(খণ্ড: ১)
খাবরু শিরি ওয়া ওয়াফাদাতি আন-নাবিগাহ আল-জাদী
(পৃষ্ঠা: -)
خبر شعر ووفادة النابغة الجعدي (أبو اليمن الكندي)
القسم: كتب السنة
الكتاب: خبر شعر ووفادة النابغة الجعدي
المؤلف: زيد بن الحسن بن زيد بن سعيد الحميري، من ذي رعين، أبو اليمن، تاج الدين الكندي (ت 613هـ)
[الكتاب مرقم آليا]
عدد الصفحات: 8
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আন-নাবিগা আল-জাদির কবিতা ও প্রতিনিধি হিসেবে আগমনের বিবরণ (আবু আল-ইয়ামান আল-কিন্দি)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আন-নাবিগা আল-জাদির কবিতা ও প্রতিনিধি হিসেবে আগমনের বিবরণ
লেখক: জায়েদ বিন আল-হাসান বিন জায়েদ বিন সাঈদ আল-হিময়ারি, যু রুআইন বংশোদ্ভূত, আবু আল-ইয়ামান, তাজউদ্দীন আল-কিন্দি (মৃত্যু ৬১৩ হিজরি)
[কিতাবটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংখ্যায়িত]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
খাবরু শিরি ওয়া ওয়াফাদাতি আন-নাবিগাহ আল-জাদী
(পৃষ্ঠা: ১)
بسم الله الرحمن الرحيم
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১)
খাবরু শিরি ওয়া ওয়াফাদাতি আন-নাবিগাহ আল-জাদী
(পৃষ্ঠা: ২)
1 - أَخْبَرَنِي الإِمَامُ الْعَالِمُ، حُجَّةُ الْعَرَبِ، تَاجُ الدِّينِ، شَرَفُ الإِسْلامِ، أَبُو الْيُمْنِ زَيْدُ بْنُ الْحَسَنِ الْكِنْدِيُّ، أَثَابَهُ اللَّهُ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، سَنَةَ خَمْسٍ وَتِسْعِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ السَّمَرْقَنْدِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ.أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ النَّقُورِ: أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَحْمَدَ الْكِتَّانِيُّ، وَأَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ أَخِي مِيمِيَّ الدَّقَّاقُ ، قَالا: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ: حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ رُشَيْدٍ، حَدَّثَنَا يَعْلَى بْنُ الأَشْدَقِ، قَالَ: سَمِعْتُ النَّابِغَةَ ، يَقُولُ: أَنْشَدْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم:بَلَغْنَا السَّمَاءَ مَجْدُنَا وَجُدُودُنَا … وَإِنَّا لَنَرْجُو فَوْقَ ذَلِكَ مَظْهَرَافَقَالَ: «أَيْنَ الْمَظْهَرُ، يَا أَبَا لَيْلَى؟ !!» ، قُلْتُ: الْجَنَّةَ، قَالَ: «أَجَلْ، إِنْ شَاءَ اللَّهُ» .ثُمَّ قُلْتُ:وَلا خَيْرَ فِي حِلْمٍ إِذَا لَمْ تَكُنْ لَهُ … بَوَادِرُ تَحْمِي صَفْوَهُ أَنْ يُكَدَّرَاوَلا خَيْرَ فِي جَهْلٍ إِذَا لَمْ يَكُنْ لَهُ … حَلِيمٌ إِذَا مَا أَوْرَدَ الأَمْرَ أَصْدَرَافَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «أَجَدْتَ، وَلا يَفْضُضِ اللَّهُ فَاكَ …مَرَّتَيْنِ»
১ - ইমাম, আলিম, আরবের প্রমাণ, তাজউদ্দীন, ইসলামের গৌরব, আবু আল-ইয়ুমন যায়েদ ইবনুল হাসান আল-কিন্দি (আল্লাহ তাকে পুরস্কৃত করুন) আমাকে সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, পাঁচশত পঁচানব্বই হিজরি সনে—তিনি বলেন: শায়খ আবু আল-কাসিম ইসমাইল ইবনে আহমদ ইবনে উমর আল-সামারকন্দি তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনুন নাকূর: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আহমদ আল-কিত্তানি এবং আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আখি মিমি আদ-দাক্কাক, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-বাগাওয়ী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দাউদ ইবনে রুশাইদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়া'লা ইবনুল আশদাক, তিনি বলেন: আমি নাবিগাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কবিতা আবৃত্তি করেছি:আমাদের মর্যাদা ও আমাদের পিতৃপুরুষগণ আকাশ পর্যন্ত পৌঁছেছে … আর আমরা তো এর ঊর্ধ্বে আরও উচ্চ স্থানের আশা রাখি।তখন তিনি বললেন: “হে আবু লায়লা, সেই উচ্চ স্থানটি কোথায়?!!” আমি বললাম: জান্নাত। তিনি বললেন: “হ্যাঁ, ইনশাআল্লাহ।”অতঃপর আমি বললাম:সেই সহনশীলতায় কোনো কল্যাণ নেই যখন তার জন্য এমন … তেজ না থাকে যা তার নির্মলতাকে ঘোলাটে হওয়া থেকে রক্ষা করবে।সেই অজ্ঞতায় কোনো কল্যাণ নেই যখন তার জন্য এমন … ধৈর্যশীল ব্যক্তি না থাকে, যে কোনো বিষয় উপস্থিত হলে তা সমাধান করতে পারে।তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: “তুমি চমৎকার বলেছ, আল্লাহ তোমার মুখগহ্বর (দাঁত) না ভাঙুন …দুইবার।”
(খণ্ড: ১)
খাবরু শিরি ওয়া ওয়াফাদাতি আন-নাবিগাহ আল-জাদী
(পৃষ্ঠা: ৩)
2 - وَأَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ النَّقُورِ، وَأَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ الْبُسْرِيِّ ، وَالشَّرِيفُ أَبُو نَصْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْهَاشِمِيُّ الزَّيْنَبِيُّ، قَالُوا: أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُخَلِّصُ.وَأَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّرِيفِينِيُّ: حَدَّثَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُخَلِّصُ إِمْلاءً.ح وَأَخْبَرَنَا ابْنُ النَّقُورِ: حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ عَلِيٍّ الْوَزِيرُ إِمْلاءً.قَالا: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ وَهُوَ ابْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ - قَالَ عِيسَى: إِمْلاءً ثُمَّ اتَّفَقَا: حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ رُشَيْدٍ: حَدَّثَنَا يَعْلَى بْنُ الأَشْدَقِ ، قَالَ: سَمِعْتُ النَّابِغَةَ ، عَنْ عِيسَى الْجَعْدِيِّ ، يَقُولُ: أَنْشَدْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم:بَلَغْنَا السَّمَاءَ مَجْدُنَا وَجُدُودُنَا … وَإِنَّا لَنَرْجُو فَوْقَ ذَلِكَ مَظْهَرَافَقَالَ: «أَيْنَ الْمَظْهَرُ يَا أَبَا لَيْلَى؟ !!» ، وَعِنْدَ عِيسَى: أَبَا لَيْلَى، ثُمَّ اتَّفَقَا - قُلْتُ: الْجَنَّةُ، قَالَ: «أَجَلْ، إِنْ شَاءَ اللَّهُ تَعَالَى» .ثُمَّ قُلْتُ:وَلا خَيْرَ فِي حِلْمٍ إِذَا لَمْ تَكُنْ لَهُ … بَوَادِرُ تَحْمِي صَفْوَهُ أَنْ يُكَدَّرَاوَلا خَيْرَ فِي جَهْلٍ إِذَا لَمْ يَكُنْ لَهُ … حَلِيمٌ إِذَا مَا أَوْرَدَ الأَمْرَ أَصْدَرَافَقَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَجَدْتَ، لا يُفْضَضُ فُوكَ …مَرَّتَيْنِ» .- وَعِنْدَ عِيسَى الْوَزِيرِ: فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: أَجَدْتَ لا يُفْضَضُ فُوكَ......مَرَّتَيْنِ.- وَفِي رِوَايَةِ الصَّرِيفِينِيِّ، عَنِ الْمُخَلِّصِ: فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: لا يُفْضَضُ فُوكَ....مَرَّتَيْنِ
২ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন আন-নাকুর, আবু আল-কাসিম আলী বিন আল-বুসরি, এবং আশ-শরিফ আবু নাসর মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আলী আল-হাশিমী আজ-জায়নাবী। তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আল-মুখাল্লিস।এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আস-সারিফিনি: আবু তাহির মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আল-মুখাল্লিস আমাদের নিকট শ্রুতলিপি হিসেবে বর্ণনা করেছেন।(রূপান্তর) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনুন নাকুর: ঈসা বিন আলী আল-ওয়াজির আমাদের নিকট শ্রুতলিপি হিসেবে বর্ণনা করেছেন।তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ — আর তিনি হলেন ইবনে মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আল-বাগাওয়ি — ঈসা বলেছেন: শ্রুতলিপি হিসেবে, এরপর তাঁরা একমত হয়েছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দাউদ বিন রুশাইদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়ালা বিন আল-আশদাক, তিনি বলেন: আমি আন-নাবিগাহ আল-জাদিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আবৃত্তি করেছি:আমাদের গৌরব ও পিতৃপুরুষগণ আকাশে পৌঁছে গেছে … এবং আমরা এর ঊর্ধ্বে আরও উচ্চতায় আরোহণের আশা রাখিতখন তিনি বললেন: «হে আবু লায়লা, সেই উচ্চতা বা লক্ষ্যস্থল কোথায়?!!» — আর ঈসার বর্ণনায় রয়েছে: হে আবু লায়লা, এরপর তাঁরা একমত হয়েছেন — আমি বললাম: জান্নাত। তিনি বললেন: «হ্যাঁ, যদি আল্লাহ তাআলা চান»।এরপর আমি বললাম:সহনশীলতায় কোনো কল্যাণ নেই যদি তার জন্য এমন তেজ না থাকে … যা তার স্বচ্ছতাকে কলুষিত হওয়া থেকে রক্ষা করবেএবং মূর্খতায় কোনো কল্যাণ নেই যদি তার জন্য এমন কোনো … ধৈর্যশীল ব্যক্তি না থাকে, যে কোনো বিষয় উপস্থিত হলে তা সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে পারেতখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন: «তুমি চমৎকার বলেছ, তোমার দাঁত যেন না পড়ে যায় …দুইবার»।- আর ঈসা আল-ওয়াজিরের বর্ণনায় রয়েছে: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তুমি চমৎকার বলেছ, তোমার দাঁত যেন না পড়ে যায়......দুইবার।- এবং আস-সারিফিনির বর্ণনায় আল-মুখাল্লিস থেকে এসেছে: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমার দাঁত যেন না পড়ে যায়....দুইবার
