুদ্রা হস্তান্তরের আগেই) পৃথক হয়ে যায়, তবে সেই সালাম চুক্তিটি বাতিল (ফাসিদ) এবং তা ঋণের বিপরীতে ঋণ হিসেবে গণ্য হবে না।

 

৮০ - অতঃপর সে যদি খাদ্যের বিনিময়ে তাকে দিরহাম অগ্রিম প্রদান করে, এরপর তার কিছু অংশ সে হস্তগত করে এবং কিছু অংশের জন্য অন্য একজনের ওপর হাওয়ালা (পাওনা হস্তান্তরের নির্দেশ) করে দেয় আর কিছু অংশ তার কাছে রয়ে যায়, অতঃপর তারা পৃথক হয়ে যায়, তবে সে সালাম চুক্তির ততটুকু অংশই পাবে যতটুকু পরিমাণ অর্থ সে গ্রহণ করেছে। আর যা সে হাওয়ালা করেছে অথবা যা তার কাছে অবশিষ্ট রয়েছে যা সে তাকে নগদ প্রদান করেনি, তাতে কোনো কল্যাণ নেই (অর্থাৎ তা সহীহ হবে না)। আর সালামের মালিক (ক্রেতা) ওই দিরহামগুলো ফেরত পাওয়ার দাবি নিয়ে ফিরে আসবে যা সে মুহতাল আলাইহি (যার ওপর হাওয়ালা করা হয়েছিল) এর প্রতি হাওয়ালা করেছিল।

 

৮১ - আর যদি কোনো ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির নিকট কোনো দাসী, দাস, উট, গরু অথবা বিভিন্ন প্রকারের পোশাকের মধ্য থেকে কোনো পোশাক অগ্রিম প্রদান (সালাম) করে এমন কোনো জিনিসের বিনিময়ে যা পরিমাপ (কাইল) করা হয় বা ওজন করা হয় এবং শর্ত করে ২৬
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ২৬)
ما ذكرت لك من ذلك من الكيل المعلوم والأجل المعلوم وضربا من ذلك معلوما فهو جائز

 

82 - وكذلك إذا أسلم ثوبا قوهيا في ثوب مروي أو ثوبا هرويا في ثوب قوهي أو ثوبا يهوديا في ثوب زطي أو بت في طيلسان أو طيلسان في بت أو كساء من صوف في ثوب أو طيلسان أو ثوب كتان في ثوب قطن واشترط من ذلك ذرعا معلوما في العرض والطول والرقعة فهو جائز

وإن كان هذا قطنا كله أو كتانا فلا بأس بالسلم فيه لأن مختلف

 

83 - ولا بأس بالسلم في الكتان وزنا معلوما وكذلك القطن والقز والإبريسم ولا بأس في ذلك كله

 

84 - وإذا اشترط رب السلم أن يوفيه السلم في مدينة كذا وكذا أو في مصر كذا وكذا فقال رب السلم ادفعه إلى في ناحية كذا من المصر وقال المسلم إليه بل ادفعه إليك في ناحية أخرى ليس في تلك الناحية قال فحيث ما دفعه إليه الذي عليه السلم من ذلك المصر وتلك المدينة فذلك له وهو بريء وليس لرب السلم ما ادعى من ذلك 27
আমি আপনার নিকট যা উল্লেখ করেছি—নির্দিষ্ট মাপ, নির্দিষ্ট মেয়াদ এবং অনুরূপ নির্দিষ্ট প্রকার—তা বৈধ।

 

৮২ - অনুরূপভাবে, যখন কেউ একটি কুহী কাপড় একটি মারউই কাপড়ের বিনিময়ে অগ্রিম চুক্তি (সালাম) করে, অথবা একটি হারউই কাপড় একটি কুহী কাপড়ের বিনিময়ে, অথবা একটি ইয়াহুদী কাপড় একটি জুত্তি কাপড়ের বিনিময়ে, অথবা একটি বাত্ত (মোটা চাদর) একটি তাইলাসানের (চাদর) বিনিময়ে, অথবা একটি তাইলাসান একটি বাত্তের বিনিময়ে, অথবা পশমি চাদর কোনো সাধারণ কাপড়ের বা তাইলাসানের বিনিময়ে, অথবা পাটের কাপড় সুতি কাপড়ের বিনিময়ে অগ্রিম প্রদান করে এবং প্রস্থ, দৈর্ঘ্য ও কাপড়ের মান সুনির্দিষ্ট করে দেয়, তবে তা বৈধ।

আর যদি এর সবগুলোই তুলা অথবা পাটের হয়, তবে তাতে অগ্রিম চুক্তি (সালাম) করাতে কোনো সমস্যা নেই, কারণ এগুলোর ধরণ ভিন্ন ভিন্ন।

