(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: -)
تسعة مجالس من أمالي طراد الزينبي   (طراد الزينبي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: تسعة مجالس من أمالي طراد الزينبي

[مطبوع ضمن «مصنفات طراد الزينبي، وأجزاء أخرى»]

المحقق: نبيل سعد الدين جرَّار

الناشر: أروقة للدراسات والنشر، الأردن - عمان

الطبعة: الأولى،1440 هـ - 2019 م

عدد الصفحات: 78

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 14 شعبان 1445

তুরাদ আয-যাইনাবীর আমালি থেকে নয়টি মাজলিস   (তুরাদ আয-যাইনাবী)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: তুরাদ আয-যাইনাবীর আমালি থেকে নয়টি মাজলিস

[‘তুরাদ আয-যাইনাবীর রচনাবলি এবং অন্যান্য অংশ’ «এর অন্তর্ভুক্ত হিসেবে মুদ্রিত»]

সম্পাদক: নাবিল সাদউদ্দীন জাররার

প্রকাশক: আরওয়াকা ফর স্টাডিজ অ্যান্ড পাবলিশিং، জর্ডান - আম্মান

সংস্করণ: প্রথম، ১৪৪০ হিজরি - ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭৮

[কিতাবের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের অনুরূপ রাখা হয়েছে]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ১৪ শাবান ১৪৪৫

(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٢٧)
تسعةُ مجالسَ مِن أمالي طِرَادِ بنِ محمدٍ الزَّينَبيِّ

 

هذا ما جاءَ في الورقةِ [76/ب] مِن المَجموعِ (35) مِن المَجاميعِ العُمريةِ.

وهي مِن تَخريجِ أبي عليٍّ البَرَدانيِّ أيضاً، كما جاءَ في ورقةِ العنوانِ المُفصَّلةِ [78/ب].

وهي نُسخةٌ عَتيقةٌ قُرئتْ على المُصنِّفِ طِرَادٍ الزَّينَبيِّ قَبلَ وَفاتِهِ بأَشهُرٍ، كما يأتي في السَّماعِ المُثبتِ آخِرَ الجُزءِ.

يَليه سَماعٌ على راوي هذه النُّسخةِ عن طِرَادٍ الزَّينَبيِّ: أحمدَ بنِ عليِّ بنِ عليِّ بنِ عبدِ اللهِ البغداديِّ الخَبازِ أبي المَعالي بنِ السَّمينِ(1)، بخَطِّه سَنةَ (548 هـ).

يَليه سَماعٌ مُطولٌ بخَطِّ البَهاءِ المَقدسيِّ(2) سَنةَ (623 هـ) عليه وعلى

--------------------------------------------

(1) سمع الكثير ونسخ بخطه، قال ابن النجار: كان قليل العلم وفيه غفلة. وقال ابن ناصر: كاذب، لا يجوز السماع منه. توفي سنة (549 هـ). انظر «تاريخ الإسلام» (11/ 958)، «لسان الميزان» (1/ 548).

قلتُ: وهذا الكلام في ابن السمين لا يعكر على سلامة هذه النسخة، فعليها سماعات لغيره على طراد كما يأتي بيانه.

(2) أبو محمد عبد الرحمن بن إبراهيم بن أحمد بن عبد الرحمن بن إسماعيل الحنبلي، الشيخ الإمام العالم المفتي المحدث، شارح «المقنع»، روى الكثير واجتهد في كتابة الحديث وتسميعه. توفي سنة (624 هـ). انظر «السير» (22/ 269).

তেরাদ বিন মুহাম্মাদ আয-যায়নাবীর ‘আমালি’ থেকে নয়টি মজলিস

 

এটি ‘মাজমুআতুল উমরিয়্যাহ’র (৩৫) নং সংকলনের [৭৬/খ] নং পৃষ্ঠায় যা এসেছে তা-ই।

এটিও আবু আলী আল-বারাদানি কর্তৃক সংকলিত (তাখরিজকৃত), যেমনটি [৭৮/খ] নং শিরোনামের বিস্তারিত পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে।

এটি একটি প্রাচীন পাণ্ডুলিপি যা লেখক তেরাদ আয-যায়নাবীর মৃত্যুর কয়েকমাস পূর্বে তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছিল, যেমনটি এই খণ্ডের শেষে সাব্যস্তকৃত শ্রবণের (সামা‘) বিবরণে আসবে।

এরপর তেরাদ আয-যায়নাবীর নিকট থেকে এই পাণ্ডুলিপির বর্ণনাকারীর নিকট শ্রবণের বিবরণ রয়েছে: আহমাদ বিন আলী বিন আলী বিন আব্দুল্লাহ আল-বাগদাদি আল-খাব্বায আবু আল-মা‘আলি বিন আস-সামিন(১), যা ৫৪৮ হিজরি সনে তাঁর নিজের হস্তলিপিতে লিখিত।

এরপর বাহাউদ্দীন আল-মাকদিসির(২) হস্তলিপিতে ৬২৩ হিজরি সনের একটি দীর্ঘ শ্রবণের বিবরণ রয়েছে যা তাঁর নিকট এবং...

--------------------------------------------

(১) তিনি প্রচুর হাদিস শুনেছেন এবং নিজ হাতে অনুলিপি করেছেন। ইবনু নাজ্জার বলেন: তাঁর জ্ঞান কম ছিল এবং তাতে অসতর্কতা ছিল। ইবনু নাসির বলেন: তিনি মিথ্যাবাদী, তাঁর থেকে শ্রবণ করা বৈধ নয়। তিনি ৫৪৯ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: ‘তারিখুল ইসলাম’ (১১/ ৯৫৮), ‘লিসানুল মিজান’ (১/ ৫৪৮)।

আমি (সম্পাদক) বলছি: ইবনু সামিন সম্পর্কে এই মন্তব্য এই পাণ্ডুলিপির বিশুদ্ধতাকে ক্ষুণ্ণ করে না, কারণ এতে তেরাদের নিকট অন্যদের শ্রবণের বিবরণও রয়েছে যেমনটি সামনে বর্ণিত হবে।

(২) আবু মুহাম্মাদ আব্দুর রহমান বিন ইবরাহিম বিন আহমাদ বিন আব্দুর রহমান বিন ইসমাইল আল-হাম্বলি; তিনি শায়খ, ইমাম, আলেম, মুফতি ও মুহাদ্দিস, ‘আল-মুকনি’ গ্রন্থের ব্যাখ্যাকার। তিনি প্রচুর বর্ণনা করেছেন এবং হাদিস লিখন ও শ্রবণে কঠোর পরিশ্রম করেছেন। তিনি ৬২৪ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: ‘আস-সিয়ার’ (২২/ ২৬৯)।

(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٢٨)
أبي القاسمِ بنِ صَصْرَى(1)، برِوايتِهما عن شُهدةَ، وروايةِ ابنِ صَصْرَى عن كُلٍّ مِن: عليٍّ(2) ومحمدٍ(3) ابنَي طِرَادٍ، وأبي بكرٍ الزَّاغونيِّ(4)، وعمرَ الحَربيِّ، وابنِ السَّمينِ، كُلُّهم عن طِرَادٍ.

وعلى الوجهِ المُقابلِ لورقةِ العنوانِ سَماعٌ على ابنِ المُنادي(5) بروايتِهِ عَنهما سَنةَ (696 هـ).

وعلى ورقةِ العنوانِ سَماعٌ على ابنِ السَّمينِ سَنةَ (540 هـ).

ثم سَماعٌ على عبدِ الرزاقِ بنِ عبدِ القادرِ الجِيليِّ(6) سَنةَ (601 هـ) بحقِّ سماعِهِ مِن الشَّيخَينِ: أبي بكرِ بنِ المُقَرَّبِ وابنِ مَحبوبٍ القَزازِ(7)، بحقِّ سَماعِهما مِن طِرَادٍ الزَّينَبيِّ.

ويَتخللُ الجُزءَ في جانبِ الورقةِ [89/أ] سَماعٌ على ابنِ المَوَازينيِّ(8)

--------------------------------------------

(1) الحسين بن هبة الله بن محفوظ البلدي الدمشقي. الشيخ الجليل القاضي مسند الشام. توفي سنة (626 هـ). انظر «السير» (22/ 282).

(2) أبو القاسم الوزير الكبير. توفي سنة (538 هـ). انظر «السير» (20/ 149).

(3) أبو الحسن النقيب. توفي سنة (541 هـ). انظر «تاريخ الإسلام» (11/ 792).

(4) محمد بن عبيد الله بن نصر البغدادي، الشيخ المسند الكبير الصدوق. توفي سنة (552 هـ). انظر «السير» (20/ 278).

(5) إسماعيل بن عبد الرحمن بن عمرو، الشيخ العدل الجليل المسند الصالح، عز الدين أبو الفداء ابن المنادي. توفي سنة (700 هـ). انظر «تاريخ الإسلام» (15/ 948).

(6) الشيخ الإمام المحدث. توفي سنة (603 هـ). انظر «السير» (21/ 426).

(7) الحسن بن أحمد بن محبوب أبو علي البغدادي القزاز. شيخ صالح سمع الكثير من طراد. توفي سنة (550 هـ). انظر «تاريخ الإسلام» (11/ 983).

(8) محمد بن علي بن حسين السلمي الدمشقي أبو جعفر بن الموازيني، الحاج المقرئ الصالح. سمع من أبي القاسم بن صصرى والبهاء عبد الرحمن، وكان آخر من حدث عنهما موتاً. توفي سنة (708 هـ). انظر «معجم الشيوخ» للذهبي (2/ 237).

আবুল কাসিম ইবনে সাসরা(১), শুহদাহ থেকে তাঁদের উভয়ের বর্ণনাসূত্রে, এবং আলি(২) ও মুহাম্মাদ(৩)—তিরাদের এই দুই পুত্র, আবু বকর আয-যাগুনি(৪), উমর আল-হারবি এবং ইবনুস সামীন—যাঁদের প্রত্যেকে তিরাদ থেকে বর্ণনা করেছেন—তাঁদের সকলের থেকে ইবনে সাসরার বর্ণনাসূত্রে।

এবং শিরোনাম পাতার বিপরীত পৃষ্ঠায় ৬৯৬ হিজরি সনে তাঁদের উভয়ের থেকে প্রাপ্ত বর্ণনাসূত্রে ইবনুল মুনাদি(৫)-এর নিকট একটি শ্রবণলিপি রয়েছে।

আর শিরোনাম পাতায় ৫৪০ হিজরি সনে ইবনুস সামীনের নিকট একটি শ্রবণলিপি রয়েছে।

অতঃপর ৬০১ হিজরি সনে আবদুর রাজ্জাক বিন আবদুল কাদির আল-জিলানি(৬)-এর নিকট একটি শ্রবণলিপি রয়েছে, যা দুই শায়খ: আবু বকর বিন আল-মুকাররাব এবং ইবনে মাহবুব আল-কাযযায(৭) থেকে তাঁর শ্রবণের ভিত্তিতে প্রাপ্ত, যা আবার তিরাদ আয-যাইনাবি থেকে তাঁদের উভয়ের শ্রবণের ভিত্তিতে প্রাপ্ত।

এবং পাণ্ডুলিপির খণ্ডের [৮৯/আ] পৃষ্ঠার পার্শ্বভাগে ইবনুল মাওয়াযিনি(৮)-এর নিকট একটি শ্রবণলিপি সন্নিবেশিত রয়েছে।

--------------------------------------------

(১) আল-হুসাইন বিন হিবাতুল্লাহ বিন মাহফুজ আল-বালাদি আদ-দিমাশকি। তিনি একজন মহান শায়খ, বিচারক এবং সিরিয়ার সর্বোচ্চ বর্ণনাকারী (মুসনিদ)। তিনি ৬২৬ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। দেখুন: ‘আস-সিয়ার’ (২২/২৮২)।

(২) আবু আল-কাসিম, প্রখ্যাত উজির। তিনি ৫৩৮ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। দেখুন: ‘আস-সিয়ার’ (২০/১৪৯)।

(৩) আবু আল-হাসান আন-নাকিব। তিনি ৫৪১ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। দেখুন: ‘তারিখুল ইসলাম’ (১১/৭৯২)।

(৪) মুহাম্মাদ বিন উবাইদুল্লাহ বিন নাসর আল-বাগদাদি, শায়খ, প্রখ্যাত মুসনিদ ও অত্যন্ত সত্যবাদী। তিনি ৫৫২ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। দেখুন: ‘আস-সিয়ার’ (২০/২৭৮)।

(৫) ইসমাইল বিন আবদুর রহমান বিন আমর, ন্যায়পরায়ণ শায়খ, মহান মুসনিদ ও নেককার ব্যক্তি, ইযযুদ্দিন আবু আল-ফিদা ইবনুল মুনাদি। তিনি ৭০০ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। দেখুন: ‘তারিখুল ইসলাম’ (১৫/৯৪৮)।

(৬) শায়খ, ইমাম ও হাদিস বিশারদ। তিনি ৬০৩ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। দেখুন: ‘আস-সিয়ার’ (২১/৪২৬)।

(৭) আল-হাসান বিন আহমাদ বিন মাহবুব আবু আলি আল-বাগদাদি আল-কাযযায। তিনি একজন নেককার শায়খ ছিলেন এবং তিরাদ থেকে অনেক হাদিস শ্রবণ করেছেন। তিনি ৫৫০ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। দেখুন: ‘তারিখুল ইসলাম’ (১১/৯৮৩)।

(৮) মুহাম্মাদ বিন আলি বিন হুসাইন আস-সুলামি আদ-দিমাশকি আবু জাফর বিন আল-মাওয়াযিনি, নেককার হাজি ও ক্বারি। তিনি আবু আল-কাসিম বিন সাসরা এবং বাহা আবদুর রহমান থেকে শ্রবণ করেছেন এবং তাঁদের থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে তিনিই ছিলেন সর্বশেষ মৃত ব্যক্তি। তিনি ৭০৮ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। দেখুন: আয-যাহাবির ‘মুজামুশ শুয়ুখ’ (২/২৩৭)।

(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٢٩)
سَنةَ ( .. وتسعينَ وستمئةٍ).

هذا ولم أقفْ على مَن ذكَرَ هذا الجُزءَ، وهو داخلٌ ضِمنَ قولِ ابنِ نُقطةَ: انتَقى له أبو عليٍّ البَرَدَانيُّ أجزاءً وأمالي.

وفيه تسعةُ مجالسَ مِن الأَمالي(1)، ثلاثةٌ مِنها وجدتُّ لها أُصولاً خَطيَّةً مُستقلةً:

(1) المَجلسُ الأولُ: هو مجلسُ الرَّوضةِ الآتي، مَع اختلافٍ في التَّرتيبِ والتَّعقيبِ على الأحاديثِ، لذلكَ -وتَيمناً بذكرِ الرَّوضةِ المُشرَّفةِ- رأيتُ أَن أُخرِجَه مُنفصلاً. واللهُ الموفقُ.

(6) المجلسُ السادسُ: هو المَجلسُ المَوجودُ في الأوراقِ [16 - 22] مِن المجموعِ (1135) مِن مَجاميعِ الظاهريةِ.

وهي أوراقٌ صغيرةٌ وقعَت مُعترضةً خِلالَ جُزءٍ فيه «من حديث أبي المظفر السمعاني انتقاء الحافظ ضياء الدين المقدسي»(2).

كُتبَ في أولِ ورقةٍ مِنها:

«مِن حَديثِ طِرَادٍ الزَّينَبيِّ

--------------------------------------------

(1) الأول في التاسع والعشرين من جمادى الأول سنة (482 هـ)، والسادس في الثالث من رجب سنة (473 هـ)، يليه في نفس السنة المجلس السابع في الثامن من شعبان، والمجلس الثامن في السابع من رمضان. وبقية المجالس لم يذكر تاريخها.

(2) هذا ما جاء في الورقة [11/ ب].

أو «المنتقى من مسموعات الضياء بمرو» كما يسميه الألباني في تخريجاته، موافقة لما جاء في بداية المجموع: جزء منتقى مما سمعناه بمرو وهو ما سمعه شيخنا ببخارى. وفي عدة مواضع: المنتقى من مسموع مرو من حديث أبي المظفر السمعاني.

... এবং ছয়শ নব্বই সালে।

আমি এমন কাউকে পাইনি যিনি এই জুয (অংশটি) উল্লেখ করেছেন। এটি ইবনে নুকতার এই উক্তির অন্তর্ভুক্ত: আবু আলী আল-বারাদানি তার জন্য কিছু জুয এবং আমালি (শ্রুতিলিপি) নির্বাচন করেছেন।

এতে আমালির নয়টি মজলিস রয়েছে(১), যার তিনটির আমি স্বতন্ত্র পাণ্ডুলিপি মূল পেয়েছি:

(১) প্রথম মজলিস: এটি সামনে আসা রওজা মজলিস, যাতে হাদিসগুলোর বিন্যাস এবং পর্যালোচনায় ভিন্নতা রয়েছে। তাই—রওজায়ে মুশাররাফার স্মরণের বরকত লাভের উদ্দেশ্যে—আমি এটিকে পৃথকভাবে প্রকাশ করা সমীচীন মনে করেছি। আর আল্লাহই তৌফিকদাতা।

(৬) ষষ্ঠ মজলিস: এটি জাহিরিয়্যার সংগ্রহশালার ১১৩৫ নম্বর সংকলনের [১৬ - ২২] পাতায় বিদ্যমান মজলিস।

এগুলো ছোট কিছু পাতা, যা একটি জুযের মধ্যে প্রক্ষিপ্তভাবে ঢুকে পড়েছে, যাতে রয়েছে «হাফেজ জিয়াউদ্দিন আল-মাকদিসি কর্তৃক নির্বাচিত আবু মুজাফফর আল-সামআনির হাদিস হতে»(২)।

এর প্রথম পাতায় লেখা রয়েছে:

«তিরাদ আল-যায়নাবীর হাদিস হতে...

--------------------------------------------

(১) প্রথমটি ৪৮২ হিজরির ২৯শে জুমাদাল উলাতে, এবং ষষ্ঠটি ৪৭৩ হিজরির ৩রা রজবে; এর পরবর্তী একই বছরে সপ্তম মজলিসটি অষ্টম শাবানে এবং অষ্টম মজলিসটি সপ্তম রমজানে। বাকি মজলিসগুলোর তারিখ উল্লেখ করা হয়নি।

(২) এটি [১১/ খ] পাতায় এসেছে।

অথবা «মারওতে জিয়ার শ্রুত বিষয়াবলির সংকলন» যেমনটি আলবানি তার তাখরিজগুলোতে নামকরণ করেছেন, যা সংকলনের শুরুর দিকের বক্তব্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ: মারওতে আমরা যা শুনেছি তা থেকে নির্বাচিত একটি অংশ, যা আমাদের শায়খ বুখারায় শুনেছেন। এবং বেশ কিছু স্থানে রয়েছে: আবু মুজাফফর আল-সামআনির হাদিস হতে মারওতে শ্রুত বিষয়াবলির সংকলন।

(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٣٠)
سَمعَ هذا الجُزءَ كُلَّه عليَّ: صاحبُهُ الإمامُ مُعينُ الدِّينِ محمدُ بنُ المَرْزُبانِ (الخوتي؟) بقراءةِ غيرِه في ثغرِ الإسكندريةِ في ذي القعدةِ سَنةَ سبعٍ وسبعينَ. ثم قرأهُ عليَّ في دمشقَ في شهرِ ربيعٍ الأولِ سَنةَ ثمانٍ وسبعينَ وخمسِمئةٍ.

كتَبَه محمودُ بنُ محمدِ بنِ الحسينِ القَزوينيُّ(1)

وقفٌ بدارِ الحديثِ النُّوريةِ».

ويَرويه القَزوينيُّ عن الشَّريفِ الخَطيبِ أحمدَ بنِ هبةِ اللهِ بنِ أحمدَ بنِ الواثقِ باللهِ أبي الفَضائلِ الهاشميِّ البغداديِّ(2).

