(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: -)
الشيخ محمد بن عبد الوهاب حياته ودعوته في الرؤية الاستشراقية القسم: التراجم والطبقات
الكتاب: الشيخ محمد بن عبد الوهاب حياته ودعوته في الرؤية الاستشراقية
المؤلف: ناصر بن إبراهيم بن عبد الله التويم
الناشر: وزارة الشؤون الإسلامية والأوقاف والدعوة والإرشاد - مركز البحوث والدراسات الإسلامية
الطبعة: الأولى، 1423هـ - 2002م
عدد الصفحات: 146
عدد الأجزاء: 1
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
শেখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব: প্রাচ্যবিদদের দৃষ্টিতে তাঁর জীবন ও দাওয়াত বিভাগ: জীবনী ও ঐতিহাসিক স্তর
বই: শেখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব: প্রাচ্যবিদদের দৃষ্টিতে তাঁর জীবন ও দাওয়াত
লেখক: নাসির বিন ইবরাহিম বিন আব্দুল্লাহ আল-তুওয়াইম
প্রকাশক: ইসলাম বিষয়ক, ওয়াকফ, দাওয়াত ও ইরশাদ মন্ত্রণালয় - গবেষণা ও ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্র
সংস্করণ: প্রথম، ১৪২৩ হিজরি - ২০০২ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৪৬
খণ্ড সংখ্যা: ১
[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: -)
[تقديم]الشيخ محمد بن عبد الوهاب حياته ودعوته في الرؤية الاستشراقية
بسم الله الرحمن الرحيم
[উপস্থাপনা]শায়খ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব: প্রাচ্যতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতে তাঁর জীবন ও দাওয়াত
পরম করুণাময়, অতি দয়ালু আল্লাহর নামে
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৫)
تقديم لمعالي الشيخ صالح بن عبد العزيز بن محمد آل الشيخ وزير الشؤون الإسلامية والأوقاف والدعوة والإرشاد المشرف العام على مركز البحوث والدراسات الإسلامية الحمد لله، نحمده ونستعينه ونستغفره، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا ومن سيئات أعمالنا، من يهده الله فلا مضل له ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا الله وأشهد أن محمدا عبده ورسوله، صلى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلم، أما بعد:
فإن الدعوة الإصلاحية التي قام بها الإمام المجدد الشيخ محمد بن عبد الوهاب رحمه الله لقيت اهتماما كبيرا من قبل الكتاب والمؤلفين، ومن بين هؤلاء المستشرقون الذين اهتموا بدراسة حياة الشيخ ودعوته، ويبدو ذلك واضحا من خلال الكتابات الكثيرة التي أصدرها المستشرقون حوله، سواء أكانت كتبا أم موسوعات أم مقالات أم غير ذلك، ولقد اعتمدوا في دراساتهم على عدد كبير من المصادر الأجنبية، وعدد قليل من المصادر العربية، وكان لتلك المصادر أثر في دقة تلك الدراسات وصحتها أو انحرافها حول حياة الشيخ ودعوته، وقد أصبحت هذه الكتب فيما بعد مصدرا مهما للمعلومات في البلاد الغربية عن هذه الدعوة الإصلاحية، على الرغم مما في تلك المصادر من أخطاء متعمدة وغير متعمدة وقع فيها أغلب المستشرقين، كما يبدو لأي باحث في تلك الدراسات، وبين أيدينا كتاب مهم يسلط الضوء على هذه
মাননীয় শাইখ সালিহ ইবনে আব্দুল আযীয ইবনে মুহাম্মদ আলুশ শাইখের ভূমিকা, যিনি ইসলামি বিষয়, ওয়াকফ, দাওয়াহ এবং ইরশাদ বিষয়ক মন্ত্রী এবং ইসলামি গবেষণা ও অধ্যয়ন কেন্দ্রের সাধারণ তত্ত্বাবধায়ক। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর সাহায্য প্রার্থনা করি এবং তাঁর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্ট এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করেন তার কোনো পথভ্রষ্টকারী নেই এবং তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তার কোনো পথপ্রদর্শক নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া সত্য কোনো মাবুদ নেই এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল। আল্লাহ তাঁর উপর, তাঁর পরিবার-পরিজন এবং তাঁর সকল সাহাবীর উপর দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন। অতঃপর:
নিশ্চয়ই ইমাম মুজাদ্দিদ শাইখ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক পরিচালিত সংস্কারবাদী দাওয়াত লেখক ও গ্রন্থকারদের নিকট ব্যাপক গুরুত্ব লাভ করেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সেই সকল প্রাচ্যবিদ, যারা শাইখের জীবন ও তাঁর দাওয়াত নিয়ে অধ্যয়নে আগ্রহী ছিলেন। প্রাচ্যবিদদের প্রকাশিত অসংখ্য লেখনীর মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে, তা বই হোক কিংবা বিশ্বকোষ কিংবা প্রবন্ধ বা অন্য কিছু। তারা তাদের গবেষণায় বিপুল সংখ্যক বিদেশি উৎস এবং সামান্য কিছু আরবি উৎসের ওপর নির্ভর করেছেন। শাইখের জীবন ও দাওয়াত সংক্রান্ত এই গবেষণাসমূহের নির্ভুলতা, সঠিকতা বা বিচ্যুতিতে উক্ত উৎসগুলোর প্রভাব ছিল। পরবর্তীকালে এই বইগুলো পশ্চিমা দেশগুলোতে এই সংস্কারবাদী আন্দোলন সম্পর্কে তথ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হয়ে ওঠে, যদিও অধিকাংশ প্রাচ্যবিদ ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে সেসব উৎসে অনেক ভুল করেছেন, যা এই গবেষণাসমূহ নিয়ে কাজ করা যেকোনো গবেষকের কাছে স্পষ্ট। এখন আমাদের সামনে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বই রয়েছে যা এই বিষয়ের ওপর আলোকপাত করে।
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৬)
الجوانب وهو بعنوان: " الشيخ محمد بن عبد الوهاب حياته ودعوته في الرؤية الاستشراقية " دراسة نقدية، للدكتور / ناصر بن إبراهيم بن عبد الله التويم.
وقد حرص الكاتب في بحثه على تحقيق الأمور الآتية:
1 - تقديم دراسة وصفية لأهم مصادر المستشرقين التي كتبت عن الشيخ ودعوته ابتداء من تلك الكتابات التي ظهرت في منتصف القرن الثامن عشر حتى القرن العشرين، وتشمل الكتب والموسوعات، والمقالات، والتقارير، والرسائل العلمية.
2 - بيان الرؤية الاستشراقية لكبار المستشرقين عن حياة الشيخ محمد بن عبد الوهاب من حيث: ولادته، ونسبه، ورحلاته، وتكوينه العلمي، ونقد هذه الرؤية.
3 - التعريف بالرؤية الاستشراقية لدعوة الشيخ محمد بن عبد الوهاب من حيث مذهبية الدعوة وجانباها السلوكي والتشريعي، ونقد هذه الرؤية.
وتأتي أهمية هذا البحث في محاولة التعرف إلى الرؤية الاستشراقية من خلال مصادرها الأصلية المكتوبة باللغة الإنجليزية، وأسباب وقوع هذه المصادر في الأخطاء فيما يتعلق بحياة الشيخ ودعوته، وأن المصادر الصحيحة سبب رئيس في ظهور بعض الكتابات الموضوعية عن حياة الشيخ ودعوته.
وقد بذل فضيلة الباحث جهدا كبيرا في البحث حتى أصبح متميزا في محتواه كما أنه متميز في موضوعه، فاشتمل على
দিকসমূহ এবং এটি শিরোনামযুক্ত: "শেখ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহাব: প্রাচ্যবিদদের দৃষ্টিতে তাঁর জীবন ও দাওয়াত" একটি সমালোচনামূলক অধ্যয়ন, ড. নাসের বিন ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ আল-তুওয়াইম কর্তৃক।
লেখক তাঁর গবেষণায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অর্জনের ব্যাপারে সচেষ্ট হয়েছেন:
১ - আঠারো শতকের মধ্যভাগ থেকে শুরু করে বিশ শতক পর্যন্ত শেখ ও তাঁর দাওয়াত সম্পর্কে রচিত প্রাচ্যবিদদের গুরুত্বপূর্ণ উৎসসমূহের একটি বর্ণনামূলক অধ্যয়ন উপস্থাপন করা, যার মধ্যে রয়েছে বই, বিশ্বকোষ, প্রবন্ধ, প্রতিবেদন এবং গবেষণামূলক থিসিস।
২ - শেখ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহাবের জীবন সম্পর্কে প্রধান প্রাচ্যবিদদের দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট করা: তাঁর জন্ম, বংশপরিচয়, সফরসমূহ এবং তাঁর ইলমি গঠন (শিক্ষা-দীক্ষা) এর প্রেক্ষিতে এবং এই দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করা।
৩ - শেখ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহাবের দাওয়াত সম্পর্কে প্রাচ্যবিদদের দৃষ্টিভঙ্গির সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া: দাওয়াতের মাযহাবগত অবস্থান এবং এর আচরণগত ও আইনি (শরয়ী) দিকগুলোর প্রেক্ষিতে এবং এই দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করা।
এই গবেষণার গুরুত্ব নিহিত রয়েছে ইংরেজি ভাষায় লিখিত মূল উৎসগুলোর মাধ্যমে প্রাচ্যবিদদের দৃষ্টিভঙ্গি জানার প্রচেষ্টায়, এবং শেখের জীবন ও দাওয়াত সংক্রান্ত বিষয়ে এই উৎসগুলোতে ভুল সংঘটিত হওয়ার কারণসমূহ উদ্ঘাটন করার মধ্যে; আর এটি স্পষ্ট করা যে সঠিক উৎসগুলোই শেখের জীবন ও দাওয়াত সম্পর্কে কিছু বস্তুনিষ্ঠ লেখা প্রকাশের প্রধান কারণ।
সম্মানীয় গবেষক এই গবেষণায় ব্যাপক প্রচেষ্টা ব্যয় করেছেন, যার ফলে এটি এর বিষয়বস্তুর পাশাপাশি এর সারমর্মের দিক থেকেও অনন্য হয়ে উঠেছে; ফলে এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৭)
تحقيقات بديعة، وتحريرات مفيدة، ودراسات كاشفة عن جملة من الأمور التي تهم الباحثين فيما يتعلق بالجوانب التي تناولها. واعتنى الباحث - وفقه الله - ببيان حقيقة ما وصفت به الدعوة من نعوت سيئة، وما ألصق بها من تهم باطلة، وما بهت به الشيخ من جهة خصومه الذين اتهموه زورا وبهتانا لما أرادوا به تشويه صورته، والتنفير من دعوته وصد الناس عنها. ولم يكن الشيخ في هذا الجانب بدعا من سابقيه من أئمة الهدى والعلم، وقبلهم أسوة الجميع وقدوتهم نبي الله ورسوله محمد صلى الله عليه وسلم، فقد لقي من أذى المشركين وكفار أهل الكتاب أنواعا، حيث أطلق عليه عليه الصلاة والسلام عدد من الأوصاف القادحة في رسالته. وهذه سنة الله التي مضت بابتلاء أنبيائه ورسله عليهم الصلاة والسلام، وأتباعهم من المؤمنين وأئمة الهدى، وهو ابتلاء يتحقق بسببه عدد من الحكم والمنافع، منها: رفع درجات أهله، وتمحيصهم، وتبليغهم منازل لم يكونوا ليبلغوها لمجرد أعمالهم.
