(খণ্ড: ১)
হুকমু শুরবিদ দুখান ওয়া ইমামাতু মান ইয়াতাজাহারু বিহি
(পৃষ্ঠা: -)
حكم شرب الدخان وإمامة من يتجاهر به القسم: مسائل فقهية
الكتاب: حكم شرب الدخان وإمامة من يتجاهر بشربه ويليه حقائق مثيرة عن وقائع التدخين وشركاته
المؤلف: عبد العزيز بن عبد الله بن باز (ت 1420هـ)
الناشر: وزارة الشؤون الإسلامية والأوقاف والدعوة والإرشاد - المملكة العربية السعودية
الطبعة: الأولى
عدد الصفحات: 8
عدد الأجزاء: 1
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ধূমপানের বিধান এবং প্রকাশ্যে ধূমপানকারীর ইমামতি বিভাগ: ফিকহী মাসআলাসমূহ
বই: ধূমপানের বিধান এবং প্রকাশ্যে ধূমপানকারীর ইমামতি ও এর সাথে ধূমপানের বাস্তবতা এবং সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো সম্পর্কে কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য
লেখক: আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ বিন বাজ (মৃত্যু ১৪২০ হিজরী)
প্রকাশক: ইসলাম বিষয়ক, ওয়াকফ, দাওয়াত ও ইরশাদ মন্ত্রণালয় - সৌদি আরব রাজতন্ত্র
সংস্করণ: প্রথম
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮
খণ্ড সংখ্যা: ১
[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
হুকমু শুরবিদ দুখান ওয়া ইমামাতু মান ইয়াতাজাহারু বিহি
(পৃষ্ঠা: -)
[المقدمة]حكم شرب الدخان وإمامة من يتجاهر به
[উপস্থাপনা]ধূমপানের বিধান (حكم) এবং যে ব্যক্তি তা প্রকাশ্যে করে তার ইমামতির (إمامة) বিধান (حكم)
(খণ্ড: ১)
হুকমু শুরবিদ দুখান ওয়া ইমামাতু মান ইয়াতাজাহারু বিহি
(পৃষ্ঠা: ২)
بسم الله الرحمن الرحيم
الحمد لله والصلاة والسلام على نبينا محمد وعلى آله وصحبه والتابعين أما بعد:
فقد دلت الأدلة الشرعية على أن شرب الدخان من الأمور المحرمة شرعا لما اشتمل عليه من الأضرار، قال تعالى: {وَيُحِلُّ لَهُمُ الطَّيِّبَاتِ وَيُحَرِّمُ عَلَيْهِمُ الْخَبَائِثَ} [الأعراف: 157] فهي من الخبائث المحرمة، ويؤدي شربها إلى أمراض متعددة تؤدي إلى الموت، وقال صلى الله عليه وسلم: «لا ضرر ولا ضرار» ، فالضرر بالجسم أو الإضرار بالغير منهي عنه، فشربه وبيعه حرام، كما هو موضح في فتوى سماحة الشيخ عبد العزيز بن عبد الله بن باز رحمه الله
[حكم شرب الدخان]الحمد لله وحده والصلاة والسلام على رسول الله وعلى آله وصحبه أما بعد. .
فقد سألني بعض الإخوان عن حكم شرب الدخان وإمامة من يتجاهر بشربه، وذكر أن البلوى قد عمت بهذا الصنف من الناس.
