(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসিল আসমায়িল হুসনা
(পৃষ্ঠা: -)
تخريج حديث الأسماء الحسنى (ابن حجر العسقلاني)
القسم: التخريج والأطراف
الكتاب: تخريج أحاديث الأسماء الحسنى
المؤلف:الحافظ أحمد بن حجر العسقلاني
تحقيق: مشهور بن حسن بن محمود بن سلمان
الناشر: مكتبة الغرباء الأثرية - المديتة المنورة
الطبعة: الأولى، 1413 هـ
[الكتاب مرقم آليا غير موافق للمطبوع]
عدد الصفحات: 17
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আসমাউল হুসনার হাদীসের তাখরীজ (ইবনে হাজার আল-আসকালানী)
বিভাগ: তাখরীজ ও আতরাফ
গ্রন্থ: আসমাউল হুসনার হাদীসসমূহের তাখরীজ
লেখক:আল-হাফিয আহমাদ বিন হাজার আল-আসকালানী
তাহকীক: মাশহুর বিন হাসান বিন মাহমুদ বিন সালমান
প্রকাশক: মাকতাবাতুল গুরবা আল-আসারিয়্যাহ - মদীনা মুনাওয়ারা
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৩ হিজরী
[গ্রন্থটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংখ্যায়িত যা মুদ্রিত সংস্করণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৭
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসিল আসমায়িল হুসনা
(পৃষ্ঠা: ১)
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي لَهُ الأَسْمَاءُ الْحُسْنَى، وَالصَّلاةُ وَالسَّلامُ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ الَّذِي فَاقَ الأَنَامَ حُسْنًا وَحُسْنَى، وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ الَّذِينَ ارْتَقَوا بِهِ إِلَى الْمَقَامِ الأَسْنَى.أَمَّا بَعْدُ؛ فَإِنَّهُ جَرَى فِي بَعْضِ مَجَالِسِ الإِمْلاءِ ذِكْرُ الْحَدِيثِ الْوَارِدِ: «إِنَّ لِلَّهِ تِسْعَةً وَتِسْعِينَ اسْمًا» وَهَلْ ثَبَتَ رَفْعُ سَرْدِهَا أَمْ لا؟ فَحَدَانِي ذَلِكَ عَلَى بَيَانِهَا تَفْصِيلا وَإِجْمَالا، وَعَلَى اللَّهِ أَعْتَمِدُ، وَمِنْ فَيْضِ كَرَمِهِ أَسْتَمِدُّ سبحانه وتعالى.
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যাঁর রয়েছে অতি সুন্দর নামসমূহ। এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নেতা মুহাম্মাদ-এর ওপর, যিনি সৌন্দর্য ও কল্যাণে সৃষ্টিজগতের ঊর্ধ্বে। এবং তাঁর পরিবার ও সঙ্গীগণের ওপর, যাঁরা তাঁর মাধ্যমে সর্বোচ্চ মর্যাদার স্থানে আরোহণ করেছেন।অতঃপর; কোনো এক পাঠদানের মজলিসে বর্ণিত এই হাদীসটির আলোচনা উত্থাপিত হয়: "নিশ্চয়ই আল্লাহর নিরানব্বইটি নাম রয়েছে।" আর এই নামগুলোর তালিকা কি মারফু সূত্রে (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পর্যন্ত) সাব্যস্ত হয়েছে নাকি হয়নি? এটিই আমাকে নামগুলো বিস্তারিত ও সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করতে উদ্বুদ্ধ করেছে। আমি আল্লাহর ওপরই ভরসা করি এবং তাঁর অনুগ্রহের প্রাচুর্য হতে সাহায্য কামনা করি, তিনি পবিত্র ও সুমহান।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসিল আসমায়িল হুসনা
(পৃষ্ঠা: ২)
-10 - أَخْبَرَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْحَافِظِ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِالصَّالِحِيَّةِ، وَأَخُوهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، وَفَرَجُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظِيُّ فِي كِتَابَيْهِمَا، قَالُوا: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ الْحَافِظِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعْدِ الْمَقْدِسِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ مَحْمُودٍ الثَّقَفِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «إِنَّ للَّهِ تِسْعَةً وَتِسْعِينَ اسْمًا مِئَةً إِلا وَاحِدًا مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ، إِنَّهُ وِتْرٌ يَحِبُّ الْوِتْرَ» هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ.أَخْرَجَ أَحْمَدُ ، عَنْ عَبْدِ الرَّزَّاقِ، فَوَافَقْنَاهُ بِعُلُوٍّ.وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ رَافِعٍ.وَأَبُو عَوَانَةَ ، عَنْ أَحْمَدَ بْنِ يُوسُفَ.كِلاهُمَا عَنْ عَبْدِ الرَّزَّاقِ.فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا عَالِيًا وَأَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْبرَاعِيُّ ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ إِسْمَاعِيلَ سَمَاعًا، قَالَتْ: أَخْبَرَنَا ابْنُ عَبْدِ الدَّائِمِ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ مَحْمُودِ بْنِ سَعْدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ مُحَمَّدٍ، أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُعْتَزِّ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ ، حَدَّثَنَا جَدِّي ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو (ح) .وَأَخْبَرَنِي عَالِيًا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ الزَّيْنَبِيُّ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ خَالِدٍ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الدَّهَّانُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ نَصْرٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَدَّادُ، أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ فَذَكَرَ مِثْلَهُ.وَاللَّفْظُ لِيَزِيدَ، وَانْتَهَى حَدِيثُ إِسْمَاعِيلَ عِنْدَ قَوْلِهِ «الْجَنَّةَ» وَلَمْ يَذْكُرْ مَا بَعْدَهُ.أَخْرَجَهُ أَحْمَدُ ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ هَارُونَ.فَوَقَعَ لَنَا مَوَافَقَةً عَالِيَةً.وَأَخْرَجَهُ ابْنُ مَاجَةَ ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ ، عَنْ عَبْدَةَ بْنِ سُلَيْمَانَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو.فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا عَلَى طَرِيقِهِ أَيْضًا
-১০ - আমাকে আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে আব্দুল হাফিজ সালেহিয়াতে আমার পাঠের মাধ্যমে এবং তার ভাই আবদুল্লাহ ইবনে উমর ও ফারাজ ইবনে আবদুল্লাহ আল-হাফিযি তাদের গ্রন্থদ্বয়ে সংবাদ দিয়েছেন, তারা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে হাসান ইবনুল হাফিজ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে সাদ আল-মাকদিসি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনে মাহমুদ আস-সাকাফি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান ইবনে আহমদ ইবনুল হাসান, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান ইবনে আহমদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে ইবরাহিম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রাজ্জাক, মা’মার থেকে, তিনি হাম্মাম ইবনে মুনাব্বিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহর নিরানব্বইটি নাম রয়েছে—এক কম একশত; যে ব্যক্তি এগুলো আয়ত্ত করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। নিশ্চয়ই তিনি বেজোড় এবং তিনি বেজোড় পছন্দ করেন।» এটি একটি সহিহ হাদিস।আহমদ এটি আবদুর রাজ্জাক থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে আমরা উচ্চ সনদে তার সাথে একমত হয়েছি।এবং মুসলিম এটি মুহাম্মদ ইবনে রাফি থেকে বর্ণনা করেছেন।এবং আবু আওয়ানা আহমদ ইবনে ইউসুফ থেকে।তারা উভয়েই আবদুর রাজ্জাক থেকে।ফলে এটি আমাদের নিকট একটি উচ্চ পর্যায়ের স্থলাভিষিক্ত সনদ হিসেবে পৌঁছেছে। এবং আমাকে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলি আল-বারায়ি সংবাদ দিয়েছেন, জয়নাব বিনতে ইসমাইল থেকে সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে আবদুদ দায়িম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনে মাহমুদ ইবনে সাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উবাইদুল্লাহ ইবনুল মুতায, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনুল ফাদল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে খুজাইমা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার দাদা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলি ইবনে হুজর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে জাফর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আমর (হ)।এবং আমাকে উচ্চ সনদে সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনুল হাসান আজ-জায়নাবি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে খালিদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান আদ-দাহহান, মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে নাসর থেকে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলি আল-হাদ্দাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে আবদুর রহমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবনে হারুন, মুহাম্মদ ইবনে আমর থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, অতঃপর তিনি অনুরূপ উল্লেখ করেছেন।আর শব্দগুলো ইয়াজিদের, এবং ইসমাইলের বর্ণিত হাদিসটি 'জান্নাত' শব্দের নিকট শেষ হয়েছে এবং তিনি এর পরবর্তী অংশ উল্লেখ করেননি।আহমদ এটি ইয়াজিদ ইবনে হারুন থেকে বর্ণনা করেছেন।ফলে এটি উচ্চ সনদে আমাদের জন্য একটি 'মুওয়াফাকাহ' (একই উস্তাদ থেকে বর্ণনা) হিসেবে গণ্য হয়েছে।এবং ইবনে মাজাহ এটি আবু বকর ইবনে আবি শাইবা থেকে, তিনি আবদাহ ইবনে সুলাইমান থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেছেন।ফলে এটি তার সূত্রের মাধ্যমেও আমাদের কাছে উচ্চ সনদে পৌঁছেছে।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসিল আসমায়িল হুসনা
(পৃষ্ঠা: ৩)
-10 - وَبِهِ إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدِ بْنِ حَيَّانَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ بَحْرٍ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لِلَّهِ تِسْعَةٌ وَتِسْعُونَ اسْمًا مِئَةٌ إِلا وَاحِدًا، مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ»
-১০ - এবং তাঁর সনদে আবু নুআইম পর্যন্ত বর্ণিত, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু মুহাম্মাদ ইবনে হাইয়্যান বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান ইবনে আলী ইবনে বাহর বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইউসুফ ইবনে হাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আব্দুল আ’লা ইবনে আব্দুল আ’লা বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে আবু আরুবাহ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আবু রাফি’ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «আল্লাহর নিরানব্বইটি নাম রয়েছে, যা এক কম একশত; যে ব্যক্তি তা আয়ত্ত করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।»
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসিল আসমায়িল হুসনা
(পৃষ্ঠা: ৪)
-10 - وَبِهِ إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَمْدَانَ ، وَعَبْدَ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ، قَالَ الأَوَّلُ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، وَالثَّانِي: حَدَّثَنَا عَبْدَانُ كِلاهُمَا عَنْ أَزْهَرَ، عَنْ عَبْدِ الأَعْلَى، عَنْ سَعِيدٍ (ح) .وَأَخْبَرَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي عُمَرَ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى عَائِشَةَ بِنْتِ مُحَمَّدٍ الْحَرَّانِيَّةِ وَأَنَا أَسْمَعُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي الْفَهْمِ سَمَاعًا، قَالَ: أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ أَسْعَدَ بْنِ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا أَبُو طَالِبِ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا شُعَيْبُ بْنُ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْن سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِنَّ لِلَّهِ تِسْعَةً وَتِسْعِينَ اسْمًا مِئَةً إِلا وَاحِدًا مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ» .أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ حَمَّادٍ كَمَا أَخْرَجْنَاهُ بِالإِسْنَادِ الأَوَّلِ عَلَى الْمُوَافَقَةِ الْعَالِيَةِ.وَأَخْرَجَهُ أَيْضًا عَنْ يُوسُفَ بْنِ حَمَّادٍ ، عَنْ عَبْدِ الأَعْلَى بِالإِسْنَادِ الثَّانِي.أَخْرَجَهُ ابْنُ حِبَّانَ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ الْعَسْكَرِيِّ ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ حَمَّادٍ.وَقَدْ وَقَعَ لَنَا مِنْ طُرُقٍ أُخْرَى عَنِ ابْنِ سِيرِينَ أعَلَى مِمَّا سُقْنَاهُ بِدَرَجَةٍ أُخْرَى وَبِهِ إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَحْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ ، وَأَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ، قَالَ الأَوَّلُ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُونُسَ ، قَالَ: حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، وَقَالَ الثَّانِي: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ (ح) .وَقَرَأْتُ عَلَى خَدِيجَةَ بِنْتِ الشَّيْخِ أَبِي إِسْحَاقَ الْبَعْلِيِّ ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ عَسَاكِرٍ إِجَازَةً إِنْ لَمْ يَكُنْ سَمَاعًا، وَعَنْ أَبِي نَصْرِ بْنِ الشِّيرَازِيِّ، قَالا: أَخْبَرَنَا مَحْمُودُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ فِي كِتَابِهِ، أَخْبَرَنَا مَسْعُودُ بْنُ الْحَسَنِ، أَخْبَرَنَا الَمُطَهَّرُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ، أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ التَّاجِرُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْعَلاءِ، حَدَّثَنَا عَمِّي أَحْمَدُ (ح) .وَقَرَأْتُ عَلَى أَبِي بَكْرِ بْنِ الْعِزِّ الفَرَضِيِّ، عَنْ عَائِشَةَ بِنْتِ مُحَمَّدِ بْنِ مُسْلِمٍ سَمَاعًا، قَالَتْ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْبَلْخِيُّ ، عَنْ السَّلَفِيِّ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنِ عَلِيٍّ الصُّوفِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ مَخْلَدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ النَّجَّادُ إِمْلاءً، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُكْرَمٍ، قَالا: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَكْرٍ (ح) .وَبِهِ إِلَى النَّجَّادِ قَالَ: أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ جَعْفَرٍ، أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ عَاصِمٍ، أَرْبَعَتُهُمْ عَنْ هِشَامٍ هُوَ ابْنُ حَسَّانٍ زَادَ عَلَى بْنِ عَاصِمٍ: وَأَخْبَرَنَا خَالِدُ هُوَ الْحَذَّاءُ كِلاهُمَا عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ مِثْلَهُ.لَكِنْ فِي رِوَايَةِ عَلِيِّ بْنِ عَاصِمٍ عَنْ شَيْخَيْهِ «مَنْ أَحْصَاهَا كُلَّهَا» .أَخْرَجَهُ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَاصِمٍ، وَرَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ.فَوَافَقْنَاهُ فِيهِمَا بِعُلُوٍّ.وَأَخْرَجَهُ أَبُو عَوَانَةَ ، عَنِ الصَّغَانِيِّ وَالزَّعْفَرَانِيِّ.كِلاهُمَا عَنْ رَوْحِ بْنِ عُبَادَةَ فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا عَالِيًاآخِرُ الْمَجْلِسِ الحَادِي وَالأَرْبَعِينَ بَعْدَ الْمِئَةِ ثُمَّ أَمْلانَا سَيِّدُنَا وَمَوْلانَا قَاضِي الْقُضَاةِ شَيْخُ الإِسْلامِ، نَفَعَ اللَّهُ بِبَرَكَتِهِ الْمُسْلِمِينَ آمِينَ.قَالَ:
