(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
الثامن من معجم شيوخ الدمياطي   (عبد المؤمن بن خلف الدمياطي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الثامن من معجم شيوخ الدمياطي

المؤلف: عبد المؤمن بن خلف الدمياطيّ، أبو محمد، شرف الدين الشافعي (ت 705هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আদ-দিমইয়াতির মু'জামুশ শুয়ুখ-এর অষ্টম খণ্ড   (আব্দুল মুমিন বিন খালাফ আদ-দিমইয়াতি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আদ-দিমইয়াতির মু'জামুশ শুয়ুখ-এর অষ্টম খণ্ড

লেখক: আব্দুল মুমিন বিন খালাফ আদ-দিমইয়াতি، আবু মুহাম্মদ، শারফুদ্দিন আশ-শাফিঈ (মৃত্যু ৭০৫ হিজরি)

প্রকাশক: পাণ্ডুলিপিটি ইসলামিক নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইটের অন্তর্ভুক্ত জাওয়ামিউল কালিম ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে

সংস্করণ: প্রথম، ২০০৪

[কিতাবটি একটি পাণ্ডুলিপি]

শামিলা-তে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
الْجُزْءُ الثَّامِنُ مِنْ مُعْجَمِ شُيُوخِ الْعَبْدِ الْفَقِيرِ إِلَى عَفْوِ رَبِّهِ، الْمُسْتَغْفِرِ مِنْ زَلَلِهِ وَذَنْبِهِ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ الْمُؤْمِنِ بْنِ خَلَفٍ الدِّمْيَاطِيِّ.

فِيهِ مِنْ تَرْجَمَةِ مُحَمَّدِ بْنِ مُقْبِلٍ، إِلَى آخِرِ الْمُحَمَّدِينِ، وَعِدَّتُهُمْ خَمْسَةٌ وَعِشْرُونَ شَيْخًا، عِدَّةُ الْمُحَمَّدِينَ مِائَتَانِ خَمْسَةٌ وَثَلاثُونَ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ عِدَةُ الْعَالَمِينَ أَملَى عَلَيَّ سَيِّدِي الإِمَامُ الْعَالِمُ الْعَابِدُ الأَوْحَدُ الْكَبِيرُ الْكَامِلُ الْمُتْقِنُ الْحَافِظُ شَرَفُ الدِّينِ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ الْمُؤْمِنِ بْنِ خَلَفٍ الدِّمْيَاطِيُّ فَسَّحَ اللَّهُ فِي مَوْتِهِ.
তাঁর রবের ক্ষমার মুখাপেক্ষী এবং নিজের পদস্খলন ও পাপের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী বান্দা আবু মুহাম্মাদ আব্দুল মুমিন বিন খালাফ আদ-দিমইয়াতীর 'মুজামুশ শুয়ুখ'-এর অষ্টম খণ্ড।

এতে মুহাম্মাদ বিন মুকবিলের জীবনী থেকে শুরু করে 'মুহাম্মাদ' নামধারী ব্যক্তিদের শেষ পর্যন্ত বর্ণনা রয়েছে; তাঁদের সংখ্যা পঁচিশ জন শায়েখ। 'মুহাম্মাদ' নামধারী ব্যক্তিদের মোট সংখ্যা দুইশত পঁয়ত্রিশ। পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, যিনি জগতসমূহের সম্বল। আমার নিকট শ্রুতিলিপি প্রদান করেছেন আমার মনিব, ইমাম, আলিম, আবিদ, অনন্য, মহান, পূর্ণাঙ্গ, সুনিপুণ হাফেজ শরাফুদ্দীন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল মুমিন বিন খালাফ আদ-দিমইয়াতী, আল্লাহ তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন।
(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
‌‌مُحَمَّدُ بْنُ مُقْبِلِ بْنِ فِتْيَانَ بْنِ مَطَرٍ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، وَأَبُو الْمُظَفَّرِ بْنُ أَبِي الْبَدْرِ النَّهْرَوَانِيُّ الْمَحْتِدِ الْبَغْدَادِيُّ الدَّارِ، وَالْمَوْلِدِ، الْحَنْبَلِيُّ الْفَقِيهُ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الْمُنَى

.
মুহাম্মদ ইবনে মুকবিল ইবনে ফিতইয়ান ইবনে মাতার, আবু আব্দুল্লাহ এবং আবুল মুযাফফর ইবনে আবিল বদর, নাহরাওয়ানী বংশোদ্ভূত, বাগদাদে জন্ম ও বসবাসকারী, হাম্বলি ফকিহ, যিনি ইবনুল মুনা নামে পরিচিত।

.
(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
1 - قَرَأْتُ عَلَى الْفَقِيهِ الإِمَامِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْبَدْرِ بِالْمَأْمَوِيَّةِ شَرْقِيِّ بَغْدَادَ، أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ أَسْعَدُ بْنُ يَلْدَرِكَ بْنِ أَبِي اللِّقَاءِ الجبريني، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي صَفَرٍ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَسَبْعِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، أَنَا أَبُو الْخَطَّابِ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ هَارُونَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عِيسَى بْنِ دَاوُدَ بْنِ الْجَرَّاحِ، أَنَا هَارُونُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عِيسَى بْنِ دَاوُدَ بْنِ الْجَرَّاحِ، أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُشْرَانَ الْوَاعِظُ، أَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ دَعْلَجُ بْنُ أَحْمَدَ، ثَنَا السَّدُوسِيُّ عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ، ثَنَا عَاصِمٌ، ثَنَا الْقَاصِمُ بْنُ الْفَضْلِ الْحُذَامِيُّ، ثَنَا أَبُو نَضْرَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: بَيْنَمَا رَاعٍ يَرْعَى أَخَذَ الذِّئْبُ شَاةً مِنَ الشِّيَاهِ، فَحَالَ الرَّاعِي بَيْنَهُ وَبَيْنَ الشَّاةِ، قَالَ: فَأَقْعَى عَلَى ذَنَبِهِ، فَقَالَ لِلرَّاعِي: أَلا تَتَّقِي اللَّهَ، تَحُولُ بَيْنِي وَبَيْنَ رِزْقٍ سَاقَهُ اللَّهُ إِلَيَّ، فَقَالَ الرَّاعِي: الْعَجَبُ، الذِّئْبُ مُقْعٍ عَلَى ذَنَبِهِ يُكَلِّمُنِي بِكَلامِ الإِنْسِ؟ قَالَ الذِّئْبُ: أَلا أُخْبِرُكَ بِأَعْجَبَ مِنْ ذَلِكَ، رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَيْنَ الْحَرَّتَيْنِ يُحَدِّثُ النَّاسَ بِأَنْبَاءِ مَا قَدْ سَبَقَ.

فَانْطَلَقَ الرَّاعِي بِشَايِهِ حَتَّى أَتَى الْمَدِينَةَ فَأَوَاهَا إِلَى زَاوِيَةٍ مِنْ زَوَايَاهَا، ثُمَّ دَخَلَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَحَدَّثَهُ بِمَا قَالَ الذِّئْبُ، فَخَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى النَّاسِ، ثُمَّ قَالَ لِلرَّاعِي: «قُمْ فَحَدِّثْهُمْ بِمَا قَالَ الذِّئْبُ» .

فَقَامَ الرَّاعِي فَحَدَّثَهُمْ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «صَدَقَ الرَّاعِي أَلا مِنْ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ كَلامُ السِّبَاعِ الإِنْسَ ، وَالَّذْي نَفْسِي بِيَدِهِ لا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى تُكَلِّمَ السِّبَاعُ الإِنْسَ وَيُكَلِّمَ الرَّجُلَ شِرَاكُ نَعْلِهِ وَعَذَبَةُ سَوْطِهِ، وَتُخْبِرَهُ فَخِذُهُ بِمَا أَحْدَثَ أَهْلُهُ بَعْدَهُ» .

رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ فِي الْفِتَنِ مِنْ قَوْلِهِ: «وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لا تَقُومُ السَّاعَةُ» إِلَى آخِرِهِ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ وَكِيعٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ الْقَاسِمِ، وَقَالَ: حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ لا نَعْرِفُهُ إِلا مِنْ حَدِيثِ الْقَاسِمِ بْنِ الْفَضْلِ، وَهُوَ ثِقَةٌ مَأْمُونٌ عِنْدَ أَهْلِ الْحَدِيثِ، وَثَّقَهُ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ
১ - আমি ফকিহ ইমাম মুহাম্মদ বিন আবিল বদরের নিকট পূর্ব বাগদাদের মামুবিয়্যাহতে পাঠ করেছি। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ আসআদ বিন ইয়ালদারিক বিন আবিল লিকা আল-জাবরিনী; এটি তাঁর নিকট ৫৭৪ হিজরির সফর মাসে পাঠ করা হয়েছিল। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল খাত্তাব আলী বিন আবদুর রহমান বিন হারুন বিন আবদুর রহমান বিন ঈসা বিন দাউদ বিন আল-জাররাহ। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হারুন বিন আবদুর রহমান বিন ঈসা বিন দাউদ বিন আল-জাররাহ। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আবদুল মালিক বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন বুশরান আল-ওয়ায়েজ। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ দালাজ বিন আহমাদ। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আস-সাদুসী উমর বিন হাফস। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আসিম। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-কাসিম বিন আল-ফাদল আল-হুযামী। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নাদরাম। তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: একদিন এক রাখাল মেষ চরাচ্ছিল, এমন সময় একটি নেকড়ে একটি মেষ ছিনিয়ে নিল। তখন রাখাল নেকড়ে ও মেষটির মাঝে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করল। বর্ণনাকারী বলেন: তখন নেকড়েটি তার লেজের ওপর ভর দিয়ে বসল এবং রাখালকে বলল: তুমি কি আল্লাহকে ভয় করো না? তুমি আমার এবং সেই রিজিকের মাঝে বাধা হচ্ছ যা আল্লাহ আমার দিকে পাঠিয়েছেন। রাখাল বলল: কি আশ্চর্য! নেকড়ে তার লেজের ওপর ভর দিয়ে বসে মানুষের ভাষায় আমার সাথে কথা বলছে? নেকড়ে বলল: আমি কি তোমাকে এর চেয়েও আশ্চর্যজনক সংবাদ দেব না? আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুটি পাথুরে মাঠের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থান করে মানুষকে পূর্ববর্তী জাতিসমূহের সংবাদ দিচ্ছেন।

অতঃপর রাখাল তার মেষগুলো নিয়ে মদিনায় পৌঁছাল এবং সেগুলোকে একটি লোকালয়ে এক জায়গায় রাখল। এরপর সে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গিয়ে নেকড়ের বলা কথাগুলো জানাল। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের নিকট বের হলেন এবং রাখালকে বললেন: "দাঁড়াও এবং নেকড়ে যা বলেছে তা তাদের কাছে বর্ণনা করো।"

রাখাল দাঁড়িয়ে তাদের নিকট তা বর্ণনা করল। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "রাখাল সত্য বলেছে। জেনে রেখো, কিয়ামতের আলামতসমূহের অন্যতম হলো হিংস্র পশুদের মানুষের সাথে কথা বলা। যার হাতে আমার প্রাণ রয়েছে তাঁর শপথ, কিয়ামত ততক্ষণ সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না হিংস্র পশুরা মানুষের সাথে কথা বলবে, আর মানুষের সাথে তার জুতার ফিতা ও তার চাবুকের অগ্রভাগ কথা বলবে এবং তার উরু তাকে সংবাদ দেবে যে, সে চলে আসার পর তার পরিবার কী কী করেছে।"

ইমাম তিরমিজি এটি ফিতনা অধ্যায়ে তাঁর বাণী "যার হাতে আমার প্রাণ রয়েছে তাঁর শপথ কিয়ামত সংঘটিত হবে না" থেকে শেষ পর্যন্ত সুফিয়ান বিন ওয়াকি, তাঁর পিতা, তাঁর নিকট থেকে কাসিমের সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: এটি হাসান সহিহ গারিব; আমরা এটি কেবল কাসিম বিন আল-ফাদলের হাদিস থেকেই জানি। তিনি হাদিস বিশারদদের নিকট নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ ও আবদুর রহমান বিন মাহদী তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আর এ বিষয়ে আবু হুরায়রা (রা.) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে।
(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
2 - وَأَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِبَغْدَادَ، أَنَا الأَمِيرُ الْفَاضِلُ الأَدِيبُ أَبُو الْفَوَارِسِ سَعْدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدِ بْنِ الضَّيْفِيِّ التَّمِيمِيُّ، الْمَعْرُوفُ بِالْحَيْصَ بَيْصَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ فِي صَفَرٍ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَسَبْعُينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، أَنَا أَبُو الْمَجْدِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عِيسَى بْنِ جَهْوَرٍ الْمُعَدِّلُ الْقَاضِي، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ فِي جُمَادَى الآخِرَةِ سَنَةَ سِتٍّ وَخَمْسِ مِائَةٍ، بواسط، أَنَا أَبُو غَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ سَهْلٍ النَّحْوِيُّ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ بِشْرَانَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ دِينَارٍ الْكَاتِبُ، ثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ يَعْقُوبَ بْنِ مِقْسَمٍ الْمُقْرِئُ الْعَطَّارُ، لِلَيْلَتَيْنِ خَلَتَا مِنْ شَهْرِ رَبِيعٍ الآخَرِ سَنَةَ خَمْسِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، ثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ يَعْنِي أَحْمَدَ بْنَ يَحْيَى ثَعْلَبًا، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ شَبِيبٍ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى، عَنْ فُلَيْحِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ سَنَةَ ثِنْتَيْنِ وَسَبْعِينَ وَمِائَةٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَمِّي سُلَيْمَانُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ عِكْرِمَةَ، قَالَ: إِنِّي مَعَ ابْنِ عَبَّاسٍ بِعَرَفَةَ، إِذَا فِتْيَة إدمان يَحْمِلُونَ فَتًى فِي كِسَاءٍ مَعْرُوقَ الْوَجْهِ نَاحِلَ الْيَدَيْنِ لَهُ حَلاوَةٌ حَتَّى وَضَعُوهُ بَيْنَ يَدَيِ ابْنِ عَبَّاسٍ، وَقَالُوا لَهُ: اسْتَشْفِ لَهُ يَابْنَ عَمِّ رَسُولِ اللَّهِ، فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: وَمَا بِهِ، فَأَنْشَأَ الْفَتَى يَقُولُ:

