(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: -)
المصنف - ابن أبي شيبة - ت الشثري   (أبو بكر بن أبي شيبة)

القسم: كتب السنة


الكتاب: المصنف

المؤلف: أبو بكر عبد الله بن محمد بن أبي شيبة العبسي الكوفي (ت 235 هـ)

المحقق: سعد بن ناصر بن عبد العزيز أبو حبيب الشثري

تقديم: ناصر بن عبد العزيز أبو حبيب الشثري

الناشر: دار كنوز إشبيليا للنشر والتوزيع، الرياض - السعودية

الطبعة: الأولى، 1436 هـ - 2015 م

عدد الأجزاء: 25 (آخر 4 فهارس)

تنبيه: هذه النسخة الإلكترونية تم إدخالُها إدخالا جديدا، ولم تَعتمِد على أي نسخة سابقة (كما وقع ببعض النسخ الإلكترونية غير الرسمية: من إعادة تقسيم نص نسخة أخرى مغايرة على صفحات هذه الطبعة!)

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 15 جُمادَى الآخرة 1443

আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবি শায়বাহ - তাহকিক: আশ-শাশরি   (আবু বকর বিন আবি শায়বাহ)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


গ্রন্থ: আল-মুসান্নাফ

লেখক: আবু বকর আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আবি শায়বাহ আল-আবসি আল-কুফি (মৃত্যু ২৩৫ হিজরি)

তাহকিককারী: সাদ বিন নাসির বিন আব্দুল আজিজ আবু হাবিব আশ-শাশরি

উপস্থাপনা: নাসির বিন আব্দুল আজিজ আবু হাবিব আশ-শাশরি

প্রকাশক: দার কুনুজ ইশবিলিয়া পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন، রিয়াদ - সৌদি আরব

সংস্করণ: প্রথম، ১৪৩৬ হিজরি - ২০১৫ খ্রিস্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ২৫ (শেষ ৪টি সূচিপত্র)

সতর্কবার্তা: এই ইলেকট্রনিক সংস্করণটি নতুনভাবে সংযোজন করা হয়েছে، এবং এটি পূর্ববর্তী কোনো সংস্করণের ওপর নির্ভর করেনি (যেমনটি কিছু অনানুষ্ঠানিক ইলেকট্রনিক সংস্করণের ক্ষেত্রে ঘটেছে: অন্য কোনো ভিন্ন সংস্করণের পাঠ্যকে এই মুদ্রণ সংস্করণের পৃষ্ঠাসমূহে পুনরায় বিন্যাস করার মাধ্যমে!)

[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ১৫ জুমাদাল আখিরাহ ১৪৪৩

(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ১)
المصنف لابن أبي شيبة

الإمام أبي بكر عبد الله بن محمد بن أبي شيبة العبسي الكوفي

(المولود سنة 159 هـ - والمتوفى سنة 235 هـ)

 

تقديم

معالي الشيخ ناصر بن عبد العزيز أبو حبيب الشثري

 

تحقيق

أ. د. سعد بن ناصر بن عبد العزيز أبو حبيب الشثري
ইবনে আবি শায়বার আল-মুসান্নাফ

ইমাম আবু বকর আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আবি শায়বাহ আল-আবসি আল-কুফি

(জন্ম ১৫৯ হিজরি - মৃত্যু ২৩৫ হিজরি)

 

উপস্থাপনা

মান্যবর শায়খ নাসির বিন আব্দুল আজিজ আবু হাবিব আল-শাথরি

 

তাহকিক

প্রফেসর ড. সাদ বিন নাসির বিন আব্দুল আজিজ আবু হাবিব আল-শাথরি
(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ৫)
‌‌تقديم

لصاحب المعالي الشيخ ناصر بن عبد العزيز الشثري

الحمد للَّه رب العالمين والصلاة والسلام على نبيه الأمين، وبعد: فإن اللَّه عز وجل قد أنعم على عبادة بنعم عظيمة، ومن أعظم ما أنعم اللَّه به على البشرية إرسال محمد صلى الله عليه وسلم لهداية الخلق وإخراجهم من الظلمات إلى النور، وأنزل عليه كتابه العظيم المشتمل على أقوم السبل وأفضل المناهج، كما أن اللَّه عز وجل أعطاه وحيًا آخر ألا وهو السنة المطهرة المتمثلة في أقوال النبي صلى الله عليه وسلم وأفعاله وتقريراته، لأننا مأمورون بالاقتداء به، قال تعالى: {لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ لِمَنْ كَانَ يَرْجُو اللَّهَ وَالْيَوْمَ الْآخِرَ وَذَكَرَ اللَّهَ كَثِيرًا} ومن هنا كانت الهداية مشروطة باتباع هدي هذا النبي الكريم، كما قال سبحانه: {فَآمِنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ النَّبِيِّ الْأُمِّيِّ الَّذِي يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَكَلِمَاتِهِ وَاتَّبِعُوهُ لَعَلَّكُمْ تَهْتَدُونَ}.

وكان ذلك سببًا لاجتهاد الأمة الإِسلامية في حفظ سنته وضبطها لئلا يضيع منها شيء أو يدخل فيها ما ليس منها، فاشتغل العلماء والرواة بحفظها وروايتها وتقربوا إلى اللَّه عز وجل بذلك، ثم توالت الجهود في فهم المصادر الشرعية والإفتاء بها من قبل العلماء المجتهدين، ولما كثرت الأسانيد وتعددت طبقاتها احتاجت الأمة إلى تدوين ذلك التراث، فاجتهد طائفة من علماء الأمة المتقنين في ضبط هذا التراث العظيم وكتابة المؤلفات التي تجمع ذلك التراث وترويه بأسانيده.

وكان من أعظم الجهود المبذولة في جمع تراث هذه الأمة ما فعله الإِمام أبو بكر عبد اللَّه بن محمَّد بن أبي شيبة من خلال كتابه العظيم [المصنف]، وهذا الكتاب من
ভূমিকা

মহামান্য শাইখ নাসির বিন আব্দুল আজিজ আশ-শাসরির পক্ষ থেকে

সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য এবং দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর বিশ্বস্ত নবীর ওপর। অতঃপর: নিশ্চয়ই আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা তাঁর বান্দাদের ওপর মহান নিয়ামতসমূহ দান করেছেন। আল্লাহ মানবজাতির প্রতি যে মহান নিয়ামতগুলো দান করেছেন তার মধ্যে অন্যতম হলো সৃষ্টিজগতকে হিদায়াত প্রদানের জন্য এবং তাদেরকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে বের করে আনার জন্য মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রেরণ করা। তিনি তাঁর ওপর তাঁর মহান কিতাব অবতীর্ণ করেছেন যা অত্যন্ত সুদৃঢ় পথ ও সর্বোত্তম কর্মপন্থা সংবলিত। অনুরূপভাবে আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা তাঁকে অন্য আরেকটি ওহী দান করেছেন, আর তা হলো পবিত্র সুন্নাহ, যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কথা, কাজ ও মৌনসম্মতির মধ্যে রূপায়িত হয়েছে। কারণ আমরা তাঁর অনুসরণের জন্য আদিষ্ট হয়েছি। মহান আল্লাহ বলেন: "তোমাদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও শেষ দিবসের আশা রাখে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে, তাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" এখান থেকেই হিদায়াত লাভের শর্ত এই মহিমান্বিত নবীর হিদায়াত বা পথ অনুসরণের সাথে যুক্ত হয়েছে, যেমনটি তিনি সুবহানাহু বলেছেন: "সুতরাং তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূল উম্মী নবীর ওপর ঈমান আনো, যিনি আল্লাহ ও তাঁর বাণীসমূহের ওপর ঈমান রাখেন। আর তোমরা তাঁর অনুসরণ করো যাতে তোমরা হিদায়াত প্রাপ্ত হও।"

আর এটিই ছিল উম্মতে ইসলামিয়ার তাঁর সুন্নাহ সংরক্ষণ ও তা সুসংবদ্ধ করার প্রচেষ্টার কারণ, যাতে তার কোনো অংশ হারিয়ে না যায় অথবা যা সুন্নাহর অন্তর্ভুক্ত নয় তা যেন তাতে প্রবেশ না করে। ফলে উলামায়ে কেরাম ও বর্ণনাকারীগণ তা মুখস্থ করা ও বর্ণনা করার কাজে আত্মনিয়োগ করেন এবং এর মাধ্যমে তাঁরা আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লার নৈকট্য অন্বেষণ করেন। অতঃপর মুজতাহিদ উলামায়ে কেরামের পক্ষ থেকে শারঈ উৎসসমূহ অনুধাবন করা এবং সে অনুযায়ী ফাতাওয়া প্রদানের প্রচেষ্টাসমূহ ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকে। যখন বর্ণনাসূত্র (সনদ) অনেক বৃদ্ধি পেল এবং এর স্তরসমূহ বহুবিধ হলো, তখন এই ঐতিহ্য (উত্তরাধিকার) লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজনীয়তা উম্মতের সামনে দেখা দিল। ফলে উম্মতের একদল দক্ষ আলেম এই মহান ঐতিহ্যকে সুসংবদ্ধ করতে এবং এই ঐতিহ্য সংকলনকারী ও বর্ণনাসূত্রসহ তা বর্ণনাকারী গ্রন্থসমূহ রচনায় মনোনিবেশ করেন।

আর এই উম্মতের ঐতিহ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে ব্যয়িত প্রচেষ্টাসম্মূহের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ ছিল ইমাম আবু বকর আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আবি শায়বা তাঁর মহান গ্রন্থ [আল-মুসান্নাফ]-এর মাধ্যমে যা সম্পাদন করেছেন। আর এই কিতাবটি হলো
(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ৬)
أهم المؤلفات الإِسلامية لقدم عهد المؤلف فهو شيخ للبخاري ومسلم وأحمد وغيرهم من أئمة السنة مما يجعلنا نطلع على أسانيد عالية تعتبر مصدرًا من مصادر بقية كتب السنة، ثم إن الكتاب قد احتوى على أخبار كثيرة عديدة، مما يجعله مغنيًا للباحث عن العديد من الكتب والمؤلفات، ثم هو كتاب يحتوي على دقائق المسائل مما يندر وجوده في كثير من الكتب، كما أن مصنف ابن أبي شيبة يفيد الباحثين في معرفة التسلسل التاريخي للمصطلحات العلمية والاجتهادات الفقهية، وفي نفس الوقت يفيد في تصور المسائل الشرعية ومعرفة حقيقتها والمراد بها، ومن مميزات هذا الكتاب أنَّه كتاب جامع فإن أردت الفقه وجدته فيه، وإن أردت الآداب والأخلاق فهو محتوٍ عليها، وإن رغبت في الأذكار والأدعية وجدت بغيتك فيه، وإن تاقت نفسك لمعرفة التاريخ فإنها ستحصل على مرادها بقراءة هذا الكتاب، حتى كان مضرب المثل في الاستيعاب، ومميزات هذا الكتاب عديدة أشار المحقق إلى شيء منها.

ونظرًا لأن الكتاب له هذه الأهمية العظيمة فأتوقع أن يحظى بدراسات علمية من جوانب فقهية وحديثية وأصولية وتاريخية وحضارية، ولذا فإن الكتاب يناسب أن يحظى بتحقيق علمي خصوصًا أنه لم يطبع إلا طبعة واحدة فيها نقص قرابة خمسة آلاف خبر، كما أنها مليئة بالأخطاء المطبعية التي حرفت معانيه وقلبت أسانيده وقللت الاستفادة منه، ومن هنا اتجه الابن الدكتور سعد بن ناصر بن عبد العزيز أبو حبيب الشثري الأستاذ بكلية الحقوق والعلوم السياسية بجامعة الملك سعود حاليًا، وعضو هيئة كبار العلماء، وأستاذ الأصول بكلية الشريعة بالرياض في جامعة الإمام محمد بن سعود الإِسلامية سابقًا، إلى تحقيق الكتاب تحقيقًا علميًا يبرزه كما كتبه المؤلف؛ ويوثقه من مصادره لتحصل الطمأنينة بما يحتوي عليه.

وإذا أردت أن تعرف مقدار ما يحتاج إليه تحقيق هذا الكتاب من جهد فقارنه بمسند الإمام أحمد، فإن المسند فيه قرابة سبع وعشرين ألف حديث منها أعداد كثيرة
লেখকের প্রাচীনত্বের কারণে এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী রচনা; কেননা তিনি ইমাম বুখারী, মুসলিম, আহমাদ এবং সুন্নাহর অন্যান্য ইমামগণের উস্তাদ ছিলেন। এটি আমাদের উচ্চস্তরের সনদসমূহের (আসানীদ) সাথে পরিচিত করে, যা সুন্নাহর অন্যান্য কিতাবসমূহের অন্যতম উৎস হিসেবে বিবেচিত। তদুপরি, এই কিতাবটি অসংখ্য বর্ণনায় সমৃদ্ধ, যা একজন গবেষককে অন্যান্য অনেক কিতাব ও রচনার মুখাপেক্ষীহীন করে তোলে। এছাড়া এটি এমন সূক্ষ্ম বিষয়াবলি সম্বলিত একটি কিতাব যা অন্যান্য অনেক কিতাবে মেলা ভার। একইভাবে 'মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবাহ' গবেষকদের বৈজ্ঞানিক পরিভাষা এবং ফিকহি ইজতিহাদসমূহের ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা জানতে সাহায্য করে। একই সাথে এটি শরয়ী মাসআলাসমূহের স্বরূপ উপলব্ধি করতে এবং সেগুলোর হাকিকত ও উদ্দেশ্য জানতে সহায়তা করে। এই কিতাবটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এটি একটি ব্যাপক ও সংকলিত গ্রন্থ; আপনি যদি ফিকহ অন্বেষণ করেন তবে এতে তা পাবেন। আপনি যদি আদব ও আখলাক (শিষ্টাচার ও চরিত্র) চান, তবে এতে তা বিদ্যমান রয়েছে; আর যদি জিকির ও দুআ কামনা করেন, তবে তাতে আপনার কাঙ্ক্ষিত বস্তুটি খুঁজে পাবেন। আপনার মন যদি ইতিহাস জানতে আগ্রহী হয়, তবে এই কিতাব পাঠের মাধ্যমে তা পূর্ণ হবে। এমনকি ব্যাপকতার ক্ষেত্রে এটি একটি প্রবাদে পরিণত হয়েছে। এই কিতাবের বৈশিষ্ট্যসমূহ অসংখ্য, যার কিছু অংশ মুহাক্কিক (গবেষক) উল্লেখ করেছেন।

কিতাবটির এই সুউচ্চ গুরুত্বের প্রেক্ষিতে আমি আশা করি যে, এটি ফিকহ, হাদিস, উসুল, ইতিহাস এবং সভ্যতার দিক থেকে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে। এ কারণে কিতাবটি একটি বিজ্ঞানসম্মত তাহকীক (সম্পাদনা) পাওয়ার যোগ্য, বিশেষ করে যেহেতু এটি ইতিপূর্বে মাত্র একবারই মুদ্রিত হয়েছিল যাতে প্রায় পাঁচ হাজার বর্ণনার ঘাটতি ছিল এবং তা অসংখ্য মুদ্রণজনিত ভুলে ভরা ছিল, যা এর অর্থকে বিকৃত করেছিল, সনদগুলোকে ওলটপালট করে দিয়েছিল এবং এর উপযোগিতা হ্রাস করেছিল। এই প্রেক্ষাপটেই প্রিয় বৎস ডক্টর সা’দ বিন নাসির বিন আব্দুল আজিজ আবু হাবিব আল-শাথরি—যিনি বর্তমানে কিং সাউদ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক, উচ্চতর উলামা পরিষদের সদস্য এবং পূর্বে ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের রিয়াদস্থ শরীয়াহ অনুষদে উসুলের অধ্যাপক ছিলেন—কিতাবটি এমন একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে তাহকীক করতে প্রয়াসী হয়েছেন যা একে লেখকের মূল পাণ্ডুলিপির অনুরূপভাবে ফুটিয়ে তুলবে এবং মূল উৎসগুলো থেকে এর সত্যতা নিশ্চিত করবে যাতে এতে থাকা বিষয়বস্তুর ব্যাপারে প্রশান্তি লাভ করা যায়।

এই কিতাবটি তাহকীক করতে কী পরিমাণ শ্রমের প্রয়োজন তা যদি আপনি জানতে চান, তবে একে ইমাম আহমদের মুসনাদের সাথে তুলনা করুন। কেননা মুসনাদে প্রায় সাতাশ হাজার হাদিস রয়েছে, যার মধ্যে বিপুল সংখ্যক বর্ণনার পুনরাবৃত্তি রয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ৭)
متكررة سندًا ومتنًا، وبعضها يتكرر باختلاف يسير وجهود العلماء المتقدمين قد تضافرت على المسند في: شرح معانيه، والانتقاء من أحاديثه، وبيان ثلاثياته، وترجمة رواته، وتحرير ألفاظه، وحظي باهتمام النساخ به، وكانت النسخ محل عناية من العلماء في: ضبطها، ومقابلتها بأصولها، وفي العصر الحاضر حظي المسند يحهود كثيرة سواء في: تحقيقه -فقد حُقّق من علماء متعددين من أبرزهم الشيخ أحمد شاكر- وألفت مؤلفات في ترتيبه، وفي بيان أطرافه، وفهرسته، وقد طبع المسند طبعات عديدة اشتغل على عدد منها جماعة من العلماء الفضلاء، ومع كل ذلك فقد تطلب تحقيقه الأخير أن يشتغل في هذا التحقيق العديد من الباحثين المتفرغين لتحقيقه، وتطلب ذلك أَيضًا أن يعملوا بعمل حثيث متواصل استمروا فيه مدة عشر سنوات.

