(খণ্ড: ১) আস-সানী মিন আমালী আবিল হুসাইন বিন বিশরান (পৃষ্ঠা: -)
الثاني من أمالي أبي الحسين بن بشران   (ابن بشران، أبو الحسين)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الثاني من أمالي أبي الحسين بن بشران

المؤلف: علي بن محمد بن عبد الله بن بشران الأموي أبو الحسين البغدادي المعدل (ت 415هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আবু আল-হুসাইন বিন বিশরানের আমালীর দ্বিতীয় অংশ   (ইবনে বিশরান, আবু আল-হুসাইন)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আবু আল-হুসাইন বিন বিশরানের আমালীর দ্বিতীয় অংশ

লেখক: আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বিশরান আল-উমাবী আবু আল-হুসাইন আল-বাগদাদী আল-মুআদ্দাল (মৃত্যু ৪১৫ হিজরি)

প্রকাশক: পাণ্ডুলিপি যা ইসলামি নেটওয়ার্ক (ইসলামওয়েব) সাইটের অধীনস্থ জাউয়ামিউল কালিম নামক ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে

সংস্করণ: প্রথম، ২০০৪

[কিতাবটি পাণ্ডুলিপি]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আস-সানী মিন আমালী আবিল হুসাইন বিন বিশরান (পৃষ্ঠা: -)
فِيهِ أَحَادِيثُ مِنَ الْجُزْءِ الثَّانِي مِنْ أَمَالِي أَبِي الْحُسَيْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بِشْرَانَ ، عَنْ شُيُوخِهِ ، رَحْمَةُ اللَّهِ عَلَيْهِمْ.

رِوَايَةُ الرَّئِيسِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْقَاسِمِ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مَحْمُودٍ الثَّقَفِيِّ الأَصْبَهَانِيِّ عَنْهُ.

رِوَايَةُ الإِمَامِ الْحَافِظِ أَبِي طَاهِرٍ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ السِّلَفِيِّ عَنْهُ.

رِوَايَةُ سِبْطِهِ أَبِي الْقَاسِمِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَكِّيِّ بْنِ الْحَاسِبِ عَنْهُ.

رِوَايَةُ فَخْرِ الدِّينِ أَبِي الْحُسَيْنِ عَلِيٍّ ، وَشِهَابِ الدِّينِ أَبِي الْعَبَّاسِ أَحْمَدَ ابْنَيْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ نِعْمَةَ بْنِ سُلْطَانِ بْنِ سُرُورٍ الْمَقْدِسِيَّانِ.

وَأُمِّ الْخَيْرِ شُهْدَةَ بِنْتِ مَكِينِ الدِّينِ أَبِي الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ الْعَظِيمِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ ، ثَلاثَتُهُمْ عَنْهُ سَمَاعًا لِلأَوَّلَيْنِ ، وَحُضُورًا لِلآخِرِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ صَلَّى اللَّهُ عَلَى سَيِّدِنَا وَمَوْلانَا مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ
এতে আবু আল-হুসাইন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বিশরানের 'আমালি'-র দ্বিতীয় খণ্ডের হাদিসসমূহ রয়েছে, যা তিনি তাঁর শায়খদের নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁদের ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক।

তাঁর নিকট থেকে রইস আবু আব্দুল্লাহ আল-কাসিম বিন আল-ফাদল বিন আহমদ বিন আহমদ বিন মাহমুদ আস-সাকাফি আল-আসবাহানির বর্ণনা।

তাঁর নিকট থেকে ইমাম আল-হাফিয আবু তাহির আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ইবরাহিম আস-সিলাফির বর্ণনা।

তাঁর নিকট থেকে তাঁর দৌহিত্র আবু আল-কাসিম আব্দুর রহমান বিন মাক্কি বিন আল-হাসিবের বর্ণনা।

ফখরুদ্দীন আবু আল-হুসাইন আলী এবং শিহাবুদ্দীন আবু আল-আব্বাস আহমদ—আব্দুর রহমান বিন আব্দুল মুনয়িম বিন নি’মাহ বিন সুলতান বিন সুরুর আল-মাকদিসীর দুই পুত্রের বর্ণনা।