بِنَا مِنْ جَوَى الأَحْزَانِ وَالْوَجْدِ لَوْعَةٌ … تَكَادُ لَهَا نَفْسُ الشَّفِيقِ تَذُوبُ

وَلَكِنَّمَا أَبْقَى حُشَاشَةَ مُقْوِلِ … عَلَى مَا بِهِ عُودٌ هُنَاكَ صَلِيبُ

فَأَقْبَلَ ابْنُ عَبَّاسٍ، عَلَى عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ حُمَيْدِ بْنِ زُهَيْرِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ أَسَدِ بْنِ عَبْدِ الْعُزَّى، فَقَالَ: أَخَذَ هَذَا الْبَدَوِيُّ الْعَوْدَ عَلَيْنَا وَعَلَيْكَ، قَالَ: فَحَمَلُوهُ فَخَفَتَ فِي أَيْدِيهِمْ فَمَاتَ، فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: هَذَا قَتِيلُ الْحُبِّ لا عَقْلَ وَلا قَوْدَ، قَالَ عِكْرِمَةُ فِيمَا قَالَ: مَا رَأَيْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ سَأَلَ اللَّهَ فِي عَشِيَّتِه حَتَّى الْمَسَاءِ إِلا الْعَافِيَةَ مِمَّا ابْتُلِيَ بِهِ الْفَتَى، قَالَ أَبُو الْعَبَّاسِ: يُقَالُ: إِنَّ قُرَيْشًا أَصْلَبُ الْعَرَبِ عُودًا، فَقَالَ ابنُ عَبَّاسٍ: مِنْ ذِكْرِ الْفَتَى صَلابَةَ عُودِهِ أَخَذَ الْبَدَوِيُّ الْعُودَ عَلَيْنَا وَعَلَيْكَ.

مَوُلِدُ ابْنِ الْمُثَنَّى فِي رَجَبٍ سَنَةَ سَبْعٍ وَسِتِّينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، بِبَغْدَادَ، وَتُوُفِّيَ يَ بِهَا فِي يَوْمَ الأَحَدِ لِسَبْعٍ خَلَوْنَ مِنْ جُمَادَى الآخِرَةِ سَنَةَ تِسْعٍ وَأَرْبَعِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ، وَدُفِنَ فِي الْغَدِ بِبَابِ حَرْبٍ.
২ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আল-মুসান্না, বাগদাদে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন ফাযেল ও সাহিত্যিক আমির আবু আল-ফাওয়ারিস সা'দ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সা'দ ইবনে আল-দাইফি আল-তামিমি, যিনি 'হাইস বাইস' নামে পরিচিত, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, যখন আমি শ্রবণ করছিলাম পাঁচশত চুয়াত্তর হিজরি সনের সফর মাসে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-মাজদ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ঈসা ইবনে জাহওয়ার আল-মুআদ্দিল আল-কাজি, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, যখন আমি শ্রবণ করছিলাম পাঁচশত ছয় হিজরি সনের জুমাদাল আখিরাতে ওয়াসিত শহরে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু গালিব মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে সাহল আন-নাহবি, যিনি ইবনে বিশরান নামে পরিচিত, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে যখন আমি শ্রবণ করছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে দিনার আল-কাতিব। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে ইয়াকুব ইবনে মিকসাম আল-মুকরি আল-আত্তার, তিনশত পঞ্চাশ হিজরি সনের রবিউস সানি মাসের দুই দিন অতিবাহিত হওয়ার পর। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস অর্থাৎ আহমদ ইবনে ইয়াহইয়া সা'লাব। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে শাবিব। তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ঈসা, ফুলাইহ ইবনে ইসমাইল থেকে, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে সালেহ একশত বাহাত্তর হিজরি সনে, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার চাচা সুলাইমান ইবনে আলী, ইকরিমা থেকে, তিনি বলেন: আমি ইবনে আব্বাসের সাথে আরাফায় ছিলাম, এমন সময় কিছু শ্যামবর্ণ যুবক একটি চাদরের মধ্যে এক যুবককে বহন করে আনল, যার চেহারা ছিল মলিন এবং হাত দুটি কৃশ, তার মধ্যে এক প্রকার লাবণ্য ছিল। তারা তাকে ইবনে আব্বাসের সামনে রাখল এবং তাকে বলল: হে আল্লাহর রাসূলের চাচাতো ভাই! আপনি তার জন্য আরোগ্যের প্রার্থনা করুন। ইবনে আব্বাস বললেন: তার কী হয়েছে? তখন যুবকটি আবৃত্তি করতে শুরু করল:

আমাদের মধ্যে শোকের দহন ও অনুরাগের এমন এক জ্বালা রয়েছে … যার জন্য ব্যথিতের প্রাণ বিগলিত হওয়ার উপক্রম হয়।

কিন্তু বক্তার শেষ প্রাণবিন্দু অবশিষ্ট রয়েছে … তা সত্ত্বেও তার অন্তর্নিহিত সত্তা অত্যন্ত দৃঢ়।

অতঃপর ইবনে আব্বাস ওবায়দুল্লাহ ইবনে হুমাইদ ইবনে জুহাইর ইবনে আল-হারিস ইবনে আসাদ ইবনে আবদিল উযযার দিকে ফিরে তাকালেন এবং বললেন: এই মরুবাসী যুবক আমাদের এবং আপনার বিরুদ্ধে তার দৃঢ়তাকে প্রমাণ হিসেবে পেশ করেছে। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর তারা তাকে বহন করে নিয়ে গেল, তখন তাদের হাতের মধ্যেই তার কণ্ঠস্বর ক্ষীণ হয়ে এল এবং সে মৃত্যুবরণ করল। তখন ইবনে আব্বাস বললেন: এ প্রেমের হাতে নিহত ব্যক্তি, যার জন্য কোনো রক্তপণ নেই এবং কোনো প্রতিশোধ নেই। ইকরিমা তার বর্ণনার মধ্যে বলেছেন: আমি ইবনে আব্বাসকে দেখিনি যে তিনি সেই পড়ন্ত বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আল্লাহর কাছে সেই যুবকের বিপদের ন্যায় বিষয় হতে নিরাপত্তা ব্যতীত অন্য কিছু প্রার্থনা করেছেন। আবুল আব্বাস বলেন: বলা হয়ে থাকে যে, কুরাইশরা আরবদের মধ্যে বংশমর্যাদায় সবচেয়ে বেশি দৃঢ়। তাই ইবনে আব্বাস যুবকের দৃঢ়তার কথা উল্লেখ করে বললেন: এই মরুবাসী আমাদের এবং আপনার বিরুদ্ধে তার দৃঢ়তাকে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করেছে।

ইবনে আল-মুসান্না পাঁচশত সাতষট্টি হিজরি সনের রজব মাসে বাগদাদে জন্মগ্রহণ করেন এবং ছয়শত ঊনপঞ্চাশ হিজরি সনের জুমাদাল আখিরাত মাসের সাত দিন অতিবাহিত হওয়ার পর রবিবার সেখানে মৃত্যুবরণ করেন এবং পরের দিন 'বাব হারব'-এ তাকে সমাহিত করা হয়।
(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
‌‌مُحَمَّدُ بْنُ مَكِّيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ الدِّمَشْقِيُّ الشَّاهِدُ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الدَّجَاجِيَّةِ.

أَنْشَدَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَكِّيٍّ، لِنَفْسِهِ بِدِمَشْقَ، عَلَى بَابِ جَامِعِهَا مِنْ لَفْظِهِ:

ما يتناقل الرمل والكثيب … إلا وأنت الشجي الكثيب

كم يكتم الوجد بأمعناعنا … وما يحتفي المريب

سل غرب الواديين عَن من … بانوا فما بيننا غريب

وَقِفْ تَقِفْ عِنْدَكَ الْمَطَايَا … وَلَوْنُهَا برح اللغوب

لَعَلَّ مِنْ جَانِبِ الْمُصَلَّى … تَهُبُّ عِنْدَ الضُّحَى جَنُوبُ

طَابَ لَنَا ذِكْرُ نَازِلِيهِ … إِنَّ حَدِيثَ الْهَوَى يَطِيبُ

وَأَنْشَدَنَا لِنَفْسِهِ أَيْضًا مِنْ لَفْظِهِ.

أَيَّامُ هِجْرَانِكُمُ أَشْهَرُ … وَالْوَجْدُ مِنْ أَنْ تَخْتَفِي أَشْهَرُ

عودوا وعودوا مستهاما به … منذ هجرتم مرض مخطر

وَمِنْ بَنِي الأَتْرَاكِ فِي فَاتِرِ … الأَجْفَانِ عَنْ هَجْرِيَ لا يَفْتُرُ

مُمَنْطَقُ الْخَصْرِ عَلَى حُبِّهِ … أُؤَمِّلُ النَّصْرَ فَلا أُنْصَرُ

رِيقَتُهُ الْكَوْثَرُ أَلْحَاظُهُ … تَنْحَرُ شَانِئُهُ هُوَ الأَبْتَرُ

أقلب..

… منه أقسى ومن كثير صبوته أكثر.

مَوْلِدُ أَبِي الدَّجَاجِيَةِ فِي ثَانِي شَعْبَانَ سَنَةَ إِحْدَى وَتِسْعِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ.

وَتُوُفِّيَ بِدِمَشْقَ لَيْلَةَ الاثْنَيْنِ الثَّانِي مِنَ الْمُحَرَّمِ سَنَةَ سَبْعٍ وَخَمْسِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ، وَدُفِنَ بِمَقَابِرِ الصُّوفِيَّةِ ظَاهِرِ بَابِ النَّصْرِ.
মুহাম্মদ ইবনে মাক্কী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান ইবনে উবাইদুল্লাহ আদ-দিমাশকী আশ-শাহিদ, যিনি ইবনুদ দাজাজিয়্যাহ নামে পরিচিত।

মুহাম্মদ ইবনে মাক্কী দামেস্কে জামে মসজিদের দরজায় নিজের রচিত কবিতা স্বকণ্ঠে আমাকে শুনিয়েছেন:

বালু ও বালিয়াড়ি যা কিছু বয়ে বেড়ায় … তা কেবল তোমার দুঃখ আর বিষাদই বৃদ্ধি করে।

আমাদের অন্তরে কতই না অনুরাগ লুক্কায়িত আছে … আর সন্দেহভাজন ব্যক্তি তা প্রকাশ করে না।

দুই উপত্যকার পশ্চিমে যারা চলে গেছে তাদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করো … আমাদের মধ্যে কোনো আগন্তুক নেই।

থামো, তোমার কাছে সওয়ারীগুলো থেমে যাবে … চরম ক্লান্তিতে যেগুলোর বর্ণ বিবর্ণ হয়ে গেছে।

সম্ভবত মুসাল্লার দিক থেকে … পূর্বাহ্নে দখিনা বাতাস বয়ে আসবে।

তথায় বসবাসকারীদের স্মৃতিচারণ আমাদের কাছে আনন্দদায়ক … নিশ্চয়ই ভালোবাসার আলাপ মনোরম হয়।

তিনি আমাকে স্বকণ্ঠে তাঁর নিজের রচিত আরও কবিতা শুনিয়েছেন।

আপনাদের বিরহের দিনগুলো মাসের পর মাস দীর্ঘ হয়েছে … আর অনুরাগ গোপন থাকার চেয়ে অধিক প্রকাশমান।

ফিরে আসুন, সেই ব্যাকুল হৃদয়ের কাছে ফিরে আসুন … আপনাদের ছেড়ে যাওয়ার পর থেকে সে এক আশঙ্কাজনক রোগে আক্রান্ত।

তুর্কি বংশোদ্ভূত এক রূপসীর অলস চোখের পাতা … আমাকে ত্যাগ করতে বিন্দুমাত্র অলসতা করে না।

তার কটিদেশ কোমরবন্ধে আঁটা, যার ভালোবাসায় … আমি বিজয়ের আশা করি কিন্তু সাহায্য পাই না।

তার মুখের লালা কাউসারের মতো স্বচ্ছ, তার চাহনি … সংহারকারী, আর তার বিদ্বেষপরায়ণ ব্যক্তিই নির্বংশ।

আমি পরিবর্তন করি..

… তার চেয়েও কঠোর এবং তার প্রবল যৌবনাবেগ আরও বেশি।

আবু দাজাজিয়ার জন্ম পাঁচশ একানব্বই হিজরি সনের দোসরা শাবান।

তিনি ছয়শ সাতান্ন হিজরি সনের দোসরা মহরম সোমবার রাতে দামেস্কে মৃত্যুবরণ করেন এবং তাকে বাবুন নাসরের বাইরে সুফিয়া কবরস্থানে দাফন করা হয়।
(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
‌‌مُحَمَّدُ بْنُ مَنْصُورُ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ مَنْصُورِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ يُونُسَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ اللَّيْثِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ العثيث بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْعَلاءِ بْنِ الْحَضْرَمِيِّ

صَاحِبُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَعَامِلُهُ عَلَى الْبَحْرَيْنِ، أَبُو عَبْدُ اللَّهِ بْنِ أَبِي الطَّاهِرِ بْنِ أَبِي الْفَضْلِ بْنِ أَبِي الْقَاسِمِ الْحَضْرَمِيُّ الإِسْكَنْدَرِيُّ الْمَالِكِيُّ الْعَدْلُ
মুহাম্মদ ইবনে মনসুর ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-ফজল ইবনে মনসুর ইবনে আহমদ ইবনে ইউনুস ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আল-লাইস ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আল-উসাইস ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আল-আলা আল-হাদরামি

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবী, এবং বাহরাইন অঞ্চলে তাঁর আমিল (প্রশাসক); আবু আব্দুল্লাহ ইবনে আবুুত তাহের ইবনে আবুল ফজল ইবনে আবুল কাসিম আল-হাদরামি আল-ইস্কান্দারি আল-মালিকি আল-আদল।
(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
3 - قَرَأْتُ عَلَى مُحَمَّدِ بْنِ مَنْصُورِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْحَضْرَمِيِّ، بِالإِسْكَنْدَرِيَّةِ فِي الثَّانِيَةِ، أَخْبَرَكَ أَبُو الْحُسَيْنِ بْنِ أَبِي الْكَرَمِ البَنَّاءُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: أَنَا أَبُو الْفَتْحِ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي الْقَاسِمِ بْنِ أَبِي سَهْلٍ الْكَرُوخِيُّ، أَنَا أَبُو عَامِرٍ مَحْمُودُ بْنُ الْقَاسِمِ الأَزْدِيُّ، وَغَيْرَهُ.

ح، وَأَخْبَرَنَا عَالِيًا أَبُو الْفَتْحِ الْبَصْرِيُّ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ الصَّيْدَلانِيِّ، عَنِ الأَزْدِيِّ، أَنَا عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْجَرَاجِيُّ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْمَحْبُوبِيُّ، أَنَا أَبُو عِيسَى التِّرْمِذِيُّ، ثَنَا هَنَّادٌ، وَقُتَيْبَةٌ، وَمَحْمُودُ بْنُ غِيلانَ، قَالُوا: أَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ بِحَمَاةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ تَاجٍ الْقَرَّاحِ، وَقَرَأْتُ عَلَى أَحْمَدَ بْنِ الْمُفَرِّجِ، بِدِمَشْقَ، عَنِ ابْنِ الْبَطِّيِّ، وَابْنِ تَاجِ القُرَّاءِ، وَهِبَةُ اللَّهِ بْنِ الْحُسَيْنِ الدَّقَّاقِ، قَالُوا: أَنَا مَالِكُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيٍّ الْبَانْيَاسِيُّ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُوسَى الْقُرَشِيُّ، نَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ الْهَاشِمِيُّ، قَالَ: ثَنَا أَبُو مُصْعَبٍ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الزُّهْرِيُّ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، مَرَّ عَلَى رَجُلٍ وَهُوَ يَعِظُ أَخَاهُ فِي الْحَيَاءِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الْحَيَاءُ مِنَ الإِيمَانِ» .

رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ أَبِي يُوسُفَ، وَأَبُو دَاوُدَ عَنِ الْقَعْنَبِيِّ، وَالنَّسَائِيُّ عَنْ هَارُونَ، عَنْ مَعْنٍ، وَعَنِ الْحَارِثِ، عَنِ ابْنِ الْقَاسِمِ، كُلُّهُمْ، عَنْ مَالِكٍ، فَوَقَعَ بَدَلا عَالِيًا لِلْبُخَارِيِّ، وَأَبِي دَاوُدَ، وَعَالِيًا عاليا لِلنَّسَائِيِّ، كَأَنِّي سَمِعْتُهُ مِنَ …

، وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ، وَالتِّرْمِذِيُّ، وَابْنُ مَاجَهْ، مِنْ حَدِيثِ ابْنِ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ

مَوْلِدُهُ بِالظَّفْرِيَّةِ شَرْقِيِّ بَغْدَادَ سَنَةَ اثْنَيْنِ وَسِتِّ مِائَةٍ.
৩ - আমি আলেকজান্দ্রিয়ায় দ্বিতীয়বার মুহাম্মদ ইবনে মনসুর ইবনে আহমদ ইবনে আল-হাদরামীর নিকট পাঠ করেছি। আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন ইবনে আবিল কারাম আল-বান্না (তার নিকট পাঠ করার মাধ্যমে)। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ আব্দুল মালিক ইবনে আবিল কাসিম ইবনে আবি সাহল আল-কারুখি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমির মাহমুদ ইবনে আল-কাসিম আল-আজদি ও অন্যান্যরা।

হ (তহবিল), এবং আমাদের উচ্চ সনদে সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ আল-বসরি, আবু জাফর আস-সায়দালানি থেকে, তিনি আল-আজদি থেকে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল জব্বার ইবনে মুহাম্মদ আল-জারাজি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-মাহবুবি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ঈসা আত-তিরমিজি। আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হান্নাদ, কুতাইবা এবং মাহমুদ ইবনে গায়লান। তারা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল ওয়াহহাব (হামাতে), আব্দুর রহমান ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে তাজ আল-কাররাহ থেকে। এবং আমি দামেস্কে আহমদ ইবনুল মুফাররিজের নিকট পাঠ করেছি ইবনুল বাত্তি, ইবনে তাজুল কুররা এবং হিবাতুল্লাহ ইবনুল হুসাইন আদ-দাক্কাকের সূত্রে। তারা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মালিক ইবনে আহমদ ইবনে আলী আল-বানিয়াসি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল-কুরাশি। আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইব্রাহিম ইবনে আব্দুস সামাদ আল-হাশেমি। তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু মুসআব আহমদ ইবনে আবি বকর আজ-জুহরি, মালিক ইবনে আনাস থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি তার পিতা থেকে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, যখন সে তার ভাইকে লজ্জা সম্পর্কে উপদেশ দিচ্ছিল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «লজ্জা ঈমানের অংশ»।

ইমাম বুখারি এটি আবু ইউসুফ থেকে, আবু দাউদ আল-কানাবি থেকে এবং নাসায়ী হারুন থেকে, তিনি মান থেকে, এবং হারিস থেকে, তিনি ইবনুল কাসিম থেকে বর্ণনা করেছেন; তারা সবাই মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি বুখারি ও আবু দাউদের জন্য উচ্চ পর্যায়ের স্থলাভিষিক্ত সনদ এবং নাসায়ীর জন্য অত্যন্ত উচ্চ পর্যায়ের সনদ হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে, যেন আমি এটি শুনেছি … থেকে।

এবং এটি ইমাম মুসলিম, তিরমিজি ও ইবনে মাজাহ ইবনে উইয়াইনাহর হাদিস থেকে জুহরি সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

তার জন্ম ৬০২ হিজরি সনে বাগদাদের পূর্বাঞ্চলীয় জাফারিয়াতে।
(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
‌‌مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى بْنِ النُّعْمَانِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْمُزَكِّيُّ

، التِّلْمِسَانِيُّ الْمَوْلِدِ، الْفَاسِيُّ الْمَمَاتِ، الْمُحَدِّثُ الزَّاهِدُ رَفِيقُنَا.
মুহাম্মদ বিন মুসা বিন আল-নুমান আবু আব্দুল্লাহ আল-মুযাক্কি

، তিলিমসানে তাঁর জন্ম এবং ফাসে তাঁর মৃত্যু, তিনি ছিলেন মুহাদ্দিস, যাহিদ এবং আমাদের সাথী।
(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
4 - أَخَذَ بِيَدِي الشَّيْخُ الصَّالِحُ الزَّاهِدُ مُحَمَّدُ بْنُ النُّعْمَانِ بِثَغْرِ دِمْيَاطَ، وَقَالَ: أَخَذَ بِيَدِي الْحَافِظُ أَبُو عَمْرٍو عُثْمَانُ بْنُ حَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ الْمَغْرَبِيُّ، وَقَالَ: أَخَذَ بِيَدِي أَبُو الْقَاسِمِ خَلَفُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مَسْعُودِ بْنِ بَشْكَوَالٍ الأَنْصَارِيُّ، وَأَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْمُنْعِمِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْخَزْرَجِيُّ، وَأَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْحَقِّ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الْعَبْدَرِيُّ، وَكَتَبَ إِلَيْنَا غَيْرُ وَاحِدٍ عَنِ ابْنِ بَشْكَوَالٍ، قَالَ كُلُّ وَاحِدٍ مِنْهُمْ: أَخَذَ بِيَدِي أَبُوِ مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنِ أَيُّوبَ الْفِهْرِيُّ، قَالَ: أَخَذَ بِيَدِي أَبُو الْحَسَنِ طَاهِرُ بْنُ مُعَاوِيَةَ الْمَعَافِرِيُّ الْحَافِظُ، قَالَ: أَخَذَ بِيَدِي أَبُو الْفَتْحِ، وَأَبُو اللَّيْثِ نَصْرُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَبِي الْقَاسِمِ..

الشَّاشِيُّ السَّمَرْقَنْدِيُّ، قَدِمَ الأَنْدَلُسَ تَاجِرًا، قَالَ: أَخَذَ بِيَدِي أَبُو مَنْصُورِ بْنِ خَلَفٍ الَمْغَرَبِيُّ، قَالَ: أَخَذَ بِيَدِي أَبُو مَنْصُورِ بْنِ خَلَفٍ، قَالَ: أَخَذَ بِيَدِي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ الْمِنْقَرِيُّ، بِالْبَصْرَةَ، قَالَ: أَخَذَ بِيَدِي أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الأَعْرَابِيِّ، بِمَكَّةَ، قَالَ: أَخَذَ بِيَدِي الْحَسَنُ بْنُ عَطِيَّةَ، قَالَ: أَخَذَ بِيَدِي قُطْرِيُّ الْخَشَّابِ، قَالَ: أَخَذَ بِيَدِي يَزِيدُ بْنُ الْبَرَّاءِ، قَالَ: أَخَذَ بِيَدِي أَبِي الْبَرَّاءُ بْنُ عَازِبٍ، قَالَ: دَخَلْتُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَرَحَّبَ بِي، وَأَخَذَ بِيَدِي، ثُمَّ قَالَ: " يَا بَرَّاءُ أَتَدْرِي لأَيِّ شَيْءٍ أَخَذْتُ بِيَدِكَ، قَالَ: قُلْتُ: خَيْرًا يَا نَبِيَّ اللَّهِ، قَالَ: «لا يَلْقَى مُسْلِمٌ مُسْلِمًا فَيَبَشُّ بِهِ وَيُرِحِّبُ بِهِ، وَيَأْخُذُ بِيَدِهِ إِلا تَنَاثَرَتِ الذُّنُوبُ مِنْهُمَا كَمَا يَتَنَاثَرُ وَرَقُ الشَّجَرِ الْيَابِسِ» .

غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ يَزِيدَ بْنِ الْبَرَّاءِ، عَنْ أَبِيهِ، فَاكْتَتَبْنَاهُ إِلا مِنْ هَذَا الْوَجْهِ، قَطَرِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْخَشَّابِ قَالَ ابْنُ مَعِينٍ: لا بَأسَ بِهِ

أَنْشَدَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ النُّعْمَانِ لِنَفْسِهِ بِدِمْيَاطَ قَدِيمًا:

جَلِيسِي وَمَحْبُوبِي حَدِيثُ مُحَمَّدٍ … وَكُلُّ امْرِئٍ يَصْبُو إِلَى مَنْ يُجَالِسُ

وصحب النَّبِيّ أكرم بهم وبحزبه … على مثل ذا أعني البيب نافس

حَدِيثٌ أُرَوِّيهِ بِنَقْلٍ مُصَحَّحٍ … وَضَبْطِ رِوَايَةٍ فَهَذَا التَّنَافُسُ

محمد واظب درس فقه وسنه فكل علوم بعد …

وساوس وُلِدَ ابْنُ النُّعْمَانِ بِتِلْمِسَانَ سَنَةَ سِتٍّ أَوْ سَبْعٍ وَسِتِّ مِائَةٍ، وَنَشَأَ بَفَاسَ، وَمَاتَ بَفُسْطَاطِ مِصْرَ لَيْلَةَ الأَحَدِ التَّاسِعِ مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ سَنَةَ ثَلاثٍ وَثَمَانِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ، وَقَدْ بَلَغَ سَتًّا وَسَبْعِينَ سَنَةً، وَدُفِنَ بِالْقَرَافَةِ الْكُبْرَى.
৪ - সৎ ও দুনিয়াবিমুখ শাইখ মুহাম্মদ ইবনে নুমান দিমিয়াত সীমান্তচৌকি এলাকায় আমার হাত ধরলেন এবং বললেন: হাফিজ আবু আমর উসমান ইবনে হাসান ইবনে আলী আল-মাগরিবি আমার হাত ধরলেন এবং বললেন: আবুল কাসেম খালাফ ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে মাসউদ ইবনে বাশকুওয়াল আল-আনসারি, আবু মুহাম্মদ আব্দুল মুনইম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহিম ইবনে মুহাম্মদ আল-خাজরাজি এবং আবু মুহাম্মদ আব্দুল হক ইবনে আব্দুল মালিক আল-আবদারি আমার হাত ধরলেন। ইবনে বাশকুওয়াল থেকে আমাদের কাছে একাধিক ব্যক্তি লিখেছেন। তাদের প্রত্যেকেই বললেন: আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে আইয়ুব আল-ফিহরি আমার হাত ধরলেন। তিনি বললেন: হাফিজ আবুল হাসান তাহির ইবনে মুয়াবিয়া আল-মাআফিরি আমার হাত ধরলেন। তিনি বললেন: আবুল ফাতহ এবং আবু লাইস নাসর ইবনে হাসান ইবনে আবুল কাসেম...

আশ-শাশি আস-সামারকান্দি, যিনি বণিক হিসেবে আন্দালুসে এসেছিলেন, তিনি বললেন: আবু মানসুর ইবনে খালাফ আল-মাগরিবি আমার হাত ধরলেন। তিনি বললেন: আবু মানসুর ইবনে খালাফ আমার হাত ধরলেন। তিনি বললেন: বসরায় আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-মিনকারি আমার হাত ধরলেন। তিনি বললেন: মক্কায় আবু সাঈদ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল আরাবি আমার হাত ধরলেন। তিনি বললেন: হাসান ইবনে আতিয়্যাহ আমার হাত ধরলেন। তিনি বললেন: কুতরি আল-খাশশাব আমার হাত ধরলেন। তিনি বললেন: ইয়াজিদ ইবনুল বারা আমার হাত ধরলেন। তিনি বললেন: আমার পিতা বারা ইবনে আজিব আমার হাত ধরলেন। তিনি বললেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট প্রবেশ করলাম। তিনি আমাকে স্বাগত জানালেন এবং আমার হাত ধরলেন। অতঃপর বললেন: "হে বারা! তুমি কি জানো কেন আমি তোমার হাত ধরেছি?" তিনি বললেন: আমি বললাম: "হে আল্লাহর নবী, কল্যাণের জন্যই হবে।" তিনি বললেন: "যখনই কোনো মুসলিম অপর কোনো মুসলিমের সাথে সাক্ষাৎ করে এবং তার প্রতি আনন্দ প্রকাশ করে, তাকে স্বাগত জানায় এবং তার হাত ধরে, তখন তাদের উভয়ের গুনাহসমূহ সেভাবেই ঝরে যায় যেভাবে গাছের শুকনো পাতা ঝরে পড়ে।"

ইয়াজিদ ইবনুল বারার তার পিতা থেকে বর্ণিত হাদিস হিসেবে এটি গরিব। আমরা এটি এই সূত্র ব্যতীত অন্য কোনো সূত্রে লিখে রাখিনি। কুতরি ইবনে আব্দুল্লাহ আল-খাশশাব সম্পর্কে ইবনে মাইন বলেছেন: "এতে কোনো সমস্যা নেই।"

আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে নুমান দিমিয়াতে থাকাকালীন নিজের রচিত কবিতা আমাদের শুনিয়েছেন:

আমার সঙ্গী এবং প্রিয় হলো মুহাম্মদের হাদিস … আর প্রত্যেক ব্যক্তি তার সঙ্গীর প্রতিই অনুরাগ পোষণ করে।

আর নবীর সাহাবীগণ—কতই না সম্মানিত তারা এবং তাদের দল … এমন বিষয়ের উপরেই হে বুদ্ধিমান, প্রতিযোগিতা করো।

আমি সহিহ বর্ণনার মাধ্যমে যে হাদিস বর্ণনা করি … এবং বর্ণনার যথাযথ সংরক্ষণ—এটাই হলো প্রকৃত প্রতিযোগিতা।

হে মুহাম্মদ! ফিকহ ও সুন্নাহর পাঠে অবিচল থাকো, কারণ এরপরের সকল জ্ঞানই …

কুমন্ত্রণা। ইবনে নুমান ৬০৬ বা ৬০৭ হিজরি সনে তিলিমসানে জন্মগ্রহণ করেন এবং ফাসে বেড়ে ওঠেন। তিনি ৬৮৩ হিজরি সনের ৯ই রমজান রবিবার রাতে মিসরের ফুসতাতে মৃত্যুবরণ করেন। তখন তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর এবং তাকে কারাফায়ে কুবরায় দাফন করা হয়।
(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
‌‌مُحَمَّدُ بْنُ مَوْهُوبِ بْنِ أَيُّوبَ بْنِ مَكِّيٍّ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْبَغْدَادِيُّ الْغَرَّادُ
মুহাম্মদ বিন মাওহুব বিন আইয়ুব বিন মক্কি আবু আবদুল্লাহ আল-বাগদাদি আল-গাররাদ
(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
5 - قَرَأْتُ عَلَى مُحَمَّدِ بْنِ مَوْهُوبٍ بِبَغْدَادَ، أَخْبَرَكَ أَبُو الْفَرَجِ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ سَعْدِ بْنِ صَدُقَةَ بْنِ الْخِضْرِ الْحَرَّانِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي طَالِبٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ بَيَانٍ الْعُمَرِيُّ الرَّزَّازُ، أَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَخْلَدٍ الْبَزَّازُ، أَنَا أَبُو عَلِيٍّ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الصَّفَّارُ، ثَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ بْنِ يَزِيدَ الْعَبْدِيُّ، ثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ، عَنْ فَارِسِ بْنِ عَنْتَرَةَ الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَسْوَدِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِيهِ، وَعَلْقَمَةَ، أَنَّهُمَا صَلَّيَا مَعَ ابْنِ مَسْعُودٍ، فِي بَيْتِهِ أَحَدَهُمَا عَنْ يَمِينِهِ، وَالآخَرَ عَنْ شِمَالِهِ، فَلَمَّا انْصَرَفَ، قَالَ: «هَكَذَا صَلَّيْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم» .

رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ.

وَالنَّسَائّيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدٍ، كِلاهُمَا عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ فُضَيْلٍ، عَنْ هَارُونَ بْنِ عَنْتَرَةَ
৫ - আমি বাগদাদে মুহাম্মদ বিন মাওহুবের নিকট পাঠ করেছি, (তিনি বলেছেন) আপনাকে আবু আল-ফারাজ বিন আব্দুল মুনয়িম বিন আব্দুল ওয়াহহাব বিন সাদ বিন সাদাকাহ বিন আল-খিদর আল-হাররানি সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম মুহাম্মদ বিন আবি তালিব আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন বায়ান আল-উমারি আর-রাজজাজ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন মাখলাদ আল-বাজজাজ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলি ইসমাইল বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আস-সাফফার; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলি আল-হাসান বিন আরাফাহ বিন ইয়াজিদ আল-আবদি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাদ বিন আল-আওয়াম; ফারেস বিন আনতারা আল-শায়বানি থেকে বর্ণিত; তিনি আব্দুর রহমান বিন আল-আসওয়াদ বিন ইয়াজিদ থেকে; তিনি তাঁর পিতা এবং আলকাহামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তাঁরা উভয়ে ইবনে মাসউদের সাথে তাঁর ঘরে সালাত আদায় করেছিলেন, তাঁদের একজন ছিলেন তাঁর ডানে এবং অন্যজন তাঁর বামে। যখন তিনি সালাত শেষ করলেন, তখন বললেন: "আমি এভাবেই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সালাত আদায় করেছি।"

এটি আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন উসমান বিন আবি শায়বাহ থেকে।

এবং নাসায়ি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন উবায়দ থেকে; তাঁরা উভয়ে মুহাম্মদ বিন ফুদাইল থেকে এবং তিনি হারুন বিন আনতারা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
‌‌مُحَمَّدُ بْنُ مِيكَائِيلَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ رَاشِدِ بْنِ حَسَنٍ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْمَوْصِلِيُّ اللُّغَوِيُّ الْفَرْضِيُّ

، إِمَامُ الْمَدْرَسَةِ الْقَاهِرِيَّةِ بِالْمَوْصِلِ أَنْشَدَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مِيكَائِيلَ، لِنَفْسِهِ بِالْمَوْصِلِ:

يَا مَنْ لَنَا مَنْ دَيَاجِي شَعْرِهِ غَسَقٌ … وَمِنْ مُحَيَّاهُ نُورٌ يُخْجِلُ الْفَرَقَا

وَمَنْ طَلَبْتُ أَمَانًا مِنْ تَجَنُّبِهِ … فَصَدَّ عَنِّي كَأَنِّي سَمَّيْتُهُ الْفَرَقَا

قَدْ كَانَ يُنْجِدُنِي صَبْرِي عَلَيْكَ فَمُذْ … صَدَدْتَ عَنِّي تَوَلَّى جَيْشُهُ فِرَقَا

وَكَانَ دَمْعِي مَتَى مَا شِئْتُ طَاوَعَنِي … فَقَدْ عَصَانِي كَمَا شَاءَ الْهَوَى …

ما ضر ساحر طرف طال … ...

ما لحاظه فِي فؤادي …

وَأَنْشَدَنَا أَيْضًا لِنَفْسِهِ:

إن قربت يَوْم الفراق يناق … وتناذروا لغدوا أن فراق

وَبَقِيتُ بَعْدَ فِرَاقِهِمْ فَتَيَقَّنُوا … أَنِّي دَعِيٌّ فِي الْهَوَى مَذَّاقُ

قَدْ كُنْتُ فِي قُرْبِ الدِّيَارِ مُتَيُّمًا … بِهَوَاهُمُ تَعْتَادُنِي أَشْوَاقُ

بِصَبَابَتِي الأَمْثَالُ تُضْرَبُ فِي الْهَوَى … وَبِذِكْرِ وَجْدِي تُطْرَبُ الْعُشَّاقُ

وَإِذَا دَجَى لَيْلُ السُّلُوِّ لِعَاشِقٍ … فَلَنُورُ عِشْقِي عِنْدَهُ إِشْرَاقُ

دَمْعِي عَلَى بَابِ الأَحِبَّةِ سَائِلٌ … وَدَمِي عَلَى طُرُقِ الْغَرَامِ يُرَاقُ

مَا حِيلَتِي إِنْ أَزْمَعُوا وَتَحَمَّلُوا … وَغَدَتْ بِهِمْ....

شاق

يَا مَنْ أَغَارُ عَلَيْهِمُ مِنْ نَاظِري … قد على هواهم نظرت الأعناق

مُنُّوا بِوَقْفَةِ سَاعَةٌ لِمُتَيَّمٍ … قَدْ آنَ مِنْهُ لِلْحَيَاةِ طَلاقُ

لا يَسْتَطِيعُ وَدَاعَكُمْ فَفُؤَادُهُ … مِمَّا يُحَاوِلُ طَائِرٌ خَفَّاقُ

عَلِقَتْ بِهِ خِرَقُ الْفِرَاقِ فَأَضْرَمَتْ … فِي قَلْبِهِ نارها إِحْرَاقُ.

وَأَنْشَدَنَا لِنَفْسِهِ أَيْضًا وَقَدْ كَتَبَ عَلَى صِحَاحِ الْجَوْهَرِيِّ، بَعْدَ أَنْ فَرِغَ مِنْ نَسْخِهَا.

خَلَعْتُ عَلَى الْكِتَابِ سَوَادَ عَيْنِي … فَعَوَّضَنِي بَيَاضَ النَّاظِرَيْنِ

كَسَوْتُ بَيَاضَهُ بُرْدَيْ شَبَابِي … فَأَلْبَسَنِي رِدَاءً كَاللُّجَيْنِ

مَتَى أُمْسِي رَضِيَّ الْبَالِ خِلْوًا … وَأَقْضِي مِنْ غَرِيمِ النَّسْخِ دَيْنِي

مَوْلِدُهُ بِالْمَوْصِلِ تَخْمِينًا فِي سَنَةِ سِتِّ مِائَةٍ.
মুহাম্মাদ বিন মিকাইল বিন আহমাদ বিন রাশিদ বিন হাসান আবু আব্দুল্লাহ আল-মাওসিলি আল-লুগাভি আল-ফারদি

তিনি মসুলের আল-মাদরাসাতুল কাহিরিয়্যাহর ইমাম। মুহাম্মাদ বিন মিকাইল মসুলে অবস্থানকালে আমাদের নিকট তাঁর নিজের রচিত এই কবিতাটি পাঠ করেছেন:

হে সেই সত্তা, যার কেশের কৃষ্ণতা আমাদের জন্য তিমির রজনী স্বরূপ … আর যার মুখমণ্ডলের জ্যোতি সুবহে সাদিককেও লজ্জিত করে।

যার বিমুখতা থেকে আমি নিরাপত্তা চেয়েছিলাম … অথচ তিনি আমার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন, যেন আমি তাঁর নাম রেখেছি ভয়।

আপনার বিরহে আমার ধৈর্য আমাকে সাহায্য করত, কিন্তু যখন থেকে … আপনি বিমুখ হলেন, তখন ধৈর্যের সেই বাহিনী দলে দলে পলায়ন করল।

আমার অশ্রু সর্বদা আমার অনুগত ছিল যখনই আমি চাইতাম … কিন্তু এখন সে আমার অবাধ্য হয়েছে যেমনটা প্রবৃত্তি চেয়েছে …

দীর্ঘায়িত নয়নের জাদুকরী চাহনি কী-ই বা ক্ষতি করবে … ...

