(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াফাকিয়াতুত তুসায়িয়াত লিদ-দামিয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
الموافقيات التساعيات للدمياطي (عبد المؤمن بن خلف الدمياطي)
القسم: كتب السنة
الكتاب: الموافقيات التساعيات للدمياطي
المؤلف: عبد المؤمن بن خلف الدمياطيّ، أبو محمد، شرف الدين الشافعي (ت 705هـ)
[الكتاب مرقم آليا]
عدد الصفحات: 18
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আদ-দুমইয়াতির আল-মুওয়াফাকিয়াত আত-তুসায়িয়াত (আবদুল মুমিন বিন খালাফ আদ-দুমইয়াতি)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আদ-দুমইয়াতির আল-মুওয়াফাকিয়াত আত-তুসায়িয়াত
লেখক: আবদুল মুমিন বিন খালাফ আদ-দুমইয়াতি, আবু মুহাম্মদ, শরাফ উদ্দিন আশ-শাফিঈ (মৃ. ৭০৫ হি.)
[কিতাবটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংখ্যায়িত]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৮
শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াফাকিয়াতুত তুসায়িয়াত লিদ-দামিয়াতী
(পৃষ্ঠা: ১)
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ صَلَّى اللَّهُ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ
পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আমাদের নেতা মুহাম্মাদের ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াফাকিয়াতুত তুসায়িয়াত লিদ-দামিয়াতী
(পৃষ্ঠা: ২)
-10 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْفَقِيهُ الأَجَلُّ الْعَالِمُ الْعَامِلُ الْفَاضِلُ النَّاقِدُ الْحَافِظُ الأَوْحَدُ....الْجَامِعُ أَشْتَاتَ الْفَضَائِلِ ، عُمْدَةُ الْحُفَّاظِ......أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْمُؤْمِنِ بْنُ خَلَفِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ الدِّمْيَاطِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: حَدَّثَنَا الشَّيْخُ.....الْحَافِظُ الْعَدْلُ أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي الْحَسَنِ....عَبْد الْكَرِيمِ بْن الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ الْكَرِيمِ …السَّكُونِيّ التُّجِيبِيّ الإِسْكَنْدَرَانِيّ الْمَالِكِيّ مِنْ لَفْظِهِ ، بِالإِسْكَنْدَرِيَّةِ قَدِمَ.....إِلَيْهَا وَوَفَاتُهُ بِهَا يَوْمَ السَّبْتِ لإِحْدَى عَشَرَ لَيْلَةً خَلَتْ مِنْ صَفَرٍ سَنَةَ ثَلاثٍ وَأَرْبَعِينَ وَسِتِّمِائَةٍ رضي الله عنه ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ ، قَالَ: أنا أَبُو الْبَرَكَاتِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ سُعُودٍ الأَنْصَارِيُّ ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ ، أنا الْفَقِيهُ أَبُو الْفَتْحِ سُلْطَانُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْمُسْلِمِ الشَّافِعِيُّ ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ، قَالَ: أنا الْحَافِظُ أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ التُّجِيبِيُّ ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ ، أنا أَبُو نَصْرٍ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعْدٍ …وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ ، ثنا أَبُو يَعْلَى حَمْزَةُ.........وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ.............أَحْمَد بْن الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ....الأَصْل الْمَالِكِيّ الإِسْكَنْدَرَانِيّ الْعَدْل.....وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ.......الإِمَامُ مُفْتِي الْمُسْلِمِينَ أَبُو الْحُسَيْنِ بْنُ أَبِي.....غَيْرَ مَرَّةٍ، قَالا: أنا الْحَافِظُ أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ......بْن أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الأَصْبَهَانِيّ ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْنَاهُ مِنْهُ قَالَ الأَوَّلُ حُضُورًا وَقَالَ الثَّانِي سَمَاعًا ، قَالَ: أنا أَبُو مُحَمَّدٍ جَعْفَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ السَّرَّاجِ اللُّغَوِيُّ بِبَغْدَادَ ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ ، أنا أَبُو نَصْرٍ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدِ بْنِ حَاتِمٍ السِّجْزِيُّ الْحَافِظُ بِمَكَّةَ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ ، أنا أَبُو يَعْلَى حَمْزَةُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْمُهَلَّبِيُّ ، بِنَيْسَابُورَ ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ ، ثنا أَبُو حَامِدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ بِلالٍ الْبَرَّازُ ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ ، ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ بِشْرٍ ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ ، ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ أَبِي قَابُوسَ مَوْلًى لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، وَعِنْدَ ابْنِ السَّرَّاجِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «الرَّاحِمُونَ يَرْحَمُهُمُ الرَّحْمَنُ ، ارْحَمُوا مَنْ فِي الأَرْضِ يَرْحَمْكُمْ مَنْ فِي السَّمَاءِ» .رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ الْمُؤَدِّبُ ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ ، وَمُسَدَّدٍ ، عَنْ سُفْيَانَ وَرَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ ، فِي الْبِرِّ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ أَبِي عُمَرَ ، عَنْ سُفْيَانَ ، وَقَالَ: حَسَنٌ صَحِيحٌ
-১০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মহান ফকিহ শায়খ, আমলকারী আলেম, মহিমান্বিত, অদ্বিতীয় সমালোচক ও হাফেজ....বিবিধ শ্রেষ্ঠত্বের সমাহার, হাফেজগণের প্রধান আশ্রয়......আবু মুহাম্মদ আব্দুল মুমিন বিন খালাফ বিন আবিল হাসান আদ-দিময়াতি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শায়খ.....ন্যায়পরায়ণ হাফেজ আবু আল-কাসিম আব্দুর রহমান বিন আবিল হাসান....আব্দুল কারিম বিন আল-হাসান বিন আব্দুল কারিম …আস-সাকুনি আত-তুজিবি আল-ইসকান্দারানি আল-মালিকি তাঁর নিজের শব্দে, আলেকজান্দ্রিয়ায়, তিনি সেখানে এসেছিলেন.....সেখানে তাঁর মৃত্যু হয় ৬৪৩ হিজরির সফর মাসের ১১ তারিখ শনিবার দিবাগত রাতে, আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন, এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর থেকে শুনেছি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-বারাকাত হিবাতুল্লাহ বিন আলি বিন সুউদ আল-আনসারি, এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর থেকে শুনেছি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফকিহ আবু আল-ফাতহ সুলতান বিন ইবরাহিম বিন আল-মুসলিম আশ-শাফিয়ি, এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর থেকে শুনেছি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফেজ আবু ইসহাক ইবরাহিম বিন সাইদ বিন আব্দুল্লাহ আত-তুজিবি, এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর থেকে শুনেছি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর উবায়দুল্লাহ বিন সাদ …এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর থেকে শুনেছি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইয়ালা হামজাহ.........এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর থেকে শুনেছি.............আহমদ বিন আল-হাসান বিন আব্দুল্লাহ, তিনি বলেন....আদি মালিকি আলেকজান্দ্রীয় ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি.....এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর থেকে শুনেছি.......ইমাম, মুসলিমদের মুফতি আবু আল-হুসাইন বিন আবি.....একাধিকবার, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফেজ আবু তাহির মুহাম্মদ বিন......বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-আসবাহানি, এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমরা তাঁর থেকে শুনেছি। প্রথম জন উপস্থিতির মাধ্যমে এবং দ্বিতীয় জন শ্রবণের মাধ্যমে বলেছেন। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ জাফর বিন আহমদ বিন আল-হাসান বিন আস-সাররাজ আল-লুগাভি বাগদাদে, এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর থেকে শুনেছি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর উবায়দুল্লাহ বিন সাইদ বিন হাতিম আস-সিজজি আল-হাফেজ মক্কায়, এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর থেকে শুনেছি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়ালা হামজাহ বিন আব্দুল আজিজ আল-মুহাল্লাবি নিশাপুরে, এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর থেকে শুনেছি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হামিদ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন বিলাল আল-বাররাজ, এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর থেকে শুনেছি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান বিন বিশর, এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর থেকে শুনেছি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন উইয়াইনাহ, এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমি সুফিয়ান বিন উইয়াইনাহ থেকে শুনেছি, আমর বিন দিনার থেকে, তিনি আবু কাবুস থেকে, যিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন আল-আসের মুক্তদাস, যে আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন আল-আস বলেন: আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এবং ইবনুল সাররাজের বর্ণনায় রয়েছে যে, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «দয়াশীলদের প্রতি রহমান দয়া করেন। তোমরা জমিনে যারা আছে তাদের প্রতি দয়া করো, তাহলে যিনি আসমানে আছেন তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।» .আবু দাউদ আল-মুয়াদ্দিব এটি বর্ণনা করেছেন আবু বকর ও মুসাদ্দাদ থেকে, তাঁরা সুফিয়ান থেকে। এবং তিরমিজি এটি ‘সদাচার’ অধ্যায়ে মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন আবি উমর থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: হাদিসটি হাসান সহিহ।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াফাকিয়াতুত তুসায়িয়াত লিদ-দামিয়াতী
(পৃষ্ঠা: ৩)
-10 - قَرَأْتُ عَلَى أَبِي عَلِيٍّ مَنْصُورِ بْنِ سَنَدِ بْنِ مَنْصُورِ بْنِ الدَّمَّاغِ ، بَالإِسْكَنْدَرِيَّةِ ، أَخْبَرَكَ أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْحَافِظُ ، أنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْحَافِظُ ، أنا أَبُو مَنْصُورٍ مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ دَاوُدَ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ دَاوُدَ الْوَكِيلُ ، ثنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ شَهْريَارَ الْمُعَدَّلُ ، ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَيُّوبَ بْنِ يَحْيَى بْنِ الضَّرِيسِ ، أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ ، ثنا حَمَّادٌ ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَحْسَنَ النَّاسِ......أَشْجَعَ النَّاسِ "
-১০ - আমি আলেকজান্দ্রিয়ায় আবু আলী মনসুর ইবনে সানাদ ইবনে মনসুর ইবনুল দাম্মাগের নিকট পাঠ করেছি, (তিনি বলেছেন) আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-হাফিয, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-হাফিয, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মনসুর মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান ইবনে দাউদ ইবনে সুলাইমান ইবনে দাউদ আল-ওয়াকিল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান আলী ইবনুল ফাযল ইবনে শাহরিয়ার আল-মুআদ্দাল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আইয়ুব ইবনে ইয়াহইয়া ইবনুল দারিস, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলাইমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ, তিনি সাবিত থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ছিলেন মানুষের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর......মানুষের মধ্যে সবচেয়ে সাহসী।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াফাকিয়াতুত তুসায়িয়াত লিদ-দামিয়াতী
