(খণ্ড: ১)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: -)
السنة لعبد الله بن أحمد (عبد الله بن أحمد)
القسم: العقيدة
الكتاب: السنة
المؤلف: أبو عبد الرحمن عبد الله بن أحمد بن محمد بن حنبل الشيبانيّ البغدادي (ت 290هـ)
المحقق: د. محمد بن سعيد بن سالم القحطاني
الناشر: دار ابن القيم - الدمام
الطبعة: الأولى، 1406 هـ - 1986 م
عدد الأجزاء: 2
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 صفر 1433
আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ রচিত আস-সুন্নাহ (আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ)
বিভাগ: আকিদাহ
গ্রন্থ: আস-সুন্নাহ
লেখক: আবু আবদুর রহমান আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাম্বল আশ-শাইবানি আল-বাগদাদি (মৃত্যু ২৯০ হিজরি)
সম্পাদক: ড. মুহাম্মদ বিন সাঈদ বিন সালিম আল-কাহতানি
প্রকাশক: দার ইবনিল কাইয়্যিম - দাম্মাম
সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৬ হিজরি - ১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ২
[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ সফর ১৪৩৩
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١٠١)
أَحْمَدُ اللَّهَ نَاصِرُ كُلِّ صَابِرٍأَنْبَأَنَا الْأَشْيَاخُ: مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ القَطِيعِيُّ وَعُمَرُ بْنُ كَرَمِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ الدَّيْنُورِيُّ، وَأَبُو نَصْرِ بْنُ أَبِي الْحَسَنِ بْنِ قُنَيْدَةَ وَعَبْدُ السَّلَامِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ بَكْرَانِ الدَّاهِرِيُّ وَغَيْرُهُمْ قَالُوا: أَنْبَأَنَا أَبُو الْوَقْتِ عَبْدُ الْأَوْلِ بْنُ عِيسَى بْنِ شُعَيْبٍ السِّجْزِيُّ الْهَرَوِيُّ الصُّوفِيُّ قَالَ: أَنَا الشَّيْخُ الْإِمَامُ شَيْخُ الْإِسْلَامِ أَبُو إِسْمَاعِيلَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَنْصَارِيُّ مِنْ كِتَابِهِ
আমি আল্লাহর প্রশংসা করছি, যিনি প্রত্যেক ধৈর্যশীলের সাহায্যকারী।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখগণ: মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে উমর আল-কাতিয়ি, উমর ইবনে করম ইবনে আবুল হাসান আদ-দাইনুরি, আবু নাসর ইবনে আবুল হাসান ইবনে কুনাইদাহ, আবদুস সালাম ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে বকরান আদ-দাহিরি এবং অন্যান্যরা। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ওয়াক্ত আবদুল আওয়াল ইবনে ঈসা ইবনে শুয়াইব আস-সিজযি আল-হিরাউয়ি আস-সুফি। তিনি বলেন: শাইখ, ইমাম, শাইখুল ইসলাম আবু ইসমাইল আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-আনসারি তাঁর কিতাব থেকে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١٠٢)
أَنَا أَبُو يَعْقُوبَ إِسْحَاقَ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقَرَّابُ كِتَابَةً، أَنَا أَبُو النَّصْرِ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ سُلَيْمَانَ السِّمْسَارُ نَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ خَالِدٍ الْهَرَوِيُّ، ثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ رضي الله عنه وَأَرْضَاهُ قَالَ: الْحَمْدُ لِلَّهِ عِنْدَ مُفْتَتَحِ كُلِّ كَلَامٍ، وَذِكْرِ كُلِّ نِعْمَةٍ، وَصَلَّى اللَّهُ عَلَى مُحَمَّدٍ النَّبِيِّ وَآلِهِ. سُئِلَ عَمَّا قَالَتْهُ الْعُلَمَاءُ فِي الْجَهْمِيَّةِ الضُّلَّالِ وَإِكْفَارِهِمْ وَالصَّلَاةِ خَلْفَهُمْ؟ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ رحمه الله: 1 - سَمِعْتُ أَبِي رحمه الله، يَقُولُ: " مَنْ قَالَ: الْقُرْآنُ مَخْلُوقٌ فَهُوَ عِنْدَنَا كَافِرٌ، لِأَنَّ الْقُرْآنَ مِنْ عِلْمِ اللَّهِ عز وجل وَفِيهِ أَسْمَاءُ اللَّهِ عز وجل "، 2 - سَمِعْتُ أَبِي رحمه الله، يَقُولُ: " إِذَا قَالَ الرَّجُلُ: الْعِلْمُ مَخْلُوقٌ فَهُوَ كَافِرٌ لِأَنَّهُ يَزْعُمُ أَنَّهُ لَمْ يَكُنْ لَهُ عِلْمٌ حَتَّى خَلَقَهُ "
