(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
الحادي عشر من الخلعيات (الخلعي)
القسم: كتب السنة
الكتاب: الحادي عشر من الخلعيات
المؤلف: علي بن الحسن بن الحسين بن محمد، أبو الحسن الخِلَعي الشافعيّ (ت 492هـ)
الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية
الطبعة: الأولى، 2004
[الكتاب مخطوط]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-খুলাইয়্যাত-এর একাদশ খণ্ড (আল-খুলাইয়ী)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আল-খুলাইয়্যাত-এর একাদশ খণ্ড
লেখক: আলী বিন হাসান বিন হুসাইন বিন মুহাম্মদ, আবু হাসান আল-খিলায়ী আশ-শাফিঈ (মৃত্যু: ৪৯২ হিজরি)
প্রকাশক: ইসলামি নেটওয়ার্ক (Islamweb) ওয়েবসাইটের অন্তর্গত ‘জাওয়ামি-উল কালিম’ নামক ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত একটি পাণ্ডুলিপি
সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪
[কিতাবটি একটি পাণ্ডুলিপি]
শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ্জ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
الْجُزْءُ الْحَادِي عَشَرَ مِنَ الْفَوَائِدِ الْمُنْتَقَاةِ الْحِسَانِ الصِّحَاحِ وَالْغَرَائِبِ.رِوَايَةُ الْقَاضِي أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الْحُسَيْنِ الْفَقِيهِ، أَدَامَ اللَّهُ عِزَّهُ تَخْرِيجُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الْحُسَيْنِ الشِّيرَازِيِّ، قُوبِلَ بِهِ الأَصْلُ فَوَافَقَ أَخْبَرَنَا الشَّرِيفُ الْقَاضِي الطَّاهِرُ نَقِيبُ النُّقَبَاءِ بِمِصْرَ أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ أَسْعَدَ الْحُسَيْنِيُّ الْمَالِكِيُّ النَّسَّابَةُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَهُوَ يَسْمَعُ وَيَنْظُرُ فِي أَصْلِهِ فَأَقَرَّ بِهِ بِالْجَامِعِ الْعَتِيقِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رِفَاعَةَ بْنِ غَدِيرٍ السَّعْدِيُّ، أَخْبَرَنِي الْقَاضِي أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ الْحُسَيْنِ الْخِلَعِيُّ الْفَقِيهُ الشَّافِعِيُّ رحمه الله، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ تَوَكَّلْ تُكْفَى
নির্বাচিত, সুন্দর, বিশুদ্ধ ও দুর্লভ বর্ণনাসমূহ সংবলিত ‘আল-ফাওয়ায়েদ’ গ্রন্থের একাদশ খণ্ড.ফকিহ কাজি আবুল হাসান আলি ইবনে হাসান ইবনে হুসাইন-এর বর্ণনা, আল্লাহ তাঁর মর্যাদা দীর্ঘস্থায়ী করুন। এটি আহমদ ইবনে হাসান ইবনে হুসাইন আশ-শিরাজির সংকলন (তাখরিজ); মূল পাণ্ডুলিপির সাথে এটি যাচাই করা হয়েছে এবং তা হুবহু মিলে গেছে। মিসরের বংশীয় প্রধানদের প্রধান, সম্মানিত পুণ্যবান কাজি আবু আলি মুহাম্মদ ইবনে আসআদ আল-হুসাইনি আল-মালিকি আল-নাসসাবাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তার নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং তিনি তা শ্রবণ করেছেন ও মূল পাণ্ডুলিপির দিকে দৃষ্টি রাখছিলেন, অতঃপর তিনি জামে আতিক মসজিদে এর স্বীকৃতি দিয়েছেন—তিনি বলেন: শায়খ আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে রিফায়াহ ইবনে গাদির আস-সাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ফকিহ শাফেয়ী কাজি আবুল হাসান আলি ইবনে হাসান ইবনে হুসাইন আল-খিলায়ি (রহিমাহুল্লাহ) আমার পাঠের মাধ্যমে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আল্লাহর ওপর ভরসা করুন, আপনার জন্য তিনিই যথেষ্ট।
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
1 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ النَّحَّاسِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادِ بْنِ بِشْرِ بْنِ دِرْهَمٍ الْبَصْرِيُّ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الأَعْرَابِيِّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِمَكَّةَ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْهَيْثَمُ بْنُ سَهْلٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ عُمَرُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي أَصَبْتُ مَالا بِخَيْبَرَ لَمْ أُصِبْ مَالا قَطُّ أَحَبَّ إِلَيَّ مِنْهُ، فَقَالَ لَهُ: «إِنْ شِئْتَ تَصَدَّقْتَ، وَإِنْ شِئْتَ أَمْسَكْتَ أَصْلَهُ» .قَالَ: فَتَصَدَّقَ بِهِ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَلَى الضُّعَفَاءِ وَالْمَسَاكِينِ، وَابْنِ السَّبِيلِ لا جُنَاحَ عَلَى مَنْ وَلِيَهَا أَنْ يَأْكُلَ أَوْ يُطْعِمَ صَدِيقًا غَيْرَ مُتَمَوِّلٍ مِنْهُ مَالا، أَوْ مُتَأَثِّلٍ مِنْهُ مَالا
১ - শায়খ আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ ইবনুন নাহহাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠকালে আমি তা শ্রবণ করছিলাম; তিনি বলেন: আবু সাঈদ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ ইবনে বিশর ইবনে দিরহাম আল-বসরী, যিনি ইবনুল আরাবী নামে প্রসিদ্ধ, তিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মক্কায় তাঁর নিকট পাঠকালে আমি তা শ্রবণ করছিলাম; তিনি বলেন: হাইসাম ইবনে সাহল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: হাম্মাদ ইবনে যায়েদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আইয়ুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাফি’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমি খায়বারে এমন কিছু সম্পদ লাভ করেছি যা অপেক্ষা প্রিয় কোনো সম্পদ আমি ইতিপূর্বে কখনো পাইনি। তখন তিনি তাঁকে বললেন: «তুমি চাইলে এর মূল অংশ (ওয়াকফ হিসেবে) রেখে তা সদকা করতে পারো, আর চাইলে তা নিজের কাছেও রাখতে পারো»।তিনি বলেন: অতঃপর উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) তা অভাবগ্রস্ত, নিস্ব ও মুসাফিরদের কল্যাণে সদকা করে দিলেন। যে ব্যক্তি এর তত্ত্বাবধান করবে তার জন্য বিধিসম্মতভাবে তা থেকে আহার করা কিংবা কোনো বন্ধুকে আহার করানোতে কোনো দোষ নেই, যদি সে এর মাধ্যমে সম্পদ পুঞ্জীভূত করতে না চায় বা এর দ্বারা সম্পদশালী হওয়ার ইচ্ছা না রাখে।
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
2 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الْبَزَّازُ الشَّاهِدُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادِ بْنِ بِشْرِ بْنِ الأَعْرَابِيِّ بِمَكَّةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْهَيْثَمُ بْنُ سَهْلٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ وَهْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها، قَالَتْ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «رَكْعَتَا الْفَجْرِ خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا»
২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সাঈদ আল-বাজ্জাজ আশ-শাহিদ, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মক্কায় আবু সাঈদ আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে যিয়াদ ইবনে বিশর ইবনুল আরাবি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হায়সাম ইবনে সাহল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়াহাব ইবনে ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ, তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়িশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: «ফজরের দুই রাকাত দুনিয়া এবং তার মধ্যে যা কিছু আছে তার চেয়েও উত্তম।»
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
3 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الْبَزَّازُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ كَامِلٍ أَبُو الْعَبَّاسِ الْحَضْرَمِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ بْنِ بَادِي الْعَلافُ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ الْحَكَمِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، قَالَ: حَدَّثَنِي ابْنُ زَحْرٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ يَزِيدَ، عَنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «تُعْرَضُ أَعْمَالُ بَنِي آدَمَ فِي كُلِّ يَوْمِ اثْنَيْنِ، وَفِي كُلِّ يَوْمِ خَمِيسٍ فَيَرْحَمُ الْمُتَرَحِّمِينَ، وَيَغْفِرُ لِلْمُسْتَغْفِرِينَ، ثُمَّ يَذَرُ أَهْلَ الْحِقْدِ بِحِقْدِهِمْ»
৩ - আবু মুহাম্মদ আব্দুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-বাজ্জাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল আব্বাস আল-হাদরামি মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে কামিল আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন যখন তাঁর নিকট (হাদিসটি) পাঠ করা হচ্ছিল, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব ইবনে বাদি আল-আল্লাফ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: সাঈদ ইবনুল হাকাম ইবনে আবি মারইয়াম আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবনে যাহর আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে ইয়াজিদ থেকে, তিনি কাসেম থেকে, তিনি আবু উমামাহ থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ থেকে এবং তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "আদম সন্তানের আমলসমূহ প্রতি সোমবার এবং প্রতি বৃহস্পতিবার পেশ করা হয়; অতঃপর তিনি (আল্লাহ) দয়া ভিক্ষাকারীদের প্রতি দয়া করেন এবং ক্ষমাপ্রার্থনাকারীদের ক্ষমা করেন, আর বিদ্বেষ পোষণকারীদের তাদের বিদ্বেষসহ বর্জন করেন।"
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
4 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ شُعَيْبُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْمِنْهَالِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ عُتْبَةَ الرَّازِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنْبَاعِ رَوْحُ بْنُ الْفَرَجِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقَطَّانُ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ خَالِدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ بَكْرِ بْنِ سَوَادَةَ، عَنْ زِيَادِ بْنِ نَافِعٍ، عَنْ أَبِي مُوسَى، أَنَّ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَهُمْ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، صَلَّى بِهِمْ صَلاةَ الْخَوْفِ يَوْمَ مُحَارِبٍ وَثَعْلَبَةَ لِكُلِّ طَائِفَةٍ رَكْعَةً وَسَجْدَتَيْنِ "
৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ শুআইব ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনুল মিনহাল, তাকে পড়ে শোনানো হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনুল হাসান ইবনে ইসহাক ইবনে উতবাহ আর-রাযী, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু যিনবা' রাওহ ইবনুল ফারাজ ইবনে আব্দুর রহমান আল-কাত্তান, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আমর ইবনে খালিদ, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবনে লাহীআহ, বাকর ইবনে সাওয়াদাহ থেকে, তিনি যিয়াদ ইবনে নাফে’ থেকে, তিনি আবু মূসা থেকে বর্ণনা করেন যে, জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ তাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুহারিব ও ছা’লাবাহর (যুদ্ধের) দিনে তাদের নিয়ে ‘সালাতুল খাউফ’ (ভীতির সালাত) আদায় করেছেন; প্রত্যেক দলের জন্য এক রাকাত ও দুই সিজদা করে।
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
5 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ شُعَيْبُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمِنْهَالِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ عُتْبَةَ الرَّازِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنْبَاعِ رَوْحُ بْنُ الْفَرَجِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقَطَّانُ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ خَالِدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ حُيَيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمَعَافِرِيِّ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَوْمَ بَدْرٍ فِي ثَلاثِ مِائَةٍ وَخَمْسَةَ عَشَرَ مِنَ الْمُقَاتِلَةِ كَمَا خَرَجَ طَالُوتُ فَدَعَا لَهُمْ حِينَ خَرَجَ: «اللَّهُمَّ إِنَّهُمْ حُفَاةٌ فَاحْمِلْهُمْ، اللَّهُمَّ إِنَّهُمْ عُرَاةٌ فَاكْسُهُمْ، اللَّهُمَّ إِنَّهُمْ جِيَاعٌ فَأَشْبِعْهُمْ» .فَفَتَحَ اللَّهُ لَهُمْ يَوْمَئِذٍ وَأَقْبَلُوا حِينَ أَقْبَلُوا وَمَا مَعَهُمْ رَجُلٌ إِلا وَهُوَ آخِذٌ بِرَأْسِ جَمَلٍ أَوْ جَمَلَيْنِ فَاكْتَسَوْا وَشَبِعُوا "
৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ শুআইব বিন আবদুল্লাহ বিন আল-মিনহাল, তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আল-হাসান বিন ইসহাক বিন উতবাহ আর-রাযী, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু যিনবা রুহ বিন আল-ফারজ বিন আব্দুর রহমান আল-কাত্তান, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আমর বিন খালিদ, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবনে লাহীআহ, হুয়াই বিন আবদুল্লাহ আল-মাআফিরী থেকে, তিনি আবু আব্দুর রহমান আল-হুবুলী থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বদরের দিন তিনশত পনেরো জন যোদ্ধা নিয়ে বের হলেন যেমন তালুত বের হয়েছিলেন। বের হওয়ার সময় তিনি তাদের জন্য এই বলে দোয়া করলেন: "হে আল্লাহ! তারা পদব্রজ, সুতরাং আপনি তাদের সওয়ারি দান করুন। হে আল্লাহ! তারা বস্ত্রহীন, সুতরাং আপনি তাদের বস্ত্র দান করুন। হে আল্লাহ! তারা ক্ষুধার্ত, সুতরাং আপনি তাদের তৃপ্ত করুন।"অতঃপর আল্লাহ সেদিন তাদের বিজয় দান করলেন এবং তারা যখন ফিরে আসলেন তখন তাদের প্রত্যেকের নিকট একটি বা দুটি উটের লাগাম ছিল। তারা বস্ত্র লাভ করলেন এবং পরিতৃপ্ত হলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
6 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ شُعَيْبُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمِنْهَالِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ عُتْبَةَ الرَّازِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنْبَاعِ رَوْحُ بْنُ الْفَرَجِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقَطَّانُ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ خَالِدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ حُيَيٍّ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيِّ، أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو، يَقُولُ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا عَمَلُ أَهْلِ الْجَنَّةِ؟ قَالَ: " الصِّدْقُ، وَإِذَا صَدَقَ الْعَبْدُ بَرَّ، وَإِذَا بَرَّ آمَنَ، وَإِذَا آمَنَ دَخَلَ الْجَنَّةَ، قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَا عَمَلُ أَهْلِ النَّارِ؟ قَالَ: «الْكَذِبُ، وَإِذَا كَذَبَ الْعَبْدُ فَجَرَ، وَإِذَا فَجَرَ كَفَرَ، وَإِذَا كَفَرَ دَخَلَ النَّارَ»
৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ শুআইব ইবনে আবদুল্লাহ ইবনুল মিনহাল, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্বাস আহমাদ ইবনুল হাসান ইবনে ইসহাক ইবনে উতবা আর-রাযী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুয যিনবা' রাওহ ইবনুল ফারাজ ইবনে আবদুর রহমান আল-কাত্তান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে খালিদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনে লাহীআহ, হুয়ায়্যি থেকে, তিনি আবু আবদুর রহমান আল-হুবুলী থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমরকে বলতে শুনেছেন যে: এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, জান্নাতবাসীদের আমল কী? তিনি বললেন: "সত্যবাদিতা। যখন কোনো বান্দা সত্য বলে তখন সে পুণ্যবান হয়, আর যখন সে পুণ্যবান হয় তখন সে ঈমান আনে, আর যখন সে ঈমান আনে তখন সে জান্নাতে প্রবেশ করে।" তিনি জিজ্ঞাসা করলেন: হে আল্লাহর রাসূল, জাহান্নামীদের আমল কী? তিনি বললেন: "মিথ্যাচার। যখন কোনো বান্দা মিথ্যা বলে তখন সে পাপাচার করে, আর যখন সে পাপাচার করে তখন সে কুফরী করে, আর যখন সে কুফরী করে তখন সে জাহান্নামে প্রবেশ করে।"
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
7 - حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَاجِّ بْنِ يَحْيَى الإِشْبِيلِيُّ الشَّاهِدُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ عُتْبَةَ الرَّازِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: حَدَّثَنَا مِقْدَامٌ، هُوَ ابْنُ دَاوُدَ بْنِ عِيسَى بْنِ تَلِيدٍ الرُّعَيْنِيُّ، الْفَقِيهُ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ؛ يَعْنِي: ابْنَ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُغِيرَةِ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ يُونُسَ بْنِ عُبَيْدٍ، عَنْ شُعَيْبِ بْنِ الْحَبْحَابِ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، «أَعْتَقَ صَفِيَّةَ، وَجَعَلَ عِتْقَهَا صَدَاقَهَا»
৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল হাজ্জ ইবনে ইয়াহইয়া আল-ইশবিলি আশ-শাহেদ, তাঁর নিকট পঠিত অবস্থায় আমি তা শ্রবণ করেছি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমাদ ইবনুল হাসান ইবনে ইসহাক ইবনে উতবা আর-রাজি, তাঁর নিকট পঠিত অবস্থায় আমি তা শ্রবণ করেছি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মিকদাম—তিনি হলেন ইবনে দাউদ ইবনে ঈসা ইবনে তালিদ আর-রুআইনি আল-ফকিহ—তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ; অর্থাৎ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল মুগিরা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফইয়ান, ইউনুস ইবনে উবাইদ থেকে, তিনি শুআইব ইবনুল হাবহাব থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাফিয়্যাহকে মুক্ত করেছেন এবং তাঁর মুক্তিদানকেই তাঁর মোহর হিসেবে নির্ধারণ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
8 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَاجِّ بْنِ يَحْيَى الإِشْبِيلِيُّ الشَّاهِدُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَكَرِيَّا النَّيْسَابُورِيُّ، إِمْلاءً، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَحْمَدُ بْنُ شُعَيْبِ بْنِ عَلِيٍّ النَّسَائِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمَّارُ بْنُ الْحَسَنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا زَافِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: لَمَّا احْتَلَمْتُ دَخَلْتُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرْتُهُ، فَقَالَ: «لا تَدْخُلْ عَلَى النِّسَاءِ» .فَمَا أَتَى عَلَيَّ يَوْمٌ أَشَدُّ مِنْهُ.
৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাজ্জ বিন ইয়াহইয়া আল-ইশবিলি আশ-শাহিদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন জাকারিয়া আন-নায়সাবুরি শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুর রহমান আহমদ বিন শুআইব বিন আলি আন-নাসাঈ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আম্মার বিন আল-হাসান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফির বিন সুলায়মান, মালিক বিন আনাস থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন সাঈদ থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন আমি সাবালক হলাম, তখন আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রবেশ করলাম এবং তাঁকে তা অবহিত করলাম। তিনি বললেন: "তুমি নারীদের নিকট প্রবেশ করো না।" অতঃপর আমার নিকট এর চেয়ে অধিক কঠিন কোনো দিন আর আসেনি।
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
9 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَاجِّ بْنِ يَحْيَى الشَّاهِدُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ مَرْوَانَ بْنِ يَحْيَى الْقَيْسَرَانِيُّ الْبَزَّارُ، إِمْلاءً، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ بْنِ الْحَجَّاجِ الأَنْطَاكِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ التَّرْجُمَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْجُمَحِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ نَسِيَ صَلاةً فَلَمْ يَذْكُرْهَا إِلا وَهُوَ خَلْفَ الإِمَامِ فَلْيُصَلِّ مَعَ الإِمَامِ، فَإِذَا فَرَغَ مِنْ صَلاتِهِ فَلْيُعِدِ الصَّلاةَ الَّتِي نَسِيَ، ثُمَّ يُعِدِ الصَّلاةَ الَّتِي صَلَّى مَعَ الإِمَامِ»
৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হাজ্জ বিন ইয়াহইয়া আশ-শাহিদ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আলী আল-হাসান বিন মারওয়ান বিন ইয়াহইয়া আল-কায়সারানি আল-বাজ্জার শ্রুতিলিপি প্রদানের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন ইদরিস বিন আল-হাজ্জাজ আল-আন্তাকি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইসমাইল বিন ইবরাহিম আত-তারজুমানি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন আব্দুর রহমান আল-জুমাহি, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি কোনো সালাত ভুলে গেল এবং ইমামের পেছনে থাকা অবস্থায় ছাড়া তা তার স্মরণে এল না, সে যেন ইমামের সাথেই সালাত আদায় করে নেয়। অতঃপর যখন সে তার সালাত সমাপ্ত করবে, তখন সে যেন ওই সালাতটি পুনরায় আদায় করে যা সে ভুলে গিয়েছিল, এরপর ইমামের সাথে আদায়কৃত সালাতটিও পুনরায় আদায় করে নেয়।»
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
10 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ نَظِيفٍ الْفَرَّاءُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْوَرْدِ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَثَمَانِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَمَّادِ بْنِ مُسْلِمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُكَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عَقِيلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بنِ الْمُسَيِّبِ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «بُعِثْتُ بِجَوَامِعِ الْكَلِمِ، وَنُصِرْتُ بِالرُّعْبِ، وَبَيْنَا أَنَا نَائِمٌ أُتِيتُ بِمَفَاتِيحِ خَزَائِنِ الأَرْضِ فَوُضِعَتْ فِي يَدِي» .قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: فَقَدْ ذَهَبَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَأَنْتُمْ تَنْتَثِلُونَهَا، قَالَ ابْنُ شِهَابٍ، وَجَوَامِعُ الْكَلِمِ فِيمَا بَلَغَنَا أَنَّ اللَّهَ عز وجل يُجْمَعُ لَهُ الأُمُورُ الْكَثِيرَةُ الَّتِي كَانَتْ تُكْتَبُ فِي الْكُتُبِ قَبْلَهُ فِي الأَمْرِ الْوَاحِدِ وَالأَمْرَيْنِ، أَوْ نَحْوَ ذَلِكَ
১০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-ফাদল বিন নাযীফ আল-ফাররা, তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন জাফর বিন মুহাম্মদ বিন আল-ওয়ারদ তিনশ চুরাশি হিজরি সনে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন হাম্মাদ বিন মুসলিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন আব্দুল্লাহ বিন বুকাইর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-লাইস, উকাইল থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়্যিব থেকে বর্ণনা করেন যে, আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «আমাকে জাওয়ামিউল কালিম (ব্যাপক অর্থবোধক সংক্ষিপ্ত বাণী) দিয়ে পাঠানো হয়েছে, ভীতি সঞ্চারের মাধ্যমে আমাকে সাহায্য করা হয়েছে এবং আমি যখন ঘুমন্ত ছিলাম তখন পৃথিবীর ধন-ভান্ডারের চাবিকাঠিগুলো আমার নিকট আনা হলো এবং তা আমার হাতে রাখা হলো।»আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তো চলে গিয়েছেন, আর তোমরা এখন সেগুলো ভোগ করছো। ইবনে শিহাব বলেন: জাওয়ামিউল কালিম সম্পর্কে আমাদের কাছে যা পৌঁছেছে তা হলো—আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তাঁর জন্য এমন অনেক বিষয়কে একটি বা দুইটি বাক্যে বা এই জাতীয় কিছুতে একত্রিত করে দেন, যা তাঁর পূর্ববর্তী কিতাবসমূহে লেখা হতো।
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
11 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ نَظِيفٍ الْفَرَّاءُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الْوَرْدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَمَّادِ بْنِ مُسْلِمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُكَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، عَنْ عَقِيلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهَا أَخْبَرَتْهُ، أَنَّ أُمَّ سُلَيْمٍ امْرَأَةَ أَبِي طَلْحَةَ، دَخَلَتْ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ اللَّهَ لا يَسْتَحْيِي مِنَ الْحَقِّ أَرَأَيْتَ الْمَرْأَةَ تَرَى فِي النَّوْمِ مَا يَرَى الرَّجُلُ أَتَغْتَسِلُ؟ قَالَ: «نَعَمْ» .قَالَتْ عَائِشَةُ فَقُلْتُ لَهَا: أُفٍّ لَكِ أَوَتَرَى الْمَرْأَةُ ذَلِكَ؟ فَالْتَفَتَ إِلَيْهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: «تَرِبَتْ يَمِينُكِ فَمِنْ أَيْنَ يَكُونُ الشَّبَهُ»
১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনুল ফজল ইবনে নাজিফ আল-ফাররা, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনুল ওয়ার্দ, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমাদ ইবনে হাম্মাদ ইবনে মুসলিম, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বুকাইর, তিনি বলেন: আমার কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন লাইস, আকীল থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উরওয়াহ ইবনুল জুবায়ের থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আবু তালহার স্ত্রী উম্মু সুলাইম রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট আসলেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসুল! নিশ্চয়ই আল্লাহ সত্য বিষয়ে লজ্জা বোধ করেন না। আপনি কি মনে করেন, নারী যদি স্বপ্নে তেমন কিছু দেখে যা পুরুষরা দেখে, তবে কি সে গোসল করবে? তিনি বললেন: "হ্যাঁ।"আয়েশা (রা.) বলেন, তখন আমি তাকে বললাম: ধিক তোমাকে! নারীরাও কি তা দেখে? তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার দিকে ফিরে তাকালেন এবং বললেন: "তোমার ডান হাত ধূলিমলিন হোক, তবে (সন্তানের মাঝে) সাদৃশ্য কোত্থেকে আসে?"
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
12 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ نَظِيفٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْوَرْدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَمَّادِ بْنِ مُسْلِمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُكَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، عَنْ عَقِيلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، إِذَا قَامَ إِلَى الصَّلاةِ يُكَبِّرُ حِينَ يَقُومُ، ثُمَّ يُكَبِّرُ حِينَ يَرْكَعُ، ثُمَّ يَقُولُ: «سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ» .حِينَ يَرْفَعُ صُلْبَهُ مِنَ الرَّكْعَةِ، ثُمَّ يَقُولُ وَهُوَ قَائِمٌ: «رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ» .ثُمَّ يُكَبِّرُ حِينَ يَهْوِي سَاجِدًا، ثُمَّ يُكَبِّرُ حِينَ يَرْفَعُ رَأْسَهُ، ثُمَّ يُكَبِّرُ حِينَ يَسْجُدُ، ثُمَّ يُكَبِّرُ حِينَ يَرْفَعُ رَأْسَهُ، يَفْعَلُ ذَلِكَ فِي الصَّلاةِ كُلِّهَا حَتَّى يَقْضِيَهَا، وَيُكَبِّرُ حِينَ يَقُومُ مِنَ الثَّنِيَّتَيْنِ بَعْدَ الْجُلُوسِ
১২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-ফাদল বিন নাজিফ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন জাফর বিন মুহাম্মদ বিন আল-ওয়ারদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন হাম্মাদ বিন মুসলিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন আব্দুল্লাহ বিন বুকাইর, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আল-লাইস, উকাইল থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর বিন আব্দুর রহমান বিন আল-হারিস, তিনি আবু হুরায়রাহ-কে বলতে শুনেছেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাতে দাঁড়াতেন, তখন দাঁড়ানোর সময় তাকবীর বলতেন, এরপর রুকু করার সময় তাকবীর বলতেন, এরপর বলতেন: "আল্লাহ তাঁর প্রশংসা শ্রবণ করেন যে তাঁর প্রশংসা করে",যখন তিনি রুকু থেকে তাঁর পিঠ সোজা করতেন, এরপর দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় বলতেন: "হে আমাদের রব, আপনার জন্যই সকল প্রশংসা"।এরপর তিনি সাজদাহয় অবনমিত হওয়ার সময় তাকবীর বলতেন, এরপর মাথা তোলার সময় তাকবীর বলতেন, এরপর পুনরায় সাজদাহ করার সময় তাকবীর বলতেন, এরপর মাথা তোলার সময় তাকবীর বলতেন। তিনি পুরো সালাতে এমনটিই করতেন যতক্ষণ না তা সম্পন্ন করতেন। আর দুই রাকাত শেষে বসার পর যখন (তৃতীয় রাকাতের জন্য) দাঁড়াতেন, তখনও তাকবীর বলতেন।
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
13 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ نَظِيفٍ الْفَرَّاءُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْوَرْدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَمَّادِ بْنِ مُسْلِمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُكَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، عَنْ عَقِيلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بَن عُمَرَ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، إِذَا قَامَ إِلَى الصَّلاةِ رَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى يَكُونَا حَذْوَ مَنْكِبَيْهِ، ثُمَّ كَبَّرَ، فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَرْكَعَ، فَعَلَ مِثْلَ ذَلِكَ، فَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ فَعَلَ مِثْلَ ذَلِكَ، فَلا يَفْعَلُهُ حِينَ يَرْفَعُ رَأْسَهُ مِنَ السُّجُودِ "
১৩ - আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-ফাদল বিন নাযীফ আল-ফাররা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন জাফর বিন মুহাম্মদ বিন আল-ওয়ারদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমদ বিন হাম্মাদ বিন মুসলিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া বিন আব্দুল্লাহ বিন বুকাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-লায়স আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, উকাইল থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সালিম বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর থেকে, নিশ্চয়ই আব্দুল্লাহ বিন উমর বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন নামাজের জন্য দাঁড়াতেন তখন তিনি তাঁর উভয় হাত কাঁধ বরাবর উঠাতেন, অতঃপর তাকবীর বলতেন। এরপর যখন তিনি রুকু করার ইচ্ছা করতেন তখনও অনুরূপ করতেন, আর যখন রুকু হতে মাথা উঠাতেন তখনও অনুরূপ করতেন। তবে সিজদাহ হতে মাথা উঠানোর সময় তিনি তা করতেন না।
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
14 - أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَفْصِ بْنِ الْخَلِيلِ الْمَالِينِيُّ الْهَرَوِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ التّركُ، قَالَ: حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ: قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «إِيَّاكُمْ وَالظَّنَّ فَإِنَّ الظَّنَّ أَكْذَبُ الْحَدِيثِ وَلا تَحَسَّسُوا وَلا تَجَسَّسُوا، وَلا تَنَافَسُوا، وَلا تَحَاسَدُوا، وَلا تَبَاغَضُوا، وَلا تَدَابَرُوا»
১৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হাফস ইবনুল খলীল আল-মালীনী আল-হারাবী, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইব্রাহীম ইবনে আবদাহ, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আত-তুর্ক, তিনি বলেন: আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমি মালিকের নিকট পাঠ করেছি, তিনি আবুয যিনাদ হতে, তিনি আল-আ'রাজ হতে, তিনি আবু হুরায়রা হতে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমরা অহেতুক ধারণা থেকে বেঁচে থাকো, কেননা অহেতুক ধারণা হচ্ছে সবচেয়ে বড় মিথ্যা কথা। আর তোমরা একে অপরের ছিদ্রান্বেষণ করো না, গোয়েন্দাগিরি করো না, একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করো না, একে অপরের প্রতি হিংসা করো না, একে অপরের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করো না এবং একে অপরের প্রতি পিঠ প্রদর্শন করো না (একে অপরের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করো না)।’»
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
15 - أَخْبَرَنَا الْخَصِيبُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْخَصِيبِ الْقَاضِي، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْخَصِيبِ، إِمْلاءً، قَالَ: أَخْبَرَنَا يُوسُفُ بْنُ يَعْقُوبَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مَرْزُوقٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا سُلَيْمُ بْنُ حَيَّانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «إِيَّاكُمْ وَالظَّنَّ فَإِنَّ الظَّنَّ أَكْذَبُ الْحَدِيثِ، وَلا تَجَسَّسُوا وَلا تَبَاغَضُوا، وَلا تَقَاطَعُوا، وَلا تَحَاسَدُوا وَلا تَدَابَرُوا وَكُونُوا عِبَادَ اللَّهِ إِخْوَانًا»
১৫ - আল-খাসিব ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল খাসিব আল-কাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল খাসিব শ্রুতলিপির মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমর ইবনে মারযুক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুলাইম ইবনে হাইয়ান তাঁর পিতার সূত্রে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবু হুরাইরা (রা.) থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: “তোমরা ধারণা করা থেকে বেঁচে থাকো, কেননা ধারণা হলো সবচেয়ে বড় মিথ্যা কথা। তোমরা একে অপরের গোপনীয়তা তালাশ করো না, একে অপরের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করো না, একে অপরের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করো না, একে অপরের প্রতি হিংসা করো না এবং একে অপরের থেকে বিমুখ হয়ো না। হে আল্লাহর বান্দারা! তোমরা পরস্পর ভাই ভাই হয়ে যাও।”
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
16 - أَخْبَرَنَا أَبُو سَعْدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَالِينِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ السَّلِيطِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الذُّهْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ: قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ، عَنْ سُمَيٍّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «لَوْ يَعْلَمُ النَّاسُ مَا فِي النِّدَاءِ، وَالصَّفِّ الأَوَّلِ، ثُمَّ لَمْ يَجِدُوا إِلا أَنْ يَسْتَهِمُوا عَلَيْهِ لاسْتَهَمُوا، وَلَوْ يَعْلَمُوا مَا فِي التَّهْجِيرِ لاسْتَبَقُوا إِلَيْهِ، وَلَوْ يَعْلَمُوا مَا فِي الْعَتَمَةِ وَالصُّبْحِ لأَتَوْهُمَا وَلَوْ حَبْوًا»
১৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সা'দ আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-মালিনি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইবরাহিম বিন আব্দুল্লাহ আস-সালিতি, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু ইসহাক ইবরাহিম বিন আলি বিন মুহাম্মদ আজ-জুহলি, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমি মালিকের নিকট পাঠ করেছি, তিনি সুমাই থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «মানুষ যদি জানত আযান এবং প্রথম কাতারে কী (মর্যাদা) রয়েছে, অতঃপর লটারি করা ছাড়া তাদের আর কোনো উপায় না থাকত, তবে তারা অবশ্যই তার জন্য লটারি করত। আর যদি তারা জানত আগেভাগে নামাজে আসার মাঝে কী (মর্যাদা) রয়েছে, তবে তারা এর জন্য একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করত। আর যদি তারা জানত এশা এবং ফজরের নামাজের মাঝে কী (মর্যাদা) রয়েছে, তবে তারা হামাগুড়ি দিয়ে হলেও এই দুই নামাজে উপস্থিত হতো।»
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
17 - أَخْبَرَنَا أَبُو سَعْدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمَالِينِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ الْجَوْزِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ الصَّفَّارُ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ: قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ الْخَوْلانِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مَنْ تَوَضَّأَ فَلْيَسْتَنْثِرْ، وَمَنِ اسْتَنْجَى فَلْيُوتِرْ»
১৭ - আবু সা’দ আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-মালিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াজিদ আল-জাওজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আলী ইবনে আল-হুসাইন আস-সাফফার আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি মালিকের নিকট পাঠ করেছি, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আবু ইদ্রিস আল-খাওলানি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি অজু করবে সে যেন নাক ঝেড়ে পরিষ্কার করে, আর যে ব্যক্তি ইস্তিঞ্জা করবে সে যেন তা বেজোড় সংখ্যায় সম্পন্ন করে।»
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
18 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَسَنُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ الْقَاسِمِ الْكِلَلِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ رَشِيقٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُزَيْقٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُصْعَبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَالِكٌ.ح، وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَسَنُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: وَأَخْبَرَنَا أَبُو عِيسَى عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْعَرُوضِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، يَعْنِي ابْنَ شُعَيْبِ بْنِ عَلِيٍّ النَّسَائِيَّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ مَالِكٍ.ح، وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَسَنُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: وَأَخْبَرَنَا أَبُو عِيسَى، قَالَ: وَأَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: وَأَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ الْخَوْلانِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مَنْ تَوَضَّأَ فَلْيَسْتَنْثِرْ، وَمَنِ اسْتَجْمَرَ فَلْيُوتِرْ»
১৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আল-হাসান ইবনে জাফর ইবনে আল-কাসিম আল-কিলালি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে রাশিখ, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে রুজাইক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু মুসআব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মালিক।হ, এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আল-হাসান ইবনে জাফর, তিনি বলেন: এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ঈসা আবদুর রহমান ইবনে ইসমাইল আল-আরুদি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ, অর্থাৎ ইবনে শুআইব ইবনে আলী আন-নাসায়ী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কুতাইবা ইবনে সাঈদ, মালিক থেকে।হ, এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আল-হাসান ইবনে জাফর, তিনি বলেন: এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ঈসা, তিনি বলেন: এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ, তিনি বলেন: এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসহাক ইবনে মানসুর, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান, মালিক থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আবু ইদ্রিস আল-খাওলানি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি ওযু করে সে যেন নাক ঝেড়ে পরিষ্কার করে, আর যে ব্যক্তি পাথর দ্বারা শৌচকার্য করে সে যেন বেজোড় সংখ্যা ব্যবহার করে»
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
19 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ النَّحَّاسِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الطَّاهِرِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو الْمَدِينِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى الصَّدَفِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَخْبَرَهُ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، خَرَجَ حِينَ زَاغَتِ الشَّمْسُ فَصَلَّى بِهِمْ صَلاةَ الظُّهْرِ، فَلَمَّا فَرَغَ قَامَ عَلَى الْمِنْبَرِ، فَذَكَرَ السَّاعَةَ، وَذَكَرَ أَنَّ قَبْلَهَا أُمُورًا عِظَامًا، ثُمَّ قَالَ: «مَنْ أَحَبَّ أَنْ يَسْأَلَنِي عَنْ شَيْءٍ فَلْيَسْأَلْنِي عَنْهُ فَوَاللَّهِ لا تَسْأَلُونِي عَنْ شَيْءٍ إِلا أَخْبَرْتُكُمْ بِهِ مَا دُمْتُ فِي مَقَامِي هَذَا» .قَالَ أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ: فَأَكْثَرَ النَّاسُ الْبُكَاءَ حِينَ سَمِعُوا ذَلِكَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَأَكْثَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ أَنْ يَقُولَ: «سَلُونِي» .فَقَامَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حُذَافَةَ، فَقَالَ: مَنْ أَبِي يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «أَبُوكَ حُذَافَةُ» .فَلَمَّا أَكْثَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ أَنْ يَقُولَ: «سَلُونِي» .بَرَكَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ عَلَى رُكْبَتَيْهِ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ: رَضِينَا بِاللَّهِ رَبًّا، وَبِالإِسْلامِ دِينًا، وَبِمُحَمَّدٍ رَسُولا، قَالَ: فَسَكَتَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حِينَ قَالَ عُمَرُ ذَلِكَ، ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ لَقَدْ عُرِضَتْ عَلَيَّ الْجَنَّةُ وَالنَّارُ آنِفًا فِي عُرْضِ هَذَا الْحَائِطِ فَلَمْ أَرَ كَالْيَوْمِ فِي الْخَيْرِ وَالشَّرِّ» .قَالَ ابْنُ شِهَابٍ: فَأَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، قَالَ: قَالَتْ أُمُّ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُذَافَةَ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُذافَةَ، مَا سَمِعْتُ بِابْنٍ قَطُّ أَعَقَّ مِنْكَ، آمَنْتَ أَنْ تَكُونَ أُمُّكَ قَدْ قَارَفَتْ بَعْضَ مَا كَانَ تُقَارِفُ نِسَاءُ أَهْلِ الْجَاهِلِيَّةِ، فَتَفْضَحُهَا عَلَى أَعْيُنِ النَّاسِ، قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حُذَافَةَ: وَاللَّهِ لَوْ أَلْحَقَنِي بِعَبْدٍ أَسْوَدَ لَلَحِقْتُهُ
১৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সাঈদ ইবনে আন-নাহহাস, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ত-তাহির আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আমর আল-মাদিনি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুসা ইউনুস ইবনে আবদিল আলা আস-সাদাফি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ, ইবনে শিহাব থেকে, আনাস ইবনে মালিক থেকে, তিনি তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য যখন পশ্চিমাকাশে ঢলে পড়ল তখন বের হলেন এবং তাদের নিয়ে যোহরের সালাত আদায় করলেন। যখন তিনি সালাত শেষ করলেন, তখন মিম্বরে দাঁড়ালেন এবং কিয়ামত সম্পর্কে আলোচনা করলেন। তিনি উল্লেখ করলেন যে, কিয়ামতের পূর্বে অনেক বড় বড় ঘটনা ঘটবে। অতঃপর তিনি বললেন: "যে ব্যক্তি আমাকে কোনো কিছু সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে পছন্দ করে, সে যেন আমাকে তা জিজ্ঞাসা করুক। আল্লাহর শপথ, আমি এই জায়গায় যতক্ষণ দাঁড়িয়ে আছি, তোমরা আমাকে যা কিছুই জিজ্ঞাসা করবে আমি তোমাদের সে সম্পর্কে সংবাদ দেব।"আনাস ইবনে মালিক বলেন: লোকেরা যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছ থেকে এটি শুনলেন, তখন তারা প্রচুর কান্নাকাটি করলেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারবার বলতে থাকলেন: "তোমরা আমাকে জিজ্ঞাসা করো।"তখন আবদুল্লাহ ইবনে হুজাফাহ দাঁড়িয়ে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমার পিতা কে? তিনি বললেন: "তোমার পিতা হুজাফাহ।"অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন বারবার বলতে থাকলেন: "তোমরা আমাকে জিজ্ঞাসা করো,"তখন উমর ইবনুল খাত্তাব দুই হাঁটুর ওপর ভর দিয়ে বসলেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আল্লাহকে রব হিসেবে, ইসলামকে দ্বীন হিসেবে এবং মুহাম্মাদকে রাসূল হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট হয়েছি। বর্ণনাকারী বলেন: উমর যখন এটি বললেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চুপ হলেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "সেই সত্তার শপথ যার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ, এইমাত্র এই দেয়ালের সামনে আমার কাছে জান্নাত ও জাহান্নাম পেশ করা হয়েছে। আজকের মতো কল্যাণ ও অকল্যাণ আমি আর কখনো দেখিনি।"ইবনে শিহাব বলেন: আমাকে উবাইদুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উতবাহ সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে হুজাফার মা আবদুল্লাহ ইবনে হুজাফাকে বললেন: আমি তোমার চেয়ে অধিক অবাধ্য সন্তান আর দেখিনি। তুমি কি এতে নির্ভয় হয়ে গিয়েছিলে যে, তোমার মা হয়তো জাহেলী যুগের নারীদের মতো কোনো গুনাহে লিপ্ত হতে পারতেন এবং তুমি মানুষের সামনে তাঁকে অপদস্থ করতে? আবদুল্লাহ ইবনে হুজাফা বললেন: আল্লাহর শপথ, তিনি যদি আমাকে একজন কালো দাসের সাথেও সম্পর্কিত করতেন, তবে আমি নিজেকে তার সাথেই যুক্ত করতাম।
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
20 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ النَّحَّاسِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو الْمَدِينِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى الصَّدَفِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، حَدَّثَهُ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «إِنَّ قَدْرَ حَوْضِي لِمَا بَيْنَ أَيْلَةَ وَصَنْعَاءَ مِنَ الْيَمَنِ، وَإِنَّ فِيهِ مِنَ الأَبَارِيقِ بِعَدَدِ نُجُومِ السَّمَاءِ»
২০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ ইবনুন নাহহাস, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আমর আল-মাদিনী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুসা ইউনুস ইবনে আবদিল আ’লা আস-সাফি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ, ইবনে শিহাব থেকে বর্ণিত যে, আনাস ইবনে মালিক তাকে হাদীস শুনিয়েছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “নিশ্চয়ই আমার হাউজের আয়তন হলো আয়লা এবং ইয়ামানের সানআর মধ্যবর্তী দূরত্বের সমান। আর তাতে আকাশের নক্ষত্ররাজির সমান সংখ্যক পানপাত্র রয়েছে।”
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
21 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُنِيرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُنِيرٍ الشَّاهِدُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِسْحَاقَ الْبَغْدَادِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَمْرٍو مِقْدَامُ بْنُ دَاوُدَ بْنِ عِيسَى بْنِ تَلِيدٍ الرُّعَيْنِيُّ، إِمْلاءً، قَالَ: حَدَّثَنَا أَسَدُ بْنُ مُوسَى، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّا بْنِ أَبِي زَائِدَةَ، قَالَ: حَدَّثَنِي إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، قَالَ: قَالَ عَمْرُو بْنُ الْعَاصِ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيُّ النَّاسِ أَحَبُّ إِلَيْكَ؟ قَالَ: «لِمَ؟» .قَالَ لأُحِبَّ مَنْ تُحِبُّ، قَالَ: «عَائِشَةُ» .قَالَ: " لَسْتُ أَسْأَلُكَ عَنِ النِّسَاءِ إِنَّمَا أَسْأَلُكَ عَنِ الرِّجَالِ، قَالَ: «أَبُوهَا» .أَوْ قَالَ: «أَبُو بَكْرٍ»
২১ - আবুল আব্বাস মুনীর ইবন আহমাদ ইবন হাসান ইবন আলী ইবন মুনীর আশ-শাহিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠ করার সময় এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আবুল হাসান আলী ইবন আহমাদ ইবন ইসহাক আল-বাগদাদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, তিনি বলেন: আবু আমর মিকদাম ইবন দাউদ ইবন ঈসা ইবন তালীদ আর-রুআইনী আমাদের নিকট শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আসাদ ইবন মূসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবন যাকারিয়া ইবন আবী যাইদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসমাঈল ইবন আবী খালিদ কাইস ইবন আবী হাযিম থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর ইবনুল আস বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, মানুষের মধ্যে আপনার নিকট সবচেয়ে প্রিয় কে? তিনি বললেন: «কেন?»।তিনি বললেন: যাতে আপনি যাকে ভালোবাসেন আমিও তাকে ভালোবাসতে পারি। তিনি বললেন: «আয়িশা»।তিনি বললেন: "আমি আপনাকে নারীদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছি না, আমি তো আপনাকে পুরুষদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছি।" তিনি বললেন: «তার পিতা»।অথবা তিনি বললেন: «আবু বকর»
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
22 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَاجِّ بْنِ يَحْيَى الإِشْبِيلِيُّ الشَّاهِدُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ الرَّمْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْفَضْلِ الْعَبَّاسُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ يُونُسَ الأَسْفَاطِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلالٍ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي عَتِيقٍ، عَنْ أَبِي يُونُسَ، مَوْلَى عَائِشَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ لَهَا: «يَا عَائِشَةُ هَذَا جِبْرِيلُ يُقْرِئُكَ السَّلامَ مِنْ رَبِّكَ» .قَالَتْ عَائِشَةُ: اللَّهُ السَّلامُ وَمِنْهُ السَّلامُ وَعَلَى جِبْرِيلَ السَّلامُ.
২২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হাজ্জ বিন ইয়াহইয়া আল-ইশবিলি আশ-শাহিদ, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ফজল মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হারিস আর-রামলি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ফজল আব্বাস বিন আল-ফজল বিন ইউনুস আল-আসফাতি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল বিন আবি উয়াইস, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলায়মান বিন বিলাল, আব্দুল আজিজ বিন আবি সালামাহ থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন আবি আতিক থেকে, তিনি আয়েশার মুক্তদাস আবু ইউনুস থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বলেছেন: «হে আয়েশা, এই যে জিবরীল, তিনি তোমার রবের পক্ষ থেকে তোমাকে সালাম দিচ্ছেন»।আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) বললেন: আল্লাহ-ই সালাম এবং তাঁর পক্ষ থেকেই সালাম আসে, আর জিবরীলের ওপর সালাম বর্ষিত হোক।
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
23 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُنِيرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُنِيرٍ الشَّاهِدُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِسْحَاقَ الْبَغْدَادِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَمْرٍو مِقْدَامُ بْنُ دَاوُدَ بْنِ عِيسَى بْنِ تَلِيدٍ الرُّعَيْنِيُّ، إِمْلاءً، قَالَ: حَدَّثَنَا أَسَدُ بْنُ مُوسَى، قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ أَبِي حَبِيبٍ، عَنِ ابْنِ يُخَامِرَ السَّكْسَكِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى أَبِي بَكْرٍ، فَإِنَّهُ يُحِبُّكَ، وَيُحِبُّ رَسُولَكَ، اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى عُمَرَ فَإِنَّهُ يُحِبُّكَ وَيُحِبُّ رَسُولَكَ، اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى عُثْمَانَ، فَإِنَّهُ يُحِبُّكَ وَيُحِبُّ رَسُولَكَ، اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى أَبِي عُبَيْدَةَ بْنِ الْجَرَّاحِ، فَإِنَّهُ يُحِبُّكَ وَيُحِبُّ رَسُولَكَ، اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، فَإِنَّهُ يُحِبُّكَ وَيُحِبُّ رَسُولَكَ»
২৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস মুনীর ইবনে আহমাদ ইবনুল হাসান ইবনে আলী ইবনে মুনীর আশ-শাহিদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান আলী ইবনে আহমাদ ইবনে ইসহাক আল-বাগদাদী, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আমর মিকদাম ইবনে দাউদ ইবনে ঈসা ইবনে তালীদ আর-রুয়াইনী, শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আসাদ ইবনে মূসা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-লাইস ইবনে সাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ ইবনে আবী হাবীব, ইবনে ইউখামির আস-সাকসাকী থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «হে আল্লাহ, আপনি আবু বকরের প্রতি রহমত বর্ষণ করুন, কেননা তিনি আপনাকে ভালোবাসেন এবং আপনার রাসূলকে ভালোবাসেন। হে আল্লাহ, আপনি উমরের প্রতি রহমত বর্ষণ করুন, কেননা তিনি আপনাকে ভালোবাসেন এবং আপনার রাসূলকে ভালোবাসেন। হে আল্লাহ, আপনি উসমানের প্রতি রহমত বর্ষণ করুন, কেননা তিনি আপনাকে ভালোবাসেন এবং আপনার রাসূলকে ভালোবাসেন। হে আল্লাহ, আপনি আবু উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ-এর প্রতি রহমত বর্ষণ করুন, কেননা তিনি আপনাকে ভালোবাসেন এবং আপনার রাসূলকে ভালোবাসেন। হে আল্লাহ, আপনি আমর ইবনুল আস-এর প্রতি রহমত বর্ষণ করুন, কেননা তিনি আপনাকে ভালোবাসেন এবং আপনার রাসূলকে ভালোবাসেন।»
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
24 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ شُعَيْبُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمِنْهَالِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ عُتْبَةَ الرَّازِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنْبَاعِ رَوْحُ بْنُ الْفَرَجِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقَطَّانُ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ خَالِدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رِجَالا أَتَوْا إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالُوا: إِنَّا أُنَاسٌ نَكُونُ بِالرَّمْلِ فَتُصِيبُنَا الْجَنَابَةُ، وَالْحَيْضُ، وَالنُّفَسَاءُ وَلا نَجِدُ الْمَاءَ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ أَوْ خَمْسَةً، فَقَالَ لَهُمُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «عَلَيْكُمْ بِالأَرْضِ»
২৪ - আবু আবদুল্লাহ শুআইব ইবনে আবদুল্লাহ ইবনুল মিনহাল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আবুল আব্বাস আহমদ ইবনুল হাসান ইবনে ইসহাক ইবনে উতবা আর-রাজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুয যিনবা’ রুহ ইবনুল ফারাজ ইবনে আবদুর রহমান আল-কাত্তান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর ইবনে খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে লাহিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে শুআইব থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, একদল লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন এবং বললেন: আমরা এমন লোক যারা বালুময় মরুভূমিতে বসবাস করি, এমতাবস্থায় আমাদের জানাবাত (অপবিত্রতা), হায়েজ (ঋতুস্রাব) এবং নিফাস (প্রসবোত্তর স্রাব) দেখা দেয় এবং আমরা চার বা পাঁচ মাস পর্যন্ত পানি পাই না। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বললেন: "তোমরা মাটি ব্যবহার করো।"
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
25 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ شُعَيْبُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمِنْهَالِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ عُتْبَةَ الرَّازِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنْبَاعِ رَوْحُ بْنُ الْفَرَجِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقَطَّانُ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ خَالِدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، أَتَتْهُ امْرَأَةٌ بِابْنٍ لَهَا فَقَالَتْ: إِنَّ ابْنِي كَانَ بَطْنِي لَهُ وِعَاءً وَثَدْيِي لَهُ سِقَاءً، وَحِجْرِي لَهُ حِوَاءً، وَإِنَّ أَبَاهُ زَعَمَ أَنَّهُ سَيَنْتَزِعُهُ مِنِّي، فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَنْتِ أَحَقُّ بِابْنِكِ مَا لَمْ تُنْكَحِي» .قَالَ: عَمْرٌو فَقَضَى أَبُو بَكْرٍ الصِّدِّيقُ رضي الله عنه بِهِ فِي عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ أُمَّهُ أَحَقُّ بِهِ مَا لَمْ تُنْكَحْ
২৫ - আবু আব্দুল্লাহ শুয়াইব বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-মিনহাল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল আব্বাস আহমদ বিন আল-হাসান বিন ইসহাক বিন উতবাহ আর-রাযী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আয-যিনবা' রওহ বিন আল-ফারাজ বিন আব্দুর রহমান আল-কাত্তান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর বিন খালিদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে লাহিয়াহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আমর বিন শুয়াইব থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এক নারী তার এক পুত্রকে নিয়ে আসলেন এবং বললেন: "নিশ্চয়ই আমার পেট ছিল তার আধার, আমার স্তন ছিল তার পানপাত্র এবং আমার কোল ছিল তার আশ্রয়স্থল। অথচ তার পিতা মনে করছে যে সে তাকে আমার কাছ থেকে কেড়ে নেবে।" তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন: "তুমিই তোমার সন্তানের ব্যাপারে অধিক হকদার, যতক্ষণ না তুমি বিবাহ করো।"আমর বলেন: অতঃপর আবু বকর সিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু আনহু আসিম বিন উমরের ক্ষেত্রে এই ফয়সালাই দিয়েছিলেন যে, তার মা-ই তার ব্যাপারে অধিক হকদার যতক্ষণ না তিনি বিবাহ করেন।
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
26 - وَبِإِسْنَادِهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُوَدِّعُ الرَّجُلَ إِذَا أَرَادَ السَّفَرَ فَيَقُولُ: «زَوَّدَكَ اللَّهُ بِالتَّقْوَى وَغَفَرَ لَكَ ذَنْبَكَ، وَوَجَهَّكَ فِي الْخَيْرِ، حَيْثُ تَوَجَّهْتَ»
২৬ - এবং তাঁর সনদে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো ব্যক্তি সফরের ইচ্ছা করলে তাকে বিদায় জানাতেন এবং বলতেন: “আল্লাহ আপনাকে তাকওয়ার পাথেয় দান করুন, আপনার পাপ ক্ষমা করুন এবং আপনি যেদিকেই অভিমুখ করেন না কেন আপনাকে কল্যাণের দিকে পরিচালিত করুন।”
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
27 - وَكَانَ يَقُولُ إِذَا رَأَى الْهِلالَ: «الْحَمْدُ للَّهِ الَّذِي خَلَقَكَ فَسَوَّاكَ»
২৭ - এবং তিনি যখন নতুন চাঁদ দেখতেন, তখন বলতেন: «সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং সুসামঞ্জস্যপূর্ণ করেছেন»
(খণ্ড: ১)
আল-হাদি আশারা মিনাল খুলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
28 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ نَظِيفٍ الْفَرَّاءُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْفَوَارِسِ أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ السِّنْدِيِّ الصَّابُونِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْنَا مِنْ لَفْظِهِ، إِمْلاءً، قَالَ: حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، قَالَ: قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أِبَي صَعْصَعَةَ الْمَازِنِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «لَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسِ أَوْسُقٍ مِنَ التَّمْرِ صَدَقَةٌ، وَلَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسَةِ أَوَاقٍ مِنَ الْوَرِقِ صَدَقَةٌ، وَلَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسَةِ ذَوْدٍ مِنَ الإِبِلِ صَدَقَةٌ»
২৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-ফাদল বিন নাজিফ আল-ফাররা, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ফাওয়ারিস আহমদ বিন আল-হুসাইন বিন আস-সিন্দি আস-সাবুনী, তাঁর নিজ উচ্চারণ থেকে আমাদের নিকট পাঠের মাধ্যমে, শ্রুতলিপি হিসেবে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস বিন আবদিল আ'লা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মালিক, আবদুর রহমান বিন আবি সা'সাআ আল-মাজিনী থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «পাঁচ ওয়াসাক-এর কম পরিমাণ খেজুরের উপর কোনো সদকা (যাকাত) নেই, পাঁচ আউকিয়া-র কম পরিমাণ রূপার উপর কোনো সদকা নেই এবং পাঁচটির কম উটের ক্ষেত্রে কোনো সদকা নেই।»