(পৃষ্ঠা: ৪)
-10 - أَخْبَرَنَاهُ أَعْلا مِنْ هَذَا …صَالِحُ الْمُعَمَّرُ أَبُو الْحَسَنِ بْنُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ........قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ عَنِ الشَّرِيفِ أبو الْعَبَّاسِ.....عَبْد الْعَزِيزِ بْن عَلِيِّ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ يَعْقُوبَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْعَبَّاسِ رضي الله عنه الْمَكِّيّ، قَالَ: أنا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ....مُحَمَّد بْن إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْعَبَّاسِ الشَّافِعِيّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ بِمَكَّةَ، فِي جُمَادَى الآخِرَةِ سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وَسَبْعِينَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ ، أنا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ فِرَاسٍ الْعَبْقَسِيُّ الْمَكِّيُّ ، ثنا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الدَّيْبُلِيُّ الْمَكِّيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي ذِي الْحِجَّةِ سَنَةَ إِحْدَى وَعِشْرِينَ وَثَلاثِمِائَةٍ ، ثنا أَبُو صَالِحٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي الأَزْهَرِ الْمَكِّيُّ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ زُنْبُورٍ مَوْلَى بَنِي هَاشِمٍ ، ثنا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَحْسَنَ النَّاسِ وَجْهًا ، وَأَجْوَدَ النَّاسِ كَفًّا، وَأَشْجَعَ النَّاسِ قَلْبًا ، وَقَدْ فُزِّعَ أَهْلُ الْمَدِينَةِ فَرَكِبَ فَرَسًا لأَبِي طَلْحَةَ عُرْيَانًا ثُمَّ رَجِعَ، وَهُوَ يَقُولُ: لَمْ تُرَاعُوا، لَمْ تُرَاعُوا قَدْ وَجَدْتُهُ بَحْرًا
-১০ - এটি আমাদের নিকট এর চেয়ে উচ্চতর সনদে বর্ণিত হয়েছে …দীর্ঘজীবী সালেহ আবুল হাসান বিন আবি আব্দুল্লাহ বিন আবিল হাসান........তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে, এবং আমি শুনছিলাম; শরীফ আবুল আব্বাস থেকে.....আব্দুল আজিজ বিন আলী বিন ইসমাঈল বিন আলী বিন সুলায়মান বিন ইয়াকুব বিন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাঈল বিন আলী বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) আল-মাক্কী। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী হাসান বিন....মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন আব্বাস আশ-শাফিঈ; মক্কায় ৪৭২ হিজরি সালের জমাদিউল আখের মাসে তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আহমাদ বিন ইব্রাহিম বিন আহমাদ বিন আলী বিন আহমাদ বিন ফরাস আল-আবকাসি আল-মাক্কি। আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু জাফর মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ আদ-দাইবলি আল-মাক্কি; ৩২১ হিজরি সালের জিলহজ মাসে তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালেহ মুহাম্মদ বিন আবিল আজহার আল-মাক্কি, যিনি বনু হাশেমের মুক্তদাস ইবনে জুনবুর নামে পরিচিত। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন জায়েদ, সাবেত আল-বুনানি থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ছিলেন মানুষের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর চেহারার অধিকারী, সবচেয়ে দানশীল হাতের অধিকারী এবং সবচেয়ে সাহসী হৃদয়ের অধিকারী। একদিন মদিনার মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ল, তখন তিনি আবু তালহার একটি জীনবিহীন ঘোড়ায় আরোহণ করলেন। এরপর তিনি ফিরে আসলেন এবং বলছিলেন: তোমরা ভয় পেও না, তোমরা ভয় পেও না, আমি এটিকে সমুদ্রের মতো (দ্রুতগামী) পেয়েছি।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াফাকিয়াতুত তুসায়িয়াত লিদ-দামিয়াতী
(পৃষ্ঠা: ৫)
-10 - وَبِهِ.......إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ الْمَدَنِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ كَانَ حَالِفًا فَلا يَحْلِفْ إِلا بِاللَّهِ» .وَكَانَتْ قُرَيْشٌ تَحْلِفُ بِآبَائِهَا فَقَالَ: «لا تَحْلِفُوا بِآبَائِكُمْ» .رَوَاهُ........عَنْ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ وَاقِدٍ ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ حَرْبٍ ، وَعَنْ قُتَيْبَةَ ، وَفِي الْجِهَادِ ، وَالأَدَبِ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَوْفٍ ، وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ فِي الْفَضَائِلِ ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَحْيَى ، وَسَعِيدِ بْنِ مَنْصُورٍ ، وَأَبِي الرَّبِيعِ ، وَأَبِي كَامِلٍ.وَرَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ فِي الْجِهَادِ ، عَنْ قُتَيْبَةَ ، وَرَوَاهُ النَّسَائِيُّ فِي الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زُنْبُورٍ ، وَرَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ فِي الْجِهَادِ ، وَعَنْ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدَةَ، عَشَرَتُهُمْ عَنْ حَمَّادٍ..........عَالِيَهُ لِلنَّسَائِيِّ فِي مُحَمَّدِ بْنِ زُنْبُورٍ …، مِنْ أَبِي زُرْعَةَ ، وَرَوَى الثَّانِي.........يَحْيَى بْن يَحْيَى ، وَيَحْيَى بْن أَيُّوبَ ، وَقُتَيْبَة ، وَ.....، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ جَعْفَرٍ ، فَوَقَعَ بَدَلا عَالِيًا لَهُ، وَرَوَاهُ أَيْضًا عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ شُعَيْبِ بْنِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ......سَالِمٍ ، عَنْ أَبِيهِ، وَعَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ فَبِاعْتِبَارِ هَذَا الْعَدَدِ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، كَأَنِّي سَمِعْتُهُ مِنْ مُسْلِمٍ وَصَافَحْتُهُ بِهِ ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ ، وَهُوَ وَلِيُّ التَّوْفِيقِ
-১০ - এবং তাঁর মাধ্যমে.......ইসমাঈল ইবনে জাফর আল-মাদানি বলেছেন: আমাকে আব্দুল্লাহ ইবনে দিনার সংবাদ দিয়েছেন যে, ইবনে উমর বলেছেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি শপথ করতে চায়, সে যেন আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও নামে শপথ না করে»। কুরাইশরা তাদের পিতৃপুরুষদের নামে শপথ করত, তাই তিনি বললেন: «তোমরা তোমাদের পিতৃপুরুষদের নামে শপথ করো না» ।এটি বর্ণনা করেছেন........আহমদ ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে ওয়াকিদ থেকে, সুলাইমান ইবনে হারব থেকে এবং কুতাইবা থেকে; আর জিহাদ ও আদব অধ্যায়ে আমর ইবনে আওফ থেকে। এবং মুসলিম এটি ফাযায়েল অধ্যায়ে ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া, সাঈদ ইবনে মানসূর, আবু রাবী এবং আবু কামিল থেকে বর্ণনা করেছেন।তিরমিযী এটি জিহাদ অধ্যায়ে কুতাইবা থেকে বর্ণনা করেছেন, নাসাঈ এটি 'আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ' গ্রন্থে মুহাম্মদ ইবনে জুনবুর থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং ইবনে মাজাহ এটি জিহাদ অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন, আর আহমদ ইবনে আবদাহ থেকে; তাঁরা দশজনই হাম্মাদ থেকে..........নাসাঈর বর্ণনায় মুহাম্মদ ইবনে জুনবুরের মাধ্যমে এটি উচ্চ পর্যায়ের সনদ …আবু যুরআহ থেকে, আর দ্বিতীয় জন বর্ণনা করেছেন.........ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া, ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব, কুতাইবা এবং.....ইসমাঈল ইবনে জাফর থেকে, ফলে এটি তাঁর জন্য উচ্চ পর্যায়ের একটি বিকল্প সনদ (বাদাল) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। তিনি এটি আব্দুল মালিক ইবনে শুআইব ইবনে লাইস ইবনে সাদ থেকেও বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি......সালেম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, এবং উমর ইবনুল খাত্তাব থেকে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর্যন্ত এই রাবী সংখ্যার বিবেচনায়, মনে হচ্ছে যেন আমি এটি সরাসরি ইমাম মুসলিমের থেকে শুনেছি এবং এর মাধ্যমে তাঁর সাথে মুসাফাহা করেছি। সকল প্রশংসা ও অনুগ্রহ একমাত্র আল্লাহরই, আর তিনিই তাওফীক দাতা।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াফাকিয়াতুত তুসায়িয়াত লিদ-দামিয়াতী
(পৃষ্ঠা: ৬)
-10 - قَرَأْتُ عَلَى الشَّيْخِ الصَّالِحِ الْمُحَدِّثِ الزَّاهِدِ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْعِمَادِيِّ ، بِحَلَبَ ، رضي الله عنه ، أَخْبَرَكَ أَبُو الْوَقْتِ عَبْدُ الأَوَّلِ بْنُ عِيسَى بْنِ شُعَيْبٍ السِّجْزِيُّ ، فِي الإِذْنِ الْعَامِ، وَكَتَبَ إِلَيْنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ مِنْ بَغْدَادَ ، وَأُمُّ الْفِتْيَانِ جَهْمَةُ ابْنَةُ الْمُفَرّجِ …وَأُمُّ الْفَضْلِ كريمَةُ بِنْتُ عَبْدِ الْوَهَّابِ، …عَنْ أَبِي الْوَقْتِ ، وَاللَّفْظُ لَهُمْ قَالَ: أنا أَبُو الْحَسَنِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُظَفَّرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ دَاوُدَ الدَّاوُدِيُّ الْبُوشَنْجِيُّ، أنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَمُّوَيْهِ الْحَمَوِيُّ السَّرَخْسِيُّ، أنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ مَطَرٍ الْفَرَبْرِيُّ ، أنا.الإِمَامُ …أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْبُخَارِيُّ ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ سِنَانٍ ، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ حَيَّانَ ، ثنا سَعِيدُ بْنُ مِينَا ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رضي الله عنهما، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: " إِنَّمَا مَثَلِي وَمَثَلُ الأَنْبِيَاءِ كَرَجُلٍ بَنَى دَارًا فَأَكْمَلَهَا وَأَحْسَنَهَا إِلا مَوْضِعَ لَبِنَةٍ فَجَعَلَ النَّاسُ يَدْخُلُونَهَا وَيَعْجَبُونَ وَيَقُولُونَ: لَوْلا مَوْضِعُ اللَّبِنَةِ ".رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ فِي الأَمْثَالِ عَلَى الْمُوَافَقَةِ ، عَنِ الْبُخَارِيِّ وَقَالَ: صَحِيحٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ
-১০- আমি নেককার শায়খ, মুহাদ্দিস, জাহিদ আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-ইমাদি-এর নিকট আলেপ্পোতে পাঠ করেছি, আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন। আপনাকে আবু আল-ওয়াক্ত আবদুল আউয়াল ইবনে ঈসা ইবনে শুআইব আস-সিজজি সাধারণ অনুমতির মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন; এবং বাগদাদ থেকে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহিদ ইবনে আহমদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উবাইদুল্লাহ এবং উম্মুল ফিতইয়ান জাহমাহ বিনতে আল-মুফাররিজ আমাদের নিকট লিখেছেন …এবং উম্মুল ফজল কারীমা বিনতে আবদুল ওয়াহহাব, …আবু আল-ওয়াক্ত থেকে বর্ণিত, এবং শব্দগুলো তাদেরই; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আবদুর রহমান মুহাম্মদ ইবনে আল-মুজাফফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে দাউদ আদ-দাউদি আল-বুশাঞ্জি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে হাম্মুওয়াইহ আল-হামাভি আস-সারাখসি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ ইবনে মাতার আল-ফারাবরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।ইমাম …আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল ইবনে ইবরাহিম আল-বুখারি, মুহাম্মদ ইবনে সিনান আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান ইবনে হাইয়ান আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে মিনা আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: " নিশ্চয়ই আমার এবং অন্যান্য নবীদের দৃষ্টান্ত সেই ব্যক্তির মতো, যে একটি ঘর নির্মাণ করল এবং তাকে অত্যন্ত পূর্ণাঙ্গ ও সুন্দর করল, কেবল একটি ইটের স্থান ছাড়া। ফলে মানুষ তাতে প্রবেশ করতে লাগল এবং তারা বিস্মিত হতে লাগল ও বলতে লাগল: যদি এই ইটের স্থানটি (পূর্ণ) করা হতো!"।তিরমিজি এটি 'আল-আমসাল' (উপমা) অধ্যায়ে ইমাম বুখারির সাথে সামঞ্জস্য রেখে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: এই সূত্রে এটি সহিহ গারিব।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াফাকিয়াতুত তুসায়িয়াত লিদ-দামিয়াতী