এবং উম্মুল খাইর শুহদাহ বিনতে মাকীনুদ্দীন আবু আল-হাসান বিন আব্দুল আজিম বিন আবু আল-হাসান; তাঁদের তিনজনেরই তাঁর থেকে বর্ণনা—প্রথম দুইজনের ক্ষেত্রে শ্রবণের মাধ্যমে এবং শেষোক্ত জনের ক্ষেত্রে উপস্থিতির মাধ্যমে। পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আমাদের নেতা ও অভিভাবক মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গের ওপর আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক।
(খণ্ড: ১) আস-সানী মিন আমালী আবিল হুসাইন বিন বিশরান (পৃষ্ঠা: -)
1 - أَنْبَأَتْنَا الشَّيْخَةُ الصَّالِحَةُ أُمُّ الْخَيْرِ شُهْدَةُ بِنْتُ مَكِينِ الدِّينِ أَبِي الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ الْعَظِيمِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ، قِرَاءَةً عَلَيْهَا وَأَنَا أَسْمَعُ بِمَنْزِلِهَا مِنْ مِصْرَ فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ الرَّابِعِ وَالْعِشْرِينَ لِرَجَبٍ الْفَرْدِ سَنَةَ تِسْعٍ وَتِسْعِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ، أَخْبَرَكَ أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي الْحَرَمِ مَكِّيِّ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الطَّرَابُلُسِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتِ حَاضِرَةٌ تَسْمَعُ بِثَغْرِ الأَسْكَنْدَرِيَّةِ فَأَقَرَّتْ بِهِ، قَالَ: أَنَا الإِمَامُ الْحَافِظُ أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ السِّلَفِيُّ الأَصْبَهَانِيُّ ، سَمَاعًا عَلَيْهِ بِقِرَاءَةِ أَبِي الْحَسَنِ الْقُرَشِيِّ ، فِي الْمُحَرَّمِ سَنَةَ سِتٍّ وَسَبْعِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ بِالأَسْكَنْدَرِيَّةِ، قَالَ: أَنَا الشَّيْخُ الرَّئِيسُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْقَاسِمُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مَحْمُودٍ الثَّقَفِيُّ الأَصْبَهَانِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي شُهُورِ سَنَةِ ثَمَانٍ وَثَمَانِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ ، بِأَصْبَهَانَ، أَنْبَا أَبُو الْحُسَيْنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بِشْرَانَ الْمُعَدَّلُ ، سَنَةَ ثَلاثَ عَشْرَةَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ ، بِبَغْدَادَ، أَنَا أَبُو عَلِيٍّ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الصَّفَّارُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، سَنَةَ سَبْعٍ وَثَلاثِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، نا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ السَّنَدِيُّ ، نا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ، نا شُعْبَةُ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أُسَامَةَ بْنَ زَيْدٍ ، رضي الله عنه يُحَدِّثُ أَبِي عَنِ النَّبِيِّ ، صلى الله عليه وسلم ، أَنَّهُ قَالَ: ‌‌«هَذَا الطَّاعُونُ بَقِيَّةُ رِجْزِ عَذَابٍ عُذِّبَ بِهِ قَوْمٌ ، فَإِذَا كَانَ بِأَرْضٍ فَلا تَهْبِطُوا عَلَيْهِ ، وَإِذَا وَقَعَ بِأَرْضٍ وَأَنْتُمْ بِهَا فَلا تَخْرُجُوا عَنْهُ»
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন পুণ্যবতী শাইখা উম্মুল খায়ের শুহদাহ বিনতে মাকীনুদ্দীন আবিল হাসান বিন আব্দুল আযীম বিন আবিল হাসান; তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম মিসরে তাঁর বাসভবনে, ৬৯৯ হিজরি সনের পবিত্রময় রজব মাসের চব্বিশ তারিখ শুক্রবার। (তিনি বলেছেন) আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আব্দুর রহমান বিন আবিল হারাম মাক্কী বিন আব্দুর রহমান বিন আবী সাঈদ আত-তরাবুলুসী; তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে যখন আপনি উপস্থিত থেকে শুনছিলেন আলেকজান্দ্রিয়া বন্দরে, অতঃপর তিনি তা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম হাফিয আবু তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ আস-সিলাফী আল-আসবাহানী; আবুল হাসান আল-কুরাশীর পাঠের মাধ্যমে তাঁর নিকট শ্রবণের ভিত্তিতে, ৫৭৬ হিজরি সনের মুহররম মাসে আলেকজান্দ্রিয়ায়। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন প্রধান শাইখ আবু আব্দুল্লাহ আল-কাসিম বিন আল-ফদল বিন আহমাদ বিন মাহমুদ আস-সাকাফী আল-আসবাহানী; ৪৮৮ হিজরি সনের মাসসমূহে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে ইসফাহানে। সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বিশরান আল-মুয়াদ্দাল, ৪১৩ হিজরি সনে বাগদাদে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী ইসমাঈল বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাঈল আস-সাফফার; ৩৩৭ হিজরি সনে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আস-সিন্দী, বর্ণনা করেছেন ওয়াহাব বিন জারীর, বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, হাবীব বিন আবী সাবিত থেকে, তিনি ইবরাহীম বিন সা'দ বিন মালিক থেকে; তিনি বলেন: আমি উসামা বিন যায়েদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে আমার পিতার নিকট নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন: “এই প্লেগ বা মহামারি হলো আযাব ও শাস্তির অবশিষ্টাংশ, যার মাধ্যমে কোনো এক জাতিকে শাস্তি দেওয়া হয়েছিল। সুতরাং যখন তা কোনো ভূখণ্ডে বিদ্যমান থাকে, তখন তোমরা সেখানে প্রবেশ করো না; আর যখন তা কোনো ভূখণ্ডে আপতিত হয় এবং তোমরা সেখানে অবস্থান করো, তবে সেখান থেকে বের হয়ে যেও না।”
(খণ্ড: ১) আস-সানী মিন আমালী আবিল হুসাইন বিন বিশরান (পৃষ্ঠা: -)
2 - أَنَا حَمْزَةُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْعَبَّاسِ أَبُو أَحْمَدَ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَوْحٍ الْمَدَائِنِيُّ، نا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ أَعْرَابِيًّا‌‌ بَالَ فِي الْمَسْجِدِ ، فَأَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، بِذَنُوبٍ مِنْ مَاءٍ فَصَبَّهُ عَلَى بَوْلِهِ"
২ - আমি হামযাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-আব্বাস আবু আহমাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন রাউহ আল-মাদায়িনী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ বিন হারুন, আমাদের অবহিত করেছেন ইয়াহইয়া বিন সাঈদ, আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত যে, জনৈক বেদুঈন মসজিদে প্রস্রাব করলেন, তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক বালতি পানির নির্দেশ দিলেন এবং তা ঢেলে দিলেন তার প্রস্রাবের ওপর।
(খণ্ড: ১) আস-সানী মিন আমালী আবিল হুসাইন বিন বিশরান (পৃষ্ঠা: -)
3 - أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ الْبَخْتَرِيِّ الرَّزَّازُ، نا سَعْدَانُ بْنُ نَصْرٍ الْمَخْرَمِيُّ، نا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَبْدَةَ بْنِ أَبِي لُبَابَةَ، وَعَاصِمٍ، عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ، قَالَ: سَأَلْتُ أُبَيَّ بْنَ كَعْبٍ عَنْ لَيْلَةِ الْقَدْرِ فَحَلَفَ لا يَسْتَثْنِي أَنَّهَا لَيْلَةُ سَبْعٍ وَعِشْرِينَ ، قُلْتُ: بِمَا تَقُولُ يَا أَبَا الْمُنْذِرِ؟ قَالَ: بِالآيَةِ أَوْ بِالْعَلامَةِ الَّتِي قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم: «وَإِنَّهَا‌‌ تُصْبِحُ فِي ذَلِكَ الْيَوْمِ تَطْلُعُ الشَّمْسُ لَيْسَ لَهَا شُعَاعٌ»
৩ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে আমর ইবনুল বাখতারি আর-রাজজাজ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সা’দান ইবনে নাসর আল-মাখরামি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ বর্ণনা করেছেন, আবদাহ ইবনে আবি লুবাবাহ এবং আসিম হতে, তারা জির ইবনে হুবাইশ হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি উবাই ইবনে কাবকে লাইলাতুল কদর সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম, তখন তিনি কোনো ব্যতিক্রম ছাড়াই শপথ করলেন যে তা সাতাশতম রাত। আমি বললাম: হে আবুল মুনযির, আপনি কিসের ভিত্তিতে এ কথা বলছেন? তিনি বললেন: সেই নিদর্শন বা চিহ্নের ভিত্তিতে যা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «এবং তা হলো সেই দিনের সকালে যখন সূর্য উদিত হয় তখন তার কোনো বিচ্ছুরিত রশ্মি থাকে না।»
(খণ্ড: ১) আস-সানী মিন আমালী আবিল হুসাইন বিন বিশরান (পৃষ্ঠা: -)
4 - أَنَا أَبُو عَلِيٍّ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّفَّارُ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ سَنَةَ سَبْعٍ وَثَلاثِينَ، نا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، نا عَاصِمُ بْنُ عَلِيٍّ، نا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ: شَكَا أَهْلُ الْكُوفَةِ سَعْدَ بْنَ مَالِكٍ ، إِلَى عُمَرَ ، رضي الله عنه ، فَقَالُوا: لا يُحْسِنُ يُصَلِّي ، فَقَالَ سَعْدٌ: أَمَّا أَنَا فَكُنْتُ أُصَلِّي بِهِمْ صَلاةَ رَسُولِ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، صَلاتَيِ الْعِشَاءِ‌‌ أَرْكُدُ فِي الأُولَيَيْنِ وَأَحْذِفُ فِي الأخرتَيْنِ، فَقَالَ عُمَرُ ، رضي الله عنه: ذَلِكَ الظَّنُّ بِكَ يَا أَبَا إِسْحَاقَ ".

قَالَ: فَبَعَثَ رِجَالا يَسْأَلُونَ عَنْهُ فِي مَسَاجِدِ الْكُوفَةِ ، قَالَ: فَلا يَأْتُونَ مَسْجِدًا مِنْ مَسَاجِدِ الْكُوفَةِ إِلا أَثْنَوْا عَلَيْهِ خَيْرًا ، وَقَالُوا مَعْرُوفًا ، حَتَّى أَتَوْا مَسْجِدًا مِنْ مَسَاجِدِ بَنِي عَبْسٍ ، قَالَ: فَقَالَ رَجُلٌ يُقَالُ لَهُ: أَبُو سَعْدَةَ: اللَّهُمَّ فَإِنَّهُ لا يَعْدِلُ فِي الْقَضِيَّةِ وَلا يَقْسِمُ بِالسَّوِيَّةِ ، قَالَ: فَقَالَ سَعْدٌ: اللَّهُمَّ إِنْ كَانَ كَاذِبًا فَاعْمِ بَصَرَهُ، وَأَطِلْ فَقْرَهُ، وَعَرِّضْهُ لِلْفِتَنِ ، قَالَ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عُمَيْرٍ: أَنَا رَأَيْتُهُ يَتَعَرَّضُ لِلإِمَاءِ فِي السِّكَكِ ، فَإِذَا قِيلَ لَهُ: أَبُو سَعْدَةَ ، فَيَقُولُ: كَبِيرٌ فَقِيرٌ مَفْتُونٌ أَصَابَتْنِي دَعَوَاتُ سَعْدٍ
৪ - আমি আবু আলী ইসমাঈল ইবনে মুহাম্মদ আস-সাফফার, ৩৭ হিজরি সনে তাঁর নিকট পঠিত হয়েছে, আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আসিম ইবনে আলী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু আওয়ানাহ বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক ইবনে উমাইর থেকে, তিনি জাবির ইবনে সামুরাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কুফাবাসী সা'দ ইবনে মালিকের বিরুদ্ধে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর নিকট অভিযোগ করল। তারা বলল: তিনি সুন্দরভাবে সালাত আদায় করতে পারেন না। তখন সা'দ বললেন: আমি তো তাদের নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাতের ন্যায় সালাত আদায় করতাম—বিশেষ করে এশার দুই সালাত; আমি প্রথম দুই রাকাতে (কিয়াম) দীর্ঘ করতাম এবং শেষের দুই রাকাতে সংক্ষেপ করতাম। তখন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন: হে আবু ইসহাক, আপনার প্রতি আমার এরূপই ধারণা ছিল।

