(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: -)
ذيل طبقات الحنابلة - لابن رجب - ت العثيمين   (ابن رجب الحنبلي)

القسم: التراجم والطبقات


الكتاب: الذيل على طبقات الحنابلة

المؤلف: عبد الرحمن بن أحمد بن رجب (736 - 795 هـ)

المحقق: عبد الرحمن بن سليمان العثيمين [ت 1436 هـ]

الناشر: مكتبة العبيكان، الرياض

الطبعة: الأولى، 1425 هـ - 2005 م

عدد الأجزاء: 5

[تنبيه]: هذه النسخة (الإلكترونية) أُدخِلَتْ إدخالًا جديدًا عن تحقيق العثيمين؛ خلافًا لكثيرٍ من النُسَخ الشائعة التي أعادتْ تقسيم (نص تحقيقٍ آخر) بما يوافق هذه الطبعة

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

দায়লু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - ইবনে রজব কৃত - আল-উসাইমীনের তাহকীক   (ইবনে রজব আল-হানবালী)

বিভাগ: জীবনী ও প্রজন্ম


বই: আদ-দায়লু আলা তাবাকাতিল হানাবিলাহ

লেখক: আব্দুর রহমান বিন আহমাদ বিন রজব (৭৩৬ - ৭৯৫ হিজরি)

গবেষক/সম্পাদক: আব্দুর রহমান বিন সুলাইমান আল-উসাইমীন [মৃত্যু ১৪৩৬ হিজরি]

প্রকাশক: মাকতাবাতুল ওবাইকান, রিয়াদ

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৫ হিজরি - ২০০৫ খ্রিস্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ৫

[সতর্কবার্তা]: এই (ইলেকট্রনিক) সংস্করণটি আল-উসাইমীনের তাহকীক অনুযায়ী নতুনভাবে ডাটা এন্ট্রি করা হয়েছে; প্রচলিত অনেক সংস্করণের বিপরীত, যেগুলোতে অন্য কোনো তাহকীকের মূল পাঠকে এই মুদ্রণের সাথে মিল রাখার জন্য পুনরায় বিন্যাস করা হয়েছিল।

[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যুল হিজ্জাহ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ১)
الذَّيْلُ عَلَى

طَبَقَاتِ الحَنَابِلَةِ

تَأْلِيفُ

الإِمَامِ الحَافِظِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بنِ أَحْمَدَ بنِ رَجَبٍ

(736 - 795 هـ)

 

تَحْقِيقُ وَتَعْلِيقُ

الدكتورِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بنِ سُلَيْمَانِ العُثَيْمِيْن

مَكَة المكَرَّمة - جَامِعة أمِّ القُرى

مكتبة العبيكان
সংযোজনী:

তাবাকাতুল হানাবিলাহ

গ্রন্থনায়

ইমাম হাফেজ আবদুর রহমান বিন আহমদ বিন রজব

(৭৩৬ - ৭৯৫ হিজরি)

 

সম্পাদনা ও টীকা প্রদান করেছেন

ডক্টর আবদুর রহমান বিন সুলাইমান আল-উসাইমিন

মক্কা মুকাররমা - উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়

মাকতাবাতুল ওবাইকান
(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ৫)
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ

مقدمة

الحَمْدُ للهِ رَبِّ العَالَمِيْنَ، والصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ عَلَى مُحَمَّدٍ سَيِّدِ المُرْسَلَيْن وَعَلَى آلِهِ وَالتَّابِعِيْن.

وَبَعْدُ: فَقَدْ مَنَّ اللهُ تَعَالَى عَلَيَّ بِإِتْمَامِ العَمَلِ فِي كِتَابِ "الذَّيْلِ عَلَى طَبَقَاتِ الحَنَابِلَةِ" للحَافِظِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بنِ أَحْمَدَ بنِ رَجَبٍ (ت: 795 هـ) بَذَلْتُ فِيْهِ مَا وَسِعَنِي بَذْلُهُ مِنْ وَقْتٍ وَجُهْدٍ، وَأَنَا الآنَ أُقَدِّمُهُ للقُرَّاءِ بِثَوْبٍ جَدِيْدٍ مُحَقَّقًا عَلَى أُصُوْلٍ خَطِّيَّةٍ نَفِيْسَةٍ، وَمُعَلَّقًا عَلَيْهِ بِمَا سَمَحَ بِهِ الخَاطِرُ، مِنْ بَعْضِ مَا جَادَتْ بِهِ المَصَادِرُ، وَاسْتَدْرَكْتُ عَلَى المُؤَلِّف رحمه الله مَا فَاتَهُ ذِكْرُهُ وَأَمْكَنَ اسْتِدْرَاكُهُ، وَأَوْرَدْتُهُمْ فِي مَوَاضِعِهِمْ مِنَ الكِتَابِ حَسَبَ تَرْتِيْبِ المُؤَلِّفِ لِيَكُوْنَ الكِتَاب بِصُوْرَةٍ قَرِيْبَةٍ مِنَ الكَمَالِ فِي اسْتِيْعَابِ أَغْلَبِ تَرَاجِمِ هَذِهِ الفَتْرَةِ؛ وَلِيَكُوْنَ جَمَعُهُمْ إِسْهَامًا فِي وَضْعِ مُعْجَمٍ شَامِلٍ لِعُلَمَاءِ المَذْهَبِ الحَنْبَلِيِّ الَّذِي وَعَدْتُ بهِ فِي مُقَدِّمَاتِ الكُتُبِ الَّتِي نَشَرْتُهَا، وَهَذَا الكِتَابُ آخِرُهَا. فللَّهِ الحَمْد الَّذِي وَفَّقَ لِلْبِدَايَةِ، وَلَهُ المِنَّةُ وَالفَضْلُ حَيْث تَفَضَّلَ بِالنِّهَايَةِ فَلَهُ الحَمْدُ فِي الأُوْلَى وَالآخِرَةِ. وَكُنْتُ قَدْ عَزَمْتُ عَلَى نَشْرِ هَذَا الكِتَابِ قَبْلَ كِتَابِ "الطَّبَقَاتِ" فَبَعْدَ الانْتِهَاءِ مِنْ تَحْقِيْقِ "السُّحُبِ الوَابِلَةِ" آثَرْتُ العَمَلَ فِي "الذَّيْلِ عَلَى الطَّبَقَاتِ" قَبْلَ "الطَّبَقَاتِ" لِلْقَاضِي أَبِي الحُسَيْنِ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

ভূমিকা

সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক রাসূলগণের সর্দার মুহাম্মাদের ওপর এবং তাঁর পরিবার ও অনুসারীদের ওপর।

অতপর: আল্লাহ তায়ালা হাফেয আবদুর রহমান ইবনে আহমাদ ইবনে রাজাব (মৃত্যু: ৭৯৫ হি.) রচিত "আয-যাইলু আলা তাবাকাতিল হানাবিলাহ" গ্রন্থটির কাজ সমাপ্ত করার মাধ্যমে আমার ওপর অনুগ্রহ করেছেন, যাতে আমি আমার সামর্থ্য অনুযায়ী সময় ও শ্রম ব্যয় করেছি। আর এখন আমি এটি পাঠকদের সামনে এক নতুন আঙ্গিকে পেশ করছি, যা মূল্যবান পাণ্ডুলিপিসমূহের ওপর ভিত্তি করে সম্পাদিত এবং উৎসগ্রন্থসমূহ থেকে সংগৃহীত টীকা-টিপ্পনী দ্বারা সুসজ্জিত। লেখক (রহিমাহুল্লাহ) যা উল্লেখ করতে বাদ দিয়েছেন এবং যা পরিমার্জন করা সম্ভব ছিল, আমি তা পরিমার্জন করেছি এবং সেগুলোকে লেখকের বিন্যাস অনুযায়ী কিতাবের সঠিক স্থানে উপস্থাপন করেছি, যাতে কিতাবটি এই সময়ের অধিকাংশ জীবনী সংকলনের ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গতার কাছাকাছি পৌঁছে; এবং যাতে তাদের একত্রিত করা হাম্বলী মাযহাবের আলেমদের একটি পূর্ণাঙ্গ অভিধান তৈরির ক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারে, যার প্রতিশ্রুতি আমি আমার প্রকাশিত কিতাবসমূহের ভূমিকায় দিয়েছিলাম, আর এই কিতাবটিই তার সর্বশেষ। সুতরাং সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি শুরুতে তাওফীক দিয়েছেন এবং তাঁরই অনুগ্রহ ও মেহেরবানী যে তিনি এটি সমাপ্ত করার সুযোগ দান করেছেন। অতএব দুনিয়া ও আখেরাতে সকল প্রশংসা কেবল তাঁরই জন্য। আমি "আত-তাবাকাত" গ্রন্থের পূর্বে এই কিতাবটি প্রকাশের সংকল্প করেছিলাম; তাই "আস-সুহুবুল ওয়াবিলাহ"-এর তাহকীক শেষ করার পর আমি কাযী আবুল হুসাইনের "আত-তাবাকাত" গ্রন্থের চেয়ে "আয-যাইলু আলাত তাবাকাত" গ্রন্থের কাজকে প্রাধান্য দিয়েছি।
(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ৬)
ابنِ أَبِي يَعْلَى (ت: 526 هـ) نَظَرًا لأهَمِّيَّةِ الكِتَابِ بَيْنَ كُتُبِ التَّرَاجِمِ عَامَّةً، وَكُتُبِ طَبَقَاتِ الحَنَابِلَةِ خَاصَّةً، ثُمَّ مَضيْتُ فِي تَحْقِيْقِهِ أَحُثُّ الخُطَا، فَلَمَّا وَصَلْتُ إِلَى مَا يَقْرُبُ مِنْ نِصْفِ الكِتَابِ أَوْقَفْتُ العَمَلَ فِيْهِ لَمَّا أَبْدَتِ اللَّجْنَةُ التَّحْضِيْرِيَّةِ للاحْتِفَالِ بِمُرُوْرِ مَائَة عَامٍ عَلَى تَأْسِيْسِ المَمْلَكَةِ العَرَبِيَّةِ السُّعُوْدِيَّةِ رَغْبَتَهَا فِي طَبْعِ كِتَابِ "الطَّبَقَاتِ" ضِمْنَ إِصْدَارَاتِهَا بِهَذِهِ المُنَاسَبَةِ، وَكُلِّفْتُ بِالعَمَلِ فِيْهِ فَأَجَّلْتُ العَمَلَ فِي كِتَاب الحَافِظِ ابنِ رَجَبٍ حَتَّى الانْتِهَاءِ مِنْ كِتَابِ "الطَّبَقَاتِ" المَذْكُوْرِ وَحَالَتْ بَعْدَ ذَلِكَ ظُرُوْفٍ أُخْرَى أَدَّتْ إِلَى تَأْجِيْلِ العَمَلِ حَيْثُ أَصْدَرْتُ ثَلَاثَةَ كُتُبٍ فِي "غَرِيْبِ المُوَطَّإِ" وَبَعْدَ الانْتِهَاءِ مِنْهَا عُدْتُ إِلَيْهِ بِرَغْبَةِ أَكِيْدَةٍ، وَتَصمِيْمٍ كَبِيْرٍ، فَبَذَلْتُ فِي تَحْقِيْقِهِ أَقْصَى الجُهْدِ وَالطَّاقَةِ، وَبَالَغْتُ فِي تَخْرِيْجِ تَرَاجِمِهِ وَتَتَبُّعِ أَخْبَارِهَا فِي المَصَادِرِ المُخْتَلِفَةِ، وَحَاوَلْتُ - جِاهِدًا - الرَّبْطَ بَيْنَ عُلَمَاءِ الأُسْرَةِ الوَاحِدَةِ بَيْنَ الرَّجُلِ وآبَائِهِ، وَأَوْلَادِهِ، وَأَحْفَادِهِ، وإِخْوَانِهِ، وَذَوِي قَرَابَتِهِ فَتَحْتَ البَابَ لِمَنْ أَرَادَ التَّوَسُّعَ فِي مَعْرِفَةِ الأُسَرِ العِلْمِيَّةِ، وَلَمْ أُخْلِ الهَوَامِشِ مِنْ فَوَائِدَ عَنْ مُؤَلَّفَاتِ المُتَرْجَمِ، وَنَمَاذِجَ مِنْ أَشْعَارِهِ إِنْ وُجِدَتْ.

وَقَدَّمْتُ كُتُبِ الطَّبَقَاتِ فِي تَخْرِيْجِ التَّرَاجِمِ، ثُمَّ المَصَادِرِ المُخْتَلِفَةِ. وَلَمْ أَسْتَعْمِلْ أَثْنَاءَ التَّحْقِيْقِ المُؤَلَّفَاتِ وَالكُتُبَ المُعَاصِرَةَ؛ لأنَّهَا - فِي نَظَرِي - لَا تُضِيْفُ جَدِيْدًا إِلَى مَا نَهْدِفُ إِلَيْهِ، وَمَا تَوَصَّلُوا إِلَيْهِ مِنْ مَعْلُوْمَاتٍ هُوَ فِي غَالِبِهِ مِنْ مَصَادِرَ يُمْكِنُ الوُقُوْفُ عَلَيْهَا، فَاقْتَصَرْتُ عَلَى الكُتُبِ القَدِيْمَةِ.
ইবনুল আবী ইয়ালা (ওফাত: ৫২৬ হিজরি)। সাধারণভাবে জীবনীগ্রন্থসমূহের মধ্যে এবং বিশেষভাবে হাম্বলী স্তরের (তাবাকাত) গ্রন্থসমূহের মধ্যে এই কিতাবটির গুরুত্ব বিবেচনা করে আমি এর সম্পাদনার (তাহকিক) কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিয়ে চললাম। যখন আমি কিতাবটির প্রায় অর্ধেক সম্পন্ন করলাম, তখন আমি এই কাজ স্থগিত রাখলাম; কারণ সৌদি আরব রাজ্য প্রতিষ্ঠার শতবর্ষ পূর্তি উদযাপনের প্রস্তুতি কমিটি তাদের এই বিশেষ উপলক্ষ্যের প্রকাশনাগুলোর মধ্যে "তাবাকাত" কিতাবটি মুদ্রণের আগ্রহ প্রকাশ করল এবং আমাকে এই কাজের দায়িত্ব অর্পণ করা হলো। ফলে আমি হাফেজ ইবনে রজবের কিতাবটির কাজ স্থগিত রেখে উল্লিখিত "তাবাকাত" কিতাবটি সমাপ্ত করার কাজে মনোনিবেশ করলাম। এরপর অন্যান্য পরিস্থিতির কারণে কাজটি বিলম্বিত হয়, এ সময়ে আমি "গরিবুল মুওয়াত্তা" বিষয়ে তিনটি কিতাব প্রকাশ করি। সেগুলো শেষ করার পর আমি দৃঢ় ইচ্ছা ও প্রবল সংকল্প নিয়ে পুনরায় এতে ফিরে আসি। সুতরাং আমি এর সম্পাদনায় আমার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা ও শক্তি ব্যয় করেছি এবং এর জীবনীগুলোর তথ্যসূত্র প্রদান (তাখরিজ) ও বিভিন্ন উৎস থেকে এ সংক্রান্ত তথ্যাদি অনুসন্ধানে অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছি। আমি আপ্রাণ চেষ্টা করেছি একই বংশের আলেমদের মধ্যে—ব্যক্তি এবং তাঁর পিতা, সন্তান, পৌত্র, ভাই ও নিকটাত্মীয়দের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে। এভাবে আমি সেই সব পাঠকদের জন্য জ্ঞানের দুয়ার উন্মোচন করেছি যারা ইলমি পরিবারসমূহ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আগ্রহী। এছাড়া আমি টীকাগুলোতে জীবনীভুক্ত ব্যক্তিদের রচনাবলি সম্পর্কে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় তথ্য এবং যেখানে সম্ভব হয়েছে তাঁদের কবিতার নমুনা প্রদান করা থেকে বিরত থাকিনি।

জীবনীগুলোর তথ্যসূত্র বের করার ক্ষেত্রে আমি তাবাকাত বিষয়ক গ্রন্থসমূহকে অগ্রাধিকার দিয়েছি, তারপর অন্যান্য উৎসকে। সম্পাদনার সময় আমি সমকালীন কোনো রচনা বা কিতাব ব্যবহার করিনি; কারণ আমার দৃষ্টিতে আমাদের লক্ষ্য অর্জনে সেগুলো নতুন কিছু যোগ করে না এবং তাঁরা যে সকল তথ্যে পৌঁছেছেন, তার অধিকাংশই এমন উৎস থেকে প্রাপ্ত যেগুলোর সন্ধান পাওয়া সম্ভব। তাই আমি কেবল প্রাচীন গ্রন্থসমূহের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছি।
(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ৭)
وَخَتَمْتُ العَمَلَ بالضَّرُوْرِيِّ مِنَ الفَهَارِسِ الَّتِي تُقَرِّبُ المَعْلُوْمَاتِ إِلَى القَارئ، رَاجِيًا مِنَ اللهِ جَلَّتْ قُدْرَتُهُ أَنْ يَجْعَلَ هَذَا العَمَلَ وَغَيْرَهُ خَالِصًا لِوَجْهِهِ الكَرِيْمِ، وَأَنْ يَنْفَعَ بِه العِلْمَ وَأَهْلِهِ، إِنَّهُ جَوَادٌ كَرِيْمٌ، وَهُوَ حَسْبُنَا وَنِعْمَ الوَكِيْل، وَآخِرُ دَعْوَانَا أَنِ الحَمْدُ للهِ رَبِّ العَالَمِيْنَ، وَصَلَّى اللهُ عَلَى مُحَمَّدٍ وآلِهِ.

وَكَتَبَ الدُّكْتُوْر

عَبْدُ الرَّحْمَنِ بنُ سُلَيْمَانَ العُثَيْمِيْنَ

مَكَّةَ المُكَرَّمَة - جَامِعَةِ أُمِّ القُرَى

الثُّلَاثَاء 29/ 3/ 1425 هـ
এবং আমি প্রয়োজনীয় নির্ঘণ্টের মাধ্যমে এই কাজটির সমাপ্তি ঘটিয়েছি যা পাঠকের নিকট তথ্যসমূহকে সহজবোধ্য করবে। আল্লাহর কাছে—যাঁর ক্ষমতা সুমহান—আশা করছি যেন তিনি এই কাজটিকে এবং অন্যান্য কাজকেও শুধুমাত্র তাঁর সম্মানিত চেহারার জন্য একনিষ্ঠ করেন এবং এর মাধ্যমে জ্ঞান ও জ্ঞানীদের উপকৃত করেন। নিশ্চয়ই তিনি অতিশয় দানশীল ও মহানুভব। তিনিই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক। আর আমাদের শেষ কথা হলো—সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, এবং আল্লাহ রহমত বর্ষণ করুন মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিবার-পরিজনের ওপর।

লিখেছেন ডক্টর

আবদুর রহমান বিন সুলাইমান আল-উসাইমীন

মক্কা মুকাররমা - উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়

মঙ্গলবার ২৯/ ৩/ ১৪২৫ হিজরি
(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ৯)
‌‌المَبْحَثُ الأوَّلُ

مُؤَلِّفُ الكِتَابِ

1 - اسْمُهُ وَنَسَبُهُ.

2 - مَوْلِدُهُ وَنَشْأَتُهُ.

3 - رِحْلَتُهُ فِي طَلَبِ العِلْمِ.

4 - شُيُوْخُهُ.

5 - تَصَدُّرُهُ للتَّدْرِيْسِ.

6 - أَقْوَالُ العُلَمَاءِ فِيْهِ.

7 - تَلَامِيْذُهُ.

8 - رُجُوْعُهُ عِنْ فَتْوَى الطَّلَاقِ.

9 - وَفَاتُهُ.

10 - مُؤَلَّفَاتُهُ.
প্রথম পরিচ্ছেদ

গ্রন্থের লেখক

১ - তাঁর নাম ও বংশপরিচয়।

২ - তাঁর জন্ম ও লালন-পালন।

৩ - ইলম অর্জনে তাঁর সফর।

৪ - তাঁর শিক্ষকগণ।

৫ - তাঁর অধ্যাপনায় আসীন হওয়া।

৬ - তাঁর সম্পর্কে আলেমদের উক্তি।

৭ - তাঁর ছাত্রগণ।

৮ - তালাকের ফতোয়া থেকে তাঁর প্রত্যাবর্তন।

৯ - তাঁর মৃত্যু।

১০ - তাঁর রচনাবলি।
(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ১১)
‌‌(الفَصْلُ الأوَّلِ): التَّعْرِيْفُ بمُؤَلِّفِ الكتَابِ الحَافِظِ ابنِ رَجَبٍ(1) (736 - 795 هـ)

‌‌اسْمُهُ ونَسَبُهُ:

عَبْدُ الرَّحْمَنِ بنُ أَحْمَدَ بنِ رَجَبِ (عَبْدِ الرَّحْمَنِ) بنِ الحَسَنِ بنِ مُحَمَّدِ بنِ أَبِي البَرَكَاتِ مَسْعُوْدٍ البَغْدَادِيُّ السَّلَامِيُّ، ثُمَّ الدِّمَشْقِيُّ، زَيْنُ الدِّيْنِ(2)، أَبُو الفَرَجِ. لَمْ أَجِدْ فِي نَسَبِهِ أَكْثَرَ مِنْ هَذَا، وَلَمْ يُنْسَبْ إِلَى العَرَبِ لَا أَصَالَةً وَلَا وَلَاءً، كَمَا أَنَّهُ لَمْ يُنْسَبْ إِلَى الفُرْسِ، ولَا إِلَى غَيْرِهِم مِنَ الأُمَمِ. وَذَكَرَ وَالِدُهُ في تَرْجَمَةِ أَبِيْهِ - جَدُّ الحَافِظِ - في مُعْجَمِهِ "المُنْتَقَى"(3)، أنَّ بَيْتَ آبَائِهِ يُعْرَفُ بـ "بَيْتِ الخَالِدَانِيُّ" بِـ "الجَدِيْدَةِ".

--------------------------------------------

(1) أَخْبَارُهُ في: الرَّدُّ الوَافِرِ لابنِ نَاصِرٍ (176)، وَالتِّبْيَانِ فِي شَرْحِ بَدِيعِيَّةِ البَيَانِ (ورقة: 159)، وَالدُّرَرِ الكَامِنَةِ (2/ 428)، وَإنْبَاءِ الغُمرِ (1/ 460)، وَذَيْلُ التَّقْيِيْدِ (2/ 72)، وَتَارِيْخِ ابنِ قاضِي شُهبَةَ (1/ 3/ 488)، وَلَحْظِ الألْحَاظِ (180)، وَالمَقْصَدِ الأرشد (2/ 81)، ذيل تَذْكِرَةُ الحُفَّاظِ للسُّيُوْطِيِّ (367)، وَالمَنْهَجِ الأَحْمَدِ (5/ 168)، وَمُخَتَصَرِهِ "الدُّرِّ المُنَضَّدِ" 2/ 579، والجَوْهَرِ المُنَضَّدِ (46)، وَالذَّيْلِ التَّامِّ (1/ 373)، وَالشَّذَرَاتِ (6/ 339)، (578) وطَبَقَاتِ الحُفَّاظِ (540)، وَالسُّحُبِ الوَابِلَةِ (2/ 474)، والبَدْرِ الطَّالِعِ (1/ 328)، والمُدْخَلُ لابنِ بدران (414).

(2) قَالَ ابنُ قَاضِي شُهْبَةَ وَغَيْرُهُ: "كَانَ يُلَقَّبُ أَولًا جَمَالَ الدِّيْنِ".

(3) المُنْتَقَى رقم (19).

‌(প্রথম পরিচ্ছেদ): গ্রন্থকার হাফেজ ইবনে রজব-এর পরিচয়(১) (৭৩৬ - ৭৯৫ হিজরি)

‌‌তাঁর নাম ও বংশপরিচয়:

আবদুর রহমান ইবনে আহমাদ ইবনে রজব (আবদুর রহমান) ইবনে হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবুল বারাকাত মাসউদ আল-বাগদাদী আস-সালামী, অতঃপর আদ-দিমাশকী, যাইনুদ্দীন(২), আবুল ফারাজ। আমি তাঁর বংশপরিচয়ে এর চেয়ে বেশি কিছু পাইনি। তিনি বংশগতভাবে কিংবা মিত্রতা (ওয়ালা) সূত্রে আরবদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না, আবার পারসিক বা অন্য কোনো জাতির অন্তর্ভুক্ত হিসেবেও তিনি পরিচিত ছিলেন না। তাঁর পিতা তাঁর নিজের পিতার (হাফেজের দাদা) জীবনীতে তাঁর 'আল-মুনতাকা'(৩) নামক গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, তাঁর পূর্বপুরুষদের পরিবার 'জাদীদাহ' অঞ্চলে 'বাইতুল খালিদানী' নামে পরিচিত ছিল।

--------------------------------------------

(১) তাঁর জীবনী ও তথ্যাদি দ্রষ্টব্য: ইবনে নাসিরের 'আর-রাদ্দুল ওয়াফির' (১৭৬), 'আত-তিবয়ান ফি শারহি বাদিইয়্যাতিল বায়ান' (পত্র: ১৫৯), 'আদ-দুরারুল কামিনাহ' (২/ ৪২৮), 'ইনবাউল গুমর' (১/ ৪৬০), 'যাইলুত তাকয়ীদ' (২/ ৭২), 'তারিখু ইবনু ক্বাযী শুহবাহ' (১/ ৩/ ৪৮৮), 'লাহযুল আলহায' (১৮০), 'আল-মাকসাদুল আরশাদ' (২/ ৮১), সুয়ূতী রচিত 'যাইলো তাযকিরাতিল হুফফাজ' (৩৬৭), 'আল-মানহাজুল আহমাদ' (৫/ ১৬৮), এবং এর সংক্ষিপ্তসার 'আদ-দুররুল মুনাযযাদ' (২/ ৫৭৯), 'আল-জাওহারুল মুনাযযাদ' (৪৬), 'আয-যাইলুত তাম' (১/ ৩৭৩), 'আশ-শাযারাত' (৬/ ৩৩৯), (৫৭৮), 'তাবাকাতুল হুফফাজ' (৫৪০), 'আস-সুহুবুল ওয়াবিলাহ' (২/ ৪৭৪), 'আল-বাদরুত তালি' (১/ ৩২৮) এবং ইবনুল বাদরানের 'আল-মাদখাল' (৪১৪)।

(২) ইবনু ক্বাযী শুহবাহ ও অন্যান্যরা বলেছেন: "প্রথমে তাঁর উপাধি ছিল জামালুদ্দীন।"

(৩) আল-মুনতাকা, নম্বর (১৯)।

(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ১২)
قَالَ: "وَكَانَ اسْمُهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ فَاشْتُهِرَ بـ "رَجَبٍ" لِوِلادَتِهِ فِيْهِ. قَالَ: "وَلَمْ يَكُنْ يَعْرِفُ اسْمَ جَدِّهِ فَكَانَ يَقُوْلُ: "عَبْدُ اللهِ" وَكَذلِكَ هُوَ مَكْتُوْبٌ في طَبَقَةِ السَّمَاعِ حَتَّى تَحَقَّقْتُهُ أَنَا". وَجَدُّهُ هَذَا من أَهْلِ العِلْمِ، ذَكَرهُ ابنُهُ أَحْمَدَ في "مُعْجَمِهِ" المُنْتَقَى(1). وَقَالَ: ". . . البَغْدَادِيُّ، المُقْرِئُ، الحَنْبَلِيُّ، أَبُو التُّقَى سَمِعَ الكَثِيْرَ مِنَ المُفِيْدِ بنِ المُجَلِّخِ، وَابنِ عَزَّازٍ المُقْرِئِ الوَاسِطِيِّ، وَصَفِيِّ الدِّيْنِ .... ابنِ المَالَخَانِيِّ وَغَيْرِهِمْ مِنْ شُيُوْخَ "بَغْدَادَ" وَجَدْنَا لَهُ سَمَاعَ "ثُلَاثِيَّاتُ البُخَارِيِّ" عَلَى ابنِ المَالَخَانِيِّ بَقِرَاءَةِ المُحَدِّثِ. جَمَالِ الدِّيْنِ القَلَانِسِيِّ سَنَةَ سِتٍّ وَثَمَانِيْنَ وَسِتِّمَائَةَ، وَذَكَرَ القَلَانِسِيُّ فِي أَوَلِ الجُزْءِ أنَّ هَذَا التَّارِيْخَ انْتَهَى بِسَمَاعِهِم لِجَمِيْعِ "صَحِيْحِ البُخَارِيِّ" عَلَيْهِ حَدَّثَ بِهِ مِرَارًا، وَسَمِعَهَا مِنْهُ مُحَدِّثُو بَغْدَادَ. وَتُوُفِّيَ في صفر سنة (742 هـ)(2).

وَذَكَرَهُ الحَافِظُ ابنُ رَجَبٍ في "الذَّيْلِ" قَالَ(3): "قُرِئَ عَلَى جَدِّي أَبي أَحْمَدَ رَجَبِ بنِ الحَسَنِ غَيْرَ مَرَّةٍ بـ "بَغْدَادَ" وَأَنَا حَاضِرٌ في الثَّالِثَةِ، وَالرَّابِعَةِ وَالخَامِسَةِ، أَخْبَرَكُمْ أَبُو عَبْدِ اللهِ مُحَمَّدُ بنُ عَبْدِ اللهِ بنِ إِبْرَاهِيْمَ البَزَّارُ سَنَةَ سِتٍّ وَثَمَانِيْنَ وَسِتِّمَائَةَ. . ." ومَعَ هَذَا لَمْ يُتَرْجِمْ لَهُ فِي كِتَابِهِ؟!.

أَمَّا وَالِدُهُ أَحْمَدُ فَعَالِمٌ جَلِيْلٌ، مُقْرِئٌ مَشْهُوْرٌ(4). بَغْدَادِيُّ نَزَلَ "دِمَشْقَ"

--------------------------------------------

(1) المُنْتَقَى رقم (19).

(2) يُرَاجَعُ: تَارِيْخُ ابنِ قَاضِي شُهْبَةَ (2/ 1/ 266)، وَالدُّرَرُ الكَامِنَةُ (2/ 199). قَالَ: "كَانَ يُقْرئُ حِسْبَةً".

(3) الذَّيْلُ عَلَى طَبَقَاتِ الحَنَابِلَةِ (3/ 451).

(4) أَخْبَارُهُ فِي: غَايةِ النِّهَايَةِ (1/ 53)، وَالدُّرَرِ الكَامِنَةِ (1/ 140)، وَإِنْبَاءِ الغُمُرِ (1/ 37)، وَذَكَرَهُ العُلَيْمِيُّ في المَنْهَجِ الأحْمَدِ (5/ 171)، قَالَ: "وَوَالِدُهُ العَالِمُ، الصَّالِحُ، =

তিনি বলেন: "তাঁর নাম ছিল আবদুর রহমান, তবে ওই মাসে (রজব) জন্মগ্রহণ করার কারণে তিনি 'রজব' নামে প্রসিদ্ধি লাভ করেন।" তিনি বলেন: "তিনি তাঁর দাদার নাম জানতেন না, তাই তিনি 'আবদুল্লাহ' বলতেন এবং শ্রবণ স্তরের (তাবাকাতুস সামা) নথিতেও এভাবেই লেখা ছিল, যতক্ষণ না আমি তা নিশ্চিত হয়েছি।" তাঁর এই দাদা ইলম অন্বেষণকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, তাঁর পুত্র আহমদ তাঁর 'আল-মুন্তাকা' নামক 'মু'জাম'-এ তাঁর উল্লেখ করেছেন(১)। এবং তিনি বলেছেন: ". . . বাগদাদী, মুকরি (কুরআন পাঠক), হাম্বলী, আবু তুক্বা; তিনি মুফিদ ইবনুল মুজাল্লিগ, ইবনে আযযায আল-মুকরি আল-ওয়াসিতি এবং সফিউদ্দীন .... ইবনুল মালাখানি ও বাগদাদের অন্যান্য শায়খদের থেকে প্রচুর হাদিস শ্রবণ করেছেন। আমরা ইবনুল মালাখানির নিকট মুহাদ্দিস জামালুদ্দীন আল-কালানিসির কিরাআতে ৬৮৬ হিজরি সালে তাঁর 'সুলাসিয়াতুল বুখারি' শ্রবণ করার প্রমাণ পেয়েছি। আল-কালানিসি এই জুয-এর শুরুতে উল্লেখ করেছেন যে, এই তারিখটি তাঁদের পক্ষ থেকে তাঁর নিকট পুরো 'সহিহ বুখারি' শ্রবণ করার মাধ্যমে সমাপ্ত হয়েছিল; তিনি এটি বারবার বর্ণনা করেছেন এবং বাগদাদের মুহাদ্দিসগণ তা তাঁর থেকে শ্রবণ করেছেন। তিনি ৭৪২ হিজরির সফর মাসে মৃত্যুবরণ করেন(২)।

হাফেজ ইবনে রজব 'আয-যাইল' গ্রন্থে তাঁর উল্লেখ করেছেন; তিনি বলেন(৩): "বাগদাদে আমার দাদা আবু আহমদ রজব ইবনুল হাসানের নিকট একাধিকবার পাঠ করা হয়েছে এবং আমি সেখানে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম মজলিসে উপস্থিত ছিলাম; তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ইবরাহিম আল-বাযযার ৬৮৬ হিজরি সালে . . ." অথচ এতদসত্ত্বেও তিনি তাঁর গ্রন্থে তাঁর জীবনী (তরজমা) উল্লেখ করেননি?!

পক্ষান্তরে তাঁর পিতা আহমদ ছিলেন একজন মহান আলেম এবং প্রসিদ্ধ মুকরি (কুরআন পাঠক)(৪)। তিনি ছিলেন বাগদাদী, তবে দামেস্কে বসতি স্থাপন করেন।

--------------------------------------------

(১) আল-মুন্তাকা, নম্বর (১৯)।

(২) দ্রষ্টব্য: তারিখ ইবনে কাজি শুহবা (২/ ১/ ২৬৬), এবং আদ-দুরারুল কামিনাহ (২/ ১৯৯)। তিনি বলেন: "তিনি আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় (পারিশ্রমিকহীন) কুরআন শিক্ষা দিতেন।"

(৩) আয-যাইল আলা তাবাকাতিল হানাবিলাহ (৩/ ৪৫১)।

(৪) তাঁর সংবাদ রয়েছে: গায়াতুন নিহায়া (১/ ৫৩), আদ-দুরারুল কামিনাহ (১/ ১৪০), ইনবাউল গুমুর (১/ ৩৭); আল-উলাইমি 'আল-মানহাজুল আহমাদ' (৫/ ১৭১) গ্রন্থে তাঁর উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: "আর তাঁর পিতা আলেম, নেককার, =

(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ১৩)
وَبِهَا مَاتَ سَنَةَ (774 هـ)، أَوْ سَنَةَ (775 هـ). قَالَ ابنُ الجَزَرِيِّ(1): "شَيْخُنَا الصَّالِحُ الكَبِيْرُ القَدْرِ، قَرَأَ السَّبْعَ عَلَى أبي مُحَمَّدٍ عَبْدِ اللهِ بنِ مُؤْمِنٍ الوَاسِطِيِّ، وسَمِعَ مِنْهُ العَشْرَ، وَرَوَى "الشَّاطِبِيَّةَ" عَنِ القَاضِي أَبي عَبْدِ اللهِ مُحَمَّدِ بنِ جَمَاعَةَ إِجَازَةً. قَرَأَ عَلَيْهِ الشَّيْخُ مُحَمَّدُ بنُ يُوْسُفَ الصُّغْدِيُّ، وَيَحْيَى الضَّرِيْرُ، وَمَحْمُوْدُ بنُ عَبْدِ اللهِ السَّمْنَانِيُّ. قَرَأْتُ عَلَيْهِ بَعْضَ القُرْآنَ بِالقِرَاءَاتِ، وَكَثِيْرًا مِنْ كُتُبِ القِرَاءَاتِ. . ." وفِي "الدُّرَرِ الكَامِنَةِ"(2) مَوْلِدَهُ سَنَةَ (644 هـ)، وَهَذَا مُحَالٌ، فَقَدْ سَبَقَ ذِكْرُ وَفَاةِ وَالِدِهِ سَنَةَ (742 هـ)، وَذَكَرَ وَفَاتَهُ سَنَةَ (774 أَو 775 هـ). وَذَكَرَهُ الحَافِظُ ابنُ حَجَرٍ في "إِنْبَاءِ الغُمُرِ"(3) في وَفَيَاتِ سَنَةَ (774 هـ) وَقَالَ: "وَمَاتَ فِي هَذِهِ السَنَةِ أَو في الَّتِي قَبْلَهَا" كَذَا؟! وَلَعَلَّ القَصْدَ أَوْ فِي الَّتِي بَعْدَهَا وَفِي "غَايَةِ النِّهَايَةِ" "تُوُفِّي لَيْلَةَ الأَرْبِعَاءِ ثاني رَبِيْعٍ الآخِرِ سَنَةَ خَمْسٍ وَسَبْعِيْنَ وَسَبْعَمِائَةَ بِـ "دِمَشْقَ" وَدُفِنَ مِنَ الغَدِ بِمَقَابِرِ الصُّوْفِيَّةِ" وَلَعلَّ هَذَا هُوَ الصَّحِيْحُ لتَحْدِيْدِهِ اليَوْمِ وَالشَّهْرِ وَالسَّنَةِ وَالمَكَانِ.

وَوَصَفَهُ الحَافِظُ ابنُ حَجَرٍ في "إِنْبَاءِ الغُمُرِ"(4) "بِأَنَّهُ كَانَ ذَا خَيْرٍ وَدِيْن وَعَفَافٍ"، وَفِي "الدُّرَرِ الكَامِنَةِ"(5) "وَانْتَفَعَ النَّاسُ بِهِ، وَكَانَ دَيِّنًا خَيِّرًا، عَفِيْفًا".

--------------------------------------------

= المُقْرِئُ، المُحَدَّثُ. . .".

(1) غَايَةُ النِّهَايَةِ (1/ 53).

(2) الدُّرَرُ الكَامِنَةُ (1/ 140).

(3) إنْبَاءُ الغَمْرَ (1/ 37).

(4) المَصْدَرُ نَفْسُهُ.

(5) الدُّرَرُ الكَامِنَةُ (1/ 140).

এবং সেখানে তিনি ৭৭৪ হিজরি অথবা ৭৭৫ হিজরি সালে মৃত্যুবরণ করেন। ইবনুল জাযারি(১) বলেন: "আমাদের শায়খ, অত্যন্ত নেককার ও উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব, তিনি আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে মুমিন আল-ওয়াসিতির নিকট সাত কিরাত পড়েছেন এবং তার কাছ থেকে দশ কিরাত শুনেছেন। তিনি ইজাজতসূত্রে কাজি আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে জামাআহ থেকে 'শাতবিয়্যাহ' বর্ণনা করেছেন। তার নিকট শায়খ মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ আস-সুগদি, ইয়াহইয়া আদ-দারির এবং মাহমুদ ইবনে আবদুল্লাহ আস-সামনানি কিরাত পাঠ করেছেন। আমি তার নিকট কিরাতসহ কুরআনের কিছু অংশ এবং কিরাত বিষয়ক অনেক গ্রন্থ পড়েছি..." এবং 'আদ-দুরারুল কামিনাহ'(২) গ্রন্থে তার জন্ম সাল ৬৪৪ হিজরি উল্লেখ করা হয়েছে, যা অসম্ভব। কারণ ইতিপূর্বে তার পিতার মৃত্যু ৭৪২ হিজরিতে হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে এবং তার মৃত্যু ৭৭৪ বা ৭৭৫ হিজরি উল্লেখ করা হয়েছে। হাফেজ ইবনে হাজার 'ইনবাউল গুমুর'(৩) গ্রন্থে ৭৭৪ হিজরির মৃত্যু তালিকায় তাকে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: "তিনি এই বছরে অথবা এর আগের বছরে মারা গেছেন"—এরূপ?! সম্ভবত এর উদ্দেশ্য ছিল 'অথবা এর পরের বছরে'। 'গায়াতুন নিহায়াহ' গ্রন্থে রয়েছে: "তিনি ৭৭৫ হিজরির ২রা রবিউস সানি বুধবার দিবাগত রাতে দামেস্কে মৃত্যুবরণ করেন এবং পরের দিন সুফিয়া গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।" সম্ভবত এটিই সঠিক, কারণ এতে দিন, মাস, বছর এবং স্থান সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

হাফেজ ইবনে হাজার 'ইনবাউল গুমুর'(৪) গ্রন্থে তাকে এভাবে বর্ণনা করেছেন যে, "তিনি কল্যাণময়, ধর্মপ্রাণ ও সচ্চরিত্রবান ছিলেন।" এবং 'আদ-দুরারুল কামিনাহ'(৫) গ্রন্থে বলা হয়েছে: "মানুষ তার দ্বারা উপকৃত হয়েছিল, তিনি ধর্মপ্রাণ, কল্যাণকামী ও সচ্চরিত্রবান ছিলেন।"

--------------------------------------------

= মুকরি (কিরাত বিশারদ), মুহাদ্দিস...

(১) গায়াতুন নিহায়াহ (১/ ৫৩)।

(২) আদ-দুরারুল কামিনাহ (১/ ১৪০)।

(৩) ইনবাউল গুমুর (১/ ৩৭)।

(৪) একই উৎস।

(৫) আদ-দুরারুল কামিনাহ (১/ ১৪০)।

(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ১৪)
لَهُ "مُعْجَمُ شُيُوْخٍ" مَشْهُوْرٌ قَالَ الحَافِظُ ابنُ حَجَرٍ(1): "وَخَرَّجَ لِنَفْسِهِ "مُعْجَمًا" مُفِيْدًا رَأَيْتُهُ" وَيُوْجَدُ من مُعْجَمِهِ مُنْتَقَىً لَدَيَّ مُصَوَّرَتُهُ(2) يَشْتَمِلُ عَلَى (247) شَيْخًا، وَالمُعْجَمُ نَفْسُهُ أَكْثَرُ مِنْ ذلِكَ بِكَثِيْرٍ فَقَدْ نَقَلَ عنه ابن قَاضِي شُهْبَةَ في تَارِيْخِهِ(3)، وَنَسَبَ إِلَى "المُعْجَمِ" شُيُوْخًا لم يَرِدُوا في المُنْتَقَى. وَرَجَّحْتُ أَنَّ المُنْتَقِي هُوَ ابنُ قاضِي شُهْبَةَ تقيُّ الدِّين أَحْمَدَ (ت: 851 هـ) نَفْسُهُ. وَيَظْهَرُ أَنَّ لِشِهَابِ الدِّيْنِ أَحْمَدَ بنِ رَجَبٍ أَوْلَادٌ لَمْ يَتَمَيَّزْ مِنْهُمْ إِلَّا زَيْنُ الدِّيْنِ أَبُو الفَرَجِ عَبْدُ الرَّحْمَن بنُ أَحْمَدَ. قَالَ الحَافِظُ ابنُ حَجَرٍ(4): "وَرَحَلَ إِلَى "دِمَشْقَ" بَأَوْلَادِهِ فَأَسْمَعَهُمْ بِهَا وَ"بِالحِجَازِ" وَ"القُدْسِ". . ." وَقَالَ(5): "وَرَحَلَ إِلَى "دِمَشْقَ" وَ"مِصْرَ" وَغَيْرِهِمَا، وَسَمَّعَ وَلَدَهُ الشَّيْخَ زَيْنَ الدِّيْنِ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بنَ رَجَبٍ المُحَدِّثَ المَشْهُوْرَ الكَثِيْرَ".

مَوْلِدُهُ وَنَشْأَتُهُ:

مَوْلِدُهُ بِـ "بَغْدَادَ" فِي رَبِيْعٍ الأَوَّلِ سَنَةَ (736 هـ) - بِلا خِلَافٍ - وَنَشَأَ نَشْأَةً عِلْمِيَّةً فَقَدْ وُلِدَ فِي بَيْتِ عِلْمٍ، فَوَالِدُهُ وَجَدُّهُ مِنَ العُلَمَاءِ كَمَا أَسْلَفْنَا، فَقَدْ حَضَرَ فِي

--------------------------------------------

(1) المَصدَرُ السابق.

(2) أَتْحَفَنِي بِهَا أَخِي الفَاضِلُ الشَّيْخُ نِظَامُ اليَعْقُوبِيُّ جَزَاهُ اللهُ عَنِّي خيرًا.

(3) فِي مَوَاضِعَ كَثِيْرَةٍ جِدًّا مِنْ "تَارِيْخِهِ" يُرَاجَعُ: 2/ 1/ 141، 167، 177، 181، 182، 257، 258، 266، 335، 369، 374، 383، 401، 470، 475، 522، 536، 561، 600، 604، 605، 615، 622، 632، 653، 658، 659، 660، 689، 693، 697، 706، 707 … وَغَيْرها.

(4) إِنْبَاءُ الغُمُرِ (1/ 37).

(5) الدُّرَرُ الكَامِنَةُ (1/ 140).

তাঁর একটি প্রসিদ্ধ 'মুজামুশ শুয়ুখ' (শিক্ষকগণের অভিধান) রয়েছে। হাফেজ ইবনে হাজার(১) বলেন: "তিনি নিজের জন্য একটি উপকারী 'মুজাম' সংকলন করেছেন, যা আমি দেখেছি।" তাঁর সেই মুজামের একটি চয়িত অংশ (মুনতাকা) পাওয়া যায় যার অনুলিপি আমার নিকট রক্ষিত আছে(২), যা ২৪৭ জন শিক্ষককে অন্তর্ভুক্ত করে। মূল মুজামটি এর চেয়ে অনেক বড়। ইবনে কাজি শুহবাহ তাঁর ইতিহাসে(৩) তা থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন এবং এই 'মুজাম'-এর সাথে এমন সব শিক্ষকদের নাম সম্পৃক্ত করেছেন যারা চয়িত অংশে (মুনতাকা) বর্ণিত হননি। আমি মনে করি যে, চয়নকারী স্বয়ং ইবনে কাজি শুহবাহ তাকিউদ্দীন আহমদ (মৃত: ৮৫১ হি.)। এটি প্রতীয়মান হয় যে, শিহাবুদ্দীন আহমদ বিন রজবের আরও সন্তান ছিল, তবে যয়নুদ্দীন আবুল ফারাজ আবদুর রহমান বিন আহমদ ব্যতীত তাঁদের মধ্যে কেউ পরিচিতি লাভ করেননি। হাফেজ ইবনে হাজার(৪) বলেন: "তিনি তাঁর সন্তানদের নিয়ে দামেস্কে সফর করেন এবং সেখানে, হিজাজে ও কুদসে তাঁদের হাদিস শ্রবণ করান..." এবং তিনি আরও বলেন(৫): "তিনি দামেস্ক, মিশর ও অন্যান্য স্থানে সফর করেন এবং তাঁর পুত্র শেখ যয়নুদ্দীন আবদুর রহমান বিন রজবকে হাদিস শ্রবণ করান, যিনি একজন প্রসিদ্ধ ও প্রাজ্ঞ মুহাদ্দিস।"

তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠা:

তাঁর জন্ম বাগদাদে ৭৩৬ হিজরির রবিউল আউয়াল মাসে—এ বিষয়ে কোনো মতভেদ নেই—এবং তিনি একটি ইলমি পরিবেশে বেড়ে ওঠেন। কেননা তিনি একটি জ্ঞানী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন; তাঁর পিতা ও দাদা উভয়েই আলেম ছিলেন যেমনটি আমরা পূর্বে উল্লেখ করেছি। তিনি উপস্থিত হয়েছিলেন

--------------------------------------------

(১) পূর্বোক্ত উৎস।

(২) আমার শ্রদ্ধেয় ভাই শেখ নিজাম ইয়াকুবি এটি আমাকে উপহার দিয়েছেন, আল্লাহ তাঁকে আমার পক্ষ থেকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।

(৩) তাঁর 'ইতিহাস' (তারিখ) গ্রন্থের অনেক স্থানে; দ্রষ্টব্য: ২/ ১/ ১৪১, ১৬৭, ১৭৭, ১৮১, ১৮২, ২৫৭, ২৫৮, ২৬৬, ৩৩৫, ৩৬৯, ৩৭৪, ৩৮৩, ৪০১, ৪৭০, ৪৭৫, ৫২২, ৫৩৬, ৫৬১, ৬০০, ৬০৪, ৬০৫, ৬১৫, ৬২২, ৬৩২, ৬৫৩, ৬৫৮, ৬৫৯, ৬৬০, ৬৮৯, ৬৯৩, ৬৯৭, ৭০৬, ৭০৭ … এবং অন্যান্য।

(৪) ইনবাউল গুমুর (১/ ৩৭)।

(৫) আদ-দুরারুল কামিনাহ (১/ ১৪০)।

(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ১৫)
الثَّالِثَةِ وَالرَّابِعَةِ وَالخَامِسَةِ عَلَى جَدِّهِ رَجَبٍ، وَصَحِبَ وَالِدَهُ في رِحْلَتِهِ إِلَى "دِمَشْقَ" وَ"بَيْتِ المَقْدِسِ" وَ"مِصْرَ" وَ"الحِجَازِ" وَسَمِعَ - في زَمَنٍ مُتَقَدِّمٍ - عَلَى شُيُوْخٍ مِنْهُمْ مُحَمَّدُ بنُ عَبْدِ العَزِيْزِ المُؤَذِّنُ الوَرَّاقُ(1) سَمِعَ عَلَيْهِ "صَحِيْحَ البُخَارِيِّ" حُضُوْرًا فِي الرَّابِعَةِ مِنْ كِتَابِ "النِّكَاحِ" بِكَمَالِهِ. وَحَضَرَ عَلَى عَبْدِ الرَّحِيْمِ بنِ عَبْدِ اللهِ الزَّرِيْرَانِيِّ وَهُوَ صَغِيْرٌ، قَالَ(2): "وَحَضَرْتُ دَرْسَهُ وَأَنَا إِذْ ذَاكَ صَغِيْرٌ لَا أُحِقُّهُ جَيِّدًا" كَمَا حَضَرَ عَلَى عَلِيِّ بنِ عَبْدِ الصَّمَدِ وَهُوَ صَغِيرٌ أَيْضًا قَالَ(3): "أَخْبَرَنَا [أَبُو] الرَّبِيْعِ عَلِيُّ بنُ عَبْدِ الصَّمَدِ البَغْدَادِيُّ بِهَا قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا فِي الخَامِسَةِ" وَقَالَ(4): "قُرِئَ عَلَى أَبي الرَّبِيْعِ عَلِيُّ بنُ عَبْدِ الصَّمَدِ بنِ أَحْمَدَ بنِ أَبي الجَيْشِ وَأَنَا أَسْمَعُ سَنَةَ إِحْدَى وَأَرْبَعِيْنَ وَسَبْعِمَائَةَ بِـ "بَغْدَادَ" أَخْبَرَكَ وَالِدُكَ. . ." وَسَمَعَ عَلَيْهِ هُوَ وَأَبُوْهُ مَعًا(5).

وأَجَازَ لَهُ صَفِيُّ الدِّيْنِ عَبْدُ المُؤْمِنِ بنُ عَبْدِ الحَقِّ البَغْدَادِيُّ (ت: 739 هـ)(6) وَتوُفِّي عَبْدُ المُؤْمِنِ وَالحَافِظُ ابنُ رَجَبٍ لَمْ يَتَجَاوَزَ الثَّالِثَةَ، وفي هَذَهِ الإِجَازَةِ حَدَّثَ عَنْهُ كَثِيْرًا في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ"(7)، وَبَهَذِةِ الإِجَازَةِ أَيْضًا يَصِفُهُ بِـ "شَيْخِنَا" وَيُبِيْحُ لِنَفْسِهِ الرِّوَايَةَ عَنْهُ، قَالَ: "أَنْشَدَنِي شَيْخُنَا الإِمَامُ صَفِيُّ الدِّيْنِ في كِتَابِهِ لِنَفْسِهِ.

--------------------------------------------

(1) الذَّيْلُ عَلَى طَبَقَاتِ الحَنَابِلَةِ (4/ 114)، وَهُوَ حَنْبَلِيٌّ لَمْ يُتَرْجِمْ لَهُ المُؤَلِّفُ؟!.

(2) المَصْدَرُ نَفْسُهُ (5/ 105).

(3) المَصْدَرُ نَفْسُهُ (1/ 151).

(4) المَصْدَرُ نَفْسُهُ (3/ 376، 421).

(5) المَصْدَرُ نَفْسُهُ (4/ 141)، وَمُعْجَمُ ابنِ رَجَبٍ "المُنْتَقَى" رقم (28).

(6) المَصْدَرُ نَفْسُهُ (4/ 298).

(7) سَيَأْتي ذلِكَ في مَبْحَثَ شُيُوْخِهِ، يُنْظَرُ: الذَّيْلُ (4/ 81).

তিন, চার ও পাঁচ বছর বয়সে তাঁর দাদা রজবের নিকট (পাঠ গ্রহণ করেন), এবং তিনি দামেশক, বায়তুল মাকদিস, মিসর ও হিজাযে তাঁর পিতার সাথে সফর করেন এবং বাল্যকালেই বহু শাইখের নিকট হাদীস শ্রবণ করেন; তাঁদের মধ্যে মুহাম্মাদ বিন আব্দুল আযীয আল-মুয়াযযিন আল-ওয়াররাক(১) অন্যতম, তিনি চার বছর বয়সে 'কিতাবুন নিকাহ' সম্পূর্ণ হওয়ার সময় উপস্থিত থেকে তাঁর নিকট 'সহীহ বুখারী' শ্রবণ করেন। এবং তিনি শৈশবকালে আব্দুর রহীম বিন আব্দুল্লাহ আয-যুরীরানীর নিকট উপস্থিত হয়েছেন। তিনি বলেছেন(২): "আমি তাঁর পাঠে উপস্থিত হয়েছিলাম, তখন আমি ছোট ছিলাম বিধায় তা ভালোভাবে অনুধাবন করতে পারিনি।" একইভাবে তিনি শৈশবকালে আলী বিন আব্দুস সামাদের নিকটও উপস্থিত হয়েছেন। তিনি বলেছেন(৩): "আবু রবী‘ আলী বিন আব্দুস সামাদ আল-বাগদাদী বাগদাদে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যখন তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল, আর আমার বয়স তখন পাঁচ বছর।" এবং তিনি বলেছেন(৪): "সাতশত একচল্লিশ হিজরীতে বাগদাদে আবু রবী‘ আলী বিন আব্দুস সামাদ বিন আহমাদ বিন আবিল জায়শের নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি তা শুনছিলাম, (সেখানে বলা হয়েছে) আপনার পিতা আপনাকে অবহিত করেছেন..." এবং তিনি ও তাঁর পিতা উভয়েই একত্রে তাঁর নিকট শ্রবণ করেছেন(৫)।

সাফীউদ্দীন আব্দুল মুমিন বিন আব্দুল হক আল-বাগদাদী (মৃ. ৭৩৯ হি.)(৬) তাঁকে ইজাযত প্রদান করেছেন। আব্দুল মুমিন যখন ইন্তেকাল করেন, হাফেয ইবনে রজবের বয়স তখন তিন বছরও পার হয়নি; এই ইজাযতের ভিত্তিতে তিনি 'যায়লুত তাবাকাত'-এ তাঁর থেকে অনেক বর্ণনা করেছেন(৭)। এই ইজাযতের কারণেই তিনি তাঁকে 'আমাদের শাইখ' হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং তাঁর থেকে বর্ণনা করাকে নিজের জন্য বৈধ রেখেছেন। তিনি বলেছেন: "আমাদের শাইখ ইমাম সাফীউদ্দীন তাঁর কিতাবে স্বরচিত কবিতা আমাকে পাঠ করে শুনিয়েছেন।"

--------------------------------------------

(১) যায়লু আলা তাবাকাতিল হানাবিলাহ (৪/১১৪), আর তিনি একজন হাম্বলী, তবে লেখক কি তাঁর জীবনী উল্লেখ করেননি?!

(২) একই উৎস (৫/১০৫)।

(৩) একই উৎস (১/১৫১)।

(৪) একই উৎস (৩/৩৭৬, ৪২১)।

(৫) একই উৎস (৪/১৪১), এবং ইবনে রজবের মু'জাম 'আল-মুনতাকা' নং (২৮)।

(৬) একই উৎস (৪/২৯৮)।

(৭) এটি তাঁর শাইখদের আলোচনায় আসবে, দেখুন: যায়ল (৪/৮১)।

(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ১৬)
وَمِثْلُهُ تَمَامًا أَجَازَ لَهُ الحَافِظُ القَاسِمُ بنُ مُحَمَّدٍ البِرْزَالِيُّ (ت: 739 هـ)(1) في الثَّالِثَةِ أَيْضًا، قَالَ: "أنْبَأَنِي القَاسِمُ بنُ مُحَمَّدٍ الحَافِظُ" وَقَالَ: "أَنْبَأَنِي البِرْزَالِيُّ، وَنَقَلْتُهُ مِنْ خَطِّهِ. . ." وَمَعَ أَنَّهُ نَقَلَ عَنْ "تَارِيْخِهِ" وَ"مُعْجَمِهِ" في مَوَاضِعَ مِنْ كِتَابِهِ لَمْ يُوْرِدْهَا بِصِيْغَةِ التَّحْدِيْثِ أَوِ الإِخْبَارِ أَوِ الإِنْبَاءِ؟! وَهَذَا غَرِيْبٌ.

وَسَيَأْتِي فِي مَبْحَثِ شُيُوْخِهِ أَنَّ كَثِيْرًا مِنْهُم تُوُفِّي وَعُمُرُهُ دُوْنَ العِشْرِيْنَ، وَأَنَّ أَغْلَبَ شُيُوْخِهِ مِنْ شُيُوْخِ وَالِدِهِ الَّذِي كَانَ حَرِيْصًا عَلَى السَّمَاعِ، وَإِسْمَاعِ وَالِدِهِ زَيْنِ الدِّيْنِ رَحِمَهُمَا اللهُ تَعَالَى.

 

‌‌رِحْلَتُهُ فِي طَلَبِ العِلْمِ:

رَحَلَ مَعَ وَالِدِهِ إِلَى "دِمَشْقَ" سَنَةَ (744 هـ)(2) فَلَقِيَ بَقِيَّةَ المُسْنِدِيْنَ هُنَاكَ وَمِنْهُمْ: شَمْسُ الدِّيْنِ ابنُ الخَبَّازِ، وَإِبْرَاهِيْمُ بنُ دَاوُدَ العَطَّارُ، وَابنُ النَّقِيْبِ، وَابْنُ قَيِّمِ الجَوْزِيَّة، وَعَلِيُّ بنُ المُنَجَّى، وَقَرَأَ عَلَيْهِ جُزْءًا فِيْهِ الأَحَادِيْثِ الَّتِي رَوَاهَا مُسْلِمٌ فِي "صَحِيْحِهِ" عَنِ الإِمَامِ أَحْمَدَ. وَيُوْسُفُ بنُ عَبْدِ اللهِ بنِ العَفِيْفِ النَّابُلُسِيُّ قَرَأَ عَلَيْهِ بِهَا "سُنَنَ ابنِ مَاجَه" وَغَيْرُهُمْ. ثُمَّ زَارَ "بَيْتَ المَقْدِسِ" وَلَقِيَا مُحَدِّثَهَا خَلِيْلَ بنَ كَيْكَلْدَى صَلَاحَ الدِّيْنِ العَلَائِيَّ (ت: 760 هـ) وَدَخَلَا "نَابُلُسَ" فَسَمِعَ بِهَا مِنْ أَصْحَابِ عَبْدِ الحَافِظِ بنِ بَدْرَانَ (ت: 698 هـ)، قَالَ الحَافِظُ ابنُ رَجَبٍ في تَرْجَمَتِهِ(3): "قُلْتُ: حَدَّثَنَا عَنْهُ جَمَاعَةٌ مِنْ أصْحَابِهِ بـ "دِمَشْقَ" وَ"نَابُلُسَ" وَقَرَأْتُ

--------------------------------------------

(1) الذَّيْلُ (3/ 294، 4/ 48).

(2) تَارِيْخُ ابنِ قَاضِي شُهْبَةَ (3/ 1/ 488).

(3) الذَّيْلُ عَلَى طَبَقَاتِ الحَنَابِلَةِ (4/ 305).

ঠিক একইভাবে হাফেজ কাসেম বিন মুহাম্মদ আল-বিরজালি (মৃত্যু: ৭৩৯ হিজরি)(১) তাঁকে তৃতীয় পর্যায়েও ইজাজত প্রদান করেছেন। তিনি বলেন: "হাফেজ কাসেম বিন মুহাম্মদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন" এবং তিনি বলেন: "আল-বিরজালি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, এবং আমি তা তাঁর হস্তাক্ষর থেকে নকল করেছি..." এবং সত্য এই যে, তিনি তাঁর কিতাবের বিভিন্ন স্থানে তাঁর "তারিখ" এবং "মুজাম" থেকে উদ্ধৃতি দিলেও সেগুলোকে বর্ণনা, সংবাদ প্রদান কিংবা অবহিতকরণের পরিভাষা সহকারে উল্লেখ করেননি?! আর এটি একটি বিস্ময়কর বিষয়।

তাঁর উস্তাদদের আলোচনায় সামনে আসবে যে, তাঁদের মধ্যে অনেকেই বিশ বছরের কম বয়সে ইন্তেকাল করেছেন। আর তাঁর অধিকাংশ উস্তাদই ছিলেন তাঁর পিতার উস্তাদ, যিনি (পিতা) শ্রবণের ব্যাপারে এবং তাঁর পিতা যয়নুদ্দীনের (আল্লাহ তাআলা তাঁদের উভয়ের ওপর রহম করুন) শ্রবণের ব্যাপারে অত্যন্ত আগ্রহী ছিলেন।

 

‌‌ইলম অর্জনে তাঁর সফর:

তিনি তাঁর পিতার সঙ্গে (৭৪৪ হিজরি)(২) সালে "দামেশক" সফর করেন। সেখানে তিনি অবশিষ্ট উচ্চ সনদধারী বর্ণনাকারীদের সাথে সাক্ষাৎ করেন, যাঁদের মধ্যে ছিলেন: শামসুদ্দীন ইবনুল খাব্বাজ, ইব্রাহিম বিন দাউদ আল-আত্তার, ইবনুন নাকীব, ইবনুল কাইয়্যিম আল-জাওজিয়্যাহ এবং আলী বিন আল-মুনাজ্জা। তিনি তাঁর নিকট এমন একটি অংশ পাঠ করেন যাতে সেই হাদিসগুলো রয়েছে যেগুলো ইমাম মুসলিম তাঁর "সহিহ" গ্রন্থে ইমাম আহমাদ থেকে বর্ণনা করেছেন। এছাড়া ইউসুফ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-আফীফ আল-নাবলুসী সেখানে তাঁর নিকট "সুনান ইবনে মাজাহ" পাঠ করেন এবং আরও অনেকেই ছিলেন। এরপর তিনি "বাইতুল মাকদিস" সফর করেন এবং সেখানকার মুহাদ্দিস খলিল বিন কায়কালদী সালাহুদ্দীন আল-আলায়ী (মৃত্যু: ৭৬০ হিজরি)-র সাথে সাক্ষাৎ করেন। তাঁরা উভয়ই "নাবলুস"-এ প্রবেশ করেন এবং সেখানে আবদুল হাফিজ বিন বদরান (মৃত্যু: ৬৯৮ হিজরি)-এর শিষ্যদের নিকট থেকে শ্রবণ করেন। হাফেজ ইবনে রজব তাঁর জীবনীতে(৩) বলেছেন: "আমি বলছি: তাঁর একদল শিষ্য আমাদের নিকট 'দামেশক' ও 'নাবলুস'-এ তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং আমি পাঠ করেছি..."

--------------------------------------------

(১) আয-যাইল (৩/২৯৪, ৪/৪৮)।

(২) তারিখ ইবনে কাজি শুহবা (৩/১/৪৮৮)।

(৩) আয-যাইল আলা তাবাকাতিল হানাবিলাহ (৪/৩০৫)।

(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ১৭)
"سُنَنَ ابنِ مَاجَه" بِـ "دِمَشْقَ" عَلَى الشَّيْخِ جَمَالِ الدِّيْنِ يُوْسُفَ بنِ عَبْدِ اللهِ بنِ مُحَمَّدٍ النَّابُلُسِيِّ الفَقِيْهِ الفَرَضِيِّ بِسَمَاعِهِ مِنْهُ".

ثُمَّ انْتَقَلَا إِلَى "مِصْرَ" فَلَقِيَا هُنَاكَ جُمْلَةً مِنَ العُلَمَاءِ مِنْ أَشْهَرِهِمْ: أَبُو الفَتْحِ مُحَمَّدُ بنُ مُحَمَّدِ بنِ إِبْرَاهِيْمَ المَيْدُوْمِيُّ، وَأَبِي الحَرَمِ مُحَمَّدِ بنِ مُحَمَّدٍ القَلَانِسِيُّ، وَمُحَمَّدُ بنُ إِسْمَاعِيْلَ الأَيُّوْبِيُّ، وَعِزُّ الدِّين بنُ جَمَاعَةٍ … وَغَيْرِهِمْ. وَسَمِعَ بِـ "القَاهِرَةِ" "مَشْيَخَة قَاضِي المَارِسْتَانَ" وَيَظْهَرُ أَنَّهُمَا عَادَا إِلَى "بَغْدَادَ" قَبْلَ سَنَةِ (748 هـ).

ثُمَّ رَحَلَا إِلَى "الحِجَازِ" فَدَخَلا "مَكَّةَ" - شَرَّفَهَا اللهُ تَعَالَى - سَنَةَ (749 هـ)، وَفِي طَرِيْقِهِمَا إِلَيْهِ مَرَّا بـ "صَرْصَرَ"(1) وَ"الحِلَّةِ المَزْيَدِيَّةِ"(2) وَسَمِعَ الحَافِظُ بِهَا "ثُلَاثِيَّاتِ البُخَارِيِّ" عَلَى أَبِي حَفْصٍ، يَظْهَرُ أَنَّهُ عُمَرُ بنُ عَلِيٍّ القَزْوِيْنِيُّ. وَهَذَا يَدُلُّ عَلَى أَنَّهُ رَجَعَ إِلَى "بَغْدَادَ" بَعْدَ ذلِكَ، ثُمَّ مِنْهَا سَافَرَ إِلَى "الحِجَازِ"، وَسَمِعَ بِـ "مَكَّةَ" - شَرَّفَهَا اللهُ - مِنْ عُثْمَانَ بنِ يُوْسُفَ فَخْرِ الدِّيْنِ النُّوَيْرِيِّ(3). وَبـ "المَدِيْنَةِ" - عَلَى سَاكِنِهَا أَفْضَلُ الصَّلَاةِ والسَّلَامِ. وَسَمِعَ بِهَا عَلَى مؤرِّخِهَا وَخَطِيْبُهَا مُحَمَّدِ بنِ عَبْدِ اللهِ الخَزْرَجِيِّ عَفِيْفِ الدِّيْنِ المَطَرِيِّ (ت: 765 هـ)(4).

وَلَا أَدْرِي هَلْ عَادَ بَعْدَ ذلِكَ إِلَى "بَغْدَادَ" أَوْ إِلَى "دِمَشْقَ" لكِنَّهُ حَجَّ سَنَةَ (763 هـ)

--------------------------------------------

(1) جَاءَ فِي تَرْجَمَةِ يَحْيَى الصَّرْصَرِيِّ (4/ 73) قَالَ: "وَحُمِلَ إِلَى "صَرْصَرَ" فَدُفِنَ بِهَا، وَزُرْتُ قَبْرَهُ بِهَا حِيْنَ تَوَجَّهْنَا إِلَى "الحِجَازِ" سَنَةَ تِسْعٍ وَأَرْبَعِيْنَ وَسَبْعِمَائَةَ".

(2) الذَّيْلُ عَلَى طَبَقَاتِ الحَنَابِلَةِ (5/ 147).

(3) يُرَاجَعُ مَبْحَثُ شُيُوْخِهِ.

(4) الذَّيْلُ عَلَى طَبَقَاتِ الحَنَابِلَةِ (4/ 154).

"দামেস্কে" ফকিহ ও ফারায়েদ বিশেষজ্ঞ শাইখ জামালুদ্দিন ইউসুফ বিন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আন-নাবুলুসীর নিকট তাঁর সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে "সুনানে ইবনে মাজাহ" (অধ্যয়ন করেন)।

অতঃপর তাঁরা উভয়ে "মিসরে" গমন করেন এবং সেখানে একদল আলেমের সাথে সাক্ষাৎ করেন, যাদের মধ্যে সর্বাধিক প্রসিদ্ধ হলেন: আবুল ফাতহ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আল-মাইদুমি, আবুল হারাম মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-কালানিসি, মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-আইয়ুবি, ইজ্জুদ্দিন বিন জামাআহ … এবং অন্যান্যরা। এবং তিনি "কায়রোতে" "মাশয়াখাতু কাজিল মারিস্তান" শ্রবণ করেন এবং প্রতীয়মান হয় যে, তাঁরা উভয়ে (হিজরি) ৭৪৮ সালের পূর্বেই "বাগদাদে" ফিরে এসেছিলেন।

অতঃপর তাঁরা উভয়ে "হিজাজে" সফর করেন এবং (হিজরি) ৭৪৯ সালে "মক্কায়" —আল্লাহ তাআলা তাকে সম্মানিত করুন— প্রবেশ করেন। সেখানে যাওয়ার পথে তাঁরা "সারসার"(১) এবং "হিল্লাতুল মাজইয়াদিয়্যাহ"(২) অতিক্রম করেন। হাফেজ সেখানে আবু হাফসের নিকট "সুলাসিয়াতে বুখারি" শ্রবণ করেন; প্রতীয়মান হয় যে তিনি হলেন ওমর বিন আলি আল-কাজভিনি। এটি নির্দেশ করে যে তিনি এরপর "বাগদাদে" ফিরে এসেছিলেন, অতঃপর সেখান থেকে পুনরায় "হিজাজে" সফর করেন এবং "মক্কায়" —আল্লাহ তাকে সম্মানিত করুন— ওসমান বিন ইউসুফ ফখরুদ্দিন আন-নুয়াইরির(৩) নিকট শ্রবণ করেন। আর "মদিনায়" —তার অধিবাসীর প্রতি সর্বোত্তম দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক— সেখানকার ইতিহাসবিদ ও খতিব আফিফুদ্দিন আল-মাতাররি (মৃত্যু: ৭৬৫ হি.) খ্যাত মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল-খাজরাজির(৪) নিকট শ্রবণ করেন।

এরপর তিনি "বাগদাদে" নাকি "দামেস্কে" ফিরেছিলেন তা আমার জানা নেই, তবে তিনি (হিজরি) ৭৬৩ সালে হজ পালন করেছিলেন।

--------------------------------------------

(১) ইয়াহইয়া আস-সারসারির জীবনীতে (৪/ ৭৩) এসেছে, তিনি বলেন: "তাঁকে 'সারসার'-এ নিয়ে আসা হয় এবং সেখানেই তাঁকে দাফন করা হয়। আমরা যখন সাত শত উনপঞ্চাশ (৭৪৯) হিজরিতে হিজাজের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হই, তখন আমি সেখানে তাঁর কবরের জিয়ারত করেছিলাম।"

(২) আয-জাইলু আলা তাবাকাতিল হানাবিলাহ (৫/ ১৪৭)।

(৩) তাঁর শাইখগণের সংক্রান্ত আলোচনাটি দেখুন।

(৪) আয-জাইলু আলা তাবাকাতিল হানাবিলাহ (৪/ ১৫৪)।

(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ১৮)
قَالَ - فِي تَرْجَمَةِ عُمَرَ بنِ إِدْرِيْسَ الأَنْبَارِيِّ(1) -: "وَقَدْ جَمَعْتُ بَيْنَهُ وَبَيْنَ قَاضِي قُضَاةِ "مِصْرَ" المُوَفَّقِ(2)، وَابنِ جَمَاعَةَ بِمِنًى، يَوْمَ القَرِّعَامَ ثَلَاثٍ وَسِتِّيْنَ وَسَبْعِمَائَةَ".

 

‌‌شُيُوْخُهُ:

كَانَ نَتِيجَةَ هَذِهِ الجَوْلَةِ الَّتي صَحِبَ فِيْهَا وَالِدَهُ إلى "الشَّامِ" وَ"مِصْرَ" وَ"الحِجَازِ" الإِكْثَارُ مِنَ الشُّيُوْخِ - إِلَى حَدٍّ مَا - سَمَاعًا وَإِجَازَةً. وَمِنْ أَشْهَرِ شُيُوْخِهِ:

1 - إبْرَاهِيْمُ بنُ دَاوُدَ العَطَّارُ. هكَذَا ذُكِرَ فِي شُيُوْخِهِ؟! وَأَظُنُّهُ دَاوُدَ بنَ إِبْرَاهِيْمَ الآتِي انْقَلَبَ اسْمُهُ. وَلَمْ أَقِفْ عَلَى تَرْجَمَةِ إِبْرَاهِيْمَ.

2 - أَحْمَدُ بنُ الحَسَنِ بنِ عَبْدِ الله، شَرَفُ الدِّيْنِ "ابنُ قُدَامَةَ" المَقْدِسِيُّ الدِّمَشْقِيُّ المَعْرُوْفُ بِـ "ابنِ قَاضِي الجَبَلِ" (ت: 771 هـ).

3 - أَحْمَدُ بنُ رَجَبِ (عَبْدِ الرَّحْمَنِ) بنِ الحَسَنِ بنِ مُحَمَّدٍ، شِهَابُ الدِّيْنِ المُقْرِئُ البَغْدَادِيُّ (ت: 774 هـ)، وَالِدُ الحَافِظِ. ذَكَرَهَ الحَافِظُ في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ" (4/ 487) في تَرْجَمَةِ مُحَمَّدِ بنِ عَبْدِ المُحْسِنِ الدَّوَالِيْبِيِّ (ت: 728 هـ) قَالَ: "سَمِعَ مِنْهُ خَلْقٌ كَثِيْرٌ مِنْ شُيُوْخِنَا وَغَيْرِهِمْ كأبِي حَفْصٍ القَزْويْنِيِّ وَمَحْمُوْدِ بنِ خَلِيْفَةَ، وابنِ الفَصِيْحِ الكُوْفِيِّ، وَوَالِدِي، وَعُمَرِ البَزَّارِ". وَيُرَاجَعُ: (4/ 452)، (5/ 49، 103).

4 - أَحْمَدُ بنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الحَرِيْرِيُّ المَقْدِسِيُّ، الصَّالِحِيُّ (ت: 758 هـ) ذَكَرَهُ الحَافِظُ ابنُ رَجَبٍ في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ" (4/ 92) فِي تَرْجَمَةِ عِزِّ الدِّين

--------------------------------------------

(1) الذَّيْلُ عَلَى طَبَقَاتِ الحَنَابِلَةِ (5/ 164).

(2) عَبْدُ اللهِ بنِ مُحَمَّدِ بنِ عَبْدِ المَلِكِ بنِ عَبْدِ البَاقِي الحَجَّاوِيُّ المَقْدِسِيُّ الحَنْبَلِيُّ (ت: 769 هـ) الَّذِي انْتَشَرَ فِي زَمَنِهِ مَذْهَبُ الحَنَابِلَةِ بِالدِّيَارِ المِصْرِيَّةِ. وَيَوْمُ القَرِّ: الحَادِي عَشَرَ مِن ذِي الحِجَّةِ.

তিনি - উমর ইবনে ইদরিস আল-আনবারী(১)-এর জীবনীতে - বলেছেন: "আমি তাঁর মাঝে এবং মিশরের প্রধান বিচারপতি আল-মুওয়াফফাক(২) ও ইবনুল জামায়াহর মধ্যে ৭৬৩ হিজরি সালের ইয়াওমুল কার-এ মিনায় সাক্ষাৎ ঘটিয়েছিলাম।"

 

‌‌তাঁর শিক্ষকগণ:

তাঁর এই সফরের ফলাফল ছিল—যাতে তিনি তাঁর পিতার সাথে সিরিয়া, মিশর ও হিজাজ ভ্রমণ করেছিলেন—উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষক লাভ করা, তা শ্রবণের (সামা') মাধ্যমে হোক কিংবা ইজাজতের মাধ্যমে। তাঁর প্রসিদ্ধ শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন:

১ - ইব্রাহিম ইবনে দাউদ আল-আত্তার। তাঁর শিক্ষকদের তালিকায় এভাবেই নাম উল্লেখ করা হয়েছে?! আমার ধারণা, তিনি পরবর্তীতে উল্লিখিত দাউদ ইবনে ইব্রাহিম হবেন, যাঁর নাম এখানে উল্টে গেছে। আমি ইব্রাহিমের কোনো জীবনী খুঁজে পাইনি।

২ - আহমদ ইবনুল হাসান ইবনে আব্দুল্লাহ, শারফুদ্দিন "ইবনে কুদামা" আল-মাকদিসি আদ-দিমাশকি, যিনি "ইবনে কাজিল জাবাল" (মৃত্যু: ৭৭১ হিজরি) নামে পরিচিত।

৩ - আহমদ ইবনে রজব (আব্দুর রহমান) ইবনুল হাসান ইবনে মুহাম্মদ, শিহাবুদ্দিন আল-মুকরি আল-বাগদাদি (মৃত্যু: ৭৭৪ হিজরি), যিনি হাফিজের (ইবনে রজব) পিতা। হাফিজ 'যাইলুত তাবাকাত' (৪/৪৮৭) গ্রন্থে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল মুহসিন আদ-দাওয়ালিবি (মৃত্যু: ৭২৮ হিজরি)-এর জীবনীতে তাঁর উল্লেখ করে বলেছেন: "আমাদের শিক্ষক এবং অন্যদের মধ্য থেকে বহু মানুষ তাঁর নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন, যেমন: আবু হাফস আল-কাযউইনি, মাহমুদ ইবনে খলিফা, ইবনুল ফাসিহ আল-কুফি, আমার পিতা এবং উমর আল-বাযযার।" আরও দ্রষ্টব্য: (৪/৪৫২), (৫/৪৯, ১০৩)।

৪ - আহমদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-হারিরি আল-মাকদিসি, আস-সালিহি (মৃত্যু: ৭৫৮ হিজরি)। হাফিজ ইবনে রজব 'যাইলুত তাবাকাত' (৪/৯২) গ্রন্থে ইজ্জুদ্দিনের জীবনীতে তাঁর উল্লেখ করেছেন।

--------------------------------------------

(১) আয-যাইলু আলা তাবাকাতিল হানাবিলাহ (৫/১৬৪)।

(২) আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে আব্দুল বাকি আল-হাজ্জাবি আল-মাকদিসি আল-হাম্বলি (মৃত্যু: ৭৬৯ হিজরি), যাঁর সময়ে মিশরীয় ভূখণ্ডে হাম্বলি মাজহাব প্রসার লাভ করেছিল। আর ইয়াওমুল কার হলো: ১১ই জিলহজ।

(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ১৯)
المَقْدِسِيِّ (ت: 666 هـ) رَقَم (424) قَالَ: "حَدَّثَنَا مِنْ أَصْحَابِهِ أَبُو العَبَّاسِ أَحْمَدُ بنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الحَرِيْرِيُّ عَنْهُ، وَهُوَ آخِرُ أَصْحَابِهِ. وَيُرَاجَعُ: (4/ 122، 181، 226) في تَرْجَمَةِ سَيْفِ الدِّيْنِ بنِ النَّاصِحِ (ت: 672 هـ) رقم (433) قَالَ: "حَدَّثَنَا عَنْهُ ابْنُهُ شَمْسُ الدِّيْنِ يُوْسُفُ مُدَرِّسُ الصَّاحِبِيَّةِ". . . . وَمُحَمَّدُ بنُ الخَبَّازِ، وَأَحْمَدُ بنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الحَرِيْرِيُّ".

5 - أَحْمَدُ بنُ عَبْدِ الكَرِيْمِ بنِ أَبِي بَكْرٍ البَعْلِيُّ، شِهَابُ الدِّيْنِ (ت: 777 هـ) ذَكَرَهُ الحَافِظُ ابنُ رَجَبٍ في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ" (2/ 365) قَالَ: "أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بنُ عَبْدِ الكَرِيْمِ البَعْلِيُّ (ثَنَا) عَبْدُ الخَالِقِ بنُ عَلْوَانَ. . .".

6 - أَحْمَدُ بنُ عَبْدِ الهَادِي بنِ يُوْسُفَ "ابنِ قُدَامَةَ" المَقْدِسِيُّ (ت: 758 هـ) وَالِدُ الإِمَامِ شَمْسِ الدِّيْنِ. ذَكَرَهُ الحَافِظُ زَيْنُ الدِّيْنِ بنِ رَجَبٍ في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ" (5/ 123) فِي تَرْجَمَةِ ابْنِهِ مُحَمَّدٍ (ت: 744 هـ) رقم (582) قَالَ: "وَقَدْ سَمِعْتُ مِنْ أَبِيْهِ فَإِنَّه عَاشَ بَعْدَهُ".

7 - أَحْمَدُ بنُ عَلِيِّ بنِ الحَسَنِ بنِ دَاوُدَ الجَزَرِيُّ، الصَّالِحِيُّ، أَبُو العَبَّاسِ الهَكَّارِيُّ (ت: 743 هـ) حَنْبَلِيٌّ لَمْ يَذْكُرْهُ المُؤَلِّفُ؟! اسْتَدْرَكْتُهُ في مَوْضِعِهِ أَسْنَدَ الحَافِظُ إِلَيْهِ في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ" (1/ 236) قَالَ: "أَنْبَأنَا أَحْمَدُ بنُ عَلِيٍّ الجَزَرِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بنِ عَبْدِ الهَادِي، عَنْ أَبي طَاهِرٍ السِّلَفِيِّ، أَنْشَدَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ السَّرَّاجُ لِنَفْسِهِ. . .".

8 - أَحْمَدُ بنُ عَلِيِّ بنِ عَبْدِ القَاهِرِ، أَبُو العَبَّاسِ الفُوَطِيُّ (ت: 750 هـ). حَنْبَلِيٌّ ذَكَرَ المُؤَلِّفُ جَدَّهُ عَبْدُ القَاهِرِ (ت: 656 هـ)، فِي مَوْضِعِهِ. ذَكَرَهُ الحَافِظُ ابنِ رَجَبٍ في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ" (4/ 44) قَالَ: "سَمعْتُ أَبَا العَبَّاسِ أَحْمَدَ بنِ عَلِيِّ
মাকদিসি (মৃত: ৬৬৬ হি.) নম্বর (৪২৪) তিনি বলেছেন: "তার সাথীদের মধ্য থেকে আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-হারিরি আমাদের কাছে তার পক্ষ থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং তিনি তার সর্বশেষ সাথী। আর দ্রষ্টব্য: (৪/ ১২২, ১৮১, ২২৬) সাইফুদ্দীন ইবনুন নাসিহ (মৃত: ৬৭২ হি.) এর জীবনীতে, নম্বর (৪৩৩), তিনি বলেছেন: "তার পক্ষ থেকে আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন তার পুত্র শামসুদ্দীন ইউসুফ, যিনি আস-সাহিবিয়্যাহ মাদরাসার শিক্ষক।"... এবং মুহাম্মদ ইবনুল খাব্বাজ, এবং আহমদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-হারিরি।"

৫ - আহমদ ইবনে আব্দুল কারিম ইবনে আবি বকর আল-বালি, শিহাবুদ্দীন (মৃত: ৭৭৭ হি.)। হাফেজ ইবনে রাজাব তাকে 'যাইলুত তাবাকাত'-এ (২/ ৩৬৫) উল্লেখ করেছেন, তিনি বলেছেন: "আহমদ ইবনে আব্দুল কারিম আল-বালি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (তিনি বলেছেন) আব্দুল খালিক ইবনে আলওয়ান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন..."।

৬ - আহমদ ইবনে আব্দুল হাদি ইবনে ইউসুফ "ইবনে কুদামা" আল-মাকদিসি (মৃত: ৭৫৮ হি.), ইমাম শামসুদ্দীনের পিতা। হাফেজ যাইনুদ্দীন ইবনে রাজাব তাকে 'যাইলুত তাবাকাত'-এ (৫/ ১২৩) তার পুত্র মুহাম্মদ (মৃত: ৭৪৪ হি.) এর জীবনীতে, নম্বর (৫৮২) উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: "আর আমি তার পিতার কাছ থেকে শ্রবণ করেছি, কেননা তিনি তার পরেও বেঁচে ছিলেন।"

৭ - আহমদ ইবনে আলি ইবনুল হাসান ইবনে দাউদ আল-জাজারি, আস-সালিহি, আবুল আব্বাস আল-হাক্কারি (মৃত: ৭৪৩ হি.)। তিনি একজন হাম্বলি, লেখক কি তাকে উল্লেখ করেননি?! আমি তার যথা স্থানে তাকে সংযোজন করেছি। হাফেজ 'যাইলুত তাবাকাত'-এ (১/ ২৩৬) তার সনদে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: "আহমদ ইবনে আলি আল-জাজারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল হাদি থেকে, তিনি আবু তাহের আস-সিলাফি থেকে, আবু মুহাম্মদ আস-সাররাজ আমাদের তার নিজের রচিত কবিতা শুনিয়েছেন..."।

৮ - আহমদ ইবনে আলি ইবনে আব্দুল কাহির, আবুল আব্বাস আল-ফুওয়াতি (মৃত: ৭৫০ হি.)। তিনি একজন হাম্বলি, লেখক তার দাদা আব্দুল কাহির (মৃত: ৬৫৬ হি.)-কে তার স্বস্থানে উল্লেখ করেছেন। হাফেজ ইবনে রাজাব তাকে 'যাইলুত তাবাকাত'-এ (৪/ ৪৪) উল্লেখ করেছেন, তিনি বলেছেন: "আমি আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে আলিকে বলতে শুনেছি...
(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ২০)
ابنِ عَبْدِ القَاهِرِ بنِ الفُوَطِيِّ بـ "بَغْدَادَ" سَنَةَ ثَمَانٍ وَأَرْبَعِيْنَ أَوْ سَنَةَ تِسْعٍ يَقُوْلُ .. . .".

9 - أَحْمَدُ بنُ عَلِيُّ بنِ مُحَمَّدٍ، جَمَالُ الدِّيْنِ، أَبُو العَبَّاسِ البَابَصْرِيُّ البَغْدَادِيُّ (ت: 750 هـ) ذَكَرَهُ المُؤَلَّفُ في مَوْضِعِهِ: (5/ 160) رقم (592) قَالَ في تَرْجَمَتِهِ: "حَضَرْتُ دُرُوْسَهُ وَأَشْغَالَهُ غَيْرَ مَرَّةٍ وَسَمِعْتُ بِقِرَاءَتِهِ الحَدِيْثَ".

10 - أَحْمَدُ بنُ مُحَمَّدِ بنِ سَلْمَانَ الشَّيْرَجِيُّ، شِهَابُ الدِّيْنِ أَبُو عَبْدِ اللهِ (ت: 765 هـ) هُوَ شَيْخُ المُؤَلِّف الحَافِظِ ابنِ رَجَبٍ، وَشَيْخُ أَبِيْهِ كَمَا في مُعْجَمِهِ "المُنْتَقَى" رقم (231) ذَكَرَهُ المُؤَلِّفُ في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ" (2/ 208) قَالَ: "قَرَأْتُ عَلَى أَبِي العَبَّاسِ أَحْمَدَ بنِ مُحَمَّدِ بنِ سَلْمَانَ الحَنْبَلِيِّ بِـ "بَغْدَادَ" أَخْبَرَكُمْ أَبُو الحَسَنِ. . .".

11 - أَحْمَدُ بنُ مُحَمَّدِ بنِ عُمَرَ الصَّالِحِيُّ، المُسْنِدُ، الشِّيْرَازِيُّ الأَصْلِ، الدَّمَشْقِيُّ، الشَّافِعِيُّ (ت: 771 هـ).

12 - بِشْرُ بنُ إبْرَاهِيْمَ بنِ مَحْمُوْدٍ البَعْلَبَكِّيُّ، نَاصِرُ الدِّيْنِ، أَبُو الفَرَجِ (ت: 761 هـ) ذَكَرَهُ المُؤَلِّفُ في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ": (3/ 437) قَالَ: "أَخْبَرَنَا بِشْرُ بنُ إِبْرَاهِيْمَ البَعْلِيُّ وَغَيْرُ وَاحِدٍ. . ." وَهُوَ أَيْضًا مِنْ شُيُوْخِ وَالِدِهِ كَمَا فِي "مُعْجَمِهِ" المُنْتَقَى: رقم (210).

13 - الحُسَيْنُ بنُ بَدْرَانَ بنِ دَاوُدَ البَابَصْرِيُّ، صَفِيُّ الدِّيْنِ، أَبُو عَبْدِ اللهِ، البَغْدَادِيُّ (ت: 749 هـ) ذَكَرَهُ المُؤَلِّفُ الحَافِظُ ابنُ رَجَبٍ في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ" (5/ 144) رقم (590) قَالَ فِي تَرْجَمَتِهِ: "وَاخْتَصرَ "الإِكْمَالَ" لابنِ مَاكُوْلَا، وَعَلَّقْتُهُ في حَيَاتِهِ، وَقُرِأَ عَلَيْهِ بَعْضُهُ. وَسَمِعْتُ بِقِرَاءَتِهِ "صَحِيْحَ البُخَارِيِّ" عَلَى الشَّيْخِ جَمَالِ الدِّيْنِ مُسَافِرِ بنِ إِبْرَاهِيْمَ الخَالِدِي. . .".
ইবনে আবদিল ক্বাহির ইবনে আল-ফুওয়াতী "বাগদাদে" আটচল্লিশ বা ঊনপঞ্চাশ সনে বলেন...।

৯ - আহমাদ বিন আলী বিন মুহাম্মাদ, জামালুদ্দীন, আবুল আব্বাস আল-বাবসরি আল-বাগদাদি (মৃত্যু: ৭৫০ হিজরি)। লেখক একে তার নিজ স্থানে উল্লেখ করেছেন: (৫/১৬০), নং (৫৯২)। তিনি তার জীবনীতে বলেন: "আমি একাধিকবার তার দরস ও কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়েছি এবং তার কণ্ঠে হাদীস পাঠ শুনেছি।"

১০ - আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন সালমান আল-শিরাজি, শিহাবুদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ (মৃত্যু: ৭৬৫ হিজরি)। তিনি লেখক হাফিয ইবনে রজবের উস্তাদ এবং তার পিতারও উস্তাদ, যেমনটি তার অভিধান "আল-মুনতাকা" নং (২৩১)-এ বর্ণিত হয়েছে। লেখক তাকে "যাইলুত তাবাকাত" (২/২০৮)-এ উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন: "আমি বাগদাদে আবুল আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন সালমান আল-হানবালীর নিকট পাঠ করেছি, তিনি বলেন: আবুল হাসান আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন..."

১১ - আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন উমর আস-সালিহি, আল-মুসনিদ, মূল নিবাস শিরাজ, দামেস্কি, শাফিয়ী (মৃত্যু: ৭৭১ হিজরি)।

১২ - বিশর বিন ইবরাহিম বিন মাহমুদ আল-বালবাক্কি, নাসিরুদ্দীন, আবুল ফারাজ (মৃত্যু: ৭৬১ হিজরি)। লেখক তাকে "যাইলুত তাবাকাত" (৩/৪৩৭)-এ উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন: "বিশর বিন ইবরাহিম আল-বালি এবং আরও একাধিক ব্যক্তি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন..." এবং তিনি তার পিতার উস্তাদগণেরও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, যেমনটি তার "মু'জাম" আল-মুনতাকা নং (২১০)-এ রয়েছে।

১৩ - আল-হুসাইন বিন বদরান বিন দাউদ আল-বাবসরি, সফিউদ্দীন, আবু আব্দুল্লাহ, আল-বাগদাদি (মৃত্যু: ৭৪৯ হিজরি)। লেখক হাফিয ইবনে রজব তাকে "যাইলুত তাবাকাত" (৫/১৪৪), নং (৫৯০)-এ উল্লেখ করেছেন। তিনি তার জীবনীতে বলেন: "তিনি ইবনে মাকুলার 'আল-ইকমাল' গ্রন্থটি সংক্ষেপ করেছিলেন, যা আমি তার জীবদ্দশায় অনুলিপি করেছিলাম এবং তার সম্মুখে এর কিছু অংশ পাঠ করা হয়েছিল। আমি তার কণ্ঠে শায়খ জামালুদ্দীন মুসাফির বিন ইবরাহিম আল-খালিদির নিকট 'সহীহ বুখারী' পাঠ করতে শুনেছি..."
(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ২১)
14 - حَمْزَةُ بنُ مُوْسَى بنِ أَحْمَدَ بنِ بَدْرَانَ "ابنُ شَيْخِ السَّلَامِيَّةِ" (ت: 769 هـ) قَالَ المُؤَلِّفُ في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ" (5/ 143) "وَحَدَّثَنِي الإِمَامُ العَلَّامَةُ عِزُّ الدِّيْنِ حَمْزَةُ بنُ شَيْخِ السَّلَامِيَّةِ".

15 - خَلِيْلُ بنُ كَيْكَلْدَى العَلَائِيُّ الشَّافِعِيُّ، الإِمَامُ، العَلَّامَةُ، المُحَدِّثُ المَشْهُوْرُ (ت: 761 هـ) شَيْخُ المُؤَلِّفِ ابنِ رَجَبٍ، وَشَيْخُ أَبِيْهِ كَمَا جَاءَ فِي مُعْجَمِهِ "المُنْتَقَى" رقم (206). جَاءَ فِي "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ" (4/ 402): "قُلْتُ: وسَمِعْتُ شَيْخَنَا أَبَا سَعِيْدٍ العَلَائِيَّ بِـ "بَيْتِ المَقْدِسِ".

16 - دَاوُدُ بنُ إِبْرَاهِيْمَ العَطَّارُ (ت: 752 هـ) أَخُو أَبِي الحَسَنِ، ذَكَرَهُ المُؤَلِّفُ فِي تَرْجَمَةِ شَمْسِ الدِّيْنِ بنِ أَبِي عُمَرَ (ت: 682 هـ) رَقَم (449) (4/ 181) قَالَ: حَدَّثَنَا عَنْهُ جَمَاعَةٌ مِنْهُمْ دَاوُدُ بنُ العَطَّارِ أَخُو أَبِي الحَسَنِ. . .". وَأَخُوْهُ أَبُو الحَسَنِ عَلِيٌّ مُحَدِّثٌ، مَشْهُوْرٌ (ت: 742 هـ) تَرْجَمَ لَهُ الحَافِظُ ابنُ حَجَرٍ فِي الدُّرَرِ الكَامِنَةِ (3/ 73) وَدَاوُدُ المَذْكُوْرُ هُنَا مِنْ شُيُوْخِ الحَافِظِ ابنِ رَجَبٍ وَشُيُوْخِ وَالِدهِ كَمَا فِي مُعْجَمِهِ "المُنْتَقَى" رَقَمْ (146) وَلَهُمَا أَخْبَارٌ كَثِيْرَةٌ فِي الكُتُبِ.

17 - رَجَبُ بنُ الحَسَنِ بنِ مُحَمَّدٍ، جَدُّ الحَافِظِ ابنِ رَجَبٍ وَاسْمُهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ، وَ"رَجَبٌ" لَقَبُهُ؛ لأَنَّهُ وُلِدَ فِي شَهْرِ رَجَبٍ، تَقَدَّمَ ذِكْرُهُ فِي ذِكْرِ نَسَبِ المُؤَلِّفِ.

18 - زَيْنَبُ بِنْتُ أَحْمَدَ بنِ عَبْدِ الرَّحِيْمِ المَقْدِسِيَّةُ، المَشْهُوْرَةُ بِـ "زَيْنَبُ بِنْتُ الكَمَالِ" (ت: 740 هـ) مُحَدِّثَةٌ مَشْهُوْرَةٌ ذَكَرَهَا المُؤَلِّفُ فِي "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ" (1/ 97، 122، 189، 343) قَالَ: "أَنْبَأَتْنِي زَيْنَبُ بِنْتُ أَحْمَدَ بنِ عَبْدِ الرَّحِيْمِ المَقْدِسِيِّ" كَذَا قَالَ، وَإِنَّمَا هِيَ شَيْخَتُهُ إِجَازَةً، فَقَدْ تُوُفِّيَتْ وَعُمْرُهُ لا يَتَجَاوَزُ أَرْبَعَ سِنِيْن.
14 - হামযাহ ইবনে মুসা ইবনে আহমাদ ইবনে বদরান "ইবনুন শায়খিস সালামিয়্যাহ" (মৃত: ৭৬৯ হিজরি)। লেখক "যাইলুত তাবাকাত" গ্রন্থে (৫/ ১৪৩) বলেছেন, "ইমাম আল্লামাহ ইযযুদ্দীন হামযাহ ইবনে শায়খিস সালামিয়্যাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন।"

15 - খলীল ইবনে কাইকালদী আল-আলাঈ আশ-শাফিয়ী, ইমাম, আল্লামাহ, প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস (মৃত: ৭৬১ হিজরি)। তিনি লেখক ইবনে রজবের শিক্ষক এবং তাঁর পিতারও শিক্ষক, যেমনটি তাঁর 'আল-মুনতাকা' অভিধানের ২০৬ নম্বর ক্রমিকে এসেছে। "যাইলুত তাবাকাত" গ্রন্থে (৪/ ৪০২) এসেছে: "আমি বলেছি: আমি আমাদের শায়খ আবু সাঈদ আল-আলাঈর নিকট 'বায়তুল মাকদিসে' শুনেছি।"

16 - দাউদ ইবনে ইব্রাহিম আল-আত্তার (মৃত: ৭৫২ হিজরি), আবুল হাসানের ভাই। লেখক শামসুদ্দীন ইবনে আবু উমরের (মৃত: ৬৮২ হিজরি) জীবনীতে ৪৪৯ নম্বর ক্রমিকে (৪/ ১৮১) তাঁকে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: "আমাদের নিকট তাঁর থেকে একদল রাবী বর্ণনা করেছেন, যাঁদের মধ্যে আবুল হাসানের ভাই দাউদ ইবনে আল-আত্তারও রয়েছেন..."। আর তাঁর ভাই আবুল হাসান আলী একজন প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস (মৃত: ৭৪২ হিজরি), হাফেজ ইবনে হাজার 'আদ-দুরারুল কামিনাহ' গ্রন্থে (৩/ ৭৩) তাঁর জীবনী বর্ণনা করেছেন। এখানে উল্লেখিত দাউদ হলেন হাফেজ ইবনে রজব এবং তাঁর পিতার অন্যতম শিক্ষক, যেমনটি তাঁর 'আল-মুনতাকা' অভিধানে ১৪৬ নম্বর ক্রমিকে বর্ণিত হয়েছে। বিভিন্ন কিতাবে তাঁদের সম্পর্কে অনেক সংবাদ বর্ণিত আছে।

17 - রজব ইবনে আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ, হাফেজ ইবনে রজবের দাদা। তাঁর নাম হলো আবদুর রহমান এবং 'রজব' তাঁর উপাধি; কারণ তিনি রজব মাসে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। লেখকের বংশপরিচয় বর্ণনার অংশে ইতিপূর্বে তাঁর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

18 - যয়নাব বিনতে আহমাদ ইবনে আবদুর রহীম আল-মাকদিসিয়্যাহ, যিনি 'যয়নাব বিনতুল কামাল' নামে সুপ্রসিদ্ধ (মৃত: ৭৪০ হিজরি)। তিনি একজন প্রখ্যাত মুহাদ্দিসাহ। লেখক 'যাইলুত তাবাকাত' গ্রন্থে (১/ ৯৭, ১২২, ১৮৯, ৩৪৩) তাঁকে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: "যয়নাব বিনতে আহমাদ ইবনে আবদুর রহীম আল-মাকদিসী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন"। তিনি এমনটিই বলেছেন, তবে মূলত তিনি তাঁর ইজাযতপ্রাপ্ত শিক্ষক ছিলেন; কারণ তিনি যখন ইন্তেকাল করেন তখন লেখকের বয়স চার বছরের বেশি ছিল না।
(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ২২)
19 - عَبْدُ الرَّحْمَنِ بنُ أَبِي بَكْرِ بنِ أَيُّوْبَ "ابنُ قَيِّمِ الجَوْزِيَّةِ" (ت: 769 هـ) أَخُو الشَّيْخِ شَمْسِ الدِّيْنِ مُحَمَّدٍ الإِمَامِ المَشْهُوْرِ. وَهُوَ أَيْضًا شَيْخُ وَالِدِهِ كَمَا فِي مُعْجَمِهِ "المُنْتَقَى" رقم (138). وَيُرَاجَعُ: الدَّارِسُ فِي تَارِيْخِ المَدَارِسِ (2/ 90، 91).

20 - عَبْدُ الرَّحْمَنِ بنُ عَبْدِ الحَلِيْمِ بنِ عَبْدِ السَّلامِ بنِ تَيْمِيَّةَ الحَرَّانِيُّ (ت: 747 هـ) أَخُو شَيْخِ الإِسْلامِ. ذَكَرَهُ المُؤَلِّفُ فِي تَرْجَمَةِ جَدِّهِ مَجْدِ الدِّيْنِ عَبْدِ السَّلامِ قَالَ: "قَالَ شَيْخُنَا أَبُو عَبْدِ اللهِ بنُ القَيِّمِ حَدَّثَنِي أَخُو شَيْخِنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بنِ عَبْدِ الحَلِيْمِ بنِ تَيْمِيَّةَ قُلْتُ: وَقَدْ أَجَازَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ هَذَا عَنْ أَبِيْهِ. . .".

21 - عَبْدُ الرَّحِيْمِ بنُ عَبْدِ اللهِ بنِ مُحَمَّدِ بنِ أَبي بَكْرٍ الزَّرِيْرَانِيُّ (ت: 741 هـ) شَرَفُ الدِّيْنِ، أَبُو مُحَمَّدٍ، ابنُ شَيْخِ العِرَاقِ تَقِيِّ الدِّيْنِ (ت: 729 هـ) قَالَ الحَافِظُ ابنُ رَجَبٍ في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ" (5/ 104) "حَضَرْتُ دَرْسَهُ وَأَنَا إذْ ذَاكَ صَغِيْرٌ لَا أُحِقُّهُ جَيِّدًا".

22 - عَبْدُ العَزِيْزِ بنُ مُحَمَّدِ بنِ إِبْرَاهِيْمَ بنِ جَمَاعَةَ (ت: 767 هـ) هُوَ شَيْخُ الحَافِظِ ابنِ رَجَبٍ وَشَيْخُ أَبِيْهِ كَمَا في مُعْجَمِهِ "المُنْتَقَى" رَقَم (235) وَذَكَرَهُ الحَافِظُ فِي "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ" (1/ 193) قَالَ: "قُلْتُ: وَكَانَ شَيْخُنَا أَبُو عُمَرَ عَبْدُ العَزِيْزِ بنُ مُحَمَّدِ بنِ إبْرَاهِيْمَ بنِ جَمَاعَةَ الكِنَانِيُّ الشَّافِعِيُّ قَاضِي الدِّيَارِ المِصْرِيَّةِ. . .".

23 - عَبْدُ اللهِ بنُ عَبْدِ المُؤْمِنِ بنِ الوَجِيْهِ الوَاسِطِيُّ (ت: 740 هـ) ذَكَرَهُ الحَافِظُ ابنُ رَجَبٍ فِي "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ" في مَوْضِعَيْنِ: (5/ 16، 147) قَالَ فِي المَوْضِعِ الأَوَّلِ - في تَرْجَمَةِ مُحَمَّدِ بنِ مَحْمُوْدٍ البَغْدَادِيِّ -: ". . . وَقَرَأَ عَلَى شَيْخِنَا ابنِ مُؤْمِنٍ"، وَقَالَ في المَوْضِعِ الثَّانِي - في تَرْجَمَةِ عُمَرَ بنِ عَلِيٍّ البَزَّارِ (ت: 749 هـ) -:
১৯ - আবদুর রহমান বিন আবি বকর বিন আইয়ুব "ইবনুল কাইয়্যিম আল-জাওজিইয়াহ" (মৃত্যু: ৭৬৯ হি.) প্রখ্যাত ইমাম শায়খ শামসুদ্দিন মুহাম্মাদের ভাই। তিনি তাঁর পিতারও শায়খ ছিলেন, যেমনটি তাঁর মু'জাম "আল-মুনতাকা" ক্রমিক নং (১৩৮)-এ বর্ণিত হয়েছে। আরও দ্রষ্টব্য: আদ-দারিস ফি তারিখিল মাদারিস (২/ ৯০, ৯১)।

২০ - আবদুর রহমান bin আব্দুল হালিম বিন আব্দুস সালাম বিন তাইমিয়্যাহ আল-হাররানি (মৃত্যু: ৭৪৭ হি.) শায়খুল ইসলামের ভাই। লেখক তাঁর দাদা মাজদুদ্দিন আব্দুস সালামের জীবনীতে তাঁর কথা উল্লেখ করে বলেছেন: "আমাদের শায়খ আবু আব্দুল্লাহ বিন আল-কাইয়্যিম বলেছেন: আমাদের শায়খের ভাই আবদুর রহমান বিন আব্দুল হালিম বিন তাইমিয়্যাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন। আমি (ইবনে রাজাব) বলছি: এই আবদুর রহমান তাঁর পিতার সূত্রে আমাকে ইজাজাহ প্রদান করেছেন...।"

২১ - আবদুর রহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আবি বকর আজ-জারিরানি (মৃত্যু: ৭৪১ হি.) শরফুদ্দিন, আবু মুহাম্মাদ, ইরাকের শায়খ তাকিউদ্দিনের (মৃত্যু: ৭২৯ হি.) পুত্র। হাফেজ ইবনে রাজাব "জাইলুত তাবাকাত"-এ (৫/ ১০৪) বলেছেন: "আমি তাঁর পাঠদানে উপস্থিত হয়েছিলাম যখন আমি ছোট ছিলাম, আমি তখন তা ভালোভাবে বুঝতে পারিনি।"

২২ - আব্দুল আজিজ বিন মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহিম বিন জামাআহ (মৃত্যু: ৭৬৭ হি.)। তিনি হাফেজ ইবনে রাজাবের শায়খ এবং তাঁর পিতারও শায়খ, যেমনটি তাঁর মু'জাম "আল-মুনতাকা" নং (২৩৫)-এ বর্ণিত হয়েছে। হাফেজ "জাইলুত তাবাকাত"-এ (১/ ১৯৩) তাঁর কথা উল্লেখ করে বলেছেন: "আমি বলছি: আমাদের শায়খ ছিলেন আবু উমর আব্দুল আজিজ বিন মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহিম বিন জামাআহ আল-কিনানি আশ-শাফিঈ, মিশরীয় ভূখণ্ডের বিচারক...।"

২৩ - আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল মুমিন বিন আল-ওয়াজিহ আল-ওয়াসিতি (মৃত্যু: ৭৪০ হি.)। হাফেজ ইবনে রাজাব "জাইলুত তাবাকাত"-এর দুটি স্থানে তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন: (৫/ ১৬, ১৪৭)। প্রথম স্থানে —মুহাম্মাদ বিন মাহমুদ আল-বাগদাদির জীবনীতে— তিনি বলেছেন: "...এবং তিনি আমাদের শায়খ ইবনুল মুমিনের নিকট পাঠ গ্রহণ করেছেন", এবং দ্বিতীয় স্থানে —উমর বিন আলি আল-বাযযারের (মৃত্যু: ৭৪৯ হি.) জীবনীতে— বলেছেন:
(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ২৩)
"وَتَلَا بِـ "بَغْدَادَ" خَتْمَةً لأَبِي عَمْرٍو عَلَى شَيْخِنَا عَبْدِ اللهِ بنِ عَبْدِ المُؤْمِنِ الوَاسِطِيِّ، وَقَرَأَ عَلَيْهِ بَعْضَ تَصَانِيْفِهِ في القِرَاءَاتِ" وَهُوَ شَيْخُهُ وَشَيْخُ أَبِيْهِ أَيْضًا، ذَكَرَهُ ابنُ الجَزَرِيُّ في "غَايَةِ النِّهاية" (1/ 429) وَقَالَ: "الأُسْتَاذُ، العَارِفُ، المُحَقِّقُ، الثِّقَةُ، المَشْهُوْرُ، … ، وَلَمَّا ذَكَرَ الآخِذِيْنَ عَنْهُ قَالَ: "وشَيْخُنَا أَبُو العَبَّاسِ أَحْمَدُ بنُ رَجَبٍ الحَنْبَلِيُّ لِلسَّبْعِ خَاصَّةً، وسَمِعَ مِنْهُ حُرُوْفَ العَشَرَةِ مِنْ كِتَابَيْهِ" وَلَمْ يَرِدْ في "المُنْتَقَى مِنَ المُعْجَمِ"؟!.

24 - عَبْدُ اللهِ بنُ مُحَمَّدِ بنِ إِبْرَاهِيْمَ بنِ نَصْرِ بنِ فَهْدٍ المَعْرُوْفِ بـ "ابنِ قَيِّمِ الضِّيَائِيَّة" (ت: 761 هـ) ذَكَرَهُ المُؤلِّفُ في "الذَّيْلِ عَلَى طَبَقَاتِ الحَنَابِلَةِ" (4/ 226) في تَرْجَمَةِ شَمْسِ الدِّيْنِ بنِ الكَمَالِ مُحَمَّدِ بنِ عَبْدِ الرَّحِيْمِ (ت: 688 هـ) فَقَالَ: "وَحَدَّثَنَا عَنْهُ جَمَاعَةٌ مِنْهُم: ابنُ الخَبَّازِ، وَعَبْدُ اللهِ بنُ مُحَمَّدٍ "ابنُ قَيِّمِ الضِّيَائِيَّةِ". . ." وَهُوَ شَيْخُ أَبيْهِ كَمَا في مُعْجَمِ شُيُوْخِهِ "المُنْتَقَى" رقم (208)، وَتَارِيْخِ ابنِ قَاضِي شُهْبَةَ (3/ 2/ 170).

25 - وَعَبْدُ اللهِ بنُ مُحَمَّدِ بنِ مُحَمَّدِ الخَزْرَجِيُّ، عَفِيْفُ الدِّيْنِ المَطَرِيُّ المَدَنِيُّ (ت: 765 هـ) جَاءَ في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ": (4/ 154) - في تَرْجَمَةِ سُلَيْمَانَ بنِ عَبْدِ القَوِيِّ الطُّوْفِيِّ (ت: 716 هـ) - "وَقَدْ ذَكَرَ ذلِكَ عَنْهُ شَيْخُنَا المَطَرِيُّ، حَافِظُ المَدِيْنَةِ وَمُؤَرِّخُهَا".

26 - عَبْدُ اللهِ بنُ يُوْسُفَ "ابنُ هِشَامٍ" الأَنْصَارِيُّ، جَمَالُ الدِّيْنِ أَبُو مُحَمَّدٍ (ت: 761 هـ) الإِمَام النَّحْوِيُّ المَشْهُوْرُ، صَاحِبُ "المُغْنِي" وَ"التَّوْضِيْحِ" وَغَيْرِهِمَا، جَاءَ فِي رِسَالَةِ الكَلَامِ عَلَى قَوْلِهِ تَعَالَى: {إِنَّمَا يَخْشَى اللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ}:
"বাগদাদে" আমাদের শাইখ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল মুমিন আল-ওয়াসিতির নিকট আবু আমরের কেরাত অনুযায়ী এক খতম তিলাওয়াত করেন এবং কেরাত শাস্ত্রের উপর রচিত তাঁর কিছু কিতাব তাঁর কাছে পাঠ করেন। তিনি ছিলেন তাঁর শাইখ এবং তাঁর পিতারও শাইখ। ইবনুল জাযারি 'গায়াতুন নিহায়াহ' (১/৪২৯) গ্রন্থে তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: "উস্তাদ, আরিফ, মুহাক্কিক, বিশ্বস্ত, প্রসিদ্ধ, … , আর যখন তিনি তাঁর নিকট থেকে গ্রহণকারীদের কথা উল্লেখ করেন, তখন বলেন: "এবং আমাদের শাইখ আবুল আব্বাস আহমদ বিন রজব আল-হাম্বলি বিশেষ করে সাত কেরাতের জন্য, এবং তিনি তাঁর নিকট থেকে তাঁর রচিত দুটি কিতাব থেকে দশ কেরাতের হুরূফ শ্রবণ করেছেন।" আর তা 'আল-মুনতাকা মিনাল মু'জাম'-এ উল্লেখ হয়নি?!।

২৪ - আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন নাসর বিন ফাহদ, যিনি "ইবনে কায়্যিম আদ-দিয়াইয়্যাহ" (মৃত্যু: ৭৬১ হি.) নামে পরিচিত। লেখক তাঁকে 'আয-যাইলু আলা তাবাকাতিল হানাবিলাহ' (৪/২২৬) গ্রন্থে শামসুদ্দীন বিন আল-কামাল মুহাম্মদ বিন আব্দুর রাহিম (মৃত্যু: ৬৮৮ হি.)-এর জীবনীতে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: "আমাদের নিকট তাঁর পক্ষ থেকে একটি জামাত বর্ণনা করেছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: ইবনুল খাব্বায এবং আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ 'ইবনে কায়্যিম আদ-দিয়াইয়্যাহ'..." আর তিনি তাঁর পিতার শাইখ, যেমনটি তাঁর শাইখদের অভিধান 'আল-মুনতাকা'র ২০৮ নম্বরে এবং ইবনে কাযী শুহবাহর ইতিহাসে (৩/২/১৭০) বর্ণিত হয়েছে।

২৫ - এবং আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-খাজরাজি, আফীফুদ্দীন আল-মাতারি আল-মাদানি (মৃত্যু: ৭৬৫ হি.)। 'যাইলুত তাবাকাত' (৪/১৫৪) গ্রন্থে সুলাইমান বিন আব্দুল কাওয়ী আত-তুফি (মৃত্যু: ৭১৬ হি.)-এর জীবনীতে এসেছে— "আমাদের শাইখ আল-মাতারি, যিনি মদিনার হাফেজ এবং ঐতিহাসিক, তিনি তাঁর পক্ষ থেকে এটি উল্লেখ করেছেন।"

২৬ - আব্দুল্লাহ বিন ইউসুফ "ইবনে হিশাম" আল-আনসারি, জামালুদ্দীন আবু মুহাম্মদ (মৃত্যু: ৭৬১ হি.)। তিনি প্রসিদ্ধ নাহুবিদ ইমাম, 'আল-মুগনি' ও 'আত-তাওদীহ'সহ অন্যান্য কিতাবের লেখক। মহান আল্লাহর বাণী: {নিশ্চয় আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে কেবল আলেমরাই তাঁকে ভয় করে}-এর উপর রচিত আলোচনার পত্রে এসেছে:
(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ২৪)
"وَالعَجَبُ أَنَّ أَبَا حَيَّان الأَنْدَلُسِيّ أَنْكَرَ عَلَى الزَّمَخْشَرِيّ … وَرَدَّ عَلَيْهِ شَيْخُنَا أَبُو مُحَمَّدِ بنِ هِشَامٍ. . .".

27 - عَبْدُ المُؤْمِنِ بنُ عَبْدِ الحَقِّ بنِ عَبْدِ اللهِ، صَفِيُّ الدِّيْنِ البَغْدَادِيُّ (ت: 739 هـ) تُوُفِّيَ صَفِيُّ الدِّيْنِ وَالحَافِظُ ابنُ رَجَبٍ لَمْ يَتَجَاوَزِ الثَّالِثَةَ، لكِنَّهُ أَجَازَ لَهُ غَيْرَ مَرَّةٍ، تَكَرَّرَ ذِكْرُهُ في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ" في غَيْرِ مَوْضِعٍ وَيَصِفُهُ بـ "شَيْخِنَا بِالإِجَازَةِ" يُرَاجَعُ: 1/ 81، 111، 115، 112، 138، 170، 172، 202، 298، 487. 4/ 81. 5/ 83، 160.

28 - وَعُثْمَانُ بنُ يُوْسُفَ بنِ أَبي بَكْرٍ النُّوَيْرِيُّ المَكِّيُّ (ت: 756 هـ)، وَهُوَ شَيْخُهُ وشَيْخُ وَالِدِهِ المُقْرِئُ شِهَابِ الدِّيْنِ، ذَكَرَهُ في مُعْجَمِهِ "المُنْتَقَى" رقم (181). وَيُرَاجَعُ: تَارِيْخُ ابنِ قَاضِي شُهْبَةَ: (3/ 2/ 85).

29 - عَلِيُّ "عَبْدُ المُنْعِمِ" بنُ عَبْدِ الصَّمَدِ بنِ أَحْمَدَ بنِ أَبي الجَيْشِ البَغْدَادِيُّ (ت: 742 هـ) أَكْثَرَ المُؤَلِّفُ مِنَ الإخْبَارِ عَنْهُ في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ": (1/ 151. 2/ 209. 3/ 376، 421، 477. 4/ 122، 140، 141، 156، 172، 202. 5/ 160). وَهُوَ أَيْضًا شَيْخُ وَالِدِهِ كَمَا في مُعْجَمِهِ "المُنْتَقَى": رقم (27). وَهُوَ حَنْبَلِيٌّ مَعَ هَذَا لَمْ يُتَرْجِمْ لَهُ المُؤَلِّفُ فِي كِتَابِهِ؟! اسْتَدْرَكْتُهُ فِي مَوْضِعِهِ.

30 - عَلِيُّ بنُ عُمَرَ، عَلَاءُ الدِّيْنِ الرَّقِّيُّ، ثُمَّ الدِّمَشْقِيُّ، الشَّافِعِيُّ، المَعْرُوْفُ بِـ "التَّعْجِيْزِيِّ" (ت: 764 هـ) عُرِفَ بِـ "التَّعْجِيْزِيِّ" لِحِفْظِهِ كِتَاب "التَّعْجِيْزِ" لابْنِ يُوْنُسَ المَوْصِلِيِّ. ذَكَرَهُ وَلِي الدِّيْنِ العِرَاقِيُّ فِي ذَيْلِ العِبَرِ (1/ 126) وَقَالَ: "سَمِعَ مِنْهُ وَالِدِي، وَابْنُ سَنَدٍ، وَابْن رَجَبٍ. . .".
"আর আশ্চর্যের বিষয় হলো এই যে, আবু হাইয়ান আল-আন্দালুসি আল-যামাখশারির বিরোধিতা করেছেন … এবং আমাদের শাইখ আবু মুহাম্মাদ ইবনে হিশাম তার প্রতিবাদ করেছেন। . . ."

২৭ - আবদুল মুমিন বিন আবদুল হক বিন আবদুল্লাহ, সফিউদ্দীন আল-বাগদাদী (মৃত্যু: ৭৩৯ হি.)। সফিউদ্দীন যখন মারা যান, তখন হাফেজ ইবনে রজবের বয়স তিন বছরের বেশি ছিল না, তবে তিনি তাকে একাধিকবার ইজাযত প্রদান করেছেন। 'যাইলুত তাবাকাত'-এর বিভিন্ন স্থানে তার কথা বারবার এসেছে এবং তিনি তাকে 'ইজাযতপ্রাপ্ত আমাদের শাইখ' হিসেবে অভিহিত করেছেন। দ্রষ্টব্য: ১/ ৮১, ১১১, ১১৫, ১১২, ১৩৮, ১৭০, ১৭২, ২০২, ২৯৮, ৪৮৭। ৪/ ৮১। ৫/ ৮৩, ১৬০।

২৮ - ওসমান বিন ইউসুফ বিন আবু বকর আন-নুওয়াইরি আল-মাক্কি (মৃত্যু: ৭৫৬ হি.), তিনি তার এবং তার পিতা ক্বারী শিহাবুদ্দীনের উস্তাদ ছিলেন। তিনি তার 'আল-মুনতাকা' নামক মু'জাম-এর ১৮১ নং ক্রমিকে তার উল্লেখ করেছেন। দ্রষ্টব্য: তারীখ ইবনে কাযী শুহবাহ: (৩/ ২/ ৮৫)।

২৯ - আলী 'আবদুল মুনইম' বিন আবদুল সামাদ বিন আহমদ বিন আবুল জাইশ আল-বাগদাদী (মৃত্যু: ৭৪২ হি.)। লেখক 'যাইলুত তাবাকাত'-এ তার থেকে প্রচুর বর্ণনা করেছেন: (১/ ১৫১। ২/ ২০৯। ৩/ ৩৭৬, ৪২১, ৪৭৭। ৪/ ১২২, ১৪০, ১৪১, ১৫৬, ১৭২, ২০২। ৫/ ১৬০)। তিনি তার পিতারও উস্তাদ ছিলেন, যেমনটি তার মু'জাম 'আল-মুনতাকা'-র ২৭ নং ক্রমিকে রয়েছে। তিনি একজন হাম্বলী হওয়া সত্ত্বেও লেখক তার কিতাবে তার জীবনী উল্লেখ করেননি?! আমি যথাস্থানে তা সংযোজন করেছি।

৩০ - আলী বিন উমর, আলাউদ্দীন আর-রাক্কি, অতঃপর আদ-দিমাশকি, আশ-শাফিয়ী, যিনি 'আত-তাজিজি' (মৃত্যু: ৭৬৪ হি.) নামে পরিচিত। ইবনে ইউনুস আল-মাওসিলির 'আত-তাজিজ' কিতাবটি মুখস্থ রাখার কারণে তিনি 'আত-তাজিজি' নামে পরিচিতি লাভ করেন। ওলীউদ্দীন আল-ইরাকী 'যাইলুল ইবার' (১/ ১২৬) গ্রন্থে তার উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: "আমার পিতা, ইবনে সানাদ এবং ইবনে রজব তার নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন। . . ."
(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ২৫)
31 - عَلِيُّ بنُ مُحَمَّدٍ الرِّفَاعِيُّ، نَجِيْبُ الدِّيْنِ (ت؟) لَمْ أَقِفْ عَلَى أَخْبَارِهِ ذَكَرَهُ المُؤَلِّفُ فِي تَرْجَمَةِ عَلِيِّ بنِ عُثْمَانَ الوُجُوْهِيِّ (ت: 672 هـ) رَقَم (432) (4/ 116) قَالَ: "رَوَى عَنْهُ ابنُ خَرُوْفٍ المَوْصِلِيُّ وَشُيُوْخُنَا بِالإِجَازَةِ نَجِيْبُ الدِّيْنِ عَلِيُّ بنُ مُحَمَّدٍ الرِّفَاعِيُّ. . .".

32 - عَلِيُّ بنُ المُنَجَّى بنِ عُثْمَانَ بنِ أَسْعَدَ بنِ المُنَجَّى التَّنُوْخِيُّ (ت: 750 هـ) قَالَ الحَافِظُ ابنُ رَجَبٍ في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ": (5/ 167) "قَرَأْتُ عَلَيْهِ "جُزْءًا" فِيْهِ الأَحَادِيْثُ الَّتِي رَوَاهَا مُسْلِمٌ فِي "صَحِيْحِهِ" عَنِ الإِمَامِ أَحْمَدَ".

33 - عُمَرُ بنُ حَسَنِ بنِ مَزْيَدِ بنِ أُمَيْلَةَ المَرَاغِيُّ الأَصْلِ، ثُمَّ الحَلَبِيُّ المِزِّيُّ مُسْنِدُ الشَّامِ. (ت: 778 هـ) جَاءَ في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ" 1/ 228 قَرَأْتُ عَلَى أَبي حَفْصٍ عُمَرَ بنَ حَسَنٍ المِزِّيَّ. . .".

34 - عُمَرُ بنُ عَلِيِّ بنِ عُمَرَ القَزْوِيْنِيُّ (ت: 750 هـ) أَسْنَدَ إِلَيْهِ المُؤَلِّفُ في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ" (1/ 151، 345، 4/ 487) قَالَ في المَوْضِعِ الأَوَّلِ "قَرَأْتُ عَلَى أبي حَفْصٍ عُمَرَ بنِ عَلِيٍّ القَزْوِيْنِيِّ بـ "بَغْدَادَ". . . ." وَهُوَ مِنْ شُيُوْخِ وَالِدِهِ كَمَا في مُعْجَمِهِ "المُنْتَقَى" رقم (117)، وفِي تَارِيْخِ ابنِ قَاضِي شُهْبَةَ: (2/ 1/ 697) "سَمِعَ مِنْهُ المُقْرِئُ شِهَابُ الدِّيْنِ ابنُ رَجَبٍ، وَذَكَرَهُ فِي "مُعْجَمِهِ" وَوَلَدُهُ الحَافِظُ زَيْنُ الدِّيْنِ، وَقَرَأَ عَلَيْهِ "مَشْيَخَتَهُ".

35 - عُمَرُ بنُ عُثْمَانَ بنِ سَالِمِ بنِ خَلَفِ بنِ فَضْلٍ البَذَّيُّ المَقْدِسِيُّ (ت: 760 هـ) ذَكَرَهُ المُؤَلِّفُ ابنُ رَجَبٍ في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ" (4/ 226) - في تَرْجَمَةِ ابنِ الكَمَالِ - فَقَالَ: "حَدَّثَنَا عَنْهُ جَمَاعَةٌ مِنْهُم ابنُ الخَبَّازِ … وَعُمَرُ بنُ عُثْمَانَ بنِ سَالِمٍ المَقْدِسِيُّ.
31 - আলী ইবন মুহাম্মদ আল-রিফায়ি, নাজীবউদ্দীন (মৃত্যু?) আমি তাঁর জীবনী সংক্রান্ত কোনো তথ্য পাইনি। লেখক তাঁকে আলী ইবন উসমান আল-ওজুহি (মৃত্যু: ৬৭২ হিজরি) এর জীবনীতে উল্লেখ করেছেন, নং (৪৩২) (৪/ ১১৬)। তিনি বলেছেন: "ইবন খারুফ আল-মাওসিলি এবং আমাদের শিক্ষকগণ ইজাজতের মাধ্যমে নাজীবউদ্দীন আলী ইবন মুহাম্মদ আল-রিফায়ি থেকে বর্ণনা করেছেন..."

32 - আলী ইবন আল-মুনাজ্জা ইবন উসমান ইবন আসআদ ইবন আল-মুনাজ্জা আল-তানুখি (মৃত্যু: ৭৫০ হিজরি)। হাফেজ ইবন রজব "যাইলুত তবাকাত"-এ (৫/ ১৬৭) বলেছেন: "আমি তাঁর নিকট এমন একটি 'জুয' (পুস্তিকা) পাঠ করেছি যাতে ইমাম মুসলিম তাঁর 'সহীহ' গ্রন্থে ইমাম আহমাদ থেকে যেসব হাদিস বর্ণনা করেছেন তা রয়েছে।"

33 - উমর ইবন হাসান ইবন মাযইয়াদ ইবন উমায়লা আল-মারাগি (মূলত), অতঃপর আল-হালাবি আল-মিযযি, শামের মুসনিদ। (মৃত্যু: ৭৭৮ হিজরি) "যাইলুত তবাকাত"-এর ১/ ২২৮ পৃষ্ঠায় বর্ণিত হয়েছে: "আমি আবু হাফস উমর ইবন হাসান আল-মিযযির নিকট পাঠ করেছি..."

34 - উমর ইবন আলী ইবন উমর আল-কাযউইনি (মৃত্যু: ৭৫০ হিজরি)। লেখক "যাইলুত তবাকাত"-এ (১/ ১৫১, ৩৪৫, ৪/ ৪৮৭) তাঁর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি প্রথম স্থানে বলেছেন: "আমি বাগদাদে আবু হাফস উমর ইবন আলী আল-কাযউইনির নিকট পাঠ করেছি..." এবং তিনি তাঁর পিতার শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত, যেমনটি তাঁর অভিধান "আল-মুনতাকা" এর ১১৭ নং-এ উল্লিখিত হয়েছে। ইবন কাজি শুহবাহর ইতিহাস গ্রন্থে (২/ ১/ ৬৯৭) বর্ণিত আছে: "মুকারি শিহাবউদ্দীন ইবন রজব তাঁর থেকে শ্রবণ করেছেন এবং তাঁকে তাঁর 'মু'জাম'-এ উল্লেখ করেছেন, এবং তাঁর পুত্র হাফেজ যায়নউদ্দীনও (শুনেছেন) এবং তিনি তাঁর নিকট তাঁর 'মাশয়াখাহ' পাঠ করেছেন।"

35 - উমর ইবন উসমান ইবন সালিম ইবন খালাফ ইবন ফজল আল-বাযযি আল-মাকদিসি (মৃত্যু: ৭৬০ হিজরি)। লেখক ইবন রজব তাঁকে "যাইলুত তবাকাত"-এ (৪/ ২২৬) - ইবনুল কামালের জীবনীতে - উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: "আমাদের নিকট একদল বর্ণনাকারী তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন ইবনুল খাব্বায... এবং উমর ইবন উসমান ইবন সালিম আল-মাকদিসি।"
(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ২৬)
36 - مُحَمَّدُ بنُ إِبْرَاهِيْمَ بنِ عَبْدِ اللهِ بنِ مُحَمَّدِ بنِ أَحْمَدَ بنِ قُدَامَةَ المَقْدِسِيُّ عِزُّ الدِّيْنِ، أَبُو عَبْدِ اللهِ (ت: 748 هـ) ذَكَرَهُ المُؤَلِّفُ فِي مَوْضِعِهِ، وَقَالَ: "وَأَجَازَ لِي مَرْوِيَّاتُهُ".

37 - مُحَمَّدُ بنُ إِبْرَاهِيْمَ بنِ عُمَرَ بنِ أَبي البَدْرِ بنِ شُجَاعٍ الخَالِدِيُّ (ت: 741 هـ) ذَكَرَهُ المُؤَلِّفُ في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ": (4/ 196) قَالَ: "أَنْبَأَنِي مُحَمَّدُ بنُ إِبْرَاهِيْمَ الخَالِدِيُّ. . ." وَلَا شَكَّ أَنَّه مِنْ شُيُوْخِهِ بِالإِجَازَةِ، فَقَدْ تُوُفِّيِ وَعُمْرُ الحَافِظِ ابنِ رَجَبٍ لا يَتَجَاوَزَ خَمْسَ سِنِيْنَ. وَهُوَ شَيْخُ وَالِدِهِ أَيْضًا كَمَا فِي مُعْجَمِ شُيُوْخِهِ "المُنْتَقَى" رقم (12) وَهُوَ فَقِيْهٌ حَنْبَلِيٌّ، لَمْ يَذْكُرْهُ المُؤَلِّفُ، اسْتَدْرَكْتُهُ في مَوْضِعِهِ.

38 - مُحَمَّدُ بنُ أَحْمَدَ بنِ تَمَّامِ بنِ حَسَّانَ التَّلِّيُّ (ت: 741 هـ) شَيْخُ المُؤَلِّفِ وشَيْخُ وَالِدِهِ كَمَا في مُعْجَمِهِ "المُنْتَقَى" رقم (2) وَهُوَ حَنْبَلِيٌّ ذَكَرَهَ المُؤَلِّفُ في مَوْضِعِهِ: (5/ 99) وَقَالَ: "وأَجَازَ لِي مَا تَجُوْزُ لَهُ رِوَايَتُهُ بِخَطِّ يَدِهِ".

39 - مُحَمَّدُ بنُ أَحْمَدَ بنِ إِبْرَاهِيْمَ، صَلَاحُ الدِّيْنِ بنُ أَبي عُمَرَ المَقْدِسِيُّ (ت: 780 هـ) ذَكَرَهُ المُؤَلِّفُ في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ": (2/ 93)، وَهَلْ هُوَ المَذْكُوْرُ فِي الجُزْءِ الأَوَّلِ: (188) أَوْ هَو مُحَمَّدُ بنُ أَحْمَدَ التَّلِّيُّ الصَّالِحِيُّ؟! المَذْكُوْر قَبْلَهُ.

40 - مُحَمَّدُ بنُ إِسْمَاعِيْلَ بنِ إِبْرَاهِيْمَ بنِ سَالِمٍ الأَنْصَارِيُّ، الخَبَّازِ، الدِّمَشْقِيُّ (ت: 756 هـ) أَكْثَرَ مِنَ الإِسْنَادِ إِلَيْهِ في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ": (1/ 441. 2/ 101، 327. 3/ 93، 103، 166، 181، 217، 222، 237، 337، 356، 377، 423، 458، 504، 157، 202، 351). وهو أَيْضًا شَيْخُ أبيه كَمَا في مُعْجَمِهِ "المُنْتَقَى": رقم (180).
৩৬ - মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন কুদামা আল-মাকদিসি ইজ্জুদ্দীন, আবু আব্দুল্লাহ (মৃত্যু: ৭৪৮ হি.)। লেখক তাকে তার যথাযোগ্য স্থানে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: "তিনি আমাকে তার বর্ণিত বিষয়সমূহের অনুমতি (ইজাজত) প্রদান করেছেন।"

৩৭ - মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন উমর বিন আবিল বদর বিন শুজা আল-খালিদি (মৃত্যু: ৭৪১ হি.)। লেখক তাকে "যাইলুত তাবাকাত"-এ উল্লেখ করেছেন: (৪/ ১৯৬)। তিনি বলেছেন: "মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল-খালিদি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন..." আর এতে কোনো সন্দেহ নেই যে তিনি ইজাজতের (অনুমতি) মাধ্যমে তার শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত, কারণ তিনি যখন মৃত্যুবরণ করেন তখন হাফিজ ইবনে রজবের বয়স পাঁচ বছরের বেশি ছিল না। তিনি তার পিতারও শিক্ষক ছিলেন, যেমনটি তার শিক্ষকদের জীবনীগ্রন্থ "আল-মুনতাকা" এর ১২ নম্বর ক্রমিকে বর্ণিত হয়েছে। তিনি একজন হাম্বলী ফকিহ ছিলেন, লেখক তাকে উল্লেখ করেননি, আমি তাকে তার যথাযোগ্য স্থানে সংযোজন করেছি।

৩৮ - মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন তাম্মাম বিন হাসসান আত-তাল্লি (মৃত্যু: ৭৪১ হি.)। তিনি লেখকের শিক্ষক এবং তার পিতারও শিক্ষক ছিলেন, যেমনটি তার জীবনীগ্রন্থ "আল-মুনতাকা" এর ২ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে। তিনি একজন হাম্বলী ছিলেন; লেখক তাকে তার যথাযোগ্য স্থানে উল্লেখ করেছেন: (৫/ ৯৯) এবং বলেছেন: "তিনি তার নিজের হস্তাক্ষরে আমাকে সেই সমস্ত বিষয় বর্ণনা করার অনুমতি (ইজাজত) দিয়েছেন যা বর্ণনা করার অধিকার তার ছিল।"

৩৯ - মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ইব্রাহিম, সালাহুদ্দীন বিন আবি উমর আল-মাকদিসি (মৃত্যু: ৭৮০ হি.)। লেখক তাকে "যাইলুত তাবাকাত"-এ উল্লেখ করেছেন: (২/ ৯৩)। তবে তিনি কি সেই ব্যক্তি যাকে প্রথম খণ্ডের ১৮৮ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে, নাকি তিনি তার পূর্বে উল্লিখিত মুহাম্মদ বিন আহমদ আত-তাল্লি আস-সালিহি?!

৪০ - মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন ইব্রাহিম বিন সালিম আল-আনসারি, আল-খাব্বাজ, আদ-দিমাশকি (মৃত্যু: ৭৫৬ হি.)। লেখক "যাইলুত তাবাকাত"-এ তার সূত্রে প্রচুর বর্ণনা করেছেন: (১/ ৪৪১, ২/ ১০১, ৩২৭, ৩/ ৯৩, ১০৩, ১৬৬, ১৮১, ২১৭, ২২২, ২৩৭, ৩৩৭, ৩৫৬, ৩৭৭, ৪২৩, ৪৫৮, ৫০৪, ১৫৭, ২০২, ৩৫১)। তিনিও তার পিতার শিক্ষক ছিলেন, যেমনটি তার জীবনীগ্রন্থ "আল-মুনতাকা" এর ১৮০ নম্বর ক্রমিকে বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ২৭)
41 - مُحَمَّدُ بنُ إِسْمَاعِيْلَ بنِ عَبْدِ العَزِيْزِ بنِ عَيْسَى بنِ أَبي بَكْرٍ الأَيُّوبِيُّ المَعْرُوْفُ بِـ "ابنِ المُلُوْكِ" (ت: 756 هـ)، ذَكَرَهَ ابنُ رَجَبٍ في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ" (1/ 22، 28، 47، 89) وَأَنَّهُ سَمِعَ مِنْهُ بِـ "القَاهِرَةِ". وَهُوَ شَيْخُ أَبِيْهِ كَمَا فِي مُعْجَمِهِ "المُنْتَقَى" رقم (178).

42 - مُحَمَّدُ بنُ إِسْمَاعِيْلَ بنِ عُمَرَ، أَبُو الفَضْلِ، عزُّ الدِّيْنِ، الحَمَوِيُّ، الدِّمَشْقِيُّ الشَّافِعِيُّ (ت: 757 هـ) أَسْنَدَ عَنْهُ الحَافِظِ ابنِ رَجَب في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ" فِي ثَلَاثَةِ مَوَاضِعَ: (2/ 209. 3/ 487. 4/ 274) قَالَ: "وَقَرَأْتُ عَلَى أَبي الفَضْلِ مُحَمَّدِ بنِ إِسْمَاعِيْلَ بنِ الحَمَوِيِّ بِـ "دِمَشْقَ". . . ." وَقَالَ: "أَخْبَرَنَا أَبُو الفَضْلِ مُحَمَّدُ بنُ إِسْمَاعِيْلَ بنِ عُمَرَ بنِ الحَمَوِيِّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ. . ." وَذَكَرَهُ فِي تَرْجَمَةِ المُنَجَّى بنِ عُثْمَانَ (ت: 695 هـ) رقم (474) قَالَ: ". . . وَحَدَّثَ، سَمِعَ مِنْهُ ابنُ العَطَّارِ، وَالمِزِّيُّ، وَالبِرْزَالِيُّ، وَحَدَّثَنَا عَنْهُ أَبُو الفَضْلِ بنُ الحَمَوِيِّ وَغَيْرُهُ. . ." وَذَكَرَ تَقِيُّ الدِّيْنِ الفَاسِيُّ فِي ذَيْلِ التَّقْيِيْدِ (2/ 72) أَنَّهُ قَرَأَ عَلَيْهِ "أَمَالِي ابنِ سَمْعُوْنَ" وَهُوَ أَيْضًا شَيْخُ أَبِيْهِ كَمَا في مُعْجَمِهِ "المُنْتَقَى" رقم (186).

43 - مُحَمَّدُ بنُ أَبي بَكْرِ بنِ إِبْرَاهِيْمَ بنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ المَعْرُوْفُ بِـ "ابنِ النَّقِيْبِ" الشَّافِعِيُّ (ت: 745 هـ) هُوَ شَيْخُهُ، وشَيْخُ أَبِيْهِ كَمَا في مُعْجَمِ شُيُوْخِهِ "المُنْتَقَى" رقم (58) قَالَ وَالِدُهُ في مُعْجَمِهِ: "قَالَ لِي عَامَ أَرْبَعٍ وَأَرْبَعِيْنَ وَسَبْعَمائَةَ "بالشَّامِيَّةَ البَرَّانِيَّةِ" قَدْ أَجَزْتُكَ وَوَلَدَكَ عَبْدَ الرَّحْمَن، كَمَا أَجَازَنِي النَّوَوِيُّ وَيَدي في يَدِهِ".

44 - مُحَمَّدُ بنُ أَبي بَكْرِ بنِ أَيُّوبَ الزُّرَعِيُّ المَعْرَوْفُ بِـ "ابنِ قَيِّمِ الجَوْزِيَّةِ" (ت: 751 هـ) ذَكَرَهُ المُؤَلِّفُ في: (1/ 150، 192، 4/ 5)، وَفِي تَرْجَمَةِ (5/ 171):
৪১ - মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে ঈসা ইবনে আবু বকর আল-আইয়ুবী, যিনি "ইবনুল মুলুক" (মৃত্যু: ৭৫৬ হিজরি) নামে পরিচিত। ইবনে রাজাব "যাইলুত তাবাকাত" (১/ ২২, ২৮, ৪৭, ৮৯) গ্রন্থে তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন যে তিনি তাঁর থেকে "কায়রোতে" শুনেছেন। এবং তিনি তাঁর পিতারও শিক্ষক ছিলেন যেমনটি তাঁর সংকলিত গ্রন্থ "আল-মুনতাকা" (ক্রমিক নং ১৭৮)-তে বর্ণিত হয়েছে।

৪২ - মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল ইবনে উমর, আবুল ফজল, ইজ্জুদ্দিন আল-হামাভী আদ-দিমাশকি আশ-শাফিঈ (মৃত্যু: ৭৫৭ হিজরি)। হাফিজ ইবনে রাজাব "যাইলুত তাবাকাত" গ্রন্থের তিনটি স্থানে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: (২/ ২০৯, ৩/ ৪৮৭, ৪/ ২৭৪)। তিনি বলেছেন: "এবং আমি দামেস্কে আবুল ফজল মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল ইবনুল হামাভীর কাছে পাঠ করেছি..." এবং তিনি বলেছেন: "আবুল ফজল মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল ইবনে উমর ইবনুল হামাভী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পাঠের মাধ্যমে..." এবং তিনি মুনাজ্জা ইবনে উসমান (মৃত্যু: ৬৯৫ হিজরি, ক্রমিক নং ৪৭৪)-এর জীবনীতে তাঁর কথা উল্লেখ করে বলেছেন: "...এবং তিনি হাদিস বর্ণনা করেছেন, তাঁর থেকে ইবনুল আত্তার, আল-মিজ্জি এবং আল-বিরজালি শুনেছেন, আর আমাদের কাছে তাঁর থেকে আবুল ফজল ইবনুল হামাভী ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন..." এবং তাকিউদ্দিন আল-ফাসি "যাইলুত তাকয়িদ" (২/ ৭২) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে তিনি তাঁর কাছে "আমালি ইবনে সামউন" পাঠ করেছেন এবং তিনি তাঁর পিতারও শিক্ষক ছিলেন যেমনটি তাঁর "আল-মুনতাকা" (ক্রমিক নং ১৮৬)-তে রয়েছে।

৪৩ - মুহাম্মাদ ইবনে আবু বকর ইবনে ইবরাহিম ইবনে আব্দুর রহমান, যিনি "ইবনুন নাকিব" আশ-শাফিঈ (মৃত্যু: ৭৪৫ হিজরি) নামে পরিচিত। তিনি তাঁর এবং তাঁর পিতারও শিক্ষক ছিলেন, যেমনটি তাঁর শিক্ষকদের জীবনীগ্রন্থ "আল-মুনতাকা" (ক্রমিক নং ৫৮)-তে রয়েছে। তাঁর পিতা তাঁর সংকলিত গ্রন্থে বলেছেন: "তিনি সাতশত চুয়াল্লিশ হিজরিতে 'আশ-শামিয়্যাহ আল-বাররানিয়্যাহ'-তে আমাকে বলেছিলেন: আমি তোমাকে এবং তোমার পুত্র আব্দুর রহমানকে অনুমতি প্রদান করলাম, ঠিক যেমন ইমাম নববী আমাকে অনুমতি দিয়েছিলেন যখন আমার হাত তাঁর হাতের মধ্যে ছিল।"

৪৪ - মুহাম্মাদ ইবনে আবু বকর ইবনে আইয়ুব আজ-জুরাঈ, যিনি "ইবনুল কায়্যিম আল-জাওজিয়া" (মৃত্যু: ৭৫১ হিজরি) নামে পরিচিত। লেখক তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন: (১/ ১৫০, ১৯২, ৪/ ৫) এবং (৫/ ১৭১) জীবনীতে:
(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ২৮)
"الفَقْيهُ، الأُصُوْلِيُّ، المُفَسِّرُ، النَّحْوِيُّ، العَارِفُ، شَمْسُ الدِّيْنِ، أَبُو عَبْدِ اللهِ "ابنُ قَيِّمِ الجَوْزِيِّ" شَيْخُنَا" وَهُوَ أَيْضًا شَيْخُ وَالِدِهِ كَمَا فِي مُعْجَمِهِ "المُنْتَقَى": رقم (136) قَالَ: "سَمِعَ عَلَيْهِ شِهَابُ الدِّيْنِ ابنُ رَجَبٍ بَعْضُ مُصَنَّفَاتِهِ، وقَالَ: "وَحَصَلَ لَنَا بِمُجَالَسَتِهِ مِنَ النَّفْعِ وَالحُضُوْرِ وَالذِّكْرِ خَيْرٌ وَبَرَكَةٌ، فَجَزَاهُ اللهُ خَيْرًا".

45 - مُحَمَّدُ بنُ سَعِيْدِ بنِ عُمَرَ بنِ السَّابِقِ، عَفِيْفُ الدِّيْنِ الأَزَجِيُّ البَغْدَادِيُّ، المُقْرِئُ (ت: 750 هـ)، ذَكَرَهَ الحَافِظُ ابنُ رَجَبٍ في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ": (4/ 202) - في تَرْجَمَةِ عَبْدِ الرَّحِيْمِ بنِ مُحَمَّدٍ العَلَثِيِّ (ت: 685) - قَالَ: "حَدَّثَنَا عنه بِـ "بَغْدَادَ" العَفِيْفُ مُحَمَّدُ بنُ السَّابِقِ، شَيْخُ المُسْتَنْصِرِيَّةِ. . . ." وَهُوَ أَيْضًا شَيْخُ أَبِيْهِ كَمَا فِي مُعْجَمِهِ "المُنْتَقَى" رقم (130) قَالَ: "قَرَأْتُ عَلَيْهِ بـ "المُسْتَنْصِرِيِةِ" "مُسْنَدَ الشَّافِعِيِّ" وَ"جَامِعَ مَعْمَرٍ" تَخْرِيْجُ عَبْدِ الرَّزَّاقِ. . .".

46 - مُحَمَّدُ بنُ عَبْدِ الرَّزَّاقِ بنِ أَحْمَدَ أَبُو المَعَالِي "ابنُ الفُوَطِيِّ" الشَّيْبَانِيُّ (ت: 750 هـ)، وَالِدُهُ الإِمَامُ المَشْهُوْرُ كَمَالُ الدِّيْنِ (ت: 723 هـ) ذَكَرَهُ المُؤَلِّفُ فِي "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ": (2/ 101. 3/ 186، 226، 423. 4/ 452). قَالَ: "قَرَأْتُ عَلَى أَبي المَعَالِي مُحَمَّدِ بنِ عَبْدِ الرَّزَّاقِ. . . ." وَهُوَ شَيْخُهُ وشَيْخُ أَبِيْهِ كَمَا فِي مُعْجَمِهِ "المُنْتَقَى" رقم (131) قَالَ: سَمِعَ عَلَيْهِ ابنُ رَجَبٍ "ثُلَاثِيَّاتِ البُخَارِيِّ" وَ"ثُلَاثِيَّاتِ مُسْنَدِ الطَّيَالِسِيِّ" تَخْرِيْجُ وَالِدِهِ بِسَمَاعِهِ مِنْهُ … قَالَ: "وَخَرَّجَ لَهُ وَلَدِي أَبُو الفَرَجِ أَحَادِيْثَ ثُمَانِيَّاتٍ سَمِعَهَا عَلَيْهِ بِمَسْجِدِهِ بِـ "الخَاتُوْنِيَّةِ" مِنْ "بَغْدَادَ".

47 - مُحَمَّدُ بنُ عَبْدِ العَزِيْزِ بنِ عَلِيِّ بنِ عَبْدِ العَزِيْزِ بنِ المُؤَذِّنِ الوَرَّاقُ، شَمْسُ الدِّيْنِ، أَبُو عَبْدِ اللهِ (ت: 741 هـ) حَنْبَلِيٌّ لَمْ يَذْكُرْهُ المُؤَلِّفُ اسْتَدْرَكْتُهُ في مَوْضِعِهِ،
ফকিহ, উসুলবিদ, মুফাসসির, ব্যাকরণবিদ, আরিফ, শামসুদ্দিন, আবু আব্দুল্লাহ "ইবনুল কাইয়্যিম আল-জাওজিয়্যাহ", আমাদের শায়খ। তিনি তাঁর পিতারও শায়খ ছিলেন, যেমনটি তাঁর 'আল-মুন্তাকা' মু'জামে (নম্বর ১৩৬) বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন: "শিহাবুদ্দিন ইবনে রজব তাঁর নিকট তাঁর কিছু সংকলন পাঠ করেছেন।" তিনি আরও বলেন: "তাঁর সঙ্গে মজলিসে বসে আমরা যে উপকার, উপস্থিতি ও জিকিরের সুযোগ পেয়েছি তাতে প্রভূত কল্যাণ ও বরকত লাভ হয়েছে; আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দিন।"

৪৫ - মুহাম্মদ বিন সাঈদ বিন উমর বিন আস-সাবিক, আফিফুদ্দিন আল-আজাজি আল-বাগদাদি, আল-মুকরি (মৃত্যু: ৭৫০ হিজরি)। হাফেজ ইবনে রজব 'জাইলুত তাবাকাত' গ্রন্থে (৪/২০২) আব্দুর রহিম বিন মুহাম্মদ আল-আলাসি (মৃত্যু: ৬৮৫)-এর জীবনীতে তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন: "বাগদাদে আমাদের নিকট তাঁর সূত্রে বর্ণনা করেছেন আফিফ মুহাম্মদ বিন আস-সাবিক, যিনি মুস্তানসিরিয়্যার শায়খ ছিলেন..."। তিনি তাঁর পিতারও শায়খ ছিলেন, যেমনটি তাঁর 'আল-মুন্তাকা' মু'জামের ১৩০ নম্বরে বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন: "আমি মুস্তানসিরিয়্যাতে তাঁর নিকট 'মুসনাদে শাফিঈ' এবং আব্দুর রাজ্জাকের তাখরিজকৃত 'জামে মা'মার' পাঠ করেছি..."।

৪৬ - মুহাম্মদ বিন আব্দুর রাজ্জাক বিন আহমদ আবু আল-মা'আলি "ইবনুল ফুওয়াতি" আশ-শাইবানি (মৃত্যু: ৭৫০ হিজরি), তাঁর পিতা হলেন প্রসিদ্ধ ইমাম কামালুদ্দিন (মৃত্যু: ৭২৩ হিজরি)। লেখক তাকে 'জাইলুত তাবাকাত' গ্রন্থে (২/১০১, ৩/১৮৬, ২২৬, ৪২৩, ৪/৪৫২) উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন: "আমি আবুল মা'আলি মুহাম্মদ বিন আব্দুর রাজ্জাকের নিকট পাঠ করেছি..."। তিনি তাঁর নিজের এবং তাঁর পিতারও শায়খ ছিলেন, যেমনটি তাঁর 'আল-মুন্তাকা' মু'জামের ১৩১ নম্বরে বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন: ইবনে রজব তাঁর নিকট 'সুলাসিয়াতে বুখারি' এবং তাঁর পিতার নিকট হতে শ্রবণকৃত ও তাঁর পিতারই তাখরিজকৃত 'সুলাসিয়াতে মুসনাদে তায়ালিসি' শুনেছেন … তিনি বলেন: "আমার পুত্র আবু আল-ফারাজ তাঁর জন্য 'সুমানিয়্যাত' হাদিসসমূহ তাখরিজ করেছেন, যা তিনি বাগদাদের 'খাতুনিয়্যাহ' মসজিদে তাঁর নিকট শ্রবণ করেছেন।"

৪৭ - মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ বিন আলী বিন আব্দুল আজিজ বিন আল-মুয়াজ্জিন আল-ওয়াররাক, শামসুদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ (মৃত্যু: ৭৪১ হিজরি), তিনি একজন হাম্বলি ছিলেন। লেখক তাঁর কথা উল্লেখ করেননি, আমি যথাযোগ্য স্থানে তা সংযোজন করেছি।
(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ২৯)
ذَكَرَهُ ابنُ رَجَبٍ في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ" - في تَرْجَمَةِ عَلِيِّ بنُ مُحَمَّدٍ الشَّهْرَبَانِيِّ - وقال: "وَحَدَّثَ الشَّيْخُ بالكَثِيْرِ، وَسَمِعَ منه خَلْقٌ وَرَوَى عَنْهُ ابنُ حُصَيْنٍ … وَأَبُو عَبْدِ اللهِ مُحَمَّدُ بنُ عَبْدِ العَزِيْزِ بنِ المُؤذِّنِ الوَرَّاقُ، وَرَوَى عَنْهُ "صَحِيْحُ البُخَارِيِّ" وسَمِعْتُ عَلَيْهِ حُضُوْرًا في الرَّابِعَةِ منه كِتَابَ "النِّكَاحِ" بِكَمَالِهِ" وَهُوَ أَيْضًا من شُيُوْخِ وَالِدِهِ كَمَا فِي مُعْجَمِهِ "المُنْتَقَى" رقم (15).

48 - مُحَمَّدُ بنُ أَبِي القَاسِمِ الفَارِقِيُّ. ذَكَرَهُ المُؤَلِّفُ فِي الذَّيْلِ (4/ 269) فِي تَرْجَمَةِ أَحْمَدَ بنِ حَمْدَانَ الحَرَّانِيِّ (ت: 695 هـ) رقم (472) (4/ 269) قَالَ: "وَحَدَّثَنَا عَنْهُ مُحَمَّدُ بنُ أَبِي القَاسِمِ الفَارِقِيُّ الشَّاهِدُ بِـ "القَاهِرَةِ". وَهُوَ مُحَمَّدُ بنُ أَبِي القَاسِمِ بنِ إِسْمَاعِيْلَ بنِ المُظَفَّرِ، نَاصِرُ الدِّيْنِ الفَارِقِيُّ (ت: 761 هـ). ذَكَرَهُ ابنُ قَاضِي شُهْبَةَ (3/ 2/ 177) وَذَكَرَ فِي شُيُوْخِهِ نَجْمَ الدِّيْنِ ابنَ حَمْدَانَ، وَذَكَرَ وَفَاتَهُ بِـ "القَاهِرَةِ".

49 - مُحَمَّدُ بنُ مُحَمَّدِ بنِ إِبْرَاهِيْمَ المِصْرِيُّ المَيْدُوْمِيُّ (ت: 754 هـ) سمع عَلَيْهِ بِـ "مِصْرَ" وأَسْنَدَ عَنْهُ كَثِيْرًا في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ": (1/ 28، 62، 66، 76، 277، 307، 309، 312، 401، 407، 421، 426، 441، 459. 2/ 5، 19، 43، 50، 60، 87، 183، 502، 514، 522، 527. 3/ 60، 78، 173، 296، 504)، وَهُوَ أَيْضًا مِنْ شُيُوْخِ وَالِدِهِ شِهَابِ الدِّيْنِ كَمَا فِي مُعْجَمِهِ "المُنْتَقَى" رقم (162).

50 - مُحَمَّدُ بنُ مُحَمَّدٍ، فَتْحُ الدِّيْنِ، أَبُو الحَرَمِ القَلَانِسِيُّ (ت: 765 هـ) ذَكَرَهُ في شُيُوْخِهِ ابنُ قَاضِي شُهْبَةَ في تَارِيْخِهِ (3/ 2/ 258)، وَالحَافِظُ ابنُ حَجَرٍ في الدُّرَرِ الكَامِنَةِ، وَغَيْرِهِمَا، وَهُوَ أَيْضًا مِنْ شُيُوْخِ وَالِدِهِ كَمَا في مُعْجَمِهِ "المُنْتَقَى" رقم (243).
ইবনে রজব একে 'যাইলুত তাবাকাত'-এ আলী বিন মুহাম্মদ আশ-শাহরাবানীর জীবনীতে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: "শায়খ অনেক হাদিস বর্ণনা করেছেন, তার থেকে বহু মানুষ শুনেছেন এবং ইবনে হুসাইন... ও আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ বিন আল-মুআজ্জিন আল-ওয়াররাক তার থেকে বর্ণনা করেছেন। তার মাধ্যমে 'সহীহ বুখারী' বর্ণিত হয়েছে এবং আমি তার উপস্থিতিতে এর চতুর্থ খণ্ড থেকে পূর্ণাঙ্গ 'নিকাহ অধ্যায়' শ্রবণ করেছি।" তিনি তার পিতারও অন্যতম শিক্ষক, যেমনটি তার মু'জাম 'আল-মুনতাকা'র ১৫ নং-এ বর্ণিত হয়েছে।

৪৮ - মুহাম্মদ বিন আবিল কাসিম আল-ফারিকী। লেখক একে 'যাইল'-এ (৪/ ২৬৯) আহমদ বিন হামদান আল-হাররানী (মৃত্যু: ৬৯৫ হি.) এর জীবনীতে ৪৭২ নং-এ (৪/ ২৬৯) উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: "কায়রোতে অবস্থানকারী প্রত্যক্ষদর্শী মুহাম্মদ বিন আবিল কাসিম আল-ফারিকী আমাদের কাছে তার থেকে বর্ণনা করেছেন।" তিনি হলেন মুহাম্মদ বিন আবিল কাসিম বিন ইসমাইল বিন আল-মুজাফ্ফার, নাসিরুদ্দীন আল-ফারিকী (মৃত্যু: ৭৬১ হি.)। ইবনে কাজী শুহবা (৩/ ২/ ১৭৭) তার কথা উল্লেখ করেছেন এবং তার শিক্ষকদের মধ্যে নাজমুদ্দীন ইবনে হামদানের নাম উল্লেখ করেছেন, এবং কায়রোতে তার মৃত্যুর কথা উল্লেখ করেছেন।

৪৯ - মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম আল-মিসরী আল-মাইদুমী (মৃত্যু: ৭৫৪ হি.)। 'মিসরে' তার কাছে হাদিস শ্রবণ করা হয়েছে এবং 'যাইলুত তাবাকাত'-এ তার থেকে প্রচুর বর্ণনা করা হয়েছে: (১/ ২৮, ৬২, ৬৬, ৭৬, ২৭৭, ৩০৭, ৩০৯, ৩১২, ৪০১, ৪০৭, ৪২১, ৪২৬, ৪৪১, ৪৫৯। ২/ ৫, ১৯, ৪৩, ৫০, ৬০, ৮৭, ১৮৩, ৫০২, ৫১৪, ৫২২, ৫২৭। ৩/ ৬০, ৭৮, ১৭৩, ২৯৬, ৫০৪)। তিনি তার পিতা শিহাবুদ্দীনেরও অন্যতম শিক্ষক, যেমনটি তার মু'জাম 'আল-মুনতাকা'র ১৬২ নং-এ উল্লেখ আছে।

৫০ - মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ, ফাতহুদ্দীন, আবুল হারাম আল-কালানিসি (মৃত্যু: ৭৬৫ হি.)। ইবনে কাজী শুহবা তার 'তারিখ'-এ (৩/ ২/ ২৫৮), হাফেজ ইবনে হাজার 'আদ-দুরারুল কামিনা'-তে এবং অন্যান্যরা তাকে তার শিক্ষকদের মধ্যে উল্লেখ করেছেন। তিনি তার পিতারও অন্যতম শিক্ষক ছিলেন, যেমনটি তার মু'জাম 'আল-মুনতাকা'র ২৪৩ নং-এ রয়েছে।
(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ৩০)
51 - مُحَمَّدُ بنُ مُحَمَّدِ بنِ الفَصِيْحِ الكُوْفِيُّ الهَاشِمِيُّ الوَاعِظُ (ت: 745 هـ) ذَكَرَهُ المُؤَلِّفُ فِي تَرْجَمَةِ عَلِيِّ بنِ عُثْمَانَ الوُجُوْهِيِّ (ت: 672 هـ) رقم (432) (4/ 116) قَالَ: "رَوَى عَنْهُ ابنُ خَرُوْفٍ المَوْصِلِيُّ وَشُيُوْخُنَا بِالإِجَازَةِ نَجِيْبُ الدِّيْنِ عَلِيُّ بنُ مُحَمَّدٍ الرِّفَاعِيُّ، وَعَلِيُّ بنُ عَبْدِ الصَّمَدِ، وَمُحَمَّدُ بنُ مُحَمَّدِ بنِ الكُوْفِيِّ الهَاشِمِيُّ الوَاعِظُ وَغَيْرُهُمْ" وَذَكَرَهُ ثَانِيَةً فِي تَرْجَمَةِ مُحَمَّدِ بنِ عَبْدِ المُحْسِنِ الدَّوَالِيْبِيِّ (ت: 728 هـ) رَقَم (529) (4/ 487).

52 - وَمِنْ شُيُوْخِهِ: "ابنُ النَّبَّاشِ" الَّذِي لَمْ نَعْرِفِ اسْمُهُ ذَكَرَهُ المُؤَلِّفُ رَقَم (575) (5/ 87) فِي أَصْحَابِ صَفِيِّ الدِّيْنِ عَبْدِ المُؤْمِنِ بنِ عَبْدِ الحَقِّ (ت: 739 هـ) قَالَ المُؤَلِّفُ ابنُ رَجَبٍ: "قَرَأْتُ عَلَيْهِ "مُخْتَصَرَ الخِرَقِيِّ" مِنْ حِفْظِي وَسَمِعْتُ عَلَيْهِ أَجْزَاءً كَثِيْرَةً مِنْ مُصَنَّفَاتِهِ وَصَحِبْتُهُ إِلَى المَمَاتِ".

53 - يُوْسُفُ بنِ عَبْدِ الرَّحمن بنِ نَجْمِ بنِ عَبْدِ الوَهَّابِ بنِ عَبْدِ الوَاحِدِ "ابنُ الحَنْبَلِيِّ" (ت: 751 هـ) أَسْنَدَ إِليْهِ المُؤَلِّفُ في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ": (1/ 154) - في تَرْجَمَةِ جَدِّهِ الأَعْلَى "عَبْدِ الوَاحِدَ" فَقَالَ: "أَخْرَجَ إِليَّ شَيْخُنَا يُوْسُفُ بنُ يَحْيَى بنِ عَبْدِ الرَّحْمَن بنِ نَجْمِ بنِ عَبْدِ الوَهَّابِ بنِ الشَّيْخِ أَبي الفَرَجِ نَسَبَ جَدِّهِ وَهُوَ … كَذَا رَأَيْتُهُ، وَيُوْسُفَ هَذَا أَدْرَكْتُهُ، وَسَمِعْتُ مِنْهُ جُزْءًا عَنْ أَبِيْهِ، عَنِ الخُشُوْعِيِّ"، وَهُوَ مِنْ شُيُوْخِ أَبِيْهِ كَمَا فِي مُعْجَمِ شُيُوْخِهِ "المُنْتَقَى" رقم (139).

54 - يُوْسُفُ بنُ عَبْدِ اللهِ بنِ العَفِيْفِ مُحَمَّدٍ النَّابُلُسِيُّ (ت: 754 هـ)، جَاءَ في "ذَيْلِ الطَّبَقَاتِ" (4/ 305)، - في تَرْجَمَةِ عَبْدِ الحَافِظِ بنِ بَدْرَانَ (ت: 698 هـ) - قُلْتُ: "حَدَّثَنَا عَنْهُ جَمَاعَةٌ مِنْ أَصْحَابِهِ بـ "دِمَشْقَ" وَ"نَابُلُسَ" قَرَأْتُ "سُنَنَ ابنِ مَاجَه"
৫১ - মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ ইবনুল ফাসিহ আল-কুফি আল-হাশেমি আল-ওয়ায়েজ (ওফাত: ৭৪৫ হিজরি)। লেখক তাকে আলি ইবন উসমান আল-উজূহি (ওফাত: ৬৭২ হিজরি) এর জীবনীতে উল্লেখ করেছেন, নং ৪৩২ (৪/ ১১৬)। তিনি বলেন: "ইবন খারুফ আল-মাওসিলি এবং ইজাজতের মাধ্যমে আমাদের শায়খগণ - নাজিবুদ্দিন আলি ইবন মুহাম্মদ আর-রিফায়ি, আলি ইবন আব্দুস সামাদ, এবং মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ ইবনুল কুফি আল-হাশেমি আল-ওয়ায়েজ ও অন্যান্যরা তার থেকে বর্ণনা করেছেন।" এবং তিনি তাকে দ্বিতীয়বার মুহাম্মদ ইবন আব্দুল মুহসিন আদ-দাওয়ালিবি (ওফাত: ৭২৮ হিজরি) এর জীবনীতে উল্লেখ করেছেন, নং ৫২৯ (৪/ ৪৮৭)।

৫২ - এবং তার শায়খদের অন্তর্ভুক্ত হলেন: "ইবনুন নাব্বাশ", যার নাম আমরা জানতে পারিনি। লেখক তাকে সাফিয়ুদ্দিন আব্দুল মুমিন ইবন আব্দুল হক (ওফাত: ৭৩৯ হিজরি)-এর সাথীদের বর্ণনায় ৫ নং খণ্ডের ৮৭ পৃষ্ঠায় ৫৭৫ নম্বর অধীনে উল্লেখ করেছেন। লেখক ইবনে রজব বলেন: "আমি তার কাছে আমার মুখস্থ থেকে 'মুখতাসারুল খিরাকি' পাঠ করেছি এবং তার থেকে তার অনেকগুলো গ্রন্থ শ্রবণ করেছি এবং মৃত্যু পর্যন্ত তার সান্নিধ্যে ছিলাম।"

৫৩ - ইউসুফ ইবন আব্দুর রহমান ইবন নাজমুদ্দিন ইবন আব্দুল ওয়াহহাব ইবন আব্দুল ওয়াহিদ "ইবনুল হানবালি" (ওফাত: ৭৫১ হিজরি)। লেখক "যাইলুত তাবাকাত" গ্রন্থে: (১/ ১৫৪) - তার উর্ধ্বতন দাদা "আব্দুল ওয়াহিদ"-এর জীবনীতে তার সনদ বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: "আমাদের শায়খ ইউসুফ ইবন ইয়াহইয়া ইবন আব্দুর রহমান ইবন নাজমুদ্দিন ইবন আব্দুল ওয়াহহাব ইবন শায়খ আবুল ফারাজ আমার কাছে তার দাদার বংশপরিচয় তুলে ধরেছেন এবং তা হলো ... এভাবেই আমি তা দেখেছি। আর এই ইউসুফকে আমি পেয়েছি এবং তার থেকে তার পিতার সূত্রে খুশুয়ি থেকে একটি জুয (পুস্তিকা) শ্রবণ করেছি।" আর তিনি তার পিতার শায়খদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যেমনটি তার শায়খদের অভিধান "আল-মুনতাকা" এর ১৩৯ নম্বরে বর্ণিত হয়েছে।

৫৪ - ইউসুফ ইবন আব্দুল্লাহ ইবনুল আফিফ মুহাম্মদ আন-নাবলুসি (ওফাত: ৭৫৪ হিজরি)। "যাইলুত তাবাকাত" (৪/ ৩০৫) গ্রন্থে আব্দুল হাফিজ ইবন বদরান (ওফাত: ৬৯৮ হিজরি)-এর জীবনীতে এসেছে - আমি বলেছি: "দামেস্ক ও নাবলুসে তার একদল সাথী আমাদের কাছে তার থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। আমি 'সুনানে ইবনে মাজাহ' পাঠ করেছি"
(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ৩১)
بِـ "دِمَشْقَ" عَلَى جَمَالِ الدِّيْنِ يُوْسُفَ بنِ عَبْدِ اللهِ بنِ مُحَمَّدٍ النَّابُلُسِيِّ، الفَقِيْهُ، الفَرَضيُّ، بِسَمَاعِهِ مِنْهُ".

وَذَكَرَ ابنُ قَاضِي شُهْبَةَ فِي تَارِيْخِهِ (3/ 1/ 488) فِي شُيُوْخِهِ: الفَخْرَ التَّوْزَرِيَّ قَالَ: "وَحَجَّ مَعَ وَالِدِهِ سَنَةَ تِسْعٍ وَأَرْبَعِيْنَ، وَقَرَأَ بِنَفْسِهِ بِـ "مَكَّةَ" عَلَى الفَخْرِ التَّوْزَرِيِّ. . .". أَقُوْلُ - وَعَلَى اللهِ أَعْتَمِدُ -: وَهَذَا لَا يَصِحُّ فَالفَخْرُ التَّوْزَرِيُّ عُثْمَانُ بنُ مُحَمَّدِ بنِ عُثْمَانَ المَالِكِيُّ نَزِيْلُ مَكَّةَ (ت: 713 هـ)؟! تُوُفِّيَ قَبْلَ مَوْلِدِ الحَافِظِ ابنِ رَجَبٍ بِزَمَنٍ، وَإِنَّمَا المَقْصُوْدُ فِي نَصِّ ابنِ قَاضِي شُهْبَةَ هُوَ الفَخْرُ النُّوَيْرِيُّ عُثْمَانُ بنُ يُوْسُفَ الَّذِي سَبَقَ ذِكْرُهُ فِي شُيُوْخِهِ. وَفِي "المَنْهَجِ الأَحْمَدِ": "أَجَازَهُ ابنُ النَّقِيْبِ والنَّوَوِيُّ. . ." وَهَذَا لَا يَصِحُّ أَيْضًا فَالنَّوَوِيُّ (ت: 676 هـ)؟! تُوُفِّيَ قَبْلَ مَوْلِدِ الحَافِظِ أَيْضًا، وَعَرَّفَ مُحَقِّقُ "المَنْهَجِ الأَحْمَدِ" بِنَوَوِيٍّ آخَرَ لَا صِلَةَ لَهُ بِابنِ رَجَبٍ؟! وَلَعَلَّ صِحَّةَ العِبَارَةِ: "وَأَجَازَهُ ابنُ النَّقِيْبِ عَنِ النَّوَوِيِّ؛ فَابْنُ النَّقِيْبِ كَانَ مِنْ أَصْحَابِ النَّوَوِيِّ. قَالَ السُّبْكِيُّ فِي طَبَقَاتِهِ (9/ 307) في تَرْجَمَةِ ابنِ النَّقِيْبِ: "مُدَرِّسُ الشَّامِيَّةِ البَرَّانِيَّةِ وَصَاحِبُ النَّوَوِيِّ، وَأَعْظِمْ بِتِلْكَ الصُّحْبَةِ رُتْبَةً عِلَيَّةً. . .". وَأَوْضَحُ مِنْ هَذَا مَا جَاءَ فِي مُعْجَمِ ابنِ رَجَبٍ "المُنْتَقَى" رَقَم (58) - فِي تَرْجَمَةِ ابنِ النَّقِيبِ - قَالَ وَالِدُ الحَافِظِ: "قَالَ لِي عَامَ أَرْبَعَةٍ وَأَرْبَعِيْنَ وَسَبْعِمَائَةَ بِـ "الشَّامِيَّةِ البَرَّانِيَّةِ" قَدْ أَجَزْتُكَ وَوَلَدُكَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ كَمَا أَجَازَنِي النَّوَوِيُّ وَيَدِي فِي يَدِهِ".

- وَيَظْهَرُ أَنَّ مِنْ شُيُوْخِهِ: مَحْمُوْدُ بنُ خَلِيْفَةَ المَنْبِجِيُّ (ت: 767 هـ) قَالَ المُؤَلِّفُ فِي تَرْجَمَةِ مُحَمَّدِ بنِ عَبْدِ المُحْسِنِ الدَّوَالِيْبِيِّ (ت: 728 هـ) رقم (529)
"দামেস্কে" জামালুদ্দীন ইউসুফ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আন-নাবলুসী-এর নিকট, যিনি ফকীহ এবং ফারায়েজ শাস্ত্রবিদ ছিলেন, তাঁর থেকে শ্রবণ করার মাধ্যমে।

ইবনে কাযী শুহবাহ তাঁর ইতিহাসে (৩/১/৪৮৮) তাঁর শিক্ষকদের বর্ণনায় আল-ফাখর আত-তাওযারী সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন: "তিনি সাতশ ঊনপঞ্চাশ হিজরীতে তাঁর পিতার সাথে হজ করেন এবং 'মক্কায়' আল-ফাখর আত-তাওযারীর নিকট নিজে পাঠ করেন..."। আমি বলি—এবং আমি আল্লাহর ওপরই ভরসা করি—: এটি সঠিক নয়। কারণ আল-ফাখর আত-তাওযারী হলেন মক্কায় বসবাসকারী উসমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উসমান আল-মালিকী (মৃত্যু: ৭১৩ হিজরী)! তিনি হাফেজ ইবনে রজবের জন্মের অনেক পূর্বেই ইন্তেকাল করেছেন। বরং ইবনে কাযী শুহবাহর বক্তব্যে উদ্দেশ্য হলেন আল-ফাখর আন-নুওয়াইরী উসমান ইবনে ইউসুফ, যাঁর কথা তাঁর শিক্ষকদের বর্ণনায় ইতঃপূর্বে অতিবাহিত হয়েছে। এবং "আল-মানহাজ আল-আহমাদ"-এ রয়েছে: "তাঁকে ইবনে আন-নাকীব এবং আন-নববী অনুমতি দিয়েছেন..." এটিও সঠিক নয়। কারণ আন-নববী (মৃত্যু: ৬৭৬ হিজরী)! তিনিও হাফেজের জন্মের পূর্বেই ইন্তেকাল করেছেন। আর "আল-মানহাজ আল-আহমাদ"-এর মুহাক্কিক অন্য একজন নববীর সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন যাঁর সাথে ইবনে রজবের কোনো সম্পর্ক নেই! সম্ভবত বাক্যটির সঠিক রূপ হবে: "ইবনে আন-নাকীব তাঁকে আন-নববীর পক্ষ থেকে অনুমতি দিয়েছেন"; কারণ ইবনে আন-নাকীব ইমাম নববীর অন্যতম সঙ্গী ছিলেন। আস-সুবকী তাঁর "তাবাকাত"-এ (৯/৩০৭) ইবনে আন-নাকীবের জীবনীতে বলেছেন: "তিনি আশ-শামিয়্যাহ আল-বাররানিয়্যাহ মাদরাসার শিক্ষক এবং ইমাম নববীর সঙ্গী ছিলেন। সেই সঙ্গ লাভ কতই না মহান উচ্চ মর্যাদা..."। এর চেয়েও স্পষ্ট বর্ণনা পাওয়া যায় ইবনে রজবের মু'জাম "আল-মুনতাকা"-তে (৫৮ নং) ইবনে আন-নাকীবের জীবনীতে। হাফেজের পিতা বলেছেন: "তিনি সাতশ চুয়াল্লিশ হিজরীতে আশ-শামিয়্যাহ আল-বাররানিয়্যাহ-তে আমাকে বলেছিলেন: আমি আপনাকে এবং আপনার পুত্র আব্দুর রহমানকে অনুমতি দিচ্ছি যেমনটি ইমাম নববী আমাকে অনুমতি দিয়েছিলেন যখন আমার হাত তাঁর হাতের মধ্যে ছিল।"

- এবং এটি প্রতীয়মান হয় যে, তাঁর শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন: মাহমুদ ইবনে খলিফা আল-মানবিজী (মৃত্যু: ৭৬৭ হিজরী)। লেখক মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল মুহসিন আদ-দাওয়ালীবি (মৃত্যু: ৭২৮ হিজরী)-এর জীবনীতে (৫২৯ নং) বলেছেন—
(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ৩২)
(4/ 87): "ذَكَرَهُ خَلْقٌ كَثِيْرٌ مِنْ شُيُوْخِنَا وَغَيْرِهِمْ كَأَبِي حَفْصٍ القَزْوِيْنِيِّ، وَمَحْمُوْدِ بنِ خَلِيْفَةَ، وَابْنِ الفَصِيْحِ الكُوْفِيِّ، وَوَالِدِي، وَعُمَرُ البَزَّار". وَهَؤُلَاءِ كُلُّهُم مِنْ شُيُوْخِهِ، فَلَعَلَّهُ كَذلِكَ. وَلَمْ أَجْزِم بِذلِكَ لِقَوْلِهِ فِي النَّصِّ: "مِنْ شُيُوْخِنَا وَغَيْرِهِمْ .. " وَسَبَقَ أَنْ ذَكَرَهُ فِي تَرْجَمَةِ عَبْدِ الرَّزَّاقِ بنِ الفُوَطِيِّ (ت: 723 هـ) (4/ 452) قَالَ: "وَسَمِعَ مِنْهُ مَحْمُوْدُ بنُ خَلِيْفَةِ" وَلَمْ يَصِفُهُ بِـ "شَيْخِنَا".

 

‌‌تَصَدُّرُهُ للتَّدْرِيْسِ:

وَلَمَّا حَصَّلَ العِلْمَ عَلَى شُيُوْخِهِ تَصَدَّرَ لإِفَادَةِ العِلْمِ قَبْلَ وَفَاةِ أَبِيْهِ وَذلِكَ أَنَّهُ وَلِيَ حَلْقَةَ الثُّلَاثَاءِ الَّتِي تُعْقَدُ في الجَامِعِ الأُمَوِيِّ في "دِمَشْقَ" الخَاصَّةَ بِالحَنَابِلَةِ في رَجبٍ سَنَةَ (771 هـ)(1) وَذلِكَ بَعْدَ وَفَاةِ ابنِ قَاضِي الجَبَلِ(2). وَهَذِهِ الحَلْقَةُ لَا يَتَصَدَّرُ فِيْهَا إلَّا مَشَاهِيْرُ أَصْحَابِ أَحْمَدَ. ثُمَّ تَوَلَّى الحَافِظُ ابنُ رَجَبٍ بَعْدَ ذلِكَ التَّدْرِيْسَ في "المَدْرَسَةِ الحَنْبَلِيَّةِ الكُبْرَى" بَعْدَ وَفَاةِ القَاضِي شَمْسِ الدِّيْنِ ابنِ التَّقِيِّ سَنَةَ (788 هـ)(3)، وَبَقِيَ يُدَرَّسُ فِيْهَا إِلَى سَنَةِ (791 هـ). وَالمَدْرَسَةُ الحَنْبَلِيَّةُ

--------------------------------------------

(1) يُرَاجع مَصَادِرُ التَّرْجَمَةِ. وَسَبَقَ أَنْ ذَكَرْنَا وَفَاةَ أَبِيْهِ سَنَةَ (774 هـ) أو سنة (775 هـ).

(2) أَحْمَدُ بنُ الحَسَنِ بنِ عَبْدِ اللهِ بنِ أَبِي عُمَرَ، شَرَفُ الدِّيْنِ "ابنُ قُدَامَةَ" المَقْدِسِيُّ، تُوُفِّي في يَوْمِ الثُّلَاثَاءِ رَابِعَ عَشَرَ رَجَبٍ سَنَةَ إحْدَى وَسَبْعَمِائَةَ. أَخْبَارُهُ فِي: المُعْجَمِ المُخْتَصِّ (16)، وَالوَفَيَاتِ لابنِ رَافِعٍ (2/ 354)، وَالمَنْهَجِ الأَحْمَدِ (5/ 135)، وَالمَقْصَدِ الأَرْشَدِ (1/ 93)، وَالسُّحُبِ الوَابِلَةِ (1/ 131).

(3) هُوَ مُحَمَّدُ بنُ عَبْدِ اللهِ بنِ مُحَمَّدٍ المَرْدَاوِيُّ، القَاضِي، أَبُو عَبْدِ اللهِ (ت: 788 هـ) أَخْبَارُهُ في: المَقْصَدِ الأَرْشَدِ (2/ 427)، وَتَارِيْخِ ابنِ قَاضِي شُهْبَةَ (1/ 3/ 205) وَإِنْبَاءِ الغُمُرِ (1/ 327)، وَالسُّحُبِ الوَابِلَةِ (3/ 983).

(৪/ ৮৭): "আমাদের শিক্ষকদের মধ্য থেকে এবং অন্যদের মধ্য থেকে বহু লোক এটি উল্লেখ করেছেন, যেমন আবু হাফস আল-কাজউইনি, মাহমুদ বিন খলিফা, ইবনুল ফাসিহ আল-কুফি, আমার পিতা এবং উমর আল-বাজ্জার।" আর এরা সকলেই তাঁর শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত, তাই সম্ভবত বিষয়টি এমনই। তবে আমি এ বিষয়ে নিশ্চিত হইনি কারণ পাঠ্যটিতে তাঁর উক্তি হলো: "আমাদের শিক্ষকদের মধ্য থেকে এবং অন্যদের মধ্য থেকে..." এবং ইতিপূর্বে তিনি এটি আবদুর রাজ্জাক বিন আল-ফুওয়াতির (মৃত্যু: ৭২৩ হি.) জীবনীতে (৪/ ৪৫২) উল্লেখ করেছেন, তিনি বলেছেন: "মাহমুদ বিন খলিফা তাঁর থেকে শুনেছেন" এবং তাঁকে "আমাদের শিক্ষক" হিসেবে বর্ণনা করেননি।

 

‌‌তাঁর অধ্যাপনার সূচনা:

যখন তিনি তাঁর শিক্ষকদের নিকট জ্ঞান অর্জন সম্পন্ন করলেন, তখন তিনি তাঁর পিতার মৃত্যুর পূর্বেই জ্ঞান বিতরণের জন্য আসীন হলেন। আর তা এভাবে যে, তিনি রজব মাসে (৭৭১ হি.) দামেস্কের "উমাইয়া মসজিদে" অনুষ্ঠিত হাম্বলিদের জন্য নির্ধারিত মঙ্গলবারী মজলিসের দায়িত্ব গ্রহণ করেন(১), যা ইবনে কাজী আল-জাবালের মৃত্যুর পর ঘটেছিল(২)। এই মজলিসে আহমাদ ইবনে হাম্বলের অনুসারীদের মধ্যে কেবল প্রথিতযশা ব্যক্তিরাই আসীন হতেন। এরপর হাফেজ ইবনে রজব ৭৮৮ হিজরি সালে কাজী শামসউদ্দিন ইবনে আত-তাকির মৃত্যুর পর "আল-মাদরাসাতুল হাম্বলিইয়াতুল কুবরা"-তে অধ্যাপনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন(৩) এবং তিনি সেখানে ৭৯১ হিজরি সাল পর্যন্ত অধ্যাপনা অব্যাহত রাখেন। আর হাম্বলি মাদ্রাসা...

--------------------------------------------

(১) জীবনীর উৎসসমূহ দ্রষ্টব্য। আর আমরা ইতিপূর্বে উল্লেখ করেছি যে, তাঁর পিতার মৃত্যু ৭৭৪ হিজরি অথবা ৭৭৫ হিজরি সালে হয়েছে।

(২) আহমাদ বিন হাসান বিন আবদুল্লাহ বিন আবু উমর, শরফুদ্দীন "ইবনে কুদামা" আল-মাকদিসি; তিনি সাতশ এক হিজরি সালের চৌদ্দই রজব মঙ্গলবার মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর জীবনী পাওয়া যাবে: আল-মুজাম আল-মুখতাস (১৬), ইবনে রাফে'র আল-ওয়াফাইয়াত (২/ ৩৫৪), আল-মানহাজ আল-আহমাদ (৫/ ১৩৫), আল-মাকসাদ আল-আরশাদ (১/ ৯৩), এবং আস-সুহুবুল ওয়াবিলাহ (১/ ১৩১) গ্রন্থে।

(৩) তিনি হলেন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-মারদাউয়ি, আল-কাজী, আবু আবদুল্লাহ (মৃত্যু: ৭৮৮ হি.)। তাঁর জীবনী পাওয়া যাবে: আল-মাকসাদ আল-আরশাদ (২/ ৪২৭), ইবনে কাজী শুহবাহর ইতিহাস (১/ ৩/ ২০৫), ইনবাউল গুমুর (১/ ৩২৭) এবং আস-সুহুবুল ওয়াবিলাহ (৩/ ৯৮৩) গ্রন্থে।

(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ৩৩)
الكُبْرَى هَذِهِ أَوْقَفَهَا الشَّيْخُ شَرَفُ الإسْلَامِ عَبْدُ الوَهَّابِ بنُ عَبْدِ الوَاحِدِ "ابنُ الحَنْبَلِيِّ" (ت: 536 هـ)(1) ذَكَرَهُ المُؤَلِّفُ في مَوْضِعِهِ، وَنَقَلَ المُؤَلِّفُ في تَرْجَمَتِهِ عَنِ ابنِ النَّجَّارِ قَوْلَهُ: "وَبَنَى بـ "دِمَشْقَ" مَدْرَسَةً دَاخِلَ بَابِ الفَرَادِيْسِ، وَهِيَ المَعْرُوْفَةُ بـ "الحَنْبَلِيَّة" وَلَمْ يَذْكُرْ أَنَّهُ دَرَّسَ فِيْهَا.

وَتَوَلَّى الحَافِظُ ابنُ رَجَبٍ الدَّرْسَ وَخَزْنَ الكُتُبِ فِي الوَقْفِ الَّذِي أَوْقَفَهُ حَمْزَةُ بنُ أَحْمَدَ "ابنُ شَيْخِ السَّلَامِيَّةِ"(2) (ت: 769 هـ) كَذَا قَالَ ابنُ عَبْدِ الهَادِيّ، عَنِ ابنِ قَاضِي شُهْبَةَ، عَنْ شَيْخِهِ شِهَابِ الدِّيْنِ ابن حِجِّي(3).

وَكَانَ يَسْكُنُ بِـ "دَارِ الحَدِيْثِ السُّكَّرِيَّهِ"(4) بِـ "القَصَّاعِيْنَ" وَبَقِيَ فِيْهَا إِلَى أَنْ مَاتَ، فَهَلْ كَانَ مُدَرِّسًا فِيْهَا؟! أَظُنُّ ذلِكَ.

 

‌‌أَقْوَالُ العُلَمَاءِ فيه:

لَمَّا حَصَّلَ الحَافِظُ العِلْمَ في رِحْلَتِهِ، وَأَفَادَ مِمَّا عِنْدَ شُيُوْخِهِ مِنَ العِلْمِ،

--------------------------------------------

(1) الذَّيْلُ عَلَى الطَّبَقَاتِ (1/ 446).

(2) أَخْبَارُهُ فِي: الدُّرَرِ الكَامِنَةِ (2/ 165)، وَالدَّارِسِ (1/ 489)، وَالقَلَائِدِ الجَوْهَرِيَّةِ (1/ 226)، وَالشَّذَرَاتِ (6/ 214).

(3) الجَوْهَرُ المُنَضَّدِ (37). وَابنُ شَيْخِ السَّلَامِيَّةِ سَبَقَ ذِكْرُهُ فِي شُيُوْخِهِ. اسْمُهَا: التُّرْبَةُ العِزِّيَّةُ البَدْرَانِيَّةُ الحَمْزِيَّةُ كَمَا فِي الدَّارِسِ (2/ 201) وَنَقَلَ عَنِ ابنِ قَاضِي شُهْبَةَ قَوْلُهُ: "وَوَقَفَ دَرْسًا بِتُرْبَتِهِ بِـ "الصَّالِحِيَّةِ" وَكُتُبًا، وَعَيَّنَ لِذلِكَ الشَّيْخَ زَيْنَ الدِّيْنِ بنِ رَجَبٍ".

(4) مَنْسُوْبَةٌ إِلَى وَاقِفِهَا شَرَفِ الدِّيْنِ السُّكَّرِيِّ (ت: 671 هـ) وَهِيَ الَّتِي كَانَ يَسْكُنُها شَيْخُ الإسْلَامِ تَقيُّ الدِّين أَحْمَدُ بنُ عَبْدِ الحَلِيْمِ بنِ تَيْمِيَّةَ الحَرَّانِيُّ رَحِمَهُ اللهُ تَعَالَى. وَأَلَّفَ الأُسْتَاذُ مُحَمَّدُ مُطِيْع الحَافِظ "دَارَ الحَدِيْثِ السُّكَّرِيَّةِ" (ط) فِي دَارَ البَشَائِرِ هَذَا العَامِ 1424 هـ.

এই ‘আল-কুবরা’ (মাদরাসাটি) ওয়াকফ করেছিলেন শাইখ শারফুল ইসলাম আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ "ইবনুল হাম্বলী" (মৃত্যু: ৫৩৬ হিজরি)(১) লেখক এটি যথাস্থানে উল্লেখ করেছেন। লেখক তার জীবনীতে ইবনুন্ নাজ্জার থেকে তার এই উক্তিটি উদ্ধৃত করেছেন: "তিনি ‘দামেস্ক’-এ বাবু আল-ফরাদীস-এর অভ্যন্তরে একটি মাদরাসা নির্মাণ করেছিলেন, যা ‘আল-হাম্বলীয়্যাহ’ নামে পরিচিত। তবে তিনি সেখানে শিক্ষকতা করেছেন কি না তা তিনি উল্লেখ করেননি।"

হাফিজ ইবনু রজব সেই ওয়াকফকৃত সম্পত্তিতে পাঠদান এবং গ্রন্থ সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করেন যা হামযাহ ইবনে আহমাদ "ইবনু শাইখিস সালামীয়্যাহ"(২) (মৃত্যু: ৭৬৯ হিজরি) ওয়াকফ করেছিলেন। ইবনু আব্দুল হাদী এভাবেই বলেছেন ইবনু কাযী শুহবাহ-এর সূত্রে, তিনি তার শাইখ শিহাবুদ্দীন ইবনে হিজ্জী(৩) থেকে।

তিনি "আল-কাসসায়ীন" এলাকায় অবস্থিত "দারুল হাদীস আস-সুক্কারীয়্যাহ"(৪)-তে বসবাস করতেন এবং মৃত্যু পর্যন্ত সেখানেই ছিলেন। তবে তিনি কি সেখানে শিক্ষক ছিলেন?! আমার ধারণা তাই।

 

‌‌তার সম্পর্কে উলামায়ে কিরামের মন্তব্যসমূহ:

হাফিজ যখন তার জ্ঞানার্জনের সফরে ইলম অর্জন করলেন এবং তার শাইখদের নিকট বিদ্যমান ইলম থেকে উপকৃত হলেন,

--------------------------------------------

(১) আদ-দাইলু আ’লাত তবাকাত (১/ ৪৪৬)।

(২) তার বৃত্তান্ত রয়েছে: আদ-দুরার আল-কামিনাহ (২/ ১৬৫), আদ-দারিস (১/ ৪৮৯), আল-কালাইদ আল-জাওহারীয়্যাহ (১/ ২২৬) এবং আশ-শাযারাত (৬/ ২১৪)।

(৩) আল-জাওহারুল মুনাযযাদ (৩৭)। ইবনু শাইখিস সালামীয়্যাহ-এর কথা এর আগে তার শাইখদের আলোচনায় অতিবাহিত হয়েছে। এর নাম হলো: আত-তুরবাতুল ইযযীয়্যাহ আল-বদরানীয়্যাহ আল-হামযীয়্যাহ, যেমনটি 'আদ-দারিস' (২/ ২০১) কিতাবে রয়েছে। সেখানে ইবনু কাযী শুহবাহ থেকে উদ্ধৃত করা হয়েছে: "তিনি 'সালেহিয়্যাহ' এলাকায় তার তুরাবাতে (কবর সংলগ্ন চত্বর) পাঠদান এবং কিতাবাদি ওয়াকফ করেন এবং এর জন্য শাইখ যায়নুদ্দীন ইবনু রজবকে নিযুক্ত করেন।"

(৪) এটি এর ওয়াকফকারী শারফুদ্দীন আস-সুক্কারীর (মৃত্যু: ৬৭১ হিজরি) সাথে সম্বন্ধিত। এটি সেই স্থান যেখানে শাইখুল ইসলাম তাকীউদ্দীন আহমাদ ইবনে আব্দুল হালীম ইবনে তাইমিয়্যাহ আল-হাররানী (রাহিমাহুল্লাহু তাআলা) বসবাস করতেন। উস্তাদ মুহাম্মাদ মুতী হাফিজ এই বছর ১৪২৪ হিজরিতে দারুল বাশাইর থেকে "দারুল হাদীস আস-সুক্কারীয়্যাহ" (মুদ্রিত) নামক গ্রন্থটি রচনা করেছেন।

(খণ্ড: ১) জাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ - লি-ইবনে রজব - ত আল-উসাইমিন (পৃষ্ঠা: ৩৪)
وَرَوَى الحَدِيْثَ عَنْهُمْ، وَأَصْبَحَ مُتَمَكِّنًا مِنَ العِلْمِ تَصَدَّرَ لِلْعِلْمِ وَتَصَدَّى لِلتَّدْرِيْسِ وَالتَّأْلِيْفِ. أَثْنَى عَلَيْهِ كَثِيْرٌ مِنْ مُعَاصِرِيْهِ وَمَنْ أَتَى بَعْدَهُمْ بِالتَّقَدُّمِ فِي العِلْمِ وَالرِّوَايَةِ وعَدُّوْهُ مِنْ كِبَارِ الحُفَّاظِ الثِّقَاتِ في زَمَنِهِ، صَادِقَ اللَّهْجَةِ، زَاهِدًا، وَرِعًا، مُجْتَهِدًا في العِبَادةِ وَطَلَبِ العِلْمِ وَالتَّهَجُّدِ.

قَالَ تِلْمِيْذُهُ ابنُ اللَّحَّامِ عَلِيُّ بنُ مُحَمَّدٍ (ت: 803 هـ)(1): "سَيِّدُنَا وشَيْخُنَا الإِمَامُ، العَالِمُ، العَلَّامَةُ، الأَوْحَدُ، الحَافِظُ، شَيْخُ الإسْلَامِ، مُجَليِّ المُشْكِلَاتِ، ومُوَضِحُ المُبْهَمَاتِ"، وَقَالَ: "شَيْخُنَا الإِمَامُ، العَالِمُ، الحَافِظُ، بَقِيَّةُ السَّلَفِ الكِرَامِ، وَحِيْدُ عَصْرِهِ، وَفَرِيْدُ دَهْرِهِ، شَيْخُ الإِسْلَامِ. . .".

قَالَ شِهَابُ الدِّيْنِ ابنُ حِجِّي (ت: 816 هـ)(2): - فِيْمَا نَقَلَهُ عَنْهُ ابنُ قَاضِي شُهْبَةَ - قَالَ(3): "قَالَ شَيْخُنَا: كَانَ قَدْ قَرَأَ، وَأَتْقَنَ الفَنَّ، ثُمَّ أَكَبَّ عَلَى الاشْتِغَالِ بِمَعْرِفَةِ فُنُوْنِ الحَدِيْثِ وَعِلَلِهِ وَمَعَانِيْهِ، وَانْفَرَدَ وَحْدَهُ بِكُتُبٍ، … ، وَكَانَ يَحْفَظُ كَثِيْرًا مِنْ كَلَامِ السَّلَفِ، وَكَانَ مُنْجَمِعًا عَنِ النَّاسِ، لا يُخَالِطُ، وَلَا يَتَرَدَّدُ إِلَى أَحَدٍ مِنْ ذَوِي الوِلَايَاتِ .... وَكَانَ فَقِيْرًا، مُتَعَفِّفًا، غَنِيَّ النَفْسِ، وَحَجَّ، وَبِالجُمْلَةِ فَلَمْ يَخْلُفْ بَعْدَهُ مِثْلَهُ".

--------------------------------------------

(1) الجَوْهَرُ المُنَضَّدِ (47).

(2) هُوَ أَحْمَدُ بنُ حِجِّي بنِ مُوْسَى الحُسْبَانِيُّ الأَصْلِ، الدِّمَشْقِيُّ (ت: 816 هـ) لَهُ تَارِيْخٌ ذَيْلَ بِهِ عَلَى تَارِيْخِ الحَافِظِ ابنِ كَثيْرٍ "البِدَايَةِ وَالنِّهَايَةِ" طُبِعَ أَخِيْرًا في هَذَا العَامِ سَنَةَ (1424 هـ) في دَارِ ابنِ حَزْمٍ بِبَيْرُوت، وَالنُّسَخُ الَّتي اعْتَمَدَ عَلَيْهَا المُحَقِّقُ نَاقِصَةُ الأَوَّلِ تَبْدَأُ بِحَوَادِثِ وَوَفَيَات سَنَةِ (796 هـ)، أَيْ: بَعْدَ وَفَاةِ الحَافِظِ ابنِ رَجَبٍ بِسَنَةٍ وَاحِدَةٍ.

(3) تارِيْخُ ابنِ قَاضِي شُهْبَةَ (1/ 3/ 488)، وَعَنْهُ فِي الجَوْهَرِ المُنَضَّدِ (48).

তিনি তাঁদের থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং ইলমে পূর্ণ পারদর্শিতা অর্জন করেন, অতঃপর ইলমের ময়দানে আসীন হন এবং শিক্ষকতা ও গ্রন্থ রচনায় আত্মনিয়োগ করেন। তাঁর সমসাময়িক এবং পরবর্তী অনেক আলেম তাঁর ইলমি শ্রেষ্ঠত্ব ও বর্ণনার দক্ষতার প্রশংসা করেছেন এবং তাঁকে তাঁর সময়ের শীর্ষস্থানীয় নির্ভরযোগ্য হাফেজদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তিনি ছিলেন সত্যভাষী, দুনিয়াবিমুখ, খোদাভীরু এবং ইবাদত, ইলম অন্বেষণ ও তাহাজ্জুদে কঠোর পরিশ্রমী।

তাঁর ছাত্র ইবনুল লাহহাম আলী ইবনে মুহাম্মদ (মৃত্যু: ৮০৩ হি.)(১) বলেছেন: "আমাদের সর্দার ও শাইখ, ইমাম, আলেম, আল্লামা, অনন্য ব্যক্তিত্ব, হাফেজ, শাইখুল ইসলাম, জটিল বিষয়াদির জট উম্মোচনকারী এবং অস্পষ্ট বিষয়াদির ব্যাখ্যাকারী।" তিনি আরও বলেছেন: "আমাদের শাইখ, ইমাম, আলেম, হাফেজ, সম্মানিত সালাফদের যোগ্য উত্তরসূরী, তাঁর যুগের অপ্রতিদ্বন্দী এবং নিজ সময়ের অদ্বিতীয় ব্যক্তিত্ব, শাইখুল ইসলাম..."।

শিহাবুদ্দিন ইবনে হিজ্জি (মৃত্যু: ৮১৬ হি.)(২) —ইবনে কাযি শুহবাহ তাঁর থেকে যা বর্ণনা করেছেন তাতে— বলেছেন(৩): "আমাদের শাইখ বলেছেন: তিনি অধ্যয়ন করেছিলেন এবং এই বিদ্যায় দক্ষতা অর্জন করেছিলেন। অতঃপর তিনি হাদিস শাস্ত্রের বিভিন্ন শাখা, এর ত্রুটি (ইলল) ও অর্থ সম্পর্কে জানার কাজে মনোনিবেশ করেন। তিনি একাই বেশ কিছু কিতাব নিয়ে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হন, ... , তিনি সালাফদের প্রচুর বাণী মুখস্থ রাখতেন। তিনি মানুষের থেকে নিভৃতে থাকতেন, কারো সাথে মেলামেশা করতেন না এবং কোনো পদস্থ কর্মকর্তার নিকট যাতায়াত করতেন না...। তিনি অভাবী ছিলেন, তবে ছিলেন অত্যন্ত সংযমী ও তুষ্ট আত্মার অধিকারী। তিনি হজ পালন করেছেন এবং সারকথা হলো, তাঁর পরে তাঁর মতো আর কেউ স্থলাভিষিক্ত হয়নি।"

--------------------------------------------

(১) আল-জাওহারুল মুনাদ্দাদ (৪৭)।

(২) তিনি হলেন আহমদ ইবনে হিজ্জি ইবনে মুসা, বংশগতভাবে হুসবানি, দিমাশকি (মৃত্যু: ৮১৬ হি.)। তাঁর একটি ইতিহাস গ্রন্থ রয়েছে যা হাফেজ ইবনে কাসীরের ইতিহাস গ্রন্থ "আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া"-র পরিশিষ্ট। এটি সম্প্রতি এই বছরে অর্থাৎ (১৪২৪ হি.) বৈরুতের দার ইবনে হাজম থেকে মুদ্রিত হয়েছে। তবে গবেষক যে পাণ্ডুলিপিগুলোর ওপর নির্ভর করেছেন সেগুলোর শুরুর অংশ অসম্পূর্ণ, যা শুরু হয়েছে ৭৯৬ হিজরির ঘটনাবলি ও মৃত্যু সংবাদ থেকে; অর্থাৎ হাফেজ ইবনে রজবের মৃত্যুর এক বছর পর থেকে।

(৩) তারিখু ইবনু কাযি শুহবাহ (১/ ৩/ ৪৮৮), এবং এটি থেকে উদ্ধৃত হয়েছে আল-জাওহারুল মুনাদ্দাদ-এ (৪৮)।