(পৃষ্ঠা: ৭)
-10 - وَبِهِ إِلَى الْبُخَارِيِّ ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى ، عَنْ إِسْرَائِيلَ ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ ، عَنِ الْبَرَاءِ، قَالَ:....النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي ذِي الْقَعْدَةِ فَأَبَى أَهْلُ مَكَّةَ يَدْعُوهُ يَدْخُلُ مَكَّةَ حَتَّى قَضَاهُمْ عَلَى أَنْ يُقِيمَ بِهَا ثَلاثَةَ أَيَّامٍ فَلَمَّا كَتَبُوا الْكِتَابَ كَتَبُوا هَذَا مَا قَاضَى عَلَيْهِ مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ ، قَالُوا: لا نُقِرُّ بِهَا فَلَوْ نَعْلَمُ أَنَّكَ رَسُولُ اللَّهِ مَا مَنَعْنَاكَ ، لَكِنْ أَنْتَ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ ، فَقَالَ: «أَنَا رَسُولُ اللَّهِ ، وَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ» .ثُمَّ قَالَ لِعَلِيٍّ: «امْحُ رَسُولَ اللَّهِ» .قَالَ: «وَاللَّهِ لا أَمْحُوكَ أَبَدًا» .فَأَخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْكِتَابَ فَكَتَبَ هَذَا مَا قَاضَى عَلَيْهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ لا يَدْخُلُ مَكَّةَ بِسِلاحٍ إِلا فِي الْقِرَابِ ، وَأَنْ لا يَخْرُجَ مِنْ أَهْلِهَا بِأَحَدٍ أَرَادَ أَنْ يَتَّبِعَهُ ، وَأَنْ لا يَمْنَعَ أَحَدًا مِنْ أَصْحَابِهِ أَرَادَ أَنْ يُقِيمَ بِهَا ، فَلَمَّا دَخَلَهَا وَمَضَى الأَجَلُ أَتَوْا عَلِيًّا، فَقَالُوا: قُلْ لِصَاحِبِكَ يَخْرُجُ عَنَّا فَقَدْ مَضَى الأَجَلُ ، فَخَرَجَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ، فَتَبِعَتْهُمُ ابْنَةُ حَمْزَةَ يَا عَمِّ يَا عَمِّ فَتَنَاوَلَهَا عَلِيٌّ فَأَخَذَ بِيَدِهَا ، وَقَالَ لِفَاطِمَةَ دُونَكِ ابْنَةُ عَمِّكِ احْمِلِيهَا ، فَاخْتَصَمَ فِيهَا عَلِيٌّ ، وَزَيْدٌ، وَجَعْفَرٌ ، فَقَالَ عَلِيٌّ: أنا أَحَقُّ بِهَا ، وَهِيَ ابْنَةُ عَمِّي ، وَقَالَ جَعْفَرٌ: ابْنَةُ عَمِّي، وَخَالَتُهَا تَحْتِي ، وَقَالَ زَيْدٌ: ابْنَةُ أَخِي ، فَقَضَى بِهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِخَالَتِهَا وَقَالَ: «الْخَالَةُ بِمَنْزِلَةِ الأُمِّ» .وَقَالَ لِعَلِيٍّ: «أَنْتَ مِنِّي، وَأَنَا مِنْكَ» .وَقَالَ لِجَعْفَرٍ: «أَشْبَهْتَ خَلْقِي وَخُلُقِي» .وَقَالَ لِزَيْدٍ: «أَنْتَ أَخُونَا وَمَوْلانَا» .رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ فِي الْمَنَاقِبِ مُخْتَصَرًا عَلَى الْمُوَافَقَةِ ، عَنِ الْبُخَارِيِّ ، وَقَالَ: حَسَنٌ صَحِيحٌ ، وَلَفْظُهُ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِجَعْفَرِ بْنِ أَبِي طَالِبٍ: «أَشْبَهْتَ خَلْقِي وَخُلُقِي» .وَفِي الْحَدِيثِ قِصَّةٌ.وَقَعَ إِلَيْنَا هَذَا الْحَدِيثُ وَالَّذِي قَبْلَهُ مُوَافَقَةً عَاِليَةً لِلتِّرْمِذِيِّ فِي نُسْخَةِ الْبُخَارِيِّ ، كَأَنِّي سَمِعْتُهُمَا مِنْ أَبِي الْفَتْحِ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي الْقَاسِمِ الْكُرُوخِيِّ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ وَهُوَ وَلِيُّ التَّوْفِيقِ
-১০ - এবং তাঁর মাধ্যমে ইমাম বুখারী পর্যন্ত (সনদ পৌঁছেছে), আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুসা, ইসরাঈল থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি বারা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:....নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিলকদ মাসে (উমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে মক্কায় আসলেন), কিন্তু মক্কাবাসীরা তাকে মক্কায় প্রবেশ করতে দিতে অস্বীকার করল। শেষ পর্যন্ত তিনি তাদের সাথে এই শর্তে চুক্তিবদ্ধ হলেন যে, তিনি সেখানে তিন দিন অবস্থান করবেন। যখন তারা চুক্তিপত্রটি লিখল, তখন তারা লিখল: "এটি সেই চুক্তি যা আল্লাহর রাসূল মুহাম্মদ সম্পাদন করেছেন"। তারা (কুরাইশরা) বলল: "আমরা এটি স্বীকার করি না; কারণ আমরা যদি জানতাম যে আপনি আল্লাহর রাসূল, তবে আমরা আপনাকে (মক্কায় প্রবেশে) বাধা দিতাম না। বরং আপনি হলেন আবদুল্লাহর পুত্র মুহাম্মদ।" তখন তিনি বললেন: "আমি আল্লাহর রাসূল এবং আমি আবদুল্লাহর পুত্র মুহাম্মদ।"এরপর তিনি আলীকে বললেন: "আল্লাহর রাসূল (শব্দটি) মুছে দাও।"তিনি (আলী) বললেন: "আল্লাহর কসম, আমি আপনাকে কখনোই মুছব না।"তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) চুক্তিপত্রটি নিলেন এবং লিখলেন: "এটি সেই চুক্তি যা আবদুল্লাহর পুত্র মুহাম্মদ সম্পাদন করেছেন—যে, তিনি খাপবদ্ধ তলোয়ার ছাড়া কোনো অস্ত্র নিয়ে মক্কায় প্রবেশ করবেন না, এবং মক্কাবাসীদের মধ্য থেকে কেউ যদি তাঁর অনুগামী হতে চায় তবে তাকে সাথে করে নিয়ে যাবেন না, এবং তাঁর সাথীদের মধ্য থেকে কেউ যদি মক্কায় অবস্থান করতে চায় তবে তাকে বাধা দেবেন না। অতঃপর যখন তিনি মক্কায় প্রবেশ করলেন এবং নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হলো, তখন তারা আলীর কাছে এসে বলল: "আপনার সাথীকে বলুন আমাদের এখান থেকে চলে যেতে, কারণ সময় শেষ হয়ে গেছে।" সুতরাং নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রস্থান করলেন। তখন হামজা (রা.)-এর কন্যা "হে চাচা, হে চাচা" বলে তাঁদের পিছু নিল। আলী তাকে তুলে নিলেন এবং তার হাত ধরলেন। তিনি ফাতিমাকে বললেন: "তোমার চাচার মেয়েকে গ্রহণ করো, তাকে বহন করো।" এরপর তাকে (লালন-পালন) নিয়ে আলী, জায়েদ এবং জাফর বিবাদে লিপ্ত হলেন। আলী বললেন: "আমি তার অধিক হকদার, সে আমার চাচার মেয়ে।" জাফর বললেন: "সে আমার চাচার মেয়ে এবং তার খালা আমার স্ত্রী।" জায়েদ বললেন: "সে আমার ভাইয়ের মেয়ে।" তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার খালার অনুকূলে ফয়সালা দিলেন এবং বললেন: "খালা মায়ের সমতুল্য।"তিনি আলীকে বললেন: "তুমি আমার থেকে এবং আমি তোমার থেকে।"জাফরকে বললেন: "তুমি আকৃতি ও প্রকৃতিতে আমার সদৃশ হয়েছ।"এবং জায়েদকে বললেন: "তুমি আমাদের ভাই ও আমাদের মওলা (মুক্ত করা দাস ও অভিভাবক)।"ইমাম তিরমিজি এটি 'মানাকিব' (মর্যাদা) অধ্যায়ে ইমাম বুখারীর সাথে সামঞ্জস্য রেখে সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: হাদিসটি হাসান সহিহ। তার শব্দাবলী হলো, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জাফর ইবনে আবি তালিবকে বলেছেন: "তুমি আকৃতি ও প্রকৃতিতে আমার সদৃশ হয়েছ।"এবং এই হাদিসে একটি দীর্ঘ ঘটনা রয়েছে।এই হাদিসটি এবং এর আগেরটি আমাদের কাছে ইমাম তিরমিজির বর্ণনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ উচ্চতর সনদে বুখারীর কপিতে পৌঁছেছে, যেন আমি স্বয়ং আবু আল-ফাতহ আব্দুল মালিক ইবনে আবু আল-কাসেম আল-কুরুখি থেকে এই দুটি শুনেছি। সকল প্রশংসা ও অনুগ্রহ একমাত্র আল্লাহর জন্য এবং তিনিই তাওফিক দানকারী।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াফাকিয়াতুত তুসায়িয়াত লিদ-দামিয়াতী
(পৃষ্ঠা: ৮)
-10 - قَرَأْتُ عَلَى........الْحَجَّاجِ يُوسُفَ بْنِ خَلِيلٍ الدِّمَشْقِيِّ ، بِحَلَبَ.....أَبُو الْمَكَارِمِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ اللَّبَّانُ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِأَصْبَهَانَ ، أنا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الْحَدَّادُ ، أنا أَبُو نُعَيْمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِسْحَاقَ الْحَافِظُ ، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ ، ثنا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ ، ثنا جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ ، عَنْ عَوْفٍ ، عَنْ أَبِي رَجَاءٍ الْعُطَارِدِيِّ ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: السَّلامُ عَلَيْكُمْ فَرَدَّ عَلَيْهِ ، ثُمَّ جَلَسَ ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «عَشْرٌ» .ثُمَّ جَاءَ آخَرُ فَقَالَ: السَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ فَرَدَّ عَلَيْهِ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «عِشْرُونَ» .ثُمَّ جَاءَ آخَرُ فَقَالَ: السَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ ، فَرَدَّ عَلَيْهِ وَقَالَ: «ثَلاثُونَ» .قَالَ أَبُو نُعَيْمٍ: غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ جَعْفَرٍ تَفَرَّدَ بِهِ عَنْهُ مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ ، حَدَّثَ بِهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْمُقَدَّمِيُّ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَثِيرٍ.حَدَّثَنَاهُ أَبُو عَمْرِو بْنُ حَمْدَانَ ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْمُقَدَّمِيُّ.....بِهِ
-১০ - আমি পাঠ করেছি........হাজ্জাজ ইউসুফ বিন খলীল আদ-দিমাশকী-এর নিকট, হালেবে.....আবু আল-মাকারিম আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ আল-লাব্বান, আস্পাহানে তাঁর সামনে পাঠের মাধ্যমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আহমাদ বিন আল-হাসান আল-হাদ্দাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফিজ আবু নুয়াইম আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন ইসহাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান বিন আহমাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন আব্দুল আজিজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন কাসীর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর বিন সুলাইমান, আউফ থেকে, তিনি আবু রাজা আল-উতারিদী থেকে, তিনি ইমরান বিন হুসাইন থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলেন এবং বললেন: আপনাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক। তিনি তার উত্তর দিলেন, অতঃপর সে বসল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «দশ»।অতঃপর অন্য এক ব্যক্তি আসলেন এবং বললেন: আপনাদের ওপর শান্তি ও আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক। তিনি তার উত্তর দিলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «বিশ»।অতঃপর অন্য আরেক ব্যক্তি আসলেন এবং বললেন: আপনাদের ওপর শান্তি, আল্লাহর রহমত ও তাঁর বরকতসমূহ বর্ষিত হোক। তিনি তার উত্তর দিলেন এবং বললেন: «ত্রিশ»।আবু নুয়াইম বলেন: জাফরের হাদিস হিসেবে এটি ‘গরীব’ (একক সূত্রীয়); এটি তাঁর থেকে এককভাবে মুহাম্মাদ বিন কাসীর বর্ণনা করেছেন। আর মুহাম্মাদ বিন কাসীর থেকে এটি মুহাম্মাদ বিন আবু বকর আল-মুকাদ্দামী বর্ণনা করেছেন।এটি আমাদের নিকট আবু আমর বিন হামদান বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান বিন সুফিয়ান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আবু বকর আল-মুকাদ্দামী.....এর মাধ্যমে।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াফাকিয়াতুত তুসায়িয়াত লিদ-দামিয়াতী
(পৃষ্ঠা: ৯)
-10 - وَقُرِئَ عَلَى عَلِيِّ........بْنِ مَنْصُور....، عَنْ أَبِي الْمَعَالِي الْفَضْلِ بْنِ سَهْلِ بْنِ بِشْرٍ الإِسْفَرَايِينِيِّ ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ ثَابِتٍ الْخَطِيبِ الْبَغْدَادِيِّ الْحَافِظِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ قَالَ: قَرَأْتُ عَلَى الشَّرِيفِ أَبِي عُمَرَ الْقَاسِمِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْهَاشِمِيِّ بِالْبَصْرَةِ ، أنا أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَمْرٍو اللُّؤْلُئِيُّ ، ثنا أَبُو دَاوُدَ سُلَيْمَانُ بْنُ الأَشْعَثِ بْنِ إِسْحَاقَ السِّجِسْتَانِيُّ الْحَافِظُ ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ ، ثنا جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ ، عَنْ عَوْفٍ ، عَنْ أَبِي رَجَاءٍ ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ ، رضي الله عنهما، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: السَّلامُ عَلَيْكُمْ فَرَدَّ عَلَيْهِ ، ثُمَّ جَلَسَ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «عَشْرٌ» .ثُمَّ جَاءَ آخَرُ فَقَالَ: السَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ ، فَرَدَّ عَلَيْهِ فَجَلَسَ فَقَالَ: «عِشْرُونَ» .ثُمَّ جَاءَ آخَرُ فَقَالَ: السَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ ، فَرَدَّ عَلَيْهِ فَجَلَسَ فَقَالَ: «ثَلاثُونَ» .هَكَذَا رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ فِي السَّلامِ مِنْ كِتَابِ الأَدَبِ مِنْ سُنَنِهِ ، وَرَوَاهُ أَيْضًا مِنْ حَدِيثِ سَهْلِ بْنِ مُعَاذِ بْنِ أَنَسٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، بِمَعْنَاهُ وَزَادَ ثُمَّ أَتَى آخَرُ فَقَالَ: السَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ وَمَغْفِرَتُهُ ، فَقَالَ: «أَرْبَعُونَ» .ثُمَّ قَالَ: «هَكَذَا تَكُونُ الْفَضَائِلُ» .حَدِيثُ عِمْرَانَ رَوَاهُ النَّسَائِيُّ فِي الْيَوْمِ اللَّيْلَةِ عَلَى الْمُوَافَقَةِ الْعَالِيَةِ ، عَنْ أَبِي دَاوُدَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَثِيرٍ ، وَرَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ فِي الاسْتِئْذَانِ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، وَالْحُسَيْنِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحَرِيرِيِّ الْبَلْخِيِّ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَثِيرٍ ، بِهِ وَقَالَ: حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ
-১০ - এবং আলী... ইবনে মানসুরের নিকট পাঠ করা হয়েছে... আবু আল-মা'আলি আল-ফদল ইবনে সাহল ইবনে বিশর আল-ইসফারাঈনি থেকে, তিনি হাফিজ আবু বকর আহমদ ইবনে আলী ইবনে সাবিত আল-খাতিব আল-বাগদাদি থেকে বর্ণনা করেন, আর আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমি বসরার শরিফ আবু উমর আল-কাসিম ইবনে জাফর ইবনে আবদুল ওয়াহিদ আল-হাশিমির নিকট পাঠ করেছি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আমর আল-লুলুয়ি, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হাফিজ আবু দাউদ সুলাইমান ইবনে আল-আশ'আস ইবনে ইসহাক আস-সিজিস্তানি, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে কাসির, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে সুলাইমান, তিনি আওফ থেকে, তিনি আবু রাজা থেকে, তিনি ইমরান ইবনে হুসাইন (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এল এবং বলল: "আস-সালামু আলাইকুম" (আপনাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক)। তিনি তার সালামের উত্তর দিলেন, তারপর সে বসল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "দশ (নেকি)"। এরপর অন্য একজন এল এবং বলল: "আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ" (আপনাদের ওপর শান্তি ও আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক)। তিনি তার উত্তর দিলেন, তারপর সে বসল। তখন তিনি বললেন: "বিশ (নেকি)"। এরপর আরও একজন এল এবং বলল: "আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু" (আপনাদের ওপর শান্তি, আল্লাহর রহমত ও তাঁর বরকতসমূহ বর্ষিত হোক)। তিনি তার উত্তর দিলেন, তারপর সে বসল। তখন তিনি বললেন: "ত্রিশ (নেকি)"। এভাবেই আবু দাউদ তাঁর সুনান গ্রন্থের 'কিতাবুল আদব'-এর সালাম অধ্যায়ে এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি সাহল ইবনে মুয়াজ ইবনে আনাস থেকে, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে একই অর্থে বর্ণনা করেছেন এবং তাতে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, এরপর আরেকজন এল এবং বলল: "আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু ওয়া মাগফিরাতুহু" (আপনাদের ওপর শান্তি, আল্লাহর রহমত, তাঁর বরকতসমূহ ও তাঁর ক্ষমা বর্ষিত হোক)। তখন তিনি বললেন: "চল্লিশ (নেকি)"। এরপর তিনি বললেন: "ফজিলতসমূহ এমনই হয়ে থাকে।" ইমরানের হাদিসটি নাসায়ি 'আল-ইয়াওমু ওয়াল লাইলাহ'-তে 'মুয়াফাকাতুল আলিয়া' হিসেবে আবু দাউদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে কাসির থেকে বর্ণনা করেছেন। তিরমিজি এটি 'আল-ইস্তি'জান' অধ্যায়ে আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান ও হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ আল-হারিরি আল-বালখি থেকে, তাঁরা মুহাম্মদ ইবনে কাসির থেকে এই সনদে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: এই সূত্রে এটি হাসান গারিব।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াফাকিয়াতুত তুসায়িয়াত লিদ-দামিয়াতী
(পৃষ্ঠা: ১০)
-10 - قَرَأْتُ عَلَى أَبِي الْعَبَّاسِ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي الْفَتْحِ الْمُفَرّجِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ الْمُفَرّجِ بْنِ عَمْرٍو الدِّمَشْقِيِّ ، بِهَا رحمه الله ، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْعَبَّاسِ الْحَرَّانِيِّ ، وَشُهْدَةَ بِنْتِ أَحْمَدَ بْنِ الْمُفَرّجِ بْنِ عُمَرَ الآبُرِيِّ.ح ، وَكَتَبَ إِلَيْنَا أَبُو طَالِبٍ عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ حَمْزَةَ الْبَغْدَادِيُّ ، مِنْهَا ، أنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَرَّانِيُّ ، وَشُهْدَةُ ، قَالَ الْحَرَّانِيُّ: أنا أَبُو الْحَسَنِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّزَّاقِ بْنِ مُحَمَّدٍ الأَنْصَارِيُّ ، وَقَالَتْ شُهْدَةُ: أنا النَّقِيبُ أَبُو الْفَوَارِسِ طِرَادُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الزَّيْنَبِيُّ قَالا: أنا أَبُو الْفَتْحِ هِلالُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ الْحَفَّارُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ ، أنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَيَّاشِ بْنِ الْقَطَّانِ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وَثَلاثِينَ وَثَلاثِمِائَةٍ ، ثنا أَبُو الأَشْعَثِ ، ثنا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ ، ثنا شُعْبَةُ ، عَنْ مُسْلِمِ بْنِ يَنَّاقٍ أَبِي الْحَسَنِ، قَالَ: رَأَيْتُ ابْنَ عُمَرَ فِي دَارِ خَالِدٍ ، فَرَأَى رَجُلا يَجُرُّ إِزَارَهُ فَقَالَ: مِمَّنْ أَنْتَ؟ فَقَالَ: مِنْ بَنِي لَيْثٍ ، فَقَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، بِأُذُنَيَّ هَاتَيْنِ قَالَ: وَأَحْسَبُهُ قَالَ: وَأَخَذَ بِأُذُنَيْهِ يَقُولُ: «مَنْ جَرَّ إِزَارَهُ لا يُرِيدُ بِذَلِكَ إِلا الْمَخِيلَةَ لَمْ يَنْظُرِ اللَّهُ إِلَيْهِ»
-১০ - আমি দمشক শহরে আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে আবিল ফাতহ আল-মুফাররিজ ইবনে আলী ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে আল-মুফাররিজ ইবনে আমর আদ-দিমাশকি-এর নিকট পড়েছি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন)। তিনি আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনুল আব্বাস আল-হাররানি এবং শুহদাহ বিনতে আহমদ ইবনুল মুফাররিজ ইবনে উমর আল-আাবুরি থেকে বর্ণনা করেছেন।(হ), এবং আবু তালিব আব্দুল লতিফ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে হামজা আল-বাগদাদি সেখান থেকে আমাদের নিকট লিখেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হাররানি এবং শুহদাহ। হাররানি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান হিবাতুল্লাহ ইবনে আব্দুর রাজ্জাক ইবনে মুহাম্মাদ আল-আনসারি। আর শুহদাহ বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নাকীব আবুল ফাওয়ারিস তিরাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী আজ-জাইনাবি। তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ হিলাল ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে জাফর আল-হাফফার, তাঁর নিকট পাঠকালে আমি শ্রবণ করেছি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আইয়াশ ইবনুল কাত্তান, ৩৩২ হিজরি সনে তাঁর নিকট পাঠকালে আমি শ্রবণ করেছি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আশআস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর ইবনুল মুফাদ্দাল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শুবা, মুসলিম ইবনে ইয়ান্নাক আবুল হাসান থেকে। তিনি বলেন: আমি খালিদের বাড়িতে ইবনে উমরকে দেখেছি। তিনি এক ব্যক্তিকে তাঁর লুঙ্গি (তহবন্দ) টেনে হেঁচড়ে চলতে দেখে জিজ্ঞাসা করলেন: তুমি কোন বংশের? সে বলল: বনু লাইস বংশের। তখন তিনি বললেন: আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আমার এই দুই কান দিয়ে বলতে শুনেছি - বর্ণনাকারী বলেন: আমার ধারণা তিনি তাঁর দুই কানে হাত দিয়ে বলছিলেন - “যে ব্যক্তি অহংকারবশত তাঁর লুঙ্গি (তহবন্দ) টেনে হেঁচড়ে নিয়ে বেড়াবে, আল্লাহ তাঁর দিকে তাকাবেন না।”
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াফাকিয়াতুত তুসায়িয়াত লিদ-দামিয়াতী
(পৃষ্ঠা: ১১)
-10 - وَبِهِ ، ثنا شُعْبَةُ ، عَنْ جَبَلَةَ بْنِ سُحَيْمٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مَنْ جَرَّ ثَوْبًا مِنْ ثِيَابِهِ مِنْ مَخِيلَةٍ فَإِنَّ اللَّهَ لا يَنْظُرُ إِلَيْهِ» .رَوَاهُمَا النَّسَائِيُّ عَلَى الْمُوَافَقَةِ ، عَنْ أَبِي الأَشْعَثِ أَحْمَدَ بْنِ الْمِقْدَامِ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ الأَشْعَثِ الْعِجْلِيِّ الْبَصْرِيِّ ، فَكَأَنِّي سَمِعْتُهُمَا مِنْ أَبِي زُرْعَةَ
-১০ - এবং উক্ত সনদে, শু'বাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন জাবালাহ ইবন সুহায়ম থেকে, তিনি ইবন উমর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি অহংকারবশত তার পোশাকের কোনো অংশ ঝুলিয়ে টেনে নিয়ে বেড়াবে, আল্লাহ নিশ্চয়ই তার দিকে তাকাবেন না।»ইমাম নাসাঈ হাদীস দুটি আবু আশ'আস আহমাদ ইবনুল মিকদাম ইবনে সুলায়মান ইবনুল আশ'আস আল-ইজলি আল-বাসরি থেকে 'মুওয়াফাকাত' হিসেবে বর্ণনা করেছেন; ফলে আমি যেন হাদীস দুটি সরাসরি আবু যুরআ'র নিকট থেকেই শুনেছি।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াফাকিয়াতুত তুসায়িয়াত লিদ-দামিয়াতী
(পৃষ্ঠা: ১২)
-10 - أَخْبَرَنَا الأَشْيَاخُ الْخَمْسَةُ ، أَبُو الْقَاسِمِ الأَنْصَارِيُّ ، حَمْزَةُ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَتِيقِ بْنِ أَوْسٍ الْغَزَّالُ، بِالثَّغْرِ فِي الْقَدْمَةِ الأُولَى وَالثَّانِيَةِ عَوْدًا عَلي …، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي عَلِيٍّ الْحُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ رَوَاحَةَ ، بِحَلَبَ ، وَأَبُو الْحَسَنِ الطّليَانِيُّ بْنُ أَبِي الْفَضَائِلِ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ سَلامَةَ اللَّخْمِيُّ ، وَابْنُ أَبِي الْفَتْحِ مَحْمُودُ بْنُ أَبِي الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي جَعْفَرٍ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ مُوسَى الصُّوفِيُّ ، وَأَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ أَبِي الْمَنْصُورِ ظَافِرُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ فَتُّوحٍ الْمَالِكِيُّ ، قِرَاءَةً وَسَمَاعًا، قَالُوا: أنا أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحَافِظُ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ قَالَ: أنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْقَاسِمُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مَحْمُودِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْمَحْمُودِيُّ.ح ، وَقَرَأْتُ عَلَى ابْنِ الْعَبَّاسِ بْنِ أَبِي الْفَتْحِ ، بِدِمَشْقَ ، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْعَبَّاسِ الْحَرَّانِيِّ ، وَشُهْدَةَ بِنْتِ أَحْمَدَ بْنِ الْمُفَرّجِ الآبُرِيِّ.ح ، وَكَتَبَ إِلَيْنَا عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ حَمْزَةَ الْبَغْدَادِيُّ مِنْهَا ، أنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَرَّانِيُّ ، وَشُهْدَةُ قَالَ الْحَرَّانِيُّ: أنا أَبُو الْحَسَنِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّزَّاقِ بْنِ مُحَمَّدٍ الأَنْصَارِيُّ ، وَقَالَتْ شُهْدَةُ: أنا النَّقِيبُ أَبُو الْفَوَارِسِ طِرَادُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الزَّيْنَبِيُّ، قَالُوا: أنا أَبُو الْفَتْحِ هِلالُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ …، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، أنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَيَّاشٍ....قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وَثَلاثِينَ وَثَلاثِمِائَةٍ ، ثنا أَبُو الأَشْعَثِ أَحْمَدُ بْنُ الْمِقْدَامِ الْعِجْلِيُّ ، ثنا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ سُلَيْمَانَ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَرْجِسَ قَالَ: أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ جَالِسٌ فِي أَصْحَابِهِ ، فَدُرْتُ مِنْ خَلْفِهِ فَعَرَفَ الَّذِي أُرِيدُهُ ، فَأَلْقَى الرِّدَاءَ عَنْ ظَهْرِهِ ، فَرَأَيْتُ مَوْضِعَ الْخَاتَمِ عَلَى نَغْصِ كَتِفِهِ مِثْلَ الْجُمَّعِ حَوْلَهُ خِيلانٌ كَأَنَّهَا الثَّآلِيلُ ، فَرَجَعْتُ حَتَّى اسْتَقْبَلْتُهُ ، فَقُلْتُ: غَفَرَ اللَّهُ لَكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ ، فَقَالَ: «وَلَكَ» .فَقَالَ الْقَوْمُ: اسْتَغْفَرَ لَكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ قَالَ: نَعَمْ وَلَكُمْ ، ثُمَّ تَلا الآيَةَ {وَاسْتَغْفِرْ لِذَنْبِكَ وَلِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ} [محمد: 19] .هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ عَالٍ تُسَاعِيٌّ مُوَافَقَةٌ وَبَدَلٌ ، رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ فِي الشَّمَائِلِ ، عَنِ الْعِجْلِيِّ ، وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ عَنْ....، وَرَوَاهُ النَّسَائِيُّ ، عَنْ يَحْيَى بْنِ حَبِيبٍ ثَلاثَتُهُمْ عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ فَوَقَعَ مُوَافَقَةً......، كَأَنِّي سَمِعْتُهُ مِنَ الْكُرُوخِيِّ ، وَبَدَلا عَالِيًا لِمُسْلِمٍ وَالنَّسَائِيِّ ، كَأَنِّي سَمِعْتُهُ مِنَ الْفُرَاوِيِّ ، وَأَبِي زُرْعَةَ ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ
-১০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন পাঁচজন শায়খ: আবু আল-কাসিম আল-আনসারী, হামযা ইবনে উমর ইবনে আতীক ইবনে আউস আল-গাযযাল, প্রথম ও দ্বিতীয়বার সীমান্তে অবস্থানকালে …, এবং আবদুল্লাহ ইবনে আবি আলী আল-হুসাইন ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে রাওয়াহাহ (হালাবে), এবং আবু আল-হাসান আত-তালয়ানী ইবনে আবিল ফাদাইল হিবাতুল্লাহ ইবনে সালামাহ আল-লাখমী, এবং ইবনুল আবিল ফাতহ মাহমুদ ইবনে আবিল আব্বাস আহমদ ইবনে আবি জাফর আলী ইবনে আহমদ ইবনে উসমান ইবনে মূসা আস-সূফী, এবং আবু মুহাম্মদ আবদুল ওয়াহহাব ইবনে আবিল মানসূর জাফির ইবনে আলী ইবনে ফাত্তুহ আল-মালিকী—তাঁদের নিকট পাঠ ও শ্রবণের মাধ্যমে। তাঁরা বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-হাফিয, তাঁর নিকট পাঠ করা অবস্থায় এবং আমরা শ্রবণ করছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আল-কাসিম ইবনে আল-ফযল ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মাহমুদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ইবরাহীম আল-মাহমুদী।সূত্র পরিবর্তন, এবং আমি দামেস্কে ইবনুল আব্বাস ইবনে আবিল ফাতহ-এর নিকট পাঠ করেছি, তিনি আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আল-আব্বাস আল-হাররানী এবং শুহদাহ বিনতে আহমদ ইবনে আল-মুফাররিজ আল-আবুরী থেকে বর্ণনা করেছেন।সূত্র পরিবর্তন, এবং বাগদাদ থেকে আবদুল লতিফ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে হামযা আল-বাগদাদী আমাদের নিকট লিখেছেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আল-হাররানী এবং শুহদাহ। আল-হাররানী বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু আল-হাসান হিবাতুল্লাহ ইবনে আবদুর রাজ্জাক ইবনে মুহাম্মদ আল-আনসারী। এবং শুহদাহ বলেন: আমাদের জানিয়েছেন নকীব আবু আল-ফাওয়ারিস তিরাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী আজ-যায়নাবী। তাঁরা বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু আল-ফাতহ হিলাল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর …, তাঁর নিকট পাঠ করা অবস্থায়। আমাদের জানিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আইয়্যাশ...তাঁর নিকট পাঠ করা অবস্থায় এবং আমি শ্রবণ করছিলাম ৩৩২ হিজরী সনে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-اش’আছ আহমদ ইবনুল মিকদাম আল-ইজলী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাম্মাদ ইবনে যায়েদ, আসিম ইবনে সুলাইমান থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে সারজিস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলাম যখন তিনি তাঁর সাহাবীদের সাথে উপবিষ্ট ছিলেন। আমি তাঁর পিছন দিক দিয়ে ঘুরলাম, তিনি বুঝতে পারলেন আমি কী চাচ্ছি। তখন তিনি তাঁর পিঠ থেকে চাদরটি সরিয়ে দিলেন, ফলে আমি তাঁর কাঁধের হাড়ের ওপর মোহরের স্থানটি দেখলাম যা মুষ্টিবদ্ধ হাতের মতো, যার চারপাশে তিল ছিল যেন তা আঁচিল। আমি ফিরে এসে তাঁর সামনে দাঁড়ালাম এবং বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করুন। তিনি বললেন: "এবং তোমাকেও।"উপস্থিত লোকজন জিজ্ঞেস করল: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি আপনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ, এবং তোমাদের জন্যও। অতঃপর তিনি এই আয়াতটি পাঠ করলেন: {এবং আপনার ত্রুটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন আর মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদের জন্যও} [মুহাম্মদ: ১৯]।এটি একটি সহীহ, উচ্চ পর্যায়ের নয়-সূত্র বিশিষ্ট হাদীস যা মুওয়াফাকাহ ও বদল পদ্ধতিতে বর্ণিত। ইমাম তিরমিযী এটি ‘শামায়েল’-এ আল-ইজলী থেকে বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন... থেকে..., এবং ইমাম নাসাঈ এটি ইয়াহইয়া ইবনে হাবীব থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা তিনজনই হাম্মাদ ইবনে যায়েদ থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি ‘মুওয়াফাকাহ’ হয়েছে..., যেন আমি এটি আল-কুরুখী থেকে শুনেছি। আর ইমাম মুসলিম ও ইমাম নাসাঈর জন্য উচ্চ পর্যায়ের ‘বদল’ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে, যেন আমি এটি আল-ফুরাবী ও আবু যুরআহ থেকে শুনেছি। সমস্ত প্রশংসা ও অনুগ্রহ আল্লাহরই প্রাপ্য।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াফাকিয়াতুত তুসায়িয়াত লিদ-দামিয়াতী
(পৃষ্ঠা: ১৩)
-10 - قَرَأْتُ عَلَى الشَّيْخَةِ الصَّالِحَةِ أُمِّ حَمْزَةَ صَفِيَّةَ بِنْتِ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْخَضِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَلِيٍّ الْقُرَشِيَّةِ الزُّبَيْرِيَّةِ ، بِالسُّوقِ الأَعْلَى مِنْ حَمَاةَ ، بِمَحْضَرٍ مِنْ وَلَدِهَا الْقَاضِي أَبِي يَعْلَى حَمْزَةَ بْنِ مُحَمَّدٍ ، عَنِ الأَشْيَاخِ الْخَمْسَةِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْحَسَنِ بْنِ الْعَبَّاسِ بْنِ عَلِيٍّ الرُّسْتُمِيِّ ، وَأَبِي الْفَرَجِ مَسْعُودِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الْقَاسِمِ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مَحْمُودِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الثَّقَفِيِّ ، وَأَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ....وَأَبِي الْغَنَائِمِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْمُؤْمِنِ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ أَحَمْدَ ، وَأَبِي الْقَاسِمِ مَحْمُودِ بْنِ عَبْدِ الْكَرِيمِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ التَّاجِرِ ، الْمَعْرُوفِ بِفَورجَةَ، قَالَ الرُّسْتُمِيُّ: أنا أَبُو عِيسَى عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زِيَادٍ ، وَأَبُو الْفَضْلِ الْمُطَهَّرُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ الرَّبِيعِ..، وَقَالَ الثَّقَفِيُّ: أنا ابْنُ....الْمَذْكُور ، وَقَالَ الْبَاقُونَ: أنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ مَاجَهْ الأَبْهَرِيُّ قَالُوا: أنا أَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْمَرْزُبَانِ الأَبْهَرِيُّ، قَالُوا: أنا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ يَحْيَى بْنِ الْحَكَمِ الْحَزَوَّرِيُّ ، ثنا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ حَبِيبٍ الْمِصِّيصِيُّ الْمُلَقَّبُ بِلُوَيْنٍ ، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلالٍ ، عَنْ أَبِي وَجْزَةَ السَّعْدِيِّ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «ادْنُ مِنِّي، وَسَمِ اللَّهَ، وَكُلْ بِيَمِينِكَ ، وَكُلْ مِمَّا يَلِيكَ» .رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ ، عَنْ لُوَيْنٍ فَوَقَعَ مُوَافَقَةً عَاِليَةً
-১০ - আমি পুণ্যবতী শায়খাহ উম্মু হামযাহ সাফিয়্যাহ বিনতে আব্দুল ওয়াহহাব বিন আলী বিন আল-খাদির বিন আব্দুল্লাহ বিন আলী আল-কুরাশিয়্যাহ আয-যুবাইরিয়্যাহর নিকট হামাহর আস-সুক আল-আ'লা নামক স্থানে পাঠ করেছি, যেখানে তাঁর পুত্র কাজী আবু ইয়ালা হামযাহ বিন মুহাম্মাদ উপস্থিত ছিলেন। তিনি বর্ণনা করেছেন পাঁচজন শায়খের নিকট থেকে: আবু আব্দুল্লাহ আল-হাসান বিন আল-আব্বাস বিন আলী আর-রুস্তামি, আবুল ফারাজ মাসউদ বিন আল-হাসান বিন আল-কাসিম বিন আল-ফাদল বিন আহমদ বিন আহমদ বিন মাহমুদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইব্রাহিম আস-সাকাফি এবং আবুল হাসান আলী বিন আহমদ বিন মুহাম্মাদ...এবং আবুল গানায়িম মুহাম্মাদ বিন আব্দুল মুমিন বিন হিবাতুল্লাহ বিন আহমদ এবং আবুল কাসিম মাহমুদ বিন আব্দুল কারিম বিন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহিম আত-তাজির, যিনি ফাওরাজাহ নামে পরিচিত। আর-রুস্তামি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ঈসা আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান বিন যিয়াদ এবং আবুল ফাদল আল-মুতাহহার বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-ফাদল বিন আর-রাবী...এবং আস-সাকাফি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উল্লিখিত ইবনে... এবং বাকিরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হাসান বিন মাজাহ আল-আভহারি। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর আহমদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-মারযুবান আল-আভহারি। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহিম বিন ইয়াহইয়া বিন আল-হাকাম আল-হাযাওওয়ারি। আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু জাফর মুহাম্মাদ বিন সুলায়মান বিন হাবিব আল-মিসসিসি, যাঁর উপাধি লুওয়াইন। আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সুলায়মান বিন বিলাল, আবু ওয়াজযাহ আস-সা'দি থেকে, তিনি উমর বিন আবি সালামাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আমার নিকটে এসো, আল্লাহর নাম নাও, তোমার ডান হাত দিয়ে খাও এবং তোমার সামনের অংশ থেকে খাও»।আবু দাউদ এটি লুওয়াইন থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি একটি উচ্চস্তরের মুওয়াফাকাত হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াফাকিয়াতুত তুসায়িয়াত লিদ-দামিয়াতী
(পৃষ্ঠা: ১৪)
-10 - وَبِهِ إِلَى لُوَيْنٍ ، ثنا ابْنُ عُيَيْنَةَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ السَّائِبِ بْنِ بَرَكَةَ ، عَنْ أُمِّهِ قَالَتْ: كُنْتُ مَعَ عَائِشَةَ رضي الله عنها فِي الطَّوَافِ فَذَكَرُوا حَسَّانًا فَوَقَعُوا فِيهِ ، فَنَهَتْهُمْ عَنْهُ وَقَالَتْ: أَلَيْسَ هُوَ الَّذِي يَقُولُ:هَجَوْتَ مُحَمَّدًا فَأَجَبْتُ عَنْهُ … وَعِنْدَ اللَّهِ فِي ذَاكَ الْجَزَاءُأَتَهْجُوهُ وَلَسْتَ لَهُ بِكُفْءٍ … فَشَرُّكُمَا لِخَيْرِكُمَا الْفِدَاءُفَإِنَّ أَبِي وَوَالِدَتِي وَعِرْضِي … لِعِرْضِ مُحَمَّدٍ مِنْكُمْ وِقَاءُرَوَاهُ مُسْلِمٌ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ شُعَيْبِ بْنِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ جَدِّهِ ، عَنْ خَالِدِ بْنِ يَزِيدَ ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلالٍ ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ غَزِيَّةَ الأَنْصَارِيِّ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَارِثِ التَّيْمِيِّ ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ الزُّهْرِيِّ ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها ، فَبِاعْتِبَارِ الْعَدَدِ إِلَى عَائِشَةَ، كَأَنِّي سَمِعْتُهُ مِنْ مُسْلِمٍ ، وَصَافَحْتُهُ بِهِ ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ
-১০- এবং তাঁর মাধ্যমেই লুয়াইনের নিকট পৌঁছালাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে উয়াইনা, মুহাম্মদ ইবনে সাইব ইবনে বারাকা থেকে, তিনি তাঁর মা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা)-এর সাথে তাওয়াফ করছিলাম, তখন লোকজন হাসসানের আলোচনা করল এবং তাঁর সমালোচনা করতে লাগল। তখন তিনি তাদের তা থেকে বারণ করলেন এবং বললেন: তিনি কি সেই ব্যক্তি নন যিনি বলেছিলেন:তুমি মুহাম্মাদকে গালি দিয়েছ, আর আমি তাঁর পক্ষ থেকে উত্তর দিয়েছি … আর আল্লাহর নিকট এর প্রতিদান রয়েছে।তুমি কি তাঁর নিন্দা করছ অথচ তুমি তাঁর সমকক্ষ নও? … তোমাদের মধ্যকার নিকৃষ্ট ব্যক্তিটি তোমাদের মধ্যকার শ্রেষ্ঠ ব্যক্তির জন্য উৎসর্গ হোক।নিশ্চয়ই আমার পিতা, আমার মাতা এবং আমার সম্মান … তোমাদের আক্রমণ থেকে মুহাম্মাদের সম্মানের রক্ষাকবচ।এটি ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন আবদুল মালিক ইবনে শুয়াইব ইবনে লাইস ইবনে সাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি খালিদ ইবনে ইয়াজিদ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবি হিলাল থেকে, তিনি উমারা ইবনে গাজিয়া আল-আনসারী থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আল-হারিস আত-তাইমি থেকে, তিনি আবু সালামা ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আওফ আজ-জুহরি থেকে, তিনি আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) থেকে। সুতরাং আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) পর্যন্ত বর্ণনাকারীর সংখ্যার বিচারে এটি যেন আমি সরাসরি মুসলিমের নিকট থেকে শুনেছি এবং তাঁর সাথে মুসাফাহা করেছি। আর আল্লাহর জন্যই সকল প্রশংসা ও অনুগ্রহ।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াফাকিয়াতুত তুসায়িয়াত লিদ-দামিয়াতী
(পৃষ্ঠা: ১৫)
-10 - أَخْبَرَنَا الأَشْيَاخُ الْفَقِيهُ الْخَطِيبُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَبِي الْفَضَائِلِ هِبَةُ اللَّهِ......بْن الْمُسْلِمِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيٍّ اللَّخْمِيُّ الشَّافِعِيُّ ، عَوْدًا عَلَى بَدْءٍ بِالْفُسْطَاطِ ، وَأَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ أَبِي........بْن عَلِيِّ بْنِ فَتُّوحِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْقُرَشِيُّ ، نَزِيلُ الأَزْدِ ، وَأَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي الْحَرَمِ مَكِّيِّ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي سَعِيدِ بْنِ عَتِيقِ بْنِ الْحَاسِبِ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمَا ، مُنْفَرِدِينَ بِالإِسْكَنْدَرِيَّةِ وَالْعَلامَةُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الصَّمَدِ بْنِ عَبْدِ الأَحَدِ بْنِ عَبْدِ الْغَالِبِ السَّخَاوِيُّ ، كِتَابَةً إِلَيَّ مِنْ دِمَشْقَ، قَالُوا: أنا أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الأَصْبَهَانِيُّ الْحَافِظُ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ بِالثَّغْرِ ، أنا الرَّئِيسُ أَبُو الْحُسَيْنِ مَكِّيُّ بْنُ مَنْصُورِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلافٍ الْكَرْخِيُّ ، قَدِمَ عَلَيْنَا أَصْبَهَانَ سَنَةَ إِحْدَى وَتِسْعِينَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ ، وَفِيهَا مَاتَ ، أنا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ أَحْمَدَ الْحَرَشِيُّ الْحِيرِيُّ ، بِنَيْسَابُورَ ، ثنا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ يُوسُفَ الأَصَمُّ ، ثنا أَبُو يَحْيَى زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى بْنِ أَسَدٍ الْمَرْوَزِيُّ ، بِبَغْدَادَ ، بَابِ خُرَاسَانَ سَنَةَ ثَمَانٍ وَ.......فِي الْحَرَمِ قَالَ: ثنا سُفْيَانُ ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ ، سَمِعَ الْبَرَاءَ بْنَ عَازِبٍ رضي الله عنهما يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: " إِذَا أَخَذَ أَحَدُكُمْ مَضْجَعَهُ يَقُولُ: اللَّهُمَّ إِلَيْكَ أَسْلَمْتُ نَفْسِي ، وَإِلَيْكَ وَجَّهْتُ وَجْهِي ، وَإِلَيْكَ فَوَّضْتُ أَمْرِي ، وَإِلَيْكَ أَلْجَأْتُ ظَهْرِي رَغْبَةً وَرَهْبَةً لا مَلْجَأَ وَلا مَنْجَا مِنْكَ إِلا إِلَيْكَ ، آمَنْتُ بِكِتَابِكَ الَّذِي أَنْزَلْتَ ، وَبِرَسُولِكَ أَوْ وَبِنَبِيِّكَ الَّذِي أَرْسَلْتَ فَإِنْ مَاتَ مَاتَ عَلَى الْفِطْرَةِ ".رَوَاهُ النَّسَائِيُّ فِي الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَمْرٍو ، عَنْ سَعِيدٍ ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ ، عَنْ.......، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ ، فَبِاعْتِبَارِ هَذَا الْعَدَدِ مِنْ أَبِي إِسْحَاقَ كَأَنِّي سَمِعْتُهُ مِنَ النَّسَائِيِّ..........وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ
-১০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখগণ; ফকিহ, খতিব আবুল হাসান আলী ইবনে আবিল ফাযায়িল হিবাতুল্লাহ......ইবনুল মুসলিম ইবনে আহমদ ইবনে আলী আল-লাখমী আশ-শাফিয়ী, ফুসতাতে পুনরায় ফিরে আসার পর; এবং আবু মুহাম্মদ আবদুল ওয়াহহাব ইবনে আবি......ইবনে আলী ইবনে ফাত্তুহ ইবনুল হুসাইন ইবনে ইবরাহিম আল-কুরাশী, আল-আজদে বসবাসকারী; এবং আবুল কাসিম আবদুর রহমান ইবনে আবিল হারাম মাক্কী ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবি সাঈদ ইবনে আতিক ইবনুল হাসিবে কাছে কিরাআত করার মাধ্যমে, যা তাঁরা ইস্কান্দারিয়ায় পৃথক পৃথকভাবে করেছেন; এবং আল্লামা আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুস সামাদ ইবনে আবদুল আহাদ ইবনে আবদুল গালিব আস-সাখাভী, দামেস্ক থেকে আমার কাছে পত্রের মাধ্যমে; তাঁরা বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-আসবাহানি আল-হাফিজ, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে যখন আমরা আস-সাগরে (সীমান্তবর্তী এলাকায়) শ্রবণ করছিলাম; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন প্রধান আবু হুসাইন মাক্কী ইবনে মানসুর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল্লাফ আল-কারখী, তিনি আমাদের কাছে আসবাহানে চারশত একানব্বই হিজরিতে এসেছিলেন এবং সেই বছরেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাযী আবু বকর আহমদ ইবনুল হুসাইন ইবনে আহমদ আল-হারাশী আল-হীরী, নিশাপুরে; আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইউসুফ আল-আসাম্ম; আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু ইয়াহইয়া জাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আসাদ আল-মারওয়াযী, বাগদাদে, খোরাসান দরজায়, আট এবং......হারামে, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, আবু ইসহাক থেকে, তিনি আল-বারা ইবনে আজিব (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বলতে শুনেছেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: " যখন তোমাদের কেউ শয্যা গ্রহণ করে, সে যেন বলে: হে আল্লাহ, আমি আমার নিজেকে তোমার কাছে সঁপে দিলাম, আমার মুখমণ্ডল তোমার দিকে ফিরালাম, আমার বিষয়াদি তোমার কাছে অর্পণ করলাম, এবং তোমার প্রতি আগ্রহ ও ভীতি নিয়ে আমার পিঠ তোমার আশ্রয়ে দিলাম; তোমার থেকে (বাঁচতে) তোমা ছাড়া কোনো আশ্রয় নেই এবং কোনো মুক্তি নেই। আমি তোমার নাযিলকৃত কিতাবের ওপর এবং তোমার প্রেরিত রাসূলের অথবা নবীর ওপর ঈমান এনেছি। অতঃপর সে যদি মারা যায়, তবে সে ফিতরাতের ওপর মৃত্যুবরণ করল।"নাসায়ী এটি 'আল-ইয়াউম ওয়াল লাইলাহ'-তে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে ইয়াযীদ ইবনে ইবরাহিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি উসমান ইবনে আমর থেকে, তিনি সাঈদ থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি......আবু ইসহাক থেকে। আবু ইসহাক থেকে প্রাপ্ত এই বর্ণনাসূত্রের আধিক্যের বিবেচনায় মনে হচ্ছে যেন আমি এটি সরাসরি নাসায়ী থেকে শুনেছি......এবং সমস্ত প্রশংসা ও অনুগ্রহ একমাত্র আল্লাহরই জন্য।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াফাকিয়াতুত তুসায়িয়াত লিদ-দামিয়াতী
(পৃষ্ঠা: ১৬)
-10 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْحَافِظُ........أَبُو الْحَجَّاجِ يُوسُفُ بْنُ خَلِيلِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ …نَزِيلُ حَلَبَ بِهَا ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، أنا الشَّيْخَانِ أَبُو عَبْدِ …بْن أَبِي نَصْرِ بْنِ أَبِي عَلِيٍّ الْكَرَّانِيُّ ، وَأَبُو حَفْصٍ.....وَأَبُو الْفَتْحِ الطَّرَسُوسِيُّ ، بِأَصْبَهَانَ قَالا: أنا أَبُو مَنْصُورٍ......إِسْمَاعِيل بْن مُحَمَّدٍ الصَّيْرَفِيُّ ، أنا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ فَاذشَاهْ.ح ، وأَخْبَرَنَا ابْنُ خَلِيلٍ أَيْضًا ، أنا أَبُو جَعْفَرٍ الطَّرَسُوسِيُّ ، أنا أَبُو نَهْشَلٍ عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْفَضْلِ الْعَنْبَرِيُّ ، أنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ زِيَادِ بْنِ زَيْدٍ الْفَقِيهُ، قَالا: أنا الْحَافِظُ أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ بْنِ مُطَيْرٍ اللَّخْمِيُّ الشَّامِيُّ ، ثُمَّ الطَّبَرَانِيُّ ، نَزِيلُ أَصْبَهَانَ ، ثنا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْحَاقَ ، ثنا عُثْمَانُ ، ثنا عَبْدَةُ ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ رضي الله عنها، قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «يُصْبِحُ جُنُبًا مِنَ الْوِقَاعِ لا مِنَ احْتِلامٍ ثُمَّ يُتِمُّ صَوْمَهُ» .رَوَاهُ النَّسَائِيُّ فِي الصَّوْمِ ، عَنْ أَحْمَدَ بْنِ حَفْصِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ ، عَنِ الْحَجَّاجِ بْنِ الْحَجَّاجِ ، عَنْ قَتَادَةَ ، عَنْ....، عَنِ ابْنِ عِيَاضٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ ، عَنْ.....زَكَرِيَّا بْن يَحْيَى ، خَيَّاط السُّنَّةِ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عِيسَى ، عَنْ عَبْدِ الأَعْلَى ، عَنْ سَعِيدٍ ، عَنْ قَتَادَةَ ، عَنِ ابْنِ عِيَاضٍ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ ، عَنْ مَوْلَى أُمِّ سَلَمَةَ ، عَنْ.........نَافِعٍ أَيْضًا ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ ، وَنَافِعٌ هَذَا غَيْرُ نَافِعٍ مَوْلَى....الَّذِي رَوَيْنَاهُ مِنْ طَرِيقِهِ فَبِاعْتِبَارِ هَذَا الْعَدَدِ لأُمِّ سَلَمَةَ كَأَنِّي مِنْ رِوَايَةِ عَبْدِ رَبِّهِ فِي طَرِيقِ النَّسَائِيِّ سَمِعْتُهُ مِنْهُ وَصَافَحْتُهُ بِهِ ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ
-১০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ, হাফিজ........আবু আল-হাজ্জাজ ইউসুফ বিন খলিল বিন আব্দুল্লাহ …হালব তথা আলেপ্পোর অধিবাসী, সেখানে তাঁর নিকট পঠিত হয়েছে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দুই শাইখ আবু আব্দ …বিন আবি নাসর বিন আবি আলি আল-কাররানি এবং আবু হাফস.....ও আবু আল-ফাতহ আল-তারসুসি, ইসফাহানে। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মানসুর......ইসমাঈল বিন মুহাম্মদ আস-সায়রাফি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন ফাযশাহ। (হ) এবং আমাদের ইবনে খলিলও সংবাদ দিয়েছেন। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর আল-তারসুসি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাহশাল আব্দুস সামাদ বিন আহমদ বিন আল-ফজল আল-আনবারি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন ইবরাহিম বিন যিয়াদ বিন জায়েদ আল-ফকিহ। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফিজ আবু আল-কাসিম সুলাইমান বিন আহমদ বিন আইয়ুব বিন মুতাইর আল-লাখমি আশ-শামি, অতঃপর আত-তাবারানি, ইসফাহানের অধিবাসী। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন বিন ইসহাক। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদাহ। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ বিন উমর, নাফে’ থেকে, উম্মে সালামাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম «স্বপ্নদোষের কারণে নয়, বরং সহবাসের ফলে জানাবাত (অপবিত্র) অবস্থায় সকাল করতেন, অতঃপর তিনি তাঁর রোজা পূর্ণ করতেন»।নাসাঈ রোজা অধ্যায়ে এটি বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন হাফস বিন আব্দুল্লাহ বিন ইবরাহিম থেকে, তিনি হাজ্জাজ বিন হাজ্জাজ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি....থেকে, তিনি ইবনে ইয়াদ থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন আল-হারিস থেকে, তিনি.....যাকারিয়া বিন ইয়াহইয়া থেকে, যিনি সুন্নাহর খাইয়াত, তিনি আমর বিন ঈসা থেকে, তিনি আব্দুল আলা থেকে, তিনি সাঈদ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি ইবনে ইয়াদ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আল-হারিস থেকে, তিনি উম্মে সালামাহর মুক্তদাস থেকে, তিনি.........পুনরায় নাফে’ থেকে, তিনি উম্মে সালামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। আর এই নাফে’ সেই নাফে’ নন যিনি মুক্তদাস....যাঁর সূত্রে আমরা বর্ণনা করেছি। সুতরাং উম্মে সালামাহর বর্ণনার এই সংখ্যা বিবেচনায়, নাসাঈর সূত্রে আবদে রাব্বিহি-এর বর্ণনায় এটি এমন মনে হচ্ছে যেন আমি সরাসরি এটি তাঁর কাছ থেকে শুনেছি এবং তাঁর সাথে মুসাফাহা করেছি। সকল প্রশংসা ও অনুগ্রহ আল্লাহর জন্য।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াফাকিয়াতুত তুসায়িয়াত লিদ-দামিয়াতী
