(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: -)
مصنفات طراد الزينبي وأجزاء أخرى   (مجموعة من المؤلفين)

القسم: كتب السنة


الكتاب: مجموع فيه مصنفات طراد الزينبي وأجزاء حديثية أخرى

المؤلفون: طراد الزينبي، ابن فارس، أبو عمرو السقطي، ابن نجيد، ابن ثرثال، أبو إسحاق الحبال، منصور بن عمار، ابن هزارمرد، المناديلي، ابن العربي المتأخر

المحقق: نبيل سعد الدين جرَّار

الناشر: أروقة للدراسات والنشر، الأردن - عمان

الطبعة: الأولى،1440 هـ - 2019 م

عدد الصفحات: 515

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 14 شعبان 1445

তুরাদ আল-জাইনাবীর রচনাবলি এবং অন্যান্য অংশ   (একদল লেখক)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: একটি সংকলন যাতে রয়েছে তুরাদ আল-জাইনাবীর রচনাবলি এবং অন্যান্য হাদিস বিষয়ক অংশসমূহ

লেখকগণ: তুরাদ আল-জাইনাবী، ইবনে ফারিস، আবু আমর আস-সাকাতি، ইবনে নুজাইদ، ইবনে ছারছাল، আবু ইসহাক আল-হাব্বাল، মানসুর বিন আম্মার، ইবনে হাজারমার্দ، আল-মুনাদিলি، ইবনুল আরাবি আল-মুতাআখখির

সম্পাদনা: নাবিল সাদ আল-দীন জাররার

প্রকাশক: আরাওকা ফর স্টাডিজ অ্যান্ড পাবলিশিং، জর্ডান - আম্মান

সংস্করণ: প্রথম،১৪৪০ হিজরি - ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫১৫

[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ১৪ শাবান ১৪৪৫

(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ১)
سلسلة النشر الوقفي (4)

مجاميع الأجزاء الحديثية (8)

 

مجموعٌ فيه

مُصنَّفاتُ طِرَادٍ الزَّينَبيِّ

أبي الفَوَارسِ طِرَادِ بنِ محمدِ بنِ عليٍّ الهاشميِّ النَّقيب

(491 هـ)

وأَجزاءٌ حَديثيَّةٌ أُخرى

 

1 - جزء ابن فارس

2 - جزء السَّقَطي

3 - جزء ابن نُجَيد

4 - جزء ابن ثَرثال

5 - من حديث أبي إسحاق الحَبال

6 - أحاديث منصور بن عمار

7 - مجلس ابن هَزَارْمَرْد

8 - جزء المَناديلي

9 - أحاديث المَناديلي

10 - خمسة أحاديث لابن العَربي

 

تحقيق

نبيل سَعد الدين جَرَّار

 

أروقة للدراسات والنشر

1440 هـ - 219 م
ওয়াকফ প্রকাশনা সিরিজ (৪)

হাদিস সংকলনসমূহ (৮)

 

এতে সংকলিত আছে

তিরাদ আল-জাইনাবীর রচনাবলি

আবুল ফাওয়ারিস তিরাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আলী আল-হাশিমী আন-নাকীব

(৪৯১ হিজরি)

এবং অন্যান্য হাদিস সংকলন

 

১ - ইবনে ফারিসের সংকলন

২ - আস-সাকাতির সংকলন

৩ - ইবনে নুজাইদের সংকলন

৪ - ইবনে থারথালের সংকলন

৫ - আবু ইসহাক আল-হাব্বালের হাদিস থেকে

৬ - মানসুর বিন আম্মারের হাদিসসমূহ

৭ - ইবনে হাজারমার্দের মজলিস

৮ - আল-মানাদিলীর সংকলন

৯ - আল-মানাদিলীর হাদিসসমূহ

১০ - ইবনুল আরাবির পাঁচটি হাদিস

 

সম্পাদনা

নাবিল সা'দ আদ-দীন জাররার

 

আরওয়িকাহ ফর স্টাডিজ অ্যান্ড পাবলিশিং

১৪৪০ হিজরি - ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ৫)
بسم الله الرحمن الرحيم

إنَّ الحمدَ للهِ نحمدُه ونستعينُه ونستغفرُه، ونعوذُ باللهِ مِن شُرورِ أنفسِنا، ومِن سيئاتِ أعمالِنا، مَن يهدِهِ اللهُ فلا مُضلَّ له، ومَن يُضللْ فلا هاديَ له، وأشهدُ أن لا إلهَ إلا اللهُ وحدَه لا شريكَ له، وأشهدُ أنَّ محمداً عبدُه ورسولُه.

وبعدُ، فهذا هو المجموعُ الثامنُ الذي يُوفقني اللهُ لإخراجِهِ ضمنَ سلسلةِ مجاميعِ الأجزاءِ الحديثيةِ، وهو: مجموعٌ فيه مُصنَّفاتُ طِرَادٍ الزَّينَبيِّ وأَجزاءٌ حَديثيَّةٌ أُخرى، وهي(1):

1 - جُزءُ ابنِ فارسٍ.

2 - جُزءُ السَّقَطيِّ.

3 - جُزءُ ابنِ نُجَيدٍ.

4 - جُزءُ ابنِ ثَرْثالٍ.

5 - مِن حَديثِ أبي إسحاقَ الحَبَّالِ.

6 - أحاديثُ منصورِ بنِ عمارٍ، جمعُ أبي بكرٍ الذَّكْوانيِّ.

7 - مجلسُ ابنِ هَزَارْمَرْد الصَّرِيفِينيِّ.

--------------------------------------------

(1) وبعض هذه الأجزاء نشرتُها على شبكة المعلومات العالمية دون تخريج أو تعليق -وهي ذات الأرقام: (1) (3) (4) (6) (7) (10) - وإعادة نشرها مطبوعة لأن المطبوع هو الأصل وعليه الاعتماد في العزو والتخريج، ثم إنه قد يسر الله لبعضها نسخاً خطية أخرى. والله الموفق.

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর নিকট সাহায্য চাই এবং তাঁর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা ও আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করেন তার কোনো পথভ্রষ্টকারী নেই, আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তার কোনো পথপ্রদর্শক নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।

অতঃপর, এটি হলো অষ্টম সংকলন যা আল্লাহ আমাকে হাদিসের অংশবিশেষের (আজযা আল-হাদিসিয়্যাহ) সংকলন সিরিজের অধীনে প্রকাশের তাওফিক দিয়েছেন। আর এটি হলো এমন একটি সংকলন যাতে তিরাদ আল-জাইনাবীর রচনাবলি এবং অন্যান্য কিছু হাদিসের অংশ (জুজ) রয়েছে, যা নিম্নরূপ(১):

১ - ইবনু ফারিসের জুজ।

২ - আস-সাক্বাত্বীর জুজ।

৩ - ইবনু নুযায়িদের জুজ।

৪ - ইবনু সারসালের জুজ।

৫ - আবু ইসহাক আল-হাব্বালের হাদিস থেকে।

৬ - মানসুর ইবনে আম্মারের হাদিসসমূহ, যা আবু বকর আদ-যাকওয়ানি সংকলন করেছেন।

৭ - ইবনু হাযারমারদ আস-সারিফীনীর মজলিস।

--------------------------------------------

(১) এই অংশগুলোর কয়েকটি আমি বৈশ্বিক তথ্যজালে (ইন্টারনেটে) কোনো তখরীজ বা টীকা ছাড়াই প্রকাশ করেছিলাম—সেগুলো হলো ক্রমিক নম্বর: (১) (৩) (৪) (৬) (৭) (১০)। এগুলো পুনরায় মুদ্রিত আকারে প্রকাশ করার কারণ হলো, মুদ্রিত কপিই হলো মূল ভিত্তি এবং উদ্ধৃতি ও তখরীজের ক্ষেত্রে এরই ওপর নির্ভর করা হয়। তাছাড়া আল্লাহ এগুলোর কয়েকটির জন্য অন্যান্য পাণ্ডুলিপি প্রাপ্তি সহজ করে দিয়েছেন। আল্লাহই তাওফিকদাতা।

(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ৬)
8 - جُزءُ المَناديليِّ.

9 - أحاديثُ المَناديليِّ.

10 - جزءٌ فيه خمسةُ أحاديثَ مِن رِوايةِ أبي بكرِ بنِ العَربيِّ المُتأخرِ عن شُيوخِهِ.

 

والبدايةُ مَع طِرَادٍ الزَّينَبيِّ، ترجمتِه وشُيوخِه في هذا المجموعِ والكلامِ على مُصنَّفاتِه وتحقيقِ ما وَقفتُ عليه مِنها، ثُم الأجزاءُ الأُخرى على التَّرتيبِ المَذكورِ.

 

ومَنهجي في هذا المجموعِ كسوابقِه مِن حيثُ الاهتمامُ بضبطِ النصِّ، وموافقةِ المطبوعِ للمخطوطِ، وتصحيحِ التحريفاتِ والتصحيفاتِ قدرَ الإمكانِ. والاكتفاءُ في التخريجِ بالعزوِ للصحيحينِ أو أحدِهما إِن وجدَ، فإن لم يكنْ فكتبُ الحديثِ المتداولةُ المشهورةُ مُتجنباً الإطالةَ وحشدَ المصادرِ. ومَا كانَ مِن جُزءٍ له نُسخَتانِ فكُلُّ ما كانَ بينَ مَعقوفَتينِ [] مِن غيرِ بيانٍ فهو مِن النُّسخةِ الأُخرى.

واللهَ أسألُ أن يجعلَ هذا العملَ خالصاً لوجهِهِ الكريمِ، وأن يُوفقَني لإخراجِ أعمالٍ أُخرى خدمةً لسنةِ نبيِّه المصطفى صلى الله عليه وسلم، واللهُ وليُّ التوفيقِ.

 

وكتب

نبيل سعد الدين جَرَّار

ربيع الآخر سنة 1438 هـ

الأردن - عَمان
৮ - মানাদিলির জুয (খণ্ড)।

৯ - মানাদিলির হাদিসসমূহ।

১০ - একটি খণ্ড যাতে পরবর্তী যুগের আবু বকর ইবনুল আরাবি কর্তৃক তাঁর উস্তাদদের থেকে বর্ণিত পাঁচটি হাদিস রয়েছে।

 

শুরু হচ্ছে তিরাদ আজ-জাইনাবিকে দিয়ে; এই সংকলনে তাঁর জীবনী ও উস্তাদদের আলোচনা, তাঁর রচনাবলি সম্পর্কে আলোচনা এবং আমি যেগুলোর সন্ধান পেয়েছি সেগুলোর তাহকিক (সম্পাদনা) করা হয়েছে। এরপর উল্লিখিত ধারাবাহিকতা অনুযায়ী অন্যান্য খণ্ডগুলো আসবে।

 

এই সংকলনে আমার পদ্ধতি পূর্ববর্তীগুলোর মতোই; মূল পাঠের নির্ভুলতা নিশ্চিত করা, পাণ্ডুলিপির সাথে মুদ্রিত কপির সামঞ্জস্য বিধান এবং সাধ্যমতো বিকৃতি ও লিখনজনিত ভুলগুলো সংশোধন করার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাখরিজের ক্ষেত্রে বুখারি ও মুসলিম (সহিহাইন) অথবা যে কোনো একটির উদ্ধৃতি দেওয়ার মাধ্যমেই ক্ষান্ত হয়েছি যদি সেখানে পাওয়া যায়। যদি তা না পাওয়া যায়, তবে দীর্ঘসূত্রিতা ও উৎসের ভিড় এড়িয়ে প্রসিদ্ধ প্রচলিত হাদিসের কিতাবসমূহের উদ্ধৃতি দিয়েছি। যেসব খণ্ডের ক্ষেত্রে দুটি পাণ্ডুলিপি ছিল, সেখানে থার্ড ব্র্যাকেট [] এর মাঝে যা কিছু রাখা হয়েছে তা কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই অন্য পাণ্ডুলিপি থেকে নেওয়া হয়েছে।

আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন এই কাজটিকে শুধুমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য কবুল করেন এবং তাঁর মনোনীত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাহর খিদমতে আমাকে আরও কাজ করার তৌফিক দান করেন। আল্লাহই তাওফিকদাতা।

 

লিখছেন

নাবিল সাদউদ্দীন জাররার

রবিউস সানি, ১৪৩৮ হিজরি

জর্ডান - আম্মান
(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ৭)
‌‌ترجمةُ طِرَادٍ الزَّينَبيِّ

طِرَادُ(1) بنُ محمدِ بنِ عليِّ بنِ الحسنِ بنِ محمدٍ، نَقيبُ النُّقباءِ، الكاملُ، أبو الفَوارسِ بنُ أبي الحسنِ القرشيُّ الهاشميُّ العباسيُّ الزَّينَبيُّ البغداديُّ.