والجواب:
قد دلت الأدلة الشرعية على أن شرب الدخان من الأمور المحرمة شرعا، وذلك لما اشتمل عليه من الخبث والأضرار الكثيرة، والله سبحانه لم يُبِح لعباده من المطاعم والمشارب إلا ما كان طيبا نافعا، أما ما كان ضارا لهم في دينهم أو دنياهم أو مغيرا لعقولهم فإن الله سبحانه قد حرمه عليهم. وهو عز وجل أرحم بهم من أنفسهم، وهو الحكيم العليم في أقواله وأفعاله
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ, সাহাবীগণ ও তাবিঈদের ওপর। অতপর:
শরয়ী দলিলসমূহ একথার প্রমাণ বহন করে যে, ধূমপান করা শরীয়তসম্মতভাবে নিষিদ্ধ (محرمة) বিষয়সমূহের অন্তর্ভুক্ত, কারণ এতে ক্ষতিকর দিকসমূহ বিদ্যমান। মহান আল্লাহ বলেন: "এবং তিনি তাদের জন্য পবিত্র বস্তুসমূহকে হালাল করেন এবং অপবিত্র (الخبائث) বস্তুসমূহকে তাদের জন্য নিষিদ্ধ (يحرم) করেন।" [আল-আরাফ: ১৫৭]। সুতরাং এটি নিষিদ্ধ (محرمة) অপবিত্র (الخبائث) বস্তুসমূহের অন্তর্ভুক্ত, এবং এর সেবন এমন বিভিন্ন রোগের দিকে ধাবিত করে যা মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "ক্ষতি করা যাবে না এবং ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া যাবে না।" সুতরাং নিজের শরীরের ক্ষতি করা বা অন্যের ক্ষতি করা নিষিদ্ধ (منهي عنه)। অতএব, এর সেবন ও ক্রয়-বিক্রয় হারাম (حرام), যেমনটি শায়খ আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ বিন বাজ (রহিমাহুল্লাহ)-এর ফতোয়ায় স্পষ্ট করা হয়েছে।
[ধূমপান করার বিধান (حكم)]সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রাসূল, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের ওপর। অতপর:
কতিপয় দ্বীনি ভাই আমাকে ধূমপান করার বিধান (حكم) এবং যে ব্যক্তি প্রকাশ্যে ধূমপান করে তার ইমামতি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছেন; এবং তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এ ধরনের লোকের মাধ্যমে সাধারণ বিপদ (البلوى) ব্যাপক আকার ধারণ করেছে।
উত্তর:
শরয়ী দলিলসমূহ একথার প্রমাণ বহন করে যে, ধূমপান করা শরীয়তসম্মতভাবে নিষিদ্ধ (محرمة) বিষয়সমূহের অন্তর্ভুক্ত, কেননা এতে অপবিত্রতা (الخبث) এবং প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি বিদ্যমান। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তাঁর বান্দাদের জন্য কেবল পবিত্র ও উপকারী খাদ্য ও পানীয় বৈধ করেছেন। আর যা তাদের দ্বীন বা দুনিয়ার জন্য ক্ষতিকর অথবা তাদের বুদ্ধি-বিবেককে বিকৃত করে, তা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তাদের জন্য হারাম (حرمه) করেছেন। তিনি তাদের প্রতি তাদের নিজেদের অপেক্ষাও বেশি দয়াবান এবং তিনি তাঁর কথা ও কাজে মহাপ্রজ্ঞাময় ও সর্বজ্ঞ।
(খণ্ড: ১)
হুকমু শুরবিদ দুখান ওয়া ইমামাতু মান ইয়াতাজাহারু বিহি
(পৃষ্ঠা: ৩)
وشرعه وقدره، فلا يحرم شيئا عبثا ولا يخلق شيئا باطلا ولا يأمر بشيء ليس للعباد فيه فائدة؛ لأنه سبحانه أحكم الحاكمين وأرحم الراحمين وهو العالم بما يصلح العباد وينفعهم في العاجل والآجل.
كما قال سبحانه: {إِنَّ رَبَّكَ حَكِيمٌ عَلِيمٌ} [الأنعام: 83]
وقال عز وجل: {إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلِيمًا حَكِيمًا} [النساء: 11] والآيات في هذا المعنى كثيرة.
[الدلائل القرآنية على تحريم شرب الدخان]ومن الدلائل القرآنية على تحريم شرب الدخان قوله سبحانه وتعالى في كتابه الكريم في سورة المائدة: {يَسْأَلُونَكَ مَاذَا أُحِلَّ لَهُمْ قُلْ أُحِلَّ لَكُمُ الطَّيِّبَاتُ} [المائدة: 4] وقال في سورة الأعراف في وصف نبينا محمد عليه الصلاة والسلام: {يَأْمُرُهُمْ بِالْمَعْرُوفِ وَيَنْهَاهُمْ عَنِ الْمُنْكَرِ وَيُحِلُّ لَهُمُ الطَّيِّبَاتِ وَيُحَرِّمُ عَلَيْهِمُ الْخَبَائِثَ} [الأعراف: 157] ) . الآية.
فأوضح سبحانه في هاتين الآيتين الكريمتين أنه سبحانه لم يحل لعباده إلا الطيبات، وهي: الأطعمة والأشربة النافعة، أما الأطعمة والأشربة الضارة كالمسكرات والمخدرات وسائر الأطعمة والأشربة الضارة في الدين أو البدن أو العقل فهي من الخبائث المحرمة، وقد أجمع الأطباء وغيرهم من العارفين بالدخان وأضراره أن الدخان من المشارب الضارة ضررا كبيرا، وذكروا أنه سبب لكثير من الأمراض كالسرطان وموت السكتة وغير ذلك، فما كان بهذه المثابة فلا شك في تحريمه ووجوب الحذر منه، فلا ينبغي للعاقل أن يغتر بكثرة من يشربه فقد قال الله تعالى في كتابه المبين:
এবং তাঁর প্রবর্তিত বিধান ও তকদির; তিনি অনর্থক কোনো কিছু হারাম করেন না, বৃথা কোনো কিছু সৃষ্টি করেন না এবং বান্দার জন্য যাতে কোনো কল্যাণ নেই এমন কোনো কিছুর নির্দেশ দেন না। কারণ তিনি পবিত্র সত্তা, বিচারকদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বিচারক এবং পরম দয়ালু। তিনি সেই সত্তা, যিনি বান্দাদের জন্য কোনটি সংশোধনমূলক এবং কোনটি ইহকাল ও পরকালে তাদের জন্য কল্যাণকর, সে বিষয়ে পূর্ণ অবগত।
যেমন মহান আল্লাহ বলেছেন: {নিশ্চয় আপনার প্রতিপালক প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ} [আল-আনআম: ৮৩]
এবং পরাক্রমশালী মহান আল্লাহ আরও বলেছেন: {নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়} [আন-নিসা: ১১] আর এই অর্থে আয়াত আরও অনেক রয়েছে।
[ধূমপান হারাম হওয়ার স্বপক্ষে কুরআনের দলিলসমূহ]ধূমপান হারাম হওয়ার স্বপক্ষে কুরআনের দলিলসমূহের মধ্যে অন্যতম হলো সুরা আল-মায়িদায় মহান আল্লাহর বাণী: {তারা আপনার কাছে জানতে চায় যে, তাদের জন্য কী হালাল করা হয়েছে? আপনি বলুন, তোমাদের জন্য পবিত্র বস্তুসমূহ হালাল করা হয়েছে।} [আল-মায়িদা: ৪] এবং তিনি সুরা আল-আরাফে আমাদের নবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বর্ণনায় বলেছেন: {তিনি তাদেরকে সৎ কাজের নির্দেশ দেন এবং মন্দ বা অস্বীকৃত কাজ (المنكر) থেকে নিষেধ করেন; আর তিনি তাদের জন্য পবিত্র বস্তুসমূহ হালাল করেন এবং অপবিত্র ও ক্ষতিকর বস্তুসমূহ তাদের জন্য হারাম করেন।} [আল-আরাফ: ১৫৭]। (পুরো আয়াত)।
সুতরাং মহান আল্লাহ এই দুটি মহিমান্বিত আয়াতে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, তিনি তাঁর বান্দাদের জন্য পবিত্র বা কল্যাণকর বস্তু ছাড়া অন্য কিছু হালাল করেননি; আর তা হলো: উপকারী খাদ্য ও পানীয়। পক্ষান্তরে ক্ষতিকর খাদ্য ও পানীয়, যেমন: মাদকদ্রব্য, নেশাজাতীয় দ্রব্য এবং দ্বীন, শরীর বা বিবেকের জন্য ক্ষতিকর সকল প্রকার খাদ্য ও পানীয় মূলত নিষিদ্ধ অপবিত্র ও ক্ষতিকর বস্তুর অন্তর্ভুক্ত। আর চিকিৎসকগণ এবং ধূমপান ও এর ক্ষতি সম্পর্কে অবগত বিশেষজ্ঞগণ এ বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেছেন যে, ধূমপান অত্যন্ত ক্ষতিকর পানীয়ের অন্তর্ভুক্ত। তারা উল্লেখ করেছেন যে, এটি ক্যান্সার, স্ট্রোক বা হঠাৎ মৃত্যু এবং এ জাতীয় আরও অনেক রোগের কারণ। সুতরাং যা এই পর্যায়ের ক্ষতিকর, তা হারাম হওয়া এবং তা থেকে সতর্ক থাকা আবশ্যক হওয়ার ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। অতএব, কোনো বুদ্ধিমান ব্যক্তির জন্য ধূমপায়ীদের সংখ্যাধিক্য দেখে প্রলুব্ধ হওয়া উচিত নয়; কেননা মহান আল্লাহ তাঁর সুস্পষ্ট কিতাবে বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
হুকমু শুরবিদ দুখান ওয়া ইমামাতু মান ইয়াতাজাহারু বিহি
(পৃষ্ঠা: ৪)
{وَإِنْ تُطِعْ أَكْثَرَ مَنْ فِي الْأَرْضِ يُضِلُّوكَ عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ إِنْ يَتَّبِعُونَ إِلَّا الظَّنَّ وَإِنْ هُمْ إِلَّا يَخْرُصُونَ} [الأنعام: 116] وقال عز وجل: {أَمْ تَحْسَبُ أَنَّ أَكْثَرَهُمْ يَسْمَعُونَ أَوْ يَعْقِلُونَ إِنْ هُمْ إِلَّا كَالْأَنْعَامِ بَلْ هُمْ أَضَلُّ سَبِيلًا} [الفرقان: 44]
[إمامة شارب الدخان وغيره من العصاة في الصلاة]أما إمامة شارب الدخان وغيره من العصاة في الصلاة فلا ينبغي أن يُتَّخذ مثله إماما، بل المشروع أن يُختار للإمامة الأخيار من المسلمين المعروفين بالدين والاستقامة؛ لأن الإمامة شأنها عظيم ولهذا قال النبي صلى الله عليه وسلم: «يؤم القوم أقرؤهم لكتاب الله، فإن كانوا في القراءة سواء فأعلمهم بالسنة، فإن كانوا في السنة سواء فأقدمهم هجرة، فإن كانوا في الهجرة سواء فأقدمهم سلما» . الحديث رواه مسلم في صحيحه.