(পৃষ্ঠা: ১৭)
-10 - أَخْبَرَنَا الأَشْيَاخُ السَّبْعَةُ أَبُو الْحَسَنِ الْعَلِيَّانِ ابْنُ أَبِي الْفَضَائِلِ الْمِصْرِيُّ ، وَابْنُ أَبِي الْفَتْحِ الْبَصْرِيُّ ، وَأَبُو الْقَاسِمِ بْنُ أَبِي عَلِيٍّ الْحَمَوِيُّ ، وَابْنُ أَبِي الْحَزْمِ الطَّرَابُلُسِيُّ ، وَأَبُو مُحَمَّدِ بْنُ أَبِي الْمَنْصُورِ ، وَأَبُو الرِّضَى عَلِيُّ بْنُ يَزِيدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْمُفَرّجِ.....مُحَمَّد بْن أَبِي الْحُسَيْنِ يَحْيَى بْنِ أَبِي الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ.....الإِسْكَنْدَرَانِيُّونَ رضي الله عنهم......قَالُوا: أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ …الْفَقِيهُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ ، أنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْقَاسِمُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مَحْمُودِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ....الْمَحْمُودِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ بِأَصْبَهَانَ …وَأَرْبَعِمِائَةٍ، قَالَ: أنا أَبُو الْحُسَيْنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بِشْرَانَ، أنبا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ الْبَخْتَرِيِّ، ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَنْصُورٍ الْحَارِثِيُّ، نا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ ، ثنا خُثَيْمُ بْنُ عِرَاكٍ، ثنا أَبِي ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «لَيْسَ عَلَى الْمَرْءِ الْمُسْلِمِ فِي فَرَسِهِ وَلا مَمْلُوكِهِ صَدَقَةٌ» .صَحِيحٌ مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ مِنْ تَرْجَمَتَيْنِ ، رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ ، عَنْ مُسَدَّدٍ ، وَالتِّرْمِذِيُّ ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ سَعِيدٍ ، جَمِيعًا عَنِ الْقَطَّانِ ، فَوَقَعَ بَدَلا عَالِيًا لَهُمَا ، وَرَوَاهُ النَّسَائِيُّ فِي جَمْعِ حَدِيثِ مَالِكٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ شُعَيْبِ بْنِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ جَدِّهِ ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَيُّوبَ ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ ، عَنْ عِرَاكِ بْنِ مَالِكٍ،، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، فَبِاعْتِبَارِ هَذَا الْعَدَدِ إِلَى عِرَاكٍ فَكَأَنِّي سَمِعْتُهُ مِنَ النَّسَائِيِّ وَصَافَحْتُهُ بِهِ ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ
-১০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাতজন শায়খ: আবুল হাসান আল-আলীয়ান ইবনে আবিল ফাদায়িল আল-মিসরি, ইবনে আবিল ফাতহ আল-বাসরি, আবুল কাসিম বিন আবি আলি আল-হামাভি, ইবনে আবিল হাযম আত-তরাবুলুসি, আবু মুহাম্মদ বিন আবিল মানসুর এবং আবু রিদা আলি বিন ইয়াযিদ বিন আলি বিন আল-মুফাররিজ.....মুহাম্মদ বিন আবিল হুসাইন ইয়াহইয়া বিন আবিল হাসান বিন আবদুল্লাহ.....আল-ইসকান্দারানিগণ (আল্লাহ তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট হোন)......তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির আহমদ বিন মুহাম্মদ …আল-ফকিহ, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে যখন আমরা শুনছিলাম: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আল-কাসিম বিন আল-ফাদল বিন আহমদ বিন আহমদ বিন মাহমুদ বিন আবদুল্লাহ....আল-মাহমুদি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে যখন আমি ইসফাহানে শুনছিলাম …এবং চারশত হিজরি সনে, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আলি বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন বিশরান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আমর বিন আল-বাখতারি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন মানসুর আল-হারিসি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন খুসাইম বিন ইরাক, আমার পিতা থেকে বর্ণিত, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "একজন মুসলিম ব্যক্তির ওপর তার ঘোড়া বা দাসের জন্য কোনো সদাকাহ (যাকাত) নেই।" .এটি সহিহ এবং দুটি সনদে মুত্তাফাকুন আলাইহি (সর্বসম্মত)। ইমাম বুখারি বর্ণনা করেছেন মুসাদ্দাদ থেকে, এবং তিরমিযি বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ বিন সাঈদ থেকে, তাঁরা উভয়েই কাত্তান থেকে; ফলে এটি তাঁদের জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের 'বাদাল' সনদ হিসেবে গণ্য হয়েছে। আর ইমাম নাসায়ি এটি মালিকের হাদিসসমূহ সংকলনে বর্ণনা করেছেন আবদুল মালিক বিন শুআইব বিন আল-লাইস বিন সাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন আইয়ুব থেকে, তিনি মালিক থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন দিনার থেকে, তিনি সুলায়মান বিন ইয়াসার থেকে, তিনি ইরাক বিন মালিক থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে। সুতরাং ইরাক পর্যন্ত এই রাবিদের সংখ্যা বিবেচনায় এটি এমন যেন আমি স্বয়ং নাসায়ির নিকট থেকে এটি শুনেছি এবং তাঁর সাথে করমর্দন করেছি। সকল প্রশংসা ও অনুগ্রহ কেবল আল্লাহরই জন্য।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াফাকিয়াতুত তুসায়িয়াত লিদ-দামিয়াতী
(পৃষ্ঠা: ১৮)
-10 - قَرَأْتُ عَلَى أَبِي..........بْن سَالِمِ بْنِ مَهْدِيٍّ الْمُقْرِئِ ، بِبَغْدَادَ ، بَاب....عِيسَى بْن سَلامَةَ بْنِ سَالِمِ بْنِ ثَابِتٍ الْحَرَّانِيّ …أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ أَحْمَدَ بْنِ سُلَيْمَانَ ، الْمَعْرُوفُ بِالْبَطِّيِّ..قَرَأْتُ عَلَى أُمِّ حَمْزَةَ صَفِيَّةَ بِنْتِ عَبْدِ الْوَهَّابِ....، عَنْ أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي الْقَاسِمِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ رَافِعٍ الطُّوسِيِّ بْنِ تَاجِ الْقُرَّاءِ.ح ، وَقَرَأْتُ عَلَى أَبِي الْعَبَّاسِ أَحْمَدَ بْنِ الْمُفَرّجِ بْنِ مَسْلَمَةَ ، بِدِمَشْقَ ، عَنْ أَبِي الْبَطِّيِّ ، وَابْنِ تَاجِ الْقُرَّاءِ ، وَأَبِي الْقَاسِمِ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ هِلالِ بْنِ عَلِيٍّ الدَّقَّاقِ، قَالُوا: أنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مَالِكُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْبَانِيَاسِيُّ ، أنا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْقَاسِمِ بْنِ الصَّلْتِ الْقُرَشِيُّ ، ثنا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ......بْن مُوسَى بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الإِمَامُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ....إِمْلاءً ، ثنا أَبُو مُصْعَبٍ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الزُّهْرِيُّ …مَالِكٌ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ الزُّهْرِيِّ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ، وَالْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ أَبِيهِمَا ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، رضي الله عنه ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «نَهَى عَنْ مُتْعَةِ النِّسَاءِ يَوْمَ خَيْبَرَ ، وَعَنْ أَكْلِ لُحُومِ الْحُمُرِ الإِنْسِيَّةِ» .رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ …وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ عَنْ، يَحْيَى بْنِ يَحْيَى كُلُّهُمْ ، عَنْ مَالِكٍ ، فَوَقَعَ بَدَلا لَهُمَا عَالِيًا، وَرَوَاهُ النَّسَائِيُّ فِي جَمْعٍ ، حَدَّثَنِي مَالِكٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ شُعَيْبِ بْنِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ جَدِّهِ ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَيُّوبَ ، وَعَنْ زَكَرِيَّا بْنِ يَحْيَى ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ مَحْبُوبٍ ، عَنْ عَبْثَرِ بْنِ الْقَاسِمِ ، عَنِ الثَّوْرِيِّ ، كِلَاهُمَا عَنْ مَالِكٍ ، فَبِاعْتِبَارِ هَذَا الْعَدَدِ إِلَى مَالِكٍ كَأَنِّي مِنْ رِوَايَةِ الثَّوْرِيِّ عَنْهُ سَمِعْتُهُ مِنَ النَّسَائِيِّ وَصَافَحْتُهُ بِهِ ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُأَنْشَدَنَا الأَدِيبُ أَبُو الطَّيِّبِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْوَفَاءِ الْمَوْصِلِيُّ ، الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الْحلاويِّ لِنَفْسِهِ ، بِالْمَوْصِلِ بِمَشْهَدِ البرمَةِتَبَدَّتْ فَأَوْدَى بِالْقَضِيبِ.......… وَأَرَتْنِي عَلَى نَقْصِ الْهِلالِ كَمَالَهَاوَفَاهَتْ مِنَ الدَّارِ الثَّمِينِ بِمِثْلِهِ … وَأندرى عَلَى السّحرِ الْحَرَامِ حَلالهَافَمَا الْحُسْنُ إِلا مَا حَوَاهُ لِثَامُهَا … وَمَا …إِلا مَا أَرَاهُ اخْتِيَالَهَامِنَ التّركِ فِي رَشْقِ السِّهَامِ … وَإِنَّهَا....إلي حَتَّى هِلال هِلالهَاتَصُولُ بِمَيَّادِ الْقَوَامِ بِمِثْلِهِ … تَكِرُّ إِلَى قَتْلِ الرِّجَالِ رِجَالهَاوَمَا الصَّعْدَةُ السَّمْرَاءُ إِلا قوامُهُ … فَصَعِيدُهَا غَيْرُ الْجَلِيدِ اعْتِقَالُهَانَأَتْ دَارُهَا عَنِّي وَفِي الْقَلْبِ شَخْصُهَا … فَحَمَّلَنِي ثقلُ الْغَرَامِ احْتِمَالَهَاوَلَوْ لَمْ تَكُنْ بَدْرَ السَّمَاءِ لما غَدَا … إِلَى الْقَلْبِ بَعْدَ الطَّرْفِ مِنِّي انْتِقَالُهَاتَذَلَّلَتْ فِي حُبِّي لَهَا فَتَدَلَّلَتْ … وَآفَةُ ذُلِّي فِي الْغَرَامِ دَلالُهَاوَمِنْ عَجَبٍ أَخْشَى مَعَ الْهَجْرِ … بُعْدَهَا وَمَا كَانَ يُرْجَى فِي الدُّنُوِّ وِصَالُهَاوَمَا هِيَ إِلا الشَّمْسُ تَدْنُو مَنَارهَا … وَيَبْعُدُ عَنْ أَيْدِي الرِّجَالِ مَنَالُهَامِنَ الْبِيضِ وَافَاهَا النَّعِيمُ فَعَمَّهَا … وَزَيَّنَهَا فِي رُتْبَةِ الْحُسْنِ خَالُهَاوَأَنْشَدَنَا الأَدِيبُ الْحَاسِبُ أَبُو نَصْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَكِيمِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْخَضِرِ الطَّبَرِيُّ الآمُلِيُّ الْمَحْتِدِ الْحَلَبِيُّ الْمَوْلِدِ لِنَفْسِهِ بِدِمَشْقَ وَهُوَ مِنَ الْمَعَانِي الْغَرِيبَةِمَنْ لِي بِأَهْيَفَ قَالَ حِينَ عَتَبْتُهُ … فِي قَطْعِ كُلّ قَضِيبِ بَانٍ رَائِقِتَحْكِي مَعَاطِفَهُ الريتاق إِذَا انْثَنَى … رَيَّان بَيْنَ جَدَاوِلَ وَحَدَائِقِسَرَقَتْ غُصُونَ الْبَانِ لِينَ مَعَاطِفِي … فَقَطَعْتُهَا وَالْقَطْعُ حَدُّ السَّارِقِوَأَنْشَدَنَا الْفَقِيهُ الأُصُولِيُّ الأَدِيبُ أَبُو الْمَعَالِي الْقَاسِمُ بْنُ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ أَبِي الْحَدِيدِ الْمَدَائِنِيُّ الشَّافِعِيُّ يَتَوَلَّى نَظَرَ دِيوَانِ الإِنْشَاءِ بِبَغْدَادَ لِنَفْسِهِ ، بِبَغْدَادَوَأُنْسِيتُ مِنْهُ الْوَعْدَ بِالْوَصْلِ ضَلَّةً … وَقَدْ كَانَ مِنَّا قَبْلَ ذَلِكَ مَا كَانَاعِنَاقًا وَرَشْفًا مِنْ ثَنَايَا كَأَنَّهَا … أَقَاحِي الرُّبَى غَضًّا مِنَ الطَّلِّ رَيَّانًاوَلا عَجَبَ أَنِّي نَسِيتُ عُهُودَهُ … فَشَمُّ الأَقَاحِي يُورِثُ الْمَرْءَ نِسْيَانًاقال الشيخ المنشد:هَذَا مذكرو فِي الطِّبِّ أَنَّ … شَمَّ الأَقَاحِي يُورِثُ النِّسْيَانَوَأَنْشَدَنَا أَيْضًا لِنَفْسِهِ بِبَغْدَادَأَسْتَغْفِرُ اللَّهَ مِنْ ذُنُوبٍ … قَدْ هَدَّنِي مِنْ ثُقْلِهَا الثَّقِيلُوَلَيْسَ لِي صَالِحٌ كَثِيرٌ … وَلَيْسَ لِي صَالِحٌ قَلِيلُمَا لِي سِوَى أَصْلٍ حَسَنٍ … ظَنِّي وَإِنَّهُ بِالرِّضَى كَفِيلُوَأَنْشَدَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ حُجَّةُ الْعَرَبِ أَبُو الْفَضَائِلِ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ حَيْدَرِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الْقُرَشِيُّ الْعَدَوِيُّ الْعُمَرِيُّ الصَّغَانِيُّ اللُّغَوِيُّ الْحَنَفِيُّ الْفَقِيهُ الْمُحَدِّثُ لِنَفْسِهِ بِبَغْدَادَتَسَرْبَلْتُ سِرْبَالَ الْقَنَاعَةِ وَالرِّضَى صَبِيًّا … فَكَانَا فِي الْكُهُولَةِ دَيْدَنِيوَقَدْ كَانَ يَنْهَانِي أَبِي....