إن دعوة الشيخ - يرحمه الله - إنما هي في حقيقتها تجديد لما اندرس من معالم النبوة وإحياء لسنة رسول الله محمد صلى الله عليه وسلم، وهذا أمر يعرفه المنصفون حتى من المخالفين، غير أن الناظر فيما كتبه أكثر المستشرقين يرى أنهم في الجملة امتطوا مركب الاعتساف، وجنحوا إلى الإجحاف، إما بسبب سوء القصد، وإما بسبب عدم التقصي وضعف التحقيق. وقد كانت لهذه الكتابات التي لم يلتزم فيها التجرد والإنصاف آثار سيئة ونتائج مذمومة
চমৎকার গবেষণা, উপকারী সম্পাদনা এবং গবেষণাধর্মী বিশ্লেষণ, যা গবেষকদের সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলির সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক উন্মোচন করে। গবেষক —আল্লাহ তাঁকে তাওফিক দান করুন— এই দাওয়াতের বিরুদ্ধে আরোপিত মন্দ বিশেষণগুলোর স্বরূপ উন্মোচনে এবং এর সাথে লেপ্টে দেওয়া মিথ্যা অভিযোগগুলো খণ্ডনে সচেষ্ট হয়েছেন। সেই সাথে শাইখের বিরুদ্ধে তার শত্রুদের পক্ষ থেকে উত্থাপিত মিথ্যা অপবাদ ও অপপ্রচারের হাকিকত বর্ণনা করেছেন, যারা মূলত তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে, তার দাওয়াতের প্রতি ঘৃণা ছড়াতে এবং মানুষকে তা থেকে বিমুখ করতে চেয়েছিল। এই ক্ষেত্রে শাইখ হেদায়েত ও ইলমের পূর্ববর্তী ইমামদের চেয়ে ভিন্ন কিছু ছিলেন না। আর তাদের সবার আগে রয়েছেন সকলের আদর্শ ও অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব আল্লাহর নবী ও তাঁর রাসুল মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তিনিও মুশরিক ও আহলে কিতাব কাফেরদের পক্ষ থেকে নানা প্রকার কষ্ট সহ্য করেছেন; তারা তাঁর রিসালাতকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য তাঁর প্রতি অনেক নিন্দনীয় বিশেষণ প্রয়োগ করেছিল। আর এটাই আল্লাহর চিরাচরিত নীতি, যা তাঁর নবী ও রাসুলগণ (আলাইহিমুস সালাতু ওয়াস সালাম) এবং তাদের অনুসারী মুমিন ও হেদায়েতের ইমামদের পরীক্ষার মাধ্যমে অতিবাহিত হয়েছে। এটি এমন এক পরীক্ষা, যার মাধ্যমে অনেক হিকমত ও উপকার অর্জিত হয়। যেমন: সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মর্যাদা বৃদ্ধি করা, তাদের পরিশুদ্ধ করা এবং তাদের এমন উচ্চ মকামে পৌঁছানো, যেখানে তারা কেবল নিজেদের আমলের মাধ্যমে পৌঁছাতে পারত না।
প্রকৃতপক্ষে শাইখের —আল্লাহ তাঁকে রহম করুন— দাওয়াত হলো নবুওয়াতের হারিয়ে যাওয়া নিদর্শনাবলির সংস্কার এবং আল্লাহর রাসুল মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাহর পুনর্জাগরণ। এটি এমন এক সত্য যা বিরোধীদের মধ্য থেকেও ইনসাফকারী ব্যক্তিরা স্বীকার করেন। তবে অধিকাংশ প্রাচ্যবিদদের লেখার দিকে দৃষ্টিপাত করলে দেখা যায় যে, তারা মোটের ওপর অন্যায্য ও অবিচারের পথ অবলম্বন করেছেন। এর কারণ হয় তাদের অসৎ উদ্দেশ্য, অথবা যথাযথ অনুসন্ধান ও গবেষণার অভাব। এই সকল লেখালেখি, যেখানে নিরপেক্ষতা ও ইনসাফের তোয়াক্কা করা হয়নি, তার অত্যন্ত নেতিবাচক প্রভাব ও নিন্দনীয় ফলাফল সৃষ্টি হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৮)
خصوصا وأنها المصدر الأساس عند كثير من الأمم الأخرى للتعرف إلى الشيخ - يرحمه الله - ودعوته.
وهذا يقتضي ممن شرح الله صدره لهذه الدعوة المباركة - حتى وجد حلاوة التوحيد والسنة اللذين هما سدى الدعوة ولحمتها، نعم بالآثار الحسنة لها - العناية ببيان حقيقتها وإيضاح صورتها الناصعة، والذب عنها وعن أئمتها، ورد الافتراءات والبهتان عنها وعنهم.
آمل أن يكون هذا البحث نواة رئيسة لأبحاث مستقبلية عن الرؤية الاستشراقية للشيخ محمد بن عبد الوهاب ودعوته في اللغات الحية الأخرى، مثل: الفرنسية والإسبانية وغيرهما، وأسأل الله لإمامنا ومن نصره وأيده الرحمة والمغفرة، كما أسأل الله أن يبارك في مؤلف هذا الكتاب والقائمين على نشره، وأن يوفقهم إلى ما فيه عز الإسلام والمسلمين.
وصلى الله وسلم محمد وعلى آله وصحبه وسلم.
বিশেষ করে যেহেতু এটি অনেক অন্যান্য জাতির নিকট শায়খ—আল্লাহ তাকে রহমত করুন—এবং তাঁর দাওয়াত সম্পর্কে জানার প্রধান উৎস।
আর এটি সেই ব্যক্তির জন্য আবশ্যকীয় করে দেয় যার বক্ষকে আল্লাহ এই বরকতময় দাওয়াতের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছেন—এমনকি সে তাওহীদ ও সুন্নাহর মিষ্টতা আস্বাদন করেছে যা এই দাওয়াতের মূল ভিত্তি ও বুনন, এবং এর উত্তম প্রভাবসমূহ দ্বারা ধন্য হয়েছে—যে সে এর হাকীকত বর্ণনা করতে এবং এর উজ্জ্বল চিত্র স্পষ্ট করতে যত্নবান হবে, এবং একে ও এর ইমামগণকে রক্ষা করবে এবং এর ও তাঁদের বিরুদ্ধে করা অপবাদ ও মিথ্যাচারসমূহ খণ্ডন করবে।
আমি আশা করি এই গবেষণাটি শায়খ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব এবং তাঁর দাওয়াত সম্পর্কে অন্যান্য জীবন্ত ভাষা যেমন: ফরাসি, স্প্যানিশ এবং অন্যান্য ভাষায় প্রাচ্যবিদদের দৃষ্টিভঙ্গির ওপর ভবিষ্যৎ গবেষণাসমূহের একটি প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হবে। আর আমি আমাদের ইমাম এবং যারা তাঁকে সাহায্য ও সমর্থন করেছেন তাঁদের জন্য আল্লাহর কাছে রহমত ও মাগফিরাত প্রার্থনা করছি। তদ্রূপ আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি যে তিনি এই গ্রন্থের লেখক এবং এর প্রকাশের সাথে সংশ্লিষ্টদের বরকত দান করুন এবং তাঁদেরকে সেই দিকে তাওফীক দান করুন যাতে ইসলাম ও মুসলিমদের মর্যাদা নিহিত।
আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ এবং তাঁর সকল সহচরদের ওপর।
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৯)
[المقدمة]المقدمة الحمد لله، والصلاة والسلام على رسوله محمد صلى الله عليه وسلم، وبعد:
فيسرني أن أقدم هذا الكتاب الذي هو بعنوان: " الشيخ محمد بن عبد الوهاب حياته ودعوته في الرؤية الاستشراقية: دراسة نقدية ". ويتكون هذا الكتاب من ثلاثة فصول:
- الفصل الأول " التمهيدي ": دراسة وصفية لأهم مصادر المستشرقين عن حياة الشيخ محمد بن عبد الوهاب ودعوته.
- الفصل الثاني: حياة الشيخ محمد بن عبد الوهاب وتكوينه العلمي في الرؤية الاستشراقية ونقدها.
- الفصل الثالث: دعوة الشيخ محمد بن عبد الوهاب في الرؤية الاستشراقية ونقدها.
لقد اهتم المستشرقون بدراسة حياة الشيخ محمد بن عبد الوهاب ودعوته اهتماما كبيرا، ويبرز هذا الاهتمام من خلال المؤلفات والكتابات المتعددة التي أصدروها حول شخصيته ودعوته، والتي أصبحت - فيما بعد - مصدرا مهما للمعلومات في الغرب عن هذه الدعوة الإصلاحية، على الرغم مما في تلك المصادر من أخطاء وقع فيها أغلب المستشرقين، كما يبدو ذلك لأي باحث موضوعي في تلك الدراسات.
إن اهتمام المستشرقين بدعوة الشيخ محمد بن عبد الوهاب يندرج ضمن اهتمامهم بدراسة الإسلام والمسلمين والبلاد الإسلامية، والذي يقتضي تتبع ما يجري في العالم الإسلامي
[ভূমিকা]ভূমিকা: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর। অতঃপর:
আমি "শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব: প্রাচ্যবিদদের দৃষ্টিতে তাঁর জীবন ও দাওয়াত: একটি সমালোচনামূলক অধ্যয়ন" শীর্ষক এই বইটি উপস্থাপন করতে পেরে আনন্দিত। এই বইটি তিনটি অধ্যায় নিয়ে গঠিত:
- প্রথম অধ্যায় "প্রারম্ভিকা": শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাবের জীবন ও দাওয়াত সম্পর্কে প্রাচ্যবিদদের গুরুত্বপূর্ণ উৎসসমূহের একটি বর্ণনামূলক অধ্যয়ন।
- দ্বিতীয় অধ্যায়: প্রাচ্যবিদদের দৃষ্টিতে শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাবের জীবন ও তাঁর ইলমি গঠন এবং তার সমালোচনা।
- তৃতীয় অধ্যায়: প্রাচ্যবিদদের দৃষ্টিতে শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাবের দাওয়াত এবং তার সমালোচনা।
প্রাচ্যবিদগণ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাবের জীবন ও তাঁর দাওয়াত অধ্যয়নে অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছেন। তাঁদের এই আগ্রহের বিষয়টি ফুটে ওঠে তাঁর ব্যক্তিত্ব ও দাওয়াত সম্পর্কে তাঁদের প্রকাশিত অসংখ্য গ্রন্থ ও রচনার মাধ্যমে, যা পরবর্তীতে এই সংস্কারমূলক আন্দোলন সম্পর্কে পশ্চিমে তথ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ উৎস হয়ে দাঁড়ায়; যদিও ঐসব উৎসে এমন সব ভুলত্রুটি রয়েছে যাতে অধিকাংশ প্রাচ্যবিদ পতিত হয়েছেন, যেমনটি ঐসব গবেষণার যেকোনো বস্তুনিষ্ঠ গবেষকের কাছে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয়।
শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাবের দাওয়াতের প্রতি প্রাচ্যবিদদের এই আগ্রহ মূলত ইসলাম, মুসলিম এবং মুসলিম দেশসমূহ সম্পর্কে তাঁদের অধ্যয়নেরই একটি অংশ, যা মুসলিম বিশ্বে যা কিছু ঘটছে তার ওপর নজর রাখার দাবি রাখে।
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১০)
ورصده وتحليله. ومن القضايا التي عني بها الاستشراق الدعوات الإصلاحية، وأبرزها دعوة الشيخ المجدد محمد بن عبد الوهاب التي تعرضت لكثير من سوء الفهم، وخصوصا من قبل بعض المستشرقين، والذي كان له الأثر في نشر المفاهيم المغلوطة عنها في الغرب، وتأثر بعض أبناء المسلمين بها.
إن هذا الواقع يؤكد أهمية الدراسة النقدية لكتابات المستشرقين حول الشيخ محمد بن عبد الوهاب ودعوته، في مصادرها الأصلية، وبيان حقيقة الرؤية الاستشراقية. لذا فقد أجريت هذه الدراسة بالاعتماد على المؤلفات والكتابات الاستشراقية، محاولا إبراز الجانب العام من الرؤية الاستشراقية ونقدها، وهذه المؤلفات والكتابات حول حياة الشيخ محمد بن عبد الوهاب ودعوته تتمثل في مؤلفات المستشرقين البارزين ومن أهمها ما يأتي:
- كتاب يوهان لودفيج بوركهارت (1) Burkhardt " مذكرات عن البدو والوهابيين " Notes on Bedouins and Wahabys " الذي ترجم جزءا منه د. عبد الله الصالح العثيمين تحت عنوان " مواد لتاريخ الوهابيين ".
