(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: -)
الفرائض القسم: الفرائض والوصايا
الكتاب: الفرائض
المؤلف: عبد الكريم بن محمد بن عبد العزيز اللاحم
الناشر: وزارة الشئون الإسلامية والأوقاف والدعوة والإرشاد - المملكة العربية السعودية
الطبعة: الأولى، 1421هـ
عدد الصفحات: 221
عدد الأجزاء: 1
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-ফারায়েয বিভাগ: উত্তরাধিকার ও অসিয়ত
বই: আল-ফারায়েয
লেখক: আব্দুল করীম বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আযীয আল-লাহিম
প্রকাশক: ইসলামী বিষয়ক, ওয়াকফ, দাওয়াত ও নির্দেশনা মন্ত্রণালয় - সৌদি আরব রাজ্য
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২১ হিজরি
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২২১
খণ্ড সংখ্যা: ১
[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যুল হিজ্জাহ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: -)
[ভূমিকা]উত্তরাধিকারের বিধানসমূহ
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: ৫)
الكتاب يشتمل على مقدمة وقسمين: القسم الأول: (1) ويشتمل على الموضوعات التالية: 1 - الحقوق المتعلقة بالتركة.
2 - أركان الإرث.
3 - شروط الإرث.
4 - أسباب الإرث.
5 - موانع الإرث.
6 - الوارثون من الرجال.
7 - الوارثات من النساء.
8 - أنواع الإرث.
9 - الفروض المقدرة في كتاب اللَّه.
10 - أصحاب النصف.
11 - أصحاب الربع.
12 - أصحاب الثمن.
13 - أصحاب الثلثين.
14 - أصحاب الثلث.
15 - أصحاب السدس.
16 - أحكام الجدات.
17 - باب التعصيب.
18 - باب الحجب.
19 - حساب الفرائض.
--------------------------------------------
বইটি একটি ভূমিকা এবং দুটি খণ্ড নিয়ে গঠিত: প্রথম খণ্ড: (১) যা নিম্নোক্ত বিষয়াবলি অন্তর্ভুক্ত করে: ১ - পরিত্যক্ত সম্পত্তির সাথে সংশ্লিষ্ট অধিকারসমূহ।
২ - উত্তরাধিকারের রুকনসমূহ।
৩ - উত্তরাধিকারের শর্তাবলি।
৪ - উত্তরাধিকারের কারণসমূহ।
৫ - উত্তরাধিকারের প্রতিবন্ধকতাসমূহ।
৬ - পুরুষদের মধ্য থেকে উত্তরাধিকারীগণ।
৭ - নারীদের মধ্য থেকে উত্তরাধিকারীগণ।
৮ - উত্তরাধিকারের প্রকারভেদ।
৯ - আল্লাহর কিতাবে নির্ধারিত অংশসমূহ।
১০ - অর্ধেক অংশ লাভকারীগণ।
১১ - এক-চতুর্থাংশ অংশ লাভকারীগণ।
১২ - এক-অষ্টমাংশ অংশ লাভকারীগণ।
১৩ - দুই-তৃতীয়াংশ অংশ লাভকারীগণ।
১৪ - এক-তৃতীয়াংশ অংশ লাভকারীগণ।
১৫ - এক-ষষ্ঠাংশ অংশ লাভকারীগণ।
১৬ - নানি ও দাদিদের বিধানাবলি।
১৭ - আসাবা সংক্রান্ত অধ্যায়।
১৮ - বঞ্চিতকরণ (হাজব) সংক্রান্ত অধ্যায়।
১৯ - উত্তরাধিকারের হিসাব।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: ৭)
المقدمة وتشتمل على الفقرات التالية:
(أ) مبادئ علم الفرائض. 1 - تعريف علم الفرائض. الفرائض جمع فريضة، والفريضة في اللغة تطلق على معان منها:
- الواجب.
- والمقدر.
- واشتقاق الفريضة من الفرض (1) .
وعلم الفرائض اصطلاحا: فقه المواريث وحسابها.
2 - موضوع علم الفرائض. موضوع علم الفرائض التركات من حيث قسمتها وبيان نصيب كل وارث منها.
3 - ثمرة علم الفرائض. ثمرة علم الفرائض إيصال ذوي الحقوق حقوقهم من التركة.
4 - حكم تعلم علم الفرائض. تعلم علم الفرائض فرض كفاية إذا قام به من يكفي سقط الإثم عن الباقين.
5 - فضل تعلم علم الفرائض. علم الفرائض من أفضل العلوم، وأجلها، وأشرفها قدرا، وأعلاها منزلة،
--------------------------------------------
ভূমিকা এবং এটি নিম্নোক্ত অনুচ্ছেদগুলো নিয়ে গঠিত:
(ক) ফারাইদ শাস্ত্রের নীতিমালা। ১ - ফারাইদ শাস্ত্রের সংজ্ঞা। ফারাইদ শব্দটি ফারিদাহ এর বহুবচন। আভিধানিক অর্থে ফারিদাহ বেশ কিছু অর্থে ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে রয়েছে:
- ওয়াজিব (অপরিহার্য)।
- মুকাদ্দার (নির্ধারিত)।
- ফারিদাহ শব্দটির ব্যুৎপত্তি হলো 'ফারদ' থেকে (১)।
পারিভাষিক অর্থে ফারাইদ শাস্ত্র হলো: মিরাস (উত্তরাধিকার) সংক্রান্ত ফিকহ এবং এর হিসাব-নিকাশ।
২ - ফারাইদ শাস্ত্রের আলোচ্য বিষয়। ফারাইদ শাস্ত্রের আলোচ্য বিষয় হলো মৃত ব্যক্তির পরিত্যক্ত সম্পত্তি (তারাকাহ), তা বণ্টন এবং প্রত্যেক উত্তরাধিকারীর প্রাপ্য অংশ বর্ণনার দিক থেকে।
৩ - ফারাইদ শাস্ত্রের ফল। ফারাইদ শাস্ত্রের ফল হলো হকদারদের প্রাপ্য অধিকারসমূহ পরিত্যক্ত সম্পত্তি থেকে তাদের নিকট পৌঁছে দেওয়া।
৪ - ফারাইদ শাস্ত্র শিক্ষা করার বিধান। ফারাইদ শাস্ত্র শিক্ষা করা ফরজে কিফায়া; যদি পর্যাপ্ত সংখ্যক লোক এটি সম্পন্ন করে, তবে অবশিষ্টদের ওপর থেকে গুনাহ রহিত হয়ে যায়।
৫ - ফারাইদ শাস্ত্র শিক্ষার ফজিলত। ফারাইদ শাস্ত্র অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইলম, অত্যন্ত মর্যাদা সম্পন্ন, সম্মানের দিক থেকে অতি উচ্চ এবং সুউচ্চ অবস্থানের অধিকারী।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: ৮)
قال صلى الله عليه وسلم: «تعلموا الفرائض وعلموه الناس فإنه نصف العلم» (1) .
(ب) معنى الإرث. الإرث في اللغة: البقية وانتقال الشيء من قوم إلى قوم آخرين.
وفي اصطلاح الفرضيين: حق قابل للتجزؤ يثبت لمستحق بعد موت من كان له؛ لقرابة بينهما ونحوها كالزوجية والولاء.
(ج) حكمة التفاضل بين الذكر والأنثى في الميراث. وفيه أمران:
1 - منشأ التفاضل.
2 - الرد على من يزعم أن الإسلام ظلم المرأة بتفضيل الرجل عليها.
الأمر الأول: منشأ التفاضل بين الذكر والأنثى في الميراث. لعل تفضيل الذكر في الميراث يرجع إلى الأمور الآتية:
1 - أن الرجل أقدر من المرأة على تنمية المال والإفادة منه، وذلك أمر مطلوب في الإسلام.
2 - أن الرجل أحوج من المرأة إلى المال لما عليه من أعباء.
3 - أن المرأة مكفولة، وأما الرجل فهو المسؤول عن نفسه ومن يعوله.
4 - أن مال الرجل مستهلك ومال المرأة موفور.
--------------------------------------------
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমরা ফারায়েজ (উত্তরাধিকার আইন) শিক্ষা করো এবং মানুষকে তা শিক্ষা দাও, কেননা তা হচ্ছে জ্ঞানের অর্ধেক» (১) ।
(খ) মিরাসের (উত্তরাধিকার) অর্থ। আভিধানিক অর্থে মিরাস হলো: অবশিষ্টাংশ এবং এক দল থেকে অন্য দলের কাছে কোনো বস্তুর স্থানান্তর।
আর ফারায়েজ শাস্ত্রবিদদের পরিভাষায়: এটি এমন এক বিভাজনযোগ্য অধিকার, যা কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার সাথে আত্মীয়তা বা অনুরূপ সম্পর্কের (যেমন বৈবাহিক সম্পর্ক ও আযাদকারী-আযাদকৃতের সম্পর্ক) কারণে পাওনাদারের জন্য সাব্যস্ত হয়।
(গ) উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের মধ্যে পার্থক্যের হিকমত বা রহস্য। এতে দুটি বিষয় রয়েছে:
১ - পার্থক্যের উৎস।
২ - যারা দাবি করে যে, ইসলাম পুরুষকে নারীর ওপর প্রাধান্য দিয়ে নারীর প্রতি জুলুম করেছে, তাদের খণ্ডন।
প্রথম বিষয়: উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের মধ্যে পার্থক্যের উৎস। সম্ভবত উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে পুরুষকে প্রাধান্য দেওয়ার বিষয়টি নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর দিকে প্রত্যাবর্তন করে:
১ - পুরুষ অর্থ-সম্পদ বৃদ্ধি করতে এবং তা থেকে উপকৃত হতে নারীর তুলনায় অধিক সক্ষম, আর এটি ইসলামে একটি কাম্য বিষয়।
২ - পুরুষের ওপর বিভিন্ন আর্থিক দায়-দায়িত্ব অর্পিত থাকায় সে নারীর তুলনায় সম্পদের অধিক মুখাপেক্ষী।
৩ - নারী আজীবন অন্যের (পিতা, স্বামী বা সন্তানের) তত্ত্বাবধানে থাকে, পক্ষান্তরে পুরুষ নিজের এবং তার ওপর নির্ভরশীলদের ভরণপোষণের জন্য দায়ী।
৪ - পুরুষের সম্পদ সাধারণত ব্যয় হয়ে যায়, পক্ষান্তরে নারীর সম্পদ সংরক্ষিত থাকে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: ৯)
الأمر الثاني: الرد على الذين يزعمون أن الإسلام ظلم المرأة بتفضيل الرجل عليها في الميراث. تفضيل الذكر على الأنثى في الميراث من القضايا التي تثار للنيل من التشريع الإسلامي، بدعوى أنه ظلم المرأة، ولم ينصفها، وفضل الرجل، عليها، وهي دعوى مغرضة وحجة واهية وذلك:
أن الإسلام أنصف المرأة ورفع من شأنها، فقد عانت قبل الإسلام لا تنال شيئا من الإرث بل تورث كما يورث المتاع.