-১০ - এবং তাঁর মাধ্যমে আবু নুআইম পর্যন্ত (সনদ পৌঁছেছে), তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে হামদান এবং আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর। প্রথমজন বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে সুফিয়ান। আর দ্বিতীয়জন বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদান। তারা উভয়েই আজহার থেকে, তিনি আবদুল আ'লা থেকে, তিনি সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন। (হ) এবং আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আবি উমর, তিনি বলেন: আয়েশা বিনতে মুহাম্মদ আল-হাররানিয়ার সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি শ্রবণসূত্রে আবদুর রহমান ইবনুল ফাহম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনে আসআদ ইবনে ইয়াহইয়া, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব ইবনে ইউসুফ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল আজিজ ইবনে আলী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শুআইব ইবনে ইসহাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহ, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে সিরীন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহর নিরানব্বইটি নাম রয়েছে, এক কম একশত। যে ব্যক্তি এগুলো আয়ত্ত করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।» এটি তিরমিযী ইউসুফ ইবনে হাম্মাদ থেকে বর্ণনা করেছেন, যেমনটি আমরা প্রথম সনদের মাধ্যমে উচ্চতর স্তরের সামঞ্জস্যসহ বর্ণনা করেছি। এবং তিনি এটি ইউসুফ ইবনে হাম্মাদ থেকেও দ্বিতীয় সনদের মাধ্যমে আবদুল আ'লার সূত্রে বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান এটি আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ আল-আসকারি থেকে, তিনি ইউসুফ ইবনে হাম্মাদ থেকে বর্ণনা করেছেন। আমাদের নিকট ইবনে সিরীনের সূত্রে আরও অন্যান্য পথে বর্ণনা পৌঁছেছে যা আমাদের উল্লেখ করা পূর্বের বর্ণনার চেয়ে আরও এক স্তর উচ্চতর। এবং তাঁর মাধ্যমেই আবু নুআইম পর্যন্ত (সনদ পৌঁছেছে), তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বাহর মুহাম্মদ ইবনুল হাসান এবং আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ। প্রথমজন বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইউনুস, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রাওহ ইবনে উবাদাহ। এবং দ্বিতীয়জন বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে আবদুর রহমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ ইবনে হারুন। (হ) এবং আমি শায়খ আবু ইসহাক আল-বালির কন্যা খাদীজার সামনে পাঠ করেছি, তিনি কাসিম ইবনে আসাকির থেকে ইজাজাতসূত্রে বর্ণনা করেছেন যদি শ্রবণসূত্রে না হয়, এবং আবু নাসর ইবনে শিরাজী থেকে। তারা উভয়ই বলেন: মাহমুদ ইবনে ইব্রাহিম তাঁর কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মাসউদ ইবনুল হাসান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুতাহার ইবনে আবদুল ওয়াহিদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইব্রাহিম ইবনে আবদুল্লাহ আত-তাজির, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল আলা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার চাচা আহমদ। (হ) এবং আমি আবু বকর ইবনুল ইয আল-ফারাদীর সামনে পাঠ করেছি, তিনি আয়েশা বিনতে মুহাম্মদ ইবনে মুসলিম থেকে শ্রবণসূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর আল-বালখী, তিনি সালাফী থেকে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর ইবনে আলী আস-সূফী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান ইবনে মাখলাদ, আমাদের নিকট আবু বকর আন-নাজ্জাদ শ্রুতিলিপি প্রদানের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাসান ইবনে মুকরম বর্ণনা করেছেন। তারা উভয়ই বলেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে বকর বর্ণনা করেছেন। (হ) এবং এর মাধ্যমেই নাজ্জাদ পর্যন্ত সনদ পৌঁছেছে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনে জাফর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে আসিম। তারা চারজনই হিশাম থেকে—যিনি হলেন ইবনে হাসসান—বর্ণনা করেছেন। আলী ইবনে আসিম অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন: এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন খালিদ—যিনি আল-হাদ্দা—তারা উভয়ই মুহাম্মদ ইবনে সিরীন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে অনুরুপ বর্ণনা করেছেন। তবে আলী ইবনে আসিমের তাঁর দুই শায়খের সূত্রে বর্ণিত রেওয়ায়েতে রয়েছে: «যে ব্যক্তি সেগুলোর সবগুলো আয়ত্ত করবে»। এটি আহমদ ইবনে আলী ইবনে আসিম এবং রাওহ ইবনে উবাদাহ বর্ণনা করেছেন। ফলে আমরা এই দুই সনদে উচ্চতর স্তরের সূত্রে তাঁদের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়েছি। এবং আবু আওয়ানাহ এটি সাগানী ও যা'ফরানী থেকে বর্ণনা করেছেন। তারা উভয়েই রাওহ ইবনে উবাদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি আমাদের জন্য একটি উচ্চতর স্তরের বিকল্প সনদ হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। একশত একচল্লিশতম মজলিসের সমাপ্তি। এরপর আমাদের নেতা ও অভিভাবক প্রধান বিচারপতি শায়খুল ইসলাম আমাদের শ্রুতিলিপি প্রদান করেছেন, আল্লাহ তাঁর বরকতের মাধ্যমে মুসলমানদের উপকৃত করুন, আমীন। তিনি বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসিল আসমায়িল হুসনা
(পৃষ্ঠা: ৫)
-10 - وَبِالإِسْنَادِ الْمَاضِي إِلَى النَّجَّادِ قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِسْحَاقَ (ح) .وَأَخْبَرَنِي إِمَامُ الْحُفَّاظِ أَبُو الْفَضْلِ بْنُ الْحُسَيْنِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ الْقَيِّمِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ الْمَقْدِسِيُّ (ح) وَأَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ الفَارِقِيُّ إِجَازَةً، أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ يَحْيَى الآمِدِيُّ، أَخْبَرَنَا يُوسُفُ بْنُ خَلِيلٍ الْحَافِظُ، قَالا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي زَيْدٍ، قَالَ يُوسُفُ: سَمَاعًا، وَأَبُو الْحَسَنِ: إِجَازَةً، أَخْبَرَنَا مَحْمُودُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ بْنُ فَاذَشَاهْ، أَخْبَرَنَا الطَّبَرَانِيُّ (ح) .وَبِالإِسْنَادِ الْمَاضِي إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ هُوَ الطَّبَرَانِيُّ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ صَالِحٍ الشِّيرَازِيُّ بِمَكَّةَ، قَالا: حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ الْهَيْثَمِ، حَدَّثَنَا عَوْفٌ هُوَ الأَعْرَابِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لِلَّهِ تِسْعَةٌ وَتِسْعُونَ اسْمًا مِئَةٌ غَيْرَ وَاحِدَةٍ، مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ» .لَفْظُ إِبْرَاهِيمَ.هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ، وَإِسْنَادُهُ عَلَى شَرْطِ الْبُخَارِيِّ، وَلَمْ يَخْرِجْهُ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ.وَوَقَعَ لَنَا مِنْ وَجْهٍ آخَرٍ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الْهَيْثَمِ، فَزَادَ فِيهِ الْحَسَنَ مَعَ ابْنِ سِيرِينَ وَبِهِ إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الأَشْعَثِ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ النَّهْشَلِيُّ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ الْهَيْثَمِ، حَدَّثَنَا عَوْفُ عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، وَالْحَسَنُ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، فَذَكَرَ نَحْوَهُذِكْرُ مَنْ رَوَاهُ مُقْتَصِرًا عَلَى أَحَدِ اللَّفْظَيْنِ فِي الْعَدَدِ.
-১০ - এবং পূর্বোক্ত সনদে নাজ্জাদ পর্যন্ত, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইসমাঈল ইবনে ইসহাক বর্ণনা করেছেন (হ)।এবং হাফেজগণের ইমাম আবুল ফজল ইবনুল হুসাইন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ ইবনুল কায়্যিম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আল-মাকদিসি (হ)। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মাদ আল-ফারেকি অনুমতিক্রমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসহাক ইবনে ইয়াহইয়া আল-আমিদি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফেজ ইউসুফ ইবনে খলিল; তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে আবি যাইদ; ইউসুফ সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে এবং আবুল হাসান অনুমতিক্রমে সংবাদ দিয়েছেন; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মাহমুদ ইবনে ইসমাঈল, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন ইবনে ফাযাশাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাবারানি (হ)।এবং আবু নুআইম পর্যন্ত পূর্বোক্ত সনদে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুলাইমান ইবনে আহমদ বর্ণনা করেছেন—তিনি হলেন তাবারানি—আমাদের নিকট মক্কায় ইবরাহিম ইবনে সালেহ আশ-শিরাজি বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট উসমান ইবনুল হাইসাম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আওফ বর্ণনা করেছেন—তিনি হলেন আল-আরাবি—মুহাম্মাদ ইবনে সিরিন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «আল্লাহর নিরানব্বইটি নাম রয়েছে, এক কম একশ; যে ব্যক্তি সেগুলো আয়ত্ত করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।»এটি ইবরাহিমের শব্দ। এই হাদিসটি সহিহ, এবং এর সনদ বুখারির শর্তানুসারে, যদিও তিনি এই সূত্র থেকে এটি বর্ণনা করেননি।এবং উসমান ইবনুল হাইসাম থেকে আমাদের নিকট অন্য একটি সূত্রে এটি পৌঁছেছে, যাতে তিনি ইবনে সিরিনের সাথে হাসানকেও যুক্ত করেছেন। এবং উক্ত সনদেই আবু নুআইম পর্যন্ত, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ ইবনে ইবরাহিম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ ইবনে সুলাইমান ইবনুল আশআসা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইসহাক ইবনে ইবরাহিম আন-নাহশালি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট উসমান ইবনুল হাইসাম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আওফ ইবনে সিরিন ও হাসান থেকে, তাঁরা আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন; অতঃপর তিনি অনুরূপ হাদিস উল্লেখ করেছেন।সংখ্যার ক্ষেত্রে যে কোনো একটি শব্দের ওপর সীমাবদ্ধ থেকে যারা এটি বর্ণনা করেছেন তাদের উল্লেখ।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসিল আসমায়িল হুসনা
(পৃষ্ঠা: ৬)
-10 - أَخْبَرَنِي الْعِمَادُ أَبُو بَكْرٍ الفَرَضِيُّ، أَخْبَرَنَا الْعِمَادُ أَبُو بَكْرِ بْنِ الرَّضِيِّ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْخَطِيبُ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ مَحْمُودٍ، أَخْبَرَنَا حَمْزَةُ بْنُ الْعَبَّاسِ، أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرِ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الشَّيْخِ بْنُ حَيَّانَ (ح) .وَبِالسَّنَدِ الْمَاضِي إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ أَيُّوبَ، قَالا: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدَانَ، حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ بَكَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَوْنٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لِلَّهِ تِسْعَةٌ وَتِسْعُونَ اسْمًا، مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ» .ذِكْرُ مَنْ رَوَاهُ مُقْتَصِرًا عَلَى اللَّفْظِ الآخَرِ.
-১০ - আমাকে ইমাদ আবু বকর আল-ফারাযী সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাদ আবু বকর ইবনুর রাযী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল আল-খাতীব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন মাহমুদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হামযাহ বিন আব্বাস, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির বিন আব্দুর রহীম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুশ শাইখ বিন হাইয়ান (হ) ।এবং আবু নুআইম পর্যন্ত পূর্ববর্তী সনদে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন ইসহাক বিন আইয়ুব, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবরাহীম বিন সাদান, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন বকর বিন বাক্কার, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আউন, মুহাম্মাদ বিন সীরীন থেকে বর্ণিত, তিনি আবু হুরাইরা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «আল্লাহর নিরানব্বইটি নাম রয়েছে, যে ব্যক্তি সেগুলো গণনা করবে (বা আয়ত্ত করবে), সে জান্নাতে প্রবেশ করবে» .যারা এটিকে অপর পাঠের ওপর সীমাবদ্ধ রেখে বর্ণনা করেছেন তাদের উল্লেখ।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসিল আসমায়িল হুসনা
(পৃষ্ঠা: ৭)
-10 - وَبِهِ إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ، وَسُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، قَالَ الأَوَّلُ: حَدَّثَنَا عَبْدَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ، وَالثَّانِي: حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا السَّاجِيُّ، قَالا: حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَبِيبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رُشَيْدٍ، حَدَّثَنَا مُجَّاعَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِنَّ للَّهِ مِئَةَ اسْمٍ غَيْرَ اسْمٍ، مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ» .مُجَّاعَةُ بِضَمِّ الْمِيمِ وَتَشْدِيدِ الْجِيمِ وَرُشَيْدٌ بِالتَّصْغِيرِ ذِكْرُ مَنْ رَوَاهُ بِلَفْظِ «حَفِظَهَا» بَدَلِ «أَحْصَاهَا» هُوَ كَذَلِكَ فِي رِوَايَةِ أَزْهَرَ بْنِ جَمِيلٍ ، عَنْ عَبْدِ الأَعْلَى، وَقَدْ تَقَدَّمَتْ.وَكَذَلِكَ رَوَيْنَا مِنْ طَرِيقِ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ ، وَمُوسَى بْنِ عُقْبَةَ ، وَوَرْقَاءَ بْنِ عُمَرَ، ثَلاثَتُهُمْ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ.أَمَّا رِوَايَةُ ابْنِ عُيَيْنَةَ:
-১০ - এবং তাঁর মাধ্যমে আবু নুআইম পর্যন্ত (সনদ)। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ এবং সুলায়মান ইবনে আহমদ। প্রথমজন বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদান ইবনে মুহাম্মদ; এবং দ্বিতীয়জন বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যাকারিয়া আস-সাজি। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাবিব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে রুশাইদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুজ্জাআহ ইবনে আয-যুবাইর, তিনি মুহাম্মদ ইবনে সিরীন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: «নিশ্চয় আল্লাহর এক কম একশটি নাম রয়েছে, যে ব্যক্তি এগুলো আয়ত্ত করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।» 'মুজ্জাআহ' শব্দটি মীমের পেশ এবং জীমের তাশদীদ সহযোগে এবং 'রুশাইদ' শব্দটি তাসগীর (ক্ষুদ্রার্থক রূপ) হিসেবে। উল্লেখ সেই ব্যক্তির যিনি এটি 'আহসাহা' শব্দের পরিবর্তে 'হাফিজাহা' শব্দে বর্ণনা করেছেন; এটি আযহার ইবনে জামিল-এর বর্ণনায় আবদাল আলা থেকে এভাবেই এসেছে এবং তা পূর্বে বর্ণিত হয়েছে।অনুরূপভাবে আমরা সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা, মুসা ইবনে উকবা এবং ওয়ারকা ইবনে উমর-এর সূত্র থেকে বর্ণনা করেছি; তাঁরা তিনজনই আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আ'রাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন।ইবনে উয়াইনার বর্ণনার ক্ষেত্রে:
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসিল আসমায়িল হুসনা
(পৃষ্ঠা: ৮)