فإذا كان الأمر كذلك فما ظنك بمصنف ابن أبي شيبة الذي احتوى على أكثر من أربعين ألف خبر، والتكرار فيها قليل جدًا، وكثير منها ينفرد المؤلف به، فلا تكاد تجده في كتاب آخر، ثم إن هناك طائفة من الرواة فيه لا تكاد تجد تراجمهم إلا في كتب قصية وفي مواطن لا يتبادر إلى الذهن وجود الترجمة فيها، فهل تتصور أن راويًا لا تجد ترجمته وافية إلا في معجم البلدان أو في غيره من كتب اللغة والمعاجم؟، ولم تكتب مؤلفات على المصنف توضح معانيه وتشرح ألفاظه، ولكبر حجمه أحجم النساخ عنه، فليس له نسخ عديدة تكون محل عناية العلماء واهتمامهم، ولم يؤلف أحد في بيان أطرافه، ولم يجتهد أحد في مقارنته بغيره من الكتب والمؤلفات، فلاشك أن هذا المصنف يتطلب تحقيقه من الجهد ما لا يحتاجه المسند.

ومن فضل اللَّه عز وجل أن حظي الكتاب بتحقيق علمي يقوم عليه الابن الدكتور سعد فقد قابل بين نسخه، وخرّج أحاديثه، وحكم عليها؛ وتوصل في
(এসব বর্ণনা) সনদ ও মতন (সূত্র ও পাঠ) উভয় দিক থেকে বারবার এসেছে এবং কিছু হাদিস সামান্য পার্থক্যের সাথে পুনরাবৃত্তি হয়েছে। মুসনাদ (আহমাদ)-এর ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী আলেমদের প্রচেষ্টা সমন্বিত ছিল: এর অর্থ ব্যাখ্যা করা, এর হাদিসগুলো থেকে নির্বাচন করা, এর সুলাসিয়াত (তিন স্তরের সূত্র বিশিষ্ট হাদিস) বর্ণনা করা, এর বর্ণনাকারীদের জীবনী লেখা এবং এর শব্দগুলো পরিমার্জন করার ক্ষেত্রে। এটি পাণ্ডুলিপিকারদের মনোযোগ আকর্ষণ করেছিল এবং পাণ্ডুলিপিগুলো আলেমদের বিশেষ যত্নের বিষয় ছিল: সেগুলোর শুদ্ধতা যাচাই এবং মূল পাণ্ডুলিপির সাথে সেগুলোর তুলনা করার ক্ষেত্রে। বর্তমান যুগেও মুসনাদ নিয়ে অনেক কাজ হয়েছে, চাই তা তাহকিকের (গবেষণামূলক সম্পাদনা) ক্ষেত্রে হোক—একাধিক আলেম এটি তাহকিক করেছেন যাদের মধ্যে অন্যতম হলেন শায়খ আহমাদ শাকির—কিংবা এর বিন্যাস, আতরাফ (হাদিসের প্রথমাংশ) বর্ণনা এবং এর নির্ঘণ্ট তৈরির ক্ষেত্রে। মুসনাদটি বহুবার মুদ্রিত হয়েছে এবং একদল মহৎ আলেম এর অনেকগুলো সংস্করণের ওপর কাজ করেছেন। এতসব সত্ত্বেও, এর সর্বশেষ তাহকিকের জন্য অনেক গবেষককে পূর্ণ সময় নিয়োজিত হয়ে কাজ করতে হয়েছে এবং এর জন্য তাদের দশ বছর ধরে নিরবচ্ছিন্ন ও কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে।

বিষয়টি যদি এমন হয়, তবে ইবনে আবি শায়বার মুসান্নাফ সম্পর্কে আপনার ধারণা কী, যাতে চল্লিশ হাজারেরও বেশি বর্ণনা রয়েছে এবং তাতে পুনরাবৃত্তি খুবই কম? এর অনেক বর্ণনায় লেখক একক, যা আপনি অন্য কোনো কিতাবে পাবেন না বললেই চলে। তদুপরি, এতে এমন একদল বর্ণনাকারী রয়েছেন যাদের জীবনী কেবল দুর্লভ বইসমূহে এবং এমন সব স্থানে পাওয়া যায় যেখানে জীবনী থাকার কথা সাধারণত মাথায় আসে না। আপনি কি কল্পনা করতে পারেন যে, একজন বর্ণনাকারীর পূর্ণাঙ্গ জীবনী 'মু’জামুল বুলদান' বা অন্য কোনো অভিধান ও ভাষাতত্ত্বের বই ছাড়া অন্য কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না? মুসান্নাফ-এর ওপর এর অর্থ স্পষ্ট করা বা শব্দাবলি ব্যাখ্যা করার জন্য কোনো গ্রন্থ রচিত হয়নি। এর বিশাল আয়তনের কারণে পাণ্ডুলিপিকারগণ এটি প্রতিলিপি করা থেকে বিরত থেকেছেন, ফলে এর এমন অনেক পাণ্ডুলিপি নেই যা আলেমদের বিশেষ যত্ন ও মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে। এর আতরাফ বর্ণনায় কেউ কোনো কিতাব রচনা করেননি এবং অন্য কিতাব বা রচনার সাথে এর তুলনামূলক পর্যালোচনার ক্ষেত্রেও কেউ পরিশ্রম করেননি। সুতরাং এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এই মুসান্নাফ-এর তাহকিকের জন্য এমন শ্রম প্রয়োজন যা মুসনাদের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয়নি।

আর আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার অনুগ্রহ যে, কিতাবটি একটি বৈজ্ঞানিক তাহকিক লাভের সৌভাগ্য পেয়েছে যা (আমার) সন্তান ডক্টর সা’দ পরিচালনা করেছেন। তিনি এর পাণ্ডুলিপিগুলোর মধ্যে তুলনা করেছেন, এর হাদিসগুলোর তাখরিজ করেছেন এবং সেগুলোর ওপর মান নির্ধারণ করেছেন; এবং তিনি এতে পৌঁছেছেন...
(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ৮)
ذلك إلى اجتهادات منضبطة بالضوابط الشرعية سواء في بيان أحوال الرواة، أو في علل الأحاديث، ولن تجده يسلم للحافظ ابن حجر كل كلامه عن الرواة في التقريب، ثم علق على الكتاب بتعليقات فقهية تتضح فيها القدرة الأصولية ذكر فيها أقوال أرباب المذاهب الفقهية ورجح بين الآراء، فأخرج لنا مجهودًا يستحق التقدير والثناء، ومثله جدير بأن يخرج على يده مثل هذا العمل العظيم فإن له مشاربهات عديدة في هذا المجال، وقد قام على تحقيق عدد من كتب السنة، من أمثال: (سنن ابن ماجه) في أربعة مجلدات، وكتاب (المطالب العالية في زوائد المسانيد الثمانية) لابن حجر في عشرين مجلدًا، ثم إن له جهودًا طيبة في السنة النبوية فقد شرح: (بلوغ المرام) و (عمدة الأحكام) بشروح تجد فيها من التحقيق والفوائد ما لا تجده في الشروح الأخرى، ويدلك على تمكنه في علوم الحديث كتابه الرائع: (مختصر صحيح البخاري) الذي احتوى على جميع ألفاظ البخاري التي على شرطه في صحيحه في مجلد واحد؛ مع شرح لغامض ألفاظه، وتجد مع كل حديث جميع تراجم البخاري عليه، فكان محل إعجاب وثناء، مما جعل عددًا من طلاب العلم يبادرون إلى حفظه.

ثم إن المحقق ليس مقتصرًا على فن واحد، بل ما من علم شرعي إلا وله مشاركة فيه وللَّه الحمد والشكر وعنده ترجيحات وفوائد لا تكاد تجدها عند غيره، ففي علم الأصول هو من أبرز باحثيه ومدرسيه، وما هذه المؤلفات الأصولية التي خطبها بنانه إلا أكبر شاهد على ذلك، مع صعوبة علم الأصول وقلة المشتغلين به، وإن أردت معرفة صحة ذلك فطالع مؤلفاته فيه، وهي عديدة من أشهرها: كتاب (القطع والظن عند الأصوليين) و (قوادح الاستدلال بالإجماع) و (المصلحة عند الحنابلة) و (شرح الورقات) إلى غير ذلك من المؤلفات، وأما في الفقه فله مشاركات عديدة تدل على تمكنه منه ونموذج ذلك كتابه: (المسابقات)، بل خاض غمار المستجدات الفقهية فألف فيها من أمثال مسائل: (عقد الإجارة المنتهي بالتمليك)
এটি শরয়ী নীতিমালা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ইজতিহাদের অন্তর্ভুক্ত, তা বর্ণনাকারীদের অবস্থা বর্ণনার ক্ষেত্রে হোক কিংবা হাদিসের সূক্ষ্ম ত্রুটিগুলোর (ইল্লাল) ক্ষেত্রে। আপনি তাকে বর্ণনাকারীদের ব্যাপারে 'আত-তাকরীব' গ্রন্থে হাফেজ ইবনে হাজারের প্রতিটি বক্তব্যের সাথে একমত হতে দেখবেন না। অতঃপর তিনি গ্রন্থটির ওপর ফিকহি টীকা প্রদান করেছেন যাতে তার উসূলি পারদর্শিতা ফুটে উঠেছে। সেখানে তিনি ফিকহি মাজহাবগুলোর ইমামদের মতামত উল্লেখ করেছেন এবং সেগুলোর মধ্যে প্রাধান্য নিরূপণ করেছেন। এভাবে তিনি আমাদের সামনে এমন এক প্রচেষ্টা উপস্থাপন করেছেন যা প্রশংসা ও স্বীকৃতির দাবি রাখে। তার মতো ব্যক্তিত্বের হাতেই এমন মহান কাজ সম্পন্ন হওয়া সমীচীন, কারণ এই ক্ষেত্রে তার বহুবিধ বিচরণ রয়েছে। তিনি সুন্নাহর বেশ কিছু কিতাবের তাহকীক সম্পন্ন করেছেন, যেমন: চার খণ্ডে 'সুনানে ইবনে মাজাহ' এবং বিশ খণ্ডে ইবনে হাজারের 'আল-মাতালিবুল আলিয়াহ ফী জাওয়ায়িদিল মাসানিদিল সামানিয়াহ'। তদুপরি সুন্নাহর ক্ষেত্রে তার চমৎকার অবদান রয়েছে; তিনি 'বুলুগুল মারাম' এবং 'উমদাতুল আহকাম' ব্যাখ্যা করেছেন এমনসব ব্যাখ্যাগ্রন্থের মাধ্যমে যাতে আপনি এমন তাহকীক ও ফায়েদা পাবেন যা অন্যান্য ব্যাখ্যাগ্রন্থে পাওয়া যায় না। হাদিস শাস্ত্রে তার দক্ষতার প্রমাণ দেয় তার চমৎকার কিতাব: 'মুখতাসার সহিহ আল-বুখারী', যা এক খণ্ডে বুখারীর সেই সমস্ত শব্দাবলি ধারণ করেছে যা তার সহিহ গ্রন্থের শর্তানুযায়ী; সাথে রয়েছে অস্পষ্ট শব্দাবলির ব্যাখ্যা। প্রতিটি হাদিসের সাথে আপনি বুখারীর সকল তারাজিম (অধ্যায় বিন্যাস) পাবেন। এটি অত্যন্ত প্রশংসিত হয়েছে, যার ফলে বহু ইলম অন্বেষী এটি দ্রুত মুখস্থ করার উদ্যোগ নিয়েছে।

তদুপরি মুহাক্কিক কেবল একটি শাস্ত্রেই সীমাবদ্ধ নন, বরং আল্লাহর প্রশংসা ও শুকরিয়া যে, এমন কোনো শরয়ী ইলম নেই যাতে তার পদচারণা নেই। তার নিকট এমন সব প্রাধান্য নিরূপণ ও ফায়েদা রয়েছে যা অন্য কারো কাছে পাওয়া দুষ্কর। উসূলে ফিকহ শাস্ত্রে তিনি অন্যতম প্রধান গবেষক ও শিক্ষক। তার কলম থেকে নিঃসৃত এই উসূলি গ্রন্থগুলোই এর সবচেয়ে বড় সাক্ষী, বিশেষ করে উসূলে ফিকহ শাস্ত্রের কাঠিন্য এবং এই শাস্ত্রে নিয়োজিত ব্যক্তিদের স্বল্পতার প্রেক্ষাপটে। আপনি যদি এর সত্যতা জানতে চান, তবে এই শাস্ত্রে তার রচিত গ্রন্থগুলো অধ্যয়ন করুন; সেগুলো অনেক, যার মধ্যে প্রসিদ্ধ হলো: 'আল-কাতউ ওয়াজ-জান্নু ইনদাল উসূলিয়্যীন', 'কাওয়াদিহুল ইস্তিদলাল বিল ইজমা', 'আল-মাসলাহাতু ইনদাল হানাবিলাহ' এবং 'শারহুল ওয়ারাকাত' ইত্যাদি। আর ফিকহ শাস্ত্রেও তার বহুবিধ অংশগ্রহণ রয়েছে যা তার পারদর্শিতার প্রমাণ দেয় এবং এর একটি নমুনা হলো তার কিতাব: 'আল-মুসাবাকাত'। এমনকি তিনি ফিকহের সমসাময়িক আধুনিক বিষয়গুলোতেও প্রবেশ করেছেন এবং তাতে গ্রন্থ রচনা করেছেন, যেমন: 'আকদুল ইজারা আল-মুনতাহি বিত-তামলীক' (মালিকানায় সমাপ্ত ইজারা চুক্তি)।
(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ৯)
و (الإلزام بالتأمين على رخصة قيادة السيارات) و (بحوث الخلايا الجذعية) و (الجرائم الحديثة) وبحوثه في ذلك عديدة، وأما مشاركته في العقيدة والتوحيد فتجدها في رسائله العديدة في ذلك، ومنها: (حقيقة الإيمان وبدع الإرجاء في القديم والحديث) و (حكم زيارة الآثار النبوية) و (التفريق بين الأصول والفروع) و (تقسيم الشريعة إلى أصول وفروع)، وأما القواعد الفقهية فقد تمكن منها وبرز فيها؛ وتداول الناس في ذلك شروحه المسموعة والمكتوبة، إلى غير ذلك من العلوم الشرعية التي شارك فيها. أسال اللَّه عز وجل أن يزيده علمًا وهدى وتقى وأن يجعله إمامًا للمتقين.

ومن خلال هذه الإحاطة العلمية فإني آمل أن تجد أيها القارئ -تحقيقًا علميًا لهذا الكتاب، خصوصًا أن المحقق قد اعتمد على عشرين أصلًا منها خمسة عشر مخطوطة تجد وصفها في أول هذا الكتاب، وكانت هذه المخطوطات متعددة الصادر من بلدان مختلفة وعليها تعليقات من علماء مختلفين؛ فلا تعجب أن تشدك رحلة المخطوطة من الرياض إلى دمشق إلى القاهرة إلى تونس إلى برلين إلى كراتشي إلى دلهي بالهند؛ مما يدلك على عظم المجهود المبذول في جمع مخطوطات هذا الكتاب، وقد تميز المحقق بكونه يعبر عن المعاني الكثيرة والمباحث الطويلة يحمل قصيرة تحتوي على جميع الموضوع، مع أحكام جازمة تدلك على مدى توثق الباحث من نفسه بحيث لا يدع القارئ في حيرة من أمره، ومن هنا فبشراك أيها القارئ: فبين يديك كتاب عظيم جامع مخدوم من باحث متمكن.

ومن الجهود المشكورة ما بذلته حكومة المملكة العربية السعودية من خدمات جليلة للباحثين؛ من خلال تهيئة مراكز البحث ومكتبات المخطوطات؛ من أمثال: مكتبة الملك فهد الوطنية، ومكتبات الجامعات السعودية كجامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية والجامعة الإسلامية التي قدمت للباحثين خدمات جليلة هي محل ثناء وتقدير الجميع.
এবং (ড্রাইভিং লাইসেন্সের বীমা বাধ্যতামূলক করা), (স্টেম সেল গবেষণা) ও (আধুনিক অপরাধসমূহ) বিষয়ে তাঁর বহু গবেষণা রয়েছে। আর আকীদা ও তাওহীদের ক্ষেত্রে তাঁর অবদান আপনি তাঁর অসংখ্য পুস্তিকার মাঝে খুঁজে পাবেন, যার মধ্যে রয়েছে: (ঈমানের হাকীকত এবং প্রাচীন ও আধুনিক কালে ইরজা’র বিদআতসমূহ), (নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্মৃতিবিজড়িত স্থানসমূহ যিয়ারত করার বিধান), (উসূল ও ফুরূ’র মধ্যে পার্থক্যকরণ) এবং (শরীয়তকে উসূল ও ফুরূ’তে বিভক্তিকরণ)। আর ফিকহী মূলনীতিসমূহে (আল-কাওয়াইদুল ফিকহিয়্যাহ) তিনি গভীর পারদর্শিতা ও প্রসিদ্ধি অর্জন করেছেন; এ বিষয়ে তাঁর অডিও ও লিখিত ব্যাখ্যাগ্রন্থগুলো মানুষের নিকট ব্যাপকভাবে প্রচলিত। এছাড়াও শরীয়তের অন্যান্য বিদ্যায় তাঁর অংশগ্রহণ রয়েছে। আমি মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি যেন তিনি তাঁর ইলম, হিদায়াত ও তাকওয়া বাড়িয়ে দেন এবং তাঁকে মুত্তাকীদের ইমাম বানান।

এই জ্ঞানগর্ভ আলোচনার প্রেক্ষিতে আমি আশা করি—হে পাঠক—আপনি এই কিতাবটির একটি মানসম্মত বৈজ্ঞানিক সম্পাদনা পাবেন; বিশেষ করে সম্পাদক এখানে বিশটি মূল কপির ওপর নির্ভর করেছেন, যার মধ্যে পনেরটি হলো হাতে লেখা পাণ্ডুলিপি, যেগুলোর বিবরণ এই কিতাবের শুরুতে পাবেন। এই পাণ্ডুলিপিগুলো বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত এবং এগুলোর ওপর বিভিন্ন আলিমের টীকা ও মন্তব্য রয়েছে। সুতরাং পাণ্ডুলিপির এই সফর রিয়াদ থেকে দামেস্ক, কায়রো, তিউনিসিয়া, বার্লিন এবং করাচি হয়ে ভারতের দিল্লি পর্যন্ত হওয়া দেখে আপনি অবাক হবেন না; যা এই কিতাবের পাণ্ডুলিপিসমূহ সংগ্রহে ব্যয়িত সুমহান পরিশ্রমের প্রতি ইঙ্গিত করে। সম্পাদকের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, তিনি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত বাক্যে দীর্ঘ আলোচনা ও বহুবিধ অর্থ ফুটিয়ে তোলেন যা সমগ্র বিষয়বস্তুকে ধারণ করে। সাথে সাথে তিনি এমন সুনিশ্চিত সিদ্ধান্ত প্রদান করেন যা গবেষকের গভীর আত্মবিশ্বাসের পরিচয় দেয়, যার ফলে পাঠক কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভোগেন না। অতএব হে পাঠক, আপনার জন্য সুসংবাদ: আপনার সামনে একজন সুদক্ষ গবেষক কর্তৃক সুচারুভাবে সম্পাদিত একটি মহান ও পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ রয়েছে।

একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ হলো সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে গবেষকদের জন্য প্রদানকৃত সুমহান সেবাসমূহ; যা তারা বিভিন্ন গবেষণা কেন্দ্র ও পাণ্ডুলিপি গ্রন্থাগার তৈরির মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন। যেমন: কিং ফাহাদ ন্যাশনাল লাইব্রেরি এবং সৌদি আরবের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারসমূহ, যেমন ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, যা গবেষকদের এমন মহান খিদমত প্রদান করেছে যা সকলের নিকট প্রশংসিত ও স্বীকৃত।
(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ১০)
وأسأل اللَّه للجميع التوفيق والهداية وصلاح الأحوال، كما أسأله سبحانه أن يوفق قادة هذه البلاد لكل خير وأن يزيدهم نشاطًا في جهودهم الخيرة التي يقدمونها للإسلام وأهله. وصلى اللَّه على نبينا محمد وعلى آله وصحبه وسلم.