--------------------------------------------
এবং এটি পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করা। প্রাচ্যতত্ত্ব যেসব বিষয় নিয়ে কাজ করেছে তার মধ্যে সংস্কারবাদী আন্দোলনসমূহ অন্যতম, আর এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো মুজাদ্দিদ শেখ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাবের দাওয়াত, যা অনেক ভুল বোঝাবুঝির শিকার হয়েছে, বিশেষ করে কিছু প্রাচ্যতত্ত্ববিদের দ্বারা; যা পশ্চিমে এই আন্দোলন সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা ছড়িয়ে দিতে ভূমিকা রেখেছে এবং এর ফলে কিছু মুসলিম সন্তানও তার দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে।
এই বাস্তবতা শেখ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব ও তাঁর দাওয়াত সম্পর্কে প্রাচ্যতত্ত্ববিদদের রচনার ওপর তাদের মূল উৎসসমূহের ভিত্তিতে একটি সমালোচনামূলক গবেষণার গুরুত্ব এবং প্রাচ্যতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গির স্বরূপ উন্মোচনের প্রয়োজনীয়তাকে নিশ্চিত করে। তাই এই গবেষণাটি প্রাচ্যতাত্ত্বিক গ্রন্থ ও রচনার ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়েছে, যেখানে প্রাচ্যতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গির সাধারণ দিকগুলো তুলে ধরার এবং সেগুলোর সমালোচনা করার চেষ্টা করা হয়েছে। শেখ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাবের জীবন ও তাঁর দাওয়াত সম্পর্কে এই গ্রন্থ ও রচনাগুলো বিশিষ্ট প্রাচ্যতত্ত্ববিদদের লেখনীতে বিদ্যমান, যার মধ্যে প্রধান হলো নিম্নরূপ:
- ইয়োহান লুডভিগ বার্কহার্ট (১) Burkhardt-এর বই "বেদুইন ও ওয়াহাবিদের সম্পর্কে ডায়েরি" (Notes on Bedouins and Wahabys), যার একটি অংশ ডক্টর আব্দুল্লাহ আল-সালেহ আল-উসাইমিন "ওয়াহাবিদের ইতিহাসের উপকরণ" শিরোনামে অনুবাদ করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১১)
- تقرير السير هارفورد جونس برايدجس Sir Harford Jones Brydges والذي يحمل عنوان " تاريخ موجز عن الوهابية " ألحقه بتقريره الذي كتبه تحت عنوان " وصف لإجراءات رحلة جلالة الملك لبلاط فارس، من 1807 - 1811م ".
An Account of the transaction of His Majesty {apos;s Mission To The court of persia in the Years 1807 - 1811 to which is appended. A Brief History of the Wahauby.
- كتاب وليام جيفورد بلجريف (1) . William Gifford Palgrave " رواية رحلة سنة في وسط الجزيرة العربية وشرقها " Narrative of A Year} apos;s Journey through Central And Eastren Arabia (1862 - 1863) .
- كتاب لويس بلي (2) . Lewis Pellty " رحلة إلى الرياض "، ترجمه وحققه: د. عبد الرحمن عبد الله الشيخ ود. عويضة بن متيريك الجهني.
- مقالة ولفرد بلنت، Wilfried Blunt " مسح تاريخي لظهور الوهابية
--------------------------------------------
- স্যার হারফোর্ড জোনস ব্রাইডজেস (Sir Harford Jones Brydges)-এর প্রতিবেদন, যার শিরোনাম "ওয়াহাবিবাদ সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত ইতিহাস", যা তিনি "১৮০৭ - ১৮১১ সালে পারস্য দরবারে মহামান্য রাজার মিশনের কার্যক্রমের বিবরণ" শিরোনামে লিখিত তাঁর প্রতিবেদনের সাথে সংযুক্ত করেছেন।
১৮০৭ - ১৮১১ সালে পারস্য দরবারে মহামান্য রাজার মিশনের কার্যক্রমের বিবরণ, যার সাথে ওয়াহাবিবাদের একটি সংক্ষিপ্ত ইতিহাস সংযুক্ত করা হয়েছে।
- উইলিয়াম গিফোর্ড পালগ্রেভ (১)-এর বই। (William Gifford Palgrave) "মধ্য ও পূর্ব আরবে এক বছরের ভ্রমণের বিবরণ" (১৮৬২ - ১৮৬৩)।
- লুইস পেলি (২)-এর বই। (Lewis Pelly) "রিয়াদ সফর", অনুবাদ ও সম্পাদনা করেছেন: ড. আবদুর রহমান আবদুল্লাহ আল-শাইখ এবং ড. আউয়াদাহ বিন মুতাইরিক আল-জুহানি।
- উইলফ্রেড ব্লান্ট (Wilfried Blunt)-এর প্রবন্ধ, "ওয়াহাবিবাদের উত্থানের একটি ঐতিহাসিক জরিপ"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১২)
في الجزيرة العريية وأفولها " Historical Sketch of the Rise and decline of Wahhabism in Arabia الملحق بكتاب الليدي آن بلنت (1) L ady Anne Blunt " رحلة إلى بلاد نجد " A Pilgrimage to Najd.
- المقالتان اللتان أعدهما د. س. مارجليوث (2) . D S. Margoliouth عن الوهابية في دائرة المعارف الإسلامية، وبالتحديد في دائرة المعارف الإسلامية الأولى The First Encyclopedia of Islam 1913 - 1936، وفي دائرة المعارف الإسلامية المختصرة Shorter Encyclopedia of Islam.
- كتاب صمويل مارين زويمر (3) . Samuel M Zwemer " الجزيرة العربية مهد الإسلام " Arabia: The Cradle of Islam ومقالته: الإسلام في الجزيرة العربية " الوهابيون " Islam in Arabia (The Wahabis) ، التي نشرت في كتاب: " عالم المحمديين اليوم " The Mohammedans World of today ".
--------------------------------------------
আরব উপদ্বীপে ওহাবীবাদের উত্থান ও পতন "Historical Sketch of the Rise and decline of Wahhabism in Arabia" যা লেডি অ্যান ব্লান্ট (১) Lady Anne Blunt এর বই "নাজদ দেশে সফর" "A Pilgrimage to Najd" এর পরিশিষ্ট হিসেবে যুক্ত।
- ড. ডি. এস. মারগোলিউথ (২) D. S. Margoliouth কর্তৃক ইসলামি বিশ্বকোষে ওহীবীবাদ নিয়ে রচিত নিবন্ধদ্বয়, বিশেষ করে প্রথম ইসলামি বিশ্বকোষ The First Encyclopedia of Islam 1913 - 1936 এবং সংক্ষিপ্ত ইসলামি বিশ্বকোষ Shorter Encyclopedia of Islam-এ।
- স্যামুয়েল মারিন জুইমার (৩) Samuel M Zwemer এর বই "আরব উপদ্বীপ: ইসলামের সূতিকাগার" "Arabia: The Cradle of Islam" এবং তার নিবন্ধ: আরব উপদ্বীপে ইসলাম "ওহাবীগণ" "Islam in Arabia (The Wahabis)", যা "আজকের মোহাম্মদী বিশ্ব" "The Mohammedans World of today" নামক গ্রন্থে প্রকাশিত হয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
- كتاب هاري سانت جون فيلبي (1) . H. St. J. B. philby " الجزيرة العربية " Arabia.
- مقالة توماس باتريك هيوس Thomas patrick Hughes: وهابي Wahhabi، في قاموسه المسمى: " قاموس الإسلام " Dictionary of Islam.
- مقالة هـ. لاوست (2) . H Laoust. " ابن عبد الوهاب " Ibn Abd alwahhab في دائرة المعارف الإسلامية The Encyclopedia of Islam.
- مقالة م. ف. صمويلي. M. F Samalley " الوهابيون وابن سعود " The Wahhabis and Ibn Saud التي نشرت في مجلة العالم الإسلامي The Muslim World. - مقالة جورج رنتز (3) George Rentz " الوهابية والمملكة العربية السعودية "
--------------------------------------------
হ্যারি সেন্ট জন ফিলবির বই (১)। এইচ. সেন্ট. জে. বি. ফিলবি "আরব উপদ্বীপ" (Arabia)।
টমাস প্যাট্রিক হিউজের নিবন্ধ: ওয়াহাবি (Wahhabi), তার অভিধান যার নাম: "ইসলামের অভিধান" (Dictionary of Islam)।
এইচ. লাউস্টের নিবন্ধ (২)। এইচ. লাউস্ট। "ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব" (Ibn Abd alwahhab) ইসলামি বিশ্বকোষে (The Encyclopedia of Islam)।
এম. এফ. সামালির নিবন্ধ। এম. এফ. সামালি "ওয়াহাবি এবং ইবনে সাউদ" (The Wahhabis and Ibn Saud) যা মুসলিম বিশ্ব (The Muslim World) সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। - জর্জ রেন্টজ-এর নিবন্ধ (৩) জর্জ রেন্টজ "ওয়াহাবি মতবাদ এবং সৌদি আরব কিংডম"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
wahhabism and Saudi Arabia التي نشرت في كتاب " شبه الجزيرة العربية المجتمع والسياسة " The Arabian peninsula Society and Politics، ومقالته الثانية " الوهابيون " The Wahhabis التي نشرت في كتاب: " الأديان في الشرق الأوسط: الأديان الثلاثة في توافقها وتعارضها " Religion in the Middle East Three Religions In concord and conflict.
- بحث لي ديفيد كوبر L ee David Cooper المكمل لدراسة الماجستير تحت عنوان: " كتابات الرحالة الأجانب مرجعا لدراسة الدعوة الوهابية في القرن التاسع عشر الميلادي " Travelers Account as a source for the study of Nineteenth Century Wahhabism، PP 60، وقام بترجمة هذا البحث والتعليق عليه أ. د. عبد الله بن ناصر الوليعي، وطبع تحت العنوان السابق ثم طبع مرة أخرى تحت عنوان: الحركة الوهابية في عيون الرحالة الأجانب.
وسوف تنحصر هذه الرؤية في كتابات المستشرقين المذكورة سابقا للأسباب الآتية:
1 - خطورة الموسوعات الاستشراقية، لاعتماد عدد من القراء الغربيين عليها في الحصول على معلومات ميسرة، والنظر إليها بوصفها مرجع الأساس في معرفة المراجع الأخرى المتضمنة معلومات مفصلة.
2 - إن الموسوعات الاستشراقية تغلب عليها الرؤية الجماعية، لتعدد المحررين في الدائرة الواحدة. ولشهرة هؤلاء المستشرقين
ওয়াহাবিবাদ এবং সৌদি আরব, যা "দ্য এরাবিয়ান পেনিনসুলা: সোসাইটি অ্যান্ড পলিটিক্স" (আরব উপদ্বীপ: সমাজ ও রাজনীতি) গ্রন্থে প্রকাশিত হয়েছে; এবং তাঁর দ্বিতীয় নিবন্ধ "দ্য ওয়াহাবিস" (ওয়াহাবিবাদীরা), যা "রিলিজিয়ন ইন দ্য মিডল ইস্ট: থ্রি রিলিজিয়নস ইন কনকর্ড অ্যান্ড কনফ্লিক্ট" (মধ্যপ্রাচ্যের ধর্মসমূহ: তিন ধর্মের মিল ও অমিল) গ্রন্থে প্রকাশিত হয়েছে।
- লি ডেভিড কুপার-এর গবেষণাপত্র, যা "ট্রাভেলার্স অ্যাকাউন্ট অ্যাজ আ সোর্স ফর দ্য স্টাডি অব নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি ওয়াহাবিজম" (ঊনবিংশ শতাব্দীতে ওয়াহাবি দাওয়াত অধ্যয়নের উৎস হিসেবে বিদেশি পর্যটকদের লেখনি) শিরোনামে তাঁর মাস্টার্স থিসিসের পরিপূরক হিসেবে রচিত, পৃষ্ঠা ৬০। এই গবেষণাটি অনুবাদ ও এর ওপর টীকা প্রদান করেছেন অধ্যাপক ডক্টর আবদুল্লাহ বিন নাসের আল-ওয়ালিঈ। এটি প্রথমে উল্লিখিত শিরোনামে মুদ্রিত হয় এবং পরবর্তীতে "বিদেশি পর্যটকদের দৃষ্টিতে ওয়াহাবি আন্দোলন" শিরোনামে পুনরায় মুদ্রিত হয়।
নিম্নলিখিত কারণে এই দৃষ্টিভঙ্গি পূর্বে উল্লিখিত প্রাচ্যবিদদের লেখনীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে:
১ - প্রাচ্যবিদদের বিশ্বকোষগুলোর গুরুত্ব ও ঝুঁকি; কারণ বহু পশ্চিমা পাঠক সহজ তথ্যের জন্য এগুলোর ওপর নির্ভর করে এবং বিস্তারিত তথ্য সম্বলিত অন্যান্য উৎসগুলো জানার ক্ষেত্রে এগুলোকে প্রধান রেফারেন্স বা মূল আকরগ্রন্থ হিসেবে বিবেচনা করে।
২ - প্রাচ্যবিদদের বিশ্বকোষগুলোতে সাধারণত একটি সামষ্টিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রাধান্য পায়, কারণ প্রতিটি সংকলনে একাধিক সম্পাদক কাজ করেন। আর এই প্রাচ্যবিদদের খ্যাতির কারণেও এটি গুরুত্বপূর্ণ।
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
الذين أشرفوا على هذه الموسوعات مثل: فينسنك (1) . Wensinck وشاخت (2) Schach وغيرهم.
