(খণ্ড: ১) হাদীস ইবনে মুলাইব (পৃষ্ঠা: -)
حديث ابن ملاعب   (أحمد بن ملاعب)

القسم: كتب السنة


الكتاب: حديث ابن ملاعب

المؤلف: أَحْمَدُ بنُ مُلاعِبٍ أَبُو الفَضْلِ البَغْدَادِيُّ المُخَرِّمِيُّ (ت 275هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইবনে মুলাইবের হাদিস   (আহমাদ ইবনে মুলাইব)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: ইবনে মুলাইবের হাদিস

লেখক: আহমাদ ইবনে মুলাইব আবুল ফজল আল-বাগদাদি আল-মুখাররিমি (মৃত্যু ২৭৫ হিজরি)

প্রকাশক: পাণ্ডুলিপিটি ইসলামি নেটওয়ার্ক (ইসলামওয়েব) ওয়েবসাইটের অন্তর্ভুক্ত জাওয়ামি আল-কালিম নামক ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে

সংস্করণ: প্রথম، ২০০৪

[কিতাবটি পাণ্ডুলিপি]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) হাদীস ইবনে মুলাইব (পৃষ্ঠা: -)
جُزْءٌ فِيهِ مِنْ حَدِيثِ أَبِي الْفَضْلِ أَحْمَدَ بْنِ مُلاعِبٍ رِوَايَةُ أَبِي جَعْفَرٍ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْبَخْتَرِيِّ ، عَنْهُ رِوَايَةُ أَبِي عُمَرَ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَهْدِيٍّ ، عَنْهُ رِوَايَةُ أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْخَطِيبِ الأَنْبَارِيِّ ، عَنْهُ رِوَايَةُ أَبِي الْفَتْحِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ أَحْمَدَ بْنِ سَلْمَانَ ، عَنْهُ رِوَايَةُ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ قُدَامَةَ الْمَقْدِسِيِّ ، عَنْهُ رِوَايَةُ الشَّيْخِ أَبِي زَكَرِيَّا يَحْيَى بْنِ أَبِي مَنْصُورِ بْنِ أَبِي الْفَتْحِ الصَّيْرَفِيِّ الْحَرَّانِيِّ ، عَنْهُ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ ، وَبِهِ أَسْتَعِينُ أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ الْعَالِمُ جَمَالُ الدِّينِ أَبُو زَكَرِيَّا يَحْيَى بْنُ أَبِي مَنْصُورِ بْنِ أَبِي الْفَتْحِ بْنِ الصَّيْرَفِيِّ الْحَرَّانِيُّ ، أَثَابَهُ اللَّهُ الْجَنَّةَ وَإِيَّاكُمْ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ ، فِي خَامِسَ عَشَرَ مِنْ ذِي الْقِعْدَةِ ، سَنَةَ خَمْسٍ وَسِتِّينَ وَسِتِّمِائَةٍ ، قِيلَ لَهُ أَخْبَرَكَ الشَّيْخُ الإِمَامُ الْعَالِمُ بَقِيَّةُ السَّلَفِ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ قُدَامَةَ الْمَقْدِسِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ بِجَامِعِ دِمَشْقَ ، فِي جُمَادَى الآخِرِ ، سَنَةَ ثَمَانٍ وَسِتِّمِائَةٍ ، أنبا أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ أَحْمَدَ بْنِ سَلْمَانَ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ سَنَةَ إِحْدَى وَسِتِّينَ وَخَمْسِمِائَةٍ ، أنبا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْخَطِيبُ الأَنْبَارِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي سَنَةِ أَرْبَعٍ وَثَمَانِينَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ ، قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو عُمَرَ عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَهْدِيٍّ ، فِي جُمَادَى الأُولَى مِنْ سَنَةِ سَبْعٍ وَأَرْبَعِمِائَةٍ ، فَأَقَرَّ بِهِ ، أنبا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ الْبَخْتَرِيِّ الرَّزَّازُ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، ثنا أَبُو الْفَضْلِ أَحْمَدُ بْنُ مُلاعِبٍ ،
আবু আল-ফজল আহমদ ইবনে মুলায়িব-এর বর্ণিত হাদিসের একটি অংশ; তাঁর সূত্রে আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আমর ইবনুল বাখতারি-এর বর্ণনা, তাঁর সূত্রে আবু উমর আবদুল ওয়াহিদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মাহদি-এর বর্ণনা, তাঁর সূত্রে আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল-খতিব আল-আনবারি-এর বর্ণনা, তাঁর সূত্রে আবুল ফাতহ মুহাম্মদ ইবনে আবদুল বাকি ইবনে আহমদ ইবনে সালমান-এর বর্ণনা, তাঁর সূত্রে আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে কুদামা আল-মাকদিসি-এর বর্ণনা, তাঁর সূত্রে শায়খ আবু জাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবনে আবি মনসুর ইবনে আবিল ফাতহ আস-সাইরাফি আল-হাররানি-এর বর্ণনা। পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আর আমি তাঁরই সাহায্য প্রার্থনা করছি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, ইমাম, বিজ্ঞ আলেম জামালুদ্দিন আবু জাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবনে আবি মনসুর ইবনে আবিল ফাতহ ইবন আস-সাইরাফি আল-হাররানি —আল্লাহ তাঁকে ও আপনাদেরকে জান্নাত প্রতিদান হিসেবে দান করুন— ৬৬৫ হিজরি সালের ১৫ই জিলকদ মাসে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে যখন আমি শ্রবণ করছিলাম। তাঁকে বলা হলো: আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, ইমাম, বিজ্ঞ আলেম, পূর্বসূরিদের স্মৃতিচিহ্ন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে কুদama আল-মাকদিসি, ৬০৮ হিজরি সালের জমাদিউল আখির মাসে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে যখন আপনি দামেস্কের জামে মসজিদে শ্রবণ করছিলেন। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ মুহাম্মদ ইবনে আবদুল বাকি ইবনে আহমদ ইবনে সালমান, ৫৬১ হিজরি সালে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে যখন আমি শ্রবণ করছিলাম। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল-খতিব আল-আনবারি, ৪৮৪ হিজরি সালে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে যখন আমি শ্রবণ করছিলাম। তাঁকে বলা হলো: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উমর আবদুল ওয়াহিদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মাহদি, ৪০৭ হিজরি সালের জমাদিউল উলা মাসে, অতঃপর তিনি তা স্বীকার করে নিলেন। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আমর ইবনুল বাখতারি আর-রাজজাজ, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-ফজল আহমদ ইবনে মুলায়িব।
(খণ্ড: ১) হাদীস ইবনে মুলাইব (পৃষ্ঠা: -)
1 - ثنا أَبُو إِسْمَاعِيلَ ثَابِتُ بْنُ مُحَمَّدٍ الزَّاهِدُ ، ثنا سُفْيَانُ بْنُ سَعِيدٍ الثَّوْرِيُّ ، وَزَائِدَةُ بْنُ قُدَامَةَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو ، عَنْ عُبَيْدَةَ بْنِ سُفْيَانَ الْحَضْرَمِيِّ ، عَنْ أَبِي الْجَعْدِ الضَّمْرِيِّ ، قَالَ زَائِدَةُ: وَكَانَتْ لَهُ صُحْبَةٌ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنْ تَرَكَ الْجُمُعَةَ ثَلاثَ مَرَّاتٍ تَهَاوُنًا بِهَا طَبَعَ اللَّهُ قَلْبَهُ»
১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসমাঈল সাবিত ইবনে মুহাম্মদ আজ-জাহিদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে সাঈদ আস-সাওরী এবং যাইদাহ ইবনে কুদামাহ, তাঁরা মুহাম্মদ ইবনে আমর থেকে, তিনি উবায়দাহ ইবনে সুফিয়ান আল-হাদরামি থেকে, তিনি আবুল জাদ আদ-দামরি থেকে বর্ণনা করেছেন। যাইদাহ বলেন: তাঁর (রাসূলুল্লাহর) সাহচর্য লাভের সৌভাগ্য হয়েছিল। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি অবহেলাবশত তিনবার জুমার সালাত পরিত্যাগ করবে, আল্লাহ তার অন্তরে মোহর মেরে দেবেন»
(খণ্ড: ১) হাদীস ইবনে মুলাইব (পৃষ্ঠা: -)
2 - حدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا ثَابِتُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، ثنا الْحَارِثُ بْنُ النُّعْمَانِ اللَّيْثِيُّ ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ‌‌«مَنْ سَأَلَ مِنْ غَيْرِ فَاقَةٍ نَزَلَتْ بِهِ أَوْ عِيَالٍ لا يُطِيقُهُمْ فَتَحَ اللَّهُ عَلَيْهِ مِنْ بَابِ فَقْرٍ مِنْ حَيْثُ لا يَحْتَسِبُ»
২ - আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন, সাবিত ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হারিস ইবনুন নুমান আল-লাইসী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের হতে, তিনি ইবনে আব্বাস হতে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: “যে ব্যক্তি কোনো আপতিত অভাব-অনটন অথবা এমন পরিবার যার ভার বহনে সে সক্ষম নয়—এমন কারণ ছাড়াই যাচ্ঞা করে, আল্লাহ তার জন্য অভাবের এমন এক দরজা খুলে দেন যা সে কল্পনাও করতে পারে না।”
(খণ্ড: ১) হাদীস ইবনে মুলাইব (পৃষ্ঠা: -)
3 - حدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا ثَابِتٌ ، ثنا سُفْيَانُ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ عُمَيْرٍ ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَمْسَحُ مَنَاكِبَنَا فِي الصَّلاةِ وَيَقُولُ: "‌‌ اسْتَوُوا لا تَخْتَلِفُوا فَتَخْتَلِفُ قُلُوبُكُمْ ، لِيَلِنِي مِنْكُمْ أُولُوا الأَحْلامِ وَالنُّهَى ، ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ ، ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ ، قَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ: فَأَنْتُمُ الْيَوْمَ أَشَدُّ اخْتِلافًا "
৩ - আমাদের নিকট আহমদ বর্ণনা করেছেন, সাবিত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফইয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাশ থেকে, তিনি উমারা ইবনে উমাইর থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সালাতে আমাদের কাঁধসমূহ স্পর্শ করতেন এবং বলতেন: "‌‌তোমরা সোজা হও, বিচ্ছিন্ন হয়ো না, অন্যথায় তোমাদের হৃদয়ে বিভেদ সৃষ্টি হবে; তোমাদের মধ্যে যারা প্রজ্ঞাবান ও বুদ্ধিমান তারা যেন আমার নিকটবর্তী থাকে, অতঃপর যারা তাদের পরবর্তী, অতঃপর যারা তাদের পরবর্তী।" ইবনে মাসউদ বলেন: "অথচ তোমরা আজ সবচেয়ে বেশি মতপার্থক্যে লিপ্ত।"
(খণ্ড: ১) হাদীস ইবনে মুলাইব (পৃষ্ঠা: -)
4 - حدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا ثَابِتٌ ، ثنا فِطْرُ بْنُ خَلِيفَةَ ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ ، عَنْ ثَعْلَبَةَ بْنِ يَزِيدَ الْحِمَّانِيِّ ، قَالَ: سَمِعْتُ عَلِيٌّا ، يَقُولُ: كَفَى عَهْدُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِلَيَّ «أَنَّ‌‌ الأُمَّةَ سَتَغْدِرُ بِكَ بَعْدِي»