المستشار بالديوان الملكي

ناصر بن عبد العزيز أبو حبيب الشثري
আমি আল্লাহর কাছে সকলের জন্য তাওফিক, হিদায়াত এবং অবস্থার সংশোধন কামনা করছি। সেই সাথে আমি তাঁর কাছে—তিনি পবিত্র—প্রার্থনা করি যেন তিনি এই দেশের নেতৃবৃন্দকে সকল কল্যাণের তাওফিক দান করেন এবং ইসলাম ও এর অনুসারীদের জন্য তারা যে কল্যাণকর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তাতে তাদের উদ্যম আরও বৃদ্ধি করেন। আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও তাঁর সাহাবীগণের ওপর সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।

রাজকীয় দিওয়ানের উপদেষ্টা

নাসের বিন আব্দুল আজিজ আবু হাবীব আল-শাসরী
(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ১১)
‌‌مقدمة

إن الحمد للَّه نحمده ونستعينه ونستغفره، ونعوذ باللَّه من شرور أنفسنا وسيئات أعمالنا، من يهده اللَّه فلا مضل له؛ ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا اللَّه وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله، صلى اللَّه عليه وعلى آله وصحبه وسلم تسليمًا كثيرًا، {يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ} {يَاأَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالًا كَثِيرًا وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا} {يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلًا سَدِيدًا (70) يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيمًا}. أما بعد فإن اللَّه عز وجل قد قيض للأمة رجالًا حفظوا دينها وسنة نبيها صلى الله عليه وسلم وآثار صحابته رضي الله عنهم، وممن لهم ثمرات ملموسة في هذا الجانب العلامة الإمام أبو بكر عبد اللَّه بن محمد بن أبي شيبة من خلال كتبه ومؤلفاته، ومن أعظمها المصنف المحتوي على مميزات عديدة سأذكر بعضًا منها عند دراسة الكتاب، والمصنف أغنى المؤلفات في آثار السلف مع احتوائه على أحاديث نبوية عديدة على جانب عالٍ من الصحة لا تكاد توجد في غيره من الكتب.

ومع أهميته إلا أنه لم يحظ بما يتناسب مع مكانته في الطبع، ففي منتصف القرن الرابع عشر الهجري (1324 هـ) طبع الشيخ عبد الوهاب الملتاني رحمه الله الجزء الأول والرابع من طباعة حجرية اشتملت على الكثير من الأخطاء الطباعية.

وفي عام 1386 هـ قام بعض علماء حيدر آباد الدكن في الهند بطباعة الأجزاء الخمسة الأولى من الكتاب بدون تعليق ولا تحقيق، بإشراف عامر العمري، وعبد الخالق الأفغاني، وصلوا نهاية كتاب الصيد.

وفي عام 1399 هـ قامت الدار السلفية في بومبي بالهند بتصوير الأجزاء الخمسة من طبعة حيدر آباد الدكن سابقًا، وأكمل الشيخ مختار أحمد الندوي السلفي طباعة
ভূমিকা

নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর কাছে সাহায্য চাই এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা ও আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে পথপ্রদর্শন করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই; আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথপ্রদর্শন করার কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও রাসূল। আল্লাহ তাঁর ওপর, তাঁর পরিবারবর্গ ও তাঁর সাহাবীদের ওপর অজস্র দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন। {হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং মুসলিম না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না} {হে মানুষ! তোমরা তোমাদের সেই প্রতিপালককে ভয় করো, যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তার থেকে তার জোড়া সৃষ্টি করেছেন, আর তাদের উভয় থেকে বহু নর-নারী ছড়িয়ে দিয়েছেন। আর আল্লাহকে ভয় করো, যাঁর নামে তোমরা একে অপরের কাছে সাহায্য চাও এবং রক্তসম্পর্কীয় আত্মীয়তার ব্যাপারে সতর্ক থাকো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখেন} {হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো। (৭০) তিনি তোমাদের আমলসমূহ সংশোধন করে দেবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, সে অবশ্যই মহাসাফল্য লাভ করল।} অতঃপর, আল্লাহ আয্যা ওয়া জাল্লা এই উম্মতের জন্য এমন কিছু ব্যক্তিকে নিয়োজিত করেছেন যারা এই উম্মতের দ্বীন, নবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সুন্নাহ এবং সাহাবীদের (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) আসসার (বাণী ও কর্ম) সংরক্ষণ করেছেন। এই ক্ষেত্রে যাদের দৃশ্যমান অবদান রয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন আল্লামা ইমাম আবু বকর আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আবি শায়বাহ, তাঁর কিতাবসমূহ ও রচনার মাধ্যমে। এগুলোর মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ হলো 'আল-মুসান্নাফ', যা বহু বৈশিষ্ট্যের অধিকারী, যার কিছু আমি কিতাবটি পর্যালোচনার সময় উল্লেখ করব। 'আল-মুসান্নাফ' সলফদের আসসারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে সমৃদ্ধ সংকলন, যার মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বিশুদ্ধ বহু নববী হাদিস রয়েছে যা অন্য কোনো কিতাবে খুব একটা পাওয়া যায় না।

এর গুরুত্ব থাকা সত্ত্বেও এটি তার মর্যাদার সাথে মানানসই মুদ্রণ সৌভাগ্য লাভ করেনি। চতুর্দশ হিজরি শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে (১৩২৪ হিজরি) শেখ আব্দুল ওয়াহাব মুলতানি (রহিমাহুল্লাহ) এর প্রথম ও চতুর্থ খণ্ড লিথোগ্রাফিতে মুদ্রণ করেন, যাতে অনেক মুদ্রণজনিত ভুল ছিল।

১৩৮৬ হিজরিতে ভারতের হায়দ্রাবাদ দাক্ষিণাত্যের কিছু আলেম আমীর আল-উমারি ও আব্দুল খালিক আল-আফগানির তত্ত্বাবধানে কোনো টীকা বা তাহকিক ছাড়াই কিতাবটির প্রথম পাঁচ খণ্ড মুদ্রণ করেন, তারা শিকার অধ্যায়ের শেষ পর্যন্ত পৌঁছেছিলেন।

১৩৯৯ হিজরিতে ভারতের বোম্বাইয়ের আদ-দারুস সালাফিয়্যাহ পূর্বে প্রকাশিত হায়দ্রাবাদ দাক্ষিণাত্য সংস্করণের প্রথম পাঁচ খণ্ড ফটোকপি করে এবং শেখ মুখতার আহমদ আন-নাদভী আস-সালাফী মুদ্রণ সম্পন্ন করেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ১২)
بقية الكتاب جزءًا بعد جزء حتى خرج الكتاب في خمسة عشر جزءًا، وصدر المجلد الأخير سنة 1409 هـ، وقد علق المحقق على الأجزاء من السادس إلى الخامس عشر بتعليقات متفاوتة، وقد أكثر من التعليق على الأحاديث المرفوعة، ورقم الأخبار ابتداءً من الجزء السادس، ويلاحظ أن كتاب الإيمان والنذور وجزءًا كبيرًا من كتاب الحج قد سقط من هذه الطبعة. ونشر الشيخ حبيب الرحمن الأعظمي أربعة أجزاء عام 1403 هـ.

وفي عام 1406 هـ، طبعت إدارة القرآن والعلوم الإِسلامية بباكستان المصنف بتصوير طبعة مختار الندوي، واستدركت الأبواب الناقصة في كتاب الإيمان إلى كتاب الحج.

وكانت طبعاته السابقة ناقصة ومليئة بالأخطاء سأورد نماذج من ذلك عند دراسة الأصول المطبوعة للكتاب، وقد يسر اللَّه عز وجل لي العديد من نسخه الخطية، مع معرفتي بقيمة الكتاب العلمية، مما أرى معه أنه يجب وجوبًا كفائيًا على الأمة أن تسعى في نشر هذا العلم وبثه، ورغبة في سقوط هذا الإثم استعنت باللَّه في تحقيق هذا الكتاب.

ومن فضل اللَّه عز وجل على الأمة أن حظيت العديد من كتب السنة بجهود عدد من الباحثين فحققوها وخرجوا أحاديثها ولكن يلاحظ على بعض أعمالهم ملحوظات عديدة، من أظهرها ما يأتي:

1 - أنهم أطالوا في التعليقات إطالة كبيرة مما ضخم حجم الكتب، وجعل الناس يزهدون فيها.

2 - عدم الجزم في الحكم على الأحاديث، فتجد أحدهم يقول: هذا حديث يحتمل التحسين، مما يوقع الناس في اللبس.

3 - التوسع في الكلام عن الخبر بجميع ما قيل فيه، مع أن بعض علل الخبر لا يعد شيئًا إذا قورن بغيره، فإذا كان أحد الرواة ضعيفًا فلا داعي لأن ينبه على أن غيره صدوق، وإذا كان في سنده وضاع فلا حاجة لإشهار اسم الضعيف.
বইটির অবশিষ্ট অংশ খণ্ড খণ্ড আকারে প্রকাশিত হতে থাকে, শেষ পর্যন্ত তা পনেরো খণ্ডে সমাপ্ত হয় এবং সর্বশেষ খণ্ডটি ১৪০৯ হিজরীতে প্রকাশিত হয়। সম্পাদক ষষ্ঠ খণ্ড থেকে পনেরো খণ্ড পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ের টীকা সংযোজন করেছেন। তিনি মারফূ’ হাদীসসমূহের ওপর অধিক মাত্রায় টীকা লিখেছেন এবং ষষ্ঠ খণ্ড থেকে বর্ণনাগুলোর নম্বর প্রদান শুরু করেছেন। বিশেষভাবে লক্ষণীয় যে, এই সংস্করণ থেকে ‘কিতাবুল ঈমান ও কিতাবুন নুযূর’ এবং ‘কিতাবুল হাজ্জ’-এর একটি বড় অংশ বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আর শায়খ হাবীবুর রহমান আল-আ’যামী ১৪০৩ হিজরীতে চারটি খণ্ড প্রকাশ করেছিলেন।

অতঃপর ১৪০৬ হিজরীতে পাকিস্তানের ‘ইদারাতুল কুরআন ওয়াল উলূম আল-ইসলামিয়্যাহ’ মুখতার আন-নাদভীর সংস্করণের ছায়ালিপি হিসেবে মুসান্নাফটি মুদ্রণ করে এবং ‘কিতাবুল ঈমান’ থেকে ‘কিতাবুল হাজ্জ’ পর্যন্ত বাদ পড়া অধ্যায়গুলো সেখানে সংযোজন করে।

এর পূর্ববর্তী সংস্করণগুলো ছিল অসম্পূর্ণ এবং ত্রুটিপূর্ণ; বইটির মুদ্রিত মূল কপিগুলো পর্যালোচনার সময় আমি এর কিছু নমুনা পেশ করব। মহান আল্লাহ আমার জন্য বইটির অনেকগুলো পাণ্ডুলিপি প্রাপ্তি সহজ করে দিয়েছেন। বইটির ইলমী গুরুত্ব সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান থাকায় আমি মনে করি যে, এই ইলম প্রচার ও প্রসারে সচেষ্ট হওয়া উম্মতের ওপর একটি ফরযে কিফায়া দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে গুনাহমুক্ত হওয়ার আশায় আমি এই কিতাবটির তাহকীক বা সম্পাদনায় আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করেছি।

উম্মতের ওপর মহান আল্লাহর অন্যতম অনুগ্রহ এই যে, সুন্নাহর বহু কিতাব একদল গবেষকের প্রচেষ্টায় সমৃদ্ধ হয়েছে; তারা সেগুলোর তাহকীক করেছেন এবং হাদীসসমূহের তাখরীজ করেছেন। তবে তাদের কোনো কোনো কাজের ওপর বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ রয়েছে, যার মধ্যে সর্বাধিক স্পষ্ট বিষয়গুলো নিম্নরূপ:

১ - তারা টীকাগুলোকে অত্যন্ত দীর্ঘ করেছেন, যার ফলে কিতাবসমূহের কলেবর অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে এবং মানুষ সেগুলোর প্রতি বিমুখ হয়ে পড়েছে।

২ - হাদীসের হুকুম প্রদানের ক্ষেত্রে দৃঢ়তার অভাব; দেখা যায় তাদের কেউ বলছেন: ‘এই হাদীসটি হাসান হওয়ার সম্ভাবনা রাখে’, যা মানুষকে বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলে দেয়।

৩ - কোনো বর্ণনা সম্পর্কে যা কিছু বলা হয়েছে তার সবিস্তার আলোচনা করা, অথচ বর্ণনার কিছু ত্রুটি বা ইলল অন্যটির তুলনায় ধর্তব্যই নয়। সুতরাং যদি কোনো বর্ণনাকারী যঈফ বা দুর্বল হন, তবে অন্য বর্ণনাকারী সত্যবাদী হওয়ার বিষয়টি ঘটা করে উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। আর যদি সনদে কোনো হাদীস জালকারী ব্যক্তি থাকে, তবে সেখানে সাধারণ দুর্বল বর্ণনাকারীর নাম ফলাও করে প্রচার করার কোনো আবশ্যকতা নেই।
(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ১৩)
4 - أنهم عند الحكم على الحديث يحكمون على المتن دون الإسناد، مما جعلهم يحكمون على أحاديث فيها راوٍ معروف بالكذب بأنها أحاديث صحيحة، نظرًا لورود ذلك المتن من طريق صحابي آخر بإسناد صحيح، وهذا العمل لا يصح، لأن ذلك الإسناد لا يمكن تقويته بإسناد آخر.

5 - اقتصارهم عند ذكر من أخرج الحديث على من ساق الخبر بذلك الإسناد، وكان الأولى ذكر جميع من أخرج الخبر من طريق ذلك الصحابي وهذا العمل قد ألبس على الباحثين وأوقعهم في أوهام عديدة.

فانظر إلى عكس الأمور في هذين الجانبين حكم على المتن وتخريج للسند وكان الأولى الحكم على السند، وتخريج المتن.

6 - أن بعض الباحثين يقوي الخبر الضعيف ويصححه لاعتضاده بآثار عن بعض التابعين.

7 - أن عددًا من الباحثين يقوي الضعيف ويحكم عليه بالصحة لاعتضاده بخبر راوٍ مجهول، وخبر المجهول يتوقف فيه ولا يقوى به لأنه لا يعرف ويحتمل أن يكون ضعيفًا جدًا أو وضاعًا.

8 - كما أن بعض من اشتغل في الرجال يرفع الحكم بالجهالة عن الراوي لمجرد رواية عدد عنه مع كون بعض هؤلاء الرواة ضعيفًا أو مجهولًا أو لا يتورع عن الرواية عن المجهولين والضعفاء، مع أن الحكم برفع الجهالة لا يكون إلا برواية الأئمة الذين يقتصرون في رواياتهم على الثقات ولو كان ذلك الراوي واحدًا على الصحيح.

9 - بل وصل الحال ببعض الباحثين إلى الحكم بجهالة الراوي الذي لم يرو عنه إلا واحد مع تتابع الأئمة على توثيقه.