3 - تعد الأسماء الاستشراقية المذكورة سابقا من الأسماء البارزة في الدراسات الاستشراقية، وتعد كتبهم من المراجع الضرورية للمستشرقين المتأخرين.
4 - كثرة الكتابات الاستشراقية وتعددها؛ لذا من غير الممكن إيراد رأي كل مستشرق والرد عليه.
د. ناصر بن إبراهيم بن عبد الله التويم الرياض في 23 3 1423 هـ.
[الفصل الأول دراسة وصفية لأهم مصادر المستشرقين عن حياة الشيخ محمد] بن عبد الوهاب ودعوته
--------------------------------------------
যারা এই বিশ্বকোষগুলোর তত্ত্বাবধান করেছেন যেমন: ভেনসিনক (১)। ভেনসিনক এবং শাক্ত (২) শাক্ত ও অন্যান্যরা।
৩ - পূর্বে উল্লিখিত প্রাচ্যবিদদের নামগুলো প্রাচ্যতত্ত্ব গবেষণায় উল্লেখযোগ্য নাম হিসেবে বিবেচিত, এবং তাঁদের রচিত গ্রন্থগুলো পরবর্তী প্রজন্মের প্রাচ্যবিদদের জন্য অপরিহার্য রেফারেন্স হিসেবে গণ্য।
৪ - প্রাচ্যতত্ত্ব বিষয়ক লেখালেখির আধিক্য ও বৈচিত্র্য; তাই প্রতিটি প্রাচ্যবিদের মতামত উল্লেখ করা এবং সেগুলোর উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়।
ড. নাসের বিন ইবরাহিম বিন আব্দুল্লাহ আত-তুওয়াইম, রিয়াদ, ২৩/০৩/১৪২৩ হিজরি।
[প্রথম অধ্যায়: শেখ মুহাম্মাদের জীবন সম্পর্কে প্রাচ্যবিদদের প্রধান উৎসসমূহের একটি বর্ণনামূলক অধ্যয়ন] বিন আব্দুল ওয়াহহাব ও তাঁর দাওয়াত
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
[أولا الكتب باللغة العربية]الفصل الأول
(التمهيدي)
دراسة وصفية
لأهم مصادر المستشرقين
عن حياة الشيخ محمد بن عبد الوهاب ودعوته
[প্রথমত আরবী ভাষার গ্রন্থসমূহ]প্রথম অধ্যায়
(প্রারম্ভিক)
একটি বর্ণনামূলক অধ্যয়ন
প্রাচ্যবিদদের গুরুত্বপূর্ণ উৎসসমূহের
শায়খ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাবের জীবন ও তাঁর দাওয়াত সম্পর্কে
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
اهتم المستشرقون (1) بدراسة حياة الشيخ محمد بن عبد الوهاب ودعوته اهتماما كبيرا، ويبدو ذلك واضحا من الكتابات العديدة التي أصدرها الاسستشراق حوله سواء أكانت كتبا أم مقالات أم غير ذلك. واعتمدوا في دراساتهم على كثير من المصادر العربية والأجنبية، وقد كان لتلك المصادر أثر في دقة تلك الدراسات وصحتها أو انحرافها، لذا فقد حرصت على دراسة تلك المصادر دراسة وصفية تبين حقيقتها ومدى إمكان الاعتماد عليها، وما خلفته من أثر سلبي أو إيجابي بإجمال في دراسات المستشرقين، ومن ثم الكشف عن مدى إمكان الاعتماد على تلك الدراسات الاستشراقية في النظر إلى الدعوة وصاحبها، ولا سيما أن كثيرا من الباحثين في مجتمعاتنا يستندون إليها في بحوثهم ودراساتهم.
تقصد هذه الدراسة إلى تحقيق عدد من الأهداف هي:
--------------------------------------------
প্রাচ্যবিদগণ (১) শেখ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাবের জীবন ও তাঁর দাওয়াত অধ্যয়নের প্রতি অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছেন। প্রাচ্যতত্ত্বের পক্ষ থেকে তাঁর সম্পর্কে প্রকাশিত অসংখ্য লেখা থেকে এটি স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়, চাই তা বই হোক, প্রবন্ধ হোক কিংবা অন্য কিছু। তারা তাদের গবেষণায় অনেক আরবি ও বিদেশি উৎসের ওপর নির্ভর করেছেন। এই উৎসগুলো সেসব গবেষণার নির্ভুলতা ও সঠিকতা অথবা বিচ্যুতির ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেছে। তাই আমি সেই উৎসগুলো সম্পর্কে একটি বর্ণনামূলক অধ্যয়ন করতে সচেষ্ট হয়েছি, যা সেগুলোর বাস্তবতা এবং সেগুলোর ওপর নির্ভর করার সম্ভাব্যতা ফুটিয়ে তোলে। একই সাথে এটি প্রাচ্যবিদদের গবেষণায় সামগ্রিকভাবে সেগুলোর যে নেতিবাচক বা ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে, তা তুলে ধরবে। এর মাধ্যমে দাওয়াত এবং তার প্রবর্তকের প্রতি দৃষ্টিপাতের ক্ষেত্রে ওই প্রাচ্যতাত্ত্বিক গবেষণাসমূহের ওপর নির্ভর করার সম্ভাব্যতা উন্মোচন করা সম্ভব হবে। বিশেষ করে আমাদের সমাজের অনেক গবেষক তাদের গবেষণা ও অধ্যয়নে এগুলোর ওপর ভিত্তি করে থাকেন।
এই গবেষণার উদ্দেশ্য হলো নিম্নোক্ত কিছু লক্ষ্য অর্জন করা:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২০)
1 - حصر أهم مصادر المستشرقين (1) التي كتبت عن الشيخ ودعوته ابتداء من الكتابات القديمة التي ظهرت في منتصف القرن الثامن عشر إلى القرن العشرين.
2 - شمول العرض لأنواع المصادر حيث شمل أنواع المصادر المكتوبة باللغة الإنجليزية من كتب وتقارير ومقالات وموسوعات ورسائل علمية.
3 - بيان أسباب وقوع عدد كبير من المستشرقين في الأخطاء فيما يتعلق بحياة الشيخ ودعوته.
4 - إظهار أثر المصادر الصحيحة في ظهور بعض الكتابات الموضوعية الجيدة في مجملها عن الشيخ ودعوته.
تشمل الدراسة مصادر المستشرقين التي كتبت باللغة العربية والإنجليزية، وسوف تكون على النحو التالي:
أولا: الكتب باللغة العربية.
--------------------------------------------
১ - আঠারো শতকের মধ্যভাগ থেকে শুরু করে বিশ শতক পর্যন্ত শায়খ এবং তাঁর দাওয়াত সম্পর্কে লিখিত প্রাচ্যবিদদের (১) গুরুত্বপূর্ণ উৎসসমূহ নিরূপণ করা।
২ - উৎসের প্রকারভেদের বর্ণনায় ব্যাপকতা বজায় রাখা; যেখানে ইংরেজি ভাষায় লিখিত বিভিন্ন প্রকারের উৎস যেমন—গ্রন্থ, প্রতিবেদন, প্রবন্ধ, বিশ্বকোষ এবং গবেষণামূলক অভিসন্দর্ভ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
৩ - শায়খের জীবন ও তাঁর দাওয়াত সংক্রান্ত বিষয়ে বিপুল সংখ্যক প্রাচ্যবিদের ভুল করার কারণসমূহ বর্ণনা করা।
৪ - শায়খ ও তাঁর দাওয়াত সম্পর্কে সামগ্রিকভাবে কিছু উত্তম ও বস্তুনিষ্ঠ লেখা প্রকাশের ক্ষেত্রে সঠিক উৎসসমূহের প্রভাব ফুটিয়ে তোলা।
গবেষণাটি আরবি ও ইংরেজি ভাষায় লিখিত প্রাচ্যবিদদের উৎসসমূহকে অন্তর্ভুক্ত করে, যা নিম্নরূপ হবে:
প্রথমত: আরবি ভাষার গ্রন্থসমূহ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২১)
ثانيا: الكتب باللغة الإنجليزية.
ثالثا: التقارير الرسمية باللغة الإنجليزية التي طبعت في مرحلة لاحقة.
رابعا: الموسوعات والقواميس باللغة الإنجليزية.
خامسا: المقالات المنشورة باللغة الإنجليزية في الكتب والمجلات العلمية.
سادسا: الرسائل العلمية باللغة الإنجليزية.
দ্বিতীয়ত: ইংরেজি ভাষায় রচিত গ্রন্থসমূহ।
তৃতীয়ত: ইংরেজি ভাষায় রচিত সরকারি প্রতিবেদনসমূহ যা পরবর্তী পর্যায়ে মুদ্রিত হয়েছে।
চতুর্থত: ইংরেজি ভাষায় রচিত বিশ্বকোষ ও অভিধানসমূহ।
পঞ্চমত: বিভিন্ন গ্রন্থ এবং বৈজ্ঞানিক সাময়িকীতে ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত নিবন্ধসমূহ।
ষষ্ঠত: ইংরেজি ভাষায় রচিত গবেষণা অভিসন্দর্ভসমূহ।
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২২)
أولا - الكتب باللغة العربية: لقد اعتمد المستشرقون في دراساتهم وكتاباتهم عن الشيخ محمد بن عبد الوهاب ودعوته الإصلاحية على عدد من المصادر المكتوبة باللغة العربية، من أهمها:
1 - " روضة الأفكار " لحسين بن غنام، وهو كتاب كبير يقع في جزأين، ويشتمل على فصول تمهيدية، وحياة الشيخ محمد بن عبد الوهاب، والغزوات ابتداء من 1159 هـ إلى عام 1212 هـ، ورسائل الشيخ محمد بن عبد الوهاب. وقد ذكر بعض المستشرقين هذا المرجع ضمن قائمة مراجعهم، ونجد أن المستشرقين الذين اعتمدوا على هذا المرجع أقل خطأ من غيرهم. ومن هؤلاء فيلبي الذي بين في كتابه: " الجزيرة العربية " Arabia، وبالتحديد في فاتحة الكتاب Preface، أن كتاب حسين بن غنام لم يستخدم إلى اليوم بوصفه مرجعا يعتمد عليه في الكتابة، ولكنه يظهر من وقت لآخر في المراجع، وذلك بعد الانتهاء من كتابته قبل وفاته في العقد الأول من القرن الأخير (التاسع عشر) (1) .
ويرى فيلبي أيضا أن حسين بن غنام هو أبو المؤرخين المحدثين للجزيرة العربية، ويقول: " ولذا أدعي بأنني سوف أقدم شيئا مبتكرا جديدا في عملي هذا، وهو الاعتماد في الباب الأول من كتاب " الجزيرة العربية " على ابن غنام الذي أتبعه بإخلاص " (2) .