وفي الصحيحين عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال لمالك بن الحويرث وأصحابه: «إذا حضرت الصلاة فليؤذن لكم أحدكم وليؤمكم أكبركم» .
لكن اختلف العلماء رحمهم الله هل تصح إمامة العاصي والصلاة خلفه، فقال بعضهم: لا تصح الصلاة خلفه لضعف دينه ونقص إيمانه، وقال آخرون من أهل العلم: تصح إمامته والصلاة خلفه؛ لأنه مسلم قد صحت صلاته في نفسه فتصح صلاة من خلفه، ولأن كثيرا من الصحابة صلوا خلف بعض الأمراء المعروفين بالظلم والفسق، ومنهم ابن عمر رضي الله عنهما قد صلى خلف الحجاج وهو من أظلم الناس، وهذا هو القول الراجح، وهو: صِحَّةُ إِمامته والصلاة خلفه لكن لا ينبغي أن يُتخذ إماما
{আর যদি তুমি জমিনের অধিকাংশ লোকের আনুগত্য করো, তবে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করবে। তারা কেবল ধারণার (الظن) অনুসরণ করে এবং তারা কেবল অনুমানই করে।} [আল-আনআম: ১১৬] এবং মহান আল্লাহ বলেছেন: {নাকি তুমি মনে করো যে তাদের অধিকাংশ শোনে অথবা বোঝে? তারা তো কেবল চতুষ্পদ জন্তুর মতো, বরং তারা আরও বেশি পথভ্রষ্ট।} [আল-ফুরকান: ৪৪]
[সালাতে ধূমপায়ী এবং অন্যান্য পাপাচারীদের ইমামতি]ধূমপায়ী এবং অন্যান্য পাপাচারীদের (العصاة) ইমামতির ব্যাপারে কথা হলো, তাদের মতো ব্যক্তিকে ইমাম হিসেবে গ্রহণ করা উচিত নয়। বরং শরিয়তসম্মত (المشروع) পদ্ধতি হলো, ইমামতির জন্য মুসলমানদের মধ্য থেকে দ্বীনদারি ও সততার জন্য পরিচিত উত্তম ব্যক্তিদের নির্বাচন করা; কারণ ইমামতির বিষয়টি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ। এ কারণেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “লোকদের ইমামতি করবে সে ব্যক্তি, যে আল্লাহর কিতাব পাঠে অধিক দক্ষ। যদি তারা কিরাআত পাঠে সমান হয়, তবে সুন্নাহ (السنة) সম্পর্কে অধিক অভিজ্ঞ ব্যক্তি। যদি তারা সুন্নাহর ক্ষেত্রেও সমান হয়, তবে হিজরতের ক্ষেত্রে অগ্রগামী ব্যক্তি। আর যদি তারা হিজরতেও সমান হয়, তবে ইসলাম গ্রহণের ক্ষেত্রে অগ্রগামী ব্যক্তি।” হাদিসটি মুসলিম তার সহিহ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।
এবং সহিহাইন-এ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি মালিক ইবনে আল-হুওয়াইরিস ও তাঁর সঙ্গীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন: “যখন সালাতের সময় হবে, তখন তোমাদের মধ্য থেকে একজন যেন আজান দেয় এবং তোমাদের মধ্যে যে সবচেয়ে বড় সে যেন ইমামতি করে।”
তবে আলেমগণ (আল্লাহ তাঁদের প্রতি রহম করুন) পাপাচারীর (العاصي) ইমামতি এবং তার পিছনে সালাত আদায় করা সহিহ (صحيح) কি না সে বিষয়ে মতভেদ করেছেন। তাঁদের কেউ কেউ বলেছেন: তার দ্বীনের দুর্বলতার (ضعف) এবং ঈমানের ঘাটতির কারণে তার পিছনে সালাত সহিহ (صحيح) হবে না। আবার আলেমদের মধ্য থেকে অন্যেরা বলেছেন: তার ইমামতি এবং তার পিছনে সালাত আদায় করা সহিহ (صحيح); কারণ সে একজন মুসলিম যার নিজের সালাত স্বীয় সত্তায় সহিহ (صحيح) হয়েছে, ফলে তার পিছনে যে সালাত আদায় করবে তার সালাতও সহিহ (صحيح) হবে। আর অনেক সাহাবী জুলুম ও পাপাচারের (الفسق) জন্য পরিচিত এমন কিছু আমিরের পিছনে সালাত আদায় করেছেন। তাঁদের মধ্যে ইবনে উমর (রা.) হাজ্জাজের পিছনে সালাত আদায় করেছেন, অথচ সে ছিল মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় জালেমদের একজন। আর এটিই হলো অগ্রগণ্য (الراجح) মত, যা হলো: তার ইমামতি এবং তার পিছনে সালাত আদায় করা সহিহ (صحيح), তবে তাকে ইমাম হিসেবে গ্রহণ করা উচিত নয়।
(খণ্ড: ১)
হুকমু শুরবিদ দুখান ওয়া ইমামাতু মান ইয়াতাজাহারু বিহি
(পৃষ্ঠা: ৫)
مع القدرة على إمامة غيره من أهل الخير والصلاح.
وهذا جواب مختصر أردنا منه التنبيه على أصل الحكم في هاتين المسألتين وبيان بعض الأدلة على ذلك، وقد أوضح العلماء حكم هاتين المسألتين، فمن أراد بسط ذلك وجده، والله المسؤول أن يصلح أحوال المسلمين ويوفقهم جميعا للاستقامة على دينه والحذر مما يخالف شرعه إنه جواد كريم، وصلى الله وسلم على نبينا محمد وآله وصحبه.
[تقرير هام عن التدخين]سماحة الشيخ عبد العزيز بن باز " رحمه الله " وقد صدر في مجلة: (باحث الكونجرس) الفصلية (1) .
تقرير هام عن التدخين، يتضمن ما يلي:
* هناك سعي حثيث من منظمات الأغذية والدواء في أمريكا لجعل الدخان ضمن قائمة المخدرات المحرمة. فقد أثبتت التقارير الطبية بأدلة قاطعة أن مادة النيكوتين هي مادة مخدِّرة، وتسبب الإدمان.
* مادة النيكوتين الموجودة في السجائر، مادة مخدِّرة، وزيادة نسبتها تجعل المدخن يتعود عليها ويدمنها.
والتقارير أثبتت أن الشركات تحرص على زيادتها ليكثر المدخنون وتزيد المبيعات والأرباح.
* ضمن المحاربة الجادة للدخان في الغرب تم منعه في
--------------------------------------------
অন্যান্য নেককার ও সৎকর্মশীল ব্যক্তিদের ইমামতি করার সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও।
এটি একটি সংক্ষিপ্ত উত্তর যার মাধ্যমে আমরা এই দুটি মাসআলার মূল বিধান সম্পর্কে সতর্ক করতে এবং এ বিষয়ে কিছু দলিল বর্ণনা করতে চেয়েছি। আলেমগণ এই মাসআলা দুটির বিধান স্পষ্ট করেছেন, সুতরাং যে ব্যক্তি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চায় সে তা পেয়ে যাবে। আল্লাহর নিকট প্রার্থনা এই যে, তিনি যেন মুসলিমদের অবস্থার সংশোধন করেন এবং তাদের সকলকে তাঁর দ্বীনের ওপর অবিচল থাকার ও তাঁর শরিয়ত পরিপন্থী বিষয় থেকে সতর্ক থাকার তৌফিক দান করেন। নিশ্চয়ই তিনি মহান দাতা ও দয়ালু। আমাদের নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও তাঁর সাহাবীদের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।
[ধূমপান সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন]মাননীয় শাইখ আব্দুল আজিজ বিন বাজ "রাহিমাহুল্লাহ", এটি 'কংগ্রেস রিসার্চার' (১) ত্রৈমাসিক ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে।
ধূমপান সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন, যাতে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
* আমেরিকায় খাদ্য ও ঔষধ সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে ধূমপানকে নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য জোরালো প্রচেষ্টা চলছে। চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলো অকাট্য প্রমাণের ভিত্তিতে নিশ্চিত করেছে যে, নিকোটিন একটি মাদকদ্রব্য এবং এটি আসক্তি সৃষ্টি করে।
* সিগারেটে বিদ্যমান নিকোটিন একটি মাদকদ্রব্য এবং এর উচ্চমাত্রা ধূমপায়ীকে এতে অভ্যস্ত ও আসক্ত করে তোলে।
প্রতিবেদনগুলো প্রমাণ করেছে যে, কোম্পানিগুলো এর মাত্রা বৃদ্ধিতে অত্যন্ত আগ্রহী যাতে ধূমপায়ীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং বিক্রি ও মুনাফা বাড়ে।
* পশ্চিমে ধূমপানের বিরুদ্ধে জোরালো যুদ্ধের অংশ হিসেবে এটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হুকমু শুরবিদ দুখান ওয়া ইমামাতু মান ইয়াতাজাহারু বিহি
(পৃষ্ঠা: ৬)
البنايات، والأماكن العامة، والمطارات والطائرات، بل منعته بعض الولايات في المطاعم وكل مكان يقدم فيه الطعام، كما منعت الدعاية له داخل أمريكا في كل وسائل الإعلام وحرمت شركات التدخين من رعاية أي نشاط اجتماعي أو ثقافي أو رياضي، وتم إلزامها بوضع ملصق تحذيري يذكّر بأنه سبب رئيس للأمراض المميتة.
* صناعة التبغ تقدر بـ (50) بليون دولار سنويا، معظمها يستهلك في دول العالم الثالث.
* ضمن محاربة الدخان تحصلت حركات مكافحة التدخين في أمريكا على الاعتراف الطبي بضرر التدخين ومواده، وعلاقته المباشرة بالإدمان والأمراض الخطيرة، مثل: القلب، السرطان، الجهاز التنفسي، وكذلك فرضت عليه ضرائب عالية جدا، كما تم دعم عدد من القضايا المرفوعة ضد شركاته من قبل بعض المدخنين وذويهم، وتم كسب القضايا وتعويضهم بمبالغ عالية.
* أثبتت تقارير الجمعية الأمريكية الطبية أن التدخين سبب وفاة (419000) شخص سنويا في أمريكا. أي: واحد من كل خمسة موتى هناك.
* أثبتت التقارير أن التدخين يكلف الدولة مبالغ طائلة، فقد صرف في أمريكا عام 1993م مبلغ (50) بليون دولار، لعلاج المتضررين من التدخين، وأن كل علبة سجائر تُدخن يدفع مقابلها (3. 90)
ভবনসমূহ, জনসমাগমস্থল, বিমানবন্দর এবং বিমানসমূহ, এমনকি কিছু অঙ্গরাজ্যের রেস্তোরাঁ এবং খাদ্য পরিবেশন করা হয় এমন সকল স্থানে এটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি আমেরিকার অভ্যন্তরে সকল প্রকার গণমাধ্যমে এর বিজ্ঞাপন প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং তামাক কোম্পানিগুলোকে যেকোনো সামাজিক, সাংস্কৃতিক বা ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান থেকে বিরত রাখা হয়েছে। এছাড়া তাদের ওপর সতর্কবার্তা সংবলিত লেবেল লাগানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা স্মরণ করিয়ে দেয় যে এটি প্রাণঘাতী রোগসমূহের অন্যতম প্রধান কারণ।
* তামাক শিল্পের বার্ষিক মূল্যমান প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলার ধরা হয়, যার অধিকাংশ তৃতীয় বিশ্বের দেশসমূহে ব্যবহৃত হয়।
* ধূমপানবিরোধী লড়াইয়ের অংশ হিসেবে আমেরিকার তামাকবিরোধী আন্দোলনগুলো ধূমপানের অপকারিতা ও এর উপাদানসমূহ এবং আসক্তি ও জটিল রোগসমূহ যেমন: হৃদরোগ, ক্যানসার ও শ্বাসতন্ত্রের রোগের সাথে এর সরাসরি সম্পর্কের ব্যাপারে চিকিৎসা শাস্ত্রীয় স্বীকৃতি অর্জনে সক্ষম হয়েছে। পাশাপাশি এর ওপর অত্যন্ত উচ্চ হারে কর আরোপ করা হয়েছে। এছাড়া কিছু ধূমপায়ী ও তাদের পরিবার কর্তৃক তামাক কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত বেশ কিছু মামলাকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে এবং সেই মামলাগুলোতে জয়লাভের মাধ্যমে তাদের মোটা অংকের অর্থ ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদান করা হয়েছে।
* আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিবেদনসমূহ প্রমাণ করেছে যে, আমেরিকায় প্রতি বছর ৪,১৯,০০০ জন মানুষের মৃত্যুর কারণ ধূমপান। অর্থাৎ, সেখানকার প্রতি পাঁচজন মৃত ব্যক্তির মধ্যে একজন।
* প্রতিবেদনগুলোতে প্রমাণিত হয়েছে যে, ধূমপানের কারণে রাষ্ট্রের বিপুল অংকের অর্থ ব্যয় হয়। ১৯৯৩ সালে আমেরিকায় ধূমপানের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের চিকিৎসার জন্য ৫০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হয়েছিল এবং ধূমপান করা প্রতিটি সিগারেটের প্যাকেটের বিপরীতে ৩.৯০ (ডলার) পরিশোধ করতে হয়।
(খণ্ড: ১)
হুকমু শুরবিদ দুখান ওয়া ইমামাতু মান ইয়াতাজাহারু বিহি
(পৃষ্ঠা: ৭)
دولار خدمات صحية.