-10 - فَأَخْبَرَنِي أَبُو الْفَرَجِ بْنُ الغَزِّيِّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ قُرَيْشٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَرَجِ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ، عَنْ أَبِي الْحَسَنِ الْحَمَّالِ، أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ (ح) .وَبِالسَّنَدِ الْمَاضِي إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ ، حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا الَحُمَيْدِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ لِلَّهِ تِسْعَةً وَتِسْعِينَ اسْمًا مِئَةً غَيْرَ وَاحِدَةٍ، مَنْ حَفِظَهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ» .مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ مِنْ رِوَايَةِ ابْنِ عُيَيْنَةَ.أَخْرَجَ الْبُخَارِيُّ مِنْ رِوَايَةِ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ.وَمُسْلِمٌ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُحَمَّدٍ، وَزُهَيْرِ بْنِ حَرْبٍ.وَمُسْلِمٌ أَيْضًا وَالتِّرْمِذِيُّ ، عَنِ ابْنِ أَبِي عُمَرَ.أَرْبَعَتُهُمْ عَنِ ابْنِ عُيَيْنَةَ.فَفِي رِوَايَةِ عَمْرٍو «مَنْ حَفِظَهَا» كَمَا قَالَ الْحُمَيْدِيُّ.فِي رِوَايَةِ عَلِيٍّ «لا يَحْفَظُهَا أَحَدٌ إِلا دَخَلَ الْجَنَّةَ» .وَفِي رِوَايَةِ غَيْرِهِمَا «مَنْ أَحْصَاهَا» .ذَكَرَ رِوَايَةِ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ
-১০ - আবু আল-ফারাজ ইবনুল গাজ্জি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান ইবনে কুরাইশ, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফারাজ ইবনে আব্দুল মুনইম, আবুল হাসান আল-হাম্মাল থেকে, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান ইবনে আহমাদ, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ (হ)।এবং পূর্ববর্তী সনদে আবু নুআইম পর্যন্ত, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলী মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনুল হাসান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর ইবনে মুসা, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুমাইদি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনা, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুয যিনাদ, তিনি আল-আরাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয় আল্লাহর নিরানব্বইটি নাম রয়েছে, যা এক কম একশত; যে ব্যক্তি তা হিফজ করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে»।ইবনে উইয়াইনার বর্ণনা থেকে এটি মুত্তাফাকুন আলাইহি (বুখারি ও মুসলিম দ্বারা সর্বসম্মত)।ইমাম বুখারি এটি আলি ইবনে আব্দুল্লাহর বর্ণনা থেকে উদ্ধৃত করেছেন।এবং ইমাম মুসলিম আমর ইবনে মুহাম্মদ ও যুহাইর ইবনে হারব থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।এবং ইমাম মুসলিম ও তিরমিযীও এটি ইবনে আবি উমর থেকে বর্ণনা করেছেন।তারা চারজনই ইবনে উইয়াইনা থেকে বর্ণনা করেছেন।সুতরাং আমরের বর্ণনায় রয়েছে «যে ব্যক্তি তা হিফজ করবে» যেমনটি হুমাইদি বলেছেন।আলির বর্ণনায় রয়েছে «কেউ তা হিফজ করবে না তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে»।এবং তাদের দুজন ছাড়া অন্যদের বর্ণনায় রয়েছে «যে ব্যক্তি তা গণনা করবে»।মুসা ইবনে উকবার বর্ণনাও উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসিল আসমায়িল হুসনা
(পৃষ্ঠা: ৯)
-10 - وَبِهِ إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا مَخْلَدُ بْنُ مَالِكٍ، حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ مَيْسَرَةَ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لِلَّهِ تِسْعَةٌ وَتِسْعَونَ اسْمًا مِئَةٌ إِلا وَاحِدَةً مَنْ حَفِظَهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ» .رِجَالُهُ الصَّحِيحُ، إِلا مَخْلَدَ بْنَ مَالِكٍ، وَهُوَ ثِقَةٌ، أَخْرَجَ لَهُ النَّسَائِيُّآخِرُ الْمَجْلِسِ الثَّانِي وَالأَرْبَعِينَ بَعْدَ الْمِئَةِ ثُمَّ أَمْلانَا سَيِّدُنَا وَمَوْلانَا قَاضِي الْقُضَاةِ شَيْخُ الإِسْلامِ، نَفَعَ اللَّهُ بِبَرَكَتِهِ الْمُسْلِمِينَ آمِينَ.قَالَ: ذَكَرَ رِوَايَةَ وَرْقَاءَ وَبِالسَّنَدِ الْمَاضِي إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ بَهْلُولٍ، حَدَّثَنِي أَبِي ، عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ حَدَّثَهُ ، عَنْ وَرْقَاءَ بْنِ عُمَرَ ، عَن أَبِي الزِّنَادِ، فَذَكَرَ مِثْلَ رِوَايَةِ الْحُمَيْدِيِّ.وَرَوَاهُ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ جَمَاعَةٌ بِلَفْظِ (أَحْصَاهَا) مِنْهُمْ ابْنُهُ عَبْدُ الرَّحْمَنُ وَمَالِكٌ وَشُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ وَابْنُ إِسْحَاقَ.أَمَّا رِوَايَةُ مَالِكٍ ، وَابْنِ أَبِي الزِّنَادِ:
-১০ - এবং তাঁর মাধ্যমেই আবু নুআইম পর্যন্ত (সনদ পৌঁছেছে), তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে আহমদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে সাঈদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মাখলাদ ইবনে মালিক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাফস ইবনে মাইসারা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে উকবা, তিনি আবু যিনাদ থেকে, তিনি আরায থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: “আল্লাহর নিরানব্বইটি নাম রয়েছে, এক কম একশত; যে ব্যক্তি তা সংরক্ষণ (মুখস্থ) করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।” এর বর্ণনাকারীগণ সহীহ (গ্রন্থের) বর্ণনাকারী, মাখলাদ ইবনে মালিক ব্যতীত, এবং তিনি নির্ভরযোগ্য, ইমাম নাসাঈ তাঁর থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন।একশত বিয়াল্লিশতম মজলিসের সমাপ্তি। এরপর আমাদের নিকট ইমলা (শ্রুতিলিপি) প্রদান করেছেন আমাদের নেতা ও অভিভাবক, প্রধান বিচারপতি, শায়খুল ইসলাম; আল্লাহ তাঁর বরকতের মাধ্যমে মুসলিমদের উপকৃত করুন, আমীন।তিনি বলেন: ওয়ারকা-এর বর্ণনাটি উল্লেখ করা হয়েছে এবং আবু নুআইম পর্যন্ত পূর্বোক্ত সনদে তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আলী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে ইসহাক ইবনে বাহলুল, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে যে, তিনি তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়ারকা ইবনে উমর থেকে, তিনি আবু যিনাদ থেকে; এরপর তিনি হুমায়দীর বর্ণনার অনুরূপ উল্লেখ করেছেন।এবং একদল বর্ণনাকারী আবু যিনাদ থেকে এটি ‘আহসাহা’ (যে তা আয়ত্ত করবে) শব্দে বর্ণনা করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন তাঁর পুত্র আবদুর রহমান, মালিক, শুআইব ইবনে আবু হামযা এবং ইবনে ইসহাক।আর মালিক এবং ইবনে আবু যিনাদের বর্ণনার ক্ষেত্রে:
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসিল আসমায়িল হুসনা
(পৃষ্ঠা: ১০)
-10 - فأَخْبَرَنِي الْحَافِظُ أَبُو الْفَضْلِ بْنِ الْحُسَيْنِ، بِالسَّنَدِ الْمَاضِي إِلَى الطَّبَرَانِيِّ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ رِشْدِينَ ، وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ الْحَسَنِ الخَفَّافُ ، قَالا: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ (ح) .وَبِالسَّنَدِ الْمَاضِي إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، وَأَبُو مُحَمَّدِ بْنُ حَيَّانَ، وَأَبُو الْقَاسِمِ بْنُ يَاسِينَ، قَالَ الأَوَّلُ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ قُتَيْبَةَ، حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ، وَقَالَ الثَّانِي: حَدَّثَنَا أَبُو الْحُرَيْشِ الكُلابِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدِ اللَّهُ بْنُ أَخِي ابْنِ وَهْبٍ، وَقَالَ الثَّالِثُ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالُوا: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي مَالِكٌ ، وَابْنُ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لِلَّهِ تِسْعَةٌ وَتِسْعَونَ اسْمًا مِئَةٌ إِلا وَاحِدَةً، مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ، إِنَّهُ وِتْرٌ يَحِبُّ الْوُتْرَ» .لَمْ يَذْكُرْ أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ فِي رَوَايَتِهِ ابْنَ أَبِي الزِّنَادِ.وَأَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ فِي الْكُبْرَى ، عَنِ الرَّبِيعِ بْنِ سُلَيْمَانَ.فَوَافَقْنَاهُ بِعُلُوٍّ.إِلا أَنَّهُ كَنَّى عَنِ ابْنِ أَبِي الزِّنَادِ، فَقَالَ: مَالِكٌ وَآخَرُ.وَأَخَْرَجَهُ أَبُو عَوَانَةَ عَنِ الرَّبِيعِ كَمَا أَخْرَجْنَاهُ.فَوَافَقْنَاهُ أَيْضًا.وَأَخْرَجَهُ الدَّارَقُطْنِيُّ فِي «الْغَرَائِبِ» عَنْ أَبِي بَكْرٍ النَّيْسَابُورِيِّ ، وَالْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ كِلاهُمَا ، عَنْ مَالِكٍ بِهِ.وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ، وَلَيْسَ فِي الْمُوَطَّإِ.وَأَخْرَجَهُ أَيْضًا مِنْ رِوَايَةِ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ يَحْيَى بْنِ بُكَيْرٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنِ ابْنِ وَهْبٍ ، عَنْ مَالِكٍ وَحْدِهِ.وَوَقَعَ فِيهِ عِنْدَهُ زِيَادَةٌ مُسْتَغْرَبَةٌ جِدًّا، لَمْ أَرَهَا فِي شَيْءٍ مِنْ طُرُقِهِ، قَالَ فِيهِ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " قَالَ اللَّهُ عز وجل: لِي تِسْعَةٌ وَتِسْعُونَ اسْمًا. . . " الْحَدِيثُ وَوَقَعَتْ لَنَا رِوَايَةُ ابْنِ أَبِي الزِّنَادِ مِنْ وَجْهٍ آخَرٍ أعْلَى مَمَّا تَقَدَّمَ بِدَرَجَةٍ.وَبِهِ إِلَى الطَّبَرَانِيِّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو يَزِيدَ القَرَاطِيسِيُّ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي الزِّنَادِ، فَذَكَرَهُ.وَأَمَّا رِوَايَةُ شُعَيْبٍ فَأَخْرَجَهَا الْبُخَارِيُّ وَغَيْرُهُ، وَسَيَأْتِي ذِكْرُهَا عِنْدَ سِيَاقِ الأَسْمَاءِ.وَأَمَّا رِوَايَةُ ابْنِ إِسْحَاقَ
-১০ - হাফেয আবুল ফযল ইবনুল হুসাইন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তাবারানি পর্যন্ত পূর্বোক্ত সনদে। আহমাদ ইবনে রুশদিন এবং ইসমাঈল ইবনুল হাসান আল-খাফাফ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আহমাদ ইবনে সালিহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ইবনে ওয়াহাব আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন (হ)।এবং আবু নুআইম পর্যন্ত পূর্বোক্ত সনদে, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে ইবরাহিম, আবু মুহাম্মাদ ইবনে হাইয়্যান এবং আবুল কাসিম ইবনে ইয়াসিন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন। প্রথমজন বলেছেন: মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান ইবনে কুতায়বাহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, হারুন ইবনে সাঈদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন। দ্বিতীয়জন বলেছেন: আবুল হুরিশ আল-কিলাবি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ইবনে ওয়াহাবের ভ্রাতুষ্পুত্র আবু উবায়দুল্লাহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন। তৃতীয়জন বলেছেন: মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক ইবনে খুযাইমাহ বলেছেন: রাবী ইবনে সুলাইমান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন। তাঁরা সকলে বলেছেন: ইবনে ওয়াহাব আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: মালিক এবং ইবনে আবিয যিনাদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আরায থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «আল্লাহর নিরানব্বইটি নাম রয়েছে, অর্থাৎ এক কম একশটি। যে ব্যক্তি এগুলো গণনা করবে (আয়ত্ত করবে), সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। নিশ্চয়ই তিনি বেজোড় এবং তিনি বেজোড় পছন্দ করেন।» আহমাদ ইবনে সালিহ তাঁর বর্ণনায় ইবনে আবিয যিনাদের কথা উল্লেখ করেননি।ইমাম নাসাঈ তাঁর ‘আল-কুবরা’ গ্রন্থে রাবী ইবনে সুলাইমানের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।ফলে আমরা উচ্চতর সনদের মাধ্যমে তাঁর সাথে একমত হয়েছি।তবে তিনি ইবনে আবিয যিনাদের নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ না করে ইঙ্গিত করে বলেছেন: মালিক এবং অন্য একজন।আবু আওয়ানাহ এটি রাবীর সূত্রে বর্ণনা করেছেন ঠিক যেভাবে আমরা বর্ণনা করেছি।ফলে আমরা তাঁর সাথেও একমত হয়েছি।দারাকুতনি এটি তাঁর ‘আল-গারায়িব’ গ্রন্থে আবু বকর আন-নায়সাবুরি এবং হাসান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়েই মালিকের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।তিনি বলেছেন: এটি একটি সহিহ হাদিস, তবে এটি মুয়াত্তা গ্রন্থে নেই।তিনি এটি আব্দুল মালিক ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইরের বর্ণনা থেকেও উল্লেখ করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে ওয়াহাব থেকে, তিনি এককভাবে মালিকের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।তাঁর কাছে এতে অত্যন্ত বিস্ময়কর একটি অতিরিক্ত অংশ বর্ণিত হয়েছে, যা আমি এই হাদিসের অন্য কোনো সূত্রে দেখিনি। তাতে বলা হয়েছে: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা বলেছেন: আমার নিরানব্বইটি নাম রয়েছে..." (হাদিসটি)। আমাদের কাছে ইবনে আবিয যিনাদের বর্ণনাটি অন্য একটি সূত্রে পৌঁছেছে যা আগেরটির তুলনায় এক ধাপ উচ্চতর।সেই একই সনদে তাবারানি পর্যন্ত, তিনি বলেন: আবু ইয়াজিদ আল-কারাতিসি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, সাঈদ ইবনে আবি মারয়াম আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আব্দুর রহমান ইবনে আবিয যিনাদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, অতঃপর তিনি তা উল্লেখ করেছেন।আর শুআইবের বর্ণনার কথা বলতে গেলে, তা ইমাম বুখারি ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন এবং নামসমূহের বর্ণনার সময় তা সামনে আসবে।আর ইবনে ইসহাকের বর্ণনার কথা বলতে গেলে...
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসিল আসমায়িল হুসনা
(পৃষ্ঠা: ১১)
-10 - فَأَخْبَرَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْعِزِّ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى زَيْنَبَ بِنْتِ الْكَمَالِ، وَأَنَا أَسْمَعُ عَنْ مُحَمَّدُ بْنِ عَبْدِ الْكَرِيمِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَتْحِ بْنُ نَجَا، أَخْبَرَنَا أَبُو سَعْدِ بْنِ خُشَيْشٍ ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيِّ بْنِ. . ..شَاذَانَ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنِ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُكْرَمٍ (ح) .وَبِالسَّنَدِ الْمَاضِي إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ خَلادٍ ، وَمُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيٍّ فَرَّقَهُمَا، قَالا: حَدَّثَنَا الْحَارِثُ بْنُ أَبِي أُسَامَةَ (ح) .وَقَرَأْتُ عَلَى فَاطِمَةَ بِنْتِ عَبْدِ الْهَادِي، عَنْ أَحْمَدَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ الْحُبَابِ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَكِّيٍّ، أَخْبَرَنَا السَّلَفِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ السَّلارُ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ الْحِيرِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيِّ بْنُ مَعْقِلٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الذُّهْلِيُّ - وَاللَّفْظُ لَهُ، قَالُوا: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ لِلَّهِ تِسْعَةً وَتِسْعِينَ اسْمًا مِئَةً غَيْرَ وَاحِدٍ ، مَنْ أَحْصَاهَا كُلَّهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ، إِنَّهُ وِتْرٌ يَحِبُّ الْوِتْرَ» .أَخْرَجَهُ أَحْمَدُ ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ هَارُونَ.فَوَافَقْنَاهُ بِعُلُوٍّ، وَلَمْ أَرَ فِي شَيْءٍ مِنْ طُرُقِهِ لَفْظَ كُلِّهَا، إِلا فِي هَذِهِ الرِّوَايَةِ.ذِكَرُ مَنْ رَوَاهُ بِلَفْظٍ غَيْرِ لَفْظِ التَّرْغِيبِ الْمَشْهُوِر.