--------------------------------------------
প্রথমত - আরবি ভাষার বইসমূহ: প্রাচ্যবিদগণ শেখ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব এবং তাঁর সংস্কারবাদী দাওয়াত সম্পর্কে তাঁদের গবেষণা ও লেখালেখিতে আরবি ভাষায় লিখিত বেশ কিছু উৎসের ওপর নির্ভর করেছেন, যার মধ্যে অন্যতম হলো:
১ - হুসাইন বিন ঘান্নাম রচিত "রাওদাতুল আফকার", এটি একটি বিশাল গ্রন্থ যা দুই খণ্ডে বিভক্ত। এতে রয়েছে প্রারম্ভিক পরিচ্ছেদসমূহ, শেখ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাবের জীবনচরিত, ১১৫৯ হিজরি থেকে ১২১২ হিজরি পর্যন্ত পরিচালিত যুদ্ধসমূহ এবং শেখ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাবের পত্রাবলি। কিছু প্রাচ্যবিদ তাঁদের তথ্যসূত্রের তালিকায় এই গ্রন্থটির কথা উল্লেখ করেছেন এবং আমরা দেখতে পাই যে, যেসব প্রাচ্যবিদ এই উৎসের ওপর নির্ভর করেছেন তারা অন্যদের তুলনায় কম ভুল করেছেন। তাঁদের মধ্যে একজন হলেন ফিলবি, যিনি তাঁর "অ্যারাবিয়া" (Arabia) নামক গ্রন্থে, বিশেষ করে গ্রন্থের ভূমিকায় (Preface) উল্লেখ করেছেন যে, হুসাইন বিন ঘান্নামের বইটি আজ পর্যন্ত লেখালেখিতে একটি নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি, তবে এটি মাঝেমধ্যে বিভিন্ন তথ্যসূত্রে উপস্থিত হয়; যা গত শতাব্দীর (ঊনবিংশ শতাব্দী) প্রথম দশকে তাঁর মৃত্যুর পূর্বে লেখা সমাপ্ত হওয়ার পর থেকে দেখা যাচ্ছে (১)।
ফিলবি আরও মনে করেন যে, হুসাইন বিন ঘান্নাম হলেন আরব উপদ্বীপের আধুনিক ঐতিহাসিকদের জনক। তিনি বলেন: "তাই আমি দাবি করছি যে, আমি আমার এই কাজে নতুন ও উদ্ভাবনী কিছু পেশ করতে যাচ্ছি, আর তা হলো 'অ্যারাবিয়া' গ্রন্থের প্রথম অধ্যায়ে ইবনে ঘান্নামের ওপর নির্ভর করা, যাকে আমি একনিষ্ঠভাবে অনুসরণ করছি" (২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
ومن المستشرقين الذين ذكروا كتاب: " روضة الأفكار " في قائمة مراجعهم المستشرق د. س. مارجليوث Margoliouth. S. D في مقالته " الوهابية " (1) Wahhabiya في دائرة المعارف الإسلامية الأولى The First Encyclopedia of Islam 1913 - 1936، وفي مختصر دائرة المعارف الإسلامية Shorter encyclopedia of Islam، ولكن هذا المستشرق لم يعتمد على كتاب ابن غنام إلا في فقرة واحدة تتعلق ببعض الممارسات الشركية المنتشرة في الجزيرة العربية والباقية من عهد الجاهلية (2) .
ومع أنه يعد من أقدم المراجع وأوثقها؛ لأن المؤلف عاصر دعوة الشيخ محمد بن عبد الوهاب - يرحمه الله - وكتب عن معرفة بالشيخ ودعوته ومتابعة للحوادث التي وقعت في زمنه، إلا أن عددا كبيرا من المستشرقين لم يعتمد عليه.
2 - " عنوان المجد في تاريخ نجد " لعثمان بن عبد الله بن بشر الحنبلي، وهو كتاب كبير يقع في جزأين، وتحدث فيه عن الشيخ محمد بن عبد الوهاب وعن الحوادث ابتداء من عام 1158 هـ إلى عام 1267هـ، وقد ذكر بعض المستشرقين هذا الكتاب ضمن قائمة
--------------------------------------------
ঐ সকল প্রাচ্যবিদদের মধ্যে যারা তাদের তথ্যসূত্রের তালিকায় 'রওজাতুল আফকার' গ্রন্থের কথা উল্লেখ করেছেন, তাদের অন্যতম হলেন প্রাচ্যবিদ ডি. এস. মারগোলিউথ (D. S. Margoliouth)। তিনি তার 'ওয়াহাবিয়া' (১) (Wahhabiya) নামক প্রবন্ধে—যা 'দ্য ফার্স্ট এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ইসলাম ১৯১৩-১৯৩৬' (The First Encyclopedia of Islam 1913 - 1936) এবং 'শর্টার এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ইসলাম' (Shorter Encyclopedia of Islam)-এ প্রকাশিত হয়েছে—সেখানে এটি উল্লেখ করেছেন। তবে এই প্রাচ্যবিদ ইবনে গান্নামের বইয়ের ওপর কেবল একটি অনুচ্ছেদের ক্ষেত্রে নির্ভর করেছেন, যা আরব উপদ্বীপে প্রচলিত এবং জাহেলি যুগ থেকে অবশিষ্ট থাকা কিছু শিরকপূর্ণ কর্মকাণ্ডের সাথে সম্পর্কিত ছিল (২)।
যদিও এটি প্রাচীনতম এবং নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্রগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত; কারণ লেখক শেখ মুহাম্মদ বিন আবদুল ওয়াহাব (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন)-এর দাওয়াতের সমসাময়িক ছিলেন এবং তিনি শেখ ও তাঁর দাওয়াত সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রেখে এবং তাঁর সময়ে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলি অনুসরণের মাধ্যমে এটি লিখেছিলেন, তা সত্ত্বেও বিশাল সংখ্যক প্রাচ্যবিদ এর ওপর নির্ভর করেননি।
২ - উসমান বিন আবদুল্লাহ বিন বিশর আল-হাম্বলি রচিত 'উনওয়ান আল-মাজদ ফি তারিখি নাজদ'। এটি একটি বৃহৎ গ্রন্থ যা দুই খণ্ডে বিভক্ত। এতে তিনি শেখ মুহাম্মদ বিন আবদুল ওয়াহাব এবং ১১৫৮ হিজরি থেকে ১২৬৭ হিজরি পর্যন্ত ঘটে যাওয়া ঘটনাবলি সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। কিছু প্রাচ্যবিদ এই কিতাবটি তালিকার অন্তর্ভুক্ত করেছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
مراجعهم، ومنهم فيلبي في كتابه: " الجزيرة العربية "، ومارجليوث في مقالته " الوهابية ". يقول فيلبي: " وبعد حسين بن غنام يأتي عثمان بن عبد الله بن بشر الحنبلي المؤرخ الذي جاء في العقد الخامس من القرن التاسع عشر وكتب تاريخ أسلافه بناء على البحث والمعرفة، وقد اشتهر، وحل محل ابن غنام بوصفه مؤرخا (1) .
ولعلنا نشير إلى أن تاريخ ابن بشر يعد أكثر تفصيلا فيما يتعلق بالحوادث من تاريخ ابن غنام. أما فيما يتعلق بفيلبي فإنه " عندما يتحدث عن الحدث نفسه يتحول إلى الاعتماد على ابن بشر بصفته مصدرا أساسيا مع أنه يذكر ابن غنام من بين مصادره " (2) .
وكتاب ابن بشر يعد من الكتب الموثوقة في تاريخ الشيخ ودعوته، ولكننا نلحظ قلة المستشرقين الذين اعتمدوا على هذا الكتاب الموثوق.
3 - " تاريخ نجد " لمحمود شكري الألوسي، وهذا الكتاب ذكره بعض المستشرقين في قائمة مراجعهم ومنهم هـ. لاوست في مقالته: " ابن عبد الوهاب " Ibn Abd Al Wahhab في دائرة المعارف الإسلامية Encyclopedia of Islam.
وكتاب الألوسي يعد من الكتب الموجزة في تاريخ نجد ودعوة الشيخ محمد بن عبد الوهاب - يرحمه الله -.
وقد اعتمد المؤلف على كتاب ابن غنام وابن بشر في تاريخه.
--------------------------------------------
তাদের তথ্যসূত্রসমূহ, যাদের মধ্যে ফিলবি তাঁর "আরব্য উপদ্বীপ" নামক গ্রন্থে এবং মারগোলিউথ তাঁর "ওয়াহাবিবাদ" শীর্ষক প্রবন্ধে উল্লেখ করেছেন। ফিলবি বলেন: "হুসাইন ইবনে গান্নামের পর ঐতিহাসিক উসমান বিন আবদুল্লাহ বিন বিশর আল-হাম্বলির নাম আসে, যিনি উনবিংশ শতাব্দীর পঞ্চম দশকে আবির্ভূত হন এবং গবেষণা ও জ্ঞানের ভিত্তিতে তাঁর পূর্বপুরুষদের ইতিহাস রচনা করেন। তিনি খ্যাতি অর্জন করেন এবং ঐতিহাসিক হিসেবে ইবনে গান্নামের স্থলাভিষিক্ত হন (১)।
সম্ভবত আমাদের এটি উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, ঘটনাবলির বর্ণনার ক্ষেত্রে ইবনে গান্নামের ইতিহাসের তুলনায় ইবনে বিশরের ইতিহাস গ্রন্থটি অধিক বিস্তারিত। আর ফিলবির বিষয়ে বলতে গেলে তিনি "যখন কোনো বিশেষ ঘটনার বর্ণনা দেন, তখন ইবনে বিশরের ওপরই প্রধান উৎস হিসেবে নির্ভর করেন, যদিও তিনি তাঁর উৎসগুলোর মধ্যে ইবনে গান্নামের নামও উল্লেখ করেন" (২)।
শায়খের ইতিহাস ও তাঁর দাওয়াতের ক্ষেত্রে ইবনে বিশরের গ্রন্থটি অন্যতম নির্ভরযোগ্য বই হিসেবে গণ্য হয়, কিন্তু আমরা লক্ষ্য করি যে, খুব কম সংখ্যক প্রাচ্যবিদই এই নির্ভরযোগ্য গ্রন্থটির ওপর নির্ভর করেছেন।
৩ - মাহমুদ শুকরি আল-আলুসির "তারিখে নাজদ" (নাজদের ইতিহাস); এই গ্রন্থটি কিছু প্রাচ্যবিদ তাঁদের তথ্যসূত্রের তালিকায় উল্লেখ করেছেন, যাদের মধ্যে এইচ. লাউস্ট 'এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ইসলাম'-এ তাঁর "ইবনে আবদ আল-ওয়াহাব" শীর্ষক প্রবন্ধে এটি উল্লেখ করেছেন।
আলুসির বইটি নাজদের ইতিহাস এবং শায়খ মুহাম্মদ বিন আবদুল ওয়াহাব (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন)-এর দাওয়াতের ইতিহাস সংক্রান্ত একটি সংক্ষিপ্ত গ্রন্থ।
লেখক তাঁর ইতিহাস রচনায় ইবনে গান্নাম ও ইবনে বিশরের বইয়ের ওপর নির্ভর করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
يقول الشيخ محمد بهجة الأثري - يرحمه الله - عن هذا الكتاب الذي عني بتحقيقه والتعليق عليه: " كما تكفل بشرح الدعوة الإسلامية السلفية. . بعبارة وجيزة، وأسلوب سلس سائغ للشرب، تفهمه العامة ولا تنكره الخاصة، هذا عدا ما جاء فيه استطرادا من الأشعار الرائقة، وبعض الفصول التاريخية والمناظرات العلمية، وكشف حقيقة بعض البلاد المجاورة تصريحا أو تلويحا " (1) .
4 - " أثر الدعوة الوهابية في الإصلاح الديني والعمراني في جزيرة العرب وغيرها " لمحمد حامد الفقي. ذكر هذا الكتاب بعض المستشرقين في قائمة مراجعهم ومنهم هـ. لاوست في مقالته: " ابن عبد الوهاب " Ibn Abd Al Wahhab في دائرة المعارف الإسلامية Encyclopedia of Islam.
ويعد كتاب الفقي من الكتب المختصرة الجيدة التي كتبت عن الشيخ ودعوته، فهو من علماء الأزهر الشريف، وقد تحدث عن دعوة الشيخ وبيان حقيقتها مدعما ذلك بقول من مؤلفات الشيخ محمد بن عبد الوهاب بينت أن دعوته دعوة تجديدية وفق منهج السلف الصالح (2) . ولكنه لم يضمن كتابه المراجع العلمية التي اعتمد عليها.