عن طِرَادٍ الزَّينَبيِّ.

ولها الرَّمزُ: ظ (1135).

(7) المَجلسُ السابعُ: هو نَفسُه المَجلسُ المَوجودُ في الأوراقِ [120 - 124] مِن المَجموعِ (62) مِن المَجاميعِ العُمريةِ.

* وهذه النسخةُ سَماعٌ لأبي أحمدَ بَوْزَانَ(3) بنِ سُنْقُرَ بنِ عبدِ اللهِ الرُّوميِّ.

على عبدِ المُحسنِ بنِ عبدِ اللهِ بنِ أحمدَ بنِ محمدِ بنِ عبدِ القاهرِ،

--------------------------------------------

(1) أبو القاسم الشافعي الواعظ. درَّس بالشام وبالقاهرة مدة ووعظ. توفي سنة (587 هـ). انظر «التكملة» للمنذري (1/ 152)، «تاريخ الإسلام» (12/ 843).

(2) توفي سنة (552 هـ). انظر «تاريخ الإسلام» (12/ 43).

(3) بفتح الباء الموحدة وسكون الواو وبعدها زاي مفتوحة وبعد الألف نون، ويقال: فيه «بَزَّان» أيضاً.

أبو أحمد الرومي ثم الموصلي، كان فيه صلاح. توفي سنة (622 هـ). انظر «التكملة» للمنذري (3/ 142)

এই সম্পূর্ণ অংশটি আমার নিকট শ্রবণ করেছেন: এর মালিক ইমাম মুঈনুদ্দীন মুহাম্মদ ইবনুল মারযুবান (আল-খুতি?) অন্য একজনের পাঠের মাধ্যমে, আলেকজান্দ্রিয়া সীমান্তে, সাতাত্তর হিজরি সনের যিলকদ মাসে। অতপর তিনি এটি আমার নিকট দামেস্কে পাঁচশত আটাত্তর হিজরি সনের রবিউল আউয়াল মাসে পাঠ করেন।

এটি লিখেছেন মাহমুদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আল-কাযভীনি(১)

দারুল হাদিস আন-নূরিয়া-র জন্য ওয়াকফকৃত।

আর আল-কাযভীনি এটি বর্ণনা করেছেন শরীফ আল-খতিব আহমদ বিন হিবাতুল্লাহ বিন আহমদ বিন আল-ওয়াসিক বিল্লাহ আবুল ফাযায়েল আল-হাশেমি আল-বাগদাদি(২) থেকে।

তিরাদ আয-যাইনাবি থেকে।

আর এর সংকেত চিহ্ন হলো: য (১১৩৫)।

(৭) সপ্তম মজলিস: এটি আল-মাজামিউ আল-উমরিয়ার ৬২ নম্বর সংকলনের [১২০ - ১২৪] পৃষ্ঠাগুলোতে বিদ্যমান মজলিসটিই।

* এই পাণ্ডুলিপিটি আবু আহমদ বাওযান(৩) বিন সুনকুর বিন আব্দুল্লাহ আর-রুমির শ্রবণকৃত কপি।

আব্দুল মুহসিন বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল কাহিরের নিকট,

--------------------------------------------

(১) আবু আল-কাসিম আশ-শাফিয়ি আল-ওয়ায়িয। তিনি সিরিয়া এবং কায়রোতে দীর্ঘকাল অধ্যাপনা ও ওয়াজ করেছেন। তিনি (৫৮৭ হি.) সালে ইন্তেকাল করেন। দেখুন আল-মুনযিরি রচিত «আত-তাকমিলা» (১/ ১৫২), «তারিখুল ইসলাম» (১২/ ৮৪৩)।

(২) তিনি (৫৫২ হি.) সালে ইন্তেকাল করেন। দেখুন «তারিখুল ইসলাম» (১২/ ৪৩)।

(৩) 'বা' বর্ণে ফাতহা, 'ওয়াও' সাকিন এবং এরপর 'যা' বর্ণে ফাতহা ও আলিফের পর 'নুন'। আর একে «বাযযান»ও বলা হয়।

আবু আহমদ আর-রুমি অতঃপর আল-মাওসেলি, তিনি একজন সৎ ব্যক্তি ছিলেন। তিনি (৬২২ হি.) সালে ইন্তেকাল করেন। দেখুন আল-মুনযিরি রচিত «আত-তাকমিলা» (৩/ ১৪২)

(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٣١)
أبي القاسمِ بنِ أبي الفضلِ المَعروفِ بابنِ الطُّوسيِّ(1).

بروايتِه عن عَمِّه عبدِ الرحمنِ بنِ أحمدَ بنِ محمدِ بنِ عبدِ القاهرِ أبي محمدٍ الطُّوسيِّ الخَطيبِ(2).

عن طِرَادٍ الزَّينَبيِّ.

ولم يَنفردْ عبدُ الرحمنِ الطُّوسيُّ برِوايةِ هذا المَجلسِ عن طِرَادٍ، بل شارَكَه أَخوه وأَبوه، جاءَ في وَرقةِ العنوانِ:

صُورةُ ما شاهدتُّ على الأصلِ بخَطِّ المُوفقِ أبي نصرٍ أحمدَ بنِ محمدِ بنِ عبدِ القاهرِ الطُّوسيِّ(3): سَماعُ محمدٍ(4) وعبدِ الرحمنِ ابنَي أحمدَ بنِ محمدِ بنِ عبدِ القاهرِ الطُّوسيِّ مِن نَقيبِ النُّقباءِ طِرَادِ بنِ محمدٍ الزَّينَبيِّ في شهرِ رَبيعٍ الآخِرِ سَنةَ تسعينَ وأربعِمئةٍ. نقَلَه بَوْزَانُ بنُ سُنْقُرَ بنِ عبدِ اللهِ الرُّوميُّ.

وفي آخِرِ النُّسخةِ سَماعٌ على عبدِ الرحمنِ الطُّوسيِّ سَنةَ (552 هـ) بخطِّ ابنِ أخيه عبدِ المُحسنِ الطُّوسيِّ.

ثم سَماعٌ على عبدِ المُحسنِ سَنةَ (612 هـ).

ولها الرَّمزُ: مج (62).

--------------------------------------------

(1) خطيب الموصل هو وأبوه وجده، ومن بيت العدالة والرواية والتحديث. توفي سنة (622 هـ). انظر «ذيل تاريخ بغداد» لابن الدبيثي (4/ 281).

(2) ذكره الذهبي في وفيات (561 - 570 هـ) من «تاريخ الإسلام» (12/ 449).

(3) سكن الموصل بأولاده وصاروا خطباء البلد. توفي سنة (525 هـ). انظر «تاريخ الإسلام» (11/ 427).

(4) محمد بن أحمد بن محمد بن عبد القاهر أبو عبد الله الطوسي. كان فقيهاً شافعياً مناظراً. توفي سنة (541 هـ). انظر «تاريخ الإسلام» (11/ 791).

আবুল কাসেম বিন আবুল ফজল, যিনি ইবনুত তুসি(১) নামে পরিচিত।

তাঁর চাচা আবদুর রহমান বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আবদুল কাহের আবু মুহাম্মাদ আত-তুসি আল-খতিবের(২) নিকট থেকে তাঁর বর্ণনায়।

তিরাদ আজ-জাইনাবি থেকে।

আবদুর রহমান আত-তুসি তিরাদ থেকে এই মজলিসটি বর্ণনায় একাকী নন, বরং তাঁর ভাই এবং পিতাও তাঁর সাথে অংশগ্রহণ করেছেন। শিরোনামের পাতায় এসেছে:

মুওয়াফফাক আবু নাসর আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আবদুল কাহের আত-তুসির(৩) হস্তলিপিতে মূল পাণ্ডুলিপিতে আমি যা দেখেছি তার প্রতিলিপি: ৪৯০ হিজরি সনের রবিউল আখির মাসে নাকীবুল নুকাবা তিরাদ বিন মুহাম্মাদ আজ-জাইনাবি থেকে আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আবদুল কাহের আত-তুসির দুই পুত্র মুহাম্মাদ(৪) এবং আবদুর রহমানের শ্রবণ (সামা’)। এটি নকল করেছেন বাউজান বিন সুনকুর বিন আব্দুল্লাহ আর-রুমি।

এবং পাণ্ডুলিপির শেষে তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র আবদুল মুহসিন আত-তুসির হস্তলিপিতে ৫৫২ হিজরি সনে আবদুর রহমান আত-তুসির নিকট শ্রুত হওয়ার প্রমাণ রয়েছে।

এরপর ৬১২ হিজরি সনে আবদুল মুহসিনের নিকট শ্রুত হওয়ার প্রমাণ।

এবং এর সংকেত হলো: মাজ (৬২)।

--------------------------------------------

(১) তিনি, তাঁর পিতা এবং তাঁর দাদা—সবাই ছিলেন মোসেলের খতিব। তিনি এক ন্যায়পরায়ণতা, বর্ণনা এবং হাদিস চর্চার পরিবারের সদস্য ছিলেন। ৬২২ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন ইবনে আদ-দুবাইসির 'যাইলু তারিখি বাগদাদ' (৪/২৮১)।

(২) যাহাবি তাঁকে 'তারিখুল ইসলাম'-এর ৫৬১-৫৭০ হিজরির মৃত্যুর বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন (১২/৪৪৯)।

(৩) তিনি সন্তানদের নিয়ে মোসেলে বসবাস করতেন এবং তাঁরা সেই শহরের খতিব হয়েছিলেন। ৫২৫ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন 'তারিখুল ইসলাম' (১১/৪২৭)।

(৪) মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আবদুল কাহের আবু আব্দুল্লাহ আত-তুসি। তিনি ছিলেন একজন শাফেয়ী ফকিহ এবং তার্কিক। ৫৪১ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন 'তারিখুল ইসলাম' (১১/৭৯১)।

(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ١١١)
جزءٌ فيه تسعُ مجالسَ مِن أَمالي

السيدِ الأجَلِّ الكاملِ نَقيبِ النُّقباءِ ذي الشَّرفَينِ شهابِ الحَضرتَينِ

أبي الفَوارِسِ طِرَادِ بنِ محمدِ بنِ عليٍّ الزَّينَبيِّ

تخريجُ الشيخِ الجليلِ أبي عليٍّ أحمدَ بنِ محمدٍ البَرَدانيِّ

سماعٌ مِنه لأحمدَ بنِ عليِّ بنِ عليِّ بنِ عبدِ اللهِ

المعروفُ والدُه بالسَّمينِ المُكَنى بأبي المَعالي

نفَعَه اللهُ بالعلمِ
একটি অংশ যাতে রয়েছে নয়টি মজলিস, যা নিম্নোক্ত ব্যক্তির শ্রুতিলিখন হতে সংগৃহীত:

পরম সম্মানিত ও পূর্ণাঙ্গ সায়্যিদ, প্রধানদের প্রধান, দ্বৈত আভিজাত্যের অধিকারী, দুই দরবারের উজ্জ্বল নক্ষত্র,

আবুল ফাওয়ারিস তিরাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আলী আয-যাইনাবী।

মহান শায়খ আবু আলী আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-বারাদানী কর্তৃক সম্পাদিত (তাখরীজকৃত)।

আহমাদ বিন আলী বিন আলী বিন আব্দুল্লাহ কর্তৃক তাঁর থেকে শ্রুত,

যার পিতা 'আস-সামীন' নামে পরিচিত এবং যার উপনাম আবু আল-মা'আলী।

আল্লাহ তাকে ইলমের মাধ্যমে উপকৃত করুন।
(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ١١٣)
بسم الله الرحمن الرحيم

مجلسُ(1) يومِ الجمعةِ بعدَ الصلاةِ التاسعِ والعشرينَ مِن (جُمادى؟) الأولِ سَنةَ اثنين [و] سبعينَ وأربعِمئةٍ

 

93 - (1) أخبرنا الشريفُ الأجلُّ الكاملُ نَقيبُ النُّقباءِ أبو الفَوارسِ طِرَادُ بنُ محمدِ بنِ عليٍّ الزَّينَبيُّ قالَ: أخبرنا أبو نصرٍ أحمدُ بنُ محمدِ بنِ أحمدَ بنِ حَسْنونَ النَّرسيُّ الشيخُ الصالحُ رحمةُ اللهِ عليه قالَ: حدثنا محمدُ بنُ عَمرو بنِ البَختَريِّ الرَّزازُ إملاءً قالَ: حدثنا يحيى بنُ جعفرٍ قالَ: حدثنا هاشمُ بنُ القاسمِ أبو النضرِ قالَ: حدثنا سليمانُ بنُ المغيرةِ، عن ثابتٍ البُنانيِّ، عن أنسِ بنِ مالكٍ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «آتي يومَ القيامةِ بابَ الجنةِ فأستَفتحُ، فيقولُ لي الخازنُ: مَن أنتَ؟ فأقولُ: محمدٌ، فيقولُ: بكَ أُمرتُ أن لا أفتَحَ لأحدٍ قبلَكَ»(2).

انفردَ الإمامُ أبو الحسينِ مسلمُ بنُ الحجاجِ رضي الله عنه بإخراجِهِ، فرواهُ [197] عن زهيرِ بنِ حربٍ وعَمرو بنِ محمدٍ الناقدِ، كليهما عن أبي النضرِ هاشمِ بنِ القاسمِ الكِنانيِّ، عن سليمانَ بنِ المغيرةِ أبي سعيدٍ القَيسيِّ، عن ثابتِ بنِ أسلمَ أبي محمدٍ البُنانيِّ، عن أنسِ بنِ مالكٍ أبي حمزةَ الأنصاريِّ

--------------------------------------------

(1) في الهامش: أول.

(2) تقدم (58).
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

৪৭২ হিজরি সালের উনত্রিশে (জুমাদাল?) উলা শুক্রবার সালাত পরবর্তী মজলিস(১)।

 

৯৩ - (১) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মহান, সম্মানিত ও পূর্ণতা সম্পন্ন ব্যক্তিত্ব নকীবুল নুকা’বা আবু আল-ফাওয়ারিস তিরাদ বিন মুহাম্মদ বিন আলী আল-যায়নাবি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নেককার শায়খ আবু নাসর আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন হাসনুন আল-নারসি (আল্লাহর রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)। তিনি বলেন: আমাদের নিকট শ্রুতলিপি প্রদানের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আমর বিন আল-বাখতারি আল-রাজ্জায। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন জা’ফর। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাশিম বিন আল-কাসিম আবু আল-নাদর। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান বিন আল-মুগিরা, সাবিত আল-বুনানি থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «কিয়ামতের দিন আমি জান্নাতের দরজায় আসব এবং তা খোলার আবেদন করব। তখন জান্নাতের রক্ষী বলবে: আপনি কে? আমি বলব: মুহাম্মদ। তখন সে বলবে: আপনার ব্যাপারেই আমাকে আদেশ করা হয়েছে যেন আপনার পূর্বে কারো জন্য দরজা না খুলি»(২)।

ইমাম আবু আল-হুসাইন মুসলিম বিন আল-হাজ্জাজ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) এককভাবে এটি উদ্ধৃত করেছেন। তিনি এটি বর্ণনা করেছেন [১৯৭] জুহাইর বিন হারব এবং আমর বিন মুহাম্মদ আল-নাকিদ থেকে, তাঁরা উভয়ে আবু আল-নাদর হাশিম বিন আল-কাসিম আল-কিনানি থেকে, তিনি সুলাইমান বিন আল-মুগিরা আবু সাঈদ আল-কাইসি থেকে, তিনি সাবিত বিন আসলাম আবু মুহাম্মদ আল-বুনানি থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক আবু হামজা আল-আনসারি থেকে।

--------------------------------------------

(১) পার্শ্বটীকায় রয়েছে: প্রথম।

(২) পূর্বে বর্ণিত (৫৮)।
(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ١١٤)
بهذا.

فكأنَّ شيخَنا أبا نصرِ بنَ النَّرسيِّ سمعَه مِن مسلمٍ وحدَّثنا به عنه.

 

94 - (2) أخبرنا أبو الفتحِ هِليلُ(1) بنُ محمدِ بنِ جعفرِ بنِ سَعدانَ الكَسْكَريُّ قالَ: أخبرنا أبو عبدِ اللهِ الحسينُ بنُ يحيى بنِ عَياشٍ القطانُ قالَ: حدثنا أبو الأشعثِ أحمدُ بنُ المِقدامِ العجليُّ قالَ: حدثنا حمادُ بنُ زيدٍ، عن ثابتٍ، عن أنسٍ قالَ:

ما مَسِستُ بيَدي دِيباجا ولا حَريراً ولا شيئاً ألينَ مِن كفِّ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، ولا شَمِمتُ رائحةً قطُّ أطيبَ مِن ريحِ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، ولقَد خَدمتُ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم عشرَ سِنينَ، فواللهِ ما قالَ لي أفٍّ قطُّ، ولا قالَ لِشيءٍ فعلتُه: لِمَ فعلتَ كَذا، ولا لِشيءٍ لَم أفعَلْهُ: ألا فعلتَ كَذا(2).

انفَردَ الإمامُ أبو عبدِ اللهِ (محمدُ بنُ إسماعيلَ)(3) البخاريُّ بإخراجِهِ(4)، / فرواهُ [3561] عن سليمانَ بنِ حربٍ، عن حمادِ بنِ زيدٍ، عن ثابتٍ، عن أنسٍ.

--------------------------------------------

(1) كذا هنا وفي عدة مواضع من هذا الجزء، وهو هلال، وما هنا كتب بالياء على الإمالة، انظر «توضيح المشتبه» (9/ 149).

(2) تقدم (74).

(3) عليها علامة الحذف: (لا إلى).

(4) هذا الانفراد غير مسلم، فالرواية المذكورة هي عند البخاري مختصرة على شطره الأول، وكذلك هي عند مسلم أيضاً (2330) من طريق ثابت البناني. وشطره الثاني «خدمت .. » عند مسلم (2309) من طريق حماد بن زيد، وعند البخاري (6038) من طريق سلام بن مسكين عن ثابت بنحوه.

وللحديث طرق وروايات متداخلة.
এর মাধ্যমে।

মনে হয় যেন আমাদের শায়খ আবু নাসর ইবনুন নারসি এটি মুসলিমের নিকট থেকে শুনেছেন এবং আমাদের নিকট তাঁর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

 

৯৪ - (২) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ হিলীল(১) বিন মুহাম্মাদ বিন জাফর বিন সাদান আল-কাসকারি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন ইয়াহইয়া বিন আইয়াশ আল-কাত্তান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-আশআস আহমাদ বিন আল-মিকদাম আল-ইজলি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন যায়েদ, সাবেত থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আমি আমার হাত দিয়ে এমন কোনো মোটা রেশম বা পাতলা রেশম অথবা অন্য কোনো কিছু স্পর্শ করিনি যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাতের তালুর চেয়ে অধিক কোমল ছিল। আর আমি এমন কোনো ঘ্রাণ কখনো গ্রহণ করিনি যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ঘ্রাণের চেয়ে অধিক সুগন্ধযুক্ত ছিল। আমি দশ বছর যাবত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের খেদমত করেছি। আল্লাহর শপথ, তিনি কখনো আমাকে ‘উফ’ বলেননি। আমি কোনো কাজ করলে তিনি কখনো বলেননি: ‘তুমি কেন এটা করলে?’, আর কোনো কাজ না করলে তিনি কখনো বলেননি: ‘তুমি কেন এটা করলে না?’(২)।

ইমাম আবু আব্দুল্লাহ (মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল)(৩) বুখারি এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন(৪), / তিনি এটি [৩৫৬১] সুলাইমান বিন হারব থেকে, তিনি হাম্মাদ বিন যায়েদ থেকে, তিনি সাবেত থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) এখানে এবং এই খণ্ডের বেশ কিছু স্থানে এভাবেই রয়েছে, তবে তিনি হলেন হিলাল। এখানে ‘ইয়া’ যোগে ইমালা করে লেখা হয়েছে। দেখুন: ‘তাওদিহুল মুশতাবিহ’ (৯/১৪৯)।

(২) পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে (৭৪)।

(৩) এর ওপর বিলোপ চিহ্ন (লা ইলা) রয়েছে।

(৪) এই একক বর্ণনার দাবিটি স্বীকৃত নয়; কারণ উল্লেখিত বর্ণনাটি বুখারিতে কেবল তার প্রথম অংশের ওপর সংক্ষিপ্ত আকারে রয়েছে। অনুরূপভাবে এটি মুসলিমের নিকটও (২৩৩০) সাবেত আল-বুনানির সূত্রে বিদ্যমান। আর এর দ্বিতীয় অংশ ‘আমি খেদমত করেছি...’ মুসলিমের নিকট (২৩০৯) হাম্মাদ বিন যায়েদের সূত্রে এবং বুখারির নিকট (৬০৩৮) সালাম বিন মিসকিনের সূত্রে সাবেত থেকে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। এই হাদিসের একাধিক সূত্র ও পরস্পর সম্পৃক্ত বর্ণনা রয়েছে।
(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ١١٥)
فكأنَّ شيخَنا أبا الفتحِ سمعَهُ مِن البخاريِّ وحدَّثنا به عنه.

