(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: -)
منتهى رغبات السامعين في عوالي أحاديث التابعين   (أبو موسى المديني)

القسم: كتب السنة


الكتاب: منتهى رغبات السامعين في عوالي أحاديث التابعين

المؤلف: محمد بن عمر بن أحمد بن عمر بن محمد الأصبهاني المديني، أبو موسى (ت 581هـ)

عدد الصفحات: 201

[الكتاب مرقم آليا غير موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

তাবেঈগণের উচ্চ সনদবিশিষ্ট হাদীসসমূহ শ্রবণে শ্রবণকারীদের আকাঙ্ক্ষার চরম সীমা   (আবু মুসা আল-মাদিনি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: তাবেঈগণের উচ্চ সনদবিশিষ্ট হাদীসসমূহ শ্রবণে শ্রবণকারীদের আকাঙ্ক্ষার চরম সীমা

লেখক: মুহাম্মদ ইবন উমর ইবন আহমাদ ইবন উমর ইবন মুহাম্মদ আল-আসবাহানি আল-মাদিনি, আবু মুসা (ওফাত ৫৮১ হিজরি)

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২০১

[কিতাবটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংখ্যায়িত, যা মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ١)
الأَوَّلُ مِنْ كِتَابِ (مُنْتَهَى رَغَبَاتِ السَّامِعِينَ فِي عَوَالِي أَحَادِيثِ التَّابِعِينَ) ، مِنْ إِمْلاءِ أَبِي مُوسَى عَفَا اللَّهُ عَنْهُ.

وَقْفُ الْحَافِظِ ضِيَاءِ الدِّينِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْمَقْدِسِيِّ ، رحمه الله.

أَخْبَرَنَا بِهِ جَمَاعَةٌ مِنْ شُيُوخِنَا ، عَنِ ابْنِ الْمُحِبِّ ، وَابْنِ الْبَالِسِيِّ ، عَنِ الْمِزِّيِّ ، وَكَتَبَ يُوسُفُ بْنُ عَبْدِ الْهَادِي.

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ حَدَّثَنَا سَيِّدُنَا الإِمَامُ الْحَافِظُ النَّاقِدُ تَقِيُّ الدِّينِ شَيْخُ الإِسْلامِ.

الْحَمْدُ للَّهِ رَبِّ الأَرْبَابِ ، وَمَالِكِ الْمُلُوكِ ، وَمَوْلَى الْمَوَالِيَ الْمُنْعِمِ عَلَى خَلْقِهِ بِسَوَابِغِ نِعَمِهِ ، الْمُتَوَاتِرِ مِنْهَا وَالْمُتَوَالِي ، وَأَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ الَّذِي هُوَ عَنِ الشِّرْكِ مُنَزَّهٌ ، وَعَنِ الْمِثْلِ مُتَعَالِي ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ الْمُحَرِّضُ عَلَى مَا يُفْضِي إِلَى الْمَنَازِلِ الأَعَالِي ، أَسْكَنَهُ اللَّهُ تَعَالَى مِنَ الْفِرْدَوْسِ أَعْلَى الْغُرَفِ وَالْعَلالِي ، وَصَلَّى وَسَلَّمَ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ ، وَأَصْحَابِهِ ، وَأَزْوَاجِهِ ، وَذُرِّيَّاتِهِ عَلَى التَّوَالِي ، وَعَلَى أُمَّتِهِ الآخِرِينَ السَّابِقِينَ لِلأُمَمِ الْخَوَالِي ، أَمَّا بَعْدُ ، فَإِنَّ أَوَّلَ مَا طَلَبَهُ صَاحِبُ الْحَدِيثِ مِنَ الأَسَانِيدِ هُوَ الْعَوَالِي؛ لأَنَّهَا فِيمَا بَيْنَهَا مُشْرِقَةٌ كَالدُّرَرِ وَاللآلِئِ ، وَلا يَزَالُ طَالِبُهَا فِي الْعُلُوِّ وَالتَّعَالِي؛ لأَنَّ نَائِلَهَا يَقْرُبُ مِنْ صَاحِبِ الشَّرْعِ ذِي الْمَعَالِي ، وَإِنِّي لَمَّا فَرَغْتُ مِنْ إِمْلاءِ السُّبَاعِيَّاتِ وَمَا يَلِيهَا فِي سَنَةِ سِتٍّ وَأَرْبَعِينَ ، أَرَدْتُ أَنْ أُمْلِيَ عَوَالِيَ التَّابِعِينَ وَأَتْبَاعِهِمْ ، فَعَاقَبَتْنِي عَوَائِقُ الزَّمَانِ ، وَشَغَلَتْنِي شَوَاغِلُ الإِنْسَانِ ، فَلَمْ يُقَدَّرْ لِي ذَلِكَ إِلَى الآنَ ، وَهَآنَذَا مُمْلِيهِ إِنْ شَاءَ اللَّهُ عز وجل ، وَوَفَّقَ ، وَأَعَانَ ، وَبَدَأْتُ بِذِكْرِ عَوَالِي أَحَادِيثِ التَّابِعِينَ الَّتِي وَقَعَتْ لِي ، وَهُوَ أَنْ يَكُونَ بَيْنِي وَبَيْنَهُ خَمْسَةٌ فِي الإِسْنَادِ ، ذَكَرْتُ أَسَامِيَهُمْ عَلَى حُرُوفِ الْمُعْجَمِ ، وَكُلَّ مَنْ وَقَعَ لِي حَدِيثُهُ ، كَذَلِكَ مِنْ طَرِيقٍ وَاحِدٍ ، أَوْرَدْتُ عَنْهُ جَمِيعَ مَا وَقَعَ إِذَا قَلَّ ، وَلَمْ يُفْضِ إِلى الْمَلالِ ، وَكُلَّ مَنْ تَعَدَّدَ الطَّرِيقُ إِلَيْهِ ، أَخْرَجْتُ لِكُلِّ طَرِيقٍ حَدِيثًا ، وَذَلِكَ بَعْدَمَا اسْتَخَرْتُ اللَّهَ تَعَالَى ، وَسَأَلْتُهُ النَّفْعَ بِهِ إِنَّهُ الْقَادِرُ عَلَيْهِ.
'তাবিয়ীদের উচ্চ সনদের হাদিসসমূহের ব্যাপারে শ্রোতাদের আকাঙ্ক্ষার চরম সীমা' নামক কিতাবটির প্রথম খণ্ড, যা আবু মুসা—আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন—কর্তৃক শ্রুতলিপি করানো।

হাফেজ জিয়াউদ্দীন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসী—আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন—এর ওয়াকফকৃত।

এটি আমাদের একদল শায়খ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তারা ইবনুল মুহিব্ব এবং ইবনুল বালিসী থেকে, তারা আল-মিযযী থেকে; আর এটি ইউসুফ বিন আব্দুল হাদী লিখেছেন।

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আমাদের নেতা, ইমাম, হাফেজ, হাদিস বিশারদ, শায়খুল ইসলাম তাকিউদ্দীন।

সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সকল প্রতিপালকের প্রতিপালক, রাজাধিরাজ এবং সকল অধিপতির অধিপতি; যিনি তাঁর সৃষ্টির ওপর তাঁর পরিপূর্ণ নেয়ামতসমূহ দিয়ে অনুগ্রহ করেছেন, যা অবিচ্ছিন্ন এবং ধারাবাহিক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, যিনি শিরক থেকে পবিত্র এবং সমকক্ষ থেকে ঊর্ধ্বে। আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসুল, যিনি সেই সব আমলের প্রতি উৎসাহিত করেছেন যা উচ্চ মর্যাদার দিকে ধাবিত করে। মহান আল্লাহ তাঁকে জান্নাতুল ফিরদাউসের সর্বোচ্চ কক্ষ ও অট্টালিকায় স্থান দান করুন। তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন, সাহাবীগণ, পত্নীগণ ও বংশধরদের ওপর অব্যাহতভাবে সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক, এবং তাঁর সেই উম্মতের ওপরও যারা কালানুক্রমে পূর্ববর্তী জাতিসমূহের অগ্রগামী হবে। অতঃপর, হাদিস অন্বেষণকারীদের নিকট সনদের ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম কাম্য বিষয় হলো উচ্চ সনদ; কারণ এগুলি নিজেদের মাঝে মুক্তা ও মণি-মাণিক্যের ন্যায় উজ্জ্বল। এর অন্বেষণকারী সর্বদা উচ্চতা ও শ্রেষ্ঠত্বের সন্ধানে থাকে; কারণ এটি লাভকারী উচ্চ মর্যাদার অধিকারী শরিয়ত প্রবর্তকের নিকটবর্তী হতে পারে। যখন আমি চারশত ছেচল্লিশ হিজরি সনে সাত রাবির উচ্চ সনদ ও তৎসংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহের শ্রুতলিপি প্রদান সম্পন্ন করি, তখন আমি তাবিয়ী ও তাদের অনুসারীদের উচ্চ সনদের হাদিসসমূহ শ্রুতলিপি করানোর ইচ্ছা করেছিলাম। কিন্তু সময়ের প্রতিবন্ধকতা আমাকে বাধা প্রদান করে এবং জাগতিক ব্যস্ততা আমাকে মগ্ন রাখে। ফলে এখন পর্যন্ত তা আমার জন্য নির্ধারিত ছিল না। আর এই তো আমি এখন মহান আল্লাহর ইচ্ছায় তা শ্রুতলিপি করাচ্ছি, আল্লাহ তাওফিক দিন ও সাহায্য করুন। আমি আমার নিকট থাকা তাবিয়ীদের উচ্চ সনদের হাদিসসমূহ উল্লেখ করার মাধ্যমে শুরু করেছি, যা মূলত আমার ও তাঁর মাঝখানে সনদে পাঁচজন রাবি বিদ্যমান। আমি তাদের নাম বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজিয়েছি। যার যার হাদিস আমি পেয়েছি, এমনকি একটি মাত্র সূত্রে হলেও, আমি তার বর্ণিত সকল হাদিস উল্লেখ করেছি যদি তা সংখ্যায় কম হয় এবং বিরক্তির উদ্রেক না করে। আর যার দিকে পৌঁছানোর সূত্র একাধিক, আমি প্রতিটি সূত্রের জন্য একটি করে হাদিস চয়ন করেছি। আর তা করেছি মহান আল্লাহর নিকট ইস্তিখারা করার পর এবং এর মাধ্যমে উপকারের প্রার্থনা জানিয়ে; নিশ্চয়ই তিনি এর ওপর সক্ষম।
(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ٢)
‌‌فَمِنْ حَرْفِ الأَلِفَ
সুতরাং 'আলিফ' বর্ণ থেকে
(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ٣)
‌‌مَنِ اسْمُهُ إِبْرَاهِيمُ.

مِنْهُمْ
যাঁদের নাম ইবরাহীম.

তাঁদের মধ্য থেকে
(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ٤)
‌‌إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي عَبْلَةَ

، وَاسْمُ أَبِي عَبْلَةَ شِمْرُ بْنُ يَقْظَانَ بْنِ عَامِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُرْتَحِلِ الْعُقَيْلِيِّ ، وَقِيلَ: الْقَيْسِيُّ ، رَمْلِيٌّ مِنْ أَهْلِ الشَّامِ ، يُكَنَّى أَبَا إِسْمَاعِيلَ ، وَقِيلَ: أَبَا الْعَبَّاسِ ، كَانَ بِفِلَسْطِينَ سَنَةَ إِحْدَى أَوِ اثْنَتَيْنِ وَخَمْسِينَ وَمِائَةٍ ، وَثَّقَهُ يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ ، وَعَلِيٌّ ابْنُ الْمَدِينِيِّ ، وَغَيْرُهُمَا ، لَهُ فِي كِتَابِ الْبُخَارِيِّ حَدِيثٌ وَاحِدٌ ، وَفِي كِتَابِ مُسْلِمٍ آخَرُ.
ইব্রাহিম বিন আবি আবলা

, আর আবি আবলাহর নাম হলো শিমর বিন ইয়াকজান বিন আমির বিন আবদুল্লাহ বিন আল-মুরতাহিল আল-উকাইলি, এবং বলা হয়েছে: তিনি আল-কাইসি, তিনি সিরিয়া বা শাম অঞ্চলের রামলা শহরের অধিবাসী ছিলেন, তাঁর উপনাম রাখা হয়েছিল আবু ইসমাইল, আবার বলা হয়: আবু আব্বাস, তিনি একশত একান্ন বা বায়ান্ন হিজরি সালে ফিলিস্তিনে ছিলেন, ইয়াহইয়া বিন মাঈন, আলী ইবনুল মাদিনী এবং অন্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলে অভিহিত করেছেন, বুখারি গ্রন্থে তাঁর একটি হাদিস রয়েছে এবং মুসলিম গ্রন্থে আরেকটি।
(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ٥)
1 - أَخْبَرَنَا أَبُو شُكْرٍ حَمْدُ بْنُ عَلِيٍّ الْحَبَّالُ ، وَأَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي الْقَاسِمِ الْقُضَاعِيُّ ، وَأَبُو غَالِبٍ أَحْمَدُ بْنُ الْعَبَّاسِ الْكُوشِيذِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمْ مَعًا ، وَالشَّرِيفُ أَبُو الْحُسَيْنِ عَلِيُّ بْنُ هَاشِمِ بْنِ طَاهِرٍ الْعَلَوِيُّ الْمَدِينِيُّ ، بِقِرَاءَةِ وَالِدِي عَلَيْهِ ، رَحَمِهُمَا اللَّهُ ، قَالُوا: أنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْقَانِي.

ح وَأَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ الْمُقْرِئُ ، بِقِرَاءَةِ وَالِدِي ، عَلَيْهِ رَحْمَةُ اللَّهِ سَنَةَ ثَمَانٍ وَخَمْسِ مِائَةٍ ، نا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ ، قَالا: أنا أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ هِشَامِ بْنِ أَبِي الدَّمِيكِ الْمُسْتَمْلِي.

ح ، وَأَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ الثَّقَفِيُّ ، رحمه الله ، أنا أَبُو طَاهِرِ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ ، نا أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ مَنْصُورٍ سَجَّادَةُ.

ح ، وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْخِرَقِيُّ ، إِذْنًا عَنْ كِتَابِ أَبِي نُعَيْمٍ الْحَافِظِ ، وَالسِّيَاقُ لِرِوَايَتِهِ ، نا الْحَسَنُ بْنُ عَلانَ ، نا حَامِدُ بْنُ شُعَيْبٍ الْبَلْخِيُّ ، قَالُوا: نا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرِ بْنِ مَرْوَانَ ، قَالَ: سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ بْنَ أَبِي عَبْلَةَ الْعُقَيْلِيَّ ، يَقُولُ: «رَأَيْتُ عَبْدَ اللَّهِ ابْنَ أُمِّ حَرَامٍ رضي الله عنه ، وَقَدْ صَلَّى مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، الْقِبْلَتَيْنِ وَعَلَيْهِ ثَوْبُ خَزٍّ أَغْبَرُ» .

وَكَانَ إِذَا حَدَّثَ بِهَذَا الْحَدِيثِ مَسَحَ بِكَفَّيْهِ عَلَى مَنْكِبَيْهِ ، يَعْنِي أَنَّهُ كَانَ مِطْرَقًا "

أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَتْحِ الْخِرَقِيُّ ، رحمه الله إِذْنًا ، عَنْ كِتَابِ أَبِي نُعَيْمٍ ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَطَاءٍ ، نا ابْنُ أَبِي عَاصِمٍ ، نا أَبُو عُمَيْرٍ ، قَالَ: سَمِعْتُ أَصْحَابَنَا ، يَقُولُونَ: حَجَّ ابْنُ أَبِي عَبْلَةَ حَجَّةً ، وَكَانَ فِيهَا عَشَرَةٌ مِنْ أَصْحَابِ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم.