--------------------------------------------
শায়খ মুহাম্মদ বাহজাত আল-আসারী - আল্লাহ তাঁকে রহম করুন - এই গ্রন্থটি সম্পর্কে বলেন, যার তাহকীক ও টীকা প্রদানের কাজ তিনি আঞ্জাম দিয়েছেন: "এটি সালাফী ইসলামি দাওয়াতের ব্যাখ্যা সংক্ষেপে প্রদান করার দায়িত্ব নিয়েছে। সংক্ষিপ্ত বাক্য এবং অত্যন্ত সাবলীল ও প্রাঞ্জল শৈলীতে, যা সাধারণ মানুষ সহজে বুঝতে পারে এবং বিজ্ঞজনরা অস্বীকার করে না। এর পাশাপাশি এতে প্রাসঙ্গিকভাবে এসেছে চমৎকার কিছু কবিতা, কিছু ঐতিহাসিক অধ্যায় ও ইলমী মুনাজারা (তাত্ত্বিক বিতর্ক), এবং পার্শ্ববর্তী কিছু অঞ্চলের প্রকৃত অবস্থা স্পষ্টভাবে বা ইঙ্গিতপূর্ণভাবে উন্মোচন করা হয়েছে।" (১)।
৪ - মুহাম্মদ হামিদ আল-ফিকী রচিত "আরব উপদ্বীপ ও অন্যত্র ধর্মীয় ও নাগরিক সংস্কারে ওয়াহাবী দাওয়াতের প্রভাব"। কিছু প্রাচ্যবিদ তাদের তথ্যসূত্রের তালিকায় এই গ্রন্থটির কথা উল্লেখ করেছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন এইচ. লাউস্ট, তাঁর "ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব" নামক প্রবন্ধে, যা 'এনসাইক্লোপিডিয়া অব ইসলাম'-এ প্রকাশিত হয়েছে।
আল-ফিকীর বইটি শায়খ এবং তাঁর দাওয়াত সম্পর্কে লিখিত সংক্ষিপ্ত ও উত্তম গ্রন্থগুলোর অন্যতম হিসেবে গণ্য। তিনি আল-আযহার আশ-শরীফের একজন আলেম ছিলেন। তিনি শায়খের দাওয়াত এবং এর প্রকৃত রূপ বর্ণনায় শায়খ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাবের রচনাবলি থেকে উদ্ধৃতি পেশ করে তা শক্তিশালী করেছেন, যা প্রমাণ করে যে তাঁর দাওয়াত ছিল সালাফে সালেহীনের মানহাজ অনুযায়ী একটি সংস্কারমূলক দাওয়াত (২)। তবে তিনি তাঁর গ্রন্থে সেই ইলমী সূত্রসমূহ অন্তর্ভুক্ত করেননি যার ওপর তিনি নির্ভর করেছিলেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
5 - " كتاب لمع الشهاب في سيرة محمد بن عبد الوهاب " لمؤلف مجهول. وهذا الكتاب ذكر في مراجع عدد من المستشرقين ومنهم مارجليوث في مقالته: " الوهابية " في دائرة المعارف الإسلامية الأولى First Encyclopedia of Islam 1913 - 1936، وفي مختصر دائرة المعارف الإسلامية Shorter Encyclopedia of Islam، وفي مقالة لاوست " ابن عبد الوهاب " Ibn Abd Alwahhab في دائرة المعارف الإسلامية Encyclopedia of Islam.
ولعل من المهم الإشارة إلى أن عددا من المستشرقين اعتمدوا على هذا الكتاب كليا في معلوماتهم، ومنهم مارجليوث الذي اعتمد على الكتاب في مقالتيه في دائرة المعارف الإسلامية الأولى وفي مختصر دائرة المعارف، وخاصة فيما يتعلق برحلات الشيخ وتعلمه؛ إذ أورد عددا من الأماكن - معتمدا على كتاب لمع الشهاب - التي زارها الشيخ محمد بن عبد الوهاب، ومنها: كردستان، وهمذان، وأصفهان، وأنه درس الفلسفة الإشراقية (1) ويجدر بنا أن نشير إلى أن الكتاب وصل مخطوطا إلى المتحف البريطاني في لندن عام 1277 هـ 1860 م. وبقي في المتحف إلى عام 1387 هـ 1967 م إلى أن قامت دار الثقافة في بيروت بنشره بتحقيق د. أحمد مصطفى بو حاكمة في ذلك العام. ولما طبع هذا الكتاب وبدأ ينتشر وعرف ما فيه من التجني والكذب أسندت دارة الملك عبد العزيز بالرياض إلى الشيخ عبد الرحمن بن عبد الله آل الشيخ
--------------------------------------------
৫ - জনৈক অজ্ঞাত লেখকের "কিতাব লুমা আশ-শিহাব ফি সিরাত মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব"। এই বইটি বেশ কিছু প্রাচ্যবিদের তথ্যসূত্রে উল্লিখিত হয়েছে, যাদের মধ্যে মারজোলিউথ তাঁর নিবন্ধ "আল-ওয়াহাবিয়া"-তে (প্রথম এনসাইক্লোপিডিয়া অব ইসলাম ১৯১৩ - ১৯৩৬ এবং শর্টার এনসাইক্লোপিডিয়া অব ইসলাম-এ) এবং লাউস্ট তাঁর নিবন্ধ "ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব"-এ (এনসাইক্লোপিডিয়া অব ইসলাম-এ) এটি উল্লেখ করেছেন।
সম্ভবত এটি উল্লেখ করা গুরুত্বপূর্ণ যে, বেশ কয়েকজন প্রাচ্যবিদ তাদের তথ্যের জন্য সম্পূর্ণরূপে এই বইটির ওপর নির্ভর করেছেন। তাদের মধ্যে মারজোলিউথ অন্যতম, যিনি তাঁর নিবন্ধদ্বয়ে (প্রথম এনসাইক্লোপিডিয়া এবং শর্টার এনসাইক্লোপিডিয়াতে) এই বইটির ওপর নির্ভর করেছেন, বিশেষ করে শাইখের সফর এবং তাঁর শিক্ষা অর্জনের বিষয়ে; তিনি "লুমা আশ-শিহাব" বইটির ওপর ভিত্তি করে শাইখ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাবের ভ্রমণকৃত বেশ কিছু স্থানের উল্লেখ করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে: কুর্দিস্তান, হামাদান ও ইসফাহান। এমনকি সেখানে দাবি করা হয়েছে যে তিনি ইশরাকি দর্শন (১) অধ্যয়ন করেছিলেন। এখানে উল্লেখ করা বাঞ্ছনীয় যে, বইটি ১২৭৭ হিজরি মোতাবেক ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে পাণ্ডুলিপি হিসেবে লন্ডনের ব্রিটিশ মিউজিয়ামে পৌঁছায়। এটি মিউজিয়ামে ১৩৮৭ হিজরি মোতাবেক ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সংরক্ষিত ছিল, অতঃপর সেই বছর বৈরুতের 'দারুত সাকাফাহ' ডক্টর আহমদ মুস্তফা আবু হাকিমাহর সম্পাদনায় এটি প্রকাশ করে। যখন এই বইটি মুদ্রিত ও প্রচারিত হতে শুরু করল এবং এতে বিদ্যমান অপবাদ ও মিথ্যার বিষয়টি প্রকাশিত হলো, তখন রিয়াদের 'দারাতুল মালিক আব্দুল আজিজ' এর দায়িত্ব শাইখ আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ আলুশ-শাইখকে অর্পণ করল।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
مسؤولية التحقيق والتعليق على هذا الكتاب، وذلك للرد على ما جاء فيه من المفتريات (1) .
وكما أشرنا سابقا، فإن عددا من المستشرقين الباحثين اعتمدوا على هذا الكتاب وعدوه مرجعا بغض النظر عن الاعتبارات الآتية:
- أن المؤلف مجهول، وقد اشتهر ذلك بين الناس (2) ومع ذلك اعتمدوا عليه.
- أنه معاد لدعوة الشيخ محمد بن عبد الوهاب ولذلك يعترف مارجليوث ويقول: " إنه معاد ولكن ليس إلى درجة مفرطة " (3) ومع ذلك يعتمد عليه.
- أن هذا المؤلف المجهول للكتاب يبدو عاميا وغير ملم بقواعد اللغة العربية (4) مما لا يؤهله لوضع مؤلف علمي عن دعوة الشيخ محمد بن عبد الوهاب، ولذا وقع المؤلف في كثير من الأخطاء، " وقد اعتمد في تسجيله للوقائع والمعلومات
--------------------------------------------
এই কিতাবটির তাহকীক ও টীকা প্রদানের দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে, যাতে এতে উল্লেখিত মিথ্যা অপবাদগুলোর (১) উত্তর দেওয়া যায়।
আর যেমনটি আমরা পূর্বে ইশারা করেছি যে, বেশ কয়েকজন গবেষক প্রাচ্যবিদ এই কিতাবটির ওপর নির্ভর করেছেন এবং নিম্নোক্ত বিষয়গুলো বিবেচনা না করেই একে একটি নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে গণ্য করেছেন:
- লেখক অজ্ঞাত, এবং মানুষের মাঝে এটি সুপরিচিত (২), তা সত্ত্বেও তারা এর ওপর নির্ভর করেছেন।
- এটি শায়খ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাবের দাওয়াতের প্রতি বিদ্বেষী, আর এ কারণেই মারগোলিউথ স্বীকার করে বলেন: "এটি বিদ্বেষী, তবে তা চরম পর্যায়ে নয়" (৩), তা সত্ত্বেও এর ওপর নির্ভর করা হয়েছে।
- কিতাবটির এই অজ্ঞাত লেখককে সাধারণ জ্ঞানসম্পন্ন মনে হয় এবং তিনি আরবি ভাষার ব্যাকরণ সম্পর্কেও অবগত নন (৪), যা তাঁকে শায়খ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাবের দাওয়াত সম্পর্কে একটি ইলমি গ্রন্থ রচনার যোগ্য করে তোলে না। এই কারণেই লেখক অনেক ভুলের শিকার হয়েছেন, "এবং তিনি ঘটনাবলি ও তথ্যসমূহ লিপিবদ্ধ করার ক্ষেত্রে নির্ভর করেছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
التاريخية - سواء المعاصرة له أم السابقة لعصره بقليل - على الأخبار والسماع رواية فإنه يشك في مروياته - بل متهم فيها -؛ لأن من أخطأ في ما هو ثابت ومدون، فهو بالخطأ فيما يروي ويسمع أولى. . لفقدانه التحري والتقصي " (1) .