আমি আবু ইয়াকুব ইসহাক বিন ইবরাহিম বিন মুহাম্মাদ বিন আবদুর রহমান আল-কাররাব লিখিতভাবে, আমি আবু আন-নাসর মুহাম্মাদ বিন আল-হাসান বিন সুলাইমান আস-সিমসার, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম বিন খালিদ আল-হারাউয়ি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আবদুর রহমান আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হাম্বল (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন এবং তাঁকে সন্তুষ্ট করুন), তিনি বলেন: সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য প্রতিটি কথার সূচনায় এবং প্রতিটি নিয়ামতের স্মরণে, আর আল্লাহ সালাত বর্ষণ করুন নবী মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিবারের ওপর। পথভ্রষ্ট জাহমিয়্যাহদের সম্পর্কে উলামায়ে কিরামের বক্তব্য, তাদের কাফির সাব্যস্ত করা এবং তাদের পেছনে সালাত আদায়ের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হয়ে আব্দুল্লাহ (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: ১ - আমি আমার পিতাকে (রহিমাহুল্লাহ) বলতে শুনেছি: "যে ব্যক্তি বলে: কুরআন সৃষ্টি, সে আমাদের নিকট কাফির; কারণ কুরআন মহান আল্লাহর ইলমের (জ্ঞানের) অন্তর্ভুক্ত এবং এতে মহান আল্লাহর নামসমূহ রয়েছে।", ২ - আমি আমার পিতাকে (রহিমাহুল্লাহ) বলতে শুনেছি: "যদি কোনো ব্যক্তি বলে: (আল্লাহর) ইলম সৃষ্টি, তবে সে কাফির; কারণ সে দাবি করল যে তাঁর কোনো ইলম ছিল না যতক্ষণ না তিনি তা সৃষ্টি করেছেন।"
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١٠٣)
3 - سَمِعْتُ أَبِي رحمه الله، يَقُولُ: " مَنْ قَالَ: الْقُرْآنُ مَخْلُوقٌ فَهُوَ عِنْدَنَا كَافِرٌ لِأَنَّ الْقُرْآنَ مِنْ عِلْمِ اللَّهِ عز وجل، قَالَ اللَّهُ عز وجل {فَمَنْ حَاجَّكَ فِيهِ مِنْ بَعْدِ مَا جَاءَكَ مِنَ الْعِلْمِ} [آل عمران: 61] وَقَالَ عز وجل {وَلَنْ تَرْضَى عَنْكَ الْيَهُودُ وَلَا النَّصَارَى حَتَّى تَتَّبِعَ مِلَّتَهُمْ قُلْ إِنَّ هُدَى اللَّهِ هُو الْهُدَى وَلَئِنِ اتَّبَعْتَ أَهْوَاءَهُمْ بَعْدَ الَّذِي جَاءَكَ مِنَ الْعِلْمِ مَا لَكَ مِنَ اللَّهِ مِنْ وَلِيٍّ وَلَا نَصِيرٍ} [البقرة: 120] وَقَالَ عز وجل {وَلَئِنْ أَتَيْتَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ بِكُلِّ آيَةٍ مَا تَبِعُوا قِبْلَتَكَ وَمَا أَنْتَ بِتَابِعٍ قِبْلَتَهُمْ وَمَا بَعْضُهُمْ بِتَابِعٍ قِبْلَةَ بَعْضٍ وَلَئِنِ اتَّبَعْتَ أَهْوَاءَهُمْ مِنْ بَعْدِ مَا جَاءَكَ مِنَ الْعِلْمِ إِنَّكَ إِذًا لَمِنَ الظَّالِمِينَ} [البقرة: 145] وَقَالَ عز وجل {أَلَا لَهُ الْخَلْقُ وَالْأَمْرُ تَبَارَكَ اللَّهُ رَبُّ الْعَالَمِينَ} [الأعراف: 54] "، قَالَ أَبِي رحمه الله: «وَالْخَلْقُ غَيْرُ الْأَمْرِ»، وَقَالَ عز وجل {وَمَنْ يَكْفُرْ بِهِ مِنَ الْأَحْزَابِ} [هود: 17] "، قَالَ أَبِي رحمه الله: قَالَ سَعِيدُ بْنُ جُبَيْرٍ: " وَالْأَحْزَابُ: الْمِلَلُ كُلُّهَا " {فَالنَّارُ مَوْعِدُهُ} [هود: 17]، وَقَالَ عز وجل {وَمِنَ الْأَحْزَابِ مَنْ يُنْكِرُ بَعْضَهُ قُلْ إِنَّمَا أُمِرْتُ أَنْ أَعْبُدَ اللَّهَ وَلَا أُشْرِكَ بِهِ إِلَيْهِ أَدْعُو وَإِلَيْهِ مَآبِ وَكَذَلِكَ أَنْزَلْنَاهُ حُكْمًا عَرَبِيًّا وَلَئِنِ اتَّبَعْتَ أَهْوَاءَهُمْ بَعْدَمَا جَاءَكَ مِنَ الْعِلْمِ مَا لَكَ مِنَ اللَّهِ مِنْ وَلِيٍّ وَلَا وَاقٍ} " 4 - سَمِعْتُ أَبِي رحمه الله، يَقُولُ: " مَنْ قَالَ ذَلِكَ الْقَوْلَ لَا يُصَلَّى خَلْفَهُ الْجُمُعَةَ وَلَا غَيْرَهَا: إِلَّا أَنَّا لَا نَدَعُ إِتْيَانَهَا فَإِنْ صَلَّى رَجُلٌ أَعَادَ الصَّلَاةَ، يَعْنِي خَلْفَ مَنْ قَالَ: الْقُرْآنُ مَخْلُوقٌ "، 5 - سَأَلْتُ أَبِي رحمه الله عَنِ الصَّلَاةِ، خَلْفَ أَهْلِ الْبِدَعِ، قَالَ: «لَا يُصَلَّى خَلْفَهُمْ مِثْلُ الْجَهْمِيَّةِ وَالْمُعْتَزِلَةِ»، 6 - سَمِعْتُ أَبِي رحمه الله، يَقُولُ: «إِذَا كَانَ الْقَاضِي جَهْمِيًّا فَلَا تَشْهَدْ عِنْدَهُ»
