(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: -)
مجالس من أمالي أبي عبد الله بن منده (ابن منده محمد بن إسحاق)
القسم: كتب السنة
الكتاب: مجالس من أمالي أبي عبد الله بن منده
المؤلف: أبو عبد الله محمد بن إسحاق بن محمد بن يحيى بن مَنْدَه العبدي (ت 395 هـ)
عدد الصفحات: 431
[الكتاب مرقم آليا]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মান্দাহর আমালি থেকে সংকলিত মজলিসসমূহ (ইবনে মান্দাহ মুহাম্মদ বিন ইসহাক)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মান্দাহর আমালি থেকে সংকলিত মজলিসসমূহ
লেখক: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন মান্দাহ আল-আবদি (মৃত্যু ৩৯৫ হিজরি)
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৩১
[গ্রন্থটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংখ্যায়িত করা হয়েছে]
শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ١)
مجلس لأبي عبد الله بن منده في شعبان سنة أربع وثمانين
চুরাশি হিজরি সনের শাবান মাসে আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মান্দাহ-এর মজলিস
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ٢)
1 - أخبرنا أبو إسحاق إبراهيم بن محمد بن صالح القنطري ، بدمشق، نا محمد بن سليمان بن هشام البصري، أنا وكيع بن الجراح، عن مسعر بن كدام، عن سفيان الثوري، عن عثمان بن المغيرة، عن علي بن ربيعة الوالبي، عن أسماء بن الحكم الفزاري، قال: سمعت علي بن أبي طالب، يقول: كنت إذا سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم حديثا نفعني الله عز وجل ما شاء أن ينفعني، وإذا حدثني عنه غيره استحلفته فإذا حلف صدقته ، وحدثني أبو بكر، وصدق أبو بكر، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول: «ما من عبد يذنب ذنبا فيقوم فيتوضأ فيحسن الوضوء، ثم يستغفر الله، إلا غفر الله له»
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সালেহ আল-কান্তারি, দামেস্কে; আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান ইবনে হিশাম আল-বসরি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ওয়াকি ইবনুল জাররাহ, মিসআর ইবনে কিদাম থেকে, তিনি সুফিয়ান আস-সাওরি থেকে, তিনি উসমান ইবনুল মুগিরাহ থেকে, তিনি আলী ইবনে রাবিয়াহ আল-ওয়ালিবি থেকে, তিনি আসমা ইবনুল হাকাম আল-ফাজারি থেকে, তিনি বলেন: আমি আলী ইবনে আবি তালিবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি যখন আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক) এর নিকট থেকে কোনো হাদীস শুনতাম, তখন আল্লাহ আমাকে তা দ্বারা যতটুকু উপকৃত করতে চাইতেন ততটুকু উপকৃত করতেন। আর যখন তাঁর পক্ষ থেকে অন্য কেউ আমাকে হাদীস শোনাতেন, আমি তাকে শপথ করাতাম; যখন সে শপথ করত, আমি তাকে সত্যবাদী বলে গণ্য করতাম। আমাকে আবু বকর হাদীস শুনিয়েছেন—আর আবু বকর সত্য বলেছেন—তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক) বলেছেন: «এমন কোনো বান্দা নেই যে কোনো পাপ করে, অতঃপর উঠে দাঁড়ায় এবং উত্তমরূপে ওজু করে, তারপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, তবে আল্লাহ তাকে অবশ্যই ক্ষমা করে দেন।»
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ٣)
2 - أخبرنا أبو علي الحسن بن محمد بن النضر، أنا إسماعيل بن زيد القطان، أنا سفيان بن عيينة، عن عاصم الأحول، عن عبد الله بن سرجس، قال: رأيت عمر بن الخطاب أتى الركن فقبله وقال: «والله إني لأعلم أنك حجرا لا تضر، ولا تنفع، ولولا أني رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم قبلك ما قبلتك»
২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন মুহাম্মাদ বিন আন-নাদর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাঈল বিন যাইদ আল-কাত্তান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুফিয়ান বিন উইয়াইনাহ, আসিম আল-আহওয়াল থেকে বর্ণিত, তিনি আব্দুল্লাহ বিন সারজিস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: আমি ওমর বিন আল-খাত্তাবকে দেখেছি যে তিনি রুকনের (হাজরে আসওয়াদ) নিকট আসলেন এবং সেটিকে চুম্বন করলেন। অতঃপর বললেন: «আল্লাহর শপথ! নিশ্চয়ই আমি জানি যে তুমি কেবল একটি পাথর, তুমি কোনো ক্ষতিও করতে পারো না এবং কোনো উপকারও করতে পারো না। যদি আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তোমাকে চুম্বন করতে না দেখতাম, তবে আমি তোমাকে চুম্বন করতাম না।»
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ٤)
3 - أخبرنا أَبو سعيد القاسم بن كليب، أنا عيسى بن أحمد العسقلاني، أنا عبد الله بن وهب، أخبرني سعيد بن أبي أيوب، وغيره، عن زهرة بن معبد، عن جده عبد الله بن هشام، وكان قد أدرك النبي صلى الله عليه، قال: ذهبت به أمه زينب بنت حميد إلى النبي صلى الله عليه، فقالت: بايعه، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «هو صغير» .فمسح رأسه ودعا له
৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আল-কাসিম বিন কুলাইব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ঈসা বিন আহমদ আল-আসকালানি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন ওয়াহাব, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন সাঈদ বিন আবি আইয়ুব ও অন্যান্যরা, তাঁরা জুহরাহ বিন মা’বাদ থেকে, তিনি তাঁর দাদা আব্দুল্লাহ বিন হিশাম থেকে বর্ণনা করেন—যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাক্ষাৎ লাভ করেছিলেন—তিনি বলেন: তাঁর মাতা যয়নব বিনতে হুমাইদ তাঁকে নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে গেলেন এবং বললেন: আপনি তাঁর বায়আত গ্রহণ করুন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «সে তো ছোট শিশু»।অতঃপর তিনি তাঁর মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন এবং তাঁর জন্য দোয়া করলেন।