তিনি বলেন: অতঃপর তিনি (উমর) কুফার মসজিদসমূহে তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কিছু লোক পাঠালেন। রাবী বলেন: তারা কুফার যে মসজিদেই গেল, সেখানেই তাঁর ভূয়সী প্রশংসা শুনল এবং ভালো কথাই জানল। অবশেষে তারা বনী আবস গোত্রের একটি মসজিদে পৌঁছাল। তখন আবু সাদা নামক এক ব্যক্তি বলল: আল্লাহর কসম, তিনি বিচারে ইনসাফ করেন না এবং সমতার ভিত্তিতে বণ্টন করেন না। সা'দ বললেন: হে আল্লাহ, যদি সে মিথ্যাবাদী হয় তবে তার দৃষ্টিশক্তি কেড়ে নিন, তার দারিদ্র্য দীর্ঘায়িত করুন এবং তাকে ফিতনায় নিপতিত করুন। আব্দুল মালিক ইবনে উমাইর বলেন: পরবর্তীকালে আমি তাকে অলিগলিতে দাসীদের পিছু নিতে দেখেছি। যখন তাকে বলা হতো— হে আবু সাদা! তখন সে বলত: আমি এক জরাগ্রস্ত বৃদ্ধ, রিক্তহস্ত ও ফিতনাগ্রস্ত ব্যক্তি; সা'দের বদদোয়া আমাকে গ্রাস করেছে।
(খণ্ড: ১) আস-সানী মিন আমালী আবিল হুসাইন বিন বিশরান (পৃষ্ঠা: -)
5 - أَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمِصْرِيُّ، نا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ جَابِرٍ، نا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، أَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، نا نُعَيْمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمُجَمِّرُ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم: ‌‌«عَلَى أَنْقَابِ الْمَدِينَةِ مَلائِكَةٌ لا يَدْخُلُهَا الطَّاعُونَ وَلا الدَّجَّالُ»
৫ - আমাকে আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-মিসরী সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের নিকট ইসহাক ইবনে ইবরাহিম ইবনে জাবির বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সাঈদ ইবনে আবি মারইয়াম বর্ণনা করেছেন, আমাকে মালিক ইবনে আনাস সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের নিকট নুয়াইম ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মুজাম্মির বর্ণনা করেছেন, আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «মদিনার প্রবেশপথগুলোতে ফেরেশতাগণ নিয়োজিত রয়েছেন; সেখানে প্লেগ এবং দাজ্জাল প্রবেশ করতে পারবে না»
(খণ্ড: ১) আস-সানী মিন আমালী আবিল হুসাইন বিন বিশরান (পৃষ্ঠা: -)
6 - أَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، نا إِسْحَاقُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ مَيْمُونٍ، نا حَرَمِيُّ بْنُ حَفْصٍ أَبُو عَلِيٍّ، نا عُبَيْدُ بْنُ مِهْرَانَ، قَالَ: سَمِعْتُ الْحَسَنَ ، يُحَدِّثُ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم: «أَيَعْجَزُ أَحَدُكُمْ أَنْ يَعْمَلَ كُلَّ يَوْمٍ عَمَلا مِثْلَ أُحُدٍ؟» .

قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ ، وَمَنْ يَسْتَطِيعُ أَنْ يَعْمَلَ كُلَّ يَوْمٍ عَمَلا مِثْلَ أُحُدٍ؟ قَالَ: «كُلُّكُمْ تَسْتَطِيعُهُ» .

قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ ، مَاذَا؟ قَالَ: ‌‌«سُبْحَانَ اللَّهِ أَعْظَمُ مِنْ أُحُدٍ، وَلا إِلَهَ إِلا اللَّهُ أَعْظَمُ مِنْ أُحُدٍ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ أَعْظَمُ مِنْ أُحُدٍ»

أَنَا أَبُو عَمْرٍو
عُثْمَانُ بْنُ السَّمَّاكِ، نا أَحْمَدُ بْنُ الْعَبَّاسِ، نا أَبُو بَكْرٍ ابْنُ بِنْتِ مُعَاوِيَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا بَكْرِ بْنَ عَفَّانَ، قَالَ: سَمِعْتُ بِشْرَ بْنَ الْحَارِثِ ، يَقُولُ: إِنِّي لأَشْتَهِي الشِّوَاءَ مُنْذُ أَرْبَعِينَ سَنَةً مَا صَفَا لِي دِرْهَمُهُ ".