৩ - আমি আমার পিতাকে (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: "যে ব্যক্তি বলে: 'কুরআন সৃষ্টি', সে আমাদের নিকট কাফির; কারণ কুরআন মহান আল্লাহর ইলম (জ্ঞান) এর অন্তর্ভুক্ত। মহান আল্লাহ বলেছেন: {অতঃপর তোমার নিকট ইলম আসার পর যে কেউ এ বিষয়ে তোমার সাথে তর্ক করে} [আলি ইমরান: ৬১]। মহান আল্লাহ আরও বলেছেন: {আর ইয়াহূদী ও খ্রিষ্টানরা কখনোই তোমার প্রতি সন্তুষ্ট হবে না, যতক্ষণ না তুমি তাদের ধর্মাদর্শের অনুসরণ করো। বলো, নিশ্চয় আল্লাহর হিদায়াতই হলো প্রকৃত হিদায়াত। আর তোমার নিকট ইলম আসার পর যদি তুমি তাদের খেয়াল-খুশির অনুসরণ করো, তবে আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমার জন্য কোনো অভিভাবক ও সাহায্যকারী থাকবে না} [আল-বাকারা: ১২০]। মহান আল্লাহ আরও বলেছেন: {আর যাদেরকে কিতাব দেওয়া হয়েছে তুমি যদি তাদের নিকট সমস্ত নিদর্শনও নিয়ে আসো, তবুও তারা তোমার কিবলার অনুসরণ করবে না, আর তুমিও তাদের কিবলার অনুসারী নও। আর তাদের একদল অন্য দলের কিবলার অনুসারী নয়। আর তোমার নিকট ইলম আসার পর যদি তুমি তাদের খেয়াল-খুশির অনুসরণ করো, তবে নিশ্চয় তুমি তখন জালেমদের অন্তর্ভুক্ত হবে} [আল-বাকারা: ১৪৫]। মহান আল্লাহ আরও বলেছেন: {জেনে রেখো, সৃষ্টি এবং আদেশ (আমর) কেবল তাঁরই। জগতসমূহের রব আল্লাহ কতই না বরকতময়} [আল-আরাফ: ৫৪]"। আমার পিতা (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) বলেছেন: "সৃষ্টি এবং আদেশ (আমর) ভিন্ন বিষয়।" মহান আল্লাহ আরও বলেছেন: {আর বিভিন্ন দলের মধ্যে যারা একে অস্বীকার করে} [হূদ: ১৭]"। আমার পিতা (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) বলেন: সাঈদ ইবনে জুবায়ের বলেছেন: "আহযাব হলো সকল ধর্মাদর্শ।" {জাহান্নামই তাদের প্রতিশ্রুত স্থান} [হূদ: ১৭]। মহান আল্লাহ আরও বলেছেন: {আর বিভিন্ন দলের মধ্যে এমন কেউ আছে যারা এর কোনো কোনো অংশকে অস্বীকার করে। তুমি বলো, আমাকে তো কেবল নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন আমি আল্লাহর ইবাদত করি এবং তাঁর সাথে কোনো শরিক না করি। আমি তাঁর দিকেই ডাকি এবং তাঁর কাছেই আমার প্রত্যাবর্তন। আর এভাবেই আমি একে আরবী ভাষায় বিধান হিসেবে অবতীর্ণ করেছি। আর তোমার নিকট ইলম আসার পর যদি তুমি তাদের খেয়াল-খুশির অনুসরণ করো, তবে আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমার জন্য কোনো অভিভাবক ও রক্ষাকারী থাকবে না}। ৪ - আমি আমার পিতাকে (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: "যে ব্যক্তি এই কথা (কুরআন সৃষ্টি) বলবে, তার পেছনে জুমআ কিংবা অন্য কোনো সালাত আদায় করা যাবে না। তবে আমরা জামাতে আসা ত্যাগ করব না। কিন্তু যদি কেউ (তার পেছনে) সালাত পড়ে ফেলে, তবে সে যেন সালাত পুনরায় আদায় করে। অর্থাৎ যে ব্যক্তি বলে কুরআন সৃষ্টি, তার পেছনে সালাত পড়লে।" ৫ - আমি আমার পিতাকে (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) বিদআতিদের পেছনে সালাত আদায় করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: "তাদের পেছনে সালাত আদায় করা যাবে না, যেমন জাহমিয়্যাহ এবং মুতাজিলা।" ৬ - আমি আমার পিতাকে (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: "যদি বিচারক জাহমি হয়, তবে তার নিকট সাক্ষ্য প্রদান করো না।"
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١٠٣)
7 - حَدَّثَنِي الْحَسَنُ بْنُ عِيسَى مَوْلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ قِيرَاطٍ، قَالَ ⦗ص: 104⦘: سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ بْنَ طَهْمَانَ، يَقُولُ: «الْجَهْمِيَّةُ كُفَّارٌ، وَالْقَدَرِيَّةُ كُفَّارٌ»
৭ - আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারকের মুক্তদাস হাসান ইবনে ঈসা আমাকে বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে কিরাত আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন ⦗পৃষ্ঠা: ১০৪⦘: আমি ইবরাহিম ইবনে তাহমানকে বলতে শুনেছি: "জাহমিয়্যাহরা কাফের এবং কাদরিয়্যাহরা কাফের।"
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١٠٤)
8 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ صَالِحٍ الْبَصْرِيُّ مَوْلَى بَنِي هَاشِمٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ قَرِيبٍ الْأَصْمَعِيُّ، حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: «لَيْسَ قَوْمٌ أَشَدَّ نَقْضًا لِلْإِسْلَامِ ⦗ص: 105⦘ مِنَ الْجَهْمِيَّةِ وَالْقَدَرِيَّةِ، فَأَمَّا الْجَهْمِيَّةُ فَقَدْ بَارَزُوا اللَّهَ تَعَالَى، وَأَمَّا الْقَدَرِيَّةُ فَإِنَّهُمْ قَالُوا فِي اللَّهِ عز وجل»
