(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
الرابع عشر من الخلعيات   (الخلعي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الرابع عشر من الخلعيات

المؤلف: علي بن الحسن بن الحسين بن محمد، أبو الحسن الخِلَعي الشافعيّ (ت 492هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

খিলাইয়্যাত-এর চতুর্দশ খণ্ড   (আল-খিলায়ী)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: খিলাইয়্যাত-এর চতুর্দশ খণ্ড

লেখক: আলী বিন আল-হাসান বিন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মাদ, আবুল হাসান আল-খিলায়ী আশ-শাফিঈ (মৃত্যু ৪৯২ হিজরি)

প্রকাশক: পাণ্ডুলিপি, যা ইসলাম ওয়েব সাইটের অধীনস্থ ফ্রি জাউয়ামিউল কালিম প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে

সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪

[বইটি একটি পাণ্ডুলিপি]

শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
الْجُزْءُ الرَّابِعَ عَشَرَ مِنَ الْفَوَائِدِ الْمُنْتَقَاةِ الْحِسَانِ الصِّحَاحِ وَالْغَرَائِبِ.

تَخْرِيجُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الْحُسَيْنِ الشِّيرَازِيِّ.

رِوَايَةُ الْقَاضِي الْجَلِيلِ أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ الْفَقِيهِ، أَدَامَ اللَّهُ عِزَّهُ، قُوبِلَ بِهِ الأَصْلُ فَوَافَقَ، وَالْحَمْدُ اللَّهِ عَلَى نِعَمِهِ.

أَخْبَرَنَا الشَّرِيفُ الْقَاضِي الطَّاهِرُ، نَقِيبُ النُّقَبَاءِ بِمِصْرَ أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ أَسْعَدَ الْحُسَيْنِيُّ الْمَالِكِيُّ النَّسَّابَةُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَهُوَ يَنْظُرُ فِي أَصْلِهِ فَأَقَرَّ بِهِ بِالْجَامِعِ الْعَتِيقِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رِفَاعَةَ السَّعْدِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ الْحُسَيْنِ الْخِلَعِيُّ رضي الله عنه، قَالَ: بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ تَوَكَّّّلْ تُكْفَى.
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাকাতিল হিসান আস-সিহাহ ওয়াল গারায়িব-এর চতুর্দশ খণ্ড।

আহমদ বিন হাসান বিন হুসাইন আল-শিরাজী কৃত সংকলন।

মর্যাদাবান বিচারক আবুল হাসান আলী বিন হুসাইন আল-ফকিহ্ (আল্লাহ তাঁর মর্যাদা দীর্ঘস্থায়ী করুন) বর্ণিত; এটি মূল পাণ্ডুলিপির সাথে মিলিয়ে দেখা হয়েছে এবং সামঞ্জস্যপূর্ণ পাওয়া গেছে। আল্লাহর সকল নিয়ামতের জন্য তাঁরই প্রশংসা।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন পবিত্র শরীফ বিচারক, মিশরের প্রধান প্রতিনিধি আবু আলী মুহাম্মদ বিন আসআদ আল-হুসাইনী আল-মালিকী আন-নাসসাবাহ; তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছে এবং তিনি তাঁর মূল পাণ্ডুলিপির দিকে লক্ষ করছিলেন, অতঃপর তিনি জামে আতিক-এ এর স্বীকৃতি প্রদান করেন। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন রিফায়া আস-সাদী। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিচারক আবুল হাসান আলী বিন হাসান বিন হুসাইন আল-খিলায়ী (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)। তিনি বলেন: পরম করুণাময় পরম দয়ালু আল্লাহর নামে। আল্লাহর ওপর ভরসা করুন, আপনার জন্য তিনিই যথেষ্ট।
(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
1 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الشَّاهِدُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادِ بْنِ بِشْرِ بْنِ الأَعْرَابِيِّ، بِمَكَّةَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الصَّبَّاحِ الزَّعْفَرَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ، عَنْ أَبِيهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«لِي أَسْمَاءٌ، أَنَا مُحَمَّدٌ، وَأَنَا أَحْمَدُ وَأَنَا الْمَاحِي الَّذِي يُمْحَى بِيَ الْكُفْرُ، وَأَنَا الْحَاشِرُ الَّذِي يُحْشَرُ النَّاسُ عَلَى قَدَمِي، وَأَنَا الْعَاقِبُ، وَالْعَاقِبُ الَّذِي لَيْسَ بَعْدَهُ نَبِيٌّ»
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান ইবন উমর ইবন মুহাম্মাদ ইবন সাঈদ আশ-শাহিদ, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করেছি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আহমদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন যিয়াদ ইবন বিশর ইবনুল আরাবী, মক্কায় তাঁর নিকট পাঠকালে, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবন মুহাম্মাদ ইবন আস-সাব্বাহ আয-যাফরানি, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সুফিয়ান ইবন উইয়াইনাহ, যুহরি থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবন জুবাইর ইবন মুতইম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «আমার বেশ কিছু নাম রয়েছে; আমি মুহাম্মাদ, আমি আহমদ, আমি আল-মাহি (বিদূরণকারী) যার মাধ্যমে কুফর বিদূরিত হয়, আর আমি আল-হাশির (সমবেতকারী) যার সামনে মানুষকে হাশর (সমবেত) করা হবে আমার পায়ের ওপর, আর আমি আল-আকিব, আর আল-আকিব হলেন তিনি যার পরে আর কোনো নবী নেই»
(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
2 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدٍ الشَّاهِدُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الطَّاهِرِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو الْمَدِينِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى الصَّدَفِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «إِنَّ‌‌ لِي خَمْسَةَ أَسْمَاءٍ، أَنَا مُحَمَّدٌ، وَأَنَا أَحْمَدُ، وَأَنَا الْمَاحِي الَّذِي يَمْحُو اللَّهُ بِيَ الْكُفْرَ، وَأَنَا الْحَاشِرُ الَّذِي يُحْشَرُ النَّاسُ عَلَى قَدَمِي، وَأَنَا الْعَاقِبُ، وَالْعَاقِبُ الَّذِي لَيْسَ بَعْدَهُ أَحَدٌ» .