قال ابن عباس رضي الله عنهما في قوله تعالى:
{يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا يَحِلُّ لَكُمْ أَنْ تَرِثُوا النِّسَاءَ كَرْهًا} [النساء: 19] (1) قال: كانوا إذا مات الرجل كان أولياؤه أحق بامرأته، إِن شاء بعضهم تزوجها، وإِن شاؤوا زوجوها، وإن شاؤوا لم يزوجوها، وهم أحق بها من أهلها، فنزلت هذه الآية (2) .
فلما جاء الإسلام أنصفها ورفع الظلم عنها، وجعلها تزاحم الرجل في الميراث بنصيب مفروض، كما قال تعالى: {لِلرِّجَالِ نَصِيبٌ مِمَّا تَرَكَ الْوَالِدَانِ وَالْأَقْرَبُونَ وَلِلنِّسَاءِ نَصِيبٌ مِمَّا تَرَكَ الْوَالِدَانِ وَالْأَقْرَبُونَ مِمَّا قَلَّ مِنْهُ أَوْ كَثُرَ نَصِيبًا مَفْرُوضًا} [النساء: 7] (3) .
قال قتادة: كانوا لا يُوَرِّثُونَ النساء فنزلت:. . {وَلِلنِّسَاءِ نَصِيبٌ مِمَّا تَرَكَ الْوَالِدَانِ وَالْأَقْرَبُونَ} [النساء: 7] (4) .
--------------------------------------------
দ্বিতীয় বিষয়: যারা দাবি করে যে, ইসলাম মিরাসের ক্ষেত্রে পুরুষকে নারীর ওপর প্রাধান্য দিয়ে নারীর প্রতি জুলুম করেছে, তাদের খণ্ডন। উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে নারীর ওপর পুরুষের শ্রেষ্ঠত্ব দেওয়ার বিষয়টি এমন একটি ইস্যু যা ইসলামি শরিয়তকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য উত্থাপন করা হয়। এই দাবি করা হয় যে, ইসলাম নারীর প্রতি জুলুম করেছে, তাকে ন্যায়বিচার প্রদান করেনি এবং তার ওপর পুরুষকে প্রাধান্য দিয়েছে। এটি একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি এবং একটি অসার যুক্তি। আর তা এই কারণে যে:
ইসলাম নারীর প্রতি ইনসাফ করেছে এবং তার মর্যাদা সমুন্নত করেছে। ইসলামের পূর্বে নারী চরম বঞ্চনার শিকার ছিল, সে মিরাসের কিছুই লাভ করত না; বরং তাকে আসবাবপত্রের মতো উত্তরাধিকার হিসেবে গ্রহণ করা হতো।
ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) মহান আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে বলেন:
{হে ঈমানদারগণ! তোমাদের জন্য এটা বৈধ নয় যে, তোমরা জোরপূর্বক নারীদের উত্তরাধিকার হিসেবে গ্রহণ করবে} [আন-নিসা: ১৯] (১)। তিনি বলেন: "পূর্বে যখন কোনো লোক মারা যেত, তখন তার উত্তরাধিকারীরা তার স্ত্রীর ওপর অধিক হকদার হয়ে যেত। তাদের কেউ চাইলে তাকে বিয়ে করত, চাইলে তারা তাকে অন্যের সাথে বিয়ে দিয়ে দিত, আবার চাইলে তারা তাকে বিয়ে দিত না। তারা তার বাপের বাড়ির লোকদের চেয়েও তার ওপর অধিক অধিকার রাখত। অতঃপর এই আয়াত অবতীর্ণ হয় (২)।"
অতঃপর যখন ইসলাম এলো, তখন সে নারীর প্রতি ইনসাফ করল এবং তার ওপর থেকে জুলুম দূর করল। ইসলাম তাকে মিরাসের ক্ষেত্রে একটি সুনির্ধারিত অংশের মাধ্যমে পুরুষের পাশাপাশি অংশীদার করল, যেমনটি আল্লাহ তাআলা বলেছেন: {পিতা-মাতা ও নিকটাত্মীয়দের রেখে যাওয়া সম্পদে পুরুষদের অংশ রয়েছে এবং পিতা-মাতা ও নিকটাত্মীয়দের রেখে যাওয়া সম্পদে নারীদেরও অংশ রয়েছে, তা কম হোক বা বেশি—একটি সুনির্ধারিত অংশ} [আন-নিসা: ৭] (৩)।
কাতাদা বলেন: "তারা নারীদের উত্তরাধিকার প্রদান করত না, ফলে অবতীর্ণ হলো: {পিতা-মাতা ও নিকটাত্মীয়দের রেখে যাওয়া সম্পদে নারীদেরও অংশ রয়েছে} [আন-নিসা: ৭] (৪)।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: ১০)
أسئلة 1- ما معنى الفرائض في اللغة، ومم اشتقت الفريضة وعلى أي شيء تطلق؟
2 - عرف علم الفرائض، وبين موضوعه وثمرته.
3 - استدل بدليل واحد على فضل علم الفرائض وبين حكمه مع التعليل.
4 - ما معنى الإرث في اللغة وما معناه في الاصطلاح وما دليل مشروعيته؟
5 - بين منشأ تفضيل الذكر على الأنثى في الإرث، ثم رد على الذين يزعمون أن الإسلام ظلم المرأة ولم ينصفها حيث فضل الذكر عليها.
প্রশ্নাবলি ১- আভিধানিক অর্থে 'ফারায়েজ' বলতে কী বোঝায়, 'ফারিদাহ' শব্দটি কোথা থেকে উদ্ভূত হয়েছে এবং এটি কীসের ওপর প্রয়োগ করা হয়?
২ - ফারায়েজ শাস্ত্রের সংজ্ঞা দাও এবং এর বিষয়বস্তু ও ফলাফল বর্ণনা করো।
৩ - ফারায়েজ শাস্ত্রের শ্রেষ্ঠত্বের ওপর একটি প্রমাণ পেশ করো এবং এর বিধান কারণসহ বর্ণনা করো।
৪ - আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থে 'ইরাছ' (উত্তরাধিকার) বলতে কী বোঝায় এবং এর শরয়ি বৈধতার দলিল কী?
৫ - উত্তরাধিকারে নারীর ওপর পুরুষকে প্রাধান্য দেওয়ার উৎস বর্ণনা করো, অতঃপর যারা দাবি করে যে ইসলাম নারীর প্রতি অবিচার করেছে এবং তাকে ন্যায়সংগত অধিকার দেয়নি—যেহেতু এতে পুরুষকে তার ওপর প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে—তাদের দাবির খণ্ডন করো।
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: ১১)
[القسم الأول]
[الموضوع الأول الحقوق المتعلقة بالتركة]القسم الأول الموضوع الأول
الحقوق المتعلقة بالتركة الحقوق المتعلقة بالتركة خمسة مرتبة -إن ضاقت التركة- على النحو الآتي: الأول: مؤونة التجهيز للميت نفسه من كفن، وأجرة مغسل، وأجرة حافر قبر، ونحو ذلك.
الثاني: الحقوق المتعلقة بعين التركة كالدَّين الذي بِرَهنٍ (1) .
الثالث: الحقوق المرسلة، وهي المتعلقة بذمة الميت وليس بعين التركة وهي نوعان:
(أ) حقوق الآدمي، كالقرض وأجرة الدار، وثمن المبيع ونحوها.
(ب) حقوق اللَّه، كالزكاة، والنذر، والكفارات.
الرابع: الوصايا (2) .
الخامس: الإرث (3) .
وفيما يلي مثال يوضح الترتيب بين الحقوق عند التزاحم.
مثال ذلك:
خَلَّفَ شخص سيارة مرهونة قيمتها خمسة آلاف، مؤونة تجهيزه ألف، وعليه
--------------------------------------------
[প্রথম পরিচ্ছেদ]
[প্রথম বিষয়: ত্যাজ্যবিত্তের সাথে সংশ্লিষ্ট অধিকারসমূহ]প্রথম পরিচ্ছেদ প্রথম বিষয়
ত্যাজ্যবিত্তের সাথে সংশ্লিষ্ট অধিকারসমূহ। ত্যাজ্যবিত্ত বা মিরাসের সাথে সংশ্লিষ্ট অধিকারসমূহ পাঁচটি, যা ক্রমানুসারে বিন্যস্ত—যদি ত্যাজ্যবিত্ত পর্যাপ্ত না হয়—নিম্নরূপ পদ্ধতিতে: প্রথম: খোদ মৃত ব্যক্তির দাফন-কাফনের প্রয়োজনীয় খরচ, যেমন কাফনের কাপড়, গোসলদাতার মজুরি, কবর খননকারীর মজুরি এবং এই জাতীয় বিষয়াদি।
দ্বিতীয়: ত্যাজ্যবিত্তের নির্দিষ্ট কোনো সম্পদের সাথে সংশ্লিষ্ট অধিকারসমূহ, যেমন বন্ধক রাখা ঋণ (১)।
তৃতীয়: সাধারণ ঋণসমূহ, যা মৃত ব্যক্তির জিম্মার সাথে সংশ্লিষ্ট, ত্যাজ্যবিত্তের নির্দিষ্ট কোনো মালের সাথে নয়; আর এটি দুই প্রকার:
(ক) মানুষের হক বা পাওনা, যেমন করজ, ঘরের ভাড়া, বিক্রিত পণ্যের মূল্য এবং এই জাতীয় অন্যান্য।
(খ) আল্লাহর হক, যেমন জাকাত, মানত এবং কাফফারা।
চতুর্থ: অসিয়তসমূহ (২)।
পঞ্চম: উত্তরাধিকার বা মিরাস (৩)।
সম্পদের সংকুলান না হওয়ার ক্ষেত্রে অধিকারসমূহের অগ্রাধিকারের ক্রম স্পষ্ট করার জন্য নিচে একটি উদাহরণ দেওয়া হলো।
তার উদাহরণ:
এক ব্যক্তি একটি বন্ধক রাখা গাড়ি রেখে মারা গেলেন যার মূল্য পাঁচ হাজার, তার দাফন-কাফনের খরচ এক হাজার এবং তার ওপর দায় ছিল...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: ১২)
خمسة آلاف لمرتهن السيارة، وأربعة آلاف قرضا، وقد أوصى لشخص بألفين.
ففي هذه الحالة تؤخذ مؤونة التجهيز ألف (1000) والباقي أربعة آلاف (4000) لمرتهن السيارة.
ولو كانت قيمة السيارة عشرة آلاف، أخذت مؤونة التجهيز، وأعطي المرتهن خمسة آلاف (5000) والباقي أربعة آلاف للمقرض.
ولو كانت قيمة السيارة ثلاثة عشر ألفا أخذت مؤونة التجهيز (1000) وأعطي المرتهن (5000) وأعطي المقرض (4000) وأعطي الموصى له (2000) والباقي (1000) للورثة.