[ثانيا الكتب باللغة الإنجليزية]ثانيا - الكتب باللغة الإنجليزية: لقد اعتمد المستشرقون على عدد من كتب الرحالة الغربيين (2) في كتاباتهم عن الشيخ محمد بن عبد الوهاب ودعوته، وقد بدأت الرحلات الاستطلاعية الغربية في أوائل القرن السادس عشر الميلادي، وبالتحديد في عام 908 هـ 1502 م، عندما قام لودو فيكو
--------------------------------------------
ঐতিহাসিক [উৎসসমূহ]—তাঁহার সমসাময়িক হউক অথবা তাঁহার সময়ের কিঞ্চিৎ পূর্বের হউক—যদি সংবাদ এবং শ্রুতি-নির্ভর বর্ণনার উপর ভিত্তি করিয়া হয়, তবে তাঁহার বর্ণিত বিষয়সমূহে সন্দেহ পোষণ করা হয়—বরং তিনি এই ক্ষেত্রে অভিযুক্ত—; কেননা যে ব্যক্তি সুপ্রতিষ্ঠিত এবং লিপিবদ্ধ বিষয়ে ভুল করে, সে যাহা বর্ণনা করে এবং শ্রবণ করে তাহাতে ভুল করিবার অধিকতর যোগ্য। অনুসন্ধান ও যাচাই-বাছাইয়ের অভাবের কারণে।" (১) ।
[দ্বিতীয়ত: ইংরেজি ভাষার বইসমূহ]দ্বিতীয়ত - ইংরেজি ভাষার বইসমূহ: প্রাচ্যবিদগণ শায়খ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব এবং তাঁহার দাওয়াত সম্পর্কে তাঁহাদের লেখায় কতিপয় পাশ্চাত্য পর্যটকদের বইয়ের (২) উপর নির্ভর করিয়াছেন। পাশ্চাত্য অনুসন্ধানমূলক সফরসমূহ ষোড়শ শতাব্দী ঈসায়ীর শুরুর দিকে শুরু হইয়াছিল, সুনির্দিষ্টভাবে ৯০৮ হিজরি মোতাবেক ১৫০২ খ্রিষ্টাব্দে, যখন লুদোভিকো
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
دي فاريما L udo Vico De Varthema برحلته إلى البلاد العربية، وهو من أوائل الأوربيين الذين استطاعوا وصف الحج إلى مكة المكرمة (1) . ولقد اختلفت دوافع الرحالة، ولكن أغلبهم ارتبطوا بالجمعيات الجغرافية الاستشراقية في أوروبا، كما تفاوتت كتاباتهم تبعا لأهدافهم وقدراتهم، ومن المناسب أن نقسم الرحالة صنفين:
الصنف الأول: الرحالة الذين لم يعرف عنهم نشاط تنصيري: ويدخل ضمن هذه الفئة مجموعة كبيرة من الرحالة، أشير إلى أشهرهم من الذين تتداول كتبهم بين الغربيين بكثرة من أجل الحصول على معلومات عن الجزيرة العربية وأحوالها وتاريخها. ومن هذه الكتب ما يأتي:
1 - " رحلات إلى الجزيرة العربية والبلاد الشرقية " Travels through Arabia and other countries in the east كتبه نيبور (2) Niebuhr 1146 - 1231 هـ 1733 - 1815 م. وكان نيبور وأصحابه قد أكملوا التدريبات للسفر إلى الجزيرة العربية في شهر يناير كانون الثاني عام 1175 هـ 1761 م، وكانوا ستة أشخاص، وبدؤوا رحلتهم بحرا من مدينة كوبنهاجن، ومضت ثمانية عشر شهرا قبل أن تطأ
--------------------------------------------
লুডোভিকো ডি ভার্থেমা আরব দেশগুলোতে তাঁর সফরের মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেন। তিনি প্রথম দিকের ইউরোপীয়দের মধ্যে অন্যতম যারা মক্কা মুকাররামায় হজ্জ পালনের বিবরণ দিতে সক্ষম হয়েছিলেন (১)। পর্যটকদের উদ্দেশ্য ভিন্ন ভিন্ন ছিল, তবে তাদের অধিকাংশই ইউরোপের প্রাচ্যবিদ ভৌগোলিক সমিতিগুলোর সাথে যুক্ত ছিলেন। একইভাবে তাদের উদ্দেশ্য ও সক্ষমতা অনুযায়ী তাদের লেখনিগুলোতেও ভিন্নতা দেখা যায়। পর্যটকদের দুটি শ্রেণিতে ভাগ করা সমীচীন:
প্রথম শ্রেণি: সেই সকল পর্যটক যাদের ব্যাপারে কোনো খ্রিষ্টধর্ম প্রচারণামূলক কার্যক্রমের কথা জানা যায় না: এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন বিশাল একদল পর্যটক। আমি তাদের মধ্যে সর্বাধিক প্রসিদ্ধদের কথা উল্লেখ করছি যাদের বইসমূহ আরব উপদ্বীপ, এর অবস্থা এবং ইতিহাস সম্পর্কে তথ্য লাভের উদ্দেশ্যে পশ্চিমা বিশ্বের নিকট ব্যাপকভাবে সমাদৃত। এই বইগুলোর মধ্যে রয়েছে:
১ - "আরব উপদ্বীপ ও প্রাচ্যের দেশগুলোতে ভ্রমণ" Travels through Arabia and other countries in the east; এটি লিখেছেন নিবুর (২), ১১৪৬ - ১২৩১ হিজরি, ১৭৩৩ - ১৮১৫ খ্রিষ্টাব্দ। নিবুর ও তাঁর সঙ্গীরা ১১৭৫ হিজরি ১৭৬১ খ্রিষ্টাব্দের জানুয়ারি মাসে আরব উপদ্বীপ ভ্রমণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন। তাঁরা ছিলেন মোট ছয় জন। তাঁরা কোপেনহেগেন শহর থেকে সমুদ্রপথে যাত্রা শুরু করেন। আঠারো মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পর তাঁরা প্রথম পা রাখেন—
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
أقدامهم البلاد العربية، وكان نيبور أكثر أفراد البعثة عقلانية وأقدرهم على تحمل المشاق، ونيبور لم يأت إلى نجد إنما ذهب إلى جدة ثم إلى اليمن (1) .
ولقد كتب نيبور - كما يزعم - عن الدين الجديد في نجد وكتاباته تعد كتابة موجزة عن الشيخ محمد بن عبد الوهاب ودعوته، ولكنها تعد من أقدم الكتابات في هذا الموضوع، واستقى معلوماته بالسماع، مما جعله يقع في أخطاء عن الشيخ ودعوته.
2 - " مذكرات عن البدو والوهابيين " Notes on the Bedouins and Wahabys من تأليف يوهان لودفيج بوركهارت Burkhardt 1199 - 1233 هـ 1784 - 1817 م. ويعد هذا الكتاب من المراجع المهمة لعدد كبير من المستشرقين الذين تناولوا الشيخ محمد بن عبد الوهاب ودعوته، وقد ترجم جزء من هذا الكتاب تحت عنوان: " مواد لتاريخ الوهابيين " قام بترجمته الدكتور عبد الله الصالح العثيمين. ويعدّ بوركهارت " من أدق الرحالة الذين زاروا الجزيرة العربية وأصحهم تدوينًا " (2) ولقد كتب عن الشيخ ودعوته في مقدمة كتابه وتحدث عن الفرق بين مبادىء دعوة الشيخ وما عليه الأتراك الذين لم يقبلوا الدعوة، وقد وقع في بعض الأخطاء واعتمد على عدد قليل من المصادر ومنها كتاب نيبور، ولكن من المهم الإشارة إلى أن بوركهارت كما يقول الدكتور العثيمين: " كان محايدًا بدرجة كبيرة في حديثه
--------------------------------------------
তাদের পা আরব ভূখণ্ডে পৌঁছেছিল, আর নিবুর ছিলেন অভিযানের সদস্যদের মধ্যে সবচেয়ে যুক্তিবাদী এবং কষ্ট সহ্য করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে সক্ষম। নিবুর নজদে আসেননি, বরং তিনি জেদ্দায় এবং তারপর ইয়েমেনে গিয়েছিলেন (১)।
নিবুর লিখেছেন - যেমনটি দাবি করা হয় - নজদের নতুন ধর্ম সম্পর্কে এবং তাঁর লেখাগুলো শেখ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব ও তাঁর দাওয়াত সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত লেখা হিসেবে গণ্য করা হয়, তবে এটি এই বিষয়ে প্রাচীনতম লেখাগুলোর অন্যতম হিসেবে বিবেচিত। তিনি শ্রুতির মাধ্যমে তাঁর তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন, যার ফলে তিনি শেখ ও তাঁর দাওয়াত সম্পর্কে কিছু ভুলের শিকার হয়েছেন।
২ - "বদু ও ওয়াহাবিদের স্মৃতিকথা" (Notes on the Bedouins and Wahabys) জোহান লুডভিগ বার্কহার্ট (Burkhardt) কর্তৃক রচিত, ১১৯৯ - ১২৩৩ হিজরি / ১৭৮৪ - ১৮১৭ খ্রিস্টাব্দ। এই বইটি সেই সব বিপুল সংখ্যক প্রাচ্যবিদদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উৎসগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয় যারা শেখ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব ও তাঁর দাওয়াত নিয়ে আলোচনা করেছেন। এই বইটির একটি অংশ "ওয়াহাবিদের ইতিহাসের উপাদান" শিরোনামে অনূদিত হয়েছে, যা অনুবাদ করেছেন ড. আব্দুল্লাহ আল-সালেহ আল-উসাইমিন। বার্কহার্টকে "আরব উপদ্বীপ সফরকারী পর্যটকদের মধ্যে সবচেয়ে সূক্ষ্ম এবং তথ্য লিপিবদ্ধ করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে নির্ভুল" (২) হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি তাঁর বইয়ের ভূমিকায় শেখ এবং তাঁর দাওয়াত সম্পর্কে লিখেছেন এবং শেখের দাওয়াতের মূলনীতি ও সেই তুর্কিদের মধ্যে পার্থক্য নিয়ে আলোচনা করেছেন যারা এই দাওয়াত গ্রহণ করেনি। তিনি কিছু ভুলের শিকার হয়েছেন এবং অল্প কিছু উৎসের ওপর নির্ভর করেছেন যার মধ্যে নিবুরের বই অন্যতম। তবে এটি উল্লেখ করা গুরুত্বপূর্ণ যে, ড. উসাইমিন যেমনটি বলেছেন, বার্কহার্ট: "তাঁর আলোচনায় অনেকখানি নিরপেক্ষ ছিলেন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩১)
عن أنصار الدعوة، وفيما أورده عنهم الكثير من المعلومات المفيدة للمهتمين بتاريخهم " (1) . ومما أورده عن الشيخ: " معتقداته لم تكن معتقدات دين جديد. . وأن الفرق بينه وبين الأتراك السنة أن الوهابيين يتبعون بصلابة الشريعة نفسها التي أهملها الآخرون أو توقفوا عن ممارسة تعاليمها كلية " (2) .
3 - " رحلة إلى بلاد نجد " A Pilgrimage to Najd كتبته الليدي آن بلنت L ady Anne Blunt.
ولقد ترجمت فصول من هذا الكتاب تحت عنوان: " رحلة إلى بلاد نجد "، وقام بترجمتها محمد أنعم غالب، وكانت الليدي آن بلنت رحلت إلى الجزيرة العربية ومعها زوجها ولفرد Wilfried، وقد زارا مدينة حائل عام 1297 هـ 1879 م. ولهما إعجاب كبير بالخيل (3) .
إن ملحق المجلد الثاني من هذا الكتاب اشتمل على حديث مهم تحت عنوان: " مسح تاريخي لظهور وأفول الوهابية في الجزيرة العربية " Historical Sketch of the Rise and Decline of Wahhbism In Arabia أعدها ولفرد بلنت، وقد اعترف بأنه كتب هذه المقالة معتمدًا على المادة العلمية التي أعدها الكولونيل روس، وقد وقع
--------------------------------------------
দাওয়াতের সাহায্যকারীদের সম্পর্কে, এবং তাদের সম্পর্কে তিনি যা উল্লেখ করেছেন তাতে তাদের ইতিহাসে আগ্রহীদের জন্য অনেক দরকারী তথ্য রয়েছে" (১)। এবং তিনি শেখ সম্পর্কে যা উল্লেখ করেছেন তা থেকে: "তার বিশ্বাসগুলো কোনো নতুন ধর্মের বিশ্বাস ছিল না। এবং তার এবং সুন্নি তুর্কিদের মধ্যে পার্থক্য হলো এই যে, ওয়াহাবীরা সেই একই শরীয়ত দৃঢ়ভাবে অনুসরণ করে যা অন্যরা অবহেলা করেছে বা যার শিক্ষাগুলো অনুশীলন করা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দিয়েছে" (২)।
৩ - "নাজদ দেশ ভ্রমণ" (এ পিলগ্রিমেজ টু নাজদ) যা লেডি অ্যান ব্লান্ট লিখেছেন।
এই বইটির কিছু অধ্যায় "নাজদ দেশ ভ্রমণ" শিরোনামে অনুবাদ করা হয়েছে, এবং এটি অনুবাদ করেছেন মুহাম্মদ আনআম গালিব। লেডি অ্যান ব্লান্ট তার স্বামী উইলফ্রেডকে নিয়ে আরব উপদ্বীপে ভ্রমণ করেছিলেন এবং তারা ১২৯৭ হিজরি তথা ১৮৭৯ খ্রিস্টাব্দে হাইল শহর পরিদর্শন করেন। ঘোড়ার প্রতি তাদের ব্যাপক অনুরাগ ছিল (৩)।
এই বইটির দ্বিতীয় খণ্ডের পরিশিষ্টে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে যার শিরোনাম: "আরব উপদ্বীপে ওয়াহাবিবাদ উত্থান এবং পতনের একটি ঐতিহাসিক জরিপ" (হিস্টোরিক্যাল স্কেচ অব দ্য রাইজ অ্যান্ড ডিকলাইন অব ওয়াহাবিজম ইন অ্যারাবিয়া), যা উইলফ্রেড ব্লান্ট প্রস্তুত করেছেন। তিনি স্বীকার করেছেন যে তিনি কর্নেল রসের প্রস্তুতকৃত বৈজ্ঞানিক তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই নিবন্ধটি লিখেছেন, এবং তিনি নিপতিত হয়েছেন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩২)
ولفرد في عدد من الأخطاء، ومنها وصف دعوة الشيخ بأنها دين جديد (1) . كما تحدثت زوجته عن دعوة الشيخ وقيام الدولة السعودية حديثًا مختصرًا أثناء حديثها عن حكم ابن رشيد (2) .
4 - " الجزيرة العربية " Arabia لهاري سانت جون فيلبي H. St. J. B. Philby (1303 - 1380 1885 - 1960 م) الذي ألف كتبًا متعددة عن الجزيرة العربية، ولعله يعد من أعظم الرحالة الذين زاروا الجزيرة العربية وكتبوا عنها، فلا يوجد من الرحالة من رأى الجزيرة العربية بقدر ما رأى فيلبي الذي غطى كل ركن منها، بالإضافة إلى أنه قد اخترقها عدة مرات من مختلف الاتجاهات (3) . وتعد " كتاباته كثيرة جدًا وشاملة ودقيقة، وقد صاغ مؤلفاته بأسلوب بسيط يكاد يخلو من الجمال الأدبي، ولكنها تزخر بالمعلومات المطردة (4) .
