(খণ্ড: ১)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: -)
طليعة التنكيل وتعزيز الطليعة وشكر الترحيب - ضمن «آثار المعلمي» القسم: الفرق والردود
الكتاب: طليعة التنكيل وتعزيز الطليعة وشكر الترحيب
[آثار عبد الرحمن بن يحيى المعلمي اليماني (9)]
المؤلف: عبد الرحمن بن يحيى المُعَلِّمي اليماني (1313 - 1386 هـ)
المحقق: علي بن محمد العمران
راجعه: محمد أجمل الإصلاحي - عادل بن عبد الشكور الزرقي
الناشر: دار عالم الفوائد للنشر والتوزيع
الطبعة: الأولى، 1434 هـ
قدمه للشاملة: مؤسسة «عطاءات العلم»، جزاهم الله خيرا
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 10 شوّال 1442
তালিআতুত তানকীল ওয়া তায়যিযুত তালিআহ ওয়া শোকরুত তাসহিব - «আসারুল মুয়াল্লিমি» সিরিজের অন্তর্ভুক্ত বিভাগ: ফিরকা এবং খণ্ডনসমূহ
গ্রন্থ: তালিআতুত তানকীল ওয়া তায়যিযুত তালিআহ ওয়া শোকরুত তাসহিব
[আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমি আল-ইয়ামানির রচনাবলি (৯)]
লেখক: আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমি আল-ইয়ামানি (১৩১৩ - ১৩৮৬ হিজরি)
সম্পাদক: আলী বিন মুহাম্মদ আল-উমরান
পুনর্নিরীক্ষণ: মুহাম্মদ আজমাল আল-ইসলাহি - আদিল বিন আবদুশ শাকুর আল-জুরকি
প্রকাশক: দারু আলামিল ফাওয়ায়িদ পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩৪ হিজরি
শামেলার জন্য পেশ করেছেন: «আতাআতুল ইলম» ফাউন্ডেশন, আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দান করুন
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ১০ শাওয়াল ১৪৪২
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١)
طَلِيعةُ التَّنْكِيلِ
بِما في تَأنِيبِ الكَوْثَرِيِّ مِنَ الأباطِيلِ
تأليف
العلامة الشيخ عبد الرحمن بن يحيى المعلمي العتمي اليماني
رحمه الله تعالى
1312 - 1386
تحقيق
عليّ بن محمد العمران
তালিআতুত তানকিল
কাওসারীর ‘তানিবে’ বিদ্যমান বাতিল বিষয়সমূহের স্বরূপ উন্মোচন
রচনায়
আল্লামা শাইখ আব্দুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুআল্লিমী আল-আতামি আল-ইয়ামানি
আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন
১৩১২ - ১৩৮৬
তাহকীক
আলী বিন মুহাম্মাদ আল-উমরান
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٣)
[ص 2] بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
الحمد لله حمدًا كثيرًا طيبًا مباركًا فيه، وأشهد ألّا إله إلا الله وحده لا شريك له، وأن محمدًا عبده ورسوله، اللهم صل على محمد وعلى آل محمد، كما صليت على آل إبراهيم، وبارك على محمد وعلى آل محمد، كما باركت على آل إبراهيم، إنك حميد مجيد.
أما بعد، فإني وقفت على كتاب "تأنيب الخطيب" للأستاذ العلامة محمد زاهد الكوثري، الذي تعقَّب فيه ما ذكره الحافظ المحدث
(1) الخطيب البغدادي في ترجمة الإمام أبي حنيفة من "تاريخ بغداد"
(2) من الروايات عن الماضين في الغَضِّ من أبي حنيفة.
فرأيتُ الأستاذ تعدَّى ما يوافقه عليه أهلُ العلم من توقير أبي حنيفة وحُسْن الذبّ عنه إلى ما لا يرضاه عالم متثبِّت من المغالطات المضادّة للأمانة العلمية، ومن التخليط في القواعد، والطعن في أئمة السنة ونَقَلَتها، حتى تناول بعضَ أفاضل الصحابة والتابعين، والأئمة الثلاثة مالكًا والشافعي وأحمد وأضرابهم، وكبار أئمة الحديث وثقات نَقَلَته، والردّ لأحاديث صحيحة ثابتة، والعيب للعقيدة السلفية، وأساء في ذلك جدًّا حتى إلى الإمام أبي حنيفة نفسه، فإنه من [ص 3] يزعم أنه لا يتأتَّى الدفاع عن أبي حنيفة إلا بمثل ذلك الصنيع فساء ما يُثْني عليه
(3).
--------------------------------------------
[পৃষ্ঠা ২] পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য—প্রচুর, পবিত্র ও বরকতময় প্রশংসা। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসুল। হে আল্লাহ, আপনি মুহাম্মদের ওপর এবং মুহাম্মদের পরিবারের ওপর রহমত বর্ষণ করুন, যেমন আপনি ইব্রাহিমের পরিবারের ওপর রহমত বর্ষণ করেছেন। আর আপনি মুহাম্মদের ওপর এবং মুহাম্মদের পরিবারের ওপর বরকত দান করুন, যেমন আপনি ইব্রাহিমের পরিবারের ওপর বরকত দান করেছেন। নিশ্চয়ই আপনি অত্যন্ত প্রশংসিত ও মহিমান্বিত।
অতঃপর, আমি উস্তায আল্লামা মুহাম্মদ জাহিদ আল-কাওসারীর 'তানীবুল খাতিব' বইটি পড়েছি, যাতে তিনি হাফেজ মুহাদ্দিস
(১) আল-খাতিব আল-বাগদাদীর 'তারীখে বাগদাদ'
(২)-এ ইমাম আবু হানিফার জীবনীতে পূর্ববর্তীদের থেকে বর্ণিত ইমাম আবু হানিফার সমালোচনা সংক্রান্ত বর্ণনাগুলোর ওপর পর্যালোচনা করেছেন।
আমি দেখলাম যে, উস্তায (কাওসারী) ইমাম আবু হানিফার সম্মান প্রদর্শন এবং তাঁর পক্ষ থেকে উত্তমভাবে প্রতিরক্ষা করার মতো বিষয়গুলো—যাতে আলেম সমাজ তাঁর সাথে একমত—সেগুলোকে অতিক্রম করে এমন পর্যায়ে চলে গেছেন যা কোনো সুপ্রতিষ্ঠিত আলেম গ্রহণ করবেন না। এর মধ্যে রয়েছে বৈজ্ঞানিক আমানতদারিতার পরিপন্থী বিভ্রান্তি, মূলনীতির বিশৃঙ্খলা, এবং সুন্নাহর ইমাম ও তার বর্ণনাকারীদের ওপর আক্রমণ। এমনকি তিনি কিছু শ্রেষ্ঠ সাহাবী, তাবিঈ, এবং তিন ইমাম—মালিক, শাফেয়ী, আহমদ ও তাঁদের সমকক্ষদের—প্রতিও আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করেছেন। এছাড়াও তিনি হাদিসের বড় বড় ইমাম ও নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের সমালোচনা করেছেন, সহিহ ও সুসাব্যস্ত হাদিস প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং সালাফী আকিদাকে দোষারোপ করেছেন। এই কাজে তিনি চরম অসদাচরণ করেছেন, এমনকি স্বয়ং ইমাম আবু হানিফার প্রতিও। কারণ, যে ব্যক্তি [পৃষ্ঠা ৩] মনে করে যে ইমাম আবু হানিফার প্রতিরক্ষা এই ধরনের কাজ ছাড়া সম্ভব নয়, সে আসলে তাঁর প্রশংসা করতে গিয়ে অত্যন্ত মন্দ কাজই করেছে
(৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٤)
فدعاني ذلك إلى تعقُّب
(1) الأستاذ فيما تعدَّى فيه، فجمعتُ في ذلك كتابًا أسميته "التنكيل بما في تأنيب الكوثري من الأباطيل"، ورتبته على أربعة أقسام:
القسم الأول: في تحرير القواعد التي خَلَّط فيها الأستاذ.
الثاني: في تراجم الأئمة والرواة الذين طعن فيهم الأستاذ، وهم ثلاثمائة ونيّف، فيهم أنس بن مالك رضي الله عنه، وهشام بن عروة بن الزبير بن العوام، والأئمة الثلاثة، وفيهم الخطيب. وأدرجتُ في ذلك تراجم أفراد مطعون فيهم حاول توثيقهم، ورتبت التراجم على حروف المعجم.
الثالث: في الفقهيَّات، وهي مسائل انتُقِدت على أبي حنيفة وأصحابه، حاول الأستاذ الانتصار لمذهبه.
الرابع: في الاعتقاديات، ذكرتُ فيه الحُجّةَ الواضحةَ لصحة عقيدة أئمة الحديث إجمالًا. وعدة مسائل تعرَّض لها الأستاذ.
ولم أقتصر على مقصود التعقّب، بل حَرَصت على أن يكون الكتاب جامعًا لفوائد عزيزة في علوم السنة، مما يعين على التبحُّر والتحقيق فيها.
وحَرَصت على توخِّي الحق والعدل، واجتناب ما كرهته للأستاذ، خلا أن إفراطه في إساءة القول في الأئمة جَرَّأني على أن أصرِّح ببعض ما يقتضيه صنيعه. وأسأل الله تعالى التوفيق لي وله.
--------------------------------------------
এটি আমাকে উস্তাদের সেই সীমালঙ্ঘনমূলক বিষয়গুলোর পর্যালোচনার
(১) দিকে ধাবিত করেছে। ফলে আমি এ বিষয়ে একটি গ্রন্থ সংকলন করেছি যার নামকরণ করেছি "আত-তানকীল বিমা ফী তানিীবিল কাওসারী মিনাল আবাতীল", এবং আমি একে চারটি ভাগে বিন্যস্ত করেছি:
প্রথম ভাগ: সেই সকল মূলনীতি পর্যালোচনার ক্ষেত্রে যাতে উস্তাদ বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছেন।
দ্বিতীয় ভাগ: সেই সকল ইমাম ও বর্ণনাকারীদের জীবনী প্রসঙ্গে যাদেরকে উস্তাদ অভিযুক্ত করেছেন; তাঁরা সংখ্যায় তিন শতাধিক। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু), হিশাম ইবনে উরওয়াহ ইবনে যুবাইর ইবনুল আওয়াম, তিন ইমাম এবং খতীব। এছাড়া আমি এতে এমন কিছু বিতর্কিত ব্যক্তির জীবনীও অন্তর্ভুক্ত করেছি যাদেরকে তিনি নির্ভরযোগ্য সাব্যস্ত করার চেষ্টা করেছেন এবং আমি জীবনীগুলোকে বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজিয়েছি।
তৃতীয় ভাগ: ফিকহ সংক্রান্ত মাসআলাসমূহ, যা ইমাম আবু হানিফা ও তাঁর অনুসারীদের ওপর আপত্তি হিসেবে উত্থাপন করা হয়েছে এবং যেগুলোর ক্ষেত্রে উস্তাদ নিজ মাযহাবের সপক্ষে অবস্থানের চেষ্টা করেছেন।
চতুর্থ ভাগ: আকিদা সংক্রান্ত বিষয়ে; এতে আমি সামগ্রিকভাবে মুহাদ্দিস ইমামগণের আকিদার বিশুদ্ধতার পক্ষে সুস্পষ্ট প্রমাণাদি উল্লেখ করেছি এবং উস্তাদ উত্থাপিত বেশ কিছু বিষয়ের অবতারণা করেছি।
আমি কেবল পর্যালোচনার উদ্দেশ্যেই সীমাবদ্ধ থাকিনি, বরং আমি চেষ্টা করেছি গ্রন্থটি যেন সুন্নাহর ইলমের এমন কিছু দুর্লভ তথ্যে সমৃদ্ধ হয়, যা এই শাস্ত্রে গভীর জ্ঞান অর্জন ও গবেষণায় সহায়ক হবে।
আমি সত্য ও ন্যায়নিষ্ঠা বজায় রাখতে এবং উস্তাদের যে আচরণগুলো আমি অপছন্দ করতাম তা পরিহার করতে সচেষ্ট হয়েছি। তবে ইমামদের শানে তাঁর মাত্রাতিরিক্ত কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য আমাকে তাঁর কৃতকর্মের ফলস্বরূপ কিছু বিষয় স্পষ্টভাবে বলতে সাহসী করেছে। আমি মহান আল্লাহর কাছে আমার এবং তাঁর জন্য তাওফীক কামনা করছি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٥)
[ص 4] والكتاب على وشك التمام
(1)، وهذه "طليعة" له أُعَجّلها للقراء، شرحتُ فيها أمثلة من مغالطات الأستاذ ومجازفاته، وذلك أنواع:
- أ -
فمن أوابد الأستاذ: تبديل الرواة. يتكلَّم الأستاذ في الأسانيد التي يسوقها الخطيب طاعنًا في رجالها واحدًا واحدًا، فربما مرَّ به الرجل الثقة الذي لا يجد فيه طعنًا مقبولًا، فيفتِّش الأستاذ عن رجل آخر يوافق ذاك الثقة في الاسم واسم الأب ويكون مقدوحًا فيه، فإذا ظفر به زعم أنه هو الذي في السند
(2).
فمن أمثلة ذلك:
1، 2 - صالح بن أحمد، ومحمد بن أيوب.
قال الخطيب في "التاريخ" (13/ 394
(3) [412 - 413]): "أخبرنا محمد بن عيسى بن عبد العزيز البزاز بهمذان حدثنا صالح بن أحمد
--------------------------------------------
[পৃষ্ঠা ৪] এবং বইটি প্রায় সমাপ্তির পথে
(১), আর এটি হলো এর একটি "ভূমিকা" যা আমি পাঠকদের জন্য দ্রুত পেশ করছি। এতে আমি উস্তাদের বিভ্রান্তিকর যুক্তি ও দুঃসাহসিক ভুলসমূহের কিছু উদাহরণ ব্যাখ্যা করেছি, আর সেগুলো কয়েক প্রকারের:
- ক -
উস্তাদের আজব কাণ্ডকারখানার মধ্যে একটি হলো: বর্ণনাকারী পরিবর্তন করা। উস্তাদ খতীব কর্তৃক বর্ণিত সনদগুলোর বর্ণনাকারীদের সমালোচনা করতে গিয়ে একে একে সবার ভুল ধরেন। তো অনেক সময় এমন হয় যে, তিনি এমন একজন নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) বর্ণনাকারীর মুখোমুখি হন যার মধ্যে কোনো গ্রহণযোগ্য সমালোচনা খুঁজে পান না; তখন উস্তাদ এমন অন্য একজন ব্যক্তিকে খুঁজতে থাকেন যার নাম ও পিতার নাম সেই নির্ভরযোগ্য ব্যক্তির সাথে মিলে যায় অথচ সে ব্যক্তিটি সমালোচিত। যখন তিনি এমন কাউকে পেয়ে যান, তখন তিনি দাবি করেন যে এই ব্যক্তিই সেই বর্ণনাকারী যিনি সনদে রয়েছেন
(২)।
এর কিছু উদাহরণ হলো:
১, ২ - সালেহ বিন আহমাদ এবং মুহাম্মাদ বিন আইয়ুবখতীব "তারিখ" গ্রন্থে (১৩/ ৩৯৪
(৩) [৪১২ - ৪১৩]) বলেছেন: "আমাদেরকে হামাদানে মুহাম্মাদ বিন ঈসা বিন আব্দুল আজিজ আল-বাযযায সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট সালেহ বিন আহমাদ বর্ণনা করেছেন..."
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٦)
التميمي الحافظ حدثنا القاسم بن أبي صالح حدثنا محمد بن أيوب أخبرنا إبراهيم بن بشَّار قال: سمعت سفيان بن عيينة
… ".
تكلَّم الأستاذ في هذه الرواية (ص 97) من "التأنيب" فقال: "في سنده صالح بن أحمد التميمي، وهو ابن أبي مُقاتل القيراطي، هرويّ الأصل، ذكر الخطيب عن ابن حبان أنه كان يسرق الحديث
… ، والقاسم بن أبي صالح الحذَّاء ذهبت كتبه [ص 5] بعد الفتنة، فكان يقرأ من كتب الناس، وكُفّ بصره، [كما]
(1) قاله العراقي، ونقله ابن حجر في "لسان الميزان". ومحمد بن أيوب بن هشام الرازي كذَّبه أبو حاتم
… ، ولا أدري كيف يسوق الخطيب مثل ذلك الخبر بمثل ذلك السند المذكور؟ ولعل الله سبحانه طمس بصيرته، ليفضحه فيما يدَّعي أنه المحفوظ عند النقلة، بخذلانه المكشوف في كل خطوة".
أقول: أما صالح فصالح بن أحمد الواقع في السَّنَد موصوف في السَّند نفسه بأنه:
(1) تميمي.
(2) حافظ.
(3) يظهر أنه هَمَذاني لأن شيخه والراوي عنه همذانيان.
(4) يروي عن القاسم بن أبي صالح.
(5) يروي عنه محمد بن عيسى بن عبد العزيز.
(6) ينبغي بمقتضى العادة أن يكون توفِّي بعد القاسم بمدة.
(7) ينبغي بمقتضى العادة أن لا يكون بين وفاته ووفاة الراوي عنه مدة طويلة مما يندر مثله.