الشيخُ الإمامُ الأنبلُ، مسندُ العراقِ.

وُلدَ في شوالٍ سنةَ ثمانٍ وتِسعينَ وثلاثِمئةٍ.

وسمعَ أبا نصرِ بنَ حَسْنُونَ النَّرسيَّ، وأبا الحسنِ بنَ رِزْقويه، وهلالاً الحَفَّارَ، وأبا الحسينِ بنَ بِشرانَ، والحسينَ بنَ بَرْهانَ، وأبا الفَرجِ بنَ المُسْلِمةِ، وأبا الحسنَ بنَ الحَمَّاميِّ، وطائفةً.

وأَملى مجالسَ عِدةً، وخُرِّجَ له «العوالي» المَشهورة، و «فضائل الصحابة».

حدَّثَ عنه: وَلداه عليٌّ الوزيرُ ومحمدٌ، وابنُ ناصرٍ، وعمرُ بنُ عبدِ اللهِ الحَربيُّ، وأحمدُ بنُ المُقَرَّبِ، ويحيى بنُ ثابتٍ، وشُهدَةُ الكاتبةُ، وكمالُ بنتُ أبي محمدِ بنِ السَّمرقَنديِّ، وعَمُّها إسماعيلُ، وهبةُ اللهِ بنُ طاوسٍ، وتَجَنِّي الوَهْبانيةُ، وأبو الكرمِ الشَّهْرُزُوري، وعبدُ اللهِ بنُ عليٍّ الطامَذيُّ الأَصبهانيُّ، وخَلقٌ آخِرُهم موتاً خَطيبُ المَوصلِ أبو الفضلِ الطُّوسيُّ.

--------------------------------------------

(1) بكسر الطاء المهملة وفتح الراء. قاله ابن نقطة.

তিরাদ আয-যাইনাবীর জীবনী

তিরাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আলী বিন হাসান বিন মুহাম্মাদ, নকীবুল নুকাবা (প্রধানদের প্রধান), পূর্ণাঙ্গ গুণসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব, আবুল ফাওয়ারিস বিন আবুল হাসান আল-কুরায়শী আল-হাশিমী আল-আব্বাসী আয-যাইনাবী আল-বাগদাদী।

তিনি অত্যন্ত মহৎ শায়খ ও ইমাম এবং ইরাকের মুসনিদ (সনদধারী প্রধান হাদিসবেত্তা)।

তিনি ৩৯৮ হিজরি সনের শাওয়াল মাসে জন্মগ্রহণ করেন।

তিনি আবু নাসর বিন হাসনুন আন-নারসী, আবু হাসান বিন রিযকুওয়াইহ, হিলাল আল-হাফফার, আবু হুসাইন বিন বিশরান, হুসাইন বিন বুরহান, আবু ফারাজ বিন আল-মুসলিমাহ, আবু হাসান বিন আল-হাম্মামী এবং আরও একদল আলেমের নিকট হাদিস শ্রবণ করেছেন।

তিনি বেশ কিছু মজলিসে হাদিস শ্রুতলিপি (ইমলা) প্রদান করেছেন এবং তাঁর সূত্রে প্রসিদ্ধ ‘আল-আওয়ালী’ ও ‘ফাযায়িলুস সাহাবা’ গ্রন্থদ্বয় সংকলিত হয়েছে।

তাঁর নিকট থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন: তাঁর দুই পুত্র উজির আলী ও মুহাম্মাদ, ইবনুন নাসীর, উমর বিন আব্দুল্লাহ আল-হারবী, আহমাদ বিন আল-মুকাররাব, ইয়াহইয়া বিন সাবিত, লেখিকা শুহদাহ, কামাল বিনতে আবু মুহাম্মাদ বিন আস-সামারকান্দী ও তাঁর চাচা ইসমাঈল, হিবাতুল্লাহ বিন তাউস, তাজান্নী আল-ওয়াহবানিয়্যাহ, আবুল কারাম আশ-শাহরাযূরী, আব্দুল্লাহ বিন আলী আত-তামাযী আল-আসবাহানী এবং আরও অসংখ্য লোক; যাঁদের মধ্যে সর্বশেষ মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তি হলেন মসুলের খতিব আবুল ফযল আত-তূসী।

--------------------------------------------

(১) 'ত্ব' বর্ণে কাসরা এবং 'রা' বর্ণে ফাতহা যোগে। এটি ইবনে নুকতাহ বলেছেন।

(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ৮)
قالَ السَّمعانيُّ: سادَ الدَّهرَ رُتبةً وعُلوَّاً وفَضلاً ورأياً وشهامةً، وكانَ مِن أكفَى أهلِ الدَّهرِ، متَّعَه اللهُ بسمعِهِ وبصرِهِ وقُوتِه وحَواسِّه. وكان يتَرسَّلُ مِن الدِّيوانِ إلى الملوكِ، وحدَّثَ بأصبهانَ كذلكَ، وصارَت إليه الرحلةُ مِن الأقطارِ. وأَملى بجامعِ المنصورِ، وكانَ يَحضرُ مَجلسَ إملائِهِ جميعُ أهلِ العلمِ مِن الطوائفِ وأصحابِ الحديثِ والفقهاءِ. ولم يُرَ ببغدادَ -على ما ذُكرَ- مِثلُ مجالِسِه بعدَ أبي بكرٍ القَطيعيِّ. وأَملى سَنةَ تسعٍ وثمانينَ بمكةَ والمدينةَ، وألحَقَ الصغارَ بالكبارِ.

وقالَ ابنُ النَّجارِ: انفردَ بالرِّوايةِ عن أكثرِ شُيوخِهِ وحدَّثَ بالكثيرِ، وأَملى خَمسةً وعشرينَ مَجلساً بجامعِ المنصورِ، وأَملى بمكةَ والمدينةَ مجالِسَ.

وقالَ السِّلَفيُّ: ولم أَرَ ببغدادَ مِن أهلِ العلمِ أجَلَّ رُتبةً مِنه، ولم يكُن يتقدَّمُ عليه أحدٌ في مجلسِ الخَليفةِ يومَ النظرِ، وكانَ جَليلَ القَدرِ والخطرِ، مُتواضعاً إلى غايةٍ، مع جَلالتِهِ وتَقدُّمِه ورئاستِهِ.

وقالَ أيضاً: كانَ حَنفيَّاً مِن جِلَّةِ الناسِ وكُبرائِهم، ثقةً ثَبتاً، لم ألحقْهُ.

وقالَ ابنُ الجَوزيِّ: وسمعَ الحديثَ الكثيرَ والكتبَ الكبارَ، ورُحِلَ إليه مِن الأقطارِ، وسادَ الناسَ رُتبةً ورأياً، ومُتِّعَ بجَوارحِهِ، وقَد حدَّثَ عنه جماعةٌ مِن مَشايِخِنا، وقَد تَورَّعَ قومٌ عن الرِّوايةِ عنه لتَصرُّفِه وصُحبتِهِ للسَّلاطينِ.

وقالَ أبو عليِّ بنُ سُكَّرةَ: كانَ أعلى أهلِ بغدادَ مَنزلةً عندَ الخَليفةِ.

وقالَ أبو الفضلِ بنُ عَطَّافٍ: كانَ شيخُنا طِرادٌ شيخاً حسناً، حَسنَ اليَقظةِ، سَريعَ الفِطنةِ، جَميلَ الطريقةِ في الرِّوايةِ، ثقةً في جميعِ ما حدَّثَ به.
সামআনী বলেন: তিনি তাঁর যুগে পদমর্যাদা, উচ্চতা, শ্রেষ্ঠত্ব, প্রজ্ঞা ও বীরত্বে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছিলেন এবং তিনি তাঁর সময়ের সবচেয়ে সক্ষম ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। আল্লাহ তাঁকে তাঁর শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি, শক্তি ও সকল ইন্দ্রিয় দ্বারা উপকৃত করেছেন। তিনি রাজদরবার থেকে রাজাদের কাছে দূত হিসেবে প্রেরিত হতেন এবং একইভাবে ইসফাহানে হাদিস বর্ণনা করেছেন। দূর-দূরান্ত থেকে তাঁর কাছে জ্ঞানান্বেষীরা সফর করে আসতেন। তিনি জামে আল-মানসুরে ইমলা (হাদিস শ্রুতলিখন) করাতেন এবং তাঁর ইমলা মজলিসে সকল মতাদর্শের আলেম, হাদিস বিশারদ ও ফকিহগণ উপস্থিত হতেন। বর্ণিত আছে যে, আবু বকর আল-কাতিয়ীর পর বাগদাদে তাঁর মজলিসের মতো আর কোনো মজলিস দেখা যায়নি। তিনি ঊননব্বই হিজরি সালে মক্কা ও মদিনায় ইমলা করিয়েছেন এবং কনিষ্ঠদের প্রবীণদের (সনদের) স্তরে পৌঁছে দিয়েছেন।

ইবনুন নাজ্জার বলেন: তিনি তাঁর অধিকাংশ শিক্ষকের বর্ণনায় একক ছিলেন এবং প্রচুর হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি জামে আল-মানসুরে পঁচিশটি মজলিসে ইমলা করিয়েছেন এবং মক্কা ও মদিনাতেও ইমলা মজলিস পরিচালনা করেছেন।

সিলাফী বলেন: বাগদাদে আলেমদের মধ্যে আমি তাঁর চেয়ে উচ্চ পদমর্যাদার কাউকে দেখিনি। খলিফার দরবারে আলোচনার দিনে তাঁর অগ্রে কেউ থাকত না। তিনি অত্যন্ত মর্যাদাশীল ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তাঁর মাহাত্ম্য, শ্রেষ্ঠত্ব এবং নেতৃত্ব থাকা সত্ত্বেও তিনি অত্যন্ত বিনয়ী ছিলেন।

তিনি আরও বলেন: তিনি হানাফি ছিলেন এবং বিশিষ্ট ও শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি নির্ভরযোগ্য ও সুদৃঢ় বর্ণনাকারী ছিলেন; তবে আমি তাঁর সাক্ষাৎ পাইনি।

ইবনুল জাওযী বলেন: তিনি প্রচুর হাদিস এবং বড় বড় কিতাবসমূহ শ্রবণ করেছেন। তাঁর কাছে বিভিন্ন দেশ থেকে জ্ঞানান্বেষীরা সফর করে আসত। তিনি পদমর্যাদা ও বিজ্ঞতায় মানুষের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করেছিলেন এবং আমৃত্যু তাঁর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সুস্থ ছিল। আমাদের শিক্ষকদের একদল তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। তবে রাজকীয় কার্যাবলিতে যুক্ত থাকা ও সুলতানদের সাহচর্যের কারণে একদল লোক তাঁর থেকে বর্ণনা গ্রহণে সতর্কতা অবলম্বন করেছেন।

আবু আলী ইবনে সুক্করা বলেন: খলিফার কাছে বাগদাদবাসীদের মধ্যে তাঁর মর্যাদা ছিল সর্বোচ্চ।

আবু ফজল ইবনে আত্তাফ বলেন: আমাদের শায়খ তিরাদ ছিলেন একজন উত্তম শায়খ, প্রখর সচেতনতা ও দ্রুত বোধশক্তির অধিকারী এবং হাদিস বর্ণনায় তাঁর পদ্ধতি ছিল চমৎকার। তিনি যা কিছু বর্ণনা করেছেন তাতে অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ছিলেন।
(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ৯)
وقالَ ابنُ نُقطةَ: انتَقى له أبو عليٍّ البَرَدَانيُّ أجزاءً وأمالي، وكانَ ثِقةً رحمه الله.

ماتَ في آخِرِ يومٍ مِن شوالٍ، سَنةَ إِحدَى وتِسعينَ وأربعِمئةٍ، عن ثلاثٍ وتِسعينَ سَنةً.

قالَ ابنُ ناصرٍ: ودُفنَ بدارِهِ، ثم نُقلَ في السَّنةِ الآتيةِ إلى مقابرِ الشُّهداءِ(1).

--------------------------------------------

(1) انظر:

«الأنساب» للسمعاني (3/ 191)، و «الوجيز في ذكر المجاز والمجيز» للسلفي (ص 50). و «المنتظم» لابن الجوزي (17/ 44)، و «تكملة الإكمال» لابن نقطة (4/ 22)، و «المستفاد من ذيل تاريخ بغداد» لابن النجار (21/ 97)، و «سير أعلام النبلاء» (19/ 37)، و «تاريخ الإسلام» (10/ 705) للذهبي، و «الوفيات» للصفدي (16/ 240).

ইবনু নুকতাহ বলেন: আবু আলী আল-বারদানি তাঁর জন্য কিছু হাদীসের খণ্ড ও আমালি (শ্রুতিলিপি) নির্বাচন করে দিয়েছিলেন এবং তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন, আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন।

তিনি চারশত একানব্বই হিজরি সনের শাওয়াল মাসের শেষ দিনে তিরানব্বই বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

ইবনে নাসির বলেন: তাঁকে তাঁর বাড়িতে দাফন করা হয়েছিল, অতঃপর পরবর্তী বছর তাঁকে শহিদদের কবরস্থানে স্থানান্তরিত করা হয়।(১)

--------------------------------------------

(১) দেখুন:

সামআনি রচিত «আল-আনসাব» (৩/১৯১), আস-সিলাফি রচিত «আল-ওয়াজিজ ফি যিকরিল মাজায ওয়াল মুজিজ» (পৃষ্ঠা ৫০), ইবনুল জাওজি রচিত «আল-মুনতাজাম» (১৭/৪৪), ইবনু নুকতাহ রচিত «তাকমিলাতুল ইকমাল» (৪/২২), ইবনু নাজ্জার রচিত «আল-মুস্তাফাদ মিন যাইল তারিখ বাগদাদ» (২১/৯৭), «সিয়ারু আলামিন নুবালা» (১৯/৩৭), আয-যাহাবি রচিত «তারিখুল ইসলাম» (১০/৭০৫) এবং আস-সাফাদি রচিত «আল-ওয়াফায়াত» (১৬/২৪০)।

(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ১০)
‌‌شُيوخُ طِرَادٍ الزَّينَبيِّ

1 - أحمدُ بنُ عليِّ بنِ الحسنِ بنِ عليِّ بنِ الحسنِ بنِ الهيثمِ أبو الحسنِ المعروفُ بابنِ البادا(1). قالَ الخطيبُ (5/ 526): كتبْنا عنه، وكانَ ثقةً فاضلاً مِن أهلِ القرآنِ والأدبِ. ماتَ سَنةَ عشرينَ وأربعِمئةٍ. [5](2)

2 - أحمدُ بنُ محمدِ بنِ أحمدَ بنِ حَسْنُونَ أبو نصرٍ النَّرْسيُّ البغداديُّ. قالَ الخطيبُ (6/ 23): كَتبتُ عنه، وكانَ صدوقاً صالحاً. ماتَ سَنةَ إِحدى عشرةَ وأربعِمئةٍ. [29]

3 - أحمدُ بنُ محمدِ بنِ عمرَ بنِ الحسنِ أبو الفرجِ بنُ المُسْلِمةِ البغداديُّ المُعدلُ. قالَ الخطيبُ (6/ 228): كَتبتُ عنه، وكانَ ثقةً، يُملي في كلِّ سَنةٍ مَجلساً واحداً في أولِ المُحرَّمِ، وكانَ أحدَ الموصوفينَ بالعقلِ، والمَذكورينَ بالفضلِ، كثيرَ البرِّ والمعروفِ، وكانَت دارُه مألَفاً لأهلِ العلمِ. ماتَ سَنةَ خمسَ عشرةَ وأربعِمئةٍ. [6]

4 - الحسينُ بنُ عمرَ بنِ بَرْهانَ(3) أبو عبدِ اللهِ الغَزَّالُ البغداديُّ. قالَ الخطيبُ (8/ 640): كَتبتُ عنه، وكانَ شيخاً ثقةً صالحاً، كثيرَ البكاءِ عندَ الذِّكرِ. ماتَ سَنةَ اثنتَي عشرةَ وأربعِمئةٍ. [21]

--------------------------------------------

(1) بفتح الباء الموحدة والدال المهملة بين الألفين. قاله السمعاني في «الأنساب» (1/ 248)، ثم ذكره في البادي (1/ 250)، وقيل هو الصواب والعامة تقول: البادا، وانظر «الإكمال» لابن ماكولا (1/ 408)، و «توضيح المشتبه» (1/ 315).

(2) هذا الرقم بين معقوفتين هو عدد مرويات طراد عن الشيخ في هذا المجموع.

(3) ضبطه ابن ماكولا في «الإكمال» (1/ 246) بفتح الباء.

তিরাদ আয-যাইনাবীর উস্তাদগণ

১ - আহমাদ বিন আলী বিন হাসান বিন আলী বিন হাসান বিন হাইসাম আবুল হাসান, যিনি ইবনুল বাদা(১) নামে পরিচিত। আল-খাতীব (৫/৫২৬) বলেন: আমরা তাঁর নিকট হতে (হাদীস) লিখেছি, তিনি নির্ভরযোগ্য ও বিদগ্ধ ব্যক্তি এবং কুরআন ও সাহিত্যের পণ্ডিত ছিলেন। তিনি চারশ বিশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। [৫](২)

২ - আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন হাসনুন আবু নাসর আন-নারসী আল-বাগদাদী। আল-খাতীব (৬/২৩) বলেন: আমি তাঁর নিকট হতে (হাদীস) লিখেছি, তিনি সত্যবাদী ও পুণ্যবান ছিলেন। তিনি চারশ এগারো হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। [২৯]

৩ - আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন উমার বিন হাসান আবুল ফারাজ ইবনুল মুসলিমাহ আল-বাগদাদী আল-মু'আদ্দিল। আল-খাতীব (৬/২২৮) বলেন: আমি তাঁর নিকট হতে (হাদীস) লিখেছি, তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন। তিনি প্রতি বছর মহররমের শুরুতে একটি মজলিসে হাদীস ইমলা (শ্রুতিলিপি প্রদান) করাতেন। তিনি অত্যন্ত বুদ্ধিমান এবং মর্যাদাবান হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন। তিনি অত্যন্ত সৎকর্মশীল ও দাতা ছিলেন এবং তাঁর ঘর ছিল জ্ঞানপিপাসুদের মিলনস্থল। তিনি চারশ পনেরো হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। [৬]

৪ - আল-হুসাইন বিন উমার বিন বারহান(৩) আবু আব্দুল্লাহ আল-গাযযাল আল-বাগদাদী। আল-খাতীব (৮/৬৪০) বলেন: আমি তাঁর নিকট হতে (হাদীস) লিখেছি, তিনি একজন নির্ভরযোগ্য ও পুণ্যবান শায়খ ছিলেন। যিকিরের সময় তিনি প্রচুর ক্রন্দন করতেন। তিনি চারশ বারো হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। [২১]

--------------------------------------------

(১) দুই আলিফের মাঝে 'বা' বর্ণে ফাতহাহ (যবর) এবং 'দাল' বর্ণে কোনো নুকতাহ নেই। আস-সামআনী 'আল-আনসাব' (১/২৪৮) গ্রন্থে এটি বলেছেন। অতঃপর তিনি 'আল-বাদী' (১/২৫০) উল্লেখ করেছেন এবং বলা হয় যে এটাই সঠিক, আর সাধারণ মানুষ 'আল-বাদা' বলে থাকে। আরও দেখুন ইবনে মাকুলার 'আল-ইকমাল' (১/৪০৮) এবং 'তাওদিহুল মুশতাবীহ' (১/৩১৫)।

(২) বন্ধনীভুক্ত এই সংখ্যাটি এই সংকলনে সংশ্লিষ্ট শায়খ হতে তিরাদ-এর বর্ণিত হাদীসের সংখ্যা।

(৩) ইবনে মাকুলা 'আল-ইকমাল' (১/২৪৬) গ্রন্থে 'বা' বর্ণে ফাতহাহ দিয়ে এর উচ্চারণ নির্ধারণ করেছেন।

(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ১১)
5 - عبدُ اللهِ بنُ يحيى بنِ عبدِ الجبارِ أبو محمدٍ السُّكريُّ البغداديُّ. قالَ الخطيبُ (11/ 454): كتبْنا عنه، وكانَ صدوقًا. ماتَ سَنةَ سبعَ عشرةَ وأربعِمئةٍ. [8]

6 - عليُّ بنُ أحمدَ بنِ عمرَ بنِ حفصٍ أبو الحسنِ البغداديُّ المقرئُ المعروفُ بابنِ الحَمَّاميِّ. قالَ الخطيبُ (13/ 232): كتبْنا عنه، وكانَ صادقاً ديِّناً فاضلاً حَسنَ الاعتقادِ. ماتَ سَنةَ سبعَ عشرةَ وأربعِمئةٍ. [ذكَرَه الذَّهبيُّ ضِمنَ شُيوخِ طِرَادٍ الزَّينَبيِّ ولم تقعْ روايتُه عنه في هذا المَجموعِ].

7 - عليُّ بنُ عبدِ اللهِ بنِ إبراهيمَ بنِِ أحمدَ بنِ عبدِ اللهِ أبو الحسنِ الهاشميُّ العِيسَويُّ البغداديُّ. قالَ الخطيبُ (13/ 450): كتبْنا عنه، وكانَ ثقةً. ماتَ سَنةَ خمسَ عشرةَ وأربعِمئةٍ. [22]

8 - عليُّ بنُ محمدِ بنِ عبدِ اللهِ بن بِشْرانَ أبو الحسينِ الأُمويُّ البغداديُّ المُعدلُ. قالَ الخطيبُ (13/ 580): كتبْنا عنه، وكانَ صدوقاً ثقةً ثبتاً، حسنَ الأخلاقِ، تامَّ المروءةِ، ظاهِرَ الدِّيانةِ. ماتَ سَنةَ خمسَ عشرةَ وأربعِمئةٍ. [42]

9 - محمدُ بنُ أحمدَ بنِ محمدِ بنِ أحمدَ بنِ رِزقٍ أبو الحسنِ بنُ رِزْقويه البغداديُّ البزَّازُ. قالَ الخطيبُ (2/ 211): كانَ ثقةً صدوقاً، كثيرَ السَّماعِ والكتابةِ، حسنَ الاعتقادِ، جميلَ المَذهبِ، مُديماً لِتلاوةِ القرآنِ، شَديداً على أهلِ البدعِ. وهو أولُ شيخٍ كَتبتُ عنه. ماتَ سَنةَ خمسٍ وعشرينَ وأربعِمئةٍ. [44]

10 - محمدُ بنُ أحمدَ بنِ يوسفَ بنِ وَصيفٍ(1) أبو بكرٍ البغداديُّ

--------------------------------------------

(1) قال ابن ناصر في «توضيح المشتبه» (9/ 191): بضاد معجمة.