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ٥)
4 - أخبرنا أبو الحسن علي بن إبراهيم بن معاوية النيسابوري، أنا أحمد بن عبد الجبار بن عمر الكوفي، أنا حفص بن غياث، عن الأعمش، عن ذر بن عبد الله، عن يسيع الحضرمي، عن النعمان بن بشير، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن الدعاء هو العبادة» .ثم قرأ {ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ} [غافر: 60]
৪ - আবু আল-হাসান আলী বিন ইবরাহীম বিন মুআবিয়া আন-নিশাপুরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ বিন আব্দুল জব্বার বিন উমর আল-কুফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাফস বিন গিয়াস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আ’মাশ থেকে, তিনি যার বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি ইয়ুসাই আল-হাদরামি থেকে, তিনি নুমান বিন বশীর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই দোয়াই হলো ইবাদত» ।অতঃপর তিনি পাঠ করলেন {তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব} [গাফির: ৬০]
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ٦)
5 - أخبرنا أبو جعفر محمد بن شاذان التاجر الأصبهاني، أنا أبو مسعود أحمد بن الفرات، أخبرنا أبو أحمد الزبيري، أخبرنا أبو الحسين، وهو عمر بن سعيد، عن عطاء، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: «ما أنزل الله داء إلا أنزل له دواء»
৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ বিন শাযান আত-তাজির আল-আসবাহানি, আমাদের জানিয়েছেন আবু মাসউদ আহমাদ বিন আল-ফুরাত, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ আয-যুবাইরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন—আর তিনি হলেন উমর বিন সাঈদ—আতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আল্লাহ এমন কোনো রোগ নাযিল করেননি যার জন্য তিনি প্রতিষেধক নাযিল করেননি»
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ٧)
6 - أخبرنا أبو الحسن علي بن العباس بن الأشعث الغزي، بها، أنا أبو عبد الله محمد بن حماد الطهراني، أنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، حدثني عطاء، يعني ابن أبي رباح، عن حبيب بن أبي ثابت، عن عبد الله بن عمر، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا عمرى ولا رقبى فمن أعمر شيئا أو أرقبه فهو له حياته ومماته» .قال: أفرأيت إن كان صدقة؟ قال: «هذا لأبعد له منه» .قال ابن جريج: فقلت لحبيب بن أبي ثابت: فإن عطاء أخبرني عنك في الرقبى، فقال: لم أسمع من ابن عمر شيئا غير هذا
৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলি বিন আব্বাস বিন আশ'আস আল-গাজ্জি সেখানে, আমাদের জানিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন হাম্মাদ আত-তিহরানি, আমাদের জানিয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে জুরাইজ, আতা অর্থাৎ ইবনে আবি রাবাহ আমাকে বর্ণনা করেছেন হাবিব বিন আবি সাবিত থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "উমরা এবং রুকবা বলতে কিছু নেই। অতএব যাকে কোনো কিছু উমরা বা রুকবা হিসেবে দেওয়া হয়, তা তার জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পর তারই থাকবে।"তিনি (বর্ণনাকারী) বললেন: আপনি কি মনে করেন যদি তা সদকা হয়? তিনি (রাসূলুল্লাহ) বললেন: "এটি তাকে তা থেকে আরও দূরে সরিয়ে দেয়।"ইবনে জুরাইজ বলেন: আমি হাবিব বিন আবি সাবিতকে বললাম: আতা তো আপনার বরাতে রুকবা সম্পর্কে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন। তখন তিনি বললেন: আমি ইবনে উমরের নিকট থেকে এটি ছাড়া আর কিছুই শুনিনি।
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ٨)
7 - أخبرنا أبو سعيد أحمد بن محمد بن زياد ، بمكة، أنا محمد بن سليمان بن هشام البصري، أخبرنا إسحاق بن يوسف الأزرق، حدثنا شريك بن عبد الله النخعي، عن بيان بن بشر، عن قيس بن أَبي حازم، عن المغيرة بن شعبة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أبردوا بالظهر فإن شدة الحر من فيح جهنم»
৭ - মক্কায় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান ইবনে হিশাম আল-বাসরি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসহাক ইবনে ইউসুফ আল-আজরাক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শারিক ইবনে আব্দুল্লাহ আন-নাখায়ি, বায়ান ইবনে বিশর থেকে, তিনি কাইস ইবনে আবি হাযিম থেকে, তিনি মুগিরা ইবনে শু’বা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা জোহরের সালাত ঠান্ডা করে (বিলম্ব করে) আদায় করো, কারণ গরমের তীব্রতা জাহান্নামের নিশ্বাসের অংশ হতে উদ্ভূত।»
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ٩)
8 - أخبرنا عبد الله بن يعقوب بن إسحاق، أنا محمد بن إسحاق الكرماني، أخبرنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، وحسان بن إبراهيم، عن يونس بن يزيد، عن الزهري، أخبرني محمد بن جبير بن مطعم، أن أباه أخبره، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول: «لا يدخل الجنة قاطع»
৮ - আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইসহাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আল-কিরমানি আমাদের জানিয়েছেন, সুফিয়ান ইবনে উইয়ায়না আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যুহরি থেকে, এবং হাসান ইবনে ইব্রাহিম ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ থেকে বর্ণনা করেন যুহরি সূত্রে, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে জুবায়ের ইবনে মুতইম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তার পিতা তাকে জানিয়েছেন যে, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন: «আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না।»
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ١٠)
9 - أخبرنا أبو حامد أحمد بن يحيى بن سعيد النيسابوري، أنا محمد بن يحيى الذهلي، أنا يزيد بن هارون، أنا داود بن أبي هند، عن مكحول، عن أبي ثعلبة الخشني، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن الله فرض فرائض فلا تضيعوها وسكت عن أشياء فلا تنتهكوها، وحد حدودا فلا تعتدوها ، وعفا عن أشياء رحمة بكم فلا تبحثوا عنها» .قال محمد بن يحيى: وحدثنا حماد بن سعد، عن محمد بن عجلان، عن سعد يعني ابن إبراهيم، عن مكحول مثله
৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হামিদ আহমাদ বিন ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আন-নিসাবুরি, আমাদের জানিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া আদ-যুহলি, আমাদের জানিয়েছেন ইয়াযিদ বিন হারুন, আমাদের জানিয়েছেন দাউদ বিন আবি হিন্দ, মাকহুল থেকে, তিনি আবু সা’লাবা আল-খুশানি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা কিছু ফরজ বিধান আবশ্যক করেছেন, সুতরাং তোমরা সেগুলো বিনষ্ট করো না; তিনি কিছু বিষয়ে নীরবতা অবলম্বন করেছেন, সুতরাং তোমরা সেগুলো লঙ্ঘন করো না; তিনি কিছু সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন, সুতরাং তোমরা সেগুলো অতিক্রম করো না; এবং তিনি তোমাদের প্রতি দয়া স্বরূপ কিছু বিষয় ক্ষমা করেছেন, সুতরাং তোমরা সেগুলো নিয়ে অনুসন্ধান করো না»।মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া বলেন: এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন সা’দ, মুহাম্মাদ বিন আজলান থেকে, তিনি সা’দ অর্থাৎ ইবনে ইবরাহিম থেকে, মাকহুল থেকে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ١١)
10 - أخبرنا أبو طاهر أحمد بن عمرو المصري، أنا يونس بن عبد الأعلى، ثنا أيوب بن سويد، عن أمية بن يزيد، عن أبي مصبح الحمصي، عن ثوبان مولى رسول الله قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «رأس الدين النصيحة» .قلنا: لمن يا رسول الله؟ ، قال: «لله ولنبيه ولكتابه ولأئمة المسلمين وللمسلمين عامة»
১০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের আহমদ ইবন আমর আল-মিসরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবন আবদিল আ'লা, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আইয়ুব ইবন সুওয়াইদ, তিনি উমাইয়া ইবন ইয়াযিদ থেকে, তিনি আবু মুসাব্বিহ আল-হিমসি থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুক্তদাস সাওবান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «দ্বীনের মূল হলো কল্যাণকামিতা»।আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, কার জন্য? তিনি বললেন: «আল্লাহর জন্য, তাঁর নবীর জন্য, তাঁর কিতাবের জন্য, মুসলিমদের নেতৃবৃন্দের জন্য এবং সাধারণ মুসলিমদের জন্য»
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ١٢)
11 - أخبرنا أبو عثمان سعيد بن يزيد الحمصي، بها، أنا محمد بن عوف بن سفيان، أنا طلق بن غنام، أنا شريك بن عبد الله، وقيس بن الربيع، عن أبي حصين، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أد الأمانة إلى من ائتمنك ولا تخن من خانك»
১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান সাঈদ বিন ইয়াজিদ আল-হিমসি সেখানে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আউফ বিন সুফইয়ান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তালক বিন গান্নাম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শারিক বিন আব্দুল্লাহ এবং কাইস বিন আর-রাবি, আবু হুসাইন থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমার নিকট যে আমানত গচ্ছিত রেখেছে তার আমানত তাকে ফিরিয়ে দাও এবং যে তোমার সাথে খিয়ানত করেছে তুমি তার সাথে খিয়ানত করো না।»
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ١٣)
12 - أخبرنا أبو عمرو عثمان بن أحمد بن عبد الله الدقاق، أنا محمد بن عيسى بن حيان، أنا محمد بن الفضل بن عطية، عن سليمان التيمي، عن محمد بن سيرين، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لقنوا موتاكم لا إله إلا الله»
১২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর উসমান ইবনে আহমাদ ইবনে আবদুল্লাহ আদ-দাক্কাক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে ঈসা ইবনে হাইয়্যান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে আল-ফাদল ইবনে আতিয়্যাহ, সুলায়মান আত-তাইমি থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে সিরিন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা তোমাদের মুমূর্ষু ব্যক্তিদের 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' (আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই)-এর তালকিন প্রদান করো।»
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ١٤)
13 - أخبرنا محمد بن أحمد بن عبد الجبار المصري، بها، أنا الربيع بن سليمان، أنا عبد الله بن وهب، حدثني أسامة بن زيد، عن مكحول، عن أبي إدريس الخولاني، عن أبي ثعلبة الخشني، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم «نهى عام خيبر عن لحوم الحمر الإنسية»
১৩ - মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আব্দুল জাব্বার আল-মিসরী সেখানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আর-রবী বিন সুলাইমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ বিন ওয়াহাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উসামাহ বিন যায়েদ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন মাকহুল থেকে, তিনি আবু ইদ্রিস আল-খাওলানী থেকে, তিনি আবু ছালাবাহ আল-খুশানী থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারের বছর গৃহপালিত গাধার গোশত ভক্ষণ করতে নিষেধ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ١٥)
14 - أخبرنا محمد بن أحمد بن محبوب أبو العباس المروزي، أنا عبد العزيز بن حاتم، أنا عبد الرحمن بن عبد الله بن سعد المقرئ، أنا أبو جعفر الرازي، عن زبيد بن عبد الرحمن، وطلحة بن مصرف، عن ذر بن عبد الله، عن سعيد بن عبد الرحمن بن أبزى، عن أبيه، عن أبي بن كعب، قال: «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يوتر ب سبح اسم ربك الأعلى، وقل يا أيها الكافرون، وقل هو الله أحد»
১৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মাহবুব আবুল আব্বাস আল-মারওয়াযী, আমাদের জানিয়েছেন আব্দুল আযীয বিন হাতিম, আমাদের জানিয়েছেন আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ বিন সা'দ আল-মুকরি, আমাদের জানিয়েছেন আবু জাফর আর-রাযী, তিনি যুবাইদ বিন আব্দুর রহমান ও তালহা বিন মুসাররিফ থেকে, তাঁরা যারর বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি সাঈদ বিন আব্দুর রহমান বিন আবযা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি উবাই ইবনে কাব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আ‘লা’, ‘কুল ইয়া আইয়ুহাল কাফিরূন’ এবং ‘কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ দ্বারা বিতর আদায় করতেন।»
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ١٦)
15 - أخبرنا محمد بن سعيد بن عبد الرحمن الإخميمي، بمصر، أنا عيسى بن سليمان، أنا المعلى بن الوليد، حدثني هانئ بن عبد الرحمن، حدثني عمي إبراهيم بن أبي عبلة، عن الزهري، عن صفوان بن عبد الله، عن أم الدرداء، عن كعب بن عاصم الأشعري، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ليس من البر الصيام في السفر»
১৫ - মিশরে মুহাম্মদ বিন সাঈদ বিন আবদুর রহমান আল-ইখমিমি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ঈসা বিন সুলাইমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-মুআল্লা বিন আল-ওয়ালিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হানি বিন আবদুর রহমান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার চাচা ইবরাহিম বিন আবি আবলাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, যুহরি থেকে, তিনি সাফওয়ান বিন আবদুল্লাহ থেকে, তিনি উম্মুদ দারদা থেকে, তিনি কাব বিন আসিম আল-আশআরি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «সফরে রোজা রাখা কোনো পুণ্যকর্মের অন্তর্ভুক্ত নয়»
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ١٧)
16 - أخبرنا محمد بن أيوب بن حبيب الرقي، أنا أحمد بن هاشم الأنطاكي، أنا أبو توبة الربيع بن نافع، حدثنا قيس بن ربيعة، عن بلال بن سعد، قال: سمعت أبا سكينة، وكان من أصحاب النبي صلى الله عليه، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «إذا ملك ثمن رقبة فليعتقها فإنها تجزئ كل عضو منها عضوا منه من النار»
১৬ - মুহাম্মদ ইবনে আইয়ুব ইবনে হাবিব আল-রাক্কি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ ইবনে হাশিম আল-আনতাকি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু তাওবাহ আল-রাবি ইবনে নাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, কায়েস ইবনে রাবিআ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিলাল ইবনে সাদ থেকে, তিনি বলেন: আমি আবু সুকাইনাকে বলতে শুনেছি —আর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন— আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «যখন কেউ কোনো দাস মুক্ত করার মত মূল্যের মালিক হয়, সে যেন তাকে মুক্ত করে দেয়; কেননা সেই দাসের প্রতিটি অঙ্গ তার নিজের প্রতিটি অঙ্গের বিনিময়ে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষার জন্য যথেষ্ট হবে।»
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ١٨)
17 - أخبرنا أبو العباس بن محمد بن معاذ النيسابوري، أنا محمد بن يزيد السلمي، أنا إبراهيم بن الأشعث، أنا فضيل بن عياض، أنا هشام بن حسان، عن الحسن، عن عمران بن حصين، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من انقطع إلى الله عز وجل كفاه الله مؤونته، ورزقه من حيث لا يحتسب، ومن انقطع إلى الدنيا وكله الله إليها»
১৭ - আবুল আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুআজ আন-নাইসাবুরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে ইয়াজিদ আস-সুলামি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইব্রাহিম ইবনে আল-আশআস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ফুদাইল ইবনে ইয়াদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হিশাম ইবনে হাসসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাসান থেকে বর্ণিত, তিনি ইমরান ইবনে হুসাইন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি পূর্ণরূপে আল্লাহর প্রতি নিবিষ্ট হয়, আল্লাহ তার সকল প্রয়োজনের জন্য যথেষ্ট হয়ে যান এবং তাকে এমন উৎস থেকে রিযিক দান করেন যা সে কল্পনাও করতে পারে না। আর যে ব্যক্তি দুনিয়ার প্রতি আসক্ত হয়, আল্লাহ তাকে দুনিয়ার হাতেই সোপর্দ করেন।»
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ١٩)
18 - أخبرنا أبو القاسم جعفر بن محمد الموساني، من ولد موسى بن جعفر قد سمعه يقول: أنا محمد بن إسماعيل بن الصائغ، أنا يحيى بن أبي بكير، حدثنا زهير بن محمد، عن سهيل بن أبي صالح، عن النعمان بن أبي عياش، عن أبي سعيد الخدري، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أدنى أهل النار عذابا من ينعل بنعلين من نار يغلي دماغه من حرارة نعليه»
১৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম জাফর বিন মুহাম্মদ আল-মুসানী, যিনি মুসা বিন জাফরের বংশধর, তিনি তাঁকে বলতে শুনেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন আস-সাইগ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন আবু বুকাইর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জুহাইর বিন মুহাম্মদ, সুহাইল বিন আবু সালিহ হতে, তিনি নুমান বিন আবু আইয়াশ হতে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) বলেছেন: «জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে হালকা আযাব হবে সেই ব্যক্তির, যাকে আগুনের দুটি জুতা পরানো হবে, যার ফলে তার জুতা দুটির উত্তাপে তার মস্তিষ্ক টগবগ করে ফুটতে থাকবে।»
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
19 - أخبرنا أبو إسحاق إسماعيل بن عمرو السمرقندي، أنا محمد بن حامد بن حميد، أنا علي بن إسحاق السمرقندي، حدثنا المسيب بن شريك، عن سليمان التيمي، عن أبي عثمان النهدي، عن سلمان الفارسي، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن الله عز وجل ليستحي أن يمد العبد يديه فيسأله فيردهما خائبتين»
১৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইসমাইল ইবনে আমর আস-সামারকান্দি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে হামিদ ইবনে হুমায়দ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে ইসহাক আস-সামারকান্দি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-মুসাইয়িব ইবনে শারিক, সুলাইমান আত-তাইমি থেকে, তিনি আবু উসমান আন-নাহদি থেকে, তিনি সালমান আল-ফারসি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা এতে লজ্জা বোধ করেন যে, কোনো বান্দা তাঁর দিকে নিজের দুই হাত প্রসারিত করবে এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করবে, আর তিনি তার হাত দুটিকে ব্যর্থ মনোরথ হয়ে (খালি হাতে) ফিরিয়ে দেবেন।»
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ٢١)
20 - أخبرنا محمد بن عمر بن جميل أبو الأحرز الطوسي، بها أنا إبراهيم بن محمد بن إسحاق البصري، قال: حدثتنا حكامة بنت عثمان بن دينار، حدثني أبي عثمان، عن أخيه مالك بن دينار، عن أنس بن مالك، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " يا أيها الناس إن أنجاكم يوم القيامة من أهوالها ومواطنها أكثركم علي في دار الدنيا صلاة قد كان في الله وفي ملائكته كفاية إن الله قال: {إِنَّ اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا} [الأحزاب: 56] .خص بذلك المؤمنين ليثيبهم عليه "
২০ - মুহাম্মদ বিন উমর বিন জামিল আবু আল-আহরাজ আত-তুসি সেখানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবরাহিম বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক আল-বাসরি আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেছেন: হাকামাহ বিনতে উসমান বিন দিনার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমার পিতা উসমান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর ভাই মালিক বিন দিনার থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "হে লোকসকল! কিয়ামতের দিন এর ভয়াবহতা ও বিপদসংকুল স্থানসমূহ থেকে তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই সর্বাধিক মুক্তি পাবে, যে পার্থিব জীবনে আমার প্রতি সবচেয়ে বেশি দরুদ পাঠ করেছে। আল্লাহ এবং তাঁর ফেরেশতাগণই (দরুদ পাঠে) যথেষ্ট ছিলেন, আল্লাহ বলেছেন: {নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত বর্ষণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি দরুদ পাঠ করো এবং যথাযথভাবে সালাম পেশ করো} [আল-আহজাব: ৫৬]।মুমিনদের জন্য তিনি এটি নির্দিষ্ট করেছেন যাতে তিনি এর জন্য তাদের সওয়াব প্রদান করেন।"
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
21 - أخبرنا إسماعيل بن محمد بن إسماعيل البغدادي، أنا عبد الله بن أيوب المخرمي، حدثنا سفيان بن عيينة، عن داود بن شابور، عن أبي قزعة، واسمه سويد، عن صالح أبي الخليل، عن أبي حرملة، عن أبي قتادة الأنصاري، يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم قال: «صوم يوم عرفة كفارة سنة والتي تليها، وصوم عاشوراء كفارة سنة»
২১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল বিন মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল আল-বাগদাদী, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আইয়ুব আল-মাখরামী, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ, দাউদ বিন শাবুর থেকে, আবু কাযা’আহ থেকে —তার নাম হলো সুওয়াইদ—, সালিহ আবু আল-খালীল থেকে, আবু হারমালাহ থেকে, আবু কাতাদাহ আল-আনসারী থেকে, তিনি এটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «আরাফাত দিবসের রোজা বিগত এক বছর এবং পরবর্তী বছরের (গুনাহের) কাফফারা, আর আশুরার দিনের রোজা এক বছরের কাফফারা»
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
22 - أخبرنا علي بن محمد بن عبد الله أبو الحسن المروزي، بها، أنا إسحاق بن إبراهيم أبو يعقوب البغدادي، بخوارزم، أنا داود بن معاذ، أنا سرار بن المجشر، عن داود بن أَبي هند، عن عامر الشعبي، عن شريح، عن عائشة، قالت: قال رسول الله صلى الله عليه: «من أحب لقاء الله أحب الله لقاءه، ومن كره لقاء الله كره الله لقاءه والموت دون لقاء الله عز وجل»أخبرنا أبو العباس عبد الله بن حماد العسكري، أنا عبد الرحمن بن محمد بن منصور الحارثي، أنا معاذ بن هشام بن أبي عبد الله الدستوائي، حدثني أبي، عن قتادة، حدثنا الحسن بن أبي الحسن، قال: أول من قص في هذا المسجد، يعني مسجد البصرة الأسود بن سريع، وكان من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم، فرأى فيما يرى النائم أنه قيل: ألا أخبرك بالقائلين عدلا؟ قيل: من هم؟ قال: أصحاب الأسود بن سريع، قال قتادة: وإن أصحاب ذلك لفي أجر وغنيمةأخبرنا علي بن العباس بن الأشعث، أنا محمد بن حماد الطهراني، أنا عبد الرزاق، قال: وسمعت معمر بن راشد يقول: كان يقال: إن الرجل ليطلب العلم لغير الله عز وجل فيأبى عليه العلم حتى يكون لله عز وجل
২২ - আলী বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আবুল হাসান আল-মারওয়াযী সেখানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইসহাক বিন ইবরাহীম আবু ইয়াকুব আল-বাগদাদী খোয়ারেজমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, দাউদ বিন মুআয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সাররার বিন আল-মুজাশশার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দাউদ বিন আবী হিন্দ থেকে, তিনি আমির আশ-শা'বী থেকে, তিনি শুরাইহ থেকে এবং তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাৎ পছন্দ করে, আল্লাহ তার সাক্ষাৎ পছন্দ করেন; আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাৎ অপছন্দ করে, আল্লাহ তার সাক্ষাৎ অপছন্দ করেন। আর মৃত্যু হলো মহান ও প্রতাপশালী আল্লাহর সাক্ষাতের পূর্ববর্তী স্তর»আবু আব্বাস আব্দুল্লাহ বিন হাম্মাদ আল-আসকারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন মানসুর আল-হারিছী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুআয বিন হিশাম বিন আবু আব্দুল্লাহ আদ-দাস্তুওয়াই আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমার পিতা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ থেকে, হাসান বিন আবুল হাসান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: এই মসজিদে অর্থাৎ বসরার মসজিদে সর্বপ্রথম যিনি নসীহত বা কাহিনী বর্ণনা করেছেন তিনি হলেন আসওয়াদ বিন সারী', আর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একজন সাহাবী ছিলেন। অতঃপর তিনি স্বপ্নে দেখলেন যে, তাকে বলা হচ্ছে: আমি কি তোমাকে ন্যায়সঙ্গত কথা বলা ব্যক্তিদের সম্পর্কে সংবাদ দেব না? জিজ্ঞেস করা হলো: তারা কারা? তিনি বললেন: আসওয়াদ বিন সারী'র সাথীবৃন্দ। কাতাদাহ বলেন: আর নিশ্চয়ই তারা সওয়াব ও গনীমতের (সাফল্যের) মধ্যে রয়েছে।আলী বিন আব্বাস বিন আল-আশআছ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন হাম্মাদ আত-তিহরানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুর রাজ্জাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি মা'মার বিন রাশিদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: বলা হতো যে, কোনো ব্যক্তি যদি মহান ও প্রতাপশালী আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো উদ্দেশ্যে ইলম বা জ্ঞান অন্বেষণ করে, তবে ইলম তা অস্বীকার করে যতক্ষণ না তা কেবল মহান ও প্রতাপশালী আল্লাহর জন্য নিবেদিত হয়।
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
23 - أخبرنا أبو الطاهر أحمد بن عمر المصري، أنا يونس بن عبد الأعلى، قال: سمعت سفيان بن عيينة، يقول: قال ابن مسعود: «رأس العلم مخافة الله»قال: وسمعت يونس بن عبد الأعلى، يقول: سمعت عبد الله بن وهب، قال: سمعت سفيان الثوري ، يقول: في قول الله عز وجل {رَبَّنَا آَتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً} قال: الحسنة في الدنيا العلم والرزق الطيب، وفي الآخرة الجنةحدثنا عبد الله بن محمد بن يعقوب النحاس إجازة، أنا أحمد بن يعقوب بن زياد، أنا سهل بن محمد أبو حاتم السجستاني، قال: سمعت الأصمعي، يقول: سمعت أعرابيا، يقول: خرجت في بعض الليالي وكانت ليلة ظلماء فإذا أنا بجارية كأن عنقها جيد فضة حسناء سليمة فأردتها عن نفسها فقالت: استحي الله، أما لك زاجر من عقل، ألا لم يكن لك ناه من دين تتفكر فيمن أراد هذا من ابنتك أو أختك أو امرأتك، فقلت والله ما يرانا إلا الكواكب قالت: فأين مكوكبهاأخبرنا عبد الله إجازة، أنا خلف بن عامر، أنا أزهر بن جميل، قال: سمعت سفيان بن عيينة، يقول: لما عوفي أيوب من بلائه، وقع في قلبه أنه صبر، قال: فنودي بعشرة آلاف صوت من وراء عشرة آلاف غمامة، يا أيوب أنت صبرت أو نحن صبرناكأنا عبد الله ، إجازة، أنا خلف بن عامر، قال: أنا أزهر بن جميل، قال: سمعت سفيان بن عيينة، يقول: لما عوفي أيوب من بلائه، قال: يا رب بما ابتليتني ما خيرت بين أمرين قط أحدهما لك فيه رضا، والآخر لي فيه صلاح إلا اخترت رضاك على صلاحي، قال: فأوحى الله تعالى إليه: أمنك كان ذاك أم مني؟ قال: لا بل منك يا سيدي فوضع التراب على رأسهأنا عبد الله ، إجازة، أنا عبد العزيز بن حاتم، أنا علي بن الحسن بن سعيد، قال: سمعت سفيان بن عيينة، يقول: قال الله تبارك وتعالى لداود هل تخاف أحدا غيري؟ " قال: نعم أخاف ممن لا يخافكأنا عبد الله ، إجازة، حدثنا يحيى بن بدر القرشي، حدثنا يحيى بن معين، حدثنا عبيد الله الأشجعي، قال: سمعت سفيان الثوري، يقول: إذا رأيت الرجل تفوته التكبيرة الأولى فلا يأسى عليها فاغسل يدك منه
২৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের আহমদ ইবনে উমর আল-মিসরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইউনুস ইবনে আবদিল আলা, তিনি বলেন: আমি সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: ইবনে মাসউদ বলেছেন: "জ্ঞানের মূল হলো আল্লাহর ভীতি।"তিনি বলেন: আর আমি ইউনুস ইবনে আবদিল আলাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি সুফিয়ান সাওরিকে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর বাণী "হে আমাদের রব, আমাদের দুনিয়াতে কল্যাণ দান করুন" সম্পর্কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন: দুনিয়াতে কল্যাণ হলো জ্ঞান ও পবিত্র রিজিক, আর আখেরাতে হলো জান্নাত।আমাদের কাছে ইজাজতসূত্রে হাদিস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব আন-নাহাস, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে ইয়াকুব ইবনে জিয়াদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাহল ইবনে মুহাম্মদ আবু হাতিম আস-সিজিস্তানি, তিনি বলেন: আমি আসমায়িকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি এক বেদুইনকে বলতে শুনেছি, সে বলল: আমি এক রাতে বের হলাম, রাতটি ছিল ঘুটঘুটে অন্ধকার। হঠাৎ আমি এক যুবতীকে দেখতে পেলাম যার ঘাড় ছিল রূপার কারুকার্যখচিত কণ্ঠের মতো সুন্দর ও নিখুঁত। আমি তার সাথে অপকর্মে লিপ্ত হওয়ার কুপ্রস্তাব দিলাম, তখন সে বলল: আল্লাহকে লজ্জা করো। তোমার কি এমন কোনো বিবেক নেই যা তোমাকে বাধা দেবে? তোমার কি দ্বীনের এমন কোনো নিষেধকারী নেই যা তোমাকে চিন্তা করতে শেখাবে যে, যদি কেউ তোমার কন্যা, বোন বা স্ত্রীর সাথে এমন ইচ্ছা করত তবে কেমন হতো? আমি বললাম: আল্লাহর কসম! নক্ষত্ররাজি ছাড়া আমাদের কেউ দেখছে না। সে বলল: তাহলে নক্ষত্রের স্রষ্টা কোথায়?ইজাজতসূত্রে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন খালাফ ইবনে আমির, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আজহার ইবনে জামিল, তিনি বলেন: আমি সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আইয়ুব যখন তাঁর বিপদ থেকে মুক্তি পেলেন, তখন তাঁর মনে উদয় হলো যে তিনি ধৈর্য ধরেছেন। তিনি বলেন: তখন দশ হাজার মেঘমালার আড়াল থেকে দশ হাজার কণ্ঠে আওয়াজ এল—হে আইয়ুব! তুমি কি ধৈর্য ধরেছ নাকি আমরা তোমাকে ধৈর্য ধারণ করিয়েছি?ইজাজতসূত্রে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন খালাফ ইবনে আমির, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আজহার ইবনে জামিল, তিনি বলেন: আমি সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আইয়ুব যখন তাঁর বিপদ থেকে আরোগ্য লাভ করলেন, তখন তিনি বললেন: হে আমার প্রতিপালক! আপনি আমাকে যে পরীক্ষায় ফেলেছেন, তাতে যখনই আমার সামনে দুটি বিষয় এসেছে—যার একটিতে আপনার সন্তুষ্টি ছিল এবং অন্যটিতে আমার কল্যাণ ছিল—আমি সর্বদা আমার কল্যাণের চেয়ে আপনার সন্তুষ্টিকেই বেছে নিয়েছি। তিনি বলেন: তখন আল্লাহ তাআলা তাঁর কাছে ওহি পাঠালেন—তা কি তোমার পক্ষ থেকে ছিল নাকি আমার পক্ষ থেকে? তিনি বললেন: না, বরং আপনারই পক্ষ থেকে হে আমার মালিক! এরপর তিনি (বিনয়ে) নিজের মাথায় মাটি দিলেন।ইজাজতসূত্রে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল আজিজ ইবনে হাতিম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে হাসান ইবনে সাইদ, তিনি বলেন: আমি সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: বরকতময় ও সুমহান আল্লাহ দাউদকে বললেন—"তুমি কি আমি ছাড়া আর কাউকে ভয় পাও?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ, আমি তাকে ভয় পাই যে আপনাকে ভয় পায় না।"ইজাজতসূত্রে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ, আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে বদর আল-কুরাশি, আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন, আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ আল-আশজায়ি, তিনি বলেন: আমি সুফিয়ান সাওরিকে বলতে শুনেছি—যদি তুমি দেখ যে কোনো ব্যক্তির প্রথম তাকবির ছুটে যাচ্ছে এবং সে জন্য সে অনুতপ্ত হচ্ছে না, তবে তার থেকে হাত ধুয়ে ফেলো (অর্থাৎ তার কল্যাণের আশা ছেড়ে দাও)।
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
مجلس آخر في شعبان
শাবান মাস বিষয়ক অন্য একটি মজলিস
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
24 - أخبرنا أبو علي إسماعيل بن محمد بن إسماعيل البغدادي، أنبا الحسن بن عرفة بن يزيد العبدي، أنا إسماعيل بن عياش الحمصي، عن محمد بن زياد الألهاني، عن أبي راشد الحبراني، قال: أتيت عبد الله بن عمرو، فقلت له: حدثنا ما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: فألقى إلينا صحيفة وقال: هذا ما كتب لي رسول الله عليه السلام قال: فنظرت فإذا فيها أن أبا بكر الصديق قال: يا رسول الله علمني ما أقول إذا أصبحت، وإذا أمسيت، فقال: «يا أبا بكر قل اللهم فاطر السماوات والأرض عالم الغيب والشهادة لا إله إلا أنت رب كل شيء ومليكه أعوذ بك من شر نفسي، ومن شر الشيطان وشركه وأن أقترف على نفسي سوءا أو أجره إلى مسلم»