-১০ - আবু বকর বিন ইবরাহিম বিন আল-ইজ্জ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: জাইনাব বিনতে আল-কামালের নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম, মুহাম্মদ বিন আব্দুল কারিম থেকে, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ বিন নাজা, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ বিন খুশাইশ, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী বিন...শাযান, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর বিন সুলাইমান, তিনি বলেন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হাসান বিন মুকরাম (ح)।এবং পূর্বোক্ত সনদে আবু নুআইম পর্যন্ত, তিনি বলেন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু বকর বিন খাল্লাদ এবং মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন আলী—তিনি তাদের পৃথক করেছেন—তারা বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আল-হারিস বিন আবু উসামা (ح)।এবং আমি ফাতিমা বিনতে আব্দুল হাদীর নিকট পাঠ করেছি, তিনি আহমাদ বিন ইসমাইল বিন আল-হুবাব থেকে, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান বিন মাক্কী, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আস-সালাফী, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আস-সাল্লার, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আল-হীরী, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী বিন মাকিল, তিনি বলেন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আদ-যুহলী—এবং শব্দের গঠন তাঁরই—তারা বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইয়াযিদ বিন হারুন, তিনি বলেন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইসহাক, তিনি আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আ'রাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহর নিরানব্বইটি নাম রয়েছে, এক কম একশত; যে ব্যক্তি সেগুলো সব সংরক্ষণ করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। নিশ্চয়ই তিনি বিজোড় এবং বিজোড়কে পছন্দ করেন»।এটি বর্ণনা করেছেন আহমাদ, ইয়াযিদ বিন হারুন থেকে।ফলে আমরা উচ্চতর সনদের মাধ্যমে এর সাথে একমত হলাম। আর আমি এর কোনো সূত্রেই 'সবগুলো' (কুল্লাহা) শব্দটি দেখিনি, কেবল এই বর্ণনাটি ছাড়া।প্রসিদ্ধ উৎসাহব্যঞ্জক শব্দের পরিবর্তে ভিন্ন শব্দে যারা এটি বর্ণনা করেছেন তাদের উল্লেখ।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসিল আসমায়িল হুসনা
(পৃষ্ঠা: ১২)
-10 - وَبِهِ إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَرَجِ عَلِيِّ بْنُ الْحُسَيْنِ الأَصْبَهَانِيُّ الْكَاتِبُ فِي كِتَابِهِ وَقَدْ رَأَيْتُهُ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عُثْمَانَ الخَزَّازُ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا حُصَيْنُ بْنُ مُخَارِقٌ، عَنْ يَونَسَ بْنِ عُبَيْدٍ، وَصَالِحٍ الْمَرِّيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لِلَّهِ مِئَةُ اسْمٍ غَيْرَ اسْمٍ، مَنْ دَعَا بِهَا اسَتْجَابَ اللَّهُ دُعَاءَهُ» .هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ بِهَذَا اللَّفْظِ، تَفَرَّدَ بِهِ حُصَيْنُ بْنُ مُخَارِقٍ، وَهُوَ كُوفِيٌّ لَيْسَ بِالْقَوِيِّ أَخْرَجَهُ ابْنُ مَرْدَوَيْهِ فِي «التَّفْسِيرِ» عَنْ أَبِي الْفَرَجِ الَكَاتِبِ عَلَى الْمُوَافَقَةِ.وَزَادَ فِيهِ شُيُوخَ حُصَيْنٍ: دَاوُدَ أَبَا هِنْدٍ وَهِشَامَ بْنَ حَسَّانٍ، فَصَارُوا أَرْبَعَةً، وَذَكَرَهُ بِهَذَا اللَّفْظِ.وَأَخْرَجَ أَبُو نُعَيْمٍ مِنْ رِوَايَةِ مُقَاتِلِ بْنِ سُلَيْمَانَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ أَصْلَ الْحَدِيثِ بِلَفْظِ: «مَنْ أَحْصَاهَا أَوْ دَعَا بِهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ» .هَكَذَا بِالشَّكِّ، وَمُقَاتِلٌ لا يُعْبَأُ بِهِ وَاللَّهُ أَعْلَمُآخِرُ الْمُجْلِسِ الثَّالِثِ وَالأَرْبَعِينَ بَعْدَ الْمِئَةِ ثُمَّ أَمْلانَا سَيِّدُنَا وَمَوْلانَا قَاضِي الْقُضَاةِ شَيْخُ الإِسْلامِ نَفَعَ اللَّهُ الْمُسْلِمِينَ بِبِرَكَتِهِ آمِينَ.قَالَ: ذِكْرُ الرِّوَايَاتِ الَّتِي فِيهَا سِيَاقُ الأَسْمَاءِ
-১০ - এবং তাঁর মাধ্যমে আবু নুয়াইম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফারাজ আলী ইবনুল হুসাইন আল-আসবাহানি আল-কাতিব তাঁর গ্রন্থে এবং আমি তা দেখেছি; আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনুল হাসান ইবনে উসমান আল-খাজ্জাজ; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন ইবনে মুখারিক; ইউনুস ইবনে উবাইদ ও সালিহ আল-মুররি থেকে; তারা মুহাম্মদ ইবনে সিরিন থেকে; তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে; তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «আল্লাহর এক কম একশত নাম রয়েছে, যে ব্যক্তি সেই নামগুলোর মাধ্যমে প্রার্থনা করবে, আল্লাহ তার দোয়া কবুল করবেন।»এই শব্দে এটি একটি গারিব (বিরল) হাদিস। হুসাইন ইবনে মুখারিক এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন; তিনি কুফাবাসী এবং বর্ণনাকারী হিসেবে শক্তিশালী নন। ইবনে মারদুবাইহি এটি তাঁর ‘তাফসির’ গ্রন্থে আবুল ফারাজ আল-কাতিব থেকে অভিন্ন সূত্রে বর্ণনা করেছেন।তিনি সেখানে হুসাইনের আরও কয়েকজন উস্তাদের নাম বৃদ্ধি করেছেন: দাউদ আবু হিন্দ এবং হিশাম ইবনে হাসসান। ফলে তাদের সংখ্যা চারজন হয়েছে এবং তিনি হাদিসটি এই শব্দেই উল্লেখ করেছেন।আর আবু নুয়াইম মুকাতিল ইবনে সুলাইমানের বর্ণনা থেকে মুহাম্মদ ইবনে সিরিনের সূত্রে হাদিসের মূল পাঠ এই শব্দে বর্ণনা করেছেন: «যে ব্যক্তি এগুলোকে আয়ত্ত করবে অথবা এগুলোর মাধ্যমে দোয়া করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।»এভাবেই সন্দেহের সাথে (শব্দটি) বর্ণিত হয়েছে। আর মুকাতিল গ্রহণযোগ্য নন, আল্লাহই ভালো জানেন।একশত তেতাল্লিশতম মজলিসের সমাপ্তি। অতঃপর আমাদের সাইয়্যিদ ও মাওলা প্রধান বিচারপতি শাইখুল ইসলাম—আল্লাহ তাঁর বরকতে মুসলিমদের উপকৃত করুন, আমিন—আমাদেরকে আরও লিখিয়েছেন।তিনি বলেন: সেই বর্ণনাগুলোর উল্লেখ যেগুলোতে নামগুলোর ধারাবাহিকতা বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসিল আসমায়িল হুসনা
(পৃষ্ঠা: ১৩)
-10 - أَخْبَرَنِي أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ خَالِدٍ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ نَصْرٍ فِي كِتَابِهِ، أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا أَبُو عَمْرِو بْنِ حَمْدَانَ (ح) .وَأَخْبَرَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْحَمِيدِ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَيَارَةَ، أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ ، عَنْ زَاهِرِ بْنِ أَبِي طَاهِرٍ، أَخْبَرَنَا زَاهِرُ بْنُ طَاهِرٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو سَعْدٍ. . . الْكَنْجَرُوذِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَمْرِو بْنُ حَمْدَانَ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ (ح) .وَأَخْبَرَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْمَقْدِسِيُّ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى زَيْنَبَ بِنْتِ الْكَمَالِ وَأَنَا أَسْمَعُ، عَنْ ضَوْءِ الصَّبَاحِ الَبَغْدَادِيَّةِ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ الْعَبَّاسِ الرُّسْتَمِيِّ، وَمَسْعُودِ بْنِ الْحَسَنِ الثَّقَفِيِّ، قَالا: أَخْبَرَنَا أَبُو عَمْرِو بْنُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَنْدَهْ، أَخْبَرَنَا أَبِي فِي كِتَابِ «التَّوْحِيدِ» لَهُ، أَخْبَرَنَا خَيْثَمَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَوْفٍ (ح) .وَبِالسَّنَدِ الْمَاضِي إِلَى الطَّبَرَانِيِّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْمُعَلَّى، وَوَرَدَ بْنُ أَحْمَدَ (ح) .وَأَخْبَرَنِي الْعِمَادُ بْنُ الْعِزِّ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى عَائِشَةَ بِنْتِ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُسْلِمِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي الْفَهْمِ أَخْبَرَهُمْ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ بَوْشٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو طَالِبِ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الأَزَجِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ السِّمْسَارُ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الفِرْيَابِيُّ، قَالَ الْخَمْسَةُ: حَدَّثَنَا صَفْوَانُ بْنَ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا شُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ ، عَنِ الأَعْرَجِ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ لِلَّهِ تِسْعَةً وَتِسْعِينَ اسْمًا مِئَةً إِلا وَاحِدًا، مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ، وَهُوَ وِتْرٌ يَحِبُّ الْوِتْرَ، هُوَ اللَّهُ لا إِلَهَ إِلا هُوَ الرَّحْمَنُ الرَّحُيمَ، الْمَلِكُ، الْقُدُّوسُ، السَّلامُ، الْمُؤْمِنُ، الْمُيَهْمِنُ، الْعَزِيزُ، الْجَبَّارُ، الْمُتَكَبِّرُ، الْخَالِقُ، الْبَارِئُ، الْمُصَوِّرُ، الْغَفَّارُ، الْقَهَّارُ، الْوَهَّابُ، الرَّزَّاقُ، الْفَتَّاحُ، الْعَلِيمَ، الْقَابِضُ، الْبَاسِطُ، الْخَافِضُ، الرَّافِعُ، الْمُعِزُّ، الْمُذِلُّ، السَّمِيعُ، الْبَصِيرُ ، الْحَكَمُ، الْعَدْلُ، اللَّطِيفُ، الْخَبِيرُ، الْحَلِيمُ، الْعَظِيمُ، الْغَفُورُ، الشَّكُورُ، الْعَلِيُّ، الْكَبِيرَ، الْحَفِيظُ، الْمُقِيتُ، الْحَسِيبُ، الْجَلِيلُ، الْكَرِيمُ، الرَّقِيبُ، الْمُجِيبُ، الْوَاسِعُ، الْحَكِيمُ، الْوَدُودُ، الْمَجِيدُ، الْبَاعِثُ، الشَّهِيدُ، الْحَقُّ، الْوَكِيلُ، الْقَوِيُّ، الْمَتِينُ، الْوَلِيُّ، الْحَمِيدُ، الْمُحْصِي، الْمُبْدِئُ، الْمُعِيدُ، الْمُحْيِي، الْمُمِيتُ، الْحَيُّ، الْقَيُّومُ، الْوَاجِدُ، الْمَاجِدُ، الْوَاحِدُ، الصَّمَدُ، الْقَادِرُ، الْمُقْتَدِرُ، الْمُقَدِّمُ، الْمُؤَخِّرُ، الأَوَّلُ، الآخِرُ، الظَّاهِرُ، الْبَاطِنُ، الْوَالِي، الْمُتَعَالِي، الْبَرُّ، التَّوَّابُ، الْمُنْتَقِمُ، الْعَفُوُّ، الرَّءُوفُ، مَالِكَ الْمُلْكِ، ذَو الْجَلالِ وَالإِكْرَامِ، الْمُقْسِطَ، الْجَامِعُ، الْغَنِيُّ، الْمُغْنِي، الْمَانِعَ، الضَّارُّ، النَّافِعُ، النُّورُ، الْهَادِي، الْبَدِيعُ، الْبَاقِي، الْوَارِثُ، الرَّشِيدُ، الصَّبُورُ» .لَفْظُ جَعْفَرٍ.وَفِي رِوَايَةِ الْحَسَنِ بْنِ سُفْيَانَ «الرَّافِعُ» بَدَلُ «الْمَانِعِ» .وَفِي رِوَايَةِ الطَّبَرَانِيِّ «الْقَائِمُ الدَّائِمُ» بَدَلُ «الْقَابِضِ الْبَاسِطِ» وَ «الشَّدِيدُ» بَدَلُ «الرَّشِيدِ» وَقَدْ وأخر كَثِيرًا، وَوَقَعَ عِنْدَهُ «الأَعْلَى الْمُحِيطُ مَالِكُ يَوْمِ الدِّينِ» وَلَمْ يَقَعْ عِنْدَهُ «الْوَدُودُ الْمَجِيدُ» وَلا «الْحَكِيمُ» .وَبِهِ إِلَى ابْنِ مَنْدَهْ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُوسَى بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ النَّصِيبِيِّ ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، فَذَكَرَ الْحَدِيثَ، وَعِنْدَهُ «الْمُغِيثُ» بِالْغَيْنِ الْمُعْجَمَةِ وَالْمُثَلَّثَةُ بَدَلُ «الْمُقِيتُ» بِالْقَافِ وَالْمُثَنَّاةِ، وَعَلَى نَسَقِ الرِّوَايَةِ الَّتِي سُقْنَاهَا أَوَّلا.أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ يَعْقُوبَ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ صَالِحٍ.فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا عَالِيًا مِنَ الطُّرُقِ الأَرْبَعَةِ.وَقَالَ: «هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ، لا نَعْرِفُهُ إِلا مِنْ حَدِيثِ صَفْوَانَ بْنِ صَالِحٍ، وَقَدْ حَدَّثَنَا بِهِ غَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ صَفْوَانَ، وَهُوَ ثِقَةٌ عَنْ أَهْلِ الْحَدِيثِ» انْتَهَى.وَلَمْ يَنْفَرِدْ بِهِ صَفْوَانُ، فَقَدْ تَابَعَهُ مُوسَى بْنُ أَيُّوبَ ، عَنِ الْوَلِيدِ كَمَا تَرَى، وَمُوسَى ثِقَةٌ، وَثَّقَهُ الْعِجْلِيُّ وَأَبُو حَاتِمٍ وَغَيْرُهُمَا.وَأَخْرَجَ لَهُ أَبُو دَاوُدَ وَالنَّسَائِيُّ وَأَخْرَجَ الْحَدِيثَ أَيْضًا ابْنُ حِبَّانَ فِي «صَحِيحِهِ» عَنِ الْحَسَنِ بْنِ سُفْيَانَ.فَوَافَقْنَاهُ بِعُلُوٍّ.وَأَخْرَجَهُ الْحَاكِمُ ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْكَرَابِيسِيِّ ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ صَالِحٍ.وَمِنْ رِوَايَةِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ مُوسَى بْنِ أَيُّوبَ، كِلاهُمَا عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ مُسْلِمٍ.وَقَالَ: " اتَّفَقَ الشَّيْخَانِ عَلَى إِخْرَاجِ هَذَا الْحَدِيثِ، وَلَمْ يُخْرِجَاهُ بِسِيَاقِ الأَسْمَاءِ، وَالْعِلَّةُ عِنْدَهُمَا فِيهِ تَفَرُّدُ الْوَلِيدِ بْنِ مُسْلِمٍ، وَلا أَعْلَمُ عِنْدَ أَهْلِ الْحَدِيثِ اخْتِلافًا فِي أَنَّ الْوَلِيدَ أَوْثَقُ وَأَحْفَظُ وَأَعْلَمُ وَأَجَلُّ مِنِْ أَبِي الْيَمَانِ بِشْرِ بْنِ شُعَيْبٍ ، وَعَلِيِّ بْنِ عَيَّاشٍ وَغَيْرِهِمَا مِنْ أَصْحَابِ شُعَيْبِ بْنِ أَبِي حَمْزَةَ.كَأَنَّهُ يُرِيدُ أَنَّ هَؤُلاءِ رَوَوْهُ عَنْ شُعَيْبٍ بِدَونِ سِيَاقِ الأَسْمَاءِ بِخِلافِ الْوَلِيدِ، وَلا شَكَّ أَنَّ الزِّيَادَةَ مِنَ الثِّقَةِ مَقْبُولَةٌ، وَلاسِيَّمَا إِذَا كَانَ حَافِظًا، فَلَيْسَتِ الْعِلَّةُ عِنْدَهُمَا مُطْلَقَ التَّفَرُّدِ، بَلْ احْتِمَالَ كَوْنِ السِّيَاقُ مُدْرَجًا مِنْ بَعْضِ الرُّوَاةِ، وَيُؤَيِّدُهُ مُخَالَفَةِ الرِّوَايَةُ الأُخْرَى الآتِي ذِكْرُهَا فِي سِيَاقِ الأَسْمَاءِ، وَاللَّهُ أَعْلَمُآخِرُ الْمَجْلِسِ الرَّابِعُ وَالأَرْبَعِينَ بَعْدَ الْمِئَةِ ثُمَّ أَمْلانَا سَيِّدُنَا وَمَوْلانَا قَاضِي الْقُضَاةِ شَيْخُ الإِسْلامِ، نَفَعَ اللَّهُ الْمُسْلِمِينَ بِبَرَكَتِهِ آمِينَ.قَالَ: وَقَدْ سَبَقَ إِلَى هَذَا الاحْتِمَالِ الْبَيْهَقِيُّ وَنَقَلَهُ عَبْدُ الْعَزِيزِ النَّخْشَبِيُّ عَنْ جَمَاعَةٍ مِنَ الْعُلَمَاءِ.وَقَالَ ابْنُ عَطِيَّةَ: رَوَى التِّرْمِذِيُّ حَدِيثًا عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ فِيهِ سَرْدُ الأَسْمَاءِ، وَلَيْسَ بِمُتَوَاتِرٍ، وَإِنَّمَا الْمُتَوَاتِرُ مِنْهُ أَصْلُ الْحَدِيثِ، وَفِي سَرْدِ الأَسْمَاءِ تَرَدُّدٌ، فَإِنَّ بَعْضَهَا لَيْسَ فِي الْقُرْآنِ، وَلا فِي الْحَدِيثِ الصَّحِيحِ، انْتَهَى مُلَخَّصًا.وَدَعْوَى تَوَاتُرِ الْحَدِيثِ مَرْدُودَةٌ، فَإِنَّهُ لَمْ يَصِحَّ إِلا عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ.وَرُوِيَ عَنْ عَلِيٍّ وَسَلْمَانَ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَابْنِ عُمَرَ، أَخْرَجَهُمَا أَبُو نُعَيْمٍ، وَإِسْنَادُ كُلٍّ مِنْهَا مَعَ غَرَابَتِهِ ضَعِيفٌ.فَلَعَلَّهُ أَرَادَ تَوَاتُرَهُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، فَإِنَّ طُرُقَهُ إِلَيْهِ كَثِيرَةٌ جِدًّا.وَقَدْ وَقَعَ لَنَا مِنْ وَجْهٍ آخَرٍ عَنِ الأَعْرَجِ بِسَرْدِ الأَسْمَاءِ.
