(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
فوائد ابن دحيم (ابن دحيم)
القسم: كتب السنة
الكتاب: فوائد ابن دحيم
المؤلف: ابْنُ دُحَيْمٍ أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بنُ عَلِيِّ بنِ دُحَيْمٍ الشَّيْبَانِيُّ، الكُوْفِيُّ (ت 352هـ)
الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية
الطبعة: الأولى، 2004
[الكتاب مخطوط]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ফাওয়ায়িদু ইবনে দুহাইম (ইবনে দুহাইম)
বিভাগ: হাদিসের কিতাবসমূহ
কিতাব: ফাওয়ায়িদু ইবনে দুহাইম
লেখক: ইবনে দুহাইম আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আলী বিন দুহাইম আল-শায়বানি, আল-কুফি (মৃত্যু ৩৫২ হিজরি)
প্রকাশক: পাণ্ডুলিপি, যা ইসলামি নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইটের অন্তর্গত জাউয়ামিউল কালিম নামক ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে
সংস্করণ: প্রথম، ২০০৪
[বইটি পাণ্ডুলিপি]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
1 - حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَوْفٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: «أَوْصَانِي خَلِيلِي أَبُو الْقَاسِمِ صَلَوَاتُ اللَّهِ عَلَيْهِ بِثَلاثٍ، بِرَكْعَتَيِ الْفَجْرِ، وَأَلا أَنَامَ إِلا عَلَى وِتْرٍ، وَصِيَامَ ثَلاثَةَ أَيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ»
১ - ইবরাহীম ইবনে দুহায়ম আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আওফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে কাসীর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আওযাঈ থেকে বর্ণিত, ইয়াহইয়া থেকে বর্ণিত, আবু সালামাহ থেকে বর্ণিত, আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «আমার অন্তরঙ্গ বন্ধু আবুল কাসিম (আল্লাহর সালাত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) আমাকে তিনটি বিষয়ে ওসিয়ত করেছেন: ফজরের দুই রাকাত সালাত আদায় করা, বিতর আদায় না করে যেন আমি না ঘুমাই এবং প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখা।»
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
2 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، نا هِشَامٌ، نا عَبْدُ الْحَمِيدِ، وَابْنُ شُعَيْبٍ، وَنا إِبْرَاهِيمُ، قَالَ: وَنا ابْنُ وَزِيرٍ، ثنا الْوَلِيدُ.ح، وَنا إِبْرَاهِيمُ، قَالَ: وَنا مَحْمُودٌ، قَالَ: نا الْفِرْيَابِيُّ، قَالُوا: ثنا الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي يَحْيَى، حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَا أَذَنَ اللَّهُ لِشَيْءٍ إِذْنَهُ لِنَبِيٍّ يَتَغَنَّى بِالْقُرْآنِ يَجْهَرُ بِهِ» .اللَّفْظُ لِعَبْدِ الْحَمِيدِ
২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে দুহাইম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল হামিদ ও ইবনে শুয়াইব। এবং ইব্রাহিম বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে ওয়াযির, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ওয়ালিদ।হ্, এবং ইব্রাহিম বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মাহমুদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ফিরইয়াবি, তাঁরা সকলে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আওযায়ি, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালামাহ, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হুরায়রা, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "আল্লাহ কোনো কিছুর প্রতি তেমন নিবিষ্ট হয়ে শ্রবণ করেন না, যেমন তিনি কোনো নবীর প্রতি নিবিষ্ট হয়ে শ্রবণ করেন যিনি সুললিত উচ্চস্বরে কুরআন তিলাওয়াত করেন।"শব্দবিন্যাস আব্দুল হামিদের।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
3 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، نا هِشَامٌ، نا عَبْدُ الْحَمِيدِ، نا الأَوْزَاعِيُّ، نا يَحْيَى، حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَسْوَءُ النَّاسِ سَرِقَةً الَّذِي يَسْرِقُ صَلاتَهُ» .قَالُوا: وَكَيْفَ يَسْرِقُ صَلاتَهُ؟ قَالَ: «لا يُتِمُّ رُكُوعَهَا وَلا سُجُودَهَا»
৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে দুহাইম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল হামিদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আওযায়ী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালামাহ, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হুরায়রা, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «চুরির দিক থেকে মানুষের মধ্যে সবথেকে নিকৃষ্ট সেই ব্যক্তি, যে তার সালাত চুরি করে»।তারা জিজ্ঞেস করলেন: সে কীভাবে তার সালাত চুরি করে? তিনি বললেন: «সে তার রুকু এবং সিজদাহ পূর্ণ করে না»।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
4 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، نا هِشَامٌ، نا عَبْدُ الْحَمِيدِ، وَثنا إِبْرَاهِيمُ، قَالَ: وَنا مَحْمُودٌ، ثنا الْفِرْيَابِيُّ، ثنا الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي يَحْيَى، حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ، حَدَّثَنِي أَبُو هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «الْمُتَعَجِّلُ إِلَى الْجُمُعَةِ كَالْمُهْدِي جَزُورًا، وَالَّذِي يَلِيهِ كَالْمُهْدِي بَقَرَةً، وَالَّذِي يَلِيهِ كَالْمُهْدِي شَاةً، وَالَّذِي يَلِيهِ كَالْمُهْدِي الطَّيْرَ، فَإِذَا جَلَسَ الإِمَامُ عَلَى الْمِنْبَرِ خُتِمَتِ الصَّحِيفَةُ» .وَلَمْ يَذْكُرِ الْفِرْيَابِيُّ كَالْمُهْدِي الطَّيْرَ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، نا عِمْرَانُ، نا إِسْمَاعِيلُ، نا الأَوْزَاعِيُّ، نا يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، بِمِثْلِهِ
৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন দুহায়ম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল হামিদ। এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মাহমুদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফিরইয়াবি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আওযায়ি, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু সালামাহ আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু হুরায়রা আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "জুমার দিকে দ্রুত গমনকারী ব্যক্তি একটি উট উৎসর্গকারীর সমতুল্য, এরপর যে আসে সে একটি গাভী উৎসর্গকারীর সমতুল্য, এরপর যে আসে সে একটি মেষ উৎসর্গকারীর সমতুল্য, এরপর যে আসে সে একটি পাখি উৎসর্গকারীর সমতুল্য। অতঃপর ইমাম যখন মিম্বারে বসেন, তখন আমলনামার খাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়।"ফিরইয়াবি 'পাখি উৎসর্গকারীর সমতুল্য' অংশটি উল্লেখ করেননি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন দুহায়ম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইমরান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আওযায়ি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন আবি কাসির, তিনি আবু হুরায়রা থেকে এবং তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
5 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، نا هِشَامٌ، نا عَبْدُ الْحَمِيدِ، ثنا الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي يَحْيَى، حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ، حَدَّثَنِي أَبُو هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِذَا مَضَى شَطْرُ اللَّيْلِ، أَوْ قَالَ: ثُلُثَاهُ، يَنْزِلُ اللَّهُ تبارك وتعالى إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا فَيَقُولُ: مَنْ ذَا الَّذِي يَسَلْنِي أُعْطه، مَنْ ذَا الَّذِي يَدْعُنِي أَسْتَجِبْ لَهُ، مَنْ ذَا الَّذِي يَسْتَرْزِقُنِي أَرْزُقْهُ، مَنْ ذَا الَّذِي يَسْتَغْفِرُنِي أَغْفِرْ لَهُ حَتَّى يَنْفَجِرَ الصُّبْحُ "
৫ - ইবরাহীম ইবনু দুহাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল হামীদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আওযাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু সালামাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু হুরায়রা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যখন রাতের অর্ধেক অতিবাহিত হয়, অথবা তিনি বলেছেন: তার দুই-তৃতীয়াংশ, তখন আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করেন এবং বলেন: কে আছে এমন যে আমার নিকট প্রার্থনা করবে, আমি তাকে দান করব? কে আছে এমন যে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেব? কে আছে এমন যে আমার নিকট রিযিক প্রার্থনা করবে, আমি তাকে রিযিক দান করব? কে আছে এমন যে আমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করবে, আমি তাকে ক্ষমা করে দেব? যতক্ষণ না প্রভাত উদিত হয়।"
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
6 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، ثنا أَبُو أُمَيَّةَ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الطَّرَسُوسِيُّ، نا مُحَمَّدُ بْنُ مُصْعَبٍ الْقَرْقَسَانِيّ، ثنا الأَوْزَاعِيُّ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «أَنَا سَيِّدُ وَلَدِ آدَمَ، وَأَوَّلُ مَنْ تَنْشَقُّ عَنْهُ الأَرْضُ، وَأَوَّلُ شَافِعٍ، وَأَوَّلُ مُشَفَّعٍ» .صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
৬ - ইবরাহীম ইবন দুহাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু উমাইয়াহ মুহাম্মাদ ইবন ইবরাহীম আত-তারসূসী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবন মুসআব আল-কারকাসানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আওযায়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «আমি আদম সন্তানদের নেতা, এবং আমিই প্রথম ব্যক্তি যার ওপর থেকে জমিন বিদীর্ণ হবে, এবং আমিই প্রথম সুপারিশকারী এবং আমিই প্রথম ব্যক্তি যার সুপারিশ কবুল করা হবে»।সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
7 - حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَوْفٍ، ثنا مَحْمُودُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " يَقُولُ اللَّهُ عز وجل: إِنَّ أَحَبَّ عِبَادِي إِلَيَّ أَسْرَعُهُمْ فِطْرًا "
৭ - ইবরাহীম ইবনে দুহাইম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আওফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মাহমূদ ইবনে কাসীর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আওযাঈ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা বলেন: আমার বান্দাদের মধ্যে আমার নিকট সবচেয়ে প্রিয় তারা, যারা দ্রুত ইফতার করে।"
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
8 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَوْفٍ، ثنا ابْنُ كَثِيرٍ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلاةُ فَأْتُوهَا وَعَلَيْكُمُ السَّكِينَةُ وَالْوَقَارُ فَمَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا وَمَا فَاتَكُمْ فَاقْضُوا»
৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম ইবনে দুহাইম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আউফ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে কাসীর, আওযায়ী থেকে, তিনি ইয়াহইয়া থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যখন সালাতের ইকামত প্রদান করা হয়, তখন তোমরা স্থিরতা ও গাম্ভীর্যের সাথে সালাতে আসবে। অতঃপর সালাতের যতটুকু অংশ তোমরা পাও তা আদায় করো, আর যা তোমাদের থেকে ছুটে যায় তা পূর্ণ করো।»
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
9 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، نا أَبُو دَاوُدَ سُلَيْمَانُ بْنُ الأَشْعَثِ، قَالَ: نا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، ثنا عُمَرُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ بِمَرِّ الظَّهْرَانِ وَمَعَهُ أَبُو بَكْرٍ، وَعُمَرُ، رضي الله عنهما، فَقَالَ لَهُمَا: «هَلُمَّا» .فَقَالا: إِنَّا صَائِمَانِ، فَقَالَ: «أَرْفِقُوا لِصَاحِبَيْكُمْ، افْعَلُوا لِصَاحِبَيْكُمْ»