গাড়ি বন্ধকগ্রহীতার জন্য পাঁচ হাজার, ঋণের জন্য চার হাজার, এবং জনৈক ব্যক্তির অনুকূলে দুই হাজারের অসিয়ত করেছেন।
এমতাবস্থায়, এক হাজার (১০০০) দাফন-কাফন ও দাফন-সংশ্লিষ্ট ব্যয় হিসেবে নেওয়া হবে এবং অবশিষ্ট চার হাজার (৪০০০) গাড়ি বন্ধকগ্রহীতাকে প্রদান করা হবে।
যদি গাড়ির মূল্য দশ হাজার হয়, তবে দাফন-কাফন ও দাফন-সংশ্লিষ্ট ব্যয় নেওয়া হবে, বন্ধকগ্রহীতাকে পাঁচ হাজার (৫০০০) দেওয়া হবে এবং অবশিষ্ট চার হাজার ঋণদাতাকে দেওয়া হবে।
আর যদি গাড়ির মূল্য তেরো হাজার হয়, তবে দাফন-কাফন ও দাফন-সংশ্লিষ্ট ব্যয় (১০০০) নেওয়া হবে, বন্ধকগ্রহীতাকে (৫০০০) দেওয়া হবে, ঋণদাতাকে (৪০০০) দেওয়া হবে, অসিয়তকৃত ব্যক্তিকে (২০০০) দেওয়া হবে এবং অবশিষ্ট (১০০০) ওয়ারিশদের প্রদান করা হবে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
[الموضوع الثاني أركان الإرث]الموضوع الثاني
أركان الإرث الركن لغة: جانب الشيء الأقوى.
وفي الاصطلاح: جزء الشيء الذي يتوقف وجوده عليه، كالركوع والسجود في الصلاة في حق القادر عليهما.
وأركان الإرث ثلاثة: الأول: المورِّثُ، وهو الميت حقيقة، أو الملحق به حكما كالمفقود. أو تقديرا كالجنين (1) .
الثاني: الوارث، وهو المستحق للإرث حين موت المورث، من الأحياء حقيقة أو الملحق بهم حكما كالمفقود والحمل.
الثالث: الحق الموروث، وهو التركة.
--------------------------------------------
[দ্বিতীয় বিষয়: উত্তরাধিকারের রোকনসমূহ]দ্বিতীয় বিষয়
উত্তরাধিকারের রোকনসমূহ। রোকন শব্দটির আভিধানিক অর্থ: কোনো বস্তুর সবচেয়ে শক্তিশালী দিক।
আর পরিভাষায়: কোনো বস্তুর এমন অংশ যার ওপর তার অস্তিত্ব নির্ভরশীল; যেমন সালাতে সক্ষম ব্যক্তির ক্ষেত্রে রুকু এবং সিজদা।
উত্তরাধিকারের রোকন তিনটি: প্রথম: উত্তরাধিকার প্রদানকারী (মুরীছ), তিনি হলেন ঐ ব্যক্তি যিনি প্রকৃতপক্ষে মৃত অথবা নিখোঁজ ব্যক্তির মতো হুকুমগতভাবে মৃত গণ্য। অথবা গর্ভস্থ সন্তানের মতো সম্ভাব্যভাবে মৃত গণ্য (১)।
দ্বিতীয়: উত্তরাধিকারী (ওয়ারিছ), তিনি হলেন ঐ ব্যক্তি যিনি উত্তরাধিকার প্রদানকারীর মৃত্যুর সময় উত্তরাধিকার পাওয়ার যোগ্য, চাই তিনি প্রকৃতপক্ষে জীবিত হোন অথবা নিখোঁজ ব্যক্তি ও গর্ভস্থ সন্তানের মতো হুকুমগতভাবে জীবিতদের অন্তর্ভুক্ত হোন।
তৃতীয়: উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত অধিকার, যা হলো পরিত্যক্ত সম্পত্তি (তারাকাহ)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
[الموضوع الثالث شروط الإرث]الموضوع الثالث
شروط الإرث الشرط في اللغة: العلامة.
وفي الاصطلاح: ما يلزم من عدمه العدم، ولا يلزم من وجوده وجود ولا عدم لذاته (1) .
وشروط الإرث ثلاثة: الأول: تحقق موت المورث أو إلحاقه بالأموات حكما كالمفقود أو تقديرا كالجنين، إذا سقط ميتا بسبب الجناية على أمه (2) .
ودليل هذا الشرط:
قوله تعالى:. . {إِنِ امْرُؤٌ هَلَكَ لَيْسَ لَهُ وَلَدٌ وَلَهُ أُخْتٌ فَلَهَا نِصْفُ مَا تَرَكَ} [النساء: 176] (3) .
ووجه الاستدلال بالآية:
أنه علق الإرث على الهلاك وهو الموت.
الثاني: تحقق حياة الوارث حين موت المورث، أو إلحاقه بالأحياء حكما كالمفقود، والحمل.
--------------------------------------------
[তৃতীয় বিষয়: উত্তরাধিকারের শর্তসমূহ]তৃতীয় বিষয়
উত্তরাধিকারের শর্তসমূহ আভিধানিক অর্থে শর্ত হলো: চিহ্ন বা আলামত।
এবং পারিভাষিক অর্থে: যার অনুপস্থিতি (ফলাফলের) অনুপস্থিতিকে আবশ্যক করে, এবং যার উপস্থিতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি কোনোটিকেই আবশ্যক করে না (১)।
উত্তরাধিকারের শর্ত তিনটি: প্রথম: সম্পদদাতার মৃত্যু নিশ্চিত হওয়া অথবা হুকুমগতভাবে (আইনত) তাকে মৃতদের অন্তর্ভুক্ত করা—যেমন নিখোঁজ ব্যক্তি, অথবা মৃত বলে ধরে নেওয়া (তাকদিরান)—যেমন ভ্রূণ, যদি মায়ের ওপর অপরাধমূলক আঘাতের কারণে সেটি মৃত অবস্থায় ভূমিষ্ঠ হয় (২)।
এই শর্তের দলিল:
আল্লাহ তাআলার বাণী: "...যদি কোনো ব্যক্তি মারা যায় এবং তার কোনো সন্তান না থাকে, আর তার এক বোন থাকে, তবে সে তার রেখে যাওয়া সম্পদের অর্ধেক পাবে" [সূরা আন-নিসা: ১৭৬] (৩)।
আয়াতটি দ্বারা প্রমাণের পদ্ধতি:
এখানে উত্তরাধিকার প্রাপ্তিকে মৃত্যুর (হালাক) ওপর ঝুলন্ত বা নির্ভরশীল করা হয়েছে।
দ্বিতীয়: সম্পদদাতার মৃত্যুর সময় উত্তরাধিকারীর জীবিত থাকা নিশ্চিত হওয়া, অথবা হুকুমগতভাবে তাকে জীবিতদের অন্তর্ভুক্ত করা—যেমন নিখোঁজ ব্যক্তি এবং গর্ভস্থ সন্তান।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
ودليل هذا الشرط:
قوله تعالى:. . {وَلِأَبَوَيْهِ لِكُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا السُّدُسُ مِمَّا تَرَكَ} [النساء: 11] (1) .
ووجه الاستدلال بالآية:
أن الله تعالى ذكر استحقاق الإرث باللام الدالة على التملك، والتملك لا يكون إلا للحي.
الثالث: العلم بمقتضى التوارث، من قرابة، أو نكاح، أو ولاء.
ودليل هذا الشرط قوله صلى الله عليه وسلم: «ورجل قضى على جهل فهو في النار» (2) .
--------------------------------------------
এই শর্তের দলীল হলো:
আল্লাহ তাআলার বাণী: . . {আর তার পিতা-মাতার প্রত্যেকের জন্য সে যা রেখে গেছে তা থেকে এক-ষষ্ঠাংশ} [আন-নিসা: ১১] (১)।
আয়াতটি থেকে দলীল গ্রহণের পদ্ধতি:
আল্লাহ তাআলা মালিকানা নির্দেশক 'লাম' (বর্ণ) ব্যবহারের মাধ্যমে মিরাসের অধিকারের বিষয়টি উল্লেখ করেছেন, আর মালিকানা কেবল জীবিত ব্যক্তির পক্ষেই সম্ভব।
তৃতীয়: উত্তরাধিকারের কারণসমূহ সম্পর্কে জ্ঞান থাকা, যেমন- আত্মীয়তা, বিবাহ অথবা ওয়ালা।
এই শর্তের দলীল হলো আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী: «আর যে ব্যক্তি অজ্ঞতাবশত বিচার করল, সে জাহান্নামী» (২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
[الموضوع الرابع أسباب الإرث]الموضوع الرابع
أسباب الإرث السبب في اللغة: ما يتوصل به إلى غيره.
وفي الاصطلاح: ما يلزم من وجوده الوجود ومن عدمه العدم (1) لذاته.
وأسباب الإرث ثلاثة: (أ) النكاح.
(ب) الولاء.
(ج) النسب.
قال صاحب الرحبية:
أسباب ميراث الورى ثلاثة
… كل يفيد ربه الوراثة
وهي نكاح ، وولاء ونسب
… ما بعدهن للمواريث سبب
معنى النكاح: النكاح في اللغة: الجمع بين الشيئين.
وفي الاصطلاح: عقد الزوجية الصحيح، فيتوارث به الزوجان ولو لم يحصل بينهما لقاء.
دليل اعتبار النكاح سببا للإرث: دليل ذلك قوله تعالى:
--------------------------------------------
[চতুর্থ বিষয়: উত্তরাধিকারের কারণসমূহ]চতুর্থ বিষয়
উত্তরাধিকারের কারণসমূহ। আভিধানিক অর্থে কারণ হলো: যার মাধ্যমে অন্য কোনো জিনিসে পৌঁছানো যায়।
এবং পারিভাষিক অর্থে: যার অস্তিত্ব থেকে অস্তিত্ব অবধারিত হয় এবং যার অনুপস্থিতি থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুপস্থিতি অবধারিত হয় (১)।
উত্তরাধিকারের কারণ তিনটি: (ক) বিবাহ।
(খ) ওয়ালা (মুক্ত দাসের ওপর মুক্তিদাতার অধিকার)।
(গ) বংশীয় সম্পর্ক।
রাহবিয়্যাহর লেখক বলেন:
মানুষের মিরাস লাভের কারণ তিনটি
… যার প্রতিটিই তার অধিকারীকে মিরাস দান করে
তা হলো বিবাহ, ওয়ালা এবং বংশীয় সম্পর্ক
… এগুলো ছাড়া উত্তরাধিকারের আর কোনো কারণ নেই
বিবাহের অর্থ: আভিধানিক অর্থে বিবাহ হলো: দুটি বস্তুর মধ্যে মিলন বা একত্রীকরণ।
এবং পারিভাষিক অর্থে: সঠিক বা বৈধ বৈবাহিক চুক্তি; যার মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রী একে অপরের উত্তরাধিকারী হয়, যদিও তাদের মধ্যে মিলন (শারীরিক সম্পর্ক) সংঘটিত না হয়।
বিবাহকে উত্তরাধিকারের কারণ হিসেবে গণ্য করার দলিল: এর দলিল হলো মহান আল্লাহর বাণী:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
{وَلَكُمْ نِصْفُ مَا تَرَكَ أَزْوَاجُكُمْ إِنْ لَمْ يَكُنْ لَهُنَّ وَلَدٌ فَإِنْ كَانَ لَهُنَّ وَلَدٌ فَلَكُمُ الرُّبُعُ مِمَّا تَرَكْنَ مِنْ بَعْدِ وَصِيَّةٍ يُوصِينَ بِهَا أَوْ دَيْنٍ وَلَهُنَّ الرُّبُعُ مِمَّا تَرَكْتُمْ إِنْ لَمْ يَكُنْ لَكُمْ وَلَدٌ فَإِنْ كَانَ لَكُمْ وَلَدٌ فَلَهُنَّ الثُّمُنُ مِمَّا تَرَكْتُمْ مِنْ بَعْدِ وَصِيَّةٍ تُوصُونَ بِهَا أَوْ دَيْنٍ} [النساء: 12] (1) .
ما يبطل سببية النكاح للإرث: تبطل سببية النكاح للإرث بالطلاق البائن مطلقا، سواء انتهت العدة أم لا، لأن العلاقة الزوجية تنقطع به (2) وبالطلاق الرجعي بعد انتهاء العدة لانقطاع العلاقة الزوجية بذلك، أما قبل انتهائها فلا يبطل الطلاق الرجعي سببية النكاح بل يتوارث الزوجان به، لأن الرجعية في حكم الزوجة.
تعريف الولاء: الولاء في اللغة: النصرة ومنه قوله تعالى:
{اللَّهُ وَلِيُّ الَّذِينَ آمَنُوا} [البقرة: 257] (3) . أي ناصرهم ومعينهم.
وفي الاصطلاح: عصوبة سببها نعمة المعتق على عتيقه بالعتق (4) .
سبب ثبوت الولاء: سبب ثبوت الولاء نعمة المعتق على عتيقه بالعتق.
دليل ثبوت الولاء: دليل ذلك قوله صلى الله عليه وسلم: «إنما الولاء لمن أعتق» (5) .
--------------------------------------------
{আর তোমাদের জন্য তোমাদের স্ত্রীদের ত্যক্ত সম্পত্তির অর্ধেক, যদি তাদের কোনো সন্তান না থাকে। আর যদি তাদের সন্তান থাকে, তবে তারা যা রেখে গেছে তা থেকে তোমাদের জন্য এক-চতুর্থাংশ; তারা যে অসিয়ত করে যায় তা পালন করার অথবা ঋণ পরিশোধের পর। আর তাদের জন্য তোমাদের ত্যক্ত সম্পত্তির এক-চতুর্থাংশ, যদি তোমাদের কোনো সন্তান না থাকে। আর যদি তোমাদের সন্তান থাকে, তবে তোমরা যা রেখে গেছ তা থেকে তাদের জন্য এক-অষ্টমাংশ; তোমরা যে অসিয়ত করে যাও তা পালন করার অথবা ঋণ পরিশোধের পর।} [আন-নিসা: ১২] (১) ।
উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে বিবাহের কারণ যা দ্বারা বাতিল হয়: তালাক-এ-বায়েন (চূড়ান্ত তালাক) দ্বারা উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে বিবাহের কারণটি নিঃশর্তভাবে বাতিল হয়ে যায়, চাই ইদ্দত শেষ হোক বা না হোক; কারণ এর মাধ্যমে বৈবাহিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় (২)। আর তালাক-এ-রাজঈ-এর (প্রত্যাবর্তনযোগ্য তালাক) ক্ষেত্রে ইদ্দত শেষ হওয়ার পর তা বাতিল হয়, যেহেতু এর ফলে বৈবাহিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তবে ইদ্দত শেষ হওয়ার পূর্বে তালাক-এ-রাজঈ বিবাহের কারণকে বাতিল করে না, বরং এর মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রী একে অপরের উত্তরাধিকারী হয়; কারণ রাজঈ তালাকপ্রাপ্তা নারী স্ত্রীর হুকুমেই গণ্য হয়।
ওয়ালার সংজ্ঞা: অভিধানে ওয়ালা অর্থ: সাহায্য করা। এ থেকেই মহান আল্লাহর বাণী:
{আল্লাহ তাদের অভিভাবক যারা ঈমান এনেছে} [আল-বাকারাহ: ২৫৭] (৩)। অর্থাৎ তাদের সাহায্যকারী ও সহায়তাকারী।
পারিভাষিক সংজ্ঞায়: এমন এক আসাবা (রক্তসম্পর্কহীন উত্তরাধিকার) সম্পর্ক, যার কারণ হলো মুক্তকারী কর্তৃক তার দাসকে মুক্ত করার মাধ্যমে কৃত অনুগ্রহ (৪)।
ওয়ালা সাব্যস্ত হওয়ার কারণ: ওয়ালা সাব্যস্ত হওয়ার কারণ হলো মুক্তকারী কর্তৃক তার দাসকে মুক্ত করার মাধ্যমে কৃত অনুগ্রহ।
ওয়ালা সাব্যস্ত হওয়ার দলিল: এর দলিল হলো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী: «ওয়ালা কেবল তারই প্রাপ্য, যে মুক্ত করেছে» (৫)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
تعريف النسب: النسب: هو القرابة، وهي اتصال بين شخصين بالاشتراك في ولادة قريبة أو بعيدة.
جهات النسب: جهات النسب ثلاثة وهي:
1 - جهة الأصول، وهم من ينتمي إليهم الشخص من الآباء والأمهات، والأجداد، والجدات.
2 - جهة الفروع، وهم من ينتمون إلى الشخص من الأولاد وأولادهم.
3 - جهة الحواشي، وهم من ينتمون إلى أبوي الشخص وأجداده من الإخوة وأولادهم والأعمام وأولادهم.
বংশ পরিচয়ের সংজ্ঞা: বংশ পরিচয়: এটি হলো আত্মীয়তা, যা নিকটবর্তী বা দূরবর্তী জন্মের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দুই ব্যক্তির মধ্যে একটি সংযোগ।
বংশ পরিচয়ের দিকসমূহ: বংশ পরিচয়ের দিক হলো তিনটি, আর সেগুলো হলো:
১ - মূল বা উর্ধ্বতনদের দিক: তারা হলেন সেই সব ব্যক্তি যাদের সাথে কোনো ব্যক্তি সম্পর্কিত হয়; যেমন—পিতা-মাতা, দাদা-দাদী এবং নানা-নানী।
২ - শাখা বা অধস্তনদের দিক: তারা হলেন সেই সব ব্যক্তি যারা কোনো ব্যক্তির সাথে সম্পর্কিত হয়; যেমন—সন্তানাদি এবং তাদের সন্তানাদি।
৩ - পার্শ্বস্থ বা পারিপার্শ্বিক আত্মীয়দের দিক: তারা হলেন সেই সব ব্যক্তি যারা কোনো ব্যক্তির পিতা-মাতা ও পূর্বপুরুষদের সাথে সম্পর্কিত; যেমন—ভাই-বোন ও তাদের সন্তানাদি এবং চাচা ও তাদের সন্তানাদি।
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
[الموضوع الخامس موانع الإرث]
[تعريف المانع]الموضوع الخامس
موانع الإرث تعريف المانع: المانع في اللغة: الحائل بين الشيئين.
وفي الاصطلاح: ما يلزم من وجوده العدم (1) ولا يلزم من عدمه وجود (2) ولا عدم لذاته عكس الشرط.
[أنواع موانع الإرث]موانع الإرث: وهي ثلاثة: 1 - الرق.
2 - قتل الوارث للمورث بغير حق.
3 - اختلاف دين الوارث عن المورث.
قال في الرحبية:
ويَمنعُ الشخصَ مِنَ المِيراثِ
… واحدةٌ مِنْ عِلَلٍ ثَلاثِ
رق ، وقَتْلٌ ، واختلافُ دِينِ
… فَافهَم فليسَ الشَّكُّ كاليقينِ
معنى الرق: الرق في اللغة: العبودية، والملك.
وفي الاصطلاح: عجز حكمي (3) يقوم بالإنسان بسبب كفره باللَّه تعالى.
--------------------------------------------
[পঞ্চম বিষয়: মিরাসের প্রতিবন্ধকসমূহ]
[প্রতিবন্ধকের সংজ্ঞা]পঞ্চম বিষয়
মিরাসের প্রতিবন্ধকসমূহ। প্রতিবন্ধকের সংজ্ঞা: আভিধানিক অর্থে প্রতিবন্ধক (মানি') হলো দুটি বস্তুর মধ্যবর্তী অন্তরায় বা বাধা।
আর পারিভাষিক পরিভাষায়: যার বিদ্যমান থাকা (হুকুমের) অবিদ্যমানতাকে আবশ্যক করে (১), কিন্তু যার অবিদ্যমান থাকা (হুকুমের) বিদ্যমানতা (২) বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার অবিদ্যমানতা কোনটিকেই আবশ্যক করে না; এটি শর্তের বিপরীত।
[মিরাসের প্রতিবন্ধকসমূহের প্রকারভেদ]মিরাসের প্রতিবন্ধকসমূহ: আর তা তিনটি: ১ - দাসত্ব।
২ - উত্তরাধিকারী কর্তৃক অন্যায়ভাবে উত্তরাধিকার প্রদানকারীকে (মুওয়াররিস) হত্যা করা।
৩ - উত্তরাধিকারী ও উত্তরাধিকার প্রদানকারীর ধর্মের ভিন্নতা।
রাহবিয়্যাহ কাব্যে বলা হয়েছে:
ব্যক্তিকে মিরাস থেকে বঞ্চিত করে
… তিনটি কারণের যেকোনো একটি
দাসত্ব, হত্যা এবং ধর্মের ভিন্নতা
… অতএব বুঝে নাও, কারণ সংশয় নিশ্চিত জ্ঞানের মতো নয়
দাসত্বের অর্থ: আভিধানিক অর্থে দাসত্ব (রিক্ক) হলো পরাধীনতা ও মালিকানাধীন হওয়া।
আর পারিভাষিক অর্থে: এটি একটি বিধানগত অক্ষমতা (৩), যা মহান আল্লাহর প্রতি কুফরির কারণে মানুষের ওপর আরোপিত হয়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: ২০)
معني القتل: القتل هو إِزهاق الروح.
المراد بالقتل المانع من الإرث: القتل المؤثر في المنع من الإِرث هو ما أوجب قصاصا أودية أو كفارة.
دليل اعتبار القتل مانعا من الإرث: دليل ذلك قوله صلى الله عليه وسلم: «ليس للقاتل من الميراث شيء» (1) .
المراد باختلاف الدين: المراد باختلاف الدين أن يكون دين الوارث غير دين المورث، كأن يكون أحدهما مسلما والآخر كافرا، أو يكون أحدهما يهوديا والآخر نصرانيا.
دليل اعتبار الاختلاف في الدين مانعا من الإرث: دليل ذلك قوله صلى الله عليه وسلم: «لا توارث بين أهل ملتين» (2) .
--------------------------------------------
হত্যার অর্থ: হত্যা হলো প্রাণের বিনাশ ঘটানো।
উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিতকারী হত্যার উদ্দেশ্য: উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করার ক্ষেত্রে কার্যকর হত্যা হলো সেই হত্যা যা কিসাস, দিয়াত অথবা কাফফারা অবধারিত করে।
হত্যাকে উত্তরাধিকারের অন্তরায় হিসেবে গণ্য করার দলিল: এর দলিল হলো রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী: "হত্যাকারীর জন্য মিরাসের কোনো অংশ নেই" (১)।
ধর্মের পার্থক্যের উদ্দেশ্য: ধর্মের পার্থক্যের উদ্দেশ্য হলো উত্তরাধিকারীর ধর্ম এবং মৃত ব্যক্তির ধর্ম ভিন্ন হওয়া, যেমন তাদের একজন মুসলিম এবং অন্যজন কাফির হওয়া, অথবা একজন ইহুদি এবং অন্যজন খ্রিষ্টান হওয়া।
ধর্মীয় পার্থক্যকে উত্তরাধিকারের অন্তরায় হিসেবে গণ্য করার দলিল: এর দলিল হলো রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী: "দুই ভিন্ন ধর্মাদর্শের অনুসারীদের মধ্যে কোনো উত্তরাধিকার নেই" (২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: ২১)
[أسئلة]أسئلة 1- اذكر الحقوق المتعلقة بالتركة مرتبة حسب الأولوية، ثم اذكر مثالاً توضح به هذا الترتيب.