-১০ - আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনুল হাসান ইবনে মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে খালিদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে নাসর তাঁর কিতাবে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান ইবনে আহমদ ইবনে হাসান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর ইবনে হামদান (হ)।এবং আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর ইবনে আহমদ ইবনে আবদুল হামিদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে হাইয়ারা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে আহমদ ইবনে আবদুল ওয়াহিদ, জাহির ইবনে আবু তাহির থেকে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জাহির ইবনে তাহির, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ... আল-কানজারুজি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর ইবনে হামদান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে সুফিয়ান (হ)।এবং আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর ইবনে ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আল-মাকদিসি, তিনি বলেন: জয়নাব বিনতে কামালের নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি জাওউস সাবাহ আল-বাগদাদিয়া থেকে, তিনি হাসান ইবনুল আব্বাস আর-রুস্তামি এবং মাসউদ ইবনুল হাসান আস-সাকাফি থেকে, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর ইবনে আবু আবদুল্লাহ ইবনে মানদাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা তাঁর "আত-তাওহিদ" কিতাবে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন খাইসামা ইবনে সুলাইমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আউফ (হ)।এবং তাবারানি পর্যন্ত পূর্ববর্তী সনদের মাধ্যমে তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনুল মুআল্লা এবং ওয়ারদ ইবনে আহমদ (হ)।এবং আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইমাদ ইবনুল ইযয, তিনি বলেন: আয়েশা বিনতে মুহাম্মদ ইবনুল মুসলিমের নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি শুনছিলাম যে, আবদুর রহমান ইবনে আবুল ফাহম তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম ইবনে বাউশ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব ইবনে ইউসুফ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আল-আযাজি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আস-সিমসার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে মুহাম্মদ আল-ফিরইয়াবি, এই পাঁচজনই বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাফওয়ান ইবনে সালেহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শুআইব ইবনে আবু হামজাহ, তিনি আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আরাজ থেকে, তিনি আবু হুরাইরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহর নিরানব্বইটি নাম রয়েছে, এক কম একশত; যে ব্যক্তি এগুলো গণনা করবে (হেফজ করবে), সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তিনি বিজোড় এবং বিজোড়কে পছন্দ করেন। তিনি আল্লাহ, তিনি ব্যতীত কোনো সত্য উপাস্য নেই; তিনি পরম দয়ালু, পরম করুণাময়, অধিপতি, অতি পবিত্র, শান্তিদাতা, নিরাপত্তাদাতা, রক্ষক, পরাক্রমশালী, প্রতাপশালী, মহিমান্বিত, স্রষ্টা, উদ্ভাবক, রূপদানকারী, মহাক্ষমাশীল, মহাপরাক্রমশালী, মহাদানশীল, রিজিকদাতা, উন্মোচনকারী, সর্বজ্ঞ, সংকুচিতকারী, সম্প্রসারণকারী, অবনতকারী, উন্নতকারী, সম্মানদানকারী, অপমানকারী, সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা, বিচারক, ন্যায়পরায়ণ, সূক্ষ্মদর্শী, সম্যক অবগত, অত্যন্ত ধৈর্যশীল, মহিমান্বিত, অত্যন্ত ক্ষমাশীল, গুণগ্রাহী, সুউচ্চ, মহা মহান, সংরক্ষক, আহারদাতা, হিসাব গ্রহণকারী, মহিমান্বিত, মহা দয়ালু, তত্ত্বাবধায়ক, প্রার্থনা কবুলকারী, সর্বব্যাপী, প্রজ্ঞাময়, প্রেমময়, গৌরবময়, পুনরুত্থানকারী, সাক্ষী, সত্য, কর্মবিধায়ক, শক্তিশালী, সুদৃঢ়, অভিভাবক, প্রশংসিত, গণনাকারী, প্রথমবার সৃষ্টিকারী, পুনরায় সৃষ্টিকারী, জীবনদানকারী, মৃত্যুদানকারী, চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী, প্রাপক, মর্যাদাবান, একক, অমুখাপেক্ষী, ক্ষমতাবান, প্রবল পরাক্রমশালী, অগ্রগামীকারী, বিলম্বকারী, অনাদি, অনন্ত, প্রকাশ্য, লুক্কায়িত, অধিপতি, সর্বোচ্চ, কল্যাণময়, তওবা কবুলকারী, প্রতিশোধ গ্রহণকারী, ক্ষমাকারী, অতি দয়াময়, রাজ্যাধিপতি, মহিমা ও মহানুভবতার অধিকারী, ন্যায়পরায়ণ, একত্রকারী, অভাবমুক্ত, অভাবমোচনকারী, প্রতিরোধকারী, ক্ষতিকারক, উপকারী, জ্যোতি, পথপ্রদর্শক, অপূর্ব স্রষ্টা, অবিনশ্বর, উত্তরাধিকারী, সঠিক পথপ্রদর্শক, অত্যন্ত ধৈর্যশীল।"এটি জাফরের শব্দসমষ্টি।হাসান ইবনে সুফিয়ানের বর্ণনায় 'প্রতিরোধকারী' (আল-মানি) এর পরিবর্তে 'উন্নতকারী' (আর-রাফি) শব্দ এসেছে।আর তাবারানির বর্ণনায় 'সংকুচিতকারী ও সম্প্রসারণকারী' (আল-কাবিদ আল-বাসিত) এর পরিবর্তে 'প্রতিষ্ঠাতা ও চিরস্থায়ী' (আল-কায়িম আদ-দায়িম) এবং 'সঠিক পথপ্রদর্শক' (আর-রাশিদ) এর পরিবর্তে 'কঠোর' (আশ-শাদিদ) শব্দ এসেছে এবং তিনি অনেক নাম পেছনে উল্লেখ করেছেন। তাঁর বর্ণনায় 'সর্বোচ্চ, পরিবেষ্টনকারী, বিচার দিবসের মালিক' শব্দগুলো এসেছে, কিন্তু 'প্রেমময়, গৌরবময়' এবং 'প্রজ্ঞাময়' শব্দগুলো আসেনি।একই সনদে ইবনে মানদাহ পর্যন্ত, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুসা ইবনে আবদুর রহমান আন-নাসিবি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম, অতঃপর তিনি হাদিসটি উল্লেখ করেন। তাঁর বর্ণনায় 'আহারদাতা' (আল-মুকিত) এর পরিবর্তে 'উদ্ধারকারী' (আল-মুগিস) শব্দ এসেছে এবং বর্ণনার ধারা আমরা প্রথমে যা উল্লেখ করেছি সেই অনুযায়ীই রয়েছে।ইমাম তিরমিজি এটি ইব্রাহিম ইবনে ইয়াকুব থেকে, তিনি সাফওয়ান ইবনে সালেহ থেকে বর্ণনা করেছেন।এর ফলে আমরা এটি চারটি সূত্রের উচ্চতর পর্যায়ের বিকল্প সনদে লাভ করেছি।তিনি (তিরমিজি) বলেছেন: "এটি একটি গরিব হাদিস, সাফওয়ান ইবনে সালেহর হাদিস ছাড়া এটি আমাদের জানা নেই। আমাদের নিকট একাধিক জন সাফওয়ান থেকে এটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি হাদিস বিশারদদের নিকট নির্ভরযোগ্য।" - সমাপ্ত।সাফওয়ান এটি বর্ণনায় একক ছিলেন না, বরং মুসা ইবনে আইয়ুবও ওয়ালিদ থেকে তাঁর অনুসরণ করেছেন যেমনটি আপনি দেখছেন। আর মুসা নির্ভরযোগ্য, ইজলি, আবু হাতিম ও অন্যান্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।আবু দাউদ এবং নাসায়ি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বানও তাঁর "সহিহ" গ্রন্থে হাসান ইবনে সুফিয়ান থেকে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন।এতে আমরা উচ্চতর সনদে তাঁর সাথে একমত হয়েছি।হাকেম এটি আবু বকর ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-কারাবিসি থেকে, তিনি সাফওয়ান ইবনে সালেহ থেকে বর্ণনা করেছেন।এবং মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিমের বর্ণনা থেকে, তিনি মুসা ইবনে আইয়ুব থেকে, তাঁরা উভয়ে ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম থেকে বর্ণনা করেছেন।তিনি (হাকেম) বলেছেন: "শায়খাইন (বুখারি ও মুসলিম) এই হাদিসটি বর্ণনা করার ব্যাপারে একমত হয়েছেন, কিন্তু তাঁরা নামের তালিকা উল্লেখ করে এটি বর্ণনা করেননি। তাঁদের নিকট এর কারণ হলো এতে ওয়ালিদ ইবনে মুসলিমের একক বর্ণনা। অথচ হাদিস বিশারদদের নিকট আমি এমন কোনো মতভেদ জানি না যে, ওয়ালিদ; আবু ইয়ামান বিশর ইবনে শুআইব, আলী ইবনে আইয়াশ এবং শুআইব ইবনে আবু হামজাহর অন্যান্য সাথীদের চেয়ে অধিক নির্ভরযোগ্য, অধিক মুখস্থকারী, অধিক জ্ঞানী এবং অধিক মর্যাদাবান নন।"যেন তিনি বুঝাতে চেয়েছেন যে, তাঁরা এটি শুআইব থেকে নামের তালিকা ছাড়া বর্ণনা করেছেন, কিন্তু ওয়ালিদ তা করেছেন। আর এতে সন্দেহ নেই যে, নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীর অতিরিক্ত তথ্য গ্রহণযোগ্য, বিশেষ করে যদি তিনি হাফেজ হন। সুতরাং তাঁদের নিকট কারণটি কেবল একক বর্ণনা হওয়া নয়, বরং নামের এই তালিকাটি কোনো কোনো বর্ণনাকারী কর্তৃক মূল হাদিসে প্রক্ষিপ্ত (মুদরাজ) হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নামের তালিকার ক্ষেত্রে সামনে উল্লেখ করা হবে এমন অন্য বর্ণনার ভিন্নতা এই সম্ভাবনাকে সমর্থন করে। আল্লাহই ভালো জানেন।একশত চুয়াল্লিশতম মজলিসের সমাপ্তি। এরপর আমাদের নিকট এটি পাঠ করিয়েছেন আমাদের নেতা ও অভিভাবক প্রধান বিচারপতি শায়খুল ইসলাম, আল্লাহ তাঁর বরকতের মাধ্যমে মুসলিমদের উপকৃত করুন, আমিন।তিনি বলেন: এই সম্ভাবনার কথা ইতিপূর্বে বায়হাকি বলেছেন এবং আবদুল আজিজ আন-নাখশাবি একদল উলামা থেকে এটি উদ্ধৃত করেছেন।ইবনে আতিয়্যাহ বলেছেন: তিরমিজি আবু হুরাইরা থেকে একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন যাতে নামের তালিকা রয়েছে, কিন্তু সেটি মুতাওয়াতির (অবিচ্ছিন্ন জনশ্রুতিসম্পন্ন) নয়। কেবল হাদিসের মূল অংশটিই মুতাওয়াতির। আর নামের তালিকার ক্ষেত্রে সংশয় রয়েছে, কেননা এর মধ্যে এমন কিছু নাম রয়েছে যা কুরআনে নেই এবং সহিহ হাদিসেও নেই। - সংক্ষেপিত সমাপ্তি।হাদিসটি মুতাওয়াতির হওয়ার দাবিটি প্রত্যাখ্যাত, কারণ এটি কেবল আবু হুরাইরা থেকেই বিশুদ্ধভাবে বর্ণিত হয়েছে।এটি আলী, সালমান, ইবনে আব্বাস এবং ইবনে উমর থেকেও বর্ণিত হয়েছে যা আবু নুআইম বর্ণনা করেছেন, তবে এর প্রতিটি সনদই গরিব হওয়ার পাশাপাশি দুর্বল।সম্ভবত তিনি আবু হুরাইরা থেকে এটি মুতাওয়াতির হওয়ার উদ্দেশ্য করেছেন, কারণ তাঁর থেকে এর সূত্রগুলো অনেক বেশি।আমরা আল-আরাজ থেকে অন্য আরেকটি সূত্রেও নামের এই তালিকা লাভ করেছি।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসিল আসমায়িল হুসনা
(পৃষ্ঠা: ১৪)
-10 - وَبِالسَّنَدِ الْمَاضِي إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ حَيَّانَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ هُوَ مُوسَى بْنُ عَامِرٍ الْمَرِّيُّ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ (ح) .وَبِهِ إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ ، حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْحَاقَ (ح) .وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْخَيْرِ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْدِسِيُّ فِي كِتَابِهِ، وَقَرَأْتُ عَلَى أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْخَطِيبِ، كِلاهُمَا عَنْ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ الأَوَّلُ: سَمَاعًا، وَالثَّانِي: إِجَازَةً، عَنْ عَبْدِ اللَّطِيفِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ فِي آخَرِينَ قَالُوا: أَخْبَرَنَا طَاهِرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ الْحَسَنِ، أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ، قَالا: حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ هُوَ الْوَلِيدُ: حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ زَادَ ابْنُ يَزِيدَ: أَبُو الْمُنْذِرِ التَّمِيمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ الأَعْرَجُ، وَفِي رِوَايَةِ الْوَلِيدِ «عَنْ» فِي الْمَوْضِعَيْنِ ثُمَّ اتَّفَقَا، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «لِلَّهِ تِسْعَةٌ وَتِسْعُونَ اسْمًا مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ» وَفِي رِوَايَةِ ابْنِ يَزِيدَ «مَنْ حَفِظَهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ»قَالَ زُهَيْرٌ: فَبَلَغَنَا عَنْ غَيْرِ وَاحِدٍ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ أَنَّ أَوَّلَهَا يُفْتَتَحُ بِقَوْلِ: لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، بَيَدِهِ الْخَيْرُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، لَهُ الأَسْمَاءُ الْحُسْنَى، اللَّهُ، الأَحَدُ، الصَّمَدُ، فَسَرَدَ تِسْعَةً وَتِسْعِينَ اسْمًا.فَفِي رِوَايَةِ الْوَلِيدِ تَقْدِيمُ قَوْلِ زُهَيْرٍ الْمَذْكُورِ عَلَى سَرْدِ الأَسْمَاءِ.وَفِي رِوَايَةِ عَبْدِ الْمَلِكِ بِالْعَكْسِ.فَاحْتِمَالُ الإِدْرَاجِ فِي رِوَايَةِ عَبْدِ الْمَلِكِ أَبْعَدِ مِنْ رِوَايَةِ الْوَلِيدِ، وَتَكَرَّرَ فِي رِوَايَةِ الْوَلِيدِ هَذِهِ ثَلاثَةُ أَسْمَاءِ، وَهِيَ: (الأَحَدُ، الصَّمَدُ، الْهَادِي) وَسَلِمَتْ رِوَايَةُ عَبْدِ الْمَلِكِ مِنْ ذَلِكَ، فَفِيهَا (الْمُقْسِطُ، الْقَادِرُ، الْوَالِي، الرَّشِيدَ) وَفِي رِوَايَةِ عَبْدِ الْمَلِكِ أَيْضًا (الْفَاطِرُ التَّامُّ) وَبَدَلُهُمَا فِي رِوَايَةِ الْوَلِيدِ (الْعَادِلُ الْمُنِيرُ) وَخَالَفَا جَمِيعًا رِوَايَةَ أَبِي الزِّنَادِ الْمُتَقَدِّمَةَ فِي أَرْبَعَةٍ وَعِشْرِينَ اسْمًا مَعَ مَخَالَفَتِهِمَا لَهَا فِي التَّرْتِيبِ.فَالأَسْمَاءُ الَّتِي لَمْ يَذْكُرْهَا مِمَّا وَقَعَ فِي رِوَايَةِ أَبِي الزِّنَادِ «الْفَتَّاحُ ، الْقَهَّارُ، الْحَكَمُ، الْعَدْلُ، الْحَسِيبُ، الْجَلِيلُ، الْمُحْصِي، الْمُقْتَدِرُ، الْمُقَدِّمُ، الْمُؤَخِّرُ، الْبَرُّ، الْمُنْتَقِمُ، الْمُغْنِي، النَّافِعُ، الصَّبُورُ، الْبَدِيعُ، الْقُدُّوسُ، الْغَفَّارُ، الْحَفِيظُ، الْكَبِيرُ، الْوَاسِعُ، الْمَاجِدُ، مَالِكُ الْمُلْكِ، ذَو الْجَلالِ وَالإِكْرَامِ» .وَالأَسْمَاءُ الَّتِي ذَكَرَهَا بَدَلَهَا «الرَّبُّ، الْفَرْدُ، الكَافِي، الدَّائِمُ، الْقَاهِرُ ، الْمُبِينُ - بِالْمَوَحَّدَةِ - الصَّادِقُ، الْجَمِيلُ، الْبَادِئُ، الْقَدِيمُ، الْبَارُّ، الْوَفِيُّ، الْبُرْهَانُ، الشَّدِيدُ، الْوَافِي، الْقَدِيرُ، الْحَافِظُ، الْعَادِلُ، الْمُعْطِي، الْعَالِمُ، الأَحَدُ، الأَبَدُ، الْوِتْرُ، ذَو الْقُوَّةِ» .فَهَذَا الاخْتِلافُ يُرَجِّحُ الاحْتِمَالَ الْمَذْكُورُ، وَلاسِيَّمَا مَعَ اتِّحَادِ الْمُخَرِّجِ فِي الرِّوَايَةِ.وَقَدْ وَقَعَ لَنَا مِنْ رِوَايَةِ ابْنِ سِيرِينَ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ بِسَرْدِ الأَسْمَاءِ أَيْضًا مَعَ مُخَالَفَةٍ أَشَدَّ مِنْ هَذَا.
-১০ - পূর্বোক্ত সনদে আবু নুআইম পর্যন্ত, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু মুহাম্মাদ ইবনে হাইয়ান হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে সুলাইমান হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আমির—যিনি মূসা ইবনে আমির আল-মাররি—হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম হাদীস বর্ণনা করেছেন (হ)।এবং এই একই সনদে আবু নুআইম পর্যন্ত, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সাহল ইবনে আব্দুল্লাহ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-হুসাইন ইবনে ইসহাক হাদীস বর্ণনা করেছেন (হ)।এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-খায়ের ইবনে আবু সাঈদ আল-মাকদিসি তাঁর কিতাবে, এবং আমি আবু আল-হাসান আলী ইবনে মুহাম্মাদ আল-খাতিবের নিকট পাঠ করেছি, তাঁরা উভয়ই আহমাদ ইবনে আবু তালিব থেকে বর্ণনা করেছেন। প্রথমজন শ্রবণ করার মাধ্যমে এবং দ্বিতীয়জন ইজাজতের মাধ্যমে আব্দুল লতিফ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী ও অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাহির ইবনে মুহাম্মাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম ইবনুল হাসান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে ইবরাহিম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াযীদ। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট হিশাম ইবনে আম্মার হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আব্দুল মালিক ইবনে মুহাম্মাদ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন—আর তিনি হলেন ওয়ালিদ—: আমাদের নিকট যুহাইর ইবনে মুহাম্মাদ হাদীস বর্ণনা করেছেন—ইবনে ইয়াযীদ অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন: আবু আল-মুনযির আত-তামিমি—তিনি বলেন: আমার নিকট মূসা ইবনে উকবা হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমার নিকট আব্দুর রহমান আল-আরাজ হাদীস বর্ণনা করেছেন। ওয়ালিদের বর্ণনায় উভয় স্থানে ‘থেকে’ শব্দ রয়েছে। অতঃপর তাঁরা উভয়ে একমত হয়েছেন আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: ‘আল্লাহর নিরানব্বইটি নাম রয়েছে, যে ব্যক্তি সেগুলো গণনা করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।’ আর ইবনে ইয়াযীদের বর্ণনায় রয়েছে: ‘যে ব্যক্তি সেগুলো মুখস্থ করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।’যুহাইর বলেন: অতঃপর আমাদের নিকট একাধিক ইলম অন্বেষণকারীর মাধ্যমে পৌঁছেছে যে, সেই নামের তালিকা শুরু হবে এই কথার মাধ্যমে: একমাত্র আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরিক নেই, রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই, তাঁর হাতেই সকল কল্যাণ এবং তিনি সর্ববিষয়ে ক্ষমতাবান; আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, তাঁরই জন্য রয়েছে সুন্দরতম নামসমূহ; আল্লাহ, আল-আহাদ (এক), আস-সামাদ (অমুখাপেক্ষী), অতঃপর তিনি নিরানব্বইটি নাম ধারাবাহিকভাবে উল্লেখ করেন।ওয়ালিদের বর্ণনায় যুহাইরের উল্লিখিত বক্তব্যটি নামসমূহ ধারাবাহিক বর্ণনার আগে এসেছে।আর আব্দুল মালিকের বর্ণনায় এর বিপরীত ঘটেছে (অর্থাৎ পরে এসেছে)।তাই আব্দুল মালিকের বর্ণনায় ইদরাজ বা প্রক্ষেপণের সম্ভাবনা ওয়ালিদের বর্ণনার চেয়ে কম। আর ওয়ালিদের এই বর্ণনায় তিনটি নাম পুনরাবৃত্তি হয়েছে, সেগুলো হলো: (আল-আহাদ, আস-সামাদ, আল-হাদি)। অন্যদিকে আব্দুল মালিকের বর্ণনা এ থেকে মুক্ত, এতে রয়েছে (আল-মুকসিত, আল-কাদির, আল-ওয়ালি, আর-রাশিদ)। আব্দুল মালিকের বর্ণনায় আরও রয়েছে (আল-ফাতির, আত-তাম্ম), যার পরিবর্তে ওয়ালিদের বর্ণনায় রয়েছে (আল-আদিল, আল-মুনির)। তাঁরা উভয়েই আবুয যিনাদের পূর্বোক্ত বর্ণনার চব্বিশটি নামের ক্ষেত্রে ভিন্নতা পোষণ করেছেন এবং নামের ক্রমানুসারেও তাদের ভিন্নতা রয়েছে।আবুয যিনাদের বর্ণনায় যে নামগুলো এসেছে কিন্তু এঁরা উল্লেখ করেননি সেগুলো হলো: ‘আল-ফাত্তাহ, আল-কাহহার, আল-হাকাম, আল-আদল, আল-হাসিব, আল-জালিল, আল-মুহসি, আল-মুক্তাদির, আল-মুকাদ্দিম, আল-মুআখখির, আল-বারর, আল-মুনতাকিম, আল-মুগনি, আন-নাফি, আস-সাবুর, আল-বাদিউ, আল-কুদ্দুস, আল-গাফফার, আল-হাফিজ, আল-কাবির, আল-ওয়াসিউ, আল-মাজিদ, মালিকুল মুলক, যুল জালালি ওয়াল ইকরাম’।এবং সেগুলোর পরিবর্তে তিনি যে নামগুলো উল্লেখ করেছেন তা হলো: ‘আর-রাব্ব, আল-ফারদু, আল-কাফি, আদ-দায়িমু, আল-কাহিরু, আল-মুবিনু, আস-সাদিকু, আল-জামিলু, আল-বাদিউ, আল-কাদিমু, আল-বাররু, আল-ওয়াফিউ, আল-বুরহানু, আশ-শাদিদু, আল-ওয়াফি, আল-কাদিরু, আল-হাফিযু, আল-আদিলু, আল-মু’তি, আল-আলিমু, আল-আহাদু, আল-আবাদু, আল-উইতরু, যুল কুওয়াহ’।এই মতভেদ উল্লিখিত সম্ভাবনাকে (ইদরাজ) প্রবল করে, বিশেষ করে যখন বর্ণনার উৎস একই।আমাদের নিকট ইবনে সিরিন থেকে আবু হুরায়রার সূত্রেও নামসমূহের ধারাবাহিক বর্ণনা পৌঁছেছে, যাতে এর চেয়েও অধিক ভিন্নতা রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসিল আসমায়িল হুসনা
(পৃষ্ঠা: ১৫)
-10 - وَبِالسَّنَدِ الْمَاضِي إِلَى الطَّبَرَانِيِّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ سَعِيدٍ الرَّازِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ ح.وَبِالسَّنَدِ الآخَرِ إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ ، حَدَّثَنَا أَبُو عَمْرِو بْنُ حَمْدَانَ ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سُفْيَانَ وَالسِّيَاقُ لَهُ، قَالا: حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ الْحُصَيْنِ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، وَهِشَامُ بْنُ حَسَّانٍ، كِلاهُمَا عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِنَّ لِلَّهِ تِسْعَةً وَتِسْعِينَ اسْمًا، مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ، اسْأَلِ اللَّهَ، الرَّحْمَنَ، الرَّحِيمَ الإِلَهَ، الرَّبَّ» فَسَرَدَ الأَسْمَاءَ عَلَى تَرْتِيبٍ آخَرٍ، وَسَقَطَ مِنْ رِوَايَتِنَا مِنْهَا ثَمَانِيَةٌ.وَقَدْ أَخْرَجَهُ الْحَاكِمُ فِي «الْمُسْتَدْرَكِ» .وَابْنُ مَرْدَوَيْهِ فِي «التَّفْسِيرِ» .مِنْ طُرُقٍ عَنْ خَالِدِ بْنِ مَخْلَدٍ، وَفِيهَا الثَّمَانِيَةُ السَّاقِطَةُ.وَوَقَعَ فِي الْمُخَالَفَةِ فِي هَذِهِ الرِّوَايَةِ لِرِوَايَةِ أَبِي الزِّنَادِ فِي أَحَدٍ وَثَلاثِينَ اسْمًا، وَلِرِوَايَةِ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ فِي أَحَدٍ وَعِشْرِينَ اسْمًا، وَافَقْتُهَا فِي عَشَرَةٍ وَاللَّهُ أَعْلَمُ.آخِرُ الْمَجْلِسِ الخَامِسِ وَالأَرْبَعِينَ بَعْدَ الْمِئَةِ ثُمَّ أَمْلانَا سَيِّدُنَا وَمَوْلانَا قَاضِي الْقُضَاةِ شَيْخُ الإِسْلامِ، نَفَعَ اللَّهُ الْمُسْلِمِينَ بِبَرَكَتِهِ آمِينَ.قَالَ: فَأَمَّا الأَسْمَاءُ الثَّمَانِيَةُ الَّتِي سَقَطَتْ مِنْ رِوَايَةِ أَبِي نُعَيْمٍ الَّتِي سُقْتُهَا فِي حَدِيثِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ الْحُصَيْنِ، وَثَبَتَتْ فِي رِوَايَةِ الْحَاكِمِ فَهِيَ «الأَكْرَمُ ، الْبَارِئُ، الَحَنَّانُ، الْخَلاقُ، الرَّقِيبُ، الْعَلامُ، الْفَاطِرُ، الْوَهَّابُ» .وَأَمَّا الأَسْمَاءُ الَّتِي غُيِّرَتْ فِي غَيْرِ رِوَايَةِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْحُصَيْنِ بِالنِّسْبَةِ لِرِوَايَةِ أَبِي الزِّنَادِ، فَالسَّاقِطُ مِنْهَا (الْقَهَّارُ) إِلَى تَمَامِ خَمْسَةِ عَشَرَ اسْمًا مِمَّا سَقَطَ مِنْ رِوَايَةِ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ عَلَى الْوَلاءِ، و «الْقَوِيُّ، الْحَلِيمُ، الْوَاجِدُ، الْمَاجِدُ، الْقَابِضُ، الْبَاسِطُ، الْخَافِضُ، الرَّافِعُ، الْمُعِزُّ، الْمُذِلُّ، الْمُقْسِطُ، الْجَامِعُ، الضَّارُّ، النَّافِعُ، الْوَالِي، الرَّشِيدُ» .وَوَقَعَ بَدَلَ هَذِهِ الأْسَمَاءِ أَحَدٌ وَثَلاثُونَ اسْمًا، وَهِيَ «الرَّبُّ» إِلَى تَمَامِ عَشَرَةِ أَسْمَاءٍ، مِمَّا فِي رِوَايَةِ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ الْمُتَقَدِّمَةِ عَلَى الْوَلاءِ، وَ «الْحَنَّانُ، الْمَنَّانُ، الْمَلِيكُ، الْكَفِيلُ، الْمُحِيطُ، الْقَادِرُ، الرَّفِيعُ، الشَّاكِرُ، الأَكْرَمُ، الْفَاطِرُ، الخَلاقُ، الْفَاتِحُ، الْمُثِيبُ، الْعَلامُ، الْمَوْلَى، النَّصِيرُ، ذُو الطَّوْلِ، ذَو الْمَعَارِجِ، ذَو الْفَضْلِ، الإِلَهُ، الْمُدَبِّرُ» .فَهَذَا الاخْتِلافُ الشَّدِيدُ يُؤَيِّدُ أَنَّ التَّنْصِيصَ عَلَى الأَسْمَاءَ لَيْسَ مَرْفُوعًا.قَالَ الْحَاكِمُ بَعْدَ أَنْ أَخْرَجَ رِوَايَةَ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ الْحُصَيْنِ: «عَبْدُ الْعَزِيزِ ثِقَةٌ، وَإِنْ لَمْ يُخْرِجَاهُ، وَالأَسْمَاءُ الَّتِي زَادَهَا كُلُّهَا فِي الْقُرْآنِ، وَإِنَّمَا أَخْرَجْتُهُ شَاهِدًا لِرِوَايَةِ أَبِي الزِّنَادِ» .انْتَهَى.وَفِي كَلامِهِ مُنَاقَشَاتٌ: الأُولَى: جَزْمُهُ بِأَنَّ عَبْدَ الْعَزِيزِ ثِقَةٌ، مُخَالِفٌ لِمَنْ قَبْلَهُ، فَقَدْ ضَعَّفَهُ يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ وَالْبُخَارِيُّ. . . . وَأَبُو حَاتِمٍ وَغَيْرُهُمْ، حَتَّى قَالَ ابْنُ حِبَّانَ: يَرْوِي الْمَوْضُوعَاتِ عَنِ الثِّقَاتِ.الثَّانِيَةُ: شَرْطُ الشَّاهِدِ أَنْ يَكُونَ مُوَافِقًا فِي الْمَعْنَى، وَهَذَا شَدِيدُ الْمُخَالَفَةِ فِي كَثِيرٍ مِنَ الأَسْمَاءِ.الثَّالِثَةُ: جَزْمُهُ بَأَنَّهَا كُلَّهَا فِي الْقُرْآنِ، لَيْسَ كَذَلِكَ، فَإِنَّ بَعْضَهَا لَمْ يَرِدْ فِي الْقُرْآنِ أَصْلا، وَبَعْضُهَا لَمْ يَرِدْ بِذِكْرِ الاسْمِ.وَقَدْ تَتَبَّعَ جَمَاعَةٌ مِنَ السَّلَفِ الأَسْمَاءَ الْحُسْنَى مِنَ الْقُرْآنِ، وَفَصَّلُوهَا اسْمًا اسْمًا، مِنْ سُورَةٍ سُورَةٍ، عَلَى تَرْتِيبِ الْمُصْحَفِ.مِنْهُمْ جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّادِقُ، وَسُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ وَغَيْرُهُمَا.وَوَقَعَ بَيْنَهُمْ فِي ذَلِكَ اخْتِلافٌ بِالزِّيَادَةِ وَالنَّقْصِ، وَقَدْ جَمَعْتُ بَيْنَ رُوَايَتَيْ جَعْفَرٍ وَسُفْيَانَ مُبَيِّنًا لاخْتِلافِهِمَا.وَبِالإِسْنَادِ الْمَاضِي إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عُمْرَ الْخَلالُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ قَالَ: سَأَلْتُ أَبَا جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الصَّادِقِ عَنِ الأَسْمَاءِ التِّسْعَةِ وَالتِّسْعِينَ الَّتِي مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ فَقَالَ: هِيَ فِي الْقُرْآنِ، فَفِي الْفَاتِحَةِ خَمْسَةُ أَسْمَاءٍ، ثُمَّ ذَكَرَ كُلَّ سُورَةٍ وَعَدَدَ مَا فِيهَا، ثُمَّ قَالَ: فَأَمَّا الَّتِي فِي الْفَاتِحَةِ (ح)