৯ - ইবরাহীম ইবনে দুহায়ম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু দাউদ সুলায়মান ইবনুল আশ‘আছ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-হাসান ইবনে আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উমর ইবনে সা‘দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি আওযাঈ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাররুজ যাহরান নামক স্থানে ছিলেন এবং তাঁর সাথে আবু বকর ও উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) ছিলেন। তখন তিনি তাঁদের উভয়কে বললেন: «তোমরা এগিয়ে এসো»।তাঁরা বললেন: আমরা রোযাদার। তখন তিনি বললেন: «তোমরা তোমাদের দুই সঙ্গীর প্রতি সদয় হও, তোমরা তোমাদের দুই সঙ্গীর জন্য (এমনটি) করো»।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
10 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، نا مُحَمَّدُ بْنُ عَوْفٍ، نا الْفِرْيَابِيُّ، نا الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ لِبْسَتَيْنِ، وَعَنْ بَيْعَتَيْنِ الصَّمَّاءِ وَأَنْ يَحْتَبِيَ الرَّجُلُ وَلَيْسَ عَلَى فَرْجِهِ شَيْءٌ، وَعَنِ النَّبَّاذِ، وَاللِّمَاسِ»
১০ - ইবরাহিম ইবনে দুহাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আওফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-ফিরইয়াবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আওজায়ি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই ধরণের পোশাক পরিধান এবং দুই ধরণের ক্রয়-বিক্রয় থেকে নিষেধ করেছেন: আস-সাম্মা এবং কোনো ব্যক্তির এমনভাবে ইহতিবা (দুই হাঁটু খাড়া করে বসা) করা এমতাবস্থায় যে তার লজ্জাস্থানের ওপর কোনো আবরণ নেই; এবং আন-নাব্বাজ ও আল-লিমাস থেকে।»
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
11 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، نا مُحَمَّدُ بْنُ عَوْفٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «خَيْرُ يَوْمٍ طَلَعَتْ فِيهِ الشَّمْسُ يَوْمُ الْجُمُعَةِ فِيهِ خُلِقَ آدَمُ، وَفِيهِ أُسْكِنَ الْجَنَّةَ، وَفِيهِ أُخْرِجَ مِنْهَا، وَفِيهِ تَقُومُ السَّاعَةُ»
১১ - আমাদের নিকট ইবরাহীম ইবনু দুহাইম হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনু আউফ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনু কাসীর হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আওযাঈ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, আর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «যেসব দিনে সূর্য উদিত হয় তার মধ্যে সর্বোত্তম দিন হলো জুমুআর দিন। এই দিনেই আদমকে সৃষ্টি করা হয়েছে, এই দিনেই তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে, এই দিনেই তাঁকে তা থেকে বের করা হয়েছে এবং এই দিনেই কিয়ামত সংঘটিত হবে।»
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
12 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، ثنا ابْنُ عَوْفٍ، ثنا ابْنُ كَثِيرٍ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم «قَنَتَ لِصَلاةِ الْعِشَاءِ الآخِرَةِ بَعْدَ الرُّكُوعِ»
১২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহীম ইবনে দুহাইম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আওফ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে কাসীর, তিনি আল-আওযাঈ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শেষ এশার সালাতে রুকুর পরে কুনুত পাঠ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
13 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، ثنا أَبِي، وَهِشَامٌ، قالا: نا الْوَلِيدُ، حَدَّثَنِي الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «يَقُومُ النَّاسُ لِرَبِّ الْعَالَمِينَ مِقْدَارَ نِصْفِ يَوْمٍ مِنْ خَمْسِينَ أَلْفَ سَنَةٍ، يُهَوِّنُ اللَّهُ ذَلِكَ عَلَى الْمُؤْمِنِ كَتَدَلِّي الشَّمْسِ لِلْغُرُوبِ إِلَى أَنْ تَغْرُبَ»
১৩ - ইব্রাহীম বিন দুহাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা এবং হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: ওয়ালীদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আওযাঈ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «মানুষ বিশ্বজগতের রবের সামনে পঞ্চাশ হাজার বছরের অর্ধেক দিন পরিমাণ সময় দাঁড়িয়ে থাকবে; আল্লাহ মুমিনের জন্য তা সহজ করে দেবেন, ঠিক যেমন সূর্য অস্ত যাওয়ার জন্য ঢলে পড়া থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়টুকু লাগে»
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
14 - حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، نا أَبُو مَرْوَانَ هِشَامُ بْنُ خَالِدٍ، نا الْوَلِيدُ، ثنا الأَوْزَاعِيُّ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: أَبُو مَرْوَانَ لا أَعْلَمُهُ إِلا رَفَعَهُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «بَيْنَ آدَمَ، وَبَيْنَ نُوحٍ عَشَرَةُ قُرُونٍ، وَبَيْنَ نُوحٍ وَإِبْرَاهِيمَ عَشَرَةُ قُرُونٍ»
১৪ - ইব্রাহিম ইবনে দুহাইম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মারওয়ান হিশাম ইবনে খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-ওয়ালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আওযায়ী আমাদের নিকট ইয়াহইয়া থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু সালামাহ থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু মারওয়ান বলেন: আমার জানামতে তিনি এটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত উন্নীত করে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: «আদম ও নূহের মাঝে দশটি যুগ ছিল, এবং নূহ ও ইব্রাহিমের মাঝে দশটি যুগ ছিল।»
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