--------------------------------------------
আত-তামিমি আল-হাফিজ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আল-কাসিম ইবনে আবি সালিহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আইয়ুব আমাদের জানিয়েছেন, ইবরাহিম ইবনে বাশশার বলেছেন: আমি সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাকে বলতে শুনেছি
… "।
উস্তাদ "আত-তানিব" এর (৯৭ নং পৃষ্ঠায়) এই বর্ণনাটি নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং বলেছেন: "এর সনদে সালিহ ইবনে আহমাদ আত-তামিমি রয়েছে, আর তিনি হলেন ইবনে আবি মুকাতিল আল-কিরাতি, মূলত হিরাতের অধিবাসী। আল-খাতিব ইবনে হিব্বান থেকে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি হাদিস চুরি করতেন
… , আর আল-কাসিম ইবনে আবি সালিহ আল-হাফ্ফা এর কিতাবসমূহ ফিতনার পরে [৫ নং পৃষ্ঠা] হারিয়ে যায়, ফলে তিনি মানুষের কিতাব থেকে পড়তেন এবং তিনি অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন, [যেমনটি] আল-ইরাকি বলেছেন এবং ইবনে হাজার 'লিসানুল মিজান'-এ তা বর্ণনা করেছেন। আর মুহাম্মদ ইবনে আইয়ুব ইবনে হিশাম আর-রাজিকে আবু হাতিম মিথ্যাবাদী বলেছেন
… , আর আমি জানি না আল-খাতিব কীভাবে উল্লিখিত সনদের মাধ্যমে এই ধরণের সংবাদ বর্ণনা করেছেন? সম্ভবত আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তার অন্তর্দৃষ্টি বিলুপ্ত করে দিয়েছেন, যাতে তিনি বর্ণনাকারীদের কাছে যা সংরক্ষিত বলে দাবি করেন সে বিষয়ে তাকে অপদস্থ করা যায়, কারণ তার প্রতিটি পদক্ষেপে লাঞ্ছনা প্রকাশ্য হয়ে পড়েছে"।
আমি বলব: সালিহ এর ব্যাপারে কথা হলো, সনদে বিদ্যমান সালিহ ইবনে আহমাদকে খোদ এই সনদেই এভাবে বিশেষায়িত করা হয়েছে যে তিনি:
(১) তামিমি।
(২) হাফিজ।
(৩) স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে তিনি হামাদানি; কারণ তার শিক্ষক এবং তার থেকে বর্ণনাকারী উভয়ই হামাদানের অধিবাসী ছিলেন।
(৪) তিনি আল-কাসিম ইবনে আবি সালিহ থেকে বর্ণনা করেন।
(৫) তার থেকে মুহাম্মদ ইবনে ঈসা ইবনে আবদুল আজিজ বর্ণনা করেন।
(৬) সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী আল-কাসিমের মৃত্যুর বেশ কিছুকাল পরে তার ইন্তেকাল হওয়া উচিত।
(৭) সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী তার মৃত্যু এবং তার থেকে বর্ণনাকারীর মৃত্যুর মধ্যে এমন দীর্ঘ সময়ের ব্যবধান থাকা উচিত নয় যা বিরল ঘটনার পর্যায়ে পড়ে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٧)
وهذه الأوجه كلها منتفية في حق القيراطي، فلم يوصف بأنه تميمي، ولا بأنه حافظ وإن قيل: كان يُذكر بالحفظ، فإن هذا لا يستلزم أن يطلق عليه (الحافظ). ولم يُذكر أنه همذاني، بل ذكروا أنه هَرَوي الأصل سكن بغداد، ولم تُذْكَر له رواية عن القاسم
(1)، ولا لمحمد بن عبد العزيز رواية عنه
(2)، [والظاهر أنه جيءَ به إلى بغداد طفلًا، أو ولد بها؛ فإن في ترجمته من "تاريخ بغداد" ذكر جماعة من شيوخه وكلهم عراقيون من أهل بغداد والبصرة ونواحيها، أو ممن ورد على بغداد، وسماعه منه قديم، فمن شيوخه البغداديين: يعقوب الدورقي المتوفى سنة 252
(3)، ويوسف بن موسى القطان المتوفى 253، ومن البصريين: محمد بن يحيى بن أبي حزم القِطَعي المتوفى سنة 253، وصرّح الخطيب في ترجمة فَضْلك الرازي
(4) بأن ابن أبي مقاتل بغدادي، فلا شأن له من جهة السماع بهمذان ولا بهراة]
(5). وكانت وفاته سنة 316، أي قبل وفاة القاسم باثنتين وعشرين سنة، وقبل وفاة
--------------------------------------------
এই সকল দিকই কিরাতির ক্ষেত্রে অনুপস্থিত, তাই তাকে তামিমি হিসেবে বর্ণনা করা হয়নি এবং হাফিজ হিসেবেও নয়; যদিও বলা হয়েছে যে: তাকে মুখস্থ করার (হিফজ) গুণের কারণে স্মরণ করা হতো, তবে এটি তাকে 'হাফিজ' উপাধি দেওয়ার আবশ্যকতা রাখে না। এবং এটি উল্লেখ করা হয়নি যে তিনি হামদানি, বরং তারা উল্লেখ করেছেন যে তিনি মূলত হারাতের অধিবাসী এবং বাগদাদে বসবাস করতেন। কাসেম
(১) থেকে তাঁর কোনো বর্ণনা উল্লেখ করা হয়নি এবং মুহাম্মদ ইবন আবদুল আজিজেরও তাঁর
(২) থেকে কোনো বর্ণনা নেই। [এবং দৃশ্যত প্রতীয়মান হয় যে, তাঁকে শৈশবে বাগদাদে আনা হয়েছিল অথবা তিনি সেখানেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন; কারণ "তারিখে বাগদাদ"-এ তাঁর জীবনীতে তাঁর একদল শিক্ষকের উল্লেখ রয়েছে যাদের সকলেই ইরাকি—বাগদাদ, বসরা এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের অধিবাসী অথবা যারা বাগদাদে এসেছিলেন। এবং তাঁদের থেকে তাঁর হাদিস শ্রবণ অত্যন্ত প্রাচীন। তাঁর বাগদাদি শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন: ইয়াকুব আদ-দাওরাকি, যিনি ২৫২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন
(৩) এবং ইউসুফ ইবন মুসা আল-কাত্তান, যিনি ২৫৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। আর বসরাবাসীদের মধ্যে রয়েছেন: মুহাম্মদ ইবন ইয়াহইয়া ইবন আবি হাযম আল-কিতা'য়ি, যিনি ২৫৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। খতিব (আল-বাগদাদি) ফাযলক আর-রাযির জীবনীতে
(৪) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, ইবন আবি মুকাতিল হলেন বাগদাদি। সুতরাং শ্রবণ বা হাদিস গ্রহণের দিক থেকে হামদান বা হারাতের সাথে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই]
(৫)। এবং তাঁর মৃত্যু হয়েছিল ৩১৬ হিজরিতে, অর্থাৎ কাসেমের মৃত্যুর বাইশ বছর আগে এবং মৃত্যুর আগে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٨)
محمد بن عيسى بن عبد العزيز
(1) بمائة وأربع عشرة سنة
(2)، فكيف يروي محمد عمن مات قبله بأزيد من مائة سنة عمن مات بعد الشيخ باثنتين وعشرين سنة؟ !
[ص 6] ومن اطلع على "التأنيب" وغيره من مؤلفات الأستاذ عَلِم أنه لا يُؤتى من جهلٍ بطريق الكشف عن تراجم الرجال الواقعين في الأسانيد، ومعرفة كيف يُعلم انطباق الترجمة على المذكور في السند وعدم انطباقها، ولا يُؤتَى من بخلٍ بالوقت ولا سآمة للتفتيش، فلا بد أن يكون الأستاذ قد عرف أكثر هذه الوجوه إن لم نَقُل جميعَها، وبذلك عَلِم لا محالة أن صالح بن أحمد الواقع في السند ليس بالقيراطي، فيحمله ذلك على المواصلة للبحث، فيجد في "تاريخ بغداد"
(3) نفسه في الصفحة اليسرى التي تلي الصفحة التي فيها ترجمة القيراطي ــ وقد نقل الأستاذ عنها ــ يجد ثَمّة ترجمة رجل آخر "صالح بن أحمد بن محمد
… أبو الفضل التميمي الهمذاني قَدِم بغداد وحدَّث بها عن
… والقاسم بن بندار (وهو القاسم ابن أبي صالح كما في ترجمته من "لسان الميزان"
(4)، وقد نقل الأستاذ عنها) وكان حافظًا فهمًا ثقة ثبتًا
… ".
لهذا الحافظِ ترجمةٌ في "تذكرة الحفاظ" (3/ 181) وفيها في أسماء
--------------------------------------------
মুহাম্মদ বিন ঈসা বিন আবদুল আজিজ
(১) একশত চৌদ্দ বছর
(২), সুতরাং মুহাম্মদ কীভাবে তার নিকট থেকে বর্ণনা করবেন যিনি তার একশত বছরেরও বেশি সময় আগে মৃত্যুবরণ করেছেন, এবং যিনি শায়খের বাইশ বছর পরে মৃত্যুবরণ করেছেন?!
[পৃষ্ঠা ৬] আর যিনি "আত-তানিবি" এবং উস্তাদের অন্যান্য রচনা পাঠ করেছেন, তিনি জানেন যে, সনদে বিদ্যমান ব্যক্তিদের জীবনী অনুসন্ধান পদ্ধতি এবং কোনো জীবনী সনদে উল্লেখিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হওয়া বা না হওয়া জানার ক্ষেত্রে তিনি অজ্ঞ ছিলেন না। তিনি সময় ব্যয় করার ক্ষেত্রে কৃপণ ছিলেন না এবং অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে ক্লান্তও হতেন না। সুতরাং উস্তাদ অবশ্যই এই দিকগুলোর অধিকাংশ জানতেন, যদি আমরা সবটুকু নাও বলি। আর এর মাধ্যমে তিনি নিশ্চিতভাবে জেনেছেন যে, সনদে অবস্থিত সালিহ বিন আহমাদ 'কিরাতি' নন। এটি তাকে অনুসন্ধান চালিয়ে যেতে উদ্বুদ্ধ করে, এরপর তিনি "তারিখে বাগদাদ"
(৩) এর সেই বাম পৃষ্ঠায়, যা কিরাতির জীবনী সম্বলিত পৃষ্ঠার ঠিক পরেই অবস্থিত—যেখান থেকে উস্তাদ উদ্ধৃতি দিয়েছেন—সেখানে অন্য এক ব্যক্তির জীবনী পান: "সালিহ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ … আবুল ফজল আত-তামিমি আল-হামাদানি, তিনি বাগদাদে এসেছিলেন এবং সেখানে … এবং কাসেম বিন বুন্দার (তিনি কাসেম ইবনে আবি সালিহ, যেমনটি "লিসানুল মিজান"
(৪) এর জীবনীতে আছে এবং উস্তাদ তা থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন) থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি হাফিজ, সমঝদার, নির্ভরযোগ্য এবং সুদৃঢ় বর্ণনাকারী ছিলেন …"।
এই হাফিজের একটি জীবনী "তাযকিরাতুল হুফফাজ" (৩/ ১৮১) এ রয়েছে এবং তাতে নামসমূহের মধ্যে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٩)
شيوخه "القاسم بن أبي صالح" وفيها ثناء أهل العلم عليه، وفيها أن وفاته سنة 384. وذكره ابنُ السمعاني في "الأنساب"
(1) الورقة 592، وذَكَر في الرواة عنه: أبا الفضل محمد بن عيسى البزاز. وإذ كانت وفاة هذا الحافظ سنة 384 فهي متأخرة عن وفاة القاسم بست وأربعين سنة، ومتقدمة على وفاة محمد بن عيسى بستٍّ وأربعين سنة
(2)، ومثل هذا يكثُر في العادة في الفرق بين وفاة الرجل ووفاة شيخه ووفاة الراوي عنه، فاتضح يقينًا أن هذا الحافظ الفهم الثقة الثبت هو الواقع في السند.
[ص 7] وقد عرف الأستاذ هذا حقّ معرفته، والدليل على ذلك:
أولًا: ما عرفناه من معرفة الأستاذ وتيقّظه.
ثانيًا: أن ترجمة التميمي قريبة من ترجمة القيراطي التي طالعها الأستاذ.
ثالثًا: أن من عادة الأستاذ ــ كما يُعْلَم من "التأنيب" ــ أنه عندما يريد القدح في الراوي يتتبع التراجم التي فيها ذاك الاسم واسم الأب فيما تصل إليه يده من الكتب، ولا يكاد يقنع بترجمة فيها قدح، لطمعه أن يجد أخرى فيها قدح أشْفَى لغيظه.
رابعًا: في السند "الحافظ" وذلك يدعو الأستاذ إلى مراجعة "تذكرة الحفاظ"
(3).
خامسًا: في عبارة الأستاذ: "والقاسم بن أبي صالح الحذّاء ذهبت كتبه بعد
--------------------------------------------
তাঁর শিক্ষকদের অন্যতম হলেন "আল-কাসিম ইবনে আবি সালিহ" এবং এতে তাঁর সম্পর্কে ইলম অন্বেষণকারীদের প্রশংসা রয়েছে, আর এতে উল্লেখ আছে যে তাঁর মৃত্যু হয়েছে ৩৮৪ হিজরীতে। ইবনে আল-সামআনি 'আল-আনসাব'
(১) গ্রন্থের ৫৯২ নম্বর পৃষ্ঠায় (ওয়ারাকাহ) তাঁর উল্লেখ করেছেন এবং তাঁর থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে আবুল ফজল মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আল-বাযযাযের নাম উল্লেখ করেছেন। যেহেতু এই হাফেজের মৃত্যু ৩৮৪ হিজরীতে, তাই এটি আল-কাসিমের মৃত্যুর ৪৬ বছর পরে এবং মুহাম্মদ ইবনে ঈসার মৃত্যুর ৪৬ বছর আগে
(২)। একজন ব্যক্তি, তাঁর শিক্ষক এবং তাঁর থেকে বর্ণনাকারীর মৃত্যুর সময়ের ব্যবধান সাধারণত এমনই হয়ে থাকে। সুতরাং এটি নিশ্চিতভাবে স্পষ্ট হলো যে, এই প্রাজ্ঞ, নির্ভরযোগ্য ও সুদৃঢ় হাফেজই সনদে বিদ্যমান ব্যক্তি।
[পৃষ্ঠা ৭] উস্তাদ এটি যথাযথভাবে জানতেন এবং তার প্রমাণ হলো:
প্রথমত: উস্তাদের জ্ঞান ও সতর্কতা সম্পর্কে আমরা যা জানি।
দ্বিতীয়ত: আত-তামীমীর জীবনী আল-কীরাতির জীবনীর কাছাকাছি, যা উস্তাদ পাঠ করেছিলেন।
তৃতীয়ত: উস্তাদের অভ্যাস হলো—যেমনটি 'আত-তানীব' থেকে জানা যায়—যখন তিনি কোনো বর্ণনাকারীর সমালোচনা করতে চান, তখন তাঁর হাতে থাকা বইগুলোর মধ্যে ঐ নাম ও পিতার নাম সম্বলিত জীবনীগুলো তালাশ করেন। তিনি কেবল একটি সমালোচনা সম্বলিত জীবনীতে সন্তুষ্ট হতে চান না, বরং এই আশায় থাকেন যে আরও এমন কিছু পাবেন যা তাঁর ক্ষোভকে আরও ভালোভাবে প্রশমিত করবে।
চতুর্থত: সনদে "হাফেজ" শব্দটি রয়েছে, যা উস্তাদকে 'তাযকিরাতুল হুফফাজ'
(৩) দেখার দিকে আহ্বান করে।
পঞ্চমত: উস্তাদের বক্তব্যে: "এবং আল-কাসিম ইবনে আবি সালিহ আল-হাফ্ফা-এর কিতাবসমূহ বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল..."
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١٠)
الفتنة، فكان يقرأ من كتب الناس وكُفّ بصره، قاله العراقي، ونقله ابن حجر في "لسان الميزان"".
والذي في "لسان الميزان" (4/ 460)
(1): " (ز) - قاسم بن أبي صالح بندار
… الحذاء
… روى عنه إبراهيم بن محمد بن يعقوب وصالح بن أحمد الحافظ
… قال صالح: كان صدوقًا متقنًا لحديثه، وكتبه صحاح بخطه، فلما وقعت الفتنة، ذهبت عنه كتبه، فكان يقرأ من كتب الناس وكُفّ بصره، وسماع المتقدمين عنه أصح".
وحرف (ز) أول الترجمة إشارة إلى أنها من زيادة ابن حجر. كما نبه عليه في خطبة "اللسان"
(2)، وذكر هناك أن لشيخه العراقي ذيلًا على "الميزان"، وأنه زاد تلك التراجم وغيرها في "اللسان" فما كان من ذيل شيخه العراقي جعل في [ص 8] أول الترجمة حرف (ذ) وما كان من غيره جعل حرف (ز)، فعُلِم من هذا أن ترجمة القاسم من زيادة ابن حجر نفسه لا من ذيل العراقي.
هب أن الأستاذ وهمَ في هذا، فالمقصود هنا أن الذي في الترجمة من الكلام في القاسم هو من كلام الراوي عنه صالح بن أحمد الحافظ، فلماذا عَدَل عنه الأستاذ
(3) ونسبه إلى العراقي؟
--------------------------------------------
ফিতনা (বিপর্যয়), তাই তিনি মানুষের বই থেকে পড়তেন এবং তাঁর দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে গিয়েছিল; এটি আল-ইরাকি বলেছেন এবং ইবনে হাজার এটি "লিসানুল মিজান"-এ উদ্ধৃত করেছেন।
এবং "লিসানুল মিজান" (৪/ ৪৬০)-এ যা রয়েছে
(১): "(যা) - কাসেম বিন আবি সালিহ বান্দার
... আল-হাফ্ফা
... তাঁর থেকে ইব্রাহিম বিন মুহাম্মাদ বিন ইয়াকুব এবং সালিহ বিন আহমাদ আল-হাফিজ বর্ণনা করেছেন
... সালিহ বলেছেন: তিনি তাঁর হাদিস বর্ণনায় সত্যবাদী ও দক্ষ ছিলেন, এবং তাঁর স্বহস্তে লিখিত কিতাবগুলো নির্ভুল ছিল। যখন ফিতনা (বিপর্যয়) দেখা দিল, তাঁর বইগুলো হারিয়ে গেল, তখন তিনি মানুষের বই থেকে পড়তেন এবং তাঁর দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে গিয়েছিল। তাঁর থেকে পূর্ববর্তীদের শ্রবণ অধিক বিশুদ্ধ।"
জীবনীর শুরুতে (যা) অক্ষরটি নির্দেশ করে যে এটি ইবনে হাজারের সংযোজন। যেমনটি তিনি "লিসান"-এর ভূমিকায় সতর্ক করেছেন
(২), এবং সেখানে উল্লেখ করেছেন যে তাঁর শায়খ আল-ইরাকির "মিজান"-এর ওপর একটি পরিশিষ্ট (যাইল) রয়েছে, এবং তিনি (ইবনে হাজার) সেই জীবনীগুলো এবং অন্যান্য বিষয়গুলো "লিসান"-এ যুক্ত করেছেন। সুতরাং তাঁর শায়খ আল-ইরাকির পরিশিষ্ট থেকে যা ছিল, তার জীবনীর শুরুতে [পৃষ্ঠা ৮] (যাল) অক্ষরটি রাখা হয়েছে, এবং যা অন্য উৎস থেকে এসেছে তাতে (যা) অক্ষরটি রাখা হয়েছে। এর দ্বারা এটি জানা গেল যে, কাসেমের জীবনীটি ইবনে হাজারের নিজস্ব সংযোজন, আল-ইরাকির পরিশিষ্ট থেকে নয়।
ধরে নেওয়া যাক যে উস্তাদ এ বিষয়ে বিভ্রান্ত হয়েছেন, কিন্তু এখানে উদ্দেশ্য হলো কাসেমের জীবনীর এই কথাগুলো তাঁর বর্ণনাকারী সালিহ বিন আহমাদ আল-হাফিজের বক্তব্য, তাহলে উস্তাদ কেন তা এড়িয়ে গিয়ে
(৩) আল-ইরাকির দিকে নিসবত (আরোপ) করলেন?
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١١)
الجواب واضح، وهو أن الكوثري خشي إن نَسَب الكلام إلى صالح بن أحمد الحافظ أن يتنبَّه القارئ فيقول: الظاهر أن صالح بن أحمد الحافظ هذا هو الواقع في سند الخطيب والظاهر أنه غير القيراطي لوجهين:
الأول: أن القيراطي مطعون فيه، فلم يكن الحفَّاظ ليعتدُّوا بكلامه في القاسم، وكذلك الأستاذ الكوثري لم يكن ليعتدَّ بكلام القيراطي.
الثاني: أن كلام صالح في الترجمة يدل أنه تأخر بعد القاسم، والقيراطي توفي قبل القاسم باثنتين وعشرين سنة، وبهذا يتبين أيضًا أن الكلام في القاسم لا يضره بالنسبة إلى رواية الخطيب، لأنها من رواية صالح بن أحمد الحافظ نفسه عنه وهو المتكلم فيه، فلم يكن ليروي عنه إلا ما سمعه منه من أصوله قبل ذهابها، فأعرض الأستاذ لهذين الغرضين عن صالح بن أحمد الحافظ، ونسبَ كلامه إلى العراقي، وحذف من العبارة ما فيه ثناء على القاسم. وهذه عادةٌ له، ستأتي أمثلة منها إن شاء الله تعالى.
[ص 9] والمقصود هنا إثبات أن الأستاذ قد عرف يقينًا أن صالح بن أحمد الواقع في السند ليس هو بالقيراطي، بل هو ذاك الحافظ الفهم الثقة الثبت
(1)، ولكن كان الأستاذ مضطرًا إلى الطعن في تلك الرواية، ولم يجد في ذاك الحافظ مغمزًا، ووقعت بيده ترجمة القيراطي المطعون فيه، وعرف أن هذا الفن أصبح بغاية الغُربة، فغلب على ظنه أنه إذا زعم أن الواقع في السند هو القيراطي لا يردّ ذلك عليه أحد، فأما الله تبارك وتعالى فله معه حساب آخر، والله المستعان.
--------------------------------------------
উত্তরটি স্পষ্ট, আর তা হলো কাউসারী আশঙ্কা করেছিলেন যে যদি তিনি বক্তব্যটি সালেহ ইবনে আহমদ আল-হাফিযের প্রতি আরোপ করেন, তবে পাঠক সচেতন হয়ে বলবেন: এটি প্রতীয়মান হয় যে এই সালেহ ইবনে আহমদ আল-হাফিযই খতীবের সনদে থাকা ব্যক্তি এবং স্পষ্টত তিনি কিরাতী নন, দুটি কারণে:
প্রথম: কিরাতী সমালোচিত ব্যক্তি, তাই হাফেযগণ কাসেমের ব্যাপারে তার কথাকে গ্রাহ্য করতেন না, তেমনি উস্তাদ কাউসারীও কিরাতীর কথাকে গুরুত্ব দিতেন না।
দ্বিতীয়: জীবনীর মধ্যে সালেহ-এর বক্তব্য প্রমাণ করে যে তিনি কাসেমের অনেক পরে বর্তমান ছিলেন, অথচ কিরাতী কাসেমের বাইশ বছর আগে মৃত্যুবরণ করেছেন। এর মাধ্যমে ইহাও স্পষ্ট হয় যে কাসেমের ব্যাপারে করা মন্তব্য খতীবের বর্ণনার ক্ষেত্রে কোনো ক্ষতি করে না, কারণ সেটি স্বয়ং সালেহ ইবনে আহমদ আল-হাফিযেরই বর্ণনা তার থেকে, এবং তিনিই তার ব্যাপারে মন্তব্যকারী। সুতরাং তিনি তার থেকে কেবল তাই বর্ণনা করেছেন যা তার মূল পাণ্ডুলিপি হারিয়ে যাওয়ার আগে তার থেকে শুনেছেন। তাই উস্তাদ এই দুই উদ্দেশ্যে সালেহ ইবনে আহমদ আল-হাফিযের দিক থেকে বিমুখ হয়েছেন এবং তার বক্তব্যকে ইরাকীর প্রতি আরোপ করেছেন, আর বক্তব্যের সেই অংশটুকু বাদ দিয়েছেন যাতে কাসেমের প্রশংসা ছিল। এটি তাঁর একটি অভ্যাস, যার উদাহরণ ইনশাআল্লাহ তাআলা সামনে আসবে।
[পৃষ্ঠা ৯] আর এখানে উদ্দেশ্য হলো এটি প্রমাণ করা যে, উস্তাদ নিশ্চিতভাবে জানতেন যে সনদে থাকা সালেহ ইবনে আহমদ কিরাতী নন, বরং তিনি সেই বিজ্ঞ, নির্ভরযোগ্য ও সুদৃঢ় হাফেয
(১), কিন্তু উস্তাদ সেই বর্ণনাটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে বাধ্য ছিলেন এবং সেই হাফেযের মধ্যে তিনি কোনো খুঁত খুঁজে পাননি। তখন তাঁর হাতে সমালোচিত কিরাতীর জীবনী আসে এবং তিনি বুঝতে পারেন যে এই শাস্ত্রটি এখন অত্যন্ত অপরিচিত হয়ে পড়েছে, ফলে তাঁর প্রবল ধারণা জন্মে যে তিনি যদি দাবি করেন যে সনদে থাকা ব্যক্তিটি কিরাতী, তবে কেউ তাঁর এই দাবি প্রত্যাখ্যান করবে না। তবে আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলার কাছে তাঁর হিসাব ভিন্ন হবে, আর আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাওয়া হয়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١٢)
وأما محمد بن أيوب؛ فالأستاذ يعلم أن المشهور بهذا الاسم في تلك الطبقة، والمراد عند الإطلاق في الرواية هو الحافظ الجليل الثقة الثبت محمد بن أيوب بن يحيى بن الضريس، ترجمته في "تذكرة الحفاظ" (3/ 195).
وقد احتجّ الأستاذ (ص 114) في معارضة ما رواه ابن أبي حاتم عن أبيه عن ابن أبي سريج بما رواه الخطيب عن البرقاني عن أبي العباس بن حمدان عن محمد بن أيوب عن ابن أبي سريج، وذلك بناء من الأستاذ على أن شيخ ابن حمدان هو محمد بن أيوب بن يحيى بن الضريس لشهرته، هذا مع أنه لا يُعرف لابن الضريس رواية عن ابن أبي سريج، فأما روايته عن إبراهيم بن بشَّار فنصّ عليها المِزّي في ترجمة إبراهيم من "تهذيبه"
(1) قال: "روى عنه
… ومحمد بن أيوب بن يحيى بن الضريس".
فأما محمد بن [ص 10] أيوب بن هشام فمُقِلّ مرغوب عن الرواية عنه، لا تُعرف له رواية عن إبراهيم بن بشار ولا للقاسم بن أبي صالح رواية عنه.
فقد بدَّل الأستاذ عمدًا في ذاك السند حافظين جليلين برجلين مطعون فيهما، وصنع ما صنع في شأن القاسم بن أبي صالح، وقد بان أنه ثقة، وأن هذه الرواية من صحيح روايته.
ومن العجائب أن الأستاذ ارتكب هذه الأفاعيل
(2) وهو يعلم أن ذلك لا يغني عنه شيئًا، ولو لم تتبين الحقيقة؛ لأن ذلك الأثر نفسه ثابت عن
--------------------------------------------
আর মুহাম্মদ ইবন আইয়ুব সম্পর্কে বলতে গেলে; উস্তাদ জানেন যে সেই স্তরে এই নামে যিনি প্রসিদ্ধ এবং বর্ণনার ক্ষেত্রে নিঃশর্তভাবে যাকে উদ্দেশ্য করা হয়, তিনি হলেন মহান হাফিয, নির্ভরযোগ্য ও সুদৃঢ় রাবী মুহাম্মদ ইবন আইয়ুব ইবন ইয়াহইয়া ইবন আদ-দুরাইস। তাঁর জীবনী 'তাযকিরাতুল হুফফায' (৩/১৯৫)-এ বর্ণিত হয়েছে।
উস্তাদ (পৃ. ১১৪) ইবন আবি হাতিম তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবন আবি সুরাইজ থেকে যা বর্ণনা করেছেন তার বিরোধিতায় খতীব আল-বারকানি থেকে, তিনি আবুল আব্বাস ইবন হামদান থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবন আইয়ুব থেকে, তিনি ইবন আবি সুরাইজ থেকে যা বর্ণনা করেছেন তা দ্বারা দলিল পেশ করেছেন। এটি উস্তাদ এই ধারণার ভিত্তিতে করেছেন যে, ইবন হামদানের শায়খ হলেন মুহাম্মদ ইবন আইয়ুব ইবন ইয়াহইয়া ইবন আদ-দুরাইস, তাঁর প্রসিদ্ধির কারণে। অথচ ইবন আদ-দুরাইসের পক্ষ থেকে ইবন আবি সুরাইজ থেকে কোনো বর্ণনা জানা নেই। আর ইবরাহিম ইবন বাশশার থেকে তাঁর বর্ণনার ব্যাপারে আল-মিযযি তাঁর 'তাহযীব'
(১)-এ ইবরাহিমের জীবনীতে স্পষ্ট উল্লেখ করেছেন: "তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন... এবং মুহাম্মদ ইবন আইয়ুব ইবন ইয়াহইয়া ইবন আদ-দুরাইস।"
আর মুহাম্মদ ইবন [পৃ. ১০] আইয়ুব ইবন হিশাম হলেন স্বল্প বর্ণনাকারী এবং তাঁর থেকে বর্ণনা গ্রহণে অনীহা রয়েছে; ইবরাহিম ইবন বাশশার থেকে তাঁর কোনো বর্ণনা যেমন জানা নেই, তেমনি কাসিম ইবন আবি সালিহ-এরও তাঁর থেকে কোনো বর্ণনা নেই।
সুতরাং উস্তাদ সেই সনদে ইচ্ছাকৃতভাবে দুইজন মহান হাফিযের স্থলে দুইজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে বসিয়ে দিয়েছেন এবং কাসিম ইবন আবি সালিহ-এর ব্যাপারে যা করার করেছেন, অথচ এটি স্পষ্ট হয়েছে যে তিনি নির্ভরযোগ্য এবং এই বর্ণনাটি তাঁর বিশুদ্ধ বর্ণনাসমূহের অন্তর্ভুক্ত।
আশ্চর্যের বিষয় হলো উস্তাদ এই কর্মকাণ্ডগুলো
(২) করেছেন অথচ তিনি জানেন যে এটি তাঁর কোনো উপকারে আসবে না, এমনকি যদি সত্য উন্মোচিত নাও হতো; কারণ সেই আসারটি (বর্ণনাটি) স্বয়ং সুসাব্যস্ত হয়েছে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١٣)
إبراهيم بن بشَّار من غير هذه الطريق، فقد ذكره ابن عبد البر في "الانتقاء" (ص/148)
(1) عن "تاريخ ابن أبي خيثمة" قال: "حدثنا إبراهيم بن بشار
… " و"الانتقاء" تحت نظر الكوثري كل وقت، كما يدل عليه كثرة نقله عنه في "التأنيب".
وأعجب من هذا كلِّه وأغرب قول الكوثري بعد تلك الأفاعيل: "ولا أدري كيف يسوق الخطيب
… ولعل الله سبحانه طمس بصيرته ليفضحه بخذلانه المكشوف في كل خطوة".
وهذا المترجَّى واقع ولكن بمن؟ هكذا تكون الأمانة عند الأستاذ
(2)!
[ص 11] 3 - أحمد بن الخليل.
قال الخطيب (13/ 375 [380]): "أخبرنا ابن الفضل أخبرنا عبد الله بن جعفر حدثنا يعقوب بن سفيان حدثنا أحمد بن الخليل حدثنا عبدة
… ".
ذكر الأستاذ هذه الرواية (ص 46) وقال: "وأحمد بن الخليل هو البغدادي المعروف بجور، توفي سنة ستين ومائتين، قال الدارقطني: ضعيف لا يحتج به. وهكذا يكون المحفوظ عند الخطيب".
أقول: الصواب في لقب البغدادي الذي تكلم فيه الدارقطني "حور" بالحاء المهملة كما ضبطه أصحاب "المشتبه"
(3). والذي في "الميزان"
--------------------------------------------
ইব্রাহিম বিন বাশশার ভিন্ন একটি সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে; ইবনে আবদিল বার 'আল-ইনতিকা' (পৃষ্ঠা ১৪৮) গ্রন্থে
(১) ইবনে আবি খাইসামার 'তারিখ' থেকে এটি উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন: "আমাদের কাছে ইব্রাহিম বিন বাশশার বর্ণনা করেছেন..."। আর 'আল-ইনতিকা' গ্রন্থটি সব সময় কাওসারীর দৃষ্টির সামনেই থাকে, যেমনটি 'আত-তানিব' গ্রন্থে তার থেকে অধিক পরিমাণে উদ্ধৃতি প্রদানের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়।
এসব কর্মকাণ্ডের চেয়েও অধিক বিস্ময়কর ও আজব বিষয় হলো কাওসারীর এই উক্তি: "আমি জানি না খতিব কীভাবে বর্ণনা করছেন... সম্ভবত আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তার অন্তর্দৃষ্টি বিলুপ্ত করে দিয়েছেন যাতে প্রতিটি পদক্ষেপে তার প্রকাশ্য লাঞ্ছনার মাধ্যমে তাকে অপদস্থ করতে পারেন।"
আর এই প্রত্যাশিত বিষয়টি বাস্তবেই ঘটেছে, কিন্তু কার ক্ষেত্রে? উস্তাদের আমানতদারি ঠিক এমনই!