৮ - মুহাম্মাদ ইবনে সালিহ আল-বাসরি, বনু হাশিমের মুক্তদাস, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল মালিক ইবনে কুরাইব আল-আসমাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-মুতামির ইবনে সুলাইমান আত-তাইমি তাঁর পিতার সূত্রে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «জাহমিয়া এবং কাদারিয়াদের অপেক্ষা অধিক কঠোরভাবে ইসলাম বিনষ্টকারী আর কোনো সম্প্রদায় ⦗পৃষ্ঠা: ১০৫⦘ নেই। অতঃপর জাহমিয়াদের বিষয় হলো, তারা মহান আল্লাহর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে, আর কাদারিয়াদের বিষয় হলো, তারা মহা মহিমান্বিত ও প্রতাপশালী আল্লাহ সম্পর্কে (ভ্রান্ত) কথা বলেছে।»
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١٠٥)
9 - حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ، حَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ نُعَيْمٍ السِّجِسْتَانِيُّ الْبَابِيُّ ثِقَةٌ، قَالَ: سَمِعْتُ سَلَّامَ بْنَ أَبِي مُطِيعٍ، يَقُولُ: «الْجَهْمِيَّةُ كُفَّارٌ لَا يُصَلَّى خَلْفَهُمْ»
৯ - আমার নিকট আহমাদ বিন ইবরাহিম আদ-দাওরাকি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট জুহাইর বিন নুআইম আস-সিজিস্তানি আল-বাবী বর্ণনা করেছেন—যিনি একজন বিশ্বস্ত বর্ণনাকারী—তিনি বলেন: আমি সাল্লাম বিন আবি মুতি‘কে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: "জাহমিয়্যারা কাফির, তাদের পেছনে সালাত আদায় করা যাবে না।"
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١٠٥)
10 - حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ سَعِيدٍ أَبُو جَعْفَرٍ الدَّارِمِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ: سَمِعْتُ خَارِجَةَ، يَقُولُ: " الْجَهْمِيَّةُ كُفَّارٌ بَلِّغُوا نِسَاءَهُمْ أَنَّهُنَّ طَوَالِقُ، وَأَنَّهُنَّ لَا يَحْلِلْنَ لِأَزْوَاجِهِنَّ لَا ⦗ص: 106⦘ تَعُودُوا مَرْضَاهُمْ وَلَا تَشْهَدُوا جَنَائِزَهُمْ، ثُمَّ تَلَا {طه} [طه: 1] {مَا أَنْزَلْنَا عَلَيْكَ الْقُرْآنَ لِتَشْقَى} [طه: 2] إِلَى قَوْلِهِ عز وجل {الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى} [طه: 5] وَهَلْ يَكُونُ الِاسْتِوَاءُ إِلَّا بِجُلُوسٍ "
১০ - আহমদ ইবনে সাঈদ আবু জাফর আদ-দারিমি আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি খারিজাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: "জাহমিয়্যাহরা কাফির; তাদের নারীদের জানিয়ে দাও যে তারা তালাকপ্রাপ্তা, এবং তারা তাদের স্বামীদের জন্য আর বৈধ নয়, ⦗পৃষ্ঠা: ১০৬⦘ তোমরা তাদের অসুস্থদের দেখতে যেও না এবং তাদের জানাজায় অংশ নিও না।" অতঃপর তিনি তিলাওয়াত করলেন {ত-হা} [ত-হা: ১] {আপনাকে কষ্ট দেওয়ার জন্য আমি আপনার প্রতি কুরআন অবতীর্ণ করিনি} [ত-হা: ২] মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর এই বাণী পর্যন্ত {পরম করুণাময় আরশের উপর উঠেছেন} [ত-হা: ৫] "আর উঠা কি বসা ছাড়া আর কিছু হতে পারে?"
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١٠٦)
11 - حَدَّثَنِي أَبِي رحمه الله قَالَ: حَدَّثَنَا سُرَيْجُ بْنُ النُّعْمَانِ، أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ ⦗ص: 107⦘ نَافِعٍ، قَالَ: كَانَ مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ رحمه الله يَقُولُ: «مَنْ قَالَ الْقُرْآنُ مَخْلُوقٌ يُوجَعُ ضَرْبًا وَيُحْبَسُ حَتَّى يَمُوتَ» وَقَالَ مَالِكٌ رحمه الله: " اللَّهُ عز وجل فِي السَّمَاءِ وَعِلْمُهُ فِي كُلِّ مَكَانٍ لَا يَخْلُو مِنْهُ شَيْءٌ، وَتَلَا هَذِهِ الْآيَةَ {مَا يَكُونُ مِنْ نَجْوَى ثَلَاثَةٍ إِلَّا هُوَ رَابِعُهُمْ وَلَا خَمْسَةٍ إِلَّا هُوَ سَادِسُهُمْ} [المجادلة: 7] وَعَظَّمَ عَلَيْهِ الْكَلَامَ فِي هَذَا وَاسْتَشْنَعَهُ "
১১ - আমার পিতা (রহিমাহুল্লাহ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুরাইজ ইবনুন নুমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনু ⦗পৃষ্ঠা: ১০৭⦘ নাফি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মালিক ইবনু আনাস (রহিমাহুল্লাহ) বলতেন: «যে ব্যক্তি বলে কুরআন মাখলুক (সৃষ্ট), তাকে ব্যথাদায়কভাবে প্রহার করা হবে এবং মৃত্যু পর্যন্ত বন্দি রাখা হবে» এবং মালিক (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: "মহান ও মহিমান্বিত আল্লাহ আসমানে রয়েছেন এবং তাঁর জ্ঞান সব জায়গায় বিদ্যমান, কোনো কিছুই তা থেকে মুক্ত নয়।" অতঃপর তিনি এই আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন: {তিন ব্যক্তির এমন কোনো গোপন পরামর্শ হয় না যাতে তিনি চতুর্থ জন না থাকেন এবং পাঁচ ব্যক্তিরও নয় যাতে তিনি ষষ্ঠ জন না থাকেন} [আল-মুজাদালা: ৭] এবং তিনি এ বিষয়ে কথা বলাকে অত্যন্ত গুরুতর মনে করতেন এবং একে জঘন্য গণ্য করতেন।