10 - أن بعض الباحثين عند تخريج الأحاديث لا يكتفي بالصحيحين ويسرد كتب الحديث بحسب تسلسلها التاريخي فيكون الصحيحان في وسط كتب السنة، مما
৪ - তারা যখন হাদীসের ওপর হুকুম প্রদান করে, তখন তারা সনদের পরিবর্তে মতনের (মূল পাঠের) ওপর হুকুম দেয়। এর ফলে তারা এমন সব হাদীসকেও সহীহ হিসেবে সাব্যস্ত করে ফেলে যাতে এমন রাবী রয়েছে যে মিথ্যুক হিসেবে পরিচিত; কারণ সেই মতনটি অন্য কোনো সাহাবীর সূত্রে সহীহ সনদে বর্ণিত হয়েছে। এই পদ্ধতিটি সঠিক নয়, কারণ সেই নির্দিষ্ট সনদটিকে অন্য কোনো সনদ দ্বারা শক্তিশালী করা সম্ভব নয়।

৫ - হাদীসটি কে কে সংকলন করেছেন তা উল্লেখ করার সময় তারা কেবল সেই ব্যক্তির বর্ণনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে যে ওই বিশেষ সনদে খবরটি এনেছে। অথচ উচিত ছিল ওই সাহাবীর সূত্রে যারা যারা সংবাদটি বর্ণনা করেছেন তাদের সকলের কথা উল্লেখ করা। এই বিষয়টি গবেষকদের বিভ্রান্ত করেছে এবং তাদের অনেক ভুল ধারণায় নিপতিত করেছে।

অতএব এই দুই ক্ষেত্রে বিষয়গুলোর বৈপরীত্য লক্ষ্য করুন; মতনের ওপর হুকুম প্রদান এবং সনদের তাখরীজ করা, অথচ উচিত ছিল সনদের ওপর হুকুম প্রদান করা এবং মতনের তাখরীজ করা।

৬ - কিছু গবেষক দুর্বল বর্ণনাকে শক্তিশালী করেন এবং সেটিকে সহীহ সাব্যস্ত করেন কোনো তাবিঈর আছার (বক্তব্য) দ্বারা সমর্থিত হওয়ার কারণে।

৭ - অনেক গবেষক দুর্বল বর্ণনাকে শক্তিশালী করেন এবং সেটিকে সহীহ বলে রায় দেন কোনো অজ্ঞাত (মাজহুল) রাবীর বর্ণনার সমর্থনের কারণে। অথচ অজ্ঞাত রাবীর বর্ণনার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হয় এবং এর মাধ্যমে অন্য কিছুকে শক্তিশালী করা যায় না; কারণ সে কে তা জানা নেই এবং সম্ভাবনা থাকে যে সে অত্যন্ত দুর্বল কিংবা হাদীস জালকারী হতে পারে।

৮ - তেমনিভাবে রাবীগণের অবস্থা (রিজাল শাস্ত্র) নিয়ে যারা কাজ করেন তাদের কেউ কেউ কোনো রাবীর ওপর থেকে 'অজ্ঞাত' হওয়ার হুকুম তুলে নেন কেবল তার থেকে একাধিক ব্যক্তির বর্ণনার কারণে। অথচ ওই বর্ণনাকারীদের কেউ কেউ হয়তো দুর্বল, অজ্ঞাত অথবা তারা অজ্ঞাত ও দুর্বলদের থেকে বর্ণনা করার ক্ষেত্রে কোনো সতর্কতা অবলম্বন করেন না। অথচ সঠিক মতানুসারে, জাহালাত বা অজ্ঞাত হওয়ার হুকুম কেবল তখনই দূর হয় যখন এমন ইমামগণ তার থেকে বর্ণনা করেন যারা কেবল নির্ভরযোগ্যদের (সিকাহ) থেকেই বর্ণনা করার ব্যাপারে সীমাবদ্ধ থাকেন, যদিও সেই বর্ণনাকারী একজনই হন না কেন।

৯ - এমনকি কিছু গবেষকের অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, তারা এমন রাবীকেও 'অজ্ঞাত' বলে রায় দেন যার থেকে কেবল একজন ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন, যদিও নির্ভরযোগ্য ইমামগণ ধারাবাহিকভাবে তাকে নির্ভরযোগ্য (তাওসীক) হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন।

১০ - হাদীসের তাখরীজ করার সময় কিছু গবেষক কেবল সহীহাইন (বুখারী ও মুসলিম)-এর ওপর সন্তুষ্ট থাকেন না এবং হাদীসের কিতাবসমূহকে তাদের ঐতিহাসিক পর্যায়ক্রম অনুযায়ী বিন্যস্ত করেন, ফলে সহীহাইন সুন্নাহর কিতাবসমূহের মাঝখানে চলে আসে, যা...
(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ১৪)
قد يفهم منه تقليل مكانة الصحيحين، وما زالت الأمة تكتفي بقولها: متفق عليه على ما أخرجه الشيخان فلا تحتاج لذكر غيرهما.

11 - تحويل كتب الإسناد والرواية إلى كتب علل من خلال التوسع في ذكر علل الأحاديث في هوامش كتب الحديث المحققة.

12 - التطويل بذكر أسماء الكتب المشهورة مطولة مع أنها متبادرة إلى الذهن ولا زالت الأمة على الاكتفاء باسم المؤلف فيمن لا يوجد له إلا كتاب واحد، فتجدهم مثلًا يقولون: أخرجه ابن ماجه، ولا يقولون: في السنن وهكذا.

13 - ومن ذلك التعمية على القارئ بذكر اسم غير مشهور وترك الاسم المشهور فبدل قولهم: (أخرجه أبو عبيد) قالوا: (الهروي) وبدل (إسحاق) قالوا (ابن راهويه) وهكذا.

14 - أن بعض الأئمة المشهورين بالعلم والرواية قد يروي الحديث من وجهين لسعة علمه وروايته مع إمكان ذلك فيجعلون ذلك قادحًا في روايته.

15 - أن بعض الباحثين أصبح يزهد في بعض الأصول المخطوطة مهما كان عليها من عناية ويسمونها النسخ المتأخرة، مع عدم تمحيصها وعدم التأكد حقيقة من تأخرها.

16 - وفي مقابل ذلك نجدهم يعتمدون على نسخ متأخرة لكتب مستخرجة على الكتاب الأصل، ككتب الأطراف والشروح ونحو ذلك.

 

‌‌منهج التحقيق:

تطلب العمل في تحقيق الكتاب الخطوات الآتية:

 

‌‌أولًا: جمع نسخ الكتاب المخطوطة من مكتبات المخطوطات ومراكز البحث.

‌‌ثانيًا: المقابلة بين النسخ ثم مراجعة تلك المقابلة، وتم التعامل مع الفروق بين النسخ على النحو الآتي:
এর মাধ্যমে সহীহাইন (বুখারী ও মুসলিম)-এর মর্যাদা খাটো করার বিষয়টি বুঝে আসতে পারে, অথচ উম্মাহ এখনও শাইখাইন (বুখারী ও মুসলিম) যা বর্ণনা করেছেন তার ক্ষেত্রে 'মুত্তাফাকুন আলাইহি' বলাকেই যথেষ্ট মনে করে, ফলে অন্যদের উল্লেখ করার প্রয়োজন পড়ে না।

১১ - সম্পাদিত হাদীস গ্রন্থসমূহের টীকায় হাদীসের ত্রুটিসমূহ (ইলাল) বর্ণনায় অতিবিস্তৃতি ঘটানোর মাধ্যমে সনদ ও বর্ণনার কিতাবগুলোকে ত্রুটি-বিচ্যুতির (ইলাল) কিতাবে রূপান্তর করা।

১২ - প্রসিদ্ধ কিতাবগুলোর নাম দীর্ঘ করে উল্লেখ করা, অথচ সেগুলো মানুষের কাছে এমনিতেই স্পষ্ট। অথচ উম্মাহর রীতি হলো—যাঁর কেবল একটি কিতাবই আছে, তাঁর ক্ষেত্রে কেবল লেখকের নাম উল্লেখ করাকেই যথেষ্ট মনে করা। যেমন দেখা যায় তারা বলেন: 'ইবনে মাজাহ এটি বর্ণনা করেছেন', তারা বলেন না: 'সুনান গ্রন্থে', এভাবে আরও।

১৩ - এর মধ্যে পাঠককে বিভ্রান্ত করার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত, যেমন প্রসিদ্ধ নামের পরিবর্তে অপ্রসিদ্ধ নাম উল্লেখ করা। ফলে 'আবু উবাইদ বর্ণনা করেছেন' বলার পরিবর্তে তারা বলে: 'হারাবী', এবং 'ইসহাক'-এর পরিবর্তে তারা বলে: 'ইবনে রাহওয়াইহ', এভাবেই চলতে থাকে।

১৪ - জ্ঞান ও বর্ণনার ক্ষেত্রে প্রসিদ্ধ কোনো কোনো ইমাম তাঁর অগাধ পাণ্ডিত্য ও বর্ণনার প্রাচুর্যের কারণে একটি হাদীসকে দুই দিক থেকে বর্ণনা করতে পারেন এবং তা সম্ভবও বটে, অথচ তারা একে তাঁর বর্ণনার ক্ষেত্রে একটি ত্রুটি হিসেবে গণ্য করেন।

১৫ - কোনো কোনো গবেষক কিছু মূল পাণ্ডুলিপির প্রতি অনীহা প্রকাশ করতে শুরু করেছেন, যদিও তাতে যথেষ্ট গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে; তারা এগুলোকে 'পরবর্তী যুগের অনুলিপি' বলে অভিহিত করেন, অথচ সেগুলো যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করা হয় না এবং বাস্তবে সেগুলো পরবর্তী সময়ের কি না তাও নিশ্চিত করা হয় না।

১৬ - এর বিপরীতে দেখা যায় তারা মূল কিতাবের ওপর ভিত্তি করে রচিত কিতাবসমূহের (যেমন কুতুবুল আতরাফ, শরাহ এবং এজাতীয় কিতাব) পরবর্তী যুগের অনুলিপিগুলোর ওপর নির্ভর করেন।

 

‌‌সম্পাদনা পদ্ধতি:

গ্রন্থটি সম্পাদনার কাজে নিম্নোক্ত পদক্ষেপসমূহ গ্রহণ করা হয়েছে:

 

‌‌প্রথমত: পাণ্ডুলিপি গ্রন্থাগার ও গবেষণা কেন্দ্রসমূহ থেকে কিতাবটির পাণ্ডুলিপিগুলো সংগ্রহ করা।

‌‌দ্বিতীয়ত: বিভিন্ন অনুলিপির মধ্যে পাঠ-সামঞ্জস্য বিধান করা এবং সেই পাঠ-সামঞ্জস্য পুনরায় পর্যালোচনা করা। অনুলিপিগুলোর মধ্যকার পাঠ-পার্থক্যসমূহ নিম্নোক্ত পদ্ধতিতে সমাধান করা হয়েছে:
(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ১৫)
1 - إذا اتفقت النسخ على شيء أثبتناه ولو كان مخالفًا لكتب الإسناد والرجال، وقد ننبه على ذلك.

2 - إذا اختلفت النسخ فإنني أختار منها ما يترجح لديَّ من خلال مراجعة كتب السنة والتراجم واللغة.

3 - لم أشر إلى الأخطاء الإملائية أو ما خالف قواعد الإملاء الحديثة.

 

‌‌ثالثًا: الحكم على أسانيد الكتاب وتخريج أحاديثه، فإن الموجود في المصنف على ثلاثة أنواع:

1 - أحاديث مرفوعة، فنحكم على إسناد المؤلف، ثم أبين من أخرج ذلك الحديث، فإن كان في الصحيحين اكتفيت بهما، وإن كان في أحدهما دون الآخر ذكرت موضعه من الصحيح وعززته بذكر مصدر آخر والأغلب أن يكون مسند الإمام أحمد، فإن لم يكن في أحد الصحيحين اجتهدت في ذكر من أخرجه.

2 - آثار للصحابة فأحكم عليها، وقد أذكر من خرجها ولا ألتزم بذلك.

3 - آثار التابعين، فهذه أكتفي بإيراد المصنف لها، لعدم صحة الاستدلال بها.

 

‌‌رابعًا: عند الحكم على الأحاديث أشير لسبب تحسين الحديث أو تضعيفه بذكر اسم الراوي الذي يكون سببًا لذلك، وكذلك عند الانقطاع أذكر موطن الانقطاع اختصارًا للكلام، ومن خلال عملي السابق واللاحق في السنة وسبر مرويات الرواة قد لا أقنع بكلام الحافظ في التقريب وأخالفه.

‌‌خامسًا: التعليقات التي وضعت على النسخ المخطوطة سواء لترجمة الرواة أو التعريف بالألفاظ ونحو ذلك أثبتها في الهامش.

‌‌سادسًا: رقمت أحاديث الكتاب وآثاره ترقيمًا متسلسلًا بحيث يكون للكتاب ترقيم واحد من أوله إلى آخره، كما وضعت ترقيمًا للأبواب داخل كل كتاب وترقيمًا لأسماء الكتب التي عنون بها المؤلف.
১ - যদি পাণ্ডুলিপিগুলো কোনো বিষয়ে একমত হয়, তবে আমরা তা বহাল রেখেছি, যদিও তা ইসনাদ ও রিজাল (বর্ণনাকারী) বিষয়ক গ্রন্থসমূহের পরিপন্থী হয়। ক্ষেত্রবিশেষে আমরা সে বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছি।

২ - যদি পাণ্ডুলিপিগুলোর মধ্যে ভিন্নতা দেখা দেয়, তবে সুন্নাহ, জীবনী এবং ভাষা বিষয়ক গ্রন্থসমূহ পর্যালোচনার মাধ্যমে আমার কাছে যা অধিক গ্রহণযোগ্য মনে হয়েছে, আমি তা-ই বেছে নিয়েছি।

৩ - আমি বানানগত ভুল অথবা আধুনিক বানানের নিয়মের পরিপন্থী বিষয়গুলোর প্রতি ইঙ্গিত করিনি।

 

‌‌তৃতীয়ত: গ্রন্থের সনদসমূহের ওপর হুকুম প্রদান এবং এর হাদিসগুলোর তাখরিজ (উৎস নির্দেশ); মুসান্নাফ গ্রন্থে যা বিদ্যমান তা তিন প্রকার:

১ - মারফূ হাদিসসমূহ: এক্ষেত্রে আমি লেখকের সনদের ওপর হুকুম প্রদান করি, অতঃপর হাদিসটি কে সংকলন করেছেন তা বর্ণনা করি। যদি তা সহিহাইন (বুখারি ও মুসলিম)-এ থাকে তবে আমি কেবল সেই দুটির উল্লেখেই ক্ষান্ত হয়েছি। আর যদি তা কেবল একটিতে থাকে তবে সহিহ গ্রন্থের সেই স্থানটি উল্লেখ করেছি এবং অন্য একটি উৎস উল্লেখ করে সেটিকে শক্তিশালী করেছি, যা অধিকাংশ ক্ষেত্রে মুসনাদে ইমাম আহমাদ হয়ে থাকে। আর যদি তা সহিহাইনের কোনোটিতেই না থাকে, তবে যারা তা সংকলন করেছেন তাদের উল্লেখ করার যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি।

২ - সাহাবীদের আসার (বাণী ও কর্ম): এগুলোর ওপর আমি হুকুম প্রদান করেছি। কখনো কখনো যারা তা সংকলন করেছেন তাদের নাম উল্লেখ করেছি, তবে আমি তা পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকিনি।

৩ - তাবেঈদের আসার: এগুলোর ক্ষেত্রে মুসান্নাফে যেভাবে এসেছে সেভাবেই উল্লেখ করাকে যথেষ্ট মনে করেছি, কারণ এগুলোর মাধ্যমে দলিল পেশ করা সঠিক নয়।

 

‌‌চতুর্থত: হাদিসসমূহের ওপর হুকুম প্রদানের সময় হাদিসটি হাসান (উত্তম) বা জয়িফ (দুর্বল) হওয়ার কারণ হিসেবে সেই বর্ণনাকারীর নাম উল্লেখ করেছি যিনি এর কারণ হিসেবে গণ্য, একইভাবে সনদে বিচ্ছিন্নতা থাকলে আলোচনার সংক্ষিপ্ততার খাতিরে কেবল বিচ্ছিন্নতার স্থানটি উল্লেখ করেছি। সুন্নাহর ওপর আমার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কাজ এবং বর্ণনাকারীদের বর্ণনাসমূহ পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণের মাধ্যমে আমি হয়তো 'তাকরীব' গ্রন্থে হাফেজ (ইবনে হাজার)-এর বক্তব্যের ব্যাপারে আশ্বস্ত হতে পারিনি এবং তাঁর ভিন্নমত পোষণ করেছি।

‌‌পঞ্চমত: পাণ্ডুলিপিগুলোতে যেসব টীকা যুক্ত ছিল, বর্ণনাকারীদের জীবনী হোক কিংবা শব্দের পরিচিতি বা এই জাতীয় অন্য কিছু, তা আমি পাদটীকায় বহাল রেখেছি।

‌‌ষষ্ঠত: আমি গ্রন্থের হাদিস ও আসারগুলোকে ধারাবাহিকভাবে ক্রমিক নম্বর প্রদান করেছি, যাতে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো গ্রন্থের একটি একক ক্রমিক নম্বর থাকে। পাশাপাশি প্রতিটি কিতাবের অন্তর্গত অধ্যায়গুলোতে এবং লেখক যেসব শিরোনামে কিতাবগুলোর নামকরণ করেছেন সেগুলোতেও ক্রমিক নম্বর প্রদান করেছি।
(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ১৬)
‌‌سابعًا: سيحظى الكتاب بإذن اللَّه بفهارس فنية متنوعة تقرب لطلاب العلم طريق الاستفادة من هذا الكتاب.

‌‌ثامنًا: وضعت تعليقًا مختصرًا في بداية كل باب يلخص كلام الفقهاء في ذلك الباب.

وأختم بشكر صاحب الفضيلة والمعالي الوالد الأجل الشيخ ناصر بن عبد العزيز ابن محمد أبو حبيب الشثري فهو المتكَأ الذي نتكئ عليه بعبد اللَّه في إخراج هذا الكتاب حثًا وتشجيعًا ودعمًا، استمرارًا لرغبة والده الجد الشيخ عبد العزيز أبو حبيب الشثري في خدمة العلم وطبع كتبه، فأسال اللَّه أن يجزل لهما الأجر والثواب وأن يجعلهما في جوار محمد صلى الله عليه وسلم في الفردوس الأعلى من الجنة.

وأتوجه بالشكر لحكومة المملكة العربية السعودية لجهودها المشكورة في إحياء العلم الشرعي، من خلال إقامة المكتبات العامة النافعة، كمكتبة جامعة الإمام محمد ابن سعود الإسلامية، ومكتبة الجامعة الإسلامية، ومكتبة الملك فهد الوطنية، فأسأل أن يبارك في هذه الجهود وأسأله أن يجعل التوفيق حليفًا لهذه المؤسسات.

والشكر موصول لوالدتي الفاضلة الكريمة التي ربتني صغيرًا وكبيرًا، ولا أزال أجد فضلها وإحسانها، كما لا زلت أجد أثر تربيتها وتوجيهاتها ووصاياها.