وهو بالصاد المهملة في كتب التراجم التي ترجمت له ولأبيه: «تاريخ بغداد» (2/ 255، 6/ 472)، «المنتظم» (15/ 157)، «الأنساب» (3/ 570)، وكذلك هو في أسانيد هذا المجموع والأسانيد الأخرى التي وقفت عليها في كتب الرواية. والله أعلم.

৫ - আবদুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া বিন আব্দুল জাব্বার আবু মুহাম্মদ আস-সুক্কারি আল-বাগদাদি। আল-খাতিব (১১/ ৪৫৪) বলেছেন: আমরা তাঁর থেকে হাদিস লিখেছি, তিনি সত্যবাদী ছিলেন। তিনি চারশ সতেরো হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। [৮]

৬ - আলী বিন আহমদ বিন উমর বিন হাফস আবু হাসান আল-বাগদাদি আল-মুকরি, যিনি ইবনুল হাম্মামি নামে পরিচিত। আল-খাতিব (১৩/ ২৩২) বলেছেন: আমরা তাঁর থেকে লিখেছি, তিনি সত্যবাদী, দ্বীনদার, ফযিলতপূর্ণ এবং উত্তম আকিদাপোষণকারী ছিলেন। তিনি চারশ সতেরো হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। [যাহাবি তাঁকে তিরাদ আয-যাইনাবির শাইখদের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন, তবে এই সংকলনে তাঁর কোনো বর্ণনা আসেনি]।

৭ - আলী বিন আবদুল্লাহ বিন ইবরাহিম বিন আহমদ বিন আবদুল্লাহ আবুল হাসান আল-হাশেমি আল-ঈসাভি আল-বাগদাদি। আল-খাতিব (১৩/ ৪৫০) বলেছেন: আমরা তাঁর থেকে লিখেছি, তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন। তিনি চারশ পনেরো হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। [২২]

৮ - আলী বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন বিশরান আবুল হুসাইন আল-উমাওয়ি আল-বাগদাদি আল-মুয়াদ্দিল। আল-খাতিব (১৩/ ৫৮০) বলেছেন: আমরা তাঁর থেকে লিখেছি, তিনি সত্যবাদী, নির্ভরযোগ্য, সুদৃঢ়, উন্নত চরিত্রের অধিকারী, পূর্ণ পৌরুষসম্পন্ন এবং প্রকাশ্য দ্বীনদার ছিলেন। তিনি চারশ পনেরো হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। [৪২]

৯ - মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন রিযক আবুল হাসান বিন রিযকুওয়াইহ আল-বাগদাদি আল-বায্যায। আল-খাতিব (২/ ২১১) বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ও সত্যবাদী ছিলেন, প্রচুর শ্রবণ ও লিখনকারী, উত্তম আকিদাপোষণকারী, সুন্দর মাযহাবের অধিকারী, নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াতকারী এবং বিদআতপন্থীদের প্রতি কঠোর ছিলেন। তিনি প্রথম শাইখ যাঁর নিকট থেকে আমি লিখেছি। তিনি চারশ পঁচিশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। [৪৪]

১০ - মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ইউসুফ বিন ওয়াসিফ(১) আবু বকর আল-বাগদাদি

--------------------------------------------

(১) ইবনে নাসির ‘তাওদিহুল মুশতাবীহ’ (৯/ ১৯১) গ্রন্থে বলেছেন: এটি নুক্তাযুক্ত ‘দদ’ দিয়ে।

অথচ তাঁর এবং তাঁর পিতার জীবনীমূলক গ্রন্থগুলোতে এটি নুক্তাহীন ‘সদ’ দিয়ে বর্ণিত হয়েছে: ‘তারিখে বাগদাদ’ (২/ ২৫৫, ৬/ ৪৭২), ‘আল-মুনতাযাম’ (১৫/ ১৫৭), ‘আল-আনসাব’ (৩/ ৫৭০)। অনুরূপভাবে এই সংকলনের সনদসমূহে এবং অন্যান্য বর্ণনাসূত্রেও এভাবেই রয়েছে যা আমি রিওয়ায়াতের গ্রন্থগুলোতে পেয়েছি। আল্লাহই ভালো জানেন।

(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ১২)
الصَّيادُ. قالَ الخطيبُ (2/ 255): كتبْنا عنه، وكانَ ثقةً صدوقاً خيِّراً سَديداً. ماتَ سَنةَ ثلاثَ عشرةَ وأربعِمئةٍ. [8]

11 - محمدُ بنُ الحسينِ بنِ محمدِ بنِ الفضلِ بنِ يعقوبَ أبو الحسينِ القَطانُ الأزرقُ المَتُّوثيُّ الأصلِ. قالَ الخطيبُ (3/ 44): كتبْنا عنه، وكانَ ثقةً. ماتَ سَنةَ خمسَ عشرةَ وأربعِمئةٍ. [22]

12 - محمدُ بنُ عليِّ بنِ الحسنِ بنِ محمدِ بنِ عبدِ الوهابِ أبو الحسنِ بنُ أبي تمامٍ الزَّينَبيُّ الهاشميُّ العباسيُّ، والدُ المُصنِّفِ. ماتَ سَنةَ سبعٍ وعشرينَ وأربعِمئةٍ. «تاريخ الإسلام» (9/ 429). [1]

13 - هلالُ بنُ محمدِ بنِ جعفرِ بنِ سعدانَ أبو الفتحِ الحَفَّارُ الكَسْكَريُّ(1) ثم البغداديُّ. قالَ الخطيبُ (16/ 116): كتبْنا عنه، وكانَ صدوقاً. ماتَ سَنةَ أربعَ عشرةَ وأربعِمئةٍ. [18]

14 - أبو عبدِ اللهِ الصُّوفيُّ. هكذا ذكَرَه المُصنِّفُ (32) لم يزِدْ على هذا وأسنَدَ عنه إنشاداً، ولم أتبيَّنهُ(2). واللهُ أعلمُ. [1]

--------------------------------------------

(1) نسبة إلى كَسْكَر، وهي قرية بالعراق قديمة أظن أنها من نواحي المدائن. قاله في «الأنساب» (5/ 70).

(2) وفي طبقته اثنان روى عنهما الخطيب وترجمهما في «تاريخه»: (8/ 593) الحسين بن شجاع (423 هـ). و (15/ 293) المطهر بن محمد بن إبراهيم الشيرازي (445 هـ). وثالث في «تاريخ الإسلام» (9/ 260) محمد بن أحمد بن إسماعيل الدمشقي (415 هـ). والله أعلم.

আস-সাইয়্যাদ। আল-খতিব (২/ ২৫৫) বলেছেন: আমরা তাঁর থেকে (হাদিস) লিখেছি, তিনি নির্ভরযোগ্য, সত্যবাদী, সজ্জন ও সঠিক পথের অনুসারী ছিলেন। তিনি চারশ তেরো হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। [৮]

১১ - মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন আল-ফাদল বিন ইয়াকুব আবুল হুসাইন আল-কাত্তান আল-আজরাক আল-মাতুসি আল-আসলি। আল-খতিব (৩/ ৪৪) বলেছেন: আমরা তাঁর থেকে লিখেছি, এবং তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন। তিনি চারশ পনেরো হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। [২২]

১২ - মুহাম্মদ বিন আলী বিন আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহাব আবুল হাসান বিন আবি তাম্মাম আজ-জাইনাবি আল-হাশেমি আল-আব্বাসি, গ্রন্থকারের পিতা। তিনি চারশ সাতাশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। ‘তারিখুল ইসলাম’ (৯/ ৪২৯)। [১]

১৩ - হিলাল বিন মুহাম্মদ বিন জাফর বিন সাদান আবুল ফাতহ আল-হাফফার আল-কাসকারি অতঃপর আল-বাগদাদি। আল-খতিব (১৬/ ১১৬) বলেছেন: আমরা তাঁর থেকে লিখেছি, এবং তিনি সত্যবাদী ছিলেন। তিনি চারশ চৌদ্দ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। [১৮]

১৪ - আবু আব্দুল্লাহ আস-সুফি। গ্রন্থকার তাঁকে এভাবেই উল্লেখ করেছেন (৩২), এর অতিরিক্ত কিছু বলেননি এবং তাঁর সূত্রে একটি আবৃত্তি বর্ণনা করেছেন, তবে আমি তাঁর পরিচয় নিশ্চিত হতে পারিনি। আল্লাহই ভালো জানেন। [১]

--------------------------------------------

(১) কাসকার-এর দিকে সম্বন্ধযুক্ত, এটি ইরাকের একটি প্রাচীন গ্রাম, আমার ধারণা এটি মাদায়েনের পার্শ্ববর্তী কোনো এলাকা। ‘আল-আনসাব’ (৫/ ৭০) গ্রন্থে এটি বলা হয়েছে।

(২) তাঁর সমসাময়িক স্তরে এমন দুইজন রয়েছেন যাদের থেকে আল-খতিব বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর ‘তারিখ’ গ্রন্থে তাঁদের জীবনী উল্লেখ করেছেন: (৮/ ৫৯৩) আল-হুসাইন বিন শুজা (৪২৩ হি.)। এবং (১৫/ ২৯৩) আল-মুতাহহার বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আশ-শিরাজি (৪৪৫ হি.)। আর তৃতীয় একজন ‘তারিখুল ইসলাম’ (৯/ ২৬০) গ্রন্থে বর্ণিত মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ইসমাইল আদ-দিমাশকি (৪১৫ হি.)। আল্লাহই ভালো জানেন।

(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ১৩)
‌‌مُصنَّفاتُ طِرَادٍ الزَّينَبيِّ

قالَ الذَّهبيُّ في «العبر» (2/ 364): وأملَى مَجالسَ كثيرةً.

وتقدَّمَ في تَرجمتِه قولُ ابنِ النَّجارِ: وأَملى خَمسةً وعشرينَ مَجلساً بجامعِ المنصورِ، وأَملى بمكةَ والمدينةِ مجالِسَ.

وعليه فإنَّ مُصنَّفاتِ طِرَادٍ الزَّينَبيِّ هي هذه الأَمالي والمَجالسُ المُتعدِّدةُ، التي لم يُرَ ببغدادَ بعدَ القَطيعيِّ مِثلُها، كما قالَ السِّلَفيُّ.

وانتَشرت هذه المَجالسُ وتَعدَّدَ رُواتُها، فنَجدُ الذَّهبيَّ يقولُ في أحدِ التراجمِ: عندَه مَجلِسانِ لِطِرَادٍ. ويقولُ في ثانيةٍ: سَمعَ مَجلساً مِن طِرَادٍ. وفي ثالثةٍ: ورَوى جُزءاً عن طِرَادٍ الزَّينَبيِّ(1). وفي رابعةٍ: سَمعَ مِنهما مَجلِساً مِن «أمالي طراد» تفرَّدَ في الدُّنيا به(2).

ومِن قبلِهِ قالَ السَّمعانيُّ(3): وقرأتُ عليه مَجلِسينَ مِن «أمالي طراد»

--------------------------------------------

(1) انظر «السير» (20/ 479). «تاريخ الإسلام» (11/ 800، 12/ 41، 296).

(2) قاله في ترجمة نزار بن عبد الواحد البغدادي في «تاريخ الإسلام» (14/ 147).

وهو بذلك يوافق ماقاله المنذري في ترجمته من «التكملة» (3/ 455): سمع من أبي الحسن علي بن محمد بن أبي عمر البزاز وأبي حفص عمر بن عبد الله بن علي الحربي مجلساً من «أمالي» النقيب أبي الفوارس طراد بن محمد الزينبي، ويقال إنه لم يكن عنده سواه عن الشيخين، وحدث به مراراً.

وفي ترجمته قال ابن نقطة في «الإكمال» (1/ 413، 2/ 607): سمعت منه المجلس الأول من «أمالي طراد الزينبي» بسماعه منهما عنه.

(3) في ترجمة شيخه أبي القاسم الحسين بن محمد الدواتي في «المنتخب من معجمه» (2/ 729).

তিরাদ আল-যাইনাবীর রচনাবলি

ইমাম যাহাবী ‘আল-ইবার’ (২/৩৬৪) গ্রন্থে বলেন: তিনি বহু মজলিস শ্রুতিলিপি (ইমলা) করিয়েছেন।

তাঁর জীবনীতে ইতিপূর্বে ইবনুন নাজ্জারের এই উক্তিটি অতিবাহিত হয়েছে যে: তিনি জামে আল-মানসুরে পঁচিশটি মজলিস শ্রুতিলিপি করিয়েছেন এবং মক্কা ও মদিনায়ও বেশ কিছু মজলিস করিয়েছেন।

আর সেই অনুসারে, তিরাদ আল-যাইনাবীর রচনাবলি হলো মূলত এই আমালি এবং বহু সংখ্যক মজলিস, আস-সিলাফির ভাষ্যমতে আল-কাতিয়ীর পরে বাগদাদে যার সমতুল্য আর দেখা যায়নি।

এই মজলিসগুলো ছড়িয়ে পড়েছিল এবং এর বর্ণনাকারীদের সংখ্যাও বহু ছিল। আমরা ইমাম যাহাবীকে কোনো এক জীবনীতে বলতে দেখি: “তাঁর কাছে তিরাদের দুইটি মজলিস রয়েছে।” অন্য একটিতে বলেন: “তিনি তিরাদের নিকট থেকে একটি মজলিস শ্রবণ করেছেন।” তৃতীয়টিতে বলেন: “তিনি তিরাদ আল-যাইনাবী থেকে একটি জুয বর্ণনা করেছেন(১)।” চতুর্থটিতে বলেন: “তিনি তাদের উভয়ের নিকট থেকে ‘আমালি তিরাদ’-এর একটি মজলিস শ্রবণ করেছেন, যাতে তিনি বিশ্বে অনন্য ছিলেন(২)।”

আর তাঁর পূর্বে আস-সামআনী(৩) বলেছেন: আমি তাঁর নিকট ‘আমালি তিরাদ’ থেকে দুইটি মজলিস পাঠ করেছি।

--------------------------------------------

(১) দেখুন ‘আস-সিয়ার’ (২০/৪৭৯), ‘তারিখুল ইসলাম’ (১১/৮০০, ১২/৪১, ২৯৬)।

(২) তিনি এটি ‘তারিখুল ইসলাম’ (১৪/১৪৭) গ্রন্থে নিযার ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আল-বাগদাদীর জীবনীতে বলেছেন।

এটি আল-মুনযিরি তাঁর ‘আত-তাকমিলা’ (৩/৪৫৫) গ্রন্থে তাঁর জীবনীতে যা বলেছেন তার সাথে সংগতিপূর্ণ: তিনি আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি উমর আল-বায্যায এবং আবু হাফস উমর ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আলী আল-হারবী থেকে নাকীব আবুল ফাওয়ারিস তিরাদ ইবনে মুহাম্মদ আল-যাইনাবীর ‘আমালি’-র একটি মজলিস শ্রবণ করেছেন। বলা হয়ে থাকে যে, এই দুই শায়খের নিকট থেকে তাঁর কাছে এটি ছাড়া অন্য কিছু ছিল না, এবং তিনি এটি বারবার বর্ণনা করেছেন।

এবং তাঁর জীবনীতে ইবনে নুকতাহ ‘আল-ইকমাল’ (১/৪১৩, ২/৬০৭) গ্রন্থে বলেছেন: আমি তাঁর নিকট থেকে ‘আমালি তিরাদ আল-যাইনাবী’-র প্রথম মজলিসটি শ্রবণ করেছি, যা তিনি তাঁদের উভয়ের নিকট থেকে তাঁর সূত্রে শ্রবণ করেছিলেন।

(৩) তাঁর শায়খ আবুল কাসিম আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ আদ-দাওয়াতির জীবনীতে, ‘আল-মুনতাখাব মিন মুজামিহি’ (২/৭২৯) গ্রন্থে।

(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ১৪)
بروايتِهِ عنه.

واشتهرَ مِن هذه المَجالسِ «مجلس الروضة» الذي أملاهُ [بينَ القبرِ والمنبرِ بالرَّوضةِ المُقدسةِ]، و «جزء فيه خمسة وعشرون مجلساً من أماليه».

ثم خَرَّجَ له أبو عليٍّ البَرَدانيُّ(1) مِن أُصولِهِ: «العوالي» في جزأَينِ، و «فضائل الصحابة»، وأجزاءً أُخرى مِنها الجُزءُ الآتي في هذا المجموعِ «جزء فيه تسعة مجالس من أمالي الزينبي».

ويَختصرُ ما سبقَ قولُ الذَّهبيِّ في «السير»: وأَملى مجالسَ عِدةً، وخُرِّجَ له «العوالي» المَشهورة، و «فضائل الصحابة»(2).

والذي وَقفتُ عليه مِن هذه المُصنَّفاتِ: «العوالي» وَ «جزء فيه تسعة

--------------------------------------------

(1) بفتح الباء الموحدة والراء والدال المهملة، نسبة الى بَرَدان وهي قرية من قرى بغداد، وهو الشيخ الإمام الحافظ الثقة مفيد بغداد، أبو علي أحمد بن محمد بن أحمد بن محمد بن حسن البرداني ثم البغدادي، كتب الكثير وانتقى وخرَّج لنفسه وللشيوخ.

وقال السمعاني: كان حافظاً ثقة صدوقاً خيراً ثبتاً، طلب الحديث بنفسه، وكان مكثراً حسن الخط، كان صحيح النقل والسماع كثير الضبط.

توفى في شوال سنة ثمان وتسعين وأربعمئة.

انظر «الأنساب» (1/ 312)، و «السير» (19/ 219).

وانتقى أيضاً على أبي الحسن الحريمي (502 هـ)، وأبي محمد بن الآبنوسي (505 هـ)، وأبي العز بن المؤيد الهاشمي (508 هـ). انظر «تاريخ الإسلام» (11/ 37)، «السير» (19/ 278)، «المعجم المفهرس» (958).

(2) وتقدم في ترجمته قول ابن الجوزي: واستملى له أبو على البرداني.

وقول ابن نقطة: وانتقى له أبو علي البرداني أجزاء وأمالي.

তাঁর নিকট হতে তাঁর বর্ণনায়।

এই মজলিসগুলোর মধ্যে প্রসিদ্ধ হলো ‘মজলিসুর রওজা’, যা তিনি [পবিত্র রওজায় কবর ও মিম্বরের মাঝে] শ্রুতলিপি হিসেবে প্রদান করেছিলেন এবং ‘জুজউন ফিহি খামসাতুন ওয়া ইশরুনা মজলিসান মিন আমালিহি’ (তাঁর শ্রুতলিপি থেকে পঁচিশটি মজলিস সম্বলিত অংশ)।

অতঃপর আবু আলী আল-বারদানি(১) তাঁর মূল পাণ্ডুলিপি থেকে তাঁর জন্য সঙ্কলন করেছেন: দুই খণ্ডে ‘আল-আওয়ালি’, ‘ফাদায়িলুস সাহাবা’ এবং অন্যান্য কিছু অংশ, যার মধ্যে এই সংকলনে আগত অংশটি হলো ‘জুজউন ফিহি তিসআতু মজালিসা মিন আমালিয যাইনাবি’ (যাইনাবির শ্রুতলিপি থেকে নয়টি মজলিস সম্বলিত অংশ)।

আর ইমাম যাহাবির ‘আস-সিয়ার’ গ্রন্থের উক্তিটি পূর্বোক্ত কথারই সারসংক্ষেপ করে: তিনি বেশ কয়েকটি মজলিসে শ্রুতলিপি প্রদান করেছেন এবং তাঁর জন্য প্রসিদ্ধ ‘আল-আওয়ালি’ ও ‘ফাদায়িলুস সাহাবা’(২) সঙ্কলন করা হয়েছে।

এই রচনাবলির মধ্যে আমি যা অবগত হয়েছি তা হলো: ‘আল-আওয়ালি’ এবং ‘নয়টি মজলিস সম্বলিত অংশ...’

--------------------------------------------

(১) এক নুকতা বিশিষ্ট 'বা', 'রা' এবং নুকতাহীন 'দাল' এর উপরে ফাতাহ (যবর) সহকারে; বারদান এর দিকে সম্বন্ধিত, যা বাগদাদের একটি গ্রাম। তিনি হলেন শায়খ, ইমাম, হাফিজ, নির্ভরযোগ্য এবং বাগদাদের মুফিদ (উপকারকারী শিক্ষক), আবু আলী আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হাসান আল-বারদানি, অতঃপর আল-বাগদাদি। তিনি প্রচুর লিখেছেন এবং নিজের জন্য ও শিক্ষকদের জন্য হাদিস নির্বাচন ও সঙ্কলন করেছেন।

আস-সামআনি বলেন: তিনি ছিলেন হাফিজ, নির্ভরযোগ্য, সত্যবাদী, কল্যাণকামী ও সুদৃঢ়; তিনি নিজেই হাদিস অন্বেষণ করেছেন এবং তিনি ছিলেন প্রচুর হাদিসের অধিকারী ও সুন্দর হস্তাক্ষরের মালিক। তাঁর বর্ণনা ও শ্রবণ ছিল নির্ভুল এবং তিনি অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ছিলেন।

তিনি ৪৯৮ হিজরির শাওয়াল মাসে মৃত্যুবরণ করেন।

দেখুন: ‘আল-আনসাব’ (১/৩১২), ‘আস-সিয়ার’ (১৯/২১৯)।

তিনি আবুল হাসান আল-হারিমি (৫০২ হি.), আবু মুহাম্মাদ বিন আল-আবানুসি (৫০৫ হি.) এবং আবু ইজ্জ বিন আল-মুআইয়াদ আল-হাশিমি (৫০৮ হি.) এর নিকট থেকেও হাদিস নির্বাচন করেছেন। দেখুন: ‘তারিখুল ইসলাম’ (১১/৩৭), ‘আস-সিয়ার’ (১৯/২৭৮), ‘আল-মুজামুল মুফাহরাস’ (৯৫৮)।

(২) তাঁর জীবনীতে ইতিপূর্বে ইবনুল জাওযির উক্তি অতিক্রান্ত হয়েছে: আবু আলী আল-বারদানি তাঁর নিকট থেকে শ্রুতলিপি গ্রহণ করেছেন।

এবং ইবনে নুকতাহ এর উক্তি: আবু আলী আল-বারদানি তাঁর জন্য বিভিন্ন অংশ ও শ্রুতলিপি নির্বাচন করে দিয়েছেন।

(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ১৫)
مجالس من أمالي الزينبي» وهُما مِن تَخريجِ البَرَدانيِّ. وَ «مجلس الروضة»، وَ «مجلسان من أماليه»، وثلاث نُسخٍ في كُلٍّ مِنها «مجلس من أماليه» اثنانِ مِنهما مِن ضِمنِ المَجالسِ التِّسعِ المُتقدمةِ. ويأتي الكلامُ عليها.

* أمَّا «فضائل الصحابة» تَخريجُ أبي عليٍّ البَرَدانيِّ مِن حديثِ أبي الفَوارسِ طِرَادِ بنِ محمدٍ الزَّينَبيِّ(1) فلم أقِفْ عليها، ولعلَّها مِما فُقدَ.