ولعل من أهم كتبه كتاب: " الجزيرة العربية " الذي يعد من أهم الكتابات الغربية عن تاريخ نجد، وقد أشرنا سابقًا إلى أنه اعتمد في تأليفه عن تاريخ نجد على المصادر الأصلية باللغة العربية، مما جعل لكتابه مكانة عالية مرموقة لدى الباحثين الموضوعيين.
--------------------------------------------
উইলফ্রেড বেশ কিছু ভুলের শিকার হয়েছেন, যার মধ্যে অন্যতম হলো শায়খের দাওয়াতকে একটি নতুন ধর্ম হিসেবে বর্ণনা করা (১)। তদ্রূপ তাঁর স্ত্রী ইবনে রশীদের শাসন সম্পর্কে আলোচনার সময় শায়খের দাওয়াত এবং সৌদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেছেন (২)।
৪ - হ্যারি সেন্ট জন ফিলবি H. St. J. B. Philby (১৩০৩ - ১৩৮০ হিজরি, ১৮৮৫ - ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ) রচিত "আরব উপদ্বীপ" (Arabia), যিনি আরব উপদ্বীপ সম্পর্কে একাধিক গ্রন্থ রচনা করেছেন। সম্ভবত তিনি আরব উপদ্বীপ ভ্রমণকারী এবং সে সম্পর্কে রচনাকারী শ্রেষ্ঠ পর্যটকদের একজন হিসেবে গণ্য হন। এমন কোনো পর্যটক নেই যিনি ফিলবির মতো এত ব্যাপকভাবে আরব উপদ্বীপ দেখেছেন, যিনি এর প্রতিটি প্রান্ত ভ্রমণ করেছেন, সেইসাথে তিনি বিভিন্ন দিক থেকে এটি একাধিকবার অতিক্রম করেছেন (৩)। তাঁর "লিখনীসমূহ অত্যন্ত অধিক, ব্যাপক এবং নির্ভুল হিসেবে বিবেচিত। তিনি তাঁর গ্রন্থগুলো একটি সহজ শৈলীতে প্রণয়ন করেছেন যা প্রায় সাহিত্যিক সৌন্দর্য বর্জিত, তবে সেগুলো ধারাবাহিক তথ্যে ভরপুর (৪)।
সম্ভবত তাঁর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বই হলো: "আরব উপদ্বীপ" যা নজদের ইতিহাস সম্পর্কে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পশ্চিমা লিখনী হিসেবে বিবেচিত। আমরা ইতিপূর্বে উল্লেখ করেছি যে, তিনি নজদের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে আরবি ভাষার মূল উৎসসমূহের ওপর নির্ভর করেছেন, যা বস্তুনিষ্ঠ গবেষকদের নিকট তাঁর গ্রন্থটিকে একটি উচ্চ ও মর্যাদাপূর্ণ স্থানে আসীন করেছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
5 - " العربية السعودية في القرن التاسع عشر " Saudia Arabia In the Ninteenth Century من تأليف ر. بيلي ويندر R. Bayly Winder، وفي مقدمة هذا الكتاب تحدث الكاتب عن الشيخ ودعوته. وتعد آراء هذا المؤلف في عمومها جيدة، لاعتماده على مصادر عربية صحيحة أو مصادر أجنبية اعتمدت على مصادر عربية مثل كتاب فيلبي. ومن آرائه الجيدة ما دونه في مقدمة كتابه من أن مصطلح الموحدين أفضل من مصطلح الوهابية، وأن دعوة الشيخ رجوع إلى الإسلام (1) .
6 - " ابن سعود الجزيرة. . شعبه وأرضه " Ibn Sa} apos;oud of Arabia his People and His Land، من تأليف: أمين ريحاني Ameen Rihani وهو كاتب عربي نصراني له مؤلفات بالعربية والإنجليزية، وقد ذُكر هذا الكتاب ضمن قائمة مراجع بعض المستشرقين ومنهم مارجليوث في مقالته " الوهابية " في مختصر دائرة المعارف الإسلامية (2) . لقد تحدث ريحاني في أحد فصول كتابه عن الشيخ محمد بن عبد الوهاب وعن الوهابية بشكل عام، وتبدو كتابته موضوعية ونقل عن كتب الشيخ (3) . ولكنه وقع في بعض الأخطاء مثل وصفه المذهب الحنبلي الذي تبناه الشيخ محمد بن عبد الوهاب بأنه مذهب متشدد (4) .
--------------------------------------------
৫ - "উনবিংশ শতাব্দীতে সৌদি আরব" (সাউদি অ্যারাবিয়া ইন দ্য নাইনটিনথ সেঞ্চুরি), এটি আর. বেইলি উইন্ডার কর্তৃক রচিত। এই গ্রন্থের ভূমিকায় লেখক শেখ এবং তাঁর দাওয়াত সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। এই লেখকের মতামতগুলো সাধারণভাবে সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়, কারণ তিনি নির্ভরযোগ্য আরবি উৎস অথবা এমন সব বিদেশি উৎসের ওপর নির্ভর করেছেন যা ফিলবির গ্রন্থের মতো সরাসরি আরবি উৎসের ওপর ভিত্তি করে রচিত। তাঁর উৎকৃষ্ট মতামতগুলোর মধ্যে একটি হলো—যা তিনি তাঁর গ্রন্থের ভূমিকায় লিপিবদ্ধ করেছেন—‘মুওয়াহহিদুন’ (একত্ববাদী) পরিভাষাটি ‘ওয়াহাবিয়া’ পরিভাষার চেয়ে অধিকতর উপযুক্ত এবং শেখ-এর দাওয়াত মূলত ইসলামের দিকেই প্রত্যাবর্তন (১)।
৬ - "আরবের ইবনে সউদ: তাঁর জনগণ এবং তাঁর দেশ" (ইবনে সউদ অব অ্যারাবিয়া: হিজ পিপল অ্যান্ড হিজ ল্যান্ড), রচনায়: আমিন রিহানি। তিনি একজন খ্রিস্টান আরব লেখক, যাঁর আরবি ও ইংরেজি ভাষায় বহু গ্রন্থ রয়েছে। প্রাচ্যবিদদের অনেকের রেফারেন্স তালিকায় এই গ্রন্থটি স্থান পেয়েছে; তাদের মধ্যে মারজোলিউথ ‘এনসাইক্লোপিডিয়া অব ইসলাম’-এর সংক্ষিপ্ত সংস্করণে তাঁর ‘ওয়াহাবিয়া’ শীর্ষক প্রবন্ধে এটি উল্লেখ করেছেন (২)। রিহানি তাঁর গ্রন্থের একটি পরিচ্ছেদে শেখ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব এবং সাধারণভাবে ওয়াহাবিয়াত সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। তাঁর লেখনী বস্তুনিষ্ঠ বলে প্রতীয়মান হয় এবং তিনি শেখ-এর কিতাবসমূহ থেকে উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন (৩)। তবে তিনি কিছু ভ্রান্তিতে নিপতিত হয়েছেন, যেমন শেখ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব কর্তৃক অনুসৃত হাম্বলি মাযহাবকে একটি কঠোর মাযহাব হিসেবে আখ্যায়িত করা (৪)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আশ-শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব হায়াতুহু ওয়া দাওয়াতুহু ফির রুয়াতিল ইস্তিশরাকিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
الصنف الثاني: كتب الرحالة الذين عرفوا بنشاطهم التنصيري، وألفوا مؤلفات أصبحت مراجع لعدد من المستشرقين الغربيين، ومن أهم هذه الكتب ما يأتي:
1 - " رواية رحلة سنة في وسط الجزيرة العربية وشرقها 1862 - 1863 " Narrative of A year's Journy through central and eastern Arabia 1863 -1862 لوليام جيفورد بلجريف William Gifford Palgrave (1242 - 1306هـ 1826 - 1888 م) ، وهذا المؤلف راهب يسوعي انضم إلى جماعة الآباء اليسوعيين، وقد بيَّن أنه يهدف من انضمامه إلى هذه الجماعة إلى العمل منصرًا بين العرب، وكتابه حافل بالأخطاء عن الشيخ ودعوته.
وقد انتقده بعض الكتاب الغربيين، ومنهم الكاتب المنصر صمويل زويمر الذي يقول عنه في حاشية كتابه " الجزيرة العربية مهد الإسلام ": " لقد زار بلجريف عاصمة الدولة السعودية أثناء إمارة فيصل، وأعطى وصفًا تصوريًا لها، ولكن اليسوعي الروماني الكاثوليكي لم يصف الدعوة التطهيرية (الإصلاحية) بأي وصف يدعو إلى الإعجاب " (1) وقد ذهب فيلبي إلى التشكيك في بعض رحلات بلجريف المدونة في كتابه فقال: " يدعي بلجريف أنه زار الخرج والأفلاج عام 1963 م، إلا أنني أتحدى هذا الادعاء، ولا يسمح المجال لمناقشة هذا الأمر بالتفصيل، ولكن لذهابي إلى هذه الأماكن بنفسي أستطيع أن أقول إنني مقتنع أن بلجريف لم ير
--------------------------------------------
দ্বিতীয় শ্রেণি: সেই সকল পর্যটকদের গ্রন্থসমূহ যারা তাদের মিশনারি কার্যক্রমের জন্য পরিচিত ছিলেন এবং এমন সব রচনা লিখেছিলেন যা বহু পশ্চিমা প্রাচ্যবিদদের নিকট রেফারেন্স হিসেবে গণ্য হয়েছে। এই বইগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিম্নরূপ:
১ - উইলিয়াম গিফোর্ড প্যালগ্রেভ (১২৪২ - ১৩০৬ হিজরি / ১৮২৬ - ১৮৮৮ খ্রিস্টাব্দ) এর রচিত "ন্যারেটিভ অফ আ ইয়ার’স জার্নি থ্রু সেন্ট্রাল অ্যান্ড ইস্টার্ন অ্যারাবিয়া ১৮৬২ - ১৮৬৩" (মধ্য ও পূর্ব আরব উপদ্বীপে এক বছরের সফরের বর্ণনা)। এই লেখক একজন জেসুইট সন্ন্যাসী ছিলেন যিনি জেসুইট যাজক সংঘে যোগদান করেছিলেন। তিনি স্পষ্ট করেছিলেন যে, এই সংঘে তার যোগদানের উদ্দেশ্য ছিল আরবদের মধ্যে খ্রিস্টধর্ম প্রচারক (মিশনারি) হিসেবে কাজ করা। তার বইটি শায়খ এবং তাঁর দাওয়াত সম্পর্কে ভ্রান্তিতে পরিপূর্ণ।
কিছু পশ্চিমা লেখক তাঁর সমালোচনা করেছেন, যাদের মধ্যে মিশনারি লেখক স্যামুয়েল জুইমার অন্যতম। তিনি তাঁর "অ্যারাবিয়া: দ্য ক্রেডল অফ ইসলাম" (আরব উপদ্বীপ: ইসলামের দোলনা) গ্রন্থের পাদটীকায় প্যালগ্রেভ সম্পর্কে বলেছেন: "প্যালগ্রেভ ফয়সালের শাসনামলে সৌদি রাষ্ট্রের রাজধানী পরিদর্শন করেছিলেন এবং সেটির একটি কাল্পনিক বর্ণনা প্রদান করেছেন। তবে এই রোমান ক্যাথলিক জেসুইট 'বিশুদ্ধিবাদী' (সংস্কারবাদী) আন্দোলনকে এমন কোনো বিশেষণে বিশেষায়িত করেননি যা প্রশংসার দাবি রাখে।" (১) ফিলবি প্যালগ্রেভের গ্রন্থে লিপিবদ্ধ তাঁর কিছু সফরের বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন: "প্যালগ্রেভ দাবি করেন যে তিনি ১৯৬৩ খ্রিস্টাব্দে আল-খারজ এবং আল-আফলাজ সফর করেছেন, কিন্তু আমি এই দাবিকে চ্যালেঞ্জ করছি। এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার অবকাশ এখানে নেই, তবে আমি নিজে ওই স্থানগুলোতে যাওয়ার কারণে বলতে পারি যে, আমি এ বিষয়ে নিশ্চিত যে প্যালগ্রেভ দেখেননি..."
--------------------------------------------