نا أَبُو عَمْرٍو عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، نا عُمَرُ بْنُ سَعِيدٍ الْقَرَاطِيسِيُّ، قَالَ: قَالَ ابْنُ أَبِي الدُّنْيَا: قَالَ رَجُلٌ لِبِشْرِ بْنِ الْحَارِثِ: يَا أَبَا نَصْرٍ ، لا أَدْرِي بِأَيِّ شَيْءٍ آكُلُ خُبْزِي؟ قَالَ: إِذَا أَرَدْتَ أَنْ تَأْكُلَ خُبْزَكَ ، فَاذْكُرِ الْعَافِيَةَ فَاجْعَلْهَا إِدَامَكَ
৬ - আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমাদ বিন সুলাইমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন আল-হাসান বিন মাইমুন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হারামি বিন হাফস আবু আলী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদ বিন মিহরান, তিনি বলেন: আমি হাসানকে ইমরান বিন হুসাইন থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমাদের মধ্যে কেউ কি প্রতিদিন উহুদ পাহাড়ের সমপরিমাণ আমল করতে অক্ষম?» .

তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, প্রতিদিন উহুদ পাহাড়ের মতো আমল করার সামর্থ্য কার আছে? তিনি বললেন: «তোমাদের সকলেরই সেই সামর্থ্য আছে» .

তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, তা কী? তিনি বললেন: ‌‌«সুবহানাল্লাহ উহুদ অপেক্ষা মহান, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ উহুদ অপেক্ষা মহান, এবং আল্লাহু আকবার উহুদ অপেক্ষা মহান»

আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর
উসমান বিন আস-সাম্মাক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন আল-আব্বাস, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবন বিন্তি মুয়াবিয়া, তিনি বলেন: আমি আবু বকর বিন আফফানকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি বিশর বিন আল-হারিসকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: "আমি চল্লিশ বছর যাবৎ ঝলসানো গোশত খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা করছি, কিন্তু আমার নিকট তার দিরহাম (ক্রয়মূল্য) হালালরূপে অর্জিত হয়নি।" .

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর উসমান বিন আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর বিন সাঈদ আল-কারাতিসি, তিনি বলেন: ইবনুল আবিদ দুনইয়া বলেছেন: এক ব্যক্তি বিশর বিন আল-হারিসকে বললেন: হে আবু নাসর, আমি জানি না কী দিয়ে রুটি খাব? তিনি বললেন: "যখন তুমি রুটি খেতে চাইবে, তখন সুস্থতার কথা স্মরণ করো এবং সেটাকেই তোমার তরকারি বানিয়ে নাও।"
(খণ্ড: ১) আস-সানী মিন আমালী আবিল হুসাইন বিন বিশরান (পৃষ্ঠা: -)
7 - أَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ السَّمَّاكِ، قَالَ: قَالَ الْقَاسِمُ بْنُ مُنَبِّهٍ: سَمِعْتُ بِشْرًا ، يَقُولُ: قَالَتْ عَائِشَةُ: «لَوْ شِئْنَا أَنْ نَشْبَعَ شَبِعْنَا ، وَلَكِنَّ‌‌ مُحَمَّدًا ، صلى الله عليه وسلم ، كَانَ يُؤْثِرُ عَلَى نَفْسِهِ»
৭ - আমি উসমান বিন আহমাদ বিন আস-সাম্মাক, তিনি বলেন: আল-কাসিম বিন মুনাব্বিহ বলেন: আমি বিশরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) বলেন: «আমরা যদি পরিতৃপ্ত হতে চাইতাম তবে পরিতৃপ্ত হতে পারতাম, কিন্তু মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিজের ওপর অন্যদের প্রাধান্য দিতেন।»
(খণ্ড: ১) আস-সানী মিন আমালী আবিল হুসাইন বিন বিশরান (পৃষ্ঠা: -)
8 - نا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ الْفَاكِهِيُّ ، بِمَكَّةَ، نا أَبُو يَحْيَى بْنُ أَبِي مَسَرَّةَ، نا الْعَلاءُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ، نا أَبُو عُمَيْرٍ ، يَعْنِي: الْحَارِثَ بْنَ عُمَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: "‌‌ كُنَّا نَقُولُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم: أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَعُثْمَانُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ "

أَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، نا الْحَسَنُ بْنُ عَمْرٍو، قَالَ: سَمِعْتُ بِشْرَ بْنَ الْحَارِثِ، يَقُولُ: قَالَ الْفُضَيْلُ بْنُ عِيَاضٍ لِسُفْيَانَ ، رَحْمَةُ اللَّهُ عَلَيْهِمَا: إِنْ كُنْتَ تُحِبُّ أَنْ يَكُونَ النَّاسُ مِثْلَكَ ، فَمَا أَدَّيْتَ النَّصِيحَةَ لِرَبِّكَ ، عز وجل ، كَيْفَ وَأَنْتَ تُحِبُّ أَنْ يَكُونُوا دُونَكَ؟ ".
৮ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আল-ফাকিহি মক্কায়, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু ইয়াহইয়া ইবনে আবি মাসাররাহ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আলা ইবনে আবদিল জাব্বার, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু উমাইর — অর্থাৎ হারিস ইবনে উমাইর — আবদুল্লাহ ইবনে নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "‌রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে আমরা বলতাম: আবু বকর, উমর ও উসমান (আল্লাহ তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) তাঁদের সম্পর্কে।"

