(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
الثالث من الخلعيات (الخلعي)
القسم: كتب السنة
الكتاب: الثالث من الخلعيات
المؤلف: علي بن الحسن بن الحسين بن محمد، أبو الحسن الخِلَعي الشافعيّ (ت 492هـ)
الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية
الطبعة: الأولى، 2004
[الكتاب مخطوط]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-খুলায়িয়্যাত-এর তৃতীয় খণ্ড (আল-খুলায়ি)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: আল-খুলায়িয়্যাত-এর তৃতীয় খণ্ড
লেখক: আলী বিন আল-হাসান বিন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ, আবু আল-হাসান আল-খুলায়ি আশ-শাফিয়ি (মৃত্যু ৪৯২ হিজরি)
প্রকাশক: পাণ্ডুলিপিটি ইসলাম ওয়েব সাইটের অন্তর্ভুক্ত ‘জাওয়ামিউল কালিম’ নামক ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে
সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪
[গ্রন্থটি একটি পাণ্ডুলিপি]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যুল-হিজ্জাহ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
الْجُزْءُ الثَّالِثُ مِنَ الْفَوَائِدِ الْمُنْتَقَاةِ الْحِسَانِ وَالْغَرَائِبِتَخْرِيجَ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الْحُسَيْنِ السَّوارِيِّ، رِوَايَةَ الْقَاضِي الْجَلِيلِ أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الْحُسَيْنِ الْفَقِيهِ الْخِلَعِيِّ.أَنَا الشَّرِيفُ الْقَاضِي الطَّاهِرُ، نَقِيبُ النُّقَبَاءِ بِمِصْرَ أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ أَسْعَدَ بْنِ عَلِيٍّ الْحُسَيْنِيُّ الْمَالِكِيُّ النَّسَّابَةُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ وَنَنْظُرُ فِي أَصْلِهِ فَأَقْرُبُهُ بِالْجَامِعِ الْعَتِيقِ، قَالَ: أَنَا الشَّيْخُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رِفَاعَةَ بْنِ غَدِيرٍ السَّعْدِيُّ فِي سَنَةِ ثَلَاثٍ وَأَرْبَعِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْحُسَيْنِ الْخِلَعِيُّ، رضي الله عنه.بسم الله الرحمن الرحيم
নির্বাচিত সুন্দর এবং দুর্লভ বিষয়াবলি সংবলিত ফাওয়ায়িদ-এর তৃতীয় খণ্ডআহমাদ বিন হাসান বিন হুসাইন আস-সাওয়ারী-এর সংকলন, মহান কাজী আবুল হাসান আলী বিন হাসান বিন হুসাইন আল-ফকিহ আল-খিলাঈ-এর বর্ণনা।আমাদের জানিয়েছেন পবিত্র শরীফ কাজী, মিসরের নকিবুন নুক্বাবা আবু আলী মুহাম্মাদ বিন আসআদ বিন আলী আল-হুসাইনী আল-মালিকি আন-নাসসাবাহ; তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, এমতাবস্থায় যে আমি শ্রবণ করছিলাম এবং আমরা তাঁর মূল পাণ্ডুলিপির দিকে লক্ষ্য করছিলাম, অতঃপর আমি তা জামে আতিক-এ পেশ করি। তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন শায়খ আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন রিফায়া বিন গদির আস-সাদী ৫৪৩ হিজরি সনে, তাঁর নিকট আমার পাঠ করার মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন শায়খ আবুল হুসাইন আল-খিলাঈ (রাযিয়াল্লাহু আনহু)।পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
1 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الشَّاهِدُ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ النَّحَّاسِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادِ بْنِ بِشْرِ بْنِ دِرْهَمٍ الْبَصْرِيُّ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الأَعْرَابِيِّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بمكة، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عُثْمَانَ سَعْدَانُ بْنُ نَصْرِ بْنِ مَنْصُورٍ الْمَخْرَمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ الْهِلَالِيُّ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، سَمِعَ سَهْلَ بْنَ سَعْدٍ السَّاعِدِيَّ، وَهُوَ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: وَقَعَ بَيْنَ الأَوْسِ وَالْخَزْرَجِ كَلَامٌ فَتَنَاوَلَ بَعْضُهُمْ بَعْضًا، فَأُتِيَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم، فَأُخْبِرَ، فَأَتَاهُمْ فَاحْتَبَسَ، فَأَذَّنَ بِلالُ، وَاحْتَبَسَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم، فَلَمَّا احْتَبَسَ أَقَامَ الصَّلاةَ، فَتَقَدَّمَ أَبُو بَكْرٍ يَؤُمُّ النَّاسَ، وَجَاءَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم، مِنْ مجيئه ذَلِكَ فَتَخَلَّلَ النَّاسَ حَتَّى انْتَهَى إِلَى الصَّفِّ الَّذِي يَلِي أَبَا بَكْرٍ، فَصَفَّقَ النَّاسُ فَكَانَ أَبُو بَكْرٍ لا يَلْتَفِتُ فِي الصَّلاةِ، فَلَمَّا سَمِعَ التَّصْفِيقَ الْتَفَتَ، فَإِذَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم، فَأَشَارَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ اثْبُتْ مَكَانَكَ فَرَفَعَ أَبُو بَكْرٍ رَأْسَهُ إِلَى السَّمَاءِ، وَنَكَصَ الْقَهْقَرِيَّ، وَتَقَدَّمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَصَلَّى بِهِمْ، فَلَمَّا قَضَى رَسُولُ اللَّهِ الصَّلاةَ، قَالَ: «مَا مَنَعَكَ أَنْ تَثْبُتَ؟» .قَالَ: مَا كَانَ اللَّهُ لِيَرَى ابْنَ أَبِي قُحَافَةَ بَيْنَ يَدَيْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ، وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَا لَكُمْ حِينَ نَابَكُمْ شَيْءٌ مِنْ صَلاتِكُمْ صَفَّقْتُمْ إِنَّمَا هَذَا لِلنِّسَاءِ، مَنْ نَابَهُ شَيْءٌ مِنْ صَلاتِهِ فَلْيَقُلْ سُبْحَانَ اللَّهِ»
১ - আবু মুহাম্মদ আব্দুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আশ-শাহিদ, যিনি ইবনুন নাহহাস নামে পরিচিত, তিনি আমাদের অবহিত করেছেন—তাঁর কাছে পাঠ করা হয়েছে আর আমি তা শুনছিলাম—তিনি বলেন: আবু সাঈদ আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ ইবনে বিশর ইবনে দিরহাম আল-বাসরি, যিনি ইবনুল আরাবি নামে পরিচিত, তিনি মক্কায় আমাদের অবহিত করেছেন—তাঁর কাছে পাঠ করা হয়েছে আর আমি তা শুনছিলাম—তিনি বলেন: আবু উসমান সা’দান ইবনে নাসর ইবনে মানসুর আল-মাখরামি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনা আল-হিলালি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাজিম থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অন্যতম সাহাবী সাহল ইবনে সা’দ আস-সা’ইদিকে বলতে শুনেছেন যে: আউস এবং খাযরাজ গোত্রের মধ্যে কিছু কথা কাটাকাটি হয়েছিল এবং তারা একে অপরের ওপর চড়াও হয়েছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ বিষয়ে জানানো হলে তিনি তাদের নিকট গেলেন এবং সেখানে আটকে গেলেন (তাঁর দেরি হলো)। এমতাবস্থায় বিলাল আযান দিলেন, আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখনও আটকে ছিলেন। যখন তাঁর দেরি হলো, তখন তিনি (বিলাল) সালাতের ইকামত দিলেন এবং আবু বকর মানুষের ইমামতি করার জন্য সামনে এগিয়ে গেলেন। ইতিমধ্যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফিরে আসলেন এবং কাতারগুলো চিরে আবু বকরের পরবর্তী কাতার পর্যন্ত পৌঁছে গেলেন। তখন মানুষ তালি বাজাতে লাগল, কিন্তু আবু বকর সালাতের মধ্যে এদিক-ওদিক তাকাতেন না। যখন তিনি তালি বাজানোর শব্দ শুনলেন, তখন তিনি লক্ষ্য করলেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখতে পেলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ইশারা করলেন যে, তুমি নিজ স্থানেই দাঁড়িয়ে থাকো। তখন আবু বকর আকাশের দিকে তাঁর মাথা তুললেন এবং উল্টো পায়ে পেছনে সরে আসলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সামনে এগিয়ে গিয়ে তাদের সালাত পড়ালেন। যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত শেষ করলেন, তিনি বললেন: "তোমাকে নিজ স্থানে দাঁড়িয়ে থাকতে কিসে বাধা দিল?"তিনি বললেন: "আল্লাহর জন্য এটা সমীচীন হতো না যে, তিনি ইবনে আবু কুহাফাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে (ইমাম হিসেবে) দেখবেন।" রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "তোমাদের কী হলো যে, যখন সালাতে কোনো বিষয়ের সম্মুখীন হও তখন তালি বাজাতে শুরু করো? এটি তো মহিলাদের জন্য। সালাতে যার কোনো বিষয়ের সম্মুখীন হতে হয়, সে যেন 'সুবহানাল্লাহ' বলে।"
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
2 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدٍ النَّحَّاسُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ الأَعْرَابِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عُثْمَانَ سَعْدَانُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «التَّسْبِيحُ فِي الصَّلاةِ لِلرِّجَالِ، وَالتَّصْفِيقُ لِلنِّسَاءِ»
২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মাদ আন-নাহহাস, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে যিয়াদ আল-আরাবি, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উসমান সা’দান ইবনে নাসর, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উইয়ায়নাহ, তিনি যুহরি থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «সালাতে তাসবীহ পাঠ করা পুরুষদের জন্য এবং হাততালি দেওয়া মহিলাদের জন্য।»
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