2 - بين معنى الركن في اللغة، والاصطلاح، ثم اذكر أركان الإِرث التي يتوقف عليها.
3 - عرف الشرط في اللغة والاصطلاح، ثم اذكر شروط الإرث مع الاستدلال لكل شرط.
4 - ما معنى السبب في اللغة؟ وما معناه في الاصطلاح؟
5 - للإِرث أسباب ثلاثة فاذكرها إِجمالاً.
6 - عرف النكاح في اللغة والاصطلاح، ثم اذكر الدليل على سببيته للإرث.
7 - متى يبطل الطلاق سببية النكاح للإِرث؟
8 - عرف الولاء في اللغة والاصطلاح، وبين سبب ثبوته.
9 - ما دليل ثبوت الولاء؟
10 - عرف النسب واذكر جهاته مبينا من تشمله كل جهة.
11 - عرف المانع في اللغة والاصطلاح، ثم اذكر موانع الإِرث إِجمالا.
12 - عرف الرق لغة واصطلاحا.
13 - ما معنى القتل، وما القتل المانع من الإرث، وما دليل اعتباره مانعا؟
4 - ما المراد باختلاف الدين وما دليل منعه للإرث؟
[প্রশ্নাবলি]প্রশ্ন ১- পরিত্যক্ত সম্পত্তির (তরকা) সাথে সংশ্লিষ্ট অধিকারসমূহ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ক্রমানুসারে উল্লেখ করুন, অতঃপর একটি উদাহরণের মাধ্যমে এই ধারাবাহিকতা স্পষ্ট করুন।
২ - আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থে রুকন-এর অর্থ বর্ণনা করুন, অতঃপর উত্তরাধিকারের রুকনসমূহ উল্লেখ করুন যার ওপর তা নির্ভর করে।
৩ - আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থে শর্ত-এর সংজ্ঞা দিন, অতঃপর প্রত্যেকটি শর্তের সপক্ষে দলিলসহ উত্তরাধিকারের শর্তাবলি উল্লেখ করুন।
৪ - আভিধানিক অর্থে 'সবব' (কারণ)-এর অর্থ কী? এবং পারিভাষিক অর্থে এর অর্থ কী?
৫ - উত্তরাধিকারের কারণ তিনটি, সেগুলো সংক্ষেপে উল্লেখ করুন।
৬ - আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থে নিকাহ (বিবাহ)-এর সংজ্ঞা দিন, অতঃপর উত্তরাধিকারের কারণ হিসেবে এর সপক্ষে দলিল উল্লেখ করুন।
৭ - তালাক কখন উত্তরাধিকারের কারণ হিসেবে বিবাহের কার্যকারিতা বাতিল করে দেয়?
৮ - আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থে 'ওয়ালা'-এর সংজ্ঞা দিন এবং তা সাব্যস্ত হওয়ার কারণ বর্ণনা করুন।
৯ - 'ওয়ালা' সাব্যস্ত হওয়ার দলিল কী?
১০ - বংশীয় সম্পর্কের (নাসাব) সংজ্ঞা দিন এবং এর দিকগুলো উল্লেখপূর্বক প্রত্যেক দিক কাকে অন্তর্ভুক্ত করে তা বর্ণনা করুন।
১১ - আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থে 'মানে' (প্রতিবন্ধক)-এর সংজ্ঞা দিন, অতঃপর উত্তরাধিকারের প্রতিবন্ধকসমূহ সংক্ষেপে উল্লেখ করুন।
১২ - আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থে দাসত্বের সংজ্ঞা দিন।
১৩ - হত্যার অর্থ কী, কোন্ ধরনের হত্যা উত্তরাধিকারের অন্তরায়, এবং একে প্রতিবন্ধক হিসেবে গণ্য করার দলিল কী?
৪ - ধর্মের ভিন্নতা বলতে কী বোঝায় এবং এটি উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার দলিল কী?
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: ২২)
[الموضوع السادس الوارثون من الرجال]
[الوارثون من الرجال على سبيل التفصيل]الموضوع السادس
الوارثون من الرجال الوارثون من الرجال على سبيل التفصيل خمسة عشر وهم: 1 - الابن.
3 - الأب.
5 - الأخ الشقيق.
7 - الأخ لأم.
9 - ابن الأخ لأب وإِن نزل.
11 - العم لأب وإن علا.
13 - ابن العم لأب وإن نزل.
15 - المعتق.
2 - ابن الابن وإن نزل.
4 - الجد من قبل الأب وإن علا بمحض الذكور.
6 - الأخ لأب.
8 - ابن الأخ الشقيق وإن نزل.
10 - العم الشقيق وإِن علا.
12 - ابن العم الشقيق وإن نزل.
14 - الزوج.
قد أجملهم صاحب الرحبية بقوله:
والوارثون من الرجالِ عَشرة
… أَسماؤهم معروفة مشتهرَة
الابن وابن الابنِ مهمَا نَزَلا
… والأب والجَدّ لَه وَإِن علا
والأخ من أي الجهات كانا
… قد أنزلَ اللَّه به القرآنا
وابن الأخ المدلي إِليه بالأبِ
… فاسمع مقالا ليس بالمكَذَّب
والعَم وابنُ العَمِّ من أَبيه فاشكر
… لذي الإيجاز والتنبيه
والزوج والمعتق ذو الوَلاء
… فجملة الذُّكور هَؤلاء
[ষষ্ঠ বিষয়: পুরুষ উত্তরাধিকারীগণ]
[বিস্তারিতভাবে পুরুষ উত্তরাধিকারীগণের বিবরণ]ষষ্ঠ বিষয়
পুরুষ উত্তরাধিকারীগণ; বিস্তারিতভাবে পুরুষ উত্তরাধিকারীগণ হলেন পনেরো জন, আর তারা হলেন: ১ - পুত্র।
৩ - পিতা।
৫ - সহোদর ভাই।
৭ - বৈপিত্রেয় ভাই (মায়ের দিক থেকে ভাই)।
৯ - বৈমাত্রেয় ভাইয়ের পুত্র, সে যত নিচের স্তরেরই হোক।
১১ - বৈমাত্রেয় চাচা (বাবার বৈমাত্রেয় ভাই), তিনি যত উপরের স্তরেরই হন।
১৩ - বৈমাত্রেয় চাচার পুত্র, সে যত নিচের স্তরেরই হোক।
১৫ - দাস মুক্তিদানকারী।
২ - পুত্রের পুত্র (পৌত্র), সে যত নিচের স্তরেরই হোক।
৪ - পিতার দিক থেকে দাদা, তিনি যত উপরের স্তরেরই হন (শুধুমাত্র পুরুষ পরম্পরায়)।
৬ - বৈমাত্রেয় ভাই (পিতার দিক থেকে ভাই)।
৮ - সহোদর ভাইয়ের পুত্র, সে যত নিচের স্তরেরই হোক।
১০ - সহোদর চাচা, তিনি যত উপরের স্তরেরই হন।
১২ - সহোদর চাচার পুত্র, সে যত নিচের স্তরেরই হোক।
১৪ - স্বামী।
রাহবিয়্যাহ গ্রন্থের রচয়িতা তাদের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দিয়ে বলেছেন:
পুরুষ উত্তরাধিকারীগণ হলেন দশ জন
… যাদের নাম সুপরিচিত ও প্রসিদ্ধ
পুত্র এবং পুত্রের পুত্র সে যত নিচেই যাক না কেন
… আর পিতা ও দাদা, তিনি যত উপরেই হন
আর ভাই, সে যে কোনো দিক থেকেই সম্পর্কযুক্ত হোক না কেন
… আল্লাহ এ বিষয়ে কুরআন অবতীর্ণ করেছেন
আর ভ্রাতুষ্পুত্র যে পিতার মাধ্যমে সম্পর্কযুক্ত
… তবে শোনো এমন কথা যা মিথ্যা প্রতিপন্ন হওয়ার নয়
আর চাচা এবং পিতার দিক থেকে চাচার পুত্র, তাই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো
… এই সংক্ষিপ্তকরণ ও সতর্ক বার্তার জন্য
আর স্বামী ও ওয়ালা-র অধিকারী মুক্তিদানকারী
… পুরুষদের পূর্ণ তালিকা এরাই।
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
[من يرث من الرجال إذا اجتمعوا]من يرث من الرجال إذا اجتمعوا؟ إِذا اجتمع الوارثون من الرجال ورث منهم ثلاثة وهم:
1 - الابن.
2 - الأب.
3 - الزوج.
أما من عداهم فمحجوبون، فالجد محجوب بالأب، وغيره محجوب بالأب والابن.
[ما يأخذه من ينفرد من الذكور]ما يأخذه من ينفرد من الذكور: إِذا انفرد الزوج لم يأخذ بالزوجية أكثر من فرضه، النصف، وإذا انفرد الأخ لأم أخذ جميع المال فرضا وردًّا.
وإذا انفرد أحد الباقين من الذكور أخذ جميع المال تعصيبا.
[পুরুষদের সকলে একত্রিত হলে যারা উত্তরাধিকারী হয়]পুরুষ উত্তরাধিকারীদের সকলে উপস্থিত থাকলে তাদের মধ্যে কারা উত্তরাধিকারী হয়? যখন পুরুষ উত্তরাধিকারীদের সকলে সমবেত হয়, তখন তাদের মধ্যে কেবল তিনজন উত্তরাধিকার লাভ করে, তারা হলো:
১ - পুত্র।
২ - পিতা।
৩ - স্বামী।
তারা ব্যতীত অন্য সকলে বঞ্চিত (মাহজুব) হবে। সুতরাং দাদা পিতার কারণে বঞ্চিত হবে, আর অন্যেরা পিতা ও পুত্রের কারণে বঞ্চিত হবে।
[পুরুষদের মধ্যে কেউ একা থাকলে সে যা প্রাপ্ত হয়]পুরুষদের মধ্যে কেউ একা থাকলে যা পায়: যদি কেবল স্বামী থাকে, তবে সে বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে তার নির্ধারিত অংশ অর্থাৎ অর্ধেকের বেশি পাবে না। আর যদি কেবল বৈপিত্রীয় ভাই (মায়ের দিক থেকে ভাই) থাকে, তবে সে নির্ধারিত অংশ (ফারদ) এবং প্রত্যাবর্তনের (রাদ্দ) মাধ্যমে সকল সম্পদ লাভ করবে।
আর অবশিষ্ট পুরুষদের মধ্যে কেউ একা থাকলে সে আসাবা হিসেবে সকল সম্পদ লাভ করবে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
[الموضوع السابع الوارثات من النساء]
[الوارثات من النساء على سبيل التفصيل]الموضوع السابع
الوارثات من النساء الوارثات من النساء عشر: 1 - البنت.
2 - بنت الابن- وإِن نزل أبوها- بمحض الذكور.
3 - الأم.
4 - الزوجة.
5 - الجدة من قبل الأم. (1) .
6 - الجدة من قبل الأب (2) .
7 - المعتقة.
8 - الأخت الشقيقة.
9 - الأخت لأب.
10 - الأخت لأم.
وقد أجملهن صاحب الرحبية بقوله:
والوارِثات من النساءِ سبع
… لم يعطِ أنثى غيرهن الشرع
بنتٌ وبنْتُ ابن وأُمٌّ مُشفقَة
… وَزَوجَةٌ وَجَدَّةٌ ومُعتِقَةْ
والأختُ من أيِّ الجهَات كانت
… فَهَذه عدَّتهُنَّ بانَت
--------------------------------------------
[সপ্তম বিষয়: নারী উত্তরাধিকারীগণ][নারী উত্তরাধিকারীগণের বিস্তারিত বিবরণ]সপ্তম বিষয়
নারী উত্তরাধিকারীগণ: নারী উত্তরাধিকারীগণ দশজন: ১ - কন্যা।
২ - পুত্রের কন্যা—যদিও তার পিতা নিচ পর্যায়ের হয়—কেবল পুরুষ পরম্পরায়।
৩ - মাতা।
৪ - স্ত্রী।
৫ - মাতামহী (মায়ের দিকের নানী/দাদী)। (১)।
৬ - পিতামহী (পিতার দিকের দাদী)। (২)।
৭ - মুক্তিদাত্রী মনিব।
৮ - সহোদরা বোন।
৯ - বৈমাত্রেয় বোন।
১০ - বৈপিত্রীয় বোন।
রাহবিয়্যাহর লেখক তাদের সম্পর্কে সংক্ষেপে বলেছেন:
নারীদের মধ্যে উত্তরাধিকারী হলো সাতজন
… শরীয়ত তাদের ব্যতীত অন্য কোনো নারীকে (উত্তরাধিকার) দেয়নি
কন্যা, পুত্রের কন্যা এবং স্নেহময়ী মাতা
… স্ত্রী, দাদী/নানী এবং মুক্তিদাত্রী মনিব
আর বোন যে কোনো দিক থেকেই হোক না কেন
… এই হলো তাদের সংখ্যা যা স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেল
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
[من يرث من النساء إذا اجتمعن]من يرث من النساء إذا اجتمعن: إذا اجتمعت الوارثات من النساء ورث منهن خمس:
1 - البنت.
2 - بنت الابن.
3 - الأم.
4 - الزوجة.
5 - الأخت الشقيقة.
ومن عداهن محجوبات، فالجدة محجوبة بالأم، والأخت لأم محجوبة بالبنت وبنت الابن، والأخت لأب محجوبة بالشقيقة، والمعتقة محجوبة بالأخت الشقيقة والأخت لأب.
[ما يأخذه من انفرد من الإناث]ما يأخذه من انفرد من الإناث: إذا انفردت الزوجة لم تأخذ غير فرضها الربع.
وإذا انفردت المعتقة أخذت جميع المال تعصيبا.
وإذا انفردت إحدى الباقيات أخذت جميع المال فرضا وردا.
من يرث من الرجال والنساء إذا اجتمعوا: إذا اجتمع من يمكن اجتماعهم من الورثة الذكور والإناث، ورث منهم خمسة:
الأبوان: الأب، والأم، والولدان: الابن، والبنت، وأحد الزوجين، ومن عدا هؤلاء محجوب، فالجد محجوب بالأب، والجدة محجوبة بالأم، وأولاد الابن محجوبون به، والباقون محجوبون بالابن والأب.
[নারীদের মধ্য থেকে যারা উত্তরাধিকারী হয় যখন তারা একত্রে উপস্থিত থাকে]নারীদের মধ্য থেকে যারা উত্তরাধিকারী হয় যখন তারা একত্রে উপস্থিত থাকে: যখন নারীদের মধ্য থেকে সকল সম্ভাব্য নারী উত্তরাধিকারী একত্রে সমবেত হয়, তখন তাদের মধ্য থেকে পাঁচজন উত্তরাধিকার লাভ করে:
১ - কন্যা।
২ - পুত্রের কন্যা।
৩ - মাতা।
৪ - স্ত্রী।
৫ - সহোদর বোন।
এবং তারা ব্যতীত অন্যরা বঞ্চিত (মাহজুব) হবে। সুতরাং দাদি বা নানি মাতার কারণে বঞ্চিত হয়, বৈপিত্রীয় বোন কন্যা ও পুত্রের কন্যার কারণে বঞ্চিত হয়, বৈমাত্রীয় বোন সহোদর বোনের কারণে বঞ্চিত হয় এবং মুক্তিদাত্রী নারী সহোদর বোন ও বৈমাত্রীয় বোনের কারণে বঞ্চিত হয়।
[নারীদের মধ্যে কেউ একা থাকলে যা পায়]নারীদের মধ্যে কেউ একা থাকলে যা পায়: যদি কেবল স্ত্রী একা থাকে, তবে সে তার নির্ধারিত অংশ এক-চতুর্থাংশ ছাড়া অন্য কিছু পাবে না।
যদি কেবল মুক্তিদাত্রী নারী একা থাকে, তবে সে আসাবা হিসেবে সমস্ত সম্পদ লাভ করবে।
যদি অবশিষ্টদের মধ্য থেকে কেউ একা থাকে, তবে সে নির্ধারিত অংশ (ফর্দ) ও প্রত্যাবর্তন (রাদ) হিসেবে সমস্ত সম্পদ লাভ করবে।
পুরুষ ও নারী একত্রে উপস্থিত থাকলে যারা উত্তরাধিকারী হয়: যখন সম্ভাব্য সকল পুরুষ ও নারী উত্তরাধিকারী একত্রে সমবেত হয়, তখন তাদের মধ্য থেকে পাঁচজন উত্তরাধিকার লাভ করে:
পিতামাতা: পিতা ও মাতা; সন্তানদ্বয়: পুত্র ও কন্যা; এবং স্বামী বা স্ত্রীর কোনো একজন। আর এরা ব্যতীত অন্যরা বঞ্চিত হবে; সুতরাং দাদা পিতার কারণে বঞ্চিত হয়, দাদি বা নানি মাতার কারণে বঞ্চিত হয়, পুত্রের সন্তানরা পুত্রের কারণে বঞ্চিত হয় এবং অবশিষ্টরা পুত্র ও পিতার কারণে বঞ্চিত হয়।
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
[أسئلة]أسئلة 1- اذكر الوارثين من الرجال على وجه التفصيل، ثم اذكرهم على سبيل الإجمال.
2 - إذا اجتمع الوارثون من الرجال فمن الذي يرث منهم؟ وجِّه ما تذكر، ثم اذكر مثالا لاجتماعهم.
3 - اذكر الوارثات من النساء على سبيل التفصيل.
4 - إذا اجتمعت الوارثات من النساء فمن الذي يرث منهن؟ وجه ما تذكر، ثم اذكر مثالا يوضح هذا الاجتماع.
5 - إذا اجتمع الرجال والنساء فمن الذي يرث؟ وجه ما تقول.
[প্রশ্নাবলি]প্রশ্ন ১- পুরুষ উত্তরাধিকারীদের বিবরণ বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করুন, অতঃপর সংক্ষেপে তাদের নাম উল্লেখ করুন।
২ - যদি সকল পুরুষ উত্তরাধিকারী একত্রে উপস্থিত হয়, তবে তাদের মধ্যে কারা মিরাস লাভ করবে? আপনার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি প্রদান করুন, অতঃপর তাদের একত্রে উপস্থিত হওয়ার একটি উদাহরণ উল্লেখ করুন।
৩ - নারী উত্তরাধিকারীদের বিবরণ বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করুন।
৪ - যদি সকল নারী উত্তরাধিকারী একত্রে উপস্থিত হয়, তবে তাদের মধ্যে কারা মিরাস লাভ করবে? আপনার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি প্রদান করুন, অতঃপর এই একত্রীকরণের বিষয়টি স্পষ্ট করার জন্য একটি উদাহরণ উল্লেখ করুন।
৫ - যদি পুরুষ ও নারী উভয় শ্রেণির উত্তরাধিকারীগণ একত্রে উপস্থিত হয়, তবে কারা মিরাস লাভ করবে? আপনার বক্তব্যের সপক্ষে যুক্তি প্রদান করুন।
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
[الموضوع الثامن أنواع الإرث]الموضوع الثامن
أنواع الإرث الإرث نوعان: الأول: الإرث بالفرض.
الثاني: الإرث بالتعصيب.
قال في الرحبية:
واعلم بأن الإرث نوعان هما
… فرض وتعصيب على ما قسما
فالفرض في اللغة يطلق على: الحز.
والقطع.
والتقدير.
وفي اصطلاح علماء المواريث: نصيب مقدر شرعا لوارث مخصوص، لا يزيد إلا بالرد، ولا ينقص إلا بالعول.
والتعصيب سيأتي معناه في الموضوع السابع عشر.
[অষ্টম বিষয়: উত্তরাধিকারের প্রকারভেদ]অষ্টম বিষয়
উত্তরাধিকারের প্রকারভেদ। উত্তরাধিকার দুই প্রকার: প্রথম: নির্ধারিত অংশের ভিত্তিতে উত্তরাধিকার।
দ্বিতীয়: আসাবার ভিত্তিতে উত্তরাধিকার।
রাহবিয়্যাহ কাব্যে বলা হয়েছে:
জেনে রেখো যে, উত্তরাধিকার হলো দুই প্রকার
… নির্ধারিত অংশ ও আসাবা, যেমনটি বণ্টন করা হয়েছে
শাব্দিক অর্থে ফরয (নির্ধারণ) শব্দটির প্রয়োগ হয়: চিহ্ন করার ক্ষেত্রে।
কর্তন করার ক্ষেত্রে।
এবং নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে।
আর উত্তরাধিকার বিজ্ঞানীদের পরিভাষায়: বিশেষ কোনো উত্তরাধিকারীর জন্য শরীয়ত কর্তৃক নির্ধারিত অংশ, যা ‘রদ্দ’ (উদ্বৃত্ত অংশ ফেরত প্রদান) ব্যতীত বৃদ্ধি পায় না এবং ‘আওল’ (আনুপাতিক হ্রাস) ব্যতীত কমে না।
আসাবার অর্থ সতেরোতম বিষয়ে সামনে আসবে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
[الموضوع التاسع الفروض المقدرة في كتاب اللَّه تعالى][الفروض المقدرة في كتاب اللَّه تعالى]
الموضوع التاسع
الفروض المقدرة في كتاب اللَّه تعالى الفروض الثابتة بالنص ستة وهي: 1 - النصف.
2 - الربع.
3 - الثمن.
4 - الثلثان.
5 - الثلث.
6 - السدس.
قال في الرحبية:
فالفرض في نص الكتاب ستة
… لا فرض في الإرث سواها البتة
نصف وربع ثم نصف الربع
… والثلث والسدس بنص الشرع
والثلثان وهما التمام
… فاحفظ فكل حافظ إمام
[أدلة الفروض]أدلة الفروض دليل النصف: قوله تعالى: {وَلَكُمْ نِصْفُ مَا تَرَكَ أَزْوَاجُكُمْ إِنْ لَمْ يَكُنْ لَهُنَّ وَلَدٌ} [النساء: 12] (1) .
--------------------------------------------
[নবম বিষয়: মহান আল্লাহর কিতাবে নির্ধারিত অংশসমূহ][মহান আল্লাহর কিতাবে নির্ধারিত অংশসমূহ]
নবম বিষয়
মহান আল্লাহর কিতাবে নির্ধারিত অংশসমূহ। পবিত্র পাঠের (নাস) মাধ্যমে সাব্যস্ত হওয়া নির্ধারিত অংশসমূহ ছয়টি, আর সেগুলো হলো: ১ - অর্ধেক।
২ - এক-চতুর্থাংশ।
৩ - এক-অষ্টমাংশ।
৪ - দুই-তৃতীয়াংশ।
৫ - এক-তৃতীয়াংশ।
৬ - এক-ষষ্ঠাংশ।
রাহবিয়া (কাব্যে) বলা হয়েছে:
কিতাবের পাঠে নির্ধারিত অংশ হলো ছয়টি
… উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে এগুলো ছাড়া নিশ্চিতভাবে অন্য কোনো নির্ধারিত অংশ নেই
অর্ধেক ও এক-চতুর্থাংশ, অতঃপর এক-চতুর্থাংশের অর্ধেক
… এবং শরীয়তের পাঠ অনুযায়ী এক-তৃতীয়াংশ ও এক-ষষ্ঠাংশ
আর দুই-তৃতীয়াংশ, যা সংখ্যাটিকে পূর্ণ করে
… সুতরাং মুখস্থ করুন, কেননা প্রত্যেক মুখস্থকারীই একজন ইমাম
[নির্ধারিত অংশসমূহের প্রমাণাদি]নির্ধারিত অংশসমূহের প্রমাণাদি। অর্ধেকের প্রমাণ: মহান আল্লাহর বাণী: {আর তোমাদের জন্য রয়েছে তোমাদের স্ত্রীদের পরিত্যক্ত সম্পত্তির অর্ধেক, যদি তাদের কোনো সন্তান না থাকে} [নিসা: ১২] (১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
دليل الربع: قوله تعالى:. . . {فَإِنْ كَانَ لَهُنَّ وَلَدٌ فَلَكُمُ الرُّبُعُ مِمَّا تَرَكْنَ} [النساء: 12] (1) .
وقوله:. . {وَلَهُنَّ الرُّبُعُ مِمَّا تَرَكْتُمْ إِنْ لَمْ يَكُنْ لَكُمْ وَلَدٌ} [النساء: 12] (2) .
دليل الثمن: قوله تعالى:. . {فَإِنْ كَانَ لَكُمْ وَلَدٌ فَلَهُنَّ الثُّمُنُ مِمَّا تَرَكْتُمْ} [النساء: 12] (3) .
دليل الثلثين: دليل ذلك قوله تعالى في إناث الفرع الوارث:. . {فَإِنْ كُنَّ نِسَاءً فَوْقَ اثْنَتَيْنِ فَلَهُنَّ ثُلُثَا مَا تَرَكَ} [النساء: 11] (4) .
دليل الثلث: قوله تعالى:. . {فَإِنْ لَمْ يَكُنْ لَهُ وَلَدٌ وَوَرِثَهُ أَبَوَاهُ فَلِأُمِّهِ الثُّلُثُ} [النساء: 11] (5) .
وقوله في الإخوة لأم:. . {فَإِنْ كَانُوا أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ فَهُمْ شُرَكَاءُ فِي الثُّلُثِ} [النساء: 12] (6) .
دليل السدس: دليل ذلك قوله تعالى:. . {وَلِأَبَوَيْهِ لِكُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا السُّدُسُ مِمَّا تَرَكَ إِنْ كَانَ لَهُ وَلَدٌ} [النساء: 11] (7) .
--------------------------------------------
এক-চতুর্থাংশের দলীল: মহান আল্লাহর বাণী: . . . {যদি তাদের সন্তান থাকে, তবে তারা যা রেখে গেছে তা থেকে তোমাদের জন্য এক-চতুর্থাংশ} [আন-নিসা: ১২] (১) ।
এবং তাঁর বাণী: . . {আর তারা যা রেখে গেছে তা থেকে তাদের জন্য এক-চতুর্থাংশ, যদি তোমাদের সন্তান না থাকে} [আন-নিসা: ১২] (২) ।
এক-অষ্টমাংশের দলীল: মহান আল্লাহর বাণী: . . {যদি তোমাদের সন্তান থাকে, তবে তোমরা যা রেখে গেছ তা থেকে তাদের জন্য এক-অষ্টমাংশ} [আন-নিসা: ১২] (৩) ।
দুই-তৃতীয়াংশের দলীল: এর দলীল হলো উত্তরাধিকারী নারী শাখা সদস্যদের সম্পর্কে মহান আল্লাহর বাণী: . . {অতঃপর তারা যদি দুইজনের বেশি নারী হয়, তবে তারা যা রেখে গেছে তার দুই-তৃতীয়াংশ তাদের জন্য} [আন-নিসা: ১১] (৪) ।
এক-তৃতীয়াংশের দলীল: মহান আল্লাহর বাণী: . . {যদি তার কোনো সন্তান না থাকে এবং তার পিতামাতা তার উত্তরাধিকারী হয়, তবে তার মায়ের জন্য এক-তৃতীয়াংশ} [আন-নিসা: ১১] (৫) ।
এবং বৈপিত্রেয় ভাইবোনদের ক্ষেত্রে তাঁর বাণী: . . {আর যদি তারা এর চেয়ে বেশি হয়, তবে তারা এক-তৃতীয়াংশে অংশীদার হবে} [আন-নিসা: ১২] (৬) ।
এক-ষষ্ঠাংশের দলীল: এর দলীল হলো মহান আল্লাহর বাণী: . . {আর তার পিতামাতার প্রত্যেকের জন্য তারা যা রেখে গেছে তার এক-ষষ্ঠাংশ, যদি তার সন্তান থাকে} [আন-নিসা: ১১] (৭) ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
[الموضوع العاشر الوارثون للنصف]
[الوارثون للنصف خمسة أشخاص]الموضوع العاشر
الوارثون للنصف الوارثون للنصف خمسة أشخاص هم: 1 - الزوج.
3 - بنت الابن.
5 - الأخت لأب.
2 - البنت.
4 - الأخت الشقيقة.
قال صاحب الرحبية:
والنصف فرض خمسة أفراد
… الزوج والأنثى من الأولاد
وبنت الابن عند فقد البنت
… والأخت (1) في مذهب كل مفتي
وبعدها الأخت التي من الأب
… عند انفرادهن عن معصب
[شرط إرث الزوج للنصف]شرط إرث الزوج للنصف: يشترط لإرث الزوج النصف شرط واحد عدمي (2) .
وهو عدم الفرع الوارث وهم الأولاد وأولاد البنين مطلقا، ذكورا، أو إناثا، أو ذكورا وإناثا، واحدا أو متعددا، قريب الدرجة أو بعيدها، من الزوج أو من غيره.
ودليل هذا الشرط قوله تعالى: {وَلَكُمْ نِصْفُ مَا تَرَكَ أَزْوَاجُكُمْ إِنْ لَمْ يَكُنْ لَهُنَّ وَلَدٌ} [النساء: 12] (3) .
--------------------------------------------
[দশম বিষয়: যারা অর্ধেক অংশ পাবেন][অর্ধেক অংশ প্রাপ্ত উত্তরাধিকারী হলেন পাঁচ ব্যক্তি]দশম বিষয়
অর্ধেক অংশ প্রাপ্ত উত্তরাধিকারী; অর্ধেক অংশ প্রাপ্ত উত্তরাধিকারী হলেন পাঁচ ব্যক্তি: ১ - স্বামী।
৩ - পুত্রের কন্যা।
৫ - বৈমাত্রেয় বোন।
২ - কন্যা।
৪ - সহোদরা বোন।
রাহবিয়্যাহ্-র রচয়িতা বলেন:
অর্ধেক হলো পাঁচ ব্যক্তির নির্ধারিত অংশ
... স্বামী এবং সন্তানদের মধ্যে নারী (কন্যা)
আর কন্যার অভাবে পুত্রের কন্যা
... এবং বোন (১) প্রত্যেক মুফতির মাযহাব অনুযায়ী
এবং এরপর ঐ বোন যে পিতার পক্ষ থেকে
... যখন তারা আসাবাহ্ প্রদানকারী থেকে পৃথক থাকে
[স্বামীর অর্ধেক অংশ পাওয়ার শর্ত]স্বামীর অর্ধেক অংশ পাওয়ার শর্ত: স্বামীর অর্ধেক উত্তরাধিকার পাওয়ার জন্য একটি নেতিবাচক বা অনুপস্থিতিমূলক শর্ত (২) নির্ধারিত।
তা হলো উত্তরাধিকারী কোনো অধস্তন বংশধর না থাকা। তারা হলো সন্তান এবং পুত্রের সন্তানরা—সাধারণভাবে হোক তারা পুরুষ বা নারী, অথবা পুরুষ ও নারী উভয়ই, একজন হোক বা একাধিক, নিকটবর্তী স্তরের হোক বা দূরবর্তী স্তরের, এই স্বামীর পক্ষ থেকে হোক বা অন্য কারও পক্ষ থেকে।
এই শর্তের দলিল হলো মহান আল্লাহর বাণী: {আর তোমাদের জন্য রয়েছে তোমাদের স্ত্রীরা যা রেখে গেছে তার অর্ধেক, যদি তাদের কোনো সন্তান না থাকে} [আন-নিসা: ১২] (৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: ৩১)
[شروط إرث البنت للنصف]شروط إرث البنت للنصف: يشترط لإرث البنت النصف شرطان عدميّان:
الشرط الأول: عدم المعصب، وهو أخوها، سواء أكان شقيقا، أم لأب، أم لأم ودليل هذا الشرط قوله تعالى: {يُوصِيكُمُ اللَّهُ فِي أَوْلَادِكُمْ لِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الْأُنْثَيَيْنِ} [النساء: 11] (1) .
ووجه الاستدلال بالآية: أنها أعطت الأنثى من الأولاد مع الذكر نصف نصيبه ولم تعطها النصف، فدل على أنها لا ترث النصف في هذه الحالة.
الشرط الثاني: عدم المشارك وهو أختها أو أخواتها، شقيقات أو لأب أو لأم.
ودليل هذا الشرط قوله تعالى في الآية السابقة:. . {وَإِنْ كَانَتْ وَاحِدَةً فَلَهَا النِّصْفُ} [النساء: 11]
ووجه الاستدلال بالآية: أنها اعتبرت لإرث البنت النصف انفرادها، ومفهوم ذلك أنها لا تأخذه مع المشارك.
[شروط إرث بنت الابن للنصف]شروط إرث بنت الابن للنصف: يشترط لإرث بنت الابن النصف ثلاثة شروط عدمية:
الشرط الأول: عدم الفرع الوارث الذي هو أعلى منها، سواء كان ولد صلب أو ولد ابن.
ودليل هذا الشرط الإجماع فلا خلاف في أن بنت الابن لا ترث النصف مع وجود الفرع الوارث الذي هو أعلى منها.
الشرط الثاني: عدم المعصب وهو أخوها سواء كان شقيقا أو لأب، أو ابن
--------------------------------------------
[কন্যার অর্ধেক মিরাস পাওয়ার শর্তাবলি]কন্যার অর্ধেক মিরাস পাওয়ার শর্তাবলি: কন্যার অর্ধেক মিরাস পাওয়ার জন্য দুটি অভাবসূচক (না-বাচক) শর্ত রয়েছে:
প্রথম শর্ত: মুআসসিব (উত্তরাধিকারের অংশ পরিবর্তনকারী পুরুষ) না থাকা; আর সে হলো তার ভাই, চাই সে সহোদর হোক, বৈমাত্রেয় হোক কিংবা বৈপিত্রেয় হোক। এই শর্তের দলিল হলো মহান আল্লাহর বাণী: {আল্লাহ তোমাদের সন্তানদের সম্পর্কে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, এক পুত্রের অংশ দুই কন্যার অংশের সমান।} [আন-নিসা: ১১] (১)।
আয়াতটি থেকে দলিলের দিকটি হলো: এটি পুত্রের সাথে অবস্থানকালে কন্যাকে পুত্রের অংশের অর্ধেক পরিমাণ অংশ প্রদান করেছে এবং তাকে (সম্পূর্ণ সম্পত্তির) অর্ধেক প্রদান করেনি। সুতরাং এটি প্রমাণ করে যে, এই অবস্থায় সে অর্ধেক মিরাস পাবে না।
দ্বিতীয় শর্ত: মুশারিক (অংশীদার) না থাকা; আর সে হলো তার বোন বা তার বোনগণ, তারা সহোদর হোক, বৈমাত্রেয় হোক কিংবা বৈপিত্রেয় হোক।
এই শর্তের দলিল হলো পূর্বোক্ত আয়াতে মহান আল্লাহর বাণী: . . {আর যদি সে (কন্যা) একজন হয়, তবে তার জন্য অর্ধেক।} [আন-নিসা: ১১]
আয়াতটি থেকে দলিলের দিকটি হলো: এটি কন্যার অর্ধেক মিরাস পাওয়ার জন্য তার একাকী হওয়াকে শর্ত হিসেবে গণ্য করেছে; যার মর্মার্থ হলো যে, সে অংশীদারের উপস্থিতিতে অর্ধেক মিরাস গ্রহণ করবে না।
[পুত্রের কন্যার অর্ধেক মিরাস পাওয়ার শর্তাবলি]পুত্রের কন্যার অর্ধেক মিরাস পাওয়ার শর্তাবলি: পুত্রের কন্যার অর্ধেক মিরাস পাওয়ার জন্য তিনটি অভাবসূচক শর্ত রয়েছে:
প্রথম শর্ত: তার চেয়ে উচ্চতর স্তরের কোনো উত্তরাধিকারী বংশধর না থাকা; চাই সে সরাসরি ঔরসজাত সন্তান হোক কিংবা পুত্রের সন্তান হোক।
এই শর্তের দলিল হলো ইজমা বা ঐকমত্য। সুতরাং এতে কোনো মতভেদ নেই যে, পুত্রের কন্যা তার চেয়ে উচ্চতর স্তরের কোনো উত্তরাধিকারী বংশধরের উপস্থিতিতে অর্ধেক মিরাস পায় না।
দ্বিতীয় শর্ত: মুআসসিব না থাকা; আর সে হলো তার ভাই, চাই সে সহোদর হোক, বৈমাত্রেয় হোক কিংবা পুত্রের পুত্র...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: ৩২)
عمها الذي في درجتها.
الشرط الثالث: عدم المشارك وهي أختها شقيقة أو لأب، أو بنت عمها التي في درجتها.
ودليل هذين الشرطين: الإجماع، فلا خلاف في أن بنت الابن لا ترث النصف مع المعصب أو المشارك.
[شروط الأخت الشقيقة]شروط الأخت الشقيقة: يشترط لإرث الأخت الشقيقة النصف أربعة شروط عدمية:
الشرط الأول: عدم الفرع الوارث:
ودليل هذا الشرط قوله تعالى:. . . {إِنِ امْرُؤٌ هَلَكَ لَيْسَ لَهُ وَلَدٌ وَلَهُ أُخْتٌ فَلَهَا نِصْفُ مَا تَرَكَ} [النساء: 176] (1) . فإن المراد بها الأخت لغير أم بالإجماع، وقد اعتبر لإرثها النصف عدم الولد.
الشرط الثاني: عدم الأصل الوارث من الذكور (2) .
ودليل هذا الشرط الآية المذكورة في الشرط الأول.
ووجه الاستدلال بها: أنها في الكلالة، وهي من لا ولد له ولا والد على القول الراجح.
الشرط الثالث: عدم المعصب، وهو أخوها الشقيق.
ودليل هذا الشرط قوله تعالى في الآية السابقة:. . . {وَإِنْ كَانُوا إِخْوَةً رِجَالًا وَنِسَاءً فَلِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الْأُنْثَيَيْنِ} [النساء: 176]
الشرط الرابع: عدم المشارك، وهي أختها الشقيقة.
--------------------------------------------
তার চাচাতো ভাই যে তার সমপর্যায়ের।
তৃতীয় শর্ত: সমঅংশীদার না থাকা; আর সে হলো তার আপন বোন বা বৈমাত্রেয় বোন অথবা তার সমপর্যায়ের চাচাতো ভাইয়ের মেয়ে।
এই দুটি শর্তের দলিল হলো ইজমা (সর্বসম্মতি), কেননা এতে কোনো মতভেদ নেই যে, পুত্রের কন্যা আসাবা (উত্তরাধিকার প্রাপ্তিতে সহায়ক পুরুষ) বা সমঅংশীদারের উপস্থিতিতে অর্ধাংশ মীরাস পায় না।
[আপন বোনের উত্তরাধিকারের শর্তসমূহ]আপন বোনের উত্তরাধিকারের শর্তসমূহ: আপন বোনের অর্ধাংশ মীরাস পাওয়ার জন্য চারটি নেতিবাচক শর্তারোপ করা হয়েছে:
প্রথম শর্ত: কোনো উত্তরাধিকারী বংশধর না থাকা:
এই শর্তের দলিল হলো মহান আল্লাহর বাণী: "...যদি কোনো ব্যক্তি নিঃসন্তান অবস্থায় মারা যায় এবং তার এক বোন থাকে, তবে সে তার পরিত্যক্ত সম্পত্তির অর্ধেক পাবে" [আন-নিসা: ১৭৬] (১)। সর্বসম্মতিক্রমে এখানে বোন বলতে বৈপিত্রীয় বোন ব্যতীত অন্য বোনদের (আপন বা বৈমাত্রেয়) বোঝানো হয়েছে এবং তার অর্ধাংশ পাওয়ার জন্য সন্তান না থাকাকে শর্ত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
দ্বিতীয় শর্ত: পুরুষদের মধ্য থেকে কোনো উত্তরাধিকারী মূল (পিতা বা পিতামহ) না থাকা (২)।
এই শর্তের দলিল হলো প্রথম শর্তে বর্ণিত আয়াতটি।
এর মাধ্যমে দলিল গ্রহণের পদ্ধতি হলো: এটি 'কালালাহ' সংক্রান্ত বিষয়, আর অগ্রগণ্য মত অনুযায়ী 'কালালাহ' হলো সেই মৃত ব্যক্তি যার কোনো সন্তান এবং পিতা নেই।
তৃতীয় শর্ত: মুয়াসসিব (আসাবা বানানোর মতো পুরুষ) না থাকা, আর সে হলো তার আপন ভাই।
এই শর্তের দলিল হলো পূর্ববর্তী আয়াতে মহান আল্লাহর বাণী: "...আর যদি তারা ভাই ও বোন উভয়ই হয়, তবে এক পুরুষের অংশ দুই নারীর অংশের সমান হবে" [আন-নিসা: ১৭৬]।
চতুর্থ শর্ত: সমঅংশীদার না থাকা, আর সে হলো তার আপন বোন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ফারায়িদ
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
ودليل هذا الشرط قوله تعالى في الآية السابقة:. . {فَإِنْ كَانَتَا اثْنَتَيْنِ فَلَهُمَا الثُّلُثَانِ مِمَّا تَرَكَ} [النساء: 176]
[شروط إرث الأخت لأب النصف]شروط إرث الأخت لأب النصف: يشترط لإرث الأخت لأب النصف خمسة شروط عدمية.
الشرط الأول: عدم الفرع الوارث.
الشرط الثاني: عدم الأصل الوارث من الذكور.
الشرط الثالث: عدم المعصب وهو أخوها سواء كان شقيقا لها (1) أو أخا لها من الأب (2) .
الشرط الرابع: عدم المشارك وهي أختها سواء كانت شقيقة لها أو أختها لأبيها.
ودليل هذه الشروط ما تقدم في شروط الشقيقة.
الشرط الخامس: عدم الأشقاء والشقائق.
ودليل هذا الشرط الإجماع.
[الأمثلة]الأمثلة أولا: أمثلة الزوج. المثال الأول المثال الثاني
--------------------------------------------
এবং এই শর্তের দলিল হলো পূর্ববর্তী আয়াতে মহান আল্লাহর বাণী: {অতঃপর তারা যদি দুইজন (বোন) হয়, তবে তিনি যা রেখে গেছেন তার দুই-তৃতীয়াংশ তাদের জন্য।} [আন-নিসা: ১৭৬]
[বৈমাত্রেয় বোনের অর্ধেক মিরাস পাওয়ার শর্তাবলি]বৈমাত্রেয় বোনের অর্ধেক মিরাস পাওয়ার শর্তাবলি: বৈমাত্রেয় বোনের অর্ধেক মিরাস পাওয়ার জন্য পাঁচটি অবিদ্যমানতাগত (নেতিবাচক) শর্তারোপ করা হয়।
প্রথম শর্ত: ওয়ারিস হওয়ার যোগ্য কোনো অধস্তন বংশধর (সন্তানাদি) না থাকা।
দ্বিতীয় শর্ত: ওয়ারিস হওয়ার যোগ্য কোনো পুরুষ ঊর্ধ্বতন মূল (পিতা বা পিতামহ) না থাকা।
তৃতীয় শর্ত: কোনো আসাবা (সহযোগী) না থাকা; আর তিনি হলেন তার ভাই, চাই সে তার আপন ভাই (১) হোক অথবা বৈমাত্রেয় ভাই (২) হোক।
চতুর্থ শর্ত: কোনো অংশীদার না থাকা; আর তিনি হলেন তার বোন, চাই সে তার আপন বোন হোক অথবা বৈমাত্রেয় বোন হোক।
এই শর্তাবলির দলিল হলো যা আপন বোনের শর্তাবলির আলোচনায় গত হয়েছে।
পঞ্চম শর্ত: কোনো আপন ভাই বা আপন বোন না থাকা।
এই শর্তের দলিল হলো ইজমা (ঐক্যমত্য)।
[উদাহরণসমূহ]উদাহরণসমূহ প্রথমত: স্বামীর উদাহরণসমূহ। প্রথম উদাহরণ দ্বিতীয় উদাহরণ
--------------------------------------------