(খণ্ড: ১)
খাবরু শিরি ওয়া ওয়াফাদাতি আন-নাবিগাহ আল-জাদী
(পৃষ্ঠা: ৪)
3 - وَأَخْبَرَنَا ابْنُ النَّقُورِ: حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ عَلِيٍّ الْوَزِيرُ إِمْلاءً ، وَأَخْبَرَنَا أَبُو مَنْصُورٍ عَبْدُ الْبَاقِي بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ غَالِبٍ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الْعَطَّارِ، الْوَكِيلِ لأَمِيرَيِ الْمُؤْمِنِينَ: الْقَائِمِ بِأَمْرِ اللَّهِ، وَالْمُقْتَدِي، صَلَوَاتُ اللَّهِ عَلَيْهِمَا وَعَلَى آبَائِهِمَا وَذُرِّيَّتِهِمَا إِلَى يَوْمِ الدِّينِ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عِمْرَانَ بْنِ عُرْوَةَ، الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الْجُنْدِيِّ.قَالَ عِيسَى: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ.وَقَالَ ابْنُ الْجُنْدِيِّ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ.ثُمَّ اتَّفَقَا، فَقَالا: ابْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الأَشْعَثِ.قَالَ ابْنُ الْجُنْدِيِّ: إِمْلاءً، سَنَةَ خَمْسَ عَشْرَةَ وَثَلاثِ مِائَةٍ.ثُمَّ اتَّفَقَا: حَدَّثَنَا أَيُّوبُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْوَزَّانُ: حَدَّثَنَا يَعْلَى بْنُ الأَشْدَقِ - قَالَ عِيسَى: الْعُقَيْلِيُّ، ثُمَّ اتَّفَقَا - قَالَ: سَمِعْتُ النَّابِغَةَ الْجَعْدِيَّ، يَقُولُ: أَنْشَدْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم:بَلَغْنَا السَّمَاءَ مَجْدَنَا وَثَرَاءَنَا … وَإِنَّا لَنَرْجُو فَوْقَ ذَلِكَ مَظْهَرَاقَالَ عِيسَى: فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «إِلَى أَيْنَ يَا أَبَا لَيْلَى؟ !!» ، فَقُلْتُ: إِلَى الْجَنَّةِ إِنْ شَاءَ اللَّهُ.وَقَالَ ابْنُ الْجُنْدِيِّ: فَقَالَ: «إِلَى أَيْنَ يَا أَبَا لَيْلَى؟ !!» ، فَقُلْتُ: إِلَى الْجَنَّةِ إِنْ شَاءَ اللَّهُ.ثُمَّ اتَّفَقَا.وَلا خَيْرَ فِي حِلْمٍ إِذَا لَمْ يَكُنْ لَهُ … بَوَادِرُ تَحْمِي صَفْوَهُ أَنْ يُكَدَّرَاوَلا خَيْرَ فِي أَمْرٍ إِذَا لَمْ يَكُنْ لَهُ … حَلِيمٌ إِذَا مَا أَوْرَدَ الأَمْرَ أَصْدَرَاقَالَ عِيسَى: فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: " أَحْسَنْتَ، يَا أَبَا لَيْلَى، لا يَفْضُضِ اللَّهُ فَاكَ، قَالَ: فَعَاشَ أَكْثَرَ مِنْ مِائَةِ سَنَةٍ، وَكَانَ مِنْ أَحْسَنِ النَّاسِ ثَغْرًا.وَقَالَ ابْنُ الْجُنْدِيِّ: فَقَالَ لِي: أَحْسَنْتَ، لا يَفْضُضِ اللَّهُ فَاكَ، قَالَ: فَبَلَغَ مِائَةَ سَنَةٍ، وَكَانَ مِنْ أَحْسَنِ النَّاسِ ثَغْرًا.آخِرُ الْجُزْءِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَحْدَهُ.
৩ - এবং ইবনুন নাকূর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: ঈসা বিন আলী আল-উজির আমাদের কাছে শ্রুতলিপি থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং আবু মনসুর আব্দুল বাকী বিন মুহাম্মদ বিন গালিব, যিনি ইবনুল আত্তার নামে পরিচিত এবং আমিরুল মুমিনীন আল-কাইম বি-আমরিল্লাহ ও আল-মুকতাদী (আল্লাহর রহমত তাদের উভয়ের ওপর এবং কিয়ামত পর্যন্ত তাদের পিতৃপুরুষ ও বংশধরদের ওপর বর্ষিত হোক)-এর প্রতিনিধি, তিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবুল হুসাইন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন ইমরান বিন উরওয়াহ, যিনি ইবনুল জুন্দী নামে পরিচিত, তিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।ঈসা বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু বকর আব্দুল্লাহ।এবং ইবনুল জুন্দী বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ।অতঃপর তারা উভয়ে একমত হয়ে বলেছেন: তিনি হলেন ইবনে সুলাইমান বিন আল-আশআস।ইবনুল জুন্দী বলেন: এটি ৩১৫ হিজরি সনে শ্রুতলিপি হিসেবে প্রদান করা হয়েছে।অতঃপর তারা উভয়ে একমত হয়ে বলেন: আইয়ুব বিন মুহাম্মদ আল-ওয়াজ্জান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: ইয়ালা বিন আল-আশদাক আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন — ঈসা বলেন: আল-উখায়লী, অতঃপর তারা উভয়ে একমত হলেন — তিনি বলেন: আমি নাবিগাহ আল-জাদী-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে কবিতা আবৃত্তি করেছি:আমাদের মর্যাদা ও ঐশ্বর্য আসমান পর্যন্ত পৌঁছেছে ... আর আমরা তার ঊর্ধ্বে আরও কোনো উচ্চস্থান প্রত্যাশা করি।ঈসা বলেন: তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «হে আবু লায়লা! তবে আর কোথায় (গন্তব্য)?!!» আমি বললাম: ইনশাআল্লাহ, জান্নাতে।এবং ইবনুল জুন্দী বলেন: তিনি বললেন: «হে আবু লায়লা! তবে আর কোথায়?!!» আমি বললাম: ইনশাআল্লাহ, জান্নাতে।অতঃপর তারা উভয়ে একমত হলেন।আর সে সহনশীলতার মধ্যে কোনো কল্যাণ নেই, যার এমন কোনো ... তেজ নেই যা তার নির্মলতাকে ঘোলাটে হওয়া থেকে রক্ষা করে।আর সে বিষয়ের মধ্যে কোনো কল্যাণ নেই, যার জন্য কোনো ... সহনশীল ব্যক্তি নেই, যে বিষয়ের শুরুতে যেমন থাকে শেষ পর্যন্ত তেমন সমাধান দিতে পারে।ঈসা বলেন: তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "তুমি চমৎকার বলেছ, হে আবু লায়লা! আল্লাহ যেন তোমার দাঁত না ভাঙেন।" বর্ণনাকারী বলেন: এরপর তিনি একশত বছরেরও বেশি সময় জীবিত ছিলেন এবং তিনি মানুষের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর দাঁতের অধিকারী ছিলেন।ইবনুল জুন্দী বলেন: তিনি আমাকে বললেন: "তুমি চমৎকার বলেছ, আল্লাহ যেন তোমার দাঁত না ভাঙেন।" বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর তিনি একশত বছর বয়সে পৌঁছেছিলেন এবং মানুষের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর দাঁতের অধিকারী ছিলেন।অংশের সমাপ্তি এবং সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য।
(খণ্ড: ১)
খাবরু শিরি ওয়া ওয়াফাদাতি আন-নাবিগাহ আল-জাদী
(পৃষ্ঠা: ৫)
4 - قَالَ: أَخْبَرَنِي الإِمَامُ الْعَالِمُ، حُجَّةُ الْعَرَبِ، تَاجُ الدِّينِ، شَرَفُ الإِسْلامِ، أَبُو الْيُمْنِ زَيْدُ بْنُ الْحَسَنِ الْكِنْدِيُّ، أَثَابَهُ اللَّهُ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، فِي شَهْر سَنَةَ خَمْسٍ وَتِسْعِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ السَّمَرْقَنْدِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ: أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو طَاهِرٍ عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ رُزْمَةَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ عَلِيٌّ ، هُوَ ابْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُشْرَانَ الْمُعَدَّلُ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ هُوَ ابْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ الْجَوْزِيُّ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ، وَهُوَ ابْنُ أَبِي الدُّنْيَا، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي حَاتِمٍ الأَزْدِيُّ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْكُوفِيُّ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَبِيبٍ، عَنْ مُهَاجِرِ بْنِ سُلَيْمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَرَادٍ، قَالَ: سَمِعْتُ نَابِغَةَ بَنِي جَعْدَةَ ، يَقُولُ: أَنْشَدْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:عَلَوْنَا الْعِبَادَ عِفَّةً وَتَكَرُّمَا … وَإِنَّا لَنَرْجُو فَوْقَ ذَلِكَ مَظْهَرَا.قَالَ: فَغَضِبَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَقَالَ: «أَيْنَ الْمَظْهَرُ، يَا أَبَا لَيْلَى؟ !!» ، قُلْتُ: الْجَنَّةَ، إِنْ شَاءَ اللَّهُ، قَالَ: أَجَلْ.ثُمَّ قَالَ: أَنْشِدْنِي، فَأَنْشَدْتُهُ مِنْ قَوْلِي:وَلا خَيْرَ فِي حِلْمٍ إِذَا لَمْ تَكُنْ لَهُ … بَوَادِرُ تَحْمِي صَفْوَهُ أَنْ يُكَدَّرَاوَلا خَيْرَ فِي جَهْلٍ إِذَا لَمْ يَكُنْ لَهُ … حَلِيمٌ إِذَا مَا أَوْرَدَ الأَمْرَ أَصْدَرَافَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَحْسَنْتَ، لا يَفْضُضِ اللَّهُ فَاكَ» .قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَرَادٍ: فَكَانَ فَاهُ الْبَرَدَ الْمُنْهَلَّ، مَا سَقَطَتْ لَهُ سِنٌّ، وَلا انْقَلَبَ لَهُ عِرْقٌ
৪ - তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইমাম, মহাজ্ঞানী, আরবদের দলিল, তাজুদ্দীন, শরফুল ইসলাম, আবু আল-ইয়ুমন যায়েদ ইবনুল হাসান আল-কিন্দি—আল্লাহ তাঁকে পুরস্কৃত করুন—তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, পাঁচশত পঁচানব্বই হিজরি সনের এক মাসে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবুল কাসিম ইসমাইল ইবনে আহমাদ ইবনে উমর আস-সামারকান্দি তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু তাহের আব্দুল করিম ইবনুল হাসান ইবনে রুজমা: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আলী, তিনি হলেন ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বুশরান আল-মুয়াদ্দাল: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আহমাদ, তিনি হলেন ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর আল-জাওজি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আব্দুল্লাহ, আর তিনি হলেন ইবনে আবিদ দুনিয়া। তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবি হাতিম আল-আজদি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ আল-কুফি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাবিব, মুজাহির ইবনে সুলাইম থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে জারাদ থেকে, তিনি বলেন: আমি বনী জাদা গোত্রের নাবিগাহ-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: আমি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কবিতা আবৃত্তি করলাম:আমরা পবিত্রতা ও মহানুভবতায় সৃষ্টির ঊর্ধ্বে আরোহণ করেছি … এবং আমরা এর ঊর্ধ্বে আরও এক উচ্চস্থানের আশা রাখি।তিনি বলেন: তখন আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাগান্বিত হলেন এবং বললেন: «হে আবু লায়লা, সেই উচ্চস্থানটি কোথায়? !!» , আমি বললাম: জান্নাত, ইনশাআল্লাহ। তিনি বললেন: "হ্যাঁ।"অতঃপর তিনি বললেন: "আমাকে আরও শোনাও," তখন আমি আমার এই কথাগুলো (কবিতা) আবৃত্তি করলাম: এমন সহনশীলতায় কোনো কল্যাণ নেই যার এমন কোনো … তেজ নেই যা তার নির্মলতাকে ঘোলাটে হওয়া থেকে রক্ষা করেআর এমন অজ্ঞতাসুলভ কাজেও কোনো কল্যাণ নেই যার জন্য এমন কোনো … সহনশীল ব্যক্তি নেই যে কোনো বিষয় উত্থাপিত হলে তা নিষ্পত্তি করতে পারেতখন আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «তুমি চমৎকার বলেছ, আল্লাহ তোমার মুখগহ্বরকে নষ্ট না করুন (তোমার দাঁত অটুট রাখুন)»।আব্দুল্লাহ ইবনে জারাদ বলেন: ফলে তাঁর মুখগহ্বর ছিল বর্ষিত শিলার ন্যায় শুভ্র; তাঁর কোনো দাঁত কখনো পড়েনি এবং কোনো শিরাও ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়নি।
(খণ্ড: ১)
খাবরু শিরি ওয়া ওয়াফাদাতি আন-নাবিগাহ আল-জাদী
(পৃষ্ঠা: ৬)
5 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي الدُّنْيَا: حَدَّثَنِي أَبُو الْعَبَّاسِ عَبْدُ اللَّهِ الْعَتَكِيُّ: حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ الْفَضْلِ الأَزْرَقُ: حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ التَّمِيمِيُّ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنِي مَنْ سَمِعَ النَّابِغَةَ الْجَعْدِيَّ ، يَقُولُ: أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَأَنْشَدْتُهُ قَوْلِي:وَإِنَّا لَقَوْمٌ مَا نُعَوِّدُ خَيْلَنَا … إِذَا مَا الْتَقَيْنَا أَنْ تَحِيدَ وَتَنْفِرَاوَتُنْكِرُ يَوْمَ الرَّوْعِ أَلْوَانَ خَيْلِنَا … مِنَ الطَّعْنِ حَتَّى تَحْسَبَ الْجَوْنَ أَشْقَرَاوَلَيْسَ بِمَعْرُوفٍ لَنَا أَنْ نَرُدَّهَا … صِحَاحًا، وَلا مُسْتَنْكِرٍ أَنْ تُعَقَّرَابَلَغْنَا السَّمَاءَ مَجْدُنَا وَسَنَاؤُنَا … وَإِنَّا لَنَبْغِي فَوْقَ ذَلِكَ مَظْهَرَافَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «إِلَى أَيْنَ يَا أَبَا لَيْلَى؟ !!» ، قُلْتُ: إِلَى الْجَنَّةِ، قَالَ: «نَعَمْ، إِنْ شَاءَ اللَّهُ» .فلما أنشدته:وَلا خَيْرَ فِي حِلْمٍ إِذَا لَمْ تَكُنْ لَهُ … بَوَادِرُ تَحْمِي صَفْوَهُ أَنْ يُكَدَّرَاوَلا خَيْرَ فِي جَهْلٍ إِذَا لَمْ يَكُنْ لَهُ … حَلِيمٌ إِذَا مَا أَوْرَدَ الأَمْرَ أَصْدَرَافَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «لا يَفْضُضِ اللَّهُ فَاكَ؟» ، قَالَ: فَكَانَ مِنْ أَحْسَنِ النَّاِس ثَغْرًا وَإِذَا سَقَطَتْ لَهُ ثَنِيَّةٌ نَبَتَتْ
৫ - আবু বকর বিন আবি আদ-দুনিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু আল-আব্বাস আবদুল্লাহ আল-আতাকি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন: আল-আব্বাস ইবনুল ফাদল আল-আজরাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু আবদুল্লাহ আত-তামিমি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আল-হাসান বিন উবাইদিল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট এমন এক ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন যিনি আন-নাবিগাহ আল-জাদিকে বলতে শুনেছেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলাম এবং তাঁকে আমার এই কবিতাটি শুনালাম:নিশ্চয়ই আমরা এমন এক জাতি যারা আমাদের অশ্বসমূহকে অভ্যস্ত করিনি … যখন আমরা (শত্রুর) মুখোমুখি হই, তখন বিমুখ হতে কিংবা পৃষ্ঠপ্রদর্শন করতে।