3 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الْبَزَّازُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ الأَعْرَابِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عُثْمَانَ سَعْدَانُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَ: كُنَّا نِسَاءً مِنَ الْمُؤْمِنَاتِ يُصَلِّينَ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صَلاةَ الصُّبْحِ مُتَلَفِّعَاتٍ بِمُرُوطِهِنَّ، ثُمَّ يَرْجِعْنَ إِلَى أَهْلِيهِنَّ، وَمَا يَعْرِفُهُنَّ أَحَدٌ "
৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-বাযযার, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ আল-আরাবী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান সা’দান ইবনে নাসর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ, যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "মুমিন নারীরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে চাদর জড়িয়ে ফজরের সালাত আদায় করতেন, অতঃপর তারা তাদের পরিবারের নিকট ফিরে যেতেন এবং কাউকেও চেনা যেতো না।"
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
4 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ النَّحَّاسِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَمْرٍو عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ السَّمَرْقَنْدِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ سَنَةَ ثَمَانٍ وَثَلاثِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الْمُؤْمِنِ أَحْمَدُ بْنُ شَيْبَانَ الرَّمْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ «كُنَّ نِسَاءُ الْمُؤْمِنَاتِ يُصَلِّينَ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، مُتَلَفِّعَاتٍ بِمُرُوطِهِنَّ، ثُمَّ يَرْجِعْنَ إِلَى أَهْلِيهِنَّ وَمَا يَعْرِفُهُنَّ أَحَدٌ مِنَ الْغَلَسِ»
৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনুন নাহহাস, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর উসমান ইবনে মুহাম্মদ আস-সামারকান্দি, ৩৩৮ হিজরি সনে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু আবদিল মুমিন আহমাদ ইবনে শায়বান আর-রামলি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উয়াইনাহ, যুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে: «মুমিন মহিলারা চাদর মুড়ি দিয়ে নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সালাত আদায় করতেন। এরপর তারা নিজ নিজ পরিবারের নিকট ফিরে যেতেন এবং ভোরের অন্ধকারের কারণে কেউ তাদের চিনতে পারত না।’»
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
5 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَاجِّ الإِشْبِيلِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عُبَيْدِ بْنِ أَحْمَدَ الصَّفَّارُ الْحِمْصِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِمِصْرَ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عِيسَى بْنِ الْمُنْذِرِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ وَاسْمُهُ الْحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلاةُ فَلا تَأْتُوهَا تَسْعَوْنَ، وَأْتُوهَا تَمْشُونَ، وَعَلَيْكُمُ السَّكِينَةُ، فَمَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا، وَمَا فَاتَكُمْ فَأَتِمُّوا»
৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল-হাজ্জ আল-ইশবিলী, তাঁর নিকট পাঠকালে আমি তা শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেন: আবু বকর ইবনে উবাইদ ইবনে আহমাদ আস-সাফফার আল-হিমসী মিশরে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠকালে আমি তা শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মূসা ইবনে ঈসা ইবনে আল-মুনযির, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আল-ইয়ামান এবং তাঁর নাম হলো আল-হাকাম ইবনে নাফি‘, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শু‘আইব, আয-যুহরী থেকে, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু সালামাহ, যে আবু হুরাইরা বলেছেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «যখন সালাতের ইকামত দেওয়া হয়, তখন তোমরা দৌড়ে সালাতে আসবে না, বরং হেঁটে আসবে এবং তোমাদের ওপর স্থিরতা ও গাম্ভীর্য বজায় রাখা আবশ্যক। অতঃপর তোমরা সালাতের যতটুকু অংশ পাও তা আদায় করো এবং যা তোমাদের থেকে ছুটে যায় তা পূর্ণ করো।»
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
6 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَاجِّ، قَالَ: حَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ زَكَرِيَّا النَّيْسَابُورِيُّ، إِمْلاءً، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الضَّحَّاكِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مَرْوَانَ يَعْنِي الْعُثْمَانِيَّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ ابْنِ الْمُسَيِّبِ، وَأَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلاةُ فَلا تَأْتُوهَا تَسْعَوْنَ وَأْتُوهَا تَمْشُونَ، وَعَلَيْكُمْ السَّكِينَةُ، فَمَا أَدْرَكَتُمْ فَصَلُّوا، وَمَا فَاتَكُمْ فَأَتِمُّوا»
৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাজ্জ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট এটি শ্রুতিলিখন হিসেবে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে জাকারিয়া আন-নিশাপুরী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আদ-দাহহাক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মারওয়ান অর্থাৎ আল-উসমানী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে সাদ, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি ইবনুল মুসায়্যিব ও আবু সালামা ইবনে আব্দুর রহমান থেকে, তারা আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যখন সালাত শুরু হয়, তখন তোমরা দৌড়ে তাতে উপস্থিত হয়ো না, বরং হেঁটে তাতে উপস্থিত হও। তোমাদের ওপর স্থিরতা ও ধীরতা বজায় রাখা আবশ্যক। অতঃপর সালাতের যতটুকু অংশ তোমরা পাও তা আদায় করো, আর যা তোমাদের থেকে ছুটে যায় তা পূর্ণ করো।»
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
7 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَاجِّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْفَضْلِ الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ نَصْرٍ الدِّمَشْقِيُّ، إِمْلاءً، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعْدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ الْحَمِيدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلاةُ، فَلا تَقُومُوا حَتَّى تَرَوْنِي»
৭ - আবুল আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হাজ্জ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল ফযল আব্বাস বিন মুহাম্মাদ বিন নাসর আদ-দিমাশকী আমাদের নিকট শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সা'দ বিন ইয়াহইয়া বিন ইয়াযীদ বিন আব্দুল হামীদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যুহাইর বিন হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মা'মার থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন আবী কাসীর থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আবী কাতাদাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «যখন সালাতের ইকামত দেওয়া হয়, তখন আমাকে না দেখা পর্যন্ত তোমরা দাঁড়াবে না।»
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
8 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَاجِّ الإِشْبِيلِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَاهُ أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ مَرْوَانَ بْنِ يَحْيَى الْقَيْسَرَانِيُّ الْبَزَّازُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، وَعَمْرُو بْنُ ثَوْرٍ، قَالا: حَدَّثَنَا الْفِرْيَابِيُّ وَاسْمُهُ مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلاةُ فَلا تَقُومُوا حَتَّى تَرَوْنِي»
8 - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হাজ্জ আল-ইশবিলি, তিনি বলেন: আমাদের এটি জানিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে মারওয়ান ইবনে ইয়াহইয়া আল-কায়সারানি আল-বাজ্জাজ, তাঁর নিকট পাঠ করা অবস্থায় এবং আমি শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইব্রাহিম ইবনে মুয়াবিয়া এবং আমর ইবনে সাওড়, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-ফিরইয়াবি—যাঁর নাম মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ—তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সুফিয়ান, মা’মার থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি কাতাদা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যখন সালাতের ইকামত প্রদান করা হবে, তখন তোমরা আমাকে না দেখা পর্যন্ত দাঁড়াবে না»।
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
9 - أَخْبَرَنَا أَبُو سَعْدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْمَالِينِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ الْحَنْبَلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: حَدَّثَنَا عَفَّانُ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ وَرْقَاءَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا أُقِيمتِ الصَّلاةُ فَلا صَلاةَ إِلا الْمَكْتُوبَةُ»
৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সা’দ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-মালিনী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন জাফর বিন হামদান বিন মালিক আল-হাম্বলী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন হাম্বল, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আফফান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু’বাহ, তিনি ওয়ারকা থেকে, তিনি আমর বিন দীনার থেকে, তিনি আতা বিন ইয়াসার থেকে, আর তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) বলেছেন: «যখন সালাতের ইকামত দেওয়া হয়, তখন ফরজ সালাত ব্যতীত অন্য কোনো সালাত নেই।»
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
10 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الْبَزَّازُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادِ بْنِ بِشْرٍ الأَعْرَابِيُّ بِمَكَّةَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عُثْمَانَ سَعْدَانُ بْنُ نَصْرِ بْنِ مَنْصُورٍ الْمَخْرَمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: «رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا افْتَتَحَ الصَّلاةَ، رَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى يُحَاذِيَ مَنْكِبَيْهِ، وَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَرْكَعَ، وَبَعْدَمَا يَرْفَعُ مِنَ الرُّكُوعِ فَلا يَرْفَعُ بَيْنَ السَّجْدَتَيْنِ»
১০ - আবু মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-বাজ্জায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠ করা অবস্থায় আমি শ্রবণ করছিলাম—তিনি বলেন: মক্কায় আবু সাঈদ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ ইবনে বিশর আল-আরাবী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু উসমান সা’দান ইবনে নাসর ইবনে মানসুর আল-মাখরামী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান ইবনে উয়াইনাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন যুহরী থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, যখন তিনি সালাত শুরু করতেন তখন তাঁর উভয় হাত কাঁধ বরাবর উঠাতেন; আর যখন রুকু করার ইচ্ছা করতেন এবং রুকু থেকে মাথা উঠানোর পর (হাত উঠাতেন); তবে দুই সিজদাহর মাঝখানে হাত উঠাতেন না।»
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
11 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ النَّحَّاسِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ الأَعْرَابِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعْدَانُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَدْرٍ شُجَاعُ بْنُ الْوَلِيدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَسْوَدِ، عَنْ أَبِيهِ، وَعَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُكَبِّرُ فِي كُلِّ رَفْعٍ وَوَضْعٍ، وَقِيَامٍ، وَقُعُودٍ، وَيُسَلِّمُ عَنْ يَمِينِهِ، وَعَنْ شِمَالِهِ، حَتَّى أَرَى بَيَاضَ خَدَّيْهِ كِلْتَيْهِمَا، وَرَأَيْتُ أَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ يَفْعَلانِ ذَلِكَ "
১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আন-নাহহাস, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ আল-আরাবী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সা’দান ইবনে নাসর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বদর শুজা ইবনুল ওয়ালিদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যুহাইর ইবনে মুয়াবিয়া, আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনুল আসওয়াদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা এবং আলকামা থেকে, তাঁরা আবদুল্লাহ (ইবনে মাসউদ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি তিনি (নামাযের) প্রতিটি উঠানামা, দাঁড়ানো এবং বসার সময় তাকবির বলতেন এবং তিনি তাঁর ডানে ও বামে সালাম ফিরাতেন, এমনকি আমি তাঁর উভয় গালের শুভ্রতা দেখতে পেতাম। আর আমি আবু বকর ও উমরকেও এরূপ করতে দেখেছি।"
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
12 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَاجِّ الإِشْبِيلِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ الرَّمْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْفَضْلِ الْعَبَّاسُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ يُونُسَ الأَسْفَاطِيُّ، بِمَكَّةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، قَالَ: حَدَّثَنَا زَائِدَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: " كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُسَلِّمُ عَنْ يَمِينِهِ، وَعَنْ شِمَالِهِ حَتَّى يُرَى بَيَاضُ وَجْهِهِ وَيَقُولُ: السَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ "
১২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হাজ্জ আল-ইশবিলি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফজল মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হারিস আর-রামলি, তিনি বলেন: মক্কায় আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ফজল আব্বাস বিন আল-ফজল বিন ইউনুস আল-আসফাতি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন ইউনুস, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যাইদাহ, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবু আল-আহওয়াস থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ডান দিকে এবং তাঁর বাম দিকে সালাম ফিরাতেন, এমনকি তাঁর চেহারার শুভ্রতা দেখা যেত এবং তিনি বলতেন: আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।"
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
13 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الْبَزَّازُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادِ بْنِ الأَعْرَابِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعْدَانُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي سُلَيْمَانَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَجْلانَ، عَنْ عَامِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سُلَيْمٍ الزُّرَقِيِّ، يَذْكُرُ أَبَا قَتَادَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «إِذَا دَخَلَ أَحَدُكُمُ الْمَسْجِدَ، فَلْيَرْكَعْ رَكْعَتَيْنِ قَبْلَ أَنْ يَجْلِسَ»
১৩ - আবু মুহাম্মদ আব্দুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-বাজ্জাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু সাঈদ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জিয়াদ ইবনুল আরাবী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: সাদান ইবনে নাসর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উসমান ইবনে আবি সুলাইমান এবং মুহাম্মদ ইবনে আজলান থেকে, তাঁরা আমির ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনুয যুবায়ের থেকে, তিনি আমর ইবনে সুলাইম আয-যুরাকী থেকে, যিনি আবু কাতাদা (রা.)-এর সূত্রে উল্লেখ করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমাদের কেউ যখন মসজিদে প্রবেশ করবে, সে যেন বসার পূর্বে দুই রাকাত সালাত আদায় করে নেয়।»
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
14 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَاجِّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ السَّقَطِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِالْبَصْرَةِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا عَفَّانُ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ زِيَادٍ، سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مَا يَخْشَى أَحَدُكُمْ إِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ قَبْلَ الإِمَامِ أَنْ يُحَوِّلَ اللَّهُ رَأْسَهُ رَأْسَ حِمَارٍ، أَوْ صُورَتَهُ صُورَةَ حِمَارٍ»
১৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবনুল হাজ্জ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবন জাফর ইবন হামদান আস-সাকাতী, বসরায় তাঁর নিকট পঠনকালে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-হাসান ইবনুল মুসান্না, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আফফান, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন শু’বাহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবন যিয়াদ, তিনি আবু হুরায়রা থেকে শুনেছেন, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: “তোমাদের কেউ কি এই ভয় পায় না যে, যখন সে ইমামের আগে তার মাথা উঠাবে, তখন আল্লাহ তার মাথাকে গাধার মাথায় রূপান্তরিত করে দেবেন, অথবা তার আকৃতিকে গাধার আকৃতিতে পরিবর্তিত করে দেবেন?”
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
15 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَاجِّ، قَالَ: أَخْبَرَنَاهُ أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ بْنِ شُعَيْبٍ الأَنْصَارِيُّ، بِدِمَشْقَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ الْعَلَّافُ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ عَدِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَعْمَرُ بْنُ سُفْيَانَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ حِبَّانَ، عَنْ مِسْعَرِ بْنِ كِدَامٍ.وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ، قَالَ: وَأَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ صَفْوَانَ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ أَبِي دُجَانَةَ الدِّمَشْقِيِّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِالرَّمْلَةِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ الْفَرَجِ الْغَزِّيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ عَدِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَعْمَرُ بْنُ سَهْلٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ حِبَّانَ، عَنْ مِسْعَرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَمَا يَخْشَى الَّذِي يَرْفَعُ رَأْسَهُ قَبْلَ الإِمَامِ أَنْ يُحَوِّلَ اللَّهُ رَأْسَهُ رَأْسَ حِمَارٍ»
১৫ - আবুল আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হাজ্জ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আলী মুহাম্মাদ বিন হারুন বিন শুআইব আল-আনসারী দামেস্কে আমাদের নিকট এটি পাঠ করে শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া বিন আইয়ুব আল-আল্লাফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইউসুফ বিন আদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মা'মার বিন সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যায়দ বিন হিব্বান থেকে, তিনি মিসআর বিন কিদাম থেকে।এবং আবুল আব্বাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: এবং ইবন আবি দুজানাহ আদ-দিমাশকী নামে পরিচিত আবু বকর আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন সাফওয়ান রামলায় আমাদের নিকট এটি পাঠ করেছেন আর আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আল-হাসান বিন আল-ফারাজ আল-গাযযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইউসুফ বিন আদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মা'মার বিন সাহল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যায়দ বিন হিব্বান থেকে, তিনি মিসআর থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন যিয়াদ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি ইমামের আগে মাথা তোলে, সে কি এ ভয় করে না যে, আল্লাহ তার মাথাকে গাধার মাথায় রূপান্তরিত করে দেবেন?»
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
16 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ النَّحَّاسُ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ دُرَّانَ بْنِ سُلَيْمَانَ الْبَغْدَادِيُّ غُنْدَرٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْفُرَاتِ الأَنْصَارِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا خُنَيْسُ بْنُ بَكْرِ بْنِ خُنَيْسٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ خُنَيْسٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم: «أَمَا يَخْشَى الَّذِي يَرْفَعُ رَأْسَهُ قَبْلَ الإِمَامِ أَنْ يُحَوِّلَ اللَّهُ رَأْسَهُ رَأْسَ حِمَارٍ»
১৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আন-নাহহাস, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে দুররান ইবনে সুলাইমান আল-বাগদাদী গুন্দার, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনুল ফুরাত আল-আনসারী, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন খুনাইস ইবনে বকর ইবনে খুনাইস, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন বকর ইবনে খুনাইস, তিনি মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি ইমামের আগে মাথা উঠায়, সে কি এই ভয় করে না যে আল্লাহ তার মাথাকে গাধার মাথায় রূপান্তরিত করে দেবেন?»
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
17 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الْبَزَّازُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَمْرٍو عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ هَارُونَ بْنِ وَرْدَانَ السَّمَرْقَنْدِيُّ، قَدِمَ مِصْرَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ سَنْةَ ثَمَانٍ وَثَلاثِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الْمُؤْمِنِ أَحْمَدُ بْنُ شَيْبَانَ الرَّمْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، سَمِعَ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، يَقُولُ: سَقَطَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مِنْ فَرَسٍ فَجُحِشَ شِقُّهُ الأَيْمَنُ، فَدَخَلْنَا نَعُودُهُ، فَصَلَّى بِنَا قَاعِدًا فَصَلَّيْنَا قُعُودًا، فَلَمَّا قَضَى الصَّلاةَ، قَالَ: إِنَّّمَا جُعِلَ الإِمَامُ لِيُؤْتَمَّ بِهِ، فَإِذَا كَبَّرَ فَكَبِّرُوا، وَإِذَا رَكَعَ فَارْكَعُوا، وَإِذَا قَالَ: سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ، قُولُوا: رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ، فَإِذَا سَجَدَ فَاسْجُدُوا، وَإِذَا صَلَّى قَاعِدًا فَصَلُّوا قُعُودًا أَجْمَعِينَ "
১৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-বাযযায, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর উসমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হারুন ইবনে ওয়ারদান আস-সামারকান্দি, তিনি মিসরে এসেছিলেন, তাঁর নিকট পাঠ করা অবস্থায় আমি ৩৩৮ হিজরি সালে তা শুনছিলাম, তিনি বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আব্দিল মুমিন আহমদ ইবনে শায়বান আর-রামলি, তিনি বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সুফিয়ান ইবনে উয়াইনাহ, যুহরি থেকে বর্ণিত, তিনি আনাস ইবনে মালিককে বলতে শুনেছেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোড়া থেকে পড়ে গেলেন এবং তাঁর শরীরের ডান দিক ছিলে গেল। আমরা তাঁকে দেখতে গেলাম, তখন তিনি আমাদের নিয়ে বসে সালাত আদায় করলেন এবং আমরাও তাঁর পেছনে বসে সালাত আদায় করলাম। যখন তিনি সালাত শেষ করলেন, তখন বললেন: "ইমাম তো নির্ধারণ করা হয়েছে কেবল তাঁকে অনুসরণ করার জন্য; সুতরাং তিনি যখন তাকবীর বলেন তখন তোমরাও তাকবীর বলবে, তিনি যখন রুকু করেন তখন তোমরাও রুকু করবে, আর যখন তিনি বলেন 'আল্লাহ সেই ব্যক্তির কথা শোনেন যে তাঁর প্রশংসা করে', তখন তোমরা বলবে 'হে আমাদের রব, সকল প্রশংসা আপনারই'। তিনি যখন সাজদাহ করেন তখন তোমরাও সাজদাহ করবে, আর তিনি যখন বসে সালাত আদায় করেন তখন তোমরা সকলেই বসে সালাত আদায় করবে।"
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
18 - أَخْبَرَنَاهُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الْبَزَّازُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو الْمَدِينِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى الصَّدَفِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَوْهَبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي يُونُسُ، وَمَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، وَاللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، أَنَّ ابْنَ شِهَابٍ أَخْبَرَهُمْ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، رَكِبَ فَرَسًا فَصُرِعَ عَنْهُ، فَجُحِشَ شِقُّهُ الأَيْمَنُ فَصَلَّى لَنَا صَلاةً مِنَ الصَّلَوَاتِ وَهُوَ جَالِسٌ، فَصَلَّيْنَا مَعَهُ جُلُوسًا، فَلَمَّا انْصَرَفَ، قَالَ: " إِنَّمَا جُعِلَ الإِمَامُ لِيُؤْتَمَّ بِهِ، فَلا تَخْتَلِفُوا عَلَيْهِ، فَإِذَا صَلَّى قَائِمًا فَصَلُّوا قِيَامًا، وَإِذَا كَبَّرَ فَكَبِّرُوا، وَإِذَا رَكَعَ فَارْكَعُوا، وَإِذَا رَفَعَ فَارْفَعُوا، وَإِذَا قَالَ: سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ، فَقُولُوا: رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ، وَإِذَا سَجَدَ فَاسْجُدُوا، وَإِذَا صَلَّى قَاعِدًا، فَصَلُّوا قُعُودًا أَجْمَعُونَ "
১৮ - আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-বাযযায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আমর আল-মাদিনী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু মুসা ইউনুস ইবনে আবদুল আলা আস-সাদাফি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবদুল্লাহ ইবনে মাওহাব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আমাকে ইউনুস, মালিক ইবনে আনাস এবং লাইস ইবনে সাদ সংবাদ দিয়েছেন যে, ইবনে শিহাব তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আমাকে আনাস ইবনে মালিক সংবাদ দিয়েছেন যে, আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) একটি ঘোড়ায় আরোহণ করেছিলেন এবং তা থেকে পড়ে গিয়েছিলেন, ফলে তাঁর শরীরের ডান পাশ জখমপ্রাপ্ত হয়েছিল। এরপর তিনি আমাদের নিয়ে কোনো এক সালাত আদায় করলেন এমতাবস্থায় যে তিনি বসা ছিলেন, ফলে আমরাও তাঁর সাথে বসে সালাত আদায় করলাম। সালাত শেষে তিনি বললেন: "ইমাম নির্ধারণ করা হয়েছে কেবল তাঁর অনুসরণের জন্য, সুতরাং তোমরা তাঁর সাথে ভিন্নমত পোষণ করো না। তিনি যখন দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করেন, তোমরাও দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করো; তিনি যখন তাকবীর বলেন, তোমরাও তাকবীর বলো; তিনি যখন রুকু করেন, তোমরাও রুকু করো; তিনি যখন রুকু থেকে মাথা উঠান, তোমরাও মাথা উঠাও; তিনি যখন বলেন: 'আল্লাহ ঐ ব্যক্তির কথা শোনেন যে তাঁর প্রশংসা করে', তখন তোমরা বলো: 'হে আমাদের প্রতিপালক, সকল প্রশংসা আপনারই জন্য'; তিনি যখন সাজদাহ করেন, তোমরাও সাজদাহ করো; আর তিনি যখন বসে সালাত আদায় করেন, তখন তোমরা সকলেই বসে সালাত আদায় করো।"
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
19 - أَخْبَرَنَا أَبُو سَعْدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْهَرَوِيُّ الْحَافِظُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ الْعَبَّاسِ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو يَحْيَى مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ....، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى الْفَرَّاءُ، قَالَ: حَدَّثَنَا عِيسَى هُوَ ابْنُ يُونُسَ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ هُوَ ابْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ شُبَيْلٍ، عَنْ أَبِي عَمْرٍو الشَّيْبَانِيِّ، قَالَ: قَالَ لِي زَيْدُ بْنُ أَرْقَمَ إِنْ كُنَّا لَنَتَكَلَّمُ فِي الصَّلاةِ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُكَلِّمُ أَحَدُنَا صَاحِبَهُ لِحَاجَتِهِ، حَتَّى نَزَلَتْ: حَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَالصَّلاةِ الْوُسْطَى وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ سورة البقرة آية 238 فَأُمِرْنَا بِالسُّكُوتِ "
১৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সা‘দ আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হারাবী আল-হাফিয, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে ইবরাহীম ইবনে ইসমাঈল ইবনুল আব্বাস, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়াহইয়া মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে... তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবরাহীম ইবনে মূসা আল-ফাররা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ঈসা—যিনি ইবনে ইউনুস, ইসমাঈল—যিনি ইবনে আবি খালিদ থেকে, তিনি আল-হারিস ইবনে শুবাইল থেকে, তিনি আবু আমর আশ-শায়বানী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যায়েদ ইবনে আরকাম আমাকে বলেছেন যে, "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে আমরা সালাতের মধ্যে কথা বলতাম; আমাদের কেউ তার প্রয়োজনে তার সাথীর সাথে কথা বলত, যতক্ষণ না নাযিল হলো: 'তোমরা সকল সালাতের প্রতি এবং বিশেষ করে মধ্যবর্তী সালাতের প্রতি যত্নবান হও এবং আল্লাহর সামনে বিনীতভাবে দাড়াও' (সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৩৮)। এরপর আমাদের নীরব থাকার নির্দেশ দেওয়া হলো।"
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
20 - أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْمَالِينِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الْمَالِكِيُّ الشَّاهِدُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الطَّاهِرِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو الْمَدِينِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «صَلاةُ الْجَمَاعَةِ أَفْضَلُ مِنْ صَلاةِ أَحَدِكُمْ وَحْدَهُ بِخَمْسَةٍ وَعِشْرِينَ جُزْءًا»
২০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-মালিনী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-মালিকি আশ-শাহিদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আমর আল-মাদিনী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইউনুস ইবনে আবদুল আলা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক ইবনে আনাস, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «জামাআতের সালাত তোমাদের কারো একাকী সালাত আদায়ের চেয়ে পঁচিশ গুণ বেশি উত্তম»
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
21 - قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ السَّرَّاجُ بِنَيْسَابُورَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ الْمُثَنَّى بْنِ مُعَاذِ بْنِ مُعَاذٍ الْعَنْبَرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَفَّانُ بْنُ مُسْلِمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا النَّضْرِ يُحَدِّثُ، عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم اتَّخَذَ حُجْرَةً فِي الْمَسْجِدِ مِنْ حَصِيرٍ فَصَلَّى فِيهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَيَالِيَ حَتَّى اجْتَمَعَ النَّاسُ، فَفَقَدُوا صَوْتَهُ فَظَنُّوا أَنَّهُ قَدْ نَامَ فَجَعَلُوا يَتَنَحْنَحُونَ، لِيَخْرُجَ فَلَمَّا أَصْبَحَ قَالَ: «مَا ذَاكُمُ الَّذِي رَأَيْتُ مِنْ صَنِيعِكُمْ حَتَّى خَشِيتُ أَنْ تُكْتَبَ عَلَيْكُمْ فَتَأَخَّرَ اللَّيْلُ، وَلَوْ كُتِبَ عَلَيْكُمْ مَا قُمْتُمْ بِهِ صَلُّوا أَيُّهَا النَّاسُ فِي بُيُوتِكُمْ فَإِنَّ أَفْضَلَ صَلاةِ الْمَرْءِ فِي بَيْتِهِ إِلا الْمَكْتُوبَةَ»
২১ - তিনি বলেন: নিসাপুরে আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনে ইসমাইল আস-সাররাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-হাসান ইবনুল মুসান্না ইবনে মুআয ইবনে মুআয আল-আনবারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আফফান ইবনে মুসলিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উহাইব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মূসা ইবনে উকবা থেকে, তিনি বলেন: আমি আবু নাযরকে বুসর ইবনে সাঈদ থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি জায়েদ ইবনে সাবিত (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মসজিদে চাটাই দিয়ে একটি কক্ষ তৈরি করেছিলেন। সেখানে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কয়েক রাত সালাত আদায় করেন, এক পর্যায়ে লোকজন জমায়েত হলো। এরপর তারা তাঁর কণ্ঠস্বর শুনতে না পেয়ে ধারণা করল যে তিনি ঘুমিয়ে পড়েছেন। তাই তারা গলা খাঁকারি দিতে লাগল যেন তিনি বেরিয়ে আসেন। যখন ভোর হলো তখন তিনি বললেন: "তোমাদের যা করতে দেখলাম তা (অব্যাহত ছিল), এমনকি আমি আশঙ্কা করলাম যে এটি তোমাদের ওপর ফরজ করে দেওয়া হবে। আর যদি তোমাদের ওপর তা ফরজ করা হতো, তবে তোমরা তা পালন করতে পারতে না। হে লোকসকল! তোমরা তোমাদের বাড়িতে সালাত আদায় করো। কারণ, ফরজ সালাত ব্যতীত মানুষের শ্রেষ্ঠ সালাত হলো তার বাড়িতে।"
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
22 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ النَّحَّاسِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادِ بْنِ الأَعْرَابِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الصَّبَّاحِ الزَّعْفَرَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ زَكَرِيَّا الْمَدَائِنِيُّ، عَنْ أَبِي الْفَيْضِ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ الأَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا نَافِعُ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَشْفَقَ مِنَ الْحَاجَةِ أَنْ يَنْسَاهَا جَعَلَ فِي يَدِهِ خَيْطًا لِيَذْكُرَهُ أَوْ لِيَذْكُرَهَا "
২২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান ইবন উমর ইবন মুহাম্মাদ ইবন আন-নাহহাস, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন যিয়াদ ইবন আল-আরাবি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান ইবন মুহাম্মাদ ইবন আস-সাব্বাহ আল-জাফরানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবন যাকারিয়া আল-মাদায়িনি, আবুল ফায়য সালিম ইবন আবদিল আলা থেকে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাফে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোনো প্রয়োজনে তা ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা করতেন, তখন তিনি নিজের হাতে একটি সুতা বেঁধে নিতেন যাতে তিনি তা স্মরণ করতে পারেন বা বিষয়টি তাঁর স্মরণে থাকে।
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
23 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ رُزَيْقٍ الْكُوفِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ الْجِرَابِ الْبَغْدَادِيُّ، إِمْلاءً، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ الْحَسَنِ الْحَرَمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ وَهُوَ الْفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، نا عَمْرُو بْنُ عَبْدِ اللَّهِ النَّخَعِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَمْرٍو الشَّيْبَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا صَاحِبُ هَذِهِ الدَّارِ، وَأَشَارَ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: سَأَلْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَيُّ الأَعْمَالِ أَفْضَلُ عِنْدَ اللَّهِ عز وجل؟ ، قَالَ: «الصَّلاةُ عَلَى مِيقَاتِهَا» .قُلْتُ: ثُمَّ أَيُّ؟ قَالَ: «بِرُّ الْوَالِدَيْنِ» ، قُلْتُ: ثُمَّ أَيُّ؟ قَالَ: «أَنْ يَسْلَمَ الْمُسْلِمُونَ مِنْ لِسَانِكَ»
২৩ - আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে রুজায়িক আল-কুফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসমাইল ইবনে ইয়াকুব ইবনে আল-জিরাব আল-বাগদাদি শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসহাক ইবনে আল-হাসান আল-হারামি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু নুআইম—যিনি আল-ফাদল ইবনে দুকাইন—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুআবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর ইবনে আব্দুল্লাহ আন-নাখায়ি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আমর আশ-শায়বানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: এই ঘরের অধিবাসী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—এবং তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদের দিকে ইঙ্গিত করলেন—তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করলাম, মহান ও মহিমান্বিত আল্লাহর নিকট কোন আমলটি সর্বাধিক উত্তম? তিনি বললেন: «সালাত তার নির্ধারিত সময়ে আদায় করা»।আমি বললাম: তারপর কোনটি? তিনি বললেন: «পিতা-মাতার প্রতি সদাচরণ», আমি বললাম: তারপর কোনটি? তিনি বললেন: «তোমার জিহ্বা থেকে মুসলিমদের নিরাপদ থাকা»।
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
24 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَاجِّ الإِشْبِيلِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ يَزِيدَ الْحَلَبِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِالرَّمْلَةِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ خُلَيْدٍ هُوَ ابْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ الْحَلَبِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُعَاوِيَةَ النَّيْسَابُورِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ بُكَيْرٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدِ بْنِ جُدْعَانَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: خَطَبَنَا رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: «يَا أَيُّهَا النَّاسُ تُوبُوا إِلَى اللَّهِ قَبْلَ أَنْ تَمُوتُوا، وَصِلُوا الَّذِي بَيْنَكُمْ وَبَيْنَ رَبِّكُمْ بِكَثْرَةِ الصَّوْمِ وَالصَّلاةِ تُؤْجَرُوا وَتُحْبَرُوا، وَتُرْزَقُوا، وَتُنْصَرُوا، وَاعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ عز وجل قَدِ افْتَرَضَ عَلَيْكُمُ الْجُمُعَةَ فِي يَوْمِي هَذَا، فِي شَهْرِي هَذَا فِي بَلَدِي هَذَا إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ، فَمَنْ تَرَكَهَا جُحُودًا بِهَا، وَاسْتِخْفَافًا بِحَقِّهَا فَلا جَمَعَ اللَّهُ لَهُ شَمْلَهُ، وَلا بَارَكَ لَهُ فِي أَمْرِهِ، أَلا وَلا جِهَادَ لَهُ، أَلا وَلا صَلاةَ لَهُ، أَلا وَلا بِرَّ لَهُ، أَلا وَلا حَجَّ لَهُ، أَلا وَلا تَؤُمَّنَّ امْرَأَةٌ رَجُلا، وَلا يَؤُمَّنَّ أَعْرَابِيٌّ مُهَاجِرًا، وَلا يَؤُمَّنَّ فَاجِر بَرًّا إِلا أَنْ يَقْهَرَهُ بِسَيْفِهِ» .قَالَ لَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ، قَالَ لَنَا أَبُو جَعْفَرٍ، قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ خُلَيْدٍ، قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ مُعَاوِيَةَ النَّيْسَابُورِيُّ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، وَحَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ بِهَذَا الْحَدِيثِ بِهَذَا الإِسْنَادِ
২৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হাজ্জ আল-ইশবিলি, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিচারক আবু জাফর আহমাদ বিন ইসহাক বিন ইয়াযিদ আল-হালাবি, রামলায় তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, তিনি বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমাদ বিন খুলইদ, যিনি আব্দুল্লাহ বিন ইয়াযিদ আল-হালাবির পুত্র, তিনি বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন মুয়াবিয়া আন-নাইসাপুরি, তিনি বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ওয়ালিদ বিন বুকাইর, আলি বিন যায়িদ বিন জুদআন থেকে, সাঈদ বিন আল-মুসায়্যিব থেকে, জাবির বিন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন, তিনি বললেন: «হে লোকসকল! তোমরা মৃত্যুর পূর্বে আল্লাহর নিকট তাওবা করো। আর অধিক রোজা ও সালাত আদায়ের মাধ্যমে তোমাদের ও তোমাদের রবের মধ্যবর্তী সম্পর্ক দৃঢ় করো, তাহলে তোমরা সওয়াব পাবে, আনন্দিত হবে, রিযিকপ্রাপ্ত হবে এবং সাহায্যপ্রাপ্ত হবে। জেনে রেখো, আল্লাহ আয্যা ওয়া জাল্লা তোমাদের উপর জুমুআহ ফরয করেছেন—আমার এই দিনে, এই মাসে এবং এই শহরে কিয়ামত পর্যন্ত। সুতরাং যে ব্যক্তি তা অস্বীকার করে বা এর গুরুত্বকে তুচ্ছ জ্ঞান করে তা ত্যাগ করবে, আল্লাহ যেন তার বিষয়াদি সুসংহত না করেন এবং তার কাজে বরকত না দেন। জেনে রেখো, তার কোনো জিহাদ নেই, তার কোনো সালাত নেই, তার কোনো নেকি নেই এবং তার কোনো হজ্জ নেই। সাবধান! কোনো নারী যেন কোনো পুরুষের ইমামতি না করে, কোনো গ্রাম্য মরুবাসী যেন কোনো হিজরতকারীর ইমামতি না করে এবং কোনো পাপাচারী যেন কোনো পুণ্যবানের ইমামতি না করে, তবে (শাসক হিসেবে) যদি সে তাকে তরবারির মাধ্যমে বাধ্য করে (তবে ভিন্ন কথা)।’ আবুল আব্বাস আমাদের বলেছেন, আবু জাফর আমাদের বলেছেন, আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ বিন খুলইদ বলেছেন, মুহাম্মাদ বিন মুয়াবিয়া আন-নাইসাপুরি বলেছেন: আব্দুল্লাহ বিন আল-মুবারক এবং হাফস বিন গিয়াস আমাকে এই সূত্রে এই হাদীসটি শুনিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
25 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَاجِّ الْمُعَدِّلُ، قَالَ: أَخْبَرَنَاهُ أَبُو الْقَاسِمِ بُكَيْرُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلَمَةَ الرَّازِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ يَزِيدَ هُوَ أَبُو يَزِيدَ الْقَرَاطِيسِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَسَدُ بْنُ مُوسَى، قَالَ: حَدَّثَنَا فُضَيْلُ بْنُ مَرْزُوقٍ، عَن الْوَلِيدِ بْنِ بُكَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْعَدَوِيِّ الْبَصْرِيِّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ عَلَى مِنْبَرِهِ: «أَيُّهَا النَّاسُ تُوبُوا إِلَى اللَّهِ قَبْلَ أَنْ تَمُوتُوا، وَبَادِرُوا بِالأَعْمَالِ الصَّالِحَةِ، وَصِلُوا الَّذِي بَيْنَكُمْ وَبَيْنَ رَبِّكُمْ بِكَثْرَةِ ذِكْرِكُمْ لَهُ وَبِكَثْرَةِ الصَّدَقَةِ فِي السِّرِّ وَالْعَلانِيَةِ تُؤْجَرُوا، وَتُنْصَرُوا، وَتُرْزَقُوا، وَاعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ افْتَرَضَ عَلَيْكُمُ الْجُمُعَةَ فَرِيضَةً مَكْتُوبَةً فِي مَقَامِي هَذَا فِي يَوْمِي هَذَا فِي شَهْرِي هَذَا فِي عَامِي هَذَا إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ عَلَى مَنْ وَجَدَ إِلَيْهَا سَبِيلا، فَمَنْ تَرَكَهَا فِي حَيَاتِي وَبَعْدِي جُحُودًا بِهَا، وَاسْتِخْفَافًا بِهَا وَلَهُ إِمَامٌ جَائِرٌ، أَوْ عَادِلٌ فَلا جَمَعَ اللَّهُ لَهُ شَمْلَهُ وَلا بَارَكَ لَهُ فِي أَمْرِهِ أَلا وَلا صَلاةَ لَهُ، أَلا وَلا حَجَّ لَهُ، أَلا وَلا صَوْمَ لَهُ، أَلا وَلا زَكَاةَ لَهُ، أَلا وَلا ذِكْرَ لَهُ، أَلا وَلا بِرَّ لَهُ، حَتَّى يَتُوبَ فَمَنْ تَابَ تَابَ اللَّهُ عَلَيْهِ، أَلا وَلا تَؤُمَّنَّ امْرَأَةٌ رَجُلا، أَلا وَلا يَؤُمَّنَّ أَعْرَابِيٌّ مُهَاجِرًا، أَلا وَلا يَؤُمَّنَّ فَاجِرٌ مُؤْمِنًا إِلا سُلْطَانٌ»
২৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাজ্জ আল-মুয়াদ্দিল, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম বুকাইর ইবনে হাসান ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে সালামাহ আর-রাজি, তার নিকট পাঠকালে আমি শ্রবণরত ছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইউসুফ ইবনে ইয়াজিদ, তিনি হলেন আবু ইয়াজিদ আল-কারাতিসি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আসাদ ইবনে মুসা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ফুদাইল ইবনে মারজুক, ওয়ালিদ ইবনে বুকাইর থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-আদাভি আল-বসরি থেকে, তিনি আলি ইবনে জায়েদ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব থেকে, তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তাঁর মিম্বরের ওপর দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছি: «হে লোকসকল! তোমরা মৃত্যুর পূর্বে আল্লাহর কাছে তওবা করো, এবং নেক আমলের দিকে দ্রুত অগ্রসর হও। তোমাদের ও তোমাদের রবের মধ্যকার সম্পর্ককে দৃঢ় করো অধিক হারে তাঁকে স্মরণ করার মাধ্যমে এবং গোপনে ও প্রকাশ্যে অধিক সদকা প্রদানের মাধ্যমে; তবেই তোমরা পুরস্কৃত হবে, সাহায্যপ্রাপ্ত হবে এবং তোমাদের রিজিক প্রদান করা হবে। জেনে রেখো, আল্লাহ তোমাদের ওপর জুমাকে আমার এই স্থানে, আমার এই দিনে, আমার এই মাসে, আমার এই বছরে, কিয়ামত পর্যন্ত—যে ব্যক্তি জুমা পর্যন্ত পৌঁছানোর সামর্থ্য রাখে তার ওপর একটি অকাট্য ফরজ বিধান হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। সুতরাং যে ব্যক্তি আমার জীবনে কিংবা আমার পরে একে অস্বীকার করে কিংবা তুচ্ছ জ্ঞান করে এটি বর্জন করবে, এমতাবস্থায় যে তার একজন শাসক বিদ্যমান রয়েছে—সে জালেম হোক বা ন্যায়পরায়ণ—আল্লাহ যেন তার উদ্দেশ্য সফল না করেন এবং তার কাজে বরকত না দেন। সাবধান! তার কোনো নামাজ নেই, সাবধান! তার কোনো হজ নেই, সাবধান! তার কোনো রোজা নেই, সাবধান! তার কোনো জাকাত নেই, সাবধান! তার কোনো জিকির নেই, সাবধান! তার কোনো পুণ্য নেই, যতক্ষণ না সে তওবা করে। তবে যে ব্যক্তি তওবা করবে, আল্লাহ তার তওবা কবুল করবেন। সাবধান! কোনো নারী যেন কোনো পুরুষের ইমামতি না করে, কোনো গ্রাম্য বেদুইন যেন কোনো মুহাজিরের ইমামতি না করে এবং কোনো পাপাচারী যেন কোনো মুমিনের ইমামতি না করে, তবে সুলতান (কর্তৃত্বশীল শাসক) হলে ভিন্ন কথা।»
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
26 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدِ الْبَزَّازُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الطَّاهِرِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو الْمَدِينِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ أُسَيْدِ بْنِ أَبِي أُسَيْدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مَنْ تَرَكَ الْجُمُعَةَ ثَلاثًا مِنْ غَيْرِ ضَرُورَةٍ طَبَعَ اللَّهُ عَلَى قَلْبِهِ»
২৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুর রহমান ইবন উমর ইবন মুহাম্মাদ ইবন সাঈদ আল-বায্যায, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুুত তাহির আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আমর আল-মাদিনী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু মূসা ইউনুস ইবন আব্দুল আ’লা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবন ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনু আবি যিব, তিনি উসাইদ ইবন আবি উসাইদ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবন আবি কাতাদাহ থেকে, তিনি জাবির ইবন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি কোনো অপরিহার্য প্রয়োজন ছাড়াই তিন জুমুআ বর্জন করে, আল্লাহ তার অন্তরে মোহর মেরে দেন।»
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
27 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْبَزَّازُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الطَّاهِرِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو الْمَدِينِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى الصَّدَقِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي مَالِكٌ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «نَحْنُ الآخِرُونَ الأَوَّلُونَ السَّابِقُونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ بَيْدَ أَنَّهُمْ أُوتُوا الْكِتَابَ مِنْ قَبْلِنَا وَأُوتِينَا مِنْ بَعْدِهِمْ، هَذَا يَوْمُهُمُ الَّذِي فُرِضَ عَلَيْهِمْ فَهَدَانَا اللَّهُ لَهُ فَالنَّاسُ لَنَا فِيهِ تَبَعٌ فَالْيَهُودُ غَدًا، وَالنَّصَارَى بَعْدَ غَدٍ»
২৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ আল-বাযযায, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু তাহির আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আমর আল-মাদিনী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবনে আবদিল আলা আস-সাদাকী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মালিক, তিনি আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আ’রাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «আমরা (দুনিয়াতে আগমনের দিক থেকে) সর্বশেষ কিন্তু কিয়ামতের দিন অগ্রগামী প্রথম দল। তবে পার্থক্য হলো, তাদেরকে আমাদের পূর্বে কিতাব দেওয়া হয়েছিল আর আমাদের কিতাব দেওয়া হয়েছে তাদের পরে। এটিই সেই দিন (জুমুআহ) যা তাদের ওপর নির্ধারিত করা হয়েছিল কিন্তু আল্লাহ আমাদের এ দিনের জন্য সঠিক পথ প্রদর্শন করেছেন। ফলে মানুষ এ ক্ষেত্রে আমাদের অনুগামী; ইহুদিরা আগামীকাল এবং নাসারারা আগামীকালের পরের দিন।’»
(খণ্ড: ১)
আস-সালিস মিনাল খিলাইয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
28 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَمْرِو بْنِ مُحَمَّدٍ الْبَزَّازُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادِ بْنِ الأَعْرَابِيِّ بِمَكَّةَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عُثْمَانَ سَعْدَانُ بْنُ نَصْرِ بْنِ مَنْصُورٍ الْمَخْرَمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «إِذَا كَانَ يَوْمُ الْجُمُعَةِ كَانَ عَلَى كُلِّ بَابٍ مِنْ أَبْوَابِ الْمَسْجِدِ مَلائِكَةٌ يَكْتُبُونَ النَّاسَ الأَوَّلَ فَالأَوَّلَ، فَالْمُهَجِّرُ إِلَى الصَّلاةِ كَالْمُهْدِي بَدَنَةً، ثُمَّ الَّذِي يَلِيهِ كَالْمُهْدِي بَقَرَةً، ثُمَّ الَّذِي يَلِيهِ كَالْمُهْدِي كَبْشًا حَتَّى ذَكَرَ الدَّجَاجَةَ وَالْبَيْضَةَ، فَإِذَا جَلَسَ الإِمَامُ طَوَوْا الصُّحُفَ وَجَلَسُوا لِلْخُطْبَةِ»
২৮ - আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান বিন আমর বিন মুহাম্মদ আল-বাজ্জায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু সাঈদ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন যিয়াদ ইবনুল আরাবি মক্কায় আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি তা শুনছিলাম—তিনি বলেছেন: আবু উসমান সা’দান বিন নাসর বিন মানসুর আল-মাখরামি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: সুফিয়ান বিন উয়াইনা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যুহরি থেকে, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়িব থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে বর্ণনা করেন, যা তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছেন; তিনি বলেছেন: «যখন জুমার দিন আসে, তখন মসজিদের প্রতিটি দরজায় ফেরেশতারা অবস্থান করেন এবং তারা পর্যায়ক্রমে আগতদের নাম লিখতে থাকেন। অতঃপর যে ব্যক্তি সালাতের জন্য আগেভাগে আসে, সে ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে একটি উট উৎসর্গ করেছে। তারপর যে আসে, সে ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে একটি গরু উৎসর্গ করেছে। তারপর যে আসে, সে ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে একটি দুম্বা উৎসর্গ করেছে—এমনকি তিনি মুরগি ও ডিমের কথাও উল্লেখ করেছেন। অতঃপর যখন ইমাম (মিম্বরে) বসেন, তখন তারা তাদের নথিপত্র গুটিয়ে ফেলেন এবং খুতবা শোনার জন্য বসে পড়েন।»