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١٠٧)
12 - حَدَّثَنِي شَيْخٌ، لَنَا بَصْرِيُّ، حَدَّثَنِي عَبْدَةُ أَبُو مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، سَمِعْتُ سُفْيَانَ الثَّوْرِيَّ، يَقُولُ: " مَنْ زَعَمَ أَنَّ قَوْلَ اللَّهِ عز وجل {يَا مُوسَى إِنَّهُ أَنَا اللَّهُ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ} [النمل: 9] مَخْلُوقٌ فَهُوَ كَافِرٌ زِنْدِيقٌ حَلَالُ الدَّمِ "
১২ - আমাদের একজন বসরী শায়খ আমাকে বর্ণনা করেছেন, আবদাহ আবু মুহাম্মদ আমাকে বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমি সুফিয়ান আস-সাওরীকে বলতে শুনেছি: "যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর বাণী {হে মুসা, নিশ্চয়ই আমি আল্লাহ, পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়} [আন-নামল: ৯] সৃষ্টি, সে কাফির ও যিনদিক, তার রক্ত হালাল।"
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١٠٧)
13 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الصَّاغَانِيُّ، حَدَّثَنِي هَارُونُ بْنُ أَبِي هَارُونَ، حَدَّثَنَا ⦗ص: 108⦘ حِبَّانُ بْنُ مُوسَى، عَنِ ابْنِ الْمُبَارَكِ، عَنْ سُفْيَانَ، قَالَ: «مَنْ قَالَ إِنَّ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ اللَّهُ الصَّمَدُ مَخْلُوقٌ فَهُوَ كَافِرٌ»
১৩ - মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আস-সাগানি আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, হারুন ইবনে আবি হারুন আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, ⦗পৃষ্ঠা: ১০৮⦘ হিব্বান ইবনে মুসা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইবনুল মুবারক থেকে, সুফিয়ান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: “যে ব্যক্তি বলে যে, ‘বলুন: তিনি আল্লাহ এক, আল্লাহ অমুখাপেক্ষী’ সৃষ্টি করা হয়েছে, তবে সে কাফির।”
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١٠٨)
14 - حَدَّثَنِي أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ إِشْكَابَ سَمِعْتُ أَبِيَ وَالْهَيْثَمَ بْنَ خَارِجَةَ، يَقُولَانِ: سَمِعْنَا أَبَا يُوسُفَ الْقَاضِي، يَقُولُ بِخُرَاسَانَ: " صِنْفَانِ مَا عَلَى ظَهْرِ الْأَرْضِ أَشَرُّ مِنْهُمَا: الْجَهْمِيَّةُ وَالْمُقَاتِلِيَّةُ "
১৪ - আমার নিকট আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে ইবরাহিম ইবনে ইশকাব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতা এবং হাইসাম ইবনে খারি জাহ-কে বলতে শুনেছি, তাঁরা বলছিলেন: আমরা খুরসানে কাজি আবু ইউসুফকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: "ভূপৃষ্ঠে এমন দুটি দল রয়েছে যাদের চেয়ে নিকৃষ্ট আর কেউ নেই: জাহমিয়া ও মুকাতিরিয়া।"
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١٠٩)
عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ رحمه الله
আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন)
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١٠٩)
15 - حَدَّثَنِي الْحَسَنُ بْنُ عِيسَى مَوْلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ قَالَ: كَانَ ابْنُ الْمُبَارَكِ يَقُولُ: «الْجَهْمِيَّةُ كُفَّارٌ»
১৫ - আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারকের মুক্ত দাস আল-হাসান ইবনে ঈসা আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনুল মুবারক বলতেন: "জাহমিয়্যাহরা কাফির।"
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١٠٩)
16 - سَمِعْتُ الْحَسَنَ بْنَ عِيسَى، يَقُولُ: «الْجَهْمِيَّةُ وَمَنْ يَشُكُّ فِي كُفْرِ الْجَهْمِيَّةِ؟»
১৬ - আমি আল-হাসান ইবনে ঈসাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: «জাহমিয়াহ সম্প্রদায়; আর জাহমিয়াহদের কুফরির ব্যাপারে কে সন্দেহ পোষণ করে?»