لَمْ يَقَعْ لِي مِنْ حَدِيثِ ابْنِ أَبِي عَبْلَةَ عَالِيًا فِيمَا أَعْلَمُ سِوَى هَذَا ، وَكَانَ مِنَ الْفُقَهَاءِ ، وَالْقُرَّاءِ ، وَالْعُبَّادِ

أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ ، رحمه الله ، نا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ ، نا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ رَاشِدٍ ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ هَانِئِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، حدثني أَبِي هَانِئٌ ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي عَبْلَةَ ، قَالَ: بَعَثَ إِلَيَّ هِشَامُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ ، فَقَالَ لِي: يَا إِبْرَاهِيمُ ، إِنَّا قَدْ عَرَفْنَاكَ صَغِيرًا ، وَاخْتَبَرْنَاكَ كَبِيرًا ، فَرَضِينَا سِيرَتَكَ وَحَالَكَ ، وَقَدْ رَأَيْتُ أَنْ أَخْلِطَكَ وَنَفْسِي وَخَاصَّتِي ، وَأُشْرِكَكَ فِي عَمَلِي ، وَقَدْ وَلَّيْتُكَ خَرَاجَ مِصْرَ ، قَالَ: فَقُلْتُ: أَمَّا الَّذِي عَلَيْهِ رَأْيُكَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ ، فَاللَّهُ يَجْزِيكَ وَيُثِيبُكَ ، وَكَفَى بِهِ جَازِيًا وَمُثِيبًا ، وَأَمَّا الَّذِي أَنَا عَلَيْهِ ، فَمَا لِي بِالْخَرَاجِ بَصَرٌ ، وَمَا لِي عَلَيْهِ قُوَّةٌ ، قَالَ: فَغَضِبَ حَتَّى اخْتَلَجَ وَجْهُهُ ، وَكَانَ فِي عَيْنَيْهِ قَبَلٌ ، فَنَظَرَ إِلَيَّ نَظَرًا مُنْكَرًا ، ثُمَّ قَالَ: لَتَلِينُ طَائِعًا ، أَوْ لَتَلِينُ كَارِهًا ، قَالَ: فَأَمْسَكْتُ عَنِ الْكَلامِ حَتَّى رَأَيْتُ غَضَبَهُ قَدِ انْكَسَرَ، وَسَوْرَتَهُ قَدْ طُفِئَتْ ، فَقُلْتُ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ أَتَكَلَّمُ؟ قَالَ: نَعَمْ ، قُلْتُ: إِنَّ اللَّهَ سُبْحَانَهُ وَبِحَمْدِهِ ، قَالَ فِي كِتَابِهِ: {إِنَّا عَرَضْنَا الأَمَانَةَ عَلَى السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ وَالْجِبَالِ فَأَبَيْنَ أَنْ يَحْمِلْنَهَا} [الأحزاب: 72] الآيَةَ ، فَوَاللَّهِ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ مَا غَضِبَ عَلَيْهِنَّ إِذْ أَبَيْنَ ، وَلا أَكْرَهَهُنَّ إِذْ كَرِهْنَ ، وَمَا أَنَا بِحَقِيقٍ أَنْ تَغْضَبَ عَلَيَّ إِذْ أَبَيْتُ ، وَلا تُكْرِهَنِي إِذْ كَرِهْتُ ، قَالَ: فَضَحِكَ حَتَّى بَدَتْ نَوَاجِذُهُ ، ثُمَّ قَالَ: يَا إِبْرَاهِيمُ قَدْ أَبَيْتَ إِلا فِقْهًا قَدْ رَضِينَا عَنْكَ وَأَعْفَيْنَاكَ

وَأَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، أنا أَحْمَدُ ، نا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ ، نا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ الْعَسْقَلانِيُّ ، نا أَبُو عُمَيْرٍ ابْنُ النَّحَّاسِ ، نا ضَمْرَةُ بْنُ رَبِيعَةَ ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي عَبْلَةَ ، قَالَ: قَامَ الْوَلِيدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ فَأَمَرَنِي فَتَكَلَّمْتُ فَلَقِيَنِي عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، فَقَالَ: يَا إِبْرَاهِيمُ لَقْد وَعَظْتَ مَوْعِظَةً وَقَعَتْ مِنَ الْقُلُوبِ.

ح، وَبِهِ قَالَ: حَدَّثَنَا ضَمْرَةُ، قَالَ: قَالَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي عَبْلَةَ ، قَالَ لِي الْوَلِيدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ: فِي كَمْ تَخْتِمُ الْقُرْآنَ؟ قُلْتُ: فِي كَذَا وَكَذَا ، فَقَالَ: أَمِيرُ الْمُؤْمِنِينَ عَلَى شُغْلهِ يَخْتِمُ كُلَّ سَبْعٍ ، أَوْ فِي كُلِّ ثَلاثٍ

وَأَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، نا أَحْمَدُ ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ ، نا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ رَاشِدٍ ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ هَانِئِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمَقْدِسِيُّ ، نا ضَمْرَةُ ، عَنْ رَجَاءِ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ ، قَالَ: سَأَلَ عَمْرُو بْنُ الْوَلِيدِ ، رَجُلا ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي عَبْلَةَ ، فَأَخْبَرَهُ ، فَقَالَ عَمْرٌو: إِنَّهُ مَا عَلِمْتُ هَنِيئًا مَرِيئًا مِنَ الرِّجَالِ

وَبِهِ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ هَانِئٍ ، نا ضَمْرَةُ ، قَالَ: سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ بْنَ أَبِي عَلْبَةَ يَقُولُ: رَحِمَ اللَّهُ الْوَلِيدَ ، وَأَيْنَ مِثْلُ الْوَلِيدِ؟ افْتَتَحَ الْهِنْدَ وَالأَنْدَلُسَ ، رَحِمَ اللَّهُ الْوَلِيدَ ، وَأَيْنَ مِثْلُ الْوَلِيدِ؟ هَدَمَ كَنِيسَةَ دِمَشْقَ ، وَبَنَى مَسْجِدَ دِمَشْقَ ، رَحِمَ اللَّهُ الْوَلِيدَ ، وَأَيْنَ مِثْلُ الْوَلِيدِ؟ كَانَ يُعْطِينِي قِصَاعَ الْفِضَّةِ أَقْسِمُهَا عَلَى قُرَّاءِ مَسْجِدِ بَيْتِ الْمَقْدِسِ

وَأَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، نا أَحْمَدُ ، نا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ ، نا مُوسَى بْنُ عِيسَى بْنِ الْمُنْذِرِ ، نا أَبِي ، نا بَقِيَّةُ ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي عَبْلَةَ ، قَالَ: مَرِضَ أَهْلِي ، فَكَانَتْ أُمُّ الدَّرْدَاءِ تَصْنَعُ لِيَ الطَّعَامَ ، فَلَمَّا بَرَءُوا ، قَالَتْ: إِنَّمَا كُنَّا نَصْنَعُ طَعَامَكَ ، إِذْ كَانَ أَهْلُكَ مَرْضَى فَأَمَّا إِذْ بَرَءُوا فَلا سَمِعْتُ مِنْ لَفْظِهِ بِاسْتِمْلاءِ شِهَابِ الدِّينِ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ الْمُقْرِئِ ، وَمَعَهُ أَبُو بَكْرٍ أَخُوهُ ، وَالْعَفِيفُ أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْمُقْرِئُ.

مَجْلِسَ يَوْمِ الْجُمُعَةِ السَّابِعَ عَشَرَ مِنْ مُحَرَّمٍ سَنَةَ تِسْعٍ وَخَمْسِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ.