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উসমান ইবনে আহমদ, আমাদের বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে আমর, তিনি বলেন: আমি বিশর ইবনুল হারিসকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: ফুযাইল ইবনে ইয়াজ সুফিয়ানকে বলেছিলেন (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের ওপর রহমত বর্ষণ করুন): "যদি আপনি পছন্দ করেন যে মানুষ আপনার মতো হোক, তবে আপনি আপনার মহান ও মহিমান্বিত রবের প্রতি একনিষ্ঠতা (নসিহত) পূর্ণরূপে পালন করেননি; তবে আপনার অবস্থা কী হবে যখন আপনি পছন্দ করেন যে তারা আপনার চেয়ে নিম্নস্তরের হোক?"।
(খণ্ড: ১) আস-সানী মিন আমালী আবিল হুসাইন বিন বিশরান (পৃষ্ঠা: -)
9 - أَنَا أَبُو سَهْلٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زِيَادٍ الْقَطَّانُ، نا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عِيسَى، نا أَبُو سَلَمَةَ الْمَغْرِبِيُّ، نا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عُمَرَ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ سَمِعَهُ ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم: " إِنَّ‌‌ رَجُلا مِنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ كَانَ يُسْلِفُ النَّاسَ إِذَا أَتَاهُ رَجُلٌ بِوَكِيلٍ، فَأَتَاهُ رَجُلٌ فَقَالَ: يَا أَبَا فُلانٍ ، أَسْلِفْنِي سِتَّ مِائَةِ دِينَارٍ.

قَالَ: نَعَمْ، قَالَ: وَأَيْنَ وَكِيلُكَ؟ قَالَ: اللَّهُ وَكِيلِي، قَالَ: سُبْحَانَ اللَّهِ ، نَعَمْ قَبِلْتُ، عُدَّ له سِتَّ مِائَةِ دِينَارٍ ، وَضَرَبَ لَهُ أَجَلا.

وَرَكِبَ الْبَحْرَ الآخَرُ بِالْمَالِ يَتَّجِرُ فِيهِ ، فَقَدَّرَ اللَّهُ ، عز وجل ، أَنْ حَلَّ الأَجَلُ وَلَمْ يُقْدِمِ الآخَرُ وَارْتَجَّ الْبَحْرُ بَيْنَهُمَا وَغَدَا رَبُّ الْمَالِ إِلَى السَّاحِلِ يَسْأَلُ عَنْهُ ، فَيَقُولُ الَّذِي يَسْأَلُهُمْ: تَرَكْنَاهُ بِفُرْقَةِ كَذَا وَكَذَا ، قَالَ رَبُّ الْمَالِ: اللَّهُمَّ أَخْلَفَنِي فُلانًا ، وَإِنَّمَا أَعْطَيْتُهُ لَكَ، وَانْطَلَقَ الَّذِي عَلَيْهِ الْمَالُ فَنَجَرَ خَشَبَةً حِينَ حَلَّ الأَجَلُ فَجَعَلَ الْمَالَ فِي جَوْفِهَا وَكَتَبَ إِلَيْهِ بِصَحِيفَةٍ: مِنْ فُلانٍ إِلَى فُلانٍ ، إِنِّي قَدْ دَفَعْتُ مَالَكَ إِلَى وَكِيلِيَ الَّذِي تَوَكَّلَ لِي.

ثُمَّ سَدَّ عَلَى فَمِ الْخَشَبَةِ فَرَمَى بِهَا فِي عَرْضِ الْبَحْرِ ، فَأَقْبَلَ الْبَحْرُ يَهْوِي بِهَا حَتَّى رَمَى بِهَا إِلَى السَّاحِلِ، وَغَدَا رَبُّ الْمَالِ يَسْأَلُ عَنْ صَاحِبِه كَمَا يَسْأَلُ فَيَنُجِّرُ الخَشَبَةَ فَحَمَلَهَا إِلَى أَهْلِهِ، فَقَالَ: أَوْقِدُوا هَذِهِ الْخَشَبَةَ ، فَانْتَثَرَتِ الدَّنَانِيرُ مِنْهَا وَالصَّحِيفَةُ فَقَرَأَهَا فَعَرَفَ ، وَقَدِرَ الآخَرُ فَقَدِمَ بَعْدَ ذَلِكَ ، فَأَتَاهُ رَبُّ الْمَالِ فَقَالَ: يَا فُلانُ ، مَالِي ، قَدْ طَالَتِ النَّظْرَةُ.