(২)[পৃষ্ঠা ১১] ৩ - আহমাদ বিন আল-খালিল।
খতিব (১৩/ ৩৭৫ [৩৮০]) বলেছেন: "আমাদেরকে ইবনুল ফাদল সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদেরকে আবদুল্লাহ বিন জাফর সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদেরকে ইয়াকুব বিন সুফিয়ান হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদেরকে আহমাদ বিন আল-খালিল হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদেরকে আবদাহ হাদিস শুনিয়েছেন..."।
উস্তাদ এই বর্ণনাটি উল্লেখ করেছেন (পৃষ্ঠা ৪৬) এবং বলেছেন: "আহমাদ বিন আল-খালিল হলেন সেই বাগদাদী যিনি 'জাওর' নামে পরিচিত, তিনি ২৬০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। দারাকুতনি বলেছেন: তিনি দুর্বল, তার মাধ্যমে দলিল পেশ করা যায় না। খতিবের সংরক্ষিত বর্ণনা ঠিক এমনই হয়।"
আমি বলি: সেই বাগদাদীর উপাধির ক্ষেত্রে সঠিক হলো 'হাওর' (হা বর্ণ দিয়ে), যার ব্যাপারে দারাকুতনি সমালোচনা করেছেন; যেমনটি 'আল-মুশতাবিহ' গ্রন্থের লেখকগণ নির্ভুলভাবে উল্লেখ করেছেন। আর 'আল-মিজান' গ্রন্থে যা রয়েছে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١٤)
و"اللسان"
(1) في وفاته: "بقي إلى ما بعد الستين ومائتين" ولم يذكروا له رواية عن عبدة، ولا ليعقوب بن سفيان رواية عنه، وقد قال يعقوب بن سفيان كما في ترجمة أحمد بن صالح من "تهذيب التهذيب"
(2): "كتبتُ عن ألف شيخ وكسر كلهم ثقات".
وقبل ترجمة (حور) في "تاريخ بغداد"
(3) ترجمة رجل آخر: "أحمد بن الخليل أبو علي التاجر البغدادي
… روى عنه
… ويعقوب بن سفيان". وهذا التاجر له ترجمة في "التهذيب"
(4)، وفيها رواية يعقوب بن سفيان عنه، وتوثيق الأئمة له، وفيها: "قلت: لم أر له في أسماء شيوخ النسائي ذِكرًا، بل الذي فيه أحمد بن الخليل، نيسابوري، كتبنا عنه، لا بأس به، وقد قال الدارقطني: قديم، لم يحدِّث عنه من البغداديين أحد وإنما حديثه بخراسان، فلعله سكن خراسان".
أقول: فكأنَّ النسائي نَسَبه إلى مسكنه. فهذا هو الواقع في سند الخطيب؛ لأنه هو الذي يروي عنه يعقوب بن سفيان، ولأنه ثقة، ويعقوب كتب عن الثقات، ولأنه سكن خراسان.
[ص 12] وشيخه في السند عبدة، وهو خراساني، ولا ريب أن الأستاذ عند تفتيشه عن أحمد بن الخليل وقف أوّلًا على ترجمة هذا التاجر، وعرف
--------------------------------------------
এবং "আল-লিসান"
(১) গ্রন্থে তার ইন্তেকাল প্রসঙ্গে বলা হয়েছে: "তিনি দুইশত ষাট হিজরির পরবর্তী সময় পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন।" তারা সেখানে আবদাহ থেকে তার কোনো বর্ণনা উল্লেখ করেননি, আর ইয়াকুব বিন সুফিয়ান থেকেও তার কোনো বর্ণনা নেই। অথচ ইয়াকুব বিন সুফিয়ান "তাজহিব আত-তাজহিব"
(২) গ্রন্থে আহমদ বিন সলিহ-এর জীবনীতে যেমনটি বলেছেন: "আমি এক হাজার এবং তারও অধিক শাইখ থেকে (হাদিস) লিখেছি, যাদের সকলেই ছিলেন নির্ভরযোগ্য।"
আর "তারিখ বাগদাদ"
(৩) গ্রন্থে (হাওর)-এর জীবনীর আগে অন্য এক ব্যক্তির জীবনী রয়েছে: "আহমদ বিন আল-খলিল আবু আলী আল-তাজির আল-বাগদাদি
… তার থেকে বর্ণনা করেছেন
… এবং ইয়াকুব বিন সুফিয়ান।" আর এই ব্যবসায়ীর একটি জীবনী "আত-তাজহিব"
(৪) গ্রন্থে রয়েছে, যাতে ইয়াকুব বিন সুফিয়ানের তার থেকে বর্ণনা করার কথা এবং ইমামগণ কর্তৃক তাকে নির্ভরযোগ্য সাব্যস্ত করার বিষয়টি উল্লিখিত আছে। তাতে আরও আছে: "আমি বলেছি: ইমাম নাসাঈর শাইখদের নামের তালিকায় আমি তার কোনো উল্লেখ দেখিনি, বরং সেখানে আহমদ বিন আল-খলিল নিশাপুরী বিদ্যমান রয়েছেন, আমরা তার থেকে (হাদিস) লিখেছি এবং তিনি গ্রহণযোগ্য। আর দারা কুতনী বলেছেন: তিনি প্রাচীন, বাগদাদীদের কেউ তার থেকে বর্ণনা করেননি, বরং তার হাদিস খুরাসানেই বর্ণিত হয়েছে, সম্ভবত তিনি খুরাসানেই বসবাস করতেন।"
আমি বলছি: সম্ভবত নাসাঈ তাকে তার বসবাসের স্থানের দিকে সম্পৃক্ত করেছেন। খতীবের সনদে এটিই হচ্ছে বাস্তবতা; কারণ তিনিই সেই ব্যক্তি যার থেকে ইয়াকুব বিন সুফিয়ান বর্ণনা করেন, এবং যেহেতু তিনি নির্ভরযোগ্য, আর ইয়াকুব কেবল নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিদের থেকেই হাদিস লিখেতেন, এবং যেহেতু তিনি খুরাসানে বসবাস করতেন।
[পৃষ্ঠা ১২] আর সনদে তার শাইখ হলেন আবদাহ, যিনি একজন খুরাসানী। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, উস্তাদ যখন আহমদ বিন আল-খলিল সম্পর্কে অনুসন্ধান করছিলেন, তখন তিনি প্রথমে এই ব্যবসায়ীর জীবনীর ওপর উপনীত হয়েছিলেন এবং জানতে পেরেছিলেন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١٥)
أنه هو الواقع في السند، ولكنه رآه ثقة، وهو بالحاجة إلى الطعن في تلك الرواية، فعَدَل عنه إلى ذاك الضعيف "حور". نعوذ بالله من الحَوْر بعد الكَوْر، وهكذا تكون الأمانة عند الأستاذ
(1)!
4 - محمد بن جَبُّويه.
قال الخطيب (3/ 370 [371 - 372]): "جبريل بن محمد المعدل بهمذان حدثنا محمد بن حيويه (كذا) النخاس حدثنا محمود بن غيلان
… ".
ذكر الأستاذ هذه الرواية (ص 34) وقال: "
… في الطبعات الثلاث: "حَيّويه" والصحيح "جَبّويه"، هو ابن جبويه النخاس الهمذاني، وقد كذَّبه الذهبي في "تلخيص المستدرك" حيث قال في حديث مِيناء: ابن جبويه متهم بالكذب
… ".
وذكر الخطيب (13/ 381 [390]) أثرًا آخر بمثل السند المتقدم، فقال الأستاذ (ص 64): "ووقع في الطبعات الثلاث بلفظ "حيويه"، وهو تصحيف كما سبق، متهم بالكذب
… ، وقال الذهبي في "مشتبه النسبة" (كذا)
(2): ومحمد بن جبويه الهمذاني عن محمود بن غيلان. اهـ. لكن لا يمكن إدراكه لابن غيلان
… والخبر كذب مُلفَّق".
أقول: قول الأستاذ: "لا يمكن إدراكه لابن غيلان" واضح الدلالة على أن الأستاذ اطلع على وفاة هذا الرجل، وليست مذكورة في "تلخيص [ص 13] المستدرك" ولا في "المشتبه"، وإنما هي مذكورة في ترجمته من الكتب، إذنْ فقد اطّلع الأستاذ على ترجمته، وهذا واضح فإنه يبعد أن يعثر الأستاذ
--------------------------------------------
যে তিনি সনদে বিদ্যমান আছেন, কিন্তু তিনি তাকে নির্ভরযোগ্য হিসেবে দেখেছেন। অথচ ওই বর্ণনাটিকে ত্রুটিযুক্ত করার প্রয়োজনে তিনি তাকে ছেড়ে দিয়ে "হাওর" নামক সেই দুর্বল বর্ণনাকারীর দিকে ফিরে গেছেন। আমরা আল্লাহর কাছে সুসংহত অবস্থার পর বিচ্যুতি থেকে পানাহ চাই। উস্তাদ-এর নিকট আমানতদারিতা এমনই হয়
(১)!
৪ - মুহাম্মদ বিন জাব্বুওয়াইহ.
আল-খাতিব বলেছেন (৩/ ৩৭০ [৩৭১ - ৩৭২]): "হামাদানের জিবরীল বিন মুহাম্মদ আল-মুয়াদ্দিল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন হাইয়ুওয়াইহ (এরূপই আছে) আন-নাখখাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মাহমুদ বিন গায়লান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন..."।
উস্তাদ এই বর্ণনাটি উল্লেখ করেছেন (পৃ. ৩৪) এবং বলেছেন: "... তিনটি সংস্করণেই রয়েছে: 'হাইয়ুওয়াইহ', অথচ সঠিক হলো 'জাব্বুওয়াইহ'। তিনি হলেন ইবনে জাব্বুওয়াইহ আন-নাখখাস আল-হামাদানি। আয-যাহাবি 'তালখিসুল মুস্তাদরাক'-এ তাকে মিথ্যাবাদী বলেছেন, যেখানে তিনি মীনার হাদিস প্রসঙ্গে বলেছেন: ইবনে জাব্বুওয়াইহ মিথ্যাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত..."।
আল-খাতিব (১৩/ ৩৮১ [৩৯০]) পূর্বোক্ত সনদের মতো আরেকটি আছার উল্লেখ করেছেন। উস্তাদ বলেছেন (পৃ. ৬৪): "তিনটি সংস্করণেই 'হাইয়ুওয়াইহ' শব্দে এসেছে, যা পূর্বোল্লিখিত বর্ণনার মতোই একটি লিখন-বিভ্রাট, তিনি মিথ্যাচারের দায়ে অভিযুক্ত...। আয-যাহাবি 'মুশতাবিহুন নিসবাহ' (এরূপই আছে)
(২)-তে বলেছেন: এবং মাহমুদ বিন গায়লান থেকে মুহাম্মদ বিন জাব্বুওয়াইহ আল-হামাদানি বর্ণনা করেছেন। সমাপ্ত। কিন্তু তার পক্ষে ইবনে গায়লানকে পাওয়া সম্ভব নয়... আর সংবাদটি একটি বানোয়াট মিথ্যা।"
আমি বলি: উস্তাদের এই কথা—"তার পক্ষে ইবনে গায়লানকে পাওয়া সম্ভব নয়"—এর দ্বারা স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে, উস্তাদ এই ব্যক্তির মৃত্যু তারিখ সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। অথচ এটি 'তালখিসুল [পৃ. ১৩] মুস্তাদরাক' কিংবা 'আল-মুশতাবিহ'-এর কোথাও উল্লিখিত নেই। বরং এটি বিভিন্ন কিতাবে তার জীবনীতে উল্লেখ রয়েছে। সুতরাং উস্তাদ তার জীবনী পাঠ করেছেন। এটি স্পষ্ট, কারণ এটি অসম্ভব যে উস্তাদ...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١٦)
على ما في "تلخيص المستدرك" بدون أن يقف على الترجمة، وهَبْه عثر على ذلك قبل النظر في الترجمة، فمن عادة الأستاذ أنه لا يشتفي بمثل ذلك الطعن، بل يفتِّش عن الترجمة لعله يجد فيها طعنًا أشد من ذلك.
وكأنني بالأستاذ أوَّلَ ما نظر في هذا الرجل راجع "الميزان" و"اللسان"، فوجد في الأول بين ترجمتي محمد بن حنيفة ومحمد بن حيدرة "محمد بن حيويه بن المؤمّل الكَرَجي
… قال الخطيب
… "، ووجد في الثاني بين ترجمتي محمد بن حويطب ومحمد بن حيدرة كما في الأول، وزاد: "وروى أيضًا عن الدَّبَري
… مات سنة 373، وأورد له الحاكم في "المستدرك" حديثًا في مناقب فاطمة. فقال الذهبي:
… محمد بن حيويه الكرجي متهم بالكذب"، ولمّا وجد الأستاذ فيهما "قال الخطيب
… " راجع "تاريخ بغداد" فوجد فيه (5/ 233) في أواخر حرف الحاء المهملة من أبناء المحمدين ترجمة هذا الرجل، ولما وجد في "اللسان" ذِكْر "المستدرك" راجع فضائل فاطمة عليها السلام من "المستدرك"، فوجد فيه (3/ 160): "حدثنا أبو بكر محمد بن حيويه بن المؤمل الهمذاني حدثنا إسحاق
… ". وفي "تلخيصه" للذهبي: "ثنا محمد بن حيويه الهمذاني حدثنا إسحاق الدبري
… " ثم قال الذهبي: "ابن حيويه متهم بالكذب". ولم يجد الأستاذ في هذه المراجع كلها ما يشعر بأن هذا هو الواقع [ص 14] في سند تينك الروايتين عند الخطيب، بل وجد ما يدفع ذلك، فإنهم أرّخوا وفاة هذا الرجل سنة 373 وشيخ الواقع في السند محمود بن غيلان وفاته سنة 239، ومن هنا أخذ الأستاذ أنه لم يدركه، ثم راجع الأستاذ "مشتبه الذهبي" لعله يجد فيه ذِكْرًا للواقع في السند، فظفر بذلك "محمد بن جبويه الهمذاني عن
"তালীখিসুল মুস্তাদরাক"-এ যা রয়েছে তার ওপর ভিত্তি করে, জীবনবৃত্তান্তের ওপর অবগত না হয়েই। আর ধরুন তিনি জীবনবৃত্তান্ত দেখার আগেই এটি পেয়ে গেছেন; কিন্তু শিক্ষকের অভ্যাস হলো তিনি এই ধরনের আপত্তিতেই তুষ্ট হন না, বরং তিনি জীবনবৃত্তান্ত তালাশ করেন যাতে হয়তো এর চেয়েও কঠোর কোনো আপত্তি তাতে পাওয়া যায়।
আমার মনে হয় শিক্ষক যখন প্রথম এই ব্যক্তির ব্যাপারে অনুসন্ধান শুরু করেন, তখন তিনি "আল-মিজান" এবং "আল-লিসান" গ্রন্থদ্বয় পর্যালোচনা করেন। ফলে তিনি প্রথম গ্রন্থে মুহাম্মদ বিন হানিফাহ এবং মুহাম্মদ বিন হায়দারাহ-এর জীবনবৃত্তান্তের মাঝখানে পেলেন: "মুহাম্মদ বিন হাইউইয়াহ বিন আল-মুআম্মিল আল-কারাজি
… আল-খতিব বলেন
…।" এবং দ্বিতীয় গ্রন্থে মুহাম্মদ বিন হুয়াইতিব ও মুহাম্মদ বিন হায়দারাহ-এর মাঝে প্রথমটির মতোই পেলেন এবং তাতে অতিরিক্ত ছিল: "তিনি আদ-দাবারি থেকেও বর্ণনা করেছেন
… ৩৭৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন এবং আল-হাকিম 'আল-মুস্তাদরাক'-এ ফাতেমার মর্যাদাবিষয়ক একটি হাদিস তার সূত্রে উল্লেখ করেছেন। তখন আয-যাহাবি বলেন:
… মুহাম্মদ বিন হাইউইয়াহ আল-কারাজি মিথ্যার অভিযোগে অভিযুক্ত।" যখন শিক্ষক এই দুই গ্রন্থে "আল-খতিব বলেন
…" পেলেন, তখন তিনি "তারিখ বাগদাদ" পর্যালোচনা করলেন এবং সেখানে (৫/২৩৩) 'হা' বর্ণের শেষে মুহাম্মদ নামধারীদের সন্তানদের মধ্যে এই ব্যক্তির জীবনবৃত্তান্ত খুঁজে পেলেন। যখন তিনি "আল-লিসান"-এ "আল-মুস্তাদরাক"-এর উল্লেখ পেলেন, তখন তিনি "আল-মুস্তাদরাক" থেকে ফাতেমা (আলাইহাস সালাম)-এর মর্যাদাবিষয়ক অধ্যায়টি পর্যালোচনা করলেন এবং সেখানে (৩/১৬০) পেলেন: "আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন হাইউইয়াহ বিন আল-মুআম্মিল আল-হামাদানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক
…।" আয-যাহাবির সংক্ষেপিত রূপ "তালীখিস"-এ আছে: "আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন হাইউইয়াহ আল-হামাদানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক আদ-দাবারি
…।" অতপর আয-যাহাবি বলেন: "ইবনে হাইউইয়াহ মিথ্যার অভিযোগে অভিযুক্ত।" শিক্ষক এই সমস্ত উৎসের কোথাও এমন কিছু পাননি যা নির্দেশ করে যে, আল-খতিবের নিকট উক্ত দুটি বর্ণনার সনদে এটাই হলো প্রকৃত বাস্তবতা [পৃষ্ঠা ১৪], বরং তিনি এমন কিছু পেয়েছেন যা একে নাকচ করে। কারণ তারা এই ব্যক্তির মৃত্যু তারিখ লিখেছেন ৩৭৩ হিজরি, অথচ সনদে বিদ্যমান প্রকৃত ব্যক্তির উস্তাদ মাহমুদ বিন গাইলানের মৃত্যু হলো ২৩৯ হিজরিতে। এখান থেকেই শিক্ষক সিদ্ধান্তে পৌঁছালেন যে, তিনি তাকে পাননি। এরপর শিক্ষক আয-যাহাবির "মুশতাবিহ" গ্রন্থটি পর্যালোচনা করলেন যাতে হয়তো সনদে বিদ্যমান ব্যক্তির উল্লেখ পাওয়া যায়, অবশেষে তিনি তা পেয়ে গেলেন: "মুহাম্মদ বিন জুবাইওয়াহ আল-হামাদানি, বর্ণনা করেছেন..."