وأبو الأشعثِ العجليُّ مِن شرطِ البخاريِّ يَروي عنه في كتابِهِ.

 

95 - (3) أخبرنا أبو الحسنِ محمدُ بنُ أحمدَ بنِ محمدِ بنِ أحمدَ بنِ رِزْقويه البزازُ قالَ: أخبرنا أبو جعفرٍ محمدُ بنُ يحيى بنِ عمرَ بنِ عليِّ بنِ حربٍ قالَ: حدثنا عليُّ بنُ حربٍ قالَ: حدثنا سفيانُ بنُ عُيينةَ، عن الزُّهريِّ، عن محمدِ بنِ جُبيرِ بنِ مُطعمٍ، عن أبيه قالَ:

قالَ النبيُّ صلى الله عليه وسلم: «إنِّي أنا محمدٌ، وأنا أحمدُ، وأنا الماحي الذي يُمحى بي الكفرُ، وأنا الحاشِرُ الذي أحشُرُ الناسَ، وأنا العاقِبُ الذي ليسَ بعدَه نبيٌّ» صلى الله عليه وسلم(1).

أخرجَه البخاري [3532] عن إبراهيمَ بنِ المنذرِ الحِزاميِّ، عن مَعنِ بنِ عيسى، عن مالكِ بنِ أنسٍ الفقيهِ، عن الزُّهريِّ، عن محمدِ بنِ جُبيرِ بنِ مُطعمٍ، عن أبيه(2).

وكأنَّ شيخَنا أبا الحسنِ بنَ رِزْقويه سمعَه مَع البخاريِّ مِن إبراهيمَ بنِ المنذرِ، وكأنَّني أنا سمعتُه مِن البخاريِّ. وكانَت وفاةُ البخاريِّ في سَنةِ سِتٍّ وخمسينَ ومئتَينِ.

 

96 - (4) أخبرنا أبو الحسينِ محمدُ بنُ الحسينِ بنِ محمدِ بنِ الفضلِ بنِ يعقوبَ قالَ: أخبرنا أبو عليٍّ إسماعيلُ بنُ محمدِ بنِ إسماعيلَ الصَّفارُ قالَ: حدثنا الحسنُ بنُ عرفةَ بنِ يزيدَ العَبديُّ قالَ: حدثنا يزيدُ بنُ هارونَ قالَ: أخبرنا حمادُ بنُ سلمةَ، عن ثابتٍ، عن عبدِ الرحمنِ بنِ أبي لَيلى، عن

--------------------------------------------

(1) تقدم (11).

(2) ومسلم أيضاً من طريق الزهري كما تقدم.
যেন আমাদের শাইখ আবুল ফাতহ এটি বুখারী থেকে শুনেছেন এবং তার পক্ষ থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

আর আবু আশআস আল-ইজলি বুখারীর শর্তানুযায়ী, তিনি তাঁর গ্রন্থে তাঁর থেকে বর্ণনা করেন।

 

৯৫ - (৩) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ ইবনে রিযকুবাইহ আল-বাযযায, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে উমর ইবনে আলী ইবনে হারব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে হারব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ, যুহরী থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে জুবায়ের ইবনে মুতঈম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই আমি মুহাম্মাদ, আমি আহমদ, আমি আল-মাহীর (মিটিয়েদানকারী), যার মাধ্যমে কুফর মিটিয়ে দেওয়া হয়; আমি আল-হাশির (একত্রকারী), যার নিকট মানুষকে সমবেত করা হবে; এবং আমি আল-আকিব (সর্বশেষ), যার পরে আর কোনো নবী নেই» সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম(১)।

এটি বুখারী [৩৫৩২] বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনুল মুনযির আল-হিযামী থেকে, তিনি মা’ন ইবনে ঈসা থেকে, তিনি ফকীহ মালিক ইবনে আনাস থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে জুবায়ের ইবনে মুতঈম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে(২)।

আর যেন আমাদের শাইখ আবুল হাসান ইবনে রিযকুবাইহ এটি বুখারীর সাথে ইব্রাহিম ইবনুল মুনযির থেকে শুনেছেন, এবং যেন আমি স্বয়ং এটি বুখারী থেকে শুনেছি। আর বুখারীর মৃত্যু হয়েছিল ২৫৬ হিজরী সনে।

 

৯৬ - (৪) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল ফাযল ইবনে ইয়াকুব, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী ইসমাইল ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল আস-সাফফার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে আরাফাহ ইবনে ইয়াযীদ আল-আবদী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ ইবনে হারুন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাম্মাদ ইবনে সালামাহ, সাবিত থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে আবু লায়লা থেকে, তিনি...

--------------------------------------------

(১) পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে (১১)।

(২) এবং মুসলিমও যুহরীর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন যেমনটি পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ١١٦)
صُهيبٍ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إذا دَخلَ أهلُ الجَنةِ الجَنةَ نُودوا: (أَن؟)(1) يا أهلَ الجَنةِ، إنَّ لكم عندَ اللهِ عز وجل موعِداً لم تَروهُ، قالَ: فيَقولونَ: فَما هو؟ ألم يُبيِّضْ وجوهَنا، ويُزحزِحْنا عن النارِ، ويُدخِلْنا الجَنةَ! قالَ: فيَكشفُ الحِجابَ تبارك وتعالى فيَنظرونَ إليه، قالَ: فواللهِ ما أعطاهُم اللهُ عز وجل شيئاً هو أحبَّ إليهم مِنه، ثُم قرأَ: {لِّلَّذِينَ أَحْسَنُواْ الْحُسْنَى وَزِيَادَةٌ} [يونس: 26](2).

انفردَ مسلمٌ بإخراجِه، / فرواه [181] عن أبي بكرِ بنِ أبي شَيبةَ، عن يزيدَ بنِ هارونَ، عن حمادِ بنِ سلمةَ بنِ دينارٍ أبي سلمةَ، عن عبدِ الرحمنِ بنِ أبي لَيلى -واسمُ أبي لَيلى يَسارٍ-، عُن صهيبٍ أبي(3) يحيى بهذا الإسنادِ.

فكأنَّ شيخَنا أبا الحسينِ بنَ الفضلِ سمعَه مِن مسلمٍ وحدَّثنا به عنه.

 

97 - (5) أخبرنا أحمدُ بنُ محمدِ بنِ حَسْنونَ قالَ: حدثنا محمدُ بنُ عَمرو بنِ البَختَريِّ إملاءً قالَ: حدثنا محمدُ بنُ أحمدَ بنِ أبي العَوَّامِ قالَ: سمعتُ أبا عبدِ اللهِ أحمدَ بنَ محمدِ بنِ حنبلٍ رضي الله عنه يسألُ أبا النَّضرِ هاشمَ بنَ القاسمِ عن هذا الحديثِ، فسمعتُ هاشمَ بنَ القاسمِ يقولُ: حدثنا عبدُ العزيزُ بنُ النعمانِ القرشيُّ قالَ: أخبرنا زيدُ بنُ حَيانَ، عن عطاءٍ، عن أبي هريرةَ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «لا يَجتمعُ حُبُّ هؤلاءِ الأربعةِ إلا في قلبِ مؤمنٍ:

--------------------------------------------

(1) هنا إشارة إلى الهامش حيث كلمة لم تتضح لي، والمثبت من الرواية المتقدمة (68) -بنفس هذا الإسناد- وغيرها.

(2) تقدم (68).

(3) في الأصل: ابن.
সুহাইব (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যখন জান্নাতবাসীরা জান্নাতে প্রবেশ করবেন, তখন তাঁদের সম্বোধন করে বলা হবে: (যে?)(১) হে জান্নাতবাসী! আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার কাছে তোমাদের জন্য একটি প্রতিশ্রুতি রয়েছে যা তোমরা দেখনি। তিনি বলেন: তখন তারা বলবে: সেটি কী? তিনি কি আমাদের চেহারা উজ্জ্বল করে দেননি, আমাদের জাহান্নাম থেকে দূরে সরিয়ে দেননি এবং আমাদের জান্নাতে প্রবেশ করাননি! তিনি বলেন: অতঃপর আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা পর্দা উন্মোচন করবেন এবং তাঁরা তাঁর দিকে তাকাবেন। তিনি বলেন: আল্লাহর কসম, আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তাঁদেরকে এমন কোনো বস্তু দান করেননি যা তাঁদের কাছে তাঁর (দর্শনের) চেয়ে অধিক প্রিয়। এরপর তিনি তিলাওয়াত করলেন: {যারা সৎকর্ম করেছে তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত এবং আরও অধিক কিছু} [ইউনূস: ২৬](২)।

ইমাম মুসলিম এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি [১৮১] আবু বকর বিন আবি শায়বা থেকে, ইয়াজিদ বিন হারুন থেকে, হাম্মাদ বিন সালামাহ বিন দিনার আবু সালামাহ থেকে, আব্দুর রহমান বিন আবি লায়লা থেকে—আর আবু লায়লার নাম হলো ইয়াসার—সুহাইব আবু ইয়াহইয়া থেকে এই সনদে বর্ণনা করেছেন।

যেন আমাদের শায়খ আবুল হুসাইন বিন আল-ফজল এটি ইমাম মুসলিম থেকে শুনেছেন এবং আমাদের নিকট তাঁর পক্ষ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

 

৯৭ - (৫) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হাসনুন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন আমর বিন আল-বাখতারি শ্রুতলিপি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আবিল আওয়াম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হাম্বল (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে এই হাদিসটি সম্পর্কে আবু নযর হাশিম বিন আল-কাসিমকে জিজ্ঞাসা করতে শুনেছি। আমি হাশিম বিন আল-কাসিমকে বলতে শুনেছি: আমাদের নিকট আব্দুল আজিজ বিন নুমান আল-কুরাশি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের জাইদ বিন হাইয়ান সংবাদ দিয়েছেন আতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «এই চারজনের ভালোবাসা কেবল মুমিনের হৃদয়েই একত্র হয়:

--------------------------------------------

(১) এখানে পার্শ্বটীকার দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে যেখানে একটি শব্দ আমার কাছে স্পষ্ট হয়নি, এবং এটি পূর্বোক্ত বর্ণনা (৬৮) —যা এই একই সনদে বর্ণিত— এবং অন্যান্য বর্ণনা থেকে গৃহীত হয়েছে।

(২) পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে (৬৮)।

(৩) মূলে রয়েছে: ইবন।
(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ١١٧)
أبو بكرٍ، وعمرُ، وعثمانُ، وعليٌّ» رضي الله عنهم(1).

 

98 - (6) أخبرنا أبو الحسينِ عليُّ بنُ محمدِ بنِ عبدِ اللهِ بنِ بِشرانَ المُعدلُ قالَ: أخبرنا إسماعيلُ بنُ محمدٍ الصَّفارُ قالَ: حدثنا أحمدُ بنُ منصورٍ الرَّماديُّ قالَ: حدثنا عبدُ الرزاقِ بنُ همامٍ قالَ: أخبرنا معمرٌ، عن الزُّهريِّ قالَ: حدثني أنسُ بنُ مالكٍ،

أنَّ رَجلاً مِن الأعرابِ أَتى النبيَّ صلى الله عليه وسلم فقالَ: يا رسولَ اللهِ، مَتى الساعةُ؟ فقالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «ما أَعدَدتَّ لها؟» فقالَ الأَعرابيُّ: ما أَعدَدتُّ لها مِن كبيرٍ أَحمدُ عليه نَفسي، إلا أنِّي أُحبُّ اللهَ ورسولَه، فقالَ له رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «فإنَّكَ مَع مَن أَحبَبتَ»(2).

أخرجَه بلفظِه مسلمٌ [2639] عن محمدِ بنِ رافعٍ وعبدِ بنِ حُميدٍ، عن عبدِ الرزاقِ، عن معمرٍ هو ابنُ راشدٍ، عن الزُّهريِّ، عن أنسِ بنِ مالكٍ.

فكأنَّ شيخَنا أبا الحسينِ سمعَه مِن مسلمٍ وحدَّثنا به عنه.

 

99 - (7) أخبرنا القاضي الشريفُ(3) أبو الحسنِ عليُّ بنُ عبدِ اللهِ بنِ إبراهيمَ / الهاشميُّ العِيسَويُّ قالَ: حدثنا محمدُ بنُ عَمرو بنِ البَختَريِّ قالَ: حدثنا عبدُ الكريمِ بنُ الهيثمِ أبو يحيى القَطانُّ قالَ: حدثنا الرَّبيعُ بنُ نافعٍ أبو تَوبةَ قالَ: حدثنا الهيثمُ بنُ حُميدٍ، عن أبي مُعَيدٍ حفصِ بنِ غَيلانَ، عن طاوسٍ، عن أبي مُوسى،

أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قال: «إنَّ اللهَ عز وجل يَبعثُ الأيامَ على هيئَتِها، ويَبعثُ

--------------------------------------------

(1) تقدم (91).

(2) تقدم (41).

(3) في الأصل بعدها: (الأوحد) لكن يظهر لي أنه مضروب عليها بخط. والله أعلم.
আবু বকর, উমর, উসমান এবং আলী—আল্লাহ তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট হন(১)।

 

৯৮ - (৬) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বিশরান আল-মুয়াদ্দাল, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাঈল বিন মুহাম্মদ আস-সাফফার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন মানসুর আর-রামাদি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক বিন হাম্মাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মা’মার, তিনি যুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আনাস বিন মালিক আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন যে,

জনৈক গ্রাম্য ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল: হে আল্লাহর রাসূল, কিয়ামত কখন হবে? তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «তুমি এর জন্য কী প্রস্তুতি গ্রহণ করেছ?» গ্রাম্য লোকটি বলল: আমি এর জন্য খুব বেশি আমল প্রস্তুত করিনি যার ওপর আমি নিজের প্রশংসা করতে পারি, তবে আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ভালোবাসি। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন: «নিশ্চয়ই তুমি যাকে ভালোবেসেছ, তার সাথেই থাকবে»(২)।

মুসলিম তাঁর শব্দেই এটি বর্ণনা করেছেন [২৬৩৯] মুহাম্মদ বিন রাফে’ এবং আব্দ বিন হুমাইদ থেকে, তাঁরা আব্দুর রাজ্জাক থেকে, তিনি মা’মার—যিনি ইবনে রাশিদ—থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে।

যেন আমাদের শায়খ আবু আল-হুসাইন এটি মুসলিমের নিকট থেকে শুনেছেন এবং তাঁর পক্ষ থেকে আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন।

 

৯৯ - (৭) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-কাজী আশ-শরীফ(৩) আবু আল-হাসান আলী বিন আব্দুল্লাহ বিন ইব্রাহিম আল-হাশেমি আল-ঈসাভি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আমর বিন আল-বাখতারি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল কারীম বিন আল-হাইসাম আবু ইয়াহইয়া আল-কাত্তান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আর-রাবী’ বিন নাফি’ আবু তাওবাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাইসাম বিন হুমাইদ, আবু মু’আইদ হাফস বিন গাইলান থেকে, তিনি তাউস থেকে, তিনি আবু মুসা থেকে বর্ণনা করেন,

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ দিনগুলোকে তাদের স্বরূপে পুনরুত্থিত করবেন এবং তিনি পুনরুত্থিত করবেন...

--------------------------------------------

(১) পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে (৯১)।

(২) পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে (৪১)।

(৩) মূল পাণ্ডুলিপিতে এরপর ‘আল-আওহাদ’ শব্দটি ছিল, কিন্তু আমার নিকট প্রতীয়মান হয়েছে যে এটি রেখা টেনে কেটে দেওয়া হয়েছে। আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ١١٨)
الجمعةَ زَهراءَ مُنيرةً، أهلُها مُحفّونَ بها كالعَروسِ تُهدَى إلى كريمِها، تُضيءُ لهم، يَمشُونَ في ضوئِها، ألوانُهم كالثلجِ بياضاً، ورِيحُهم تَسطعُ كالمِسكِ، يَخوضُونَ في جبالِ الكافورِ، يَنظُرُ إليهم الثَّقلانِ ما يَطرِفونَ تَعجباً، يَدخلونَ الجَنةَ لا يُخالِطُهم أحدٌ إلا المؤذِّنونَ المُحتَسِبونَ»(1).

حدثَ به أبو زَكريا يحيى بنُ مَعينٍ، عن عبدِ اللهِ بنِ يوسفَ التِّنِّيسيِّ به، عن الهيثمِ(2) بنِ حُميدٍ، عن أبي مُعَيدٍ حفصٍ، عن طاوسٍ، عن أبي مُوسى بهذا(3).

 

100 - (8) أخبرنا أبو عبدِ اللهِ الحسينُ بنُ عمرَ بنِ بَرهانَ الشيخُ الصالحُ رحمةُ اللهِ عليه قالَ: حدثنا عثمانُ بنُ أحمدَ بنِ يزيدَ قالَ: حدثنا أبو القاسمِ إسحاقُ بنُ إبراهيمَ الخُتُّليُّ قالَ: حدثنا الحسينُ بنُ عليِّ بنِ يزيدَ الصُدَائيُّ، عن أبيه، عن هارونَ بنِ عَنترةَ، عن أبيه، عن عليِّ بنِ أبي طالبٍ رضي الله عنه قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إنَّ شهرَ رَجبٍ شهرٌ عظيمٌ، مَن صامَ مِنه يوماً كُتبَ له صومُ ألفِ سَنةٍ، ومَن صامَ مِنه يومَينِ كُتبَ له صومُ ألفَي سَنةٍ، ومَن

--------------------------------------------

(1) هو في «فوائد العيسوي» (8).

وأخرجه ابن خزيمة (1730)، والحاكم (1/ 277)، والبيهقي في «الشعب» (2779)، وفي «فضائل الأوقات» (254)، وتمام في «فوائده» (1260) من طريق الهيثم بن حميد به.

وقال الألباني في «الصحيحة» (706): وهذا إسناد جيد رجاله ثقات.

(2) كتب فوقها: «القاسم» والمثبت هو الصواب.

(3) أخرج هذه الرواية ابن عدي في «الكامل» (4/ 205)، وابن شاذان في «الجزء الأول من حديثه» (13 - مخطوط)، وأبو يعلى الفراء في «مجلس من أماليه» (12 - مخطوط).
জুমুআহ হবে উজ্জ্বল এবং দীপ্তিময়, এর অনুসারীরা একে ঘিরে থাকবে যেমন কনেকে তার সম্মানিত বরের কাছে নিয়ে যাওয়ার সময় ঘিরে থাকা হয়; এটি তাদের জন্য আলো ছড়াবে, তারা এর আলোতে হাঁটবে, তাদের গায়ের রঙ হবে বরফের মতো সাদা, তাদের সুগন্ধ হবে কস্তুরীর মতো তীব্র, তারা কর্পূরের পাহাড়ের ভেতর দিয়ে অতিক্রম করবে, জিন ও মানুষ তাদের দিকে বিস্ময়ে পলকহীন তাকিয়ে থাকবে, তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং সওয়াবের আশায় আজান দেওয়া মুয়াজ্জিনরা ছাড়া আর কেউ তাদের সাথে মিশবে না।(১).