وَمِنْهُمْ
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু শুকর হামদ ইবনে আলী আল-হাব্বাল, আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবিল কাসিম আল-কুদায়ী এবং আবু গালিব আহমদ ইবনে আব্বাস আল-কুশিযী—তাঁদের সবার নিকট একত্রে পঠিত হওয়ার মাধ্যমে; এবং আশ-শরীফ আবু আল-হুসাইন আলী ইবনে হাশিম ইবনে তাহির আল-আলাওয়ী আল-মাদিনী—তাঁদের নিকট আমার পিতার পাঠ করার মাধ্যমে, আল্লাহ তাঁদের প্রতি রহম করুন। তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-কানী।

(হ) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান ইবনে আহমদ আল-মুক্বরি, আমার পিতার পাঠের মাধ্যমে, তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক, পাঁচশত আট হিজরি সনে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাফিয। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম সুলাইমান ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হিশাম ইবনে আবিল দামিক আল-মুস্তামলি।

(হ) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জাফর ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আস-সাকাফী (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন)। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির ইবনে আব্দুর রহীম। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে মানসুর সাজ্জাদাহ।

(হ) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফাতহ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-খিরাক্বী—আবু নুয়াইম আল-হাফিযের কিতাব হতে অনুমতির মাধ্যমে, আর বর্ণনার ধারাটি তাঁর। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে আল্লান। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হামিদ ইবনে শুয়াইব আল-বালখী। তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে কাসীর ইবনে মারওয়ান। তিনি বলেন: আমি ইব্রাহিম ইবনে আবি আবলাহ আল-উকাইলীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: "আমি আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে হারাম (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)-কে দেখেছি, তিনি রাসূলুল্লাহ (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন)-এর সাথে দুই ক্বিবলার দিকেই সালাত আদায় করেছেন এবং তাঁর পরিধানে ছিল ধূসর বর্ণের একটি পশমী কাপড়।"

আর তিনি যখন এই হাদিসটি বর্ণনা করতেন, তখন তিনি তাঁর দুই হাতের তালু দিয়ে নিজের দুই কাঁধ স্পর্শ করতেন, অর্থাৎ তিনি তখন অত্যন্ত বিনম্র থাকতেন।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফাতহ আল-খিরাক্বী (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) অনুমতির মাধ্যমে, আবু নুয়াইমের কিতাব হতে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আতা। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি আসিম। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উমাইর। তিনি বলেন: আমি আমাদের সাথীদের বলতে শুনেছি, ইবনে আবি আবলাহ একবার হজ করেছিলেন এবং তখন তাঁর সাথে মুহাম্মাদ (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন)-এর দশজন সাহাবী উপস্থিত ছিলেন।

আমার জানা মতে ইবনে আবি আবলাহর কোনো উচ্চস্তরের সনদযুক্ত হাদিস এই একটি ছাড়া আর নেই। আর তিনি ছিলেন ফকীহ, ক্বারী এবং ইবাদতগুজারদের অন্তর্ভুক্ত।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমদ (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন)। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাফিয। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে রাশিদ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে হানি ইবনে আব্দুর রহমান। তিনি বলেন: আমার পিতা হানি আমার নিকট ইব্রাহিম ইবনে আবি আবলাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হিশাম ইবনে আব্দুল মালিক আমাকে ডেকে পাঠালেন এবং আমাকে বললেন: "হে ইব্রাহিম, আমরা তোমাকে ছোটবেলা থেকে চিনি এবং বড় হওয়া পর্যন্ত তোমাকে পরীক্ষা করেছি। আমরা তোমার জীবনযাত্রা ও তোমার অবস্থা নিয়ে সন্তুষ্ট। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, তোমাকে আমার নিজের এবং আমার বিশিষ্টজনদের সাথে অন্তর্ভুক্ত করব এবং আমার রাজকার্যে তোমাকে অংশীদার করব। আমি তোমাকে মিশরের ভূমি কর (খারাজ) সংগ্রহের দায়িত্ব প্রদান করলাম।" তিনি বলেন: তখন আমি বললাম: "হে আমিরুল মুমিনীন, আপনি যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তার জন্য আল্লাহ আপনাকে সর্বোত্তম প্রতিদান দিন এবং পুরস্কৃত করুন, আর প্রতিদান ও পুরস্কারদাতা হিসেবে তিনিই যথেষ্ট। কিন্তু আমার অবস্থা এই যে, ভূমি কর সংক্রান্ত কাজে আমার কোনো অভিজ্ঞতা নেই এবং তা বহন করার শক্তিও আমার নেই।" তিনি বলেন: তখন তিনি রাগান্বিত হলেন এমনকি তাঁর চেহারা কাঁপতে লাগল এবং তাঁর চোখে ট্যারা ভাব ছিল, তিনি আমার দিকে বিরূপ দৃষ্টিতে তাকালেন। তারপর বললেন: "তোমাকে স্বেচ্ছায় এই দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে, অন্যথায় অনিচ্ছাসত্ত্বেও করতে হবে।" তিনি বলেন: তখন আমি কথা বলা থেকে বিরত থাকলাম যতক্ষণ না দেখলাম তাঁর রাগ প্রশমিত হয়েছে এবং ক্রোধের তীব্রতা নিভে গেছে। এরপর আমি বললাম: "হে আমিরুল মুমিনীন, আমি কি কথা বলতে পারি?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ।" আমি বললাম: "নিশ্চয়ই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তাঁর কিতাবে বলেছেন: {আমি আসমান, জমিন ও পাহাড়ের নিকট আমানত পেশ করেছিলাম, কিন্তু তারা তা বহন করতে অস্বীকার করল} [সূরা আল-আহজাব: ৭২] আয়াতটি শেষ পর্যন্ত। হে আমিরুল মুমিনীন, আল্লাহর কসম, তাঁরা যখন তা অস্বীকার করল তখন আল্লাহ তাদের ওপর রাগান্বিত হননি এবং তাঁরা যখন অপছন্দ করল তখন তিনি তাদের বাধ্য করেননি। আর আমি যখন অস্বীকার করলাম তখন আপনার আমার ওপর রাগান্বিত হওয়া সাজে না এবং আমি যখন অপছন্দ করছি তখন আপনার আমাকে বাধ্য করাও ঠিক হবে না।" তিনি বলেন: তখন তিনি এমনভাবে হাসলেন যে তাঁর মাড়ির দাঁত প্রকাশিত হয়ে গেল। এরপর তিনি বললেন: "হে ইব্রাহিম, তুমি তো প্রজ্ঞা ছাড়া আর কিছুই গ্রহণ করতে রাজি হলে না। আমি তোমার ওপর সন্তুষ্ট হলাম এবং তোমাকে এ দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিলাম।"

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান ইবনে আহমদ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ আল-আসকালানী। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উমাইর ইবনে আন-নাহহাস। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দামরাহ ইবনে রাবিয়াহ, ইব্রাহিম ইবনে আবি আবলাহ থেকে। তিনি বলেন: ওয়ালিদ ইবনে আব্দুল মালিক দাঁড়ালেন এবং আমাকে নির্দেশ দিলেন। আমি কথা বললাম (বক্তব্য দিলাম)। তখন উমর ইবনে আব্দুল আজিজ আমার সাথে সাক্ষাৎ করে বললেন: "হে ইব্রাহিম, তুমি এমন এক নসিহত করেছ যা মানুষের অন্তরে গেঁথে গেছে।"

(হ) এবং একই সনদে তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দামরাহ। তিনি বলেন: ইব্রাহিম ইবনে আবি আবলাহ বলেছেন: ওয়ালিদ ইবনে আব্দুল মালিক আমাকে বললেন: "তুমি কত দিনে কুরআন খতম কর?" আমি বললাম: "এত এত দিনে।" তখন তিনি বললেন: "আমিরুল মুমিনীন এত ব্যস্ততা সত্ত্বেও প্রতি সাত দিনে অথবা প্রতি তিন দিনে কুরআন খতম করেন।"

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে রাশিদ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে হানি ইবনে আব্দুর রহমান আল-মাকদিসী। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দামরাহ, রাজা ইবনে আবি সালামাহ থেকে। তিনি বলেন: আমর ইবনে আল-ওয়ালিদ এক ব্যক্তিকে ইব্রাহিম ইবনে আবি আবলাহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে সে তাকে তাঁর খবর জানাল। তখন আমর বললেন: "আমার জানামতে মানুষের মধ্যে তাঁর মতো আর কেউ এমন তৃপ্তিদায়ক ও আনন্দদায়ক নয়।"

একই সনদে তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে হানি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দামরাহ। তিনি বলেন: আমি ইব্রাহিম ইবনে আবি আবলাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: "আল্লাহ ওয়ালিদের ওপর রহম করুন, ওয়ালিদের মতো আর কে আছে? তিনি ভারত ও আন্দালুস জয় করেছেন। আল্লাহ ওয়ালিদের ওপর রহম করুন, ওয়ালিদের মতো আর কে আছে? তিনি দামেস্কের গির্জা অপসারণ করেছেন এবং দামেস্কের মসজিদ নির্মাণ করেছেন। আল্লাহ ওয়ালিদের ওপর রহম করুন, ওয়ালিদের মতো আর কে আছে? তিনি আমাকে রুপার থালা ভর্তি হাদিয়া দিতেন যা আমি বায়তুল মুকাদ্দাস মসজিদের ক্বারীদের মাঝে বণ্টন করে দিতাম।"

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান ইবনে আহমদ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে ঈসা ইবনুল মুনযির। তিনি বলেন: আমার পিতা বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাক্বিয়্যাহ, ইব্রাহিম ইবনে আবি আবলাহ থেকে। তিনি বলেন: আমার পরিবারের লোকজন অসুস্থ হয়ে পড়ল। তখন উম্মুদ দারদা আমার জন্য খাবার তৈরি করে দিতেন। যখন তারা সুস্থ হয়ে গেল, তখন তিনি বললেন: "আমরা তোমার জন্য খাবার তৈরি করতাম যখন তোমার পরিবারের লোকরা অসুস্থ ছিল, কিন্তু এখন যেহেতু তারা সুস্থ হয়ে গেছে তাই আর করব না।" শিহাব উদ্দিন মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উবাইদুল্লাহ আল-মুক্বরি-এর শ্রুতিলিপি হতে আমি এটি শুনেছি; তাঁর সাথে ছিলেন তাঁর ভাই আবু বকর এবং আল-আফীফ আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আল-মুক্বরি।

মজলিসটি ছিল জুমুআর দিন, মহররম মাসের সতেরো তারিখ, পাঁচশত ঊনষাট হিজরী সন।

এবং তাঁদের মধ্য হতে...
(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ٦)
‌‌أَبُو هُدْبَةَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ هُدْبَةَ الْفَارِسِيُّ

، وَقَعَ حَدِيثُهُ لَنَا مِنْ طُرُقٍ عَالِيًا ، وَمِنْهُمْ
আবু হুদবাহ ইবরাহীম ইবন হুদবাহ আল-ফারিসী

، তাঁর বর্ণিত হাদীসসমূহ উচ্চ সনদে আমাদের নিকট পৌঁছেছে, এবং তাঁদের মধ্য থেকে
(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ٧)
‌‌حَجَّاجُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ يُوسُفَ بْنِ قُتَيْبَةَ الأَصْبَهَانِيُّ

.
হাজ্জাজ বিন ইউসুফ বিন ইউসুফ বিন কুতাইবাহ আল-আসবাহানি

.
(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ٨)
2 - أَخْبَرَنَا أَبُو شُكْرٍ حَمْدُ بْنُ عَلِيٍّ الْحَبَّالُ ، وَأَبُو الْفَضْلِ جَعْفَرُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ الثَّقَفِيُّ، رَحِمَهُمَا اللَّهُ ، قَالا: أنا أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ أَبُو بَكْرِ بْنِ أَبِي عَلِيٍّ ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ حِبَّانَ ، نا أَحْمَدُ بْنُ مَحْمُودِ بْنِ صُبَيْحٍ ، نا الْحَجَّاجُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ قُتَيْبَةَ ، نا إِبْرَاهِيمُ بْنُ هُدْبَةَ ، نا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ ، رضي الله عنه ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: " إِنَّ الْمُسْتَهْزِئِينَ بِعِبَادِ اللَّهِ تَعَالَى ، يُقَالُ لَهُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ: تَعَالَوُا ادْخُلُوا الْجَنَّةَ ، فَإِذَا جَاءُوا أُغْلِقَ مِنْ دُونِهِمُ الْبَابُ ، وَهُمْ آخِرُ النَّاسِ حِسَابًا "

وَمِنْهُمْ
২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু শুকর হামদ বিন আলী আল-হাব্বাল এবং আবুল ফজল জাফর বিন আব্দুল ওয়াহিদ আস-সাকাফী (আল্লাহ তাঁদের প্রতি দয়া করুন), তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম বিন আবু বকর বিন আবি আলী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন জাফর বিন হিব্বান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন মাহমুদ বিন সুবাইহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাজ্জাজ বিন ইউসুফ বিন কুতায়বাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম বিন হুদবাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আনাস বিন মালিক (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন), তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: "নিশ্চয়ই যারা মহান আল্লাহর বান্দাদের উপহাস করে, কিয়ামতের দিন তাদের বলা হবে: 'এসো, জান্নাতে প্রবেশ করো।' অতঃপর যখন তারা আসবে, তখন তাদের সামনে দরজা বন্ধ করে দেওয়া হবে; আর হিসেবের দিক থেকে তারা হবে মানুষের মধ্যে সর্বশেষ।"

এবং তাদের মধ্যে
(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ٩)
‌‌عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ يَزِيدَ الْمُلَقَّبُ بِرُسْتَةَ الأَصْبَهَانِيُّ

.
আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে ইয়াজিদ, রুস্তাহ আল-আসবাহানি নামে অভিহিত

.
(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ١٠)
3 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْمُقْرِئِ ، وَأَبُو الْفَضْلِ الْمَحْمُودِيُّ، رَحِمَهُمَا اللَّهُ ، قَالا: أنا أَبُو مَنْصُورٍ عَبْدُ الرَّزَّاقِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْخَطِيبُ ، نا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ حَيَّانَ ، نا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَمْرٍو ، نا رُسْتَةُ ، نا أَبُو هُدْبَةَ ، نا أَنَسٌ ، رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ غَسَلَ ، وَاغْتَسَلَ ، وَبَكَّرَ ، وَابْتَكَرَ ، وَدَنَا مِنَ الإِمَامِ ، وَأَنْصَتَ ، وَأَتَى الْجُمُعَةَ ، غُفِرَ مَا بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْجُمُعَةِ الأُخْرَى»

وَمِنْهُمْ
৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমাদ ইবনুল মুকরি এবং আবুল ফজল আল-মাহমুদি (আল্লাহ তাঁদের প্রতি দয়া করুন), তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মনসুর আব্দুর রাজ্জাক ইবনে আহমাদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-খাতিব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ ইবনে হাইয়ান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে আমর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রুস্তাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হুদবাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু), তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি (মাথা) ধৌত করল এবং গোসল করল, খুব ভোরে (মসজিদে) গেল এবং প্রথম ওয়াক্তে উপস্থিত হলো, ইমামের নিকটবর্তী হয়ে বসল, মনোযোগ দিয়ে শ্রবণ করল এবং জুমুআ আদায় করল, তার এই জুমুআ এবং পরবর্তী জুমুআর মধ্যবর্তী সময়কালের (গুনাহ) ক্ষমা করে দেওয়া হবে।»

এবং তাঁদের মধ্য হতে
(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ١١)
‌‌حُمَيْدُ بْنُ الرَّبِيعِ الْخَزَّازُ

.
হুমায়দ বিন আর-রাবী‘ আল-খাজ্জায

(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ١٢)
4 - أَخْبَرَنَا الرَّئِيسُ أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الشَّيْبَانِيُّ ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ فِي الْمُقْتَدِيَةِ مِنْ شَرْقِيِّ بَغْدَادَ، رحمه الله ، نا عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ التَّنُوخِيُّ ، سَنَةَ تِسْعٍ وَثَلاثِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ ، نا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الرَّزَّازُ ، نا عَلِيُّ بْنُ حَسْنُوَيْهِ الْقَطَّانُ ، نا حُمَيْدُ بْنُ الرَّبِيعِ ، نا أَبُو هُدْبَةَ ، نا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، رضي الله عنه ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَعِدَ الْمِنْبَرَ ، وَهُوَ يَقُولُ: «آمِينَ ، آمِينَ» .

ثَلاثَ مَرَّاتٍ.

قَالَ: يَقُولُ أَصْحَابُهُ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ سَمِعْنَاكَ وَأَنْتَ تَقُولُ: آمِينَ ، قَالَ: " نَزَلَ عَلَيَّ جِبْرِيلُ عليه السلام ، وَهُوَ يَقُولُ: يَا مُحَمَّدُ، إِنَّ رَبَّكَ عز وجل يُقْرِئُكَ السَّلامَ ، وَيَقُولُ لَكَ: أَلا مَنْ أَدْرَكَ رَمَضَانَ وَلَمْ يَصُمْهُ وَلَمْ يُحْسِنْ قِيَامَهُ فَأُدْخِلَ النَّارَ فَأَبْعَدَهُ اللَّهُ ، قُلْ: آمِينَ " قُلْتُ: آمِينَ ، قَالَ: أَلا وَمَنْ ذُكِرْتَ بَيْنَ يَدَيْهِ فَلَمْ يُصَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ فَمَاتَ فَدَخَلَ النَّارَ فَأَبْعَدَهُ اللَّهُ ، قُلْ: آمِينَ ، قُلْتُ: «آمِينَ» .

قَالَ: أَلا وَمَنْ أَدْرَكَ وَالِدَيْهِ وَلَمْ يَبَرَّهُمَا ، وَمَاتَ فَأُدْخِلَ النَّارَ فَأَبْعَدَهُ اللَّهُ ، قُلْ: آمِينَ ، " قُلْتُ: آمِينَ "

وَمِنْهُمْ
৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-রাইস আবু আল-কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আল-শায়বানি, বাগদাদের পূর্বাঞ্চলের মুকতাদিয়াতে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে—আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে আল-হাসান আল-তানুখি, চারশত উনচল্লিশ হিজরি সনে; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-হাসান আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সাঈদ আল-রাজ্জাজ; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে হাসনুয়াইহ আল-কাত্তান; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুমাইদ ইবনে আল-রাবি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হুদবাহ; তিনি আনাস ইবনে মালিক (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মিম্বারে আরোহণ করলেন এবং তিনি বলছিলেন: "আমিন, আমিন"।

তিনবার।

তিনি (আনাস) বলেন: তাঁর সাহাবীগণ বললেন: হে আল্লাহর নবী! আমরা আপনাকে আমিন বলতে শুনেছি। তিনি বললেন: "আমার নিকট জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) অবতীর্ণ হলেন এবং তিনি বলছিলেন: হে মুহাম্মাদ! আপনার মহিয়ান ও গরিয়ান রব আপনাকে সালাম জানাচ্ছেন এবং আপনাকে বলছেন: সাবধান! যে ব্যক্তি রমজান মাস পেল অথচ রোজা রাখল না এবং তাতে যথাযথভাবে কিয়াম (ইবাদত) করল না, ফলে সে জাহান্নামে প্রবেশ করল এবং আল্লাহ তাকে তাঁর রহমত থেকে দূরে সরিয়ে দিলেন; আপনি বলুন: আমিন। আমি বললাম: আমিন।" তিনি বললেন: "সাবধান! যার নিকট আপনার আলোচনা করা হলো অথচ সে মুহাম্মাদের ওপর দরুদ পাঠ করল না, এরপর সে মারা গেল ও জাহান্নামে প্রবেশ করল এবং আল্লাহ তাকে তাঁর রহমত থেকে দূরে সরিয়ে দিলেন; আপনি বলুন: আমিন। আমি বললাম: আমিন।"

তিনি বললেন: "সাবধান! যে ব্যক্তি তার পিতামাতাকে পেল অথচ তাদের প্রতি সদাচরণ করল না এবং সে মারা গেল ও জাহান্নামে প্রবেশ করল এবং আল্লাহ তাকে তাঁর রহমত থেকে দূরে সরিয়ে দিলেন; আপনি বলুন: আমিন। আমি বললাম: আমিন।"

এবং তাদের মধ্যে
(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ١٣)
‌‌عِيسَى بْنُ سَالِمٍ الشَّاشِيُّ الْمَعْرُوفُ بِعُوَيْسٍ

.
ঈসা বিন সালেম আশ-শাশি, যিনি উওয়াইস নামে পরিচিত

.
(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ١٤)
5 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي الْقَاسِمِ بْنِ عَلِيٍّ الصُّوفِيُّ ، بِقِرَاءَةِ وَالِدِي عَلَيْهِ ، وَسَعِيدُ بْنُ أَبِي الرَّجَاءِ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ رَحِمَهُمَا اللَّهُ، قَالا: أنا طَاهِرُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، أنا أَبُو بَكْرِ بْنُ الْمُقْرِئِ ، نا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ الصُّوفِيُّ ، نا عُوَيْسُ بْنُ سَالِمٍ ، نا إِبْرَاهِيمُ بْنُ هُدْبَةَ ، عَنْ أَنَسٍ ، رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " لَوْ أَذِنَ اللَّهُ لِلسَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ أَنْ تَكَلَّمَا لَبَشَّرَتَا صُوَّامَ شَهْرِ رَمَضَانَ ، يَعْنِي: بِالْجَنَّةِ "

وَمِنْهُمْ
৫ - আবু বকর মুহাম্মদ ইবন আবিল কাসিম ইবন আলী আস-সুফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট আমার পিতার পাঠের মাধ্যমে; এবং সাঈদ ইবন আবিল রাজা, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে—আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি দয়া করুন—তাঁরা উভয়ে বলেছেন: তাহির ইবন মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর ইবনুল মুকরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ ইবনুল হাসান আস-সুফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উওয়াইস ইবন সালিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবরাহীম ইবন হুদবাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "আল্লাহ যদি আসমানসমূহ ও জমিনকে কথা বলার অনুমতি দিতেন, তবে তারা রমজান মাসের রোজাদারদের সুসংবাদ দিত, অর্থাৎ: জান্নাতের।"

এবং তাঁদের মধ্যে
(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ١٥)
‌‌سُلَيْمَانُ بْنُ بِلالٍ

.
সুলায়মান ইবন বিলাল

.
(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ١٦)
6 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ ، رحمه الله ، نا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ ، نا أَبُو عَمْرِو بْنُ حَمْدَانَ ، نا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ ، نا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلالٍ ، نا أَبُو هُدْبَةَ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، رضي الله عنه ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «طُوبَى لِمَنْ أَبْصَرَنِي وَأَبْصَرَ مَنْ أَبْصَرَنِي»

وَمِنْهُمْ
৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমদ (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন), আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর ইবনে হামদান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান ইবনে সুফিয়ান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান ইবনে বিলাল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হুদবাহ, আনাস ইবনে মালিক (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «সুসংবাদ তার জন্য যে আমাকে দেখেছে এবং তাকে দেখেছে যে আমাকে দেখেছে»

এবং তাদের মধ্য থেকে
(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ١٧)
‌‌سَعْدَانُ بْنُ نَصْرٍ

.
সাদান বিন নাসর

(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ١٨)
7 - أَخْبَرَنَا أَبُو مَنْصُورٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْقَزَّازُ، رحمه الله ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِبَغْدَادَ ، أنا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي الْحَسَنِ الْحَافِظُ ، نا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُعَدَّلُ ، أنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّفَّارُ ، نا سَعْدَانُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا هُدْبَةَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ ، رضي الله عنه يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «طُوبَى لِمَنْ رَآنِي ، وَطُوبَى لِمَنْ رَأَى مَنْ رَآنِي ، وَطُوبَى لِمَنْ رَأَى مَنْ رَأَى مَنْ رَآنِي»

وَمِنْهُمْ
৭ - আবু মানসুর আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ আল-ক্বাজ্জাজ (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন) বাগদাদে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আহমাদ বিন আবিল হাসান আল-হাফিয আমাদের জানিয়েছেন, আলী বিন মুহাম্মদ আল-মুয়াদ্দাল আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল বিন মুহাম্মদ আস-সাফফার আমাদের জানিয়েছেন, সা’দান বিন নাসর আমাদের বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আমি আবু হুদবাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আনাস বিন মালিককে (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূলকে (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর উপর বর্ষিত হোক) বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: “সুসংবাদ তার জন্য যে আমাকে দেখেছে, আর সুসংবাদ তার জন্য যে তাকে দেখেছে যে আমাকে দেখেছে, আর সুসংবাদ তার জন্য যে তাকে দেখেছে যে তাকে দেখেছে যে আমাকে দেখেছে।”

এবং তাদের মধ্যে
(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ١٩)
‌‌مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُنَادِي

.
মুহাম্মদ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আল-মুনাদী

(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ٢٠)
8 - أَخْبَرْتَنَا أُمُّ الرَّجَاءِ البزدخواستية الْوَاعِظَةُ ، رَحِمَهَا اللَّهُ ، قَالَتْ: أَخْبَرَنَا جَدِّي أَبُو أُمِّي ، نا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ حَيَّانَ ، نا مُحَمَّدُ بْنُ حَمْزَةَ ، نا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُنَادِي ، نا أَبُو هُدْبَةَ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِنَّ الْجَارَ يَتَعَلَّقُ بِجَارِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ، يَقُولُ: يَا رَبِّ، أَوْسَعْتَ عَلَى أَخِي هَذَا ، وَقَدَرْتَ عَلَيَّ ، أُمْسِي طَاوٍ بَطْنِي ، وَيُمْسِي هَذَا شَبْعَانَ ، فَسَلْهُ لِمَ أَغْلَقَ بَابَهُ عَنِّي وَحَرَمَنِي مَا قَدْ أَوْسَعْتَ عَلَيْهِ؟ وَالْجَارُ يَتَعَلَّقُ بِالْجَارِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ".

سَمِعْتُ بِلَفْظِهِ بِاسْتِمَلاءِ عَفِيفِ الدِّينِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْمُقْرِئِ ، وَالْمَشَايِخِ مَعَهُ بِهِ

مَجْلِسُ يَوْمِ الثُّلاثَاءِ الْعِشْرُونَ مِنْ مُحَرَّمٍ سَنَةَ سِتِّينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ.

وَمِنْهُمْ
৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উপদেশদাত্রী উম্মুর রাজা আল-বাজদখওয়াসতিয়্যাহ (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন), তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার মাতামহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মাদ ইবন হাইয়্যান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন হামজাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন উবাইদুল্লাহ ইবনুল মুনাদি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হুদবাহ, তিনি আনাস ইবন মালিক (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই কিয়ামতের দিন এক প্রতিবেশী অপর প্রতিবেশীকে আঁকড়ে ধরবে এবং বলবে: হে আমার রব! আপনি আমার এই ভাইকে প্রাচুর্য দান করেছিলেন আর আমার জন্য রিজক সংকীর্ণ করেছিলেন; আমি ক্ষুধার্ত পেটে সন্ধ্যা অতিবাহিত করতাম আর সে তৃপ্ত অবস্থায় সন্ধ্যা অতিবাহিত করত। সুতরাং আপনি তাকে জিজ্ঞেস করুন, কেন সে আমার দিক থেকে তার দরজা বন্ধ করে রেখেছিল এবং আপনি তাকে যা প্রাচুর্য দান করেছিলেন তা থেকে আমাকে বঞ্চিত করেছিল? আর কিয়ামতের দিন এক প্রতিবেশী অপর প্রতিবেশীকে আঁকড়ে ধরবে।"

আমি মুকরি আফিফ উদ্দিন ইবরাহিম ইবন আব্দুল ওয়াহিদের শ্রুতলিখন অনুযায়ী শায়খের কণ্ঠ থেকে এবং তাঁর সাথে উপস্থিত থাকা শায়খদের সাথে এটি শ্রবণ করেছি।

৫৬০ হিজরি সনের ২০শে মহররম, রোজ মঙ্গলবারের মজলিস।

এবং তাদের মধ্য হতে:
(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ٢١)
‌‌مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ السَّفِينِيُّ

.
মুহাম্মদ ইবনে আস-সাব্বাহ আস-সাফিনি

.
(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ٢٢)
9 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ الْمُقْرِئُ ، رحمه الله ، نا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ ، نا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي حُصَيْنٍ ، نا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَضْرَمِيُّ مُطَيَّنٌ ، نا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ ، مِنْ وَلَدِ سَفِينَةَ ، نا أَبُو هُدْبَةَ ، خَادِمُ أَنَسٍ ، عَنْ أَنَسٍ، رضي الله عنه، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: «لا تَهْلُبُوا أَذْنَابَ الْخَيْلِ ، وَلا تَجُزُّوا نَوَاصِيَهَا ، فَإِنَّ الْبَرَكَةَ فِي نَوَاصِيهَا وَدِفَاءَهَا فِي أَعْرَافِهَا» .

لا أَعْرِفُ هَذَا الْحَدِيثَ إِلا مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ، وَقَوْلُهُ: «لا تَهْلُبُوا» .

أَيْ: لا تَسْتَأْصِلُوا ، يُقَالُ: فَرَسٌ مَهْلُوبٌ ، إِذَا اسْتُؤْصِلَ ذَنَبُهُ جَزًّا فَقَدْ هُلِبَ

وَمِنْهُمُ
৯ - আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমাদ আল-মুকরি (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাফিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইব্রাহিম ইবনে আহমাদ ইবনে আবু হুসাইন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাদরামি মুতায়্যান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সাফিনার বংশধর মুহাম্মাদ ইবনে আস-সাব্বাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আনাসের সেবক আবু হুদবাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা ঘোড়ার লেজের চুল সমূলে উপড়াবে না এবং তাদের কপালের চুল কাটবে না; কেননা বরকত নিহিত রয়েছে তাদের কপালের চুলে এবং তাদের ঘাড়ের কেশরের মধ্যে রয়েছে উষ্ণতা।"

আমি এই হাদিসটি এই সূত্র ব্যতিরেকে অন্য কোনোভাবে জানি না। এবং তাঁর বাণী: "তোমরা সমূলে উপড়াবে না"।

অর্থাৎ: তোমরা সমূলে বিনাশ বা কর্তন করো না। বলা হয়: ঘোড়াটি 'মাহলুব' (লেজ কাটা), যখন কাটার মাধ্যমে তার লেজ সমূলে পরিষ্কার করে ফেলা হয়, তখন বলা হয় 'হুলিবাহ' (উপড়ানো হয়েছে)।

এবং তাদের মধ্যে থেকে...
(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ٢٣)
‌‌الْخَضِرُ بْنُ أَبَانٍ الْهَاشِمِيُّ

.
খাযির ইবন আবান আল-হাশিমী

.
(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ٢٤)
10 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْهَيْثَمِ الصَّبَّاغُ ، رحمه الله ، أنا أَبُو الْوَفَاءِ مَهْدِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغْدَادِيُّ ، قَدِمَ عَلَيْنَا ، أنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ بْنِ بَاموَيْهِ الأَصْبَهَانِيُّ ، أنا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُقْبَةَ ، نا الْخَضِرُ بْنُ أَبَانٍ ، نا أَبُو هُدْبَةَ ، عَنْ أَنَسٍ ، رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ بَنَى للَّهِ تَعَالَى مَسْجِدًا بَنَى اللَّهُ تَعَالَى لَهُ قَصْرًا مِنْ دُرٍّ وَيَاقُوتٍ وَزَبَرْجَدٍ» .

قَالَ الشَّيْخُ: عَسَى أَنْ يَكُونَ قَدْ وَقَعَ لِي مِنْ غَيْرِ هَؤُلاءِ مِنْ أَصْحَابِ أَبِي هُدْبَةَ إِلا أَنَّ أَصْحَابَنَا لا يَفْرَحُونَ بِرِوَايَةِ أَمْثَالِهِ لِمَا قِيلَ فِيهِ مِنَ الضَّعْفِ ، شَرَحْتُ حَالَهُ فِي السُّبَاعِيَّاتِ بِمَا أَغْنَى عَنْ إِعَادَتِهِ وَقَدْ وَقَعَتْ لِي نُسْخَةٌ مِنْ حَدِيثِهِ بَيْنِي وَبَيْنَهُ فِيهَا أَرْبَعَةٌ ذَكَرْتُهَا فِي السُّدَاسِيَّاتِ غَيْرَ أَنَّهُ لا يُعْبَأُ بِهَا كَمَا ذَكَرْتُهُ

وَمِنْهُمْ
১০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির আব্দুল ওয়াহিদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাইসাম আস-সাব্বাগ, আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ওয়াফা মাহদী বিন মুহাম্মদ আল-বাগদাদী, তিনি আমাদের নিকট আগমন করেছিলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন ইউসুফ বিন বামওয়াইহ আল-আসফাহানি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী বিন মুহাম্মদ বিন উকবাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-খাদির বিন আবান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হুদবাহ, আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি মহান আল্লাহর জন্য একটি মসজিদ নির্মাণ করবে, মহান আল্লাহ তার জন্য মুক্তা, ইয়াকুত এবং যবরজদ দিয়ে একটি প্রাসাদ নির্মাণ করবেন।»

