(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: -)
فضائل بيت المقدس - ابن الجوزي - ت عمرو عبد العظيم الحويني القسم: كتب السنة
الكتاب: فضائل بيت المقدس
المؤلف: أبو الفرج جمال الدين ابن الجوزي (508 - 597 هـ)
تحقيق وتخريج: أبي المنذر الحويني عمرو بن عبد العظيم بن نيازي شريف
الناشر: مكتبة الإمام البخاري للنشر والتوزيع، القاهرة - مصر
الطبعة: الأولى، 1434 هـ - 2013 م
عدد الصفحات: 129
تنبيه: أرسل إلينا المحقق - جزاه الله خيرا - تصويبات عديدة في التشكيل، أدرجناها في مواضعها
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 16 شوّال 1442
বাইতুল মুকাদ্দাসের ফযীলতসমূহ - ইবনুল জাওযী - তাহকীক: আমর আব্দুল আযীম আল-হুওয়াইনী বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: বাইতুল মুকাদ্দাসের ফযীলতসমূহ
লেখক: আবুল ফরাজ জামালুদ্দীন ইবনুল জাওযী (৫০৮ - ৫৯৭ হিজরী)
তাহকীক ও তাখরীজ: আবুল মুনযির আল-হুওয়াইনী আমর বিন আব্দুল আযীম বিন নিয়াযী শরীফ
প্রকাশক: মাকতাবাতুল ইমাম আল-বুখারী ফর পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন, কায়রো - মিশর
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩৪ হিজরী - ২০১৩ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১২৯
সতর্কতা: মুহাক্কিক - আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দিন - আমাদের নিকট হরকত বা স্বরচিহ্ন (তাশকীল) সংক্রান্ত অনেকগুলো সংশোধন পাঠিয়েছেন, যা আমরা যথাস্থানে অন্তর্ভুক্ত করেছি
[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ১৬ শাওয়াল ১৪৪২
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ৫)
مُقدِّمة المحقِّقإنَّ الحمدَ لله. نحمدُهُ، ونَستعِينُهُ، ونستغفِرُهُ. ونعُوذُ بالله من شُرُور أنفُسِنا، ومن سيِّئاتِ أعمالِنَا.
من يَهدِهِ اللهُ فلا مُضِلَّ له، ومن يُضلِل فلا هَادِي له.
وأشهدُ أن لا إله إلَّا اللهُ، وحدَهُ لا شريكَ له، وأشهدُ أنَّ مُحمَّدًا عبدُهُ ورسُولُه.
{يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ}.
{يَاأَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالًا كَثِيرًا وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا}.
{يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلًا سَدِيدًا * يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيمًا}.
أمَّا بعدُ،،
فإنَّ أُمَّتَنا أُمَّةٌ مجيدةٌ، الفُضلاءُ فيها كثيرون. من هؤلاء، حاملُ لواءِ الوَعظِ بلا مُدافَعةٍ، جمالُ الدِّين أبو الفَرَج ابنُ الجَوزِيِّ رحمه الله.
عُرِف عنه أنَّهُ كان ذا إِكبابٍ على الجَمعِ والتَّصنِيفِ، حتى ما عُرِف أحدٌ مثلُهُ في ذلك.
ومن الكُتُب التي صنَّفَها «فضائل بيت المَقدِس»، والذي صنَّفَه في
সম্পাদকের ভূমিকানিশ্চয়ই সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর কাছে সাহায্য চাই এবং তাঁর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা ও আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই।
আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথ দেখানোর কেউ নেই।
আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।
{হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং মুসলিম না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।}
{হে মানবজাতি! তোমরা তোমাদের রবের তাকওয়া অবলম্বন করো, যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তা থেকে তার জোড়া সৃষ্টি করেছেন, আর তাদের উভয়ের থেকে বহু নর ও নারী ছড়িয়ে দিয়েছেন। আর তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করো, যার নামে তোমরা একে অপরের কাছে যাচনা করো এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা থেকে সতর্ক থাকো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের ওপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখেন।}
{হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো। তিনি তোমাদের আমলসমূহ সংশোধন করে দেবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, সে অবশ্যই মহা সাফল্য অর্জন করল।}
অতঃপর,
নিশ্চয়ই আমাদের উম্মত এক মহিমান্বিত উম্মত, যাতে অসংখ্য গুণীজন রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী নসিহতের পতাকাবাহী, জামালুদ্দীন আবুল ফারাজ ইবনুল জাওজি (রহিমাহুল্লাহ)।
তাঁর সম্পর্কে এটি সুপরিচিত যে, তিনি গ্রন্থ সংকলন ও রচনার কাজে এতটাই নিমগ্ন ছিলেন যে, এই ক্ষেত্রে তাঁর মতো আর কাউকে জানা যায় না।
তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহের মধ্যে একটি হলো ‘ফাদায়িলে বাইতুল মাকদিস’ (বাইতুল মাকদিসের মর্যাদা), যা তিনি রচনা করেছেন...
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ৬)
أُخرَيات حياتِهِ، سنةَ 589 هـ، أي قبلَ وفاتِهِ بثمانِ سنواتٍ.
ولم يَكُن ابنُ الجَوزِيِّ بِدْعًا من العُلَماء في ذلك ، فقد صنَّفَ قبلَهُ في فضائل المَدِينَة المقدَّسَة كثيرٌ، كالوليد بنِ حمَّادٍ الرَّملِيِّ ، والفَضلِ بنِ عُبيدِ الله بنِ الفَضلِ الهاشمِيِّ ، والخطيبِ أبي بكرٍ مُحمَّدِ بنِ أحمدَ بنِ مُحمَّدٍ الوَاسطِيِّ ، وأبي المَعالِي المُشرَّفِ بنِ المُرجَّى ، وأبي القاسِمِ مكِّيِّ بنِ عبدِ السَّلام الرُّمَيليِّ الشَّافعِيِّ ، والحافظِ ابنِ عساكر ، والحافظِ أبي طاهرٍ السِّلَفِيِّ ، وأبي المَواهِب ابنِ صَصْرَى.
كلُّ هؤُلاء صَنَّفُوا في فضائل هذه المدينة الشَّرِيفة قبل ابنِ الجَوزِيِّ.
وتلاه آخَرُون، مِن أشهَرِهم: القاسمُ بنُ عليِّ بنِ عساكر ، وضياءُ الدِّين المَقدِسِيُّ ، وأبُو إسحاقَ إبراهيمُ بنُ يحيَى المِكنَاسِيُّ ، وشيخُ الإسلامِ ابنُ تَيمِيةَ ، وابنُ الفِركَاحِ الفَزَارِيُّ ، وابنُ هشَامٍ الأَنصَارِيُّ ، والحافظُ العَلَائِيُّ ، وشهابُ الدِّين المَقدِسِيُّ ، وغيرُهُم كثيرٌ.
حيثُ زادَت المُؤلَّفات في فضائِلِها على المِئَتَين حسبَ بعضِ التَّقدِيراتِ
(1).
--------------------------------------------
তাঁর জীবনের শেষভাগে, ৫৮৯ হিজরি সনে, অর্থাৎ তাঁর ইন্তেকালের আট বছর আগে।
আর ইবনুল জাওযী এ ক্ষেত্রে আলেমদের মধ্যে কোনো নতুন বা ব্যতিক্রমী কেউ ছিলেন না; কারণ তাঁর পূর্বে এই পবিত্র শহরের ফযীলত সম্পর্কে আরও অনেকে গ্রন্থ রচনা করেছেন, যেমন ওয়ালীদ বিন হাম্মাদ আর-রামলী, আল-ফাযল বিন উবাইদুল্লাহ বিন আল-ফাযল আল-হাশিমী, খাতিব আবু বকর মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ আল-ওয়াসিতী, আবু আল-মাআলী আল-মুশাররাফ বিন আল-মুরান্জা, আবু আল-কাসিম মাক্কী বিন আবদুস সালাম আর-রুমাইলী আশ-শাফিয়ী, হাফেজ ইবনে আসাকির, হাফেজ আবু তাহের আস-সিলাফী এবং আবু আল-মাওয়াহিব ইবনে সাসরা।
এই সকলেই ইবনুল জাওযীর আগে এই সম্মানিত শহরের ফযীলত বিষয়ে গ্রন্থ রচনা করেছেন।
এবং তাঁর পরে আরও অনেকে এসেছেন, যাদের মধ্যে প্রসিদ্ধ হলেন: আল-কাসিম বিন আলী বিন আসাকির, যিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসী, আবু ইসহাক ইবরাহীম বিন ইয়াহইয়া আল-মিকনাসী, শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ, ইবনুল ফিরকাহ আল-ফাযারী, ইবনে হিশাম আল-আনসারী, হাফেজ আল-আলাঈ, শিহাবুদ্দীন আল-মাকদিসী এবং আরও অনেকে।
কিছু পরিসংখ্যান অনুযায়ী এর ফযীলত বিষয়ক রচনার সংখ্যা দুইশতের অধিক হয়েছে
(১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ৭)
وسار ابنُ الجَوزِيِّ في تصنِيفِهِ لهذا الكتابِ على نَهجِ المُحدِّثين، من ذِكرِ الأحاديثِ والآثارِ والقِصَصِ بأسانِيدِها.
ومن أهمِّ المَصادِر التي اعتَمَدَ عليها المُؤلِّف في كتابِهِ: إسنادُهُ لكتاب «فضائل البَيتِ المُقدَّس» لأبي بَكرٍ مُحمَّدِ بنِ أحمدَ بن مُحمَّدٍ الخَطيبِ الوَاسِطِيِّ، والذي رَوَى مِن طريقه ما يَقرُبُ من ثُلَثَي الكِتَابِ
(1).
وقد توفَّرَت لديَّ ثلاثُ نُسخٍ خطِّيَّةٍ لهذا الكتابِ: نُسخةُ جامعةِ برِنِستُون، وهي نُسخةٌ ناقصةٌ ـ وعليها اعتَمَدَ الدُّكتور: جَبرائيل جبُّور في تحقيقِهِ لهذا
--------------------------------------------
ইবনে আল-জাওযী তাঁর এই কিতাব রচনায় মুহাদ্দিসগণের পদ্ধতি অনুসরণ করেছেন, যা হলো হাদীস, আছার এবং ঘটনাবলি সেগুলোর সনদসহ উল্লেখ করা।
লেখক তাঁর কিতাবে যেসব গুরুত্বপূর্ণ উৎসের ওপর নির্ভর করেছেন তার মধ্যে অন্যতম হলো: আবু বকর মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন মুহাম্মদ আল-খতীব আল-ওয়াসিতির ‘ফাদায়েলুল বাইতিল মুকাদ্দাস’ কিতাবের প্রতি তাঁর সনদ, যার মাধ্যমে তিনি এই কিতাবের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ বর্ণনা করেছেন
(১)।
আমার নিকট এই কিতাবটির তিনটি পাণ্ডুলিপি লভ্য ছিল: প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির পাণ্ডুলিপি, যা একটি অসম্পূর্ণ কপি—আর ডক্টর জিবরাঈল জাব্বুর এটি সম্পাদনার ক্ষেত্রে এর ওপরই নির্ভর করেছেন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ৮)
الكتابِ ـ. بالإضافة إلى نُسخَتين كامِلَتَين: نُسخة تشِسْتر بِتِي، ونُسخةِ دارِ الكُتُب المِصريَّة.