-১০- এবং তাবারানি পর্যন্ত পূর্বোক্ত সনদে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আলী ইবনে সাঈদ আর-রাজি হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু কুরাইব হাদিস বর্ণনা করেছেন। (হ) এবং আবু নুয়াইম পর্যন্ত অন্য একটি সনদে, আমাদের নিকট আবু আমর ইবনে হামদান হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাসান ইবনে সুফিয়ান হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আহমদ ইবনে সুফিয়ান হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং পাঠ্যটি তাঁরই, তাঁরা উভয়েই বলেন: আমাদের নিকট খালিদ ইবনে মাখলাদ হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবদুল আজিজ ইবনে হুসাইন হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আইয়ুব ও হিশাম ইবনে হাসসান হাদিস বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়েই মুহাম্মাদ ইবনে সিরিন হতে, তিনি আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) হতে, তিনি নবী (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহর নিরানব্বইটি নাম রয়েছে, যে ব্যক্তি সেগুলো আয়ত্ত করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তুমি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করো, যিনি আর-রাহমান, আর-রাহিম, আল-ইলাহ, আর-রাব্ব।» এরপর তিনি নামগুলো অন্য এক বিন্যাসে উল্লেখ করেছেন এবং আমাদের বর্ণনায় সেখান থেকে আটটি নাম বাদ পড়েছে। ইমাম হাকেম এটি ‘আল-মুস্তাদরাক’ গ্রন্থে সংকলন করেছেন। এবং ইবনে মারদুবাইহ এটি ‘আত-তাফসির’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। খালিদ ইবনে মাখলাদের সূত্রে বর্ণিত বিভিন্ন সনদ হতে, যেগুলোতে বাদ পড়া আটটি নাম রয়েছে। এবং এই বর্ণনায় আবুয যিনাদের বর্ণনার সাথে একত্রিশটি নামে এবং মুসা ইবনে উকবার বর্ণনার সাথে একুশটি নামে অমিল দেখা যায়। আমি এগুলোর দশটির সাথে একমত হয়েছি, আর আল্লাহই ভালো জানেন। একশত পয়তাল্লিশতম মজলিসের সমাপ্তি। এরপর আমাদের নিকট আমাদের সায়্যিদ ও মাওলানা কাযিউল কুযাত শাইখুল ইসলাম এটি ইমলা (শ্রুতলিপি) করিয়েছেন, আল্লাহ তাঁর বরকতে মুসলিমদের উপকৃত করুন, আমিন। তিনি বলেন: আবু নুয়াইমের বর্ণনায় যে আটটি নাম বাদ পড়েছে যা আমি আবদুল আজিজ ইবনে হুসাইনের হাদিসে উল্লেখ করেছি এবং হাকেমের বর্ণনায় যা সাব্যস্ত হয়েছে, সেগুলো হলো: «আল-আকরাম, আল-বারি, আল-হান্নান, আল-খাল্লাক, আর-রাকিব, আল-আল্লাম, আল-ফাতির, আল-ওয়াহহাব।» আর আবুয যিনাদের বর্ণনার তুলনায় আবদুল আজিজ আল-হুসাইনের বর্ণনার বাইরে যেসব নাম পরিবর্তিত হয়েছে, তার মধ্যে (আল-কাহহার) হতে মুসা ইবনে উকবার বর্ণনার ধারাবাহিকভাবে বাদ পড়া মোট পনেরটি নাম রয়েছে এবং সেগুলো হলো: «আল-কাবি, আল-হালিম, আল-ওয়াজিদ, আল-মাজিদ, আল-কাবিদ, আল-বাসিত, আল-খাফিদ, আর-রাফি, আল-মুয়িজ, আল-মুযিল, আল-মুকসিত, আল-জামি, আদ-দারর, আন-নাফি, আল-ওয়ালি, আর-রাশিদ।» এবং এই নামগুলোর পরিবর্তে একত্রিশটি নাম এসেছে, সেগুলো হলো ‘আর-রাব্ব’ হতে মুসা ইবনে উকবার পূর্বোক্ত বর্ণনার ধারাবাহিকভাবে মোট দশটি নাম পর্যন্ত এবং «আল-হান্নান, আল-মান্নান, আল-মালিক, আল-কাফিল, আল-মুহিত, আল-কাদির, আর-রাফিউ, আশ-শাকির, আল-আকরাম, আল-ফাতির, আল-খাল্লাক, আল-ফাতিহ, আল-মুসিব, আল-আল্লাম, আল-মাওলা, আন-নাসির, যুত্ব-ত্বাউল, যুল-মাআরিজ, যুল-ফাদল, আল-ইলাহ, আল-মুদাব্বির।» এই প্রবল মতপার্থক্য একথাই জোরালো করে যে, নামগুলোর সুনির্দিষ্ট উল্লেখ 'মারফু' (রাসূলুল্লাহ সা. পর্যন্ত সরাসরি সূত্রবদ্ধ) নয়। ইমাম হাকেম আবদুল আজিজ ইবনে হুসাইনের বর্ণনাটি উল্লেখ করার পর বলেছেন: «আবদুল আজিজ বিশ্বস্ত (সিকাহ), যদিও ইমাম বুখারি ও মুসলিম তাঁর হাদিস বর্ণনা করেননি। তিনি যে নামগুলো অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন তার সবগুলোই কুরআনে আছে, আর আমি কেবল আবুয যিনাদের বর্ণনার সমর্থক (শাহেদ) হিসেবে এটি উল্লেখ করেছি।» সমাপ্ত। তাঁর এই বক্তব্যে কিছু পর্যালোচনা রয়েছে: প্রথমত: আবদুল আজিজ বিশ্বস্ত হওয়ার ব্যাপারে তাঁর নিশ্চয়তা প্রদান পূর্ববর্তী আলেমদের মতের বিপরীত। কেননা ইয়াহইয়া ইবনে মাইন, বুখারি... এবং আবু হাতেম ও অন্যান্যগণ তাঁকে দুর্বল বলেছেন। এমনকি ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি বিশ্বস্ত বর্ণনাকারীদের বরাতে জাল হাদিস বর্ণনা করেন। দ্বিতীয়ত: শাহেদ বা সমর্থক বর্ণনার শর্ত হলো তা অর্থের দিক দিয়ে সংগতিপূর্ণ হতে হবে, অথচ এটি অনেক নামের ক্ষেত্রে প্রবলভাবে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ। তৃতীয়ত: এই নামগুলোর সবগুলোই কুরআনে রয়েছে বলে তাঁর যে নিশ্চয়তা, তা সঠিক নয়। কেননা এগুলোর কিছু নাম কুরআনে আদৌ উল্লেখ করা হয়নি এবং কিছু নাম 'ইসিম' বা বিশেষ্য হিসেবে উল্লিখিত হয়নি। সালাফদের একদল কুরআনে বর্ণিত আসমাউল হুসনা বা উত্তম নামসমূহ অনুসন্ধান করেছেন এবং মুসহাফের ক্রম অনুসারে প্রত্যেক সূরা হতে নামগুলো আলাদা আলাদাভাবে বর্ণনা করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন জাফর ইবনে মুহাম্মাদ আস-সাদিক, সুফিয়ান ইবনে উয়াইনাহ এবং অন্যান্যরা। এ বিষয়ে তাঁদের মধ্যে হ্রাস-বৃদ্ধির ক্ষেত্রে মতপার্থক্য দেখা যায়। আমি জাফর ও সুফিয়ানের বর্ণনা দুটির মধ্যকার পার্থক্য স্পষ্ট করে উভয়কে একত্রে সংকলন করেছি। আবু নুয়াইম পর্যন্ত পূর্বোক্ত সনদ সূত্রে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুলাইমান ইবনে আহমদ হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আহমদ ইবনে উমর আল-খাল্লাল হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে আবু উমর হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে জাফর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে হুসাইন ইবনে আলী ইবনে আবু তালিব হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু জাফর ইবনে মুহাম্মাদ আস-সাদিককে সেই নিরানব্বইটি নাম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যেগুলি আয়ত্ত করলে ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে। তিনি বলেন: সেগুলো কুরআনেই রয়েছে। আল-ফাতিহায় রয়েছে পাঁচটি নাম। এরপর তিনি প্রতিটি সূরা এবং তাতে কতটি নাম রয়েছে তা উল্লেখ করেন। অতঃপর বলেন: ফাতিহায় যেগুলো রয়েছে (হ)
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসিল আসমায়িল হুসনা
(পৃষ্ঠা: ১৬)
-10 - وَأَخْبَرَنِي حَافِظُ الْعَصْرِ أَبُو الْفَضْلِ بْنُ الْحُسَيْنِ، أَخْبَرَنِي عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ صَالِحٍ، أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ، أَخْبَرَنَا بَرَكَاتُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ فِي كِتَابِهِ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ حَمْزَةَ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا تَمَّامُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْحَافِظُ، حَدَّثَنَا أَبُو الْمَيْمَونَ بْنُ رَاشِدٍ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْعُمَرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو الطَّاهِرِ أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ السَّرْحِ، حَدَّثَنَا حَيَّانُ بْنُ نَافِعٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِنَّ لِلَّهِ تِسْعَةً وَتِسْعِينَ اسْمًا مِئَةً إِلا وَاحِدًا مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ»قَالَ حَيَّانُ بْنُ نَافِعٍ: قَالَ لَنَا دَاوُدُ بْنُ عَمْرٍو: سَأَلْنَا سُفْيَانَ بْنَ عُيَيْنَةَ أَنْ يُخْرِجَ لَنَا الأَسْمَاءَ (أَنْ يُمْلِي عَلَيْنَا التِّسْعَةَ وَتِسْعِينَ اسْمًا الَّتِي لِلَّهِ عز وجل فِي الْقُرْآنِ) فَوَعَدَنَا بِذَلِكَ (أَنْ يُخْرِجَهَا لَنَا) فَلَمَّا أَبْطَأَ عَلَيْنَا أَتَيْنَا أَبَا زَيْدٍ فَأَخْرَجَهَا لَنَا (فَأَمْلَى عَلَيْنَا هَذِهِ الأَسْمَاءَ فَأَتَيْنَا سُفْيَانَ فَعَرَضْنَاهَا عَلَيْهِ) فَعَرَضْنَاهَا عَلَى سُفْيَانَ، فَنَظَرَ فِيهَا أَرْبَعَ مَرَّاتٍ (مِرَارًا) وَقَالَ (فَقَالَ) : نَعَمْ هِيَ هَذِهِ (فَقُلْنَا لَهُ: اقْرَأْهَا عَلَيْنَا، فَقَرَأَهَا عَلَيْنَا سُفْيَانُ فِي فَاتِحَةِ الْكِتَابِ) فَفِي الْفَاتِحَةِ خَمْسَةُ أَسْمَاءٍ «يَا اللَّهُ، يَا رَبُّ، يَا رَحْمَنُ، يَا رَحِيمُ، يَا مَالِكُ» اتَّفَقَتْ الرِّوَايَتَانِ عَلَى هَذَا، قَالا.وَفِي الْبَقَرَةِ، أَمَّا جَعْفَرٌ فَفِي رِوَايَتِهِ ثَلاثَةٌ وَثَلاثُونَ اسْمًا، وَلَمَّا سَاقَهَا نَقَصَ وَاحِدٌ، وَأَمَّا سُفْيَانُ فَقَالَ: سِتَّةٌ وَعِشْرُونَ اسْمًا - فَاتَّفَقَا عَلَى أَرْبَعَةٍ وَعِشْرِينَ اسْمًا وَهِيَ «يَا مُحِيطُ، يَا قَدِيرُ، يَا حَكِيمُ، يَا عَلِيُّ، يَا عَظِيمُ، يَا تَوَّابُ، يَا بَصِيرُ، يَا وَلِيُّ، يَا وَاسِعُ، يَا كَافِي، يَا رَءُوفُ، يَا بَدِيعُ، يَا شَاكِرُ، يَا وَاحِدُ، يَا سَمِيعُ، يَا قَابِضُ، يَا بَاسِطُ، يَا حَيُّ، يَا قَيُّومُ، يَا غَنِيُّ، يَا غَفُورُ، يَا حَلِيمُ» .وَفِي رِوَايَةِ جَعْفَرٍ «يَا إِلَهُ» وَلَيْسَ فِي رِوَايَةِ ابْنِ عُيَيْنَةَ، وَكَرَّرَ جَعْفَرُ «يَا رَحِيمُ» وَقَدْ تَقَدَّمَتْ فِي الْفَاتِحَةِ، وَفِي رِوَايَةِ جَعْفَرٍ ثَمَانِيَةُ أَسْمَاءٍ لَيْسَتْ فِي رِوَايَةِ سُفْيَانَ، وَهِيَ «يَا قَرِيبُ ، يَا مُجِيبُ، يَا عَزِيزُ، يَا نَصِيرُ، يَا قَوِيُّ، يَا شَدِيدُ، يَا سَرِيعُ، يَا خَبِيرُ» .فَصَحَّ مِنْ رَوَايَتِهِمَا ثَلاثَةٌ وَثَلاثُونَ اسْمًا.آخِرُ الْمَجْلِسِ السَّادِسِ وَالأَرْبَعِينَ بَعْدَ الْمِئَةِ ثُمَّ أَمْلانَا سَيِّدُنَا وَمَوْلانَا قَاضِي الْقُضَاةِ شَيْخِ الإِسْلامِ نَفَعَ اللَّهُ الْمُسْلِمِينَ بِبَرَكَتِهِ آمِينَ.قَالَ: وَفِي آلِ عِمْرَانَ «يَا وَهَّابُ يَا قَائِمُ» زَادَ جَعْفَرٌ «يَا صَادِقُ، يَا بَاعِثُ، يَا مُنْعِمُ، يَا مُتَفَضِّلُ» .وَفِي النِّسَاءِ «يَا رَقِيبُ، يَا حَسِيبُ، يَا شَهِيدُ، يَا مُقِيتُ، يَا وَكِيلُ» .زَادَ جَعْفَرٌ (يَا عَلِيُّ، يَا كَبِيرُ «زَادَ سُفْيَانُ» يَا غَفُورُ «وَفِي الأَنْعَامِ» يَا فَاطِرُ، يَا قَاهِرُ «زَادَ جَعْفَرٌ» يَا مُمِيتُ، يَا غَفُورُ، يَا بُرْهَانُ «زَادَ سُفْيَانُ» يَا لَطِيفُ، يَا خَبِيرُ، يَا قَادِرُ «.وَفِي الأَعْرَافِ» يَا مُحْيِي، يَا مُمِيتُ «.وَفِي الأَنْفَالِ» يَا نِعْمَ الْمَوْلَى، يَا نِعْمَ النَّصِيرِ «.وَفِي هُودٍ» يَا مُحِيطُ، يَا مَجِيدُ، يَا وَدُودُ، يَا فَعَّالُ لِمَا يُرِيدُ «زَادَ سُفْيَانُ» يَا قَرِيبُ، يَا مُجِيبُ «.وَفِي الرَّعْدِ» يَا كَبِيرُ، يَا مُتَعَالِ «.وَفِي إِبْرَاهِيمَ» يَا مَنَّانُ «زَادَ جَعْفَرٌ» يَا وَارِثُ «.وَفِي الْحِجْرِ» يَا خَلاقُ «.وَفِي مَرْيَمَ» يَا صَادِقُ، يَا وَارِثُ «زَادَ جَعْفَرٌ» يَا فَرْدُ «.وَفِي طَهَ عِنْدَ جَعْفَرٍ وَحْدَهُ» يَا غَفَّارُ «.وَفِي الْحَجِّ اسْمُ» يَا بَاعِثُ «.وَفِي قَدْ أَفْلَحَ» يَا كَرِيمُ «.وَفِي النُّورِ» يَا حَقُّ يَا مُبِينُ «زَادَ سُفْيَانُ» يَا نُورُ «.وَفِي الْفُرْقَانِ» يَا هَادِي «.وَفِي سَبَإٍ» يَا فَتَّاحُ «.وَفِي الزُّمَرِ» يَا عَالِمُ «عَنْدَ جَعْفَرٍ وَحْدَهُ.وَفِي غَافِرٍ» يَا غَافِرُ، يَا قَابِلُ، يَا ذَا الطَّوْلِ «زَادَ سُفْيَانُ» يَا شَدِيدُ «وَزَادَ جَعْفَرٌ» يَا رَفِيعُ «.وَفِي الذَّارِيَاتِ» يَا رَزَّاقُ، يَا ذَا الْقُوَّةِ، يَا مَتِينُ «.وَفِي الطُّورِ» يَا بَرُّ «.وَفِي اقَّتَرَبَتْ» يَا مُقْتَدِرُ «زَادَ جَعْفَرٌ» يَا مَلِيكُ «.وَفِي الرَّحْمَنِ» يَا ذَا الْجَلالِ وَالإِكْرَامِ «زَادَ جَعْفَرٌ» يَا رَبَّ الْمَشْرِقَيْنِ، يَا رَبَّ الْمَغْرِبَيْنِ، يَا بَاقِي، يَا مُعِينُ «.وَفِي الْحَدِيدِ» يَا أَوَّلُ، يَا آخِرُ، يَا ظَاهِرُ، يَا بَاطِنُ «.وَفِي الْحَشْرِ» يَا قُدُّوسُ، يَا سَلامُ، يَا مُؤْمِنُ، يَا مُهَيْمِنُ، يَا عَزِيزُ ، يَا جَبَّارُ، يَا مُتَكَبِّرُ ، يَا خَالِقُ، يَا بَارِئُ، يَا مُصَوِّرُ «زَادَ جَعْفَرٌ فِي أَوَّلِهِ» يَا مَلِكُ «.وَفِي الْبُرُوجِ» يَا مُبْدِئُ، يَا مُعِيدُ «.وَفِي الْفَجْرِ لِجَعْفَرٍ وَحْدَهُ» يَا وِتْرُ «.وَفِي الإِخْلاصِ» يَا أَحَدُ، يَا صَمَدُ «.فَهَذِهِ الأْسَمَاءُ الَّتِي تَتَبَّعَهَا جَعْفَرٌ وَسُفْيَانُ عَلَى مَا فِيهَا مِنَ الاخْتِلافِ وَالتَّكْرَارِ تَزِيدُ عَلَى الْعِدَّةِ الْمُذْكُورَةِ بِغَيْرِ تَكْرَارِ ثَمَانِيَةِ أَسْمَاءٍ، وَإِذَا حُذِفَ مِنْهَا مَا لَمْ يَرِدْ بِصِيغَةِ الاسْمِ وَهُيَ» صَادُقٌ ، وَمُنْعِمٌ ، وَمُتَفَضِّلٌ ، وَمَنَّانٌ ، وَمُبْدِئٌ ، وَمُعِيدٌ ، وَبَاعِثٌ ، وَقَابِضٌ ، وَبَاسِطٌ ، وَبُرْهَانٌ ، وَمُعِينٌ ، وَمُمِيتٌ ، وَبَاقِي «.وَكَذَلِكَ مَا اخْتُلِفَ فِي كَوْنِهِ مِنْ أَسْمَاءِ اللَّهِ فِي الْقُرْآنِ وَهُوَ» فَرْدٌ وَوِتْرٌ «سَقَطَ مِمَّا تَتَبَّعَاهُ خَمْسَةَ عَشَرَ اسْمًا، فَتَبَقَّى اثْنَانِ وَتِسْعُونَ.وَقَدْ تَتَبَّعْنَا مِنَ الْقُرْآنِ سَبْعَةَ أَسْمَاءٍ لِتَكْمِلَةِ الْعِدَّةِ وَهِيَ» الْقَهَّارُ، وَالشَّكُورُ، وَالأَعَلَى، وَالأَكْرَمُ، وَالْغَالِبُ، وَالْكَفِيلُ، وَالْحَفِيُّ ".فَالأَوَّلُ: فِي مَوَاضِعَ، مِنْهَا فِي الرَّعْدِ {وَهُوَ الْوَاحِدُ الْقَهَّارُ 16} وَالثَّانِي: فِي مَوَاضِعَ، مِنْهَا فِي فَاطِرٍ {إِنَّ رَبَّنَا لَغَفُورٌ شَكُورٌ 34} وَالثَّالِثُ: {سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الأَعْلَى} [الأعلى: 1] وَالرَّابِعُ: {اقْرَأْ وَرَبُّكَ الأَكْرَمُ} [العلق: 3] وَالْخَامِسُ فِي يُوسُفَ {وَاللَّهُ غَالِبٌ عَلَى أَمْرِهِ} [يوسف: 21] وَالسَّادِسُ: فِي النَّحْلِ {وَقَدْ جَعَلْتُمُ اللَّهَ عَلَيْكُمْ كَفِيلا} [النحل: 91] وَالسَّابِعُ: فِي مَرْيَمَ فِي قَوْلِ إِبْرَاهِيمَ الْخَلِيلِ عليه السلام {سَأَسْتَغْفِرُ لَكَ رَبِّي إِنَّهُ كَانَ بِي حَفِيًّا} [مريم: 47] وَهَذَا الاسْمُ الأَخِيرُ لَمْ أَرَ مَنْ نَبَّهَ عَلَيْهِ مِمَّنْ صَنَّفَ فِي الأَسْمَاءِ الْحُسْنَى، وَلا رَأَيْتُهُ فِي شَيْءٍ مِنَ الأَخْبَارِ، إِلا فِي أَثَرٍ أَخْرَجَهُ الْبَيْهَقِيُّ.