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١٧)
محمود بن غيلان" فعلم أن هذا هو الواقع في السند وأنه غير الكرجي.
أولًا: لأنهم اتفقوا على أن أول اسم والد الكرجي حاء مهملة، وكلهم من أئمة (المشتبه)، ومنهم الذهبي نفسه في "الميزان" وهو الذي ضبطَ والدَ الراوي عن محمود بن غيلان بالجيم والموحَّدة.
وثانيًا: لأن الذهبي يقول في ابن جبويه "عن محمود بن غيلان" والكَرَجي لم يدرك محمودًا، فانقسم الأستاذ شطرين، شطره حقق أن الصواب في الواقع في السند (محمد بن جبويه) بالجيم والموحدة، وشطره مال مع الهوى، فزعم أن الواقع في السند هو الذي اتهمه الذهبي!
وكنتُ كذي رِجلين رجلٍ صحيحة
… ورجلٍ رمى فيها الزمانُ فشَلَّتِ
(1)وقد ذكر ابن ماكولا في "الإكمال"
(2) الرجلين قال: "أما جَبُّويه أوله جيم معجمة بعدها باء مشددة معجمة بواحدة، فهو محمد بن جبويه بن بندار أبو جعفر الهمذاني النخاس، يروي عن محمود بن غيلان
… حدث عنه
… وجبريل بن محمد". وقال فيمن أوله حاء مهملة: "وأما حَيُّويه بياء قبل الواو معجمة باثنتين من تحتها فهو
… ومحمد بن حيويه أبو بكر الكرجي، [ص 15] يعرف بابن أبي روضة، حدَّث عن
… وإسحاق الدَّبَري".
وعُذْر الأستاذ أن ابن جبويه لم يَطْعن فيه أحد، والأستاذ مضطرّ إلى الطعن في تينك الروايتين، وهكذا تكون الأمانة عند الأستاذ!
هذا، والأثر الأول رواه محمود بن غيلان عن وكيع، فقال الأستاذ بعدما
--------------------------------------------
"মাহমুদ ইবনে গাইলান"; সুতরাং জানা গেল যে এটিই সনদে বিদ্যমান বাস্তব রূপ এবং তিনি আল-কারাজি থেকে ভিন্ন।
প্রথমত: কারণ তারা একমত হয়েছেন যে আল-কারাজির পিতার নামের প্রথম অক্ষরটি হলো নুকতাহীন 'হা' (ح), এবং তারা সকলেই 'আল-মুশতাবিহ' বিষয়ক ইমামগণের অন্তর্ভুক্ত। এমনকি আয-যাহাবি নিজেও তাঁর 'আল-মিজান' গ্রন্থে মাহমুদ ইবনে গাইলান থেকে বর্ণনাকারীর পিতার নামকে 'জিম' এবং এক নুকতাযুক্ত 'বা' দিয়ে নির্দিষ্ট করেছেন।
দ্বিতীয়ত: কারণ আয-যাহাবি ইবনে জাবুবাইহ সম্পর্কে বলেছেন "মাহমুদ ইবনে গাইলান থেকে বর্ণিত", অথচ আল-কারাজি মাহমুদকে পাননি। ফলে উস্তাদ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন; তাঁর এক অংশ তাহকিক বা যাচাইয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছে যে সনদের সঠিক রূপটি হলো 'জিম' ও এক নুকতাযুক্ত 'বা' সহ (মুহাম্মাদ ইবনে জাবুবাইহ), আর অন্য অংশ প্রবৃত্তির বশবর্তী হয়েছে, ফলে তিনি দাবি করেছেন যে সনদে বিদ্যমান বাস্তব রূপটি হলো সেটিই যাকে আয-যাহাবি অভিযুক্ত করেছেন!
আমি দুই পা বিশিষ্ট ব্যক্তির মতো ছিলাম, যার একটি পা সুস্থ
… আর অন্য পায়ে কাল আঘাত হেনেছে ফলে তা অবশ হয়ে গেছে।
(১)ইবনে মাকুলা তাঁর 'আল-ইকমাল' গ্রন্থে
(২) উভয় ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন: "জাবুবাইহ-এর ক্ষেত্রে, শুরুতে নুকতাযুক্ত 'জিম', তারপর এক নুকতাযুক্ত তাশদিদবিশিষ্ট 'বা'; তিনি হলেন মুহাম্মাদ ইবনে জাবুবাইহ ইবনে বুন্দার আবু জাফর আল-হামাদানি আন-নাখখাস, তিনি মাহমুদ ইবনে গাইলান থেকে বর্ণনা করেন
… তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন
… এবং জিবরাইল ইবনে মুহাম্মাদ।" আর যাঁর নামের শুরুতে নুকতাহীন 'হা' রয়েছে, তাঁর সম্পর্কে তিনি বলেন: "আর হাইয়ুবাইহ-এর ক্ষেত্রে, 'ওয়াও'-এর আগে নিচে দুই নুকতাযুক্ত 'ইয়া' রয়েছে; তিনি হলেন
… এবং মুহাম্মাদ ইবনে হাইয়ুবাইহ আবু বকর আল-কারাজি, [পৃষ্ঠা ১৫] তিনি ইবনে আবি রওদাহ নামে পরিচিত, তিনি
… এবং ইসহাক আদ-দাবারী থেকে বর্ণনা করেছেন।"
উস্তাদের ওজর (অজুহাত) হলো এই যে, ইবনে জাবুবাইহ সম্পর্কে কেউ কোনো সমালোচনা করেননি, অথচ উস্তাদ ঐ দুটি বর্ণনাকে ত্রুটিযুক্ত বলতে বাধ্য হয়েছেন। উস্তাদের আমানতদারিতা এমনই!
এদিকে, প্রথম বর্ণনাটি মাহমুদ ইবনে গাইলান ওয়াকি' থেকে বর্ণনা করেছেন। এরপর উস্তাদ যা বলেছেন তা হলো...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١٨)
تقدم: "فلا يصح هذا الخبر عن وكيع بمثل هذا السند، والذي صحّ عنه هو ما أخرجه الحافظ أبو القاسم بن أبي العوَّام صاحب النسائي والطحاوي في كتابه "فضائل أبي حنيفة وأصحابه" المحفوظ بدار الكتب المصرية وعليه خطوط كثير من كبار العلماء الأقدمين وسماعاتهم، وهو من مرويات السِّلَفي حيث قال: حدثني محمد بن أحمد بن حماد قال: حدثنا إبراهيم بن جُنيد قال: حدثنا عُبيد بن يعيش قال حدثنا وكيع
… اهـ. وأين هذا من ذاك؟ فبذلك تبين ما في رواية الخطيب بطريق ابن جبويه الكذاب من الدخائل. هكذا يكون المحفوظ عند الخطيب، نسأل الله العافية".
أقول: المشهور من آل أبي العوام أحمد بن محمد بن عبد الله بن محمد بن أحمد، ولَّاه العُبيديون الباطنية القضاء بمصر، فكان يقضي بمذهبهم، ولم أر من وثَّقه، روى عنه الشهاب القضاعي هذا الكتاب الذي ذكره الأستاذ، رواه أحمد عن أبيه عن جده على أنه تأليف الجد عبد الله بن محمد.
وقد فتشت عن تراجمهم؛ فأما أحمد بن محمد فله ترجمة في "قضاة مصر"
(1) وفي "الجواهر المضيئة في طبقات الحنفية"
(2) لعبد القادر القرشي، ووعد القرشيُّ أن يذكر أباه وجدَّه، ثم ذكر الجد
(3) فقال: "عبد الله بن محمد بن أحمد جدّ أحمد بن محمد بن عبد الله الإمام المذكور في حرف الألف، ويأتي ابنه محمد".
--------------------------------------------
পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে: "ওয়াকি‘ থেকে এই প্রকারের সনদে এই সংবাদটি সহীহ নয়। বরং তাঁর থেকে যা সহীহভাবে বর্ণিত হয়েছে তা হলো সেটি, যা হাফিয আবু কাসিম বিন আবিল আউওয়াম—যিনি নাসাঈ ও তাহাবীর সঙ্গী ছিলেন—তাঁর 'ফাদাইলু আবি হানীফা ওয়া আসহাবিহি' কিতাবে সংকলন করেছেন। এটি মিশরের 'দারুল কুতুব'-এ সংরক্ষিত আছে এবং এর ওপর প্রাচীন অনেক বড় বড় আলেমদের হস্তলিপি ও শ্রবণ-অনুমতি (সামাআত) বিদ্যমান। এটি সিলাফী কর্তৃক বর্ণিত রেওয়াতসমূহের অন্তর্ভুক্ত, যেখানে তিনি বলেছেন: মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন হাম্মাদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবরাহীম বিন জুনাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উবাইদ বিন ইয়াঈশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওয়াকি‘ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন
… সমাপ্ত। এই বর্ণনার সাথে ওই বর্ণনার কতই না ব্যবধান! এর মাধ্যমেই খতীব (আল-বাগদাদী) কর্তৃক মিথ্যুক ইবনে জুবাইয়াহর সূত্রে বর্ণিত বর্ণনায় যে সকল অনুপ্রবেশ (জালিয়াতি) রয়েছে তা স্পষ্ট হয়ে গেল। খতীবের নিকট সংরক্ষিত বর্ণনার অবস্থা এমনই হয়, আমরা আল্লাহর নিকট নিরাপত্তা প্রার্থনা করি।"
আমি বলি: আবু আউওয়াম পরিবারের মধ্যে প্রসিদ্ধ ব্যক্তি হলেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ। বাতিনী উবাইদীগণ তাকে মিশরের বিচারক (কাযী) নিযুক্ত করেছিল, ফলে তিনি তাদের মাযহাব অনুযায়ী ফয়সালা দিতেন। আমি এমন কাউকে দেখিনি যিনি তাকে নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) বলেছেন। শিহাব আল-কুদায়ী তাঁর থেকে এই কিতাবটি বর্ণনা করেছেন যা উস্তাদ উল্লেখ করেছেন। আহমাদ এটি তাঁর পিতার সূত্রে তাঁর দাদার পক্ষ থেকে বর্ণনা করেছেন এই ভিত্তিতে যে, এটি তাঁর দাদা আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদের রচনা।
আমি তাঁদের জীবনী অনুসন্ধান করেছি; আহমাদ বিন মুহাম্মাদ সম্পর্কে আব্দুল কাদির আল-কুরাশী রচিত 'কুদাতু মিসর'
(১) এবং 'আল-জাওয়াহিরুল মুদিয়্যাহ ফী তাবাকাতিল হানাফিয়্যাহ'-এ
(২) জীবনী বিদ্যমান। কুরাশী তাঁর পিতা ও দাদার জীবনী উল্লেখ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, অতঃপর তিনি দাদার কথা উল্লেখ করে বলেছেন:
(৩) "আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ হলেন আলিফ বর্ণের অধীনে ইতিপূর্বে উল্লিখিত ইমাম আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহর দাদা, আর তাঁর পুত্র মুহাম্মাদের জীবনী সামনে আসবে।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ١٩)
هذا نص الترجمة بحذافيرها، [ص 16] ولم أجد فيها
(1) ترجمةً لمحمد، فعبد الله هذا هو الذي يقول الأستاذ فيه: "الحافظ
… صاحب النسائي والطحاوي". كأنه أخذ ذلك من روايته عنهما في ذاك الكتاب.
فأما أحمد فقد عُرِف بعضُ حاله، وأما أبوه وجدّه فلم أجد لهما أثرًا إلا من طريقه، وأما محمد بن أحمد بن حماد فترجمته في "لسان الميزان" (5/ 41)
(2).
وأما إبراهيم بن جُنيد، فإن كان هو الرَّقِّي فمجهول كما في "لسان الميزان" (1/ 45)
(3). وإن كان هو إبراهيم بن عبد الله بن الجُنيد الخُتَلي البغدادي ــ نُسِب إلى جده ــ فثقة، لكن لم أر في ترجمته من "تاريخ بغداد"
(4) ذِكْر عُبيد بن يعيش في شيوخه، ولا محمد بن أحمد بن حماد في الرواة عنه
(5). وأما عُبيد بن يعيش فذكره ابن حبان في "الثقات"
(6) وقال: "كان يخطئ".
وعلى فرض صحة هذه الرواية فليس فيها ما ينافي رواية الخطيب، بل هما متفقتان في أصل المعنى، غاية الأمر أن في رواية الخطيب زيادة، وقد يكون وكيع قال مرة كذا، وقال مرة كذا. وعلى فرض التنافي فرواية الخطيب
--------------------------------------------
এটি জীবনীর হুবহু পাঠ, [পৃষ্ঠা ১৬] এবং এতে আমি মুহাম্মদের কোনো জীবনী পাইনি
(১), আর এই আবদুল্লাহ সম্পর্কেই উস্তাদ বলছেন: "হাফিয
… নাসাঈ এবং ত্বহাবী-এর সঙ্গী"। মনে হয় তিনি সেই কিতাবে তাদের দুজনের থেকে তাঁর বর্ণিত বর্ণনা থেকেই এটি গ্রহণ করেছেন।
আর আহমদের ব্যাপারে কথা হলো, তাঁর কিছু অবস্থা জানা গেছে; কিন্তু তাঁর বাবা ও দাদার ব্যাপারে আমি তাঁর সূত্র ছাড়া আর কোনো চিহ্ন খুঁজে পাইনি। আর মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন হাম্মাদ সম্পর্কে জীবনী রয়েছে "লিসানুল মিজান" (৫/ ৪১) গ্রন্থে
(২)।
আর ইবরাহীম ইবন জুনাইদ সম্পর্কে কথা হলো, যদি তিনি রাক্কী হন তবে তিনি অপরিচিত (মাজহুল), যেমনটি "লিসানুল মিজান" (১/ ৪৫)-এ রয়েছে
(৩)। আর যদি তিনি ইবরাহীম ইবন আবদুল্লাহ ইবন জুনাইদ আল-খুতালী আল-বাগদাদী হন—যাকে তাঁর দাদার দিকে সম্বন্ধযুক্ত করা হয়েছে—তবে তিনি নির্ভরযোগ্য (সিকাহ), কিন্তু আমি "তারীখে বাগদাদ"
(৪)-এ তাঁর জীবনীতে তাঁর উস্তাদদের মধ্যে উবাইদ ইবন ইয়াঈশ-এর উল্লেখ এবং তাঁর থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন হাম্মাদ-এর উল্লেখ দেখিনি
(৫)। আর উবাইদ ইবন ইয়াঈশ সম্পর্কে কথা হলো, ইবন হিব্বান তাঁকে "আস-সিকাত"
(৬)-এ উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: "তিনি ভুল করতেন।"
আর এই বর্ণনাটি সহীহ ধরে নিলেও এতে খতীবের বর্ণনার পরিপন্থী কিছু নেই, বরং উভয়টি মূল অর্থের দিক থেকে একমত। বড়জোর খতীবের বর্ণনায় অতিরিক্ত কিছু রয়েছে। আর হতে পারে ওয়াকী' একবার এমন বলেছেন এবং অন্যবার তেমন বলেছেন। আর যদি বৈপরীত্য ধরেও নেওয়া হয়, তবে খতীবের বর্ণনা...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
أثبت، والأستاذ يتحقق ذلك، ولكنه يفعل الأفاعيل، ثم يبالغ في التهويل، ثم يقول: "نسأل الله العافية"!
5 - أبو عاصم.
قال الخطيب (13/ 391 [409]): "
… الأبار حدثنا الحسن بن علي الحُلْواني حدثنا أبو عاصم عن أبي عَوانة
… ". فذكر الأستاذ هذه الرواية (ص 92) ثم قال: "
… وفيه أيضًا أبو عاصم العبَّاداني وهو منكر الحديث".
أقول: الأستاذ يعلم أن الواقع في السند هو أبو عاصم النبيل الضحّاك بن مَخْلد الثقة المأمون؛ لأنه هو المشهور بأبي عاصم في تلك [ص 17] الطبقة، والمراد عند الإطلاق، وعنه يروي الحُلْواني كما في ترجمة الضحاك من "تهذيب التهذيب"
(1) وترجمة الحُلواني من "تهذيب المزي"
(2). ولكن هكذا تكون الأمانة عند الأستاذ!
وذكر الخطيب (3/ 423) أثرين، أحدهما من طريق أبي قلابة الرَّقاشي، والآخر من طريق مُسدَّد، كلاهما عن أبي عاصم عن سفيان الثوري، فذكرهما الأستاذ (ص 169) ثم قال: "وربما يكون أبو عاصم في السندين هو العبَّاداني وحاله معلومة".
أقول: قد عَلِم الأستاذ أنه الضحَّاك بن مَخْلد النبيل الثقة المأمون، فإنه المعروف بالرواية عن الثوري كما في ترجمته من "تهذيب التهذيب"
(3)،
--------------------------------------------
আমি সাব্যস্ত করেছি, এবং উস্তাদ তা যাচাই করেছেন, কিন্তু তিনি অদ্ভুত সব কাণ্ড করেন, এরপর ভীতি প্রদর্শনে অতিরঞ্জন করেন, তারপর বলেন: "আমরা আল্লাহর নিকট নিরাপত্তা প্রার্থনা করি!"
৫ - আবু আসিম.
খতিব (১৩/ ৩৯১ [৪০৯]) বলেন: "
... আল-আববার আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান ইবনে আলী আল-হুলওয়ানি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আবু আসিম আমাদের নিকট আবু আওয়ানা থেকে বর্ণনা করেছেন
... "। উস্তাদ এই বর্ণনাটি উল্লেখ করেছেন (পৃষ্ঠা ৯২) এবং তারপর বলেছেন: "
... আর এতে আবু আসিম আল-আবাদানিও রয়েছেন, যিনি মুনকারুল হাদিস"।
আমি বলি: উস্তাদ জানেন যে সনদে বিদ্যমান ব্যক্তিটি হলেন আবু আসিম আন-নাবিল আদ-দাহহাক ইবনে মাখলাদ, যিনি নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত; কারণ সেই [পৃষ্ঠা ১৭] স্তরে আবু আসিম বলতে তিনিই প্রসিদ্ধ, এবং নিঃশর্তভাবে উল্লেখ করলে তাকেই বোঝানো হয়, আর তাঁর থেকেই আল-হুলওয়ানি বর্ণনা করেন যেমনটি "তাহজিবুত তাহজিব"-এ আদ-দাহহাকের জীবনীতে
(১) এবং "তাহজিবুল মিজ্জি"-তে আল-হুলওয়ানির জীবনীতে
(২) রয়েছে। কিন্তু উস্তাদের আমানতদারিতা এমনই!
খতিব (৩/ ৪২৩) দুটি বর্ণনা উল্লেখ করেছেন, যার একটি আবু কিলাবাহ আর-রাকাশি-এর সূত্রে, এবং অন্যটি মুসাদ্দাদ-এর সূত্রে, উভয়েই আবু আসিম থেকে, তিনি সুফিয়ান আস-সাওরি থেকে। উস্তাদ এই দুটি উল্লেখ করেছেন (পৃষ্ঠা ১৬৯) এবং এরপর বলেছেন: "সম্ভবত এই দুই সনদে বিদ্যমান আবু আসিম হলেন আল-আবাদানি, আর তাঁর অবস্থা তো জানাই আছে"।
আমি বলি: উস্তাদ অবশ্যই জেনেছেন যে তিনি হলেন আদ-দাহহাক ইবনে মাখলাদ আন-নাবিল, যিনি নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত, কারণ তিনি সাওরি থেকে বর্ণনার জন্য সুপরিচিত, যেমনটি "তাহজিবুত তাহজিব"-এ তাঁর জীবনীতে
(৩) রয়েছে,
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٢١)
وترجمة الثوري من "تهذيب المِزي"
(1). وعنه يروي أبو قِلابة الرَّقاشي كما في ترجمته من "تاريخ بغداد" (10/ 425). وقد تغلَّب الأستاذ هنا على هواه إلى حدٍّ ما، إذ اقتصر على قوله: "وربما
… " ولم يجزم كعادته.
6 - أحمد بن إبراهيم.
قال الخطيب (13/ 381 [389]): "
… الأبار أخبرنا أحمد بن إبراهيم قال: قيل لشريك
… ".
ذكر الأستاذ هذه الرواية (ص 61)، ثم قال: "
… وأما أحمد بن إبراهيم فهو النُّكْري، ولفظه لفظ الانقطاع، ولم يدرك شريكًا إلا وهو صبي".
أقول: أول مذكور ممن يقال له: أحمد بن إبراهيم في "تاريخ بغداد"
(2)، [ص 18] و"تهذيب التهذيب"
(3): "أحمد بن إبراهيم بن خالد الموصلي". وذكر سماعَه من شريك، وذكر المزيّ في "التهذيب"
(4) شريكًا في شيوخه
(5). ويُعْلَم من تاريخ وفاته والنظر في مولد الأبار أن الأبار أدركه إدراكًا واضحًا، وهو معه في بلد، وبذلك يُعلم أنه هو الواقع في السند، ولكن الأستاذ رأى هذا ثقةً فالتمس غيره ممن تتهيَّأ له المغالطة به، ويكون فيه مطعن، فلم يجد إلا النكري، وهو ثقة أيضًا لكن كان صغيرًا عند وفاة شريك، ولم تُذْكر له رواية عن شريك، فقنع به الأستاذ، وهكذا تكون الأمانة عند الأستاذ!
--------------------------------------------
সাওরির জীবনী "তাজহীবুল মিযযি"
(১) থেকে নেওয়া। তার থেকে আবু কিলাবাহ আর-রাক্কাশি বর্ণনা করেছেন, যেমনটি তার জীবনীতে "তারিখে বাগদাদ" (১০/ ৪২৫)-এ রয়েছে। উস্তাদ এখানে নিজের প্রবৃত্তির উপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ রেখেছেন, যেহেতু তিনি তার কথাকে "হয়তো..." এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখেছেন এবং তার স্বভাবসুলভ দৃঢ়তার সাথে কোনো মন্তব্য করেননি।
৬ - আহমাদ বিন ইব্রাহিম.
খতিব (১৩/ ৩৮১ [৩৮৯]) বলেন: " ... আল-আব্বার আমাদের জানিয়েছেন, আহমাদ বিন ইব্রাহিম বলেছেন: শারিককে বলা হলো... "।
উস্তাদ এই বর্ণনাটি উল্লেখ করেছেন (পৃষ্ঠা ৬১), এরপর বলেছেন: " ...আর আহমাদ বিন ইব্রাহিমের কথা বলতে গেলে, তিনি হলেন আন-নুকরি, এবং তার শব্দচয়ন বিচ্ছিন্নতার ইঙ্গিতবাহী, আর তিনি শারিককে শৈশবকাল ছাড়া পাননি"।
আমি বলব: "তারিখে বাগদাদ"
(২) [পৃষ্ঠা ১৮] এবং "তাজহীবুত তাজহীব"
(৩)-এ আহমাদ বিন ইব্রাহিম নামে প্রথম যাকে উল্লেখ করা হয়েছে তিনি হলেন: "আহমাদ বিন ইব্রাহিম বিন খালিদ আল-মাওসিলি"। সেখানে শারিক থেকে তার শ্রবণের কথা উল্লেখ আছে এবং আল-মিযযি "তাজহীব"
(৪)-এ তার উস্তাদদের মধ্যে শারিকের কথা উল্লেখ করেছেন
(৫)। তার মৃত্যুর তারিখ এবং আব্বারের জন্মের তারিখ পর্যালোচনা করলে জানা যায় যে, আব্বার স্পষ্টভাবে তাকে পেয়েছেন এবং তিনি তার সাথে একই শহরে ছিলেন। এর মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, তিনিই সনদে বিদ্যমান ব্যক্তি। কিন্তু উস্তাদ একে বিশ্বস্ত হিসেবে দেখলেন, তাই তিনি এমন অন্য কাউকে খুঁজলেন যাকে নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা যায় এবং যার মধ্যে কোনো ত্রুটি খুঁজে পাওয়া যায়। ফলে তিনি আন-নুকরি ছাড়া আর কাউকে পাননি, অথচ তিনিও বিশ্বস্ত, তবে শারিকের মৃত্যুর সময় তিনি ছোট ছিলেন এবং শারিক থেকে তার কোনো বর্ণনা পাওয়া যায় না। উস্তাদ এতেই তুষ্ট হলেন; উস্তাদের আমানতদারিতা এমনই হয়ে থাকে!
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
وأما قول الأستاذ: "لفظ انقطاع" فيردُّه أن أحمد بن إبراهيم الموصلي ثقة، وقد ثبت سماعُه من شريك، ولم يكن مدلّسًا، فروايته عن شريك محمولة على السماع، كما هو معروف في علوم الحديث، وأصول الفقه. وسيأتي شرح هذه القاعدة وبعض دقائقها في القسم الأول من "التنكيل"
(1) إن شاء الله تعالى.
7 - أبو الوزير.
قال الخطيب (13/ 384 [397]): "
… عبد الله بن محمود المروزي، قال: سمعت محمد بن عبد الله بن قُهْزاذ يقول: سمعت أبا الوزير أنه حضر عبد الله بن المبارك
… ".
ذكر الأستاذ هذه الرواية (ص 69) ثم قال: "عبد الله بن محمود مجهول الصفة، وكذا أبو الوزير عمر بن مطرّف".
أقول: عبد الله بن محمود من الحفاظ الأثبات كما يأتي في فرع
(2) (ز) من هذه "الطليعة" إن شاء الله تعالى.
[ص 19] وأما أبو الوزير فكيف يزعم الأستاذ أنه عمر بن مطرِّف؟ مع أن
عمر بن مطرف لم يُعرف بروايةٍ أصلًا، وإنما ذُكِر اسمه في نسب ابنيه إبراهيم ومحمد.
وقد قال الأستاذ (ص 83): "قاعدة ابن المبارك في الفقه
… " وإنما أخذ ذلك مما رواه الخطيب (13/ 343): "
… أبو حمزة المروزي قال: سمعتُ
--------------------------------------------
আর উস্তাদের কথা "বিচ্ছিন্নতার শব্দ" (ইনকিতা)-এর উত্তর হলো, আহমদ ইবন ইব্রাহিম আল-মাওসিলি একজন নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) বর্ণনাকারী। শারিক থেকে তাঁর শ্রবণের (সামা’) বিষয়টি প্রমাণিত এবং তিনি মুদাল্লিস (বর্ণনা গোপনকারী) ছিলেন না। সুতরাং শারিক থেকে তাঁর বর্ণনাটি শ্রবণের ওপর ভিত্তি করেই গণ্য হবে, যেমনটি হাদিস শাস্ত্র এবং উসুলে ফিকহ-এর মূলনীতিতে সুবিদিত। ইনশাআল্লাহ তাআলা, "আত-তানকিল"
(১) গ্রন্থের প্রথম খণ্ডে এই মূলনীতি এবং এর কিছু সূক্ষ্ম বিষয়ের ব্যাখ্যা সামনে আসবে।
৭ - আবু আল-ওয়াজির.
আল-খতিব (১৩/ ৩৮৪ [৩৯৭]) বলেন: " ... আবদুল্লাহ ইবন মাহমুদ আল-মারওয়াজি বলেন: আমি মুহাম্মাদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন কুহজাদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু আল-ওয়াজিরকে বলতে শুনেছি যে তিনি আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারকের মজলিসে উপস্থিত ছিলেন... "।
উস্তাদ এই বর্ণনাটি উল্লেখ করেছেন (পৃষ্ঠা ৬৯) এবং এরপর বলেছেন: "আবদুল্লাহ ইবন মাহমুদ অজ্ঞাত গুণসম্পন্ন (মাজহুলুস সিফাত), আর আবু আল-ওয়াজির ওমর ইবন মুতাররিফও তদ্রূপ।"
আমি বলছি: আবদুল্লাহ ইবন মাহমুদ নির্ভরযোগ্য হাফেজদের অন্তর্ভুক্ত, যেমনটি ইনশাআল্লাহ তাআলা এই "আত-তালিআহ"-এর (য) উপ-শাখায়
(২) সামনে আসবে।
[পৃষ্ঠা ১৯] আর আবু আল-ওয়াজিরের ব্যাপারে উস্তাদ কীভাবে দাবি করলেন যে তিনি ওমর ইবন মুতাররিফ? অথচ
ওমর ইবন মুতাররিফ কোনো বর্ণনার মাধ্যমেই পরিচিত নন; বরং কেবল তাঁর দুই পুত্র ইব্রাহিম ও মুহাম্মাদের বংশলতিকায় তাঁর নাম উল্লিখিত হয়েছে।
আর উস্তাদ বলেছেন (পৃষ্ঠা ৮৩): "ফিকহ শাস্ত্রে ইবনুল মুবারকের মূলনীতি... "। তিনি মূলত এটি গ্রহণ করেছেন খতিব বর্ণিত (১৩/ ৩৪৩) সেই বর্ণনা থেকে: " ... আবু হামজা আল-মারওয়াজি বলেন: আমি শুনেছি
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
ابن أعْيَن أبا الوزير
… ". وعادة الأستاذ في الصبر على التنقيب تقضي بأنه قد راجع "الكنى" للدولابي فوجد فيه (2/ 147): "أبو الوزير محمد بن أعين المروزي، روى عن ابن المبارك" فبادر الأستاذ إلى نظر هذا الاسم في "تهذيب التهذيب" فوجد فيه (9/ 66): "محمد بن أعْيَن أبو الوزير المروزي خادم ابن المبارك، روى عنه وعن ابن عُيينة وفُضيل بن عياض
… وخَلْق، وعنه أحمد وإسحاق و
… ومحمد بن عبد الله بن قهزاذ وآخرون، قال أبو علي محمد بن علي بن حمزة المروزي: يقال إن عبد الله أوصى إليه، وكان من ثقاته وخواصه، وذكره ابن حبان في "الثقات"
(1)، وقد ذكره ابنُ أبي حاتم (3/ 2/207) فقال: "وَصِيُّ ابن المبارك".
فعلم الأستاذ يقينًا أن هذا هو الواقع في السند، ولكنه لم يجد فيه مغمزًا؛ لأن ثقة ابن المبارك به واعتماده عليه توثيق، ورواية الإمام أحمد عنه توثيق؛ لِمَا عُرِف من توقّي أحمد
(2)، ومع ذلك توثيق ابن حبان، ولم يعارض ذلك شيءٌ، ففزع الأستاذ إلى التبديل كعادته، فزعم أن أبا الوزير [ص 20] الواقع في السند هو عمر بن مطرف؛ وذلك أنه لم يجد في كنى "التهذيب" ذكرًا لأبي الوزير، فطمع أن من يتعقبه لا يهتدي إلى ترجمة محمد بن أعين!
--------------------------------------------
ইবনে আয়ান আবু আল-ওয়াজির
… "। অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে উস্তাদের ধৈর্যশীল হওয়ার স্বভাব এটাই দাবি করে যে, তিনি আদ-দুলাবি-র "আল-কুনা" গ্রন্থটি পর্যালোচনা করেছেন এবং তাতে পেয়েছেন (২/ ১৪৭): "আবু আল-ওয়াজির মুহাম্মাদ ইবনে আয়ান আল-মারওয়াজি, তিনি ইবনুল মুবারক থেকে বর্ণনা করেছেন।" এরপর উস্তাদ দ্রুত "তাহজিবুত তাহজিব" গ্রন্থে এই নামটি দেখতে যান এবং তাতে পান (৯/ ৬৬): "মুহাম্মাদ ইবনে আয়ান আবু আল-ওয়াজির আল-মারওয়াজি ছিলেন ইবনুল মুবারকের খাদেম, তিনি তাঁর থেকে এবং ইবনে উয়াইনাহ ও ফুদাইল ইবনে ইয়াদ
… এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন আহমাদ, ইসহাক এবং
… ও মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ক্বাহযাদ এবং আরও অনেকে। আবু আলি মুহাম্মাদ ইবনে আলি ইবনে হামজাহ আল-মারওয়াজি বলেন: বলা হয়ে থাকে যে আব্দুল্লাহ (ইবনুল মুবারক) তাঁর অনুকূলে অসিয়ত করে গিয়েছিলেন, আর তিনি তাঁর নির্ভরযোগ্য ও ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। ইবনে হিব্বান তাঁকে "আত-সিক্বাত" গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন
(১), আর ইবনে আবি হাতিম (৩/ ২/২০৭) তাঁকে উল্লেখ করে বলেছেন: "ইবনুল মুবারকের অসিয়তপ্রাপ্ত ব্যক্তি"।
ফলে উস্তাদ নিশ্চিতভাবে জানতেন যে সনদে ইনিই রয়েছেন, কিন্তু তিনি তাঁর মধ্যে কোনো ত্রুটি খুঁজে পাননি; কেননা তাঁর প্রতি ইবনুল মুবারকের আস্থা ও নির্ভরতা একটি নির্ভরযোগ্যতা (তাওসিক্ব), এবং ইমাম আহমাদের তাঁর থেকে বর্ণনা করাও একটি নির্ভরযোগ্যতা; কারণ আহমাদের সতর্কতা সম্পর্কে যা জানা যায়
(২)। এর পাশাপাশি রয়েছে ইবনে হিব্বানের নির্ভরযোগ্য ঘোষণা (তাওসিক্ব), এবং এর বিপরীতে কোনো কিছুই নেই। এমতাবস্থায় উস্তাদ তাঁর স্বভাবসুলভ পরিবর্তনের আশ্রয় নিলেন এবং দাবি করলেন যে সনদে বিদ্যমান আবু আল-ওয়াজির [পৃষ্ঠা ২০] হলেন উমর ইবনে মুতাররিফ; এর কারণ হলো তিনি "তাহজিব"-এর কুনিয়াত (উপনাম) অংশে আবু আল-ওয়াজিরের উল্লেখ খুঁজে পাননি, তাই তিনি এই আশা করেছিলেন যে তাঁর অনুসরণকারী ব্যক্তি মুহাম্মাদ ইবনে আয়ানের জীবনী খুঁজে পাবে না!
