(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: -)
المسلسلات من الأحاديث والآثار   (أبو الربيع الكلاعي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: المسلسلات من الأحاديث والآثار

المؤلف: سليمان بن موسى بن سالم بن حسان الكلاعي الحميري، أبو الربيع (ت 634هـ)

[الكتاب مرقم آليا]

عدد الصفحات: 98

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

হাদিস ও আসারসমূহের মুসালসালাত (ধারাবাহিক বর্ণনা)   (আবু আল-রাবি' আল-কালাঈ)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: হাদিস ও আসারসমূহের মুসালসালাত (ধারাবাহিক বর্ণনা)

লেখক: সুলাইমান বিন মুসা বিন সালিম বিন হাসান আল-কালাঈ আল-হিমইয়ারী, আবু আল-রাবি' (মৃত্যু ৬৩৪ হিজরি)

[কিতাবটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংখ্যায়িত]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৯৮

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ১)
‌‌جزء فيه المسلسلات من الأحاديث والآثار

تخريج شيخنا الخطيب العلامة الإمام الحافظ الناقد المحدث المسند الأوحد أبي الربيع سليمان بن موسى بن سالم الكلاعي، من سماعاته ، رضي الله عنه ، ونفعه بها.

أخذ عني هذه المسلسلات وما اتصل بها من الإنشادات الفقيه الجليل الزكي أبو بكر محمد بن الفقيه أبي جعفر أحمد بن عمر بن إبراهيم التجيبي ، وفقني الله، ما بين قراءة مني عليه وقراءة منه علي ، فكمل له كل ذلك بشرطه من حفظي …

وصفة وقته فليروي ذلك عني كذلك إن شاء ، نفعنا الله وإياه.

قاله سليمان بن موسى بن سالم الكلاعي ، وكتب بخطه في أواخر جمادى الآخرة من سنة ثلاثين وستمائة.

بسم الله الرحمن الرحيم صلى الله على محمد وعلى آله وسلم تسليما حدثني الفقيه الإمام الخطيب العلامة الحافظ أبو الربيع سليمان بن موسى بن سالم الكلاعي ، رضي الله عنه ، بقراءتي عليه في جمادى الأولى من سنة ثلاثين وستمائة، قلتم رضي الله عنكم، فأقر به.

الحمد لله كِفاء ما خول من سوابغ النعم ، وصلى الله على سيدنا محمد رسوله المخصوص بالفضل والكرم ، وعلى آله الطاهرين ، وصحبه المباركين ، وسلم وشرّف وكرّم.

أما بعد: فإن أصحاب الحديث قد أكثروا العناية بمسلسلات الأحاديث حتى جعلها أبو عبد الحاكم صدرا في تقاسيمه ، وعدها نوعا عاشرا من أنواع علومه لكونها في الأكثر مفصحة بالسماع ، ورافعة عارض الإشكال في الاتصال ، والإرسال عن الخواطر والأسماع ، وإذا كان سبب نفاقها عند الحفاظ ظهور السماع في ما تورد به من الألفاظ ، وارتفاع ريب الاحتمال في الاتصال بما يقترن بأدائها من الأقوال والأفعال ، فالأولى أن يعتني بما دل منها باللفظ أو بالفحوى دلالة صادقة على هذا المعنى ، وبالجملة فإنما هي من التحديث، لا مما ينبغي أن يصرف إلى تحصيله وكر السعي الحثيث إذ أساء بيدها في الأكثر طامسة الأعلام متصلة الأظلام ، والذي سلم منها فيما وقع إليّ من الإنكار والتعليل قليل، أو أقل من القليل ، ولكن مذهب القوم إلف مألوف ، وكل مأخذ من مآخذ الصناعة الشريفة شريف، فسبيلنا أن نعرج على ما عليه عرجوا ، ونخرج كما خرجوا، احتذاء على مثالهم، واقتداء بفعالهم ، حشرنا الله في زمرة خيارهم ، ووفقنا للاهتمام بصالح اختيارهم ، إنه ولي الهداية والتوفيق ، لا رب غيره.
হাদীস ও আছারসমূহের মুসালসালাত (পরম্পরাবদ্ধ বর্ণনা) সম্বলিত একটি অংশ

আমাদের শায়খ, খতীব, আল্লামা, ইমাম, হাফেজ, সমালোচক, মুহাদ্দিস, অনন্য মুসনিদ আবু রাবী সুলাইমান ইবন মুসা ইবন সালিম আল-কালায়ী কর্তৃক সংকলিত, যা তাঁর শ্রুত বর্ণনাসমূহ থেকে গৃহীত; আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন এবং এর মাধ্যমে তাঁকে উপকৃত করুন।

এই মুসালসালাতসমূহ এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট আবৃত্তিযোগ্য বিষয়গুলো আমার নিকট থেকে গ্রহণ করেছেন মহান, পবিত্র ও বিচক্ষণ ফকীহ আবু বকর মুহাম্মদ ইবনুল ফকীহ আবু জাফর আহমদ ইবন উমর ইবন ইব্রাহীম আত-তুজীবী। আল্লাহ আমাকে তাওফিক দান করুন। এগুলো কখনো আমি তাঁকে পড়ে শুনিয়েছি আবার কখনো তিনি আমাকে পড়ে শুনিয়েছেন। ফলে তাঁর জন্য এই সবকিছু আমার স্মৃতি থেকে যথাযথ শর্তানুসারে পূর্ণতা পেয়েছে...

এবং সময়ের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী তিনি চাইলে এগুলো আমার পক্ষ থেকে একইভাবে বর্ণনা করতে পারেন। আল্লাহ আমাদের এবং তাঁকে উপকৃত করুন।

এটি সুলাইমান ইবন মুসা ইবন সালিম আল-কালায়ী বলেছেন এবং ৬৩০ হিজরীর জুমাদাল আখিরা মাসের শেষ দিকে নিজ হাতে লিখেছেন।

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আল্লাহ মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গের ওপর সালাত ও পূর্ণাঙ্গ সালাম বর্ষণ করুন। ফকীহ, ইমাম, খতীব, আল্লামা, হাফেজ আবু রাবী সুলাইমান ইবন মুসা ইবন সালিম আল-কালায়ী (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন) আমাকে বর্ণনা করেছেন, যখন আমি তাঁর কাছে ৬৩০ হিজরীর জুমাদাল উলা মাসে পাঠ করেছিলাম। আপনি (মুহাদ্দিস) বলেছিলেন—আল্লাহ আপনাদের ওপর সন্তুষ্ট হোন—অতঃপর তিনি তা স্বীকার করে নিয়েছেন।

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যা তাঁর প্রদত্ত অঢেল নিয়ামতের উপযুক্ত প্রতিদান। আর সালাত বর্ষিত হোক আমাদের নেতা মুহাম্মদের ওপর, যিনি অনুগ্রহ ও মহানুভবতার জন্য বিশেষভাবে মনোনীত আল্লাহর রাসূল; এবং তাঁর পবিত্র পরিবার ও বরকতময় সাহাবীগণের ওপর; তিনি তাঁদের ওপর শান্তি, মর্যাদা ও সম্মান বর্ষণ করুন।

অতঃপর, মুহাদ্দিসগণ মুসালসাল হাদীসসমূহের প্রতি অত্যন্ত গুরুত্ব প্রদান করেছেন, এমনকি আবু আবদুল্লাহ আল-হাকিম একে তাঁর শ্রেণিবিন্যাসের শুরুতে স্থান দিয়েছেন এবং একে তাঁর উলূমুল হাদীসের দশম প্রকার হিসেবে গণ্য করেছেন। কারণ, অধিকাংশ ক্ষেত্রে এগুলো শ্রবণের (সামা') বিষয়টি স্পষ্টভাবে প্রকাশ করে এবং বর্ণনাক্রমের অবিচ্ছিন্নতা নিয়ে মনের ও কানের যে কোনো সংশয় বা বিচ্ছিন্নতার জটিলতা দূর করে। যখন হাফেজগণের কাছে এর জনপ্রিয়তার কারণ হলো শব্দমালার মাধ্যমে শ্রবণের বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া এবং বর্ণনা করার সময় বিভিন্ন কথা ও কাজের মাধ্যমে বর্ণনাসূত্র অবিচ্ছিন্ন থাকার ব্যাপারে সংশয় দূর হওয়া, তখন এমন বিষয়গুলোর প্রতি যত্নবান হওয়া অধিকতর সমীচীন যা শাব্দিক বা অন্তর্নিহিতভাবে এই অর্থের ওপর সত্যনিষ্ঠ প্রমাণ বহন করে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, এগুলো নিছক হাদীস বর্ণনার একটি ধারা মাত্র; এটি এমন কিছু নয় যার পিছনে নিরন্তর কঠোর প্রচেষ্টা ব্যয় করা উচিত। কারণ এর অধিকাংশেরই অবস্থা ত্রুটিপূর্ণ, যেখানে সঠিকত্বের নিদর্শনগুলো বিলুপ্ত এবং অন্ধকারাচ্ছন্নতা বিদ্যমান। আমার কাছে যা পৌঁছেছে তার মধ্যে অস্বীকৃতি ও ত্রুটি থেকে মুক্ত বর্ণনার সংখ্যা খুবই কম, বরং কমের চেয়েও কম। কিন্তু এই জামাতের (মুহাদ্দিসদের) অনুসৃত পথটি সুপরিচিত এবং এই মহান শিল্পের প্রতিটি উৎসই মহিমান্বিত। সুতরাং আমাদের পথ হলো তাঁরা যা অবলম্বন করেছেন তা-ই অবলম্বন করা এবং তাঁরা যেভাবে বর্ণনা করেছেন সেভাবেই তা সংকলন করা, যাতে তাঁদের দৃষ্টান্ত অনুসরণ ও তাঁদের কর্মের অনুকরণ করা যায়। আল্লাহ আমাদের তাঁদের মধ্যকার সর্বোত্তম ব্যক্তিদের দলে হাশর করুন এবং তাঁদের নেক পছন্দসমূহের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার তাওফিক দান করুন। নিশ্চয়ই তিনি হিদায়াত ও তাওফিকের মালিক, তিনি ছাড়া আর কোনো পালনকর্তা নেই।
(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ২)
حدثنا أبو الحجاج يوسف بن محمد بن عبد الله بن يحيى القضاعي ، ومنتهاه منها في بلي قراءة منه علي بلفظه في بقيع ريه ، وهو أول حديث سمعته منه ، قال: حدثنا القاضي أبو محمد عبد الله بن عبد الرحمن بن يحيى الديباجي ، من لفظه ، وهو أول حديث سمعته منه ، أخبرني أبو بكر يحيى بن إبراهيم بن عثمان بن عمر بن شبل ، وهو أول حديث سمعته منه ، نا عمر بن أبي الحسن الدهستاني ، وهو أول حديث سمعته منه ، نا أبو بكر محمد بن محمد بن أحمد بن عبد الله الريونجي، وهو أول حديث سمعته منه، نا أبو يعلى حمزة بن عبد العزيز المهلبي ، وهو أول حديث سمعته منه ، نا أبو حامد أحمد بن محمد بن يحيى بن بلال البزاز ، وهو أول حديث سمعته منه ، نا عبد الرحمن بن بشر بن الحكم ، وهو أول حديث سمعته منه ، نا سفيان بن عيينة ، وهو أول حديث سمعته منه ، عن عمرو بن دينار ، عن أبي قابوس مولى لعبد الله بن عمرو بن العاصي ، عن عبد الله بن عمرو بن العاصي ، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ، قال: «الراحمون يرحمهم الرحمن، ارحموا أهل الأرض يرحمكم من في السماء»
আমাদের কাছে আবু আল-হাজ্জাজ ইউসুফ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া আল-কুযায়ী বর্ণনা করেছেন, যার বংশানুক্রম বালি (গোত্র) পর্যন্ত পৌঁছেছে; বাকী' রিইয়াহ নামক স্থানে তাঁর নিজস্ব উচ্চারণে তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয় এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি। তিনি বলেন: আমাদের কাছে বিচারক আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আদ-দিবাজি তাঁর নিজস্ব উচ্চারণে বর্ণনা করেছেন এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি। আমাকে আবু বকর ইয়াহইয়া বিন ইব্রাহিম বিন উসমান বিন উমর বিন শিবল সংবাদ দিয়েছেন এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি। আমাদের কাছে উমর বিন আবিল হাসান আদ-দাহেস্তানি বর্ণনা করেছেন এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি। আমাদের কাছে আবু বকর মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আর-রাইওয়ানজি বর্ণনা করেছেন এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি। আমাদের কাছে আবু ইয়ালা হামজা বিন আব্দুল আজিজ আল-মুহাল্লাবি বর্ণনা করেছেন এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি। আমাদের কাছে আবু হামিদ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন বিলাল আল-বাযযার বর্ণনা করেছেন এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি। আমাদের কাছে আব্দুর রহমান বিন বিশর বিন আল-হাকাম বর্ণনা করেছেন এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি। আমাদের কাছে সুফিয়ান বিন উয়ায়নাহ বর্ণনা করেছেন এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি। তিনি আমর বিন দিনার থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন আল-আসের আযাদকৃত দাস আবু কাবুস থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন আল-আস থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «দয়ালু ব্যক্তিদের প্রতি পরম করুণাময় দয়া করেন। তোমরা জমিনবাসীদের প্রতি দয়া করো, তাহলে আসমানে যিনি আছেন তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।»
(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ৩)
حدثنا أبو عبد الله محمد بن أحمد بن موسى ، لفظا من كتابه ، وكتبه لي بخطه ، وهو أول حديث سمعته منه ، قال: أنا أبو القاسم هبة الله بن علي بن مسعود البوصيري ، بقراءة أبي الحسن بن المفضل المقدسي ، وهو أول حديث سمعته منه ، قال: أنا أبو الفتح سلطان بن إبراهيم بن المسلم المقدسي الفقيه الشافعي المعروف بابن رشا، بمصر ، وهو أول حديث سمعته منه ، قال: نا أبو إسحاق إبراهيم بن سعيد بن عبد الله التجيبي الحافظ المعروف بالحبال ، وهو أول حديث سمعته منه ، قال: نا الحافظ أبو نصر عبيد الله بن سعيد بن حاتم بن أحمد بن علويه بن سهل بن عيسى بن طلحة الوائلي، من بني بكر بن وائل السجستاني الشروطي ، صديقنا ، وكتب لنا بخطه من حفظه ، وقرأه علينا بلفظه ، وهو أول حديث سمعته منه ، نا أبو يعلى حمزة بن عبد العزيز بن محمد المهلبي ، بنيسابور ، وهو أول حديث سمعته منه، بقراءتي عليه ، أنا أبو حامد أحمد بن محمد بن يحيى بن بلال البزاز ، وهو أول حديث سمعته منه ، نا عبد الرحمن بن بشر بن الحكم ، وهو أول حديث سمعته منه ، نا سفيان بن عيينة ، وهو أول حديث سمعته من سفيان بن عيينة ، عن عمرو بن دينار ، عن أبي قابوس مولى لعبد الله بن عمرو بن العاصي ، عن عمرو بن العاصي ، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ، قال: «الراحمون يرحمهم الرحمن، ارحموا أهل الأرض يرحمكم من في السماء» .

قال أبو عبد الله محمد بن أحمد: كذا وقع في النسخة المسموع منها: أبو قابوس ، عن عمرو ، هذا لا شك فيه أنه وهم ، والصحيح: عن عبد الله بن عمرو بن العاصي ، كذلك رواه الناس قديما وحديثا ، وسقط أيضا من الأصل ذكر عبد الرحمن بن بشر بن الحكم ، حسبما علم عليه ، والصحيح ثبوته ، ولا يتصل الإسناد إلا به
আমাদের কাছে আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুসা তাঁর কিতাব থেকে শব্দে শব্দে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি তাঁর নিজ হাতে আমার জন্য এটি লিখে দিয়েছেন। এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর কাছ থেকে শুনেছি। তিনি বলেন: আমাদের কাছে সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে আলি ইবনে মাসউদ আল-বুসিরি, আবুল হাসান ইবনে আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসির পাঠের মাধ্যমে। এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর কাছ থেকে শুনেছি। তিনি বলেন: আমাদের কাছে সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ সুলতান ইবনে ইবরাহিম ইবনুল মুসলিম আল-মাকদিসি, যিনি শাফিঈ ফকিহ এবং ইবনে রাশা নামে পরিচিত, মিশরে। এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর কাছ থেকে শুনেছি। তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে সাঈদ ইবনে আবদুল্লাহ আত-তুজিবি আল-হাফিজ, যিনি আল-হাব্বাল নামে পরিচিত। এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর কাছ থেকে শুনেছি। তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাফিজ আবু নাসর উবায়দুল্লাহ ইবনে সাঈদ ইবনে হাতিম ইবনে আহমদ ইবনে আলাউইয়াহ ইবনে সাহল ইবনে ঈসা ইবনে তালহা আল-ওয়াইলি, যিনি বনু বকর ইবনে ওয়াইল গোত্রের এবং সিজিস্তানি আশ-শুরুতি হিসেবে পরিচিত, তিনি আমাদের বন্ধু। তিনি তাঁর স্মৃতি থেকে নিজ হাতে আমাদের জন্য এটি লিখে দিয়েছেন এবং তাঁর নিজের শব্দে আমাদের সামনে পাঠ করেছেন। এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর কাছ থেকে শুনেছি। আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু ইয়ালা হামজা ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মদ আল-মুহাল্লাবি, নিশাপুরে। এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর কাছে পাঠ করার সময় তাঁর কাছ থেকে শুনেছি। আমাদের কাছে সংবাদ দিয়েছেন আবু হামিদ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে বিলাল আল-বাজ্জাজ। এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর কাছ থেকে শুনেছি। আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবনে বিশর ইবনুল হাকাম। এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর কাছ থেকে শুনেছি। আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহ। এটিই প্রথম হাদিস যা আমি সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহর কাছ থেকে শুনেছি। তিনি আমর ইবনে দিনার থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আসের মুক্তদাস আবু কাবুস থেকে, তিনি আমর ইবনুল আস থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «দয়াশীলদের ওপর পরম করুণাময় দয়া করেন। তোমরা জমিনের অধিবাসীদের প্রতি দয়া করো, তবে যিনি আসমানে আছেন তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন»।

আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আহমদ বলেন: যে পাণ্ডুলিপি থেকে শোনা হয়েছে তাতে এভাবেই এসেছে: 'আবু কাবুস, আমর থেকে'। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে এটি একটি ভুল (ভ্রম)। সঠিক হলো: 'আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস থেকে'। প্রাচীন এবং আধুনিককালের মানুষ এভাবেই এটি বর্ণনা করেছেন। মূল পাণ্ডুলিপি থেকে আবদুর রহমান ইবনে বিশর ইবনুল হাকামের উল্লেখও বাদ পড়েছে, যেমনটি চিহ্নিত করা হয়েছে। অথচ সঠিক হলো তাঁর নাম থাকা, আর তাঁকে ছাড়া এই সনদটি সংযুক্ত হয় না।
(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ৪)
وحدثنا أبو الحجاج يوسف بن عبد الله بن يوسف بن أيوب بن القاسم ، من أصل سماعه ، وهو أول حديث سمعته منه ، قال: حدثني أبي ، وهو أول حديث سمعته منه ، عن أبيه ، قال: وهو أول حديث سمعته منه ، قال: حدثني أخي أبو زكريا يحيى بن أيوب ، وهو أول حديث سمعته منه ، قال: نا القاضي أبو الحسن علي بن المفرج الصقلي ، بمكة حرسها الله ، وهو أول حديث سمعته منه ، قال: حدثني أبو نصر عبيد الله بن سعيد الحافظ ، وهو أول حديث سمعته منه ، قال: أنا أبو يعلى حمزة بن عبد العزيز المهلبي ، وهو أول حديث سمعته منه بقراءتي عليه ، قال: أنا أبو حامد أحمد بن محمد بن يحيى بن بلال البزاز ، وهو أول حديث سمعته منه ، سنة ثلاثين وثلاث مائة ، قال: نا عبد الرحمن بن بشر بن الحكم ، وهو أول حديث سمعته منه ، قال: نا سفيان بن عيينة ، وهو أول حديث سمعته من سفيان بن عيينة ، عن عمرو بن دينار ، عن أبي قابوس مولى لعبد الله بن عمرو بن العاصي ، عن عبد الله بن عمرو بن العاصي ، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ، قال: «الراحمون يرحمهم الرحمن، ارحموا أهل الأرض يرحمكم من في السماء» .

هذا حديث مشهور من حديث عبد الله بن عمرو بن العاصي ، روي عنه موقوفا عليه ، ومرفوعا إلى النبي صلى الله عليه وسلم ، وهو الأكثر والأصح إن شاء الله ، خرجه أبو داود السجزي في مصنفه ، وأبو عيسى ابن سورة في جامعه ، وكلاهما رفعه

فأما حديث أبي داود:
এবং আমাদের কাছে আবু আল-হাজ্জাজ ইউসুফ বিন আবদুল্লাহ বিন ইউসুফ বিন আইয়ুব বিন আল-কাসিম তাঁর মূল পাণ্ডুলিপি থেকে বর্ণনা করেছেন—এটিই প্রথম হাদীস যা আমি তাঁর নিকট শুনেছি—তিনি বলেন: আমার পিতা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন—এটিই প্রথম হাদীস যা আমি তাঁর নিকট শুনেছি—তিনি তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এটিই প্রথম হাদীস যা আমি তাঁর নিকট শুনেছি, তিনি বলেন: আমার ভাই আবু জাকারিয়া ইয়াহইয়া বিন আইয়ুব আমার কাছে বর্ণনা করেছেন—এটিই প্রথম হাদীস যা আমি তাঁর নিকট শুনেছি—তিনি বলেন: বিচারক আবু আল-হাসান আলী বিন আল-মুফাররাজ আস-সিকাল্লি মক্কায় (আল্লাহ একে রক্ষা করুন) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন—এটিই প্রথম হাদীস যা আমি তাঁর নিকট শুনেছি—তিনি বলেন: হাফিজ আবু নাসর উবাইদুল্লাহ বিন সাঈদ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন—এটিই প্রথম হাদীস যা আমি তাঁর নিকট শুনেছি—তিনি বলেন: আবু ইয়ালা হামজা বিন আব্দুল আজিজ আল-মুহাল্লাবি তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আমাকে অবহিত করেছেন—এটিই প্রথম হাদীস যা আমি তাঁর নিকট শুনেছি—তিনি বলেন: আবু হামিদ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন বিলাল আল-বাজ্জাজ আমাকে অবহিত করেছেন—এটিই প্রথম হাদীস যা আমি ৩৩০ হিজরিতে তাঁর নিকট শুনেছি—তিনি বলেন: আব্দুর রহমান বিন বিশর বিন আল-হাকাম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন—এটিই প্রথম হাদীস যা আমি তাঁর নিকট শুনেছি—তিনি বলেন: সুফিয়ান বিন উয়াইনা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন—আর এটিই প্রথম হাদীস যা আমি সুফিয়ান বিন উয়াইনা থেকে শুনেছি—তিনি আমর বিন দিনার থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আমর বিন আল-আসের আযাদকৃত গোলাম আবু কাবুস থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আমর বিন আল-আস থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "দয়াশীলদের ওপর পরম করুণাময় দয়া করেন। তোমরা জমিনে যারা আছে তাদের ওপর দয়া করো, তাহলে যিনি আসমানে আছেন তিনি তোমাদের ওপর দয়া করবেন।"

এটি আবদুল্লাহ বিন আমর বিন আল-আস বর্ণিত একটি প্রসিদ্ধ হাদীস। এটি তাঁর থেকে 'মাওকুফ' হিসেবে এবং নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর্যন্ত 'মারফু' হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। আর এটিই অধিক প্রচলিত এবং ইনশাআল্লাহ অধিক বিশুদ্ধ। আবু দাউদ আস-সিজিস্তানি তাঁর সংকলনে এবং আবু ঈসা ইবনে সাওরা তাঁর জামে গ্রন্থে এটি উদ্ধৃত করেছেন এবং তাঁরা উভয়েই একে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

আর আবু দাউদের হাদীসটি হলো:
(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ৫)
فحدثني الخطيب أبو القاسم عبد الرحمن بن …

، بقراءتي عليه ، قال: أنا أبو عبد الله محمد بن سعيد بن أحمد الفقيه ، عن أبي عمران ابن أبي تليد ، قالا: نا أبو عمر ابن عبد البر ، نا عبد الله بن محمد بن يحيى ، نا محمد بن بكر التمار ، نا سليمان بن الأشعث ، نا مسدد ، وأبو بكر ابن أبي شيبة المعنى ، قالا: نا سفيان ، عن عمرو ، عن أبي قابوس ، مولى لعبد الله بن عمرو ، عن عبد الله بن عمرو ، يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم ، قال: «الراحمون يرحمهم الرحمن، ارحموا أهل الأرض يرحمكم من في السماء» .

قال أبو داود: لم يقل مسدد: مولى عبد الله بن عمرو، وقال: قال النبي صلى الله عليه وسلم

وأما حديث أبي عيسى:
খতিব আবুল কাসিম আবদুর রহমান বিন … আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন সাঈদ বিন আহমাদ আল-ফকিহ, আবু ইমরান ইবনে আবি তালিদ থেকে, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ওমর ইবনে আবদিল বার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন বকর আত-তাম্মার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান বিন আল-আশআস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসাদ্দাদ এবং আবু বকর ইবনে আবি শায়বাহ (ভাবার্থ একই), তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, আমর থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন ওমরের জনৈক আযাদ করা গোলাম আবু কাবুস থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন ওমর থেকে বর্ণনা করেন, যা তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: «দয়াশীলদের প্রতি পরম করুণাময় দয়া করেন। তোমরা জমিনবাসীদের প্রতি দয়া করো, তবে আসমানে যিনি আছেন তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।»

আবু দাউদ বলেন: মুসাদ্দাদ 'আবদুল্লাহ বিন ওমরের আযাদ করা গোলাম' কথাটি বলেননি, বরং তিনি বলেছেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন...

আর আবু ঈসার হাদিস প্রসঙ্গে:
(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ৬)
فحدثنا الخطيب أبو القاسم ، قراءة عليه وأنا أسمع ، قال: نا أبو بكر ابن العربي ، نا المبارك بن عبد الجبار ، نا أحمد بن عبد الواحد ، نا الحسن بن محمد ، نا أبو العباس محمد بن أحمد ، نا محمد بن عيسى ، نا ابن أبي عمر ، نا سفيان ، عن عمرو بن دينار ، عن أبي قابوس ، عن عبد الله بن عمرو ، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «الراحمون يرحمهم الرحمن، ارحموا من في الأرض يرحمكم من في السماء ، الرحم شجنة من الرحمن ، فمن وصلها وصله الله ، ومن قطعها قطعه الله»

وأما وقف هذا الحديث على عبد الله بن عمرو:
খতীব আবুল কাসেম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁর নিকট পাঠকালে আমি শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু বকর ইবনুল আরাবি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আল-মুবারক ইবনে আব্দুল জাব্বার বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবুল আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে ঈসা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইবনে আবি উমর বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন, তিনি আমর ইবনে দীনার হতে, তিনি আবু কাবুস হতে এবং তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «দয়াশীলদের প্রতি পরম দয়াময় আল্লাহ দয়া করেন। তোমরা জমিনে যারা আছে তাদের প্রতি দয়া করো, তাহলে আসমানে যিনি আছেন তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন। আত্মীয়তার বন্ধন হলো পরম দয়াময় আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্গত একটি শাখা; সুতরাং যে ব্যক্তি তা বজায় রাখে, আল্লাহ তার সাথে সম্পর্ক বজায় রাখেন, আর যে ব্যক্তি তা ছিন্ন করে, আল্লাহ তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেন»

আর আব্দুল্লাহ ইবনে আমর-এর ওপর এই হাদীসটি মওকুফ হওয়ার বিষয়টি হলো:
(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ৭)
فقد حدثنا أبو جعفر أحمد بن علي الداري ، بقراءتي عليه ، وأبو خالد يزيد بن محمد بن يزيد بن محمد بن يحيى بن محمد بن يزيد بن رفاعة اللخمي ، في كتابه ، وهو أول حديث سمعته من أبي جعفر، قالا: أنا أبو الفضل عياض بن موسى القاضي، بغرناطة، قدم علينا..

، وهو أول حديث سمعته منه.

ح وحدثنا أبو محمد عبد الله ابن أبي داود الحارثي القاضي ، وكتبه لي بخطه ، وهو أول حديث سمعته منه ، قال: نا أبو القاسم خلف بن عبد الملك بن بشكوال ، بقرطبة ، وهو أول حديث سمعته منه ، وأبو القاسم أحمد بن يوسف بن عبد العزيز بن رشد القيسي ، بها، وهو أول حديث سمعته منه ، وأبو خالد يزيد بن محمد بن رفاعة ، بغرناطة ، وهو أول حديث سمعته منه ، وأبو محمد عبد الصمد بن محمد بن يعيش بن إسماعيل ، بالمنكب ، وهو أول حديث سمعته ، قال كل واحد منهم: نا أبو الفضل عياض بن موسى بن عياض ، وهو أول حديث سمعته منه ، قال ابن بشكوال: وحدثنا أبو عمرو زياد بن محمد بن أحمد التجيبي ، صاحبنا ، وهو أول حديث سمعته منه ، قال كلاهما: أنا أبو علي حسين بن محمد الصدفي، وهو أول حديث سمعته منه، قال: أنا أبو عبد الله محمد ابن أبي نصر الحميدي ، وهو أول حديث سمعته منه ، فضربه التسلسل ، قال: حدثني أبو القاسم منصور بن النعمان بن منصور بن أحمد الصيمري ، إملاء من كتابه بالفسطاط ، وهو أول حديث سمعته منه ، قال: نا أبو نصر عبيد الله بن سعيد الحافظ ، وهو أول حديث سمعته منه ، قال نا عبد الرحمن بن بشر بن الحكم ، قال: نا سفيان بن عيينة ، وهو أول حديث سمعته من سفيان، عن عمرو بن دينار ، وهو أول حديث سمعته منه، عن أبي قابوس، مولى لعبد الله بن عمرو بن العاصي ، وهو أول حديث سمعته منه، عن عبد الله بن عمرو بن العاصي ، قال: «الراحمون يرحمهم الرحمن، ارحموا من في الأرض يرحمكم من في السماء» .

هكذا رويناه موقوفا من هذه الطريق، وقد قدمناه مرفوعا منها بعينها، ومن غيرها أيضا، ولا أعلم ممن جاء الوقف فيه، وقد وقع إليَّ أيضا مرفوعا مسلسلا، إلا أن تسلسله لم يتصل لي
আমাদের কাছে আবু জাফর আহমদ ইবনে আলী আদ-দারি বর্ণনা করেছেন, আমি তাঁর নিকট এটি পাঠ করেছি; এবং আবু খালিদ ইয়াজিদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াজিদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াজিদ ইবনে রিফা'আ আল-লাখমি তাঁর কিতাবে বর্ণনা করেছেন, আর এটিই প্রথম হাদিস যা আমি আবু জাফরের কাছ থেকে শুনেছি। তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফজল ইয়াদ ইবনে মুসা আল-কাজি, গ্রানাডায়, তিনি আমাদের কাছে এসেছিলেন...

আর এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর কাছ থেকে শুনেছি।

হ এবং আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে আবি দাউদ আল-হারিসি আল-কাজি, তিনি নিজ হাতে এটি আমার জন্য লিখে দিয়েছেন, আর এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর কাছ থেকে শুনেছি। তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম খালাফ ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে বাশকুওয়াল, কর্ডোভায়, এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর কাছ থেকে শুনেছি; এবং আবুল কাসিম আহমদ ইবনে ইউসুফ ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে রুশদ আল-কায়সি, সেখানে, এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর কাছ থেকে শুনেছি; এবং আবু খালিদ ইয়াজিদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে রিফা'আ, গ্রানাডায়, এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর কাছ থেকে শুনেছি; এবং আবু মুহাম্মদ আব্দুস সামাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়ায়িশ ইবনে ইসমাইল, আল-মানকাবে, এটিই প্রথম হাদিস যা আমি শুনেছি। তাঁদের প্রত্যেকেই বলেছেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আবুল ফজল ইয়াদ ইবনে মুসা ইবনে ইয়াদ, আর এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর কাছ থেকে শুনেছি। ইবনে বাশকুওয়াল বলেছেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আমাদের সঙ্গী আবু আমর জিয়াদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আত-তুজিবি, এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর কাছ থেকে শুনেছি। তাঁরা উভয়ই বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ আস-সাদাফি, এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর কাছ থেকে শুনেছি। তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবি নাসর আল-হুমাইদি, এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর কাছ থেকে শুনেছি, ফলে এতে তাসালসুল (ধারাবাহিকতা) রক্ষিত হয়েছে। তিনি বলেছেন: আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম মনসুর ইবনে নুমান ইবনে মনসুর ইবনে আহমদ আস-সাইমারি, ফুসতাতে তাঁর কিতাব থেকে শ্রুতিলিখন হিসেবে, এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর কাছ থেকে শুনেছি। তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু নাসর উবায়দুল্লাহ ইবনে সাঈদ আল-হাফিজ, এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর কাছ থেকে শুনেছি। তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান ইবনে বিশর ইবনুল হাকাম। তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ, আর এটিই সুফিয়ানের কাছ থেকে শোনা আমার প্রথম হাদিস। তিনি আমর ইবনে দিনার থেকে বর্ণনা করেন, আর এটিই তাঁর কাছ থেকে শোনা আমার প্রথম হাদিস। তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আসের মুক্তদাস আবু কাবুস থেকে বর্ণনা করেন, আর এটিই তাঁর কাছ থেকে শোনা আমার প্রথম হাদিস। তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "দয়াবানদের ওপর পরম দয়াময় দয়া করেন। তোমরা জমিনে যারা আছে তাদের প্রতি দয়া করো, তাহলে যিনি আসমানে আছেন তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।"

আমরা এই সূত্রে হাদিসটিকে এভাবেই মাওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেছি। ইতোপূর্বে আমরা এই অভিন্ন সূত্র থেকেই এবং অন্য সূত্র থেকেও একে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছি। এই বর্ণনায় কার পক্ষ থেকে মাওকুফ হয়েছে তা আমার জানা নেই। আমার কাছে এটি মুসালসাল মারফু হিসেবেও পৌঁছেছে, তবে সেই ধারাবাহিকতা (তাসালসুল) আমার নিকট নিরবচ্ছিন্ন নয়।
(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ৮)
حدثناه أبو الحجاج يوسف بن عبد الله، بقراءتي عليه، قال: حدثني أبي، عن أبيه، قال: أخبرني أبو محمد عبد الله الهروي، في كتابه إليّ من مكة، حرسها الله، وأخبرني أخي أبو زكريا بذلك عنه، قال: نا الشيخ أبو صالح أحمد بن عبد الملك بن علي المؤذن النيسابوري، بنيسابور، قال: نا أبو طاهر محمد بن محمد الزيادي، إملاء، قال: أنا أبو حامد أحمد بن يحيى البزاز، قال: نا عبد الرحمن بن بشر بن الحكم، قال: نا سفيان بن عيينة، عن عمرو بن دينار، عن أبي قابوس مولى عبد الله بن عمرو، عن عبد الله بن عمرو، رضي الله عنهما قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «الراحمون يرحمهم الرحمن، ارحموا من في الأرض يرحمكم من في السماء» .

قال عبد الرحمن بن بشر: هذا أول حديث سمعته من سفيان بن عيينة ، قال أبو حامد البزاز: هذا أول حديث سمعته من عبد الرحمن بن بشر ، قال أبو طاهر الزيادي: هذا أول حديث سمعته من حامد ، قال أبو صالح: هذا أول حديث سمعته من أبي طاهر ، يوم الخميس إملاء، قال عبد الله بن عطاء: هذا أول حديث سمعته من أبي صالح، قال يحيى بن أيوب: هذا أول حديث سمعته من عبد الله بن عمرو ، بمكة في سوق الليل ، واختلف على سفيان بن عيينة ، في هذا الحديث أيضا، فروته الجماعة: مسدد ، وأبو بكر ابن أبي شيبة ، وابن أبي عمر ، وعبد الرحمن بن بشر، كما قدمنا عن سفيان، عن عمرو بن دينار، عن أبي قابوس، عن عبد الله بن عمرو، وخالفهم أبو علي الحسن بن محمد بن صباح الزعفراني ، فرواه عن سفيان ، عن عمرو ، عن أبي قابوس ، عن ابن لعبد الله بن عمرو، عن عبد الله بن عمرو ، مرفوعا
আবু আল-হাজ্জাজ ইউসুফ ইবনে আবদুল্লাহ আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমার পিতা আমার কাছে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল-হারাবি মক্কা থেকে আমার কাছে লিখিত পত্রে জানিয়েছেন—আল্লাহ একে রক্ষা করুন—এবং আমার ভাই আবু জাকারিয়াও তাঁর সূত্রে আমাকে এটি জানিয়েছেন। তিনি বলেন: শায়খ আবু সালেহ আহমদ ইবনে আবদুল মালিক ইবনে আলি আল-মুয়াযযিন আন-নিশাপুরি আমাদের কাছে নিশাপুরে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবু তাহির মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আজ-জিয়াদি আমাদের কাছে শ্রুতলিপি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবু হামিদ আহমদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-বাযযায আমাদের খবর দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবদুর রহমান ইবনে বিশর ইবনুল হাকাম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: সুফিয়ান ইবনে উইয়ায়না আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে দিনারের সূত্রে, তিনি আবু কাবুস (আবদুল্লাহ ইবনে আমরের মুক্তদাস)-এর সূত্রে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «দয়াশীলদের প্রতি পরম দয়াময় দয়া করেন। তোমরা জমিনে যারা আছে তাদের প্রতি দয়া করো, তাহলে আসমানে যিনি আছেন তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।» .

আবদুর রহমান ইবনে বিশর বলেন: এটিই প্রথম হাদিস যা আমি সুফিয়ান ইবনে উইয়ায়নার নিকট থেকে শুনেছি। আবু হামিদ আল-বাযযায বলেন: এটিই প্রথম হাদিস যা আমি আবদুর রহমান ইবনে বিশরের নিকট থেকে শুনেছি। আবু তাহির আজ-জিয়াদি বলেন: এটিই প্রথম হাদিস যা আমি হামিদের নিকট থেকে শুনেছি। আবু সালেহ বলেন: এটিই প্রথম হাদিস যা আমি আবু তাহিরের নিকট থেকে বৃহস্পতিবার শ্রুতলিপি হিসেবে শুনেছি। আবদুল্লাহ ইবনে আতা বলেন: এটিই প্রথম হাদিস যা আমি আবু সালেহর নিকট থেকে শুনেছি। ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব বলেন: এটিই প্রথম হাদিস যা আমি আবদুল্লাহ ইবনে আমরের নিকট থেকে মক্কার সুক আল-লাইলে শুনেছি। এই হাদিসটির ক্ষেত্রে সুফিয়ান ইবনে উইয়ায়নার বর্ণনায় ভিন্নতাও পরিলক্ষিত হয়েছে। একদল বর্ণনাকারী—মুসাদ্দাদ, আবু বকর ইবনে আবি শায়বা, ইবনে আবি ওমর এবং আবদুর রহমান ইবনে বিশর—তাঁরা সুফিয়ান, তিনি আমর ইবনে দিনার, তিনি আবু কাবুস, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমরের সূত্রে বর্ণনা করেছেন, যেমনটি আমরা পূর্বে উল্লেখ করেছি। কিন্তু আবু আলি আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাবাহ আজ-জাফরানি তাঁদের বিরোধিতা করেছেন; তিনি এটি সুফিয়ান, তিনি আমর, তিনি আবু কাবুস, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমরের এক পুত্রের সূত্রে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমরের নিকট থেকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ৯)
حدثناه أبو جعفر أحمد بن علي بن عبد العزيز القيسي ، بقراءتي عليه ، في أصل القاضي أبي علي الصدفي ، بخطه ، قال: نا أبو جعفر أحمد بن علي بن خلف المقرئ ، سماعا ، نا القاضي أبو علي ، بقراءة أبي ، قال: أنا أبو الحسن علي بن الحسن بن الحسين الشافعي ، قال: أنا أبو محمد عبد الرحمن بن عمر البزاز ، قال: نا أبو سعيد أحمد بن محمد بن زياد، بمكة، نا الحسن بن محمد الصباح، نا سفيان، عن عمرو، عن أبي قابوس، عن ابن لعبد الله بن عمرو بن العاص ، عن عبد الله بن عمرو ، يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم: «الراحمون يرحمهم الرحمن ، ارحموا أهل الأرض يرحمكم من في السماء» .

وقد روى بعض هذا اللفظ من حديث عبد الله بن مسعود ، مرفوعا ، وموقوفا
আবু জাফর আহমদ ইবনে আলী ইবনে আব্দুল আজিজ আল-কায়সি আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন, তাঁর সমীপে আমার পাঠের মাধ্যমে, কাজী আবু আলী আস-সাদাফির স্বহস্তে লিখিত মূল পাণ্ডুলিপি থেকে। তিনি বলেন: আবু জাফর আহমদ ইবনে আলী ইবনে খালাফ আল-মুকরি শ্রবণের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। কাজী আবু আলী বর্ণনা করেছেন আমার পিতার পাঠের মাধ্যমে। তিনি বলেন: আবুল হাসান আলী ইবনে হাসান ইবনে আল-হুসাইন আল-শাফেয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আব্দুর রহমান ইবনে উমর আল-বাজ্জাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু সাঈদ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ মক্কায় আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। হাসান ইবনে মুহাম্মদ আস-সাবাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন আমর থেকে, তিনি আবু কাবুস থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আসের এক পুত্র থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেছেন, যা তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছেন: "দয়ালুদের প্রতি পরম করুণাময় দয়া করেন। তোমরা জমিনবাসীদের প্রতি দয়া করো, তবে যিনি আকাশে আছেন তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।"

এই পাঠের কিছু অংশ আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদের হাদিস হতে মারফু এবং মাওকুফ উভয় সূত্রেই বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ১০)
حدثناه أبو الحجاج يوسف بن عبد الله بن القاسم ، بقراءتي عليه ، أن أبا محمد بن عتاب ، كتب إليه ، عن أبي عمرو الصدفي ، قال: أنا أبو نعيم الحافظ ، أنا عبد الله بن جعفر ، نا يونس بن حبيب ، نا أبو داود ، نا سلام، وقيس ، عن أبي إسحاق، عن أبي عبيدة ، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: «ارحم من في الأرض يرحمك من في السماء» .

قال أبو داود: حدثنا شعبة غير مرفوع ، قلت: وقد روى عن شعبة مرفوعا
আবু আল-হাজ্জাজ ইউসুফ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন আল-কাসিম আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন তাঁর সামনে আমার পাঠের মাধ্যমে; আবু মুহাম্মদ ইবন আত্তাব তাঁর কাছে লিখে জানিয়েছেন আবু আমর আস-সাদাফি থেকে, তিনি বলেন: আবু নুয়াইম আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবন জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইউনুস ইবন হাবিব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু দাউদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সাল্লাম ও কায়স আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবু উবায়দাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "তোমরা জমিনে যারা আছে তাদের প্রতি দয়া করো, তবে যিনি আসমানে আছেন তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।"

আবু দাউদ বলেন: শু'বাহ আমাদের কাছে এটি মারফু' (রাসূল পর্যন্ত পৌঁছানো সনদ) ব্যতীত বর্ণনা করেছেন; আমি বলছি: শু'বাহ থেকে এটি মারফু' হিসেবেও বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ১১)
أنبأناه أبو محمد بن عبد الملك ، عن القاضي أبي علي الصدفي ، نا عاصم بن الحسن ، أنا أبو عمر ابن مهدي ، أنا محمد بن مخلد ، نا الفضل بن يعقوب ، نا يحيى بن السكن ، نا شعبة ، عن أبي إسحاق ، عن أبي عبيدة ، عن أبيه ، قال: قال النبي صلى الله عليه وسلم: «ارحم من في الأرض يرحمك من في السماء» .

وأبو عبيدة ابن عبد الله بن مسعود لم يسمع من أبيه

حديث آخر
আবু মুহাম্মদ বিন আব্দুল মালিক আমাদের এটি সংবাদ দিয়েছেন কাজী আবু আলী আস-সাফী থেকে, তিনি আসেম বিন আল-হাসান থেকে, তিনি আবু উমর ইবনে মাহদী থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন মাখলাদ থেকে, তিনি আল-ফাদল বিন ইয়াকুব থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন আস-সাকান থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবু উবাইদাহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমরা জমিনে যারা আছে তাদের প্রতি দয়া করো, তবে যিনি আকাশে আছেন তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।"

আর আবু উবাইদাহ ইবনে আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ তার পিতার থেকে সরাসরি শ্রবণ করেননি।

অন্য একটি হাদীস।
(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ১২)
لقيت أبا محمد عبد الله بن محمد بن علي بن عبد الله الزاهد ، بسبتة ، وقاها الله ، وأبا عبد الله محمد بن إبراهيم بن خلف الحافظ ، برباط الفتح عمره الله ، فسألني كل واحد منهما عن اسمي ، وكنيتي ، ونسبي ، وبلدي ، وأين أنزل ، فأخبرته بذلك ، فقال لي: لقيت القاضي أبا بكر ابن العربي، بقرطبة، فسألني عن اسمي، وكنيتي، ونسبي، وبلدي، وأين أنزل، فأخبرته بذلك، فقال لي: لقيت الشريف نسيب الدولة يعني: أبا القاسم ابن أبي الحق ، بدمشق ، فسألني عن اسمي، وكنيتي، ونسبي، وبلدي ، وأين أنزل، فأخبرته بذلك ، فقال لي: لقيت أبا محمد عبد العزيز بن أحمد الكتاني ، بدمشق ، فسألني عن اسمي، وكنيتي، ونسبي، وبلدي ، وأين أنزل ، فأخبرته بذلك ، فقال لي: لقيت أبا النجيب عبد الغفار بن عبد الواحد الأرموي الحافظ، بدمشق، فسألني عن اسمي، وكنيتي، ونسبي، وبلدي، وأين أنزل، فأخبرته بذلك، فقال لي: لقيت أحمد بن علي بن مهدي الحافظ ، ببغداد ، فسألني عن اسمي، وكنيتي، ونسبي، وبلدي ، وأين أنزل ، فأخبرته بذلك ، فقال لي: لقيت أبا مسلم غالب بن علي بن محمد بن إبراهيم ، بنيسابور ، فسألني عن اسمي، وكنيتي، ونسبي، وبلدي ، وأين أنزل ، فأخبرته ، فقال لي: لقيت أبا بكر محمد بن عيسى بن وهسودان الجيلي ، بالري، فسألني عن اسمي، وكنيتي، ونسبي، وبلدي ، وأين أنزل ، فأخبرته بذلك ، فقال لي: لقيت أبا عبد الله الحسين بن علي بن يزيد الرفاعي الموصلي، بالأهواز ، فسألني عن اسمي، وكنيتي، ونسبي، وبلدي ، وأين أنزل ، فأخبرته ، فقال: لقيت هدبة بن خالد القيسي، فسألني كما سألتك ، قال هدبة: لقيت حماد بن سلمة، فسألني كما سألتك، وقال لي حماد: لقيت ثابتا البناني، فسألني كما سألتك، وقال لي ثابت: لقيت أنسا فسألني كما سألتك ، قال أنس: لقيت النبي صلى الله عليه وسلم ، فسألني كما سألتك ، وقال: «يا أنس، أكثر من الأصدقاء ، فإنكم شفعاء بعضكم على بعض» .

حدثناه شيخنا الخطيب أبو القاسم قراءة مني عليه ، عن القاضي أبي بكر ابن العربي ، بمثل ما تقدم حرفا بحرف ، إلا أنه لمن يسلسله لي ، رحمه الله ، ولقد أعدت عليه قراءته رجاء ذلك ، فلم ينشط له ، وكان عنده مسلسلا ، عن أبي بكر ابن العربي.

وقرأت عليه أيضا مرة بعد أخرى ، عن القاضي أبي بكر ، عن الشريف أبي القاسم ، عن عبد العزيز بن أحمد ، قال: قال أبو النجيب ، يعني بأثر الحديث المتقدم
আমি সেবতায়—আল্লাহ শহরটিকে রক্ষা করুন—আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আবদুল্লাহ আজ-জাহিদ এবং রিবাতুল ফাতহ-এ—আল্লাহ একে আবাদ রাখুন—আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন খালাফ আল-হাফিজের সাথে সাক্ষাৎ করেছি। তাঁদের প্রত্যেকেই আমাকে আমার নাম, আমার উপনাম (কুনিয়া), আমার বংশপরিচয়, আমার দেশ এবং আমি কোথায় অবস্থান করছি সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। আমি তাঁদের তা জানালে তাঁরা আমাকে বললেন: আমি কর্ডোভায় কাজী আবু বকর ইবনুল আরাবীর সাথে সাক্ষাৎ করেছি। তিনি আমাকে আমার নাম, আমার উপনাম, আমার বংশপরিচয়, আমার দেশ এবং আমি কোথায় অবস্থান করছি সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। আমি তাঁকে তা জানালে তিনি আমাকে বললেন: আমি দামেস্কে শরীফ নাসীবুদ দাওলা অর্থাৎ আবুল কাসিম ইবনে আবিল হাক্কের সাথে সাক্ষাৎ করেছি। তিনি আমাকে আমার নাম, আমার উপনাম, আমার বংশপরিচয়, আমার দেশ এবং আমি কোথায় অবস্থান করছি সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। আমি তাঁকে তা জানালে তিনি আমাকে বললেন: আমি দামেস্কে আবু মুহাম্মদ আবদুল আজিজ বিন আহমদ আল-কাত্তানীর সাথে সাক্ষাৎ করেছি। তিনি আমাকে আমার নাম, আমার উপনাম, আমার বংশপরিচয়, আমার দেশ এবং আমি কোথায় অবস্থান করছি সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। আমি তাঁকে তা জানালে তিনি আমাকে বললেন: আমি দামেস্কে আবু নাজীব আবদুল গাফফার বিন আবদুল ওয়াহিদ আল-উরমাবী আল-হাফিজের সাথে সাক্ষাৎ করেছি। তিনি আমাকে আমার নাম, আমার উপনাম, আমার বংশপরিচয়, আমার দেশ এবং আমি কোথায় অবস্থান করছি সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। আমি তাঁকে তা জানালে তিনি আমাকে বললেন: আমি বাগদাদে আহমদ বিন আলী বিন মাহদী আল-হাফিজের সাথে সাক্ষাৎ করেছি। তিনি আমাকে আমার নাম, আমার উপনাম, আমার বংশপরিচয়, আমার দেশ এবং আমি কোথায় অবস্থান করছি সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। আমি তাঁকে তা জানালে তিনি আমাকে বললেন: আমি নিশাপুরে আবু মুসলিম গালিব বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহীমের সাথে সাক্ষাৎ করেছি। তিনি আমাকে আমার নাম, আমার উপনাম, আমার বংশপরিচয়, আমার দেশ এবং আমি কোথায় অবস্থান করছি সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। আমি তাঁকে জানালে তিনি আমাকে বললেন: আমি রায়-এ আবু বকর মুহাম্মদ বিন ঈসা বিন ওয়াহসূদান আল-জিলীর সাথে সাক্ষাৎ করেছি। তিনি আমাকে আমার নাম, আমার উপনাম, আমার বংশপরিচয়, আমার দেশ এবং আমি কোথায় অবস্থান করছি সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। আমি তাঁকে তা জানালে তিনি আমাকে বললেন: আমি আহওয়াজে আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আলী বিন ইয়াজিদ আর-রিফাঈ আল-মাওসিলীর সাথে সাক্ষাৎ করেছি। তিনি আমাকে আমার নাম, আমার উপনাম, আমার বংশপরিচয়, আমার দেশ এবং আমি কোথায় অবস্থান করছি সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। আমি তাঁকে জানালে তিনি বললেন: আমি হুদবাহ বিন খালিদ আল-কায়সীর সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করেছেন যেমন আমি তোমাকে জিজ্ঞাসা করেছি। হুদবাহ বললেন: আমি হাম্মাদ বিন সালামাহর সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করেছেন যেমন আমি তোমাকে জিজ্ঞাসা করেছি। হাম্মাদ আমাকে বললেন: আমি সাবিত আল-বুনানীর সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করেছেন যেমন আমি তোমাকে জিজ্ঞাসা করেছি। সাবিত আমাকে বললেন: আমি আনাস (রা.)-এর সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করেছেন যেমন আমি তোমাকে জিজ্ঞাসা করেছি। আনাস (রা.) বললেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করেছেন যেমন আমি তোমাকে জিজ্ঞাসা করেছি এবং বলেছেন: «হে আনাস, বন্ধুর সংখ্যা বৃদ্ধি করো, কারণ তোমরা একে অপরের জন্য সুপারিশকারী হবে»।

আমাদের শায়খ খতীব আবুল কাসিম কাজী আবু বকর ইবনুল আরাবীর সূত্রে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে এটি আমাদের বর্ণনা করেছেন, যেভাবে উপরে বর্ণিত হয়েছে ঠিক অক্ষরে অক্ষরে সেভাবেই, তবে তিনি আমার নিকট এটি পরম্পরাগতভাবে (মুসালসাল হিসেবে) বর্ণনা করেননি, আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন। আমি এই আশায় তাঁর কাছে এটি পুনরায় পাঠ করেছি, কিন্তু তিনি তাতে আগ্রহ দেখাননি। অথচ তাঁর কাছে এটি আবু বকর ইবনুল আরাবীর সূত্রে পরম্পরাগত (মুসালসাল) হিসেবেই ছিল।

আমি কাজী আবু বকর, শরীফ আবুল কাসিম এবং আবদুল আজিজ বিন আহমদের সূত্রে তাঁর কাছে বারবার এটি পাঠ করেছি। আবু নাজীব পূর্বোক্ত হাদিসের পরে বলেছেন:
(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ১৩)
حدثناه محمد بن إبراهيم الهمذاني ، نا علي بن مكرم الحلاوي ، نا عبد الرحمن بن محمد بن حاشد البلخي ، نا علي بن محمد بن عبد الله بن مكرم البلخي ، نا أصرم بن حوشب ، عن إسحاق بن الجعد ، عن أنس بن مالك ، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «استكثروا من الإخوان ، فإن لكل مؤمن شفاعة» قال لنا الخطيب: قال لنا القاضي أبو بكر ابن العربي: إنما لم يقل شيخنا الشريف في كلام أبي محمد الكتاني الحافظ ، وسؤاله له ، وبلدي ، لأنهما كانا دمشقيين فلم يحتج ، وهو بلديه إلى سؤاله عن البلد.

قال: وفيه، يعني: في الحديث المسلسل أيضا ، لقيت أحمد بن علي بن مهدي الحافظ ، ببغداد ، وذلك وهم ، وصوابه والله أعلم: علي بن أحمد بن مهدي ، وهو الدارقطني الحافظ ، وقد وهم القاضي أبو بكر رحمه الله في هذا القول، والصواب: أحمد بن علي، كما تقدم في إسناد الحديث أولا، وهو أبو بكر أحمد بن علي بن ثابت بن مهدي الحافظ الخطيب البغدادي ، وإياه لقي أبو النجيب الأرموي ، ولم يلق الدارقطني ، ولا كان مولودا حين وفاته.

وفي إسناد الحديث أيضا أن أحمد بن علي بن مهدي ، لقي أبا مسلم غالب بن علي بنيسابور ، وقد قرأت بخط أبي الوليد يوسف بن عبد العزيز الحافظ: أن الدارقطني لم يدخل نيسابور

حديث آخر:
মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম আল-হামদানি আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন, আলি ইবনে মাকরাম আল-হালাউয়ি আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাশেদ আল-বালখি আমাদের বর্ণনা করেছেন, আলি ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মাকরাম আল-বালখি আমাদের বর্ণনা করেছেন, আসরাম ইবনে হাওশাব আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইসহাক ইবনে আল-জাদ থেকে বর্ণিত, আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা বন্ধুর সংখ্যা বৃদ্ধি করো, কারণ প্রত্যেক মুমিনের জন্য সুপারিশের অধিকার রয়েছে।" খতিব আমাদের বলেছেন: কাজী আবু বকর ইবনুল আরাবি আমাদের বলেছেন: আমাদের শায়খ আশ-শরিফ আবু মুহাম্মদ আল-কাত্তানি আল-হাফিজের বর্ণনায় এবং তার প্রতি তার প্রশ্নে 'আমার দেশীয়' শব্দটি বলেননি, কারণ তারা উভয়ই দামেস্কের অধিবাসী ছিলেন। ফলে তিনি তার দেশীয় হওয়া সত্ত্বেও তাকে দেশ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার প্রয়োজন বোধ করেননি।

তিনি বলেন: এতে অর্থাৎ এই মুসালসাল হাদিসেও উল্লেখ আছে: "আমি বাগদাদে হাফিজ আহমদ ইবনে আলি ইবনে মাহদির সাথে সাক্ষাৎ করেছি।" এটি একটি ভুল ধারণা, আর এর সঠিকটি হলো—আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন—আলি ইবনে আহমদ ইবনে মাহদি, যিনি হাফিজ আদ-দারা কুতনি। তবে কাজী আবু বকর (রাহিমাহুল্লাহ) এই বক্তব্যে ভুল করেছেন। সঠিক হলো আহমদ ইবনে আলি, যেমনটি ইতিপূর্বে হাদিসের সনদে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি হলেন আবু বকর আহমদ ইবনে আলি ইবনে সাবিত ইবনে মাহদি আল-হাফিজ আল-খতিব আল-বাগদাদি। আবু নাজিব আল-আরমাউয়ি তার সাথেই সাক্ষাৎ করেছেন, তিনি আদ-দারা কুতনির সাক্ষাৎ পাননি এবং তার মৃত্যুর সময় তিনি জন্মও গ্রহণ করেননি।

হাদিসের সনদে এটিও উল্লেখ আছে যে, আহমদ ইবনে আলি ইবনে মাহদি নিশাপুরে আবু মুসলিম গালিব ইবনে আলির সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। অথচ আমি হাফিজ আবু ওয়ালিদ ইউসুফ ইবনে আব্দুল আজিজের হস্তাক্ষরে পড়েছি যে: আদ-দারা কুতনি কখনো নিশাপুরে প্রবেশ করেননি।

অন্য হাদিস:
(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ১৪)
حدثنا الخطيب أبو القاسم عبد الرحمن بن محمد ، بقراءتي عليه، وسألته عن الإخلاص ، قال: نا القاضي أبو بكر محمد بن عبد الله بن العربي ، قراءة مني عليه، وسألته عن الإخلاص ، قال: أنا إسماعيل بن محمد بن الفضل الأصبهاني الحافظ ، بقراءته علينا في المسجد الحرام ، أعزه الله ، وسألته عن الإخلاص ، قال: أخبرنا أبو بكر أحمد بن علي بن خلف ، وسألته عن الإخلاص ، قال: أنا أبو عبد الرحمن السلمي ، وسألناه عن الإخلاص ، قال: سمعت علي بن سعيد الثغري ، وأحمد بن محمد بن زكريا ، وسألتهما عن الإخلاص ، قالا: سمعنا علي بن إبراهيم الشقيقي ، وسألناه عن الإخلاص ، قال: سمعت محمد بن جعفر الخصاف ، وسألته عن الإخلاص ، قال: سألت أحمد بن بشار عن الإخلاص ، قال: سألت أبا يعقوب الشريطي عن الإخلاص، ما هو؟ قال: سألت أحمد بن غسان عن الإخلاص، ما هو؟ قال: سألت أحمد بن عطاء الهجيمي عن الإخلاص، ما هو؟ قال: سألت عبد الواحد بن زيد عن الإخلاص، ما هو؟ قال: سألت الحسن البصري عن الإخلاص، ما هو؟ قال: سألت حذيفة عن الإخلاص، ما هو؟ قال: سألت النبي صلى الله عليه وسلم عن الإخلاص ، ما هو؟ قال: " سألت جبريل عن الإخلاص، ما هو؟ قال: سألت رب العزة عن الإخلاص، قال: هو سر من سري، استودعته قلب من أحببت من عبادي ".

قال لنا الخطيب: قال لنا القاضي أبو بكر: قال الحافظ إسماعيل: غريب في جملة المسلسلات، ما كتبناه إلا من حديث الشيخ أبي عبد الرحمن السلمي ، وقع لي عاليا بحمد الله ومنه

حديث آخر:
খতীব আবুল কাসেম আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে; আমি তাঁকে ইখলাস (একনিষ্ঠতা) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন: কাজী আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনুল আরাবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে; আমি তাঁকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন: হাফেজ ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল ফজল আল-আসবাহানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মসজিদে হারামে আমাদের সামনে তাঁর পাঠের মাধ্যমে—আল্লাহ তাঁকে সম্মানিত করুন; আমি তাঁকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন: আবু বকর আহমদ ইবনে আলী ইবনে খালাফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আমি তাঁকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন: আবু আবদুর রহমান আস-সুলামী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; আমরা তাঁকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন: আমি আলী ইবনে সাঈদ আস-সাগরি এবং আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাকারিয়াকে বলতে শুনেছি; আমি তাঁদের উভয়কে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তাঁরা বললেন: আমরা আলী ইবনে ইব্রাহিম আশ-শাকিকিকে বলতে শুনেছি; আমরা তাঁকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন: আমি মুহাম্মদ ইবনে জাফর আল-খাসসাফকে বলতে শুনেছি; আমি তাঁকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন: আমি আহমদ ইবনে বাশশারকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন: আমি আবু ইয়াকুব আশ-শারিতিকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে, তা কী? তিনি বললেন: আমি আহমদ ইবনে গাসসানকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে, তা কী? তিনি বললেন: আমি আহমদ ইবনে আতা আল-হুজাইমিকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে, তা কী? তিনি বললেন: আমি আবদুল ওয়াহিদ ইবনে জায়েদকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে, তা কী? তিনি বললেন: আমি হাসান বসরীকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে, তা কী? তিনি বললেন: আমি হুজাইফাকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে, তা কী? তিনি বললেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে, তা কী? তিনি বললেন: "আমি জিবরাইলকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে, তা কী? তিনি বললেন: আমি মহান রব্বুল ইজ্জতকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন: এটি আমার রহস্যসমূহের মধ্য হতে একটি রহস্য, যা আমি আমার বান্দাদের মধ্যে যাকে ভালোবাসি তার অন্তরে গচ্ছিত রাখি।"

খতীব আমাদের বলেছেন: কাজী আবু বকর আমাদের বলেছেন: হাফেজ ইসমাইল বলেছেন: এটি ধারাবাহিক বর্ণনাগুলোর মধ্যে একটি বিরল বর্ণনা, আমরা এটি কেবল শায়খ আবু আবদুর রহমান আস-সুলামীর হাদিস থেকেই লিপিবদ্ধ করেছি; আল্লাহর প্রশংসা ও অনুগ্রহে এটি আমার নিকট উচ্চমানের সনদে পৌঁছেছে।

অন্য একটি হাদিস:
(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ১৫)
حدثني أبو الحجاج يوسف بن محمد بن عبد الله الزاهد ، بلفظه وحدي ، قال: حدثني القاضي أبو محمد العثماني ، وحدي ، قال: حدثني أبو عثمان علي بن المشرف بن المسلم المصري ، وحدي ، قال: حدثني عبد العزيز بن الحسن بن إسماعيل الضراب ، وحدي ، قال: حدثني والدي الحسن وحدي ، قال: حدثني محمد بن أحمد بن عبد الجبار، وحدي، نا يحيى بن عثمان بن صالح، وحدي، قال: حدثني حامد بن يحيى البلخي ، وحدي ، قال: حدثني سفيان بن عيينة ، وحدي ، قال: حدثني عمرو بن دينار ، قال: حدثني ابن شهاب ، وحدي ، قال: قال مالك بن أوس بن الحدثان ، قال لي عمر بن الخطاب ، رضي الله عنه: «يا مال» .

ولم يقل: يا مالك ، " إنك إن تعش فسيليكم أقوام محذفو الرقاب بنو عبيد وإماء ، يقضون لكم بقضاء ، ولأنفسهم بقضاء ، قال: ثم ضرب في صدري ، وقال: والله ليكونن ذلك ، قال: فحدث به عمر بن دينار ، عن الزهري ، قال: فسئل الزهري عنه ، فأنكره ، فقيل لعمرو بن دينار: الزهري قد أنكر ما حدثت به عنه ، فقال: هاتم القفة ، ودعا الزنج فجملوه حتى أقعدوه بين يدي الزهري ، فقال: يا أبا بكر ، أليس قد حدثتني عن مالك بن أوس ، بكيت وكيت؟ فقال: ما حدثتك ، قال يحيى بن عثمان: قال لي حامد بن يحيى: والله، لا حدثت به عني وأنا حي، إلا أنكرته حتى توضع أنت في السجن

حديث آخر:
আবু আল-হাজ্জাজ ইউসুফ ইবন মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ আল-জাহিদ আমাকে তাঁর নিজ শব্দে এবং আমি একাকী থাকা অবস্থায় বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কাজী আবু মুহাম্মদ আল-উসমানী আমাকে একাকী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু উসমান আলী ইবনুল মুশাররাফ ইবনুল মুসলিম আল-মিসরি আমাকে একাকী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল আজিজ ইবনুল হাসান ইবন ইসমাইল আদ-দাররাব আমাকে একাকী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা হাসান আমাকে একাকী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবন আহমাদ ইবন আবদিল জাব্বার আমাকে একাকী বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবন উসমান ইবন সালিহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি একাকী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হামিদ ইবন ইয়াহইয়া আল-বালখি আমাকে একাকী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান ইবন উয়াইনা আমাকে একাকী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর ইবন দিনার আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবন শিহাব আমাকে একাকী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মালিক ইবন আওস ইবনুল হাদাসান বলেছেন, উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) আমাকে বলেছেন: "হে মাল"।

তিনি "হে মালিক" বলেননি। "নিশ্চয়ই তুমি যদি বেঁচে থাকো, তবে অচিরেই তোমাদের উপর এমন এক দল লোক শাসনকর্তা হবে যাদের ঘাড় হবে খাটো, তারা দাস ও দাসীদের সন্তান; তারা তোমাদের জন্য এক ফয়সালা করবে আর নিজেদের জন্য ভিন্ন ফয়সালা করবে। তিনি (মালিক) বলেন: এরপর তিনি (উমর) আমার বুকে আঘাত করলেন এবং বললেন: আল্লাহর কসম, অবশ্যই তা ঘটবে। রাবি বলেন: অতঃপর আমর ইবন দিনার এটি যুহরি থেকে বর্ণনা করেন। রাবি বলেন: এরপর যুহরিকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি তা অস্বীকার করেন। তখন আমর ইবন দিনারকে বলা হলো: আপনি তাঁর থেকে যা বর্ণনা করেছেন যুহরি তা অস্বীকার করেছেন। তখন তিনি (আমর) বললেন: একটি বড় ঝুড়ি নিয়ে এসো। তিনি কতিপয় কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তিকে ডাকলেন, তারা তাঁকে বহন করে নিয়ে যুহরির সামনে বসিয়ে দিল। তখন তিনি (আমর) বললেন: হে আবু বকর, আপনি কি মালিক ইবন আওসের সূত্রে আমার কাছে এমন এমন বর্ণনা করেননি? তিনি (যুহরি) বললেন: আমি আপনার কাছে তা বর্ণনা করিনি। ইয়াহইয়া ইবন উসমান বলেন: হামিদ ইবন ইয়াহইয়া আমাকে বলেছেন: আল্লাহর কসম, আমি জীবিত থাকা অবস্থায় যদি তুমি আমার পক্ষ থেকে তা বর্ণনা করো, তবে আমি তা অস্বীকার করব যতক্ষণ না তোমাকে কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়।

অন্য হাদিস:
(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ১৬)
أخبرنا أبو عبد الله محمد بن أحمد بن موسى ، لفظا من كتابه ، وكتبه لي بخطه ، قال: أنا أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد الأصبهاني الحافظ ، قراءة عليه ، أنا أبو علي الحسن بن أحمد بن الحسن الأصبهاني ، أنا أبو نعيم أحمد بن عبد الله بن أحمد بن إسحاق الحافظ ، نا أبو بكر محمد بن الفتح الحنبلي ، نا عبد الله بن إسحاق المدائني ، نا يحيى بن حكيم ، نا سلم بن قتيبة ، نا يونس ابن أبي إسحاق ، عن الشعبي ، عن عروة بن المغيرة بن شعبة ، عن المغيرة بن شعبة ، قال: كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم في مسير، فذهب لحاجته ، فتبعته بإداوة، فتوضأ، ومسح على الخفين ، فشهد المغيرة على رسول الله صلى الله عليه وسلم ، وشهد عروة على المغيرة ، وشهد الشعبي على عروة ، وشهد يونس على الشعبي ، بذلك ، وشهد سلم على يونس ، بذلك ، وشهد يحيى على سلم ، بذلك ، وشهد عبد الله على يحيى ، بذلك ، قال أبو نعيم: وشهد شيخنا أبو بكر على عبد الله ، بذلك ، وأنا أشهد على شيخي أبي بكر ، قال أبو علي: وأنا أشهد على أبي نعيم ، قال الحافظ أبو طاهر: وأنا أشهد على أبي علي ، قال محمد بن أحمد بن موسى: وأنا أشهد على أبي طاهر ، وأنا أشهد على محمد بن أحمد ، رحمه الله.

هذا حديث عال صحيح ، خرجه البخاري عن عمرو بن خالد الحراني.

ومسلم عن قتيبة ، وابن رمح ، كلهم عن الليث بن سعد ، عن يحيى بن سعيد ، عن سعد بن إبراهيم ، عن نافع بن جبير ، عن عروة بن المغيرة ، عن أبيه المغيرة ، فكأن أبا نعيم الحافظ سمعه من البخاري ومسلم

حديث آخر:
আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুসা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মৌখিকভাবে তাঁর কিতাব থেকে, এবং তিনি এটি আমার জন্য নিজের হাতের লেখায় লিখে দিয়েছেন। তিনি বলেন: হাফেজ আবু তাহের আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-আসবাহানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। আবু আলী আল-হাসান বিন আহমদ বিন আল-হাসান আল-আসবাহানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। হাফেজ আবু নুআইম আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন ইসহাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-ফাতহ আল-হাম্বলি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন। আব্দুল্লাহ বিন ইসহাক আল-মাদায়েনি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন। ইয়াহইয়া বিন হাকিম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন। সালাম বিন কুতাইবা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন। ইউনুস ইবনে আবি ইসহাক আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি শাবি থেকে, তিনি উরওয়াহ বিন আল-মুগীরা বিন শু'বা থেকে, তিনি আল-মুগীরা বিন শু'বা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আমি এক সফরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছিলাম। তিনি প্রাকৃতিক প্রয়োজনে গেলেন, আমি পানির পাত্র নিয়ে তাঁর অনুসরণ করলাম। এরপর তিনি ওযু করলেন এবং মোজা দুটির ওপর মাসাহ করলেন। অতঃপর মুগীরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ব্যাপারে এর সাক্ষ্য দিলেন, এবং উরওয়াহ মুগীরা-এর ব্যাপারে এর সাক্ষ্য দিলেন, এবং শাবি উরওয়াহ-এর ব্যাপারে এর সাক্ষ্য দিলেন, এবং ইউনুস শাবির ব্যাপারে এর সাক্ষ্য দিলেন, এবং সালাম ইউনুসের ব্যাপারে এর সাক্ষ্য দিলেন, এবং ইয়াহইয়া সালামের ব্যাপারে এর সাক্ষ্য দিলেন, এবং আব্দুল্লাহ ইয়াহইয়ার ব্যাপারে এর সাক্ষ্য দিলেন। আবু নুআইম বলেন: আমাদের শায়খ আবু বকর আব্দুল্লাহর ওপর এর সাক্ষ্য দিয়েছেন, আর আমি আমার শায়খ আবু বকরের ওপর সাক্ষ্য দিচ্ছি। আবু আলী বলেন: আমি আবু নুআইমের ওপর সাক্ষ্য দিচ্ছি। হাফেজ আবু তাহের বলেন: আমি আবু আলীর ওপর সাক্ষ্য দিচ্ছি। মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুসা বলেন: আমি আবু তাহেরের ওপর সাক্ষ্য দিচ্ছি। আর আমি মুহাম্মদ বিন আহমদের ওপর সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।

এটি একটি সুউচ্চ স্তরের সহীহ হাদিস, ইমাম বুখারী এটি আমর বিন খালিদ আল-হাররানি থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং ইমাম মুসলিম এটি কুতাইবা ও ইবনে রুমহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা সবাই লাইস বিন সা’দ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন সাঈদ থেকে, তিনি সা’দ বিন ইব্রাহিম থেকে, তিনি নাফে বিন জুবায়ের থেকে, তিনি উরওয়াহ বিন আল-মুগীরা থেকে, তিনি তাঁর পিতা মুগীরা থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে মনে হচ্ছে যেন হাফেজ আবু নুআইম এটি বুখারী ও মুসলিম থেকে সরাসরি শুনেছেন।

অন্য হাদিস:
(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ১৭)
شهدت على الخطيب أبي القاسم عبد الرحمن بن محمد ، أنه قال: شهدت على القاضي أبي بكر ابن العربي ، أنه قال: شهدت على الشريف نسيب الدولة أبي القاسم علي بن إبراهيم الحسيني ، أنه قال: شهدت على أبي محمد ، يعني عبد العزيز بن أحمد الكتاني الحافظ ، أنه قال: شهدت على أبي عثمان ، يعني …

، أنه قال: شهدت على أبي بكر محمد بن داود الزاهد الصوفي ، أنه قال: شهدت على علي بن الحسن بن سهل ، أنه قال: شهدت على يحيى بن حكيم ، أنه قال: شهدت على أبي قتيبة ، أنه قال: شهدت على زهير أبي خيثمة ، أنه قال: شهدت على عبد الملك ابن أبي بشير ، أنه قال: شهدت على عكرمة ، أنه قال: شهدت على ابن عباس ، أنه قال: شهدت على أبي بكر الصديق ، أنه قال: «كل السمك الطافي» .

هكذا وقع في مسلسلات القاضي أبي بكر ، رحمه الله: شهدت على أبي عثمان يعني.

وبعد ذلك بياض ، ولم يسم أبا عثمان من هو؟ وهو إن شاء الله أبو عثمان إسماعيل بن عبد الرحمن الحافظ المعروف بابن الصابوني ، رحمه الله.

وقد وقع إلي هذا الحديث مسلسلا بشرطه من طريق أقرب من الأولى
আমি খতিব আবুল কাসিম আবদুর রহমান বিন মুহাম্মাদের ব্যাপারে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: আমি কাজী আবু বকর ইবনুল আরাবীর ব্যাপারে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: আমি শরিফ নাসিবুদ্দৌলা আবুল কাসিম আলী বিন ইব্রাহিম আল-হুসাইনির ব্যাপারে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: আমি আবু মুহাম্মাদ অর্থাৎ হাফেজ আবদুল আজিজ বিন আহমদ আল-কাত্তানির ব্যাপারে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: আমি আবু উসমান অর্থাৎ …

এর ব্যাপারে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: আমি আবু বকর মুহাম্মদ বিন দাউদ আজ-জাহিদ আস-সুফির ব্যাপারে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: আমি আলী বিন হাসান বিন সাহলের ব্যাপারে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: আমি ইয়াহইয়া বিন হাকিমের ব্যাপারে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: আমি আবু কুতাইবার ব্যাপারে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: আমি জুহাইর আবু খাইসামার ব্যাপারে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: আমি আবদুল মালিক ইবনে আবি বাশিরের ব্যাপারে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: আমি ইকরিমার ব্যাপারে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: আমি ইবনে আব্বাসের ব্যাপারে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: আমি আবু বকর আস-সিদ্দিকের ব্যাপারে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: "ভেসে থাকা সব মাছ খাও।"

কাজী আবু বকর (রহ.)-এর 'মুসালসালাত' গ্রন্থে এভাবেই বর্ণিত হয়েছে: "আমি আবু উসমানের ব্যাপারে সাক্ষ্য দিচ্ছি অর্থাৎ..."।

এরপরে শূন্যস্থান রয়েছে এবং আবু উসমান কে তা উল্লেখ করা হয়নি। তিনি ইনশাআল্লাহ হলেন হাফেজ আবু উসমান ইসমাইল বিন আবদুর রহমান, যিনি ইবনুস সাবুনি (রহ.) নামে পরিচিত।

আর এই হাদিসটি প্রথমটির চেয়ে আরও সংক্ষিপ্ত ও নিকটবর্তী সনদে এর শর্তানুসারে 'মুসালসাল' হিসেবে আমার নিকট পৌঁছেছে।
(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ১৮)
حدثناه أبو الحجاج يوسف بن محمد الزاهد ، وأشهدنا على نفسه ، قال: نا القاضي أبو محمد العثماني، وأشهدنا على نفسه، قال: نا علي بن المشرف ، وأشهدنا على نفسه ، نا عبد العزيز بن الحسن بن إسماعيل الضراب ، وأشهدنا على نفسه ، قال: نا أبي ، وأشهدنا على نفسه ، نا أبو الحسن أحمد بن محمد بن الحسن الجوهري ، وأشهدنا على نفسه ، قال: نا أبو عمرو بن خزيمة ، وأشهدنا على نفسه ، نا عيسى أبو معمر محمد بن أحمد بن خزيمة ، وأشهدنا على نفسه ، قال: نا بكر بن محمود بن مكرم ، وأشهدني على نفسه ، قال: نا أبي ، وأشهدني على نفسه ، قال: نا زهير بن معاوية ، وأشهدنا على نفسه ، قال: نا عبد الملك ابن أبي بشير ، وأشهدنا على نفسه ، قال: نا عكرمة ، مولى ابن عباس ، وأشهدنا على نفسه ، قال: نا ابن عباس ، وأشهدنا على نفسه ، قال: أشهد على أبي بكر رضي الله عنه ، أنه قال: «كلوا السمكة الطافية»

حديث آخر:
আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন আবু আল-হাজ্জাজ ইউসুফ ইবনে মুহাম্মদ আল-যাহিদ, এবং তিনি আমাদের তাঁর ওপর সাক্ষী করেছেন; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-কাজি আবু মুহাম্মদ আল-উসমানি, এবং তিনি আমাদের তাঁর ওপর সাক্ষী করেছেন; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলি ইবনুল মুশাররাফ, এবং তিনি আমাদের তাঁর ওপর সাক্ষী করেছেন; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ ইবনুল হাসান ইবনে ইসমাইল আদ-দাররাব, এবং তিনি আমাদের তাঁর ওপর সাক্ষী করেছেন; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, এবং তিনি আমাদের তাঁর ওপর সাক্ষী করেছেন; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-হাসান আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আল-জওহারি, এবং তিনি আমাদের তাঁর ওপর সাক্ষী করেছেন; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর ইবনে খুজাইমাহ, এবং তিনি আমাদের তাঁর ওপর সাক্ষী করেছেন; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা আবু মুয়াম্মার মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে খুজাইমাহ, এবং তিনি আমাদের তাঁর ওপর সাক্ষী করেছেন; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বকর ইবনে মাহমুদ ইবনে মাকরাম, এবং তিনি আমাকে তাঁর ওপর সাক্ষী করেছেন; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, এবং তিনি আমাকে তাঁর ওপর সাক্ষী করেছেন; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জুহাইর ইবনে মুআবিয়াহ, এবং তিনি আমাদের তাঁর ওপর সাক্ষী করেছেন; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক ইবনে আবি বাশির, এবং তিনি আমাদের তাঁর ওপর সাক্ষী করেছেন; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইকরিমাহ, যিনি ইবনে আব্বাসের মুক্তদাস, এবং তিনি আমাদের তাঁর ওপর সাক্ষী করেছেন; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আব্বাস, এবং তিনি আমাদের তাঁর ওপর সাক্ষী করেছেন; তিনি বলেন: আমি আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর ব্যাপারে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন: «তোমরা ভেসে থাকা মাছ ভক্ষণ করো»

অন্য হাদিস:
(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ১৯)
حدثنا أبو الحجاج يوسف بن محمد الخطيب الزاهد الأديب ، رحمه الله ، بقراءتي عليه ، وقال: والله إنه لحق إن شاء الله ، قال: حدثني القاضي أبو محمد العثماني ، وقال: والله إنه لحق إن شاء الله ، قال: حدثنا علي بن المشرف ، وقال: والله إنه لحق إن شاء الله ، قال: نا عبد العزيز بن الحسن بن إسماعيل الضراب ، وقال: والله إنه لحق إن شاء الله ، قال: نا والدي الحسن ، وقال: والله إنه لحق إن شاء الله ، قال: نا أبو عمر عبد العزيز بن الحسن السلمي ، وقال: والله إنه لحق إن شاء الله ، قال: نا أبو محمد يوسف بن محمد بن يوسف بن مسعدة الأصبهاني ، وقال: إنه حق إن شاء الله ، نا أبو إسحاق إبراهيم بن الحسين بن علي بن صفوان الهمداني ، وقال: والله إنه لحق إن شاء الله ، نا إسحاق بن محمد بن إسماعيل بن عبد الله ابن أبي فروة أبو يعقوب ، مولى عثمان بن عفان ، وقال: والله إنه لحق إن شاء الله ، نا محمد بن إسماعيل بن جعفر بن إبراهيم بن محمد بن علي بن عبد الله بن جعفر الطيار ، وقال: والله إنه لحق إن شاء الله ، قال: حدثني عبد الله بن سلمة ، وأسلم الزرقي ، قالا: والله إنه حق إن شاء الله ، قال: حدثني أبي سلمة ، قال: وسعيد ابن أبي سعيد المقبري ، وقال كل واحد منهما: والله إنه حق إن شاء الله ، عن أبيه ، وقال: والله إنه حق إن شاء الله ، عن أبي هريرة ، وقال: والله إنه حق إن شاء الله ، عن علي بن أبي طالب ، رضي الله عنه ، أنه قال: ما حدثني رجل عن نبي الله صلى الله عليه وسلم حديثا إلا سألته أن يقسم لي ، لقد سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم ، إلا أبو بكر ، فإنه كان لا يكذب على رسول الله صلى الله عليه وسلم ، فحدثني أبو بكر ، وصدق والله أبو بكر ، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ، قال: «مَا ذَكَرَ عَبْدٌ ذَنْبًا، فَقَامَ عِنْدَ ذِكْرِهِ إِيَّاهُ فَتَوَضَّأَ، فَأَحْسَنَ وُضُوءَهُ، ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ، إِلا غَفَرَ اللَّهُ تَعَالَى لَهُ ذَنْبَهُ ذَلِكَ» .

وقال أبو بكر ، رضي الله عنه: والله {إِنَّهُ لَحَقٌّ مِثْلَ مَا أَنَّكُمْ تَنْطِقُونَ} .

هكذا وقع إسناد هذا الحديث في كتاب شيخنا أبي الحجاج ، وفيه بعض تخليط ، في قوله: حدثني عبد الله بن سلمة ، وأسلم الزرقي ، قالا: والله إنه حق إن شاء الله ، قال: حدثني أبي سلمة ، قال: وسعيد ابن أبي سعيد المقبري ، ووقع إلي هذا الحديث فيما أخبرنيه غير واحد ، عن أبي عبد الله محمد بن أحمد بن موسى القيسي الفقيه ، وكتبته مما علق عن أبي بكر بن رزق، عنه ، وقال: والله إنه لحق إن شاء الله ، قال: أنا أبو الحسن علي ابن أبي الفضل الفقيه، وقال: والله إنه لحق إن شاء الله، قال: نا عبد العزيز بن الحسن بن إسماعيل الضراب ، وقال: والله إنه لحق إن شاء الله ، قال: نا أبي ، وقال: والله إنه لحق إن شاء الله ، قال: نا أبو عمر عبد العزيز بن الحسن السلمي، وقال: والله إنه لحق إن شاء الله، قال: حدثني أبو محمد يوسف بن محمد بن مسعدة الأصبهاني ، وقال: والله إنه لحق إن شاء الله ، قال: نا أبو إسحاق إبراهيم بن الحسن بن علي بن صفوان المدائني، وقال: والله إنه لحق إن شاء الله، قال: حدثني إسحاق بن محمد بن إسماعيل بن عبد الله ابن أبي فروة أبو يعقوب، وقال: والله إنه لحق إن شاء الله، قال: نا محمد بن إسماعيل بن جعفر بن إبراهيم بن محمد بن علي بن عبد الله بن جعفر الطيار ، وقال: والله إنه لحق إن شاء الله ، قال: نا عبد الله بن سلمة بن أسلم الزرقي ، وقال: والله إنه لحق إن شاء الله ، قال: حدثني أبي سلمة ، وسعيد ابن أبي سعيد المقبري ، وقال كل واحد منهما: والله إنه لحق إن شاء الله ، وذكر بقية الإسناد والمتن هو ما تقدم في الحديث ، وهذا المساق أتقن وأشبه بالصواب ، بل هو الصواب، ولا بد إن شاء الله.

والحديث بعد ذلك كله معروف من حديث أمير المؤمنين أبي الحسن علي بن أبي طالب ، رضي الله عنه ، وطرقه كثيرة ، ولأبي الحسن الدارقطني الحافظ عليه كلام غريب ، رأيت إثباته هنا على وجه الإفادة به
আমাদের নিকট আবু আল-হাজ্জাজ ইউসুফ বিন মুহাম্মদ আল-খতিব আল-জাহিদ আল-আদিব (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) আমার কাছে তাঁর পাঠকালে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন: আল্লাহর কসম, আল্লাহ চাইলে এটি অবশ্যই সত্য। তিনি বলেছেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন কাজি আবু মুহাম্মদ আল-উসমানি এবং তিনি বলেছেন: আল্লাহর কসম, আল্লাহ চাইলে এটি অবশ্যই সত্য। তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলি বিন আল-মুশাররফ এবং তিনি বলেছেন: আল্লাহর কসম, আল্লাহ চাইলে এটি অবশ্যই সত্য। তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ বিন আল-হাসান বিন ইসমাইল আদ-দাররাব এবং তিনি বলেছেন: আল্লাহর কসম, আল্লাহ চাইলে এটি অবশ্যই সত্য। তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা আল-হাসান এবং তিনি বলেছেন: আল্লাহর কসম, আল্লাহ চাইলে এটি অবশ্যই সত্য। তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ওমর আব্দুল আজিজ বিন আল-হাসান আস-সুলামি এবং তিনি বলেছেন: আল্লাহর কসম, আল্লাহ চাইলে এটি অবশ্যই সত্য। তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ ইউসুফ বিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন মাসআদাহ আল-আসফাহানি এবং তিনি বলেছেন: আল্লাহ চাইলে এটি সত্য। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন আল-হুসাইন বিন আলি বিন সাফওয়ান আল-হামাদানি এবং তিনি বলেছেন: আল্লাহর কসম, আল্লাহ চাইলে এটি অবশ্যই সত্য। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান বিন আফফানের মুক্তদাস আবু ইয়াকুব ইসহাক বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন আব্দুল্লাহ ইবনে আবি ফারওয়াহ এবং তিনি বলেছেন: আল্লাহর কসম, আল্লাহ চাইলে এটি অবশ্যই সত্য। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন জাফর বিন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আলি বিন আব্দুল্লাহ বিন জাফর আত-তাইয়্যার এবং তিনি বলেছেন: আল্লাহর কসম, আল্লাহ চাইলে এটি অবশ্যই সত্য। তিনি বলেছেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন সালামাহ এবং আসলাম আজ-জুরাকি, তাঁরা দুজনেই বলেছেন: আল্লাহর কসম, আল্লাহ চাইলে এটি সত্য। তিনি বলেছেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা সালামাহ, তিনি বলেছেন: এবং সাঈদ ইবনে আবি সাঈদ আল-মাকবুরি, তাঁদের প্রত্যেকেই তাঁদের পিতার সূত্রে বলেছেন: আল্লাহর কসম, আল্লাহ চাইলে এটি সত্য। তিনি (পিতা) বলেছেন: আল্লাহর কসম, এটি সত্য, আবু হুরায়রা থেকে। তিনি বলেছেন: আল্লাহর কসম, এটি সত্য, আলি বিন আবি তালিব (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে যে, তিনি বলেছেন: আল্লাহর নবীর (আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) পক্ষ থেকে কোনো ব্যক্তি যখনই আমার নিকট কোনো হাদিস বর্ণনা করত, আমি তাকে আল্লাহর কসম দিতে বলতাম যে সে এটি রাসূলুল্লাহর (আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) কাছ থেকে শুনেছে। তবে আবু বকর ব্যতীত, কেননা তিনি রাসূলুল্লাহর (আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) নামে কখনো মিথ্যা বলতেন না। আবু বকর আমার নিকট বর্ণনা করেছেন—এবং আল্লাহর কসম আবু বকর সত্য বলেছেন—যে রাসূলুল্লাহ (আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) বলেছেন: “কোনো বান্দা যখনই কোনো পাপের কথা স্মরণ করে, অতঃপর সেই স্মরণের সময় দাঁড়িয়ে যায় এবং সুন্দরভাবে ওজু করে, এরপর দুই রাকাত নামাজ আদায় করে, তবে আল্লাহ তাআলা অবশ্যই তার সেই পাপ ক্ষমা করে দেন।”

এবং আবু বকর (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন) বলেছেন: আল্লাহর কসম, “নিশ্চয়ই তা সত্য, যেমন তোমরা কথা বলে থাকো।”

আমাদের শাইখ আবু আল-হাজ্জাজের কিতাবে এই হাদিসের সনদটি এভাবেই এসেছে। তবে এতে কিছুটা বিশৃঙ্খলা রয়েছে তাঁর এই কথায়: “আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন সালামাহ এবং আসলাম আজ-জুরাকি, তাঁরা দুজনেই বলেছেন: আল্লাহর কসম, এটি সত্য, তিনি বলেছেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা সালামাহ, তিনি বলেছেন: এবং সাঈদ ইবনে আবি সাঈদ আল-মাকবুরি”। এই হাদিসটি আমার কাছে একাধিক ব্যক্তির বর্ণনায় পৌঁছেছে আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুসা আল-কাইসি আল-ফকিহ-এর সূত্রে। আমি এটি আবু বকর বিন রিজক-এর টীকা থেকে লিখেছি তাঁর সূত্রে, এবং তিনি বলেছেন: আল্লাহর কসম, এটি অবশ্যই সত্য। তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আলি ইবনে আবিল ফজল আল-ফকিহ এবং তিনি বলেছেন: আল্লাহর কসম, এটি অবশ্যই সত্য। তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ বিন আল-হাসান বিন ইসমাইল আদ-দাররাব এবং তিনি বলেছেন: আল্লাহর কসম, এটি অবশ্যই সত্য। তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা এবং তিনি বলেছেন: আল্লাহর কসম, এটি অবশ্যই সত্য। তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ওমর আব্দুল আজিজ বিন আল-হাসান আস-সুলামি এবং তিনি বলেছেন: আল্লাহর কসম, এটি অবশ্যই সত্য। তিনি বলেছেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ ইউসুফ বিন মুহাম্মদ বিন মাসআদাহ আল-আসফাহানি এবং তিনি বলেছেন: আল্লাহর কসম, এটি অবশ্যই সত্য। তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন আল-হাসান বিন আলি বিন সাফওয়ান আল-মাদায়িনি এবং তিনি বলেছেন: আল্লাহর কসম, এটি অবশ্যই সত্য। তিনি বলেছেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন আব্দুল্লাহ ইবনে আবি ফারওয়াহ আবু ইয়াকুব এবং তিনি বলেছেন: আল্লাহর কসম, এটি অবশ্যই সত্য। তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন জাফর বিন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আলি বিন আব্দুল্লাহ বিন জাফর আত-তাইয়্যার এবং তিনি বলেছেন: আল্লাহর কসম, এটি অবশ্যই সত্য। তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন সালামাহ বিন আসলাম আজ-জুরাকি এবং তিনি বলেছেন: আল্লাহর কসম, এটি অবশ্যই সত্য। তিনি বলেছেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা সালামাহ এবং সাঈদ ইবনে আবি সাঈদ আল-মাকবুরি, এবং তাঁদের প্রত্যেকেই বলেছেন: আল্লাহর কসম, এটি অবশ্যই সত্য। এরপর তিনি সনদের বাকি অংশ এবং মূল পাঠ উল্লেখ করেছেন যা ইতিপূর্বে হাদিসটিতে অতিক্রান্ত হয়েছে। এই বর্ণনা পদ্ধতিটি অধিক নিপুণ এবং সঠিক হওয়ার অধিক নিকটবর্তী, বরং এটিই সঠিক এবং ইনশাআল্লাহ এমনটিই হতে হবে।

এই সবকিছুর পর হাদিসটি আমিরুল মুমিনিন আবু আল-হাসান আলি বিন আবি তালিব (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণিত হিসেবে সুপরিচিত এবং এর সূত্রগুলো অনেক। হাফেজ আবু আল-হাসান আদ-দারাকুতনি এর ওপর একটি বিরল ও সূক্ষ্ম আলোচনা করেছেন, আমি উপকারের জন্য তা এখানে উল্লেখ করা সমীচীন মনে করছি।
(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ২০)
أنبأنا أبو محمد عبد الحق بن عبد الملك ، أن القاضي أبا علي الصدفي ، كتب إليه ، قال: نا أبو الفضل أحمد بن الحسين بن خيرون المعدل ، قراءة مني عليه ، قلت له: أخبركم أبو الحسين محمد بن أحمد بن الحسين الأبنوسي ، قراءة عليه ، قال: سئل أبو الحسن علي بن عمر بن أحمد بن مهدي الدارقطني ، عن حديث علي بن أبي طالب ، عن أبي بكر الصديق ، عن النبي صلى الله عليه وسلم: «ما من عبد يذنب ذنبا، فيتوضأ، ثم يصلي» .

الحديث.

فقال: رواه عثمان بن المغيرة ، ويكنى أبا المغيرة ، وهو عثمان ابن أبي زرعة ، وهو عثمان الأعشى، رواه عن علي بن ربيعة الوالبي ، عن أسماء بن الحكم الفزاري ، عن علي بن أبي طالب.

حدث به عنه كذلك مسعر بن كدام ، وسفيان الثوري ، وشعبة ، وأبو عوانة ، وشريك ، وقيس ، وإسرائيل ، والحسن بن عمارة ، واتفقوا في إسناده، إلا أن شعبة من بينهم شك في أسماء بن الحكم ، فقال: عن أسماء، أو أبي أسماء ، أو ابن أسماء.

وخالفهم علي بن عابس ، فرواه عن عثمان بن المغيرة ، عن أبي صادق ، عن ربيعة بن ماجد ، عن علي.

ووهم فيه ، قال ذلك عنه عبد الله بن وهب ، وخالفه عبيد الله بن يوسف الجبيري ، فرواه عن علي بن عابس ، عن عثمان ، عن رجل ، عن علي.

وروى هذا الحديث أبو إسحاق السبيعي ، واختلف عنه، فرواه عبد الوهاب بن الضحاك العرضي ، عن إسماعيل بن عياش ، عن أبان ابن أبي عياش، عن أبي إسحاق الهمداني، قال: سمعت علي بن أبي طالب، عن أبي بكر.

وخالفه عبد الوهاب بن نجدة، عن إسماعيل بن عياش، عن شعبة بن الحجاج ، عن أبي إسحاق ، عن علي ، عن أبي بكر ، لم يذكر بينهما أحدا ، وموسى هذا متروك الحديث ، مقدسي يعرف بأبي طاهر المقدسي.

ورواه داود بن مهران الدباغ ، عن عمرو بن يزيد ، قاضي المدائن ، عن أبي إسحاق ، عن عبد خير ، عن علي ، عن أبي بكر ، وخالفه الفرج بن اليمان، رواه عن إسماعيل ، فقال فيه: عن أبي إسحاق ، عن الحارث أو غيره ، عن علي.

وخالفهم موسى بن محمد بن عباد ، رواه عن إسماعيل، عن عمر بن يزيد ، عن عمرو بن مرة ، عن عبد الله بن سلمة ، عن علي ، عن أبي بكر.

وروى هذا الحديث أبو المثنى سليمان بن يزيد ، واختلف عنه ، فحدث به عبد الله بن حمزة الزبيري ، عن عبد الله بن نافع الصائغ ، عن أبي المثنى ، عن المغيرة بن علي ، عن علي ، عن أبي بكر.

ووهم فيه ، وإنما رواه أبو المثنى عن المقبري ، واختلف عن المقبري فيه ، فقال مسلم بن عمرو الحذاء المزني: عن ابن نافع ، عن أبي المثنى سليمان بن يزيد ، عن سعيد المقبري ، عن أبي هريرة ، عن علي، عن أبي بكر.

ورواه سعد بن سعيد ابن أبي سعيد المقبري ، عن أخيه عبد الله بن سعيد ، عن جده أبي سعيد المقبري ، أنه سمعه من علي بن أبي طالب ، عن أبي بكر.

ولم يذكر فيه أبا هريرة ، وأحسنهما إسنادا وأصحهما ما رواه الثوري ، ومسعر ، ومن تابعهما عن عثمان بن المغيرة
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল হক বিন আব্দুল মালিক, যে কাজি আবু আলী আস-সাফি তাঁর নিকট লিখেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-ফজল আহমদ বিন আল-হুসাইন বিন খাইরুন আল-মুয়াদ্দিল, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, আমি তাঁকে বললাম: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আল-হুসাইন আল-আবনুসী, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আবু আল-হাসান আলী বিন উমর বিন আহমদ বিন মাহদী আদ-দারাকুতনীকে আলী বিন আবি তালিবের বর্ণিত হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, যা তিনি আবু বকর সিদ্দিক থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন: "কোনো বান্দা যখন কোনো গুনাহ করে, অতঃপর অজু করে এবং সালাত আদায় করে..."

হাদিসটি পূর্ণ হলো।

তিনি বললেন: এটি বর্ণনা করেছেন উসমান বিন আল-মুগিরা, যাঁর কুনিয়াত হলো আবু আল-মুগিরা, তিনি উসমান ইবনে আবি যুরআ এবং তিনি উসমান আল-আ’শা নামেও পরিচিত। তিনি এটি আলী বিন রাবিয়া আল-ওয়ালিবি থেকে, তিনি আসমা বিন আল-হাকাম আল-ফাজারি থেকে এবং তিনি আলী বিন আবি তালিব থেকে বর্ণনা করেছেন।

তাঁর থেকে অনুরূপভাবে এটি বর্ণনা করেছেন মিসআর বিন কিদাম, সুফিয়ান আস-সাওরি, শুবা, আবু আওয়ানা, শারিক, কায়েস, ইসরাইল এবং হাসান বিন আম্মারা। তাঁরা সকলে এর সনদের ব্যাপারে একমত হয়েছেন, তবে তাঁদের মধ্যে শুবা আসমা বিন আল-হাকামের নামের ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করেছেন এবং বলেছেন: আসমা থেকে, অথবা আবু আসমা থেকে, অথবা ইবনে আসমা থেকে।

আলী বিন আবিস তাঁদের বিরোধিতা করেছেন; তিনি এটি উসমান বিন আল-মুগিরা থেকে, তিনি আবু সাদিক থেকে, তিনি রাবিয়া বিন মাজিদ থেকে এবং তিনি আলী থেকে বর্ণনা করেছেন।

তিনি এতে ভ্রম করেছেন। আব্দুল্লাহ বিন ওয়াহাব তাঁর সম্পর্কে এমনটিই বলেছেন। উবাইদুল্লাহ বিন ইউসুফ আল-জুবাইরি তাঁর বিরোধিতা করেছেন এবং তিনি আলী বিন আবিস থেকে, তিনি উসমান থেকে, তিনি জনৈক ব্যক্তি থেকে এবং তিনি আলী থেকে বর্ণনা করেছেন।

এই হাদিসটি আবু ইসহাক আস-সাবিঈ বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে বর্ণনার ক্ষেত্রে মতভেদ হয়েছে। আব্দুল ওয়াহাব বিন আদ-দাহহাক আল-আরযি এটি ইসমাইল বিন আইয়াশ থেকে, তিনি আবান ইবনে আবি আইয়াশ থেকে এবং তিনি আবু ইসহাক আল-হামদানি থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেছেন: আমি আলী বিন আবি তালিবকে আবু বকর থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি।

আব্দুল ওয়াহাব বিন নাজদাহ তাঁর বিরোধিতা করেছেন, তিনি ইসমাইল বিন আইয়াশ থেকে, তিনি শুবা বিন আল-হাজ্জাজ থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আলী থেকে এবং তিনি আবু বকর থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁদের মাঝে তিনি কাউকে উল্লেখ করেননি। আর এই মুসা হলেন মাতরুকুল হাদিস (পরিত্যক্ত বর্ণনাকারী), তিনি একজন মাকদিসি এবং আবু তাহির আল-মাকদিসি নামে পরিচিত।

দাউদ বিন মিহরান আদ-দাব্বাগ এটি আমর বিন ইয়াজিদ, মাদায়েনের কাজি থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবদ খাইর থেকে, তিনি আলী থেকে এবং তিনি আবু বকর থেকে বর্ণনা করেছেন। আল-ফারাজ বিন আল-ইয়ামান তাঁর বিরোধিতা করেছেন এবং ইসমাইল থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি এতে বলেছেন: আবু ইসহাক থেকে, তিনি হারিস বা অন্য কারো থেকে এবং তিনি আলী থেকে।

মুসা বিন মুহাম্মদ বিন আব্বাদ তাঁদের বিরোধিতা করেছেন এবং ইসমাইল থেকে, তিনি উমর বিন ইয়াজিদ থেকে, তিনি আমর বিন মুররাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন সালামা থেকে, তিনি আলী থেকে এবং তিনি আবু বকর থেকে বর্ণনা করেছেন।

এই হাদিসটি আবু আল-মুসান্না সুলাইমান বিন ইয়াজিদ বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে বর্ণনায় মতভেদ হয়েছে। আব্দুল্লাহ বিন হামজাহ আজ-জুবাইরি এটি আব্দুল্লাহ বিন নাফি আস-সায়িগ থেকে, তিনি আবু আল-মুসান্না থেকে, তিনি আল-মুগিরা বিন আলী থেকে, তিনি আলী থেকে এবং তিনি আবু বকর থেকে বর্ণনা করেছেন।

তিনি এতে ভ্রম করেছেন; মূলত আবু আল-মুসান্না এটি আল-মাকবুরি থেকে বর্ণনা করেছেন। আবার আল-মাকবুরি থেকেও বর্ণনার ক্ষেত্রে মতভেদ হয়েছে। মুসলিম বিন আমর আল-হাজ্জা আল-মুজানি বলেছেন: ইবনে নাফি থেকে, তিনি আবু আল-মুসান্না সুলাইমান বিন ইয়াজিদ থেকে, তিনি সাইদ আল-মাকবুরি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি আলী থেকে এবং তিনি আবু বকর থেকে বর্ণনা করেছেন।

সাদ বিন সাইদ ইবনে আবি সাইদ আল-মাকবুরি এটি তাঁর ভাই আব্দুল্লাহ বিন সাইদ থেকে, তিনি তাঁর দাদা আবু সাইদ আল-মাকবুরি থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি এটি আলী বিন আবি তালিব থেকে শুনেছেন এবং তিনি আবু বকর থেকে।

তিনি এতে আবু হুরায়রার উল্লেখ করেননি। আর সনদের দিক থেকে এই বর্ণনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উত্তম ও বিশুদ্ধতম হলো সেটি, যা আস-সাওরি, মিসআর এবং তাঁদের অনুসারীগণ উসমান বিন আল-মুগিরা থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ২১)
حدثنا الخطيب أبو القاسم عبد الرحمن بن محمد ، بقراءتي عليه ، قال: نا القاضي أبو بكر محمد بن عبد الله، سماعا ، أنا أبو الحسن علي بن الحسين بن علي بن أيوب الموصلي ، ببغداد ، أنا أبو طاهر عبد الغفار بن محمد بن جعفر المؤدب ، حدثنا أبو علي محمد بن أحمد بن الحسن ، نا أبو علي بشر بن موسى ، نا عبد الله بن الزبير أبو بكر الحميدي ، نا سفيان بن عيينة أبو محمد ، نا مسعر بن كدام ، عن عثمان بن المغيرة الثقفي ، عن علي بن ربيعة الوالبي ، عن أسماء بن الحكم الفزاري ، قال: سمعت علي بن أبي طالب ، يقول: كنت إذا سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم حديثا ، نفعني الله بما شاء أن ينفعني منه، فإذا حدثني غيره ، استحلفته ، فإن حلف لي صدقته ، فحدثني أبو بكر ، وصدق أبو بكر ، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ، يقول: «لَيْسَ مِنْ عَبْدٍ يُذْنِبُ ذَنْبًا، فَيَقُومُ فَيَتَوَضَّأُ، فَيُحْسِنُ الْوُضُوءَ، ثُمَّ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ يَسْتَغْفِرُ اللَّهَ عز وجل، إِلا غَفَرَ اللَّهُ لَهُ»
আল-খতিব আবু আল-কাসিম আবদুর রহমান বিন মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁর নিকট আমার পাঠ করার মাধ্যমে, তিনি বলেন: কাজী আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ শ্রবণের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আল-হাসান আলী বিন আল-হুসাইন বিন আলী বিন আইয়ুব আল-মাউসিলি বাগদাদে আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন, আবু তাহির আব্দুল গাফফার বিন মুহাম্মাদ বিন জাফর আল-মুআদ্দিব আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন, আবু আলী মুহাম্মাদ বিন আহমদ বিন আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আলী বিশর বিন মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ বিন আয-যুবাইর আবু বকর আল-হুমাইদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ আবু মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মিসআর বিন কিদাম উসমান বিন আল-মুগীরাহ আস-সাকাফী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আলী বিন রাবিয়াহ আল-ওয়ালিবি থেকে, তিনি আসমা বিন আল-হাকাম আল-ফাজারী থেকে। তিনি বলেন: আমি আলী বিন আবি তালিবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: আমি যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট থেকে কোনো হাদিস শুনতাম, আল্লাহ তাআলা আমাকে তা দ্বারা যতটুকু তিনি ইচ্ছা করতেন উপকৃত করতেন। আর যখন তাঁর ব্যতীত অন্য কেউ আমার নিকট বর্ণনা করত, আমি তাকে শপথ করাতাম; অতঃপর সে শপথ করলে আমি তাকে সত্য বলে বিশ্বাস করতাম। অতঃপর আবু বকর আমার নিকট বর্ণনা করলেন এবং আবু বকর সত্য বলেছেন। তিনি বললেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «এমন কোনো বান্দা নেই যে কোনো পাপ করে, অতঃপর সে উঠে অজু করে এবং সুন্দরভাবে অজু সম্পন্ন করে, এরপর দুই রাকাত সালাত আদায় করে, তারপর মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে, তবে আল্লাহ অবশ্যই তাকে ক্ষমা করে দেন।»
(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ২২)
أخبرنا أبو عبد الله محمد ابن أبي الطيب الفقيه ، إذنا ، عن أبي عبد الله أحمد بن محمد ، عن أبي القاسم اليناقي ، قال: حدثنا وهب بن مسرة ، نا محمد بن وضاح ، نا أبو بكر عبد الله بن محمد ابن أبي شيبة ، نا وكيع بن الجراح ، قال: نا مسعر، وسفيان ، عن عثمان بن المغيرة الثقفي ، عن علي بن ربيعة الوالبي ، عن أسماء بن الحكم الفزاري ، عن علي ، قال: كنت إذا سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم حديثا ، نفعني بما شاء منه ، وإذا حدثني عنه غيري استحلفته ، فإذا حلف لي صدقته ، وإن أبا بكر حدثني ، وصدق أبو بكر ، أنه قال صلى الله عليه وسلم: «ما من رجل يذنب ذنبا ، فيتوضأ، فيحسن الوضوء، ثم يصلي» .

قال سفيان: «يصلي ركعتين» ، وقال مسعر: «ثم يصلي ، فيستغفر الله إلا غفر له»
আমাদের নিকট আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবিত তাইয়িব আল-ফকিহ অনুমতি সাপেক্ষে বর্ণনা করেছেন আবু আবদুল্লাহ আহমদ বিন মুহাম্মদ থেকে, তিনি আবুল কাসিম আল-ইয়ানাকি থেকে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ওয়াহাব বিন মাসাররাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন ওয়াদদাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু বকর আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ ইবনে আবি শায়বাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ওয়াকি বিন আল-জাররাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মিসআর এবং সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন উসমান বিন আল-মুগিরাহ আস-সাকাফি থেকে, তিনি আলি বিন রবিআ আল-ওয়ালিবি থেকে, তিনি আসমা বিন আল-হাকাম আল-ফাজারি থেকে, তিনি আলি (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি যখন আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট থেকে কোনো হাদিস শুনতাম, তখন আল্লাহ আমাকে তা দিয়ে যতটুকু ইচ্ছা উপকৃত করতেন। আর যখন তাঁর পক্ষ থেকে অন্য কেউ আমাকে হাদিস শোনাতেন, তখন আমি তাকে শপথ করাতাম; সে শপথ করলে আমি তাকে সত্য বলে বিশ্বাস করতাম। আবু বকর (রা.) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন—এবং আবু বকর সত্য বলেছেন—যে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "এমন কোনো ব্যক্তি নেই যে কোনো পাপ করে, অতঃপর অজু করে এবং উত্তমরূপে অজু সম্পাদন করে, তারপর নামাজ পড়ে।"

সুফিয়ান বলেন: "দুই রাকাত নামাজ পড়ে", এবং মিসআর বলেন: "অতঃপর নামাজ পড়ে এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, ফলে তাকে অবশ্যই ক্ষমা করে দেওয়া হয়।"
(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ২৩)
وحدثنا أبو الحجاج يوسف بن عبد الله بن القاسم ، بقراءتي عليه ، قال: أخبرنا أبو محمد عبد الرحمن بن محمد بن عتاب ، في كتابه ، قال: أخبرنا أبو عمرو عثمان ابن أبي بكر ، نا أبو نعيم أحمد بن عبد الله ، أنا عبد الله بن جعفر بن يونس بن حبيب ، نا أبو داود الطيالسي ، نا شعبة ، قال: أخبرني عثمان بن المغيرة ، قال: سمعت علي بن ربيعة الأسدي ، يحدث عن أسماء ، وابن أسماء الفزاري ، قال: سمعت عليا ، رضي الله عنه ، يقول: كنت إذا سمعت حديثا من رسول الله صلى الله عليه وسلم ، ينفعني الله عز وجل به بما شاء أن ينفعني ، قال علي: وحدثني أبو بكر ، وصدق أبو بكر ، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ، قال: " مَا مِنْ عَبْدٍ يُذْنِبُ ذَنْبًا، ثُمَّ يَتَوَضَّأُ وَيُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ يَسْتَغْفِرُ اللَّهَ تبارك وتعالى، إِلا غَفَرَ لَهُ، ثُمَّ تَلا هَذِهِ الآيَةَ: {وَالَّذِينَ إِذَا فَعَلُوا فَاحِشَةً أَوْ ظَلَمُوا أَنْفُسَهُمْ ذَكَرُوا اللَّهَ فَاسْتَغْفَرُوا لِذُنُوبِهِمْ} ، وَالآيَةَ الأُخْرَى: {وَمَنْ يَعْمَلْ سُوءًا أَوْ يَظْلِمْ نَفْسَهُ ثُمَّ يَسْتَغْفِرِ اللَّهَ يَجِدِ اللَّهَ غَفُورًا رَحِيمًا} ".

وأخبرنا أبو الحجاج ، بقراءتي عليه ، أخبرك أبو محمد عبد الرحمن بن محمد ، في كتابه ، قال: أخبرنا أبو عمرو السفاقسي ، نا أبو نعيم ، أنا ابن فارس ، نا داود ، قال: نا يونس ، نا أبو عوانة ، عن عثمان بن المغيرة ، عن علي بن المغيرة ، عن أسماء بن الحكم الفزاري ، قال: سمعت عليا ، يقول: كنت إذا سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم ، حديثا ، نفعني الله بما شاء أن ينفعني منه، وإذا حدثني غيره استحلفته أنه سمعه منه ، ثم صدقته ، حدثني أبو بكر ، وصدق أبو بكر ، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ، قال.

ثم ذكر نحو حديث شعبة.

وطرق هذا الحديث كثيرة ، وهي مجموعة عندي في غير هذا المكان

حديث آخر:
আমাদের নিকট আবু আল-হাজ্জাজ ইউসুফ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আল-কাসিম হাদিস বর্ণনা করেছেন, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে; তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আত্তাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর কিতাবে; তিনি বলেন: আবু আমর উসমান ইবনে আবি বকর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবু নুআইম আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে ইউনুস ইবনে হাবিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবু দাউদ আত-তায়ালিসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; শু'বা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: উসমান ইবনে আল-মুগিরা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আমি আলী ইবনে রবিআ আল-আসাদিকে আসমা অথবা ইবনে আসমা আল-ফাজারি থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি; তিনি বলেন: আমি আলীকে (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) বলতে শুনেছি: আমি যখন আল্লাহর রাসুলের (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর উপর বর্ষিত হোক) নিকট থেকে কোনো হাদিস শুনতাম, আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী ও মহান তা দ্বারা আমাকে যতটুকু ইচ্ছা উপকার দান করতেন। আলী বলেন: আবু বকর আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন—আর আবু বকর সত্য বলেছেন—যে, আল্লাহর রাসুল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর উপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: "এমন কোনো বান্দা নেই যে কোনো গুনাহ করে, অতঃপর অজু করে এবং দুই রাকাত সালাত আদায় করে, এরপর আল্লাহর (যিনি বরকতময় ও সুউচ্চ) নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে, তবে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন।" এরপর তিনি এই আয়াত তেলাওয়াত করলেন: {এবং যারা কোনো অশ্লীল কাজ করলে অথবা নিজেদের প্রতি জুলুম করলে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং তাদের গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে}, এবং অপর আয়াতটি: {আর যে ব্যক্তি কোনো মন্দ কাজ করে অথবা নিজের প্রতি জুলুম করে, অতঃপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, সে আল্লাহকে পরম ক্ষমাশীল ও দয়ালু হিসেবে পাবে।}।

আবু আল-হাজ্জাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে; আবু মুহাম্মদ আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ তাঁর কিতাবে আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আবু আমর আস-সাফাকুসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবু নুআইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; ইবনে ফারিস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; দাউদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: ইউনুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; আবু আওয়ানা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে আল-মুগিরা থেকে, তিনি আলী ইবনে আল-মুগিরা থেকে, তিনি আসমা ইবনে আল-হাকাম আল-ফাজারি থেকে; তিনি বলেন: আমি আলীকে বলতে শুনেছি: আমি যখন আল্লাহর রাসুলের (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর উপর বর্ষিত হোক) নিকট থেকে কোনো হাদিস শুনতাম, আল্লাহ তা থেকে আমাকে যতটুকু ইচ্ছা উপকার দান করতেন; আর যখন তাঁর ব্যতীত অন্য কেউ আমার কাছে হাদিস বর্ণনা করত, তখন আমি তাকে কসম করাতাম যে সে এটি তাঁর (রাসুলের) থেকেই শুনেছে, অতঃপর সে কসম করলে আমি তাকে সত্য বলে গ্রহণ করতাম। আবু বকর আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন—আর আবু বকর সত্য বলেছেন—যে, আল্লাহর রাসুল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর উপর বর্ষিত হোক) বলেছেন...

অতঃপর তিনি শু'বার হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা উল্লেখ করেছেন।

এই হাদিসের সূত্র বা পথ অনেক, যা আমার নিকট এই স্থান ব্যতীত অন্য স্থানে সংকলিত রয়েছে।

অন্য একটি হাদিস:
(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ২৪)
حدثنا والله أبو الحجاج يوسف بن محمد البلوي الزاهد ، قال: حدثني والله القاضي أبو محمد العثماني ، قال: حدثني والله علي بن المشرف ، قال: حدثني والله عبد العزيز بن الحسن ، قال: حدثني والله أبي الحسن بن إسماعيل ، قال: حدثني والله عبد الواحد بن أحمد ، قال: نا والله داود بن جعفر الواسطي الجزوعي أبو القاسم ، بواسط، سنة ثلاثين وثلاثمائة ، قال: حدثنا والله محمد بن سليمان الباغندي الواسطي ، قال: حدثنا الحميدي والله، قال: نا ابن عيينة والله ، قال: نا الزهري والله، مِنْ فِيهِ يُعِيدُهُ وَيُبْدِيهِ ، عن سالم ، عن أبيه: «أن النبي صلى الله عليه وسلم ، وأبا بكر وعمر ، رضي الله عنهما ، كانوا يمشون أمام الجنازة» .

هذا حديث أختلف فيه عن الزهري ، فرواه ابن جريج ، وزياد بن سعد ، وغير واحد عن الزهري ، عن سالم ، عن أبيه ، نحو حديث ابن عيينة.

وروى معمر ويونس بن يزيد ومالك ، وغير واحد من الحفاظ ، عن الزهري ، مرسلا.

وقال ابن المبارك: حديث الزهري في هذا مرسلا أصح من حديث ابن عيينة ، قال: وأرى ابن جريج أخذه عن ابن عيينة.
আল্লাহর শপথ, আমাদের নিকট আবু আল-হাজ্জাজ ইউসুফ বিন মুহাম্মাদ আল-বালাবি আজ-জাহিদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর শপথ, বিচারক আবু মুহাম্মাদ আল-উসমানী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর শপথ, আলী বিন আল-মুশাররাফ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর শপথ, আব্দুল আজিজ বিন আল-হাসান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর শপথ, আমার পিতা হাসান বিন ইসমাইল আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর শপথ, আব্দুল ওয়াহিদ বিন আহমাদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর শপথ, আবু আল-কাসিম দাউদ বিন জাফর আল-ওয়াসিতি আল-জাযুয়ি তিনশত ত্রিশ হিজরি সনে ওয়াসিতে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর শপথ, মুহাম্মাদ বিন সুলাইমান আল-বাগান্দি আল-ওয়াসিতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর শপথ, আল-হুমাইদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর শপথ, ইবনে উইয়াইনাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর শপথ, আয-যুহরি তাঁর মুখ থেকে (এটি) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং বারবার এটি বলছিলেন, তিনি সালিম থেকে, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন যে: «নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং আবু বকর ও উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) জানাযার সামনে হাঁটতেন»।

এই হাদিসটি আয-যুহরি থেকে বর্ণনার ক্ষেত্রে মতভেদ রয়েছে। ইবনে জুরাইজ, যিয়াদ বিন সাদ এবং আরও একাধিক ব্যক্তি আয-যুহরি থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে ইবনে উইয়াইনাহর হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

আর মা’মার, ইউনুস বিন ইয়াজিদ, মালিক এবং হাফেজদের মধ্যে আরও একাধিক ব্যক্তি আয-যুহরি থেকে ‘মুরসাল’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

ইবনে আল-মুবারক বলেন: এই বিষয়ে আয-যুহরির মুরসাল হাদিসটি ইবনে উইয়াইনাহর হাদিসের চেয়ে অধিক বিশুদ্ধ। তিনি বলেন: আমি মনে করি ইবনে জুরাইজ এটি ইবনে উইয়াইনাহর নিকট থেকে গ্রহণ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ২৫)
وحدثنا أبو جعفر العطار ، بقراءتي عليه ، قال: نا أبو جعفر المقرئ ، سماعا ، نا القاضي أبو علي الصدفي ، بقراءة أبي ، أنا أبو الحسن الشافعي ، أخبرنا عبد الرحمن بن عمر ، أنا أبو سعيد أحمد بن محمد بن زياد ، أخبرنا الحسن بن محمد الزعفراني ، حدثنا سفيان ، عن الزهري ، عن سالم ، عن أبيه ، قال: «رأيت النبي صلى الله عليه وسلم، وأبا بكر، وعمر يمشون أمام الجنازة»
এবং আবু জাফর আল-আত্তার তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু জাফর আল-মুকরি শ্রবণের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-কাজী আবু আলী আস-সাদাফী আমার পিতার পাঠের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবুল হাসান আশ-শাফিঈ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুর রহমান বিন উমর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু সাঈদ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন যিয়াদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-হাসান বিন মুহাম্মদ আজ-জাফরানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যুহরী থেকে, তিনি সালেম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবু বকর এবং উমরকে জানাযার সামনে হাঁটতে দেখেছি»
(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ২৬)
وحدثنا الخطيب أبو القاسم ، قراءة عليه ، وأنا أسمع ، قال: نا القاضي أبو بكر محمد بن عبد الله ، سماعا ، أنا أبو الحسين الصيرفي ، نا أحمد بن عبد الواحد ، نا الحسن بن محمد ، نا أبو العباس الرازي ، نا محمد بن عيسى ، نا عبد بن حميد ، نا عبد الرازق ، أنا معمر ، عن الزهري ، قال: «كان النبي صلى الله عليه وسلم ، وأبو بكر، وعمر ، يمشون أمام الجنازة» .

قال الزهري: وأخبرني سالم: أن أباه كان يمشي أمام الجنازة.

وهكذا رواه يونس بن يزيد ، عن الزهري.

قال محمد بن إسماعيل البخاري: والحديث الصحيح ، هو هذا، يعني حديث يونس ، عن الزهري

حديث آخر:
আমাদের নিকট আল-খতীব আবুল কাসিম বর্ণনা করেছেন, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-কাদি আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ শ্রবণের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবুল হুসাইন আস-সাইরাফি সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবুল আব্বাস আর-রাজি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে ঈসা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদ ইবনে হুমাইদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুর রাজ্জাক বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মা'মার সংবাদ দিয়েছেন, আয-যুহরী থেকে, তিনি বলেন: «নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবু বকর এবং উমর জানাজার সামনে হাঁটতেন»।

আয-যুহরী বলেন: সালেম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তাঁর পিতা জানাজার সামনে হাঁটতেন।

এবং ইউনুস ইবনে ইয়াযিদ আয-যুহরী থেকে এভাবেই বর্ণনা করেছেন।

মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-বুখারি বলেন: আর সহিহ হাদিস হলো এটিই, অর্থাৎ আয-যুহরী থেকে ইউনুসের বর্ণিত হাদিস।

অপর একটি হাদিস:
(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ২৭)
حدثنا أبو الحجاج القضاعي ، بقراءتي عليه ، حدثك القاضي أبو محمد العثماني ، وأقر به ، قال: نا علي بن المشرف ، قال: نا عبد العزيز بن الحسن بن إسماعيل ، قال: نا والدي الحسن ، قال: نا سلم هو أبو قتيبة ابن الفضل ، نا موسى بن هارون بن هاشم ، قالا: نا الصلت بن مسعود الجحدري ، نا محمد بن عبد الرحمن الطفاوي ، نا أيوب ، عن محمد ابن سيرين ، عن أبي هريرة ، عن النبي صلى الله عليه وسلم ، قال: " اختصمت النار والجنة ، قالت النار: يدخلني الجبارون والمتكبرون ، قالت الجنة: يدخلني ضعفاء الناس وَسُقَّاطُهُمْ ، قال الله عز وجل للنار: أنت عذابي أصيب بك من أشاء ، وقال للجنة: أنت رحمتي أصيب بك من أشاء ، ولكل واحدة منكما ملؤها ، فإذا كان يوم القيامة أنشأ الله تعالى للجنة من شاء ، وذكر النار، قال: تلقون في النار ، فتقول: هل من مزيد ، حتى يضع فيها قدمه ، فينزوي بعضها إلى بعض ، وتقول: قط قط ".

قال أيوب: لما ذكر هذا الحديث ، يكذب به ناس ، وقد سمعته من محمد ، وسمعه محمد من أبي هريرة ، وسمعه أبو هريرة من رسول الله صلى الله عليه وسلم ، ما كذب أيوب على محمد ، ولا كذب محمد على أبي هريرة ، ولا كذب أبو هريرة على رسول الله صلى الله عليه وسلم ، قال محمد: وما كذبت أنا على أيوب ، قال الصلت: ولا كذبت أنا على محمد ، قال موسى: ولا كذبت أنا على الصلت بن مسعود ، وقال أبو قتيبة: ولا كذبت أنا على موسى بن هارون ، ولا على إبراهيم بن هاشم ، قال الحسن بن إسماعيل: ولا كذبت أنا على أبي قتيبة ، وقال عبد العزيز: ولا كذبت أنا على أبي الحسن ، وقال علي بن المشرف: ولا كذبت أنا على عبد العزيز ، وقال أبو محمد العثماني: ولا كذبت أنا على علي بن المشرف ، قال أبو الحجاج: ولا كذبت أنا على العثماني ، وهو قول الصلت ، وقول الحسن بن إسماعيل ، وبه يصح التسلسل.

والحديث مخرج في الصحيح من حديث أبي هريرة ، رواه البخاري عن عبد الله بن محمد ، عن عبد الرزاق ، عن معمر ، عن همام بن منبه ، عن أبي هريرة
আমাদের নিকট আবুল হাজ্জাজ আল-কুদায়ী বর্ণনা করেছেন তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: বিচারক আবু মুহাম্মদ আল-উসমানি আপনার নিকট বর্ণনা করেছেন এবং তিনি তা স্বীকার করেছেন, তিনি বলেন: আলি ইবনে আল-মুশাররাফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল আজিজ ইবনে আল-হাসান ইবনে ইসমাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সালাম—যিনি আবু কুতাইবা ইবনুল ফাদল—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং মুসা ইবনে হারুন ইবনে হাশিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়ে বলেন: আস-সলত ইবনে মাসউদ আল-জাহদারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান আত-তুফাওয়ি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আইয়ুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে সিরিন থেকে, তিনি আবু হুরাইরা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "জাহান্নাম ও জান্নাত বিতর্কে লিপ্ত হলো। জাহান্নাম বলল: আমার মধ্যে স্বৈরাচারী ও অহংকারীরা প্রবেশ করবে। জান্নাত বলল: আমার মধ্যে দুর্বল ও নিচু স্তরের সাধারণ মানুষ প্রবেশ করবে। তখন মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ জাহান্নামকে বললেন: তুমি আমার আজাব, তোমার মাধ্যমে আমি যাকে ইচ্ছা শাস্তি প্রদান করি। আর জান্নাতকে বললেন: তুমি আমার রহমত, তোমার মাধ্যমে আমি যাকে ইচ্ছা অনুগ্রহ করি। তোমাদের প্রত্যেকের জন্যই পূর্ণতা (ভর্তি হওয়া) নির্ধারিত রয়েছে। অতঃপর যখন কিয়ামত দিবস উপস্থিত হবে, আল্লাহ তাআলা জান্নাতের জন্য যাকে ইচ্ছা সৃষ্টি করবেন। আর জাহান্নামের বর্ণনায় তিনি বললেন: তাদের জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে, আর জাহান্নাম বলবে: আরও কি অতিরিক্ত আছে? যতক্ষণ না আল্লাহ তাতে আল্লাহর পা রাখবেন, তখন জাহান্নামের এক অংশ অন্য অংশের সাথে সংকুচিত হয়ে যাবে এবং বলবে: যথেষ্ট, যথেষ্ট।"

আইয়ুব বলেন: যখন এই হাদিসটি বর্ণনা করা হলো, তখন কিছু লোক একে মিথ্যা প্রতিপন্ন করল। অথচ আমি এটি মুহাম্মদ থেকে শুনেছি, মুহাম্মদ এটি আবু হুরাইরা থেকে শুনেছেন এবং আবু হুরাইরা এটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছেন। আইয়ুব মুহাম্মদের প্রতি কোনো মিথ্যা আরোপ করেননি, মুহাম্মদ আবু হুরাইরার প্রতি কোনো মিথ্যা আরোপ করেননি এবং আবু হুরাইরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি কোনো মিথ্যা আরোপ করেননি। মুহাম্মদ বলেন: আমি আইয়ুবের প্রতি কোনো মিথ্যা আরোপ করিনি। সলত বলেন: আমি মুহাম্মদের প্রতি কোনো মিথ্যা আরোপ করিনি। মুসা বলেন: আমি আস-সলত ইবনে মাসউদের প্রতি কোনো মিথ্যা আরোপ করিনি। আবু কুতাইবা বলেন: আমি মুসা ইবনে হারুন কিংবা ইব্রাহিম ইবনে হাশিমের প্রতি কোনো মিথ্যা আরোপ করিনি। হাসান ইবনে ইসমাইল বলেন: আমি আবু কুতাইবার প্রতি কোনো মিথ্যা আরোপ করিনি। আব্দুল আজিজ বলেন: আমি আবু হাসানের প্রতি কোনো মিথ্যা আরোপ করিনি। আলি ইবনে আল-মুশাররাফ বলেন: আমি আব্দুল আজিজের প্রতি কোনো মিথ্যা আরোপ করিনি। আবু মুহাম্মদ আল-উসমানি বলেন: আমি আলি ইবনে আল-মুশাররাফের প্রতি কোনো মিথ্যা আরোপ করিনি। আবু হাজ্জাজ বলেন: আমি আল-উসমানির প্রতি কোনো মিথ্যা আরোপ করিনি। আর এটিই সলত ও হাসান ইবনে ইসমাইলের বক্তব্য, যার মাধ্যমে এই বর্ণনা পরম্পরাটি নির্ভুল প্রমাণিত হয়।

এই হাদিসটি আবু হুরাইরার বর্ণনা থেকে সহিহ গ্রন্থে উদ্ধৃত হয়েছে। ইমাম বুখারি এটি আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি আব্দুর রাজ্জাক থেকে, তিনি মা’মার থেকে, তিনি হাম্মাম ইবনে মুনাব্বিহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরা থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ২৮)
وحدثناه الخطيب أبو القاسم ، بقراءتي عليه ، قال: نا القاضي أبو بكر محمد بن عبد الله ، قال: نا أبو بكر محمد بن طرخان ، أنا الشريف أبو الغنائم عبد الصمد بن علي ، أنا أبو الحسن علي بن عمر الدارقطني الحافظ ، نا القاضي أبو عمر محمد بن يوسف بن يعقوب ، إملاء ، حدثنا الحسن ابن أبي الربيع ، نا عبد الرزاق بن همام ، أنا معمر بن راشد ، عن همام بن منبه ، قال: هذا ما حدثناه أبو هريرة ، عن محمد رسول الله صلى الله عليه وسلم ، فذكروا أحاديث منها ، وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " تحاجت الجنة والنار ، فقالت النار: أُوثِرْتُ بالمتكبرين والمتجبرين، وقالت الجنة: فما لي لا يدخلني إلا ضعفاء الناس وسقطهم وَغِرَّتُهُمْ ، فقال الله عز وجل للجنة: إنما أنت رحمتي، أرحم بك من أشاء من عبادي ، وقال للنار: إنما أنت عذاب، أعذب بك من أشاء ، ولكل واحدة منكما ملؤها ، فأما النار فلا تمتلئ حتى يضع الله قدمه ، فتقول: قط قط قط ، فهنالك تمتلئ ويزوى بعضها إلى بعض ، ولا يظلم الله من خلقه أحدا ، وأما الجنة ، فإن الله تعالى ينشئ لها خلقا ".

وفي هذا الحديث ذكر القدم ، وذلك مما يوهم التشبيه ، ولأهل العلم فيه تأويلات تخرجه عن ظاهره أحسن مخرج، أحدها: إن معنى القدم هاهنا المتقدم والسابق أي الكفار الذين سبق في علم الله عز وجل أنهم من أهل النار ، والعرب تقول للشيء المتقدم قدم قدم ، وعليه حمل قوله تعالى: {وَبَشِّرِ الَّذِينَ آمَنُوا أَنَّ لَهُمْ قَدَمَ صِدْقٍ عِنْدَ رَبِّهِمْ} أي: سابقة صدق ، وقال بعضهم: القدم خلق من خلق الله يخلقه يوم القيامة ، فيسميه قدما ، ويضعه في النار ، فيمتلئ منه، وأضيف إليه من طريق الفعل والملك ، وقيل غير ذلك ، والله أعلم

حديث آخر:
এবং খতিব আবুল কাসিম এটি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: কাজী আবু বকর মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ বিন ত্বরখান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শরীফ আবুল গানায়িম আবদুস সামাদ বিন আলী আমাদের অবহিত করেছেন, হাফেজ আবুল হাসান আলী বিন উমর আদ-দারাকুতনী আমাদের অবহিত করেছেন, কাজী আবু উমর মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন ইয়াকুব আমাদের নিকট শ্রুতলিপি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, হাসান ইবন আবির রবি’ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুর রাজ্জাক বিন হাম্মাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মা’মার বিন রাশিদ আমাদের অবহিত করেছেন, হাম্মাম বিন মুনাব্বিহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: এটিই সেই যা আবু হুরায়রা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল্লাহর রাসূল মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে; অতঃপর তাঁরা এর মধ্য থেকে কয়েকটি হাদিস উল্লেখ করেছেন এবং আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "জান্নাত ও জাহান্নাম বিতর্কে লিপ্ত হলো। জাহান্নাম বলল: অহঙ্কারী ও স্বৈরাচারীদের দ্বারা আমাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। আর জান্নাত বলল: আমার কী হলো যে, দুর্বল, নগণ্য ও সাধারণ মানুষ ছাড়া কেউ আমার মধ্যে প্রবেশ করছে না? তখন মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ জান্নাতকে বললেন: তুমি কেবল আমার দয়া, তোমার মাধ্যমে আমি আমার বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা দয়া করি। আর জাহান্নামকে বললেন: তুমি কেবল আমার শাস্তি, তোমার মাধ্যমে আমি যাকে ইচ্ছা শাস্তি প্রদান করি, এবং তোমাদের উভয়ের জন্যই রয়েছে পূর্ণতা। আর জাহান্নামের অবস্থা হলো, তা পূর্ণ হবে না যতক্ষণ না আল্লাহ তাঁর পা রাখেন, তখন সেটি বলবে: যথেষ্ট, যথেষ্ট, যথেষ্ট। তখন সেটি পূর্ণ হবে এবং এর এক অংশ অন্য অংশের সাথে গুটিয়ে আসবে। আর আল্লাহ তাঁর সৃষ্টির কারো প্রতি জুলুম করেন না। আর জান্নাতের অবস্থা হলো, আল্লাহ তাআলা এর জন্য নতুন এক সৃষ্টি সৃষ্টি করবেন।"

এবং এই হাদিসে পায়ের উল্লেখ রয়েছে, যা সাদৃশ্য বা উপমার সংশয় তৈরি করে। এই বিষয়ে বিজ্ঞ আলেমগণের এমন কিছু ব্যাখ্যা রয়েছে যা একে এর বাহ্যিক অর্থ থেকে সর্বোত্তম পন্থায় সরিয়ে নেয়। তার মধ্যে একটি হলো: এখানে 'পা' অর্থ হলো অগ্রগামী বা পূর্ববর্তী, অর্থাৎ সেই কাফেররা যাদের ব্যাপারে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর জ্ঞানে পূর্বেই নির্ধারিত ছিল যে তারা জাহান্নামী। আর আরবরা কোনো অগ্রগামী বস্তুকে 'কদম কদম' বলে থাকে। মহান আল্লাহর এই বাণীকে এর ওপরই প্রয়োগ করা হয়: {আর মুমিনদের সুসংবাদ দিন যে, তাদের প্রতিপালকের নিকট তাদের জন্য রয়েছে সত্যের অগ্রগামিতা}, অর্থাৎ: সত্যের পূর্বসূত্র। আবার কেউ কেউ বলেছেন: 'পা' হলো আল্লাহর সৃষ্টিসমূহের মধ্য হতে একটি সৃষ্টি যা তিনি কিয়ামতের দিন সৃষ্টি করবেন এবং তার নাম দেবেন 'পা', অতঃপর তা জাহান্নামে রাখবেন এবং এর দ্বারা জাহান্নাম পূর্ণ হবে; আর এটি তাঁর দিকে সম্পর্কিত করা হয়েছে কর্ম ও মালিকানার নিরিখে। এ ছাড়া আরও অন্যান্য কথা বলা হয়েছে। আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

অন্য একটি হাদিস:
(খণ্ড: ১) আল-মুসালসালাতু মিনাল আহাদীছি ওয়াল আসার (পৃষ্ঠা: ২৯)
حدثنا أبو القاسم عبد الرحمن بن محمد ذاك الخطيب ، قال: نا أبو بكر ابن العربي ، ذاك القاضي ، نا الشريف ذاك نسيب الدولة ، حدثني أبو محمد عبد العزيز بن أحمد ذاك الصوفي ، نا علي بن أحمد ذاك الواعظ ، حدثني ذاك ابن زخر ، حدثني صالح بن سليمان ، ذاك الدقاق ، أنا العباس بن علي ذاك الشامي ، نا الحسين ابن أبي راشد ذاك الدباغ ، نا وكيع ذاك الرؤاسي ، نا سفيان ذاك الثوري ، عن حصين بن عبد الرحمن ذاك السلمي ، عن سالم ابن أبي المغراء ذاك الطفاوي ، عن جابر بن عبد الله ذاك الأنصاري ، قال: «كنا إذا هبطنا سبحنا ، وإذا علونا كبرنا»

আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ সেই খতীব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনুল আরাবী সেই বিচারক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শরীফ সেই নাসীবুদ দাওলাহ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল আজিজ বিন আহমদ সেই সূফী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন আহমদ সেই ওয়ায়েজ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন সেই ইবনে যখর, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন সালেহ বিন সুলাইমান সেই দাক্কাক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্বাস বিন আলী সেই শামী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন ইবনে আবি রাশিদ সেই দাব্বাগ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওকী সেই রুআসী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান সেই সাওরী, হুসাইন বিন আবদুর রহমান সেই সুলামী থেকে, তিনি সালিম ইবনে আবিল মাগরা সেই তুফাবী থেকে, তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহ সেই আনসারী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমরা যখন নিচে নামতাম তখন তাসবীহ পাঠ করতাম এবং যখন উপরে উঠতাম তখন তাকবীর দিতাম।»