* في أمريكا دعوات متزايدة لفرض مزيد من الضرائب على السجائر، وطالب الكونجرس الأمريكي برفع الضرائب من 24% إلى 99%، كما قامت الولايات برفع قضايا تطلب من شركات التدخين دفع تعويضات هائلة لأشخاص وعوائلهم، لما سببه لهم التدخين من أمراض ووفيات. وقد غرَّمت الحكومة الأمريكية شركات صنع التبغ العام الماضي ما يفوق (286) بليون دولار كتعويضات صحية.
* نتيجة لنجاح الحملات المضادة للتدخين، فقد أثمرت لدى الأمريكيين تقبلا للأنظمة الصارمة ضد التدخين، ومطالبة بها، وأثمر ذلك انخفاضا في نسبة المدخنين بشكل ملحوظ، مثلا بين عامي 92 - 93م انخفض المعدل 3%، وهي نسبة كبيرة جدا مقارنة بالزمن، وعدد المدخنين.
* أثَّر ذلك في مكاسب شركات التدخين. ويتوقع الاقتصاديون في سوق المال الأمريكي أن احتمالات نمو صناعة التدخين في أمريكا ضئيلة، وغير مجدية للشركات، وقد تُفلس، ولذلك بدأت شركات التبغ الأمريكية في العمل الجاد للدخول في مجالات تجارية جديدة غير التدخين، كما فعلت شركة (فليب موريس) ، وهي أكبر شركة سجائر في العالم، وتصنع سجائر (مارلبورو) الشهيرة. فقد دخلت في مجالات تجارية جديدة لدرجة أن استحوذت على أسهم شركات
স্বাস্থ্যসেবা খাতে ডলার।
* আমেরিকায় সিগারেটের ওপর আরও কর আরোপের দাবি ক্রমবর্ধমান। মার্কিন কংগ্রেস করের হার ২৪% থেকে বাড়িয়ে ৯৯% করার দাবি জানিয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য তামাক কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে, যেখানে ধূমপানের কারণে সৃষ্ট রোগ ও মৃত্যুর ফলে আক্রান্ত ব্যক্তি ও তাদের পরিবারকে বিশাল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। গত বছর মার্কিন সরকার তামাক উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোকে স্বাস্থ্যজনিত ক্ষতিপূরণ হিসেবে ২৮৬ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি জরিমানা করেছে।
* ধূমপানবিরোধী প্রচারণার সফলতার ফলে আমেরিকানদের মধ্যে ধূমপানবিরোধী কঠোর নিয়মকানুন মেনে নেওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়েছে এবং তারা এর দাবিও জানাচ্ছে। এর ফলে ধূমপায়ীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ১৯৯২-৯৩ সালের মধ্যে এই হার ৩% কমেছে, যা সময় এবং ধূমপায়ীর সংখ্যার তুলনায় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
* এটি ধূমপান উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর মুনাফায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। মার্কিন পুঁজিবাজারের অর্থনীতিবিদরা পূর্বাভাস দিয়েছেন যে, আমেরিকায় তামাক শিল্পের বিকাশের সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ এবং কোম্পানিগুলোর জন্য তা লাভজনক নয়, এমনকি তারা দেউলিয়াও হয়ে যেতে পারে। ফলে আমেরিকান তামাক কোম্পানিগুলো ধূমপান ব্যতীত নতুন বাণিজ্যিক খাতে প্রবেশের জন্য গুরুত্বের সাথে কাজ শুরু করেছে। যেমন— বিশ্বের বৃহত্তম সিগারেট কোম্পানি এবং বিখ্যাত 'মার্লবোরো' সিগারেটের প্রস্তুতকারক 'ফিলিপ মরিস' (Philip Morris) কোম্পানি নতুন নতুন বাণিজ্যিক খাতে এমনভাবে প্রবেশ করেছে যে, তারা বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার অধিগ্রহণ করে নিয়েছে।
(খণ্ড: ১)
হুকমু শুরবিদ দুখান ওয়া ইমামাতু মান ইয়াতাজাহারু বিহি
(পৃষ্ঠা: ৮)
أغذية مشهورة مثل (شركة جبن كرافت) ، (وحوليات جيللو) وغيرها، حتى إن مبيعاتها من قسم الأغذية بلغت في سنة واحدة (21) بليون دولار، مقارنة بمبيعاتها التي بلغت (10) بليون دولار من السجائر.