وكان مَنهَجِي في تحقيق هذا الكِتَاب على النَّحوِ التَّالي:
1 - دَرَستُ النُّسَخَ الخطِّيَّةَ، واخترتُ نُسخَةَ تشِسْتر بِتِي النُّسخَهَ الأَصلَ.
2 - نسختُ هذه النُّسخة، وقابلتُها على النُّسخَتَين الأخريين [*]، وأثبتُ فُرُوقَ النُّسخ المُهمَّة بينهم.
3 - خرَّجتُ نُصُوصَ الكتابِ، وحكمتُ عليها حسبما تقتضِيهِ قواعدُ علم الحديثِ ما استَطعتُ.
4 - قدَّمتُ للنَّصِّ بدراسةٍ، اشتَمَلَت على:
ا- تَرجَمَة المُؤلِّف.
ب- عُنوان الكتاب، ونِسبته لمُؤلِّفه.
جـ- شُيُوخ ابنِ الجَوزِيِّ في هذا الكتاب.
د- طبعات الكِتابِ.
هـ- وصف النُّسَخ الخَطِّيَّة.
5 - أردفتُ النَّصَّ بفهارسَ عامَّةٍ، اشتَمَلَت على:
ا- فهرس الآيات القُرآنيَّة.
ب- فهرس الأحاديث والآثار.
جـ- فهرس أسماء الصَّحابة.
د- فهرس الأعلام.
--------------------------------------------
গ্রন্থটির। এর পাশাপাশি দুটি পূর্ণাঙ্গ পাণ্ডুলিপি: চেস্টার বিটি পাণ্ডুলিপি এবং মিশরের দারুল কুতুব আল-মিসরিয়ার পাণ্ডুলিপি।
এই গ্রন্থটির সম্পাদনায় (তাহকিক) আমার পদ্ধতি ছিল নিম্নরূপ:
১ - আমি পাণ্ডুলিপিগুলো অধ্যয়ন করেছি এবং চেস্টার বিটি পাণ্ডুলিপিকে মূল পাণ্ডুলিপি হিসেবে বেছে নিয়েছি।
২ - আমি এই সংস্করণটি অনুলিপি করেছি এবং অন্য দুটি পাণ্ডুলিপির [*] সাথে এটি মিলিয়ে দেখেছি, আর সেগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পাঠভেদসমূহ চিহ্নিত করেছি।
৩ - আমি গ্রন্থের উদ্ধৃতিসমূহের উৎস নির্দেশ (তাখরিজ) করেছি এবং সাধ্যানুযায়ী হাদিস শাস্ত্রের নীতিমালা অনুযায়ী সেগুলোর মান নির্ধারণ করেছি।
৪ - আমি মূল পাঠের পূর্বে একটি গবেষণামূলক ভূমিকা পেশ করেছি, যা নিম্নোক্ত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করে:
ক- লেখকের জীবনী।
খ- গ্রন্থের শিরোনাম এবং লেখকের প্রতি এর সম্পৃক্ততা।
গ- এই গ্রন্থে ইবনুল জাওযীর শিক্ষকগণ।
ঘ- গ্রন্থটির বিভিন্ন মুদ্রণ।
ঙ- পাণ্ডুলিপিগুলোর বিবরণ।
৫ - আমি মূল পাঠের শেষে সাধারণ নির্ঘণ্ট যুক্ত করেছি, যা নিম্নোক্ত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করে:
ক- কুরআনের আয়াতসমূহের সূচি।
খ- হাদিস ও আসারসমূহের সূচি।
গ- সাহাবিদের নামের সূচি।
ঘ- বরেণ্য ব্যক্তিদের নামের সূচি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ৯)
هـ- فهرس الأماكن والبلدان.
و- فهرس الموضُوعاتِ.
وبعد تَمَام هذا العمل عرضتُهُ على الأُستَاذ عصام مُحمَّد الشَّنْطِيِّ، فنظر فيه، وأثنَى عليه خيرًا.
ولا يفُوتُنِي في ختام هذا العَمَل أن أَشكُر كُلَّ مَن أعانَنِي على إِخراجِهِ على هذه الصُّورَةِ التي أَرجُو أن تكُون مَرْضِيَّةً.
تنويهٌ:
ذكرت أثناء تحقيقي لكتاب «فضائل البيت المقدَّس» لأبي بكرٍ الواسِطِيِّ أنَّ «مُحمَّد بن النُعمان بن بَشيرٍ المَقدِسيَّ» ترجَمَهُ ابنُ عساكر في «تاريخ دمشقَ» ولم يذكر فيه جرحًا ولا تعديلًا.
ঙ. স্থান ও দেশসমূহের নির্ঘণ্ট।
চ. বিষয়সূচির নির্ঘণ্ট।
এই কাজ সম্পন্ন করার পর আমি এটি উস্তায ইসাম মুহাম্মদ আশ-শান্তির নিকট পেশ করি। তিনি এটি পর্যবেক্ষণ করেন এবং এর উত্তম প্রশংসা করেন।
এই কাজের সমাপ্তিলগ্নে আমি সেই সকল ব্যক্তিকে ধন্যবাদ জানাতে ভুলব না, যারা এটিকে এই রূপে প্রকাশ করতে আমাকে সাহায্য করেছেন, যা সন্তোষজনক হবে বলে আমি আশা করি।
বিশেষ দ্রষ্টব্য:
আবু বকর আল-ওয়াসিতির ‘ফাযায়িলুল বাইতিল মুকাদ্দাস’ গ্রন্থের তাহক্বীক করার সময় আমি উল্লেখ করেছিলাম যে, ইবনু আসাকির ‘তারীখে দামেশক’-এ ‘মুহাম্মদ বিন আন-নুমান বিন বাশীর আল-মাকদিসী’-এর জীবনী বর্ণনা করেছেন এবং তাতে তিনি তার সম্পর্কে কোনো জারহ (সমালোচনা) বা তাদীল (প্রশংসা) উল্লেখ করেননি।
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ১০)
وأثناء مثول هذا الكتاب للطبع وقفت على كلام الحافظ ابن حجر في «تقريب التهذيب» حيث قال عنه: «محمد بن النُّعمان بن بَشيرٍ المَقدِسِيُّ. ثقةٌ متأخِّرٌ من الحادية عشرة. من شيوخ أبي عوانة والطَّحاويِّ. تمييزٌ».
وكذلك، «أبو بكرٍ أحمدُ بنُ صالح بن عُمر» كنت ذكرت أني لم أقف له على ترجمة. وأثناء تحقيقي لهذا الكتاب وقفت على ترجمة له عند الخطيب في «تاريخه»، وابن عساكر في «تاريخه».
فأسأل الله تعالى أن يتجاوز عن تقصيري، إنه جواد كريم.
وختامًا ..
فأرغب إلى كرم الله تعالى أن يجعل سعيي فيه خالصًا لوجهِهِ الكَريم، وأن يتقبَّلَهُ ويجعلَهُ ذخيرةً لي عنده، يجزيني بها في الدَّار الآخِرة، فهُو العالِمُ بمُودَعات السَّرائر، وخفيَّات الضَّمائر، وأن يتغمَّدني بفضله ورحمتِهِ، ويتجاوز عنِّي بسعةِ مغفِرَتِهِ، إنَّه سميعٌ قريبٌ، وعليه أتوكَّلُ وإليه أُنيبُ.
وصلَّى اللهُ على سيِّدنا مُحمَّدٍ، وآله، وصحبِهِ، وسلِّم.
وكتب
أبُو المُنذِرِ الحُوَينِيُّ
عمرُو بنُ عبدِ العظيم بنِ نِيَازِى شريف
حُوَين/كفر الشَّيخ 27 من ربيع أوَّل 1432 هـ
2 من مارس 2011 م
এই বইটি মুদ্রণের জন্য পেশ করার সময় আমি হাফেজ ইবনে হাজার-এর 'তাকরীবুত তাহযীব'-এ একটি বক্তব্য দেখতে পেলাম, যেখানে তিনি তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: "মুহাম্মদ বিন আন-নুমান বিন বাশির আল-মাকদিসি। নির্ভরযোগ্য, একাদশ স্তরের পরবর্তীকালীন রাবিদের অন্তর্ভুক্ত। তিনি আবু আওয়ানা ও আত-তহাবী-র শিক্ষকদের মধ্য থেকে একজন। তিনি তামীয (স্বতন্ত্র সত্তা)।"
একইভাবে, 'আবু বকর আহমদ বিন সলিহ বিন উমর' সম্পর্কে আমি উল্লেখ করেছিলাম যে আমি তাঁর কোনো জীবনী খুঁজে পাইনি। এই কিতাবটি তাহকীক করার সময় আমি খতীব-এর 'তারিখ' এবং ইবনে আসাকির-এর 'তারিখ'-এ তাঁর জীবনী পেয়েছি।
আমি মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন আমার ত্রুটি-বিচ্যুতি ক্ষমা করেন; নিশ্চয়ই তিনি পরম দাতা ও মহানুভব।
পরিশেষে...
আমি মহান আল্লাহর করুণা প্রার্থনা করি যেন তিনি আমার এই প্রচেষ্টাকে শুধুমাত্র তাঁর মহৎ চেহারার জন্য একনিষ্ঠ করেন, এটি কবুল করেন এবং তাঁর নিকট আমার জন্য পাথেয় হিসেবে গচ্ছিত রাখেন, যার প্রতিদান তিনি আমাকে পরকালে দান করবেন। কেননা তিনিই অন্তরের গোপন রহস্য এবং লুকানো বিষয় সম্পর্কে সম্যক অবগত। তিনি যেন আমাকে তাঁর অনুগ্রহ ও রহমত দ্বারা আবৃত করেন এবং তাঁর প্রশস্ত ক্ষমা দিয়ে আমাকে মার্জনা করেন। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা, অতি নিকটবর্তী; আমি তাঁরই ওপর ভরসা করি এবং তাঁরই অভিমুখী হই।
আল্লাহ তাআলা আমাদের নেতা মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ এবং তাঁর সকল সাহাবীর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
লেখক
আবু আল-মুনজির আল-হুওয়াইনি
আমরু বিন আব্দুল আজিম বিন নিয়াজী শরীফ
হুওয়াইন/কাফরুশ শায়খ, ২৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩২ হিজরী
২ মার্চ ২০১১ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ১৩)
ترجَمة المؤلِّف (1)هو الشَّيخُ الإمامُ العلَّامةُ الحافظُ المُفسِّرُ شيخُ الإِسلامِ مَفخَرَةُ العِراقِ ، جمالُ الدِّين أبُو الفَرَجِ عبدُ الرَّحمنِ بنُ عليِّ بنِ مُحمَّدِ بنِ عليِّ بنِ عُبيدِ الله، القُرَشِيُّ التَّيمِيُّ البَكرِيُّ البَغدَادِيُّ الحَنبَليُّ ، الواعظُ ، صاحبُ التَّصانِيف.
وُلد سنةَ تِسعٍ، أو عشرٍ، وخمسِ مئةٍ.
سَمِعَ من أبي القاسمِ ابنِ الحُصَين ، وأبي غالبٍ ابنِ البَنَّاءِ ، وأبي منصُورٍ ابنِ خَيرُونَ ، وعبدِ الوهَّابِ بنِ المُبارَك الأَنمَاطِيِّ الحافظِ ، وأبي الوَقتِ السِّجزِيِّ ، وابنِ ناصرٍ ، وابن البَطِّيِّ ، وطائفةٍ ، قد خَرَّج عنهم مَشيخَةً.
لم يَرحَل في الحديث ، لكنَّهُ عنده «مُسنَد الإمام أحمدَ» ، و «الطَّبَقات» لابنِ سعدٍ، و «تاريخ الخطيب» وأشياءُ عاليةٌ ، و «الصَّحيحان»، و «السُّنَن» الأربعة ، و «الحِليَة» ، وعدَّةُ تواليفَ وأَجزاءَ.
وانتَفَعَ في الحديثِ بمُلَازَمةِ ابنِ ناصرٍ ، وفي القُرآنِ والأَدبِ بِسِبطِ الخَيَّاطِ ، وابنِ الجَوَالِيقِيِّ ، وفى الفِقهِ بطائِفَةٍ.
حدَّثَ عنه: وَلَدُهُ الصَّاحبُ العلَّامَةُ مُحيِي الدِّين يُوسُفُ ، ووَلَدُهُ الكبيرُ عليٌّ النَّاسِخُ، وسِبطُهُ الواعظُ شمسُ الدِّين صاحبُ «مِرآة الزَّمان» ، والحافظُ
--------------------------------------------
লেখকের জীবনী (১)তিনি হলেন শায়খ, ইমাম, আল্লামা, হাফেজ, মুফাসসির, শায়খুল ইসলাম, ইরাকের গর্ব, জামালুদ্দিন আবুল ফারাজ আবদুর রহমান বিন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আলী বিন উবায়দুল্লাহ, আল-কুরাশি আত-তাইমি আল-বাকরি আল-বাগদাদি আল-হানবালি; যিনি ছিলেন একজন ওয়ায়েজ (উপদেশক) এবং বহু গ্রন্থের প্রণেতা।
তিনি পাঁচশত নয় অথবা দশ হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি আবুল কাসেম ইবনুল হুসাইন, আবু গালিব ইবনুল বান্না, আবু মানসুর ইবনে খাইরুন, হাফেজ আব্দুল ওয়াহহাব বিন মুবারক আল-আনমাতি, আবুল ওয়াক্ত আস-সিজজি, ইবনে নাসির, ইবনুল বাত্তি এবং একদল উলামার নিকট হাদিস শ্রবণ করেছেন, যাদের থেকে তিনি মাশয়াখা (শিক্ষক-তালিকা) সংকলন করেছেন।
তিনি হাদিস সংগ্রহের উদ্দেশ্যে দেশভ্রমণ (রিহলাহ) করেননি, তবে তাঁর নিকট ‘মুসনাদে ইমাম আহমাদ’, ইবনে সা’দের ‘আত-তাবাকাত’, খতিব আল-বাগদাদির ‘তারিখ’ এবং আরও অনেক উচ্চমানের সংকলন ছিল। এছাড়াও তাঁর কাছে ‘সহিহাইন’ (বুখারি ও মুসলিম), চারটি ‘সুনান’ গ্রন্থ, ‘আল-হিলয়াহ’ এবং অসংখ্য রচনা ও পাণ্ডুলিপি ছিল।
তিনি হাদিস শাস্ত্রে ইবনে নাসিরের সান্নিধ্য থেকে, কুরআন ও সাহিত্যে সিবত আল-খাইয়্যাত ও ইবনুল জাওয়ালিকির নিকট থেকে এবং ফিকহ শাস্ত্রে একদল উলামার নিকট থেকে উপকৃত হয়েছেন।
তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন: তাঁর পুত্র সাহেব আল্লামা মুহিউদ্দিন ইউসুফ, তাঁর বড় পুত্র লেখক আলী, তাঁর দৌহিত্র ‘মিরআতুত জামান’-এর লেখক ওয়ায়েজ শামসুদ্দিন এবং হাফেজ...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ১৪)
عبدُ الغَنِيِّ المَقدِسِيُّ ، والشَّيخُ مُوفَّقُ الدِّين ابنُ قُدَامَةَ ، وابنُ النَّجَّار ، وخلقٌ سِواهُم.
كان رأسًا في التَّذكِيرِ بلا مُدافَعةٍ ، يقُولُ النَّظمَ الرَّائقَ ، والنَّثرَ الفَائِقَ بديهًا. لم يَأتِ قَبلَهُ ولا بَعدَهُ مِثلُهُ ، فهو حاملُ لِواءِ الوَعظِ. كان بَحرًا في التَّفسِيرِ ، علَّامَةً في السِّيَرِ والتَّارِيخِ ، موصُوفًا بحُسنِ الحدِيثِ ، ومَعرِفَةِ فُنُونِهِ، فَقِيهًا ، علِيمًا بالإِجماعِ والاختِلَافِ ، جيِّدَ المُشارَكة في الطِّبِّ ، ذا تَفَنُّنٍ وفَهمٍ وذَكاءٍ وحِفظٍ واستِحضَارٍ وإِكبابٍ على الجَمعِ والتَّصنِيفِ. ما عُرِف أحدٌ مِثلُهُ في التَّصنيف.
تُوُفِّي أبُوهُ وَلَهُ ثلاثةُ أعوامٍ ، فربَّتهُ عمَّتُهُ. وأقاربُهُ كانُوا تُجَّارًا في النُّحاس.
بَلَغَت تآلِيفُهُ مِئَتَين وخَمسِين تَأليفًا، كما وُجد بخطِّهِ.
منها: «زادُ المَسِير» في التَّفسير ، و «التَّحقيق» في مسائِلِ الخِلاف ، و «الموضُوعاتُ» ، و «الضُّعَفاء» ، و «المنتظَم» في التَّاريخ ، و «المُدهِش» ، و «صيدُ الخاطر» ، و «صِفَةُ الصَّفْوَة» ، و «تلبِيسُ إِبليسَ» ، و «الأذكِياءُ» ، و «مِنهاجُ القَاصِدين» ، و «الوَفَا بفَضائِلِ المُصطفَى» ، و «النَّاسِخ والمنسُوخ» ، و «الثَّبَات عند المَمَات»، وغيرُهُم كثيرٌ.
من غُرَرِ أَلفَاظِهِ:
«عَقارِبُ المَنَايَا تَلسَعُ ، وخَدْرَانُ جِسمِ الآمالِ يَمنَعُ ، ومَاءُ الحياةِ في إناء العُمرِ يرشَحُ».
আব্দুল গণি আল-মাকদিসি, শেখ মুওয়াফ্ফাকুদ্দিন ইবনে কুদামা, ইবনে নাজ্জার এবং আরও অনেকে।
তিনি ছিলেন নসিহত ও স্মারক আলোচনার ক্ষেত্রে অপ্রতিদ্বন্দ্বী ইমাম। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে চমৎকার কাব্য এবং অসাধারণ গদ্য রচনা করতেন। তাঁর পূর্বে বা পরে তাঁর মতো আর কেউ আসেনি; তিনি ছিলেন ওয়ায বা উপদেশের ঝাণ্ডাবাহী। তিনি তাফসীর শাস্ত্রে ছিলেন এক সমুদ্র, সীরাত ও ইতিহাসে মহাপণ্ডিত, হাদিস বর্ণনায় নৈপুণ্য ও এর বিভিন্ন শাখা-প্রশাখায় জ্ঞানের জন্য সুপরিচিত। তিনি ছিলেন একজন ফকিহ এবং ইজমা (ঐকমত্য) ও ইখতিলাফ (মতভেদ) বিষয়ে বিজ্ঞ। চিকিৎসা শাস্ত্রেও তাঁর ভালো দখল ছিল। তিনি ছিলেন বহুমুখী প্রতিভা, প্রখর বোধশক্তি, মেধা ও মুখস্থশক্তির অধিকারী এবং সংকলন ও গ্রন্থ রচনায় নিবেদিতপ্রাণ। গ্রন্থ রচনার ক্ষেত্রে তাঁর মতো আর কাউকে জানা যায় না।
যখন তাঁর বয়স তিন বছর তখন তাঁর পিতা ইন্তেকাল করেন, ফলে তাঁর ফুফু তাঁকে লালন-পালন করেন। তাঁর আত্মীয়-স্বজনরা তামা ব্যবসায়ী ছিলেন।
তাঁর নিজের হাতের লেখা অনুযায়ী তাঁর রচিত গ্রন্থের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুইশত পঞ্চাশটিতে।
সেগুলোর মধ্যে রয়েছে: তাফসীর শাস্ত্রে 'যাদুল মাসীর', মতভেদপূর্ণ মাসআলা বিষয়ে 'আল-তাহকীক', 'আল-মাওযুয়াত', 'আদ-দুয়াফা', ইতিহাস বিষয়ক 'আল-মুনতাজাম', 'আল-মুদহিশ', 'সাইদুল খাতির', 'সিফাতুস সাফওয়াহ', 'তালবিসু ইবলিস', 'আল-আযকিয়া', 'মিনহাজুল কাসিদিন', 'আল-ওয়াফা বি-ফাদায়িলিল মুস্তফা', 'আন-নাসিখ ওয়াল মানসুখ', 'আস-সুবাত ইনদাল মামাত' এবং আরও অনেক গ্রন্থ।
তাঁর চমৎকার কিছু বাণী:
«মৃত্যুর বিচ্ছু দংশন করছে, আশার শরীরের অসারতা বাধা দিচ্ছে, আর আয়ুরূপ পাত্র থেকে জীবনের পানি চুঁইয়ে পড়ছে।»
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ১৫)
وسألَهُ رجُلٌ: «أيُّما أفضلُ: أُسَبِّحُ أو أستَغفِرُ؟»، فقال: «الثَّوبُ الوَسِخُ أَحوَجُ إلى الصَّابُون من البخُور».
وقال: «من قَنَعَ طاب عَيشُهُ ، ومن طَمَعَ طال طَيشُهُ».
وقد نالَتهُ مِحنَةٌ في أواخِرِ عُمرِهِ ، ووَشَوْا بِهِ إلى الخَلِيفَةِ بأمرٍ اختُلِف في حقيقَتِهِ ، فجاء مَن شَتَمَهُ وأَهَانَهُ ، وأَخذَهُ قَبضًا باليدِ ، وخَتَمَ على دارِهِ ، وشَتَّتَ عِيالَهُ ، ثُمَّ أُقعِد في سفينةٍ إلى مدينةِ وَاسِط ، فحُبِس بها في بيتٍ حَرِجٍ ، وبَقِي هو يَغسِلُ ثَوبَهُ ويَطبُخُ الشَّيءَ ، فبَقِي على ذلك خمسَ سِنين ما دَخَلَ فيها حمَّامًا.
وكان السَّببُ في خَلاصِهِ أنَّ وَلَدَهُ يُوسُفَ نشأ واشتَغَلَ وعَمِلَ في هذه المُدَّةِ الوَعظَ وهو صبِيٌّ ، وتَوَصَّلَ حتى شَفَعَت أُمُّ الخليفةِ ، وأَطلَقَت الشَّيخَ.
قال المُوفَّقُ عبدُ اللَّطيف: «كان كثيرَ الغَلَطِ فيما يُصَنِّفُه؛ فإنَّهُ كان يَفرَغُ من الكتاب ولا يَعتَبِرُهُ».
قال الذَّهَبِيُّ: «قُلتُ: هكذا هو، له أوهامٌ وألوانٌ في تركِ المُراجَعة ، وأَخْذِ العِلمِ من صُحُفٍ. وصَنَّف شيئًا، لو عَاشَ عُمرًا ثانيًا لما لَحِقَ أن يُحرِّرَه ويُتقِنَه».
مَرِضَ خمسةَ أيَّامٍ، وتُوُفِّي ليلة الجُمُعةِ بين العِشَاءَين، الثَّالثَ عَشرَ من رمضانَ سنة 597 هـ.
এক ব্যক্তি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন: «কোনটি শ্রেষ্ঠ: আমি তাসবিহ পাঠ করব নাকি ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) করব?», তিনি উত্তরে বললেন: «নোংরা কাপড়ের জন্য সুগন্ধির চেয়ে সাবান বেশি প্রয়োজন।»
তিনি আরও বলেন: «যে ব্যক্তি অল্পে তুষ্ট থাকে তার জীবন আনন্দময় হয়, আর যার লালসা থাকে তার অস্থিরতা দীর্ঘস্থায়ী হয়।»
তাঁর জীবনের শেষ ভাগে তিনি এক কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হন। তাঁর সম্পর্কে এক অস্পষ্ট বিষয়ে খলিফার কাছে চোগলখুরি করা হয়েছিল, ফলে এমন এক ব্যক্তি আসে যে তাঁকে গালিগালাজ ও লাঞ্ছিত করে এবং হাত ধরে বন্দি করে নিয়ে যায়। তাঁর বাসগৃহ সিলগালা করা হয় এবং তাঁর পরিবার-পরিজনকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। অতঃপর তাঁকে নৌকায় করে ওয়াসিত শহরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে এক সংকীর্ণ ঘরে বন্দি রাখা হয়। সেখানে তিনি নিজেই নিজের কাপড় ধৌত করতেন এবং সামান্য কিছু রান্না করতেন; এভাবে তিনি সেখানে পাঁচ বছর অতিবাহিত করেন, এই সময়ে তিনি কোনো গোসলখানায় প্রবেশ করেননি।
তাঁর মুক্তির কারণ ছিল এই যে, তাঁর পুত্র ইউসুফ বড় হয়ে এই সময়ের মধ্যে শৈশবেই ওয়াজ-নসিহতের কাজে নিয়োজিত হন এবং খলিফার মাতার সুপারিশ লাভে সমর্থ হন, ফলে তিনি শাইখকে মুক্ত করে দেন।
মুওয়াফফাক আব্দুল লতিফ বলেন: «তিনি যা রচনা করতেন তাতে প্রচুর ভুল থাকত; কেননা তিনি কিতাব লেখা শেষ করতেন কিন্তু তা পুনরায় যাচাই করতেন না।»
ইমাম যাহাবি বলেন: «আমি বলি: বিষয়টি এমনই, কিতাব পুনরায় নিরীক্ষণ না করা এবং সরাসরি পাণ্ডুলিপি থেকে ইলম অর্জন করার ক্ষেত্রে তাঁর মধ্যে কিছু ভ্রান্তি ও বিশেষত্ব ছিল। তিনি এতো অধিক রচনা করেছেন যে, যদি তিনি দ্বিতীয়বার জীবন পেতেন তবুও তা পরিমার্জন ও নিখুঁত করার সময় পেতেন না।»
তিনি পাঁচ দিন অসুস্থ ছিলেন এবং ৫৯৭ হিজরি সনের ১৩ই রমজান জুমুআর রাতে মাগরিব ও এশার মধ্যবর্তী সময়ে ইন্তেকাল করেন।
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ১৬)
عُنوان الكتاب ، ونِسبتُهُ لمؤلِّفِهِ
وقع خِلافٌ في عُنوان الكتاب:فذكره: سِبطُ ابنِ الجَوزِيِّ في «مرآة الزَّمان» (8/ 485) ، وابنُ العِماد في «شَذَرَات الذَّهَب» (5/ 391) ، وخيرُ الدِّين الزِّرِكلِيُّ في «الأَعلَام» (4/ 90) ، كلُّهم باسم: «فضائل القُدس»، وهو اسمُ الكتاب في نُسخة «مكتبة برِنِستُون» الخَطِّيَّة.
بينما ذَكَرَهُ: ناصرُ الدِّين مُحمَّدُ بنُ عبدِ الرَّحِيم بنِ الفُرَات في «تاريخه» (4/ 2/215) باسم: «فضائل بيتِ المَقدِس»، وهو اسمُ الكتاب في نُسخَتَى «مكتبة تشِسْتَربِتِي»، و «مكتبة دار الكُتُب المِصرِيَّةِ» الخطِّيَّتان.
والأخيرُ هو الذي اعتمدتُه عُنوانًا للكتاب؛ لمجِيئِهِ على طُرةِ نُسخَتين خَطِّيَّتَين، بالإِضافَةِ إلى ذِكرِ ابنِ الفُرات له.
شُيُوخ ابنِ الجَوزيِّ في هذا الكتابروى ابنُ الجَوزِيِّ عن ثمانيةٍ من شُيُوخِهِ في هذا الكتاب ، وهم:
1 - أبُو المُعمَّر الأنصارِيُّ.
هو: المُبارَك بنُ أحمدَ بنِ عبدِ العَزِيزِ بنِ المُعمَّرِ بنِ الحَسَن بنِ العبَّاسِ، أبُو المُعمَّرِ الأنصارِيُّ الأَزجِيُّ ـ نِسبةً إلى باب الأَزْجِ ببغدادَ ـ.
وُلِد سنة 475 هـ.
قال ابنُ نُقطَةَ: «ثقةٌ. حدَّثَنا عنه جماعةٌ من أشياخِنَا».
গ্রন্থের শিরোনাম এবং লেখকের প্রতি এর সম্বন্ধগ্রন্থের শিরোনাম নিয়ে মতভেদ সৃষ্টি হয়েছে:সিবত ইবনুল জাওযী ‘মিরআতুয যামান’ (৮/৪৮৫)-এ, ইবনুল ইমাদ ‘শাযারাতুয যাহাব’ (৫/৩৯১)-এ এবং খাইরুদ্দীন আয-যিরিকলী ‘আল-আলাম’ (৪/৯০)-এ এটি উল্লেখ করেছেন। তাঁরা সবাই একে ‘ফাযাইলুল কুদস’ নামে অভিহিত করেছেন; আর ‘প্রিন্সটন লাইব্রেরি’-র পাণ্ডুলিপিতেও গ্রন্থের নাম এটাই পাওয়া যায়।
অন্যদিকে নাসিরুদ্দীন মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহীম ইবনুল ফুরাত তাঁর ‘তারিখ’ (৪/২/২১৫)-এ একে ‘ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস’ নামে উল্লেখ করেছেন। ‘চেস্টার বিটি লাইব্রেরি’ এবং ‘দারুল কুতুব আল-মিসরিয়্যাহ’-এর পাণ্ডুলিপিদ্বয়েও গ্রন্থের এই নামই বিদ্যমান।
আমি শেষের নামটিকেই গ্রন্থের শিরোনাম হিসেবে গ্রহণ করেছি; কারণ এটি দুটি পাণ্ডুলিপির প্রচ্ছদে এসেছে এবং পাশাপাশি ইবনুল ফুরাতও এটি উল্লেখ করেছেন।
এই গ্রন্থে ইবনুল জাওযীর শিক্ষকগণইবনুল জাওযী এই গ্রন্থে তাঁর আটজন শিক্ষক থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা হলেন:
১ - আবু আল-মুয়াম্মার আল-আনসারী.
তিনি হলেন: আল-মুবারক বিন আহমদ বিন আব্দুল আযীয বিন আল-মুয়াম্মার বিন আল-হাসান বিন আল-আব্বাস, আবু আল-মুয়াম্মার আল-আনসারী আল-আযজী—বাগদাদের ‘বাবুয আযজ’-এর অধিবাসী হওয়ার কারণে তাঁকে আল-আযজী বলা হয়।
তিনি ৪৭৫ হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন।
ইবনু নুকতাহ বলেন: «তিনি নির্ভরযোগ্য। আমাদের একদল শিক্ষক তাঁর থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।»
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ১৭)
وقال ابنُ الجَوزِيِّ: «سَمِعَ الكثيرَ. وكان له فهمٌ وعِلمٌ بالحديث».
وقال الذَّهَبِيُّ: «الإمام الحافظ المُفيد
… جمع مُعجَمًا في مُجلَّدٍ».
وقال الصَّفَدِيُّ: «الحافظُ
… جَمَعَ لنفسِهِ مُعجَما في خمسة أجزاءَ ضخمَةٍ».
وتُوفِّي في رمضانَ سنة 549 هـ، وقيل 550 هـ، عن أربعٍ وسَبعِين سنةً.
يُنظَرُ في ترجمته:
ابنُ الجَوزِيِّ في «مَشيَختِهِ» (ص:173)، وفي «المنتظَم» (10/ 160)، وابنُ نُقطَةَ في «تكملة الإكمال» (5/ 381)، والذَّهَبيُّ في «سِيَر أعلام النُّبلاء» (20/ 260)، وفي «العِبَر» (4/ 138)، والصَّفَدِيُّ في «الوافي بالوَفَيَات» (25/ 97)، وابنُ تَغرِي بَردِي في «النُّجوم الزَّاهِرة» (5/ 319 - ضمن وَفَيَات سنة 550 هـ) ، وابنُ العِماد في «شَذَرَات الذَّهَب» (4/ 154) ، وغيرُهُم.
2 - ابنُ ناصرٍ.
هو: مُحمَّدُ بنُ ناصرِ بنِ مُحمَّدِ بنِ عليِّ بنِ عُمَرَ ، أبُو الفَضلِ السَّلَامِيُّ البَغدَادِيُّ.
وُلِد ليلةَ السَّبت ، وقيل الخَمِيس، نصفَ شَعبانَ، سنةَ 467 هـ.
ورُبِّي يتيمًا في كَفَالَةِ جَدِّهِ لأُمِّهِ، الفَقِيهِ أبي حكيمٍ الخَبَرِيِّ.
سَمِعَ الكثيرَ. وتفرَّدَ بمشايخَ.
قال ابنُ الجَوزِيِّ: «كان حافظًا ضابطًا ثقةً. من أهل السُّنَّةِ، لا مَغمَزَ فيه. وكان كثيرَ الذِّكرِ ، سَرِيعَ الدَّمعَةِ».
وقال ابنُ نُقطَةَ: «كان من الأئِمَّة الثِّقات الأَثبَاتِ المُتقِنين».
ইবনুল জাওযী বলেন: «তিনি প্রচুর (হাদিস) শুনেছেন। হাদিস বিষয়ে তাঁর প্রজ্ঞা ও জ্ঞান ছিল।»
যাহাবী বলেন: «ইমাম হাফেজ উপকারী ব্যক্তিত্ব
… তিনি এক খণ্ডে একটি মু'জাম সংকলন করেছেন।»
সাফাদী বলেন: «হাফেজ
… তিনি নিজের জন্য পাঁচটি বিশাল খণ্ডে একটি মু'জাম সংকলন করেছেন।»
তিনি ৫৪৯ হিজরির রমজান মাসে মৃত্যুবরণ করেন, মতান্তরে ৫৫০ হিজরিতে, চুয়াত্তর বছর বয়সে।
তাঁর জীবনী দেখা যেতে পারে:
ইবনুল জাওযীর ‘মাশয়াখাহ’ (পৃষ্ঠা: ১৭৩) এবং ‘আল-মুনতাজাম’ (১০/১৬০), ইবনু নুক্বতাহর ‘তাকমিলাতুল ইকমাল’ (৫/৩৮১), যাহাবীর ‘সিয়ারু আ’লামিন নুবালা’ (২০/২৬০) এবং ‘আল-ইবার’ (৪/১৩৮), সাফাদীর ‘আল-ওয়াফি বিল ওয়াফায়াত’ (২৫/৯৭), ইবনু তাগরি বারদীর ‘আন-নুজুমুজ জাহেরা’ (৫/৩১৯ - ৫৫০ হিজরির মৃত্যুসংবাদের অধীনে), ইবনুল ইমাদের ‘শাযারাতুয যাহাব’ (৪/১৫৪) এবং অন্যান্য।
২ - ইবনু নাসির।
তিনি হলেন: মুহাম্মদ ইবনে নাসির ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে উমর, আবু আল-ফজল আস-সালামী আল-বাগদাদী।
তিনি ৪৬৭ হিজরির শাবান মাসের মাঝামাঝি সময়ে শনিবার রাতে, মতান্তরে বৃহস্পতিবার রাতে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি তাঁর মাতামহ ফকীহ আবু হাকিম আল-খাবারীর তত্ত্বাবধানে এতিম হিসেবে লালিত-পালিত হন।
তিনি প্রচুর (হাদিস) শুনেছেন এবং কতিপয় শায়খের বর্ণনায় একক বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছেন।
ইবনুল জাওযী বলেন: «তিনি ছিলেন হাফেজ, নির্ভুল বর্ণনাকারী ও নির্ভরযোগ্য। তিনি আহলে সুন্নাহর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, তাঁর বিষয়ে সমালোচনার কোনো অবকাশ নেই। তিনি অধিক যিকিরকারী এবং কোমল হৃদয়ের (অশ্রুসিক্ত নয়ন) অধিকারী ছিলেন।»
ইবনু নুক্বতাহ বলেন: «তিনি নির্ভরযোগ্য, সুদৃঢ় ও অত্যন্ত দক্ষ ইমামদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।»
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ১৮)
وقال أبُو مُوسَى المَدِينِيُّ: «هو مُقَدَّمُ أصحابِ الحَدِيثِ في وَقتِهِ ببَغدادَ».
وقال أبُو طاهرٍ السِّلَفِيُّ: «له جَودَةُ حِفظٍ وإِتقانٍ ، وحُسنُ مَعرِفةٍ ، وهو ثَبتٌ إِمامٌ».
وقال ابنُ النَّجَّار في «تاريخه»: «كان ثِقةً ثَبتًا، حَسَنَ الطَّرِيقَةِ ، متِينًا».
وقال الذَّهَبِيُّ: «الإمامُ المُحَدِّثُ الحافظُ مُفِيدُ العِراقِ».
وقال ابنُ خلِّكانَ: «الحافظُ الأديبُ. كان حافظَ بَغدادَ في زَمانِهِ».
تُوفِّي ليلةَ الثُّلاثاء، الثَّامنَ عشرَ من شَعبانَ، سنةَ 550 هـ.
يُنظَرُ في ترجمته:
«مَشيَخَةُ ابنِ الجَوزِيِّ» (ص:126) ، و «تكمِلةُ الإكمال» لابنِ نُقطَةَ (3/ 374)، والذَّهَبِيَّ في «سير أعلام النُّبلاء» (20/ 260) ، وابنُ كَثيرٍ في «البِدايَة والنِّهاية» (16/ 374)، وابنُ خلِّكَان في «وَفَيَات الأعيان» (4/ 293)، والصَّفَدِيُّ في «الوافي بالوَفَيَات» (5/ 104)، وابنُ تَغرِي بَردِي في «النُّجوم الزَّاهِرة» (5/ 320)، والعُلَيمِيُّ الحَنبَليُّ في «الدُّرِّ النَّضِيد في ذِكر أصحابِ الإمام أحمد» (1/ 260) ، وغيرُهُم.
3 - يحيَى بنُ ثابتِ بنِ بُندارٍ.
هو: يحيَى بنُ ثابتِ بنِ بُندارِ بنِ إبرَاهيمَ ، أبُو القاسِمِ، الدِّينَورِيُّ الأَصلُ ، البَغدَادِيُّ، البَقَّالُ الوكيلُ.
قال عنه الذَّهبيُّ: «الشَّيخُ الجليلُ المُسنِدُ العَالمُ
… سماعُهُ صحيحٌ».
وقال ابنُ نُقطةَ: «ثقةٌ» ، وقال في موضِعٍ آخرَ: «كان سماعُهُ صحيحًا».
تُوُفِّي يومَ الأحد، خامسَ ربيعٍ الأوَّل، سنةَ 565 هـ.
يُنظَرُ:
আবু মুসা আল-মাদিনী বলেছেন: «তিনি বাগদাদে তাঁর সময়ের হাদীস বিশারদদের অগ্রণী ছিলেন।»
আবু তাহির আস-সিলাফী বলেছেন: «তাঁর মুখস্থশক্তি ও নির্ভুলতা ছিল চমৎকার, জ্ঞান ছিল উৎকৃষ্ট এবং তিনি ছিলেন নির্ভরযোগ্য ইমাম।»
ইবনুন নাজ্জার তাঁর «তারীখ»-এ বলেছেন: «তিনি ছিলেন বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য, সুন্দর রীতিনীতি সম্পন্ন এবং সুদৃঢ়।»
আয-যাহাবী বলেছেন: «ইমাম, মুহাদ্দিস, হাফিজ এবং ইরাকের জ্ঞান পরিবেশনকারী।»
ইবনু খাল্লিকান বলেছেন: «হাফিজ ও সাহিত্যিক। তিনি তাঁর যুগে বাগদাদের হাফিজ ছিলেন।»
তিনি ৫৫০ হিজরী সালের ১৮ই শাবান, মঙ্গলবার রাতে মৃত্যুবরণ করেন।
তাঁর জীবনী দেখা যেতে পারে:
«মাশয়াখাতু ইবনিল জাওযী» (পৃষ্ঠা: ১২৬), ইবনু নুক্বতাহ রচিত «তাকমিলাতুল ইকমাল» (৩/৩৭৪), আয-যাহাবীর «সিয়ারু আলামিন নুবালা» (২০/২৬০), ইবনু কাসীরের «আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ» (১৬/৩৭৪), ইবনু খাল্লিকানের «ওয়াফায়াতুল আইয়ান» (৪/২৯৩), আস-সাফাদীর «আল-ওয়াফী বিল ওয়াফায়াত» (৫/১০৪), ইবনু তাগরী বারদীর «আন-নুজুমুয যাহিরাহ» (৫/৩২০), আল-উলাইমী আল-হাম্বলীর «আদ-দুররুন নাদীদ ফী যিকরি আসহাবি ইমাম আহমদ» (১/২৬০) এবং অন্যান্য গ্রন্থ।
৩ - ইয়াহইয়া বিন সাবিত বিন বুন্দার.
তিনি হলেন: ইয়াহইয়া বিন সাবিত বিন বুন্দার বিন ইবরাহীম, আবুল কাসিম, দিনাওয়ারী বংশোদ্ভূত, বাগদাদী, আল-বাক্কাল আল-ওয়াকীল।
আয-যাহাবী তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: «মহান শাইখ, মুসনিদ, আলেম
… তাঁর শ্রবণ সঠিক ছিল।»
ইবনু নুক্বতাহ বলেছেন: «বিশ্বস্ত», এবং অন্য এক স্থানে বলেছেন: «তাঁর শ্রবণ সঠিক ছিল।»
তিনি ৫৬৫ হিজরী সালের ৫ই রবিউল আউয়াল, রবিবার মৃত্যুবরণ করেন।
দেখুন:
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ১৯)
«مَشيَخَةُ ابنِ الجَوزِيِّ» (ص:166)، و «سِيَرُ أعلام النُّبَلاء» للذَّهَبِيِّ (20/ 505)، و «تكملةُ الإِكمالِ» لابنِ نُقطَةَ (1/ 322، و 3/ 546)، وغيرُهُم.
4 - هبةُ الله بنُ مُحمَّد بنِ الحصين.
هو: هِبَةُ الله بنُ مُحمَّد بنِ عبدِ الوَاحِد بنِ أحمدَ بنِ العبَّاسِ بنِ الحصينِ، أبُو القاسِمِ، الشَّيبَانِيُّ، الهَمَذَانِيُّ الأصلُ، البَغدَادِيُّ، الكاتبُ.
وُلِد في رابعِ ربيعٍ الأَوَّلِ، سنةَ 432 هـ.
قال السَّمعَانِيُّ: «شيخٌ ثِقةٌ دَيِّنٌ، صَحيحُ السَّمَاع».
وقال ابنُ الجَوزِيِّ: «وكان ثقةً. وكان صحيحَ السَّمَاع».
وقال الذَّهَبِيُّ: «الشَّيخُ الجليلُ المُسنِدُ الصَّدُوقُ».
وقال ابنُ كَثيرٍ: «وكان ثقةً ثبتًا، صحيحَ السَّمَاع».
تُوُفِّي بين الظُّهر والعَصرِ، يومَ الأَربِعاء، رابعَ شوَّالٍ، سنةَ 525 هـ، وله 93 سنةً.
يُنظَرُ:
«مَشيَخَةُ ابنِ الجَوزِيِّ» (ص:53)، و «المنتظَم» (10/ 24)، و «سِيَر أعلام النُّبَلاء» للذَّهَبِيِّ (19/ 536)، و «البِدَايَةُ والنِّهايةُ» (16/ 291)، و «الوافي بالوَفَيَات» للصَّفَدِيِّ (27/ 318)، و «النُّجُوم الزَّاهرة» لابنِ تَغرِي بَردِي (5/ 427)، و «شَذَرَات الذَّهَب» لابن العِماد (4/ 77)، وغيرُهُم.
5 - عبد الأول بن عيسى.
هو: عبدُ الأوَّلِ ابنُ الشَّيخ المُحدِّثُ المُعَمِّرُ أبي عبدِ الله عيسَى بنِ شُعيبَ بنِ إبراهيمَ بنِ إسحاقَ، أبُو الوَقتِ، السِّجزِيُّ الأصلِ، ثمَّ الهَرَوِيُّ المَنشَأِ،
‘মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওজি’ (পৃ. ১৬৬), যাহাবীর ‘সিয়ারু আলামিন নুবালা’ (২০/ ৫০৫), ইবনু নুক্বতাহ-র ‘তাকমিলাতুল ইকমাল’ (১/ ৩২২ এবং ৩/ ৫৪৬) এবং অন্যান্য গ্রন্থ।
৪ - হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হুসাইন.
তিনি হলেন: হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আহমাদ বিন আল-আব্বাস বিন আল-হুসাইন, আবুল কাসিম, আশ-শাইবানী, জন্মসূত্রে হামাদানী, বাগদাদী, লেখক (কাতিব)।
তিনি ৪৩২ হিজরীর ৪ঠা রবিউল আউয়াল জন্মগ্রহণ করেন।
সামআনী বলেন: ‘তিনি একজন নির্ভরযোগ্য শায়খ, ধর্মপ্রাণ এবং হাদীস শ্রবণে নির্ভুল।’
ইবনুল জাওজি বলেন: ‘তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন এবং হাদীস শ্রবণে নির্ভুল ছিলেন।’
যাহাবী বলেন: ‘মর্যাদাবান শায়খ, মুসনিদ এবং সত্যবাদী।’
ইবনু কাসীর বলেন: ‘তিনি নির্ভরযোগ্য ও সুদৃঢ় ছিলেন এবং হাদীস শ্রবণে নির্ভুল ছিলেন।’
তিনি ৫২৫ হিজরীর ৪ঠা শাওয়াল, বুধবার যোহর ও আসরের মধ্যবর্তী সময়ে ইন্তেকাল করেন, তখন তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর।
দ্রষ্টব্য:
‘মাশইয়াখাতু ইবনিল জাওজি’ (পৃ. ৫৩), ‘আল-মুনতাজাম’ (১০/ ২৪), যাহাবীর ‘সিয়ারু আলামিন নুবালা’ (১৯/ ৫৩৬), ‘আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া’ (১৬/ ২৯১), সাফাদীর ‘আল-ওয়াফি বিল ওফায়াত’ (২৭/ ৩১৮), ইবনু তাগরি বারদীর ‘আন-নুজুমুজ জাহেরা’ (৫/ ৪২৭), ইবনুল ইমাদের ‘শাযারাতুয যাহাব’ (৪/ ৭৭) এবং অন্যান্য গ্রন্থ।
৫ - আব্দুল আওয়াল বিন ঈসা.
তিনি হলেন: আব্দুল আওয়াল বিন শায়খ, মুহাদ্দিস, দীর্ঘায়ুপ্রাপ্ত আবু আব্দুল্লাহ ঈসা বিন শুয়াইব বিন ইবরাহীম বিন ইসহাক, আবুল ওয়াক্ত, জন্মসূত্রে সিজযী, পরবর্তীতে হেরাতে প্রতিপালিত,
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ২০)
المَالِينِيُّ.
وُلد في ذي القعدة، سنة 458 هـ.
قال ابن خلِّكان: «كان صالحًا، يَغلُبُ عليه الخَيرُ».
وقال السَّمعانِيُّ: «شيخٌ صالحٌ، حسنُ السَّمتِ والأخلاقِ».
وقال الذَّهَبِيُّ: «الشَّيخُ الإمامُ الزَّاهِدُ الخَيِّرُ الصُّوفِيُّ، شيخُ الإِسلامِ، مُسنِدُ الآفاقِ».
تُوفِّي ليلةَ الأحد، سادسَ ذِي القعدةِ، سنة 553 هـ.
يُنظَر:
«مَشيَخَةُ ابنِ الجَوزِيِّ» (ص 67)، و «السِّيَر» للذَّهَبِيِّ (20/ 303)، و «وَفَيَات الأعيان» لابن خلِّكان (3/ 226)، و «البدايةُ والنِّهايةُ» لابن كَثيرٍ (16/ 386)، و «الوافي بالوَفَيَات» للصَّفَدِيِّ (18/ 10)، و «النُّجُوم الزَّاهِرَة» لابنِ تَغرِي بَردِي (5/ 328)، و «شَذَرَات الذَّهَب» لابنِ العِمَاد (4/ 166)، وغيرُهُم.
6 - عبدُ الوهَّاب بنُ المُبارَك الأَنمَاطِيُّ.
هو: عبدُ الوَهَّاب بنُ المُبارَكِ بنِ أَحمدَ بنِ الحَسَنِ بنِ بُندارٍ، أبُو البَرَكات، البَغدَادِيُّ الأَنماطِيُّ.
وُلِد في رَجبٍ، سنةَ 462 هـ.
قال ابنُ الجَوزِيِّ: «كان صحيحَ السَّمَاع، ثِقةً ثَبتًا، ذا دِينٍ ووَرَعٍ».
وقال السَّمعَانِيُّ: «حافظٌ ثِقةٌ مُتقِنٌ».
وقال أبُو طاهرٍ السِّلَفِيُّ: «كان رفِيقُنَا عبدُ الوَهَّاب حافظًا ثِقةً، لديه معرِفَةٌ
আল-মালিনী।
তিনি ৪৫৮ হিজরি সনের যিলকদ মাসে জন্মগ্রহণ করেন।
ইবনে খাল্লিকান বলেন: «তিনি ছিলেন একজন নেককার ব্যক্তি, যার ওপর কল্যাণই প্রবল ছিল।»
আস-সামআনী বলেন: «একজন নেককার শায়খ, যিনি ছিলেন উত্তম চালচলন ও চরিত্রের অধিকারী।»
আয-যাহাবী বলেন: «তিনি ছিলেন শায়খ, ইমাম, যাহিদ, কল্যাণময়, সুফি, শায়খুল ইসলাম এবং দিগন্তজুড়ে যার বর্ণিত হাদীসের সনদ বিস্তৃত ছিল।»
তিনি ৫৫৩ হিজরি সনের ৬ই যিলকদ রবিবার দিবাগত রাতে মৃত্যুবরণ করেন।
দ্রষ্টব্য:
«মাশইয়াখাহ ইবনে আল-জাওযী» (পৃ. ৬৭), আয-যাহাবীর «আস-সিয়ার» (২০/ ৩০৩), ইবনে খাল্লিকানের «ওয়াফায়াতুল আইয়ান» (৩/ ২২৬), ইবনে কাসীরের «আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া» (১৬/ ৩৮৬), আস-সাফাদীর «আল-ওয়াফী বিল ওয়াফায়াত» (১৮/ ১০), ইবনে তাগরী বারদীর «আন-নুজুমুজ যাহিরা» (৫/ ৩২৮), ইবনে আল-ইমাদের «শাযারাতুয যাহাব» (৪/ ১৬৬) এবং অন্যান্য গ্রন্থ।
৬ - আব্দুল ওয়াহহাব বিন আল-মুবারক আল-আনমাতি।
তিনি হলেন: আব্দুল ওয়াহহাব বিন আল-মুবারক বিন আহমদ বিন আল-হাসান বিন বুন্দার, আবু আল-বারাকাত, আল-বাগদাদী আল-আনমাতি।
তিনি ৪৬২ হিজরি সনের রজব মাসে জন্মগ্রহণ করেন।
ইবনে আল-জাওযী বলেন: «তাঁর হাদীস শ্রবণ সঠিক ছিল, তিনি নির্ভরযোগ্য ও সুদৃঢ় ছিলেন, এবং দ্বীনদার ও আল্লাহভীরু ছিলেন।»
আস-সামআনী বলেন: «তিনি ছিলেন হাফেয, নির্ভরযোগ্য ও অত্যন্ত দক্ষ।»
আবু তাহের আস-সিলাফী বলেন: «আমাদের সাথী আব্দুল ওয়াহহাব ছিলেন হাফেয এবং নির্ভরযোগ্য, তাঁর নিকট জ্ঞান ছিল...
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ২১)
جيِّدةٌ».
وقال ابنُ ناصرٍ: «كان ثقةً».
وقال أبُو مُوسَى المَدِينِيُّ: «حافظُ عَصرِهِ ببَغدادَ».
وقال الذَّهَبِيُّ: «الشَّيخُ الإمامُ الحافظُ المُفِيدُ الثِّقةُ المُسنِدُ بقيَّةُ السَّلَف».
وقال ابنُ كَثيرٍ: «كان ثِقةً دَيِّنًا وَرِعًا».
تُوُفِّي يَومَ الخميسِ، الحادي عشرَ من مُحرَّم، سنةَ 538 هـ ، عن سِتٍّ وتِسعين سنةً.
يُنظَر:
«مَشيَخَةُ ابنِ الجَوزِيِّ» (ص:85) ، و «السِّيَرُ» للذَّهَبِيِّ (20/ 134)، و «البِدايَةُ والنِّهايةُ» لابن كَثيرٍ (16/ 334) ، و «شَذَرَات الذَّهَب» لابنِ العِمَاد (4/ 116) ، و «الدُّرُّ النَّضيد في ذِكرِ أصحاب الإمام أحمدَ» (1/ 249) ، وغيرُهُم.
7 - مُحمَّدُ بنُ عبدِ الله بنِ حَبيبٍ.
هو: مُحمَّدُ بنُ عبدِ الله بنِ أحمدَ بنِ حبيبٍ ، أبُو بكرٍ العَامِرِيُّ، المعرُوفُ بـ «ابنِ الخَبَّازَةِ».
وُلِد سنةَ 469 هـ.
قال ابنُ الجَوزِيِّ: «كانت له معرفةٌ بالحديثِ والفِقهِ».
تُوُفِّى في ليلةِ الأربعاء، مُنتصَف رمضان، سنة 530 هـ.
يُنظَرُ:
«المَشيَخَةُ» (ص:142) ، و «المنتظَم» (10/ 64) كلاهما لابنِ الجَوزِيِّ ،
উত্তম।"
এবং ইবনে নাসির বলেছেন: "তিনি বিশ্বস্ত ছিলেন।"
এবং আবু মুসা আল-মাদিনী বলেছেন: "বাগদাদে তিনি তাঁর যুগের হাফেয ছিলেন।"
এবং আয-যাহাবী বলেছেন: "তিনি শায়খ, ইমাম, হাফেয, মুফিদ, বিশ্বস্ত, মুসনিদ এবং সালাফদের অবশিষ্টাংশ।"
এবং ইবনে কাসীর বলেছেন: "তিনি বিশ্বস্ত, ধর্মপ্রাণ এবং পরহেযগার ছিলেন।"
তিনি ৫৩৮ হিজরী সনের ১১ই মহররম, বৃহস্পতিবার ছিয়ানব্বই বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।
দ্রষ্টব্য:
ইবনুল জাওযীর "মাশয়াখাতু ইবনিল জাওযী" (পৃষ্ঠা: ৮৫), আয-যাহাবীর "আস-সিয়ার" (২০/ ১৩৪), ইবনে কাসীরের "আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া" (১৬/ ৩৩৪), ইবনুল ইমাদের "শাযারাতুয যাহাব" (৪/ ১১৬), "আদ-দুররুন নাযিদ ফি যিকরি আসহাবি ইমাম আহমাদ" (১/ ২৪৯) এবং অন্যান্য।
৭ - মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হাবীব।
তিনি হলেন: মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাবীব, আবু বকর আল-আমেরী, যিনি "ইবনুল খাব্বাযাহ" নামে পরিচিত।
তিনি ৪৬৯ হিজরী সনে জন্মগ্রহণ করেন।
ইবনুল জাওযী বলেছেন: "হাদিস এবং ফিকহ শাস্ত্রে তাঁর প্রজ্ঞা ছিল।"
তিনি ৫৩০ হিজরী সনের মধ্য রমজানের বুধবার দিবাগত রাতে ইন্তেকাল করেন।
দ্রষ্টব্য:
ইবনুল জাওযীর "আল-মাশয়াখাহ" (পৃষ্ঠা: ১৪২) এবং "আল-মুনতাযাম" (১০/ ৬৪)।
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ২২)
و «البِدايةُ والنِّهايةُ» لابنِ كَثيرٍ (16/ 311)، و «الوافي بالوَفَيَات» للصَّفَدِيِّ (3/ 349) ، وغيرُهُم.