قَالَ: نَعَمْ ، قَالَ: مَالُكَ فَقَدْ دَفَعْتُهُ إِلَى وَكِيلِيَ الَّذِي تَوَكَّلَ لَهُ ، وَأَمَّا أَنْتَ فَهَذَا مَالُكَ فَخُذْهُ، قَالَ: وَكَذَلِكَ قَدْ أَوْفَانِي ، قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: قَدْ رَأَيْتُنَا عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، يَكْثُرُ مِرَاؤُنَا وَلَغَطُنَا أَيُّهُمَا أَحَقُّ "

أَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ دَعْلَجُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ دَعْلَجٍ، نا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ الأَعْلَى، يَقُولُ: قَالَ لِي الْمُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ: لَوْلا أَنَّكَ مِنْ أَهْلِي مَا حَدَّثْتُكَ بِذَا، عَنْ أَبِي: مَكَثَ أَبِي ، رحمه الله ، أَرْبَعِينَ سَنَةً يَصُومُ يَوْمًا وَيُفْطِرُ يَوْمًا ، وَيُصَلِّي صَلاةَ الْفَجْرِ بِوُضُوءِ الْعِشَاءِ.
৯ - আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু সাহল আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন যিয়াদ আল-কাত্তান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ঈসা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালামা আল-মাগরিবি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আওয়ানাহ, তিনি উমর বিন আবি সালামা থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি তাঁকে বলতে শুনেছেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই‌‌ বনী ইসরাঈলের এক ব্যক্তি ছিল যে মানুষকে ঋণ দিত যখন কোনো ব্যক্তি তার কাছে কোনো জামিনদার নিয়ে আসত। অতঃপর এক ব্যক্তি তার কাছে এসে বলল: হে অমুকের পিতা, আমাকে ছয়শ দিনার ঋণ দিন।

তিনি বললেন: হ্যাঁ। তিনি (ঋণদাতা) বললেন: তোমার জামিনদার কোথায়? তিনি বললেন: আল্লাহ-ই আমার জামিনদার। তিনি বললেন: সুবহানাল্লাহ, হ্যাঁ, আমি কবুল করলাম। তিনি তার জন্য ছয়শ দিনার গণনা করলেন এবং তার জন্য একটি সময়সীমা নির্ধারণ করে দিলেন।

অতঃপর দ্বিতীয় জন (ঋণগ্রহীতা) সেই অর্থ নিয়ে ব্যবসা করার জন্য সমুদ্রে পাড়ি জমাল। মহান আল্লাহ ফয়সালা করলেন যে, নির্ধারিত সময় উপস্থিত হলো কিন্তু সেই ব্যক্তি ফিরে আসতে পারল না এবং তাদের উভয়ের মাঝে সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠল। অর্থের মালিক সমুদ্রসৈকতে গিয়ে তার সম্পর্কে খোঁজ নিতে লাগল। যাদের সে জিজ্ঞাসা করছিল তারা বলছিল: আমরা তাকে অমুক অমুক জায়গায় বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রেখে এসেছি। অর্থের মালিক বলল: হে আল্লাহ, আপনি অমুক ব্যক্তির পক্ষ থেকে আমার পাওনা আদায়ের ব্যবস্থা করে দিন, কারণ আমি আপনার ওপর ভরসা করেই তাকে তা দিয়েছিলাম। এদিকে যার ওপর ঋণের বোঝা ছিল, সময়সীমা উপস্থিত হলে সে একটি কাঠ খোদাই করল এবং তার ভেতরে অর্থগুলো রেখে দিল এবং তার সাথে একটি চিরকুট লিখে দিল: অমুকের পক্ষ থেকে অমুকের প্রতি, নিশ্চয়ই আমি আপনার অর্থ আমার সেই জামিনদারের নিকট সোপর্দ করেছি যিনি আমার পক্ষ থেকে জামিন হয়েছিলেন।

অতঃপর সে কাঠের মুখটি বন্ধ করে তা সমুদ্রের বিশালতায় নিক্ষেপ করল। সমুদ্র সেটিকে নিয়ে ভাসতে লাগল যতক্ষণ না তা সৈকতে গিয়ে ভিড়ল। অর্থের মালিক প্রতিদিনের মতো তার সঙ্গীর খোঁজ নিতে সৈকতে গেল এবং কাঠটি দেখতে পেয়ে তা নিজের পরিবারের জন্য (জ্বালানি হিসেবে) বহন করে নিয়ে গেল। সে বলল: এই কাঠটি জ্বালাও। তখন তা থেকে দিনারগুলো এবং চিরকুটটি বেরিয়ে এল। সে তা পাঠ করল এবং বিষয়টি বুঝতে পারল। এদিকে অপর ব্যক্তি সক্ষম হওয়ার পর ফিরে এল। তখন অর্থের মালিক তার কাছে এল এবং বলল: হে অমুক, আমার অর্থ? অনেক সময় পার হয়ে গেল।

সে বলল: হ্যাঁ। সে বলল: আপনার অর্থ আমি আমার সেই জামিনদারের কাছে সোপর্দ করেছি যিনি তার জামিন হয়েছিলেন। আর আপনার কাছে যা আছে এটি আপনারই অর্থ, আপনি তা গ্রহণ করুন। তিনি বললেন: তিনিও (আল্লাহ) আমাকে পূর্ণ হক আদায় করে দিয়েছেন। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট থাকাকালীন আমাদের মাঝে এ নিয়ে প্রচুর তর্ক-বিতর্ক ও বাদানুবাদ চলত যে, তাদের দুজনের মধ্যে কে বেশি হকের ওপর ছিল।"

আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ দালাজ বিন মুহাম্মদ বিন দালাজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন আবি তালিব, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ বিন আব্দুল আলাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: মুতামির বিন সুলাইমান আমাকে বলেছেন: তুমি যদি আমার পরিবারের লোক না হতে তবে আমি তোমার কাছে এটি বর্ণনা করতাম না; আমার পিতা থেকে বর্ণিত: আমার পিতা (রাহিমাহুল্লাহ) চল্লিশ বছর এমনভাবে অতিবাহিত করেছেন যে, তিনি একদিন রোজা রাখতেন এবং একদিন ইফতার করতেন, আর ইশার অজু দিয়ে ফজরের সালাত আদায় করতেন।
(খণ্ড: ১) আস-সানী মিন আমালী আবিল হুসাইন বিন বিশরান (পৃষ্ঠা: -)
10 - أَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مَحْمُودٍ الْمِصْرِيُّ، نا يَحْيَى بْنُ عُثْمَانَ بْنِ صَالِحٍ، نا عَبْدُ الْغَفَّارِ دَاوُدُ، نا عَبْدُ الرَّزَّاقِ بْنُ عُمَرَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ النَّبِيَّ ، صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: ‌‌«لِكُلِّ أُمَّةٍ أَمِينٌ وَأَمِينُ أُمَّتِي أَبُو عُبَيْدَةَ بْنُ الْجَرَّاحِ»

أَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، نا الْحَسَنُ بْنُ عَمْرٍو، قَالَ:
سَمِعْتُ بِشْرَ بْنَ الْحَارِثِ ، يَقُولُ: أَوْحَى اللَّهُ ، تَعَالَى ، إِلَى دَاوُدَ عليه السلام: يَا دَاوُدُ ، إِنِّي لَمْ أَخْلُقُ الشَّهَوَاتِ إِلا لِلضُّعَفَاءِ مِنْ عِبَادِي، فَأَمَّا الأَبْطَالُ فَمَا لَهُمْ وَلَهَا ".

آخِرُ الأَحَادِيثِ الْمُجَرَّدَةِ مِنَ الْجُزْءِ الثَّانِي مِنْ أَمَالِي أَبِي بِشْرَانَ ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَالصَّلاةُ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِهِ.

نَقَلَهُ مِنْ خَطِّهِ الْفَقِيهُ الْخَطِيبُ أَبُو عُثْمَانَ بْنُ عِيسَى ، حَفِظَهُ اللَّهُ ، وَذَكَرَ أَنَّهُ نَقَلَهُ مِنْ خَطِّ صَاحِبِنَا أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رُشَيْدٍ ، حَفِظَهُ اللَّهُ يَحْيَى بْنِ أَبِي طَالِبِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْعَرَفِيِّ ، رَفَعَهُ اللَّهُ ، بِمَدِينَةِ مُلْقَا ضُحَى يَوْمِ الأَحَدِ السَّادِسِ وَالْعِشْرِينَ لِجُمَادَى الثَّانِيَة سَنَةَ تِسْعٍ وَسَبْعِ مِائَةٍ.
১০ - আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আলী বিন মাহমুদ আল-মিসরী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন উসমান বিন সালিহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল গাফফার দাউদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক বিন উমর, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «প্রত্যেক উম্মতের একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তি থাকে, আর আমার উম্মতের বিশ্বস্ত ব্যক্তি হলেন আবু উবাইদাহ বিন আল-জাররাহ।»

আমাকে সংবাদ দিয়েছেন উসমান বিন আহমাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান বিন আমর, তিনি বলেন:
আমি বিশর বিন আল-হারিসকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: মহান আল্লাহ দাউদ (আলাইহিস সালাম)-এর প্রতি ওহী অবতীর্ণ করেছেন: "হে দাউদ, আমি আমার বান্দাদের মধ্যে কেবল দুর্বলদের জন্যই প্রবৃত্তির চাহিদা সৃষ্টি করেছি; পক্ষান্তরে যারা বীর, তাদের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।"

আবু বিশরানের 'আমালি' গ্রন্থের দ্বিতীয় খণ্ড হতে সংগৃহীত একক হাদীসসমূহের সমাপ্তি। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য এবং আমাদের নেতা মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবারের প্রতি দরুদ বর্ষিত হোক।

ফকীহ আল-খাতীব আবু উসমান বিন ঈসা (আল্লাহ তাকে হিফাযত করুন) এটি মূল পাণ্ডুলিপি থেকে নকল করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তিনি এটি আমাদের সাথী আবু আব্দুল্লাহ বিন রুশাইদ (আল্লাহ তাকে হিফাযত করুন) ইয়াহইয়া বিন আবি তালিব বিন মুহাম্মদ বিন আল-আরাফী (আল্লাহ তাঁর মর্যাদা বৃদ্ধি করুন)-এর হস্তলিপি থেকে নকল করেছেন। এটি সম্পন্ন হয়েছে মালাগা শহরে, ৭০৯ হিজরি সনের ২৬শে জুমাদাস সানি, রবিবার চাশতের সময়।