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١٠٩)
17 - حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ، حَدَّثَنِي مُحْرِزُ بْنُ عَوْنٍ، حَدَّثَنِي أَبُو سَهْلٍ يَحْيَى بْنُ إِبْرَاهِيمَ وَكَانَ يُلَقَّبُ رَاهَوَيْهِ قَالَ: قَالَ ابْنُ الْمُبَارَكِ: «لَيْسَ تَعْبُدُ الْجَهْمِيَّةُ شَيْئًا»
১৭ - আমার নিকট আহমদ ইবনে ইবরাহিম আদ-দাওরাকি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট মুহরিজ ইবনে আউন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট আবু সাহল ইয়াহইয়া ইবনে ইবরাহিম বর্ণনা করেছেন—যাকে 'রাহাওয়াইহ' উপাধিতে অভিহিত করা হতো—তিনি বলেন: ইবনুল মুবারক বলেছেন: "জাহমিয়্যাহরা কোনো কিছুরই ইবাদত করে না।"
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١١٠)
18 - حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ، حَدَّثَنِي سَالِمُ بْنُ رُسْتُمَ أَبُو صَالِحٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ إِبْرَاهِيمَ أَبُو سَهْلٍ رَاهَوَيْهِ، قَالَ: " كُنْتُ أَدْعُو عَلَى الْجَهْمِيَّةِ فَأُكْثِرُ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ وَدَخَلَ قَلْبِي مِنْ ذَلِكَ شَيْءٌ فَقَالَ: لَا يَدْخُلُ قَلْبَكَ فَإِنَّهُمْ يَجْعَلُونَ رَبَّكَ الَّذِي تَعْبُدُ لَا شَيْءَ "
১৮ - আহমাদ ইবন ইবরাহীম আদ-দাওরাকী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, সালিম ইবন রুস্তম আবু সালিহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবন ইবরাহীম আবু সাহল রাহাওয়াইহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "আমি জাহমিয়্যাহদের বিরুদ্ধে অত্যধিক বদদোয়া করতাম। আমি বিষয়টি আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারাকের নিকট উল্লেখ করলাম এবং এ নিয়ে আমার অন্তরে কিছুটা খটকা তৈরি হলো। তখন তিনি বললেন: তোমার অন্তরে যেন খটকা না আসে; কারণ তারা তোমার সেই প্রতিপালককে—যাঁর তুমি ইবাদত করো—'কিছুই নয়' (অস্তিত্বহীন) বানিয়ে ফেলে।"
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١١٠)
19 - حَدَّثَنِي أَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ سَعِيدٍ الدَّارِمِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ أَعْيَنَ، سَمِعْتُ النَّضْرَ بْنَ مُحَمَّدٍ، يَقُولُ: " مَنْ قَالَ {إِنَّنِي أَنَا اللَّهُ، لَا إِلَهَ إِلَّا أَنَا فَاعْبُدْنِي} [طه: 14] مَخْلُوقٌ فَهُوَ كَافِرٌ، قَالَ: فَأَتَيْتُ ابْنَ الْمُبَارَكِ فَقُلْتُ لَهُ أَلَا تَعْجَبُ مِنْ أَبِي مُحَمَّدٍ قَالَ كَذَا وَكَذَا؟ قَالَ: وَهَلْ الْأَمْرُ إِلَّا ذَاكَ، وَهَلْ يَجِدُ بُدًّا مِنْ أَنْ يَقُولَ هَذَا "
১৯ - আবু জাফর আহমদ ইবনে সাঈদ আদ-দারিমি আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ ইবনে আইয়ানকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি আন-নাদর ইবনে মুহাম্মদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: "যে ব্যক্তি বলে যে, {নিশ্চয়ই আমিই আল্লাহ, আমি ব্যতীত আর কোনো উপাস্য নেই; অতএব আমারই ইবাদত করো} [ত্বহা: ১৪] এই বাণীটি সৃষ্টি, তবে সে কাফির।" তিনি (মুহাম্মদ ইবনে আইয়ান) বলেন: অতঃপর আমি ইবনুল মুবারকের নিকট আসলাম এবং তাঁকে বললাম, "আপনি কি আবু মুহাম্মদের (আন-নাদর) বিষয়ে আশ্চর্যান্বিত হচ্ছেন না যে তিনি এই এই কথা বলেছেন?" তিনি (ইবনুল মুবারক) বললেন: "বিষয়টি কি এছাড়া অন্য কিছু হতে পারে? আর এটি বলা ছাড়া কি তাঁর কোনো গত্যন্তর আছে?"
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١١٠)
20 - حَدَّثَنِي أَبُو عَمْرٍو مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَبِي رِزْمَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا الْوَزِيرِ مُحَمَّدَ بْنَ أَعْيَنَ قَالَ: سَمِعْتُ النَّضْرَ بْنَ مُحَمَّدٍ، يَقُولُ: «مَنْ قَالَ فِي هَذِهِ الْآيَةِ» {إِنَّنِي أَنَا اللَّهُ لَا ⦗ص: 111⦘ إِلَهَ إِلَّا أَنَا فَاعْبُدْنِي} [طه: 14] مَخْلُوقٌ فَهُوَ كَافِرٌ "، فَجِئْتُ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ فَأَخْبَرْتُهُ، قَالَ: «صَدَقَ أَبُو مُحَمَّدٍ عَافَاهُ اللَّهُ، مَا كَانَ اللَّهُ عز وجل يَأْمُرُ أَنْ نَعْبُدَ مَخْلُوقًا»
২০ - আমাকে আবু আমর মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ বিন আবি রিজমাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবুল ওয়াজির মুহাম্মদ বিন আয়ানকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি নজর বিন মুহাম্মদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: "যে ব্যক্তি এই আয়াতের ব্যাপারে— {নিশ্চয়ই আমিই আল্লাহ, আমি ব্যতীত অন্য কোনো ⦗পৃষ্ঠা: ১১১⦘ উপাস্য নেই, অতএব আমার ইবাদত করো} [ত্বহা: ১৪]— বলবে যে এটি সৃষ্ট, তবে সে কাফির।" অতঃপর আমি আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারকের নিকট আসলাম এবং তাঁকে এ বিষয়ে অবহিত করলাম। তিনি বললেন: "আবু মুহাম্মদ সত্য বলেছেন, আল্লাহ তাঁকে সুস্থ রাখুন; মহান আল্লাহ কখনোই কোনো সৃষ্টির ইবাদত করার নির্দেশ প্রদান করেন না।"
