(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
الأول من معجم شيوخ الدمياطي (عبد المؤمن بن خلف الدمياطي)
القسم: كتب السنة
الكتاب: الأول من معجم شيوخ الدمياطي
المؤلف: عبد المؤمن بن خلف الدمياطيّ، أبو محمد، شرف الدين الشافعي (ت 705هـ)
الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية
الطبعة: الأولى، 2004
[الكتاب مخطوط]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আদ-দুমইয়াতীর মু‘জামু শুয়ূখের প্রথম খণ্ড (আব্দুল মুমিন বিন খালাফ আদ-দুমইয়াতী)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আদ-দুমইয়াতীর মু‘জামু শুয়ূখের প্রথম খণ্ড
লেখক: আব্দুল মুমিন বিন খালাফ আদ-দুমইয়াতী, আবু মুহাম্মাদ, শরাফউদ্দীন আশ-শাফিঈ (মৃ. ৭০৫ হি.)
প্রকাশক: পাণ্ডুলিপি, যা ইসলামি নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইটের অন্তর্ভুক্ত জাওয়ামেউল কালিম নামক ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে
সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪
[কিতাবটি একটি পাণ্ডুলিপি]
শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
النَّبِي صلى الله عليه وسلم ، بَابُ الْأَلِفِ وَأَوْرَدْتُ عَنْ كُلِّ وَاحِدٍ مَنْهُمْ شَيْئًا مِنَ الْحَدِيثِ بِسَنَدٍ آخَرَ ، أَوْ قَرْضًا مِنَ الشِّعْرِ مَرْوِيَّاتٍ مُنْشَدَاتٍ ، أَوْ شَيْئًا مَنَ الْفَوَائِد الَّتِي أَصْبَحَتْ لِأَصْحَابِ الْحَدِيثِ مالا وَمَعْهَدًا ، وَرُبَّمَا قَالَ فِي بَعْضِهِمْ وَيُزَادُ ، لِعُلُوّ رَوَايةٍ هُنَاكَ وَإِسْنَادٍ ، أَوْ اسْتِزَادَةٍ مِنْ تَنَفُّعِهِ مُسْتَجَاد ، أَوْ بَيَان وَفَاةٍ أَوْ مِيلَادٍ ، أَوْ حِكَايَة فِي عِلْمٍ أَوْ دِينٍ يُسْتَفَادُ عَلَى مَقْضِيِّ مَا رَأَيْتُهُ مِنْ رُتْبَةِ ذَلِكَ الشَّيْخِ وَطَبَقَتِهِ ، وَإِنْ يَسَّرَ اللَّهُ تَعَالَى ، وَمَدَّ فِي الْعُمْرِ شَفَعْتُهُ بِمُعْجَمِ الشُّيُوخِ الَّذِينَ أَجَازُوا لِي مِنْ جَمِيعِ الْبِلَادِ ، وَاللَّهُ الْمُسْتَعَانُ يَنْفَعُ بِهِ كَاتِبَهُ وَجَامِعَهُ ، وَقَارِئَهُ ، وَسَامِعَهُ ، إِنَّهُ سَمِيعٌ مُجِيبٌ ، وَمَا تَوْفِيقِي إِلَّا بِاللَّهِ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَإِلَيْهِ أُنِيبُ.مَنِ اسْمُهُ مُحَمَّدٌ
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আলিফ অধ্যায়; আমি তাদের প্রত্যেকের থেকে ভিন্ন সনদে কিছু হাদিস বর্ণনা করেছি, অথবা বর্ণিত ও আবৃত্তিযোগ্য কিছু কবিতা উপস্থাপন করেছি, অথবা এমন কিছু জ্ঞানগর্ভ শিক্ষা উল্লেখ করেছি যা হাদিস বিশারদগণের নিকট পাথেয় ও আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে। অনেক সময় তাদের কারও কারও বর্ণনায় অতিরিক্ত তথ্য যোগ করা হয়েছে সেখানকার বর্ণনার উচ্চমান ও সনদের শ্রেষ্ঠত্বের কারণে, অথবা কোনো কল্যাণকর বিষয় থেকে অধিক উপকার লাভের আশায়, অথবা মৃত্যু বা জন্মের বর্ণনায়, অথবা ইলম বা দ্বীন বিষয়ক কোনো শিক্ষামূলক ঘটনার ক্ষেত্রে—যা আমি উক্ত শাইখের মর্যাদা ও স্তরের বিচারে সঙ্গত মনে করেছি। যদি আল্লাহ তাআলা সহজ করেন এবং আয়ু দীর্ঘ করেন, তবে আমি একে সেইসব শাইখদের নামের অভিধানের সাথে যুক্ত করব যারা আমাকে সকল দেশ থেকে ইজাজত প্রদান করেছেন। আল্লাহর নিকটই সাহায্য প্রার্থনা করছি, তিনি যেন এর লেখক, সংকলক, পাঠক ও শ্রবণকারীকে উপকৃত করেন। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা ও দুআ কবুলকারী। আর আমার তৌফিক কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকেই; আমি তাঁরই ওপর ভরসা করেছি এবং তাঁরই অভিমুখী হচ্ছি।যাঁদের নাম মুহাম্মাদ
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي سَعْدِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ أَبُو سَعْدٍ الْبَغْدَادِيُّ الْحَرْبِيُّ ، الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الْفلوسِ، وَبِابْنِ....أَيْضًا.
মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আবু সা’দ বিন আবুল হাসান আবু সা’দ আল-বাগদাদি আল-হারবি, যিনি ইবনুল ফুলুস নামে পরিচিত এবং ইবনু....নামেও।
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
1 - قَرَأْتُ عَلَى أَبِي سَعْدٍ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ ، بِالْحَرْبِيَّةِ ، غَرْبِيِّ مَدِينَةِ السَّلَامِ بَغْدَادَ فِي الرِّحْلَةِ الْأُولَى: أَخْبَرَكَ أَبُو الْقَاسِمِ يَحْيَى بْنُ أَبِي غَالِبِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ غَالِبٍ الْحَرْبِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ مِنْ أَبِي الْقَاسِمِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْعُمَرِيِّ ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو الْقَاسِمِ طَلْحَةُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الصَّقْرِ بْنِ عَبْدِ الْمُجِيبِ الْكَتَّانِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو الْقَاسِمِ عُمَرُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ سَلَمٍ الْخُتَّلِيُّ الْبَزَّازُ ، فِي الْمُحَرَّمِ سَنَةَ ثَلَاثِينَ وَثَلَاثِ مِائَةٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْمُثَنَّى مُعَاذُ بْنُ الْمُثَنَّى الْعَنْبَرِيُّ ، قَالَ: حَدَّثْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْلَمَةَ الْقَعْنَبِيَّ ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَقَّاصٍ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ ، رضي الله عنه ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّمَا الْأَعْمَالُ بِالنِّيَّةِ ، وَإِنَّمَا لِامْرِئٍ مَا نَوَى ، فَمَنْ كَانَتْ هَجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ فَهِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ ، وَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ لِدُنْيَا يُصِيبُهَا ، أَوْ امْرَأَةٍ يَتَزَوَّجُهَا فَهِجْرَتُهُ إِلَى مَا هَاجَرَ إِلَيْهِ»
১ - আমি আমার প্রথম সফরকালীন সময়ে শান্তির শহর বাগদাদের পশ্চিমাঞ্চলীয় হারবিয়্যাহ এলাকায় আবু সা’দ মুহাম্মদ ইবনে আহমদের নিকট পাঠ করেছি: আবু আল-কাসিম ইয়াহইয়া ইবনে আবি গালিব ইবনে আহমদ ইবনে গালিব আল-হারবি তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন—এমতাবস্থায় যে আমি আবু আল-কাসিম আলি ইবনে আবি তালিব আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল-উমারি থেকে শ্রবণ করছিলাম—তিনি বলেছেন: আবু আল-কাসিম তালহা ইবনে আলি ইবনে আস-সাকর ইবনে আবদিল মুজীব আল-কাত্তানি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আল-কাসিম উমর ইবনে জাফর ইবনে সালাম আল-খুততালি আল-বাযযায তিনশ ত্রিশ হিজরি সালের মহররম মাসে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আল-মুসান্না মু’য়ায ইবনুল মুসান্না আল-আনবারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনে মাসলামাহ আল-কা’নাবির নিকট বর্ণনা করেছি, তিনি মালিক ইবনে আনাস থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম থেকে, তিনি আলকামাহ ইবনে ওয়াক্কাস থেকে, আর তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই সকল আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল, আর প্রত্যেক ব্যক্তি যা নিয়ত করবে তাই সে পাবে। সুতরাং যার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্যে হবে, তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের জন্যই গণ্য হবে। আর যার হিজরত দুনিয়া অর্জনের উদ্দেশ্যে অথবা কোনো নারীকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে হবে, তবে তার হিজরত সেই বিষয়ের জন্যই হবে যার উদ্দেশ্যে সে হিজরত করেছে।»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
2 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَجَّاجِ يُوسُفُ بْنُ خَلِيلٍ الْحَافِظُ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِحَلَبَ.....قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَن مَسْعُودُ بْنُ أَبِي الْمَنْصُورِ سَعْدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الْخَيَّاطُ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِأَصْبَهَانَ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الْحَدَّادُ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِسْحَاقَ الْحَافِظُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَبِيبُ بْنُ الْحَسَنِ ، وَفَارُوقٌ ، قَالَا: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ ، قَالَ أَبُو نُعَيْمٍ: وَحَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْخُزَاعِيُّ ، قَالَا: حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَالِكٌ ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَقَّاصٍ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّمَا الْأَعْمَالُ بِالنِّيَّةِ ، وَإِنَّمَا لِامْرِئٍ مَا نَوَى فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ فَهِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ ، وَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ لِدُنْيَا يُصِيبُهَا ، أَوِ امْرَأَةٍ يَتَزَوَّجُهَا فَهِجْرَتُهُ إِلَى مَا هَاجَرَ إِلَيْهِ»
২ - হাফেজ আবুল হাজ্জাজ ইউসুফ ইবনে খলীল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে আলেপ্পোতে.....তিনি বলেন: আবুল হাসান মাসউদ ইবনে আবুল মানসুর সাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আল-খাইয়্যাত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে ইসফাহানে। তিনি বলেন: আবু আলী হাসান ইবনে আহমদ ইবনুল হাসান আল-হাদ্দাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: হাফেজ আবু নুআইম আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে ইসহাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: হাবীব ইবনুল হাসান ও ফারুক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তাঁরা বলেন: ইবরাহীম ইবনে আবদুল্লাহ আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন। আবু নুআইম বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আল-খুযাঈ আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন। তাঁরা বলেন: আল-ক্বানাবী আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহীম থেকে, তিনি আলক্বামাহ ইবনে ওয়াক্কাস থেকে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই সমস্ত আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল, আর প্রত্যেক ব্যক্তি তা-ই পাবে যার সে নিয়ত করবে। সুতরাং যার হিজরত হবে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্যে, তবে তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে। আর যার হিজরত হবে পার্থিব দুনিয়া লাভের জন্য অথবা কোনো নারীকে বিবাহ করার জন্য, তবে তার হিজরত সেই উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে যার জন্য সে হিজরত করেছে।»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
3 - أَخْبَرَنَاهُ ماَلِكٌ ، هَذَا بِدَرَجَةِ أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ سَلَامَةَ الْفَقِيهُ ، وَأَبُو يَعْقُوبَ بْنُ يُوسُفَ بْنِ مَحْمُودِ بْنِ الْحُسَيْنِ الصُّوفِيُّ ، وَأَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَكِّيِّ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحَاسِبُ ، قِرَاءَةً عَلَى كُلِّ وَاحِدٍ مَنْهُمْ مُنْفَرِدًا ، قَالُوا: أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْحَافِظُ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ بِالْإِسْكَنْدَرِيَّةِ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْقَاسِمُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مَحْمُودٍ الثَّقَفِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ بِأَصْبَهَانَ فِي ذِي الْقِعْدَةِ سَنَةَ ثَمَانٍ وَثَمَانِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو زكريا يَحْيَى بْن إِبْرَاهِيم بْن مُحَمَّد بْن يَحْيَى الْمُزَكِّي ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِنَيْسَابُورَ فِي شَعْبَانَ سَنَةَ اثْنَتَيْ عَشْرَةَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدُ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ يُوسُفَ الشَّيْبَانِيُّ الْحَافِظُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ الْفَرَّاءُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ أَبِي..........قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَقَّاصٍ ، قَالَ: سَمِعْتُ عُمَرَ ، رضي الله عنه ، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، يَقُولُ: «إِنَّمَا الْأَعْمَالُ بِالنِّيَّةِ ، وَإِنَّمَا لِامْرِئٍ مَا نَوَى ، فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَإِلَى رَسُولِهِ ، فَهِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَإِلَى رَسُولِهِ ، وَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى دُنْيَا يُصِيبُهَا أَوِ امْرَأَةٍ يَنْكِحُهَا فَهِجْرَتُهُ إِلَى مَا هَاجَرَ إِلَيْهِ» .وَبِهِ إِلَى الْمُزَكِّي ، قَالَ: وَحَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ السَّعْدِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ بِمِثْلِهِ.حَدِيثُ الْقَعْنَبِيِّ رَوَاهُ الْمَخْلَدِيُّ ، وَمُسْلِمٌ ، عَنْهُ عَلَى الْمُوَافَقَةِ ، وَرَواهُ النَّسَائِيُّ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَنْصُورٍ ، عَنْ الْقَعْنَبِيِّ ، وَحَدِيثُ يَزِيدَ بْنِ هَارُونَ رَوَاهُ مُسْلِمٌ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ ، وَرَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ ، كِلَاهُمَا عَنْ يَزِيدَ ، فَوَقَعَ بَدَلًا عَالِيًا لَهُمَا بِدَرَجَتَيْنِ ، وَقَدْ وَقَعَ إِلَيْنَا هَذَا الْحَدِيثُ مِنْ رِوَايَةِ بِضْعَةٍ وَأَرْبَعِينَ رَجُلًا كُلُّهُمْ رَوَاهُ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ ، ذَكَرَ أَحَادِيثَهُمْ بَطُرُقِهَا ، وَمَا فِيهَا مِنْ الْمُوَافَقَاتِ وَالْإِبْدَالِ مُنْتَقِيًا فِي الْحَدِيثِ الثَّانِي مِنْ كِتَابِ الْأَرْبَعِينَ الْمُتَبَايِنَةِ الْإِسْنَادِ الْمُخْرَّجَةِ عَلَى الصَّحِيحِ مِنْ حَدِيثِ بَغْدَادَ ، فَلْيَلْتَمِسْهُ هُنَاكَ مَنِ ابْتَغَاهُ ، وَلْيُرِ مَا فِيهِ مِنْ خَلَلٍ يَرَاهُسَمِعَ هَذَا الشَّيْخُ مُسْنَدَ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ ، مِنْ مُسْنَدِ الْإِمَامِ أَحْمَدَ ، بِسَمَاعِهِ مِنْ أَبِي مُحَمَّدٍ فَارِسِ بْنِ أَبِي الْقَاسِمِ بْنِ فَارِسٍ الْحَفَّارِ ، وَأَبِي السُّعُودِ نَصْرِ بْنِ جَمِيلَةَ ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي الْمَجْدِ ، وَأَبِي شُجَاعِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْوَرَّاقِ ، وَأَبِي طَاهِرٍ الْمُبَارَكِ بْنِ الْمُبَارَكِ بْنِ الْمَعْطُوشِ ، وَأَبِي عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْقَطَائِفِيِّ ، بِسَمَاعِهِ مِنْ أَبِي الْحِصْنِ ، بِسَنَدِهِ وَسَمِعَ غَيْرَ ذَلِكَ وَأَجَازَ لِي جَمِيعَ مَرْوِيَّاتِهِ ، وَكَانَ شَيْخًا صَالِحًا صَحِيحَ السَّمَاعِ.
৩ - এটি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মালিক। এটি আবুল হাসান আলী ইবনে হিবাতুল্লাহ ইবনে সালামাহ আল-ফকিহ, আবু ইয়াকুব ইবনে ইউসুফ ইবনে মাহমুদ ইবনে আল-হুসাইন আস-সুফি এবং আবুল কাসেম আব্দুর রহমান ইবনে মাক্কি ইবনে আব্দুর রহমান আল-হাসিব-এর মর্যাদার সমপর্যায়ে। তাদের প্রত্যেকের নিকট পৃথকভাবে পাঠ করার মাধ্যমে তারা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-হাফিজ, আমরা আলেকজান্দ্রিয়ায় তাঁর পাঠ শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-কাসেম ইবনুল ফজল ইবনে আহমদ ইবনে আহমদ ইবনে মাহমুদ আস-সাকাফি, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে যখন আমি ইসফাহানে ৪৮৮ হিজরির জিলকদ মাসে শ্রবণ করছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবনে ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-মুজাক্কি, ৪১২ হিজরির শাবান মাসে নিশাপুরে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইউসুফ আশ-শাইবানি আল-হাফিজ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আহমদ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব আল-ফাররা। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে আবি..........তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ, মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম আত-তাইমি থেকে, তিনি আলকামা ইবনে ওয়াক্কাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়ই সমস্ত আমল নিয়তের উপর নির্ভরশীল, আর প্রত্যেক ব্যক্তি তাই পায় যার সে নিয়ত করে। সুতরাং যার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের জন্য হয়, তবে তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের জন্যই হবে। আর যার হিজরত দুনিয়া অর্জনের জন্য কিংবা কোন নারীকে বিবাহের উদ্দেশ্যে হয়, তবে তার হিজরত সেই উদ্দেশ্যেই হবে যার জন্য সে হিজরত করেছে।»এবং এই একই সনদে আল-মুজাক্কি পর্যন্ত পৌঁছে তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইবরাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ আস-সাদি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াজিদ ইবনে হারুন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।আল-কানবি বর্ণিত হাদিসটি আল-মাখলাদি এবং মুসলিম তাঁর থেকে 'মুওয়াফাকাত' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আন-নাসায়ি এটি আমর ইবনে মনসুর থেকে, তিনি আল-কানবি থেকে বর্ণনা করেছেন। আর ইয়াজিদ ইবনে হারুনের হাদিসটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে নুমাইর থেকে এবং ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে আবি শায়বাহ থেকে, তাঁরা উভয়েই ইয়াজিদ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি তাঁদের উভয়ের জন্য দুই স্তর বিশিষ্ট 'বদল আলি' হিসেবে গণ্য হয়েছে। আমাদের নিকট এই হাদিসটি চল্লিশের অধিক ব্যক্তির বর্ণনায় পৌঁছেছে, যাঁদের সকলেই এটি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি তাঁদের হাদিসসমূহ সেগুলোর সনদসহ এবং এতে বিদ্যমান মুওয়াফাকাত ও ইবদ্যালসমূহ উল্লেখ করেছেন, যা 'আল-আরবাঈন আল-মুতাবায়িনাতুল ইসনাদ' গ্রন্থের দ্বিতীয় হাদিস থেকে চয়ন করা হয়েছে, যা বাগদাদের হাদিসের মধ্যে সহিহ রেওয়ায়েতসমূহের ওপর ভিত্তি করে সংকলিত। সুতরাং যে তা অন্বেষণ করে সে যেন সেখান থেকে তালাশ করে নেয় এবং সেখানে কোনো ত্রুটি দেখতে পেলে তা যেন প্রকাশ করে।এই শাইখ ইমাম আহমদের মুসনাদ থেকে মুসনাদে আবু সাঈদ আল-খুদরি শ্রবণ করেছেন; যা তিনি আবু মুহাম্মদ ফারিস ইবনে আবুল কাসেম ইবনে ফারিস আল-হাফফার, আবুস সুউদ নাসর ইবনে জামিলাহ, আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে আবুল মাজদ, আবু শুজা ইবনে আব্দুর রহমান আল-ওয়াররাক, আবু তাহের আল-মুবারক ইবনুল মুবারক ইবনুল মা’তুশ এবং আবু আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-কাতাইফি-এর নিকট শ্রবণ করেছেন। তিনি আবুল হিসন-এর নিকট শ্রবণ করার মাধ্যমে তাঁর সনদসহ এটি এবং এর বাইরেও আরও অনেক কিছু শ্রবণ করেছেন এবং তিনি আমাকে তাঁর সকল বর্ণিত রেওয়ায়েত বর্ণনার অনুমতি প্রদান করেছেন। তিনি একজন নেককার শাইখ ছিলেন এবং তাঁর শ্রবণ নির্ভরযোগ্য ছিল।
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي الْمَكَارِمِ الْأُمَوِيُّ الْإِسْكَنْدَرَانِيُّ الْمُؤَدِّبُ ، الْمَعْرُوفُ بِابْنِ النَّحْوِيِّ، أَخُو شَيْخِنَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ.أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ.....سَمَاعًا ، ثُمَّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، إِلَّا أَنَّهُمَا زَادَا عُثْمَانَ، وَرَوَاهُ النَّسَائِيُّ ، عَنْ قُتَيْبَةَ ، عَنْ أَبِي عَوَانَةَ ، وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الزُّهْرِيِّ ، عَنْ سُفْيَانَ ، عَنْ أَيُّوبَ ، عَنْ قَتَادَةَ ، وَعَنْ الْأَشَجِّ ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ خَالِدٍ ، عَنْ شُعْبَةَ ، وَابْنِ أَبِي عَرُوبَةَ ، كَلَفْظِ أَبِي دَاوُدَ ، وَالتِّرْمِذِيِّ ، إِلَّا أَنَّ الْأَشَجَّ ، قَالَ: فِي لَفْظِهِ: فَلَمْ أَسْمَعَ أَحَدًا مِنْهُمْ فَجَهَرَ بِبِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ ، وَرَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الصَّبَّاحِ ، عَنْ سُفْيَانَ ، عَنْ أَيُّوبَ ، وَعَنْ جُبَارَةَ ، عَنْ أَبِي عَوَانَةَ ، كَلَفْظِ الْبُخَارِيِّ ، فَكَأَنِّي مِنْ رُوَايَةِ أَيُّوبَ سَمِعْتُهُ مِنَ الدُّونِيِّ فِي طَرِيقِ النَّسَائِيِّ ، وَمِنَ الْمُتُونِيِّ فِي طَرِيقِ ابْنِ مَاجَهْ ، وَقَدْ وَقَعَ إِلَى سَمَاعِنَا أَيْضًا مِنْ حَدِيثِ حُمَيْدٍ ، عَنْ أَنَسٍ ،
মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন আবদুল ওয়াহিদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন আবুল মাকারিম আল-উমাওয়ী আল-ইসকান্দারানী আল-মুয়াদ্দিব, যিনি ইবনুন নাহবী নামে পরিচিত। তিনি আমাদের শায়খ আবদুর রহমানের ভাই।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ.....প্রথমে শ্রবণের মাধ্যমে, অতঃপর তার নিকট পাঠের মাধ্যমে; তবে তারা উভয়ই উসমান নামটিকে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন। ইমাম নাসাঈ এটি কুতায়বা থেকে, তিনি আবু আওয়ানা থেকে এবং আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন আবদুর রহমান আজ-জুহরী থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আইয়ুব থেকে, তিনি কাতাদা থেকে এবং আল-আশাজ্জ থেকে, তিনি উকবা ইবন খালিদ থেকে, তিনি শু’বা ও ইবন আবু আরুবা থেকে বর্ণনা করেছেন, যা আবু দাউদ ও তিরমিযীর শব্দের অনুরূপ। তবে আল-আশাজ্জ তার বর্ণিত শব্দে বলেছেন: "আমি তাদের কাউকেই বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম উচ্চস্বরে পাঠ করতে শুনিনি।" আর ইবনু মাজাহ এটি মুহাম্মদ ইবন আস-সাব্বাহ থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আইয়ুব থেকে এবং জুবারা থেকে, তিনি আবু আওয়ানা থেকে বর্ণনা করেছেন, যা বুখারীর শব্দের অনুরূপ। সুতরাং আইয়ুবের বর্ণনাটি যেন আমি আদ-দুনী থেকে নাসাঈর সূত্রে এবং আল-মুতুনী থেকে ইবনু মাজাহর সূত্রে শুনেছি। আর এটি আমাদের নিকট শ্রবণের মাধ্যমে হুমাইদ এর সূত্রে আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত হাদীস হিসেবেও পৌঁছেছে।
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
4 - أَخْبَرَنَاهُ أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ أَبِي الْحَزْمِ ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِالْإِسْكَنْدَرِيَّةِ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْحَافِظُ ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبِي الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْغَفَّارِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي أُشْتَةَ ، فِي صَفَرٍ سَنَةَ تِسْعٍ وَثَمَانِينَ وَأَرْبَعِ مَائَةٍ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ ، الْمَعْرُوفُ بِمَاشَاذَهْ ، فِي جُمَادَى الْأُولَى سَنَةَ أَرْبَعَ عَشْرَةَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْأَسْوَارِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْأَنْصَارِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، قَالَ: " كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ، وَأَبُو بَكْرٍ ، وعُمَرُ ، وَعُثْمَانُ ، رضي الله عنهم ، يَسْتَفْتِحُونَ القِرَاءَةَ بِـ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
4 - আবুল কাসিম বিন আবিল হাযম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলেকজান্দ্রিয়ায় তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে; তিনি বলেন: হাফিয আবু তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আমার পিতা আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আব্দুল গাফফার বিন আহমাদ বিন আবি উশতাহ চারশত উননব্বই হিজরি সালের সফর মাসে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আবু আল-হাসান আলি বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ, যিনি মাশাযাহ নামে পরিচিত, চারশত চৌদ্দ হিজরি সালের জুমাদাল উলা মাসে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আবুল হুসাইন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আল-আসওয়ারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আনসারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: হুমায়দ আত-তাবিল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আনাস বিন মালিক থেকে, তিনি বলেন: "নবী (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক), আবু বকর, উমর এবং উসমান (আল্লাহ তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) 'সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি সকল জগতের প্রতিপালক' দ্বারা তিলাওয়াত শুরু করতেন।"
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ خَضِرِ بْنِ نَصْرِ بْنِ مِقْدَامِ بْنِ نَصْرِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الدِّمَشْقِيُّ الصَّالِحِيُّ الْعَطَّارُ
মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে খিদর ইবনে নাসর ইবনে মিকদাম ইবনে নাসর আবু আব্দুল্লাহ আদ-দিমাশকি আস-সালিহি আল-আত্তার
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
5 - قَرَأْتُ عَلَى أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ حُصَيْنٍ ، بِظَاهِرِ دِمَشْقَ ، أَخْبَرَكَ أَبُو حَفْصِ بْنُ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي مُحَمَّدٍ الْبَغْدَادِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو غَالِبٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْفَقِيهُ.ح وَقَرَأْتُ عَلَى أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ مَعَالِي بْنِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الرُّصَافِيِّ ، بِرُصَافَةِ الْمَهْدِيِّ ، شَرْقِيِّ بَغْدَادَ ، أَخْبَرَكَ أَبُو الْقَاسِمِ يَحْيَى بْنُ أسَعْدَ بْنِ يَحْيَى بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ بَوْشٍ الزَّنْدَوَرْدِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنْتَ تَسْمَعُ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو غَالِبٍ الْمَذْكُورُ ، وَأَبُو طُالِبٍ عَبْدُ الْقَادِرِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْقَادِرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ ، وَأَبُو نُصْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَضْوَانَ ، وَقَرَأَ دُكَيْنُ بْنُ الْأسَعْدِ.ح وَقَرَأْتُ عَلَى أَبِي الْفَضْلِ دَاوُدَ بْنِ شُجَاعِ بْنِ لُؤْلُؤٍ الْبُوُّابِ ، بِالْمَأْمُونِيَّةِ شَرْقِيِّ بَغْدَادَ ، أَخْبَرَكَ أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الْمُنْعِمِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ سَعْدِ بْنِ صَدَقَةَ بْنِ الْخَضِرِ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنْتَ تَسْمَعُ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ بَدْرَانَ الْحُلْوَانِيُّ قَالُوا: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ الْفَارِسِيُّ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حِمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ الْقَطِيعِيِّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ الْحَسَنِ الْحَرْبِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَجَاءٍ الْغُدَانِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ سَلَمَةَ ، وَأَبِي الْحَسَاءِ ، قَالَ: حَدَّثَنِي صاَلِحٌ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْأَعْرَجِ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُحَيْنَةَ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، «قَامَ فِي السَّجْدَتَيْنِ مِنَ الظُّهْرِ ، وَلَمْ يَجْلِسْ بَيْنَهُمَا فَلَمَّا فَرَغَ مِنْ صَلَاتِهِ سَجَدَ سَجْدَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ ، ثُمَّ سَلَّمَ»
৫ - আমি দামেস্কের উপকণ্ঠে আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন হুসাইনের সামনে পাঠ করেছি; তিনি বলেন, আবু হাফস বিন আবু বকর বিন আবু মুহাম্মাদ আল-বাগদাদি আপনার নিকট বর্ণনা করেছেন তার নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু গালিব আহমাদ বিন আল-হাসান বিন আহমাদ বিন আবদুল্লাহ আল-ফকিহ।হা, এবং আমি পূর্ব বাগদাদের রুসাফাতুল মাহদিতে আবুল হাসান আলী বিন মাআলি বিন আবু আবদুল্লাহ আর-রুসাফির সামনে পাঠ করেছি; তিনি বলেন, আবুল কাসিম ইয়াহইয়া বিন আসআদ বিন ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মাদ বিন বাউশ আজ-জান্দাওয়ার্দি আপনার নিকট বর্ণনা করেছেন তার সামনে পাঠ করার মাধ্যমে এবং আপনি তা শুনছিলেন। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন পূর্বোক্ত আবু গালিব, এবং আবু তালিব আব্দুল কাদির বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল কাদির বিন মুহাম্মাদ বিন ইউসুফ, এবং আবু নসর আহমাদ বিন আবদুল্লাহ বিন রাদওয়ান; আর দুকাইন বিন আসআদ পাঠ করেছেন।হা, এবং আমি পূর্ব বাগদাদের আল-মামুনিয়ায় আবুল ফজল দাউদ বিন শুজা বিন লুলু আল-বাওয়াবের সামনে পাঠ করেছি; তিনি বলেন, আবুল ফারাজ আব্দুল মুনইম বিন আব্দুল ওয়াহহাব বিন সাদ বিন সাদাকাহ বিন আল-খাদির আপনার নিকট বর্ণনা করেছেন তার সামনে পাঠ করার মাধ্যমে এবং আপনি তা শুনছিলেন। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন আলী বিন বাদরান আল-হুলওয়ানি। তাঁরা সকলে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান বিন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হুসাইন আল-ফারিসি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন জাফর বিন হামদান বিন মালিক আল-কাতিয়ি। তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইসহাক বিন আল-হাসান আল-হারবি। তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন রাজা আল-গুদানি। তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সাঈদ বিন সালামাহ ও আবিল হাসা। তিনি বলেন: আমার কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন সালিহ, তিনি আবদুর রহমান আল-আরাজ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন বুহাইনা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যোহরের নামাজের দুই সিজদার পর (দ্বিতীয় রাকাতে তাশাহহুদের জন্য) না বসে দাঁড়িয়ে গেলেন। অতঃপর যখন তিনি তাঁর নামাজ সম্পন্ন করলেন, তখন বসা অবস্থাতেই দুটি সিজদা করলেন, এরপর সালাম ফিরালেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
6 - أَخْبَرَنَاهُ مُوَافَقَةَ أَبُو نَصْرِ بْنُ فَضَائِلَ بْنِ أَبِي نَصْرِ ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِبَابِ الْبَصْرَةِ غَرْبِيِّ بَغْدَادَ ، قَالَ: أَخْبَرَتْنَا الْكَاتِبَةُ فَخْرُ النِّسَاءِ شُهْدَةُ بِنْتُ أَحْمَدَ بْنِ الْفَرَجِ بْنِ أَحْمَدَ الْإِبَرِيِّ الدِّينَوَرِيِّ ، قِرَاءَة عَلَيْهَا ، وَأَنَا أَسْمَعُ ، وَأَبُو الْقَاسِمِ يَحْيَى بْنُ أَبِي الْمَعَالِي ثَابِتِ بْنِ بُنْدَارِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْبَقَّالِ ، إِجَازَةً قَالَتْ شَهْدَةُ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْقَادِرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ ، وَقَالَ يَحْيَى: أَخْبَرَنَا وَالِدِي ، قَالَا: أَخْبَرَنَا أَبُو عَمْرٍو عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْعَلَّافُ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الشَّافِعِيُّ فَقَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ الْحَسَنِ الْحَرْبِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ الْقَعْنَبِيُّ ، عَنْ مَالِكٍ ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ هُرْمُزَ الْأَعْرَجِ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُحَيْنَةَ أَنَّهُ قَالَ: «صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، رَكْعَتَيْنِ ، ثُمَّ قَامَ فَلْمِ يَجْلِسْ فَقَامَ النَّاسُ مَعَهُ ، فَلَمَّا قَضَى صَلَاتَهُ وَنَظَرْنَا تَسْلِيمَهُ كَبَّرَ فَسَجَدَ سَجْدَتَيْنِ ، وَهُوَ جَالِسٌ قَبْلَ التَّسْلِيمِ ، ثُمَّ سَلَّمَ» .رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ ، عَنْ الْقَعْنَبِيِّ ، عَلَى الْمُوَافَقَةِ.وَرَوَاهُ الْبُخَارِيّ ، عَنْ ابْنِ يُوسُفَ.وَمُسْلِمٌ ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَحْيَى.وَالنَّسَائِيُّ ، عَنْ قُتَيْبَةَ ، أَرْبَعَتُهُمْ عَنْ مَالِكٍتُوُفِّيَ ابْنُ حِصْنٍ ، بَقَاسِيُونَ ظَاهِرَ دِمَشْقَ فِي لَيْلَةَ الْأَرْبِعَاءِ الْحَادِي عَشَرَ مِنْ جُمَادَى الْأُولَى سَنَةَ ثَلاثٍ وَخَمْسِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ
৬ - আবু নাসর বিন ফাযায়েল বিন আবি নাসর এটি আমাদের নিকট মুওয়াফাকাত হিসেবে বর্ণনা করেছেন, আমি বাগদাদের পশ্চিমে বাবুল বসরার নিকট তাঁর সামনে এটি পাঠ করেছি। তিনি বলেন: লেখিকা ফাখরুন নিসা শুহদাহ বিনতে আহমাদ বিন আল-ফারাজ বিন আহমাদ আল-ইবরি আদ-দ্বীনওয়ারী আমাদের নিকট এটি পাঠ করে শুনিয়েছেন এবং আমি শুনছিলাম; আর আবুল কাসিম ইয়াহইয়া বিন আবিল মাআলি সাবিত বিন বুন্দার বিন ইব্রাহিম আল-বাক্কাল তাঁকে ইজাজাহ (অনুমতি) দিয়েছেন। শুহদাহ বলেন: আবুল হুসাইন আহমাদ বিন আব্দুল কাদির বিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, এবং ইয়াহইয়া বলেন: আমার পিতা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তাঁরা উভয়ই বলেন: আবু আমর উসমান বিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন মুহাম্মদ আল-আল্লাফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ বিন ইব্রাহিম আল-শাফিঈ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, অতঃপর তিনি বলেন: ইসহাক বিন আল-হাসান আল-হারবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ বিন মাসলামাহ আল-কা'নাবি আমাদের নিকট মালিক থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন হুরমুয আল-আ'রাজ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন বুহাইনা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিয়ে দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন, অতঃপর তিনি (তাশাহহুদের জন্য) না বসেই দাঁড়িয়ে গেলেন, ফলে লোকেরাও তাঁর সাথে দাঁড়িয়ে পড়ল। যখন তিনি তাঁর সালাত সম্পন্ন করলেন এবং আমরা তাঁর সালাম ফিরানোর অপেক্ষা করছিলাম, তখন তিনি তাকবীর বললেন এবং সালাম ফিরানোর আগে বসা অবস্থায় দুটি সিজদাহ করলেন। এরপর তিনি সালাম ফিরালেন।”আবু দাউদ এটি আল-কা'নাবির সূত্রে মুওয়াফাকাত হিসেবে বর্ণনা করেছেন।বুখারী এটি ইবনে ইউসুফের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।মুসলিম ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়ার সূত্রে।এবং নাসায়ি কুতাইবার সূত্রে; তাঁরা চারজনই মালিক থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।ইবনে হিসন দামেশকের বাইরে কাসিউনে ৬৫৩ হিজরি সালের ১১ই জুমাদাল উলা, বুধবার দিবাগত রাতে মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَيْدَرِ بْنِ أَبِي شُجَاعٍ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ اللَّرِيِّالْمُحَتَدُّ ، الْمَكِّيُّ الْمَنْشَإِ وَالْمَوْلِدِ ، الصُّوِفِيُّ الْفَقِيهُ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الطُّحَّانِ ،
মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হায়দার বিন আবু শুজা আবু আবদুল্লাহ আল-লারিউচ্চবংশীয়, মক্কায় জন্ম ও লালিত-পালিত, সুফি ও ফকিহ, যিনি ইবনুত তাহহান নামে পরিচিত।
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
7 - قَرَأْتُ عَلَى أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ ، بِمَكَّةَ شَرَّفَهَا اللَّهُ تَعَالَى وَعَظَّمَهَا ، أَخْبَرَك أَبُو الْفَرَجِ يَحْيَى بْنُ يَاقُوتِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْبَغْدَادِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ بِالْحَرَمِ الشَّرِيفِ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ السَّمَرْقَنْدِيُّ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مَسْعَدَةَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْإِسْمَاعِيلِيُّ الْجُرْجَانِيُّ.ح وَأَنْبَأَنَا عَالِيًا أَبُو الْحَسَنِ الْبَغْدَادِيُّ ، عَنْ أَبِي الْكَرَمِ الْمُبَارَكِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الشَّهْرَزُورِيِّ ، عَنْ ابْنِ مَسْعَدَةَ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ حَمْزَةُ بْنُ يُوسُفَ بْنُ إِبْرَاهِيمَ السَّهْمِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَدِيٍّ الْحَافِظُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عِمْرَانَ مُوسَى بْنُ هَارُونَ بْنِ سَعِيدٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو سَهْلٍ الْيَمَامِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ يُونُسَ ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْن أَبِي كَثِيرٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَمْرٍو ، قَالَ: حَدَّثَنِي شَدَّادُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ ، قَالَ: سَمِعْتُ وَاثِلَةَ بْنَ الْأَسْقَعِ ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، يَقُولُ: «إِنَّ اللَّهَ اصْطَفَى مِنْ وَلَدِ آَدَمَ إِبْرَاهِيمَ ، فَاتَّخَذَهُ خَلِيلًا ، ثُمَّ اصْطَفَى مِنْ وَلَدِ إِبْرَاهِيمَ إِسْمَاعِيلَ ، ثُمَّ اصْطَفَى مِنْ وَلَدِ إِسْمَاعِيلَ نِزَارًا ، ثُمَّ اصْطَفَى مِنْ وَلَدِ نَزَارٍ مُضَرَ ، وَاصْطَفَى مِنْ مُضَرَ كِنَانَةَ ، وَاصْطَفَى مِنْ كِنَانَةَ قُرَيْشًا ، وَاصْطَفَى مِنْ قُرَيْشٍ بَنِي هَاشِمٍ ، وَاصْطَفَى مِنْ بَنِي هَاشِمٍ عَبْدَ الْمُطَّلِبِ ، وَاصْطَفَانِي مِنْ بَنِي عَبْدِ الْمُطَّلِبِ»
৭ - আমি মক্কায়—আল্লাহ তাআলা একে সম্মানিত ও মহিমান্বিত করুন—আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আহমদের নিকট পাঠ করেছি। আবু আল-ফারাজ ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াকুত ইবনে আব্দুল্লাহ আল-বাগদাদী আপনার নিকট পাঠ করেছেন আর আপনি তা হারাম শরীফে শুনছিলেন। তিনি বলেন: হাফিজ আবু আল-কাসিম ইসমাইল ইবনে আহমদ ইবনে উমর আস-সামারকান্দি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আল-কাসিম ইসমাইল ইবনে মাসআদাহ ইবনে ইসমাইল ইবনে আহমদ ইবনে ইবরাহীম আল-ইসমাঈলি আল-জুরজানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।হ (সনদ পরিবর্তন) এবং উচ্চ সনদে আবু আল-হাসান আল-বাগদাদী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কারাম আল-মুবারক ইবনে আল-হাসান ইবনে আহমদ ইবনে আশ-শাহরাজুরি থেকে, তিনি ইবনে মাসআদাহ থেকে, তিনি বলেন: আবু আল-কাসিম হামজাহ ইবনে ইউসুফ ইবনে ইবরাহীম আস-সাহমি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আহমদ আব্দুল্লাহ ইবনে আদি আল-হাফিজ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু ইমরান মুসা ইবনে হারুন ইবনে সাঈদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু সাহল আল-য়ামামি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: উমর ইবনে ইউনুস আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, সুলায়মান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুর রহমান ইবনে আমর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: শাদ্দাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি ওয়াসিলা বিন আল-আসকা-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়ই আল্লাহ আদমের সন্তানদের মধ্য থেকে ইবরাহীমকে মনোনীত করেছেন এবং তাঁকে খলীল (অন্তরঙ্গ বন্ধু) হিসেবে গ্রহণ করেছেন। অতঃপর তিনি ইবরাহীমের সন্তানদের মধ্য থেকে ইসমাইলকে মনোনীত করেছেন। এরপর ইসমাইলের সন্তানদের মধ্য থেকে নিযারকে মনোনীত করেছেন। এরপর নিযারের সন্তানদের মধ্য থেকে মুযারকে মনোনীত করেছেন। মুযার থেকে কিনানাকে মনোনীত করেছেন এবং কিনানা থেকে কুরাইশকে মনোনীত করেছেন। কুরাইশ থেকে বনু হাশিমকে মনোনীত করেছেন, বনু হাশিম থেকে আব্দুল মুত্তালিবকে মনোনীত করেছেন এবং বনু আব্দুল মুত্তালিব থেকে আমাকে মনোনীত করেছেন।»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
8 - أَخْبَرَنَاهُ عَالِيًا بِدَرَجَتَيْنِ ، وَمُوَافَقَةً أَبُو الْحَجَّاجِ بْنُ الْحَافِظِ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ الْخَيَّاطُ ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَدَّادُ ، أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ الْحَافِظُ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ ، وَمُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ ، قَالَا: أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَهْمٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ ، عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ ، عَنْ أَبِي حَمَّادٍ ، عَنْ وَاثِلَةَ بْنِ الْأَسْقَعِ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ اللَّهَ اصْطَفَى كِنَانَةَ مِنْ وَلَدِ إِسْمَاعِيلَ ، وَاصْطَفَى مِنْ بَنِي كِنَانَةَ قُرَيْشًا ، وَاصْطَفَى مِنْ قُرَيْشٍ بَنِي هَاشِمٍ ، وَاصْطَفَانِي مِنْ بَنِي هَاشِمٍ» .رَوَاهُ مُسْلِمٌ فِي الْفَضَائِلِ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مِهْرَانَ الرَّازِيِّ ، وَمُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَهْمٍ ، جَمِيعًا عَنْ الْوَلِيدِ ، فَوَقَعَ مُوَافَقَةً لَهُ ، وَرَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الدِّمَشْقِيِّ ، عَنْ الْوَلِيدِ ، وَعَنْ خَلّادِ بْنِ أَسْلَمَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مُصْعَبٍ ، عَنْ الْأَوْزَاعِيِّمَوْلِدُ الطَّحَّانِ بِمَكَّةَ فِي سَنَةِ أَرْبَعٍ وَثَمَانِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ ، وَمَاتَ بِهَا فِي سَنَةِ تِسْعٍ وَأَرْبَعِينَ وَسَتِّ مِائَةٍ.
৮ - আবু আল-হাজ্জাজ ইবনুল হাফিজ এটি আমাদের নিকট দুই স্তর উচ্চ সনদে এবং মুওয়াফাকাত (ঐকমত্যপূর্ণ সনদ) হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবুল হাসান আল-খাইয়াত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আলী আল-হাদ্দাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু নুআইম আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ ও মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আহমদ বিন আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন সাহম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওয়ালিদ বিন মুসলিম আমাদের নিকট আওযায়ী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু হাম্মাদ থেকে, তিনি ওয়াসিলাহ ইবনুল আসকা‘ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ ইসমাইলের সন্তানসন্ততিদের মধ্য থেকে কিনানাহকে মনোনীত করেছেন, বনু কিনানাহ থেকে কুরাইশকে মনোনীত করেছেন, কুরাইশ থেকে বনু হাশিমকে মনোনীত করেছেন এবং বনু হাশিম থেকে আমাকে মনোনীত করেছেন।"ইমাম মুসলিম এটি ফাদায়িল (মর্যাদা) অধ্যায়ে মুহাম্মদ বিন মিহরান আর-রাজি এবং মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন সাহম থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা সকলে ওয়ালিদ থেকে বর্ণনা করেছেন; ফলে এটি তাঁর (ইমাম মুসলিমের) সনদের সাথে মুওয়াফাকাত হয়েছে। আর ইমাম তিরমিযী এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল থেকে, তিনি সুলাইমান বিন আবদুর রহমান আদ-দিমাশকী থেকে, তিনি ওয়ালিদ থেকে; এবং খাল্লাদ বিন আসলামের সূত্রে মুহাম্মদ বিন মুসআব থেকে, তিনি আওযায়ী থেকে বর্ণনা করেছেন।আত-তাহহানের জন্ম মক্কায় পাঁচশত চুরাশি হিজরি সনে এবং তাঁর মৃত্যু সেখানেই ছয়শত ঊনপঞ্চাশ হিজরি সনে।
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ خَالِدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ نَصْرِ بْنِ صُغَيْرِ بْنِ دَاغِرِ بْنِ خَالِدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ نَصْرِ بْنِ دَاغِرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْمُهَاجِرِ بْنِ خَالِدِ بْنِ الْوَلِيدِ بْنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ مَخْزُومٍ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي الْعَبَّاسِ الْقُرَشِيُّ الْمَخْزُومِيُّ الْحَلَبِيُّ ، الْمَنْعُوتُ بِالْمُعِينِ ، وَالْمَعْرُوفُ بِابْنِ الْقَيْسَرَانِيِّ
মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে খালিদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে নাসর ইবনে সুগাইর ইবনে দাগির ইবনে খালিদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে নাসর ইবনে দাগির ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আল-মুহাজির ইবনে খালিদ ইবনুল ওয়ালিদ ইবনুল মুগিরা ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে মাখজুম আবু বকর ইবনে আবিল আব্বাস আল-কুরাশি আল-মাখজুমি আল-হালাবি, যিনি ‘আল-মুইন’ উপাধিতে ভূষিত এবং ‘ইবনুল কায়সারানি’ নামে পরিচিত
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
9 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِعَيْنِ تَابٍ مِنْ أَعَمَالِ حَلَبَ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُلْوَانَ الْأَسَدِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّرِيفُ النَّقِيبُ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ عَلِيٍّ الْعَبَّاسِيُّ الْمَكِّيُّ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْعَبَّاسِ الشَّافِعِيُّ الْمَكِّيُّ ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ فِرَاسٍ الْعَبْقَسِيُّ الْمَكِّيُّ ، أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الذُّهْلِيُّ الْمَكِّيُّ ، حَدَّثَنَا أَبُو صاَلِحٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي الْأَزْهَرِ ، الْمَعْرُوفُ بابْنِ زَنْبُورٍ الْمَكِّيُّ مَوْلَى بَنِي هَاشِمٍ ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ ، أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ عُمَرَ ، يَقُولُ: إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «نَهَى عَنْ بَيْعِ الْوَلَاءِ وَعَنْ هِبَتِهِ» .أَخْبَرَنَاهُ أَعَلَى مِنْ هَذَا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْبَغْدَادِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، عَنْ الشَّرِيفِ أَبِي الْعَبَّاسِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْعَبَّاسِيِّ فَذَكَرَهُ سَوَاءً.رَوَاهُ مُسْلِمٌ ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَيُّوبَ ، وَقُتَيْبَةَ ، وعَلِيِّ بْنُ حَجَرٍ.ورَوَاهُ النَّسَائِيّ ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ حَجَرٍ ، جَمِيعًا ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ جَعْفَرٍ ، فَوَقَعَ بَدَلًا عَالِيًا لَهُمَا تَسَاعِيًا ، وَقَدِ اتَّفَقَا عَلَيْهِ مِنْ حَدِيثِ شُعْبَةَ ، وَالثَّوْرِيِّ.وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ أَيْضًا مِنْ حَدِيثِ سُلَيْمَانَ بْنِ بِلَالٍ ، وَابْنِ عُيَيْنَةَ ، وَالضَّحَّاكِ بْنِ عُثْمَانَ ، وَعُبِيدِ اللَّهِ الْعُمَرِيِّ وَرَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ مِنْ حَدِيثِ شُعْبَةَ ، وَالتِّرْمِذِيُّ ، مِنْ حَدِيثِ شُعْبَةَ ، وَالثَّوْرِيِّ ، وَابْنِ عُيَيْنَةَ ، وَالنَّسَائِيُّ أَيْضًا مِنْ حَدِيثِ الْعُمَرِيِّ ، وَشُعْبَةَ وَالثَّوْرِيِّ ، وَمَالِكٍ كُلِّهِمْ عَنْ ابْنِ دِينَارٍ ، قَالَ مُسْلِمٌ ، فِي مُسْنَدِهِ: النَّاسُ كُلُّهُمْ عِيَالٌ عَلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ ، فِي هَذَا الْحَدِيثِتُوُفِّيَ الْمُعِينُ بْنُ الْقَيْسَرَانِيِّ ، بِحَلَبَ بُكْرَةَ يَوْمِ الْأَحَدِ خَامِسَ عَشَرَ رَبِيعٍ الْآخِرِ سَنَةَ سِتٍّ وَخَمْسِينَ وَسِتِّ مِائَة.
৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আহমদ, আলেপ্পোর অন্তর্ভুক্ত আইন তাব নামক স্থানে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান বিন আবদুল্লাহ বিন আলওয়ান আল-আসাদি, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আশ-শরিফ আন-নাকিব আবু আব্বাস আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ বিন আলী আল-আব্বাসি আল-মাক্কি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আবদুর রহমান বিন আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ইবরাহিম বিন আল-আব্বাস আশ-শাফিঈ আল-মাক্কি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আহমদ বিন ইবরাহিম বিন আহমদ বিন ফিরারাস আল-আবকাসি আল-মাক্কি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন আবদুল্লাহ আদ-দুহলি আল-মাক্কি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ মুহাম্মদ বিন আবি আল-আযহার, যিনি ইবনে যানবুর আল-মাক্কি নামে পরিচিত এবং বনু হাশেমের মুক্তদাস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল বিন জাফর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন দিনার, তিনি ইবনে উমরকে বলতে শুনেছেন যে: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম «ওয়ালা-এর (মুক্তদাসের উত্তরাধিকারের স্বত্ব) বিক্রয় এবং তা দান করা নিষেধ করেছেন»।আমাদের নিকট এটি এর চেয়েও উচ্চ সনদে বর্ণনা করেছেন আবু আল-হাসান বিন আবি আবদুল্লাহ আল-বাগদাদি, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, আশ-শরিফ আবু আব্বাস আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ আল-আব্বাসি থেকে, অতঃপর তিনি একইভাবে এটি উল্লেখ করেছেন।এটি বর্ণনা করেছেন মুসলিম—ইয়াহইয়া বিন আইয়ুব, কুতাইবা এবং আলী বিন হাজার থেকে।এটি বর্ণনা করেছেন নাসায়ি—আলী বিন হাজার থেকে, তাঁরা সকলে ইসমাইল বিন জাফর থেকে; ফলে এটি তাঁদের উভয়ের জন্য 'তাসায়ি' (নয় স্তরের) উচ্চতর বিকল্প সনদ হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। আর ইমাম বুখারি ও মুসলিম উভয়ে শুবা ও সাওরির হাদিস থেকে এর ওপর একমত হয়েছেন।মুসলিম এটি সুলাইমান বিন বিলাল, ইবনে উয়াইনা, দাহহাক বিন উসমান এবং উবায়দুল্লাহ আল-উমারির হাদিস থেকেও বর্ণনা করেছেন। আবু দাউদ শুবার হাদিস থেকে এবং তিরমিযি শুবা, সাওরি ও ইবনে উয়াইনার হাদিস থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। নাসায়ি পুনরায় আল-উমারি, শুবা, সাওরি এবং মালিক থেকে এটি বর্ণনা করেছেন—তাঁরা সকলে ইবনে দিনার থেকে। মুসলিম তাঁর মুসনাদে বলেছেন: "এই হাদিসের ক্ষেত্রে সকল মানুষ আবদুল্লাহ বিন দিনারের ওপর নির্ভরশীল।"আল-মুঈন বিন আল-কাইসারানি ৬৫৬ হিজরি সনের ১৫ই রবিউস সানি, রবিবার ভোরে আলেপ্পোতে মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي بَكْرٍ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْجَوْزَقَانِيُّالْفَقِهُ الشَّافِعِيُّ الْمُدَرِّسُ بِحَلَبَ.
মুহাম্মাদ ইবন আহমাদ ইবন আবু বকর আবু আবদুল্লাহ আল-জাওযাকানিশাফিঈ ফকিহ এবং আলেপ্পোর শিক্ষক।
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ سُلْطَانَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْبَغْدَادِيُّ الْمُقْرِئُ.
মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে সুলতান আবু আব্দুল্লাহ আল-বাগদাদী আল-মুকরি
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ صَدَقَةَ بْنِ نَصْرِ بْنِ زُهْرِ أَبُو الْفَتْحِ بْنُ أَبِي نَصْرٍ الْحَرَّانِيُّالْمُحْتَدُّ الْبَغْدَادِيُّ الدَّارِ وَالْمَوْلِدِ.
মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন সাদাকা বিন নাসর বিন জুহর আবু আল-ফাতহ বিন আবি নাসর আল-হাররানিবংশপরম্পরায় বাগদাদী, সেখানেই তার জন্ম ও বাসস্থান।
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
10 - قَرَأْتُ عَلَى أَبِي الْفَتْحِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ ، بِمَنْزِلِهِ بِالمُطَبَّقِ مِنْ دَارِ الْخِلَافَةِ مِنْ بَغْدَادَ.أَخْبَرَكَ أَبُو الْقَاسِمِ سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ الْمُؤَدَّبُ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنْتَ تَسْمَعُ فِي ذِي الْحِجَّةِ سَنَةَ ثَمَانٍ وَتِسْعِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ السَّمَرْقَنْدِيُّ ، وَأَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ السَّلَامِ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمَا وَأَنَا أَسْمَعُ ، قَالَا: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الصَّرِيفِينِيُّ الْخَطِيبُ ، زَادَ ابْنُ السَّمَرْقَنْدِيِّ ، وَأَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ النَّقُّورِ.ح وَكَتَبَ إِلَيْنَا عَالِيًا أَبُو الْحَسَنِ الْبَغْدَادِيُّ ، عَنْ أَبِي الْكَرَمِ الْمُبَارَكِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الشَّهْرَزُورِيِّ ، عَنْ أَبِي الْحُسَيْنِ بْنِ النَّقُّورِ ، قَالَا: أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَبْدَانَ الصَّيْرَفِِيُّ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ هُوَ ابْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ النَّيْسَابُورِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى …، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ الشَّافِعِيُّ ، وأَخْبَرَنَا الْأَشْيَاخُ السِّتَّةُ عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ ظَافِرِ بْنِ عَلِيٍّ ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ، بِقِرَاءَتِي عَلَى الْأَوَّلِ ، وَسَمَاعًا عَلَى الثَّانِي ، بِالْإِسْكَنْدَرِيَّةِ فِي الرِّحْلَةِ الثَّانِيَةِ ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ ، بِحَلَبَ ، وَعَلِيُّ بْنُ مَحْمُودِ بْنِ أَحْمَدَ الْمَحْمُودِيُّ ، وَعَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ الرَّازِيُّ ، إِجَازَةً مِنْهُمْ ، قَالُوا: أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِر أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْحَافِظُ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ بِالْإِسْكَنْدَرِيَّةِ.ح وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْبَغْدَادِيُّ ، بِالْقَاهِرَةِ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْحَقِّ بْنُ عَبْدِ الْخَالِقِ بْنِ يُوسُفَ ، بِبِغْدَادَ.ح وَأَخْبَرَنَا الْإِمَامُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ هِبَةِ اللَّهِ الشَّافِعِيُّ ، بِمَنْزِلِهِ بِفُسْطَاطِ مِصْرَ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ نَسِيمٍ الْقَيْشُونِيُّ ، بِبَغْدَادَ.ح وَكَتَبَ إِلَيْنَا أَبُو الْغَنَائِمِ سَالِمُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ الدِّمَشْقِيُّ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَلَاءِ مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ عُقَيْلٍ الْبَصْرِيُّ ، سَمَاعًا عَلَيْهِ بِبَغْدَادَ ، قَالُوا: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْعُلَّافِ ، سَمَاعًا ، إِلَّا ابْنَ عُقَيْلٍ ، فَإِنَّهُ قَالَ إِجَازَةً.ح ، وأَخْبَرَنَا أَبُو صاَلِحٍ الْحَسَنُ الْبَغْدَادِيُّ ، أَيْضًا ، عَنْ أَبِي الْفَتْحِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ أَحْمَدَ بْنِ سَلْمَانَ الْحَاجِبِ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضْلِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ خَيْرُونَ ، قَالَ ابْنُ خَيْرُونَ ، وَابْنُ الْعَلَّاقِ ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بِشْرَانَ الْمُعَدَّلُ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الآجُرِّيُّ ، بِمَكَّةَ فِي شَوَّالٍ سَنَةَ ثَلَاثٍ وَخَمْسِينَ وَثَلَاثِ مِائَةٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ خَالِدٍ الْبَرْذَعِيُّ ، فِي الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ ، قَالَ: حَدَّثَنَا....، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ الشَّافِعِيُّ ، رضي الله عنهم ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَالِدٍ الْجَنَدِيُّ ، عَنْ أَبَانَ بْنِ صاَلِحٍ ، عَنْ الْحَسَنِ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَا يَزْدَادُ الْأَمْرُ إِلَّا شِدَّةً ، وَلَا الدُّنْيَا إِلَّا إِدْبَارًا ، وَلَا النَّاسُ إِلَّا شُحًّا ، وَلَا تَقُومُ السَّاعَةُ إِلَّا عَلَى شِرَارِ النَّاسِ ، وَلَا مَهْدِيَّ إِلَّا عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ ، عليه السلام» .لَفْظُهُمْ وَاحِدٌ.قَالَ أَبُو بَكْرِ بْنُ عِبْدَانَ: هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ ، قُلْتُ: رَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ بِلَفْظِهِ عَنْ يُونُسَ بْنِ عَبْدِ الْأَعْلَى ، عَلَى الْمُوَافَقَةِمَاتَ هَذَا الشَّيْخُ رحمه الله بِبَغَدْادَ يَوْمَ الْجُمْعَةِ قَبْلَ الصَّلَاةِ فِي التَّاسِعِ وَالْعِشْرِينَ مِنْ شَهْرِ رَبِيعٍ الْآخِرِ سَنَةَ تِسْعٍ وَأَرْبَعِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ ، وَدُفِنَ مِنَ الْغَدِ بِمَقْبَرَةِ عُبَيْدِ اللَّهِ ، ظَاهِرَ بَابِ الظَّفَرِيَّةِ ، وَكَانَ شَيْخًا صَالِحًا صَحِيحَ السَّمَاعِ مِنَ الْمُعَدِّلِينَ بِبَغْدَادَ هُوَ وَأَبُوهُ.
১০ - আমি আবুল ফাতহ মুহাম্মাদ বিন আহমাদ-এর নিকট পাঠ করেছি, বাগদাদের দারুল খিলাফাহ-এর মুতাব্বাক নামক স্থানে অবস্থিত তার বাসভবনে।আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম সাঈদ বিন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হামদানি আল-মুয়াদ্দিব, তার নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, এমতাবস্থায় যে আপনি শুনছিলেন, ৫৯৮ হিজরীর জিলহজ মাসে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম ইসমাঈল বিন আহমাদ বিন উমার আস-সামারকান্দি এবং আবুল হাসান আলী বিন হিবাতুল্লাহ বিন আব্দুস সালাম, তাদের দুইজনের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি শুনছিলাম। তারা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আস-সারিফিনি আল-খাতিব। ইবনুস সামারকান্দি অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন: এবং আবুল হুসাইন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আন-নাক্কুর।(হা) এবং আবুল হাসান আল-বাগদাদী উচ্চতর সনদে আমাদের নিকট লিখে পাঠিয়েছেন আবুল কারাম আল-মুবারাক বিন হাসান বিন আহমাদ বিন আশ-শাহরাজুরি থেকে, তিনি আবুল হুসাইন বিন আন-নাক্কুর থেকে। তারা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন হাসান বিন আবদান আস-সাইরাফি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ—তিনি হলেন ইবনু মুহাম্মাদ বিন যিয়াদ আন-নাইসাবুরি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস বিন আব্দুল আলা ...তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন ইদরিস আশ-শাফিয়ী। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ছয়জন শায়খ: আব্দুল ওয়াহহাব বিন জাফির বিন আলী এবং মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ—প্রথমজনের নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে এবং দ্বিতীয়জনের নিকট শ্রবণের মাধ্যমে, আলেকজান্দ্রিয়ায় আমার দ্বিতীয় সফরকালে; এবং আব্দুল্লাহ বিন হুসাইন বিন আব্দুল্লাহ—আলেপ্পোতে তার নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে; এবং আলী বিন মাহমুদ বিন আহমাদ আল-মাহমুদি এবং আলী বিন আব্দুস সামাদ আর-রাজি—তাদের থেকে ইজাজত (অনুমতি) সূত্রে। তারা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হাফিজ, আলেকজান্দ্রিয়ায় তার নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এমতাবস্থায় যে আমরা শুনছিলাম।(হা) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান বিন আবি আব্দুল্লাহ আল-বাগদাদী কায়রোতে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল হক বিন আব্দুল খালিক বিন ইউসুফ বাগদাদে।(হা) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম আবুল হাসান আলী বিন হিবাতুল্লাহ আশ-শাফিয়ী, মিশরের ফুসতাতে অবস্থিত তার বাসভবনে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন নাসিম আল-কাইশুনি বাগদাদে।(হা) এবং আবুল গানায়িম সালিম বিন হুসাইন বিন হিবাতুল্লাহ আদ-দিমাশকি আমাদের নিকট লিখে পাঠিয়েছেন। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আলা মুহাম্মাদ বিন জাফর বিন উকাইল আল-বাসরি, বাগদাদে তার নিকট শ্রবণের মাধ্যমে। তারা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আল-আল্লাফ শ্রবণের মাধ্যমে, তবে ইবনু উকাইল ব্যতীত, কেননা তিনি ইজাজত (অনুমতি) সূত্রে বর্ণনা করেছেন।(হা) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সালিহ আল-হাসান আল-বাগদাদীও, আবুল ফাতহ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল বাকি বিন আহমাদ বিন সালমান আল-হাজিব থেকে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফজল আহমাদ বিন আল-হাসান বিন খাইরুন। ইবনু খাইরুন এবং ইবনুল আল্লাক বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আব্দুল মালিক বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বিশরান আল-মুয়াদ্দাল। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন হুসাইন বিন আব্দুল্লাহ আল-আজুররি, মক্কায় ৩৫৩ হিজরীর শাওয়াল মাসে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জাফর মুহাম্মাদ বিন খালিদ আল-বারযাঈ মসজিদুল হারামে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন ইদরিস আশ-শাফিয়ী (আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট হোন)। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন খালিদ আল-জানাদি, আবান বিন সালিহ থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «পরিস্থিতি কেবল কঠিন থেকে কঠিনতর হবে, দুনিয়া কেবল পশ্চাৎপদ হবে, মানুষ কেবল কৃপণ হবে এবং নিকৃষ্টতম মানুষের ওপর ছাড়া কেয়ামত সংঘটিত হবে না। আর ঈসা ইবনে মারিয়াম (আলাইহিস সালাম) ব্যতীত কোনো মাহদী নেই»।তাদের সকলের শব্দচয়ন অভিন্ন।আবু বকর বিন আবদান বলেন: এটি একটি গরিব (একক সূত্রে বর্ণিত) হাদীস। আমি (গ্রন্থকার) বলছি: ইবনে মাজাহ এটি তার শব্দে ইউনুস বিন আব্দুল আলা থেকে একইভাবে বর্ণনা করেছেন।এই শায়খ (রাহিমাহুল্লাহ) ৬৪৯ হিজরীর ২৯ শে রবিউস সানি শুক্রবার জুমার সালাতের পূর্বে বাগদাদে ইন্তেকাল করেন। পরের দিন তাকে বাব-উজ-জাফারিয়্যার বাইরে উবায়দুল্লাহর কবরস্থানে দাফন করা হয়। তিনি এবং তার পিতা উভয়েই বাগদাদের নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের (মুয়াদ্দালিন) অন্তর্ভুক্ত একজন নেককার ও বিশুদ্ধ শ্রবণের অধিকারী শায়খ ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ الْمُنْعِمِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ أَبِي الْعَبَّاسِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ الْبَغْدَادِيُّ الْأَصْلِ الْمَوْصِلِيُّ الطَّبِيبُ ، الْمَعْرُوفُ جَدُّهُ بِابْنِ هُبَلَ
মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন আলী বিন আহমাদ বিন আলী বিন আব্দুল মুনইম আবু আব্দুল্লাহ বিন আবি আল-আব্বাস বিন আবি আল-হাসান, মূলত বাগদাদী, মাওসিলী চিকিৎসক; যাঁর দাদা ইবনে হুবাল নামে সুপরিচিত ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
11 - قَرَأْتُ عَلَى أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ ، الْمُقِيمُ بِالْمَوْصِلِ، أَخْبَرَكَ جَدُّكَ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيٍّ الطَّبِيبُ الْبَغْدَادِيُّ ، نَزِيلُ الْمَوْصِلِ ، وَيُعْرَفِ بِالْخَلَاطِيِّ ، أَيْضًا ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنْتَ تَسْمَعُ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْأَشْعَثِ السَّمَرْقَنْدِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِبَغْدَادَ سَنَةَ ثَمَانٍ وَعِشْرِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ التَّمِيمِيُّ الْكِنَانِيُّ.ح ، وأَخْبَرَنَا عَالِيًا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ ، إِذْنًا عَنْ أَبِي الْمَعَالِي الْفَضْلِ بْنِ سَهْلِ بْنِ بِشْرٍ الْأَسْفَرَايِينِيُّ ، عَنْ الْكِنَانِيِّ ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي نَصْرٍ ، وَأَبُو الْقَاسِمِ تَمَّامُ بْنُ مُحَمَّدٍ الرَّازِيُّ ، وَالْقَاضِي أَبُو نَصْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ هَارُونَ الْغَسَّانِيُّ ، الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الْجَنَدِيِّ ، وَأَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ الْحَسَنِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَبِي الْعَقِبِ ، وَأَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ يَحْيَى الْقَطَّانُ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمْ ، قَالُوا: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي الْعَقِبِ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو زُرْعَةَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَمْرِو بْنِ عَبْدِ اللَّهِ النَّصْرِيُّ الدِّمَشْقِيُّ الْحَافِظُ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ ، عَنْ ابْنِ جَابِرٍ ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْطَأَةَ ، عَنْ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: " فُسْطَاطُ الْمُسْلِمِينَ يَوْمَ الْمَلْحَمَةِ بِالْغُوطَةِ إِلَى جَانِبِ مَدِينَةٍ يُقَالُ لَهَا: دِمَشْقُ مِنْ خَيْرِ مَدَائِنِ الشَّامِ ".رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ فِي الْمَلَاحِمِ ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عَمَّارٍ ، عَنْ يَحْيَى بْنِ حَمْزَةَ ، فَوَقَعَ بَدَلًا
১১ - আমি মসুলে বসবাসরত আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদের নিকট পাঠ করেছি; আপনার নিকট আপনার দাদা আবুল হাসান আলী বিন আহমদ বিন আলী আত-তাবিব আল-বাগদাদি সংবাদ দিয়েছেন, যিনি মসুলে বসবাস করতেন এবং আল-খালাতি নামেও পরিচিত ছিলেন, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আপনি তা শুনছিলেন। তিনি বলেন: হাফেজ আবুল কাসিম ইসমাইল বিন আহমদ বিন উমর বিন আল-আশআস আস-সামারকান্দি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, পাঁচশত আটাশ হিজরি সনে বাগদাদে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আত-তামিমি আল-কিনানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। (হা) এবং উচ্চ সনদে আবুল হাসান বিন আবু আব্দুল্লাহ আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবু আল-মাআলি আল-ফজল বিন সাহল বিন বিশর আল-আসফারায়িনি থেকে অনুমতিক্রমে, তিনি আল-কিনানি থেকে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুর রহমান বিন উসমান বিন আবু নাসর, এবং আবু আল-কাসিম তাম্মাম বিন মুহাম্মদ আর-রাজি, এবং বিচারক আবু নাসর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হারুন আল-গাসসানি—যিনি ইবনুল জুনদি নামে পরিচিত, এবং আবু আল-কাসিম আব্দুর রহমান বিন আল-হুসাইন বিন আল-হাসান বিন আলী বিন আবিল আকিব, এবং আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন উবাইদুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া আল-কাত্তান—তাঁদের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। তাঁরা বলেন: আবু আল-কাসিম আলী বিন ইয়াকুব বিন ইবরাহিম বিন আবিল আকিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। তিনি বলেন: হাফেজ আবু জুরআ আব্দুর রহমান বিন আমর বিন আব্দুল্লাহ আন-নাসরি আদ-দিমাশকি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন। তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন আল-মুবারক আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন। তিনি বলেন: ইয়াহইয়া বিন হামজা আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি ইবনে জাবির থেকে, তিনি যাইদ বিন আরত্বআহ থেকে, তিনি জুবায়ের বিন নুফাইর থেকে, তিনি আবু দারদা থেকে বর্ণনা করেন যে, নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "মহাযুদ্ধের দিন মুসলিমদের তাবু বা প্রধান কেন্দ্র হবে 'গুতা' নামক স্থানে, যা দামেস্ক নামক শহরের পার্শ্ববর্তী এলাকা; আর তা শামের শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ শহর।"আবু দাউদ 'আল-মালাহিম' অধ্যায়ে হিশাম বিন আম্মার থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন হামজা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি 'বাদল' (উচ্চতর সনদ) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ صَدَقَةَ بْنِ أَحْمَدَ ، وَيُدْعَى الْمُقَمَّطُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ صاَلِحٍ أَبُو نَصْرِ بْنُ أَبِي الْمَكَارِمِ بْنِ أَبِي الْمُظَفَّرِ بْنِ أَبِي شُجَاعٍ الْقُرَشِيُّ الْمَخْزُومِيُّ الْخَالِدِيُّ، مِنْ وَلَدِ خَالِدِ بْنِ الْوَلِيدِ عَلَى مَا ذَكَرَ الْوَاسِطِيُّ الرُّصَافِيُّ الرِّبَاطِيُّ.
মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আলী বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন সাদাকা বিন আহমাদ, এবং তাঁকে আল-মুকাম্মাত বিন ইব্রাহীম বিন সালিহ আবু নাসর বিন আবিল মাকারিম বিন আবিল মুজাফফার বিন আবি শুজা আল-কুরাশী আল-মাখজুমী আল-খালিদী বলে ডাকা হতো, তিনি খালিদ বিন আল-ওয়ালিদের বংশধরদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, যেমনটি আল-ওয়াসিতী আর-রুসাফী আর-রিবাতী উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
12 - أَخْبَرَنَا أَبُو نَصْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْوَاسِطِيُّ ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِالْمَوْصِلِ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْفُتُوحِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُبَارَكِ الْبَغْدَادِيُّ ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحَاسِبِ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْكَرِيمِ النَّقُّورُ البَزَّارُ ، وَأَخْبَرَنَا عَالِيًا أَبُو الْحَسَنِ الْبَغْدَادِيُّ ، عَنْ أَبِي الْكَرَمِ بْنِ الشَّهْرَزُورِيِّ ، وَأَبِي الْفَضْلِ بْنِ نَاصِرٍ ، وَأَبِي بَكْرِ بْنِ الزَّاغُونِيِّ ، عَنْ ابْنِ النَّقُّورِ ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عِيسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ عِيسَى بْنِ دَاوُدَ بْنِ الْجَرَّاحِ الْوَزِيرُ ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ النَّيْسَابُورِيُّ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى ، وَمُحَمَّدُ بْنُ أَشْكَابٍ ، قَالَا: حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ الشَّهِيدِ ، عَنْ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ: قَالَ عُمَرُ: «عَليٌّ أَقْضَانَا ، وَأُبَيٌّ أَقْرَؤُنَا»
১২ - মাওসিল শহরে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর মুহাম্মদ বিন আহমাদ আল-ওয়াসিতি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফুতুহ মুহাম্মদ বিন আলী বিন আল-মুবারক আল-বাগদাদি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন আল-হুসাইন বিন আলী বিন আল-হাসিব, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন আব্দুল কারিম আন-নাক্কুর আল-বাযযার। এবং আমাদের উচ্চ সনদে সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আল-বাগদাদি—আবুল কারাম বিন আশ-শাহরাযুরি, আবুল ফজল বিন নাসির এবং আবু বকর বিন আয-যাগুনি থেকে, তাঁরা ইবনুল নাক্কুর থেকে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম ঈসা বিন আলী বিন ঈসা বিন দাউদ বিন আল-জাররাহ আল-উজির; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু বকর আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন যিয়াদ আন-নাইসাবুরি; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া এবং মুহাম্মদ বিন আশকাব, তাঁরা বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ওয়াহব বিন জারির; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন শু’বাহ, হাবিব বিন আশ-শাহিদ থেকে, তিনি ইবনু আবি মুলাইকাহ থেকে, তিনি ইবনু আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উমর বলেছেন: "আলী আমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বিচারক এবং উবাই আমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ক্বারী।"
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
13 - أَخْبَرَنَاهُ أَيْضًا عَالِيًا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْخَوَّاصُ ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِبَغْدَادَ ، وَأَبُو الْغَنَائِمِ سَالِمُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ مَحْفُوظِ بْنِ الْحَسَنِ صَصْرِيٌّ الدِّمَشْقِيُّ ، كِتَابَةً ، قَالَا: أَخْبَرَنَا أَبُو السَّعَادَاتِ بْنُ أَبِي مَنْصُورِ بْنِ أَبِي غَالِبٍ الْقَزَّازُ ، سَمَاعًا ، أَخْبَرَنَا أَبُو سَعْدٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْكَرِيمِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ بْنِ خَشْبُسٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ شَاذَانَ الْبَزَّارُ ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَمْرٍو عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الدَّقَّاقُ ، الْمَعْرُوفُ بِابْنِ السَّمَّاكِ ، فِي الثَّامِنِ مِنْ حَدِيثِهِ ، حَدَّثَنَا حَنْبَلُ بْنُ إِسْحَاقَ ، حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ: قَالَ عُمَرُ ، رضي الله عنه: " عَلِيٌّ أَقْضَانَا ، وَأُبَيٌّ أَقْرَؤُنَا ، وَإِنَّا لَنَدَعُ بَعْضَ مَا يَقُولُ أُبَيٌّ، وَأُبَيٌّ يَقُولُ: سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، فَلَنْ أَدَعُهُ لِشَيْءٍ ، وَاللَّهُ يَقُولُ: {مَا نَنْسَخْ مِنْ آيَةٍ أَوْ نُنْسِهَا نَأْتِ بِخَيْرٍ مِنْهَا أَوْ مِثْلِهَا} [البقرة: 106] ".رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ فِي التَّفْسِيرِ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَلِيٍّ.وَفِي فَضَائِلِ الْقُرْآنِ ، عَنْ صَدَقَةَ بْنِ الْفَضْلِ ، جَمِيعًا ، عَنْ يَحْيَى ، عَنْ سُفْيَانَقَلْتُ: كَانَ الْخَالِدِيُّ هَذَا شَيْخًا صَالِحًا مِنْ أَهْلِ وَاسِطَ سَكَنَ الْمَوْصِلَ ، وَذَكَرَ لِي أَنَّ الرَّصَافَةَ هَذِهِ بَلْدَةٌ تَحْتَ وَاسِطَ ، وَهِيَ مِنْ فُتُوحِ جَدِّهِ خَالِدِ بْنِ الْوَلِيدِ ، وَالرِّبَاطُ مَحَلَّةٌ تَحْتَ وَاسِطَ أَيْضًا مِنْ أَعْمَالِهَا ، يُعْرَفُ.....جَدّه لِأُمِّهِ ، وَكَانَ مَوْلِدُهُ بِهَا سَنَةَ تِسْعٍ وَسِتِّينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ.
১৩ - আমাদের উচ্চ সনদে আরও সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান বিন আবি বকর আল-খাওওয়াস, বাগদাদে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে; এবং আবু আল-গানায়িম সালিম বিন আল-হাসান বিন হিবাতুল্লাহ বিন মাহফুজ বিন আল-হাসান সাসরি আদ-দিমাশকি, লিখিতভাবে। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের শ্রবণের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন আবু আস-সাআদাত বিন আবি মানসুর বিন আবি গালিব আল-কাযযায। আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন আবু সা'দ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল কারিম বিন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন উমর বিন খাশবুস। আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আহমাদ বিন ইব্রাহিম বিন শাযান আল-বাযযার। আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর উসমান বিন আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ আদ-দাক্কাক, যিনি ইবনুল সাম্মাক নামে পরিচিত, তাঁর হাদীস সংকলনের অষ্টম খণ্ডে। আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাম্বল বিন ইসহাক। আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ক্বাবিসাহ। আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সুফিয়ান, হাবীব বিন আবি সাবিত থেকে, তিনি সাঈদ বিন জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: "আলী আমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বিচারক এবং উবাই আমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ তিলাওয়াতকারী। আর আমরা উবাই যা বলেন তার কিছু অংশ বর্জন করি, অথচ উবাই বলেন: আমি এটি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে শুনেছি, তাই আমি কোনো কিছুর বিনিময়ে তা ত্যাগ করব না। অথচ আল্লাহ বলেন: {আমি যদি কোনো আয়াত রহিত করি কিংবা ভুলিয়ে দেই, তবে তার চেয়ে উত্তম কিংবা তার সমরূপ আয়াত নিয়ে আসি} [সূরা আল-বাকারাহ: ১০৬]।"ইমাম বুখারী এটি তাফসীর অধ্যায়ে আমর বিন আলী থেকে বর্ণনা করেছেন।এবং ফাযায়িলুল কুরআন অধ্যায়ে সাদাকাহ বিন আল-ফাযল থেকে, তাঁরা সকলেই ইয়াহইয়া থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন।আমি বলছি: এই আল-খালিদী ছিলেন ওয়াসিত অঞ্চলের একজন নেককার শায়খ যিনি মসুলে বসবাস করতেন। তিনি আমার কাছে উল্লেখ করেছেন যে, এই রাসফা হলো ওয়াসিতের নিকটবর্তী একটি শহর, যা তাঁর পূর্বপুরুষ খালিদ বিন আল-ওয়ালিদ বিজয় করেছিলেন। আর রিবাত হলো ওয়াসিতের অধীনস্থ একটি এলাকা, যা পরিচিত...তাঁর মাতামহ, এবং তাঁর জন্ম সেখানে পাঁচশত উনসত্তর হিজরীতে।
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ النَّمِرِأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي الْعَبَّاسِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ، التَّوْزَرِيُّ الْأَصْلِ ، الْمِصْرِيُّ الْمَوْلِدِ ، الْمَكِّيُّ الْمَنْشَإِ الشَّافِعِيُّ الْفَقِيهُ.
মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে আলি ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে আন-নামিরআবু বকর ইবনে আবিল আব্বাস ইবনে আবিল হাসান، তাওযারি বংশোদ্ভূত, জন্মসূত্রে মিসরীয়, মক্কায় লালিত-পালিত এবং শাফেয়ি ফকিহ।
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
14 - أَخْبَرَنَا رَفِيقُنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِبَغْدَادَ ، وَكُنْتُ لَقِيتُهُ قَبْلَ ذَلِكَ بِمَكَّةَ وَغَيْرِهَا ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَبِي الْكَرَمِ بْنِ نَصْرِ بْنِ الْبَنَّا الَخَلَّالُ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ بِمَكَّةَ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَتْحِ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ أَبِي الْقَاسِمِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي سَهْلٍ الْكَرُوخِيُّ ، أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو عَامِرٍ مَحْمُودُ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ ، وَغَيْرُهُ.ح ، وأَخْبَرَنَا عَالِيًا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ أَبِي الْفَتْحِ الْبَصْرِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ ، وَعْجِيبَةُ بِنْتُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي غَالِبٍ ، كِتَابَةً عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الْحُسَيْنِ الصَّيْدَلَانِيُّ ، عَنْ أَبِي عَامِرٍ الْأَزْدِيِّ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدِ عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْجَرَّاحِيُّ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مَحْبُوبٍ الْمَحْبُوبِيُّ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عِيسَى مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى التَّرْمِذِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ ، عَنْ قَتَادَةَ ، عَنْ أَنْسِ بْنِ مَالِكٍ ، قَالَ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، مِنْ أَخَفِّ النَّاسِ صَلَاةً فِي تَمَامٍ»