এটি বর্ণনা করেছেন আবু জাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবনে মায়িন, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে ইউসুফ তিন্নিসি থেকে, তিনি হাইসাম(২) ইবনে হুমাইদ থেকে, তিনি আবু মুয়াইদ হাফস থেকে, তিনি তাউস থেকে, তিনি আবু মুসা থেকে এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন(৩).

 

১০০ - (৮) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে উমর ইবনে বারহান, তিনি একজন সৎ শাইখ ছিলেন, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন; তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন উসমান ইবনে আহমাদ ইবনে ইয়াজিদ; তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবুল কাসিম ইসহাক ইবনে ইবরাহিম আল-খুত্তুলি; তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হুসাইন ইবনে আলী ইবনে ইয়াজিদ আস-সুদাই, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি হারুন ইবনে আনতারা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন:

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই রজব মাস একটি মহান মাস, যে ব্যক্তি এই মাসে একদিন রোজা রাখবে তার জন্য এক হাজার বছরের রোজার সওয়াব লেখা হবে, আর যে ব্যক্তি এতে দুই দিন রোজা রাখবে তার জন্য দুই হাজার বছরের রোজার সওয়াব লেখা হবে এবং যে...

--------------------------------------------

(১) এটি 'ফাওয়াইদুল ঈসাভী' (৮) তে রয়েছে।

ইবনে খুজাইমা (১৭৩০), হাকেম (১/২৭৭), বাইহাকি 'আশ-শুআব' (২৭৭৯) ও 'ফাদাইলুল আওকাত' (২৫৪) এ এবং তাম্মাম তাঁর 'ফাওয়াইদ' (১২৬০) এ হাইসাম ইবনে হুমাইদের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

আলবানী 'আস-সহিহাহ' (৭০৬) এ বলেছেন: এই সনদটি উত্তম এবং এর বর্ণনাকারীরা নির্ভরযোগ্য।

(২) এর উপরে 'আল-কাসিম' লেখা ছিল, তবে যা মূল পাঠে আছে সেটিই সঠিক।

(৩) এই বর্ণনাটি ইবনে আদি 'আল-কামিল' (৪/২০৫), ইবনে শাযান তাঁর 'হাদিসের প্রথম খণ্ড' (১৩ - পাণ্ডুলিপি) এবং আবু ইয়ালা আল-ফাররা তাঁর 'মাজলিসুম মিন আমালিহি' (১২ - পাণ্ডুলিপি) তে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ١١٩)
صامَ مِنه ثلاثةَ أيامٍ كُتبَ له صومُ ثلاثةِ آلافِ سَنةٍ، ومَن صامَ مِن رَجبٍ سَبعةَ أيامٍ غُلِّقت عنه أبوابُ جهنمَ، ومَن صامَ مِنه ثمانيةَ أيامٍ فُتحَت له أبوابُ الجَنةِ الثمانيةُ فيَدخلُ مِن أيِّها شاءَ، ومَن صامَ مِنه خمسةَ عشرَ يوماً بُدلتْ سيئاتُهُ حسناتٍ، ونادَى مُنادي مِن السماءِ: قَد غُفرَ لكَ فاستأنِف العملَ، ومَن زادَ زادَه اللهُ عز وجل»(1).

 

101 - (9) أخبرنا محمدُ بنُ الحسينِ بنِ الفضلِ قالَ: أخبرنا / إسماعيلُ بنُ محمدٍ الصَّفارُ قالَ: حدثنا الحسنُ بنُ عَرفةَ العَبديُّ قالَ: حدثنا خلفُ بنُ خليفةَ، عن حُميدٍ الأعرجِ، عن عبدِ اللهِ بنِ الحارثِ، عن عبدِ اللهِ بنِ مسعودٍ قالَ:

لمَّا نَزلتْ: {مَن ذَا الَّذِي يُقْرِضُ اللّهَ قَرْضًا حَسَنًا فَيُضَاعِفَهُ لَهُ} [البقرة: 245] قالَ أبو الدَّحداحِ الأنصاريُّ: يا رسولَ اللهِ، وإنَّ اللهَ عز وجل لَيريدُ مِنا القرضَ! قالَ: «نَعم، يا أبا الدَّحداحِ»، قالَ: أرِني يدَكَ يا رسولَ اللهِ، قالَ: فناوَلَه يدَه، قالَ: فإنِّي قَد أقرَضتُّ ربِّي عز وجل حائِطي، قالَ: وحائطٌ له فيه ستُّمئةِ نخلةٍ. قالَ: وأمُّ الدَّحداحِ فيه وعيالُها، قالَ: فجاءَ أبو الدَّحداحِ فَناداها: يا أمَّ الدَّحداحِ، فقالَت: لبيكَ، فقالَ: اخرُجي، فقَد أقرَضتُّه ربِّي عز وجل(2).

--------------------------------------------

(1) هو في «جزء ابن السماك والخلدي» رواية ابن مخلد (8).

ومن طريق ابن السماك أخرجه ابن الجوزي في «الموضوعات» (1149).

ومن طريق المصنف رواه ابن الجوزي في «التبصرة» (2/ 20)، وابن حجر في «تبيين العجب» (38). وقال الحافظ: وهو حديث موضوع لا شك فيه، والمتهم به الختلي. وقال الذهبي في «تلخيص الموضوعات» (677): علي بن يزيد الصدائي تالف، وهارون بن عنترة متروك.

(2) هو في «جزء الحسن بن عرفة» (87).

وأخرجه أبو يعلى (4986)، والبزار (2033)، والطبراني 22/ (764)، والبيهقي في «الشعب» (3178) من طريق خلف بن خليفة به.

وقال في «المطالب» (4046): حميد ضعيف. ومثله في «المجمع» (3/ 113 - 114).
যে ব্যক্তি এই মাস থেকে তিন দিন রোজা রাখবে, তার জন্য তিন হাজার বছরের রোজা রাখা লিখে দেয়া হবে। আর যে ব্যক্তি রজব মাস থেকে সাত দিন রোজা রাখবে, তার জন্য জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হবে। আর যে ব্যক্তি তা থেকে আট দিন রোজা রাখবে, তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেয়া হবে, ফলে সে তার যেটি দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করতে পারবে। আর যে ব্যক্তি তা থেকে পনেরো দিন রোজা রাখবে, তার পাপসমূহকে নেকিতে পরিবর্তন করে দেয়া হবে এবং আকাশ থেকে একজন ঘোষক ঘোষণা করবেন: নিশ্চয়ই তোমাকে ক্ষমা করে দেয়া হয়েছে, সুতরাং তুমি পুনরায় আমল শুরু করো। আর যে ব্যক্তি বৃদ্ধি করবে, আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা তাকে আরও বৃদ্ধি করে দেবেন।(১).

 

১০১ - (৯) মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন ইবনুল ফাদল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন / ইসমাইল ইবনে মুহাম্মাদ আস-সাফফার, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে আরাফাহ আল-আবদি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন খালাফ ইবনে খলিফা, হুমাইদ আল-আরাজ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনুল হারিস থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

যখন অবতীর্ণ হলো: {কে সেই ব্যক্তি যে আল্লাহকে উত্তম ঋণ দিবে, ফলে তিনি তার জন্য তা বহুগুণ বৃদ্ধি করে দিবেন} [আল-বাকারা: ২৪৫], তখন আবু আদ-দাহদাহ আল-আনসারি বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা কি সত্যিই আমাদের কাছে ঋণ চান! তিনি বললেন: «হ্যাঁ, হে আবু আদ-দাহদাহ», তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, আপনার হাত আমাকে দেখান। রাবি বলেন: অতঃপর তিনি তাঁকে তাঁর হাত বাড়িয়ে দিলেন। তিনি বললেন: আমি আমার রব আজ্জা ওয়া জাল্লাকে আমার বাগানটি ঋণ হিসেবে প্রদান করলাম। রাবি বলেন: তার এমন একটি বাগান ছিল যাতে ছয়শ খেজুর গাছ ছিল। রাবি বলেন: আর উম্মুদ দাহদাহ ও তার সন্তানরা সেই বাগানেই ছিল। রাবি বলেন: অতঃপর আবু আদ-দাহদাহ সেখানে আসলেন এবং তাকে ডেকে বললেন: হে উম্মুদ দাহদাহ। তিনি উত্তর দিলেন: লাব্বাইক (আমি উপস্থিত)। তিনি বললেন: বের হয়ে আসো, কারণ আমি তা আমার রব আজ্জা ওয়া জাল্লাকে ঋণ হিসেবে দিয়ে দিয়েছি(২)।

--------------------------------------------

(১) এটি ইবনুস সাম্মাক ও আল-খালদির 'জুয' এ ইবনে মাখলাদ-এর বর্ণনায় (৮) রয়েছে।

ইবনুস সাম্মাকের সূত্রে ইবনুল জাওজি একে 'আল-মাওদুআত' (১১৪৯) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।

মুসান্নিফের সূত্রে এটি ইবনুল জাওজি 'আত-তাবসিরা' (২/২০) গ্রন্থে এবং ইবনে হাজার 'তাবয়ীনুল আজাব' (৩৮) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। হাফেজ ইবনে হাজার বলেন: এটি একটি মাওদু (জাল) হাদিস এতে কোনো সন্দেহ নেই, আর এতে অভিযুক্ত ব্যক্তি হলেন আল-খুতালি। ইমাম যাহাবি 'তালখিসুল মাওদুআত' (৬৭৭) গ্রন্থে বলেন: আলি ইবনে ইয়াজিদ আস-সাদায়ি ধ্বংসপ্রাপ্ত এবং হারুন ইবনে আনতারা পরিত্যক্ত।

(২) এটি 'জুয আল-হাসান ইবনে আরাফাহ' (৮৭) গ্রন্থে রয়েছে।

একে আবু ইয়ালা (৪৯৮৬), আল-বাজার (২০৩৩), আত-তাবারানি ২২/ (৭৬৪) এবং আল-বাইহাকি 'আশ-শুআব' (৩১৭৮) গ্রন্থে খালাফ ইবনে খলিফার সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

'আল-মাতালিব' (৪০৪৬) গ্রন্থে বলা হয়েছে: হুমাইদ দুর্বল। অনুরূপ কথা 'আল-মাজমা' (৩/ ১১৩ - ১১৪) গ্রন্থেও রয়েছে।
(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ١٢٠)
102 - (10) أخبرنا عليُّ بنُ عبدِ اللهِ بنِ إبراهيمَ الهاشميُّ قالَ: حدثنا أبو جعفرٍ محمدُ بنُ عَمرو قالَ: حدثنا محمدُ بنُ أحمدَ بنِ البراءِ العَبديُّ قالَ: حدثني عُبيدُ اللهِ بنُ فَرقدٍ مَولى المَهديِّ رضي الله عنه قالَ: هاجَتْ رِيحٌ زمنَ المَهديِّ، فدَخلَ المَهديُّ بيتاً في جوفِ بيتٍ، فألزَقَ خدَّهُ بالترابِ ثم قالَ: اللهمَّ إنَّه بريءٌ مِن هذه الجِنايةِ كُلُّ هذا الخَلقِ غَيري، فإنْ كُنتُ المَطلوبَ مِن بينِ خَلقِكَ فها أنا ذا بينَ يدَيكَ، اللهمَّ لا تُشمِت بي أهلَ الأَديانِ. فلم يَزلْ كذلكَ حتى انجَلَت الرِّيحُ(1).

 

103 - (11) أخبرنا أبو بكرٍ محمدُ بنُ أحمدَ(2) بنِ وَصيفٍ قالَ: أخبرنا أبو بكرٍ محمدُ بنُ عبدِ اللهِ بنِ إبراهيمَ الشافعيُّ قالَ: أنشَدَنا بشرُ بنُ موسى:

 

إذا عَقدَ القَضاءُ عَليكَ أمراً … فليسَ يَحُلُّه غيرُ القَضاءِ

فَما لكَ قَد أقمْتَ بدارِ ذُلٍّ … ودارُ العِزِّ واسعةُ الفَضاءِ

تَبلَّغْ بالقَليلِ فكُلُّ شيءٍ مِن … الدُّنيا يؤولُ إلى انقِضاءِ(3)

 

آخِرُ المَجلسِ الأولِ

--------------------------------------------

(1) تقدم (51).

(2) ضرب على (أحمد) بخط وكتب في الهامش: (عبد الله) وعليها علامة التصحيح.

وما كان في الأصل تكرر في هذا الجزء مراراً، وكذلك ترجمه الخطيب في «تاريخه» (2/ 255).

(3) هو في «مشيخة ابن البخاري» (1160) من طريق المصنف.
১০২ - (১০) আলী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইব্রাহিম আল-হাশিমী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আল-বারা আল-আবদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-মাহদীর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) মুক্তদাস উবায়দুল্লাহ ইবনে ফারকাদ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-মাহদীর যুগে একবার প্রবল বাতাস প্রবাহিত হলো, তখন মাহদী একটি ঘরের ভেতরের এক কক্ষে প্রবেশ করলেন এবং ধুলোয় নিজের গাল লেপ্টে দিলেন। তারপর বললেন: হে আল্লাহ, আমি ছাড়া আপনার সৃষ্টির সকলেই এই অপরাধ থেকে মুক্ত। সুতরাং যদি আপনার সৃষ্টির মধ্য থেকে আমিই আপনার উদ্দেশ্য হই, তবে এই তো আমি আপনার দুই হাতের সামনে উপস্থিত। হে আল্লাহ, আমাকে নিয়ে অন্য ধর্মাবলম্বীদের উপহাস করার সুযোগ দেবেন না। বাতাস থেমে না যাওয়া পর্যন্ত তিনি এই অবস্থাতেই ছিলেন(১)।

 

১০৩ - (১১) আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ(২) ইবনে ওয়াসিফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইব্রাহিম আশ-শাফিঈ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: বিশর ইবনে মুসা আমাদের নিকট কবিতা পাঠ করেছেন:

 

যখন তকদির আপনার ওপর কোনো বিষয় অবধারিত করে … তখন তকদির ছাড়া আর কেউ তা মোচন করতে পারে না।

আপনার কী হলো যে লাঞ্ছনার আবাসে পড়ে রইলেন? … অথচ সম্মানের আবাস তো অত্যন্ত বিশাল ও বিস্তৃত।

সামান্য পাথেয় নিয়েই পথ চলুন, কারণ দুনিয়ার … প্রতিটি বস্তুই বিলীন হওয়ার দিকে ধাবিত হয়(৩)

 

প্রথম মজলিসের সমাপ্তি

--------------------------------------------

(১) পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে (৫১)।

(২) (আহমদ) শব্দের ওপর একটি রেখা টেনে কাটা হয়েছে এবং পার্শ্বটীকায় (আব্দুল্লাহ) লেখা হয়েছে এবং তাতে সংশোধনের চিহ্ন রয়েছে। মূলে যা ছিল তা এই অংশে কয়েকবার পুনরাবৃত্তি হয়েছে এবং খতীবও তাঁর ‘তারিখ’ (২/২৫৫) গ্রন্থে তাঁর জীবনী এভাবেই বর্ণনা করেছেন।

(৩) এটি গ্রন্থকারের সূত্রে ‘মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারি’ (১১৬০) গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ١٢١)
أولُ المجلسِ الثاني

 

104 - (12) أخبرنا أبو نصرٍ أحمدُ بنُ محمدِ بنِ أحمدَ بنِ حَسْنونَ النَّرسيُّ الشيخُ الصالحُ قراءةً عليه وأنا أسمعُ في شهرِ رمضانَ مِن / سَنةِ إِحدى عشرةَ وأربعِمئةٍ -وفيها ماتَ رضي الله عنه قالَ: حدثنا أبو جعفرٍ محمدُ بنُ عَمرو بنِ البَختَريِّ إملاءً قالَ: حدثنا أحمدُ بنُ عبدِ الجبارِ العُطارديُّ قالَ: حدثنا أبو معاويةَ، عن الأعمشِ، عن أبي صالحٍ، عن أبي هريرةَ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إنَّ أثقلَ الصلاةِ على المنافقينَ صلاةُ العشاءِ وصلاةُ الفجرِ، ولو يَعلمونَ ما فيهما لأتَوهُما ولو حَبواً، ولقَد هَممتُ أَن آمُرَ بالصلاةِ فتُقامَ، ثم آمُرَ رَجلاً فيُصليَ بالناسِ، ثم أنطلِقَ معي(1) برِجالٍ مَعهم حُزمُ الحطبِ، ثم أخالِفَ إلى قومٍ لا يَشهدونَ الصلاةَ، فأحرِّقَ عليهم بيوتَهم بالنارِ».

أخرجَه الإمامُ أبو الحسينِ مسلمُ بنُ الحجاجِ رضي الله عنه في كتابِه «الصحيح» [651] عن أبي بكرِ بنِ أبي شيبةَ وأبي كُريبٍ، عن أبي معاويةَ محمدِ بنِ خازِمِ الضَّريرِ، عن الأعمشِ، عن أبي صالحٍ، عن أبي هريرةَ بهذا(2).

فكأنَّ شيخَنا أبا نصرِ بنَ النَّرسيِّ سمعَه مِن مسلمٍ وحدَّثنا به عنه.

 

105 - (13) أخبرنا أبو الفتحِ هِليلُ بنُ محمدِ بنِ جعفرٍ الكَسْكَريُّ قالَ: أخبرنا أبو عبدِ اللهِ الحسينُ بنُ يحيى بنِ عَياشٍ قالَ: حدثنا عليُّ بنُ

--------------------------------------------

(1) في الأصل: مع.

(2) والبخاري (657) من طريق الأعمش، كما تقدم (82).
দ্বিতীয় মজলিসের শুরু

 

১০৪ - (১২) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ সালেহ আবু নাসর আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন হাসনুন আন-নারসী, তাঁর নিকট পাঠ করার সময় এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম চারশত এগারো হিজরীর রমজান মাসে — এবং উক্ত বছরেই তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) — তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু জাফর মুহাম্মদ ইবন আমর ইবনুল বাখতারী শ্রুতিলিপি প্রদানের (ইমলা) মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আহমদ ইবন আব্দুল জব্বার আল-উতারিদী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু মুয়াবিয়া বর্ণনা করেছেন আমাশ থেকে, তিনি আবু সালেহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই মুনাফিকদের জন্য এশা ও ফজরের সালাতের চেয়ে অধিক ভারী আর কোনো সালাত নেই। তারা যদি জানত এই দুই সালাতে কী (সওয়াব ও মর্যাদা) রয়েছে, তবে তারা হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তাতে উপস্থিত হতো। আর আমি সংকল্প করেছিলাম যে, সালাতের নির্দেশ দেব এবং তা কায়েম করা হবে, অতঃপর একজন ব্যক্তিকে আদেশ দেব সে লোকদের সালাত পড়াবে, এরপর আমি এমন কিছু লোক সাথে নিয়ে বের হব যাদের সাথে কাঠের বোঝা থাকবে, অতঃপর আমি সেই সব লোকদের কাছে যাব যারা সালাতে উপস্থিত হয় না এবং তাদের ঘরবাড়ি আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেব।»

ইমাম আবুল হুসাইন মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) এটি তাঁর ‘সহীহ’ [৬৫১] গ্রন্থে আবু বকর ইবন আবি শায়বাহ ও আবু কুরাইব থেকে, তাঁরা আবু মুয়াবিয়া মুহাম্মদ ইবন খাযিম আদ-দারীর থেকে, তিনি আমাশ থেকে, তিনি আবু সালেহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরা থেকে এই সনদে উদ্ধৃত করেছেন।

ফলে বিষয়টি এমন দাঁড়িয়েছে যে, যেন আমাদের শায়খ আবু নাসর ইবনুন নারসী এটি ইমাম মুসলিমের থেকে শ্রবণ করেছেন এবং আমাদের নিকট তাঁর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

 

১০৫ - (১৩) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ হিলাল ইবন মুহাম্মদ ইবন জাফর আল-কাসকারী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ হুসাইন ইবন ইয়াহইয়া ইবন আইয়াশ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আলী ইবন...