-১০ - সময়ের হাফেজ আবুল ফজল ইবনুল হুসাইন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আলী ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সালেহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আলী ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বারাকাত ইবনে ইব্রাহিম তাঁর কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল করিম ইবনে হামজা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল আজিজ ইবনে আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাফেজ তাম্মাম ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবুল মাইমুন ইবনে রাশিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-উমারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু তাহের আহমদ ইবনে আমর ইবনুস সারহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাইয়ান ইবনে নাফি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আ'রাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহর নিরানব্বইটি নাম রয়েছে, এক কম একশ। যে ব্যক্তি এগুলো গণনা করবে (সংরক্ষণ করবে), সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।»হাইয়ান ইবনে নাফি বলেন: দাউদ ইবনে আমর আমাদের বলেছেন: আমরা সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহর কাছে আবেদন করলাম যেন তিনি আমাদের জন্য নামগুলো বের করে দেন (আল্লাহর সেই নিরানব্বইটি নাম যা কুরআনে রয়েছে তা আমাদের লিখিয়ে দেন)। তিনি আমাদের কাছে সেই প্রতিশ্রুতি দিলেন। কিন্তু যখন তিনি দেরি করলেন, তখন আমরা আবু যাইদের কাছে গেলাম এবং তিনি আমাদের জন্য সেগুলো বের করে দিলেন (তিনি আমাদের এই নামগুলো লিখিয়ে দিলেন, এরপর আমরা সুফিয়ানের কাছে এসে সেগুলো পেশ করলাম)। এরপর আমরা সেগুলো সুফিয়ানের কাছে পেশ করলে তিনি চারবার (কয়েকবার) সেগুলোর দিকে তাকালেন এবং বললেন: হ্যাঁ, এগুলোই সেই নাম। (আমরা তাঁকে বললাম: এগুলো আমাদের পড়ে শোনান; তখন সুফিয়ান আমাদের নিকট সূরা ফাতিহা থেকে পড়া শুরু করলেন)। সূরা ফাতিহায় পাঁচটি নাম রয়েছে: «হে আল্লাহ, হে রব, হে রহমান, হে রহিম, হে মালিক»। এই বিষয়ে উভয় বর্ণনা একমত হয়েছে, তাঁরা উভয়েই এ কথা বলেছেন।আর সূরা বাকারায়—জাফরের বর্ণনায় তেত্রিশটি নাম রয়েছে, কিন্তু তিনি যখন সেগুলো উল্লেখ করলেন তখন একটি কম ছিল। আর সুফিয়ান বলেছেন ছাব্বিশটি নাম। তাঁরা চব্বিশটি নামের ব্যাপারে একমত হয়েছেন, সেগুলো হলো: «হে মুহিত, হে কাদির, হে হাকিম, হে আলি, হে আজিম, হে তাওয়াব, হে বসির, হে ওয়ালি, হে ওয়াসি, হে কাফি, হে রউফ, হে বদিউ, হে শাকির, হে ওয়াহিদ, হে সামি, হে কাবিদ, হে বাসিত, হে হাইয়্যু, হে কাইয়্যুম, হে গানি, হে গাফুর, হে হালিম»।জাফরের বর্ণনায় «হে ইলাহ» রয়েছে যা ইবনে উইয়াইনাহর বর্ণনায় নেই। জাফর «হে রহিম» নামটি পুনরায় উল্লেখ করেছেন, যা ইতিপূর্বে ফাতিহায় অতিক্রান্ত হয়েছে। জাফরের বর্ণনায় আটটি নাম রয়েছে যা সুফিয়ানের বর্ণনায় নেই, সেগুলো হলো: «হে কারিব, হে মুজিব, হে আজিজ, হে নাসির, হে কাবি, হে শাদিদ, হে সারি, হে খাবির»।সুতরাং তাঁদের উভয়ের বর্ণনা হতে তেত্রিশটি নাম সাব্যস্ত হলো।একশ ছেচল্লিশতম মজলিসের শেষাংশ; এরপর আমাদের সাইয়্যেদ ও মাওলা কাজিউল কুজাত শাইখুল ইসলাম আমাদের এটি লিখিয়ে দিয়েছেন, আল্লাহ তাঁর বরকতে মুসলিমদের উপকৃত করুন, আমিন।তিনি বলেন: সূরা আল-ইমরানে রয়েছে «হে ওয়াহ্হাব, হে কায়িম»; জাফর অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন «হে সাদিক, হে বায়িস, হে মুনয়িম, হে মুতাফাদদিল»।সূরা নিসায় রয়েছে «হে রকিব, হে হাসিব, হে শহিদ, হে মুকিত, হে ওয়াকিল»।জাফর অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন «হে আলি, হে কাবির»; সুফিয়ান অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন «হে গাফুর»। সূরা আনআমে রয়েছে «হে ফাতির, হে কাহির»; জাফর অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন «হে মুমিত, হে গাফুর, হে বুরহান»; সুফিয়ান অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন «হে লতিফ, হে খাবির, হে কাদির»।সূরা আরাফে রয়েছে «হে মুহয়ি, হে মুমিত»।সূরা আনফালে রয়েছে «হে উত্তম অভিভাবক (নি'মাল মাওলা), হে উত্তম সাহায্যকারী (নি'মান নাসির)»।সূরা হুদে রয়েছে «হে মুহিত, হে মাজিদ, হে ওয়াদুদ, হে ফায়্যালু লিমা ইউরিদ (যিনি যা চান তা-ই করেন)»; সুফিয়ান অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন «হে কারিব, হে মুজিব»।সূরা রা'দে রয়েছে «হে কাবির, হে মুতাআল»।সূরা ইব্রাহিমে রয়েছে «হে মান্নান»; জাফর অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন «হে ওয়ারিস»।সূরা হিজরে রয়েছে «হে খাল্লাক (মহা স্রষ্টা)»।সূরা মারইয়ামে রয়েছে «হে সাদিক, হে ওয়ারিস»; জাফর অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন «হে ফার্দ (একক)»।সূরা ত্বোয়াহায় কেবল জাফরের নিকট রয়েছে «হে গাফ্ফার»।সূরা হাজ্জে রয়েছে «হে বায়িস» নাম।সূরা মুমিনুনে (ক্বাদ আফলাহা) রয়েছে «হে কারিম»।সূরা নূরে রয়েছে «হে হাক্কু, হে মুবিন»; সুফিয়ান অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন «হে নূর»।সূরা ফুরকানে রয়েছে «হে হাদি»।সূরা সাবায় রয়েছে «হে ফাত্তাহ»।সূরা জুমারে কেবল জাফরের নিকট রয়েছে «হে আলিম»।সূরা গাফিরে রয়েছে «হে গাফির, হে কাবিল, হে জা-ত-তাওল (অনুগ্রহের অধিকারী)»; সুফিয়ান অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন «হে শাদিদ»; আর জাফর অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন «হে রফি»।সূরা যারিয়াতে রয়েছে «হে রাজ্জাক, হে জুল কুওয়াহ (শক্তির অধিকারী), হে মাতিন»।সূরা তুরে রয়েছে «হে বার্ (কল্যাণময়)»।সূরা কামারে (ইকতারাবাত) রয়েছে «হে মুক্তাদির»; জাফর অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন «হে মালিক»।সূরা রহমানে রয়েছে «হে মহিমান্বিত ও মহানুভব (জুল জালালি ওয়াল ইকরাম)»; জাফর অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন «হে দুই পূর্ব ও দুই পশ্চিমের রব, হে বাকি (চিরস্থায়ী), হে মুয়িন (সাহায্যকারী)»।সূরা হাদীদে রয়েছে «হে আউয়াল, হে আখির, হে জাহির, হে বাতিন»।সূরা হাশরে রয়েছে «হে কুদ্দুস, হে সালাম, হে মুমিন, হে মুহাইমিন, হে আজিজ, হে জাব্বার, হে মুতাকাব্বির, হে খালিক, হে বারি, হে মুসাব্বির»; জাফর এর শুরুতে অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন «হে মালিক»।সূরা বুরুজে রয়েছে «হে মুবদি, হে মুয়িদ»।সূরা ফাজরে কেবল জাফরের নিকট রয়েছে «হে বিত্র (বেজোড়)»।সূরা ইখলাসে রয়েছে «হে আহাদ, হে সামাদ»।জাফর ও সুফিয়ান যে নামগুলো অনুসন্ধান করেছেন, সেগুলোতে মতভেদ ও পুনরাবৃত্তি থাকা সত্ত্বেও পুনরাবৃত্তি বাদে তা উল্লেখিত সংখ্যার চেয়ে আটটি নাম বেশি হয়। আর যদি সেখান থেকে এমন নামগুলো বাদ দেওয়া হয় যা বিশেষ্য রূপে আসেনি, সেগুলো হলো: সাদিক, মুনয়িম, মুতাফাদদিল, মান্নান, মুবদি, মুয়িদ, বায়িস, কাবিদ, বাসিত, বুরহান, মুয়িন, মুমিত, বাকি।তেমনিভাবে যে নামগুলো কুরআনে আল্লাহর নাম হওয়ার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে যেমন: ফার্দ ও বিত্র—তাদের অনুসন্ধানকৃত তালিকা থেকে এই পনেরোটি নাম বাদ দিলে পঁচানব্বইটি নাম অবশিষ্ট থাকে।আমরা সংখ্যা পূর্ণ করার জন্য কুরআন থেকে আরও সাতটি নাম অনুসন্ধান করেছি, সেগুলো হলো: আল-কাহহার, আশ-শাকূর, আল-আলা, আল-আকরাম, আল-গালিব, আল-কাফিল এবং আল-হাফিয়্যাহ।প্রথমটি (আল-কাহহার): বিভিন্ন স্থানে রয়েছে, যার মধ্যে একটি সূরা রা'দে {এবং তিনি এক, মহা প্রতাপশালী}। দ্বিতীয়টি (আশ-শাকূর): বিভিন্ন স্থানে রয়েছে, যার মধ্যে একটি সূরা ফাতিরে {নিশ্চয়ই আমাদের রব পরম ক্ষমাশীল, গুণগ্রাহী}। তৃতীয়টি: {আপনার সুমহান রবের নামের পবিত্রতা ঘোষণা করুন}। চতুর্থটি: {পাঠ করুন, আর আপনার রব মহিমান্বিত}। পঞ্চমটি সূরা ইউসুফে: {আর আল্লাহ তাঁর কাজে বিজয়ী}। ষষ্ঠটি সূরা নাহলে: {এবং তোমরা আল্লাহকে তোমাদের উপর জামিন (কাফিল) করেছ}। সপ্তমটি সূরা মারইয়ামে ইব্রাহিম খলিল আলাইহিস সালামের উক্তিতে: {আমি তোমার জন্য আমার রবের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করব, নিশ্চয়ই তিনি আমার প্রতি অত্যন্ত মেহেরবান (হাফিয়্যাহ)}। এই শেষোক্ত নামটি আমি আসমাউল হুসনা বিষয়ক লেখকদের কাউকে উল্লেখ করতে দেখিনি এবং কোনো বর্ণনায় দেখিনি, কেবল বায়হাকির বর্ণিত একটি আছর (বর্ণনা) ছাড়া।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসিল আসমায়িল হুসনা
(পৃষ্ঠা: ১৭)
-10 - أَخْبَرَنِي أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْقُدْسِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْفَارِقِيُّ، أَخْبَرَنَا الْوَجِيهُ بْنُ الدَّهَّانِ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ الصَّيْدَلانِيِّ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْمُقْرِئُ، أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْبَاقِي بْنُ قَانِعٍ فِي كِتَابِهِ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحُسَيْنِ الْمَرْوَزِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ بِشْرٍ، حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنَ طَرِيفٍ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، وَابِّن عُمَرَ رضي الله عنهما، قَالا: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لِلَّهِ تِسْعَةٌ وَتِسْعُونَ اسْمًا، مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ، وَهِيَ فِي الْقُرْآنِ» .هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ، وَفِي إِسْنَادِهِ ضَعْفٌ، وَالْمَسْتَغْرَبُ مُنْ مَتْنِهِ الزِّيَادَةُ الأَخِيرَةُ.وَقَدْ تَقَدَّمَ عَنْ جَعْفَرٍ الصَّادِقُ وَسُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ وَغَيْرِهِمَا مَا يُؤَيِّدُ ذَلِكَ وَاللَّهُ أَعْلَمُآخِرُ الْمَجْلِسِ السَّابِعِ وَالأَرْبَعِينَ بَعْدَ الْمِئَةِ وَبِهِ يَنْتَهِي الْكَلامُ عَلَى تَخْرِيجِ حَدِيثِ الأَسْمَاءِ الْحُسْنَى
-১০ - আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনুল হাসান ইবনে মুহাম্মদ আল-কুদসি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-ফারিকি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-ওয়াজিহ ইবনুদ দাহহান, তিনি আবু জাফর আস-সায়দালানি থেকে বর্ণনা করেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-মুকরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল বাকি ইবনে কানি‘ তাঁর কিতাবে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনুল হুসাইন আল-মারওয়াযি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে বিশর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাসর ইবনে তারিফ, তিনি লায়স থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস ও ইবনে উমর (আল্লাহ তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর প্রতি বর্ষিত হোক) বলেছেন: «আল্লাহর নিরানব্বইটি নাম রয়েছে, যে ব্যক্তি সেগুলো আয়ত্ত করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে, আর সেগুলো কুরআনে রয়েছে।»এটি একটি গরীব হাদিস এবং এর বর্ণনাসূত্রে দুর্বলতা রয়েছে, আর এর মূল পাঠের মধ্যে যা অস্বাভাবিক বা দুর্লভ মনে করা হয়েছে তা হলো শেষের অতিরিক্ত অংশটুকু।ইতিপূর্বে জাফর আস-সাদিক, সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা এবং অন্যদের থেকেও এমন বর্ণনা অতিবাহিত হয়েছে যা বিষয়টিকে সমর্থন করে, আর আল্লাহই সর্বাধিক অবগত।একশত সাতচল্লিশতম মজলিসের সমাপ্তি এবং এর মাধ্যমেই আসমাউল হুসনার হাদিসের তাখরীজ (উৎস বিশ্লেষণ) সংক্রান্ত আলোচনা শেষ হলো।