(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: -)
الموطأ كتاب القضاء في البيوع (ابن وهب)
القسم: كتب السنة
الكتاب: الموطأ كتاب القضاء في البيوع
المؤلف: أبو محمد عبد الله بن وهب بن مسلم المصري القرشي (ت 197هـ)
[الكتاب مرقم آليا]
عدد الصفحات: 79
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-মুওয়াত্ত্তা: কেনাবেচার বিচারিক বিধান অধ্যায় (ইবনে ওয়াহাব)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আল-মুওয়াত্ত্তা: কেনাবেচার বিচারিক বিধান অধ্যায়
লেখক: আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন ওয়াহাব বিন মুসলিম আল-মিসরি আল-কুরাশি (মৃত্যু ১৯৭ হিজরি)
[কিতাবটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংখ্যায়িত]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭৯
শামেলার প্রকাশনার তারিখ: ৮ জিলহজ্জ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ১)
بسم الله الرحمن الرحيم
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ২)
كِتَابُ الْقَضَاءِ فِي الْبُيُوعِ- سُحْنُونُ بْنُ سَعِيدٍ قَالَ:
ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত বিচারকার্য বিষয়ক অধ্যায়- সুহনুন ইবনে সাঈদ বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ৩)
1 - أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، عَنْ يُونُسَ بْنِ يَزِيدَ، وَاللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ، وَابْنِ سَمْعَانَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «مَنْ بَاعَ عَبْدًا فَمَالُهُ لِلَّذِي بَاعَهُ، إِلا أَنْ يَشْتَرِطَهُ الْمُبْتَاعُ» .وَأَخْبَرَنِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، وَاللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ: أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قَضَى بِذَلِكَ- قَالَ مَالِكٌ: الأَمْرُ عِنْدَنَا أَنَّ الْمُبْتَاعَ إِذَا اشْتَرَطَ مَالَ الْعَبْدِ، نَقْدًا كَانَ أَوْ دَيْنًا أَوْ عَرَضًا يُعْلَمُ أَوْ لا يُعْلَمُ، فَمَالَ الْعَبْدُ لِلْمُشْتَرِي، وَإِنْ كَانَ لِلْعَبْدِ مِنَ النَّقْدِ أَكْثَرَ مِنْ ثَمَنِهِ الَّذِي اشْتَرَى بِهِ كَانَ ثَمَنُهُ نَقْدًا أَوْ عَرَضًا؛ فَذَلِكَ أَنَّ الْمَالَ مَالُ الْعَبْدِ لا تَجِبُ عَلَى سَيِّدِهِ فِيهِ زَكَاةٌ، وَإِنْ كَانَتْ لِلْعَبْدِ أَمَةٌ اسْتَحَلَّ فَرْجَهَا بِمِلْكِهِ إِيَّاهَا.- وَقَالَ مَالِكٌ فِي الرَّجُلِ يَشْتَرِي الْجَارِيَةَ وَعَلَيْهَا الثَّوْبُ الْمُوَشَّى الْحَسَنُ، فَيُرِيدُ الْبَائِعُ أَنْ يَأْخُذَهُ، وَيَقُولُ الْمُشْتَرِي: لَيْسَ هَذَا مِنَ الشَّيْءِ الَّذِي يَكُونُ لِلْبَائِعِ؛ قَالَ: هُوَ لِلْبَائِعِ إِلا أَنْ يَشْتَرِطَهُ الْمُبْتَاعُ.- قَالَ مَالِكٌ: أَرَى إِنْ كَانَتِ الْجَارِيَةُ فَارِهَةً عَلَيْهَا الثَّوْبُ الْيَسِيرُ الثَّمَنُ وَهُوَ نَحْوُ بَذْلَتِهِ عِنْدَ أَهْلِهَا، فَإِنِّي لا أَرَى لِلْبَائِعِ نَزْعَهُ، وَإِنَّ الثَّوْبَ الْجَيِّدَ الَّذِي إِنَّمَا لَبِسَتْهُ لِتَزَّيَّنَ بِهِ وَأَشْبَاهَ ذَلِكَ، فَإِنِّي أَرَاهُ لِلْبَائِعِ.- وَأَخْبَرَنِي اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ قَالَ:.......رَبِيعَة بْن أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ.......رَجُل بِمِائَةِ دِينَارٍ نَقْدًا فَأَرَادَ أَنْ يَنْطَلِقَ بِغُلامِهِ..........الثَّمَن فَحَبَسَهُ، فَمَاتَ؛ قَالَ رَبِيعَةُ: الْغُلامُ مِنَ الْبَائِعِ........اشْتَرَاهُ، فَقَدْ بَرِئَ مِنْهُ الْبَائِعُ وَ...........فَإِنَّهُ عِنْدَهُ.- وَسَمِعْتُ اللَّيْثَ بْنَ سَعْدٍ، أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ أَبِي حَبِيبٍ يَقُولُ: اشْتَرَى رَجُلٌ عَبْدًا مِنْ آخَرَ، فَقَالَ الَّذِي بَاعَهُ: قَدْ وَجَبَ لَكَ غَيْرَ أَنِّي لا أَدْفَعُ إِلَيْكَ الْعَبْدَ حَتَّى تَنْقُدَنِي ثَمَنَهُ، فَإِنِّي لا آمَنُكَ، فَانْطَلَقَ الْمُشْتَرِي يَأْتِي بِثَمَنِهِ فَلَمْ يَأْتِ حَتَّى مَاتَ الْعَبْدُ عِنْدَ الَّذِي بَاعَهُ.قَالَ يَزِيدُ: قَالَ سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيِّبِ: هُوَ مِنَ الَّذِي مَاتَ فِي يَدِهِ.وَقَالَ سُلَيْمَانُ بْنُ يَسَارٍ: بَلْ هُوَ مِنَ الَّذِي اشْتَرَاهُ وَوَجَبَ لَهُ.- أَخْبَرَنِي........قَالَ فِي رَجُلٍ اشْتَرَى مِن..........وف، فَمَاتَتِ الْوَلِيدَةُ عِنْدَ الْبَائِعِ، قَالَ: إِنْ كَانَت............لم؟ تُحِضْ فَهِيَ مِنَ الْبَائِعِ، وَإِنْ كَانَتْ حَاضَتْ فَهِيَ مِنَ الْمُبْتَاعِ. ............كَذَلِكَ أَيْضًا.- وَأَخْبَرَنِي أَشْهَلُ بْنُ حَاتِمٍ ، عَنْ رَجُلٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ يَزِيدَ النَّخَعِيِّ أَنَّهُ قَالَ: إِذَا قَالَ الْبَائِعُ اقْبِضْ مَا اشْتَرَيْتَ، فَقَالَ: حَتَّى آتِيَكَ بِنَقْدِكَ، فَهَلَكَ، فَهُوَ بِمَنْزِلَةِ الْوَدِيعَةِ، وَإِنْ قَالَ الْمُشْتَرِي: ادْفَعْ إِلَى الْمُبْتَاعِ، فَقَالَ الْبَائِعُ: لا، حَتَّى تَأْتِيَ بِنَقْدِي، فَهَلَكَ فَهُوَ بِمَنْزِلَةِ الرَّهْنِ.- وَسَمِعْتُ مَالِكًا وَسُئِلَ عَنِ الرَّجُلِ يَشْتَرِي السِّلْعَةَ، ثُمَّ يَقُولُ: لا أَدْفَعُ إِلَيْكَ السِّلْعَةَ حَتَّى تَنْقُدَنِي ثَمَنَهَا، فَتَهْلِكُ السِّلْعَةُ، قَالَ: فَإِنِّي أَرَاهَا تَكُونُ مِنَ الْبَائِعِ إِذَا احْتَجْنَهَا.- وَقَالَ لِي مَالِكٌ فِي الَّذِي يَبْتَاعُ الطَّعَامَ جُزَافًا مِنَ الرَّجُلِ، ثُمَّ يُصَابُ الطَّعَامُ قَبْلَ أَنْ يَقْبِضَهُ: إِنَّهُ مِنَ الَّذِي ابْتَاعَهُ.
১ - আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ, লাইস ইবনে সাদ ও ইবনে সামআন থেকে এবং তারা ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সালিম ইবনে আবদুল্লাহ থেকে এবং তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: «যে ব্যক্তি কোনো দাস বিক্রয় করল, তার সম্পদ সেই ব্যক্তিরই থাকবে যে তাকে বিক্রয় করেছে, যদি না ক্রেতা তা নিজের জন্য শর্ত করে নেয়।»এবং মালিক ইবনে আনাস, লাইস ইবনে সাদ ও আবদুল্লাহ ইবনে উমর আমাকে নাফি’র সূত্রে ইবনে উমর থেকে জানিয়েছেন যে: উমর ইবনুল খাত্তাব এ রূপেই ফয়সালা দিয়েছেন।- মালিক বলেন: আমাদের নিকট নিয়ম হলো, ক্রেতা যখন দাসের সম্পদের শর্ত করে, তা নগদ অর্থ হোক বা ঋণ অথবা কোনো দ্রব্যসামগ্রী হোক, যা জানা আছে কিংবা যা জানা নেই, তবে দাসের সম্পদ ক্রেতার হবে। এমনকি যদি দাসের কাছে থাকা নগদ অর্থের পরিমাণ তার ক্রয়মূল্যের চেয়েও বেশি হয়, যা দ্বারা তাকে নগদ বা অন্য কিছুর বিনিময়ে কেনা হয়েছে; এর কারণ হলো ওই সম্পদ মূলত দাসেরই সম্পদ, তার মালিকের ওপর তাতে জাকাত ওয়াজিব হয় না। আর দাসের যদি কোনো দাসী থাকে তবে সে তার মালিকানার কারণে তার সাথে সহবাস হালাল মনে করতে পারে।- মালিক সেই ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে কোনো দাসী ক্রয় করল আর তার পরিধানে ছিল কারুকার্যখচিত সুন্দর বস্ত্র, এমতাবস্থায় বিক্রেতা তা নিয়ে নিতে চায় আর ক্রেতা বলে: এটি এমন কোনো বস্তু নয় যা বিক্রেতার প্রাপ্য; তিনি বললেন: ওটি বিক্রেতার প্রাপ্য, যদি না ক্রেতা তা শর্ত করে নেয়।- মালিক বলেন: আমি মনে করি যদি দাসীটি সুন্দরী ও মূল্যবান হয় এবং তার পরিধানে থাকে অতি অল্প মূল্যের বস্ত্র, যা তার পরিজনদের নিকট সাধারণ পোশাক হিসেবে গণ্য হয়, তবে আমি বিক্রেতার জন্য তা খুলে নেওয়া সমীচীন মনে করি না। তবে যে বস্ত্রটি উৎকৃষ্ট মানের, যা সে কেবল নিজেকে সজ্জিত করার জন্য বা অনুরূপ কোনো উদ্দেশ্যে পরিধান করেছে, তবে আমি তা বিক্রেতার প্রাপ্য বলেই মনে করি।- লাইস ইবনে সাদ আমাকে জানিয়েছেন যে তিনি বলেছেন: ....... রবী’আ ইবনে আবি আবদুর রহমান ....... এক ব্যক্তি একশ স্বর্ণমুদ্রায় নগদ মূল্যে এক গোলাম ক্রয় করল এবং সে তার গোলামকে নিয়ে যেতে চাইল .......... মূল্য, এরপর সে তাকে আটকে রাখল, ফলে সে মারা গেল; রবী’আ বলেন: গোলামটি বিক্রেতার পক্ষ থেকে গণ্য হবে ........ সে তাকে ক্রয় করেছিল, ফলে বিক্রেতা তার থেকে দায়মুক্ত হয়েছিল এবং ........... কেননা তা তার কাছেই ছিল।- আমি লাইস ইবনে সাদকে বলতে শুনেছি, তিনি ইবনে আবি হাবিবকে বলতে শুনেছেন: এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি দাস ক্রয় করল। বিক্রেতা বলল: (বিক্রয়) তোমার জন্য সাব্যস্ত হয়েছে, তবে আমি তোমাকে দাসটি হস্তান্তর করব না যতক্ষণ না তুমি আমাকে এর মূল্য নগদ পরিশোধ করো, কারণ আমি তোমাকে বিশ্বাস করি না। এরপর ক্রেতা মূল্য আনতে গেল, কিন্তু সে আসার আগেই দাসটি বিক্রেতার কাছে মারা গেল।ইয়াজিদ বলেন: সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব বলেছেন: সে সেই ব্যক্তির পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হবে যার হাতে থাকা অবস্থায় সে মারা গেছে।এবং সুলায়মান ইবনে ইয়াসার বলেন: বরং সে সেই ব্যক্তির পক্ষ থেকে হবে যে তাকে ক্রয় করেছে এবং যার জন্য তা সাব্যস্ত হয়েছে।- আমাকে জানানো হয়েছে ........ এক ব্যক্তি সম্পর্কে যে ক্রয় করেছে .......... দাসীটি বিক্রেতার নিকট মারা গেল, তিনি বললেন: যদি সে ............ ঋতুমতী না হয়ে থাকে তবে সে বিক্রেতার পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হবে, আর যদি সে ঋতুমতী হয়ে থাকে তবে সে ক্রেতার পক্ষ থেকে গণ্য হবে। ............ অনুরূপভাবে।- এবং আশহাল ইবনে হাতিম আমাকে এক ব্যক্তি থেকে এবং তিনি ইব্রাহিম ইবনে ইয়াজিদ নাখায়ি থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেছেন: যখন বিক্রেতা বলে, 'তোমার ক্রয়কৃত বস্তু গ্রহণ করো', আর ক্রেতা বলে, 'দাঁড়ান, আমি আপনার নগদ মূল্য নিয়ে আসি', এরপর সেটি ধ্বংস হয়ে যায়, তবে সেটি আমানত স্বরূপ গণ্য হবে। আর যদি ক্রেতা বলে, 'বস্তুটি হস্তান্তর করুন', কিন্তু বিক্রেতা বলে, 'না, যতক্ষণ না আপনি আমার নগদ মূল্য নিয়ে আসেন', এরপর সেটি ধ্বংস হয়ে যায়, তবে সেটি বন্ধকি বস্তু স্বরূপ গণ্য হবে।- আমি মালিককে বলতে শুনেছি, তাকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে পণ্য ক্রয় করে, এরপর বিক্রেতা বলে: 'আমি তোমাকে পণ্যটি দেব না যতক্ষণ না তুমি আমাকে এর মূল্য পরিশোধ করো', এরপর পণ্যটি ধ্বংস হয়ে গেল; তিনি বললেন: আমি মনে করি সেটি বিক্রেতার পক্ষ থেকেই হবে যদি সে তা আটকে রাখে।- মালিক আমাকে সেই ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে কোনো লোকের কাছ থেকে পরিমাপ ছাড়াই অনুমানে খাদ্যশস্য ক্রয় করে, এরপর তা হস্তগত করার আগেই খাদ্যশস্যটি কোনো বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়: তবে সেটি ক্রেতার পক্ষ থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ৪)
الْعُهْدَةُ فِي بَيْعِ الرَّقِيقِ- وَأَخْبَرَنِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ أَنَّهُ، سَمِعَ أَبَانَ بْنَ عُثْمَانَ وَهِشَامَ بْنَ إِسْمَاعِيلَ يَقُولانِ فِيهَا خُطْبَتَهُمَا: الْعُهْدَةُ ثَابِتَةٌ، عُهْدَةُ الثَّلاثِ وَعُهْدَةُ السَّنَةِ.وَقَالَ لِي مَالِكٌ: لا عُهْدَةَ عِنْدَنَا إِلا فِي الرَّقِيقِ.- وَأَخْبَرَنِي ابْنُ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: قَضَى عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ فِي رَجُلٍ بَاعَ مِنْ أَعْرَابِيٍّ عَبْدًا، فَوُعِكَ الْعَبْدُ فِي عُهْدَةِ الثَّلاثِ فَمَاتَ، فَجَعَلَهُ عُمَرُ مِنَ الَّذِي بَاعَهُ.- وَقَالَ لِي مَالِكٌ: إِذَا بِيعَ الْعَبْدُ فَإِنَّ عُهْدَتَهُ ثَلاثٌ، فَإِنْ عَرَضَ لَهُ فِيهَا شَيْءٌ رُدَّ عَلَى الْبَائِعِ، وَإِنْ سَلِمَ مِنَ الثَّلاثِ فَلِلْمُبْتَاعِ عُهْدَةُ السَّنَةِ، أَرَى الْعَبْدَ إِنْ أَصَابَهُ مَا لَمْ تَنْقَضِ السَّنَةُ، جُنُونٌ أَوْ بَرَصٌ أَوْ جُذَامٌ، فَإِنَّهُ رَدٌّ عَلَى الْبَائِعِ إِلا أَحَدٌ بَاعَ بِالْبَرَاءَةِ.- وَأَخْبَرَنِي يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ الْمُسَيَّبِ يَقُولُ فِي الْعُهْدَةِ: فِي كُلِّ دَاءٍ عُضَالٍ نَحْوَ الْجُنُونِ وَالْجُزَامِ سَنَةٌ.قَالَ ابْنُ شِهَابٍ: وَالْقُضَاةُ يَقْضُونَ مُنْذُ أَدْرَكْنَا فِي الْجُنُونِ وَالْجُذَامِ وَالْبَرَصِ سَنَةً.- وَأَخْبَرَنِي ابْنُ سَمْعَانَ قَالَ: سَمِعْتُ رِجَالا مِنْ عُلَمَائِنَا مِنْهُمْ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ يَقُولُونَ: لَمْ يَزَلِ الْوُلاةُ بِالْمَدِينَةِ فِي الزَّمَانِ الأَوَّلِ يَقْضُونَ فِي الرَّقِيقِ بِعُهْدَةِ السَّنَةِ مِنَ الْجُنُونِ وَالْجُذَامِ وَالْبَرَصِ إِنْ ظَهَرَ بِالْمَمْلُوكِ شَيْءٌ مِنْ ذَلِكَ قَبْلَ أَنْ يَحُولَ الْحَوْلُ عَلَيْهِ، فَهُوَ مِنَ الْبَائِعِ؛ وَيَقْضُونَ فِي عُهْدَةِ الرَّقِيقِ بِثَلاثِ لَيَالٍ، فَإِنْ حَدَثَ بِالرَّأْسِ شَيْءٌ فِي تِلْكَ الثَّلاثِ لَيَالٍ حَدَثَ مِنْ مَوْتٍ أَوْ سُقْمٍ، فَهُوَ مِنَ الأَوَّلِ، وَإِنَّمَا كَانَتْ عُهْدَةُ الثَّلاثِ مِنَ الرُّبْعِ، لا يَسْتَبِينُ الرُّبْعَ إِلا فِي ثَلاثِ لَيَالٍ.
দাস বিক্রয়ে জামানত- মালিক ইবনে আনাস আমাকে আবদুল্লাহ ইবনে আবু বকর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আমর ইবনে হাযম থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি আবান ইবনে উসমান ও হিশাম ইবনে ইসমাইলকে তাদের খুতবায় বলতে শুনেছেন: জামানত সুপ্রতিষ্ঠিত; তিন দিনের জামানত এবং এক বছরের জামানত।মালিক আমাকে বলেছেন: আমাদের নিকট দাস ব্যতীত অন্য কিছুতে কোনো জামানত নেই।- ইবনে আবিয যিনাদ তার পিতা থেকে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: উমর ইবনে আবদুল আজিজ এমন এক ব্যক্তির ব্যাপারে ফয়সালা দিয়েছেন যে জনৈক বেদুইনের নিকট একটি দাস বিক্রয় করেছিল। অতঃপর তিন দিনের জামানত মেয়াদের মধ্যে দাসটি জ্বরাক্রান্ত হয়ে মারা যায়। তখন উমর সেই দাসের দায়ভার বিক্রেতার ওপর ন্যস্ত করেন।- মালিক আমাকে বলেছেন: যখন কোনো দাস বিক্রয় করা হয়, তখন তার জামানতকাল তিন দিন। যদি এর মধ্যে তার কোনো সমস্যা প্রকাশ পায়, তবে তাকে বিক্রেতার কাছে ফেরত দেওয়া হবে। আর যদি তিন দিন নিরাপদ থাকে, তবে ক্রেতার জন্য এক বছরের জামানত বহাল থাকবে। আমি মনে করি, বছর শেষ হওয়ার আগে যদি দাসটি উন্মাদনা, ধবল বা কুষ্ঠ রোগে আক্রান্ত হয়, তবে তাকে বিক্রেতার কাছে ফেরত দেওয়া হবে; যদি না বিক্রেতা সকল দোষ থেকে দায়মুক্ত হওয়ার শর্তে বিক্রয় করে থাকে।- ইউনুস ইবনে ইয়াযিদ আমাকে ইবনে শিহাব থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে আল-মুসায়্যিবকে জামানতের ব্যাপারে বলতে শুনেছি: উন্মাদনা ও কুষ্ঠের মতো প্রতিটি দুরারোগ্য ব্যাধির জন্য এক বছরের জামানত।ইবনে শিহাব বলেন: আমরা যখন থেকে বুঝতে শিখেছি, তখন থেকে বিচারকদের দেখেছি যে তারা উন্মাদনা, কুষ্ঠ ও ধবল রোগের ক্ষেত্রে এক বছরের জামানতের ফয়সালা দিতেন।- ইবনে সামআন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আমাদের একদল আলেমকে বলতে শুনেছি, যাদের মধ্যে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদও রয়েছেন যে, মদিনার শাসকগণ প্রাচীনকাল থেকে দাসদের ক্ষেত্রে উন্মাদনা, কুষ্ঠ ও ধবল রোগের জন্য এক বছরের জামানতের ফয়সালা দিতেন। যদি বছর পূর্ণ হওয়ার আগে দাসের মধ্যে এর কোনোটি প্রকাশ পায়, তবে তা বিক্রেতার ওপর বর্তাবে। আর তারা দাসের জামানতের ক্ষেত্রে তিন রাতের ফয়সালা দিতেন; যদি এই তিন রাতের মধ্যে মৃত্যু বা অসুস্থতার মতো কোনো ঘটনা ঘটে, তবে তা প্রথম মালিকের (বিক্রেতার) দায় বলে গণ্য হবে। মূলত তিন দিনের জামানত ছিল কম্পজ্বরের কারণে, কারণ তিন রাত অতিবাহিত না হলে কম্পজ্বর স্পষ্ট হয় না।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ৫)
17 - وَأَخْبَرَنِي مَسْلَمَةُ بْنُ عَلِيٍّ، عَمَّنْ حَدَّثَهُ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ الْجُهَنِيِّ أَنَّهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «عُهْدَةُ الرَّقِيقِ أَرْبَعَةُ أَيَّامٍ أَوْ ثَلاثَةٌ»- وَسَمِعْتُ مَالِكًا يَقُولُ: فِي عُهْدَةِ الرَّقِيقِ ثَلاثَةُ أَيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُصِيبُ الْعَبْدَ مِنْ مَوْتٍ أَوْ غَيْرِهِ، لا يُنْقَدُ فِي تِلْكَ الثَّلاثَةِ الأَيَّامِ، وَالْجُنُونُ وَالْجُذَامُ وَالْبَرَصُ سَنَةٌ، وَالنَّقْدُ فِيهَا جَائِزٌ.- قَالَ..........اشْتَرُوا الْجَارِيَةَ يَتَوَاضَعَانِ الثَّمَنَ عَلَى يَدَيْ رَجُلٍ حَتَّى يَشْتَرِيَ......عِنْدَ الَّذِي وَضَعَ عَلَى يَدَيْهِ الْجَارِيَةَ، إِنْ خَرَجَتْ مِنَ الاسْتِبْرَاءِ......بِهَا مَوْتٌ أَوْ غَيْرُ ذَلِكَ مِنَ الْعُيُوبِ، فَإِنَّ الثَّمَنَ مِنَ الْمُشْتَرِي، وَالَّذِي وُضِعَ الثَّمَنُ عَلَى يَدَيْهِ أَمِينٌ، لا شَيْءَ عَلَيْهِ.- وَأَخْبَرَنِي مَخْرَمَةُ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: يُقَالُ: أَيُّمَا رَجُلٍ ابْتَاعَ وَلِيدَةً تَحِيضُ، فَوُضِعَتْ عَلَى يَدَيْ رَجُلٍ حَتَّى تَحِيضَ، فَمَاتَتْ فَهِيَ مِنْ صَاحِبِهَا حَتَّى تَحِيضَ؛ وَكُلٌّ عُهْدَةٌ عَلَى ذَلِكَ.قَالَ بُكَيْرٌ: يُقَالُ: وَأَيُّمَا رَجُلٍ أَيْضًا ابْتَاعَ وَلِيدَةً فَأَرَادَ أَنْ يُخَاصِمَ فِيهَا، لَمْ يَصْلُحْ لَهُ أَنْ يَطَأَهَا، وَفِي نَفْسِهِ خُصُومَةُ صَاحِبِهَا فِيهَا.
১৭ - মাসলামাহ ইবনে আলী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন এমন ব্যক্তি থেকে যিনি তাঁকে বর্ণনা করেছেন, তিনি উকবাহ ইবনে আমির আল-জুহানি থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «দাসের দায়িত্বের মেয়াদ (উহদাহ) চার দিন অথবা তিন দিন।»- এবং আমি মালিককে বলতে শুনেছি: দাসের দায়িত্বের মেয়াদ (উহদাহ) হলো তিন দিন এমন প্রতিটি বিষয়ের ক্ষেত্রে যা দাসের ওপর আপতিত হয়, হোক তা মৃত্যু বা অন্য কিছু; এই তিন দিনের মধ্যে মূল্য পরিশোধ করা হবে না। আর উন্মাদনা, কুষ্ঠ এবং ধবল রোগের ক্ষেত্রে মেয়াদ এক বছর, এবং এতে মূল্য পরিশোধ করা বৈধ।- তিনি বললেন..........তারা একটি দাসী ক্রয় করল, তারা উভয়ে মূল্য একজন লোকের জিম্মায় রাখল যতক্ষণ না সে ক্রয় করে......যার জিম্মায় সে দাসীটি রেখেছিল তার নিকট, যদি সে ইস্তিবরা (গর্ভাশয় পবিত্রতা নিশ্চিতকরণ) থেকে বের হয়......তার মৃত্যু বা অন্য কোনো ত্রুটি প্রকাশ পায়, তবে মূল্য ক্রেতার পক্ষ থেকে হবে, আর যার নিকট মূল্য গচ্ছিত রাখা হয়েছে সে আমানতদার, তার ওপর কোনো দায় নেই।- এবং মাখরামাহ আমাকে তাঁর পিতার সূত্রে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: বলা হয়: যে ব্যক্তি এমন কোনো দাসী ক্রয় করল যার ঋতুস্রাব হয়, অতঃপর তাকে এক ব্যক্তির জিম্মায় রাখা হলো যতক্ষণ না তার ঋতুস্রাব হয়, এরপর সে যদি মারা যায় তবে সে তার মালিকের (বিক্রেতার) দায়ভুক্ত থাকবে যতক্ষণ না তার ঋতুস্রাব হয়; এবং সকল দায়িত্বের মেয়াদ (উহদাহ) এরই ওপর ভিত্তি করে হবে।বুকাইর বলেছেন: বলা হয়: এবং যে ব্যক্তি কোনো দাসী ক্রয় করল, অতঃপর সে বিষয়ে বিবাদে লিপ্ত হতে চাইল, তবে তার জন্য তার সাথে সহবাস করা বৈধ নয়, যখন তার মনে বিক্রেতার সাথে সে বিষয়ে বিবাদের সংকল্প থাকে।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ৬)
21 - وَحَدَّثَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنِ ابْنِ أَبِي جَعْفَرٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ إِسْحَاقَ الأَنْصَارِيِّ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قَضَى فِي جَارِيَةٍ جُعِلَتْ عَلَى يَدَيْ رَجُلٍ حَتَّى تَحِيضَ فَمَاتَتْ، أَنَّهَا مِنَ الْبَائِعِ.وَأَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ مِثْلَهُ.قَالَ ابْنُ شِهَابٍ: وَإِنْ كَانَتْ حَاضَتْ فَهِيَ مِنَ الْمُبْتَاعِ- وَقَالَ مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ فِي الرَّجُلِ يَبِيعُ الْجَارِيَةَ وَلَمْ يَسْتَبْرِئْهَا قَبْلَ أَنْ يَبِيعَ، فَتَهْلِكُ بَعْدَ بَيْعِهِ إِيَّاهَا بِأَيَّامٍ أَوْ شَهْرٍ، قَالَ: إِنْ كَانَتْ أَقَامَتْ عِنْدَ الْمُشْتَرِي مَا يَكُونُ مِثْلَهُ اسْتِبْرَاءً لِرَحِمِهَا فَهُوَ ضَامِنٌ، وَإِنْ كَانَتْ هَلَكَتْ فِيمَا يُعْلَمُ أَنَّ مِثْلَهُ لا يَكُونُ فِيهِ اسْتِبْرَاءٌ لِرَحِمِهَا، كَانَ بَائِعُهَا ضَامِنًا إِذَا أَقَرَّ بِالْوَطْءِ، وَإِنَّهُ بَاعَ قَبْلَ أَنْ يَسْتَبْرِئَ.- وَسَمِعْتُ مَالِكًا يَقُولُ فِي الرَّجُلِ يَشْتَرِي الْجَارِيَةَ، تُسْتَبْرَأُ أَنَّهَا مِنَ الْبَائِعِ حَتَّى تَطْهُرَ أَوْ يَسْتَيْقِنَ أَنَّهَا حَاضَتْ حَيْضَةً بَيِّنَةً.- وَأَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، أَنَّ طَلْحَةَ بْنَ عَبْدِ الْمَلِكِ الأَيْلِيَّ حَدَّثَهُ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ أَمَرَ رَجُلا يَبِيعُ مِنْ رَقِيقِ مَالِ اللَّهِ جَارِيَةً، فَبَاعَهَا مِنْ رَجُلٍ، فَجَاءَهُ بَعْدَ ذَلِكَ، فَقَالَ لَهُ:......بِهَا عَيْبٌ؛ فَذَكَرَ ذَلِكَ لِعُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، فَقَالَ عُمَرُ: سَلْهُ، فَإِنْ أَخْبَرَكَ أَنَّهُ وَطِأَهَا فَلا تَقْبَلْهَا مِنْهُ وَلا تُنْعِمْهُ عَيْنًا، وَأَلْزِمْهُ إِيَّاهَا، حُطَّ عَنْهُ قِيمَةَ ذَلِكَ الْعَيْبِ.