وقد ذَكرَه العلائيُّ في «إثارة الفوائد» (1/ 379)، والفاسيُّ في «ذيل التقييد» (2/ 93)، وابنُ حجرٍ في «المعجم المفهرس» (448) و «المجمع المؤسس» (2/ 153، 390)، والرُّودانيُّ في «صلة الخلف» (ص 313)، مِن رِوايةِ أبي بكرِ بنِ أحمدَ بنِ عبدِ الدائمِ(2)، عن محمدِ بنِ إبراهيمَ الإِربليِّ(3)، عن يحيى بنِ ثابتِ بنِ بُندارٍ(4)، عن طِرَادٍ الزَّينَبيِّ.

* ومِما لم أقفْ عليه أيضاً «خمسة وعشرون مجلساً من أمالي طراد الزينبي».

--------------------------------------------

(1) هكذا ذكره ابن حجر في الموضع الثاني من «المجمع المؤسس» ومن قبله العلائي، فكتاب «فضائل الصحابة» ليس من تصنيف طراد الزينبي، إنما هو تخريج البرداني من حديث طراد الزينبي.

لذلك يمكن عند التخريج منه أن نقول: أخرجه الحافظ أبو علي البرداني في كتاب فضائل الصحابة لطراد. هكذا قال ابن حجر في «جزئه الذي جمع فيه طرق حديث لا تسبوا أصحابي» (ص 50). وقبله قال (ص 42): وكذلك رويناه في كتاب «فضائل الصحابة» لطراد. وفي «الفتح» (1/ 51): وقعت لنا بعلو في «فضائل الصحابة» لطراد.

(2) المقدسي الصالحي. توفي سنة (718 هـ). انظر «الدرر الكامنة» (1/ 523).

(3) الشيخ المسند فخر الدين. توفي سنة (633 هـ). انظر «السير» (22/ 395).

(4) الشيخ الجليل المسند العالم أبو القاسم الدينوري البغدادي. توفي سنة (566 هـ). انظر «السير» (20/ 505).

'যায়নাবীর আমালি (শ্রুতিলিপি) থেকে প্রাপ্ত মজলিসসমূহ', এবং এই দুটি আল-বারাদানি কর্তৃক সংকলিত। এবং 'মজলিসুর রাওদাহ', তাঁর আমালি থেকে আরও 'দুটি মজলিস', এবং তিনটি পাণ্ডুলিপি যার প্রত্যেকটিতে তাঁর আমালি থেকে 'একটি মজলিস' রয়েছে; যার মধ্যে দুটি পূর্বে উল্লিখিত নয়টি মজলিসের অন্তর্ভুক্ত। এগুলোর ব্যাপারে সামনে আলোচনা আসবে।

* আর আবু আলি আল-বারাদানি কর্তৃক আবুল ফাওয়ারিস তিরাদ ইবনে মুহাম্মাদ আজ-যায়নাবীর(১) হাদিস থেকে সংকলিত 'ফাদায়েলুস সাহাবাহ' গ্রন্থটির সন্ধান আমি পাইনি, সম্ভবত এটি হারিয়ে যাওয়া গ্রন্থসমূহের অন্তর্ভুক্ত।

আল-আলাই তাঁর 'ইসারাতুল ফাওয়াইদ' (১/৩৭৯) গ্রন্থে, আল-ফাসি 'যাইলুত তাকিদ' (২/৯৩) গ্রন্থে, ইবনে হাজার 'আল-মু'জামুল মুফাহরাস' (৪৪৮) ও 'আল-মাজমাউল মুআসসিস' (২/১৫৩, ৩৯০) গ্রন্থে এবং আর-রুদানি 'সিলাতুল খালাফ' (পৃ. ৩১৩) গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন; যা আবু বকর ইবনে আহমাদ ইবনে আবদুল দায়িম(২) হতে বর্ণিত, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে ইব্রাহিম আল-ইরবিলি(৩) হতে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাবিত ইবনে বুন্দার(৪) হতে এবং তিনি তিরাদ আজ-যায়নাবী হতে বর্ণনা করেছেন।

* এছাড়াও আমি যার সন্ধান পাইনি তা হলো 'তিরাদ আজ-যায়নাবীর আমালি থেকে পঁচিশটি মজলিস'।

--------------------------------------------

(১) ইবনে হাজার 'আল-মাজমাউল মুআসসিস'-এর দ্বিতীয় স্থানে এবং তাঁর পূর্বে আল-আলাই এভাবেই এটি উল্লেখ করেছেন। সুতরাং 'ফাদায়েলুস সাহাবাহ' কিতাবটি তিরাদ আজ-যায়নাবীর নিজস্ব রচনা নয়, বরং এটি তিরাদ আজ-যায়নাবীর বর্ণনা থেকে বারাদানির সংকলন।

এ কারণে এটি থেকে উদ্ধৃতি দেওয়ার সময় আমরা বলতে পারি: হাফেজ আবু আলি আল-বারাদানি এটি তিরাদ-এর সূত্রে 'ফাদায়েলুস সাহাবাহ' গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। হাফেজ ইবনে হাজার তাঁর 'যে খণ্ডে তিনি লা তাসুব্বু আসহাবি হাদিসের সূত্রসমূহ একত্রিত করেছেন' (পৃ. ৫০) গ্রন্থে এভাবেই বলেছেন। এর আগে তিনি বলেছেন (পৃ. ৪২): "অনুরূপভাবে আমরা তিরাদ-এর সূত্রে 'ফাদায়েলুস সাহাবাহ' গ্রন্থে এটি বর্ণনা করেছি।" এবং 'আল-ফাতহ' (১/৫১) গ্রন্থে বলেছেন: "আমরা তিরাদ-এর সূত্রে 'ফাদায়েলুস সাহাবাহ' গ্রন্থে উচ্চ সনদে এটি লাভ করেছি।"

(২) আল-মাকদিসি আস-সালিহি। মৃত্যু: ৭১৮ হিজরি। দেখুন 'আল-দুরারুল কামিনাহ' (১/৫২৩)।

(৩) শায়খুল মুসনিদ ফখরুদ্দিন। মৃত্যু: ৬৩৩ হিজরি। দেখুন 'আস-সিয়ার' (২২/৩৯৫)।

(৪) সম্মানিত শায়খ, মুসনিদ এবং আলিম আবু আল-কাসিম আদ-দিনাওয়ারি আল-বাগদাদি। মৃত্যু: ৫৬৬ হিজরি। দেখুন 'আস-সিয়ার' (২০/৫০৫)।

(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ১৬)
ذكَرَه الذَّهبيُّ في «المعجم الكبير» (1/ 344)، وابنُ حجرٍ في «المعجم المفهرس» (1338)، و «المجمع المؤسس» (2/ 337)، والسُّيوطيُّ في «أنساب الكتب» (2214)، والرُّودانيُّ في «صلة الخلف» (ص 98)، مِن طريقِ ابنِ العُلِّيقِ(1)، عن شُهدةَ، عن طِرَادٍ الزَّينَبيِّ.

ولعلَّها هي المَقصودة عندَ إطلاقِ القولِ «أمالي طراد»(2)، يُفهمُ هذا مِن قولِ ابنِ حجرٍ والسُّيوطيِّ: «أمالي طراد» وهي خمسةٌ وعشرونَ مجلساً(3).

وعلى هذا فهي المَعنيةُ بقَولِ السِّراجِ القَزوينيِّ في «مشيخته» (ص 439): وكتاب «الأمالي» لِنقيبِ النُّقباءِ أبي الفَوارسِ طِرَادِ بنِ محمدِ بنِ عليٍّ الزَّينَبيِّ، رِوايةُ الكاتبةِ فخرِ النساءِ شُهدةَ بنتِ المُوفقِ أحمدَ بنِ عمرَ بنِ الفرجِ الدِّينَوريِّ الإِبريِّ. أروِيه عن خَلقٍ كثيرٍ .. .. .. .. عن شُهدةَ، عن النَّقيبِ طِرَادٍ.

ولم أقفْ على هذه الأَمالي، لكنْ وَقفتُ على ورقتَينِ فيهما سماعٌ لهذا المَجالسِ الخمسةِ والعشرينَ، ويَظهرُ أنَّهما كانَتا ضِمنَ نُسخةٍ فيها المَجالسُ المَذكورةُ، وهُما الوَرقتانِ [311/ب-312/أ] مِن المَجموعِ (40) مِن

--------------------------------------------

(1) الشيخ العالم الصالح المعمر أبو نصر الأعز بن فضائل البغدادي. توفي سنة (649 هـ). انظر «السير» (23/ 238).

(2) انظر مثلاً «تاريخ الإسلام» (13/ 543، 15/ 560).

وقد تكون هي نفسها التي ذكرها ابن النجار بقوله: وأملى خمسة وعشرين مجلساً بجامع المنصور. والله أعلم.

(3) وقد أسند ابن حجر في «فضل رجب» (38) حديثاً [عن طراد في «أماليه»] بنفس الإسناد الذي يروي به هذه المجالس.

আয-যাহাবী এটি «আল-মু'জাম আল-কাবীর» (১/ ৩৪৪) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, ইবনে হাজার «আল-মু'জাম আল-মুফাহরাস» (১৩৩৮) ও «আল-মাজমাউল মুআসসাস» (২/ ৩৩৭) গ্রন্থে, আস-সুয়ূতী «আনসাবুল কুতুব» (২২১৪) গ্রন্থে এবং আর-রূদানী «সিলাতুল খালাফ» (পৃ. ৯৮) গ্রন্থে ইবনুল উল্লাইক(১)-এর সূত্রে শুহদাহ হতে এবং তিনি তিরাদ আয-যাইনাবী হতে বর্ণনা করেছেন।

সম্ভবত যখন সাধারণভাবে «আমালি তিরাদ»(২) বলা হয় তখন এটিই উদ্দেশ্য। ইবনে হাজার এবং আস-সুয়ূতীর উক্তি থেকে এটিই বোঝা যায়: «আমালি তিরাদ» যা পঁচিশটি মজলিশের সমষ্টি(৩)।

আর এই ভিত্তিতেই আস-সিরাজ আল-কাযউইনী তাঁর «মাশইয়াখাহ» (পৃ. ৪৩৯) গ্রন্থে এটিই বুঝিয়েছেন: নাকীবুন নুকাবা আবুল ফাওয়ারিস তিরাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী আয-যাইনাবীর কিতাব «আল-আমালি», যা লেখিকা ফাখরুন নিসা শুহদাহ বিনতে আল-মুয়াফফাক আহমাদ ইবনে উমর ইবনে আল-ফারাজ আদ-দীনওয়ারী আল-ইবরীর বর্ণনা। আমি এটি অসংখ্য ব্যক্তির নিকট থেকে বর্ণনা করছি... তারা শুহদাহ হতে এবং তিনি নাকীব তিরাদ হতে।

আমি এই আমালি-র মূল পাণ্ডুলিপিটি পাইনি, তবে আমি এমন দুটি পৃষ্ঠা পেয়েছি যাতে এই পঁচিশটি মজলিশের শ্রবণের (সামা') বিবরণ রয়েছে। প্রতীয়মান হয় যে, এই পৃষ্ঠা দুটি এমন একটি পাণ্ডুলিপির অংশ ছিল যাতে উল্লেখিত মজলিশগুলো বিদ্যমান ছিল। পৃষ্ঠা দুটি হলো ৪০ নম্বর মাজমু'আর [৩১১/খ-৩১২/ক] নম্বর পাতা হতে...

--------------------------------------------

(১) শাইখ, আলেম, সৎকর্মশীল ও দীর্ঘজীবী আবু নাসর আল-আআযয ইবনে ফাদায়িল আল-বাগদাদী। তিনি (৬৪৯ হি.) সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন «আস-সিয়ার» (২৩/ ২৩৮)।

(২) উদাহরণস্বরূপ দেখুন «তারিখুল ইসলাম» (১৩/ ৫৪৩, ১৫/ ৫৬০)। সম্ভবত ইবনে নাজ্জার তাঁর এই উক্তির মাধ্যমে এটিই বুঝিয়েছেন: "তিনি মানসূর জামে মসজিদে পঁচিশটি মজলিশে হাদিস বর্ণনা (ইমলা) করেছেন।" আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

(৩) ইবনে হাজার «ফাদলু রাজাব» (৩৮) গ্রন্থে একই সনদে [তিরাদ থেকে তাঁর «আমালি»-তে] একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন, যে সনদে তিনি এই মজলিশগুলো বর্ণনা করেন।

(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ১৭)
المَجاميعِ العُمريَّةِ، وفيهما:

سَمعَ جميعَ «أمالي طراد الزينبي» هذِه وهي خمسةٌ وعشرونَ مَجلساً على المشايخِ الثلاثةِ:

* شيخِنا الإمامِ العلَّامةِ الحافظِ الناقدِ الأستاذِ شيخِ الجماعةِ إمامِ الحُفاظِ بقيَّةِ السَّلفِ جمالِ الدِّينِ أبي الحجاجِ يوسفَ ابنِ الزَّكيِّ عبدِ الرحمنِ بنِ يوسفَ المِزيِّ أدامَ اللهُ النفعَ به ومتَّعَ ببقائِه.

* والحاجِّ أبي محمدٍ عبدِ اللهِ بنِ محمدِ بنِ إبراهيمَ بنِ نصرٍ المَقدسيِّ ابنِ قيِّمِ الضيائيَّةِ(1).

* والمُسندةِ المُعمَّرةِ الصالحةِ أمِّ عبدِ اللهِ زينبَ بنتِ الشيخِ كمالِ الدِّينِ أحمدَ بنِ عبدِ الرحيمِ بنِ عبدِ الواحدِ بنِ أحمدَ المَقدسيِّ (الصالحيِّ؟)(2).

بسماعِ الأَوَّلَينِ مِن الشيخِ فخرِ الدِّينِ عليِّ بنِ أحمدَ بنِ البخاريِّ، بسماعِهِ مِن ابنِ طَبَرزَدَ عن شيوخِهِ الثلاثةِ(3)، عن طِرَادٍ.

وبسماعِ المُسمِعِ الأولِ أيضاً -كما (بينه؟) تراهُ قبالةَ خَطي(4) - مِن

--------------------------------------------

(1) مسند الوقت. توفي سنة (761 هـ). انظر «الدرر الكامنة» (3/ 63).

(2) مسندة الدنيا، روت عن شيوخها بالاجازة كثيراً من الكتب والأجزاء العالية. توفيت سنة (740 هـ). انظر «ذيل التقييد» (2/ 366).

(3) لم يُذكروا هنا.

وبالنظر إلى أسانيد الفخر بن البخاري في «مشيخته» فإن هؤلاء الثلاثة هم: عمر الحربي، وابنا طراد: علي ومحمد. والله أعلم.

(4) ليس قبالة خطه في هذه الورقة إلا سماع ملخص من الأصل لعمر بن محمد البالسي وغيره على زينب بنت الكمال سنة (737 هـ).

আল-মাজামিউল উমরিয়া, এবং তাতে রয়েছে:

তিনি 'আমালি তিরাদ আল-জাইনাবি'-এর এই সম্পূর্ণ অংশটি শ্রবণ করেছেন, যা পঁচিশটি মজলিস নিয়ে গঠিত, তিনজন শায়খের নিকট:

* আমাদের শায়খ, ইমাম, আল্লামা, হাফিজ, সমালোচক, উস্তাদ, শায়খুল জামাআহ, ইমামুল হুফফাজ, সালাফদের উত্তরসূরি জামালুদ্দিন আবুল হাজ্জাজ ইউসুফ ইবনুল জাকি আবদুর রহমান বিন ইউসুফ আল-মিজ্জি, আল্লাহ তাঁর মাধ্যমে উপকার অব্যাহত রাখুন এবং তাঁর দীর্ঘায়ু দান করুন।

* এবং হাজ্জি আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন নাসর আল-মাকদিসি, ইবনে কায়্যিম আদ-দিয়াঈয়াহ(১)।

* এবং দীর্ঘায়ুপ্রাপ্ত পুণ্যবতী মুসনিদাহ উম্মে আবদুল্লাহ জাইনাব বিনতে শায়খ কামালুদ্দিন আহমদ বিন আবদুর রহিম বিন আবদুল ওয়াহিদ বিন আহমদ আল-মাকদিসি (আস-সালিহি?)(২)।

প্রথম দুজনের শ্রবণ হচ্ছে শায়খ ফখরুদ্দিন আলি বিন আহমদ বিন আল-বুখারি থেকে, তাঁর শ্রবণ ইবনে তাবারজাদ থেকে, যিনি তাঁর তিনজন শায়খের মাধ্যমে(৩) তিরাদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং প্রথম শ্রবণকারীর শ্রবণ অনুযায়ীও - যেমনটি (সেটি?) আমার হাতের লেখার বিপরীতে দেখা যাচ্ছে(৪) - থেকে

--------------------------------------------

(১) সময়ের মুসনিদ। তিনি (৭৬১ হিজরিতে) মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন 'আদ-দুরার আল-কামিনাহ' (৩/৬৩)।

(২) দুনিয়ার মুসনিদাহ, তিনি তাঁর শায়খদের থেকে ইজাজতের মাধ্যমে অনেক উচ্চমানের কিতাব এবং আজজা (হাদিস সংকলন) বর্ণনা করেছেন। তিনি (৭৪০ হিজরিতে) মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন 'যাইলুত তাকয়ীদ' (২/৩৬৬)।

(৩) এখানে তাঁদের নাম উল্লেখ করা হয়নি।

এবং 'মাশইয়াহাত' গ্রন্থে ফখর বিন আল-বুখারির সনদসমূহের দিকে লক্ষ করলে দেখা যায় যে, এই তিনজন হলেন: উমর আল-হারবি এবং তিরাদের দুই পুত্র: আলি ও মুহাম্মদ। আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।

(৪) এই পৃষ্ঠায় তাঁর হাতের লেখার বিপরীতে কেবল ৭৩৭ হিজরিতে জাইনাব বিনতে আল-কামালের নিকট উমর বিন মুহাম্মদ আল-বালিসি এবং অন্যদের মূল পাণ্ডুলিপি থেকে একটি সংক্ষিপ্ত শ্রবণের বিবরণ রয়েছে।

(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ১৮)
زينبَ بنتِ مكيٍّ(1) والشَّريشيِّ وابنِ البخاريِّ وابنِ عبدِ الملكِ(2) وابنِ مؤمنٍ(3) بسندِهم تراهُ.

وبإجازةِ المُسمِعةِ زينبَ مِن الشيخِ أبي نصرٍ الأعزِّ بنِ فَضائلَ بنِ العُلِّيقِ، بسماعِهِ مِن الكاتبةِ شُهدةَ بنتِ أحمدَ الإِبريِّ، بإجازتِها مِن طِرَادٍ إن لم يكنْ سماعاً.

وبسماعِ ابنِ العُلِّيقِ مِن محمدِ بنِ المباركِ بنِ مَشِّق(4)، بسماعِهِ مِن: أبي الحسنِ عليِّ بنِ محمدِ بنِ أبي عمرَ البزازِ(5)، وأبي حفصٍ عمرَ بنِ عبدِ اللهِ بنِ عليٍّ الحربيِّ(6)، وأحمدَ بنِ المُقَرَّبِ بنِ الحسينِ الكَرخيِّ(7)، بسماعِهم مِن طِرَادٍ.

وبإجازتِها أيضاً -أعني المُسمِعةَ زينبَ- مِن ضوءِ الصَّباحِ عَجيبةَ بنتِ

--------------------------------------------

(1) أم أحمد الزاهدة العابدة المسندة. توفيت سنة (688 هـ). انظر «تاريخ الإسلام» (15/ 606).

(2) المزي يروي عن: عبد الرحيم بن عبد الملك (680 هـ)، وعبد الرحمن بن أحمد بن عبد الملك (689 هـ) المقدسيين، وكلاهما يروي عن ابن طبرزد.

(3) محمد بن عبد المؤمن بن أبي الفتح الصوري المقدسي. كان من بقايا المسندين في زمانه. توفي سنة (690 هـ). انظر «تاريخ الإسلام» (15/ 673).

(4) الإمام الفاضل المحدث مفيد بغداد. توفي سنة (605 هـ). انظر «السير» (21/ 440).

(5) توفي سنة (549 هـ). انظر «تاريخ الإسلام» (11/ 970).

(6) شيخ صالح خير قيم بكتاب الله. توفي سنة (552 هـ). انظر «تاريخ الإسلام» (12/ 51).

(7) أبو بكر البغدادي، الشيخ الجليل الثقة المسند. توفي سنة (563 هـ). انظر «السير» (20/ 473).

জয়নাব বিনতে মক্কী(১), আশ-শারিশী, ইবনুল বুখারী, ইবনে আবদুল মালিক(২) এবং ইবনে মুমিন(৩) থেকে তাদের সনদে তুমি তা দেখতে পাবে।

এবং শ্রবণকারিণী জয়নাবের ইজাযতের মাধ্যমে, যা তিনি শাইখ আবু নাসর আল-আআয বিন ফাযায়েল বিন আল-উল্লাইক থেকে লাভ করেছেন; এবং তাঁর শ্রবণের মাধ্যমে লেখিকা শুহদাহ বিনতে আহমাদ আল-ইবরী থেকে, আর তিরাদ থেকে তাঁর ইজাযতের মাধ্যমে—যদি তা সরাসরি শ্রবণ না হয়ে থাকে।

এবং ইবনুল উল্লাইকের শ্রবণের মাধ্যমে মুহাম্মাদ বিন আল-মুবারক বিন মাশশিক(৪) থেকে; এবং তাঁর শ্রবণের মাধ্যমে: আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আবি ওমর আল-বায্যায(৫), আবু হাফস ওমর বিন আব্দুল্লাহ বিন আলী আল-হারবী(৬) এবং আহমাদ বিন আল-মুকাররাব বিন আল-হুসাইন আল-কারখী(৭) থেকে—তিরাদ থেকে তাঁদের শ্রবণের মাধ্যমে।

এবং তাঁর—অর্থাৎ শ্রবণকারিণী জয়নাবের—ইজাযতের মাধ্যমেও, যা তিনি যউউস সাবাহ আজিবা বিনতে...

--------------------------------------------

(১) উম্মে আহমাদ; যাহিদাহ (সংসারবিরাগী), আবিদাহ (ইবাদতকারিণী) এবং মুসনিদাহ। তিনি ৬৮৮ হিজরী সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: ‘তারীখুল ইসলাম’ (১৫/৬০৬)।

(২) ইমাম মিযযী বর্ণনা করেছেন: আবদুর রাহীম বিন আবদুল মালিক (৬৮০ হি.) এবং আবদুর রহমান বিন আহমাদ বিন আবদুল মালিক (৬৮৯ হি.) আল-মাকদিসীদ্বয় থেকে; তাঁরা উভয়েই ইবনে তাবারযাদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

(৩) মুহাম্মাদ বিন আবদুল মুমিন বিন আবি ফাতহ আস-সুরী আল-মাকদিসী। তিনি তাঁর সময়ের অবশিষ্ট মুসনিদদের অন্যতম ছিলেন। তিনি ৬৯০ হিজরী সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: ‘তারীখুল ইসলাম’ (১৫/৬৭৩)।

(৪) ফাযিল ইমাম, মুহাদ্দিস এবং বাগদাদের মুফীদ। তিনি ৬০৫ হিজরী সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: ‘আস-সিয়ার’ (২১/৪৪০)।

(৫) তিনি ৫৪৯ হিজরী সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: ‘তারীখুল ইসলাম’ (১১/৯৭০)।

(৬) নেককার শাইখ, উত্তম ব্যক্তি এবং আল্লাহর কিতাবের খাদেম। তিনি ৫৫২ হিজরী সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: ‘তারীখুল ইসলাম’ (১২/৫১)।

(৭) আবু বকর আল-বাগদাদী; মহান শাইখ, নির্ভরযোগ্য এবং মুসনিদ। তিনি ৫৬৩ হিজরী সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: ‘আস-সিয়ার’ (২০/৪৭৩)।

(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ১৯)
أبي بكرٍ محمدِ بنِ أبي غالبٍ الباقِدَاريِّ(1)، بإجازتِها مِن أحمدَ بنِ المُقَرَّبِ المَذكورِ بسماعِهِ مِن طِرَادٍ عن شُيوخِه.

بقراءةِ كاتبِ السَّماعِ عبدِ اللهِ بنِ أحمدَ بنِ المُحِبِّ المَقدسيِّ(2): أولادُهُ .. .. .. .. .. ..

وصحَّ في يومِ الثلاثاءِ مُستهَلِّ ذِي الحجةِ سَنةَ أربعٍ وثلاثينَ وسبعِمئةٍ، برِباطِ ابنِ القَلانسيِّ بسَفحِ قاسيونَ ظاهِرَ دِمشقٍ المَحروسةِ، وأجازَ لهم المَشايخُ الثلاثةُ المَذكورونَ جميعَ ما يَجوزُ لهم رِوايتُه.

الحمدُ للهِ وصلَّى اللهُ على سيدِنا محمدٍ النبيِّ وآلِهِ وأصحابِه وسلامُه.

يليه في الورقةِ [312/أ] سماعٌ للمَجلسِ الأولِ على المِزيِّ سَنةَ (737 هـ).

وعلى جانبِ الورقةِ سماعٌ للمجالسِ الخمسةِ والعشرينَ على عمرَ بنِ محمدِ بنِ أحمدَ البالِسيِّ(3) سَنةَ (797 هـ).

* وفيما يأتي الكلامُ على مُصنَّفاتِ طِرَادٍ الزَّينَبيِّ التي وَقفتُ على أُصولِها الخَطيَّةِ.

--------------------------------------------

(1) الشيخة المعمرة المسندة. توفيت سنة (647 هـ). انظر «السير» (23/ 232).

(2) الإمام المحدث الصادق مفيد الجماعة. توفي سنة (737 هـ). انظر «تذكرة الحفاظ» (4/ 200).

(3) [بسماعه بمقلوبها]: يعني بسماعه المثبت على مقلوب الورقة، حيث سماعه على زينب بنت الكمال.

وعنه يروي هذا الجزءَ الحافظُ ابن حجر، ومن بعده السيوطي.

আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আবি গালিব আল-বাক্বিদারি(১), উল্লিখিত আহমদ ইবনুল মুক্বাররাবের নিকট থেকে প্রাপ্ত অনুমতির (ইজাজাহ) ভিত্তিতে, যা তিনি তিরাদ থেকে তাঁর শিক্ষকদের মাধ্যমে শ্রবণের ভিত্তিতে লাভ করেছেন।

শ্রবণলিপিকার আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনুল মুহিব্ব আল-মাক্বদিসি(২)-এর পাঠ অনুযায়ী: তাঁর সন্তানগণ... ... ... ... ... ...

এবং এটি সাতশ চৌত্রিশ হিজরি সনের যিলহজ মাসের শুরুতে মঙ্গলবার দিন, সুরক্ষিত দামেস্কের কাসিউন পাহাড়ের পাদদেশে ইবনুল কালানিসির রিবাতে (খানকাহ) সহীহ সাব্যস্ত হয়েছে। উল্লিখিত তিনজন শায়খ তাঁদের যা কিছু বর্ণনা করার অনুমতি রয়েছে, সেই সব কিছুরই অনুমতি তাঁদের প্রদান করেছেন।

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য এবং আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নেতা নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও তাঁর সাহাবীদের ওপর।

এর পরবর্তী [৩১২/আ] পৃষ্ঠায় সাতশ সাইত্রিশ (৭৩৭ হি.) সনের আল-মিজ্জির নিকট প্রথম মজলিসের শ্রবণের বিবরণ রয়েছে।

এবং পৃষ্ঠার এক পার্শ্বে সাতশ সাতানব্বই (৭৯৭ হি.) সনের উমর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ আল-বালিসি(৩)-এর নিকট পঁচিশটি মজলিসের শ্রবণের বিবরণ রয়েছে।

* আর সামনে তিরাদ আয-যাইনাবির সেই সকল রচনাবলি সম্পর্কে আলোচনা আসবে যেগুলোর মূল পাণ্ডুলিপি আমি দেখার সুযোগ পেয়েছি।

--------------------------------------------

(১) দীর্ঘায়ু প্রাপ্ত এবং উচ্চ সনদধারী নারী শায়খ (মুসনিদাহ)। তিনি ৬৪৭ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন। দেখুন 'আস-সিয়ার' (২৩/ ২৩২)।

(২) ইমাম, সত্যনিষ্ঠ মুহাদ্দিস এবং জামাআতের জন্য উপকারী ব্যক্তিত্ব। তিনি ৭৩৭ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন। দেখুন 'তাযকিরাতুল হুফফায' (৪/ ২০০)।

(৩) [পৃষ্ঠার উল্টো দিকের শ্রবণের ভিত্তিতে]: অর্থাৎ পৃষ্ঠার উল্টো পাশে সংরক্ষিত তাঁর শ্রবণের ভিত্তিতে, যেখানে যায়নব বিনতে আল-কামালের নিকট তাঁর শ্রবণের কথা উল্লেখ রয়েছে।

তাঁর নিকট থেকে হাফেজ ইবনে হাজার এবং তাঁর পরবর্তীকালে সুয়ূতী এই অংশটি বর্ণনা করেছেন।

(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ২০)

রাহমান আরশের উপর উঠেছেন।

আল্লাহর হাত তাদের হাতের উপরে।

নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা আরশের উপর উঠেছেন এবং তিনি তাঁর সৃষ্টির গুণাবলি থেকে পবিত্র। তাঁর হাত ও পা রয়েছে যেমনটি তিনি নিজের জন্য সাব্যস্ত করেছেন, তবে তার ধরণ বা প্রকৃতি আমাদের অজানা।

(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ২১)

আল্লাহ তাআলা বলেছেন: দয়াময় আরশের উপর উঠেছেন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আল্লাহ আদমকে তাঁর হাত দিয়ে সৃষ্টি করেছেন।

হাদিসে আরও এসেছে: আল্লাহ তাআলা জাহান্নামে তাঁর পা রাখবেন, তখন তা সংকুচিত হয়ে যাবে।

আমরা আল্লাহর সকল গুণাবলির ওপর কোনো প্রকার ধরণ নির্ধারণ বা উপমা প্রদান ছাড়াই ঈমান আনয়ন করি। নিশ্চয়ই আল্লাহর হাত রয়েছে এবং তিনি আরশের উপর উঠেছেন যেমনটি তাঁর কিতাবে বর্ণিত হয়েছে।

(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ২২)

অনুবাদ করার জন্য কোনো আরবী পাঠ্য (Text) প্রদান করা হয়নি। অনুগ্রহ করে আপনার অনুবাদযোগ্য এইচটিএমএল (HTML) কন্টেন্টটি ইনপুট হিসেবে প্রদান করুন। আমি আপনার দেওয়া নির্দিষ্ট পরিভাষাগুলো (যেমন: 'استواء' এর ক্ষেত্রে 'উঠা' এবং সিফাতগুলোর আক্ষরিক অনুবাদ) অনুসরণ করে তা অনুবাদ করার জন্য প্রস্তুত।

(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ২৩)

রাহমান আরশের উপর উঠেছেন।

আল্লাহর হাত তাদের হাতের উপরে।

বরং আল্লাহর উভয় হাতই উন্মুক্ত।

সেদিন আকাশমন্ডলী তাঁর ডান হাতে গুটিয়ে থাকবে।

অতঃপর জাব্বার (আল্লাহ) জাহান্নামে তাঁর পা রাখবেন।

(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ২৪)

রাহমান আরশের উপর উঠেছেন। আল্লাহর হাত তাদের হাতের উপরে। জাব্বার (আল্লাহ) জাহান্নামে তাঁর পা রাখবেন।

(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ২৭)

রাহমান আরশের উপর উঠেছেন।

আল্লাহ আদমকে তাঁর হাত দিয়ে সৃষ্টি করেছেন।

জব্বার (আল্লাহ) জাহান্নামে তাঁর পা রাখবেন।

বরং আল্লাহর উভয় হাতই প্রসারিত, তিনি যেভাবে ইচ্ছা দান করেন।

(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ২৮)

রাহমান আরশের উপর উঠেছেন।

আল্লাহর হাত এবং আল্লাহর পা তাঁর সুমহান সত্তার শাশ্বত গুণাবলী।

নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ তাঁর হাত প্রসারিত করেন।

বরং আল্লাহর উভয় হাতই প্রসারিত; তিনি যেভাবে ইচ্ছা দান করেন।

(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ২৯)
অনুগ্রহ করে অনুবাদের জন্য আপনার আরবী টেক্সটটি প্রদান করুন। আপনি আপনার আরবী পাঠ্যটি এখানে যুক্ত করলে আমি আপনার নির্দেশিত নীতিমালা (যেমনঃ সিফাতসমূহের শাব্দিক অনুবাদ এবং ‘ইস্তিওয়া’ এর স্থলে ‘উঠা’ শব্দের ব্যবহার) অনুসরণ করে সেটির একটি পাণ্ডিত্যপূর্ণ বাংলা অনুবাদ প্রদান করতে সক্ষম হব।
(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ৩০)

রাহমান আরশের উপর উঠেছেন।

আল্লাহর দুই হাত প্রসারিত, তিনি যেভাবে ইচ্ছা দান করেন।

আল্লাহর হাত তাঁর সৃষ্টির হাতের মতো নয় এবং তাঁর পা রয়েছে যা তাঁর মহান সত্তার জন্য উপযুক্ত।

(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ৩১)
অনুগ্রহ করে অনুবাদ করার জন্য আরবী পাঠ্য (HTML) প্রদান করুন। আপনি আরবী টেক্সট প্রদান করলে আমি আপনার নির্দেশিত বিশেষ পরিভাষা ও নিয়মাবলী (যেমন: 'ইস্তিওয়া' এর ক্ষেত্রে 'উঠা' এবং আল্লাহর সিফাতসমূহের আক্ষরিক অনুবাদ) অনুসরণ করে প্রাঞ্জল ও মানসম্মত বাংলা অনুবাদ প্রদান করব।
(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ৩৫)

রাহমান আরশের উপর উঠেছেন।

আল্লাহর হাত তাদের হাতের উপরে।

আল্লাহর পা সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে, তা কোনো সাদৃশ্য ছাড়াই সাব্যস্ত করা হয়।

(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ৩৭)

আমি আপনার নির্দেশিত নীতিমালা অনুযায়ী ইসলামি উত্তরাধিকার (তুরাস) বিষয়ক টেক্সট অনুবাদের জন্য প্রস্তুত। অনুগ্রহ করে আপনার আরবী টেক্সটটি প্রদান করুন। আমি আপনার দেওয়া বিশেষ শর্তাবলি (যেমন: 'استواء' এর স্থলে 'উঠা' এবং আল্লাহর হাত ও পা-এর ক্ষেত্রে আক্ষরিক অনুবাদ) যথাযথভাবে অনুসরণ করব।

(খণ্ড: ১) মুসান্নাফাতু তিরাদ আয-যাইনাবী ওয়া আজজাউ উখরা (পৃষ্ঠা: ৩৯)
রাহমান আরশের উপর উঠেছেন

আল্লাহর হাত

আল্লাহর পা