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: সাথে।

(২) এবং বুখারী (৬৫৭) আমাশের সূত্রে, যেমনটি পূর্বে (৮২) অতিক্রান্ত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ١٢٢)
مسلمٍ قالَ: حدثنا أبو داودَ ووهبُ بنُ جريرٍ، قالا: حدثنا شعبةُ، عن قتادةَ قالَ: سمعتُ صالحاً أبا الخليلِ يحدِّثُ عن عبدِ اللهِ بنِ الحارثِ، عن حَكيمِ بنِ حِزامٍ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «البيِّعانِ بالخِيارِ حتى يتفرَّقا -أو قالَ: ما لم يتفرَّقا- فإنْ صدَقا وبيَّنا بُورِكَ لهما في بيعِهما، وإنْ كَتَما وكَذَبا مُحِقَ بركةُ بيعِهما»(1).

أخرجَه الإمامُ أبو عبدِ اللهِ محمدُ بنُ إسماعيلَ البخاريُّ [2079] عن سليمانَ بنِ حربٍ، عن شعبةَ.

وأخرجَه مسلمٌ [1532] عن أبي مُوسى، / عن يحيى بنِ سعيدٍ القطانِ، عن شعبةَ، عن قتادةَ، عن صالحٍ أبي الخَليلِ، عن عبدِ اللهِ بنِ الحارثِ بنِ نَوفلٍ، عن حَكيمِ بنِ حِزامٍ بهذا.

فكأنَّ شيخَنا أبا الفتحِ سمعَه مِن مسلمٍ وحدَّثنا به عنه.

 

106 - (14) أخبرنا أبو الحسنِ محمدُ بنُ أحمدَ بنِ محمدِ بنِ أحمدَ بنِ رِزْقويه قالَ: أخبرنا أبو جعفرٍ محمدُ بنُ يحيى بنِ عمرَ بنِ عليِّ بنِ حربٍ قالَ: حدثنا عليُّ بنُ حربٍ قالَ: حدثنا سفيانُ بنُ عُيينةَ، عن الزُّهريِّ، عن سعيدٍ، عن أبي هريرةَ،

يَبلغُ به النبيَّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «إذا كانَ يومُ الجمعةِ قامَ على كلِّ بابٍ مِن أبوابِ المسجدِ ملائكةٌ يكتُبونَ الناسَ الأولَ فالأولَ، المُهَجِّرُ إلى الجمعةِ كالمُهدِي بدَنةً، ثم الذي يليه كالمُهدِي بقرةً، ثم الذي يليهِ كالمُهدِي كَبشاً، ثم ذَكرَ

--------------------------------------------

(1) هو في جزء «هلال الحفار» (159).

ومن طريق المصنف أخرجه قاضي المارستان في «مشيخته» (296).

وتقدم عن هلال الحفار بإسناد آخر (16).
মুসলিম বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ এবং ওয়াহাব ইবনে জারীর, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বা, তিনি কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি সালিহ আবু আল-খালীলকে আব্দুল্লাহ ইবনে আল-হারিস থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি হাকীম ইবনে হিযাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «ক্রেতা ও বিক্রেতার (চুক্তি ভঙ্গ করার) ইখতিয়ার থাকে যতক্ষণ না তারা একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন হয় - অথবা তিনি বলেছেন: যতক্ষণ না তারা পৃথক হয়। যদি তারা সত্য বলে এবং পণ্যের দোষ-ত্রুটি স্পষ্টভাবে বর্ণনা করে, তবে তাদের বেচাকেনায় বরকত দান করা হয়। আর যদি তারা কোনো কিছু গোপন করে এবং মিথ্যা বলে, তবে তাদের বেচাকেনার বরকত নষ্ট করে দেওয়া হয়»(১)।

ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল আল-বুখারী [২০৭৯] এটি সুলায়মান ইবনে হারব থেকে, তিনি শু'বা থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং ইমাম মুসলিম [১৫৩২] এটি আবু মুসা থেকে, / তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান থেকে, তিনি শু'বা থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি সালিহ আবু আল-খালীল থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আল-হারিস ইবনে নাওফাল থেকে, তিনি হাকীম ইবনে হিযাম থেকে এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

সুতরাং মনে হচ্ছে যেন আমাদের শায়খ আবু আল-ফাতহ এটি ইমাম মুসলিমের নিকট থেকে শুনেছেন এবং আমাদের নিকট তাঁর পক্ষ থেকে বর্ণনা করেছেন।

 

১০৬ - (১৪) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে রিযকুবাইহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে উমর ইবনে আলী ইবনে হারব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে হারব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহ, তিনি যুহরী থেকে, তিনি সাঈদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন,

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর্যন্ত পৌঁছে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: «যখন জুমার দিন আসে, তখন মসজিদের প্রতিটি দরজায় ফেরেশতারা অবস্থান নেন এবং ক্রমানুসারে আগমনকারীদের নাম লিখতে থাকেন। জুমার জন্য যে ব্যক্তি আগেভাগে আসে, সে ঐ ব্যক্তির মতো যে একটি উট কুরবানি করে। তারপর যে আসে, সে ঐ ব্যক্তির মতো যে একটি গরু কুরবানি করে। তারপর যে আসে, সে ঐ ব্যক্তির মতো যে একটি দুম্বা কুরবানি করে, এরপর তিনি উল্লেখ করেন...

--------------------------------------------

(১) এটি 'জুযউ হিলাল আল-হাফফার' (১৫৯) গ্রন্থে রয়েছে।

এবং গ্রন্থকারের সূত্রে এটি কাজী আল-মারিস্তান তাঁর 'মাশইয়াখাহ' (২৯৬) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।

আর হিলাল আল-হাফফার থেকে অন্য সনদে এটি পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে (১৬)।
(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ١٢٣)
الدَّجاجةَ والبَيضةَ، فإذا جلسَ الإمامُ طَووا الصحفَ واستَمعوا الخُطبةَ»(1).

أخرجَه مسلم [850] عن يحيى بنِ يحيى وعَمرو بنِ محمدٍ الناقدِ، كلَيهما عن سفيانَ بنِ عُيينةَ، عن الزُّهريِّ، عن سعيدٍ هو ابنُ المسيبِ، عن أبي هريرةَ بهذا(2).

فكأنَّ شيخَنا أبا الحسنِ سمعَه مِن مسلمٍ وحدَّثنا به عنه.

 

107 - (15) أخبرنا أبو الحُسينِ عليُّ بنُ محمدِ بنِ عبدِ اللهِ بنِ بِشرانَ فيما أذِنَ لنا، أنَّ أبا بكرٍ أحمدَ بنَ سلمانَ الفقيهَ حدَّثهم قالَ: حدثنا محمدُ بنُ مسلمةَ الواسطيُّ قالَ: حدثنا يزيدُ بنُ هارونَ قالَ: أخبرنا الحَجاجُ، عن يحيى بنِ أبي كثيرٍ، عن عروةَ، عن عائشةَ رضي الله عنها قالتْ:

فَقدتُّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم ذاتَ لَيلةٍ، فخَرجتُ أطلبُهُ، فإذا هو بالبَقيعِ رافعٌ رأسَه إلى السماءِ، فقالَ: «يا عائشةُ، أكُنتِ تخافِينَ أَن يَحيفَ اللهُ عليكِ ورسولُهُ؟» فقالَت: فقلتُ: وما بي ذاكَ، ولكنْ ظَننتُ أنَّكَ أَتيتَ بعضَ نِسائِكَ، فقالَ: «إنَّ اللهَ عز وجل يَنزلُ لَيلةَ النِّصفِ مِن شعبانَ إلى سماءِ الدُّنيا، فيَغفرُ لأكثَرَ مِن عددِ شَعرِ غنمِ كلبٍ»(3).

--------------------------------------------

(1) هو في «جزء سفيان بن عيينة رواية الطائي» (10). ومن طريق المصنف أخرجه قاضي المارستان في «مشيخته» (292)، وابن عساكر في «معجمه» (63).

(2) وأخرجه هو والبخاري (929) (3211) من وجه آخر عن أبي هريرة بنحوه.

(3) أخرجه الترمذي (739)، وابن ماجه (1389)، وأحمد (6/ 238)، وعبد بن حميد (1507)، وابن الجوزي في «الواهيات» (915) من طريق يزيد بن هارون به.

وقال الترمذي: لا نعرفه إلا من هذا الوجه من حديث الحجاج، وسمعت محمداً يضعف هذا الحديث وقال: يحيى بن أبي كثير لم يسمع من عروة، والحجاج بن أرطاة لم يسمع من يحيى بن أبي كثير. وقال الدارقطني في «العلل» (8/ 218): وإسناد الحديث مضطرب غير ثابت. وضعفه الألباني. ويأتي (197). وانظر (161).
মুরগি এবং ডিম। এরপর যখন ইমাম বসেন, তখন তারা আমলনামা গুটিয়ে নেন এবং খুতবা শোনেন।(১).

এটি মুসলিম [৮৫০] বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া এবং আমর ইবনে মুহাম্মদ আন-নাকিদ থেকে, তারা উভয়ে সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনা থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি সাঈদ—যিনি ইবনুল মুসায়্যিব—থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে এই সনদে বর্ণনা করেছেন(২).

যেন আমাদের শায়খ আবুল হাসান এটি মুসলিম থেকে শুনেছেন এবং আমাদের নিকট তাঁর পক্ষ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

 

১০৭ - (১৫) আবুল হুসাইন আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বিশরান আমাদের যা অনুমতি দিয়েছেন তার অন্তর্ভুক্ত সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু বকর আহমাদ ইবনে সালমান আল-ফকিহ তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে মাসলামা আল-ওয়াসিতি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াযিদ ইবনে হারুন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাজ্জাজ সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে, তিনি উরওয়া থেকে এবং তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

এক রাতে আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কাছে পেলাম না। তাই আমি তাঁকে খুঁজতে বের হলাম। হঠাৎ দেখলাম তিনি বাকী’ (কবরস্থানে) তাঁর মাথা আসমানের দিকে তুলে আছেন। তিনি বললেন: «হে আয়েশা, তুমি কি ভয় পাচ্ছিলে যে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল তোমার প্রতি অবিচার করবেন?» তিনি বললেন: আমি বললাম: বিষয়টি তেমন নয়, বরং আমি ভেবেছিলাম আপনি আপনার অন্য কোনো স্ত্রীর নিকট গিয়েছেন। তখন তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা শাবান মাসের মধ্যবর্তী রাতে দুনিয়ার আসমানে নেমে আসেন এবং কালব গোত্রের ভেড়ার পশমের সংখ্যার চেয়েও অধিক সংখ্যক লোককে ক্ষমা করে দেন»(৩).

--------------------------------------------

(১) এটি ‘জুযউ সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনা রিওয়ায়াত আত-তাঈ’ (১০)-তে রয়েছে। আর গ্রন্থকারের সনদে এটি কাদি আল-মারিস্তান তাঁর ‘মাশইয়াখা’ (২৯২) এবং ইবনে আসাকির তাঁর ‘মুজাম’ (৬৩)-এ বর্ণনা করেছেন।

(২) এটি তিনি এবং বুখারি (৯২৯) (৩২১১) অন্য একটি সূত্রে আবু হুরায়রা থেকে এর সমার্থক শব্দে বর্ণনা করেছেন।

(৩) এটি তিরমিজি (৭৩৯), ইবনে মাজাহ (১৩৮৯), আহমাদ (৬/২৩৮), আব্দ ইবনে হুমাইদ (১৫০৭) এবং ইবনুল জাওযি ‘আল-ওয়াহিয়াত’ (৯১৫)-এ ইয়াযিদ ইবনে হারুনের সনদে বর্ণনা করেছেন।

তিরমিজি বলেন: হাজ্জাজের এই সূত্র ছাড়া আমরা এটি চিনি না। আর আমি মুহাম্মদ (ইমাম বুখারি)-কে এই হাদিসটিকে দুর্বল বলতে শুনেছি। তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির উরওয়া থেকে শোনেননি এবং হাজ্জাজ ইবনে আরতাহ ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে শোনেননি। আদ-দারাকুতনি ‘আল-ইলাল’ (৮/২১৮) গ্রন্থে বলেন: এই হাদিসের সনদটি মুদতারিব (বিশৃঙ্খল) ও অকাট্য নয়। আলবানি এটি দুর্বল বলেছেন। এটি সামনে আসবে (১৯৭)। আরও দেখুন (১৬১)।
(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ١٢٤)
انفَردَ به الحَجاجُ -هو ابنُ أرطاةَ-، عن يحيى بنِ أبي كثيرٍ، عن عروةَ / بنِ الزبيرِ، عن خالتِهِ عائشةَ رضي الله عنها. وقَد رواهُ عن الحَجاجِ بنِ أَرطاةَ جماعةٌ مِن الأئمةِ الثقاتِ.

 

108 - (16) أخبرنا أبو الحسينِ محمدُ بنُ الحسينِ بنِ الفضلِ بنِ يعقوبَ قالَ: قُرئَ على إسماعيلَ بنِ محمدٍ الصَّفارِ وأنا أسمعُ قالَ: حدثنا الحسنُ بنُ عَرفةَ قالَ: حدثنا يزيدُ بنُ هارونَ، عن إسماعيلَ بنِ أبي خالدٍ، عن قيسِ بنِ أبي حازمٍ، عن جريرِ بنِ عبدِ اللهِ البَجليِّ قالَ:

كُنا جُلوساً عندَ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، فطَلعَ القمرُ ليلةَ البدرِ، فقالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «أمَا إنَّكم تَرونَ ربَّكم عز وجل كما تَرونَ هذا القمرَ لا تُضامُونَ في رؤيتِهِ، فإنْ قَدَرتُم ألا تُغلَبوا عن رَكعَتينِ قَبلَ طُلوعِ الفجرِ»(1).

أخرجَه البخاريُّ [554] ومسلمٌ [633] مِن حديثِ إسماعيلَ بنِ أبي خالدٍ، عن قيسِ بنِ أبي حازمٍ، عن جريرِ بنِ عبدِ اللهِ البَجليِّ بهذا(2).

 

109 - (17) أخبرنا القاضي الشريفُ أبو الحسنِ عليُّ بنُ عبدِ اللهِ بنِ إبراهيمَ بنِ أحمدَ بنِ عبدِ اللهِ الهاشميُّ العِيسَويُّ قالَ: حدثنا عثمانُ بنُ أحمدَ

--------------------------------------------

(1) تقدم (48).

(2) في الهامش وعليها علامة الحذف (لا إلى):

(خ) عن الحميدي عن مروان بن معاوية، وعن مسدد عن يحيى القطان، وعن إسحاق بن إبراهيم عن جرير، [و] عن عمرو بن عون عن خالد وهشيم، ورواه (م) عن زهير بن حرب عن مروان، وعن أبي بكر بن أبي شيبة عن عبد الله بن نمير وأبي أسامة ووكيع، ثمانيتهم عن إسماعيل. فكأن شيخنا سمعه من مسلم والبخاري ( .. ؟) كلام البرداني.
হাজ্জাজ (যিনি ইবন আরতাহ) এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবন আবি কাসির থেকে, তিনি উরওয়াহ ইবন যুবাইর থেকে, তিনি তাঁর খালা আয়িশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে। এবং নির্ভরযোগ্য ইমামগণের একদল জামাআত এটি হাজ্জাজ ইবন আরতাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।

 

১০৮ - (১৬) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ ইবন আল-হুসাইন ইবন আল-ফাদল ইবন ইয়াকুব, তিনি বলেন: ইসমাইল ইবন মুহাম্মদ আস-সাফফারের নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান ইবন আরাফাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযিদ ইবন হারুন, ইসমাইল ইবন আবি খালিদ থেকে, তিনি কায়স ইবন আবি হাযিম থেকে, তিনি জারির ইবন আবদুল্লাহ আল-বাজালি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আমরা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম, এমতাবস্থায় পূর্ণিমার রাতে চাঁদ উদিত হলো। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: «জেনে রেখো, নিশ্চয়ই তোমরা তোমাদের রব মহা মহিমান্বিতকে দেখতে পাবে যেমনভাবে তোমরা এই চাঁদকে দেখতে পাচ্ছ, তাঁকে দেখার ব্যাপারে তোমরা কোনো ভিড়ের সম্মুখীন হবে না। সুতরাং তোমরা যদি সক্ষম হও যে ফজর উদয়ের আগের দুই রাকাত সালাত আদায়ে যেন পরাজিত না হও (অর্থাৎ তা যেন ছুটে না যায়), তবে তা করো»(১)।

এটি বুখারি [৫৫৪] এবং মুসলিম [৬৩৩] ইসমাইল ইবন আবি খালিদের হাদিস থেকে, কায়স ইবন আবি হাযিম থেকে, জারির ইবন আবদুল্লাহ আল-বাজালি থেকে এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন(২)।

 

১০৯ - (১৭) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-কাদি আশ-শরিফ আবু আল-হাসান আলি ইবন আবদুল্লাহ ইবন ইব্রাহিম ইবন আহমাদ ইবন আবদুল্লাহ আল-হাশিমি আল-ঈসাভি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান ইবন আহমাদ

--------------------------------------------

(১) পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে (৪৮)।

(২) পার্শ্বটীকায় এবং এর উপর বিলোপ চিহ্ন (পর্যন্ত নয়) রয়েছে:

(বুখারি) বর্ণনা করেছেন আল-হুমাইদি থেকে, তিনি মারওয়ান ইবন মুয়াবিয়া থেকে; এবং মুসাদ্দাদ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া আল-কাত্তান থেকে; এবং ইসহাক ইবন ইব্রাহিম থেকে, তিনি জারির থেকে; এবং আমর ইবন আওন থেকে, তিনি খালিদ ও হুশাইম থেকে। এবং এটি (মুসলিম) বর্ণনা করেছেন জুহাইর ইবন হারব থেকে, তিনি মারওয়ান থেকে; এবং আবু বকর ইবন আবি শাইবাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন নুমাইর, আবু উসামাহ এবং ওয়াকি থেকে। তাঁরা আটজনই ইসমাইল থেকে বর্ণনা করেছেন। সম্ভবত আমাদের শাইখ এটি মুসলিম ও বুখারি থেকে শুনেছেন (...?) বারদানি-র বক্তব্য।
(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ١٢٥)
بنِ عبدِ اللهِ الدَّقاقُ قالَ: حدثنا أبو عوفٍ عبدُ الرحمنِ بنُ مَرزوقٍ قالَ: حدثنا كثيرُ بنُ هشامٍ قالَ: حدثنا جعفرُ بنُ بُرْقانَ، عن يزيدَ بنِ الأصمِّ، عن أبي هريرةَ،

عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «إنَّ اللهَ عز وجل لا يَنظرُ إلى صُورِكم وأموالِكم، وإنَّما يَنظرُ إلى قلوبِكم وأعمالِكم»(1).

انفردَ مسلمٌ بإخراجِهِ، فرواهُ [2564] عن عَمرو بنِ محمدٍ الناقدِ، عن كثيرِ بنِ هشامٍ، عن جعفرِ بنِ بُرْقانَ، عن يزيدَ بنِ الأصمِّ، عن أبي هريرةَ.

فكأنَّ شيخَنا أبا الحسنِ سمعَه مِن مسلمٍ وحدَّثنا به عنه.