২১ - ইবনে লাহিয়া আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে আবি জাফর থেকে, তিনি জায়েদ ইবনে ইসহাক আল-আনসারী থেকে বর্ণনা করেন যে, নিশ্চয়ই ওমর ইবনুল খাত্তাব এমন এক দাসীর ব্যাপারে ফয়সালা দিয়েছেন যাকে মাসিক হওয়া পর্যন্ত এক ব্যক্তির জিম্মায় রাখা হয়েছিল, অতঃপর সে মারা যায়। তিনি ফয়সালা দিলেন যে, এই মৃত্যুর দায় বিক্রেতার ওপর বর্তাবে।এবং ইউনুস আমাকে ইবনে শিহাব থেকে অনুরূপ সংবাদ দিয়েছেন।ইবনে শিহাব বলেন: আর যদি তার মাসিক হয়ে থাকে, তবে মৃত্যুর দায় ক্রেতার ওপর বর্তাবে।- মালেক ইবনে আনাস এমন ব্যক্তির ব্যাপারে বলেন যে কোনো দাসী বিক্রি করে এবং বিক্রির আগে তার ইস্তিবরা (জরায়ু পবিত্রতা যাচাই) সম্পন্ন করেনি, অতঃপর বিক্রির কয়েক দিন বা এক মাস পর দাসীটি মারা যায়; তিনি বলেন: যদি সে ক্রেতার কাছে ততটুকু সময় অবস্থান করে থাকে যাতে তার ইস্তিবরা সম্পন্ন হওয়া সম্ভব, তবে ক্রেতাই দায়বদ্ধ হবে। আর যদি সে এমন সময়ের মধ্যে মারা যায় যাতে ইস্তিবরা সম্পন্ন হওয়া সম্ভব নয় বলে জানা যায়, তবে বিক্রেতা দায়বদ্ধ হবে যদি সে সহবাস করার কথা এবং ইস্তিবরা করার আগেই বিক্রি করার কথা স্বীকার করে।- আমি মালেককে ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে বলতে শুনেছি যে দাসী ক্রয় করে; ইস্তিবরার ক্ষেত্রে সে বিক্রেতার জিম্মায় থাকবে যতক্ষণ না সে পবিত্র হয় অথবা স্পষ্টভাবে তার একবার মাসিক হওয়া নিশ্চিত হওয়া যায়।- আবদুল্লাহ ইবনে ওমর আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তালহা ইবনে আব্দুল মালিক আল-আইলী তাকে বর্ণনা করেছেন যে, ওমর ইবনে আব্দুল আজিজ এক ব্যক্তিকে আল্লাহর মাল (রাষ্ট্রীয় সম্পদ) হতে এক দাসী বিক্রি করার নির্দেশ দিলেন। সে এক ব্যক্তির কাছে তাকে বিক্রি করল, অতঃপর সে ব্যক্তি তার কাছে এসে বলল:......তার মধ্যে ত্রুটি রয়েছে; বিষয়টি ওমর ইবনে আব্দুল আজিজের কাছে উল্লেখ করা হলে ওমর বলেন: তাকে জিজ্ঞাসা করো, যদি সে তোমাকে জানায় যে সে তার সাথে সহবাস করেছে, তবে সেটি তার থেকে ফেরত গ্রহণ করো না এবং তাকে বিশেষ কোনো ছাড় দিও না। বরং তাকে সেটি নিতেই বাধ্য করো এবং তার থেকে ওই ত্রুটির সমপরিমাণ মূল্য কমিয়ে দাও।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ৭)
25 - وَأَخْبَرَنِي ابْنُ سَمْعَانَ، أَنَّ سُلَيْمَانَ بْنَ حَبِيبٍ الْمُحَارِبِيَّ، أَخْبَرَهُ عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ أَنَّهُ قَضَى بِذَلِكَ فِي مَوْلَى لَهُمْ يُقَالُ لَهُ أَبُو قَيْصَرَ، وَأَنَّ عُمَرَ قَالَ لَهُ: التَّفْتِيشُ قَبْلَ التَّكْشِيفِ، هِيَ مِنْكَ، إِنْ عَاشَتْ أَوْ مَاتَتْ وَيُوضَعُ عَنْكَ بِقَدْرِ ذَلِكَ الْعَيْبِ.قَالَ ابْنُ شِهَابٍ: وَأَخْبَرَنِي يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ أَنَّ أَمْرَ الْوُلاةِ وَالْعَامَّةِ فِي هَذَا عَلَى قَضَاءِ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ.وَأَخْبَرَنِي أَنَسُ بْنُ عِيَاضٍ اللَّيْثِيُّ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ مِثْلَهُوَأَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّهُ قَالَ: أَشَرْنَا بِذَلِكَ عَلَى يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ حِينَ اسْتُخْلِفَ، فَقَضَى بِهِ.وَأَخْبَرَنِي اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، أَنَّ يَزِيدَ بْنَ عَبْدِ الْمَلِكِ......، عَنْ رَأْيِ ابْنِ شِهَابٍ وَسُلَيْمَانَ بْنِ حَبِيبٍ الأَنْصَارِيِّ وَكَانَا الْقَاضِيَيْنِ.وَسَمِعْتُ اللَّيْثَ بْنَ سَعْدٍ يَقُولُ ذَلِكَ.وَأَخْبَرَنِي مَنْ أَثِقُ بِهِ أَنَّ أَبَا الزِّنَادِ يَقُولُ ذَلِكَ.- وَأَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّهُ قَالَ فِي الْعَبْدِ يَشْتَرِيهِ الرَّجُلُ بَيْعَ الْمُسْلِمِينَ، فَيَسْرِقُ وَهُوَ بِيَدِ الَّذِي اشْتَرَاهُ، وَتَقُومُ عَلَيْهِ الْبَيِّنَةُ، فَتُقْطَعُ يَدُهُ، ثُمَّ يَجِدُ هَذَا الَّذِي اشْتَرَاهُ الْبَيِّنَةَ الْعَادِلَةَ عَلَى أَنَّهُ قَدْ كَانَ سَارِقًا مَعْلُومًا؛ ذَلِكَ مِنْ شَأْنِهِ قَبْلَ أَنْ يَشْتَرِيَهُ، وَإِنَّ الَّذِي بَاعَهُ كَتَمَهُ وَدَلَّسَهُ.قَالَ ابْنُ شِهَابٍ: لَمْ يَبْلُغْنَا فِي ذَلِكَ شَيْءٌ، وَلا أَرَى إِلا أَنْ يَرُدَّهُ.فَقِيلَ لابْنِ شِهَابٍ: فَأَبِقَ مِنْ عِنْدِ الَّذِي اشْتَرَاهُ، ثُمَّ أَقَامَ الْبَيِّنَةَ الْعَادِلَةَ أَنَّهُ كَانَ آبِقًا مَعْلُومًا؛ ذَلِكَ مِنْ شَأْنِهِ، وَإِنَّهُ كَتَمَهُ وَدَلَّسَهُ لَهُ.قَالَ ابْنُ شِهَابٍ: نَرَى أَنْ يُرَدَّ الْمَالُ إِلَى مَنْ دَلَّسَ لَهُ، وَيَبِيعَ الْمُدَلِّسُ الْعَبْدَ وَيَرُدَّ الثَّمَنَ، فَإِنَّهُ غَرَّهُ بِأَمْرٍ أَرَادَ أَنْ يَتْلَفَ فِيهِ مَالُهُ.- وَسَمِعْتُ مَالِكًا يَقُولُ فِي الرَّجُلِ يَشْتَرِي الْعَبْدَ وَيُدَلَّسُ لَهُ فِيهِ الْعَيْبُ مِنَ الإِبَاقِ أَوِ الْقَطْعِ، فَيَأْبَقُ الْعَبْدُ، ثُمَّ يَجِدُ الْمُشْتَرِي بَيِّنَةً أَنَّهُ قَدْ كَانَ عِنْدَهُ آبِقًا وَكَتَمَهُ إِيَّاهُ؛ قَالَ: أَرَى أَنْ يُؤْخَذَ الثَّمَنُ مِنَ الْبَائِعِ فَيُرَدَّ إِلَى الْمُشْتَرِي، وَإِنْ كَانَ عَائِدًا لِصَاحِبِهِ الأَوَّلِ وَيَطْلُبَ الْبَائِعُ غُلامَهُ.- وَسَمِعْتُ مَالِكًا يَقُولُ فِي الرَّجُلِ يَشْتَرِي الْعَبْدَ، ثُمَّ يَظْهَرُ مِنْهُ عَلَى عَيْبٍ يُرَدُّ مِنْهُ، وَقَدْ حَدَثَ عِنْدَ الْمُشْتَرِي فِيهِ عَيْبٌ سِوَاهُ؛ قَالَ: إِذَا كَانَ الْعَيْبُ الْمُفْسِدُ، الْقَطْعُ أَوِ الْعَوَرُ وَأَشْبَاهُ هَذِهِ مِنَ الْعُيُوبِ، فَإِنَّ الَّذِي اشْتَرَى الْعَبْدَ بِخَيْرِ النَّظَرَيْنِ، فَإِنْ أَحَبَّ أَنْ يُوضَعَ عَنْهُ مِنْ ثَمَنِ الْعَبْدِ بِقَدْرِ الْعَيْبِ الَّذِي كَانَ بِالْعَبْدِ يَوْمَ اشْتَرَاهُ، وُضِعَ عَنْهُ، وَإِنْ أَحَبَّ أَنْ يُغَرَّمَ قَدْرَ مَا أَصَابَ الْعَبْدُ عِنْدَهُ وَيَرُدَّ الْعَبْدُ رَدَّهُ؛ وَإِنْ مَاتَ الْعَبْدُ عِنْدَ الَّذِي اشْتَرَاهُ أُقِيمَ الْعَبْدُ وَبِهِ الْعَيْبُ الَّذِي كَانَ بِهِ يَوْمَ اشْتَرَاهُ، فَنَظَرَ كَمْ نَقَصَ مِنْ ثَمَنِهِ، إِنْ كَانَتْ قِيمَةُ الْعَبْدِ يَوْمَ اشْتَرَاهُ بِغَيْرِ عَيْبٍ مِائَةَ دِينَارٍ، وَقِيمَتُهُ يَوْمَ اشْتَرَاهُ بِالْعَيْبِ ثَمَانُونَ دِينَارٍ وُضِعَ عَنِ الْمُشْتَرِي مَا بَيْنَ قِيمَتِهِ صَحِيحًا إِلَى قِيمَتِهِ وَبِهِ ذَلِكَ الْعَيْبُ، وَإِنَّمَا تَكُونُ الْقِيمَةُ يَوْمَ اشْتَرَاهُ.- وَأَخْبَرَنِي عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ عُمَرَ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ قَضَى فِي الرَّجُلِ يَبِيعُ الْعَبْدَ وَبِهِ عَيْبٌ، ثُمَّ يُصِيبُهُ عَيْبٌ عِنْدَ الَّذِي ابْتَاعَهُ، أَنَّهُ إِنْ قَامَتْ لَهُ بَيِّنَةٌ عَلَى أَنَّهُ كَانَ بِهِ ذَلِكَ الْعَيْبُ عِنْدَ صَاحِبِهِ الَّذِي بَاعَهُ، وُضِعَ عَنِ الْمُشْتَرِي مَا بَيْنَ الثَّمَنَيْنِ؛ قَالَ: قَدْرَ الْعَيْبِ الَّذِي كَانَ عِنْدَ الْبَائِعِ.- وَأَخْبَرَنِي عُثْمَانُ بْنُ الْحَكَمِ، أَنَّ ابْنَ جُرَيْجٍ حَدَّثَهُ، أَنَّ مُصْعَبَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ شُرَحْبِيلَ حَدَّثَهُ، أَنَّ رَجُلا اشْتَرَى غُلامًا، إِحْدَى أَصَابِعِه شَلاءٌ، فَلَمْ يَرَ الْمُبْتَاعُ شَلَلَهُ حَتَّى اشْتَكَى الْغُلامُ عِنْدَ الْمُشْتَرِي شَلَلَهُ؛ فَخَاصَمَهُ إِلَى أَبَانِ بْنِ عُثْمَانَ، فَقَالَ: ارْدُدْهُ إِلَيْهِ كَمَا أَخَذْتَهُ مِنْهُ، فَإِنْ مَاتَ أُقِيمَ عِنْدَهُ، ثُمَّ وُضِعَ عَنْكَ بِقَدْرِهِ.- وَقَالَ مَالِكٌ فِي الرَّجُلِ يَبِيعُ وَيَشْتَرِطُ أَنَّهُ لا يَمِينَ عَلَيْهِ فِي شَيْءٍ وَجَدَ بِهِ مِنْ عَيْبٍ؛ قَالَ: أَرَى ذَلِكَ شَرْطًا جَائِزًا.لأَنَّ الْيَمِينَ تَبْقَى؛ وَقَدْ يَضَعُ الرَّجُلُ مِنَ الثَّمَنِ لأَنْ لا يَكُونَ عَلَيْهِ يَمِينٌ.- وَأَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّهُ سُئِلَ عَنِ الرَّجُلِ يَشْتَرِي الْعَبْدَ بَيْعَ الْمُسْلِمِينَ، ثُمَّ يَأْخُذُهُ الْجُنُونُ، فَيُخْنَقُ حَتَّى يَمُوتَ، ثُمَّ تَقُومُ الْبَيِّنَةُ عَلَى أَنَّهُ كَانَ مَجْنُونًا، وَأَنَّ الَّذِي بَاعَهُ كَتَمَهُ وَدَلَّسَ لَهُ؛ إِنَّهُ يَرْجِعُ بِالثَّمَنِ كُلِّهِ.- وَأَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّهُ قَالَ فِي رَجُلٍ ابْتَاعَ وَلِيدَةً، ثُمَّ أَعْتَقَهَا......لَمْ.....بِذَلِكَ؛ قَالَ: أَرَى أَنْ يُوضَعَ عَنْهُ قَدْرُ قِيمَةِ ذَلِكَ مِنْ ثَمَنِهَا.- وَأَخْبَرَنِي يُونُسُ، أَنَّ ابْنَ شِهَابٍ أَخْبَرَهُ عَمَّنْ أَدْرَكَ مِنَ الْعُلَمَاءِ أَنَّهُمْ كَانُوا يَقُولُونَ.....وَلِيدَة، ثُمَّ يَطَؤُهَا أَوْ يَعْتِقُهَا فَتَحْمِلُ مِنْهُ، إِنَّهُ يُوضَعُ عَنْهُ مِنْ ثَمَنِهَا مَا زَادَ عَلَى قِيمَتِهَا وَبِهَا ذَلِكَ الْعَيْبُ.- وَقَالَ لِي مَالِكٌ: الأَمْرُ الْمُجْتَمَعُ عَلَيْهِ عِنْدَنَا أَنَّ الرَّجُلَ إِذَا ابْتَاعَ وَلِيدَةً فَحَمَلَتْ مِنْهُ، أَوْ عَبْدًا فَأَعْتَقَهُ أَوْ مَاتَ، وَكُلُّ أَمْرٍ دَخَلَهُ الْفَوْتُ حَتَّى لا يُسْتَطَاعُ رَدُّهُ، فَهُوَ إِذَا قَامَتِ الْبَيِّنَةُ عَلَى أَنَّهُ كَانَ بِهِ عَيْبٌ عِنْدَ الَّذِي بَاعَهُ، أَوْ عَلِمَ ذَلِكَ بِاعْتِرَافٍ أَوْ غَيْرِهِ، فَإِنَّهُ يَقُومُ ذَلِكَ الْعَبْدُ وَبِهِ ذَلِكَ الْعَيْبُ مَا كَانَ، ثُمَّ يُرَدُّ مِنْ ثَمَنِ الْعَبْدِ مَا زَادَ عَلَى ذَلِكَ.- وَقَالَ مَالِكٌ فِي الْعُيُوبِ الَّتِي يُرَدُّ مِنْهَا، قَالَ: لا يُرَدُّ إِلا مِنْ عَيْبٍ يُنْقِصُ ثَمَنَهُ أَوْ تُخَافُ عَاقِبَتُهُ، وَلا يُنْظَرُ فِي ذَلِكَ إِلَى مَا رَدَّ النَّخَّاسُونَ.- وَقَالَ لِي مَالِكٌ فِي الرَّجُلِ يَبِيعُ الْعَبْدَ، ثُمَّ يَمُوتُ الْمُشْتَرِي فَيَجِدُ الْوَرَثَةُ بِالْعَبْدِ عَيْبًا، فَيَزْعُمُ الْبَائِعُ أَنَّهُ أَعْلَمَ الْمُشْتَرِي بِهِ؛ قَالَ مَالِكٌ: لا يُقْبَلُ قَوْلُهُ، وَعَلَيْهِ أَنْ يُقِيمَ الْبَيِّنَةَ، وَإِلا رُدَّ عَلَيْهِ الْعَبْدُ.وَذَلِكَ أَنَّ الْوَرَثَةَ بِمَنْزِلَةِ الْمُشْتَرِي.- وَسَمِعْتُ مَالِكًا يَقُولُ فِي الرَّجُلِ يَشْتَرِي الْعَبْدَ بِالْعَبْدِ، ثُمَّ يَجِدُ الْمُشْتَرِي بِالْعَبْدِ عَيْبًا يَرُدُّهُ مِنْهُ؛ قَالَ: لَهُ قِيمَةُ الْعَبْدِ الَّذِي أَعْطَى يَوْمَ أَعْطَاهُ، ارْتَفَعَ الْعَبْدُ أَوْ نَقَصَ؛ وَإِنْ كَانَ الَّذِي أَعْطَى فِي ثَمَنِ الْعَبْدِ الَّذِي اشْتَرَى عَرْضًا لَمْ يَكُنْ لَهُ إِلا قِيمَةُ ذَلِكَ الْعَرْضِ أَيْضًا.- قَالَ مَالِكٌ فِي الرَّجُلِ يَشْتَرِي الْعَبْدَ فَيُؤَاجِرُهُ فَيَأْخُذُ لَهُ الإِجَارَةَ الْعَظِيمَةَ أَوِ الْقَلِيلَةَ، ثُمَّ يَجِدُ بِهِ عَيْبًا يَرُدُّهُ مِنْهُ؛ إِنَّهُ يَرُدُّهُ بِذَلِكَ الْعَيْبِ وَيَكُونُ لَهُ الْخَرَاجُ بِالضَّمَانِ.وَذَلِكَ الأَمْرُ الَّذِي عَلَيْهِ الْجَمَاعَةُ مِنَ النَّاسِ.وَذَلِكَ لَوْ أَنَّ رَجُلا اشْتَرَى عَبْدًا فَبَنَى لَهُ دَارًا قِيمَةُ بُنْيَانِهِ ثَمَنُ الْعَبْدِ أَضْعَافًا، ثُمَّ وَجَدَ بِه عَيْبًا يُرَدُّ مِنْهُ، أَنَّهُ يَرُدُّهُ، وَلا تُحْسَبُ عَلَيْهِ إِجَارَتُهُ فِيمَا عَمِلَ لَهُ؛ فَذَلِكَ تَكُونُ لَهُ إِجَارَتُهُ إِذَا آجَرَهُ مِنْ غَيْرِهِ، لأَنَّهُ ضَامِنٌ لَهُ.فَهَذَا الَّذِي عَلَيْهِ الأَمْرُ عِنْدَنَا.- وَسَمِعْتُ مَالِكًا يَقُولُ فِي الْجَارِيَةِ الرَّائِعَةِ تُشْتَرَى فَيُوجَدُ فِي رَأْسِهَا الشَّيْبُ الْكَثِيرُ، أَوْ يُوجَدُ مِنْهَا الْبَخْرُ فِي الْفَمِ، أَوْ تُبْتَاعُ الأَمَةُ لَهَا زَوْجٌ لا يُعْلَمُ بِهِ، أَوْ تُبْتَاعُ الْجَارِيَةُ وَهِيَ لِغَيَّةٍ لِزِنًا، ثُمَّ يُعْلَمُ بِذَلِكَ؛ قَالَ: هَذَا مِنَ الْعُيُوبِ الَّتِي تُرَدُّ مِنْهَا.- وَقَالَ مَالِكٌ فِي الأَمَةِ ذَاتِ الزَّوْجِ: أَنَّهَا عُهْدَةٌ يُرَدُّ مِنْهَا إِنْ شَاءَ.- وَقَالَ مَالِكٌ فِي الرَّجُلِ يَبِيعُ الْجَارِيَةَ وَهِيَ لِغَيَّةٍ: إِنَّهُ يُعَاقَبُ بِتَدْلِيسِهِ.- وَقَالَ مَالِكٌ فِي الْعَبْدِ يُبَاعُ وَهُوَ لِغَيَّةٍ كَذَلِكَ أَيْضًا.- وَقَالَ مَالِكٌ فِي الرَّجُلِ يَبْتَاعُ الْعَبْدَ وَلَهُ امْرَأَةٌ أَوْ وَلَدٌ، ثُمَّ يَعْلَمُ بِذَلِكَ فَيُرَدُّ، رَدَّ ذَلِكَ الْعَبْدَ؛ قَالَ مَالِكٌ: أَرَى كُلَّ وَاحِدٍ مِمَّا سَمَّيْتَ عَيْبًا يُرَدُّ بِهِ إِذَا لَمْ يُسَمِّهِ لَهُ.- وَقَالَ مَالِكٌ فِي الْجَارِيَةِ تُبَاعُ بِالْجَارِيَتَيْنِ، فَيُوجَدُ فِي إِحْدَى الْجَارِيَتَيْنِ عَيْبٌ؛ قَالَ مَالِكٌ: تُقَامُ الْجَارِيَةُ؛ الَّتِي كَانَتْ ثَمَنَ الْجَارِيَتَيْنِ، فَيَنْظُرُ كَمْ ثَمَنُهَا، ثُمَّ تُقَامُ الْجَارِيَتَانِ بِغَيْرِ الْعَيْبِ الَّذِي وُجِدَ بِإِحْدَاهُمَا تُقَامَانِ قِيمَةَ صَحِيحَةٍ سَالِمَةٍ؛ ثُمَّ يُقْسَمُ ثَمَنُ الْجَارِيَةِ الَّتِي ابْتِيعَتْ بِالْجَارِيَتَيْنِ عَلَيْهِمَا بِقَدْرِ ثَمَنِهِمَا حَتَّى يَقَعَ عَلَى كُلِّ وَاحِدَةٍ مِنَ الْجَارِيَتَيْنِ قَدْرَ حِصَّتِهَا مِنْ ذَلِكَ عَلَى الْمُرْتَفِعَةِ بِقَدْرِ ارْتِفَاعِهَا، وَعَلَى الأُخْرَى بِقَدْرِهَا؛ ثُمَّ يُنْظَرُ إِلَى الَّتِي بِهَا الْعَيْبُ فَتُرَدُّ بِالَّذِي وَقَعَ عَلَيْهَا مِنْ تِلْكَ الْحِصَّةِ إِنْ كَانَتْ كَثِيرَةً أَوْ قَلِيلَةً.قَالَ: وَإِنْ كَانَتِ الْجَارِيَةُ الَّتِي كَانَتْ ثَمَنَ الْجَارِيَتَيْنِ بِهَا عَيْبٌ تُرَدُّ مِنْهُ، رَدَّهَا صَاحِبُهَا، وَقُوِّمَتِ الْجَارِيَتَانِ فَيُنْظَرُ كَمْ ثَمَنُهُمَا، فَأَعْطَى صَاحِبُ الْجَارِيَتَيْنِ الَّذِي بَاعَهُمَا، وَإِنَّمَا تَكُونُ الْقِيمَةُ عَلَيْهِمَا يَوْمَ قَبَضَهُمَا.- وَقَالَ مَالِكٌ فِي الرَّجُلِ يَبْتَاعُ الْبَزَّ أَوِ الرَّقِيقَ أَوْ غَيْرَ ذَلِكَ فِي صَفْقَةٍ وَاحِدَةٍ، فَيُوجَدُ بَعْضُ تِلْكَ الأَمْتِعَةِ مَسْرُوقًا، أَوْ تُوجَدُ فِي بَعْضِهَا عُيُوبٌ تُرَدُّ مِنْهُ، فَيُرِيدُ الْمُبْتَاعُ رَدَّ ذَلِكَ الْمَتَاعَ كُلَّهُ أَوِ الرَّقِيقَ كُلَّهُ؛ قَالَ: يُنْظَرُ فِيمَا وُجِدَ فِيهِ الْعَيْبُ، مِنَ الْبَزِّ أَوِ الرَّقِيقِ، فَإِنْ كَانَ ذَلِكَ وُجِدَ فِيهِ الْعَيْبُ وَجْهَ الْمَتَاعِ وَأَكْثَرَهُ، وَمِنْ أَجْلِهِ اشْتُرِيَ فِيمَا يَرَى النَّاسُ، وَهُوَ الَّذِي فِيهِ الْفَضْلُ فِيمَا يُرَجَّى، رُدَّ الْبَيْعُ كُلُّهُ، وَإِنْ كَانَ ذَلِكَ الْعَيْبُ فِي الشَّيْءِ الْيَسِيرِ مِنْهُ الَّذِي لَيْسَ بِوَجْهِ الْمَتَاعِ، وَلا مِنْ أَجْلِهِ اشْتُرِيَ رُدَّ بِالْقِيمَةِ.وَقَدْ يَشْتَرِي الرَّجُلُ الْعَدْلَ مِنَ الْبَزِّ فِيهِ الْبُصْرَى الْمُرْتَفِعُ وَأَشْبَاهُ ذَلِكَ، وَمِنْهُ الشَّقَائِقُ الْيَسِيرَةُ مَعَ الْبُصْرَى، وَإِنَّمَا اشْتَرَى الْعَدْلَ كُلَّهُ مِنْ أَجْلِ الْبُصْرَى، فَيُوجَدُ فِي ذَلِكَ الْبُصْرَى فَاسِدٌ فَيُرَدُّ الْبَيْعُ كُلُّهُ.وَإِذَا كَانَ بَعْضُ الأَصْنَافِ الَّتِي مَعَهُ الَّتِي لَيْسَ مِنْ أَجْلِهَا اشْتَرَى الْمَتَاعَ بِهِ الْعَيْبُ رُدَّ بِقِيمَتِهَا وَلَمْ يُرَدَّ مِنْ أَجْلِ الْبَيْعِ كُلِّهِ.- وَأَخْبَرَنِي عُقْبَةُ بْنُ نَافِعٍ قَالَ: قَالَ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ: دَيْنُ الْعَبْدِ فِي مَالِهِ، يَبِيعُهُ بِهِ صَاحِبُهُ حَيْثُ كَانَ وَهُوَ عَيْبٌ يُرَدُّ مِنْهُ، لَيْسَ لِلْمُبْتَاعِ أَنْ يَحْبِسَ الْعَبْدَ، وَيَتَبَرَّأَ مِنَ الدَّيْنِ، وَلَكِنَّهُ إِذَا أَرَادَ حَبْسَهُ حَبَسَهُ بِدَيْنِهِ، وَإِنْ أَرَادَ رَدَّهُ، كَانَ ذَلِكَ لَهُ.- وَأَخْبَرَنِي عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ رَبِيعَةَ أَنَّهُ قَالَ فِي رَجُلٍ اشْتَرَى عَبْدًا وَعَلَيْهِ دَيْنٌ وَهُوَ لا يَعْلَمُ؛ قَالَ: يُخَيَّرُ إِذَا عَلِمَ بِالدَّيْنِ.قَالَ ابْنُ وَهْبٍ: وَبَلَغَنِي عَنْ أَبِي الزِّنَادِ مِثْلُهُ- وَأَخْبَرَنِي يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّهُ قَالَ فِي رَجُلٍ بَاعَ عَبْدًا وَعَلَيْهِ دَيْنٌ فَكَتَمَهُ دَيْنَ عَبْدِهِ حِينَ بَاعَهُ؛ قَالَ: إِنْ أَحَبَّ الَّذِي اشْتَرَى أَنْ يَرُدَّهُ، فَعَلَ.- قَالَ يُونُسُ: وَقَالَ ابْنُ مَوْهَبٍ: إِنْ رَضِيَ أَنْ يُمْسِكَ الْعَبْدَ فَالدَّيْنُ عَلَى الْعَبْدِ.- وَسَمِعْتُ مَالِكًا يَقُولُ: دَيْنُ الْعَبْدِ عُهْدَةٌ، فَإِنْ شَاءَ الْمُبْتَاعُ رَدَّ الْعَبْدَ، وَإِنْ شَاءَ أَمْسَكَهُ، وَهُوَ عَيْبٌ مِنَ الْعُيُوبِ.