8 - الفَضلُ بنُ سَهلٍ الاسْفِرَايِينِيُّ.
هو: الفَضلُ بنُ سَهلِ بنِ بِشرِ بنِ أَحمدَ بنِ سَعيدٍ ، أبُو المَعالِي الاسْفِرَايِينِيُّ ، ابنُ أبِي الفَرَجِ الواعظ ، كان يُعرَف بـ «الأثير الحَلَبيُّ».
قال ابنُ عسَاكر: «وُلِد بِتِنِّيسَ، ليلةَ الثُّلَاثاء 16 شعبانَ 461 هـ»
(1).
قال ابنُ الجَوزِيِّ: «كانُوا يَتَّهِمُونَهُ بالكَذِب».
وقال السَّمعَانِيُّ: «يُتَّهَمُ بالكَذِب في لَهجَتِه. وسماعُهُ صحيحٌ».
تُوُفِّي ببغدادَ، في رجبٍ، سنةَ 548 هـ، فجأةً.
يُنظَرُ:
«تاريخُ دمشقَ» لابن عساكر (51/ 217) ، و «السِّيَرُ» للذَّهَبِيِّ (20/ 226) ، و «الوافي بالوَفَيَات» للصَّفَدِيِّ (24/ 74)، و «لسانُ المِيزان» لابنِ حَجرٍ (4/ 244) ، وغيرُهُم.
--------------------------------------------
ইবনে কাসীরের «আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া» (১৬/ ৩১১), এবং আস-সাফাদীর «আল-ওয়াফি বিল-ওয়াফায়াত» (৩/ ৩৪৯), ও অন্যান্য।
৮ - ফাদল বিন সাহল আল-ইসফারায়িনী.
তিনি হলেন: ফাদল বিন সাহল বিন বিশর বিন আহমাদ বিন সাঈদ, আবুল মাআলী আল-ইসফারায়িনী, ইবনুল আবিল ফারাজ আল-ওয়ায়েজ, তিনি «আল-আসীর আল-হালাবী» নামে পরিচিত ছিলেন।
ইবনে আসাকির বলেন: «তিনি ৪৬১ হিজরির ১৬ই শাবান মঙ্গলবার দিবাগত রাতে তিন্নীসে জন্মগ্রহণ করেন»
(১)।
ইবনুল জাওযী বলেন: «লোকেরা তাকে মিথ্যার অভিযোগে অভিযুক্ত করত»।
সামআনী বলেন: «কথাবার্তায় তাকে মিথ্যার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়। তবে তার শ্রবণ (হাদিস গ্রহণ) সঠিক ছিল»।
তিনি ৫৪৮ হিজরির রজব মাসে বাগদাদে আকস্মিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন।
দেখা যেতে পারে:
ইবনে আসাকিরের «তারীখে দামেস্ক» (৫১/ ২১৭), আয-যাহাবীর «আস-সিয়ার» (২০/ ২২৬), আস-সাফাদীর «আল-ওয়াফি বিল-ওয়াফায়াত» (২৪/ ৭৪), ইবনে হাজারের «লিসানুল মিজান» (৪/ ২৪৪) এবং অন্যান্য।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ২৩)
طبعاتُ الكتابلم يُطبَع هذا الكتابُ ـ فيما أعلم ـ سوى طبعتين، صَدَرَت أُولاهما عن دار الآفاق الجَدِيدة ببيرُوت، عام 1979 م، بتحقيق الدُّكتور: جَبرائِيل سُليمان جبُّور ـ أُستاذُ شَرفٍ في الدَّائِرة العربيَّة في الجامعة الأمرِيكيَّة في بَيرُوت ـ، عن نُسخةٍ خطِّيَّةٍ وحيدَةٍ ناقصةٍ ، وهي نُسخةُ جامعة برِنِستُون، بالولايات المُتَّحِدة الأَمرِيكيَّة.
قدَّمَ للكتاب بمُقدِّمَةٍ، وتَرجَمَ للمُؤلِّف بترجمةٍ طويلةٍ استَغرَقَت 40 صفحةً.
أمَّا تعليقاتُهُ على النَّصِّ فكثيرةُ الأخطاء.
بينما اعتمدتُ في تحقيقي لهذا الكتابِ على ثلاث نُسَخٍ خطِّيَّهٍ ـ كما سيأتي تفصيلُهُ ـ، منها النُّسخةُ التي اعتَمَدَ عليها الدُّكتُور جبُّور ، ونُسختَان أُخرتان [*] كاملتان، هي نُسخَة مكتبة تشِستَربِتِي بدَبْلِن بأَيِرْلَندَا ، ونُسخَة دار الكُتُب المِصريَّة.
أمَّا الطَّبعةُ الثَّانية فهي ضمن مجموعٍ طبعِ دار الكُتُب العِلميَّةِ ببيرُوت، سنة 2001 م، بتحقيقِ أبي عبدِ الرَّحمن عادلِ بنِ سعدٍ. وقد اجتهدتُ في أن أتحصَّل على نُسخةٍ منها فلم أستطع.
وقد وجدتُ الدُّكتور حسام أحمد عبد الظَّاهر ذَكَرَ في كتابِهِ: «القُدس في التُّراث العربِيِّ: كشَّافٌ عامٌّ بالمخطُوطات في مكتبات العالَم» (ص:52) أنَّ الدُّكتور مُحمَّد زينهم مُحمَّد عزب قد نَشَرَه بمكتبة الثَّقافة الدِّينيَّة، سنة 1989 م. ولكنِّي كسابقتها لم أقف عليها. ولكنَّ المُحقِّق معروفٌ بطبعاتِهِ التِّجاريَّة غيرِ المُحقَّقَة.
--------------------------------------------
গ্রন্থের সংস্করণসমূহআমার জানামতে, এই গ্রন্থটি মাত্র দুইবার মুদ্রিত হয়েছে। এর প্রথমটি বৈরুতের দারুল আফাক আল-জাদিদাহ থেকে ১৯৭৯ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়। এটি সম্পাদনা করেছেন ডক্টর জিবরাঈল সুলাইমান জাব্বুর—যিনি বৈরুতের আমেরিকান ইউনিভার্সিটির অ্যারাবিক ডিপার্টমেন্টের একজন ইমেরিটাস প্রফেসর—। তিনি এটি আমেরিকার প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির একটিমাত্র অসম্পূর্ণ পাণ্ডুলিপির ভিত্তিতে প্রস্তুত করেছেন।
তিনি বইটির একটি দীর্ঘ ভূমিকা প্রদান করেছেন এবং লেখকের একটি বিস্তারিত জীবনী বর্ণনা করেছেন যা ৪০ পৃষ্ঠা জুড়ে বিস্তৃত।
তবে মূল পাঠের ওপর তার টীকাগুলোতে অসংখ্য ভুল রয়েছে।
পক্ষান্তরে, আমি এই গ্রন্থটির সম্পাদনায় তিনটি পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি—যার বিস্তারিত বিবরণ সামনে আসবে—। এর মধ্যে একটি হলো সেই পাণ্ডুলিপি যার ওপর ডক্টর জাব্বুর নির্ভর করেছিলেন, আর অন্য দুটি [*] পূর্ণাঙ্গ পাণ্ডুলিপি; যা হলো আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে অবস্থিত চেস্টার বিটি লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপি এবং মিশরের দারুল কুতুব আল-মিসরিয়্যাহ-এর পাণ্ডুলিপি।
দ্বিতীয় সংস্করণটি বৈরুতের দারুল কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ থেকে ২০০১ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত একটি সংকলনের অন্তর্ভুক্ত, যা আবু আবদুর রহমান আদিল বিন সা'দ সম্পাদনা করেছেন। আমি এর একটি কপি সংগ্রহ করার চেষ্টা করেছি কিন্তু তা সম্ভব হয়নি।
আমি দেখেছি যে ডক্টর হুসাম আহমদ আবদুয যাহির তার 'আল-কুদস ফিত তুরাসিল আরাবি: কাশশাফুন আম্মুন বিল মাখতুতাত ফি মাকতাবাতিল আলাম' (পৃষ্ঠা: ৫২) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, ডক্টর মুহাম্মাদ যাইনাহুম মুহাম্মাদ আযাব এটি ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দে মাকতাবাতুস সাকাফাহ আদ-দীনিয়্যাহ থেকে প্রকাশ করেছেন। কিন্তু পূর্বের সংস্করণের মতো এটিও আমি খুঁজে পাইনি। তবে উক্ত সম্পাদক তার অ-গবেষণামূলক বাণিজ্যিক প্রকাশনার জন্য পরিচিত।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ২৪)
وصفُ النُّسَخ الخطِّيَّةاعتمدتُ في تحقيقِي لهذا الكتابِ على ثلاثِ نُسَخٍ خطِّيَّةٍ ، وهي:
1 - نُسخَة مكتبة تشِستَربِتِي بدَبْلِن بأَيِرْلَندَا، برقم (4805).
عُنوانُ الكتاب: «فضائل بيت المَقدِس».
عددُ أوراقِها: 28 ورقةً. ومَسطَرَتُها: 15 سطرًا.
كُتِبت بخطٍّ نسخيٍّ جيِّدٍ.
النَّاسخُ: حسنُ بنُ عليٍّ.
تاريخُ النَّسخ: غيرُ مُؤرَّخَةٍ ، وتُقدَّر بالقرن السَّابع الهِجرِيِّ.
أوَّلُها: «قال شَيخُ الأُمَّةِ
… الحمدُ لله خالقِ السَّماواتِ والأَرضِ ، ومُشَرِّفِ بعضِ البِقاعِ على بعضٍ
… ».
وآخرُها: «مَرحبًا بالزَّائِرَةِ والمَزُورَةِ إليها»، وهناك ثلاثةُ أسطُرٍ شِبهُ المطمُوسةِ، بها خاتمةُ النَّاسخ.
وهذه النُّسخة هي التي اعتمدتُها في نَسخِ الكِتاب.
ورَمَزتُ لها بـ «الأصل».
2 - نُسخةُ جامعة برِنِستُون، بالولايات المُتَّحِدة الأَمرِيكيَّة(1)، برقم (586/ 31 ب).
--------------------------------------------
পাণ্ডুলিপিগুলোর বিবরণআমি এই গ্রন্থটি সম্পাদনার ক্ষেত্রে তিনটি পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি, সেগুলো হলো:
১ - আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে অবস্থিত চেস্টার বিটি লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপি, নম্বর (৪৮০৫).
গ্রন্থের শিরোনাম: «ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস»।
এর পত্র সংখ্যা: ২৮টি। এর প্রতি পৃষ্ঠার পঙ্ক্তি সংখ্যা: ১৫টি পঙ্ক্তি।
এটি উত্তম নাসখ লিপিতে লিখিত।
লিপিকার: হাসান বিন আলী।
লিপিবদ্ধ করার তারিখ: তারিখ উল্লেখ নেই, তবে এটি হিজরি সপ্তম শতাব্দীর বলে ধারণা করা হয়।
এর শুরু: «উম্মতের শাইখ বলেছেন … সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আসমান ও জমিনের স্রষ্টা এবং যিনি কিছু স্থানকে অন্য কিছু স্থানের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন … »।
এর শেষ: «শুভাগমন হে দর্শনার্থী এবং যার কাছে আসা হয়েছে তার প্রতি», সেখানে প্রায় অস্পষ্ট তিনটি পঙ্ক্তি রয়েছে, যাতে লিপিকারের সমাপ্তি বক্তব্য রয়েছে।
এই পাণ্ডুলিপিটিই আমি গ্রন্থটি প্রতিলিপি করার ক্ষেত্রে মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেছি।
এবং আমি একে «আসল» (মূল) হিসেবে চিহ্নিত করেছি।
২ - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের পাণ্ডুলিপি(১), নম্বর (৫৮৬/ ৩১-বি).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ২৫)
عُنوانُ الكتاب: «فضائل القُدس».
عددُ أوراقِها: 31 ورقةً. ومَسطَرَتُها: 13 سطرًا.
كُتِبَت بخطٍّ نسخِيٍّ مشكُولٍ.
تاريخُ النَّسخِ: غير مُؤَرَّخَةٍ، وتُقدَّر بالقرن الثَّامِنِ الهِجرِيِّ.
وهى غيرُ كامِلةٍ ، ناقصةُ الآخِر يُقدَّرُ بثلاث ورقاتٍ.
أوَّلُها: «قال شيخُ الأُمَّةِ
… الحمدُ لله خالقِ السَّماوات والأَرضِ ، ومُشَرِّفِ بعضِ البِقاعِ على بَعضٍ
… ».
وآخرُ الموجُودِ منها: «
… هو مُنكَرُ الحديثِ ، لم يَروِهِ عن عبدِ الله بنِ بِشرٍ».
ورمزتُ لها بـ «ن».
3 - نُسخَةُ دار الكُتُب المِصرِيَّة، برقم (13835 ح).
عُنوانُ الكتاب: «فضائل بيتِ المَقدِس».
عددُ أوراقِها: 52 ورقةً. مَسطَرَتُها: 9 أسطرٍ.
كُتِبت بخطٍّ نَسخِيٍّ.
والنَّاسخُ: عبدُ الله!
تاريخُ النَّسخ: مُستَهَلُّ شهرِ ربيعٍ الآخِر عام 844 هـ.
أوَّلُها: «قال الشَّيخُ الإمامُ
… الحمدُ لله خالقِ السَّماواتِ والأَرضِ، ومُشَرِّفِ بعضِ البِقاعِ على بَعضٍ
… ».
وآخرُها: «تمَّ الكتابُ، بِحَمدِ الله وحُسنِ تَوفِيقِه.
গ্রন্থের শিরোনাম: «ফাযায়িলুল কুদস»।
এর পত্র সংখ্যা: ৩১টি পাতা। এর প্রতি পৃষ্ঠায় পঙ্ক্তি সংখ্যা: ১৩টি।
এটি হরকতযুক্ত নাসখ লিপিতে লিখিত।
প্রতিলিপির তারিখ: তারিখবিহীন, এটি অষ্টম হিজরি শতাব্দীর বলে অনুমান করা হয়।
এটি অসম্পূর্ণ, শেষের দিক থেকে আনুমানিক তিনটি পাতা কম রয়েছে।
প্রারম্ভিকা: «উম্মাহর শায়খ বলেছেন
... সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি আসমানসমূহ ও জমিনের স্রষ্টা এবং কিছু স্থানকে অন্য কিছু স্থানের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দানকারী
...»।
বিদ্যমান অংশের শেষভাগ: «
... তিনি মুনকারুল হাদীস, তিনি এটি আবদুল্লাহ ইবনে বিশর থেকে বর্ণনা করেননি»।
আমি এর প্রতীক দিয়েছি «নূন»।
৩ - মিশরীয় দারুল কুতুব-এর পাণ্ডুলিপি, নম্বর (১৩৮৩৫ হা)।
গ্রন্থের শিরোনাম: «ফাযায়িলু বাইতিল মাকদিস»।
পত্র সংখ্যা: ৫২টি পাতা। এর পঙ্ক্তি সংখ্যা: ৯টি।
এটি নাসখ লিপিতে লিখিত।
অনুলিপিকারক: আবদুল্লাহ!
প্রতিলিপির তারিখ: ৮৪৪ হিজরি সালের রবিউস সানি মাসের শুরু।
প্রারম্ভিকা: «শায়খুল ইমাম বলেছেন
... সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি আসমানসমূহ ও জমিনের স্রষ্টা এবং কিছু জনপদকে অন্যগুলোর ওপর মর্যাদা দানকারী
...»।
সমাপ্তি: «গ্রন্থটি সম্পন্ন হলো, আল্লাহর প্রশংসা এবং তাঁর উত্তম তাওফীকের মাধ্যমে।
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ২৬)
فَرَغَ مِن تصنِيفِهِ الشَّيخُ الإمامُ العالمُ الأَوحَدُ عبدُ الرَّحمنِ بنُ عليِّ بنِ الجَوزِيِّ رحمه الله، في يَومِ الأَربِعاء، الحادي والعشرِين، لشوَّالٍ، سنة تسعٍ وثَمانِين وخمسِ مِئةٍ، [بالمدرسة الشَّاطئيَّة بباب الأَزَجِ] [*].
وصلَّى اللهُ على سيِّدِنا مُحمَّدٍ وعلى آلِهِ وصحبِهِ وسلَّم تسليمًا كثيرًا.
فَرَغَ من تَنمِيقِهِ بخطِّ يدِهِ الفانِيَةِ: عبدُ الله، ابنُ الفَقِيرِ إلى الله، الرَّاجِي رَحمةَ الله، الهَارِبُ إلى الله، المُعتَرِفُ بذنبِهِ، المُفرِّطُ في يومِهِ وأَمسِهِ، غَفَرَ اللهُ له ولِوالِدَيه ولِجَميع المُسلِمين، لمُستَهَلِّ شهرِ ربيعٍ الآخر، عام أربعٍ وأربعين وثمانِ مِئةٍ.
كُتِب برسمِ الفَقِيرِ إلى الله تعالى الشَّيخِ أبُو بكرٍ الخبَّاز. غَفَرَ اللهُ له ولِوَالِدَيهِ ولجمِيعِ المُسلِمِين» ا. هـ.
ورمزتُ لها بـ «م».
بالإضافة إلى كتاب «فضائل بيتِ المَقدِسِ»، للخطيبِ أبي بَكرٍ الوَاسِطِيِّ، بتحقِيقِي؛ حيثُ نَقَلَ عنه المُؤلِّفُ ما يربُو على نِصفِ الكِتابِ، فجعلتُه كالنُّسخةِ الرَّابعة.
والحمدُ لله على توفِيقِهِ.
--------------------------------------------
এর সংকলন সমাপ্ত করেছেন অনন্য আলেম ইমাম শাইখ আবদুর রহমান ইবনে আলী ইবনুল জাওযী (আল্লাহ তাঁর উপর রহম করুন), পাঁচশত উননব্বই হিজরি সনের ২১শে শাওয়াল, বুধবার, [বাবুল আজাযের শাতইয়্যাহ মাদরাসায়] [*]।
এবং আল্লাহ আমাদের নেতা মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সঙ্গীদের ওপর অজস্র দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন।
এটি স্বহস্তে সুসজ্জিতকরণ সমাপ্ত করেছেন আল্লাহর প্রতি মুখাপেক্ষী ও তাঁর রহমতের আশাবাদী বান্দা, আল্লাহর দিকে পলায়নকারী, স্বীয় পাপের স্বীকৃতিদানকারী এবং স্বীয় বর্তমান ও অতীতে ত্রুটিবিচ্যুতি করা নগণ্য বান্দা আবদুল্লাহ। আল্লাহ তাকে, তার পিতা-মাতাকে এবং সকল মুসলিমকে ক্ষমা করুন। এটি সম্পন্ন হয়েছে ৮৪৪ হিজরি সনের রবিউস সানি মাসের শুরুতে।
এটি আল্লাহর প্রতি মুখাপেক্ষী শাইখ আবু বকর আল-খাব্বাজের নির্দেশে লিখিত হয়েছে। আল্লাহ তাকে, তার পিতা-মাতাকে এবং সকল মুসলিমকে ক্ষমা করুন। সমাপ্ত।
এবং আমি এটিকে «ম» প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত করেছি।
এর সাথে আমার সম্পাদিত খতিব আবু বকর আল-ওয়াসিতির «ফাযায়িলু বাইতিল মাকদিস» গ্রন্থটিও যুক্ত করা হয়েছে; যেহেতু লেখক সেখান থেকে গ্রন্থের অর্ধেকেরও বেশি অংশ উদ্ধৃত করেছেন, তাই আমি এটিকে চতুর্থ পাণ্ডুলিপি হিসেবে গণ্য করেছি।
এবং আল্লাহর তাওফিকের জন্য সমস্ত প্রশংসা তাঁরই।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ২৭)
صور النُّسَخ الخطِّيَّة
হস্তলিখিত পাণ্ডুলিপিসমূহের চিত্র
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ২৯)
صفحة العنوان من نسخة مكتبة تشِستَربِتِي: «الأصل»
চেস্টার বিটি লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপি থেকে শিরোনাম পৃষ্ঠা: «আল-আসল»
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ৩০)
الورقة الأولى من نسخة مكتبة تشِستَربِتِي: «الأصل»
চেস্টার বিটি লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপির প্রথম পত্র: «মূল»
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ৩১)
الصفحة الأخيرة من نسخة مكتبة تشِستَربِتِي: «الأصل»
চেস্টার বিটি লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপির শেষ পৃষ্ঠা: «আল-আসল»
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ৩২)
صفحة العنوان من نسخة جامعة برِنِستُون: «ن»
প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের পাণ্ডুলিপি থেকে শিরোনাম পাতা: «ন»
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
الورقة الأولى من نسخة جامعة برِنِستُون: «ن»
প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয় পাণ্ডুলিপির প্রথম পৃষ্ঠা: «ন»
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
الورقة الأخيرة من نسخة جامعة برِنِستُون: «ن»
প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয় পাণ্ডুলিপির সর্বশেষ পত্র: «ন»
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
صفحة العنوان من نسخة دار الكتب المصرية: «م»
মিসরীয় দারুল কুতুবের সংস্করণের শিরোনাম পাতা: «মিম»
(খণ্ড: ১)
ফাদাইলু বাইতিল মাকদিস - ইবনুল জাওযী - তাহকীক আমরু আবদিল আযীম আল-হুয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
الورقة الأولى من نسخة دار الكتب المصرية: «م»
মিশরীয় দারুল কুতুব পাণ্ডুলিপির প্রথম পৃষ্ঠা: «ম»