 

110 - (18) أخبرنا أحمدُ بنُ محمدِ بنِ أحمدَ بنِ حَسْنونَ قالَ: حدثنا محمدُ بنُ عَمرو بنِ البَختَريِّ قالَ: حدثنا حنبلُ بنُ إسحاقَ بنِ حنبلٍ قالَ: حدثنا الحسنُ بنُ الربيعِ قالَ: حدثنا يزيدُ بنُ زُريعٍ، عن سعيدِ بنِ أبي عَروبةَ، عن قتادةَ، عن أنسٍ قالَ:

صعدَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم على أحدٍ ومَعه أبو بكرٍ / وعمرُ وعثمانُ رضي الله عنهم، فاهتَزَّ الجبلُ، فقالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «اسكُنْ، فإنَّ عليكَ نبياً وصِديقاً وشهيدَينِ»(2).

أخرجَه البخاريُّ [3686، 3699] عن مُسدَّدٍ، عن يزيدَ بنِ زُريعٍ بهذا الإسنادِ.

 

111 - (19) أخبرنا محمدُ بنُ الحسينِ بنِ محمدِ بنِ الفضلِ قالَ:

--------------------------------------------

(1) تقدم (24).

(2) تقدم (87).
...বিন আবদুল্লাহ আদ-দাক্কাক বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আউফ আবদুর রহমান বিন মারযুক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাসির বিন হিশাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর বিন বুরকান, ইয়াযিদ বিন আসম্ম থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে,

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তোমাদের আকৃতি এবং তোমাদের সম্পদের দিকে তাকান না, বরং তিনি তোমাদের অন্তর এবং তোমাদের আমলের দিকে তাকান»(১)।

ইমাম মুসলিম এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তিনি এটি [২৫৬৪] নম্বর হাদিসে বর্ণনা করেছেন আমর বিন মুহাম্মদ আন-নাক্বিদ থেকে, তিনি কাসির বিন হিশাম থেকে, তিনি জাফর বিন বুরকান থেকে, তিনি ইয়াযিদ বিন আসম্ম থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে।

মনে হয় আমাদের শাইখ আবুল হাসান এটি মুসলিম থেকে শুনেছেন এবং আমাদের নিকট তাঁর পক্ষ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

 

১১০ - (১৮) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হাসনুন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আমর বিন আল-বাখতারি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্বল বিন ইসহাক বিন হাম্বল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান বিন আর-রাবি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযিদ বিন যুরাই, সাঈদ বিন আবু আরুবাহ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উহুদ পাহাড়ে আরোহণ করলেন এবং তাঁর সাথে ছিলেন আবু বকর, উমর এবং উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুম, তখন পাহাড়টি কেঁপে উঠল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: «স্থির হও, কেননা তোমার উপরে রয়েছেন একজন নবী, একজন সিদ্দিক এবং দুইজন শহীদ»(২)।

এটি ইমাম বুখারি [৩৬৮৬, ৩৬৯৯] মুসাদ্দাদ থেকে, তিনি ইয়াযিদ বিন যুরাই থেকে এই সনদে বর্ণনা করেছেন।

 

১১১ - (১৯) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন আল-ফাযল, তিনি বলেন:

--------------------------------------------

(১) পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে (২৪)।

(২) পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে (৮৭)।
(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ١٢٦)
أخبرنا إسماعيلُ بنُ محمدِ بنِ إسماعيلَ قالَ: حدثنا الحسنُ بنُ عَرفةَ قالَ: حدثني سعيدُ بنُ محمدٍ الوراقُ، عن عليِّ بنِ الحَزَوَّرِ قالَ: سمعتُ أبا مريمَ الثقفيَّ يقولُ: سمعتُ عمارَ بنَ ياسرٍ يقولُ:

سمعتُ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يقولُ لِعليٍّ: «يا عليُّ، طُوبى لِمَن أحبَّكَ وصدقَ فيكَ، وويلٌ لِمَن أبغضَكَ وكذبَ فيكَ»(1).

 

112 - (20) أخبرنا عليُّ بنُ محمدِ بنِ عبدِ اللهِ المُعدلُ قراءةً عليه قالَ: أخبرنا إسماعيلُ بنُ محمدِ بنِ إسماعيلَ قالَ: حدثنا أحمدُ بنُ منصورٍ قالَ: حدثنا عبدُ الرزاقِ قالَ: حدثنا معمرٌ، عن سُهيلِ بنِ أبي صالحٍ، عن أبيه، عن أبي هريرةَ قالَ:

قالَ النبيُّ صلى الله عليه وسلم: «إذا أحبَّ اللهُ عز وجل عَبداً قالَ لِجبريلَ عليه السلام: إنِّي أُحبُّ فُلاناً فأحبَّه، قالَ: فيقولُ جبريلُ عليه السلام لأهلِ السماءِ: إنَّ ربَّكم عز وجل يُحبُّ فُلاناً فأَحبُّوه، قالَ: فيُحبُّه أهلُ السماءِ، ويُوضَعُ له القَبولُ في الأرضِ، وإذا أَبغضَ فمثلُ ذلكَ»(2).

--------------------------------------------

(1) هو في «جزء الحسن بن عرفة» (8).

ومن طريق المصنف أخرجه قوام السنة في «الترغيب والترهيب» (2342).

وأخرجه عبد الله في «فضائل الصحابة» (1162)، وأبو يعلى (1602)، وابن عدي (5/ 186)، والحاكم (3/ 135)، وابن الجوزي في «الواهيات» (391) من طريق سعيد الوراق به.

وصححه الحاكم، وتعقبه الذهبي بقوله: بل سعيد وعلي متروكان. وقال ابن الجوزي: وهذا لا يصح. وقال في «المجمع» (9/ 132): رواه الطبراني وفيه علي بن حزور وهو متروك. وقال الألباني في «الضعيفة» (4895): باطل.

(2) هو في «جامع معمر» (19673).

ومن طريق المصنف أخرجه ابن الجوزي في «مشيخته» (ص 163).

وأخرجه البخاري (7485)، ومسلم (2637) من طريق أبي صالح بنحوه.
ইসমাঈল ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাসান ইবনে আরাফাহ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাঈদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-ওয়াররাক আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে আল-হাযাওওয়ার থেকে, তিনি বলেন: আমি আবু মারইয়াম আস-সাকাফীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আম্মার ইবনে ইয়াসিরকে বলতে শুনেছি:

আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আলীর উদ্দেশে বলতে শুনেছি: "হে আলী, সুসংবাদ তার জন্য যে তোমাকে ভালোবাসে এবং তোমার ব্যাপারে সত্যনিষ্ঠ থাকে, আর দুর্ভোগ তার জন্য যে তোমার প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে এবং তোমার ব্যাপারে মিথ্যাচার করে।"(১).

 

১১২ - (২০) আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মুআদ্দিল তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসমাঈল ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবনে মানসুর আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল রাজ্জাক আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মা’মার আমাদের বর্ণনা করেছেন সুহাইল ইবনে আবি সালিহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরাইরা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "যখন আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা কোনো বান্দাকে ভালোবাসেন, তখন জিবরাঈল আলাইহিস সালামকে বলেন: 'নিশ্চয়ই আমি অমুককে ভালোবাসি, সুতরাং তুমিও তাকে ভালোবাসো।' তিনি বলেন: অতঃপর জিবরাঈল আলাইহিস সালাম আকাশের অধিবাসীদের বলেন: 'নিশ্চয়ই তোমাদের রব আযযা ওয়া জাল্লা অমুককে ভালোবাসেন, সুতরাং তোমরাও তাকে ভালোবাসো।' তিনি বলেন: ফলে আকাশের অধিবাসীরা তাকে ভালোবাসতে শুরু করে এবং জমিনে তার জন্য গ্রহণযোগ্যতা স্থাপন করা হয়। আর যখন তিনি কারো প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করেন, তখন বিষয়টি অনুরূপ হয়।"(২).

--------------------------------------------

(১) এটি 'জুযউল হাসান ইবনে আরাফাহ' (৮)-তে রয়েছে।

এবং গ্রন্থকারের সূত্র থেকে এটি কিওয়ামুস সুন্নাহ 'আত-তারগীব ওয়াত-তারহীব' (২৩৪২) গ্রন্থে উদ্ধৃত করেছেন।

আর আব্দুল্লাহ এটি 'ফাযায়িলুস সাহাবাহ' (১১৬২), আবু ইয়ালা (১৬০২), ইবনে আদি (৫/ ১৮৬), আল-হাকিম (৩/ ১৩৫) এবং ইবনুল জাওযী 'আল-ওয়াহিয়াত' (৩৯১) গ্রন্থে সাঈদ আল-ওয়াররাকের সূত্র থেকে বর্ণনা করেছেন।

আল-হাকিম এটিকে সহীহ বলেছেন, তবে আয-যাহাবী তার সমালোচনা করে বলেছেন: বরং সাঈদ ও আলী উভয়েই পরিত্যক্ত (মাতরুক)। ইবনুল জাওযী বলেছেন: এটি সহীহ নয়। 'আল-মাজমা' (৯/ ১৩২) গ্রন্থে বলা হয়েছে: তাবারানী এটি বর্ণনা করেছেন এবং এতে আলী ইবনে হাযাওওয়ার রয়েছে যে মাতরুক। আলবানী 'আদ-দায়িফাহ' (৪৮৯৫) গ্রন্থে এটিকে বাতিল বলেছেন।

(২) এটি 'জামে মা’মার' (১৯৬৭৩)-এ রয়েছে।

এবং গ্রন্থকারের সূত্র থেকে এটি ইবনুল জাওযী তাঁর 'মাশইয়াখাহ' (পৃ. ১৬৩)-তে বর্ণনা করেছেন।

আর বুখারী (৭৪৮৫) এবং মুসলিম (২৬৩৭) আবু সালিহের সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ١٢٧)
113 - (21) أخبرنا محمدُ بنُ أحمدَ بنِ وصيفٍ قالَ: أخبرنا محمدُ بنُ عبدِ اللهِ بنِ إبراهيمَ قالَ: أنشَدَنا بشرُ بنُ مُوسى قالَ: أنشَدَني بعضُ أصحابِنا قالَ: أنشَدَني عبدُ اللهُ بنُ المباركِ على سورِ طَرسُوسَ:

 

ومِن البلاءِ وللبلاءِ عَلامةٌ ألا … يُرى لكَ عن هَواكَ نُزوعُ

العبدُ عبدُ النفسِ في شَهَواتِهِ … والحرُّ يَشبعُ مرةً ويَجوعُ(1)

 

آخِرُ المَجلسِ الثاني

--------------------------------------------

(1) أخرجه قاضي المارستان في «مشيخته» (298) عن المصنف.
১১৩ - (২১) মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন ওয়াসিফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইবরাহিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: বিশর বিন মুসা আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের জনৈক সাথী আমার নিকট আবৃত্তি করেছেন, তিনি বলেছেন: আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক তারসুসের প্রাচীরের উপর আমার নিকট আবৃত্তি করেছেন:

 

বিপদসমূহের অন্তর্ভুক্ত এবং বিপদের একটি লক্ষণ হলো এই যে, তোমার মাঝে … স্বীয় প্রবৃত্তি হতে কোনো নিবৃত্তি দেখা যাবে না।

দাস তো সেই যে নিজের কামনা-বাসনায় নফসের দাসত্ব করে, … আর স্বাধীন ব্যক্তি কখনো তৃপ্ত হয় এবং কখনো ক্ষুধার্ত থাকে।(১)

 

দ্বিতীয় মজলিসের সমাপ্তি

--------------------------------------------

(১) কাজি আল-মারিস্তান তাঁর ‘মাশয়াখাহ’ (২৯৮) গ্রন্থে গ্রন্থকার থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ١٢٨)
أولُ المَجلسِ الثالثِ

 

114 - (22) أخبرنا أبو نصرٍ أحمدُ بنُ محمدِ بنِ أحمدَ بنِ حَسْنونَ النَّرسيُّ الشيخُ الصالحُ قراءةً عليه وأنا أسمعُ في سَنةِ إحدَى عشرةَ وأربعِمئةٍ قالَ: حدثنا محمدُ بنُ عَمرو بنِ البَختَريِّ أبو جعفرٍ إملاءً قالَ: حدثنا العباسُ بنُ محمدٍ الدُّوريُّ قالَ: حدثنا محمدُ بنُ عُبيدٍ، عن الأعمشِ، عن أبي صالحٍ، عن / أبي هريرةَ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إنَّما مَثلُ الصلاةِ الخمسِ كمثلِ نهرٍ جارٍ على بابِ أحدِكم يَغتسلُ مِنه كلَّ يومٍ خمسَ مراتٍ، فماذا يَبقى مِن دَرَنِه؟»(1).

محفوظٌ مِن حديثِ سليمانَ بنِ مِهرانَ الأعمشِ، وغريبٌ مِن روايةِ محمدِ بنِ عُبيدٍ الطَّنافسيِّ عنه(2)، ووقعَ إلينا عالياً.

 

115 - (23) أخبرنا أبو الحسنِ محمدُ بنُ أحمدَ بنِ محمدِ بنِ رِزْقويه قالَ: أخبرنا محمدُ بنُ يحيى بنِ عمرَ بنِ عليِّ بنِ حربٍ قالَ: حدثنا عليُّ بنُ حربٍ قالَ: حدثنا سفيانُ بنُ عُيينةَ، عن الزُّهريِّ، عن أبي سلمةَ، عن أبي هريرةَ،

عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم أنَّه قالَ: «مَن صامَ رمضانَ إيماناً واحتِساباً غُفرَ له ما تَقدَّمَ

--------------------------------------------

(1) هو في «ستة مجالس من أمالي ابن البختري» (6).

وأخرجه أحمد (2/ 441)، والبزار (9244) من طريق محمد بن عبيد الطنافسي به.

وهو في «الصحيحين» من وجه آخر عن أبي هريرة بنحوه، انظر البخاري (528)، ومسلم (667).

(2) وخالفه أصحاب الأعمش فرووه عنه عن أبي سفيان، عن جابر، قال الدارقطني في «العلل» (1491): وهو الصحيح.
তৃতীয় মজলিসের শুরু

 

১১৪ - (২২) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হাসনুন আন-নারসী—যিনি একজন নেককার শায়খ ছিলেন—তাঁর সামনে পাঠ করা অবস্থায় এবং আমি তা শুনছিলাম ৪১১ হিজরী সনে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইমলা (শ্রুতিলিপি) প্রদান করেছেন মুহাম্মদ বিন আমর বিন আল-বাখতারী আবু জাফর। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাস বিন মুহাম্মদ আদ-দুরী। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন উবাইদ, তিনি আল-আ’মাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি / আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের উদাহরণ হলো তোমাদের কারো দরজায় প্রবাহিত একটি নদীর মতো, যাতে সে প্রতিদিন পাঁচবার গোসল করে। তবে কি তার শরীরে কোনো ময়লা অবশিষ্ট থাকবে?»(১)।

এটি সুলাইমান বিন মিহরান আল-আ’মাশের হাদীস হিসেবে সংরক্ষিত, তবে মুহাম্মদ বিন উবাইদ আত-তানাফিসীর মাধ্যমে তাঁর থেকে বর্ণনাটি বিরল(২) এবং এটি আমাদের নিকট উচ্চ সনদে পৌঁছেছে।

 

১১৫ - (২৩) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন রিযকুওয়াইহ। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন উমর বিন আলী বিন হারব। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন হারব। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন,

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও সওয়াবের আশায় রমজানের রোজা রাখবে, তার পূর্ববর্তী (গুনাহসমূহ)

--------------------------------------------

(১) এটি ইবনুল বাখতারীর ‘সিত্তা মাজালিস’ (৬)-এ রয়েছে।

ইমাম আহমাদ (২/৪৪১) এবং আল-বাযযার (৯২৪৪) মুহাম্মদ বিন উবাইদ আত-তানাফিসীর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

আর এটি ‘সহীহাইন’-এ আবু হুরাইরা (রা.) থেকে ভিন্ন সূত্রে এর সমার্থবোধক শব্দে বর্ণিত হয়েছে, দেখুন: বুখারী (৫২৮) এবং মুসলিম (৬৬৭)।

(২) আল-আ’মাশের অন্য সাথীরা তাঁর বিরোধিতা করেছেন; তারা এটি আল-আ’মাশ থেকে, তিনি আবু সুফিয়ান থেকে, তিনি জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম দারাকুতনী ‘আল-ইলাল’ (১৪৯১) গ্রন্থে বলেন: এটিই সঠিক।
(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ١٢٩)
مِن ذنبِهِ، ومَن قامَ ليلةَ القدرِ إيماناً واحتِساباً غُفرَ له ما تَقدَّمَ مِن ذنبِهِ»(1).

أخرجَه البخاريُّ في كتابِه «الصحيح» [2014] عن عليِّ بنِ المَدينيِّ، عن سفيانَ بنِ عُيينةَ بهذا الإسنادِ.

فكأنَّ شيخَنا أبا الحسنِ سمعَه مِن البخاريِّ وحدَّثنا به عنه(2).

 

116 - (24) أخبرنا أبو الحسينِ عليُّ بنُ محمدِ بنِ عبدِ اللهِ المُعدلُ قالَ: أخبرنا(3) إسماعيلُ بنُ محمدٍ الصَّفارُ قالَ: حدثنا أحمدُ بنُ منصورٍ قالَ: حدثنا عبدُ الرزاقِ قالَ: أخبرنا معمرٌ، عن عاصمِ بنِ أبي النَّجودِ، عن أبي وائلٍ، عن معاذِ بنِ جبلٍ قالَ:

كنتُ مع رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم في سفرٍ، فأَصبحتُ قريباً مِنه وهو يسيرُ فقُلتُ: يا رسولَ اللهِ صلَّى اللهُ عليكَ أخبِرني بعملٍ يُدخلُني الجَنةَ ويُباعدُني مِن النارِ، قالَ: «قَد سألتَ عن عظيمٍ، وإنَّه ليَسيرٌ على مَن يسَّرَه اللهُ عليه، تَعبُدُ اللهَ ولا تُشركُ به شيئاً، وتُقيمُ الصلاةَ، وتُؤتي الزكاةَ، وتَصومُ رمضانَ، وتحجُّ البيتَ» ثم قالَ: «ألا أدلُّكَ على أبوابِ الخيرِ؟ الصومُ جُنةٌ، والصدقةُ تُطفئُ الخَطيئةَ، وصلاةُ الرَّجلِ مِن جَوفِ الليلِ» ثم قرأَ: {تَتَجَافَى جُنُوبُهُمْ عَنِ الْمَضَاجِعِ} حتى بلغَ: {بِمَا كَانُوا يَعْمَلُون} [السجدة: 16 - 17]، ثم قالَ: «ألا أخبِركَ برأسِ الأمرِ وعَمودِهِ وذروةِ سنامِهِ: الجهادُ» ثم قالَ: «ألا أخبِركَ بمِلاكِ ذلكَ(4)؟»

--------------------------------------------

(1) تقدم (63).

(2) من قوله: «بهذا الإسناد .. » إلى هنا عليها علامة الحذف (لا إلى) إشارة إلى الرواية المرموز لها بـ (ط).

(3) يظهر لي أنها كانت في الأصل: «حدثنا» ثم عدلت إلى: «أخبرنا». والله أعلم.

(4) في الأصل هنا: «كُلّه»، لكن يظهر لي أنه مضروب عليها بخط، وهي ثابتة في «جامع معمر» وبقية المصادر.
তার গুনাহ থেকে; এবং যে ব্যক্তি ঈমানসহ ও সাওয়াবের আশায় লাইলাতুল কদরে কিয়াম করবে, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে»(১).