১৪ - আমাদের সঙ্গী আবু বকর মুহাম্মদ বিন আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বাগদাদে তাঁর নিকট পাঠকালে, এবং আমি এর পূর্বে মক্কায় ও অন্য স্থানে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী বিন আবিল কারাম বিন নাসর বিন আল-বান্না আল-খাল্লাল, তাঁর নিকট পাঠকালে এবং আমি মক্কায় তা শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ আবদুল মালিক বিন আবিল কাসিম আবদুল্লাহ বিন আবি সাহল আল-কারুখি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাজী আবু আমির মাহমুদ বিন আল-কাসিম বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-আজদি এবং আরও অনেকে।হ, এবং আমাদের উচ্চ সনদে সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান বিন আবিল ফাতহ আল-বাসরি, তাঁর নিকট পাঠকালে এবং আমরা শ্রবণ করছিলাম, এবং আজিবা বিনতু মুহাম্মদ বিন আবি গালিব, আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন আল-হুসাইন আস-সাইদালানি থেকে লিখিত পত্রে, তিনি আবু আমির আল-আজদি থেকে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল জাব্বার বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল-জাররাহি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মাহবুব আল-মাহবুবি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ঈসা মুহাম্মদ বিন ঈসা আত-তিরমিজি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কুতাইবা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আওয়ানা, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পরিপূর্ণতা বজায় রেখে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে সংক্ষেপে সালাত আদায়কারী ছিলেন»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
15 - أَخْبَرَنَاهُ أَيْضًا عَالِيًا ، وَمُوَافَقَةً أَبُو الْحَجَّاجِ الْحَافِظُ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ الْخَيَّاطُ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْخَلَّادُ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ الْحَافِظُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيِّ بْنُ الصَّوَّافِ ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مُوسَى ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ ، قَالَ أَبُو نُعَيْم: وَحَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ ، وَمُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ ، قَالَا: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ ، حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ ، قَالَ: وَحَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ ، قَالَ: حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ ، قَالُوا: حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ ، عَنْ قَتَادَةَ ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، كَانَ مِنْ أَخَفِّ النَّاسِ صَلَاةً فِي تَمَامٍ ".رَوَاهُ مُسْلِمٌ ، والتَّرْمِذِيُّ ، وَالنَّسَائِيُّ ، جَمِيعًا عَنْ قُتَيْبَةَ ، عَلَى الْمُوَافَقَةِأَنْشَدَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ ، لِنَفْسِهِ بِبَغْدَادَ فِي لِزُومِ مَا لَا يَلْزَمُ.أَلَا هَلْ لِطَلٍّ بِالْأرَاكِ مَعَادُ … وَهَلْ ذَلِكَ الْعَيْشُ الْهَنِيُّ مُعَادُوَهَلْ سَاكِنُ الزَّوْرَاءِ ابْنُ أَبْطُحَ … وَخَيْفٌمَتَى دَارَ تَحُلُّ بِبِعَادِوَهَلْ لِطُوَى وَالْمَازِنِينَ وَمَشْعَرٍ … تَدَانٍ فَقَدْ أَضْنَى الْفُؤَادَ بُعَادُوَهَلْ ذَلِكَ الشَّرُّ الَّذِي كَانَ بيننا … وَمَا فَطِنَ الْوَاشِي أَرَاكَ يُعَادُ.وَأَنْشَدَنَا أَيْضًا لِنَفْسِهِ بِبَغْدَادَ:أَرَاحَكَ …الْبَيْنُ أَمْ أَنْتَ غَافِلُ؟ … أَمِ الْقَلْبُ فِي أَثَرِ الظَّعَائِنِ رَاحلُ؟لَقَدْ لَجَّ هَذَا الْوَجْدُ حَتَّى كَأَنَّهُ … يُحَاوِلُ ثَأْرًا عِنْدَ مَنْ هُوَ قَاتِلُتَحَيَّرْتُ حَتَّى لَوْ سُئِلْتُ عَنِ الْهَوَى … لِفَرْطِ الْجَوَى لَمْ أَدْرِ مَا أَنَا قَائِلُأَأَحْبَابُنَا بِالْجُرْحِ عَنْ أَيْمُنِ الْحِمَى … تَرَى هَلْ لِمَا أَرْوَى مِنَ السَّيْفِ نَاقِلُتَمَنَّعُ مَنْ أَهْوَى عَلِيَّ بِوَصْلِهِ … فَعِنْدِي مِنَ الْوَجْدِ الْمُبَرِّحِ شَاغِلٌكَتَمْتُ هَوَاهُ بِزُهْدٍ فَنَمَّتْ بِيَ … دُمُوعٌ عَلَى خَدِّي هَوَامٌ ضَوَائِلُرَعَى اللَّهُ هَاتِيكَ الْمَعَاهِدَ كَمْ لَهَا … عُهُودٌ بِقَلْبٍ أَحْرَقَتْهُ الْبَلَابِلُ.وَأَنْشَدَنَا أَيْضًا لِنَفْسِه بِبَغْدَادَ:أَلَا هَلْ بِحَيِّ الْعَامِرِيَةِ أَقْصَارُ … فَتُقْضَى مِنَ الْوَجْدِ أَوْطَارُوَيَسْعَى لَكَ مَنْ عَلَيْكَ مَوْلِدٌ لَهُ … النَّجْمُ وَالْجَوْزَاءُ فِي اللَّيْلِ سُمَّارُأَضَارَ قَلْبَهُ السُّقْمُ مِنْ جَنَبَاتِهِ … وَأَغْرَاهُ بِالْأَحْبَابِ نَأْيٌ وَتِذْكَارُوَرَقَّ لَهُ مِمَّا يُلَاقِي عَذُولُهُ … وَأَرَّقَهُ دَمْعٌ تَرَقْرَقَ مِدْرَارُيَحِنُّ إِلَى بَرْقٍ ويَبْرُقُ قَلْبُهُ … وَيَخْفَقُ إِنْ نَاحَتْ حَمَامٌ وَأَطْيَارُنَفْسِي مَا مَضَى مِنْ حِفْظِ عَيْشِي … عَلَى الْحِمَى يَعُودُ عَلَى فِيهِ نُجُومٌ وَأَقْمَارُعَذَّبْتُ فُؤَادِي إِنْ تَعَلَّق غَيْرَهَا … إِنَّ زَيَّنَ السِّلْوَانَ لِيَ فَهُوَ عَذَابُوِإِنِّي مِنْ دَوَاعِي الشَّوْقِ … فِي السُّخْطِ وَالرِّضَى عَلَى الْوَصْلِأَسْلُو وَفِي الْأَحْشَاءِ لَاعِجُ … أَلَا بِحِيِّ لَهِيب أَسَالَ الرَّوْحَ فَالصَّبْرُ مُنْهَارُ.وَأَنْشَدَنَا أَيْضًا وَفِي سَيِّد الشُّهَدَاءِ حَمْزَةَ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ ، وَبِجَبَلِ أُحُدٍ ، أَيْضًا ، قَالَ: أَنْشَدَنَا وَالِدِي لِنَفَسْهِ:إِذَا اجْتَمَعَتْ فِي الْمَرْءِ خَمْسُ خَلَائِقَ … فَقَدْ عُدَّ فِي أَتْرَابِهِ مُتَقَدِّمَاحُبٌّ وَحِلْمٌ ثُمَّ جُودُّ فِي عِفَّةٍ … وَخَامِسُهَا التَّقْوَى فَكُنْ مُتَعَلِّمَا.وُلِدَ..يَوْمَ الْاثِنْيَنِ السَّابِعِ وَالْعِشْرِينَ مِنْ ذِي الحِجَّةِ سَنَةَ أَرْبَعَ عَشْرَةَ وَسِتِّ مِائَةٍ.
১৫ - তিনি (আমাদের শিক্ষক) আরও উচ্চ সনদে এবং (ইমাম মুসলিমের সাথে) সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। হাফেজ আবুল হাজ্জাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল হাসান আল-খইয়াত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আলী আল-খল্লাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাফেজ আবু নুআইম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আলী ইবনে আস-সাওয়াফ আমাদের বর্ণনা করেছেন, বিশর ইবনে মুসা আমাদের বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে মানসুর আমাদের বর্ণনা করেছেন। আবু নুআইম বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ এবং মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম আমাদের বর্ণনা করেছেন, তারা বলেন: আহমদ ইবনে আলী আমাদের বর্ণনা করেছেন, খালাফ ইবনে হিশাম আমাদের বর্ণনা করেছেন। তিনি (খালাফ) বলেন: ইবরাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কুতাইবা আমাদের বর্ণনা করেছেন। তারা সবাই আবু আওয়ানা থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানুষের মধ্যে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত সালাত আদায়কারী ছিলেন, তবে তা পূর্ণাঙ্গ হতো।এটি মুসলিম, তিরমিযী এবং নাসাঈ বর্ণনা করেছেন, তারা সবাই কুতাইবা থেকে (সনদের) সামঞ্জস্য অনুযায়ী বর্ণনা করেছেন।আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ বাগদাদে তাঁর স্বরচিত কাব্যগ্রন্থ 'লুযুমু মা লা ইয়ালযাম' থেকে আমাদের কবিতা শুনিয়েছেন:হায়! আরাক বৃক্ষের প্রান্তরে ছায়াঘন স্থানে ফিরে আসার কি কোনো উপায় আছে? … সেই আনন্দঘন জীবন কি পুনরায় ফিরে আসবে?যাওরা (বাগদাদ) এবং আবতাহ-এর সন্তান কি সেখানে বাস করে? … খইফ-এর জনপদেও কি মিলন সম্ভব?কখন সেই গৃহে পৌঁছানো যাবে যা এখন অনেক দূরে?তুওয়া, মাযিনাইন এবং মাশআরে কি নৈকট্য পাওয়া যাবে? … বিচ্ছেদ তো হৃদয়কে জীর্ণ করে ফেলেছে।আমাদের মাঝে যে মন্দ পরিস্থিতি ছিল, তা কি আবার ফিরে আসবে? … অথচ নিন্দুকেরা তা টেরও পায়নি।তিনি বাগদাদে তাঁর স্বরচিত আরও কবিতা আমাদের শুনিয়েছেন:তোমাকে কি বিচ্ছেদ শান্তি দিয়েছে …নাকি তুমি উদাসীন? … নাকি উটের কাফেলার পিছু পিছু তোমার হৃদয়ও বিদায় নিয়েছে?এই প্রেম এমনভাবে জেঁকে বসেছে যেন সে … তার হত্যাকারীর কাছে প্রতিশোধ নিতে চাচ্ছে।আমি এতই বিভ্রান্ত যে যদি আমাকে ভালোবাসা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয় … তবে হৃদয়ের প্রচণ্ড দহনে আমি কী বলব তা জানি না।হে আমাদের প্রিয়জন, হিমা প্রান্তরের ডান দিকের ক্ষতবিক্ষত স্থানে … তুমি কি দেখতে পাও যে তলোয়ার যা বর্ণনা করছে তার কি কোনো বাহক আছে?আমি যাকে ভালোবাসি সে তার মিলনে আমাকে বাধা দেয় … অথচ আমার অন্তরে প্রচণ্ড বিরহ আমাকে ব্যস্ত করে রেখেছে।আমি বৈরাগ্যের বেশে সেই প্রেম গোপন রেখেছি, কিন্তু আমার … গালের ওপর গড়িয়ে পড়া অশ্রু আমাকে প্রকাশ করে দিচ্ছে।আল্লাহ সেই স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলোকে রক্ষা করুন, সেগুলোর স্মৃতি … হৃদয়ে কত না প্রতিশ্রুতি বহন করে, যা বিরহের ব্যথায় দগ্ধ হয়েছে।তিনি বাগদাদে তাঁর স্বরচিত আরও কবিতা আমাদের শুনিয়েছেন:হায়! আমেরিয়া গোত্রের মহল্লায় কি কোনো অবসর আছে … যেখানে বিরহের দীর্ঘশ্বাস পূর্ণ করা যায়?তোমার জন্য সে প্রচেষ্টা চালায় যার জন্মের সময় … নক্ষত্র ও কালপুরুষ ছিল রাতের গল্পের সাথী।তার হৃদয়ের চারপাশ অসুস্থতা জর্জরিত করেছে … এবং প্রিয়জনদের বিচ্ছেদ ও স্মৃতি তাকে ব্যাকুল করে দিয়েছে।তার প্রতি বিরহকাতর ব্যক্তিও মায়া করে … আর তার অবিরাম ঝরতে থাকা অশ্রু তাকে বিনিদ্র রেখেছে।সে বিদ্যুৎ চমকানির প্রত্যাশা করে আর তার অন্তর চমকে ওঠে … যখনই কোনো কবুতর বা পাখি করুণ সুরে ডাকে।আমার প্রাণ সেই জীবনের স্মৃতির কাছে ফিরে যেতে চায় … যা হিমা প্রান্তরে অতিবাহিত হয়েছিল, যেখানে আকাশ ছিল নক্ষত্র ও চাঁদে পূর্ণ।আমি আমার হৃদয়কে শাস্তি দেব যদি সে অন্য কারও সাথে সম্পৃক্ত হয় … বিচ্ছেদ যদি আমার কাছে সুশোভিত হয় তবে তা তো এক আজাব।আমি আকাঙ্ক্ষার আহ্বানে … বিরক্তি ও সন্তুষ্টির মাঝে মিলনের সন্ধানে আছি।আমি সান্ত্বনা খুঁজি কিন্তু পাঁজরের ভেতর দহন জ্বলছে … হায়! সেই দহনের লেলিহান শিখা আত্মাকে গলিয়ে দিয়েছে এবং ধৈর্য আজ ভেঙে চুরমার।তিনি আমাদের আরও কবিতা শুনিয়েছেন সাইয়িদুশ শুহাদা হামযা ইবনে আব্দুল মুত্তালিব এবং উহুদ পাহাড় সম্পর্কে। তিনি বলেন: আমার পিতা তাঁর স্বরচিত কবিতা আমাদের শুনিয়েছেন:যদি কোনো ব্যক্তির মাঝে পাঁচটি স্বভাব একত্রিত হয় … তবে সে তার সমসাময়িকদের মাঝে অগ্রগণ্য হিসেবে গণ্য হবে।ভালোবাসা ও সহনশীলতা, অতঃপর পবিত্রতার সাথে দানশীলতা … আর পঞ্চমটি হলো তাকওয়া বা আল্লাহভীতি—অতএব তুমি তা শিক্ষা করো।তিনি জন্মগ্রহণ করেন...৬১৪ হিজরি সনের ২৭শে জিলহজ, সোমবার।
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ أَبِي طَالِبٍ الْأَزْدِيُّ الْإِسْكَنْدَرَانِيُّ الْفَقِيهُ ، عُرِفَ بِابْنِ جَارَةَ.أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ جَارَةَ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِالثَّغْرِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو نَصْرٍ فُتُوحُ بْنُ خَلُوفِ بْنِ يَخْلُفَ الْهَمَذَانِيُّ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ السِّلَفِيُّ الْحَافِظُ ، وَأَخْبَرَنَا عَالِيًا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحُسَيْنِ الْأَنْصَارِيُّ ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِحَلَبَ ، وَعَبْدُ الْوَهَّابُ بْنُ ظَافِرٍ ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِالثَّغْرِ، قَالَا: أَخْبَرَنَا السِّلَفِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو صَادِقٍ مَرْثَدِ بْنِ يَحْيَى الْمَدِينِيُّ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْفَارِسِيُّ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُفَسِّرِ الدِّمَشْقِيُّ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو بَكْر أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ سَعِيدٍ الْمَرْوَزِيُّ ، بِدِمَشْقَ ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ يَعْقُوبَ الْبَصْرِيُّ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي أُمَامَةَ بْنِ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ ، عَنْ ابْنِهِ ، أَبِي أُمَامَةَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ قُتَيْبَةَ بْنِ مَالِكٍ ، قَالَ: كُنْتُ قَائَدَ أَبِي حِينَ ذَهَبَ بَصَرُهُ ، قَالَ: فَكُنْتُ إِذَا خَرَجْتُ بِهِ إِلَى الْجُمْعَةِ ، فَسَمِعَ الْأَذَانَ اسْتَغْفَرَ لِأَبِي أُمَامَةَ أَسَعْدَ بْنِ زُرَارَةَ ، وَدَعَا لَهُ، قَالَ: فَمَكَثْتُ حِينًا أَسْمَعُ ذَلِكَ مِنْهُ ، قَالَ: قُلْتُ فِي نَفْسِي: وَاللُّهِ لَأَسْأَلَنَّهُ عَنْ ذَلِكَ ، قَالَ: فَخَرَجْتُ كَمَا كُنْتُ أَخْرُجُ إِلَى الْجُمْعَةِ ، فَلَمَّا سَمِعَ الْأَذَانَ اسْتَغْفَرَ كَمَا كَانَ يَفْعَلُ ، قَالَ: فَقُلْتُ: يَا أَبِي أَرَأَيْتَ صَلَاتَكَ عَلَى أسَعْدَ بْنِ زُرَارَةَ كُلَّمَا سَمِعْتَ النِّدَاءَ بِالْجُمْعَةِ؟ قَالَ أَبِي: «بُنَيَّ كَانَ أَوَّلَ مَنْ صَلَّى بِنَا الْجُمْعَةَ ، قَبْلَ مَقْدَمِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، مِنْ مَكَّةَ فِي نَقِيعِ الْخُضِمَاتِ مِنْ حِرَّةِ بَنِي بَيَاضَةَ» .قَالَ: قُلْتُ: كَمْ كُنْتُمْ يَوْمَئِذٍ؟ قَالَ: «كُنَّا أَرْبَعِينَ رَجُلًا» .رَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ ، عَنْ يَحْيَى بْنِ خَلَفٍ ، عَنْ عَبْدِ الْأَعْلَى بْنِ عَبْدِ الْأَعْلَى ، فَوَقَعَ بَدَلًا لَهُ ، وَرَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ ، عَنْ قُتَيْبَةَ ، عَنْ ابْنِ إِدْرِيسَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، وَفِي لَفْظِهِمَا فِي نَقِيعِ الخَضِمَاتِ فِي هَزْمِ النَّبِيتِ مِنْ حِرَّةِ بَنِي بَيَاضَةَ ، وَالنُّبِيتُ جَبَلٌ بِصَدْرِ قَنَاةٍ عَلَى بَرِيدِ الْمَدِينَةِ ، نَزَلَهُ أَبُو سُفْيَانَ فِي غَزْوَةِ السَّوِيقِ ، وَهَزْمِ الْأَرْضِ بِالزَّايِ مَا تَهَزَّمَ مِنْهَا أَيْ نَكَسَ وَتَشَقَّقَ ، وَفِي الْحَدِيثِ الْآخَرِ أَنَّ زَمْزَمَ هَزْمَةُ جِبْرِيلَ ، وَفِي الْحَدِيث أَيْضًا ، «إِذَا عَرَّسْتُمْ فَاجْتَنِبُوا هَزْمَ الْأَرْضِ فَإِنَّهَا مَأْوَى الْهَوَامِ» .ورَوَاهُ أَبُو سَعِيدٍ أَوَّلَ جُمْعَةٍ جُمِعَتْ فِي هَزْمِ بَنِي بَيَاضَةَ ، بِالرَّاءِ الْمُهْمَلَةِ ، وَهِيَ أَرْضٌ بَيْنَ ظَهْرَيْ حِرَّةِ بَنِي بَيَاضَةَ ، وَفِي رِوَايةِ أَحْمَدَ بْنِ مَالِكٍ هَزْمِ تُوُفِّيَ ابْنُ جَارَةَ بِالْإِسْكَنْدَرِيَّةِ فِي رَابِعِ شَوَّالٍ سَنَةَ إِحْدَى وَأَرْبَعِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ
মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন আলি আবু আবদুল্লাহ ইবন আবু তালিব আল-আযদি আল-ইসকান্দারানি আল-ফকিহ, তিনি ইবন জারাহ নামে পরিচিত ছিলেন।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ ইবন জারাহ, আস-সাগরে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর ফুতুহ ইবন খালুফ ইবন ইয়াখলুফ আল-হামাযানি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন আহমদ আস-সিলাফি আল-হাফিজ। এছাড়া আমাদের উচ্চ সনদে সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনুল হুসাইন আল-আনসারি, হালবে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, এবং আবদ আল-ওয়াহহাব ইবন জাফির, আস-সাগরে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে। তাঁরা উভয়ে বলেন: আস-সিলাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা তা শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদিক মারসাদ ইবন ইয়াহইয়া আল-মাদিনি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আলি ইবন মুহাম্মদ ইবন আলি আল-ফারিসি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমদ আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ ইবনুল মুফাসসির আদ-দিমাশকি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-কাদি আবু বকর আহমদ ইবন আলি ইবন সাঈদ আল-মারওয়াযি দামেস্কে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ফদল ইবন ইয়াকুব আল-বাসরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদ আল-আ’লা ইবন আবদ আল-আ’লা, তিনি মুহাম্মদ ইবন ইসহাক থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবন আবি উমামাহ ইবন সাহল ইবন হুনাইফ থেকে, তিনি তাঁর পুত্র আবু উমামাহ থেকে, তিনি আবদ আল-রহমান ইবন কুতাইবাহ ইবন মালিক থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: যখন আমার পিতার দৃষ্টিশক্তি চলে যায় তখন আমি তাঁর পথপ্রদর্শক ছিলাম। তিনি বলেন: আমি যখন তাঁকে জুমার নামাজের জন্য নিয়ে বের হতাম এবং তিনি আজান শুনতেন, তখন তিনি আবু উমামাহ আসআদ ইবন যুরারাহর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা ও দোয়া করতেন। তিনি বলেন: আমি বেশ কিছুকাল তাঁর থেকে এটি শুনতে থাকলাম। তিনি বলেন: আমি মনে মনে বললাম, আল্লাহর কসম! আমি অবশ্যই তাঁকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করব। তিনি বলেন: এরপর আমি যথারীতি তাঁকে নিয়ে জুমার উদ্দেশ্যে বের হলাম এবং যখন তিনি আজান শুনলেন তখন পূর্বের ন্যায় ক্ষমা প্রার্থনা করলেন। তিনি বলেন: আমি বললাম, হে পিতা! আপনি যখনই জুমার আজান শোনেন তখনই আসআদ ইবন যুরারাহর জন্য দোয়া করেন কেন? আমার পিতা বললেন: হে বৎস! তিনি ছিলেন প্রথম ব্যক্তি যিনি মক্কা থেকে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আগমনের পূর্বে হাররাহ বনু বায়াদাহর নকীউল খাদিমাত নামক স্থানে আমাদের নিয়ে জুমার নামাজ আদায় করেছিলেন।তিনি বলেন: আমি জিজ্ঞাসা করলাম, আপনারা সেদিন সংখ্যায় কতজন ছিলেন? তিনি বললেন: আমরা চল্লিশ জন পুরুষ ছিলাম।ইবন মাজাহ এটি ইয়াহইয়া ইবন খালাফ থেকে এবং তিনি আবদ আল-আ’লা ইবন আবদ আল-আ’লা থেকে বর্ণনা করেছেন, যা তাঁর সমপর্যায়ের বর্ণনা। আবু দাউদ এটি কুতাইবাহ থেকে এবং তিনি ইবন ইদরিস থেকে ও তিনি মুহাম্মদ ইবন ইসহাক থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁদের উভয়ের বর্ণনায় শব্দগুলো হলো—হাররাহ বনু বায়াদাহর হাযম আন-নাবীতে অবস্থিত নকীউল খাদিমাত নামক স্থানে। আন-নাবীত হলো কানাত নামক উপত্যকার শুরুতে অবস্থিত একটি পাহাড় যা মদিনার এক বারিদ বা ডাকপথ দূরত্বে অবস্থিত; আবু সুফিয়ান সাউইকের যুদ্ধে এখানে অবস্থান করেছিলেন। হাযম (য-কার যোগে) ভূমির সেই অংশকে বলা হয় যা নিচু হয়ে ধসে পড়েছে বা ফেটে গেছে। অন্য হাদিসে এসেছে যে, জমজম হলো জিবরিলের হাযমাহ বা পদচিহ্নের গর্ত। আরও একটি হাদিসে এসেছে: যখন তোমরা রাতের বেলা যাত্রা বিরতি করবে, তখন ভূমির নিচু অংশ এড়িয়ে চলবে, কারণ তা কীটপতঙ্গের আশ্রয়স্থল।আবু সাঈদ বর্ণনা করেছেন যে, প্রথম জুমা হারম (র-কার যোগে) বনু বায়াদাহতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল; এটি হাররাহ বনু বায়াদাহর মধ্যবর্তী একটি ভূমি। আহমদ ইবন মালিকের বর্ণনায় 'হাযম' শব্দ রয়েছে। ইবন জারাহ ছয়শত একচল্লিশ হিজরি সালের শাওয়াল মাসের চার তারিখে ইসকান্দারিয়াতে ইন্তেকাল করেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন মু'জামু শুয়ূখ আদ-দুমইয়াতী
(পৃষ্ঠা: -)
مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي شَاكِرٍ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْمُرَّاكِشِيُّالْمُحْتَدُّ الْإِرْبِلِيُّ الْمَنْشَإِ وَالْمَوْلِدِ ، الْحَنَفِيُّ الْأَدِيبُ الْمَعْرُوفُ بِالْمَجْدِ بْنِ الظُّهْرِ.أَنْشَدَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ ، بِجَامِعِ دِمَشْقَ لِنَفْسِهِ:يَا ظَبْيُ كَمْ تَرَدَّى الْأُسُودُ … وَأَنْتَ فِي حَرَمِ الْمَلَاحَةِ مُسْتَقِرٌّ آمِنُلَوْلَا سِهَامُ فُتُورِ طَرْفِكَ لَمْ أَخَلْ … أَنَّ اللَّوَاحِظَ لِلْمُسْتَهَامِ كَنَائِنُهَبْ أَنَّ طَرْفِيَ بَانَ عَنْهُ رُقَادُهُ … ...نُورُهُ إِذَا أَنْتَ عَنْهُ بِائِنُفَعَلَامَ لَا قَلْبِي خَافِقًا مُشَوَّقَا … إِلَيْكَ وَأَنْتَ فِيهِ …وأنشد أَيْضًا وَلِيَ مِنْهُ إِجَازَةً:أَحِنُّ إِلَيْكَ شَوْقًا حِينَ تنأى … وَيُقْلِقُنِي الْغَرَامُ وَأَنْتَ ذَاتِيفَكَيْفَ يُفِيقُ وَجْدٌ تَسَاوَتْ عَلَيْهِ … فِي هَوَاكَ الْحَالَاتُوَأَنْشَدَ أَيْضًا وَأَجَازَهُ لَنَا:أَمُوتُ اشْتِيَاقًا مُبْعَدًا وَمُقَرَّبَا … وَأُتْلَفُ وَجْدًا حِينَ تَرْضَى وَتَغْضَبُوَكَيْفَ اخْتِيَالِي فِي الشَّقَاءِ وَمُهْجَتِي … عَلَى كُلِّ حَالٍ فِي هَوَاكَ تُعَذَّبُ.مَوْلِدُهُ قَبْلَ ثَانِي صَفَرٍ سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وَسِتِّ مِائَةٍ ، وَتُوُفِّيَ بِدِمَشْقَ لَيْلَةَ الْجُمْعَةِ ثَانِيَ عَشْرَ شَهْرَ رَبِيعٍ الْآخِرِ سَنَةَ سَبْعٍ وَسَبْعِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ ، قَبْلَ الْمَجْدِ بْنِ الْعَدِيمِ ، بِأَرْبَعَةِ أَيَّامٍ ، وَدُفِنَ بِمَقَابِرِ الصُّوفِيَّةِ ، سَمِعَ الْحَدِيثَ مِنْ جَمَاعَةٍ مِنْ أَصْحَابِ أَبِي الْوَقْتِ ، وَغَيْرِهِ ، بِبَلَدِهِ ، وَدِمَشَقَ وَبَغْدَادَ ، وَحَدَّثَ عَنْهُمْ
মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন উমর বিন আহমদ বিন আবু শাকির আবু আব্দুল্লাহ আল-মাররাকিশিইরবিল বংশোদ্ভূত, সেখানেই তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা; হানাফি মাজহাবের অনুসারী, প্রখ্যাত সাহিত্যিক যিনি মাজদ ইবনে জুহর নামে পরিচিত ছিলেন।আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ দামেস্কের জামে মসজিদে নিজের রচিত কবিতা আমাদের আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন:হে হরিণশাবক! কত কত সিংহ যে ধরাশায়ী হয়েছে … অথচ তুমি লাবণ্যের হারামে নিরাপদ ও স্থির হয়ে আছোতোমার চোখের অলস চাহনির তীর যদি না থাকতো, তবে আমি কল্পনাও করতাম না … যে চক্ষুগোলকগুলো প্রেমিকের জন্য তূণীর সদৃশ হতে পারেমনে করো আমার চোখের ঘুম উবে গেছে … ...তার জ্যোতি যখন তুমি তার থেকে দূরে সরে যাওতবে কেন আমার হৃদয় তোমার প্রতি আকাঙ্ক্ষায় স্পন্দিত হবে না … তোমার প্রতি, অথচ তুমিই তো তাতে রয়েছো …তিনি আরও আবৃত্তি করেছেন এবং আমার নিকট তার থেকে এ বিষয়ে ইজাজত রয়েছে:তুমি যখন দূরে চলে যাও, আমি ব্যাকুলতায় তোমার প্রতি লালায়িত হই … আর প্রেম আমাকে অস্থির করে তোলে, অথচ তুমিই আমার সত্তাতবে সেই ব্যাকুলতা কীভাবে কাটবে, যার কাছে সমান হয়ে গেছে … তোমার প্রেমে সকল অবস্থাতিনি আরও আবৃত্তি করেছেন এবং এটি আমাদের জন্য ইজাজত দিয়েছেন:আমি দূরত্বে বা নৈকট্যে—সর্বাবস্থায় আকাঙ্ক্ষায় মৃত্যুবরণ করি … আর তোমার সন্তুষ্টি বা অসন্তুষ্টির ব্যাকুলতায় নিজেকে বিলীন করে দেইদুর্ভাগ্যের মাঝে আমার আর কি গর্ব থাকতে পারে, যখন আমার প্রাণ … সর্বাবস্থায় তোমার প্রেমে যন্ত্রণাক্লিষ্ট।তার জন্ম ৬০২ হিজরির ২রা সফরের আগে, এবং তিনি ৬৭৭ হিজরির ১২ই রবিউস সানি শুক্রবার রাতে দামেস্কে মৃত্যুবরণ করেন, মাজদ ইবনুল আদিমের মৃত্যুর চার দিন আগে। তাকে সুফিয়া কবরস্থানে দাফন করা হয়। তিনি তার নিজ শহর, দামেস্ক এবং বাগদাদে আবু আল-ওয়াক্তের একদল শিষ্য ও অন্যদের কাছ থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন এবং তাদের পক্ষ থেকে বর্ণনা করেছেন।