(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
السابع عشر من الخلعيات (الخلعي)
القسم: كتب السنة
الكتاب: السابع عشر من الخلعيات
المؤلف: علي بن الحسن بن الحسين بن محمد، أبو الحسن الخِلَعي الشافعيّ (ت 492هـ)
الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية
الطبعة: الأولى، 2004
[الكتاب مخطوط]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-খিলাইয়্যাত-এর সপ্তদশ খণ্ড (আল-খিলায়ী)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আল-খিলাইয়্যাত-এর সপ্তদশ খণ্ড
লেখক: আলী বিন আল-হাসান বিন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মাদ, আবু আল-হাসান আল-খিলায়ী আশ-শাফিয়ী (মৃত্যু ৪৯২ হিজরি)
প্রকাশক: ইসলাম ওয়েব সাইটের অধীনস্থ জাওয়ামিউল কালিম নামক ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত পাণ্ডুলিপি
সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪
[কিতাবটি একটি পাণ্ডুলিপি]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
الْجُزْءُ السَّابِعَ عَشَرَ مِنَ الْفَوَائِدِ الْمُنْتَقَاةِ الْحِسَانِ الصِّحَاحِ وَالْغَرَائِبِتَخْرِيجُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الْحُسَيْنِ الشِّيرَازِيِّ ، رِوَايَةُ الْقَاضِي الْجَلِيلِ أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الْحُسَيْنِ الْفَقِيهِ ، نَفَعَهُ اللَّهُ بِهِ ، قُوبِلَ بِهِ الأَصْلُ فَوَافَقَ وَالْحَمْدُ للَّهِ عَلَى نِعَمِهِ.بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ.تَوَكَّلْ تُكْفَى
নির্বাচিত উত্তম, সহিহ এবং বিরল হিতোপদেশসমূহের সপ্তদশ খণ্ডআহমদ ইবনুল হাসান ইবনুল হুসাইন আশ-শিরাজীর সংকলন, সম্মানিত বিচারক আবুল হাসান আলী ইবনুল হাসান ইবনুল হুসাইন আল-ফকিহ-এর বর্ণনা, আল্লাহ তাকে এর দ্বারা উপকৃত করুন। এটি মূল পাণ্ডুলিপির সাথে যাচাই করা হয়েছে এবং যথাযথ পাওয়া গেছে। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য তাঁর নেয়ামতসমূহের ওপর।পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।ভরসা করুন, আপনার জন্য তিনিই যথেষ্ট হবেন।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
1 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ النَّحَّاسِ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادِ بْنِ بِشْرٍ الأَعْرَابِيُّ ، بِمَكَّةَ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ ، فِي شَوَّالٍ سَنَةَ أَرْبَعِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الصَّبَّاحِ الزَّعْفَرَانِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ ، عَنِ الزُّهْرِيِّ ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، وَزَيْدِ بْنِ خَالِدٍ ، وَشِبْلٍ ، قَالُوا: كُنَّا عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، فَقَامَ رَجُلٌ ، فَقَالَ: أَنْشُدُكَ بِاللَّهِ أَلا قَضَيْتَ بَيْنَنَا بِكِتَابِ اللَّهِ ، فَقَالَ خَصْمُهُ ، وَكَانَ أَفْقَهَ مِنْهُ ، فَقَالَ: صَدَقَ اقْضِ بَيْنَنَا بِكِتَابِ اللَّهِ وَائْذَنْ لِي فَقَالَ: إِنَّ ابْنِي كَانَ عَسِيفًا عَلَى هَذَا فَزَنَى بِامْرَأَتِهِ فَأَخْبَرُونِي أَنَّ عَلَى ابْنِي الرَّجْمَ فَافْتَدَيْتُ بِمِائَةِ شَاةٍ وَخَادِمٍ ثُمَّ سَأَلْتُ رِجَالا مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ فَأَخْبَرُونِي أَنَّ عَلَى ابْنِي جَلْدَ مِائَةٍ وَتَغْرِيبَ عَامٍ ، وَأَنَّ عَلَى امْرَأَةِ هَذَا الرَّجْمَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لأَقْضِيَنَّ بَيْنَكُمَا بِكِتَابِ اللَّهِ، الْمِائَةُ شَاةٍ وَالْخَادِمُ مَرْدُودٌ عَلَيْكَ وَعَلَى ابْنِكَ جَلْدُ مِائَةٍ وَتَغْرِيبُ عَامٍ، وَعَلَى امْرَأَةِ هَذَا الرَّجْمُ، وَاغْدُ يَا أُنَيْسُ عَلَى امْرَأَةِ هَذَا فَإِنِ اعْتَرَفَتْ فَارْجُمْهَا، فَغَدَا عَلَيْهَا فَاعْتَرَفَتْ فَرَجَمَهَا»
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুর রহমান বিন উমর বিন মুহাম্মদ বিন সাঈদ বিন আন-নাহহাস, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু সাঈদ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন যিয়াদ বিন বিশর আল-আরাবি, মক্কায়, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম ৩৪০ হিজরীর শাওয়াল মাসে, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আস-সাব্বাহ আয-যাফরানি, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সুফিয়ান বিন উয়াইনা, যুহরী থেকে, তিনি উবাইদুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরা, যায়েদ বিন খালিদ এবং শিবল থেকে বর্ণনা করেন, তাঁরা বলেন: আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট উপস্থিত ছিলাম, এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল: আমি আপনাকে আল্লাহর দোহাই দিয়ে বলছি, আপনি যেন আমাদের মাঝে আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী ফয়সালা করে দেন। তখন তার প্রতিপক্ষ বলল—যে কি না তার চেয়ে অধিক ফকীহ বা সমঝদার ছিল—সে সত্য বলেছে, আপনি আমাদের মাঝে আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী ফয়সালা করুন এবং আমাকে কথা বলার অনুমতি দিন। অতঃপর সে বলল: আমার পুত্র এই ব্যক্তির নিকট শ্রমিক হিসেবে কাজ করত, সে তার স্ত্রীর সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হয়। আমাকে জানানো হয়েছিল যে, আমার পুত্রের ওপর রজম (পাথর নিক্ষেপে মৃত্যু) অবধারিত। তাই আমি একশত ছাগল এবং একটি দাস মুক্তিপণ হিসেবে দিয়ে তাকে মুক্ত করি। এরপর আমি ইলম অর্জনকারী ব্যক্তিদের নিকট জিজ্ঞাসা করলে তাঁরা আমাকে জানান যে, আমার পুত্রের সাজা হলো একশত বেত্রাঘাত এবং এক বছরের নির্বাসন, আর এই ব্যক্তির স্ত্রীর ওপর রজম অবধারিত। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: «সেই সত্তার কসম, যাঁর হাতে আমার প্রাণ, অবশ্যই আমি তোমাদের মাঝে আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী ফয়সালা করব। একশত ছাগল ও দাসটি তোমাকে ফেরত দেওয়া হবে; আর তোমার পুত্রের সাজা হলো একশত বেত্রাঘাত ও এক বছরের নির্বাসন। আর হে উনাইস, তুমি কাল সকালে এই ব্যক্তির স্ত্রীর নিকট যাও, যদি সে স্বীকারোক্তি দেয় তবে তাকে রজম করো।» পরদিন সকালে উনাইস তার কাছে গেলেন, সে স্বীকারোক্তি দিল এবং তিনি তাকে রজম করলেন।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
2 - أَخْبَرَنَاهُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ النَّحَّاسِ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادِ بْنِ بِشْرِ بْنِ دِرْهَمٍ الْبَصْرِيُّ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الأَعْرَابِيِّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِمَكَّةَ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عُثْمَانَ سَعْدَانُ بْنُ نَصْرِ بْنِ مَنْصُورٍ الْمُخَرِّمِيُّ الْبَزَّارُ ، قَالَ سُفْيَانُ: وَلَمْ أَفْقَهْ مِنْهُ عَنِ الزُّهْرِيِّ ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، وَزَيْدِ بْنِ خَالِدٍ ، وَشِبْلٍ ، قَالُوا: كُنَّا عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، فَقَامَ إِلَيْهِ رَجُلٌ ، فَقَالَ: نَشَدْتُكَ بِاللَّهِ أَلا قَضَيْتَ بَيْنَنَا بِكِتَابِ اللَّهِ ، وَائْذَنْ لِي قَالَ: فَقَالَ: إِنَّ ابْنِي كَانَ عَسِيفًا عَلَى هَذَا ، وَأُخْبِرْتُ أَنَّهُ زَنَا بِامْرَأَتِهِ ، وَأُخْبِرْتُ أَنَّ عَلَيْهِ الرَّجْمَ ، فَافْتَدَيْتُ بِمِائَةِ شَاةٍ وَخَادِمٍ ، ثُمَّ سَأَلْتُ رَجُلا مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ ، فَأَخْبَرَنِي أَنَّ عَلَى ابْنِي جَلْدَ مِائَةٍ ، وَتَغْرِيبَ عَامٍ ، وَأَنَّ عَلَى امْرَأَةِ هَذَا الرَّجْمَ ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «لأَقْضِيَنَّ بَيْنَكُمَا بِكِتَابِ اللَّهِ ، أَمَّا الْمِائَةُ شَاةٍ وَالْخَادِمُ فَرَدٌّ عَلَيْكَ ، وَعَلَى ابْنِكَ جَلْدُ مِائَةٍ وَتَغْرِيبُ عَامٍ، وَاغْدُ يَا أُنَيْسُ عَلَى امْرَأَةِ هَذَا، فَإِنِ اعْتَرَفَتْ فَارْجُمْهَا» .قَالَ سَعْدَانُ: قُرِئَ هَذَا الْحَدِيثُ عَلَى سُفْيَانَ ، وَأَنَا حَاضِرٌ فَلَمْ أَفْهَمْهُ ، وَكَتَبْتُهُ مِمَّنْ فَهِمَهُ ، مِنْهُمْ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ.
২ - এটি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ ইবনে আন-নাহহাস—তাঁর নিকট পঠিত পাণ্ডুলিপি থেকে এবং আমি তখন শ্রবণরত ছিলাম—তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ ইবনে বিশর ইবনে দিরহাম আল-বাসরি, যিনি ইবনুল আরাবি নামে পরিচিত—মক্কায় তাঁর নিকট পঠিত পাণ্ডুলিপি থেকে—তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু উসমান সা’দান ইবনে নাসর ইবনে মানসুর আল-মুখাররিমি আল-বাযযার; সুফিয়ান বলেন: আমি এটি যুহরি থেকে পূর্ণরূপে আয়ত্ত করতে পারিনি, (যা বর্ণিত হয়েছে) উবায়দুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা, যায়েদ ইবনে খালিদ এবং শিবল (রা.) থেকে; তাঁরা বলেন: আমরা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ছিলাম, তখন এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে তাঁর নিকট আরজ করল: আমি আপনাকে আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি যে, আপনি আমাদের মাঝে আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী ফয়সালা করে দিন। আর আমাকে কথা বলার অনুমতি দিন। অতঃপর সে বলল: আমার পুত্র এই ব্যক্তির নিকট শ্রমিক হিসেবে কাজ করত, এরপর আমাকে অবহিত করা হলো যে সে তার স্ত্রীর সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হয়েছে। আমাকে আরও বলা হলো যে তার শাস্তি হলো রজম। তাই আমি এর বিনিময়ে একশটি ছাগল ও একজন সেবক দিয়ে মুক্তিপণ দিয়েছি। এরপর আমি একজন আলিমকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি আমাকে জানান যে, আমার পুত্রের শাস্তি হলো একশ দোররা এবং এক বছরের নির্বাসন, আর এই ব্যক্তির স্ত্রীর শাস্তি হলো রজম। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «আমি অবশ্যই তোমাদের মাঝে আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী ফয়সালা করব। একশটি ছাগল ও সেবক তোমাকে ফেরত দেওয়া হলো। আর তোমার পুত্রের জন্য একশ দোররা ও এক বছরের নির্বাসনের দণ্ড। আর হে উনাইস, তুমি কাল সকালে এই ব্যক্তির স্ত্রীর নিকট যাও, যদি সে অপরাধ স্বীকার করে তবে তাকে রজম করো।»সা’দান বলেন: এই হাদীসটি সুফিয়ানের নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি উপস্থিত ছিলাম, কিন্তু আমি তা স্মরণে রাখতে পারিনি; তাই যারা এটি স্মরণে রেখেছিলেন আমি তাদের নিকট থেকে তা লিখে নিয়েছি, তাদের মধ্যে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনুল হুসাইনও ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
3 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الْبَزَّازُ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الطَّاهِرِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو الْمَدِينِيُّ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُوسَى يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى الصَّدَفِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ ، قَالَ: أَخْبَرَنِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ ، أَنَّ سَهْلَ بْنَ سَعْدٍ السَّاعِدِيَّ ، أَخْبَرَهُ أَنَّ عُوَيْمِرَ الْعَجْلانِيَّ ، جَاءَ إِلَى عَاصِمِ بْنِ عَدِيٍّ ، فَقَالَ لَهُ: أَرَأَيْتَ يَا عَاصِمُ ، لَوْ أَنَّ رَجُلا وَجَدَ مَعَ امْرَأَتِهِ رَجُلا ، أَيَقْتُلُهُ فَيَقْتُلُونَهُ؟ أَمْ كَيْفَ يَفْعَلُ؟ سَلْ لِي يَا عَاصِمُ عَنْ ذَلِكَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، فَلَمَّا رَجَعَ عَاصِمٌ إِلَى أَهْلِهِ جَاءَهُ عُوَيْمِرٌ ، فَقَالَ: يَا عَاصِمُ، مَاذَا قَالَ لَكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ ، فَقَالَ عَاصِمٌ لِعُوَيْمِرٍ: لَمْ تَأْتِنِي بِخَبَرٍ تَذْكُرُهُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، الْمَسْأَلَةُ الَّتِي سَأَلْتَهُ عَنْهَا ، فَقَالَ عُوَيْمِرٌ: وَاللَّهِ لا أَنْتَهِي حَتَّى أَسْأَلَهُ عَنْهَا ، فَأَقْبَلَ عُوَيْمِرٌ ، حَتَّى أَتَى رَسُولَ اللَّهِ وَسْطَ النَّاسِ ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ ، أَرَأَيْتَ رَجُلا وَجَدَ مَعَ امْرَأَتِهِ رَجُلا أَيَقْتُلُهُ فَيَقْتُلُونَهُ أَمْ كَيْفَ يَفْعَلُ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " قَدْ أُنْزِلَ فِيكَ وَفِي صَاحِبَتِكَ فَاذْهَبْ فَائْتِ بِهَا ، قَالَ سَهْلٌ: فَتَلاعَنَا وَأَنَا مَعَ النَّاسِ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، فَلَمَّا فَرَغَا ، قَالَ عُوَيْمِرٌ: كَذَبْتُ عَلَيْهَا ، يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنْ أَمْسَكْتُهَا، فَطَلَّقَهَا ثَلاثًا ، قَبْلَ أنْ يَأْمُرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ ابْنُ شِهَابٍ: فَكَانَتْ تِلْكَ سُنَّةً فِي الْمُتَلاعِنَيْنِ.
৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবন উমর ইবন মুহাম্মদ ইবন সাঈদ আল-বাযযা-য, তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন আমর আল-মাদীনী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মূসা ইউনুস ইবন আবদিল আ'লা আস-সাফাদী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন ওয়াহব, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মালিক ইবন আনাস, ইবন শিহাব থেকে, যে সাহল ইবন সা'দ আস-সা'ঈদী তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, উওয়াইমির আল-আজলানী আসিম ইবন আদীর নিকট এসে তাকে বললেন: "হে আসিম, আপনি কি মনে করেন, যদি কোনো ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে অন্য কোনো পুরুষকে পায়, তবে সে কি তাকে হত্যা করবে, যার ফলে তাকেও (কিসাস হিসেবে) হত্যা করা হবে? নাকি সে কী করবে? হে আসিম, আমার পক্ষ থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করুন।" অতঃপর আসিম যখন তার পরিবারের নিকট ফিরে এলেন, তখন উওয়াইমির তার কাছে এসে বললেন: "হে আসিম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনাকে কী বলেছেন?" আসিম উওয়াইমিরকে বললেন: "তুমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট থেকে উল্লেখ করার মতো কোনো খবর আমার কাছে নিয়ে আসোনি যে মাসআলাটি সম্পর্কে তুমি জিজ্ঞাসা করতে বলেছিলে।" তখন উওয়াইমির বললেন: "আল্লাহর কসম, আমি নিজে এই বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসা না করা পর্যন্ত ক্ষান্ত হব না।" অতঃপর উওয়াইমির এগিয়ে এলেন এবং লোকজনের মাঝে অবস্থানরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট পৌঁছে বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল, আপনি কি মনে করেন যদি কোনো ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে অন্য কোনো পুরুষকে পায়, তবে কি সে তাকে হত্যা করবে, যার ফলে তাকেও হত্যা করা হবে? নাকি সে কী করবে?" তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: "তোমার এবং তোমার স্ত্রীর বিষয়ে আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে। সুতরাং যাও এবং তাকে নিয়ে এসো।" সাহল বলেন: অতঃপর তারা উভয়ে লি'আন (পরস্পরকে অভিশাপ প্রদান) করলেন এবং আমি তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট লোকজনের সাথে উপস্থিত ছিলাম। যখন তারা (লি'আন থেকে) অবসর হলেন, তখন উওয়াইমির বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল, যদি আমি তাকে (স্ত্রী হিসেবে) নিজের কাছে রেখে দিই তবে আমি তার উপর মিথ্যাচার করলাম।" অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নির্দেশ দেওয়ার পূর্বেই তিনি তাকে তিন তালাক প্রদান করলেন। ইবন শিহাব বলেন: লি'আনকারী দম্পতির ক্ষেত্রে এটাই সুন্নাহ (বিধান) হয়ে গেল।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
4 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الْبَزَّازُ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الطَّاهِرِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْمَدِينِيِّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى الصَّدَفِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ ، قَالَ: حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ: قَذَفَ رَجُلٌ مِنَ الأَنْصَارِ، ثُمَّ مِنْ بَنِي الْعَجْلانِ، امْرَأَتَهُ ، «فَأَحْلَفَهُمَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، ثُمَّ فَرَّق بَيْنَهُمَا بَعْدَ أَنْ تَلاعَنَا» ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الْبَزَّازُ ، أَخْبَرَنَا أَبُو الطَّاهِرِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو الْمَدِينِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى الصَّدَفِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عِيَاضُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْفِهْرِيُّ ، وَغَيْرُهُ ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيِّ ، بِنَحْوِ ذَلِكَ ، وَقَالَ: فَطَلَّقَهَا ثَلاثَ تَطْلِيقَاتٍ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، فَأَنْفَذَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَكَانَ مَا صُنِعَ عِنْدَ رَسُولِ اللَّه صلى الله عليه وسلم سُنَّةً ، قَالَ سَهْلٌ: فَحَضْرُت هَذَا عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، فَمَضَتِ السُّنَّةُ بَعْدُ فِي الْمُتَلاعِنَيْنِ ، يُفَرَّقُ بَيْنَهُمَا ثُمَّ لا يَجْتَمِعَانِ أَبَدًا.
৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-বাযযায, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-তাহির আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আমর ইবনে আল-মাদিনি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবনে আবদ আল-আ’লা আস-সাদাফি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ ইবনে উমর, নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আনসারদের জনৈক ব্যক্তি, যে বনু আজলান গোত্রের ছিল, তার স্ত্রীর ওপর অপবাদ আরোপ করল, «অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের উভয়কে শপথ করালেন, এরপর তাদের মধ্যে লিয়ান (পরস্পর অভিশাপ বিনিময়) সম্পন্ন হওয়ার পর তাদের মাঝে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে দিলেন», আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-বাযযায, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-তাহির আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আমর আল-মাদিনি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবনে আবদ আল-আ’লা আস-সাদাফি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইয়াদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-ফিহরি এবং অন্যান্যরা, ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সাহল ইবনে সা’দ আস-সা’ইদি থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন, এবং তিনি বলেন: অতঃপর সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে তাকে তিন তালাক প্রদান করল, আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা কার্যকর করলেন। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট যা করা হয়েছিল তা সুন্নাহ হিসেবে সাব্যস্ত হলো। সাহল বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এই ঘটনায় উপস্থিত ছিলাম, অতঃপর লিয়ানকারীদের ক্ষেত্রে পরবর্তীতে এই সুন্নাহ জারি হয় যে, তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে দেওয়া হবে এবং এরপর তারা আর কখনো একত্রিত হতে পারবে না।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
5 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الْبَزَّازُ ، أَخْبَرَنَا أَبُو الطَّاهِرِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو الْمَدِينِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ ، عَنِ الزُّهْرِيِّ ، سَمِعَ سَهْلَ بْنَ سَعْدٍ السَّاعِدِيَّ ، يَقُولُ: شَهِدْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَرَّقَ بَيْنَ الْمُتَلاعِنَيْنِ ، فَقَالَ: كَذَبْتُ عَلَيْهَا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنْ أَمْسَكْتُهَا
৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-বাজ্জাজ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আমর আল-মাদিনি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবনে আবদিল আলা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা, যুহরি থেকে বর্ণিত, তিনি সাহল ইবনে সাদ আস-সাঈদীকে বলতে শুনেছেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রত্যক্ষ করেছি যখন তিনি লিয়ানকারী দম্পতির মাঝে বিচ্ছেদ ঘটিয়েছেন। তখন সেই ব্যক্তি বলল: হে আল্লাহর রাসূল! আমি যদি তাকে (স্ত্রী হিসেবে) নিজের কাছে রেখে দিই, তবে আমি তার প্রতি মিথ্যা আরোপ করলাম।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
6 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الشَّاهِدُ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الطَّاهِرِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو الْمَدِينِيُّ الْقَاضِي ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ ، عَنْ عَمْرٍو ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ: فَرَّقَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، بَيْنَ أَخَوَيْ بَنِي الْعَجْلانِ ، وَقَالَ لَهُمَا: «حِسَابُكُمَا عَلَى اللَّهِ ، اللَّهُ يَعْلَمُ أَنَّ أَحَدَكُمَا كَاذِبٌ» .قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، صَدَاقِي الَّذِي أَصْدَقْتُهَا ، قَالَ: «لا مَالَ لَكَ إِنْ كُنْتَ صَدَقْتَ عَلَيْهَا ، فَهُوَ بِمَا اسْتَحْلَلْتَ مِنْ فَرْجِهَا ، وَإِنْ كُنْتَ كَذَبْتَ عَلَيْهَا ، فَهُوَ أَبْعَدُ لَكَ مِنْهُ»
৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আশ-শাহিদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আমর আল-মাদিনি আল-কাদি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবনে আবদিল আলা, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, আমর-এর সূত্রে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনু আজলানের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ করে দিলেন এবং তাদের উভয়কে বললেন: «তোমাদের হিসাব আল্লাহর জিম্মায়, আল্লাহ জানেন যে তোমাদের একজন অবশ্যই মিথ্যাবাদী»।সে বলল: হে আল্লাহর রাসূল, আমার সেই মোহরানার কী হবে যা আমি তাকে দিয়েছি? তিনি বললেন: «তোমার জন্য কোনো সম্পদ (ফেরত পাওয়ার অধিকার) নেই; যদি তুমি তার ব্যাপারে সত্য বলে থাকো, তবে তা তো তার লজ্জাস্থানকে (দাম্পত্য সম্পর্কের মাধ্যমে) হালাল করে নেয়ার বিনিময়। আর যদি তুমি তার বিরুদ্ধে মিথ্যা বলে থাকো, তবে তা তোমার জন্য আরও সুদূরপরাহত (অপ্রাপ্য)»।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
7 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَاجِّ بْنِ يَحْيَى الإِشْبِيلِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ الرَّمْلِيُّ ، سَنَةَ ثَلاثٍ وَخَمْسِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْفَضْلِ عَبَّاسُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ يُونُسَ الأَسْفَاطِيُّ ، بِمَكَّةَ سَنَةَ ثَلاثٍ وَثَمَانِينَ وَمِائَتَيْنِ ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ مَالِكٍ ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، ذُكِرَ الْمُتَلاعِنَانِ عِنْدَهُ ، فَقَال عَاصِمٌ فِي ذَلِكَ قَوْلا ثُمَّ انْصَرَفَ ، فَأَتَاهُ رَجُلٌ مِنْ قَوْمِهِ ، فَذَكَرَ لَهُ أَنَّهُ وَجَدَ مَعَ امْرَأَتِهِ رَجُلا ، فَقَالَ عَاصِمٌ: مَا ابْتُلِيتُ إِلا لِقَوْلِي ، فَذَهَبَ بِهِ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، فَأَخْبَرَهُ بِالَّذِي وَجَدَ الرَّجُلُ مَعَ أَهْلِهِ ، وَكَانَ ذَلِكَ رَجُلا مُصْهِرًا قَلِيلا سَبْطًا ، وَكَانَ الَّذِي وَجَدَ مَعَ امْرَأَتِهِ جَعْدًا قَطِطًا شَبِيهَ بِالَّذِي ذَكَرَ زَوْجُهَا أَنَّهُ وَجَدَ عِنْدَهَا ، فَلاعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَيْنَهُمَا ، فَقَالَ الرَّجُلُ فِي الْمَجْلِسِ ، فَهُوَ الَّذِي قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَوْ رَجَمْتُ أَحَدًا بِغَيْرِ بَيِّنَةٍ لَرَجَمْتُهَا» ؟ .قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: لا، تِلْكَ امْرَأَةٌ كَانَتْ تُظْهِرُ الإِسْلامَ.
৭ - আবু আব্বাস আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাজ্জ ইবনে ইয়াহইয়া আল-ইশবিলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আবুল ফজল মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস আর-রামলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনশ তিপ্পান্ন হিজরীতে, তিনি বলেন: আবুল ফজল আব্বাস ইবনুল ফজল ইবনে ইউনুস আল-আসফাতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মক্কায়, দুইশ তিরাশি হিজরীতে, তিনি বলেন: ইসমাইল ইবনে আবি উওয়াইস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুলাইমান ইবনে মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আল-কাসিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, তাঁর নিকট লিয়ানকারী (পরস্পর অভিশাপ প্রদানকারী) দম্পতির কথা উল্লেখ করা হলো। তখন আসিম এ বিষয়ে একটি কথা বললেন এবং অতঃপর প্রস্থান করলেন। এরপর তাঁর গোত্রের এক ব্যক্তি তাঁর নিকট আসলেন এবং তাঁর কাছে উল্লেখ করলেন যে তিনি তাঁর স্ত্রীর সাথে এক পরপুরুষকে দেখতে পেয়েছেন। আসিম বললেন: "আমি কেবল আমার কথার কারণেই এই পরীক্ষায় পতিত হলাম।" এরপর তিনি তাকে নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গেলেন এবং ঐ ব্যক্তি তাঁর স্ত্রীর সাথে যা দেখেছিলেন সে সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করলেন। ঐ ব্যক্তি (স্বামী) ছিলেন কৃশকায়, হালকা গড়নের ও সোজা চুল বিশিষ্ট। আর যাকে তিনি তাঁর স্ত্রীর সাথে পেয়েছিলেন সে ছিল অত্যন্ত কোঁকড়ানো চুল বিশিষ্ট, ঠিক যেমনটি তাঁর স্বামী তাকে দেখতে পাওয়ার বর্ণনা দিয়েছিলেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের উভয়ের মধ্যে লিয়ান করালেন। তখন মজলিসে থাকা এক ব্যক্তি প্রশ্ন করলেন: "তবে কি ইনিই সেই নারী যার সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন: 'যদি আমি প্রমাণ ছাড়াই কাউকে রজম করতাম, তবে অবশ্যই তাকেই করতাম'?"।ইবনে আব্বাস বললেন: "না, তিনি ছিলেন এমন এক নারী যিনি প্রকাশ্যে ইসলাম জাহির করতেন।"
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
8 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ شُعَيْبُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْمِنْهَالِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ عُتْبَةَ الرَّازِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنْبَاعِ رَوْحُ بْنُ الْفَرَجِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقَطَّانُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ خَالِدٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ بْنِ مَالِكٍ الْجَزَرِيِّ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «رَجَمَ يَهُودِيًّا وَيَهُودِيَّةً حِينَ تَحَاكَمَا إِلَيْهِ»
8 - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ শুয়াইব বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন আল-মিনহাল, তার সামনে পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আল-হুসাইন বিন ইসহাক বিন উতবা আর-রাযী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুয যিনবা’ রওহ বিন আল-ফারজ বিন আব্দুর রহমান আল-ক্বাত্তান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর বিন খালিদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ বিন আমর, আব্দুল কারীম বিন মালিক আল-জাযারী থেকে, তিনি নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন ইহুদি পুরুষ ও একজন ইহুদি নারীকে পাথর নিক্ষেপ করে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন যখন তারা তাঁর কাছে বিচার নিয়ে এসেছিল।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
9 - أَخْبَرَنَا شُعَيْبُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ عُتْبَةَ الرَّازِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنْبَاعِ رَوْحُ بْنُ الْفَرَجِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقَطَّانُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ خَالِدٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو ، عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ بْنِ مَالِكٍ الْجَزَرِيِّ ، عَنْ أَبِي الْوَاصِلِ ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، «أَنَّهُ لَعَنَ الْمُحَلِّلَ وَالْمُحَلَّلَ لَهُ»
৯ - শুআইব ইবনে আবদুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল আব্বাস আহমদ ইবনুল হুসাইন ইবনে ইসহাক ইবনে উতবাহ আর-রাজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুয যিনবা’ রওহ ইবনুল ফারাজ ইবনে আবদুর রহমান আল-কাত্তান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর ইবনে খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উবাইদুল্লাহ ইবনে আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল কারিম ইবনে মালিক আল-জাজারি থেকে, তিনি আবুল ওয়াসিল থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, «তিনি মুহাল্লিল (যে হালাল করে দেয়) এবং মুহাল্লাল লাহূ (যার জন্য হালাল করা হয়)-কে অভিশাপ দিয়েছেন»।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
10 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْبَزَّازُ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادِ بْنِ الأَعْرَابِيِّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الصَّبَّاحِ الزَّعْفَرَانِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ ، عَنِ الزُّهْرِيِّ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَدَّادٍ ، قَالَ: قَالَتِ امْرَأَةٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ دَخَلْنَا هَذِهِ الدَّارَ وَنَحْنُ ذَوَوْ وَفْرٍ فَهَلَكْنَا ، وَذَوَوْ نَسَبٍ فَافْتَرَقْنَا، وَذَاتُ بَيْنِنَا حَسَنٌ فَاخْتَلَفْنَا ، قَالَ: «فَاتْرُكُوهَا وَهِيَ ذَمِيمَةٌ» .قَالَتْ: وَكَيْفَ نَتْرُكُهَا؟ قَالَ: «بِيعُوهَا أَوْ هِبُوهَا»
১০ - আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান ইবন উমর ইবন মুহাম্মাদ আল-বাযযার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—তাঁর সম্মুখে পাঠকালে আমি শ্রবণ করছিলাম—তিনি বলেন: আবু সাঈদ আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন যিয়াদ ইবনুল আ’রাবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-হাসান ইবন মুহাম্মাদ ইবনুস সাব্বাহ আয-যাফরানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যুহরী থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন শাদ্দাদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক নারী আরজ করলেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমরা যখন এই বাড়িতে প্রবেশ করি তখন আমরা বিত্তশালী ছিলাম, অতঃপর আমরা নিঃস্ব হয়ে গিয়েছি; আমাদের সুসম্পর্ক ও আত্মীয়তা ছিল, অতঃপর আমরা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছি; এবং আমাদের পারস্পরিক অবস্থা ভালো ছিল, অতঃপর আমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বললেন: "তবে তোমরা এটি বর্জন করো, এমতাবস্থায় যে এটি নিন্দনীয়।"তিনি আরজ করলেন: আমরা এটি কীভাবে বর্জন করব? তিনি বললেন: "এটি বিক্রি করে দাও অথবা দান করে দাও।"
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
11 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَاجِّ بْنِ يَحْيَى الإِشْبِيلِيُّ الشَّاهِدُ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَمْرٍو عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ السَّمَرْقَنْدِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ شَيْبَانَ ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَجِيدِ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَبِي رَوَّادٍ ، عَنْ مَعْمَرٍ ، وَهُوَ ابْنُ رَاشِدٍ ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: «لا تَبْدَءُوا الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى بِالسَّلامِ ، وَإِذَا لَقِيتُمُوهُمْ فِي طَرِيقٍ فَاضْطَرُّوهُمْ إِلَى أَضْيَقِهِ»
১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হাজ্জ বিন ইয়াহইয়া আল-ইশবিলি আশ-শাহিদ, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর উসমান বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আস-সামারকান্দি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন শায়বান; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল মাজিদ বিন আব্দুল আজিজ বিন আবি রাওয়াদ, মা’মার (যিনি ইবনে রাশিদ) থেকে, তিনি সুহাইল বিন আবি সালিহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «তোমরা ইহুদি ও খ্রিস্টানদের আগে সালাম দেবে না; আর যখন তোমরা পথে তাদের সাথে সাক্ষাৎ করবে, তখন তাদেরকে রাস্তার সংকীর্ণতম অংশে যেতে বাধ্য করবে।»
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
12 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَاجِّ بْنِ يَحْيَى بْنِ الشَّاهِدِ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ مَرْوَانَ بْنِ يَحْيَى الْقَيْسرَانِيُّ الْبَزَّارُ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ ، يَعْنِي ابْنَ مُعَاوِيَةَ ، وَعَمْرٌو هُوَ ابْنُ ثَوْرٍ ، قَالا: حَدَّثَنَا الْفِرْيَابِيُّ وَاسْمُهُ مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا لَقِيتُمُ الْمُشْرِكِينَ فِي الطَّرِيقِ ، فَلا تَبْدَءُوهُمْ بِالسَّلامِ ، وَاضْطَرُّوهُمْ إِلَى أَضْيَقِهِ»
১২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাজ্জ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে শাহিদ। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে মারওয়ান ইবনে ইয়াহইয়া আল-কায়সারানি আল-বাজ্জার; তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি তা শুনছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহীম—অর্থাৎ ইবনে মুআবিয়া—এবং আমর—যিনি ইবনে সাওরা। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ফিরইয়াবি, যাঁর নাম মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, সুহায়ল ইবনে আবি সালিহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যখন তোমরা পথে মুশরিকদের সাথে সাক্ষাৎ করবে, তখন তাদের আগে সালাম দিবে না এবং তাদেরকে পথের সংকীর্ণতম অংশে যেতে বাধ্য করবে।»
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
13 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَاجِّ بْنِ يَحْيَى بْنِ الشَّاهِدِ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ عُتْبَةَ الرَّازِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ الْفَرَجِ ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ عَدِيٍّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ ، هُوَ ابْنُ سُلَيْمَانَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ ، عَنْ مَرْثَدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْجُهَنِيِّ ، قَالَ: قَالَ لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِنِّي رَاكِبٌ غَدًا إِلَى الْيَهُودِ فَلا تَبْدَءُوهُمْ بِالسَّلامِ ، وَإِذَا سَلَّمُوا عَلَيْكُمْ ، فَقُولُوا: وَعَلَيْكُمْ "
১৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হাজ্জ বিন ইয়াহইয়া বিন আশ-শাহিদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আহমাদ বিন আল-হাসান বিন ইসহাক বিন উতবাহ আর-রাজি, যা তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রাওহ বিন আল-ফারাজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ বিন আদি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রাহিম—তিনি ইবনে সুলায়মান—মুহাম্মাদ বিন ইসহাক থেকে, তিনি ইয়াজিদ বিন আবি হাবিব থেকে, তিনি মারসাদ বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি আবু আবদুর রহমান আল-জুহানি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বলেছেন: "নিশ্চয়ই আমি আগামীকাল ইহুদিদের নিকট সওয়ার হয়ে যাব, সুতরাং তোমরা তাদের সালাম প্রদানের মাধ্যমে শুরু করো না; আর যখন তারা তোমাদের সালাম দেবে, তখন তোমরা বলো: এবং তোমাদের ওপরও।"
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
14 - أَخْبَرَنَاهُ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَاجِّ بْنِ يَحْيَى الشَّاهِدُ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ مَحْبُوبِ بْنِ سُلَيْمَانَ الرَّمْلِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ ، هُوَ أَبُو مُسْلِمٍ الْكَجِّيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ ، وَاسْمُه الضَّحَّاكُ بْنُ مَخْلَدٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَجِيدِ ، يَعْنِي: ابْنَ جَعْفَرٍ ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ ، عَنْ مَرْثَدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْيَزَنِيِّ ، عَنْ أَبِي بَصْرَةَ الْغِفَارِيِّ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ لَهُمْ: " إِنِّي رَاكِبٌ إِلَى يَهُودَ فَمَنِ انْطَلَقَ مَعِي مِنْكُمْ ، فَلا تَبْدَءُوهُمْ بِالسَّلامِ ، وَإِنْ سَلَّمُوا عَلَيْكُمْ ، فَقُولُوا: وَعَلَيْكُمْ ".فَلَمَّا جِئْنَاهُمْ سَلَّمُوا عَلَيْنَا ، فَقُلْنَا لَهُمْ: وَعَلَيْكُمْ.اسْمُ أَبِي بَصْرَةَ حُمَيِّلُ بْنُ بَصْرَةَ.
১৪ - আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হাজ্জ বিন ইয়াহইয়া আশ-শাহিদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আহমাদ বিন মাহবুব বিন সুলায়মান আর-রামলি—তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে—তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ, তিনি হলেন আবু মুসলিম আল-কাজ্জি, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আসিম, যাঁর নাম হলো আদ-দাহহাক বিন মাখলাদ, আব্দুল মাজীদ (অর্থাৎ ইবনে জাফর) থেকে, তিনি ইয়াজীদ বিন আবি হাবীব থেকে, তিনি মারসাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-ইয়াযানী থেকে, তিনি আবু বাসরা আল-গিফারি থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বলেছিলেন: "আমি ইয়াহূদীদের নিকট আরোহণ করে যাচ্ছি। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যারা আমার সাথে যাবে, তারা যেন আগে তাদের সালাম প্রদান না করে। আর তারা যদি তোমাদের সালাম দেয়, তবে তোমরা বলবে: 'ওয়া আলাইকুম' (এবং তোমাদের উপরেও)।"অতঃপর যখন আমরা তাদের নিকট পৌঁছালাম, তারা আমাদের সালাম প্রদান করল, তখন আমরা তাদের বললাম: "ওয়া আলাইকুম" (তোমাদের উপরেও)।আবু বাসরা-র নাম হলো হুমায়িল বিন বাসরা।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
15 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ شُعَيْبُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْمِنْهَالِ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ عُتْبَةَ الرَّاوِي ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنْبَاعِ رَوْحُ بْنُ الْفَرَجِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقَطَّانُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ خَالِدٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَقِيلٍ ، قَالَ: سَمِعْتُ بُهَيَّةَ ، تَقُولُ: سَمِعْتُ عَائِشَةَ ، تَقُولُ: سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، عَنْ أَوْلادِ الْمُسْلِمِينَ أَيْنَ هُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ؟ قَالَ: «فِي الْجَنَّةِ يَا عَائِشَةُ» .قَالَتْ: وَسَأَلْتُهُ عَنْ أَوْلادِ الْمُشْرِكِينَ أَيْنَ هُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «فِي النَّارِ يَا عَائِشَةُ» .قَالَتْ: قُلْتُ مُجِيبَةً لَهُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ لَمْ يُدْرِكُوا الأَعْمَالَ ، وَلَمْ تَجْرِ عَلَيْهِمُ الأَقْلامُ ، فَقَالَ: «رَبُّكِ أَعْلَمُ بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ ، وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِيَدِهِ ، لَوْ شِئْتِ أَسْمَعْتُكِ تَضَاغِيَهُمْ فِي النَّارِ»
১৫ - আমাদিগকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ শুআইব বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন আল-মিনহাল, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদিগকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আল-হাসান বিন ইসহাক বিন উতবাহ আর-রাবী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবুয যিনবা' রাওহ বিন আল-ফারাজ বিন আব্দুর রহমান আল-কাত্তান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আমর বিন খালিদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু আকিল, তিনি বলেন: আমি বুহাইয়্যাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আয়েশাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মুসলিমদের সন্তানদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে, কিয়ামতের দিন তারা কোথায় থাকবে? তিনি বললেন: «হে আয়েশাহ! তারা জান্নাতে থাকবে»।তিনি বলেন: আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম যে, হে আল্লাহর রাসুল! মুশরিকদের সন্তানরা কিয়ামতের দিন কোথায় থাকবে? তিনি বললেন: «হে আয়েশাহ! তারা জাহান্নামে থাকবে»।তিনি বলেন: আমি তাঁর কথার প্রত্যুত্তরে বললাম: হে আল্লাহর রাসুল! তারা তো কোনো আমল করার বয়স পায়নি এবং তাদের ওপর (গুনাহ-সওয়াবের) কলমও চলেনি। তখন তিনি বললেন: «তারা কী আমল করত সে সম্পর্কে তোমার রব অধিক অবগত। সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আল্লাহর রাসুল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রাণ রয়েছে, আমি যদি চাইতাম তবে জাহান্নামে তাদের কান্নাকাটির শব্দ তোমাকে শুনিয়ে দিতাম»।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
16 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْمِنْهَالِ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ عُتْبَةَ الرَّازِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنْبَاعِ رَوْحُ بْنُ الْفَرَجِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقَطَّانُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ عَدِيٍّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ ، عَنْ أَبِي حُصَيْنٍ ، عَنْ مُجَاهِدٍ ، عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ ، قَالَ: " نَهَانَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، عَنْ أَمْرٍ كَانَ لَنَا نَافِعًا، قَالَ: نَهَانَا إِذَا كَانَتْ لَنَا أَرْضٌ أَنْ نُعْطِيَهَا عَلَى نِصْفِ خَرَاجِهَا أَوِ الثُّلُثِ ، قَالَ: «وَمَنْ كَانَتْ لَهُ أَرْضٌ فَلْيَزْرَعْهَا أَوْ يَمْنَحْهَا أَخَاهُ»
১৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ সাঈদ বিন আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বিন আল-মিনহাল, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আল-হাসান বিন ইসহাক বিন উতবা আর-রাজি, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবুয জিনবা’ রুহ বিন আল-ফারাজ বিন আব্দুর রহমান আল-কাত্তান, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইউসুফ বিন আদি, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু বকর বিন আইয়াশ, তিনি আবু হুসাইন থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি রাফি’ বিন খাদিজ (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের এমন একটি কাজ থেকে নিষেধ করেছেন যা আমাদের জন্য উপকারী ছিল। তিনি বলেন: তিনি আমাদের নিষেধ করেছেন যে, আমাদের মালিকানাধীন জমি যেন আমরা অর্ধেক বা এক-তৃতীয়াংশ ফসলের বিনিময়ে প্রদান না করি। তিনি আরও বলেন: «যার নিকট জমি আছে সে যেন নিজে চাষ করে অথবা তার ভাইকে তা (বিনা মূল্যে) দান করে দেয়।»"
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
17 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ شُعَيْبُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْمِنْهَالِ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ عُتْبَةَ الرَّازِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنْبَاعِ رَوْحُ بْنُ الْفَرَجِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقَطَّانُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ عَدِيٍّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ ، عَنِ الْعَيْزَارِ بْنِ حُرَيْثٍ ، عَنْ أَبِي بَصِيرٍ ، قَالَ: قَالَ أُبَيُّ بْنُ كَعْبٍ: صَلَّيْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، صَلاةَ الْفَجْرِ ، فَلَمَّا قَضَى الصَّلاةَ رَأَى مِنْ أَهْلِ الْمَسْجِدِ قِلَّةً ، قَالَ: «أَشَهِدَ فُلانُ؟» .قُلْنَا: نَعَمْ حَتَّى عَدَّ ثَلاثَةَ نَفَرٍ ، ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَيْسَ مِنْ صَلاةٍ أَثْقَلَ عَلَى الْمُنَافِقِينَ مِنْ صَلاةِ الْعِشَاءِ الآخِرَةِ ، وَمِنْ صَلاةِ الْفَجْرِ ، وَلَوْ يَعْلَمُونَ مَا فِيهِمَا لأَتَوْهُمَا وَلَوْ حَبْوًا ، وَإِنَّ الصَّفَّ الأَوَّلَ عَلَى مِثْلِ صَفِّ الْمَلائِكَةِ ، وَلَوْ تَعْلَمُونَ مَا فِيهِ لابْتَدَرْتُمُوهُ ، وَإِنَّ صَلاةَ الرَّجُلِ مَعَ الرَّجُلِ أَزْكَى مِنْ صَلاتِهِ وَحْدَهُ ، وَصَلاةَ ثَلاثَةٍ أَزْكَى مِنْ صَلاةِ اثْنَيْنِ ، وَمَا كَثُرَ فَهُوَ أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ»
১৭ - আমাদিগকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ শুআইব ইবন আবদুল্লাহ ইবন আহমাদ ইবনুল মিনহাল, তিনি বলেন: আমাদিগকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমাদ ইবনুল হাসান ইবন ইসহাক ইবন উতবা আর-রাজি, তিনি বলেন: আমাদিগকে হাদিস শুনিয়েছেন আবুয যিনবা' রুহ ইবনুল ফারাজ ইবন আবদুর রহমান আল-কাত্তান, তিনি বলেন: আমাদিগকে হাদিস শুনিয়েছেন ইউসুফ ইবন আদি, তিনি বলেন: আমাদিগকে হাদিস শুনিয়েছেন আবুল আহওয়াস, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আইযার ইবন হুরাইস থেকে, তিনি আবু বাসির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উবাই ইবন কাব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ফজরের সালাত আদায় করলাম। যখন তিনি সালাত সম্পন্ন করলেন, তখন তিনি মসজিদে উপস্থিতদের স্বল্পতা লক্ষ্য করলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: «অমুক কি উপস্থিত আছে?»।আমরা বললাম: হ্যাঁ, এমনকি তিনি তিন জন ব্যক্তিকে গণনা করলেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «মুনাফিকদের নিকট ইশার সালাত এবং ফজরের সালাত অপেক্ষা অধিক ভারী আর কোনো সালাত নেই। যদি তারা জানত এই দুই সালাতে কী (মর্যাদা) রয়েছে, তবে তারা হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তাতে উপস্থিত হতো। আর নিশ্চয়ই প্রথম কাতার ফেরেশতাদের কাতারের ন্যায়; যদি তোমরা জানতে এতে কী (ফজিলত) রয়েছে, তবে তোমরা তা অর্জনে একে অপরের অগ্রগামী হতে। আর এক ব্যক্তির সাথে অন্য ব্যক্তির সালাত একা সালাত পড়ার চেয়ে অধিক পবিত্র। আর তিন ব্যক্তির একত্রে সালাত দুই ব্যক্তির একত্রে পড়ার চেয়ে অধিক পবিত্র। আর যা (সংখ্যায়) অধিক হবে, তা আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয় হবে।»
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
18 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ نَظِيفٍ الْفَرَّاءُ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وأنا أسمع ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْفَضْلِ الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ نَصْرِ بْنِ السَّرِيِّ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ سَهْلِ بْنِ أَيُّوبَ الرَّقِّيُّ ، سَنَةَ خَمْسِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَمْرٍو هِلالُ بْنُ الْعَلاءِ بْنِ هِلالِ بْنِ عُمَرَ الْقُتَبِيُّ ، سَنَةَ ثَمَانٍ وَسَبْعِينَ وَمِائَتَيْنِ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ ، قَالا: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ أَبِي الضُّحَى ، عَنْ مَسْرُوقٍ ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ ، قَالَ: كَانَ نَبِيُّكُمْ صلى الله عليه وسلم ، إِذَا كَانَ رَاكِعًا أَوْ سَاجِدًا ، قَالَ: سُبْحَانَكَ وَبِحَمْدِكَ وَأَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ "
১৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনুল ফাদল ইবনে নাযীফ আল-ফাররা, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ফাদল আল-আব্বাস ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে নাসর ইবনে আস-সারী ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে সাহল ইবনে আইয়ুব আর-রাক্কী, ৩৫০ হিজরি সনে; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর হিলাল ইবনুল আলা ইবনে হিলাল ইবনে উমর আল-কুতাবি, ২৭৮ হিজরি সনে; তিনি বলেন: আমার পিতা এবং আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ ইবনে আমর, যায়েদ ইবনে আবি আনাইসা থেকে, তিনি হাম্মাদ থেকে, তিনি আবু আদ-দুহা থেকে, তিনি মাসরুক থেকে এবং তিনি ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রুকু বা সাজদাহ অবস্থায় থাকতেন, তখন বলতেন: "আপনি পবিত্র এবং আপনার প্রশংসাসহ (আপনার মহিমা ঘোষণা করছি), আমি আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং আপনার নিকট তওবা করছি।"
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
19 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ نَظِيفٍ الْفَرَّاءُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْفَضْلِ الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ نَصْرِ بْنِ السَّرِيِّ الرَّقِّيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ يَحْيَى الْعَسْكَرِيُّ الْبَزَّارُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ الْقَاسِمُ بْنُ سَلامٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ ثَابِتٍ ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ يَزِيدَ الْمَكِّيِّ ، عَنِ الزُّهْرِيِّ ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، أَنَّهُ سُئِلَ ، أَيُّ الصَّدَقَةِ أَفْضَلُ؟ فَقَالَ: «الصَّدَقَةُ عَلَى ذِي الرَّحِمِ الْكَاشِحِ»
১৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-ফজল বিন নাজিফ আল-ফাররা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ফজল আল-আব্বাস বিন মুহাম্মদ বিন নাসর বিন আস-সারী আর-রাক্কী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন জাফর বিন আহমদ বিন ইয়াহইয়া আল-আসকারী আল-বাযযার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উবাইদ আল-কাসিম বিন সাল্লাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন সাবিত, ইব্রাহিম বিন ইয়াযিদ আল-মাক্কী থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: কোন সাদাকাহ সর্বোত্তম? তিনি বললেন: «বিদ্বেষপরায়ণ (শত্রুতা পোষণকারী) নিকটাত্মীয়কে দান করা।»
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
20 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ نَظِيفٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْفَضْلِ الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ نَصْرِ بْنِ السَّرِيِّ الرَّافِقِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِلالُ بْنُ الْعَلاءِ بْنِ هِلالٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدٌ الْجُرَيْرِيُّ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَقِيقٍ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَوَالَةَ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، ذَاتَ يَوْمٍ: «تَهْجُمُونَ الآنَ عَلَى رَجُلٍ مُعْتَجِرٍ بِبُرْدٍ أَحْمَرَ يُبَايِعُ النَّاسَ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ» - أَظُنُّهُ قَالَ: وَنَحْنُ فِي سَفَرٍ - فَهَجَمْنَا عَلَى عُثْمَانَ رضي الله عنه ، وَهُوَ يُبَايِعُ النَّاسَ.
২০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন নাযীফ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ফযল আল-আব্বাস বিন মুহাম্মদ বিন নাসর বিন আস-সারী আল-রাফিকী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিলাল বিন আল-আলা বিন হিলাল, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন যায়েদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ আল-জুরায়রী, আবদুল্লাহ বিন শাকীক থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন হাওয়ালা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন বলেছেন: «তোমরা এখন এমন এক ব্যক্তির কাছে পৌঁছাবে যিনি লাল চাদর পরিহিত অবস্থায় মাথায় পাগড়ী পেঁচিয়ে আছেন এবং জান্নাতবাসীদের মধ্য থেকে মানুষের বায়আত গ্রহণ করছেন» - বর্ণনাকারী বলেন: আমার ধারণা তিনি বলেছেন: আমরা সফরে ছিলাম - অতঃপর আমরা উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নিকট পৌঁছলাম, এমতাবস্থায় যে তিনি মানুষের বায়আত গ্রহণ করছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
21 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ النَّحَّاسِ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الطَّاهِرِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو الْمَدِينِيُّ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُوسَى يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى بْنِ مَيْسَرَةَ الصَّدَفِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَيُّوبُ بْنُ سُوَيْدٍ ، وَبِشْرُ بْنُ بَكْرٍ ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ ، قَالَ: حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيِّبِ ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا قَامَ أَحَدُكُمْ مِنَ اللَّيْلِ ، فَلا يُدْخِلْ يَدَهُ فِي الإِنَاءِ ، حَتَّى يُفْرِغَ عَلَيْهَا فَإِنَّهُ لا يَدْرِي أَحَدُكُمْ فِيمَ بَاتَتْ يَدُهُ»
২১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান বিন উমর বিন মুহাম্মাদ বিন সাঈদ বিন আন-নাহহাস, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এমতাবস্থায় যে আমি শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আত-তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আমর আল-মাদিনী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুসা ইউনুস বিন আবদিল আলা বিন মাইসারাহ আস-সাদাফী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আইয়ুব বিন সুওয়াইদ এবং বিশর বিন বাকর, আওযাঈ থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন আল-মুসাইয়িব যে, আবু হুরায়রা বলেছেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «তোমাদের কেউ যখন রাতে (ঘুম থেকে) ওঠে, সে যেন পাত্রের মধ্যে হাত প্রবেশ না করায় যতক্ষণ না সে তার ওপর (পানি) ঢালে; কারণ তোমাদের কেউ জানে না তার হাত কোথায় রাত কাটিয়েছে।»
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
22 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الْبَزَّازُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الطَّاهِرِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو الْمَدِينِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى الصَّدَفِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَيُّوبُ بْنُ سُوَيْدٍ ، قَالَ: أَخْبَرَنِي الأَوْزَاعِيُّ ، قَالَ: أَخْبَرَنِي ابْنُ شِهَابٍ ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «قَاتَلَ اللَّهُ يَهُودَ اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسَاجِدَ»
22 - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সাঈদ আল-বায্যায, তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু তাহির আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আমর আল-মাদিনি, তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবনে আবদুল আলা আস-সাদাফি, তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আইয়ুব ইবনে সুওয়াইদ, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আল-আওযায়ি, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইবনে শিহাব, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আবু হুরাইরাহ-কে বলতে শুনেছেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «আল্লাহ ইহুদিদের ধ্বংস করুন, তারা তাদের নবীদের কবরসমূহকে মসজিদে পরিণত করেছে।»
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
23 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الْمَالِكِيُّ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الطَّاهِرِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو الْخَامِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَيُّوبُ ، عَنْ يُونُسَ بْنِ يَزِيدَ ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ الْمُؤْمِنَ لا يُلْدَغُ مِنْ جُحْرٍ وَاحِدٍ مَرَّتَيْنِ»
২৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সাঈদ আল-মালিকি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আমর আল-খামি, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইউনুস ইবনে আবদিল আলা, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আইয়ুব, ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ থেকে, ইবনে শিহাব থেকে, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব থেকে, আবু হুরাইরাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই মুমিন এক গর্ত থেকে দুবার দংশিত হয় না»।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
24 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ إِسْمَاعِيلُ بْنُ عُمَرَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ رَاشِدٍ الْمُقْرِئُ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْقُرَشِيُّ ، بِانْتِقَاءِ أَبِي الْحَسَنِ الدَّارَقُطْنِيِّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ زَيَّانَ الْحَضْرَمِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَارِثِ ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَقَّاصٍ اللَّيْثِيِّ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ ، رضي الله عنه ، أَنَّهُ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «الأَعْمَالُ بِالنِّيَّةِ ، وَإِنَّمَا لامْرِئٍ مَا نَوَى ، فَمَنْ هَاجَرَ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ ، فَقَدْ هَاجَرَ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ ، وَمَنْ هَاجَرَ لِدُنْيَا يُصِيبُهَا أَوِ امْرَأَةٍ يَتَزَوَّجُهَا فَهِجْرَتُهُ لِمَا هَاجَرَ لَهُ»
২৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ ইসমাইল বিন উমর বিন ইসমাইল বিন রাশিদ আল-মুকরি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আল-হুসাইন বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-কুরাশি, আবু হাসান আদ-দারাকুতনীর নির্বাচনের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন যাইয়ান আল-হাদরামি, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন রুমহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-লাইস বিন সাদ, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম বিন আল-হারিস থেকে, তিনি আলকামাহ বিন ওয়াক্কাস আল-লাইসি থেকে, তিনি উমর বিন আল-খাত্তাব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়ই আমলসমূহ নিয়তের ওপর নির্ভরশীল, আর প্রত্যেক ব্যক্তি তাই পাবে যা সে নিয়ত করেছে। অতএব যার হিজরত আল্লাহর ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্যে হবে, তবে তার হিজরত আল্লাহর ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে। আর যার হিজরত হবে পার্থিব কোনো বস্তু লাভের জন্য অথবা কোনো নারীকে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে, তবে তার হিজরত সেই উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে যার জন্য সে হিজরত করেছে।»
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
25 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ بَكْرَانَ السُّلَمِيُّ الأَهْوَازِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَكِّيٍّ الْجُرْجَانِيُّ الْقَاضِي ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ الْفَرَبْرِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْبُخَارِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدٌ ، عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، " أَنَّ رِعْلا وَذَكْوَانَ وَعُصَيَّةَ وَبَنِي لِحْيَانَ اسْتَمَدُّوا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى عَدُوٍّ فَأَمَدَّهُمْ بِسَبْعِينَ مِنَ الأَنْصَارِ كُنَّا نُسَمِّيهِمُ الْقُرَّاءَ فِي زَمَانِهِمْ كَانُوا يَحْتَطِبُونَ بِالنَّهَارِ ، وَيُصَلُّونَ بِاللَّيْلِ ، حَتَّى كَانُوا بِبِئْرِ مَعُونَةَ ، فَقَتَلُوهُمْ وَغَدَرُوا بِهِمْ ، فَبَلَغَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ، فَقَنَتَ شَهْرًا يَدْعُو فِي الصُّبْحِ عَلَى أَحْيَاءٍ مِنْ أَحْيَاءِ الْعَرَبِ ، عَلَى رِعْلٍ وَذَكْوَانَ وَعُصَيَّةَ وَبَنِي لِحْيَانَ ، قَالَ أَنَسٌ: فَقَرَأْنَا فِيهِمْ قُرْآنًا ثُمَّ أَنَّ ذَلِكَ رُفِعَ ، بَلِّغُوا عَنَّا قَوْمَنَا ، أَنَّا لَقِينَا رَبَّنَا فَرَضِيَ عَنَّا ، وَأَرْضَانَا "
২৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম ইসমাইল ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে বাকরান আস-সুলামি আল-আহওয়াজি, তাঁর কাছে পাঠকালে আমি শ্রবণ করেছি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মাক্কি আল-জুরজানি আল-কাদি, তাঁর কাছে পাঠকালে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে ইউসুফ আল-ফারাবরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল আল-বুখারি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল আ'লা ইবনে হাম্মাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবনে জুরাই', তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ, কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, রিল, যাকওয়ান, উসাইয়্যাহ এবং বনু লিহইয়ান গোত্র রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট শত্রুর বিরুদ্ধে সাহায্যের আবেদন করেছিল। ফলে তিনি সত্তরজন আনসার দিয়ে তাঁদের সাহায্য করেছিলেন, যাঁদের আমরা সেই সময়ে 'কুররা' (কুরআন পাঠকারী) বলে ডাকতাম। তাঁরা দিনে কাঠ সংগ্রহ করতেন এবং রাতে সালাত আদায় করতেন। অবশেষে যখন তাঁরা বির মাউনায় পৌঁছালেন, তখন তারা তাঁদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করল এবং তাঁদের হত্যা করল। এই সংবাদ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে পৌঁছালে তিনি এক মাস ধরে ফজরের সালাতে আরবের কয়েকটি গোত্রের বিরুদ্ধে কুনুত পড়লেন (বদদোয়া করলেন); যথা: রিল, যাকওয়ান, উসাইয়্যাহ এবং বনু লিহইয়ানের বিরুদ্ধে। আনাস (রা.) বলেন: আমরা তাঁদের সম্পর্কে কুরআনের একটি আয়াত পাঠ করতাম, যা পরবর্তীতে তুলে নেওয়া হয়েছে (তা হলো): "আমাদের পক্ষ থেকে আমাদের কওমকে সংবাদ পৌঁছে দাও যে, আমরা আমাদের রবের সাথে সাক্ষাৎ করেছি, ফলে তিনি আমাদের ওপর সন্তুষ্ট হয়েছেন এবং আমাদেরকেও সন্তুষ্ট করেছেন।"
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
26 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ بَكْرَانَ السُّلَمِيُّ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَكِّيٍّ الْجُرْجَانِيُّ الْقَاضِي ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ الْفَرَبْرِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْبُخَارِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ ، قَالَ: حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، قَالَ: حَدَّثَنِي سَعْدُ بْنُ عُبَيْدَةَ ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عَلِيٍّ عليه السلام ، قَالَ: بَعَثَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم سَرِيَّةً وَاسْتَعْمَلَ رَجُلا مِنَ الأَنْصَارِ فَأَمَرَهُمْ أَنْ يُطِيعُوهُ ، فَغَضِبَ ، فَقَالَ: أَلَيْسَ أَمَرَكُمُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ تُطِيعُونِي؟ قَالُوا: بَلَى ، قَالَ: فَاجْمَعُوا حَطَبًا فَجَمَعُوا ، قَالَ: أَوْقِدُوا ، فَأَوْقَدُوهَا ، فَقَالَ: ادْخُلُوهَا ، فَهَمُّوا ، وَجَعَلَ بَعْضُهُمْ يُمْسِكُ بَعْضًا ، وَيَقُولُونَ: فَرَرْنَا إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنَ النَّارِ ، فَمَا زَالُوا حَتَّى خَمَدَتِ النَّارُ، فَسَكَنَ غَضَبُهُ، فَبَلَغَ ذَلِكَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ، فَقَالَ: «لَوْ دَخَلُوهَا مَا خَرَجُوا مِنْهَا إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ ، الطَّاعَةُ فِي الْمَعْرُوفِ»
২৬ - আবুল কাসিম ইসমাইল বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন বাকরান আস-সুলামী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আহমদ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মাক্কী আল-জুরজানী আল-কাজী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আল-ফারাবরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-বুখারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুসাদ্দাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল ওয়াহিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-আ’মাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সা’দ বিন উবাইদাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আব্দুর রহমান থেকে, তিনি আলী (আলাইহিস সালাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একটি সেনাদল পাঠালেন এবং আনসারদের মধ্য থেকে একজনকে তাদের নেতা নিযুক্ত করলেন এবং তাদেরকে তাঁর আনুগত্য করার নির্দেশ দিলেন। এরপর তিনি রাগান্বিত হলেন এবং বললেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কি তোমাদেরকে আমার আনুগত্য করার নির্দেশ দেননি? তাঁরা বললেন: অবশ্যই। তিনি বললেন: তবে তোমরা কাঠ সংগ্রহ করো। অতঃপর তাঁরা সংগ্রহ করলেন। তিনি বললেন: আগুন জ্বালাও। অতঃপর তাঁরা আগুন জ্বালালেন। এরপর তিনি বললেন: তোমরা এতে প্রবেশ করো। তখন তাঁরা (প্রবেশের) ইচ্ছা করলেন, কিন্তু তাঁদের একে অপরকে ধরে রাখতে লাগলেন এবং বলতে লাগলেন: আমরা আগুনের ভয়েই নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আশ্রয় নিয়েছি। তাঁরা এ অবস্থায়ই ছিলেন যতক্ষণ না আগুন নিভে গেল এবং তাঁর ক্রোধ প্রশমিত হলো। বিষয়টি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট পৌঁছালে তিনি বললেন: «যদি তাঁরা তাতে প্রবেশ করতেন, তবে কিয়ামত পর্যন্ত আর তা থেকে বের হতে পারতেন না। আনুগত্য কেবল ন্যায়সঙ্গত কাজে।»
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
27 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ بَكْرَانَ السُّلَمِيُّ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَكِّيٍّ الْجُرْجَانِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ الْفَرَبْرِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْبُخَارِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ الْقَعْقَاعِ بْنِ شُبْرُمَةَ ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنِ أَنْعُمٍ ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ ، يَقُولُ: بَعَثَ عَلِيٌّ عليه السلام ، إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، مِنَ الْيَمَنِ بِذَهَبَةٍ فِي أَدِيمٍ مَقْرُوظٍ لَمْ تُحَصَّلْ مِنْ تُرَابِهَا ، قَالَ: فَقَسَمَهَا بَيْنَ أَرْبَعَةٍ ، بَيْنَ عُيَيْنَةَ بْنِ بَدْرٍ ، وَالأَقْرَعِ بْنِ حَابِسٍ ، وَزَيْدِ الْخَيْلِ ، وَالرَّابِعِ أَبِي عَلْقَمَةَ ، وَأَمَّا عَامِرُ بْنُ الطُّفَيْلِ ، فَقَالَ رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِهِ كُنَّا نَحْنُ أَحَقَّ بِهَذَا الأَمْرِ ، قَالَ: فَبَلَغَ ذَلِكَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ، فَقَالَ: «أَلا تَأْمَنُونِي ، وَأَنَا أَمِينُ مَنْ فِي السَّمَاءِ ، يَأْتِينِي خَبَرُ السَّمَاءِ صَبَاحًا وَمَسَاءً» .قَالَ: فَقَامَ رَجُلٌ غَائِرُ الْعَيْنَيْنِ مُشْرِفُ الْوَجْنَتَيْنِ نَاشِزُ الْجَبْهَةِ ، كَثُّ اللِّحْيَةِ ، مَحْلُوقُ الرَّأْسِ مُشَمَّرُ الإِزَارِ ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ ، اتَّقِ اللَّهَ ، قَالَ: «وَيْلَكَ أَوَ لَسْتُ أَحَقَّ أَهْلِ الأَرْضِ أَنْ يَتَّقِيَ اللَّهَ تَعَالَى؟» .قَالَ: ثُمَّ وَلَّى الرَّجُلُ ، قَالَ خَالِدُ بْنُ الْوَلِيدِ: يَا رَسُولَ اللَّهِ ، أَلا أَضْرِبُ عُنُقَهُ؟ قَالَ: «لا لَعَلَّهُ أَنْ يَكُونَ يُصَلِّي» .فَقَالَ خَالِدٌ: وَكَمْ مِنْ مُصَلٍّ ، يَقُولُ بِلِسَانِهِ مَا لَيْسَ بِقَلْبِهِ! قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنِّي لَمْ أُومَرْ أَنْ أُنَقِّبَ عَنْ قُلُوبِ النَّاسِ ، وَلا أَشُقَّ بُطُونَهُمْ» .قَالَ: ثُمَّ نَظَرَ إِلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، وَهُوَ مُقَفَّى ، فَقَالَ: " إِنَّهُ يَخْرُجُ مِنْ ضِئْضِئِ هَذَا قَوْمٌ يَتْلُونَ كِتَابَ اللَّهِ تَعَالَى رَطْبًا لا يُجَاوِزُ حَنَاجِرَهُمْ يَمْرُقُونَ مِنَ الدِّينِ كَمَا يَمْرُقُ السَّهْمُ مِنَ الرَّمِيَّةِ ، وَأَظُنُّهُ قَالَ: لإِنْ أَدْرَكْتُهُمْ لأَقْتُلَنَّهُمْ قَتْلَ ثَمُودَ "
২৭ - আবুল কাসিম ইসমাঈল বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন বাকরান আস-সুলামী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আহমাদ মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন মাক্কী আল-জুরজানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইউসুফ আল-ফারাবরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল আল-বুখারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কুতাইবাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল ওয়াহিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উমারা বিন আল-কাকা বিন শুবরুমাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আব্দুর রহমান বিন আনউম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু সাঈদ আল-খুদরীকে বলতে শুনেছি: আলী (আলাইহিস সালাম) ইয়ামান থেকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পক্ক করা চামড়ার থলিতে করে কিছু স্বর্ণ পাঠিয়েছিলেন যা তখনও মাটি থেকে পরিষ্কার করা হয়নি। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর তিনি তা চারজনের মধ্যে বণ্টন করে দিলেন; উয়াইনাহ বিন বদর, আল-আকরা বিন হাবিস, যায়দ আল-খাইল এবং চতুর্থ ব্যক্তি আবু আলকামাহ। আর আমির বিন তুফাইলের ব্যাপারে তাঁর সাথীদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি বলল, "এই সম্পদের বিষয়ে আমরাই তো তাদের চেয়ে অধিক হকদার ছিলাম।" বর্ণনাকারী বলেন: এই সংবাদ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পৌঁছালে তিনি বললেন: «তোমরা কি আমাকে আমানতদার মনে করো না? অথচ আমি তাঁর আমানতদার যিনি আসমানে আছেন। সকাল-সন্ধ্যায় আমার নিকট আসমানের খবর আসে»।বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর কোটরগত চোখ, ফোলা গাল, উঁচু কপাল, ঘন দাড়ি বিশিষ্ট, মাথা মুণ্ডানো এবং লুঙ্গি উঁচু করে পরিহিত এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল: হে আল্লাহর রাসূল, আল্লাহকে ভয় করুন। তিনি বললেন: «তোমার জন্য আক্ষেপ! আমি কি জমিনে বসবাসকারীদের মধ্যে আল্লাহ তাআলাকে ভয় করার সবচেয়ে বেশি হকদার নই?»।বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর লোকটি পিঠ ফিরিয়ে চলে গেল। খালিদ বিন ওয়ালিদ বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমি কি তার গর্দান উড়িয়ে দেব না? তিনি বললেন: «না, সম্ভবত সে সালাত আদায় করে»।খালিদ বললেন: অনেক মুসল্লিই তো মুখে এমন কথা বলে যা তার অন্তরে নেই! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «নিশ্চয়ই মানুষের অন্তর খুঁড়ে দেখার কিংবা তাদের পেট চিরে দেখার জন্য আমি আদিষ্ট হইনি»।বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিকে তাকালেন যখন সে চলে যাচ্ছিল, তখন তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই এই ব্যক্তির বংশধর থেকে এমন এক কওমের আবির্ভাব ঘটবে যারা অত্যন্ত সাবলীলভাবে আল্লাহ তাআলার কিতাব পাঠ করবে কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তারা দ্বীন থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে যেমনভাবে শিকার ভেদ করে তীর বেরিয়ে যায়।" বর্ণনাকারী বলেন: আমার ধারণা তিনি এও বলেছিলেন: "যদি আমি তাদের নাগাল পাই, তবে আমি অবশ্যই তাদের সামুদ জাতির ন্যায় হত্যা করব।"
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
28 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الْبَزَّازُ ، إِمْلاءً ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ بهزَادَ بْنِ مِهْرَانَ السِّيرَافِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِسْحَاقَ الْمُخَرِّمِيُّ بِالْبَصْرَةِ ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَفَّانُ بْنُ مُسْلِمٍ الصَّفَّارُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ ، عَنْ عَبْدِ الأَعْلَى ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، يَعْنِي: السُّلَمِيَّ ، عَنْ عَلِيٍّ عليه السلام ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: «مَنْ كَذَبَ فِي رُؤْيَاهُ مُتَعَمِّدًا كُلِّفَ عَقْدَ شَعِيرَةٍ يَوْمَ الْقِيَامَةِ»
২৮ - আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবন উমর ইবন মুহাম্মদ ইবন সাঈদ আল-বাজ্জাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শ্রুতলিপির মাধ্যমে, তিনি বলেন: আবুল হাসান আহমদ ইবন বেহজাদ ইবন মেহরান আস-সিরাফি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াকুব ইবন ইসহাক আল-মুখাররিমি বসরায় আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আফফান ইবন মুসলিম আস-সাফফার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আওয়াানা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদ আল-আ’লা থেকে, তিনি আবু আবদুর রহমান — অর্থাৎ: আস-সুলামি — থেকে, তিনি আলী আলাইহিস সালাম থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে নিজের স্বপ্নের ব্যাপারে মিথ্যা বলবে, কিয়ামতের দিন তাকে একটি যবের দানায় গিট দিতে বাধ্য করা হবে»।