২৫ - এবং আমাকে ইবনে সামআন সংবাদ দিয়েছেন যে, সুলাইমান ইবনে হাবিব আল-মুহারিবি তাঁকে উমর ইবনে আব্দুল আজিজ থেকে জানিয়েছেন যে, তিনি (উমর) তাদের এক মুক্তদাসের ব্যাপারে এই ফয়সালা দিয়েছিলেন যাকে আবু কায়সার বলা হতো। উমর তাকে বলেছিলেন: "প্রকাশ করার পূর্বেই অনুসন্ধান করে নেওয়া"; এটি তোমার পক্ষ থেকে হবে, সে বেঁচে থাকুক বা মারা যাক, এবং সেই ত্রুটির পরিমাণ অনুযায়ী তোমার থেকে মূল্য কমিয়ে দেওয়া হবে।ইবনে শিহাব বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, এই বিষয়ে শাসক ও জনসাধারণের কর্মপন্থা উমর ইবনে আব্দুল আজিজের ফয়সালার উপর প্রতিষ্ঠিত।এবং আমাকে আনাস ইবনে ইয়াদ আল-লায়ছি সংবাদ দিয়েছেন জাফর ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আলী ইবনে হুসাইন থেকে, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।এবং আমাকে ইউনুস ইবনে শিহাব থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি বলেছেন: ইয়াজিদ ইবনে আব্দুল মালিক যখন খলিফা হলেন, তখন আমরা তাকে এই পরামর্শ দিয়েছিলাম এবং তিনি সে অনুযায়ী ফয়সালা দিয়েছিলেন।এবং আমাকে লায়ছ ইবনে সাদ সংবাদ দিয়েছেন যে, ইয়াজিদ ইবনে আব্দুল মালিক......ইবনে শিহাব এবং সুলাইমান ইবনে হাবিব আনসারীর রায় অনুযায়ী, আর তাঁরা উভয়েই কাযী ছিলেন।আমি লায়ছ ইবনে সাদকে এটি বলতে শুনেছি।এবং আমাকে এমন এক ব্যক্তি সংবাদ দিয়েছেন যার ওপর আমি আস্থা রাখি যে, আবুয যিনাদও এটি বলেন।- এবং আমাকে ইউনুস ইবনে শিহাব থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি এমন এক গোলামের ব্যাপারে বলেছেন যাকে এক ব্যক্তি মুসলিমদের সাধারণ ক্রয়-বিক্রয়ের নিয়মে ক্রয় করেছে, অতঃপর সে ক্রেতার অধীনে থাকা অবস্থায় চুরি করেছে এবং তার বিরুদ্ধে প্রমাণ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, ফলে তার হাত কেটে ফেলা হয়েছে। এরপর ক্রেতা নির্ভরযোগ্য ন্যায়পরায়ণ সাক্ষী পেল যে, সে গোলামটি আগে থেকেই চুরির জন্য পরিচিত ছিল; তার এই স্বভাবটি ক্রয়ের পূর্ব থেকেই ছিল এবং বিক্রেতা তা গোপন ও প্রতারণা করেছে।ইবনে শিহাব বলেন: এই বিষয়ে আমাদের কাছে (পূর্ববর্তীদের থেকে) কিছু পৌঁছেনি, তবে আমি মনে করি সে এটি ফেরত দেবে।ইবনে শিহাবকে জিজ্ঞাসা করা হলো: যদি সে ক্রেতার কাছ থেকে পালিয়ে যায়, অতঃপর ক্রেতা ন্যায়পরায়ণ সাক্ষী দ্বারা প্রমাণ করে যে সে আগে থেকেই পলাতক স্বভাবের ছিল এবং এটি তার পুরনো অভ্যাস ছিল, আর বিক্রেতা তার কাছে তা গোপন ও প্রতারণা করেছে?ইবনে শিহাব বলেন: আমরা মনে করি যে ব্যক্তি প্রতারণা করেছে তাকে অর্থ ফেরত দিতে হবে, আর প্রতারক বিক্রেতা গোলামটি নিয়ে নেবে এবং মূল্য ফেরত দেবে। কারণ সে তাকে এমন বিষয়ে ধোঁকা দিয়েছে যাতে তার সম্পদ নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।- এবং আমি মালিককে বলতে শুনেছি এমন ব্যক্তি সম্পর্কে যে গোলাম ক্রয় করেছে এবং তার কাছে গোলামের পলাতক হওয়া বা হাত কাটার মতো ত্রুটি গোপন করে প্রতারণা করা হয়েছে, অতঃপর গোলামটি পালিয়ে গেছে। এরপর ক্রেতা প্রমাণ পেল যে সে বিক্রেতার কাছেও পলাতক ছিল এবং বিক্রেতা তা তার কাছে গোপন করেছিল। তিনি বলেন: আমি মনে করি বিক্রেতার কাছ থেকে মূল্য গ্রহণ করে ক্রেতাকে ফেরত দেওয়া হবে, আর গোলামটি তার প্রথম মালিকের কাছে ফিরে যাবে (যদি পাওয়া যায়) এবং বিক্রেতা তার গোলামটি খুঁজবে।- এবং আমি মালিককে বলতে শুনেছি এমন ব্যক্তি সম্পর্কে যে গোলাম ক্রয় করে, অতঃপর তাতে এমন কোনো ত্রুটি প্রকাশ পায় যার কারণে তা ফেরত দেওয়া যায়, অথচ ক্রেতার কাছে থাকাবস্থায় তাতে অন্য একটি ত্রুটি সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন: যদি তা নষ্টকারী ত্রুটি হয় যেমন অঙ্গচ্ছেদ বা অন্ধ হওয়া বা এই জাতীয় ত্রুটি, তবে ক্রেতা দুটি বিকল্পের মধ্যে যেটি উত্তম সেটি গ্রহণ করার সুযোগ পাবে; যদি সে চায় যে গোলামটি কেনার দিন তাতে যে ত্রুটি ছিল সেই পরিমাণ মূল্য তার থেকে কমিয়ে দেওয়া হোক, তবে তা কমানো হবে। আর যদি সে চায় তবে তার কাছে গোলামের যে ক্ষতি হয়েছে তার জরিমানা দিয়ে গোলামটি ফেরত দেবে। আর যদি গোলামটি ক্রেতার কাছে মারা যায়, তবে গোলামটির মূল্য নির্ধারণ করা হবে ঐ ত্রুটিসহ যা কেনার দিন তাতে ছিল; দেখা হবে যে সেই ত্রুটির কারণে মূল্যের কতটুকু ঘাটতি হয়েছে। যদি ক্রয়ের দিন ত্রুটিহীন অবস্থায় গোলামটির মূল্য একশ দিনার হয় এবং ত্রুটিসহ তার মূল্য আশি দিনার হয়, তবে ক্রেতার জন্য সুস্থ অবস্থার মূল্য এবং ত্রুটিযুক্ত অবস্থার মূল্যের ব্যবধানটুকু কমিয়ে দেওয়া হবে। আর এই মূল্য নির্ধারণ হবে ক্রয়ের দিনের বাজারদর অনুযায়ী।- এবং আমাকে আব্দুল জব্বার ইবনে উমর সংবাদ দিয়েছেন যে, উমর ইবনে আব্দুল আজিজ এমন ব্যক্তির ব্যাপারে ফয়সালা দিয়েছেন যে ত্রুটিযুক্ত গোলাম বিক্রয় করেছে, অতঃপর ক্রেতার কাছে থাকাবস্থায় তাতে নতুন ত্রুটি সৃষ্টি হয়েছে; যদি ক্রেতা প্রমাণ করতে পারে যে বিক্রেতার কাছে থাকাবস্থায়ই ঐ ত্রুটি ছিল, তবে ক্রেতার জন্য দুই মূল্যের মধ্যবর্তী ব্যবধান কমিয়ে দেওয়া হবে। তিনি বলেন: বিক্রেতার কাছে থাকা ত্রুটির পরিমাণ অনুযায়ী।- এবং আমাকে উসমান ইবনে হাকাম সংবাদ দিয়েছেন যে, ইবনে জুরাইজ তাকে জানিয়েছেন, মুসআব ইবনে মুহাম্মদ ইবনে শুরাহবিল তাকে জানিয়েছেন যে, এক ব্যক্তি একটি গোলাম ক্রয় করেছিল যার একটি আঙুল অবশ ছিল। ক্রেতা তার এই অবশ হওয়া দেখেননি যতক্ষণ না গোলামটি ক্রেতার কাছে তার অবশের অভিযোগ করল। ক্রেতা বিষয়টি নিয়ে আবান ইবনে উসমানের কাছে বিচার নিয়ে গেলেন। আবান বললেন: "তুমি তাকে সেভাবেই ফেরত দাও যেভাবে নিয়েছিলে। আর যদি সে মারা যায় তবে তার মূল্য নির্ধারণ করা হবে, অতঃপর সেই ত্রুটির পরিমাণ অনুযায়ী তোমার থেকে মূল্য কমানো হবে।"- এবং মালিক এমন ব্যক্তি সম্পর্কে বলেন যে বিক্রয় করে এবং শর্ত দেয় যে, কোনো ত্রুটি পাওয়া গেলেও তার ওপর কোনো কসম বা শপথ থাকবে না। মালিক বলেন: আমি মনে করি এটি একটি বৈধ শর্ত।কেননা কসম বাকি থাকে; আর মানুষ অনেক সময় মূল্য ছাড় দেয় যেন তাকে কসম করতে না হয়।- এবং আমাকে ইউনুস ইবনে শিহাব থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তাঁকে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে মুসলিমদের সাধারণ নিয়মে গোলাম ক্রয় করেছে, অতঃপর তাকে পাগলামি পেয়ে বসল এবং সে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা গেল। এরপর প্রমাণ পাওয়া গেল যে সে আগে থেকেই পাগল ছিল এবং বিক্রেতা তা গোপন ও প্রতারণা করেছিল। তিনি বলেন: সে পুরো মূল্য ফেরত পাবে।- এবং আমাকে ইউনুস ইবনে শিহাব থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি এক ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে একটি দাসী ক্রয় করেছে, অতঃপর তাকে মুক্ত করে দিয়েছে......না.....সেই বিষয়ে; তিনি বলেন: আমি মনে করি তার মূল্য থেকে সেই ত্রুটির পরিমাণ কমানো হবে।- এবং আমাকে ইউনুস ইবনে শিহাব সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি যেসব আলেমদের পেয়েছেন তাঁরা বলতেন.....দাসী, অতঃপর সে তার সাথে সহবাস করল অথবা তাকে মুক্ত করে দিল এবং সে তার মাধ্যমে গর্ভবতী হলো; তার মূল্য থেকে ত্রুটিযুক্ত অবস্থার অতিরিক্ত অংশ কমিয়ে দেওয়া হবে।- এবং মালিক আমাকে বলেছেন: আমাদের নিকট সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হলো এই যে, কোনো ব্যক্তি যদি দাসী ক্রয় করে এবং সে তার মাধ্যমে গর্ভবতী হয়, অথবা গোলাম ক্রয় করে তাকে মুক্ত করে দেয় অথবা সে মারা যায়, আর এমন প্রতিটি বিষয় যাতে গোলামটি হাতছাড়া হয়ে যায় এবং তা ফেরত দেওয়া সম্ভব না হয়; এমতাবস্থায় যদি বিক্রেতার কাছে ত্রুটি থাকার প্রমাণ পাওয়া যায় অথবা স্বীকারোক্তি বা অন্য কিছুর মাধ্যমে তা জানা যায়, তবে সেই গোলামটির তৎকালীন ত্রুটিসহ মূল্য নির্ধারণ করা হবে, অতঃপর গোলামের মূল্যের অতিরিক্ত অংশটি ফেরত দেওয়া হবে।- এবং মালিক সেই ত্রুটিগুলোর ব্যাপারে বলেন যার কারণে গোলাম ফেরত দেওয়া যায়; তিনি বলেন: কেবলমাত্র এমন ত্রুটির কারণেই ফেরত দেওয়া হবে যা মূল্য কমিয়ে দেয় অথবা যার পরিণাম আশঙ্কাজনক। এক্ষেত্রে দালালরা (দাস ব্যবসায়ী) কী ফেরত নেয় তা দেখা হবে না।- এবং মালিক আমাকে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে গোলাম বিক্রয় করেছে, অতঃপর ক্রেতা মারা গেল এবং উত্তরাধিকারীরা গোলামের মধ্যে ত্রুটি খুঁজে পেল, কিন্তু বিক্রেতা দাবি করল যে সে ক্রেতাকে তা জানিয়েছিল। মালিক বলেন: বিক্রেতার কথা গ্রহণ করা হবে না, তাকে প্রমাণ পেশ করতে হবে; অন্যথায় গোলামটি তার কাছে ফেরত পাঠানো হবে।আর তা এই কারণে যে, উত্তরাধিকারীরা ক্রেতার স্থলাভিষিক্ত।- এবং আমি মালিককে বলতে শুনেছি এমন ব্যক্তি সম্পর্কে যে গোলামের বিনিময়ে গোলাম ক্রয় করেছে, অতঃপর ক্রেতা সেই গোলামের মধ্যে এমন ত্রুটি পেল যার কারণে তা ফেরত দেওয়া যায়। তিনি বলেন: সে যে গোলামটি দিয়েছিল, হস্তান্তরের দিনের বাজারদর অনুযায়ী তার যা মূল্য ছিল তা সে পাবে, সেই গোলামের মূল্য বৃদ্ধি পাক বা কমুক। আর যদি গোলামের মূল্যের পরিবর্তে কোনো পণ্য দিয়ে থাকে, তবে সেই পণ্যের মূল্যই সে ফেরত পাবে।- মালিক এমন ব্যক্তি সম্পর্কে বলেন যে গোলাম ক্রয় করে তাকে ভাড়ায় খাটালো এবং তার থেকে কম বা বেশি ভাড়া লাভ করল, অতঃপর তাতে এমন ত্রুটি পেল যার কারণে তা ফেরত দেওয়া যায়। তিনি বলেন: সে ত্রুটির কারণে গোলামটি ফেরত দেবে এবং দায়িত্ব বা ঝুঁকি গ্রহণের বিনিময়ে তার অর্জিত আয় (খরাজ) তার জন্যই থাকবে।আর এটিই হলো মানুষের জামাআতের (বিদ্বানদের সমষ্টির) কর্মপন্থা।আর এটি এ কারণে যে, যদি কোনো ব্যক্তি গোলাম ক্রয় করে আর গোলামটি তার জন্য একটি ঘর তৈরি করে যার নির্মাণ মূল্য গোলামের মূল্যের কয়েক গুণ, অতঃপর সে গোলামটির মধ্যে ত্রুটি পায় যার কারণে তা ফেরত দেওয়া যায়, তবে সে তাকে ফেরত দেবে এবং সে তার জন্য যে কাজ করেছে তার কোনো ভাড়া বা পারিশ্রমিক হিসাব করা হবে না। ঠিক তেমনি তার ভাড়ার আয় তার জন্যই থাকবে যদি সে তাকে অন্যের কাছে ভাড়ায় খাটায়, কারণ সে তার ঝুঁকি বহন করছিল।আমাদের কাছে এই বিষয়টিই প্রচলিত।- এবং আমি মালিককে বলতে শুনেছি এমন রূপবতী দাসী সম্পর্কে যাকে ক্রয় করা হয়েছে কিন্তু তার মাথায় প্রচুর সাদা চুল পাওয়া গেছে, অথবা তার মুখে দুর্গন্ধ পাওয়া গেছে, অথবা এমন দাসী কেনা হয়েছে যার স্বামী আছে কিন্তু তা জানা ছিল না, অথবা এমন দাসী কেনা হয়েছে যে জারজ সন্তান কিন্তু পরে তা জানা গেল। তিনি বলেন: এগুলো এমন ত্রুটি যার কারণে ফেরত দেওয়া যায়।- এবং মালিক স্বামী থাকা দাসীর ব্যাপারে বলেন: এটি একটি দায়বদ্ধতা (ত্রুটি), চাইলে সে তা ফেরত দিতে পারে।- এবং মালিক এমন ব্যক্তি সম্পর্কে বলেন যে দাসী বিক্রয় করেছে অথচ সে জারজ সন্তান; তিনি বলেন: তাকে তার প্রতারণার জন্য শাস্তি দেওয়া হবে।- এবং মালিক এমন গোলামের ব্যাপারেও একই কথা বলেন যা জারজ সন্তান হিসেবে বিক্রয় করা হয়েছে।- এবং মালিক এমন ব্যক্তি সম্পর্কে বলেন যে গোলাম ক্রয় করেছে যার স্ত্রী বা সন্তান আছে, অতঃপর সে তা জানতে পেরে ফেরত দিতে চাইল; সে গোলামটিকে ফেরত দেবে। মালিক বলেন: তুমি যা যা উল্লেখ করেছ তার প্রত্যেকটিকেই আমি ত্রুটি মনে করি যার কারণে গোলাম ফেরত দেওয়া যায় যদি সে তার কাছে তা উল্লেখ না করে থাকে।- এবং মালিক এমন দাসী সম্পর্কে বলেন যাকে দুটি দাসীর বিনিময়ে বিক্রয় করা হয়েছে, অতঃপর সেই দুই দাসীর একটিতে ত্রুটি পাওয়া গেছে। মালিক বলেন: যে দাসীটি ঐ দুই দাসীর মূল্য হিসেবে ছিল তার মূল্য নির্ধারণ করা হবে এবং দেখা হবে তার বাজারদর কত। অতঃপর অপর দুই দাসীকে ত্রুটিহীন অবস্থায় মূল্যায়ন করা হবে। এরপর ঐ এক দাসীর মূল্যকে এই দুই দাসীর মধ্যে তাদের মূল্যের অনুপাত অনুযায়ী ভাগ করা হবে, যাতে প্রতিটি দাসীর ওপর তার মূল্যের অংশ নির্ধারিত হয়—অধিক মূল্যবানটির ওপর বেশি এবং অন্যটির ওপর তার মূল্য অনুযায়ী। এরপর যেটিতে ত্রুটি পাওয়া গেছে সেটি তার অংশে পড়া মূল্যের বিনিময়ে ফেরত দেওয়া হবে, তা বেশি হোক বা কম।তিনি বলেন: যদি ঐ একক দাসীটিতে কোনো ত্রুটি পাওয়া যায় যার কারণে ফেরত দেওয়া যায়, তবে তার মালিক তা ফেরত দেবে। আর ঐ দুই দাসীর মূল্য নির্ধারণ করা হবে এবং দেখা হবে তাদের দাম কত, অতঃপর দুই দাসীর বিক্রেতা সেই মূল্য পরিশোধ করবে। আর এই মূল্যায়ন হবে হস্তান্তরের দিনের বাজারদর অনুযায়ী।- এবং মালিক এমন ব্যক্তি সম্পর্কে বলেন যে কাপড় বা দাস অথবা অন্য কিছু একই চুক্তিতে ক্রয় করেছে, অতঃপর সেই পণ্যের কিছু অংশ চুরিকৃত বলে প্রমাণিত হলো অথবা কিছু অংশে ত্রুটি পাওয়া গেল যার কারণে ফেরত দেওয়া যায়, ফলে ক্রেতা পুরো কাপড় বা সব গোলাম ফেরত দিতে চায়। তিনি বলেন: কাপড় বা গোলামের যে অংশে ত্রুটি পাওয়া গেছে তার দিকে লক্ষ করা হবে; যদি দেখা যায় যে ত্রুটিযুক্ত অংশটিই ছিল চুক্তির মূল লক্ষ্য ও অধিকাংশ এবং মানুষের ধারণা অনুযায়ী সেই কারণেই সেটি কেনা হয়েছিল এবং লাভজনক অংশটি সেখানেই ছিল, তবে পুরো বিক্রয় চুক্তিটি বাতিল হবে। আর যদি সেই ত্রুটি সামান্য কোনো বিষয়ে হয় যা চুক্তির মূল লক্ষ্য নয় এবং যার জন্য তা কেনা হয়নি, তবে কেবল সেই অংশের মূল্য ফেরত দেওয়া হবে।কখনও কোনো ব্যক্তি এক গাঁট কাপড় কেনে যাতে দামী বুসরা কাপড় এবং এই জাতীয় কাপড় থাকে, আর সেই দামী কাপড়ের সাথে সামান্য কিছু সাধারণ কাপড় থাকে। সে মূলত ঐ দামী বুসরা কাপড়ের জন্যই পুরো গাঁটটি ক্রয় করেছে; এখন যদি ঐ দামী কাপড়ে ত্রুটি পাওয়া যায় তবে পুরো চুক্তি বাতিল হবে।আর যদি এমন কোনো জাতে ত্রুটি পাওয়া যায় যা পণ্যটি কেনার মূল উদ্দেশ্য ছিল না, তবে কেবল সেই অংশের মূল্য ফেরত দেওয়া হবে এবং পুরো চুক্তি বাতিল হবে না।- এবং আমাকে উকবা ইবনে নাফি সংবাদ দিয়েছেন যে, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ বলেছেন: গোলামের ঋণ তার সম্পদের অন্তর্ভুক্ত। তার মালিক সেই ঋণসহই তাকে বিক্রি করবে। এটি একটি ত্রুটি যার কারণে ফেরত দেওয়া যায়। ক্রেতার অধিকার নেই যে সে গোলামকে আটকে রাখবে এবং ঋণ থেকে দায়মুক্ত থাকবে। বরং যদি সে তাকে রাখতে চায় তবে ঋণসহই রাখবে, আর যদি ফেরত দিতে চায় তবে সে অধিকার তার আছে।- এবং আমাকে আব্দুল জব্বার ইবনে উমর রাবিআহ থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি এমন ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে গোলাম ক্রয় করেছে অথচ তার ঋণ ছিল যা সে জানত না। তিনি বলেন: ঋণ সম্পর্কে জানার পর তাকে এখতিয়ার দেওয়া হবে (রাখা বা ফেরত দেওয়ার)।ইবনে ওয়াহাব বলেন: আবুয যিনাদ থেকেও আমার কাছে অনুরূপ বর্ণনা পৌঁছেছে।- এবং আমাকে ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ ইবনে শিহাব থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি এমন ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে গোলাম বিক্রয় করেছে অথচ তার ঋণ ছিল এবং সে গোলাম বিক্রির সময় তার ঋণ গোপন করেছে। তিনি বলেন: ক্রেতা চাইলে তা ফেরত দিতে পারবে।- ইউনুস বলেন: ইবনে মাওহাব বলেছেন, যদি সে গোলামটিকে রাখতে সম্মত হয় তবে ঋণ গোলামের ওপরই থাকবে।- এবং আমি মালিককে বলতে শুনেছি: গোলামের ঋণ একটি দায়বদ্ধতা (ত্রুটি), ক্রেতা চাইলে গোলাম ফেরত দিতে পারে অথবা চাইলে রাখতে পারে; এটি অন্যান্য ত্রুটির মতোই একটি ত্রুটি।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ৮)
فِي بَيْعِ الْبَرَاءَةِ فِي الرَّقِيقِ
ক্রীতদাসের ক্ষেত্রে দায়মুক্তি বিক্রয় প্রসঙ্গে
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ৯)
52 - وَأَخْبَرَنِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، وَاللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ أَبَاهُ بَاعَ غُلامًا لَهُ بِثَمَانِ مِائَةِ دِرْهَمٍ، وَبَاعَهُ بِالْبَرَاءَةِ؛ فَقَالَ الَّذِي ابْتَاعَ الْعَبْدَ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ: بِالْعَبْدِ دَاءٌ لَمْ تُسَمِّهِ لِي؛ فَاخْتَصَمَا إِلَى عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانٍ، فَقَالَ الرَّجُلُ: بَاعَنِي عَبْدًا بِهِ دَاءٌ لَمْ يُسَمِّهِ لِي؛ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ: بِعْتُهُ بِالْبَرَاءَةِ؛ فَقَضَى عُثْمَانُ عَلَى عَبْدِ اللَّهِ أَنْ يَحْلِفَ بِاللَّهِ لَقْد بَاعَهُ الْعَبْدَ وَمَا بِهِ دَاءٌ يَعْلَمُهُ؛ فَأَبَى عَبْدُ اللَّهِ أَنْ يَحْلِفَ، وَارْتَجَعَ الْعَبْدَ
৫২ - মালিক ইবনে আনাস এবং লাইস ইবনে সাদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াহিয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি সালিম ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তাঁর পিতা একটি গোলামকে আটশত দিরহামে বিক্রয় করেছিলেন এবং তিনি তা নির্দোষিতার শর্তে (ত্রুটি-বিচ্যুতির দায়মুক্ত হয়ে) বিক্রয় করেছিলেন। অতঃপর যে ব্যক্তি গোলামটি ক্রয় করেছিলেন, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে ওমরকে বললেন: “গোলামটির মাঝে এমন একটি রোগ রয়েছে যা আপনি আমার কাছে উল্লেখ করেননি।” ফলে তাঁরা উভয়ে ওসমান ইবনে আফফানের নিকট বিচার নিয়ে গেলেন। তখন ঐ ব্যক্তি বললেন: “তিনি আমার নিকট এমন এক গোলাম বিক্রয় করেছেন যাতে রোগ রয়েছে যা তিনি আমার কাছে উল্লেখ করেননি।” আব্দুল্লাহ বললেন: “আমি তা নির্দোষিতার শর্তে বিক্রয় করেছি।” অতঃপর ওসমান আব্দুল্লাহর প্রতি এই ফয়সালা দিলেন যে, তিনি আল্লাহর নামে শপথ করবেন যে, যখন তিনি গোলামটি বিক্রয় করেছিলেন তখন তাতে তাঁর জানা মতে কোনো রোগ ছিল না। কিন্তু আব্দুল্লাহ শপথ করতে অস্বীকার করলেন এবং গোলামটিকে ফেরত নিলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ১০)
53 - وَأَخْبَرَنِي ابْنُ سَمْعَانَ، قَالَ: سَمِعْتُ رَجُلا مِنْ عُلَمَائِنَا مِنْهُمْ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ يَقُولُونَ: قَضَى عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ أَنَّ مَنْ بَاعَ سِلْعَةً فِيهَا عَيْبٌ قَدْ عَلِمَ بِهِ فَلَمْ يُسَمِّهِ، وَإِنْ بَاعَهَا بِالْبَرَاءَةِ، وَهِيَ رَدٌّ إِنْ شَاءَ الْمُبْتَاعُ.قَالَ ابْنُ سَمْعَانَ: فَالنَّاسُ عَلَى قَضَاءِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ- وَأَخْبَرَنِي ابْنُ سَمْعَانَ، أَنَّ سُلَيْمَانَ بْنَ حَبِيبٍ أَخْبَرَهُ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ كَتَبَ إِلَى عَامِلٍ مِنْ عُمَّالِهِ أَنِ امْنَعِ التُّجَّارَ أَنْ يُسَمُّوا فِي السِّلْعَةِ عُيُوبًا لَيْسَتْ فِليَها الْتِمَاسَ التَّلْفِيقِ عَلَى الْمُسْلِمِينَ، وَالْبَرَاءَةِ لأَنْفُسِهِمْ، وَأَنَّهُ لا يَبْرَأُ مِنْهُمْ إِلا مَنْ أَرَى بَيْعَهُ الْعَيْبَ بِعَيْنِهِ، فَإِنَّهُ لَيْسَ فِي دِينِ اللَّهِ غِشٌّ وَلا خَدِيعَةٌ؛ وَالْبَائِعُ وَالْمُبْتَاعُ عَلَى رَأْسِ أَمْرِهِمَا حَتَّى يَتَفَرَّقَا، وَلا يُجَازُ مِنَ الشُّرُوطِ فِي الْبَيْعِ إِلا مَا وَافَقَ الْحَقَّ.وَأَخْبَرَنِي يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ رَبِيعَةَ نَحْوَ ذَلِكَ أَيْضًا.- قَالَ ابْنُ وَهْبٍ: وَأَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُسَيَّبِ أَنَّهُ حَضَرَ تَوْبَةَ بْنَ نَمِرٍ يَقْضِي فِي بَيْعِ الْبَرَاءَةِ، أَنَّ الْبَرَاءَةَ تَبْرِئَةٌ مِمَّا لَمْ يَعْلَمْ؛ وَكَانَ يَقْضِي أَنَّ مَا اشْتَرَى النَّخَّاسُونَ أَصْحَابُ الرَّقِيقِ مِنْ شَيْءٍ، فَأَرَادُوا رَدَّهُ؛ أَنَّ ذَلِكَ لَيْسَ لَهُمْ، اشْتَرَوْا بِبَرَاءَةٍ أَوْ غَيْرِ بَرَاءَةٍ؛ فَذَلِكَ لأَنَّهُ كَانَ يَحْمِلُ أَمْرَهُمْ عَلَى الْخَدِيعَةِ وَالْغِشِّ.- وَسَمِعْتُ مَالِكًا يَقُولُ فِيمَنْ بَاعَ عَبْدًا أَوْ دَابَّةً أَوْ شَيْئًا فَتَبَرَّأَ مِنَ الْعُيُوبِ وَسَمَّاهُ فِي أَشْيَاءَ يُسَمِّيهَا يَقُولُ: بَرِئْتُ مِنْ كَذَا أَوْ مِنْ كَذَا، فَإِنَّ ذَلِكَ عَلَى الْبَائِعِ حَتَّى يُوقِفَ ذَلِكَ الَّذِي اشْتَرَى مِنْهُ عَلَى ذَلِكَ الْعَيْبِ بِعَيْنِهِ الَّذِي فِي الشَّيْءِ الَّذِي بَاعَ.- قَالَ مَالِكٌ: وَالأَمْرُ الْمُجْتَمَعُ عَلَيْهِ عِنْدَنَا فِيمَنْ بَاعَ عَبْدًا أَوْ وَلِيدَةً أَوْ غَيْرَهُمَا مِنَ الْحَيَوانِ بِالْبَرَاءَةِ، فَقَدْ بَرِئَ مِنْ كُلِّ عَيْبٍ فِي كُلِّ شَيْءٍ مِمَّا بَاعَ مِنْ ذَلِكَ، إِلا أَنْ يَكُونَ يَعْلَمُ شَيْئًا، فَإِنْ عَلِمَ شَيْئًا فَكَتَمَهُ لَمْ تَنْفَعْهُ بَرَاءَتُهُ، وَكَانَ مَرْدُودًا عَلَيْهِ.- وَأَخْبَرَنِي يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّهُ قَالَ فِي رَجُلٍ بَاعَ سِلْعَةً وَبِهَا عَيْبٌ فَسَمَّى عُيُوبًا كَثِيرَةً، وَأَدْخَلَ ذَلِكَ الْعَيْبَ فِيمَا سُمِّيَ؛ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ: إِنْ لَمْ يَكُنْ وَضَعَ يَدَهُ عَلَى ذَلِكَ الْعَيْبِ وَحْدَهُ أَوْ أَعْلَمَهُ إِيَّاهُ وَحْدَهُ فَإِنَّا لا نَرَى تَجُوزُ الْخِلابَةُ بَيْنَ الْمُسْلِمِينَ حَتَّى يَتَبَرَّأَ مِنَ الْعَيْبِ وَحْدَهُ.- وَأَخْبَرَنِي يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ رَبِيعَةَ أَنَّهُ قَالَ فِي رَجُلٍ بَاعَ دَابَّةً بِالْبَرَاءَةِ فَوَجَدَ فِيهَا عَيْبًا؛ قَالَ: لا تُرَدُّ إِلَى صَاحِبِهَا إِلا أَنْ يَكُونَ دَلَّسَهَا وَلَمْ يَبِعْهَا عَلَى ذَلِكَ، قَدْ أَخَذَ مِنْهُ ثَمَنَ مَا قَدْ تَبَرَّأَ مِنْهُ؛ وَقَدْ أَرَادَ أَلا تَكُونَ عَلَيْهِ فِي الثَّمَنِ تِبَاعَةٌ.- وَقَالَ مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ فِي الرَّجُلِ يَبْعَثُ إِلَى الرَّجُلِ بِالْجَارِيَةِ لِيَبِيعَهَا، فَيَبِيعَهَا بِالْبَرَاءَةِ؛ ثُمَّ يَظْهَرُ الْمُشْتَرِي عَلَى عَيْبٍ قَدِيمٍ فَيُرِيدُ أَنْ يَسْتَحْلِفَ الْبَائِعَ، فَيَقُولُ الْبَائِعُ: قَدْ أَعْلَمْتُكَ أَنَّهَا لَيْسَتْ لِي، وَلَكِنْ هَذَا صَاحِبُهَا، فَاسْتَحْلِفْهُ؛ قَالَ: أَرَى عَلَى الْبَائِعِ الْيَمِينَ أَنَّهُ مَا عَلِمَ، وَإِلا رُدَّ عَلَيْهِ.- وَقَالَ مَالِكٌ فِي الرَّجُلِ يَبِيعُ غُلامَهُ بِالْبَرَاءَةِ، فَيَقَعُ بَيْنَهُمَا شَجْرٌ، فَيَقُولُ الْبَائِعُ: إِنَّ عَبْدَكَ الَّذِي بِعْتُكَ آبِقٌ؛ قَالَ: لا يُرَدُّ عَلَيْهِ إِلا أَنْ يُقِيمَ الْبَيِّنَةَ عَلَى قَوْلِهِ، وَيَكُونَ الْمُبْتَاعُ عَلَى بَيْعِهِ فِي الْغُلامِ؛ إِنْ قَامَتِ الْبَيِّنَةُ لَهُ عَلَى أَنَّ الْعَبْدَ كَان آبِقًا عِنْدَ سَيِّدِهِ رَدَّهُ، إِذَا أَثْبَتَ ذَلِكَ.- وَأَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنْ رَبِيعَةَ أَنَّهُ قَالَ: مَنْ تَبَرَّأَ مِنْ عَهْدٍ فَجَمَعَهَا مِنْهَا مَا كَانَ، وَمِنْهَا مَا لَمْ يَكُنْ، فَإِنَّهُ يَرُدُّ عَنِ الْمُشْتَرِي كُلَّ مَا تَبَرَّأَ مِنْهُ مِنْ شَيْءٍ قَدْ عَلِمَهُ أَوْ كَانَ قَدْ ضَمَّهُ مَعَ غَيْرِهِ، وَلَمْ يَنْصُصْهُ وَحْدَهُ بِعَيْنِهِ؛ وَذَلِكَ لأَنَّهُ إِنَّمَا وَضَعَهُ ذَلِكَ الْمَوْضِعَ لِيُلَبِّسَ بِهِ عَلَى مِنْبَاعِهِ، وَلِيُخْفِيَهُ بِمَا ضَمَّهُ إِلَيْهِ، وَجَعَلَهُ مَعَهُ مِمَّا لَيْسَ بِشَيْءٍ.
৫৩ - ইবনে সামআন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আমাদের আলেমদের একজনকে বলতে শুনেছি, যাদের মধ্যে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদও রয়েছেন, তাঁরা বলেন: উমর ইবনুল খাত্তাব ফয়সালা দিয়েছেন যে, যে ব্যক্তি এমন কোনো পণ্য বিক্রি করল যাতে কোনো ত্রুটি রয়েছে যা সে জানত কিন্তু তা উল্লেখ করেনি, যদিও সে তা দায়মুক্তির শর্তে বিক্রি করে থাকে, তবে ক্রেতা চাইলে তা ফেরত দিতে পারবে।ইবনে সামআন বলেন: মানুষ উমর ইবনুল খাত্তাবের ফয়সালার ওপরই প্রতিষ্ঠিত।- এবং ইবনে সামআন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, সুলাইমান ইবনে হাবীব তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, উমর ইবনে আব্দুল আজিজ তার জনৈক আমিলকে লিখে পাঠিয়েছিলেন যে: ব্যবসায়ীদের পণ্যসামগ্রীতে এমন ত্রুটি উল্লেখ করতে নিষেধ করুন যা তাতে নেই, যাতে তারা মুসলিমদের সাথে প্রতারণা করতে না পারে এবং নিজেদের দায়মুক্ত করতে না পারে। আর কারো পক্ষ থেকেই দায়মুক্তি গ্রহণযোগ্য হবে না যতক্ষণ না সে ত্রুটিটি সুনির্দিষ্টভাবে ক্রেতাকে চোখের সামনে দেখিয়ে দেবে। কারণ আল্লাহর দ্বীনে কোনো ধোঁকাবাজি বা প্রতারণা নেই। আর বিক্রেতা ও ক্রেতা তাদের চুক্তির বিষয়ে ইখতিয়ারপ্রাপ্ত যতক্ষণ না তারা পৃথক হয়। আর কেনাবেচায় এমন কোনো শর্ত বৈধ নয় যা হকের পরিপন্থী।ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ রাবিআহ থেকে অনুরূপ বর্ণনা আমাকে দিয়েছেন।- ইবনে ওয়াহাব বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনুল মুসাইয়িব আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি তাওবাহ ইবনে নামিরের নিকট উপস্থিত ছিলেন যখন তিনি দায়মুক্তির ভিত্তিতে বিক্রয়ের বিষয়ে ফয়সালা দিচ্ছিলেন যে: দায়মুক্তি হলো সেই ত্রুটি থেকে যা বিক্রেতা জানত না। আর তিনি এই ফয়সালা দিতেন যে, গোলামের ব্যবসায়ীরা (ক্রয়-বিক্রয়কারীগণ) যা কিছু ক্রয় করবে এবং পরে তা ফেরত দিতে চাইবে, তাদের জন্য তা ফেরত দেওয়ার অধিকার নেই, তারা দায়মুক্তির শর্তে কিনুক বা না কিনুক। কারণ তিনি তাদের বিষয়টিকে ধোঁকাবাজি ও প্রতারণার অন্তর্ভুক্ত মনে করতেন।- আমি মালিককে বলতে শুনেছি সেই ব্যক্তির ব্যাপারে যে দাস বা পশু বা অন্য কিছু বিক্রি করল এবং ত্রুটি থেকে দায়মুক্তির শর্তারোপ করল এবং কয়েকটি জিনিসের নাম উল্লেখ করে বলল: আমি অমুক অমুক ত্রুটি থেকে দায়মুক্ত। এমন ক্ষেত্রে বিক্রেতা দায়মুক্ত হবে না যতক্ষণ না সে ক্রেতাকে সেই বস্তুর সুনির্দিষ্ট ত্রুটিটি স্পষ্টভাবে দেখিয়ে দেয় যা সে বিক্রি করেছে।- ইমাম মালিক বলেন: আমাদের নিকট সর্বসম্মত বিষয় এই যে, যদি কেউ দাস বা দাসী অথবা অন্য কোনো পশু দায়মুক্তির শর্তে বিক্রি করে, তবে সে সেই পণ্যের সকল ত্রুটি থেকে দায়মুক্ত হয়ে যাবে। তবে শর্ত হলো, সে যদি কোনো ত্রুটি সম্পর্কে অবগত থাকে এবং তা গোপন করে, তবে তার দায়মুক্তি তাকে কোনো ফায়দা দেবে না এবং পণ্যটি তার নিকট ফেরতযোগ্য হবে।- ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ ইবনে শিহাব থেকে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি এমন ব্যক্তির বিষয়ে বলেছেন যে একটি পণ্য বিক্রি করল যাতে ত্রুটি রয়েছে এবং সে অনেকগুলো ত্রুটির নাম উল্লেখ করল এবং সেই (প্রকৃত) ত্রুটিটিকে ওই নামগুলোর ভেতরে অন্তর্ভুক্ত করে দিল। ইবনে শিহাব বলেন: যদি সে সুনির্দিষ্টভাবে ওই ত্রুটির ওপর হাত না রাখে অথবা শুধু সেটিই তাকে অবগত না করে, তবে আমরা মুসলিমদের মাঝে এমন প্রতারণা জায়েজ মনে করি না, যতক্ষণ না সে সুনির্দিষ্টভাবে ওই ত্রুটিটি থেকে দায়মুক্ত হয়।- ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ রাবিআহ থেকে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি এমন ব্যক্তির ব্যাপারে বলেছেন যে দায়মুক্তির শর্তে একটি পশু বিক্রি করল এবং ক্রেতা তাতে ত্রুটি পেল। তিনি বলেন: এটি তার মালিকের কাছে ফেরত দেওয়া হবে না, যদি না বিক্রেতা প্রতারণা করে থাকে এবং সেই ত্রুটির ভিত্তিতে তা বিক্রি না করে থাকে। সে তো ওই জিনিসের মূল্য গ্রহণ করেছে যা থেকে সে দায়মুক্তি চেয়েছে এবং সে চেয়েছে যেন মূল্যের ব্যাপারে তার ওপর কোনো দায় না থাকে।- মালিক ইবনে আনাস এমন ব্যক্তির বিষয়ে বলেন যে অন্য ব্যক্তির কাছে জনৈক দাসীকে পাঠাল যেন সে তাকে বিক্রি করে দেয়, আর সে তাকে দায়মুক্তির শর্তে বিক্রি করল। এরপর ক্রেতা তাতে কোনো পুরাতন ত্রুটি দেখতে পেল এবং সে বিক্রেতাকে কসম করাতে চাইল। তখন বিক্রেতা বলল: আমি তো তোমাকে আগেই জানিয়েছি যে সে আমার নয়, বরং অমুক ব্যক্তি তার মালিক, তাকে কসম করাও। তিনি বলেন: আমি মনে করি বিক্রেতার ওপর কসম করা আবশ্যক যে সে (ত্রুটি সম্পর্কে) জানত না, অন্যথায় তা তার নিকট ফেরত দেওয়া হবে।- মালিক এমন ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে তার গোলামকে দায়মুক্তির শর্তে বিক্রি করল, তারপর তাদের মাঝে বিবাদ হলো এবং বিক্রেতা বলল: আমি তোমার কাছে যে গোলামটি বিক্রি করেছি সে পলাতক। তিনি বলেন: তা ফেরত দেওয়া হবে না যতক্ষণ না সে তার দাবির সপক্ষে প্রমাণ উপস্থাপন করে এবং ক্রেতা গোলামটির কেনাবেচায় অটল থাকবে। আর যদি প্রমাণ প্রতিষ্ঠিত হয় যে গোলামটি তার মালিকের কাছেও পলাতক ছিল, তবে সেটি সাব্যস্ত হলে তা ফেরত দেওয়া যাবে।- ইউনুস রাবিআহ থেকে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি বলেছেন: যে ব্যক্তি কোনো জিম্মাদারি থেকে দায়মুক্ত হতে চাইল এবং সে অনেকগুলো বিষয় একত্রিত করল—যার কিছু অস্তিত্বশীল আর কিছু নেই—তবে বিক্রেতা ক্রেতার কাছে সেই সমস্ত ত্রুটির জন্য দায়ী থাকবে যা সে জানত অথবা অন্যান্য বিষয়ের সাথে যুক্ত করে দিয়েছিল এবং সুনির্দিষ্টভাবে তা বর্ণনা করেনি। কারণ সে তা এমনভাবেই উপস্থাপন করেছে যাতে ক্রেতাকে বিভ্রান্ত করা যায় এবং যা কোনো ত্রুটিই নয় তার সাথে মিশিয়ে দিয়ে একে গোপন রাখা যায়।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ১১)
فِي بَيْعِ الْمِيرَاثِ بِالْبَرَاءَةِ- قَالَ ابْنُ وَهْبٍ: وَسَمِعْتُ مَالِكَ بْنَ أَنَسٍ يَقُولُ فِي بَيْعِ الْمِيرَاثِ إِنَّهُ لا تِبَاعَةَ عَلَى أَهْلِ الْمِيرَاثِ وَلا عُهْدَةَ وَلا أَيْمَانَ عَلَيْهِمْ إِلا أَنْ يُقِيمَ الْمُشْتَرِي الْبَيِّنَةَ عَلَى أَهْلِ الْمِيرَاثِ أَنَّهُمْ قَدْ بَاعُوا أَوْ عَلِمُوا بِذَلِكَ.قَالَ مَالِكٌ: لا أَعْلَمُ عَلَى أَهْلِ الْمِيرَاثِ عُهْدَةَ السَّنَةِ فِي الرَّقِيقِ وَلا عُهْدَةَ الثَّلاثِ، وَإِنَّمَا بَيْعُهُمْ بَيْعُ الْبَرَاءَةِ.- وَسَمِعْتُ مَالِكًا يَقُولُ فِي الرَّجُلِ يَلِي الْمِيرَاثَ، فَيَبِيعُ تَرِكَةَ الرَّجُلِ وَيُخْبِرُ أَنَّهُ بَيْعُ مِيرَاثٍ، وَأَنَّهُ لا عِلْمَ لَهُ بِشَيْءٍ، وَأَنَّهُ يَبِيعُ الرَّأْسَ أَوْ غَيْرَهُ بِالْبَرَاءَةِ، ثُمَّ يُوجِدُ الْعَيْبَ؛ قَالَ مَالِكٌ: بَيْعُ الْمِيرَاثِ كَمَنْزِلَةِ الْبَيْعِ بِالْبَرَاءَةِ، وَإِنْ لَمْ يَتَبَرَّإِ الْبَائِعُ مِنْ شَيْءٍ، أَوْ يُوجَدُ الْعَبْدُ قَدْ سَرَقَ سَرِقَةً وَجَبَ عَلَيْهِ فِيهَا الْقَطْعُ، أَوْ يَكُونُ عَلَيْهِ الدَّيْنُ الْكَثِيرُ؛ قَالَ مَالِكٌ: لا أَرَى أَنْ يَرُدَّ مِنْ بَيْعِ الْمِيرَاثِ وَلا الْبَرَاءَةِ شَيْئًا إِلا مَا عَلِمَ الْوَصِيُّ الْبَائِعُ، وَأَرَى عَلَيْهِ الْيَمِينَ: مَا عَلِمْتُ مِنْ ذَلِكَ شَيْئًا؛ إِنْ لَمْ تَكُنْ عَلَيْهِ بَيِّنَةٌ.- قَالَ ابْنُ وَهْبٍ: وَبَلَغَنِي عَنْ رَبِيعَةَ فِي بَيْعِ الْمِيرَاثِ: أَهْلُهَا بُرَآءُ مِمَّا كَانَ فِيهَا لِتَفَرُّقِ ذَلِكَ وَتَشَتُّتِهِ، وَكَيْفَ يُغَرَّمُ وَلِيٌّ وَقَدْ تَفَرَّقَ مَا وَلِيَ، أَمْ كَيْفَ يُغَرَّمُ وَارِثٌ قَدِ انْطَلَقَ بِالَّذِي لَهُ؟ فَهُمْ بُرَآءُ، وَإِنْ لَمْ يَشْتَرِطُوا الْبَرَاءَةَ.وَسَأَلْتُ مَالِكًا عَنْ ذَلِكَ، فَقَالَ لِي: لَمْ أَسْمَعْ أَنَّ ذَلِكَ عَلَيْهِمْ.- وَأَخْبَرَنِي يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ رَبِيعَةَ أَنَّهُ قَالَ فِي الرَّجُلِ يَلِي لِلْغَائِبِ فَلا يُرِيدُ أَنْ يَكُونَ عَلَيْهِ عُهْدَةٌ فِي شَيْءٍ، وَبَيْعُ الشَّيْءِ فِي التَّفْرِقَةِ بَيْنَ الْغُرَمَاءِ؛ وَمِنْ ذَلِكَ مَا وَلِيَ مِنْ وُجُوهِ الصَّدَقَةِ، فَلا يُرِيدُ أَنْ يَتَفَاوَتَ ثَمَنُ ذَلِكَ فِي تِلْكَ الْمَوَاضِعِ، فَتَكُونُ عَلَيْهِ التِّبَاعَةُ.وَلِذَلِكَ كَانَ مَا كَانَ مِنْ بَيْعِ الْمِيرَاثِ وَالْبَرَاءَةِ مِنْهُ لِمَا يَكُونُ فِي ذَلِكَ مِنَ الْوَصَايَا وَتَفْرِيقِ الْمَوَارِيثِ.فَمَنْ بَاعَ عَلَى ذَلِكَ مُتَبَرِّئًا لا يَعْلَمُ شَيْئًا، فَلا تِبَاعَةَ عَلَيْهِ فِي عُهْدَةٍ قَدِيمًا كَانَ أَوْ حَدِيثًا.- وَأَخْبَرَنِي اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ أَبِي عُبَيْدٍ أَنَّهُ اشْتَرَى بَعِيرًا فَلَمْ يَلْبَثْ إِلا يَسِيرًا مِنْ نَهَارِهِ حَتَّى الْتَوَتْ عُنُقُهُ مِنَ الذُّبَابِ؛ قَالَ: فَذَكَرْتُ أَمْرَهُ لِمَرْوَانَ بْنِ الْحَكَمِ، فَقَالَ: يَحْلِفُ لَكَ الْبَائِعُ بِاللَّهِ: مَا عَلِمْتُ بِهِ دَاءً.- قَالَ ابْنُ وَهْبٍ: قَالَ مَالِكٌ: لا عُهْدَةَ إِلا فِي الرَّقِيقِ.- وَأَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّهُ قَالَ فِي رَجُلٍ ابْتَاعَ دَابَّةً فَغَزَا عَلَيْهَا، فَلَمَّا قَفَلَ وَجَدَ بِهَا عَيْبًا فَرَدَّهَا مِنْهُ؛ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ: لا نَرَى لِصَاحِبِهَا كِرَاءً مِنْ أَجْلِ ضَمَانِهَا وَعَلَفِهَا.- وَأَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّهُ قَالَ فِي رَجُلٍ اشْتَرَى دَابَّةً قَدْ كُوِيَتْ، فَلَمَّا اعْتَلَّتْ كَوَاهَا عَلَى كَيِّهَا ذَلِكَ وَخَاصَمَهُ؛ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ: وَجَبَتْ لَهُ حِينَ كَوَاهَا.- وَقَالَ لِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ: إِذَا بَاعَ الرَّجُلُ مِنَ الرَّجُلِ الثَّوْبَ فِيهِ عَيْبٌ مِنْ خَرْقٍ أَوْ غَيْرِهِ قَدْ عَلِمَهُ، فَشَهِدَ عَلَيْهِ بِذَلِكَ، وَأَقَرَّ بِهِ، وَأَحْدَثَ فِيهِ الَّذِي ابْتَاعَهُ حَدَثًا مِنْ تَقْطِيعٍ يُنْقِصُ الثَّوْبَ، ثُمَّ عَلِمَ الْمُشْتَرِي بِالْعَيْبِ؛ رَأَيْتُ أَنَّهُ يُرَدُّ عَلَى الَّذِي بَاعَهُ، وَلَيْسَ عَلَى الَّذِي ابْتَاعَهُ غُرْمٌ فِي تَقْطِيعِهِ.قَالَ: وَإِنِ ابْتَاعَ رَجُلٌ ثَوْبًا فِيهِ حَرْقٌ أَوْ عَوَارٌ، فَزَعَمَ الَّذِي بَاعَهُ أَنَّهُ لَمْ يَعْلَمْ بِذَلِكَ، وَقَدْ قَطَعَ الرَّجُلُ الَّذِي ابْتَاعَ الثَّوْبَ أَوْ صَبَغَهُ، فَإِنَّ الَّذِي ابْتَاعَ الثَّوْبَ بِالْخِيَارِ، إِنْ شَاءَ أَنْ يُوضَعَ عَنْهُ بِقَدْرِ مَا نَقَصَ الْحَرْقُ أَوِ الْعَوَارُ مِنْ ثَمَنِ الثَّوْبِ، وَيُمْسِكُ الثَّوْبَ، فَعَلَ؛ وَإِنْ أَحَبَّ أَنْ يُغَرَّمَ قَدْرَ مَا نَقَصَ التَّقْطِيعُ أَوِ الصَّبْغُ الَّذِي يُنْقِصُ الثَّوْبَ مِنْ ثَمَنِ الثَّوْبِ وَيَرُدَّهُ، فَعَلَ.- قَالَ مَالِكٌ: وَإِنْ كَانَ الَّذِي ابْتَاعَ الثَّوْبَ صَبَغَ الثَّوْبَ صَبْغًا يَزِيدُ فِي ثَمَنِ الثَّوْبِ، فَالَّذِي ابْتَاعَهُ بِالْخِيَارِ: إِنْ أَحَبَّ أَنْ يُوضَعَ عَنْهُ مِنْ ثَمَنِ الثَّوْبِ بِقَدْرِ مَا نَقَصَ، فَعَلَ؛ وَإِنْ أَحَبَّ أَنْ يَكُونَ شَرِيكًا لِلَّذِي بَاعَهُ الثَّوْبَ، فَعَلَ؛ يَنْظُرُ كَمْ ثَمَنُ الثَّوْبِ فِيهِ الْحَرْقُ، فَإِنْ كَانَ ثَمَنُهُ عَشَرَةَ دَرَاهِمَ، وَثَمَنُ مَا زَادَ فِيهِ مِنَ الصَّبْغِ خَمْسَةَ دَرَاهِمَ، كَانَ شَرِيكَهَ بِذَلِكَ، يَكُونُ لِرَبِّ الثَّوْبِ الثُّلُثَانِ، وَيَكُونُ لِلَّذِي صَبَغَهُ الثُّلُثُ؛ وَعَلَى حِسَابِ هَذَا يَكُونُ مَا زَادَ الصَّبْغُ فِي ثَمَنِ الثَّوْبِ.- قَالَ ابْنُ وَهْبٍ: وَبَلَغَنِي عَنِ ابْنِ أَبِي الزِّنَادِ أَنَّهُ قَالَ: إِذَا ابْتَاعَ الرَّجُلُ ثَوْبًا فَقَطَّعَهُ قَمِيصًا، ثُمَّ وَجَدَ بِهِ عَيْبًا، قَالَ: إِنْ كَانَ صَاحِبُهُ دَلَّسَهُ رُدَّ عَلَيْهِ؛ وَإِنْ لَمْ يَكُنْ دَلَّسَهُ طُرِحَ عَنِ الْمُبْتَاعِ قَدْرَ الْعَيْبِ.- وَكَتَبَ إِلَيَّ مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ يَقُولُ فِيمَا بَاعَ الْوَصِيُّ مِنَ الدُّورِ: إِنَّ الْوَصِيَّ عِنْدَنَا لا يَضْمَنُ، وَذَلِكَ أَنَّهُ لا يَجْعَلُ عَلَى نَفْسِهِ ضَمَانًا؛ فَأَمَّا رَجُلٌ يَشْتَرِطُ عَلَى نَفْسِهِ شُرُوطًا وَيُقِرُّ بِهَا لِبَيْعِهِ، وَابْتَاعَ مِنْهُ عَلَى ذَلِكَ، فَإِنِّي أَرَى أَنْ يَلْزَمَهُ مَا شَرَطَ عَلَى نَفْسِهِ مِنْ ذَلِكَ.
দায়মুক্তির শর্তে উত্তরাধিকারের সম্পদ বিক্রয় প্রসঙ্গে- ইবনে ওয়াহাব বলেন: আমি মালিক ইবনে আনাসকে উত্তরাধিকারের সম্পদ বিক্রয় সম্পর্কে বলতে শুনেছি যে, উত্তরাধিকারীদের ওপর কোনো দায়বদ্ধতা, জামানত বা কসম থাকবে না, যদি না ক্রেতা উত্তরাধিকারীদের বিরুদ্ধে এই মর্মে প্রমাণ উপস্থিত করে যে তারা বিক্রয় করেছে অথবা তারা (খুঁত সম্পর্কে) অবগত ছিল।মালিক বলেন: দাসের ক্ষেত্রে উত্তরাধিকারীদের ওপর এক বছরের বা তিন দিনের ওয়ারেন্টির কোনো বিধান আছে বলে আমি জানি না; তাদের বিক্রয় মূলত দায়মুক্তির বিক্রয়।- ইবনে ওয়াহাব বলেন: আমি মালিককে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে বলতে শুনেছি যে উত্তরাধিকারের বিষয়াদি পরিচালনা করে। সে মৃত ব্যক্তির পরিত্যক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করে এবং জানিয়ে দেয় যে এটি উত্তরাধিকারের সম্পদ বিক্রয় এবং এ বিষয়ে তার কোনো জ্ঞান নেই, এবং সে দাস বা অন্য কিছু দায়মুক্তির শর্তে বিক্রয় করে। পরবর্তীতে যদি কোনো খুঁত পাওয়া যায়; মালিক বলেন: উত্তরাধিকারের সম্পদ বিক্রয় দায়মুক্তির শর্তে বিক্রয়ের সমপর্যায়ের, যদিও বিক্রেতা স্পষ্টভাবে কোনো কিছু থেকে দায়মুক্তির কথা উল্লেখ না করে। অথবা যদি দেখা যায় যে দাসটি চুরি করেছিল যার ফলে তার ওপর হাত কাটা আবশ্যক হয়েছে, অথবা তার ওপর অনেক ঋণ রয়েছে; মালিক বলেন: আমি উত্তরাধিকারের সম্পদ বিক্রয় বা দায়মুক্তির বিক্রয়ের ক্ষেত্রে কোনো কিছু ফেরত দেওয়ার প্রয়োজন মনে করি না, তবে বিক্রেতা অছি যদি খুঁত সম্পর্কে অবগত থাকে (তবে ভিন্ন কথা)। আর আমি মনে করি তার ওপর এই কসম করা আবশ্যক: "আমি এ বিষয়ে কিছুই জানতাম না"; যদি তার বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ না থাকে।- ইবনে ওয়াহাব বলেন: উত্তরাধিকারের সম্পদ বিক্রয় সম্পর্কে রাবিআহ থেকে আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে: সম্পদ বণ্টন ও ছড়িয়ে পড়ার কারণে উত্তরাধিকারীরা এতে থাকা ত্রুটি-বিচ্যুতি থেকে দায়মুক্ত। যে সম্পদ বণ্টন হয়ে গেছে তার জিম্মাদারকে কীভাবে জরিমানা করা হবে, অথবা যে উত্তরাধিকারী তার প্রাপ্য অংশ নিয়ে চলে গেছে তাকেই বা কীভাবে জরিমানা করা হবে? সুতরাং তারা দায়মুক্ত, যদিও তারা দায়মুক্তির শর্ত না করে থাকে।আমি মালিককে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি আমাকে বললেন: তাদের ওপর এমন কোনো দায়বদ্ধতা আছে বলে আমি শুনিনি।- ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ আমাকে রাবিআহ থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি এমন ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে কোনো অনুপস্থিত ব্যক্তির পক্ষ থেকে বিষয়াদি পরিচালনা করে এবং সে চায় না যে কোনো বিষয়ে তার ওপর দায়বদ্ধতা আসুক; অথবা পাওনাদারদের মধ্যে বণ্টনের জন্য কোনো কিছু বিক্রয় করা; অথবা সদকার খাতসমূহ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করা, যেখানে সে চায় না যে ওইসব ক্ষেত্রে মূল্যের তারতম্য হোক এবং তাকে দায়ভার বহন করতে হোক।এই কারণেই উত্তরাধিকারের সম্পদ বিক্রয় এবং তা থেকে দায়মুক্তির বিধান রাখা হয়েছে, কারণ এতে অসিয়ত পালন এবং উত্তরাধিকার বণ্টনের বিষয় জড়িত থাকে।সুতরাং যে ব্যক্তি এই ভিত্তিতে কোনো কিছু না জেনে দায়মুক্তির শর্তে বিক্রয় করবে, তার ওপর আগের বা পরের কোনো দায়বদ্ধতা থাকবে না।- লাইস ইবনে সাদ আমাকে ইয়াহইয়া ইবনে সাইদ থেকে এবং তিনি আমর ইবনে আবি উবাইদ থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি একটি উট ক্রয় করেন। দিনের অল্প সময় অতিবাহিত হতেই মাছির কারণে সেটির ঘাড় বেঁকে যায়। তিনি বলেন: আমি মারওয়ান ইবনে আল-হাকামের কাছে বিষয়টি উল্লেখ করলে তিনি বললেন: বিক্রেতা আল্লাহর নামে কসম খাবে যে: "আমি এর কোনো রোগ সম্পর্কে জানতাম না।"- ইবনে ওয়াহাব বলেন: মালিক বলেছেন: দাস ছাড়া অন্য কিছুতে (সময়ভিত্তিক) ওয়ারেন্টি নেই।- ইউনুস ইবনে শিহাব থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে একটি পশু ক্রয় করে তাতে আরোহণ করে যুদ্ধে গেল। যুদ্ধ থেকে ফিরে আসার পর সে তাতে খুঁত খুঁজে পেল এবং তা ফেরত দিল; ইবনে শিহাব বলেন: আমাদের মতে পশুর মালিকের কোনো ভাড়া প্রাপ্য হবে না, কারণ ক্রেতা এর ঝুঁকি বহন করেছে এবং খাদ্য প্রদান করেছে।- ইউনুস ইবনে শিহাব থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে দাগ দেওয়া (চিকিৎসার দাগ) একটি পশু ক্রয় করল। যখন পশুটি অসুস্থ হলো, তখন সে ওই দাগের ওপরই পুনরায় দাগ দিল এবং বিক্রেতার সাথে বিবাদে লিপ্ত হলো; ইবনে শিহাব বলেন: যখন সে পুনরায় দাগ দিয়েছে, তখন পশুটি রাখা তার জন্য আবশ্যক হয়ে গেছে।- মালিক ইবনে আনাস আমাকে বলেছেন: যখন কোনো ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির কাছে এমন একটি কাপড় বিক্রয় করে যাতে ছেঁড়া বা অন্য কোনো খুঁত রয়েছে যা বিক্রেতা জানত এবং সে বিষয়ে সাক্ষী রাখা হয়েছে ও সে তা স্বীকার করেছে। অতঃপর ক্রেতা কাপড়টি কাটার মাধ্যমে তাতে এমন পরিবর্তন আনল যা কাপড়ের মূল্য কমিয়ে দেয়, তারপর ক্রেতা খুঁতটি সম্পর্কে জানতে পারল; আমার অভিমত হলো, কাপড়টি বিক্রেতার কাছে ফেরত দেওয়া হবে এবং কাপড় কাটার জন্য ক্রেতার ওপর কোনো জরিমানা হবে না।তিনি বলেন: যদি কোনো ব্যক্তি এমন কাপড় কেনে যাতে পোড়া বা কোনো খুঁত রয়েছে, আর বিক্রেতা দাবি করে যে সে তা জানত না, এদিকে ক্রেতা কাপড়টি কেটে ফেলেছে বা রং করেছে; তবে ক্রেতার ইখতিয়ার থাকবে: সে চাইলে কাপড়টি রেখে দিতে পারে এবং ওই পোড়া বা খুঁতের কারণে কাপড়ের মূল্য যতটুকু কমেছে তা ফেরত নিতে পারে। আর সে যদি চায় তবে কাপড় কাটার বা রং করার কারণে কাপড়ের মূল্য যতটুকু কমেছে সেই পরিমাণ জরিমানা দিয়ে কাপড়টি ফেরত দিতে পারে।- মালিক বলেন: যদি কাপড় ক্রেতা কাপড়টিতে এমন রং করে যা কাপড়ের মূল্য বাড়িয়ে দেয়, তবে ক্রেতার ইখতিয়ার থাকবে: সে চাইলে খুঁতের কারণে কাপড়ের যতটুকু মূল্য কমেছে তা ফেরত নিতে পারে; অথবা সে চাইলে বিক্রেতার সাথে কাপড়ের অংশীদার হতে পারে। দেখা হবে খুঁত থাকা অবস্থায় কাপড়ের মূল্য কত ছিল, যদি এর মূল্য দশ দিরহাম হয় এবং রঙের কারণে যে মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে তা পাঁচ দিরহাম হয়, তবে সে সেই অনুপাতে অংশীদার হবে। কাপড়ের মালিক পাবে দুই-তৃতীয়াংশ এবং যে ব্যক্তি রং করেছে সে পাবে এক-তৃতীয়াংশ। রঙের কারণে কাপড়ের মূল্য যতটুকু বাড়বে সেই হিসাব অনুযায়ী অংশীদারিত্ব হবে।- ইবনে ওয়াহাব বলেন: ইবনে আবিজ জিনাদ থেকে আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে তিনি বলেছেন: যদি কোনো ব্যক্তি কাপড় কিনে তা কামিজ হিসেবে কেটে ফেলে এবং তারপর তাতে খুঁত পায়; তিনি বলেন: যদি বিক্রেতা দোষ গোপন করে থাকে তবে কাপড়টি তাকে ফেরত দিতে হবে; আর যদি সে দোষ গোপন না করে থাকে তবে খুঁত যতটুকু মূল্য কমিয়েছে তা ক্রেতার জন্য মওকুফ করা হবে।- মালিক ইবনে আনাস আমার কাছে বাড়িঘর বিক্রয় করা অছি সম্পর্কে লিখে পাঠিয়েছেন যে: আমাদের নিকট অছি কোনো জিম্মাদার হবে না, কারণ সে নিজের ওপর কোনো দায়ভার গ্রহণ করে না। তবে যে ব্যক্তি নিজের ওপর কিছু শর্ত আরোপ করে এবং বিক্রয়ের সময় তা স্বীকার করে নেয় এবং তার কাছ থেকে ওই শর্তেই কেনা হয়, তবে আমি মনে করি সে নিজের ওপর যে শর্তারোপ করেছে তা পূরণ করা তার জন্য আবশ্যক।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ১২)
فِي الْبَيِّعَيْنِ يَخْتَلِفَانِ فِي الثَّمَنِ
ক্রেতা ও বিক্রেতা মূল্যের বিষয়ে মতভেদ করলে সেই প্রসঙ্গে
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
75 - وَأَخْبَرَنِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، قَالَ: بَلَغَنِي، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ أَنَّهُ كَانَ يُحَدِّثُ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «أَيُّمَا بَيِّعَيْنِ تَبَايَعَا فَالْقَوْلُ مَا قَالَ الْبَائِعُ أَوْ يَتَرَادَّانِ»
৭৫ - এবং মালিক ইবনে আনাস আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে আমার নিকট পৌঁছেছে যে তিনি বর্ণনা করতেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে কোনো দুইজন ক্রয়-বিক্রয়কারী যখন পরস্পর কেনাবেচা করে, তখন বিক্রেতা যা বলে তা-ই কথা (গ্রহণযোগ্য) অথবা তারা উভয়ই তা ফেরত দিবে (লেনদেন বাতিল করবে)।’»
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
76 - وَأَخْبَرَنِي إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أُمَيَّةَ الْقُرَشِيِّ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُبَيْدَةَ، عَنِ ابْنٍ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ حَدَّثَهُ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا اخْتَلَفَ الْمُتَبَايِعَانِ اسْتُحْلِفَ الْبَائِعُ، ثُمَّ كَانَ الْمُبْتَاعُ بِالْخِيَارِ، إِنْ شَاءَ أَخَذَ، وَإِنْ شَاءَ تَرَكَ»
৭৬ - এবং আমাকে ইসমাঈল ইবনে আইয়াশ সংবাদ দিয়েছেন, তিনি ইসমাঈল ইবনে উমাইয়াহ আল-কুরাশী থেকে, তিনি আবদুল মালিক ইবনে উবাইদাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদের এক পুত্র থেকে যিনি তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যখন ক্রেতা ও বিক্রেতা মতভেদে লিপ্ত হয়, তখন বিক্রেতাকে শপথ করানো হবে, অতঃপর ক্রেতা ইখতিয়ার বা পছন্দের সুযোগ পাবেন; তিনি চাইলে তা গ্রহণ করবেন এবং চাইলে বর্জন করবেন।»
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
77 - وَأَخْبَرَنِي عُمَرُ بْنُ قَيْسٍ، عَنْ عَوْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ، أَنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «إِذَا اخْتَلَفَ الْبَائِعُ وَالْمُبْتَاعُ فَالْقَوْلُ مَا قَالَ الْبَائِعُ، وَالْمُبْتَاعُ بِالْخِيَارِ»- وَقَالَ مَالِكٌ فِي الرَّجُلِ يَشْتَرِي السِّلْعَةَ مِنَ الرَّجُلِ فَيَخْتَلِفَانِ فِي الثَّمَنِ، يَقُولُ الْبَائِعُ: بِعْتُهُ بِعَشَرَةٍ، وَيَقُولُ الْمُشْتَرِي: اشْتَرَيْتُهُ بِخَمْسَةٍ.قَالَ مَالِكٌ: يُقَالُ لِلْبَائِعِ: إِنْ شِئْتَ فَأَعْطِ الْمُشْتَرِيَ بِمَا قَالَ، وَإِلا فَاحْلِفْ بِاللَّهِ مَا بِعْتَ سِلْعَتَكَ إِلا بِمَا قُلْتَ، فَإِنْ هُوَ حَلَفَ، قِيلَ لِلْمُشْتَرِي: إِمَّا أَنْ تَأْخُذَ السِّلْعَةَ بِمَا قَالَ، وَإِمَّا أَنْ تَحْلِفَ بِاللَّهِ مَا اشْتَرَيْتَهُ مِنْهُ إِلا بِمَا ادَّعَيْتَ وَقُلْتَ؛ فَإِنْ أَخَذَهَا بِمَا قَالَ الْبَائِعُ، فَسَبِيلُ ذَلِكَ، وَإِلا حَلَفَ الْمُبْتَاعُ بِاللَّهِ مَا اشْتَرَيْتُهُ مِنْكَ إِلا بِمَا قُلْتُ وَادَّعَيْتُ، ثُمَّ يَبْرَأُ مِنْهَا الْمُشْتَرِي إِلَى الْبَائِعِ؛ وَذَلِكَ أَنَّ كُلَّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا يَدَّعِي عَلَى صَاحِبِهِ.- قَالَ مَالِكٌ: وَإِذَا بَانَ الْمُشْتَرِي بِالسِّلْعَةِ فَحَازَهَا وَضَمِنَهَا وَبَانَ بِهَا، ثُمَّ اخْتَلَفَا فِي الثَّمَنِ حَلَفَ الْمُشْتَرِي بِاللَّهِ الَّذِي لا إِلَهَ إِلا هُوَ، مَا اشْتَرَيْتُهَا إِلا بِمَا ادَّعَى.وَقَالَ: ثُمَّ يُسَلَّمُ إِلَيْهِ مَا لَمْ يَكُنْ شَيْءٌ يُعْرَفُ بِهِ كَذِبُهُ وَيُسْتَنْكَرُ أَنْ يَقُولَ: أَخَذْتُ الْعَبْدَ بِدِينَارٍ أَوْ دِرْهَمٍ، وَأَشْبَاهِ هَذَا مِمَّا لا يَكُونُ ثَمَنَ مَا زَعَمَ أَنَّهُ أَخَذَهُ بِهِ.
৭৭ - ওমর ইবনে কায়স আমাকে আউন ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উতবা ইবনে মাসউদ থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, ইবনে মাসউদ বলেছেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "যখন বিক্রেতা এবং ক্রেতা মতভেদে লিপ্ত হয়, তখন বিক্রেতা যা বলে তাই গণ্য হবে, আর ক্রেতার (চুক্তি গ্রহণ বা বর্জনের) অধিকার থাকবে।"- ইমাম মালিক সেই ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে অন্য ব্যক্তির কাছ থেকে পণ্য ক্রয় করে, অতঃপর তারা এর দামের ব্যাপারে মতভেদে লিপ্ত হয়; বিক্রেতা বলে: আমি এটি দশ (মুদ্রায়) বিক্রি করেছি, আর ক্রেতা বলে: আমি এটি পাঁচ (মুদ্রায়) কিনেছি।মালিক বলেন: বিক্রেতাকে বলা হবে: যদি আপনি চান তবে ক্রেতা যা বলেছে সেই মূল্যে তাকে পণ্যটি দিয়ে দিন। অন্যথায় আল্লাহর নামে শপথ করুন যে, আপনি যা বলেছেন তা ব্যতীত অন্য কোনো মূল্যে আপনার পণ্যটি বিক্রি করেননি। যদি সে শপথ করে, তবে ক্রেতাকে বলা হবে: হয় আপনি বিক্রেতার দাবিকৃত মূল্যে পণ্যটি গ্রহণ করুন, না হয় আল্লাহর নামে শপথ করুন যে আপনি যা দাবি করেছেন এবং বলেছেন তা ব্যতীত অন্য মূল্যে এটি তার কাছ থেকে কেনেননি। যদি সে বিক্রেতার বলা মূল্যে তা গ্রহণ করে, তবে সেটিই কার্যকর হবে। অন্যথায় ক্রেতা আল্লাহর নামে শপথ করবে যে, 'আমি যা বলেছি এবং দাবি করেছি তা ব্যতীত তোমার থেকে এটি কিনিনি'। এরপর ক্রেতা পণ্যটি বিক্রেতার কাছে ফেরত দেওয়ার মাধ্যমে দায়মুক্ত হবে; আর এটি এজন্য যে তাদের প্রত্যেকেই একে অপরের বিরুদ্ধে দাবি উত্থাপন করছে।- মালিক বলেন: আর যখন ক্রেতা পণ্যটি আলাদা করে নিয়ে যায়, তা হস্তগত করে এবং এর দায়ভার গ্রহণ করে, অতঃপর তারা দামের বিষয়ে মতভেদে লিপ্ত হয়, তখন ক্রেতা সেই আল্লাহর নামে শপথ করবে যিনি ব্যতীত কোনো সত্য উপাস্য নেই যে, 'আমি যা দাবি করেছি তা ব্যতীত অন্য কোনো মূল্যে এটি কিনিনি'।তিনি আরও বলেন: এরপর তা তাকে সোপর্দ করা হবে যতক্ষণ না এমন কোনো বিষয় প্রকাশ পায় যাতে তার মিথ্যা প্রমাণিত হয় এবং যা যুক্তিগ্রাহ্য নয়; যেমন সে বলল: 'আমি এই দাসটিকে এক দিনার বা এক দিরহামে কিনেছি', অথবা এই জাতীয় কিছু যা ওই পণ্যের মূল্য হতে পারে না যা সে গ্রহণ করেছে বলে দাবি করছে।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
80 - وَأَخْبَرَنِي يَزِيدُ بْنُ عِيَاضٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ، أَنَّ مَرْوَانَ بْنَ الْحَكَمِ اشْتَرَى مِنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ نُعَيْمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ النَّحَّامِ نَخْلا لَهُ كَانَتْ لَهُ فِي مَوْضِعِ دَارِ مَرْوَانَ بْنِ الْحَكَمِ أَوْ فِي بَعْضِهَا؛ فَقَالَ إِبْرَاهِيمُ: إِنَّمَا بِعْتُكَ النَّخْلَ؛ وَقَالَ مَرْوَانُ: بَلِ، اشْتَرَيْتُ النَّخْلَ وَالْبُقْعَةَ؛ فَاخْتَلَفَا فَجَعَلا بَيْنَهُمَا ابْنَ عُمَرَ، فَقَضَى ابْنُ عُمَرَ بِالْيَمِينِ عَلَى إِبْرَاهِيمَ بْنِ نُعَيْمٍ، فَنَكَلَ إِبْرَاهِيمُ، فَأَسْلَمَ الْبَيْعَ لِمَرْوَانَ- وَقَالَ مَالِكٌ فِي رَجُلَيْنِ تَبَايَعَا سِلْعَةً، فَاخْتَلَفَا فِي الثَّمَنِ، فَقَالَ الْبَائِعُ: بِعْتُكَ بِالنَّقْدِ؛ وَقَالَ الْمُشْتَرِي: اشْتَرَيْتُ مِنْكَ بِالنَّظْرَةِ.قَالَ مَالِكٌ: إِنْ كَانَتِ السِّلْعَةُ قَدْ وَصَلَتْ إِلَى الْمُشْتَرِي وَبَانَ بِهَا، فَالْقَوْلُ قَوْلُهُ وَيَحْلِفُ؛ وَإِنْ لَمْ يَحُزِ السِّلْعَةَ، فَالْقَوْلُ مَا قَالَ الْبَائِعُ، وَالْمُبْتَاعُ بِالْخِيَارِ؛ وَيَحْلِفُ الْبَائِعُ بِاللَّهِ مَا بِعْتُكَهَا إِلا بِالنَّقْدِ، ثُمَّ يَحْلِفُ الْمُشْتَرِي بِاللَّهِ: مَا اشْتَرَيْتُهَا بِالنَّقْدِ؛ وَيَبْرَآنِ.- وَقَالَ مَالِكٌ فِي رَجُلٍ ابْتَاعَ مَتَاعًا بِذَهَبٍ فَدَفَعَ الْمُبْتَاعُ إِلَى الْبَائِعِ الذَّهَبَ وَتَفَرَّقَا؛ فَرَجَعَ الَّذِي قَبَضَ الذَّهَبَ إِلَى بَيْعِهِ فَقَالَ: إِنَّ ذَهَبَكَ تَنَقَّصَ، وَقَالَ الآخَرُ: مَا أَعْطَيْتُكَ إِلا طَيِّبَةً؛ قَالَ مَالِكٌ: عَلَى الْمُعْطَى الْبَيِّنَةُ، وَإِنَّمَا ذَهَبُهُ الَّذِي أَخَذَ مِنْهُ، وَعَلَى الْمُعْطِي الْيَمِينُ بِاللَّهِ: مَا أَعْطَيْتُكَ إِلا وَازِنًا طَيِّبًا فِي عِلْمِي.- وَقَالَ مَالِكٌ: مَنِ اصْطَرَفَ دَرَاهِمَ بِدِينَارٍ فَأَعْطَاهُ الدِّينَارَ وَأَخَذَ الدَّرَاهِمَ، فَذَهَبَ بِهَا، ثُمَّ جَاءَ يَزْعُمُ أَنَّهُ وَجَدَ فِيهَا دِرْهَمًا زَائِدًا أَوْ نَاقِصًا؛ فَالْقَوْلُ قَوْلُ الَّذِي دَفَعَ الدَّرَاهِمَ، وَعَلَيْهِ الثَّمَنُ.- وَأَخْبَرَنِي اللَّيْثُ قَالَ: كَتَبَ إِلَيَّ رَبِيعَةُ يَقُولُ فِي رَجُلٍ يَأْتِي بِمِائَةِ دِينَارٍ فِي خِرْقَةٍ بِحَضْرَةِ شُهُودٍ، فَيَقُولُ: هَذِهِ الْمِائَةُ الَّتِي لَكَ عَلَيَّ، اقْبِضْهَا، ثُمَّ يَدَّعِي بَعْدُ أَنَّهُ لَمْ يَجِدْ فِيهَا إِلا خَمْسِينَ دِينَارًا، أَوْ يَقُولُ: وَجَدْتُهَا نُحَاسًا أَوْ نَقْصًا.قَالَ: لا قَوْلَ لَهُ إِنَّمَا هِيَ يَمِينُ الَّذِي دَفَعَهَا إِلَيْهِ: بِاللَّهِ لَقَدْ كَانَتْ كَمَا حَدَّثْتُكَ، ثُمَّ يَبْرَأُ؛ وَذَلِكَ أَنَّ الآخَرَ ائْتَمَنَهُ عَلَيْهَا.وَقَالَ لِي مَالِكٌ مِثْلَهُ؛ قَالَ: إِلا أَنْ يَكُونَ قَالَ لَهُ: اذْهَبْ فَإِنْ أَنْكَرْتَ شَيْئًا أَبْدَلْتُ لَكَ؛ فَالْقَوْلُ قَوْلُ الَّذِي دَفَعْتَ إِلَيْهِ الذَّهَبَ، وَعَلَيْهِ الْيَمِينُ.- وَسَمِعْتُ مَالِكًا يَقُولُ فِي الَّذِي يَشْتَرِي السِّلْعَةَ بِالنَّقْدِ فَيَحُوزُ تِلْكَ السِّلْعَةَ وَيَقْبِضُهَا، ثُمَّ يَأْتِي صَاحِبُهَا الَّذِي بَاعَهَا مِنْهُ يَطْلُبُ ثَمَنَهَا، فَيَقُولُ الْمُشْتَرِي: قَدْ قَضَيْتُكَ إِيَّاهُ؛ قَالَ مَالِكٌ: مَا كَانَ مِنَ الْحِنْطَةِ وَالزَّيْتِ وَاللَّحْمِ وَمَا أَشْبَهَ ذَلِكَ مِنَ السِّلَعِ الَّتِي لا تُبَاعُ بِالأَسْوَاقِ إِلا يَدًا بِيَدٍ، فَأَخَذَ صَاحِبُ الْحِنْطَةِ وَالزَّيْتِ وَاللَّحْمِ ثَمَنَ سِلْعَتَهُ مِنْ يَدِ صَاحِبِهِ قَبْلَ أَنْ يَكِيلَ ذَلِكَ أَوْ يُوَفِّيَهُ إِيَّاهُ، أَوْ مَعَ كَيْلِهِ إِيَّاهُ.الْعَمَلُ فِي ذَلِكَ بِالأَسْوَاقِ فِي هَذِهِ السِّلَعِ وَمَا أَشْبَهَهَا كَهَيْئَةِ الصَّرْفِ، إِنَّمَا يَكُونُ ذَلِكَ جَمِيعًا بِالنَّقْدِ وَالاسْتِيفَاءِ؛ فَمَا كَانَ مِنْ هَذِهِ السِّلَعِ وَمَا كَانَ مِثْلَهَا، فَإِنَّ الْمُشْتَرِيَ يَبْدَأُ بِالْيَمِينِ، لَقَدْ نَقَدَهُ عِنْدَ اسْتِيفَائِهِ؛ وَمَا كَانَ مِمَّا لَيْسَ مِثْلَ هَذَا مِنَ الدُّورِ وَالأَرَضِينَ وَالرَّقِيقِ وَالْحَيَوَانِ وَالثِّيَابِ وَمَا أَشْبَهَ هَذَا مِنَ السِّلَعِ، فَإِنَّ الْبَائِعَ رَبَّ السِّلْعَةِ، يَبْدَأُ بِالْيَمِينِ: مَا أَخَذْتُ مِنَ الثَّمَنِ شَيْئًا، وَإِنَّهُ لَعِنْدَ صَاحِبِهِ؛ ثُمَّ يَأْخُذُ حَقَّهُ، فَإِنْ لَمْ يَحْلِفْ حَلَفَ الْمُبْتَاعُ.
