(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
العاشر من المصباح في عيون الصحاح (عبد الغني المقدسي)
القسم: كتب السنة
الكتاب: العاشر من المصباح في عيون الصحاح
المؤلف: عبد الغني بن عبد الواحد بن علي بن سرور المقدسي الجماعيلي الدمشقي الحنبلي، أبو محمد، تقي الدين (ت 600هـ)
الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية
الطبعة: الأولى، 2004
[الكتاب مخطوط]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-মিসবাহ ফি উইউনিল সিহাহ-এর দশম খণ্ড (আবদুল গনী আল-মাকদিসী)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আল-মিসবাহ ফি উইউনিল সিহাহ-এর দশম খণ্ড
লেখক: আবদুল গনী বিন আবদুল ওয়াহিদ বিন আলী বিন সুরূর আল-মাকদিসী আল-জামায়িলী আদ-দিমাশকী আল-হাম্বলী, আবু মুহাম্মদ, তাকীউদ্দীন (মৃত্যু: ৬০০ হিজরি)
প্রকাশক: পাণ্ডুলিপিটি ইসলাম ওয়েব সাইটের অন্তর্ভুক্ত ফ্রি ‘জাওয়ামিউল কালিম’ প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে
সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪
[কিতাবটি পাণ্ডুলিপি আকারে]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
الجزء من كتاب المصباح في عيون الصحاح وهو العاشر من إفراد مسلم بن الحجاج.تأليف عبد الغني بن عبد الواحد بن علي المقدسي، غفر الله له ولوالديه، ونفعه به والمسلمين أجمعين ، ووفقه رضي الله عنه.بسم الله الرحمن الرحيم ولا حول ولا قوة إلا بالله العلي العظيم.
আল-মিসবাহ ফি উইনিল সিহাহ গ্রন্থ থেকে সংগৃহীত অংশ, যা মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজের একক বর্ণনাসমূহের দশম খণ্ড।রচনা করেছেন আবদুল গানি বিন আবদুল ওয়াহিদ বিন আলী আল-মাকদিসি, আল্লাহ তাঁকে ও তাঁর পিতামাতাকে ক্ষমা করুন, এবং এর মাধ্যমে তাঁকে ও সকল মুসলিমকে উপকৃত করুন, আর তাঁকে তাওফিক দান করুন, আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন।পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। সুউচ্চ ও মহান আল্লাহ ছাড়া কোনো উপায় ও শক্তি নেই।
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
1 - أخبرنا أبو الفتح محمد بن عبد الباقي بن أحمد بن سليمان البغدادي بها ، أنا أبو الفضل حمد بن أحمد بن الحسن الحداد الأصبهاني، قدم علينا حاجا، أنبا أبو نعيم أحمد بن عبد الله بن أحمد الحافظ، نا أبو محمد عبد الله بن جعفر بن أحمد بن فارس، ثنا أبو بشر يونس بن حبيب، ثنا أبو داود سليمان بن داود الطيالسي، نا سليمان بن المغيرة، ثنا ثابت، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، قال: حدثني المقداد بن الأسود، قال: جئت أنا وصاحبان لي قد كادت تذهب أسماعنا وأبصارنا من الجهد فجعلنا نعرض أنفسنا على أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم ، حتى انطلق بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ، إلى رحله، ولآل محمد ثلاث أعنز يحلبونها ، فكان النبي صلى الله عليه وسلم ، يوزع اللبن بيننا وكنا نرفع لرسول الله صلى الله عليه وسلم نصيبه فيجيء فيسلم تسليما يسمع اليقظان، ولا يوقظ النائم، فقال لي الشيطان: لو شربت هذه الجرعة فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يأتي الأنصار فيتحفونه، فما زال حتى شربتها فلما شربتها ندمني، فقال: ما صنعت؟ يجيء محمد صلى الله عليه وسلم، ولا يجد شرابه فيدعو عليك فتهلك، فأما صاحباي فشربا شرابهما وناما، وأما أنا فلم يأخذني النوم وعلي شملة إذا وضعتها على رأسي بدت فيه قدماي ، وإذا وضعتها على قدمي بدا رأسي ، وجاء النبي صلى الله عليه وسلم ، كما كان يجيء فصلى ما شاء الله أن يصلي ثم نظر إلى شرابه فلم ير شيئا فرفع يده فقلت: يدعو الآن علي فأهلك ، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «اللهم أطعم من أطعمني واسق من سقاني» .فأخذت الشفرة ، وأخذت الشملة ، وانطلقت إلى الأعنز أجسهن أيتهن أسمن كي أذبحه لرسول الله صلى الله عليه وسلم ، فإذا حفل كلهن ، فأخذت إناء لآل محمد صلى الله عليه وسلم ، ما كانوا يطمعون أن يحتلبوا فيه فحلبت حتى علته الرغوة ثم أتيت به رسول الله صلى الله عليه وسلم ، فشرب ثم ناولني فشربت، ثم ضحكت حتى ألقيت إلى الأرض ، فقال لي: «إحدى سوآتك يا مقداد» .فأنشأت أخبره بما صنعت ، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما كانت إلا رحمة من الله عز وجل ، لو كنت أيقظت صاحبيك فأصابا منها» .قلت: والذي بعثك بالحق ما أبالي إذا أصبتها أنت وأصبت فضلك من أخطأته من الناس.رواه، عن أبي بكر بن أبي شيبة، عن شبابة، وعن ابن واقد، عن النضر، كلاهما عن سليمان بن المغيرة
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফাতহ মুহাম্মদ ইবন আবদিল বাকি ইবন আহমদ ইবন সুলাইমান আল-বাগদাদি সেখানে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফাদল হামদ ইবন আহমদ ইবন আল-হাসান আল-হাদ্দাদ আল-আসফাহানি, তিনি আমাদের নিকট হাজি হিসেবে আগমন করেছিলেন, আমাদের জানিয়েছেন আবু নুআইম আহমদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন আহমদ আল-হাফিজ, আমাদের জানিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবন জাফর ইবন আহমদ ইবন ফারিস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বিশর ইউনুস ইবন হাবিব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ সুলাইমান ইবন দাউদ আত-তায়ালিসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান ইবন আল-মুগিরা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাবিত, আবদুর রহমান ইবন আবি লায়লা থেকে, তিনি বলেন: মিকদাদ ইবন আল-আসওয়াদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি এবং আমার দুই সাথী আসলাম, ক্ষুধার পরিশ্রমে আমাদের শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি চলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। আমরা নিজেদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের কাছে পেশ করতে লাগলাম (মেহমান হওয়ার জন্য), শেষ পর্যন্ত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিয়ে তাঁর ঘরে গেলেন। মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরিবারের তিনটি বকরি ছিল যা তারা দোহন করতেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মাঝে দুধ বণ্টন করে দিতেন এবং আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য তাঁর অংশ রেখে দিতাম। তিনি রাতে আসতেন এবং এমনভাবে সালাম দিতেন যা জাগ্রত ব্যক্তি শুনতে পেত কিন্তু ঘুমন্ত ব্যক্তিকে জাগিয়ে তুলত না। শয়তান আমাকে কুমন্ত্রণা দিল: যদি তুমি এই চুমুকটুকু পান করে নিতে, কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারদের কাছে যেতেন এবং তারা তাঁকে আপ্যায়ন করতেন (ফলে তাঁর এই দুধের প্রয়োজন হবে না)। শয়তান অবিরত প্ররোচনা দিতে থাকল যতক্ষণ না আমি তা পান করে ফেললাম। যখন আমি তা পান করলাম, তখন আমি অনুতপ্ত হলাম। আমি বললাম: আমি কী করলাম? মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসবেন এবং তাঁর পানীয় পাবেন না, তখন তিনি তোমার বিরুদ্ধে বদদোয়া করবেন এবং তুমি ধ্বংস হয়ে যাবে। আমার দুই সাথী তাদের অংশ পান করে ঘুমিয়ে পড়েছিল। কিন্তু আমার ঘুম আসছিল না। আমার গায়ে একটি ছোট চাদর ছিল যা আমি মাথায় দিলে আমার পা দুটি বেরিয়ে যেত, আর পায়ে দিলে মাথা বেরিয়ে যেত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলেন যেভাবে তিনি আসতেন। এরপর আল্লাহ যতটুকু চাইলেন তিনি ততটুকু সালাত আদায় করলেন। তারপর তিনি তাঁর পানীয়র দিকে তাকালেন কিন্তু কিছুই দেখতে পেলেন না। তখন তিনি তাঁর হাত তুললেন। আমি মনে মনে বললাম: এখন তিনি আমার বিরুদ্ধে বদদোয়া করবেন এবং আমি ধ্বংস হয়ে যাব। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «হে আল্লাহ! যে আমাকে আহার করিয়েছে তাকে আহার করাও, আর যে আমাকে পান করিয়েছে তাকে পান করাও»।তখন আমি ছুরি নিলাম এবং চাদরটি নিলাম এবং বকরিগুলোর দিকে গেলাম সেগুলোকে হাত দিয়ে দেখতে লাগলাম যে কোনটি বেশি হৃষ্টপুষ্ট যাতে আমি সেটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য যবেহ করতে পারি। হঠাৎ দেখলাম সেগুলোর সব কটির ওলান দুধে পূর্ণ। আমি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরিবারের এমন একটি পাত্র নিলাম যা পূর্ণ করে দোহন করার আশা তারা করত না। আমি দোহন করলাম এমনকি উপরিভাগ ফেনায় ভরে গেল। এরপর আমি তা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে নিয়ে আসলাম। তিনি পান করলেন এবং আমাকে দিলেন, আমিও পান করলাম। তারপর আমি হাসতে হাসতে মাটিতে লুটিয়ে পড়লাম। তিনি আমাকে বললেন: «হে মিকদাদ! এ কি তোমার কোনো দুষ্টামি?»তখন আমি যা করেছি তা তাঁকে খুলে বললাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «এটি মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত ছাড়া আর কিছুই ছিল না। যদি তুমি তোমার দুই সাথীকে জাগিয়ে দিতে তবে তারাও তা থেকে অংশ পেত»।আমি বললাম: সেই সত্তার কসম যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, যখন আপনি তা পেয়েছেন এবং আপনার অবশিষ্টাংশ থেকে আমি পেয়েছি, তখন মানুষের মধ্যে কার ভাগ্যে তা জুটল না তাতে আমার কোনো পরোয়া নেই।এটি বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবন আবি শায়বা শাবাবাহ থেকে, এবং ইবন ওয়াকিদ আন-নাদর থেকে, তারা উভয়ই সুলাইমান ইবন আল-মুগিরা থেকে।
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
2 - أخبرنا أبو بكر عبد الله بن محمد بن أحمد بن النقور البغدادي بها، أنا عبد الله محمد بن محمد اليوسفي، أنا أحمد بن علي التيمي، أنا أحمد بن جعفر القطيعي، نا عبد الله بن أحمد بن حنبل، حدثني أبي، رحمه الله، ثنا عفان، ثنا عبد الرحمن بن إبراهيم، ثنا العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة، رضي الله عنه، قال: لما نزلت على رسول الله صلى الله عليه وسلم ، {لله ما في السماوات وما في الأرض وإن تبدوا ما في أنفسكم أو تخفوه يحاسبكم به الله فيغفر لمن يشاء ويعذب من يشاء والله على كل شيء قدير} فاشتد ذلك على صحابة رسول الله، صلى الله عليه وسلم، فأتوا رسول الله صلى الله عليه وسلم، ثم جثوا على الركب ، فقالوا: يا رسول الله كلفنا من الأعمال ما نطيق الصلاة ، والصيام ، والجهاد ، والصدقة ، وقد أنزلت عليك هذه الآية ولا نطيقها ، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " أتريدون أن تقولوا كما قال أهل الكتابين من قبلكم: سمعنا وعصينا ، بل قولوا: سمعنا وأطعنا غفرانك ربنا وإليك المصير "، فقالوا: سمعنا وأطعنا غفرانك ربنا وإليك المصير، فلما أقر بها القوم ذلت بها ألسنتهم فأنزل الله عز وجل في إثرها {آمن الرسول بما أنزل إليه من ربه والمؤمنون كل آمن بالله وملائكته وكتبه ورسله لا نفرق بين أحد من رسله} ، قال عفان: قرأها سلام أبو المنذر {وقالوا سمعنا وأطعنا غفرانك ربنا وإليك المصير} ولما فعلوا ذلك نسخها الله تبارك وتعالى {لا يكلف الله نفسا إلا وسعها لها ما كسبت وعليها ما اكتسبت} ، فصار له ما كسبت من خير، وعليه ما اكتسبت من شر، فسر العلاء هذا {ربنا لا تؤاخذنا إن نسينا أو أخطأنا ربنا ولا تحمل علينا إصرا كما حملته على الذين من قبلنا} قال: نعم {ربنا ولا تحملنا ما لا طاقة لنا به واعف عنا واغفر لنا وارحمنا أنت مولانا فانصرنا على القوم الكافرين} .رواه عن أمية بن بسطام ، ومحمد بن المنهال، عن يزيد بن زريع، عن روح بن القاسم، عن العلاء بن عبد الرحمن
২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আন-নাকুর আল-বাগদাদী সেখানে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-ইউসুফি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন আলী আত-তাইমী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন জাফর আল-কাতিয়ী, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন হাম্বল, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আমার পিতা —আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন—, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আফফান, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান বিন ইবরাহিম, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-আলা বিন আব্দুর রহমান, তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা —আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন— থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর এই আয়াত নাযিল হলো, {আসমানসমূহ ও যমীনে যা কিছু আছে সব আল্লাহরই। তোমাদের মনে যা আছে তা তোমরা প্রকাশ করো বা গোপন করো, আল্লাহ তার হিসাব তোমাদের কাছ থেকে নেবেন। অতঃপর তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করবেন এবং যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেবেন। আর আল্লাহ সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান} তখন এটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়ালো। তাঁরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আসলেন, অতঃপর হাঁটু গেড়ে বসে পড়লেন এবং বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল, আমাদের সালাত, সিয়াম, জিহাদ ও সদকার মতো এমন সব আমলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যা পালন করার সামর্থ্য আমাদের আছে। কিন্তু আপনার ওপর এই আয়াতটি নাযিল হয়েছে যা আমরা সহ্য করতে পারছি না।" রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: " তোমরা কি তোমাদের পূর্ববর্তী দুই কিতাবধারীদের মতো বলতে চাও যে: 'আমরা শুনলাম ও অমান্য করলাম'? বরং তোমরা বলো: 'আমরা শুনলাম ও আনুগত্য করলাম। হে আমাদের রব, আমরা আপনার ক্ষমা চাই এবং আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তনস্থল'। " অতঃপর তাঁরা বললেন: "আমরা শুনলাম ও আনুগত্য করলাম। হে আমাদের রব, আমরা আপনার ক্ষমা চাই এবং আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তনস্থল।" যখন কওম এটি স্বীকার করে নিল এবং তাদের জিহ্বা এতে অনুগত হলো, তখন আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা এর পরপরই নাযিল করলেন: {রাসূল তার রবের পক্ষ থেকে যা তার কাছে নাযিল হয়েছে তার ওপর ঈমান এনেছেন এবং মুমিনগণও। তারা সবাই আল্লাহর ওপর, তাঁর ফেরেশতাগণের ওপর, তাঁর কিতাবসমূহের ওপর এবং তাঁর রাসূলগণের ওপর ঈমান এনেছেন। আমরা তাঁর রাসূলদের মধ্যে কোনো পার্থক্য করি না}। আফফান বলেন: সালাম আবু আল-মুনযির এটি পাঠ করেছেন: {এবং তারা বললো: আমরা শুনলাম ও আনুগত্য করলাম। হে আমাদের রব, আমরা আপনার ক্ষমা চাই এবং আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তনস্থল}। আর যখন তারা এটি করলো, তখন আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা তা রহিত করে দিলেন: {আল্লাহ কোনো নফসকে তার সাধ্যের বাইরে কোনো দায়িত্ব দেন না। সে যা অর্জন করেছে তা তারই জন্য এবং সে যা কামাই করেছে তা তারই ওপর বর্তাবে}। ফলে সে যা ভালো অর্জন করেছে তা তার জন্য এবং সে যা মন্দ কামাই করেছে তা তার ওপর বর্তাবে। আলা এই আয়াতের ব্যাখ্যায় পাঠ করেন: {হে আমাদের রব, যদি আমরা ভুলে যাই বা ভুল করি তবে আমাদের পাকড়াও করবেন না}। আল্লাহ বললেন: "হ্যাঁ"। {হে আমাদের রব, আমাদের ওপর এমন ভারী বোঝা চাপিয়ে দেবেন না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছিলেন}। তিনি বললেন: "হ্যাঁ"। {হে আমাদের রব, যে বোঝা বহন করার শক্তি আমাদের নেই, তা আমাদের ওপর চাপিয়ে দেবেন না। আমাদের ক্ষমা করুন, আমাদের মার্জনা করুন এবং আমাদের প্রতি দয়া করুন। আপনিই আমাদের অভিভাবক, সুতরাং কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করুন}। এটি উমাইয়াহ বিন বাসতাম ও মুহাম্মদ বিন আল-মিনহাল বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ বিন যুরাই' থেকে, তিনি রাওহ বিন আল-কাসিম থেকে, তিনি আল-আলা বিন আব্দুর রহমান থেকে।
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
3 - أخبرنا أبو الفتح محمد بن عبد الباقي بن أحمد بن سليمان البغدادي بها، أنبا أبو الفضل أحمد بن أحمد بن الحسن الحداد الأصبهاني، قدم علينا حاجا، أنا أبو نعيم أحمد بن عبيد الله بن أحمد الحافظ، نا عبد الله بن جعفر بن أحمد بن فارس، ثنا يونس بن حبيب، نا أبو داود سليمان بن داود الطيالسي، نا شعبة، أخبرني سماك بن حرب، قال: سمعت مصعب بن سعد، يحدث، عن سعد، وكان أحيانا يقول: عن مصعب بن سعد، قال: نزلت في أربع آيات أصبت سيفا يوم بدر فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم، فقلت: يا رسول الله نفلنيه، فقال: «ضعه من حيث أخذته» .ثم عاودته فقلت: نفلنيه اجعل كمن لا غناء له، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " ضعه من حيث أخذته، ونزلت هذه الآية {يسألونك عن الأنفال} الآية، وهي في قراءة عبد الله هكذا يسألونك الأنفال الآية كلها
৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি বিন আহমদ বিন সুলাইমান আল-বাগদাদি সেখানে (বাগদাদে), আমাদের অবহিত করেছেন আবুল ফজল আহমদ বিন আহমদ বিন আল-হাসান আল-হাদ্দাদ আল-আসবাহানি, তিনি আমাদের নিকট হাজি হিসেবে এসেছিলেন, আমাদের অবহিত করেছেন আবু নুআইম আহমদ বিন উবায়দুল্লাহ বিন আহমদ আল-হাফিজ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন জাফর বিন আহমদ বিন ফারিস, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইউনুস বিন হাবিব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু দাউদ সুলাইমান বিন দাউদ আত-তায়ালিসি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শু’বাহ, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন সিমাক বিন হারব, তিনি বলেন: আমি মুসআব বিন সা’দকে সা’দ থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, এবং কখনো কখনো তিনি বলতেন: মুসআব বিন সা’দ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমার সম্পর্কে চারটি আয়াত নাযিল হয়েছে: আমি বদর যুদ্ধের দিন একটি তলোয়ার পেয়েছিলাম, অতঃপর আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! এটি আমাকে যুদ্ধলব্ধ অতিরিক্ত সম্পদ হিসেবে দান করুন। তিনি বললেন: "এটি যেখান থেকে নিয়েছ সেখানেই রেখে দাও"। অতঃপর আমি পুনরায় তাঁর নিকট আরজি পেশ করলাম এবং বললাম: এটি আমাকে দান করুন, আমাকে এমন ব্যক্তির ন্যায় গণ্য করুন যার কোনো সম্বল নেই। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: "এটি যেখান থেকে নিয়েছ সেখানেই রেখে দাও।" এমতাবস্থায় এই আয়াতটি নাযিল হলো: {তারা আপনাকে যুদ্ধলব্ধ সম্পদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে}—পুরো আয়াতটি। আর আব্দুল্লাহর পাঠরীতিতে (কিরাআত) এটি এভাবে ছিল: {তারা আপনার কাছে যুদ্ধলব্ধ সম্পদসমূহ প্রার্থনা করে}—সম্পূর্ণ আয়াতটি।
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
4 - قال: وقالت أم سعد: أليس قد أمر الله بطاعة الوالدين فلا آكل طعاما ولا أشرب شرابا حتى تكفر بالله، وامتنعت عن الطعام والشراب حتى جعلوا يشجرون فاها بالعصا ونزلت: {ووصينا الإنسان بوالديه حسنا وإن جاهداك لتشرك بي ما ليس لك به علم فلا تطعهما}
৪ - তিনি বলেন: আর উম্মে সাদ বলেছিলেন: আল্লাহ কি পিতা-মাতার আনুগত্য করার নির্দেশ দেননি? সুতরাং আমি কোনো খাদ্য গ্রহণ করব না এবং কোনো পানীয় পান করব না যতক্ষণ না তুমি আল্লাহর সাথে কুফরী করো। আর তিনি খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ থেকে বিরত থাকলেন, এমনকি তারা লাঠি দিয়ে তাঁর মুখ হাঁ করতে বাধ্য করত। তখন অবতীর্ণ হলো: {আর আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছি। আর তারা যদি তোমার ওপর এই চেষ্টা চালায় যে, তুমি আমার সাথে এমন কিছুকে শরীক করো যে বিষয়ে তোমার কোনো জ্ঞান নেই, তবে তুমি তাদের আনুগত্য করো না।}
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
5 - وصنع رجل من الأنصار طعاما فدعا ناسا من المهاجرين وناسا من الأنصار فأكلنا وشربنا حتى سكرنا ثم افتخرنا فرفع رجل لحى بعير ففزر به أنف سعد فكان سعد مفزور الأنف وذلك قبل أن تحرم الخمر فنزلت {يا أيها الذين آمنوا لا تقربوا الصلاة وأنتم سكارى} ونزلت {إنما الخمر والميسر والأنصاب والأزلام رجس من عمل الشيطان} الآية
৫ -জনৈক আনসারি ব্যক্তি খাবার প্রস্তুত করলেন এবং মুহাজির ও আনসারদের মধ্য থেকে কিছু লোককে দাওয়াত দিলেন। অতঃপর আমরা আহার করলাম ও পান করলাম, এমনকি আমরা মাতাল হয়ে গেলাম। এরপর আমরা একে অপরের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব জাহির করতে লাগলাম। তখন এক ব্যক্তি উটের চোয়ালের একটি হাড় উঠিয়ে তা দিয়ে সা'দ-এর নাকে আঘাত করল, ফলে সা'দ-এর নাক চিরে গেল। আর এটি ছিল মদ হারাম হওয়ার আগের ঘটনা। তখন অবতীর্ণ হলো: {হে মুমিনগণ! তোমরা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নামাজের কাছে যেয়ো না} এবং অবতীর্ণ হলো: {নিশ্চয়ই মদ, জুয়া, মূর্তিপূজার বেদী ও ভাগ্যনির্ধারক তীরসমূহ শয়তানের ঘৃণ্য কাজ...} আয়াত।
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
6 - ودخل رسول الله صلى الله عليه وسلم على سعد وهو مريض وأراد أن يوصي بماله كله فجعل يناقصه حتى بلغ الثلث: «فالناس يوصون بالثلث» .رواه عن أبي موسى، وخالد، عن عبيد، عن شعبة
৬ - রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সা'দ-এর নিকট প্রবেশ করলেন যখন তিনি অসুস্থ ছিলেন এবং তিনি তাঁর সমস্ত সম্পদ ওসিয়ত করার ইচ্ছা করলে তিনি তা কমাতে থাকলেন যতক্ষণ না তা এক-তৃতীয়াংশে পৌঁছাল: «অতঃপর মানুষ ওসিয়ত করে এক-তৃতীয়াংশ»। এটি আবু মুসা ও খালিদ থেকে, তিনি উবাইদ থেকে, তিনি শু'বা থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
7 - أخبرنا محمد بن عبد الباقي، نا أحمد، أنبا أبو نعيم أحمد بن عبد الله، ثنا عبد الله بن جعفر، ثنا يونس بن حبيب، ثنا أبو داود، ثنا وهيب بن خالد، ويزيد بن زريع، عن داود بن أبي هند، عن الشعبي، عن علقمة، قال: قلت لابن مسعود: إن الناس يتحدثون أنك كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم ليلة الجن؟ فقال: ما صحبه منا أحد ولكن فقدناه بمكة، فطلبناه في الشعاب وفي الأودية فقلنا: اغتيل استطير فبتنا بشر ليلة بات بها القوم، فلما أصبحنا رأيناه مقبلا، فقلنا: يا رسول الله بتنا الليلة بشر ليلة بها بات بها قوم، فقدناك، فقال: " إنه أتاني داعي الجن فانطلقت أقرئهم القرآن فانطلق بنا فأرنا آثارهم ونيرانهم وسألوه الزاد فقال: كل عظم لم يذكر اسم الله عليه يقع في أيديكم أوفر ما كان لحما وكل بعرة علف لدوابكم، فنهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يستنجى بهما، وقال: «هن زاد إخوانكم من الجن» .رواه عن علي بن حجر، عن إسماعيل بن علية، عن داود بن أبي هند....
৭ - মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল বাকী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবু নুআইম আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের জানিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইউনুস ইবনে হাবীব আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবু দাউদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, উহাইব ইবনে খালিদ এবং ইয়াযীদ ইবনে যুরাই আমাদের বর্ণনা করেছেন দাউদ ইবনে আবি হিন্দ থেকে, তিনি শাবী থেকে, তিনি আলকামা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে মাসউদকে বললাম: নিশ্চয়ই লোকেরা বলাবলি করছে যে আপনি জিনদের রাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলেন? তিনি বললেন: আমাদের মধ্য থেকে কেউ তাঁর সঙ্গী ছিল না, বরং আমরা তাঁকে মক্কায় হারিয়ে ফেলেছিলাম। আমরা তাঁকে গিরিপথ ও উপত্যকাগুলোতে খুঁজলাম এবং বললাম: তাঁকে হয়তো গুপ্তহত্যা করা হয়েছে অথবা উধাও করে দেওয়া হয়েছে। ফলে আমরা অত্যন্ত ভয়াবহ এক রাত কাটালাম যা কোনো জাতি আগে কখনো কাটায়নি। যখন ভোর হলো, তখন আমরা তাঁকে আসতে দেখলাম। আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমরা গত রাতটি অত্যন্ত ভয়াবহভাবে কাটিয়েছি যেমনটি কোনো জাতি কাটায়নি, আমরা আপনাকে হারিয়ে ফেলেছিলাম। তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই আমার কাছে জিনদের একজন আহ্বানকারী এসেছিল, তাই আমি গিয়ে তাদের নিকট কুরআন তিলাওয়াত করলাম। এরপর তিনি আমাদের নিয়ে গেলেন এবং তাদের পদচিহ্ন ও আগুনের চিহ্নসমূহ আমাদের দেখালেন। তারা তাঁর কাছে খাবারের আবেদন করলে তিনি বললেন: এমন প্রতিটি হাড় যার ওপর আল্লাহর নাম নেওয়া হয়নি তা তোমাদের হাতে প্রচুর গোশতসহ পৌঁছাবে এবং প্রতিটি গোবর হবে তোমাদের পশুদের খাদ্য। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দুটি বস্তু দ্বারা শৌচকার্য করতে নিষেধ করলেন এবং বললেন: এগুলো তোমাদের জিন ভাইদের খাবার।"এটি আলী ইবনে হুজর থেকে, তিনি ইসমাঈল ইবনে উলাইয়্যাহ থেকে, তিনি দাউদ ইবনে আবি হিন্দ থেকে বর্ণিত হয়েছে....
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
8 - أخبرنا محمد بن عبد الباقي بن أحمد بن سليمان، أنبا أحمد بن أحمد، أنا أحمد بن عبد الله، نا عبد الله بن جعفر، نا يونس بن حبيب، ثنا أبو داود، نا حماد بن زيد، وهشام، ومهدي، قال حماد، ومهدي، عن غيلان بن جرير، وهشام، عن قتادة، عن غيلان بن جرير، عن عبد الله بن معبد الزماني، عن أبي قتادة، أن أعرابيا، سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم، عن صومه فغضب، حتى عرف ذلك في وجهه فقام عمر بن الخطاب، فقال: رضينا بالله ربا ، وبالإسلام دينا، وبك نبيا أعوذ بالله من غضب الله، وغضب رسوله، فلم يزل عمر يردد ذلك حتى سكن، فقال: يا رسول ما تقول في رجل يصوم الدهر كله؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا صام ولا أفطر» .أو قال: «ما صام وما أفطر» .فقال: يا رسول الله صلى الله عليه وسلم كيف بمن يصوم يومين، ويفطر يوما؟ فقال: «ومن يطيق ذلك؟» .فقال: يا رسول الله فكيف بمن يفطر يومين ويصوم يوما؟ فقال: «لوددت أني طرقت ذلك» .فقال: يا رسول الله ما تقول في صوم يوم الأثنين؟ فقال: «ذلك يوم ولدت فيه، وأنزل علي فيه» .فقالوا: يا رسول الله ما تقول في رجل يصوم يوما ويفطر يوما؟ فقال: «ذلك صوم أخي داود عليه السلام» .قال: يا رسول الله ما تقول في رجل يصوم يوم عاشوراء؟ قال: «إني لأحسب على الله أن يكفر السنة» .فقال: يا رسول الله ، ما تقول في صوم يوم عرفة؟ قال: «إني لأحسب على الله أن يكفر السنة التي قبلها والسنة التي بعدها» .رواه عن يحيى بن يحيى، وقتيبة، عن حماد بن زيد، وله فيه طرق، رواه أبو داود ، بتمامه، عن مسدد، وسليمان بن حرب، عن حماد بن زيد، ورواه النسائي عن قتيبة، عن حماد، ورواه ابن ماجة، عن أحمد بن عبدة، عن حماد، ورواه الترمذي.....أحمد بن عبدة
৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল বাকি বিন আহমাদ বিন সুলাইমান, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন জাফর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস বিন হাবিব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন যায়েদ, হিশাম এবং মাহদি; হাম্মাদ ও মাহদি গাইলান বিন জারীর থেকে বর্ণনা করেছেন, আর হিশাম কাতাদাহ থেকে, তিনি গাইলান বিন জারীর থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন মাবাদ আয-যামানি থেকে, তিনি আবু কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, জনৈক গ্রাম্য ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর রোজা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি ক্রুদ্ধ হলেন, এমনকি তাঁর চেহারায় তা প্রকাশ পেল। তখন উমর বিন আল-খাত্তাব দাঁড়িয়ে বললেন: আমরা আল্লাহর প্রতি রব হিসেবে, ইসলামের প্রতি দ্বীন হিসেবে এবং আপনার প্রতি নবী হিসেবে সন্তুষ্ট। আমি আল্লাহর ক্রোধ এবং তাঁর রাসূলের ক্রোধ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। উমর এ কথাটি বারবার বলতে থাকলেন যতক্ষণ না তিনি শান্ত হলেন। এরপর তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, সেই ব্যক্তি সম্পর্কে আপনার অভিমত কী যে সারা বছর রোজা রাখে? আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «সে রোজা রাখেনি এবং ইফতারও করেনি»।অথবা তিনি বললেন: «সে রোজা রাখেনি এবং ইফতারও করেনি»।তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম), সেই ব্যক্তি সম্পর্কে কী বলেন যে দুই দিন রোজা রাখে এবং একদিন রোজা ছাড়ে? তিনি বললেন: «কার সামর্থ্য আছে এমনটি করার?»।তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, সেই ব্যক্তি সম্পর্কে কী বলেন যে দুই দিন রোজা ছাড়ে এবং একদিন রোজা রাখে? তিনি বললেন: «আমার আকাঙ্ক্ষা হয় যদি আমি এর সামর্থ্য পেতাম»।তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, সোমবারের রোজা সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তিনি বললেন: «এটি সেই দিন যেদিন আমি জন্মগ্রহণ করেছি এবং এদিনেই আমার ওপর ওহী অবতীর্ণ হয়েছে»।তাঁরা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, সেই ব্যক্তি সম্পর্কে কী বলেন যে একদিন রোজা রাখে এবং একদিন রোজা ছাড়ে? তিনি বললেন: «এটি আমার ভাই দাউদ (আলাইহিস সালাম)-এর রোজা»।তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আশুরার দিনের রোজা সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তিনি বললেন: «আমি আল্লাহর কাছে আশা রাখি যে এটি (বিগত) এক বছরের গুনাহ মিটিয়ে দেবে»।তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আরাফার দিনের রোজা সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তিনি বললেন: «আমি আল্লাহর কাছে আশা রাখি যে এটি তার পূর্ববর্তী এক বছর এবং পরবর্তী এক বছরের গুনাহ মিটিয়ে দেবে»।এটি ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া এবং কুতাইবাহ থেকে বর্ণিত হয়েছে, তাঁরা হাম্মাদ বিন যায়েদ থেকে বর্ণনা করেছেন। এতে তাঁর আরও অনেক সূত্র রয়েছে। ইমাম আবু দাউদ এটি পূর্ণাঙ্গভাবে মুসাদ্দাদ এবং সুলাইমান বিন হারব থেকে, তাঁরা হাম্মাদ বিন যায়েদ থেকে বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ এটি কুতাইবাহ থেকে, তিনি হাম্মাদ থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাজাহ এটি আহমাদ বিন আবদাহ থেকে, তিনি হাম্মাদ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তিরমিযী এটি বর্ণনা করেছেন...আহমাদ বিন আবদাহ
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
9 - أخبرنا أبو رشيد حبيب بن إبراهيم بن عبد الله الصوفي، أبو غالب محمد بن محمد بن ناصر بن منصور، الأصبهانيان، أنبا أبو منصور محمود بن إسماعيل بن محمد الأنصاري الصيرفي، أنبا أبو الحسين أحمد بن محمد بن الحسين بن فاذشاه، أنبا أبو القاسم سليمان بن أحمد بن أيوب الطبراني، ثنا إسحاق بن إبراهيم الدبري، عن عبد الرزاق، عن معمر، عن ابن طاوس، عن أبيه، عن ابن عباس، قال: كان الطلاق على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم، وأبي بكر، وسنين من خلافة عمر، رضي الله عنهم ، طلاق الثلاث واحد، فقال عمر: «إن الناس قد استعجلوا أمرا كانت لهم فيه أناءة فلو أمضيناه عليهم» .فأمضاه عليهم
৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু রশীদ হাবীব বিন ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ আস-সূফী এবং আবু গালিব মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন নাসির বিন মানসূর আল-আসফাহানীদ্বয়; আমাদের জানিয়েছেন আবু মানসূর মাহমুদ বিন ইসমাঈল বিন মুহাম্মদ আল-আনসারী আস-সায়রাফী; আমাদের জানিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন ফাযশাহ; আমাদের জানিয়েছেন আবু আল-কাসিম সুলায়মান বিন আহমাদ বিন আইয়ুব আত-তাবারানী; আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন ইবরাহীম আদ-দাবারী, আব্দুর রাজ্জাক থেকে, তিনি মা’মার থেকে, তিনি ইবনে তাউস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে, আবু বকরের যুগে এবং উমরের খিলাফতের শুরুর কয়েক বছর—আল্লাহ তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট হোন—তিন তালাক এক হিসেবে গণ্য হতো। অতঃপর উমর বললেন: “নিশ্চয়ই মানুষ এমন একটি বিষয়ে তাড়াহুড়ো করছে যেটিতে তাদের জন্য ধীরস্থিরতার অবকাশ ছিল; অতএব আমরা যদি তা তাদের ওপর কার্যকর করে দিতাম!” অতঃপর তিনি তা তাদের ওপর কার্যকর করে দিলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
10 - أخبرنا حبيب، ومحمد، أنا محمود بن إسماعيل، أنبا أحمد بن محمد، أنبا سليمان بن أحمد، نا إسحاق الدبري، عن عبد الرزاق، عن ابن جريج، عن ابن طاوس، عن أبيه، أن أبا الصهباء، قال لابن عباس: تعلم أنها كانت الثلاث، تجعل واحد على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم، وأبي بكر، وثلاثا من أمارة عمر؟ فقال ابن عباس: «نعم» .رواه عن إسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن رافع، عن عبد الرزاق، عن ابن جريج
১০ - আমাদের জানিয়েছেন হাবিব এবং মুহাম্মদ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মাহমুদ ইবনে ইসমাঈল; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলাইমান ইবনে আহমদ; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইসহাক আদ-দাবারি, তিনি আব্দুর রাজ্জাক থেকে, তিনি ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি ইবনে তাউস থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, আবু আস-সাহবা ইবনে আব্বাসকে বললেন: আপনি কি জানেন যে, তিনটি (তালাক) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে, আবু বকরের যুগে এবং উমরের খিলাফতের তিন বছর পর্যন্ত এক হিসেবে গণ্য করা হতো? ইবনে আব্বাস বললেন: "হ্যাঁ"।ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম এবং মুহাম্মদ ইবনে রাফি' থেকে এটি বর্ণিত হয়েছে, তারা আব্দুর রাজ্জাক থেকে এবং তিনি ইবনে জুরাইজ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
11 - أخبرنا يحيى بن ثابت، أنبا أبي، أنبا أحمد بن محمد بن إبراهيم الإسماعيلي، أخبرني الحسن بن سفيان، ثنا عباس بن عبد العظيم العنبري، ثنا عبد الرزاق، أنبا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " كانت بنو إسرائيل يغتسلون عراة وينظر بعضهم إلى سرة بعض، وكان موسى عليه السلام يغتسل وحده، فقالوا: والله ما يمنع موسى أن يغتسل معنا إلا أنه آدر، قال: فذهب مرة يغتسل، فوضع ثوبه على حجر ففر الحجر بثوبه فجمح موسى في أثره، يقول: «ثوبي حجر ثوبي حجر» .حتى نظر بنو إسرائيل إلى سرة موسى عليه السلام، وقالوا: والله ما بموسى من بأس ، قال: فقام الحجر بعد حتى نظروا إليه فأخذ ثوبه، وطفق بالحجر ضربا، قال أبو هريرة: والله إنه لندب بالحجر ندبا ستة أو سبعة ضرب موسى بالحجر ".رواه البخاري، عن إسحاق بن نصر، ومسلم، عن محمد بن رافع، كلاهما عن عن عبد الرزاق
১১ - ইয়াহইয়া ইবনে সাবিত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন- আমার পিতা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন- আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম আল-ইসমাঈলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন- হাসান ইবনে সুফিয়ান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন- আব্বাস ইবনে আব্দুল আযিম আল-আনবারি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন- আব্দুর রাজ্জাক আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন- মা’মার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাম্মাম ইবনে মুনাব্বিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "বনী ইসরাঈলরা উলঙ্গ অবস্থায় গোসল করত এবং একে অপরের লজ্জাস্থানের দিকে তাকাত, কিন্তু মুসা (আলাইহিস সালাম) একাকী গোসল করতেন। তখন তারা বলল: আল্লাহর কসম! মুসা আমাদের সাথে গোসল করা থেকে কেবল এ কারণেই বিরত থাকেন যে, তিনি অণ্ডকোষ বৃদ্ধিজনিত রোগে আক্রান্ত। রাবী বলেন: একদা তিনি গোসল করতে গেলেন এবং তাঁর কাপড় একটি পাথরের ওপর রাখলেন। তখন পাথরটি তাঁর কাপড় নিয়ে দৌড় দিল এবং মুসা পাথরটির পেছনে এই বলতে বলতে ছুটলেন: ‘পাথর, আমার কাপড়! পাথর, আমার কাপড়!’শেষ পর্যন্ত বনী ইসরাঈলরা মুসা (আলাইহিস সালাম)-এর শরীরের দিকে তাকিয়ে দেখল এবং তারা বলল: আল্লাহর কসম, মুসার মাঝে কোনো শারীরিক ত্রুটি নেই। রাবী বলেন: এরপর পাথরটি স্থির হয়ে দাঁড়াল যতক্ষণ না তারা তাঁকে দেখে নিল, অতঃপর তিনি তাঁর কাপড় গ্রহণ করলেন এবং পাথরটিকে আঘাত করতে শুরু করলেন। আবু হুরায়রা বলেন: আল্লাহর কসম, মুসার সেই ছয়টি বা সাতটি আঘাতের কারণে পাথরের গায়ে অবশ্যই জখমের চিহ্ন পড়ে গিয়েছিল।"এটি বুখারি বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে নাসর থেকে এবং মুসলিম বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে রাফে থেকে; তাঁরা উভয়েই আব্দুর রাজ্জাক থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
12 - أخبرنا أبو طاهر السلفي، أنبا أبو بكر أحمد بن علي بن الحسين الصوفي، أنبا أبو الحسن علي بن أحمد بن محمد دواد الرزاز، ثنا أبو بكر أحمد بن سليمان النجاد إملاء، ثنا هلال بن العلاء بالرقة، ثنا عبد الله بن عمرو، عن زيد بن أبي أنيسة، عن عدي بن ثابت، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من تطهر في بيته ثم عمد إلى بيت من بيوت الله يؤدي فريضة من فرائض الله فخطوتاه إحداهما تحط خطيئة، والأخرى يرفع بها درجة» .رواه عن إسحاق بن منصور، عن زكريا بن عدي، عن عبيد الله بن عمرو
১২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের আস-সিলাফি, আমাদের অবহিত করেছেন আবু বকর আহমাদ বিন আলী বিন আল-হুসাইন আস-সুফি, আমাদের অবহিত করেছেন আবুল হাসান আলী বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ দাওয়াদ আর-রাজজাজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমাদ বিন সুলাইমান আন-নাজ্জাদ শ্রুতলিখন হিসেবে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিলাল বিন আল-আলা আর-রাক্কায়, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আমর, যায়িদ বিন আবু আনিসাহ থেকে, তিনি আদি বিন সাবিত থেকে, তিনি আবু হাজিম থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি নিজ ঘরে পবিত্রতা অর্জন করল, অতঃপর আল্লাহর ঘরসমূহের কোনো একটি ঘরের দিকে অগ্রসর হলো আল্লাহর ফরযসমূহের মধ্য থেকে কোনো একটি ফরয আদায় করার লক্ষ্যে, তবে তার পদক্ষেপদ্বয়ের একটি গুনাহ মিটিয়ে দেয়, এবং অন্যটির মাধ্যমে একটি মর্যাদা বৃদ্ধি করা হয়।»।এটি ইসহাক বিন মানসুর থেকে, তিনি যাকারিয়া বিন আদি থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণিত।
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
13 - أخبرنا أبو طاهر السلفي بالأسكندرية، أنبا أبو العباس أحمد بن عبد الغفار بن أستة الكاتب، بأصبهان، أنبا أبو سعيد محمد بن علي بن عمرو بن مهدي النقاش، أنبا أبو بكر أحمد بن إبراهيم الإسماعيلي، أخبرني الحسن بن سفيان، ثنا محمد بن خالد، ثنا معاذ العنبري، عن ابن عون، عن محمد، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما منكم من أحد ينجيه عمله» .قالوا: ولا أنت يا رسول الله؟ قال: «ولا أنا إلا أن يتغمدني الله بمغفرة ورحمة» .ووضع ابن عون كفه على رأسه يصف فعل النبي صلى الله عليه وسلم
১৩ - আলেকজান্দ্রিয়ায় আবু তাহির আস-সিলাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইসফাহানে আবুল আব্বাস আহমাদ ইবনে আব্দুল গাফফার ইবনে আসতাহ আল-কাতিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু সাঈদ মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে আমর ইবনে মাহদি আন-নাক্কাশ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আহমাদ ইবনে ইবরাহিম আল-ইসমাঈলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-হাসান ইবনে সুফিয়ান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুয়ায আল-আম্বারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন আউন থেকে, মুহাম্মাদ থেকে, আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যাকে তার আমল মুক্তি দান করবে।" তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আপনিও কি নন? তিনি বললেন: "আমিও নই, যদি না আল্লাহ আমাকে ক্ষমা ও রহমত দ্বারা আবৃত করে নেন।" এবং ইবন আউন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাজের বিবরণ দিতে গিয়ে নিজের হাতের তালু মাথার ওপর রাখলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
14 - …عون، عن محمد، عن أبي هريرة، قال: قال أبو القاسم صلى الله عليه وسلم: «أتاكم أهل اليمن هم أرق أفئدة الإيمان يمان، والحكمة يمانية، والفقه يمان» .روا الحديثين، عن أبي هريرة، عن ابن أبي عدي، عن ابن عون
১৪ - ...'আওন থেকে, মুহাম্মদ থেকে, আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমাদের নিকট ইয়ামেনবাসীরা এসেছে, তারা অত্যন্ত কোমল হৃদয়ের অধিকারী; ঈমান ইয়ামেনি, হিকমত ইয়ামেনি এবং ফিকহ ইয়ামেনি»।আবু হুরায়রা থেকে ইবন আবি আদি, ইবন 'আওনের সূত্রে হাদিস দুটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
15 - أخبرنا أبو طاهر السلفي، أنا أحمد بن عبد الغفار، أنبا محمد بن علي الحافظ، أنبا أحمد بن إبراهيم الإسماعيلي، أخبرني ابن ياسين، قال: قرأت على بندار، حدثكم معاذ بن معاذ، عن ابن عون، عن محمد، قال: افتخر الرجال والنساء فقال أبو هريرة: الرجال أكثر في الجنة، فقال عمر: اسمعوا ما يقول، قال له: لم يسمعه يقول، يعني النبي صلى الله عليه وسلم، يقول: «أول زمرة تدخل الجنة على صورة القمر ليلة البدر، والتي تليها على صورة كوكب دري في السماء، ولكل رجل منهم زوجتان يرى مخ ساقيهما من وراء اللحم من الحسن» .قال أبو هريرة: وليس فيهم عزب.رواه من حديث أيوب عن محمد بن سيرين
১৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের আস-সালাফি, আমাদের জানিয়েছেন আহমদ বিন আব্দুল গাফফার, আমাদের জানিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আলী আল-হাফিয, আমাদের জানিয়েছেন আহমদ বিন ইবরাহিম আল-ইসমাঈলি, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইবনে ইয়াসিন, তিনি বলেন: আমি বুন্দারের নিকট পাঠ করেছি, তোমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুয়ায বিন মুয়ায, ইবনে আউন থেকে, মুহাম্মদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: পুরুষ ও নারীগণ একে অপরের ওপর নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে আলোচনা করছিলেন, তখন আবু হুরায়রা বললেন: জান্নাতে পুরুষের সংখ্যা বেশি হবে। তখন উমর বললেন: তিনি যা বলছেন তা শোন। তিনি (আবু হুরায়রা) তাকে বললেন: তিনি কি তাকে অর্থাৎ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলতে শোনেননি, তিনি বলছিলেন: «জান্নাতে প্রবেশকারী প্রথম দলটি হবে পূর্ণিমার রাতের চাঁদের আকৃতিতে, আর তাদের পরবর্তী দলটি হবে আকাশের উজ্জ্বল নক্ষত্রের ন্যায়», এবং তাদের প্রত্যেকের জন্য দুইজন করে স্ত্রী থাকবে যাদের সৌন্দর্যের কারণে মাংসের ভেতর দিয়ে তাদের পায়ের নলার মজ্জা দেখা যাবে।আবু হুরায়রা বলেন: এবং তাদের মধ্যে কেউ অবিবাহিত থাকবে না।এটি আইয়ুবের সূত্রে মুহাম্মদ বিন সিরিন থেকে বর্ণিত।
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
16 - أخبرنا محمد بن عبد الباقي بن أحمد بن سليمان البغدادي، بها، وأبو الفضل عبد الله بن أحمد بن عبد القاهر الطوسي، خطيب الموصل بها، أنا أبو محمد جعفر بن أحمد السراج، أنبا الحسن بن أحمد، عثمان بن أحمد، أنبا حامد بن سهل، ثنا عبد الله بن جعفر الرقي، ثنا عبيد الله بن عمرو، عن زيد بن أبي أنيسة، عن عمرو بن مرة، عن عبد الله بن الحارث، قال: ثنا جندب، أنه سمع رسول الله صلى الله صلى الله عليه وسلم، يقرأ قبل أن يتوفى بخمس قد كان لي فيكم أخوة وأصدقاء فإني أبرأ إلى الله أن أكون اتخذت منكم خليلا، وإن كنت متخذا خليلا لا تخذت أبا بكر خليلا وإن ربي عز وجل اتخذني خليلا كما اتخذ إبراهيم خليلا، إلا إن من كان قبلكم اتخذوا قبور أنبيائهم وصلحائهم مساجد، فلا تتخذوا القبور مساجد، وإني أنهاكم عن ذلك ".رواه عن أبي بكر بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، عن زكريا بن عدي، عن عبيد الله بن عمرو، وجندب، هو ابن عبد الله بن سفيان البجلي العلقي، وعلق حي من بجلة، وعبد الله بن الحارث
১৬ - মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বাকী ইবনে আহমদ ইবনে সুলাইমান আল-বাগদাদী সেখানে এবং আবুল ফজল আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল কাহির আত-তুসী—যিনি মোসেলের খতিব—সেখানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবু মুহাম্মদ জাফর ইবনে আহমদ আস-সাররাজ আমাদের অবহিত করেছেন; হাসান ইবনে আহমদ ও উসমান ইবনে আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; হামিদ ইবনে সাহল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর আর-রাক্কী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; উবাইদুল্লাহ ইবনে আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যাইদ ইবনে আবি আনিসা থেকে, তিনি আমর ইবনে মুররাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আল-হারিস থেকে। তিনি বলেন: জুনদুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাঁর ইন্তেকালের পাঁচ দিন পূর্বে বলতে শুনেছেন: "তোমাদের মাঝে আমার অনেক ভাই ও বন্ধু ছিল। নিশ্চয়ই আমি আল্লাহর কাছে এই মর্মে দায়মুক্ততা প্রকাশ করছি যে, আমি তোমাদের মধ্য থেকে কাউকে ‘খলীল’ (অন্তরঙ্গ বন্ধু) হিসেবে গ্রহণ করেছি। আর যদি আমি কাউকে খলীল হিসেবে গ্রহণ করতাম," তবে আবু বকরকেই খলীল হিসেবে গ্রহণ করতাম। আর নিশ্চয়ই আমার মহান ও মহিমান্বিত রব আমাকে খলীল হিসেবে গ্রহণ করেছেন যেমনটি তিনি ইব্রাহিমকে খলীল হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। সাবধান! তোমাদের পূর্ববর্তীরা তাদের নবী ও সৎ ব্যক্তিদের কবরসমূহকে মসজিদে পরিণত করত। খবরদার! তোমরা কবরসমূহকে মসজিদে পরিণত করো না। আমি তোমাদেরকে এ থেকে নিষেধ করছি।"এটি আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহ এবং ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম বর্ণনা করেছেন জাকারিয়া ইবনে আদি থেকে, তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে। আর জুনদুব হলেন আব্দুল্লাহ ইবনে সুফিয়ান আল-বাজালি আল-আলাকি; আর ‘আলাক’ হলো বাজালাহ গোত্রের একটি শাখা। এবং আব্দুল্লাহ ইবনে আল-হারিস।
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
17 - أخبرنا أبو رشيد إسماعيل بن غانم بن خالد البيع الخالدي بأصبهان، أنا أبو سعد محمد بن محمد بن محمد المطرز، نا أبو الحسن علي بن يحيى بن جعفر بن عبد كويه الشرابي، نا أبو إسحاق إبراهيم بن محمد بن إبراهيم الديبلي المكي، ثنا أبو عبد الله عامر بن محمد بن عبد الرحمن القرمطي ، بمكة، ثنا محمد بن زنبور، ثنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن سهيل، عن سليمان الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، نزل في غزوة غزاها فأصاب أصحابه جوع، وفنيت أزوادهم فجاءوا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم يشكون إليه ما أصابهم ويستأذنونه في أن ينحروا بعض رواحلهم، فمروا بعمر بن الخطاب رضي الله عنه فقال: من أين جئتم؟ فأخبروه أنهم استأذنوا رسول الله صلى الله عليه وسلم في أن ينحروا بعض إبلهم، فقال: فأذن لكم؟ قالوا: نعم، قال: فإني أسألكم وأقسم عليكم إلا رجعتم معي إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فرجعوا معه فذهب عمر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: يا رسول الله أتأذن أن ينحروا رواحلهم فماذا يركبون؟ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «فماذا أصنع ليس معي ما أعطيهم» .فقال عمر: يا رسول الله تأمر من كان معه فضل زاد يأتي به إليك تجمعه على شيء ثم تدعو فيه بالبركة ثم تقسمه بينهم ففعل فدعا بفضل أزوادهم فمنهم الآتي بالقليل ومنهم الآتي بالكثير فجعله في شيء ثم دعا فيه ما شاء الله أن يدعو ثم قسمه بينهم فما بقي من القوم أحد إلا ملأ ما كان معه من وعاء وفضل فضل فقال عند ذلك: «أشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له وأن محمدا عبده ورسوله من جاء بها يوم القيامة غير شاك أدخله الله الجنة» .رواه عن سهل بن عثمان، وأبو كريب، عن أبي معاوية، عن الأعمش
১৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু রাশিদ ইসমাইল ইবনে গানিম ইবনে খালিদ আল-বাই আল-খালিদি ইসফাহানে, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল-মুতাররিয, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাসান আলী ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে জাফর ইবনে আবদ কুইয়াহ আশ-শারাবি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আদ-দাইবেলি আল-মাক্কি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আমির ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-কারমাতি মক্কায়, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে যানবুর, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ ইবনে আবি হাযিম, সুহাইল থেকে, তিনি সুলাইমান আল-আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি যুদ্ধাভিযানে বের হলেন, তখন তাঁর সাহাবীগণ ক্ষুধার্ত হলেন এবং তাঁদের পাথেয় ফুরিয়ে গেল। ফলে তাঁরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে তাঁদের কষ্টের কথা জানালেন এবং তাঁদের কিছু সওয়ারির পশু জবেহ করার অনুমতি চাইলেন। পথিমধ্যে তাঁদের সাথে উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহুর দেখা হলো। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: তোমরা কোথা থেকে আসছ? তাঁরা তাঁকে জানালেন যে, তাঁরা তাঁদের কিছু উট জবেহ করার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট অনুমতি চেয়েছেন। তিনি বললেন: তিনি কি তোমাদের অনুমতি দিয়েছেন? তাঁরা বললেন: হ্যাঁ। তিনি বললেন: আমি তোমাদের কাছে অনুরোধ করছি এবং কসম দিচ্ছি যে, তোমরা আমার সাথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট ফিরে চলো। ফলে তাঁরা তাঁর সাথে ফিরে গেলেন। উমর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট গিয়ে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি তাঁদের সওয়ারির পশু জবেহ করার অনুমতি দিচ্ছেন? তাহলে তাঁরা কিসে চড়বেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «আমি কী করব? তাঁদের দেওয়ার মতো তো আমার কাছে কিছুই নেই»।অতঃপর উমর বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি নির্দেশ দিন যেন যার কাছে অতিরিক্ত পাথেয় আছে তা আপনার কাছে নিয়ে আসে, আপনি তা একত্রে জমা করবেন, তারপর তাতে বরকতের জন্য দোয়া করবেন, এরপর তা তাঁদের মাঝে বণ্টন করে দেবেন। তিনি তাই করলেন। তিনি তাঁদের অতিরিক্ত পাথেয়গুলো নিয়ে আসার নির্দেশ দিলেন। কেউ অল্প নিয়ে এল, কেউ আবার বেশি নিয়ে এল। তিনি তা একটি জিনিসের ওপর রাখলেন এবং আল্লাহ যা চাইলেন তা বলে দোয়া করলেন। এরপর তা তাঁদের মাঝে বণ্টন করে দিলেন। ফলে দলের এমন কেউ বাকি রইল না যে তার সাথে থাকা পাত্রটি পূর্ণ করেনি এবং এরপরও খাবার অতিরিক্ত রয়ে গেল। তখন তিনি বললেন: «আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল। যে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন কোনো প্রকার সন্দেহ পোষণ না করে এটি নিয়ে উপস্থিত হবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন»।এটি সাহল ইবনে উসমান এবং আবু কুরাইব, আবু মুয়াবিয়া থেকে, তিনি আমাশ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
18 - أخبرنا أبو رشيد إسماعيل بن غانم بن خالد، أنا أبو سعيد محمد بن محمد بن محمد المطرز، ثنا أبو الحسن علي بن يحيى بن جعفر الشرابي، ثنا أبو إسحاق إبراهيم بن محمد بن محمد بن إبراهيم الديبلي، بمكة، ثنا محمد بن علي بن زيد الصائغ، ثنا أحمد بن محمد، ثنا عبد المجيد، عن ابن جريج، وأخبرني محمد بن المنكدر، عن معاذ بن عبد الرحمن بن عثمان التيمي، عن أبيه، عن عبد الرحمن بن عثمان، قال: كنا مع طلحة بن عبيد الله، ونحن حرم فأهدي له طير وطلحة راقد فمنا من أكله ومنا من تورع ولم يأكل، فقال: أكلنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما استيقظ طلحة وفق من أكله، ".رواه عن زهير بن حرب عن يحيى القطان، عن ابن جريج
১৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু রাশিদ ইসমাইল বিন গানিম বিন খালিদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-মুতাররিজ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু হাসান আলী বিন ইয়াহইয়া বিন জাফর আশ-শারাবি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু ইসহাক ইবরাহিম বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আদ-দাইবুলি, মক্কায়, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আলী বিন যাইদ আস-সাইগ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমদ বিন মুহাম্মদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল মাজিদ, ইবনে জুরাইজ হতে, এবং আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আল-মুনকাদির, মুআয বিন আবদুর রহমান বিন উসমান আত-তাইমি হতে, তিনি তাঁর পিতা হতে, তিনি আবদুর রহমান বিন উসমান হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা তালহা বিন উবাইদুল্লাহর সাথে ছিলাম, এমতাবস্থায় যে আমরা ইহরাম অবস্থায় ছিলাম। তখন তাঁকে একটি পাখি উপহার দেওয়া হলো অথচ তালহা তখন ঘুমিয়ে ছিলেন। আমাদের মধ্যে কেউ কেউ তা খেল এবং কেউ কেউ তাকওয়া বা সাবধানতাবশত তা খেল না। তিনি বললেন: আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে খেয়েছি। অতঃপর যখন তালহা জাগ্রত হলেন, তিনি যারা খেয়েছিল তাদের কাজের সাথে একমত হলেন বা সমর্থন দিলেন।এটি যুহাইর বিন হারব হতে, তিনি ইয়াহইয়া আল-কাত্তান হতে এবং তিনি ইবনে জুরাইজ হতে বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
19 - أخبرنا أبو طاهر السلفي بالإسكندرية، نا أبو بكر أحمد بن علي بن الحسين الطرثيثي، أنبا الحسن بن أحمد بن إبراهيم بن شاذان، ثنا أبو بكر أحمد بن سليمان النجاد الفقيه، نا أبو داود سليمان بن الأشعث السجستاني، نا موسى بن إسماعيل، ثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، وحميد، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم، وأصحابه كانوا يصلون نحو بيت المقدس فلما نزلت هذه الآية قوله عز وجل: {فول وجهك شطر المسجد الحرام} فمر رجل من بني سلمة، فنادى لهم وهم ركوع في صلاة الفجر نحو بيت المقدس: ألا إن القبلة قد حولت إلى الكعبة مرتين فمالوا كما هم ركوع إلى الكعبة.قال أبو داود: وكذا قال سهل بن سعد: إنها صلاة الغداة فاستدار أمامهم حتى استقبل القبلة.رواه، عن أبي بكر عن عفان، عن حماد بن سلمة
১৯ - আলেকজান্দ্রিয়ায় আবু তাহের আস-সিলাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আহমাদ বিন আলী বিন আল-হুসাইন আত-তুরুথীসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-হাসান বিন আহমাদ বিন ইবরাহিম বিন শাযান আমাদের জানিয়েছেন, আবু বকর আহমাদ বিন সুলাইমান আন-নাজ্জাদ আল-ফকিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু দাউদ সুলাইমান বিন আল-আশআস আস-সিজিলস্তানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসা বিন ইসমাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ বিন সালামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাবিত ও হুমাইদ থেকে, তারা আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীগণ বাইতুল মাকদিসের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করছিলেন। যখন মহান ও সর্বশক্তিমান আল্লাহর এই বাণী অবতীর্ণ হলো: {অতএব আপনি মসজিদুল হারামের দিকে আপনার চেহারা ঘুরান}, তখন অতিক্রম করলেন বনু সালামাহ গোত্রের এক ব্যক্তি। তিনি তাদেরকে সম্বোধন করে উচ্চস্বরে বললেন—এমতাবস্থায় যে তারা ফজরের সালাতে বাইতুল মাকদিসের দিকে রুকুতে ছিলেন—জেনে রেখো, কিবলা কাবার দিকে দুইবার পরিবর্তিত হয়েছে। তখন তারা রুকু অবস্থায় থাকা অবস্থাতেই কাবার দিকে ঘুরে গেলেন।আবু দাউদ বলেন: সাহল বিন সাদও অনুরূপ বলেছেন যে, এটি ছিল ভোরের সালাত, অতঃপর তাদের ইমাম ঘুরে গেলেন যতক্ষণ না তিনি কিবলার অভিমুখী হলেন।এটি আবু বকর থেকে, তিনি আফফান থেকে এবং তিনি হাম্মাদ বিন সালামাহ থেকে বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
20 - أخبرنا أبو طاهر السلفي، نا محمد بن علي، أنا الحسين بن أحمد النجاد، نا أبو داود السجستاني، نا عثمان بن أبي شيبة، نا جرير بن عبد الملك، عن أبي الزبير، عن جابر، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " ما من صاحب إبل ولا بقر ولا غنم لا يؤدي حقها إلا أقعد يوم القيامة بقاع قرقر تطأه ذات الظلف بظلفها وتنطحه كل ذات قرن بقرنها ليس فيها جماء ولا مكسورة القرن، ولا صاحب مال لا يؤدي حقه إلا تحول له شجاعا أقرع يفر منه صاحبه ويتبعه ويقال: هذا كنزك الذي كنت تبخل به فإذا رأى أنه لا بد منه أدخل يده في فيه فجعل يقضمها كما يقضم الفحل ".فقيل: يا رسول الله ، فما حقها؟ قال: حلبها على الماء، وإعارة دلوها، وحمل عليها في سبيل الله، ومنيحتها، وإطراق فحلها ".رواه عن محمد بن عبد الله بن نمير، عن أبيه، عن عبد الملك، وهو ابن أبي سليمان
২০ - আবু তাহের আস-সালাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন আলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুসাইন বিন আহমদ আন-নাজ্জাদ আমাদের জানিয়েছেন, আবু দাউদ আস-সিজিস্তানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উসমান বিন আবি শাইবাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জারির বিন আব্দুল মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু যুবায়ের থেকে বর্ণিত, জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "উট, গরু বা বকরির এমন কোনো মালিক নেই যে তার হক আদায় করে না, কিয়ামতের দিন তাকে এক বিশাল সমতল ময়দানে বসিয়ে রাখা হবে যেখানে খুর বিশিষ্ট পশুরা তাদের খুর দিয়ে তাকে মাড়াবে এবং শিং বিশিষ্ট প্রতিটি পশু তাকে শিং দিয়ে গুঁতো দেবে; তাদের মধ্যে কোনো পশু শিংহীন হবে না এবং কারো শিং ভাঙাও থাকবে না। আর কোনো সম্পদের মালিক নেই যে তার হক আদায় করে না, কিয়ামতের দিন সেই সম্পদ তার জন্য এক বিশাল বিষধর টেকো সাপে পরিণত হবে, যার থেকে মালিক পলায়ন করবে আর সাপটি তাকে তাড়া করবে। তখন বলা হবে: এটিই তোমার সেই গচ্ছিত সম্পদ যা নিয়ে তুমি কার্পণ্য করতে। অতঃপর যখন সে দেখবে যে এ থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার কোনো উপায় নেই, তখন সে তার হাত সাপের মুখে ঢুকিয়ে দেবে এবং সাপটি তা চিবিয়ে খাবে যেভাবে শক্তিশালী উট চিবিয়ে খায়।"জিজ্ঞেস করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল! সেগুলোর হক কী? তিনি বললেন: "পানির ঘাটে নিয়ে সেগুলো দোহন করা (অভাবীদের জন্য), বালতি ধার দেওয়া, আল্লাহর রাস্তায় সেগুলোকে বাহন হিসেবে ব্যবহার করা, কাউকে দুধ পানের জন্য সাময়িকভাবে পশু দান করা এবং প্রজননের জন্য পুরুষ পশু ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া।"এটি মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন নুমাইর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আব্দুল মালিক (যিনি ইবনে আবি সুলাইমান) থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
21 - أخبرنا أبو الفتوح عبد القاهر بن أبي البركات محمد بن يحيى بن الوكيل البغدادي ، بجانبها الغربي، أنبا أبي، أنبا أبو القاسم عبد الملك بن محمد بن عبد الله بن بشران، أنبا أبو علي الحسن بن الحصين بن عبد الله الأسيوطي، ثنا أبو عبد الرحمن أحمد بن شعيب النسائي، أنبا قتيبة بن سعيد، عن مالك، عن مسلم بن أبي مريم، عن علي بن عبد الرحمن، قال: رآني ابن عمر، وأنا أعبث بالحصى في الصلاة فنهاني، قال: اصنع، يعني كما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصنع، قلت: وكيف كان يصنع؟ قال: «كان إذا جلس في الصلاة وضع كفه اليمنى على فخذه اليمنى، وقبض أصابعه كلها، وأشار بأصبعه التي تلي الإبهام ووضع كفه اليسرى على فخذه اليسرى» .رواه عن يحيى بن يحيى، عن مالك، وعن ابن أبي عمر ، عن ابن عيينة
২১ - আবু আল-ফুতুহ আব্দুল কাহির ইবন আবিল বারাকাত মুহাম্মাদ ইবন ইয়াহইয়া ইবন আল-ওয়াকিল আল-বাগদাদি, তার পশ্চিম পার্শ্বে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আমার পিতা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম আব্দুল মালিক ইবন মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বিশরান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আলী আল-হাসান ইবন আল-হুসাইন ইবন আব্দুল্লাহ আল-আসয়ুতি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আব্দুর রহমান আহমাদ ইবন শুয়াইব আন-নাসায়ী আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, কুতাইবা ইবন সাঈদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মালিক থেকে, তিনি মুসলিম ইবন আবি মারইয়াম থেকে, তিনি আলী ইবন আব্দুর রহমান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ইবন উমর আমাকে দেখলেন আমি নামাজে কাঁকর নিয়ে নাড়াচাড়া করছি, তখন তিনি আমাকে তা করতে নিষেধ করলেন। তিনি বললেন: তুমি তা-ই করো যেমনটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম করতেন। আমি বললাম: তিনি কীভাবে করতেন? তিনি বললেন: «তিনি যখন নামাজে বসতেন তখন তার ডান হাতের তালু তার ডান উরুর উপর রাখতেন, তার সব আঙ্গুল মুষ্টিবদ্ধ করতেন এবং সেই আঙ্গুলটি দিয়ে ইশারা করতেন যা বৃদ্ধাঙ্গুলির পরবর্তী এবং তার বাম হাতের তালু তার বাম উরুর উপর রাখতেন।» ।এটি ইয়াহইয়া ইবন ইয়াহইয়া মালিক থেকে, এবং ইবন আবি উমর ইবন উয়াইনা থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
22 - أخبرنا يحيى بن ثابت، أنبا أبي، أنبا عمرو بن عثمان بن محمد بن عبد الله بن إبراهيم الشافعي، نا إسحاق بن الحسن بن ميمون، ثنا القعنبي، عن مالك، عن إسماعيل بن أبي الحكم، عن عبيدة بن سفيان الحضرمي، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «أكل كل ذي ناب من السباع حرام» .رواه عن زهير ، عن عبد الرحمن بن مهدي، وعن أبي الطاهر عن ابن وهب كلاهما ، عن مالك
২২ - ইয়াহিয়া বিন সাবিত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমার পিতা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমর বিন উসমান বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন ইবরাহিম আশ-শাফিঈ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইসহাক বিন আল-হাসান বিন মাইমুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-কা'নাবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক থেকে, তিনি ইসমাইল বিন আবি আল-হাকাম থেকে, তিনি উবাইদাহ বিন সুফিয়ান আল-হাদরামি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «শিকারি প্রাণীদের মধ্যে ছেদন দাঁতবিশিষ্ট প্রত্যেক প্রাণীর আহার করা হারাম»।এটি জুহাইর থেকে, তিনি আবদুর রহমান বিন মাহদি থেকে এবং আবু তাহির থেকে, তিনি ইবনে ওয়াহাব থেকে—তাঁরা উভয়েই মালিক থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
23 - أخبرنا الحافظ أبو أحمد معمر بن عبد الواحد بن رجاء بن الفاخر الأصبهاني، ببغداد، أنبا أبو القاسم غانم بن أبي نصر بن عبد الله اليزجي، ثنا أبو بكر محمد بن عبد الله بن شاذان الأديب، أنبا أبو بكر عبد الله بن محمد القباب، أنا أبو بكر بن أبي عاصم النبيل، ثنا هدبة، ثنا همام، عن قتادة، عن مطرف، عن أبيه، قال: رأيت النبي صلى الله عليه وسلم، وهو يقرأ {ألهاكم التكاثر حتى زرتم المقابر} قال: " يقول ابن آدم: مالي مالي ، ما لك من مالك إلا ما أكلت فأفنيت ، أو لبست فأبليت ، أو تصدقت فأمضيت ".رواه عن هدبة كذلك وله طرق
২৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফেজ আবু আহমদ মুয়াম্মার ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে রাজা ইবনুল ফাখির আল-আসবাহানি, বাগদাদে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম গানিম ইবনে আবু নাসর ইবনে আব্দুল্লাহ আল-ইয়াজজি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে শাযান আল-আদিব। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-কাব্বাব। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর ইবনে আবু আসিম আন-নাবিল। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুদবাহ। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাম। তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি মুতাররিফ থেকে এবং তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তিলাওয়াতরত অবস্থায় দেখেছি {প্রাচুর্যের লালসা তোমাদেরকে মোহগ্রস্ত করে রেখেছে, যতক্ষণ না তোমরা কবরে উপস্থিত হও}। তিনি বললেন: "আদম সন্তান বলে: আমার সম্পদ, আমার সম্পদ! অথচ তোমার সম্পদ থেকে তোমার জন্য কেবল সেটুকুই রয়েছে যা তুমি খেয়ে নিঃশেষ করেছ, অথবা পরিধান করে জীর্ণ করেছ, অথবা সদকা করে (পরকালের জন্য) অগ্রগামী করেছ।"এটি হুদবাহ থেকে অনুরূপভাবে বর্ণিত হয়েছে এবং এর আরও অনেক সূত্র রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
24 - أخبرنا أبو الفتح عبد الله بن أحمد بن أبي الفتح الخرقي الأصبهاني بها، أنبا أبو مطيع محمد بن عبد الواحد بن عبد العزيز المصري، أنبا أبو سعيد الحسن بن محمد بن عبد الله بن حسنويه، ثنا أبو محمد عبد الله بن الحسن بن بندار المديني، ثنا أبو جعفر محمد بن إسماعيل الصائغ، في المسجد الحرام، ثنا عفان، ثنا أبان، ثنا يحيى بن أبي كثير، عن زيد، عن أبي سلام، عن أبي مالك الأشعري، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، كان يقول: «الطهور شطر الإيمان ، والحمد لله تملأ الميزان ، وسبحان الله والله أكبر تملآن ما بين السماء والأرض ، والصلاة نور ، والصدقة برهان ، والصبر ضياء ، والقرآن حجة لك ،كل الناس يغدو فبائع نفسه فمعتقها أو موبقها» 0 رواه عن إسحاق بن منصور، عن حبان بن هلال، عن أبان
২৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বিন আবিল ফাতহ আল-খিরাকি আল-আসবাহানি সেখানে, আমাদের জানিয়েছেন আবু মুতি‘ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আব্দুল আজিজ আল-মিসরি, আমাদের জানিয়েছেন আবু সাঈদ আল-হাসান বিন মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ বিন হাসনুওয়াইহ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ বিন আল-হাসান বিন বুন্দার আল-মাদিনি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল আস-সায়েগ মসজিদুল হারামে, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আফফান, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবান, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন আবি কাসির, যায়েদ থেকে, তিনি আবু সাল্লাম থেকে, তিনি আবু মালিক আল-আশআরি থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন: «পবিত্রতা ঈমানের অর্ধেক, এবং আলহামদুলিল্লাহ মিযানকে পূর্ণ করে দেয়, এবং সুবহানাল্লাহ ও আল্লাহু আকবার আসমান ও জমিনের মধ্যবর্তী স্থানকে পূর্ণ করে দেয়, আর সালাত হলো নূর, সাদাকা হলো দলিল, সবর হলো আলোকবর্তিকা, আর কুরআন তোমার পক্ষে বা বিপক্ষে প্রমাণস্বরূপ। প্রত্যেক মানুষ সকালে বের হয় এবং নিজের নফসের সওদা করে; অতঃপর সে একে মুক্ত করে অথবা ধ্বংস করে দেয়»। এটি ইসহাক বিন মানসুর, হাব্বান বিন হিলাল ও আবান-এর সূত্রে বর্ণিত।
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
25 - أخبرنا أبو بكر أحمد بن المقرب بن الحسين بن الحسن العقيلي، ببغداد، أنا أبو الفوارس طراد بن محمد بن علي الزينبي، أنا أبو عبد الله الحسين بن عمرو بن برهان، ثنا أبو علي إسماعيل بن محمد بن إسماعيل الصفار، ثنا عبد الله بن محمد، هو ابن شاكر أبو البختري، ثنا جعفر بن عون، ثنا زكريا، ثنا عامر، عن عبد الله بن مطيع، عن مطيع، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول يوم فتح مكة: «لا يقتل قرشي صبرا بعد هذا اليوم إلى يوم القيامة» .قال: لم يدرك الإسلام من عصاة قريش إلا مطيع، قال: وكان اسمه العاص، فسماه الرسول صلى الله عليه وسلم ، مطيعا.رواه عن محمد بن عبد الله بن نمير، عن أبيه، عن زكريا
২৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন আল-মুর্করাব বিন আল-হুসাইন বিন আল-হাসান আল-উকায়লি—বাগদাদে, তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু আল-ফাওয়ারিস তুরাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আলি আজ-জায়নাবি, তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আমর বিন বুরহান, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আলি ইসমাঈল বিন মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল আস-সাফফার, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ—যিনি ইবন শাকির আবু আল-বাখতারি নামে পরিচিত, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন জাফর বিন আওন, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন যাকারিয়া, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আমির, তিনি আব্দুল্লাহ বিন মুতী‘ থেকে এবং তিনি মুতী‘ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে মক্কা বিজয়ের দিন বলতে শুনেছি: «আজকের এই দিনের পর কিয়ামত পর্যন্ত আর কোনো কুরাইশীকে বন্দি অবস্থায় হত্যা করা হবে না।»বর্ণনাকারী বলেন: কুরাইশের অবাধ্যদের মধ্যে মুতী‘ ব্যতীত আর কেউ ইসলাম লাভ করেননি। মুতী‘ বলেন: তাঁর নাম ছিল আল-আস, অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর নাম পরিবর্তন করে মুতী‘ রাখেন।এটি মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন নুমায়ের তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি যাকারিয়া থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
26 - أخبرنا أحمد بن المقرب العقليي، أنبا طراد بن محمد الزينبي، أنبا أبو عبد الله الحسين بن عمر بن برهان، ثنا إسماعيل بن محمد إسماعيل الصفار، ثنا أحمد بن عبد الله الحداد، ثنا عاصم بن علي، ثنا عكرمة بن عمار، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، قال: سألت عائشة أم المؤمنين بأي شيء كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا قام من الليل؟ قالت: كان يكبر، ويفتتح صلاته، يقول: «اللهم رب جبريل، وميكائيل، وإسرافيل فاطر السموات والأرض عالم الغيب والشهادة أنت تحكم بين عبادك فيما كانوا فيه يختلفون اهدني لما اختلف فيه من الحق بإذنك إنك تهدي من تشاء إلى صراط مستقيم» .رواه، عن أبي موسى وجماعة عن عمر بن يونس، عن عكرمة بن عمار
২৬ - আহমদ ইবনুল মুকাররাব আল-উকায়লী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, তরাদ বিন মুহাম্মদ আয-যায়নাবী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন উমর বিন বুরহান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইসমাঈল বিন মুহাম্মদ ইসমাঈল আস-সাফফার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাদ্দাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আসিম বিন আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইকরিমাহ বিন আম্মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন আবি কাসীর থেকে, তিনি আবু সালামা বিন আব্দুর রহমান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি মুমিন জননী আয়েশাকে জিজ্ঞাসা করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন রাতে (সালাতের জন্য) দাঁড়াতেন তখন কী দিয়ে শুরু করতেন? তিনি বললেন: তিনি তাকবীর পাঠ করতেন এবং এই বলে তাঁর সালাত শুরু করতেন: «হে আল্লাহ! জিবরাঈল, মিকাঈল ও ইসরাফীলের প্রতিপালক, আসমান ও জমিনের স্রষ্টা, দৃশ্য ও অদৃশ্যের পরিজ্ঞাতা, আপনার বান্দারা যে বিষয়ে মতবিরোধ করত আপনি তাদের মাঝে তার ফয়সালা করে দিবেন। সত্যের যে বিষয়ে মতভেদ সৃষ্টি হয়েছে, আপনার অনুমতিক্রমে আমাকে সেদিকে হেদায়েত দান করুন। নিশ্চয়ই আপনি যাকে চান তাকে সরল সঠিক পথের দিশা দেন।»।এটি আবু মুসা ও একদল বর্ণনাকারী উমর বিন ইউনুস থেকে এবং তিনি ইকরিমাহ বিন আম্মার থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
27 - أخبرنا أبو عبد الله محمد بن علي بن محمد الرحبي الروحاني، بفسطاط مصر، أنبا أبو صادق مرشد بن يحيى بن القاسم المديني، وأبو عبد الله محمد بن أحمد بن إبراهيم الرازي، قالا: أنبا أبو الحسن محمد بن الحسين بن محمد النيسابوري البزاز، المعروف بابن الطفال، قال: أنبا القاضي أبو طاهر محمد بن أحمد بن عبد الله بن نصر الذهلي، ثنا محمد بن يحيى بن سليمان، ثنا عاصم بن علي، ثنا سليمان بن المغيرة، عن حميد بن هلال، قال: قال أبو رفاعة العدوي انتهيت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقلت: يا رسول الله رجل غريب جاء يسأل عن دينه لا يدري ما دينه، قال: قال: فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم وترك خطبته فأتى بكرسي خِلْتُ قوائمه حديدا فقعد رسول الله صلى الله عليه وسلم فجعل يعلمني مما علمه الله وأتى خطبته فأتى عليها.رواه عن يسار بن فروخ، عن سليمان بن المغيرة، وقد انفرد بأبي رفاعة ولم يرو لأبي رفاعة له سوى هذا الحديث
২৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আলী বিন মুহাম্মাদ আল-রাহবি আল-রূহানি, মিসরের ফুসতাতে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদিক মুরশিদ বিন ইয়াহইয়া বিন আল-কাসিম আল-মাদিনি এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন ইবরাহিম আল-রাজি, তারা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান মুহাম্মাদ বিন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মাদ আল-নিসাপুরি আল-বাজজায, যিনি ইবনুত তুফফাল নামে পরিচিত, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাজী আবু তাহির মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন নাসর আদ-দুহলি, আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া বিন সুলাইমান, আমাদের বর্ণনা করেছেন আসিম বিন আলী, আমাদের বর্ণনা করেছেন সুলাইমান বিন আল-মুগিরা, হুমাইদ বিন হিলাল থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আবু রিফায়া আল-আদাউয়ি বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট পৌঁছালাম এবং বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! এক আগন্তুক ব্যক্তি তার দ্বীন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে এসেছে, সে জানে না তার দ্বীন কী। তিনি বলেন: তিনি বললেন: তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলেন এবং তার খুতবা ছেড়ে দিলেন। এরপর একটি চেয়ার আনা হলো যার পায়াগুলো আমার মনে হলো লোহার তৈরি, এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাতে বসলেন এবং আল্লাহ তাকে যা শিখিয়েছেন তা থেকে আমাকে শিক্ষা দিতে শুরু করলেন। অতঃপর তিনি তার খুতবার কাছে ফিরে গেলেন এবং তা পূর্ণ করলেন।এটি ইয়াসার বিন ফাররুখ, সুলাইমান বিন আল-মুগিরা থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি আবু রিফায়ার বর্ণনায় একক হয়েছেন এবং আবু রিফায়া থেকে এই হাদিসটি ছাড়া আর কোনো হাদিস বর্ণিত হয়নি।
(খণ্ড: ১)
আল-আশির মিনাল মিছবাহ ফী উয়ুনিল ছিহাহ
(পৃষ্ঠা: -)
28 - أخبرنا محمد بن علي الروحاني، أنبا مرشد بن يحيى، ومحمد بن أحمد، أنبا محمد بن الحسين، أنبا محمد بن أحمد بن عبد الله، أنبا محمد بن عبدوس، ثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ثنا علي بن مسهر، عن الشيباني، عن عبد الله بن السائب، قال: سألت عبد الله بن معقل، عن المزارعة، فقال: أخبرني ثابت بن الضحاك، أن النبي صلى الله عليه وسلم ، نهى عنها ".رواه عن أبي بكر بن أَبي شيبة، والشيباني، هو أبو إسحاق سليمان بن فيروز
২৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আলী আল-রূহানী, আমাদের জানিয়েছেন মুর্শিদ বিন ইয়াহইয়া এবং মুহাম্মদ বিন আহমদ, আমাদের জানিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন, আমাদের জানিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আবদুল্লাহ, আমাদের জানিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আবদুস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবি শায়বাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন মুশহির, আশ-শায়বানী থেকে, আবদুল্লাহ বিন আল-সাইব থেকে, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ বিন মাকিলকে জিজ্ঞাসা করলাম বর্গা চাষ সম্পর্কে, তখন তিনি বললেন: আমাকে সাবিত বিন আল-দাহহাক জানিয়েছেন যে, নবী (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষিত করুন) তা থেকে নিষেধ করেছেন।"এটি আবু বকর বিন আবি শায়বাহ থেকে বর্ণিত হয়েছে; আর আশ-শায়বানী হলেন আবু ইসহাক সুলায়মান বিন ফায়রুজ।