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
ثم رأى في الأبناء من "التهذيب"
(1): "ابن وزير جماعة منهم محمد
… " فرجع إلى من يقال: (محمد بن الوزير) فوجد جماعة، ووجد معهم: "محمد بن أبي الوزير هو محمد بن عمر، تقدم"، فنظر ترجمته فإذا هو محمد بن عمر بن مطرف، فمن هنا أخذ الأستاذ اسم عمر بن مطرِّف، والله أعلم.
وهكذا تكون الأمانة عند الأستاذ!
8 - محمد بن أحمد بن سهل.
قال الأستاذ (ص 63): "وهناك رواية
… وهي ما رواه هبة الله الطبري في "شرح السنة" عن محمد بن أحمد بن سهل (الأصباغي) عن محمد بن أحمد بن الحسن (أبي علي بن الصواف)
… ".
كذا فسر الأستاذ من عنده بقوله: "الأصباغي"، مع أن الأصباغي سكن دمشق، وهو مُقِلّ لا يعرف له رواية عن ابن الصوَّاف، ولا لهبة الله رواية عنه ولا لقاء، واقتصر الخطيب في ترجمته (1/ 307) على قوله: "
… سكن دمشق وحدّث بها عن محمد بن الحسين البُسْتَنْبان، وروى عنه أبو الفتح بن مسرور".
ومعرفة الأستاذ ويقظته تقتضي أن يكون قد شعر بهذا وفتَّش، فعلم أن شيخ هبة الله في السند هو محمد بن أحمد بن فارس بن سهل أبو الفتح بن أبي الفوارس الحافظ الثقة الثبت، وترجمته في "تاريخ بغداد" (1/ 352) وفيها: "سمع من
… وأبي علي بن الصوَّاف
… حدث عنه
… وهبة الله بن
--------------------------------------------
এরপর তিনি 'আত-তাহজিব'
(১)-এর 'আল-আবনা' অংশে দেখতে পান: "ইবনে উজির তাদের মধ্যকার এক জামাত, যাদের মধ্যে মুহাম্মদ
… " অতঃপর তিনি যাদের (মুহাম্মদ বিন আল-উজির) বলা হয় তাদের দিকে ফিরে যান এবং একদল লোককে পান। তাদের সাথে তিনি আরও পান: "মুহাম্মদ বিন আবি আল-উজির হলেন মুহাম্মদ বিন উমর, যা পূর্বে বর্ণিত হয়েছে।" এরপর তিনি তাঁর জীবনী লক্ষ্য করেন এবং দেখতে পান যে তিনি হলেন মুহাম্মদ বিন উমর বিন মুতাররিফ। মূলত এখান থেকেই উস্তাদ উমর বিন মুতাররিফ নামটি গ্রহণ করেছেন, আল্লাহই ভালো জানেন।
আর এভাবেই উস্তাদের আমানতদারিতা প্রকাশ পায়!
৮ - মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন সাহল.
উস্তাদ বলেন (পৃষ্ঠা ৬৩): "সেখানে একটি বর্ণনা রয়েছে
… আর তা হলো যা হিবাতুল্লাহ আত-তাবারি 'শারহুস সুন্নাহ'-তে মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন সাহল (আল-আসবগি) থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন আল-হাসান (আবু আলী বিন আস-সাওয়াফ) থেকে বর্ণনা করেছেন
… "।
উস্তাদ নিজ থেকে এভাবে 'আল-আসবগি' বলে ব্যাখ্যা করেছেন, অথচ আল-আসবগি দামেস্কে বসবাস করতেন। তিনি একজন স্বল্প বর্ণনাকারী, ইবনুল সাওয়াফ থেকে তাঁর কোনো বর্ণনা সম্পর্কে জানা যায় না, আর হিবাতুল্লাহরও তাঁর থেকে কোনো বর্ণনা নেই এবং তাঁর সাথে কোনো সাক্ষাৎও ঘটেনি। আল-খতিব তাঁর জীবনীতে (১/৩০৭) কেবল একথাই বলেছেন: "
… তিনি দামেস্কে বসবাস করতেন এবং সেখানে মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আল-বুসতানবান থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন, আর তাঁর থেকে আবুল ফাতহ বিন মাসরুর বর্ণনা করেছেন।"
উস্তাদের জ্ঞান ও সজাগ দৃষ্টির দাবি ছিল যে তিনি বিষয়টি অনুভব করবেন এবং অনুসন্ধান করবেন; ফলে তিনি জানতে পারতেন যে সনদে হিবাতুল্লাহর শাইখ হলেন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন ফারিস বিন সাহল আবুল ফাতহ বিন আবিল ফাওয়ারিস আল-হাফিজ আস-সিকা আল-সাবত। তাঁর জীবনী 'তারিখে বাগদাদ' (১/৩৫২)-এ রয়েছে এবং তাতে বলা হয়েছে: "তিনি
… এবং আবু আলী বিন আস-সাওয়াফ থেকে শুনেছেন
… তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন
… এবং হিবাতুল্লাহ বিন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
الحسن الطبري".
[ص 21] وإنما أسقط هبةُ الله في ذاك السند اسمَ الجد على ما عُرف من عادة المحدِّثين في تفننهم في ذِكْر شيوخهم الذين أكثروا عنهم.
9 - محمد بن عمر.
قال الخطيب (13/ 405 [430]): "محمد بن الحسين بن حميد بن الربيع حدثنا محمد بن عمر بن دليل قال: سمعت محمد بن عُبيد الطنافسي
… ".
ذكر الأستاذ هذه الرواية (ص 126) وقال: "محمد بن عمر هو ابن وليد التيمي، وقد تصحَّف "وليد" إلى "دليل" في الطبعات كلها، ويقول عنه ابن حبان: يروى عن مالك ما ليس من حديثه
… ".
أقول: لم يذكروا في ترجمة محمد بن عمر بن وليد التيمي الذي تكلم فيه ابن حبان وغيره أنه يروي عن محمد بن عُبيد الطنافسي، ولا أنه يروي عنه محمد بن الحسين بن حميد بن الربيع، وأُراه أقدم من ذلك، فإنه يروي عن المتوفَّين حوالي سنة 180، كمسلم بن خالد، ومالك، وهُشيم، فيبعد أن ينزل إلى محمد بن عبيد المتوفى سنة 204، ولم يذكروا راويًا عن التيمي هذا إلا أبا زرعة المولود سنة 200، ويبعد أن يكون أدركه ــ أعني التيمي هذا ــ محمدُ بن الحسين بن حميد الذي أقدمُ من سُمِّي من شيوخه موتًا أبو سعيد الأشج المتوفى سنة 257، فالأقرب أن يكون الواقع في السند هو محمد بن عمر بن وليد الكندي الكوفي، يروي عن الكوفيين المتوفَّين حوالي سنة مائتين، وأقدم من سَمّوا من شيوخه محمد بن فُضَيل المتوفى سنة 195.
আল-হাসান আত-তাবারী"।
[পৃষ্ঠা ২১] হিবাতুল্লাহ সেই সনদে কেবল দাদার নাম বাদ দিয়েছেন, যেমনটি মুহাদ্দিসগণের অভ্যাসে পরিচিত যে, তারা সেই সকল শিক্ষকদের উল্লেখে বৈচিত্র্য আনেন যাদের থেকে তারা প্রচুর বর্ণনা করেছেন।
৯ - মুহাম্মদ ইবনে উমর.
আল-খাতীব বলেছেন (১৩/ ৪০৫ [৪৩০]): "মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনে হুমাইদ ইবনুর রাবী' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে দালীল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ আত-তানাফিসি-কে বলতে শুনেছি
..."।
উস্তাদ এই বর্ণনাটি উল্লেখ করেছেন (পৃষ্ঠা ১২৬) এবং বলেছেন: "মুহাম্মদ ইবনে উমর হলেন ইবনে ওয়ালিদ আত-তাইমী, এবং সমস্ত মুদ্রণে 'ওয়ালিদ' শব্দটি 'দালীল' হিসেবে বিকৃত হয়েছে। ইবনে হিব্বান তার সম্পর্কে বলেছেন: তিনি মালিক থেকে এমন সব হাদিস বর্ণনা করেন যা তার (মালিকের) হাদিস নয়
..."।
আমি বলি: তারা মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে ওয়ালিদ আত-তাইমীর জীবনীতে—যার ব্যাপারে ইবনে হিব্বান ও অন্যরা সমালোচনা করেছেন—উল্লেখ করেননি যে তিনি মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ আত-তানাফিসি থেকে বর্ণনা করেন, কিংবা মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনে হুমাইদ ইবনুর রাবী' তার থেকে বর্ণনা করেন। আমি তাকে এর চেয়েও প্রাচীন মনে করি, কারণ তিনি ১৮০ হিজরীর কাছাকাছি সময়ে মৃত্যুবরণকারী রাবীদের থেকে বর্ণনা করেন, যেমন মুসলিম ইবনে খালিদ, মালিক এবং হুশাইম। সুতরাং ২০৪ হিজরীতে মৃত্যুবরণকারী মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ পর্যন্ত নেমে আসা তার জন্য অসম্ভব বলে মনে হয়। আর তারা এই তাইমীর থেকে বর্ণনাকারী হিসেবে কেবল আবু যুরআ-র কথা উল্লেখ করেছেন যার জন্ম ২০০ হিজরীতে। আর মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনে হুমাইদ তাকে—অর্থাৎ এই তাইমীকে—পেয়েছেন এটাও সুদূরপরাহত, কেননা তার উস্তাদদের মধ্যে যার মৃত্যু সবচেয়ে আগে হয়েছে বলে নাম পাওয়া যায় তিনি হলেন আবু সাঈদ আল-আশাজ্জ (মৃত্যু ২৫৭ হিজরী)। সুতরাং অধিকতর নিকটবর্তী সম্ভাবনা হলো, সনদে বিদ্যমান ব্যক্তিটি হলেন মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে ওয়ালিদ আল-কিন্দী আল-কূফী। তিনি দুইশ হিজরীর কাছাকাছি সময়ে মৃত্যুবরণকারী কূফীদের থেকে বর্ণনা করেন এবং তার উস্তাদদের মধ্যে যার নাম সবচেয়ে প্রাচীন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে তিনি হলেন মুহাম্মদ ইবনে ফুদাইল (মৃত্যু ১৯৫ হিজরী)।
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
وذكر [ص 22] ابن أبي حاتم
(1) هذا الكنديَّ فقال: "كتب عنه أبي في الرحلة الثالثة بالكوفة، وقَدِمنا الكوفة سنة 255 وهو حي فلم يُقْض لنا السماع منه". وقال النسائي: "لا بأس به"، وذكره ابن حبان في "الثقات"
(2). فهذا كوفيّ يروي عن أقران محمد عبيد، ومحمد بن عبيد كوفيّ وقد أدركه ــ أعني الكندي ــ محمد بن حسين بن حميد بن الربيع وهو كوفي أيضًا. وهذا لا يخفى على الأستاذ، لكنه لم يجد في هذا مغمزًا فعَدَل إلى التيمي المطعون فيه لحاجة الأستاذ إلى الطعن في تلك الرواية، والله المستعان.
10 - محمد بن سعيد.
قال الخطيب (13/ 375 [381]): "
… محمود بن غيلان حدثنا محمد بن سعيد عن أبيه
… ".
فذكر الأستاذ هذه الرواية (ص 47) ثم قال: "محمد بن سعيد هو ابن سَلْم
(3) الباهلي، وقد قال ابن حجر عنه
(4) في "تعجيل المنفعة": منكر الحديث مضطربه، وقد تركه أبو حاتم ووهَّاه أبو زرعة فقال: ليس بشيء. اهـ. وإلى الله نشكو من هؤلاء الرواة الذين لا يخافون الله
… وهكذا يكون المحفوظ عند الخطيب".
أقول: هذا يصلح أن يُعدّ نوعًا مستقلًّا من مغالطات الأستاذ، وهو اغتنام الخطأ الواقع في بعض الكتب إذا وافق غرضَه، والذي في "تعجيل المنفعة"
--------------------------------------------
এবং ইবনে আবি হাতিম
(১) [পৃ. ২২] এই কিন্দি সম্পর্কে উল্লেখ করে বলেছেন: "কুফায় তৃতীয় সফরের সময় আমার পিতা তার থেকে (হাদিস) লিখেছেন। আমরা ২৫৫ হিজরিতে কুফায় আগমন করি যখন তিনি জীবিত ছিলেন, কিন্তু তার থেকে সরাসরি শোনার সুযোগ আমাদের হয়নি।" নাসাঈ বলেছেন: "তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই", এবং ইবনে হিব্বান তাকে 'আস-সিকাত'
(২) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। সুতরাং এই ব্যক্তি একজন কুফাবাসী যিনি মুহাম্মাদ বিন উবাইদের সমসাময়িকদের থেকে বর্ণনা করেন। আর মুহাম্মাদ বিন উবাইদও একজন কুফাবাসী। মুহাম্মাদ বিন হুসাইন বিন হুমাইদ বিন আর-রাবিও তাকে—অর্থাৎ কিন্দিকে—পেয়েছেন, এবং তিনিও একজন কুফাবাসী। এটি উস্তাদের কাছে গোপন নয়, কিন্তু তিনি এতে কোনো দোষ খুঁজে পাননি, তাই তিনি সেই বিতর্কিত তাইমির দিকে ঝুঁকেছেন। কারণ উস্তাদের সেই বর্ণনাটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করার প্রয়োজন ছিল। আর আল্লাহর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করছি।
১০ - মুহাম্মাদ বিন সাঈদ.
খাতীব (১৩/৩৭৫ [৩৮১]) বলেছেন: "
… মাহমুদ বিন গাইলান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন সাঈদ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে
… "।
অতঃপর উস্তাদ এই বর্ণনাটি (পৃ. ৪৭) উল্লেখ করে বলেছেন: "মুহাম্মাদ বিন সাঈদ হলেন ইবনে সালম
(৩) আল-বাহিলি। ইবনে হাজার তার সম্পর্কে
(৪) 'তাজীলুল মানফায়া' গ্রন্থে বলেছেন: তিনি মুনকারুল হাদিস (অস্বীকৃত হাদিস বর্ণনাকারী) এবং তার বর্ণিত হাদিস ইজতিরাবপূর্ণ (ত্রুটিযুক্ত)। আবু হাতিম তাকে পরিত্যাগ করেছেন এবং আবু যুরআ তাকে দুর্বল প্রতিপন্ন করেছেন এবং বলেছেন: তিনি কিছুই নন। (উদ্ধৃতি সমাপ্ত)। আমরা আল্লাহর কাছে এই বর্ণনাকারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছি যারা আল্লাহকে ভয় করে না
… আর খাতীবের সংরক্ষিত বর্ণনা এমনই হয়ে থাকে।"
আমি বলি: এটি উস্তাদের বিভ্রান্তিকর যুক্তির একটি স্বতন্ত্র প্রকার হিসেবে গণ্য হওয়ার যোগ্য। আর তা হলো, কোনো কিতাবে ভুল পাওয়া গেলে তা যদি তার উদ্দেশ্যের অনুকূলে হয়, তবে সেই ভুলের সুযোগ গ্রহণ করা। আর 'তাজীলুল মানফায়া' গ্রন্থে যা আছে—
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
(ص 324)
(1): "محمد بن سعيد الباهلي البصري الأثرم عن سلام بن سليمان القارئ، وعنه أبو بكر محمد بن عبد الله جار عبد الله بن أحمد وشيخه، ويعقوب [ص 23] بن سفيان ومحمد بن غالب تَمْتام وجماعة، منهم أبو حاتم، ثم تركه، وقال: هو منكر الحديث مضطرب الحديث، ووهّاه أبو زرعة، فقال: ليس هو بشيء".
فهذه الترجمة فيها تخليط لا أدري أَعَن سقطٍ نشأ أم عن غلط، وهذا الذي تكلموا فيه ليس هو محمد بن سعيد بن سلم، ولا هو باهلي، بل هو محمد بن سعيد بن زياد أبو سعيد القرشي الكُرَيزي البصري الأثرم، ذكره البخاري في "التاريخ" (1/ 1/96): "محمد بن سعيد القرشي البصري
… ". وذكره ابن أبي حاتم في كتابه (3/ 2/264): "محمد بن سعيد بن زياد القرشي أبو سعيد المصري (البصري؟ )
(2) الأثرم سكن بغداد
… سمع منه أبي ولم يحدِّث عنه، سمعته يقول: هو منكر الحديث مضطرب الحديث
… ، سألت أبا زرعة
… فقال: ضعيف الحديث
… وليس بشيء". وله ترجمة في "تاريخ بغداد" (5/ 305) وفي "الميزان" و"اللسان".
--------------------------------------------
(পৃষ্ঠা ৩২৪)
(১): "মুহাম্মাদ বিন সাঈদ আল-বাহিলি আল-বাসরি আল-আছরাম, সালাম বিন সুলাইমান আল-কারি থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ—যিনি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদের প্রতিবেশী এবং তার শিক্ষক ছিলেন, এবং ইয়াকুব [পৃষ্ঠা ২৩] বিন সুফিয়ান, মুহাম্মাদ বিন গালিব তামতাম ও একটি জামাত, যাদের মধ্যে আবু হাতিমও রয়েছেন। পরবর্তীতে তিনি (আবু হাতিম) তাকে বর্জন করেছেন এবং বলেছেন: সে মুনকারুল হাদিস ও মুদতারিবুল হাদিস। আবু যুরআহ তাকে দুর্বল বলেছেন এবং বলেছেন: সে কিছুই নয় (অর্থাৎ অত্যন্ত দুর্বল)"।
এই জীবনী আলোচনায় কিছু গোলমাল রয়েছে, আমি জানি না এটি কোনো অংশ বাদ পড়ার কারণে তৈরি হয়েছে নাকি ভুলের কারণে। আর ইমামগণ যার সম্পর্কে সমালোচনা করেছেন, তিনি মুহাম্মাদ বিন সাঈদ বিন সালাম নন এবং তিনি বাহিলিও নন; বরং তিনি হলেন মুহাম্মাদ বিন সাঈদ বিন যিয়াদ আবু সাঈদ আল-কুরাশি আল-কুরাইযি আল-বাসরি আল-আছরাম। ইমাম বুখারি 'আত-তারিখ' (১/১/৯৬) গ্রন্থে তার কথা উল্লেখ করেছেন: "মুহাম্মাদ বিন সাঈদ আল-কুরাশি আল-বাসরি..."। এবং ইবনে আবি হাতিম তার কিতাবে (৩/২/২৬৪) উল্লেখ করেছেন: "মুহাম্মাদ বিন সাঈদ বিন যিয়াদ আল-কুরাশি আবু সাঈদ আল-মিসরি (আল-বাসরি?)
(২) আল-আছরাম, বাগদাদে বসবাস করতেন... আমার পিতা তার থেকে শুনেছেন কিন্তু তার থেকে হাদিস বর্ণনা করেননি। আমি তাকে বলতে শুনেছি: সে মুনকারুল হাদিস, মুদতারিবুল হাদিস... আমি আবু যুরআহকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম... তিনি বলেছিলেন: সে হাদিসে দুর্বল... এবং সে কিছুই নয়।" 'তারিখে বাগদাদ' (৫/৩০৫), 'আল-মিযান' এবং 'আল-লিসান' গ্রন্থেও তার জীবনী রয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
ولا أشكُّ أن الأستاذ قد عرف ذلك، وعرف أن ما في "التعجيل" تخليط، ولكن إذا كان الأستاذ يصطنع المغالطات اصطناعًا كما مرَّ، فكيف لا يغتنم ما جاء عفوًا؟!
والذي يظهر أن هناك محمد بن سعيد الباهلي يروي عن سلام بن سليمان القارئ، وعنه محمد بن عبد الله جار عبد الله بن أحمد، فاختلطت في "التعجيل" ترجمة هذا بترجمة محمد بن سعيد بن زياد القرشي الكُرَيزي البصري الأثرم، فأما الواقع في السند فهو كما قال الأستاذ محمد بن سعيد بن سَلْم الباهلي، ولم يطعن فيه أحد. وتأمل قول الأستاذ: "وإلى الله نشكو
… "!
[ص 24] 11 - أبو شيخ الأصبهاني.
قال الخطيب (13/ 384 [396]): "
… محمد بن عبد الله الشافعي قال: حدثني أبو شيخ الأصبهاني حدثنا الأثرم
… ". وقال (13/ 411 [438]): "
… محمد بن عبد الله بن إبراهيم الشافعي حدثنا أبو شيخ الأصبهاني حدثنا الأثرم
… ".
أشار الأستاذ (ص 69) إلى الرواية الأولى وقال: "في سنده أبو شيخ الأصبهاني، ضعَّفه بلديُّه الحافظ أبو أحمد العسَّال، وله ميل إلى التجسيم". وأشار (ص 141) إلى الرواية الثانية وقال: "وفي سنده أبو الشيخ الأصبهاني، وقد ضعَّفه العسَّال"
(1). وذكر الأستاذ (ص 49) حكايةً في سندها أبو محمد بن حيان فقال:
--------------------------------------------
এবং আমার কোনো সন্দেহ নেই যে প্রফেসর তা জানতেন, এবং তিনি জানতেন যে "আত-তাজিল" গ্রন্থে যা আছে তা বিশৃঙ্খলাপূর্ণ; কিন্তু প্রফেসর যদি পূর্বের মতো কৃত্রিমভাবে বিভ্রান্তি তৈরি করেন, তবে তিনি স্বতঃস্ফূর্তভাবে আসা বিষয়গুলো কেন হাতছাড়া করবেন?!
যা প্রকাশ পাচ্ছে তা হলো, সেখানে একজন মুহাম্মদ বিন সাঈদ আল-বাহিলি রয়েছেন যিনি সালাম বিন সুলাইমান আল-ক্বারি থেকে বর্ণনা করেন, এবং তাঁর থেকে বর্ণনা করেন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ-এর প্রতিবেশী মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ। ফলে "আত-তাজিল" গ্রন্থে এই ব্যক্তির জীবনী মুহাম্মদ বিন সাঈদ বিন জিয়াদ আল-কুরাশি আল-কুরাইজি আল-বাসরি আল-আছরাম-এর জীবনীর সাথে তালগোল পাকিয়ে গেছে। তবে সনদে যা বিদ্যমান তা হলো প্রফেসর যেমনটি বলেছেন মুহাম্মদ বিন সাঈদ বিন সালম আল-বাহিলি, এবং তাঁর সম্পর্কে কেউ কোনো আপত্তি তোলেননি। আর প্রফেসরের কথাটি লক্ষ্য করুন: "এবং আল্লাহর কাছেই আমরা অভিযোগ করছি
… "!
[পৃষ্ঠা ২৪] ১১ - আবু শায়খ আল-আসবাহানি।
আল-খতিব (১৩/ ৩৮৪ [৩৯৬]) বলেছেন: "
… মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আশ-শাফেয়ি বলেছেন: আবু শায়খ আল-আসবাহানি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, আল-আছরাম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন
… "। এবং তিনি (১৩/ ৪১১ [৪৩৮]) বলেছেন: "
… মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইব্রাহিম আশ-শাফেয়ি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু শায়খ আল-আসবাহানি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আল-আছরাম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন
… "।
প্রফেসর (পৃষ্ঠা ৬৯) প্রথম বর্ণনার দিকে ইঙ্গিত করেছেন এবং বলেছেন: "এর সনদে আবু শায়খ আল-আসবাহানি রয়েছেন, যাঁর সম্পর্কে তাঁর স্বদেশী হাফেজ আবু আহমাদ আল-আসসাল দুর্বলতার কথা বলেছেন, আর তাঁর তাজসিমের (আল্লাহকে সৃষ্টিজীবের সদৃশ দেহধারী ভাবা) প্রতি ঝোঁক ছিল।" এবং তিনি (পৃষ্ঠা ১৪১) দ্বিতীয় বর্ণনার দিকে ইঙ্গিত করে বলেছেন: "আর এর সনদে রয়েছেন আবু শায়খ আল-আসবাহানি, যাঁকে আল-আসসাল দুর্বল বলেছেন"
(১)। এবং প্রফেসর (পৃষ্ঠা ৪৯) একটি ঘটনা উল্লেখ করেছেন যার সনদে আবু মুহাম্মদ বিন হাইয়্যান রয়েছেন, অতঃপর তিনি বলেছেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
"وأبو محمد بن حيان هو أبو الشيخ
… وقد ضعّفه بلديُّه الحافظ العسَّال".
أقول: أما أبو الشيخ وهو أيضًا أبو محمد عبد الله بن محمد بن جعفر بن حيان الأصبهاني فتأتي ترجمته في "التنكيل"
(1) إن شاء الله تعالى.
وأما هذا الراوي عن الأثرم وعنه أبو بكر محمد بن عبد الله الشافعي فهو رجل آخر ترجمته في "تاريخ بغداد" (2/ 326): "محمد بن الحسين بن إبراهيم بن زياد بن عجلان أبو شيخ الأصبهاني
… ، سكن بغداد وحدَّث بها عن
… وأبي بكر الأثرم
… ، روى عنه أبو بكر الشافعي
… ،
… وكان ثقة".
فلا أدري أَعَرَف الأستاذ هذا وفَعَل ما فَعَل عمدًا، أم استعجل هنا على خلاف عادته، فلم يبحث حتى يتبين له أن أبا شيخ هذا غير أبي الشيخ المشهور. فالله أعلم
(2).
--------------------------------------------
"এবং আবু মুহাম্মাদ বিন হাইয়ান হলেন আবুশ শায়খ
… এবং তাঁর সমকালীন দেশীয় হাফেজ আল-আসসাল তাঁকে দুর্বল বলেছেন।"
আমি বলছি: আবুশ শায়খ—যিনি আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন জাফর বিন হাইয়ান আল-আসফাহানি নামেও পরিচিত—তাঁর জীবনী ইনশাআল্লাহ "আত-তানকিল"
(১) গ্রন্থে আসবে।
আর আল-আছরাম থেকে বর্ণনাকারী এই ব্যক্তি, এবং যাঁর থেকে আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আশ-শাফিয়ি বর্ণনা করেছেন, তিনি অন্য এক ব্যক্তি। তাঁর জীবনী "তারিখে বাগদাদ" (২/ ৩২৬) গ্রন্থে রয়েছে: "মুহাম্মাদ বিন আল-হুসাইন বিন ইব্রাহিম বিন যিয়াদ বিন আজলান আবু শায়খ আল-আসফাহানি
… , তিনি বাগদাদে বসবাস করতেন এবং সেখানে
… ও আবু বকর আল-আছরাম থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন
… , তাঁর থেকে আবু বকর আশ-শাফিয়ি বর্ণনা করেছেন
… ,
… এবং তিনি নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) ছিলেন।"
সুতরাং আমি জানি না উস্তাদ কি এটি জানতেন এবং জেনেশুনেই এটি করেছেন, নাকি তিনি তাঁর স্বভাববিরুদ্ধভাবে এখানে তড়িঘড়ি করেছেন, যার ফলে তিনি পর্যাপ্ত অনুসন্ধান করেননি যাতে তাঁর কাছে এটি স্পষ্ট হয় যে এই আবু শায়খ সেই বিখ্যাত আবুশ শায়খ নন। আল্লাহই ভালো জানেন
(২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ٩)
তালিআতুত্তানাকীল ওয়া তাযীযুত তালিআ ওয়া শুকরুত তারহীব - যিমনু আসারুল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
[ص 25]
12 - أبو الحسن بن الرزَّاز.
في "تاريخ بغداد": (3/ 121) ترجمة لمحمد بن العباس بن حيويه أبي عمر الخَزَّاز، وفيها: "حدثني الأزهري قال: كان أبو عمر بن حَيُّويه مكثرًا وكان فيه تسامح، ربما أراد أن يقرأ شيئًا ولا يُقَرِّب أصلَه منه فيقرؤه من كتاب أبي الحسن بن الرزَّاز لثقته بذلك الكتاب، وإن لم يكن فيه سماعه، وكان مع ذلك ثقة".
فاحتاج الأستاذ إلى الطعن في ابن حيويه هذا، فذكر (ص 21) بعضَ هذه العبارة وقال: "
… على أن أبا الحسن بن الرزَّاز الذي كان يثق بكتابه هو علي بن أحمد المعروف بابن طيب الرزاز، وهو معمَّر متأخر الوفاة
… نص الخطيب
… على أن ابنًا له كان أدخل في أصوله تسميعات طريَّة. فماذا تكون قيمة تحديث من يثق بها فيحدِّث من تلك الأصول! ".
أقول: في "تاريخ بغداد" (11/ 330): "علي بن أحمد
… أبو الحسن المعروف بابن طيب الرزاز
… له دكان في سوق الرزازين
… حدثني بعض أصحابنا قال: دفع إليَّ علي بن أحمد الرزاز
… وحدثني الخلال قال: أخرج إليَّ الرزاز
… قلت: وقد شاهدت جزءًا من أصول الرزاز، وكان الرزاز مع هذا كثير السماع
… ".
ثم ذكر أنه ولد سنة 335 ومات سنة 419، فالذي كان ابن حيويه ربما يقرأ من كتابه هو "أبو الحسن بن الرزاز" وعليُّ بن أحمد هذا هو أبو الحسن الرزاز كما تكرر في ترجمته. فأما قوله في أولها "المعروف بابن طيب الرزاز" فقوله: "الرزاز" من وصف عليٍّ نفسه لا من وصف [ص 26] "طيب". وسياق الترجمة يبين ذلك، وأيضًا فعليّ بن أحمد أصغر من ابن حَيُّويه بأربعين سنة، فيبعد جدًّا أن يحتاج ابن حيويه في قراءة حديثه إلى كتاب هذا
[পৃষ্ঠা ২৫]
১২ - আবুল হাসান বিন আর-রাজ্জাজ.
"তারিখে বাগদাদ"-এ (৩/ ১২১) মুহাম্মাদ বিন আব্বাস বিন হাইয়ুওয়াইহ আবু উমর আল-খাযযায-এর জীবনীতে বর্ণিত হয়েছে: "আল-আযহারী আমাকে বলেছেন: আবু উমর বিন হাইয়ুওয়াইহ অধিক হাদিস বর্ণনাকারী ছিলেন এবং তার মধ্যে কিছুটা শিথিলতা ছিল। কখনো কখনো তিনি কোনো কিছু পাঠ করতে চাইতেন কিন্তু তার কাছে মূল পাণ্ডুলিপি (আসল) উপস্থিত থাকত না, তখন তিনি সেই কিতাবের ওপর আস্থার কারণে আবুল হাসান বিন আর-রাজ্জাজের কিতাব থেকে পাঠ করতেন, যদিও সেই কিতাবে তার সরাসরি শ্রবণ (সামা) ছিল না। তা সত্ত্বেও তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন।"
অতঃপর উস্তাদ এই ইবন হাইয়ুওয়াইহ-এর সমালোচনা করার প্রয়োজন বোধ করলেন, তাই তিনি (পৃষ্ঠা ২১-এ) এই বক্তব্যের কিছু অংশ উল্লেখ করে বললেন: "
… অথচ আবুল হাসান বিন আর-রাজ্জাজ, যার কিতাবের ওপর তিনি আস্থা রাখতেন, তিনি হলেন আলী বিন আহমদ, যিনি ইবন তাইয়্যেব আর-রাজ্জাজ নামে পরিচিত। তিনি দীর্ঘজীবী এবং পরবর্তী সময়ের মৃত ব্যক্তি
… খতীব বর্ণনা করেছেন
… যে তার এক পুত্র তার মূল পাণ্ডুলিপিতে কিছু নতুন শ্রুত পাঠ (সামা) অন্তর্ভুক্ত করেছিল। এমতাবস্থায় যে ব্যক্তি তার ওপর আস্থা রেখে সেই পাণ্ডুলিপি থেকে হাদিস বর্ণনা করেন, তার বর্ণনার মান কী হতে পারে!"
আমি বলছি: "তারিখে বাগদাদ"-এ (১১/ ৩৩০) রয়েছে: "আলী বিন আহমদ
… আবুল হাসান, যিনি ইবন তাইয়্যেব আর-রাজ্জাজ নামে পরিচিত
… রাজ্জাজিন বাজারে তার একটি দোকান ছিল
… আমাদের জনৈক সাথী আমাকে বলেছেন: আলী বিন আহমদ আর-রাজ্জাজ আমাকে প্রদান করেছেন
… আল-খল্লাল আমাকে বলেছেন: আর-রাজ্জাজ আমার সামনে বের করেছেন
… আমি বলছি: আমি আর-রাজ্জাজের মূল পাণ্ডুলিপির কিছু অংশ দেখেছি, এবং আর-রাজ্জাজ এর পাশাপাশি অনেক শ্রবণের (সামা) অধিকারী ছিলেন
… "।
এরপর তিনি উল্লেখ করেছেন যে তিনি ৩৩৫ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৪১৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। সুতরাং ইবন হাইয়ুওয়াইহ সম্ভবত যার কিতাব থেকে পাঠ করতেন তিনি হলেন "আবুল হাসান বিন আর-রাজ্জাজ", আর এই আলী বিন আহমদই হলেন আবুল হাসান আর-রাজ্জাজ, যেমনটি তার জীবনীতে বারবার এসেছে। আর শুরুর দিকে তার সম্পর্কে যে বলা হয়েছে "ইবন তাইয়্যেব আর-রাজ্জাজ নামে পরিচিত", সেখানে "আর-রাজ্জাজ" শব্দটি আলী-র নিজের পরিচয় বা বিশেষণ, [পৃষ্ঠা ২৬] "তাইয়্যেব"-এর বিশেষণ নয়। জীবনীর প্রেক্ষাপট এটিই স্পষ্ট করে। তাছাড়া আলী বিন আহমদ ইবন হাইয়ুওয়াইহ-এর চেয়ে চল্লিশ বছরের ছোট ছিলেন, তাই ইবন হাইয়ুওয়াইহ-এর স্বীয় হাদিস পাঠের জন্য এই ব্যক্তির কিতাবের প্রয়োজন হওয়া অত্যন্ত সুদূরপরাহত।