كما أشكر أهل بيتي وأبنائي وإخواني على ما وفروه لي من جو علمي تمكنت معه من إنجاز هذا العمل المبارك، الذي أتقرب إلى اللَّه به والذي تفضل اللَّه عليَّ بمنه وقومه فجعلني أتوجه إليه وأعانني على العمل فيه لأكون بذلك ممن خدم سنة النبي صلى الله عليه وسلم، والحمد للَّه أولًا وآخرًا.

 

المحقق

أ. د. سعد بن ناصر بن عبد العزيز أبو حبيب الشثري
‌সপ্তম: আল্লাহর অনুমতিক্রমে এই কিতাবটি বিভিন্ন বিষয়াভিত্তিক নির্ঘণ্টের মাধ্যমে সমৃদ্ধ হবে, যা ইলম অন্বেষণকারীদের জন্য এই কিতাব থেকে উপকৃত হওয়ার পথকে সহজতর করবে।

‌অষ্টম: আমি প্রতিটি পরিচ্ছেদের শুরুতে একটি সংক্ষিপ্ত টীকা যুক্ত করেছি, যা উক্ত পরিচ্ছেদে ফকিহগণের বক্তব্যের সারসংক্ষেপ প্রদান করে।

পরিশেষে আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি পরম শ্রদ্ধেয় ও উচ্চমর্যাদাসম্পন্ন পিতা শাইখ নাসের বিন আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মদ আবু হাবীব আশ-শাসরির প্রতি; কেননা এই কিতাবটি প্রকাশের ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা, উৎসাহ এবং সহযোগিতার মাধ্যমে আল্লাহর পরে তিনিই ছিলেন আমাদের প্রধান অবলম্বন। এটি তাঁর পিতা তথা দাদা শাইখ আব্দুল আজিজ আবু হাবীব আশ-শাসরির ইলমের সেবা ও তাঁর গ্রন্থসমূহ মুদ্রণের যে আকাঙ্ক্ষা ছিল, এরই ধারাবাহিকতা। আমি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন তাঁদের উভয়কে ভরপুর প্রতিদান ও সওয়াব দান করেন এবং তাঁদেরকে জান্নাতুল ফিরদাউসে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সান্নিধ্যে স্থান দান করেন।

আর আমি সৌদি আরব সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি শরয়ি ইলমকে পুনর্জীবিত করার ক্ষেত্রে তাদের প্রশংসনীয় প্রচেষ্টার জন্য, যা তারা বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক লাইব্রেরি স্থাপনের মাধ্যমে আঞ্জাম দিয়েছে; যেমন—ইমাম মুহাম্মদ ইবনে সউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি, ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি এবং কিং ফাহাদ ন্যাশনাল লাইব্রেরি। আমি প্রার্থনা করি আল্লাহ যেন এই প্রচেষ্টাসমূহে বরকত দান করেন এবং এই প্রতিষ্ঠানসমূহকে সর্বদা সফল ও তৌফিকপ্রাপ্ত করেন।

কৃতজ্ঞতা রইল আমার বিদুষী ও মহীয়সী জননীর প্রতি, যিনি শৈশব থেকে আমাকে লালন-পালন করেছেন। আমি এখনও তাঁর অনুগ্রহ ও ইহসান অনুভব করি এবং তাঁর লালন-পালন, দিকনির্দেশনা ও উপদেশের প্রভাব এখনও আমার মাঝে দেদীপ্যমান।

আমি আমার পরিবার-পরিজন, সন্তানাদি এবং ভাইদেরও ধন্যবাদ জানাই তাঁরা আমাকে যে ইলমি পরিবেশ প্রদান করেছেন তার জন্য, যার ফলে আমি এই বরকতময় কাজটিকে সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছি। এই কাজের মাধ্যমে আমি আল্লাহর নৈকট্য অন্বেষণ করছি। আল্লাহই তাঁর অনুগ্রহে ও শক্তিতে আমাকে এর তৌফিক দিয়েছেন, আমাকে এর দিকে ধাবিত করেছেন এবং এতে সাহায্য করেছেন, যাতে আমি এর মাধ্যমে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাহর সেবাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারি। শুরু ও শেষে সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য।

 

গবেষক ও সম্পাদক

প্রফেসর ড. সাদ বিন নাসের বিন আব্দুল আজিজ আবু হাবীব আশ-শাসরি
(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ১৭)
‌‌الفصل الأول: ترجمة المؤلف

وفيه مبحثان:

المبحث الأول: حياته العامة.

المبحث الثاني: حياته العلمية.
প্রথম অধ্যায়: লেখকের জীবনী

এবং এতে দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: তাঁর সাধারণ জীবন।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: তাঁর জ্ঞানতাত্ত্বিক জীবন।
(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ১৯)
‌‌المبحث الأول: حياته العامة (1)

وفيه أربعة مطالب:

 

‌‌المطلب الأول: اسمه ونسبه

هو: الإمام أبو بكر عبد اللَّه بن القاضي محمد بن القاضي أبي شيبة إبراهيم بن عثمان بن خُواسْتَي وينتسب إلى قبيلة عبس بالولاء.

وينتسب ابن أبي شيبة إلى الكوفة لكونه ولد ونشأ فيها وتعلم وعلم بها.

--------------------------------------------

(1) انظر ترجمته في: الطبقات الكبرى لابن سعد 6/ 413؛ طبقات خليفة بن خياط ص 173؛ التاريخ الصغير للبخاري 2/ 335؛ تاريخ الثقات للعجلي رقم (276)؛ الجرح والتعديل 5/ 160؛ الثقات لابن حبان 8/ 358؛ رجال صحيح البخاري للكلاباذي 1/ 427؛ رجال صحيح مسلم لابن منجويه 1/ 385؛ الجمع بين رجال الصحيحين 1/ 259؛ السابق واللاحق للخطيب ص 257؛ تاريخ بغداد 10/ 66؛ الفهرست لابن النديم ص 229؛ المنتظم لابن الجوزي 11/ 229، الكامل لابن الأثير 7/ 45، تهذيب الكمال 16/ 34، طبقات علماء الحديث لابن عبد الهادي 2/ 84، المعين في طبقات المحدثين ص 86، الكاشف 02/ 111، سير أعلام النبلاء 11/ 122، تذكرة الحفاظ 2/ 432، تاريخ الإسلام ص 227 و 231 - 241، دول الإسلام 1/ 143، ميزان الاعتدال 2/ 490، العبر 1/ 421، مرآة الجنان 2/ 116، البداية والنهاية 10/ 315، طبقات المفسرين للداودي 1/ 246، طبقات الحفاظ للسيوطي ص 192، المعجم المشتمل لابن عساكر ص 492، تهذيب التهذيب 6/ 2، النجوم الزاهرة 2/ 282، شذرات الذهب 2/ 85، الرسالة المستطرفة ص 13، الأعلام 4/ 260، كشف الظنون ص 437 و 1678 و 1711، إيضاح المكنون 1/ 36 و 212، هدية العارفين 1/ 440، معجم المؤلفين 6/ 107، تاريخ التراث العربي 1/ 205، تاريخ التراث العربي لزكين 1/ 1/ 205، مقدمة المطالب العالية لابن حجر طبع بتدقيقنا. وقد كتبت عنه العجالة الآتية.

প্রথম পরিচ্ছেদ: তাঁর সাধারণ জীবন (১)

এতে চারটি উপ-পরিচ্ছেদ রয়েছে:

 

‌প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: তাঁর নাম ও বংশপরিচয়

তিনি হলেন: ইমাম আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে কাজি মুহাম্মদ ইবনে কাজি আবু শায়বাহ ইবরাহিম ইবনে উসমান ইবনে খুওয়াসতাই। তিনি ‘ওয়ালা’ (আনুগত্যের চুক্তি) সূত্রে আবস গোত্রের অন্তর্ভুক্ত।

ইবনে আবু শায়বাহ কুফার দিকেও সম্বন্ধযুক্ত হন, কারণ তিনি সেখানে জন্মগ্রহণ করেছেন, বেড়ে উঠেছেন এবং সেখানেই জ্ঞান অর্জন ও দান করেছেন।

--------------------------------------------

(১) তাঁর জীবনী দেখুন: ইবনে সা’দের ‘আত-তাবাকাতুল কুবরা’ ৬/ ৪১৩; খলিফা বিন খইয়াতের ‘তাবাকাত’ পৃ. ১৭৩; ইমাম বুখারীর ‘আত-তারিখুস সাগির’ ২/ ৩৩৫; ইজলীর ‘তারিখুস সিকাত’ নং (২৭৬); ‘আল-জারহু ওয়াত তা’দিল’ ৫/ ১৬০; ইবনে হিব্বানের ‘আস-সিকাত’ ৮/ ৩৫৮; কিলাবাদীর ‘রিজালু সহিহিল বুখারী’ ১/ ৪২৭; ইবনে মানজুওয়াইহ-এর ‘রিজালু সহিহিল মুসলিম’ ১/ ৩৮৫; ‘আল-জামউ বাইনা রিজালিস সহিহাইন’ ১/ ২৫৯; খাতিবের ‘আস-সাবেক ওয়াল লাহিক’ পৃ. ২৫৭; ‘তারিখু বাগদাদ’ ১০/ ৬৬; ইবনে নাদীমের ‘আল-ফিহরিস্ত’ পৃ. ২২৯; ইবনুল জাওযীর ‘আল-মুনতাজাম’ ১১/ ২২৯, ইবনুল আসীরের ‘আল-কামিল’ ৭/ ৪৫, ‘তাহযীবুল কামাল’ ১৬/ ৩৪, ইবনে আব্দুল হাদির ‘তাবাকাতু উলামাইল হাদিস’ ২/ ৮৪, ‘আল-মুঈন ফি তাবাকাতিল মুহাদ্দিসিন’ পৃ. ৮৬, ‘আল-কাশিফ’ ২/ ১১১, ‘সিয়ারু আলামিন নুবালা’ ১১/ ১২২, ‘তাযকিরাতুল হুফফাজ’ ২/ ৪৩২, ‘তারিখুল ইসলাম’ পৃ. ২২৭ এবং ২৩১ - ২৪১, ‘দুওয়ালুল ইসলাম’ ১/ ১৪৩, ‘মিযানুল ইতিদাল’ ২/ ৪৯০, ‘আল-ইবার’ ১/ ৪২১, ‘মিরাতুল জানান’ ২/ ১১৬, ‘আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া’ ১০/ ৩১৫, দাউদীর ‘তাবাকাতুল মুফাসসিরিন’ ১/ ২৪৬, সুয়ূতির ‘তাবাকাতুল হুফফাজ’ পৃ. ১৯২, ইবনে আসাকিরের ‘আল-মুজামুল মুশতামিল’ পৃ. ৪৯২, ‘তাহযীবুত তাহযীব’ ৬/ ২, ‘আন-নুজুমুয যাহিরা’ ২/ ২৮২, ‘শাযারাতুয যাহাব’ ২/ ৮৫, ‘আর-রিসালাতুল মুস্তাতরাফা’ পৃ. ১৩, ‘আল-আ’লাম’ ৪/ ২৬০, ‘কাশফুয জুনুন’ পৃ. ৪৩৭ এবং ১৬৭৮ এবং ১৭১১, ‘ঈজাহুল মাকনুন’ ১/ ৩৬ এবং ২১২, ‘হাদিয়াতুল আরিফিন’ ১/ ৪৪০, ‘মুজামুল মুআল্লিফিন’ ৬/ ১০৭, ‘তারিখুত তুরাসিল আরাবি’ ১/ ২০৫, ফুয়াদ জেকিনের ‘তারিখুত তুরাসিল আরাবি’ ১/ ১/ ২০৫, ইবনে হাজারের ‘আল-মাতালিবুল আলিয়া’-এর ভূমিকা যা আমাদের সম্পাদনায় মুদ্রিত। তাঁর সম্পর্কে নিচের সংক্ষিপ্ত আলোচনাটি লেখা হয়েছে।

(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ২০)
‌‌المطلب الثاني: أسرته

ابن أبي شيبة من بيت علم، لديهم رغبة في رواية الحديث، ولذا بكّر في طلب الحديث وزاحم أقرانه عند كبار شيوخ عصره؛ حتى قال يحيى بن عبد الحميد الحماني: أولاد ابن أبي شيبة من أهل العلم، كانوا يزاحموننا عند كل محدث.

فإن جده أبا شيبة إبراهيم بن عثمان العبسي تولى القضاء بواسط، وعرف بالفقه، وشغله القضاء عن ضبط الحديث فضعف فيه، توفي سنة 169 هـ، وخاله هو الحكم ابن عتيبة الفقيه المشهور(1).

وأبوه هو محمد بن إبراهيم الكوفي القاضي الثقة، تولى قضاء فارس، وتوفي سنة 182 هـ.

 

ومن إخوانه:

1 - الحافظ عثمان بن أبي شيبة، توفي سنة 239 هـ، وهو من رجال الصحيحين أخرج له البخاري 61 حديثًا وأخرج له مسلم (117) حديثًا وله في الكتب الستة (535) حديثًا.

2 - القاسم بن أبي شيبة.

وابنه هو الحافظ إبراهيم بن أبي بكر، ولد في أيام سفيان بن عيينة، وسمع أبا نعيم الفضل بن دكين وعبيد اللَّه بن موسى، وروى عنه ابن ماجه والنسائي وابن جرير وابن أبي حاتم، وهو من تلامذة الإمام أحمد، توفي سنة 265 هـ.

ومن أبنائه أيضًا: محمد بن أبي بكر بن أبي شيبة له رواية عند أبي داود.

والحافظ أبو جعفر محمد بن عثمان بن أبي شيبة ابن أخيه توفي سنة 297 هـ.

--------------------------------------------

(1) تهذيب الكمال 2/ 147.

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: তাঁর পরিবার

ইবনে আবি শায়বাহ একটি ইলমি (বিদ্বান) পরিবারের সন্তান, হাদিস বর্ণনার প্রতি তাঁদের প্রবল আগ্রহ ছিল। একারণে তিনি অল্প বয়সেই হাদিস অন্বেষণে আত্মনিয়োগ করেন এবং তাঁর সময়ের বড় বড় শাইখদের নিকট হাদিস শ্রবণের ক্ষেত্রে সমসাময়িকদের সাথে প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হন। এমনকি ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল হামিদ আল-হিমানি বলেছেন: "ইবনে আবি শায়বাহর সন্তানগণ ইলমওয়ালাদের অন্তর্ভুক্ত, তাঁরা প্রত্যেক মুহাদ্দিসের নিকট আমাদের সাথে ভিড় জমাতেন।"

তাঁর দাদা আবু শায়বাহ ইবরাহিম ইবনে উসমান আল-আবসি ওয়াসিত অঞ্চলে কাজির (বিচারক) দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ফিকহ শাস্ত্রের জন্য সুপরিচিত ছিলেন। বিচারকার্য তাঁকে হাদিস সংরক্ষণে বিমুখ করে দিয়েছিল, ফলে তিনি হাদিসশাস্ত্রে দুর্বল হয়ে পড়েন। তিনি ১৬৯ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। তাঁর মামা হলেন প্রখ্যাত ফকিহ আল-হাকাম ইবনে উতাইবাহ।(১)

তাঁর পিতা হলেন নির্ভরযোগ্য কাজি মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম আল-কুফি। তিনি পারস্যের কাজির দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৮২ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।

 

তাঁর ভাইদের মধ্যে রয়েছেন:

১ - হাফেজ উসমান ইবনে আবি শায়বাহ; তিনি ২৩৯ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। তিনি সহিহাইন (বুখারি ও মুসলিম)-এর বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত। ইমাম বুখারি তাঁর থেকে ৬১টি হাদিস এবং ইমাম মুসলিম ১১৭টি হাদিস বর্ণনা করেছেন। 'কুতুবে সিত্তা'য় তাঁর বর্ণিত হাদিসের সংখ্যা ৫৩৫টি।

২ - আল-কাসিম ইবনে আবি শায়বাহ।

তাঁর পুত্র হলেন হাফেজ ইবরাহিম ইবনে আবি বকর। তিনি সুফিয়ান ইবনে উয়াইনাহর জীবদ্দশায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আবু নুআইম আল-ফজল ইবনে দুকাইন এবং উবাইদুল্লাহ ইবনে মুসা থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন। তাঁর থেকে ইবনে মাজাহ, নাসায়ি, ইবনে জারির এবং ইবনে আবি হাতিম হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি ইমাম আহমদের ছাত্রদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি ২৬৫ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।

তাঁর সন্তানদের মধ্যে আরও রয়েছেন: মুহাম্মদ ইবনে আবি বকর ইবনে আবি শায়বাহ, সুনানে আবু দাউদে তাঁর বর্ণনা রয়েছে।

আর হাফেজ আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে উসমান ইবনে আবি শায়বাহ ছিলেন তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র; তিনি ২৯৭ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।

--------------------------------------------

(১) তাহজিবুল কামাল ২/ ১৪৭।

(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ২১)
قال الذهبي(1) عن الحافظ أبي بكر: "هو أخو الحافظ عثمان بن أبي شيبة والقاسم بن أبي شيبة الضعيف، فالحافظ إبراهيم بن أبي بكر هو ولده، والحافظ أبو جعفر محمد بن عثمان هو ابن أخيه، فهم بيت علم، وأبو بكر أجلُّهم".

 

‌‌المطلب الثالث: ولادته ووفاته

الأقرب أن تكون ولادته سنة 160 هـ لأنه سمع من شريك وعمره 14 سنة، وقد تكون ولادته سنة 159 هـ، كما ذكر ابن زَبْر والخطيب(2).

قال البخاري: "مات عبد اللَّه بن محمد بن أبي شيبة الكوفي العبسي سنة خمس وثلاثين ومائتين (235 هـ) أبو بكر. . . مات يوم الخميس لثمان خلون من المحرم"(3).

وقال الذهبي: "توفي في المحرم وله بضع وسبعون سنة"(4).

وقال الخطيب البغدادي: "مات عبد اللَّه بن محمد بن أبي شيبة أبو بكر العبسي وقت العشاء الآخرة، ليلة الخميس، لثمان مضت من المحرم سنة خمس وثلاثين ومائتين"(5).

--------------------------------------------

(1) سير أعلام النبلاء 11/ 122.