যুদ্ধের ভয়াবহতার দিনে আপনি আমাদের অশ্বগুলোর বর্ণ চিনতে পারবেন না … আঘাতের আধিক্যের কারণে, এমনকি কৃষ্ণবর্ণের অশ্বকেও আপনি মনে করবেন লোহিত বর্ণের।অশ্বগুলোকে অক্ষত অবস্থায় ফিরিয়ে আনা আমাদের রীতি নয় … আর সেগুলো জখম হওয়াও আমাদের নিকট অস্বাভাবিক কিছু নয়।আমাদের গৌরব ও মহিমা আকাশ স্পর্শ করেছে … আর নিশ্চয়ই আমরা এর ঊর্ধ্বে আরোহণের স্থান অন্বেষণ করি।তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "হে আবু লায়লা, (আকাশের ঊর্ধ্বে) আর কোথায়?!!" আমি বললাম: জান্নাতে। তিনি বললেন: "হ্যাঁ, ইনশাআল্লাহ।"অতঃপর যখন আমি তাঁকে শুনালাম:সেই সহনশীলতায় কোনো কল্যাণ নেই যার মাঝে এমন কোনো তেজ নেই যা তার নির্মলতাকে কলুষিত হওয়া থেকে রক্ষা করে।আর সেই অজ্ঞতায় কোনো কল্যাণ নেই যার জন্য এমন কোনো সহনশীল ব্যক্তি নেই … যে কোনো বিষয়ের সূচনা করলে তা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করে।তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "আল্লাহ যেন তোমার দাঁত ভেঙে না দেন।" বর্ণনাকারী বলেন: ফলে তিনি মানুষের মাঝে সুন্দরতম দন্তরাজির অধিকারী ছিলেন এবং তাঁর সামনের কোনো দাঁত পড়ে গেলে তা পুনরায় গজিয়ে উঠত।
(খণ্ড: ১)
খাবরু শিরি ওয়া ওয়াফাদাতি আন-নাবিগাহ আল-জাদী
(পৃষ্ঠা: ৭)
6 - حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي الدُّنْيَا: حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ رَاشِدٍ: حَدَّثَنَا الرَّحَّالُ ابْنُ الْمُنْذِرِ: حَدَّثَنَا أَبِي ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ كُرَيْزٍ، عَنِ النَّابِغَةِ، قَالَ: أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ إِذْ جَاءَ بِالْهُدَى.فَقَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لا يَفْضُضِ اللَّهُ فَاكَ»قَالَ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي الدُّنْيَا: وَالشِّعْرُ فِي قَصِيدَةِ النَّابِغَةِ، وَلَيْسَ فِي حَدِيثِ إِبْرَاهِيمَ:تَبِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ إِذْ جَاءَ بِالْهُدَى … وَيَتْلُو كِتَابًا كَالْمَجَرَّةِ نَيِّرَاوَجَاهَدْتُ حَتَّى مَا أُحِسُّ وَمَنْ مَعِي … سُهَيْلا إِذَا مَا لاحَ ثَمَّتَ غَوَّرَاوَطَوَّفْتُ فِي الرُّهْبَانِ أَعْبُرُ دِينَهُمْ … وَسَيَّرْتُ فِي الأَحْيَاءِ مَا لَمْ يُسَيَّرَافَأَصْبَحَ قَلْبِي قَدْ صَحَا غَيْرَ أَنَّنِي … وَكُلُّ امْرِئٍ لاقٍ مِنَ الدَّهْرِ قَنْطَرَاتَذَكَّرْتُ شَيْئًا قَدْ مَضَى لِسَبِيلِهِ … وَمِنْ حَاجَةِ الْمَحْزُونِ أَنْ يَتَذَكَّرَانَدَامَايَ عِنْدَ الْمُنْذِرِ بْنِ مُحَرِّقٍ … أَرَى الْيَوْمَ مِنْهُمْ ظَاهِرَ الأَرْضِ مُقْفِرَاكُهُولا وَشُبَّانًا كَأَنَّ وُجُوهَهُمْ … دَنَانِيرُ مِمَّا شِيفَ فِي أَرْضِ قَيْصَرَالَدَى مَلِكٍ مِنْ آلِ جَفْنَةَ خَالُهُ … وَآبَاؤُهُ آلُ امْرِئِ الْقَيْسِ أَزْهَرَايَرُدُّ عَلَيْنَا كَأْسَهُ وَشِوَاءَهُ … مُنَاصَفَةً وَالشَّرْعَبِيَّ الْمُحَبَّرَاوَرَاحَا عِرَاقِيًّا وَرَيْطًا يَمَانِيًا … وَمُعْتَبِطًا مِنْ مِسْكِ دَارِينَ أَذْفَرَاأُولَئِكَ أَخْدَانِي مَضَوْا لِسَبِيلِهِمْ … وَأَصْبَحْتُ أَرْجُو بَعْدَهُمْ أَنْ أُعَمَّرَاوَمَا عُمُرِي إِلا كَدَعْوَةِ فَارِطٍ … دَعَا رَاعِيًا ثُمَّ اسْتَمَرَّ فَأَصْدَرَا
৬ - ইবনে আবিদ দুনিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইব্রাহিম বিন রাশিদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন: আর-রাহহাল ইবনুল মুনযির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আমার পিতা তার পিতার সূত্রে, তিনি কুরাইযের সূত্রে, তিনি নাবাগাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূলের নিকট আসলাম যখন তিনি হেদায়েত নিয়ে আসলেন।অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন: «আল্লাহ তোমার মুখ (দাঁত) ভেঙে না দিন»আবু বকর ইবনে আবিদ দুনিয়া বলেন: এই কবিতাটি নাবাগাহর কাসিদার অন্তর্ভুক্ত, এটি ইব্রাহিমের বর্ণিত হাদিসের মূল অংশে নেই:আমি আল্লাহর রাসূলের অনুসরণ করেছি যখন তিনি হেদায়েত নিয়ে এসেছেন … এবং তিনি ছায়াপথের ন্যায় এক উজ্জ্বল কিতাব তিলাওয়াত করেনআর আমি জিহাদ করেছি যতক্ষণ না আমি এবং আমার সঙ্গীরা অনুভব করতে পারতাম … সুহাইল নক্ষত্রকে যখন তা উদিত হয়ে সেখানে অস্তমিত হতোআমি বৈরাগ্যবাদীদের মাঝে ঘুরেছি তাদের ধর্ম বুঝতে … এবং আমি জনপদগুলোতে এমনভাবে বিচরণ করেছি যা ইতিপূর্বে কেউ করেনিঅতঃপর আমার অন্তর এখন প্রশান্ত হয়েছে, তবে আমি … এবং প্রতিটি মানুষই কালের এক মহা-সেতুর মুখোমুখি হবেআমি সেই অতীতের কথা স্মরণ করেছি যা তার পথে চলে গেছে … আর ব্যথিত হৃদয়ের একটি প্রয়োজন হলো স্মৃতিচারণ করামুনযির ইবনে মুহাররিকের নিকট আমার যে সহচরগণ ছিল … আজ আমি তাদের থেকে ভূপৃষ্ঠকে জনশূন্য দেখছিপ্রৌঢ় ও যুবক, যাদের মুখমণ্ডল যেন … কায়সারের দেশে প্রস্তুতকৃত উজ্জ্বল দিনারের মতোএমন এক রাজার নিকট যার মামা ছিলেন জাফনা বংশের … আর তার পিতৃপুরুষগণ ছিলেন উজ্জ্বল ইমরুল কায়েসের বংশধরতিনি আমাদের নিকট তার পানপাত্র ও ঝলসানো গোশত পেশ করতেন … সমান ভাগে এবং কারুকার্যখচিত শারআবি পোশাকওএবং ইরাকি শরাব ও ইয়েমেনি সুক্ষ্ম চাদর … এবং দারিন অঞ্চলের অত্যন্ত সুগন্ধিযুক্ত খাঁটি কস্তুরীওরাই ছিল আমার বন্ধু যারা তাদের পথে পাড়ি জমিয়েছে … আর তাদের পর আমি এখন দীর্ঘায়ু লাভের আশা করছিআর আমার জীবন তো কেবল সেই অগ্রবর্তী পথপ্রদর্শকের আহ্বানের মতো … যে রাখালকে ডাকল, অতঃপর চলতে থাকল এবং গন্তব্যে পৌঁছে গেল
(খণ্ড: ১)
খাবরু শিরি ওয়া ওয়াফাদাতি আন-নাবিগাহ আল-জাদী
(পৃষ্ঠা: ৮)
7 - حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي الدُّنْيَا: حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ رُشَيْدٍ، وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ خَالِدٍ، قَالا: حَدَّثَنَا يَعْلَى بْنُ الأَشْدَقِ، قَالَ: سَمِعْتُ النَّابِغَةَ - نَابِغَةَ بَنِي جَعْدَةَ - وَهُوَ يَفْتَخِرُ، قَالَ: أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، فَأَنْشَدْتُهُ:بَلَغْنَا السَّمَاءَ مَجْدُنَا وَثَرَاؤُنَا … وَإِنَّا لَنَرْجُو فَوْقَ ذَلِكَ مَظْهَرَاقَالَ: يَا أَبَا لَيْلَى، إِلَى أَيْنَ؟ !! قُلْتُ: إِلَى الْجَنَّةِ، يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: صَدَقْتَ.وَلا خَيْرَ فِي حِلْمٍ إِذَا لَمْ تَكُنْ لَهُ … بَوَادِرُ تَحْمِي صَفْوَهُ أَنْ يُكَدَّرَاوَلا خَيْرَ فِي جَهْلٍ إِذَا لَمْ يَكُنْ لَهُ … حَلِيمٌ إِذَا مَا أَوْرَدَ الأَمْرَ أَصْدَرَافَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «أَجَدْتَ، لا يُفْضَضُ فُوكَ»قَالَ أَبُو بَكْرٍ ابْنُ أَبِي الدُّنْيَا: وَأَوَّلُ هَذِهِ الْقَصِيدَةِ:خَلِيلَيَّ غُضَّا سَاعَةً وَتَهَجَّرَا … وَلُومَا عَلَى مَا أَحْدَثَ الدَّهْرَ أَوْ ذَرَاأَلَمْ تَعْلَمَا أَنَّ انْصِرَافًا بِسُرْعَةٍ … لِسَيْرٍ أَحَقُّ الْيَوْمَ مِنْ أَنْ يُقَصَّرَاوَإِنْ تَسَلا إِنَّ الْحَيَاةَ قَصِيرَةٌ … وَطِيرَا لِرَوْعَاتِ الْحَوَادِثِ أَوْ قِرَا/ 51 وَإِنْ جَاءَ أَمْرٌ لا تُطِيقَانِ دَفْعَهُ … فَلا تَجْزَعَا مِمَّا قَضَى اللَّهُ وَاصْبِرَاأَلَمْ تَعْلَمَا أَنَّ الْمَلامَةَ نَفْعُهَا … قَلِيلٌ إِذَا مَا الشَّيْءُ وَلَّى فَأَدْبَرَاتَهِيجُ اللِّحَاءَ وَالنَّدَامَةَ ثُمَّ مَا … تُقَرِّبُ شَيْئًا غَيْرَ مَا كَانَ قُدِّرَالَوَى اللَّهُ عِلْمَ الْغَيْبِ عَمَّنْ سِوَاءَهُ … وَيَعْلَمُ مِنْهُ مَا مَضَى وَتَأَخَّرَارَكِبْتُ أُمُورًا صَعْبُهَا وَذَلُولُهَا … وَقَاسَيْتُ أَيَّامًا تُشِيبُ الْحَزَوَّرَاوَبِإِسْنَادِهِ، وَقُرِئَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ هُوَ ابْنُ أَبِي الدُّنْيَا ، قَالَ: قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ بْنُ إِسْحَاقَ الضَّبِّيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ مَسْلَمَةَ بْنَ جَعْفَرٍ، يَذْكُرُ عَنِ الصَّبَّاحِ، أَوْ أَبِي الصَّبَّاحِ الْيَمَانِيِّ، عَنْ وَهْبِ بْنِ مُنَبِّهٍ، قَالَ فِي حِكْمَةِ لُقْمَانَ ، أَنَّهُ قَالَ لابْنِهِ: يَا بُنَيَّ، الْعِلْمُ حَسَنٌ، وَهُوَ مَعَ الْعَمَلِ أَحْسَنُ.يَا بُنَيَّ، الصَّمْتُ حَسَنٌ، وَهُوَ مَعَ الْحِكْمَةِ أَحْسَنُ.يَا بُنَيَّ، إِنَّ اللِّسَانَ هُوَ بَابُ الْجَسَدِ، فَاحْذَرْ أَنْ يَخْرُجَ مِنْ لِسَانِكَ مَا يُهْلِكُ جَسَدَكَ، أَوْ يُسْخِطُ عَلَيْكَ رَبَّكَوَبِهِ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ وَهُوَ ابْنُ أَبِي الدُّنْيَا ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ هَارُونَ ، ذَكَرَ أَنَّهُ مَوْلًى لِبَنِي أُمَيَّةَ ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ الأُنَيْسِيَّ مِنَ الأَنْصَارِ، يُنْشِدُهُ:تَحَرَّزْ مَا اسْتَطَعْتَ مِنَ السَّفِيهِ … بِحِلْمِكَ عَنْهُ إِنَّ الْفَضْلَ فِيهِفَقَدْ يَعْصِي السَّفِيهُ مُؤَدِّبِيهِ … وَيُبْرِمُ بِاللُّجَاجَةِ مُنْصِفِيهِتَلِينُ لَهُ فَيُغْلِظْ جَانِبَاهُ … كَعِيرِ السُّوءِ يُرْمِحُ مَا لَقِيهِإِذَا انْبَعَثَ السَّفِيهُ فَهي حِلما … وَصَمْتًا وَاسْتَعِدَّ لِسَدِّ فِيهِ
৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবন আবিদ দুনিয়া: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দাউদ বিন রুশাইদ এবং ইসমাইল বিন খালিদ, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়ালা বিন আশদাক, তিনি বলেন: আমি নাবিকা অর্থাৎ বনু জাদার নাবিকাকে গর্ব করে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আসলাম এবং তাঁকে এই কবিতাটি পাঠ করে শোনালাম:আমাদের মর্যাদা ও ঐশ্বর্য আকাশ পর্যন্ত পৌঁছেছে … এবং আমরা এর ঊর্ধ্বে কোনো উচ্চতর স্থানের আশা রাখি।তিনি (রাসূলুল্লাহ) বললেন: হে আবু লায়লা, আর কোথায় (যেতে চাও)? !! আমি বললাম: জান্নাতে, হে আল্লাহর রাসূল। তিনি বললেন: তুমি সত্য বলেছ।এবং সহনশীলতায় কোনো কল্যাণ নেই যদি তার এমন ক্ষিপ্ততা না থাকে … যা তার নির্মলতাকে ঘোলাটে হওয়া থেকে রক্ষা করে।এবং মূর্খতায় কোনো কল্যাণ নেই যদি তার জন্য … এমন কোনো সহনশীল ব্যক্তি না থাকে, যে কোনো কাজ শুরু হলে তা সম্পন্ন করতে পারে।অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: «তুমি চমৎকার বলেছ, তোমার মুখ যেন অক্ষত থাকে (তোমার দাঁত যেন না ঝরে)»আবু বকর ইবন আবিদ দুনিয়া বলেন: এই কাসিদার প্রথমাংশ হলো:হে আমার দুই বন্ধু, কিছুক্ষণ থামো এবং বিশ্রাম নাও … আর সময় যা কিছু ঘটিয়েছে বা ত্যাগ করেছে তার জন্য আফসোস করো।তোমরা কি জানো না যে দ্রুত প্রস্থান করাই … আজকের সফরের জন্য সংক্ষিপ্ত করার চেয়ে বেশি উপযোগী?আর যদি তোমরা জিজ্ঞাসা করো, তবে জেনে রেখো জীবন সংক্ষিপ্ত … তাই ঘটনার ভয়ংকর পরিস্থিতির দিকে উড়ে চলো অথবা ধৈর্য ধরো।/ ৫১ আর যদি এমন কোনো বিষয় আসে যা প্রতিহত করার ক্ষমতা তোমাদের নেই … তবে আল্লাহর ফয়সালায় বিচলিত হয়ো না এবং ধৈর্য ধরো।তোমরা কি জানো না যে অনুযোগের উপকারিতা … অতি সামান্য যখন কোনো কিছু গত হয়ে যায় এবং পিঠ প্রদর্শন করে চলে যায়?তা কেবল বিবাদ এবং অনুশোচনাকেই জাগ্রত করে … আর যা তাকদিরে নির্ধারিত ছিল তা ছাড়া অন্য কিছু ঘটাতে পারে না।আল্লাহ গায়ব বা অদৃশ্যের জ্ঞান অন্য সবার থেকে গোপন রেখেছেন … আর তিনি অতীতের এবং ভবিষ্যতের সবকিছু জানেন।আমি কঠিন এবং সহজ সব পরিস্থিতি পার করেছি … এবং এমন দিনগুলো সহ্য করেছি যা কিশোরকেও বৃদ্ধ করে দেয়।এবং তাঁরই সূত্রে পঠিত হয়েছে: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর অর্থাৎ ইবন আবিদ দুনিয়া, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন হুসাইন বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদ বিন ইসহাক আদ-দাব্বি, তিনি বলেন: আমি মাসলামা বিন জাফরকে বলতে শুনেছি, তিনি আস-সাব্বাহ অথবা আবু সাব্বাহ আল-িয়মানি থেকে এবং তিনি ওয়াহাব বিন মুনাব্বিহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি লুকমানের হিকমত বা প্রজ্ঞা সম্পর্কে বলেন, তিনি তাঁর পুত্রকে বলেছিলেন: হে প্রিয় বৎস, জ্ঞান উত্তম, আর আমল বা কর্মের সাথে হলে তা আরও উত্তম।হে প্রিয় বৎস, নীরবতা সুন্দর, আর হিকমতের সাথে হলে তা আরও সুন্দর।হে প্রিয় বৎস, নিশ্চয়ই জিহ্বা হলো শরীরের প্রবেশদ্বার, সুতরাং তোমার জিহ্বা থেকে এমন কিছু বের হওয়া থেকে সতর্ক থেকো যা তোমার শরীরকে ধ্বংস করে দেয়, অথবা তোমার প্রতিপালককে তোমার ওপর রাগান্বিত করে।এবং একই সূত্রে: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর অর্থাৎ ইবন আবিদ দুনিয়া, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আব্দুল ওয়াহিদ বিন হারুন, তিনি বর্ণনা করেছেন যে তিনি বনু উমাইয়ার আযাদকৃত গোলাম ছিলেন, তিনি আনসারী বংশীয় আবু আবদুল্লাহ আল-উনাইসিকে কবিতা পাঠ করতে শুনেছেন:নির্বোধ ব্যক্তি থেকে যতটা পারো আত্মরক্ষা করো … তার প্রতি তোমার সহনশীলতার মাধ্যমে, কারণ তাতেই শ্রেষ্ঠত্ব নিহিত।কেননা নির্বোধ ব্যক্তি তার উপদেষ্টাদের অবজ্ঞা করতে পারে … এবং জেদের মাধ্যমে ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তিদের বিরক্ত করতে পারে।তুমি তার প্রতি নম্র হবে কিন্তু সে তোমার প্রতি কঠোর হবে … যেন এক মন্দ গাধা, যা সামনে যাকে পায় তাকেই লাথি মারে।যখন নির্বোধ ব্যক্তিটি উত্তেজিত হয়, তখন তুমি সহনশীল হও … এবং নীরব থাকো এবং তার মুখ বন্ধ করার জন্য প্রস্তুত থাকো।