 

৮৩ - পাটের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ওজনে অগ্রিম চুক্তিতে কোনো বাধা নেই। তদ্রূপ তুলা, কাঁচা রেশম এবং মিহি রেশমের ক্ষেত্রেও; এই সব কিছুতেই অগ্রিম চুক্তি করা জায়েজ।

 

৮৪ - অগ্রিম পণ্যের ক্রেতা যদি শর্ত দেয় যে, তাকে পণ্যটি অমুক শহরে বা অমুক জনপদে বুঝিয়ে দিতে হবে, অতঃপর ক্রেতা বলে যে, পণ্যটি আমাকে শহরের অমুক অংশে বুঝিয়ে দাও, আর বিক্রেতা বলে যে, বরং আমি আপনাকে অন্য অংশে বুঝিয়ে দেব যা ক্রেতার উল্লিখিত অংশে নয়; এমতাবস্থায় বিক্রেতা ওই শহর বা জনপদের যেখানেই পণ্য বুঝিয়ে দেবে, তা তার জন্য সঠিক হবে এবং সে দায়মুক্ত হয়ে যাবে। ক্রেতা এই ক্ষেত্রে যে সুনির্দিষ্ট স্থানের দাবি করেছে তা তার জন্য কার্যকর হবে না। ২৭
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ২৭)
85 - ولا خير في السلم في المسابق والفراء إلا أن يشترط من ذلك شيئا معروف الطول والعرض والتقطيع والصفة فإن كان يعرف شيئا من هذا فهو جائز

 

86 - ولا خير في السلم بالحطب أو قارا ولا أحمالا لأن هذا مجهول غير معروف فلا خير فيه وكذلك كل سلم اشترط فيه أو قارا أو أحمالا فلا خير فيه

 

87 - وإذا اشترط على الرجل الذي عليه السلم أن يحمل السلم إلى منزل صاحب السلم بعد ما يوفيه إياه في المكان الذي اشترط فلا خير في السلم على هذا الشرط

 

88 - وإذا اشترط رب السلم في سلمه أن يوفيه إياه في منزله فلا بأس به وهذا حمله في القياس سواء غير أنا نأخذ في حمله إلى منزله بالقياس ونأخذ في هذا بالاستحسان

 

89 - ولا خير في السلم في الحطب عددا لأنه مجهول لا يعرف فيه الصغير والكبير 28
85 - পোশাক এবং পশমি চামড়ার ক্ষেত্রে সালাম চুক্তিতে কোনো কল্যাণ নেই, যদি না তার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, কর্তন এবং গুণাগুণ সুনির্দিষ্ট করার শর্ত করা হয়। যদি এগুলোর কোনো একটি নির্দিষ্টভাবে জানা থাকে, তবে তা বৈধ।

 

86 - জ্বালানি কাঠের ক্ষেত্রে স্তূপ বা বোঝার হিসাবে সালাম চুক্তিতে কোনো কল্যাণ নেই; কারণ এটি অজ্ঞাত এবং অস্পষ্ট। তাই এতে কোনো কল্যাণ নেই। অনুরূপভাবে প্রতিটি সালাম চুক্তি যাতে স্তূপ বা বোঝার শর্ত করা হয়, তাতে কোনো কল্যাণ নেই।

 

87 - যদি সালাম চুক্তিতে দায়বদ্ধ ব্যক্তির ওপর এই শর্তারোপ করা হয় যে, নির্ধারিত স্থানে পণ্য বুঝিয়ে দেওয়ার পর সে তা সালাম গ্রহীতার বাড়িতে পৌঁছে দেবে, তবে এই শর্তের ভিত্তিতে সালাম চুক্তিতে কোনো কল্যাণ নেই।

 

88 - যদি সালামের ক্রেতা তার সালাম চুক্তিতে এই শর্তারোপ করেন যে, বিক্রেতা তাকে তার বাড়িতেই পণ্য বুঝিয়ে দেবে, তবে তাতে কোনো দোষ নেই। কিয়াসের বিচারে পণ্য বহন করে নেওয়ার বিষয়টি একই রকম; তবে আমরা পণ্য বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে কিয়াস বর্জন করি এবং এই মাসআলায় ইসতিহসান গ্রহণ করি।

 

89 - সংখ্যার ভিত্তিতে জ্বালানি কাঠের সালাম চুক্তিতে কোনো কল্যাণ নেই; কারণ এটি অজ্ঞাত বিষয়, যার ছোট ও বড়র পার্থক্য নির্ধারণ করা যায় না।
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ২৮)
90 - ولا بأس بالسلم في الجبن والمصل إذا اشترط من ذلك ضربا معلوما وأجلا معلوما ومكانا معلوما يوفيه فيه

 

91 - ولا خير في السلم في القصيل ولا في الحشيش احمالا ولا أوقارا ولا حزما

 

92 - وإذا اختلف الرجلان في السلم فقال الذي أسلم أسلمت إليك في ثوب يهودي وقال الذي عليه السلم بل هو زطى وليس بينهما بينة فإن الذي عليه السلم يحلف بالله ما هو يهودي فإن نكل عن اليمين لزمه ثوب يهودي وإن حلف برئ وعلى الطالب أن يحلف بالله ما هو زطى على ما ادعى الآخر فإن نكل عن اليمين لزمه دعوى صاحبه وإن حلف برئ ورد عليه رأس ماله

وإن قامت لهما بينة أخذت بينة الطالب في قول آبي يوسف

 

93 - وإن اتفقا أنه ثوب يهودي غير أنهما اختلفا في الصفة فقال المطلوب طوله خمسة أذرع في ثلاثة أذرع وقال الطالب بل هو ستة أذرع في ثلاثة أذرع واتفقا على ما سوى ذلك فإن هذا والأول في القياس سواء يتحالفان ويترادان السلم وبالقياس نأخذ 29
90 - পনির এবং ঘোল বা মসল-এর ক্ষেত্রে সালাম চুক্তিতে কোনো অসুবিধা নেই, যদি এর জন্য সুনির্দিষ্ট প্রকার, সুনির্দিষ্ট সময় এবং পণ্য হস্তান্তরের জন্য সুনির্দিষ্ট স্থান শর্ত হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।

 

91 - কাঁচা ঘাস (কাসীল) এবং শুকনো ঘাসের (হাশীশ) ক্ষেত্রে সালাম চুক্তিতে কোনো কল্যাণ নেই (অর্থাৎ তা বৈধ নয়), তা বোঝা হিসেবে হোক, ভার হিসেবে হোক বা আঁটি হিসেবেই হোক।

 

92 - যদি সালাম চুক্তির বিষয়ে দুই ব্যক্তি মতভেদ করে; ক্রেতা (যিনি অগ্রিম অর্থ প্রদান করেছেন) বলল: আমি আপনার নিকট ‘ইয়াহুদী’ কাপড়ের জন্য সালাম চুক্তি করেছি, আর বিক্রেতা (যার ওপর সালামের দায়বদ্ধতা রয়েছে) বলল: না বরং তা ‘জুততী’ কাপড়, এবং তাদের কারো কাছেই কোনো প্রমাণ নেই; তবে বিক্রেতা আল্লাহর নামে কসম খাবে যে তা ইয়াহুদী কাপড় নয়। যদি সে কসম খেতে অস্বীকার করে, তবে তার ওপর ইয়াহুদী কাপড় প্রদান করা অবধারিত হবে। আর যদি সে কসম খায় তবে সে দায়মুক্ত হবে। এমতাবস্থায় ক্রেতার ওপর দায়িত্ব হবে আল্লাহর নামে কসম খাওয়া যে, অপরজন যা দাবি করেছে তা জুততী কাপড় নয়। যদি সে কসম খেতে অস্বীকার করে, তবে তার সঙ্গীর দাবি তার ওপর অবধারিত হবে। আর যদি সে কসম খায়, তবে সে দায়মুক্ত হবে এবং তার মূলধন তাকে ফেরত দেওয়া হবে।

আর যদি উভয়ের পক্ষেই প্রমাণ (বাইনাহ) থাকে, তবে ইমাম আবু ইউসুফ (র.)-এর মতানুসারে ক্রেতার প্রমাণ গ্রহণ করা হবে।

 

93 - আর যদি তারা একমত হয় যে তা ইয়াহুদী কাপড়, কিন্তু তারা গুণের বর্ণনায় মতভেদ করে; যেমন বিক্রেতা বলল: এর দৈর্ঘ্য পাঁচ হাত এবং প্রস্থ তিন হাত, আর ক্রেতা বলল: বরং তা দৈর্ঘ্য ছয় হাত এবং প্রস্থ তিন হাত, এবং এ ব্যতীত অন্য সব বিষয়ে তারা একমত হয়; তবে কিয়াসের (যৌক্তিক তুলনা) ক্ষেত্রে এই মাসআলাটি এবং পূর্বের মাসআলাটি সমান। তারা উভয়েই কসম খাবে এবং সালাম চুক্তিটি বাতিল করে একে অপরকে পণ্য ও অর্থ ফেরত দেবে। আর আমরা কিয়াস অনুযায়ী এটি গ্রহণ করি। ২৯
(খণ্ড: ১) আল-আসলু লি মুহাম্মাদ বিনিল হাসান - তাহকীক শাহাতাহ (পৃষ্ঠা: ২৯)
وأما الاستحسان فإنه ينبغي أن يكون القول ههنا قول المطلوب مع يمينه إلا أن يقوم للطالب بينة وبالقياس نأخذ

 

94 - وإذا اختلفا في السلم بعينه أو في رأس المال ولم يقبض رأس المال ولم يتفرقا فقال المسلم إليه أسلمت إلى هذه الجارية في مائة مختوم حنطة وقال رب السلم بل أسلمت إليك هذا العبد في مائتي مختوم حنطة وليس بينهما بينة فإنه يحلف كل واحد منهما على دعوى صاحبه ثم يترادان السلم وأيهما نكل عن اليمين لزمه دعوى صاحبه قبله

وإن قامت لهما بينة لزمته الجارية بمائة مختوم حنطة ولزمه العبد بمائتي مختوم حنطة

 

95 - ولا بأس بأن يسلم الحيوان في كل ما يكال أو يوزن ويذرع من الثياب إلى أجل معلوم ألا ترى أنه لا بأس ببيع الحيوان بالدراهم والدنانير إلى أجل معلوم

وكذلك لو أسلمت جارية في عشرة أكرار حنطة وشعير

 

96 - ولو أسلمت فيها عبدا أو دابة أو ثوبا كان ذلك جائزا ولا يضرك أن لا يسمى رأس مال الحنطة من ذلك ولا رأس مال الشعير

 

97 - ولو أسلمت ثوبا في عشرة أكرار حنطة وشعير ولم يسم رأس 30
আর ইস্তিহসানের ক্ষেত্রে সঙ্গত হলো, এখানে দাবিদাতার নিকট কোনো প্রমাণ না থাকলে শপথসহ বিবাদীর বক্তব্যই গ্রহণযোগ্য হবে, এবং আমরা কিয়াস অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি।

 

৯৪ - আর যদি তারা নির্দিষ্ট সালাম (অগ্রিম ক্রয়) চুক্তির বিষয়ে বা পুঁজির বিষয়ে মতভেদ করে এবং এখনো পুঁজি হস্তগত না হয়ে থাকে এবং তারা পৃথক না হয়; এমতাবস্থায় পণ্য সরবরাহকারী বলল: আমি এই দাসীর বিনিময়ে একশ মাখতূম গমের সালাম চুক্তি করেছি, আর সালাম দাতা বলল: বরং আমি তোমার নিকট এই দাসের বিনিময়ে দুইশ মাখতূম গমের সালাম চুক্তি করেছি, অথচ তাদের কারো কাছেই কোনো প্রমাণ নেই; তবে তাদের প্রত্যেকেই অপরের দাবির বিপরীতে শপথ করবে, অতঃপর তারা সালাম চুক্তিটি বাতিল করে একে অপরের মাল ফেরত দিবে। আর তাদের মধ্যে যে ব্যক্তি শপথ করতে অস্বীকার করবে, তার উপর অপর পক্ষের দাবি আবশ্যক হয়ে যাবে।

আর যদি উভয়েরই প্রমাণ থাকে, তবে একশ মাখতূম গমের বিনিময়ে দাসী এবং দুইশ মাখতূম গমের বিনিময়ে দাস তার জন্য আবশ্যক হবে।

 

৯৫ - আর নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য পরিমাপযোগ্য, ওজনযোগ্য কিংবা গজ মেপে বিক্রয়যোগ্য কাপড়ের বিনিময়ে পশুকে পুঁজি হিসেবে সালাম চুক্তি করাতে কোনো অসুবিধা নেই। আপনি কি দেখছেন না যে, নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য দিরহাম ও দিনারের বিনিময়ে পশু বিক্রয় করাতে কোনো বাধা নেই?

অনুরূপভাবে যদি দশ কোর গম ও যবের বিনিময়ে একটি দাসীকে সালামের পুঁজি হিসেবে প্রদান করা হয় (তবে তা জায়েজ হবে)।

 

৯৬ - আর যদি আপনি এতে কোনো দাস, চতুষ্পদ জন্তু বা কাপড়কে সালামের পুঁজি হিসেবে প্রদান করেন, তবে তা জায়েজ হবে। আর এতে গমের জন্য পুঁজির কতটুকু এবং যবের জন্য পুঁজির কতটুকু তা পৃথকভাবে উল্লেখ না করা আপনার জন্য কোনো ক্ষতির কারণ হবে না।

 

৯৭ - আর যদি আপনি দশ কোর গম ও যবের বিনিময়ে একটি কাপড়কে সালামের পুঁজি হিসেবে প্রদান করেন এবং পুঁজির নাম উল্লেখ না করেন ৩০