وَقَدْ سَمَّاهُ اللَّهُ رَءُوفًا رَحِيمًا
২ - আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান বিন উমর বিন মুহাম্মাদ আশ-শাহিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেন: আবু তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আমর আল-মাদিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুসা ইউনুস বিন আবদিল আ'লা আস-সাদাফি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ বিন ওয়াহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইউনুস বিন ইয়াজিদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইবনে শিহাব থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন জুবাইর বিন মুতয়িম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয় আমার পাঁচটি নাম রয়েছে; আমি মুহাম্মাদ, আমি আহমাদ, আমি আল-মাহি (মোচনকারী) যার মাধ্যমে আল্লাহ কুফর (অবিশ্বাস) মিটিয়ে দেন, আমি আল-হাশির (একত্রিতকারী) যার পায়ের ওপর মানুষকে একত্রিত করা হবে, এবং আমি আল-আকিব; আর আল-আকিব হলেন তিনি যার পরে আর কেউ নেই»।

আর আল্লাহ তাঁর নাম রেখেছেন অত্যন্ত স্নেহশীল ও পরম দয়ালু।
(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
3 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الْبَزَّازُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادِ بْنِ الأَعْرَابِيِّ، بِمَكَّةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الصَّبَّاحِ الزَّعْفَرَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«لا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ قَاطِعٌ»
৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবন উমর ইবন মুহাম্মদ ইবন সাঈদ আল-বাজ্জায, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন যিয়াদ ইবনুল আরাবি মক্কায়, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান ইবন মুহাম্মদ ইবন আস-সাব্বাহ আয-যাফরানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফইয়ান ইবন উয়াইনাহ, যুহরি থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবন জুবাইর ইবন মুতঈম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না»
(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
4 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الْمَالِكِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الطَّاهِرِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو الْمَدِينِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى الصَّدَفِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«لا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ قَاطِعٌ»
৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-মালিকী, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু তাহির আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আমর আল-মাদীনী, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবনে আবদিল আলা আস-সাদা ফী, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা, যুহরী থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে জুবায়ের ইবনে মুতয়িম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না»
(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
5 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَاجِّ بْنِ يَحْيَى الإِشْبِيلِيُّ الشَّاهِدُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ مَحْبُوبِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْمَعْرُوفُ بِغُلامِ أَبِي الأَذْيَانِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِالرَّمْلَةِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُسْلِمٍ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْكَجِّيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ يَعْنِي الضَّحَّاكَ بْنَ مَخْلَدٍ، عَنْ مَالِكٍ، وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَاجِّ، قَالَ: قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي الْمَوْتِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«إِذَا سَمِعْتُمُ النِّدَاءَ فَقُولُوا مِثْلَ مَا يَقُولُ الْمُؤَذِّنُ»
৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাজ্জ বিন ইয়াহইয়া আল-ইশবিলি আশ-শাহিদ, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আহমাদ বিন মাহবুব বিন সুলাইমান, যিনি গোলাম আবি আল-আযইয়ান নামে পরিচিত, রামলায় তাঁর নিকট পাঠকালে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুসলিম ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ আল-কাজ্জি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আসিম অর্থাৎ আদ-দাহহাক বিন মাখলাদ, মালিক থেকে। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাজ্জ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন আবি আল-মাওত, তাঁর নিকট পাঠকালে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন আব্দুল আজিজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-কানাবি, মালিক থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আতা বিন ইয়াজিদ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যখন তোমরা আজান শুনবে, তখন মুয়াজ্জিন যা বলে তোমরাও তদ্রূপ বলো»
(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
6 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَاجِّ بْنِ يَحْيَى الشَّاهِدُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْحَلَبِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مَرْوَانَ الْعُثْمَانِيُّ مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ الدَّرَاوَرْدِيُّ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ السَّمَّانِ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«الإِمَامُ ضَامِنٌ، وَالْمُؤَذِّنُ مُؤْتَمَنٌ، فَأَرْشَدَ اللَّهُ الأَئِمَّةَ وَغَفَرَ لِلْمُؤَذِّنِينَ»
6 - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল-হাজ্জ ইবনে ইয়াহইয়া আশ-শাহিদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম আল-হালাবি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলি ইবনে আব্দুল হামিদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মারওয়ান আল-উসমানি মুহাম্মাদ ইবনে উসমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মাদ আদ-দারাওয়ার্দি, সুহাইল ইবনে আবি সালিহ আস-সাম্মান থেকে, তিনি আল-আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «ইমাম হলেন জিম্মাদার এবং মুয়াজ্জিন হলেন আমানতদার; অতএব আল্লাহ ইমামদের সঠিক পথ প্রদর্শন করুন এবং মুয়াজ্জিনদের ক্ষমা করুন»
(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
7 - أَخْبَرَنَاهُ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَاجِّ الشَّاهِدُ، قَالَ: أَخْبَرَنَاهُ أَبُو عَمْرٍو عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ السَّمَرْقَنْدِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو أُمَيَّةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ دَاوُدَ الْكُوفِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«الْمُؤَذِّنُ مُؤْتَمَنٌ، وَالإِمَامُ ضَامِنٌ، اللَّهُمَّ أَرْشِدِ الأَئِمَّةَ وَاغْفِرْ لِلْمُؤَذِّنِينَ»
৭ - আমাদের এটি সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল হাজ্জ আশ-শাহিদ, তিনি বলেন: আমাদের এটি সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর উসমান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আস-সামারকান্দি—তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে—তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উমায়্যাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে দাউদ আল-কুফি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যুহাইর, আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «মুয়াজ্জিন হলো আমানতদার এবং ইমাম হলো যামিন (জিম্মাদার)। হে আল্লাহ, আপনি ইমামদের সঠিক পথ প্রদর্শন করুন এবং মুয়াজ্জিনদের ক্ষমা করুন»
(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
8 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَاجِّ بْنِ يَحْيَى الشَّاهِدُ، قَالَ: أَخْبَرَنَاهُ أَبُو الْفَرَجِ مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ عَبْدَانَ الْمُقْرِئُ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الْغَمْرُ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْعَبْسِيُّ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ الأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«الإِمَامُ ضَامِنٌ، وَالْمُؤَذِّنُ مُؤْتَمِنٌ، اللَّّهُمَّ أَرْشِدِ الأَئِمَّةَ وَاغْفِرْ لِلْمُؤَذِّنِينَ»
৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাজ্জ ইবনে ইয়াহইয়া আশ-শাহিদ, তিনি বলেন: আমাদের এটি সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফারাজ মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ ইবনে আবদান আল-মুকরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-গামর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আবসি উবাইদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে যিয়াদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলায়মান আল-আমাশ, আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «ইমাম হলেন জিম্মাদার এবং মুআজ্জিন হলেন আমানতদার। হে আল্লাহ, আপনি ইমামদের সঠিক পথ প্রদর্শন করুন এবং মুআজ্জিনদের ক্ষমা করুন।»
(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
9 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَاجِّ الشَّاهِدُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ عَبْدَانَ، بِطَبَرِيَّةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ صَاعِدٍ، وَهُوَ أَبُو مُحَمَّدٍ يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَاعِدٍ الْحَافِظُ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْمُنْذِرُ بْنُ الْوَلِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْعَبْدِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَبِي جَعْفَرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُحَادَةَ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«الإِمَامُ ضَامِنٌ وَالْمُؤَذِّنُ مُؤْتَمَنٌ، اللَّهُمَّ أَرْشِدِ الأَئِمَّةَ، وَاغْفِرْ لِلْمُؤَذِّنِينَ»
৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাজ্জ আশ-শাহিদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন সাঈদ বিন আবদান তাবারিয়্যাহতে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে সায়িদ—আর তিনি হলেন হাফিজ আবু মুহাম্মদ ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ বিন সায়িদ—তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-মুনজির বিন আল-ওয়ালিদ বিন আব্দুর রহমান আল-আবদি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান বিন আবি জাফর, মুহাম্মদ বিন জুহাদাহ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «ইমাম হলো জিম্মাদার এবং মুয়াজ্জিন হলো আমানতদার; হে আল্লাহ, আপনি ইমামদের সঠিক পথ প্রদর্শন করুন এবং মুয়াজ্জিনদের ক্ষমা করে দিন»
(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
10 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَاجِّ الشَّاهِدُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَلانَ الْحَرَّانِيُّ، إِمْلاءً، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الأَشْعَثِ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ آدَمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ وَاقِدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو غَالِبٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: ‌‌«الإِمَامُ ضَامِنٌ وَالْمُؤَذِّنُ مُؤْتَمَنٌ»
১০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হাজ্জ আশ-শাহিদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন আবু আল-হাসান আলী বিন আল-হাসান বিন আল্লান আল-হাররানী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন সুলাইমান বিন আল-আশআস, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মাহমুদ বিন আদম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ফাদল বিন মুসা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন বিন ওয়াকিদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু গালিব, তিনি আবু উমামাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «ইমাম হলেন জামিনদার এবং মুয়াজ্জিন হলেন আমানতদার»
(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
11 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ نَظِيفٍ الْفَرَّاءُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْفَضْلِ الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ نَصْرِ بْنِ السَّرِيِّ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ سَهْلِ بْنِ أَيُّوبَ الرَّقِّيُّ، سَنَةَ خَمْسِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَمْرٍو هِلالُ بْنُ الْعَلاءِ بْنِ عُمَرَ الْعُتْبِيُّ، سَنَةَ ثَمَانٍ وَسَبْعِينَ وَمِائَتَيْنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عُمَرَ الْحَوْضِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَامِرُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ الأَحْوَلُ، قَالَ: حَدَّثَنِي مَكْحُولٌ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مُحَيْرِيزٍ، حَدَّثَهُ، أَنَّ أَبَا مَحْذُورٍ، قَالَ: إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم،‌‌ عَلَّمَهُ تِسْعَ عَشْرَةَ كَلِمَةً، «اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ، أَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، أَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، حَيَّ عَلَى الصَّلاةِ، حَيَّ عَلَى الصَّلاةِ، حَيَّ عَلَى الْفَلاحِ، حَيَّ عَلَى الْفَلاحِ، اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ، لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ»
১১ - আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন নাযীফ আল-ফাররা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠ করা অবস্থায় আমি তা শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেন: আবুল ফজল আল-আব্বাস বিন মুহাম্মাদ বিন নাসর বিন আস-সারী বিন উবাইদুল্লাহ বিন সাহল বিন আইয়ুব আর-রাক্কী ৩৫০ হিজরি সালে আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আমর হিলাল বিন আল-আলা বিন উমর আল-উতবী ২৭৮ হিজরি সালে আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু উমর আল-হাওযী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাম্মাম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমির বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-আহওয়াল আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মাকহুল আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, আব্দুল্লাহ বিন মুহায়রীজ তাঁকে হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, আবু মাহযূরাহ বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে উনিশটি বাক্য শিখিয়েছেন: “আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ; আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই; আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই; আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল; আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল; সালাতের দিকে আসো, সালাতের দিকে আসো; কল্যাণের দিকে আসো, কল্যাণের দিকে আসো; আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ; আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই।”
(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
12 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الْبَزَّازُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الطَّاهِرِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو الْمَدِينِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى الصَّدَفِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي جَعْفَرٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: قَالَ: "‌‌ مَنْ أَذَّنَ اثْنَتَيْ عَشْرَةَ سَنَةً وَجَبَتْ لَهُ الْجَنَّةُ، وَكَتَبَ اللَّهُ لَهُ بِكُلِّ أَذَانٍ سِتِّينَ حَسَنَةً وَبِكُلِّ إِقَامَةٍ.

لا أَدْرِي قَالَ: سِتِّينَ أَوْ ثَلاثِينَ "، شَكَّ يُونُسُ.
১২ - আবদুর রহমান বিন উমর বিন মুহাম্মাদ বিন সাঈদ আল-বাযযায আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁর নিকট পাঠ করা অবস্থায় এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেন: আবু আল-তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আমর আল-মাদিনী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুসা ইউনুস বিন আবদিল আলা আল-সাদাফী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ বিন ওয়াহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে লাহিয়াহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, উবায়দুল্লাহ বিন আবি জাফর থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "‌‌ যে ব্যক্তি বারো বছর আযান দেবে তার জন্য জান্নাত অবধারিত হয়ে যাবে; এবং আল্লাহ তার জন্য প্রতিটি আযানের বিনিময়ে ষাটটি নেকি এবং প্রতিটি ইকামতের বিনিময়ে।

আমি জানি না তিনি কি ষাট বলেছিলেন নাকি ত্রিশ", ইউনুস সংশয় প্রকাশ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
13 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَسَنُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ الْقَاسِمِ الْكِلَلِيُّ قَالَ: أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو الطَّاهِرِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نَصْرٍ الذُّهْلِيُّ، بِانْتِقَاءِ أَبِي الْحَسَنِ الدَّارَقُطْنِيِّ، عَلَيْهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو خَلِيفَةَ الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلابَةَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ:‌‌ أُمِرَ بِلالٌ أَنْ يَشْفَعَ الآذَانَ، وَيُوتِرَ الإِقَامَةَ
১৩ - আবু আব্দুল্লাহ আল-হাসান ইবনে জাফর ইবনুল কাসিম আল-কিলালি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: কাজী আবু ত্বাহের মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে নাসর আদ-জুহলি, আবুল হাসান আদ-দারা কুতনির চয়ন অনুসারে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবু খলিফা আল-ফজল ইবনুল হুবাব আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে কাসির আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শু’বাহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আইয়ুব থেকে, তিনি আবু কিলাবা থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন:‌‌ বিলাল (রা.)-কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যেন তিনি আযানের শব্দগুলো জোড়ায় জোড়ায় (দুইবার করে) এবং ইকামতের শব্দগুলো বিজোড়ভাবে (একবার করে) প্রদান করেন।
(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
14 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَسَنُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ الْقَاسِمِ الْكِلَلِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ رَشِيقٍ الْعَسْكَرِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ دَاوُدَ بْنِ أَبِي صَالِحٍ الْحَذَّائِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ الْوَلِيدِ الْقُرَشِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا خَالِدٌ وَأَيُّوبُ، عَنْ أَبِي قِلابَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، بِلالا أَنْ‌‌ يَشْفَعَ الأَذَانَ، وَيُوتِرَ الإِقَامَةَ ".

وَقَالَ أَيُّوبُ: وَيُفْرِدَ الإِقَامَةَ.
১৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আল-হাসান ইবনে জাফর ইবনুল কাসিম আল-কিলালি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান ইবনে রাশিক আল-আসকারি, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান আহমাদ ইবনে দাউদ ইবনে আবি সালিহ আল-হাযযাউ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আল-আব্বাস ইবনুল ওয়ালিদ আল-কুরাশি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন উহাইব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন খালিদ এবং আইয়ুব, আবু কিলাবাহ থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিলালকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন তিনি আযান জোড়ায় জোড়ায় (দুইবার করে) দেন এবং ইকামাত বেজোড়ভাবে (একবার করে) দেন ।

এবং আইয়ুব বলেছেন: এবং ইকামাত যেন এক এক শব্দে দেন।
(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
15 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الْبَزَّازُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ أَبُو الطَّاهِرِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو الْمَدِينِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى الصَّدَفِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي جَعْفَرٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: "‌‌ مَنْ أَذَّنَ اثْنَتَيْ عَشْرَةَ سَنَةً، وَجَبَتْ لَهُ الْجَنَّةُ، وَكَتَبَ اللَّهُ لَهُ بِكُلِّ أَذَانٍ سِتِّينَ حَسَنَةً، وَبِكُلِّ إِقَامَةٍ، لا أَدْرِي قَالَ: سِتِّينَ أَوْ ثَلاثِينَ "، شَكَّ يُونُسُ.
১৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-বাজজাজ, তার নিকট পাঠকালে এবং আমি শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেন, আবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আমর আল-মাদিনী বলেছেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু মুসা ইউনুস ইবনে আবদিল আ'লা আস-সাদাফী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইবনে লাহিয়াহ, উবায়দুল্লাহ ইবনে আবি জাফর থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "‌‌যে ব্যক্তি বারো বছর আজান দেবে, তার জন্য জান্নাত অবধারিত হয়ে যাবে। এবং আল্লাহ তার জন্য প্রতিটি আজানের বিনিময়ে ষাটটি নেকি এবং প্রতিটি ইকামতের বিনিময়ে— না আমি জানি তিনি ষাট বলেছেন নাকি ত্রিশ", ইউনুস সন্দেহ পোষণ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
16 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ شُعَيْبُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْمِنْهَالِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ عُتْبَةَ الرَّازِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنْبَاعِ رَوْحُ بْنُ الْفَرَجِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقَطَّانُ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ خَالِدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ زِيَادِ بْنِ نُعَيْمٍ، عَنْ حِبَّانَ الصُّدَائِيِّ، قَالَ: لَمَّا حَضَرَتْ صَلاةُ الصُّبْحِ، قَالَ لِيَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: يَا أَخَا صُدَاءَ أَذِّنْ ".

فَأَذَّنْتُ فَجَاءَ بِلالٌ يُرِيدُ يُقِيمُ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لا يُقِيمُ إِلا مَنْ أَذَّنَ»
১৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ শুয়াইব ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনুল মিনহাল, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমাদ ইবনুল হাসান ইবনে ইসহাক ইবনে উতবাহ আর-রাজি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুয যিনবা রাওহ ইবনুল ফারাজ ইবনে আবদুর রহমান আল-কাত্তান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে খালিদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে লাহিয়া, ইবরাহিম থেকে, তিনি যিয়াদ ইবনে নুআইম থেকে, তিনি হিব্বান আস-সুদায়ী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন ফজরের নামাজের সময় উপস্থিত হলো, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন: "হে সুদায়ের ভাই, আজান দাও।"

ফলে আমি আজান দিলাম, এরপর বিলাল আসলেন, তিনি ইকামত দিতে চাচ্ছিলেন, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «যে আজান দিয়েছে সে ছাড়া অন্য কেউ ইকামত দিবে না»
(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
17 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الْبَزَّازُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَيُّوبَ بْنِ حَبِيبِ بْنِ يَحْيَى الرَّقِّيُّ، الْمَعْرُوفُ بِالصَّمُوتِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ سَنَةَ تِسْعٍ وَثَلاثِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَمْرٍو هِلالُ بْنُ الْعَلاءِ بْنِ هِلالٍ الْبَاهِلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالا: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ سُوَيْدِ بْنِ غَفَلَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ بِلالا‌‌ يُؤَذِّنُ، وَكَانَ لا يُثَوِّبُ إِلا فِي الْفَجْرِ، وَيَقُولُ فِيهَا: الصَّلاةُ خَيْرٌ مِنَ النَّوْمِ، زَادَ أَبِي: إِذَا فَرَغَ مِنْ حَيَّ عَلَى الْفَلاحِ، وَأَلا يُؤَذِّنَ لِصَلاةِ الْفَجْرِ حَتَّى يَنْشَقَّ الْفَجْرُ.
১৭ - আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সাঈদ আল-বাজ্জায তাঁর নিকট পাঠ করা অবস্থায় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আবুল হাসান মুহাম্মাদ ইবনে আইয়ুব ইবনে হাবীব ইবনে ইয়াহইয়া আর-রাক্কী, যিনি 'আস-সামুত' নামে পরিচিত, ৩৩৯ হিজরি সালে তাঁর নিকট পাঠ করা অবস্থায় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আমর হিলাল ইবনুল আলা ইবনে হিলাল আল-বাহিলী, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আমার পিতা এবং আবদুল্লাহ ইবনে জাফর, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ ইবনে উমর, যায়িদ ইবনে আবু আনাইসাহ থেকে, তিনি আল-হাকাম থেকে, তিনি সুওয়াইদ ইবনে গাফালাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি বিলালকে আযান দিতে শুনেছি, আর তিনি ফজর ব্যতীত অন্য কোনো সালাতে তাতওয়ীব করতেন না এবং তাতে বলতেন: 'সালাত ঘুম হতে উত্তম'। আমার পিতা অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন: যখন তিনি 'হাইয়্যা' বলা শেষ করতেন 'আলাল ফালাহ', আর তিনি ফজরের সালাতের জন্য ততক্ষণ আযান দিতেন না যতক্ষণ না ফজর উদিত হতো।
(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
18 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ النَّحَّاسِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ بهزَادَ بْنِ مِهْرَانَ الْفَارِسِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ سَنَةَ تِسْعٍ وَثَلاثِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ يَعْقُوبُ بْنُ إِسْحَاقَ الْمُخَرِّمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَفَّانُ بْنُ مُسْلِمِ بْنِ عَطِيَّةَ الصَّفَّارُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ بْنُ الْحَجَّاجِ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، أَنَّ عَائِشَةَ رضي الله عنها، أَرَادَتْ أَنْ تَشْتَرِيَ بَرِيرَةَ، فَتُعْتِقَهَا فَاشْتَرَطُوا وَلاءَهَا، فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: «اشْتَرِيهَا وَأَعْتِقِيهَا، فَإِنَّمَا‌‌ الْوَلاءُ لِمَنْ أَعْطَى الثَّمَنَ»
১৮ - আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ ইবনুন নাহহাস, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আবুল হাসান আহমদ ইবনে বেহজাদ ইবনে মিহরান আল-ফারিসি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তিনশত উনচল্লিশ হিজরী সালে তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান ইয়াকুব ইবনে ইসহাক আল-মুখাররিমি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আফফান ইবনে মুসলিম ইবনে আতিয়্যাহ আস-সাফফার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন শু'বাহ ইবনুল হাজ্জাজ, হাকাম থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি আসওয়াদ থেকে যে, আয়িশাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহা) বারীরাকে ক্রয় করে মুক্ত করতে চাইলেন। তখন তারা (বিক্রেতারা) তার 'ওয়ালা' (উত্তরাধিকারের অধিকার) পাওয়ার শর্ত আরোপ করল। তিনি বিষয়টি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে উল্লেখ করলে তিনি বললেন: "তুমি তাকে ক্রয় করো এবং মুক্ত করে দাও, কারণ ‘ওয়ালা’ কেবল তারই প্রাপ্য যে মূল্য পরিশোধ করেছে।"
(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
19 - قَالَ: وَخُيِّرَتْ وَكَانَ زَوْجُهَا حُرًّا،‌‌ وَتُصُدِّقَ عَلَيْهَا بِلَحْمٍ، فَقَالَ: هُوَ لَهَا صَدَقَةٌ، وَلَنَا هَدِيَّةٌ
১৯ - তিনি বলেন: তাকে (বিবাহের ব্যাপারে) ইখতিয়ার দেওয়া হয়েছিল এবং তার স্বামী ছিলেন স্বাধীন, আর তাকে কিছু গোশত সদকা করা হয়েছিল, তখন তিনি বললেন: এটি তার জন্য সদকা এবং আমাদের জন্য হাদিয়া।
(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
20 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الْبَزَّازُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ بهزَادَ بْنِ مِهْرَانَ الْفَارِسِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ يَعْقُوبُ بْنُ إِسْحَاقَ الْمُخَرِّمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَفَّانُ بْنُ مُسْلِمِ بْنِ عَطِيَّةَ الصَّفَّارُ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«الإِيمَانُ بِضْعٌ وَسَبْعُونَ أَفْضَلُهَا لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، وَأَدْنَاهَا إِمَاطَةُ الْعَظْمِ عَنِ الطَّرِيقِ، وَالْحَيَاءُ شُعْبَةٌ مِنَ الإِيمَانِ»
২০ - আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান বিন উমর বিন মুহাম্মদ বিন সাঈদ আল-বাজ্জাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আল-হাসান আহমাদ বিন বাহজাদ বিন মিহরান আল-ফারিসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর উপস্থিতিতে পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি শুনছিলাম—তিনি বলেন: আবু আল-হাসান ইয়াকুব বিন ইসহাক আল-মুখাররিমি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আফফান বিন মুসলিম বিন আতিয়্যাহ আস-সাফফার আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: হাম্মাদ বিন সালামাহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সুহাইল থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন দিনার থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «ঈমানের সত্তরটিরও বেশি শাখা রয়েছে, যার মধ্যে সর্বোত্তম হলো 'আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই' বলা, এবং তার সর্বনিম্ন হলো রাস্তা থেকে হাড় সরিয়ে দেওয়া। আর লজ্জাশীলতা হলো ঈমানের একটি শাখা।»
(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
21 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ نَظِيفٍ الْعَدْلُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ الْخَضِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ السُّيُوطِيُّ، إِمْلاءً، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ صَالِحٍ الدِّمَشْقِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شِهَابٌ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«الإِيمَانُ بِضْعٌ وَسَبْعُونَ بَابًا، أَفْضَلُهَا شَهَادَةُ أَلا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، وَأَهْوَنُهَا إِمَاطَةُ الأَذَى عَنِ الطَّرِيقِ، وَالْحَيَاءُ شُعْبَةٌ مِنَ الإِيمَانِ»
২১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-ফজল বিন নাজিফ আল-আদল, তার নিকট পাঠ করা অবস্থায় আমি তা শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আল-খিদর বিন আবদুল্লাহ আস-সুয়ূতি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন সালিহ আদ-দিমাশকি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হিশাম বিন আম্মার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন শিহাব, তিনি সুফিয়ান আস-সাওরি থেকে, তিনি সুহাইল বিন আবি সালিহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন দিনার থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «ঈমানের সত্তরটিরও কিছু বেশি শাখা রয়েছে, যার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হলো এই সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, এবং তার মধ্যে সর্বনিম্ন হলো রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলা, আর লজ্জা হলো ঈমানের একটি শাখা।»
(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
22 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ النَّحَّاسِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَمْرٍو عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ هَارُونَ بْنِ وَرْدَانَ السَّمَرْقَنْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الْمُؤْمِنِ أَحْمَدُ بْنُ شَيْبَانَ الرَّمْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُؤَمَّلُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«الإِيمَانُ ذُو شُعَبٍ، وَالْحَيَاءُ شُعْبَةٌ مِنَ الإِيمَانِ»
২২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ ইবনে আন-নাহহাস, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর উসমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হারুন ইবনে ওয়ারদান আস-সামারকান্দি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আবদিল মুমিন আহমদ ইবনে শাইবান আর-রামলি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুআম্মাল ইবনে ইসমাঈল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে সালামাহ, মুহাম্মদ ইবনে আমর থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «ঈমানের অনেকগুলো শাখা রয়েছে, এবং লজ্জা ঈমানের একটি শাখা»
(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
23 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الْبَزَّازُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَمْرٍو عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ السَّمَرْقَنْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ شَيْبَانَ الرَّمْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُؤَمَّلُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ يَزِيدَ الْمَكِّيِّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«بَيْنَ الْعَبْدِ وَبَيْنَ الشِّرْكِ وَالْكُفْرِ تَرْكُ الصَّلاةِ»
২৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান বিন উমর বিন মুহাম্মাদ বিন সাঈদ আল-বাজ্জায, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর উসমান বিন মুহাম্মাদ বিন আহমদ আস-সামারকান্দি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন শায়বান আর-রামলি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুয়াম্মিল বিন ইসমাঈল, ইবরাহীম বিন ইয়াজিদ আল-মাক্কি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুয যুবাইর, জাবির থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «বান্দা এবং শিরক ও কুফরের মাঝে ব্যবধান হলো সালাত বর্জন করা»
(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
24 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ نَظِيفٍ الْفَرَّاءُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْفَضْلِ الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ نَصْرٍ الرَّافِقِيُّ، إِمْلاءً، قَالَ: حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، يُلَقَّبُ سَنْجَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ، قَالَ: حَدَّثَنَا زَائِدَةُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَا مِنْ رَجُلٍ سَلَكَ طَرِيقًا يَطْلُبُ فِيهِ عِلْمًا إِلا سَهَّلَ لَهُ بِهِ طَرِيقًا إِلَى الْجَنَّةِ، وَمَنْ أَبْطَأَ بِهِ عَمَلُهُ لا يُسْرِعُ بِهِ نَسَبُهُ»
২৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনুল ফাদল ইবনে নাযীফ আল-ফাররা, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে যখন আমি শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবুল ফাদল আল-আব্বাস ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে নাসর আল-রাফিকী শ্রুতলিপির মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাফস ইবনে উমর, যাঁর উপাধি ছিল সাঞ্জাহ, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইউনুস, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন যায়িদাহ, আল-আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি জ্ঞান অর্জনের কোনো পথ অবলম্বন করে, আল্লাহ এর দ্বারা তার জন্য জান্নাতের পথ সহজ করে দেন। আর যার আমল তাকে পিছিয়ে দেয়, তাকে এগিয়ে নিতে পারে না তার বংশমর্যাদা।»
(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
25 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ نَظِيفٍ الْفَرَّاءُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ عُتْبَةَ الرَّازِيُّ، إِمْلاءً، قَالَ: حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ الْفَرَجِ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُسْلِمُ بْنُ خَالِدٍ الزَّنْجِيُّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُمَرَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «إِنَّ‌‌ الْخَاصِرَةَ عِرْقٌ فِي الْكُلْوَةِ، فَإِذَا تَحَرَّكَ آذتَ صَاحِبُهَا، فَدَاوُوهَا بِالْمَاءِ الْمُحْرَقِ وَالْعَسَلِ»

.
২৫ - আমাদের অবহিত করেছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনুল ফজল ইবনে নাজিফ আল-ফাররা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনুল হাসান ইবনে ইসহাক ইবনে উতবাহ আর-রাজি শ্রুতলিপির মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রওহ ইবনুল ফারজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইর, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মুসলিম ইবনে খালিদ আজ-জাঞ্জি, আবদুর রহমান ইবনে উমর থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই পার্শ্বদেশের ব্যথা হলো কিডনির একটি শিরা, যখন এটি নড়ে ওঠে তখন তা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কষ্ট দেয়; সুতরাং তোমরা এর চিকিৎসা করো গরম পানি ও মধু দিয়ে।»

(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
26 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ نَظِيفٍ الْفَرَّاءُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ خَرُوفِ بْنِ كَامِلٍ الْمَدِينِيُّ، إِمْلاءً، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ سَهْلٍ الْمَرْوَزِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنْ أَقَالَ نَادِمًا أَقَالَهُ اللَّهُ»
২৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনুল ফাদল ইবনে নাযীফ আল-ফাররা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট শ্রুতলিখন অনুযায়ী বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে খারূফ ইবনে কামিল আল-মাদিনী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে আলী ইবনে সাহল আল-মারওয়াযী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাফস ইবনে গিয়াস, আল-আ’মাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি কোনো অনুতপ্ত ব্যক্তির (চুক্তি বা লেনদেন) বাতিল করে দেয়, আল্লাহ তার পদস্খলন ক্ষমা করে দেবেন।»
(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
27 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّد إِسْمَاعِيلُ بْنُ عُمَرَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الْمُقْرِئُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَكَرِيَّا النَّيْسَابُورِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْعَلاءِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ جَعْفَرٍ الْكُوفِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَلَمَةُ بْنُ شَبِيبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، فِي قَوْلِهِ عز وجل: {إِنِّي أَرَى فِي الْمَنَامِ أَنِّي أَذْبَحُكَ} [الصافات: 102] .

قَالَ: أَخْبَرَنِي الْقَاسِمُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: اجْتَمَعَ أَبُو هُرَيْرَةَ وَكَعْبٌ، فَجَعَلَ أَبُو هُرَيْرَةَ يُحَدِّثُ كَعْبًا، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَجَعَلَ كَعْبٌ يُحَدِّثُ أَبَا هُرَيْرَةَ، عَنِ الْكُتُبِ، فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ‌‌ لِكُلِّ نَبِيٍّ دَعْوَةً مُسْتَجَابَةً، وَإِنِّي خَبَّأْتُ دَعْوَتِي شَفَاعَةً لأُمَّتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ» .

قَالَ لَهُ كَعْبٌ: أَنْتَ سَمِعْتَ هَذَا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ قَالَ: نَعَمْ.
২৭ - আবু মুহাম্মদ ইসমাঈল বিন উমর বিন ইসমাঈল আল-মুকরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেন: আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন জাকারিয়া আন-নাইসাবুরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল আলা মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন জাফর আল-কুফি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সালামাহ বিন শাবীব আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুর রাজ্জাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মা’মার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, যুহরী থেকে মহান আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে: {নিশ্চয় আমি স্বপ্নে দেখি যে, আমি তোমাকে জবেহ করছি} [আস-সাফফাত: ১০২]।

তিনি বলেন: কাসিম বিন মুহাম্মদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু হুরায়রা এবং কাব একত্রিত হলেন; তখন আবু হুরায়রা কাবকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদিস শোনাতে লাগলেন এবং কাব আবু হুরায়রাকে (পূর্ববর্তী) কিতাবসমূহ থেকে বর্ণনা শোনাতে লাগলেন। অতঃপর আবু হুরায়রা বললেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই প্রত্যেক নবীর জন্য একটি কবুলযোগ্য দুআ রয়েছে এবং আমি আমার দুআকে কিয়ামতের দিন আমার উম্মতের সুপারিশের জন্য সঞ্চয় করে রেখেছি।»

কাব তাকে বললেন: আপনি কি এটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ।
(খণ্ড: ১) আর-রাবিউ আশারা মিনাল খুলাইয়াত (পৃষ্ঠা: -)
28 - قَالَ كَعْبٌ: فِدَاكَ أَبِي وَأُمِّي أَفَلا أُخْبِرُكَ عَنْ‌‌ إِبْرَاهِيمَ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ لَمَّا أَرَى ذَبْحَ ابْنِهِ إِسْحَاقَ، قَالَ الشَّيْطَانُ: إِنْ لَمْ أَفْتِنْ هَؤُلاءِ عِنْدَ هَذِهِ لَمْ أَفْتِنْهُمْ أَبَدًا، فَخَرَجَ إِبْرَاهِيمُ بِابْنِهِ لِيَذْبَحَهُ فَذَهَبَ الشَّيْطَانُ فَدَخَلَ عَلَى سَارَّةَ، فَقَالَ: أَيْنَ يَذْهَبُ إِبْرَاهِيمُ بِابْنِهِ؟ قَالَتْ: غَدَا بِهِ لِبَعْضِ حَاجَتِهِ، قَالَ: فَإِنَّهُ لَمْ يَغْدُ بِهِ لِحَاجَةٍ إِنَّمَا ذَهَبَ بِهِ لِيَذْبَحَهُ، قَالَتْ: وَلِمَ يَذْبَحُهُ؟ قَالَ: يَزْعُمُ أَنَّ رَبَّهُ عز وجل أَمَرَهُ بِذَلِكَ، فَقَالَتْ: قَدْ أَحْسَنَ أَنْ يُطِيعَ رَبَّهُ، فَخَرَجَ الشَّيْطَانُ فِي إِثْرِهِمَا، فَقَالَ لِلْغُلامِ: أَيْنَ يَذْهَبُ بِكَ أَبُوكَ؟ فَقَالَ: لِبَعْضِ حَاجَتِهِ، قَالَ: فَإِنَّهُ لا يَذْهَبُ بِكَ لِحَاجَتِهِ وَلَكِنَّهُ يَذْهَبُ بِكَ لِيَذْبَحَكَ، قَالَ: وَلِمَ يَذْبَحُنِي؟ قَالَ: يَزْعُمُ أَنَّ رَبَّهُ عز وجل أَمَرَهُ بِذَلِكَ، قَالَ: فَوَاللَّهِ إِنْ كَانَ اللَّهُ أَمَرَهُ بِذَلِكَ لَيَفْعَلَنَّ، قَالَ: فَيَئِسَ مِنْهُ وَتَرَكَهُ، وَلَحِقَ بِإِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَيْنَ غَدَوْتَ بِابْنِكَ؟ قَالَ: لِحَاجَةٍ، قَالَ: فَإِنَّكَ لَمْ تَغْدُ بِهِ لِحَاجَةٍ، إِنَّمَا غَدَوْتَ بِهِ لِتَذْبَحَهُ، قَالَ: وَلِمَ أَذْبَحُهُ؟ قَالَ: تَزْعُمُ أَنَّ رَبَّكَ جَلَّ وَعَزَّ أَمَرَكَ بِذَلِكَ، قَالَ: فَوَاللَّهِ لَئِنْ كَانَ اللَّهُ عز وجل أَمَرَنِي بِذَلِكَ لأَفْعَلَنَّ، فَتَرَكَهُ وَيَئِسَ أَنْ يُطَاعَ، {فَلَمَّا أَسْلَمَا وَتَلَّهُ لِلْجَبِينِ {103} وَنَادَيْنَاهُ أَنْ يَا إِبْرَاهِيمُ {104} قَدْ صَدَّقْتَ الرُّؤْيَا إِنَّا كَذَلِكَ نَجْزِي الْمُحْسِنِينَ {105} } [الصافات: 103-105] قَالَ: وَأَوْحَى اللَّهُ عز وجل أَنِ ادْعُ فَإِنَّ لَكَ دَعْوَةً مُسْتَجَابَةً، قَالَ: فَقَالَ إِسْحَاقُ: اللَّهُمَّ إِنِّي أَدْعُوكَ أَنْ تَسْتَجِيبَ لِي، اللَّهُمَّ إِنِّي عَبْدٌ، أَيُّمَا عَبْدٍ مِنَ الأَوَّلِينَ وَالآخِرِينَ لَقِيَكَ لا يُشْرِكُ بِكَ شَيْئًا أَنْ تُدْخِلَهُ الْجَنَّةَ
28 - কাব বলেছেন: আমার পিতা ও মাতা আপনার প্রতি উৎসর্গিত হোক, আমি কি আপনাকে সংবাদ দেব না ইবরাহীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সম্পর্কে যে, যখন তাকে তার পুত্র ইসহাককে জবেহ করার স্বপ্ন দেখানো হলো, তখন শয়তান বলল: যদি আমি তাদেরকে এই মুহূর্তে বিভ্রান্ত করতে না পারি, তবে তাদের আর কখনোই বিভ্রান্ত করতে পারব না। এরপর ইবরাহীম তার পুত্রকে নিয়ে জবেহ করার জন্য বের হলেন। শয়তান গিয়ে সারাহ্‌র কাছে প্রবেশ করল এবং বলল: ইবরাহীম তার পুত্রকে নিয়ে কোথায় যাচ্ছেন? তিনি বললেন: সে তাকে তার কোনো এক প্রয়োজনে নিয়ে গেছে। শয়তান বলল: সে তাকে কোনো প্রয়োজনে নিয়ে যায়নি, বরং তাকে জবেহ করার জন্য নিয়ে গেছে। তিনি বললেন: সে কেন তাকে জবেহ করবে? শয়তান বলল: সে মনে করে যে, তার রব (মহা পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত) তাকে এর আদেশ দিয়েছেন। তিনি বললেন: সে যদি তার রবের আনুগত্য করে থাকে তবে তা তো উত্তম কাজ। অতঃপর শয়তান তাদের পিছু পিছু বের হলো এবং বালকটিকে বলল: তোমার পিতা তোমাকে নিয়ে কোথায় যাচ্ছেন? সে বলল: তার কোনো এক প্রয়োজনে। শয়তান বলল: তিনি তোমাকে কোনো প্রয়োজনে নিয়ে যাচ্ছেন না, বরং তোমাকে জবেহ করার জন্য নিয়ে যাচ্ছেন। বালকটি বলল: তিনি কেন আমাকে জবেহ করবেন? শয়তান বলল: তিনি মনে করেন যে, তার রব (মহা পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত) তাকে এর আদেশ দিয়েছেন। সে বলল: আল্লাহর কসম! যদি আল্লাহ তাকে এর আদেশ দিয়ে থাকেন, তবে তিনি অবশ্যই তা করবেন। রাবী বলেন: শয়তান তার থেকে নিরাশ হয়ে তাকে ছেড়ে দিল এবং ইবরাহীমের সাথে গিয়ে মিলিত হলো। সে বলল: আপনি আজ সকালে আপনার পুত্রকে নিয়ে কোথায় বের হয়েছেন? তিনি বললেন: কোনো এক প্রয়োজনে। শয়তান বলল: আপনি তাকে কোনো প্রয়োজনে নিয়ে বের হননি, বরং তাকে জবেহ করার জন্যই বের হয়েছেন। তিনি বললেন: আমি কেন তাকে জবেহ করব? শয়তান বলল: আপনি মনে করেন যে, আপনার প্রতিপালক (মহিমান্বিত ও পরাক্রমশালী) আপনাকে এর নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বললেন: আল্লাহর কসম! যদি আল্লাহ (মহা পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত) আমাকে এর নির্দেশ দিয়ে থাকেন, তবে আমি অবশ্যই তা পালন করব। তখন শয়তান তাকে ছেড়ে দিল এবং তাদের আনুগত্য বিচ্যুত করার ব্যাপারে নিরাশ হলো। {যখন তারা উভয়েই আত্মসমর্পণ করল এবং সে তাকে উপুড় করে শুইয়ে দিল {১০৩} তখন আমি তাকে সম্বোধন করে বললাম, হে ইবরাহীম! {১০৪} তুমি তো স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করেছ। এভাবেই আমি সৎকর্মশীলদের প্রতিদান দিয়ে থাকি। {১০৫}} [আস-সাফফাত: ১০৩-১০৫]। রাবী বলেন: আল্লাহ (মহা পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত) ওহী পাঠালেন যে, আপনি প্রার্থনা করুন, কেননা আপনার জন্য একটি কবুলযোগ্য দোয়া রয়েছে। তিনি বলেন: তখন ইসহাক বললেন: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি যেন আপনি আমার দোয়া কবুল করেন। হে আল্লাহ! আমি আপনার এক বান্দা, আদি ও অন্তের আপনার যে কোনো বান্দা আপনার সাথে এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ করবে যে সে আপনার সাথে কোনো কিছু শরিক করেনি, আপনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করান।