ইমাম বুখারী তাঁর ‘সহীহ’ গ্রন্থে [২০১৪] আলী ইবনুল মাদীনী থেকে, তিনি সুফিয়ান ইবনে উয়াইনাহ থেকে এই সনদে এটি বর্ণনা করেছেন।

যেন আমাদের শাইখ আবুল হাসান এটি বুখারী থেকে শুনেছেন এবং তাঁর পক্ষ থেকে আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন(২).

 

১১৬ - (২৪) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মুআদ্দিল, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন(৩) ইসমাঈল ইবনে মুহাম্মদ আস-সাফফার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে মানসূর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মা’মার, তিনি আসিম ইবনে আবিন নাজুদ থেকে, তিনি আবু ওয়ায়েল থেকে, তিনি মুআয ইবনে জাবাল (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আমি এক সফরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছিলাম। একদা সকালে চলার সময় আমি তাঁর নিকটবর্তী হলাম এবং বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ আপনার ওপর রহমত বর্ষণ করুন, আমাকে এমন আমল সম্পর্কে বলুন যা আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে এবং জাহান্নাম থেকে দূরে রাখবে। তিনি বললেন: «তুমি একটি মহান বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছ। আর এটি তার জন্য সহজ যাকে আল্লাহ এটি সহজ করে দেন। তুমি আল্লাহর ইবাদত করবে এবং তাঁর সাথে কোন কিছুকে শরীক করবে না, সালাত কায়েম করবে, যাকাত প্রদান করবে, রমযানের রোযা রাখবে এবং বায়তুল্লাহর হজ করবে।» তারপর তিনি বললেন: «আমি কি তোমাকে কল্যাণের দরজাগুলো সম্পর্কে বলে দেব না? রোযা হলো ঢাল স্বরূপ, আর দান-সদকা গুনাহকে মিটিয়ে দেয় এবং রাতের মধ্যভাগে ব্যক্তির সালাত আদায় করা» অতঃপর তিনি তিলাওয়াত করলেন: {তাদের পার্শ্বদেশ বিছানা থেকে আলাদা থাকে...} যতক্ষণ না পৌঁছেছেন: {তারা যা আমল করত তার বিনিময়ে} [সূরা আস-সাজদাহ: ১৬ - ১৭], তারপর তিনি বললেন: «আমি কি তোমাকে এই বিষয়ের মূল, তার স্তম্ভ এবং তার শিখর সম্পর্কে সংবাদ দেব না? তা হলো জিহাদ।» এরপর তিনি বললেন: «আমি কি তোমাকে এই সবকিছুর নিয়ন্ত্রণকারী সম্পর্কে সংবাদ দেব না?(৪)»

--------------------------------------------

(১) পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে (৬৩)।

(২) তাঁর কথা: «এই সনদে...» থেকে এই পর্যন্ত এর ওপর বর্জন চিহ্ন (লা ইলা) রয়েছে, যা (ত্ব) প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত বর্ণনার প্রতি ইঙ্গিত।

(৩) আমার নিকট প্রতীয়মান হয় যে, এটি মূলে ছিল: «হাদ্দাসানা» (আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন), অতঃপর তা পরিবর্তন করে «আখবারানা» (আমাদের সংবাদ দিয়েছেন) করা হয়েছে। আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

(৪) মূল পাণ্ডুলিপিতে এখানে রয়েছে: «পুরোটা», কিন্তু আমার নিকট প্রতীয়মান হয় যে, এর ওপর রেখা টেনে কেটে দেওয়া হয়েছে। তবে এটি «জামে মা’মার» ও অন্যান্য উৎসে বিদ্যমান রয়েছে।
(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ١٣٠)
قلتُ: بلى يا نبيَّ اللهِ، قالَ: فأخَذَ بلسانِهِ وقالَ: «اكفُفْ عليكَ هذا» قلتُ: يا نبيَّ(1) اللهِ، وإنَّا / لَمؤاخَذونَ بما نَتكلَّمُ به؟ فقالَ: «ثكلَتكَ أُمُّك يا معاذُ، وهلَ يكُبُّ الناسَ على وُجوهِهم -أو قالَ: على مناخِرِهم- إلا حصائِدُ ألسنَتِهم»(2).

 

117 - (25) أخبرنا أبو الفتحِ هِليلُ بنُ محمدِ بنِ جعفرِ بنِ سَعدانَ الكَسْكَريُّ قالَ: أخبرنا الحسينُ بنُ يحيى بنِ عَياشٍ قالَ: حدثنا أحمدُ بنُ محمدِ بنِ يحيى بنِ سعيدٍ قالَ: حدثنا وهبُ بنُ جريرٍ قالَ: حدثنا أبي قالَ: سمعتُ النعمانَ يحدثُ عن الزُّهريِّ، عن أبي سلمةَ، عن أبي هريرةَ،

أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «بينَما راعي غنمٍ في غُنيمةٍ إذ عَدا الذئبُ فأخذَ مِنه شاةً، فأتبَعَها فاستنقَذَها مِنه، فقالَ الذئبُ: مَن لها يومَ لا يكونُ لها راعياً غَيري» قالَ: فَقالوا: سبحانَ اللهِ، قالَ: «فإنِّي أومِنُ به أنا وأبو بكرٍ وعمرُ».

قالَ أبو هريرةَ: قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «بينَما رَجلٌ يَسوقُ بقرةً حَملَ عَليها شيئاً، التَفتَت إليه فقالَت: إنِّي لَم أُخلَقْ لِهذا، إنَّما خُلقتُ للحَرثِ» قالَ الناسُ: سبحانَ اللهِ، فقالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «أُومِنُ بذلكَ أنا وأبو بكرٍ وعمرُ»

--------------------------------------------

(1) كتب فوقها: «رسول» وكذلك هي في «جامع معمر».

(2) هو في «جامع معمر» (20303).

وأخرجه الترمذي (2616)، والنسائي في «الكبرى» (11330)، وابن ماجه (3973)، وأحمد (5/ 231)، وعبد بن حميد (112)، والطبراني 20/ (266) من طريق معمر به.

وقال الترمذي: حسن صحيح. وقال الألباني في «الصحيحة» (1122): وقد أعله المنذري وغيره بالانقطاع .. .. لكن الحديث صحيح بمجموع طرقه.

وانظر «علل الدارقطني» (6/ 78).
আমি বললাম: অবশ্যই, হে আল্লাহর নবী। তিনি নিজের জিহ্বা ধরলেন এবং বললেন: «একে সংযত রাখো।» আমি বললাম: হে আল্লাহর (১) নবী, আমরা যা বলি তার জন্যও কি আমাদের জবাবদিহি করতে হবে? তিনি বললেন: «তোমার মা তোমাকে হারাক হে মুয়ায! মানুষের জিহ্বার উপার্জিত ফসল (কথাবার্তা) ছাড়া আর কি কোনো কিছু তাদেরকে উপুড় করে—অথবা তিনি বলেছেন: তাদের নাকের ওপর—জাহান্নামে নিক্ষেপ করে?»(২).

 

১১৭ - (২৫) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ফাতহ হিলীল বিন মুহাম্মাদ বিন জাফর বিন সা’দান আল-কাসকারী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হুসাইন বিন ইয়াহইয়া বিন আইয়াশ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া বিন সাঈদ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ওয়াহাব বিন জারীর, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি নুমানকে যুহরী থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন,

নিশ্চয় নবী (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন) বলেছেন: «একদা এক রাখাল তার কিছু বকরি চরাচ্ছিল, এমন সময় একটি নেকড়ে এসে একটি বকরি নিয়ে গেল। রাখাল সেটির পিছু ধাওয়া করে নেকড়ের কাছ থেকে বকরিটি উদ্ধার করল। তখন নেকড়েটি বলল: সেই দিনে এর দেখাশোনা কে করবে, যেদিন আমি ছাড়া এর কোনো রাখাল থাকবে না?» বর্ণনাকারী বলেন: তখন সাহাবীগণ বললেন: সুবহানাল্লাহ (আল্লাহ অতি পবিত্র)! তিনি বললেন: «নিশ্চয় আমি এতে ঈমান রাখি এবং আবু বকর ও ওমরও (ঈমান রাখে)‌।»

আবু হুরায়রা বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন) বলেছেন: «এক ব্যক্তি একটি গরুকে হাঁকিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল এবং তার ওপর বোঝা চাপিয়ে দিয়েছিল। তখন গরুটি তার দিকে ফিরে তাকালো এবং বলল: আমাকে এর জন্য সৃষ্টি করা হয়নি, বরং আমাকে সৃষ্টি করা হয়েছে চাষাবাদের জন্য।» লোকেরা বলল: সুবহানাল্লাহ! তখন আল্লাহর রাসূল (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন) বললেন: «আমি এতে বিশ্বাস করি এবং আবু বকর ও ওমরও বিশ্বাস করে।»

--------------------------------------------

(১) এর উপরে ‘রাসূল’ শব্দ লেখা আছে এবং ‘জামেউ মামার’-এও বিষয়টি এভাবেই রয়েছে।

(২) এটি ‘জামেউ মামার’ (২০৩০৩)-এ বিদ্যমান।

এবং এটি বর্ণনা করেছেন তিরমিযী (২৬১৬), নাসায়ী ‘আল-কুবরা’ (১১৩৩০) গ্রন্থে, ইবনে মাজাহ (৩৯৭৩), আহমাদ (৫/২৩১), আবদ বিন হুমাইদ (১১২) এবং তাবারানী ২০/ (২৬৬) মামারের সূত্র থেকে।

ইমাম তিরমিযী বলেছেন: এটি হাসান সহীহ। আলবানী ‘আস-সহীহাহ’ (১১২২) গ্রন্থে বলেছেন: মুনযিরী ও অন্যান্যরা একে মুনকাতি (সূত্রবিচ্ছিন্ন) হিসেবে ত্রুটিযুক্ত বলেছেন... তবে হাদিসটি এর সকল সূত্রের সমন্বয়ে সহীহ।

এবং দেখুন ‘ইলালুদ দারাকুতনী’ (৬/৭৮)।
(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ١٣١)
رضي الله عنهما(1).

النُّعمانُ الراوي لِهذا الحديثِ هو النُّعمانُ بنُ راشدٍ الأمويُّ الحَرانيُّ.

 

118 - (26) حدثنا أبو الفرجِ أحمدُ بنُ محمدِ بنِ عمرَ بنِ الحسنِ(2) المُعدلُ إملاءً قالَ: أخبرنا أبو الحسنِ عليُّ بنُ أحمدَ بنِ محمدٍ القَزوينيُّ قالَ: حدثنا أبو جعفرٍ محمدُ بنُ صالحِ بنِ بكرِ بنِ توبةَ الكيلانيُّ قالَ: حدثنا الحارثُ بنُ عبدِ اللهِ مَولى بَني سليمانَ(3) بالمدينةِ قالَ: حدثنا إسحاقُ الفَرَويُّ، عن مالكٍ، عن نافعٍ، عن ابنِ عمرَ قالَ:

خَرجَ عَلينا رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم وأبو بكرٍ عن يَمينِه وعمرُ عن شمالِهِ، فقالَ: «هكذا نُبعثُ يومَ القيامةِ» رضي الله عنهما(4).

 

119 - (27) أخبرنا أبو الحسينِ محمدُ بنُ الحسينِ بنِ الفضلِ بنِ يعقوبَ قالَ: قُرئَ على أبي عليٍّ إسماعيلَ بنِ محمدٍ الصَّفارِ وأنا أسمعُ قالَ: حدثنا الحسنُ بنُ عَرفةَ قالَ: حدثنا روحُ بنُ عُبادةَ البصريُّ، عن

--------------------------------------------

(1) هو في «جزء هلال الحفار» رواية طراد الزينبي (190 - مخطوط).

ومن طريق المصنف أخرجه أبو البركات النيسابوري في «أربعينه» (6)، وابن عساكر (44/ 73).

وأخرجه البخاري (2324) (3471) (3663) (3690)، ومسلم (2388) من طريق أبي سلمة وسعيد بن المسيب، عن أبي هريرة به.

(2) في الأصل: بن عثمان بن الحسين. والمثبت من مصادر ترجمته.

(3) في «ذيل الميزان» و «اللسان» و «التحفة اللطيفة في تاريخ المدينة»: سُليم.

(4) ذكره العراقي في «ذيل الميزان» (ص 175) وقال: قال الدارقطني في «غرائب مالك» لا يصح، والحارث هذا ضعيف.

وله عن نافع طريق أخرى أخرجها الترمذي (3669) -وغيره- وضعفها كما الذهبي والألباني.
আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন(১)।

এই হাদিসের বর্ণনাকারী নুমান হলেন নুমান বিন রাশিদ আল-উমাবী আল-হাররানী।

 

১১৮ - (২৬) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ফরাজ আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন উমর বিন আল-হাসান(২) আল-মুআদ্দিল শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-কাযভীনি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জাফর মুহাম্মাদ বিন সালিহ বিন বাকর বিন তাওবা আল-কিলানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হারিস বিন আব্দুল্লাহ, যিনি মদিনায় বনী সুলাইমানের(৩) মুক্তদাস ছিলেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক আল-ফারাবী, মালিক থেকে, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাছে বের হলেন এমতাবস্থায় যে, আবু বকর তাঁর ডান দিকে এবং উমর তাঁর বাম দিকে ছিলেন। অতঃপর তিনি বললেন: «কিয়ামতের দিন আমরা এভাবেই পুনরুত্থিত হব» আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন(৪)।

 

১১৯ - (২৭) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন মুহাম্মাদ বিন আল-হুসাইন বিন আল-ফাদল বিন ইয়াকুব, তিনি বলেন: আবু আলী ইসমাইল বিন মুহাম্মাদ আস-সাফফারের সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান বিন আরাফাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রাওহ বিন উবাদাহ আল-বাসরী... থেকে

--------------------------------------------

(১) এটি «জুয হিলাল আল-হাফফার» গ্রন্থে তরাদ আজ-যাইনাবীর বর্ণনায় (১৯০ - পাণ্ডুলিপি) রয়েছে।

এবং গ্রন্থকারের সূত্রে এটি আবু আল-বারাকাত আন-নাইসাবুরী তাঁর «আরবাঈন» (৬) গ্রন্থে এবং ইবনে আসাকির (৪৪/ ৭৩) বর্ণনা করেছেন।

আর এটি বুখারি (২৩২৪) (৩৪৭১) (৩৬৬৩) (৩৬৯০) এবং মুসলিম (২৩৮৮) আবু সালামাহ ও সাঈদ বিন আল-মুসাইয়িবের সূত্রে আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: বিন উসমান বিন আল-হুসাইন। আর যা পাঠ্যে স্থির করা হয়েছে তা তাঁর জীবনী সংক্রান্ত উৎসসমূহ থেকে গৃহীত।

(৩) «যাইলুল মিজান», «আল-লিসান» এবং «আত-তুহফাতুল লাতিফাহ ফি তারিখিল মাদিনাহ» গ্রন্থে রয়েছে: সুলাইম।

(৪) ইরাকী এটি «যাইলুল মিজান» (পৃ. ১৭৫) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: দারাকুতনী «গারাইবে মালিক» গ্রন্থে বলেছেন যে, এটি সহিহ নয় এবং এই হারিস নামক বর্ণনাকারী দুর্বল।

নাফি থেকে তাঁর আরও একটি সূত্র রয়েছে যা তিরমিজি (৩৬৬৯) ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম যাহাবী ও আলবানী একে দুর্বল বলেছেন।
(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ١٣٢)
ابنِ جُريجٍ قالَ: أخبرني أبو خالدٍ، عن عبدِ اللهِ بنِ أبي سعيدٍ المدنيِّ قالَ: حدثتني حفصةُ بنتُ عمرَ قالتْ:

كانَ / رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم ذاتَ يومٍ جالساً قَد وَضعَ ثوبَه بينَ فخذَيهِ، فجاءَ أبو بكرٍ فاستأذَنَ، فأذنَ له والنبيُّ صلى الله عليه وسلم على هيئتِهِ، ثم عمرُ رضي الله عنه بمثلِ هذه القصةِ، ثم عليٌّ رضي الله عنه، ثم ناسٌ مِن أصحابِهِ، والنبيُّ صلى الله عليه وسلم على هيئتِهِ، ثم جاءَ عثمانُ رضي الله عنه فاستأذَنَ، فأخَذَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم ثوبَه فتجلَّله، قالتْ: ثم تحدَّثوا ثم خَرجوا، قالتْ: فقلتُ: يا رسولَ اللهِ، جاءَ أبو بكرٍ وعمرُ وعليٌّ وناسٌ مِن أصحابِكَ وأنتَ على هيئتِكَ، فلمَّا جاءَ عثمانُ تجلَّلتَ بثوبِكَ، قالتْ: فقالَ: «ألا أَستَحي ممَّن تَستحي مِنه الملائكةُ»(1).

 

120 - (28) أخبرنا أحمدُ بنُ محمدِ بنِ حَسْنونَ قالَ: حدثنا محمدُ بنُ عَمرو إملاءً قالَ: حدثنا محمدُ بنُ عبدِ الملكِ الدَّقيقيُّ قالَ: حدثنا يزيدُ بنُ هارونَ قالَ: أخبرنا عبدُ الملكِ بنُ أبي سليمانَ، عن عطاءٍ، عن أُمِّ سلمةَ.

وعن أبي لَيلى الكِنديِّ، عن أُمِّ سلمةَ.

وعن داودَ بنِ أبي عَوفٍ، عن شهرِ بنِ حَوشبٍ، عن أُمِّ سلمةَ قالتْ:

بينَما رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم على مَنامةٍ له عَليها كِساءٌ خَيبَريٌّ، إذ جاءَت فاطمةُ

--------------------------------------------

(1) هو في «جزء الحسن بن عرفة» (75).

ومن طريق المصنف أخرجه قوام السنة في «سير السلف» (1/ 154)، وأبو البركات النيسابوري في «أربعينه» (7).

وأخرجه أحمد (6/ 288)، وعبد بن حميد (1545)، وأبو يعلى (7038)، والطبراني في «الكبير» 23/ (355) (400)، و «الأوسط» (8927)، والبيهقي (2/ 231) من طريق عبد الله بن أبي سعيد المدني به.

وقال الألباني في «الثمر المستطاب» (ص 257): إسناده لا بأس به في الشواهد.
ইবনে জুরাইজ বলেছেন: আবু খালিদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে আবু সাঈদ আল-মাদানি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: হাফসা বিনতে উমর আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন:

একদিন / আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসা ছিলেন এবং তিনি তাঁর কাপড় তাঁর দুই উরুর মাঝখানে রেখেছিলেন, এমতাবস্থায় আবু বকর এলেন এবং অনুমতি চাইলেন, তিনি তাকে অনুমতি দিলেন অথচ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সেই অবস্থাতেই ছিলেন। এরপর উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এলেন অনুরূপ ঘটনায়, এরপর আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু), এরপর তাঁর সাহাবীদের মধ্য থেকে আরও কিছু লোক, আর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সেই অবস্থাতেই ছিলেন। এরপর উসমান (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এলেন এবং অনুমতি চাইলেন, তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কাপড় টেনে নিলেন এবং তা দিয়ে নিজেকে আবৃত করলেন। তিনি (হাফসা) বললেন: এরপর তাঁরা কথা বললেন এবং বেরিয়ে গেলেন। তিনি বললেন: তখন আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আবু বকর, উমর, আলী এবং আপনার সাহাবীদের মধ্য থেকে অনেকে এলেন অথচ আপনি আপনার সেই অবস্থাতেই ছিলেন, কিন্তু যখন উসমান এলেন আপনি কাপড় দিয়ে নিজেকে আবৃত করলেন? তিনি (হাফসা) বললেন: তখন তিনি বললেন: «আমি কি এমন ব্যক্তিকে দেখে লজ্জা বোধ করব না যাকে দেখে ফেরেশতারাও লজ্জা বোধ করেন?»(১).