15 - ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، نا أَبِي، نا بِشْرٌ، وَعُمَرُ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، وَثنا إِبْرَاهِيمُ، وَنا هِشَامٌ، نا الْوَلِيدُ، نا الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي يَحْيَى، حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ، حَدَّثَنِي أَبُو هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنِ اقْتَنَى كَلْبًا فَإِنَّهُ يَنْقُصُ مِنْ عَمَلِهِ كُلَّ يَوْمٍ قِيرَاطٌ إِلا كَلْبَ حَرْثٍ أَوْ مَاشِيَةٍ»
১৫ - ইব্রাহীম বিন দুহাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, বিশর ও উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আওযাঈ থেকে; এবং ইব্রাহীম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ওয়ালীদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আওযাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু সালামাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু হুরাইরাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি কুকুর লালন-পালন করে, প্রতিদিন তার আমল থেকে এক কিরাত পরিমাণ নেকি হ্রাস পায়; তবে ফসল রক্ষার বা গবাদি পশু রক্ষার কুকুর ব্যতীত।"
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
16 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، حَدَّثَنِي أَبُو عَامِرٍ مُوسَى بْنُ عَامِرٍ، نا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: سُئِلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مَتَى وَجَبَتْ لَكَ النُّبُوَّةُ؟ قَالَ: «بَيْنَ خَلْقِ آدَمَ وَنَفْخِ الرُّوحِ فِيهِ»
16 - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম ইবনে দুহাইম, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমির মুসা ইবনে আমির, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম, আওজাই থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, আপনার জন্য নবুওয়াত কখন নির্ধারিত হয়েছিল? তিনি বললেন: «আদম সৃষ্টি এবং তাঁর মধ্যে রুহ ফুঁকে দেওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে»
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
17 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، نا أَبِي، وَأَحْمَدُ بْنُ أَبِي الْجَوَارِي، قَالَا: نا الْوَلِيدُ، وَنا إِبْرَاهِيمُ، قَالَ: وَنا هِشَامٌ، نا عَبْدُ الْحَمِيدِ، وَالْوَلِيدُ، وَنا إِبْرَاهِيمُ، قَالَ: وَنا أَبِي، وَمَحْمُودٌ، قَالا: ثنا الْوَلِيدُ، وَعُمَرُ، قَالُوا: نا الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي يَحْيَى، حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ، حَدَّثَنِي أَبُو سَعِيدٍ الْخُدْرِيُّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا رَأَيْتُمُ الْجِنَازَةَ فَقُومُوا فَمَنْ تَبِعَهَا فَلا يَجْلِسْ حَتَّى تُوضَعَ»
১৭ - ইবরাহীম ইবন দুহায়ম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, (তিনি বলেন) আমার পিতা এবং আহমদ ইবন আবুল জওয়ারী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আল-ওয়ালীদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন। এবং ইবরাহীম বলেছেন: হিশাম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আব্দুল হামীদ এবং আল-ওয়ালীদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন। এবং ইবরাহীম বলেছেন: আমার পিতা এবং মাহমুদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আল-ওয়ালীদ এবং উমর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন। তাঁরা সকলে বলেছেন: আল-আওযাঈ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইয়াহইয়া আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, আবু সালামাহ আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, আবু সাঈদ আল-খুদরী আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যখন তোমরা জানাযা দেখবে, তখন দাঁড়িয়ে যাবে। অতঃপর যে ব্যক্তি তার অনুসরণ করবে, সে যেন তা (মাটিতে) রাখা না হওয়া পর্যন্ত না বসে।»
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
18 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، نا أَبِي، وَمَحْمُودٌ، قَالا: نا الْوَلِيدُ، وَثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، قَالَ: وَنا هِشَامٌ، نا عَبْدُ الْحَمِيدِ، وَالْوَلِيدُ، قَالا: نا الأَوْزَاعِيُّ، وَقَالَ مَحْمُودٌ: عَنْ أَبِي عَمْرٍو، قَالَ: حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، وَقَالَ مَحْمُودٌ: وَعَبْدُ الْحَمِيدِ، حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ، قَالَ الْوَلِيدُ: أَتَيْتُ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ، فَقُلْتُ: يَا أَبَا سَعِيدٍ اخْرُجْ بِنَا إِلَى النَّخْلِ نَتَحَدَّثُ، فَقَالَ: نَعَمْ فَدَعَا بِخَمِيصَةٍ فَلَبِسَهَا، ثُمَّ خَرَجَ، ثُمَّ اتَّفَقُوا فَقُلْتُ: يَا أَبَا سَعِيدٍ هَلْ سَمِعْتَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَذْكُرُ لَيْلَةَ الْقَدْرِ؟ فَقَالَ: نَعَمْ، كُنَّا اعْتَكَفْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْعَشْرَ الأَوْسَطَ مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ فَلَمَّا كَانَ صَبِيحَةُ عِشْرِينَ قَامَ فِينَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: «مَنْ كَانَ خَرَجَ فَلْيَرْجِعْ» .قَالَ أَبِي، وَهِشَامٌ: أُرِيتُ، وَقَالَ مَحْمُودٌ: رَأَيْتُ لَيْلَةَ الْقَدْرِ، وَإِنِّي أُنْسِيتُهَا، ثُمَّ اتَّفَقُوا، «وَإِنِّي رَأَيْتُ أَنِّي أَسْجُدُ فِي مَاءٍ وَطِينٍ» .زَادَ أَبِي، وَهِشَامٌ، وَمَحْمُودٌ، عَنِ الْوَلِيدِ «فَالْتَمِسُوهَا فِي الْعَشْرِ الأَوَاخِرِ مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ فِي وِتْرٍ» .ثُمَّ اتَفَّقُوا، قَالَ أَبُو سَعِيدٍ: وَمَا نَرَى فِي السَّمَاءِ قَزَعَةً، قَالَ وَلِيدٌ: فَلَمَّا كَانَ اللَّيْلُ، وَقَالَ عَبْدُ الْحَمِيدِ: فَنُودِيَ بِالصَّلاةِ فَثَارَ السَّحَابُ، وَقَالَ أَبِي: إِذَا السَّحَابُ أَمْثَالَ الْجِبَالِ، قَالَ: فَمُطِرْنَا حَتَّى سَالَ سَقْفُ الْمَسْجِدِ، قَالَ: وَسَقْفُهُ يَوْمَئِذٍ مِنْ جَرِيدِ النَّخْلِ حَتَّى رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَسْجُدُ فِي مَاءٍ وَطِينٍ حَتَّى رَأَيْتُ أَثَرَ الطِّينَ فِي أَنْفِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