২৪ - আবু আলী ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-বাগদাদী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, হাসান ইবনে আরাফাহ ইবনে ইয়াযীদ আল-আবদী আমাদের অবহিত করেছেন, ইসমাইল ইবনে আইয়াশ আল-হিমসী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ আল-আলহানী থেকে, তিনি আবু রাশিদ আল-হুবরানী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনে আমরের নিকট আসলাম এবং তাকে বললাম: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আপনি যা শুনেছেন তা আমাদের নিকট বর্ণনা করুন। তিনি বলেন: অতঃপর তিনি আমাদের নিকট একটি সহীফা (লিখিত কাগজ) পেশ করলেন এবং বললেন: এটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার জন্য লিখে দিয়েছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন: আমি তাকালাম এবং দেখলাম তাতে রয়েছে যে, আবু বকর সিদ্দিক বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমি সকালে ও সন্ধ্যায় যা পাঠ করব তা আমাকে শিখিয়ে দিন। তিনি বললেন: «হে আবু বকর, তুমি বলো: হে আল্লাহ! আসমান ও জমিনের স্রষ্টা, অদৃশ্য ও দৃশ্যের পরিজ্ঞাতা, আপনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, আপনি প্রতিটি জিনিসের রব ও মালিক। আমি আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি আমার নফসের অনিষ্ট হতে এবং শয়তানের অনিষ্ট ও তার শিরক হতে, আর নিজের ওপর কোনো মন্দ কাজ করা অথবা কোনো মুসলিমের প্রতি তা টেনে আনা হতে।»
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
25 - أخبرنا أبو الطاهر أحمد بن عمرو المصري، أنا يونس بن عبد الأعلى، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث ، أن أبا السمح دراجا، حدثه، عن أبي الهيثم، عن أبي سعيد الخدري، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «من تواضع لله درجة يرفعه الله درجة، ومن تكبر على الله درجة يضعه الله درجة حتى يجعله في أسفل سافلين»
২৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের আহমদ ইবনে আমর আল-মিসরি, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইউনুস ইবনে আবদিল আলা, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আমর ইবনুল হারিস যে, আবুস সামহ দাররাজ তাঁকে হাদিস শুনিয়েছেন আবুল হাইসাম থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে এক স্তর বিনয় অবলম্বন করে, আল্লাহ তাকে এক স্তর উন্নীত করেন; আর যে ব্যক্তি আল্লাহর বিরুদ্ধে এক স্তর অহংকার প্রদর্শন করে, আল্লাহ তাকে এক স্তর নিচে নামিয়ে দেন, এমনকি শেষ পর্যন্ত তাকে সর্বনিম্ন স্তরে নিক্ষেপ করেন।»
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
26 - أخبرنا أبو جعفر محمد بن يحيى الطائي، ببغداد، أنا علي بن حرب الموصلي، أنبا سفيان بن عيينة، عن ابن أبي نجيح، عن مجاهد، عن العقار بن المغيرة بن شعبة، عن أبيه ، يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم، قال: «لم يتوكل من اكتوى واسترقى»
২৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আত-ত্বায়ী, বাগদাদে; আমাদের জানিয়েছেন আলি ইবনে হারব আল-মাওসিলি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুফিয়ান ইবনে উয়াইনাহ, ইবনে আবু নাজিহ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি আক্কার ইবনুল মুগিরা ইবনে শু'বাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন; তিনি এটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট পৌঁছে দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি ছেঁকা (দাগ) গ্রহণ করল এবং ঝাড়ফুঁক কামনা করল, সে (আল্লাহর ওপর যথাযথ) তাওয়াক্কুল বা নির্ভর করেনি»
(খণ্ড: ১)
মাজালিসু মিন আমালী আবী আবদিল্লাহ ইবনে মানদাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
27 - أخبرنا محمد بن يعقوب أبو بكر البيكندي، بها، أنا سعيد بن مسعود أبو عثمان المروزي، أنا يزيد بن هارون، أنا داود بن أبي هند، عن عامر الشعبي، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن أبي أيوب الأنصاري، عن النبي صلى الله عليه وسلم: " من قال: لا إله إلا الله وحده لا شريك له ، له الملك وله الحمد يحيى ويميت وهو على كل شيء قدير عشر مرات كن له كعدل عشر رقاب أو رقبة "
২৭ - মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব আবু বকর আল-বাইকান্দি আমাদের সেখানে সংবাদ দিয়েছেন, সাঈদ ইবনে মাসউদ আবু উসমান আল-মারওয়াযি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াযিদ ইবনে হারুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, দাউদ ইবনে আবি হিন্দ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমির আশ-শাবি থেকে বর্ণিত, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবি লায়লা থেকে, তিনি আবু আইয়ুব আল-আনসারি থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন: "যে ব্যক্তি দশবার বলবে: 'আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই, রাজত্ব তাঁরই এবং সকল প্রশংসা তাঁরই, তিনিই জীবন দান করেন ও মৃত্যু দান করেন এবং তিনি সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান'; তবে এটি তার জন্য দশজন দাস বা একজন দাস মুক্ত করার সমতুল্য হবে।"