৮০ - ইয়াজিদ ইবনে ইয়াজ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তাঁর কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, মারওয়ান ইবনুল হাকাম ইব্রাহিম ইবনে নুআইম ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আন-নাহহামের কাছ থেকে কিছু খেজুর গাছ ক্রয় করেন, যা মারওয়ান ইবনুল হাকামের বাড়ির জায়গায় বা তার কিছু অংশে অবস্থিত ছিল। তখন ইব্রাহিম বললেন, "আমি কেবল আপনার কাছে খেজুর গাছগুলো বিক্রি করেছি।" মারওয়ান বললেন, "বরং আমি খেজুর গাছ এবং জায়গা উভয়ই ক্রয় করেছি।" তারা উভয়ে মতবিরোধ করলেন এবং ইবনে ওমরকে (ফয়সালার জন্য) মধ্যস্থতাকারী মানলেন। ইবনে ওমর ইব্রাহিম ইবনে নুআইমের ওপর শপথ করার রায় দিলেন। কিন্তু ইব্রাহিম শপথ করতে অস্বীকার করলেন, ফলে তিনি বিক্রয়কৃত বিষয়টি মারওয়ানের জন্য ছেড়ে দিলেন।- ইমাম মালিক সেই দুই ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যারা কোনো পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করেছে এবং তার মূল্য পরিশোধের পদ্ধতি নিয়ে মতবিরোধ করেছে। বিক্রেতা বলল, "আমি নগদ মূল্যে আপনার কাছে বিক্রি করেছি।" আর ক্রেতা বলল, "আমি আপনার কাছ থেকে বাকিতে (বিলম্বে পরিশোধের শর্তে) ক্রয় করেছি।"ইমাম মালিক বলেন: যদি পণ্যটি ক্রেতার কাছে পৌঁছে থাকে এবং তিনি তা গ্রহণ করে পৃথক হয়ে থাকেন, তবে ক্রেতার কথাই গ্রহণযোগ্য হবে এবং তিনি শপথ করবেন। আর যদি তিনি পণ্যটি এখনো হস্তগত না করে থাকেন, তবে বিক্রেতার কথাই গ্রহণযোগ্য হবে এবং ক্রেতার ইখতিয়ার (পছন্দ করার অধিকার) থাকবে। বিক্রেতা আল্লাহর নামে শপথ করবেন যে, "আমি এটি নগদ মূল্য ছাড়া আপনার কাছে বিক্রি করিনি।" এরপর ক্রেতা আল্লাহর নামে শপথ করবেন যে, "আমি এটি নগদ মূল্যে ক্রয় করিনি।" অতঃপর তারা দায়মুক্ত হবেন।- ইমাম মালিক সেই ব্যক্তি সম্পর্কে বলেন যে স্বর্ণের বিনিময়ে কোনো আসবাবপত্র ক্রয় করল এবং ক্রেতা বিক্রেতাকে স্বর্ণ প্রদান করল ও তারা পৃথক হয়ে গেল। এরপর যে স্বর্ণ গ্রহণ করেছিল সে বিক্রেতার কাছে ফিরে এসে বলল, "আপনার দেওয়া স্বর্ণ পরিমাণে কম হয়েছে।" অপরজন বলল, "আমি আপনাকে ভালো ও পূর্ণ স্বর্ণই দিয়েছি।" ইমাম মালিক বলেন: যে ব্যক্তি স্বর্ণ গ্রহণ করেছে (দাবিদার হিসেবে) তাকে প্রমাণ পেশ করতে হবে, কারণ তার স্বর্ণ তো সেটিই যা সে গ্রহণ করেছে। আর প্রদানকারীর ওপর আল্লাহর নামে শপথ করা আবশ্যক যে, "আমার জানামতে আমি আপনাকে পূর্ণ ও ভালো স্বর্ণই দিয়েছি।"- ইমাম মালিক বলেন: যে ব্যক্তি দিনারের বিনিময়ে দিরহাম পরিবর্তন করল এবং দিনার প্রদান করে দিরহাম গ্রহণ করল ও তা নিয়ে চলে গেল; এরপর ফিরে এসে দাবি করল যে, সে তাতে একটি দিরহাম বেশি বা কম পেয়েছে; তবে যে ব্যক্তি দিরহাম প্রদান করেছে তার কথাই গ্রহণযোগ্য হবে এবং তার ওপরই মূল্য নির্ধারিত হবে।- লাইস আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, রাবিয়াহ তাঁর কাছে লিখেছেন: সেই ব্যক্তি সম্পর্কে যিনি সাক্ষীদের উপস্থিতিতে একটি কাপড়ের টুকরোয় মোড়ানো একশ দিনার নিয়ে আসলেন এবং বললেন, "এই সেই একশ দিনার যা আপনার আমার কাছে পাওনা ছিল, এটি গ্রহণ করুন।" এরপর তিনি (গ্রহীতা) দাবি করলেন যে, তিনি সেখানে মাত্র পঞ্চাশ দিনার পেয়েছেন, অথবা বললেন যে তিনি তা তামা পেয়েছেন বা পরিমাণে কম পেয়েছেন।তিনি বলেন: তার (গ্রহীতার) কথার কোনো ভিত্তি নেই। বরং যে ব্যক্তি তা প্রদান করেছে তার শপথই গ্রহণযোগ্য হবে যে, "আল্লাহর কসম! এটি তেমনই ছিল যেমন আমি আপনাকে বলেছি।" অতঃপর তিনি দায়মুক্ত হবেন; কারণ অপরজন তাকে এ বিষয়ে বিশ্বাস করেছিল।ইমাম মালিকও আমাকে অনুরুপ কথা বলেছেন। তিনি বলেন: তবে যদি দাতা তাকে বলে থাকে, "আপনি এটি নিয়ে যান, যদি আপনি কোনো কিছু অস্বীকার করেন (ভুল পান) তবে আমি আপনার জন্য তা পরিবর্তন করে দেব।" সেক্ষেত্রে যাকে স্বর্ণ প্রদান করা হয়েছে তার কথাই গ্রহণযোগ্য হবে এবং তার ওপর শপথ বর্তাবে।- আমি ইমাম মালিককে সেই ব্যক্তি সম্পর্কে বলতে শুনেছি যে নগদ মূল্যে কোনো পণ্য ক্রয় করল এবং সেই পণ্যটি হস্তগত ও কব্জা করল। এরপর পণ্যটির মালিক যে তা বিক্রি করেছিল, তার মূল্য দাবি করতে আসলে ক্রেতা বলল, "আমি আপনাকে তা পরিশোধ করে দিয়েছি।" ইমাম মালিক বলেন: গম, তেল, মাংস এবং এই জাতীয় পণ্য যা বাজারে হাতে হাতে (নগদ) ছাড়া বিক্রি হয় না; গমের মালিক, তেলের মালিক বা মাংসের মালিক পণ্যটি ওজন করার আগে বা তা পূর্ণ করে দেওয়ার আগে অথবা ওজন করার সময় ক্রেতার হাত থেকে তার মূল্য গ্রহণ করেছে (এমনটিই প্রথা)।এই সকল পণ্য এবং এর সদৃশ জিনিসের ক্ষেত্রে বাজারের প্রচলিত রীতি হলো মুদ্রাবিনিময়ের মতো, যা সম্পূর্ণরূপে নগদ ও সাথে সাথে পূর্ণ হস্তান্তরের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। সুতরাং এই সকল পণ্য বা এর সদৃশ জিনিসের ক্ষেত্রে ক্রেতা প্রথমে শপথ করবেন যে, পণ্য বুঝে নেওয়ার সময়ই তিনি নগদ মূল্য পরিশোধ করেছেন। আর যা এর সদৃশ নয়, যেমন ঘর-বাড়ি, জমি-জমা, দাস-দাসী, গবাদি পশু, পোশাক এবং এই জাতীয় পণ্য; সে ক্ষেত্রে বিক্রেতা (পণ্যের মালিক) আগে শপথ করবেন যে, "আমি মূল্যের কিছুই গ্রহণ করিনি এবং তা ক্রেতার কাছেই রয়ে গেছে।" এরপর তিনি তার প্রাপ্য গ্রহণ করবেন। আর বিক্রেতা যদি শপথ না করেন, তবে ক্রেতা শপথ করবেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
فِي بَيْعِ الْوَلِيِّينَ- وَأَخْبَرَنِي يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ رَبِيعَةَ أَنَّهُ قَالَ فِي رَجُلٍ بَعَثَ بِسِلْعَتِهِ مَعَ رَجُلٍ وَوَكَّلَهُ بِبَيْعِهَا؛ ثُمَّ بَدَا لِلرَّجُلِ أَنْ بَاعَ سِلْعَتَهُ وَبَعَثَ فِي أَثَرِ وَكِيلِهِ، فَوَجَدَ الْوَكِيلَ قَدْ بَاعَ؛ وَكَانَ بَيْعُ سَيِّدِ الْمَالِ قَبْلَ بَيْعِ الْوَكِيلِ.قَالَ رَبِيعَةُ: إِنَّ الْوِكَالَةَ بَيْعٌ وَبَيْعُ السَّيِّدِ جَائِزٌ، فَأَيُّهُمَا كَانَ الْوَكِيلُ أَوِ السَّيِّدُ كَانَ هُوَ الَّذِي يَدْفَعُ السِّلْعَةَ وَيَضْمَنُ بَيْعَهُ، فَبَيْعُهُ أَجْوَزُ؛ وَإِنْ أدْركت السِّلْعَةُ لمي دفعهَا وَاحِد مِنْهُمَا إِلَى بَيْعِهِ، فَأَوَّلُهُمَا بَيْعٌ أَجْوَزُ بَيْعًا.- وَأَخْبَرَنِي اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ قَالَ: كَتَبْتُ إِلَى رَبِيعَةَ فِي رَجُلٍ وَلَّى بَيْعَ دَابَّتِهِ رَجُلَيْنِ، فَبَاعَهَا أَحَدُهُمَا مِنْ رَجُلٍ، وَبَاعَهَا الآخَرُ مِنْ آخَرَ؛ قَالَ: الْبَيْعُ لِلَّذِي قَبَضَ الدَّابَّةَ قَبْلَ صَاحِبِهِ.وَذَلِكَ لأَنَّهُ قَدْ ضَمِنَ، إِنْ كَانَتْ وَلِيدَةً اسْتَحَلَّهَا، وَإِنْ كَانَتْ مُصِيبَةً حَمَلَهَا.- وَقَالَ مَالِكٌ فِيمَنْ جَاءَ إِلَى رَجُلٍ وَعِنْدَهُ طَعَامٌ مُصَبَّرٌ، فَابْتَاعَ مِنْهُ مِمَّا فِيهَا عَشَرَةُ أَرَادِبَّ بِدِينَارٍ، فَانْطَلَقَ لِيَأْتِيَ بِأَوْعِيَتِهِ وَدَفَعَ إِلَيْهِ الثَّمَنَ، فَجَاءَهُ آخَرُ فَدَفَعَ إِلَيْهِ أَيْضًا ذَهَبَا فِيهَا عَلَى سِعْرٍ مَعْلُومٍ؛ فَاجْتَمَعَا عِنْدَهُ وَقَدْ قَبَضَ الثَّمَنَ مِنْهُمَا جَمِيعًا، فَتَنَازَعَا الْقَمْحَ جَمِيعًا؛ قَالَ مَالِكٌ: الأَوَّلُ أَوْلَى إِنْ كَانَ يُعْرَفُ أَنَّهُ دَفَعَ قَبْلَهُ، وَإِنْ لَمْ يُعْرَفْ كَانَا بِالْحِصَصِ.- وَكَتَبَ إِلَيَّ مَالِكٌ فِي الرَّجُلِ يُرْسِلُ بِعَبْدِهِ مَعَ رَجُلٍ يَبِيعُهُ، ثُمَّ إِنَّ السَّيِّدَ بَاعَهُ بِالْقَرْيَةِ وَيَكُونُ الرَّجُلُ الَّذِي أَرْسَلَ مَعَهُ الْعَبْدَ قَدْ بَاعَهُ؛ وَكَانَ بَيْعُ السَّيِّدِ قَبْلَ بَيْعِ الآخَرِ؛ قَالَ: هُوَ لِلَّذِي فِي يَدَيْهِ، وَإِنْ كَانَ الْبَيْعُ قَبْلَ ذَلِكَ.قَالَ: وَقَدْ قَضَيْتُ فِيهِ بِمِثْلِ هَذَا قِبَلَنَا.قَالَ: إِنَّ أَمِيرَ الْمَدِينَةِ بَاعَ حَائِطًا مِنْ ثِمَارِ مَالِ اللَّهِ، وَإِنَّ رَجُلا قَدِمَ مِنْ عِنْدِ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ بِقَطِيعَةِ ذَلِكَ الْمَالِ، وَأَتَى فِي الْقَطِيعَةِ بِتَأْرِيخِ الْقَطِيعَةِ، فَإِذَا هِيَ قَبْلَ شِرَاءِ الرَّجُلِ، فَاخْتَصَمَا إِلَيَّ، فَقَضَيْتُ لِصَاحِبِ الشِّرَاءِ بِالثَّمَنِ، وَلَمْ أُعْطِ صَاحِبَ الأَصْلِ إِلا ثَمَنَ الثَّمَرِ.
প্রতিনিধিদের বিক্রয় প্রসঙ্গে- ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ আমাকে রবীআহ থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে তার পণ্য এক ব্যক্তির সাথে পাঠিয়েছে এবং তাকে সেটি বিক্রয় করার জন্য প্রতিনিধি নিযুক্ত করেছে; অতঃপর মালিকের মনে হলো সে নিজেই পণ্যটি বিক্রয় করে দেবে এবং সে তার প্রতিনিধির খোঁজে লোক পাঠাল, কিন্তু গিয়ে দেখল যে প্রতিনিধি ইতিমধ্যে তা বিক্রয় করে দিয়েছে; আর মালের মালিকের বিক্রয়টি ছিল প্রতিনিধির বিক্রয়ের আগে।রবীআহ বলেন: প্রতিনিধি নিযুক্ত করাও বিক্রয়তুল্য এবং মালিকের বিক্রয়ও বৈধ। সুতরাং প্রতিনিধি বা মালিকের মধ্যে যে-ই পণ্যটি হস্তান্তর করে থাকবে এবং নিজের বিক্রয়ের জিম্মাদার হবে, তার বিক্রয়ই অধিক কার্যকর হবে। আর পণ্যটি হস্তান্তর করার আগেই যদি তাদের কেউ সেটি বিক্রয় করে থাকে, তবে তাদের মধ্যে যার বিক্রয় আগে হয়েছে, সেটিই অধিকতর বৈধ বিক্রয় হিসেবে গণ্য হবে।- লায়স ইবনে সা'দ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি রবীআহ-এর নিকট এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে লিখেছি যে তার পশুটি বিক্রয় করার জন্য দুই ব্যক্তিকে দায়িত্ব দিয়েছে। তাদের একজন তা এক ব্যক্তির কাছে বিক্রয় করল এবং অন্যজন তা অন্য এক ব্যক্তির কাছে বিক্রয় করল। তিনি বললেন: বিক্রয় তার জন্যই সাব্যস্ত হবে যে তার সঙ্গীর আগে পশুটি হস্তগত করেছে।এটি এজন্য যে, সে এর দায়ভার গ্রহণ করেছে; যদি সেটি কোনো দাসী হতো তবে সে তাকে নিজের জন্য বৈধ করে নিত, আর যদি কোনো বিপদ বা ক্ষতি হতো তবে সে-ই তা বহন করত।- ইমাম মালিক এমন ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে এক ব্যক্তির কাছে এল যার কাছে স্তূপীকৃত খাদ্যশস্য ছিল। সে তা থেকে প্রতি দিনারে দশ আরদাব্ব হিসেবে কিছু অংশ ক্রয় করল। অতঃপর সে তার পাত্রগুলো আনতে গেল এবং বিক্রেতাকে মূল্য পরিশোধ করে দিল। এরপর অন্য এক ব্যক্তি এল এবং সেও একটি নির্দিষ্ট দরে স্বর্ণ বা মূল্য প্রদান করল। তারা উভয়েই বিক্রেতার কাছে সমবেত হলো যখন সে উভয়ের কাছ থেকেই মূল্য বুঝে নিয়েছে এবং তারা উভয়েই গম নিয়ে বিবাদে লিপ্ত হলো। ইমাম মালিক বলেন: প্রথম জনই অগ্রগণ্য হবে যদি জানা যায় যে সে আগে মূল্য পরিশোধ করেছে। আর যদি তা জানা না যায়, তবে তারা আনুপাতিক হারে অংশীদার হবে।- ইমাম মালিক আমার নিকট সেই ব্যক্তি সম্পর্কে লিখেছেন যে তার দাসের সাথে এক ব্যক্তিকে পাঠাল যেন সে তাকে বিক্রয় করে। অতঃপর মালিক পল্লীতে থাকাবস্থায় তাকে বিক্রয় করে দিল এবং যে ব্যক্তির সাথে দাসকে পাঠানো হয়েছিল সেও তাকে বিক্রয় করে দিল। আর মালিকের বিক্রয়টি ছিল অন্যজনের বিক্রয়ের আগে। তিনি বললেন: পণ্যটি তারই হবে যার দখলে সেটি বিদ্যমান রয়েছে, যদিও বিক্রয় তার আগে হয়ে থাকে।তিনি বলেন: আমি আমাদের এখানেও এ ধরনের বিষয়ে অনুরূপ ফয়সালা দিয়েছি।তিনি বলেন: মদীনার আমীর আল্লাহর সম্পদের একটি বাগান বিক্রয় করেছিলেন। এদিকে এক ব্যক্তি আমীরুল মুমিনীনের পক্ষ থেকে ওই সম্পদের বরাদ্দপত্র নিয়ে এল। সেই বরাদ্দপত্রে মালিকানার যে তারিখ ছিল, তা ছিল ব্যক্তিটির ক্রয়ের আগের তারিখ। অতঃপর তারা আমার কাছে বিচার নিয়ে এলে আমি ক্রেতার স্বপক্ষে ফয়সালা দিলাম এবং বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কেবল ফলের মূল্য প্রদান করলাম।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
فِي بَيْعِ الْجَارِيَةِ بِشَرْطٍ- وَأَخْبَرَنِي يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ رَبِيعَةَ أَنَّهُ قَالَ: كُلُّ شَرْطٍ احْتُجِزَ بِهِ عَلَى رَجُلٍ فِي جَارِيَةٍ يَبْتَاعُهَا يُمْنَعُ بِهِ بَيْعُهَا أَوْ هِبَتُهَا أَوْ مَا يَجُوزُ لِلرَّجُلِ فِي مِلْكِهِ أَوْ يُشْتَرَطُ عَلَيْهِ أَنْ يَلْتَمِسَ وَلَدَهَا وَلا يَعْزِلْهَا، وَلا يَحِلُّ لَهُ أَنْ يَطَأَهَا عَلَى شَيْءٍ مِنْ هَذِهِ الشُّرُوطِ؛ وَإِنِ اشْتَرَطَ ذَلِكَ عَلَيْهِ فَأَهْلُ الْجَارِيَةِ أَحَقُّ بِجَوَازِ الْبَيْعِ إِنْ تَرَكُوهُ مِنَ الشُّرُوطِ وَخَلَّوْا بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْجَارِيَةِ بِغَيْرِ شَرْطٍ، وَإِنْ أَبَوْا تَنَاقَضُوا الْبَيْعَ؛ وَذَلِكَ لأَنَّهُ لا يَحِلُّ لَهُ مِنَ الْجَارِيَةِ مَا اشْتَرَاهَا لَهُ مِنْ نَفْسِهَا، وَالْحَاجَةُ إِلَيْهَا لَهُ؛ وَالشَّرْطُ الَّذِي اشْتَرَطَ عَلَيْهِ فِيهَا أَهْلُ الْجَارِيَةِ فِيهَا بِالْخِيَارِ، إِنْ شَاءُوا وَضَعُوا عَنْهُ الشَّرْطَ الَّذِي اشْتَرَطَ عَلَيْهَا فِيهَا، وَإِنْ شَاءُوا نَقَضُوا الْبَيْعَ إِنْ وَطِأَهَا مُشْتَرِيهَا أَوْ لَمْ يَطَأْهَا؛ وَإِنْ وَطِأَهَا كَانَ فِي ذَلِكَ رَأْيُ الْحَكَمِ.- وَقَالَ مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ فِيمَنِ ابْتَاعَ جَارِيَةً عَلَى أَلا يَبِيعَهَا وَلا يَهَبَهَا، فَبَاعَهَا الْمُشْتَرِي؛ إِنَّهُ يَنْقَضُّ الْبَيْعُ وَتُرَدُّ إِلَى صَاحِبِهَا إِلا أَنْ يَرْضَى أَنْ يُسَلِّمَهَا إِلَيْهِ، وَلا شَرْطَ فِيهَا؛ وَإِنْ كَانَتْ قَدْ فَاتَتْ فَلَمْ تُوجَدْ أَعْطَى الْبَائِعُ فَضْلَ مَا وُضِعَ لَهُ مِنَ الشَّرْطِ.قَالَ مَالِكٌ: وَإِنْ وَطِأَهَا فَحَمَلَتْ مِنْهُ فَلِلْبَائِعِ قِيمَتُهَا يَوْمَ بَاعَهَا، وَتَحِلُّ لَهُ فِيمَا يُسْتَقْبَلُ.- وَقَالَ مَالِكٌ فِيمَنِ ابْتَاعَ جَارِيَةً وَهُوَ لا يُرِيدُ وَطْئَهَا أَوْ غُلامًا أَوْ دَابَّةً عَلَى أَلا يَبِيعَ وَلا يَهَبَ؛ إِنَّ ذَلِكَ لا يَصْلُحُ، كَانَ مِمَّا يُوطَأُ أَوْ غَيْرُ ذَلِكَ مِنَ السِّلَعِ إِذَا كَانَ فِيهِ هَذَا الشَّرْطُ لِمَا يَحْدُثُ فِيهِ مِنَ الدَّيْنِ وَالْحَاجَةُ تَنْزِلُ، وَمَا يُوضَعُ لِذَلِكَ مِنَ الثَّمَنِ وَلاخْتِلافِ ذَلِكَ.
শর্তসাপেক্ষে দাসী বিক্রয় প্রসঙ্গে- ইউনুস বিন ইয়াজিদ আমাকে রাবিআহ থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে তিনি বলেছেন: একজন ব্যক্তি যখন কোনো দাসী ক্রয় করে এবং তার ওপর যদি এমন কোনো শর্তারোপ করা হয় যা তাকে উক্ত দাসী বিক্রয় করা, দান করা অথবা তার মালিকানাধীন স্বত্বে যা করা বৈধ তা থেকে বিরত রাখে, কিংবা তার ওপর শর্ত দেওয়া হয় যে সে তার গর্ভে সন্তান প্রার্থনা করবে এবং বীর্যপাত বাইরে করবে না, তবে এ ধরণের কোনো শর্ত বিদ্যমান থাকা অবস্থায় তার জন্য উক্ত দাসীর সাথে সহবাস করা হালাল হবে না। যদি এমন শর্ত করা হয়, তবে দাসীর মালিকপক্ষই ক্রয়-বিক্রয় বৈধ রাখার ব্যাপারে অধিক হকদার—যদি তারা শর্তগুলো প্রত্যাহার করে নেয় এবং কোনো শর্ত ছাড়াই ক্রেতা ও দাসীর মাঝে কোনো বাধা না রাখে। আর যদি তারা শর্তে অটল থাকে, তবে তারা বিক্রয়চুক্তিটি বাতিল করবে। কারণ, দাসীর পক্ষ থেকে তার যে সঙ্গম কাম্য এবং তার যে প্রয়োজন রয়েছে, তা তার জন্য হালাল হবে না। আর দাসীর মালিকপক্ষ শর্তের ব্যাপারে ইখতিয়ার বা পছন্দের অধিকার রাখে; তারা চাইলে ক্রেতার ওপর থেকে শর্ত তুলে নিতে পারে, আবার চাইলে তারা বিক্রয়চুক্তি বাতিল করতে পারে—চাই ক্রেতা তার সাথে সহবাস করে থাকুক বা না থাকুক। আর যদি সে তার সাথে সহবাস করে ফেলে, তবে এ ক্ষেত্রে বিচারকের সিদ্ধান্তই প্রাধান্য পাবে।- মালিক বিন আনাস ওই ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে কোনো দাসীকে এই শর্তে ক্রয় করেছে যে, সে তাকে বিক্রয় করবে না এবং দান করবে না, এরপর ক্রেতা তাকে বিক্রয় করে দিয়েছে: এক্ষেত্রে বিক্রয়চুক্তি বাতিল হবে এবং দাসীকে তার মালিকের নিকট ফিরিয়ে দেওয়া হবে, যদি না তিনি নিঃশর্তভাবে তাকে ক্রেতার নিকট সমর্পণ করতে রাজি হন। আর যদি দাসীটি হাতছাড়া হয়ে যায়, তবে বিক্রেতাকে ওই পরিমাণ অতিরিক্ত অর্থ দিতে হবে যা শর্তের কারণে মূল্য থেকে কমানো হয়েছিল।ইমাম মালিক বলেন: আর যদি সে তার সাথে সহবাস করে এবং দাসীটি গর্ভবতী হয়ে যায়, তবে বিক্রেতা বিক্রয়কালীন দিনের বাজারমূল্য পাবে এবং ভবিষ্যতে দাসীটি ক্রেতার জন্য হালাল হবে।- ইমাম মালিক ওই ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে কোনো দাসী ক্রয় করেছে অথচ তার সাথে সহবাসের ইচ্ছা তার নেই, অথবা কোনো গোলাম কিংবা কোনো পশু এই শর্তে ক্রয় করেছে যে, সে তাকে বিক্রয় করবে না এবং দান করবে না: তিনি বলেন যে এটি সঠিক নয়। চাই তা সহবাসযোগ্য দাসী হোক কিংবা অন্য কোনো পণ্য, যদি তাতে এই শর্ত থাকে (তবে তা শুদ্ধ হবে না)। কারণ ভবিষ্যতে ঋণ বা অভাবের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে এবং এর ফলে মূল্যের যে হ্রাস-বৃদ্ধি বা তারতম্য ঘটে, তার প্রেক্ষিতে এটি জায়েয নয়।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
94 - وَقَالَ مَالِكٌ فِي الَّذِي يَبِيعُ الْجَارِيَةَ وَيَشْتَرِطُ أَنَّكَ إِنْ بِعْتَهَا فَهِيَ لِي بِالثَّمَنِ الَّذِي تَبِيعُهَا بِهِ؛ قَالَ مَالِكٌ: الأَمْرُ عِنْدَنَا أَنَّهُ إِذَا وَقَعَ مِثْلُ هَذَا الشَّرْطِ فِي الْوَلِيدِ تُبَاعُ أَوْ مَا أَشْبَهَهَا لَمْ يَنْبَغِ لِلْمُشْتَرِي أَنْ يَطَأَهَا لأَنَّهُ لا يَنْبَغِي لَهُ أَنْ يَبِيعَهَا وَلا يَهَبَهَا، إِذَا كَانَ لا يَمْلِكُ بَيْعَهَا وَلا هِبَتَهَا فَلَمْ يَمْلِكْهَا مِلْكًا تَامًّا، يَكُونُ أَمْرُهَا كُلُّهُ بِيَدِهِ لأَنَّهُ قَدِ اسْتُثْنِيَ عَلَيْهِ فِيمَا كَانَ مِلْكُهُ بِيَدِ غَيْرِهِ؛ فَإِذَا دَخَلَ هَذَا الشَّرْطُ لَمْ يَصْلُحْ، وَكَانَ بَيْعًا مَكْرُوهًا.قَالَ مَالِكٌ: وَأَخْبَرَنِي ابْنُ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ اسْتَفْتَى عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ فِي هَذَا، فَقَالَ: لا تَقْرَبْهَا وَفِيهَا شَرْطٌ لأَحَدٍ- وَأَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنْ رَبِيعَةَ، أَنَّهُ قَالَ فِي قَوْمٍ ابْتَاعُوا دَارًا بَيْنَهُمْ وَشَرَطُوا أَيُّهُمْ أَرَادَ بَيْعَ نَصِيبِهِ فَهُوَ لِشُرَكَائِهِ بِالثَّمَنِ الَّذِي ابْتَاعَهُ بِهِ؛ قَالَ رَبِيعَةُ: هَذَا الشَّرْطُ لا يَجُوزُ، لَكِنْ يَبِيعُ بِمَا أَرَاهُ اللَّهُ.
৯৪ - ইমাম মালিক সেই ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে কোনো দাসী বিক্রি করে এবং এই শর্তারোপ করে যে, যদি তুমি তাকে বিক্রি করো তবে তুমি যে দামে তা বিক্রি করবে সেই দামেই সে আমার প্রাপ্য হবে; মালিক বলেন: আমাদের নিকট নিয়ম হলো, যখন দাসী বা অনুরুপ কিছুর ক্ষেত্রে এমন শর্তারোপ করা হয়, তখন ক্রেতার জন্য তার সাথে সংগত হওয়া (সহবাস করা) উচিত নয়। কারণ তার জন্য তাকে বিক্রি করা বা দান করা সমীচীন নয়। যেহেতু সে তাকে বিক্রি করা বা দান করার অধিকার রাখে না, তাই সে তার পূর্ণাঙ্গ মালিকানা লাভ করেনি যাতে তার সমস্ত বিষয় তার নিয়ন্ত্রণে থাকে; কারণ তার মালিকানার বিষয়ে অন্যের অনুকূলে একটি ব্যতিক্রম শর্তারোপ করা হয়েছে। সুতরাং যখন এই শর্ত যুক্ত হয়, তখন তা সঠিক হয় না এবং এটি একটি অপছন্দনীয় (মাকরূহ) বিক্রয় হিসেবে গণ্য হয়।মালিক বলেন: ইবনে শিহাব উবায়দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, ইবনে মাসউদ এই বিষয়ে উমর ইবনুল খাত্তাবের নিকট ফতোয়া চেয়েছিলেন। তখন তিনি বললেন: তার নিকটবর্তী হয়ো না যতক্ষণ তার ব্যাপারে অন্য কারো শর্ত বিদ্যমান থাকে।- ইউনুস রবীআহ থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি এমন একদল লোক সম্পর্কে বলেছেন যারা নিজেদের মধ্যে একটি ঘর ক্রয় করেছে এবং শর্তারোপ করেছে যে, তাদের মধ্যে কেউ যদি নিজের অংশ বিক্রি করতে চায়, তবে তা তার অংশীদারদের জন্য সেই দামেই হবে যে দামে সে তা ক্রয় করেছিল; রবীআহ বলেন: এই শর্ত বৈধ নয়, বরং সে আল্লাহ তাকে যেভাবে তাওফিক দেন (তথা বর্তমান বাজার দরে) সেই দামে বিক্রি করবে।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ২০)
فِي اشْتِرَاءِ الْوَلِيدَةِ مِنَ السُّوقِ، ثُمَّ تَعْتَرِفُ بِأَنَّهَا مَسْرُوقَةٌ- وَأَخْبَرَنِي يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّهُ قَالَ فِي رَجُلٍ ابْتَاعَ وَلِيدَةً مَسْرُوقَةً أَوْ آبِقَةً، فَتَلِدُ مِنْهُ، ثُمَّ يَأْتِي سَيِّدُ الْجَارِيَةِ فَيَقْبِضُهَا أَوْ يُرِيدُ أَخْذَ وَلَدِهَا؛ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ: نَرَاهَا لِسَيِّدِهَا الَّذِي أَبِقَتْ مِنْهُ فَسُرِقَتْ، وَنَرَى وَلَدَهَا لأَبِيهِمُ الَّذِي ابْتَاعَ أُمَّهُمْ بِقِيمَةِ عَدْلٍ يُؤَدِّي ثَمَنَهُمْ إِلَى سَيِّدِ الْجَارِيَةِ.- وَأَخْبَرَنِي اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَنَّهُ قَالَ: مَا رَأَيْتُ النَّاسَ يَرَوْنَ إِلا أَنَّ الرَّجُلَ إِذَا أَدْرَكَ وَلِيدَتَهُ وَأَقَامَ الْبَيِّنَةَ أَنَّهَا مَسْرُوقَةٌ يَأْخُذُ وَلِيدَتَهُ وَيَكُونُ الْوَلَدُ لِلْوَالِدِ بِقِيمَتِهِمْ يُؤَدِّي الثَّمَنَ إِلَى سَيِّدِ الْوَلِيدَةِ، وَلا نَرَى عَلَيْهِ غَيْرَ ذَلِكَ؛ وَلَوْ أُخِذَ السَّارِقُ كَانَ أَهْلا لِلْعُقُوبَةِ وَالْغَرَامَةِ الْمُوجِعَةِ، وَالنَّاسُ لا يَرَوْنَ فِي الْحَيَوَانِ مِنَ الْمَاشِيَةِ إِذَا أُخِذَتْ بِالصَّحْرَاءِ قَطْعًا وَلا فِي الرَّقِيقِ قَطْعًا.- وَأَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنِ ابْنِ أَبِي حَبِيبٍ أَنَّ رَجُلا مِنْ بَنِي كِنَانَةَ خَرَجَ غَازِيًا أَوْ مُسَافِرًا فَعَدَتِ امْرَأَتُهُ مِنْ بَعْدِهِ عَلَى جَارِيَةٍ لَهُ فَبَاعَتْهَا مِنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ رماحص الْكِنَانِيِّ، فَوَلَدَتْ لَهُ، ثُمَّ قَدِمَ الرَّجُلُ فَخَاصَمَ فِيهَا إِلَى سُلَيْمَانَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ، فَرَدَّهَا، وَقَضَى لِسَيِّدِهَا.- وَقَالَ لِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ فِي الرَّجُلِ يَشْتَرِي الْجَارِيَةَ الْمَسْرُوقَةَ فَيَتَّخِذَهَا أُمَّ وَلَدٍ، ثُمَّ تَعْتَرِفُ بَعْدَ مَا وَلَدَتْ لَهُ؛ قَالَ مَالِكٌ: يَأْخُذُهَا سَيِّدُهَا وَيَكُونُ أَوْلادُهَا لأَبِيهِمْ بِقِيمَتِهِمْ إِنْ كَانَ مُوسِرًا، وَإِنْ كَانَ مُعْسِرًا كَانَ دَيْنًا يُتْبَعُ بِهِ، وَلا يُسْتَرَقُّ وَلَدُهُ.
বাজার থেকে দাসী ক্রয় করার পর সে যখন স্বীকার করে যে তাকে চুরি করা হয়েছে, সেই প্রসঙ্গে- ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ ইবনে শিহাব থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে কোনো চুরি হওয়া বা পালিয়ে যাওয়া দাসী ক্রয় করল এবং সেই দাসী তার সন্তান প্রসব করল, অতঃপর দাসীর আসল মালিক এসে তাকে কবজা করল অথবা তার সন্তান নিতে চাইল। ইবনে শিহাব বলেন: আমরা মনে করি যে, দাসীটি তার সেই মালিকেরই প্রাপ্য যার কাছ থেকে সে পালিয়েছিল অথবা চুরি হয়েছিল। আর আমরা মনে করি যে, সন্তান তার পিতার (ক্রেতার) প্রাপ্য হবে যিনি তাদের মাকে ক্রয় করেছিলেন; তবে পিতা সন্তানদের ন্যায্য মূল্য দাসীর আসল মালিককে পরিশোধ করবেন।- লাইস ইবনে সাদ ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: আমি মানুষকে এই অভিমত পোষণ করতেই দেখেছি যে, যখন কোনো ব্যক্তি তার হারানো দাসীকে খুঁজে পায় এবং সে যে চুরি হয়েছিল তার অকাট্য প্রমাণ পেশ করে, তখন সে তার দাসীকে নিয়ে নেবে। আর সন্তানগুলো তাদের পিতার (ক্রেতার) হবে, যার বিনিময়ে তিনি দাসীর মালিককে সন্তানদের মূল্য পরিশোধ করবেন। এর বাইরে আমরা অন্য কোনো বিধান সাব্যস্ত করি না। আর যদি চোর ধরা পড়ে তবে সে শাস্তি ও বেদনাদায়ক জরিমানার উপযুক্ত হবে। মানুষ মরুভূমি বা চারণভূমি থেকে গবাদি পশু ধরা পড়লে তাতে হাত কাটার দণ্ড সাব্যস্ত করে না এবং দাসের ক্ষেত্রেও হাত কাটার দণ্ড সাব্যস্ত করে না।- ইবনে লাহিয়া ইবনে আবি হাবিব থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, বনু কিনানার এক ব্যক্তি যুদ্ধে অথবা সফরে বের হলেন। তার প্রস্থানের পর তার স্ত্রী তার একটি দাসীর অবাধ্যতা করে তাকে আবদুর রহমান ইবনে রুমাহিস আল-কিনানীর কাছে বিক্রি করে দিল। অতঃপর দাসীটি তার (ক্রেতার) সন্তান প্রসব করল। পরবর্তীতে সেই ব্যক্তি (আসল মালিক) ফিরে এসে সুলাইমান ইবনে আব্দুল মালিকের কাছে এ বিষয়ে বিচারপ্রার্থী হলেন। তিনি দাসীটিকে ফিরিয়ে দিলেন এবং তার আসল মালিকের পক্ষে ফয়সালা করলেন।- মালিক ইবনে আনাস আমাকে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে একটি চুরি হওয়া দাসী ক্রয় করল এবং তাকে সন্তানের জননী (উম্মু ওয়ালাদ) হিসেবে গ্রহণ করল, অতঃপর সন্তান প্রসবের পর সে (দাসী) স্বীকার করল যে সে অপহৃত। মালিক বলেন: তার আসল মালিক তাকে নিয়ে নেবে, আর সন্তানরা তাদের পিতার হবে তাদের মূল্যের বিনিময়ে—যদি পিতা সচ্ছল হয়। আর যদি সে অসচ্ছল হয় তবে তা ঋণ হিসেবে গণ্য হবে যা পরবর্তীতে তাকে পরিশোধ করতে হবে; তবে তার সন্তানকে দাস বানানো যাবে না।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ২১)
فِي اشْتِرَاءِ الْعَبْدِ الآبِقِ- وَأَخْبَرَنِي يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ قَالَ: كَتَبَ إِلَيَّ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ يَقُولُ: مَنِ اشْتَرَى عَبْدًا، ثُمَّ أَعْتَقَهُ، ثُمَّ اعْتَرَفَ الْعَبْدُ أَنَّهُ آبِقٌ مِنْ سَيِّدِهِ، فَجَاءَ سَيِّدُهُ فَقُضِيَ لَهُ بِهِ؛ فَإِنَّ الَّذِي أَعْتَقَهُ يَأْخُذُ الثَّمَنَ الَّذِي اشْتَرَى بِهِ الْعَبْدَ، وَلا يَكُونُ لَهُ الْعِتْقُ، وَيُرَدُّ الْعَبْدُ إِلَى أَهْلِهِ.- وَأَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّهُ قَالَ فِي ثَلاثَةِ نَفَرٍ بَاعَ بَعْضُهُمْ بَعْضًا، قَالَ: يُنَكَّلُونَ وَيُغَرَّمُونَ مَا أَخَذُوا مِنَ الْمَالِ.- وَأَخْبَرَنِي عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ رَبِيعَةَ أَنَّهُ قَالَ فِي رَجُلٍ كَانَ لَهُ عَلَى رَجُلٍ دَيْنٌ فَأَرَادَ الَّذِي عَلَيْهِ الدَّيْنُ أَنْ يَخْرُجَ سَفَرًا بَعِيدًا، وَمَحِلُّ الْحَقِّ أَدْنَى مِنْ ذَلِكَ؛ قَالَ: لَيْسَ لَهُ أَنْ يَخْرُجَ حَتَّى يَضَعَ لَهُ ثِقَةً.- وَأَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنْ رَبِيعَةَ أَنَّهُ قَالَ: إِنَّ مِنْ ذَلِكَ مَا عَسَى أَنْ يُخَلَّى بَيْنَهُ وَبَيْنَهُ؛ وَمِنْ ذَلِكَ مَا يُحَالُ بَيْنَهُ وَبَيْنَهُ، وَلا يُسْتَطَاعُ التَّقَاضِي بِالأَرْضِ الَّتِي يَجْلُو إِلَيْهَا مِنَ الأَرْضِ الَّتِي كَانَ بِهَا، فَلا يَكُونُ فِي ذَلِكَ إِلا اجْتِهَادُ الإِمَامِ إِذَا كَانَ.
পলাতক দাস ক্রয় করা প্রসঙ্গে- ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আমার নিকট লিখে জানিয়েছেন যে: যে ব্যক্তি কোনো দাস ক্রয় করল, অতঃপর তাকে মুক্ত করে দিল, এরপর সেই দাস স্বীকার করল যে সে তার মালিকের নিকট থেকে পালিয়ে এসেছে, অতঃপর তার মালিক আসল এবং তার স্বপক্ষে ফয়সালা দেওয়া হলো; তবে যে ব্যক্তি তাকে মুক্ত করেছিল সে ওই মূল্য ফেরত পাবে যা দিয়ে সে দাসটিকে ক্রয় করেছিল, আর তার পক্ষ থেকে কৃত মুক্তি দান কার্যকর হবে না এবং দাসটিকে তার পূর্বের মালিকের নিকট ফিরিয়ে দেওয়া হবে।- ইউনুস ইবনে শিহাব থেকে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি এমন তিন ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যারা একে অপরকে বিক্রি করে দিয়েছিল: তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে এবং তারা যে অর্থ গ্রহণ করেছে তা জরিমানা হিসেবে তাদের থেকে আদায় করা হবে।- আব্দুল জাব্বার ইবনে উমর রাবিআহ থেকে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যার নিকট অন্য এক ব্যক্তির ঋণ ছিল, আর ঋণগ্রস্ত ব্যক্তিটি দীর্ঘ সফরে বের হওয়ার ইচ্ছা করল অথচ ঋণের পাওনা পরিশোধের সময়সীমা তার আগেই ছিল; তিনি বলেন: তার জন্য সফরে বের হওয়া বৈধ নয় যতক্ষণ না সে পাওনাদারের নিকট কোনো নির্ভরযোগ্য জামানত বা নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।- ইউনুস রাবিআহ থেকে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি বলেছেন: এগুলোর মধ্যে এমন কিছু পরিস্থিতি রয়েছে যেখানে তাকে এবং তার গন্তব্যের মাঝখানের পথ ছেড়ে দেওয়া হতে পারে; আবার এমন কিছু পরিস্থিতি আছে যেখানে তার ও তার গন্তব্যের মাঝে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়। আর যদি যে ভূমিতে সে চলে যাচ্ছে সেখানে অবস্থান করে সেই ভূমি থেকে পাওনা দাবি করা সম্ভব না হয় যেখানে সে ইতিপূর্বে অবস্থান করছিল, তবে সেক্ষেত্রে ইমামের (বিচক্ষণ) ইজতিহাদ ব্যতীত আর কোনো পথ নেই, যদি ইমাম বিদ্যমান থাকেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ২২)
فِي إِفْلاسِ الْحُرِّ وَدَيْنِهِ
স্বাধীন ব্যক্তির দেউলিয়া হওয়া ও তার ঋণ প্রসঙ্গে
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
105 - وَأَخْبَرَنِي اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، وَمَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، وَعَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ حَزْمٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ حَدَّثَهُ، أَنَّ أَبَا بَكْرِ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ حَدَّثَهُ ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَيُّمَا رَجُلٍ أَفْلَسَ فَأَدْرَكَ رَجُلٌ مَالَهُ بِعَيْنِهِ، فَهُوَ أَحَقُّ بِهِ مِنْ غَيْرِهِ»
১০৫ - আমাকে আল-লাইস ইবন সাদ, মালিক ইবন আনাস এবং আমর ইবনুল হারিস সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ থেকে, তিনি আবু বকর ইবন হাযম থেকে, যে উমর ইবন আবদুল আযীয তাকে হাদীস শুনিয়েছেন, যে আবু বকর ইবন আবদুর রহমান তাকে হাদীস শুনিয়েছেন যে, তিনি আবু হুরায়রাকে বলতে শুনেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি দেউলিয়া হয়ে যায়, আর কোনো লোক তার নিজের মাল হুবহু (অপরিবর্তিত অবস্থায়) পেয়ে যায়, তবে অন্যের তুলনায় সে-ই তার অধিক হকদার»
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
106 - وَأَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَضَى فِي السِّلْعَةِ يَبْتَاعُهَا الرَّجُلُ فَيُفْلِسُ وَهِيَ عِنْدَهُ بِعَيْنِهَا، لَمْ يَقْضِ صَاحِبُهَا مِنْ ثَمَنِهَا شَيْئًا، أَنْ يَرُدَّ إِلَى صَاحِبِهَا، فَإِنْ كَانَ قَدْ قَضَى مِنْ ثَمَنِهَا شَيْئًا فَهُوَ أُسْوَةُ الْغُرَمَاءِ
১০৬ - এবং ইউনুস আমাকে ইবনে শিহাব থেকে অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আমাকে আবু বকর বিন আব্দুর রহমান বিন আল-হারিস বিন হিশাম সংবাদ দিয়েছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এমন পণ্য সম্পর্কে ফয়সালা দিয়েছেন যা কোনো ব্যক্তি ক্রয় করার পর দেউলিয়া হয়ে যায়, অথচ পণ্যটি অবিকল তার নিকটেই বিদ্যমান রয়েছে এবং এর মালিক (বিক্রেতা) তার মূল্যের কোনো কিছুই লাভ করেনি; (এমতাবস্থায় ফয়সালা হলো) পণ্যটি তার মালিকের নিকট ফিরিয়ে দিতে হবে। আর যদি সে (ক্রেতা) মূল্যের কিছু অংশ পরিশোধ করে থাকে, তবে তিনি (বিক্রেতা) অন্যান্য পাওনাদারদের ন্যায় গণ্য হবেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
قَالَ أَبُو بَكْرٍ: وَقَضَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ مَنْ تُوُفِّيَ وَعِنْدَهُ سِلْعَةُ رَجُلٍ بِعَيْنِهَا لَمْ يَقْبِضْ مِنْ ثَمَنِهَا شَيْئًا، فَصَاحِبُ السِّلْعَةِ أُسْوَةُ الْغُرَمَاءِ فِيهَا.وَأَخْبَرَنِي مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ، عَنِ النَّبِيِّ نَحْوَ ذَلِكَ- وَأَخْبَرَنِي عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ وَرَبِيعَةَ وَغَيْرِهِمَا أَنَّهُمْ كَانُوا يَقُولُونَ: إِنْ كَانَ انْتَقَدَ مِنْ ثَمَنِهَا شَيْئًا أَوْ مَاتَ الْمُشْتَرِي، فَهُوَ أُسْوَةُ الْغُرَمَاءِ.قَالَ عَبْدُ الْجَبَّارِ: بَلَغَنِي أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ قَضَى بِذَلِكَ.- وَأَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّهُ قَالَ: إِنْ كَانَ أَدَّى إِلَيْهِ بَعْضَ ثَمَنِ مَا بَاعَهُ، ثُمَّ أَفْلَسَ الْمُشْتَرِي، فَأَرَى أَنْ يُقَاسِمَهُ الْغُرَمَاءُ بِالْحِصَّةِ لِقَوْلِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي ذَلِكَ.فَذَلِكَ بَيْنَ الْغُرَمَاءِ يَتَأَسَّوْنَ فِيهِ بِحِصَصِهِمْ؛ وَإِنْ لَمْ يَكُنْ قَبَضَ مِنْ ثَمَنِهَا شَيْئًا حَتَّى أَفْلَسَ فَهِيَ لِلَّذِي بَاعَهَا بِعَيْنِهَا، لا يَشْرَكُهُ فِيهَا أَحَدٌ مِنَ الْغُرَمَاءِ.- وَأَخْبَرَنِي ابْنُ سَمْعَانَ قَالَ: سَمِعْتُ مَنْ أَدْرَكْتُ مِنْ عُلَمَائِنَا يَقُولُونَ: مَنْ بَاعَ سِلْعَةً مِنْ رَجُلٍ، فَأَفْلَسَ الْمُبْتَاعُ فَصَاحِبُ السِّلْعَةِ أَحَقُّ بِهَا إِذَا وَجَدَهَا بِعَيْنِهَا، إِلا أَنْ يَقْضِيَ ثَمَنَ سِلْعَتِهِ كَامِلا، لَيْسَ لَهُ النَّمَاءُ.وَسَمِعْتُ اللَّيْثَ بْنَ سَعْدٍ يَقُولُ ذَلِكَ.- وَقَالَ لِي مَالِكٌ: أَمَّا مَا ابْتِيعَ مِنَ السِّلَعِ الَّتِي لَمْ يُحْدِثْ فِيهَا الْمُشْتَرِي شَيْئًا إِلا أَنَّ تِلْكَ السِّلْعَةَ نَفِقَتْ وَارْتَفَعَ ثَمَنُهَا، فَصَاحِبُهَا يَرْغَبُ فِيهَا، وَالْغُرَمَاءُ يَرَوْنُ إِمْسَاكَهَا؛ فَإِنَّ الْغُرَمَاءَ يُخَيَّرُونَ بَيْنَ أَنْ يُعْطُوا رَبَّ السِّلْعَةِ الثَّمَنَ الَّذِي لَهُ، وَلا يَنْقُصُونَهُ شَيْئًا، وَبَيْنَ أَنْ يُسَلِّمُوا إِلَيْهِ السِّلْعَةَ؛ وَإِنْ كَانَتِ السِّلْعَةُ قَدْ نَقَصَ ثَمَنُهَا، فَالَّذِي بَاعَهَا بِالْخِيَارِ، إِنْ شَاءَ أَنْ يَأْخُذَ سِلْعَتَهُ، وَلا تِبَاعَةَ لَهُ فِيمَا سِوَى ذَلِكَ؛ وَإِنْ أَحَبَّ أَنْ يَكُونَ غَرِيمًا مِنَ الْغُرَمَاءِ يُحَاصُّ بِحَقِّهِ، وَلا يَأْخُذُ سِلْعَتَهُ، فَذَلِكَ لَهُ.وَسَمِعْتُ اللَّيْثَ يَقُولُ ذَلِكَ.- وَقَالَ لِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ: الأَمْرُ عِنْدَنَا أَنَّ الْبَائِعَ إِذَا وَجَدَ شَيْئًا مِنْ مَتَاعِهِ بِعَيْنِهِ، وَإِنْ كَانَ الْمُشْتَرِي قَدْ بَاعَ أَكْثَرَ وَفَرَّقَهُ، فَصَاحِبُ الْمَتَاعِ أَحَقُّ بِهِ مِنَ الْغُرَمَاءِ، لا يَمْنَعُهُ مَا بَاعَ الْمُشْتَرِي مِنْهُ أَنْ يَأْخُذَ مَا وَجَدَ بِعَيْنِهِ.- قَالَ لِي مَالِكٌ فِيمَنْ وَجَدَ نِصْفَ سِلْعَتِهِ بِعَيْنِهَا عِنْدَ رَجُلٍ قَدْ أَفْلَسَ؛ قَالَ: أَرَى أَنْ يَأْخُذَهَا بِنِصْفِ الثَّمَنِ وَيُحَاصَّ الْغُرَمَاءُ بِنِصْفِ الْبَاقِي، إِلا أَنْ يُعْطِيَهُ الْغُرَمَاءُ الثَّمَنَ كُلَّهُ وَيَأْخُذُوهَا.- وَقَالَ مَالِكٌ فِيمَنِ ابْتَاعَ غَنَمًا فَتَوَالَدَتْ عِنْدَ مُشْتَرِيهَا، أَوْ جَارِيَةً فَوَلَدَتْ أَوْلادًا عِنْدَ مُشْتَرِيهَا، ثُمَّ أَفْلَسَ صَاحِبُهَا؛ إِنَّ الْبَائِعَ يَأْخُذُ الْغَنَمَ بِأَوْلادِهَا، أَوِ الْجَارِيَةَ وَوَلَدَهَا، إِلا أَنْ يَرْغَبَ فِي ذَلِكَ الْغُرَمَاءُ، فَيُعْطُوهُ حَقَّهُ كُلَّهُ كَامِلا، وَيَأْخُذُوهَا.وَسَمِعْتُ اللَّيْثَ بْنَ سَعْدٍ يَقُولُ ذَلِكَ.- وَقَالَ مَالِكٌ فِيمَنْ بَاعَ أَمَةً فَاعْوَرَّتْ عِنْدَ صَاحِبِهَا أَوْ عَمِيَتْ، ثُمَّ أَفْلَسَ، إِنَّ بَائِعَهَا يَأْخُذُهَا فِي حَقِّهِ كُلِّهِ، أَوْ يُسَلِّمُهَا، وَيُحَاصُّ الْغُرَمَاءُ.وَسَمِعْتُ اللَّيْثَ بْنَ سَعْدٍ يَقُولُ ذَلِكَ.- وَقَالَ مَالِكٌ فِيمَنْ بَاعَ أَمَةً فَوَلَدَتْ عِنْدَ الَّذِي اشْتَرَاهَا، ثُمَّ بَاعَهَا، وَحَبَسَ وَلَدَهَا، ثُمَّ أَفْلَسَ؛ أَرَى أَنْ يَأْخُذَ صَاحِبُهَا وَلَدَهَا بِحِصَّتِهِمْ مِنَ الثَّمَنِ كَمَا لَوْ كَانَ رَأْسَيْنِ بَاعَهُمَا فَوَجَدَ أَحَدَهُمَا عِنْدَهُ وَقَدْ أَفْلَسَ، أَخَذَهُ بِقِيمَتِهِ مِنَ الثَّمَنِ وَحَاصَّ الْغُرَمَاءَ فِيمَا بَقِيَ مِنَ الثَّمَنِ، إِلا أَنْ يَشَاءَ الْغُرَمَاءُ أَنْ يُوَفُّوهُ حَقَّهُ، وَيَأْخُذُوا ذَلِكَ.- وَقَالَ مَالِكٌ فِيمَنْ بَاعَ ثَوْبًا مِنْ رَجُلٍ، فَخَلَقَ عِنْدَهُ أَوْ وَهَى أَوْ دَخَلَهُ فَسَادٌ، أَوْ بَاعَ عَدْلَيْنِ مِنْ بَزٍّ فَاحْتَرَقَ أَحَدُهُمَا وَسَلِمَ الآخَرُ، ثُمَّ أَفْلَسَ، مِثْلَ مَا قَالَ فِي الأَمَةِ تَعْوَرُّ عِنْدَ الْمُشْتَرِي، وَفِي الْعَدْلَيْنِ مِثْلَ مَا قَالَ فِي الرَّأْسَيْنِ.- وَقَالَ لِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ فِي الرَّجُلِ يَشْتَرِي السِّلْعَةَ أَوِ الْمَتَاعَ أَوِ الْغَزْلِ يَوْمًا، ثُمَّ يُمَاكِسُ الَّذِي ابْتَاعَ ذَلِكَ الْمَتَاعَ أَوِ الْبُقْعَةَ، ثُمَّ يُحْدِثُ فِي ذَلِكَ عَمَلا يَبْنِي الْبُقْعَةَ دَارًا أَوْ يَنْسِجُ الْغَزْلَ ثَوْبًا، ثُمَّ يُفْلِسُ الَّذِي ابْتَاعَ ذَلِكَ الْمَتَاعَ، فَيَقُولُ رَبُّ الْبُقْعَةِ: آخُذُ الْبُقْعَةِ وَمَا فِيهَا مِنَ الْبُنْيَانِ؛ قَالَ مَالِكٌ: تَقُومُ الدَّارُ كُلُّهَا، الْبُقْعَةُ، وَالْبُنْيَانُ، وَمَا فِيهَا مِمَّا أَصْلَحَ، ثُمَّ يَنْظُرُ كَمْ ثَمَنُ الْبُقْعَةِ مِنْ ذَلِكَ، وَكَمْ ثَمَنُ الْبُنْيَانِ، ثُمَّ يَكُونُونَ شُرَكَاءَ فِي ذَلِكَ؛ لِصَاحِبِ الْبُقْعَةِ بِقَدْرِ حِصَّتِهِ، وَلِلْغُرَمَاءِ حِصَّةُ الْبُنْيَانِ.وَإِنْ كَانَتْ قِيمَةُ ذَلِكَ جَمِيعًا أَلْفًا وَخَمْسَ مِائَةٍ، فَكَانَتِ الْبُقْعَةُ قِيمَةَ خَمْسِ مِائَةٍ، وَالْبُنْيَانُ ثَمَنَ أَلْفٍ، كَانَ لِصَاحِبِ الْبُقْعَةِ الثُّلُثُ وَلِلْغُرَمَاءِ الثُّلُثَانِ.وَكَذَلِكَ الْغَزْلُ إِذَا نُسِجَ وَغَيْرُهُ إِذَا دَخَلَهُ مِثْلُ هَذَا؛ وَهَكَذَا الْعَمَلُ فِيهِ.- وَقَالَ مَالِكٌ فِي رَجُلٍ اشْتَرَى مِنْ رَجُلٍ رَوَايَا زَيْتٍ، ثُمَّ انْطَلَقَ بِهَا فَصَبَّهَا فِي جِرَارٍ لَهُ فِيهَا زَيْتٌ كَثِيرٌ، وَمَعَهُ شُهُودٌ يَنْظُرُونَ حَتَّى أَفْرَغَهَا فِي زَيْتِهِ، ثُمَّ جَاءَهُ رَجُلٌ يَطْلُبُهُ بِحَقٍّ بَانَ فِيهِ إِفْلاسُهُ؛ فَقَامَ الرَّجُلُ يُرِيدُ أَنْ يَأْخُذَ زَيْتَهُ، فَقَالَ غُرَمَاؤُهُ: لَيْسَ هُوَ زَيْتُكَ بِعَيْنِهِ، قَدْ خَلَطَّهَ بِزَيْتٍ غَيْرِهِ؛ قَالَ: أَرَى أَنْ يَأْخُذَ زَيْتَهُ وَهُوَ عِنْدِي بِعَيْنِهِ، لَيْسَ خَلْطُهُ إِيَّاهُ بِالَّذِي يَمْنَعُهُ أَنْ يَأْخُذَ زَيْتَهُ.وَمِثْلُ ذَلِكَ مِثْلُ رَجُلٍ وَقَفَ عَلَى صَرَّافٍ، فَدَفَعَ إِلَيْهِ مِائَةَ دِينَارٍ فَصَبَّهَا فِي كِيسِهِ، وَالنَّاسُ يَنْظُرُونَ، ثُمَّ بَانَ فَلَسُهُ مَكَانَهُ؛ أَوِ الْبَزُّ يَشْتَرِيهِ الرَّجُلُ فَيُرَقِّمُهُ وَيَخْلِطُهُ بِبَزٍّ غَيْرِهِ؛ فَلَيْسَ هَذَا وَأَشْبَاهُهُ بِالَّذِي يَقْطَعُ عَنِ النَّاسِ أَخْذَ مَا وَجَدُوا مِنْ مَتَاعِهِمْ إِذَا أَفْلَسَ مَنِ ابْتَاعَهَا، إِذَا كَانُوا عَلَى هَذَا.- وَقَالَ مَالِكٌ فِي رَجُلٍ كَانَ عَلَيْهِ دَيْنٌ مِنْ دَنَانِيرَ وَطَعَامٍ وَعُرُوضٍ، فَأَفْلَسَ؛ إِنَّهُ يَقُومُ مَا عَلَيْهِ مِنَ الطَّعَامِ وَالْعُرُوضِ يَوْمَ أَفْلَسَ، فَيَأْخُذُ صَاحِبُ الْعُرُوضِ وَالطَّعَامِ قِيمَةَ عُرُوضِهِمْ، فَيَتَحَاصُّونَ بِهَا، ثُمَّ يَشْتَرِي لَهُمْ شَرْطَهُمْ عَلَى الْمُفْلِسِ، فَإِنْ بَقِيَ شَيْءٌ تَبِعُوهُ بِهِ عَلَى قِيمَةِ مَا كَانُوا يَسَلُونَهُ مِنَ الْعُرُوضِ وَالطَّعَامِ.- وَأَخْبَرَنِي اللَّيْثُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَنَّهُ قَالَ: إِذَا أَفْلَسَ الرَّجُلُ وَلَهُ حُلِيٌّ عِنْدَ صَائِغٍ قَدْ صَاغَهُ لَهُ، كَانَ هُوَ أَوْلَى بِأَجْرِهِ، وَلَمْ يُحَاصِّهِ الْغُرَمَاءُ بِمَنْزِلَةِ الرَّهْنِ فِي يَدَيْهِ.- وَسَمِعْتُ مَالِكًا يَقُولُ فِيمَنِ اسْتُؤْجِرَ فِي زَرْعٍ أَوْ حَائِطٍ، فَقَامَ فِيهِ فَزَرَعَ حَتَّى بَلَغَ، ثُمَّ إِنَّ صَاحِبَ الزَّرْعِ أَوِ الْحَائِطِ أَفْلَسَ؛ إِنَّ الأَجِيرَ أَوْلَى بِمَا فِي يَدَيْهِ مِنَ الزَّرْعِ وَالْحَائِطِ حَتَّى يَقْتَضِيَ إِجَارَتَهُ، فَإِنْ فَضَلَ فَضْلٌ فَهُوَ لِلْغُرَمَاءِ، وَإِنْ بَقِيَ لَهُ شَيْءٌ حَاصَّ بِهِ الْغُرَمَاءَ فِي مَالِ الْمُفْلِسِ؛ فَإِنْ مَاتَ الْمُسْتَأْجِرُ فَالأَجِيرُ أُسْوَةُ الْغُرَمَاءِ.- قَالَ مَالِكٌ: فَأَمَّا الأَجِيرُ الَّذِي يَبِيعُ لَهُ فِي الْحَانُوتِ أَوْ يَخْدِمُ، فَأَرَاهُ أُسْوَةَ الْغُرَمَاءِ؛ وَأَمَّا الَّذِي يَكُونُ فِي الزَّرْعِ وَالْحَائِطِ، فَإِنِّي أَرَاهُ تَبَعًا فِي عَمَلِهِ ذَلِكَ عَلَى الْغُرَمَاءِ؛ قَالَ: وَإِنْ مَاتَ الْمُفْلِسُ فَكُلٌّ أُسْوَةٌ.
আবু বকর বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফয়সালা দিয়েছেন যে, যদি কোনো ব্যক্তি মারা যায় এবং তার নিকট কোনো ব্যক্তির সুনির্দিষ্ট পণ্য থাকে যার মূল্যের কোনো অংশই সে গ্রহণ করেনি, তবে পণ্যের মালিক উক্ত পণ্যের ক্ষেত্রে অন্যান্য পাওনাদারদের ন্যায় সমান অংশীদার হিসেবে গণ্য হবে।মালিক ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আবু বকর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।- আব্দুল জব্বার ইবনে উমর আমাকে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ, রাবিআ এবং অন্যান্যদের থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তাঁরা বলতেন: যদি পণ্যের মূল্যের কিছু অংশ নগদ গ্রহণ করা হয়ে থাকে অথবা ক্রেতা মারা যায়, তবে বিক্রেতা অন্যান্য পাওনাদারদের সমান অংশীদার হিসেবে গণ্য হবে।আব্দুল জব্বার বলেন: আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, উমর ইবনে আব্দুল আজিজ রহ. এরূপ ফয়সালা দিতেন।- ইউনুস ইবনে শিহাব থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি (ইবনে শিহাব) বলেছেন: যদি বিক্রেতাকে বিক্রিত পণ্যের মূল্যের কিছু অংশ প্রদান করা হয়ে থাকে এবং এরপর ক্রেতা দেউলিয়া হয়ে যায়, তবে আমি মনে করি পাওনাদারগণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণীর কারণে আনুপাতিক হারে তার অংশীদার হবে।অতএব, পাওনাদারদের মধ্যে তাদের নিজ নিজ পাওনা অনুযায়ী বণ্টন করা হবে; আর যদি দেউলিয়া হওয়ার আগে পণ্যের মূল্যের কোনো কিছুই গ্রহণ না করে থাকে, তবে সেই সুনির্দিষ্ট পণ্যটি বিক্রেতারই প্রাপ্য হবে, এতে অন্য কোনো পাওনাদার তার অংশীদার হবে না।- ইবনে সামআন আমাকে খবর দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আমাদের সমসাময়িক আলেমদের বলতে শুনেছি: যে ব্যক্তি কারো কাছে কোনো পণ্য বিক্রি করল, অতঃপর ক্রেতা দেউলিয়া হয়ে গেল, তবে পণ্যের মালিকই সেটি ফিরে পাওয়ার অধিক হকদার যদি সেটি অবিকল পাওয়া যায়, যদি না তার পণ্যের পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করে দেওয়া হয়। তবে সেই পণ্যের বর্ধিতাংশ (বৃদ্ধি) সে পাবে না।আমি লাইস ইবনে সাদকেও অনুরূপ বলতে শুনেছি।- মালিক আমাকে বলেছেন: যে সকল পণ্য ক্রয় করা হয়েছে এবং ক্রেতা তাতে কোনো পরিবর্তন আনেনি, কিন্তু সেই পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দাম বেড়ে গেছে, এমতাবস্থায় মালিক যদি সেটি ফেরত নিতে চায় এবং পাওনাদাররা সেটি রেখে দিতে চায়; তবে পাওনাদারদের ইখতিয়ার দেওয়া হবে যে, তারা হয় পণ্যের মালিককে তার পাওনা পূর্ণ মূল্য দিয়ে দিবে এবং তার থেকে কিছুই কমাবে না, অথবা তার পণ্য তাকে বুঝিয়ে দিবে। আর যদি পণ্যের দাম কমে গিয়ে থাকে, তবে বিক্রেতার ইখতিয়ার থাকবে; সে চাইলে তার পণ্যটি নিয়ে নিতে পারে, তবে এক্ষেত্রে সে অন্য কিছুর দাবিদার হতে পারবে না। আর সে যদি চায় তবে অন্যান্য পাওনাদারদের ন্যায় একজন সাধারণ পাওনাদার হয়ে আনুপাতিক হারে অংশ নিতে পারবে এবং তার পণ্যটি ফেরত নিবে না, তবে সেটিও তার জন্য জায়েজ।আমি লাইসকেও অনুরূপ বলতে শুনেছি।- মালিক ইবনে আনাস আমাকে বলেছেন: আমাদের নিকট ফয়সালা হলো, বিক্রেতা যদি তার মালপত্রের কিছু অংশ অবিকল খুঁজে পায়, যদিও ক্রেতা তার অধিকাংশ বিক্রি করে দিয়ে থাকে বা আলাদা করে ফেলে, তবে মালের মালিক অন্যান্য পাওনাদারদের চেয়ে সেটি পাওয়ার ক্ষেত্রে অধিক হকদার। ক্রেতা যে অংশ বিক্রি করে দিয়েছে, তা তাকে অবিকল পাওয়া অংশটুকু গ্রহণে বাধা সৃষ্টি করবে না।- মালিক আমাকে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে তার অর্ধেক পণ্য দেউলিয়া হওয়া ব্যক্তির নিকট অবিকল পেয়েছে; তিনি বলেন: আমি মনে করি সে অর্ধেক মূল্যের বিনিময়ে সেটি নিয়ে নিবে এবং অবশিষ্ট অর্ধেকের জন্য অন্যান্য পাওনাদারদের সাথে আনুপাতিক হারে অংশীদার হবে, যদি না পাওনাদাররা তাকে পূর্ণ মূল্য দিয়ে পণ্যটি রেখে দেয়।- মালিক এমন ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে বকরি ক্রয় করল এবং ক্রেতার কাছে থাকাকালীন তা বাচ্চা দিল, অথবা দাসী ক্রয় করল এবং ক্রেতার কাছে সে সন্তান প্রসব করল, অতঃপর তার মালিক (ক্রেতা) দেউলিয়া হয়ে গেল; এক্ষেত্রে বিক্রেতা বকরি তার বাচ্চাসহ অথবা দাসী তার সন্তানসহ গ্রহণ করবে, যদি না পাওনাদাররা তা রেখে দিতে চায় এবং তাকে তার পূর্ণ প্রাপ্য বুঝিয়ে দেয়।আমি লাইস ইবনে সাদকেও অনুরূপ বলতে শুনেছি।- মালিক এমন ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে এক দাসী বিক্রি করল, এরপর ক্রেতার কাছে থাকাকালীন সে একচোখা বা অন্ধ হয়ে গেল, অতঃপর ক্রেতা দেউলিয়া হয়ে গেল; বিক্রেতা চাইলে তার পূর্ণ পাওনার বিনিময়ে তাকে নিতে পারে অথবা তাকে ছেড়ে দিয়ে অন্যান্য পাওনাদারদের সাথে আনুপাতিক হারে অংশ নিতে পারে।আমি লাইস ইবনে সাদকেও অনুরূপ বলতে শুনেছি।- মালিক এমন ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে এক দাসী বিক্রি করল এবং ক্রেতার কাছে সে সন্তান প্রসব করল, এরপর ক্রেতা দাসীটি বিক্রি করে দিল কিন্তু তার সন্তানকে রেখে দিল, অতঃপর সে দেউলিয়া হয়ে গেল; আমি মনে করি মালিক (বিক্রেতা) মূল্যের আনুপাতিক হারে তার সন্তানকে নিয়ে নিবে। এটি সেই ব্যক্তির ন্যায় যে দুটি গোলাম বিক্রি করল এবং দেউলিয়া ব্যক্তির নিকট একটিকে পাওয়া গেল, সে ক্ষেত্রে সে মূল্যের অনুপাতে সেটিকে গ্রহণ করবে এবং বাকি মূল্যের জন্য অন্যান্য পাওনাদারদের সাথে শরিক হবে, যদি না পাওনাদাররা তাকে তার পূর্ণ হক দিয়ে সেটি রেখে দিতে চায়।- মালিক এমন ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে কারো কাছে কাপড় বিক্রি করল এবং তা ক্রেতার নিকট পুরনো বা জীর্ণ হয়ে গেল অথবা তাতে ত্রুটি দেখা দিল, কিংবা দুই বস্তা কাপড় বিক্রি করল এবং একটি পুড়ে গেল আর অন্যটি অক্ষত থাকল, অতঃপর ক্রেতা দেউলিয়া হলো; এক্ষেত্রে বিধান তা-ই যা দাসী একচোখা হওয়ার ক্ষেত্রে এবং দুটি গোলামের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে।- মালিক ইবনে আনাস আমাকে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে কোনো পণ্য বা মালপত্র বা সুতা ক্রয় করল, এরপর সে মালের ওপর বা কোনো ভূখণ্ডের ওপর কিছু কাজ করল—যেমন জমিতে ঘর নির্মাণ করল অথবা সুতা দিয়ে কাপড় বুনল—অতঃপর ক্রেতা দেউলিয়া হয়ে গেল; এমতাবস্থায় ভূমির মালিক বলল: আমি জমি এবং এর ওপর নির্মিত ভবন নিয়ে নিব। মালিক বলেন: সম্পূর্ণ বাড়িটি মূল্যায়ন করা হবে—ভূমি, ভবন এবং এর ওপর যা কিছু সংস্কার করা হয়েছে সবসহ। এরপর দেখা হবে এর মধ্যে ভূমির মূল্য কত এবং ভবনের মূল্য কত। অতঃপর তারা এতে অংশীদার হবে; ভূমির মালিক তার ভূমির মূল্য অনুপাতে এবং পাওনাদারগণ ভবনের মূল্য অনুপাতে অংশ পাবে।যদি সর্বমোট মূল্য পনেরোশ (১৫০০) হয় এবং ভূমির মূল্য হয় পাঁচশ (৫০০) আর ভবনের মূল্য হয় এক হাজার (১০০০), তবে ভূমির মালিক এক-তৃতীয়াংশ পাবে এবং পাওনাদারগণ দুই-তৃতীয়াংশ পাবে।অনুরূপভাবে সুতা যখন কাপড় বোনা হয় এবং অন্যান্য ক্ষেত্রেও যদি এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, তবে এভাবেই ফয়সালা হবে।- মালিক এমন ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে অন্য এক ব্যক্তির নিকট থেকে কয়েক মশক জয়তুনের তেল ক্রয় করল, এরপর সে তা নিয়ে তার নিজস্ব এক বড় তেলের পাত্রে ঢেলে দিল যেখানে আগে থেকেই অনেক তেল ছিল, এবং তার কাছে সাক্ষীও ছিল যারা তাকে তার তেলের পাত্রে এটি ঢালতে দেখেছে। এরপর এক ব্যক্তি এসে তার কাছে পাওনা দাবি করল এবং তার দেউলিয়াত্ব প্রকাশ পেল। এমতাবস্থায় বিক্রেতা তার তেল ফেরত নিতে চাইল, কিন্তু পাওনাদাররা বলল: এটি তো আর তোমার সেই সুনির্দিষ্ট তেল নেই, বরং সে এটি অন্য তেলের সাথে মিশিয়ে ফেলেছে। মালিক বলেন: আমি মনে করি সে তার তেল ফেরত নিবে এবং আমার মতে এটি সুনির্দিষ্ট হিসেবেই গণ্য হবে। অন্য তেলের সাথে মেশানোটা তাকে তার তেল ফেরত পাওয়া থেকে বঞ্চিত করবে না।এর উদাহরণ সেই ব্যক্তির মতো যে একজন মুদ্রা বিনিময়কারীর (মানি এক্সচেঞ্জার) কাছে দাঁড়িয়ে তাকে একশ দিনার দিল এবং সে তা তার থলিতে রাখল আর লোকজন তা দেখল, এরপর তৎক্ষণাৎ তার দেউলিয়াত্ব প্রকাশ পেল। অথবা একজন কাপড় ক্রয় করে তাতে চিহ্ন দিল এবং অন্য কাপড়ের সাথে মিশিয়ে ফেলল; এসব বা এর সদৃশ বিষয়গুলো পাওনাদারদের থেকে তাদের মালপত্র ফেরত নেওয়ার অধিকার কেড়ে নিবে না যদি তারা এ অবস্থায় তা খুঁজে পায়।- মালিক এমন ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যার ওপর স্বর্ণমুদ্রা, খাদ্যশস্য এবং পণ্যসামগ্রী ঋণ ছিল এবং সে দেউলিয়া হয়ে গেল; তিনি বলেন: দেউলিয়া হওয়ার দিনে তার জিম্মায় থাকা খাদ্যশস্য ও পণ্যসামগ্রীর মূল্য নির্ধারণ করা হবে। অতঃপর পণ্য ও খাদ্যের মালিকগণ তাদের পণ্যের মূল্য অনুযায়ী আনুপাতিক হারে অংশ নিবে। এরপর তাদের জন্য দেউলিয়া ব্যক্তির পক্ষ থেকে তাদের শর্ত অনুযায়ী ক্রয় করা হবে। যদি কিছু অবশিষ্ট থাকে, তবে তারা তাদের পাওনা খাদ্য ও পণ্যের মূল্যের ভিত্তিতে তা দাবি করতে পারবে।- লাইস ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে তিনি বলেছেন: যখন কোনো ব্যক্তি দেউলিয়া হয়ে যায় এবং কোনো স্বর্ণকারের নিকট তার স্বর্ণালঙ্কার থাকে যা সে তার জন্য তৈরি করেছে, তবে স্বর্ণকারই তার পারিশ্রমিকের ক্ষেত্রে অগ্রধিকার পাবে এবং অন্য পাওনাদারগণ তার সাথে অংশীদার হতে পারবে না, কারণ এটি তার নিকট বন্ধকের মতো।- আমি মালিককে বলতে শুনেছি এমন ব্যক্তি সম্পর্কে যাকে ফসল বা বাগানের কাজে নিয়োজিত করা হয়েছে, সে তাতে কাজ করল এবং ফসল পরিপক্ক হওয়া পর্যন্ত শ্রম দিল, এরপর ফসল বা বাগানের মালিক দেউলিয়া হয়ে গেল; এক্ষেত্রে সেই শ্রমিক তার পারিশ্রমিক উশুল না হওয়া পর্যন্ত তার হাতে থাকা ফসল বা বাগানের ফসলের ক্ষেত্রে অন্যদের চেয়ে বেশি হকদার। যদি অতিরিক্ত কিছু থাকে তবে তা পাওনাদারদের জন্য। আর যদি তার পাওনা অপূর্ণ থেকে যায়, তবে সে অবশিষ্ট পাওনার জন্য দেউলিয়া ব্যক্তির অন্য সম্পদে অন্যান্য পাওনাদারদের সাথে অংশীদার হবে। তবে নিয়োগকর্তা যদি মারা যায়, তবে শ্রমিক অন্য পাওনাদারদের মতোই সমান অংশীদার হিসেবে গণ্য হবে।মালিক বলেন: তবে যে শ্রমিক দোকানে বেচাকেনা করে বা ব্যক্তিগত খেদমত করে, আমি তাকে অন্য পাওনাদারদের সমান অংশীদার মনে করি। কিন্তু যে ক্ষেত বা বাগানে কাজ করে, আমি তাকে তার কাজের ক্ষেত্রে পাওনাদারদের ওপর অগ্রাধিকার প্রাপ্ত মনে করি। তিনি বলেন: আর দেউলিয়া ব্যক্তি যদি মারা যায়, তবে সবাই সমান অংশীদার হিসেবে গণ্য হবে।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
123 - وَأَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ، وَهُوَ أَحَدُ قَوْمِهِ بَنِي سَلَمَةَ، كَثُرَ دَيْنُهُ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَلَمْ يَزِدْ رَسُولُ اللَّهِ غُرَمَاءَهُ عَلَى أَنْ خَلَعَ لَهُمْ مَالَهُ
১২৩ - ইউনুস আমাকে অবহিত করেছেন ইবনে শিহাব থেকে, তিনি বলেন: আবদুর রহমান ইবনে কা'ব ইবনে মালিক আমাকে অবহিত করেছেন যে, মু'আয ইবনে জাবাল —যিনি তাঁর কওম বনু সালামার একজন ছিলেন— রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে তাঁর ঋণ অনেক বেড়ে গিয়েছিল। ফলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর পাওনাদারদের জন্য তাঁর সমস্ত সম্পদ বিলিয়ে দেওয়ার অতিরিক্ত আর কিছু করেননি।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
124 - وَأَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ غُزَيَّةَ، وَيَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: مَضَتْ سُنَّةُ رَسُولِ اللَّهِ فِي مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ بِأَنْ خَلَعَهُ مِنْ مَالِهِ وَلَمْ يَأْمُرْ بِبَيْعِهِ؛ وَفِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ
১২৪ - আর ইবনে লাহিয়া আমাকে উমারা ইবনে গুযাইয়্যা এবং ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবীব থেকে, তাঁরা ইবনে শিহাব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুআয ইবনে জাবালের ব্যাপারে আল্লাহর রাসূলের সুন্নাহ এভাবে অতিবাহিত হয়েছে যে, তিনি তাঁকে তাঁর সম্পদ থেকে রিক্ত করেছিলেন এবং তা বিক্রয় করার নির্দেশ দেননি; আর আল্লাহর রাসূলের মাঝে রয়েছে উত্তম আদর্শ।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
125 - وَأَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، وَاللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ الأَشَجِّ، عَنْ عِيَاضِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّهُ قَالَ: أُصِيبَ رَجُلٌ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي ثِمَارٍ ابْتَاعَهَا فَكَثُرَ دَيْنُهُ؛ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «تَصَدَّقُوا عَلَيْهِ» ؛ فَتَصَدَّقَ عَلَيْهِ، فَلَمْ يَبْلُغْ ذَلِكَ وَفَاءَ دَيْنِهِ؛ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «خُذُوا مَا وَجَدْتُمْ، وَلَيْسَ لَكُمْ إِلا ذَلِكَ»
১২৫ - এবং আমাকে আমর ইবনুল হারিস ও লাইস ইবনু সাদ সংবাদ দিয়েছেন বুকাইর ইবনুল আশাজ্জ থেকে, তিনি ইয়াজ ইবনু আবদুল্লাহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে এক ব্যক্তি তার ক্রয়কৃত ফলমূলে ক্ষয়ক্ষতির শিকার হন, ফলে তার ঋণের বোঝা বেড়ে যায়; তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «তোমরা তাকে সদকা প্রদান করো»; অতঃপর তাকে সদকা প্রদান করা হলো, কিন্তু তা তার ঋণ পরিশোধের জন্য পর্যাপ্ত হলো না; তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «তোমরা যা পাও তা-ই গ্রহণ করো, আর তোমাদের জন্য এছাড়া আর কিছু নেই»।
(খণ্ড: ১)
আল-মুওয়াত্তা কিতাবুল কাজা ফিল বুয়ূ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
126 - وَأَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، وَمَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُزَنِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَجُلا مِنْ جُهَيْنَةَ كَانَ يَشْتَرِي الرَّوَاحِلَ فَيُغَالِي بِهَا، ثُمَّ يُسْرِعُ السَّيْرَ فَيَسْبِقُ الْحَاجَّ؛ فَأَفْلَسَ؛ فَرُفِعَ أَمْرُهُ إِلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، فَقَامَ عُمَرُ، فَقَالَ: أَمَّا بَعْدُ، فَإِنَّ الأُسَيْفِعَ أُسَيْفِعَ جُهَيْنَةَ رَضِيَ مِنْ دِينِهِ وَأَمَانَتِهِ أَنْ يُقَالَ سَبَقَ الْحَاجَّ، وَإِنَّهُ ادَّانَ مُعْرِضًا، فَأَصْبَحَ قَدْ رِينَ بِهِ، فَمَنْ كَانَ لَهُ عَلَيْهِ حَقٌّ فَلْيَأْتِنَا نَقْسِمْ مَالَهُ بَيْنَ غُرَمَائِهِ بِالْغَدَاةِ؛ ثُمَّ إِيَّاكُمْ وَالدَّيْنَ، فَإِنَّ أَوَّلَهُ هَمٌّ وَآخِرَهُ حَرْبٌ- وَأَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ قَضَى فِي رَجُلٍ غَرِقَ فِي دَيْنٍ، أَنْ يُقْسَمَ مَالُهُ بَيْنَ الْغُرَمَاءِ وَيُتْرَكَ حَتَّى يَرْزُقَهُ اللَّهُ.وَأَخْبَرَنِي اللَّيْثُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ مِثْلَ ذَلِكَ.- وَأَخْبَرَنِي يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّهُ قَالَ: إِذَا أَفْلَسَ الرَّجُلُ وَيُحَاصُّ غُرَمَاؤُهُ مَالَهُ، فَمَنْ بَايَعَهُ بَعْدَ ذَلِكَ فَإِنَّمَا بَايَعَهُ فِي غَيْرِ أَمْوَالِ الْغُرَمَاءِ الَّذِينَ فَلَّسُوهُ، وَإِنَّمَا بَايَعُوهُ فِي ذِمَّتِهِ، فِيمَا يُسْتَقْبَلُ مِنْ رِزْقِ اللَّهِ وَإِفَادَتِهِ؛ فَإِنْ أُعْدِمَ الثَّانِيَةَ فَالَّذِينَ بَايَعَهُمْ بَعْدَ عُدْمِهِ الأَوَّلِ أَحَقُّ بِمَالِهِ فَيَتَحَاصُّونَ بِهِ دُونَ الْغُرَمَاءِ الأَوَّلِينَ، إِلا أَنْ يَكُونَ عَقِلَ فِي دَمِهِ أَوْ مِيرَاثٍ وَرِثَهُ.فَأَمَّا كُلُّ عَمَلٍ أَدَارَهُ أَوْ كَانَ مِمَّا رَجَعَتْ بِهِ الأَرْزَاقُ عَلَيْهِ، فَهُوَ لِلَّذِينَ بَايَعُوهُ بَعْدَ عُدْمِهِ، لأَنَّ ذَلِكَ لَهُمْ خَاصَّةً لِمَا خَرَجَتْ فِيهِ أَمْوَالُهُمْ، لأَنَّهُ لَمْ يَكُنْ يَسْتَطِيعُ أَنْ يَبْلُغَ ذَلِكَ فِي النَّاسِ إِلا بِمُعَايَشَةِ مَنْ عَايَشَهُ وَمُدَايَنَةِ مَنْ دَايَنَهُ، وَابْتِغَائِهِ الرِّزْقَ مِنْ رَبِّهِ بِالإِدَارَةِ وَالتِّجَارَةِ.فَأَمَّا الَّذِينَ يُفْلِسُونَ غَرِيمَهُمْ فَإِنَّ حُقُوقَهُمْ تَدْخُلُ فِي فُضُولٍ إِنْ كَانَتْ بِيَدَيْهِ بَعْدَ قَضَاءِ حُقُوقِ الآخَرِينَ.- وَسَمِعْتُ مَالِكًا يَقُولُ فِي الرَّجُلِ يَكُونُ عَلَيْهِ الدَّيْنُ فَيَخْلَعُ لِغُرَمَائِهِ، فَإِنْ ثَابَ لَهُ مَالٌ بَعْدَ ذَلِكَ أَخَذُوهُ مِنْهُ حَتَّى يَسْتَوْفُوا حُقُوقَهُمْ، فَإِنْ لَمْ يَثِبْ لَهُ مَالٌ حَتَّى تَدَايَنَ آخَرُونَ فَيُفْلِسُ أَيْضًا بِأَمْوَالِهِمْ، فَيَقُومُونَ بِهِ؛ إِنَّ الأَوَّلِينَ لا يَدْخُلُونَ عَلَى هَؤُلاءِ فِيمَا دَايَنُوهُ حَتَّى يَسْتَوْفُوا حُقُوقَهُمْ، لأَنَّ مَا فِي يَدَيْهِ مِنْ أَمْوَالِهِمُ الَّتِي دَايَنُوهُ بِهَا، وَإِنْ لَمْ يَقُمْ بِهِ أَصْحَابُ الدَّيْنِ الآخَرُونَ حَتَّى يَدْخُلَ عَلَيْهِ فَائِدَةٌ مِنْ مِيرَاثٍ، أَوْ تُفْقَأَ لَهُ عَيْنٌ فَيُقْضَى لَهُ بِعَقْلِهَا، تَحَاصَّ أَصْحَابُ الدَّيْنِ الأَوَّلُونَ وَالآخِرُونَ فِيمَا كَانَ بِيَدَيْهِ مِنْ ذَلِكَ الْمِيرَاثِ أَوِ الْعَقْلِ.
১২৬ - আব্দুল্লাহ ইবনে উমর ও মালিক ইবনে আনাস আমাকে উমর ইবনে আব্দুর রহমান আল-মুজানি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, জুহায়নাহ গোত্রের এক ব্যক্তি উচ্চমূল্যে বাহন ক্রয় করতেন, তারপর দ্রুত পথ চলে হাজীদের আগে চলে যেতেন। একসময় তিনি দেউলিয়া হয়ে পড়লেন। তখন তাঁর বিষয়টি উমর ইবনে আল-খাত্তাবের নিকট উত্থাপন করা হলো। উমর দাঁড়িয়ে বললেন: "অতঃপর, জুহায়নাহর এই উসাইফি' নিজের দ্বীন ও আমানতদারির বিনিময়ে এতেই সন্তুষ্ট ছিল যে, বলা হবে সে হাজীদের ছাড়িয়ে গেছে। সে বেপরোয়াভাবে ঋণ গ্রহণ করেছিল, ফলে এখন সে ঋণে জর্জরিত হয়ে পড়েছে। সুতরাং যার তার কাছে পাওনা আছে, সে যেন আগামীকাল সকালে আমাদের কাছে আসে; আমরা তার সম্পদ পাওনাদারদের মধ্যে বণ্টন করে দেব। তোমরা ঋণ থেকে বেঁচে থাকো, কারণ এর শুরু হলো দুশ্চিন্তা আর শেষ হলো লড়াই।"- ইবনে লাহিয়া আমাকে ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, উমর ইবনে আব্দুল আজিজ ঋণে ডুবে যাওয়া এক ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই ফয়সালা দিয়েছিলেন যে, তার সম্পদ পাওনাদারদের মধ্যে বণ্টন করে দেওয়া হবে এবং তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে যতক্ষণ না আল্লাহ তাকে রিযিক দান করেন।আল-লায়স আমাকে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে অনুরূপ সংবাদ দিয়েছেন।- ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ আমাকে রাবিয়া ইবনে আবি আব্দুর রহমান থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে তিনি বলেন: যখন কোনো ব্যক্তি দেউলিয়া হয়ে যায় এবং পাওনাদাররা তার সম্পদ বণ্টন করে নেয়, এরপর যদি কেউ তার সাথে লেনদেন করে, তবে সে ওইসব পাওনাদারদের সম্পদের বাইরে লেনদেন করল যারা তাকে দেউলিয়া ঘোষণা করেছিল। তারা মূলত তার জিম্মাদারিতে আল্লাহর পক্ষ থেকে ভবিষ্যতে প্রাপ্তব্য রিযিক ও উপার্জনের ওপর ভিত্তি করে লেনদেন করেছে। সুতরাং সে যদি দ্বিতীয়বার দেউলিয়া হয়, তবে প্রথমবার দেউলিয়া হওয়ার পর যারা তার সাথে লেনদেন করেছিল তারাই তার সম্পদের বেশি হকদার হবে; তারা নিজেদের মধ্যে তা বণ্টন করে নেবে, প্রথম পাওনাদাররা এতে অংশ পাবে না। তবে যদি তা রক্তপণ বা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত কোনো সম্পদ হয় (তবে ভিন্ন কথা)।আর সে যা কিছু পরিচালনা করেছে বা রিযিক হিসেবে যা তার কাছে ফিরে এসেছে, তা ওইসব ব্যক্তিদের জন্য যারা তার দেউলিয়া হওয়ার পর তার সাথে লেনদেন করেছে। কারণ এটি বিশেষভাবে তাদেরই প্রাপ্য যেহেতু তাদের সম্পদ এতে ব্যয় হয়েছে। কেননা মানুষের মধ্যে সে এই পর্যায়ে পৌঁছাতে পারত না যদি না সে তাদের সাথে বসবাস করত এবং তাদের থেকে ঋণ গ্রহণ করত এবং পরিচালনা ও ব্যবসার মাধ্যমে তার রবের কাছে রিযিক অন্বেষণ করত।আর যারা তাদের দেনাদারকে দেউলিয়া ঘোষণা করে, অন্যদের পাওনা পরিশোধের পর যদি তার হাতে অতিরিক্ত কিছু অবশিষ্ট থাকে তবেই তাদের পাওনা সেই উদ্বৃত্ত মালের অন্তর্ভুক্ত হবে।- আমি মালিককে বলতে শুনেছি ওই ব্যক্তি সম্পর্কে যার ওপর ঋণ রয়েছে এবং সে তার পাওনাদারদের জন্য রিক্ত হস্ত হয়ে যায়। যদি এরপর তার কাছে কোনো মাল অর্জিত হয়, তবে তারা তা থেকে গ্রহণ করবে যতক্ষণ না তারা তাদের পাওনা পূর্ণভাবে পায়। কিন্তু যদি তার কাছে কোনো মাল না আসা পর্যন্ত অন্যরা তাকে ঋণ দেয় এবং সে তাদের মালসহ পুনরায় দেউলিয়া হয় এবং তারা পাওনার দাবিতে দাঁড়ায়; তবে প্রথম পাওনাদাররা দ্বিতীয় পাওনাদারদের ঋণের সম্পদের অংশীদার হবে না যতক্ষণ না দ্বিতীয়রা তাদের পাওনা পূর্ণভাবে পায়। কারণ তার হাতে যা রয়েছে তা মূলত ওইসব পাওনাদারদেরই সম্পদ যা তারা তাকে ঋণ দিয়েছিল। কিন্তু যদি দ্বিতীয় পাওনাদাররা তার বিরুদ্ধে দাবি না তোলা পর্যন্ত তার কাছে উত্তরাধিকার সূত্রে কোনো সম্পদ আসে বা তার কোনো চোখ নষ্ট হওয়ার কারণে তাকে রক্তপণ বা ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়, তবে প্রথম ও শেষ পর্যায়ের সকল পাওনাদার তার হাতে থাকা ওই উত্তরাধিকার বা রক্তপণের মাল নিজেদের মধ্যে আনুপাতিক হারে বণ্টন করে নেবে।