(2) تاريخ مولد العلماء ووفياتهم 1/ 372، وانظر: سير أعلام النبلاء 11/ 122، تاريخ بغداد 10/ 66، تهذيب الكمال 16/ 39.

(3) التاريخ الصغير 2/ 335، "الباحثون يشيرون إلى أن الصواب أنه الأوسط"، ووهم ابن الأثير في الكامل 6/ 102 حينما جعل وفاته سنة 234 هـ.

(4) العبر 1/ 331.

(5) تاريخ بغداد 10/ 71.

আয-যাহাবী(১) হাফিয আবু বকর সম্পর্কে বলেন: "তিনি হাফিয উসমান ইবনে আবি শাইবাহ এবং কাসেম ইবনে আবি শাইবাহ—যিনি দুর্বল ছিলেন—তাঁদের ভাই। হাফিয ইব্রাহিম ইবনে আবি বকর হলেন তাঁর পুত্র, আর হাফিয আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে উসমান হলেন তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র। তাঁরা ইলমের একটি পরিবার, আর আবু বকর ছিলেন তাঁদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ।"

 

‌‌তৃতীয় পরিচ্ছেদ: তাঁর জন্ম ও মৃত্যু

অধিকতর সঠিক মত হলো তাঁর জন্ম ১৬০ হিজরি সালে, কারণ তিনি শারিক থেকে ১৪ বছর বয়সে (হাদিস) শুনেছেন। তাঁর জন্ম ১৫৯ হিজরি সালেও হতে পারে, যেমনটি ইবনে যাবর ও আল-খতিব উল্লেখ করেছেন(২)।

বুখারী বলেন: "আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি শাইবাহ আল-কুফি আল-আবসি আবু বকর দুইশত পঁয়ত্রিশ (২৩৫ হি.) সালে মৃত্যুবরণ করেন। . . তিনি মহররম মাসের আট দিন অতিবাহিত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার মৃত্যুবরণ করেন"(৩)।

আয-যাহাবী বলেন: "তিনি মহররম মাসে মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁর বয়স তখন সত্তর বছরের কিছু বেশি ছিল"(৪)।

খতিব আল-বাগদাদি বলেন: "আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি শাইবাহ আবু বকর আল-আবসি দুইশত পঁয়ত্রিশ হিজরি সালের মহররম মাসের আট তারিখ বৃহস্পতিবার রাতে ইশার নামাজের সময় মৃত্যুবরণ করেন"(৫)।

--------------------------------------------

(১) সিয়ারু আলামিন নুবালা ১১/১২২।

(২) তারিখু মাওলিদিল উলামা ওয়া ওয়াফায়াতিহিম ১/৩৭২; এবং দেখুন: সিয়ারু আলামিন নুবালা ১১/১২২, তারিখু বাগদাদ ১০/৬৬, তাহযিবুল কামাল ১৬/৩৯।

(৩) আত-তারিখুস সাগির ২/৩৩৫, "গবেষকরা উল্লেখ করেছেন যে সঠিক হলো এটি (তারিখুল) আওসাত", আর আল-কামিল ৬/১০২-এ ইবনুল আসির বিভ্রান্ত হয়েছেন যখন তিনি তাঁর মৃত্যু ২৩৪ হিজরি সালে উল্লেখ করেছেন।

(৪) আল-ইবার ১/৩৩১।

(৫) তারিখু বাগদাদ ১০/৭১।

(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ২২)
‌‌المطلب الرابع: عصره

عاصر ابن أبي شيبة ثمانية خلفاء عباسيين هم:

1) المهدي (158 - 169).

2) الهادي (169 - 170).

3) الرشيد (170 - 193).

4) الأمين (193 - 198).

5) المأمون (198 - 218).

6) المعتصم (218 - 227).

7) الواثق (227 - 232).

8) المتوكل (232 - 247).

ومن عصر المهدي إلى عصر الرشيد (158 - 193) كان عصر استقرار وتقدير للعلماء، وإحياء للسنة، ومحاربة للعقائد الدخيلة، ولذا كثر الاشتغال بالعلم والسنة ورواية الحديث، وهذا وقت الطلب عند الإمام ابن أبي شيبة.

وفي عصر الأمين (193 - 198) كان هناك اضطرابات سياسية بسبب منازعة المأمون لأخيه الأمين في الحكم.

وفي عصر المأمون والمعتصم (198 - 232) ابتلي الناس ببعض العقائد الدخيلة التي تبناها الخلفاء ودعوا إليها، مثل نفي الصفات، والقول بخلق القرآن، وقد اشتد المأمون عام 218 هـ في ذلك، وألزم العلماء بمقالة خلق القرآن، وعذب من لم يوافقه من العلماء، وقد ثبت قليل من العلماء كالإمام أحمد رحمه الله الذي ضُرِب وسُجِن من قبل المعتصم، وفي هذا العهد اشتدت شوكة المعتزلة، وكان ابن أبي شيبة ينكر على العلماء الذين أجابوا في الفتنة(1). وفي عصر المتوكل (232 هـ) كشف اللَّه

--------------------------------------------

(1) تهذيب الكمال 23/ 214.

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: তাঁর যুগ

ইবন আবি শায়বাহ আটজন আব্বাসীয় খলিফার সমসাময়িক ছিলেন, তাঁরা হলেন:

১) আল-মাহদী (১৫৮ - ১৬৯)।

২) আল-হাদী (১৬৯ - ১৭০)।

৩) আল-রশীদ (১৭০ - ১৯৩)।

৪) আল-আমীন (১৯৩ - ১৯৮)।

৫) আল-মামুন (১৯৮ - ২১৮)।

৬) আল-মুতাসিম (২১৮ - ২২৭)।

৭) আল-ওয়াসিক (২২৭ - ২৩২)।

৮) আল-মুতাওয়াক্কিল (২৩২ - ২৪৭)।

আল-মাহদীর যুগ থেকে আল-রশীদের যুগ (১৫৮ - ১৯৩) পর্যন্ত সময়কাল ছিল স্থিতিশীলতা এবং আলেমদের কদর করার, সুন্নাহকে পুনরুজ্জীবিত করার এবং অনুপ্রবেশকারী আকিদাহর বিরুদ্ধে লড়াই করার যুগ। এ কারণে এ সময় ইলম চর্চা, সুন্নাহ এবং হাদিস বর্ণনার ব্যাপক প্রসার ঘটেছিল। আর এটিই ছিল ইমাম ইবন আবি শায়বাহর ইলম অর্জনের সময়কাল।

আল-আমীনের যুগে (১৯৩ - ১৯৮) ক্ষমতার দ্বন্দ্বে মামুনের তাঁর ভাই আমীনের বিরোধিতা করার কারণে রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজ করছিল।

আল-মামুন এবং আল-মুতাসিমের যুগে (১৯৮ - ২৩২) মানুষ কিছু অনুপ্রবেশকারী আকিদাহর মাধ্যমে পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছিল, যা খলিফারা গ্রহণ করেছিলেন এবং তার দিকে মানুষকে আহ্বান জানিয়েছিলেন। যেমন: আল্লাহর গুণাবলি অস্বীকার করা এবং কুরআন সৃষ্টির মতবাদ। ২১৮ হিজরিতে আল-মামুন এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেন এবং আলেমদের 'কুরআন সৃষ্টির' মতবাদ গ্রহণে বাধ্য করেন। যারা তাঁর সাথে একমত হননি, তিনি সেই আলেমদের ওপর নির্যাতন চালান। তবে অল্প কিছু আলেম অটল ছিলেন, যেমন ইমাম আহমাদ (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন), যাঁকে আল-মুতাসিমের পক্ষ থেকে প্রহার করা হয়েছিল এবং কারাগারে বন্দী রাখা হয়েছিল। এই যুগে মুতাজিলাদের শক্তি বৃদ্ধি পায়। ইবন আবি শায়বাহ ঐসব আলেমদের সমালোচনা করতেন যারা ফিতনার সময় উত্তর দিয়েছিলেন (সায় দিয়েছিলেন)(১)। আর আল-মুতাওয়াক্কিলের যুগে (২৩২ হিজরি) আল্লাহ উন্মোচন করলেন...

--------------------------------------------

(১) তাহযীবুল কামাল ২৩/২১৪।

(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ২৩)
المحنة، فنصر اللَّه السنة بالخليفة المتوكل، فأمر المتوكل علماء السنة بإظهار أحاديث الصفات، ومن هنا جلس الإمام ابن أبي شيبة في مسجد الرصافة يروي الأحاديث التي فيها تقرير العقيدة الصحيحة، واجتمع عليه نحو من ثلاثين ألفًا(1).

وهذه المدة اشتهرت بظهور العديد من المؤلفات، وظهر اهتمام الأئمة بتدوين السنة، وتمحيص الرواة، وظهر فيها علماء أفذاذ في كل الفنون الإسلامية، مما جعل الإمام ابن أبي شيبة يستفيد من ذلك، كما أن الكوفة -موطن الإمام ابن أبي شيبة- كانت إحدى الحواضر العلمية في ذلك الزمان، وخصوصًا في الفقه.

وكان لانتشار الورق وصناعته في هذا الوقت الأثر العظيم في كثرة التأليف والنسخ.

كما أن رغد العيش والرغبة في التدين والاستقرار الأمني والاجتماعي كان لها آثارها في تسهيل التعليم.

--------------------------------------------

(1) تاريخ الإسلام 17/ 230.

মিহনা (চরম পরীক্ষা), অতঃপর আল্লাহ খলিফা আল-মুতাওয়াক্কিলের মাধ্যমে সুন্নাহকে সাহায্য করেন। তখন আল-মুতাওয়াক্কিল সুন্নাহর আলেমদেরকে আল্লাহর গুণাবলি (সিফাত) সংক্রান্ত হাদিসসমূহ প্রকাশ করার নির্দেশ প্রদান করেন। এখান থেকেই ইমাম ইবনে আবি শাইবাহ রুসাফা মসজিদে বসে সহিহ আকিদা সাব্যস্তকারী হাদিসসমূহ বর্ণনা করতে শুরু করেন এবং তাঁর মজলিসে প্রায় ত্রিশ হাজার মানুষ সমবেত হয়(১)।

এই সময়কালটি বহু গ্রন্থ রচনার জন্য প্রসিদ্ধি লাভ করে এবং সুন্নাহর সংকলন ও বর্ণনাকারীদের যাচাই-বাছাইয়ে ইমামদের বিশেষ অভিনিবেশ পরিলক্ষিত হয়। এই যুগে সকল ইসলামি শাস্ত্রে অনন্য সাধারণ আলেমদের আবির্ভাব ঘটেছিল, যা থেকে ইমাম ইবনে আবি শাইবাহ উপকৃত হয়েছিলেন। পাশাপাশি কুফা—যা ছিল ইমাম ইবনে আবি শাইবাহর জন্মভূমি—তৎকালীন সময়ে অন্যতম প্রধান ইলমি কেন্দ্র ছিল, বিশেষ করে ফিকহ শাস্ত্রের ক্ষেত্রে।

সেই সময়ে কাগজের বিস্তার এবং এর উৎপাদন অধিক পরিমাণে গ্রন্থ রচনা ও অনুলিপি করার ক্ষেত্রে এক বিশাল প্রভাব ফেলেছিল।

তদুপরি, জীবনযাত্রার স্বাচ্ছন্দ্য, ধার্মিকতার প্রতি অনুরাগ এবং সামাজিক ও নিরাপত্তা স্থিতিশীলতা শিক্ষা অর্জনকে সহজতর করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছিল।

--------------------------------------------

(১) তারিখুল ইসলাম ১৭/ ২৩০।

(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ২৪)
‌‌المبحث الثاني: حياته العلمية

وفيه أربعة مطالب:

 

‌‌المطلب الأول: مشايخه

لقد تتلمذ الحافظ ابن أبي شيبة على عدد كثير من علماء العراق والحجاز وغيرهما من البلدان، وروى عن جماعة كثيرة من رواة الحديث، ذكر المزي في ترجمته منهم (121)، وفي المصنف العديد من شيوخه الذين لم يذكرهم الحافظ المزي، وسأورد أشهرهم هنا؛ لنتبين الطبقة التي يروي عنها، فمن هؤلاء حسب ترتيبهم بناءً على سنة الوفاة:

1) القاضي شريك بن عبد اللَّه (ت 177 هـ) وهو أكبر شيخ له (م، د، ق).

2) أبو الأحوص سلام بن سليم (ت 179 هـ) (م، ق).

3) أبو المحياة يحيى بن يعلى التميمي (ت 180 هـ) (م، ق).

4) إسماعيل بن عياش (ت 181 هـ) (ق).

5) خلف بن خليفة (ت 181 هـ) (م، ق).

6) عبد اللَّه بن المبارك (ت 181 هـ) (م، د، ق).

7) علي بن هاشم بن البريد (ت 181 هـ) (ق).

8) محمد بن سليمان الأَصبهاني (ت 181 هـ) (ق).

9) والده: محمد بن إبراهيم بن أبي شيبة (ت 182 هـ).

10) هشيم بن بشير (ت 183 هـ) (م، ق).

11) يحيى بن زكريا بن أبي زائدة (ت 183 هـ) (م).
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: তাঁর ইলমি জীবন

এতে চারটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

 

‌প্রথম অনুচ্ছেদ: তাঁর শিক্ষকগণ

হাফেজ ইবনে আবি শায়বা ইরাক, হিজাজ এবং অন্যান্য ভূখণ্ডের অসংখ্য আলেমের নিকট ইলম অর্জন করেছেন এবং হাদিসের বহু বর্ণনাকারীর নিকট থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। আল-মিজ্জি তাঁর জীবনীতে তাদের মধ্য থেকে ১২১ জনের কথা উল্লেখ করেছেন। আর 'আল-মুসান্নাফ' গ্রন্থে তাঁর এমন অনেক শিক্ষক রয়েছেন যাদের নাম হাফেজ মিজ্জি উল্লেখ করেননি। আমি এখানে তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে প্রসিদ্ধদের নাম উল্লেখ করব; যাতে আমরা তিনি যে স্তর (তাবাকা) থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন তা অনুধাবন করতে পারি। মৃত্যুসন অনুযায়ী ক্রমানুসারে তাঁরা হলেন:

১) কাজী শারিক ইবনে আবদুল্লাহ (ওফাত ১৭৭ হি.), তিনি ছিলেন তাঁর সবচাইতে বয়োজ্যেষ্ঠ উস্তাদ (মুসলিম, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ)।

২) আবুল আহওয়াস সালাম ইবনে সুলাইম (ওফাত ১৭৯ হি.) (মুসলিম, ইবনে মাজাহ)।

৩) আবুল মুহায়্যাহ ইয়াহইয়া ইবনে ইয়ালা আত-তামিমি (ওফাত ১৮০ হি.) (মুসলিম, ইবনে মাজাহ)।

৪) ইসমাইল ইবনে আইয়াশ (ওফাত ১৮১ হি.) (ইবনে মাজাহ)।

৫) খালাফ ইবনে খলিফা (ওফাত ১৮১ হি.) (মুসলিম, ইবনে মাজাহ)।

৬) আবদুল্লাহ ইবনে আল-মুবারক (ওফাত ১৮১ হি.) (মুসলিম, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ)।

৭) আলী ইবনে হাশিম ইবনে আল-বারিদ (ওফাত ১৮১ হি.) (ইবনে মাজাহ)।

৮) মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান আল-আসবাহানি (ওফাত ১৮১ হি.) (ইবনে মাজাহ)।

৯) তাঁর পিতা: মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে আবি শায়বা (ওফাত ১৮২ হি.)।

১০) হুশাইম ইবনে বাশির (ওফাত ১৮৩ হি.) (মুসলিম, ইবনে মাজাহ)।

১১) ইয়াহইয়া ইবনে জাকারিয়া ইবনে আবি যাইদা (ওফাত ১৮৩ হি.) (মুসলিম)।
(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ২৫)
12) حاتم بن وردان (ت 184 هـ).

13) علي بن غراب (ت 184 هـ).

14) غسان بن مضر (ت 184 هـ).

15) زياد بن الربيع أبو خداش البصري (ت 185 هـ) (ق).

16) عباد بن العوام (ت 185 هـ) (م، ق).

17) عمر بن عبيد الطنافسي (ت 185 هـ) (ق).

18) مطلب بن زياد (ت 185 هـ).

19) بشر بن المفضل (ت 186 هـ).

20) حاتم بن إسماعيل (ت 186 هـ) (م، ق).

21) عبد الرحيم بن سليمان (ت 187 هـ) (م، ق).

22) عبد السلام بن حرب (ت 187 هـ) (ق).

23) عبد العزيز بن عبد الصمد العمي (ت 187 هـ) (م).

24) عبد العزيز بن محمد الدراودي (ت 187 هـ) (ق).

25) عبدة بن سليمان (ت 187 هـ) (م، ق).

26) الفضيل بن عياض (ت 187 هـ).

27) محمد بن سواء السدوسي (ت 187 هـ).

28) معتمر بن سليمان (ت 187 هـ) (م).

29) يحيى بن عبد الملك بن أبي غنية (ت 187 هـ) (ق).

30) جرير بن عبد الحميد (ت 188 هـ) (م، ق).

31) عقبة بن خالد السكوني (ت 188 هـ) (م، ق).

32) عمر بن أيوب الموصلي (ت 188 هـ) (د).

33) عيسى بن يونس السبيعي (ت 188 هـ) (م، ق).
১২) হাতিম ইবনে ওয়ারদান (মৃ. ১৮৪ হিজরি)।

১৩) আলি ইবনে গুরাব (মৃ. ১৮৪ হিজরি)।

১৪) গাসসান ইবনে মুদার (মৃ. ১৮৪ হিজরি)।

১৫) যিয়াদ ইবনে আর-রাবি আবু খাদাশ আল-বাসরি (মৃ. ১৮৫ হিজরি) (ক)।

১৬) আব্বাদ ইবনে আল-আওয়াম (মৃ. ১৮৫ হিজরি) (ম, ক)।

১৭) উমর ইবনে উবায়েদ আত-তানাফিসি (মৃ. ১৮৫ হিজরি) (ক)।

১৮) মুত্তালিব ইবনে যিয়াদ (মৃ. ১৮৫ হিজরি)।

১৯) বিশর ইবনে আল-মুফাদদাল (মৃ. ১৮৬ হিজরি)।

২০) হাতিম ইবনে ইসমাঈল (মৃ. ১৮৬ হিজরি) (ম, ক)।

২১) আব্দুর রহিম ইবনে সুলাইমান (মৃ. ১৮৭ হিজরি) (ম, ক)।

২২) আব্দুস সালাম ইবনে হারব (মৃ. ১৮৭ হিজরি) (ক)।

২৩) আব্দুল আজিজ ইবনে আব্দুস সামাদ আল-আম্মি (মৃ. ১৮৭ হিজরি) (ম)।

২৪) আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মদ আদ-দারাওয়ারদি (মৃ. ১৮৭ হিজরি) (ক)।

২৫) আবদাহ ইবনে সুলাইমান (মৃ. ১৮৭ হিজরি) (ম, ক)।

২৬) ফুযাইল ইবনে ইয়াদ (মৃ. ১৮৭ হিজরি)।

২৭) মুহাম্মদ ইবনে সাওয়া আস-সাদুসি (মৃ. ১৮৭ হিজরি)।

২৮) মুতামির ইবনে সুলাইমান (মৃ. ১৮৭ হিজরি) (ম)।

২৯) ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে আবি গানিয়াহ (মৃ. ১৮৭ হিজরি) (ক)।

৩০) জারির ইবনে আব্দুল হামিদ (মৃ. ১৮৮ হিজরি) (ম, ক)।

৩১) উকবাহ ইবনে খালিদ আস-সাকুনি (মৃ. ১৮৮ হিজরি) (ম, ক)।

৩২) উমর ইবনে আইয়ুব আল-মাওসিলি (মৃ. ১৮৮ হিজরি) (দ)।

৩৩) ঈসা ইবনে ইউনুস আস-সাবিয়ি (মৃ. ১৮৮ হিজরি) (ম, ক)।
(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ২৬)
34) مرحوم بن عبد العزيز العطار (ت 188 هـ) (م).

35) عبد الأعلى بن عبد الأعلى (ت 189 هـ) (م، س، ق).

36) علي بن مسهر (ت 189 هـ) (م، ق).

37) يحيى بن يمان (ت 189 هـ) (ق).

38) حكام بن سلم (ت 190 هـ).

39) أبو خالد الأحمر: سليمان بن حيان (ت 190 هـ) (م، س، ق).

40) سهل بن يوسف الأنماطي (ت 190 هـ).

41) عائذ بن حبيب (ت 190 هـ).

42) عبيدة بن حميد (ت 190 هـ) (ق).

43) خالد بن حيان الرقي (ت 191 هـ).

44) محمد بن يزيد الواسطي الكلاعي (ت 191 هـ).

45) معمر بن سليمان النخعي الرقي (ت 191 هـ).

46) حميد بن عبد الرحمن الرواسي (ت 191 هـ) (م، د، ق).

47) عبد اللَّه بن إدريس (ت 192 هـ) (خ، م، د، ق).

48) عرعرة بن البرند (ت 192 هـ).

49) عمر بن علي المقدمي (ت 192 هـ) (ق).

50) إسماعيل بن إبراهيم بن علية (ت 193 هـ) (م، د، ق).

51) محمد بن جعفر (غندر) (ت 193 هـ) (م).

52) مخلد بن يزيد القرشي (ت 193 هـ).

53) مروان بن معاوية الغزاري (ت 193 هـ) (م).

54) حفص بن غياث (ت 194 هـ) (م، ق).

55) عبد الوهاب الثقفي (ت 194 هـ) (م، ق).
34) মরহুম বিন আব্দুল আজিজ আল-আত্তার (মৃত্যু ১৮৮ হি.) (মুসলিম)।

35) আব্দুল আলা বিন আব্দুল আলা (মৃত্যু ১৮৯ হি.) (মুসলিম, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ)।

36) আলী বিন মুসহির (মৃত্যু ১৮৯ হি.) (মুসলিম, ইবনে মাজাহ)।

37) ইয়াহইয়া বিন ইয়ামান (মৃত্যু ১৮৯ হি.) (ইবনে মাজাহ)।

38) হুক্কাম বিন সালম (মৃত্যু ১৯০ হি.)।

39) আবু খালিদ আল-আহমার: সুলাইমান বিন হাইয়ান (মৃত্যু ১৯০ হি.) (মুসলিম, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ)।

40) সাহল বিন ইউসুফ আল-আনমাতি (মৃত্যু ১৯০ হি.)।

41) আয়িয বিন হাবিব (মৃত্যু ১৯০ হি.)।

42) উবাইদাহ বিন হুমাইদ (মৃত্যু ১৯০ হি.) (ইবনে মাজাহ)।

43) খালিদ বিন হাইয়ান আল-রাক্কি (মৃত্যু ১৯১ হি.)।

44) মুহাম্মদ বিন ইয়াজিদ আল-ওয়াসিতি আল-কালাঈ (মৃত্যু ১৯১ হি.)।

45) মুয়াম্মার বিন সুলাইমান আল-নাখঈ আল-রাক্কি (মৃত্যু ১৯১ হি.)।

46) হুমাইদ বিন আব্দুর রহমান আল-রুওয়াসি (মৃত্যু ১৯১ হি.) (মুসলিম, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ)।

47) আব্দুল্লাহ বিন ইদরিস (মৃত্যু ১৯২ হি.) (বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ)।

48) আরআরাহ বিন আল-বিরান্দ (মৃত্যু ১৯২ হি.)।

49) উমর বিন আলী আল-মুকাদ্দামি (মৃত্যু ১৯২ হি.) (ইবনে মাজাহ)।

50) ইসমাইল বিন ইব্রাহিম বিন উলাইয়্যাহ (মৃত্যু ১৯৩ হি.) (মুসলিম, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ)।

51) মুহাম্মদ বিন জাফর (গুন্দার) (মৃত্যু ১৯৩ হি.) (মুসলিম)।

52) মুখাল্লাদ বিন ইয়াজিদ আল-কুরাশি (মৃত্যু ১৯৩ হি.)।

53) মারওয়ান বিন মুয়াবিয়া আল-ফাজারি (মৃত্যু ১৯৩ হি.) (মুসলিম)।

54) হাফস বিন গিয়াস (মৃত্যু ১৯৪ হি.) (মুসলিম, ইবনে মাজাহ)।

55) আব্দুল ওয়াহহাব আল-সাকাফি (মৃত্যু ১৯৪ হি.) (মুসলিম, ইবনে মাজাহ)।
(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ২৭)
56) عمر بن هارون البلخي (ت 194 هـ).

57) محمد بن إبراهيم بن أبي عدي (ت 194 هـ).

58) يحيى بن سليم الطائفي (ت 194 هـ) (ق).

59) أبو بكر بن عياش (ت 194 هـ) (خ، ق).

60) إسحاق بن يوسف الأزرق (ت 195 هـ) (م، ق).

61) عبد الرحمن بن عثمان أبو بحر البكراوي (ت 195 هـ).

62) عبد الرحمن بن محمد المحاربي (ت 195 هـ) (ق).

63) عثام بن علي بن هجير (ت 195 هـ).

64) أبو معاوية محمد بن خازم (ت 195 هـ) (م، ق).

65) محمد بن فضيل بن غزوان (ت 195 هـ) (خ، م، ق).

66) معاذ بن معاذ العنبري (ت 196 هـ) (م، ق).

67) وكيع بن الجراح (ت 196 هـ) (م، ق).

68) أحمد بن بشير أبو بكر القرشي (ت 197 هـ).

69) عبثر بن القاسم أبو زبيد (ت 197 هـ).

70) سفيان بن عيينة (ت 198 هـ) (م، ق).

71) صفوان بن عيسى (ت 198 هـ).

72) عبد الرحمن بن مهدي (ت 198 هـ) (م، ق).

73) عمرو بن الهيثم أبو قطن (ت 198 هـ).

74) معن بن عيسى (ت 198 هـ) (ق).

75) يحيى بن سعيد القطان (ت 198 هـ) (خ، م، ق).

76) يحيى بن عباد الضبعي (ت 198 هـ).

77) إسحاق بن سليمان الرازي (ت 199 هـ) (ق).
৫৬) উমর ইবনে হারুন আল-বালখি (মৃত্যু ১৯৪ হিজরি)।

৫৭) মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আবি আদি (মৃত্যু ১৯৪ হিজরি)।

৫৮) ইয়াহইয়া ইবনে সুলাইম আত-তায়েফি (মৃত্যু ১৯৪ হিজরি) (ক)।

৫৯) আবু বকর ইবনে আইয়াশ (মৃত্যু ১৯৪ হিজরি) (খ, ক)।

৬০) ইসহাক ইবনে ইউসুফ আল-আজরাক (মৃত্যু ১৯৫ হিজরি) (ম, ক)।

৬১) আবদুর রহমান ইবনে উসমান আবু বাহর আল-বাকরাবি (মৃত্যু ১৯৫ হিজরি)।

৬২) আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ আল-মুহারিবি (মৃত্যু ১৯৫ হিজরি) (ক)।

৬৩) উসাম ইবনে আলি ইবনে হুজাইর (মৃত্যু ১৯৫ হিজরি)।

৬৪) আবু মুয়াবিয়া মুহাম্মদ ইবনে খাযিম (মৃত্যু ১৯৫ হিজরি) (ম, ক)।

৬৫) মুহাম্মদ ইবনে ফুযাইল ইবনে গাযওয়ান (মৃত্যু ১৯৫ হিজরি) (খ, ম, ক)।

৬৬) মুয়ায ইবনে মুয়ায আল-আম্বারি (মৃত্যু ১৯৬ হিজরি) (ম, ক)।

৬৭) ওয়াকি ইবনুল জাররাহ (মৃত্যু ১৯৬ হিজরি) (ম, ক)।

৬৮) আহমাদ ইবনে বাশির আবু বকর আল-কুরাশি (মৃত্যু ১৯৭ হিজরি)।

৬৯) আবসার ইবনুল কাসিম আবু জুবাইদ (মৃত্যু ১৯৭ হিজরি)।

৭০) সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ (মৃত্যু ১৯৮ হিজরি) (ম, ক)।

৭১) সাফওয়ান ইবনে ঈসা (মৃত্যু ১৯৮ হিজরি)।

৭২) আবদুর রহমান ইবনে মাহদি (মৃত্যু ১৯৮ হিজরি) (ম, ক)।

৭৩) আমর ইবনুল হাইসাম আবু কাতান (মৃত্যু ১৯৮ হিজরি)।

৭৪) মান ইবনে ঈসা (মৃত্যু ১৯৮ হিজরি) (ক)।

৭৫) ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান (মৃত্যু ১৯৮ হিজরি) (খ, ম, ক)।

৭৬) ইয়াহইয়া ইবনে আব্বাদ আদ-দাবায়ি (মৃত্যু ১৯৮ হিজরি)।

৭৭) ইসহাক ইবনে সুলাইমান আর-রাজি (মৃত্যু ১৯৯ হিজরি) (ক)।
(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ২৮)
78) عبد اللَّه بن نمير (ت 199 هـ) (م، د، عس، ق).

79) يونس بن بكير (ت 199 هـ).

80) أسباط بن محمد (ت 255 هـ).

81) سلم بن قتيبة (ت 200 هـ).

82) عبيد بن سعيد الأموي (ت 200 هـ) (م، ق).

83) محمد بن الحسن بن الزبير الأسدي (ت 200 هـ) (ق).

84) معاذ بن هشام الدستوائي (ت 200 هـ).

85) حماد بن أسامة: أبو أسامة (ت 201 هـ) (خ، م، د، ق).

86) حرمي بن عمارة بن أبي حفصة (ت 201 هـ).

87) حماد بن مسعدة (ت 202 هـ).

88) سعيد بن يحيى أبو سفيان الحميري (ت 202 هـ).

89) عبد الحميد بن عبد الرحمن الحماني (ت 202 هـ).

90) أزهر بن سعد السمان (ت 203 هـ).

91) حسين بن علي الجعفي (ت 203 هـ) (م، ق).

92) ريحان بن سعيد المثنى أبو عصمة البصري (ت 203 هـ).

93) عمر بن سعد الحفري أبو داود (ت 203 هـ) (م، د).

94) محمد بن بشر العبدي (ت 203 هـ) (م، س، ق).

95) محمد بن بكر البرساني (ت 203 هـ).

96) محمد بن عبد اللَّه بن الزبير: أبو أحمد (ت 203 هـ) (خ، م، ق).

97) مصعب بن المقدام (ت 203 هـ) (م).

98) يحيى بن آدم (ت 203 هـ) (م).

99) إسحاق بن منصور السلولي (ت 204 هـ) (ق).
78) আবদুল্লাহ বিন নুমাইর (মৃত্যু ১৯৯ হিজরী) (মুসলিম, আবু দাউদ, নাসায়ি, ইবনে মাজাহ)।

79) ইউনুস বিন বুকাইর (মৃত্যু ১৯৯ হিজরী)।

80) আসবাত বিন মুহাম্মদ (মৃত্যু ২৫৫ হিজরী)।

81) সালাম বিন কুতাইবা (মৃত্যু ২০০ হিজরী)।

82) উবাইদ বিন সাঈদ আল-উমায়ি (মৃত্যু ২০০ হিজরী) (মুসলিম, ইবনে মাজাহ)।

83) মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন আল-জুবাইর আল-আসাদি (মৃত্যু ২০০ হিজরী) (ইবনে মাজাহ)।

84) মুয়াজ বিন হিশাম আদ-দাস্তুয়াই (মৃত্যু ২০০ হিজরী)।

85) হাম্মাদ বিন উসামা: আবু উসামা (মৃত্যু ২০১ হিজরী) (বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ)।

86) হারামি বিন আম্মারা বিন আবি হাফসা (মৃত্যু ২০১ হিজরী)।

87) হাম্মাদ বিন মাসআদা (মৃত্যু ২০২ হিজরী)।

88) সাঈদ বিন ইয়াহইয়া আবু সুফিয়ান আল-হিময়ারি (মৃত্যু ২০২ হিজরী)।

89) আব্দুল হামিদ বিন আব্দুর রহমান আল-হাম্মানি (মৃত্যু ২০২ হিজরী)।

90) আজহার বিন সাদ আস-সাম্মান (মৃত্যু ২০৩ হিজরী)।

91) হুসাইন বিন আলি আল-জুয়ফি (মৃত্যু ২০৩ হিজরী) (মুসলিম, ইবনে মাজাহ)।

92) রাইহান বিন সাঈদ আল-মুসান্না আবু ইসমা আল-বাসরি (মৃত্যু ২০৩ হিজরী)।

93) উমর বিন সাদ আল-হাফারি আবু দাউদ (মৃত্যু ২০৩ হিজরী) (মুসলিম, আবু দাউদ)।

94) মুহাম্মদ বিন বিশর আল-আবদি (মৃত্যু ২০৩ হিজরী) (মুসলিম, নাসায়ি, ইবনে মাজাহ)।

95) মুহাম্মদ বিন বকর আল-বুরসানি (মৃত্যু ২০৩ হিজরী)।

96) মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-জুবাইর: আবু আহমদ (মৃত্যু ২০৩ হিজরী) (বুখারি, মুসলিম, ইবনে মাজাহ)।

97) মুসআব বিন আল-মিকদাম (মৃত্যু ২০৩ হিজরী) (মুসলিম)।

98) ইয়াহইয়া বিন আদম (মৃত্যু ২০৩ হিজরী) (মুসলিম)।

99) ইসহাক বিন মানসুর আস-সালুলি (মৃত্যু ২০৪ হিজরী) (ইবনে মাজাহ)।
(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ২৯)
100) سليمان بن داود أبو داود الطيالسي (ت 204 هـ) (م).

101) عبد الكريم بن عبد المجيد أبو بكر الحنفي (ت 204 هـ).

102) عبد الملك بن عمرو، أبو عامر العقدي (ت 204 هـ).

103) عبد الوهاب بن عطاء الخفاف (ت 204 هـ).

104) معاوية بن هشام القصار (ت 204 هـ) (م، ق).

105) روح بن عبادة (ت 205 هـ).

106) شبابة بن سوار (ت 205 هـ) (ق، م).

107) العلاء بن عصيم (ت 205 هـ).

108) محمد بن عبيد الطفافسي (ت 205 هـ) (م، د، ق).

109) محمد بن أبي عبيدة المسعودي (ت 205 هـ) (م، ق).

110) جعفر بن عون (ت 206 هـ) (خ، م، ق).

111) محاضر بن المورع (ت 206 هـ).

112) يزيد بن هارون (ت 206 هـ) (م، ق).

113) عبد الرحمن بن غزوان (قارد أبو نوح (ت 207 هـ).

114) عبد الصمد بن عبد الوارث (ت 207 هـ).

115) عثمان بن عمر بن فارس البصري (ت 207 هـ).

116) كثير بن هشام (ت 207 هـ) (م).

117) محمد بن عبد اللَّه بن كناسة (ت 207 هـ).

118) محمد بن عمر الواقدي (ت 207 هـ).

119) محمد بن القاسم الأسدي (ت 207 هـ).

120) هاشم بن القاسم: أبو النضر (ت 207 هـ) (م).