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١١١)
21 - وَذَكَرَ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي عَتَّابٍ الْأَعْيَنَ، ثنا حَمْزَةُ، شَيْخٌ مِنْ أَهْلِ مَرْوَ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ الْمُبَارَكِ، يَقُولُ: «مَنْ قَالَ الْقُرْآنُ مَخْلُوقٌ فَهُوَ زِنْدِيقٌ»
২১ - এবং আবু বকর ইবন আবি আত্তাব আল-আ'ইয়ান উল্লেখ করেছেন, হামযাহ—যিনি মার্ভের অধিবাসীদের মধ্য হতে একজন শাইখ—আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইবনুল মুবারককে বলতে শুনেছি: "যে ব্যক্তি বলে কুরআন সৃষ্টি, সে একজন যিন্দিক।"
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١١١)
22 - حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ، ثنا عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ شَقِيقٍ، قَالَ: سَأَلْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الْمُبَارَكِ كَيْفَ يَنْبَغِي لَنَا أَنْ نَعْرِفَ، رَبَّنَا عز وجل؟ قَالَ: عَلَى السَّمَاءِ السَّابِعَةِ عَلَى عَرْشِهِ، وَلَا نَقُولُ كَمَا تَقُولُ الْجَهْمِيَّةُ إِنَّهُ هَاهُنَا فِي الْأَرْضِ "
২২ - আহমাদ ইবনে ইবরাহীম আদ-দাওরাকী আমাকে বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনুল হাসান ইবনে শাকীক আমাদের বলেছেন, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারককে জিজ্ঞাসা করলাম, আমাদের জন্য আমাদের মহান ও মহিমান্বিত রব-কে কীভাবে চেনা উচিত? তিনি বললেন: সপ্তম আসমানের উপরে তাঁর আরশের উপর; আর আমরা জাহমিয়াদের মতো বলি না যে, তিনি এখানে জমিনে আছেন।
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١١١)
23 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ شَقِيقٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الْمُبَارَكِ، يَقُولُ: «إِنَّا نَسْتَجِيزُ أَنْ نَحْكِيَ كَلَامَ الْيَهُودِ وَالنَّصَارَى وَلَا نَسْتَجِيزُ أَنْ نَحْكِيَ كَلَامَ الْجَهْمِيَّةِ»
২৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে ইবরাহিম, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনুল হাসান ইবনে শাকিক, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারককে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: "নিশ্চয়ই আমরা ইহুদি ও নাসারাদের কথা বর্ণনা করা বৈধ মনে করি, কিন্তু আমরা জাহমিয়্যাহদের কথা বর্ণনা করা বৈধ মনে করি না।"
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١١٢)
24 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ نَصْرِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي رَجُلٌ، عَنِ ابْنِ الْمُبَارَكِ، قَالَ: قَالَ لَهُ رَجُلٌ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَدْ خِفْتُ اللَّهَ عز وجل مِنْ كَثْرَةِ مَا أَدْعُو عَلَى الْجَهْمِيَّةِ، قَالَ: لَا تَخَفْ فَإِنَّهُمْ يَزْعُمُونَ أَنَّ إِلَهَكَ الَّذِي فِي السَّمَاءِ لَيْسَ بِشَيْءٍ "
২৪ - মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, আহমাদ ইবনে নাসর ইবনে মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বললেন: জনৈক ব্যক্তি ইবনুল মুবারক থেকে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি তাঁকে বললেন, হে আবু আবদুর রহমান! জহমিয়াদের বিরুদ্ধে অত্যধিক বদদোয়া করার কারণে আমি মহান আল্লাহকে ভয় পাচ্ছি। তিনি বললেন: ভয় পেও না, কেননা তারা দাবি করে যে, আসমানে তোমার যে ইলাহ রয়েছেন তিনি কিছুই নন।
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١١٢)
سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ رحمه الله
সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা রাহিমাহুল্লাহ
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١١٢)
25 - حَدَّثَنِي غِيَاثُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ سُفْيَانَ بْنَ عُيَيْنَةَ، يَقُولُ: " الْقُرْآنُ كَلَامُ اللَّهِ عز وجل، مَنْ قَالَ: مَخْلُوقٌ، فَهُوَ كَافِرٌ، وَمَنْ شَكَّ فِي كُفْرِهِ فَهُوَ كَافِرٌ "
২৫ - গিয়াস ইবনে জাফর আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ-কে বলতে শুনেছি: "কুরআন মহান আল্লাহর কালাম, যে ব্যক্তি বলবে এটি মাখলুক (সৃষ্ট), সে কাফির; আর যে ব্যক্তি তার কুফরির বিষয়ে সন্দেহ করবে, সেও কাফির।"
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١١٢)
26 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الصَّاغَانِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُحْرِزِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ جُنَيْدٍ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ، قَالَ: «مَنْ قَالَ الْقُرْآنُ مَخْلُوقٌ كَانَ مُحْتَاجًا أَنْ يُصْلَبَ عَلَى ذُبَابٍ يَعْنِي جَبَلًا»
২৬ - মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আস-সাগানি আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-মুহরিজি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে জুনাইদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «যে ব্যক্তি বলে কুরআন সৃষ্ট, তাকে জুবাব অর্থাৎ একটি পাহাড়ের ওপর শূলে চড়ানো প্রয়োজন ছিল।»
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١١٣)
عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ رحمه الله
আবদুল্লাহ ইবনে ইদরিস (রহিমাহুল্লাহ)
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١١٣)
27 - حَدَّثَنِي الْفَضْلُ بْنُ الصَّبَّاحِ السِّمْسَارُ، وَسَأَلْتُ أَبِي عَنْهُ، فَقَالَ: أَعْرِفُهُ لَيْسَ بِهِ بَأْسٌ، قَالَ: " كُنْتُ عِنْدَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِدْرِيسَ رحمه الله فَسَأَلَهُ بَعْضُ أَصْحَابِ الْحَدِيثِ مِمَّنْ كَانَ مَعَنَا فَقَالَ: مَا تَقُولُ فِي الْجَهْمِيَّةِ يُصَلَّى خَلْفَهُمْ؟ قَالَ الْفَضْلُ ثُمَّ اشْتَغَلْتُ أُكَلِّمُ إِنْسَانًا بِشَيْءٍ فَلَمْ أفْهَمْ مَا رَدَّ عَلَيْهِ ابْنُ إِدْرِيسَ فَقُلْتُ لِلَّذِي سَأَلَهُ: مَا قَالَ لَكَ؟ فَقَالَ: قَالَ لِي: «أَمُسْلِمُونَ هَؤُلَاءِ لَا، وَلَا كَرَامَةَ، لَا يُصَلَّى خَلْفَهُمْ»، قُلْتُ لِلْفَضْلِ بْنِ الصَّبَّاحِ سَمِعْتُهُ يَقُولُ هَذَا لِابْنِ إِدْرِيسَ وَأَنْتَ حَاضِرٌ؟ قَالَ: نَعَمْ سَمِعْتُهُ
২৭ - আল-ফাদল ইবনে আস-সাব্বাহ আস-সিমসার আমার নিকট বর্ণনা করেছেন এবং আমি আমার পিতাকে তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি। তিনি বললেন: "আমি তাঁকে চিনি, তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই।" তিনি (ফাদল) বললেন: "আমি আবদুল্লাহ ইবনে ইদরীস (রহিমাহুল্লাহ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তখন আমাদের সাথে থাকা এক হাদীস অনুরাগী তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন এবং বললেন: 'জাহমিয়্যাহদের ব্যাপারে আপনার অভিমত কী? তাদের পিছনে কি সালাত আদায় করা যাবে?' ফাদল বললেন: 'অতঃপর আমি এক ব্যক্তির সাথে কোনো একটি বিষয়ে কথা বলায় লিপ্ত হয়ে পড়লাম, ফলে ইবনে ইদরীস তাকে কী উত্তর প্রদান করলেন তা আমি বুঝতে পারিনি। তখন আমি প্রশ্নকারীকে জিজ্ঞাসা করলাম: তিনি আপনাকে কী বলেছেন? তিনি বললেন: তিনি আমাকে বলেছেন: «এরা কি মুসলিম? না, এবং তাদের কোনো মর্যাদা নেই; তাদের পিছনে সালাত আদায় করা যাবে না।»' আমি আল-ফাদল ইবনে আস-সাব্বাহকে বললাম: 'আপনি কি তাঁকে ইবনে ইদরীসের নিকট এ কথা বলতে শুনেছেন যখন আপনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন?' তিনি বললেন: 'হ্যাঁ, আমি তা শুনেছি'।"
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١١٣)
28 - حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ، حَدَّثَنِي أَبُو جَعْفَرٍ السُّوَيْدِيُّ، عَنْ مُقَاتِلٍ، قَالَ: سَأَلْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ إِدْرِيسَ عَنِ الصَّلَاةِ، خَلْفَ الْجَهْمِيَّةِ قَالَ: «أَمُؤْمِنُونَ هُمْ؟»
২৮ - আহমাদ ইবনে ইবরাহীম আদ-দাওরাকী আমাকে বর্ণনা করেছেন, আবু জাফর আস-সুওয়াইদী আমাকে বর্ণনা করেছেন মুকাতিল থেকে, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনে ইদ্রিসকে জাহমিয়াদের পেছনে সালাত আদায় করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি। তিনি বললেন: "তারা কি মুমিন?"
(খণ্ড: ١)
আস-সুন্নাহ লি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
(পৃষ্ঠা: ١١٣)
حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ يُوسُفَ الزِّمِّيُّ، قَالَ: حَضَرْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ إِدْرِيسَ فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ: يَا أَبَا مُحَمَّدٍ، إِنَّ قِبَلَنَا نَاسًا يَقُولُونَ: إِنَّ الْقُرْآنَ مَخْلُوقٌ، فَقَالَ ⦗ص: 114⦘: «مِنَ الْيَهُودِ؟» قَالَ: لَا، قَالَ: «فَمِنَ النَّصَارَى؟» قَالَ: لَا، قَالَ: «فَمِنَ الْمَجُوسِ؟» قَالَ: لَا، قَالَ: «فَمِمَّنْ؟» قَالَ: مِنَ الْمُوَحِّدِينَ، قَالَ: «كَذَبُوا لَيْسَ هَؤُلَاءِ بِمُوَحِّدِينَ هَؤُلَاءِ زَنَادِقَةٌ، مَنْ زَعَمَ أَنَّ الْقُرْآنَ مَخْلُوقٌ فَقَدْ زَعَمَ أَنَّ اللَّهَ عز وجل مَخْلُوقٌ، وَمَنْ زَعَمَ أَنَّ اللَّهَ تَعَالَى مَخْلُوقٌ فَقَدْ كَفَرَ، هَؤُلَاءِ زَنَادِقَةٌ هَؤُلَاءِ زَنَادِقَةٌ»
আহমদ ইবনে ইবরাহিম আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে ইউসুফ আয-যিম্মি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনে ইদ্রিসের নিকট উপস্থিত ছিলাম, তখন এক ব্যক্তি তাকে বলল: হে আবু মুহাম্মাদ, আমাদের নিকট এমন কিছু লোক আছে যারা বলে যে, কুরআন সৃষ্টি। তখন তিনি বললেন ⦗পৃষ্ঠা: ১১৪⦘: «তারা কি ইহুদিদের মধ্য থেকে?» সে বলল: না। তিনি বললেন: «তবে কি নাসারাদের (খ্রিস্টানদের) মধ্য থেকে?» সে বলল: না। তিনি বললেন: «তবে কি মজুসদের (অগ্নিপূজকদের) মধ্য থেকে?» সে বলল: না। তিনি বললেন: «তবে তারা কাদের মধ্য থেকে?» সে বলল: মুওয়াহহিদদের (একত্ববাদীদের) মধ্য থেকে। তিনি বললেন: «তারা মিথ্যা বলেছে, এরা মুওয়াহহিদ নয়; এরা যিন্দিক। যে ব্যক্তি দাবি করে যে কুরআন সৃষ্টি, সে মূলত দাবি করল যে আল্লাহ মহান ও পরাক্রমশালী সৃষ্টি। আর যে ব্যক্তি দাবি করে যে আল্লাহ তায়ালা সৃষ্টি, সে অবশ্যই কুফরি করল। এরা যিন্দিক, এরা যিন্দিক।»