শায়খ বলেন: আবু হুদবাহ-এর সাথীদের মধ্যে এঁদের ব্যতীত অন্যদের সূত্র থেকেও সম্ভবত এই বর্ণনাটি আমার নিকট পৌঁছেছে, তবে আমাদের মুহাদ্দিসগণ এই ধরনের বর্ণনা নিয়ে আনন্দিত হন না কারণ তাঁর (আবু হুদবাহ) দুর্বলতা সম্পর্কে যা বলা হয়েছে। আমি তাঁর অবস্থা সম্পর্কে 'আস-সুবাইয়াত' গ্রন্থে এমন বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেছি যা পুনরায় উল্লেখ করার প্রয়োজন রাখে না। তাঁর হাদীসের একটি পাণ্ডুলিপি আমার হস্তগত হয়েছে যেখানে আমার এবং তাঁর মাঝে চারজন বর্ণনাকারী রয়েছে, যা আমি 'আস-সুদাসিয়াত' গ্রন্থে উল্লেখ করেছি; তবে আমি যেমনটি উল্লেখ করেছি যে, এটি নির্ভরযোগ্য হিসেবে গণ্য হয় না।

এবং তাঁদের মধ্যে রয়েছেন
(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ٢٥)
‌‌إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ أَبُو سَعِيدٍ الْهَرَوِيُّ النَّيْسَابُورِيُّ

، سَكَنَ مَكَّةَ فِي آخِرِ عُمْرِهِ حَتَّى مَاتَ بِهَا أَوْرَدْنَاهُ هَهُنَا لِتَقَدُّمِ مَوْتِهِ وَعِزَّةِ عُلُوِّ حَدِيثِهِ وَثِقَتِهِ بِأَنَّهُ مَاتَ نَحْوَ سَنَةِ سِتِّينَ وَمِائَةٍ.
ইব্রাহিম ইবন তাহমান আবু সাঈদ আল-হারাভি আন-নাইসাবুরি

তিনি তাঁর জীবনের শেষ ভাগে মক্কায় বসবাস করেন এবং সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যু পূর্ববর্তী সময়ের হওয়ার কারণে এবং তাঁর হাদিসের সনদের উচ্চমর্যাদা ও তাঁর নির্ভরযোগ্যতার জন্য আমরা তাঁকে এখানে উল্লেখ করেছি। তিনি আনুমানিক একশত ষাট হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ٢٦)
‌‌مُحَمَّدُ بْنُ سَابِقٍ عَنْهُ

.
মুহাম্মাদ বিন সাবিক তাঁর থেকে

.
(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ٢٧)
11 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ الْمُقْرِئُ ، رحمه الله سَنَةَ ثَمَانٌ ، نا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ ، نا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْهَيْثَمِ الأَنْبَارِيُّ ، بِبَغْدَادَ ، نا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ شَاكِرٍ الصَّائِغِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَابِقٍ ، وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ ، عَنْ مَسْرُوقٍ ، وَعَنْ أَبِي الضُّحَى ، عَنْ مَسْرُوقٍ ، عَنْ عَائِشَةَ ، رضي الله عنها أَنَّهَا قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا أُتِيَ بِمَرِيضٍ قَالَ: «أَذْهِبِ الْبَأْسَ رَبَّ النَّاسِ اشْفِ أَنْتَ الشَّافِي لا شِفَاءَ إِلا شِفَاؤُكَ شِفَاءً لا يُغَادِرُ سَقَمًا» ، هَذَا الْحَدِيثُ صَحِيحٌ مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ ، أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ وَمُسْلِمٌ مِنْ طُرُقٍ شَتًّى ، وَقَالَ الْبُخَارِيُّ: قَالَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ: عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ ، وَعَنْ أَبِي الضُّحَى ، عَنْ مَسْرُوقٍ
১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আহমদ আল-মুকরি, আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন, চারশত আট সনে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন আবদুল্লাহ বিন আহমদ; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন জাফর বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাইসাম আল-আনবারি, বাগদাদে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জাফর বিন মুহাম্মদ বিন শাকির আস-সাইগ; তিনি মুহাম্মদ বিন সাবিক ও ইবরাহিম বিন তাহমান থেকে, তিনি মনসুর থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি মাসরুক থেকে; এবং আবুল দুহা থেকে, তিনি মাসরুক থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট যখন কোনো অসুস্থ ব্যক্তিকে আনা হতো, তখন তিনি বলতেন: «হে মানুষের রব! কষ্ট দূর করে দিন, আরোগ্য দান করুন, আপনিই আরোগ্যদানকারী। আপনার দেয়া আরোগ্য ছাড়া কোনো আরোগ্য নেই, এমন আরোগ্য যা কোনো রোগ অবশিষ্ট রাখে না।» এই হাদিসটি সহিহ এবং এর ওপর ঐকমত্য রয়েছে (মুত্তাফাকুন আলাইহি)। ইমাম বুখারি ও ইমাম মুসলিম একে বিভিন্ন সূত্রে বর্ণনা করেছেন। বুখারি বলেন: ইবরাহিম বিন তাহমান বর্ণনা করেছেন মনসুর থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে এবং আবুল দুহা থেকে, তিনি মাসরুক থেকে।
(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ٢٨)
12 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ ، نا أَبُو نُعَيْمٍ الْحَافِظُ ، نا أَبُو عَلِيٍّ الصَّوَّافُ ، نا إِسْحَاقُ بْنُ الْحَسَنِ الْحَرْبِيُّ.

ح ، قَالَ أَبُو نُعَيْمٍ: وَحَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ ، وَأَحْمَدُ بْنُ السِّنْدِيِّ الْحَدَّادُ ، قَالاهُ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ الْبَرْبَهَارِيُّ ، قَالاهُ مُحَمَّدُ بْنُ سَابِقٍ.

ح ، قَالَ أَبُو نُعَيْمٍ: وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ الطَّلْخِيُّ ، نا عُبَيْدُ بْنُ غَنَّامٍ ، نا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ ، نا مُحَمَّدُ بْنُ سَابِقٍ ، نا إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ ، عَنِ ابْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، رضي الله عنه ، أَنَّهُ حَدَّثَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعَثَهُ وَأُوَيْسَ بْنَ الْحَدَثَانِ أَيَّامَ التَّشْرِيقِ، فَنَادَى: أَلا إِنَّهُ لا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ إِلا مُؤْمِنٌ ، وَأَيَّامَ مِنًى أَكْلٌ وَشُرْبٌ ، وَهَذَا أَيْضًا صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ ، هَذَا كَأَنَّ شَيْخِي سَمِعَهُ مِنْ صَاحِبِ مُسْلِمٍ
১২ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম আল-হাফিজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলী আস-সওয়াফ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন আল-হাসান আল-হারবি।

হা, আবু নুআইম বলেন: এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলায়মান বিন আহমাদ এবং আহমাদ বিন আল-সিন্দি আল-হাদ্দাদ, তাঁরা উভয়ে বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন আলী আল-বারবাহারি থেকে, তাঁরা উভয়ে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন সাবিক থেকে।

হা, আবু নুআইম বলেন: এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আত-তালখি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদ বিন গান্নাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবি শায়বাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন সাবিক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম বিন তাহমান, তিনি আবু যুবাইর থেকে, তিনি কাব বিন মালিকের পুত্র থেকে, তিনি তাঁর পিতা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর উপর বর্ষিত হোক) তাঁকে এবং উয়াইস বিন আল-হাদাছানকে তাশরিকের দিনগুলোতে পাঠিয়েছিলেন। অতঃপর তিনি ঘোষণা করলেন: "জেনে রেখো, মুমিন ব্যতীত কেউ জান্নাতে প্রবেশ করবে না; আর মিনার দিনগুলো হলো আহার ও পান করার দিন।" এবং এটিও সহিহ, ইমাম মুসলিম এটি আবু বকর বিন আবি শায়বাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। এটি এমন যেন আমার শাইখ এটি ইমাম মুসলিমের জনৈক সঙ্গীর নিকট থেকে শুনেছেন।
(খণ্ড: ১) মুনতাহা রাগবাতুস সামিঈন ফী আউয়ালী আহাদীসিত তাবিঈন (পৃষ্ঠা: ٢٩)
‌‌مُحَمَّدُ بْنُ سِنَانٍ الْعَوْفِيُّ ، عَنْهُ

.
মুহাম্মদ বিন সিনান আল-আওফি, তার থেকে বর্ণিত