بِالرِّضَى وَبِالْعَفْوِ … إِنْ أُوَلِّي يَدًا مِنْ يَدِي دنىوَأَنْشَدَنَا أَيْضًا لِنَفْسِهِ بِبَغْدَادَيَوْمٌ بِمَكَّةَ خَيْرٌ مِنْ مُضِيِّ سَنَةٍ … بِغَيْرِهَا تَنْقَضِي بِاللَّهْوِ أَوْ بِسنهفَلا الْقُلُوبُ إِلَى الأَهْوَاءِ مَائِلَةٌ … وَلا النُّفُوسُ بِكَسْبِ الإِثْمِ مُرْتَهِنَةُوَلا الْفَقِيرُ مَع الإِمْلاقِ ذُو جَزَعٍ … وَلا الْغَنِيُّ يُحَامِي النَّاسَ مَا.....وَلا يَمُرُّ عَلَى.....أَقَلّ … مِنْ لَحْظَة لا يَقْتَنِي حُسْنهوَلا يَذُمُّهم.......… إِلا العوي الَّذِي جَلَّ الْعلي....وَأَنْشَدَنَا أَيْضًا لِنَفْسِهِ مِنْ بَغْدَادَإِذَا احْتَبَيْتَ نَجَاة الركنِ.....… النَّاس مِنْ شَامٍ وَمِنْ يَمَنِذَوُو مَخَابِر أَعْدَاد النُّجُومِ وَمَنْ قَدْ … آثَرَ السَّفَرَ الْمُضْنِي عَلَى الْوَطَنِأَظَلُّ أُنْشِدُهُمْ شِعْرِي وَأُخْبِرُهُمْ … بِمَا سَمِعْتُ مِنَ الأَخْبَارِ وَالسُّنَنِمُوثِقًا عَدْلَ أَهْليها.......… مَنْ تَكَلَّمُوا فِيهِ فِي مَاضٍ مِنَ الزَّمَنِأَرَونِي الأَحَادِيثَ عَنْ.......… أَقُولُ حَدَّثَنِي شَيْخِي وَأَخْبَرَنِيوَأُشْبِعُ الْقَوْلَ فِي.......… وَجَلَّ بَعْضُهَا جَرْيًا عَلَى السُّنَنِخَطَتْ عَلَى جَبْهَةِ الأَيَّامِ خَالِدَةً … فَلَكَ الْكَارِم لا قَعْبَان من لينوَمِمَّا قُلْتُهُ بِبَغْدَادَ وَكُتِبَ عَنِّي بِهَا … عِلْمُ الْحَدِيثِ لَهُ قَدْرٌ وَمَنْقَبَةُنَالَ الْعُلا بِهِ مَنْ كَانَ مُعْتَنِيًا … مَا جَازَهُ كَامِل إِلا ونقصهأَوْ جَازَهُ عَاطِلٌ إِلا بِهِ جليا … وَمِمَّا نَظَمْتُهُ....بِهَارَوَيْنَا عَنِ الأَشْيَاخِ أَنْ نَبِيَّنَا … شَفِيعٌ كَرِيمٌ ذُو نجار وَمَحْتِدِيَلُوذُ بِهِ جَمِيعُ الْخَلائِقِ فِي غَدٍ … كَمَا لاذَتِ الْوَارِدُ فِي كُلِّ مَوْرِدِخَبَّأَ دَعْوَةً لِلْمُذْنِبِينَ......… لِيَظْهَرَ عِنْدَ الْعَرْضِ تَمْيِيزُ أَحْمَدَوَبَادَرَ كُلُّ الرُّسُلِ دَعْوَةَ رَبِّهِمْ … كَذَا جَاءَتِ الأَنْبِيَاءُ فِي كُلِّ مُسْنَدِلِكُلِّ نَبِيٍّ دَعْوَةٌ مُسْتَجَابَةٌ … تَعَجَّلَهَا غَيْرَ النَّبِيِّ مُحَمَّدِآخِرُ الْجُزْءِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَحْدَهُ وَصَلَوَاتُهُ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ عَبْدِهِ وَرَسُولِهِ ، وَآلِهِ وَصَحْبِهِ ، وَحَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ
-১০ - আমি আমার পিতা..........সালেম বিন মাহদী আল-মুকরির পুত্র বাগদাদে তাঁর নিকট পাঠ করেছি, বাব....ঈসা বিন সালামাহ বিন সালেম বিন সাবিত আল-হাররানি …আবুল ফাতহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি বিন আহমদ বিন সুলাইমান, যিনি আল-বাত্তি নামে পরিচিত..আমি উম্মু হামযাহ সাফিয়্যাহ বিনতে আব্দুল ওয়াহহাবের নিকট পাঠ করেছি....আবুল হাসান আলী বিন আবুল কাসিম আব্দুর রহমান বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন রাফি আত-তুসি বিন তাজুল কুররা থেকে।হা (সনদ পরিবর্তন), এবং আমি দামেস্কে আবুল আব্বাস আহমদ বিন আল-মুফাররিজ বিন মাসলামাহর নিকট পাঠ করেছি, তিনি আবুল বাত্তি, ইবনু তাজুল কুররা এবং আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন হাসান বিন হিলাল বিন আলী আদ-দাক্কাক থেকে বর্ণনা করেন। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মালিক বিন আহমদ বিন আলী বিন ইবরাহিম আল-বানিয়ানি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-কাসিম বিন আস-সালত আল-কুরাশি। আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক ইবরাহিম বিন......বিন মুসা বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আল-ইমাম বিন মুহাম্মদ বিন আলী....শ্রুতিলিপি অনুযায়ী, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু মুসআব আহমদ বিন আবু বকর আজ-জুহরি …মালিক ইবনু শিহাব আজ-জুহরি থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ এবং হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আলী থেকে, তাঁরা তাঁদের পিতা থেকে, তিনি আলী বিন আবি তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) «খায়বারের যুদ্ধের দিন নারীদের সাথে মুতআ (সাময়িক বিবাহ) এবং গৃহপালিত গাধার গোশত খাওয়া নিষিদ্ধ করেছেন»।এটি বুখারি বর্ণনা করেছেন … থেকে এবং মুসলিম বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া থেকে, তাঁরা সকলেই মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি তাঁদের উভয়ের জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের 'বাদাল' (বিকল্প সনদ) হিসেবে গণ্য হলো। আর নাসাঈ এটি একটি সংকলনে বর্ণনা করেছেন; আমার নিকট মালিক বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক বিন শুআইব বিন আল-লাইস বিন সাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন আইয়ুব থেকে, তিনি জাকারিয়া বিন ইয়াহইয়া থেকে, তিনি ইবরাহিম বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি সাঈদ বিন মাহবুব থেকে, তিনি আবসার বিন আল-কাসিম থেকে, তিনি সাওরি থেকে, তাঁরা উভয়ে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন। মালিক পর্যন্ত এই রাবী সংখ্যার বিচারে মনে হয় যেন আমি সাওরির রেওয়ায়েতে তাঁর থেকে এটি নাসাঈর নিকট থেকে শুনেছি এবং এর মাধ্যমে তাঁর সাথে মুসাফাহা করেছি। সকল প্রশংসা ও অনুগ্রহ আল্লাহরই জন্য।সাহিত্যিক আবু তাইয়্যিব আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আবুল ওয়াফা আল-মাওসিলি, যিনি ইবনুল হালাবি নামে পরিচিত, মাওসিলের মাশহাদুল বারামাহতে নিজের রচিত কবিতা আমাদের শুনিয়েছেন:সে প্রকাশ পেল আর ডালগুলোকে ধ্বংস করে দিল.......… চাঁদের ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও সে আমাকে তার পূর্ণতা দেখাল।সে দুর্লভ মুক্তার ন্যায় কথা বলল … এবং যাদুর ওপর তার হালাল প্রভাব দেখাল।সৌন্দর্য কেবল তাই যা তার নেকাব ধারণ করে … এবং … কেবল তাই যা আমি তার গর্বিত চরণে দেখি।তীর নিক্ষেপে তুর্কিদের থেকে … এবং সেটি....আমার দিকে, যতক্ষণ না তার নতুন চাঁদ উদিত হলো।সে তার দোদুল্যমান অবয়ব নিয়ে আক্রমণ করে … পুরুষদের হত্যার জন্য তার বাহিনী বারবার ফিরে আসে।বাদামি রঙের বর্শা তো কেবল তার দেহসৌষ্ঠব … তার সুউচ্চ অবয়বটি অত্যন্ত সুদৃঢ়।আমার থেকে তার আবাস দূরে সরে গেছে, কিন্তু আমার হৃদয়ে তার অস্তিত্ব বিদ্যমান … প্রেমের ভার আমাকে তা বইতে বাধ্য করেছে।সে যদি আকাশের পূর্ণিমা না হতো, তবে দৃষ্টির পর আমার হৃদয়ে তার স্থানান্তর ঘটত না …তার প্রতি ভালোবাসায় আমি বিনয়ী হলাম, আর সে হলো লাবণ্যময়ী … প্রেমে আমার এই বিনয়ের আপদ হলো তার সেই লাবণ্য।বিস্ময়কর যে, বিচ্ছেদের সাথে সাথে আমি তার দূরত্বের ভয় করি … অথচ সান্নিধ্যের সময় মিলনের আশা ছিল না।সে তো সূর্যের ন্যায় যার আলো নিকটে আসে … কিন্তু পুরুষদের হাত তার নাগাল পায় না।শুভ্রদের মাঝে নেয়ামত তাকে ঘিরে রেখেছে … এবং সৌন্দর্যের উচ্চ সোপানে তার তিল তাকে সুশোভিত করেছে।গণিতবিদ ও সাহিত্যিক আবু নাসর মুহাম্মদ বিন আল-হাকিম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন আল-খিজির আত-তাবারী আল-আমুলি আল-হালাবি দামেস্কে স্বরচিত কিছু চমৎকার অর্থবহ কবিতা আমাদের শুনিয়েছেন:কে আছে আমার সেই কৃশাঙ্গ প্রিয়তমের জন্য, যাকে আমি অনুযোগ করলে সে বলেছিল … প্রতিটি মনোরম বেতস লতা কেটে ফেলার ব্যাপারে।যখন সে বাঁক নেয়, তখন তার ভাঁজগুলো ঝরনার প্রবাহের কথা স্মরণ করিয়ে দেয় … যা নদী ও উদ্যানের মাঝে সিক্ত।সে বলেছিল: বেতস লতাগুলো আমার দেহের নমনীয়তা চুরি করেছে … তাই আমি সেগুলোকে কেটে ফেলেছি, আর চোরের দণ্ড তো অঙ্গচ্ছেদই।উসুলবিদ ফকিহ ও সাহিত্যিক আবুল মাআলি আল-কাসিম বিন হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন আবুল হাদিদ আল-মাদায়িনি আশ-শাফিয়ি, যিনি বাগদাদের দিওয়ানি ইনশার প্রধান ছিলেন, বাগদাদে স্বরচিত কবিতা আমাদের শুনিয়েছেন:ভুলবশত আমি তার মিলনের প্রতিশ্রুতি ভুলে গিয়েছিলাম … অথচ এর আগে আমাদের মাঝে যা হওয়ার ছিল তা হয়েছিল।আলিঙ্গন এবং সেই দন্তপাটি থেকে সুধা পান যা যেন … পাহাড়ের চূড়ার সতেজ ও শিশিরভেজা গুলবাহার।আমি তার প্রতিশ্রুতি ভুলে গেছি তাতে আশ্চর্যের কিছু নেই … কারণ গুলবাহারের ঘ্রাণ মানুষকে বিস্মৃতি উপহার দেয়।আবৃত্তিদানকারী শেখ বললেন:চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটি উল্লেখ আছে যে … গুলবাহারের ঘ্রাণ বিস্মৃতি ঘটায়।তিনি বাগদাদে নিজের আরও কিছু কবিতা আমাদের শুনিয়েছেন:আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাই সেই সব পাপ থেকে … যার ভারী বোঝা আমাকে ভেঙে ফেলেছে।আমার কাছে অনেক বেশি নেক আমল নেই … এমনকি সামান্য নেক আমলও নেই।আমার কাছে একটি উত্তম মূল ভিত্তি (উত্তম ধারণা) ছাড়া আর কিছু নেই … আর আমি নিশ্চিত যে তিনি সন্তুষ্টি প্রদানে যথেষ্ট।শায়খ ইমাম, হুজ্জাতুল আরব আবুল ফাদায়িল আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন হায়দার বিন আলী বিন ইসমাইল আল-কুরাশি আল-আদাবি আল-উমারি আস-সাগানি আল-লুগাভি আল-হানাফি, ফকিহ ও মুহাদ্দিস বাগদাদে স্বরচিত কবিতা শুনিয়েছেন:আমি শৈশব থেকেই অল্পেতুষ্টি ও সন্তুষ্টির পোশাক পরেছি … প্রৌঢ়ত্বেও তা আমার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।আমার পিতা আমাকে নিষেধ করতেন....সন্তুষ্টি ও ক্ষমার সাথে … আমি যদি আমার হাত থেকে কাউকে কিছু দান করি তবে তা যেন নিকটের হয়।তিনি বাগদাদে নিজের আরও কিছু কবিতা শুনিয়েছেন:মক্কার একটি দিন এক বছরের চেয়েও উত্তম … যা অন্য কোথাও খেলতামাশা বা তন্দ্রার ঘোরে অতিবাহিত হয়।সেখানে অন্তর কুপ্রবৃত্তির দিকে ঝুঁকে পড়ে না … আর আত্মা পাপ অর্জনে দায়বদ্ধ হয় না।সেখানে অভাবী ব্যক্তি দরিদ্রতা সত্ত্বেও বিচলিত হয় না … আর ধনী ব্যক্তি মানুষকে বাধা দেয় না যা.....আর সেখানে অতিক্রান্ত হয় না.....এক মুহূর্তের জন্যও … এমন কিছু যাতে সে কল্যাণ অর্জন করে না।আর তাদের নিন্দা করে না.......… কেবল সেই কুবুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তি ছাড়া যার ওপর মহান সুউচ্চ রব....তিনি বাগদাদে নিজের আরও কিছু কবিতা শুনিয়েছেন:যখন তুমি রুকনের আশ্রয়ে বেঁচে গেলে.....… সিরিয়া ও ইয়ামেন থেকে আসা মানুষের মাঝে।যাদের অভিজ্ঞতা নক্ষত্ররাজির ন্যায় অগণিত এবং যারা … স্বদেশের চেয়ে কষ্টকর সফরকে প্রাধান্য দিয়েছে।আমি তাদের কাছে আমার কবিতা আবৃত্তি করি এবং তাদের সংবাদ দেই … আমি যে সব খবর ও সুন্নাহ শুনেছি তা থেকে।সেখানকার অধিবাসীদের ন্যায়পরায়ণতার ওপর বিশ্বাস রেখে.......… যাদের সম্পর্কে অতীতে আলোচনা করা হয়েছে।তারা আমাকে হাদিসগুলো দেখায়.......… আমি বলি: আমার শায়খ আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং আমাকে সংবাদ দিয়েছেন।আমি বিস্তারিত বলি.......… যার কিছু অংশ সুন্নাহ অনুযায়ী সাবলীলভাবে বর্ণিত।তা দিনগুলোর কপালে চিরস্থায়ী হয়ে লিখিত রয়েছে … যা তোমার জন্য সম্মানের, কোনো তুচ্ছ পাত্র নয়।বাগদাদে আমি যা বলেছি এবং যা আমার থেকে লেখা হয়েছে … ইলমে হাদিসের এক মহান মর্যাদা ও মাহাত্ম্য রয়েছে।যে ব্যক্তি এর প্রতি যত্নবান হয়েছে সে উচ্চতা লাভ করেছে … কোনো পূর্ণ ব্যক্তি তা অতিক্রম করেনি কেবল তার মর্যাদা বৃদ্ধি ছাড়া।অথবা কোনো রিক্ত ব্যক্তি তা অতিক্রম করেনি কেবল উজ্জ্বল হওয়া ছাড়া … এবং আমি যা কাব্য আকারে রচনা করেছি....সেখানেআমরা শায়খদের থেকে বর্ণনা করেছি যে, আমাদের নবী … এক সম্মানিত সুপারিশকারী, যার বংশ ও উৎস অতি উচ্চ।কিয়ামতের ময়দানে সকল সৃষ্টি তাঁর নিকট আশ্রয় নেবে … যেমন তৃষ্ণার্তরা প্রতিটি জলাধারের কাছে আশ্রয় নেয়।তিনি পাপীদের জন্য একটি দুআ লুকিয়ে রেখেছেন......… যাতে কিয়ামতের ময়দানে আহমদের বিশেষত্ব প্রকাশ পায়।সকল রাসূল তাদের রবের নিকট দুআ করার ব্যাপারে ত্বরান্বিত করেছেন … এভাবেই প্রতিটি মুসনাদ গ্রন্থে নবীদের বর্ণনা এসেছে।প্রত্যেক নবীর জন্য একটি কবুলযোগ্য দুআ ছিল … যা নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ব্যতীত সকলেই দ্রুত করে ফেলেছেন।অংশের সমাপ্তি। সকল প্রশংসা একক আল্লাহর জন্য। তাঁর সালাত ও রহমত বর্ষিত হোক আমাদের নেতা মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওপর, যিনি তাঁর বান্দা ও রাসূল, এবং তাঁর পরিবার ও সাহাবীদের ওপর। আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক।