(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
الرابع من معجم شيوخ الدمياطي القسم: كتب السنة
الكتاب: الرابع من معجم شيوخ الدمياطي
المؤلف: عبد المؤمن بن خلف الدمياطيّ، أبو محمد، شرف الدين الشافعي (ت 705هـ)
الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية
الطبعة: الأولى، 2004
[الكتاب مخطوط]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আদ-দিমইয়াতীর মাশায়েখদের অভিধানের চতুর্থ খণ্ড বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: আদ-দিমইয়াতীর মাশায়েখদের অভিধানের চতুর্থ খণ্ড
লেখক: আব্দুল মুমিন বিন খালাফ আদ-দিমইয়াতী، আবু মুহাম্মদ، শারফুদ্দিন আশ-শাফিয়ী (মৃত্যু ৭০৫ হিজরি)
প্রকাশক: পাণ্ডুলিপিটি ইসলামিক নেটওয়ার্ক (আশ-শাবাকাতুল ইসলামিয়াহ) ওয়েবসাইটের অধীনে জওয়ামিউল কালিম ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে
সংস্করণ: প্রথম، ২০০৪
[গ্রন্থটি পাণ্ডুলিপি]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
الْجُزْءُ الرَّابِعُ مِنْ مُعْجَمِ شُيُوخِ الْعَبْدِ الْفَقِيرِ إِلَى عَفْوِ رَبِّهِ الْمُسْتَغْفِرِ مِنْ زَلَلِهِ وَذَنْبِهِ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ الْمُؤْمِنِ بْنِ خَلَفٍ الدِّمْيَاطِيِّ فِيهِ مِنْ مُحَمَّدِ بْنِ سُنْقُرَ ، إِلَى مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ وَعِدَّتُهُمْ ثَلاثَةٌ وَثَلاثُونَ شَيْخًا بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ أَمْلَى عَلَيْنَا سَيِّدُنَا، وَشَيْخُنَا الإِمَامُ الْمُعَلِّمُ الْعَالِمُ الْكَبِيرُ الْكَامِلُ جَامِعُ أَنْسَابِ الْفَضَائِلِ عِنْدَ الْمُحَدِّثِينَ ، سَيْفُ الْمُنَاظِرِينَ ، قَامِعُ الْمُلْحِدِينَ الْحَافِظُ شَرَفُ الدِّينِ بْنُ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْمُؤْمِنِ بْنُ خَلَفٍ الدِّمْيَاطِيُّ غَفَرَ اللَّهُ ذُنُوبَهُ وَعَفَا عَنْهُ وَسَتَرَ عُيُوبَهُ، قَالَ
তাঁর রবের ক্ষমার মুখাপেক্ষী এবং নিজের পদস্খলন ও পাপের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনাকারী বান্দা আবু মুহাম্মদ আব্দুল মুমিন ইবনে খালাফ আদ-দিমইয়াতির 'মু'জামু শুইউখ'-এর চতুর্থ খণ্ড। এতে মুহাম্মদ ইবনে সুনকুর থেকে শুরু করে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ পর্যন্ত মোট তেত্রিশ জন শায়খের বিবরণ রয়েছে। পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমাদের নেতা ও শায়খ, ইমাম, শিক্ষক, সুমহান ও বিজ্ঞ আলেম, মুহাদ্দিসগণের নিকট শ্রেষ্ঠত্বের ধারক, তার্কিকদের তলোয়ার, ধর্মদ্রোহীদের দমনকারী হাফেজ শরফুদ্দিন ইবনে আবু মুহাম্মদ আব্দুল মুমিন ইবনে খালাফ আদ-দিমইয়াতি—আল্লাহ তাঁর পাপসমূহ ক্ষমা করুন, তাঁকে মার্জনা করুন এবং তাঁর দোষত্রুটি গোপন রাখুন; তিনি বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
مُحَمَّدُ بْنُ سُنْقُرَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَبُو الْفَضْلِ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ التُّرْكِيُّ الأَصْلِ الْحَلَبِيُّ
মুহাম্মাদ ইবনে সুনকুর ইবনে আব্দুল্লাহ আবুল ফজল ইবনে আবি সাঈদ, মূলত তুর্কি বংশোদ্ভূত হালাবি
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
1 - قُرِئَ عَلَى مُحَمَّدِ بْنِ سُنْقُرَ الْحَلَبِيِّ بِدِمَشْقَ ، وَأَنَا أَسْمَعُ أَخْبَرَكَ أَبُو بَرَكَاتِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ طَاهِرِ بْنِ بَرَكَاتِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْقُرَشِيُّ الْخُشُوعِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنْتَ تَسْمَعُ فِي جُمَادَى الأُولَى سَنَةَ سَبْعٍ وَتِسْعِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الأَكْفَانِيُّ ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَبْدُ الدَّائِمِ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ الْقَطَّانُ ، أنا أَبُو الْحُسَيْنِ عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ الْوَلِيدِ الْكِلابِيُّ ، أنا أَبُو الْعَبَّاسِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَتَّابِ بْنِ الرَّقِّيِّ ، ثنا بَكَّارُ بْنُ قُتَيْبَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَرْذَعَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ بَشِيرِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ ، قَاضِي مِصْرَ ، ثنا الضَّحَّاكُ بْنُ مَخْلَدٍ أَبُو عَاصِمٍ ، ثنا بَكَّارُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا «أَتَاهُ الشَّيْءُ يَسُرُّهُ سَجَدَ» .
رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ فِي الْجِهَادِ ، عَنْ مَخْلَدِ بْنِ خَالِدٍ ، وَالتِّرْمِذِيُّ فِي السُّنَنِ ، عَنِ ابْنِ مُثَنًى وَالنَّسَائِيُّ ، عَنْ عَبْدَةَ ، وَأَحْمَدُ جَمِيعًا عَنْ أَبِي عَاصِمٍ.
تُوُفِّيَ هَذَا الشَّيْخُ لِسَبْعَ عَشْرَةَ وَ.....
عَشْرَةَ لَيْلَةً خَلَتْ مِنْ صَفَرٍ سَنَةَ إِحْدَى وَخَمْسِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ بِدِمَشْقَ ، وَدُفِنَ بِقَاسِيُونَ ، وَكَانَ مَوْلِدُهُ سَنَةَ ثَلاثٍ وَتِسْعِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ.
১ - দামেস্কে মুহাম্মাদ বিন সুনকুর আল-হালাবির সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম; আবু বারাকাত বিন ইবরাহিম বিন তাহির বিন বারাকাত বিন ইবরাহিম আল-কুরাশি আল-খুশুয়ি আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন—যা তাঁর সামনে পাঠ করার মাধ্যমে এবং আপনি শুনছিলেন—৫৯৭ হিজরি সালের জুমাদাল উলা মাসে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ হিবাতুল্লাহ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-আকফানি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আবদুদ দায়িম বিন হাসান বিন উবাইদুল্লাহ আল-কাত্তান; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আব্দুল ওয়াহহাব বিন হাসান বিন ওয়ালিদ আল-কিলাবি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আব্দুল্লাহ বিন আত্তাব বিন আর-রক্কি; আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মিসরের বিচারক বাক্কার বিন কুতাইবা বিন উবাইদুল্লাহ বিন আবি বারযাআ বিন উবাইদুল্লাহ বিন বাশির বিন উবাইদুল্লাহ বিন আবি বাকরা; আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন দাহহাক বিন মাখলাদ আবু আসিম; আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন বাক্কার বিন আব্দুল আজিজ বিন আবি বাকরা, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে যখন এমন কোনো বিষয় আসত যা তাঁকে আনন্দিত করত, তখন তিনি সিজদাহ করতেন।
এটি বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ জিহাদ অধ্যায়ে মাখলাদ বিন খালিদ থেকে, তিরমিজি সুনানে ইবনে মুসান্না থেকে, নাসায়ি আবদাহ থেকে এবং আহমদ সবাই আবু আসিম থেকে।
এই শায়খ মৃত্যুবরণ করেন সতেরো এবং.....
দশ রাত অতিক্রান্ত হওয়ার পর সফর মাসে ৬৫১ হিজরি সালে দামেস্কে এবং তাঁকে কাসিয়ুনে দাফন করা হয়। তাঁর জন্ম হয়েছিল ৫৯৩ হিজরি সালে।
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
مُحَمَّدُ بْنُ سِوَارٍ ، بِكَسْرِ السِّينِ ، ابْنِ إِسْرَائِيلَ بْنِ الْخَضِرِ بْنِ إِسْرَائِيلَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الْحَسَنِ أَبُو الْمَعَالِي الدِّمَشْقِيُّ الأَدِيبُ الشَّاعِرُ الْمَنْعُوتُ بِالنَّجْمِ بْنِ إِسْرَائِيلَ، لَقِيتُهُ قَدِيمًا بِالْمَسْجِدِ الْجَامِعِ الأَنْوَرِ الْحَاكِمِيِّ بِالْقَاهِرَةِ ،
وَأَنْشَدَنَا شَيْئًا مِنْ شِعْرِهِ لَيْسَ هُوَ الآنَ عِنْدِي ، وَقَدْ أَجَازَ لِي أَنْ أَرْوِيَ عَنْهُ مَنْقُولَهُ، وَمَقُولَهُ فَمِمَّا أَنْشَدَهُ لِنَفْسِهِ مِنْ قَصِيدِهِ
فَالرِّزْقُ يَأْتِي بِلا كَدٍّ وَلا طَلَبِ
… لَمْ يَخْلُقِ اللَّهُ خَلْقًا لَيْسَ يَرْزُقُهُ
وَفِي الْقَنَاعَةِ عِزٌّ لا نَفَادَ لَهُ
… وَالْحِرْصُ فِي الْمَرْءِ يُرْدِيهِ وَيُوبِقُهُ
كَمْ وَادِعٍ نَالَ مَا يَرْجُو بِقَتْرَتِهِ
… وَمَعْمَلُ الْجِدِّ مَا أَجْدَى تَحَذْلُقُهُ
وَأَنْشَدَنَا أَيْضًا لِنَفْسِهِ
إِنَّ الَّذِي رَزَقَ الْجَنِينَ غَدَاةً فِي بَطْنِ أُمِّهِ
… لا يَحْرِمُ الإِنْسَانَ مَهْمَا عَاشَ مِنْ تَيْسِيرِ قَسْمِهِ
فَأَرِحْ فُؤَادَكَ فِي طِلابِ الرِّزْقِ مِنْ أَعْبَاءِ هَمِّهِ مَاتَ بِدِمَشْقَ فِي شَهْرِ رَبِيعٍ الآخَرِ سَنَةَ سَبْعٍ وَسَبْعِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ
মুহাম্মদ ইবনে সিওয়ার—সীন অক্ষরে কাসরা (ই-কার) সহ—ইবনে ইসরাঈল ইবনুল খাজির ইবনে ইসরাঈল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনুল হাসান ইবনুল হাসান আবু আল-মাআলি আদ-দিমাশকী, সাহিত্যিক ও কবি, যিনি নাজমু ইবনে ইসরাঈল নামে পরিচিত।আমি অনেক আগে কায়রোর আল-জামি আল-আনওয়ার আল-হাকিমীতে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি,
এবং তিনি তাঁর কবিতার কিছু অংশ আমাকে আবৃত্তি করে শুনিয়েছিলেন যা এই মুহূর্তে আমার কাছে নেই। তিনি তাঁর বর্ণিত এবং রচিত বিষয়াবলি আমার মাধ্যমে বর্ণনা করার অনুমতি প্রদান করেছেন। তাঁর স্বরচিত কাসিদাহ থেকে যা তিনি আমাকে শুনিয়েছিলেন তার মধ্যে রয়েছে:
রিজিক তো কোনো কঠোর পরিশ্রম বা অন্বেষণ ছাড়াই এসে পৌঁছে
… আল্লাহ এমন কোনো মাখলুক সৃষ্টি করেননি যাকে তিনি রিজিক দান করেন না।
অল্পেতুষ্টির মাঝে এমন মর্যাদা রয়েছে যা কখনো শেষ হওয়ার নয়
… আর মানুষের মধ্যকার লোভ তাকে ধ্বংস ও বিনাশের দিকে ঠেলে দেয়।
কতই না ধীরস্থির ব্যক্তি তার সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও কাঙ্ক্ষিত বস্তু লাভ করেছে
… অথচ অতি পরিশ্রমীর চাতুর্য কোনো সুফল বয়ে আনেনি।
তিনি তাঁর নিজের আরও কিছু পংক্তি আমাকে আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন:
নিশ্চয়ই যিনি মাতৃজঠরে থাকা অবস্থায় ভ্রূণকে রিজিক দান করেছেন
… মানুষ যতদিন বেঁচে থাকবে, তিনি তাকে তার নির্ধারিত সহজ প্রাপ্যতা থেকে বঞ্চিত করবেন না।
সুতরাং রিজিক অন্বেষণের দুশ্চিন্তার বোঝা থেকে তোমার অন্তরকে শান্ত রাখ। তিনি ৬৭৭ হিজরি সনের রবিউস সানি মাসে দামেস্কে মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
مُحَمَّدُ بْنُ صَاعِدِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مَحَاسِنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ أَبِي شَرِيكٍ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ أَبِي عَلِيٍّ الْبَغْدَادِيُّ الْحَرْبِيُّ، أَخُو شَيْخِنَا أَحْمَدَ
মুহাম্মাদ ইবন সাঈদ ইবন আবি বকর ইবন মাহাসিন ইবন আহমাদ ইবন সুলায়মান ইবন আবি শারীক আবু আব্দুল্লাহ ইবন আবি আলী আল-বাগদাদী আল-হারবী, আমাদের শায়খ আহমাদের ভাই
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
2 - قَرَأْتُ عَلَى مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي عَلِيٍّ ، بِالْحَرْبِيَّةِ غَرْبِيِّ بَغْدَادَ ، أَخْبَرَكَ أَبُو أَحْمَدَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ صَاعِدٍ الْحَرْبِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، أنا أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الشَّيْبَانِيُّ ، أنا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ التَّمِيمِيُّ ، أنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ الْقَطِيعِيُّ ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ ، حَدَّثَنِي أَبِي ، وَحَدَّثَنَا هُشَيْمٌ ، أنا يَزِيدُ بْنُ أَبِي زِيَادٍ ، ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي نُعْمٍ الْبَجَلِيُّ ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، سُئِلَ عَنْ مَا يَقْتُلُ الْمُحْرِمُ، قَالَ: «الْحَيَّةَ ، وَالْعَقْرَبَ ، وَالْفُوَيْسِقَةَ ، وَيَرْمِي الْغُرَابَ وَلا يَقْتُلُهُ ، وَالْكَلْبَ الْعَقُورَ ، وَالْحِدَأَةَ ، وَالسَّبُعَ الْعَادِي» .
رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ بِلَفْظِهِ ، عَنْ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ ، عَلَى الْمُوَافَقَةِ ، وَرَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ عَنْ أَحْمَدَ بْنِ مَنِيعٍ ، عَنْ هُشَيْمٍ، وَقَالَ: حَسَنٌ وَلَفْظُهُ: «يَقْتُلُ الْمُحْرِمُ السَّبُعَ الْعَادِيَ ، وَالْكَلْبَ الْعَقُورَ ، وَالْفَأْرَةَ ، وَالْعَقْرَبَ ، وَالْغُرَابَ ، وَالْحِدَأَةَ» .
وَرَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ مِنْ حَدِيثِ مُحَمَّدِ بْنِ فُضَيْلٍ، عَنْ يَزِيدَ وَلَفْظُهُ: " يَقْتُلُ الْمُحْرِمُ الْحَيَّةَ وَالْعَقْرَبَ وَالسَّبُعَ الْعَادِيَ وَالْكَلْبَ الْعَقُورَ وَالْفَأْرَةَ الْفُوَيْسِقَةَ فَقِيلَ لَهُ: لِمَ قِيلَ لَهَا الْفُوَيْسِقَةُ، قَالَ: لأَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم اسْتَيْقَظَ لَهَا، وَقَدْ أَخَذَتِ الْفَتِيلَةَ لِتُحْرِقَ بِهَا الْبَيْتَ.
سَمِعَ مُحَمَّدُ بْنُ صَاعِدٍ هَذَا جَمِيعَ مُسْنَدِ الإِمَامِ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي الْمَجْدِ الْحَرْبِيِّ فِي سَنَةِ سِتٍّ وَتِسْعِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ ،
وَكَانَ مَوْلِدُهُ فِي سَنَةِ إِحْدَى وَتِسْعِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ
২ - আমি পশ্চিম বাগদাদের হারবিয়্যাহ নামক স্থানে মুহাম্মদ ইবন আবি আলীর নিকট পাঠ করেছি, (তিনি বলেছেন) আবু আহমাদ আব্দুল্লাহ ইবন আহমাদ ইবন সাঈদ আল-হারবি তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন আব্দুল ওয়াহিদ আশ-শাইবানি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবন আলী ইবন মুহাম্মদ আত-তামিমি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবন জাফর ইবন হামদান ইবন মালিক আল-কাতিয়ি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ, তিনি বলেন আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুশাইম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াযিদ ইবন আবি যিয়াদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান ইবন আবি নুয়ম আল-বাজালি, আবু সাঈদ আল-খুদরি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল মুহরিম ব্যক্তি কী কী হত্যা করতে পারে? তিনি বললেন: "সাপ, বিচ্ছু এবং অনিষ্টকারী ছোট প্রাণী (ইঁদুর)। আর কাককে সে ঢিল ছুড়বে কিন্তু হত্যা করবে না, এবং হিংস্র কুকুর, চিল ও আক্রমণকারী বন্যপ্রাণী।"
ইমাম আবু দাউদ এটি একই শব্দে আহমাদ ইবন হাম্বলের মাধ্যমে (মুওয়াফাকাত হিসেবে) বর্ণনা করেছেন। আর ইমাম তিরমিযী এটি আহমাদ ইবন মানি' এর মাধ্যমে হুশাইম থেকে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: এটি হাসান (উত্তম)। তাঁর বর্ণিত শব্দ হলো: "মুহরিম ব্যক্তি আক্রমণকারী বন্যপ্রাণী, হিংস্র কুকুর, ইঁদুর, বিচ্ছু, কাক এবং চিল হত্যা করবে।"
ইবন মাজাহ এটি মুহাম্মদ ইবন ফুদায়েলের হাদীস থেকে ইয়াযিদ-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন, যার শব্দ হলো: "মুহরিম ব্যক্তি সাপ, বিচ্ছু, আক্রমণকারী বন্যপ্রাণী, হিংস্র কুকুর এবং অনিষ্টকারী ইঁদুর হত্যা করবে।" অতঃপর তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো: একে 'ফুওয়াইসিকা' (ছোট অনিষ্টকারী) কেন বলা হয়? তিনি বললেন: কারণ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর (উৎপাত বা শব্দের) কারণে জেগে উঠেছিলেন, যখন সেটি ঘর পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য সলিতা মুখে নিয়েছিল।
এই মুহাম্মদ ইবন সাঈদ ৫৯৬ হিজরী সনে ইমাম আহমাদ ইবন হাম্বল ইবন আব্দুল্লাহ ইবন আহমাদ ইবন আবুল মাজদ আল-হারবির পূর্ণ মুসনাদ শ্রবণ করেছেন।
এবং তাঁর জন্ম হয়েছিল ৫৯১ হিজরী সনে।
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
مُحَمَّدُ بْنُ طَلْحَةَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ أَبُو سَالِمٍ النَّصِيبِيُّ الْعُمَرِيُّ الشَّافِعِيُّ الْفَقِيهُ الزَّاهِدُ الْمُفْتِي الْمَنْعُوتُ بِالْكَمَالِ
মুহাম্মদ বিন তালহা বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আবু সালিম আন-নাসিবি আল-উমারি আশ-শাফিয়ি; ফকিহ, জাহিদ, মুফতি এবং পূর্ণতায় বিশেষিত।
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
3 - قَرَأْتُ عَلَى الإِمَامِ أَبِي سَالِمٍ مُحَمَّدِ بْنِ طَلْحَةَ ، بِحَلَبَ أَخْبَرَكَ أَبُو الْحَسَنِ الْمُؤَيَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الطُّوسِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، بِنَيْسَابُورَ ، وَإِجَازَةً أبا الطوسي عاما ، أنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْفُرَاوِيُّ الْفَقِيهُ ، أنا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مَسْرُورٍ الزَّاهِدُ ، أنا أَبُو عَمْرٍو إِسْمَاعِيلُ بْنُ نُجَيْدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ يُوسُفَ السُّلَمِيُّ ، أنا يُوسُفُ بْنُ يَعْقُوبَ الْقَاضِي ، ثنا حَفْصُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ ، ثنا شُعْبَةُ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ أَبِي الضُّحَى ، عَنْ مَسْرُوقٍ ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ فِي رُكُوعِهِ: «سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي» .
رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عُمَرَ ، عَلَى الْمُوَافَقَةِ، وَفِي لَفْظِهِ: يَقُولُ فِي رُكُوعِهِ: «سُبْحَانَكَ» .
وَقَدِ اجْتَمَعَتِ الأَئِمَّةُ السِّتَّةُ، عَلَى إِخْرَاجِهِ مِنْ حَدِيثِ مَنْصُورٍ
أَنْشَدَنَا مُحَمَّدُ بْنُ طَلْحَةَ لِنَفْسِهِ بِدِمَشْقَ
وَلَمْيَاءُ يُصْبِي حُسْنُهَا كُلَّ نَاسِكٍ
… وَيُنْسِيهِ أَوْرَادَ الْعِبَادَةِ وَالزُّهْدِ
نَعِمْتُ بِهَا وَالْعُمْرُ فِي عُنْفُوَانِهِ
… بِشَرْخٍ شَبَابُ فُؤَادِهِ حَالِكُ الْبَرْدِ
وَكَانَ بِهَا ضِعْفُ الَّذِي بِي مِنَ الْهَوَى
… وَقَدْ وَجَدَتْ أَرْوَاحُنَا لَذَّةَ الْوَجْدِ
وإِنِّي إِنْ بَدَا فِي لَيْلِ فُؤَادِي أَنْجُمُ
… مِنَ الشَّيْبِ أَبْدَتْ نبوة الْخَلقِ الْجَعْدِ
فَكَانَ عِذَارِي عِنْدَهَا عُذْرَ وَصْلِهَا
… فَشِبْتُ فَأَضْحَى الْعُذْرُ فِي صَدِّهَا عِنْدِي
فَاعْجَبْ بِأَمْرٍ كَانَ دَاعِيَةَ الْهَوَى
… زَمَانًا فَأَضْحَى وَهُوَ دَاعِيَةُ الصَّدِّ
هَذَانِ الْبَيْتَانِ الآخِرَانِ لِغَيْرِهِ ذَكَرَهُمَا تَضْمِينًا، وَأَنْشَدَنَا أَيْضًا لِنَفْسِهِ فِي الْمُنَجِّمِ
إِذَا حَكَمَ الْمُنَجِّمُ فِي الْقَضَايَا
… بِحُكْمٍ جَازِمٍ فَارْدُدْ عَلَيْهِ
فَلَيْسَ بِعَالِمٍ مَا اللَّهُ قَاضٍ
… فَقَلِّدْنِي وَلا تَرْكُنْ إِلَيْهِ
وَأَنْشَدَنَا أَيْضًا لِنَفْسِهِ فِي الْمَعْنَى
لا تَرْكُنَنَّ إِلَى مَقَالِ مُنَجِّمٍ
… وَكِلِ الأُمُورَ إِلَى الإِلَهِ وَسَلِّمِ
وَاعْلَمْ بِأَنَّكَ إِنْ جَعَلْتَ لِكَوْكَبٍ
… تَدْبِيرًا فَلَسْتَ بِمُسْلِمِ
وَمَا أَنْشَدَ أَيْضًا وَلِي مِنْهُ إِجَازَةٌ
فَمَا الزُّهْدُ فِي دُنْيَا رَمَتْكَ بِصَدِّهَا
… وَإِعْرَاضِهَا إِلا مُغَالَطَةُ الْعَقْلِ
وَلَكِنْ إِذَا أَلْقَتْ إِلَيْكَ زِمَامَهَا
… فَزُهْدُكَ فِيهَا شَاهِدٌ لَكَ بِالْفَضْلِ
رَحَلَ هَذَا الشَّيْخُ إِلَى خُرَاسَانَ فِي طَلَبِ الْفِقْهِ، وَالْعِلْمِ وَسَمِعَ بِشاذياخَ بِنَيْسَابُورَ صَحِيحَ مُسْلِمٍ مِنَ الْمُؤَيَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الطُّوسِيِّ ، عَنِ الْفُرَاوِيِّ بِسَنَدِهِ الْمَشْهُورِ ، وَسَمِعَ مِنْهُ أَيْضًا كِتَابَ الْوَسِيطِ فِي تَفْسِيرِ الْقُرْآنِ، لأَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ الْوَاحِدِيِّ ، وَقَدْ قَرَأْتُهُ عَلَيْهِ بِحَلَبَ بِسَمَاعِ الْمُؤَيَّدِ مِنْ عَبْدِ الْجَبَّارِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْخُوَارِيِّ الْبَيْهَقِيِّ ، عَنِ الْوَاحِدِيِّ ، وَسَمِعَ مِنْهُ غَيْرَ ذَلِكَ ، وَكَانَ إِمَامًا عَالِمًا بِالْفِقْهِ، وَالأُصُولِ وَالْخِلافِ وَغَيْرِ ذَلِكَ ، مُفْتِيًا عَلَى مَذْهَبِ الإِمَامِ الشَّافِعِيِّ ، رحمه الله، مُعَظَّمًا عِنْدَ الْمُلُوكِ وَالسُّوقَةِ ، وَلِيَ الْوِزَارَةَ بِدِمَشْقَ يَوْمًا أَوْ يَوْمَيْنِ ، ثُمَّ تَرَكَهَا وَخَرَجَ عَنْ مَرْكُوبِهِ وَمَلْبُوسِهِ ، وَزَهِدَ فِي الدُّنْيَا، وَرَغِبَ فِي الآخِرَةِ ، وَانْقَطَعَ إِلَى أَهْلِهِ، وَأَقْبَلَ عَلَى عِبَادَتِهِ إِلَى أَنْ تُوُفِّيَ بِحَلَبَ فِي يَوْمِ السَّبْتِ بَعْدَ صَلاةِ الْفَجْرِ السَّابِعِ وَالْعِشْرِينَ مِنْ رَجَبٍ سَنَةَ اثْنَيْنِ وَخَمْسِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ ، وَدُفِنَ مِنْ يَوْمِهِ بِالْمَقَابِرِ ظَاهِرَ بَابِ الْعِرَاقِ، وَكَانَ مَوْلِدُهُ بِالْعُمَرِيَّةِ مِنْ قُرَى نَصِيبِينَ الْحريره يَوْمَ عَاشُورَاءَ سَنَةَ اثْنَيْنِ وَثَمَانِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ
৩ - আমি আল-ইমাম আবু সালিম মুহাম্মদ বিন তালহার সামনে আলেপ্পোতে পাঠ করেছি; তিনি বলেন: আপনাকে আবু আল-হাসান আল-মুআইয়াদ বিন মুহাম্মদ বিন আলি আত-তুসি নিশাপুরে পাঠের মাধ্যমে এবং আবু আত-তুসি এক বছরের জন্য সাধারণ অনুমতির (ইজাজাহ) মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন যে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফকিহ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-ফজল বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ আল-ফুরাওয়ি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জাহিদ আবু হাফস উমর বিন আহমাদ বিন উমর বিন মুহাম্মদ বিন মাসরুর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর ইসমাইল বিন নুজাইদ বিন আহমাদ বিন ইউসুফ আস-সুলামি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইউসুফ বিন ইয়াকুব আল-কাদি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাফস বিন মুহাম্মদ বিন উমর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু’বাহ, তিনি মানসুর থেকে, তিনি আবু আদ-দুহা থেকে, তিনি মাসরুক থেকে, তিনি আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর রুকুতে বলতেন: «হে আল্লাহ! হে আমাদের রব! আপনার পবিত্রতা বর্ণনা করছি এবং আপনার প্রশংসা করছি; হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন।»
এটি ইমাম বুখারি হাফস বিন উমরের সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর শব্দে রয়েছে: তিনি তাঁর রুকুতে বলতেন: «আপনার পবিত্রতা বর্ণনা করছি।»
ছয়জন ইমামই মানসুরের হাদিস থেকে এটি উদ্ধৃত করার ব্যাপারে একমত হয়েছেন।
মুহাম্মদ বিন তালহা দামেস্কে নিজের রচিত কবিতা আমাদের শুনিয়েছেন:
লামিয়া যার সৌন্দর্য প্রত্যেক ইবাদতকারীকে মোহিত করে
… এবং তাকে ইবাদতের জিকির ও দুনিয়াবিমুখতা ভুলিয়ে দেয়।
আমি তা উপভোগ করেছি যখন জীবন ছিল তার প্রারম্ভে
… যৌবনের শুরুতে যার হৃদয়ের সজীবতা ছিল ঘোর কৃষ্ণবর্ণের শীতলতায়।
তার মাঝে ছিল আমার প্রতি আসক্তির সেই দুর্বলতা যা আমার ছিল
… এবং আমাদের আত্মাসমূহ খুঁজে পেয়েছিল প্রেমের পরম স্বাদ।
যখন আমার হৃদয়ের রজনীতে উদিত হলো নক্ষত্ররাজি
… বার্ধক্যের শুভ্রতা থেকে, তখন তা প্রকাশ করল কোঁকড়া চুলের অবাধ্যতা।
সে সময় আমার গালের রেখা ছিল তার কাছে মিলনের ওজর
… অতঃপর আমি বার্ধক্যে উপনীত হলাম, ফলে ওজরটি পরিণত হলো আমার প্রতি তার বিমুখতায়।
বিস্মিত হও সেই বিষয়ের প্রতি যা একদা ছিল অনুরাগের আহ্বানকারী
… দীর্ঘকাল ধরে, অতঃপর তা হয়ে গেল বিমুখতার আহ্বানকারী।
শেষের এই দুই পঙক্তি অন্য কারো, তিনি তা অনুপ্রাস হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি জ্যোতিষী সম্পর্কেও নিজের রচিত কবিতা আমাদের শুনিয়েছেন:
যখন জ্যোতিষী ঘটনাবলীর বিষয়ে ফয়সালা দেয়
… চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে, তখন তুমি তা তার ওপরই ফিরিয়ে দাও।
আল্লাহ যা ফয়সালা করেন সে বিষয়ে সে জ্ঞাত নয়
… সুতরাং আমার অনুসরণ করো এবং তার প্রতি ঝুঁকে পড়ো না।
তিনি একই বিষয়ে আমাদের আরও শুনিয়েছেন:
জ্যোতিষীর কথায় কখনো ঝুঁকে পড়ো না
… সকল বিষয় আল্লাহর ওপর ন্যস্ত করো এবং আত্মসমর্পণ করো।
জেনে রেখো, তুমি যদি কোনো নক্ষত্রের জন্য
… পরিচালনা সাব্যস্ত করো, তবে তুমি মুসলিম নও।
তিনি আরও যা শুনিয়েছেন এবং যে বিষয়ে আমার নিকট তাঁর ইজাজাহ রয়েছে:
সেই দুনিয়ার প্রতি বিমুখতা যা তোমাকে বিমুখতা ও উপেক্ষা দিয়ে নিক্ষেপ করেছে
… তা বুদ্ধির বিভ্রম ছাড়া আর কিছুই নয়।
বরং দুনিয়া যখন তার লাগাম তোমার হাতে সঁপে দেয়
… তখন তার প্রতি তোমার বিমুখতাই তোমার শ্রেষ্ঠত্বের সাক্ষ্য দেয়।
এই শায়খ ফিকহ ও ইলম অন্বেষণে খোরাসানে সফর করেছিলেন। তিনি নিশাপুরের শাজিয়াখে আবু আল-হাসান আল-মুআইয়াদ বিন মুহাম্মদ আত-তুসির নিকট থেকে আল-ফুরাওয়ির সুপ্রসিদ্ধ সনদে সহিহ মুসলিম শ্রবণ করেছেন। তিনি তাঁর নিকট থেকে আবু আল-হাসান আলি বিন আহমাদ আল-ওয়াহিদি রচিত কুরআনের তাফসির ‘আল-ওয়াসিত’ কিতাবটিও শ্রবণ করেছেন। আমি এটি তাঁর নিকট আলেপ্পোতে পাঠ করেছি, যা আল-মুআইয়াদ আব্দুল জাব্বার বিন মুহাম্মদ আল-খুওয়ারি আল-বাইহাকির নিকট থেকে এবং তিনি আল-ওয়াহিদির নিকট থেকে শ্রবণ করেছিলেন। এ ছাড়াও তিনি তাঁর নিকট থেকে আরও অনেক কিছু শ্রবণ করেছেন। তিনি ফিকহ, উসুল, শাস্ত্রীয় মতভেদ ও অন্যান্য বিষয়ে একজন আলেম ও ইমাম ছিলেন। তিনি ইমাম শাফিঈ (রহ.)-এর মাযহাব অনুযায়ী ফতোয়া প্রদানকারী মুফতি ছিলেন। রাজা-বাদশাহ ও সাধারণ মানুষের কাছে তিনি অত্যন্ত সম্মানিত ছিলেন। তিনি দামেস্কে এক বা দুই দিনের জন্য মন্ত্রিত্বের দায়িত্ব পালন করেছিলেন, অতঃপর তা ত্যাগ করেন এবং নিজের বাহন ও পোশাক বর্জন করেন। তিনি দুনিয়ার প্রতি বিমুখ ও আখিরাতের প্রতি অনুরক্ত হন। তিনি নিজের পরিজন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ইবাদতে মনোনিবেশ করেন এবং পরিশেষে আলেপ্পোতে ৬৫২ হিজরির ২৭শে রজব শনিবার ফজর সালাতের পর ইন্তেকাল করেন। সেই দিনই তাঁকে ইরাক গেটের বাইরে কবরস্থানে দাফন করা হয়। তাঁর জন্ম হয়েছিল ৫৮২ হিজরির আশুরার দিনে নসিবিনের ‘আল-উমারিয়্যাহ’ নামক গ্রামে।
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عِيسَى بْنِ مغنين بْنِ عَلِيِّ بْنِ يُوسُفَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْعجيسِيُّ الإِسْكَنْدَرِيُّ الْفَقِيهُ الْمُحَدِّثُ الْعَدْلُ الْمَنْعُوتُ بِالضِّيَاءِ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الْمَتِّيجِيِّبِتَشْدِيدِ التَّاءِ الْمُثَنَّاةِ مِنْ فَوْقِ وَكَسْرِهَا وَبَعْدَهَا يَاءٌ آخِرُ الْحُرُوفِ، ثُمَّ جِيمٌ
মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন ইবরাহিম বিন ঈসা বিন মুগনিন বিন আলী বিন ইউসুফ আবু আবদুল্লাহ আল-উজাইসি আল-ইসকান্দারি, ফকিহ, মুহাদ্দিস ও নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী, তিনি ‘আদ-দিয়া’ উপাধিতে ভূষিত এবং ইবনুল মাত্তিজি নামে পরিচিত ছিলেন।উপরের দুই নুকতা বিশিষ্ট ‘তা’ বর্ণে তাশদিদ ও কাসরা (জের) সহকারে, এরপর বর্ণমালার শেষ অক্ষর ‘ইয়া’, তারপর ‘জিম’।
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
4 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمنيجِيُّ ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِالإِسْكَنْدَرِيَّةِ فِي الْمُقَدِّمَةِ الثَّانِيَةِ ، أَخْبَرَكَ أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَكِّيِّ بْنِ حَمْزَةَ الأَنْصَارِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنْتَ تَسْمَعُ فِي صَفَرٍ سَنَةَ سَبْعٍ وَتِسْعِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ ، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الشَّاهِدِ ، أنا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْفَارِسِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنَا أَسَمْعُ، قَالَ: أنا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَيُّوِيَةَ النَّيْسَابُورِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْنَا مِنْ كِتَابِهِ فِي جُمَادَى الأُولَى سَنَةَ سِتِّينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ ، أنا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَحْمَدُ بْنُ شُعَيْبِ بْنِ عَلِيٍّ النَّسَائِيُّ ، أَخْبَرَنِي مَسْعُودُ بْنُ جُوَيْرِيَةَ ، ثنا الْمُعَافَى ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جَعْفَرٍ ، حَدَّثَنِي أَبِي ، عَنْ جَدِّي أَبِي الْحَكَمِ رَافِعٍ، أَنَّهُ أَسْلَمَ، وَأَبَتِ امْرَأَتُهُ الإِسْلامَ، فَأَتَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ ابْنَتِي، قَالَتْ: هِيَ فَطِيمٌ أَوْ شِبْهُ الْفَطِيمِ، فَقَالَ أَبُو الْحَكَمِ: يَا رَسُولَ اللَّهِ ابْنَتِي فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «اقْعُدْ نَاحِيَةً» .
وَقَالَ لَهَا: «اقْعُدِي نَاحِيَةً» .
وَأَقْعَدَ الصَّبِيَّةَ مِنْهُمَا ، ثُمَّ قَالَ: «ادْعُوَاهَا» .
فَمَالَتِ الصَّبِيَّةُ إِلَى أُمِّهَا، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «اللَّهُمَّ اهْدِهَا» .
فَمَالَتْ إِلَى أَبِيَها فَأَخَذَهَا.
رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ فِي الطَّلاقِ ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُوسَى ، عَنْ عِيسَى بْنِ يُونُسَ بْنِ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَكَمِ بْنِ رَافِعٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبِي ، عَنْ جَدِّي رَافِعِ بْنِ سِنَانٍ الأَنْصَارِيِّ، فَذَكَرَهُ.
وَرَوَاهُ النَّسَائِيُّ أَيْضًا مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جَعْفَرٍ
وَتُوُفِّيَ ابْنُ المنيجي فِي لَيْلَةِ الاثْنَيْنِ الثَّامِنِ مِنْ جُمَادَى الآخِرَةِ سَنَةَ تِسْعٍ وَخَمْسِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ ، وَدُفِنَ بِجِوَارِ وَالِدِهِ بِجَرَشَةَ بِالثَّغْرَةِ دَاخِلَ الإِسْكَنْدَرِيَّةِ ، رحمه الله.
مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ غنيمَةَ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْبَغْدَادِيُّ الإِسْكَافُ
৪ - আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ আল-মানিজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলেকজান্দ্রিয়ায় দ্বিতীয় মুকাদ্দিমায় তার নিকট আমার পাঠকালে; আবুল কাসিম আবদুর রহমান বিন মাক্কি বিন হামজা আল-আনসারি আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন, ৫৯৭ হিজরির সফর মাসে তার নিকট পাঠের মাধ্যমে যা আপনি শ্রবণ করছিলেন; আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন ইবরাহিম আশ-শাহিদ থেকে; আবুল কাসিম আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আলী আল-ফারিসি আমাদের জানিয়েছেন, তার নিকট পাঠকালে এবং আমি শ্রবণ করছিলাম; তিনি বললেন: আবুল হাসান মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ বিন হাইয়ুওয়াহ আন-নায়সাবুরি আমাদের জানিয়েছেন, ৩৬০ হিজরির জুমাদাল উলা মাসে তার কিতাব থেকে আমাদের নিকট পাঠের মাধ্যমে; আবু আবদুর রহমান আহমাদ বিন শুআইব বিন আলী আন-নাসায়ি আমাদের জানিয়েছেন; মাসউদ বিন জুওয়াইরিয়াহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন; আল-মুআফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল হামিদ বিন জাফর থেকে; আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার দাদা আবুল হাকাম রাফি থেকে যে, তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন, কিন্তু তার স্ত্রী ইসলাম গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন। তখন তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট এসে বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, আমার কন্যা! তিনি বললেন: সে দুধ ছাড়ানো হয়েছে বা তার কাছাকাছি বয়সের। তখন আবুল হাকাম বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, আমার কন্যা! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: "তুমি এক পাশে বসো।"
এবং তাকে বললেন: "তুমি অন্য পাশে বসো।"
অতঃপর তিনি ছোট মেয়েটিকে তাদের উভয়ের মাঝখানে বসিয়ে দিলেন এবং বললেন: "তোমরা উভয়েই তাকে ডাকো।"
মেয়েটি তার মায়ের দিকে ঝুঁকে পড়ল। তখন আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: "হে আল্লাহ! তাকে সঠিক পথ দেখাও।"
অতঃপর সে তার পিতার দিকে ঝুঁকে পড়ল এবং তিনি তাকে গ্রহণ করলেন।
এটি আবু দাউদ তালাক অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম বিন মুসা থেকে, তিনি ঈসা বিন ইউনুস বিন আবদুল হামিদ বিন জাফর বিন আবদুল্লাহ বিন আল-হাকাম বিন রাফি থেকে; তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আমার দাদা রাফি বিন সিনান আল-আনসারি থেকে; অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেছেন।
এবং এটি নাসায়িও আবদুল হামিদ বিন জাফরের হাদিস থেকে বর্ণনা করেছেন।
ইবনুল মানিজি ৬৫৯ হিজরির ৮ই জুমাদাল আখিরা সোমবার দিবাগত রাতে ইন্তেকাল করেন এবং আলেকজান্দ্রিয়ার অভ্যন্তরে সাগরাহ অঞ্চলের জারশাহ নামক স্থানে তার পিতার পাশে তাকে সমাহিত করা হয়। আল্লাহ তার ওপর রহম করুন।
মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ বিন আবু বকর বিন গুনাইমাহ বিন আবুল হাসান আবু আবদুল্লাহ আল-বাগদাদি আল-ইস্কাফ।
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
5 - أنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِمَسْجِدِ دَرْبِ الْمَزرع بِدَارِ الْبَسَاسِيرِيِّ شَرْقِيِّ بَغْدَادَ ، أنا أَبُو أَحْمَدَ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ.....
قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ ، أنا أَبُو الْقَاسِمِ زَاهِرُ بْنُ طَاهِرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ يُوسُفَ الشَّحَّامِيُّ الْمُسْتَمْلِي النَّيْسَابُورِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ فِي شَوَّالٍ مِنْ سَنَةِ خَمْسٍ وَعِشْرِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، قَالَ: أنا أَبُو سَعْدٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْكَنْجَرُوذِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، أنا أَبُو عَمْرٍو مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَمْدَانَ الْحِيرِيُّ ، أنا أَبُو يَعْلَى أَحْمَدُ بْنُ الْمُثَنَّى الْمَوْصِلِيُّ ، ثنا شَيْبَانُ ، ثنا حَمَّادٌ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، أَتَاهُ جِبْرِيلُ وَهُوَ يَلْعَبُ مَعَ الْغِلْمَانِ، فَأَخَذَهُ، فَصَرَعَهُ، فَشَقَّ قَلْبَهُ، فَاسْتَخْرَجَ مِنْهُ عَلَقَةً، قَالَ: هَذَا حَظُّ الشَّيْطَانِ مِنْكَ ، ثُمَّ غَسَلَهُ فِي طَسْتٍ مِنْ ذَهَبٍ بِمَاءِ زَمْزَمَ ، ثُمَّ لأَمَهُ ، ثُمَّ أَعَادَهُ فِي مَكَانِهِ ، وَجَاءَ الْغِلْمَانُ يَسْعَوْنَ إِلَى أُمِّهِ ، يَعْنِي ظِئْرَهُ، فَقَالُوا: إِنَّ مُحَمَّدًا قَدْ قُتِلَ ، فَاسْتَقَبَلَتْهُ مُنْتَقِعَ اللَّوْنِ، قَالَ أَنَسٌ: «قَدْ كُنْتُ أَرَى أَثَرَ ذَلِكَ الْمَخِيطِ فِي صَدْرِهِ» .
رَوَاهُ مُسْلِمٌ فِي الإِيمَانِ ، عَنْ شَيْبَانَ بْنِ فَرُّوخَ الأَيْلِيِّ عَلَى الْمُوَافَقَةِ كَمَا رَوَيْنَاهُ.
مَوْلِدُ الإِسْكَافِ تَقْدِيرًا بَعْدَ الثَّمَانِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ.
৫ - আমি আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ, পূর্ব বাগদাদের দারুল বাসাসিরিতে মাসজিদে দারবিল মাজরায় তাঁর নিকট আমার পাঠ করার মাধ্যমে; আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আবু আহমদ ইবন আবদুল ওয়াহহাব ইবন আলী ইবন আলী ইবন উবায়দুল্লাহ...
তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি শ্রবণ করছিলাম; আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আবুল কাসিম জহির ইবন তাহির ইবন মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন ইউসুফ আশ-শাহহামি আল-মুস্তামলি আন-নাইসাবুরি, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি শ্রবণ করছিলাম পাঁচশত পঁচিশ হিজরি সনের শাওয়াল মাসে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আবু সাদ মুহাম্মদ ইবন আবদুর রহমান ইবন মুহাম্মদ আল-কানজারুজি, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে; আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আবু আমর মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন হামদান আল-হিরি; আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আবু ইয়ালা আহমদ ইবনুল মুসান্না আল-মাওসিলি; শায়বান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; হাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আনাস (রা.) থেকে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট জিবরাঈল (আ.) আগমন করলেন যখন তিনি বালকদের সাথে খেলছিলেন। এরপর তিনি তাঁকে ধরলেন এবং শুইয়ে দিলেন, অতঃপর তাঁর বক্ষ বিদীর্ণ করলেন এবং তা থেকে একটি রক্তপিণ্ড বের করলেন। তিনি বললেন: এটি তোমার মধ্য থেকে শয়তানের অংশ। তারপর তিনি তা একটি স্বর্ণের পাত্রে জমজমের পানি দ্বারা ধৌত করলেন, এরপর তা পুনরায় জোড়া দিলেন এবং তাঁর যথাস্থানে ফিরিয়ে দিলেন। বালকরা দৌড়ে তাঁর মায়ের নিকট (অর্থাৎ তাঁর দুধমা) গেল এবং বলল: মুহাম্মদকে হত্যা করা হয়েছে। তখন তারা তাঁর অভিমুখে এগিয়ে এল এমতাবস্থায় যে তাঁর চেহারা বিবর্ণ হয়ে গিয়েছিল। আনাস (রা.) বলেন: "আমি তাঁর বক্ষে সেই সেলাইয়ের চিহ্ন দেখতে পেতাম।"
ইমাম মুসলিম এটি ঈমান অধ্যায়ে শায়বান ইবন ফাররুখ আল-আইলি থেকে আমাদের বর্ণিত সনদের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বর্ণনা করেছেন।
আল-ইস্কাফ-এর জন্ম আনুমানিক পাঁচশত আশি হিজরি সনের পরে।
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
مُحَمَّدُ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَسَنِ الصُّوفِيُّ............................................
মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হাসান আস-সূফি............................................
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْعَالِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ التَّمِيمِيُّ التُّونُسِيُّ الشِّيرَانِيُّقَرَأْتُ عَلَى مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بِالإِسْكَنْدَرِيَّةِ ، أَنْشَدَكَ الإِمَامُ الْعَالِمُ الزَّاهِدُ أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ جُبَيْرٍ الْكِنَانِيُّ ، بِقِرَاءَتِكَ عَلَيْهِ فِي سقط زندِ الْفرنجَةِ فِي بَذْلِ النَّصِيحَةِ لِنَفْسِهِ
بَدَتْ لِي أَعْلَامُ بَيْتِ الْهُدَى
… بِمَكَّةَ وَالنُّورُ بَادٍ عَلَيْهِ
فَأَحْرَمْتُ شَوْقًا لَهُ بِالْهَوَى
… وَأَهْدَيْتُ قَلْبِي هَدْيًا إِلَيْهِ
وَأَنْشَدَنَا أَيْضًا، قَالَ: أَنْشَدَنَا ابْنُ جُبَيْرٍ لِنَفْسِهِ
هَنِيئًا لِمَنْ حَجَّ بَيْتَ الْهُدَى
… وَحَطَّ عَنِ النَّفْسِ أَوْزَارَهَا
وَإِنَّ السَّعَادَةَ مَضْمُونَةٌ
… لِمَنْ حَلَّ طيسه أَوْزَارهَا
মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আব্দুল আলি আবু আবদুল্লাহ আল-তামিমি আল-তিউনিসি আল-শিরানিআমি আলেকজান্দ্রিয়ায় মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহর নিকট পাঠ করেছি; ইমাম, আলিম ও যাহেদ আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে জুবায়ের আল-কিনানি আপনার নিকট পাঠকালে ফ্রাঙ্কদের (ইউরোপীয়দের) ভূমিতে নিজের নফসকে নসিহত করার উদ্দেশ্যে নিম্নোক্ত কবিতা আবৃত্তি করেছেন
মক্কায় হেদায়েতের ঘরের নিদর্শনসমূহ আমার নিকট প্রকাশিত হলো
… আর তার ওপর নূর উদ্ভাসিত ছিল
অতঃপর আমি ব্যাকুল অনুরাগে তার জন্য ইহরাম বাঁধলাম
… আর আমার হৃদয়কে তার কাছে হাদিয়া হিসেবে পেশ করলাম
তিনি আমাদের আরও আবৃত্তি করে শোনালেন এবং বললেন: ইবনে জুবায়ের স্বীয় রচিত এই পঙক্তিগুলো আমাদের শুনিয়েছেন
মুবারকবাদ তার জন্য যে হেদায়েতের ঘরের হজ পালন করল
… এবং নিজের নফস থেকে পাপের বোঝা ঝরিয়ে দিল
আর নিশ্চয়ই সৌভাগ্য তার জন্য সুনিশ্চিত
… যে তার পবিত্র প্রাঙ্গণে এসে স্বীয় বোঝাগুলো নামিয়ে রাখল
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْفَضْلِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ السُّلَمِيُّ الأَنْدَلُسِيُّ الْمَرْسِيُّ الْفَقِيهُ الْمُحَدِّثُ الْمُفَسِّرُ النَّحْوِيُّ الأَدِيبُ الزَّاهِدُ الْمَنْعُوتُ.....
মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবুল ফজল আবু আব্দুল্লাহ আস-সুলামি আল-আন্দালুসি আল-মারসি; ফকিহ, মুহাদ্দিস, মুফাসসির, ব্যাকরণবিদ, সাহিত্যিক, নিস্পৃহ তাপস এবং বিশেষভাবে বিশেষায়িত।.....
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
6 - قَرَأْتُ عَلَى الإِمَامِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ بِمَكَّةَ ، وَكُنْتُ لَقِيتُهُ بِمِصْرَ قَبْلَ ذَلِكَ أَخْبَرَكَ أَبُو الْقَاسِمِ ، وَأَبُو الْفَتْحِ مَنْصُورُ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْعَبَّاسِ الْفُرَاوِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِنَيْسَابُورَ فِي سَنَةِ سِتٍّ وَسِتِّ مِائَةٍ ، أنا الإِمَامُ أَبُو الْمَعَالِي مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْفَارِسِيُّ ، أنا الْفَقِيهُ الْحَافِظُ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيٍّ الْبَيْهَقِيُّ الشَّافِعِيُّ ، أنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ ، أنا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَفَّانَ الْعَامِرِيُّ ، نا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ الْجُعْفِيُّ ، عَنْ زَائِدَةَ ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لا يُقْبَلُ صَدَقَةٌ مِنْ غُلُولٍ ، وَلا صَلاةٌ بِغَيْرِ طُهُورٍ»
৬ - আমি মক্কায় ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদের নিকট পাঠ করেছি, ইতিপূর্বে মিশরে তাঁর সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়েছিল। আবুল কাসিম এবং আবুল ফাতহ মানসুর বিন আব্দুল মুনইম বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন ফাদল বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আবিল আব্বাস আল-ফুরাওয়ী আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন—৬০৬ হিজরী সনে নিশাপুরে তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছিল। ইমাম আবুল মাআলী মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল বিন মুহাম্মাদ আল-ফারিসী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। ফকিহ ও হাফিজ আবু বকর আহমাদ বিন আল-হুসাইন বিন আলী আল-বায়হাকী আশ-শাফিয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আবুল আব্বাস মুহাম্মাদ বিন ইয়াকুব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আল-হাসান বিন আলী বিন আফফান আল-আমিরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। হুসাইন বিন আলী আল-জুফী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যাইদাহ থেকে, তিনি সিমাক বিন হারব থেকে, তিনি মুসআব বিন সাদ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ থেকে সদকা কবুল করা হয় না এবং পবিত্রতা অর্জন ব্যতীত সালাত কবুল হয় না।»
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
7 - أَخْبَرَنَاهُ عَالِيًا، وَمُوَافَقَةً أَبُو الْحَجَّاجِ الْحَافِظُ، قَالَ: أنا أَبُو الْحَسَنِ الْجَمَّالُ ، أنا أَبُو عَلِيٍّ الْحَدَّادُ ، أنا أَبُو نُعَيْمٍ الْحَافِظُ ، ثنا أَبُو حَفْصٍ الْخَطَّابِيُّ ، ثنا أَبُو مُسْلِمٍ الْكَشِّيُّ ، ثنا أَبُو الْوَلِيدِ ، وَأَبُو عُمَرَ الضَّرِيرُ.
ح، قَالَ أَبُو نُعَيْمٍ: وَحَدَّثَنَا حَبِيبُ بْنُ الْحَسَنِ ، ثنا يُوسُفُ الْقَاضِي ، ثنا ابْنُ أَبِي بَكْرٍ.
ح، قَالَ: وثنا حَبِيبُ بْنُ الْحَسَنِ ، ثنا عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ السَّدُوسِيُّ ، ثنا عَاصِمُ بْنُ عَلِيٍّ.
ح، قَالَ: وثنا أَبُو عَمْرِو بْنُ حَمْدَانَ ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ ، ثنا أَبُو كَامِلٍ الْفُضَيْلُ بْنُ الْحُسَيْنِ، قَالُوا: ثنا أَبُو عَوَانَةَ ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ: دَخَلَ ابْنُ عُمَرَ عَلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَامِرٍ يَعُودُهُ ، فَجَعَلَ النَّاسُ يَثْنُونَ عَلَى ابْنِ عَامِرٍ، وَابْنُ عُمَرَ سَاكِتٌ فَقَالَ أَبُو عَامِرٍ: يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ مَا يَمْنَعُكَ أَنْ تَقُولَ: قَالَ أَبِي: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لا يَقْبَلُ اللَّهُ صَلاةً بِغَيْرِ طَهُورٍ ، وَلا صَدَقَةً مِنْ غُلُولٍ» .
وَقَدْ وَلِيتَ الْبَصْرَةَ.
رَوَاهُ مُسْلِمٌ ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ مَنْصُورٍ ، وَقُتَيْبَةَ وَأَبِي كَامِلٍ ، ثَلاثَتِهِمْ ، عَنْ أَبِي عَوَانَةَ ، وَرَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ ، عَنْ قُتَيْبَةَ ، عَنْ أَبِي عَوَانَةَ ، وَرَوَاهُ هُوَ، وَابْنُ مَاجَهْ مِنْ حَدِيثِ وَكِيعٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ سِمَاكٍ بِهِ
أَنْشَدَنَا ابْنُ أَبِي الْفَضْلِ الْمَرْسِيُّ لِنَفْسِهِ بِالْقَاهِرَةِ فِي شَيْخِهِ أَبِي إِسْحَاقَ، قَالَ:
يَا أَيُّهَا الْعِلْمُ الْمرفعُ قَدْرُهُ
… أَنْتَ الَّذِي فَوْقَ السِّمَاكِ خَلِيلُهُ
أَنْتَ الصَّبَاحُ الْمُسْتَنِيرُ لِمُتَّبِعِ
… عِلْمِ الْحَقَائِقِ أَنْتَ أَنْتَ دَلِيلُهُ
بِكَ يَا أَبَا إِسْحَاقَ يَتَّضِحُ الْهُدَى
… بِكَ تَسْتَبِينُ فُرُوعُهُ وَأُصُولُهُ
قَابِل مَنْ يَزْعُمُ التَّحْقِيقَ غَيْرَكَ إِنَّهُ
… مِثْلُ الْمجوز مَا الْعُقُولُ تُحِيلُهُ
قَلْبِي لِحُبِّكَ مِنْ ذَاتِهِ
… وَلِغَيْرِ حُبِّكَ يَسْتَحِيلُ قُبُولُهُ
لا زِلْتَ تُعْلِي قَدْرَ شَرْعِ رَسُولِهِ
… فَيَعُودُ كَالصُّبْحِ الْمُنِيرِ أَصِيلُهُ
مَوْلِدُ ابْنُ أَبِي الْفَضْلِ بِمَرْسِيَةَ مِنْ بِلادِ الأَنْدَلُسِ فِي ذِي الْحَجَّةِ سَنَةَ تِسْعٍ وَسِتِّينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ ، وَتُوُفِّيَ بِأَرْضِ الشَّامِ وَهُوَ مُتَوَجِّهٌ إِلَى دِمَشْقَ مِنَ الْعَرِيشِ وَالزّعفَا يَوْمَ الاثْنَيْنِ خَامِسَ عَشَرَ رَبِيعٍ الأَوَّلِ سَنَةَ خَمْسٍ وَخَمْسِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ ، وَدُفِنَ فِيهِ بِتَلِّ الزّعقة وَقَدْ زُرْتُهُ رضي الله عنه.
؟
৭ - উচ্চ সনদে এবং মুয়াফাকাত (অনুরূপ সনদ) হিসেবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফেজ আবু আল-হাজ্জাজ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আল-জাম্মাল, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাদ্দাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফেজ আবু নুআইম, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু হাফস আল-খাত্তাবি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু মুসলিম আল-কাশ্শি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আল-ওয়ালিদ এবং আবু উমর আদ-দারির।
(হ) এবং আবু নুআইম বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাবীব ইবনুল হাসান, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইউসুফ আল-কাজী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবনে আবি বকর।
(হ) তিনি বলেন: এবং আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাবীব ইবনুল হাসান, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন উমর ইবনে হাফস আস-সাদুসি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আসিম ইবনে আলী।
(হ) তিনি বলেন: এবং আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আমর ইবনে হামদান, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাসান ইবনে সুফিয়ান, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু কামিল আল-ফুদ্বাইল ইবনুল হুসাইন, তাঁরা সকলে বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আওয়ানাহ, তিনি সিমাক ইবনে হারব থেকে, তিনি মুসআব ইবনে সা’দ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ইবনে উমর (রা.) আব্দুল্লাহ ইবনে আমিরের নিকট তাঁকে অসুস্থাবস্থায় দেখতে প্রবেশ করলেন। তখন উপস্থিত মানুষজন ইবনে আমিরের প্রশংসা করতে লাগল, আর ইবনে উমর নীরব ছিলেন। তখন আবু আমির (ইবনে আমির) বললেন: হে আবু আব্দুর রহমান! আপনাকে কোন বিষয়টি (আমার প্রশংসা করতে) বাধা দিচ্ছে? ইবনে উমর বললেন: আমার পিতা বলেছেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: «আল্লাহ পবিত্রতা ব্যতীত কোনো সালাত কবুল করেন না এবং আত্মসাৎকৃত মালের কোনো সদকা কবুল করেন না।»
আর আপনি তো বসরার শাসনভার গ্রহণ করেছিলেন।
এটি ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে মানসুর, কুতায়বাহ এবং আবু কামিল থেকে - তাঁরা তিনজনেই আবু আওয়ানাহ থেকে। এবং ইমাম তিরমিযী এটি বর্ণনা করেছেন কুতায়বাহ থেকে, তিনি আবু আওয়ানাহ থেকে। এবং ইমাম তিরমিযী নিজে এবং ইবনে মাজাহ এটি অকি’-এর হাদীস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি সিমাক থেকে এই সূত্রে।
ইবনে আবি আল-ফযল আল-মুরসি কায়রোতে তাঁর শায়খ আবু ইসহাক সম্পর্কে নিজের রচিত কবিতা আমাদের আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন, তিনি বলেন:
হে ঐ উচ্চমর্যাদাশীল পতাকা যার সম্মান সুউচ্চ
… আপনি তো সেই যার বন্ধু সিমাফ নক্ষত্রেরও উপরে অবস্থান করে
অনুসরণকারীর জন্য আপনি প্রজ্জ্বলিত সুবহে সাদিক
… হাকীকতের জ্ঞানের ক্ষেত্রে আপনিই একমাত্র পথপ্রদর্শক
হে আবু ইসহাক! আপনার মাধ্যমেই হেদায়াত সুস্পষ্ট হয়
… আপনার মাধ্যমেই এর শাখা-প্রশাখা ও মূলনীতিসমূহ প্রকাশিত হয়
আপনি ছাড়া অন্য যে কেউ গবেষণার দাবি করে তার মোকাবিলা করুন
… কারণ সে তো এমন এক বৈধকারী যে অসম্ভবকেও বুদ্ধির নিকট গ্রাহ্য করতে চায়
আমার অন্তর তার স্বভাবজাতভাবেই আপনার ভালোবাসায় সিক্ত
… আপনার ভালোবাসা ব্যতীত অন্য কিছু গ্রহণ করা এর পক্ষে অসম্ভব
আপনি সর্বদা তাঁর রাসূলের শরীয়তের মর্যাদাকে সমুন্নত করতে থাকুন
… তবেই এর আদি রূপ উজ্জ্বল সকালের মতো ফিরে আসবে
ইবনে আবি আল-ফযলের জন্ম আন্দালুসের মুরসিয়া শহরে ৫৬৯ হিজরীর জিলহজ মাসে, এবং তিনি সিরিয়ার ভূমিতে ইন্তেকাল করেন যখন তিনি আল-আরিশ ও আয-যা’ফা থেকে দামেস্কের দিকে যাচ্ছিলেন। দিনটি ছিল ৬৫৫ হিজরীর ১৫ই রবিউল আউয়াল সোমবার। তাঁকে সেখানে তাল্লুয যা’কাতে দাফন করা হয়েছে এবং আমি তাঁর কবর জিয়ারত করেছি, আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন।
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُقْبِلٍ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْعجيبِيُّ الْمَكِّيُّ الْفَقِيهُ
মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন মুকবিল আবু আবদুল্লাহ আল-আজিবি আল-মাক্কি আল-ফকিহ
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
8 - قَرَأْتُ عَلَى مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْعجيبِيِّ بِالْحَرَمِ الشَّرِيفِ ، أَخْبَرَكَ أَبُو الْفُتُوحِ نَصْرُ بْنُ أَبِي الْفَرَجِ بْنِ عَلِيٍّ الْحَافِظُ ، أنا أَبُو زُرْعَةَ طَاهِرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ طَاهِرٍ الْمَقْدِسِيُّ ، أنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الْكَامِخِيُّ السَّاوِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ فِي الثَّالِثِ وَالْعِشْرِينَ مِنْ رَبِيعٍ الأَوَّلِ سَنَةَ سَبْعٍ وَثَمَانِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ ح ، وأنا..
الأَشْيَاخُ أَبُو الْحَسَنِ بْنُ أَبِي الْفَضَائِلِ ، وَأَبُو مُحَمَّدِ بْنُ أَبِي الْمَنْصُورِ ، وَأَبُو الْقَاسِمِ بْنُ أَبِي الْحَرَمِ ، سَمَاعًا ، وَأَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الصَّمَدِ كِتَابَةً قَالُوا: أنا أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْحَافِظُ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ، قَالَ: أنا أَبُو الْحَسَنِ مَكِّيُّ بْنُ مَنْصُورِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلانَ الْكَرْجِيُّ، بِأَصْبَهَانَ قَالا: أنا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ الْجَرَشِيُّ الْحِيرِيُّ ، ثنا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ يُوسُفَ الأَصَمُّ ، ثنا أَبُو يَحْيَى زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى بْنِ أَسَدٍ الْمَرْوَزِيّ بِبَغْدَادَ ، ثنا سُفْيَانُ ، عَنْ عَمْرٍو ، عَنْ أَبِي الْعَبَّاسِ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: حَاصَرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَهْلَ الطَّائِفِ فَلَمْ يَنَلْ مِنْهُمْ شَيْئًا قَالَ: «إِنَّا قَافِلُونَ غَدًا إِنْ شَاءَ اللَّهُ» .
فَقَالَ الْمُسْلِمُونَ: أَنَرْجِعُ وَلَمْ نَفْتَحْهُ؟ قَالَ لَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «اغْدُوا عَلَى الْقِتَالِ غَدًا فَأَصَابَهُمْ جِرَاحٌ» .
فَقَالَ لَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّا قَافِلُونَ غَدًا إِنْ شَاءَ اللَّهِ» .
فَأَعْجَبَهُمْ ذَلِكَ فَضَحِكَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم.
رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ ، عَنْ عَلِيٍّ وَقُتَيْبَةَ ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ ، فَرَوَاهُ مُسْلِمٌ ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ ، وَزُهَيْرٍ ، وَابْنِ نُمَيْرٍ ، وَرَوَاهُ النَّسَائِيُّ ، عَنْ عَبْدِ الْجَبَّارِ بْنِ الْعَلاءِ ، سَبْعَتِهِمْ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ فَوَقَعَ بَدَلا عَالِيًا لَهُمْ، وَاسْمُ أَبِي الْعَبَّاسِ السَّائِبُ بْنُ فَرُّوخَ
৮ - আমি হারামে শরীফে মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-আজীবীর নিকট পাঠ করেছি, আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফুতুহ নাসর ইবনে আবি আল-ফারাজ ইবনে আলী আল-হাফিয, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যুরআ তাহির ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে তাহির আল-মাকদিসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল-হাসান আল-কামিখি আস-সাভি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম চারশ সাতাশি হিজরী সনের রবিউল আউয়াল মাসের তেইশ তারিখে (হা), এবং আমাদের নিকট..
শাইখগণ আবু আল-হাসান ইবনে আবি আল-ফাদায়েল, আবু মুহাম্মাদ ইবনে আবি আল-মানসুর এবং আবু আল-কাসিম ইবনে আবি আল-হারাম শ্রবণের মাধ্যমে এবং আবু আল-হাসান আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবদিস সামাদ লিখিতভাবে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বললেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু তাহির আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আল-হাফিয, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-হাসান মাক্কি ইবনে মানসুর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল্লান আল-কারজি আসফাহানে, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-কাজি আবু বকর আহমাদ ইবনে আল-হাসান ইবনে আহমাদ আল-জারাশি আল-হিরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-আব্বাস মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইউসুফ আল-আসাম্ম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইয়াহইয়া জাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আসাদ আল-মারওয়াযি বাগদাদে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, আমর থেকে, তিনি আবু আল-আব্বাস থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তায়েফবাসীকে অবরোধ করলেন, কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোনো বিজয় লাভ করতে পারলেন না। তিনি বললেন: "আল্লাহ যদি চান তবে আমরা আগামীকাল ফিরে যাব।"
তখন মুসলিমগণ বললেন: আমরা কি জয় না করেই ফিরে যাব? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদেরকে বললেন: "তবে আগামীকাল সকালেই যুদ্ধে লিপ্ত হও। ফলে তাঁরা জখমপ্রাপ্ত হলেন।"
তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদেরকে বললেন: "আল্লাহ যদি চান তবে আমরা আগামীকাল ফিরে যাব।"
এতে তাঁরা আনন্দিত হলেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসলেন।
ইমাম বুখারী এটি আলী, কুতাইবাহ এবং আবদুল্লাহ ইবনুল জুবাইর থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুসলিম এটি আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহ, যুহাইর এবং ইবনে নুমাইর থেকে বর্ণনা করেছেন। এবং ইমাম নাসাঈ এটি আবদুজ জাব্বার ইবনুল আলা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা সাতজনই সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি তাঁদের জন্য একটি উঁচু স্তরের স্থলাভিষিক্ত বর্ণনা (বাদাল আলিন) হয়েছে। আর আবু আল-আব্বাসের নাম হলো আস-সাইব ইবনে ফাররুখ।
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عُقَيْلِ بْنِ حَيْدَرَةَ بْنِ عَلِيٍّ أَبُو بَكْرٍوَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ ، وَأَبُو أَحْمَدَ الْبَجَلِيُّ الدِّمَشْقِيُّ الْجَنْدِيُّ
মুহাম্মদ বিন আবদুল বাকী বিন মুহাম্মদ বিন উকাইল বিন হাইদারা বিন আলী আবু বকরএবং আবু আবদুল্লাহ, এবং আবু আহমদ আল-বাজালি আদ-দিমাশকি আল-জুন্দি
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
9 - قُرِئَ عَلَى مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْبَاقِي بِدِمَشْقَ ، وَأَنَا أَسْمَعُ أَخْبَرَكَ أَبُو عَلِيٍّ حَنْبَلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْبَغْدَادِيُّ ، أنا أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الشَّيْبَانِيُّ ، أنا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ التَّمِيمِيُّ ، أنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ الْقَطِيعِيُّ ، ثنا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ ، وَسَمِعْتُهُ مِنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ جُمَيْعٍ ، عَنْ أَبِي الطُّفَيْلِ، قَالَ: لَمَّا قُبِضَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، أَرْسَلَتْ فَاطِمَةُ إِلَى أَبِي بَكْرٍ أَنْتَ وَرَثْتَ رَسُولَ اللَّهِ، أَمْ أَهْلُهُ؟ قَالَ: فَقَالَ: بَلْ أَهْلُهُ قَالَتْ: فَأَيْنَ سُهْمَةُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ قَالَ: فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ: إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: " إِنَّ اللَّهَ إِذَا أَطْعَمَ نَبِيًّا طعمه ، ثُمَّ قَبَضَهُ جَعَلَهَا لِلَّذِي يَقُومُ مِنْ بَعْدِهِ، فَرَأَيْتُ أَنْ أَرُدَّهُ عَلَى الْمُسْلِمِينَ قَالَتْ: فَأَنْتَ وَمَا سَمِعْتَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.
رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ فِي الْخَرَاجِ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ ، عَنِ ابْنِ فُضَيْلٍ فَوَقَعَ بَدَلا عَالِيًا مِنْ رِوَايَةِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ ، عَنْ أَبِي شَيْبَةَ
৯ - দামেশকে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল বাকীর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম; তিনি বলেন: আবু আলী হানবাল ইবনে আবদুল্লাহ আল-বাগদাদী আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-শাইবানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আলী আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-তামীমী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আহমদ ইবনে জাফর ইবনে হামদান ইবনে মালিক আল-কাতিঈ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আবদুর রহমান আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি শাইবা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—এবং আমি এটি আবদুল্লাহ ইবনে আবি শাইবা থেকে শুনেছি—তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে ফুদাইল ওয়ালিদ ইবনে জুমাই থেকে, তিনি আবু আল-তুফায়েল থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইন্তেকাল করলেন, তখন ফাতিমা আবু বকরের নিকট সংবাদ পাঠালেন যে, আপনি রাসূলুল্লাহর উত্তরাধিকারী হবেন নাকি তাঁর পরিবার? তিনি বললেন: বরং তাঁর পরিবার। তিনি বললেন: তাহলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর অংশটি কোথায়? আবু বকর বললেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: "নিশ্চয়ই আল্লাহ যখন কোনো নবীকে কোনো জীবিকা দান করেন, অতঃপর তাঁর জান কবজ করেন, তখন তিনি তা তাঁর পরবর্তী দায়িত্ব পালনকারীর জন্য নির্ধারিত করে দেন।" তাই আমি তা মুসলিমদের মাঝে ফিরিয়ে দেওয়া সমীচীন মনে করেছি। তিনি বললেন: তবে আপনি এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে যা শুনেছেন তা-ই কার্যকর হোক।
এটি আবু দাউদ 'আল-খারাজ' অধ্যায়ে উসমান ইবনে আবি শাইবা থেকে, তিনি ইবনে ফুদাইল থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আবদুল্লাহ ইবনে আহমদের বর্ণনায় আবু শাইবা থেকে একটি 'বাদালে আলী' (উচ্চতর পর্যায়ের বিকল্প সনদ) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْجَلِيلِ بْنِ عَبْدِ الْكَرِيمِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي بَكْرٍ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْمُوقَانِيُّوَالْمَحْتِد الْمَقْدِسِيّ الْمَوْلِد الدِّمَشْقِيّ الْوَفَاة.....
أَنْشَدَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْجَلِيلِ الْمُوقَانِيُّ لِنَفْسِهِ بِدِمَشْقَ ، وَقَدْ كَتَبَ إِلَيْهِ بَعْضُ الأَصْحَابِ يَعْتِبُ عَلَيْهِ فِي قِلَّةِ الْكُتُبِ وَكَانَ اسْمُهُ عُمَرَ
يَا مَنْ بِهِ فِي الأَنَامِ أَفْتَخِرُ
… فِي غَيْرِ لُقْيَاكَ لَيْسَ لِي وَطَرُ
يَقُولُ مَوْلايَ قَدْ مَضَى زَمَنٌ
… وَمَا أَتَى مِنْ مُحَبِّنَا خَبَرُ
تَاللَّهِ كُتُبِي إِلَيْكَ سَارِيَةٌ
… فَكَيْفَ يَخْفَى عَلَيْكَ يَا عُمَرُ
مَوْلِدُهُ بِالْقُدْسِ يَوْمَ الْخَمِيسِ أَوَّلَ الْمُحَرَّمِ سَنَةَ إِحْدَى وَتِسْعِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ ، وَتُوُفِّيَ بِدِمَشْقَ فَجْأَةً وَقَدْ خَرَجَ مِنَ الْحَمَّامِ وَقَعَدَ عَلَى دَكَّةٍ فِي الطَّرِيقِ لِيَسْتَرِيحَ، فَمَاتَ فِي يَوْمِ السَّبْتِ الْحَادِي عَشَرَ مِنْ ذِي الْقِعْدَةِ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَسِتِّينَ وَسِتِّ مِائَةٍ رَحِمَهُ اللَّهُ
মুহাম্মদ ইবনে আবদুল জলীল ইবনে আবদুল করীম ইবনে উসমান ইবনে আবু বকর আবু আবদুল্লাহ আল-মুকানিযাঁর আদি বংশ ও জন্মস্থান হলো জেরুজালেম (মাকদিস) এবং মৃত্যুস্থান দামেস্ক.....
মুহাম্মদ ইবনে আবদুল জলীল আল-মুকানি দামেস্কে আমাদের নিকট স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করেছেন। তাঁর জনৈক বন্ধু—যাঁর নাম ছিল উমর—তাঁর নিকট পত্র লিখে চিঠিপত্রের স্বল্পতার কারণে অনুযোগ প্রকাশ করেছিলেন
হে সেই সত্তা, যাঁকে নিয়ে আমি মানুষের মাঝে গর্ব করি
… আপনার সাথে সাক্ষাৎ করা ব্যতীত আমার অন্য কোনো আকাঙ্ক্ষা নেই
আমার সুহৃদ বলছেন যে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলো
… অথচ আমাদের প্রিয়জনের পক্ষ থেকে কোনো সংবাদ এল না
আল্লাহর কসম, আপনার নিকট আমার পত্রসমূহ নিরন্তর যাচ্ছে
… তবে হে উমর, তা আপনার নিকট কীভাবে অগোচরে রয়ে গেল?
তাঁর জন্ম জেরুজালেমে ৫৯১ হিজরি সনের পহেলা মহররম বৃহস্পতিবার। তিনি দামেস্কে আকস্মিকভাবে ইন্তেকাল করেন; তিনি হাম্মাম (গোসলখানা) থেকে বের হয়ে বিশ্রামের জন্য রাস্তার ধারের একটি বেদিতে বসেছিলেন, এমতাবস্থায় ৬৬৪ হিজরি সনের ১১ই জিলকদ শনিবার তিনি মৃত্যুবরণ করেন। আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন।
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْجَلِيلِ بْنِ أَبِي الْمَجْدِ....بْن عَلِيٍّ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْبَغْدَادِيُّ الْمُعَدَّلُ التَّاجِرُ
মুহাম্মদ ইবন আব্দুল জলীল ইবন আবিল মাজদ....ইবন আলী আবু আব্দুল্লাহ আল-বাগদাদী আল-মুয়াদ্দাল ব্যবসায়ী
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
10 - قَرَأْتُ عَلَى ابْنِ أَبِي الْمَجْدِ ، بِالظّفرِيَّةِ شَرْقِيِّ بَغْدَادَ ، أَخْبَرَكَ أَبُو الْقَاسِمِ ذَاكِرُ بْنُ كَامِلِ بْنِ أَبِي غَالِبٍ الْخَفَّافُ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنْتَ تَسْمَعُ قَالَ: أنا أَبُو غَالِبٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْبَنَّا ، أنا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَسْنُونَ النَّرْسِيُّ، قَالَ: أنا أَبُو الْقَاسِمِ مُوسَى بْنُ عِيسَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ السَّرَّاجُ، قَالَ: أنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْبَاغَنْدِيُّ ، إِمْلاءً فِي رَمَضَانَ سَنَةَ ثَمَانٍ، وَثَلاثِ مِائَةٍ قَالَ: ثنا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ ، ثنا جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ ، وَشَرِيكُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ النَّخَعِيُّ ، وَهُشَيْمُ بْنُ بَشِيرٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ ، عَنْ عَطِيَّةَ الْقُرَظِيِّ، قَالَ: كُنْتُ فِيمَنْ حَكَمَ فِيهِمْ سَعْدُ بْنُ مُعَاذٍ فَشَكُّوا فِيَّ، أَمِنَ الذُّرِّيَّةِ أَنَا أَمْ مِنَ الْمُقَاتِلَةِ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «انْظُرُوا فَإِنْ كَانَ أَنْبَتَ الشَّعْرِ فَاقْتُلُوهُ ، وَإِلا فَلا تَقْتُلُوهُ» .
قَالَ: فَإِذَا عَانَتِي لَمْ تُنْبِتْ فَأَلْقَوْنِي فِي الذرية فَلَمْ أُقْتَلْ.
رَوَاهُ الثَّوْرِيُّ ، وَشُعْبَةُ ، وَابْنُ عُيَيْنَةَ ، وَأَبُو عَوَانَةَ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ ، وَأَخْرَجَتْهُ الأَئِمَّةُ الأَرْبَعَةُ مِنْ حَدِيثِهِمْ ، وَرَوَاهُ النَّسَائِيُّ أَيْضًا مِنْ حَدِيثِ مُجَاهِدٍ ، عَنْ عَطِيَّةَ ، وَلَيْسَ لِعَطِيَّةَ فِي السُّنَنِ سِوَاهُ
১০ - আমি বাগদাদের পূর্বাঞ্চলীয় জাফারিয়াতে ইবনুল আবি মাজদের নিকট পাঠ করেছি, (তিনি বলেন) আবু আল-কাসিম জাকির ইবনে কামিল ইবনে আবি গালিব আল-খাফফাফ আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন—তার নিকট তা পাঠ করা হচ্ছিল এবং আপনি তা শুনছিলেন—তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু গালিব আহমদ ইবনুল হাসান ইবনে আহমদ ইবনুল বান্না, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে হাসনুন আন-নারসি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম মুসা ইবনে ঈসা ইবনে আবদুল্লাহ আস-সাররাজ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান আল-বাগিন্দি, ৩০৮ হিজরির রমজান মাসে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে আবি শাইবাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জারির ইবনে আবদুল হামিদ, শারিক ইবনে আবদুল্লাহ আন-নাখায়ি এবং হুশাইম ইবনে বাশির, তারা আবদুল মালিক ইবনে উমাইর থেকে, তিনি আতিয়্যাহ আল-কুরাজি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম যাদের ব্যাপারে সাদ ইবনে মুআদ ফয়সালা দিয়েছিলেন। তখন তারা আমার ব্যাপারে সন্দেহে পড়ে গেলেন যে, আমি কি অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের অন্তর্ভুক্ত নাকি যোদ্ধাদের অন্তর্ভুক্ত? তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “তোমরা লক্ষ্য করো, যদি তার (নাভির নিচে) লোম গজিয়ে থাকে তবে তাকে হত্যা করো, অন্যথায় তাকে হত্যা করো না।”
তিনি বলেন: দেখা গেল আমার নাভির নিচের লোম গজায়নি, তাই তারা আমাকে সন্তানদের অন্তর্ভুক্ত করে নিলেন এবং আমি নিহত হইনি।
এটি বর্ণনা করেছেন সাওরি, শু'বাহ, ইবনে উইয়াইনাহ এবং আবু আওয়ানাহ, তারা আবদুল মালিক ইবনে উমাইর থেকে। চার ইমাম (সুনান সংকলকগণ) তাদের বর্ণিত হাদিস থেকে এটি উদ্ধৃত করেছেন। নাসাঈ এটি মুজাহিদের সূত্রে আতিয়্যাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। সুনান গ্রন্থসমূহে আতিয়্যাহ বর্ণিত এই একটি মাত্র হাদিসই রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْحَقِّ بْنِ خَلَفِ بْنِ عَبْدِ الْحَقِّ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ أَبِي مُحَمَّدٍ الدِّمَشْقِيُّ الصَّالِحِيُّ الْحَنْبَلِيُّ
মুহাম্মদ ইবন আব্দুল হক ইবন খালাফ ইবন আব্দুল হক আবু আব্দুল্লাহ ইবন আবি মুহাম্মদ আদ-দিমাশকি আস-সালিহি আল-হাম্বলি
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
11 - قَرَأْتُ عَلَى مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْحَقِّ ، أَخْبَرَكَ أَبُو طَاهِرٍ بَرَكَاتُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ طَاهِرِ بْنِ بَرَكَاتِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْخُشُوعِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ ، أنا أَبُو مُحَمَّدٍ الْقَاسِمُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عُثْمَانَ الْحَرِيرِيُّ الْبَصْرِيُّ ، إِجَازَةً سَنَةَ اثْنَيْ عَشْرَةَ وَخَمْسِ مِائَةٍ فِي الْبَصْرَةِ ، أنا أَبُو تَمَّامٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ مُوسَى الْمُقْرِئُ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي صَفَرٍ سَنَةَ سِتٍّ وَخَمْسِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ ، نا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ وَهْبٍ الدَّقَّاقُ الْمُشْتَرِي، ثنا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ غَسَّانَ بْنِ جَبَلَةَ ، ثنا أَبُو يَعْقُوبَ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ حَبِيبِ بْنِ الشَّهِيدِ ، ثَنا أَبُو مُعَاوِيَةَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الآيَتَانِ مِنْ آخِرِ سُورَةِ الْبَقَرَةِ مَنْ قَرَأَهُمَا فِي لَيْلَةٍ كَفَتَاهُ» .
رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ ، عَنُ عُمَرَ بْنِ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنِ الأَعْمَشِ.
وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ ، عَنْ مِنْجَابٍ ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ.
وَرَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ، وَالتِّرْمِذِيُّ، وَالنَّسَائِيُّ، وَابْنُ مَاجَهْ مِنْ حَدِيثِ مَنْصُورٍ ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ ، وَعُقْبَةَ بْنِ عَمْرٍو.
مَوْلِدُ ابْنِ عَبْدِ الْحَقِّ فِي سَابِعِ ذِي الْقَعْدَةِ سَنَةَ.....
وَثَمَانِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ بِدِمَشْقَ.
تُوُفِّيَ بِهَا لَيْلَةَ الأَرْبَعَاءِ لِتِسْعٍ بَقِينَ مِنْ جُمَادَى الآخِرَةِ سَنَةَ سِتِّينَ وَسِتِّ مِائَةٍ.
وَقَدْ أَجَازَنِي أَبُوهُ عَبْدُ الْحَقِّ ، وَتُوُفِّيَ سَنَةَ إِحْدَى وَأَرْبَعِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ بِدِمَشْقَ فِي شَعْبَانَ سَمِعَ مِنْ جَمَاعَةٍ
…وَابْن أَبِي الْعَجَائِزِ، وَابْن الْمورينِيّ، وَيَحْيَى الثَّقَفِيّ
১১ - আমি মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল হকের নিকট পাঠ করেছি। আবু তাহের বারাকাত ইবনে ইব্রাহিম ইবনে তাহের ইবনে বারাকাত ইবনে ইব্রাহিম আল-খুশুয়ী আপনাকে অবহিত করেছেন—আপনার উপস্থিতিতে তাঁর কাছে পাঠ করা হয়েছিল—তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আল-কাসিম ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উসমান আল-হারীরি আল-বাসরি আমাকে ৫১২ হিজরি সনে বসরায় ইজাযত প্রদান করেছেন। তিনি বলেন: আবু তাম্মাম মুহাম্মদ ইবনে হাসান ইবনে মুসা আল-মুকরি আমাকে ৪৫৬ হিজরি সনের সফর মাসে তাঁর নিকট পাঠকালে অবহিত করেছেন। তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে ওয়াহাব আদ-দাক্কাক আল-মুশতারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে গাসসান ইবনে জাবালা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবু ইয়াকুব ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম ইবনে হাবিব ইবনে আশ-শাহিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবু মুআবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আ'মাশ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে ইয়াযীদ থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি রাতে সূরা আল-বাকারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করবে, তা তার জন্য যথেষ্ট হবে।"
এটি ইমাম বুখারী বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে হাফস ইবনে গিয়াস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আ'মাশ থেকে।
এবং ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন মিনজাব থেকে, তিনি আলী ইবনে মুশহির থেকে, তিনি আ'মাশ থেকে।
এবং ইমাম আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ এবং ইবনে মাজাহ এটি মানসুরের হাদিস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি আব্দুর রহমান থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ এবং উকবা ইবনে আমর থেকে।
ইবনে আব্দুল হকের জন্ম দামেশকে পাঁচশ আশি হিজরি সনের..... সাতই জিলকদ তারিখে।
তিনি তথায় ৬৬০ হিজরি সনের জমাদিউল আখিরা মাসের নয় দিন অবশিষ্ট থাকতে বুধবার রাতে মৃত্যুবরণ করেন।
তাঁর পিতা আব্দুল হক আমাকে ইজাযত প্রদান করেছিলেন। তিনি ৬৪১ হিজরি সনের শাবান মাসে দামেশকে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি একদল (মুহাদ্দিসের) নিকট শ্রবণ করেছেন
…এবং ইবনে আবিল আজাইয, ইবনে আল-মাউরিনি এবং ইয়াহইয়া আস-সাকাফী।
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْحَقِّ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ ظَافِرِ بْنِ حَمْزَةَ أَبُو الْفَتْحِ بْنُ أَبِي صَادِقِ بْنِ أَبِي الْفَضْلِ الْقُضَاعِيُّ.....الطليبنِيّ الزُّنْبُورِيُّ الصُّوفِيُّ، الْمُؤَذِّنُ بِالْجَامِعِ الأَنْوَرِ الْحَاكِمِيِّ
মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল হক ইবন হিবাতুল্লাহ ইবন জাফির ইবন হামযাহ আবুল ফাতহ ইবন আবী সাদিক ইবন আবিল ফযল আল-কুদাঈ.....আত-তালিবেয়ী আয-যুনবূরী আস-সূফী, আল-জামি' আল-আনওয়ার আল-হাকিমী মসজিদের মুয়াযযিন।
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
12 - أنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْحَقِّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِالْقَاهِرَةِ ، أنا أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مَسْعُودٍ الأَنْصَارِيُّ ، أنا أَبُو صَادِقٍ مُرْشِدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ الْقَاسِمِ الْمَدِينِيُّ ، أنا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ مُحَمَّدٍ النَّيْسَابُورِيُّ ، أنا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَكَرِيَّا النَّيْسَابُورِيُّ ، ثنا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَحْمَدُ بْنُ شُعَيْبِ بْنِ عَلِيٍّ النَّسَائِيُّ ، أنا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ ، ثنا حَمَّادٌ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ ، عَنْ ظَافِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: بَيْنَمَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَخْطُبُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ ، إِذْ جَاءَهُ رَجُلٌ فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «صَلَّيْتَ؟» .
قَالَ: لا قَالَ: «قُمْ فَارْكَعْ» .
رَوَاهُ مُسْلِمٌ، وَالتِّرْمِذِيُّ ، عَنْ قُتَيْبَةَ عَلَى الْمُوَافَقَةِ ،
১২ - মুহাম্মদ বিন আব্দুল হক আমাকে সংবাদ দিয়েছেন কায়রোতে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, তিনি বলেন: আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন আলী বিন মাসউদ আল-আনসারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু সাদিক মুরশিদ বিন ইয়াহইয়া বিন আল-কাসিম আল-মাদিনী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ আল-নায়সাবুরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন যাকারিয়া আল-নায়সাবুরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আব্দুর রহমান আহমাদ বিন শুআইব বিন আলী আন-নাসায়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কুতাইবা বিন সাঈদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর বিন দীনার থেকে, তিনি যাফির বিন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমার দিনে খুতবা দিচ্ছিলেন, এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি তাঁর নিকট আসলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন: «তুমি কি সালাত আদায় করেছ?»।
সে বলল: না। তিনি বললেন: «দাঁড়াও এবং দুই রাকাত সালাত (রুকু) আদায় করো»।
এটি ইমাম মুসলিম ও তিরমিজি কুতাইবা থেকে মুওয়াফাকাত হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
13 - وَقَدْ أَخْبَرَنَاهُ أَعْلَى مِنْ هَذَا أَبُو الْحَسَنِ الْغَلْبَانُ بْنُ هِبَةِ اللَّهِ الْفَقِيهُ ، وَابْنُ مَحْمُودٍ الصُّوفِيُّ ، وَأَبُو الْقَاسِمِ الأَنْصَارِيَّانِ حَمْزَةُ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَتِيقٍ ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحُسَيْنِ ، وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ التَّمِيمِيُّ، قَالُوا: أنا أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْحَافِظُ ، سَمَاعًا، أنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْقَاسِمُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ الثَّقَفِيُّ.
ح ، وَقَرَأْتُ عَلَى الشَّيْخَيْنِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْبَدْرِ الْفَقِيهِ ، وَأَبِي مُحَمَّدٍ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي الثَّنَاءِ الْمُقْرِئِ......
بِبَغْدَادَ فِي الأُولَى أَخْبَرَتْكُمْ شُهْدَةُ بِنْتُ أَبِي نَصْرٍ أَحْمَدَ بْنِ الْفَرَجِ بْنِ عُمَرَ الآبُرِيِّ الدِّينَوَرِيِّ، وَقَرَأْتُ بِبَغْدَادَ
…عَلِيّ بْن عَبْدِ اللَّطِيفِ بْنِ يَحْيَى الدِّينَوَرِيّ، وَعَلَى أَبِي الْقَاسِمِ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ السَّامِرِيِّ ، وَعَلَى أَبِي صَالِحٍ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ صَالِحٍ الدَّقَّاقِ ، عَنْ شُهْدَةَ ، وَقَرَأْتُ أَيْضًا بِدِمَشْقَ عَلَى أَبِي الْعَبَّاسِ بْنِ أَبِي الْفَتْحِ الدِّمَشْقِيِّ ، عَنْ شُهْدَةَ، قَالَتْ: أنا النَّقِيبُ أَبُو الْفَوَارِسِ طِرَادُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الزَّيْنَبِيُّ قَالا: أنا أَبُو الْفَتْحِ هِلالُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ سَعْدَانَ ، أنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَيَّاشٍ الْقَطَّانُ ، ثنا أَبُو الأَشْعَثِ أَحْمَدُ بْنُ الْمِقْدَامِ الْعِجْلِيُّ ، ثنا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ رَجُلا أَتَى الْمَسْجِدَ، وَالنَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَخْطُبُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَصَلَّيْتَ يَا فُلانُ؟» .
قَالَ: لا قَالَ: «قُمْ فَارْكَعْ» .
رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ ، عَنْ أَبِي النُّعْمَانِ ، وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ ، عَنْ قُتَيْبَةَ ، وَأَبِي الرَّبِيعِ.
وَرَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ حَرْبٍ ، وَرَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَالنَّسَائِيُّ ، عَنْ قُتَيْبَةَ ، أَرْبَعَتِهِمْ عَنْ حَمَّادٍ ، فَوَقَعَ بَدَلا عَالِيًا لَهُمْ تُسَاعِيًّا
وُلِدَ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْحَقِّ الْقُضَاعِيُّ بِالْقَاهِرَةِ سَنَةَ سِتٍّ وَثَمَانِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ تَخْمِينًا، وَتُوُفِّيَ لَيْلَةَ....
السَّادِسَ عَشَرَ سَنَةَ ثَلاثٍ وَخَمْسِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ رَبِيعَ الآخِرَ بِمَسْجِدِ رَسُولِ ظَاهِرٍ بِالْقَاهِرَةِ، وَدُفِنَ مِنْ يَوْمِهِ بِسَفْحِ الْمُقَطَّمِ
১৩ - আর আমাদের কাছে এর চেয়েও উচ্চতর সনদে বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান আল-গালবান বিন হিবাতুল্লাহ আল-ফকিহ, এবং ইবনে মাহমুদ আস-সুফি, এবং আবুল কাসিম আল-আনসারিদ্বয় হামজা বিন উমর বিন আতিক ও আব্দুল্লাহ বিন আল-হুসাইন, এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আত-তামিমি; তাঁরা বলেছেন: আমাদের কাছে আবু তাহের আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ আল-হাফিজ শ্রবণের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, (তিনি বলেন) আমাদের কাছে আবু আব্দুল্লাহ আল-কাসিম বিন আল-ফাদল বিন আহমাদ আস-সাকাফি বর্ণনা করেছেন।
হা, এবং আমি দুই শাইখ—আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আবিল বদর আল-ফকিহ এবং আবু মুহাম্মদ ইবরাহিম বিন আবিল সানা আল-মুকরির নিকট পাঠ করেছি......
বাগদাদে প্রথম পর্যায়ে; তোমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন শুহদাহ বিনতে আবি নাসর আহমাদ বিন আল-ফারাজ বিন উমর আল-আবুরি আদ-দিনাওয়ারি, এবং আমি বাগদাদে পাঠ করেছি
…আলী বিন আব্দুল লতিফ বিন ইয়াহইয়া আদ-দিনাওয়ারি, এবং আবুল কাসিম আলী বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ আস-সামিরি, এবং আবু সালিহ মুহাম্মদ বিন আবিল হাসান বিন আবি বকর বিন সালিহ আদ-দাক্কাকের নিকট, তাঁরা শুহদাহ থেকে; এবং আমি দামেস্কেও আবুল আব্বাস বিন আবিল ফাতহ আদ-দিমাশকির নিকট পাঠ করেছি, তিনি শুহদাহ থেকে; তিনি বলেন: আমাদের কাছে নাকিব আবুল ফাওয়ারিস তিরাদ বিন মুহাম্মদ বিন আলী আজ-জাইনাবি সংবাদ দিয়েছেন—তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের কাছে আবুল ফাতহ হিলাল বিন মুহাম্মদ বিন জাফর বিন সাদান বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন ইয়াহইয়া বিন আইয়াশ আল-কাত্তান বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আবুল আশআস আহমাদ বিন আল-মিকদাম আল-ইজলি বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে হাম্মাদ বিন যায়েদ বর্ণনা করেছেন আমর বিন দিনার থেকে, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করল এমতাবস্থায় যে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জুমার দিন খুতবা দিচ্ছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: «হে অমুক, তুমি কি সালাত আদায় করেছ?»।
সে বলল: না। তিনি বললেন: «দাঁড়াও এবং দুই রাকাত সালাত আদায় করো»।
এটি বুখারি বর্ণনা করেছেন আবু নুমান থেকে, এবং মুসলিম বর্ণনা করেছেন কুতাইবাহ ও আবুল রাবি থেকে।
আর এটি আবু দাউদ সুলাইমান বিন হারব থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং তিরমিজি ও নাসায়ি এটি কুতাইবাহ থেকে বর্ণনা করেছেন—তাঁরা চারজনই হাম্মাদ থেকে বর্ণনা করেছেন; ফলে এটি তাঁদের জন্য একটি উচ্চতর 'নয় স্তরবিশিষ্ট' (তুসায়ি) বদলে পরিণত হয়েছে।
মুহাম্মদ বিন আব্দুল হক আল-কুদায়ি আনুমানিক পাঁচশত ছিয়াশি হিজরি সনে কায়রোতে জন্মগ্রহণ করেন এবং .... রাতে মৃত্যুবরণ করেন।
ছয়শত তিপ্পান্ন হিজরি সনের রবিউস সানি মাসের ১৬ তারিখ কায়রোতে মাসজিদে রাসূল জহিরে (মৃত্যুবরণ করেন) এবং সেদিনই তাকে মুকাত্তাম পাহাড়ের পাদদেশে দাফন করা হয়।
(খণ্ড: ১)
আর-রাবি মিন মুজামু শুয়ুখিদ দামইয়াতি
(পৃষ্ঠা: -)
مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الدَّائِمِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ أَبُو الْمَكَارِمِ بْنُ أَبِي مُحَمَّدٍ الْقُضَاعِيُّ الْمِصْرِيُّ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ حَمْدَانَ
মুহাম্মাদ বিন আব্দুল দায়িম বিন মুহাম্মাদ বিন আলী আবুল মাকারিম বিন আবী মুহাম্মাদ আল-কুযাঈ আল-মিসরী, যিনি ইবনে হামদান নামে পরিচিত