আমার হৃদয়ে তার দৃষ্টির আঘাত কেমন …

তিনি আমাদের নিকট আরও পাঠ করেছেন নিজের কিছু পংক্তি:

যদি বিচ্ছেদের দিন উষ্ট্রীগুলো নিকটে আসে … আর তারা আগামীকালের প্রস্থানের বার্তা দেয়;

তবে তাদের প্রস্থানের পর আমি অবশিষ্ট রইলাম, এতে তারা নিশ্চিত হলো যে … আমি প্রেমের ক্ষেত্রে একজন কৃত্রিম দাবিদার ও আস্বাদনকারী মাত্র।

গৃহগুলো যখন সন্নিকটে ছিল, তখন আমি ছিলাম প্রেমে মত্ত … তাদের ভালোবাসায় বারবার আমার হৃদয়ে আকুলতা জাগত।

প্রেমে আমার আসক্তির উদাহরণ পেশ করা হয় … আর আমার ব্যাকুলতার স্মরণে প্রেমিককুল বিমোহিত হয়।

যখন কোনো প্রেমিকের নিকট বিস্মৃতির রাত ঘনীভূত হয় … তখন আমার প্রেমের জ্যোতি তার নিকট সুপ্রভাতের ন্যায় উদ্ভাসিত হয়।

প্রিয়জনদের দ্বারে আমার অশ্রু বহমান … আর অনুরাগের পথে আমার রক্ত বিসর্জিত।

আমার কী-ই বা করার আছে যদি তারা যাত্রার সংকল্প করে এবং সওয়ারি বোঝাই করে … আর তাদের সাথে চলে যায়....

ব্যাকুলতা

হে সেই প্রিয়জন, যাদের ব্যাপারে আমি নিজের দৃষ্টির ওপরও ঈর্ষা করি … নিশ্চয়ই তাদের ভালোবাসায় গ্রীবাগুলো উৎসুক হয়ে তাকিয়ে আছে।

এই প্রেমমত্ত ব্যক্তিকে এক মুহূর্ত থামার সুযোগ দাও … যার জীবন থেকে বিদায় নেওয়ার সময় ঘনিয়ে এসেছে।

সে তোমাদের বিদায় জানাতে সক্ষম নয়, কারণ তার হৃদয় … যা সে চেষ্টা করছে তা থেকে এক অস্থির কম্পমান পাখির ন্যায়।

বিচ্ছেদের ছিন্নবস্ত্র তার সাথে লেগে আছে, যা প্রজ্জ্বলিত করেছে … তার হৃদয়ে এক দহনকারী অগ্নি।

তিনি আমাদের নিকট নিজের আরও কিছু পংক্তি পাঠ করেছেন যা তিনি জাওহারির ‘সিহাহ’ গ্রন্থটি অনুলিপি করা শেষ করার পর তার ওপর লিখেছিলেন:

আমি এই কিতাবের অনুলিপিতে আমার চোখের মণির কৃষ্ণতা উজাড় করেছি … বিনিময়ে এটি আমাকে চোখের শুভ্রতা (দৃষ্টির জ্যোতি) দান করেছে।

আমি এর শুভ্র পৃষ্ঠাকে আমার যৌবনের দুই চাদর দ্বারা আবৃত করেছি … বিনিময়ে এটি আমাকে রৌপ্যের ন্যায় (শুভ্র চুলের) চাদর পরিয়ে দিয়েছে।

কবে আমি সন্তুষ্ট চিত্তে অবসর পাব … আর এই অনুলিখনের ঋণের বোঝা থেকে মুক্তি পাব?

আনুমানিক হিজরি ছয়শত অব্দে মসুলে তাঁর জন্ম।
(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
‌‌مُحَمَّدُ بْنُ نَصْرِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي الْقَاسِمِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي الْقَاسِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ أَبِي الْفَتْحِ النَّابُلْسِيُّ الْمَحْتِدِ

الدِّمَشْقِيُّ الْمَوْلِدِ، الشَّاعِرُ.

أَنْشَدَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي الْفَتْحِ، لِنَفْسِهِ بِالْمَوْصِلِ فِي الْقَدَمَةِ الرَّابِعَةِ:

بَدَتْ بَيْنَ أَتْرَابِهَا زَيْنَبُ … فَتَيَّمَنِي ثَغْرُهَا الأَشْيَبُ

مَهَاةٌ يُخَيَّلُ لِي أَنَّهَا … إِذَا بَدَتِ الْخَشْفُ وَالرَّبْرَبُ

أَطَالَ عِتَابِيَ فِيهَا الْعَذُولُ … وَفِي حُبِّهَا قَلَّ مَا أُعْتَبُ

تُعَذِّبُنِي بِالْجَفَاءِ وَالصُّدُودِ … وَمَا غَيْرُ ذَلِكَ لِي يَعْذُبُ

وَتَزْهَدُنِي وَفِي غَيْرِهَا … مَدَى الدَّهْرِ قَلْبِيَ لا يَرْغَبُ

تَقُولُ إِذَا سُمْتُ مِنْهَا الْوِصَالَ … أَظُنُّكَ يَا ذَا الْفَتَى أَشْعَبُ

وَإِنَّ وِصَالِي لِمَنْ رَامَهُ … لا قرب من عله الكوكب

فَكَيْفَ احْتِيَالِي وعز حبها … إِلَى غَيْرِهَا لَيْسَ لِي مَذْهَبُ

سَهِدْتُ عَلَيْهَا لِوَجْدِي بِهَا … وَمِنْهَا بَرَاءَتِي تُسْتَصْعَبُ

وَكَمْ ذَلَّ فِي الْحُبِّ ذُو عِزَّةٍ … وصال على أسد ربرب

وليس النوى غير … .

بريح.........

…

بذي الوجد أسبابه … وَفِي ظَنِّهِ أَنَّهُ يَلْعَبُ

وَأَنْشَدَنَا بِالتَّصَانِيفِ:

إِذَا عَمَّرَ الإِنْسَانُ فِي الدَّهْرِ بُرْهَةً … تَمُرُّ بِهِ فِيمَا تَرَاهُ الْعَجَائِبُ

فَمِنْ فَرْحِهِ تَدْنُو إِلَيْهِ وَتَرْحِهِ … تَضِيقُ بِهَا فِي الأَرْضِ عَنْهُ الْمَذَاهِبُ

وَمِنْ عَادَةِ الأَيَّامِ أَنَّ صُرُوفَهَا … مَتَى سَرَّ مِنْهَا جَانِبٌ سَاءَ جَانِبُ

مَوْلِدُهُ بِدِمَشْقَ فِي الْعِشْرِينَ مِنْ ذِي الْقِعْدَةِ سَنَةَ ثَلاثٍ وَ …

وَخَمْسِ مِائَةٍ.
মুহাম্মদ ইবন নাসরুল্লাহ ইবন আবু বকর ইবন আবুল কাসিম ইবন আবু বকর ইবন আবুল কাসিম ইবন আবদুল্লাহ আবু আবদুল্লাহ ইবন আবুল ফাতহ আন-নাবুলুসি বংশোদ্ভূত

দামেস্কে জন্মগ্রহণকারী কবি।

মুহাম্মদ ইবন আবুল ফাতহ মসুলে তাঁর চতুর্থ আগমনের সময় নিজের রচিত কবিতা আমাদের শুনিয়েছেন:

তার সমবয়সীদের মাঝে জয়নব প্রকাশিত হলো … আর তার শুভ্র দন্তরাজি আমাকে মোহাবিষ্ট করল।

সে যেন এক বুনো গাভী আমার কাছে মনে হয় … যখন হরিণশাবক ও হরিণপাল আত্মপ্রকাশ করে।

তার ব্যাপারে নিন্দুক আমার ভর্ৎসনা দীর্ঘায়িত করেছে … অথচ তার ভালোবাসায় আমি খুব কমই অনুতপ্ত হয়েছি।

সে আমাকে বিমুখতা ও নিষ্ঠুরতা দিয়ে কষ্ট দিচ্ছে … অথচ এ ছাড়া অন্য কিছু আমার কাছে সুস্বাদু নয়।

সে আমাকে উপেক্ষা করছে অথচ তাকে ছাড়া অন্য কারো প্রতি … চিরকাল আমার হৃদয় কোনো আগ্রহবোধ করে না।

যখন আমি তার কাছে মিলনের প্রার্থনা করি, সে বলে … হে যুবক, আমার মনে হয় তুমি আশ'আবের মতো অতি লোভী।

আর যে ব্যক্তি আমার মিলন আকাঙ্ক্ষা করে তার জন্য তা … নক্ষত্রের উচ্চতার চেয়েও অধিক দুর্লভ।

তবে আমার কৌশল কী হতে পারে যখন তার ভালোবাসা দুষ্প্রাপ্য … অথচ তাকে ছাড়া আমার অন্য কোনো আশ্রয় নেই।

তার প্রতি অনুরাগের কারণে আমি বিনিদ্র রজনী কাটিয়েছি … এবং তার থেকে বিচ্ছেদ আমার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

ভালোবাসায় কত মর্যাদাশীল ব্যক্তিই না লাঞ্ছিত হয়েছে … যেন হরিণপালের মাঝে সিংহের সাথে মিলন।

বিচ্ছেদ এছাড়া অন্য কিছু নয় … ।

বাতাসের সাহায্যে.........

…

প্রেমাসক্ত ব্যক্তির কাছে তার কারণসমূহ … আর সে ধারণা করে যে সে খেলছে।

তিনি তাঁর সংকলিত রচনাবলি থেকেও আমাদের শুনিয়েছেন:

মানুষ যখন মহাকালে দীর্ঘ সময় বেঁচে থাকে … তখন সে আশ্চর্যজনক অনেক ঘটনা প্রত্যক্ষ করে।

কখনো আনন্দ তার নিকটবর্তী হয় আবার কখনো দুঃখ … যাতে তার জন্য জমিনের পথসমূহ সংকীর্ণ হয়ে পড়ে।

আর সময়ের স্বভাব হলো এর পরিবর্তনগুলো … যখন এর এক দিক আনন্দদায়ক হয়, তখন অন্য দিকটি কষ্টদায়ক হয়।

তিনি পাঁচশত তিন হিজরি সনের বিশে যিলকদ মাসে দামেস্কে জন্মগ্রহণ করেন।
(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
‌‌مُحَمَّدُ بْنُ نَصْرِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حَسْنُونِ بْنِ يَعِيشَ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي الْفَتْحِ الْعَقِيلِيُّ الشَّامِيُّ الرُّصَافِيُّ

الأَصْلِ بِرِصَافَةَ.

هِشَامُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الْمَوْلِدِ الدِّمَشْقِيُّ الأَمِيرُ.
মুহাম্মাদ ইবনে নাসরুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হাসনুন ইবনে ইয়াইশ আবু বকর ইবনে আবিল ফাতহ আল-উকায়লি আশ-শামি আর-রুসাফি

মূলত রুসাফার অধিবাসী।

হিশাম ইবনে আব্দুল মালিক মহল্লায় জন্মগ্রহণকারী, দামেস্কী, আমির।
(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
6 - أَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ نَصْرِ اللَّهِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِدِمَشْقَ، أَنَا أَبُو عَلِيٍّ حَنْبَلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْبَغْدَادِيُّ الرُّصَافِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِدِمَشْقَ، أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ السِّينَانِيُّ، أَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ التَّمِيمِيُّ، أَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ الْقَطِيعِيُّ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ ذَكَرَهُ الأَبْيَوَرْدِيُّ فِي الْكُنَى.