* بقي لشركات الدخان عزاءٌ واحد، وأمل باقٍ، وهو أسواق العالم الثالث، ففي الوقت الذي تقل فيه نسبة المدخنين في الدول الصناعية المتقدمة كأمريكا نجدها تتزايد بشكل مذهل في دول العالم الثالث، ومعظمها تفضل التبغ الأمريكي، وقد ارتفع معدل تصدير السجائر الأمريكية من (6. 9) بليون سيجارة عام 1945م إلى (205. 6) بليون سيجارة عام 1992م.
* على الرغم من وجود الحملة الضارية ضد التدخين في أمريكا، إلا أن الإدارة الأمريكية ترى أن تصدير هذا الوباء شيء طبيعي، بل تسعى جاهدة لتسهيل ذلك ودعمه، ومعاقبة من يتسبب في تعطيله أو تعويقه! .
* الحرب على هذه الشركات من طرف واحد، هو: الشعب الأمريكي ممثلا في منظمات مكافحة التدخين، ومن يناصرها من أعضاء الكونجرس وهم الأغلبية، أما دول العالم الثالث فتظل في موقف المتفرج، واستهلاكها في ازدياد تصاعدي.
সুপরিচিত খাদ্যদ্রব্য যেমন (ক্রাফট চিজ কোম্পানি), (জিল-ও ডেজার্ট) এবং অন্যান্য; এমনকি এক বছরে খাদ্য বিভাগ থেকে তাদের বিক্রয়ের পরিমাণ (২১) বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যেখানে তামাকজাত পণ্য থেকে তাদের বিক্রয় ছিল (১০) বিলিয়ন ডলার।
* তামাক কোম্পানিগুলোর জন্য কেবল একটি সান্ত্বনা ও অবশিষ্ট আশা রয়ে গেছে, আর তা হলো তৃতীয় বিশ্বের বাজার। কারণ আমেরিকার মতো উন্নত শিল্পোন্নত দেশগুলোতে ধূমপায়ীদের হার যেখানে হ্রাস পাচ্ছে, সেখানে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে তা আশ্চর্যজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এদের অধিকাংশই আমেরিকান তামাক পছন্দ করে। আমেরিকান সিগারেট রপ্তানির গড় ১৯৪৫ সালে (৬.৯) বিলিয়ন সিগারেট থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১৯৯২ সালে (২০৫.৬) বিলিয়ন সিগারেটে উন্নীত হয়েছে।
* আমেরিকায় ধূমপানের বিরুদ্ধে তীব্র প্রচারণা থাকা সত্ত্বেও মার্কিন প্রশাসন মনে করে যে, এই মহামারি রপ্তানি করা একটি স্বাভাবিক বিষয়; বরং তারা এটি সহজতর করতে এবং সমর্থন দিতে সচেষ্ট থাকে এবং যারা এতে বিঘ্ন ঘটায় বা বাধা প্রদান করে তাদের শাস্তি প্রদান করে!
* এই কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধটি মূলত একতরফা, আর তা হলো: ধূমপান বিরোধী সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিত্বকারী আমেরিকান জনগণ এবং কংগ্রেসের সেই সমস্ত সদস্য যারা তাদের সমর্থন করেন—আর তারাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। অন্যদিকে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো কেবল দর্শকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে আছে এবং তাদের তামাক ব্যবহারের হার ক্রমান্বয়ে ঊর্ধ্বমুখী।