 

১২০ - (২৮) আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হাসনুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে আমর ইমলা (শ্রুতিলিপি) আকারে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল মালিক আদ-দাকিকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াজিদ ইবনে হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল মালিক ইবনে আবু সুলাইমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আতা থেকে, তিনি উম্মে সালামা থেকে বর্ণিত।

এবং আবু লায়লা আল-কিন্দি থেকে, তিনি উম্মে সালামা থেকে বর্ণিত।

এবং দাউদ ইবনে আবু আওফ থেকে, তিনি শাহর ইবনে হাওশাব থেকে, তিনি উম্মে সালামা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন:

একদা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর একটি বিছানায় ছিলেন যার উপর একটি খায়বারী চাদর ছিল, এমতাবস্থায় ফাতিমা এলেন

--------------------------------------------

(১) এটি «জুয আল-হাসান ইবনে আরাফাহ» (৭৫)-এ রয়েছে।

এবং মুসান্নিফ (গ্রন্থকার)-এর সূত্রে এটি কিওয়ামুস সুন্নাহ «সিয়ারুস সালাফ» (১/ ১৫৪) গ্রন্থে এবং আবুল বারাকাত আন-নাইসাবুরি তাঁর «আরবাঈন» (৭) গ্রন্থে বের করেছেন।

এবং আহমাদ (৬/ ২৮৮), আবদ ইবনে হুমাইদ (১৫৪৫), আবু ইয়ালা (৭০৩৮), তাবারানি «আল-কাবীর» ২৩/ (৩৫৫) (৪০০) ও «আল-আওসাত» (৮৯২৭)-এ এবং বায়হাকি (২/ ২৩১) আব্দুল্লাহ ইবনে আবু সাঈদ আল-মাদানির সূত্রে এটি বের করেছেন।

এবং আলবানী «আত-থামারুল মুসতাতাব» (পৃ. ২৫৭)-এ বলেছেন: শাহেদ (সমর্থনমূলক বর্ণনা) হিসেবে এর সনদে কোনো অসুবিধা নেই।
(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ١٣٣)
رضي الله عنها ببُرْمةٍ فيها خَزِيرَةٌ، فقالَ لها رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «ادعي زوجَكِ وابنَيكِ» قالتْ: فاجتَمَعوا على تلكَ البُرْمةِ فأكَلوا مِنها، فنزلَت هذه الآيةُ: {إِنَّمَا يُرِيدُ اللَّهُ لِيُذْهِبَ عَنكُمُ الرِّجْسَ أَهْلَ الْبَيْتِ وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرًا} [الأحزاب: 33] قالتْ: فأخَذَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَضلَ الكِساءِ فغَشَّاهم إياهُ، ثم أخرَجَ يدَيهِ فلَوَاهُما نحوَ السماءِ، ثم قالَ: «اللهمَّ إنَّ هؤلاءِ أهلُ بَيتي وحامَّتي، فأذْهِب عَنهم الرِّجسَ وطهِّرْهم تَطهيراً» قالتْ: قالَها مرَّتينِ. قالتْ: فأدخَلتُ رَأسي في الكِساءِ فقُلتُ: يا رسولَ اللهِ، وأنا مَعكم؟ فقالَ: «إنَّكِ إلى خيرٍ، إنَّكِ إلى خيرٍ(1)».

وهم خَمسةٌ تحتَ الكِساءِ: رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم، وفاطمةُ، وعليٌّ، والحسنُ، والحسينُ، رضي الله عنهم(2).

 

121 - (29) أخبرنا محمدُ بنُ الحسينِ بنِ الفضلَ قالَ: قُرئَ على إسماعيلَ بنِ محمدٍ وأنا أسمعُ قالَ: حدثنا الحسنُ بنُ عَرفةَ قالَ: حدثني / عبدُ السلامِ بنُ حربٍ، عن زيادِ بنِ خَيثمةَ، عن نعمانَ بنِ قُرادٍ، عن عبدِ اللهِ بنِ عمرَ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «خُيِّرتُ بينَ الشَّفاعةِ وبينَ أَن يَدخُلَ شَطرُ(3) أُمَّتي

--------------------------------------------

(1) جملة: «إنك إلى خير» الثانية عليها علامة تضبيب، وهي ثابتة عند ابن البختري وأحمد.

(2) هو في «ستة مجالس من أمالي ابن البختري» (50).

وأخرجه أحمد 6/ 292 (26508) من طريق عبد الملك بن أبي سليمان بالأسانيد الثلاثة، إلا أنه قال: عن عطاء بن أبي رباح قال: حدثني من سمع أم سلمة. وانظر تمام تخريجه فيه.

(3) في الأصل هنا: «من» لكن لعله قد ضرب عليها بخط، وليست في مصادر التخريج. والله أعلم.
আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন একটি মাটির পাত্র নিয়ে আসলেন যাতে খাযিরা (মাংস ও আটা মিশ্রিত খাবার) ছিল। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন: «তোমার স্বামী ও তোমার দুই পুত্রকে ডাকো»। তিনি বলেন: অতঃপর তারা সেই পাত্রের নিকট একত্রিত হলেন এবং তা থেকে খেলেন। তখন এই আয়াতটি অবতীর্ণ হলো: {আল্লাহ তো কেবল চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে, হে নবীর পরিবার! এবং তোমাদেরকে পূর্ণরূপে পবিত্র করতে} [আল-আহযাব: ৩৩]। তিনি (উম্মে সালামাহ) বলেন: তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চাদরের অতিরিক্ত অংশটি নিলেন এবং তাদের তা দিয়ে ঢেকে দিলেন। এরপর তিনি তাঁর দুই হাত বের করে আকাশের দিকে উঠালেন এবং বললেন: «হে আল্লাহ! এরা আমার আহলে বাইত এবং আমার ঘনিষ্ঠজন; অতএব আপনি তাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করে দিন এবং তাদেরকে পূর্ণরূপে পবিত্র করুন»। তিনি বলেন: তিনি এটি দুইবার বললেন। তিনি (উম্মে সালামাহ) বলেন: তখন আমি আমার মাথা চাদরের ভেতরে প্রবেশ করালাম এবং বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমিও কি আপনাদের সাথে আছি? তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই তুমি মঙ্গলের উপর আছো, নিশ্চয়ই তুমি মঙ্গলের উপর আছো(১)»।

তারা চাদরের নিচে পাঁচজন ছিলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, ফাতিমা, আলী, হাসান এবং হুসাইন, আল্লাহ তাঁদের সকলের প্রতি সন্তুষ্ট হোন(২)।

 

১২১ - (২৯) মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন ইবনুল ফাদল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসমাঈল ইবনু মুহাম্মাদের নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি শুনছিলাম, তিনি বলেন: হাসান ইবনু আরাফাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুস সালাম ইবনু হারব যিয়াদ ইবনু খাইসামাহ থেকে, তিনি নুমান ইবনু কুরাদ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনু উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আমাকে শাফায়াত (সুপারিশ) এবং আমার উম্মতের অর্ধেক(৩) জান্নাতে প্রবেশের সুযোগের মধ্যে কোনো একটি বেছে নেওয়ার ইখতিয়ার দেওয়া হয়েছিল

--------------------------------------------

(১) দ্বিতীয়বার «নিশ্চয়ই তুমি মঙ্গলের উপর আছো» বাক্যটির ওপর সংশয়সূচক চিহ্ন (দাব্বাহ) রয়েছে, তবে এটি ইবনু বখতারি ও আহমাদ-এর নিকট সুসাব্যস্ত।

(২) এটি ইবনু বখতারি-র ‘সিত্তাতু মাজালিস মিন আমালি’ (৫০)-এ রয়েছে।

আহমাদ এটি ৬/২৯২ (২৬৫০৮) নং হাদিসে আবদুল মালিক ইবনু আবি সুলাইমানের সূত্রে তিনটি সনদে বর্ণনা করেছেন; তবে সেখানে তিনি বলেছেন: আতা ইবনু আবি রাবাহ থেকে, তিনি বলেন: আমাকে এমন ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন যিনি উম্মে সালামাহ থেকে শুনেছেন। সেখানে এর পূর্ণ তাখরীজ দেখুন।

(৩) মূল পাণ্ডুলিপিতে এখানে: «মিন» ছিল, তবে সম্ভবত তার উপর দাগ টেনে কেটে দেওয়া হয়েছে; আর এটি তাখরীজ সংক্রান্ত অন্যান্য উৎসগুলোতে নেই। আল্লাহই ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ١٣٤)
الجَنةَ، فاختَرتُ الشَّفاعةَ لأنَّها أعَمُّ وأَكفى، أتَرونَها للمُؤمنينَ المُتقينَ! لا، ولكنَّها للمُذنِبينَ المُتلوِّثينَ الخطَّائينَ»(1).

 

122 - (30) أخبرنا أبو عبدِ اللهِ الحسينُ بنُ عمرَ الغَزَّالُ قالَ: حدثنا عثمانُ بنُ أحمدَ بنِ يزيدَ قالَ: حدثنا الحسنُ بنُ سلَّامٍ السَوَّاقُ قالَ: حدثنا أبو نُعيمٍ الفضلُ بنُ دُكينٍ قالَ: حدثنا شريكٌ، عن بيانٍ، عن قيسِ بنِ أبي حازمٍ، عن المُستَوردِ الفِهريِّ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «يَذهبُ الصالِحونَ أسلافاً الأولُ فالأولُ، ويَبقى حُثالةٌ كحُثالةِ التمرِ أو الشعيرِ، لا يُبالي اللهُ بها(2)».

--------------------------------------------

(1) هو في «جزء الحسن بن عرفة» (93).

ومن طريق المصنف أخرجه أبو البركات النيسابوري في «أربعينه» (8)، والعلائي في «إثارة القوائد» (192).

وأخرجه أحمد (2/ 75) من طريق زياد بن خيثمة، عن علي بن النعمان بن قراد، عن رجل، عن ابن عمر.

وقيل فيه غير ذلك. وقال الدارقطني في «علله» (1310): وليس فيها شيء صحيح.

وأورده الألباني في «الضعيفة» (3585).

(2) في الأصل: «عنها»، والتصويب من الهامش.

وأخرجه الخطابي في «العزلة» (ص 181)، والقضاعي في «مسند الشهاب» (608) (609) من طريق أبي نعيم به.

وأخرجه الطبراني 20/ (719) من وجه آخر عن شريك، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن قيس بن أبي حازم به.

وجمع بينهما -أعني بياناً وإسماعيل في الرواية عن ابن أبي حازم- إسماعيلُ بن مجالد عند الطبراني في «الكبير» 20/ (718)، و «الأوسط» (2677).

وفي شريك وإسماعيل بن مجالد كلام من قبل حفظهما، وخالفهما من هو أوثق منهما فرووه عن بيان وإسماعيل بن أبي خالد، عن قيس، عن مرداس الأسلمي موقوفاً ومرفوعاً، وكلاهما عند البخاري (4156) (6434)، وقال الدارقطني في «علله» (3400): ورفعه صحيح.

وله عن المستورد إسناد آخر عند الطبراني 20/ (737).
জান্নাত, তাই আমি শাফায়াত (সুপারিশ) বেছে নিয়েছি কারণ এটি অধিক ব্যাপক ও অধিক পর্যাপ্ত। তোমরা কি মনে করো এটি মুত্তাকী মুমিনদের জন্য? না, বরং এটি পাপিষ্ঠ, কলুষিত এবং অপরাধীদের জন্য।»(১).

 

১২২ - (৩০) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে উমর আল-গাজ্জাল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে আহমাদ ইবনে ইয়াজিদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান ইবনে সাল্লাম আস-সাওয়াক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম আল-ফাদল ইবনে দুকাইন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শারীক, বায়ান থেকে, তিনি কায়স ইবনে আবি হাযেম থেকে, তিনি আল-মুস্তাওরিদ আল-ফিহরি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নেককার লোকেরা একের পর এক চলে যাবেন এবং অবশিষ্ট থাকবে খেজুর বা যবের অবশিষ্টাংশের ন্যায় তুচ্ছ আবর্জনা, আল্লাহ যাদের কোনো পরোয়া করবেন না(২)».

--------------------------------------------

(১) এটি ‘জুযউ আল-হাসান ইবনে আরাফাহ’ (৯৩)-এ রয়েছে।

এবং গ্রন্থকারের সূত্রে এটি আবু আল-বারাকাত আন-নাইসাবুরি তার ‘আরবাঈন’ (৮) গ্রন্থে এবং আল-আলাই ‘ইসারাতুল কাওয়ায়েদ’ (১৯২) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।

আহমাদ (২/ ৭৫) এটি যিয়াদ ইবনে খাইসামার সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি আলী ইবনে নুমান ইবনে কুরাদ থেকে, তিনি এক ব্যক্তি থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে।

এ বিষয়ে অন্য বর্ণনাও বলা হয়েছে। আদ-দারাকুতনি তার ‘ইলাল’ (১৩১০) গ্রন্থে বলেছেন: এর মধ্যে সহীহ কিছু নেই।

আলবানী একে ‘আদ-দাঈফাহ’ (৩৫৮৫) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে ‘আনহা’ (তার থেকে) ছিল, এবং সংশোধনটি পার্শ্বটীকা থেকে নেওয়া হয়েছে।

খাত্তাবি ‘আল-উযলাহ’ (পৃ. ১৮১) গ্রন্থে এবং কুদায়ী ‘মুসনাদুশ শিহাব’ (৬০৮) (৬০৯) গ্রন্থে আবু নুআইমের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

তাবারানি ২০/ (৭১৯) অন্য সূত্রে শারীক থেকে, তিনি ইসমাইল ইবনে আবি খালিদ থেকে, তিনি কায়স ইবনে আবি হাযেম থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

এবং ইবনে আবি হাযেম থেকে বর্ণনার ক্ষেত্রে বায়ান এবং ইসমাইল—এই উভয়কে একত্রিত করেছেন ইসমাইল ইবনে মুজালিদ; যা তাবারানি ‘আল-কাবীর’ ২০/ (৭১৮) এবং ‘আল-আওসাত’ (২৬৭৭) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।

শারীক এবং ইসমাইল ইবনে মুজালিদ সম্পর্কে তাদের মুখস্থশক্তির দিক থেকে সমালোচনা রয়েছে। আর তাদের চেয়ে অধিক নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীগণ তাদের বিরোধিতা করেছেন, তারা বায়ান এবং ইসমাইল ইবনে আবি খালিদ থেকে, তারা কায়স থেকে, তিনি মিরদাস আল-আসলামি থেকে মাওকুফ ও মারফু উভয়ভাবে বর্ণনা করেছেন। উভয়টিই বুখারিতে (৪১৫৬) (৬৪৩৪) রয়েছে। আদ-দারাকুতনি তার ‘ইলাল’ (৩৪০০) গ্রন্থে বলেছেন: এর মারফু হওয়াটি সঠিক।

তাবারানি ২০/ (৭৩৭)-এ মুস্তাওরিদ থেকে এর অন্য একটি সনদ রয়েছে।
(খণ্ড: ১) তিসআতু মাজালিসা মিন আমালী তিরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ١٣٥)
123 - (31) أخبرنا عليُّ بنُ محمدِ بنِ عبدِ اللهِ السُّكَريُّ قالَ: أخبرنا الحسينُ بنُ صفوانَ البَرذَعيُّ قالَ: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ محمدِ بنِ عُبيدٍ قالَ: حدثني رَجلٌ مِن قُريشٍ -ذكرَ أنَّه مِن ولدِ طلحةَ بنِ عُبيدِ اللهِ- قالَ: كانَ تَوبةُ بنُ الصِّمَّةِ بالرَّقةِ، وكانَ مُحاسِباً لنفسِهِ، فحَسَبَ فإذا هو ابنُ سِتينَ سَنةً، فحَسَبَ أيامَها فإذا هي أحدٌ وعِشرونَ ألفَ يومٍ وخمسُمئةِ يومٍ، فصرَخَ وقالَ: يا ويلَتَا، أَلقَى(1) المَليكَ بأَحدٍ وعشرينَ ألفَ ذَنبٍ؟ كيفَ وفي كلِّ يومٍ عشرةُ آلافِ ذَنبٍ، ثم خَرَّ مَغشياً عليه، فإذا هو مَيتٌ، فسَمعوا قائلاً يقولُ: يا لكِ رَكضةً إلى الفِردوسِ الأَعلى(2).

 

124 - (32) أنشَدَنا أبو عبدِ اللهِ الصوفيُّ ولَم يُسَمِّ قائلاً(3):

 

الناسُ بَحرٌ عَميقٌ … والبُعدُ مِنهم سَفينةْ

وقَد نَصحتُكَ فاختَرْ … لِنفسِكَ المِسكينةْ

 

آخِرُ المَجلسِ الثالثِ

--------------------------------------------

(1) وكذا في مصادر التخريج، وفي الهامش: ألاقي.

(2) هو في «المحاسبة» لابن أبي الدنيا (77).

ومن طريقه أخرجه الخطيب في «الزهد» (70)، والبيهقي في «الشعب» (916).

(3) وهي في «التمهيد» لابن عبد البر (17/ 443)، و «تاريخ دمشق» (50/ 13) منسوبة لمنصور بن إسماعيل الفقيه.
১২৩ - (৩১) আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আস-সুক্কারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আল-হুসাইন ইবনে সাফওয়ান আল-বারযাঈ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: কুরাইশ বংশের এক ব্যক্তি—যিনি উল্লেখ করেছেন যে তিনি তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহর বংশধর—আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: তাওবাহ ইবনে আস-সিম্মাহ রাক্কাহ শহরে ছিলেন। তিনি সর্বদা নিজের হিসাব নিতেন। একবার তিনি হিসাব করে দেখলেন যে তার বয়স ষাট বছর। এরপর তিনি এর দিনগুলো গণনা করে দেখলেন যে তা একুশ হাজার পাঁচশত দিন। তখন তিনি চিৎকার করে বলে উঠলেন: "হায় আফসোস! আমি কি একুশ হাজার গুনাহ নিয়ে মালিকের (আল্লাহর) সাথে সাক্ষাৎ করব? আর যদি প্রতিদিন দশ হাজার করে গুনাহ থাকে তবে কী অবস্থা হবে!" অতঃপর তিনি সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে গেলেন এবং দেখা গেল তিনি মারা গেছেন। তখন উপস্থিত লোকেরা এক অদৃশ্য বক্তাকে বলতে শুনলেন: "হে সৌভাগ্যবান! তোমার এই এক লাফে জান্নাতুল ফিরদাউসের উচ্চমাকামে পৌঁছে গেলে।"

 

১২৪ - (৩২) আবু আবদুল্লাহ আস-সূফি আমাদের একটি কবিতা শুনিয়েছেন, তবে তিনি কবির নাম উল্লেখ করেননি:

 

মানুষ এক গভীর সমুদ্র... আর তাদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখাই হলো (পারাপারের) নৌকা।

আমি তোমাকে নসিহত করলাম, এখন তুমি তোমার এই অসহায় নফসের জন্য পছন্দমতো পথ বেছে নাও।

 

তৃতীয় মজলিসের সমাপ্তি

--------------------------------------------

(১) মূল সূত্রসমূহে এভাবেই আছে, আর পার্শ্বটীকায় রয়েছে: 'আলাকী' (আমি সাক্ষাৎ করব)।

(২) এটি ইবনে আবিদ দুনিয়ার 'আল-মুহাসাবাহ' (৭৭) গ্রন্থে রয়েছে।

আর তার সূত্র ধরে খতিব 'আয-যুহদ' (৭০) গ্রন্থে এবং বায়হাকি 'আশ-শুআব' (৯১৬) গ্রন্থে এটি বর্ণনা করেছেন।

(৩) এটি ইবনে আব্দুল বার-এর 'আত-তামহিদ' (১৭/ ৪৪৩) এবং 'তারিখু দিমাশক' (৫০/ ১৩) গ্রন্থে মানসুর ইবনে ইসমাইল আল-ফকিহ-এর প্রতি নিসবত করে বর্ণিত হয়েছে।