أَنْشَدَنَا الشَّيْخُ مُحَمَّدُ بْنُ الْوَاعِظِ بِبَغْدَادَ فِي الْقَدَمَةِ الثَّانِيَةِ: أَنَارٌ أَمْ سَنَا بَرْقٍ أَنَارَ … فَأَذْكَى فِي قُلُوبِ الرَّكْبِ نَارَا

تسامى العلمين وهنا … ضَنِينًا مَا وَرَى حَتَّى تَوَارَى

عَشِيَّةَ كُلُّ مَنْ فِي الرَّكْبِ حَيْرَى … وَلَوْ مَرَّ الْهُدَى بِهِمْ لَحَارَا

فَبَيْنَا نَحْنُ فِي سِجْفِ الدَّيَاجِي … عَلَى الْهَوْدَجِ فَارْتَفَعَ النَّهَارا

أَمَاطَ الصُّبْحَ مغفره وحي … وَأَلْقَى عَن ضياه انْحِسَارَا

كَوَجْهِكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ لَمَّا … سَفَرْتَ عَلَى زَمَانِكَ فَاسْتَنَارَا

وَكَانَ الْحَقُّ مُخْتَبِئًا فَلَمَّا … ظَهَرْتَ بَدَتْ أَشِعَّتُهُ جِهَارَا

بِكَ افْتَخَرَتْ قُرَيْشٌ فِي الْبَرَايَا … فأصبحت تملأ الدنيا فخارا

وَلَوْلا سَعْدُ جَدِّكَ لَمْ يَعُدُّوا … مَعَدًّا فِي الْجُدُودِ وَلا نِزَارَا

سَبَقْتَ إِلَى الْعُلا فَبَلَغْتَ أَقْصَى … نِهَايَتِهَا فَشَأْنُكَ لا يُجَارَى

وَجِئْتَ مِنَ النُّهَى مَرْمًى بَعِيدًا … تَبِتُّ وَرَاءَكَ الْهِمَمَ الْكُبَارَا

مَعَانٍ أَصْبَحَ الْفُصَحَاءُ فِيهَا … بِوَصْفِ صِفَاتِكَ الْعُلْيَا حَيَارَى

فَمَدْحُكَ لا تُحِيطُ بِهِ الْبَرَايَا … وَلَوْ جَعَلُوا مِدَادَهُمُ الْبِحَارَا
৬ - আমাদের নিকট আবু বকর ইবনে নাসরুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, দামেস্কে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে; আমাদের নিকট আবু আলী হানবাল ইবনে আব্দুল্লাহ আল-বাগদাদী আল-রুসাফী বর্ণনা করেছেন, দামেস্কে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে; আমাদের নিকট আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আল-সিনানী বর্ণনা করেছেন; আমাদের নিকট আবু আলী আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-তামিমী বর্ণনা করেছেন; আমাদের নিকট আবু বকর আহমদ ইবনে জাফর ইবনে হামদান আল-কাতী'ঈ বর্ণনা করেছেন; আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে হানবাল বর্ণনা করেছেন; আল-আবিয়াওয়ার্দী 'আল-কুনা' গ্রন্থে তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন।

শায়খ মুহাম্মদ ইবনুল ওয়ায়েজ বাগদাদে তাঁর দ্বিতীয় আগমনের সময় আমাদের এই কবিতাটি পাঠ করে শোনান: এ কি আগুন, নাকি বিদ্যুতের দ্যুতি যা আলোকিত করল … এবং কাফেলার হৃদয়ে এক আগুন জ্বালিয়ে দিল!

তা নিশীথ রাতে উচ্চতায় আরোহণ করল … অত্যন্ত সংগোপনে যতক্ষণ না তা আড়ালে চলে গেল।

এমন এক সন্ধ্যায় যখন কাফেলার প্রত্যেকেই ছিল দিশেহারা … যদি হেদায়েতও তাদের পাশ দিয়ে যেত, তবে সেও হয়ে পড়ত বিভ্রান্ত।

যখন আমরা গভীর অন্ধকারের আবরণে ছিলাম … উটের হাওদায় আসীন, তখন অকস্মাৎ দিনের আলো উদ্ভাসিত হল।

প্রভাত তার পর্দা সরিয়ে আত্মপ্রকাশ করল … এবং তার জ্যোতির বিচ্ছুরণ ঘটাল।

হে আল্লাহর রাসূল! ঠিক আপনার চেহারার মতই যখন … আপনি আপনার যামানায় প্রকাশিত হলেন এবং তা আলোকিত হয়ে উঠল।

সত্য ছিল প্রচ্ছন্ন, কিন্তু যখন … আপনি আবির্ভূত হলেন, তখন তার জ্যোতিরাশি প্রকাশ্যে দীপ্যমান হয়ে উঠল।

সৃষ্টি জগতের মাঝে কুরাইশ আপনাকে নিয়ে গর্ব করেছে … ফলে তারা আজ সারা বিশ্বকে গৌরবে পূর্ণ করে দিয়েছে।

আপনার বংশের সৌভাগ্য না থাকলে তারা … পূর্বপুরুষদের মাঝে মা'আদ কিংবা নিযারকে গণ্য করত না।

আপনি শ্রেষ্ঠত্বের দিকে অগ্রগামী হয়ে তার চূড়ান্ত সীমায় … পৌঁছেছেন, তাই আপনার মর্যাদার কোনো সমকক্ষ নেই।

আপনি প্রজ্ঞার এমন এক সুদূরপ্রসারী লক্ষ্যে পৌঁছেছেন … যা বড় বড় উচ্চাকাঙ্ক্ষীদের আপনার পেছনে ফেলে রেখেছে।

এমন সব মহিমা যাতে বাকপটু প্রাঞ্জলভাষীরাও … আপনার সুউচ্চ গুণাবলির বর্ণনা দিতে গিয়ে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে।

সৃষ্টিজগত আপনার প্রশংসার ব্যাপ্তি অনুধাবন করতে পারবে না … যদিও তারা সমুদ্রসমূহকে তাদের লেখনীর কালি বানিয়ে নেয়।
(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
7 - حَدَّثَنِي أَبِي، ثَنَا وَكِيعُ، ثَنَا ابْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ زُهَيْرٍ الثَّقَفِيِّ، قَالَ: لَمَّا نَزَلَتْ: {لَيْسَ بِأَمَانِيِّكُمْ وَلا أَمَانِيِّ أَهْلِ الْكِتَابِ مَنْ يَعْمَلْ سُوءًا يُجْزَ بِهِ} [النساء: 123] قَالَ أَبُو بَكْرٍ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّا لَنُجَازَى بِكُلِّ سُوءٍ نَعْمَلُهُ؟ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «يَرْحَمُكَ اللَّهُ أَلَسْتَ تَنْصَبُ، أَلَسْتَ تَحْزَنُ، أَلَيْسَتْ تُصِيبُكَ اللأْوَاءُ فَهَذَا مَا تُجْزَونَ بِهِ» .

رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ فِي التَّفْسِيرِ، مِنْ حَدِيثِ ابْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ
৭ - আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ওয়াকী‘ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবি খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন জুহাইর আস-সাকাফী থেকে, তিনি বলেন: যখন এই আয়াত অবতীর্ণ হলো: {তোমাদের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী নয় এবং কিতাবধারীদের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ীও নয়; যে মন্দ কাজ করবে তাকে তার প্রতিদান দেওয়া হবে} [আন-নিসা: ১২৩] তখন আবু বকর বললেন: হে আল্লাহর রাসুল! আমরা যে মন্দ কাজ করি তার সবকিছুরই কি প্রতিদান দেওয়া হবে? আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: «আল্লাহ তোমার প্রতি দয়া করুন, তুমি কি ক্লান্ত হও না? তুমি কি দুঃখিত হও না? তোমার ওপর কি বিপদ-আপদ ও কষ্ট আপতিত হয় না? এগুলিই হলো সেই প্রতিদান যা তোমাদের দেওয়া হয়»।

তিরমিজি এটি তাফসির অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন, ইবনে উমরের হাদিস থেকে, আবু বকরের সূত্রে।
(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
8 - وَبِهِ إِلَى أَحْمَدَ قَالَ: ثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي أَبِي، أَنَّ أَصْحَابَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، لَمْ يَدْرُوا أَيْنَ يَقْبُرُوا النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم حَتَّى، قَالَ أَبُو بَكْرٍ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «لَمْ يُقْبَرْ نَبِيٌّ إِلا حَيْثُ يَمُوتُ» ، فَأَخَّرُوا فِرَاشَهُ وَحَفَرُوا لَهُ تَحْتَ فِرَاشِهِ.

رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ مِنْ وَحَدِيث عَائِشَةَ، عَن أَبِي بَكْرٍ.

مَوْلِدُ هَذَا الشَّيْخِ بِقَلْعَةِ …

مِنْ وَادِي الْجَزِيرَةِ، سَنَةَ تِسْعٍ وَثَمَانِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ.
৮ - এবং তাঁর মাধ্যমেই আহমাদ পর্যন্ত (সনদ পৌঁছেছে); তিনি বলেন: আমাদের নিকট আব্দুর রাজ্জাক বর্ণনা করেছেন, ইবনু জুরাইজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমার পিতা আমাকে খবর দিয়েছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ জানতেন না যে তাঁরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কোথায় সমাহিত করবেন, যতক্ষণ না আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: «কোনো নবীকেই সমাহিত করা হয় না, কেবল যেখানে তিনি ইন্তেকাল করেন সেখানে ব্যতীত।» অতঃপর তাঁরা তাঁর বিছানা সরিয়ে নিলেন এবং তাঁর বিছানার নিচেই তাঁর জন্য কবর খনন করলেন।

তিরমিজি এটি আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার বর্ণিত হাদিস থেকে, আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

এই শাইখের জন্ম ... দুর্গে,

যা ওয়াদি আল-জাজিরাহ অঞ্চলে অবস্থিত, পাঁচশত উননব্বই হিজরি সনে।
(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
‌‌مُحَمَّدُ بْنُ نَصْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّزَّاقِ بْنِ عَبْدِ الْقَادِرِ بْنِ أَبِي صَالِحِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي مُحَمَّدٍ الْجِيلِيُّ الْمَحْتِدِ الْبَغْدَادِيُّ

الدَّارِ وَالْمَوْلِدِ الْحَنْبَلِيُّ الْفَقِيهُ.
মুহাম্মদ ইবনে নাসর ইবনে আব্দুর রাজ্জাক ইবনে আব্দুল কাদির ইবনে আবু সালিহ ইবনে আবু বকর ইবনে আবু মুহাম্মদ আল-জিলী বংশোদ্ভূত আল-বাগদাদী

বাগদাদেই তাঁর নিবাস ও জন্মস্থান, তিনি ছিলেন হাম্বলি ফকিহ।
(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
9 - أَنَا أَبُو يَحْيَى، وَشَهْدَةُ وَزَيْنَبُ الْمَنْعُوت …

، قَرَأْتُ عَلَى مُحَمَّدِ بْنِ نَصْرٍ بِبَغْدَادَ، أَخْبَرَكَ أَبُو إِسْحَاقَ يُوسُفُ بْنُ أَبِي حَامِدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ يُوسُفَ الأَرْمَوِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَنَا جَدِّي أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ، أَنَا أَبُو الْغَنَائِمِ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْمَأْمُونِ الْهَاشِمِيُّ، وَأَنْبَأَنَا عَالِيًا أَبُو الْحَسَنِ الْبَغْدَادِيُّ، عَنْ أَبِي الْكَرَمِ بْنِ الشَّهْرَزُورِيِّ، عَنِ ابْنِ مَنْصُورٍ، نَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مَهْدِيِّ بْنِ مَسْعُودٍ الدَّارَقُطْنِيُّ الْحَافِظُ، أَنَا أَبُو عُمَرَ مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ يَعْقُوبَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ الْقَاضِي الأَزْدِيُّ، إِمْلاءً سَنَةَ تِسْعَ عَشْرَةَ وَثَلاثَ مِائَةٍ، ثَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَبِي الرَّبِيعِ، أَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ بْنُ هَمَّامٍ، أَنَا مَعْمَرُ بْنُ رَاشِدٍ، عَنِ ابْنِ مُنَبِّهٍ، قَالَ: هَذَا مَا حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ، عَنْ مُحَمَّدٍ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «هَلَكَ كِسْرَى ثُمَّ لا يَكُونُ كِسْرَى بَعْدَهُ، وَقَيْصَرُ لَيَهْلَكَنَّ ثُمَّ لا يَكُونُ قَيْصَرُ بَعْدَهُ، وَلَتُقَسَّمَنَّ كُنُوزُهُمَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ» .

رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ فِي الزَّكَاةِ وَالْجِهَادِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ.

وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ، عَنِ ابْنِ رَافِعٍ كِلاهُمَا، عَنْ عَبْدِ الرَّزَّاقِ فَوَقَعَ بَدَلا
৯ - আমি আবু ইয়াহইয়া, এবং শাহদাহ ও যায়নাব আল-মানউত …

আমি বাগদাদে মুহাম্মদ ইবনে নাসরের নিকট পাঠ করেছি; আবু ইসহাক ইউসুফ ইবনে আবি হামিদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবুল ফজল মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে ইউসুফ আল-আরমাওয়ি তাঁর নিকট পাঠকালে আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আমার দাদা আবুল ফজল মুহাম্মদ ইবনে উমর আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-গানাইম আব্দুল আজিজ ইবনে আলি ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-মামুন আল-হাশিমি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন। আর আবু আল-হাসান আল-বাগদাদি উচ্চ সনদে আমাদের জানিয়েছেন আবু আল-কারাম ইবনে শাহরাজুরি থেকে, তিনি ইবনে মনসুর থেকে, হাফিজ আবু আল-হাসান আলি ইবনে উমর ইবনে আহমাদ ইবনে মাহদি ইবনে মাসউদ আদ-দারা কুতনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু উমর মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইসমাইল ইবনে হাম্মাদ ইবনে যাইদ আল-কাজি আল-আজদি ৩১৯ হিজরি সালে শ্রুতিলিপি প্রদানের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাসান ইবনে আবি রাবী' আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আব্দুর রাজ্জাক ইবনে হাম্মাম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মা'মার ইবনে রাশিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে মুনাব্বিহ থেকে, তিনি বলেন: এটি সেই হাদিস যা আবু হুরাইরা আমাদের নিকট আল্লাহর রাসুল মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: "কিসরা ধ্বংস হয়েছে, এরপর আর কোনো কিসরা হবে না। আর কায়সার অবশ্যই ধ্বংস হবে, এরপর আর কোনো কায়সার হবে না। এবং অবশ্যই তাদের উভয়ের ধনভাণ্ডার আল্লাহর পথে বণ্টিত হবে।"

ইমাম বুখারি এটি জাকাত ও জিহাদ অধ্যায়ে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং ইমাম মুসলিম এটি ইবনে রাফে' থেকে বর্ণনা করেছেন; তারা উভয়েই আব্দুর রাজ্জাক থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি 'বাদাল' হিসেবে গণ্য হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
10 - أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ نَصْرٍ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، بِبَغْدَادَ، أَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ، مُحَمَّدُ بْنُ الْمُشْتَرِي، وَأَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي الْفَتْحِ يُوسُفُ بْنُ أَبِي الْحَسَنِ الدَّقَّاقُ، قَالا: أَنَا أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ يُوسُفَ الأَرْمَوِيُّ، أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ الْمَأْمُونِ.

ح، وَأَنْبَأَنَا عَالِيًا أَبُو الْحَسَنِ الْبَغْدَادِيُّ، عَنِ ابْنِ الشَّهْرَزُورِيِّ، عَنِ ابْنِ الْمَأْمُونِ، أَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مَهْدِيِّ بْنِ مَسْعُودٍ الدَّارَقُطْنِيُّ الْحَافِظُ، ثَنَا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَاعِدٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ الْحَضْرَمِيُّ 9، قَالا: أَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَجَّاجِ بْنِ أَبِي عُثْمَانَ الصَّوَّافُ، ثَنَا مُعَلَّى بْنُ رَاشِدٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ بُدَيْلِ بْنِ مَيْسَرَةَ الْعُقَيْلِيِّ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ يَزِيدَ بْنِ السَّكَنِ الأَنْصَارِيَّةِ، قَالَتْ: «كَانَ كُمُّ يَدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى الرُّسْغِ» .

رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَجَّاجِ الصَّوَّافُ الْمُقْرِئُ، عَلَى الْمُوَافَقَةِ، وَقَالَ: حَدَّثَتْنِي بِهِ.

وَرَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَالنَّسَائِيُّ أَيْضًا، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ هِشَامٍ.

وَجَدُّ أَسْمَاءَ السَّكَنُ بْنُ رَافِعِ بْنِ امْرِئِ الْقَيْسِ بْنِ زَيْدِ بْنِ عَبْدِ الأَشْهَلِ، تُكْنَى أُمُّ عَامِرٍ، وَقِيلَ: أُمُّ سَلَمَةَ
১০ - আমি মুহাম্মদ বিন নাসর, বাগদাদে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, (তিনি বলেন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান বিন আবি বকর মুহাম্মদ বিন আল-মুশতারি এবং আবুল আব্বাস আহমদ বিন আবিল ফাতহ ইউসুফ বিন আবিল হাসান আদ-দাক্কাক। তাঁরা উভয়ই বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফজল মুহাম্মদ বিন উমর বিন ইউসুফ আল-আরমাউয়ি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আবদুস সামাদ বিন আলি বিন মুহাম্মদ বিন আল-ফজল বিন আল-মামুন।

(হ), এবং আমাদের উচ্চ সনদে সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আল-বাগদাদি, ইবনুল শাহরাজুরি থেকে, তিনি ইবনুল মামুন থেকে, (তিনি বলেন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলি বিন উমর বিন আহমদ বিন মাহদি বিন মাসউদ আদ-দারাকুতনি আল-হাফিজ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ বিন সাঈদ এবং মুহাম্মদ বিন হারুন আল-হাদরামি, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাজ্জাজ বিন আবি উসমান আস-সওয়াফ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুআল্লা বিন রাশিদ, তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন বুদাইল বিন মাইসারা আল-উকাইলি থেকে, তিনি শাহর বিন হাওশাব থেকে, তিনি আসমা বিনতে ইয়াজিদ বিন আস-সাকান আল-আনসারিয়া থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জামার হাতা কবজি পর্যন্ত ছিল»।

তিরমিজি এটি আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাজ্জাজ আস-সওয়াফ আল-মুকরি থেকে 'মুওয়াফাকাত' হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: তিনি আমার নিকট এটি বর্ণনা করেছেন।

আবু দাউদ ও নাসায়িও এটি বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন ইবরাহিম থেকে, তিনি মুয়াজ বিন হিশাম থেকে।

আর আসমার দাদা হলেন আস-সাকান বিন রাফি বিন ইমরুল কাইস বিন যাইদ বিন আবদিল আশহাল; তাঁর উপনাম উম্মু আমির, এবং বলা হয়েছে: উম্মু সালামাহ।
(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
‌‌مُحَمَّدُ بْنُ نَصْرِ بْنِ أَبِي الْفَرَجِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ الْحَافِظِ..

 

النَّهَاوَنْدِيُّ الْمَحْتِدِ الْبَغْدَادِيُّ الدَّارِ وَالْمَوْلِدِ الصُّوفِيُّ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الْحُصْرِيِّ
মুহাম্মদ বিন নাসর বিন আবুল ফারাজ বিন আলী বিন মুহাম্মদ আবু আবদুল্লাহ বিন আল-হাফিয..

 

নাহাওয়ান্দী বংশোদ্ভূত, জন্ম ও নিবাসে বাগদাদী, ইবনুল হুসরি নামে পরিচিত সূফী।
(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
11 - قَرَأْتُ عَلَى مُحَمَّدِ بْنِ نَصْر....

بِحُمَاةَ، أَخْبَرَكَ الشَّيْخَانِ أَبُو الْفَتْحِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ نَجَا بْنِ شَاتِيلَ، وَأَبُو السَّعَادَاتِ نَصْرُ اللَّهِ، وَيُدْعَى الْمُبَارَكُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ مُبَارَكِ بْنِ رُزَيْقٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمَا، وَأَنْتَ حَاضِرٌ، وَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ بَقَاءٍ السَّبَّاكُ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي الْمُهَلَّبِ، وَعَلِيُّ بْنُ سَالِمِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ سَالِمٍ الْخَشَّابُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمْ بِبَغْدَادَ، مُتَفَرِّقِينَ، قَالُوا: أَنَا ابْنُ شَاتِيلَ وَالْقَزَّازُ، سَمَاعًا، قَالا: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الرَّبْعِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ، …

، وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْبُسْرِيِّ الْبُنْدَارُ، قَالَ: أَنَا..

الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَخْلَدٍ الْبَزَّارُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ، ثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ الْبَخْتَرِيِّ، …

إِمْلاءً يَوْمَ الْجُمْعَةِ لِسِتٍّ بَقِينَ مُنْ ذِي الْقِعْدَةِ سَنَةَ سَبْعٍ وَثَلاثِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، ثَنَا سَعْدَانُ بْنُ …

بْنِ مُسْلِمٍ الْبَزَّازُّ بسَنَةِ خَمْسٍ وَسِتِّينَ وَمِائَتَيْنِ، ثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، قَالَ: سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ الْحُوَيْرِثِ، يَقُولُ: عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: كُنَّا عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَتَى الْخَلاءَ ثُمَّ رَجَعَ فَأُتِي بِطَعَامٍ قِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلا تَتَوَضَّأُ؟ فَقَالَ: لَمْ أُصَلِّ فَأَتَوَضَّأُ ".

رَوَاهُ مُسْلِمٌ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ، وَالتِّرْمِذِيُّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ جَمِيعًا....

فَوَقَعَ بَدَلا عَالِيًا لَهُمَا.

سَمِعْتُ هَذَا الشَّيْخَ عِدَّةَ أَجْزَاءٍ، عَنِ ابْنِ شَاتِيلَ....

جُزْء الْحَسَنِ بْنِ عَرَفَةَ،....

وَمَاتَ فِي سَنَةِ ثَمَانٍ وَسَبْعِينَ وَخَمِسٍ مِائَةٍ
১১ - আমি মুহাম্মাদ বিন নাসরের নিকট পাঠ করেছি...

হামাহ-তে, আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন দুই শাইখ—আবু আল-ফাতহ উবাইদুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন নাজা বিন শাতিল এবং আবু আস-সাআদাত নাসরুল্লাহ, যাঁকে আল-মুবারক বিন আব্দুর রহমান বিন আলী বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আল-হাসান বিন মুবারক বিন রুজাইক বলা হয়, তাঁদের নিকট পাঠকালে আপনি উপস্থিত ছিলেন। আর আমি মুহাম্মাদ বিন আলী বিন বাকা আস-সাব্বাক, মুহাম্মাদ বিন আলী বিন আব্দুল্লাহ বিন আবি আল-মুহাল্লাব এবং আলী বিন সালিম বিন আবি বকর বিন সালিম আল-খাশ্শাব; বাগদাদে পৃথক পৃথকভাবে তাঁদের নিকট পাঠ করা হয়েছে। তাঁরা বলেন: ইবনে শাতিল ও আল-কাযযায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শ্রবণের মাধ্যমে। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আলী বিন আল-হুসাইন বিন আব্দুল্লাহ আর-রাবঈ, তাঁর নিকট পাঠকালে আমরা তা শ্রবণ করছিলাম, …

এবং আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আলী বিন আহমাদ বিন আল-বুসরি আল-বুন্দার। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান বিন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহিম বিন মাখলাদ আল-বাযযার, তাঁর নিকট পাঠকালে আমরা শ্রবণ করছিলাম। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জাফর মুহাম্মাদ বিন আমর বিন আল-বাখতারি, …

তিনশ সাইত্রিশ হিজরি সালের জিলকদ মাস শেষ হতে ছয় দিন বাকি থাকতে জুমার দিনে শ্রুতিলিপির মাধ্যমে। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সা'দান বিন …

বিন মুসলিম আল-বাযযার দুইশ পঁয়ষট্টি হিজরি সালে। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ, আমর বিন দিনার থেকে, তিনি বলেন: আমি সাঈদ বিন আল-হুওয়াইরিসকে বলতে শুনেছি, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট ছিলাম। তিনি শৌচাগারে গেলেন, অতঃপর ফিরে আসলেন এবং তাঁর সামনে খাবার আনা হলো। জিজ্ঞেস করা হলো: "হে আল্লাহর রাসূল, আপনি কি ওজু করবেন না?" তিনি বললেন: "আমি তো নামাজ পড়ছি না যে ওজু করতে হবে।"

এটি ইমাম মুসলিম আবু বকর থেকে এবং ইমাম তিরমিযী সাঈদ বিন আব্দুর রহমান থেকে—তাঁরা সকলে বর্ণনা করেছেন...

ফলে এটি তাঁদের উভয়ের জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের বিকল্প (বাদাল আলী) হিসেবে সাব্যস্ত হলো।

আমি এই শাইখের নিকট থেকে ইবনে শাতিলের সূত্রে বেশ কিছু খণ্ড শুনেছি...

হাসান বিন আরাফার খণ্ড (জুয),...

এবং তিনি পাঁচশ আটাত্তর হিজরি সালে ইন্তেকাল করেন।
(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
‌‌مُحَمَّدُ بْنُ نَصْرِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُسْلِمِ....

عَلُي بْن الْحَسَنِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيٍّ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي الْفَتْحِ بْنِ أَبِي الْمَجْدِ الْهَمَدَانِيُّ الدِّمَشْقِيُّ، وَيُسَمَّى أَيْضًا …

الْمَعْرُوفُ بِابْنِ أَبِي سُرَاقَةَ

.
মুহাম্মদ বিন নাসরুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-মুসলিম....

আলী বিন আল-হাসান বিন আল-হুসাইন বিন আলী আবু বকর বিন আবিল ফাতহ বিন আবিল মাজদ আল-হামাদানি আদ-দিমাশকি, এবং তাকে আরও বলা হতো …

ইবনে আবি সুরাকাহ নামে পরিচিত

.
(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
12 - قَرَأْتُ عَلَى أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بِبَيْتِ الْمَقْدِسِ …

أَخْبَرَكَ أَبُو عَلِيٍّ حَنْبِلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الرُّصَافِيُّ، بِدِمَشْقَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ..

بْن زَيْدٍ الشَّيْبَانِيُّ، أَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ سَعْدٌ الْوَاعِظُ، ثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ....

، ثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، قَالَ:....

ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، ثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، ثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ، عَنْ مُحَمَّدِ ابْنِ الْحَنَفِيَّةِ، عَنْ عَلِيٍّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مِفْتَاحُ الصَّلاةِ الْوُضُوءُ، وَتَحْرِيمُهَا التَّكْبِيرُ، وَتَحْلِيلُهَا التَّسْلِيمُ» .

رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ فِي الطَّهَارَةِ، وَفِي الصَّلاةِ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، وَرَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ، فِي الصَّلَوَاتِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ، أَيْضًا، عَنْ وَكِيعٍ.

تُوُفِّيَ مُحَمَّدُ بْنُ …

بْنِ مَنْصُورٍ، فِي الإِسْكَنْدَرِيَّةِ، فِي يَوْمِ الأَحَدِ الْعِشْرِينَ مِنْ جُمَادَى الأُولَى سَنَةَ أَرْبَعٍ وَسِتِّينَ وَسِتِّ مِائَةٍ، وَدُفِنَ بَيْنَ الْمِينَائَيْنِ
১২ - আমি বাইতুল মাকদিসে আবু বকর ইবন আবদুল্লাহর নিকট পাঠ করেছি ...

আবু আলী হাম্বল ইবন আবদুল্লাহ আর-রুসাফী দামেস্কে আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে—যে, আবু আল-কাসিম..

ইবন যায়িদ আশ-শায়বানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আলী আল-হাসান ইবন মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ সা’দ আল-ওয়ায়েজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর মুহাম্মদ ইবন.... আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন

, ওয়াকি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি বলেন:....

মুহাম্মদ ইবন বাশশার আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আবদুর রহমান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, সুফিয়ান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন আকীল থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনুল হানাফিয়্যাহ থেকে, তিনি আলী (রা.) থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «সালাতের চাবি হলো পবিত্রতা (ওজু), এর তাহরীম (তথা অন্য কাজ হারাম হওয়া) হলো তাকবীর এবং এর তাহলীল (তথা সালাত সমাপ্তি) হলো সালাম»।

আবু দাউদ পবিত্রতা ও সালাত অধ্যায়ে উসমান ইবন আবী শায়বাহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন এবং ইবন মাজাহ-ও সালাত অধ্যায়ে আলী ইবন মুহাম্মদ থেকে— তিনিও ওয়াকি থেকে— এটি বর্ণনা করেছেন।

মুহাম্মদ ইবন …

ইবন মনসুর ৬৬৪ হিজরির বিশে জুমাদাল উলা, রবিবার আলেকজান্দ্রিয়ায় মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁকে দুই বন্দরের মধ্যবর্তী স্থানে দাফন করা হয়।
(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
‌‌مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي مَنْصُورِ بْنِ مَنْصُورِ بْنِ الْخِضْرِ بْنِ يَحْيَى بْنِ أَبِي مَنْصُورِ بْنِ نَاصِرِ بْن الْفَضْلِ الْقَاضِي الدِّمَشْقِيُّ الشَّاهِدُ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ......
মুহাম্মদ বিন আবু মনসুর বিন মনসুর বিন আল-খিজির বিন ইয়াহইয়া বিন আবু মনসুর বিন নাসির বিন আল-ফাদল আল-কাজী আদ-দিমাশকি আশ-শাহিদ, যিনি ইবনে নামে পরিচিত...
(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
13 - قَرَأْتُ عَلَى مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي مَنْصُورٍ، أَخْبَرَكَ أَبُو طَاهِرٍ بَرَكَاتُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ طَاهِرِ بْنِ بَرَكَاتِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْخُشُوعِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنْتَ تَسْمَعُ، أَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الأَنْطَاكِيُّ، إِجَازَةً، أَنَا جَدِّي أَبُو الْفَتْحِ عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَكِيمٍ، إِمَامُ الْمَسْجِدِ الْجَامِعِ بِدِمَشْقَ، وَأَبُو الْعَبَّاسِ وَعَبْدُ الرَّزَّاقِ بْن عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْفُضَيْلِ..

أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْهَمَدَانِيُّ الْقَاضِي الْبَغْدَادِيُّ، ثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ عِيَاضٍ، ثَنَا الْحُسَيْنُ هُوَ …

عَبْد اللَّهِ بْن بَكْرٍ، أَنَا حُمَيْدُ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، عَرَضَتْ لَهُ امْرَأَةٌ فِي طَرِيقٍ وَمَعَهُ نَاسٌ مِنْ أَصْحَابِهِ فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ لِي إِلَيْكَ حَاجَةً.

فَقَالَ لَهَا: «يَا أُمَّ فُلانٍ اجْلِسِي فِي أَيِّ نَوَاحِي السِّكَكِ شِئْتِ حَتَّى أَجْلِسَ إِلَيْكِ» .

قَالَ: فَفَعَلَتْ فَجَلَسَ إِلَيْهَا حَتَّى قَضَتْ حَاجَتَهَا
১৩ - আমি মুহাম্মদ বিন আবি মনসুরের নিকট পাঠ করেছি, আপনাকে আবু তাহের বারাকাত বিন ইবরাহিম বিন তাহের বিন বারাকাত বিন ইবরাহিম আল-খুশুয়ি সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠ করা অবস্থায় এবং আপনি তা শুনছিলেন; আবু মুহাম্মদ হিবাতুল্লাহ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-আনতাকি ইজাজতসূত্রে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আমার দাদা আবুল ফাতহ আবদুস সামাদ বিন মুহাম্মদ বিন হাকিম—যিনি দামেস্কের জামে মসজিদের ইমাম ছিলেন—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, এবং আবুল আব্বাস ও আবদুর রাজ্জাক বিন আবদুল্লাহ বিন আল-ফুদাইল...

আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-হামাদানি আল-কাদি আল-বাগদাদি, হুসাইন বিন ইয়াদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হুসাইন হলেন …

আবদুল্লাহ বিন বকর, আমাদের নিকট হুমাইদ বর্ণনা করেছেন আনাস (রা.) থেকে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে পথে এক নারী এলেন, তখন তাঁর সাথে তাঁর সাহাবীদের মধ্য হতে কিছু লোক ছিলেন। সেই নারী বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আপনার নিকট আমার একটি প্রয়োজন আছে।

তিনি তাঁকে বললেন: «হে অমুকের মা, রাস্তার যে কোনো পাশে তুমি বসতে চাও বসো, যাতে আমি তোমার নিকট বসতে পারি (ও তোমার কথা শুনতে পারি)।»

বর্ণনাকারী বলেন: তিনি তাই করলেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর নিকট বসলেন যতক্ষণ না তিনি তাঁর প্রয়োজন পূরণ করলেন।
(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
14 - أَخْبَرَنَاهُ عَالِيًا تَسَاعِيًا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ، أَنَا الشَّرِيفُ أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ السَّلامِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ الأَنْصَارِيُّ، وَأَبُو غَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُصَيْنِ بْنِ مُحَمَّدٍ البَاقِلانِيُّ، قَالا: أَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُكَيْرِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الْمُحَامِلِي، أَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الشَّافِعِيُّ، نَا عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَبْدَوَيْهِ الْخَزَّازُ، سَنَةَ سَبْعٍ وَخَمْسِينَ وَمِائَتَيْنِ، ثَنَا الْحَارِثُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي أُسَامَةَ، قَالا: ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَكْرٍ السَّهُمِيُّ، ثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي طَرِيقٍ وَمَعَهُ نَاسٌ مِنْ أَصْحَابِهِ فَعَرَضَتِ امْرَأَةٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ لِي إِلَيْكَ حَاجَةً.

فَقَالَ لَهَا: «يَا أُمَّ فُلانٍ اجْلِسِي فِي أَيِّ نَوَاحِي السِّكَكِ شِئْتِ حَتَّى أَجْلِسَ إِلَيْكِ» .

قَالَ: فَفَعَلَتْ فَجَلَسَ إِلَيْهَا حَتَّى قَضَتْ حَاجَتَهَا
১৪ - আবদুল্লাহ বিন আল-হুসাইন বিন আবদুল্লাহ আমাদের উচ্চ ও নয় স্তরের সনদে এটি জানিয়েছেন যে, আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আশ-শরিফ আবুল ফজল মুহাম্মাদ বিন আব্দুস সালাম বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন উমর আল-আনসারী এবং আবু গালিব মুহাম্মাদ বিন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মাদ আল-বাকিলানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আবু আবদুল্লাহ আহমাদ বিন আবদুল্লাহ বিন বুকাইর বিন ইসমাইল আল-মুহামিলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ বিন ইব্রাহিম আশ-শাফিয়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলি বিন আল-হাসান বিন আবদাউয়িহ আল-খাজ্জাজ দুইশত সাতান্ন হিজরি সনে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হারিস বিন মুহাম্মাদ বিন আবি উসামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আবদুল্লাহ বিন বকর আস-সাহমি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমাইদ আমাদের নিকট আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক পথে ছিলেন এবং তাঁর সাথে তাঁর সাহাবীদের মধ্য হতে কিছু লোক ছিল। তখন এক নারী আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সম্মুখে আসলেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসুল! আপনার কাছে আমার একটি প্রয়োজন আছে।

তিনি তাকে বললেন: «হে অমুকের মা! তুমি গলিগুলোর যে কোনো এক পাশে বসো যেখানে তুমি চাও, যাতে আমি তোমার নিকট বসতে পারি»।

তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: অতঃপর নারীটি তাই করলেন এবং তিনি (রাসুল) তার নিকট বসলেন যতক্ষণ না তিনি তার প্রয়োজন পূরণ করলেন।
(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
15 - …

تَسَاعِيًا أَيْضًا، عَلِيُّ بْنُ خَلِيلٍ، أَنَا أَبُو …

، أَنَا الْحَدَّادُ، أَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، ثَنَا ابْنُ خَلادٍ، ثَنَا الْحَارِثُ بْنُ …

، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، ثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، عَرَضَتْ لَهُ امْرَأَةٌ فِي طَرِيقٍ وَمَعَهُ نَاسٌ فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ لِي إِلَيْكَ حَاجَةً.

فَقَالَ لَهَا: «يَا أُمَّ فُلانٍ اجْلِسِي فِي أَيِّ نَوَاحِي السِّكَكِ شِئْتِ حَتَّى أَجْلِسَ إِلَيْكِ» قَالَ: فَفَعَلَتْ فَجَلَسَ إِلَيْهَا حَتَّى قَضَتْ حَاجَتَهَا
১৫ - …

এটিও একটি নয়-স্তরের উচ্চ সনদ; আলী ইবনে খলিল, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু …

، আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাদ্দাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবনুল খাল্লাদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হারিস ইবনে …

، আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হুমাইদ, আনাস (রা.) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত যে, পথিমধ্যে এক নারী তাঁর সম্মুখে উপস্থিত হলেন এমতাবস্থায় যে তাঁর সাথে কিছু লোক ছিল। সে বলল: হে আল্লাহর রাসূল! আপনার সমীপে আমার একটি প্রয়োজন রয়েছে।

অতঃপর তিনি তাকে বললেন: «হে অমুকের মা! তুমি গলির যে কোনো এক পাশে বসো যেখানে তুমি পছন্দ করো, যাতে আমি তোমার সাথে গিয়ে বসতে পারি»। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর সে তা-ই করল এবং তিনি তার পাশে বসলেন যতক্ষণ না তিনি তার প্রয়োজন পূর্ণ করলেন।
(খণ্ড: ১) আস-সামিন মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
16 - وَأَخْبَرَنَاهُ تَسَاعِيًا أَيْضًا، أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الأَزْدِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، أَنَا أَبُو طَاهِرٍ الأَصْبَهَانِيُّ …

أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ.....

، ثَنَا مَرَوَانُ، ثَنَا حُمَيْدٌ، عَن أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ امْرَأَةً لَقِيَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فِي طَرِيقٍ مِنْ طُرُقِ الْمَدِينَةِ فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ لِي إِلَيْكَ حَاجَةً قَالَ: «يَا أُمَّ فُلانٍ اجْلِسِي فِي أَيِّ نَوَاحِي السِّكَكِ شِئْتِ حَتَّى أَجْلِسَ إِلَيْكِ» قَالَ: فَقَعَدَتْ فَقَعَدَ إِلَيْهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَتَّى قَضَتْ حَاجَتَهَا.

رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عِيسَى، وَكَثِيرِ بْنِ عُبَيْدٍ، وَمَرْوَانَ بْنِ مُعَاوِيَةَ الْفَزَارِيِّ، وَرَوَاهُ مِنْ حَدِيثِهِ …

يَزِيد بْن هَارُونَ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، فَكَأَنِّي سَمِعْتُهُ عَنِ الْفَارِسِيِّ وَالْخَطِيبِ.

وَرَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ، عَنْ عَلِيٍّ، عَنْ سُوَيْدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ حُمَيْدٍ، وَذَكَرَ …

فِي ذِي الْحِجَّةِ سَنَةَ تِسْعٍ وَثَمَانِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ
১৬ - এবং তিনি আমাদের কাছে এটি নয়জন রাবীর মাধ্যমবিশিষ্ট উচ্চ সনদেও বর্ণনা করেছেন। আবু আল-কাসিম বিন আবু বকর আল-আজদী আমাকে এটি সংবাদ দিয়েছেন, আমি তার নিকট এটি পাঠ করেছি। আবু তাহির আল-আসবাহানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন …

আবুল হুসাইন মুহাম্মদ বিন.....

মারওয়ান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, হুমাইদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণিত যে, এক নারী মদীনার কোনো এক পথে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে দেখা করে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনার কাছে আমার একটি প্রয়োজন আছে। তিনি বললেন: «হে অমুকের মা! তুমি গলির যে কোনো এক পাশে বসো যেখানে তুমি চাও, যাতে আমি তোমার কাছে এসে বসতে পারি» বর্ণনাকারী বলেন: তারপর মহিলাটি বসলেন এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার পাশে বসলেন যতক্ষণ না তিনি তার প্রয়োজন পূরণ করলেন।

এটি বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ, মুহাম্মদ বিন ঈসা, কাসীর বিন উবাইদ এবং মারওয়ান বিন মুয়াবিয়া আল-ফাজারি থেকে। আর তিনি এটি তার হাদিস থেকে বর্ণনা করেছেন …

ইয়াযীদ বিন হারুন, হাম্মাদ বিন সালামাহ থেকে, তিনি সাবিত থেকে, তিনি আনাস থেকে। যেন আমি এটি আল-ফারিসি এবং আল-খাতিবের কাছ থেকে শুনেছি।

ইমাম তিরমিযী এটি বর্ণনা করেছেন আলী থেকে, তিনি সুয়াইদ বিন আবদুল আজিজ থেকে, তিনি হুমাইদ থেকে, এবং তিনি উল্লেখ করেছেন …

পাঁচশত উননব্বই হিজরি সনের যিলহজ মাসে।