১৮ - ইব্রাহিম বিন দুহায়ম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা এবং মাহমুদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেছেন: আল-ওয়ালীদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। ইব্রাহিম বিন দুহায়ম আরও বলেন: হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল হামিদ এবং আল-ওয়ালীদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেছেন: আল-আওযাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; মাহমুদ বলেন: আবু আমর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালামাহ থেকে; মাহমুদ আরও বলেন: আব্দুল হামিদ, আবু সালামাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন। আল-ওয়ালীদ বলেন: আমি আবু সাঈদ আল-খুদরীর নিকট আসলাম এবং বললাম: হে আবু সাঈদ, আমাদের সাথে খেজুর বাগানের দিকে চলুন, সেখানে আমরা কথা বলব। তিনি বললেন: হ্যাঁ। অতঃপর তিনি একটি কালো চাদর আনালেন এবং তা পরিধান করে বের হলেন। অতঃপর বর্ণনাকারীগণ একমত হয়ে বর্ণনা করেন: আমি বললাম: হে আবু সাঈদ, আপনি কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে লাইলাতুল কদর সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে রমজান মাসের মধ্যম দশকে ইতিকাফ করেছিলাম। যখন বিশ তারিখের সকাল হলো, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মাঝে দাঁড়ালেন এবং বললেন: «যে ব্যক্তি বের হয়ে গিয়েছিল, সে যেন ফিরে আসে»।আমার পিতা এবং হিশাম বলেন: (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন) «আমাকে দেখানো হয়েছিল», আর মাহমুদ বলেন: «আমি লাইলাতুল কদর দেখেছিলাম, কিন্তু আমাকে তা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে»। অতঃপর তাঁরা একমত হয়ে বর্ণনা করেন: «এবং আমি স্বপ্নে দেখলাম যে আমি পানি ও কাদায় সিজদা করছি»।আমার পিতা, হিশাম এবং মাহমুদ আল-ওয়ালীদ থেকে অতিরিক্ত বর্ণনা করেন: «অতএব তোমরা রমজান মাসের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে তা অনুসন্ধান করো»।অতঃপর তাঁরা একমত হয়ে বর্ণনা করেন, আবু সাঈদ বলেন: অথচ আমরা আকাশে মেঘের সামান্য টুকরোও দেখছিলাম না। ওয়ালীদ বলেন: যখন রাত হলো, এবং আব্দুল হামিদ বলেন: সালাতের জন্য আহ্বান করা হলো এবং মেঘের সঞ্চার হলো। আমার পিতা বলেন: হঠাৎ পাহাড়ের মতো বিশাল মেঘ দেখা দিল। তিনি বলেন: অতঃপর বৃষ্টি বর্ষিত হলো এমনকি মসজিদের ছাদ চুইয়ে পানি পড়তে লাগল। তিনি বলেন: সেদিন মসজিদের ছাদ ছিল খেজুরের ডাল দিয়ে তৈরি। এমনকি আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পানি ও কাদায় সিজদা করতে দেখলাম এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাকে কাদার চিহ্ন দেখতে পেলাম।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
19 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، نا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي الْجَوَارِي، نا الْوَلِيدُ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: «رَأَيْتُ الْمَاءَ وَالطِّينَ عَلَى أَنْفِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم»
১৯ - ইবরাহিম বিন দুহাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ বিন আবিল জাওয়ারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ওয়ালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আওযায়ি থেকে, তিনি ইয়াহইয়া থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নাকের ওপর পানি ও কাদা দেখেছি»
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
20 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، ثنا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، ثنا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ، نا الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ، حَدَّثَنِي أَبُو سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: لا تَبِيعُوا الذَّهَبَ بِالذَّهَبِ، وَالْوَرِقَ بِالْوَرِقِ إِلا مِثْلا بِمِثْلٍ، لا يُشَفُّ بَعْضُهَا عَلَى بَعْضٍ، وَلا تَبِيعُوا غَائِبًا بِنَاجِزٍ "
২০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহীম ইবনে দুহাইম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে আম্মার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে হামযা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আওযায়ী, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালামা, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ আল-খুদরী (রা.), তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "তোমরা স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণ এবং রূপার বিনিময়ে রূপা বিক্রি করো না সমান সমান ব্যতীত; একটিকে অন্যটির ওপর বাড়িয়ে দিও না। আর তোমরা অনুপস্থিত (বাকিতে) বস্তুকে উপস্থিত (নগদ) বস্তুর বিনিময়ে বিক্রি করো না।"
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
21 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، نا أَبِي، نا عُمَرُ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، وَنا إِبْرَاهِيمُ، وَنا هِشَامٌ، نا يَحْيَى، نا الأَوْزَاعِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنِي أَبُو سَعِيدٍ الْخُدْرِيُّ، قَالَ: كُنَّا نَبِيعُ تَمْرًا بِجَمْعِ صَاعَيْنِ بِصَاعٍ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لا صَاعَيْ تَمْرٍ بِصَاعٍ، وَلا صَاعَيْ حِنْطَةٍ بِصَاعٍ، وَلا دِرْهَمَيْنِ بِدِرْهَمٍ»
২১ - আমাদের নিকট ইব্রাহিম ইবনে দুহাইম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আমার পিতা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট উমর আল-আওযাঈ হতে বর্ণনা করেছেন; এবং আমাদের নিকট ইব্রাহিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হিশাম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-আওযাঈ ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট আবু সালামাহ ইবনে আবদুর রহমান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট আবু সাঈদ আল-খুদরী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমরা দুই সা’ মিশ্রিত খেজুর এক সা’র বিনিময়ে বিক্রি করতাম। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «এক সা’র বিপরীতে দুই সা’ খেজুর নয়, এক সা’র বিপরীতে দুই সা’ গম নয় এবং এক দিরহামের বিপরীতে দুই দিরহাম নয়»
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
22 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، نا مُحَمَّدُ بْنُ عَوْفٍ، ثنا ابْنُ كَثِيرٍ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ: مَرَّتْ بِالنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم جِنَازَةٌ فَقَامَ قَائِمًا وَقُمْنَا، فَقُلْنَا: إِنَّهَا جِنَازَةُ يَهُودِيٍّ، فَقَالَ: إِنَّ لِلْمَوْتِ فَزَعًا ".وَقَالَ ابْنُ عَوْفٍ: إِنَّ الْمَوْتَ فَزَعٌ فَإِذَا رَأَيْتُمُوهَا فَقُومُوا "
২২ - ইব্রাহীম ইবন দুহাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবন আউফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন কাসীর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আওযাঈ থেকে বর্ণিত, ইয়াহইয়া ইবন আবী কাসীর থেকে বর্ণিত, আবূ সালামাহ থেকে বর্ণিত, আবূ সাঈদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পাশ দিয়ে একটি জানাযা অতিক্রম করল, ফলে তিনি দাঁড়িয়ে গেলেন এবং আমরাও দাঁড়ালাম। আমরা বললাম: এটি তো এক ইহুদির জানাযা। তখন তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই মৃত্যুর মধ্যে এক আতঙ্ক রয়েছে।"ইবন আউফ বলেন: "নিশ্চয়ই মৃত্যু হলো আতঙ্ক, সুতরাং যখন তোমরা তা দেখবে তখন দাঁড়িয়ে যেও।"
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
23 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، نا ابْنُ عَوْفٍ، نا ابْنُ كَثِيرٍ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الْجَرِّ، وَالدُّبَّاءِ، وَالظُّرُوفِ الْمُزَفَّتَةِ»
২৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহীম ইবন দুহাইম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবন আওফ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবন কাসীর, আওযাঈ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবন কাসীর থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাটির কলস, কদুর শুকনো খোলস এবং আলকাতরা প্রলেপযুক্ত পাত্র ব্যবহারে নিষেধ করেছেন।»
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
24 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، نا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، ثنا الْهِقْلُ بْنُ زِيَادٍ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنِي رَبِيعَةُ بْنُ كَعْبٍ الأَسْلَمِيُّ، قَالَ: كُنْتُ أَبِيتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَآتِيهِ بِوَضُوئِهِ وَبِحَاجَتِهِ، فَقَالَ: «سَلْنِي» .فَقُلْتُ: مُرَافَقَتَكَ فِي الْجَنَّةِ، قَالَ: «أَوَ غَيْرَ ذَلِكَ؟» .قُلْتُ: هُوَ ذَلِكَ، قَالَ: «فَأَعِنِّي عَلَى نَفْسِكَ بِكَثْرَةِ السُّجُودِ»
২৪ - আমাদের নিকট ইবরাহিম ইবনে দুহাইম বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনে আম্মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিকল ইবনে যিয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আওযাঈ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর থেকে, তিনি আবু সালামাহ ইবনে আবদুর রহমান থেকে, রাবিআ ইবনে কাব আল-আসলামী আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে রাত যাপন করতাম এবং তাঁর ওযুর পানি ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে আসতাম। তখন তিনি বললেন: "তুমি আমার কাছে চাও।"আমি বললাম: জান্নাতে আপনার সাহচর্য চাই। তিনি বললেন: "এ ছাড়া কি অন্য কিছু?"আমি বললাম: এটিই আমার চাওয়া। তিনি বললেন: "তাহলে অধিক পরিমাণে সিজদা করার মাধ্যমে তোমার নিজের জন্য আমাকে সাহায্য করো।"
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
25 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، وَمَحْمُودٌ، وَمُحَمَّدُ بْنُ وَزِيرٍ، قَالُوا: ثنا الْوَلِيدُ، وَثنا إِبْرَاهِيمُ، قَالَ: وَنا هِشَامٌ، نا عَبْدُ الْحَمِيدِ، وَالْوَلِيدُ، قَالا: ثنا الأَوْزَاعِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي يَحْيَى، حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ، حَدَّثَنِي رَبِيعَةُ بْنُ كَعْبٍ، قَالَ: كُنْتُ أَبِيتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، آتِيهِ بِوَضُوئِهِ وَبِحَاجَتِهِ، فَكَانَ يَقُومُ مِنَ اللَّيْلِ فَيَقُولُ: «سُبْحَانَ رَبِّي وَبِحَمْدِهِ، سُبْحَانَ رَبِّي وَبِحَمْدِهِ، سُبْحَانَ رَبِّي وَبِحَمْدِهِ» .قَالَ أَبِي مَرَّتَيْنِ سُبْحَانَ رَبِّي وَبِحَمْدِهِ، سُبْحَانَ رَبِّ الْعَالَمِينَ، سُبْحَانَ رَبِّ الْعَالَمِينَ، قَالَ أَبِي مَرَّتَيْنِ: الْهُوِيّ، قَالَ ابْنُ وَزِيرٍ: الْهَوِيُّ مِنَ اللَّيْلِ الطَّوِيلُ، قَالَ أَبِي، وَهِشَامٌ، عَنِ الْوَلِيدِ: مَرَّتَيْنِ
২৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে দুহাইম, তিনি বলেন: আমার পিতা, মাহমুদ এবং মুহাম্মদ ইবনে ওয়াজির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ওয়ালিদ, এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম, তিনি বলেন: এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল হামিদ এবং আল-ওয়ালিদ, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আওযায়ী, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু সালামাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, রাবীয়াহ ইবনে কাব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে রাত কাটাতাম, আমি তাঁর নিকট ওযুর পানি এবং তাঁর প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র নিয়ে আসতাম। তিনি রাতের বেলা সালাতে দাঁড়াতেন এবং বলতেন: «আমার রবের পবিত্রতা ঘোষণা করছি এবং তাঁর প্রশংসা করছি, আমার রবের পবিত্রতা ঘোষণা করছি এবং তাঁর প্রশংসা করছি, আমার রবের পবিত্রতা ঘোষণা করছি এবং তাঁর প্রশংসা করছি»।আমার পিতা দুইবার বলেছেন: «আমার রবের পবিত্রতা ঘোষণা করছি এবং তাঁর প্রশংসা করছি, বিশ্বজগতের প্রতিপালকের পবিত্রতা ঘোষণা করছি, বিশ্বজগতের প্রতিপালকের পবিত্রতা ঘোষণা করছি»। আমার পিতা দুইবার বলেছেন: «দীর্ঘ সময়»। ইবনে ওয়াজির বলেছেন: «আল-হাওয়িয়্যু» হলো দীর্ঘ রাত। আমার পিতা এবং হিশাম আল-ওয়ালিদ থেকে বর্ণনা করেছেন: «দুইবার»।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
26 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، نا أَحْمَدُ بْنُ عَبُّودٍ، أنا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، وَنا إِبْرَاهِيمُ، قَالَ: وَنا مُحَمَّدُ بْنُ عَوْفٍ، قَالَ: ذَكَرَ مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ مُعَيْقِيبٍ، قَالَ: كُنْتُ أَمْشِي مَعَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رضي الله عنه فَانْقَطَعَ شِسْعُهُ، فَقَالَ: «إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ» .قُلْتُ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ أَتَعُدُّهَا مُصِيبَةً؟ قَالَ: «نَعَمْ كُلَّمَا أَصَابَكَ شَيْءٌ تَكْرَهُهُ فَلَكَ فِيهِ مَا احْتَسَبْتَ»
২৬ - ইব্রাহিম ইবনে দুহায়ম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনে আব্বুদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে কাসির আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন। ইব্রাহিম বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে আউফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে কাসির আওযাঈ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে এবং তিনি মুআইকিব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর সাথে হাঁটছিলাম, এমতাবস্থায় তাঁর জুতার ফিতা ছিঁড়ে গেল। তখন তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর জন্য এবং নিশ্চয়ই আমরা তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তনকারী।"আমি বললাম: হে আমিরুল মুমিনিন! আপনি কি এটাকেও বিপদ মনে করেন? তিনি বললেন: "হ্যাঁ, যা কিছু তোমার কাছে অপ্রীতিকর এবং তা তোমাকে ব্যথিত করে, তার বিনিময়ে তোমার জন্য সেই সওয়াব রয়েছে যা তুমি আল্লাহর কাছে আশা করো।"
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
27 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، نا أَبِي، وَمَحْمُودٌ، قَالا: نا الْوَلِيدُ، وَنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ قَالَ: وَنا هِشَامٌ، نا عَبْدُ الْحَمِيدِ، وَالْوَلِيدُ، قَالا: نا الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي يَحْيَى، نا أَبُو سَلَمَةَ، حَدَّثَنِي مُعَيْقِيبٌ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَعْنِي فِي مَسْحِ الْحَصَا فِي الصَّلاةِ: «إِنْ كُنْتَ فَاعِلا فَمَرَّةً وَاحِدَةً»
২৭ - ইব্রাহিম বিন দুহাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা ও মাহমুদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আল-ওয়ালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। এবং ইব্রাহিম বিন দুহাইম বলেন: হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল হামিদ ও আল-ওয়ালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আল-আওযায়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু সালামা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুআইকিব আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সালাতের মধ্যে কাঁকর সমান করার বিষয়ে বলেছেন: "যদি তোমাকে তা করতেই হয়, তবে কেবল একবার করো।"
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
28 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، ثنا أَبِي، وَهِشَامٌ، قَالا: ثنا الْوَلِيدُ، وَنا إِبْرَاهِيمُ، وَنا أَبِي، وَمَحْمُودٌ، قَالا: نا الْوَلِيدُ، وَعُمَرُ، قَالا: نا الأَوْزَاعِيُّ، وَقَالَ عُمَرُ: عَنْ.قَالَ: حَدَّثَنِي يَحْيَى، وَقَالَ مَحْمُودٌ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَ مَحْمُودٌ: حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ، حَدَّثَتْنِي فَاطِمَةُ ابْنَةُ قَيْسٍ، أَنَّ أَبَا عَمْرِو بْنَ حَفْصٍ، قَالَ مَحْمُودٌ الْمَخْزُومِيُّ: طَلَّقَهَا ثَلاثًا فَأَمَرَ لَهَا بِنَفَقَةٍ فَاسْتَقَلَّتْهَا، وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعَثَهُ نَحْوَ الْيَمَنِ، وَانْطَلَقَ خَالِدُ بْنُ الْوَلِيدِ فِي نَفَرٍ مِنْ بَنِي مَخْزُومٍ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ فِي بَيْتِ مَيْمُونَةَ، وَقَالَ عُمَرُ: عِنْدَ مَيْمُونَةَ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أَبَا عَمْرِو بْنَ حَفْصٍ طَلَّقَ فَاطِمَةَ ثَلاثًا فَهَلْ لَهَا نَفَقَةٌ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَيْسَتْ لَهَا نَفَقَةٌ وَلا مَسْكَنٌ» .وَأَرْسَلَ إِلَيْهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، أَنْ تَنْتَقِلَ إِلَى أُمِّ شَرِيكٍ، ثُمَّ أَرْسَلَ إِلَيْهَا أَنَّ أُمَّ شَرِيكٍ يَأْتِيهَا الْمُهَاجِرُونَ الأَوَّلُونَ، فَانْتَقِلِي إِلَى ابْنِ أُمِّ مَكْتُومٍ، فَإِنَّكِ إِذَا وَضَعْتِ خِمَارَكِ لَمْ يَرَكِ، وَأَرْسَلَ إِلَيْهَا أَلا تَسْبِقِي بِنَفْسِكِ ".قَالَ: فَزَوَّجَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أُسَامَةَ بْنَ زَيْدٍ، قَالَ: فَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ ثَوْبَانَ، فِي هَذَا قَالَ: وَخَطَبَهَا مُعَاوِيَةُ، وَأَبُو أَحْمَدَ، فَأَرْسَلَ إِلَيْهَا: أَمَّا مُعَاوِيَةُ فَصُعْلُوكٌ، وَقَالَ عُمَرُ: شَابٌّ لا مَالَ لَهُ، وَأَمَّا أَبُو أَحْمَدَ فَإِنَّهُ هراوة، فَانْكِحِي أُسَامَةَ، فَنَكَحَتْ أُسَامَةَ بْنَ زَيْدٍ، وَقَالَ عُمَرُ: فَهَلْ لَكِ إِلَى رَجُلٍ يُحِبُّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ فَتَزَوَّجَتْهُ
২৮ - আমাদের নিকট ইবরাহিম ইবনে দুহাইম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আমার পিতা এবং হিশাম বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট ওয়ালিদ বর্ণনা করেছেন; এবং আমাদের নিকট ইবরাহিম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আমার পিতা এবং মাহমুদ বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট ওয়ালিদ এবং উমর বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট আওযায়ি বর্ণনা করেছেন; আর উমর 'থেকে' শব্দে বর্ণনা করেছেন।তিনি বলেন: আমার নিকট ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন; আর মাহমুদ আবু সালামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন; মাহমুদ বলেন: আমার নিকট আবু সালামাহ বর্ণনা করেছেন, আমার নিকট ফাতিমা বিনতে কাইস বর্ণনা করেছেন যে, আবু আমর ইবনে হাফস—মাহমুদ বলেন: মাখযুমি—তাঁকে তিন তালাক দিয়েছিলেন। এরপর তিনি তাঁর জন্য কিছু ভরণপোষণের নির্দেশ দিয়েছিলেন, কিন্তু তিনি (ফাতিমা) তা নগণ্য মনে করেছিলেন। আর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে (আবু আমরকে) ইয়ামেনের দিকে পাঠিয়েছিলেন। আর খালিদ ইবনুল ওয়ালিদ বনু মাখযুমের একদল লোকসহ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গমন করলেন, তখন তিনি মায়মুনার ঘরে ছিলেন; উমর বলেন: মায়মুনার নিকটে। তখন তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! নিশ্চয়ই আবু আমর ইবনে হাফস ফাতিমাকে তিন তালাক দিয়েছেন, তবে কি তাঁর জন্য কোনো ভরণপোষণ আছে? আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "তাঁর জন্য কোনো ভরণপোষণ নেই এবং বাসস্থানও নেই।"আর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর নিকট সংবাদ পাঠালেন যেন তিনি উম্মু শারিকের নিকট স্থানান্তরিত হন। এরপর পুনরায় তাঁর নিকট সংবাদ পাঠালেন যে, উম্মু শারিকের নিকট প্রথম যুগের মুহাজিরগণ যাতায়াত করেন, সুতরাং তুমি ইবনে উম্মু মাকতুমের নিকট স্থানান্তরিত হও; কারণ তুমি যদি তোমার মাথার ওড়না সরিয়েও ফেলো তবে সে তোমাকে দেখবে না। আর তিনি তাঁর নিকট আরও সংবাদ পাঠালেন যে, তুমি নিজে নিজে (বিয়ের ব্যাপারে) অগ্রণী হয়ো না।তিনি বলেন: এরপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উসামা ইবনে যায়িদের সাথে তাঁর বিবাহ সম্পন্ন করেন। তিনি বলেন: আমার নিকট মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে সাওবান এই বিষয়ে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুআবিয়া এবং আবু আহমদ তাঁর নিকট বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তখন তিনি (রাসূল) তাঁর নিকট সংবাদ পাঠালেন: মুআবিয়ার কথা বলতে গেলে সে তো নিঃস্ব লোক; উমর বলেন: সে এমন যুবক যার কোনো সম্পদ নেই; আর আবু আহমদের কথা বলতে গেলে সে তো লাঠিয়াল (বা কঠোর প্রকৃতির); সুতরাং তুমি উসামাকে বিবাহ করো। এরপর তিনি উসামা ইবনে যায়িদকে বিবাহ করেন। উমর বলেন: (রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন) তোমার কি এমন এক ব্যক্তির প্রতি আগ্রহ আছে যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ভালোবাসে—অর্থাৎ উসামা ইবনে যায়িদ? এরপর তিনি তাঁকে বিবাহ করেন।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়েদ ইবনে দুহাইম
(পৃষ্ঠা: -)
29 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، نا أَبِي، وَمَحْمُودٌ، قَالا: نا الْوَلِيدُ، نا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، قَالَ: وَنا هِشَامٌ، نا مُحَمَّدُ بْنُ شُعَيْبٍ، نا الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ أُمَيَّةَ الضَّمْرِيِّ، وَقَالَ هِشَامٌ: حَدَّثَنِي، قَالَ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «يَمْسَحُ عَلَى الْخُفَّيْنِ وَالْعِمَامَةِ» .وَنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، نا عِمْرَانُ بْنُ زَيْدٍ، نا إِسْمَاعِيلُ بْنُ سمَاعَةَ، نا الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي يَحْيَى، حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَمْرٌو، أَوْ جَعْفَرُ بْنُ عَمْرِو بْنِ أُمَيَّةَ، أَنَّهُ رَأَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، مِثْلَهُ
২৯ - ইবরাহীম ইবনু দুহাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা ও মাহমুদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন, ওয়ালীদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইবরাহীম ইবনু দুহাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। এবং হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মাদ ইবনু শুআইব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আওযাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনু আবী কাসীর আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু সালামাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনু উমাইয়্যাহ আদ-দামরী থেকে। হিশাম বলেন, তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে মোজা ও পাগড়ির উপর মাসেহ করতে দেখেছি।ইবরাহীম ইবনু দুহাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইমরান ইবনু যায়িদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবনু সামাআহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আওযাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু সালামাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমর অথবা জাফর ইবনু আমর ইবনু উমাইয়্যাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে অনুরূপ করতে দেখেছেন।