121) الأسود بن عامر (شاذان) (ت 208 هـ) (م، ق).
100) সুলাইমান ইবন দাউদ আবু দাউদ আত-তায়ালিসি (মৃত্যু ২০৪ হিজরি) (মুসলিম)।

101) আব্দুল কারিম ইবন আব্দুল মাজিদ আবু বকর আল-হানাফি (মৃত্যু ২০৪ হিজরি)।

102) আব্দুল মালিক ইবন আমর, আবু আমির আল-আকাদি (মৃত্যু ২০৪ হিজরি)।

103) আব্দুল ওয়াহাব ইবন আতা আল-খাফফাফ (মৃত্যু ২০৪ হিজরি)।

104) মুয়াবিয়া ইবন হিশাম আল-কাসসার (মৃত্যু ২০৪ হিজরি) (মুসলিম, ইবনে মাজাহ)।

105) রাওহ ইবন উবাদাহ (মৃত্যু ২০৫ হিজরি)।

106) শাবাবাহ ইবন সাওয়ার (মৃত্যু ২০৫ হিজরি) (ইবনে মাজাহ, মুসলিম)।

107) আল-আলা ইবন আসিম (মৃত্যু ২০৫ হিজরি)।

108) মুহাম্মদ ইবন উবাইদ আত-তাফাফিসি (মৃত্যু ২০৫ হিজরি) (মুসলিম, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ)।

109) মুহাম্মদ ইবন আবি উবাইদাহ আল-মাসউদি (মৃত্যু ২০৫ হিজরি) (মুসলিম, ইবনে মাজাহ)।

110) জাফর ইবন আউন (মৃত্যু ২০৬ হিজরি) (বুখারি, মুসলিম, ইবনে মাজাহ)।

111) মুহাদির ইবনুল মুওয়াররি (মৃত্যু ২০৬ হিজরি)।

112) ইয়াজিদ ইবন হারুন (মৃত্যু ২০৬ হিজরি) (মুসলিম, ইবনে মাজাহ)।

113) আব্দুর রহমান ইবন গাজওয়ান (কারাদ আবু নুহ) (মৃত্যু ২০৭ হিজরি)।

114) আব্দুস সামাদ ইবন আব্দুল ওয়ারিস (মৃত্যু ২০৭ হিজরি)।

115) উসমান ইবন উমর ইবন ফারিস আল-বাসরি (মৃত্যু ২০৭ হিজরি)।

116) কাসির ইবন হিশাম (মৃত্যু ২০৭ হিজরি) (মুসলিম)।

117) মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন কুনাসাহ (মৃত্যু ২০৭ হিজরি)।

118) মুহাম্মদ ইবন উমর আল-ওয়াকিদি (মৃত্যু ২০৭ হিজরি)।

119) মুহাম্মদ ইবনুল কাসিম আল-আসাদি (মৃত্যু ২০৭ হিজরি)।

120) হাশিম ইবনুল কাসিম: আবু আন-নাদর (মৃত্যু ২০৭ হিজরি) (মুসলিম)।

121) আল-আসওয়াদ ইবন আমির (শাযান) (মৃত্যু ২০৮ হিজরি) (মুসলিম, ইবনে মাজাহ)।
(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ৩০)
122) سعيد بن عامر الضبعي (ت 208 هـ).

123) عبد اللَّه بن بكر بن حبيب السهمي (ت 208 هـ) (ق).

124) محمد بن مصعب القرقساني (ت 208 هـ) (ق).

125) يحيى بن أبي بكير الكرماني (ت 208 هـ) (م، ق).

126) الحسن بن موسى الأشيب (ت 209 هـ) (م، ق).

127) يعلي بن عبيد (ت 209 هـ) (م، ق).

128) عبد اللَّه بن رجاء المكي (ت 210 هـ).

129) هوذة بن خليفة (ت 210 هـ) (ق).

130) يحيى بن إسحاق السيلحيني (ت 210 هـ) (م، ق).

131) أحمد بن إسحاق الحضرمي (ت 211 هـ) (م).

132) أحوص بن جواب (ت 211 هـ).

133) بكر بن عبد الرحمن ابن أبي ليلى القاضي (ت 211 هـ) (ق).

134) طلق بن غنام (ت 211 هـ).

135) عبد الرحيم بن عبد الرحمن المحاربي (ت 211 هـ).

136) عبد الرزاق بن همام الصنعاني (ت 211 هـ).

137) معلي بن منصور الرازي (ت 211 هـ) (م، ق).

138) زكريا بن عدي (ت 212 هـ) (م).

139) سعيد بن شرحبيل الكندي (ت 212 هـ) (ق).

140) الضحاك بن مخلد أبو عاصم (ت 212 هـ).

141) عبد اللَّه بن يزيد المقرئ (ت 212 هـ) (م).

142) الحسين بن محمد بن بهرام المروذي (ت 213 هـ) (ق).

143) خالد بن مخلد (ت 213 هـ) (م، ق).
১২২) সাঈদ বিন আমের আদ-দুবাই (মৃ. ২০৮ হি.)।

১২৩) আবদুল্লাহ বিন বাকর বিন হাবিব আস-সাহমি (মৃ. ২০৮ হি.) (ক)।

১২৪) মুহাম্মদ বিন মুসআব আল-কারকাসানি (মৃ. ২০৮ হি.) (ক)।

১২৫) ইয়াহইয়া বিন আবি বুকাইর আল-কিরমানি (মৃ. ২০৮ হি.) (ম, ক)।

১২৬) আল-হাসান বিন মুসা আল-আশইয়াব (মৃ. ২০৯ হি.) (ম, ক)।

১২৭) ইয়ালা বিন উবাইদ (মৃ. ২০৯ হি.) (ম, ক)।

১২৮) আবদুল্লাহ বিন রাজা আল-মাক্কি (মৃ. ২১০ হি.)।

১২৯) হাওযা বিন খলিফা (মৃ. ২১০ হি.) (ক)।

১৩০) ইয়াহইয়া বিন ইসহাক আস-সাইলাহিনি (মৃ. ২১০ হি.) (ম, ক)।

১৩১) আহমাদ বিন ইসহাক আল-হাদরামি (মৃ. ২১১ হি.) (ম)।

১৩২) আহওয়াস বিন জওয়াব (মৃ. ২১১ হি.)।

১৩৩) বাকর বিন আবদুর রহমান ইবনে আবি লায়লা আল-কাদি (মৃ. ২১১ হি.) (ক)।

১৩৪) তালক বিন গান্নাম (মৃ. ২১১ হি.)।

১৩৫) আবদুর রহিম বিন আবদুর রহমান আল-মুহারিবি (মৃ. ২১১ হি.)।

১৩৬) আবদুর রাজ্জাক বিন হাম্মাম আস-সানআনি (মৃ. ২১১ হি.)।

১৩৭) মুআল্লা বিন মানসুর আর-রাজি (মৃ. ২১১ হি.) (ম, ক)।

১৩৮) জাকারিয়া বিন আদি (মৃ. ২১২ হি.) (ম)।

১৩৯) সাঈদ বিন শারহাবিল আল-কিন্দি (মৃ. ২১২ হি.) (ক)।

১৪০) আদ-দাহহাক বিন মাখলাদ আবু আসিম (মৃ. ২১২ হি.)।

১৪১) আবদুল্লাহ বিন ইয়াজিদ আল-মুকরি (মৃ. ২১২ হি.) (ম)।

১৪২) হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন বাহরাম আল-মারওয়াযি (মৃ. ২১৩ হি.) (ক)।

১৪৩) খালিদ বিন মাখলাদ (মৃ. ২১৩ হি.) (ম, ক)।
(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ৩১)
144) عبد اللَّه بن داود الخريبي (ت 213 هـ).

145) عبيد اللَّه بن موسى (باذام) (ت 213 هـ) (خ، م، ق).

146) علي بن إسحاق السلمي (ت 213 هـ).

147) علي بن قادم الخزاعي (ت 213 هـ).

148) قبيصة بن عقبة (ت 213 هـ) (م، ق).

149) محمد بن سابق (ت 214 هـ) (م).

150) معاوية بن عمرو الأزدي (ت 214 هـ) (م، ق).

151) علي بن الحسن بن شقيق (ت 215 هـ).

152) محمد بن عبد اللَّه المثنى الأنصاري (ت 215 هـ).

153) أبو إسحاق الطالقاني (ت 215 هـ).

154) يحيى بن يعلى المحاربي (ت 216 هـ) (د).

155) سريج بن النعمان (ت 217 هـ) (د، ق).

156) الفضل بن دكين أبو نعيم (ت 218 هـ) (م، ق).

157) سعيد بن عيسى بن تليد (ت 219 هـ).

158) عفان بن مسلم (ت 219 هـ) (م، ق).

159) مالك بن إسماعيل النهدي (ت 219 هـ) (ق).

160) أحمد بن عبد الملك بن واقد (ت 221 هـ) (ق).

161) عمرو بن حماد بن طلحة القناد (ت 222 هـ).

162) إبراهيم بن مهدي (ت 224 هـ).

163) سليمان بن حرب (ت 224 هـ) (م).

164) سعيد بن سليمان الضبي: سعدويه (ت 225 هـ) (ق).

165) أحمد بن عبد اللَّه بن يونس (ت 227 هـ) (م، ق).
144) আব্দুল্লাহ ইবনে দাউদ আল-খুরাইবী (মৃত্যু ২১৩ হিজরি)।

145) উবাইদুল্লাহ ইবনে মুসা (বাযাম) (মৃত্যু ২১৩ হিজরি) (বুখারি, মুসলিম, ইবনে মাজাহ)।

146) আলী ইবনে ইসহাক আস-সুলামী (মৃত্যু ২১৩ হিজরি)।

147) আলী ইবনে কাদিম আল-খুযাঈ (মৃত্যু ২১৩ হিজরি)।

148) কাবীসাহ ইবনে উকবাহ (মৃত্যু ২১৩ হিজরি) (মুসলিম, ইবনে মাজাহ)।

149) মুহাম্মদ ইবনে সাবিক (মৃত্যু ২১৪ হিজরি) (মুসলিম)।

150) মুয়াবিয়া ইবনে আমর আল-আযদি (মৃত্যু ২১৪ হিজরি) (মুসলিম, ইবনে মাজাহ)।

151) আলী ইবনে হাসান ইবনে শাকিক (মৃত্যু ২১৫ হিজরি)।

152) মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মুসান্না আল-আনসারি (মৃত্যু ২১৫ হিজরি)।

153) আবু ইসহাক আত-তালকানি (মৃত্যু ২১৫ হিজরি)।

154) ইয়াহইয়া ইবনে ইয়ালা আল-মুহারিবি (মৃত্যু ২১৬ হিজরি) (আবু দাউদ)।

155) সুরাইজ ইবনে নুমান (মৃত্যু ২১৭ হিজরি) (আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ)।

156) আল-ফাদল ইবনে দুকাইন আবু নুয়াইম (মৃত্যু ২১৮ হিজরি) (মুসলিম, ইবনে মাজাহ)।

157) সাঈদ ইবনে ঈসা ইবনে তালিদ (মৃত্যু ২১৯ হিজরি)।

158) আফফান ইবনে মুসলিম (মৃত্যু ২১৯ হিজরি) (মুসলিম, ইবনে মাজাহ)।

159) মালিক ইবনে ইসমাঈল আন-নাহদি (মৃত্যু ২১৯ হিজরি) (ইবনে মাজাহ)।

160) আহমদ ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে ওয়াকিদ (মৃত্যু ২২১ হিজরি) (ইবনে মাজাহ)।

161) আমর ইবনে হাম্মাদ ইবনে তালহা আল-ক্বান্নাদ (মৃত্যু ২২২ হিজরি)।

162) ইব্রাহিম ইবনে মাহদি (মৃত্যু ২২৪ হিজরি)।

163) সুলাইমান ইবনে হারব (মৃত্যু ২২৪ হিজরি) (মুসলিম)।

164) সাঈদ ইবনে সুলাইমান আদ-দাব্বি: সাদাওয়াইহ (মৃত্যু ২২৫ হিজরি) (ইবনে মাজাহ)।

165) আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইউনুস (মৃত্যু ২২৭ হিজরি) (মুসলিম, ইবনে মাজাহ)।
(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ৩২)
166) زيد بن الحباب (ت 230 هـ) (م، ق).

167) علي بن الجعد (ت 230 هـ).

168) قتيبة بن سعيد (ت 240 هـ).

169) أحمد بن نصر (ت 245 هـ).

وبذلك يكون بين وفاة أول شيخ له وآخر شيخ (67) سنة، وقد روى ابن أبي شيبة عن عدد آخر من المشايخ الذين لم تذكر سنة وفاتهم، ومنهم حسب الأبجدية:

170) إبراهيم بن سليمان بن رزين المؤدب.

171) إبراهيم بن صدقة البصري.

172) إبراهيم بن المغيرة ختن ابن المبارك.

173) أحمد بن المفضل القرشي أبو علي الحفري (د، س).

174) بكار بن عبد اللَّه بن عبيدة الربذي.

175) جنيد الحجام.

176) حبيب بن حبيب.

177) حسن بن عبد الرحمن الحارثي.

178) الحكم بن عبد اللَّه أبو مطيع البلخي.

179) حماد بن خالد الخياط (ق).

180) حماد بن معقل.

181) حنظلة بن ثهلان.

182) خالد بن الحارث الهجيمي

183) خالد بن حرملة العبدي.

184) داود بن عبد اللَّه بن أبي الكرم (ق).

185) رواد بن الجراح.
১৬৬) যায়েদ বিন আল-হুবাব (মৃত্যু ২৩০ হিজরী) (মুসলিম, ইবনে মাজাহ)।

১৬৭) আলী বিন আল-জা’দ (মৃত্যু ২৩০ হিজরী)।

১৬৮) কুতায়বাহ বিন সাঈদ (মৃত্যু ২৪০ হিজরী)।

১৬৯) আহমাদ বিন নাসর (মৃত্যু ২৪৫ হিজরী)।

এর মাধ্যমে তাঁর প্রথম শায়খ এবং শেষ শায়খের মৃত্যুর ব্যবধান হলো (৬৭) বছর। ইবনে আবি শায়বাহ আরও অনেক শায়খ থেকে বর্ণনা করেছেন যাদের মৃত্যুর সাল উল্লেখ করা হয়নি, বর্ণানুক্রমিকভাবে তাদের মধ্যে রয়েছেন:

১৭০) ইব্রাহিম বিন সুলাইমান বিন রাযীন আল-মুয়াদ্দিব।

১৭১) ইব্রাহিম বিন সাদাকাহ আল-বাসরী।

১৭২) ইব্রাহিম বিন আল-মুগীরাহ, ইবনুল মুবারকের জামাতা।

১৭৩) আহমাদ বিন আল-মুফাদ্দাল আল-কুরাশী আবু আলী আল-হাফারী (আবু দাউদ, নাসাঈ)।

১৭৪) বাক্কার বিন আব্দুল্লাহ বিন উবাইদাহ আল-রাবাযী।

১৭৫) জুনাইদ আল-হাজ্জাম।

১৭৬) হাবীব বিন হাবীব।

১৭৭) হাসান বিন আব্দুর রহমান আল-হারিছী।

১৭৮) আল-হাকাম বিন আব্দুল্লাহ আবু মুতী’ আল-বালখী।

১৭৯) হাম্মাদ বিন খালিদ আল-খাইয়াত (ইবনে মাজাহ)।

১৮০) হাম্মাদ বিন মা’কিল।

১৮১) হানযালাহ বিন ছাহলান।

১৮২) খালিদ বিন আল-হারিছ আল-হুজাইমী।

১৮৩) খালিদ বিন হারমালাহ আল-আবদী।

১৮৪) দাউদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আবিল কারাম (ইবনে মাজাহ)।

১৮৫) রাওয়াদ বিন আল-জাররাহ।
(খণ্ড: ১) আল-মুসান্নাফ - ইবনে আবী শায়বাহ - তাহকীক আশ-শাসরী (পৃষ্ঠা: ৩৩)
186) زاجر بن الصلت.

187) سعيد بن خثيم أبو معمر الهلالي.

188) سعيد بن زكريا القرشمي.

189) سفيان بن عقبة (ق).

190) سويد بن عمر أبو الوليد الكلبي (ق).

191) عبد الرحمن بن سليمان بن أبي الجوف.

192) عثمان بن عثمان أبو عمرو البصري.

193) علي بن حفص المدائني (م، ق).

194) عمر بن زرعة الخارفي.

195) عمر بن شعيب أبو حفص المسلي الكوفي.

196) الفضل بن الموفق الثقفي.

197) القاسم بن مالك المزني (م).

198) قرة بن سليمان الجهضي.

199) قطن بن عبد اللَّه أبو مري.

200) محمد بن الحجاج.

201) محمد بن عبد الرحمن السدوسي.

202) محمد بن مروان العقيلي (خد).

203) محمد بن ميسر أبو سعد الصاغاني.

204) ملازم بن عمرو الحنفي (ق).

205) هشيم بن أبي ساسان.

206) يحيى بن عيسى الرملي (بخ).

207) يحيى بن محمد البهي.
১৮৬) জাজির ইবনাস সালত।

১৮৭) সাঈদ ইবনে খুসাইম আবু মা’মার আল-হিলালি।

১৮৮) সাঈদ ইবনে জাকারিয়া আল-কুরশামি।

১৮৯) সুফিয়ান ইবনে উকবাহ (ক)।

১৯০) সুওয়াইদ ইবনে উমর আবু আল-ওয়ালিদ আল-কালবি (ক)।

১৯১) আবদুর রহমান ইবনে সুলাইমান ইবনে আবিল জাওফ।

১৯২) উসমান ইবনে উসমান আবু আমর আল-বাসরি।

১৯৩) আলী ইবনে হাফস আল-মাদায়িনি (ম, ক)।

১৯৪) উমর ইবনে জুরাআ আল-খারিফি।

১৯৫) উমর ইবনে শুআইব আবু হাফস আল-মুসলি আল-কুফি।

১৯৬) আল-ফাদল ইবনুল মুওয়াফ্ফাক আস-সাকাফি।

১৯৭) আল-কাসিম ইবনে মালিক আল-মুজানি (ম)।

১৯ concert) কুররাহ ইবনে সুলাইমান আল-জাহদি।

১৯৯) কাতান ইবনে আব্দুল্লাহ আবু মারি।

২০০) মুহাম্মাদ ইবনুল হাজ্জাজ।

২০১) মুহাম্মাদ ইবনে আবদুর রহমান আস-সাদুসি।

২০২) মুহাম্মাদ ইবনে মারওয়ান আল-উকাইলি (খদ)।

২০৩) মুহাম্মাদ ইবনে মুয়াইসার আবু সাদ আস-সাগানি।

২০৪) মুলাজিম ইবনে উমর আল-হানাফি (ক)।

২০৫) হুশাইম ইবনে আবি সাসান।

২০৬) ইয়াহইয়া ইবনে ঈসা আর-রামলি (বখ)।

২০৭) ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মাদ আল-বাহি।