৪ - আহমাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, সাবিত আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ফিতর ইবনে খলিফা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হাবীব ইবনে আবি সাবিত থেকে, তিনি সা'লাবাহ ইবনে ইয়াযিদ আল-হিমানী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আলীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আমার প্রতি কৃত এই অঙ্গীকারই (আমার জন্য) যথেষ্ট যে, “নিশ্চয়ই উম্মত আমার পরে তোমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করবে।”
(খণ্ড: ১) হাদীস ইবনে মুলাইব (পৃষ্ঠা: -)
5 - حدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا عَمْرُو بْنُ طَلْحَةَ الْقَنَّادُ ، ثنا أَسْبَاطٌ ، عَنْ سِمَاكٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: ‌‌«إِذَا ظَهَرَ الرِّيَاءُ بِأَرْضٍ فَقَدْ حَلَّ بِهَا عِقَابُ اللَّهِ»
৫ - আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর ইবনে তালহা আল-ক্বান্নাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আসবাত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সিমাক থেকে বর্ণিত, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা (আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «যখন কোনো জনপদে রিয়া (লোকদেখানো আমল) প্রকাশ পায়, তখন সেখানে আল্লাহর শাস্তি অবধারিত হয়ে পড়ে»
(খণ্ড: ১) হাদীস ইবনে মুলাইব (পৃষ্ঠা: -)
6 - حدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا عَمْرُو بْنُ طَلْحَةَ ، ثنا أَسْبَاطٌ ، عَنْ سِمَاكٍ ، عَنْ عِكْرِمَةَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، أَنَّهُ سُئِلَ عَنِ‌‌ الطُّحَالِ أَيُؤْكَلُ؟ قَالَ: نَعَمْ ، قَالَ رَجُلٌ: فَإِنَّ فِيهَا دَمًا ، قَالَ: إِنَّمَا قَالَ اللَّهُ عز وجل: {أَوْ دَمًا مَسْفُوحًا} [الأنعام: 145] ، الْمَسْفُوحُ الْمُهْرَاقُ
৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেছেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে তালহা, তিনি বলেছেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আসবাত, তিনি সিমাক থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, আর তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, তাকে প্লীহা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল—তা কি খাওয়া যাবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ। এক ব্যক্তি বললেন: এতে তো রক্ত রয়েছে। তিনি বললেন: আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা কেবল বলেছেন: {অথবা প্রবাহিত রক্ত} [আল-আনআম: ১৪৫], আল-মাসফূহ বা প্রবাহিত হলো যা ঢেলে দেওয়া হয়েছে।
(খণ্ড: ১) হাদীস ইবনে মুলাইব (পৃষ্ঠা: -)
7 - حدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا عَمْرُو بْنُ طَلْحَةَ ، ثنا أَسْبَاطٌ ، عَنْ سِمَاكٍ ، عَنْ عِكْرِمَةَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، عَنْ عُمَرَ ، أَنَّهُ قَالَ: ‌‌«عَلِيٌّ أَقْضَانَا ، وَأُبَيٌّ أَقْرَؤُنَا ، وَإِنَّا لَنَرْغَبُ عَنْ كَثِيرٍ مِنْ لَحْنِ أُبَيٍّ»
৭ - আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আমর ইবনে তালহা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আসবাত বর্ণনা করেছেন, তিনি সিমাক থেকে, তিনি ইকরিমা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: «আলী আমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বিচারক এবং উবাই আমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ পাঠকারী; আর নিশ্চয়ই আমরা উবাইয়ের অনেক পাঠরীতি বর্জন করি»
(খণ্ড: ১) হাদীস ইবনে মুলাইব (পৃষ্ঠা: -)
8 - حدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا عَمْرُو بْنُ طَلْحَةَ ، ثنا أَسْبَاطٌ ، عَنْ سِمَاكٍ ، عَنْ عِكْرِمَةَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، أَنَّهُ قَالَ: ‌‌«إِذَا بَلَغَنَا شَيْءٌ عَنْ عَلِيٍّ قَضَاءٌ أَوْ فُتْيَا وَثَبَتَ لَمْ نُجَاوِزْهُ إِلَى غَيْرِهِ»
৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে তালহা, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আসবাত, তিনি সিমাক থেকে, তিনি ইকরামা থেকে, আর তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «যখন আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে কোনো বিচারিক ফয়সালা বা ফতোয়া আমাদের কাছে পৌঁছে এবং তা প্রমাণিত হয়, তখন আমরা তা অতিক্রম করে অন্য কারো দিকে যাই না»
(খণ্ড: ১) হাদীস ইবনে মুলাইব (পৃষ্ঠা: -)
9 - حدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا عَمْرُو بْنُ طَلْحَةَ ، ثنا أَسْبَاطٌ ، عَنْ سِمَاكٍ ، عَنْ عِكْرِمَةَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، أَنَّ امْرَأَةً سَأَلَتْهُ فَقَالَتْ:‌‌ آخُذُ مَالَ زَوْجِي؟ قَالَ: لا إِلَّا بِإِذْنِهِ ، قَالَ: أَرَأَيْتِ لَوْ أَغَارَ عَلَى حُلِيِّكِ فَأَخَذَهُ أَكُنْتِ تَرْضِينَ؟ قَالَتْ: لا ، قَالَ: فَحُرْمَتُهُ عَلَيْكِ أَعْظَمُ مِنْ حَقِّكِ عَلَيْهِ

حدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا عَمْرُو بْنُ طَلْحَةَ الْقَنَّادُ ، ثنا أَسْبَاطٌ ، عَنْ سِمَاكٍ ، عَنْ عِكْرِمَةَ ، أَنَّهُ سُئِلَ عَنِ الْجَرَادِ ، فَقَالَ: كَانَ عَمْرٌو وَهُوَ خَيْرُكُمْ يَأْكُلُهُ
৯ - আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর ইবনে তালহা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আসবাত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সিমাক থেকে, তিনি ইকরামা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, জনৈক নারী তাঁকে জিজ্ঞাসা করে বলল: আমি কি আমার স্বামীর সম্পদ নিতে পারি? তিনি বললেন: না, তাঁর অনুমতি ব্যতীত নয়। তিনি বললেন: তুমি কি মনে করো, যদি সে তোমার অলঙ্কারের ওপর চড়াও হতো এবং তা নিয়ে নিত, তবে কি তুমি তাতে সন্তুষ্ট হতে? সে বলল: না , তিনি বললেন: তবে তোমার ওপর তাঁর সম্পদের মর্যাদা তোমার হকের চেয়েও মহান।

আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর ইবনে তালহা আল-কান্নাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আসবাত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সিমাক থেকে, তিনি ইকরামা থেকে বর্ণনা করেন যে, তাঁকে ফড়িং সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: আমর এটি ভক্ষণ করতেন, অথচ তিনি তোমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি ছিলেন।
(খণ্ড: ১) হাদীস ইবনে মুলাইব (পৃষ্ঠা: -)
10 - حدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا عَمْرُو بْنُ طَلْحَةَ ، ثنا أَسْبَاطٌ ، عَنْ سِمَاكٍ ، عَنْ عِكْرِمَةَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، أَنَّ امْرَأَةً سَأَلَتْهُ فَقَالَتْ: إِنَّ أُمِّي مَاتَتْ وَلَمْ تَحُجَّ أَفَأَحُجُّ عَنْهَا؟ قَالَ: "‌‌ أَكَانَ عَلَى أُمِّكِ دَيْنٌ؟ قَالَتْ: نَعَمْ ، قَالَ: فَقَضَيْتِيهِ؟ قَالَتْ: نَعَمْ ، قَالَ: فَإِنَّ اللَّهَ عز وجل خَيْرُ غُرَمَائِكِمُ انْطَلِقِي فَحُجِّي عَنْهَا "
১০ - আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আমর ইবনে তালহা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আসবাত বর্ণনা করেছেন, তিনি সিমাক থেকে, তিনি ইকরামা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, এক মহিলা তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন এবং বললেন: আমার মা মৃত্যুবরণ করেছেন অথচ তিনি হজ করেননি; আমি কি তাঁর পক্ষ থেকে হজ করব? তিনি বললেন: "‌‌ তোমার মায়ের ওপর কি কোনো ঋণ ছিল? তিনি বললেন: হ্যাঁ। তিনি বললেন: তবে কি তুমি তা পরিশোধ করেছ? তিনি বললেন: হ্যাঁ। তিনি বললেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত তোমাদের পাওনাদারদের মধ্যে সর্বোত্তম। যাও এবং তাঁর পক্ষ থেকে হজ করো।"
(খণ্ড: ১) হাদীস ইবনে মুলাইব (পৃষ্ঠা: -)
11 - حدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ ، ثنا يُونُسُ بْنُ بُكَيْرٍ ، ثنا طَلْحَةُ بْنُ يَحْيَى ، عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ ، حَدَّثَنِي عُقَيْلُ بْنُ أَبِي طَالِبٍ قَالَ: جَاءَتْ قُرَيْشٌ إِلَى أَبِي طَالِبٍ فَقَالُوا: إِنَّ ابْنَ أَخِيكِ يُؤْذِينَا فِي نَادِينَا وَفِي مَسْجِدِنَا فَانْهَهُ عَنْ أَذَانَا ، فَقَالَ: يَا عُقَيْلُ آتِينِي بِمُحَمَّدٍ ، قَالَ: فَذَهَبْتُ فَجِئْتُهُ بِهِ فَقَالَ: يَابْنَ أَخِي إِنَّ بَنِي عَمِّكَ يَزْعُمُونَ أَنَّكَ تُؤْذِيهِمْ فِي نَادِيهِمْ وَفِي مَسْجِدِهِمْ فَانْتَهِ عَنْ أَذَاهُمْ ، فَحَلَّقَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِبَصَرِهِ إِلَى السَّمَاءِ ، فَقَالَ: ‌‌«تَرَوْنَ الشَّمْسَ؟» قَالُوا: نَعَمْ ، قَالَ: «هَلْ تَقْدِرُونَ عَلَى أَنْ تَسْتَشْعِلُوا لِي مِنْهَا شُعْلَةً؟» قَالُوا: لا ، قَالَ: «مَا أَنْتُمْ بِأَقْدَرَ عَلَى أَنْ أَدَعَ ذَلِكَ مِنْكُمْ عَلَى أَنْ تَسْتَشْعِلُوا لِي مِنْهَا شُعْلَةً» ، قَالَ: فَقَالَ أَبُو طَالِبٍ: مَا كَذَبَنَا ابْنُ أَخِي قَطُّ
১১ - আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমাইর থেকে, তিনি ইউনুস ইবনু বুকাইর থেকে, তিনি তালহা ইবনু ইয়াহইয়া থেকে, তিনি মুসা ইবনু তালহা থেকে, তিনি বলেন, উকাইল ইবনু আবি তালিব আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে: কুরাইশরা আবু তালিবের নিকট এসে বলল: আপনার ভাতিজা আমাদের মজলিসে এবং আমাদের মসজিদে আমাদের কষ্ট দিচ্ছে, সুতরাং তাকে আমাদের কষ্ট দেওয়া থেকে বিরত রাখুন। তখন আবু তালিব বললেন: হে উকাইল, মুহাম্মাদকে আমার কাছে নিয়ে আসো। বর্ণনাকারী বলেন: আমি গেলাম এবং তাকে নিয়ে আসলাম। আবু তালিব বললেন: হে ভাতিজা, তোমার চাচাতো ভাইয়েরা ধারণা করছে যে তুমি তাদের মজলিসে ও মসজিদে তাদের কষ্ট দিচ্ছ; সুতরাং তাদের কষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকো। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর দৃষ্টি আকাশের দিকে নিবদ্ধ করলেন এবং বললেন: «তোমরা কি সূর্য দেখতে পাচ্ছ?» তারা বলল: হ্যাঁ। তিনি বললেন: «তোমরা কি আমার জন্য তা থেকে আগুনের একটি শিখা জ্বালিয়ে আনতে সক্ষম?» তারা বলল: না। তিনি বললেন: «তোমরা আমার জন্য তা থেকে আগুনের শিখা জ্বালিয়ে আনতে যতটুকু অক্ষম, আমি তোমাদের কারণে এই বিষয়টি (আল্লাহর দ্বীন প্রচার) ছেড়ে দেওয়ার ব্যাপারে তার চেয়ে বেশি সক্ষম নই (অর্থাৎ কোনোভাবেই সম্ভব নয়)»। বর্ণনাকারী বলেন: তখন আবু তালিব বললেন: আমার ভাতিজা আমাদের কাছে কখনো মিথ্যা বলেনি।
(খণ্ড: ১) হাদীস ইবনে মুলাইব (পৃষ্ঠা: -)
12 - حدَّثَنَا أَحْمَدُ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ طَلْحَةَ الْقَنَّادِ ، ثنا أَسْبَاطٌ ، عَنْ سِمَاكٍ ، عَنْ عِكْرِمَةَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «كَانَ‌‌ يُصَلِّي عَلَى حَصِيرٍ»
১২ - আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে তালহা আল-ক্বান্নাদ হতে, আসবাত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সিমাক হতে, তিনি ইকরিমাহ হতে, তিনি ইবনে আব্বাস হতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম «তিনি পাটির উপর সালাত আদায় করতেন।»
(খণ্ড: ১) হাদীস ইবনে মুলাইব (পৃষ্ঠা: -)
13 - حدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا عَمْرُو بْنُ طَلْحَةَ ، ثنا أَسْبَاطٌ ، عَنْ سِمَاكٍ ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ ، قَالَ:‌‌ صَلَّيْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَكَانَ يُخَفِّفُ نَحْوَ صَلَوَاتِكُمْ وَلَكِنَّهُ كَانَ يُصَلِّي الظُّهْرَ حِينَ تَزُولُ الشَّمْسُ وَكَانَ يَقْرَأُ فِي الْفَجْرِ بِـ يَاسِينَ وَحم وَنَحْوَ ذَلِكَ
১৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে তালহা, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আসবাত, তিনি সিমাক থেকে, তিনি জাবির ইবনে সামুরাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সালাত আদায় করেছি। তিনি তোমাদের সালাতের মতোই সংক্ষেপ করতেন, তবে তিনি যোহরের সালাত আদায় করতেন যখন ঢলে পড়ত সূর্য এবং তিনি ফজরের সালাতে সূরা ইয়াসিন, হা-মীম এবং এই জাতীয় সূরা পাঠ করতেন।
(খণ্ড: ১) হাদীস ইবনে মুলাইব (পৃষ্ঠা: -)
14 - حدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا عَمْرُو بْنُ طَلْحَةَ ، ثنا أَسْبَاطٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ طَلْقِ بْنِ حَبِيبٍ ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ ، أَنَّهُ قَالَ: ‌‌«لأَنْ أُسَبِّحَ فِي يَوْمٍ مِائَةَ تَسْبِيحَةٍ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ أَنْ أُحْمَلَ عَلَى مِائَةٍ مِنَ الْجِيَادِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ عز وجل»

حدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا عَمْرُو بْنُ طَلْحَةَ ، ثنا أَسْبَاطٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ هِلالِ بْنِ يَسَافٍ ، قَالَ: كَانَ الرَّجُلُ مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ إِذَا بَلَغَ أَرْبَعِينَ سَنَةً تَخَلَّى لِلْعِبَادَةِ

حدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا جَنْدَلُ بْنُ وَالِقٍ ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو الرَّقِّيُّ ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنْ هِشَامِ بْنِ حَسَّانٍ ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ ، قَالَ: أَتَى حُجْرُ بْنُ عَدِيٍّ حَيْثُ دُعِيَ بِهِ مُعَاوِيَة ، فَقَالَ: إِنِّي لأَرَى هَذَا قَاتِلِي ، فَإِنْ هُوَ قَتَلَنِي فَلا تُطْلِقُوا عَنِّي حَدِيدًا ، وَادْفِنُونِي بِثِيَابِي وَدَمِي فَإِنِّي مُلاقٍ مُعَاوِيَةَ عَلَى الْجَادَّةِ
১৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে তালহা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আসবাত, মানসুর থেকে, তিনি তালক ইবনে হাবিব থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «আল্লাহ তাআলার পথে একশটি তেজি ঘোড়ায় চড়ে জিহাদ করার চেয়ে একদিনে একশবার তাসবিহ পাঠ করা আমার নিকট অধিক প্রিয়।»

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে তালহা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আসবাত, মানসুর থেকে, তিনি হিলাল ইবনে ইয়াসাফ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: মদিনাবাসীদের মধ্যে কোনো ব্যক্তি যখন চল্লিশ বছর বয়সে পদার্পণ করতেন, তখন তিনি ইবাদতের জন্য নিজেকে ফারিগ করে নিতেন (বা ইবাদতে একনিষ্ঠ হতেন)।

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জানদাল ইবনে ওয়ালিক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ ইবনে আমর আর-রাক্কি, তিনি মা’মার থেকে, তিনি হিশাম ইবনে হাসান থেকে, তিনি ইবনে সিরিন থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: হুজর ইবনে আদি যখন সেখানে আসলেন যেখানে মুয়াবিয়া তাকে ডেকেছিলেন, তখন তিনি বললেন: আমি অবশ্যই দেখছি যে তিনি আমাকে হত্যা করবেন। সুতরাং তিনি যদি আমাকে হত্যা করেন, তবে আমার শরীর থেকে লোহার শেকল খুলবে না এবং আমাকে আমার পরিহিত কাপড় ও রক্তসহ দাফন করো; কেননা আমি (বিচার দিবসের) সঠিক পথে মুয়াবিয়ার সাথে সাক্ষাৎ করব।
(খণ্ড: ১) হাদীস ইবনে মুলাইব (পৃষ্ঠা: -)
15 - حدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا جَنْدَلُ بْنُ وَالِقٍ ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو ، وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عُقَيْلٍ ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا أَرَادَ أَنْ يُضَحِّيَ اشْتَرَى كَبْشَيْنِ عَظِيمَيْنِ أَقْرَنَيْنِ مَوْجُوءَيْنِ فَإِذَا صَلَّى وَخَطَبَ دَعَا بِأَحَدِهِمَا وَهُوَ فِي الصَّلاةِ فَذَبَحَهُ بِيَدِهِ ، ثُمَّ قَالَ:‌‌ اللَّهُمَّ هَذَا عَنْ أُمَّتِي جَمِيعًا مَنْ يَشْهَدُ لَكَ بِالتَّوْحِيدِ وَيَشْهَدُ بِالْبَلاغِ ، ثُمَّ يُؤْتَى بِالآخَرِ فَيَذْبَحُهُ ، ثُمَّ يَقُولُ: «اللَّهُمَّ إِنَّ هَذَا عَنْ مُحَمَّدٍ وَآلِ مُحَمَّدٍ» ، فَمَكَثْتُ سِنِينَ لَيْسَ مِنْ بَنِي هَاشِمٍ أَحَدٌ يُضَحِّي ، قَدْ كَفَانَا اللَّهُ وَرَسُولُهُ الْمُؤْنَةَ وَالْغُرْمَ
১৫ - আমাদের নিকট আহমদ বর্ণনা করেছেন, তিনি জানদাল ইবনে ওয়ালিক থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর থেকে, এবং আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে উকাইল থেকে, তিনি আলী ইবনে হুসাইন থেকে, তিনি আবু রাফি থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন কুরবানী করার ইচ্ছা করতেন, তখন তিনি বড় আকৃতির শিংবিশিষ্ট দুইটি খাসি করা দুম্বা ক্রয় করতেন। অতঃপর যখন তিনি সালাত আদায় ও খুতবা প্রদান শেষ করতেন, তখন তিনি সেগুলোর একটি আনতে বলতেন এবং তিনি সালাতের স্থানে থাকা অবস্থাতেই নিজ হাতে তা যবেহ করতেন। এরপর তিনি বলতেন: হে আল্লাহ, এটি আমার ঐ সকল উম্মতের পক্ষ থেকে যারা আপনার একত্ববাদের সাক্ষ্য দেয় এবং রিসালাত পৌঁছে দেওয়ার সাক্ষ্য দেয়। অতঃপর অপরটি আনা হতো এবং তিনি তা যবেহ করতেন। এরপর তিনি বলতেন: "হে আল্লাহ, এটি মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদের পরিবারের পক্ষ থেকে।" এরপর আমি কয়েক বছর এমন অবস্থায় অতিবাহিত করেছি যে বনী হাশিমের কেউ কুরবানী করত না; আল্লাহ ও তাঁর রাসূল আমাদের জন্য সেই ব্যয়ভার ও ঋণের বোঝা বহনে যথেষ্ট হয়েছিলেন।
(খণ্ড: ১) হাদীস ইবনে মুলাইব (পৃষ্ঠা: -)
16 - حدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا جَنْدَلُ بْنُ وَالِقٍ ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ ، عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ ، عَنْ مُجَاهِدٍ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ أَنَّهُ كَانَ‌‌ يَضْرِبُ فُسْطَاطَهُ فِي الْحِلِّ وَيَجْعَلُ مُصَلاهُ فِي الْحَرَمِ أَشَدَّ مِنْهَا فِي الْحِلِّ
১৬ - আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জানদাল ইবনে ওয়ালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবাইদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল কারিম থেকে বর্ণিত, মুজাহিদ থেকে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস থেকে বর্ণিত যে, তিনি হিলে (হারামের বাইরের এলাকা) তাঁর তাঁবু স্থাপন করতেন এবং হারামের ভেতরে তাঁর সালাত আদায়ের স্থান নির্ধারণ করতেন, যা হিলের তুলনায় তাঁর নিকট অধিক গুরুত্ববহ ছিল।
(খণ্ড: ১) হাদীস ইবনে মুলাইব (পৃষ্ঠা: -)
17 - حدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا جَنْدَلٌ ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ ، عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ ، عَنْ مُجَاهِدٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ: ‌‌«إِذَا اقْتَرَضْتَ قَرْضًا فَلا تَأْخُذْ إِلا قَرْضَكَ»

حدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا جَنْدَلٌ ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ ، عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ قَالَ: كَتَبَ إِلَيْنَا عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ أَنْ لا تُبَاعَ الأَزْوَادُ حَتَّى تُقْبَضَ إِلا أَنْ تُبَاعَ مِمَّنْ خَرَجَتْ عَلَيْهِ
১৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জানদাল, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ, তিনি আব্দুল কারীম থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «যখন তুমি কোনো ঋণ প্রদান করবে, তখন তোমার আসল ঋণের অতিরিক্ত কিছু গ্রহণ করো না»

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জানদাল, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ, তিনি আব্দুল কারীম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উমর ইবনে আব্দুল আযীয আমাদের নিকট লিখে পাঠিয়েছেন যে, খাদ্যসামগ্রী বা রশদ হস্তগত করার পূর্বে যেন তা বিক্রি করা না হয়, তবে যার নামে তা বরাদ্দ করা হয়েছে তার কাছে বিক্রি করা যাবে।
(খণ্ড: ১) হাদীস ইবনে মুলাইব (পৃষ্ঠা: -)
18 - حدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا جَنْدَلٌ ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ ، عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ ، عَنْ زِيَادِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ قَالَ: رَأَيْتُ الْمُغِيرَةَ بْنَ شُعْبَةَ‌‌ جَاءَ يَوْمَ فِطْرٍ أَوْ أَضْحَى فَبَدَأَ بِالصَّلاةِ قَبْلَ الْخُطْبَةِ ثُمَّ رَكِبَ نَجِيبًا لَهُ فَخَطَبَ
১৮ - আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জানদাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবাইদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল কারীম থেকে, তিনি যিয়াদ ইবনে আবি মারইয়াম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি মুগীরা ইবনে শুবা-কে দেখলাম তিনি ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিন আসলেন এবং খুতবার পূর্বে সালাত শুরু করলেন, এরপর তিনি তাঁর একটি উন্নত মানের সওয়ারিতে আরোহণ করলেন এবং খুতবা প্রদান করলেন।
(খণ্ড: ১) হাদীস ইবনে মুলাইব (পৃষ্ঠা: -)
19 - حدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا جَنْدَلٌ ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ ، عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، أَنَّهُ قَالَ:‌‌ إِيَّاكُمْ وَالإِعْرَابَ ، قَالُوا: وَمَا الإِعْرَابُ؟ قَالَ: الرَّفَثُ
১৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জানদাল, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ, তিনি আব্দুল কারীম হতে, তিনি আবু যুবাইর হতে, তিনি ইবনে আব্বাস হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: তোমরা ‘ই‘রাব’ হতে সাবধান থেকো। তারা জিজ্ঞেস করলেন: ‘ই‘রাব’ কী? তিনি বললেন: অশ্লীল কথাবার্তা।
(খণ্ড: ১) হাদীস ইবনে মুলাইব (পৃষ্ঠা: -)
20 - حدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا جَنْدَلٌ ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ ، عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ عَنْ عِكْرِمَةَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ فِي قَوْلِهِ عز وجل: ‌‌{نِسَاؤُكُمْ حَرْثٌ لَكُمْ فَأْتُوا حَرْثَكُمْ أَنَّى شِئْتُمْ} [البقرة: 223] ، قَالَ: ايتِهَا كَيْفَ شِئْتَ وَلَكِنْ لا يَأْتِيهَا كَمَا يَأْتِي قَوْمُ لُوطٍ

حدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا جَنْدَلٌ ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ ، عَنْ خُصَيْفٍ قَالَ: سَأَلْتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ ، عَنْ رَجُلٍ قَبَّلَ امْرَأَتَهُ وَهُوَ مُحْرِمٌ؟ قَالَ: يَذْبَحُ شَاةً
২০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি জানদাল থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ থেকে, তিনি আব্দুল কারীম থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, এবং তিনি ইবনে আব্বাস থেকে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর এই বাণী প্রসঙ্গে বর্ণনা করেন: ‌{তোমাদের স্ত্রীগণ তোমাদের শস্যক্ষেত্র; অতএব তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যেভাবে ইচ্ছা গমন করো} [আল-বাকারা: ২২৩]। তিনি বলেন: "তুমি তার নিকট যেভাবে ইচ্ছা আসো, তবে লুতের সম্প্রদায়ের মতো (মলদ্বারে) তাদের নিকট এসো না।"

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি জানদাল থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ থেকে, তিনি খুসাইফ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি সাঈদ ইবনে জুবায়েরকে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে ইহরাম অবস্থায় থাকাকালীন তার স্ত্রীকে চুম্বন করেছে? তিনি বললেন: "সে একটি বকরি জবেহ করবে।"
(খণ্ড: ১) হাদীস ইবনে মুলাইব (পৃষ্ঠা: -)
21 - حدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا جَنْدَلٌ ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ: جِيءَ بِأَبِي يَوْمَ أُحُدٍ مُجَدَّعًا قَالَ: فَجَعَلْتُ أَبْكِي عَلَيْهِ وَأَكْشِفُ عَنْ وَجْهِهِ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لا يَنْهَانِي فَلَمَّا رُفِعَ قَالَ:‌‌ مَا زَالَتِ الْمَلائِكَةُ حَافَّتُهُ بِأَجْنِحَتِهَا حَتَّى رُفِعَ، قَالَ جَابِرٌ: وَكَانَ عَلَيْهِ دَيْنٌ فَجَاءَ الْغُرَمَاءُ فَجَعَلُوا يَنْظُرُونَ إِلَى النَّخْلِ ، فَجَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَدَخَلَ النَّخْلَ وَدَعَا بِالْبَرَكَةِ ، ثُمَّ قَالَ: جُزَّهُ وَاقْضِهِ " ، قَالَ: فَجَزَزْتُهُ وَقَضَيْتُ فَفَضِلَ لِي مِثْلُ مَا كَانَ فِي النَّخْلِ

آخِرُ الْجُزْءِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَحْدَهُ ، كَتَبَهُ لِنَفْسِهِ الْفَقِيرُ إِلَى رَبِّهِ عَلِيُّ بْنُ سَالِمِ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ الْعربَانِيِّ الْحِصْنِيُّ ، وَصَلَّى اللَّهُ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَآلِهِ وَصَحْبِهِ وَسَلَّمَ تَسْلِيمًا كَثِيرًا.
২১ - আমাদের কাছে আহমদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে জানদাল বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে উবাইদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন আল-মুনকাদির থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উহুদ যুদ্ধের দিন আমার পিতাকে ছিন্নবিচ্ছিন্ন অবস্থায় আনা হয়েছিল। তিনি বলেন: আমি তাঁর ওপর কাঁদতে লাগলাম এবং তাঁর মুখমণ্ডল থেকে কাপড় সরাতে লাগলাম, আর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে নিষেধ করছিলেন না। যখন তাঁকে তুলে নেওয়া হলো, তখন তিনি বললেন: "ফেরেশতারা তাদের ডানা দিয়ে তাঁকে ছায়া দিতে থাকল যতক্ষণ না তাঁকে তুলে নেওয়া হলো।" জাবির বলেন: তাঁর ওপর ঋণ ছিল, তাই পাওনাদাররা এল এবং তারা খেজুর বাগানের দিকে তাকাতে লাগল। এরপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আসলেন এবং খেজুর বাগানে প্রবেশ করলেন ও বরকতের দোয়া করলেন। এরপর তিনি বললেন: "এটি কর্তন করো এবং তাদের ঋণ পরিশোধ করে দাও।" তিনি বলেন: অতঃপর আমি তা কর্তন করলাম এবং পরিশোধ করে দিলাম, আর আমার কাছে খেজুর বাগানে থাকা সমপরিমাণ অবশিষ্ট রয়ে গেল।

এই অংশের সমাপ্তি এবং সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য। এটি নিজের জন্য লিখেছেন তাঁর রবের প্রতি মুখাপেক্ষী আলী বিন সালিম বিন সুলাইমান বিন আল-আরবানী আল-হিসনী। আর আল্লাহ আমাদের নেতা মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার ও সাহাবীদের ওপর অনেক অনেক দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন।