(খণ্ড: ১)
মজলিসানে মিন আমালিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: -)
مجلسان من أمالي الخلال (أبو محمد الحسن الخلال)
القسم: كتب السنة
الكتاب: مجلسان من أمالي الخلال
المؤلف: أبو محمد الحسن بن محمد بن الحسن بن علي البغدادي الخَلَّال (ت 439هـ)
الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية
الطبعة: الأولى، 2004
[الكتاب مخطوط]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-খাল্লালের আমালি থেকে দুটি মজলিস (আবু মুহাম্মদ আল-হাসান আল-খাল্লাল)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আল-খাল্লালের আমালি থেকে দুটি মজলিস
লেখক: আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন আলী আল-বাগদাদি আল-খাল্লাল (মৃত্যু ৪৩৯ হিজরি)
প্রকাশক: পাণ্ডুলিপিটি ইসলামি নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইটের জাউয়ামিউল কালিম নামক বিনামূল্যে বিতরণকৃত প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে
সংস্করণ: প্রথম، ২০০৪
[কিতাবটি পাণ্ডুলিপি]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মজলিসানে মিন আমালিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: -)
جُزْءٌ فِيهِ مَجْلِسَانِ مِنْ أَمَالِي الشَّيْخِ أَبِي مُحَمَّدٍ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ الْخَلالِ، رحمه الله.رِوَايَةُ الشَّيْخِ الصَّالِحِ أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ أَحْمَدَ الدِّينَوَرِيِّ، عَنْهُ.سَمَاعًا لِعَبْدِ الْغَنِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدٍ الْغَسَّالِ، الْمَعْرُوفُ وَالِدُهُ بِالْحَنْبَلِيِّ الْبَزَّازِ، نَفَعَهُ اللَّهِ بِالْعِلْمِ فِي الدَّارَيْنِ يا رَبَّ العَالَمِينَ.رِوَايَةُ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ الْخَالِقِ بْنِ عَبْدِ الْوَهَّابِ، عَنِ الدِّينَوَرِيِّ.سَمَاعُ يُوسُفَ بْنِ خَلِيلِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الدِّمَشْقِيِّ.إِجَازَة لِيُوسُفَ بْنِ عَبْدِ الْهَادِي بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
একটি খণ্ড, যাতে শায়খ আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান ইবনে আলী আল-খল্লাল (রহিমাহুল্লাহ)-এর আমালি (শ্রুতলিপি) থেকে সংকলিত দুটি মজলিস রয়েছে।তাঁর পক্ষ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন নেককার শায়খ আবু আল-হাসান আলী ইবনে আবদুল ওয়াহিদ ইবনে আহমদ আদ-দ্বীনাওয়ারী।আবদুল গনী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাদ আল-গাসসালের শ্রবণকৃত অনুলিপি, যাঁর পিতা আল-হাম্বলী আল-বাজ্জাজ হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন; আল্লাহ তাঁকে উভয় জগতে ইলমের মাধ্যমে উপকৃত করুন, হে রব্বুল আলামীন।আদ-দ্বীনাওয়ারী থেকে আবু মুহাম্মদ আবদুল খালিক ইবনে আবদুল ওয়াহহাবের বর্ণনা।ইউসুফ ইবনে খলীল ইবনে আবদুল্লাহ আদ-দিমাশকীয়ের শ্রবণকৃত অনুলিপি।ইউসুফ ইবনে আবদুল হাদীর জন্য ইজাযাহ। পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১)
মজলিসানে মিন আমালিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: -)
1 - قَرَأْتُ عَلَى الشَّيْخِ أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ أَحْمَدَ الدِّينَوَرِيِّ، رضي الله عنه، وَهُوَ يَسْمَعُ فَأَقَرَّ بِهِ فِي يَوْمِ الاثْنَيْنِ ثَامِنَ عَشْرَ جُمَادَى الآخِرَةِ مِنْ سَنَةِ سَبْعَ عَشْرَةَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الْخَلالُ، إِمْلاءً، قَالَ: نا أَبُو الْحَسَنِ إِدْرِيسُ بْنُ عَبْدِ الْكَرِيمِ الْمُقْرِئُ، قَالَ: نا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ، عَنْ بِشْرِ بْنِ نُمَيْرٍ، عَنِ الْقَاسِمِ مَوْلَى خَالِدِ بْنِ يَزِيدَ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو أُمَامَةَ الْبَاهِلِيُّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " مَنْ قَرَأَ ثُلُثَ الْقُرْآنِ أُعْطِيَ ثُلُثَ النُّبُوَّةِ، وَمَنْ قَرَأَ ثُلُثَيْهِ أُعْطِيَ ثُلُثَيِ النُّبُوَّةِ، وَمَنْ قَرَأَ الْقُرْآنَ فَكَأَنَّمَا أُعْطِيَ النُّبُوَّةَ كُلَّهَا، وَيُقَالُ لَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ: اقْرَأْ وَارْقَهُ، لِكُلِّ آيَةٍ دَرَجَةٌ، حَتَّى يُنْجِزَ مَا مَعَهُ مِنَ الْقُرْآنِ، وَيُقَالُ لَهُ: اقْبِضْ، فَيَقْبِضُ بِيَدِهِ، ثُمَّ يُقَالُ لَهُ: اقْبِضْ، فَيَقْبِضُ بِيَدِهِ، ثُمَّ يُقَالُ لَهُ: هَلْ تَدْرِي مَا فِي يَدِكَ؟ فَإِذَا فِي يَدِهِ الْيُمْنَى الْخُلْدُ، وَفِي الأُخْرَى النَّعِيمُ "
১ - আমি শায়খ আবুল হাসান আলী বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আহমাদ আদ-দিনাওয়ারী (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন)-এর নিকট পাঠ করেছি এবং তিনি তা শ্রবণ করে ১৮ জুমাদাল আখিরাহ, ৫১৭ হিজরি সালের সোমবার দিন এটি সত্যায়ন করেছেন। তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আল-খাল্লাল আমাদের নিকট শ্রুতলিপি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবুল হাসান ইদ্রিস বিন আব্দুল কারীম আল-মুকরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: খালাফ বিন হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর বিন নুমাইর থেকে, তিনি খালিদ বিন ইয়াজিদের মুক্তদাস আল-কাসিম থেকে। তিনি বলেন: আবু উমামাহ আল-বাহিলি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: " যে ব্যক্তি কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ পাঠ করল, তাকে নবুওয়তের এক-তৃতীয়াংশ প্রদান করা হলো; আর যে ব্যক্তি তার দুই-তৃতীয়াংশ পাঠ করল তাকে নবুওয়তের দুই-তৃতীয়াংশ প্রদান করা হলো; আর যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করল তাকে যেন পূর্ণ নবুওয়তই প্রদান করা হলো। কিয়ামতের দিন তাকে বলা হবে: 'পাঠ করো এবং উপরে আরোহণ করো', প্রতিটি আয়াতের জন্য একটি করে স্তর, যতক্ষণ না সে তার নিকট থাকা কুরআন শেষ করবে। অতঃপর তাকে বলা হবে: 'মুষ্টিবদ্ধ করো', তখন সে তার হাত দিয়ে মুষ্টিবদ্ধ করবে; পুনরায় তাকে বলা হবে: 'মুষ্টিবদ্ধ করো', তখন সে তার হাত দিয়ে মুষ্টিবদ্ধ করবে। এরপর তাকে বলা হবে: 'তুমি কি জানো তোমার হাতে কী আছে?' তখন দেখা যাবে তার ডান হাতে রয়েছে অনন্তকাল এবং অপর হাতে রয়েছে নিয়ামত।"
(খণ্ড: ১)
মজলিসানে মিন আমালিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: -)
2 - نا أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْعَطَشِيُّ، قَالَ: نا حَامِدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنُ شُعَيْبٍ، قَالَ: نا مُحَمَّدُ بْنُ بَكَّارٍ، قَالَ: نا حَفْصُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْمُقْرِئُ، عَنْ كَثِيرٍ يَعْنِي بْنَ زَاذَانَ، عَنْ عَاصِمٍ يَعْنِي ابْنَ أَبِي النَّجُودِ، عَنْ عَلِيٍّ، عليه السلام، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ قَرَأَ الْقُرْآنَ فَاسْتَظْهَرَهُ وَحَفِظَهُ أَدْخَلَهُ اللَّهُ الْجَنَّةَ، وَشَفَّعَهُ فِي عَشَرَةٍ مِنْ أَهْلِ بَيْتِهِ، كُلُّهُمْ قَدْ وَجَبَتْ لَهُمُ النَّارُ»
২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলী মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-আতাশি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হামিদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে শুআইব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে বাক্কার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ক্বারি হাফস ইবনে সুলাইমান, কাসীর অর্থাৎ ইবনে জাযান থেকে, তিনি আসিম অর্থাৎ ইবনে আবি আল-নাজুদ থেকে, তিনি আলী (আলাইহিস সালাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করল, অতঃপর তা আয়ত্ত করল এবং মুখস্থ করল, আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন এবং তার পরিবারের এমন দশজন ব্যক্তির ব্যাপারে তার সুপারিশ কবুল করবেন, যাদের প্রত্যেকের জন্য অবধারিত হয়ে গিয়েছিল জাহান্নাম»
(খণ্ড: ১)
মজলিসানে মিন আমালিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: -)
3 - أنا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الزَّيَّاتُ، قَالَ: نا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْبِرْتِيُّ، نا دَاوُدُ بْنُ رُشَيْدٍ، نا سَعِيدُ بْنُ مَسْلَمَةَ بْنِ هِشَامٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي إِسْمَاعِيلُ بْنُ أُمَيَّةَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ دَخَلَ الْمَسْجِدَ وَعَنْ يَمِينِهِ أَبُو بَكْرٍ، وَعَنْ يَسَارِهِ عُمَرُ، فَقَالَ: «هَكَذَا نُبْعَثُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ»
৩ - আমি আবু হাফস উমর বিন মুহাম্মদ বিন আলী আল-যায়্যাত, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবুল আব্বাস আহমদ বিন আল-বিরতী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট দাউদ বিন রুশাইদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সাঈদ বিন মাসলামাহ বিন হিশাম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাকে ইসমাঈল বিন উমাইয়্যাহ সংবাদ দিয়েছেন, নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি) মসজিদে প্রবেশ করলেন এবং তাঁর ডান পাশে ছিলেন আবু বকর ও বাম পাশে উমর। অতঃপর তিনি বললেন: «কিয়ামতের দিন আমাদের এভাবেই পুনরুত্থিত করা হবে»
(খণ্ড: ১)
মজলিসানে মিন আমালিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: -)
4 - نا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَامِرٍ الطَّائِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ مُوسَى الرِّضَا، عَنْ أَبِيهِ مُوسَى، عَنْ أَبِيهِ جَعْفَرٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ، عَنْ أَبِيهِ الْحُسَيْنِ، عَنْ أَبِيهِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، عليه السلام، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا كَانَ يَوْمُ الْقِيَامَةِ نُودِيتُ مِنْ بُطْنَانِ الْعَرْشِ، نِعْمَ الأَبُ أَبُوكَ إِبْرَاهِيمُ الْخَلِيلُ، وَنِعْمَ الأَخُ أَخُوكَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ»
4 - আহমদ ইবনে ইব্রাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে আলী ইবনে আহমদ ইবনে আমির আত-তাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী ইবনে মুসা আর-রিদা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন তাঁর পিতা মুসা থেকে, তিনি তাঁর পিতা জাফর থেকে, তিনি মুহাম্মদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা আলী ইবনে হুসাইন থেকে, তিনি তাঁর পিতা হুসাইন থেকে, তিনি তাঁর পিতা আলী ইবনে আবি তালিব (আলাইহিস সালাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যখন কিয়ামতের দিন উপস্থিত হবে, তখন আরশের গভীর থেকে আমাকে ডেকে বলা হবে: তোমার পিতা ইব্রাহিম খলিল কতই না উত্তম পিতা, আর তোমার ভাই কতই না উত্তম ভাই আলী ইবনে আবি তালিব»
(খণ্ড: ১)
মজলিসানে মিন আমালিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: -)
5 - نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ مُحَمَّدٍ الصَّفَّارُ، نا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ هَارُونَ الْعَسْكَرِيُّ، نا مُحَمَّدُ بْنُ الْوَلِيدِ الْكَرَابِيسِيُّ، نا أَبُو مُسْلِمٍ الْفُقَيْمِيُّ، نا مِسْعَرُ بْنُ كِدَامٍ، عَنْ عَطِيَّةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ لِعُثْمَانَ: «غَفَرَ اللَّهُ لَكَ مَا قَدَّمْتَ وَمَا أَخَّرْتَ، وَمَا أَسْرَرْتَ وَمَا أَعْلَنْتَ، وَمَا كَانَ مِنْكَ وَمَا هُوَ كَائِنٌ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ»
5 - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে উসমান ইবনে মুহাম্মদ আস-সাফফার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হারুন আল-আসকারি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আল-ওয়ালিদ আল-কারাবিসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুসলিম আল-ফুকাইমি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মিসআর ইবনে কিদাম, আতিয়্যাহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে উসমানের উদ্দেশ্যে বলতে শুনেছি: «আল্লাহ ক্ষমা করে দিয়েছেন আপনার পূর্বের ও পরের, গোপন ও প্রকাশ্য এবং আপনার পক্ষ থেকে যা ইতিপূর্বে হয়েছে ও যা ঘটবে কিয়ামত দিবস পর্যন্ত»
(খণ্ড: ১)
মজলিসানে মিন আমালিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: -)
6 - نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْيَسَعِ الأَنْطَاكِيُّ، أنا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَرْمَلِيُّ، نا عَامِرُ بْنُ سَيَّارٍ، نا فُرَاتُ بْنُ السَّائِبِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ الْهَمَذَانِيِّ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ، عَنْ عَلِيٍّ، عليه السلام، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ اسْتَبْطَأَ رَجُلا فِي الصَّلاةِ فَلَمَّا قَضَى صَلاتَهُ قَالَ لَهُ: «أَدْرَكْتَ مَعَنَا الصَّلاةَ؟» قَالَ: نَعَمْ، قَالَ: فَأَدْرَكْتَ حَدَّهَا؟ قَالَ: وَمَا حَدُّهَا؟ قَالَ: «التَّكْبِيرَةُ الأُولَى» ، قَالَ: لا، قَالَ: فَمَا شَغَلَكَ عَنْهَا؟ فَاعْتَذَرَ بِعُذْرٍ، فَقَالَ: «لَوْ أَنَّ الَّذِي شَغَلَكَ عَنْهَا أَلْفَ نَاقَةٍ سَوْدَاءَ جَعْدَاءَ حَمَلْتَ عَلَيْهَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ كَانَ أَنْ تُدْرِكَ حَدَّ الصَّلاةِ خَيْرٌ لَكَ مِنْ ذَلِكَ»
৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-ইয়াসা আল-আন্তাকি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল আজিজ ইবনে সুলাইমান ইবনে আব্দুল আজিজ আবু মুহাম্মদ আল-হারমালি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমের ইবনে সাইয়্যার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফুরাত ইবনে আল-সাইব, আবু ইসহাক আল-হামাদানি থেকে, তিনি আসিম ইবনে দামরা থেকে, তিনি আলী (আলাইহিস সালাম) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি সালাতে এক ব্যক্তিকে বিলম্বকারী হিসেবে দেখলেন। যখন সে তার সালাত শেষ করল, তখন তিনি তাকে বললেন: «তুমি কি আমাদের সাথে সালাত পেয়েছ?» সে বলল: হ্যাঁ। তিনি বললেন: «তবে তুমি কি এর সীমা (পূর্ণ মর্যাদা) পেয়েছ?» সে বলল: এর সীমা কী? তিনি বললেন: «প্রথম তাকবীর (তাকবীরে উলা)।’ সে বলল: না। তিনি বললেন: «তবে কিসে তোমাকে তা থেকে বিরত রেখেছিল?» সে একটি ওজর পেশ করল। তখন তিনি বললেন: «যা তোমাকে তা থেকে বিরত রেখেছে, তা যদি এক হাজার কালো বর্ণের হৃষ্টপুষ্ট উষ্ট্রীও হতো এবং তুমি সেগুলোকে আল্লাহর পথে সওয়ারি হিসেবে দান করতে, তবুও সালাতের সেই সীমা (প্রথম তাকবীর) লাভ করা তোমার জন্য তার চেয়েও উত্তম হতো।’
(খণ্ড: ১)
মজলিসানে মিন আমালিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: -)
7 - أنا أَبُو الْعَبَّاسِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى بْنِ إِسْحَاقَ الْهَاشِمِيُّ، نا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ، قَالَ: نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ بْنِ أَبِي خِدَاشٍ الْمَوْصِلِيُّ، نا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِمُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ: «إِذَا كُنْتَ إِمَامًا فَخَفِّفْ عَلَى النَّاسِ، فَإِنَّهُ يَقُومُ وَرَاءَكَ الضَّعِيفُ وَالْكَبِيرُ وَذُو الْحَاجَةِ، وَإِذَا صَلَّيْتَ وَحْدَكَ فَأَطِلْ مَا شِئْتَ»
৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আবদুল্লাহ বিন মুসা বিন ইসহাক আল-হাশিমী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন সুলায়মান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন আবদুস সামাদ বিন আবি খিদাশ আল-মাওসিলি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা বিন ইউনুস, মুহাম্মদ বিন আমর থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুআয বিন জাবালকে বলেছেন: «যখন তুমি ইমাম হবে তখন মানুষের জন্য (সালাত) সংক্ষিপ্ত করো, কেননা তোমার পেছনে দুর্বল, বৃদ্ধ এবং প্রয়োজনগ্রস্ত ব্যক্তি দাঁড়িয়ে থাকে; আর যখন তুমি একা সালাত আদায় করবে তখন যতটুকু ইচ্ছা দীর্ঘ করো।»
(খণ্ড: ১)
মজলিসানে মিন আমালিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: -)
8 - نا عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُثْمَانَ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَبَانٍ، نا يَحْيَى بْنُ يَمَانٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ يَقُومُ حَتَّى تَرِمُ قَدَمَاهُ، فَقِيلَ لَهُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَتَفْعَلُ هَذَا وَقَدْ غَفَرَ اللَّهُ لَكَ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِكَ وَمَا تَأَخَّرَ؟ قَالَ: «أَفَلا أَكُونُ عَبْدًا شَكُورًا»
৮ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে আহমাদ ইবনে উসমান, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে আবান, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে ইয়ামান, তিনি আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (নামাজে) দাঁড়িয়ে থাকতেন যতক্ষণ না তাঁর পা দ্বয় ফুলে যেত। তখন তাঁকে বলা হলো: হে আল্লাহর রাসুল, আপনি কি এরূপ করছেন অথচ আল্লাহ আপনার পূর্বের এবং পরের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দিয়েছেন? তিনি বললেন: "তবে আমি কি একজন কৃতজ্ঞ বান্দা হব না?"
(খণ্ড: ১)
মজলিসানে মিন আমালিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: -)
9 - نا يُوسُفُ بْنُ عُمَرَ يَعْنِي الْقَوَّاسَ، نا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَاعِدٍ، نا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، نا يَعْقُوبُ بْنُ الْوَلِيدِ الْمَدَنِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الْوَقْتُ الأَوَّلُ مِنَ الصَّلاةِ رِضْوَانُ اللَّهِ، وَالْوَقْتُ الآخِرُ عَفْوُ اللَّهِ»
৯ - আমাদের নিকট ইউসুফ ইবনে উমর অর্থাৎ আল-কাওয়াস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আহমদ ইবনে মানি' বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াকুব ইবনুল ওয়ালিদ আল-মাদানি বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর হতে, তিনি নাফে' হতে, তিনি ইবনে উমর (রা.) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «সালাতের প্রথম ওয়াক্ত আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং শেষ ওয়াক্ত আল্লাহর ক্ষমা»
(খণ্ড: ১)
মজলিসানে মিন আমালিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: -)
10 - نا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ لُؤْلُؤٍ، نا إِبْرَاهِيمُ بْنُ هَاشِمٍ الْبَغَوِيُّ، سَنَةَ ثَلاثٍ وَتِسْعِينَ وَمِائَتَيْنِ، نا عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ شَقِيقٍ، نا الْحُسَيْنُ بْنُ وَاقِدٍ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، سَمِعْتُ أَبِي، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «الْعَهْدُ الَّذِي بَيْنَنَا وَبَيْنَهُمْ تَرْكُ الصَّلاةِ، فَمَنْ تَرَكَهَا فَقَدْ كَفَرَ»
১০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে লু’লু’, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে হাশিম আল-বাগাভী, দুইশত তিরানব্বই হিজরি সনে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে আল-হাসান ইবনে শাকীক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন ইবনে ওয়াকিদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে বুরাইদাহ, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «আমাদের এবং তাদের মধ্যে যে অঙ্গীকার রয়েছে তা হলো সালাত; সুতরাং যে ব্যক্তি তা বর্জন করল, সে অবশ্যই কুফরি করল»
(খণ্ড: ১)
মজলিসানে মিন আমালিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: -)
11 - أنا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الزَّيَّاتُ، نا مُحَمَّدُ بْنُ صَالِحِ بْنِ ذُرَيْحٍ، نا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، نا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ، سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ عَلَى الْمِنْبَرِ يَقُولُ: «أُنْذِرُكُمُ النَّارَ» .حَتَّى سَقَطَ عِطْفَيْ رِدَائِهِ عَنْ مَنْكِبِهِ وَهُوَ يَقُولُ: «أُنْذِرُكُمُ النَّارَ، حَتَّى أَنْ لَوْ كَانَ مِنْ مَكَانِي هَذَا لأَسْمَعَ أَهْلَ الشَّرْقِ، أَوْ مَا شَاءَ اللَّهُ عز وجل»
১১ - আমি উমর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী আয-যাইয়্যাত, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে সালিহ ইবনে যুরাইহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবি শায়বাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আহওয়াস, সিমাক ইবনে হারব থেকে বর্ণিত, নুমান ইবনে বাশির থেকে বর্ণিত, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মিম্বারের ওপর থাকা অবস্থায় বলতে শুনেছি: «আমি তোমাদেরকে জাহান্নামের আগুন সম্পর্কে সতর্ক করছি»।এমনকি তাঁর কাঁধ থেকে তাঁর চাদরের দুই প্রান্ত পড়ে গেল, এমতাবস্থায় তিনি বলছিলেন: «আমি তোমাদেরকে জাহান্নামের আগুন সম্পর্কে সতর্ক করছি; এমনকি আমি যেখানে অবস্থান করছি এখান থেকে হলেও তিনি প্রাচ্যবাসীদের তা শুনিয়ে দিতেন—অথবা মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন»।
(খণ্ড: ১)
মজলিসানে মিন আমালিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: -)
12 - نا يُوسُفُ بْنُ عُمَرَ الْقَوَّاسُ، قُرِئَ عَلَى سَعِيدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْبَيِّعِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قِيلَ لَهُ: حَدَّثَكُمْ إِسْحَاقُ بْنُ أَبِي إِسْرَائِيلَ، نا جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، نا ابْنُ أَبِي لَيْلَى، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ أَبِي بَزَّةَ، عَنْ مُجَاهِدٍ، {وَأَنَّ الْمُسْرِفِينَ هُمْ أَصْحَابُ النَّارِ} [غافر: 43] قَالَ: السَّفَّاكُونَ الدِّمَاءَ بِغَيْرِ حَقِّهَاآخِرُ الْمَجْلِسِ.مَجْلِسٌ آخَرُ:
১২ - ইউসুফ ইবনে উমর আল-কাওয়াস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাইয়্যি'-এর সামনে পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম। তাঁকে বলা হয়েছিল: ইসহাক ইবনে আবু ইসরাঈল আপনাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জারীর ইবনে আব্দুল হামীদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবু লায়লা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাসিম ইবনে আবু বাজজাহ্ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেছেন: {আর নিশ্চয়ই সীমালঙ্ঘনকারীরাই আগুনের অধিবাসী} [গাফির: ৪৩] - তিনি বলেন: (তারা হলো) যারা অন্যায়ভাবে রক্তপাত করে।মজলিসের সমাপ্তি।অন্য একটি মজলিস:
(খণ্ড: ১)
মজলিসানে মিন আমালিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: -)
13 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ الدِّينَوَرِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ وُهَو يَسْمَعُ فَأَقَرَّ بِهِ، فِي يَوْمِ الاثْنَيْنِ ثَامِنَ عَشَرَ جُمَادَى الآخِرَةِ مِنْ سَنَةِ سَبْعَ عَشْرَةَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْخَلالُ، مِنْ لَفْظِهِ، قَالَ: نا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ الْقَطِيعِيُّ، نا الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ، بِالْبَصْرَةِ، نا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، نا زِيَادُ بْنُ خَيْثَمَةَ، نا سِمَاكُ بْنُ حَرْبٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم «كَانَ يَقْرَأُ فِي الصُّبْحِ بِـ قاف وَالْقُرْآنِ الْمَجِيدِ، وَرَأَيْتُ صَلاتَهُ بَعْدُ تَخْفِيفًا»
১৩ - আবুল হাসান আলী ইবন আব্দুল ওয়াহিদ আদ-দিনাওয়ারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—আমি তাঁর নিকট পাঠ করেছি এবং তিনি শ্রবণকালে তা স্বীকার করেছেন—৫১৭ হিজরী সনের আঠারোই জুমাদাল আখিরাত, সোমবার দিনে; তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল তাঁর স্বকীয় শব্দে আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আহমদ ইবন জাফর ইবন হামদান ইবন মালিক আল-কুতায়ি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ফজল ইবনুল হুবাব বসরায় আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবুল ওয়ালীদ আত-তায়ালিসি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, যিয়াদ ইবন খায়সামাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, সিমাক ইবন হারব জাবির ইবন সামুরাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) «ফজরের সালাতে ‘ক্বাফ ওয়াল কুরআনিল মাজীদ’ পাঠ করতেন এবং পরবর্তীতে আমি তাঁর সালাতকে সংক্ষিপ্ত হতে দেখেছি»
(খণ্ড: ১)
মজলিসানে মিন আমালিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: -)
14 - نا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيٍّ الْقَاضِي، وَأَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ الْوَاعِظُ، كِلاهُمَا إِمْلاءً عَلَيْنَا، قَالا: نا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَبِيبٍ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ الْمُنْذِرِ بْنِ الْجَارُودِ، قَالَ: نا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، نا عَبْدُ الْمُؤْمِنِ بْنُ عَبَّادِ بْنِ عُمَرَ الْعَبْدِيُّ، نا يَزِيدُ بْنُ مَعْنٍ، قَالَ: نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ شُرَحْبِيلَ، عَنْ رَجُلٍ مِنْ قُرَيْشٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي أَوْفَى، قَالَ: دَخَلْتُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَسْجِدَ الْمَدِينَةِ فَجَعَلَ يَقُولُ: «أَيْنَ فُلانٌ؟» فَلَمْ يَزَلْ يَتَفَقَّدُ وَيَسْأَلُ عَنْهُمْ حَتَّى اجْتَمَعُوا عِنْدَهُ فَقَالَ: " إِنِّي مُحَدِّثُكُمْ بِحَدِيثٍ فَاحْفَظُوهُ وَعُوهُ وَحَدِّثُوا بِهِ مَنْ بَعْدَكُمْ، إِنَّ اللَّهَ عز وجل اصْطَفَى مِنْ خَلْقِهِ - ثُمَّ تَلا هَذِهِ الآيَةَ {اللَّهُ يَصْطَفِي مِنَ الْمَلائِكَةِ رُسُلا وَمِنَ النَّاسِ} [الحج: 75]- خَلْقًا يُدْخِلُهُمُ الْجَنَّةَ، وَإِنِّي أَصْطَفِي مِنْكُمْ مَنْ أُحِبُّ أَنْ أَصْطَفِيَهُ، وَمُؤَاخِي مِنْكُمْ كَمَا آخَى اللَّهُ عز وجل بَيْنَ مَلائِكَتِهِ، قُمْ يَا أَبَا بَكْرٍ ".فَذَكَرَ الْحَدِيثَ بِطُولِهِ، أَمْلَيْتُهُ فِي الْجُزْءِ الثَّانِي مِنَ الأَمَالِي بِتَمَامِهِ
১৪ - আমাদের নিকট আবু আল-হাসান আলী বিন আল-হুসাইন বিন আলী আল-কাদি এবং আবু হাফস উমর বিন আহমদ আল-ওয়ায়িজ বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ই আমাদের নিকট শ্রুতলিপি প্রদান করেছেন, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আমর বিন হাবিব বিন সুলাইমান বিন আল-মুনজির বিন আল-জারুদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট নাসর বিন আলী আল-জাহদামি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আব্দুল মুমিন বিন আব্বাদ বিন উমর আল-আবদি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইয়াজিদ বিন মান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন শুরাহবিল বর্ণনা করেছেন, তিনি কুরাইশ বংশের এক ব্যক্তি থেকে, তিনি ইবনে আবি আওফা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি মদিনার মসজিদে আল্লাহর রাসূল—আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর উপর বর্ষিত হোক—এর নিকট প্রবেশ করলাম। তখন তিনি বলতে লাগলেন: “অমুক কোথায়?” এভাবে তিনি তাদের খোঁজ নিতে থাকলেন এবং তাদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে থাকলেন যতক্ষণ না তারা তাঁর নিকট একত্রিত হলেন। অতঃপর তিনি বললেন: “নিশ্চয়ই আমি তোমাদের নিকট একটি হাদিস বর্ণনা করছি, সুতরাং তোমরা তা মুখস্থ করো ও অনুধাবন করো এবং তোমাদের পরবর্তী লোকদের নিকট তা বর্ণনা করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী ও মহান তাঁর সৃষ্টির মধ্য থেকে মনোনীত করেছেন - অতঃপর তিনি এই আয়াতটি পাঠ করলেন {আল্লাহ ফেরেশতাদের মধ্য থেকে এবং মানুষের মধ্য থেকে রাসূল মনোনীত করেন} [হজ্জ: ৭৫] - এমন এক সৃষ্টিকে যাদের তিনি জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। আর আমি তোমাদের মধ্য থেকে তাকেই মনোনীত করছি যাকে আমি মনোনীত করতে ভালোবাসি এবং আমি তোমাদের মাঝে ভ্রাতৃত্ব স্থাপন করছি যেমন আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী ও মহান তাঁর ফেরেশতাদের মাঝে ভ্রাতৃত্ব স্থাপন করেছেন। হে আবু বকর, তুমি দাঁড়াও।”অতঃপর তিনি পূর্ণ দীর্ঘ হাদিসটি উল্লেখ করেছেন; আমি এটি 'আল-আমালি'-এর দ্বিতীয় খণ্ডে পূর্ণাঙ্গভাবে শ্রুতলিপি করিয়েছি।
(খণ্ড: ১)
মজলিসানে মিন আমালিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: -)
15 - نا أَبُو الْعَبَّاسِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى بْنِ إِسْحَاقَ الْهَاشِمِيُّ الْمُقْرِئُ، نا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَاعِدٍ، نا ابْنُ زَنْجُوَيْهِ، نا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ الْفِرْيَابِيُّ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنِّي أَبْرَأُ إِلَى كُلِّ خَلِيلٍ مِنْ خَلِيلِهِ، وَلَوْ كُنْتُ مُتَّخِذًا خَلِيلا لاتَّخَذْتُ ابْنَ أَبِي قُحَافَةَ خَلِيلا، فَإِنَّ صَاحِبَكُمْ خَلِيلُ اللَّهِ»
১৫ - আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আবদুল্লাহ ইবন মূসা ইবন ইসহাক আল-হাশিমী আল-মুকরি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবন মুহাম্মদ ইবন সায়িদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবনে যানজুয়াহ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন ইউসুফ আল-ফিরইয়াবি, সুফিয়ান থেকে, তিনি আল-আমাশ থেকে, তিনি উমারাহ ইবন উমাইর থেকে, তিনি আবু আল-আহওয়াস থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই আমি প্রত্যেক অন্তরঙ্গ বন্ধুর বন্ধুত্ব থেকে আল্লাহর নিকট দায়মুক্ততা ঘোষণা করছি। আর আমি যদি কাউকে খলীল (অন্তরঙ্গ বন্ধু) হিসেবে গ্রহণ করতাম, তবে অবশ্যই ইবনে আবী কুহাফাকে খলীল হিসেবে গ্রহণ করতাম। নিশ্চয়ই তোমাদের এই সাথী আল্লাহর খলীল।’
(খণ্ড: ১)
মজলিসানে মিন আমালিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: -)
16 - نا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُظَفَّرِ بْنِ مُوسَى الْحَافِظُ، نا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ فِهْرُوَيْهِ، نا دَاوُدُ بْنُ رُشَيْدٍ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " خَمْسٌ مِنَ الْفِطْرَةِ: قَصُّ الشَّارِبِ، وَنَتْفُ الإِبِطِ، وَتَقْلِيمُ الأَظَافِرِ، وَحَلْقُ الْعَانَةِ، وَالسِّوَاكُ "
১৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ ইবনুল মুজাফফর ইবনে মুসা আল-হাফিজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান ইবনে ফিহরুওয়াইহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দাউদ ইবনে রুশাইদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে জাফর, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি তালহা থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: " পাঁচটি বিষয় ফিতরাতের অন্তর্ভুক্ত: গোঁফ ছাঁটা, বগলের পশম উপড়ানো, নখ কাটা, নাভির নিচের লোম মুণ্ডানো এবং মিসওয়াক করা।"
(খণ্ড: ১)
মজলিসানে মিন আমালিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: -)
17 - نا يُوسُفُ بْنُ عُمَيْرٍ يَعْنِي الْقَوَّاسَ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى مُحَمَّدِ بْنِ خَالِدٍ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قِيلَ لَهُ " حَدَّثَكُمْ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْحَسَّانِيُّ، نا وَكِيعٌ، عَنْ زَكَرِيَّا، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ شَيْبَةَ، عَنْ طَلْقِ بْنِ حَبِيبٍ، عَنِ ابْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " عَشَرَةٌ مِنَ الْفِطْرَةِ: قَصُّ الشَّارِبِ، وَإِعْفَاءُ اللِّحْيَةِ، وَالسِّوَاكُ، وَالاسْتِنْشَاقُ بِالْمَاءِ، وَقَصُّ الأَظْفَارِ، وَغَسْلُ الْبَرَاجِمِ، وَنَتْفُ الإِبِطِ، وَحَلْقُ الْعَانَةِ، وَانْتِقَاصُ الْمَاءِ ".قَالَ زَكَرِيَّا: قَالَ مُصْعَبٌ: وَنَسِيتُ الْعَاشِرَةَ إِلا أَنْ تَكُونَ الْمَضْمَضَةُ.هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ، أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ فِي الطَّهَارَةِ، عَنْ قُتَيْبَةَ، وَأَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، وَزُهَيْرِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ وَكِيعٍ، عَنْ زَكَرِيَّا بْنِ أَبِي زَائِدَةَ، عَنْ مُصْعَبٍ بِهَذَا
১৭ - ইউসুফ ইবনে উমাইর অর্থাৎ আল-কাওয়াস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে খালিদের সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তাকে বলা হল "মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-হাসসানি আপনাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ওকি' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যাকারিয়্যা থেকে, তিনি মুসআব ইবনে শায়বাহ থেকে, তিনি তালক ইবনে হাবীব থেকে, তিনি ইবনে আয-যুবাইর থেকে, তিনি আয়িশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: " দশটি বিষয় ফিতরাতের (স্বভাবজাত বিষয়ের) অন্তর্ভুক্ত: গোঁফ ছোট করা, দাড়ি লম্বা করা, মেসওয়াক করা, নাকে পানি দিয়ে পরিষ্কার করা, নখ কাটা, আঙুলের গাঁট বা জোড়াগুলো ধোয়া, বগলের পশম উপড়ানো, নাভির নিচের পশম মুণ্ডন করা এবং পানি দিয়ে শৌচকার্য সম্পাদন করা।"যাকারিয়্যা বলেন: মুসআব বলেছেন: আমি দশম বিষয়টি ভুলে গিয়েছি, তবে সেটি কুলি করা হতে পারে।এটি একটি সহীহ হাদীস, ইমাম মুসলিম এটি পবিত্রতা অধ্যায়ে কুতাইবা, আবু বকর ইবনে আবি শায়বাহ এবং যুহাইর ইবনে হারব থেকে বর্ণনা করেছেন, তারা ওকি' থেকে, তিনি যাকারিয়্যা ইবনে আবি যাইদাহ থেকে, তিনি মুসআব থেকে এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মজলিসানে মিন আমালিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: -)
18 - نا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عُثْمَانَ الدِّينَوَرِيُّ، بِمَكَّةَ، وَكَانَ مُجَاوِرًا بِهَا سَنَةَ سَبْعٍ وَسَبْعِينَ وَثَلاثَ مِائَةٍ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حَمْدَانَ الدِّينَوَرِيُّ، نا الْعَبَّاسُ بْنُ يَزِيدَ الْبَحْرَانِيُّ، نا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ الْفَزَارِيُّ، نا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الأَصَمِّ، عَنْ عَمِّهِ يَزِيدَ بْنِ الأَصَمِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَعَنَ اللَّهُ الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسَاجِدَ»
১৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক ইবরাহিম বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন উসমান আদ-দিনাওয়ারি, মক্কায়, তিনি সেখানে তিনশত সাতাত্তর হিজরি সনে অবস্থান করছিলেন; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন হামদান আদ-দিনাওয়ারি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আব্বাস বিন ইয়াজিদ আল-বাহরানি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মারওয়ান বিন মুয়াবিয়া আল-ফাজারি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-আসাম্ম; তাঁর চাচা ইয়াজিদ বিন আল-আসাম্ম থেকে; তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) বলেছেন: «আল্লাহ ইহুদি ও নাসারাদের প্রতি অভিশাপ দিয়েছেন, তারা তাদের নবীদের কবরসমূহকে মসজিদে (উপাসনালয়ে) পরিণত করেছে»
(খণ্ড: ১)
মজলিসানে মিন আমালিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: -)
19 - نا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدٍ الدِّينَوَرِيُّ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حَمْدَانَ الدِّينَوَرِيُّ، نا الْعَبَّاسُ، نا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، نا عَوْفٌ الأَعْرَابِيُّ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " مَا أَهْلَكَ اللَّهُ عز وجل قَوْمًا، وَلا قَرْنًا، وَلا أَهْلَ قَرْيَةٍ، وَلا أُمَّةً بِعَذَابٍ مِنَ السَّمَاءِ مُنْذُ أَنْزَلَ اللَّهُ عز وجل التَّوْرَاةَ عَلَى وَجْهِ الأَرْضِ غَيْرَ أَهْلِ الْقَرْيَةِ الَّذِينَ مُسِخُوا قِرَدَةً، أَلَمْ تَرَ أَنَّ اللَّهَ عز وجل قَالَ: {وَلَقَدْ آتَيْنَا مُوسَى الْكِتَابَ مِنْ بَعْدِ مَا أَهْلَكْنَا الْقُرُونَ} [القصص: 43] ".الآيَةَ
১৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন মুহাম্মাদ আদ-দিনাওয়ারি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন হামদান আদ-দিনাওয়ারি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আব্বাস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রাওহ বিন উবাদাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আউফ আল-আরাবি, তিনি আবু নাদরা থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আল্লাহ পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত জমিনের বুকে তাওরাত নাযিল করার পর থেকে আসমানি আযাব দ্বারা কোনো সম্প্রদায়কে, কোনো প্রজন্মকে, কোনো জনপদবাসীকে কিংবা কোনো উম্মতকে ধ্বংস করেননি কেবল সেই জনপদবাসী ব্যতীত যাদেরকে বানরে রূপান্তরিত করা হয়েছিল। তুমি কি দেখনি যে আল্লাহ পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত বলেছেন: {আর অবশ্যই আমি পূর্ববর্তী প্রজন্মগুলোকে ধ্বংস করার পর মুসাকে কিতাব দান করেছি} [সূরা আল-কাসাস: ৪৩]।"(পুরো) আয়াতটি।
(খণ্ড: ১)
মজলিসানে মিন আমালিল খাল্লাল
(পৃষ্ঠা: -)
20 - نا عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ الْحَافِظُ، نا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْعَلافِ، نا مُسْلِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، نا يَحْيَى بْنُ هَاشِمٍ، نا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ: قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ، رضي الله عنه: «النَّاسُ بِزَمَانِهِمْ أَشْبَهُ مِنْهُمْ بِآبَائِهِمْ»آخِرُ الْمَجْلِسِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَصَلَّى اللَّهُ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ النَّبِيِّ وَآلِهِ وَسَلَّمَ تَسْلِيمًا كَثِيَرًا.
২০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাফিজ আলী ইবন উমর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবন আলী ইবনুল আল্লাফ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসলিম ইবন আব্দুল্লাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবন হাশিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল, তিনি মুসআব ইবন সাদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: «মানুষ তাদের সময়ের সাথে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ তাদের পিতাদের সাথে সাদৃশ্য হওয়ার তুলনায়»মজলিসের সমাপ্তি, এবং সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আর আমাদের নেতা নবী মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবার-পরিজনের ওপর আল্লাহর অগণিত রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।